পরীক্ষা আর্কাইভ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৫ বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য শিল্প উৎপাদন, পণ্য আমদানী ও রপ্তানী, গার্মেন্টেস শিল্প, বৈদেশিক লেনদেন, অর্থ প্রেরণ, ব্যাংক ও বীমা ব্যবস্থাপনা এবং বাংলাদেশের সরকার আইন, শাসন ও বিচার বিভাগসমূহ, আইন প্রণয়ন ও নীতি নির্ধারণ [Live Class – 7 & 8]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুসারে, বাংলাদেশে কয়টি চিনিকল রয়েছে?
  1. ১৫টি
  2. ১৪টি
  3. ১৩টি
  4. ১২টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন (BSFIC):
- BSFIC এর পুর্ণ রূপ: Bangladesh Sugar and Food Industries Corporation.
- বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন ১৫টি চিনিকল, ১টি ডিস্টিলারি ইউনিট, ১টি ইঞ্জিনিয়ারিং কারখানা, ১টি জৈবসার কারখানা ও ২টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নিয়ে কর্মকান্ড পরিচালনা করছে।
- চিনিকলগুলোতে ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৫২,৯৪৫ মেট্রিক টন চিনি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ২১,৩১৩ মেট্রিক টন চিনি উৎপাদিত হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
.
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম সার কারখানা কোনটি?
  1. চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিঃ
  2. আশুগঞ্জ ফাটিলাইজার এন্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ
  3. ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা
  4. শাহজালাল সার কারখানা
ব্যাখ্যা
ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম সার কারখানা হলো ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা
- এটি নরসিংদীতে অবস্থিত।
- দেশের ইউরিয়া সারের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ১৯৭০ সালে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলায় বার্ষিক ৩,৪০,০০০ মেঃ টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিঃ এবং ১৯৮৫ সালে বার্ষিক ৯৫,০০০ মেঃ টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপিত হয়।

 উল্লেখ্য,
- ১২ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে উদ্বোধনী ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব, জ্বালানি সাশ্রয়ী ও আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক এ কারখানার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
- সার উৎপাদনের ক্ষমতা: বার্ষিক ৯ লাখ ২৪ হাজার মেট্রিক টন।
- বিসিক জানায়, কারখানাটি ৩০ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।
- ১১০ একর জমিতে কারখানাটি নির্মিত হবে।
- নির্মাণ ব্যয়: ১৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।
- কারখানাটির দৈনিক সার উৎপাদন হবে ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম সার কারখানা, যেখানে প্রাথমিক পর্যায়ে ফ্লু গ্যাস থেকে পরিবেশদূষণকারী আহরণ করা হবে এবং ক্যাপচার করা কার্বন ডাই-অক্সাইড ব্যবহার করে ইউরিয়া সারের উৎপাদন বৃদ্ধি করা হবে (প্রায় ১০ শতাংশ)।
- এটি দেশে ‘অত্যাধুনিক, শক্তি সাশ্রয়ী ও সবুজ’ সার কারখানা, যা ইউরিয়া সারের আমদানি কমিয়ে দেবে এবং কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করবে।


উৎস: i) ১২ নভেম্বর ২০২৩, প্রথম আলো।
         ii) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
.
বিশ্বের বৃহত্তম পাটকল ‘আকিজ জুট মিল’ কোথায় অবস্থিত?
  1. গোপালগঞ্জ
  2. পাবনা
  3. ফরিদপুর
  4. শরীয়তপুর
ব্যাখ্যা
আকিজ জুট মিল:
- বিশ্বের বৃহত্তম পাটকল আকিজ জুট মিলস।
- এটি গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় অবস্থিত।
- ৪৫০ বিঘা জুড়ে বিস্তৃত পাটকলটিতে ছয়টি কারখানা থাকবে। 
- আকিজ গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম শেখ আকিজ উদ্দিনের উদ্যোগী ছেলেরা প্রতিকূলতাকে উপেক্ষা করে বাংলাদেশের পাট শিল্পে অর্থ ঢেলে যাচ্ছেন।
- আকিজ গ্রুপের চেয়ারম্যান এবং আকিজ জুট মিলের মালিক শেখ নাসির উদ্দিন।

