পরীক্ষা আর্কাইভ

সহকারী থানা শিক্ষা অফিসার (ATEO)

পরীক্ষাসহকারী থানা শিক্ষা অফিসার (ATEO)তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন২০
সিলেবাস
[ATEO - নিয়োগ প্রস্তুতি: পরীক্ষা - ৫] সাধারণ জ্ঞান পরীক্ষা - ২ টপিক: ১. বাংলাদেশ ও উপমহাদেশের ইতিহাস [ব্রিটিশ শাসন, পাকিস্তানি শাসন - ১৯৭০ এর নির্বাচন পর্যন্ত], ২. জাতীয় অর্জন। ৩. জাতীয় ও আন্তর্জাতিক খেলাধুলা উৎস: ইতিহাস সংক্রান্ত বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), পৌরনীতি ও সমাজবিজ্ঞান বিষয়ক বোর্ড বই, স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, বাংলাপিডিয়া বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সহ সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট ও যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সহকারী থানা শিক্ষা অফিসার (ATEO)

সহকারী থানা শিক্ষা অফিসার (ATEO) · তারিখ অনির্ধারিত · ২০ প্রশ্ন

.
ইউনেস্কো কবে ৭ মার্চের ভাষণকে ঐতিহাসিক দলিল হিসাবে স্বীকৃতি দেয়?
  1. ৩০ অক্টোবর, ২০১৫
  2. ৩০ অক্টোবর, ২০১৬
  3. ৩০ অক্টোবর, ২০১৭
  4. ৩০ অক্টোবর, ২০১৮
ব্যাখ্যা
৭ মার্চ : ঐতিহাসিক দলিল
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চ এর ঐতিহাসিক ভাষণে সকল বাঙ্গালিকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।
- ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো এই ভাষণকে ঐতিহাসিক দলিল হিসাবে স্বীকৃতি দিয়ে মেমরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্ট্রারে তালিকাভুক্ত করে।

- ২০২১ সাল থেকে ৭ মার্চ 'ঐতিহাসিক দিবস' হিসাবে পালিত হচ্ছে।
- এই ভাষণের জন্যই ১৯৭১ সালের ৫ এপ্রিল জনপ্রিয় ম্যাগাজিন দ্য নিউজ উইক বঙ্গবন্ধুকে 'পোয়েট অব পলিটিক্স' বা রাজনীতির কবি হিসাবে অভিহিত করে।
- এই ভাষণের ৪ টি মূল বিষয় ছিল। যথা-
১. সামরিক আইন প্রত্যাহার করতে হবে।
২. নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে।
৩. পুলিশ ও সেনাবাহিনী কর্তৃক নিরীহ ও নিরস্ত্র লোকদের হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত করতে হবে।
৪. নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে। 

তথ্যসূত্র-পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক। বাংলাপিডিয়া।
.
বঙ্গবন্ধু বিষয়ক গবেষণা ক্যাটাগরিতে বাংলা একাডেমি পুরস্কার ২০২৩ পেয়েছেন -
  1. মৃত্তিকা চাকমা
  2. আফরোজা পারভীন
  3. আসাদুজ্জামান আসাদ
  4. মো. মজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৩
- ১১টি ক্যাটাগরিতে মোট ১৬ গুণীজন বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৩ পেয়েছেন।

- বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৩ প্রাপ্তরা হলেন:
১. কবিতা: শামীম আজাদ
২. কথাসাহিত্য: নূরুদ্দিন জাহাঙ্গীর, সালমা বাণী
৩. প্রবন্ধ/গবেষণা: জুলফিকার মতিন
৪. অনুবাদ: সালেহা চৌধুরী
৫. নাটক ও নাট্যসাহিত্য : মৃত্তিকা চাকমা, মাসুদ পথিক
৬. শিশুসাহিত্য: তপংকর চক্রবর্তী
৭. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণা: আফরোজা পারভীন, আসাদুজ্জামান আসাদ
৮. বঙ্গবন্ধুবিষয়ক গবেষণা: সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল, মো. মজিবুর রহমান
৯. বিজ্ঞান/কল্পবিজ্ঞান/পরিবেশ বিজ্ঞান: ইনাম আল হক
১০. আত্মজীবনী/স্মৃতিকথা/ভ্রমণকাহিনি/মুক্তগদ্য: ইসহাক খান
১১. ফোকলোর: তপন বাগচী, সুমনকুমার দাশ

