পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়24 minutes
মোট প্রশ্ন৩০
সিলেবাস
বাংলা সাহিত্য - সম্পূর্ণ সিলেবাস [৭০ নম্বর]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩০ প্রশ্ন

.
‘বুদ্ধোদয়’ গ্রন্থটি কার রচনা?
  1. ক) ভারতচন্দ্র রায়গুনাকর
  2. খ) চণ্ডীদাস
  3. গ) জয় দেব
  4. ঘ) লুইপা
ব্যাখ্যা

লুইপা চর্যাপদের প্রথম পদ রচিয়তা। তিনি দুইটি পদ রচনা করেন।
এছাড়াও তিনি কয়েকটি সংস্কৃত গ্রন্ত্র রচনা করেন। যেমন-
-অভিসময়,
-বিভঙ্গ,
- ব্রজস্বত্ব সাধণ,
-বুদ্ধোদয়,
-ভগবদাভসার,
-তত্ত্ব সভাব।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর।

.
চর্যাপদকে কোন ধর্মের সাধনাসংগীত মনে করা হয়?
  1. ক) ব্রাহ্মধর্ম
  2. খ) হিন্দুধর্ম
  3. গ) বৌদ্ধধর্ম
  4. ঘ) খ্রিষ্টানধর্ম
ব্যাখ্যা

চর্যাপদ মূলত মহাজ্ঞান ধর্মশাখার অন্তর্গত সহজযান ধর্মশাখার সাধনাসংগীত। চর্যাপদ বৌদ্ধধর্মের ভাবনার অনুসারী হলেও এটা স্পষ্ট যে তান্ত্রিক বৌদ্ধধর্মই এখানে প্রাধান্য লাভ করেছে।

.
শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের সম্পাদক কে ছিলেন?
  1. ক) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
  2. খ) দেবন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়
  3. গ) বসন্তরঞ্জন রায়
  4. ঘ) রাখালদাস বঙ্গোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা

১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া গ্রামে এক গৃহস্থের গোয়াল ঘর থেকে পুথি আকারে অযত্নে রক্ষিত এ কাব্য আবিষ্কার করেন।

বৈষ্ণব মহান্ত শ্রীনিবাস আচার্যের দৌহিত্র বংশজাত দেবন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়্যের অধিকারে এই গ্রন্থটি রক্ষিত ছিল। ১৯১৬ সালে বসন্তরঞ্জন রায়ের সম্পাদনায় গ্রন্থটি বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশিত হয়।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ইতিহাস- মাহবুবুল আলম।

.
‘কনক কমলরুচি বিমল বদনে।

দেখি লাজে গেলা চান্দ দুঈলাখ যোজনে।।

ললিত আলক পাঁতি কাঁতি দেখি লাজে।

তমাল কলিকা ফুল রহে বন মাঝে।।’ - কোন কাব্যের অন্তর্গত?

  1. ক) চর্যাপদ
  2. খ) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
  3. গ) চণ্ডীমঙ্গল কাব্য
  4. ঘ) বৈষ্ণব পদাবলী
ব্যাখ্যা

কবিতাংশটি 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যের অন্তর্গত।
কবি রাধার রূপ বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছেন-
'কনক কমলরুচি বিমল বদনে।
দেখি লাজে গেলা চান্দ দুঈলাখ যোজনে।।
ললিত আলক পাঁতি কাঁতি দেখি লাজে।
তমাল কলিকা ফুল রহে বন মাঝে।।'


উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর।

.
রাজা শিবসিংহ রায় বিদ্যাপতিকে কী উপাধি দিয়েছিলেন?
  1. ক) কবিকঙ্কন
  2. খ) মহাকবি
  3. গ) কবিকন্ঠ হার
  4. ঘ) ব্যাসদেব
ব্যাখ্যা

বিদ্যাপতি ছিলেন মিথিলা রাজসভার মহাকবি। ব্রজবুলি ভাষায় রচিত বৈষ্ণব পদাবলির অন্যতম পদকর্তা বিদ্যাপতি।
রাজা শিবসিংহ রায় তাঁর কাব্য প্রতিভায় মুগ্ধ হয়ে, 'কবিকন্ঠ হার' উপাধি দেন।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর।

