পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes২২ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন২৩
সিলেবাস
পদার্থের অবস্থা, ভৌত রাশি এবং এর পরিমাপ, ভৌত বিজ্ঞানের উন্নয়ন, চৌম্বকত্ব, তরঙ্গ এবং শব্দ, তাপ ও তাপগতি বিদ্যা, আলোর প্রকৃতি, স্থির এবং চল তড়িৎ, আলোক যন্ত্রপাতি, তড়িৎ চৌম্বক, ট্রান্সফরমার, এক্সরে, তেজস্ক্রিয়তা ইত্যাদি। সোর্সঃ যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৩ প্রশ্ন

.
কার আবিষ্কার বল ও গতিবিদ্যার ভিত্তি তৈরি করে দেয়?
  1. ক) আইনস্টাইন
  2. খ) কোপার্নিকাস
  3. গ) নিউটন
  4. ঘ) অটোহান
ব্যাখ্যা
1687 খ্রিস্টাব্দে বিজ্ঞানী নিউটন বলবিদ্যার তিনটি এবং মহাকর্ষ বলের সূত্র প্রকাশ করেন, যেটি বল ও গতিবিদ্যার ভিত্তি তৈরি করে দেয়।
আলােকবিজ্ঞান এবং অন্য আরাে কাজের সাথে সাথে বিজ্ঞানী নিউটন লিবনিজের সাথে গণিতের নতুন একটি শাখা ক্যালকুলাস আবিষ্কার করেছিলেন।
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
.
নিচের কোনটি উর্ধ্বপাতিত হয়?
  1. ক) অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড
  2. খ) তুঁতে
  3. গ) কস্টিক সোডা
  4. ঘ) সালফিউরিক এসিড
ব্যাখ্যা
যে প্রক্রিয়ায় কঠিন পদার্থকে তাপ দিলে তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি গ্যাসীয় পদার্থে পরিণত হয় তাকে ঊর্ধ্বপাতন বলে।
নিশাদল, কর্পূর, আয়োডিন, ন্যাপথলিন, অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড, কঠিন কার্বন ডাই অক্সাইডের বেলায় এরকম হয়।
উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি
.
বিকিরণ সংক্রান্ত কোয়ান্টাম সংখ্যায়ন তত্ত্বের সঠিক গাণিতিক ব্যাখ্যা দিয়েছেন-
  1. ক) সত্যেন্দ্রনাথ বসু
  2. খ) ম্যাক্স প্লাঙ্ক
  3. গ) জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল
  4. ঘ) স্ট্রেসম্যান
ব্যাখ্যা
১৯০০ সালে ম্যাক্স প্লাঙ্ক কোয়ান্টাম তত্ত্ব আবিষ্কার করেন। এই তত্ত্ব ব্যবহার করে পরবর্তীতে পরমাণুর স্থিতিশীলতা ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়েছিলো।
বিকিরণ সংক্রান্ত কোয়ান্টাম সংখ্যায়ন তত্ত্বের সঠিক গাণিতিক ব্যাখ্যা দেন প্রফেসর সত্যেন্দ্রনাথ বসু৷
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
.
যে তাপমাত্রায় কোনো কঠিন পদার্থ তরলে পরিণত হয়, তাকে ______ বলে৷
  1. ক) হিমাংক
  2. খ) গলনাংক
  3. গ) স্ফুটনাংক
  4. ঘ) তরলাংক
ব্যাখ্যা
যে তাপমাত্রায় কোনো কঠিন পদার্থ তরলে পরিণত হয়, সে তাপমাত্রাকে বলে গলনাংক। গলনাংক এবং হিমাংক পরিমাণগত ভাবে একই, তবে দুটো বিপরীত প্রক্রিয়ার ফসল।
যে তাপমাত্রায় কোনো তরল পদার্থ বাষ্পে পরিণত হয় তাকে ঐ পদার্থের স্ফুটনাংক বলে৷
উৎসঃ বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি
.
পরমশূন্য তাপমাত্রা হল-
  1. ক) 0 F
  2. খ) 0 K
  3. গ) 0°C
  4. ঘ) -273 K
ব্যাখ্যা
স্থির চাপে গাণিতিকিভাবে যে তাপমাত্রায় যেকোনো গ্যাসের আয়তন শূন্য হয়, সেই তাপমাত্রাকে (-273°C বা 0K) পরম শূন্য তাপমাত্রা বলা হয়।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
.
কোন পদার্থটি বোতলে রেখে দিলে সম্পূর্ণ বোতল জুড়ে থাকবে?
  1. ক) পানি
  2. খ) চিনি
  3. গ) সেন্ট
  4. ঘ) দুধ
ব্যাখ্যা
বায়বীয় পদার্থ সবসময়ই যে পাত্রে রাখা হয় সে পাত্রজুড়ে অবস্থান করে৷ অর্থাৎ, একই পরিমাণ গ্যাস যদি একটি বড় সিলিন্ডারে এবং আরেকটি ছোটো সিলিন্ডারে রাখা হয় তাহলে সেই গ্যাস পুরোটা জুড়ে থাকবে৷
প্রশ্নের প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে একমাত্র সেন্টই এই শর্ত পূরণ করতে পারে যেহেতু এটা গ্যাসীয় পদার্থ৷
উৎসঃ বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি
.
কোন পদার্থের দৃঢ়তা কম?
  1. ক) বরফ
  2. খ) লোহা
  3. গ) পানি
  4. ঘ) ইট
ব্যাখ্যা
অবস্থাভেদে পদার্থ তিন প্রকার হয়৷ যথা- কঠিন, তরল ও বায়বীয়৷
কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকার, আয়তন ও দৃঢ়তা আছে৷ যেমন- লোহা, বরফ, ইট ইত্যাদি৷
তরল পদার্থে নির্দিষ্ট আয়তন থাকলেও আকার এবং দৃঢ়তা নেই৷ যেমনঃ পানি, তেল ইত্যাদি৷
গ্যাসীয় পদার্থের নির্দিষ্ট আকার, আয়তন এবং দৃঢ়তা কোনোটিই নেই। যেমনঃ অক্সিজেন, কার্বন-ডাই-অক্সাইড।
উৎসঃ বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি
.
সমুদ্রতীরে কোনটির প্রাচুর্য থাকে?
  1. ক) অক্সিজেন
  2. খ) নাইট্রোজেন
  3. গ) হাইড্রোজেন
  4. ঘ) জলীয়বাষ্প
ব্যাখ্যা
সাধারণভাবে বায়ুতে নাইট্রোজেনের পরিমাণ ৭৮.০২%, অক্সিজেন ২০.৭১%, আর্গন ০.৮০%, জলীয়বাষ্প ০.৪১% এবং অন্য গ্যাসসমূহের পরিমাণ ০.০২%।
সুতরাং বলা যায়, সমুদ্রতীরের বাতাসে সামান্য হেরফের থাকলেও সেখানে নাইট্রোজেনেরই প্রাচুর্য থাকে।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি
.
ঘর্মাক্ত দেহে ফ্যানের বাতাস আরাম দেয় কেন?
  1. ক) পাখার বাতাসের বেগ অনেক বেশি
  2. খ) পাখার বাতাস শরীরের ভেতর প্রবেশ করে
  3. গ) বাষ্পায়ন শীতলতার সৃষ্টি করে
  4. ঘ) গায়ের ঘাম শরীর থেকে বের হতে পারে না
ব্যাখ্যা
পাখার বাতাসে দেহের ঘর্ম (পানি) বাষ্পে পরিণত হতে যে পরিমাণ তাপ প্রয়ােজন তা শরীর থেকে গ্রহণ করে। ফলে শরীর ঠান্ডা হয় এবং আরাম বােধ হয়।
উৎসঃ ৯ম-১০ম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞানের আলোকে
১০.
কোন ধাতু স্বাভাবিক তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় থাকে?
  1. ক) এডামেন্টিয়াম
  2. খ) মার্কারি
  3. গ) ড্রাই হিলিয়াম
  4. ঘ) পানি
ব্যাখ্যা
পারদ(Mercury) একমাত্র মৌলিক ধাতু যা সাধারণ তাপমাত্রায় (Room temperature) তরল থাকে।
পানি একটি তরল পদার্থ যা দুটি অধাতুর (অক্সিজেন এবং হাইড্রোজন) সমন্বয়ে তৈরি।
কার্বন-ডাই-অক্সাইডকে উচ্চচাপে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রে রাখা হলে তা তরল অবস্থায় থাকে৷
হিলিয়াম একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস৷
উৎসঃ ব্রিটানিকা এবং বিভিন্ন শ্রেণির বিজ্ঞান বোর্ড বই৷
১১.
নিচের কোন গ্যাসের ব্যাপন হার সবচেয়ে কম?
  1. ক) H2
  2. খ) NH3
  3. গ) CO2
  4. ঘ) HCL
ব্যাখ্যা
কোনো মাধ্যমে কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় পদার্থের স্বতঃস্ফুর্ত ও সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ার প্রক্রিয়াকে ব্যাপন বলে।
যে গ্যাসের আণবিক ভর যত কম, তার ব্যাপন হার তত বেশি৷
এখানে, H2 গ্যাসের আণবিক ভর ২, NH3 গ্যাসের আণবিক ভর ১৭, HCL এর আণবিক ভর ৩৬.৫, CO2 এর আণবিক ভর ৪৪।
কাজেই CO2 এর ব্যাপন হার সবচেয়ে কম।
উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি
১২.
চায়ের কাপে গরম চা রাখলে নিচের কোন প্রক্রিয়াটি ঘটে?
  1. ক) পাতন
  2. খ) বাষ্পীভবন
  3. গ) শীতলীকরণ
  4. ঘ) ব্যাপন
ব্যাখ্যা
কোনো তরল পদার্থকে তাপ প্রদান করলে ঐ তরলের বাষ্পে পরিণত করার প্রক্রিয়াকে বাষ্পীভবন বলে।
যেমন- চায়ের কাপে গরম চা রাখলে ঐ গরম চা থেকে পানি বাষ্পাকারে উড়ে যায়। এটি বাষ্পীভবনের উদাহরণ। আবার উক্ত বাষ্পকে শীতল করলে তা তরলে পরিণত হয় যাকে ঘনীভবন বলে।
উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি
১৩.
চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ানোর পর তা ছোট ছোট কাগজের কাছে আনা হলে সেগুলো লাফিয়ে চিরুনির কাছে চলে আসে কেন?
  1. ক) বাতাসের জন্য
  2. খ) বৈদ্যুতিক আবেশের জন্য
  3. গ) আঁচড়ানোর ফলে চিরুনি গরম হয় বলে
  4. ঘ) চৌম্বক আবেশের ফলে
ব্যাখ্যা
চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ানোর পর সেই চিরুনিটি যখন ছোট ছোট কাগজের কাছে আনা হয় তখন কাগজগুলো লাফিয়ে চিরুনির কাছে চলে আসে৷ ব্যাপারটা ঘটে বৈদ্যুতিক আবেশের জন্য৷
উৎসঃ ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান
১৪.
শব্দ তরঙ্গের ক্ষেত্রে কোন বিষয়টি ঘটবে না?
  1. ক) প্রতিফলন
  2. খ) প্রতিসরণ
  3. গ) উর্ধ্বপাতন
  4. ঘ) উপরিপাতন
ব্যাখ্যা
শব্দ এক ধরনের তরঙ্গ৷ যেকোনো তরঙ্গের মতই শব্দ তরঙ্গের প্রতিফলন, প্রতিসরণ এবং উপরিপাতন হতে পারে।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি
১৫.
আলো যখন এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে যায়, তখন কী ঘটে?
  1. ক) প্রতিফলন
  2. খ) শোষণ
  3. গ) প্রতিসরণ
  4. ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
আলো যখন এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে যায়, তখন তিনটি ভিন্ন ভিন্ন ঘটনা ঘটে। ঘটনাগুলো হচ্ছে আলোর শোষণ, আলোর প্রতিসরণ এবং আলোর প্রতিফলন।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।
১৬.
যদি ঘরের তাপমাত্রা ৩০৩.১৫ কেলভিন হয় তবে সেটা সেলসিয়াস স্কেলে কত হবে?
  1. ক) ৩৩°
  2. খ) ৩০°
  3. গ) ৩২°
  4. ঘ) ৩০.১৫°
ব্যাখ্যা
সেলসিয়াস স্কেলের সাথে ২৭৩.১৫ যোগ করলেই কেলভিন স্কেল পাওয়া যায়৷ কাউকে ঘরের তাপমাত্রা জিজ্ঞেস করলে সে যদি ৩০° সেলসিয়াস না বলে ৩০৩.১৫ কেলভিন (৩০ + ২৭৩.১৫) বলে তাহলে সেটাও সঠিক হবে৷
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
১৭.
এক শীতের রাতে সাইফ পানি গরম করলো খাওয়ার জন্য। গরম পানি গ্লাসে ঢালার সাথে সাথে গ্লাস ফেটে গেলো। এটা কেন ঘটলো?
  1. ক) ওই রাতে শীত বেশি ছিলো
  2. খ) কাচের গলনাঙ্ক খুব কম
  3. গ) পানি খুব একটা গরম ছিলো না
  4. ঘ) গ্লাসের ভেতরে ও বাহিরে অসম সম্প্রসারণের ফলে
ব্যাখ্যা
কাচের গ্লাসে গরম পানি ঢাললে গ্লাস ফেটে যায় কারণ হঠাৎ তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় গ্লাসের কোথাও প্রসারণ বেশি হয়, কোথাও প্রসারণ কম হয়৷ এজন্যই সাইফ দেখতে পেলো তার গ্লাসটি ফেটে গেছে৷
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
১৮.
নিচের কোন তথ্যটি ভুল?
  1. ক) ধাতু দেখতে চকচক করে
  2. খ) অক্সিজেন তাপ পরিবহন করে না
  3. গ) ধাতব পদার্থ বিদ্যুৎ সুপরিবাহী
  4. ঘ) কার্বন বিদ্যুৎ সুপরিবাহী
ব্যাখ্যা
ধাতু দেখতে চকচক করে।
এরা তাপ এবং বিদ্যুৎ সুপরিবাহী।
যেমনঃ অ্যালুমিনিয়ামের পাত্রে রান্না করা সহজ এর তাপ সুপরিবাহীতার জন্য৷
অন্যদিকে অধাতু, ধাতুর মত চকচক করে না। এরা তাপ এবং বিদ্যুৎও পরিবহন করে না।
অধাতু (যেমন- অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, হাইড্রোজেন, কার্বন) তাপ এবং বিদ্যুৎ কুপরিবাহী।
উৎসঃ বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি
১৯.
রাতে বিদ্যুৎ চলে গেলে শিহাব মোমবাতি জ্বালালো পড়ার জন্য। সে লক্ষ করলো মোমবাতি জ্বলার সাথে সাথে কিছু অংশ গলে গা বেয়ে পড়ার কিছুক্ষণ পর জমে শক্ত হয়ে যায়৷ শিহাব আসলে কোন প্রক্রিয়াটি লক্ষ করলো?
  1. ক) কঠিনীভবন
  2. খ) ঘনীভবন
  3. গ) শীতলীকরণ
  4. ঘ) ওয়াক্সিফিকেশন
ব্যাখ্যা
মোমবাতির একটি অংশ পুড়ে আলো দেয়, অন্য অংশ গলে মোমের গা বেয়ে পড়তে থাকে যা কিছুক্ষণ পর আবার জমে কঠিন মোমে পরিণত হয়৷ তরল মোম কঠিন হওয়ার প্রক্রিয়াকে বলে শীতলীকরণ।
উৎসঃ বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি
২০.
নিচের কোন তথ্যটি সঠিক?
  1. ক) কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকার না থাকলেও দৃঢ়তা এবং আয়তন আছে
  2. খ) তরল পদার্থের নির্দিষ্ট আকার এবং দৃঢ়তা না থাকলেও আয়তন আছে
  3. গ) গ্যাসীয় পদার্থের নির্দিষ্ট আকার এবং দৃঢ়তা থাকলেও আয়তন নেই
  4. ঘ) তরল পদার্থের নির্দিষ্ট আকার না থাকলেও দৃঢ়তা এবং আয়তন আছে
ব্যাখ্যা
অবস্থাভেদে পদার্থ তিন প্রকার হয়৷ যথা- কঠিন, তরল ও বায়বীয়৷
কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকার, আয়তন ও দৃঢ়তা আছে৷
তরল পদার্থে নির্দিষ্ট আয়তন থাকলেও আকার এবং দৃঢ়তা নেই৷
গ্যাসীয় পদার্থের নির্দিষ্ট আকার, আয়তন এবং দৃঢ়তা কোনোটিই নেই।
উৎসঃ বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি
২১.
নিচের কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. ক) অ্যামিটার দিয়ে বর্তনীর তড়িৎ প্রবাহ মাপা যায়
  2. খ) গ্যালভানোমিটার দিয়ে তড়িৎ প্রবাহের অস্তিত্ব মাপা যায়
  3. গ) অ্যামিটার দিয়ে বর্তনীর বিভব পার্থক্য মাপা যায়
  4. ঘ) গ্যালভানোমিটার দিয়ে তড়িৎ প্রবাহের পরিমাণ নির্ণয় করা যায়
ব্যাখ্যা
অ্যামিটার হচ্ছে বৈদ্যুতিক যন্ত্র৷ এর সাহায্যে বর্তনীর তড়িৎ প্রবাহ সরাসরি অ্যাম্পিয়ার এককে পরিমাপ করা যায়৷ এই যন্ত্রে একটি গ্যালভানোমিটার থাকে।
গ্যালভানোমিটার হচ্ছে সেই যন্ত্র যার সাহায্যে বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহের অস্তিত্ব ও পরিমাণ নির্ণয় করা যায়। গ্যালভানোমিটারের সাহায্যে বর্তনীর যেকোনো দুই বিন্দুর বিভব পার্থক্য সরাসরি ভোল্ট এককে পরিমাপ করা যায়।
উৎসঃ বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি
২২.
নিচের কোন পরমাণুর ইলেকট্রন সহজে চলাচল করতে পারে না?
  1. ক) গ্লাস
  2. খ) গ্রাফাইট
  3. গ) কপার
  4. ঘ) ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
পরিবাহী পদার্থের ইলেকট্রন এক পরমাণু থেকে অন্য পরমাণুতে সহজেই চলাচল করতে পারে। যেমনঃ ধাতু; বিশেষ করে সিলভার ও কপার।
কার্বন অধাতু হলেও এর রূপভেদ গ্রাফাইট বিদ্যুৎ পরিবাহী৷ অপরিবাহী পদার্থের ক্ষেত্রে এর পরমাণুর ইলেকট্রন সহজে চলাচল করতে পারে না। যেমনঃ প্লাস্টিক, গ্লাস ও রাবার৷
উৎসঃ বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি
২৩.
কোন ধরণের প্রতিফলনে আপতন কোণ এবং প্রতিফলন কোণ সমান হয়?
  1. ক) ব্যাপ্ত প্রতিফলন
  2. খ) নিয়মিত প্রতিফলন
  3. গ) অনিয়মিত প্রতিফলন
  4. ঘ) ক ও গ উভয়ই
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

মূল প্রশ্নঃ
৪৯) কোন ধরণের প্রতিফলনে আপতন কোণ এবং প্রতিফলন কোণ সমান হয়?

প্রশ্নে দুইটা অংশ আছে।
১) কোন ধরণের প্রতিফলনে
২) আপতন কোণ এবং প্রতিফলন কোণ সমান

প্রশ্নঃ আপতন কোণ এবং প্রতিফলন কোণ সমান হয় কখন?
সঠিক উত্তরঃ সবসময়ই আপতন কোণ এবং প্রতিফলন কোণ সমান হয়।

প্রতিফলনের দুটি সুত্রের একটি হচ্ছে - আপাতন কোন ও প্রতিফলন কোণ সর্বদা সমান হবে। ∠i = ∠r
প্রশ্নঃ কোন ধরণের প্রতিফলনে সবগুলো রশ্মি পরস্পর সমান্তরাল হয়?
সঠিক উত্তরঃ নিয়মিত প্রতিফলন

"কোন ধরণের প্রতিফলনে" - প্রতিফলনের ধরণ ডিফাইন করতে রশ্মি অবশ্যই "একগুচ্ছ রশ্মি" হতে হবে।
প্রশ্নেই ভাষাগত ভুল হয়েছে। বাতিল করা হল।
"সবগুলো রশ্মি পরস্পর সমান্তরাল" এই অংশটা থাকলে প্রশ্ন ঠিক হয় এবং সাথে উত্তরও।
----------------
প্রতিফলন দুই প্রকার। নিয়মিত প্রতিফল এবং অনিয়মিত বা ব্যাপ্ত প্রতিফলন।
- নিয়মিত প্রতিফলনে সবগুলো রশ্মির প্রতিফলন পরস্পর সমান্তরাল হয়।
- অনিয়মিত বা ব্যাপ্ত প্রতিফলনে সবগুলো রশ্মির প্রতিফলন পরস্পর সমান্তরাল হয় না৷