পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

পরীক্ষাপ্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন২১
সিলেবাস
বাংলা ব্যাকরণঃ কারক ও বিভক্তি, সমাস। সোর্সঃ যেকোনো গাইড বই, যেকোনো একাডেমিক ব্যক্তির বই এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী। [শিক্ষক নিয়োগের বিগত বছরের প্রশ্নে ২ নভেম্বর থেকে Job Solution বাটনে নিয়মিত পরীক্ষা হচ্ছে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স] · তারিখ অনির্ধারিত · ২১ প্রশ্ন

.
তৃতীয়া বিভক্তির উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) হতে, থেকে, চেয়ে
  2. খ) দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক
  3. গ) র, এর
  4. ঘ) কে, রে
সঠিক উত্তর:
খ) দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক
ব্যাখ্যা
বিভক্তি মোট ৭ (সাত) প্রকার।
যথা - প্রথমা (০, অ, এ, তে, য়),
দ্বিতীয়া (কে, রে),
তৃতীয়া (দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক),
চতুর্থী (কে, রে),
পঞ্চমী (হতে, থেকে, চেয়ে),
ষষ্ঠী (র, এর), এবং
সপ্তমী (এ, য়, তে)।
(উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী)
.
নিচের কোনটি ভাবাধিকরণের উদাহরণ?
  1. ক) বাড়ি থেকে নদী দেখা যায়
  2. খ) আমি ঢাকায় যাই
  3. গ) তিলে তৈল হয়
  4. ঘ) সূর্যোদয়ে অন্ধকার দূরীভূত হয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) সূর্যোদয়ে অন্ধকার দূরীভূত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সূর্যোদয়ে অন্ধকার দূরীভূত হয়
ব্যাখ্যা
অধিকরণ কারক ৩ প্রকার। যথা-কালাধিকরণ, আধারাধিকরণ এবং ভাবাধিকরণ।
যদি কোন ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য অন্য ক্রিয়ার কোন রূপ বা ভাবের অভিব্যক্তি প্রকাশ করে, তাকে ভাবাধিকরণ বলে।
যেমন - ‘কান্নায়’ শোক কমে, সূর্যোদয়ে অন্ধকার দূরীভূত হয়।
(উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী)
.
বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদের সাথে কোন পদের সম্পর্ককে কারক বলে?
  1. ক) বিশেষণ পদের
  2. খ) অব্যয় পদের
  3. গ) নাম পদের
  4. ঘ) ক্রিয়া বিশেষণ পদের
সঠিক উত্তর:
গ) নাম পদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নাম পদের
ব্যাখ্যা
কারক শব্দের অর্থ-যা ক্রিয়া সম্পাদন করে। বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদের সঙ্গে নামপদের যে সম্পর্ক তাকে কারক বলে।
(উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী)
.
কোন বাক্যে ভাববাচ্যের কর্তার উদাহরণ দেয়া হয়েছে?
  1. ক) সে গ্রামে যাবে
  2. খ) ছুটি হলে ঘন্টা পড়বে
  3. গ) আমার যাওয়া হবে না
  4. ঘ) তাকে গ্রামে যেতে হবে
সঠিক উত্তর:
গ) আমার যাওয়া হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আমার যাওয়া হবে না
ব্যাখ্যা
বাক্যের বাচ্য বা প্রকাশভঙ্গি অনুসারে কর্তা ৩ রকম হতে পারে।
যেমন-
১/ কর্মবাচ্যের কর্তা (পুলিশ দ্বারা চোর ধৃত হয়েছে),
২/ ভাববাচ্যের কর্তা (আমার যাওয়া হবে না) এবং
৩/ কর্ম-কর্তৃবাচ্যের কর্তা (কলমটা লেখে ভালো)।
(উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী)
.
নিচের কোনটিতে শূন্য বিভক্তি ব্যবহৃত হয়নি?
  1. ক) এ ‘কলমে’ ভালো লেখা হয়
  2. খ) গাড়ি ‘স্টেশন’ ছাড়ে
  3. গ) ‘ডাক্তার’ ডাক
  4. ঘ) ‘সারারাত’ বৃষ্টি হয়েছে
সঠিক উত্তর:
ক) এ ‘কলমে’ ভালো লেখা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এ ‘কলমে’ ভালো লেখা হয়
ব্যাখ্যা
এ ‘কলমে’ ভালো লেখা হয় বাক্যে ‘কলমে’ শব্দটিতে করণ কারকে ৭মী বা এ বিভক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। অন্যদিকে গাড়ি ‘স্টেশন’ ছেড়েছে, ‘ডাক্তার’ ডাক এবং ‘সারারাত’ ‍বৃষ্টি হয়েছে বাক্যে স্টেশন, ডাক্তার, এবং সরারাত শব্দগুলো যথাক্রমে অপাদান, কর্ম এবং অধিকরণ কারকে শূণ্য বিভক্তি।
(উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী)
.
‘কারক’ (কৃ+ণক) শব্দটির অর্থ?
  1. ক) যা পদকে সম্পাদন করে
  2. খ) যা পদ ও সমাসকে সম্পাদন করে
  3. গ) যা ক্রিয়া সম্পাদন করে
  4. ঘ) যা সমাস সম্পাদন করে
সঠিক উত্তর:
গ) যা ক্রিয়া সম্পাদন করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) যা ক্রিয়া সম্পাদন করে
ব্যাখ্যা
কারক (কৃ+ণক) শব্দটির অর্থ যা ক্রিয়া সম্পাদন করে। বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদের সঙ্গে নামপদের যে সম্পর্ক, তাকে কারক বলে।
যেমন-জলে কুমির থাকে = অধিকরণ কারক।
(উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী)
.
বিভক্তি যোগে নিচের কোন শব্দটি শুদ্ধ নয়?
  1. ক) গরুগুলি
  2. খ) পাথরগুলো
  3. গ) গরুরা
  4. ঘ) কুকুরগুলি
সঠিক উত্তর:
গ) গরুরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গরুরা
ব্যাখ্যা
অপ্রাণী বা ইতর প্রাণিবাচক শব্দের বহুবচনে ‘রা’ যুক্ত হয় না; গুলি, গুলো যুক্ত হয়।
যেমন-পাথরগুলো, কুকুরগুলি, গরুগুলি, বিড়ালগুলো ইত্যাদি।
(উৎস- বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী)
.
নিচের কোনটি বিরোধার্থক শব্দযোগে গঠিত দ্বন্দ্ব সমাস নয়?
  1. ক) আয়-ব্যয়
  2. খ) দা-কুমড়া
  3. গ) অহি-নকুল
  4. ঘ) স্বর্গ-নরক
সঠিক উত্তর:
ক) আয়-ব্যয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আয়-ব্যয়
ব্যাখ্যা
দ্বন্দ্ব সমাস কয়েক প্রকারে সাধিত হতে পারে। যেমন- মিলনার্থক, বিরোধার্থক, বিপরীতার্থক, অঙ্গবাচক, সংখ্যাবাচক ইত্যাদি।
বিরোধার্থক শব্দযোগে দ্বন্দ্ব সমাসের কয়েকটি উদাহরণ হল-দা-কুমড়া, অহি-নকুল, স্বর্গ-নরক ইত্যাদি।
বিপরীতার্থক শব্দযোগে গঠিত কয়েকটি দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ : আয়-ব্যয়, জমা-খরচ, ছোট-বড়, ছেলে-বুড়ো, লাভ-লোকসান ইত্যাদি।
(উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী)
.
‘পঞ্চভূত’ কোন সমাসের উদাহরণ?
  1. ক) কর্মধারয়
  2. খ) দ্বিগু
  3. গ) অব্যয়ীভাব
  4. ঘ) দ্বন্দ্ব
সঠিক উত্তর:
খ) দ্বিগু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দ্বিগু
ব্যাখ্যা
সমাহার বা মিলন অর্থে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের যে সমাস হয় তাকে দ্বিগু সমাস বলে। দ্বিগু সমাস নিষ্পন্ন পদটি অবশ্যই বিশেষ্য হবে।
যেমন- পঞ্চনদ, পঞ্চভূত, পঞ্চবটী, ত্রিভুজ, তেপান্তর ইত্যাদি।
(উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী)
১০.
‘মহাকীর্তি’-শব্দটির ব্যাসবাক্য কোনটি?
  1. ক) মহান যে কীর্তি
  2. খ) মহা যে কীর্তি
  3. গ) মহতী যে কীর্তি
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) মহতী যে কীর্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মহতী যে কীর্তি
ব্যাখ্যা
পূর্বপদে স্ত্রীবাচক বিশেষণ থাকলে কর্মধারয় সমাসে সেটি পুরুষবাচক হয়। যেমন- সুন্দরী যে লতা = সুন্দরলতা, মহতী যে কীর্তি = মহাকীর্তি।
(উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী)
১১.
নিচের কোনটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস নয়?
  1. ক) প্রাণভয়
  2. খ) ঝালমুড়ি
  3. গ) স্মৃতিসৌধ
  4. ঘ) বকধার্মিক
সঠিক উত্তর:
ঘ) বকধার্মিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বকধার্মিক
ব্যাখ্যা
ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ লোপ পেয়ে যে সমাস হয়, তাই মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস।
যেমন- হাসি মাখা মুখ = হাসিমুখ
ঝাল মিশ্রিত মুড়ি = ঝালমুড়ি
প্রাণ যাওয়ার ভয় = প্রাণভয়
স্মৃতি রক্ষার্থে সৌধ = স্মৃতিসৌধ।
এমনিভাবে, সিংহাসন, সাহিত্যসভা, গোবর গণেশ, সংবাদপত্র ইত্যাদি। বক্যের ন্যায় ধার্মিক = বকধার্মিক উপমান কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ।
(উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী)
১২.
নিচের কোনটি সমাসের বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. ক) সমাস ভাষাকে বা বাক্যকে সংক্ষেপ করে
  2. খ) সমাসের রীতি সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত
  3. গ) সমাস নতুন অর্থবোধক শব্দ সৃষ্টি করে
  4. ঘ) সমাসে খাঁটি বাংলা সমাসের দৃষ্টান্ত পাওয়া যায় না
সঠিক উত্তর:
ঘ) সমাসে খাঁটি বাংলা সমাসের দৃষ্টান্ত পাওয়া যায় না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সমাসে খাঁটি বাংলা সমাসের দৃষ্টান্ত পাওয়া যায় না
ব্যাখ্যা
সমাসের কতগুলো বৈশিষ্ট্যের মধ্যে ভাষাকে সংক্ষেপ করা, নতুন অর্থবোধক শব্দ সৃষ্টি করা, সংস্কৃত রীতি থেকে আগত ছাড়াও সমাসে খাঁটি বাংলা সমাসের দৃষ্টান্তও পাওয়া যায়। এতে সংস্কৃত নিয়ম খাটে না।
(উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী)
১৩.
‘নদীমাতৃক’ কোন সমাসের উদাহরণ?
  1. ক) কর্মধারয়
  2. খ) বহুব্রীহি
  3. গ) অব্যয়ীভাব
  4. ঘ) তৎপুরুষ
সঠিক উত্তর:
খ) বহুব্রীহি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বহুব্রীহি
ব্যাখ্যা
বহুব্রীহি সমাসে পরপদের মাতৃ, পত্নী, পুত্র, স্ত্রী ইত্যাদি শব্দ থাকলে এ শব্দগুলোর সঙ্গে ‘ক’ যুক্ত হয়।
যেমন- বি (বিগত) হয়েছে পত্নী যার = বিপত্নীক, নদী মাতা (মাতৃ) যার = নদীমাতৃক, নাই পুত্র যার = অপুত্রক, স্ত্রীর সঙ্গে বর্তমান = সস্ত্রীক ইত্যাদি।
(উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী)
১৪.
জায়া ও পতি সমাস করলে কী হয়?
  1. ক) স্বামী-স্ত্রী
  2. খ) দম্পতি
  3. গ) পতি-পত্নী
  4. ঘ) জায়া-পতি
সঠিক উত্তর:
খ) দম্পতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দম্পতি
ব্যাখ্যা
যে সমাসে প্রত্যেকটি সমস্যমান পদের অর্থের প্রধান্য থাকে এবং সংযোজক অব্যয় লোপ পায় তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে।
যেমন- জায়া ও পতি = দম্পতি, পিতা ও পুত্র = পিতাপুত্র।
(উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী)
১৫.
কর্মধারয় সমাসকে কোন সমাসের অন্তভূর্ক্ত বলে মনে করা হয়?
  1. ক) দ্বিগু
  2. খ) দ্বন্দ্ব
  3. গ) তৎপুরুষ
  4. ঘ) বহুব্রীহি
সঠিক উত্তর:
গ) তৎপুরুষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তৎপুরুষ
ব্যাখ্যা
সমাস প্রধানত ৬ প্রকার।
যথা-দ্বন্দ্ব, কর্মধারয়, তৎপুরুষ, বহুব্রীহি, দ্বিগু, ও অব্যয়ীভাব সমাস।
অনেক ব্যাকরণবিদ দ্বিগু সমাসকে কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত করেছেন আবার কেউ কেউ কর্মধারয় সমাসকে তৎপুরুষ সমাসের অন্তভূর্ক্ত বলে মনে করেছেন।
এদিক থেকে বিবেচনা করলে সমাস মূলত ৪টি।
যথা- দ্বন্দ্ব, তৎপুরুষ, বহুব্রীহি, ও অব্যয়ীভাব সমাস।
(উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী)
১৬.
নিচের কোনটি উপপদ তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ নয়?
  1. ক) জলদ
  2. খ) ছারপোকা
  3. গ) মাছিমারা
  4. ঘ) গায়ে পড়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) গায়ে পড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গায়ে পড়া
ব্যাখ্যা
যে পদের পরবর্তী ক্রিয়ামূলের সঙ্গে কৃৎ-প্রত্যয় যুক্ত হয় সে পদকে উপপদ বলে। কৃদন্ত পদের সঙ্গে উপপদের যে সমাস হয়, তাকে বলে উপপদ তৎপুরুষ সমাস। যেমন জলে চরে যা = জলচর, জল দেয় যে = জলদ। এরূপ পঙ্কজম সত্যবাদী, ইন্দ্রজিৎ, ছেলেধরা, ধামাধরা, পকেটমার, পাতাচাটা, হাড়ভাঙ্গা, মাছিমারা, ছাড়পোকা এবং বর্ণচোরা ইত্যাদি।
অন্যদিকে গায়ে পড়া = গায়েপড়া শব্দটি অলুক তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ।
(উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী)
১৭.
নিচের কোনটি নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি?
  1. ক) উপকণ্ঠ
  2. খ) প্রতিদিন
  3. গ) অনুক্ষণ
  4. ঘ) নরপশু
সঠিক উত্তর:
ঘ) নরপশু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নরপশু
ব্যাখ্যা
যে বহুব্রীহি সমাস কোন নিয়মের অধীন নয় তাকে নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাস বলে।
যেমন- দু দিকে অপ যার = দ্বীপ, অন্তর্গত অপ যার = অন্তরীপ। এরূপ আরও কয়েকটি নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি হচ্ছে নরপশু, জীবন্মৃত, পন্ডিতমূর্খ।
অন্যদিকে উপকন্ঠ, প্রতিদিন এবং অনুক্ষণ অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ।
(উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী)
১৮.
বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) নীলবসনা
  2. খ) মাছিমারা
  3. গ) পঞ্চভূত
  4. ঘ) প্রতিকূল
সঠিক উত্তর:
ক) নীলবসনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নীলবসনা
ব্যাখ্যা
যে সমাসে পূর্ব বা পর কোন পদের অর্থ না বুঝিয়ে, অন্য কোন পদকে বুঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। বহুব্রীহি সমাসে সাধারণত যার, যাতে ইত্যাদি শব্দ ব্যাসবাক্যরূপে ব্যবহৃত হয়।
যেমন- নীল বসন যার = নীলবসনা, আয়ত লোচন যার = আয়তলোচনা, চার পা বিশিষ্ট প্রাণী = চতুষ্পদ, পদ্ম নাভিতে যার = পদ্মনাভ ইত্যাদি।
(উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী)
১৯.
‘অনুতাপ’ শব্দটি কোন সমাস?
  1. ক) নিত্য সমাস
  2. খ) কর্মধারয় সমাস
  3. গ) প্রাদি সমাস
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) প্রাদি সমাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রাদি সমাস
ব্যাখ্যা
প্র, প্রতি, অনু প্রভৃতি অব্যয়ের সঙ্গে যদি কৃত প্রত্যয় সাধিত বিশেষ্যের সমাস হয়, তবে তাকে প্রাদি সমাস বলে। যেমন- প্র(প্রকৃষ্ট)যে বচন = প্রবচন, পরি(চতুর্দিকে) যে ভ্রমন = পরিভ্রমন, অনুতে(পশ্চাতে) যে তা = অনুতাপ।
(উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী)
২০.
বহু ব্রীহি আছে যার = বহুব্রীহি। এখানে, 'ব্রীহি' শব্দের অর্থ কী?
  1. ক) চাল
  2. খ) ধান
  3. গ) গম
  4. ঘ) ভূট্টা
সঠিক উত্তর:
খ) ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ধান
ব্যাখ্যা
যে সমাসে সমস্যমান পদগুলোর কোনটির অর্থ না বুঝিয়ে, অন্য কোন পদকে বোঝায় তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
যেমন- বহু ব্রীহি (ধান) আছে যার = বহুব্রীহি। এখানে বহু কিংবা ব্রীহি কোনটিরই অর্থের প্রধান্য নেই, বরং যার বহু ধান আছে এরূপ লোককে বোঝাচ্ছে।
এরূপ কতগুলো বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ হচ্ছে- ঊর্ণনাভ, পদ্মনাভ, সহোদর, নদীমাতৃক, কমলাক্ষ ইত্যাদি।
(উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী)
২১.
‘উপকূল’ শব্দে ‘উপ’ কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ক) ছোট
  2. খ) পশ্চাৎ
  3. গ) সদৃশ
  4. ঘ) সমীপ্য
সঠিক উত্তর:
ঘ) সমীপ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সমীপ্য
ব্যাখ্যা
উপকূল = কূলের সমীপে, অর্থ্যাৎ, সামীপ্য অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। এটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ।
(উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী)