পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৯তম বিসিএস ⎯ জেনারেল পার্ট [Archived]

পরীক্ষা৪৯তম বিসিএস ⎯ জেনারেল পার্ট [Archived]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes২৭ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন২৮
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১১ বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি - ২ টপিক: আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা। উৎস: বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, ওয়ার্ল্ড এটলাস ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট এবং যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৯তম বিসিএস ⎯ জেনারেল পার্ট [Archived]

৪৯তম বিসিএস ⎯ জেনারেল পার্ট [Archived] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৮ প্রশ্ন

.
রাশিয়ান গোয়েন্দা সংস্থা KGB-এর বর্তমান নাম কী?
  1. FBI
  2. CIA
  3. FSB
  4. ISB
ব্যাখ্যা

​• কেজিবি ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের বিদেশী গোয়েন্দা এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা।
• ​১৯৫৪ সালে কেজিবি তৈরি করা হয়েছিল।
• ​সোভিয়েত ইউনিয়নে "কমিউনিস্ট পার্টির ঢাল" হিসেবে কেজিবি কাজ করে।
• ​সোভিয়েত যুগে কেজিবির দায়িত্বের মধ্যে ছিল দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বের সুরক্ষা, সীমান্ত সৈন্যদের তত্ত্বাবধান এবং জনগণের উপর সাধারণ নজরদারি।
• ​KGB-এর বর্তমান নাম- Federal Security Service (FSB)।
​•  ১৯৯৫ সালে রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি বরিস ইয়েলৎসিন ​KGB পরিষেবাটির নাম পরিবর্তন করে FSB রাখেন।

উৎস: ব্রিটানিকা।

.
ব্রাসলেস চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশের সংখ্যা কত?
  1. ৭টি
  2. ৫টি
  3. ৯টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা

ব্রাসলেস চুক্তি:
- ব্রাসলেস চুক্তি মূলত সোভিয়ত আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ডানকর্ন চুক্তির সম্প্রসারণ যার ফলে একটি সম্মিলিত প্রতিরক্ষা জোট তৈরি হয়।
- চুক্তিটি -১৭ মার্চ ১৯৪৮ স্বাক্ষর করা হয়।
- স্বাক্ষরকারী দেশ ৫ টি :
- চুক্তিতে অংশগ্রহণকারী দেশ: বেলজিয়াম, ফ্রান্স, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাজ্য।
- ১৯৪৮ সালের ব্রাসেলস চুক্তির লক্ষ্য ছিল পশ্চিম ইউরোপীয় রাষ্ট্রগুলি সহযোগিতা করতে পারে তা দেখানো।
- এ চুক্তির ফলে ১৯৪৯ সালে ন্যাটো প্রতিষ্ঠার সূত্রপাত ঘটে।

উৎস: Nato web.site এবং Britannica.

.
যুক্তরাজ্যের Secret Intelligence Service(SIS) কী নামে পরিচিত?
  1. MI3
  2. RI6
  3. FI6
  4. MI6
ব্যাখ্যা

Secret Intelligence Service(SIS)
​-  SIS, যুক্তরাজ্যের গোপন গোয়েন্দা পরিষেবা, যা MI6 নামে বেশি পরিচিত।
​- ১৯৯৪ সালের গোয়েন্দা পরিষেবা আইনে একটি বিধিবদ্ধ ভিত্তিতে এটি স্থাপন করা হয়েছিল।
​-  MI6-এর ১৭তম প্রধান- রিচার্ড মুর।
​- MI6 যুক্তরাজ্যে, গোয়েন্দা সম্প্রদায়ে, অন্যান্য সরকারি বিভাগ এবং শিল্পে অংশীদারদের সাথে কাজ করে।

​উৎস: Secret Intelligence Service(SIS).

.
ইরানের তৈরি হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের নাম কী?
  1. মেটিস এম-১
  2. রেড এ্যারো-৮
  3. ফাত্তাহ-১
  4. HGV-202F
ব্যাখ্যা

- ফাত্তাহ-১ হল একটি হাইপারসনিক মাঝারি-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র
​ - এটি ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস অ্যারোস্পেস ফোর্স (IRGC AF) দ্বারা তৈরি । 
​- ৬ জুন, ২০২৩ তারিখে তেহরানে একটি আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে উন্মোচিত।
​- এটি হাইপারসনিক অস্ত্র বিভাগে ইরানের প্রথম প্রবেশের প্রতিনিধিত্ব করে।
- ​যা তার কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্র ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করে।

​অন্যদিকে,
​মেটিস এম-১, রেড এ্যারো-৮, বাংলাদেশের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র।
​HGV-202F, ভাতরের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র।

​উৎস: গ্লোবাল ডিফেন্স নিউজ।

.
Arrow 3 কোন দেশের তৈরী  অ্যান্টি ব্যালিস্টিক মিসাইল ইন্টারসেপ্টর?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ইরান
  3. কানাডা
  4. ইসরায়েল
ব্যাখ্যা

বিশ্বের প্রথম কার্যকর জাতীয় স্বতন্ত্র ATBM (Anti-Tactical Ballistic Missile) প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
মূলত ইসরায়েলের ব্যালিস্টিক মিসাইল প্রতিরক্ষা কৌশলের কেন্দ্রবিন্দু।
​অ্যারো ৩ ইন্টারসেপ্টর হলো ইসরায়েলের এক অত্যাধুনিক অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক মিসাইল প্রযুক্তি,
এটি ব্যালিস্টিক মিসাইল (বিশেষ করে WMD বহনকারী) ধ্বংস করতে পারে। 
​​এটি অ্যারো ২-এর সঙ্গে সমন্বিত হয়ে একটি বহুস্তরীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলে এবং বাস্তব যুদ্ধক্ষেত্রে কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে।

উৎস: iai.website.

.
’মোসাদ’ এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. হেব্রন
  2. জেরুজালেম
  3. হাইফা
  4. তেলআবিব
ব্যাখ্যা

• মোসাদ:
- ​​মোসাদ ইসরায়েলের মূল গোয়েন্দা সংস্থা এবং এটি আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও অত্যন্ত প্রভাবশালী। 
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৩ ডিসেম্বর, ১৯৪৯ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা: ডেভিড বেনগুরিয়ন।
- সদরদপ্তর: তেলআবিব, ইসরায়েল।
- মোসাদ কাজ করে তথ্য সংগ্রহ, গোপন অভিযান ও সন্ত্রাসবাদ দমন নিয়ে।
- এর পরিচালক সরাসরি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কাছে জবাবদিহি করেন।
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম গুপ্তচর সংস্থাগুলোর একটি।
- মোসাদের কার্যক্রম এবং বাজেট কোনো আইন দ্বারা সংজ্ঞায়িত নয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

.
The North Atlantic Treaty Organization (NATO)-কী ধরনের জোট?
  1. সামরিক জোট
  2. অর্থনৈতিক জোট
  3. সংস্কৃতিক জোট
  4. মেধা ও বুদ্ধিবৃত্তিক জোট
ব্যাখ্যা

The North Atlantic Treaty Organization (NATO):
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তি (ওয়াশিংটন চুক্তি) স্বাক্ষরের মাধ্যমে ন্যাটো প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বর্তমানে ন্যাটোর ৩২টি সদস্য দেশ রয়েছে।
- সর্বশেষ ন্যাটোর সদস্য - সুইডেন ( ২০২৪)।
- ন্যাটোর বর্তমান মহাসচিব -সাবেক ডাচ প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুট। (১ অক্টোবর ২০২৪ তিনি দ্বায়িত্ব গ্রহণ করেন)

উৎস: ন্যাটো ওয়েবসাইট।

.
FBI কোন দেশের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. রাশিয়া
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ব্রিটেন
  4. ইসরায়েল
ব্যাখ্যা

FBI:
- FBI এর পুরো নাম - Federal Bureau of Investigation।
- ২৬ জুলাই, ১৯০৮ সালে এই গোয়েন্দা সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠাতা - মার্কিন প্রেসিডেন্ট থিওডোর রুজভেল্ট।
- সদর দপ্তর - ওয়াশিংটন ডিসি।
- ডিসেম্বর, ২০২৪ সালে এফবিআই-এর পরবর্তী পরিচালক হিসেবে কাশ প্যাটেলকে বেছে নিয়েছেন মার্কিন নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এছাড়াও,
- যুক্তরাষ্ট্র গোয়েন্দা সংস্থা CIA (Central Intelligence Agency)
- CIA মূলত বিদেশী গোয়েন্দাগিরি এবং সিক্রেট অপারেশন পরিচালনা করে।

উৎস: এফবিআই ওয়েবসাইট ও যুগান্তর পত্রিকার নিউজ এবং সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