.
‘চৈতন্য- মঙ্গল’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে ছিলেন?
  1. ক) জয়দেব
  2. খ) বৃন্দাবন দাস
  3. গ) কৃষ্ণদাস
  4. ঘ) লোচন দাস
ব্যাখ্যা

'চৈতন্য-মঙ্গল' গ্রন্থটি লোচন দাসের রচনা। এটি বাংলা ভাষায় রচিত শ্রীচৈতন্যদেবের দ্বিতীয় জীবনীগ্রন্থ।
এছাড়া বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম জীবনীগ্রন্থ হলো বৃন্দাবন দাস রচিত, 'চৈতন্য- ভাগবত'।
সর্বাপেক্ষা তথ্যবহুল চৈতন্যজীবনী কৃষ্ণদাস রচিত 'চৈতন্য-চরিতামৃত'।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর।

.
মুহম্মদ কবীর রচিত ‘মধুমালতী’ কাব্যে কাহিনির উৎস-
  1. ক) মৈমনসিংহ গীতিকা
  2. খ) পূর্ববঙ্গ গীতিকা
  3. গ) আরবি প্রণয়োখ্যান
  4. ঘ) ভারতীয় উপাখ্যান
ব্যাখ্যা

মুহম্মদ কবীর মধ্যযুগীয় প্রণয়োপাখ্যান রচিয়তা।
১৫৮৮ সালে 'মধুমালতী' নামে রোমান্টিক প্রণয়কাব্য রচনা করেন।
হিন্দি কবি মনঝনের মধুমালত্‌ বা সাধনের কাব্যের অনুসরণে তাঁর মধুমালতী রচনা করেন।
রাজপুত্র মনোহর ও রাজকন্যা মধুমালতীর রূপকথাসুলুভ রোমান্টিক প্রেম এতে বর্ণিত হয়েছে।
মধুমালতী কাব্যের কাহিনি উৎস 'ভারতীয় উপাখ্যান।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

.
‘বিচিত্র নাগে করে দেবী গরায় সুতলি।
শ্বেত নাগে করে দেবী বুকের কাঁচলী।।
অনন্ত নারায়ণে পদ্মার মাথার মণি
বেত নাগে করে দেবী কাকালি কাছুনি।।- কোন কবির রচনা?
  1. ক) বিজয় গুপ্ত
  2. খ) কানা হরি দত্ত
  3. গ) বিপ্রদাস পিপিলাই
  4. ঘ) দ্বিজ বংশীদাস
ব্যাখ্যা

কবিতাটি মনসামঙ্গলের আদি কবি কানা হরি দত্তের রচনা।
কানা হরি দত্ত পূর্ববঙ্গের অধিবাসী ছিলেন। চৌদ্দ শতকের প্রথম দিকে তাঁর আবির্ভাব ঘটেছিল বলে অনুমান করা হয়। কবি হরি দত্ত রচিত দেবীর সর্পসজ্জার বর্ণনায় প্রকৃত কবিত্ব ও পাণ্ডিত্যের পরিচয় মেলে।

উৎসঃ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস- মাহবুবুল আলম।

.
কবি বিজয় গুপ্ত রচিত মনসামঙ্গল কাব্যের নাম কী?
  1. ক) মনসামঙ্গল কাব্য
  2. খ) মনসা বিজয়
  3. গ) অভয়া মঙ্গল
  4. ঘ) পদ্মাপুরাণ
ব্যাখ্যা

