পরীক্ষা আর্কাইভ

২০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা

পরীক্ষাPSCতারিখ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৮সময়45 minutes৯৮ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১০০
সিলেবাস
২০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার মূল প্রশ্ন ও সমাধান
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

২০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা

PSC · ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৮ · ১০০ প্রশ্ন

.
'পদ' বলতে কি বোঝায়?
  1. কবিতা
  2. যে কোনো শব্দ
  3. প্রত্যয়ান্ত শব্দ বা ধাতু
  4. বিভক্তিযুক্ত শব্দ
ব্যাখ্যা
• পদ:
- শব্দে বিভক্তি যুক্ত হলেই তাকে পদ বলা হয়। অর্থাৎ, বিভক্তি যুক্ত শব্দকে পদ বলে।
- বাক্যে ব্যবহৃত প্রতিটি শব্দ বিভক্তিযুক্ত।
- যেসব শব্দে বিভক্তি দেখা যায় না সেসব শব্দে শূন্য বিভক্তি থাকে। তাই বাক্যের প্রতিটি শব্দই পদ।

পদগুলো প্রধানত দুই প্রকার। 
যথা- সব্যয় পদ ও অব্যয় পদ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী (২০১৯ সংস্করণ)।
.
কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. শুশ্রুষা
  2. সুশ্রুষা
  3. শুশ্রূষা
  4. সুশ্রুসা
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান: শুশ্রূষা। 
- বিশেষ্য পদ। 
- সংস্কৃত শব্দ। 
- প্রকৃতি প্রত্যয় = [শুশ্রূষা+√কৃ+ইন্+ঈ]
অর্থ: পরিচর্যা, সেবা।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
ঠোঁট-কাটা বলতে কি বুঝায়?
  1. অহংকারী
  2. স্পষ্টভাষী
  3. মিথ্যাবাদী
  4. পক্ষপাতদুষ্ট
ব্যাখ্যা
• 'ঠোঁট কাটা' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - স্পষ্টভাষী/বেহায়া।

• গুরত্বপূর্ণ কিছু বাগ্‌ধারা:
- ‘কেউকেটা’ অর্থ - তুচ্ছ।
- ‘কালেভাদ্রে’ অর্থ - কদাচিৎ।
- ‘কান কাটা’ অর্থ - বেহায়া।
- ‘পায়া ভারি’ অর্থ - অহঙ্কার।
- ‘কানকাটা’ অর্থ - বেহায়া।
- 'কেউ কেটা' অর্থ - সামান্য ।
- ‘কূপমুণ্ডুক' অর্থ - সীমাবদ্ধ জ্ঞান।


উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'বিষাদ-সিন্ধু' কার রচনা?
  1. কায়কোবাদ
  2. মীর মশাররফ হোসেন
  3. মোজাম্মেল হক
  4. ইসমাইল হোসেন সিরাজী
ব্যাখ্যা
• ‘বিষাদ-সিন্ধু’ উপন্যাস:
- মীর মশাররফ হোসেনের খ্যাতি মূলত এ গ্রন্থটির জন্যেই। 'বিষাদ-সিন্ধু' (১৮৮৫- '৯১) একটি ইতিহাস আশ্রিত উপন্যাস।
- হাসান ও হোসেনের সঙ্গে দামেস্ক অধিপতি মাবিয়ার একমাত্র পুত্র এজিদের কারবালা প্রান্তরের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ এবং ইমাম হাসান-হোসেনের করুণ মৃত্যুকাহিনি 'বিষাদ-সিন্ধু' গ্রন্থে বর্ণিত মূল বিষয়।
- মূল ঘটনার ঐতিহাসিক সত্যতা থাকলেও গ্রন্থটিতে ইতিহাসের অন্ধ অনুসরণ করা হয় নি।
- 'বিষাদ-সিন্ধু' উপন্যাসটি 'মহরম পর্ব্ব' (১৮৮৫), 'উদ্ধার পর্ব্ব' (১৮৮৭) ও 'এজিদ-বধ পর্ব্ব' (১৮৯১) এই তিনটি পর্বে সম্পন্ন হয়েছে।
- গ্রন্থটি উপক্রমণিকা ও উপসংহারসহ মোট তেষট্টিটি 'প্রবাহ' অর্থাৎ অধ্যায় নিয়ে লিখিত।
- তন্মধ্যে 'মহরম পর্ব্বে' উপক্রমণিকা ও ছাব্বিশটি প্রবাহ, 'উদ্ধার পর্ব্বে' ত্রিশটি প্রবাহ, 'এজিদ-বধ পর্ব্বে' পাঁচটি প্রবাহ ও উপসংহার-অংশ রয়েছে।
- প্রথমত ইসলাম ধর্ম সম্পর্কিত স্পর্শকাতর কাহিনি সাধারণ মুসলিম পাঠকের কাছে এর জনপ্রিয়তার প্রধান কারণ।
- দ্বিতীয়ত 'বিষাদ-সিন্ধু'র জাদুকরী রচনাগুণের জন্যে সাহিত্যরসিকজনের কাছেও গ্রন্থটি আদরণীয়।
- জয়নাবের রূপে বিমোহিত এজিদ এবং এই রূপতৃষ্ণার পরিণামে বহু মানুষের বিপর্যয় ও ধ্বংসের যে কথকতা বর্ণিত হয়েছে তা গ্রন্থটিকে সর্বজনীন করে তুলেছে।
- 'বিষাদ-সিন্ধু'র কাহিনিতে অ্যান্টি-এস্টাব্লিশমেন্ট চেতনা মূলত মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'মেঘনাদবধ কাব্য' থেকেই মীর মশাররফ হোসেন গ্রহণ করেছেন।

---------------------------
• মীর মশাররফ হোসেন:
- ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার লাহিনীপাড়ায় তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক।
- তিনি ছাত্রাবস্থায় 'সংবাদ প্রভাকর' ও কুমারখালির 'গ্রামবার্তা প্রকাশিকা'র মফঃস্বল সংবাদদাতার দায়িত্ব পালন করেন।
এখানেই তাঁর সাহিত্যজীবনের শুরু।
- গ্রামবার্তার সম্পাদক কাঙাল হরিনাথ ছিলেন তাঁর সাহিত্যগুরু।
- তিনি 'আজিজননেহার' ও 'হিতকরী' নামে দুটি পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।
- তিনি ছিলেন বঙ্কিমযুগের অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও উনিশ শতকের বাঙালি মুসলমান সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ।
- তিনি 'গাজী মিয়াঁ' ছদ্মনামে লিখতেন।
- তাঁর প্রথম গ্রন্থ 'রত্নবতী'(১৮৬৯)। এটি কোন মুসলিম রচিত প্রথম বাংলা গদ্যগ্রন্থ।

• তাঁর রচিত নাটক:
- বসন্তকুমারী,
- জমিদার দর্পণ,
- বেহুলা গীতাভিনয়। 

• তাঁর রচিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ:
- গাজী মিয়াঁর বস্তানী,
- আমার জীবনী,
- কুলসুম জীবনী।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- গো-জীবন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
কোনটি কাব্যগ্রন্থ?
  1. শেষ প্রশ্ন
  2. শেষ লেখা
  3. শেষের কবিতা
  4. শেষের পরিচয়
ব্যাখ্যা
• 'শেষলেখা' কাব্যগ্রন্থ:
- শেষলেখা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা কাব্যগ্রন্থ।
- এটি ১৯৪১ সালে তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়।
- এটির নামকরণ রবীন্দ্রনাথ নিজে করে যেতে পারেন নি।
- অধিকাংশ রচনা তাঁর জীবনের শেষ কয়েকদিনে রচনা।
- কয়েকটি কবিতা মুখে মুখে রচিত। 

'শেষলেখা' কাব্যগ্রন্থে তিনি লিখেছেন-
"রূপ-নারানের কূলে,
জেগে উঠিলাম;
জানিলাম এ জগৎ
স্বপ্ন নয়।"

অন্যদিকে,
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ছোটগল্প - শেষ কথা।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস - শেষের কবিতা।
- শরৎচন্দ্রের উপন্যাস - শেষ প্রশ্ন ও শেষের পরিচয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ কোনটি?
  1. রাজবন্দীর জবানবন্দী
  2. ব্যথার দান
  3. অগ্নিবীণা
  4. নবযুগ
ব্যাখ্যা
• কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত সাহিত্যকর্মসমূহ:
- প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নি-বীণা'।
- প্রথম প্রকাশিত কবিতা 'মুক্তি'।
- প্রথম প্রকাশিত প্রবন্ধ 'তুর্কমহিলার ঘোমটা খোলা'৷
- প্রথম প্রকাশিত প্রবন্ধগ্রন্থ 'যুগবাণী'৷
- প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ/গল্পগ্রন্থ 'ব্যথার দান'৷
- প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস 'বাঁধন-হারা'।
- প্রথম প্রকাশিত নাটক ও নাট্যগ্রন্থ 'ঝিলিমিলি'।
- প্রথম নিষিদ্ধকৃত গ্রন্থ 'যুগবাণী'।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস?
  1. চিলেকোঠার সেপাই
  2. আগুনের পরশমণি
  3. একাত্তরের দিনগুলি
  4. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
ব্যাখ্যা
• ‘আগুনের পরশমণি' উপন্যাস:
- হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস - আগুনের পরশমণি।
- উপন্যাসে ১৯৭১ সালের জুলাই মাসে অবরুদ্ধ ঢাকা শহরের সামগ্রিক চালচ্চিত্র অংকিত হয়েছে।
- উপন্যাসটি ১৯৮৬ সালে প্রকাশিত হয়েছে।
- এই উপন্যাসে অপরিচিত গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা বদিউল আলমকে আশ্রয় দেয় মতিন সাহেব নামে একজন ভদ্রলোক। এভাবেই এই উপন্যাসের কাহিনি শুরু হয়েছে।

অন্যদিকে,
- ঊনসত্তরের গণ-অভ্যত্থান নিয়ে আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের উপন্যাস - চিলেকোঠার সেপাই।
- একাত্তরের দিনগুলি জাহানারা ইমাম রচিত মুক্তিযুদ্ধকালীন দিনলিপি।
- পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় - সৈয়দ শামসুল হক রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাটক।

--------------------------
• হুমায়ূন আহমেদ:
- তিনি কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক ছিলেন।
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালে নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে তাঁর মাতামহের বাড়িতে।
- তাঁর পৈত্রিক বাড়ি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রাম।
- তাঁর পিতা ফয়জুর রহমান আহমেদ এবং মা আয়েশা আখতার খাতুন (বর্তমানে আয়েশা ফয়েজ নামে পরিচিত)।
- তিনি ২০১২ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস:
- জোছনা ও জননীর গল্প,
- আগুনের পরশমণি,
- শ্যামল ছায়া,
- সৌরভ,
- অনীল বাগচীর একদিন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
কোনটি শামসুর রাহমানের রচনা?
  1. নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি
  2. নির্জন স্বাক্ষর
  3. নিরালোকে দিব্যরথ
  4. নির্বাণ
ব্যাখ্যা
• শামসুর রাহমানের রচিত 'নিরালোকে দিব্যরথ' একটি কাব্যগ্রন্থ।
- এটি ১৯৬৮ সালে প্রকাশিত হয়।

অন্যদিকে,
- ‘নিরন্তর ঘন্টাধ্বনি’ উপন্যাসটির লেখক সেলিনা হোসেন।
- 'নির্জন স্বাক্ষর' জীবনানন্দ দাশ রচিত কবিতা। 

------------------
• শামসুর রাহমান:
- তিনি ১৯২৯ সালের ২৩ অক্টোবর পুরান ঢাকার ৪৬ নম্বর মাহুতটুলীতে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈত্রিক বাড়ি শামসুর রহমানে জেলার রায়পুর থানার পাড়াতলী গ্রামে।
- শামসুর রহমান বিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম কবি হিসেবে খ্যাত।

শামসুর রাহমান রচিত কিছু উপন্যাস:
- অক্টোপাস,
- নিয়ত মন্তাজ,
- এলো সে অবেলায়।

শামসুর রাহমান রচিত কিছু উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে'
- প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে,
- রৌদ্র করোটিতে,
- বিধ্বস্ত নীলিমা,
- নিরালোকে দিব্যরথ,
- নিজ বাসভূমে,
- বন্দী শিবির থেকে,
- ফিরিয়ে নাও ঘাতক কাঁটা,
- আমি অনাহারী,
- প্রতিদিন ঘরহীন ঘরে,
- উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ,
- বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়,
- হরিণের হাড়,
- তুমি নিঃশ্বাস তুমি হৃদস্পন্দন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া।
.
'বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর নদে এল বান' - এখানে 'টাপুর টুপুর' কোন ধরনের শব্দ?
  1. অবস্থাবাচক শব্দ
  2. বাক্যালঙ্কার শব্দ
  3. ধ্বন্যাত্মক শব্দ
  4. দ্বিরুক্ত শব্দ
ব্যাখ্যা
• কোনো প্রাকৃতিক ধ্বনির অনুকরণে যেসব শব্দ তৈরি হয়, সেগুলোকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে। প্রশ্নে 'টাপুর-টুপুর' বৃষ্টির ধ্বনিকে নির্দেশ করে। সুতরাং, টাপুর-টুপুর' ধ্বন্যাত্বক দ্বিরুক্ত শব্দ। 

শব্দদ্বিত্ব তিন ধরণের। যথা:
১. অনুকার দ্বিত্ব,
২. ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব,
৩. পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব।

• ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব:
কোনো প্রাকৃতিক ধ্বনির অনুকরণে যেসব শব্দ তৈরি হয়, সেগুলোকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে।
যেমন- ঠন একটি ধ্বন্যাত্মক শব্দ। ঠন শব্দটি পর পর দুই বার বা কখনো ততোধিক বার ব্যবহৃত হলে ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব সৃষ্টি হয়।

কয়েকটি ধ্বন্যাত্বক দ্বিত্বের উদাহরণ:
কুট কুট, কোঁত কোঁত, কুটুস কুটুস, খক খক, খুটুর খুটুর, টুং টুং, ঢং ঢং, ঝমঝম, ধুপ ধুপর শোঁ শোঁ ইত্যাদি।

• কিছু ক্ষেত্রে ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্বের মাঝখানে স্বরধ্বনির আগমন ঘটে। এ ধরনের কোনো কোনো ধ্বন্যাত্মক শব্দে প্রথম অংশের পরে আ-এর বিধান ঘটার ফলে আর-এক ধরনের অব্যাহত ব্যাপ্তির অর্থ সূচিত হয়।
যেমন: খপাখপ, টাপুর-টুপুর, হবাগব, ঝটাঝট, ফটাফট, দমাদম, পটাপট।

উল্লেখ্য, পুরনো বোর্ড বইয়ে টাপুর-টুপুর শব্দটি অব্যয় দ্বিরুক্তি হিসেবে দেয়া আছে। তবে অব্যয় পদ বা দ্বিরুক্তি ব্যাকরণের নতুন সংস্করণ থেকে বাদ দেয়া হয়েছে।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ ও বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১০.
কোনটি দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ ?
  1. সিংহাসন
  2. ভাই-বোন
  3. কানাকানি
  4. গাছপাকা
ব্যাখ্যা
• দ্বন্দ্ব সমাস:
যে সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ- উভয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। এই সমাসে ব্যাসবাক্যে পূর্বপদ ও পরপদের সম্বন্ধ স্থাপনে ও, এবং, আর- এই তিনটি অব্যয় ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
- ভাই ও বোন = ভাইবোন।
- তাল ও তমাল = তালতমাল।
- দোয়াত ও কলম = দোয়াতকলম।
- মাতা ও পিতা = মাতাপিতা।

অন্যদিকে,
• সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন; মধ্যপদলােপী কর্মধারয়।
• কানে কানে যে কথা = কানাকানি; ব্যতিহার বহুব্রীহি।
• গাছে পাকা = গাছপাকা; তৎপুরুষ সমাস।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
১১.
'যা সহজে অতিক্রম করা যায় না' - এ বাক্যাংশের সংক্ষিপ্ত রূপ কি?
  1. অনতিক্রম্য
  2. অলঙ্ঘ্য
  3. দুরতিক্রম্য
  4. দুর্গম
ব্যাখ্যা
- 'যা সহজে অতিক্রম করা যায় না' এক কথায় বলে - দুরতিক্রম্য।

অন্যদিকে,
- যা অতিক্রম করা যায় না - অনতিক্রম্য।
- যাওয়া কষ্টসাধ্য - দুর্গম।
- গমনের অযোগ্য - অগম্য।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১২.
'ব্যাঙের সর্দি' - অর্থ কি?
  1. রোগ বিশেষ
  2. সম্ভাব্য ঘটনা
  3. অসম্ভব ঘটনা
  4. প্রতারণা
ব্যাখ্যা
• ‘ব্যাঙের সর্দি’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ - অসম্ভব ঘটনা।

• গুরুত্বপূর্ণ কিছু বাগ্‌ধারা হলো:
- ‘ব্যাঙের আধুলি’ অর্থ - সামান্য অর্থ। 
- 'ঝিঙেফুল ফোটা' অর্থ - আয়ু ফুরিয়ে আসা। 
- 'কালে ভদ্রে' অর্থ - কদাচিৎ। 
- 'কেউ কেটা' অর্থ - সামান্য। 
- 'গয়ংগচ্ছ' অর্থ - ঢিলেমি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৩.
'সংশপ্তক' কার রচনা?
  1. মুনীর চৌধুরী
  2. শহীদুল্লাহ কায়সার
  3. জহির রায়হান
  4. শওকত ওসমান
ব্যাখ্যা
• 'সংশপ্তক' উপন্যাস:
- শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত মহাকাব্যিক উপন্যাস 'সংশপ্তক' (১৯৬৫)।
- সংশপ্তক কথাটির অর্থ - যে সৈনিকেরা জীবনমরণ পণ করে যুদ্ধে লড়ে।
- লেখক এ ধরনের চেতনাকে ধারণ করে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অব্যবহিত পূর্ববর্তী কাল থেকে বায়ান্নত ভাষা আন্দোলনের পূর্বকাল অবধি বাংলাদেশের সামাজিক রাজনৈতিক পরিবর্তন ও রূপান্তর কে কেন্দ্র করে এই উপন্যাস রচনা করেছেন৷ তাই একে মহাকাব্যিক উপন্যাস বলা হয়।
- হিন্দু-মুসলিম সম্মিলিত জীবনযাপন, অসাম্প্রদায়িক জীবনবোধ এ উপন্যাসের বর্ণিত বিষয়। বিশ্বযুদ্ধ, দাঙ্গা, দুর্ভিক্ষ, সাম্প্রদায়িকতা ইত্যাদি প্রাসঙ্গিকভাবে উপন্যাসে এসেছে।

উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো হলো:
- রাবেয়া খাতুন (রাবু),
- জাহেদ,
- সেকেন্দার,
- মালু,
- হুরমতি,
- লেকু,
- রমজান,
- রামদয়াল ইত্যাদি।

----------------
শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত উপন্যাসগুলো হলো:
- সারেং বৌ,
- সংশপ্তক,
- কৃষ্ণচূড়া মেঘ,
- তিমির বলয়, 
- দিগন্তে ফুলের আগুন,
- সমুদ্র ও তৃষ্ণা,
- চন্দ্রভানের কন্যা, 
- কবে পোহাবে বিভাবরী (অসমাপ্ত)।
 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৪.
'একুশে ফেব্রুয়ারি' প্রথম সংকলনের সম্পাদক কে?
  1. শওকত ওসমান
  2. জহির রায়হান
  3. আব্দুল গণি হাজারী
  4. হাসান হাফিজুর রহমান
ব্যাখ্যা
• 'একুশে ফেব্রুয়ারী' সংকলন:
- ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারিতে বাংলা ভাষার জন্য ঢাকায় যে আত্মদান করা হয় তার স্মরণে ১৯৫৩ সালের মার্চ মাসে হাসান হাফিজুর রহমান 'একুশে ফেব্রুয়ারী' নামে একটি সাহিত্য সংকলন সম্পাদনা করেন।
- এর প্রকাশক ছিলেন মোহাম্মদ সুলতান।
- সম্পাদক ও প্রকাশক উভয়েই বামপন্থি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
- এই সংকলনে কবিতা, প্রবন্ধ, গল্প, গান, নক্শা, ইতিহাস শিরোনামে ৬টি বিভাগে মোট ২২ জন লেখক লিখেছেন।
- এই সংকলনেই প্রথম প্রকাশিত হয় আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী রচিত 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো' গানটি।
- প্রকাশের তিন সপ্তাহের মধ্যে পাকিস্তানের তৎকালীন সরকার সংকলনটি বাজেয়াপ্ত করে।

--------------------
• হাসান হাফিজুর রহমান:
- হাসান হাফিজুর রহমান ১৯৩২ সালে জামালপুরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশিত ভাষা আন্দোলন নিয়ে প্রথম সংকলন গ্রন্থ “একুশে ফেব্রুয়ারি”। এটি ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র - এর সম্পাদকও তিনি।

• হাসান হাফিজুর রহমান রচিত প্রবন্ধ:
- আধুনিক কবি ও কবিতা,
- মূল্যবোধের জন্য,
- সাহিত্য প্রসঙ্গ,
- আলোকিত গহ্বর ইত্যাদি।

• হাসান হাফিজুর রহমান রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- বিমুখ প্রান্তর,
- প্রতিবিম্ব,
- আর্ত শব্দাবলী,
- অন্তিম শহরের মতো,
- যখন উদ্যত সঙ্গীন,
- ভবিতব্যের বাণিজ্য তরী,
- শোকার্ত তরবারী ইত্যাদি।

• হাসান হাফিজুর রহমান রচিত গল্প:
- আরো দুটি মৃত্যু।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৫.
'নদী ও নারী' কার রচনা?
  1. কাজী আব্দুল ওদুদ
  2. আবুল ফজল
  3. শামসুদ্দিন আবুল কালাম
  4. হুমায়ুন কবির
ব্যাখ্যা
• 'নদী ও নারী' উপন্যাস:
- 'নদী ও নারী' উপন্যাসের রচয়িতা হুমায়ুন কবির।
- ১৯৪৫ সালে তাঁর 'নদী ও নারী' উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় এবং একই বছর 'Men and Rivers' নামে এর একটি ইংরেজি সংস্করণও প্রকাশিত হয়।
- এ উপন্যাসের পটভূমিতে রয়েছে চরের মানুষের জীবনালেখ্য।
- নজু মিয়া আর আসগর মিয়া দুই বন্ধু। তাদের জীবনের ঘটনাকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়েছে 'নদী ও নারী উপন্যাসের কাহিনি।
- এ উপন্যাসে তিনি পদ্মা নদীর পরিবেশে বাঙালি মুসলমান সমাজজীবনের একটি নিখুঁত চিত্র উপস্থাপন করেছেন।
- ১৯৬৫ সালে ঢাকায় উপন্যাসটি চলচ্চিত্রায়িত হয়।

------------------
• হুমায়ুন কবির:
- তিনি একাধারে রাজনীতিবিদ, লেখক, দার্শনিক ছিলেন।
- ১৯০৬ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ফরিদপুর জেলার কোমরপুর গ্রামে তাঁর জন্ম।
- তাঁর প্রকৃত নাম হুমায়ুন জহিরউদ্দিন আমির-ই-কবির।
- তিনি 'চতুরঙ্গ' পত্রিকা সম্পাদনা করে স্মরণীয় হয়ে আছেন।
- ১৯৬৯ সালের ১৮ আগস্ট হৃদরোগে তাঁর মৃত্যু হয়।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- স্বপ্নসাধ,
- সাথী,
- অষ্টাদশী।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- নদী ও নারী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৬.
কাজী নজরুল ইসলাম রচিত গ্রন্থ কোনটি?
  1. অগ্নিকোণ
  2. মরুশিখা
  3. মরুসূর্য
  4. রাঙাজবা
ব্যাখ্যা
• 'রাঙাজবা': 
- 'রাঙাজবা' হচ্ছে কাজী নজরুল ইসলাম রচিত শ্যামাসঙ্গীত বিষয়ক গ্রন্থ।
- ১০০টি শ্যামাসঙ্গীতে সমৃদ্ধ রাঙা-জবা গ্রন্থটি প্রকাশ করেন ২৪ পরগনার রাজীবপুরের বেগম মরিয়ম আজিজ।
- গ্রন্থটির প্রথম প্রকাশ ১ বৈশাখ ১৩৭৩ শুক্রবার ( এপ্রিল, ১৯৬৬ )।

রাঙা-জবা গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত শ্যামাসঙ্গীতগুলো হলো-
- বলে রে জবা বল,
- মহাকালের কোলে এসে,
- ভুল করেছি ওমা শ্যামা বনের পশু বলি দিয়ে,
- তোর কালো রূপ লুকাতে মা বৃথাই আয়োজন,
- (ওমা ) দুঃখ অভাব ঋণ যত মো,
- দুর্গতিনাশিনী আমার,
- যে নামে মা ডেকেছিল সুরথ আর শ্রীমন্ত তোরে,
- ওমা নির্গুণেরে প্রসাদ দিতে,
- আমায় যারা দেয় মা ব্যথা, আমায় যারা আঘাত করে।

অন্যদিকে,
- যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত রচিত কাব্য- মরুশিখা।
- আ.ন.ম. বজলুর রশীদ রচিত কাব্য- মরুসূর্য।

উৎস: 'রাঙা-জবা' কাজী নজরুল ইসলাম এবং বাংলাপিডিয়া।
১৭.
'আত্মঘাতী বাঙালি' কার রচিত গ্রন্থ?
  1. অশোক মিত্র
  2. দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
  3. নীরদচন্দ্র চৌধুরী
  4. অতুল সুর
ব্যাখ্যা
‘আত্মঘাতী বাঙালী’:
• নীরদচন্দ্র চৌধুরী রচিত গ্রন্থ- ‘আত্মঘাতী বাঙালী’। 

• শ্রীনীরদচন্দ্র চৌধুরী, যিনি ৯১ বছর বয়সে কলম ধরেছিলেন বই লেখার জন্য। নিজের সারা জীবনের অভিজ্ঞতার আলোগুলো বিশ্লেষণের মধ্য দিয়ে প্রকাশ করেছেন ‘আত্মঘাতী বাঙালী’ বইটিতে।

• বিবাহ ও দাম্পত্যজীবনের অনেক বিষয় নিয়ে বইটিতে আলোচনা করা হয়েছে। আলোচিত হয়েছে প্রেমের বিয়ে ও সম্বন্ধ করা বিয়ের পার্থক্য নিয়ে, যা কালে কালে পরিবর্তীত হয়েছে। এ ছাড়াও লেখকের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, সমাজে নারীর সতীত্ব নিয়ে যে বিশ্বাস ছিল-আছে-থাকবে, শরৎচন্দ্র নারীদের যেসব চরিত্রের মধ্য দিয়ে সমাজে চিত্রায়িত করেছেন, তার বাস্তবসম্মত বিশ্লেষণও জায়গা পেয়েছে। 




অন্যদিকে,
- আহমদ শরীফ রচিত কয়েকটি উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধ গবেষণা গ্রন্থ - বিচিত চিন্তা (১৯৮৬), স্বদেশ অন্বেষা (১৯৭০), বাঙালী ও বাঙলা সাহিত্য, স্বদেশ চিন্তা ইত্যাদি।
- 'ভবিষ্যতের বাঙালি' গ্রন্থটির রচয়িতা- এস ওয়াজেদ আলি।
- কাজী নজরুল ইসলাম রচিত প্রবন্ধ- 'বাঙালির বাংলা'। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; ‘আত্মঘাতী বাঙালী’ নীরদচন্দ্র চৌধুরী এবং বাংলাপিডিয়া।
১৮.
'সংস্কৃতির ভাঙা সেতু' গ্রন্থ কে রচনা করেছেন?
  1. মোতাহের হোসেন চৌধুরী
  2. বিনয় ঘোষ
  3. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
  4. রাধারমণ মিত্র
ব্যাখ্যা
• 'সংস্কৃতির ভাঙা সেতু' গ্রন্থটির রচয়িতা- 'আখতারুজ্জামান ইলিয়াস'। 
 
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস:
- পূর্ণনাম আখতারুজ্জামান মুহম্মদ ইলিয়াস। 
- ১৯৪৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি গাইবান্ধা জেলার গোটিয়া গ্রামে মাতুলালয়ে তাঁর জন্ম। 
- তাঁর পৈতৃক নিবাস বগুড়া শহরের নিকটবর্তী চেলোপাড়ায়।
• তিনি কথাসাহিত্যিক হিসেবে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেন। তাঁর লেখায় সমাজবাস্তবতা ও কালচেতনা গভীরভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। 
- বিশেষত, তাঁর রচনাশৈলীর ক্ষেত্রে যে স্বকীয় বর্ণনারীতি ও সংলাপে কথ্যভাষার ব্যবহার লক্ষণীয় তা সমগ্র বাংলা কথাশিল্পে অনন্যসাধারণ।

তাঁর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রচনা হলো: 
- অন্যঘরে অন্যস্বর, 
- দোজখের ওম,  
-  খোয়াবনামা, 
- সংস্কৃতির ভাঙা সেতু ইত্যাদি।

--------------------
উল্লেখ্য, 
- সংস্কৃতি কথা - মোতাহের হোসেন চৌধুরী। 
- সংস্কৃতির চড়াই উৎরাই - শওকত ওসমান।
- সভ্যতার সংকট - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৯.
কাক ভূষণ্ডির অর্থ কি?
  1. ষড়যন্ত্রকারী
  2. বাকসর্বস্ব
  3. দীর্ঘ প্রতীক্ষমাণ
  4. দীর্ঘায়ু ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
• ‘কাক-ভূষণ্ডি’ এর অর্থ - দীর্ঘায়ু ব্যক্তি।

• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগ্‌ধারা:
• 'কেউকেটা' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - তুচ্ছ।
• 'ভূষণ্ডির কাক' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - বিচক্ষণ ব্যক্তি। 
• 'কাঁচা পয়সা' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - নগদ উপার্জন।
• 'কেতাদুরস্ত' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - পরিপাটি।
• 'কাঠের পুতুল' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - নির্জীব, অসার।
২০.
নিত্য মূর্ধণ্য-ষ কোন শব্দে বর্তমান?
  1. কষ্ট
  2. উপনিষৎ
  3. কল্যাণীয়েষু
  4. আষাঢ়
ব্যাখ্যা
• ষ-ত্ব বিধান:
বাংলা ভাষায় সাধারণত মূর্ধন্য-ষ ধ্বনির ব্যবহার নেই। তাই দেশি, তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের বানানে মূর্ধন্য-ষ লেখার প্রয়োজন হয় না। কেবল কিছু তৎসম শব্দে ষ-এর প্রয়োগ রয়েছে। তৎসম শব্দের বানানে মূর্ধন্য-ষ এর ব্যবহারের নিয়মকে ষ-ত্ব বিধান বলে।

• ‘ষ’ ব্যবহারের নিয়ম:
১. 'ঋ' এবং 'ঋ-কার' এর পর 'ষ' হয়। যেমন - ঋষি, কৃষক, উৎকৃষ্ট, দৃষ্টি, সৃষ্টি ইত্যাদি।
২. ট-বর্গীয় ধ্বনির সাথে 'ষ' যুক্ত হয়। যেমন - কষ্ট, স্পষ্ট, নষ্ট, কাষ্ঠ, ওষ্ঠ ইত্যাদি।
৩. অ, আ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি এবং ক ও র-এর পরে প্রত্যয়ের ‘স’ ‘ষ’ হয়। যেমন- ভবিষ্যৎ, মুমূর্ষু, চক্ষুষ্মান, চিকীর্ষা ইত্যাদি।
৪. ই-কারান্ত এবং উ-কারান্ত উপসর্গের পর কতগুলো ধাতুতে ‘ষ” হয়। যেমন- অভিসেক > অভিষেক, সুসুপ্ত > সুষুপ্ত, অনুসঙ্গ > অনুষঙ্গ, সুসমা > সুষমা ইত্যাদি।
৫. তৎসম শব্দে ‘র’-এর পর ‘ষ’ হয়। যেমন: বর্ষা, ঘর্ষণ, বর্ষণ।
৬. কতগুলো শব্দে স্বভাবতই 'ষ' ব্যবহৃত হয়। যেমন- ষড়ঋতু, রোষ, কলুষ, ভূষণ, দ্বেষ, ঔষধ, কোষ, আষাঢ়, ভাষণ, ঊষা, পৌষ ইত্যাদি।

• যে সব ক্ষেত্রে ষ-ত্ব বিধান প্রযোজ্য নয়:
- আরবি, ফারসি, ইংরেজি ইত্যাদি বিদেশি ভাষা থেকে আগত শব্দে ষ হয় না। যেমন- জিনিস, পোশাক, মাস্টার, পোস্ট ইত্যাদি।
- সংস্কৃত ‘সাৎ’ প্রত্যয়যুক্ত পদেও ‘ষ’ হয় না। যেমন- অগ্নিসাৎ, ধূলিসাৎ, ভূমিসাৎ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
২১.
EXCITE : CALM -
  1. restrain : compose
  2. agitate : trouble
  3. upset : perturd
  4. stimulate : cool down
ব্যাখ্যা
• The Bengali meaning of question words:
- Excite: আন্দোলিত করা; উত্তেজিত করা; আবেগকম্পিত করা।
- Calm: স্থির; শান্ত; নিস্তরঙ্গ।

• The Bengali meaning of option words:
ক)
Restrain: ধরে রাখা; নিয়ন্ত্রণে রাখা।
Compose: শান্ত হওয়া; আবেগ বা চিন্তার উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা।

খ)
Agitate: আলোড়িত/বিক্ষুব্ধ করা; নাড়া দেওয়া।
Trouble: অসুবিধা, ঝামেলা বা ঝঞ্ঝাটে ফেলা; দুশ্চিন্তায়/অস্বস্তিতে ফেলা।

গ) 
Upset: বিপর্যস্ত করা; ওলটপালট করা; মেজাজ বিগড়ানো; বিচলিত/অস্থির করা; তছনছ/চুরমার/লণ্ডভণ্ড করা।
Perturb: উত্তেজিত করা; বিঘ্ন সৃষ্টি করা।

ঘ) 
Stimulate: উদ্দীপিত করা; জাগিয়ে তোলা; উত্তেজিত করা।
Cooldown: আদালত কক্ষ।

• শব্দগুলোর অর্থানুযায়ী বুঝা যাচ্ছে সঠিক Analogy টি হবে - stimulate : cool down.
Excite এর ঠিক বিপরীত হল Calm
Stimulate এর ঠিক বিপরীত হল Cooldown.

