উত্তর
ব্যাখ্যা
• 'সুধাকর' শব্দের অর্থ - চন্দ্র।
উল্লেখ্য,
সুধাকর শব্দের প্রতিশব্দ- চন্দ্র, চাঁদ, শশী, নিশাকর ইত্যাদি।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ৷
নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৭ প্রশ্ন
• 'সুধাকর' শব্দের অর্থ - চন্দ্র।
উল্লেখ্য,
সুধাকর শব্দের প্রতিশব্দ- চন্দ্র, চাঁদ, শশী, নিশাকর ইত্যাদি।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ৷
• 'মৌন' এর বিপরীত শব্দ- মুখর।
আরো কিছু বিপরীত শব্দ-
- 'উদ্ধত' এর বিপরীত শব্দ- বিনীত;
- 'হালকা' এর বিপরীত শব্দ- 'ভারী'
- 'লঘু' এর বিপরীত শব্দ-'গুরু';
- 'মহাজান' এর বিপরীত শব্দ- 'খাতক';
- 'ভাটি' এর বিপরীত শব্দ- 'উজান';
- 'বিষ' এর বিপরীত শব্দ- 'অমৃত';
- 'সিক্ত' এর বিপরীত শব্দ- 'শুষ্ক'।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (সর্বশেষ সংস্করণ)।
• বাক্যে অবস্থান বিবেচনায় বিরামচিহ্নকে ২ ভাগে ভাগ করা যায়:
- প্রান্তিক বিরামচিহ্ন।
- বাক্যান্তর্গত বিরামচিহ্ন।
• প্রান্তিক বিরামচিহ্ন:
যেসব বিরামচিহ্ন বাক্যের শেষে বসে তাদের প্রান্তিক বিরামচিহ্ন বলে।
যেমন-
- দাঁড়ি, প্রশ্নবোধক চিহ্ন, বিস্ময়বোধক প্রভৃতি প্রান্তিক বিরামচিহ্ন।
• বাক্যান্তর্গত বিরামচিহ্ন:
- যেসব বিরামচিহ্ন বাক্যের শেষে ছাড়া অন্যান্য স্থানে বসে তাদের বাক্যান্তর্গত বিরামচিহ্ন বলা হয়।
যেমন- কমা, কোলন, সেমিকোলন, ড্যাশ, হাইফেন ইত্যাদি।
উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি-ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
• 'সুস্বাস্থ্য' - শব্দটি অপপ্রয়োগ।
- এটি সমার্থ শব্দের বাহুল্যজনিত কারণে অপপ্রয়োগ।
- এর শুদ্ধ প্রয়োগ হচ্ছে - স্বাস্থ্য।
অন্যদিকে,
• অপপ্রয়োগ - গাম্ভীর্যতা।
- এটি '-তা' এবং 'ত্ব' প্রত্যয় ঘটিত অপপ্রয়োগ।
- এর শুদ্ধ প্রয়োগ - গাম্ভীর্য, গম্ভীরতা।
• 'অর্ধরাত্রি' - শব্দটি অপপ্রয়োগ।
- এটি সমাস ঘটিত অপপ্রয়োগ।
- এর শুদ্ধ প্রয়োগ হচ্ছে - অর্ধরাত্র।
• 'মৈত্রতা' শব্দটি অপপ্রয়োগ।
- এটি ’তা’ প্রত্যয়ের অপপ্রয়োগ জনিত ভুল।
- এর শুদ্ধ প্রয়োগ - মৈত্র, মিত্রতা।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
- শুদ্ধ বানান: 'প্রোজ্জ্বল'।
• 'প্রোজ্জ্বল' শব্দের অর্থ:
- বিশেষভাবে উজ্জ্বল।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
• ‘রাত’ এর সমার্থক শব্দ:
- রাত্রি, রজনী, নিশি, নিশা, নিশীথ, নিশীথিনী।
অন্যদিকে,
• 'চাঁদ' এর সমার্থক শব্দ:
- চন্দ্র, শশী, শশাঙ্ক, সুধাকর, ইন্দু, সোম, শশধর, বিধু, নিশাকর, সুধাংশু, সিতাংশু, হিমাংশু, মৃগাঙ্ক।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• গুরুচণ্ডালী দোষ:
- তৎসম শব্দের সঙ্গে দেশীয় শব্দের প্রয়োগ কখনো কখনো গুরুচণ্ডালী দোষ সৃষ্টি করে।
- এ দোষে দুষ্ট শব্দ তার যোগ্যতা হারায়।
যেমন-
'গরুর গাড়ি', 'শবদাহ', 'মড়াপোড়া' প্রভৃতি স্থলে যথাক্রমে 'গরুর শকট', 'শবপোড়া', 'মড়াদাহ' প্রভৃতির ব্যবহার গুরুচণ্ডালী দোষ সৃষ্টি করে।
------------------
• দুর্বোধ্যতা:
অপ্রচলিত, দুর্বোধ্য শব্দ ব্যবহার করলে বাক্যের যোগ্যতা বিনষ্ট হয়। যেমন- তুমি আমার সঙ্গে প্রপঞ্চ করেছো। (চাতুরী বা মায়া অর্থে, কিন্তু বাংলা 'প্রপঞ্চ' শব্দটি অপ্রচলিত)।
• উপমার ভুল প্রয়োগ:
ঠিকভাবে উপমা অলংকার ব্যবহার না করলে যোগ্যতার হানি ঘটে।
যেমন:
- আমার হৃদয়-মন্দিরে আশার বীজ উপ্ত হলো।
[বীজ ক্ষেতে বপন করা হয়, মন্দিরে নয়। কাজেই বাক্যটি হওয়া উচিত: আমার হৃদয়-ক্ষেত্রে আশার বীজ উপ্ত হলো।]
• বাহুল্য-দোষ:
প্রয়োজনের অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহারে বাহুল্য দোষ ঘটে এবং এর ফলে শব্দ তার যোগ্যতাগুণ হারিয়ে থাকে।
যেমন:
- দেশের সব আলেমগণই এ ব্যাপারে আমাদের সমর্থন দান করেন।
['আলেমগণ' বহু বচনবাচক শব্দ। এর সঙ্গে 'সব' শব্দটির অতিরিক্ত ব্যবহার বাহুল্য-দোষ সৃষ্টি করেছে।]
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ); ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।
• বাক্যের অর্থ স্পষ্টকরণের জন্য- বিরামচিহ্ন ব্যবহৃত হয়।
যতিচিহ্ন:
- মুখের কথা লিখিত রূপ দেওয়ার সময় কম-বেশি থামা বোঝাতে যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়।
- বক্তব্যকে স্পষ্ট করতেও যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়।
- যতিচিহ্নকে বিরামচিহ্ন বা বিরতি চিহ্নও বলা হয়।
• বাক্যের অর্থ সুস্পষ্টভাবে বোঝাবার জন্য,
- বাক্যের মধ্যে বা বাক্যের সমাপ্তিতে কিংবা বাক্যে আবেগ (হর্ষ, বিষাদ), জিজ্ঞাসা ইত্যাদি প্রকাশ করার উদ্দেশ্যে,
- বাক্য গঠনে যেভাবে বিরতি দিতে হয় এবং লেখার সময় বাক্যের মধ্যে তা দেখাবার জন্য,
- যেসব সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, সেগুলোই যতি বা ছেদচিহ্ন বা বিরাম- চিহ্ন।
উৎস: ভাষা- শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
- শুদ্ধ বানান - বীণাপাণি।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
শব্দের অর্থ:
- বীণা যার পাণিতে, সরস্বতীদেবী, বাগদেবী।
আরো কিছু শুদ্ধ বানান:
• অপকর্শ এর শুদ্ধ বানান - অপকর্ষ।
• অন্যমনষ্ক এর শুদ্ধ বানান - অন্যমনস্ক।
• অন্যপুর্বা এর শুদ্ধ বানান - অন্যপূর্বা।
• জাজ্জ্বল্যমান এর শুদ্ধ বানান - জাজ্বল্যমান।
• প্রোজ্বলিত এর শুদ্ধ বানান - প্রজ্বলিত।
• শ্বাশত এর শুদ্ধ বানান - শাশ্বত।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'শুধুমাত্র' - শব্দটি অপপ্রয়োগ।
- এটি সমার্থ শব্দের বাহুল্যজনিত কারণে অপপ্রয়োগ।
- এখানে শুধু ও মাত্র দুটি একই শব্দ।
- তাই এখানে একই সাথে 'শুধুমাত্র' শব্দটি অশুদ্ধ।
অন্যদিকে,
- যদ্যপি,
- নিরভিমান;
- অর্ধরাত্র;
শব্দগুলো সঠিক প্রয়োগ হয়েছে।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
• শব্দজোড়:
বাংলা ভাষায় এমন কিছু শব্দ আছে, যেগুলোর উচ্চারণ এক অথবা প্রায় এক, কিন্তু অর্থ ভিন্ন, এমন যুগল শব্দকে শব্দজোড় বলে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এদের বানান ভিন্ন হয়, তবে উচ্চারণ এক হওয়ায় কানে শুনে এদের পার্থক্য করা যায় না। বাক্যে ব্যবহৃত হলে প্রসঙ্গ বিবেচনায় এসব শব্দের পার্থক্য বোঝা যায়। উল্লিখিত শব্দজোড় উচ্চারণে এক হলেও বানান ও অর্থে বৈসাদৃশ্য রয়েছে।
• উল্লেখযোগ্য আরো কয়েকটি শব্দজোড়:
- শ্বশ্রূ শব্দের অর্থ – শাশুড়ি।
- শ্মশ্রু শব্দের অর্থ – দাড়ি।
- ভাষ – কথা।
- ভাস – দীপ্তি।
- মোড়ক – আচ্ছাদনী।
- মড়ক – মহামারী।
- যুগ – কাল।
- যোগ – মিলন।
- লক্ষ – শত সহস্র।
- লক্ষ্য – উদ্দেশ্য।
- লন্ঠন – বাতি।
- লুণ্ঠন – লুটতরাজ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ ২০২১)।
• 'পৌরুষত্ব'- প্রত্যয়জনিত অপপ্রয়োগ।
- এর শুদ্ধ প্রয়োগ - পৌরুষ, পুরুষত্ব।
• তা- প্রত্যয়ের শুদ্ধ- অশুদ্ধ প্রয়োগ:
- তা, ত্ব প্রত্যয় বিশেষ্যবাচক প্রত্যয়। এই প্রত্যয় কেবল বিশেষণকে বিশেষ্য করে। তাই বিশেষ্য শব্দের সঙ্গে তা বা ত্ব প্রত্যয় প্রয়োগ অশুদ্ধ।
উল্লেখ্য,
- গাম্ভীর্য, চতুরতা ও চপলতা শব্দ গুলোর শুদ্ধপ্রয়োগ ঘটেছে।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'চপল' এর বিপরীত শব্দ - গম্ভীর।
কারণ, 'চপল' অর্থ - চঞ্চল।
অন্যদিকে,
• 'গরম' শব্দের বিপরীত শব্দ - ঠাণ্ডা।
• 'আকস্মিক' এর বিপরীত শব্দ - চিরন্তন।
• 'দরদি' এর বিপরীত শব্দ - নির্দয়।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• ‘বিদ্যুৎ’ শব্দের সমার্থক শব্দ:
তড়িৎ, বিজলি, বিজুরি, ক্ষণপ্রভা, সৌদামিনী, দামিনী, চপলা।
অন্যদিকে,
• ‘কিরণ’ শব্দের সমার্থক শব্দ:
ময়ূখ, কর, প্রভা, দীপ্তি, জ্যোতি, অংশু, রশ্মি, আলো, আলোক, বিভা প্রভৃতি।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
উত্তর: খ) তিনি বিদেশের উদ্দেশে যাত্রা করেছেন। কারণ বাক্যটিতে- কোন দিকে যাচ্ছে বোঝাচ্ছে।
এখানে,
'উদ্দেশ্য' (বিশেষ্য):
- লক্ষ্য, উদ্দেশ, কারণ।
ব্যবহার: "কী উদ্দেশ্য?", "উদ্দেশ্য কী?", "উদ্দেশ্য পূরণ"
উদাহরণ: জীবনের উদ্দেশ্য।
'উদ্দেশে' (অব্যয়):
কোন দিকে, অভিমুখে, লক্ষ্য করে।
ব্যবহার: "ঢাকার উদ্দেশে", "তার উদ্দেশে"।
উদাহরণ: ঢাকার উদ্দেশে রওনা।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'মহীয়ান' শব্দের স্ত্রীবাচক শব্দ হিসেবে শুদ্ধ শব্দ - মহীয়সী।
------------------
• মহীয়ান (বিশেষণ পদ):
এটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- অতি মহান, মহত্তর।
স্ত্রীবাচক শব্দ- মহীয়সী।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'ফরিয়াদি' এর বিপরীত শব্দ - আসামি।
এখানে, ফরিয়াদি অর্থ - অভিযোগকারী।
অন্যদিকে,
• 'বামপন্থী' এর বিপরীত শব্দ- ডানপন্থী।
• 'গৃহী' এর বিপরীত শব্দ - সন্ন্যাসী।
• 'বাদী' এর বিপরীত শব্দ - বিবাদী।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
উত্তর: ঘ) উপরের সবগুলোই।
------------------
• 'সুবুদ্ধিমান', সমাস-ঘটিত অপপ্রয়োগ ঘটেছে।
এর শুদ্ধরূপ: সুবুদ্ধি, বুদ্ধিমান।
• 'নিরপরাধী'
- শব্দটির সমাস-ঘটিত অপপ্রয়োগ হয়েছে।
- এর শুদ্ধরূপ: নিরপরাধ।
• 'সময়কাল'
- শব্দটির সমার্থ শব্দের বাহুল্যজনিত অপপ্রয়োগ হয়েছে।
- এর শুদ্ধরূপ: সময় / কাল।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ ও বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• বাক্যে 'সেমিকোলন' এর ক্ষেত্রে - এক বলার দ্বিগুন সময় থামতে হয়।
• বাক্যে অবস্থান বিবেচনায় বিরামচিহ্নকে ২ ভাগে ভাগ করা যায়:
- প্রান্তিক বিরামচিহ্ন।
- বাক্যান্তর্গত বিরামচিহ্ন।
• প্রান্তিক বিরামচিহ্ন: দাঁড়ি, প্রশ্নবোধক চিহ্ন, বিস্ময়বোধক প্রভৃতি।
• বাক্যান্তর্গত বিরামচিহ্ন: কমা, সেমিকোলন, ড্যাশ, হাইফেন ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
- বাক্যে যতিচিহ্ন দাঁড়ি (।) থাকলে ১ সেকেন্ড থামতে হয়।
- বাক্যে যতিচিহ্ন জিজ্ঞাসাচিহ্নপ্রশ্নচিহ্ন থাকলে ১ সেকেন্ড থামতে হয়।
- বাক্যে যতিচিহ্ন কমা থাকলে ১ বলতে যে সময় লাগে সে সময় থামতে হয়।
উৎস: ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'Avocation' এর বাংলা পরিভাষা - পেশা / বৃত্তি।
অন্যদিকে,
• 'Morality' এর বাংলা পরিভাষা - সদাচার।
• 'Etiquette' এর বাংলা পরিভাষা - শিষ্টাচার।
• 'Modesty' এর বাংলা পরিভাষা - শালীনতা।
উৎস: বাংলা একাডেমি প্রশাসনিক পরিভাষা।
বাক্যের বিভিন্ন ভাব সার্থকভাবে প্রকাশের জন্য কন্ঠস্বরের ভঙ্গির তারতম্য বোঝাতে বর্ণের অতিরিক্ত যে-সব চিহ্ন ব্যবহৃত হয় সেগুলোকে বলে বিরামচিহ্ন৷
-অপশন (খ)-তে বিরামচিহ্ন সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়নি৷
• তারিখ লেখার ক্ষেত্রে সাধারণত তারিখ ও বছরের মাঝে কমা বসে।
অর্থাৎ,
শুদ্ধরূপ হবে - কক্সবাজার, ৫ জানুয়ারি, ২০২২।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'কাক' শব্দের সমার্থক শব্দ - পরভৃৎ, পরপোষক, বায়স।
এছাড়াও,
• কোকিল’ শব্দের সমার্থক শব্দ- অন্যভৃত, পিক, পরপুষ্ট, কাকপুষ্ট, কলঘোষ, বসন্তসখ, বসন্তী, ।
• কবুতর এর সমার্থক শব্দ - পারাবত, কপোত, পায়রা, নোটন।
উৎস : ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• সকল ছাত্র ক্লাসে মনযোগী নয়। - বাক্যটি শুদ্ধ। এখানে, বাহুল্য দোষ ঘটেনি।
---------------
বাহুল্য দোষ:
প্রয়োজনের অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহার করলে বাক্যে বাহুল্য দোষ ঘটে এবং বাক্য তার যোগ্যতা গুণ হারায়।
অশুদ্ধ বাক্যের শুদ্ধ রূপ -
- 'দেশের সব শিক্ষক এখানে উপস্থিত হয়েছেন' অথবা 'দেশের শিক্ষকগণ এখানে উপস্থিত হয়েছেন'।
- 'ক্লাসে অনেক ছাত্র ছাত্রী এসেছিল।' অথবা 'ক্লাসে ছাত্র ছাত্রীরা এসেছিল।'
- 'মাছগুলোর দাম কত?' অথবা 'সব মাছের দাম কত?'
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামদু।
• "জরা - জীর্ণ" শব্দজোড় বিপরীতার্থক নয়।
- 'জরা' এর বিপরীত শব্দ 'যৌবন'।
অন্যদিকে,
• প্রাচী - প্রতীচী
• নশ্বর- শ্বাশত;
• অনুলোম - প্রতিলোম।
- অন্যান্য অপশনগুলোতে প্রদত্ত বিপরীতার্থক শব্দজোড় সঠিক।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
• বাক্য:
যে সুবিন্যস্ত পদসমষ্টি দ্বারা কোনো বিষয়ে বক্তার মনোভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশিত হয়, তাকে বাক্য বলে।
• যোগ্যতা:
বাক্যস্থিত পদসমূহের অন্তর্গত এবং ভাবগত মিলবন্ধনের নাম যোগ্যতা।
যেমন -
- বর্ষার বৃষ্টিতে প্লাবনের সৃষ্টি হয়।
- এটি একটি যোগ্যতাসম্পন্ন বাক্য। কারণ, বাক্যটিতে পদসমূহের অর্থগত এবং ভাবগত সমন্বয় রয়েছে।
কিন্তু
- 'বর্ষার রৌদ্র প্লাবনের সৃষ্টি করে।' - বললে বাক্যটি ভাবপ্রকাশের যোগ্যতা হারাবে। কারণ, রৌদ্র প্লাবন সৃষ্টি করে না।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
• 'Suffrage' শব্দটির বাংলা পরিভাষা — ভোটাধিকার।
অন্যদিকে,
- 'Priority' শব্দের পরিভাষা — অগ্রাধিকার।
- 'Human Right' শব্দের পরিভাষা — মানবাধিকার।
- 'Admittance' শব্দের পরিভাষা — প্রবেশাধিকার।
উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা।
• 'অনিল' শব্দের সমার্থক শব্দ - সমীর; বাতাস।
অপশনে দ্বৈত উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।
উল্লেখ্য,
• 'বাতাস' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- বায়ু, হাওয়া, পবন, সমীর, সমীরণ, অনিল, মরুৎ, প্রভঞ্জন।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
• অশুদ্ধ বাক্য- লোকটি নিরাপরাধী কিন্তু নিরহংকারী নয়।
[এখানে "নিরাপরাধী" শব্দটি অশুদ্ধ, এবং এর শুদ্ধ রূপ হবে "নিরাপরাধ"।]
• শুদ্ধ বাক্যটি হলো: লোকটি নিরাপরাধ; কিন্তু নিরহংকারী নয়।
অন্যদিকে,
শুদ্ধ: শুধু/মাত্র এই কটা টাকা দিলে?
শুদ্ধ: অপমানিত হবার ভয় নেই।
শুদ্ধ: তারা একত্র গমন করলো।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'প্রাচ্য এর বিপরীত শব্দ- প্রতীচ্য।
• 'প্রাচ্য' শব্দের অর্থ:
১. পূর্বদিকস্থ।
২. পূর্বদেশীয়।
৩. ইউরোপের পূর্বদিকস্থ দেশসমূহ
• 'প্রতীচ্য' শব্দের অর্থ:
১. পশ্চিম দিক।
২. পশ্চিম দিকে অবস্থিত দেশসমূহ।
• অন্যদিকে,
• 'রদ' এর বিপরীত শব্দ- চালু।
- 'অগ্র' এর বিপরীত শব্দ -পেছনে।
- 'বামপন্থী' এর বিপরীত শব্দ-ডানপন্থী।
- 'পদস্থ' এর বিপরীত শব্দ- নিম্নস্থ।
- 'বাড়তি' এর বিপরীত শব্দ - কমতি।
- 'নিন্দা' এর বিপরীত শব্দ- স্ততি।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; ভাষা- শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• শব্দজোড়:
- বাংলা ভাষায় এমন কিছু শব্দ আছে, যেগুলোর উচ্চারণ এক অথবা প্রায় এক, কিন্তু অর্থ ভিন্ন;
- এমন যুগল শব্দকে শব্দজোড় বলে।
- অধিকাংশ ক্ষেত্রে এদের বানান ভিন্ন হয়, তবে উচ্চারণ এক হওয়ায় কানে শুনে এদের পার্থক্য করা যায় না।
- বাক্যে ব্যবহৃত হলে প্রসঙ্গ বিবেচনায় এসব শব্দের পার্থক্য বোঝা যায়।
- উল্লেখিত শব্দজোড় উচ্চারণে এক হলেও বানান ও অর্থে বৈসাদৃশ্য রয়েছে।
• উল্লেখযোগ্য আরো কয়েকটি শব্দজোড়:
- শ্বশ্রূ শব্দের অর্থ – শাশুড়ি।
- শ্মশ্রু শব্দের অর্থ – দাড়ি।
- ভাষ – কথা।
- ভাস – দীপ্তি।
- মোড়ক – আচ্ছাদনী
- মড়ক – মহামারী।
- যুগ – কাল।
- যোগ – মিলন।
- লক্ষ – শত সহস্র।
- লক্ষ্য – উদ্দেশ্য।
- লন্ঠন – বাতি।
- লুণ্ঠন – লুটতরাজ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ ২০২১)।
• Arbiter - এর বাংলা পরিভাষা -সালিস।
অন্যদিকে,
- 'Concealment' এর বাংলা পরিভাষা - গোপন।
- 'Conference' এর বাংলা পরিভাষা - সম্মেলন।
- 'Confident' এর বাংলা পরিভাষা - আস্থাবান।
উৎস: প্রশাসনিক পরিভাষা, বাংলা একডেমি।
• সুকেশী (বিশেষণ):
- সংস্কৃত শব্দ।
- প্রকৃতি প্রত্যয় = সুকেশ+ইন্
অর্থ: সুন্দর কেশবিশিষ্ট।
• সুকেশা:
- সুকেশ (বিশেষ্য) এর স্ত্রীবাচক শব্দ।
• সুকেশিনী (বিশেষণ):
- সংস্কৃত শব্দ।
- প্রকৃতি প্রত্যয় = সু+কেশ+ইন্+ঈ
অর্থ: সুন্দর কেশবিশিষ্টা, যে মেয়ের চুল সুন্দর।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'সিংহ' এর প্রতিশব্দ - মৃগেন্দ্র।
• ‘সিংহ' এর সমার্থক শব্দ:
- পশুরাজ, কেশরী, মৃগেন্দ্র, মৃগরাজ।
অন্যদিকে,
কুঞ্জর = ‘হাতি’ এর প্রতিশব্দ।
ভুজঙ্গ = 'সাপ' শব্দের প্রতিশব্দ।
কুরঙ্গ = হরিণ শব্দের প্রতিশব্দ।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান, অনুসারে,
শব্দজোড় সমার্থক নয়: দীপ - দ্যুতি।
’দীপ’ শব্দের অর্থ: প্রদীপ।
’ দ্যুতি’ শব্দের অর্থ: আলো, কিরণ, জ্যোতি দীপ্তি।
অন্যদিকে,
’তোড়া’ শব্দের সমার্থক শব্দ: গোছা, স্তবক (ফুলের তোড়া)।
’আবৃত’ শব্দের সমার্থক শব্দ: আচ্ছাদিত।
’খরা’ শব্দের সমার্থক শব্দ: অনাবৃষ্টি। রৌদ্র।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• ‘বাহুল্য’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ - সংক্ষেপ/ স্বল্পতা।
অন্যান্য বিপরীতার্থক শব্দ হলো:
• বিস্তৃত = সংকীর্ণ;
• যুক্ত = বিযুক্ত;
• বিশ্লেষণ = সংশ্লেষণ।
উৎস: ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'Cartography' এর বাংলা পরিভাষা - মানচিত্রবিদ্যা।
অন্যদিকে,
- 'Cartoon' এর বাংলা পরিভাষা - ব্যঙ্গচিত্র।
- 'Cartoonist' এর বাংলা পরিভাষা - ব্যঙ্গচিত্রকর।
- 'Attestation' এর বাংলা পরিভাষা - প্রত্যয়ন।
উৎস: প্রশাসনিক পরিভাষা, বাংলা একাডেমি।
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'গৌর' বলতে বোঝায়- উজ্জ্বল বর্ণযুক্ত।
উল্লেখ্য,
'গৌরচন্দ্রিকা' বাগ্ধারাটির অর্থ - ভুমিকা।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ; বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
• অপপ্রয়োগের উদাহরণ নয় - মূলসহ।
উল্লেখ্য,
• 'সমূলসহ', সমাস-ঘটিত অপপ্রয়োগ।
এর শুদ্ধরূপ: মূলসহ।
-----------------
অন্যদিকে,
• 'শ্রেষ্ঠতম', উৎকর্ষবাচক '-তম' প্রত্যয়জনিত অপপ্রয়োগ।
এর শুদ্ধরূপ: শ্রেষ্ঠ, সর্বশ্রেষ্ঠ।
• 'তরুছায়া', সন্ধি বিষয়ক অপপ্রয়োগ।
এর শুদ্ধরূপ: তরুচ্ছায়া।
• 'আয়ত্তাধীন', সমার্থ শব্দের বাহুল্যজনিত অপপ্রয়োগ।
এর শুদ্ধরূপ: আয়ত্ত / অধীন।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ ও বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান
• 'শ্রীঘর' অর্থ - 'জেলখানা'।
অন্যদিকে,
• ‘দোকান’ শব্দের প্রতিশব্দ:
- আপণ, বিপণি, হাট, পণ্যশালা, পণ্যনিকেতন, পণ্যগৃহ, পণ্যবিচিত্রা।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
• যতিচিহ্ন:
- বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করার জন্য বাক্যের মধ্যে বা শেষে নিয়মিত বর্ণের পাশাপাশি সাংকেতিক চিহ্নকে বোঝায়।
- যতিচিহ্ন ছেদ বা বিরাম চিহ্ন নামেও পরিচিত।
বাক্যে অবস্থান বিবেচনায় বিরাম চিহ্নকে ২ প্রকার:
- প্রান্তিক বিরামচিহ্ন:
দাঁড়ি, প্রশ্নবোধক চিহ্ন, বিস্ময় চিহ্ন প্রভৃতি।
- বাক্যান্তর্গত বিরামচিহ্ন:
- কমা, সেমিকোলন, ড্যাস, হাইফেন ইত্যাদি।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'ম্যাও ধরা' বাগ্ধারাটি দিয়ে ‘দায়িত্ব নেওয়া’ বুঝায়।
• ‘ধরা’ সম্পর্কিত বাগ্ধারার অর্থ:
- কান ধরা = কর্ণ মর্দন করা।
- দোষ ধরা = অপরাধ গণনা করা।
- পথ ধরা = উপায় দেখা।
- হাতে-পায়ে ধরা = অনুরোধ করা।
- গলা ধরা = কণ্ঠ রুদ্ধ হওয়া।
- মনে ধরা = পছন্দ হওয়া।
- আগুন ধরা = আগুন লাগা।
- ম্যাও ধরা = দায়িত্ব নেওয়া।
- গোঁ ধরা = একগুঁয়েমি করা।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
• ঝানু শব্দের অর্থ - নিপুণ বা দক্ষ (বুদ্ধিতে পাকা)।
• ঝুনা শব্দের অর্থ - অভিজ্ঞ; বিচক্ষণ।
সুতরাং,
"ঝানু, ঝুনা"- শব্দ দুইটির বিপরীতার্থক শব্দ যথাক্রমে - অপটু, কাঁচা।
অন্যদিকে,
• নিরস এর বিপরীত শব্দ- সরস,
• ঠুনকো এর বিপরীত শব্দ- মজবুত,
• জালিয়াত এর বিপরীত শব্দ- সজ্জন,
উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি- ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন; Accessible Dictionary by Bangla Academy.
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
"অকাল কুষ্মাণ্ড" - এর 'কুষ্মাণ্ড' বলতে বোঝায়- গর্ভাশয়।
উল্লেখ্য,
"অকাল কুষ্মাণ্ড" বাগধারার অর্থ অপদার্থ,অকেজো।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান; ভাষা - শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ - নবম-দশম শ্রেণী (২০১৯ সংস্করণ)।
• 'Affirmation'এর বাংলা পরিভাষা- 'শপথগ্রহণ'।
তাছাড়া,
- 'Forum' এর বাংলা পরিভাষা - মঞ্চ/ফোরাম।
- 'Forgery' এর বাংলা পরিভাষা - জালিয়াতি।
- 'Forecast' এর বাংলা পরিভাষা - পূর্বাভাষ।
উৎস: বাংলা একাডেমি প্রশাসনিক পরিভাষা।
• 'প্রবেশ করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - বিবিক্ষা।
অন্যদিকে,
- 'বমন করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ- বিবমিষা।
- 'বাস করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ- বিবৎসা।
- 'ভোজন করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ- বুভুক্ষা।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'সূর্য' এর প্রতিশব্দ:
- রবি, সবিতা, দিবাকর, দিনমনি, দিননাথ, আদিত্য, দিবাবসু, অর্ক, ভানু, তপন, ভাস্কর, মার্তণ্ড, অংশু, প্রভাকর, কিরণমালী, অরুণ, মিহির, দিনপতি ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
• 'চাঁদ' এর প্রতিশব্দ: সুধাংশু, শশাঙ্ক, বিধু।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
শব্দজোড়:
• 'বাক' অর্থ - কথা।
• 'বাঁক' অর্থ- বাঁকা।
গুরুত্বপূর্ণ কিছু শব্দজোড় হলো-
• বাইশ - ২২ সংখ্যা।
• বাইস - ধারালো যন্ত্র।
• বাধা - বিঘ্ন।
• বাঁধা - বন্ধন।
• বাড়ি - ঘর।
• বারি - পানি।
• বাণ - শর।
• বান - বন্যা।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।