বিজয় গুপ্ত রচিত মনসা মঙ্গলকাব্যের নাম পদ্মাপুরাণ।
 দেবীর মাহাত্ম্য ও পূজা প্রচার এ কাব্যের প্রধান উপজীব্য। কবির ভাষায় এ কাব্য পাঠ করলে দরিদ্রের ধনলাভ ও সন্তানহীনের সন্তানলাভ হয় এবং রোগীর রোগমুক্তি ও বন্দির বন্ধনমুক্তি ঘটে।
মনসা ও চাঁদ সদাগর কাব্যের দুই প্রধান চরিত্র। মনসা অত্যাচারী সামন্তদের প্রতিনিধি, আর চাঁদ সওদাগর প্রতিবাদী বিদ্রোহী চরিত্র। মনসা নানা কৌশল অবলম্বন ও ক্রমাগত চাপ প্রয়োগ করে শিবভক্ত চাঁদ সওদাগরের পূজা আদায় করেন। ‘কাজির সহিত যুদ্ধ’ পালায় কাজির দুই পুত্র হাসান ও হোসেন রাখাল বালকদের পূজার মনসাঘট ও বেদী ধ্বংস করলে দেবী ক্ষুব্ধ হয়ে কাজির নগর আক্রমণ ও নগরবাসীকে পর্যুদস্ত করেন। কাজি মনসাকে পূজা দিয়ে কুলে-ধনে-জনে রক্ষা পান। এ কাহিনীর দ্বারা কবি বোঝাতে চেয়েছেন যে, তখন মুসলিম সমাজেও মনসাদেবীর প্রভাব ছিল।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া

১০.
‘সত্যপীরের পুথি’-এর লেখক কে?
  1. ক) রামপ্রসাদ সেন
  2. খ) শাহ মুহম্মদ গরীবুল্লাহ
  3. গ) শাহ মুহম্মদ সগীর
  4. ঘ) সৈয়দ সুলতান
ব্যাখ্যা

শাহ মুহম্মদ গরীবুল্লাহ ১৮শ শতকের মধ্যভাগে জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি মূলত ছিলেন কবি, পুথি সাহিত্যের দোভাষী।
তাঁর উল্ল্যেখযোগ্য গ্রন্থগুলো হলো,
-আমীর হামজা,
-সোনাভান,
-জঙ্গনামা,
-সত্যপীরের পুথি ও
-ইউসুফ জোলেখা।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর।

১১.
রামনিধি গুপ্তের টপ্পা গানের সংকলনের নাম কী?
  1. ক) শ্যামা সংগীত
  2. খ) গীতরত্ন
  3. গ) জ্ঞানপ্রদীপ
  4. ঘ) সংগীতমাধব
ব্যাখ্যা

বাংলা টপ্পা গানের প্রবর্তক রামনিধি গুপ্ত।
১৭৯৪ তিনি বাংলা টপ্পা গান রচনা ও পরিবেশন করেন।
তাঁর বিখ্যাত টপ্পার উদাহরণ হলো-
'নানান দেশের নানান ভাষা
বিনে স্বদেশী ভাষা
পুরে কি আশা?
রামনিধি গুপ্তের টপ্পা গানের সংকলনের নাম- গীতরত্ন(১৮৩২)।
শ্যমা সংগীত- রামপ্রসাদ সেনের গান।
গীতরত্ন- টপ্পা গানের সংকলন।
জ্ঞানপ্রদীপ- সৈয়দ সুলতান রচিত গ্রন্থ।
সংগীতমাধব- গোবিন্দ দাস রচিত নাটক।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর।

১২.
শ্রীরামপুর মিশন কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৮০০
  2. খ) ১৮০২
  3. গ) ১৮১২
  4. ঘ) ১৮১৩
ব্যাখ্যা

১৮০০ সালের ১০ জানুয়ারি উইলিয়াম কেরি শ্রীরামপুর মিশন প্রতিষ্ঠা করেন।
ভারতীয়দের খ্রিষ্টধর্ম প্রচারের লক্ষ্যে শ্রীরামপুর মিশন প্রতিষ্ঠিত করা হয়।
১৮১৮ সালে দেশীয়দের ধর্মশিক্ষা দেওয়ার উদ্দ্যেশে শ্রীরামপুর কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হয়।
১৮৪৫ সালে শ্রীরামপুর মিশন বন্ধ হয়ে যায়।

উৎসঃ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস- মাহবুবুল আলম।

১৩.
‘ইতিহাসমালা’ গ্রন্থের রচিয়তা কে?
  1. ক) মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
  2. খ) তারিণীচরণ মিত্র
  3. গ) রামরাম বসু
  4. ঘ) উইলিয়াম কেরি
ব্যাখ্যা

১৮০০ সালে কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৮০১ সালে বংলা বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হলে অধ্যক্ষ হিসেবে আসেন শ্রীরামপুর মিশনের পাদ্রি এবং বাইবেলের অনুবাদক বাংলায় অভিজ্ঞ উইলিয়াম কেরি।
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে ১৮০১ থেকে ১৮১৫ সালের মধ্যে ৮ জন লেখক ১৩টি বাংলা গদ্যপুস্তক রচনা করেন।
তাঁরমধ্যে উইলিয়াম কেরি রচনা করেন,
-কথোপকথন
-ইতিহাসমালা।

উৎসঃ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস-মাহবুবুল আলম। 

১৪.
বাংলা সাহিত্যে ‘হুতোম প্যাঁচা’ নামে পরিচিত -
  1. ক) কালিপ্রসন্ন সিংহ
  2. খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. গ) বিহারীলাল চক্রবর্তী
  4. ঘ) দক্ষিনারঞ্জন মিত্রমজুমদার
ব্যাখ্যা

কালি প্রসন্নসিংহের সাহিত্যিক ছদ্মনাম, হুতোম প্যাঁচা। তাঁর বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম হুতোম প্যাঁচার নকশা নামে পরিচিত।
ভানুসিংহ ঠাকুর, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছদ্মনাম।
ভোরের পাখি, বিহারীলাল চক্রবর্তীর উপাধি।
দৃষ্টিহীন, দক্ষিনারঞ্জন মিত্র মজুমদারের ছদ্মনাম।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর।

১৫.
‘সাদা হাওয়া’ কোন ধরনের উপন্যাস?
  1. ক) সামাজিক
  2. খ) রোমান্টিক
  3. গ) রাজনৈতিক
  4. ঘ) ঐতিহাসিক
ব্যাখ্যা

তিতাস একটি নদীর নাম উপন্যাসের রচিয়তা অদ্বৈত মল্লবর্মণ। উপন্যাসটি জেলে ও মৎসজীবীদের জীবন নিয়ে রচিত। 
তিনি 'সাদা হাওয়া' নামে রাজনৈতিক উপন্যাস রচনা করেন। এছাড়া অদ্বৈত মল্লবর্বণ। এছাড়াও অদ্বৈত মল্লবর্মণ নয়াবসত, রামধনু নামে গ্রন্থ রচনা করেন।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর।

১৬.
‘মহাশ্বেতা’ কী?
  1. ক) উপন্যাস
  2. খ) চিত্রকর্ম
  3. গ) কাব্যগ্রন্থ
  4. ঘ) ভাস্কর্য
ব্যাখ্যা

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় গল্প-উপন্যাস রচনার পাশাপাশি চিত্রকর্মেও দক্ষ ছিলেন।
'মহাশ্বেতা' তাঁর অঙ্কিত অয়েল পেইন্টিং তিনি বার্মায় বসবাসকালে এটি অঙ্কন করেছিলেন।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া

১৭.
মুনীর চৌধুরী অনূদিত উইলিয়াম শেক্সপিয়রের ‘The Taming of The Shrew’-এর অনুবাদ কোনটি?
  1. ক) কবর
  2. খ) কেউ কিছু বলতে পারে না
  3. গ) রূপার কৌটা
  4. ঘ) মুখরা রমণী বশীকরণ
ব্যাখ্যা

মুনীর চৌধুরীর মৌলিক নাটকের পাশাপাশি অনূদিত নাটকও রয়েছে।
উইলিয়াম শেক্সপিয়রের 'The Taming of The Shrew' অনুবাদ করেন, 'মুখরা রমণী বশীকরণ' নামে।
রূপার কৌটা, কেউ কিছু বলতে পারে না তাঁর অনুবাদ নাটক।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর।

১৮.
‘বনফুল’ রচিত ‘বিদ্যাসাগর’ কী জাতীয় রচনা?
  1. ক) জীবনীনাটক
  2. খ) কাব্যগ্রন্থ
  3. গ) গল্পগ্রন্থ
  4. ঘ) প্রবন্ধ
ব্যাখ্যা

'বনফুল' বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের সাহিত্যিক ছদ্মনাম। তিনি ১৮৯৯ সালে বিহারে জন্মগ্রহণ করেন। 'শনিবারের চিঠি' নামক ব্যঙ্গ কবিতার মাধ্যমে তিনি তার সাহিত্যকর্ম শুরু করেন। গল্প, কবিতা, উপন্যাস রচনার পাশাপাশি তিনি নাটক রচনা করেছেন।
বনফুলকে জীবনীনাটক রচনার পথিকৃৎ বলা হয়। ১৯৩৯ সালে প্রকাশিত 'শ্রীমধুসূদন'এবং ১৯৪২ সালে প্রকাশিত 'বিদ্যাসাগর' তাঁর রচিত জীবনীনাটক।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞসা- ড. সৌমিত্র শেখর।

১৯.
বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রথম সাহিত্যকর্ম কোনটি?
  1. ক) সবুজপত্র
  2. খ) রায়তের কথা
  3. গ) বীরবলের হালখাতা
  4. ঘ) আহুতি
ব্যাখ্যা

বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক বলা হয়, প্রমথ চৌধুরীকে।
তিনি প্রথম চলিত ভাষায় 'বীরবলের হালখাতা' নামে গদ্য রচনা করেন। যা ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
সবুজপত্র, ১৯১৪ সালে প্রকাশিত প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত পত্রিকা।
আহুতি, প্রমথ চৌধুরী রচিত গল্পগ্রন্থ।
রায়তের কথা, প্রমথ চৌধুরী রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর।

২০.
কোনটি নির্মেলেন্দু গুণ রচিত নয়?
  1. ক) না প্রেমিক না বিপ্লবী
  2. খ) নিশিকাব্য
  3. গ) ভলগার তীরে
  4. ঘ) ত্রিবেণী
ব্যাখ্যা

'না প্রেমিক না বিপ্লবী' নির্মেলেন্দু গুণ রচিত ১৯৭২ সালে প্রকাশিত কবিতা। 
'নিশিকাব্য', নির্মেলেন্দু গুণ রচিত ২০০৬ সালে প্রকাশিত কবিতা।
'ভলগার তীরে' ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত নির্মেলেন্দু গুণ রচিত ভ্রমণকাহিনী।
'ত্রিবেণী' ১৯১২ সালে প্রকাশিত দ্বিজেন্দ্রলাল রায় রচিত গ্রন্থ।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর।

২১.
জীবনানন্দ দাশ রচিত প্রথম কবিতা কোনটি?
  1. ক) বর্ষ-আবাহন
  2. খ) ঝরাপালক
  3. গ) রূপসীবাংলা
  4. ঘ) আবার আসিব ফিরে
ব্যাখ্যা

জীবনানন্দ দাশ ছিলেন বাংলা কাব্যান্দোলনে রবীন্দ্রবিরোধী তিরিশের কবিতা নামে খ্যাত কাব্যধারার অন্যতম কবি।
জীবনানন্দ দাশের কাব্যচর্চার শুরু অল্পবয়স থেকেই । ছাত্রাবস্থায় তাঁর প্রথম কবিতা 'বর্ষ-আবাহন' প্রকাশিত হয়। কবিতাটি ১৯১৯ সালে 'ব্রহ্মবাদী' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া

২২.
‘গন্ধবণিক’ কী ধরনের রচনা?
  1. ক) নাটক
  2. খ) কবিতা
  3. গ) গল্প
  4. ঘ) প্রবন্ধ
ব্যাখ্যা

'গন্ধবণিক 'আল মাহমুদ রচিত গল্পগ্রন্থ। প্রকাশিত হয়, ১৯৮৬ সালে।

• কবি আল মাহমুদ রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- লোক লোকান্তর,
- সোনালী কাবিন,
- কালের কলস,
- মায়াবী পর্দা দুলে ওঠো,
- আরব্য রজনীর রাজহাঁস,
- বখতিয়ারের ঘোড়া,
- প্রেমের কবিতা ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- কাবিলের বোন,
- চেহারার চতুরঙ্গ,
- উপমহাদেশ,
- ডাহুকী,
- কবি ও কোলাহল ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- পানকৌড়ির রক্ত,- গন্ধবণিক,
- ময়ূরীর মুখ,
- সৌরভের কাছে পরাজিত।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

২৩.
''কোন রণে কত খুন দিল নর,
লেখা আছে ইতিহাসে,
কত নারী দিল সিথিঁর সিঁদুর,
লেখা নাই তার পাশে।''- এর রচয়িতা কোন কবি?
  1. ক) মাইকেল মধুসূধন দত্ত
  2. খ) কাজী নজরুল ইসলাম
  3. গ) বেগম রোকেয়া
  4. ঘ) শামসুর রাহমান
ব্যাখ্যা

কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের 'সাম্যবাদী' কাব্যগ্রন্থের 'নারী' কবিতার অন্তর্গত।
১৯২৫ সালের ডিসেম্বরে সাম্যবাদী কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়। গ্রন্থটিতে কবিতা রয়েছে,
-সাম্যবাদী
-মানুষ
-নারী
-ঈশ্বর
-পাপ
-চোর-ডাকাত
-কুলি-মজুর ইত্যাদি।

উৎসঃ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস- মাহবুবুল আলম।

২৪.
ভারত সরকার কর্তৃক কাজী নজরুল ইসলামকে ‘পদ্মভূষণ’ প্রদান করা হয় কখন?
  1. ক) ১৯৬০
  2. খ) ১৯৭২
  3. গ) ১৯৭৪
  4. ঘ) ১৯৭৫
ব্যাখ্যা

ভারত সরকার ১৯৬০ সালে কাজী নজরুল ইসলামকে 'পদ্মভূষণ' পদক প্রদান করে।
১৯৭২ সালের ২৪ মে কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশে আনা হয়।
১৯৭৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডি-লিট ডিগ্রি প্রদান করা হয়।
বাংলাদেশের নাগরিকত্ব, একুশে পদক প্রদান করা হয় ১৯৭৬ সালে।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর।

২৫.
‘কুমুদিনী’ কোন উপন্যাসের চরিত্র?
  1. ক) গোরা
  2. খ) যোগাযোগ
  3. গ) গৃহদাহ
  4. ঘ) বিষবৃক্ষ
ব্যাখ্যা

- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের যোগাযোগ উপন্যাস প্রথমে তিন পুরুষ নামে বিচিত্রা মাসিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। পরে উপন্যাসের নাম হয় যোগাযোগ।
- নায়িকা কুমুদিনী ও নায়ক মধুসূদনের ব্যক্তিত্বের তীব্র বিরোধ উপন্যাসের কেন্দ্র।
- শেষ পর্যন্ত স্বামীর কাছে কুমুদিনীর দ্বিধান্বিত সমর্পণে কাহিনির সমাপ্তি হলেও কুমুদিনীর মধ্যে এক বিদ্রোহী নারীর রূপ স্পষ্ট হয়।

- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস 'বৌঠাকুরানীর হাট' (১৮৮৩)।
- কিন্তু প্রথম লেখা উপন্যাস 'করুণা'। 'করুণা' উপন্যাসটি অসমাপ্ত তাই একে পূর্ণাঙ্গ উপন্যাস হিসেবে গণ্য করা হয় না।
তাঁর বিখ্যাত কয়েকটি উপন্যাসঃ
- ঘরে-বাইরে,
- চোখের বালি,
- শেষের কবিতা,
- যোগাযোগ,
- নৌকাডুবি,
- দুই বোন,
- মালঞ্চ,
- গোরা,
- রাজর্ষি,
- চার অধ্যায় ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, লাইভ এমসিকিউ লেকচার ও যোগাযোগ উপন্যাস।

২৬.
কোনটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত প্রবন্ধ?
  1. ক) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
  2. খ) আনন্দের মৃত্যু
  3. গ) আমি জন্মগ্রহন করিনি
  4. ঘ) হৃৎকলমের টানে
ব্যাখ্যা

বাংলা সাহিত্যের সব্যসাচী লেখক, সৈয়দ শামসুল হক জন্মগ্রহণ করেন ১৯৩৫ সালে।
তিনি সাহিত্যের সব ক্ষেত্রে অবদান রেখেছিলেন বলে তাঁকে সব্যসাচী লেখক বলা হয়।
'হৃৎকলমের টানে' ১৯৯১ সালে প্রকাশিত সৈয়দ শামসুল হক রচিত প্রবন্ধ। 
'আমি জন্মগ্রহণ করিনি, শামসুল হকের কবিতা।
'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' সৈয়দ শামসুল হকের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাট্য।
'আনন্দের মৃত্যু' শামসুল হকের গল্প।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিতয জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর। 

২৭.
‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
  1. ক) ছাড়পত্র
  2. খ) ঘুম নেই
  3. গ) পূর্বাভাস
  4. ঘ) অভিযান
ব্যাখ্যা

সুকান্ত ভট্টাচার্য মার্কসবাদী ভাবধারায় বিশ্বাসী এবং প্রগতিশীল চেতনার অধিকারী তরুণ কবি। ১৯২৬ সালের ১৫ আগস্ট কলকাতায় মাতুলালয়ে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল ফরিদপুর জেলার কোটালিপাড়ায়।
তাঁর রচনাবলির মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য: ছাড়পত্র (১৯৪৭), পূর্বাভাস (১৯৫০), মিঠেকড়া (১৯৫১), অভিযান (১৯৫৩), ঘুম নেই (১৯৫৪), হরতাল (১৯৬২), গীতিগুচ্ছ (১৯৬৫) প্রভৃতি।
'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটি সুকান্ত ভট্টাচার্যের 'ছাড়পত্র' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

২৮.
‘বোবা কাহিনী’ কী জাতীয় রচনা?
  1. ক) প্রবন্ধ
  2. খ) গল্প
  3. গ) কাব্যগ্রন্থ
  4. ঘ) উপন্যাস
ব্যাখ্যা

'বোবা কাহিনী' ১৯৬৪ সালে প্রকাশিত কবি জসীমউদদী্‌নের একমাত্র উপন্যাস।
উপন্যাসে মহাজনী শোষণের কারণে গ্রামের প্রান্তিক চাষি আজহারের ভূমিহীন হওয়া, শহরের সুবিধাবাদী উকিল ও ভণ্ড ধার্মিক কর্তৃক মেধাবী বাছির নিগ্রহ ইত্যাদি বর্ণিত হয়েছে।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর।

২৯.
হুমায়ূন আহমেদ কত সালে একুশে পদক লাভ করেছিলেন?
  1. ক) ১৯৮৭
  2. খ) ১৯৮৮
  3. গ) ১৯৯৪
  4. ঘ) ২০০৭
ব্যাখ্যা

হুমায়ূন আহমেদ বাংলা সাহিত্যের উপন্যাস শাখায় অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৮১ সালে বাংলা একাডেমি প্রদত্ত বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়া বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে তাঁর অবদানের জন্য ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা 'একুশে পদকে' ভূষিত করে।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

৩০.
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ‘পদ্মরাগ’ কত সালে প্রকাশিত হয়?
  1. ক) ১৮৮০
  2. খ) ১৯০৯
  3. গ) ১৯১১
  4. ঘ) ১৯২৪
ব্যাখ্যা

১৮৮০ সালের ৯ ডিসেম্বরে বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন জন্মগ্রহণ করেন রংপুরে। নারী শিক্ষায় অবদানের জন্য তাঁকে ,মুসলিম নারী জাগরনের অগ্রদূত বলা হয়।
'পদ্মরাগ' ১৯২৪ সালে প্রকাশিত হয়। এটি বেগম রোকেয়া রচিত উপন্যাস। গ্রন্থটি প্রথম কোনো মুসলিম নারীর রচনা। মুসলিম সমাজের অন্তঃস্থিত  ক্লেদকে এমনভাবে প্রকাশ করা হয়েছে যা কোনো হিন্দু লেখকের পক্ষে সম্ভব ছিল না।
'পদ্মরাগ উৎসর্গ করা হয় বেগম রোকেয়ার জ্যৈষ্ঠভ্রাতা আবুল আসাদ ইব্রাহিমকে।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সোমিত্র শেখর।