পরীক্ষা আর্কাইভ

Science Expert

পরীক্ষাScience Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৩: টপিক সমূহ: পদার্থের গঠন, এবং পদার্থের অবস্থা, তাদের পরিবর্তন, কার্বনের বহুমুখী ব্যবহার। [ক্লাস- ৪ ও ৫]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

Science Expert

Science Expert · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
কোনো কঠিন পদার্থকে উত্তপ্ত করলে তা সরাসরি বাষ্পে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয়-
  1. বাষ্পীভবন
  2. গলন
  3. ঊর্ধ্বপাতন
  4. ব্যাপন
ব্যাখ্যা
ঊর্ধ্বপাতন: 
- যে প্রক্রিয়ায় কোনো কঠিন পদার্থকে তাপ প্রদান করা হলে সেগুলো তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় ঊর্ধ্বপাতন। 
যেমন: নিশাদল (NH4Cl), কর্পূর (C10H16O), ন্যাপথলিন (C10H8), কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), আয়োডিন (I2), অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড (AlCl3)। 
- এই পদার্থগুলোকে তাপ প্রদান করা হলে সেগুলো তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়। 
- তাই এই পদার্থগুলোকে ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থও বলা হয়। 
- কঠিন অবস্থায় ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থে তাপ প্রয়োগ করতে থাকলে ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থ সহজেই বাষ্পীভূত হয়। 
- আয়োডিন মিশ্রিত খাদ্য লবণের মধ্যে আয়োডিন একটি ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থ। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
.
মৌলিক পদার্থগুলো অবিভাজ্য যা অতিশয় ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কণার সমন্বয়ে গঠিত- এটি কে প্রস্তাব করেন?
  1. জন ডাল্টন
  2. নিলস বোর
  3. ডেমোক্রিটাস
  4. রাদারফোর্ড
ব্যাখ্যা
পরমাণুর মৌলিক ধারণা: 
- সর্বপ্রথম খ্রিষ্টপূর্ব ৪৬০ অব্দে গ্রিক দার্শনিক লুসিপাস এবং ডেমোক্রিটাস হামান দিস্তার সাহায্যে পদার্থকে অতি সূক্ষ্ম কণায় পরিণত করেন।
- তিনি এ সূক্ষ্ম কণার নাম দেন অ্যাটমা যার অর্থ অবিভাজ্য অর্থাৎ পদার্থ অতি সূক্ষ্ম অসংখ্য কণার সমন্বয়ে গঠিত।
- প্রায় একই সময়ে ভারতের বিজ্ঞানী আচার্য কণাদ ডেমোক্রিটাসের মতবাদকে সমর্থন করেন।
- ১৮০৩ সালে ব্রিটিশ স্কুল শিক্ষক জন ডাল্টন বলেন পরমাণু অবিভাজ্য একে সৃষ্টি বা ধ্বংস করা যায় না।
- ১৮০৮ সালে জন ডাল্টন প্রস্তাব করেন যে, মৌলিক পদার্থগুলো অবিভাজ্য। যা অতিশয় ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কণার সমন্বয়ে গঠিত, এ ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কণাকে পরমাণু বলে
- পরবর্তীতে ১৮৯৮ সালে জোসেফ জন থমসন পরমাণুর গঠন সম্পর্কে প্রস্তাব করেন যে, পরমাণু একটি গোলক বিশেষ যার সবদিকে সমানভাবে ধনাত্মক আধান বিস্তৃত।
- ইলেকট্রনসমূহ এ গোলকের অভ্যন্তরে এমনভাবে সজ্জিত থাকে যে, গোলকের কেন্দ্রের প্রতি এদের আকর্ষণ এবং বিকর্ষণ পরস্পর সমান।
- ১৯০৪ সালে থমসন তাঁর প্রস্তাবিত পরমাণুর গঠন সম্পর্কিত ধারণাকে আরও উন্নত করেন এবং বলেন যে, “পরমাণু ইলেকট্রনের সমন্বয়ে গঠিত যা স্থিতিস্থাপক গোলকের স্যুপে অবস্থিত ধনাত্মক চার্জকে প্রশমিত করে, যা Plum Pudding Model নামে পরিচিত।
- ১৯১১ সালে বিজ্ঞানী আর্নেস্ট রাদারফোর্ড বলেন যে, পরমাণু বিভাজ্য, একে বিভাজিত করলে ইলেকট্রন, প্রোটন, নিউট্রন ইত্যাদি কণিকা পাওয়া যায়।
- বিজ্ঞানী আর্নেস্ট রাদারফোর্ড স্বর্ণপাতের উপর α-কণার বিক্ষেপণের মাধ্যমে পরমাণুতে নিউক্লিয়াসের উপস্থিতি প্রমাণ করেন।
- সর্বশেষ ১৯১৩ সালে নিলস বোর রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেলের আরও উৎকর্ষ সাধন করেন।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
রাসায়নিক পদার্থ পরিমাপের একক কোনটি? 
  1. লিটার
  2. মোল
  3. গ্রাম
  4. কিলোগ্রাম
ব্যাখ্যা
মোল: 
- রাসায়নিক পদার্থ পরিমাপের এসআই একক হচ্ছে মোল। 
- কোনো উপাদানের যে পরিমাণের মধ্যে অ্যাভোগেড্রো সংখ্যক অণু, পরমাণু বা আয়ন থাকে, সেই পরিমাণকে পদার্থের মোল বলে। 
- পদার্থের পারমাণবিক ভর অথবা আণবিক ভরকে গ্রাম এককে প্রকাশ করলে যে সংখ্যা মান পাওয়া যায় তার মধ্যে অ্যাভোগেড্রো সংখ্যক পরমাণু বা অণু বর্তমান থাকে। 
- অ্যাভোগেড্রোর এ সংখ্যার মান 6.023×1023 । 
- কোনো পদার্থের ১ মোল বলতে সেই পরিমাণ পদার্থকে বুঝায় যার মধ্যে ঐ পদার্থের উপাদান কণিকার সংখ্যা 6.023×1023 । 
- কোনো মৌলিক বা যৌগিক পদার্থের ১ মোল অণু বলতে 6.023×1023 টি অণুকে বুঝায়। 
- আবার একইভাবে কোনো মৌলিক পদার্থের ১ মোল পরমাণু বলতে 6.023×1023 টি পরমাণু বুঝায়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
একই পদার্থের তিন অবস্থায় রূপান্তরের কারণ কী? 
  1. তাপের প্রভাব
  2. অণুর সংখ্যা
  3. পরমাণুর বিন্যাস
  4. রাসায়নিক পরিবর্তন
ব্যাখ্যা
- যে বস্তুর নির্দিষ্ট ভর আছে এবং জায়গা দখল করে তাকে পদার্থ বলে। 
- আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত বিভিন্ন বস্তু যেমন, বই, খাতা, কলম, চেয়ার, টেবিল, পানি, বরফ, জলীয় বাষ্প, তেল, দুধ, কেরোসিন, তরল পানীয়, সোডা ওয়াটার ইত্যাদি সব পদার্থ। 
- পদার্থ সাধারণত তিন অবস্থায় থাকতে পারে। 
যথা: কঠিন, তরল ও বায়বীয়। 
- কক্ষ তাপমাত্রায় বেশির ভাগ পদার্থই কঠিন হলেও তরল ও বায়বীয় অবস্থাতেও পদার্থ অবস্থান করে। 
- তাপমাত্রার পরিবর্তনই পদার্থের তিন অবস্থার পরিবর্তন ঘটায়। 
- পদার্থের এ তিন অবস্থার মধ্যে আবার বেশ সুনির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য ও ধর্ম বর্তমান। 
- সাধারণ তাপমাত্রা ও চাপে কঠিন পদার্থের আকার ও আয়তনের কোনো পরিবর্তন ঘটে না। 
- তরলের ক্ষেত্রে আয়তন ঠিক থাকলেও আকারের পরিবর্তন ঘটে। 
- পানিকে গ্লাসে রাখলে গ্লাসের আকার ধারণ করে এবং বোতলে রাখলে ঐ বোতলের আকার ধারণ করে। 
- বায়বীয় পদার্থের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোন আকার ও আয়তন থাকে না। 
- পদার্থের অবস্থার পরিবর্তনের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা বিশেষ ভূমিকা রাখে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
d-ব্লক সর্বমোট মৌলের সংখ্যা কয়টি? 
  1. ৮টি
  2. ১৮টি
  3. ৩২টি
  4. ৪০টি
ব্যাখ্যা
d-ব্লক মৌল: 
- যেসব মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাসে সর্বশেষ ইলেকট্রনটি d অরবিটালে প্রবেশ করে তাদের d-ব্লক মৌল বলে। 
- পর্যায় সারণির চতুর্থ পর্যায়ের স্ক্যানডিয়াম (Sc, 21) থেকে জিঙ্ক (Zn, 30) এবং পঞ্চম পর্যায়ের ইট্রিয়াম (Y, 39) থেকে ক্যাডমিয়াম (Cd, 48) হলো d-ব্লক মৌল। 
- এছাড়া ষষ্ঠ পর্যায় ও সপ্তম পর্যায়েও d-ব্লক মৌল আছে। 
- পর্যায় সারণির 3 থেকে গ্রুপ 12 এর মৌলসমূহ এ শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। 
- এ শ্রেণিতে সর্বমোট 40টি মৌল আছে। 
- এ ব্লকের মৌলের পরমাণুর d1 থেকে d10 পর্যন্ত ইলেকট্রন থাকতে পারে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।