.
ইসরায়েলের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা কোনটি?
  1. মোসাদ
  2. আমান
  3. শিন বেট
  4. সাভাক
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

• ​আমান:
- আমান হলো ইসরায়েলের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা, যা প্রতিরক্ষা বাহিনীর সাধারণ সদর দপ্তরের অধীনে কাজ করে।
- এই সংস্থার মূল কাজ হলো তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করে সামরিক কমান্ডকে গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করা।
- ইসরায়েলে গোয়েন্দা সংস্থার ইতিহাস ইসরায়েলের অস্তিত্বের চেয়েও পুরনো।

• ​মোসাদ:
- মোসাদ গঠিত হয় ইসরায়েল প্রতিষ্ঠার প্রায় দেড় বছর পর, ১৯৪৯ সালের ডিসেম্বরে।
- তাদের কাজ ছিল ইসরায়েলকে বাইরের হুমকি থেকে রক্ষা করা।
- এই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যই ছিল ইসরায়েলের অস্তিত্ব নিরাপদ রাখা।

• ​শাবাক বা শিন বেট:
- শাবাক বা শিন বেট গঠিত হয় ১৯৪৯ সালে।
- এই গোয়েন্দা সংস্থার দায়িত্ব হলো দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
- শিন বেট দাবি করে, তারা পশ্চিম তীর ও গাজা থেকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আসা হুমকির বিরুদ্ধে 'অদৃশ্য ঢাল' হিসেবে কাজ করে।

​অন্যদিকে,
• ইরানের গোয়েন্দা সংস্থা- সাভাক।

উৎস: বিবিসি এবং ব্রিটানিকা।

১০.
অপারেশন রাইজিং লায়ন পরিচালনার মূল লক্ষবস্তু কী ছিলো?
  1. যুদ্ধজাহাজ
  2. পারমাণবিক স্থাপনা
  3. বিদ্যুৎকেন্দ্র
  4. যুদ্ধবিমান
ব্যাখ্যা

অপারেশন রাইজিং লায়ন:
- ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতাকে লক্ষ্য করে সামরিক অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েল।
- শুক্রবার (১৩ জুন, ২০২৫) চালানো এই হামলার নাম দিয়েছে ‘অপারেশন রাইজিং লায়ন’।
- মূলত তেহরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির মূল কেন্দ্রবিন্দুতে আঘাত করাই ছিল এই অভিযানের উদ্দেশ্য।
- এই অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল ইসরায়েলের অস্তিত্বকে হুমকির মুখে ফেলা ইরানি পরিকল্পনাগুলোর ওপর হামলা চালানো।
- এর আওতায় ছিল ইরানের পারমাণবিক অবকাঠামো, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কারখানা এবং সামরিক ঘাঁটিগুলো।

উৎস: daily-sun website.

১১.
স্থলমাইন মজুদ, উৎপাদন, হস্তান্তর ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা কোন কনভেনশনের মাধ্যমে?
  1. বাসেল কনভেনশন
  2. ভিয়েনা কনভেনশন 
  3. অটোয়া কনভেনশন
  4. রামসার কনভেনশন
ব্যাখ্যা

 • অটোয়া কনভেনশন
- স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি, যেটা অটোয়া কনভেনশন নামে পরিচিত, সেই চুক্তি অনুযায়ী কোন দেশের স্থলমাইন ব্যবহার, মজুদ, উৎপাদন, ও হস্তান্তর নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
- কানাডার অটোয়ায় ১৯৯৭ সালে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ।
- উদ্দেশ্য- স্থলমাইন মজুদ, উৎপাদন, হস্তান্তর ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা।
- স্বাক্ষর করেনি- চীন, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, পাকিস্তান, ইরান, ইসরাইল।

উল্লেখ্য,
বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে: ৭ মে, ১৯৯৮ সালে এবং অনুমোদন করে ৬ সেপ্টেম্বর, ২০০০ সালে।

উৎস: United Nations Office for Disarmament Affairs (UNODA).

১২.
Inter-Services Intelligence(ISI) কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. পাকিস্তান
  2. সিরিয়া
  3. মিশর
  4. ইয়েমেন
ব্যাখ্যা

• Inter Service Intelligence (ISI)
​ - আইএসআই পাকিস্তানের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা। 
 - এটি ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। তৎকালিন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ডেপুটি চিফ অব স্টাফ রবার্ট কাউথম এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
​- ।S। মূলত দেশের বাহিরে পাকিস্তানের স্বার্থ সংরক্ষণে কাজে নিয়োজিত। 
- ​তবে পাকিস্তানের অভ্যন্তীরণ রাজনীতিতেও এর ব্যাপক সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।
- ​আইএসআই -এর নেতৃত্বে থাকেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল/মেজর জেনারেল পদমর্যাদার একজন মহাপরিচালক [ডিজি];
-​ তিনি এখনও পর্যন্ত সেনাবাহিনী থেকে নিযুক্ত একজন কর্মরত কর্মকর্তা। 
- ​।S। এর বর্তমান ডিরেক্টর সৈয়দ আজিম মুনির।

​​ উৎস: ব্রিটানিকা, নিউইয়র্ক টাইমস।

১৩.
ভিয়েনা কনভেনশনে মোট কতটি ধারা রয়েছে?
  1. ৫১টি
  2. ৪৯টি
  3. ৫৫টি
  4. ৫৩টি
ব্যাখ্যা

ভিয়েনা কনভেনশন-১৯৬১:
ভিয়েনা কনভেনশন- ১৯৬১ হল : কূটনৈতিক আচরণ সংক্রান্ত বিধি।
- চুক্তি অনুযায়ী, কূটনীতিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হয় স্বাগতিক দেশকে।
- চািক্তটি গৃহীত হয়: ১৮ এপ্রিল ১৯৬১,
- চুক্তিটি কার্যকর হয়: ২৪ এপ্রিল ১৯৬৪,
- স্বাক্ষরিত হওয়ার স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া,
- ভিয়েনা কনভেনশনে মোট ৫৩টি ধারা রয়েছে।
- কোনো দেশ ওইসব ধারার পরিপন্থী কাজ করলে সেটাকে 'চুক্তির বরখেলাপ' হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- ১৯৬৫ সালে ভারত 'ভিয়েনা কনভেনশন অন ডিপ্লোম্যাটিক রিলেশনস' চুক্তিতে সাক্ষর করে।
- বাংলাদেশ ওই চুক্তিতে সই করে ১৯৭৮ সালে।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

১৪.
নিচের কোন দেশটি কোয়াডের অন্তর্ভুক্ত নয়? (আগস্ট-২০২৫)
  1. জাপান
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যা

কোয়াড (Quad):
- চতুর্পক্ষীয় নিরাপত্তা সংলাপ (Quadrilateral Security Dialogue) বা সংক্ষেপে কোয়াড হল একটি অনানুষ্ঠানিক কৌশলগত নিরাপত্তা ফোরাম।
- যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, অস্ট্রেলিয়া এবং ভারত এই চারটি দেশের জোট হচ্ছে কোয়াড।
- ২০০৭ সালে কোয়াড গঠনের পর দীর্ঘদিন এর কোন তৎপরতা না থাকলেও ১২ নভেম্বর ২০১৭ এক বৈঠকের মাধ্যমে কোয়াড আবারো সক্রিয় হয়ে ওঠে।
- ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে কোয়াডের সর্বশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
- মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও ভারত 'ভারত মহাসাগর' ও 'প্রশান্ত মহাসাগরে' নৌপথে অবাধ চলাচল বা স্বাধীন চলাচলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এই জোট গঠিত হয়।

উৎস: Council on Foreign Relations.

১৫.
জেনেভা কনভেনশনে কতটি প্রটোকল রয়েছে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ২টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা

• জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

​মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।উল্লেখ্য,
কনভেনশনের সংশোধন ও আধুনিকায়ন:
- ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিক করা হয় এবং ১৯৭৭ ও ২০০৫ সালে আরও প্রোটোকল যুক্ত করা হয়।
- এর মাধ্যমে যুদ্ধের সময় মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়েছে।

​⇒ প্রটোকলসমূহ:
প্রটোকল- ১:
- ১৯৭৭ সালে; ১; আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি রক্ষার্থে গৃহীত হয়।
প্রটোকল- ২;
- ১৯৭৭ সালে; অ-আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিবর্গকে রক্ষার সাথে সম্পর্ক।
প্রটোকল- ৩;
- ২০০৫ সালে; অতিরিক্ত স্বাতন্ত্র্যসূচক প্রতীক পরিগ্রহ করা সংক্রান্ত বিষয়ে গৃহীত হয়।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.

১৬.
B-2 Spirit কী?
  1. পারমানবিক স্থাপনা
  2. যুদ্ধ বিমান
  3. অবকাশ কেন্দ্র
  4. যুদ্ধ জাহাজ
ব্যাখ্যা

বি-২ স্পিরিট (B-2 Spirit) বিমানের :
- পূর্ণ নাম: Northrop Grumman B-2 Spirit
- প্রথম উড্ডয়ন: ১৭ জুলাই ১৯৮৯
- সেবা গ্রহণ: ১৯৯৩ সালে মার্কিন বিমান বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত
- ধরন: স্টিলথ স্ট্র্যাটেজিক বোম্বার (Stealth strategic bomber)
- নির্মাতা: Northrop Grumman
- নির্মানকারী দেশ: যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রধান ব্যবহার: গভীর শত্রু অঞ্চলে প্রবেশ করে নিখুঁত বোমা হামলা
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: "Flying wing" ডিজাইন ও রাডার-চালিত অদৃশ্যতা।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১৭.
‘জে–৩৬’কোন প্রজন্মের তৈরি যুদ্ধ বিমান?
  1. পঞ্চম প্রজন্মের
  2. তৃতীয় প্রজন্মের
  3. ষষ্ঠ প্রজন্মের
  4. চতুর্থ প্রজন্মের
ব্যাখ্যা

 জে-৩৬ যুদ্ধবিমান:
- চীনের নতুন ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান জে-৩৬।
- স্টেলথ প্রযুক্তি রয়েছে, যা রাডারের চোখ ফাঁকি দিতে সক্ষম।
- বি-২১ রাইডার বোমারু বিমানের মতো দূরের লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর জন্য তৈরি।
- বিমানটির ৪৫ হাজার কেজি পর্যন্ত ভার বহন করতে সক্ষম।
- আকাশ, মাটি, এবং বিমানবাহী রণতরির শত্রু লক্ষ্যবস্তুতে হামলা করতে পারে।
- রাডার প্রযুক্তি অত্যাধুনিক, যা স্টেলথ যুদ্ধবিমানগুলোকে শনাক্ত করতে পারে।
- ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সহ জে-৩৬ একটি নেটওয়ার্ক তৈরি করবে।
- চীনের বিমানবাহিনীর শক্তি বাড়াতে এই বিমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

​উৎস: প্রথম আলো।

১৮.
কার মধ্যস্থতায় তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. কনস্তান্তিন চেরনেনকো
  2. আলেক্সি কোসিগিন
  3. মিখাইল গর্বাচেভ
  4. ইউরি আন্দ্রোপভ
ব্যাখ্যা

তাসখন্দ চুক্তি:
- ১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মধ্য দিয়ে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে চির বৈরি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটে।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত উজবেকিস্তানের তাসখন্দে এই চুক্তি সম্পন্ন হয় বিধায় ইতিহাসে এটি তাসখন্দ চুক্তি নামেই বহুল পরিচিত।
- তৎকালীন সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী আলেক্সি কোসিগিনের মধ্যস্থতায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রি ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- তাসখন্দ সম্মেলনে বিবদমান এই দুই রাষ্ট্রকে পূর্বের চুক্তিগুলোর বাধ্যবাধকতা মেনে চলার জন্য বিশ্বের পরাশক্তিগুলোর তরফ থেকে চাপ প্রয়োগ করা হয়।
- ১৯৬৬ সালের ৪ জানুয়ারি থেকে চুক্তির প্রক্রিয়া শুরু হলেও এটি চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১০ জানুয়ারি।
- পরবর্তীতে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রি রহস্যজনকভাবে তাসখন্দে মৃত্যুবরণ করলে এটি ষড়যন্ত্রমূলক তত্ত্ব হিসেবেও উপমহাদেশে পরিচিতি পেতে শুরু করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১৯.
হুতি আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ইবনে তৌহিদ আল-হুথি
  2. আবদুল মালিক আল-হুথি
  3. আলি বিন-হুথি
  4. হুসেন বদর আল-দিন আল-হুথি
ব্যাখ্যা

হুতি আন্দোলন:
- হুতি আন্দোলন, উত্তর ইয়েমেনের ইসলামী মৌলবাদী আন্দোলন এবং ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধের অন্যতম প্রধান অভিনেতা।
- ১৯৯০-এর দশকের শেষের দিকে তাদের নেতা হুসেন বদর আল-দিন আল-হুথি শিয়া ইসলামের জাইদি ধারার অনুসরণে ধর্মীয় পুনর্জাগরণমূলক আন্দোলন শুরু করেন।
- জাইদিরা কয়েক শতাব্দী ধরে ইয়েমেন শাসন করলেও ১৯৬২ সালে গৃহযুদ্ধের পর সুন্নিরা ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়।
- এরপর তারা ক্রমেই কোণঠাসা হয়ে পড়ে।
- সুন্নি মৌলবাদ মোকাবিলা বিশেষ করে সৌদি আরবের পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়া ওয়াহাবি মতবাদ মোকাবিলায় আল-হুতি আন্দোলন গড়ে তোলেন।
- সেই আন্দোলনই ক্রমে সশস্ত্র রূপ নেয়।

​উৎস: Britannica.

২০.
Comprehensive Test Ban Treaty  (CТВТ) কোন সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়?
  1. ১৯৯২ সালে
  2. ১৯৯৭ সালে
  3. ১৯৯৫ সালে
  4. ১৯৯৬ সালে
ব্যাখ্যা

Comprehensive Test Ban Treaty - CТВТ:

- এটি হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা বা যে কোনো পারমাণবিক বিস্ফোরণের ওপর একটি ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।
- এটি ১৯৯৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়।
- চুক্তির বাস্তবায়নের জন্য CTBTO (Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty Organization) নামে একটি প্রতিষ্ঠান গঠন করা হয়েছে, যা গ্লোবাল মনিটরিং সিস্টেমের মাধ্যমে নিরীক্ষা চালায়।
- বাংলাদেশ CTBT-তে স্বাক্ষর করেছে এবং অনুমোদন দিয়েছে।
- চুক্তি স্বাক্ষর করে: ১৮৫টি দেশ।
- চুক্তি অনুমোদন: ১৭১টি দেশ।
- আটটি দেশ এখনও চুক্তি অনুমোদন করেনি (যেমন: যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ভারত, পাকিস্তান)।
- চুক্তি কার্যকর হতে হলে P5 (পাঁচটি স্থায়ী নিরাপত্তা পরিষদ সদস্য) সহ ৪৪টি নির্দিষ্ট দেশের অনুমোদন প্রয়োজন।
- বাংলাদেশ CTBT স্বাক্ষর করে ২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬ সালে (দক্ষিণ এশিয়ায় ১ম)।
- বাংলাদেশ ৫৪তম দেশ হিসেবে CTBT অনুমোদন করে ৮ মার্চ, ২০০০ সালে।

উৎস: CTBTO Official Website. Arms Control Association Website.

২১.
উলফা কোন দেশের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন?
  1. ভারত
  2. পাকিস্তান
  3. শ্রীলঙ্কা
  4. নেপাল
ব্যাখ্যা

• United Liberation Front of Assam(ULFA ):
ভারতের আসামের গেরিলা সংগঠন বা উলফা ভারতের আসাম রাজ্যের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন।।
উলফার প্রধান- পরেশ বড়ুয়া
সংগঠনটির লক্ষ্য: ভারত থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীন আসাম রাজ্য প্রতিষ্ঠা।
এটি ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
পরেশ বড়ুয়া, অনুপ চেটিয়া, অরবিন্দ রাজখোয়া প্রমুখ উলফার নেতা।
ভারত সরকার ১৯৯০ সালে সংগঠনটিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।

​উৎস: South Asia Terrorism Portal এবং বিবিসি বাংলা নিউজ।

২২.
পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ সংক্রান্ত চুক্তি কোনটি?
  1. PTN
  2. CTBT
  3. NPT
  4. CTB
ব্যাখ্যা

• Treaty on the Non-Proliferation of Nuclear Weapons (NPT)
- ​পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (NPT)।

​চুক্তির সংক্ষিপ্ত পরিচিতি:
পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (NPT) হলো একটি যুগান্তকারী আন্তর্জাতিক চুক্তি,
 তিনটি প্রধান লক্ষ্য:
পারমাণবিক অস্ত্র ও প্রযুক্তির বিস্তার রোধ করা
পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি
পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ এবং সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নেওয়া
এনপিটি হলো পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্রগুলির নিরস্ত্রীকরণের লক্ষ্যে একমাত্র বাধ্যতামূলক বহুপাক্ষিক চুক্তি।

​চুক্তির ইতিহাস ও বর্তমান অবস্থা:
- স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত: ১৯৬৮ সাল
- কার্যকর হয়: ১৯৭০ সাল
- অনির্দিষ্টকালের জন্য সম্প্রসারণ: ১১ মে ১৯৯৫
- সদস্য রাষ্ট্রের সংখ্যা: ১৯১টি রাষ্ট্র (এর মধ্যে ৫টি পারমাণবিক অস্ত্রধারী)
- এটি যেকোনো অস্ত্র সীমাবদ্ধতা বা নিরস্ত্রীকরণ চুক্তির চেয়ে বেশি রাষ্ট্র দ্বারা অনুমোদিত।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট.

২৩.
রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (CWC) কত সালে কার্যকর হয়?
  1. ১৯৯৬ সাাল
  2. ১৯৯৭ সালে
  3. ১৯৯৩ সালে
  4. ১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা

রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (CWC):
কনভেনশনটি ১৯৯৩ সালে প্যারিসে স্বাক্ষরিত হয়।
কার্যকর হওয়ার তারিখ: ২৯ এপ্রিল ১৯৯৭।
এটি প্রথম আন্তর্জাতিক নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি যা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে একটি সম্পূর্ণ শ্রেণির গণবিধ্বংসী অস্ত্র নির্মূলের লক্ষ্য নির্ধারণ করে

উল্লেখ্য,
রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার সীমিত করার প্রথম আন্তর্জাতিক চুক্তিটি ১৬৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, যখন ফ্রান্স এবং জার্মানি স্ট্রাসবার্গে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তিতে পৌঁছায়, যেখানে বিষ বুলেটের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়।

উৎস: opcw website.

২৪.
কোন চুক্তির মাধ্যমে Thirty years' war শেষ হয়েছিল?
  1. ভার্সাই চুক্তি
  2. লুজান চুক্তি
  3. প্যারিস চুক্তি
  4. ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি
ব্যাখ্যা

• Thirty years' war:
- ত্রিশ বছরের যুদ্ধ ছিল ধর্মীয়, রাজবংশীয়, আঞ্চলিক এবং বাণিজ্যিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা সহ বিভিন্ন কারণে বিভিন্ন জাতির দ্বারা সংঘটিত যুদ্ধের একটি সিরিজ।
- এর ধ্বংসাত্মক অভিযান এবং যুদ্ধগুলি ইউরোপের বেশিরভাগ অংশ জুড়ে সংঘটিত হয়েছিল এবং, যখন এটি ১৬৪৮সালে ওয়েস্টফালিয়া চুক্তির মাধ্যমে শেষ হয়েছিল।
- তখন ইউরোপের মানচিত্র অপরিবর্তনীয়ভাবে পরিবর্তিত হয়েছিল।

• ​ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি:
-১৬৪৮ সালে সম্পন্ন ওয়েস্টফালিয়ার শান্তি চুক্তির মাধ্যমে পবিত্র রোমান সাম্রাজ্যের ত্রিশ বছরের যুদ্ধ এবং স্পেন ও ডাচ প্রজাতন্ত্রের মধ্যে আশি বছরের যুদ্ধের অবসান ঘটে।
চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়- ১৬৪৮ সালে।
স্থান- ওয়েস্টফেলিয়া, জার্মানি ।
স্বাক্ষরিত হয়- প্রোটেস্ট্যান্ট ও রোমান ক্যাথলিকদের মধ্যে।
ইউরোপের আর্থ-সামাজিক, ধর্ম এবং রাজনীতি নিয়ে ১৬১৮ সাল থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে ১৬৪৮ সালের ওয়েস্টফেলিয়া শান্তি চুক্তি মাধ্যমে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২৫.
M-19 কোন দেশ ভিত্তিক গেরিলা সংগঠন?
  1. রাশিয়া
  2. নিকারাগুয়া
  3. পেরু
  4. কলম্বিয়া
ব্যাখ্যা

• এম-১৯ (M-19) গেরিলা দল:
- এম-১৯ ছিল কলম্বিয়ার একটি নগরমুখী মার্কসবাদী গেরিলা সংগঠন।
- এটি ১৯৭৩-৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ভিন্নমতাবলম্বী আনাপো সদস্য, অসন্তুষ্ট কমিউনিস্ট ও FARC গেরিলাদের মাধ্যমে। 
- ​দলটির নাম নেওয়া হয় ১৯৭০ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ থেকে।
- অন্য গেরিলা গোষ্ঠীর মতো আন্তর্জাতিক মডেল অনুকরণ না করে এম-১৯ কলম্বিয়ার নিজস্ব ইতিহাসভিত্তিক সমাজতান্ত্রিক মতাদর্শ গ্রহণ করে।
-​ তারা দুঃসাহসিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আলোচনায় আসে—যেমন সিমন বলিভারের তরবারি চুরি, ১৯৭৮ সালে বোগোটা অস্ত্রাগারে সুড়ঙ্গ খনন করে অস্ত্র লুণ্ঠন, ও ১৯৮০ সালে ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্রের দূতাবাসে অতিথি অপহরণ।
- পরে আলোচনার মাধ্যমে ১৯৯০ সালের মার্চে এম-১৯ শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করে এবং এপ্রিলে তারা বৈধ রাজনৈতিক দল আলিয়াঞ্জা ডেমোক্র্যাটিকা এম-১৯-এ রূপান্তরিত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২৬.
যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনার মাঝে বিরোধপূর্ণ অঞ্চল-
  1. ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ
  2. হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ
  3. স্প্রাটলী দ্বীপপুঞ্জ
  4. বোর্নিও দ্বীপপুঞ্জ
ব্যাখ্যা

ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ:
- ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত।
- এটি যুক্তরাজ্যের বিদেশি অঞ্চল।
- যার মোট আয়তন: ১২,১৭৩ বর্গকিলোমিটার।
- এর মুলত দুটি বড় দ্বীপ: ইস্ট ফকল্যান্ড এবং ওয়েস্ট ফকল্যান্ড।
- এবং কয়েক শত ছোট ছোট দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
- এই দ্বীপপুঞ্জের মালিকানা নিয়ে যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনার মাঝে বিরোধ রয়েছে।
- ১৯৮২ সালের ২ এপ্রিল আর্জেন্টিনার সামরিক সরকার ফকল্যান্ড আক্রমণ করে।
- এরই প্রেক্ষিতে ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের যুদ্ধ শুরু হয়।
- ১০ সপ্তাহ পর স্ট্যানলিতে ব্রিটিশ সৈন্যদের কাছে আর্জেন্টাইন বাহিনীর আত্মসমর্পণের মাধ্যমে এই যুদ্ধ শেষ হয়।
- ব্রিটিশ সৈন্যরা জোরপূর্বক দ্বীপগুলো পুনরায় দখল করে নেয়।

উৎস: ব্রিটনিকা, World Atlas.

২৭.
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. কানাডা
  2. যুক্তরাষ্ট্রে
  3. জার্মানি
  4. নরওয়ে
ব্যাখ্যা

ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি:
- যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যে অবস্থিত, ক্যাম্পডেভিড অবকাশযাপন কেন্দ্রে স্বাক্ষরিত ইসরাঈল ও মিশরের মধ্যকার ১৯৭৮ সালে সম্পাদিত চুক্তিকে ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি বলে
- মধ্যস্থতাকারী- সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।
- স্বাক্ষর করে- মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ও ইসরাইল প্রধানমন্ত্রী মেনামে বেগিন ।
- উদ্দেশ্য- মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি স্থাপন।
- ফলাফল- সাময়িকভাবে মিশরকে OIC ও আরব লীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়।

উল্লেখ্য: 
​ক্যাম্পডেভিড, যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যে অবস্থিত একটি অবকাশযাপন কেন্দ্রে। এখানে চুক্তিটি সম্পাদিত হয়েছে বলে চুক্তিটি ক্যাম্পডেভিড নামে পরিচিত।

উৎস: Britannica

২৮.
ন্যাটোতে যোগদানকারী মুসলিম দেশের সংখ্যা কতটি? (আগস্ট-২০২৫)
  1. ১টি
  2. ৩টি
  3. ২টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা

- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation.
- ন্যাটো ১৯৪৯ সালে যৌথ নিরাপত্তার নীতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- ন্যাটোর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে।
- সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংখ্যা ১২টি দেশ।
- এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৩২টি দেশ। (আগস্ট , ২০২৫)
- ন্যাটোতে যোগদানকারী দুইটি মুসলিম দেশ তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- ২০২৪ সালে সুইডেন ন্যাটোর সর্বশেষ ৩২তম সদস্য পদ লাভ করে।

উৎস: NATO .