উল্লেখ্য,
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের সমসাময়িক লেখকদের মৌলিক কাজের স্বীকৃতি দান ও শিক্ষা-সংস্কৃতিতে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে প্রতি বছর বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- ১৯৬০ সাল থেকে এই পুরস্কার দেয়া হচ্ছে।

তথ্যসূত্র - ১. সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
২. ডেইলি স্টার।
.
কত সালে পাকিস্তানের প্রথম নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়েছিল?
  1. ১৯৬৬ সাল
  2. ১৯৬৮ সাল
  3. ১৯৬৯ সাল
  4. ১৯৭০ সাল
ব্যাখ্যা
পাকিস্তানের প্রথম নির্বাচন কমিশন
- ১৯৬৯ সালের ২ জুলাই পাকিস্তানের প্রথম নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্টের বাঙালি বিচারপতি আব্দুস সাত্তার।

সত্তরের নির্বাচন 
- এই কমিশনের অধীনে ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি ছিল অবিভক্ত পাকিস্তানের প্রথম এবং শেষ সাধারণ নির্বাচন।
- নির্বাচনে মোট ২৪ টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করে।
- সমগ্র পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের আসন সংখ্যা ছিল ৩১৩ টি, যার মধ্যে পূর্ব পাকিস্তানের আসন সংখ্যা ছিল ১৬৯ টি ( ৭টি সংরক্ষিত মহিলা আসন সহ )।
- এই নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগ জাতীয় পরিষদে ১৬৯ টি আসনের মধ্যে ১৬৭ টি আসন লাভ করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
- ময়মনসিংহ ও রাঙ্গামাটিতে দুটি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়।
- এছাড়া , এই নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগ ৩০০ টি আসনের মধ্যে ২৮৮ টিতে জয়লাভ করে।
- " ভোটের আগে ভাত চাই " স্লোগানে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল ন্যাপ ( ভাসানী ) এই নির্বাচন বর্জন করেন।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি। বাংলাপিডিয়া।
.
কোন বাংলাদেশী প্রতিষ্ঠান 'আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার ২০২২' লাভ করেছে?
  1. কমিউনিটি স্পেস
  2. আরবান রিভার স্পেস
  3. উভয়টি
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার
- স্থাপত্য ক্ষেত্রে আগা খান অ্যাওয়ার্ড খুব সম্মানজনক পুরস্কার।
- ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি তিন বছর অন্তর এই সম্মাননা দেওয়া হয়।

- 'আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার ২০২২' পেয়েছে এ দেশের দুই স্থাপত্য।
১.কক্সবাজারের টেকনাফে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে নির্মিত 'কমিউনিটি স্পেস',
২. ঝিনাইদহের 'আরবান রিভার স্পেস'।


তথ্যসূত্র - প্রথম আলো।
.
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি বোলার কে?
  1. সাকিব আল হাসান
  2. লাসিথ মালিঙ্গা
  3. শহিদ আফ্রিদি
  4. মিচেল স্টার্ক
ব্যাখ্যা
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ 
- ২০০৭ সালে শুরু হয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ।
- প্রথম আসরের চ্যাম্পিয়ন - ভারত। অধিনায়ক - এম.এস ধোনি।
- প্রথম আসরে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন - মো আশরাফুল।

- এই পর্যন্ত ৯টি আসরেই খেলেছেন মাত্র ২ জন ক্রিকেটার। সাকিব আল হাসান ও রোহত শর্মা।

- টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি বোলার - সাকিব আল হাসান (বাংলাদেশ)।
- প্রথম এবং একমাত্র ক্রিকেটার হিসাবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে ৫০ উইকেট লাভ করেন সাকিব আল হাসান।
- সবচেয়ে বেশি রান - বিরাট কোহলি(ভারত)। 

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৪
- নবম আসর।
- আয়োজক - যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
- মোট দল - ২০টি দল ও মোট ম্যাচ - ৫৫টি।
- চ্যাম্পিয়ন - ভারত।
- রানার্স আপ - দক্ষিণ আফ্রিকা।

- ২০২৬ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসর অনুষ্ঠিত হবে ভারত ও শ্রীলংকায়।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার বাংলা।
.
উপমহাদেশে লর্ড ডালহৌসি এর অবদান নয় কোনটি?
  1. বিধবা বিবাহ আইন পাশ
  2. স্বত্ববিলোপ নীতি প্রবর্তন
  3. পরিসংখ্যান জরিপ চালুকরণ
  4. রেলওয়ের প্রথম যাত্রা
ব্যাখ্যা
লর্ড ডালহৌসি
- সাম্রাজ্যবাদী লর্ড ডালহৌসি স্বত্ববিলোপ নীতি প্রবর্তন করেন।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রচেষ্টায় ও সহযোগীতায় তিনি ১৮৫৬ সালে বিধবা বিবাহ আইন পাশ করেন।
- তার শাসনামলেই ( ১৮৫৩ সালে ) উপমহাদেশে রেলের যাত্রা শুরু হয়।
- তিনি বনভূমি সংরক্ষণ নীতি প্রবর্তন করেন।
- উপমহাদেশে টেলিগ্রাফ সিস্টেমও তার অবদান।

অন্যদিকে,
- লর্ড মেয়ো ভারতবর্ষে পরিসংখ্যান জরিপ চালু করেন।
- তার শাসনামলেই ১৮৭২ সালে উপমহাদেশের প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস : ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এস সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোনটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার?
  1. বাংলা একাডেমি পুরস্কার
  2. স্বাধীনতা পুরস্কার
  3. একুশে পদক
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা পুরস্কার
- দেশের ও জাতির কল্যাণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ স্বাধীনতা পুরস্কার দেয়া হয়।
- ১৯৭৭ সাল থেকে এই পুরস্কার প্রবর্তিত হয়।
- স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার।
- সরকারের মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- প্রতিবছর ৬ টি ক্যাটাগরিতে ১০ জন বিশিষ্ট নাগরিককে এই পুরস্কার দেয়া হয়।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।
.
উপমহাদেশে কত সাল থেকে ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিসের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ১৮৬১ সাল
  2. ১৮৬৩ সাল
  3. ১৯২২ সাল
  4. ১৯৪৭ সাল
ব্যাখ্যা
উপমহাদেশে সিভিল সার্ভিস
- ব্রিটিশ উপনিবেশিক শাসনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্র পরিচালনার মূল প্রতিষ্ঠান ছিল সিভিল সার্ভিস।
- ১৮৬১ সালের আইনবলে প্রতিষ্ঠিত হয় ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিস (আইসিএস)।

- সিভিল সার্ভিসে অধিক সংখ্যক ভারতীয়ের যোগদানের সুবিধার্থে গভর্নর জেনারেল ও ভাইসরয় লর্ড লীটন ১৮৭৯ সালে একটি বিধিবদ্ধ সিভিল সার্ভিস ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯২২ সাল থেকে ভারতীয় সিভিল সার্ভিসের পরীক্ষাগুলো  যুগপৎ ইংল্যান্ড ও ভারতে অনুষ্ঠিত হওয়া শুরু হয়।

