পরীক্ষা আর্কাইভ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

পরীক্ষাফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্টতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১৩৬
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 9” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- Live MCQ ফ্রি সাপ্তাহিক ফুল মডেল টেস্ট: বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাসের উপর ২০০ নাম্বারের ফুল মডেল টেস্ট। [Live MCQ - তে প্রতি শুক্রবার সবার জন্য ফ্রি একটি ফুল মডেল টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩৬ প্রশ্ন

.
"আমি শুনে হাসি আঁখিজলে ভাসি, এই ছিল মোর ঘটে"- পঙ্‌ক্তিটি কার রচনা?
  1. নির্মলেন্দু গুণ
  2. কাজী নজরুল ইসলাম
  3. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. প্যারীচাঁদ মিত্র
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
• "আমি শুনে হাসি আঁখিজলে ভাসি, এই ছিল মোর ঘটে"- পঙ্‌ক্তিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'দুই বিঘা জমি' কবিতার অংশ। 

• এই পঙ্‌ক্তিটিতে উপেনের ঘটের (ভাগ্যের) কথা বলা হয়েছে। ভূস্বামী বাবু যখন উপেনকে সাধু বেশে চোর বলে অভিহিত করেছে তখন সত্যের অপলাপ শুনে উপেনের হাসি আসে আর চোখ ভরে জল আসে। উপেন ভাবে- এই চোর ডাক তাকে শুনতে হবে, এই ভাগ্য তাঁর ছিল? 

• 'দুই বিঘা জমি': 
- 'দুই বিঘা জমি' কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'কাহিনী' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। 
- কাব্যগ্রন্থটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত হয় । 
- পরবর্তীতে 'কথা' কাব্যগ্রন্থের সহযোগে 'কথা ও কাহিনী' কাব্যগ্রন্থ প্রকাশ পায়। 

---------------------
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫শে বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- তিনি ছিলেন প্রকৃত অর্থেই অসামান্য প্রতিভাধর ব্যক্তি। বাল্যকালেই তাঁর কবি প্রতিভার উন্মেষ ঘটে।
- মাত্র পনের বছর বয়সে তাঁর 'বনফুল' কাব্য প্রকাশিত হয় এবং এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম 'গীতাঞ্জলি' কাব্যের জন্য ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২শে শ্রাবণ, ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
‘অবকাশরঞ্জিকা’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন কে?
  1. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
  2. প্যারীচাঁদ মিত্র
  3. দক্ষিণারঞ্জন মুখোপাধ্যায়
  4. হরিশচন্দ্র মিত্র
সঠিক উত্তর:
হরিশচন্দ্র মিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরিশচন্দ্র মিত্র
ব্যাখ্যা
• হরিশচন্দ্র মিত্র:
- হরিশচন্দ্র মিত্র তিনি একাধারে কবি, নাট্যকার, প্রবন্ধকার, সাংবাদিক ছিলেন।
- তিনি ১৮৩৭ সালে ঢাকায় এক নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৫৮ সালে তাঁর প্রথম কবিতা ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সংবাদ প্রভাকর পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- ১৮৬০ সালে হরিশচন্দ্র ঢাকার প্রথম সংবাদপত্র মাসিক কবিতা কুসুমাবলী প্রকাশ করেন।
- ১৮৬২ সালে তিনি ‘অবকাশরঞ্জিকা’ নামে অপর একটি মাসিক পত্রিকা সম্পাদনা করেন।
- ১৮৬৩ সালে ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম সাপ্তাহিক পত্রিকা ‘সাপ্তাহিক ঢাকা দর্পণ’ প্রকাশ করেন।
- তাঁর সম্পাদনাকৃত অন্যান্য পত্রিকার মধ্যে রয়েছে ‘কাব্য প্রকাশ’ (১৮৬৪), ‘হিন্দু হিতৈষী’ (১৮৬৫) এবং ‘হিন্দু রঞ্জিকা’ (১৮৬৮)।
- হরিশচন্দ্র ‘মাসিক মিত্র প্রকাশ’ (১৮৭০) নামক পত্রিকা প্রকাশ ও সম্পাদনা করেন। পত্রিকাটি উনিশ শতকে ঢাকা থেকে প্রকাশিত সর্বোৎকৃষ্ট সাময়িকীসমূহের অন্যতম বলে বিবেচিত হয়।
- তাঁর প্রথম গ্রন্থ শুভস্য শীঘ্রং নামক একটি নাটক।

তাঁর রচিত অন্যান্য নাটক গুলো হলো:
- ম্যাও ধরবে কে, 
- ঘর থাকতে বাবুই ভেজ,
- জানকী নাটক,
- জয়দ্রথবধ বৃত্তান্ত ইত্যাদি।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ গুলো হলো: 
- হাস্যরসতরঙ্গিণী,
- বিধবা বঙ্গললনা,
- বীর বাক্যাবলী,
- কীচকবধ কাব্য,
- বঙ্গবালা,
- রামায়ণ ইত্যাদি।

তাঁর গীতিনাট্যগুলি হলো: 
- আগমনী,
- নতুন জামাই,
- হঠাৎ বাবু,
- ছাল নাই কুকুরের বাঘা নাম ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• ‘সংবাদ প্রভাকর’ পত্রিকা সম্পাদনা করেন ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত। ঈশ্বরচন্দ্র সংবাদ প্রভাকর ছাড়াও সংবাদ রত্নাবলী, পাষন্ডপীড়ন ও সংবাদ সাধুরঞ্জন পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।

• ১৮৫৪ সালে প্যারীচাঁদ মিত্র ও রাধানাথ শিকদারের সম্পাদনায় ‘মাসিক পত্রিকা’ নামে সাহিত্য পত্রিকাটি প্রকাশিত হয়।

• 'জ্ঞানান্বেষণ' পত্রিকা সম্পাদক ছিলেন দক্ষিণারঞ্জন মুখোপাধ্যায়। এটি ১৮৩১ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
‘বেদান্তচন্দ্রিকা’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. রামরাম বসু
  2. গোলোকথান শর্মা
  3. মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
  4. রামরাম বসু
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
ব্যাখ্যা
• 'বেদান্তচন্দ্রিকা' গ্রন্থটির রচয়িতা মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার।
- গ্রন্থটি ১৮১৭ সালে প্রকাশিত হয়।

------------------
• মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার:

- তিনি ছিলেন সংস্কৃত পণ্ডিত, ভাষাবিদ, লেখক।
- উইলিয়াম কেরীর সুপারিশে তিনি ১৮০১ সালের ৪ মে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের হেড-পণ্ডিত নিযুক্ত হন।
- এছাড়াও তিনি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির জজ-পণ্ডিত হিসেবে।
- তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের লেখকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গ্রন্থের রচয়িতা।

তার রচিত গ্রন্থ:
- বত্রিশ সিংহাসন,
- রাজাবলী,
- হিতোপদেশ,
- বেদান্তচন্দ্রিকা,
- প্রবোধচন্দ্রিকা ইত্যাদি।

-------------------------------
• ফোর্ট উইলিয়ামের পর্বে ১৮০১ থেকে ১৮১৫ সালের এই সময়ের মধ্যে ৮ জন লেখক ১৩ খানি বাংলা গদ্যপুস্তক লিখেছিলেন এগুলো হলো:
• কেরি রচিত : কথোপকথন (১৮০১); ইতিহাসমালা (১৮১২) ।
•  রামরাম বসু রচিত: রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র (১৮০০); লিপিমালা (১৮০২) ।
• গোলোকথান শর্মা রচিত: হিতোপদেশ (১৮০২)।

• মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার রচিত:
- বত্রিশ সিংহাসন (১৮০২);
-  হিতোপদেশ (১৮০৮);
- রাজাবলি (১৮০৮);
- প্রবোধচন্দ্রিকা (১৮৩৩) ।

• তারিণীচরণ মিত্র রচিত: ওরিয়েন্টাল ফেবুলিস্ট (১৮০৩)।
• রাজীবলোচন মুখোপাধ্যায় রচিত মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র রায়স্য চরিত্রং (১৮০৫)।
• চণ্ডীচরণ মুন্শী রচিত: তোতা ইতিহাস (১৮০৫)।
• হরপ্রসাদ রায় রচিত: পুরুষ পরীক্ষা (১৮১৫)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।
.
বঙ্গ-কামরূপী ভাষায় পদ রচনা করেন কোন কবি?
  1. সরহপা
  2. বীণাপা
  3. শান্তিপা
  4. জয়নন্দীপা
সঠিক উত্তর:
সরহপা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরহপা
ব্যাখ্যা
• সরহ পা: 
- সরহ পা ছিলেন ব্রাহ্মণ। তাঁর জন্মস্থান রাজ্ঞীদেশ সম্ভবত উত্তরবঙ্গ-কামরূপ ।
- কামরূপের রাজা রত্নপাল (১০০০-৩০ সাল) ছিলেন তাঁর শিষ্য।
- তিনি এগার শতকের প্রথমার্ধে জীবিত ছিলেন।
- তিনি অপভ্রংশ ভাষায় দোহাকোষ রচনা করেছিলেন।
- তাঁর পদাবলীর ভাষা ছিল বঙ্গ-কামরূপী।
- তিনি ছিলেন ভিক্ষু ও সিদ্ধা।তিনি বহু গ্রন্থের রচয়িতা।

অন্যদিকে,
• বীণাপা রচিত চর্যাপদের ভাষা ছিল বাংলা।
• শান্তিপা রচিত চর্যাপদের ভাষা ছিল প্রাচীন মৈথিলি।
• জয়নন্দীপা রচিত পদের ভাষা ছিল আধুনিক ভারতীয় আর্যভাষার প্রাচীন রূপ তথা প্রত্ন-মৈথিলি-উড়িয়া-বাংলা-আসামি।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মাহবুবুল আলম।
.
অ্যাডগার এলেন পো-র 'টু হেলেন' কবিতার প্রভাব রয়েছে জীবনানন্দ দাশ রচিত কোন কবিতায়?
  1. মৃত্যুর আগে
  2. হায় চিল
  3. বনলতা সেন
  4. সেইদিন এই মাঠ
সঠিক উত্তর:
বনলতা সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বনলতা সেন
ব্যাখ্যা
• জীবনানন্দ দাশ:
- জীবনানন্দ দাশ ছিলেন একজন কবি ও শিক্ষাবিদ।
- 'রূপসী বাংলার কবি', 'নির্জনতার কবি', 'তিমির হননের কবি', 'ধূসরতার কবি' নামে পরিচিত জীবনানন্দ দাশ ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁদের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের গাওপাড়া গ্রামে।
- তাঁর পিতা সত্যানন্দ দাশ ছিলেন স্কুলশিক্ষক ও সমাজসেবক। তিনি ব্রহ্মবাদী পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন।
- মাতা কুসুমকুমারী দাশ ছিলেন একজন বিখ্যাত কবি।
- জীবনানন্দ ছিলেন বাংলা কাব্যান্দোলনে রবীন্দ্রবিরোধী তিরিশের কবিতা নামে খ্যাত কাব্যধারার অন্যতম কবি।
- তাঁর 'ধূসর পাণ্ডুলিপি' কাব্যের অন্তর্গত 'মৃত্যুর আগে' কবিতার সাথে আইরিশ কবি ডব্লিউ. বি. ইয়েটস-এর 'The falling of the Leaves' কবিতার মিল রয়েছে।
- তাঁর 'মহাপৃথিবী' কাব্যের অন্তর্গত 'হায় চিল' কবিতার সাথে ইয়েটস্‌-এর 'He reproves the curlow' কবিতার মিল রয়েছে।
- 'বনলতা সেন' কবিতাটিতে অ্যাডগার এলেন পো-র 'টু হেলেন' কবিতার প্রভাব রয়েছে।
- বাংলাদেশে ষাটের দশকে বাঙালির জাতিসত্তা বিকাশের আন্দোলনে এবং ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধে সংগ্রামী বাঙালি জনতাকে তাঁর 'রূপসী বাংলা' তীব্রভাবে অনুপ্রাণিত করে।
- জীবনানন্দ দাশের 'বনলতা সেন' কাব্যগ্রন্থ নিখিলবঙ্গ রবীন্দ্রসাহিত্য সম্মেলনে পুরস্কৃত (১৯৫৩) হয়।
- এছাড়া জীবনানন্দ দাশের 'শ্রেষ্ঠ কবিতা' গ্রন্থটিও ভারত সরকারের সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার (১৯৫৪) লাভ করে।
- ১৯৫৪ সালের ২২ অক্টোবর কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- ঝরাপালক,
- ধূসর পাণ্ডুলিপি,
- বনলতা সেন,
- মহাপৃথিবী,
- সাতটি তারার তিমির,
- রূপসী বাংলা,
- বেলা অবেলা কালবেলা।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- মাল্যবান,
- সতীর্থ,
- বিভা,
- জলপাইহাটি,
- কল্যাণী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
বাংলাদেশে প্রথম ব্রজবুলি পদ রচনা করেন-
  1. গোবিন্দদাস
  2. যশোরাজ খান
  3. শংকরদেব
  4. রামানন্দ রায়
সঠিক উত্তর:
যশোরাজ খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যশোরাজ খান
ব্যাখ্যা
• ব্রজবুলি ভাষা:
- ব্রজবুলি মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের দ্বিতীয় কাব্যভাষা বা উপভাষা। 
- মিথিলার কবি  বিদ্যাপতি (আনু. ১৩৭৪-১৪৬০) এই কৃত্রিম ভাষার উদ্ভাবক।
- তিনি মৈথিলী ভাষার সঙ্গে বাংলা ভাষার মিশ্রণে এই কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা উদ্ভাবন করেন। 
- এ ভাষায় তিনি রাধাকৃষ্ণের লীলাবিষয়ক বহু পদ রচনা করেন। পদগুলিতে রাধাকৃষ্ণের ব্রজলীলা বর্ণিত হওয়ায় এর নাম হয়েছে ব্রজবুলি।

- বিদ্যাপতির পদগুলি বাংলায় খুব জনপ্রিয় হয়েছিল; বিশেষত চৈতন্যদেব এই পদ আস্বাদন করায় এর ভাষার প্রতি বাংলার কবিগণ আকৃষ্ট হন।
- ষোল শতকের বাঙালি বৈষ্ণব কবিরা বিদ্যাপতির পদের ভাষা ও ছন্দের অনুকরণে রাধাকৃষ্ণবিষয়ক পদ রচনা করতে শুরু করেন।
- হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সকল বৈষ্ণব কবি এ ভাষায় বহু পদ রচনা করেন। এই ধারা উনিশ শতক পর্যন্ত চলেছিল।
- আধুনিক কবিদের মধ্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী রচনা করেছেন এ ভাষায়।

- বাংলাদেশে প্রথম ব্রজবুলি পদ রচনা করেন যশোরাজ খান, আসামে ‘শংকরদেব’ এবং উড়িষ্যায় ‘রামানন্দ রায়’। তারা তিনজনই ছিলেন ষোল শতকের কবি।
-  ব্রজবুলির শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি ছিলেন - গোবিন্দদাস কবিরাজ (১৬শ-১৭শ শতক)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অসমাপ্ত উপন্যাস কোনটি?
  1. পণ্ডিত মশাই
  2. জাগরণ
  3. পরিণীতা
  4. বিপ্রদাস
সঠিক উত্তর:
জাগরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাগরণ
ব্যাখ্যা
• ‘জাগরণ’ উপন্যাস:
- ‘জাগরণ’ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি অসমাপ্ত উপন্যাস।
- উপন্যাসটি বসুমতী পত্রিকায় প্রকাশিত হচ্ছিল। তবে লেখন মৃত্যুর পূর্বে শেষ করতে পারেন নি।
- মহাত্মাজীর অসহযোগিতা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে উপন্যাসটি রচিত। আন্দোলনের পক্ষের শিক্ষিত অধ্যাপক অমরনাথ, বিপক্ষের জমিদারকন্যা আলেখ্য, সহজ সরল আলেখ্যর আত্মীয় ইন্দুকে নিয়ে চলে গল্প। বেশ ভালই আগাচ্ছিল, কিন্তু সমাপ্ত করেননি লেখক।

উল্লেখ্য,
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘শেষের পরিচয়’ ও ‘আগামীকাল’ নামেও দুটি অসমাপ্ত উপন্যাস রয়েছে। 

অন্যদিকে,
- ‘পণ্ডিত মশাই’ উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯১৪ সালে।
- 'বিপ্রদাস' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত (১৯৩৫) জনপ্রিয় এবং সুখপাঠ্য উপন্যাস। এটি শরৎচন্দ্রের জীবদ্দশায় প্রকাশিত সর্বশেষ উপন্যাসগ্রন্থ।
- ‘পরিণীতা’ উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯১৪ সালে।

----------------------------
• শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৭৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর হুগলি জেলার দেবানন্দপুরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন বাংলা সাহিত্যের একজন অমর কথাশিল্পী।
- তাঁর উপন্যাসের মূল বিষয় পল্লীর জীবন ও সমাজ। ব্যক্তিমানুষের মন পল্লীর সংস্কারাচ্ছন্ন মানসিকতার আঘাতে কতটা রক্তাক্ত হতে পারে, তারই রূপচিত্র এঁকেছেন তিনি তাঁর রচনায়।
- তবে তাঁর উপন্যাসে ব্যক্তিবর্গের ইচ্ছাভিসার ও মুক্তি সর্বদাই সমাজ কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয় বলে তাঁকে রক্ষণশীলও বলা হয়ে থাকে।
- তবে নারীর প্রতি সামাজিক নির্যাতন ও তার সংস্কারবন্দি জীবনের রূপায়ণে তিনি বিপ্লবী লেখক, বিশেষত গ্রামের অবহেলিত ও বঞ্চিত বাঙালি নারীর প্রতি তাঁর গভীর মমত্ববোধ ও শ্রদ্ধা তুলনাহীন।
- সামাজিক বৈষম্য, কুসংস্কার ও শাস্ত্রীয় অনাচারের বিরুদ্ধে তিনি ছিলেন উচ্চকণ্ঠ।
- বার্মায় বসবাসকালে তাঁর অঙ্কিত ‘মহাশ্বেতা’ অয়েল পেইন্টিং একটি বিখ্যাত চিত্রকর্ম।
- ১৯৩৮ সালের ১৬ জানুয়ারি কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়।

তাঁর রচিত বিখ্যাত উপন্যাস:
- দেনা-পাওনা,
- বড়দিদি,
- বিরাজ বৌ,
- পণ্ডিতমশাই,
- পরিণীতা,
- চন্দ্রনাথ,
- দেবদাস,
- বিপ্রদাস,
- চরিত্রহীন,
- গৃহদাহ,
- দত্তা,
- পথের দাবী,
- শেষ প্রশ্ন,
- শেষের পরিচয়।

উৎস: ‘জাগরণ’ উপন্যাস শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
প্রথম বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চর্যাপদের ভাষার ধ্বনিতত্ত্ব, ব্যাকরণ ও ছন্দের বিচার বিশ্লেষণ করে কে?
  1. ড. বিজয়চন্দ্র মজুমদার
  2. রাহুল সাংকৃত্যায়ন
  3. ড. শশীভূষণ দাশগুপ্ত
  4. ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
• চর্যাপদ:
- চর্যাপদের ভাষাকে বলা হয় 'সন্ধ্যা' বা 'সান্ধ্য ভাষা'।
- এ ভাষা কোথাও স্পষ্ট, কোথাও অস্পষ্ট।
- তাই একে 'আলো-আঁধারি' ভাষাও বলা হয়।
- চর্যাপদের পদগুলো প্রাচীন কোন ছন্দে রচিত তা আজ বলা সম্ভপর নয়৷ তবে আধুনিক ছন্দের বিচারে এগুলো মাত্রাবৃত্ত ছন্দের অধীনে বিবেচ্য৷

• চর্যাপদ বিষয়ক গবেষণা:
• বিজয়চন্দ্র মজুমদার ১৯২০ সালে প্রথম চর্যাপদের ভাষা নিয়ে আলোচনা করেন।
• ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ১৯২৬ সালে ভাষা আলোচনা করে স্বীকৃতি দেন যে, চর্যাপদ বাংলা ভাষায় রচিত।
১৯২৬ সালে ড. সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায় 'অরিজিন অ্যান্ড ডেভলোপমেন্ট অব বেঙ্গলি ল্যাঙ্গুয়েজ' গ্রন্থে সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে বিস্তারিতভাবে চর্যাপদের ভাষার ধ্বনিতত্ত্ব, ব্যাকরণ ও ছন্দ বিচার বিশ্লেষণ করে প্রমাণ করেন চর্যাপদ বাংলা ভাষার সম্পদ। অধিকাংশ ভাষাবিজ্ঞানী এ অভিমত সমর্থন করেন।

• ড. প্রবোধচন্দ্র বাগচী, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্, ড. সুকুমার সেন, ড. শশীভূষণ দাশগুপ্ত চর্যাপদের ভাষা, বিষয়বস্তু, প্রভৃতি আলোচনা করে প্রমাণ করেন যে- চর্যাপদ বাংলা ভাষায় রচিত।
• ১৯২৭ সালে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ সর্বপ্রথম চর্যাপদের ধর্মতত্ত্ব বিশ্লেষণ করেন।
• ১৯৪৬ সালে ড. শশীভূষণ দাশগুপ্ত সহজযান প্রসঙ্গে চর্যাপদের অন্তর্নিহিত তত্ত্বের ব্যাখ্যা করেন।
• বিহারের বিখ্যাত পণ্ডিত রাহুল সাংকৃত্যায়ন বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্য, বৌদ্ধ সহজযান ও চর্যাগীতিকা নিয়ে ইংরেজি ও হিন্দিতে প্রচুর গবেষণা করেন।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
.
দীনবন্ধু মিত্র রচিত কোন নাটকের পটভূমি কাছাড় অঞ্চল?
  1. কমলে কামিনী
  2. নীলদর্পণ
  3. সধবার একাদশী
  4. নবীন তপস্বিনী
সঠিক উত্তর:
কমলে কামিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমলে কামিনী
ব্যাখ্যা
• ‘কমলে কামিনী' নাটক:
- ‘কমলে কামিনী' (১৮৭৩) দীনবন্ধু মিত্রের সর্বশেষ নাটক।
- এই নাটকের পটভূমি কাছাড় অঞ্চল। চরিত্রগুলি সবই অভিজাত বংশীয় তবে দুর্বল।
- ২০ শে ডিসেম্বর ১৮৭৩ তারিখে নাটকটি ন্যাশনাল থিয়েটারে সর্বপ্রথম অভিনীত হয়।

তাঁর উল্লেখযােগ্য চরিত্র:
- রাজা,
- সমরকেতু,
- শশাঙ্কশেখর,
- গান্ধারী,
- সুশীলা,
- সুরবালা।

অন্যদিকে,
• ‘নীলদর্পণ‘ (১৮৬০) তাঁর শ্রেষ্ঠ নাটক এবং শ্রেষ্ঠ রচনাও। সমকালের নীলচাষ ও নীলকর সাহেবদের প্রজাপীড়ন এবং শাসকশ্রেণীর পক্ষপাতমূলক আচরণ নাটকটির বিষয়বস্তু। নাটকটি তৎকালীন সমাজে বিশেষ আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং কৃষকদের নীলবিদ্রোহে ইন্ধন জোগায়।

• 'নবীন তপস্বিনী' (১৮৬৩) দীনবন্ধু মিত্রের দ্বিতীয় নাটক। এতে যে দুটি ভিন্ন কাহিনি স্থান পেয়েছে তা পরিপূর্ণভাবে মিশ্রিত হয় নি। 'তে গ্রাম্যতা ও রুচিবিকল্পতা থাকলেও তা গুরুত্বপূর্ণ রচনা।

• 'সধবার একাদশী' (১৮৬৬) দীনবন্ধু মিত্র রচিত প্রহসন। ঊনবিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে সুরাপান ও বেশ্যাবৃত্তি যুবকদের জীবনে বিপর্যয় সৃষ্টি করেছিল। এই সামাজিক বিপর্যয় এর কাহিনি নিয়ে নাটকটির রচিত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহাবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।
১০.
‘ভেবেছিলেন জজ সাহেব ঘুমিয়েছিল? না, জজ কখনো ঘুমান না।’- সংলাপটি কার রচনা?
  1. জহির রায়হান
  2. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
  3. হুমায়ুন আহমেদ
  4. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌
ব্যাখ্যা
• ‘তরঙ্গভঙ্গ’ নাটক:
- সৈয়দ ওয়ালীওল্লাহ্‌র পাশ্চাত্যরীতি অনুসারী এবসার্ডধর্মী অস্তিত্ববাদী একটি নাটক ‘তরঙ্গভঙ্গ’।
- অভাব-দারিদ্র্যের পরিপ্রেক্ষিতে সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রাম, ঘাত-প্রতিঘাত এ নাটকে প্রতিফলিত হয়েছে।
-  এ নাটকে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রগুলো হচ্ছে - বাদী মৌলবি আব্দুস সাত্তার ও সাক্ষী মতলুব আলী।
- এ নাটকের একটি সংলাপ ‘ভেবেছিলেন জজ সাহেব ঘুমিয়েছিল? না, জজ কখনো ঘুমান না।’

নাটকের কাহিনি সংক্ষেপ:
মৌলবি আবদুল সাত্তার নেওলাপুরী বিচারকের কাছে দরিদ্র চব্বিশ-পঁচিশ বছর বয়সী গৃহবধূ আমেনার বিরুদ্ধে শিশু স্বামী হত্যার অভিযোগ আনে। আমেনা অভাবের তাড়নায় অসুস্থ স্বামী কুতুব শেখকে চিকিৎসা করাতে না পেরে, সে ধুতরার বিষ পান করিয়ে স্বামী হত্যা করে। আর চারটি শিশুর আহার সংস্থান করতে না পেরে ছোটটিকেও সে মেরে ফেলে। বিচারক এর বিচার করতে বসেন।

------------------------
• সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌ ছিলেন কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার।
- ১৯২২ সালের ১৫ আগস্ট চট্টগ্রামের ষোলশহরে সৈয়দ (ডেপুটি) বাড়িতে তাঁর জন্ম।
- ফেনী হাইস্কুলে ছাত্র থাকাকালেই সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌র সাহিত্যচর্চার সূত্রপাত হয়। 
- এ সময় তিনি হাতে লেখা পত্রিকা 'ভোরের আলো' সম্পাদনা করেন।
- তাঁর প্রথম গল্প ‘হঠাৎ আলোর ঝলকানি’ ঢাকা কলেজ ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়। 
- তিনি ১৯৬১ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার, ১৯৬৫ সালে আদমজি পুরস্কার এবং ১৯৮৩ সালে একুশে পদক (মরণোত্তর) লাভ করেন।

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌ রচিত সাহিত্যকর্মগুলো হলো:
 • গল্পগ্রন্থ:
- নয়নচারা, 
- দুই তীর ও অন্যান্য গল্প।

• নাটক:
- বহিপীর,
- সুড়ঙ্গ,
- তরঙ্গভঙ্গ,
- উজানে মৃত্যু ইত্যাদি।

• উপন্যাস:
- লালসালু,
- চাঁদের অমাবস্যা,
- কাঁদো নদী কাঁদো,
- দি আগলি এশিয়ান ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১১.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রকৃত নাম কী?
  1. ঈশ্বরচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
  2. ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. ঈশ্বরচন্দ্র মুখোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এর পৈত্রিক পদবি - বন্দ্যোপাধ্যায়।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর তাঁর পারিবারিক পদবি অনুসারে, তাঁর প্রকৃত নাম - 'ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়'। কিন্তু তিনি 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামে স্বাক্ষর করতেন। 

-----------------------
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী। 
- তিনি১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এর পৈত্রিক পদবি 'বন্দ্যোপাধ্যায়'।
- তাঁর পিতার নাম ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায়।
- তাঁর প্রকৃত নাম- ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। 
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামেও স্বাক্ষর করতেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ 'বেতাল পঞ্চবিংশতি'।

বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম:
- শকুন্তলা, 
- সীতার বনবাস, 
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জুরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১২.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মধ্যযুগের কোন কবিকে ‘দুঃখের কবি’ বলে উল্লেখ করেছেন?
  1. জ্ঞানদাস
  2. বিদ্যাপতি
  3. চণ্ডীদাস
  4. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
সঠিক উত্তর:
চণ্ডীদাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চণ্ডীদাস
ব্যাখ্যা
• চণ্ডীদাস:
- চণ্ডীদাস চৈতন্যপূর্ব যুগের কবি ছিলেন।
- চণ্ডীদাসকে বাংলা ভাষার প্রথম মানবতাবাদী কবি বলা হয়।
- তিনি ‘শুনহ মানুষ ভাই/ সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপর নাই' বলে জাত-পাতযুক্ত সমাজে প্রথম মানবতার বাণী কাব্যে ধারণ করেছেন বলে তাকে মানবতার কবি বলা হয়। তাছাড়া ব্যক্তিজীবনেও তিনি জাত-সংস্কারের ঊর্ধ্বে ছিলেন।
- চণ্ডীদাস সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মন্তব্য করেছেন “চণ্ডীদাস সহজ ভাষায় সহজ ভাবের কবি-এই গুণে তিনি বঙ্গীয় প্রাচীন কবিদের মধ্যে প্রধান কবি”।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর চণ্ডীদাসকে দুঃখের কবি বলেছিলেন।