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২২.
DELAY : EXPEDITE -
  1. related : halt
  2. block : obstruct
  3. drag : procrastinate
  4. detain : dispatch
ব্যাখ্যা
• The Bengali meaning of question words:
- Delay: বিলম্ব/দেরি করা; বিলম্ব/দেরি করানো; কালক্ষেপ করা
- Expedite: (আনুষ্ঠানিক) অগ্রগতিতে সহায়তা করা; (কার্যাদি) ত্বরান্বিত করা।

The Bengali meaning of option words:
ক)
- Related: সম্পর্কিত; সম্পর্কযুক্ত
- Halt: সাময়িক নিবৃত্তি; বিরতি ।

খ)
- Block: বাধা বা প্রতিবন্ধক ।
- Obstuct: বাধা দেওয়া; পথরোধ করা ।

গ)
- Drag: যা টেনে বা হিঁচড়ে নেওয়া হয়।
- Procrastine: কালক্ষেপণ/দীর্ঘসূত্রতা/গড়িমসি করা।

ঘ)
- Detain: আটকে/ঠেকিয়ে রাখা; বিলম্ব করানো; নিবারিত/নিরুদ্ধ করা ।
- Dispatch: দ্রুত প্রেরণ ।

• শব্দগুলোর অর্থানুযায়ী বুঝা যাচ্ছে সঠিক Analogy টি হবে - ঘ) detain : dispatch
- কোন কিছু Delay করলেই তা Expedite করা যায় না,
- তেমনি কোন কিছু Detain করলে তা Dispatch করা যায় না। (কাজের ফলস্বরূপ)

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২৩.
Anarchy : Law
  1. Penury: Wealth
  2. Verbosity : Words
  3. Defy : Observe
  4. Chaos : Disorder
ব্যাখ্যা
• Anarchy - নৈরাজ্য; অরাজকতা; বিশৃঙ্খলা।
- Law (বিধি, বিধান, আইন, রাষ্ট্রীয় বা সামাজিক কাঠামোয় জনগণের আচার-আচরণ নিয়ন্ত্রিত করার নিয়মকানুন।).
- এরা পরস্পর বিপরীত শব্দ।

একইভাবে,
"Penury" মানে দারিদ্র্য, অর্থাৎ সম্পদের অভাব, এবং "Wealth" মানে সম্পদ।
- এরা পরস্পর বিপরীত শব্দ।

• সুতরাং, 
- Law থাকলে Anarchy হয় না বা law Anarchy দূর করে।
- Wealth (সম্পদ) , Penury (দারিদ্র) দূর করে।

অন্যদিকে,
• Verbosity - বাগাড়ম্বর,
Words - শব্দ।

• Defy - তুচ্ছ করা,
Observe - পালন করা,

• Chaos - বিশৃঙ্খলা,
Disorder - গড়বড়।

Source: Bangla Academy Accessible Dictionary.
২৪.
VACCINE : PREVENT -
  1. wound : heal
  2. victim : attend
  3. antidote : counteract
  4. diagnosis : cure
ব্যাখ্যা
• Vaccine: মানুষকে রোগ থেকে রক্ষা করতে রক্তপ্রবাহের মধ্যে অন্তঃক্ষিপ্ত পদার্থ, যাতে সামান্য রোগলক্ষণ প্রকাশ পেলেও বিপদের কোনো আশঙ্কা থাকে না; টিকা।
- Prevent: নিবৃত্ত করা

অপশন অনুযায়ী শব্দগুলোর অর্থ:
ক)
Wound - ক্ষত, আঘাত।
Heal - আরোগ্য করা, সুস্থ করা।

খ)
Victim - শিকার, ভুক্তভোগী।
Attend - উপস্থিত হওয়া, যত্ন নেওয়া।

গ)
Antidote - প্রতিষেধক, বিষনাশক।
Counteract - প্রতিহত করা, প্রভাব নষ্ট করা।

ঘ)
Diagnosis - রোগ নির্ণয়।
Cure - নিরাময়, রোগমুক্তি।

• শব্দগুলোর অর্থানুযায়ী বুঝা যাচ্ছে সঠিক Analogy টি হবে - গ) antidote : counteract

ব্যাখ্যা:
- Vaccine রোগ প্রতিরোধে (prevent) ব্যবহৃত হয়। তেমনি, antidote বিষ বা ক্ষতিকর প্রভাব প্রতিহত করতে (counteract) ব্যবহৃত হয়।
- অন্য কোনো বিকল্প এই সম্পর্কটির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২৫.
____ glass is, for all practical, a solid, its molecular structure is that of a liquid.
  1. Because
  2. Since
  3. Although
  4. If
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - Although
- Complete sentence: Although glass is, for all practical, a solid, its molecular structure is that of a liquid.
- Bangla meaning:  যদিও কাঁচ বাস্তবে একটি কঠিন পদার্থ, এর অণুর গঠন একটি তরলের মতো।

• Although শব্দের অর্থ যদিও, তথাপি।
- কোন sentence-এ দুটি কাজের বিপরীতমুখীতা বোঝাতে although ব্যবহার করা হয় যা সবসময় দুটি বিপরীতমুখী ঘটনা বা কাজকে যুক্ত করে।
- এখানে, সলিড এবং লিকুইড দুটো বিপরীতধর্মী পদার্থ।
- এখানে বৈপরীত্য বা contrast প্রকাশ করছে। তাই Although ব্যবহৃত হয়েছে।
- The conjunctions but and although/though connect ideas that contrast.

Source: Oxford Learner's Dictionary.

২৬.
An intensive search was conducted by the detective to locate those criminals, who ______.
  1. have had escaped
  2. had escaped
  3. are escaping
  4. have been escaping
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - had escaped.
Correct Sentence: An intensive search was conducted by the detective to locate those criminals who had escaped।
বাক্যের অর্থঃ যেসকল ক্রিমিনালরা পালিয়েছিল তাদেরকে চিহ্নিত করতে গোয়েন্দাদের দ্বারা একটি চিরুনি অভিযান পরিচালিত হয়েছিল।

• ক্রিমিনালদের পালানোর ঘটনাটি বেশি অতীতের এবং চিরুনি অভিযান পরিচালনা ঘটনাটি ক্রিমিনাল পাঠানোর পরের ঘটনা যা কম অতীতের।
- অতীত কালে দুটি কাজ সম্পূর্ণ হলে যে কাজটি আগে হয় সেটি past perfect tense হয় এবং যে কাজটি পরে হয় সেটি past indefinite tense হয়।
- অর্থাৎ Past Perfect Tense অতীতে সম্পন্ন হওয়া কোনো কাজ বা ঘটনা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে যখন তা অন্য কোনো ঘটনার পূর্বে ঘটেছিল।
•  Past Perfect Tense এর গঠন: Subject + had + Past Participle (V3) + Extension

- প্রশ্নে already An intensive search was conducted, past indefinite tense e আছে, সুতরাং অপর tense টি past perfect tense -এ হবে।
- অর্থ্যাৎ had escaped হবে।
২৭.
The intellectual can no longer be said to live ____ the margins of society.
  1. against
  2. beyond
  3. for
  4. before
ব্যাখ্যা
• অপশনে উল্লিখিত শব্দগুলোর অর্থ -
- against: বিরুদ্ধে; বিপক্ষে; প্রতিকূলে
- for: উদ্দেশে; অভিমুখে; লক্ষ্যে; দিকে
- beyond: অতিক্রম করে/ পেরিয়ে; ছাড়াইয়া/ নাগালের বাহিরে; ছাড়িয়ে
- before: আগে

• Margin দ্বারা সমাজে সীমা টেনে দেয়ার কথা বলা হয়েছে।
- তাই শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - beyond.
- Complete Sentence: The intellectual can no longer be said to live beyond the margins of society.
- বাক্যটির অর্থ দাড়ায় অনেকটা এরকম 'বুদ্ধিজীবীরা সমাজের সীমারেখার উর্ধ্বে না।'

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২৮.
According to the conditions of my scholarship, after finishing my degree ____.
  1. my education will be employed by the University.
  2. employment will be given to me by the University.
  3. the University will employ me.
  4. I will be employed of the University.
ব্যাখ্যা
• বাক্যটির অর্থ হচ্ছে -  বৃত্তির শর্তানুসারে, আমার ডিগ্রি শেষ হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় আমাকে নিয়োগ প্রদান করবে।
- তাই বাক্যটি অর্থপূর্ণ করার জন্য গ) the University will employ me. সবচেয়ে যুক্তিপূর্ণ অপশন।
- সুতরাং সঠিক উত্তর - গ) the University will employ me.
- Complete sentence: According to the conditions of my scholarship, after finishing my degree the University will employ me.

• অন্য অপশনগুলোর মধ্যে -
ক) "my education will be employed by the university"
- এটি ভুল কারণ শিক্ষাকে নিয়োগ করা যায় না
- "আমার শিক্ষা বিশ্ববিদ্যালয় দ্বারা নিযুক্ত হবে" - এটা অর্থহীন বাক্য।

খ) "employment will be given to me by the university"
- এটি ব্যাকরণগতভাবে গ্রহণযোগ্য কিন্তু স্বাভাবিক নয়
- "চাকরি আমাকে বিশ্ববিদ্যালয় দ্বারা দেওয়া হবে" - এভাবে বলা সঠিক নয়।

ঘ) I will be employed of the University.
- 'employed of ' হয় না।
- তাই উত্তর ঘ) হবে না।
- যদি ঘ) তে employed by থাকতো, তাহলে ঘ) এর sentence টা ঠিক হতো এবং সেটিই উত্তর হতো।
২৯.
If a substance is cohesive, it tends to ____.
  1. retain heat
  2. bend without much difficulty
  3. stick together
  4. break easily
ব্যাখ্যা
• Complete Sentence: If a substance is cohesive, it tends to stick together.
- Bangla Meaning: যদি একটি পদার্থ আঠালো হয়, তবে তা একসঙ্গে আটকে থাকার প্রবণতা দেখায়।

• The adjective cohesive comes from the Latin word cohaerere, or ''to cleave together.''
- Cohesive things stick together,so they are unified.
- বাংলা অর্থ - একত্র এঁটে থাকার অবস্থা বা প্রবণতা; আসঞ্জন।

• সুতরাং, cohesive এর বৈশিষ্ট অনুসারে, এখানে সঠিক উত্তর - গ) stick together.

Source:
1. merriam-webster.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৩০.
He stopped his car ____ when the light turned red.
  1. abruptly
  2. equitably
  3. ambiguously
  4. incisively
ব্যাখ্যা
• অপশনে উল্লিখিত শব্দগুলোর অর্থ -
ক) abruptly (adverb)
- আচমকা।

খ) equitably (adverb)
- ন্যায়সঙ্গত পন্থায়।

গ) ambiguously (adverb)
- অনিশ্চিত অর্থ বা অভিপ্রায়বিশিষ্ট ভাবে।

ঘ) Incisively (adverb)
- তীক্ষ্ণভাবে।

• শব্দগুলোর অর্থানুযায়ী বুঝা যাচ্ছে, শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - Abruptly.
- So,right after seeing red lights, someone can only stop his car abruptly.
- Complete sentence: He stopped his car abruptly when the light turned red.
- Bangla Meaning: লাল বাতি জ্বলে উঠতেই তিনি হঠাৎ করে তার গাড়ি থামালেন।

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৩১.
The influence of the technological revolution in ____ and ____ the concentration of wealth and power in the hands of the few should worry us all.
  1. proliferating --- diminishing
  2. undermining --- neutralizing
  3. accelerating --- intensifying
  4. aggravating --- demolishing
ব্যাখ্যা
অপশনে উল্লিখিত শব্দগুলোর অর্থ:
ক)
Proliferating - বৃদ্ধি পাওয়া, দ্রুত ছড়িয়ে পড়া।
Diminishing - কমে যাওয়া, হ্রাস পাওয়া।

খ)
Undermining - ধ্বংস করা, দুর্বল করা।
Neutralizing - নিষ্ক্রিয় করা, সমান করা।

গ)
Accelerating - ত্বরান্বিত করা, দ্রুত করা।
Intensifying - তীব্রতর করা, শক্তিশালী করা।

ঘ)
Aggravating - খারাপ করা, আরও জটিল বা কঠিন করা।
Demolishing - ধ্বংস করা, ভেঙে ফেলা।

• সাধারণত দুটি সম অর্থসম্পন্ন শব্দ and দ্বারা যুক্ত হয়ে বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
- তবে, এখানে বাক্যের অর্থের সাথে 'accelerating - intensifying' শব্দজোড়া  অধিক অর্থপূর্ণ।
- Complete sentence: The influence of the technological revolution in accelerating and intensifying the concentration of wealth and power in the hands of the few should worry us all.
- বাংলা অর্থ: প্রযুক্তিগত বিপ্লবের প্রভাব, যা দান-দান করে ধন ও ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণের গতি বাড়িয়ে এবং শক্তিশালী করে তুলছে, আমাদের সবার জন্য চিন্তার বিষয় হওয়া উচিত।

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৩২.
Few people would care to take the negative side of the proposition that the women of the world are ____ and ____.
  1. admired --- provoked
  2. oppressed --- scorned
  3. rebuked --- regaled
  4. slighted --- celebrated
ব্যাখ্যা
অপশনে উল্লিখিত শব্দগুলোর অর্থ:
ক)
Admired - প্রশংসিত, অবজ্ঞাপূর্নভাবে প্রশংসিত।
Provoked - উত্তেজিত, ক্ষুব্ধ করা।

খ)
Oppressed - অত্যাচৃত, নিপীড়িত।
Scorned - তাচ্ছিল্য করা, অবজ্ঞা করা।

গ)
Rebuked - ভর্ত্সনা করা, তিরস্কৃত।
Regaled - আনন্দিত করা, খুশি করা, অতিথি আপ্যায়ন করা।

ঘ)
Slighted - অবমূল্যায়িত, অবজ্ঞা করা।
Celebrated - প্রসিদ্ধ, উল্লসিত, উৎযাপিত।

• সাধারণত দুটি সম অর্থসম্পন্ন শব্দ and দ্বারা যুক্ত হয়ে বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
- এখানে,
Oppress: burdened by abuse of power or authority;
Scorn: open dislike and disrespect or mockery often mixed with indignation.
- এখানে এই শব্দযুগলই সমার্থক শব্দ প্রকাশ করছে এবং বাক্যের অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
- তাই সঠিক উত্তর - খ) oppressed --- scorned.

Complete Sentence: Few people would care to take the negative side of the proposition that the women of the world are oppressed and scorned.
বাংলা অর্থ: বিশ্বের মহিলারা অত্যাচৃত এবং তাচ্ছিল্যিত হওয়া সম্পর্কে প্রস্তাবনার বিপক্ষে কথা বলার জন্য খুব কম মানুষই আগ্রহী হবে।

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৩৩.
Anger, even when it is _______ has one virtue, it overcomes ____.
  1. sinful --- sloth
  2. inevitable --- desire
  3. unnecessary --- malice
  4. intense --- hate
ব্যাখ্যা
শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - ক) sinful --- sloth
Complete Sentence: Anger, even when it is sinful has one virtue, it overcomes sloth.
_ বাংলা অর্থ: রাগ, যদিও পাপময়, তবুও এর একটি গুণ রয়েছে; এটি অলসতাকে পরাজিত করে।

• The conjunctions but/although/though/even when/even though connect ideas that contrast.
- অর্থাৎ, এখানে positive এবং negative দুইটি expression ব্যবহার করতে হবে।
ক)
- sinful - অন্যায়; অনাচারী; পাপময়।
-  sloth - আলস্য; কুঁড়েমি; ঢিলেমি।

• অপশন আলোচনা:
খ)
- inevitable - অনিবার্য; অপরিহার্য; অবশ্যম্ভাবী; অনতিক্রম্য।
- desire - কামনা; ইচ্ছা; বাসনা; স্পৃহা; অভিলাষ।

গ)
- unnecessary - অপ্রয়োজনীয়; অনাবশ্যক; বাহুল্য; অহেতুক।
- malice - অশুভ কামনা; অন্যের ক্ষতিসাধনের ইচ্ছা; বিদ্বেষ।

ঘ)
- intense - তীব্র; তীক্ষ্ণ; প্রগাঢ়; প্রবল; উদগ্র।
- hate - ঘৃণা করা; অত্যন্ত অপছন্দ করা।

Source:
1. merriam-webster.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৩৪.
The word 'dilly dally' means -
  1. to dilute
  2. wait impatiently
  3. repeat
  4. waste time
ব্যাখ্যা
• Dilly dally
English Meaning: to waste time, especially by being slow, or by not being able to make a decision.
Bangla Meaning: সময় অপচয় করা (ধীরে ধীরে কাজ করার ফলে / সিদ্ধান্তহীনতার জন্য)
 
• অপশনে উল্লিখিত অপশন গুলোর মধ্যে - 
ক) to dilute - (প্রধানত জল মিশিয়ে) কোনো তরল পদার্থকে অধিকতর তরল করা
খ) wait in patiently - ধৈর্য্যের সহীত অপেক্ষা করা।
গ) repeat - পুনরায় বলা অথবা করা; পুনরায় ঘটা/হওয়া।
ঘ) waste time - সময় অপচয়।

সুতরাং, বোঝা যাচ্ছে যে , উল্লিখিত অপশন গুলোর মধ্যে - waste time শব্দগুচ্ছটি  Dilly dally phrase টির সমার্থক অর্থ প্রকাশ করছে।

Ex. Sentence: Don't dilly-dally - just get your bags and let's go!
Bangla Meaning: সময় নষ্ট না করে ব্যাগ নাও এবং চলো যাই!

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy and Live MCQ Lecture.
৩৫.
The word 'Euphemism' means -
  1. stating one thing like another
  2. description of a disagreeable thing by an agreeable name
  3. contrast of words is made in the same sentence
  4. a statement is made emphatic by overstatement
ব্যাখ্যা
• Euphemism [noun] [Countable noun, Uncountable noun]
English Meaning - A word or phrase used to avoid saying an unpleasant or offensive word.: description of a disagreeable thing by an agreeable name.
Bangla Meaning - সুভাষণ; সত্যিকার শব্দের পরিবর্তে অন্য কোনো শব্দের ব্যবহার- যেমন ‘মৃত্যু’ শব্দের বদলে ‘পরলোকগমন' বাক্যাংশের ব্যবহার। 

Synonyms: Softening (নরম করা), Politeness (শিষ্টতা), Genteelism (প্রচলিত শব্দের বদলে ভদ্র ও পরিশীলিত শব্দের ব্যবহার).
Antonyms: Dysphemism (মনোরম বা নিরপেক্ষ শব্দের পরিবর্তে অবমাননাকর বা অপ্রীতিকর শব্দ ব্যবহার), Calling a spade a spade (পরিশীলিত শব্দের পরিবর্তে ‘যে’ বা ‘যা’ যেমন, তেমন সরাসরিভাবে বলা).

• Other Forms:
- Euphemistic (adjective) সুভাষিত।
-Euphemistically (adverb). 

Example Sentence: ‘She wants to reclaim the word old and rejects euphemisms like elderly and seniors.’

Source: 
1. Cambridge Dictionary. 
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy. 
3. Live MCQ Lecture
৩৬.
The passive form of the sentence 'some children were helping the wounded man'-
  1. The wounded man was helped by some children
  2. The wounded man was helping some children
  3. The wounded man was being helped by some children
  4. The wounded man was to be helped by some children
ব্যাখ্যা
• প্রশ্নে উল্লেখিত বাক্যটি Past continuous tense এ আছে।
- Past continuous tense যুক্ত active voice কে passive করার নিয়ম -

• Object টি subject হয়ে বসবে।
- Tense ও person অনুযায়ী was/were + being বসবে।
- এরপর verb এর past participle form + by + subject টি object হয়ে বসবে।

- সুতরাং, নিয়মানুযায়ী, 
• Active: Some children were treating the wounded man.
• Passive: The wounded man was being helped by some children.
৩৭.
‘Rumor is the most primitive way of spreading stories-by passing them on from mouth to mouth. But civilized countries in normal times have better Sources of news than rumor. They have radio, television, and newspapers. In times of stress and confusion, however, rumor emerges and becomes rife. At such times different kinds of news are in competition: the press, television, and radio versus the grape vine. Especially do rumors spread when war requires censorship on many important matters. The customary news Sources no longer give out enough information. Since the people cannot learn through legitimate channels all that they are anxious to learn, they pick up 'news' whenever they can and when this happens, rumor thrives. Rumors are often repeated even by those who do not believe the tales. There is a fascination about them. The reason is that the cleverly designed rumor gives expression to something deep in the hearts of the victims-the fears, suspicions, forbidden hopes, or daydreams which they hesitate to voice directly. Pessimistic rumors about defeat and disasters show that the people who repeat them are worried and anxious. Optimistic rumors about record production or peace soon coming paint to complacency or confidence-and often to overconfidence.’

The author is mainly concerned with -
  1. the nature of rumor
  2. the fascination of rumors
  3. rumor as primitive man's newspaper
  4. the breeding places of rumor
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর: ক) the nature of rumor
- The author is mainly concerned with - the nature of rumor.

• লেখক পুরো অংশজুড়ে গুজবের প্রকৃতি, এটি কীভাবে ছড়ায় এবং মানুষের মনে কীভাবে প্রভাব ফেলে তা বিশ্লেষণ করেছেন।
- তিনি গুজবের উৎস, গুজব ছড়ানোর পরিস্থিতি এবং এর প্রভাব সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।
- তাই লেখকের মূল মনোযোগ গুজবের প্রকৃতির ওপর কেন্দ্রীভূত।
৩৮.
The author suggests that rumors usually-
  1. alarm their hearers
  2. are hardy in their growth
  3. are disheartening
  4. can be suppressed by censorship
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর: খ) are hardy in their growth
- The author suggests that rumors usually - are hardy in their growth

• লেখক বলেছেন যে, গুজব তখন বেশি ছড়ায় যখন প্রচলিত তথ্যের উৎস যেমন সংবাদপত্র, রেডিও বা টেলিভিশন পর্যাপ্ত তথ্য সরবরাহ করতে পারে না। ফলে গুজব দ্রুত এবং দৃঢ়ভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
- লেখকের বিশ্লেষণ অনুযায়ী গুজবের বৃদ্ধি স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন।
৩৯.
The author states that during wartime the regular sources of news present only -
  1. optimistic reports
  2. pessimistic reports
  3. limited information
  4. government propaganda
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর: গ) limited information
- The author states that during wartime the regular sources of news present only -limited information.

• লেখক উল্লেখ করেছেন যে, যুদ্ধের সময় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সেন্সরশিপের কারণে প্রচলিত সংবাদমাধ্যম সীমিত তথ্য সরবরাহ করে।
- মানুষের জানার আগ্রহ তখন পূরণ হয় না এবং গুজব ছড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়।
- তাই লেখকের মতে, যুদ্ধের সময় সংবাদ উৎস থেকে সীমিত তথ্যই বেশি প্রচারিত হয়।
৪০.
Which of the following best describes the author's personal attitude toward rumor?
  1. Excited enthusiasm
  2. Morbid curiosity
  3. Acute indignation
  4. Philosophical interest
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর: ঘ) Philosophical interest
- Based on the provided context, it seems the author's attitude toward rumor is one of philosophical interest. 

• লেখক গুজবকে "গল্প ছড়ানোর আদিমতম উপায়" বলে বর্ণনা করেছেন এবং তা রেডিও, টেলিভিশন, সংবাদপত্রের মতো সভ্য সংবাদ উৎসের সঙ্গে তুলনা করেছেন। এটি লেখকের বিশ্লেষণধর্মী দৃষ্টিভঙ্গি নির্দেশ করে।
লেখক ব্যাখ্যা করেছেন কীভাবে এবং কেন গুজব উদ্ভব, বিস্তার এবং সংকটময় সময়ে বৃদ্ধি পায়। চাপ ও বিভ্রান্তির সময়ে মানুষের মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক গতিশীলতার উপর এই বিশ্লেষণ একটি চিন্তাশীল দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিচায়ক।

• লেখক গুজবকে "ভয়, সন্দেহ, নিষিদ্ধ আশা" প্রকাশ করার একটি মাধ্যম হিসাবে বর্ণনা করেছেন। এটি দেখায় যে, লেখক গুজবের পেছনে থাকা গভীর মানবীয় উদ্দেশ্যগুলিকে বোঝার চেষ্টা করেছেন।
পেসিমিস্টিক (হতাশাপূর্ণ) এবং অপটিমিস্টিক (আশাবাদী) গুজব কীভাবে উদ্বেগ বা আত্মতুষ্টি/আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করে তা বিশ্লেষণও লেখকের দার্শনিক আগ্রহকে নির্দেশ করে।

• লেখক গুজবকে দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে বিশ্লেষণ করেছেন।
- তিনি গুজবের প্রকৃতি, কারণ এবং প্রভাব নিয়ে গভীরভাবে ভাবনাচিন্তা করেছেন এবং নিরপেক্ষভাবে এ বিষয়টি উপস্থাপন করেছেন।
- লেখকের দৃষ্টিভঙ্গিতে উত্তেজনা, অসুস্থ কৌতূহল বা ক্ষোভের কোনো ইঙ্গিত নেই; বরং তিনি বিষয়টি দার্শনিকভাবে ব্যাখ্যা করেছেন।
৪১.
পিতার বর্তমান বয়স পুত্রের বয়সের চারগুণ। ৬ বছর পূর্বে পিতার বয়স পুত্রের বয়সের দশগুণ ছিল। পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়স কত?
  1. ৫৬ এবং ১৪ বছর
  2. ৩২ এবং ৭ বছর
  3. ৩৬ এবং ৯ বছর
  4. ৪০ এবং ১০ বছর
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: পিতার বর্তমান বয়স পুত্রের বয়সের চারগুণ। ৬ বছর পূর্বে পিতার বয়স পুত্রের বয়সের দশগুণ ছিল। পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়স কত?

সমাধান:
ধরি,
পুত্রের বর্তমান বয়স = x বছর
∴ পিতার বর্তমান বয়স = ৪x বছর

শর্তমতে,
১০(x - ৬) = ৪x - ৬
বা, ১০x - ৬০ = ৪x - ৬
বা, ১০x - ৪x = ৬০ - ৬
বা, ৬x = ৫৪
∴ x = ৯

∴ পুত্রের বর্তমান বয়স = ৯ বছর
এবং পিতার বর্তমান বয়স = (৯ × ৪) বছর = ৩৬ বছর।
৪২.
দুটি নল দ্বারা একটি চৌবাচ্চা ৮ মিনিটে পূর্ণ হয়। নল দুটি খুলে দেয়ার ৪ মিনিট পর প্রথম নলটি বন্ধ করে দেয়াতে চৌবাচ্চাটি পূর্ণ হতে আরো ৬ মিনিট লাগল। প্রত্যেক নল দ্বারা পৃথকভাবে চৌবাচ্চাটি পূর্ণ হতে কত সময় লাগবে?
  1. ১৮ এবং ১২ মিনিট
  2. ২৪ এবং ১২ মিনিট
  3. ১৫ এবং ১২ মিনিট
  4. ১০ এবং ১৫ মিনিট
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুটি নল দ্বারা একটি চৌবাচ্চা ৮ মিনিটে পূর্ণ হয়। নল দুটি খুলে দেয়ার ৪ মিনিট পর প্রথম নলটি বন্ধ করে দেয়াতে চৌবাচ্চাটি পূর্ণ হতে আরো ৬ মিনিট লাগল। প্রত্যেক নল দ্বারা পৃথকভাবে চৌবাচ্চাটি পূর্ণ হতে কত সময় লাগবে?

সমাধান:
দুটি নল একত্রে, ৮ মিনিটে পূর্ণ করে ১টি চৌবাচ্চা
৪ মিনিটে পূর্ণ করে = (৪/৮) × ১ অংশ = ১/২ অংশ

চৌবাচ্চাটির ১ - (১/২) অংশ খালি থাকে।
দ্বিতীয় নল দ্বারা, ১/২ অংশ পূর্ণ হয় = ৬ মিনিটে
১ (সম্পূর্ণ) অংশ পূর্ণ হয় = (৬ × ২) = ১২ মিনিটেে

আবার দ্বিতীয় নল দ্বারা, ৬ মিনিটে পূর্ণ হয় = ১/২ অংশ
৪ মিনিটে পূর্ণ হয় = (১ × ৪)/(২ × ৬) = ১/৩ অংশ
প্রথম নল দ্বারা ৪ মিনিটে পূর্ণ হয় = (১/২) - (১/৩) অংশ
= (৩ - ২)/৬ অংশ
= ১/৬ অংশ

প্রথম নল দ্বারা ১/৬ অংশ পূর্ণ হয় = ৪ মিনিটে
প্রথম নল দ্বারা ১(সম্পূর্ণ) অংশ পূর্ণ হয় = (৪ × ৬) মিনিটে
= ২৪ মিনিটে
৪৩.
ঢাকা ও চট্টগ্রামের দূরত্ব ৩০০ কিমি। ঢাকা হতে একটি ট্রেন সকাল ৭টায় ছেড়ে গিয়ে বিকেল ৩টায় চট্টগ্রাম পৌঁছে। ট্রেনটির গড় গতিবেগ ঘণ্টায় কত ছিল?
  1. ২৪.৫ কিমি
  2. ৩৭.৫ কিমি
  3. ৪২.০ কিমি
  4. ৪৫.০ কিমি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ঢাকা ও চট্টগ্রামের দূরত্ব ৩০০ কিমি। ঢাকা হতে একটি ট্রেন সকাল ৭ টায় ছেড়ে গিয়ে বিকেল ৩টায় চট্টগ্রাম পৌছে। ট্রেনটির গড় গতিবেগ ঘণ্টায় কত ছিল?

সমাধান:
ট্রেনটি যেতে মোট সময় লাগে ৮ ঘণ্টা।

৮ ঘণ্টায় অতিক্রম করে ৩০০ কি.মি.
১ ঘণ্টায় অতিক্রম করে (৩০০/৮) কি.মি.
= ৩৭.৫ কি.মি.
৪৪.
একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ভূমি ১৬ মি. এবং অপর দুটি বাহুর প্রতিটি ১০ মি. হলে ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত?
  1. ৩৬ ব. মি.
  2. ৪২ ব. মি.
  3. ৪৮ ব. মি.
  4. ৫০ ব. মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ভূমি ১৬ মি. এবং অপর দুইটি বাহুর প্রতিটি ১০ মি. হলে ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
ভূমি, b = ১৬ মি.
সমান সমান বাহুর দৈর্ঘ্য, a = ১০ মি.

আমরা জানি,
সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (b/৪)√(৪a - b)
= (১৬/৪)√{৪ × (১০) - (১৬)}
= ৪{√(৪০০ - ২৫৬)}
= ৪√১৪৪
= ৪ × ১২
= ৪৮ বর্গমিটার
৪৫.
দুটি সংখ্যার অনুপাত ৫ : ৮। উভয়ের সাথে ২ যোগ করলে অনুপাতটি ২ : ৩ হয়। সংখ্যা দুটি কি কি?
  1. ৭ ও ১১
  2. ১২ ও ১৮
  3. ১০ ও ২৪
  4. ১০ ও ১৬
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুটি সংখ্যার অনুপাত ৫ : ৮। উভয়ের সাথে ২ যোগ করলে অনুপাতটি ২ : ৩ হয়। সংখ্যা দুটি কি কি?

সমাধান:
মনেকরি
সংখ্যা দুইটি ৫ক ও ৮ক

প্রশ্নমতে,
(৫ক + ২)/(৮ক + ২) = ২/৩
⇒ ১৬ক + ৪ = ১৫ক + ৬
⇒ ১৬ক - ১৫ক = ৬ - ৪
⇒ ক = ২

অতএব
সংখ্যা দুইটি  যথাক্রমে ৫ ×২ = ১০ ও ৮ × ২ = ১৬
৪৬.
একটি সরল রেখার ওপর অঙ্কিত বর্গ ঐ সরল রেখার অর্ধেকের ওপর অঙ্কিত বর্গের কত গুণ?
  1. দ্বিগুণ
  2. তিনগুণ
  3. চারগুণ
  4. পাঁচগুণ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সরল রেখার ওপর অঙ্কিত বর্গ ঐ সরল রেখার অর্ধেকের ওপর অঙ্কিত বর্গের কত গুণ?

সমাধান:
ধরি,
সরল রেখার দৈর্ঘ্য x একক
সরল রেখার ওপর অঙ্কিত বর্গ x2 বর্গএকক

সরল রেখার অর্ধেক = x/2 একক
সরল রেখার অর্ধেকের ওপর অঙ্কিত বর্গ (x/2)2 বর্গএকক
= x2/4 বর্গএকক

এখন,
x2/(x2/4)
= (x2 × 4)/x2
= 4

অর্থ্যাৎ, একটি সরল রেখার ওপর অঙ্কিত বর্গ ঐ সরল রেখার অর্ধেকের ওপর অঙ্কিত বর্গের 4 গুণ।
৪৭.
x ও y-এর মানের গড় ৯ এবং z = ১২ হলে, x, y এবং z এর মানের গড় কত হবে?
  1. ১০
  2. ১২
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x ও y এর মানের গড় ৯ এবং z = ১২ হলে, x, y এবং z এর মানের গড় কত হবে?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
x ও y এর মানের গড় = ৯
∴ x ও y এর মানের সমষ্টি = ৯ × ২
∴ x + y = ১৮

এখন,
x, y ও z এর মানের সমষ্টি = x + y + z
= ১৮ + ১২
= ৩০
∴ x, y ও z এর মানের গড় = ৩০/৩
= ১০
৪৮.
x/y এর সাথে কত যোগ করলে যোগফল 2y/x হবে?
  1. (2y2 - x2)/xy
  2. (x2 - 2y2)/xy
  3. (x2 - 2y)/xy
  4. (x2 - y2)/xy
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x/y এর সাথে কত যোগ করলে যোগফল 2y/x হবে?

সমাধান:
ধরি,
(x/y) এর সাথে a যোগ করলে যোগফল (2y/x) হবে।

প্রশ্নমতে,
(x/y) + a = (2y/x)
বা, a = (2y/x) - (x/y)
বা, a = (2y.y - x.x)/xy
∴ a = (2y2 - x2)/xy
৪৯.
বার্ষিক ৪.৫% সরল সুদে কত টাকা বিনিয়োগ করলে ৪ বছরে তা ৮২৬ টাকা হবে?
  1. ৪৫৮ টাকা
  2. ৬৫০ টাকা
  3. ৭০০ টাকা
  4. ৭২৫ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বার্ষিক ৪.৫% লাভে কত টাকা বিনিয়োগ কররে ৪ বছরে তা ৮২৬ টাকা হবে?

সমাধান:
১০০ টাকার ১ বছরের সুদ ৪.৫ টাকা
∴ ১০০ টাকার ৪ বছরের সুদ (৪.৫ × ৪) টাকা =১৮ টাকা

সুদাসল = (১০০ + ১৮ টাকা) = ১১৮ টাকা

সুদাসল ১১৮ টাকা হলে আসল ১০০ টাকা
সুদাসল ১ টাকা হলে আসল ১০০ টাকা
∴ সুদাসল ৮২৬ টাকা হলে আসল = (১০০ × ৮২৬)/১১৮ টাকা
= ৭০০ টাকা।
৫০.
x2 + y2 = 8 এবং xy = 7 হলে (x + y)2 এর মান কত?
  1. ১৪
  2. ১৬
  3. ২২
  4. ৩০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x2 + y2 = 8 এবং xy = 7 হলে (x + y)2 এর মান কত?

