পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়22 minutes
মোট প্রশ্ন৪৬
সিলেবাস
Exam - 20 The Contract Act,1872 The Registration Act,1908 topic: Full
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৬ প্রশ্ন

.
একটি বিক্রয়-চুক্তি সম্পাদনের তারিখ হতে কত দিনের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য দাখিল করতে হবে?
  1. ৭দিন
  2. ১৫দিন
  3. ৩০দিন
  4. ৬০দিন
ব্যাখ্যা

• ধারা ১৭কঃ বিক্রয় চুক্তি, ইত্যাদির নিবন্ধন
 (১) এই আইন বা আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যে কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তিপত্র লিখিত হইতে হইবে, তৎসঙ্গে উহা সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ কর্তৃক সম্পাদিত ও নিবন্ধিত হইতে হইবে।

(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত বিক্রয়-চুক্তি, সম্পাদনের তারিখ হইতে ৬০ দিনের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য দাখিল করিতে হইবে এবং এইক্ষেত্রে দলিল নিবন্ধনের বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।
----
Section 17A. Registration of contract for sale, etc.
(1) Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, a contract for sale of any immovable property shall be in writing, executed by the parties thereto and registered. 
 
(2) A contract for sale referred to in sub-section (1) shall be presented for registration within sixty days from the date of execution of the contract and the provisions regarding registration of instruments shall apply.

.
নিচের কোনটি চুক্তির বৈশিষ্ট্য নয়-
  1. আইনগত প্রতিদান
  2. চুক্তি সম্পাদন যোগ্যতা
  3. বলপূর্বক সম্মতি
  4. উদ্দেশ্যের বৈধতা
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত প্রশ্নে বলপূর্বক সম্মতি চুক্তির বৈশিষ্ট্য নয়।

একটি বৈধ চুক্তির কিছু বৈশিষ্ট্য হলো:
- স্বাধীন সম্মতি (Free Consent) : চুক্তির জন্য প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি অবশ্যই স্বাধীন হবে। চুক্তি আইনে ১৪ ধারা মতে - কোন সম্মতি বল প্রয়োগ, অনুচিত প্রভাব, মিথ্যা বর্ণনা, প্রতারণা বা ভুলের বশবর্তী না হয়ে প্রদত্ত হলে তাকে স্বাধীন সম্মতি বলে। স্বাধীন সম্মতি না থাকলে চুক্তি বাতিলযোগ্য হবে।

- আইনগত সম্পর্ক (Legal Relationship) : চুক্তি দ্বারা উভয় পক্ষের মধ্যে আইনগত সম্পর্ক সৃষ্টির ইচ্ছে থাকতে হবে। নিমন্ত্রণ, ভ্রমণ, সিনেমা দেখার সম্মতিতে আইনগত সম্পর্ক সৃষ্টি হয় না এবং এরূপ সম্মতি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দিতে হয় না। কিন্তু পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের সম্মতি বা বিবাহের সম্মতি হলো বৈধ চুক্তি এবং এর দ্বারা আইনগত সম্পর্কের সৃষ্টি হয়। যেমন- ক্রেতা-বিক্রেতা, স্বামী-স্ত্রী। এক্ষেত্রে কোন পক্ষ সম্মতি ভঙ্গ করলে ক্ষতিপূরণ দিতে হয়।

- আইনগত প্রতিদান (Lawful Consideration): চুক্তি দ্বারা উভয় পক্ষকে পরস্পরের নিকট থেকে কিছু পেতে এবং কিছু দিতে হবে। কিছু পেতে গিয়ে কিছু দেয়াকে বা কিছু দিয়ে কিছু পাওয়াকে প্রতিদান বলে। প্রতিদান ছাড়া চুক্তি হয় না। প্রতিদান আইনসঙ্গত হওয়া চাই। ইহা বর্তমান, অতীত, ভবিষ্যত হতে পারে।

- চুক্তি সম্পাদন যোগ্যতা (Capacity to Contract) : চুক্তিবদ্ধ পক্ষসমূহের তা সম্পাদনের যোগ্যতা থাকতে হবে। চুক্তি আইনের ১১ ধারা মতে সাবালক ও সুস্থ এবং আইন কর্তৃক অযোগ্য বিবেচিত নয় এমন সকলেই চুক্তি সম্পাদনের যোগ্য। নাবালক, পাগল এবং দেউলিয়া ব্যক্তি চুক্তি সম্পাদনে অযোগ্য।

- উদ্দেশ্যের বৈধতা (Legality of the object) : চুক্তির উদ্দেশ্য অবশ্যই বৈধ হবে। অবৈধ, নীতি ও জনস্বার্থ বিরোধী উদ্দেশ্যে প্রদত্ত সম্মতি দ্বারা চুক্তি হবে না। উদ্দেশ্য অবৈধ চুক্তি বাতিল বলে গণ্য। যেমন- অবৈধ, নীতি ও জনস্বার্থ বিরোধী কাজের জন্য প্রদত্ত সম্মতি বৈধ নয়। তাই অবৈধ বলে প্রদত্ত সম্মতি চুক্তি হিসেবে গণ্য হবে না।
.
প্রস্তাব প্রত্যাহার করা যাবে না কখন?
  1. প্রস্তাব দেওয়ার সময়
  2. প্রস্তাব গ্রহণ করা হলে
  3. শর্ত পূরণ না হলে
  4. প্রস্তাবকের মৃত্যু বা মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটলে
ব্যাখ্যা
• প্রস্তাব প্রত্যাহার বা বাতিল (Revocation of an Offer):
উল্লেখ্য যে, স্বীকৃত হবার পূর্বে প্রস্তাব প্রত্যাহার করা যায় (৫ ধারা)। স্বীকৃত হবার পরে তা করা যায় না। প্রস্তাব মূলত স্বীকৃতির আশায় করা হয়। তবে কখনো প্রস্তাব দেয়ার পর তা প্রত্যাহার প্রয়োজন দেখা দেয়।
- প্রস্তাব গ্রহণ সম্পূর্ণ হবার পূর্বে যে কোন সময়ে প্রস্তাবদাতার প্রতিকূলে একটি প্রস্তাব প্রত্যাহার করা যেতে পারে, কিন্তু পরে নয়।
- প্রস্তাবগ্রহীতার প্রতিকূলে প্রস্তাব গ্রহণ সম্পূর্ণ হওয়ার পূর্বে যে কোন সময়ে একটি প্রস্তাব গ্রহণ প্রত্যাহার করা যেতে পারে, কিন্তু পরে নয়।
- অর্থাৎ প্রস্তাব গ্রহণের পূর্বে তা প্রত্যাহার করা যায়। কোন প্রস্তাব একবার গ্রহণ করা হলে তা আর প্রত্যাহার করা যায় না।

• চুক্তি আইনের ৬ ধারা মতে নিম্নলিখিত অবস্থায় প্রস্তাব প্রত্যাহার বা বাতিল হয়ে যায়:-
(১) বিজ্ঞপ্তি দ্বারা (By notice)
(২) সময় উত্তীর্ণ হলে (After lapse ot time)
(৩) যুক্তিসঙ্গত সময় উত্তীর্ণ হলে (After lapse of reasonable time)
(৪) শর্ত পূরণ না হলে (If terms are not fulfilled)
(৫) প্রস্তাবকের মৃত্যু বা মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটলে (In case of offerers death or mental upset)
.
"যে সকল চুক্তির প্রতিদান বা উদ্দেশ্য বেআইনী সেগুলো বাতিল চুক্তি" চুক্তি আইনের কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. চুক্তি আইনের ২২ ধারায়
  2. চুক্তি আইনের ২৩ ধারায়
  3. চুক্তি আইনের ২৪ ধারায়
  4. চুক্তি আইনের ২৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ২৩ ধারার বিধান: কোন কোন প্রতিদানসমূহ এবং উদ্দেশ্যাবলি আইনানুগ এবং কোন কোনটি আইনানুগ নয়:
কোন সম্মতির প্রতিদান বা উদ্দেশ্য আইনানুগ হয় যদি না তা আইন দ্বারা নিষিদ্ধ করা না হয়; বা তা কোন আইনের বিধানাবলি ব্যর্থ করে; বা তা প্রতারণাপূর্ণ হয়; বা তা অন্য ব্যক্তির বা অন্যের সম্পত্তির জন্য ক্ষতিকর পরিগণিত হয়; বা তা আদালত অযৌক্তিক বা জননীতির পরিপন্থি মনে করেন।
এরূপ প্রতিটি ক্ষেত্রে চুক্তির প্রতিদান বা উদ্দেশ্যকে বেআইনি বলা হয়। যে সকল চুক্তির উদ্দেশ্য বা প্রতিদান বেআইনি সেগুলো বাতিল।
-----------------
• The Contract Act, 1872 Section 23. What considerations and objects are lawful and what not:
The consideration or object of an agreement is lawful, unless- it is forbidden by law; or is of such a nature that, if permitted, it would defeat the provisions of any law; or is fraudulent; or involves or implies injury to the person or property of another; or the Court regards it as immoral, or opposed to public policy.
In each of these cases, the consideration or object of an agreement is said to be unlawful. Every agreement of which the object or consideration is unlawful is void.
.
বিদেশ সম্পাদিত দলিল রেজিস্ট্রেট করার জন্য কখন দাখিল করতে হবে?
  1. দলিল সম্পাদিত হওয়ার ৪ মাসের মধ্যে
  2. দলিল দেশে পৌছানোর ৪ মাসের মধ্যে
  3. দলিল সম্পাদিত হওয়ার ৬ মাসের মধ্যে
  4. দলিল দেশে পৌছানোর ৩ মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা
•নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ২৬ ধারার বিধান বাংলাদেশের বাহিরে সম্পাদিত দলিলপত্র:- বাংলাদেশের বাহিরে সকল বা যে কোন পক্ষ কর্তৃক সম্পাদিত বলিয়া দাবিকৃত কোন দলিল দাখিলকরনের জন্য ইতঃপূর্বে নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পরও যেক্ষেত্রে নিবন্ধনের জন্য দাখিল করা না হয়, সেইক্ষেত্রে নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে,-

(ক) দলিলটি উক্তরূপে সম্পাদিত, এবং
(খ) ইহা বাংলাদেশে পৌছিবার পর চার মাস সময়ের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য দাখিল করা হইয়াছে।

তাহা হইলে তিনি, উপযুক্ত ফি পরিশোধ সাপেক্ষে, উক্ত দলিল নিবন্ধনের জন্য গ্রহণ করিতে পারিবেন।
.
চুক্তি আইনের কত ধারায় বলা হয়েছে বাজি সম্পর্কিত সম্মতি বাতিল?
  1. ২৯ ধারায়
  2. ৩০ ধারায়
  3. ৩০ক ধারায়
  4. ৩০খ ধারায়
ব্যাখ্যা
চুক্তি আইনের ৩০ ধারার বিধান বাজি সম্পর্কিত সম্মতি বাতিল:
- বাজি সম্পর্কিত সম্মতি বাতিল এবং
- বাজিতে জেতা হয়েছে এমন কিছু উদ্ধার করার জন্য অথবা কোন খেলা বা অনিশ্চিত ঘটনা যার উপর বাজি ধরা হয়েছে তার ফলাফল আনার উদ্দেশ্যে কারো কাছে গচ্ছিত কোন জিনিস আদায় করার জন্য কোন মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে না।

- ঘোড় দৌড়ের নির্দিষ্ট পুরস্কারের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম- এ ধারা অনুসারে কোন ঘোড় দৌড়ে জয়লাভকারী বা জয়লাভকারীগণকে পুরস্কার হিসাবে ৫০০ টাকা বা তার বেশি কোন মূল্যের কোন প্লেট, পুরস্কার বা কোন অর্থ, চাঁদা বা কোন কিছু দান করার সম্মতি দেয়া হলে তা অবৈধ বলে গণ্য হবে না।

- দণ্ডবিধির ২৯৪ক ধারা প্রভাবিত হবে না: এ ধারার কোন কিছু ঘোড় দৌড় সম্পর্কিত যে লেনদেনের ক্ষেত্রে দণ্ডবিধির ২৯৪ক ধারার বিধানাবলি প্রয়োগযোগ্য সে সকল লেনদেনকে বৈধতা প্রদান করেছে বলে গণ্য হবে না।
-----
Sction 30. Agreements by way of wager void Exceptions in favour of certain prizes for horse-racing. Section 294A of the Penal Code not affected:
 Agreements by way of wager are void; and no suit shall be brought for recovering anything alleged to be own on any wager, or entrusted to any person to abide the result of any game or other uncertain event on which wager is made. 

This section shall not be deemed to render unlawful a subscription, or contribution, or agreement to subscribe or contribute, made or entered into for or toward any plate, prize or sum of money, of the value or amount of five hundred Taka or upwards, to be awarded to the winner or winners of any horse race. 

Nothing in this section shall be deemed to legalize any transaction connected with horse-racing, to which the provisions of section 294A of the Penal Code apply.
.
নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ অনুযায়ী নিবন্ধনকারী কর্মকর্তাগণ মামলা দায়ের করলে কে বিচার করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা কর্মকর্তা।
  2. দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের নিম্নে নয় এরূপ আদালত বা কর্মকর্তা।
  3. তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের নিম্নে নয় এরূপ আদালত বা কর্মকর্তা।
  4. উল্লিখিত সবায়
ব্যাখ্যা
• নিবন্ধন আইন এর ৮৩ ধারার বিধান নিবন্ধনকারী কর্মকর্তাগণ মামলা দায়ের করতে পারেন:

১) মহা-পরিদর্শক, রেজিস্ট্রার বা সাব-রেজিস্টার কর্তৃক অথবা তাদের অনুমতিক্রমে অপরাধীকে যথারীতি ফৌজদারিতে সোপর্দ করা যাবে।

২) এই আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের নিম্নে নয়, এরূপ আদালত বা কর্মকর্তা কর্তৃক বিচার্য হবে।

- অর্থাৎ দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের নিম্নে নয়- এমন কোন আদালত বা কর্মকর্তা বিচার করতে পারবে।
.
চুক্তি আইন অনুসারে কোন ব্যক্তি চুক্তির করার যোগ্য?
  1. প্রচলিত আইনে যে অযোগ্য
  2. সুস্থ মনের অধিকারী নয়
  3. মহিলা
  4. নাবালক
ব্যাখ্যা
• কারা চুক্তি সম্পাদনে যোগ্যতা চুক্তি আইনের ১১ ধারায় বলা হয়েছে। এ ধারায় বলা হয়েছে যে, প্রত্যেক ব্যক্তিই চুক্তি করার যোগ্য যদি সে নিজ আইনে সাবালক, এবং সুস্থ মনের অধিকারীএবং নিজ আইনে চুক্তি করার জন্য অযোগ্য না হন। [Every person is competent to contract who is age of majority according to the law to which he is subject, and sound mind and is not disqualified from contracting by any law to which he is subject.]।
অতএব বলা যায় চুক্তি সম্পাদনে সে ব্যক্তি যোগ্য যিনি সাবালক ও সুস্থ মনের অধিকারী এবং যাকে কোনো আইনে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়নি।
এখানে ব্যক্তি বলতে প্রাকৃতিক এবং কৃত্রিম ব্যক্তি উভয়কে বোঝানো হয়েছে। প্রাকৃতিক ব্যক্তি বলতে মানুষকে বলা হয়েছে আর কৃত্রিম ব্যক্তি বলতে কোম্পানি, কর্পোরেশন, সংঘ যারা আইন অনুসারে গঠিত ও নিবন্ধিত।

• চুক্তি করার অযোগ্য ব্যক্তি:
চুক্তি আইনের ১১ ধারা অনুসারে বলা যায় তিন ধরনের ব্যক্তি চুক্তি করা জন্য অযোগ্য। এ ব্যক্তিরা হলেন:
১। নাবালক,
২। অসুস্থ মনের অধিকারী বা মানসিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তি এবং
৩। নিজ আইনে অযোগ্য ব্যক্তি।
পূর্বে বলা হয়েছে ব্যক্তি বলতে প্রাকৃতিক এবং কৃত্রিম ব্যক্তি উভয়কে বোঝানো হয়েছে। কৃত্রিম ব্যক্তি যদি আইন অনুসারে গঠিত ও নিবন্ধিত না হয় তাহলে চুক্তি সম্পাদনে অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।

উল্লিখিত প্রশ্নে চুক্তি আইন অনুসারে মহিলা ব্যক্তি চুক্তির করার যোগ্য।
.
Documents of which registration is compulsory-
  1. instruments of gift of immoveable property
  2. declaration of heba under the Muslim Personal Law (Shariat)
  3. declaration of gift under the Hindu, Christian and Buddhist Personal Law
  4. All of the above
ব্যাখ্যা
Section 17. Documents of which registration is compulsory:
(1) The following documents shall be registered, if the property to which they relate is situate in a district in which, and if they have been executed on or after the date on which,this Act came or comes into force, namely:-
(a) instruments of gift of immoveable property; 
(aa) declaration of heba under the Muslim Personal Law (Shariat);
(aaa) declaration of gift under the Hindu, Christian and Buddhist Personal Law;
(b) other non-testamentary instruments which purport or operate to create, declare, assign, limit or extinguish, whether in present or in future, any right, title or interest, whether vested or contingent,to or in immoveable property; 
Explanation − In the case of an assignment of a mortgage the consideration for the deed of assignment shall be deemed to be the value for registration. 
(c) Non-testamentary instruments (other than the acknowledge-ment of a receipt or payment made in respect of any transaction to which an instrument registered under clause (o) relates) which acknowledge the receipt or payment of any consideration on account of the creation, declaration, assignment, limitation or extinction of any such right, title or interest; and 
(cc) instrument of mortgage referred to in section 59 of the Transfer of Property Act, 1882;
(d) leases of immoveable property from year to year, or for any term exceeding one year, or reserving a yearly rent; 
(e) non-testamentary instruments transferring or assigning any decree or order of a Court or any award when such decree or order or award purports or operates to create, declare, assign, limit or extinguish, whether in present or in future, any right, title or interest, whether vested or contingent, to or in immoveable property; 
(f) instrument of partition of immovable property effected by persons upon inheritance according to their respective personal laws;
(g) instrument of sale in pursuance of an order of the Court under section 96 of the State Acquisition and Tenancy Act, 1950.

Provided that the Government may, by order published in the official Gazette, exempt from the operation of this sub-section any leases executed in any district, or part of a district, the terms granted by which do not exceed five years and the annual rents reserved by which do not exceed fifty taka. 

(2) Nothing in clauses (b) and (c) of sub-section (1) applies to- 
(i) any composition deed; or 
(ii) any instrument relating to shares in a Joint Stock Company, notwithstanding that the assets of such Company consist in whole or in part of immoveable property; or 
(iii) any debenture issued by any such Company and not creating, declaring, assigning, limiting or extinguishing any right, title or interest, to or in immoveable property except in so far as it entitles the holder to the security afforded by a registered instrument whereby the Company has mortgaged, conveyed or otherwise transferred the whole or part of its immoveable property or any interest therein to trustees upon trust for the benefit of the holders of such debentures; or 
(iv) any endorsement upon or transfer of any debenture issued by any such Company; or 
(v) any document not itself creating, declaring, assigning, limiting or extinguishing any right, title or interest to or in immoveable property, but merely creating a right to obtain another document which will, when executed, create, declare, assign, limit or extinguish any such right, title or interest; or 
(vi) any decree or order of a Court except a decree or order expressed to be made on a compromise and comprising immoveable property other than that which is the subject-matter of the suit or proceeding; or 
(vii) any grant of immoveable property by the Government; or 
(viii) any instrument of partition made by a Revenue-officer; or 
(ix) any order granting a loan or instrument of collateral security granted under the Land Improvement Act, 1871, or the Land Improvement Loans Act, 1883; or 
(x) any order granting a loan under the , the Bangladesh Krishi Bank Order, 1973 or under any other law for the time being in force relating to the advancement of loans for agricultural purposes, or any instrument under which a loan is granted by a co-operative society for any such purpose, or any instrument made for securing the repayment of a loan so granted; or 
(xi) any endorsement on a mortgage-deed acknowledging the payment of the whole or any part of the mortgage-money, and any other receipt for payment of money due under a mortgage; or 
(xii) any certificate of sale granted to the purchaser of any property sold by public auction by a Civil or Revenue-officer; or 
(xiii)any counter-part of a lease, where the lease corresponding thereto has itself been registered.
(3) Authorities to adopt a son, executed after the first day of January 1872, and not conferred by a will, shall also be registered.
১০.
চুক্তি আইন অনুসারে প্রতারণার মাধ্যমে সম্মতি আদায় করলে চুক্তিটি-
  1. বৈধ
  2. বাতিল
  3. বাতিলযোগ্য
  4. অবৈধ
ব্যাখ্যা
- বাতিলযোগ্য চুক্তি (Voidable agreement) : ক্ষতিগ্রস্থ পক্ষের ইচ্ছে অনুসারে যে চুক্তি বাতিল করা যায় তাকে বাতিলযোগ্য চুক্তি বলে। তবে যতোক্ষণ ঐ পক্ষ চুক্তি বাতিল ঘোষণা না করে ততক্ষণ পর্যন্ত ইহা আইনত বলবৎযোগ্য।

- চুক্তি আইনের ২ (ঝ) ধারা মতে- যে সকল সম্মতি এক বা একাধিক পক্ষের ইচ্ছে অনুসারে বলবৎযোগ্য হয়, কিন্তু অপর পক্ষের ইচ্ছে অনুসারে বলবৎযোগ্য হয় না, তাকে বাতিলযোগ্য সম্মতি বলে।
- সাধারণত অনুচিত প্রভাব, বলপ্রয়োগ, প্রতারণা বা মিথ্যা বর্ণনার দ্বারা আদায়কৃত সম্মতিগুলোই পরবর্তীতে বাতিলযোগ্য সম্মতি বলে গণ্য হয়। উল্লেখ্য যে, যার উপর এসব প্রয়োগ করে সম্মতি আদায় করা হয়েছে। তার ইচ্ছানুসারে এই সম্মতি বাতিলযোগ্য হয়।
১১.
রেজিস্ট্রেশন আইনে একটি কবলা দলিল কবে থেকে কার্যকর হবে?
  1. কবলা রেজিস্ট্রেশনে দিন থেকে
  2. কবলা সম্পাদনের দিন থেকে
  3. কবলা অনুসারে জমি দখলের দিন থেকে
  4. যে দিন সাব-রেজিস্ট্রার অনুমোদিত দিবেন সে দিন থেকে
ব্যাখ্যা
• নিবন্ধন আইনের ৪৭ ধারার বিধান যে সময় হতে নিবন্ধিত দলিল কার্যকর হয় (Time from which registered document operates): নিবন্ধিত দলিল সেই সময় হতে কার্যকর হবে, যদি উক্ত দলিলের নিবন্ধন আবশ্যক না হলে যে সময় হতে কার্যকর হতো এবং এর নিবন্ধনের সময় হতে নয়।
 অর্থাৎ দলিল সম্পাদনের তারিখ হতে একটি নিবন্ধিত দলিল কার্যকর হবে, দলিলটি যেদিন থেকে নিবন্ধন করা হয়েছে সেদিন থেকে নয়।
১২.
চুক্তি আইনের অধীনে জিম্মা চুক্তির মাধ্যমে যে ব্যক্তি দ্রব্য সামগ্রী অর্পণ করে তাকে বলা হয়?
  1. জিম্মাগ্রহীতা
  2. জিম্মাদাতা
  3. জিম্মাদার
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ১৪৮ ধারার বিধান "জিম্মা", "জিম্মাদাতা" এবং "জিম্মাদার" এদের সংজ্ঞা (Bailment, bailor, and bailee defined):

- জিম্মা- চুক্তির ভিত্তিতে কোন ব্যক্তি কর্তৃক অপর কোন ব্যক্তিকে কোনো উদ্দেশ্যে কোন মালপত্র এরূপভাবে প্রদান করা হয় যে, যখন উদ্দেশ্য সাধিত হয় তখন মাল প্রদানকারীর নির্দেশ অনুসারে তা ফেরত দিতে বা অন্যভাবে এর বিলি ব্যবস্থা করতে হবে।

- জিম্মাদাতা- মালামাল প্রদানকারী ব্যক্তিকে জিম্মাদাতা বলা হয়।

- জিম্মাদার- যে ব্যক্তির নিকট এগুলি প্রদান করা হয় তাকে জিম্মাদার বলা হয়।

- জিম্মা এমন একধরনের চুক্তি যেখানে ২টি পক্ষ থাকে। যেমন: জিম্মাদাতা ও জিম্মাদার।
- এই ধরনের চুক্তি দ্বারা অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর করা যায়।

-----------
Section 148. "Bailment", "bailor", and "bailee" defined:
 A "bailment" is the delivery of goods by one person to another for some purpose, upon a contract that they shall, when the purpose is accomplished, be returned or otherwise disposed of according to the directions of the person delivering them.
The person delivering the goods is called the "bailor".
The person to whom they are delivered is called the "bailee". 
 
Explanation – If a person already in possession of the goods of another contracts to hold them as a bailee, he thereby becomes the bailee, and the owner becomes the bailor, of such goods although they may not have been delivered by way of bailment.
১৩.
'Law as to summonses, commissions and witnesses' বিধানটি রেজিস্ট্রেশন আইনের কত ধারায় বর্ণিত রয়েছে?
  1. ধারা ৪০
  2. ধারা ৪১
  3. ধারা ৩৯
  4. ধারা ৩৮
ব্যাখ্যা
• Section 39. Law as to summonses, commissions and witnesses:
The law in force for the time being as to summonses, commissions and compelling the attendance of witnesses, and for their remuneration in suits before Civil Courts, shall, save as aforesaid and mutatis mutandis, apply to any summons or commission issued and any person summoned to appear under the provisions of this Act.
১৪.
Contract of Bailment সংজ্ঞায়িত হয়েছে?
  1. ধারা ১৩৮
  2. ধারা ১২৮
  3. ধারা ১৪৬
  4. ধারা ১৪৮
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ১৪৮ ধারার বিধান "জিম্মা", "জিম্মাদাতা" এবং "জিম্মাদার" এদের সংজ্ঞা (Bailment, bailor, and bailee defined):

- জিম্মা- চুক্তির ভিত্তিতে কোন ব্যক্তি কর্তৃক অপর কোন ব্যক্তিকে কোনো উদ্দেশ্যে কোন মালপত্র এরূপভাবে প্রদান করা হয় যে, যখন উদ্দেশ্য সাধিত হয় তখন মাল প্রদানকারীর নির্দেশ অনুসারে তা ফেরত দিতে বা অন্যভাবে এর বিলি ব্যবস্থা করতে হবে।

- জিম্মাদাতা- মালামাল প্রদানকারী ব্যক্তিকে জিম্মাদাতা বলা হয়।

- জিম্মাদার- যে ব্যক্তির নিকট এগুলি প্রদান করা হয় তাকে জিম্মাদার বলা হয়।

- জিম্মা এমন একধরনের চুক্তি যেখানে ২টি পক্ষ থাকে। যেমন: জিম্মাদাতা ও জিম্মাদার।
- এই ধরনের চুক্তি দ্বারা অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর করা যায়।

-----------
Section 148. "Bailment", "bailor", and "bailee" defined:
 A "bailment" is the delivery of goods by one person to another for some purpose, upon a contract that they shall, when the purpose is accomplished, be returned or otherwise disposed of according to the directions of the person delivering them.
The person delivering the goods is called the "bailor".
The person to whom they are delivered is called the "bailee". 
 
Explanation – If a person already in possession of the goods of another contracts to hold them as a bailee, he thereby becomes the bailee, and the owner becomes the bailor, of such goods although they may not have been delivered by way of bailment.
১৫.
যদি কোন দলিল দাখিল করতে ক্ষমতাবান নন এমন কোন ব্যক্তি কর্তৃক দাখিলকৃত দলিল নিবন্ধন হয়, তাহলে উক্ত দলিল পুন:নিবন্ধনের জন্য দলিল গ্রহীতা আবেদন করতে পারবে দলিল নিবন্ধন যে অবৈধ হয়েছে তা অবগত হওয়ার-
  1. ২ মাসের মধ্যে
  2. ৩ মাসের মধ্যে
  3. ৪ মাসের মধ্যে
  4. ৬ মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• নিবন্ধন আইনের ২৩ক ধারার বিধান মতে: দলিল নিবন্ধন করার ক্ষমতাসম্পন্ন নয় এমন ব্যক্তি রেজিস্ট্রার বা সাব রেজিস্ট্রারের নিকট কোন দলিল দাখিল করে নিবন্ধন করলে তা অবৈধ বলে গণ্য হবে।

- উক্ত দলিলের নিবন্ধন অবৈধ হয়েছে জানার দিন থেকে ৪ মাসের মধ্যে পুনরায় রেজিস্ট্রারের নিকট নিবন্ধনের জন্য দাখিল করতে হবে।
১৬.
Termination of agency কোন ধারায় আছে?
  1. ২০১ ধারায়
  2. ২০৩ ধারায়
  3. ২০৪ ধারায়
  4. ২০০ ধারায়
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ২০১ ধারার বিধান প্রতিনিধিত্বের পরিসমাপ্তি (Termination of agency):
প্রতিনিধিত্বের পরিসমাপ্তি ঘটতে পারে-
- প্রিন্সিপাল তার ক্ষমতা প্রত্যাহার করলে; অথবা
- এজেন্ট তার এজেন্সির কাজ পরিহার করলে; অথবা
- এজেন্সির কাজ সম্পন্ন হয়ে গেলে; অথবা
- প্রিন্সিপাল বা এজেন্টের মধ্যে কারও মৃত্যু হলে বা অপ্রকৃতিস্থ হলে; অথবা 
- দেনাদারদের প্রতিকারের জন্য প্রিন্সিপাল দেউলিয়া হলে।
-------------
• Section 201. Termination of agency:
 An agency is terminated by the principal revoking his authority; or by the agent renouncing the business of the agency; or by the business of the agency being completed; or by either the principal or agent dying or becoming of unsound mind; or by the principal being adjudicated an insolvent under the provisions of any Act for the time being in force for the relief of insolvent debtors.
১৭.
রেজিস্ট্রেশন আইনে আবশ্যক দলিল রেজিস্ট্রেশন না করার ফলাফল কোনটি?
  1. দত্তক গ্রহনের ক্ষমতা দিবে না
  2. স্থাবর সম্পত্তির অধিকার বর্তাবে
  3. অধিকার সৃষ্টি হয়
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৯:  নিবন্ধনযোগ্য দলিল নিবন্ধন না হওয়ার ফল।- এই আইনের অধীন বা দলিল নিবন্ধনের বিধান-সংবলিত বা সম্পর্কিত পূর্ববর্তী কোন আইনের অধীন কোন দলিলের নিবন্ধন প্রয়োজন হইলে, যদি উহা নিবন্ধিত না হয়, তাহা হইলে-
(ক) উক্ত দলিল স্থাবর সম্পত্তিতে কায়েমি বা সম্ভাব্য কোন অধিকার, স্বত্ব বা স্বার্থ বর্তমানে বা ভবিষ্যতে সৃজন, ঘোষণা, অর্পণ বা সীমিত করিতে বা অবসান ঘটাইতে কার্যকর হইবে না: বা
(খ) উক্ত দলিল দত্তকগ্রহণের কোন ক্ষমতা অর্পণ করিবে না।

- এই আইনের অধীন বা পূর্ববর্তী কোন আইনের অধীন (যথা, সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২) বাধ্যতামূলক নিবন্ধীকরণের বিধানসমূহ এই ধারার মাধ্যমে কার্যকর করা হইয়াছে। নিবন্ধিত না হইলে এইরূপ দলিল কার্যকর হয় না এবং উহাতে অন্তর্ভুক্ত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত বিষয়াদি বাতিল বলিয়া গণ্য হয়।
----
- Section 49. Effect of non-registration of documents required to be registered:
No document required to be registered under this Act or under any earlier law providing for or relating to registration of documents shall- 
(a) operate to create, declare, assign, limit or extinguish, whether in present or in future, any right, title or interest, whether vested or contingent, to or in immoveable property, or 
(b) confer any power to adopt, 
unless it has been registered.
১৮.
Quantum meruit বলতে কী বুঝায়?
  1. অপর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ
  2. কার্যানুপাতিক মূল্যমান
  3. ক্ষতিপূরণের পদ্ধতি
  4. পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ
ব্যাখ্যা
• কার্যানুপাতিক মূল্য প্রদান (Quantum Meruit): কার্যানুপাতে মূল্য প্রদান বলতে কার্যানুপাতে পারিশ্রমিক বা যেমন কাজ তেমন পারিশ্রমিক বা যে পরিমাণ কার্য সম্পাদিত হয়েছে, সেই পরিমাণ মূল্য প্রদানকে বুঝায়।

চুক্তি আইনের ৭০ ধারা মতে নিম্নের ৩টি ক্ষেত্রে চুক্তি না থাকলে বা কোন এক পক্ষের কারণে চুক্তি ভঙ্গের দ্বারা চুক্তি পরিসমাপ্তি হলে, বা অন্য কোন কারণে চুক্তি বাতিল হলে, কোন পক্ষ যে পরিমাণ কার্য সম্পাদন করেছে বা যে পরিমাণ পণ্য বা সেবা সরবরাহ করেছে তার জন্য উক্ত পক্ষ আনুপাতিক মূল্য দাবি করতে পারে। সুতরাং - যে পরিমাণ কার্য সম্পাদন বা পণ্য প্রদত্ত হয়েছে সেই অনুযায়ী আনুপাতিক মূল্য দাবি এবং তা পরিশোধকে কার্যানুপাতিক মূল্য প্রদান বলে।

নিয়মাবলী: চুক্তির শর্তানুযায়ী চুক্তি পালন আবশ্যিক। কোন পক্ষ পুরো চুক্তি পালন না করতে পারলে যে পরিমাণ করেছে, সেটুকুর মূল্য দাবি করতে পারে না তবে, নিম্নের তিনটি ক্ষেত্রে সে মূল্য দাবি করতে পারে-
ক) একপক্ষ চুক্তি ভঙ্গ করলে ক্ষতিগ্রস্থ পক্ষ যতটা কাজ করেছে, তার ন্যায্য এবং যুক্তিযুক্ত পারিশ্রামিক বা ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে। যেমন 'ক' এর একটি পত্রিকায় ধারাবাহিতকভাবে প্রকাশিত হবে শর্তে 'খ' একটি বই লেখেন। কয়েকটি সংখ্যা প্রকাশিত হবার পর পত্রিকাটি বন্ধ হয়ে যায়। বইটির যতখানি প্রকাশিত হয়েছে তার জন্য তিনি (খ) কার্যানুপাতিক মূল্য এবং চুক্তি ভঙ্গের জন্য খেসারত পাবার অধিকারী।

খ) আইনগত কারণে অবলবৎযোগ্য: কোন আইনগত কারণে চুক্তি অবলবৎযোগ্য হলে চুক্তি বলবৎ থাকা অবস্থায় চুক্তি অনুযায়ী কোন পক্ষ যদি কোন কিছু করে থাকে তবে সে যুক্তিসঙ্গত খেসারত পাবে। যেমন একটি লিখিত চুক্তি মোতাবেক 'খ' কোন প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পরিষদ কর্তৃক এমডি নিযুক্ত হলো। ঐ পরিচালনা পরিষদ আইনসঙ্গত ভাবে গঠিত হয় নাই বলে 'খ' এর সাথে চুক্তি বাতিল হয়ে যায়। 'খ' কিছুদিন এমডি হিসেবে কাজ করেছিলেন বলে ধার্য্য হলো "কার্যানুপাতিক মূল্য প্রদান" নীতি অনুযায়ী 'খ' যে কদিন কাজ করেছে ঐ কদিনের কার্যানুপাতিক মূল্য পাবে।

গ) বিনা চুক্তিতে কার্য বা পণ্য সরবরাহ: চুক্তি ছাড়াই কেহ যদি অপর কোন ব্যক্তির জন্য কোন কাজ করে থাকে বা পণ্য সরবরাহ করে থাকে এবং অপর ব্যক্তি যদি তা গ্রহণ করে থাকে তবে, যে ঐ ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ বা সরবরাহকৃত পণ্য ফেরত দিতে বাধ্য। যেমন- 'ক' একজন ব্যবসায়ী। সে ক'টি পণ্য ভুলক্রমে 'খ' এর নিকট রেখে যায়। ঐ গুলো নিজের মনে করে 'খ' ব্যবহার করে। এক্ষেত্রে সে ঐগুলোর মূল্য 'ক'-কে প্রদানে বাধ্য।
১৯.
স্থাবর সম্পত্তির বণ্টননামা দলিলের নিবন্ধন সর্বনিম্ন ফিস হতে পারে-
  1. দুইশত টাকা
  2. পাঁচশত টাকা
  3. এক হাজার টাকা
  4. দুই হাজার টাকা
ব্যাখ্যা
• ধারা ৭৮খ এর বিধান বণ্টননামা দলিলের জন্য নিবন্ধন ফিস:- ধারা ৭৮ বা আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন; স্থাবর সম্পত্তি বিষয়ক বণ্টননামা দলিলের নিবন্ধন ফিস হইবে নিম্নরূপ, যথা:

(১) সম্পত্তির মূল্য অনূর্ধ্ব তিন লক্ষ টাকা হইলে, পাঁচশত টাকা;
(২) সম্পত্তির মূল্য তিন লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব দশ লক্ষ টাকা হইলে, সাতশত টাকা:
(৩) সম্পত্তির মূল্য দশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব ত্রিশ লক্ষ টাকা হইলে, এক হাজার দুইশত টাকা:
(৪) সম্পত্তির মূল্য ত্রিশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব পঞ্চাশ লক্ষ টাকা হইলে, এক হাজার আটশত টাকা:
(৫) সম্পত্তির মূল্য পঞ্চাশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে হইলে, দুই হাজার টাকা।

অর্থাৎ স্থাবর সম্পত্তির বণ্টননামা দলিলের নিবন্ধন সর্বনিম্ন ফিস হতে পারে পাঁচশত টাকা। 
২০.
রেজিস্ট্রেশন আইনে Tout এর সংজ্ঞা দেওয়া আছে কোন ধারায়?
  1. ২(৮) ধারায়
  2. ২(১১) ধারায়
  3. ৮২ ধারায়
  4. ২(১০) ধারায়
ব্যাখ্যা
• রেজিস্ট্রেশন আইনে ২(১১) ধারা মতে দালাল (tout) বলতে নিম্নের ব্যক্তি দেরকে বুঝাবে-
ক) লাইসেন্স (অনুমোদন) ব্যতীত যে ব্যক্তি ধারা ৮০ছ এর অধীনে রেজিস্ট্রেশন অফিসের প্রাঙ্গণে নিয়মিত ভাবে আসা যাওয়া করে এবং তার নিজের কর্মসংস্থান লাভের জন্য যে অন্য কোন ব্যক্তিকে রেজিস্ট্রেশন কার্যে সাহায্য করে।
খ) যাকে ধারা ৮০ছ এর অধীনে প্রণীত নিয়মাবলি অনুসারে টাউট বা দালাল ঘোষণা করা যায়।
-------
• Section 2(11) “tout' means a person:
(a) who habitually frequents the precincts of a registration office, without a licence granted to him under the rules made under section 80G, for the purpose of obtaining employment for himself or for any other person in connection with any registration business; or
(b) who is declared to be deemed to be a tout for the purposes of this Act by rules made under section 80G;
২১.
কোন কোন ব্যক্তি কি অবস্থায় পাওয়ার অব অ্যাটর্নি (Power of Attorney) দলিল করে দিতে পারবে, কখন তা স্বীকৃত হবে এবং কিভাবে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি প্রস্তুত করতে হবে তা The Registration Act, 1908 এর কত ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ধারা ৩১
  2. ধারা ৩২
  3. ধারা ৩৩
  4. ধারা ৩৪
ব্যাখ্যা
• Section 33. Power-of-attorney recognizable for purposes of section 32:
(1) For the purposes of section 32, the following powers-of-attorney shall alone be recognized, namely:- 
(a) if the principal at the time of executing the power-of-attorney resides in any part of Bangladesh in which this Act is for the time being in force, a power-of-attorney executed before and authenticated by the Registrar or Sub-Registrar within whose district or sub-district the principal resides; 
(b) if the principal at the time aforesaid resides in any other part of Bangladesh, a power-of-attorney executed before and authenticated by any Magistrate; 
(c) if the principal at the time aforesaid does not reside in Bangladesh a power-of-attorney executed before and authenticated by a Notary Public, or any Court, Judge, Magistrate, Bangladesh Consul or Vice-Consul or representative of the Government: 
Provided that the following persons shall not be required to attend at any registration-office or Court for the purpose executing any such power-of-attorney as is mentioned in clauses (a) and (b) of this section, namely:- 
 
(i) persons who by reason of bodily infirmity are unable without risk or serious inconvenience so to attend; 
(ii) persons who are in jail under civil or criminal process; and 
(iii) persons exempt by law from personal appearance in Court. 
 
(2) In the case of every such person the Registrar or Sub-Registrar or Magistrate, as the case may be, if satisfied that the power-of-attorney has been voluntarily executed by the person purporting to be the principal, may attest the same without requiring his personal attendance at the office or Court aforesaid. 
(3) To obtain evidence as to the voluntary nature of the execution, the Registrar or Sub-Registrar or Magistrate may either himself go to the house of the person purporting to be the principal, or to the jail in which he is confined, and examine him, or issue a commission for his examination. 
(4) Any power-of-attorney mentioned in this section may be proved by the production of it without further proof when it purports on the face of it to have been executed before and authenticated by the person or Court hereinbefore mentioned in that behalf.
২২.
যে উদ্দেশ্য পালনের জন্য কোন চুক্তি করা হয়, সেই উদ্দেশ্য পূরণ অসম্ভব হওয়ার ফলে চুক্তি বাতিল হওয়াকে বলে-
  1. Doctrine of priority
  2. Doctrine of frustration
  3. Doctrine of election
  4. Doctrine of supervening possibility
ব্যাখ্যা
• যখন একটি চুক্তি পালন অসম্ভব হয়ে পড়ে অথবা প্রতিশ্রুতিদাতার নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত কোনো ঘটনার ফলে চুক্তিটির বাস্তবায়ন অবৈধ হয়ে দাঁড়ায়, তখন চুক্তিটি বাতিল ও বিলুপ্ত হয়ে যায় এটা Doctrine of frustration পরিচিত।

• চুক্তি আইনের ধারা ৫৬ অসম্ভব কাজ করার চুক্তি: 
-যে কাজ শুরু হতে অসম্ভব সে কাজ করার চুক্তি বাতিল।
- কোনো কাজ করার চুক্তি যা, চুক্তিটি করার পর অসম্ভব হয় বা যে ঘটনা অঙ্গীকারকারী বারণ করতে পারেনি সে ঘটনার কারণে বেআইনি হয়, সে চুক্তি যখন অসম্ভব বা বেআইনি হয় তখন বাতিল হয়।
- যেক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি এমন কোনো কিছু করার অঙ্গীকার করেছে, যা সে জানতো বা যুক্তিসঙ্গত চেষ্টা করে জানতে পারতাে এবং যা অঙ্গীকারগ্রহীতা অসম্ভব বা বেআইনি বলে জানতে পারত না, সেক্ষেত্রে উক্ত অঙ্গীকারকারীর অঙ্গীকার অসম্পাদনের মাধ্যমে উক্ত অঙ্গীকারগ্রহীতার যে ক্ষতি হয় সেজন্য তাকে অবশ্যই ক্ষতিপূরণ দিবে।

• ব্যর্থতা তত্ত্ব (The Doctrine of Frustration): যখন একটি চুক্তির উদ্দেশ্য আর কোনভাবেই সম্পাদন বা বাস্তবায়ন করা যায় না, তখন আদালত চুক্তির পরিসমাপ্তি হয়েছে বলে ঘোষণা দিতে পারে, এরূপ ঘোষণাকে ব্যর্থতার তত্ত্ব বলা হয়।

এ্যানসন (Anson) সকল আইন ব্যবস্থাতেই চুক্তি পালনের নিয়মের পাশা-পাশি চুক্তি অবসানের বিধানও থাকে, যদি অবস্থা বিশেষের পরিবর্তনের ফলে চুক্তির পালন আইনত কিংবা বাস্তবে অসম্ভব হয়।

ব্যর্থতার তত্ত্ব সম্পর্কে বৃটেনের আইন: ১৮৬৩ সালের পূর্বে বৃটিশ Common Law অনুযায়ী চুক্তিতে বিপরীত মর্মে কোন শর্ত না থাকলে চুক্তির সংশিষ্ট পক্ষসমূহ চুক্তি পালনের অসম্ভাব্যতাকে চুক্তির পরিসমাপ্তির কারণ বলে আত্মপক্ষ সমর্থনের যুক্তি হিসেবে ব্যবহার করতে পারতো না। অর্থাৎ সকল চুক্তি আক্ষরিক অর্থে প্রযোজ্য হতো এবং সকল পক্ষই চুক্তি সম্পাদন করতে সর্বোতভাবে বাধ্য থাকতো।

১৮৬৩ সালের পর ব্যর্থতা তত্ত্বের প্রচলন শুরু হয় এবং এই তত্ত্বানুযায়ী অনেক ক্ষেত্রে আদালত ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তিকে রেহাই দেয়। নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে বৃটেনের আদালত চুক্তি নষ্ট হয়েছে বলে রায় দিতে পারে:-

ক) চুক্তির অপরিহার্য বস্তুর বিনাশ হলে;
খ) কোন উদ্দেশ্য অর্জন অসম্ভব হলে;
গ) আইনের পরিবর্তন হলে;
ঘ) পূর্বশর্ত পালনে ব্যর্থ হলে:
ঙ) মৃত্যু বা ব্যক্তিগত ক্ষমতা বিনষ্ট হলে; এবং
চ) যুদ্ধ ঘোষিত হলে।

• ব্যর্থতা তত্ত্বের ভিত্তি (Basis of the Doctrine of Furstration): বৃটেনের আইন অনুসারে আদালত নিম্নলিখিত অবস্থায় ব্যর্থতা তত্ত্ব প্রয়োগের মাধ্যমে চুক্তির পরিসমাপ্তির নির্দেশ দিয়েছেন :-
১. ধারণামূলক শর্ত: কোন কোন ক্ষেত্রে এই ধারণা করা হয় যে, প্রত্যেক চুক্তি পালিত না হওয়া পর্যন্ত একটি বিশেষ বস্তু বা অবস্থার উপস্থিতি বিদ্যমান থাকা আবশ্যিক বলে মনে করা হয়, ঐ অবস্থার অস্তিত্ব থাকলেই চুক্তি সম্পাদনযোগ্য অন্যথায় নয়। সুতরাং চুক্তি পালনের জন্য উক্ত বস্তু বা অবস্থা বিদ্যমান থাকা অপরিহার্য।
২. চুক্তির ভিত্তি ধ্বংস: যদি চুক্তিভুক্ত পক্ষসমূহের বিনা দোষে যে বস্তু বা অবস্থার উপর ভিত্তি করে চুক্তি সম্পাদন হয়েছিল, সই ভিত্তি বস্তু বা অবস্থা ধ্বংস হয়ে যায়, তবে তা ব্যর্থতা তত্ত্বের আওতায় আসবে।
৩. ন্যায়সঙ্গত সমাধান: চুক্তির গঠন এবং ব্যাখ্যার প্রকৃতি দ্বারা অর্থাৎ চুক্তিতে যদি এমন শর্ত বা অবস্থার উলে-খ থাকে যা ঘটলে চুক্তি বাতিল হবে, সেক্ষেত্রে অন্তর্নিহিত অর্থ দ্বারাই ন্যায়সঙ্গত সমাধান হবে অর্থাৎ চুক্তি বাতিল হবে।
৪. শর্তের পরিবর্তন: যে ক্ষেত্রে আদালত দেখতে পায় যেসব অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে একটি চুক্তি পালনীয় হবে যেসব অবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটেছে এবং এই পরিবর্তনের জন্য কোন পক্ষই দায়ী ছিল না। সেক্ষেত্রে চুক্তি ব্যর্থ হয়েছে বলে গণ্য করা হবে।
২৩.
'Documents of which registration is optional' বিধানটি রেজিস্ট্রেশন আইনের কত ধারায় বর্ণিত হয়েছে?
  1. ধারা ১৭
  2. ধারা ১৭ক
  3. ধারা ১৮
  4. ধারা ১৯
ব্যাখ্যা
• ধারা ১৮ যে সকল দলিলের নিবন্ধন ঐচ্ছিক (Documents of which registration is optional): ১৭ ধারার অধীনে যে সকল দলিল নিবন্ধন বাধ্যতামূলক নয় সে সকল দলিলেরও নিবন্ধন করা যাবে।

• ধারা ১৭(২) অনুযায়ী নিম্নলিখিত দলিল নিবন্ধন বাধ্যতামূলক না (optional):
১. যে কোন প্রকার সোলেনামা;
২. জয়েন্ট স্টক কোম্পানির শেয়ার সংক্রান্ত দলিল;
৩. উক্ত কোম্পানি ইস্যুকৃত ডিবেঞ্চার যা অধিকার সৃষ্টি করে না;
৪. রাজস্ব কর্মকর্তা কর্তৃক প্রস্তুতকৃত বাটোয়ারা দলিল;
৫. নিলামে বিক্রিত কোন সম্পত্তির ক্রেতার বরাবর মঞ্জুরকৃত নিলামের বিক্রয়নামা;
৬. সরকার কর্তৃক স্থাবর সম্পত্তির কোন মঞ্জুরি;
৭. ১০০ টাকা বা তার অধিক মূল্যের স্থাবর সম্পত্তির দলিল যা কোন অধিকার সৃষ্টি করে না।
২৪.
"Contract of guarantee" এর ক্ষেত্রে কয়টি পক্ষ থাকে?
  1. ১টি পক্ষ
  2. ২টি পক্ষ
  3. ৩টি পক্ষ
  4. ৪টি পক্ষ
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ১২৬ ধারার বিধান "জামিনের চুক্তি", "জামিনদার", "প্রধান দেনাদার" এবং "পাওনাদার" ("Contract of guarantee", "surety", "principal debtor" "creditor"):
- জামিনের চুক্তি: জামিনের চুক্তি হল অনাদায়ের ক্ষেত্রে কোন তৃতীয় ব্যক্তির অঙ্গীকার পালন বা দায় পরিশোধের চুক্তি।
- জামিনদার: যে ব্যক্তি এমন অঙ্গীকার করে তাকে জামিনদার বলে।
- প্রধান দেনাদার: যে ব্যক্তির অনাদায় সম্পর্কে জামিন প্রদান করা হয় তাকে প্রধান দেনাদার বলা হয়।
- পাওনাদার: যে ব্যক্তির নিকট এমন জামিন প্রদান করা হয় তাকে পাওনাদার বলে। জামিনের চুক্তি মৌখিক বা লিখিত উভয় প্রকার হতে পারে।

এই ধরনের চুক্তিতে ৩টি পক্ষ থাকে। যথা:-
i) জামিনদার
ii) প্রধান দেনাদার
iii) পাওনাদার
- এই ধরনের চুক্তিতে চুক্তির পক্ষদ্বয় ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি (৩য় ব্যক্তি কর্তৃক) অঙ্গীকার পালন বা দায় পরিশোধের কথা ব্যক্ত আছে।
-----------
Section 126. "Contract of guarantee", "surety", "principal debtor" and "creditor":
 A "contract of guarantee" is a contract to perform the promise, or discharge the liability, of a third person in case of his default. The person who gives the guarantee is called the "surety": the person in respect of whose default the guarantee is given is called the "principal debtor", and the person to whom the guarantee is given is called the "creditor". A guarantee may be either oral or written.
২৫.
Free consent এর বিধান বর্ণিত আছে চুক্তি আইনের-
  1. ১৩ ধারায়
  2. ১৪ ধারায়
  3. ১৫ ধারায়
  4. ১৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ১৪ ধারা মতে স্বেচ্ছাসায় (Free consent) : বল প্রয়োেগ, অনুচিত প্রভাব, মিথ্যা বর্ণনা, প্রতারণা বা ভুলের বশবর্তী না হয়ে সায় প্রদত্ত হলে তাকে স্বেচ্ছাসায় বলে।
কোন সম্মতিতে স্বেচ্ছাসায় না থাকলে তা বাতিলযোগ্য চুক্তি বলে গণ্য হয় এবং যার সায় অন্যায় প্রভাবের দ্বারা আদায় করা হয়েছে। তার ইচ্ছা অনুসারে চুক্তি বাতিল হয়ে থাকে। অবশ্য ভুলের কারণে চুক্তি সরাসরি বাতিল হতে পারে। এবার আসুন আমরা ১৪ ধারার উপাদানগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করি:-
১. বলপ্রয়োগ (Coercion)
২. অনুচিত প্রভাব (Undue unfluence)
৩. প্রতারণা (Fraud)
৪. মিথ্যা বর্ণনা (Misrepresentation)
৫. ভুল (Mistake)
-----------------
Section 14. "Free consent" defined: Consent is said to be free when it is not caused by- 
(1) coercion, as defined in section 15, or 
(2) undue influence, as defined in section 16,or 
(3) fraud, as defined in section 17, or 
(4) misrepresentation, as defined in section 18, or 
(5) mistake, subject to the provisions of sections 20, 21 and 22.
Consent is said to be so caused when it would not have been given but for the existence of such coercion, undue influence, fraud, misrepresentation or mistake.
২৬.
রেজিস্ট্রেশন আইনানুসারে নাবালক কে?
  1. যার বয়স ১৬ বছর নয়
  2. যে সাবালক নয়
  3. শিশু আইনে যে নাবলক
  4. ব্যক্তিগত আইনে যে সাবালক নয়
ব্যাখ্যা
•নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ২(৮) মতে নাবালক (minor) বলতে ঐ ব্যক্তিকে বুঝায় যে ব্যক্তি তার ব্যক্তিগত আইনে সাবালকত্ব প্রাপ্ত হয়নি।

• নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ২(৮) ধারায় বলা হয়েছে, নাবালক অর্থ কোন ব্যক্তি যে তার ব্যক্তিগত আইন অনুসারে সাবালকত্ব প্রাপ্ত হয়নি। ব্যক্তিগত আইন বলতে The Majority Act, 1875 এর উল্লেখিত আইনকে বোঝানো হয়েছে এবং এই কারণে The Majority Act, 1875 এর ৩ ধারা অনুসারে, বাংলাদেশে বসবাসরত একজন ব্যক্তির সাবালকত্ব অর্জনের বয়স নির্ধারিত হতে হবে। The Majority Act, 1875 এর ৩ ধারা অনুযায়ী, বাংলাদেশে বসবাসরত যে কোনো ব্যক্তি ১৮ বৎসর বয়স পূর্ণ হলে সাবালক হয়।
২৭.
নিচের কোনটি চুক্তি আইনে অনুযায়ী প্রস্তাবের আমন্ত্রণ নয়?
  1. একটি কলমের মূল্য ১০ টাকা।
  2. কুকুর হারিয়ে গিয়েছে, পেলে ৫০০ টাকা পুরস্কার।
  3. ঢাকা হতে কুষ্টিয়া বাস ভাড়া ২৫০ টাকা।
  4. ৪০০০ টাকা বেতনে হিসাব রক্ষক চাই।
ব্যাখ্যা
• প্রস্তাব ও প্রস্তাবের আমন্ত্রণ এক নয় (Offer and invitation to an offer is not be same):
- প্রস্তাব ও প্রস্তাবের আমন্ত্রণ এক নয়। মূল্য তালিকা বিলি করা প্রস্তাবের আমন্ত্রণ, প্রস্তাব নয়। যেমন- কুকুর হারিয়ে গিয়েছে, পেলে ৫০০ টাকা পুরস্কার, এটা প্রস্তাব।
- কিন্তু একটি কলমের মূল্য ১০ টাকা, সকাল ৯ টায় ট্রেন ছাড়বে, ঢাকা হতে কুষ্টিয়া বাস ভাড়া ২৫০ টাকা এবং ৪০০০ টাকা বেতনে হিসাব রক্ষক চাই- এগুলো প্রস্তাবের আমন্ত্রণ, প্রস্তাব নয়।
- এ পরিপ্রেক্ষিতে যদি কেহ ১০ টাকা দিতে রাজী হয়, ৯ টার ট্রেনে উঠে, যদি কেহ বাসে উঠে, হিসাবরক্ষক পদে আবেদন করে তবে তা প্রস্তাব হিসেবে গণ্য হবে। বিক্রেতা ঐ প্রস্তাব গ্রহণ নাও করতে পারে।
অর্থাৎ উল্লিখিত প্রশ্নে চুক্তি আইনে অনুযায়ী "কুকুর হারিয়ে গিয়েছে, পেলে ৫০০ টাকা পুরস্কার" এটি একটি প্রস্তাবের আমন্ত্রণ নয়, এটি প্রস্তাব। 
অনন্য সবগুলো প্রস্তাবের আমন্ত্রণ।
২৮.
রেজিস্ট্রেশন আইনে নিবন্ধিত দলিলকে অনিবন্ধিত দলিলের উপর প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে কত ধারায়?
  1. ৪৯ ধারায়
  2. ৫০ ধারায়
  3. ৫১ ধারায়
  4. ৫২ ধারায়
ব্যাখ্যা
• স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত নিবন্ধিত দলিল:

⇒ রেজিস্ট্রেশন আইনের ৫০ ধারা মোতাবেক একই স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত দলিল থাকলে নিবন্ধিত দলিল প্রাধান্য পাবে।

⇒ নিবন্ধিত দলিল এবং অনিবন্ধিত দলিল একই প্রকৃতির হোক বা না হোক আদালতের ডিক্রি বা আদেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

⇒ তবে অনিবন্ধিত দলিলের অধীন কোন ব্যক্তি যদি The Transfer of Property Act, 1882 এর 53.A (আংশিক সম্পাদন নীতি) ধারার অধীনে দখলে থাকে এবং সকল শর্ত পূরণ করে তাহলে পরবর্তীতে কোন দলিল নিবন্ধন হলে তা পূর্ববর্তী অনিবন্ধিত দলিলের উপর প্রাধান্য পাবে না।
২৯.
চুক্তি আইন অনুসারে প্রত্যেক অঙ্গীকার এবং প্রত্যেক অঙ্গীকারগুচ্ছ যা একটি অপরটির প্রতিদান তাকে কি বলে? 
  1. অঙ্গীকার
  2. সম্মতি
  3. চুক্তি
  4. প্রতিশ্রুতি
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ২(ঙ) ধারার বিধান মতে সম্মতি (Agreement): প্রত্যেক অঙ্গীকার/প্রতিশ্রুতি এবং প্রত্যেক সেট অঙ্গীকারমালা/প্রতিশ্রুতিমালা একটি অপরটির প্রতিদানে গঠিত হলে তা হয় সম্মতি।
অর্থাৎ চুক্তি আইন অনুসারে প্রত্যেক অঙ্গীকার এবং প্রত্যেক অঙ্গীকারগুচ্ছ যা একটি অপরটির প্রতিদান তাকে সম্মতি বলে।
------
- Section 5(e) Every promise and every set of promises, forming the consideration for each other, is an agreement.
৩০.
যদি একই ভূমি নিয়ে নিবন্ধিত এবং অনিবন্ধিত উভয় দলিল থাকে, তাহলে উক্ত অনিবন্ধিত দলিলটির চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ এর জন্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় মামলা করা যায়?
  1. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারায়
  2. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারায়
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৭ ধারায়
  4. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
• রেজিস্ট্রেশন আইনের ৫০ ধারার বিধান ভূমি সম্পর্কিত কতিপয় নিবন্ধিত দলিল অ-নিবন্ধিত দলিলের বিপরীতে কার্যকর হইবে:-(১) এই আইনের ধারা ১৭ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (ক), (খ), (গ) ও (ঘ) এ উল্লিখিত প্রত্যেক প্রকারের দলিল এবং ধারা ১৮ এর অধীন নিবন্ধনযোগ্য প্রত্যেক দলিল, যে পরিমাণ স্থাবর সম্পত্তি অন্তর্ভুক্ত করে বা স্থাবর সম্পত্তির বিষয়ে কোন লেনদেন সংক্রান্ত কোনরূপ পণ গ্রহণ বা প্রদানের প্রাপ্তিস্বীকার করে, যদি যথাযথভাবে নিবন্ধিত হয় তাহা হইলে, আদালতের ডিক্রি বা আদেশ ব্যতীত, সেই একই পরিমাণ সম্পত্তি সংক্রান্ত অ-নিবন্ধিত দলিলের প্রতিকূলে কার্যকর হইবে, উক্ত অ-নিবন্ধিত দলিল নিবন্ধিত দলিলের মত একই প্রকৃতির হউক বা না হউক:

তবে শর্ত থাকে যে, পূর্বের তারিখের অনিবন্ধিত দলিলের অধীন যে ব্যক্তি সম্পত্তির দখলে রহিয়াছেন, তিনি সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ (১৮৮২ সনের ৪নং আইন) এর ধারা ৫৩ক এর অধীন সকল প্রকার অধিকারপ্রাপ্ত হইবেন, যদি উক্ত ধারার সকল শর্ত পূরণ করা হয়:

আরও শর্ত থাকে যে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ (১৮৭৭ সনের ১নং আইন) এর ধারা ২৭ এর দফা (খ) এর বিধান সাপেক্ষে, যে ব্যক্তির অনুকূলে অনিবন্ধিত দলিল সম্পাদিত হইয়াছে, তিনি উক্ত অনিবন্ধিত দলিলের চুক্তি, পরবর্তীতে নিবন্ধিত দলিলের অধীন দাবিদার ব্যক্তির বিরুদ্ধে বলবৎ করিবার জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের মামলা দায়ের করিবার অধিকারী হইবেন।

(২) এই ধারার উপ-ধারা (১) এর কোন কিছুই ধারা ১৭ এর উপ-ধারা (১) এর শর্তাংশের অধীন অব্যাহতিপ্রাপ্ত ইজারার ক্ষেত্রে বা একই ধারার উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত ফোম দলিলের ক্ষেত্রে, বা এই আইন প্রবর্তনকালে বলবৎ আইনের অধীন প্রাধান্য ছিল না এইরূপ ফোন মিবর্ধিত দলিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না।
--------------
Section 50. Certain registered documents relating to land to take effect against unregistered documents:
(1) Every document of the kinds mentioned in clauses (a), (b), (c) and (d) of section 17, sub-section (1), and every document registrable under section 18, in so far as such document affects immoveable property or acknowledges the receipt or payment of any consideration in respect of any transaction relating to immoveable property, shall, if duly registered, take effect as regards the property comprised therein, against every unregistered document relating to the same property, and not being a decree or order, whether such unregistered document be of the same nature as the registered document or not: 
 
Provided that the person in possession of the property under an unregistered document prior in date, would be entitled to the rights under section 53A of the Transfer of Property Act, 1882 if the conditions of that section are fulfilled: 
 
Provided further that the person in whose favour an unregistered document is executed shall be entitled to enforce the contract under the unregistered document in suit for specific performance against a person claiming under a subsequent registered document, subject to the provisions of clause (b) of section 27 of the Specific Relief Act, 1877. 
 
(2) Nothing in sub-section (1) applies to leases exempted under the proviso to sub-section (1) of section 17 or to any document mentioned in sub-section (2) of the same section, or to any registered document which had not priority under the law in force at the commencement of this Act. 
৩১.
'Contract of indemnity' সংজ্ঞায়িত হয়েছে-
  1. ১২২ ধারায়
  2. ১২৪ ধারায়
  3. ১২৮ ধারায়
  4. ১২০ ধারায়
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ১২৪ ধারার বিধান "ক্ষতিপূরণের চুক্তি”-এর সংজ্ঞা (Contract of indemnity defined):
- যে চুক্তির মাধ্যমে এক পক্ষ অপর পক্ষকে স্বয়ং অঙ্গীকারকারীর আচরণ বা অন্য কোন ব্যক্তির আচরণ হতে সৃষ্ট ক্ষতি হতে রক্ষা করার অঙ্গীকার করেন, তাকে ক্ষতিপূরণের চুক্তি বলে।
উদাহরণ:
ক কোন বিশেষ ২০০ টাকা সম্পর্কে খ-এর বিরুদ্ধে গ-এর সম্ভাব্য আইনগত কার্যধারা পরিচালনার বিরুদ্ধে খ-কে ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য চুক্তি করেন। তা একটি ক্ষতিপূরণের চুক্তি।
---------------------
• Section 124.  "Contract of indemnity" defined:

A contract by which one party promises to save the other from loss caused to him by the conduct of the promisor himself, or by the conduct of any other person, is called a "contract of indemnity". 
Illustration 
A contracts to indemnify B against the consequences of any proceedings which C may take against B in respect of a certain sum of 200 Taka. This is a contract of indemnity.
৩২.
উইল সম্পর্কিত দলিল নিবন্ধনের জন্য নিবন্ধন অফিসে কত দিনের মধ্যে দাখিল করতে হয়?
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. যেকোন সময়
ব্যাখ্যা
 •নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ২৭: উইল যে কোন সময় দাখিল করা বা জমা দেওয়া যাইবে:

- উইল যে কোন সময় নিবন্ধনের জন্য দাখিল করা যাইবে, অথবা অতঃপর বর্ণিত পদ্ধতিতে জমা দেওয়া যাইবে।

- উইল হইল একমাত্র দলিল যাহা দাখিলের জন্য কোন সময়সীমা নাই।
৩৩.
যুদ্ধের কারণে কোন চুক্তি পালন অসম্ভব হয়ে পড়া- কোন Doctrine কে নির্দেশ করে? 
  1. Doctrine of election
  2. Doctrine of Lispendens
  3. Doctrine of frustration
  4. Doctrine of priority
ব্যাখ্যা
• ব্যর্থতা তত্ত্ব (The Doctrime of Frustration): যখন একটি চুক্তির উদ্দেশ্য আর কোনভাবেই সম্পাদন বা বাস্তবায়ন করা যায় না, তখন আদালত চুক্তির পরিসমাপ্তি হয়েছে বলে ঘোষণা দিতে পারে, এরূপ ঘোষণাকে ব্যর্থতার তত্ত্ব বলা হয়।

এ্যানসন (Anson) সকল আইন ব্যবস্থাতেই চুক্তি পালনের নিয়মের পাশা-পাশি চুক্তি অবসানের বিধানও থাকে, যদি অবস্থা বিশেষের পরিবর্তনের ফলে চুক্তির পালন আইনত কিংবা বাস্তবে অসম্ভব হয়।

ব্যর্থতার তত্ত্ব সম্পর্কে বৃটেনের আইন: ১৮৬৩ সালের পূর্বে বৃটিশ Common Law অনুযায়ী চুক্তিতে বিপরীত মর্মে কোন শর্ত না থাকলে চুক্তির সংশিষ্ট পক্ষসমূহ চুক্তি পালনের অসম্ভাব্যতাকে চুক্তির পরিসমাপ্তির কারণ বলে আত্মপক্ষ সমর্থনের যুক্তি হিসেবে ব্যবহার করতে পারতো না। অর্থাৎ সকল চুক্তি আক্ষরিক অর্থে প্রযোজ্য হতো এবং সকল পক্ষই চুক্তি সম্পাদন করতে সর্বোতভাবে বাধ্য থাকতো।

১৮৬৩ সালের পর ব্যর্থতা তত্ত্বের প্রচলন শুরু হয় এবং এই তত্ত্বানুযায়ী অনেক ক্ষেত্রে আদালত ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তিকে রেহাই দেয়। নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে বৃটেনের আদালত চুক্তি নষ্ট হয়েছে বলে রায় দিতে পারে:-

ক) চুক্তির অপরিহার্য বস্তুর বিনাশ হলে;
খ) কোন উদ্দেশ্য অর্জন অসম্ভব হলে;
গ) আইনের পরিবর্তন হলে;
ঘ) পূর্বশর্ত পালনে ব্যর্থ হলে:
ঙ) মৃত্যু বা ব্যক্তিগত ক্ষমতা বিনষ্ট হলে; এবং
চ) যুদ্ধ ঘোষিত হলে।

• ব্যর্থতা তত্ত্বের ভিত্তি (Basis of the Doctrine of Furstration) : বৃটেনের আইন অনুসারে আদালত নিম্নলিখিত অবস্থায় ব্যর্থতা তত্ত্ব প্রয়োগের মাধ্যমে চুক্তির পরিসমাপ্তির নির্দেশ দিয়েছেন :-
১. ধারণামূলক শর্ত: কোন কোন ক্ষেত্রে এই ধারণা করা হয় যে, প্রত্যেক চুক্তি পালিত না হওয়া পর্যন্ত একটি বিশেষ বস্তু বা অবস্থার উপস্থিতি বিদ্যমান থাকা আবশ্যিক বলে মনে করা হয়, ঐ অবস্থার অস্তিত্ব থাকলেই চুক্তি সম্পাদনযোগ্য অন্যথায় নয়। সুতরাং চুক্তি পালনের জন্য উক্ত বস্তু বা অবস্থা বিদ্যমান থাকা অপরিহার্য।
২. চুক্তির ভিত্তি ধ্বংস: যদি চুক্তিভুক্ত পক্ষসমূহের বিনা দোষে যে বস্তু বা অবস্থার উপর ভিত্তি করে চুক্তি সম্পাদন হয়েছিল, সই ভিত্তি বস্তু বা অবস্থা ধ্বংস হয়ে যায়, তবে তা ব্যর্থতা তত্ত্বের আওতায় আসবে।
৩. ন্যায়সঙ্গত সমাধান: চুক্তির গঠন এবং ব্যাখ্যার প্রকৃতি দ্বারা অর্থাৎ চুক্তিতে যদি এমন শর্ত বা অবস্থার উলে-খ থাকে যা ঘটলে চুক্তি বাতিল হবে, সেক্ষেত্রে অন্তর্নিহিত অর্থ দ্বারাই ন্যায়সঙ্গত সমাধান হবে অর্থাৎ চুক্তি বাতিল হবে।
৪. শর্তের পরিবর্তন: যে ক্ষেত্রে আদালত দেখতে পায় যেসব অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে একটি চুক্তি পালনীয় হবে যেসব অবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটেছে এবং এই পরিবর্তনের জন্য কোন পক্ষই দায়ী ছিল না। সেক্ষেত্রে চুক্তি ব্যর্থ হয়েছে বলে গণ্য করা হবে।
৩৪.
দলিল রেজিস্ট্রেশনের সময় মিথ্যা তথ্য দিলে সর্বোচ্চ শাস্তি কি?
  1. ৬ মাস কারাদণ্ড
  2. ৩ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• কোন ব্যক্তি মিথ্যা বিবৃতি, মিথ্যা পরিচয়, মিথ্যা নকল, অনুবাদ বা কোন মানচিত্র প্রদান করলে এর শাক্তি- অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।

Section 82. Penalty for making false statements, delivering false copies or translations, false personation, and abetment:
 Whoever- 
(a) intentionally makes any false statement, whether on oath or not, and whether it has been recorded or not, before any officer acting in execution of this Act, in any proceeding or enquiry under this Act; or 
(b) intentionally delivers to a registering officer, in any proceeding under section 19 or section 21, a false copy or translation of a document or a false copy of a map or plan; or 
(c) falsely personates another, and in such assumed character presents any document, or makes any admission or statement, or causes any summons or commission to be issued, or does any other act in any proceeding or enquiry under this Act; or 
(d) abets anything made punishable by this Act; 
shall be punishable with imprisonment for a term which may extend to seven years, or with fine or with both.
৩৫.
চুক্তি আইন অনুসারে এমন কোন ব্যক্তি যিনি এজেন্সির কাজে মূল এজেন্ট কর্তৃক নিযুক্ত হন এবং তার নিয়ন্ত্রণাধীন কাজ করে, তিনি হলো-
  1. সাব-এজেন্ট
  2. কো- এজেন্ট
  3. এজেন্ট
  4. প্রধান নিয়াগেকারী এজেন্ট
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ১৯১ ধারা মতে "সাব-এজেন্ট "-এর সংজ্ঞা (Sub-agent defined) সাব-এজেন্ট হচ্ছে এমন কোন ব্যক্তি যিনি এজেন্সির কাজে- মূল এজেন্ট কর্তৃক নিযুক্ত হন এবং তার নিয়ন্ত্রণে কাজ করেন।
----
Section 191. "Sub-agent" defined:
 A "sub-agent" is a person employed by, and acting under the control of, the original agent in the business of the agency.
৩৬.
রেজিস্ট্রেশন আইন অনুসারে গ্রেফতারের আদেশ দেয়ার এখতিয়ার কার?
  1. পুলিশ সুপার
  2. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  3. জেলা জজ
  4. রেজিস্ট্রেশন অফিসার
ব্যাখ্যা
•নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৮০চ: টাউটদের গ্রেফতার ও বিচার।- (১) কোন নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা, লিখিত আদেশ দ্বারা, আদেশে উল্লিখিত যে কোন ব্যক্তিকে এইরূপ কোন টাউট নিবন্ধন কার্যালয়ের আঙ্গিনায় পাওয়া গেলে তাহাকে গ্রেফতার করিবার জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন। নির্দেশ অনুসারে উক্ত টাউটকে গ্রেফতার করিয়া অবিলম্বে নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার সম্মুখে উপস্থিত করিতে হইবে।

(২) যদি উক্তরূপ টাউট তাহার অপরাধ স্বীকার করে, তাহা হইলে তাহার আটক, বিচার ও শাস্তির ক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ (১৮৯৮ সনের ৫ নং আইন) এর ধারা ৪৮০ ও ৪৮১ এর বিধানাবলি, যতদূর সম্ভব, প্রযোজ্য হইবে।

উক্ত টাউট যদি তাহার অপরাধ স্বীকার না করে, তাহা হইলে অনুরূপভাবে উক্ত কার্যবিধির ধারা ৪৮২ এর বিধানাবলি তাহার আটক, বিচার ও শাস্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।

(৩) উক্ত কার্যবিধির ধারা ৪৮০, ৪৮১ ও ৪৮২ এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নিবন্ধনকারী কর্মকর্তাকে দেওয়ানি আদালত হিসাবে গণ্য করা হয়।
-------------
Section 80F. Arrest and trial of touts:
 (1) Any registering officer may, by an order in writing, direct any person named in the order to arrest any such tout found within the precincts of the registration office. Such tout may be arrested accordingly and shall be forthwith produced before the registering officer. 
 
(2) If the tout admits his offence the provisions of section 480 and 481 of the Code of Criminal Procedure, 1898, shall be applicable, so far as may be, to his detention, trial and punishment. 
 
If the tout does not admit his offence the provisions of section 480 of the said Code shall be similarly applicable to his detention, trial and punishment. 
 
(3) A registering officer shall be deemed to be a Civil Court for the purposes of sections 480, 481 and 482 of the said Code.
৩৭.
চুক্তি আইনের ৬৮ ধারার মূল বিষয়বস্তু কি?
  1. Quantum Meruit
  2. Quasi contract
  3. Doctrine of frustration
  4. Supervening Impossibility 
ব্যাখ্যা
• উপ-চুক্তি (Quasi-Contract): চুক্তি দ্বারা সংশ্লিষ্ট পক্ষের মধ্যে আইনগত সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় চুক্তি না হয়েও চুক্তির ন্যায় সম্পর্কের সৃষ্টি হয় এবং চুক্তির আবশ্যকীয় উপাদানের অনুপস্থিতি সত্ত্বেও পক্ষদ্বয়ের আচার-আচরণ এবং পারিপার্শ্বিক অবস্থার দ্বারা চুক্তির মতোই দায় সৃষ্টি হয়। এইরূপ অবস্থা যদিও চুক্তির পর্যায়ভুক্ত নয়। তথাপি ইহা দ্বারা চুক্তির মতোই অধিকারও দায়-দায়িত্ব সৃষ্ট হয়। ফলে সংশ্লিষ্ট পক্ষ চুক্তির ন্যায় আইনগত ফলাফল ভোগ করে। এই অবস্থাকে ইংল্যান্ডের আইনে উপ-চুক্তি (Quasi- Contract) এবং বাংলাদেশের চুক্তি আইনে চুক্তির ন্যায় সম্পর্ক (Relations Resembling to those contracts) বলা হয়।

মূল কথা: উপচুক্তির মূল কথা হলো যদি কোন ব্যক্তির জন্য কিছু ব্যয় করার দায়িত্ব অপর কোন ব্যক্তির উপর এসে পড়ে এবং সে যদি যথাযথভাবে ব্যয় করে যায়, তবে সে উপকৃত ব্যক্তির সম্পত্তি হতে তার ব্যয়কৃত অর্থ ফেরৎ পাবার অধিকারী। ইহা যে নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত, আইনের ভাষায় তাকে 'অবৈধ বিত্তবানতা (Unjust enrichment) বলে'।

• চুক্তি আইনের ৬৮ ধারায় উপ-চুক্তি (Quasi-Contract) সম্পর্কে বিধান রয়েছে। যা চুক্তি সম্পাদনে অক্ষম ব্যক্তিকে অত্যাবশ্যকীয় দ্রব্যাদি সরবরাহ।

• চুক্তি আইনের ৬৮ ধারার বিধান চুক্তি করতে অক্ষম ব্যক্তিকে কিংবা তাকে সরবরাহকৃত জিনিসপত্রের জন্য দাবি:
যদি কোন ব্যক্তি- চুক্তিতে আবদ্ধ হতে অক্ষম ব্যক্তিকে বা, পোষণ করতে আইনত বাধ্য এমন কোন ব্যক্তিকে; জীবন ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সরবরাহ করলে উক্ত অক্ষম ব্যক্তির সম্পত্তি হতে পরিশোধিত হওয়ার অধিকারী হবে।
৩৮.
যদি একই ভূমি নিয়ে নিবন্ধিত এবং অনিবন্ধিত উভয় দলিল থাকে, তাহলে উক্ত অনিবন্ধিত দলিলটির চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ এর জন্য মামলা করতে হবে-
  1. জমির মালিকের বিরুদ্ধে
  2. জমির অংশীদারদের বিরুদ্ধে
  3. রেজিস্ট্রার বা সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে
  4. পরবর্তীতে নিবন্ধিত দলিলের অধীন দাবিদার ব্যক্তির বিরুদ্ধে
ব্যাখ্যা
• রেজিস্ট্রেশন আইনের ৫০ ধারার বিধান ভূমি সম্পর্কিত কতিপয় নিবন্ধিত দলিল অ-নিবন্ধিত দলিলের বিপরীতে কার্যকর হইবে:-(১) এই আইনের ধারা ১৭ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (ক), (খ), (গ) ও (ঘ) এ উল্লিখিত প্রত্যেক প্রকারের দলিল এবং ধারা ১৮ এর অধীন নিবন্ধনযোগ্য প্রত্যেক দলিল, যে পরিমাণ স্থাবর সম্পত্তি অন্তর্ভুক্ত করে বা স্থাবর সম্পত্তির বিষয়ে কোন লেনদেন সংক্রান্ত কোনরূপ পণ গ্রহণ বা প্রদানের প্রাপ্তিস্বীকার করে, যদি যথাযথভাবে নিবন্ধিত হয় তাহা হইলে, আদালতের ডিক্রি বা আদেশ ব্যতীত, সেই একই পরিমাণ সম্পত্তি সংক্রান্ত অ-নিবন্ধিত দলিলের প্রতিকূলে কার্যকর হইবে, উক্ত অ-নিবন্ধিত দলিল নিবন্ধিত দলিলের মত একই প্রকৃতির হউক বা না হউক:

তবে শর্ত থাকে যে, পূর্বের তারিখের অনিবন্ধিত দলিলের অধীন যে ব্যক্তি সম্পত্তির দখলে রহিয়াছেন, তিনি সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ (১৮৮২ সনের ৪নং আইন) এর ধারা ৫৩ক এর অধীন সকল প্রকার অধিকারপ্রাপ্ত হইবেন, যদি উক্ত ধারার সকল শর্ত পূরণ করা হয়:

আরও শর্ত থাকে যে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ (১৮৭৭ সনের ১নং আইন) এর ধারা ২৭ এর দফা (খ) এর বিধান সাপেক্ষে, যে ব্যক্তির অনুকূলে অনিবন্ধিত দলিল সম্পাদিত হইয়াছে, তিনি উক্ত অনিবন্ধিত দলিলের চুক্তি, পরবর্তীতে নিবন্ধিত দলিলের অধীন দাবিদার ব্যক্তির বিরুদ্ধে বলবৎ করিবার জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের মামলা দায়ের করিবার অধিকারী হইবেন।

(২) এই ধারার উপ-ধারা (১) এর কোন কিছুই ধারা ১৭ এর উপ-ধারা (১) এর শর্তাংশের অধীন অব্যাহতিপ্রাপ্ত ইজারার ক্ষেত্রে বা একই ধারার উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত ফোম দলিলের ক্ষেত্রে, বা এই আইন প্রবর্তনকালে বলবৎ আইনের অধীন প্রাধান্য ছিল না এইরূপ ফোন মিবর্ধিত দলিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না।
--------------
Section 50. Certain registered documents relating to land to take effect against unregistered documents:
(1) Every document of the kinds mentioned in clauses (a), (b), (c) and (d) of section 17, sub-section (1), and every document registrable under section 18, in so far as such document affects immoveable property or acknowledges the receipt or payment of any consideration in respect of any transaction relating to immoveable property, shall, if duly registered, take effect as regards the property comprised therein, against every unregistered document relating to the same property, and not being a decree or order, whether such unregistered document be of the same nature as the registered document or not: 
 
Provided that the person in possession of the property under an unregistered document prior in date, would be entitled to the rights under section 53A of the Transfer of Property Act, 1882 if the conditions of that section are fulfilled: 
 
Provided further that the person in whose favour an unregistered document is executed shall be entitled to enforce the contract under the unregistered document in suit for specific performance against a person claiming under a subsequent registered document, subject to the provisions of clause (b) of section 27 of the Specific Relief Act, 1877. 
 
(2) Nothing in sub-section (1) applies to leases exempted under the proviso to sub-section (1) of section 17 or to any document mentioned in sub-section (2) of the same section, or to any registered document which had not priority under the law in force at the commencement of this Act.
৩৯.
ক্ষতির সমান অর্থ প্রদানকে __________ বলে।
  1. নামমাত্র ক্ষতিপূরণ
  2. পরিপূরক ক্ষতিপূরণ
  3. দৃষ্টান্তমূলক/শাস্তিমূলক ক্ষতিপূরণ
  4. পূর্ব নির্ধারিত ক্ষতিপূরণ
ব্যাখ্যা
• খেসারত বা ক্ষতিপূরণ (Damages or Compensation): চুক্তিভঙ্গজনিত কারণে ক্ষতিপূরণ বাবদ যে অর্থ পাওয়া যাবে তাকে বলে খেসারত বা ক্ষতিপূরণ। চুক্তি ভঙ্গের কারণে ক্ষতিগ্রস্থ পক্ষের যে লোকসান বা ক্ষতি হয়েছে তা আদায়ের জন্য সে অপর পক্ষের বিরুদ্ধে মামলা দিতে পারবে। আদালত নিম্নবর্ণিত চার প্রকারের খেসারত প্রদানের জন্য নির্দেশ দিতে পারেন-
ক) নামমাত্র ক্ষতিপূরণ
খ) পরিপূরক বা ক্ষতিপূরণমূলক ক্ষতিপূরণ
গ) দৃষ্টান্তমূলক বা শাস্তিমূলক ক্ষতিপূরণ
ঘ) পূর্ব নির্ধারিত ক্ষতিপূরণ

ক) নামমাত্র খেসারত বা ক্ষতিপূরণ(Nominal Damages or Compensation): মামলাকারী (বাদীর) ক্ষতির পরিমাণ খুব সামান্য হলে বা আদালতের বিবেচনার বাদী কোন ক্ষতি না হলে বাদী পক্ষকে ডিক্রী পাবার অধিকারের স্বীকৃতি স্বরূপ নাম মাত্র খেসারত প্রদানের নির্দেশ দিয়ে থাকেন। যেমন- ১ পয়সা বা ১ টাকা ইত্যাদি।

খ) পরিপুরক খেসারত (Compensatory Damages or Compensation) : ক্ষতির সমান অর্থ প্রদানকে পরিপূরক খেসারত বা ক্ষতিপূরণ বলে। যেমন ৫০ টাকা ক্ষতি। তাই ৫০ টাকা দেবার আদেশ প্রদান করা হলো। 

গ) দৃষ্টান্তমূলক/শাস্তিমূলক শিক্ষনীয় খেসারত (Exemplary Punitire or Vindictive Damages) : অনেক ক্ষেত্রে আদালত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসাবে চুক্তিভঙ্গকারীকে প্রকৃত ক্ষতি অপেক্ষা বেশী খেসারত প্রদানের আদেশ দিতে পারেন, ইহাকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিমূলক বা প্রতিহিংসামূলক খেসারত বলে। চুক্তিভঙ্গকারীকে উপযুক্ত শিক্ষা প্রদানের জন্যই এইরূপ নির্দেশ দেয়া হয়।

ঘ) পূর্ব নির্ধারিত খেসারত : চুক্তিতে যদি উল্লেখ থাকে কি ক্ষতি হলে কি খেসারত দিবে, তাকে পূর্ব নির্ধারিত খেসারত বলে। উল্লেখ্য যে, বিবাহের চুক্তি ভঙ্গ, ব্যাংকে টাকা থাকা সত্ত্বেও চেক ফেরৎ, মানহানী মামলা ইত্যাদি ক্ষেত্রে আদালত এরূপ খেসারত প্রদানের নির্দেশ দিতে  পারেন।
৪০.
Bailment of Pledge কোন ধারায় সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. ধারা ১৭০
  2. ধারা ১৮২
  3. ধারা ১৭২
  4. ধারা ১৯২ 
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের  ১৭২ ধারার বিধান: বন্ধক, বন্ধকদাতা এবং বন্ধকগ্রহীতা- এদের সংজ্ঞা (Pledge, Pawnor and Pawnee defined)
- বন্ধক: কোন ঋণ পরিশোধের বা অঙ্গীকার পালনের জামানত হিসাবে কোন পণ্য জিম্মায় রাখাকে বন্ধক বলে।
- বন্ধকদাতা: এক্ষেত্রে জিম্মাদাতাকে বন্ধকদাতা বলে।
- বন্ধকগ্রহীতা: জিম্মাদারকে বন্ধকগ্রহীতা বলা হয়।

অর্থাৎ ঋণ পরিশোধের বা অঙ্গীকার রক্ষার জামিন হিসেবে কোন দ্রব্য জিম্মায় রাখাকে বন্ধক (pledge) বলে।

- শুধুমাত্র অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে এই pledge এর বিধান প্রযোজ্য হবে।
- স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের বন্ধকের (mortgage) বিধান প্রযোজ্য হবে। 
-------------
Section 172. "Pledge", "Pawnor" and "Pawnee" defined:
- The bailment of goods as security for payment of a debt or performance of a promise is called "pledge".
- The bailor is in this case called the "pawnor".
- The bailee is called the "pawnee".
৪১.
"Registering officers to be deemed public servants" নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর কত ধারার বিধান?
  1. ৮৪ ধারা
  2. ৮৫ ধারা
  3. ৮১ ধারা
  4. ৭৪ ধারা
ব্যাখ্যা
• নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ৮৪ ধারার বিধান: নিবন্ধনকারী কর্মকর্তাগণ সরকারি কর্মচারী হিসেবে বিবেচিত হবেন (Registering officers to be deemed public servants):

১) প্রত্যেক নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এ বর্ণিত সরকারি কর্মচারী বলে বিবেচিত হবেন।

২) নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার প্রয়োজনে প্রত্যেক ব্যক্তি তার নিকট সংবাদ প্রদান করতে আইনত বাধ্য থাকবেন। 

- অর্থাৎ এই আইন অনুযায়ী প্রত্যেক নিবন্ধনকারী কর্মকর্তাগণ সরকারি কর্মচারী হিসেবে গণ্য হবেন।
-প্রত্যেক ব্যক্তি তাদের নিকট সংবাদ প্রদানে বাধ্য থাকবেন।
৪২.
Contract of Bailment এ জামানত হিসেবে কী অর্পণ করা হয়?
  1. ভূমি
  2. দালানকোঠা
  3. দ্রব্যসামগ্রী
  4. সবকটি
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ১৪৮ ধারার বিধান "জিম্মা", "জিম্মাদাতা" এবং "জিম্মাদার" এদের সংজ্ঞা (Bailment, bailor, and bailee defined):

- জিম্মা- চুক্তির ভিত্তিতে কোন ব্যক্তি কর্তৃক অপর কোন ব্যক্তিকে কোনো উদ্দেশ্যে কোন মালপত্র এরূপভাবে প্রদান করা হয় যে, যখন উদ্দেশ্য সাধিত হয় তখন মাল প্রদানকারীর নির্দেশ অনুসারে তা ফেরত দিতে বা অন্যভাবে এর বিলি ব্যবস্থা করতে হবে।

- জিম্মাদাতা- মালামাল প্রদানকারী ব্যক্তিকে জিম্মাদাতা বলা হয়।

- জিম্মাদার- যে ব্যক্তির নিকট এগুলি প্রদান করা হয় তাকে জিম্মাদার বলা হয়।

- জিম্মা এমন একধরনের চুক্তি যেখানে ২টি পক্ষ থাকে। যেমন: জিম্মাদাতা ও জিম্মাদার।
- এই ধরনের চুক্তি দ্বারা অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর করা যায়।

অর্থাৎ উল্লিখিত প্রশ্নে Contract of Bailment এ জামানত হিসেবে দ্রব্যসামগ্রী অর্পণ করা হয়।
-----------
Section 148. "Bailment", "bailor", and "bailee" defined:
 A "bailment" is the delivery of goods by one person to another for some purpose, upon a contract that they shall, when the purpose is accomplished, be returned or otherwise disposed of according to the directions of the person delivering them.
The person delivering the goods is called the "bailor".
The person to whom they are delivered is called the "bailee". 
 
Explanation – If a person already in possession of the goods of another contracts to hold them as a bailee, he thereby becomes the bailee, and the owner becomes the bailor, of such goods although they may not have been delivered by way of bailment.
৪৩.
সম্পত্তির মূল্য দশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব ত্রিশ লক্ষ টাকা হলে, স্থাবর সম্পত্তির বণ্টননামা দলিলের নিবন্ধন ফিস-
  1. সাতশত টাকা
  2. এক হাজার দুইশত টাকা
  3. এক হাজার আটশত টাকা
  4. দুই হাজার টাকা
ব্যাখ্যা
• ধারা ৭৮খ এর বিধান বণ্টননামা দলিলের জন্য নিবন্ধন ফিস:- ধারা ৭৮ বা আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন; স্থাবর সম্পত্তি বিষয়ক বণ্টননামা দলিলের নিবন্ধন ফিস হইবে নিম্নরূপ, যথা:

(১) সম্পত্তির মূল্য অনূর্ধ্ব তিন লক্ষ টাক হইলে, পাঁচশত টাকা;
(২) সম্পত্তির মূল্য তিন লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব দশ লক্ষ টাকা হইলে, সাতশত টাকা:
(৩) সম্পত্তির মূল্য দশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব ত্রিশ লক্ষ টাকা হইলে, এক হাজার দুইশত টাকা:
(৪) সম্পত্তির মূল্য ত্রিশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব পঞ্চাশ লক্ষ টাকা হইলে, এক হাজার আটশত টাকা:
(৫) সম্পত্তির মূল্য পঞ্চাশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে হইলে, দুই হাজার টাকা।

অর্থাৎ সম্পত্তির মূল্য দশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব ত্রিশ লক্ষ টাকা হলে, স্থাবর সম্পত্তির বণ্টননামা দলিলের নিবন্ধন ফিস- এক হাজার দুইশত টাকা।
৪৪.
জিম্মাকৃত মালের বৃদ্ধি বা লাভের অধিকারী হবেন-
  1. জিম্মাগ্রহীতা
  2. জিম্মাদার
  3. জিম্মাদাতা
  4. ক ও খ উভয়
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ১৬৩ ধারার বিধান জিম্মাকৃত পণ্যের বৃদ্ধি বা লাভের অধিকারী জিম্মাদাতা:
- জিম্মাকৃত পণ্যের কোন বৃদ্ধি বা লাভ জিম্মাদার জিম্মাদাতাকে বা জিম্মাদাতার নির্দেশ অনুসারে প্রদান করতে বাধ্য।
- উদাহরণ
A একটি গাভী যত্ন নেওয়ার জন্য B এর হেফাজতে রাখেন। গাভীটি একটি বাছুর জন্ম দিলো। B গাভীটির সাথে বাছুরটিকেও A এর নিকট প্রদান করতে বাধ্য।
-----------
-Section 163. Bailor entitled to increase or profit from goods bailed:
In the absence of any contract to the contrary, the bailee is bound to deliver to the bailor, or according to his directions, any increase or profit which may have accrued from the goods bailed.

Illustration 
A leaves a cow in the custody of B to be taken care of. The cow has a calf. B is bound to deliver the calf as well as the cow to A.
৪৫.
নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ অনুযায়ী টাউটের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. এক মাস কারাদণ্ড
  2. তিন মাস কারাদণ্ড
  3. ছয় মাস কারাদণ্ড
  4. এক বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
•নিবন্ধন আইন, ধারা ৮২ক এর বিধান টাউটের শাস্তি।- যদি কোন ব্যক্তি, যাহার নাম এই আইনের অধীন প্রণীত এবং প্রকাশিত টাউটদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হইয়াছে, টাউটের ন্যায় কার্য করেন, তাহা হইলে তিনি কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন যাহার মেয়াদ তিন মাস পর্যন্ত হইতে পারে, বা পাঁচশত টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
৪৬.
'খ', 'ক' কে বলেন, তুমি যদি অস্বীকার না করো তাহলে আমি ধরে নিবো ঘোড়াটি প্রকৃতিস্থ। 'খ 'কিছুই বলেননি, যদিও ঘোড়াটি অপ্রকৃতিস্থ ছিলো। এখানে 'খ' কী ধরনের অপরাধ করেছেন?
  1. অনুচিত প্রভাব
  2. প্রতারণা
  3. বলপ্রয়োগ
  4. একপক্ষীয় ভুল
ব্যাখ্যা
Section 17. "Fraud" defined: "Fraud" means and includes any of the following acts committed by a party to a contract, or with his connivance, or by his agent, with intent to deceive another party thereto or his agent, or to induce him to enter into the contract:- 
(1) the suggestion, as a fact, of that which is not true, by one who does not believe it to be true; 
(2) the active concealment of a fact by one having knowledge or belief of the fact; 
(3) a promise made without any intention of performing it; 
(4) any other act fitted to deceive; 
(5) any such act or omission as the law specially declares to be fraudulent. 
Explanation – Mere silence as to facts likely to affect the willingness of a person to enter into a contract is not fraud, unless the circumstances of the case are such that, regard being had to them, it is the duty of the person keeping silence to speak, or unless his silence is, in itself, equivalent to speech. 
Illustrations 
(a) A sells, by auction, to B, a horse which A knows to be unsound. A says nothing to B about the horse's unsoundness. This is not fraud in A. 
(b) B is A's daughter and has just come of age. Here, the relation between the parties would make it A's duty to tell B if the horse is unsound. 
(c) B says to A-"If you do not deny it, I shall assume that the horse is sound." A says nothing. Here, A's silence is equivalent to speech. 
(d) A and B, being traders, enter upon a contract. A has private information of a change in prices which would affect B's willingness to proceed with the contract. A is not bound to inform B.