পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

পরীক্ষাবার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন৩৪
সিলেবাস
Exam- 3: The Code of Civil Procedure, 1908 Topic: Section 79-95, Order 31-40
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৪ প্রশ্ন

.
আদেশ ৩৮ বিধি-১ এর অধীন আদালত কার থেকে হাজিরার জন্য জামানত তলব করতে পারে?
  1. বাদী
  2. বিবাদী
  3. নিলামে ক্রয়কৃত সম্পত্তির ক্রেতা
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৮ বিধি-১: যেক্ষেত্রে বিবাদিকে হাজিরার জন্য জামানত তলব করা যেতে পারে:

যেক্ষেত্রে ১৬ ধারার (ক) হতে (ঘ) দফা পর্যন্ত উল্লেখিত প্রকৃতির মোকদ্দমা ব্যতীত অন্য মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে শপথনামা দ্বারা বা অন্য কোনভাবে আদালত পরিতুষ্ট হয় যে-
ক) বিবাদি বাদিকে বিলম্বিত করার নিমিত্তে বা আদালতের কোন পরোয়ানা এড়ানোর লক্ষ্যে কিংবা তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত হতে পারে এরূপ কোন ডিক্রি জারি ব্যাহত বা বিলম্বিত করার উদ্দেশ্যে-
১. আত্মগোপন করেছে বা আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমা ত্যাগ করেছে; অথবা
২. আত্মগোপন করার বা আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমা ত্যাগ করতে উপক্রম করেছে; বা
৩. তার সম্পত্তি বা এর কোন অংশ হস্তান্তর করেছে বা আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমা হতে অপসারণ করেছে; অথবা

খ) বিবাদি বাংলাদেশ ত্যাগ করার প্রচেষ্টা করেছে, যে অবস্থায় উক্ত মোকদ্দমায় বিবাদির বিরুদ্ধে কোন ডিক্রি প্রদত্ত হলে, তা জারি করার বিষয়ে বাদি বাধাপ্রাপ্ত বা বিলম্বিত হওয়ার যুক্তিযুক্ত সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে; সেক্ষেত্রে আদালত বিবাদিকে গ্রেফতার করতে এবং তার হাজিরার জন্য কেন জামানত দেয়া হবে না তার কারণ দর্শাতে তাকে আদালতে উপস্থিতির জন্য পরোয়ানা দিতে পারবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদি যদি বাদির দাবী পরিতুষ্ট করিতে উপযুক্ত পরিমাণ টাকা অনুরূপ পরোয়ানা জারির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রদান করে, তবে বিবাদিকে গ্রেফতার করা হবে না; এবং মোকদ্দমা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বা আদালত পরবর্তী কোন আদেশ প্রদান না করা পর্যন্ত উক্ত টাকা এদালতে জমা থাকবে।
.
আদেশ ৩৯ বিধি ২ এর অধীনে ক্রোকাদেশ সর্বোচ্চ কত দিন বলবৎ থাকবে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৯ বিধি ২:

১) বিবাদিকে চুক্তি লঙ্ঘন বা অন্য কোন প্রকার অনিষ্ট করা থেকে বিরত রাখার মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবী করা হয়ে থাকুক বা না থাকুক, মোকদ্দমা শুরু হওয়ার পর যে কোন সময় এবং রায়ের পূর্বে বা পরে বাদি অভিযোগে আনীত চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে কিংবা একই চুক্তি থেকে উদ্ভূত অথবা একই সম্পত্তি বা অধিকারের সাথে সম্পর্কিত কোন চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে বিবাদিকে বিরত রাখার জন্য আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।

২) নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ, হিসাব রক্ষণ, জামানত প্রদান অথবা অন্য প্রকারে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্ত সাপেক্ষে অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করে আদেশ প্রদান করতে পারে।

৩) যদি অমান্য করা হয় কিংবা অনুরূপ কোন শর্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত অনুরূপ অমান্য করা বা লঙ্ঘন করার জন্য দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে অনধিক ছয় মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক রাখতেও নির্দেশ দিতে পারে, যদি না আদালত ইতোমধ্যে তার মুক্তির আদেশ প্রদান করে থাকে।

৪) এই বিধির অধীনে কোন ক্রোক এক বৎসরের অধিক বলবৎ থাকবে না এবং উক্ত সময়ের পরও যদি অমান্য বা লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে তবে ক্রোকী সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ খেসারতের আদেশ প্রদান করতে পারে এবং অবশিষ্ট অর্থ, যদি থাকে, তাতে অধিকারী পক্ষকে প্রদান করবে।
.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে কার লিখিত অনুমতি নিয়ে গণ-উৎপাত প্রতিরোধে নিষেধাজ্ঞার মামলা করতে হয়?
  1. রাষ্ট্রপতির
  2. প্রধানমন্ত্রীর
  3. প্রধান বিচারপতির
  4. অ্যাটর্নি জেনারেলের
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৯১ ধারা: গণ-উৎপাত:

অ্যাটর্নি জেনারেল বা অ্যাটর্নি জেনারেলের দুই বা ততোধিক ব্যক্তি লিখিত অনুমতি নিয়ে গণ-উৎপাত প্রতিরোধে নিষেধাজ্ঞার মামলা করবেন। বিশেষ কোন ক্ষতি না হয়ে থাকলেও এই মামলা করা যাবে। তবে এটর্নি জেনারেল ছাড়া অন্য কেহ মামলা করতে হলে এটর্ণি জেনারেলের লিখিত ‍অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক।

Section: 91- Public nuisances:
(1) In the case of a public nuisance the Attorney General, or two or more persons having obtained the consent in writing of the Attorney General, may institute a suit, though no special damage has been caused, for a declaration and injunction or for such other relief as may be appropriate to the circumstances of the case.

(2) Nothing in this section shall be deemed to limit or otherwise affect any right of suit which may exist independently of its provisions.
.
সরকারের বিরুদ্ধে ডিক্রি প্রতিপালনের ক্ষেত্রে যদি আদালত সরকারের নিকট রিপোর্ট প্রেরণ করে, তবে রিপোর্ট প্রেরণের তারিখ থেকে কত দিনের মধ্যে উক্ত ডিক্রি কার্যকর করতে হবে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা
ধারা-৮২: ডিক্রি জারি:
১) সরকারের বিরুদ্ধে বা সরকারি অফিসারের বিরুদ্ধে পূর্বোক্তরূপ কোন কার্যের দায়ে কোন ডিক্রি প্রদত্ত হলে ঐ ডিক্রির নির্দেশ কত দিনের মধ্যে পালন করতে হবে, ডিক্রিতে তা উল্লেখ করতে হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি ডিক্রির নির্দেশ পালন করা না হয়, তবে আদালত বিষয়টি সম্পর্কে যথাযথ আদেশের জন্য সরকারের নিকট রিপোর্ট প্রেরণ করবেন।

২) সরকারের নিকট রিপোর্ট প্রেরণের তারিখ থেকে তিন মাস পর্যন্ত উক্ত ডিক্রির নির্দেশ প্রতিপালিত না হলে এরূপ কোন ডিক্রি জারি করা যাবে না।

Sec.-82: Execution of decree-
1) Where the decree is against the Government or against a public officer in respect of any such act as aforesaid, a time shall be specified in the decree within which it shall be satisfied; and, if the decree is not satisfied within the time so specified, the Court shall report the case for the orders of the Government.

2) Execution shall not be issued on any such decree unless it remains unsatisfied for the period of three months computed from the date of such report.
.
Every suit by a minor shall be instituted in his name by a person who in such suit shall be called the ________of the minor.
  1. guardian
  2. attorney
  3. next friend
  4. legal representative
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩২ বিধি-১: নেক্সট ফ্রেন্ড কর্তৃক নাবালকের মোকদ্দমা দায়ের:
নাবালক কর্তৃক প্রত্যেক মোকদ্দমা তার নামে সে ব্যক্তি কর্তৃক দায়ের করতে হবে যাকে অনুরূপ মোকদ্দমায় নাবালকের নেক্সট ফ্রেন্ড বলে ডাকা হবে।

Rule-1: Minor to sue by next friend:
Every suit by a minor shall be instituted in his name by a person who in such suit shall be called the next friend of the minor.
.
আদেশ ৩৩ বিধি-৪ এর অধীন আদালত কোন পরিস্থিতিতে নিঃস্ব হিসাবে মোকদ্দমা রুজুর আবেদনকারীর কমিশন দ্বারা জবানবন্দি গ্রহণ করার নির্দেশ দিতে পারে?
  1. আবেদনকারী অসুস্থ হলে
  2. আবেদনকারী সঠিক তথ্য না দিলে
  3. আবেদনকারী অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা হলে
  4. আবেদনকারীর প্রতিনিধি দ্বারা আবেদনপত্র উপস্থাপিত হলে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৩ বিধি-৪: আবেদনকারীর জবানবন্দি গ্রহণ:
১) যেক্ষেত্রে আবেদনপত্র সঠিকভাবে এবং যথারীতি উপস্থাপন করা হয়েছে সেক্ষেত্রে আদালত উপযুক্ত মনে করলে আবেদনকারীর বা প্রতিনিধির মাধ্যমে আবেদনকারীকে হাজিরার অনুমতি দেয়া হলে, তার প্রতিনিধির মাধ্যমে আবেদনকারীকে হাজিরার অনুমতি দেয়া হলে, তার প্রতিনিধির দাবীর গুণগত বৈশিষ্ট্যের গুণাগুণ এবং আবেদনকারীর সম্পত্তি সম্পর্কে জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে।

২) প্রতিনিধি কর্তৃক উপস্থাপন করা হলে আদালত কমিশন দ্বারা আবেদনকারীর জবানবন্দি গ্রহণ করতে আদেশ দিতে পারেঃ যেক্ষেত্রে আবেদনপত্র প্রতিনিধি দ্বারা উপস্থাপিত হয় সেক্ষেত্রে আদালত, যদি সঙ্গত মনে করেন, তবে অনুপস্থিত সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের মতই কমিশন কর্তৃক আবেদনকারীর জবানবন্দি গ্রহণ করার নির্দেশ দিতে পারে।
.
ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা রুজু করা যাবে না যদি-
  1. সকল পক্ষ সম্মতি দেয়
  2. কোনো পক্ষ মামলা করতে অস্বীকার করে
  3. সম্পত্তির বাজার মূল্য বৃদ্ধি পায়
  4. সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির বিষয়ে অন্য কোনো মামলা বিচারাধীন থাকে
ব্যাখ্যা
ধারা ৮৮: ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা কখন রুজু করা যেতে পারে:
যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি, অন্য কোন ব্যক্তির নিকট একই পাওনা টাকা বা কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি দাবি করে এবং যার নিকট দাবি করা হয়, উক্ত সম্পত্তির উপর তার খরচের দাবি ব্যতীত অন্য কোন দাবি- দাওয়া না থাকে এবং যদি তিনি প্রকৃত মালিকের নিকট উক্ত সম্পত্তি বা অর্থ অর্পণ করতে প্রস্তুত থাকেন, তবে ঐ সম্পত্তি বা অর্থ কার নিকট অর্পণ করতে হবে, সে বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত গ্রহণের এবং নিজের ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য ঐরূপ দাবিদারগণের সকলের বিরুদ্ধে ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, সকল পক্ষের অধিকার যা দ্বারা নির্ধারিত হতে পারে, এমন কোন মোকদ্দমা যদি বিচারাধীন থাকে তাহলে, ঐরূপ ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা রুজু করা যাবে না।

Sec.-88: Where interpleader suit may be instituted:
Where two or more persons claim adversely to one another the same debt, sum of money or other property, movable or immovable, from another person, who claims no interest therein other than for charges or costs and who is ready to pay or deliver it to the rightful claimant, such other person may institute a suit of interpleader against all the claimants for the purpose of obtaining a decision as to the person to whom the payment or delivery shall be made and of obtaining indemnity for himself:

Provided that where any suit is pending in which the rights of all parties can properly be decided, no such suit of interpleader shall be instituted.
.
দেওয়ানি আদালত কখন সম্পত্তির রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন?
  1. সম্পত্তির বিক্রয়ের পরে
  2. শুধুমাত্র ডিক্রি প্রদানের পূর্বে
  3. শুধুমাত্র ডিক্রি প্রদানের পরে
  4. ডিক্রি প্রদানের পূর্বে বা পরে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪০ বিধি ১- রিসিভার নিয়োগ:

(১) আদালতের কাছে ন্যায়সঙ্গত ও সুবিধাজনক বলে প্রতীয়মান হলে আদালত আদেশ দিয়া-
ক) ডিক্রির পূর্বে বা পরে কোন সম্পত্তির রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন;
খ) সম্পত্তির দখল বা জিম্মাদারী হতে কোন ব্যক্তিকে অপসারণ করতে পারেন;
গ) উহা রিসিভারের দখলে, হেফাজতে বা ব্যবস্থাপনায় সোপদ করতে পারেন; এবং
ঘ) মামলা দায়ের করা ও জবাব দেয়া এবং সম্পত্তি আদায়করণ, ব্যবস্থাপনা, নিরাপদকরণ, সংরক্ষণ এবং উন্নয়ন, উহার খাজনা এবং মুনাফা সংগ্ৰহ, উক্ত খাজনা ও মুনাফার প্রয়োগ ও হস্তান্তর এবং দলিল সম্পাদন সম্পর্কে মালিকের নিজের যেরূপ ক্ষমতা আসে সেরূপ বা আদালত যে সকল ক্ষমতা উপযুক্ত মনে করেন, রিসিভারকে অনুরূপ সকল ক্ষমতা প্রদান করতে পারেন।

(২) কোন ব্যক্তিকে সম্পত্তির দখল ও জিম্মাদারী হতে অপসারণের জন্য যাকে মামলার কোন একটি পক্ষের অনুরূপ ভাবে অপসারণের বর্তমান অধিকার নাই, অত্র বিধির কোন কিছু আদালতকেও উক্ত ব্যক্তিকে অনুরূপ অপসারণের ক্ষমতা দিবে না।
.
আদেশ ৩৫ বিধি-২ এর অধীন মোকদ্দমায় দাবীকৃত বস্তু আদালতের হেফাজতে দেয়ার আদেশ দেয়া যেতে পারে-
  1. বাদীকে
  2. বিবাদীকে
  3. সহ-বিবাদীকে
  4. ৩য় কোনো পক্ষকে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৫ বিধি-২: দাবীকৃত বস্তু আদালতে জমা প্রদান:
যেক্ষেত্রে দাবীকৃত বস্তু আদালতে প্রদানের বা আদালতের হেফাজতে রাখার যোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে মোকদ্দমায় বাদী কোন আদেশের অধিকারী হওয়ার পূর্বে বাদীকে সেটা অনুরূপভাবে প্রদান করতে বা স্থাপন করতে তলব করা যেতে পারে।

Rule.-2: Payment of thing claimed into Court:
Where the thing claimed is capable of being paid into Court or placed in the custody of the the plaintiff may be required to so pay or place it before he can be entitled to any order in the suit.
১০.
ধারা-৮৯খ অনুযায়ী সালিশী প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হলে, পক্ষসমূহ কী করতে পারে?
  1. আদালতে পুনরায় আবেদন করতে পারে
  2. সালিশীর রোয়েদাদ পর্যালোচনা করতে পারে
  3. মোকদ্দমা পুনঃ দাখিল করতে পারে
  4. সালিশী প্রক্রিয়া আবার শুরু করতে পারে
ব্যাখ্যা
ধারা-৮৯খ: সালিশী:
১) মোকদ্দমার বিরোধ অথবা বিরোধসমূহ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে সালিশের নিকট প্রেরণ করবেন এই কারণে মোকদ্দমার পক্ষসমূহ কার্যপদ্ধতির যে কোন পর্যায়ে মোকদ্দমাটি তুলে নেয়ার জন্য আদালতের সমীপে আবেদন করলে আদালত আবেদন অনুমোদন করবে এবং মোকদ্দমা তুলে নেয়ার অনুমতি প্রদান করবে এবং তৎপরবর্তীতে যতদূর প্রযোজ্য, সালিশী আইন,২০০১ (২০০১ সালের ১নং আইন) অনুযায়ী বিরোধ বা বিরোধসমূহ নিষ্পত্তি হবেঃ তবে শর্ত থাকে যে, কোন কারণে কার্য প্রক্রিয়া অনুষ্ঠিত না হলে বা সালিসের রোয়েদাদ প্রদত্ত না হলে এই উপ-ধারার অধীন তুলে নেয়ার অনুমতিপ্রাপ্ত মোকদ্দমার পক্ষসমূহ পুনঃ দাখিলের অধিকার অর্জন করবে।

২) ১নং উপ-ধারানুযায়ী পেশকৃত আবেদন সালিসী আইন, ২০০১ (২০০১ সালের ১নং আইন) এর ধারা নং ৯ এর অধীনে সালিসের সম্মতি বলে ধরে নিতে হবে।
১১.
'ক', তার প্রতিনিধি 'খ'-এর নিকট এক বাক্স সোনার গহনা জমা রাখে। 'গ' অভিযোগ করে যে, 'ক' তার নিকট থেকে অন্যায়ভাবে সোনার গহনাগুলো লাভ করেছে এবং 'খ' এর নিকট থেকে তা দাবী করে। এমতাবস্থায়, 'খ', 'ক' এবং 'গ'-এর বিরুদ্ধে আদেশ ৩৫ বিধি ৫ এর অধীন-
  1. স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা রুজু করতে পারে
  2. স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা রুজু করতে পারে না
  3. ফৌজদারি মামলা রুজু করতে পারে
  4. নিজস্ব স্বার্থযুক্ত মোকদ্দমা রুজু করতে পারে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৫ বিধি-৫: প্রতিনিধি বা প্রজাগণ স্বার্থ বিহীন মোকদ্দমা রুজু করতে পারে না:
এই আদেশের কোন বিধানই প্রতিনিধিগণকে তাদের প্রধান ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মোকদ্দমা করতে কিংবা প্রজাগণকে তাদের ভূস্বামীর বিরুদ্ধে উক্ত প্রধান ব্যক্তি বা ভূ-স্বামীগণের মাধ্যমে দাবীদার ব্যক্তিগণ ব্যতীত অন্য কারো সাথে স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা করতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে সমর্থ করতে বিবেচিত হবে না।

উদাহরণ:
ক) 'ক'-তার প্রতিনিধির 'খ'-এর নিকট এক বাক্স সোনার গহনা জমা রাখে। 'গ'- অভিযোগ করে যে 'ক'-তার নিকট থেকে অন্যায়ভাবে সোনার গহনাগুলো লাভ করেছে এবং 'খ'-এর নিকট থেকে তা দাবী করে। 'খ', 'ক' এবং 'গ'-এর বিরুদ্ধে স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা রুজু করতে পারে না।
১২.
আদেশ ৩৮ বিধি-৭ এর অধীন ক্রোক করার পদ্ধতি কীভাবে সম্পন্ন হবে?
  1. বিবাদির নির্দেশ অনুযায়ী
  2. নোটিশ জারি করার মাধ্যমে
  3. আদালতের বিশেষ আদেশ অনুযায়ী
  4. ডিক্রি জারির জন্য নির্ধারিত পদ্ধতিতে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৮ বিধি-৭: ক্রোক করার পদ্ধতি:
অন্যরূপ স্পষ্ট বিধান ব্যতিরেকে, ডিক্রি জারির দরুন সম্পত্তি ক্রোকের পদ্ধতিতে উক্ত ক্রোক করা যাবে।

Rule.-7: Mode of making attachment:
Save as otherwise expresslyprovided, the attachment shall be made in the manner provided for the attachment of property in execution of a decree.
১৩.
ধারা-৮১ অনুযায়ী আদালত কোন শর্তের ভিত্তিতে সরকারি কর্মচারীকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি প্রদান করবেন?
  1. যদি সে আদালতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করে
  2. যদি তার অনুপস্থিতি জনসাধারণের ক্ষতি করতে পারে
  3. যদি কর্মচারী চাকরি থেকে অব্যাহতি নেয়
  4. কর্মচারী যদি শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকে
ব্যাখ্যা
ধারা-৮১: গ্রেফতার ও ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি:
পদাধিকারবলে কৃত কার্যের দরুন সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করা হলে-
ক) ডিক্রি জারি ব্যতীত বিবাদিকে গ্রেফতার করা বা তার সম্পত্তি ক্রোক করা যাবে না; এবং
খ) যদি আদালত মনে করেন যে, উক্ত কর্মচারী তার কর্তব্যকার্যে অনুপস্থিত থাকলে জনসাধারণের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তাহলে আদালত তাকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি প্রদান করবেন।

Sec 81: Exemption from arrest and personal appearance:
In a suit instituted against ta public officer in respect of any act purporting to be done by him in his official capacity-
a) the defendant shall not be liable to arrest not his property to attachment otherwise than in execution of a decree, and,
b) where the Court is satisfied that the defendant cannot absent himself from his duty without detriment to the public service, it shall exempt him from appearing in person.
১৪.
রিসিভারের গুরুতর অবহেলার জন্য সম্পত্তির ক্ষতিসাধিত হলে, আদালত কী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে?
  1. জরিমানা করতে পারে
  2. দায়িত্ব স্থগিত করতে পারে
  3. দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিতে পারে
  4. রিসিভারের সম্পত্তি ক্রোক এবং বিক্রয় করতে পারে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪০ বিধি-৪: রিসিভারের দায়িত্ব বলবৎকরণ:
যেক্ষেত্রে রিসিভার-
ক) আদালতের নির্দেশিত সময়ে এবং ফরমে তার হিসাবাদি দাখিল করতে ব্যর্থ হয়, অথবা
খ) তার নিকট থেকে প্রাপ্য টাকা আদালতের নির্দেশ মতে পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়, বা
গ) তার ইচ্ছামত বরখেলাপ বা গুরুতর অবহেলার জন্য সম্পত্তির ক্ষতিসাধিত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তার সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ সম্পত্তি বিক্রয় করতে পারে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ দ্বারা তার নিকট থেকে প্রাপ্য টাকা পরিশোধ করতে বা তার দ্বারা সাধিত অনিষ্টের খেসারত প্রদানে ব্যবহার করতে পারে এবং অবশিষ্ট টাকা (যদি কোন) রিসিভারের নিকট প্রদান করবে।

Rule 4: Enforcement of receiver's duties:
Where a receiver-
a) fails to submit his accounts at such periods and in such form as the Courtdirects, or
b) fails to pay the amount due from him as the Court directs, or
c) occasions loss to the property by his wilful default or gross negligence, the Court may direct his property to be attached and may sell such property, and may the proceeds to make good any amount found to due from him or any loss occasi-oned by him, and shall pay the balance (if any) to the receiver.
১৫.
Under Order 39 Rule 6, who can apply for an interim sale of movable property in a suit?
  1. Only the plaintiff
  2. Only the defendant
  3. Only third party
  4. Any party to the suit
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৯ বিধি-৬: অন্তর্বর্তী বিক্রয়ের আদেশ প্রদানের ক্ষমতা:
কোন অস্থাবর সম্পত্তি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু হয়ে থাকে বা রায় ঘোষণার পূর্বেই উক্ত মোকদ্দমায় ক্রোক করা হয়ে থাকে তবে যা দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল, অথবা যা অন্য কোন ন্যায়সঙ্গত এবং পর্যাপ্ত কারণে অবিলম্বে বিক্রয় করা বাঞ্চনীয় হয়ে পড়ে, তা আদালত মোকদ্দমার যে কোন পক্ষের আবেদনের উপর এর বিবেচনামত উপযুক্ত পদ্ধতি এবং শর্ত সাপেক্ষে কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তির কর্তৃক বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারে।

Rule 6: Power to order interim sale:
The Court may, on the application of any party to a suit, order the sale, by any person named in such order, and in such manner and on such terms as it thinks fit, of any movbale property, being the subject-matter of such suit, or attached before judgment in such suit, which is subject to speedy and natural decay, or which for any other just and sufficient cause it may be desirable to have sold at once.
১৬.
বিবাদি যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় জামানত প্রদান করতে ব্যর্থ হন, তাহলে আদালত আদেশ ৩৮ বিধি-৬ অনুসারে কী করতে পারেন?
  1. বিবাদিকে জেলে পাঠাতে পারেন
  2. সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ প্রদান করতে পারেন
  3. সম্পত্তির মালিকানা স্থানান্তর করতে পারেন
  4. বিবাদির বিরুদ্ধে নতুন মামলা দায়ের করতে পারেন
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৮ বিধি-৬: কারণ না দর্শালে বা জামানত না দিলে ক্রোক:
১) যেক্ষেত্রে বিবাদি জামানত প্রদান না করার কারণ দর্শাতে ব্যর্থ হয় বা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি প্রয়োজনীয় জামানত প্রদান করতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত উল্লেখিত সম্পত্তি বা এর যে আংশিক প্রদেয় ডিক্রিটি মিটানোর জন্য পর্যাপ্ত বলে প্রতীয়মান, সেরূপ অংশ ক্রোক হওয়া মর্মে আদেশ প্রদান করতে পারেন।

২) যেক্ষেত্রে বিবাদি অনুরূপ কারণ দর্শায় অথবা আবশ্যকীয় জামানত প্রদান করে, এবং উল্লেখিত সম্পত্তি বা এর কোন অংশ ক্রোক হয়েছে, সেক্ষেত্রে আদালত ক্রোক প্রত্যাহারের আদেশ দিবে বা আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ অন্য কোন আদেশ প্রদান করবে।
১৭.
নেক্সট ফ্রেন্ড কর্তৃক নাবালকের নামে রুজুকৃত মোকদ্দমা অযৌক্তিক হলে এবং উক্ত মোকদ্দমা আবেদনক্রমে খারিজ হলে, আদালত কী নির্দেশ দিতে পারে?
  1. নতুন নেক্সট ফ্রেন্ড নিয়োগ করবে
  2. মোকদ্দমার খরচ মওকুফ করবে
  3. মোকদ্দমার খরচ পরিশোধের জন্য নাবালককে আদেশ দিবে
  4. মোকদ্দমার খরচ পরিশোধের জন্য নেক্সট ফ্রেন্ডকে আদেশ দিতে পারে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩২ বিধি-১৪: অযৌক্তিক বা অনুচিত মোকদ্দমা:
১) কোন নাবালক একমাত্র বাদি হলে সাবালকত্ব প্রাপ্ত হয়ে এ মর্মে আবেদন করতে পারে যে, তার নেক্সট ফ্রেন্ড কর্তৃক তার নামে রুজুকৃত মোকদ্দমা অযৌক্তিক বা অসঙ্গত হওয়ার কারণে খারিজ হবে।

২) সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের উপর আবেদনের নোটিশ জারি করতে হবে এবং উক্ত অসঙ্গত কারণ সম্পর্কে সন্তুষ্ট হয়ে আদালত আবেদন মঞ্জুর করতে পারে এবং আবেদনপত্র ও মোকদ্দমার ব্যাপারে কোন কিছু সম্পর্কে সকল পক্ষ বরাবর খরচাদি পরিশোধের জন্য নেক্সট ফ্রেন্ডকে আদেশ দিতে পারে বা আদালত উপযুক্ত মনে করে অন্য কোন উপযুক্ত নির্দেশ দিতে পারে।
১৮.
সম্পত্তির রিসিভারের দায়িত্বসমূহ আদেশ ৪০ এর কয় নং বিধিতে উল্লেখ আছে?
  1. বিধি-২
  2. বিধি-৩
  3. বিধি-৪
  4. বিধি-৫
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪০ বিধি-৩: দায়িত্ব:
অনুরূপে নিযুক্ত প্রত্যেক রিসিভার-
ক) সম্পত্তি সম্পর্কে সে যা পাবে তার যথাযথ দায়ী থাকার জন্য আদালত কর্তৃক উপযুক্তবিবেচনায় জামানত (যদি কোন) প্রদান করবে;
খ) আদালত কর্তৃক নির্দেশিত মেয়াদে এবং ফরমে তার হিসাবাদি দাখিল করবে;
গ) আদালতের নির্দেশ মত তার নিকট থেকে প্রাপ্য টাকা পরিশোধ করবে; এবং
ঘ) তার ইচ্ছামত বরখেলাপ বা গুরুতর অবহেলার দরুন সম্পত্তির ক্ষতিসাধিত হলে তজ্জন্য দায়ী হবে।

Rule 3: Duties.
Every receiver so appointed shall-
a) furnish such security (if any) as the Court thinks fit, duly to account for what he shall receive in respect of the property;
b) submit his accounts at such periods and in such form as the Court directs;
c) pay the amount due from him as the Court directs; and
d) be responsible for any loss occasioned to the property by his wilful default or gross negligence.
১৯.
আদেশ ৩৫ বিধি ৩- এ কার বিরুদ্ধের মোকদ্দমা সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. বাদী
  2. বিবাদী
  3. সাক্ষী
  4. ৩য় কোনো পক্ষ
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৫ বিধি-৩: বিবাদী বাদীর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা করলে কার্যধারা:
যেক্ষেত্রে কোন স্বার্থবিহীন ব্যবহার মোকদ্দমায় কোন একজন বিবাদী উক্ত মোকদ্দমার বিষয়বস্তু সম্পর্কে বস্তুত বাদীর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা করে, সেক্ষেত্রে যে আদালতে বাদীর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা বিচারাধীন আছে, স্বার্থবিহীন ব্যবহার মোকদ্দমায় যে আদালতে দায়ের করা হয়েছে, সে আদালত কর্তৃক উল্লেখিত আদালতে বিষয়টি অবগত হয়ে, তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমার কার্যধারা স্থগিত রাখবে এবং স্থগিত মোকদ্দমায় তার যে খরচাদি হয়েছে, অনুরূপ মোকদ্দমায় সেটি অন্তর্ভুক্ত করা যাবে; কিন্তু যদি এবং যতদূর সেটি ঐ মোকদ্দমায় অন্তর্ভুক্ত করা না হয়, স্বার্থবিহীন ব্যবহার মোকদ্দমায় তার যে খরচাদি হয়েছে, সেটি তাতে যোগ করা যাবে।
২০.
আদেশ ৩৯ বিধি ৭ অনুসারে, কোন পরিস্থিতিতে আদালত মোকদ্দমার বিষয়বস্তু আটক, সংরক্ষণ বা পরিদর্শনের আদেশ দিতে পারেন?
  1. মোকদ্দমার পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে
  2. শুধুমাত্র আদালতের নিজস্ব বিবেচনায়
  3. মোকদ্দমার পক্ষের কোনো আবেদন ছাড়া
  4. কোনো পরিস্থিতিতেই নয়
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৩৯ বিধি ৭: মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর আটক, সংরক্ষণ, পরিদর্শন ইত্যাদি [Detention, preservation, inspection, etc., of subject-matter of suit]:

১) মোকদ্দমার কোনো পক্ষের আবেদনক্রমে এবং আদালতের বিবেচনায় উপযুক্ত শর্ত সাপেক্ষে, আদালত-
ক) যে সম্পত্তি কোনো মোকদ্দমার বিষয়বস্তু বা যা সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন উত্থাপিত হতে পারে, তা আটক, সংরক্ষণ বা পরিদর্শনের আদেশ দিতে পারেন;
খ) উপরোক্ত যাবতীয় বা যেকোনো উদ্দেশ্য কোনো ব্যক্তিকে উক্ত মোকদ্দমার অপর কোনো পক্ষের দখলকৃত কোনো জমিতে বা দালানে প্রবেশ করার ক্ষমতা দান; এবং
গ) উপরোক্ত যাবতীয় বা যেকোনো উদ্দেশ্যে কোনো নমুনা সংগ্রহের বা কোনো পর্যবেক্ষণ করার বা পরীক্ষা করার জন্য, যা পূর্ণ তথ্য বা প্রমাণ লাভের উদ্দেশ্যে দরকারি বা সুবিধাজনক মনে হতে পারে, কোনো ব্যক্তিকে ক্ষমতা দান করতে পারেন।

২) পরোয়ানা জারি সংক্রান্ত বিধানসমূহ অত্র বিধি অনুসারে প্রবেশের ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাধনপূর্বক প্রযোজ্য হবে।
২১.
আদালত কোন কারণে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে মোকদ্দমা করার অনুমতির আবেদন অগ্রাহ্য করবে?
  1. যদি আবেদনকারীর সম্পত্তি কম থাকে
  2. আবেদনকারী অভিযোগের কারণ প্রদর্শন না করলে
  3. আবেদনকারী সম্পত্তির বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করলে
  4. আবেদনের পূর্বের ৩ মাসের মধ্যে তঞ্চকতামূলকভাবে সম্পত্তি হস্তান্তর করলে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৩ বিধি-৫: আবেদনপত্র অগ্রাহ্য:

নিম্নোক্ত উপায়ে নিঃস্ব ব্যক্তির ন্যায় আদালতে অভিযুক্ত করারআবেদন আদালত অগ্রাহ্য করতে পারে-
ক) যেক্ষেত্রে ২ এবং ৩ বিধিসমূহের নির্ধারিত পদ্ধতিতে এটি প্রণয়ন ও দাখিল করা হয়নি; বা
খ) যেক্ষেত্রে আবেদনকারী নিঃস্ব নয়; বা
গ) যেক্ষেত্রে সে আবেদনপত্র উপস্থাপনের অব্যবহিত দুই মাসের মধ্যে তঞ্চকতা-মূলকভাবে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে মোকদ্দমা করার অনুমতির জন্য আবেদন করতে সমর্থ হওয়ার জন্য কোন সম্পত্তি হস্তান্তর করেছে; বা
ঘ) যেক্ষেত্রে তার অভিযোগের কোন নালিশের কারণ দেখানো হয় না; বা
ঙ) যেক্ষেত্রে যে প্রস্তাবিত মোকদ্দমার অধীনে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু সম্পর্কে কোন চুক্তিতে পৌঁছেছে, যার ফলে উক্ত বিষয়বস্তুতে অন্য কোন ব্যক্তি স্বার্থ অর্জন করেছে সে সকল ক্ষেত্রে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে মোকদ্দমা করার অনুমতি লাভের প্রার্থনা আদালত অগ্রাহ্য করবে।
২২.
নাবালকের মোকদ্দমার নেক্সট ফ্রেন্ড বা অভিভাবক আদালতের অনুমতি ছাড়া চুক্তি বা আপসে উপনীত হলে, উক্ত চুক্তি বা আপস-
  1. নাবালক ব্যতীত অপর সকল পক্ষের বিরুদ্ধে বৈধ হবে
  2. চুক্তি বা আপস পুনঃমূল্যায়ন করা হবে
  3. নাবালক ব্যতীত অপর সকল পক্ষের বিরুদ্ধে বাতিলযোগ্য হবে
  4. চুক্তি বা আপসে আইনগত প্রভাব ফেলবে না
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩২ বিধি-৭: মোকদ্দমার নেক্সট ফ্রেন্ড বা অভিভাবক কর্তৃক চুক্তি বা আপস:
১) মোকদ্দমার কোন নেক্সট ফ্রেন্ড বা অভিভাবক আদালতের কার্যধারায় স্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ অনুমতি ব্যতিরেকে যে মোকদ্দমায় যে নেক্সট ফ্রেন্ড কিংবা অভিভাবক হিসাবে কার্য করে সে মোকদ্দমা প্রসঙ্গে নাবালকের পক্ষে কোন চুক্তি বা আপসে উপনীত হতে পারবে না।

২) আদালতের অনুরূপ লিপিবদ্ধ অনুমতি ব্যতিরেকে অনুরূপ কোন চুক্তি বা আপসে উপনীত হলে উক্ত নাবালক ব্যতীত অপর সকল পক্ষের বিরুদ্ধে তা বাতিলযোগ্য হবে।

Rule.-7: Agreement or compromise by next friend or guar-dian for the suit-
1) No next friend or guardian for the suit shall, without the leave of the Court, expressly recorded in the proceedings, enter into any agreement or compromise on behalf of a minor with reference to the suit in which he acts as next friend or guardian.

2) Any such agreement or compromise entered into without the leave of the Court so recorded shall be võidable against all parties other than the minor.
২৩.
ধারা-৮৪ অনুযায়ী বিদেশি রাষ্ট্র বাংলাদেশে মোকদ্দমা করতে পারে, যদি রাষ্ট্রটি-
  1. বাংলাদেশে ব্যবসা করে
  2. বাংলাদেশে অর্থ বিনিয়োগ করে
  3. বাংলাদেশে তার দূতাবাস স্থাপন করে
  4. বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃতি প্রাপ্ত হয়
ব্যাখ্যা
ধারা-৮৪: বিদেশি রাষ্ট্র কখন মোকদ্দমা করতে পারে: 

১) কোন বিদেশি রাষ্ট্র বাংলাদেশে যেকোন আদালতে মোকদ্দমা করতে পারবেঃ তবে শর্ত এই যে, ঐ রাষ্ট্র সরকার কর্তৃক স্বীকৃতি প্রাপ্ত হয়েছেঃ আরও শর্ত এই যে, ঐরূপ রাষ্ট্রের প্রধান বরাবরে বা সরকারি ক্ষমতায় ঐ রাষ্ট্রে যে কোনকর্মকর্তা বরাবরে ন্যস্ত কোন ব্যক্তিগত অধিকার প্রতিষ্ঠা করাই মোকদ্দমার উদ্দেশ্য হবে।

২) কোন বিদেশি রাষ্ট্র সরকার কর্তৃক স্বীকৃতি প্রাপ্ত হয়েছে কি-না, তা সম্পর্কে প্রত্যেক আদালত বিচারিক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করবে।

Sec. 84: When foreign States may sue-

1) A foreign State may sue in any Courin Bangladesh: Provided that such State has been recognized by the Government: Provided, also, that the object of the suit is to enforce a private right vested in the head of such State or in any officer of such State in his public capacity.

2) Every Court shall take judicial notice of the fact that a foreign State has or has not been recognized by the Government.
২৪.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order 38, Rule 6 অনুযায়ী, কোন পরিস্থিতিতে আদালত সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিতে পারে?
  1. যদি বিবাদি সম্পত্তির মালিক না হয়
  2. যদি বিবাদি জামানত প্রদান না করার কারণ দর্শাতে ব্যর্থ হয়
  3. যদি বিবাদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জামানত প্রদান করতে ব্যর্থ হয়
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৮ বিধি-৬: কারণ না দর্শালে বা জামানত না দিলে ক্রোক:
১) যেক্ষেত্রে বিবাদি জামানত প্রদান না করার কারণ দর্শাতে ব্যর্থ হয় বা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি প্রয়োজনীয় জামানত প্রদান করতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত উল্লেখিত সম্পত্তি বা এর যে আংশিক প্রদেয় ডিক্রিটি মিটানোর জন্য পর্যাপ্ত বলে প্রতীয়মান, সেরূপ অংশ ক্রোক হওয়া মর্মে আদেশ প্রদান করতে পারেন।

২) যেক্ষেত্রে বিবাদি অনুরূপ কারণ দর্শায় অথবা আবশ্যকীয় জামানত প্রদান করে, এবং উল্লেখিত সম্পত্তি বা এর কোন অংশ ক্রোক হয়েছে, সেক্ষেত্রে আদালত ক্রোক প্রত্যাহারের আদেশ দিবে বা আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ অন্য কোন আদেশ প্রদান করবে।
২৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতা নিষ্পত্তির প্রতিবেদন প্রাপ্তির কত দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির দুটি (২) পন্থা বর্ণিত হয়েছে
১- মধ্যস্থতা (Mediation);
২- সালিশী (Arbitration)।

সাধারন নিয়মসমূহ-
⇒ মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে।মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

⇒ মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।

⇒ সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না। 

Section: 89(5)-
The  Legal Aid Officer or mediator, as the case may be, shall, without violating the confidentiality of the parties to the mediation proceedings, submit to the court a report of result of the mediation proceedings; and if the result is of compromise of the dispute or disputes in the suit, the terms of such compromise shall be reduced into writing in the form of an agreement, bearing signatures or left thumb impressions of the parties as executants, and signatures of the pleaders, if any, and the Legal Aid Officer or mediator, as the case may be, as witnesses; and the Court shall, within seven days from receiving the said report, pass an order or a decree in accordance with relevant provisions of Order XXIII of the Code.
২৬.
নাবালকের মোকদ্দমায় নতুন নেক্সট ফ্রেন্ড নিয়োগের ক্ষেত্রে শপথপত্রে কী দেখাতে হবে?
  1. ব্যক্তির পূর্বের অভিজ্ঞতা
  2. ব্যক্তির আর্থিক স্থিতি
  3. ব্যক্তির আইনি যোগ্যতা
  4. ব্যক্তির নাবালকের স্বার্থের বিরুদ্ধে কোন স্বার্থ নেই
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩২ বিধি-৮: নেক্সট ফ্রেন্ড এর অবসর গ্রহণ:
১) আদালত ভিন্নরূপ কোন আদেশ প্রদান না করলে কোন নেক্সট ফ্রেন্ড তার স্থলে সমাসীন হওয়ার জন্য উপযুক্ত ব্যক্তি সংগ্রহ করে না দিয়ে এবং ইতোপূর্বে ব্যয়িত খরচাদির জন্য জামানত না দিয়ে অবসর গ্রহণ করতে পারবে না।

২) নতুন নেক্সট ফ্রেন্ডর নিয়োগের জন্য আবেদন প্রস্তাবিত ব্যক্তির যোগ্যতা দেখিয়ে একটি শপথপত্র দ্বারা সমর্থিত হতে হবে এবং নাবালকের স্বার্থের বিরুদ্ধে তার কোন স্বার্থ নেই এটারও দেখাতে হবে।
২৭.
আদেশ ৩৩ বিধি-৮ অনুসারে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসেবে মোকদ্দমা করার কোন আবেদন মঞ্জুর হলে, তখন এটি কী হিসাবে বিবেচিত হবে?
  1. আপিল
  2. বিশেষ আবেদন
  3. সাধারণ রুজুকৃত মোকদ্দমা
  4. তৃতীয় পক্ষের দাবি
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৩ বিধি-৮: আবেদনপত্র গৃহীত হলে কর্মপদ্ধতি:

যেক্ষেত্রে আবেদন মঞ্জুর হয় সেক্ষেত্রে তা সংখ্যায়িত এবং নিবন্ধিত হবে এবং মোকদ্দমার আরজি হিসাবে বিবেচিত হবে এবং মোকদ্দমাটি অন্য সকল বিষয়ে একটি সাধারণভাবে রুজুকৃত মোকদ্দমার ন্যায়ই অগ্রসর হবে, তবে তা ব্যতীত যে বাদি মোকদ্দমার সাথে সম্পর্কিত দরখাস্ত, উকিল নিয়োগ বা মোকদ্দমার সঙ্গে জড়িত অন্যবিধ কার্যধারার জন্য কোর্ট ফি (সমন জারির নিমিত্তে প্রদেয় ফিস ব্যতীত) প্রদানে দায়ী হবে না।
২৮.
কালেক্টরকে রিসিভার হিসেবে নিয়োগের ক্ষেত্রে আদালতকে কোন শর্ত পালন করতে হবে?
  1. সম্পত্তির মালিকের সম্মতি থাকতে হবে
  2. কালেক্টরের সম্মতি থাকতে হবে
  3. সরকারকে কর প্রদান করতে হবে
  4. সম্পত্তির মালিকানা পরিবর্তন করতে হবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪০ বিধি ৫: যখন কালেক্টরকে রিসিভার নিয়োগ করা যায়:
যেক্ষেত্রে উক্ত সম্পত্তি সরকারকে রাজস্ব প্রদানকারী ভূমি বা উক্ত ভূমির রাজস্ব হস্তান্তরিত বা মুক্ত করা হয়ে থাকে এবং আদালত যদি মনে করেন যে, কালেক্টর কর্তৃক ব্যবস্থপনা চালিত হলে সংশ্লিষ্ট সকলের স্বার্থ রক্ষা হবে, সেক্ষেত্রে আদালত কালেক্টরের সম্মতিক্রমে তাকে উক্ত সম্পত্তির রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।

When Collector may be appointed receiver:
Where the property is land paying revenue to the Government, or land of which the revenue has been assigned or redeemed, and the Court considers that the interest of those concerned will be promoted by the management of the Collector, the Court may, with the consent of the Collector, appoint him to be receiver of such property.
২৯.
নেক্সট ফ্রেন্ড যদি তার কর্তব্য সম্পাদন না করেন, তবে আদেশ ৩২ বিধি-৯ এর অধীন তার অপসারণের আবেদন করতে পারে-
  1. আদালত
  2. বিবাদি
  3. নাবালক
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩২ বিধি-৯: নেক্সট ফ্রেন্ডের অপসারণ:
(১) যেক্ষেত্রে কোন নাবালকের নেক্সট ফ্রেন্ডের স্বার্থ ঐ নাবালকের স্বার্থের পরিপন্থী হয় কিংবা যেক্ষেত্রে সে এমন বিবাদির সাথে এমনভাবে জড়িত যে যার স্বার্থ ঐ নাবালকের স্বার্থের পরিপন্থী যদরুন তার দ্বারা উক্ত নাবালকের স্বার্থ সঠিক সংরক্ষণ অসম্ভব বা যেক্ষেত্রে সে তার কর্তব্য সম্পাদন করে না বা মোকদ্দমার বিচার চলাকালে বাংলাদেশে বসবাস করা হতে বিরত থাকে অথবা অন্য কোন পর্যাপ্ত কারণে নাবালকের তরফ হতে বা বিবাদি কর্তৃক তার অপসারণের জন্য আবেদন করা যাবে এবং আদালত যদি প্রদর্শিত কারণের যথার্থতা সম্পর্কে সন্তুষ্ট হন, তবে নেক্সট ফ্রেন্ডকে তদানুসারে অপসারণ করতে নির্দেশ দিতে পারেন এবং খরচাদি সম্পর্কে অন্য কোন উপযুক্ত আদেশ দিতে পারেন।

২) যেক্ষেত্রে কোন নেক্সট ফ্রেন্ড বা অভিভাবক এতদুদ্দেশ্যে কোন উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নিযুক্ত বা ঘোষিত হয়নি এবং অনুরূপ নিযুক্ত বা ঘোষিত কোন অভিভাবক নেক্সট ফ্রেন্ডের স্থলে স্বয়ং নিযুক্ত হতে ইচ্ছা পোষণ করে আবেদন লিপিবদ্ধ করে মনে করেন যে, উক্ত অভিভাবককে নাবালকের নেক্সট ফ্রেন্ডরূপে নিযুক্ত করা উচিত নয় এবং আবেদনকারীকে তার স্থলে আদালতের বিবেচনা মত মোকদ্দমায় ব্যয়িত যেরূপ খরচাদি হয়েছে তৎসম্পর্কে শর্তাবলী সাপেক্ষে নেক্সট ফ্রেন্ডরূপে নিযুক্ত করবে।
৩০.
আদেশ ৩৩ বিধি-১১ক তে কিসের কার্যপদ্ধতি দেয়া আছে?
  1. নিঃস্ব ব্যক্তির মোকদ্দমা স্থগিত হলে কার্যপদ্ধতি
  2. নাবালক ব্যক্তির মোকদ্দমা বাতিল হলে কার্যপদ্ধতি
  3. নিঃস্ব ব্যক্তির মোকদ্দমা বাতিল হলে কার্যপদ্ধতি
  4. নিঃস্ব ব্যক্তির মোকদ্দমা সফল হলে কার্যপদ্ধতি
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৩ বিধি-১১ক: নিঃস্ব ব্যক্তির মোকদ্দমা বাতিল হলে কার্যপদ্ধতি:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমাটি বাদির বা অন্য কোন ব্যক্তির, যিনি সহ-বাদি হিসাবে যুক্ত হয়েছিলেন, তার মারা যাওয়ার কারণে বাতিল হয় সেক্ষেত্রে আদালত এ মর্মে আদেশ প্রদান করবে যে, বাদি নিঃস্ব হিসাবে মোকদ্দমা করার অনুমতি বাদির সম্পত্তি হতে সরকার কর্তৃক আদায়যোগ্য হবে।

Rule.-11A: Procedure where pauper suit abates:
Where the suit abates by reason of the death of the plaintiff or of any person added as a co-plaintiff the Court shall order that the amount of court-fees which would have been paid by the plaintiff if he had not been permitted to sue as a pauper shall be recoverable by the Government from the estate of the deceased plaintiff.
৩১.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৭ এর হস্তান্তরযোগ্য দলিল সংশ্লিষ্ট কার্যপদ্ধতি কোন আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. সকল দেওয়ানি আদালত
  2. শুধু হাইকোর্ট ডিভিশন
  3. হাইকোর্ট ডিভিশন এবং জেলা আদালত
  4. সকল দেওয়ানি এবং ফৌজদারি আদালত
ব্যাখ্যা
• The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৭ এ হস্তান্তরযোগ্য দলিলের উপর সংক্ষিপ্ত কর্মপদ্ধতি (SUMMARY PROCEDURE ON NEGOTIABLE INSTRUMENTS) সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

আদেশ ৩৭ বিধি-১: আদেশের প্রয়োগ-
এই আদেশ শুধুমাত্র হাইকোর্ট ডিভিশন এবং জেলা আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

Order 37 Rule-1: Application of Order-
This Order shall apply only to the High Court Division and to the District Court.
৩২.
মোকদ্দমার বিষয়বস্তু সম্পর্কিত ভূমি বা জমির মালিক সরকারকে রাজস্ব প্রদানে অবহেলা করলে এবং এই কারনে ভূমি বিক্রয়ের আদেশ দেয়া হলে, তাহলে কোন পক্ষকে অবিলম্বে দখল দেয়া যেতে পারে?
  1. সরকারকে
  2. আদালতের ইচ্ছানুসারে
  3. ভূমির মালিককে
  4. বিক্রয়ের পূর্বে রাজস্ব বা খাজনা পরিশোধকারী পক্ষকে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৯ বিধি-৯: মোকদ্দমার বিষয়বস্তু সম্পর্কিত ভূমিতে কখন পক্ষকে অবিলম্বে দখলে রাখা যাবে:
যেক্ষেত্রে সরকারকে রাজস্ব প্রদানকারী কোন ভূমি বা বিক্রয়ের জন্য দায়ী কোন মধ্যস্বত্ব মোকদ্দমার বিষয়বস্তু হলে অনুরূপ ভূমি বা বিক্রয়ের জন্য দায়ী কোন মধ্যস্বত্ব দখলকারী পক্ষ যদি সরকারকে রাজস্ব প্রদানে বা মধ্যস্বত্বের মালিকের প্রাপ্য খাজনা পরিশোধে অবহেলা করে এবং ফলে উক্ত ভূমি বা বিক্রয়ের জন্য দায়ী কোন মধ্যস্বত্ব বিক্রয়ের আদেশ দেয়া হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত ভূমি বা বিক্রয়ের জন্য দায়ী কোন মধ্যস্বত্ব স্বার্থের দাবীদার উক্ত মোকদ্দমার অন্য কোন পক্ষ বিক্রয়ের পূর্বে প্রাপ্য রাজস্ব বা খাজনা পরিশোধ করলে (আদালতের ইচ্ছা অনুসারে জামানতসহ বা ব্যতীত) অবিলম্বে তাকে উক্ত ভূমি বা বিক্রয়ের জন্য দায়ী কোন মধ্যস্বত্বের দখলে রাখা হবে; এবং আদালত এটির ডিক্রিতে অনুরূপে পরিশোধিত টাকা উপযুক্ত হারে সুদসহ অথবা উক্ত পরিশোধিত টাকা আদালতের নির্দেশিত হারে সুদসহ অনুরূপ প্রদত্ত টাকা খেলাপকারীর বিরুদ্ধে মোকদ্দমায় প্রদত্ত ডিক্রির নির্দেশ মোতাবেক হিসাবের সমন্বয়নে প্রদান করার আদেশ দিতে পারে।

এই বিধিটি সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করলে যা বোঝায় তা হলো:
যদি কোনো ভূমি বা জমির মালিক সরকারকে প্রদেয় রাজস্ব বা ভূমির খাজনা পরিশোধ না করে এবং সেই কারণে সরকার ভূমি বা জমি বিক্রি করার আদেশ দেয়, তখন সেই ভূমি বা জমির অন্য কোনো পক্ষ (যে পক্ষ মামলার সঙ্গে যুক্ত) বিক্রয়ের আগে প্রাপ্য রাজস্ব বা খাজনা পরিশোধ করলে, আদালত তাদেরকে অবিলম্বে সেই ভূমির দখল দিতে পারে।

এছাড়াও, আদালত এই ক্ষেত্রে সেই পরিশোধিত টাকা সুদসহ ফেরত দেয়ার আদেশ দিতে পারে, যদি সেই টাকা খেলাপকারী পক্ষের বিরুদ্ধে করা মামলার ডিক্রি অনুযায়ী হয়। এক কথায়, জমির মালিক যদি সরকারের পাওনা টাকা না দেয়, তবে অন্য কেউ সেটা দিয়ে সেই জমির দখল নিতে পারে।
৩৩.
বাদীর দরখাস্তের ভিত্তিতে বিবাদীর বরাবরে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রচার করা হয়। পরবর্তীতে দেখা যায় যে, বাদী অপর্যাপ্ত কারণে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার প্রার্থনা করেছেন। এমতাবস্থায় আদালত সর্বোচ্চ কত টাকা ক্ষতিপূরণমূলক খরচ (compensatory cost) প্রদানের আদেশ দিতে পারে?
  1. ১০০০ টাকা
  2. ৩০০০ টাকা
  3. ৫০০০ টাকা
  4. ১০০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
ধারা ৯৫: অপর্যাপ্ত কারণে গ্রেফতার, ক্রোক বা নিষেধাজ্ঞার আদেশ লাভ করলে ক্ষতিপূরণ:

১) কোন মোকদ্দমায় পূর্ববর্তী ধারা অনুসারে গ্রেফতার, ক্রোক কিংবা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলে সেক্ষেত্রে-

ক) যদি আদালতের নিকট বোধগম্য হয় যে, অনুরূপ গ্রেফতার, ক্রোক অথবা নিষেধাজ্ঞা অপর্যাপ্ত কারণে প্রয়োগ করা হয়েছে; অথবা

খ) যদি বাদিপক্ষ মোকদ্দমায় ব্যর্থ হয়, এবং আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, মোকদ্দমা দায়ের করার কোন যুক্তিসঙ্গত বা সম্ভাব্য কারণ ছিল না- তবে বিবাদি আদালতের নিকট আবেদন করতে পারে এবং আদালত ঐরূপ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিবাদির ব্যয় ও ক্ষতিপূরণের জন্য বাদির বিরুদ্ধে অনধিক (দশ হাজার] টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেনঃ
তবে শর্ত এই যে, এই ধারানুযায়ী আদালত তার আর্থিক এখতিয়ারের অধিক পরিমাণের টাকা প্রদানের নির্দেশ দিবে না।

২) অনুরূপ আবেদনের প্রেক্ষিতে কোন আদেশ প্রদান করা হলে তা এরূপ গ্রেফতার, ক্রোক বা ইনজাংশনের দরুন ক্ষতিপূরণের জন্য আর কোন মোকদ্দমা চলবে না।
৩৪.
আদালতের অভিমত গ্রহণের উদ্দেশ্যে মোকদ্দমার বিবৃতি কীভাবে প্রদান করা হয়?
  1. মৌখিকভাবে
  2. লিখিতভাবে
  3. ই-মেইলের মাধ্যমে
  4. সাক্ষীর উপস্থিতিতে
ব্যাখ্যা
ধারা-৯০: আদালতের অভিমতের জন্য মোকদ্দমায় বিবৃতি প্রদানের ক্ষমতা:
যখন কোন ব্যক্তিবর্গ আদালতের অভিমত গ্রহণের নিমিত্তে কোন মোকদ্দমা গ্রহণ সম্পর্কে লিখিতভাবে বিবৃতি প্রদানে সম্মত থাকে, তখন আদালত নির্ধারিত পদ্ধতিতে ঐ মোকদ্দমার বিচার নিষ্পত্তি করবেন।

Sec.-90: Power to state case for opinion of Court:
Where any persons agree in writing to state a case for the opinion of the Court, then the Court shall try and determine the same in the manner prescribed.