সমাধান:
x2 + y2 = 8 
xy = 7

আমরা জানি
(x + y)2 = x2 + y2 + 2xy
বা, (x + y)2 = 8 + 7 × 2
বা, (x + y)2 = 8 + 14 
∴ (x + y)2 = 22
৫১.
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে এক ব্যক্তি দম্ভোক্তি করে, যা বলেছিল নিম্নরূপঃ 'লোকটি এবং তার দল পাকিস্তানের শক্র, এবার তারা শাস্তি এড়াতে পারবে না।' এ দম্ভোক্তিকারী ব্যাক্তি কে ছিল?
  1. জেনারেল নিয়াজী
  2. জেনারেল টিক্কা খান
  3. জেনারেল ইয়াহিয়া খান
  4. জেনারেল হামিদ খান
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত উক্তিটি করেছিলেন - পাকিস্তানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ও সেনা প্রশাসক জেনারেল ইয়াহিয়া খান।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে, জেনারেল ইয়াহিয়া খান বাংলাদেশে গণহত্যা ও নির্যাতনের নির্দেশ দেন।

তিনি এই ধরনের দম্ভোক্তি করেছিলেন যে,
"লোকটি এবং তার দল পাকিস্তানের শত্রু, এবার তারা শাস্তি এড়াতে পারবে না"।

উৎস: বিভিন্ন পত্রিকা রিপোর্ট।
৫২.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয় কোন তারিখ থেকে?
  1. জানুয়ারি ১০, ১৯৭৩
  2. ডিসেম্বর ১৬, ১৯৭২
  3. নভেম্বর ৪, ১৯৭২
  4. অক্টোবর ১১, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় - ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।

- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।

- ১৯৭২ সালরে ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন। 
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়। 
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৫৩.
বাংলাদেশে জেলার সংখ্যা কত?
  1. ৩৬টি
  2. ৫৪টি
  3. ৬৪টি
  4. ৪৪টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলাসমূহ:
- বাংলাদেশের ৮ টি বিভাগে মোট জেলার সংখ্যা হল ৬৪।
- এর মধ্যে সীমান্তবর্তী জেলা রয়েছে ৩২ টি।
- এই সীমান্তবর্তী জেলাগুলো ভারত ও মিয়ানমার এর সাথে।
- ভারতের সঙ্গে সীমান্ত রয়েছে ৩০ টি জেলার আর মিয়ানমারের সাথে রয়েছে ৩টি জেলার।
- এদের মধ্যে ১টি জেলার (রাঙ্গামাটি) আবার দুই দেশের সাথেই সীমান্ত রয়েছে।
-  ঢাকা ও বরিশাল বিভাগ ব্যতীত সকল বিভাগের সীমান্তবর্তী জেলা রয়েছে।

সূত্র: ডিএমপি নিউজ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর ওয়েবসাইট।
৫৪.
বাংলাদেশের সংসদীয় ব্যবস্থা সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে পুনঃপ্রবর্তিত হয়?
  1. অষ্টম
  2. নবম
  3. একাদশ
  4. দ্বাদশ
ব্যাখ্যা
দ্বাদশ সংশোধনী:
- সংবিধানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী।
- ১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট জাতীয় সংসদে এ সংশোধনী গৃহীত হয়।
- দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সরকার পদ্ধতিতে মৌলিক পরিবর্তন আনা হয়। রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা থেকে সংসদীয় ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।

- এ সংশোধনী বলে রাষ্ট্রপতিকে রাষ্ট্রপ্রধান রেখে সকল নির্বাহী ক্ষমতা মন্ত্রিপরিষদকে দেয়া হয়।
- মন্ত্রিপরিষদের নেতৃত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী।
- মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের কাছে দায়ী থাকবে বলে বিধান করা হয়।
- রাষ্ট্রপতি ৫ বছরের জন্য সংসদ সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হবেন এবং কোনো ব্যক্তি
- দুই মেয়াদের বেশি সময় এ পদে থাকতে পারবেন না।
- প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ব্যতীত অন্য সকল কাজ সম্পাদনে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শ করবেন।

উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
৫৫.
বাংলায় ফরায়েজী আন্দোলনের সূচনাকারী কে?
  1. তিতুমীর
  2. হাজী মোহাম্মদ মহসীন
  3. হাজী শরীয়তউল্লাহ
  4. হাজী মোহাম্মদ দানেশ
ব্যাখ্যা
• ফরায়েজি আন্দোলন:
- ফরায়েজি আন্দোলন ছিলো একটি ধর্মীয়-সামাজিক সংস্কার আন্দোলন।
- উনিশ শতকের প্রথমার্ধে হাজী শরীয়তউল্লাহ ফরায়েজী আন্দোলনের সূত্রপাত করেন।
- ফরায়েজী আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু ছিলো বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চল।
- ১৮৪০ সালে শরীয়ত উল্লাহর মৃত্যুর পর তার পুত্র মুহাম্মদ মুহসিন উদ্দিন ওরফে দুদু মিয়া এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন।
- দুদু মিয়া ফরায়েজী আন্দোলনকে রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপদান করেন। 
- ১৮৬২ সালে দুদু মিয়ার মৃত্যুর পর সুযোগ্য নেতৃত্বের অভাবে ফরায়েজি আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটে। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
৫৬.
বাংলার প্রাচীনতম জায়গা কোনটি?
  1. সোনারগাঁও
  2. বিক্রমপুর
  3. পুণ্ড্র
  4. গোপালগঞ্জ
ব্যাখ্যা
• পুণ্ড্র জনপদ:
- প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুণ্ড্রই ছিল বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন ও সমৃদ্ধ রাজ্য।
- প্রাচীন বাংলার অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদের নাম পুণ্ড্র।
- পুণ্ড্র ‘জন' বা জাতি এ জনপদ গঠন করেছিল।
- পুণ্ড্ররা বঙ্গসহ অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নিকটজন ছিল।
- পুন্ড্রদের রাজ্যের রাজধানীর নাম পুন্ড্রনগর।

- বর্তমান বগুড়া শহরের অদূরে করতোয়া নদীর তীরে পুন্ড্রনগর অবস্থিত।
- পরবর্তী কালে এর নাম মহাস্থানগড় হয়। 
- এ রাজ্যের বিস্তৃতি বর্তমান বগুড়া, রংপুর, রাজশাহী ও দিনাজপুর পর্যন্ত ছিল।
- পুণ্ড্র রাজ্যের উত্তর অংশের নাম বরেন্দ্র, বরেন্দ্রী অথবা বরেন্দ্রভূমি ছিল।
- রাজশাহী অঞ্চলকে এখনও বরেন্দ্র বলা হয়ে থাকে। ক্রমবর্ধমান সমৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পুণ্ড্র ৫ম-৬ষ্ঠ শতকে পুণ্ড্র বর্ধন নামে পরিচিত হয়।
- গুপ্ত যুগে (৪র্থ- ৬ষ্ঠ শতকে) পুণ্ড্র নগর ছিল গুপ্তদের প্রাদেশিক রাজধানী।
- পুণ্ড্র জনপদে একটি উন্নত নগর সভ্যতা ছিল।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম- দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
৫৭.
মুজিবনগর কোথায় অবস্থিত?
  1. সাতক্ষীরায়
  2. মেহেরপুরে
  3. চুয়াডাঙ্গায়
  4. নবাবগঞ্জে
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর:
- মেহেরপুর জেলায় মুজিব নগর অবস্থিত।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর।
- মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য এখানে গঠিত হয় বাংলাদেশের প্রথম সরকার। -
- মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- মুজিব নগর সরকার গঠিত হয় ১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালে।
- সরকার শপথ গ্রহন করে ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে।
- শপথ বাক্য পাঠ করান অধ্যপক ইউসুফ আলী।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে রাষ্ট্রপতি করা হয়।
- সৈয়দ নজরুল ইসলাম ছিলেন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি।
- বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমেদ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৫৮.
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনী ঢাকার কোথায় আত্মসমর্পণ করে?
  1. রমনা পার্কে
  2. পল্টন ময়দানে
  3. তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে
  4. ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে
ব্যাখ্যা
আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠান:
• ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানী বাহিনী আত্মসমর্পণ করে।  
• রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তানের পক্ষে আত্মসমর্পণ করেন জেনারেল আবদুল্লাহ নিয়াজী।
• আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে ৯৩ হাজার সৈন্য উপস্থিত ছিলেন।
• যৌথবাহিনীর পক্ষে স্বাক্ষর করেন লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা।
• আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন- ক্যাপ্টেন এ. কে. খন্দকার। 
• ভারতীয় বাহিনীর সঙ্গে ঢাকায় আগত কাদের সিদ্দিকীও ঐ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৯.
বাংলাদেশে কোনো ব্যক্তির ভোটাধিকার প্রাপ্তির ন্যূনতম বয়স কত?
  1. ১৬ বছর
  2. ১৮ বছর
  3. ২০ বছর
  4. ২১ বছর
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সংবিধানের ১২২(২) খ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ব্যক্তির ভোটাধিকার প্রাপ্তির নূন্যতম বয়স ১৮ বছর।
------------------------ 
সপ্তম ভাগ: নির্বাচন - 

অনুচ্ছেদ-১২২: ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা-

(১) প্রাপ্ত বয়স্কের ভোটাধিকার-ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।  
(২) কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার-তালিকাভু্ক্ত হইবার অধিকারী হইবেন, যদি 
(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন; 
(খ) তাঁহার বয়স আঠার বৎসরের কম না হয়; 
(গ) কোন যোগ্য আদালত কর্তৃক তাঁহার সম্পর্কে অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষণা বহাল না থাকিয়া থাকে; 
(ঘ) তিনি ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বা আইনের দ্বারা ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হন; এবং  
(ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত না হইয়া থাকেন। 

সূত্র: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
৬০.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংখ্যা কত?
  1. ৫০
  2. ২৫
  3. ৩০
  4. ৪০
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসন সংখ্যা ৫০ টি।
• সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর ফলে বর্তমানে জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংখ্যা ৫০টি এবং সপ্তদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংরক্ষিত মহিলা আসনের মেয়াদ ২৫ বছর বৃদ্ধি করা হয়।

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে বাংলায় আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ।
- বাংলাদেশের সংসদ একটি এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা যা ৩৫০ জন সদস্য নিয়ে গঠিত।
- যার মধ্যে ৩০০টি আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকার ৩০০ জন সদস্য যা প্রাপ্তবয়স্ক ভোটাধিকারের ভিত্তিতে প্রতিটি নির্বাচনী এলাকা থেকে একজন করে।

- অবশিষ্ট ৫০টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত রয়েছে। 
- ৫০টি সংরক্ষিত মহিলা আসনের জন্য এই বিধান নবম সংসদের শুরু থেকে দশ বছর অব্যাহত থাকবে।
- ১৭তম সংশোধনী অনুযায়ী, ৫০টি সংরক্ষিত মহিলা আসনের মেয়াদ দশম সংসদের শুরু থেকে আরও ২৫ বছরে বৃদ্ধি পাবে।
- দ্বাদশ জাতীয় সংসদে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের  সংরক্ষিত মহিলা আসন ৪৮টি রয়েছে। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান ও জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট।
৬১.
বঙ্গবন্ধু সেতুর দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৪.৫ কিমি
  2. ৪.৮ কিমি
  3. ৫.২ কিমি
  4. ৬.২ কিমি
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবন্ধু সেতু:
- বঙ্গবন্ধু সেতু ১৯৯৮ সালের জুনে উন্মুক্ত করা হয়।
- এই সেতুর যমুনা নদীর পূর্ব পাড়ের ভুয়াপুর এবং পশ্চিম পাড়ে সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করেছে।
- এটি ১৯৯৮ সালে নির্মাণকালীন সময়ে পৃথিবীর ১১তম বৃহত্তম সেতু এবং বর্তমানে এটি দক্ষিণ এশিয়ার ৬ষ্ঠ বৃহত্তম সেতু।
- এটি যমুনা নদীর উপর দিয়ে নির্মিত যা বাংলাদেশের প্রধান তিনটি সেতুর একটি এবং পানি প্রবাহের উপর ভিত্তি করে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম।
- সেতু দৈর্ঘ্য: ৪.৮ কি.মি.

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
৬২.
বাংলাদেশের প্রথম 'ইপিজেড' কোথায় স্থাপিত হয়?
  1. সাভারে
  2. চট্টগ্রামে
  3. মংলায়
  4. ঈশ্বরদীতে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড স্থাপিত হয় - চট্রগ্রামে।

• ইপিজেড:
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯টি।
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১টি।
- বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- ১৯৮৩ সালে এটি যাত্রা শুরু করে।

এছাড়াও,
- 'প্রস্তাবিত নবম ইপিজেড স্থাপিত হবে পটুয়াখালীতে।
- ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে ইপিজেড স্থাপনের কাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
- তবে এখনো কাজ শুরু হয় নি প্রস্তাবিত ইপিজেডের।

উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট।
৬৩.
বাংলায় ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষের ওপর ছবি এঁকে বিখ্যাত হন কোন শিল্পী?
  1. এস এম সুলতান
  2. জয়নুল আবেদিন
  3. কামরুল আলম
  4. শফিউল আলম
ব্যাখ্যা
• জয়নুল আবেদিন:
- ইনস্টিটিউট অব আর্টস অ্যান্ড ক্র্যাফ্টস প্রতিষ্ঠাতা। 
- ১৯৪৮ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠানের (বর্তমান চারুকলা ইনস্টিটিউ) তিনি ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ।
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন ১৯৪৩ সালে বাংলায় সংঘটিত দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে বিভিন্ন ছবি এঁকে খ্যাতি অর্জন করেন।
- দুর্ভিক্ষের উপর তার বিখ্যাত চিত্রকর্ম হলো 'ম্যাডোনা-৪৩' এবং 'দ্য রেবেল ক্রো'। 

তার অন্যান্য চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে:   
• সংগ্রাম,
• গুনটানা, 
• মই দেয়া, 
• বিদ্রোহী গরু, 
• নবান্ন,
• মনপুরা-৭০,
• মইটানা,
• পাইন্যার মা প্রভৃতি।   

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৬৪.
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি কবে সম্পাদিত হয়?
  1. নভেম্বর ১২, ১৯৯৭
  2. ডিসেম্বর ২, ১৯৯৭
  3. ডিসেম্বর ১৬, ১৯৯৭
  4. ডিসেম্বর ২৫, ১৯৯৭
ব্যাখ্যা
• পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি:
- ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি।
- ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্রগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে পার্বত্য চটগ্রাম শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। 
- চুক্তিতে বালাদেশ সরকারের পক্ষে আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং জনসংহতি সমিতির পক্ষে জোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা) স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তির ফলে পার্বত্য শান্তি স্থাপনের পথ সুগম হয়।
- ২ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তি চুক্তির ২৫ বছর পূর্তি হয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৬৫.
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে কয়টি সামরিক সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল?
  1. ৯ টি
  2. ১১ টি
  3. ১৫ টি
  4. ১৭ টি
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর ও সাব-সেক্টর সমূহ:
- মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- ১১টি সেক্টরের অধীনে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- ঢাকা ও কুমিল্লা অঞ্চল নিয়ে ২নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে ১নং সেক্টর গঠন করা হয়।

- নৌ সেক্টর ছিলো ১০ নং সেক্টরের অধিনে।
- ১০ নং সেক্টরের নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
- ২ নং সেক্টর প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দারের অধীনে ছিল।
- ১ নং সেক্টরে সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৬.
বাংলাদেশের অন্তর্গত সুন্দরবনের আয়তন কত?
  1. ২৪০০ বর্গমাইল
  2. ১৯৫০ বর্গমাইল
  3. ৯২৫ বর্গমাইল
  4. ২০০ বর্গমাইল
ব্যাখ্যা
• সুন্দরবনের মোট আয়তন ৩৮৬০ বর্গমাইল বা ১০০০০ বর্গকি.মি প্রায়।
- এর মধ্যে ৩/৫ অংশ বা ২৩১৮ বর্গমাইল বা ৬০০০ বর্গকি.মি বাংলাদেশ অংশে পড়েছে।
- কাছাকাছি অপশন হিসাবে ক) ২৪০০ বর্গমাইল অপশনটি নেওয়া হলো।

উল্লেখ্য,
- ৬ ডিসেম্বর ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো সুন্দরবনকে ৭৯৮ তম ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- এটি পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন এবং বাংলাদেশের জাতীয় বন।

উৎস: বাংলাদেশ বনবিভাগ ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।
৬৭.
বাংলাদেশ কোন সালে কমনওয়েলথ-এর সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা
• ১৮ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ কমনওয়েলথ এর সদস্যপদ লাভ করে। 

বাংলাদেশ ও কমনওয়েলথ: 
- বাংলাদেশ যোগ দেয়ার আগে ৩৩টি দেশ কমনওয়েলথের সদস্য ছিলো।
- ১৯৬১ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা বর্ণবাদ নিয়ে সমালোচনার জেরে কমনওয়েলথ থেকে সরে যায়।
- কমনওয়েলথের সদস্য রাষ্ট্র করায় পাকিস্তান ১৯৭২ সালে কমনওয়েলথ ত্যাগ করে।
- অর্থ্যাৎ তখন কমনওয়েলথের সদস্য সংখ্যা দাড়ায় - ৩১টি।
- আর তাই বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৮ এপ্রিল ৩২ তম সদস্য হিসাবে কনওয়েলথে যোগদান করে।
- তবে, যেহেতু এর আগেও দুটি দেশ সদস্য হিসাবে ছিলো, তাই দেশের ক্রম হিসাবে বাংলাদেশ কমনওয়েলথে ৩৪তম দেশ হিসাবে যোগদান করে।

উৎস: কমনওয়েলথের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৬৮.
নিম্নলিখিত কোনটির ওপর বাংলাদেশ অবস্থিত?
  1. ট্রপিক অব ক্যপ্রিকন
  2. ট্রপিক অব ক্যানসার
  3. ইকুয়েটর
  4. আর্কটিক সার্কেল
ব্যাখ্যা
ট্রপিক অব ক্যানসার:
- কর্কটক্রান্তি রেখা বা ট্রপিক অব ক্যানসার বাংলাদেশের ১১টি জেলার উপর দিয়ে অতিক্রম করেছে এমন জেলাগুলো হচ্ছে- চুয়াডাঙা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি।
- বাংলাদেশ ট্রপিক অব ক্যানসার বা কর্কটক্রান্তি রেখার উপর অবস্থিত।
- সাড়ে ২৩° উত্তর অক্ষরেখা কর্কটক্রান্তি রেখা নামে পরিচিত।
- এটি বাংলাদেশের পূর্ব-পশ্চিম বরাবর প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে।
- এছাড়া বাংলাদেশের উপর দিয়ে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে।

তথ্যসূত্র - ভুগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
৬৯.
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য কতজনকে বীরউত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়?
  1. ৪১ জন
  2. ৫৮ জন
  3. ৬৮ জন
  4. ৬২ জন
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়।
যথা- 
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন, 
- বীর উত্তম - ৬৮ জন, 
- বীর বিক্রম - ১৭৫ জন, 
- বীর প্রতীক - ৪২৬ জন।

তাদের মধ্যে খেতাবপ্রাপ্ত চারজন ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকায় গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় তাদের খেতাব বাতিল করে।
এরা হলেন:
- লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম) [সেনাবাহিনী]
- লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম)
- লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক)
- নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)

∴ বর্তমানে (২০২১) মুক্তিযুদ্ধের খেতাবধারীর সংখ্যা - মোট ৬৭২ জন।
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন,
- বীর উত্তম - ৬৭ জন
- বীর বিক্রম - ১৭৪ জন
- বীর প্রতীক - ৪২৪ জন

তথ্যসূত্র:- মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো রিপোর্ট।
৭০.
কোন চুক্তি অনুসারে বসনিয়া সংকট সমাধানের পথ সুগম হয়েছিল?
  1. জেনেভা চুক্তি
  2. মাদ্রিদ চুক্তি
  3. ডেটন চুক্তি
  4. প্যারিস চুক্তি
ব্যাখ্যা
ডেটন চুক্তি অনুসারে বসনিয়া সংকট সমাধানের পথ সুগম হয়েছিল।

ডেটন চুক্তি (Dayton Agreement):

- এই চুক্তির পূর্ণরূপ: The General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina.
- এটি একটি শান্তিচুক্তি।
- প্রক্রিয়াটির নেতৃত্বে ছিলেন প্রধান মার্কিন শান্তি আলোচনাকারী রিচার্ড হলব্রুক।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- পক্ষসমূহ: বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা, ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া।
- স্বাক্ষরকারী: ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট ফ্রানজো তুজমান, সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট স্লোবোদান মিলোসেভিচ (যাঁকে পরে হেগে ‘যুদ্ধাপরাধী’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল) এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার প্রেসিডেন্ট এলিজা আইজেবগোভিচ।
- মধ্যস্থতাকারী: তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।
- উদ্দেশ্য: সার্বিয়া ও বসনিয়া-হার্জেগোভিনা সমস্যার সমাধান।

উৎস: i) OSCE.org.
ii) Britannica.
৭১.
'যুদ্ধই জীবন, যুদ্ধই সর্বজনীন' - এটি কার উক্তি?
  1. সালজার
  2. ফ্রাঙ্কো
  3. হিটলার
  4. মুসোলিনী
ব্যাখ্যা
এডলফ হিটলার:
- এডলফ হিটলার ছিলেন নাৎসি পার্টির প্রধান নেতা।
- এডলফ হিটলার অস্ট্রীয় বংশোদ্ভূত জার্মান রাজনীতিবিদ।
- এডলফ হিটলারের জন্ম অস্ট্রিয়াতে।
- তিনি ন্যাশনাল সোশ্যালিস্ট জার্মান ওয়ার্কার্স পার্টির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
- অ্যাডলফ হিটলার ১৯৩৩ সালে জার্মানির চ্যান্সেলর নির্বাচিত হন।
- ১৯৪৫ সালের এপ্রিলে আত্মহত্যার পূর্ব পর্যন্ত তিনি জার্মানির চ্যান্সেলর ছিলেন।
- হিটলারের গোপন পুলিশ বাহিনী গেস্টাপো নামে পরিচিত।
- হিটলারের আত্মজীবনীর নাম Mein Kamph.
- ফুয়েরার বা নেতা/পথ প্রদর্শক হলো হিটলারের উপাধি ।
- হিটলার আত্মহত্যা করেন- ৩০ এপ্রিল, ১৯৪৫ সালে।

⇒ যুদ্ধই জীবন, যুদ্ধই সর্বজনীন বলেছেন- হিটলার।
- 'War is eternal, war is universal. There is no beginning and there is no peace. War is life. Any struggle is war. War is the origin of all things.'-Adolf Hitler, 1932

উৎস: i) Hitler: The Pathology of Evil, (Chapter 6), George Victor.
ii) Britannica.
৭২.
এশিয়ার দীর্ঘতম নদ কোনটি?
  1. হোয়াংহো
  2. ইয়াংসিকিয়াং
  3. গঙ্গা
  4. সিন্ধু
ব্যাখ্যা
ইয়াংসিকিয়াং:
- এশিয়ার দীর্ঘতম নদী ইয়াংসিকিয়াং (ইয়াংজি নদী)।
- এটি পৃথিবীর ৩য় দীর্ঘতম নদী।
- নদীটি চীনে অবস্থিত।
- এর দৈর্ঘ্য: ৩,৯১৫ মাইল (৬,৩০০ কি.মি.)।
- তিব্বতের মালভূমি এর উৎপত্তিস্থল এবং পতিত হয়েছে পূর্ব চীন সাগরে।

অন্যদিকে -
- হোয়াংহো বিশ্বের ৬ষ্ঠ দীর্ঘতম ও চীনের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ৫,৪৬৪ কিলোমিটার যা এশিয়ার দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী। হোয়াংহো নদীর উৎপত্তি কুনলুন পর্বত থেকে এবং এটি দক্ষিণ চীন সাগরে পতিত হয়েছে।
- সিন্ধু নদের উৎপত্তি: তিব্বতের মালভূমি থেকে এবং আরব সাগরে পতিত হয়েছে।

⇒ এশিয়া মহাদেশ:
- আয়তনে পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ এশিয়া,
- এটি পৃথিবীর পূর্ব ও উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত,
- এশিয়া মহাদেশ ৪৮টি দেশ নিয়ে গঠিত,
- এশিয়ার বৃহত্তম সাগর: দক্ষিণ চীন সাগর,
- এশিয়ার গভীরতম হ্রদ: বৈকাল হ্রদ,
- সর্বোচ্চ স্থান মাউন্ট এভারেষ্ট (৮,৮৫০ মিটার),
- এশিয়ার দীর্ঘতম নদী ইয়াংজি,
- এশিয়া এবং ইউরোপ মহাদেশের মাঝ বরাবর ইউরাল পর্বতমালা অবস্থিত,
- দ্বীপপুঞ্জ দ্বারা গঠিত জাপান, ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া এ মহাদেশে অবস্থিত,
- আয়তনে বৃহত্তম: চীন এবং
- আয়তনে ক্ষুদ্রতম: মালদ্বীপ।

উৎস: World Atlas.
৭৩.
[প্রশ্নটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন। প্রশ্নটি এখন আর গুরুত্বপূর্ণ নয়। তাই, উত্তর তুলে দেওয়া হলো।]
ঢাকাতে সমাপ্ত উইলস ইন্টারন্যাশনাল কাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় কয়টি দল অংশ নেয়?
  1. ৭ টি
  2. ৯ টি
  3. ১১ টি
  4. ১২ টি
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।
৭৪.
আমলাতন্ত্রের প্রধান প্রবক্তা কে?
  1. এফ. এম. মার্কস
  2. ম্যাক্সওয়েবার
  3. রবার্ট প্রেসথাস
  4. কার্ল মার্কস
ব্যাখ্যা
আমলাতন্ত্র:
- আমলাতন্ত্র হচ্ছে স্থায়ী, বেতনভুক্ত, নিরপেক্ষ, দক্ষ ও পেশাদারী সংগঠন যার দ্বারা সরকারের নীতি ও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হয়।
- আমলাতন্ত্রের ইংরেজি প্রতিশব্দ 'Bureaucracy'।
- আমলাতন্ত্রের শাব্দিক অর্থ হচ্ছে `Desk government' বা 'দাপ্তরিক সরকার'।
- আমলাতন্ত্র বলতে বুঝায় আমলা বা প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের শাসন।
- বাস্তবে আমলারা পরস্পর সুশৃঙ্খলভাবে সংযুক্ত এবং রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ থেকে দায়িত্ব পালন করেন।
- জার্মান সমাজবিজ্ঞানী ম্যাক্সওয়েবার সর্বপ্রথম 'Legal and rational Model' এর মাধ্যমে আমলাতন্ত্রকে উপস্থাপন করেন।

⇒ জন ফিফনার ও রবার্ট প্রেসথাস বলেন, "আমলাতন্ত্র হচ্ছে বিভিন্ন ব্যক্তি ও তাদের কর্মকান্ডকে এমন এক পদ্ধতিতে সংগঠিত করা যা সুসংহতভাবে গোষ্ঠীর উদ্দেশ্য অর্জনে সক্ষম হয়।"
- অধ্যাপক এস ই ফাইনার বলেন, "আমলাতন্ত্র একটি স্থায়ী, বেতনভুক্ত এবং দক্ষ চাকরিজীবী শ্রেণি।"
- গ্যাব্রিয়েল অ্যালমন্ড ও জি পাওয়েল এর মতে, "আমলাতন্ত্র বলতে একটি ব্যাপক সংগঠনকে বুঝায়, যার মাধ্যমে শাসকবর্গ নিজেদের সিদ্ধান্তকে কার্যকর করার চেষ্টা করেন।"

⇒ আমলাতান্ত্রিক সংগঠন বহুমুখী বৈশিষ্ট্যের অধিকারী।
- সরকারের নীতি ও কর্মসূচি দল নিরপেক্ষভাবে বাস্তবায়ন করাই আমলাদের মূল দায়িত্ব।
- প্রশাসনের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে আমলারা জনগণের সার্বিক কল্যাণ সাধন করে থাকেন।
- আমলাগণ পেশাগত ও নৈতিক মূল্যবোধের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করে।
- একজন আমলার সিদ্ধান্ত যেমন ব্যক্তিগত মূল্যবোধ ধারা প্রভাবিত হয় তেমনি পেশাগত মূল্যবোধ দ্বারা ও প্রভাবিত হয়।
- এই উভয় প্রকার মূল্যবোধের ভারসাম্য কেবলমাত্র আমলাতন্ত্রের মধ্যেই পরিলক্ষিত হয়।

উল্লেখ্য,
- জার্মান দার্শনিক ম্যাক্স ওয়েভারকে আমলাতন্ত্রের জনক বলা হয়।

উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
ii) Britannica.
৭৫.
সাহিত্যে ১৯৯৮ -এর নোবেল পুরস্কার কে পেয়েছেন?
  1. অরুন্ধতি রায়
  2. সালমান রুশদী
  3. ভি এস নাইপল
  4. হোসে সারামাগো
ব্যাখ্যা
১৯৯৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন স্পেনীশ লেখক হোসে সারামাগো।

২০২৪ সালের নোবেল বিজয়ী:
• সাহিত্য: হান কাং।
• চিকিৎসাবিজ্ঞান: ভিক্টর অ্যামব্রোস, গ্যারি রাভকান।
• পদার্থবিজ্ঞান: জন জে. হপফিল্ড, জিওফ্রে ই. হিন্টন।
• রসায়ন: ডেভিড বেকার, ডেমিস হ্যাসাবিস, জন এম. জাম্পার।
• অর্থনীতি: ড্যারন অ্যাসেমোগলু, সাইমন জনসন, জেমস এ. রবিনসন।
• শান্তি: জাপানি সংস্থা নিহন হিদানকিও।

উৎস: Nobel Prize ওয়েবসাইট।
৭৬.
কোন দেশটি অতীতে কখনো অন্য কোনো দেশের উপনিবেশে পরিণত হয়নি?
  1. থাইল্যান্ড
  2. মিয়ানমার
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. মালয়েশিয়া
ব্যাখ্যা
থাইল্যান্ড:
- এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ।
- থাইল্যান্ড উত্তর সীমান্তের পাহাড়ী বনাঞ্চল, কেন্দ্রীয় সমভূমির উর্বর ধানের ক্ষেত্র, উত্তর-পূর্বের বিস্তৃত মালভূমি এবং সংকীর্ণ দক্ষিণ উপদ্বীপের বর্বর উপকূল সহ বিভিন্ন বাস্তুতন্ত্রকে অন্তর্ভুক্ত করে।

⇒ ‘থাই’ শব্দের একটি অর্থ ‘মুক্ত’।
- 'থাইল্যান্ড' শব্দের অর্থ মুক্ত ভূমি।
- রাজধানী: ব্যাংকক।
- মুদ্রা: বাথ।

উল্লেখ্য,
- থাইল্যান্ডের প্রাচীন নাম শ্যাম দেশ।
- থাইল্যান্ডকে আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত শ্যাম বলা হত।
- এই দেশটি অতীতে কখনো অন্য কোনো দেশের উপনিবেশে পরিণত হয়নি।
- স্বাধীন শ্যাম ১৯৩২ সালে একটি বিপ্লব হওয়ার আগ পর্যন্ত একটি নিরঙ্কুশ রাজতন্ত্র দ্বারা শাসিত ছিল।
- সেই সময় থেকে, থাইল্যান্ড একটি সাংবিধানিক রাজতন্ত্র ছিল এবং পরবর্তী সমস্ত সংবিধান একটি নির্বাচিত সংসদের ব্যবস্থা করেছে।

অন্যদিকে,
- মিয়ানমার ব্রিটেনের উপনিবেশ ছিল।
- ইন্দোনেশিয়া স্বাধীনতার পূর্বে নেদারল্যান্ডসের উপনিবেশ ছিল।
- মালয়েশিয়া ব্রিটেনের উপনিবেশ ছিলো।

উৎস: Britannica.
৭৭.
ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (ইইউ) -এর একক মুদ্রা কবে চালু হয়েছে?
  1. ১ জানুয়ারি, ১৯৯৯
  2. ১ জুলাই, ১৯৯৯
  3. ১ মার্চ, ২০০০
  4. ১ জুলাই, ২০০০
ব্যাখ্যা
ইউরো:
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহের একক মুদ্রার নাম ইউরো।
- ইউরো মুদ্রার জনক হলেন রবার্ট মুন্ডেল।
- ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১ জানুয়ারি, ১৯৯৯ সালে EU অঞ্চলে একক মুদ্রা 'ইউরো' চালু করে।
- ইউরো মুদ্রা € প্রতীক দ্বারা উপস্থাপিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯৯ সালে ইউরোপের ১৪টি দেশ (অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, জার্মানি, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবুর্গ, মোনাকো, নেদারল্যান্ডস, পর্তুগাল, স্পেন, সান মারিনো এবং ভ্যাটিকান সিটি) ইউরো প্রথম ব্যবহার করে।
- পরে ইউরোপের অন্যান্য দেশ ইউরো গ্রহণ করে।
- ২০০৮ সালে সাইপ্রাস ও মাল্টা এবং ২০১৫ সালে লিথুয়ানিয়া ইউরো গ্রহণ করে।
- সর্বশেষ ক্রোয়েশিয়া ২০১৩ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগদান করে এবং ১ জানুয়ারী ২০২৩ তারিখে ইউরো গ্রহণ করে।
- ক্রোয়েশিয়া ২০তম দেশ হিসেবে ইউরো মুদ্রা গ্রহণ করে।

⇒ এখন পর্যন্ত ২০টি দেশ একক মুদ্রা হিসেবে ইউরো মুদ্রা গ্রহণ করেছে।
- দেশগুলো হল: অস্ট্রিয়া, গ্রিস, জার্মানি, ফ্রান্স, স্পেন, পর্তুগাল, নেদারল্যান্ড, বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, আয়ারল্যান্ড, মাল্টা, সাইপ্রাস, লিথুনিয়া, লাটভিয়া, এস্তোনিয়া, স্লোভেনিয়া, স্লোভাকিয়া, ইতালি, ফিনল্যান্ড ও ক্রোয়েশিয়া।

উৎস: EU ওয়েবসাইট।
৭৮.
চীনের 'দ্বৈত অর্থনীতির' ধারণা প্রধানত কোন বাস্তবতার নিরীখে গৃহীত?
  1. বাজার অর্থনীতিকে গ্রহণযোগ্য করা
  2. মতাদর্শগত ধারণার সমন্বয় সাধন
  3. হংকং-এর অর্থনীতিকে সচল রাখা
  4. তাইওয়ানকে চীনের অন্তর্ভুক্তকরণ
ব্যাখ্যা
দ্বৈত অর্থনীতি:
- ‘এক দেশ, দুই ব্যবস্থা’ নীতি চালু আছে চীনে।
- চীনের দুটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চলের একটি হংকং, অন্যটি ম্যাকাও।
- হংকং চীনের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলের একটি সমৃদ্ধিশালী দ্বীপ।
- হংকং-এর অর্থনীতিকে সচল রাখার উদ্দেশ্যেই মূলত এই “এক দেশ দুই নীতি” ধারণা প্রবর্তন করা হয়।
- চীনের ‘এক দেশ দুই নীতি’ পলিসির আওতায় ‘হংকং’ ও ‘ম্যাকাও’ - কে নিজেদের অধিভুক্ত করে।

⇒ রানি ভিক্টোরিয়ার আমলে হংকং পরিণত হয় ব্রিটিশ উপনিবেশে।
- উপনিবেশ হিসেবে ৯৯ বছরের ইজারার মেয়াদ শেষ হলে ১৯৯৭ সালে ব্রিটেন চীনের কাছে হংকংকে ফিরিয়ে দেয়।
- প্রথম আফিম যুদ্ধে চীন পরাজিত হলে ১৮৪১ সালে ব্রিটেন হংকং দ্বীপ দখল করে নেয় এবং হংকংকে সামরিক ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করে।
- নানকিং চুক্তির মাধ্যমে হংকং ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ‘ক্রাউন কলোনি’তে পরিণত হয়।
- ১৯৮৪ সালে বেইজিংয়ের ‘হল অব দ্য পিপল’-এ ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার এবং চীনা প্রধানমন্ত্রী ঝাও জিয়াং হংকংকে চীনের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার যৌথ ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেন।
- ঘোষণাপত্র অনুযায়ী ব্রিটেন হংকংকে ১৯৯৭ সালের ১ জুলাই চীনের কাছে হস্তান্তর করতে রাজি হয়।
- ১৯৯৭ সালের ১ জুলাই মধ্যরাতে তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার, প্রিন্স চার্লস, চীনের প্রেসিডেন্ট জিয়াং জেমিন, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ম্যাডেলিন অলব্রাইটসহ অনেক আন্তর্জাতিক নেতার অংশগ্রহণে হংকংকে শান্তিপূর্ণভাবে চীনের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
- ঘোষণাপত্রের অন্যতম শর্ত ছিল চীনের অধীনে যাওয়ার ৫০ বছর পর্যন্ত চীন হংকংকে ‘এক দেশ, দুই ব্যবস্থা’ নীতি অনুযায়ী শাসন করবে অর্থাৎ পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তার বিষয়গুলো ছাড়া হংকং পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন ভোগ করবে।

উল্লেখ্য,
- ২০৪৭ সালে ‘এক দেশ, দুই ব্যবস্থা’ নীতির বাধ্যবাধকতা উঠে গেলে চীন হংকংকে নিজেদের একটি প্রদেশ হিসেবে ঘোষণা করবে।

উৎস: i) Britannica.
ii) World Atlas.
৭৯.
রাশিয়ার পূর্বাঞ্চলের সর্ববৃহৎ শহর কোনটি?
  1. সাইবেরিয়া
  2. ভ্লাদিভস্টক
  3. খায়বারভস্ক
  4. বোখারা
ব্যাখ্যা
ভ্লাদিভস্টক:
- ভ্লাদিভস্টক রাশিয়ার পূর্বাঞ্চলের সর্ববৃহৎ শহর হলো।
- এটি প্রশান্ত মহাসাগরের তীরে অবস্থিত রাশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রবন্দর এবং নৌঘাটি।
- ১৮৬০ সালে দ্বিতীয় আফিম যুদ্ধের সময় রাশিয়া শহরটি চীনের নিকট থেকে দখল করে নেয়।
- ১৮৭২ সালে প্রশান্ত মহাসাগরের প্রধান রাশিয়ান নৌ ঘাঁটিটি সেখানে স্থানান্তরিত হয় এবং তারপরে ভ্লাদিভোস্টক বৃদ্ধি পেতে শুরু করে।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ভ্লাদিভোস্টক ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে রাশিয়ায় প্রেরিত সামরিক সরবরাহ এবং রেল সরঞ্জামের জন্য প্রধান প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্রবেশ বন্দর।
- ভ্লাদিভোস্টক রাশিয়ান দূরপ্রাচ্যের প্রধান শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।

⇒ রাশিয়া:
- আয়তনে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ রাশিয়া।
- রাজধানী ও বৃহত্তম নগরী: মস্কো।
- রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় ভাষা রুশ।
- দেশটির মুদ্রার নাম রুবল।
- রাশিয়ার সাথে ১৪টি দেশের সীমান্ত রয়েছে।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
- রাশিয়ার সরকারব্যবস্থা বহুদলীয় গণতন্ত্র।

উৎস: Britannica.
৮০.
কানাডার ফরাসি ভাষী জনগোষ্ঠী কোন অঙ্গরাজ্যে সর্বাধিক বাস করে?
  1. আলবার্টা
  2. কুইবেক
  3. মেনিটোবা
  4. নোভাস্কোশিয়া
ব্যাখ্যা
কানাডা:
- কানাডা উত্তর আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- এটি আয়তনে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ।
- যুক্তরাজ্য থেকে স্বাধীনতা লাভ করে ১৮৬৭ সালে।
- রাজধানী: অটোয়া।
- মুদ্রার নাম: ডলার।
- রাষ্ট্রের প্রধান রাজা তৃতীয় চার্লস ও রাষ্ট্রের সরকার প্রধান প্রধানমন্ত্রী।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: জাস্টিন ট্রুডো।
- কানাডাকে ম্যাপল পাতার দেশ বলা হয়।

উল্লেখ্য,
- কানাডার কুইবেক অঙ্গরাজ্যে সর্বাধিক ফরাসিভাষী জনগোষ্ঠী বাস করে।
- কুইবেকে প্রায় ৮০% লোক ফরাসি ভাষা ব্যবহার করে।

এছাড়াও, 
- নুনাভাট-এ প্রায় ৫৩% জনগন আদিবাসী ভাষা ব্যবহার করে।
- কানাডার অন্য অঙ্গরাজ্যগুলোতে সর্বাধিক ব্যবহৃত ভাষা ইংরেজি।

উৎস: Britannica.
৮১.
কসোভো নগরীর সাথে সার্বীয়দের স্পর্শকাতর সম্পর্কের কারণ কি?
  1. এর রণকৌশলগতা গুরুত্ব
  2. এর ধর্মীয় ঐতিহ্য ও ঐতিহাসিক স্মৃতি
  3. মুসলিম বিদ্বেষের প্রবণতা
  4. আলেবেনীয়দের ঔদ্ধত্য
ব্যাখ্যা
কসোভো:
- কসোভো ইউরোপের ভূমিবেষ্টিত ছোট্ট একটি দেশ।
- এর চারদিকে রয়েছে বলকানের চারটি দেশ: আলবেনিয়া, নর্থ মেসিডোনিয়া, মন্টেনিগ্রো এবং সার্বিয়া।
- এটি সার্বিয়ার উপনিবেশ ছিল।
- ২০০৮ সালে সার্বিয়া থেকে স্বাধীন হয় কসোভো।
- রাজধানী: প্রিস্টিনা।
- প্রধান ভাষা: আলবেনীয় ও সার্বীয়।
- মুদ্রা: ইউরো।

⇒ ১৩৮৯ সালে কসোভো যুদ্ধের পর এখানে ইসলামের আগমন ঘটে।
- এরপর থেকে ১৯১২ সাল পর্যন্ত তা অটোমান সাম্রাজ্যের অধীনে ছিল।
- বলকান যুদ্ধের পর, এটি সার্বিয়া এবং মন্টিনিগ্রোকে হস্তান্তর করা হয়।
- যুগোস্লাভিয়ার মধ্যে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রদেশে পরিণত হয়।
- ১৯৯০-এর দশকে যুগোশ্লাভিয়া ভেঙ্গে যাবার পরপরই স্বাধীনতার ইচ্ছে প্রকাশ করে কসোভো।
- ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সালে সার্বিয়া থেকে স্বাধীন হয় কসোভো।

উল্লেখ্য,
- উসমানীয় সুলতান দ্বিতীয় মুরাদের সময় সার্বিয়ানদের বিরুদ্ধে বিখ্যাত কসোভো যুদ্ধ হয়। ১৪৫৫ সালে এই অঞ্চলটি উসমানীয় সাম্রাজ্যের অংশে পরিণত হয়। এখানকার আলবেনীয় জনগোষ্ঠীর ওপর ক্যাথলিক খ্রিষ্টানরা এতটাই করারোপ করেছিল যে, মানুষের জীবন যাপন দুর্বিষহ হয়ে পড়েছিল। উসমানীয়দের বিজয়ের পর আলবেনীয় জনগোষ্ঠী একসাথে ইসলাম গ্রহণ করে। পূর্ব ইউরোপের দেশগুলো ৫০০ বছর উসমানীয় শাসনের অধীনে ছিল। এ সময় এ অঞ্চলে ইসলামের বিস্তার ঘটে। ফলে উসমানীয় ঐতিহ্যের প্রতিফলন পাওয়া যায় কসোভোতে।

- ২০০৮ সালে এস্বাধীন কসোভোকে স্বীকৃতি দেয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের বড় দেশগুলো। এ সময় সার্বিয়ার পেছনে এসে দাঁড়ায় রাশিয়া। রাশিয়ার মদদ পেয়ে সার্বিয়া রাজি হয় না কসোভোর স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দিতে। কসোভোয় বসবাসকারী সার্বরাও কসোভোর স্বাধীনতা চায় না।

- ১৯৯০-এর দশকে যুগোশ্লাভিয়া ভেঙে যাওয়ার পরপরই স্বাধীনতার ইচ্ছা প্রকাশ করে কসোভো। সার্বিয়া এর ‘জবাব’ দেয় কসোভোর আলবেনিয়ান জনগোষ্ঠীর ওপর নিষ্ঠুর হত্যা-দমন-পীড়ন চালিয়ে। ১৯৯৯ সালে ন্যাটোর সামরিক হস্তেেপ এই হত্যাযজ্ঞের অবসান ঘটে। কসোভো নগরীর সাথে সার্বীয়দের স্পর্শকাতর সম্পর্কের কারণ - এর ধর্মীয় ঐতিহ্য ও ঐতিহাসিক স্মৃতি।

উৎস: Britannica.
৮২.
আফগানিস্তানের কোন শহরে তালিবানরা ইরানের কূটনীতিবিদদের হত্যা করেছে?
  1. মাজার-ই-শরীফ
  2. হেরাত
  3. জালালাবাদ
  4. কান্দাহার
ব্যাখ্যা
[প্রশ্নটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা এখন আর গুরুত্বপূর্ণ নয়]

আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলীয় শহর মাজার-ই শরীফ।
- আফগানিস্তানে তালেবান ১৯৯৬-২০০১ সালে ক্ষমতায় থাকা কালে ১৯৯৮ সালে মাজার-ই শরীফে অবস্থিত ইরানের কনস্যুলেটে আক্রমন চালায়।
- তাদের হামলায় সেই সময় সাতজন কূটনীতিক ও এক ইরানি সাংবাদিক নিহত হয়েছিলেন।

আফগানিস্তান:
- আফগানিস্তান দক্ষিণ এশিয়ার একটি রাষ্ট্র।
- রাষ্ট্রীয় নাম: ইসলামিক আমিরাত অব আফগানিস্তান (Islamic Emirate of Afghanistan)।
- আফগানিস্তান শব্দটির অর্থ 'আফগান বা পশতুন জাতির দেশ'।
- ভাষা: পশতু, দারি।
- মুদ্রা: আফগানি।

⇒ তালেবান গোষ্ঠী:
- ১৯৯৪ সালে আফগান প্রতিরোধ যোদ্ধাদের নিয়ে গঠিত হয়েছিল তালেবান গোষ্ঠী।
- পশতু ভাষায় তালেবান মানে হচ্ছে 'ছাত্র'।
- আফগানিস্তান থেকে সোভিয়েত রাশিয়ার সেনারা ফিরে যাওয়ার পর ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে উত্তর পাকিস্তানে এই তালেবান আন্দোলনের জন্ম।
- এই আন্দোলনে মূলত পশতুন অর্থাৎ পশতুভাষীদের প্রাধান্য।
- এই মাদ্রাসাগুলো পরিচালিত হতো সৌদি অর্থে - এবং সেখানে খুবই কট্টর সুন্নী মতাদর্শের ইসলামই প্রচার করা হতো।
- তাদের মূল লক্ষ্য ছিল ইসলামি আইনে দেশ পরিচালনা এবং যে কোনো ধরনের বিদেশি প্রভাব দূর করা।
- ১৯৯৮ সাল নাগাদ তালেবান আফগানিস্তানের প্রায় ৯০ শতাংশ অঞ্চলে তাদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
- তাদের সবচেয়ে ভয়াবহ কাণ্ড ছিল ২০০১ সালে আফগানিস্তানের মধ্যাঞ্চলে বিখ্যাত বামিয়ান বুদ্ধের মূর্তি ধ্বংস করা।
- ২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে আল কায়েদার হামলার পর সারা বিশ্বের মনোযোগের কেন্দ্রে চলে আসে আফগানিস্তানের তালেবান।

উৎস: i) National Geographic Kids ওয়েবসাইট।
ii) BBC.
৮৩.
উত্তর আফ্রিকার দেশগুলোর ভৌগোলিক সীমারেখার বৈশিষ্ট্য কি?
  1. জ্যামিতিক সীমারেখা
  2. ঔপনিবেশিক সীমারেখা
  3. উপজাতিভিত্তিক সীমারেখা
  4. অচিহ্নিত সীমারেখা
ব্যাখ্যা
উত্তর আফ্রিকা:
- উত্তর আফ্রিকা আফ্রিকার উত্তরাংশে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল, যেখানে রয়েছে: মরক্কো, আলজেরিয়া, তিউনিসিয়া, লিবিয়া।

⇒ সাহারা মরুভূমি: পৃথিবীর বৃহত্তম গরম মরুভূমি, যা এই অঞ্চলের বেশিরভাগ অংশ জুড়ে রয়েছে।
- মধ্যপ্রাচ্য সাগর ও ভূমধ্যসাগর: উপকূলীয় অঞ্চল ইউরোপের সাথে সংযুক্ত।
- অ্যাটলাস পর্বত: মরক্কো, আলজেরিয়া ও তিউনিসিয়ায় বিস্তৃত।

⇒ উত্তর আফ্রিকার দেশগুলোর ভৌগোলিক সীমারেখার বৈশিষ্ট্য বেশ বৈচিত্র্যময়। এই অঞ্চলের দেশগুলো মরুভূমি, সমুদ্রতীর, পর্বতশ্রেণী এবং সেচন অঞ্চলের মিশ্রণে গঠিত। 
- বিস্তীর্ণ এ অঞ্চলে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত পর্বত বা নদী না থাকায় মরুভূমির ওপর দিয়ে জ্যামিতিক সরলরেখা টেনে সীমা নিধারণ করা হয়।
- এটাই এ অঞ্চলের ভৌগোলিক সীমারেখার প্রধান বৈশিষ্ট্য।

উৎস: Britannica.
৮৪.
কোন দেশে প্রথম আণবিক বোমা ফেলা হয়?
  1. ইতালি
  2. জার্মানি
  3. জাপান
  4. চীন
ব্যাখ্যা
আণবিক বোমা:
- ১৯৪৫ সালের ১৬ জুলাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিউ মেক্সিকোর মরুভূমিতে বিশ্বে সর্বপ্রথম পারমাণবিক বোমার পরিক্ষা চালায়। 
- এই প্রকল্পের নাম ছিল 'ম্যানহাটান প্রজেক্ট'।
- সেই বোমা তৈরির প্রধান বিজ্ঞানী ছিলেন রবার্ট ওপেনহাইমার।

উল্লেখ্য,
- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সরাসরি যোগদান করে।
- ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৫ জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
- প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার হয়- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে।
- এগুলো ছিল লিটলবয় এবং ফ্যাটম্যান নামের দুইটি পারমাণবিক বোমা যা জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকি শহরে বিস্ফোরন করা হয়।
- জাপানের দুটি শহরে এই বোমা ফেলার পর বিপুল প্রাণহানি আর ধ্বংসলীলা ঘটেছিল।
- ৬ আগস্ট, ১৯৪৫ জাপানের হিরোশিমা শহরে যুক্তরাষ্ট্র প্রথম লিটলবয় নামের পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করে।
- ৯ আগস্ট, ১৯৪৫ ফ্যাটম্যান নামের বোমা নিক্ষেপ করা হয় নাগাসাকি শহরে।
- ৩৩তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান এই পারমাণবিক বোমা বর্ষণের নির্দেশ দেন।

উৎস: History.com
৮৫.
নিম্নলিখিত কোন আঞ্চলিক/আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানটির সদর দপ্তর ঢাকায় অবস্থিত?
  1. SAARC
  2. APEC
  3. ADB
  4. CIRDAP
ব্যাখ্যা
CIRDAP:
- CIRDAP-এর পূর্ণরূপ The Centre on Integrated Rural Development for Asia and the Pacific.
- CIRDAP একটি আঞ্চলিক, আন্তঃসরকারি এবং স্বায়ত্তশাসিত একটি সংস্থা।
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (FAO) উদ্যোগে (CIRDAP) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- গঠিত হয়: ৬ জুলাই, ১৯৭৯।
- সদর দপ্তর: চামেলি হাউজ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য দেশ: ৬টি।
- এর সদস্য সংখ্যা: ১৫টি।
- সদস্য দেশগুলো হলো: আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, ফিজি, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, লাওস, মালয়েশিয়া, মায়ানমার, নেপাল, পাকিস্তান, ফিলিপাইন, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড এবং ভিয়েতনাম।
- সর্বশেষ সদস্য: ফিজি (জুন, ২০১০)।
- বর্তমান মহাপরিচালক: ডাঃ চেরদসাক ভিরাপাত (২০২০ – ২০২৪)।

⇒ CIRDAP এর লক্ষ্য হলো এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলির মধ্যে গ্রামীণ উন্নয়ন এবং কৃষি নীতির মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা, যাতে উক্ত অঞ্চলের জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা যায়।
- এটি গ্রামীণ উন্নয়ন, কৃষি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, এবং পরিবেশের ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং গবেষণা পরিচালনা করে আসছে।

অন্যদিকে,
• SAARC:
- দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর একটি বহুপাক্ষিক আঞ্চলিক সহযোগিতা ফোরাম।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫।
- সদরদপ্তর: কাঠমান্ডু, নেপাল।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ৭টি।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৮টি।

• APEC:
- APEC এশীয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের একটি বাণিজ্যিক জোট।
- এটি গঠিত হয় ১৯৮৯ সালে।
- সদর দপ্তর: সিঙ্গাপুর সিটি, সিঙ্গাপুর।
- প্রতিষ্ঠাতা দেশ: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য দেশ: ২১টি।

• ADB:
- এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ২২ আগস্ট, ১৯৬৬ সালে।
- আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে: ১৯ ডিসেম্বর, ১৯৬৬ সালে।
- বর্তমান সদস্য: ৬৯টি।
- সদরদপ্তর: ম্যানিলা, ফিলিপাইন।

উৎস: CIRDAP ওয়েবসাইট।
৮৬.
সার্ক কোন বছর প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭৫ সালে
  2. ১৯৮৫ সালে
  3. ১৯৮৭ সালে
  4. ১৯৯০ সালে
ব্যাখ্যা
SAARC:
- SAARC-এর পূর্ণরূপ: South Asian Association for Regional Cooperation.
- দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর একটি বহুপাক্ষিক আঞ্চলিক সহযোগিতা ফোরাম।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ।
- সদরদপ্তর: কাঠমান্ডু, নেপাল।

⇒ প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ৭টি।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৮টি।
- সদস্য দেশ: বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলংকা, ভুটান, মালদ্বীপ, আফগানিস্তান।
- সর্বশেষ সদস্য আফগানিস্তান ২০০৭ সালের ৩ এপ্রিল সার্কে যোগ দেয়।

⇒ প্রথম সার্ক সম্মেলন ১৯৮৫ সালের ৭-৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়।
- সর্বশেষ ১৮তম সার্ক শীর্ষ সম্মেলন ২০১৪ সালে নেপালে অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: SAARC ওয়েবসাইট।
৮৭.
[প্রশ্নটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন। প্রশ্নটি এখন আর গুরুত্বপূর্ণ নয়। তাই, উত্তর তুলে দেওয়া হলো।]
কোন দেশের একজন উপ-প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি বরখাস্ত হয়েছেন?
  1. সিঙ্গাপুর
  2. থাইল্যান্ড
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. মালয়েশিয়া
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।
৮৮.
১৯৯০ এর দশকে ইউরোপের কোন দেশে জাতিসত্ত্বা সংঘাতের সমস্যাটির সমাপ্তি করেছে একটি শান্তি চুক্তির মাধ্যমে?
  1. স্কটল্যান্ড
  2. আয়ারল্যান্ড
  3. নেদারল্যান্ড
  4. সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
১৯৯০ এর দশকে ইউরোপের দেশ উত্তর আয়ারল্যান্ড যুক্তরাজ্যের সাথে বেলফাস্ট চুক্তির (Belfast Agreement) মাধ্যমে জাতিসত্ত্বা সংঘাতের সমস্যাটির সমাপ্তি করেছে।

বেলফাস্ট চুক্তি:
- বেলফাস্ট চুক্তির প্রধান উদ্দেশ্য ছিল উত্তর আয়ারল্যান্ডে শান্তি প্রতিষ্ঠা, যেখানে শতাব্দী প্রাচীন জাতিগত ও ধর্মীয় সংঘর্ষ (বিশেষত ক্যাথলিক-জাতীয়তাবাদী এবং প্রটেস্টান্ট-ইউনিয়নিস্টদের মধ্যে) বন্ধ হবে।
- উত্তর আয়ারল্যান্ড এর শাসনতন্ত্র কিরকম হবে তা এই চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।
- এটি উত্তর আয়ারল্যান্ডে চলমান গৃহযুদ্ধ এবং উত্তেজনা বন্ধ করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে, যা "The Troubles" নামে পরিচিত ছিল।
- এই চুক্তিটি দুই পক্ষের মধ্যে রাজনৈতিক সমঝোতা এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করেছে।

উল্লেখ্য,
- চুক্তি স্বাক্ষর: ১০ এপ্রিল, ১৯৯৮ সাল।
- চুক্তি কার্যকর: ডিসেম্বর, ১৯৯৯ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: বেলফাস্ট, উত্তর আয়ারল্যান্ড।
- চুক্তির পক্ষ: ব্রিটিশ সরকার, আয়ারল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের কয়েকটি রাজনৈতিক দল।
- 'বেলফাস্ট চুক্তির' অপর নাম - Good Friday Agreement.

উৎস: Britannica.
৮৯.
জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব কোন মহাদেশের?
  1. এশিয়া
  2. আফ্রিকা
  3. ইউরোপ
  4. দক্ষিণ আমেরিকা
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ:
- বিশ্বের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সংস্থা হলো জাতিসংঘ (United Nations Organization).
- এটি জাতিপুঞ্জের (League of Nations) উত্তরসূরী।
- জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়: ২৬ জুন, ১৯৪৫।
- জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৫১টি।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি।
- সর্বশেষ সদস্য: দক্ষিণ সুদান।
- বর্তমান মহাসচিব: আন্তোনিও গুতেরেস।
- সদর দপ্তর: ম্যানহাটন, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- দাপ্তরিক ভাষা ৬টি: ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ, চীনা, রুশ, স্প্যানিশ এবং আরবি।
- কার্যকরী দাপ্তরিক ভাষা ২টি: ইংরেজি ও ফ্রেঞ্চ।
- জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২টি: ভ্যাটিকান সিটি, ফিলিস্তিন।

উল্লেখ্য,
- আন্তোনিও গুতেরেস জাতিসংঘের নবম মহাসচিব।
- তিনি ইউরোপ মহাদেশের দেশ পর্তুগাল-এর নাগরিক।
- তিনি ১ জানুয়ারি, ২০১৭ সালে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।
- জাতিসংঘের মহাসচিব নিযুক্ত হয় নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশক্রমে সাধারণ পরিষদের দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে।
- জাতিসংঘের মহাসচিবের মেয়াদকাল ৫ বছর।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৯০.
'ম্যাকাও' চীন সাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপ যা কিনা একটি ইউরোপীয় দেশের কলোনি। ঐ ইউরোপীয় দেশটির নাম কি?
  1. নেদারল্যান্ড
  2. স্পেন
  3. পর্তুগাল
  4. ইউকে
ব্যাখ্যা
ম্যাকাও:
- ম্যাকাও (Macau) দক্ষিণ চীনে অবস্থিত একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল।
- দ্বীপটি চীন সাগরে অবস্থিত।
- এখানে "এক দেশ, দুই ব্যবস্থা" নীতি অনুসরণ করা হয়, অর্থাৎ ম্যাকাও নিজস্ব প্রশাসনিক, অর্থনৈতিক এবং বিচার ব্যবস্থা বজায় রাখে, যদিও পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা চীন পরিচালনা করে। 
- বর্তমানে, এটি চীনের একটি অংশ হলেও বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল হিসেবে নিজেদের একটি পৃথক প্রশাসনিক ব্যবস্থা ও আইন বজায় রাখে।
- ম্যাকাও এর মুদ্রা ম্যাকানিজ পটাকা

⇒  ম্যাকাও ছিলো এশিয়ায় ইউরোপের সর্বশেষ উপনিবেশ।
- 'ম্যাকাও' দ্বীপটি পর্তুগালের কলোনি ছিল।
- ১৫৫৭ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত প্রায় ৪৪২ বছর মাকাও পর্তুগীজ শাসনাধীন ছিল।
- ১৯৯৯ সালের ২০ ডিসেম্বর পর্তুগাল চীনের নিকট ম্যাকাও হস্তান্তর করে।
- ১৯৯৯ সালের ১৯ ডিসেম্বর মধ্যরাতে মাকাওয়ের সার্বভৌমত্ব ও কর্তৃত্ব চীনের কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং ২০ ডিসেম্বর থেকে চীনের পূর্ণ কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়।
- চীনা-পর্তুগীজ যৌথ ঘোষণা ও মাকাওয়ের মৌলিক নীতি অনুসারে ২০৪৯ সাল পর্যন্ত এটি বিশেষ সার্বভৌম ক্ষমতা ভোগ করবে।

উৎস: Britannica.
৯১.
কম্পিউটার কে আবিষ্কার করেন?
  1. ইউলিয়াম অটরেড
  2. ব্লেইসি প্যাসকেল
  3. হাওয়ার্ড এইকিন
  4. আবাকাস
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার আবিষ্কার করেন হাওয়ার্ড এইকিন।

- ১৯৩৭ সালে আমেরিকার হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক ড. হাওয়ার্ড এইচ আইকেন ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল টেকনিক ব্যবহার করে চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালাইটিক ইঞ্জিনের মতো একটি যন্ত্র তৈরি করার পরিকল্পনা করেন, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে।
- ১৯৪৪ সালে হাওয়ার্ড মার্ক-১ (Mark-I) নামের পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার তৈরি করেন।
- মার্ক-১ ছিল হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয় ও আইবিএম কোম্পানির যৌথ উদ্যোগের একটি ফসল।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯২.
কোনটি তেজস্ক্রীয় পদার্থ নয়?
  1. লৌহ
  2. ইউরেনিয়াম
  3. প্লটোনিয়াম
  4. নেপচুনিয়াম
ব্যাখ্যা
[লৌহ (Iron) তেজস্ক্রীয় পদার্থ নয়। এটি একটি স্থিতিশীল মৌল এবং প্রাকৃতিকভাবে তেজস্ক্রিয়তা প্রদর্শন করে না। ইউরেনিয়াম (U), প্লটোনিয়াম (Pu), এবং নেপচুনিয়াম (Np) হলো তেজস্ক্রীয় পদার্থ, যা প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তার মাধ্যমে বিক্রিয়া করে।]

• তেজস্ক্রিয়তা:
- কয়েকটি বিশেষ ধরনের নিঃসরণ করে ভারী নিউক্লিয়াসগুলো স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভেঙ্গে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে।
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে হেনরি বেকারেল তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন।
- পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কারখানা থেকে দুর্ঘটনা বা পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফলে বের হয়ে আসা তেজস্ক্রিয় পদার্থ দিয়ে মাটির মারাত্মক দূষণ হয়ে থাকে।
- তেজস্ক্রিয় পদার্থ যেমন: রেডন (Rn), রেডিয়াম (Ra), থোরিয়াম (Th), ইউরেনিয়াম (U) ইত্যাদি শুধু মাটির উর্বরতাই নষ্ট করে না, এরা প্রাণীদেহের ত্বক ও ফুসফুসের ক্যান্সারের কারণ হতে পারে।
- উচ্চমাত্রায় তেজস্ক্রিয়তার ফলে গাছপালা মরে যায়।
- এছাড়া অন্যান্য খাদ্যশৃংখলের মাধ্যমে এরা প্রাণীদেহে প্রবেশ করে ভয়াবহ রোগ সৃষ্টি করে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
৯৩.
কোন বস্তুটির স্থিতিস্থাপকতা বেশি?
  1. রবার
  2. এলুমিনিয়াম
  3. লৌহ
  4. তামা
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত অপশন গুলোর মধ্যে লোহার স্থিতিস্থাপক সীমা খুব বেশি আবার রবারের খুব কম।

• স্থিতিস্থাপকতা:
- বাহ্যিক বল প্রয়োগ করে কোনো বস্তুর আকার বা আয়তন বা উভয়েরই পরিবর্তনের চেষ্টা করলে, যে ধর্মের ফলে বস্তুটি এই পরিবর্তনের প্রচেষ্টাকে বাধা দেয় এবং বাহ্যিক বল অপসারিত হলে বস্তু তার পূর্বের আকার ও আয়তন ফিরে পায়, সেই ধর্মকে স্থিতিস্থাপকতা বলা হয়।

স্থিতিস্থাপক সীমা:
- বাহ্যিক বলের একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত প্রত্যেক বস্তুই পূর্ণ স্থিতিস্থাপক।
- এই সীমাকে বস্তুটির উপাদানের স্থিতিস্থাপক সীমা বলা হয়।
- বিভিন্ন পদার্থের স্থিতিস্থাপক সীমা বিভিন্ন।

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৪.
কোন পদার্থটি চৌম্বক পদার্থ নয়?
  1. কাঁচা লৌহ
  2. ইস্পাত
  3. এলুমিনিয়াম
  4. কোবাল্ট
ব্যাখ্যা
• এলুমিনিয়াম চৌম্বক পদার্থ নয়।

• চৌম্বক পদার্থ:
- যে সকল পদার্থকে চুম্বক আকর্ষণ করে এবং যাদের চুম্বকে পরিণত করা যায় তাদের চৌম্বক পদার্থ বলে।
- বেশিরভাগ চৌম্বক পদার্থে লোহা থাকে তাই চৌম্বক পদার্থকে ফেরো চৌম্বক পদার্থ বলে। ফেরো শব্দটির অর্থ লোহা।
- উদাহরণ: লোহা, ইস্পাত, নিকেল, কোবাল্ট।

• অচৌম্বক পদার্থ:
- যে সকল পদার্থকে চুম্বক আকর্ষণ করে না এবং যাদের চুম্বকে পরিণত করা যায় না তাদের অচৌম্বক পদার্থ বলে।
- উদাহরণ: অ্যালুমিনিয়াম, স্টিল, সোনা, রূপা, তামা, পিতল, দস্তা ইত্যাদি।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৫.
যে মসৃণতলে আলোর নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে তাকে কি বলে?
  1. দর্পণ
  2. লেন্স
  3. প্রিজম
  4. বিম্ব
ব্যাখ্যা
• দর্পণ:
- যে মসৃণ তলে আলোর নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে তাকে দর্পণ বলে।
- দর্পণ প্রধানত দুই প্রকার।
যথা -
১। সমতল দর্পণ ও
২। গোলীয় দর্পণ।

- গোলীয় দর্পণ আবার ২ প্রকার।
যথা -
১। উত্তল দর্পণ ও
২। অবতল দর্পণ।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৯৬.
রাডারে যে তড়িৎ চৌম্বক ব্যবহার করা হয় তার নাম কি?
  1. গামা রশ্মি
  2. মাইক্রোওয়েভ
  3. অবলোহিত বিকিরণ
  4. আলোক তরঙ্গ
ব্যাখ্যা
- মাইক্রোওয়েভ রাডারে ব্যবহৃত হয়।
- রাডার যন্ত্রে, নৌ ও বিমান চালনায়, রেডিও যোগাযোগ ব্যবস্থায়, শিল্প কারখানায় মাইক্রোওয়েভ ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া খাবার গরম করা ও রান্নার কাজে মাইক্রোওভেন ব্যবহৃত হয়।
- মাইক্রোওয়েভ এর ফ্রিকুয়েন্সী রেঞ্জ হচ্ছে ৩০০MHz থেকে ৩০০GHz.
- মাইক্রোওয়েভ সিস্টেমে মূলত দুটো ট্রান্সসিভার (Transceiver) থাকে।
- এর একটি সিগন্যাল ট্রান্সমিট (Transmit) করে এবং অন্যটি রিসিভ (Receive) করে।
- মাইক্রোওয়েভ যোগাযোগ দু' ধরনের হতে পারে। যথা : টেরেস্ট্রিয়াল মাইক্রোওয়েভ (Terrestrial Microwave) ও স্যাটেলাইট মাইক্রোওয়েভ (Satellite Microwave)

উৎস:
১. ব্রিটানিকা
২. পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৭.
মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কার করে কোন বিজ্ঞানী নোবেল পুরস্কার পান?
  1. হেস
  2. গোল্ডস্টাইন
  3. রাদারফোর্ড
  4. আইনস্টাইন
ব্যাখ্যা
• মহাজাগতিক রশ্মি (Cosmic rays):
- মহাজাগতিক রশ্মি হচ্ছে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণার স্রোত। বহির্বিশ্ব থেকে এসব কণা এসে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে।
- বাইরে থেকে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে উচ্চ শক্তিসম্পন্ন যে আহিত কণাসমূহ প্রবেশ করে তাদেরকে সমষ্টিগতভাবে মহাজাগতিক রশ্মি বলা হয়।
- ধারণা করা হয় ছায়াপথের বাইরে নতুন নতুন নক্ষত্রের বিস্ফোরণের ফলে বেশির ভাগ মহাজাগতিক রশ্মির সৃষ্টি হয়।
- মহাজাগতিক রশ্মিতে থাকে ৮৯ ভাগ প্রোটন, ৯ ভাগ নিউট্রন এবং ২ ভাগ কার্বন, নাইট্রোজেন, অক্সিজেন ও লোহার ভারী নিউক্লিয়াস।
- মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কারের জন্য ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস ১৯৩৬ সালে অপর বিজ্ঞানী কার্ল ডেভিড অ্যান্ডারসনের সাথে যৌথভাবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা ও নোবেল পুরস্কার ওয়েবসাইট।
৯৮.
তড়িৎশক্তি শব্দশক্তিতে রূপান্তরিত হয় কোন যন্ত্রের মাধ্যমে?
  1. এমপ্লিফায়ার
  2. জেনারেটর
  3. লাউড স্পিকার
  4. মাইক্রোফোন
ব্যাখ্যা
• শক্তির রূপান্তর:
- লাউড স্পীকার ও বৈদ্যুতিক ঘন্টা- বিদ্যুৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে।
- মাইক্রোফোন- শব্দ শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে।
- জেনারেটর বা ডায়নামো- যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে।
- বৈদ্যুতিক মোটর- তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে।
- মোবাইল ফোনের ব্যাটারিকে বিদ্যুৎ দিয়ে চার্জ দেওয়ার ফলে তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৯.
সমুদ্রের গভীরতা মাপা হয় কোন যন্ত্র দিয়ে?
  1. ফ্যাদোমিটার
  2. জাইরো কম্পাস
  3. সাবমেরিন
  4. এনিওমিটার
ব্যাখ্যা
• সমুদ্রের গভীরতা মাপক যন্ত্র:
- সমুদ্রের গভীরতা মাপক যন্ত্রের নাম ফ্যাদোমিটার।
- স্থলভাগের প্রকৃতি যেমন বন্ধুর সমুদ্রের তলদেশের ভূমিরূপও তেমন বন্ধুর প্রকৃতির।
- শব্দ তরঙ্গের সাহায্যে সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করা হয়।
- সমুদ্রের তলদেশের ভূমিরূপকে প্রধান পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যথা- মহীসোপান, মহীঢাল, গভীর সমুদ্রের সমভূমি, নিমজ্জিত শৈলশিরা, গভীর সমুদ্রখাত।

এছাড়াও-
- আর্দ্রতা পরিমাপক যন্ত্র - হাইড্রোমিটার।
- ভূমিকম্প পরিমাপক যন্ত্রের নাম সিসমোগ্রাফ।
- ভূমিকম্পের মাত্রা নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম রিখটার স্কেল।
- বায়ুর চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র - ব্যারোমিটার।

উৎস: ব্রিটানিকা ও ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০০.
কোন হরমোনের অভাবে ডায়াবেটিস রোগ হয়?
  1. থাইবোসিন
  2. গ্লুকাগন
  3. এড্রিনালিন
  4. ইনসুলিন
ব্যাখ্যা
• ডায়বেটিস:
- বহুমূত্র রোগ বা ডায়াবেটিস মেলিটাস এক ধরনের বিপাকজনিত রোগ।
- ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবেটিস রোগ হয়।
- প্যানক্রিয়াস থেকে ইনসুলিন নামক এক ধরনের হরমোন নির্গত হয়, যা রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণকে কমিয়ে দেয়।
- অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহেন্স থেকে গ্লুকানল এবং ইনসুলিন নির্গত হয়।
- ডায়াবেটিস রোগে ইনসুলিন ব্যবহৃত হয়।
- কারো ডায়াবেটিস হলে প্যানক্রিয়াস যথেষ্ট ইনসুলিন নির্গত করতে পারে না, কিংবা শরীর ইনসুলিনকে ব্যবহার করতে পারে না।
- যে কারণে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।