উল্লেখ্য,
বাংলাদেশের পাট শিল্প:
- বাংলাদেশে বছরে ১১-১২ লাখ টন পাট উৎপাদন হয়।
- যার মধ্যে দুই লাখ টন কাঁচা পাট সরাসরি রপ্তানি করা হয় এবং আরও দুই লাখ টন স্থানীয়ভাবে ব্যবহার করা হয়।
- বাকি সাত লাখ টন ব্যবহার করা হয় বিভিন্ন পণ্য বিশেষ করে বিশ্ববাজারে রপ্তানির জন্য সুতা তৈরিতে। 

উৎস: ১২ আগস্ট, ২০২৩, The Business Standard।
.
সংবিধানের কোন ভাগে রাষ্ট্রপতির পদমর্যাদা, ক্ষমতা ও কার্যাবলি নির্ধারিত আছে?
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
- বাংলাদেশ সরকারের যাবতীয় কার্যাদি রাষ্ট্রপতির নামে সম্পাদিত হয়।
- বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ ভাগের ১ম পরিচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির পদমর্যাদা, ক্ষমতা ও কার্যাবলি নির্ধারিত আছে
- রাষ্ট্রপতি দেশের প্রধান নির্বাহী; কিন্তু অলঙ্কারিক প্রধান।
- রাষ্ট্রপতিকে দায়িত্ব পালনের অধিকাংশ ক্ষেত্রে তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর সাথে পরামর্শ করতে হয়।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পাঁচ বছরের জন্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন।
- রাষ্ট্রবিরুদ্ধ কর্মকান্ডের জন্য সংসদ রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসনের মুখোমুখি করতে পারে।
- বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮ (৪) অনুসারে পঁয়ত্রিশ বছর বয়স্ক বাংলাদেশের যেকোন নাগরিক নির্দিষ্ট আইনের আওতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতে পারেন।
- তাঁকে অবশ্যই সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা থাকতে হবে।
- এছাড়া এই সংবিধানের আওতায় তিনি কখনও এই পদ থেকে অপসারিত হননি এই শর্তটিও পূরণ করতে হবে।
- উল্লেখ্য যে, রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন সময়ে তিনি কখনই জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।

বাংলাদেশের সংবিধান রাষ্ট্রপতিকে নানাবিধ ক্ষমতা প্রদান করেছে -
- শাসন সংক্রান্ত ক্ষমতা,
- সংসদ ও আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত ক্ষমতা,
- বিচার সংক্রান্ত ক্ষমতা,
- অর্থ সংক্রান্ত ক্ষমতা,
- প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত ক্ষমতা।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশের প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড কার নামে পরিচালিত হয়?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. মন্ত্রী
  4. স্পিকার
ব্যাখ্যা

কেন্দ্রীয় প্রশাসন:
- বাংলাদেশ একটি এককেন্দ্রিক সরকার কাঠামোভিত্তিক রাষ্ট্র হওয়ায় কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে সকল প্রশাসনিক ক্ষমতা ন্যস্ত।
- সকল প্রশাসনিক কর্মকান্ড পরিচালনার কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে কেন্দ্রীয় সচিবালয়।
- কেন্দ্রীয় সচিবালয়ের সকল প্রশাসনিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী।
- রাষ্ট্রপতির নামে রাষ্ট্রের সকল প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীপরিষদের কার্যকরি প্রধান হিসেবে সকল কার্য পরিচালনা করে থাকেন।
- প্রধানমন্ত্রীর অধীনে থাকেন মন্ত্রীগণ এবং মন্ত্রীদের অধীনে থাকেন রাষ্ট্রের স্থায়ী প্রশাসন অর্থাৎ সচিবগণ।
- সচিব হলেন বাংলাদেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থার অরাজনৈতিক প্রশাসনিক প্রধান।
- এই সচিবদের অধীনে থাকেন অন্যান্য সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
কর্ণফুলী পেপার মিলে কাঁচামাল হিসেবে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. পাটকাঠি
  2. বাঁশ
  3. আখের ছোবড়া
  4. ধানের খড়
ব্যাখ্যা
কর্ণফুলি পেপার মিলস্:
- এশিয়ার বৃহত্তম কাগজের কল কর্ণফুলি পেপার মিলস্ লিমিটেড।
- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দে রাঙ্গামাটি কাপ্তাই উপজেলাধীন চন্দ্রঘোনা নামক স্থানে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- ৫ একর জমি জুড়ে ১৯৫৩ সালে তদানীন্তন পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা কর্তৃক বার্ষিক ৩০,০০০ মেঃ টন কাগজ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন  কর্ণফূলী পেপার মিলস্ লিঃ স্থাপিত হয়।
- এতে কাঁচামাল হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চলের বাঁশ ব্যবহৃত হয়।
- কাগজ উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামাল বাশেঁর প্রাপ্যতার উপর ভিত্তি করে কর্ণফুলি পেপার মিলটি চন্দ্রঘোনায় স্থাপন করা হয়েছিল।

উৎস: বিসিআইসি ওয়েবসাইট।
.
আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সিটি কর্পোরেশন কোনটি?
  1. ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন
  2. ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন
  3. গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন
  4. চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন:
- গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের গাজীপুর জেলায় অবস্থিত স্থানীয় সরকার সংস্থা।
- এটি বাংলাদেশের একটি পৌর প্রশাসন ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- গাজীপুর আয়তনের দিক থেকে সবচেয়ে বড় সিটি কর্পোরেশন।
- গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের আয়তন ৩২৯.৫৩ বর্গকিলোমিটার।
- ৫৭টি ওয়ার্ড নিয়ে গাজীপুর সিটি করপোরেশন গঠিত।

অন্যদিকে, 
- রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের আয়তন ৯৬.৭২ বর্গ কিমি।
- ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আয়তন ১৯৬.২২বর্গ কি.মি।
- ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আয়তন ১০৯.২৫১ বর্গ কি.মি।
- চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের আয়তন ১৫৫.৪ বর্গ কিমি।
- কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের আয়তন ৫৩.০৪ বর্গ কিমি।
- নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের আয়তন ৭২.৪৩ বর্গ কিমি।
- ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের আয়তন ৯১.৩১৫ বর্গ কি.মি.।
- বরিশাল সিটি  কর্পোরেশনের আয়তন ৪৫ বর্গকিলোমিটার।
- সিলেট সিটি  কর্পোরেশনের আয়তন ২৬.৫০ বর্গকিলোমিটার।
- খুলনা সিটি  কর্পোরেশনের আয়তন ৪৫.৬৫ বর্গকিলোমিটার।
- রংপুর সিটি  কর্পোরেশনের আয়তন ২০৩.৬৩ বর্গকিলোমিটার।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ পরিবেশবান্ধব কারখানা -
  1. নাইস কটন লিমিটেড, গাজীপুর
  2. ভিনটেজ ডেনিম স্টুডিও, পাবনা
  3. গ্রিন টেক্সটাইল, ময়মনসিংহ
  4. এসএম সোর্সিং, গাজীপুর
ব্যাখ্যা
বিশ্বের শীর্ষ পরিবেশবান্ধব কারখানা:
- ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত ইউএসজিবিসি যে সনদ দেয়, সেটির নাম ‘লিড’।
- লিডের পূর্ণরূপ: লিডারশিপ ইন এনার্জি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ডিজাইন।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল (ইউএসজিবিসি) এ সনদ দেয়।
- ২০১২ সালে পোশাকশিল্পের উদ্যোক্তা সাজ্জাদুর রহমান মৃধার হাত ধরে প্রথম পরিবেশবান্ধব সবুজ কারখানার যাত্রা শুরু দেশে।
- বর্তমানে দেশে তৈরি পোশাক খাতে লিড সবুজ কারখানা ২০৬টি।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বের শীর্ষ পরিবেশবান্ধব কারখানা গাজীপুরের এসএম সোর্সিং।
- এই ছোট কারখানা লিড সনদে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে বিশ্বের শীর্ষ পরিবেশবান্ধব কারখানার স্বীকৃতি অর্জন করেছে।
- ১১০ নম্বরের মধ্যে এসএম সোর্সিং পেয়েছে ১০৬।

অন্যদিকে -
- লিড প্রত্যয়িত দ্বিতীয় কারখানা নাইস কটন লিমিটেড ৮১ পয়েন্ট অর্জন করেছে।
- ১০৪ নম্বর নিয়ে ময়মনসিংহের গ্রিন টেক্সটাইল (ইউনিট ৪) ছিল বিশ্বের শীর্ষ পরিবেশবান্ধব কারখানা।
- প্রথম পরিবেশবান্ধব সবুজ কারখানা পাবনার ঈশ্বরদী ইপিজেডে স্থাপিত ‘ভিনটেজ ডেনিম স্টুডিও।’

উৎস: i) ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৩, কালের কন্ঠ। 
         ii) ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৩, প্রথম আলো।
.
রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের বিভাগ কয়টি?
  1. ৪টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ১টি
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতির কার্যালয়:
- জাতির মর্যাদা ও গৌরবের প্রতীক ‘বঙ্গভবন’ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ও বাসভবন।
- ব্রিটিশ শাসনামলে ১৯০৫ সালের ০১ সেপ্টেম্বর পূর্ববঙ্গ ও আসাম নামে নতুন প্রদেশ সৃষ্টি হলে নবসৃষ্ট প্রদেশের প্রধান শাসনকর্তা তথা লেফটেন্যান্ট গভর্নরের কার্যালয় ও বাসভবনের প্রয়োজনে বঙ্গভবনের যাত্রা।
- তখন এর নাম ছিল ‘গভর্নমেন্ট হাউজ’।
- মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জনের পর অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ এবং মন্ত্রিপরিষদের অন্যান্য সদস্যগণ ১৯৭১ সালের ২৩ ডিসেম্বর গভর্নর হাউজে মন্ত্রিপরিষদের সভা করেন।
- ঐ সভায় গভর্নর হাউজকে ‘বঙ্গভবন’ নামে অভিহিত করা হয়।

রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের বিভাগ ২টি। যথা:
i) জন বিভাগ,
ii) আপন বিভাগ।
-  রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব ও রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিবের নেতৃত্বে এ বিভাগ দু’টি পরিচালিত হয়।

উৎস: রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ওয়েবসাইট। 
১০.
জেলা পরিষদের মেয়াদ কত বছর?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
ব্যাখ্যা
জেলা পরিষদ:
- রাষ্ট্রপতির সভাপতিত্বে ১৯৮৬ সালে জেলা পরিষদ গঠনের জন্য সভা অনুষ্ঠিত হয় এবং প্রশাসনিক পূর্ণগঠন কমিটিকে জেলা পরিষদের ভবিষ্যৎ দিক নির্দেশনার দায়িত্ব দেয়া হয়।
- ১৯৮৮ সালের স্থানীয় সরকার (জেলা পরিষদ) আইন পাশ হয়।
- ১৯৮৮ আইনে ৩ টি পার্বত্য জেলা বাদে অবশিষ্ট ৬১ টি জেলায় জেলা পরিষদ গঠিত হয়।
- ২০০০ সনের ৬ই জুলাই জেলা পরিষদ সংক্রান্ত আইন রহিত করে সংশোধনসহ জেলা পরিষদ আইন, ২০০০ পাশ করা হয়।
- এ আইনে নিম্নরূপ সদস্য সমন্বয়ে পরিষদ গঠিত হবে।
- যথা:
(ক) একজন চেয়ারম্যান
(খ) পনের জন সদস্য
(গ) সংগঠিত আসনের পাঁচজন মহিলা সদস্য।
- পরিষদের মেয়াদ-ধারা ৬১ এর বিধান সাপেক্ষে, পরিষদের মেয়াদ এটির প্রথম সভার তারিখ হতে পাঁচ বছর হবে। 
- তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত মেয়াদ শেষ হওয়া সত্ত্বেও নির্বাচিত নতুন পরিষদ এর প্রথম সভায় মিলিত না হওয়া পর্যন্ত পরিষদ কাজ চালিয়ে যাবে। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১.
বাংলাদেশের রাষ্ট্র মালিকানাধীন সর্ববৃহৎ বাণিজ্যিক ব্যাংক -
  1. সোনালী ব্যাংক পিএলসি
  2. রূপালী ব্যাংক লিমিটেড
  3. অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড
  4. জনতা ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ:
- রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংখ্যা ৬টি।
• সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
• রূপালী ব্যাংক লিমিটেড।
• জনতা ব্যাংক পিএলসি।
• অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড।
• বেসিক ব্যাংক লিমিটেড।
• বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড।

সোনালী ব্যাংক পিএলসি:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্র মালিকানাধীন সর্ববৃহৎ বাণিজ্যিক ব্যাংক সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
- বাংলাদেশ ব্যাংক্স (ন্যাশনালাইজেশন) অর্ডার ১৯৭২, রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ নম্বর ২৬, ১৯৭২ অনুসারে ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, ব্যাংক অব বাহ্ওয়ালপুর এবং প্রিমিয়ার ব্যাংক নিয়ে ‘সোনালী ব্যাংক’ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- সোনালী ব্যাংক লিমিটেড এর শাখার সংখ্যা বর্তমানে ১২৩১টি।
- দেশের অভ্যন্তরে ১২২৯টি এবং বিদেশে ২টি শাখা রয়েছে।
- দেশের অভ্যন্তরে ১২২৯টি শাখার মধ্যে গ্রামাঞ্চলে রয়েছে ৭৩০টি এবং অবশিষ্ট ৫০০টি শহরাঞ্চলে।
- বিদেশে ২টি শাখার মধ্যে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোলকাতায় ১টি ও শিলিগুড়িতে ১টি।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১২.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুসারে, দেশের শীর্ষ রপ্তানি খাত -
  1. পাটজাত পণ্য
  2. তৈরি পোশাক
  3. হিমায়িত খাদ্য
  4. কৃষিজাত পণ্য
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্য:
- বাংলাদেশ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক দেশ।
- বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী প্রধান পণ্য তৈরী পোশাক।
- রপ্তানি আয়ে তৈরি পোশাক এবং নীটওয়্যার দ্রব্যাদির অবদান হচ্ছে ৮৪.৫৮ শতাংশ।
- এর মধ্যে তৈরি পোশাক ৩৮.৫৭% এবং নীটওয়্যার ৪৬.০১%।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয়: ৩১,৩৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮৪.৫৮%।

অন্যদিকে -
- এই খাতের বাইরে শিল্পজাত পণ্যের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় আসে: পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (৪৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে “কৃষিজাত পণ্য’।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: ‘হিমায়িত খাদ্য'।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১৩.
ঢাকা পৌরসভা কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৬০৮ সালে
  2. ১৮৪০ সালে
  3. ১৮৬৪ সালে
  4. ১৯৯০ সালে
ব্যাখ্যা
ঢাকা পৌরসভা:
- বুড়িগঙ্গা নদীতীরে অবস্থিত প্রায় সাতশত বছরের প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী বন্দর নগরী ঢাকা।
- মোঘল সমাট্র  জাহাঙ্গীরের আমলে ১৬০৮ সালে ঢাকায় রাজধানী স্থাপিত হলে বিশ্বব্যাপী এ নগরীর মর্যাদা ও গুরুত্ব বেড়ে যায়।
- ১৮৪০ সালে ‘ঢাকা কমিটি’ নামে একটি কমিটি গঠন করেন।
- ১৮৬৪ সালের ১লা আগষ্ট ঢাকা পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ‘ঢাকা মিউনিসিপ্যাল ইমপ্রুভমেন্ট অ্যাক্ট’ বলে আগস্ট মাসে গঠন করা হয় ‘ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কমিটি’।
- ১৮৬৪ সালের পূর্ব পর্যন্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পদাধিকার বলে মিউনিসিপ্যালিটির সভাপতি ছিলেন।
- ১৯৭৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ঢাকা নগরীকে ৫০টি ওয়ার্ডে বিভক্ত করে নির্বাচনের মাধ্যমে ঢাকা পৌরসভা গঠন করা হয়।
- ১৯৭৭ সালের ৩১ অক্টোবর কমিশনারদের মাধমে ঢাকা পৌরসভার প্রথম নির্বাচিত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত।
- ১৯৯০ সালে ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের নাম পরিবর্তন করে ঢাকা সিটি করপোরেশন নামকরণ করা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।