উল্লেখ্য,
• রাজা রঘুনাথ মুকুন্দরাম চক্রবর্তীকে কবিকঙ্কন উপাধি প্রদান করেন। এবং তাঁকে দুঃখ বর্ণনার কবি বলা হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, সৌমিত্র শেখর।
১৩.
‘গড্ডলিকা’ গল্পের বইটি কে রচনা করেছেন?
  1. অচিত্যকুমার সেন
  2. রাজশেখর বসু
  3. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. প্রেমেন্দ্র মিত্র
সঠিক উত্তর:
রাজশেখর বসু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশেখর বসু
ব্যাখ্যা
• ‘গড্ডলিকা’:
- ‘গড্ডলিকা’ রাজশেখর বসুর (পরশুরাম) প্রথম গল্পের বই। প্রকাশকাল ১৯২৪ সাল।
- প্রকাশক ছিলেন ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়। বইয়ে ছবি এঁকেছিলেন যতীন্দ্রমোহন সেন।
- এ বইয়ের মোট পাঁচটি গল্প রয়েছে। এই গ্রন্থের প্রথম গল্প ‘শ্রী শ্রী সিদ্ধেশ্বরী লিমিটেড’।

এ ছাড়াও এই গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত অন্যান্য গল্পগুলো হলো:
- চিকিৎসা-সঙ্কট,
- মহাবিদ্যা,
- লম্বকর্ণ ও
- ভূষণ্ডীর মাঠে।

------------------------
• রাজশেখর বসু: 
- রাজশেখর বসু ছিলেন একাধারে একজন লেখক ও বিজ্ঞানী অভিধান প্রণেতা।
- ১৮৮০ সালের ১৬ মার্চ পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার বামুনপাড়া গ্রামে মাতুলালয়ে তাঁর জন্ম
- রাজশেখর চাকরি এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার পাশাপাশি বাংলা  অভিধান ও  পরিভাষা রচনায় মনোনিবেশ করেন।
- ১৯০৬ সালে গঠিত জাতীয় শিক্ষা পরিষদে তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল।
- তিনি ১৯৩৫ সালে  কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক গঠিত বাংলা বানান সংস্কার সমিতি এবং ১৯৪৮ সালে সরকার গঠিত পরিভাষা সংসদের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- লেখক হিসেবে তিনি ‘পরশুরাম’ ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন।
- তাঁর রচিত গ্রন্থের সংখ্যা মোট একুশ।
- তাঁর চলন্তিকা (১৯৩৭) বাংলা ভাষায় বহুল প্রচলিত একখানি জনপ্রিয় অভিধান।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- গড্ডলিকা,
- কজ্জলী,
- হনুমানের স্বপ্ন,
- গল্পকল্প;
- আনন্দীবাঈ;
- ভারতের খনিজ,
- কুটিরশিল্প,
- বিচিন্তা;
- বাল্মীকি রামায়ণ,
- মহাভারত,
- হিতোপদেশের গল্প ইত্যাদি।

উৎস: ‘গড্ডলিকা’ গল্পগ্রন্থ;  বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।
১৪.
দক্ষিণারঞ্জন মিত্রমজুমদার রচিত গ্রন্থ নয় কোনটি?
  1. ঠানদিদির থলে
  2. ঠাকুরমার চিঠি
  3. ঠাকুরদাদার ঝুলি
  4. দাদামশায়ের থলে
সঠিক উত্তর:
ঠাকুরমার চিঠি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঠাকুরমার চিঠি
ব্যাখ্যা
• দক্ষিণারঞ্জন মিত্রমজুমদার রচিত গ্রন্থ নয়- ঠাকুরমার চিঠি।
• ‘ঠাকুরমার চিঠি’ কামিনী রায় রচিত শিশুতোষ সাহিত্য। গ্রন্থটি ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয়।

-------------------------
• দক্ষিণারঞ্জন মিত্রমজুমদার:
- দক্ষিণারঞ্জন মিত্রমজুমদার ছিলেন রূপকথার লেখক, শিশুসাহিত্যিক। 
- ঢাকা জেলার সাভারের নিকটবর্তী উলাইল গ্রামে ১২৮৪ বঙ্গাব্দের (১৮৭৭) ২ বৈশাখ তাঁর জন্ম।
 - প্রধানত ‘ঠাকুরমার ঝুলি’ শীর্ষক অবিস্মরণীয় গ্রন্থের জন্যই বাঙালি পাঠকসমাজে সমধিক পরিচিত তিনি। 
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 'ঠাকুরমার ঝুলি'র ভূমিকা লিখে দিয়েছিলেন। জনপ্রিয় এ গ্রন্থখানি জার্মান ভাষায় অনূদিত হয়।

- তিনি বিভিন্ন সময়ে 'সুধা' (১৯০১-১৯০৪), 'সারথি' (১৯০৮) ও 'পথ' (১৯৩০-৩২) নামে তিনটি পত্রিকা সম্পাদনা করেন। 'পথ' ছিল বঙ্গীয় বিজ্ঞান পরিষদের মুখপত্র। দক্ষিণারঞ্জন কিছুদিন ওই পরিষদের সহ-সভাপতি (১৯৩০-৩৩) ছিলেন। পরিষদের বৈজ্ঞানিক পরিভাষা-সমিতির সভাপতিরূপে তিনি বাংলায় বিজ্ঞানের অনেক পরিভাষা রচনায় কৃতিত্বের পরিচয় দেন।
- ১৩৬৩ বঙ্গাব্দের (১৯৫৭) ১৬ চৈত্র কলকাতায় তাঁর জীবনাবসান ঘটে।

• দক্ষিণারঞ্জন মিত্রমজুমদার সম্পাদিত উল্লেখযোগ্য কয়েকটি গ্রন্থ:
- ঠাকুরমার ঝুলি,
- ঠাকুরদাদার ঝুলি,
- দাদামশায়ের থলে,
- ঠানদিদির থলে,
- খোকা বাবুর খেলা, 
- আমাল বই, 
- কিশোরদের মন, 
- বাংলার সোনার ছেলে, 
- পৃথিবীর রূপকথা ও 
- সবুজ লেখা। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫.
'হুতোমী বাংলা' রীতির প্রবর্তক ছিলেন-
  1. প্যারীচাঁদ মিত্র
  2. কালিদাস রায়
  3. কায়বোকাদ
  4. কালীপ্রসন্ন সিংহ
সঠিক উত্তর:
কালীপ্রসন্ন সিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালীপ্রসন্ন সিংহ
ব্যাখ্যা
• কালীপ্রসন্ন সিংহ:
- তিনি ছিলেন একাধারে সংগঠক, সাংবাদিক, লেখক, সমাজকর্মী।
- বাংলা সাহিত্যে 'হুতোমী বাংলা' রীতির প্রবর্তক কালীপ্রসন্ন সিংহ।
- কালীপ্রসন্ন সিংহ মাত্র তেরো বছর বয়সে 'বিদ্যোৎসাহিনী সভা' প্রতিষ্ঠা করেন।
- বিদ্যোৎসাহিনী সভাতে সদস্যরা প্রতি সপ্তাহে মিলিত হয়ে নিয়মিত প্রবন্ধ উপস্থাপন ও আলোচনা করতেন। 

তাঁর রচিত বিখ্যাত দুইটি গ্রন্থ:
• হুতোম প্যাঁচার নকশা:
- হুতোম প্যাঁচার নকশা তাঁর শ্রেষ্ঠ মৌলিক রচনা।
- এতে কলকাতার সামাজিক ব্যঙ্গচিত্র অঙ্কন করা হয়েছে এবং কলকাতার কথ্য ভাষাকে প্রথম সাহিত্যে স্থান দেওয়া হয়েছে।
- বাংলা গদ্যের উন্নয়নে হুতোম প্যাঁচার নকশা মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত।

• সংস্কৃত মহাভারতের গদ্য-অনুবাদ:
- সতেরো খন্ডে সংস্কৃত মহাভারতের বাংলা গদ্যানুবাদও তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকীর্তি।
- এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অনন্য দৃষ্টান্ত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৬.
'নজর আলী’ কোন লেখকের ডাকনাম?
  1. সৈয়দ মুজতবা আলী
  2. শামসুর রাহমান
  3. সৈয়দ আলী আহসান
  4. কাজী নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
কাজী নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাজী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
• কাজী নজরুল ইসলাম:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।
- তিনি ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- বাল্যকালে কাজী নজরুল ইসলামকে 'তারা ক্ষ্যাপা', 'নজর আলী’, 'দুখু মিয়া' নামে ডাকা হতো।
- বাল্যকালেই নজরুল লেটোগানের দলে যোগ দেন। লেটোদলের বিখ্যাত কবিয়াল শেখ চাকার তাঁকে 'ব্যাঙাচি' বলে ডাকতেন। এছাড়াও কবি নজরুলের অন্য ছদ্মনামগুলো হলো- ধূমকেতু ও নুরু।
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’।
- কাজী নজরুল ইসলাম আধুনিক বাংলা গানের জগতে ‘বুলবুল’ নামে খ্যাত।

• কাজী নজরুল ইসলামের সংগীত বিষয়ক গ্রন্থ:
- চোখের চাতক,
- নজরুল গীতিকা,
- সুর সাকী,
- বনগীতি প্রভৃতি।

• কাজী নজরুল ইসলাম রচিত উপন্যাস:
- বাঁধন-হারা,
- মৃত্যুক্ষুধা,
- কুহেলিকা।

• কাজী নজরুল ইসলাম রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:,
- দুর্দিনের যাত্রী,
- যুগবাণী,
- রুদ্র মঙ্গল।

উল্লেখ্য,
• সৈয়দ মুজতবা আলীর ছদ্মনাম: প্রিয়দর্শী; ওমর খৈয়াম; মুসাফির; সত্য পীর।

অন্যদিকে,
•  শামসুর রাহমানের ডাক নাম ছিল বাচ্চু।
সৈয়দ আলী আহসান

উৎস: বাংলাপিডিয়া; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং কবি নজরুল জীবনী।
১৭.
নিচের কোন শব্দে বাংলা উপসর্গ আছে?
  1. উপসাগর
  2. হাপিত্যেশ
  3. অপিনিহিতি
  4. দুর্ভাগ্য
সঠিক উত্তর:
হাপিত্যেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাপিত্যেশ
ব্যাখ্যা
• অভাব অর্থে ‘হা’ খাঁটি বাংলা উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দ- হাপিত্যেশ।

অন্যদিকে,
• ক্ষুদ্র অর্থে সংস্কৃত ‘দুর’ উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দ- উপসাগর।
• ‘অপি’ সংস্কৃত উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দ - অপিনিহিতি।
• মন্দ অর্থে সংস্কৃত ‘দুর’ উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দ- দুর্ভাগ্য।

-----------------
• উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যেসব শব্দখণ্ড বা শব্দাংশ ধাতুর পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে বলে উপসর্গ।

• বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. খাঁটি বাংলা উপসর্গ,
২. সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ এবং
৩. বিদেশি উপসর্গ।

• খাঁটি বাংলা উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত নিজস্ব উপসর্গকে খাঁটি বাংলা উপসর্গ বলা হয়। খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১টি।
যথা: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

[বাংলা উপসর্গের মধ্যে আ, সু, বি, নি এই চারটি উপসর্গ তৎসম শব্দেও পাওয়া যায়।]

• সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যেসকল সংস্কৃত উপসর্গ ব্যবহার করা হয় তাদের সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ বলে। সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ ২০টি।
যথা: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।

• বিদেশি উপসর্গ:
আরবি, ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি এসব ভাষার বহু শব্দ দীর্ঘকাল ধরে বাংলা ভাষায় প্রচলিত আছে।
এছাড়া কিছু বিদেশি উপসর্গও বাং
লায় চালু আছে।

• বিদেশি উপসর্গ অনির্দিষ্ট বা অনির্ণেয়।
যেমন:
- আরবি উপসর্গ: আম, খাস, লা, গর, বাজে এবং খয়ের।
- ফারসি উপসর্গ: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম।
- উর্দু উপসর্গ: হর।
- ইংরেজি উপসর্গ: হেড, সাব, ফুল, হাফ।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
১৮.
উচ্চারণের স্থান অনুসারে ট-বর্গের বর্ণগুলো কী নামে পরিচিত?
  1. তালব্য
  2. কণ্ঠ্য
  3. মূর্ধন্য
  4. দন্তমূলীয়
সঠিক উত্তর:
মূর্ধন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূর্ধন্য
ব্যাখ্যা
• মূর্ধন্য ব্যঞ্জন:
দন্তমূল এবং তালুর মাঝখানে যে উঁচু অংশ থাকে তার নাম মূর্ধা। যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা মূর্ধার সঙ্গে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে মূর্ধন্য ব্যঞ্জন বলে। টাকা, ঠেলাগাড়ি, ডাকাত, ঢোল, গাড়ি, মূঢ় প্রভৃতি শব্দের ট, ঠ, ড, ঢ, ড়, ঢ় মূর্ধন্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

অন্যদিকে,
• তালব্য ব্যঞ্জন:
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা খানিকটা প্রসারিত হয়ে শক্ত তালুর কাছে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে তালব্য ব্যঞ্জন বলে। চাচা, ছাগল, জাল, ঝড়, শসা প্রভৃতি শব্দের চ, ছ, জ, ঝ, শ তালব্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

• কণ্ঠ্য ব্যঞ্জন:
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের পিছনের অংশ উঁচু হয়ে আলজিভের কাছাকাছি নরম তালুর কাছে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে কণ্ঠ্য ব্যঞ্জন বলে। কাকা, খালু, গাধা, ঘাস, কাঙাল প্রভৃতি শব্দের ক, খ, গ, ঘ, ঙ কণ্ঠ্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

• দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন:
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা উপরের পাটির দাঁতের গোড়ার সঙ্গে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন বলে। নানা, রাত, লাল, সালাম প্রভৃতি শব্দের ন, র, ল, স দন্ত্যমূলীয় ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৯.
শুদ্ধ সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. মৃন্ + ময় = মৃন্ময়
  2. অভি + ইষ্ট = অভীষ্ট
  3. বিদ্ + ছিন্ন = বিচ্ছিন্ন
  4. পরিঃ + ছদ = পরিচ্ছদ
সঠিক উত্তর:
অভি + ইষ্ট = অভীষ্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভি + ইষ্ট = অভীষ্ট
ব্যাখ্যা
• স্বরসন্ধির নিয়মে গঠিত কিছু শব্দ হলো:
সূত্র: ই + ই = ঈ:
- অতি + ইত = অতীত,
- অভি + ইষ্ট = অভীষ্ট,
- প্রতি + ইতি = প্রতীতি,
- অতি + ইন্দ্র = অতীন্দ্র।

অন্যদিকে,
• ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম:
আগে ৎ, দ্‌, ধ্‌ এবং পরে ন্‌ / ম্‌ থাকলে ৎ, দ্‌ বা ধ্‌ স্থানে ন্‌ হয়, এবং পরের ন-এর সঙ্গে মিলে ন্ন কিংবা ম এর সঙ্গে মিলে ন্ম হয়।
যেমন:
- উৎ + নতি = উন্নতি;
- ক্ষুধ্‌ + নিবৃত্তি = ক্ষুন্নিবৃত্তি;
- রাধ্‌ + না = রান্না;
- তদ্ + মাত্র = তন্মাত্র;
- সৎ + মার্গ = সন্মার্গ;
- মৃৎ + ময় = মৃন্ময়।

• স্বরধ্বনি + ব্যঞ্জনধ্বনি:
স্বরধ্বনির পর ‘ছ’ থাকলে তা দ্বিত্ব হয়, অর্থাৎ ‘ছ’-র বদলে ‘চ্ছ’ হয়।
যেমন:
- পরি + ছদ = পরিচ্ছদ।
- বি + ছেদ = বিচ্ছেদ।
- বি + ছিন্ন = বিচ্ছিন্ন।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২০.
'দহরম মহরম' বাগ্‌ধারারা অর্থ কী?
  1. ভীষণ বিপদ
  2. ঘাের শত্রুতা
  3. ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক
  4. ব্যাপক প্রচার
সঠিক উত্তর:
ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক
ব্যাখ্যা
• 'দহরম মহরম' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বা অন্তরঙ্গতা।
বাক্য: বড়লোকের সঙ্গে এত দহরম মহরম ভাল নয়।

অন্যদিকে,
- ‘অকূল পাথার’ অর্থ - ভীষণ বিপদ।
- ‘ঢেঁটরা পেটা’ অর্থ - ব্যাপক প্রচার।
- ‘আদায় কাঁচকলায়’ অর্থ - ঘাের শত্রুতা।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২১.
'ইন্দ্রজিৎ' কোন সমাসের উদাহরণ?
  1. উপপদ তৎপুরুষ সমাস
  2. মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাস
  3. অব্যয়ীভাব সমাস
  4. উপমিত কর্মধারয় সমাস
সঠিক উত্তর:
উপপদ তৎপুরুষ সমাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপপদ তৎপুরুষ সমাস
ব্যাখ্যা
• উপপদ তৎপুরুষ সমাস:
যে পদের পরবর্তী ক্রিয়ামূলের সঙ্গে কৃৎ-প্রত্যয় যুক্ত হয় সে পদকে উপপদ বলে। কৃদন্ত পদের সঙ্গে উপপদের যে সমাস হয়, তাকে বলে উপপদ তৎপুরুষ সমাস।

• কৃদন্ত পদ: কৃৎ প্রত্যয় যোগে যে শব্দ তৈরি হয় তাকে কৃদন্ত পদ বলে।
যেমন: √চর্‌ > চর (বিচরণ করা অর্থে); √ধর্‌ > ধর (ধরা অর্থে)।

• উপপদ: কোন শব্দকে বিশ্লেষণ করলে যদি একটি পৃথক শব্দ, এরপর ধাতু, এরপর প্রত্যয় পাওয়া যায় (শব্দ + ধাতু + প্রত্যয়) এবং সেই প্রত্যয়টি হয় কৃৎ প্রত্যয় তাহলে প্রাপ্ত বিশিষ্ট শব্দকে উপপদ বলা হয়।
যেমন: বাস্তুহারা = বাস্তু + √হার্‌ + আ; খেচর = খ + √চর্‌ + অ।

যেমন:
- জলে চরে যা = জলচর।
- ইন্দ্রকে জয় করেছে যে = ইন্দ্রজিৎ।

- জল দেয় যে = জলদ।
- পঙ্কে জন্মে যা = পঙ্কজ।
- পকেট মারে যে = পকেটমার।

• এরূপ- সত্যবাদী, ইন্দ্রজিৎ, ছেলেধরা, ধামাধরা, পাতাচাটা, হাড়ভাঙ্গা, মাছিমারা, ছাড়পোকা এবং বর্ণচোরা ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াত মামুদ ও বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
২২.
'জ্ঞেয়' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কােনটি?
  1. মূর্খ
  2. অচেতন
  3. দুরজ্ঞেয়
  4. অজ্ঞেয়
সঠিক উত্তর:
অজ্ঞেয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অজ্ঞেয়
ব্যাখ্যা
• 'জ্ঞেয়' শব্দের অর্থ: জানার যোগ্য, জ্ঞানসাধ্য।
• 'অজ্ঞেয়' শব্দের অর্থ: জ্ঞানের অতীত, জানা যায় না এমন।

• 'জ্ঞেয়' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ - অজ্ঞেয়।

অন্যদিকে,
• ‘দুরজ্ঞেয়’ বানানটি অশুদ্ধ। শুদ্ধ বানান: ‘দুর্জ্ঞেয়’ অর্থ: জানা কঠিন এমন।
• জ্ঞানী - মূর্খ।
• চেতন - অচেতন।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।
২৩.
‘উর্বী’ শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. পর্বত
  2. বৃক্ষ
  3. পৃথিবী
  4. ঢেউ
সঠিক উত্তর:
পৃথিবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৃথিবী
ব্যাখ্যা
• ‘উর্বী’ শব্দের অর্থ: ধরণি, পৃথিবী।

• ‘পৃথিবী’ শব্দের সমার্থক শব্দ: 

ধরা, ধরণি, ধরিত্রী, বসুন্ধরা, বসুধা, ভূ, ক্ষিতি, মহি, ভূমণ্ডল, অবনি, বসুমতী, মেদিনী, জগৎ, মর্ত্যলোক, ব্রহ্মাণ্ড, বিশ্ব, অখিল, ভুবন, ভূমি, পৃথ্বী, দুনিয়া, ভুবন, ভূলোক, উর্বী। 

অন্যদিকে,
• 'পর্বত' শব্দের সমার্থক শব্দ:
মহীধর, পাহাড়, গিরি, অচল, শৈল, ভূধর, অদ্রি, শিখরী, শৃঙ্গী, শৃঙ্গধর, মহীধ্র, ভূভৃৎ, নগ।

• 'ঢেউ' শব্দের সমার্থক শব্দ: তরঙ্গ, কল্লোল, ঊর্মি, বীচি, হিল্লোল, লহরি।

• 'বৃক্ষ' শব্দের সমার্থক শব্দ: গাছ, পাদপ, দ্রুম, তরু, বিটপী, মহীরুহ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২৪.
অভ্যন্তর যতিচিহ্ন কোনটি?
  1. সেমিকোলন
  2. বিস্ময়চিহ্ন
  3. প্রশ্নচিহ্ন
  4. দাঁড়ি
সঠিক উত্তর:
সেমিকোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেমিকোলন
ব্যাখ্যা
• অভ্যন্তর যতিচিহ্ন- সেমিকোলন (;)।

• যতিচিহ্ন:

মুখের কথা লিখিত রূপ দেওয়ার সময় কম-বেশি থামা বোঝাতে যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়। বক্তব্যকে স্পষ্ট করতেও যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়।যতিচিহ্নকে বিরামচিহ্ন বা বিরতি চিহ্নও বলা হয়।

• বাক্যের শেষে যে যতিচিহ্নগুলো ব্যবহৃত হয়, এগুলোকে প্রান্তিক যতিচিহ্ন বা অন্ত্যযতি চিহ্ন বলে। অন্ত্যযতি চারটি, এগুলো হলো:
• অন্ত্যযতি:
১. দাঁড়ি (।),
২. প্রশ্নচিহ্ন (?),
৩. বিস্ময়চিহ্ন (!),
৪. দুই দাঁড়ি (।।)।

• অভ্যন্তর যতি:
৫. কমা (,),
৬. সেমিকোলন (;), 
৭. হাইফেন (-), 
৮. ড্যাশ (—),
৯. কোলন (:), 
১০. কোলন-ড্যাশ (:-),
১১. বিন্দু (.)।

• অন্যান্য যতি:
১২. ঊর্ধ্বকমা ('),
১৩. ত্রিবিন্দু (...),
১৪. উদ্ধৃতিচিহ্ন ('...'/”...”),
১৫. বন্ধনীচিহ্ন (({{-]})),
১৬. বিকল্পচিহ্ন (/)। 

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (প্রথম খণ্ড)।
২৫.
‘রক্ত উৎপল লাজে জলান্তরে বৈসে।’- এখানে ‘উৎপল’ শব্দটি কী অর্থ প্রকাশ করে?
  1. সুন্দর
  2. পদ্ম
  3. চোখ
  4. গোলাপ
সঠিক উত্তর:
পদ্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদ্ম
ব্যাখ্যা
• উৎপল (বিশেষ্য পদ),
- সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- পদ্ম,
- অম্বুজ,
- অরবিন্দ,
- শতদল,
- কমল,
- কুমুদ।

• ‘রক্ত উৎপল লাজে জলান্তরে বৈসে।’- এখানে ‘উৎপল’ শব্দটি ‘পদ্ম’ অর্থ প্রকাশ করে।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
২৬.
‘যা অতিক্রম করা যায় না’ এক কথায় বলে-
  1. অনতিক্রান্ত
  2. দুরতিক্রম্য
  3. অলঙ্ঘ্য
  4. অনতিক্রম্য
সঠিক উত্তর:
অনতিক্রম্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনতিক্রম্য
ব্যাখ্যা
• ‘যা অতিক্রম করা যায় না’ এক কথায় বলে - অনতিক্রম্য।

অন্যদিকে,
• ‘কষ্ট করে অতিক্রম করতে হয় এমন’ এক কথায় বলে - দুরতিক্রম্য।
• ‘লঙ্ঘিত হয়নি এমন’ এক কথায় বলে - অনতিক্রান্ত।
• ‘লঙ্ঘন করা যায় না এমন’ এক কথায় বলে - অলঙ্ঘ্য।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
২৭.
‘তাকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।’ - বাক্যে ‘কোথাও’ কোন পদ?
  1. যোজক
  2. অনুসর্গ
  3. ক্রিয়া বিশেষণ
  4. বিশেষণ
সঠিক উত্তর:
ক্রিয়া বিশেষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রিয়া বিশেষণ
ব্যাখ্যা
• ক্রিয়া বিশেষণ:
 যে শব্দ ক্রিয়াকে বিশেষিত করে, তাকে ক্রিয়া বিশেষণ বলে।

নিচের বাক্যে নিম্নরেখ শব্দগুলাে ক্রিয়া বিশেষণের উদাহরণ:
- ছেলেটি দ্রুত দৌড়ায়।
- লোকটি ধীরে হাঁটে।
এখানে দ্রুত, ধীরে শব্দ গুলো হলো ক্রিয়া বিশেষণ।

- অনেক সময়ে বিশেষ্য ও বিশেষণ শব্দের সঙ্গে '-এ', '-তে' ইত্যাদি বিভক্তি এবং '-ভাবে', '-বশত', '-মতো' ইত্যাদি শব্দাংশ যুক্ত হয়ে ক্রিয়াবিশেষণ তৈরি হয়।
যেমন - ততক্ষণে, দ্রুতগতিতে, শান্তভাবে, ভ্রান্তিবশত, আচ্ছামতো ইত্যাদি।

ক্রিয়া বিশেষণকে কয়েক ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
• ধরনবাচক ক্রিয়াবিশেষণ:কোনাে ক্রিয়া কীভাবে সম্পন্ন হয়, ধরনবাচক ক্রিয়াবিশেষণ তা নির্দেশ করে।
যেমন:
টিপ টিপ বৃষ্টি পড়ছে।
ঠিকভাবে চললে কেউ কিছু বলবে না।

• কালবাচক ক্রিয়াবিশেষণ: এই ধরনের ক্রিয়াবিশেষণ ক্রিয়া সম্পাদনের কাল নির্দেশ করে।
যেমন:
যথাসময়ে সে হাজির হয়।
আজকাল ফলের চেয়ে ফুলের দাম বেশি।

• স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ: ক্রিয়ার স্থান নির্দেশ করে স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ।
যেমন:
- মিছিলটি সামনে এগিয়ে যায়।
- তাকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

• নেতিবাচক ক্রিয়াবিশেষণ: না, নি ইত্যাদি দিয়ে ক্রিয়ার নেতিবাচক অবস্থা বোঝায়।
যেমন:
- তিনি আর এখন ক্রিকেট খেলেন না
- তিনি বেড়াতে যাননি
- এমন কথা আমার জানা নেই

• পদাণু ক্রিয়াবিশেষণ: 'কি', 'যে', 'বা', 'না', 'ত' ইত্যাদি পদাণু ক্রিয়াবিশেষণ হিসেবে কাজ করে।
যেমন:
- আমি কি যাব?
- খুব যে বলেছিলেন আসবেন!
- কখনো বা দেখা হবে।
- একটু ঘুরে আসুন না, ভালো লাগবে।
- মরি তো মরব।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ) এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
২৮.
শুদ্ধ বানান কোনটি?
  1. দুষ্কাল
  2. আভ্যন্তরীণ
  3. দুষ্কৃতিকারী
  4. উপর্যক্ত
সঠিক উত্তর:
দুষ্কাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুষ্কাল
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান: দুষ্কাল (বিশেষ্য পদ),
- সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- খারাপ সময়,
- দুঃসময়,
- অশুভ সময়।

অশুদ্ধ বানানগুলোর শুদ্ধরূপ হলো:
• অভ্যন্তরীণ (বিশেষণ পদ)।
অর্থ:
- মধ্যবর্তী,
- অভ্যন্তরে আছে এমন।

• দুষ্কৃতকারী (বিশেষণ পদ)।
অর্থ:
- দুষ্কর্মকারী,
- অন্যায়কারী,
- অপরাধী।

• উপর্যুক্ত (বিশেষণ পদ)।
অর্থ: পূর্বে কথিত বা উল্লেখ করা হয়েছে এমন।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
২৯.
‘সরোজ’ কোন শ্রেণির শব্দ?
  1. মিশ্র শব্দ
  2. যোগরূঢ় শব্দ
  3. যৌগিক শব্দ
  4. রূঢ়ি শব্দ
সঠিক উত্তর:
যোগরূঢ় শব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যোগরূঢ় শব্দ
ব্যাখ্যা
• যোগরূঢ় শব্দ:
সমাস নিষ্পন্ন যে সকল শব্দ সম্পূর্ণভাবে সমস্যমান পদসমূহের অনুগামী না হয়ে কোনো বিশিষ্ট অর্থ গ্রহণ করে, তাদের যোগরূঢ় শব্দ বলে।
যেমন:
- পঙ্কজ: পঙ্কে জন্মে যা। শৈবাল, শালুক, পদ্মফুল প্রভৃতি উদ্ভিত পঙ্কে জন্মে থাকে। কিন্তু ‘পঙ্কজ’ শব্দটি একমাত্র ‘পদ্মফুল’ অর্থেই ব্যবহৃত হয়।
- রাজপুত: ‘রাজার পুত্র’ অর্থ পরিত্যাগ করে যোগরূঢ় শব্দ হিসেবে অর্থ হয়েছে ‘জাতিবিশেষ’।
- মহাযাত্রা: ‘মহাসমারোহে যাত্রা’ অর্থ পরিত্যাগ করে যোগরূঢ় শব্দরূপে অর্থ ‘মৃত্যু’।
- জলধি: ‘জল ধারণ করে এমন’ অর্থ পরিত্যাগ করে একমাত্র ‘সমুদ্র’ অর্থেই ব্যবহৃত হয়।

এরূপ- ‘সরোজ’ যোগরূঢ় শব্দ।

অন্যদিকে,
---------------------
• যৌগিক শব্দ:
যে সকঅল শব্দের ব্যুৎপত্তি গত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই রকম, সেগুলোকে যৌগিক শব্দ বলে।
- অর্থাৎ, শব্দগঠনের প্রক্রিয়ায় যাদের অর্থ পরিবর্তিত হয় না, তাদেরকে যৌগিক শব্দ বলে।
যেমন:
- গায়ক = গৈ + ণক (অক); অর্থ: গান করে যে।
- কর্তব্য = কৃ + তব্য; অর্থ: যা করা উচিত।
- বাবুয়ানা = বাবু + আনা; অর্থ: বাবুর ভাব।
- মধুর = মধু + র ; অর্থ; মধুর মতো মিষ্টি গুণযুক্ত।
- দৌহিত্র = দুহিতা + ষ্ণ্য; অর্থ: কন্যার পুত্র, নাতি।
- চিকামারা = চিকা + মারা; অর্থ: দেওয়ালের লিখন।

---------------------
• রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ:
যে শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গযোগে মূল শব্দের অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ জ্ঞাপন করে, তাকে রূঢ়ি শব্দ বলে।
যেমন:
- হস্তী: হস্ত + ইন, অর্থ -হস্ত আছে যার; কিন্তু হস্তী বলতে একটি পশুকে বোঝায়।
- গবেষণা (গো+এষণা) অর্থ - গরু খোঁজা। বর্তমান অর্থ ব্যাপক অধ্যয়ন ও পর্যালোচনা।
এ রকম -
- বাঁশি: বাঁশ দিয়ে তৈরি যে কোনো বস্তু নয়, শব্দটি সুরের বিশেষ বাদ্যযন্ত্র, বিশেষ অর্থে প্রযুক্ত হয়।
- তৈল: শুধু তিলজাত স্নেহ পদার্থ নয়, শব্দটি যে কোনো উদ্ভিজ্জ পদার্থজাত স্নেহ পদার্থকে বোঝায়।
যেমন - বাদাম তেল।
- প্রবীণ: শব্দটির অর্থ হওয়া উচিত ছিল প্রকৃষ্ট রূপে বীণা বাজাতে পারেন যিনি। কিন্তু শব্দটি ‘অভিজ্ঞতাসম্পন্ন বয়স্ক ব্যক্তি' অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- সন্দেশ: শব্দ ও প্রত্যয়গত অর্থে ‘সংবাদ’। কিন্তু রূঢ়ি অর্থে ‘মিষ্টান্ন বিশেষ’।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ); ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৩০.
বাংলাদেশের কৃষিতে 'ফেন্সিনা' ও 'ক্যারেজ' কোন জাতের ফসল?
  1. তামাক
  2. বাধাকপি
  3. আলু 
  4. তুলা
সঠিক উত্তর:
আলু 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলু 
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের কৃষিতে 'ফেন্সিনা' ও 'ক্যারেজ' আলুর জাত।  
- আলুর আরো কিছু উন্নতজাত: ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, ফেন্সিনা, ক্যারেজ, লেডিরোজ।  

• উন্নতজাতের আরো কিছু ফসলের জাত:

- উন্নত জাতের ধান হলো ব্রি হাইব্রিড - ১ চান্দিনা, মালা , বিপ্লব, দুলাভোগ, সুফলা ইত্যাদি।
- সোনালিকা ও আকবর: উন্নত জাতের গম।
- সুমাত্রা ও ম্যানিলা: উন্নত জাতের তামাক।
- বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ: উন্নত জাতের ভুট্টা।
- মহানন্দা, ল্যাংড়া ও মােহনভােগ উন্নত জাতের আম।
- বাহার: উন্নত জাতের টমেটো।
- যমুনা: উন্নত জাতের মরিচ।

সূত্র: বাংলাদেশের জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও কৃষি তথ্য সার্ভিস। 
৩১.
প্রাচীন চন্দ্রদ্বীপের বর্তমান নাম কী?
  1. সন্দ্বীপ
  2. ভোলা
  3. বরিশাল
  4. নোয়াখালী
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
ব্যাখ্যা
- প্রাচীন চন্দ্রদ্বীপের বর্তমান নাম বরিশাল। 

• চন্দ্রদ্বীপ:

- প্রাচীন যুগে বাংলা কোন একক রাজ্য ছিল না।
- বাংলার বিভিন্ন অংশ তখন অনেকগুলো ছোট ছোট অঞ্চলে বিভক্ত ছিল।
- যেমন: পুণ্ড্র, বরেন্দ্র, বঙ্গ, সমতট, চন্দ্রদ্বীপ, হরিকেল, রাঢ় ইত্যাদি।
- মধ্যযুগের শেষ দিকে বাখরগঞ্জ জেলার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল ব্যাপী চন্দ্রদ্বীপ জমিদারি বিস্তৃত ছিল।
- বর্তমান বরিশাল জেলা ছিল চন্দ্রদ্বীপের মূল ভূখন্ড ও প্রাণকেন্দ্র।
- মধ্যযুগে চন্দ্রদ্বীপ বেশ সমৃদ্ধ ছিল।
- এ প্রাচীন জনপদটি বালেশ্বর ও মেঘনার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত ছিল।

সূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাপিডিয়া।
৩২.
NIPORT (নিপোর্ট) কী?
  1. জরুরি সেবা বিষয়ক প্রতিষ্ঠান
  2. অর্থনীতি বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
  3. জনসংখ্যা বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
  4. নদী রক্ষা বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
সঠিক উত্তর:
জনসংখ্যা বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনসংখ্যা বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
ব্যাখ্যা
জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান (নিপোর্ট): 
- NIPORT বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক একটি জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান। 
- এটি ১৯৭৭ সালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- রাজধানী ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত এ প্রতিষ্ঠানটি জনসংখ্যা, স্বাস্থ্য এবং পরিবার পরিকল্পনা খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা খাতের দক্ষ জনবল তৈরি এবং এ সংক্রান্ত নীতিমালা উন্নয়নে অবদান রাখে।
 
সূত্র: NIPORT ওয়েবসাইট।
৩৩.
'মাৎস্যন্যায়' বাংলার কোন সময়কালকে নির্দেশ করে?
  1. চন্দ্রগুপ্ত পূর্ববর্তী
  2. শশাঙ্ক পূর্ববর্তী
  3. লক্ষ্মণ সেন পরবর্তী
  4. গোপাল পূর্ববর্তী
সঠিক উত্তর:
গোপাল পূর্ববর্তী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোপাল পূর্ববর্তী
ব্যাখ্যা
- 'মাৎস্যন্যায়' রাজা শশাঙ্কের মৃত্যুর পরবর্তী এবং গোপালের পূর্ববর্তী সময়কে নির্দেশ করে।  
 
মাৎস্যন্যায়:
- সংস্কৃত শব্দ মাৎস্যন্যায়ের আক্ষরিক অর্থ ‘মাছের ন্যায়’।
- মাছেদের জগতে যেমন বড় মাছ ছোট ছোট মাছ খেয়ে ফেলে; তেমনি মানবসমাজে দুর্বলরা সবলদের হাতে, ক্ষমতাহীনরা শোষিত হয় ক্ষমতাবানদের হাতে।
- ‘মাৎস্যন্যায়’ বাংলার ৭ম-৮ম শতক সময়কালকে নির্দেশ করে।
- রাজা শশাঙ্কের মৃত্যুর পর থেকে পাল রাজবংশের অভ্যুদয়ের পূর্ব পর্যন্ত সময়কালকে মাৎস্যন্যায় বলা হয়।
- সে সময় বাংলার রাজনীতিতে চরম বিশৃঙ্খলাপূর্ণ অবস্থা বিরাজ করে।
- প্রায় সমসাময়িক লিপি, খালিমপুর তাম্রশাসন এবং সন্ধ্যাকর নন্দীর রামচরিতম কাব্যে পাল বংশের পূর্ববর্তী সময়ের বাংলার নৈরাজ্যকর অবস্থাকে ‘মাৎস্যন্যায়’ বলে উল্লেখ করা হয়।
- মাৎস্যন্যায়ের সময়টি ছিল মোটামুটিভাবে ৬৫০-৭৫০ সালের মধ্যকার প্রায় ১০০ বছর।
- শশাঙ্কের মৃত্যুর পর প্রায় একশ বছর বাংলায় অরাজকতা চলে। এই অরাজক অবস্থাকে বলা হয় 'মাৎস্যন্যায়'।
- গোপাল নামক একজন শক্তিশালী লোক এই অরাজকতার অবসান ঘটান।
- তাঁর প্রতিষ্ঠিত বংশের নাম পালবংশ। পালবংশের রাজারা প্রায় চারশ বছর রাজত্ব করেন।
- এযুগে বাংলা একটি স্থিতিশীল ও ঐশ্বর্যশালী রাষ্ট্রে পরিণত হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি ও ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪.
সুশীল সমাজের কাজ কোনটি?
  1. সরকারের বিরোধিতা করা
  2. সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করা
  3. বিতর্ক সৃষ্টি করা
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করা
ব্যাখ্যা
সুশীল সমাজ:
- সুশীল সমাজ চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অংশ।
- বর্তমানে সুশীল সমাজ মানব পুঁজি গঠন, সমাজসেবা এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষার উন্নয়নে গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- সুশীল সমাজ সরকারের দায়িত্বশীলতা, জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণে সচেষ্ট।
- সুশীল সমাজ সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে এবং সরকার সুশীল সমাজের বক্তব্য বা সুপারিশসমূহকে উপেক্ষা করতে পারে না।
- সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সাহায্য করা ও মানবাধিকার রক্ষায় সোচ্চার হওয়া সুশীল সমাজের দায়িত্ব।
- সরকার বা কোন কোন নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের মতাদর্শ প্রচার করা সুশীল সমাজের কাজ নয়।

সূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ১ম পত্র, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৩৫.
দিল্লি সালতানাতের প্রথম স্বাধীন সুলতান কে?
  1. গিয়াস উদ্দিন খলজি
  2. শামসুদ্দিন মুজাফফর শাহ
  3. মুহাম্মাদ ঘুরি
  4. কুতুবুদ্দিন আইবেক
সঠিক উত্তর:
কুতুবুদ্দিন আইবেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুতুবুদ্দিন আইবেক
ব্যাখ্যা
কুতুবুদ্দিন আইবেক: 
- কুতুবুদ্দিন দিল্লি সালতানাতের প্রথম স্বাধীন সুলতান।
- মুহাম্মাদ ঘুরির প্রতিনিধি হিসেবে তিনি ভারতের বিস্তীর্ণ অঞ্চল জয় করেন।
- সুলতান হওয়ার পর অবশ্য তিনি আর কোন নতুন অঞ্চল জয় করতে পারেন নি।
- তবে পূর্ব অধিকৃত অঞ্চলে তিনি শান্তি কায়েম করতে সক্ষম হন। তিনি সুশাসন প্রবর্তন করেন। বলা হয় তাঁর কঠোর শাসনে মেষ ও নেকড়ে বাঘ একঘাটে পানি পান করতো। দেশে চুরি-ডাকাতি ছিল না বললেই চলে। নব বিজিত দেশে এ'রকম আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা কম কৃতিত্বের কথা নয়।

উল্লেখ্য: 
- কুতুবউদ্দীন ছিলেন অত্যন্ত দানশীল। তাঁকে 'লাখ-বশ' বলা হতো। বিখ্যাত দাতা হাতেম তাঈ-র সাথে তাঁকে তুলনা করা হতো। তিনি ধর্মভীরু মুসলমান ছিলেন। কিন্তু ধর্মীয় কারণে কোন হিন্দুকে তিনি উৎপীড়ণ করেন নি। তিনি বহু হিন্দুকে রাজকাজে নিয়োগ করেন। জ্ঞানী-গুণীগণ তাঁর দ্বারা সমাদৃত হতো। তিনি বিদ্যোৎসাহী ছিলেন। তিনি স্থাপত্য শিল্পের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন।

- দিল্লীর "কুয়ত- উল-ইসলাম” এবং আজমীরের "আড়াই-দিনকা-ঝোঁপড়া” নামক মসজিদ দুটি তাঁর শাসনামলে নির্মিত হয়। বিখ্যাত কুতুব মিনারের নির্মাণ কাজও তাঁর সময়ই শুরু হয়। যদিও এটির নির্মাণ কাজ শেষ হয় তাঁর জামাতা ইলতুতমিসের শাসনামলে। 

সূত্র: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৬.
বাংলাদেশ সংবিধান গৃহীত হওয়ার সময় রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?
  1. আবু সাঈদ চৌধুরী
  2. শেখ মুজিবুর রহমান
  3. মোহাম্মদ উল্লাহ
  4. তাজউদ্দিন আহম্মেদ
সঠিক উত্তর:
আবু সাঈদ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবু সাঈদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় ৷
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- ৪ নভেম্বর ১৯৭২ সালে গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় ।
- ১৫ ডিসেম্বর গণপরিষদ সদস্যরা সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
- সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এতে স্বাক্ষর করেননি।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।
- সংবিধান রচনা ও গণপরিষদে গৃহীত হওয়ার সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী।
- প্রধানমন্ত্রী ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান।
- গণপরিষদের প্রথম স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার যথাক্রমে শাহ আবদুল হামিদ ও মোহাম্মদ উল্লাহ।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান ও বাংলাপিডিয়া।
৩৭.
বাংলাদেশে প্রথম ও একমাত্র 'ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার' কোথায় অবস্থিত?
  1. নারায়ণগঞ্জ
  2. গাজীপুর
  3. ঢাকা
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটি নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথম ও একমাত্র 'ওয়ার্ল্ড' ট্রেড সেন্টার:
- দ্যা ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার চট্টগ্রাম বাংলাদেশে প্রথম ও একমাত্র বাণিজ্যিক কেন্দ্র।
- এটি চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে অবস্থিত। [এখানে উত্তর "কোনটি নয়"]
- চট্টগ্রাম চেম্বার অব কর্মাস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের অর্থায়নে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারটি নির্মাণ করা হয়েছে।
- এই ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের মধ্য দিয়ে বিশ্বের ৩২৭টি ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হয় বন্দরনগরী চট্টগ্রাম।

উৎস: World Trade Center Chittagong ওয়েবসাইট।
৩৮.
বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর বিষয়বস্তু কী?
  1. জরুরি অবস্থায় মৌলিক অধিকার স্থগিত
  2. রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা প্রবর্তন
  3. ভারত-বাংলাদেশ ছিটমহল বিনিময় ও সীমান্ত চুক্তি
  4. সামরিক শাসনের সময়কালের সকল আদেশ বৈধ ঘোষণা
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা প্রবর্তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা প্রবর্তন
ব্যাখ্যা
সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী: 
- চতুর্থ সংশোধনী আইন সংবিধান (চতুর্থ সংশোধনী) আইন, ১৯৭৫ গৃহীত হয় ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি। এই সংশোধনীর দ্বারা সংবিধানে কতিপয় বড় পরিবর্তন আনা হয়। সংসদীয় ব্যবস্থার পরিবর্তে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়; বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থার স্থলে আনা হয় একদলীয় ব্যবস্থা; জাতীয় সংসদের কতক ক্ষমতা খর্ব করা হয়; বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অনেকটা খর্ব হয়; সুপ্রিম কোর্ট নাগরিকদের মৌলিক অধিকারসমূহ রক্ষা ও প্রয়োগের এখতিয়ার থেকে বঞ্চিত হয়।

এই আইন দ্বারা - 
(১) সংবিধানের ১১, ৬৬, ৬৭, ৭২, ৭৪, ৭৬, ৮০, ৮৮, ৯৫, ৯৮, ১০৯, ১১৬, ১১৭, ১১৯, ১২২, ১২৩, ১৪১ক এবং ১৪৮ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়;
(২) ৪৪, ৭০, ১০২, ১১৫ ও ১২৪ অনুচ্ছেদ প্রতিস্থাপন করা হয়;
(৩) সংবিধানের তৃতীয় ভাগ সংশোধন করা হয়;
(৪) তৃতীয় ও চতুর্থ তফসিল পরিবর্তন করা হয়;
(৫) প্রথম জাতীয় সংসদের মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়;
(৬) রাষ্ট্রপতির পদ ও এই পদের প্রার্থী সম্পর্কে বিশেষ বিধান করা হয়;
(৭) সংবিধানে একটি নতুন (একাদশ) ভাগ সংযুক্ত করা হয়; এবং
(৮) সংবিধানে ৭৩ক ও ১১৬ক অনুচ্ছেদ দুটি সংযুক্ত করা হয়।

অন্যদিকে: 
- দ্বিতীয় সংশোধনী: সংবিধানে একটি নতুন ভাগ, যথা ভাগ ৯ক সংযুক্ত হয়। এই সংশোধনীর মাধ্যমে জরুরি অবস্থাকালীন সময়ে নাগরিকদের কতিপয় মৌলিক অধিকার স্থগিত করা হয়।
- তৃতীয় সংশোধনী: এর দ্বারা বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কতিপয় ছিটমহল বিনিময় ও সীমান্ত রেখা নির্ধারণের ব্যাপারে একটি চুক্তি কার্যকর করার লক্ষ্যে সংবিধানের ২ অনুচ্ছেদে পরিবর্তন আনা হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।
৩৯.
উপমহাদেশে সর্ব প্রথম বাজেট ঘোষণা করেন কে?
  1. লর্ড ক্যানিং
  2. লর্ড মেয়ো
  3. লর্ড ক্লাইভ
  4. লর্ড রিপন
সঠিক উত্তর:
লর্ড ক্যানিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড ক্যানিং
ব্যাখ্যা
- উপমহাদেশে প্রথম বাজেট ঘোষণা করেন লর্ড ক্যানিং। 

• লর্ড ক্যানিং:

- প্রথম ভাইসরয় লর্ড জন ক্যানিং ১৮৬১ সালে ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম কাগজের মুদ্রা প্রচলন করেন।
- এর আগে মুদ্রা হিসেবে স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রা ব্যবহৃত হতো।
- উপমহাদেশে প্রথম কাগজের মুদ্রা প্রচলন করেন- লর্ড ক্যানিং (১৮৬১ সালে)।
- উপমহাদেশে প্রথম বাজেট ঘোষণা করেন লর্ড ক্যানিং (১৮৬১ সালে)।
- ১৮৬১ সালে পুলিশ প্রশাসন ব্যবস্থা চালু করেন।
- লর্ড রিপনকে ভারতীয় স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের জনক বলা হয়।
- বঙ্গবঙ্গ (১৯০৫) কার্যকর হয় লর্ড কার্জনের সময়ে।
- লর্ড মেয়োর শাসনামলেই ভারতবর্ষের প্রথম আদমশুমারি চালু হয় ১৮৭২ সালে।
 
সূত্র- ইতিহাস ১ম পত্র এইচ এস সি প্রোগ্রাম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
৪০.
বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতি কে? [ডিসেম্বর- ২০২৪] 
  1. হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী
  2. সৈয়দ রেফাত আহমেদ
  3. সৈয়দ মাহমুদ হোসেন
  4. সৈয়দ ওবায়দুল হাসান
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ রেফাত আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ রেফাত আহমেদ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

প্রধান বিচারপতি:
- বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ (২৫তম)।
- সৈয়দ রেফাত আহমেদ ২০০৩ সালে হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।
- ২০০৫ সালে তিনি হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি হিসেবে স্থায়ী নিয়োগ লাভ করেন।
- সংবিধানের ৯৫ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
- প্রধান বিচারপতিকে শপথ পড়ান মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
- প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করেই অন্যান্য বিচারপতি দের নিয়োগ দেয়া হয়।
- বিচারপতি হিসেবে নিয়োগের জন্যে ন্যূনতম দশ বছর সুপ্রিমকোর্টে অ্যাডভোকেট বা দেশের বিচার বিভাগীয় পদে দশ বছর নিযুক্ত থাকার অভিজ্ঞতা প্রয়োজন হয়।
- সংবিধানের প্রণয়নকালে বিচারপতিদের চাকরির বয়সসীমা ছিল ৬২ বছর।
- ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ৯৬ ধারা পুন:স্থাপন করে বিচারপতিদের বয়স করা হয় ৬৭ বছর।
- বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির বয়সসীমা দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ হতে পরবর্তী ৫ বছর।
- বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি আবু সাদাত মো. সায়েম।

সূত্র - সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট।
৪১.
তমদ্দুন মজলিসের মুখপত্র 'সৈনিক' পত্রিকার সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি ছিলেন কে?
  1. শাহেদ আলী
  2. আবুল কালাম
  3. কামরুদ্দীন আহমদ
  4. আবুল কাশেম
সঠিক উত্তর:
শাহেদ আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহেদ আলী
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিশ:
- তমদ্দুন মজলিশ ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
- দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা সমুন্নত করার প্রত্যয় নিয়ে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরেই ঢাকায় গড়ে উঠে এই সংগঠনটি।
- ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র ও অধ্যাপকের উদ্যোগে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য ছিলো - বাংলা ভাষার মাধ্যমে সংস্কৃতির সেবা করা। পাকিস্তান সৃষ্টির পর বাংলা ভাষার পক্ষে সংস্থাটির ভূমিকা ছিলো প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তিনি এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

উল্লেখ্য: 
- তমদ্দুন মজলিশের মুখপত্র ছিলো - সাপ্তাহিক সৈনিক পত্রিকা।
- এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)।
- শুরুতে সৈনিক পত্রিকার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ছিলেন শাহেদ আলী এবং পরে সভাপতি হন আবদুল গফুর।
- ১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর "পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু?" শিরোনামে বাংলা ভাষার পক্ষে তমদ্দুন মজলিশ একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।

উৎস: স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (প্রথম খন্ড), ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা: নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাপিডিয়া।
৪২.
দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চলের বর্তমান নাম কী? [ডিসেম্বর- ২০২৪]
  1. চট্টগ্রাম বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
  2. জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
  3. মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চল
  4. বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

‘জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল’ বা এনএসইজেড:
-চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে অবস্থিত দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর’–এর নতুন নাম দেওয়া হয়েছে ‘জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল’ বা এনএসইজেড।
- সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দেওয়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নাম সম্প্রতি পরিবর্তন করা হচ্ছে।
- জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলটি আবার ১২টি পৃথক অঞ্চলে বিভক্ত।
- সেখানে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল, পোশাক (বিজিএমইএ) শিল্পপার্ক, ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল, এসবিজি (শিকদার, বসুন্ধরা ও গ্যাসমেন গ্রুপ) অর্থনৈতিক অঞ্চলের মতো আলাদা জোন রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ২০১৬ সালে মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চল নামে এই শিল্পনগরের উদ্বোধন করা হয়।
- সেখানে জমি বরাদ্দের জন্য ২০১৭ সালের এপ্রিল মাসে আবেদন নেওয়া শুরু করে বেজা।
- পরে ২০১৮ সালে এটির নাম পাল্টে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর’ রাখা হয়।

সূত্র: প্রথম আলো নিউজ।
৪৩.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশের মানুষের প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল কত বছর?
  1. ৭৪.২ বছর
  2. ৭২.৩ বছর
  3. ৭১.১ বছর
  4. ৭৫.৩ বছর
সঠিক উত্তর:
৭২.৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭২.৩ বছর
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] 

অর্থনৈতিক সমীক্ষা – ২০২৪ অনুসারে:
- আয়তন ১,৪৭,৫৭০ (বর্গ কি. মি.)।
- মোট জনসংখ্যা ১৭১.০০ মিলিয়ন বা ১৭ কোটি।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার (২০২৩) ১.৩৩% [জনশুমারী ও গৃহগণনা ২০২২ অনুসারে- ১.১২%]।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব ১,১৭১/বর্গ কি.মি. [জনশুমারী ও গৃহগণনা ২০২২ অনুসারে- ১,১১৯/বর্গ কি.মি.]।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল ৭২.৩ বছর।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছরের অধিক) ৭৭.৯%।
- প্রাথমিকে ভর্তির হার (২০২২) ৯৭.৫৬% ঝরে পড়ার হার– ১৩.৯৫%।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত (২০২৩) ৯৬.৩: ১০০।

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা – ২০২৪।
৪৪.
মুক্তিযুদ্ধে বীরপ্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত ডা. সিতারা বেগমের পদবি কী ছিল?
  1. লেফটেন্যান্ট
  2. ক্যাপ্টেন
  3. সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট
  4. মেজর
সঠিক উত্তর:
ক্যাপ্টেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যাপ্টেন
ব্যাখ্যা
- মুক্তিযুদ্ধে বীরপ্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত ডা. সিতারা বেগমের পদবি ক্যাপ্টেন ছিল। 

- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় আহত বা অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিত্সাসেবা দেওয়ার জন্য বিভিন্ন সেক্টরে হাসপাতাল স্থাপন করা হয়েছিল। এ রকম একটি হাসপাতাল ছিল ২ নম্বর সেক্টরে। এর নাম ছিল ‘বাংলাদেশ হাসপাতাল’।
- এখানে ডা. জাফরউল্লাহ, ডা. মোবিন, ডা. আখতার, ডা. সিতারা বেগমসহ আরও অনেক চিকিৎসক, মেডিকেল কলেজে অধ্যয়নরত ছাত্রছাত্রী ও সেবিকা নিয়োজিত ছিলেন। এটি প্রথমে স্থাপিত হয় সীমান্তসংলগ্ন ভারতের সোনামুড়ায়।
- পরে নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে তা স্থানান্তর করা হয় আগরতলার কাছাকাছি বিশ্রামগঞ্জে।
- ডা. সিতারা বেগম বাংলাদেশ হাসপাতালে অসাধ্য সাধনের মতো সব কাজ করতেন।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সাহসী ভূমিকা পালনের জন্য যে দুই নারী ‘বীরপ্রতীক’ খেতাব পেয়েছেন, তাঁদের একজন ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম এবং অন্যজন তারামন বিবি।

উৎস: প্রথম আলো ও সংগ্রামের নোটবুক।
৪৫.
"মূল্য সংযোজন কর" কোন ধরনের কর?
  1. পরিপূরক কর
  2. পরোক্ষ কর
  3. প্রত্যক্ষ কর
  4. সম্পূরক কর
সঠিক উত্তর:
পরোক্ষ কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরোক্ষ কর
ব্যাখ্যা
মূল্য সংযোজন কর (VAT):
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হচ্ছে কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর।
- মূল্য সংযোজন কর বা Value Added Tax (VAT) হলো এক প্রকার পরোক্ষ কর।
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই থেকে ভ্যাট বা মূসক চালু হয়।
- ২০১২ সালে এটি সংশোধন করে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন-২০১২ পাশ হয়।
- এটি ১ জুলাই, ২০১৯ থেকে কার্যকর হয়।

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।
৪৬.
"জনশুমারি ও গৃহগণনা- ২০২২" বাংলাদেশের কততম জনশুমারি ছিলো?
  1. সপ্তম
  2. ষষ্ঠ
  3. পঞ্চম
  4. চতুর্থ
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠ
ব্যাখ্যা
• জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ২০২২ সালে বাংলাদেশে ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় : ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে - CAPI.
- CAPI এর পূর্ণরূপ - Computer Assisted Personal Interviewing.
- গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে- মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।

সূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
৪৭.
বাংলাদেশে কোথায় কমনওয়েলথ সমাধি রয়েছে?
  1. কুমিল্লা ও লক্ষ্মীপুর
  2. কুমিল্লা ও গাজীপুর
  3. চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা
  4. ঢাকা ও কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
কমনওয়েলথ সমাধি: 
- বাংলাদেশে দুটি কমনওয়েলথ রণ সমাধি রয়েছে, একটি কুমিল্লার ময়নামতি এবং অপরটি চট্টগ্রামে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে (১৯৩৯-১৯৪৫) বার্মায় সংঘটিত যুদ্ধে নিহত ভারতীয় (তৎকালীন) ও ব্রিটিশ সৈন্যদের স্মৃতিরক্ষার্থে এই সমাধিক্ষেত্রগুলো নির্মাণ করা হয়।
- কুমিল্লার ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি ১৯৪৬ সালে তৈরি হয়েছে। যার অধিকাংশই হাসপাতালের মৃত সৈনিকদের। চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেট্রি ১৯৪৩-১৯৪৪ সালে তৈরি হয়েছে। 
- এই সমাধিক্ষেত্রগুলো Commonwealth War Graves Commission (CWGC) দ্বারা পরিচালিত হয়।
- প্রতি বছর নভেম্বর মাসে এ দুটি সমাধিক্ষেত্রে ধর্মীয় প্রার্থনাসভার আয়োজন করা হয়। 

সূত্র: চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা জেলা ওয়েবসাইট। 
৪৮.
কোন বাইজেন্টাইন সম্রাজ্ঞী নারীদের অধিকারের স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম শাসকদের একজন ছিলেন?
  1. জো
  2. ইউডোক্সিয়া
  3. আইরিন
  4. থিওডোরা
সঠিক উত্তর:
থিওডোরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থিওডোরা
ব্যাখ্যা
⇒ বাইজেন্টাইন সম্রাজ্ঞী নারীদের অধিকারের স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম শাসকদের একজন ছিলেন থিওডোরা।

বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য:
- বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য আনুমানিক ৩৯৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে - ১৪৫৩ সাল পর্যন্ত বিদ্যমান ছিল৷
- ১৫ শতকে অটোমান তুর্কি আক্রমণে পতনের আগে এটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান সভ্যতা ছিল।
- অঞ্চলটিকে সাধারণত পূর্ব রোমান সাম্রাজ্য বলা হত।
- ৪৭৬ সালে রোমের পতনের ফলে রোমান সাম্রাজ্যের পশ্চিম অর্ধেক শেষ হয় এবং পূর্ব অর্ধেক বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য হিসাবে পরিচালিত হয়।
- বাইজেনটাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল কনস্টান্টিনোপল।
- বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য ভূমধ্যসাগরের আশেপাশের বেশিরভাগ ভূমি জুড়ে ছিল, যার মধ্যে বর্তমানে ইতালি, গ্রীস এবং তুরস্ক এবং উত্তর আফ্রিকা।
- এই সাম্রাজ্যের সর্বশ্রেষ্ঠ সম্রাট ছিলেন জাস্টিনিয়ান।
- ১৪ শতকে অটোমান তুর্কিরা দখল করতে শুরু করে এবং ১৪৫৩ সালে এটি অটোমান নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।

তথ্যসূত্র -  Britannica.com
৪৯.
সর্বশেষ কোন দেশটি জাতিসংঘে যোগদান করে? (ডিসেম্বর, ২০২৪)
  1. সোমালিয়া
  2. সিয়েরা লিওন
  3. ক্যামেরুন
  4. দক্ষিণ সুদান
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ সুদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ সুদান
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

জাতিসংঘ:
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- এর আগে ১৯৪৫ সালের ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
- জাতিসংঘ সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।
- দাপ্তরিক ভাষা ৬টি।
- এগুলো হচ্ছে ইংরেজি, চীনা, স্প্যানিশ, ফরাসি, রুশ ও আরবি।
- জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। (নভেম্বর, ২০২৪)
- তিনি পর্তুগালের নাগরিক।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৫১টি।
- এর বর্তমান সদস্য ১৯৩টি। (নভেম্বর, ২০২৪)
- জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২ টি (ভ্যাটিকান ও ফিলিস্তিন)।
- জাতিসংঘের সর্বশেষ সদস্য দক্ষিণ সুদান।
- ২০১১ সালের ১৪ জুলাই, ১৯৩তম দেশ হিসেবে জাতিসংঘে যোগদান করে।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য দেশের সংখ্যা ১৫টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা ০৫টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা ১০টি।

তথ্যসূত্র- জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৫০.
জৈব-নিরাপত্তা বিষয়ক আন্তর্জাতিক চুক্তি কোনটি?
  1. মন্ট্রিল প্রটোকল
  2. ভিয়েনা কনভেনশন
  3. কিয়োটো প্রটোকল
  4. কার্টাগেনা প্রটোকল
সঠিক উত্তর:
কার্টাগেনা প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্টাগেনা প্রটোকল
ব্যাখ্যা
কার্টাগেনা প্রটোকল (Cartagena Protocol):
- কার্টাগেনা প্রোটকলের পূর্ণনাম - The Cartagena Protocol on Biosafety to the Convention on Biological Diversity.
- কার্টাগেনা প্রটোকল জৈব-নিরাপত্তা বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- এই চুক্তিটি কলম্বিয়ার কার্টাগেনাতে আলোচিত হয়।
- চুক্তি অনুমোদন - ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সাল।
- চুক্তি কার্যকর - ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সাল।

উল্লেখ্য,
- মন্ট্রিল প্রটোকল ওজোনস্তর সংরক্ষণ বিষয়ক একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
- জাতিসংঘ ওজোন স্তর সুরক্ষা ও নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কনভেনশন 'ভিয়েনা কনভেনশন'।
- কিয়োটো প্রটোকল গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস সংক্রান্ত একটি চুক্তি।

তথ্যসূত্র - কনভেনশন অন বায়ো-ডাইভার্সিটি (CBD) ওয়েবসাইট।
৫১.
ইউরোপোলের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. স্টকহোম
  2. হেলসিঙ্কি
  3. তাল্লিন
  4. হেগ
সঠিক উত্তর:
হেগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেগ
ব্যাখ্যা
ইউরোপোল:
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর পুলিশ সংস্থার নাম ইউরোপোল।
- ৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯২ সালে ম্যাসট্রিচট চুক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১ জুলাই, ১৯৯৯ সালে ইউরোপোল সম্পূর্ণরূপে চালু হয়।
- এর সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের হেগ-এ অবস্থিত।
- ইউরোপোলের প্রথম পরিচালক জার্গেন স্টরবেক।
- এর বর্তমান সদস্য ২৭টি দেশ। (ডিসেম্বর, ২০২৪)
- ইউরোপোলের নির্বাহী পরিচালক ক্যাথরিন ডি বোলে। (ডিসেম্বর, ২০২৪)

তথ্যসূত্র - ইউরোপোল ওয়েবসাইট।
৫২.
পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি কার্যকর হয় কত সালে?
  1. ১৯৬৮ সালে
  2. ১৯৬৯ সালে
  3. ১৯৭০ সালে
  4. ১৯৭১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭০ সালে
ব্যাখ্যা
'NPT' চুক্তি:
- NPT-এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি। (ডিসেম্বর, ২০২৪)

উল্লেখ্য,
- পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদক মোট রাষ্ট্রের সংখ্যা ৫টি।
- রাষ্ট্রগুলো হলো: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ এর মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে NPT দ্বারা পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হিসাবে স্বীকৃত রাষ্ট্র (NWS) হলো ৫টি।
- চুক্তিটি এই দেশগুলির পারমাণবিক অস্ত্রাগারকে স্বীকৃতি দেয়।
- কিন্তু NPT-এর ৬ অনুচ্ছেদের অধীনে তাদের চিরস্থায়ীভাবে এই ধরনের অস্ত্র তৈরি এবং বজায় রাখার উল্লেখ নেই।

অন্যদিকে,
⇒ ভারত, পাকিস্তান এবং ইসরায়েল কখনই NPT-এ যোগ দেয়নি।
- কিন্তু দেশগুলি পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী বলে পরিচিত।

⇒ উত্তর কোরিয়া একটি অ-পারমাণবিক অস্ত্র রাষ্ট্র হিসাবে NPT-এ যোগদান করেছিল।
- কিন্তু ২০০৩ সালে NPT থেকে প্রত্যাহারের ঘোষণা করেছিল।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশ পারমানবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে (NPT) স্বাক্ষর করে: ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ সালে।

তথ্যসূত্র - Arms Control Association ওয়েবসাইট & UNODA ওয়েবসাইট।
৫৩.
দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা Transparency International (TI) এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. জ্যাক ডরসি
  2. লেরি এলিসন
  3. পিটার ইজেন
  4. এন্ডি গ্রোভ
সঠিক উত্তর:
পিটার ইজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিটার ইজেন
ব্যাখ্যা
Transparency International:
- Transparency International (TI) জার্মান ভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা।
- এটি ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- TI এর প্রতিষ্ঠাতা পিটার ইজেন।
- এর সদর দপ্তর জার্মানির বার্লিন শহরে অবস্থিত।
- ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা।
- এটি ১৯৯৫ সাল থেকে প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী দুর্নীতি ধারণা সূচক (CPI) প্রকাশ করে আসছে।

তথ্যসূত্র - Transparency International ওয়েবসাইট।
৫৪.
নিচের কোন দেশটি ‘জি-জিরো’ ফোরামের সদস্য নয়? (ডিসেম্বর, ২০২৪)
  1. পানামা
  2. সুরিনাম
  3. মাদাগাস্কার
  4. নেপাল
সঠিক উত্তর:
নেপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেপাল
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

⇒ নেপাল ‘জি-জিরো’ ফোরামের সদস্য নয়।

‘জি-জিরো’ ফোরাম:
- পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ যখন গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমাতে যুদ্ধ করছে তখন চারটি ছোট কার্বন-নেতিবাচক দেশ এক হয়ে গঠন করলো 'জি জিরো' ফোরাম।
- চারটি দেশ হলো: ভুটান, মাদাগাস্কার, পানামা এবং সুরিনাম।
- ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, সুরিনামের প্রেসিডেন্ট চান সানতোখি, মাদাগাস্কারের প্রধানমন্ত্রী ও পানামার বিশেষ দূত এই যৌথ ঘোষণায় সই করেন।
- ঐতিহাসিক এই ঘোষণা সাক্ষরকালে সেখানে উপস্থিত ছিলেন সাউথ এশিয়ান ক্লাইমেট চেঞ্জ জার্নালিষ্ট ফোরামের প্রেসিডেন্ট আশিস গুপ্ত, এক্সিকিউটিভ প্রেসিডেন্ট কেরামত উল্লাহ বিপ্লব, কোষাধ্যক্ষ মাসুম বিল্লাহসহ সাংবাদিক সংগঠনটির ৬ সদস্য।
- আজারবাইজানের বাকুতে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন কপ-২৯।
- এ সম্মেলনে ভুটানের উদ্যোগে গঠিত হয়েছে 'জি জিরো' ফোরাম।
- এই ফোরামের দেশগুলো জলবায়ু সুরক্ষার যুদ্ধকে এগিয়ে নিতে একসাথে কাজ করতে যৌথ ঘোষণাও দিয়েছে।
- এই গোষ্ঠী গঠনে বিশেষ ভূমিকা নিয়েছে পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী দেশ ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে।

 তথ্যসূত্র - Carbon Pulse.
৫৫.
সর্বপ্রথম কোন দেশ স্বেচ্ছায় গর্ভপাতের অধিকারকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেয়?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. রাশিয়া
  3. ইতালি
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

ফ্রান্সে গর্ভপাতকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি:

- ফ্রান্স বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে গর্ভপাতকে সাংবিধানিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
- ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর দেশটির পার্লামেন্টে এ সংক্রান্ত একটি বিল পাস হয়।
- বিলটির পক্ষে ভোট দেন ৭৮০ জন আইনপ্রণেতা, বিপক্ষে ভোট দেন ৭২ জন।
- ১৯৭৫ সাল থেকে ফ্রান্সে গর্ভপাত বৈধ হলেও এটি সাংবিধানিক অধিকার ছিল না। ফ্রান্সের জনগণের দাবির ভিত্তিতে এটি সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, ফ্রান্সের প্রায় ৮৫ শতাংশ মানুষ মনে করেন, গর্ভপাত করা একজন নারীর একান্ত ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত।
- ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ এই সিদ্ধান্তকে ফ্রান্সের জন্য গর্বের বিষয় হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
- তিনি বলেন, এর মধ্য দিয়ে বিশ্বকে একটি শক্তিশালী বার্তা দেওয়া হয়েছে যে নারীর শরীর এবং সিদ্ধান্ত তার নিজস্ব অধিকার।
- ১৯৫৮ সালে ফ্রান্সের সংবিধান প্রণীত হওয়ার পর এই সংশোধনীটি ২৫তম সংশোধনী।
- সর্বশেষ ২০০৮ সালে সংবিধানে পরিবর্তন আনা হয়েছিল।
- এই সংশোধনী নারীর অধিকার সুরক্ষায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
- ফ্রান্সের এই পদক্ষেপ নারীর অধিকার রক্ষায় একটি দৃষ্টান্তমূলক উদাহরণ।
- বেশিরভাগ মানুষ এবং মানবাধিকার সংগঠন এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানালেও গর্ভপাতবিরোধী সংগঠনগুলো এর সমালোচনা করেছে।
- প্যারিসের আইফেল টাওয়ারে আলো জ্বালিয়ে একটি বার্তা প্রদর্শিত হয়: 'শরীর আমার, সিদ্ধান্তও আমার।'

তথ্যসূত্র - DW ওয়েবসাইট।
৫৬.
MIGA বর্তমান সদস্য সংখ্যা কত? (ডিসেম্বর, ২০২৪)
  1. ১৮০টি
  2. ১৮১টি
  3. ১৮২টি
  4. ১৮৩টি
সঠিক উত্তর:
১৮২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮২টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

MIGA:

- MIGA (Multilateral Investment Guarantee Agency) বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৮৮ সালের ১২ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ MIGA এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।
- এটির বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৮২টি। (ডিসেম্বর, ২০২৪)
- MIGA বৈদেশিক বিনিয়োগে মধ্যস্থতা এবং গ্যারান্টি প্রদানের মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সহায়তা করে থাকে।

তথ্যসূত্র - বিশ্বব্যাংক গ্রুপ ওয়েবসাইট।
৫৭.
মন্ট্রিল প্রটোকল মোট কতবার সংশোধন করা হয়?
  1. ৬ বার
  2. ৭ বার
  3. ৮ বার
  4. ৯ বার
সঠিক উত্তর:
৬ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বার
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

মন্ট্রিল প্রটোকল:

- Montreal Protocol-এর পূর্ণরূপ: The Montreal Protocol on Substances that Deplete the Ozone Layer.
- মন্ট্রিল প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: ওজোন স্তরের সুরক্ষা।
- বায়ুমন্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার স্তরে অবস্থিত ওজোন স্তর।
- এই প্রটোকলে ওজোন স্তরের ক্ষতিকর পদার্থ নিঃসরণ বন্ধ বা কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।
⇒ চুক্তি গৃহীত হয়: ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ জানুয়ারী, ১৯৮৯ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মন্ট্রিল, কানাডা।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ: ২০০টি।
- চুক্তি অনুমোদনকারী দেশ: ১৯৮টি।

উল্লেখ্য,
⇒ ১৯৮৯ সাল থেকে মন্ট্রিল প্রটোকল ৬ বার সংশোধন করা হয়। এগুলো হলো:
- London amendment 1990,
- Copenhagen amendment 1992,
- Vienna amendment 1995,
- Montreal amendment 1997,
- Beijing amendment 1- Kigali amendment 2016.

তথ্যসূত্র - UNEP ওয়েবসাইট & Ozone Secretariat।999.
৫৮.
২০২৪ সালে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (TI) কর্তৃক প্রকাশিত দুর্নীতি সূচকে দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে কম দুর্নীতির দেশ কোনটি?
  1. ভুটান
  2. ভারত
  3. মালদ্বীপ
  4. নেপাল
সঠিক উত্তর:
ভুটান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভুটান
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

দুর্নীতি সূচক ২০২৪:

- ৩০ জানুয়ারি, ২০২৪ তারিখে জার্মানির বার্লিনভিত্তিক দুর্নীতি বিরোধী সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (TI) কর্তৃক প্রকাশিত দুর্নীতি সূচক প্রকাশ করে।
- বাংলাদেশের অবস্থান ১৪৯ তম।

কম দুর্নীতির দেশ:
• প্রথম - ডেনমার্ক।
• দ্বিতীয় - ফিনল্যান্ড।
• তৃতীয় - নিউজিল্যান্ড।

সবচেয়ে বেশি দুর্নীতির দেশ:
• প্রথম - সোমালিয়া।
• দ্বিতীয় - ভেনেজুয়েলা, সিরিয়া ও দক্ষিণ সুদান।
• তৃতীয় - ইয়েমেন।

দক্ষিণ এশিয়ার কম দুর্নীতির দেশসমূহ:
• ভুটান - ২৬।
• ভারত - ৯৩।
• মালদ্বীপ - ৯৩।
• নেপাল - ১০৮।
• শ্রীলংকা - ১১৫।
• পাকিস্তান - ১৩৩।
• বাংলাদেশ - ১৪৯।
• আফগানিস্তান - ১৬২।

তথ্যসূত্র - ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল ওয়েবসাইট।
৫৯.
সরাসরি মুদ্রিত পাঠ্য ইনপুট করতে নিচের কোন ডিভাইসটি ব্যবহার করা যেতে পারে?
  1. OEMC
  2. OMR
  3. OCR
  4. MICR
সঠিক উত্তর:
OCR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
OCR
ব্যাখ্যা
• ওসিআর (OCR):
- OCR মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- OCR-এর পূর্ণরূপ Optical Character Reader/Recognition.
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।

• অন্যান্য অপশন সমূহ সম্পর্কে আলোচনা:
• ওএমআর (OMR):
- OMR হলো বিশেষ এক ধরনের ইনপুট ডিভাইস যার পুরো নাম হচ্ছে Optical Mark Reader.
- এটি এমন এক ধরনের আলোক সংবেদনশীল স্ক্যানার যন্ত্র, যা কলম বা পেনসিল দিয়ে বিশেষ কাগজে দাগাঙ্কিত কোনো পূর্বে নির্ধারিত চিহ্নকে (যেমন- গোলাকার বা বর্গাকার) রিড করে সংশ্লিষ্ট চিহ্ন দ্বারা নির্ধারিত তথ্য কম্পিউটারে প্রেরণ করে।

• এমআইসিআর (MICR):
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬০.
SR ফ্লিপ-ফ্লপ-এ SR বলতে কী বোঝায়?
  1. Set and Reset
  2. Set and Run
  3. Shift and Reset
  4. Switch and Reset
সঠিক উত্তর:
Set and Reset
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Set and Reset
ব্যাখ্যা
• ফ্লিপ-ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত সিঙ্গেল বিট নিয়ে কাজ করে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত মাল্টিপল বিট নিয়ে কাজ করতে পারেনা।
- এটি এক বিট 0 অথবা 1 হতে পারে।
- এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়।

• ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার:
১. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

ফ্লিপ-ফ্লপের প্রকারভেদ ফ্লিপ-ফ্লপ সাধারণত ৫ প্রকার।
যথা-
১. SR ফ্লিপ-ফ্লপ,
২. D ফ্লিপ-ফ্লপ,
৩. JK ফ্লিপ-ফ্লপ,
৪ . T ফ্লিপ-ফ্লপ ও 
৫. মাস্টার-স্লেভ ফ্লিপ-ফুপ।

SR ফ্লিপ-ফ্লপ:
- SR ফ্লিপ-ফ্লপ সবচেয়ে সরলতম ফ্লিপ-ফ্লপ হলো SR ল্যাচ বা SET-RESET বা SR ফ্লিপ-ফ্লপ।
- দুটি ন্যান্ড (NAND) গেইট অথবা নর গেইট (NOR) এমনভাবে যুক্ত থাকে যে একটির ইনপুট অন্যটির আউটপুটের সাথে সংযুক্ত অর্থাৎ ক্রস কাপলড (Cross Coupled) ভাবে সংযুক্ত থাকে।
- ন্যান্ড (NAND) বা নর (NOR) গেইট ব্যবহার করে SR ল্যাচ তৈরি করা যেতে পারে।
- SR ল্যাচে আউটপুট অবস্থাকে 1 বা HIGH করাকে সেট এবং ০ বা LOW করাকে রিসেট বলে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬১.
কম্পিউটারের মূল মেমোরি তৈরিতে কী ব্যবহৃত হয়?
  1. অ্যালুমিনিয়াম
  2. প্লাস্টিক
  3. গ্যালিয়াম
  4. সিলিকন
সঠিক উত্তর:
সিলিকন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলিকন
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারের মেমোরি:
- কম্পিউটারের প্রাইমারি মেমোরি বা মূল মেমোরি 'সিলিকন' নামক পদার্থ দিয়ে তৈরি করা হয়। 
- সিলিকনের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি- ইলেকট্রনিক্স শিল্পে। 
- আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট বা আইসি। 
- সিলিকন নামক মৌলটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়- কম্পিউটারের চিপ তৈরিতে। 
- সিলিকন অন্যান্য উপাদানের তুলনায় অপেক্ষাকৃত সাশ্রয়ী, সহজলভ্য এবং অন্য উপাদানের সাথে সহজে ব্যবহার করা যায় বলে কম্পিউটারের চিপ, টানজিস্টর সিলিকন ডায়েড, মেমোরি এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক্স সার্কিট তৈরিত ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবর রহমান)।
৬২.
"Nanotechnology" - এর জনক কে?
  1. Alec Jeffreys
  2. laureate Richard
  3. Paul Berg
  4. John McCarthy
সঠিক উত্তর:
laureate Richard
উত্তর
সঠিক উত্তর:
laureate Richard
ব্যাখ্যা
• ন্যানো টেকনোলজি:
- ন্যানো টেকনোলজি বা ন্যানো প্রযুক্তি হলো পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে অতিক্ষুদ্র ডিভাইস (যেমন- রোবোট) তৈরি করার জন্য ধাতব ও বস্তুকে সুনিপুণভাবে কাজে লাগানোর বিজ্ঞান। 
- ন্যানো টেকনোলজিকে সংক্ষেপে ন্যানোটেক বলা হয়ে থাকে। 
- আমেরিকান পদার্থবিদ লাওরিয়েট রিচার্ড ফাইনম্যান (laureate Richard Feynman) ১৯৫৯ সালের ২৯ ডিসেম্বর তার "There's Plenty of Room at the Bottom" আলোচনায় ন্যানো টেকনোলজি সম্পর্কে সর্বপ্রথম ধারণা দেন। 
- যেখানে তিনি পরমাণুর প্রত্যক্ষ ম্যানিপুলেশনের মাধ্যমে সংশ্লেষণের সম্ভাবনা বর্ণনা করেছিলেন।
- তাই রিচার্ড ফাইনম্যান (Richard Feynman) কে ন্যানো প্রযুক্তির জনক বলা হয়।

অন্যদিকে, 
- Alec Jeffreys কে ডিএনএ ফিঙ্গার প্রিন্টের জনক বলা হয়। 
- Paul Berg জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর জনক। 
- John McCarthy কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক। 

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (মাহবুবুর রহমান)।
৬৩.
অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমটি কোন কোম্পানি দ্বারা বাজারজাত করা হয়?
  1. অ্যাপল
  2. গুগল
  3. মাইক্রোসফট
  4. আইবিএম
সঠিক উত্তর:
গুগল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুগল
ব্যাখ্যা
• Android মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমটি বাজারজাত করে -গুগল।

- অ্যান্ড্রয়েড হলো সেলুলার টেলিফোন এবং ট্যাবলেট কম্পিউটারের জন্য অপারেটিং সিস্টেম।
- অ্যানড্রয়েড 2003 সালে আমেরিকান প্রযুক্তি কোম্পানি অ্যান্ড্রয়েড ইনকর্পোরেটেডের একটি প্রকল্প হিসেবে ডিজিটাল ক্যামেরার জন্য একটি অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করতে শুরু করে।
- 2004 সালে প্রকল্পটি স্মার্টফোনের জন্য একটি অপারেটিং সিস্টেমে পরিণত হয়।
- 2005 সালে আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. 'Android' মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমটি ক্রয় করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬৪.
নিচের কোন ফাইল এক্সটেনশন সাধারণত কমপ্রেস্ড ফাইলের সাথে সম্পর্কিত নয়?
  1. .bak
  2. .tar
  3. .rar
  4. .7z
সঠিক উত্তর:
.bak
উত্তর
সঠিক উত্তর:
.bak
ব্যাখ্যা
• ".bak" - ফাইল এক্সটেনশন সাধারণত কমপ্রেস্ড ফাইলের সাথে সম্পর্কিত নয়।

(1) Document File Extensions:

.docx – Microsoft Word document
.xlsx – Microsoft Excel spreadsheet
.pptx – Microsoft PowerPoint presentation
.pdf – Portable Document Format
.txt – Plain text file
.rtf – Rich Text Format
.odt – OpenDocument Text document
.md – Markdown text file

(2) Image File Extensions:
.jpg / .jpeg – JPEG image
.png – Portable Network Graphics image
.gif – Graphics Interchange Format image
.bmp – Bitmap image
.tiff – Tagged Image File Format
.svg – Scalable Vector Graphics image
.webp – WebP image format
.ico – Icon file

(3) Audio File Extensions:
.mp3 – MPEG Audio Layer 3
.wav – Waveform Audio File Format
.ogg – Ogg Vorbis audio file
.flac – Free Lossless Audio Codec
.aac – Advanced Audio Codec
.m4a – MPEG-4 Audio
.wma – Windows Media Audio

(4) Video File Extensions:
.mp4 – MPEG-4 video file
.avi – Audio Video Interleave file
.mkv – Matroska video file
.mov – QuickTime movie file
.wmv – Windows Media Video file
.flv – Flash Video file
.webm – WebM video file

(5) Archive/Compressed File Extensions:
.zip – ZIP archive
.rar – RAR archive
.tar – Tape Archive file
.7z – 7-Zip compressed archive
.gz – Gzip compressed file
.iso – Disk image file (ISO format)
.tar – Tarball archive with Gzip compression

(6) Web File Extensions:
.html – HyperText Markup Language file
.css – Cascading Style Sheets
.js – JavaScript file
.json – JavaScript Object Notation file
.php – PHP script file
.xml – Extensible Markup Language file
.asp – Active Server Page
.cgi – Common Gateway Interface script

(7) Database File Extensions:
.sql – SQL database file
.db – Database file (e.g., SQLite)
.mdb – Microsoft Access database file
.accdb – Microsoft Access 2007+ database file
.bak – Backup file (often for databases)
.frm – MySQL database format file

(8) System File Extensions:
.dll – Dynamic Link Library (Windows)
.sys – System file (Windows)
.ini – Initialization file
.log – Log file
.cfg – Configuration file
.dat – Data file (various programs)

(9) Font File Extensions:
.ttf – TrueType font
.otf – OpenType font
.woff – Web Open Font Format
.eot – Embedded OpenType font
.fnt – Font file

(10) Backup File Extensions:
.bak – Backup file
.backup – Backup file (generic)
.bkp – Backup file
.dmg – Mac disk image (also used for backup)
.vhd – Virtual Hard Disk file

Source: Microsoft Support
৬৫.
এনকোডারে ইনপুট D0 = 1, D1 = 0, D2 = 0, D3 = 0, D4 = 0, D5 = 0, D6 = 0, D7 = 0 হলে, আউটপুট যথাক্রমে X, Y, Z কত হবে?
  1. 1, 0, 0
  2. 0, 1, 0
  3. 0, 0, 0
  4. 1, 0, 1
সঠিক উত্তর:
0, 0, 0
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0, 0, 0
ব্যাখ্যা
• এনকোডারে ইনপুট D0 = 1, D1 = 0, D2 = 0, D3 = 0, D4 = 0, D5 = 0, D6 = 0, D7 = 0 হলে, আউটপুট যথাওক্রমে X = 0, Y = 0, Z = 0 হবে।

• এনকোডার:
- এনকোডার এক ধরনের সমবায় সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী, যা মানুষের ব্যবহৃত বিভিন্ন আলফানিউমেরিক বর্ণ, বিশেষ চিহ্ন, টেক্সট, অডিও ও ভিডিও ইত্যাদিকে ডিজিটাল সিস্টেমের বোধগম্য কোডে রূপান্তর করে।
- এনকোডার এমন একটি সমবায় সার্কিট যার দ্বারা সর্বাধিক 2n টি ইনপুট থেকে n টি আউটপুট লাইনে 0 বা 1 আউটপুট পাওয়া যায়।
- যদি 23 = 8টি ইনপুট হয় তাহলে 3টি আউটপুট হবে।

- যে কোন মুহূর্তে একটি মাত্র ইনপুট 1 ও বাকি সব ইনপুট 0 থাকে।
- এনকোডার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। যেমন: 4 থেকে 2 এনকোডার, 8 থেকে 3 এনকোডার ইত্যাদি।
- এনকোডারের সাহায্যে যে কোন আলফানিউমেরিক বর্ণকে অ্যাসকি, ইবিসিডিক ইত্যাদি কোডে পরিণত করা যায়। সেজন্য ইনপুট ব্যবস্থায় কী-বোর্ডের সঙ্গে এনকোডার যুক্ত থাকে।



উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৬.
ডিস্ক ডিফ্রেগমেন্টার ব্যবহার করা হয় -
  1. ভাইরাস দূর করতে
  2. ডিস্ক ফরম্যাট করতে
  3. খারাপ সেক্টরসমূহ পরীক্ষা করতে
  4. হার্ডডিস্কের ডেটাসমূহ সাজিয়ে রাখতে
সঠিক উত্তর:
হার্ডডিস্কের ডেটাসমূহ সাজিয়ে রাখতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হার্ডডিস্কের ডেটাসমূহ সাজিয়ে রাখতে
ব্যাখ্যা
ডিস্ক ডিফ্রেগমেন্টার:
- ডিস্ক ডিফ্রেগমেন্টার শুধুমাত্র হার্ডডিস্কের ডেটাসমূহ বা তথ্যসমূহ সাজিয়ে রাখে।
- ফলে প্রক্রিয়াকরণের সময় কম্পিউটার তাড়াতাড়ি প্রয়োজনীয় ডেটাসমূহ খুঁজে পায়।
- এতে প্রোগ্রাম লোড হতে কম সময় লাগে এবং প্রোগ্রাম দ্রুত রান হয় বিধায় কম্পিউটারের স্পিড ঠিক থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)। 
৬৭.
পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজে 5 এর ডাটা টাইপ কোনটি?
  1. str
  2. float
  3. bool
  4. int
সঠিক উত্তর:
int
উত্তর
সঠিক উত্তর:
int
ব্যাখ্যা
পাইথন (Python):
- পাইথন হচ্ছে প্রোগ্রামিং ভাষাসমূহের অন্যতম হাই-লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ভাষা।
- ডাইনামিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনসহ অনেক সফটওয়্যার বানাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
- ১৯৮৯ সালে নেদারল্যান্ডের বিজ্ঞানী ভ্যান রোসাম (Van Rossum) এ ভাষাটি রচনা করেন।
- পাইথনের কোর সিনট্যাক্স খুবই সংক্ষিপ্ত, তবে ভাষাটির স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি অনেক সমৃদ্ধ।
- অন্যান্য ল্যাঙ্গুয়েজের যতরকম ফিচার বা নতুন নতুন সাপোর্ট আসে, সবই পাইথনে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়।
- সাধারণত দ্রুত সফটওয়‍্যার নির্মাণের জন্য পাইথন ব্যবহৃত হয়।
- যে সমস্ত বড় প্রতিষ্ঠান পাইথন ব্যবহার করে, তাদের মধ্যে গুগল ও নাসা উল্লেখযোগ্য।
- ২০১৮ সালে এটি IEEE কর্তৃক সর্বশ্রেষ্ঠ প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- এটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে চলে এবং ক্লাউডভিত্তিক ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন, ডেটা অ্যানালাইসিস ও মেশিন লার্নিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

• Python-এ 5 এর ডেটা টাইপ হলো int।

কারণ:
• int মানে ইন্টিজার বা পূর্ণসংখ্যা। 5 একটি পূর্ণসংখ্যা, যা দশমিকবিহীন এবং এতে কোনো ভগ্নাংশ নেই। Python সংখ্যাগুলোকে ডেটা টাইপ অনুযায়ী শ্রেণীবদ্ধ করে।

এখন বাকি অপশনগুলো ব্যাখ্যা করা যাক:
- str (স্ট্রিং): এটি টেক্সট বা অক্ষরযুক্ত মানের জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: '5' বা "Hello".
- float: এটি দশমিক সংখ্যার জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: 5.0.
- bool: এটি বুলিয়ান মানের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেমন True বা False.
- তাই, 5 একটি পূর্ণসংখ্যা এবং এর ডেটা টাইপ int।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ মাহবুবুর রহমান।
৬৮.
স্লাইড রুল কোন ধরনের কম্পিউটার?
  1. মিনি কম্পিউটার
  2. অ্যানালগ কম্পিউটার
  3. হাইব্রিড কম্পিউটার
  4. ডিজিটাল কম্পিউটার
সঠিক উত্তর:
অ্যানালগ কম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যানালগ কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• অ্যানালগ কম্পিউটার (Analog Computer): 
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে, সেসব কম্পিউটারকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটারে বর্ণ বা অংকের পরিবর্তে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল বা অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মিটার, ওসিলোসকোপ ইত্যাদিতে প্রদর্শিত হয়।
- মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার, স্লাইড রুল, অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ।

• স্লাইড রুল (Slide Rule):
- ১৬৩২ সালে উইলিয়াম অডরেট (William Oughtred) নামের একজন ইংরেজ গণিতবিদ নেপিয়ারের লগারিদম ব্যবহার করে স্লাইড রুল আবিষ্কার করেন।
- পরবর্তীতে আইজ্যাক নিউটন ও অ্যামিদি মেন হেইম এর উন্নতি সাধন করেন।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৯.
MS PowerPoint এ Slide Show করার জন্য কোন ফাংশন কী ব্যবহৃত হয়?
  1. F8
  2. F6
  3. F5
  4. F7
সঠিক উত্তর:
F5
উত্তর
সঠিক উত্তর:
F5
ব্যাখ্যা
• ফাংশন কী:
- কম্পিউটারে মোট ১২ টি ফাংশন কী আছে। তথ্য সংযোজন, বিয়োজন বা নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাংশন কী ব্যবহার করা হয়।

কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
• F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F1 দিয়ে আমরা কম্পিউটার রানিং করতে পারি।
- এক্সেল এবং ওয়ার্ডে রিবন মেনু লুকিয়ে ডাটা প্রদর্শন করে।
  
• F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- Alt+Ctrl+F2 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের নতুন ফাইল খোলা। 
- Ctrl+F2 চেপে ওয়ার্ডে প্রিন্ট প্রিভিউ (print preview) দেখা।

• F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Shift+F3 চেপে ওয়ার্ডের ক্যাপিটাল ওয়ার্ড থেকে স্মল ওয়ার্ডে লেখা। 
- প্রত্যেক শব্দের প্রথম অক্ষর বড় হাতের বর্ণ করা যায়। 
- MS-DOS এ ব্যবহার করে লাস্ট কম্যান্ড লাইন রিপিট করা যায়।
- ফায়ারফক্স এবং গুগল ক্রোমে অনুসন্ধান করার অপশন খোলে।

• F4 last action performed repeat করা যায়।
- Alt-F4 চেপে স্পক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।

• F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- পাওয়ার পয়েন্টের স্লাইড শো শুরু করা যায়। 
- মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে find, replace, go to উইন্ডো খোলা হয়।
- Ctrl + F5 একটি ওয়েব পৃষ্ঠা সম্পূর্ণরূপে রিফ্রেশ করবে, ক্যাশে ক্লিন করবে এবং পুনরায় ডাউনলোড করবে।

• F6 মাউসের কারসরকে ইন্তারনেট ব্রাইজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- Ctrl+Shift+F6 চেপে ওয়ার্ডে খোলা অন্য ডকুমেন্টটি সক্রিয় করা হয়।

• F7 বানান ও ব্যকরণ ঠিক করা হয়।
- মজিলা ফায়ার ফক্সের Caret browsing চালু করা যায়। 
- Shift+F7 চেপে ওয়ার্ডে কোনো নির্বাচিত শব্দের প্রতিশব্দ, বিপরীত শব্দ, শব্দের ধরন ইত্যাদি জানার অভিধান (Dictionary) চালু করা যায়।
 
• F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।]

• F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্টকে রিফ্রেশ (Refresh) করতে ব্যবহার করা হয়।
- Microsoft Outlook এ ইমেল পাঠায় এবং গ্রহণ করে।

• F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- Shift + F10 = রাইট-ক্লিক। অর্থাৎ (Shift + F10) রাইট ক্লিকের মতো কাজ করে।

• F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- Shift + F11 এক্সেলে একটি নতুন স্প্রেডশীট যোগ করে। 
- সমস্ত খোলা উইন্ডো লুকিয়ে রাখে

• F12 ইংরেজি থকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Shift+F12 কী চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের ফাইল সেভ করা হয়। 
- Ctrl + F12 কী চেপে MS Word এর নতুন ফাইল খলার জন্য ব্যাবহার করা হয়।
- Ctrl+Shift+F12 চেপে ওয়ার্ড (Microsoft Word) ফাইল প্রিন্ট করা হয়।

Source: Microsoft Support
৭০.
কোন পদ্ধতিতে কোনো ডেটা টেবিলের একাধিক রেকর্ড অন্য টেবিলের একটি রেকর্ডের সাথে রিলেশন রক্ষা করে?
  1. Many to One
  2. Many to Many
  3. One to One
  4. One to Many
সঠিক উত্তর:
Many to One
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Many to One
ব্যাখ্যা
• ডেটাবেজ রিলেশনের প্রকারভেদ:
একাধিক ডেটা ফাইলের মধ্যে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনে প্রাইমারি কী ফিল্ডের ভিত্তিতে রিলেশন স্থাপন করা যায়। ডাটাবেজের অন্তর্গত ডাটা ফাইলের মধ্যকার রিলেশনকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন:

One to One রিলেশন:
- যদি কোনো ডেটাবেজের কোনো একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন। 

One to Many রিলেশন:
- যদি কোনো ডেটাবেজের কোনো একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব। 

Many to One রিলেশন:
- যদি কোনো একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়। 

Many to Many রিলেশন:
- যদি কোনো ডেটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডেটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোনো ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭১.
বৈদ্যুতিক পাখার গতি এক ধরনের -
  1. স্পন্দন গতি
  2. রৈখিক গতি
  3. পর্যায়বৃত্ত গতি
  4. উপবৃত্তাকার গতি
সঠিক উত্তর:
পর্যায়বৃত্ত গতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্যায়বৃত্ত গতি
ব্যাখ্যা
পর্যাবৃত্ত গতি: 
- কোনো গতিশীল বস্তু যদি একই পথ বারবার অতিক্রম করে তাহলে সে গতিকে পর্যাবৃত্ত গতি বলে। 
- ঘড়ির কাঁটার গতি লক্ষ্য করলে দেখা যায়, সেকেন্ডের কাটাটি প্রতি এক মিনিটে একবার এর কেন্দ্র বিন্দুর চারদিকে ঘুরে আসে। 
- ঘড়ির কাঁটাটি বারবার একটি পথে ঘুরছে অর্থাৎ এর গতির পুনরাবৃত্তি ঘটছে। এ ধরনের গতি হলো পর্যাবৃত্ত গতি। 
- বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় চারপাক দৌড়ের একজন প্রতিযোগী একই দিক থেকে চারবার অতিক্রম করে যা একটি পর্যাবৃত্ত গতি। 
- ঘড়ির কাঁটার গতি, পাকদৌড়ের গতি, বৈদ্যুতিক পাখার গতি হলো পর্যাবৃত্ত গতি। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
৭২.
নিচের কোন প্রোটিন দিয়ে 'রেশম তন্তু' তৈরি হয়? 
  1. ফাইব্রেয়ন
  2. প্রোলামিন
  3. প্রোটামিন
  4. অ্যালবিউমিন
সঠিক উত্তর:
ফাইব্রেয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফাইব্রেয়ন
ব্যাখ্যা
রেশম: 
- সৌন্দর্য ও গুণে রেশমের তৈরি পোশাক আসলে রাজকীয় পোশাক। 
- রেশমকে তন্তুর রাণি বলা হয়। 
- রেশম বা পলু পোকা নামের এক জাতীয় পোকার গুটি বা কোকুন থেকে রেশম বা সিল্ক তন্তু আহরণ করা হয়ে থাকে। 
- বাংলাদেশের রাজশাহী জেলায় রেশমের চাষ করা হয়। 

- রেশম রাজকীয় তন্তু কিন্তু পানি ধারণক্ষমতা অত্যধিক হওয়ায় রেশমের তৈরি পোশাক পানি দিয়ে ধোয়া যায় না। 
- এগুলো হচ্ছে পলু পোকার মুখ নিসৃত লালা যা আপন শরীরের চারপাশে এরা বুনতে থাকে। 
- রেশম তন্তু 'ফাইব্রেয়ন' নামক প্রোটিন জাতীয় পদার্থ দিয়ে তৈরি। 
- প্রাকৃতিক প্রাণিজ তন্তুর মধ্যে রেশমই সবচেয়ে হালকা, শক্ত ও দীর্ঘ। 
- সিল্কের শক্তিমাত্রা, দৃড়তা, মসৃণতা এবং কোমল অনুভবতা বৈশিষ্ট্য দীর্ঘকাল ধরে সুপরিচিত। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৩.
দুটি স্বচ্ছ মাধ্যমের বিভেদ তলে আলোক রশ্মির দিক পরিবর্তনের ঘটনাকে কী বলে? 
  1. প্রতিসরণ
  2. প্রতিফলন
  3. অপবর্তন
  4. পোলারন
সঠিক উত্তর:
প্রতিসরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিসরণ
ব্যাখ্যা
প্রতিসরণ (Refraction): 
- কোনো সমসত্ব ও স্বচ্ছ মাধ্যমে আলো সরলরেখায় চলে। এর গতির কোন পরিবর্তন হয় না। 
- কিন্তু আলো যখন এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে প্রবেশ করে তখন এর গমন পথ বেঁকে যায় (আলো লম্বভাবে মাধ্যম পরিবর্তন করলে দিক পরিবর্তন হয় না তবে বেগের পরিবর্তন হয়)। 
- এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে যাওয়ার সময় দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে তীর্যকভাবে আপতিত আলোক রশ্মির দিক পরিবর্তনের ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে। 
অর্থাৎ, দুটি স্বচ্ছ মাধ্যমের বিভেদ তলে আলোক রশ্মির দিক পরিবর্তনের ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে। 
- বিভেদ তলের উপর আপতন বিন্দুতে অঙ্কিত লম্বকে অভিলম্ব বলে। 
- আপতন বিন্দুতে আপতিত রশ্মি ও অভিলম্বের মধ্যে সৃষ্ট কোণকে আপতন কোণ এবং প্রতিসরিত রশ্মি ও অভিলম্বের মধ্যে সৃষ্ট কোণকে প্রতিসরণ কোণ বলে। 

প্রতিসরণের সূত্র (Laws of Refraction): 
- আলোর প্রতিসরণ দু'টি সূত্র মেনে চলে এদের প্রতিসরণের সূত্র বলে। 
- সূত্র দু'টি হলো - 
(১) দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে আপতিত রশ্মি, আপতন বিন্দুতে অঙ্কিত অভিলম্ব এবং প্রতিসরিত রশ্মি একই সমতলে অবস্থান করে। 
(২) এক জোড়া নির্দিষ্ট মাধ্যম এবং নির্দিষ্ট বর্ণের আলোর জন্য আপতন কোণের সাইন এবং প্রতিসরণ কোণের সাইনের অনুপাত সর্বদা ধ্রুব। 
অর্থাৎ, sin i/sin r = একটি ধ্রুব (সংখ্যা)। 
- প্রতিসরণের দ্বিতীয় সূত্রটি জার্মান বিজ্ঞানী স্নেলের নামানুসারে স্নেলের সূত্র নামে অভিহিত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৪.
সম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিড কোনটি? 
  1. অলিয়িক এসিড
  2. অক্সালিক এসিড
  3. স্টিয়ারিক এসিড
  4. লিনোলিক এসিড
সঠিক উত্তর:
স্টিয়ারিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টিয়ারিক এসিড
ব্যাখ্যা
ফ্যাটি এসিড: 
- অ্যালিফেটিক এসিডের অণুতে একটি মাত্র কার্বক্সিলমূলক থাকলে এদেরকে মনোকার্বক্সিল এসিড বলে। 
- অ্যালিফেটিক মনোকার্বক্সিলিক এসিড শ্রেণীকে ফ্যাটি এসিডও বলা হয়। 
- সম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিডের সাধারণ সংকেত হল CnH2n+1COOH. 
- ফ্যাটি এসিড সম্পৃক্ত ও অসম্পৃক্ত উভয় প্রকার হতে পারে। 
যেমন- 
সম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিড: 
(১) প্রোপানোয়িক এসিড, 
(২) স্টিয়ারিক এসিড
(৩) পামিটিক এসিড। 

অসম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিড: 
(১) অক্সালিক এসিড, 
(২) অলিয়িক এসিড, 
(৩) লিনোলিক এসিড। 
- অসম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিডের কার্বন শিকলে এক বা একাধিক দ্বি-বন্ধন থাকে। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)।
৭৫.
সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল কোনটি? 
  1. মহাকর্ষ বল
  2. তড়িৎ চৌম্বক বল
  3. দুর্বল নিউক্লিয় বল
  4. সবল নিউক্লিয় বল
সঠিক উত্তর:
সবল নিউক্লিয় বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবল নিউক্লিয় বল
ব্যাখ্যা
সবল নিউক্লিয় বল: 
- সবল নিউক্লিয় বল হচ্ছে সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল। 
- এটি তড়িৎ চৌম্বক বল থেকেও একশ গুণ বেশি শক্তিশালী। কিন্তু এটা খুবই অল্প দূরত্বে (10-15m) কাজ করে। 
- পরমাণুর কেন্দ্রে যে নিউক্লিয়াস রয়েছে তার ভেতরকার প্রোটন এবং নিউট্রনের নিজেদের মাঝে এই প্রচণ্ড শক্তিশালী বল কাজ করে নিজেদের আটকে রাখে। 
- প্রচণ্ড বলে আটকে থাকার কারণে এর মাঝে অনেক শক্তি জমা থাকে। 
- তাই বড় নিউক্লিয়াসকে ভেঙে কিংবা ছোট নিউক্লিয়াসকে জোড়া দিয়ে এই বলের কারণে অনেক শক্তি তৈরি করা সম্ভব। 
- নিউক্লিয়ার বোমা সে জন্য এত শক্তিশালী। 
- সূর্য থেকে আলোর তাপও এই বল দিয়ে তৈরি হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭৬.
গঠন এবং কাজের উপর নির্ভর করে আরএনএ কে কত ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
  1. দুই ভাগে
  2. তিন ভাগে
  3. পাঁচ ভাগে
  4. চার ভাগে
সঠিক উত্তর:
পাঁচ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঁচ ভাগে
ব্যাখ্যা
আরএনএ (RNA): 
- RNA এর পুরো নাম- Ribo Nucleic Acid. 
- এটি ক্রোমোসোমের স্থায়ী উপাদান নয়। 
- ক্রোমোসোমে এর পরিমাণ হচ্ছে ০.২-১.৪%। 
- প্রতিটি RNA অণু একসূত্রকবিশিষ্ট। 
- ভাইরাস ক্রোমোসোমে স্থায়ী উপাদান হিসেবে RNA থাকে। 
- গঠন এবং কাজের উপর নির্ভর করে আরএনএ কে পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- 
(ক) ট্রান্সফার আরএনএ, 
(খ) রাইবোসোমাল আরএনএ, 
(গ) মেসেঞ্জার আরএনএ, 
(ঘ) জেনেটিক আরএনএ এবং 
(ঙ) মাইনর আরএনএ। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৭.
নিচের কোন খনিজের অভাবে উদ্ভিদের 'ডাইব্যাক' নামক রোগটি হয়? 
  1. সালফার
  2. আয়রন
  3. নাইট্রোজেন
  4. ম্যাগনেসিয়াম
সঠিক উত্তর:
সালফার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালফার
ব্যাখ্যা
সালফার: 
- সালফার (S) শউদ্ভিদের বিভিন্ন প্রোটিন, হরমোন ও ভিটামিনের গাঠনিক উপাদানই নয়, একই সাথে এটি কোষে পানির সমতা রক্ষা করে। 
- সালফারের অভাবে পাতা হালকা সবুজ হয় এবং পাতায় লাল ও বেগুনি দাগ দেখা যায়। 
- কচি পাতায় বেশি এবং বয়োবৃদ্ধ পাতায় কম ক্লোরোসিস হয়। 
- সালফারের অভাবে মূল, কান্ড এবং পাতার শীর্ষ থেকে শুরু করে পর্যায়ক্রমে টিস্যু মারা যেতে থাকে, যাকে ডাইব্যাক (dieback) বলে। 
- গাছের মধ্যপর্ব ছোট হয় বলে গাছ খর্বাকৃতির হয়। 

ম্যাগনেসিয়াম: 
- ম্যাগনেসিয়ামের (Mg) অভাবে ক্লোরোফিল সংশ্লেষিত হয় না বলে সবুজ রং হালকা হয়ে যায় এবং সালোকসংশ্লেষণের হার কমে যায়। 
- পাতার শিরাগুলোর মধ্যবর্তী স্থানে অধিক হারে ক্লোরোসিস হয়। 

নাইট্রোজেন: 
- নাইট্রোজেনের (N) অভাব হলে ক্লোরোফিল সৃষ্টিতে বিঘ্ন ঘটে। ফলে ক্লোরোফিলের অভাবে পাতার সবুজ রং হালকা হতে হতে একসময় হলুদ হয়ে যায়। 
- পাতা হলুদ হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে ‘ক্লোরোসিস’ (Chlorosis) বলে। 

আয়রন: 
- লৌহ বা আয়রনের (Fe) অভাবে প্রথমে কচি পাতার রং হালকা হয়ে যায়, তবে পাতার সরু শিরার মধ্যবর্তী স্থানেই প্রথম হালকা হয় এবং ক্লোরোসিস হয়। 
- কখনো কখনো সম্পূর্ণ পাতা বিবর্ণ হয়ে যায়। 
- কান্ড দুর্বল এবং ছোট হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭৮.
কেলাসিত পদার্থ নয় কোনটি? 
  1. তামা
  2. মাইকা
  3. কোয়ার্টজ
  4. সালফার
সঠিক উত্তর:
সালফার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালফার
ব্যাখ্যা
কেলাসিত পদার্থ: 
- যে সকল কঠিন বস্তুর অণু ও পরমাণুগুলো নির্দিষ্ট ও নিয়মিত ভাবে সুসজ্জিত থাকে, তাকে কেলাসিত কঠিন বস্তু বলে। 
- কেলাসিত কঠিন বস্তুর কয়েকটি উদাহরণ হলো- কোয়ার্টজ, মাইকা, চিনি, তামা, সোডিয়াম ক্লোরাইড ইত্যাদি। 

কেলাসিত পদার্থর বৈশিষ্ট্য: 
১. কেলাসিত পদার্থতে অণু বা পরমাণুগুলো নির্দিষ্ট ক্রমে সুসজ্জিত থাকে।
২. কেলাসিত পদার্থগুলো সমতল তল দ্বারা আবদ্ধ থাকে।
৩. কেলাসিত পদার্থ হলো অসমসত্ত্বক। কেলাসিত পদার্থের ভৌত ধর্ম অর্থাৎ‍ তাপীয় পরিবাহিতা, তড়িৎ পরিবাহিতা, সঙ্কোচনশীলতা ইত্যাদি বিভিন্ন দিকে বিভিন্ন।
৪. কেলাসিত পদার্থগুলো সুষম রাসায়নিক যৌগ দিয়ে গঠিত।
৫. কেলাসিত পদার্থের নির্দিষ্ট গলনাঙ্ক আছে অর্থাৎ নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় হঠাৎ তরলে রূপান্তরিত হয়।

অকেলাসিত পদার্থ: 
- যে সকল কঠিন বস্তুর অণু ও পরমাণুগুলো অনির্দিষ্ট ও অনিয়মিত ভাবে সজ্জিত থাকে তাকে অকেলাসিত কঠিন বস্তু বলে। 
- অকেলাসিত কঠিন বস্তুর কয়েকটি উদাহরণ হলো- কাচ, রাবার, সালফার ইত্যাদি।  

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৯.
একটি নির্দিষ্ট হার সরল সুদে ৫০০০ টাকা ৫ বছরে সুদে-আসলে ৮২৫০ টাকা হয়। যদি সুদের হার ৩% বৃদ্ধি করা হয়, তাহলে নতুন সুদের হার কত হবে?
  1. ৯%
  2. ১১%
  3. ১৫%
  4. ১৬%
সঠিক উত্তর:
১৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি নির্দিষ্ট হার সরল সুদে ৫০০০ টাকা ৫ বছরে সুদে-আসলে ৮২৫০ টাকা হয়। যদি সুদের হার ৩% বৃদ্ধি করা হয়, তাহলে নতুন সুদের হার কত হবে?

সমাধান:
আসল, P = ৫০০০ টাকা
সুদ-আসল = ৮২৫০ টাকা
সুদ, I = ৮২৫০ - ৫০০০ = ৩২৫০ টাকা
সময়, n = ৫ বছর

আমরা জানি
I = Pnr
r = I/Pn
= (৩২৫০ × ১০০)/(৫০০০ × ৫)
= ১৩%
∴ সুদের হার ৩% বৃদ্ধিতে, নতুন সুদের হার = (১৩ + ৩)% = ১৬%
৮০.
15a2 + 8a - 16 এর উৎপাদকে বিশ্লেষণ কোনটি?
  1. (3a + 5)(4a - 3)
  2. (4a + 5)(3a - 4)
  3. (3a - 6)(2a + 3)
  4. (5a - 4)(3a + 4)
সঠিক উত্তর:
(5a - 4)(3a + 4)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(5a - 4)(3a + 4)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 15a2 + 8a - 16 এর উৎপাদকে বিশ্লেষণ কোনটি?

সমাধান:
15a2 + 8a - 16
= 15a2 + 20a - 12a - 16
= 5a(3a + 4) - 4(3a + 4)
= (5a - 4)(3a + 4)
৮১.
'FAMILY' শব্দটির বর্ণগুলো নিয়ে কতগুলো বিন্যাস সংখ্যা নির্ণয় করা যায়, যেন প্রত্যেক বিন্যাসের প্রথমে একটি ব্যঞ্জনবর্ণ থাকে?
  1. 480
  2. 360
  3. 720
  4. 540
সঠিক উত্তর:
480
উত্তর
সঠিক উত্তর:
480
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 'FAMILY' শব্দটির বর্ণগুলো নিয়ে কতগুলো বিন্যাস সংখ্যা নির্ণয় করা যায়, যেন প্রত্যেক বিন্যাসের প্রথমে একটি ব্যঞ্জনবর্ণ থাকে?

সমাধান:
'FAMILY' শব্দটিতে মোট 6 টি বর্ণ রয়েছে, যার মধ্যে 4 টি ব্যঞ্জনবর্ণ এবং 2 টি স্বরবর্ণ।
এখন, প্রথম শূণ্যস্থানটি ব্যঞ্জনবর্ণ দিয়ে পূর্ণ করার উপায় = 4P1 = 4
অবশিষ্ট পাঁচটি শূণ্যস্থান পূর্ণ করা যায় 5! = 120 উপায়ে।

তাহলে, মোট বিন্যাস সংখ্যা = 120 × 4 = 480
৮২.
হলে, x এর মান কত?
  1. 3
  2. 4
  3. 5
  4. 6
সঠিক উত্তর:
5
উত্তর
সঠিক উত্তর:
5
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন:  হলে, x এর মান কত?

সমাধান:
৮৩.
একটি বর্গের পরিসীমা ৩২ মিটার। একটি সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য বর্গটির বাহুর দৈর্ঘ্যের সমান হলে, সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল কত?
  1. ১২√৩ বর্গমিটার
  2. ১৬√৩ বর্গমিটার
  3. ১৪√২ বর্গমিটার
  4. ৮√২ বর্গমিটার
সঠিক উত্তর:
১৬√৩ বর্গমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬√৩ বর্গমিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বর্গের পরিসীমা ৩২ মিটার। একটি সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য বর্গটির বাহুর দৈর্ঘ্যের সমান হলে, সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:
একটি বর্গের পরিসীমা = ৩২ মিটার।
বর্গের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ৩২/৪ মিটার= ৮ মিটার
সমবাহু ত্রিভুজের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ৮ মিটার

∴ সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (√৩/৪) × ৮ বর্গমিটার
= ১৬√৩ বর্গমিটার
৮৪.
a4 + a2b2 + b4 = 8 এবং a2 + ab + b2 = 4 হলে, a2 - ab + b2 এর মান কত?
  1. 2
  2. 4
  3. 6
  4. 10
সঠিক উত্তর:
2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a4 + a2b2 + b4 = 8 এবং a2 + ab + b2 = 4 হলে, a2 - ab + b2 এর মান কত?

সমাধান:
a4 + a2b2 + b4 = 8
⇒ (a2)2 + 2a2b2 + (b2)2 - a2b2 = 8
⇒ (a2 + b2)2 - (ab)2 = 8
⇒ (a2 + b2 + ab)(a2 + b2 - ab) = 8
⇒ (a2 + ab + b2)(a2 - ab + b2) = 8
⇒ 4(a2 - ab+ b2) = 8
⇒ a2 - ab + b2 = 8/4
∴ a2 - ab + b2 = 2
৮৫.
একটি বই ১৫০ টাকায় বিক্রয় করায় ২৫% লাভ হয়। কত টাকায় বিক্রয় করলে ৩০% লাভ হবে?
  1. ১২৬ টাকা
  2. ১৪৬ টাকা
  3. ১৫৬ টাকা
  4. ১৬৬ টাকা
সঠিক উত্তর:
১৫৬ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৬ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বই ১৫০ টাকায় বিক্রয় করায় ২৫% লাভ হয়। কত টাকায় বিক্রয় করলে ৩০% লাভ হবে?

সমাধান:
২৫% লাভে,
বিক্রয় মূল্য ১২৫ টাকায় ক্রয় মূল্য = ১০০ টাকা
∴ বিক্রয় মূল্য ১৫০ টাকায় ক্রয় মূল্য = (১৫০ × ১০০)/১২৫
= ১২০ টাকা

৩০% লাভে বিক্রয়মূল্য = ১৩০ টাকা
ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = ১৩০ টাকা
ক্রয়মূল্য ১২০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = (১৩০ × ১২০)/১০০ টাকা
= ১৫৬ টাকা
৮৬.
একটি বৃত্তের ব্যাসার্ধ যদি ৫০% কমে, তবে বৃত্তের ক্ষেত্রফল কত কমে?
  1. ২৫%
  2. ৫০%
  3. ৭৫%
  4. ৬৫%
সঠিক উত্তর:
৭৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৫%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বৃত্তের ব্যাসার্ধ যদি ৫০% কমে, তবে বৃত্তের ক্ষেত্রফল কত কমে?

সমাধান:
ধরি,
বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r
∴ বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr

৫০% কমলে নতুন ব্যাসার্ধ হবে = r - r এর ৫০%
= r - ০.৫r
= ০.৫r

ক্ষেত্রফল হবে = π(০.৫r)
= ০.২৫πr

∴ ক্ষেত্রফল কমে = πr - ০.২৫πr
= ০.৭৫πr

∴ ক্ষেত্রফল ৭৫% কমে।
৮৭.
A ও B এর একটি অঙ্কের সমাধান করতে পারার সম্ভাব্যতা যথাক্রমে 1/4 এবং 1/7 । তারা একত্রে অঙ্কটি সমাধানের চেষ্টা করলে অঙ্কটির সমাধান নির্ণয়ের সম্ভাব্যতা কত?
  1. 4/17
  2. 5/14
  3. 4/11
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
5/14
উত্তর
সঠিক উত্তর:
5/14
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: A ও B এর একটি অঙ্কের সমাধান করতে পারার সম্ভাব্যতা যথাক্রমে 1/4 এবং 1/7 । তারা একত্রে অঙ্কটি সমাধানের চেষ্টা করলে অঙ্কটির সমাধান নির্ণয়ের সম্ভাব্যতা কত?

সমাধান:
A এর অঙ্কটি করতে না পারার সম্ভাব্যতা = 1 - (1/4) = 3/4
B এর অঙ্কটি করতে না পারার সম্ভাব্যতা = 1 - (1/7) = 6/7

∴ A ও B এর একত্রে না পারার সম্ভাব্যতা = (3/4) × (6/7) = 9/14

∴ A ও B এর একত্রে পারার সম্ভাব্যতা = 1 - (9/14) = 5/14
৮৮.
1 + 5 + 9 + ...................... ধারাটির প্রথম 11 টি পদের সমষ্টি কত?
  1. 211
  2. 221
  3. 231
  4. 241
সঠিক উত্তর:
231
উত্তর
সঠিক উত্তর:
231
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 1 + 5 + 9 + ...................... ধারাটির প্রথম 11 টি পদের সমষ্টি কত?

সমাধান:
১ম পদ, a = 1
সাধারণ অন্তর, d = 5 - 1 = 4

আমরা জানি,
n সংখ্যক পদের সমষ্টি = n/2 {2a + (n - 1)} d
∴ 11 টি পদের সমষ্টি = (11/2) × {(2 × 1) + (11 - 1) × 4}
= 5.5 × {2 + (10 × 4)}
= 5.5 × (2 + 40)
= 5.5 × 42
= 231
৮৯.
জুয়েল সাহেব ও তার কন্যার বর্তমান বয়সের অনুপাত ৭ : ৩। ১২ বছর পূর্বে তাদের বয়সের অনুপাত ৫ : ১ ছিল। ১০ বছর পর তাদের বয়সের অনুপাত কত হবে?
  1. ১৪ : ৫
  2. ১৩ : ৭
  3. ৮ : ৩
  4. ১১ : ৪
সঠিক উত্তর:
১৩ : ৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩ : ৭
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: জুয়েল সাহেব ও তার কন্যার বর্তমান বয়সের অনুপাত ৭ : ৩। ১২ বছর পূর্বে তাদের বয়সের অনুপাত ৫ : ১ ছিল। ১০ বছর পর তাদের বয়সের অনুপাত কত হবে?

সমাধান:
ধরি,
জুয়েল সাহেবের বর্তমান বয়স ৭ক বছর
তার কন্যার বর্তমান বয়স ৩ক বছর

শর্তমতে,
৭ক - ১২ : ৩ক - ১২ = ৫ : ১
⇒ ১৫ক - ৬০ = ৭ক - ১২
⇒ ১৫ক - ৭ক = ৬০ - ১২
⇒ ৮ক = ৪৮
⇒ ক = ৬

∴ জুয়েল সাহেবের বর্তমান বয়স = ৭ × ৬ বছর = ৪২ বছর
∴ তার কন্যার বর্তমান বয়স = ৩ × ৬ বছর = ১৮ বছর
১০ বছর পর তাদের বয়সের অনুপাত = ৪২ + ১০ : ১৮ + ১০
= ৫২ : ২৮
= ১৩ : ৭
৯০.
|2 - x| > 5 এর সমাধান কোনটি?
  1. x < - 2 অথবা x > 3
  2. x < - 3 অথবা x > 7
  3. x > - 3 অথবা x < 5
  4. x > 4 অথবা x < - 7
সঠিক উত্তর:
x < - 3 অথবা x > 7
উত্তর
সঠিক উত্তর:
x < - 3 অথবা x > 7
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: |2 - x| > 5 এর সমাধান কোনটি?

সমাধান:
এখন, (2 - x) > 0 হলে প্রদত্ত অসমতা, 2 - x > 5
⇒ - x > 5 - 2
⇒ - x > 3
⇒ x < - 3 [ -1 দ্বারা গুণ করে ]

আবার, (2 - x) < 0 হলে প্রদত্ত অসমতা, - (2 - x ) > 5
⇒ 2 - x < - 5 [ -1 দ্বারা গুণ করে]
⇒ - x < - 5 - 2
⇒ - x < - 7
⇒ x > 7
∴ নির্ণেয় সমাধান: x < - 3 অথবা x > 7
৯১.
একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য প্রস্থের ৩ গুণ। আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল ৩৬৩ বর্গফুট হলে এর পরিসীমা কত?
  1. ৭৪ ফুট
  2. ৮৮ ফুট
  3. ১০৮ ফুট
  4. ৯৬ ফুট
সঠিক উত্তর:
৮৮ ফুট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৮ ফুট
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য প্রস্থের ৩ গুণ। আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল ৩৬৩ বর্গফুট হলে এর পরিসীমা কত?

সমাধান:
মনে করি,
আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ = ক ফুট
আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ৩ক ফুট
আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ৩ক  বর্গ ফুট

প্রশ্নমতে,
৩ক = ৩৬৩ ফুট
⇒ ক = ১২১
⇒ ক = ১১

আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = ২ × (৩ক + ক) ফুট
= ৮ক ফুট
= (৮ × ১১)
= ৮৮ ফুট
৯২.
  1. 1
  2. 1/3
  3. 2
  4. 1/2
সঠিক উত্তর:
1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 

সমাধান:
৯৩.
নৌকার বেগ ঘণ্টায় ৮ কি.মি. এবং স্রোতের বেগ ঘণ্টায় ২ কি.মি.। নৌকাটির ৩০ কি.মি. পথ গিয়ে ফিরে আসতে কত সময় লাগবে?
  1. ৬ ঘণ্টা
  2. ৭ ঘণ্টা
  3. ৮ ঘণ্টা
  4. ৯ ঘণ্টা
সঠিক উত্তর:
৮ ঘণ্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নৌকার বেগ ঘণ্টায় ৮ কি.মি. এবং স্রোতের বেগ ঘণ্টায় ২ কি.মি.। নৌকাটির ৩০ কি.মি. পথ গিয়ে ফিরে আসতে কত সময় লাগবে?

সমাধান:
স্রোতের অনুকূলে কার্যকরী বেগ ঘণ্টায় (৮ + ২) = ১০ কি.মি.
স্রোতের প্রতিকূলে কার্যকরী বেগ ঘণ্টায় (৮ - ২) = ৬ কি.মি.

স্রোতের অনুকূলে ৩০ কি.মি. যেতে সময় লাগে = ৩০/১০ ঘণ্টা = ৩ ঘণ্টা
স্রোতের প্রতিকূলে ৩০ কি.মি. যেতে সময় লাগে = ৩০/৬ ঘণ্টা = ৫ ঘণ্টা

মোট সময় লাগে = (৩ + ৫) ঘণ্টা = ৮ ঘণ্টা
৯৪.
যদি ইংরেজি বর্ণমালার অক্ষরগুলোকে এমনভাবে লেখা হয় যেন AB = A, CD = B, ... YZ = M হয়, তাহলে নতুন বর্ণমালার ডানদিক থেকে ৫ম অক্ষর কোনটি হবে?
  1. G
  2. H
  3. I
  4. J
সঠিক উত্তর:
I
উত্তর
সঠিক উত্তর:
I
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি ইংরেজি বর্ণমালার অক্ষরগুলোকে এমনভাবে লেখা হয় যেন AB = A, CD = B, ... YZ = M হয়, তাহলে নতুন বর্ণমালার ডানদিক থেকে ৫ম অক্ষর কোনটি হবে?

সমাধান:
৯৫.
আরিবা মানহা নামের একটি মেয়েকে দেখিয়ে বলল, 'ওর ভাইয়ের মায়ের বাবা আমার দাদা হয়'। সম্পর্কে আরিবা মানহার কী হয়?
  1. চাচী
  2. মামাতো বোন
  3. আপন বোন
  4. চাচাতো বোন
সঠিক উত্তর:
মামাতো বোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামাতো বোন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: আরিবা মানহা নামের একটি মেয়েকে দেখিয়ে বলল, 'ওর ভাইয়ের মায়ের বাবা আমার দাদা হয়'। সম্পর্কে আরিবা মানহার কী হয়?

সমাধান:
মানহার ভাইয়ের মা ⇒ মানহার মা
মানহার মায়ের বাবা ⇒ মানহার নানা

মানহার নানা, আরিবার দাদা হয়।
∴ মানহার মা আরিবার ফুফু হয়। আরিবার বাবা মানহা মামা হয়।
∴ আরিবা মানহার মামাতো বোন হয়।
৯৬.
একজন পর্যটক সকালে ঘুম থেকে উঠে যখন যাত্রা শুরু করল সূর্য তখন তার পিছনে। ১৫ মিনিট হাঁটার পর সে ডান দিকে ঘুরল এবং ২৫ মিনিট হাঁটার পর সে আবার ডান দিকে ঘুরল। আবার ১৫ মিনিট হাঁটার পর সে বাম দিকে ঘুরল। এখন সে কোন দিকে মুখ করে আছে?
  1. পূর্ব দিকে
  2. পশ্চিম দিকে
  3. উত্তর দিকে
  4. দক্ষিণ দিকে
সঠিক উত্তর:
উত্তর দিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর দিকে
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একজন পর্যটক সকালে ঘুম থেকে উঠে যখন যাত্রা শুরু করল সূর্য তখন তার পিছনে। ১৫ মিনিট হাঁটার পর সে ডান দিকে ঘুরল এবং ২৫ মিনিট হাঁটার পর সে আবার ডান দিকে ঘুরল। আবার ১৫ মিনিট হাঁটার পর সে বাম দিকে ঘুরল। এখন সে কোন দিকে মুখ করে আছে?

সমাধান:

- সূর্য পূর্ব দিকে উদিত হয়।
- সুতরাং পর্যটকটি পশ্চিম দিকে মুখ করে যাত্রা শুরু করল।
- এরপর সে প্রথমে উত্তর দিকে, এরপর পূর্ব দিকে এবং সবশেষে উত্তর দিকে যাত্রা শুরু করল।
- এখন সে উত্তর দিকে মুখ করে আছে।
৯৭.
গুড়ে বালি : আশায় নৈরাশ্য :: ? : ঢিলেমি
  1. হাড়হদ্দ
  2. সপ্তকান্ড রামায়ণ
  3. গয়ংগচ্ছ
  4. তানকানা
সঠিক উত্তর:
গয়ংগচ্ছ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গয়ংগচ্ছ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: গুড়ে বালি : আশায় নৈরাশ্য :: ? : ঢিলেমি

সমাধান:
'গুড়ে বালি' বাগধারার অর্থ হলো আশায় নৈরাশ্য একইভাবে 'গয়ংগচ্ছ' বাগধারার অর্থ হলো ঢিলেমি। 

অন্যদিকে,
হাড়হদ্দ বাগধারার অর্থ - সবকিছু।
সপ্তকান্ড রামায়ণ বাগধারার অর্থ - বৃহৎ বিষয়।
তানকানা বাগধারার অর্থ - কাণ্ডজ্ঞানহীন।
৯৮.
ভাইবা বোর্ডে একজন বোর্ড সদস্য একটি বিষয়ে আপনার মতামতের বিপরীত মত পোষণ করলেন। আপনি তখন কী করবেন?
  1. নিজের মত পরিবর্তন করে বোর্ড সদস্যের মতের সঙ্গে একমত হবেন।
  2. বিষয়টি এড়িয়ে অন্য প্রসঙ্গে কথা বলবেন।
  3. যুক্তিনির্ভরভাবে নিজের মতামত ব্যাখ্যা করবেন।
  4. বোর্ড সদস্যের সঙ্গে তর্কে জড়াবেন।
সঠিক উত্তর:
যুক্তিনির্ভরভাবে নিজের মতামত ব্যাখ্যা করবেন।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তিনির্ভরভাবে নিজের মতামত ব্যাখ্যা করবেন।
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ভাইবা বোর্ডে একজন বোর্ড সদস্য একটি বিষয়ে আপনার মতামতের বিপরীত মত পোষণ করলেন। আপনি তখন কী করবেন?

সমাধান:
ভাইবা বোর্ডে আত্মবিশ্বাস ও শালীনতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বোর্ড সদস্যের মতের বিপরীতে আপনার অবস্থান থাকলে তা যুক্তিনির্ভরভাবে এবং শালীন ভঙ্গিতে ব্যাখ্যা করা উচিত। এটি আপনার যুক্তি প্রদানের দক্ষতা, নিজস্ব মতামতের প্রতি আত্মবিশ্বাস, এবং অন্যদের মতামতকে শ্রদ্ধা করার মানসিকতার পরিচয় বহন করে।

ক) নিজের মত পরিবর্তন করে বোর্ড সদস্যের সঙ্গে একমত হওয়া সঠিক সিদ্ধান্ত নয়, কারণ এটি আপনার আত্মবিশ্বাসের অভাব এবং স্বাধীন চিন্তার ঘাটতি দেখাবে।
খ) বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া আপনার মতামতের স্পষ্টতা ও আত্মবিশ্বাসের অভাব প্রকাশ করবে।
ঘ) তর্কে জড়ানো অনুচিত, কারণ এটি অশ্রদ্ধাজনক এবং আপনার ব্যক্তিত্বের নেতিবাচক দিক প্রকাশ করতে পারে।

সুতরাং, যুক্তিসম্মতভাবে নিজের মত ব্যাখ্যা করাই সবচেয়ে ভালো পন্থা।
৯৯.
২০২ = ৪৪; ৩০৩ = ৯৬ এবং ৪০৪ = ১৬৮ হলে, ৫০৫ = কত?
  1. ২৬০
  2. ২৫১০
  3. ৪৬০
  4. ২৬২০
সঠিক উত্তর:
২৫১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫১০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ২০২ = ৪৪; ৩০৩ = ৯৬ এবং ৪০৪ = ১৬৮ হলে, ৫০৫ = কত?

সমাধান:
এখানে ফলাফলের,
প্রথম ডিজিট = (প্রথম সংখ্যা × শেষ সংখ্যা)
দ্বিতীয় ডিজিট = (প্রথম সংখ্যা + শেষ সংখ্যা)
২০২ = (প্রথম সংখ্যা × শেষ সংখ্যা) এবং (প্রথম সংখ্যা + শেষ সংখ্যা) = (২ × ২) এবং (২ + ২) = ৪৪
৩০৩ = (৩ × ৩) এবং (৩ + ৩) = ৯৬
৪০৪ = (৪ × ৪) এবং (৪ + ৪) = ১৬৮
∴ ৫০৫ = (৫ × ৫) এবং (৫ + ৫) = ২৫১০
১০০.
চিত্রভিত্তিক ধারাটির পরবর্তী চিত্রটি কত নং চিত্রের অনুরূপ হবে?
  1. 1 নং
  2. 2 নং
  3. 3 নং
  4. 4 নং
সঠিক উত্তর:
4 নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4 নং
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: চিত্রভিত্তিক ধারাটির পরবর্তী চিত্রটি কত নং চিত্রের অনুরূপ হবে?


সমাধান:
এখানে বৃত্ত ও তীর চিহ্ন প্রতিবারে ঘড়ির কাঁটার দিকে ৯০° ঘুরে। এবং ১ম বার একটি বৃত্ত কমে এবং ৯০° ঘুরে, পরের বার ১টি তীর চিহ্ন বাড়ে এবং ৯০° ঘুরে।
এভাবে পরবর্তী চিত্রের পর ১টি বৃত্ত কমবে এবং ৯০° ঘুরবে।
∴ পরবর্তী চিত্রটি হবে 4 নং চিত্রের অনুরূপ।
১০১.
PERMUTATION শব্দটির বর্ণগুলির মধ্যে স্বরবর্ণের অবস্থান পরিবর্তন না করে বর্ণগুলিকে কত রকমে পুনরায় সাজানো যেতে পারে?
  1. 460
  2. 410
  3. 360
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: PERMUTATION শব্দটির বর্ণগুলির মধ্যে স্বরবর্ণের অবস্থান পরিবর্তন না করে বর্ণগুলিকে কত রকমে পুনরায় সাজানো যেতে পারে?

সমাধান:
PERMUTATION শব্দটিতে মোট 11 টি অক্ষর আছে, যার মধ্যে 5 টি স্বরবর্ণ এবং 6 টি ব্যঞ্জনবর্ণ আছে।
যেহেতু স্বরবর্ণগুলি এদের অবস্থান পরিবর্তন করবে না, কাজেই এদের স্থান নির্দিষ্ট করে 6 টি ব্যঞ্জনবর্ণ দ্বারা সাজানোর সংখ্যা বের করতে হবে যার মধ্যে t দুই বার থাকবে।

সুতরাং সাজানোর সংখ্যা = 6!/2! = 360 টি 
এবং PERMUTATION শব্দটি নিজেই একটি সাজানো সংখ্যা। 
∴  পুনরায় সাজানো যেতে পারে = 360 - 1 = 359 ভাবে।

উল্লেখ্য যে, পুনরায় সাজানো কথাটি না বলে যদি বলা হতো মোট কতভাবে সাজানো যেতে পারে, তাহলে সঠিক উত্তর হতো 360 উপায়ে।

১০২.
The poem 'Easter, 1916' is written by a/an -
  1. British poet
  2. American poet
  3. Irish Poet
  4. Russian Poet
সঠিক উত্তর:
Irish Poet
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Irish Poet
ব্যাখ্যা
• Easter 1916:
- কবিতাটি বিখ্যাত Irish poet William Butler Yeats লিখিত।
-১৯১৬ সালের এপ্রিলে British Colonialism এর বিরুদ্ধে আয়ারল্যান্ডে যে গণঅভ্যুত্থান হয়, তাকে কেন্দ্র করে Easter 1916 কবিতাটি লেখা হয়।
- এখানে শহীদদের আত্মত্যাগ এর কথা বর্ণিত হয়েছে।
- It commemorates the lives lost at the Easter Uprising in 1916, Dublin, and immortalizes several names of key leaders in the movement, some of whom Yeats knew personally.
- এই কবিতার একটি বিখ্যাত লাইন "All changed, changed utterly: A terrible beauty is born.”

• Some famous quotes of Yeats:
- “The world is full of magic things, patiently waiting for our senses to grow sharper.”
- “Education is not the filling of a pail, but the lighting of a fire.”
- “Life is a long preparation for something that never happens.”
- “What can be explained is not poetry.”

• William Butler Yeats:
- তাঁকে Ireland এর National poet  বলা হয়ে থাকে।
- একজন কবি এবং নাট্যকার হিসাবে, তার সাহিত্যকর্ম গুলো আয়ারল্যান্ডের ঐতিহ্য এবং রাজনীতি দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন।
- নিজের জন্মভূমির প্রতি তার ভালোবাসার প্রকাশ তার বিভিন্ন কবিতায় লক্ষ্য করা যায়।
- W.B. Yeats was first awarded the Nobel Prize in Literature as the first Irishman.
-১৯২৩ সালে সাহিত্যে Nobel Prize লাভ করেন।  
- Abbey Theatre হচ্ছে W. B. Yeats প্রতিষ্ঠাকৃত Irish National Theatre Society.
- মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি এর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। 

• Major Poems:
- The Wild Swans at Coole,
- The Tower,
- The Winding Stair and Other poems,
- The Second Coming,
- The Cat and the Moon,
- Sailing to Byzantium,
- The Lake Isle of Innisfree,
- Among School Children,
- A Prayer for My Daughter,
- When You Are Old,
- Easter 1916,
- September 1919,
- The Wanderings of Oisin,
- Leda and The Swan.

• W.B Yeats রচিত কিছু play হচ্ছে - 
- The Resurrection,
- The Only Jealousy of Emer,
- The Dreaming of the Bones,
- Four Plays for Dancers,
- Calvary,
- Cathleen ni Houlihan,
- The Countess Cathleen.

• Prose
- A Vision,
- Celtic Twilight (essay).

Source: Britannica and Live MCQ Lecture.
১০৩.
Which of the famous Shakespearean plays begins with the line, "If music be the food of love, play on"?
  1. Twelfth Night
  2. As You Like It
  3. The Merchant of Venice
  4. The Tempest
সঠিক উত্তর:
Twelfth Night
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Twelfth Night
ব্যাখ্যা
• "If music be the food of love, play on." This line opens 'Twelfth Night' of William Shakespeare.
- নাটকের শুরু হয় Duke Orsino উল্লেখিত এই লাইনটি দ্বারা.

• Twelfth Night: 
- এটি Shakespeare এর একটি বিখ্যাত comedy. 
- ১৬০২-০৩ সালের দিকে লেখা এই comedy টি ১৬২৩ সালে Shakespeare এর  First Folio অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়।
- Viola এই কমেডির কেন্দ্রীয় নারী চরিত্র এবং নাটকের শুরুতে তাকে পুরুষের ছদ্মবেশে দেখতে পাওয়া যায়। 
- এ নাটকের পটভূমি Illyria নামক কাল্পনিক অঞ্চলকে ঘিরে।
- শেক্সপিয়ারের অন্যসব কমেডির হিরোইনদের মত "Viola" কেও লেখক সুন্দর এবং বুদ্ধিদৃপ্ত চরিত্র হিসেবে উপস্থাপন করেছে।

• Summary: 
- Twelfth Night একটি বিখ্যাত কমেডি নাটক, যা প্রেম, ছদ্মবেশ, ভুল বোঝাবুঝি এবং হাস্যরস নিয়ে গড়ে উঠেছে। গল্পটি শুরু হয় এক ভয়াবহ জাহাজডুবির মাধ্যমে, যেখানে যমজ ভাইবোন viola এবং Sebastian, একে অপরের থেকে আলাদা হয়ে যায়। Viola বেঁচে গিয়ে পুরুষের ছদ্মবেশে Cesario নাম ধারণ করে এবং Duke Orsino এর সেবায় যোগ দেয়। Duke Orsino, olivia কে ভালোবাসেন, কিন্তু Olivia Cesario অর্থাৎ পুরুষবেশে থাকা Viola কে ভালোবেসে ফেলেন। অন্যদিকে, viola নিজেই Duke Orsino প্রতি প্রেমে পড়ে।

- এদিকে, Sebastian ঘটনাক্রমে একই শহরে এসে পৌঁছায়, যা একের পর এক ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি করে। Sebastian, Olivia এর সঙ্গে দেখা করেন এবং তার প্রেমে পড়েন। নাটকের শেষে, যমজ ভাইবোনের পরিচয় প্রকাশ পায়, এবং সব জটিলতা মিটে যায়। Duke Orsino, Viola কে বিয়ে করেন, আর Sebastian, Olivia কে বিয়ে করেন। গল্পটি আনন্দময় ও সুখী সমাপ্তি দিয়ে শেষ হয়।

• Famous quotes from Twelfth Night:
- “Be not afraid of greatness. Some are born great, some achieve greatness, and others have greatness thrust upon them.”
- “If music be the food of love, play on,
Give me excess of it; that surfeiting,
The appetite may sicken, and so die.”
- “Better a witty fool, than a foolish wit.”

• Important Characters from Twelfth Night:
- Sebastian,
- Viola (female protagonist),
- Olivia,
- Malvolio,
- Duke Orsino (Male protagonist),
- Maria,
- Sir Andrew Aguecheek,
- Valentine,
- Antonio,
- Sir Toby Belch, etc.

Source: Britannica and SparksNotes.
১০৪.
Who said, "Truth is stranger than fiction."?
  1. William Wordsworth
  2. Mark Twain
  3. Francis Bacon
  4. George Orwell
সঠিক উত্তর:
Mark Twain
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mark Twain
ব্যাখ্যা
• American author  Mark Twain said, "Truth is stranger than fiction."
- সম্পূর্ণ উক্তিটি হচ্ছে - "Truth is stranger than fiction, but it is because Fiction is obliged to stick to possibilities; Truth isn't."
It is aid when you want to emphasize that real events or things are sometimes stranger than imaginary ones.
- উক্তিটি idiom বা প্রবাদ হিসেবে বেশ জনপ্রিয়। 

• এই উক্তিটি মার্ক টোয়েনের গ্রন্থ Following the Equator: A Journey Around the World (1897)-এ পাওয়া যায়।
- তিনি এভাবে ব্যাখ্যা করেছেন:
"সত্য কল্পনার চেয়ে অদ্ভুত, কারণ কল্পনাকে সম্ভবপর বিষয়গুলোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকতে হয়; কিন্তু সত্যের জন্য এমন কোনো বাধা নেই।"
এই উক্তি মার্ক টোয়েনের তীক্ষ্ণ রসবোধ এবং বাস্তব জীবনের অপ্রত্যাশিত ঘটনাবলীর প্রতি তার গভীর পর্যবেক্ষণকে তুলে ধরে।

• Mark Twain:
-Mark Twain ছিলেন একজন American humorist, novelist, and travel writer.
-Mark Twain was born on November 30, 1835, in Florida, Missouri.
- Samuel Langhorne Clemens is the real name of Mark Twain.

• Famous Works:
- During his lifetime Mark Twain wrote more than 20 novels. His most famous novels included:
- The Adventures of Tom Sawyer (1876);
- Adventures of Huckleberry Finn (1884).

• Other Notable Works:
- A Connecticut Yankee in King Arthur’s Court;
- A Tramp Abroad;
- Adventures of Huckleberry Finn;
- Following the Equator;
- Letters from the Earth;
- Life on the Mississippi;
- Old Times on the Mississippi;
- Pudd’nhead Wilson;
- The Prince and the Pauper.

Source: Britannica and Cambridge Dictionary.
১০৫.
D. H. Lawrence was a/an _______ author of novels, short stories, poems, plays, essays, travel books, and letters.
  1. American
  2. English
  3. Irish
  4. Russian
সঠিক উত্তর:
English
উত্তর
সঠিক উত্তর:
English
ব্যাখ্যা
• D.H. Lawrence: 
- He was an English author যিনি ১৮৮৫ সালে ইংল্যান্ডের নটিংহ্যামশায়ারের ইস্টউডে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন একাধারে ঔপন্যাসিক, কবি, নাট্যকার, প্রবন্ধকার, সাহিত্য সমালোচক।
- তাঁর novel Sons and Lovers, The Rainbow এবং Women in Love তাকে 20th century এর সবচেয়ে influential English writers হিসেবে প্রকাশ করে।
- তিনি তার অত্যন্ত বিতর্কিত এবং মৌলিক কাজের জন্য পরিচিত।
- তার শুরুর কাজগুলোর মধ্যে The White Peacock (১৯১১) এবং Sons and Lovers (১৯১৩) অন্তর্ভুক্ত, তবে তার পরবর্তী উপন্যাস The Rainbow (১৯১৫) এবং Women in Love (১৯২১) তাকে সাহিত্যিক মহলে বিশেষ খ্যাতি এনে দেয়। এই উপন্যাসগুলি তাদের অশ্লীলতার কারণে নিষিদ্ধ হয়েছিল, কিন্তু বর্তমানে এগুলোকে সাহিত্যিক মহাকাব্য হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়।
- ১৯৩০ সালে ফ্রান্সে তিনি যক্ষ্মায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান।

• His famous novels:
- Lady Chatterley's Lover,
- Sons and Loves (Autobiographical)
- The White Peacock,
- The Rainbow,
- Women in Love,
- A Modern Lover.

Source: Britannica.
১০৬.
'Stella Moore' is a  character from -
  1. Great Expectations
  2. To the Light House
  3. A Farewell to Arms
  4. A Passage to India
সঠিক উত্তর:
A Passage to India
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A Passage to India
ব্যাখ্যা
• 'Stella Moore' is a  character from the novel - 'A Passage to India' by E.M. Forster.
-  ১৯২৪ সালে এই উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়েছিল যেটিকে লেখকের অন্যতম এবং শ্রেষ্ঠ কাজ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
-  ভারত এবং আলেক্সান্দ্রিয়াতে তার অবস্থানের প্রেক্ষিতে তিনি এই উপন্যাস টি রচনা করেন।
- এই novel টিতে মূলত racism and colonialism ফুটে উঠেছে।
- The book also portrays the relationship between the British and the Indians in India.
- কেন্দ্রীয় চরিত্র Dr. Aziz  এবং Adela Quested. 

• এই Novel এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হচ্ছে -
- Dr. Aziz: He is the central character of the novel.
- Adela Quested: A young and idealistic Englishwoman who travels to India with Mrs. Moore.
- Mrs. Moore: Adela's elderly traveling companion and the mother of Ronny Heaslop.
- Ronny Heaslop: Mrs. Moore's son and a British magistrate in Chandrapore.
- Cyril Fielding:  The principal of the government college near Chandrapore and Dr. Aziz's friend.
- Stella Moore: Stella was Mrs. Moore's daughter, who lived in England.

 • E.M. Forster:
- তিনি একাধারে একজন British novelist, essayist এবং social ও literary critic.
- His fame rests largely on his novels Howards End and A Passage to India and on a large body of criticism.

• Notable work:
- A Passage to India,
- A Room with a View,
- Aspects of the Novel,
- Howards End,
- Marianne Thornton,
- Maurice,
- The Hill of Devi,
- The Longest Journey,
- Where Angels Fear to Tread.

Source Britannica.
১০৭.
Who wrote the tragedy 'Titus Andronicus'?
  1. G. B Shaw
  2. Christopher Marlowe
  3. William Shakespeare
  4. Ben Jonson
সঠিক উত্তর:
William Shakespeare
উত্তর
সঠিক উত্তর:
William Shakespeare
ব্যাখ্যা
• Titus Andronicus, an early, experimental tragedy by William Shakespeare.
- এটি 1589-92 সালে কোনো এক সময়ে লেখা এবং 1594 সালে একটি অসম্পূর্ণ খসড়া থেকে কোয়ার্টো সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছিল।
- এর কেন্দ্রীয় চরিত্রের নাম হচ্ছে - Titus Andronicus.
- It is thought to be Shakespeare's first tragedy and is often seen as his attempt to emulate the violent and bloody revenge plays of his contemporaries, which were extremely popular with audiences throughout the 16th century.

• William Shakespeare:
- William Shakespeare was born on 23 April 1564 AD and died on 23 April 1616 AD.
- তার জন্মস্থান Stratford Avon.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে English national poet বলা হয়।
- এছাড়াও তিনি 'Bard of Avon' বা Swan of Avon হিসবেও পরিচিত।
- তিনি ৩৭ টি নাটক, ১৫৪ টি সনেট, ২ টি long poem এবং ২ টি long narrative poem লিখেছেন।

• Notable works:
• Tragedy:
- Hamlet,
- Othello,
- King Lear,
- Macbeth,
- Titus Andronicus,
- Timons of Athens (unfinished),
- Antony and Cleopatra, 
- Coriolanus,
- Romeo and Juliet.

• Comedy:
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- Love's Labour's Lost,
- A Comedy of Error,
- The Taming of the Shrew,
- Much Ado About Nothing,
- All's Well That Ends Well,
- A Midsummer Night's Dream,
- The Merry Wives of Windsor,
- The Two Gentlemen of Verona.

• Tragi-comedy
- The Merchant of Venice,
- The Winter's Tale,
- Cymbeline,
- Troilus and Cressida,
- Measure for Measure.

• Historical play
- Julius Caesar (Tragedy + Historical),
- Henry IV Part I,
- Henry IV Part II,
- Henry V,
- Henry VI Part I,
- Henry VI Part II,
- Henry VI Part III,
- Henry VIII,
- King John,
- Richard II,
- Richard III.

• Famous poem:
- Shall I Compare Thee to a Summer Day/Sonnet 18,
- The Rape of Lucrece,
- Venus and Adonis,
- A Lover's Complaint.

• Lost Plays: 
- Love Labour's Won,
- The history of Cardenio.

Source: Britannica and Live MCQ Lecture.
১০৮.
"Tess of the d'Urbervilles" is composed by the author of -
  1. A Pair of Blue Eyes
  2. The Bluest Eye
  3. Sons and Lovers
  4. Pride and Prejudice
সঠিক উত্তর:
A Pair of Blue Eyes
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A Pair of Blue Eyes
ব্যাখ্যা
"Tess of the d'Urbervilles" is composed by the author of - A Pair of Blue Eyes.
- দুটি উপন্যাসের রচয়িতা হচ্ছেন - Thomas Hardy.

• অন্যদিকে, 
খ) The Bluest Eye is a novel by American writer Toni Morrison.
গ) Sons and Lovers is a famous novel by English Novelist D. H. Lawrence.
ঘ) Pride and Prejudice is a famous novel by Jane Austen.
---------------------

• Tess of the d'Urbervilles: 

- এটি Thomas Hardy রচিত উপন্যাস।
- It was subtitled A Pure Woman Faithfully Presented because Hardy felt that its heroine was a virtuous victim of a rigid Victorian moral code.
- এই উপন্যাস টি প্রথম ১৮৯১ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশিত হয়। 
- একই বছর উপন্যাসটি তিনটি ভলিউমে বই আকারে প্রকাশিত হয়। 
- এই উপন্যাসটি বেশ কিছু কারণে বিতর্কের জন্ম দেয়।
- গতানুতিক ভিক্টোরিয়ান ফিকশনের চেয়ে কিছুটা ভিন্ন এই উপন্যাসটি।
- গ্রামীন সমাজের দরিদ্র শ্রেণীর এক মেয়েকে কেন্দ্র করে কাহিনী এগিয়ে যায় যার নাম Tess Durbeyfield
- এছাড়া যৌনতা এবং ধর্মীয় বিষয় নিয়েও বিতর্কিত উপাদান আছে উপন্যাসটিতে।
- উনিশ শতকের গ্রামীন ইংল্যান্ডে মেয়েদের অসহায়ত্ব এবং বিত্তশালী শ্রেণীর লালসা চরিতার্থের একটি যথার্থ রূপ ফুটে উঠেছে এই উপন্যাসটিতে।

• Character List:
- Tess Durbeyfield - The novel’s protagonist,
- Angel Clare,
- Alec d’Urberville,
- Mr. John Durbeyfield,
- Mrs. Joan Durbeyfield - Tess’s mother,
- Sorrow (Tess's dead child)
- Mrs. d’Urberville.
--------------------
• A Pair of Blue Eyes:
 -এটি Thomas Hardy এর একটি জটিল প্রেমের উপন্যাস, যেখানে প্রেম, সামাজিক বাধা এবং নৈতিক দ্বন্দ্বের কাহিনি তুলে ধরা হয়েছে। গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র এ Elfride Swancourt, এক নীল চোখের সুন্দরী  ও বুদ্ধিমতী যুবতী, যার প্রতি দুই পুরুষের—Stephen Smith ও Henry Knight—প্রেম গভীরভাবে জড়িয়ে পড়ে। তারা প্রথমে বন্ধু ছিল কিন্তু পরে প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ওঠে। তারা একে অপরকে ছাড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে এবং Elfride Swancourt কে পাবার চেষ্টায় শেষ পর্যন্ত তাদের বন্ধুত্ব ও প্রেম দুটোই হারিয়ে ফেলে।

• স্টিফেন একজন সাধারণ স্থপতি হলেও নাইট একজন সমালোচক এবং স্টিফেনের বন্ধু। এলফ্রিডা প্রেম ও কর্তব্যের মধ্যে জটিলতার শিকার হয়ে পড়ে, এবং তার হৃদয়ের দোলাচল ও সমাজের চাপে পড়ে সম্পর্কগুলোতে সমস্যা দেখা দেয়। উপন্যাসটি ট্র্যাজেডি ও রোমান্সের মিশ্রণে মানুষের আবেগ, হতাশা ও নিয়তির অপ্রতিরোধ্য পরিণতির কাহিনি তুলে ধরে।

• উপন্যাসের শেষে এলফ্রিডা স্বেনের মৃত্যু ঘটে, যা গল্পের মূল চরিত্রদের জীবনে গভীর আবেগ ও দুঃখ হতাশার সৃষ্টি করে। হেনরি নাইট এবং স্টিফেন স্মিথ, যারা তাকে ভালোবাসতো, দুজনেই এলফ্রিডার প্রতি তাদের ভুল বোঝাবুঝি ও সংকোচের জন্য অনুশোচনায় ভুগতে থাকে। এলফ্রিডার আকস্মিক মৃত্যু গল্পটিকে একটি বেদনাদায়ক পরিণতির দিকে নিয়ে যায়, যা হার্ডির অন্যান্য রচনার মতোই জীবনের নির্মম বাস্তবতা ও মানব মনের জটিলতাকে তুলে ধরে। উপন্যাসের এই সমাপ্তি পাঠকদের মনে গভীর সহানুভূতি এবং বিষণ্নতার সৃষ্টি করে।

• Characters:
- Reverend Swancourt,
- Stephen Smith,
- William Worm,
- Henry Knight,
- Elfride Swancourt, etc.

• Thomas Hardy is known as a Pessimistic Novelist.
- He was also a regional novelist and a poet কারণ একটি মাত্র নির্দিষ্ট অঞ্চলকে কেন্দ্র করেই তার সকল সাহিত্যকর্ম রচিত হওয়ার কারণে তাকে এই উপাধি দেয়া হয়। 
- তিনি Victorian age এর শ্রেষ্ঠ উপন্যাসিক এবং ছোট গল্পকার।
- Thomas Hardy এর ছোটবেলা কাটে গ্রামে। গ্রামে কাটানো শৈশবের স্মৃতি 
 
• Thomas Hardy-এর লেখা কয়েকটি উপন্যাস  - 
- Tess of the d'Urbervilles,
- Far from the Madding Crowd,
- The Return of the Native,
- The Poor Man and the Lady,
- The Mayor of Casterbridge,
- Jude the Obscure,
- A Pair of Blue Eyes.

Source: Britannica and Live MCQ Lecture.
১০৯.
'Preface to Lyrical Ballads' is a literary work of -
  1. the Renaissance period
  2. the Neo-classical period
  3. the Romantic period
  4. the Victorian period
সঠিক উত্তর:
the Romantic period
উত্তর
সঠিক উত্তর:
the Romantic period
ব্যাখ্যা
• 'Preface to Lyrical Ballads' is a literary work of - 'the Romantic period.
- ১৭৯৮ সাল থেকে ১৮৩২ সাল পর্যন্ত সময়কাল কে ইংরেজি সাহিত্যে Romantic Period হিসেবে বিবেচনা করা হয়। 
- ১৭৯৮ সালে William Wordsworth and Samuel Taylor Coleridge এর যৌথ প্রকাশনা Preface to Lyrical Ballads এর মাধ্যমে এই যুগের সুচনা হয়। 

• Lyrical Ballads:
- এটি মূলত হচ্ছে কয়েকটি Romantic কবিতার সংকলন অর্থাৎ, collectioc of poems.
- এই কাব্যগ্রন্থটিতে প্রকাশিত কবিতাগুলো বিষয়বস্তুর দিকে যেমন সরল তেমনি শব্দের ব্যবহারের দিক দিয়েও উচ্চাঙ্গের কিছু না।
- অন্যভাবে বললে, এই কবিতাগুলো অলংকার বিবর্জিত এবং কৃত্রিমতা বিহীন।
- সাধারণ মানুষের মুখে যে ভাষা প্রচলিত ছিল সেসব শব্দই তিনি এই কবিতাতে ব্যবহার করেন।

• Lyrical Ballads এ মোট ২৩ টি কবিতা রয়েছে। 
- তার মধ্যে ১৯ টি William Wordsworth ও ৪ টি S.T. Coleridge এর।

• Poems of Wordsworth: (19)
- Lines left upon a Seat in a Yew tree which stands near the Lake of Esthwaite,
- The Female Vagrant,
- Goody Blake and Harry Gill,
- The Idiot Boy,
- Lines written near Richmond, upon the Thames, at Evening,
- Expostulation and Reply,
- The Tables turned; an Evening Scene, on the same subject,
- Old Man travelling,
- The Complaint of a Forsaken Indian Woman,
- The Convict,
- Lines written a few miles above Tintern Abbey,
- Lines written at a small distance from my House, and sent by my little Boy to the Person to whom they are addressed,
- Simon Lee, the old Huntsman,
- Anecdote for Fathers,
- We are seven,
- Lines written in early spring,
- The Thorn,
- The last of the Flock,
- The Mad Mother.

• Poems of Coleridge: (04)
- The Rime of the Ancient Mariner,
- The Foster-Mother’s Tale,
- The Dungeon &
- The Nightingale, a Conversational Poem.

Source:
1. An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman.
2. Britannica.
১১০.
Identify the correct degree: Very few cities in Bangladesh are (populous) Dhaka.
  1. the most populous
  2. populous as
  3. more populous then
  4. as populous as
সঠিক উত্তর:
as populous as
উত্তর
সঠিক উত্তর:
as populous as
ব্যাখ্যা
• প্রদত্ত অপশনগুলোর সঠিক উত্তর হলো - as populous as.
- Complete sentence: Very few cities in Bangladesh are as populous as Dhaka.
• বাক্যটি হলো একটি positive degree.

• Very few যুক্ত Positive Degree এর গঠন:
- Very few + Others/extension + বাক্যের সাহায্যকারী ক্রিয়া + as/so (adjective/positive degree) as + Subject.
- এই নিয়ম অনুযায়ী - সঠিক বাক্য হলো as populous as.

Source: Advanced Learners Communicative English Grammar and Composition (For Class 9-10).
১১১.
The professor expounded ______ the principles of quantum mechanics during the lecture.
  1. in
  2. about
  3. on
  4. over
সঠিক উত্তর:
on
উত্তর
সঠিক উত্তর:
on
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - on.
- Complete sentence: The professor expounded on the principles of quantum mechanics during the lecture.
- Bangla Meaning: প্রফেসর লেকচারের সময় কোয়ান্টাম মেকানিক্সের নীতিগুলো বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করেছেন।

• Expound on
English Meaning: To give a detailed explanation of something:
Bangla Meaning: ব্যাখ্যা করা; বিস্তারিত বর্ণনার সাহায্যে অর্থ পরিষ্কার করা।
Example: He's always expounding on what's wrong with the world.
Bangla Meaning: সে সবসময় বিশ্বের কী কী ভুল আছে তা নিয়ে বিশদভাবে বলেই চলে।

Source: 
1. Cambridge Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
১১২.
No sooner had the bell rung than the room became ________.
  1. silently eerie
  2. eerily silenced
  3. eerily silent
  4. silent eerily
সঠিক উত্তর:
eerily silent
উত্তর
সঠিক উত্তর:
eerily silent
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - eerily silent
- Complete Sentence: No sooner had the bell rung than the room became eerily silent.
- Bangla Meaning : ঘণ্টা বাজানোর সাথে সাথে রুমটি রহস্যজনকভাবে নীরব হয়ে গেল।
- Eerily silent এর বাংলা অর্থ হলো "অস্বাভাবিক নীরব"। এখানে "eerily" শব্দটি বোঝাচ্ছে যে নীরবতা অস্বাভাবিক বা ভয়াবহ কিছু অনুভূতির সৃষ্টি করছে, যা সাধারণত রহস্য বা অস্বস্তি তৈরি করে।

•  সাধারণত Linking verb এরপর adverb/adjective বসে।
- কিন্তু Linking verb এরপর দুইটি word বসলে প্রথমটি adverb এবং পরের টি adjective হয়।
- এখানে, became Linking verb এরপর দুইটি word বসেছে, তাই প্রথমটি adverb এবং পরের টি adjective হয়েছে। 

• অন্য অপশনগুলোর মধ্যে -
b) "eerily silenced" ব্যাকরণগতভাবে ভুল, কারণ "silenced" একটি verb, যা এখানে ব্যবহার করা যাবে না।
c) "silent eerily" শব্দগুলির সঠিক ক্রমানুসারে (Linking verb এরপর দুইটি word বসলে প্রথমটি adverb এবং পরের টি adjective হয়।) বসে নি তাই ভুল 
d) "silently eerie" অর্থহীন এবং শব্দগুলির ভুল ব্যবহার হয়েছে।
১১৩.
What is the adjective form of the word 'Repress'?
  1. Repressed
  2. Repressible
  3. Repressive
  4. All of these
সঠিক উত্তর:
All of these
উত্তর
সঠিক উত্তর:
All of these
ব্যাখ্যা
• Repress (verb transitive)
Bangla Meaning: দমিয়ে রাখা; চেপে রাখা। 

• Other Forms: 
• Repressed (adjective)
• Repressive (adjective)
Repressible (adjective)
- অবদমিত।
- দমনমূলক, দমনযোগ্য।
- দমনীয়। 

• Repression (noun) [uncountable noun]
• Repressibility (noun)
• Repressiveness noun
- দমননীতি।
- দমনযোগ্যতা। 
 (মনোবিজ্ঞান) অবচেতন মনের ইচ্ছা-আকাঙ্ক্ষা অবদমন; অবদমিত কামনা-বাসনা।

• Repressively (adverb)
- দমনমূলকভাবে। 

Source:
1. Merriam-Webster Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
১১৪.
He studied so well that he passed the exam with ease. Here 'that he passed the exam with ease' is an example of -
  1. Adverb clause
  2. Adjective clause
  3. Noun clause
  4. Principal clause
সঠিক উত্তর:
Adverb clause
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Adverb clause
ব্যাখ্যা
• He studied so well that he passed the exam with ease. Here 'that he passed the exam with ease' is an example of - Adverb clause.
- এখানে, 'that he passed the exam with ease' clause টি দ্বারা ফলাফল নির্দেশ করছে তাই এটি Adverb clause হয়েছে।
- এটি মূলত Adverbial clause of result.

• He studied so well that he passed the exam with ease.
- এখানে, passed the exam with ease বা সহজ ভাবে পাশ করা হচ্ছে একটি ফলাফল যার নিশ্চয় কোন কারণ আছে। 
- সেই কারণ সম্পর্কেই প্রশ্ন করা হচ্ছে; কারণটি হচ্ছে studied so well এবং ফলাফল passed the exam with ease.
- তাই এটি একটি Adverbial clause of result.

• Adverbial clause:
- যে subordinate clause একটি বাক্যে একটি adverb হিসেবে কাজ করে এবং একটি verb,বা একটি adjective-clause বা অন্য একটি adverbial clause-কে modify করে তাকে Adverbial Clause বলে।
 - Adverb এর মত এরা - time, place, cause, effect, purpose ইত্যাদি বুঝায়।
- অর্থাৎ, Adverbial clause সবসময় সময়, স্থান, কাল, কারন, উদ্দেশ্য, ধরন, ফলাফল ইত্যাদি প্রকাশ করে।

• Adverbial clause of result: 
- That, so-that, such ইত্যাদি দ্বার কোন clause শুরু হলে তা কোন কাজের ফলাফল ব্যক্ত করে। এই জাতীয় clause- কে Adverbial clause of result বলে। 
১১৫.
Choose the correctly spelled word.
  1. Reprecussion
  2. Repreccussion
  3. Repercussion
  4. Reperecussion
সঠিক উত্তর:
Repercussion
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Repercussion
ব্যাখ্যা
• Repercussion (noun) 
English Meaning: 
- The effect that an action, event, or decision has on something, especially a bad effect.
- The usually bad effect of an event, action, or decision.

Bangla Meaning: 
- (Uncountable noun) পালটা বিতাড়ন; পুনরায় ছুড়ে মারা; প্রতিধ্বনি।
- [countable noun] (সাধারণত plural) প্রতিক্রিয়া:

Example: The repercussions of the killing will not be favourable.
Bangla Meaning: হত্যার পরিণতি সপ্রতিক বা উপকারী হবে না।

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
১১৬.
That model of the phone is out of date, and newer versions have more features. The underlined part is an example of -
  1. Phrase of preposition
  2. Adjective phrase
  3. Adverb phrase
  4. Noun phrase
সঠিক উত্তর:
Adjective phrase
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Adjective phrase
ব্যাখ্যা
• That model of the phone is out of date, and newer versions have more features. The underlined part is an example of - Adjective phrase.

• Adjective phrase:
- যে phrase গুলো sentence - এ adjective এর মত কাজ করে, অর্থ্যাৎ Noun এর অবস্থা, দোষ-গুণ ইত্যাদি প্রকাশ করে, সেই phrase গুলোকে Adjective Phrase বলে।
-  Noun এর পর যদি কোন clause/Phrase বসে তাহলে সেটি Adjective clause/Phrase হবে।
- আবার, যে Phrase – Preposition দিয়ে শুরু হয়, কিন্তু Adjective বা Adverb এর কাজ করে, তাকে Prepositional Phrase বলে।
- এখানে out of date- Phrase-টি That model of the phone এর adjective হয়েছে অর্থাৎ noun কে modify করেছে এবং এটি out of – Preposition দিয়ে শুরু হয়েছে।
- তাই এটি একটি Prepositional Phrase এবং adjective phrase উভয়ই।
- যেহেতু প্রশ্নে adjective phrase উল্লেখিত আছে, তাই এটিই উত্তর।
১১৭.
Choose the antonym of the word 'Despot'.
  1. Populist
  2. Potentate
  3. Dictator
  4. Autocrat 
সঠিক উত্তর:
Populist
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Populist
ব্যাখ্যা
• Despot (adjective)
English Meaning: A Leader with great power, especially one who uses it in a cruel way.
Bangla Meaning: স্বেচ্ছাচারী শাসনকর্তা।

Synonyms: Tyrant (স্বেচ্ছাচারী) Dictator (স্বৈরাচারী), Oppressor (অত্যাচারী), Autocrat (স্বৈরাচারী), Potentate (স্বেচ্ছাচারী)। 
Antonyms: Moderate (মধ্যপন্থী, পরিমিত), Liberal (উদার), Democrat, (গণতান্ত্রিক), Free (মুক্ত, স্বাধীন), Populist (জনপ্রিয়বাদী)। 

Other Forms:
- Despotism (Noun).

Example Sentence: 
1. It is the story of a military coup which brings a brutal despot to power.
2. It is a typical propagandistic iconography of a despot. 

Source: Live MCQ Lecture.
১১৮.
“A barking dog seldom bites.” - Here the word ‘barking’ does the function of -
  1. Adverb
  2. Verbal noun
  3. Gerund
  4. Participle
সঠিক উত্তর:
Participle
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Participle
ব্যাখ্যা
• “A barking dog seldom bites.” - Here the word ‘barking’ does the function of - Perticiple.

• A participle is a verb that ends in -ing (present participle) or -ed, -d, -t, -en, -n (past participle). Participles may function as adjectives, describing or modifying nouns.
- Participle একই সাথে Verb ও Adjective এর কাজ করে।
- এখানে, Barking দ্বারা noun - dog কে modify করা হয়েছে তাই এটি adjective এর কাজ করছে।
- verb+ing যখন adjective এর কাজ করে তখন তাকে present participle বলা হয়।

• Participle মূলত: তিন প্রকার: 
1. Present Participle. Ex: Do not disturb a sleeping dog. 
2. Past Participle. Ex: This is a book written by Charles Dickens. 
3. Perfect Participle. Ex: Having eaten rice, he went to bed. 

- সাধারণত মূল Verb-এর সাথে ed যুক্ত হয়ে past participle গঠিত হয়, যেমন work-worked।
- কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে ed যুক্ত না হয়েও past participle গঠিত হতে পারে।
- যেমন: go-gone.
- Past Participle Verb সহ adjective হিসেবেও ব্যবহৃত হতে পারে।
১১৯.
The school authority ______ already _______ the schedule of the Examination.
  1. has, announced
  2. have, announced
  3. had, announced
  4. did, announce
সঠিক উত্তর:
has, announced
উত্তর
সঠিক উত্তর:
has, announced
ব্যাখ্যা
• Already, just, yet, recently, lately, ever, just now, still etc ইত্যাদি হচ্ছে  present perfect tense indicator বা নির্দেশক। 
- অর্থাৎ বাক্যে Already, just, yet, recently, lately, ever, just now, still নির্দেশক শব্দগুলো থাকলে বাক্যটি সাধারণত present perfect tense এ হয়।

• Present perfect tense এর  structure:
- Subject+ has/have +Verb এর past participle + object.

• আবার, "School authority" is treated as a singular collective noun, referring to the group or organization as a single entity. Therefore, "has" is the correct verb form to use with a singular subject.

• সুতরাং, নিয়মানুযায়ী শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - has, announced.
- The school authority has already announced the schedule of the Examination.
- বাংলা অর্থ - স্কুল কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে পরীক্ষা সূচি ঘোষণা করেছে।
১২০.
Maria has but two weeks to make arrangements for the function. Here the word 'but' is used as -
  1. Adverb
  2. Preposition
  3. Conjunction
  4. Pronoun
সঠিক উত্তর:
Adverb
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Adverb
ব্যাখ্যা
• Maria has but two weeks to make arrangements for the function. Here the word 'but' is used as - adverb.

• But (Adverb):
- Used as No more than; only.
- বাক্যে যদি but only বা শুধুমাত্র অর্থে ব্যবহৃত হয়, তবে তা adverb হিসেবে বিবেচিত হবে।
- Maria has but two weeks to make arrangements for the function.
- only বা শুধুমাত্র অর্থে  এই বাক্যে but হচ্ছে adverb.

• But শব্দটি বিভিন্ন Parts of speech হিসেবেও বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
যেমন: 
• But (conjunction)
- She wants to go to the movies, but I want to go to the museum - এই বাক্যে 'but' হচ্ছে conjunction.
-  এক্ষেত্রে But দ্বারা ‍দুটি clause-কে যুক্ত করা হয়েছে। 

• But (Preposition):
- Used as Except; apart from; other than.
-  except/ without/ব্যতীত অর্থে but হচ্ছে preposition.
- Everyone but Faria was present -  এই বাক্যে 'but' preposition হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছে।

• But (pronoun)
There is no mother but loves her child -  এই বাক্যে 'but' relative pronoun হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
- but = যে না, যা না – অর্থ হলে তা Relative Pronoun হয়।
১২১.
Identify the correct sentence.
  1. If you practiced regularly, you wouldn't out of shape.
  2. If you practiced regularly, you wouldn't felt out of shape.
  3. If you practiced regularly, you wouldn't be felt out of shape.
  4. If you practiced regularly, you wouldn't be out of shape.
সঠিক উত্তর:
If you practiced regularly, you wouldn't be out of shape.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
If you practiced regularly, you wouldn't be out of shape.
ব্যাখ্যা
• সঠিক বাক্যটি হবে - If you practiced regularly, you wouldn't be out of shape.
Bangla Meaning: যদি তুমি নিয়মিত অনুশীলন করতে, তাহলে তুমি শারীরিকভাবে আকারহীন হতে না।
- বাক্যটি Second Conditional এর উদাহরণ। 

• এই বাক্যের If যুক্ত clause টি past indefinite tense (practiced )এ আছে, তাই পরবর্তী clause এ, wouldn't + be - verb এর base form বসেছে 

• Second Conditional এর নিয়মানুযায়ী -
- If + past indefinite + subject + would/could/might + verb এর base form + ext.
- অর্থাৎ, If + past indefinite যুক্ত clause এর পরবর্তী clause টিতে subject এর পর would/could/might এর সাথে verb এর base form বসে।
- If যুক্ত Sentence এ subject এর পর be verb আসলে সেক্ষেত্রে were ব্যবহৃত হয়।
১২২.
What does the word 'Asterisk' refer to?
  1. A person who specializes in ancient languages and letters.
  2. A belief or idea that is widely disputed but also believed by many.
  3. A scientific theory about the origin of the universe.
  4. A type of punctuation mark used to indicate a footnote or annotation.
সঠিক উত্তর:
A type of punctuation mark used to indicate a footnote or annotation.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A type of punctuation mark used to indicate a footnote or annotation.
ব্যাখ্যা
• Asterisk (noun)
English Meaning: The symbol (* ), used to refer readers to a note at the bottom of a page of text, or to show that a letter is missing from a word:
Bangla Meaning: তারকাচিহ্ন (*)।

Examples: Sometimes taboo words are written with asterisks to avoid causing offense.
Bangla Meaning: : কখনও কখনও নিষিদ্ধ শব্দগুলি সম্মানহানি এড়াতে তারকাচিহ্ন (*) দিয়ে লেখা হয়।

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
১২৩.
Which of the following is a masculine gender?
  1. Beau
  2. Dam
  3. Siren
  4. Belle
সঠিক উত্তর:
Beau
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Beau
ব্যাখ্যা
• অপশনে উল্লিখিত শব্দগুলোর মধ্যে -

• Beau: [Masculine gender]
English meaning: a boyfriend, A man who escorts or pays attentions to a lady, a lover.
Bangla meaning: যে ব্যক্তি মহিলাদের প্রতি বিশেষভাবে আসক্ত।
Feminine gender: Belle.

•  Dam [Feminine gender]
English Meaning: An elderly or mature woman; the title given to a woman with the rank of Knight Commander or holder of the Grand Cross in the Orders of Chivalry.
Bangla Meaning: (চতুষ্পদ জন্তুর) মা বা পশুদের জননী/সম্রাজ্ঞী।
- এর masculine gender: Sire - কোনো পশুর জনক।

Siren (noun) [Feminine gender] [Neuter gender]
(১) (গ্রিকপুরাণ) ডানাবিশিষ্ট নারী, এদের গান নাবিকদের মুগ্ধ করে তাদের বিনাশসাধন করত; (এর থেকে) মোহিনী নারী। (Feminine gender) 
(২) সতর্কবার্তা ও সংকেত প্রেরণের জন্য জাহাজের বাঁশি; তীব্র, উঁচু, প্রলম্বিত সতর্ক ধ্বনি; এই ধ্বনি সৃষ্টিকারী যন্ত্র; সাইরেন: an air-raid siren. 

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
১২৪.
Ajay was _______ with a serious crime.
  1. accused
  2. convicted
  3. charged
  4. condemned
সঠিক উত্তর:
charged
উত্তর
সঠিক উত্তর:
charged
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - charged.
- Complete sentence: Ajay was charged with a serious crime.
- উল্লিখিত শূন্যস্থানে সেই শব্দটিই বসেছে যার সাথে কোন অপরাধে অভিযুক্ত বোঝাতে preposition হিসেবে with হবে।

• Charge somebody (with):
- কাউকে (কোন কিছুর জন্য) অভিযুক্ত করা, কারো বিরুদ্ধে (কোন কিছুর) অভিযোগ উত্থাপন করা।
- অর্থাৎ, কোন অপরাধে অভিযুক্ত বোঝাতে charged with হবে।

• Charge with:
- Impose a duty or task on, as in, He was charged with getting this message to the commissioners.
- Accuse of a crime, as in, He was charged with creating a disturbance.

• অন্য অপশনগুলো সঠিক উত্তর হবে না, কারণ -
• Accuse (someone) of (something):
- English meaning - to say that someone has done something morally wrong, illegal, or unkind.
- Bangla meaning - কাউকে কোন কিছুর অপরাধে অভিযুক্ত করা।
- সেই হিসেবে Accuse এর পর  appropriate preposition হিসেবে of বসবে। (প্রশ্নে শূন্যস্থানের পর with আছে)।
- Example: He was accused of murder.

• Convict somebody (of something): 
- দোষী সাব্যস্ত করা; অপরাধী বলে রায় দেওয়া। 
- কাউকে কোন বিষয়ে অভিযুক্ত করা অর্থে Convict এর সাথে 'of' preposition ব্যবহৃত হয়।
- Example: He has been convicted of smuggling. (প্রশ্নে শূন্যস্থানের পর with আছে)।

• Condemn someone to (do) something
(১) দোষ দেওয়া; নিন্দা করা; কোনো কিছু বাতিল বা ব্যবহারের অযোগ্য বলে ঘোষণা করা।
(২) বিচারে দোষী সাব্যস্ত করা।
- কাউকে কোন বিষয়ে অভিযুক্ত করা অর্থে Condemn এর সাথে 'to' preposition ব্যবহৃত হয়।(প্রশ্নে শূন্যস্থানের পর with আছে)।
- Example: She was condemned to death and executed two weeks later.

• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে charged, কারণ এটি "charged with" phrase এর সাথে আসে, যা কাউকে একটি অপরাধে অভিযুক্ত করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

Source: 
1. Cambridge Dictionary
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
১২৫.
Identify the correct sentence.
  1. The manager forbade the employees not using their phones in meetings.
  2. The manager forbade the employees do not to use their phones in meetings.
  3. The manager forbade the employees not to use their phones in meetings.
  4. The manager forbade the employees to use their phones in meetings.
সঠিক উত্তর:
The manager forbade the employees to use their phones in meetings.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The manager forbade the employees to use their phones in meetings.
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত বাক্যগুলোর মধ্যে একমাত্র সঠিক বাক্যটি হচ্ছে - The manager forbade the employees to use their phones in meetings.
- বাংলা অর্থ - ম্যানোজার কর্মচারীদের মিটিং-এ তাদের ফোন ব্যবহার করতে নিষেধ করেছিলেন।

• বাক্যটি indirect sentence এর উদাহরণ, আর indiret sentence এর ক্ষেত্রে don't এর বদল not এর ব্যবহার সঠিক।
- indirect speech এ advised এবং ordered ব্যবহৃত হলে not to ব্যবহৃত হবে কিন্তু forbade নিজেই না বোধক হওয়ায় এর পর not বসবে না শুধু to + verb বসবে।

• অন্য অপশনগুলতে -
ক) forbade আছে তাই not using এর ব্যবহার ভুল। 
খ) অপশনেও forbade আছে তাই do not to use এর ব্যবহার ভুল। 
গ) অপশনেও forbade আছে তাই not to use এর ব্যবহার ভুল।
১২৬.
ঘূর্ণিঝড় সম্পর্কে কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রমুখী ও ঊর্ধ্বমুখী বায়ুরূপে পরিচিত
  2. ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির জন্য সমুদ্রপৃষ্ঠে ২৭° সেলসিয়াস তাপমাত্রা প্রয়োজন হয়
  3. ঘূর্ণিঝড়ের আগে বায়ু শীতল ও আর্দ্র থাকে
  4. ঘূর্ণিঝড়ের বায়ু আবর্তনের কেন্দ্রকে চোখ বলা হয়
সঠিক উত্তর:
ঘূর্ণিঝড়ের আগে বায়ু শীতল ও আর্দ্র থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘূর্ণিঝড়ের আগে বায়ু শীতল ও আর্দ্র থাকে
ব্যাখ্যা
ঘূর্ণিঝড়:
- ঘূর্ণিঝড়ের ইংরেজি প্রতিশব্দ Cyclone।
- এটি গ্রিক শব্দ Kyklos থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।
- যার অর্থ কুণ্ডলি পাকানো সাপ।
- বিজ্ঞানী হেনরি পিডিংটন ১৮৪৮ সালে প্রথম এ শব্দটি ব্যবহার করেন।
- সাধারণত এপ্রিল-মে এবং অক্টোবর-ডিসেম্বর মাসে ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়ে থাকে।

⇒ ঘূর্ণিঝড়ের বায়ু আবর্তনের কেন্দ্রকে চোখ বলা হয়।
- ঘূর্ণিঝড়ের সবচেয়ে বড় প্রভাব ঘটে আবহাওয়াতে।
- ঘূর্ণিঝড় শুরু হওয়ার আগে বায়ু শান্ত, উষ্ণ ও আর্দ্র থাকে।
- ঘূর্ণিঝড়ের মূল অংশ যখন আসে তখন প্রবল ঝড়ো হাওয়া ও ঘন মেঘসহ মুষলধারে বৃষ্টি হয়।
- আর কেন্দ্রের ভিতরে অবস্থানকারী চোখ শান্ত আবহাওয়া পরিস্থিতি তৈরি করে।
- ঘূর্ণিঝড়ের পশ্চাৎভাগে পৌঁছানোর পর আবারও ঘন মেঘ, বৃষ্টিপাত ও ঝড়ো হাওয়া প্রবাহিত হয়।
- এ সময় বায়ু অগ্রবর্তী ঘূর্ণিঝড়ের বিপরীত দিক থেকে প্রবাহিত হয়।

⇒ ঘূর্ণিঝড়ের বৈশিষ্ট্য:
- সমুদ্র পৃষ্ঠের কাছাকাছি অন্তত ২৭° সেলসিয়াস তাপমাত্রা বিশিষ্ট যথেষ্ট পরিমাণে উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু থাকে।
- মুষলধারে বৃষ্টিপাত হয় এবং বায়ুপ্রবাহের ভেতরে এবং উপরের দিকে খাড়া হয়ে মেঘপুঞ্জের সৃষ্টি হয়।
- উর্দ্ধস্তরের বায়ু বহির্গামী হবে।
- ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রমুখী ও ঊর্ধ্বমুখী বায়ুরূপে পরিচিত।
- এর কেন্দ্রস্থলে নিম্নচাপ এবং চারপাশে উচ্চচাপ বিরাজ করে।
- বর্ষাকালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর কারণে ঘূর্ণিঝড় হয়।

উৎস: i) তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) ওয়েবসাইট।
ii) ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৭.
নিরক্ষীয় অঞ্চলে কোন প্রকার বৃষ্টিপাত হয়?
  1. শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি
  2. ঘূর্ণিবাত বৃষ্টি
  3. পরিচলন বৃষ্টি
  4. সংঘর্ষ বৃষ্টি
সঠিক উত্তর:
পরিচলন বৃষ্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিচলন বৃষ্টি
ব্যাখ্যা
নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চল:
- নিরক্ষরেখার উভয় পাশে ৫° অক্ষাংশের মধ্যে নিরক্ষীয় অঞ্চল অবস্থিত।
- নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলের দেশসমূহ সারা বছর সূর্যের তাপ পায় বলে এখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
- সেই সাথে উর্বর মৃত্তিকা এবং জলবায়ুর প্রভাবে চিরহরিৎ বনাঞ্চল দেখা যায়।
- এখানে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তনশীল থাকে।
- বিষুবরেখার পার্শ্ববর্তী ৯৬৫ কি. মি. এলাকাজুড়ে এই জলবায়ুর প্রভাব বিস্তৃত।
- আফ্রিকার কঙ্গো নদী অববাহিকা ও গিনি উপকূলীয় এলাকা, মধ্য আমেরিকার পূর্ব উপকূলের পানামা, হন্ডুরাস, কোস্টারিকা, নিকারাগুয়া এবং দক্ষিণ আমেরিকার পূর্ব উপকূল এই জলবায়ু অঞ্চলের অর্ন্তগত।
- এছাড়াও নিরক্ষরেখার কাছাকাছি অবস্থিত দেশগুলো যেমন: মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রনাই, ফিলিপাইন, আমাজান নদীর অববাহিকা, পেরু, ইকুয়েডর ও কলম্বিয়ার দক্ষিণাঞ্চল জুড়েও এই জলবায়ু প্রভাব বিস্তার করে।

⇒ নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য:
- নিরক্ষরেখার নিকটবর্তী দেশগুলোতে সূর্য প্রায় সারাবছরই লম্বভাবে কিরণ দেয় বলে এখানে গ্রীষ্মঋতুর প্রাধান্য লক্ষ্য করা যায়।
- দিন-রাতের মধ্যে তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তনশীল থাকে।
- এই সকল এলাকায় পরিচলন বৃষ্টিপাত বেশি হয়।
- অধিক বৃষ্টিপাতের জন্য চিরহরিৎ বনাঞ্চল দেখা যায়।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৮.
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশসমূহ প্রধানত কোন জলবায়ুর অন্তর্গত?
  1. নিরক্ষীয়
  2. ভূমধ্যসাগরীয়
  3. মহাদেশীয়
  4. মৌসুমি
সঠিক উত্তর:
মৌসুমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌসুমি
ব্যাখ্যা
মৌসুমি জলবায়ু:
- ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে এ বায়ু প্রবাহের দিক পরিবর্তন হয় বলে একে মৌসুমি জলবায়ু বলা হয়।
- কর্কটক্রান্তি ও মকরক্রান্তির নিকটবর্তী অঞ্চল জুড়ে যে জলবায়ু বিস্তৃত তা মৌসুমি জলবায়ু।
- ক্যারিবিয়ান সাগর, পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপসমূহের দেশগুলো, পূর্ব আফ্রিকা, পূর্ব ব্রাজিল, উত্তর-পূর্ব অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ চীন ও জাপান, থাইল্যান্ড, কম্পুচিয়া, ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, মিয়ানমার অর্থাৎ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এই জলবায়ু অঞ্চলের অর্ন্তগত।
- এছাড়াও মেক্সিকো উপসাগরের উপকূলবর্তী দেশসমূহ, লাওস, মালাগাছি দ্বীপও এই জলবায়ুর অন্তর্ভুক্ত।

⇒ মৌসুমি জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য:
- মৌসুমি জলবায়ুতে গ্রীষ্মকালে অধিক গরম ও শীতকালে শীত পড়ে। জুলাই মাস সবচেয়ে বেশি গরম ও জানুয়ারি মাসে বেশি শীত পড়ে। 
- গ্রীষ্মকালে উত্তর গোলার্ধে সূর্য কর্কটক্রান্তি রেখার উপর দিয়ে লম্বভাবে কিরণ দেয় এবং এই সময় দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া, মধ্য এশিয়া, উত্তর-পশ্চিম ভারত প্রভৃতি স্থানে বায়ুর নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়।
- মৌসুমি জলবায়ু অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে বৃষ্টিপাত বেশি হয় কিন্তু শীতকাল শুষ্ক থাকে। তবে অতিবৃষ্টি, বন্যা, খরাও এই জলবায়ু অঞ্চলে দেখা যায়। ক
- এই জলবায়ু অঞ্চলে উর্বর ভূমি ও পলিমাটি কৃষিকাজের জন্য উপকারী।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৯.
উত্তর আমেরিকার রকি কোন ধরনের পর্বত?
  1. ক্ষয়জাত
  2. ভঙ্গিল
  3. ল্যাকোলিথ
  4. সঞ্চয়জাত
সঠিক উত্তর:
ভঙ্গিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভঙ্গিল
ব্যাখ্যা
পর্বত (Mountain):
- ভূ-পৃষ্ঠের অতি উচ্চ, সুবিস্তৃত এবং খাড়া ঢাল বিশিষ্ট শিলাস্তুপকে পর্বত বলে।
- পর্বত সাধারণত ৬০০ মিটারের বেশি উচ্চতা সম্পন্ন হয়।
- তবে পর্বতের উচ্চতা সমুদ্র সমতল থেকে কয়েক হাজার মিটার পর্যন্ত হতে পারে।
- কোনো কোনো পর্বত বিচ্ছিন্নভাবে অবস্থান করে, যেমন- পূর্ব আফ্রিকার কিলিমানজারো।
- পর্বত গঠনের প্রক্রিয়াকে ওরোজেনেসিস (Orogenesis) বলে।
- পৃথিবীর প্রতিটি পর্বত দেখতে বাহ্যিকভাবে স্বতন্ত্র হলেও উৎপত্তিগত ও গঠন প্রকৃতির দিক দিয়ে এদের বিভিন্ন শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়।
- উৎপত্তিগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে পর্বতকে চার ভাগে ভাগ করা যায়।
- যথা-
ক. ভঙ্গিল পর্বত,
খ. আগ্নেয় পর্বত,
গ. চ্যুতি-স্তূপ পর্বত এবং,
ঘ. উত্থিত ক্ষয়জাত পর্বত।

উল্লেখ্য,
⇒ ভঙ্গিল পর্বত (Folded Mountain):
- পাললিক শিলাস্তর আনুভূমিক আলোড়ন বা মহাদেশীয় পর্বতের সংকোচনের ফলে কুঞ্চিত হয়ে ঢেউয়ের আকারে যে পর্বত সৃষ্টি হয় তাকে ভঙ্গিল পর্বত বলে।
- চার ধরনের পর্বতের মধ্যে ভঙ্গিল পর্বত সর্বাধিক বিস্তৃত।
- অভিসারী প্লেট সীমানায় সংকোচনজনিত চাপে এ ধরনের পর্বত গঠিত হয় বলে এর শিলা কাঠামো ভাঁজ ও চ্যুতিযুক্ত।
- ভঙ্গিল পর্বত সাধারণত পাললিক শিলা দ্বারা গঠিত।
-যেমন: এশিয়ার হিমালয়, দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ, উত্তর আমেরিকার রকি এবং ইউরোপের আল্পস পর্বতমালা।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩০.
পাদদেশীয় পললভূমি দেখা যায় বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে?
  1. কুমিল্লা-নোয়াখালী
  2. খুলনা-বাগেরহাট
  3. চট্টগ্রাম-কক্সবাজার
  4. রংপুর-দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
রংপুর-দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর-দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
- সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি বাংলাদেশকে একটি উর্বর কৃষিপ্রধান দেশে পরিণত করেছন
- পদ্মা, মেঘনা, যমুনাসহ অসংখ্যা ছোট-বড় নদী সারা দেশে জালের ন্যায় ছড়িয়ে আছে।
- এসব নদী সমতল ভূমির ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় প্রায় প্রতি বছর বন্যার সৃষ্টি হয়।
- এভাবে বন্যার সঙ্গে বাহিত পলিমাটি সঞ্চিত হয়ে দেশের বিস্তীর্ণ প্লাবন সমভূমি সৃষ্টি হয়েছে।
- এ প্লাবন সমভূমি উত্তর দিক থেকে ক্রমশ ঢালু হয়ে দক্ষিণে প্রায় সমুদ্র সমতলে মিশেছে।
- দক্ষিণের সুন্দরবন অঞ্চল প্রায় সমুদ্র সমতলে অবস্থিত।
- সমুদ্র সমতল থেকে দিনাজপুরের উচ্চতা ৩৭.৫০ মিটার, বগুড়ার উচ্চতা ২০ মিটার, ময়মনসিংহের উচ্চতা ১৮ মিটার, নারায়নগঞ্জ ও যশোরের উচ্চতা ৮ মিটার।
- এ অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অসংখ্য জলাভূমি ও নিম্নভূমি।
- স্থানীয়ভাবে এসব জলাভূমি ও নিম্নভূমিকে বিল, ঝিল বা হাওড় বলে।
- রাজশাহীর চলনবিল, ঢাকার আড়িয়াল বিল, গোপালগঞ্জের বিল এবং সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোণা ও শেরপুর জেলার বিল ও হাওড় অন্যতম।
- মেঘনা নদীর মোহনায় রয়েছে হাতিয়া ও সদ্বীপ।
- এছাড়া বাংলাদেশের দক্ষিণ উপকূলে আরোও কিছু ছোট ছোট দ্বীপ রয়েছে।
- এসব দ্বীপের মাটি উর্বর এবং মানব বসতির উপযোগী।

⇒ সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমিকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়।
• পাদদেশীয় সমভূমি:
- হিমালয় পর্বত হতে বাহিত পলল দ্বারা গঠিত রংপুর ও দিনাজপুরের পাদদেশীয় সমভূমি।
• বন্যাপ্রবণ সমভূমি:
- ঢাকা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, জামালপুর, পাবনা, নোয়াখালী, কুমিল্লা ও সিলেট জেলার বন্যাপ্রবণ সমভূমি।
• স্রোতজ সমভূমি:
- খুলনা, পটুয়াখালী এবং বরগুনা জেলার অংশবিশেষ নিয়ে স্রোতজ সমভূমি।
- এ অঞ্চলের নদীতে প্লাবন কম হয়, তবে নিয়মিত জোয়ার-ভাটা হয়।
• উপকূলীয় সমভূমি:
- নোয়াখালী ও ফেনী নদীর নিম্নভাগ থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত বিস্তৃত চট্টগ্রামের উপকূলীয় সমভূমি।
- এখানকার পতেঙ্গা সৈকত, কক্সবাজার সৈকত এবং টেকনাফ সৈকত পর্যটনের জন্য বিশেষ প্রসিদ্ধ।
• ব-দ্বীপ সমভূমি:
- ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা এবং ঢাকা অঞ্চলের অংশবিশেষ নিয়ে ব-দ্বীপ সমভূমি।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩১.
এফসিডিআই প্রকল্পের উদ্দেশ্য কোনটি?
  1. বন্যা নিয়ন্ত্রণ
  2. সেচ প্রকল্প
  3. পানি নিষ্কাশন
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
এফসিডিআই প্রকল্প:
- FCDIP-এর পূর্ণরপ Flood Control, Drainage and Irrigation Projects.
- বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প (Flood Control, Drainage and Irrigation Projects) অনুচ্চ ভূ-সংস্থানের কারণে একটি স্বাভাবিক বৎসরে বাংলাদেশের ভৌগোলিক এলাকার কমপক্ষে ২০% এলাকা বন্যা কবলিত হয়ে থাকে।
- ১৯৯৮ সালের মতো মারাত্মক পর্যায়ে গেলে বন্যা কবলিত এলাকার পরিমাণ প্রায় ৭০% এ গিয়ে পৌঁছতে পারে।
- বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পসমূহ বন্যার তীব্রতা হ্রাসকরণে অথবা বন্যা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বন্যার পানি নিষ্কাশনের উপায় হিসেবে ব্যবহূত হয়, যেগুলো শস্য উৎপাদন বৃদ্ধির ক্ষেত্রে অনুকূল অবস্থার সৃষ্টি করে।
- Bangladesh Water and Power Development Boards Order, 1972 (P. O. No. 59 of 1972) - এর অধীন প্রতিষ্ঠিত Bangladesh Water Development Board সংক্রান্ত বিধানাবলী রহিত করিয়া পানি সম্পদের উন্নয়ন ও দক্ষ ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে আইন প্রণয়ন করা হয়।
- এই আইন বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড আইন, ২০০০ নামে পরিচিত।

⇒ এফসিডিআই প্রকল্পের উদ্দেশ্য -
- বন্যা নিয়ন্ত্রণ,
- পানি নিষ্কাশন ও
- সেচ প্রকল্প।

উৎস: বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর।
১৩২.
'সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড' কোন যুগে সৃষ্টি হয়েছে?
  1. টারশিয়ারি যুগে
  2. প্লাইস্টোসিনকালে
  3. সাম্প্রতিককালে
  4. ক ও গ
সঠিক উত্তর:
প্লাইস্টোসিনকালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লাইস্টোসিনকালে
ব্যাখ্যা
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড:
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড (Swatch of No Ground) খাদ আকৃতির সামুদ্রিক অববাহিকা বা গিরিখাত।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত।
- এটি প্লাইস্টোসিন কালে সৃষ্টি হয়েছে।
- এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত।
- গঙ্গা খাদ নামেও এটি পরিচিত।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের প্রস্থ ৫ থেকে ৭ কিলোমিটার, তলদেশ তুলনামূলকভাবে সমতল এবং পার্শ্ব দেয়াল প্রায় ১২ ডিগ্রি হেলানো।
- মহীসোপানের কিনারায় খাদের গভীরতা প্রায় ১,২০০ মিটার।
- বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের ওপর গবেষণায় দেখা গেছে যে, সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড অবক্ষেপপূর্ণ ঘোলাটে স্রোত এনে বেঙ্গল ফ্যানে ফেলছে।
- বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের অধিকাংশ পলল গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র সঙ্গমস্থলে উদ্ভূত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৩৩.
কোন জলবায়ু অঞ্চলে চিরহরিৎ বৃক্ষের বনভূমির সৃষ্টি হয়েছে?
  1. ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে
  2. মৌসুমি অঞ্চলে
  3. নিরক্ষীয় অঞ্চলে
  4. মেরুদেশীয় অঞ্চলে
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষীয় অঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষীয় অঞ্চলে
ব্যাখ্যা
নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চল:
- আফ্রিকার কঙ্গো নদী অববাহিকা ও গিনি উপকূলীয় এলাকা, মধ্য আমেরিকার পূর্ব উপকূলের পানামা, হন্ডুরাস, কোস্টারিকা, নিকারাগুয়া এবং দক্ষিণ আমেরিকার পূর্ব উপকূল এই জলবায়ু অঞ্চলের অর্ন্তগত।
- এছাড়াও নিরক্ষরেখার কাছাকাছি অবস্থিত দেশগুলো যেমন: মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রনাই, ফিলিপাইন, আমাজান নদীর অববাহিকা, পেরু, ইকুয়েডর ও কলম্বিয়ার দক্ষিণাঞ্চল জুড়েও এই জলবায়ু প্রভাব বিস্তার করে।

⇒ নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য:
- নিরক্ষরেখার নিকটবর্তী দেশগুলোতে সূর্য প্রায় সারাবছরই লম্বভাবে কিরণ দেয় বলে এখানে গ্রীষ্মঋতুর প্রাধান্য লক্ষ্য করা যায়।
- দিন-রাতের মধ্যে তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তনশীল থাকে।
- এই সকল এলাকায় পরিচলন বৃষ্টিপাত বেশি হয়।
- অধিক বৃষ্টিপাতের জন্য চিরহরিৎ বনাঞ্চল দেখা যায়।

⇒ চিরহরিৎ বৃক্ষ:
- চিরহরিৎ শব্দের অর্থ হলো চির সবুজ। উদ্ভিদবিদ্যায় চিরহরিৎ বৃক্ষ হলো সেসব উদ্ভিদ, যাদের পাতা প্রত্যেক ঋতুতেই সবুজ থাকে। এরা উষ্ণ ও আর্দ্রভূমিতে কিছু এলাকাজুড়ে বন আকারে জন্মে। অল্প ঠাণ্ডা শীতপ্রধান জলবায়ুর অধিকাংশ উদ্ভিদ প্রজাতিই চিরহরিৎ। যেসব অঞ্চলে বার্ষিক বৃষ্টিপাত ২০০ সেন্টিমিটারের বেশি, সেসব অঞ্চলেও চিরহরিৎ বৃক্ষের বনভূমি দেখা যায়। অত্যধিক বৃষ্টিপাতের জন্য এখানকার গাছপালা সারা বছরই সবুজ পাতায় ভরা থাকে। শিশু, গর্জন, মেহগিনি, সেগুন, চাপালিশ, পাইন, লোহাকাঠ, কাঁঠাল, জাম, ডুমুর ইত্যাদি চিরহরিতের প্রধান বৃক্ষ। এসব বৃক্ষের কাঠ খুবই শক্ত ও ভারী। এ কাঠ গৃহনির্মাণ ও আসবাবপত্র তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। গুল্ম ও বৃক্ষ উভয় ধরনের উদ্ভিদের মধ্যেই চিরহরিৎ বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান।
- বাকিরা পর্ণমোচী উদ্ভিদ। পর্ণমোচী হলো সেসব উদ্ভিদ, যাদের পাতা শীতকালে অথবা শুষ্ক ঋতুতে সম্পূর্ণ ঝরে যায়।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৪.
নৈতিক মূল্যবোধক অবধারণের উপজীব্য বিষয় হলো -
  1. ব্যক্তি
  2. ব্যক্তির অভিপ্রায় 
  3. ব্যক্তির প্রেষণা
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
নৈতিকতা অবধারণ:
- , নৈতিকতা কতগুলো নৈতিক অবধারণের মাধ্যমে প্রকাশ পায়।
- একে অনেকে মূল্যবোধক অবধারণ, আদর্শমূলক অবধারণও বলে থাকেন।
- নৈতিক অবধারণে আমরা নৈতিক আচরণ বা আচরণকারীর ওপর কোন নৈতিক গুণ, বাধ্যবাধকতা, দায়িত্ব ইত্যাদি অথবা ইত্যাদির অভাব আরোপ করি।
- নৈতিক অবধারণের আর একটি বৈশিষ্ট্য এই যে, এ কিছু নীতি, আদর্শ বা সদ্গুণের সঙ্গে যুক্ত।

নৈতিক অবধারণের প্রকার:
- নৈতিক অবধারণ বিভিন্ন প্রকার হতে পারে।
- নৈতিক নীতিগুলো সাধারণ নৈতিক অবধারণ হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত।
- গুরুত্বপূর্ণ যে দু'ধরনের নৈতিক অবধারণ রয়েছে তাদেরকে বলা যেতে পারে: (১) বাধ্যতামূলক নৈতিক অবধারণ ও (২) মূল্যবোধক নৈতিক অবধারণ।

⇒ বাধ্যতামূলক অবধারণ বলতে বুঝায়, ঐসব অবধারণ যাতে কোন বিশেষ কাজকে আমরা নৈতিকভাবে যথোচিত, অযথোচিত, বাধ্যতামূলক, কর্তব্য ইত্যাদি বলে আখ্যায়িত করি; অথবা তা করা উচিত কি অনুচিত তা বলি।
নৈতিক মূল্যবোধক অবধারণে আমরা কোন কাজ সম্পর্কে কথা বলি না, বরং কোন ব্যক্তি অথবা তার প্রেষণা, অভিপ্রায়, চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ইত্যাদি সম্পর্কে কথা বলি এবং আমরা যা বলি তাতে যে শব্দগুলি ব্যবহার করি তা হচ্ছে নৈতিকভাবে ভাল-মন্দ, সৎ বা অসৎ গুণ সম্পন্ন, দায়িত্বপূর্ণ, নিন্দাহ, সাধুসুলভ, ঘৃণ্য ইত্যাদি।

উৎস: নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৫.
গণতন্ত্রের মূলমন্ত্র নয় কোনটি?
  1. ভ্রাতৃত্ব
  2. স্বাধীনতা
  3. আইন
  4. সাম্য
সঠিক উত্তর:
আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন
ব্যাখ্যা
আইন গণতন্ত্রের মূলমন্ত্র নয়।

গণতন্ত্র: 

- গণতন্ত্র হলো জনগণের শাসন।
- বর্তমান বিশ্বে এটি একটি জনপ্রিয় শাসনব্যবস্থা।
- যে শাসনব্যবস্থায় জনগণের হাতে ক্ষমতা থাকে তাকেই গণতন্ত্র বলে।
- প্রাচীন গ্রীক দার্শনিক হেরোডোটাস বলেছেন, 'গণতন্ত্র এক প্রকার শাসনব্যবস্থা, যেখানে শাসনক্ষমতা কোনো শ্রেণি বা শ্রেণিসমূহের উপর ন্যস্ত থাকে না; বরং সমাজের সদস্যগণের উপর ন্যস্ত হয় ব্যাপকভাবে।'
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিঙ্কন গণতন্ত্রের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেন, 'Democracy is a government of the people, by the people, and for the people.' অর্থাৎ, 'গণতন্ত্র হচ্ছে জনগণের সরকার, জনগণের দ্বারা নির্বাচিত এবং জনগণের জন্য পরিচালিত সরকারব্যবস্থা।'
- গণতন্ত্রের মূলমন্ত্র হলো সাম্য, স্বাধীনতা ও ভ্রাতৃত্ব।

উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন ১মপত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
ii) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩৬.
আধুনিক রাষ্ট্রে কারা আইন প্রণয়ন করেন?
  1. মন্ত্রীবর্গ
  2. বিচারপতিগণ
  3. সংসদ সদস্যগণ
  4. বর্ণিত সবাই
সঠিক উত্তর:
সংসদ সদস্যগণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদ সদস্যগণ
ব্যাখ্যা
আইন:
- সমাজ জীবনে প্রচলিত বিধি-বিধানের নামই আইন।
- আইন হলো মানবজাতির বৃহত্তর কল্যাণে মানুষের আচার-আচরণ নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্র যে সকল বিধিনিষেধ প্রণয়ন করে সাধারণভাবে সেগুলোকেই আইন বলা হয়।
- আইন হচ্ছে ব্যক্তির বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত নিয়মের সমষ্টি যা সমাজ ও রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত।

⇒ আইনের উৎস:
- আইনের উৎস: প্রথা, ধর্ম, আইনসভা, সংবিধান, বিচারকের রায়, ন্যায়বিচার, বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা। 

⇒ আইন সভা:
- আইন সভার প্রধান কাজ আইন প্রণয়ন করা। আধুনিক রাষ্ট্র সাধারণত জন কল্যাণে নিয়োজিত থাকে। ফলে সময়ের প্রেক্ষিতে মানুষের নানাবিধ অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের গুরু দায়িত্ব। তাই আইন সভার সদস্যগণ জন কল্যাণে এবং নাগরিক অধিকার রক্ষার্থে নতুন নতুন অনেক বিষয়কে আইনে রুপান্তর করার জন্য তা বিল (আইনের খসড়া) আকারে আইনসভায় উত্থাপন করে থাকে। বিষয়টি যদি সংখ্যা গরিষ্ঠ মতামত প্রাপ্ত হয় তবে তা আইনে পরিণত হয়।

উৎস: i) পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।