- ব্রিটিশ রাজত্বের সময়, ওয়ারেন হেস্টিংস সিভিল সার্ভিসের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। 
- চার্লস কর্নওয়ালিস এটিকে সংস্কার, আধুনিকীকরণ এবং যুক্তিযুক্ত করেছিলেন। তাই, চার্লস কর্নওয়ালিসকে 'ভারতে সিভিল সার্ভিসের জনক' বলা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া। 
.
বর্তমান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৫২ সালের ২৪শে ফেব্রুয়ারি
  2. ১৯৫২ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি
  3. ১৯৫৭ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি
  4. ১৯৬৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার
- কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ঢাকার কেন্দ্রস্থলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ প্রাঙ্গণে অবস্থিত।
- ১৯৫৭ সালের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের কাজ শুরু হয়।
- এর নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৬৩ সালে।
- বাংলাদেশের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী হামিদুর রহমান মহান ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত শহীদ মিনারের স্থপতি।
- ১৯৬৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ আবুল বরকতের মাতা হাসিনা বেগম কর্তৃক নতুন শহীদ মিনারের উদ্বোধন করা হয়।

♦ প্রথম শহীদ মিনার
- প্রথম শহীদ মিনার ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্ররা ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ শুরু করে রাত্রির মধ্যে তা সম্পন্ন করে।
- ২৪ ফেব্রুয়ারি শহীদ শফিউরের পিতা অনানুষ্ঠানিকভাবে শহীদ মিনারের উদ্বোধন করেন।
- ২৬ ফেব্রুয়ারি পুলিশ ও সেনাবাহিনী প্রথম শহীদ মিনারটি ভেঙ্গে ফেলে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
১০.
কোন পুরস্কারটি স্বাধীন বাংলাদেশে প্রচলিত নয়?
  1. আদমজী পুরস্কার
  2. প্রাইড অব পারফরম্যান্স
  3. ন্যাশনাল ব্যাংক পুরস্কার
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা-পূর্ব প্রচলিত পুরস্কার
- ১৯৬০ সাল থেকে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার দেয়া হচ্ছে।
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের সমসাময়িক লেখকদের মৌলিক কাজের স্বীকৃতি দান ও শিক্ষা-সংস্কৃতিতে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে প্রতি বছর বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার প্রদান করা হয়।

এছাড়াও,
- প্রাইড অব পারফরম্যান্স, ন্যাশনাল ব্যাংক পুরস্কার, আদমজী পুরস্কার, দাউদ পুরস্কার ইত্যাদি স্বাধীনতার আগে এদেশে প্রচলিত গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার।
- ষাটের দশকে আইয়ুব সরকার প্রচলন করে 'প্রাইড অব পারফরম্যান্স' পুরস্কার।
- ন্যাশনাল ব্যাংক পুরস্কার, আদমজী পুরস্কার, দাউদ পুরস্কার ইত্যাদি স্বাধীনতা-পূর্ব প্রচলিত সাহিত্য পুরস্কার।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১১.
হরি ধান আবিষ্কার করেন​ -
  1. হরিপদ কাপালি
  2. হরিপদ কুমার
  3. হরিপদ কপিল
  4. হরিপদ পাল
ব্যাখ্যা
হরি ধান 
- ধানের উচ্চফলনশীল একটি নতুন জাত আবিষ্কার করেন​ ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কৃষক হরিপদ কাপালি।
- যা পরে ‘হরি ধান’ হিসেবে পরিচিতি পায়। 
- লেখক অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবালের মতে, বাংলাদেশের সেরা আবিষ্কার হরিধান। 
- ২০০৫ সালে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটও ‘হরি ধান’কে স্বীকৃতি দিয়েছে।
- হরিধানের ফলন হলো বিঘাপ্রতি প্রায় ২২ মণ।
- ১৯৯২ সালে তিনি এ ধানের আবাদ শুরু করেন, যা পরে সারা দেশেই ছড়িয়ে পড়ে। 

