পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৮তম বিশেষ বিসিএস [স্বাস্থ্য] ⎯ সাধারণ অংশ [Archived]

পরীক্ষা৪৮তম বিশেষ বিসিএস [স্বাস্থ্য] ⎯ সাধারণ অংশ [Archived]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন২৬
সিলেবাস
পরীক্ষা – ২১ বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি-৩ টপিক: i) বাংলাদেশের অর্থনীতি: (উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রেক্ষিত, জাতীয় আয়-ব্যয়, রাজনীতি ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, দারিদ্র্য বিমোচন ইত্যাদি)। ii) বাংলাদেশের শিল্প ও বানিজ্য: (শিল্প উৎপাদন, পণ্য আমদানি ও রপ্তানিকরণ, গার্মেন্টস শিল্প ও এর সার্বিক ব্যবস্থাপনা, অন্যান্য শিল্পসমূহ, বৈদেশিক লেন-দেন, অর্থ প্রেরণ, ব্যাংক ও বীমা ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি)। iii) বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা: (আইন, শাসন ও বিচার বিভাগসমূহ, আইন প্রণয়ন, নীতি নির্ধারণ, জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা কাঠামো, প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস ও সংস্কার)। iv) বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ: শস্য উৎপাদন এবং এর বহুমুখীকরণ, খাদ্য উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৮তম বিশেষ বিসিএস [স্বাস্থ্য] ⎯ সাধারণ অংশ [Archived]

৪৮তম বিশেষ বিসিএস [স্বাস্থ্য] ⎯ সাধারণ অংশ [Archived] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৬ প্রশ্ন

.
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (NEC) এর বর্তমান সভাপতি কে? (জুন-২০২৫)
  1. অর্থমন্ত্রী
  2. প্রধান উপদেষ্টা
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. অর্থ উপদেষ্টা
সঠিক উত্তর:
প্রধান উপদেষ্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান উপদেষ্টা
ব্যাখ্যা
• জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (NEC):
- দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনায় জাতীয় নীতি ও উদ্দেশ্য সম্বলিত উন্নয়ন কর্মসূচি অনুমোদনের জন্য দেশের সর্বোচ্চ রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষ।
- এ পরিষদ কর্তৃক প্রণীত লক্ষ ও উদ্দেশ্য অনুযায়ী সাধারণত বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ তাদের নিজ নিজ পরিকল্পনা ও কর্মসূচি প্রণয়ন করে।
- মন্ত্রিপরিষদের সকল সদস্য এ পরিষদের সদস্য থাকেন।
- প্রধানমন্ত্রী তথা সরকার প্রধান পরিষদের সভায় সভাপতিত্ব করেন।
- প্রয়োজন মাফিক পরিষদের সভা আহবান করা হয়। কোনো নির্দিষ্ট সভার আলোচ্য বিষয়ের গুরুত্ব বা প্রকৃতি অনুসারে সভায় কারা উপস্থিত থাকবেন তা নির্ধারিত হয়।

 জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের কার্যাবলির মধ্যে রয়েছে:
(১) পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি ও সকল অর্থনৈতিক নীতি প্রণয়নে সামগ্রিক দিগনির্দেশনা দান;
(২) নীতি, কর্মসূচি ও পরিকল্পনা চূড়ান্তকরণ ও অনুমোদন;
(৩) উন্নয়ন কর্মসূচির বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা; (
৪) আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য বিবেচ্য সকল ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ;
(৫) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের দায়িত্ব সম্পাদনের ক্ষেত্রে সহায়তা  প্রদানের নিমিত্তে প্রয়োজনীয় কমিটি নিয়োগ করা।

উল্লেখ্য,
বর্তমান সময় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হিসেবে, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (NEC) এর সভাপতি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
বাংলাদেশে সরকারের নির্বাহী বিভাগের অন্তর্ভুক্ত নয়-
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. সচিব
  4. বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সরকারের তিনটি বিভাগ:
সেগুলো হচ্ছে:
- নির্বাহীবিভাগ
- আইনবিভাগ ও
- বিচারবিভাগ।

• নির্বাহী বিভাগ:
- রাষ্ট্রের শাসনকার্য তথা নিত্যদিনকার প্রশাসনিক ও দান্তরিক কাজ পরিচালনা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং রাষ্ট্রের সার্বিক সিদ্ধান্ত এবং সুবিধাসমূহ বাস্তবায়ন করে যে বিভাগ তাকে নির্বাহী বা শাসনবিভাগ বলে।
- নির্বাহীবিভাগকে শাসনবিভাগও বলা হয়ে থাকে।
এটি মূলত রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদ নিয়ে গঠিত।

• বিচার বিভাগ:
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ সুপ্রিম কোর্ট, অধস্তন আদালত এবং বিশেষট্রাইব্যুনাল নিয়ে গঠিত।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি বোর্ড বই।
.
প্রধানমন্ত্রী তাঁর কাজের জন্যে কার নিকট জবাবদিহি করেন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. সুপ্রীম কোর্ট
  3. আইনসভা
  4. মন্ত্রিপরিষদ
সঠিক উত্তর:
আইনসভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনসভা
ব্যাখ্যা
• প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও কাজ:
 যেমন

• সংবিধান অনুযায়ী দেশের সরকার প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শাসনকার্য পরিচালনা করেন। মন্ত্রিপরিষদের সহযোগিতায় তিনি শাসনসংক্রান্ত সকল দায়িত্ব পালন করেন। প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকেন। প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মন্ত্রিসভার সদস্য, সাংবিধানিক পদে রাষ্ট্রের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বিদেশে রাষ্ট্রদূত ইত্যাদি নিয়োগ দেন।

• প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদের প্রধান। তিনি মন্ত্রিসভার সদস্যসংখ্যা নির্ধারণ করেন ও মন্ত্রীদের মধ্যেদপ্তর বণ্টন করেন। 
• প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদের একজন সদস্য ও সংসদ নেতা। তিনি সংসদে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। 
• সংসদে আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে কোনো সরকারি বিল উত্থাপনের পূর্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়। যদি প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিপরিষদ উক্ত প্রস্তাবটি গ্রহণ করেন তবেই তা সংসদে বিল আকারে উত্থাপন করা যায়। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ও পরামর্শে অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশের বার্ষিক আয়-ব্যয়ের (জাতীয়) বাজেট প্রণয়ন ও সংসদে উপস্থাপন করেন। এভাবে তিনি আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে থাকেন।

• পররাষ্ট্র বিষয়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেন।
- প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি ছাড়া কোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি সম্পাদিত হতে পারে না।
- আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করেন।

• দেশের জরুরি অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদের সিদ্ধান্ত ছাড়া যেকোনো নির্দেশ দিতে পারেন।

তবে প্রধানমন্ত্রী সংসদের কাছে জবাবদিহি করবেন। সংসদ প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনাস্থা ভোট প্রয়োগের মাধ্যমে জবাবদিহি চালু রাখতে পারে।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি বোর্ড বই।
.
বাংলাদেশে এ পর্যন্ত কতটি দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে?
  1. ৫ টি
  2. ২ টি
  3. ৩ টি
  4. ১ টি
সঠিক উত্তর:
১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ টি
ব্যাখ্যা
• দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৭৮-৮০):
- ১৯৭৮ থেকে ১৯৮০ এ দু বছরের জন্য একটি দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনা রচনা করা হয়।
- এটি ছিলো বাংলাদেশের একমাত্র দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনা।

- কারণ হিসেবে বলা হয় প্রথম পরিকল্পনার অসমাপ্ত প্রকল্পগুলো শেষ করা।
- প্রথম পরিকল্পনার ব্যর্থতার প্রেক্ষিতে দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার ক্ষেত্র প্রস্তুত করা, বৈদেশিক সাহায্যের সম্ভবনা যাচাই প্রভৃতির জন্য দুৎবছর মেয়াদী একটি অন্তর্বতীকালীন পরিকল্পনার প্রয়োজন ছিল।

উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশের প্রচলিত আইনের পরিবর্তন বা সংশোধন কার উপর ন্যস্ত?
  1. সুপ্রিমকোর্ট
  2. জাতীয় সংসদ
  3. হাইকোর্ট
  4. আইন মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা
• জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:

• বাংলাদেশের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা জাতীয় সংসদের উপর ন্যস্ত।
- সংসদ যেকোনো নতুন আইন প্রণয়ন, প্রচলিত আইনের পরিবর্তন বা সংশোধন করতে পারে।
- কোনো নতুন আইন পাশ করতে হলে খসড়া বিলের আকারে তা সংসদে পেশ করা হয়। সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের ভোটে বিলটি গৃহীত হওয়ারপর এবং বিধি অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভের পর তা' আইনে পরিণত হয়।

• জাতীয় সংসদ নির্বাহী বিভাগের কার্যক্রম তদারকি করে।
- প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যগণ সংসদের নিকট দায়ী থাকেন।
- কোনো কারণে সংসদ প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনাস্থা আনলে মন্ত্রিসভা ভেঙে যায়। মুলতুবি

• জাতীয় সংসদের অনুমতি ছাড়া কোনো কর বা খাজনা আরোপ ও আদায় করা যায় না।
- সংসদ প্রতিবছর জাতীয় বাজেট পাস করে।
- অর্থমন্ত্রী বাজেটের খসড়া সংসদে উপস্থাপন করেন। সংসদ সদস্যগণ দীর্ঘ বিতর্ক ও আলোচনার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সংশোধনীসহ তা পাশ করেন।

•  জাতীয় সংসদের বিচারসংক্রান্ত ক্ষমতা রয়েছে। কোনো সংসদ সদস্য অসংসদীয় আচরণ করলে স্পিকার তাঁকে বহিষ্কার করতে পারেন।
- তাছাড়া সংবিধান লঙ্ঘন করলে সংসদ রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করতে পারে এবং প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনতে পারে।

•  সংসদ সংবিধানে উল্লিখিত নিয়মের ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন করতে পারে। তবে এজন্য সংসদের মোট সদস্যের কমপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ ভোটের দরকার হয়।
• জাতীয় সংসদের সদস্যগণ সংসদের স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার এবং সংসদের বিভিন্ন কমিটির সদস্যদের নির্বাচিত করেন।
- সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্যগণও সংসদ সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হয়ে থাকেন।
- এ ছাড়া সংসদ সদস্যগণ দেশের রাষ্ট্রপতিকে নির্বাচন করে থাকেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।
.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের শিরোনাম কী?
  1. বৈষম্যহীন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়
  2. বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়
  3. টেকসই ও দারিদ্র্য মুক্ত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়
  4. বৈষম্যহীন সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়
সঠিক উত্তর:
বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়
ব্যাখ্যা
• বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেট ঘোষণা করেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেট বক্তৃতার শিরোনাম হচ্ছে- ‘বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়’।
- বাজেটের পরিমাণ-৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।
- বাজেটে করমুক্ত আয়সীমায় নতুন সংযুক্ত- "জুলাই যোদ্ধা"।

উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬।
.
বাংলাদেশের আইনসভার নাম কী?
  1. বাংলাদেশ পার্লামেন্ট
  2. জাতীয় সংসদ
  3. বাংলাদেশ সংসদ
  4. জাতীয় সংসদ ভবন
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের আইনসভা:
- সরকারের তিনটি বিভাগের মধ্যে আইনসভা অন্যতম।
- বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ।
- এটি এক কক্ষবিশিষ্ট।
- জাতীয় সংসদের মোট সদস্যসংখ্যা ৩৫০।
- এর মধ্যে ৩০০ জন সদস্য জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন
- এবং অবশিষ্ট ৫০টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত।
- বাংলাদেশকে মোট ৩০০টি নির্বাচনী এলাকায় ভাগ করা হয়েছে।
- সংসদে একজন স্পিকার ও একজন ডেপুটি স্পিকার থাকেন।
- তাঁরা সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন।
 - সংসদের কার্যকাল পাঁচ বছর।
- এর পূর্বেও রাষ্ট্রপতি প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে সংসদ ভেঙে দিতে পারেন।
- সংসদের একটি অধিবেশন সম্পন্ন হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে আরেকটি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হতে হয়।
- প্রধানমন্ত্রী সাধারণত সংসদের নেতা।
- আসনসংখ্যার দিক দিয়ে নির্বাচনে দ্বিতীয় স্থান অর্জনকারী দলের প্রধান সংসদে বিরোধী দলের নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- সংসদের অনুমতি ছাড়া একনাগাড়ে ৯০ বৈঠক দিবস সংসদ অধিবেশনে অনুপস্থিত থাকলে সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।
.
বাংলাদেশের মাঠ প্রশাসন দ্বিতীয় স্তরটি-
  1. ইউনিয়ন প্রশাসন
  2. জেলা প্রশাসন
  3. উপজেলা প্রশাসন
  4. বিভাগীয় প্রশাসন
সঠিক উত্তর:
জেলা প্রশাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা প্রশাসন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো:
 - বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো স্তরভিত্তিক।
- এর দুটি প্রধান স্তর আছে।

• প্রথম স্তরটি হলো কেন্দ্রীয় প্রশাসন (সচিবালয়)।
- দেশের সব ধরনের প্রশাসনিক নীতি ও সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় পর্যায়ে গ্রহণ করা হয়।
- আর কেন্দ্রীয় পর্যায়ে গৃহীত নীতি ও সিদ্ধান্ত মাঠ প্রশাসনের মাধ্যমে সারা দেশে বাস্তবায়িত হয়।

• বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের দ্বিতীয় স্তরটি হলো মাঠ প্রশাসন।
- মাঠ প্রশাসনের প্রথম ধাপ হলো বিভাগীয় প্রশাসন।
- দ্বিতীয় ধাপে রয়েছে জেলা প্রশাসন।
- জেলার পর আছে উপজেলা প্রশাসন।
- উপজেলা প্রশাসন একেবারে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত।

-  মাঠ প্রশাসন মূলত কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়। কয়েকটি মন্ত্রণালয় নিয়ে কেন্দ্রীয় প্রশাসন বা সচিবালয় গঠিত। প্রতি মন্ত্রণালয়ের সাথে সংযুক্ত আছে বিভিন্ন বিভাগ বা অধিদপ্তর। অধিদপ্তরের/দপ্তরের প্রধান হলেন মহাপরিচালক/পরিচালক। 

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।
.
জুলাই যোদ্ধাদের করমুক্ত আয়সীমা কত হবে?
  1. ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা
  2. ৫ লাখ টাকা
  3. ৫ লাখ ৩৫ হাজার টাকা
  4. ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা
সঠিক উত্তর:
৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা
ব্যাখ্যা
• ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট অনুসারে করমুক্ত ব্যক্তির আয়সীমা:
- বাজেট-২০২৫  সাধারণ ব্যক্তিদের করমুক্ত আয়সীমায় কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। অর্থাৎ ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা আয় থাকলেই একজন ব্যক্তিতে আয়কর দিতে হবে।
- নারী ও ৬৫ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ টাকা।
- আর প্রতিবন্ধীদের জন্য ৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। 
- এছাড়া গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের করমুক্ত আয়সীমা ৫ লাখ টাকা।

উল্লেখ্য, 
- করমুক্ত আয়সীমায় নতুন যুক্ত হয়েছেন ‘জুলাই যোদ্ধারা’।
- ২০২৬ - ২০২৭ অর্থবছরে তাদের করমুক্ত আয়সীমা হবে ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা। 

উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬।
১০.
বিভিন্ন প্রকল্প প্রণয়ন ও নীতি নির্ধারক হলেন-
  1. মন্ত্রী
  2. সচিব
  3. বিচারপতি
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
মন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন্ত্রী
ব্যাখ্যা
• কেন্দ্রীয় প্রশাসন:
- মন্ত্রণালয় হলো প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু।
- যে স্থানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়গুলো অবস্থিত তা সচিবালয় নামে পরিচিত।
- প্রতিটি মন্ত্রণালয় একজন মন্ত্রীর অধীনে ন্যস্ত।
- মন্ত্রীর প্রধান কাজ প্রকল্প প্রণয়ন ও নীতি নির্ধারণ।
- প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক প্রধান হলেন সচিব।
- তিনি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীকে নীতি নির্ধারণে পরামর্শ প্রদান করেন।
- মন্ত্রণালয়ের সকল কর্মসূচি বাস্তবায়নের দায়িত্ব সচিবের উপর ন্যস্ত।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।
১১.
কোনটি বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান?
  1. বার্ড
  2. সিটি কর্পোরেশন
  3. বিশ্ববিদ্যালয়
  4. চা বোর্ড
সঠিক উত্তর:
সিটি কর্পোরেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিটি কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা
• স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন :
- স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন বলতে নির্দিষ্ট এলাকাভিত্তিক জনগণের স্বশাসনকে বুঝায়।
- সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা তা পরিচালিত হয়।
- প্রতিনিধিরা তাঁদের কাজের জন্য জনগণের নিকট দায়ী থাকেন।

•  বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো-
- ইউনিয়ন পরিষদ,
- উপজেলা পরিষদ,
- জেলা পরিষদ,
- পৌরসভা,
- সিটি কর্পোরেশন,
- পার্বত্য জেলা পরিষদ প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
১২.
বাংলাদেশের কোথায় জুম চাষ হয়?
  1. উপকূলীয় অঞ্চলে
  2. পার্বত্য অঞ্চলে
  3. সমতল ভূমিতে
  4. মধুপুর বনভূমিতে
সঠিক উত্তর:
পার্বত্য অঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পার্বত্য অঞ্চলে
ব্যাখ্যা
• জুম চাষ:
- জুমচাষ (Shifting cultivation) পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠীদের মধ্যে অতি পরিচিত একটি পাহাড়ী মিশ্র কৃষি চাষ পদ্ধতি।
- এমন একটা সময় ছিল যখন এখানকার জনগোষ্ঠীদের মধ্যে এই জুম চাষই ছিল জীবিকা অর্জনের একমাত্র উপায়। ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে এখানকার মানুষ সমতলের মত চাষাবাদ করার পদ্ধতি আয়ত্ব করেছে জুমচাষের অনেক পরে।
- মূলত চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলের উপজাতীয়দের জীবন ও সংস্কৃতি বহুলাংশে জুমচাষের ওপর নির্ভরশীল।
- এছাড়া সিলেটের পাহাড়িয়া অঞ্চলেও কিছু কিছু জুমচাষ হয়।
- রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, জুম চাষ হয়।
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীগুলির প্রধান জীবিকা ছিল কৃষি।
- জুম চাষকে স্থানান্তর কৃষি ব্যবস্থাও বলা হয়ে থাকে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।
১৩.
’সোনাহাট স্থলবন্দর’ স্থলবন্দর কোথায় অবস্থিত?
  1. কুড়িগ্রাম
  2. খাগড়াছড়ি
  3. পঞ্চগড়
  4. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
ব্যাখ্যা
• সোনাহাট স্থলবন্দর:
- সোনাহাট স্থলবন্দরটি কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলা সীমান্তে অবস্থিত।
- সোনাহাট স্থলবন্দরের বিপরীতে ভারতের আসাম রাজ্যের ধুবড়ী জেলার গোলকগঞ্জ সীমান্ত অবস্থিত।
- স্থলপথে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সহজতর করার লক্ষ্যে ২৫ অক্টোবর, ২০১২ খ্রিঃ তারিখের এসআর ও নং ৩৬৪ আইন/২০১২ মোতাবেক সোনাহা টস্থলশুল্ক স্টেশনকে স্থলবন্দর ঘোষনা করা হয়।
- পরবর্তীতে ০৯ জুন ২০১৮ খ্রিঃ তারিখে সোনাহাট স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
-  ০১ জুলাই ২০১৮ খ্রিঃ তারিখ হতে সোনাহাট স্থলবন্দরের সামগ্রিক অপারেশনাল কার্যক্রম চালু হয় ।

অন্যদিকে,
• রামগড় স্থলবন্দর - রামগড়, খাগড়াছড়ি।
• সোনামসজিদ স্থলবন্দর- শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
• বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর- তেতুলিয়া, পঞ্চগড়।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।
১৪.
বাংলাদেশের সর্বশেষ নদী বন্দর কোনটি? (জুন-২০২৫)
  1. সিলেট নদী বন্দর
  2. গোয়াইনঘাট নদী বন্দর
  3. সন্দ্বীপ নদী বন্দর
  4. হাতিয়া নদী বন্দর
সঠিক উত্তর:
হাতিয়া নদী বন্দর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাতিয়া নদী বন্দর
ব্যাখ্যা
• বর্তমানে বাংলাদেশে নদী বন্দর ৫৫ টি। (জুন-২০২৫)
- বাংলাদেশের সর্বশেষ নদীবন্দর ’হাতিয়া নদী বন্দর  (লিংক)।
- এটি দেশের উপকূলীয় নদীবন্দর ।

উল্লেখ্য, 
- দেশের প্রথম উপকূলীয় নদী বন্দর হলো সন্দ্বীপ। ডিসেম্বর, ২০২৪-এ এটি নদীবন্দর হিসেবে ঘোষিত হয়।
- দেশের ২য় উপকূলীয় নদীবন্দর হাতিয়া। জুন, ২০২৫-এ এটি নদীবন্দর হিসেবে ঘোষিত হয়।
- বাংলাদেশের বৃহত্তম নদী বন্দর নারায়ণগঞ্জ।

• এর মধ্যে চারটি বড় নদী বন্দর হচ্ছে :
- ঢাকা (সদরঘাট),
- নারায়ণগঞ্জ,
- চাঁদপুর;
- ও বরিশাল।

উৎস:  বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের ওয়েবসাইট।
১৫.
চা বোর্ডের অধীনে বাংলাদেশের নিবন্ধিত চা বাগানের সংখ্যা কতটি? (জুন-২০২৫)
  1. ১৬৮ টি
  2. ১৯০ টি
  3. ১৭০ টি
  4. ১৬৯ টি
সঠিক উত্তর:
১৭০ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭০ টি
ব্যাখ্যা
- চা বোর্ডের অধীনে বাংলাদেশের নিবন্ধিত চা বাগান - ১৭০ টি।

- মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত - ৯০ টি চা বাগান।
- হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত - ২৫টি চা বাগান।
- সিলেট জেলায় অবস্থিত ১৯টি চা বাগান।
-চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত ২২ টি চা বাগান।
- পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত ১০ টি চা বাগান।
- রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত ২ টি চা বাগান।
- ঠাকুরগাঁও জেলায় অবস্থিত ১ টি চা বাগান।
- খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় অবস্থিত ১ টি চা বাগান।

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড। লিংক
১৬.
BCIC-এর অধীনে পরিচালিত একমাত্র সিমেন্ট কারখানা কোনটি?
  1. ছাতক সিমেন্ট কারখানা
  2. মোংলা সিমেন্ট কারখানা
  3. লাফার্জ-সুরমা সিমেন্ট কারখানা
  4. মেঘনা সিমেন্ট কারখানা
সঠিক উত্তর:
ছাতক সিমেন্ট কারখানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছাতক সিমেন্ট কারখানা
ব্যাখ্যা
• ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড:
- ছাতক সিমেন্ট কোং লিঃ, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে অবস্থিত দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা।
- ইহা ১৯৩৭ সনে আসাম বেঙ্গল সিমেন্ট কোম্পানী নামে ব্যক্তি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত।
- ১৯৬৫ সনে পাক-ভারত যুদ্ধের পর ব্যক্তি মালিক কর্তৃক কারখনাটি পরিত্যক্ত হলে ১৯৬৬ সন হতে উহা ইপিআইডিসি’র নিয়ন্ত্রনে আসে।
- বাংলাদেশের স্বাধীন হওয়ার পর প্রথমে বিএমওজিসি, পরে বিএমইডিসি এবং সর্বশেষ ১৯৮২ সালের ১লা জুলাই থেকে বিসিআইসি’র নিয়ন্ত্রণে আসে।

উৎস: বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন।
১৭.
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. পটুয়াখালি
  2. চাঁদপুর
  3. বাগেরহাট
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই):
- বাংলাদেশের মৎস্য গবেষণা, উন্নয়ন এবং ব্যবস্থাপনার জন্য নিবেদিত একটি বিশিষ্ট প্রতিষ্ঠান। এখানে বিএফআরআই এর ইতিহাস এবং কার্যকলাপের একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিম্নরুপ:
-  বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) বাংলাদেশের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
-  দেশের মৎস্য খাতে বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং প্রযুক্তিগত অগ্রগতির জন্য ক্রমবর্ধমান প্রয়োজনীয়তা মোকাবেলা করার লক্ষ্যে এটি তৈরি করা হয়েছে।

• বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট এর পাাঁচটি কেন্দ্র রয়েছে।
- কেন্দ্রসমুহ:
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট স্বাদুপানি কেন্দ্র, ময়মনসিংহ
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট নদী কেন্দ্র, চাঁদপুর
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট  চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র, বাগেরহাট
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট লোনাপানি কেন্দ্র, পাইকগাছা, খুলনা
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র, কক্সবাজার।

উৎস: বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট  লিংক
১৮.
বাংলাদেশের একমাত্র তেল শোধনাগার কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. বরিশাল
  3. চট্টগ্রাম
  4. খুলনা
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড:
- ১৯৬০ সালে খ্যাতনামা শিল্পোদ্যোক্তা জনাব আব্বাস খলিলি'র নেতৃত্বে সর্বপ্রথম একটি প্রকল্প আকারে তৈল শোধনাগার স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। 
- ১৯৬৩ কোম্পানী আইন ১৯১৩ অনুসারে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী হিসেবে নিবন্ধিত  হয়। 
- ১৯৬৮ সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়। 
- বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগার হলো ইস্টার্ণ রিফাইনারি লিমিটেড।
- এটি চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত।
-বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)-এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান।
- এটি একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি।

উৎস: ইস্টার্ণ রিফাইনারী লিমিটেড  এবং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১৯.
বাংলামতি কী?
  1. এক ধরনের আম
  2. এক ধরনের ধান
  3. এক ধরনের গম
  4. এক ধরনের টমেটো
সঠিক উত্তর:
এক ধরনের ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক ধরনের ধান
ব্যাখ্যা
- গাজীপুরের ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. তমাল লতা আদিত্যের নেতৃত্বে ৬টি নতুন জাতের ধান উদ্ভাবিত হয়েছে।
- এর মধ্যে ভারত এবং পাকিস্তানের বিখ্যাত ধান বাসমতির বিকল্প 'বাংলামতি' এবং 'সরু বালাম' ধান নামেও দুটি নতুন জাত তিনি উদ্ভাবন করেছেন। 
- এর বৈজ্ঞানিক নাম ব্রি-৫০।
- এটি দেখতে অনেকাংশে পাকিস্তান, ইন্ডিয়ান বাসমতির মতো।
- দেশীয় বাসমতি বা বাংলামতি উদ্ভাবন করেছেন বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট।
- ২০১০ সালে বাণিজ্যিকভাবে বাসমতি ধানের চাষ শুরু হয় বাংলাদেশে।
- এটি বোরো মৌসুমে আবাদ করা যায়।

উৎস: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট লিংক।
২০.
বাংলাদেশে সরকারি EPZ এর সংখ্যা কত টি? (জুন-২০২৫)
  1. ১১ টি
  2. ৭ টি
  3. ৯টি
  4. ৮ টি
সঠিক উত্তর:
৮ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ টি
ব্যাখ্যা
Bangladesh Export Processing Zone Authority (BEPZA)
-  বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (BEPZA, প্রতিষ্ঠিত ১৫ এপ্রিল ১৯৮১ ।
এটি  প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে পরিচালিত বাংলাদেশ সরকারের একটি সংস্থা যা বাংলাদেশের বিভিন্ন রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল পরিচালনা করে এবং দেশের EPZ-এর কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করে।

• সরকারি EPZ:
- বাংলাদেশে সরকারি EPZ এর সংখ্যা ৮ টি।
- এগুলোর অবস্থান হলো- চট্টগ্রাম, সাভার, মংলা (বাগেরহাট), উত্তরা (নীলফামারী), ঈশ্বরদী (পাবনা), কুমিল্লা, কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) ও আদমজী (নারায়ণগঞ্জ)।
- এট ১৯৮০ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক সংসদে পাশ হওয়া আইনবলে ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশের EPZ সমূহের ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রন করে BEPZA.
- দেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক EPZ উত্তরা, নীলফামারী।

উৎস- বেপজা ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
২১.
গম চাষের জন্য প্রয়োজনীয় তাপমাত্রা কত ডিগ্রী?
  1. ১২° থেকে ২২° সেলসিয়াস
  2. ১৫° থেকে ২০° সেলসিয়াস
  3. ১৩° থেকে ১৮° সেলসিয়াস
  4. ১৬° থেকে ৩২° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
১৫° থেকে ২০° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫° থেকে ২০° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
• গম (Wheat):
- গম মাঝারি তাপমাত্রায় এবং কম আর্দ্র  থেকে আধা-শুষ্ক অবস্থায় ভালো জন্মে।
 - ইহার চারা গজানো, বৃদ্ধি,দানা গঠন,পরিপক্কতা এবং পুষ্টিগুণের ব্যপকতা পরিবেশগত অবস্থার উপর নির্ভর করে।
- গম  একটি  নাতিশীতোষ্ণ আবহাওয়ার ফসল। ইহা  নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে  গ্রীষ্মকালে এবং অব-উষ্ণঅঞ্চলে শীতকালে বা রবি মৌসুমে জন্মে।
 - ইহার  বৃদ্ধি এবং বিকাশের জন্য  দৈনিক পরিমিত গড় তাপমাত্রা ১৫° - ২০° সেন্টিগ্রেড।
- ৩০-৩৫° সে. থেকে অধিক  তাপমাত্রা ফসলের  সাধারণ কার্যক্রমে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। ইহা  তীব্র ঠান্ডা অবস্থা সহ্য করতে পারে।  গমের বীজ অংকুরোদগমের সময় ঠান্ডা সহ্য করতে পারে, তবে  অংগজ বৃদ্ধির জন্য ১৫-২০° সেন্টিগ্রেড  তাপমাত্রা সর্বোত্তম  ।

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি আবহাওয়া তথ্য সেবা (বামিস) কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ। [লিংক]
২২.
বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পোশাক ব্র্যান্ডভিত্তিক সংগঠন-
  1. Accord
  2. Rasha
  3. Alliance
  4. Fiend
সঠিক উত্তর:
Accord
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Accord
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পোশাক ব্র্যান্ডভিত্তিক সংগঠন Accord I
- অ্যাকর্ড হল ব্র্যান্ড এবং ট্রেড ইউনিয়নগুলির মধ্যে একটি স্বাধীন, আইনত বাধ্যতামূলক চুক্তি যা বাংলাদেশে একটি নিরাপদ এবং স্বাস্থ্যকর পোশাক এবং টেক্সটাইল শিল্পের লক্ষ্যে কাজ করে।
- অ্যাকর্ড বাংলাদেশের তৈরি পোশাক কারখানাগুলিকে লক্ষ লক্ষ শ্রমিকের জন্য নিরাপদ করে তুলতে - এবং নিরাপদ রাখতে সাহায্য করে।

অন্যদিকে,
- যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক ব্র্যান্ডভিত্তিক সংগঠন- Alliance।
- 'Alliance for Bangladesh Worker's Safety' ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিখ্যাত গার্মেন্টস ব্র্যান্ডগুলো নিয়ে গঠিত সংগঠন অ্যালায়েন্সের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ২৮টি।

উৎসঃ Accord Bangladesh, দ্যা ডেইলি স্টার।
২৩.
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) মৌলিক কাজ কী?
  1. নতুন জাত উদ্ভাবন
  2. সেচ সংক্রান্ত
  3. কৃষি গবেষণা সমন্বয়
  4. বীজ, সার সরবরাহ
সঠিক উত্তর:
বীজ, সার সরবরাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বীজ, সার সরবরাহ
ব্যাখ্যা
• Bangladesh Agricultural Development Corporation(BADC)
• বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি):
 - তদানিন্তন পূর্বপাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন নামে কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ (ই.পি. অধ্যাদেশ XXXVII,১৯৬১) এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।
-  ১৯৭৫ সালে বিএডিসি’কে বাংলাদেশ কৃষি উপকরণ সরবরাহ এবং সেবা কর্পোরেশন (বিএআইএসএসসি) হিসেবে পুনঃনামকরণ করা হয়।
- কিন্তু ১৯৭৬ সালে বিএআইএসএসসি এর নাম পুনঃ পরিবর্তন করে বিএডিসি নাম পুনর্বহাল করা হয়।
- কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি স্বায়ত্ব শাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিএডিসি’র ভিত্তি ঢাকা শহর কেন্দ্রিক হলেও এর সেবার পরিধি সমগ্র বাংলাদেশে বিস্তৃত।
- মাঠপর্যায়ের অফিসসমূহ উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত, এমনকি কোন কোন ক্ষেত্রে আরো প্রত্যন্ত এলাকায় অফিসের সুবিস্তৃত নেটওয়ার্ক রয়েছে।

•  বিএডিসি’র উপর অর্পিত মৌলিক কাজগুলো হচ্ছে:
- সারা বাংলাদেশে কৃষি উপকরণ উৎপাদন, সংগ্রহ (ক্রয়), পরিবহন, সংরক্ষণ এবং বিতরণ ব্যবস্থাপনা টেকসই করা ।
- অত্যাবশ্যকীয় কৃষি উপকরণ যেমন: বীজ, সার সরবরাহ এবং ভূপরিস্থ ও ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষকের জন্য সেচের সুযোগ সৃষ্টি করা।

উৎস: BADC ওয়েবসাইট।
২৪.
বাংলাদেশের জিডিপিতে কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধির হার কত (সাময়িক ২০২৪-২০২৫ অর্থবছর)?
  1. ৩.৩০%
  2. ২.৭৯%
  3. ১.৭৯%
  4. ১.৫৬%
সঠিক উত্তর:
১.৭৯%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.৭৯%
ব্যাখ্যা
• ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব:

• কৃষি (Agriculture) খাতঃ
সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কৃষি খাতের প্রাক্কলিত প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ১.৭৯%।

উল্লেখ্য,
২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবে কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৩.৩০%।
২০২৩- ২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবের তুলনায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধির হার ১.৫১
শতাংশীয় পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছে।

উৎস: বিবিএস।
২৫.
BIA কী?
  1. বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ
  2. বাংলাদেশ বীমা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ
  3. বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স একাডেমি
  4. আন্তর্জাতিক তথ্য ‍নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স একাডেমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স একাডেমি
ব্যাখ্যা
• Bangladesh Insurance Academy (BIA):
-  ১৯৭৩ সালে ২৯ নভেম্বর একটি স্বায়ত্ব-শাসিত বীমা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসাবে বাংলাদেশ ইনসিওরেন্স একাডেমি প্রতিষ্ঠা  হয়।
-  ১৯৭৩ সালে একাডেমি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে ২০০৮ সালে বীমা খাত বাণিজ্য মন্ত্রণালয় হতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে ন্যস্ত হয় এবং একাডেমি অর্থ মন্ত্রণালয়, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অধীনে একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
- একাডেমি কর্তৃক প্রতি বছর ঢাকাসহ সারা দেশে ২৮/৩০ টি প্রশিক্ষণ কোর্স পরিচালিত হচ্ছে।
- একই সাথে একাডেমি বীমার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সম-সাময়িক বিষয়ের উপর প্রতি বছর ৩/৪টি  সেমিনার / ওয়ার্কশপ আয়োজন করে থাকে।

উৎস: Bangladesh Insurance Academy (BIA).
২৬.
সুপ্রিম কোর্টের ব্রেঞ্চ কয়টি?
  1. ৩ টি
  2. ২ টি
  3. ৪টি
  4. ১ টি
সঠিক উত্তর:
২ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ টি
ব্যাখ্যা
• সুপ্রিম কোর্ট:
- বিচারবিভাগের সর্বোচ্চ আদালতের নাম সুপ্রিমকোর্ট।
- সুপ্রিম কোর্টের একজন প্রধানবিচারপতি রয়েছেন, যাকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি বলা হয়।
- প্রত্যেক বিভাগের জন্য যতজন বিচারক প্রয়োজন ততজন বিচারককে নিয়ে সুপ্রিমকোর্ট গঠিত। 
- প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি সুপ্রিমকোর্টের দুই বিভাগের বিচারপতিদের নিয়োগ দেন। 

• সুপ্রিমকোর্টের এর রয়েছে দুটি বিভাগ,

যথা:
- আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ।
 
উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।