পরীক্ষা আর্কাইভ

বাংলাবিদ (ব্যাকরণ)

পরীক্ষাবাংলাবিদ (ব্যাকরণ)তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১১
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১৮ টপিক: যতিচিহ্ন, ক্রিয়ার কাল, ক্রিয়া ভাব ছন্দ ও অলংকার [লাইভ ক্লাস – ৩৭, ৩৮ ও ৩৯]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাবিদ (ব্যাকরণ)

বাংলাবিদ (ব্যাকরণ) · তারিখ অনির্ধারিত · ১১ প্রশ্ন

.
১৪৮৬ খ্রিষ্টাব্দে নবদ্বীপ শ্রীচৈতন্য দেবের জন্ম হয়।- বাক্যটি কোন কালের অর্থ প্রকাশ করে?
  1. পুরাঘটিত বর্তমান
  2. নিত্যবৃত্ত অতীত
  3. ঘটমান অতীত
  4. সাধারণ বর্তমান
ব্যাখ্যা
⇒ সাধারণ বর্তমান কাল:
যে ক্রিয়া বর্তমানে সাধারণভাবে ঘটে তার কালকে বর্তমান কাল বলে। যেমন: তৃণা স্কুলে যায়।
সাধারন বর্তমানে দুটি রূপ পাওয়া যায়। যথা:

১. নিত্যবৃত্ত বর্তমান কাল:
যে ক্রিয়া সাধারণভাবে নিত্য বা সব সময় ঘটে অর্থাৎ ক্রিয়া সংঘটনের স্বাভাবিকতা বা অভ্রস্ততা বোঝালে সাধারন বর্তমান কালের ক্রিয়াকে নিত্যবৃত্ত বর্তমান কাল বলে।
যেমন:
- সকালে সূর্য উঠে।
- আমি প্রত্যহ সকালে চা খাই।

২. ঐতিহাসিক বর্তমান কাল:
ঐতিহাসিক বর্তমান কাল অতীত অর্থে বর্তমান। অতীত কালের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার বর্ণনায় অনেক ক্ষেত্রে নিত্য বর্তমান কালের প্রয়োগ বা ব্যবহার হয়। এরূপ ক্ষেত্রে সাধারণ বর্তমান বা নিত্যবৃত্ত বর্তমান কালকে ঐতিহাসিক বর্তমান কাল বলে।
যেমন:
- ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে।
- ১৪৮৬ খ্রিষ্টাব্দে নবদ্বীপ শ্রীচৈতন্য দেবের জন্ম হয়।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
কোন ছন্দের ভাব ললিত মধুর?
  1. অমিত্রাক্ষর
  2. অক্ষরবৃত্ত
  3. মাত্রাবৃত্ত
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
⇒ মাত্রাবৃত্ত ছন্দ: 
- এ ছন্দ ধ্বনি-প্রধান।
- ছন্দে ছয় মাত্রার পর্বই অধিক। 
- চার, পাঁচ, সাত, আট মাত্রার পর্বও এ ছন্দে পাওয়া যায়।
- এ ছন্দে সাধুভাষা বা সাধু ক্রিয়ার ব্যবহার বেশি হয়।
- এ ছন্দে স্বরবৃত্তের মতো ধ্বনি সংকোচন নেই, আছে ধ্বনি বিস্তার।
- এ ছন্দের ভাব ললিত মধুর।
- এ ছন্দের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য এর গীতিপ্রবণতা বা সুরনিষ্ঠতা।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
পুলিশ সন্ত্রাসী ছেলেটিকে মেরে ফেলল।- বাক্যটি কোন কালের দৃষ্টান্ত?
  1. সাধারণ অতীত কাল
  2. ঘটমান অতীত কাল
  3. পুরাঘটিত অতীত কাল
  4. নিত্যবৃত্ত অতীত কাল
ব্যাখ্যা

⇒ অতীত কাল:
যে ক্রিয়া পুর্বে ঘটে গেছে, তাকে অতীত কাল বলে। অতীত কালের চারটি রূপ। যথা:

১. সাধারণ অতীত কাল: যে ক্রিয়া সাধারণভাবে অতীত অর্থাৎ বর্তমান কালের পূর্বে সংঘটিত হয়েছে তার সংঘটন কালই সাধারণ অতীত।
যেমন: 
- বিড়াল ইঁদুরটিকে ধরল।
- পুলিশ সন্ত্রাসী ছেলেটিকে মেরে ফেলল।

২. ঘটমান অতীত কাল: অতীতে কোনো কাজ চলছিল এবং তখনও কাজটি শেষ হয়নি; এরূপ অর্থে ঘটমান অতীত ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
- কাল সন্ধ্যায় আমরা টেলিভিশনে খেলা দেখছিলাম।

৩. পুরাঘটিত অতীত কাল: যে ক্রিয়া অতীতে ঘটেছে এবং এর প্রভাবও শেষ হয়ে গেছে। তার কালকে পুরাঘটিত অতীত কাল বলে।
যেমন:
- দায়িত্বটি আমি পালন করেছিলাম।
- প্রিন্সিপাল স্যার আমাদের বাড়ি গিয়েছিলেন।
- আমি ঐ কাজ করেছিলাম।
[বাক্যে কাজ গুলো অতীতে হয়ে গিয়েছে এবং এর রেশ এবং প্রভাবও শেষ হয়ে গিয়েছে]

৪.নিত্যবৃত্ত অতীত কাল: অতীতকালে যে ক্রিয়া সাধারণভাবে এবং সচরাচর ঘটতো তার কাল নিত্যবৃত্ত অতীত কাল।
যেমন:
- প্রতিদিন সকালে আমরা শহিদ মিনারে আড্ডা দিতাম।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ।

.
উৎপত্তির বিচারে 'অক্ষরবৃত্ত ছন্দ' হলো -
  1. অর্ধতৎসম ছন্দ
  2. সংস্কৃত ছন্দ
  3. তদ্ভব ছন্দ
  4. তৎসম ছন্দ
ব্যাখ্যা
⇒ অক্ষরবৃত্ত ছন্দ:
উৎপত্তির বিচারে যে ছন্দটিকে খাঁটি বাংলা অর্থাৎ 'তদ্ভব ছন্দ' নামে আখ্যায়িত করা হয়, তাকেই প্রচলিত ভাষায় বলা হয় অক্ষরবৃত্ত ছন্দ।

⇒ মাত্রাবৃত্ত ছন্দ:
উৎপত্তির বিচারে এ  ছন্দ“তৎসম' বা 'অর্ধতৎসম ছন্দ'; যে ছন্দে প্রাচীন সংস্কৃত ও প্রাকৃত ছন্দের অনেক লক্ষণ অথবা অন্তত কিছুটা লক্ষণও বর্তমান আছে তাকেই বলা হয় 'মাত্রাবৃত্ত ছন্দ'।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড.হায়াৎ মামুদ।
.
‘লৌকিক ছন্দ’ এর অপর নাম-
  1. অক্ষরবৃত্ত ছন্দ
  2. মাত্রাবৃত্ত ছন্দ
  3. স্বরবৃত্ত ছন্দ
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
⇒ স্বরবৃত্ত ছন্দ:
স্বরবৃত্ত ছন্দের বহুল প্রচলিত নাম ছড়ার ছন্দ, লৌকিক ছন্দ, লোকছন্দ, মেয়েলি ছন্দ। এটাকে প্রাকৃত বাংলা ছন্দও বলা হয়। প্রাচীন ছড়গুলো স্বরবৃত্তে রচিত। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একে ছড়া ছন্দ বা লোকছন্দ বলেছেন। এর ভাব লঘু ও চপল।

উৎস : প্রাচ্য সাহিত্য সমালোচনা তত্ত্ব ও অলংকার শাস্ত্র, প্রফেসর ড. ধীরেন্দ্রনাথ তরফদার।
.
নিচের কোন বাক্যে যতিচিহ্নের সঠিক প্রয়োগ ঘটেনি?
  1. সুখ, দুঃখ, আশা, নৈরাশ্য একই মালিকার পুষ্প।
  2. ড. মুহম্মদ এনামুল হক, এম.এ. পি-এইচডি।
  3. ৬৮-জেল রোড; ঢাকা-১২০০।
  4. সাহেব বললেন, ''ছুটি পাবেন না।''
ব্যাখ্যা

⇒ ৬৮-জেল রোড; ঢাকা-১২০০।- বাক্যে যতিচিহ্নের অশুদ্ধ প্রয়োগ ঘটেছে।
⇒ যতিচিহ্নের শুদ্ধ প্রয়গে সঠিক বাক্য: ৬৮, জেল রোড, ঢাকা-১২০০।

⇒ ‘কমা’ যতিচিহ্ন:

বাংলায় কোনো কিছু লিখতে গিয়ে যত ধরনের যতিচিহ্ন আমরা ব্যবহার করি তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করি কমা (,)। বাক্যের ভেতরের বিরাম-চিহ্ন হলো কমা। বাক্যে ব্যবহৃত কমার ক্ষেত্রে ‘এক’ উচ্চারণ করার সমান সময় থামতে হয়।

অল্প বিরাম বোঝাতে কিছু স্থানে কমা ব্যবহৃত হয়। যথা:
• উদ্ধরণ চিহ্নের পূর্বে (খণ্ডবাক্যের শেষে) কমা বসাতে হবে।
যেমন- সাহেব বললেন, ''ছুটি পাবেন না।''

• নামের পরে ডিগ্রিসূচক পরিচয় দেওয়া হলে সেগুলোর প্রত্যেকটির আগে কমা বসে।
যেমন- ড. মুহম্মদ এনামুল হক, এম.এ. পি-এইচডি।

• বাড়ি বা রাস্তার নম্বরের পরে কমা বসবে।
যেমন- ৬৮, জেল রোড, ঢাকা-১২০০।

• পরস্পর সমন্ধযুক্ত একাধিক বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ একসঙ্গে বসলে শেষ পদটি ছাড়া বাকি সবগুলোর পরই কমা বসবে।
যেমন- সুখ, দুঃখ, আশা, নৈরাশ্য একই মালিকার পুষ্প।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

.
আছিলাম একাকিনী বসিনা কাননে/আনিলা তোমার স্বামী বান্ধি নিজ গুণে।- চরণটিতে কী ধরনের অলংকার আছে?
  1. যমক
  2. বক্রোক্তি
  3. অনুপ্রাস
  4. শ্লেষ
ব্যাখ্যা
• আছিলাম একাকিনী বসিনা কাননে/আনিলা তোমার স্বামী বান্ধি নিজ গুণে।- চরণটিতে শ্লেষ অলংকার আছে।

⇒ শ্লেষ:
একটি শব্দ একাধিক অর্থে একবার মাত্র ব্যবহারের ফলে যে অলংকারের সৃষ্টি হয় তাঁর নাম শ্লেষ। শ্লেষ শব্দের অর্থ শ্লিষ্ট-মিলিত। এতে একবার মাত্রই শব্দটি ব্যবহৃত হয় কিন্তু তাতে ভিন্ন অর্থের ব্যঞ্জন থাকে।
যেমন:
- আছিলাম একাকিনী বসিনা কাননে/আনিলা তোমার স্বামী বান্ধি নিজ গুণে।- এখানে গুণে শব্দে শ্লেষ অলংকার ব্যবহৃত হয়েছে। গুণ শব্দের একটি অর্থ  ধনুকের ছিলায় আর অন্য অর্থ সুন্দর চরিত্রের বৈশিষ্ট্য বা গুণ।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
নিচের কোন বাক্যে অনুপ্রাস অলংকারের প্রয়োগ ঘটেছে?
  1. বীরের মতন মরণ-কারারে চরণের তলে দ’লে।
  2. কুলায় কাপিছে কাতর কপোত দাদুরি ডাকিছে সঘনে।
  3. কি ছার ইহার কাছে, হে দানবপতি।
  4. নিবিড় কুন্তলসম মেঘ নামিয়াছে মম।
ব্যাখ্যা
- কুলায় কাপিছে কাতর কপোত দাদুরি ডাকিছে সঘনে। (ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত)
এখানে ‘ক’ ধ্বনি চারবার এসেছে যা অনুপ্রাস।

বাংলা অলংকার প্রধানত দুই প্রকার। যথা:
১. শব্দালংকার
২. অর্থালংকার

 শব্দালংকার:
শব্দের ধ্বনিরূপকে আশ্রয় করে যে অলংকারের সৃষ্টি হয় তাকে বলা হয় শব্দালংকার। শব্দালংকারের নানা শ্রেণিবিভাগ রয়েছে। তন্মধ্যে প্রধান বিভাগগুলো হলো: অনুপ্রাস, যমক, শ্লেষ ও বক্রোক্তি।

অনুপ্রাস:
একই ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছের একাধিকবার ব্যবহারের ফলে যে সুন্দর ধ্বনিসাম্যের সৃষ্টি হয় তাকে অনুপ্রাস বলে। একাধিকবার ব্যবহৃত ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছ যুক্ত শব্দগুলো যথাসম্ভব পরপর বা কাছাকাছি বসবে।
যথা:
- কুলায় কাপিছে কাতর কপোত দাদুরি ডাকিছে সঘনে। (ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত)
- গুরু গুরু মেঘ গুমরি গুমরি গরজে গগনে গগনে- (রবীন্দ্রনাথ)

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
‘অর্ধচ্ছেদ’ অর্থে কোন বিরামচিহ্নটি ব্যবহৃত হয়?
  1. সেমিকোলন
  2. কোলন
  3. হাইফেন
  4. কমা
ব্যাখ্যা
• সেমিকোলন বা অর্ধচ্ছেদ থাকলে- 'এক' বলার দ্বিগুণ সময় থামতে হয়।

কিছু বিরাম-চিহ্নের বাংলা অর্থ ও যতিচিহ্ন অনুসারে থামার পরিমাণ:
• কমা বা পাদচ্ছেদ থাকলে--
- 'এক' উচ্চারণে যত সময় লাগে সেই পরিমাণ সময় থামতে হয়।

• সেমিকোলন বা অর্ধচ্ছেদ থাকলে --
- 'এক' বলার দ্বিগুণ সময় থামতে হয়।

• কোলন বা দৃষ্টান্ত থাকলে--
- এক সেকেন্ড থামতে হয়।

• দাড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ, প্রশ্নবোধক চিহ্ন, বিস্ময় চিহ্ন, কোলন, কোলন ড্যাস, ড্যাস ইত্যাদি চিহ্ন থাকলে --
- এক সেকেন্ড থামতে হয়।

• হাইফেন, ইলেক বা লোপ চিহ্ন ও ব্রাকেট থাকলে-- 
- থামার প্রয়োজন হয় না।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১০.
নিচের কোন বাক্যে বিরোধমূলক অলংকারের প্রয়োগ ঘটেছে?
  1. ‘বড় যদি হতে চাও, ছোট হও তবে।’
  2. মরণের ফুল বড় হয়ে ফোটে/জীবনের উদ্যানে।
  3. স্পর্শ ছড়ালো;/আমার ঈর্ষা জাগালো।
  4. স্বর্ণপাত্রে সুধারস, না সে বিষ?
ব্যাখ্যা
⇒ বিরোধমূলক অলংকার:
বিরোধমূলক অলংকার সৃষ্টি হয় দুটি পদার্থের আপাত বিরোধকে অবলম্বন করে।
যেমন-
- ‘বড় যদি হতে চাও, ছোট হও তবে।’    
এতে আপাত বিবেচনায় ‘বড় হওয়া’ এবং ছোট হওয়া’ এ দুটি বিষয়ের মধ্যে পার্থক্য থাকলেও প্রকৃত কোনো বিরোধ নেই। তাই এটি বিরোধমূলক অলংকারের উদাহরণ।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ।
১১.
আদেশ অর্থে অনুজ্ঞার উদাহরণ কোনটি?
  1. মন দিয়ে পড়।
  2. মিথ্যা বলবে না।
  3. ছাতাটা দিন তো ভাই।
  4. চুপ কর।
ব্যাখ্যা
⇒ অনুজ্ঞা ভাব: আদেশ, নিষেধ, উপদেশ, অনুরোধ, আশীর্বাদ ইত্যাদি সূচিত হলে ক্রিয়াপদের অনুজ্ঞা ভাব
হয়।
যেমন-
ক. আদেশাত্মক-
• বর্তমান কালে: চুপ কর।
• ভবিষ্যৎ কালে: তুমি কাল যেও।

খ. নিষেধাত্মক-
• বর্তমান কালে: অন্যায় কাজ করো না।
• ভবিষ্যৎ কালে: মিথ্যা বলবে না।

গ. অনুরোধসূচক-
• বর্তমান কালে: ছাতাটা দিন তো ভাই।
• ভবিষ্যৎ কালে: আপনারা আসবেন।

ঘ. উপদেশাত্মক-
• বর্তমানে কালে: মন দিয়ে পড়।
• ভবিষ্যৎ কালে: স্বাস্থ্যের প্রতি দৃষ্টি রেখো।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।