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো।
১২.
ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস -
  1. ১৮ ফেব্রুয়ারি
  2. ১৫ ফেব্রুয়ারি
  3. ২৪ জানুয়ারি
  4. ২০ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
- আইয়ুব সরকারের নিপীড়নের প্রতিবাদে ২০ জানুয়ারি, ১৯৬৯ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্রসভা ও প্রতিবাদ মিছিলের কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়। এ মিছিলে পুলিশের গুলিতে ছাত্রনেতা আসাদউজ্জামান নিহত হলে গণজাগরণ রূপ নেয় গণঅভ্যুত্থানের।
- ২৪ জানুয়ারি ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস। ১৯৬৯ সালের এই দিনে সংগ্রামী জনতা সান্ধ্য আইন উপেক্ষা করে মিছিল বের হরে। সেখানে পুলিশের গুলিতে নবম শ্রেণির ছাত্র মতিউর এবং ছুরিকাঘাতে রুস্তম নিহত হন।
- এছাড়া, ১৫ ফেব্রুয়ারি সার্জেন্ট জহুরুল হক এবং ১৮ ফেব্রুয়ারি রাবির ড. শামসুজ্জোহা শহিদ হন।
- এর ফলে সৃষ্টি হওয়া তীব্র জনরোষে আইয়ুব সরকার ২২ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান সহ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার সকল আসামি মুক্তি বাধ্য হয়।
- ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ সালে তোফায়েল আহামেদ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে ( বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ) শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করেন।


সূত্র- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক। বাংলাপিডিয়া।
১৩.
এশিয়া কাপের শিরোপাজয়ী বাংলাদেশী অধিনায়ক কে?
  1. সাকিব আল হাসান
  2. আকবর আলী
  3. সালমা খাতুন
  4. নিগার সুলতানা
ব্যাখ্যা
♦ নারী ক্রিকেট ও বাংলাদেশ
- ১৯৭২ সালে গঠিত হয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড।
- বাংলাদেশের নারী ক্রিকেট দলের ২০০৭ সালে থাইল্যান্ডের বিপক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে।
- ২০০৭ সালের এসিসি প্রতিযোগিতায় শিরোপা জয় করে।
- ২০১১ সালের মহিলাদের ক্রিকেট বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের প্রতিযোগিতায় ৫ম হয়ে একদিনের আন্তর্জাতিকে খেলার মর্যাদা লাভ করে।

- ২০১৮ এসিসি প্রমিলা এশিয়া কাপের ফাইনালে ভারতকে হারিয়ে বাংলাদেশ শিরোপা জেতে।
- সে আসরে অধিনায়ক ছিলেন সালমা খাতুন।

- ২০১৯ সাউথ এশিয়ান গেমসে অংশ নিয়ে স্বর্ণপদক পায় বাংলাদেশ (শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে)।
- ২০২১ সালের এপ্রিলে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল টেস্ট স্ট্যাটাস অর্জন করে।

তথ্যসূত্র - বিসিবি ওয়েবসাইট। 
১৪.
কোন ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশে স্বাধীনতা পুরস্কার দেয়া হয়?
  1. স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ
  2. চিকিৎসাবিদ্যা
  3. ক্রীড়া
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা পুরস্কার
- দেশের ও জাতির কল্যাণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ স্বাধীনতা পুরস্কার দেয়া হয়।
- সরকারের মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- প্রতিবছর ৬ টি ক্যাটাগরিতে ১০ জন বিশিষ্ট নাগরিককে এই পুরস্কার দেয়া হয়।
- ক্যাটাগরি সমূহ:
১. স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ,
২. সংস্কৃতি,
৩. সমাজসেবা,
৪. চিকিৎসাবিদ্যা,
৫.বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি,
৬.ক্রীড়া।

উল্লেখ্য,
- চিকিৎসাবিদ্যায় স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৪ পেয়েছেন ডা. হরিশংকর দাশ।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।
১৫.
‘রেইডার’ শব্দটি কোন খেলার সাথে সম্পৃক্ত?
  1. ব্যাডমিন্টন
  2. কাবাডি
  3. ফুটবল
  4. রাগবি
ব্যাখ্যা
• কাবাডি:
- পাক ভারত উপমহাদেশে কাবাডি খেলা অতি প্রাচীন।
- বাংলাদেশের গ্রাম-গঞ্জে হাডুডু নামে এই খেলা অত্যন্ত জনপ্রিয়।
- আঞ্চলিক খেলা হওয়ার কারণে এই খেলার তেমন কোনো বিধিবদ্ধ নিয়মকানুন ছিল না।
- খেলাধুলার উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশে বিভিন্ন ফেডারেশন গঠিত হয়।
- কাবাডি খেলায় দম নিয়ে যে বিপক্ষ খেলোয়ার কোর্টে হানা দেয় তাকে রেইডার বলে।
- তারই প্রেক্ষিতে ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশন গঠিত হয়।

উৎস: শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
১৬.
কোলন ক্যান্সার চিকিৎসার জন্য ফ্লোরকক্সিব নামক জৈবযৌগ আবিষ্কার করেছেন -
  1. ড. জসিম উদ্দিন
  2. ডা. মাজহারুল ইসলাম
  3. ড. আনিসুজ্জামান
  4. ড. মাকসুদুর রহমান
ব্যাখ্যা
কোলন ক্যান্সার ও ড. জসিম উদ্দিন
- প্রাণঘাতী কোলন ক্যান্সারের প্রাথমিক পর্যায়ের নাম কোলনিক অ্যাডেনোমা।
- অ্যাডেনোমায় আক্রান্ত কোষগুলোতে সাইক্লোঅক্সিজেনেজ-২ (কক্স-২) এনজাইম অতিরিক্ত মাত্রায় বিস্তৃত থাকতে দেখা যায়।
- এটি শনাক্তকরণের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভ্যান্ডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও চিকিৎসাবিজ্ঞানী ড. জসিম উদ্দিন একটি জৈব যৌগ আবিষ্কার করেছেন।
- এটি ফ্লোরকক্সিব নামে বিশ্বব্যাপী পরিচিত।
- এ প্রাণরাসায়নিক যৌগটি প্রাণির দেহে প্রবেশ করানোর পর এটি কক্স-২ এনজাইমের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কাজ করা শুরু করে। 

অন্যদিকে,
- বর্তমানে ড. জসিম উদ্দিন মেরি গেডেস স্ট্যাহলম্যানের ক্যানসার রিসার্চের অধ্যাপক এবং বায়োকেমিস্ট্রির রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর হিসেবে কর্মরত আছেন।

তথ্যসুত্র - দৈনিক ইত্তেফাক।
১৭.
ভাষা আন্দোলনে প্রথম শহিদ -
  1. শফিউর রহমান
  2. আব্দুস সালাম
  3. আবুল বরকত
  4. রফিকউদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন
- ভাষা আন্দোলন বাংলা ভাষার রাষ্ট্রীয় মর্যাদার দাবিতে সংগঠিত গণআন্দোলন।
- ১৯৪৭ সালে ভাষা আন্দোলনের সূত্রপাত এবং ১৯৫২ সালে এই আন্দোলন চূড়ান্ত রূপ লাভ করে।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি (৮ ফাল্গুন, ১৩৫৮) শুধুমাত্র উর্দুকে জাতীয় ভাষা হিসেবে ঘোষণার প্রতিবাদে বাঙালী ছাত্ররা সরকারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে ওঠে।
- ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গনে জড়ো হতে শুরু করে।
- ২১ ফেব্রুয়ারির মিছিলে পুলিশের গুলিতে শহিদ হন সালাম, রফিক, বরকত, জব্বার, শফিউরসহ আরও অনেকে।
- ২০০০ সালে তাদের রাষ্ট্রীয় একুশে পদকে ভূষিত করা হয়েছে। 

- ভাষা আন্দোলনে প্রথম শহিদ রফিকউদ্দিন আহমেদ।
- বরকত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র।
- রফিক ছিলেন বাদামতলী কমার্শিয়াল প্রেসের মালিকের ছেলে।
- তারা তিনজন নিহত হন ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তারিখে।
- পরদিন ২২ ফেব্রুয়ারি পুলিশের গুলিতে মারা যান রিকশাচালক সালাম এবং হাইকোর্টের কর্মচারী শফিউর রহমান।
- ১৯৫২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি প্রাণ হারানোর তালিকায় আরো দুটি নাম পাওয়া যায়- অহিউল্লাহ ও আবদুল আউয়াল।
- এ ছাড়া সালাউদ্দীন নামেও একজন ২১ ফেব্রুয়ারি শহিদ হন বলে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

উৎস: i) দৈনিক ইত্তেফাক।
ii) প্রথম আলো।
১৮.
ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিসে প্রথম ভারতীয় হিসেবে যোগদান করেন -
  1. অন্নদাশঙ্কর রায়
  2. সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
  4. সত্যেন্দ্রনাথ বসু
ব্যাখ্যা
উপমহাদেশে সিভিল সার্ভিস
- ব্রিটিশ উপনিবেশিক শাসনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্র পরিচালনার মূল প্রতিষ্ঠান ছিল সিভিল সার্ভিস।
- ব্রিটিশ রাজত্বের সময়, ওয়ারেন হেস্টিংস সিভিল সার্ভিসের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। 
- চার্লস কর্নওয়ালিস এটিকে সংস্কার, আধুনিকীকরণ এবং যুক্তিযুক্ত করেছিলেন। তাই, চার্লস কর্নওয়ালিসকে 'ভারতে সিভিল সার্ভিসের জনক' বলা হয়।
- ১৮৬১ সালের আইনবলে প্রতিষ্ঠিত হয় ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিস (আইসিএস)।

- ১৮৬৩ সালে সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম ভারতীয় হিসেবে আইসিএস সদস্য হন।
- সিভিল সার্ভিসে অধিক সংখ্যক ভারতীয়ের যোগদানের সুবিধার্থে গভর্নর জেনারেল ও ভাইসরয় লর্ড লীটন ১৮৭৯ সালে একটি বিধিবদ্ধ সিভিল সার্ভিস ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৯.
জাতিসংঘের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য
  2. ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর তারিখে বাংলায় ভাষণ
  3. সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে সদস্যপদ লাভ
  4. সবগুলোই সঠিক
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘে বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু
- ১৯৭৪ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য
- ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর, একই অধিবেশনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বঙ্গবন্ধু জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলায় ভাষণ দিয়েছিলেন
- এই ভাষণের মাধ্যমেই জাতিসংঘে বাংলা ভাষার যাত্রা শুরু হয়।
- সেই অধিবেশনে বাংলাদেশের সাথে গ্রানাডা ও গিনি বিসাউ জাতিসংঘের ১৩৭ ও ১৩৮তম সদস্য হয়।

উৎস - বাংলাপিডিয়া এবং জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
২০.
কোন খেলার পোশাকি নাম কাবাডি?
  1. হাডুডু
  2. ডাণ্ডাগুলি
  3. দাড়িয়াবান্ধা
  4. গোল্লাছুট
ব্যাখ্যা
 বাংলাদেশের জাতীয় খেলা
- কাবাডি, বাংলাদেশের জাতীয় খেলা। 
- হাডুডু খেলার পোশাকি নাম কাবাডি।
- ১৯৭২ সালে কাবাডিকে বাংলাদেশের জাতীয় খেলা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশের অপেশাদার কাবাডি ফেডারেশন গঠিত হয়।
- ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ সফররত ভারতীয় কাবাডি দলের সঙ্গে প্রথম কাবাডি টেস্ট খেলে।
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৯ সালে আন্তঃস্কুল প্রতিযোগিতায় কাবাডির অন্তর্ভুক্তি বাধ্যতামূলক করেছিল।
- ২০১৬ সালে প্রো কাবাডি বিশ্বকাপ হয়।

- ডাণ্ডাগুলি, দাড়িয়াবান্ধা, গোল্লাছুট এইগুলো বাংলাদেশের জনপ্রিয় খেলা।
- কাবাডি সহ এই খেলাগুলোর ক্ষেত্রে কোন রকম উপকরণ প্রায় লাগে না বলেই দরিদ্র বাংলায় এইগুলো জনপ্রিয়তা লাভ করে।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো।