পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন২৮
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১২: বিষয়: সাধারণ জ্ঞান - (সাবজেক্ট ফাইনাল) টপিক: বাংলাদেশ বিষয়াবলি এবং আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৮ প্রশ্ন

.
জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান অফ অ্যাকশন (JCPOA) কোন দেশের পারমাণবিক চুক্তি হিসেবে পরিচিত?
  1. রাশিয়া
  2. ইরান
  3. পাকিস্তান
  4. উত্তর কোরিয়া
ব্যাখ্যা

Joint Comprehensive Plan of Action:
​- "জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান অফ অ্যাকশন" (JCPOA)" ইরান পারমাণবিক চুক্তি" নামে বেশি পরিচিত।
​- ২০১৫ সালে ইরান এবং P5+1 মধ্যে চুক্তিটি হয়েছিল।
​- P5+1 হলো জাতিসংঘের স্থায়ী ৫ টি দেশ (চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র) এবং জার্মানি।
​- যার মাধ্যমে ইরানের উপর থেকে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বিনিময়ে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করা হয়।
​- ২০১৮ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করে নেন এবং নিষেধাজ্ঞা পুনরায় আরোপ করেন।
​- ২০১৯ সালে ইরান JCPOA-তে তার নিজস্ব প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসতে শুরু করে।

​উৎস: U.S. Department of State (.gov).

.
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (ICC) এর সর্বশেষ সদস্য দেশ কোনটি? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ইতালি
  2. পোল্যান্ড
  3. ইউক্রেন
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (ICC):
- ICC-এর পূর্ণরূপ: International Criminal Court.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৭ জুলাই, ১৯৯৮ (রোম সংবিধির মাধ্যমে)।
- কার্যক্রম শুরু করে: ১ জুলাই, ২০০২।
- সদরদপ্তর: দ্য হেগ, নেদারল্যান্ডস।
- এর সদস্য: ১২৫টি [সর্বশেষ (১২৫তম) সদস্য: ইউক্রেন]।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: তোমোকো আকানেকে (২০২৪-২০২৭ সাল)।

উৎস: International Criminal Court ওয়েবসাইট।

.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ৫.০%
  2. ৫.৫%
  3. ৬.০%
  4. ৬.৫%
ব্যাখ্যা

জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেটের ক্রম: ৫৪তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫৫তম)।
- বাজেটের শিরোনাম: 'বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়'।
- বাজেট উত্থাপনকারী: ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ (অর্থ উপদেষ্টা)।
- বাজেট উত্থাপন: ২ জুন, ২০২৫।
- অনুমোদন হয় : ২২ জুন, ২০২৫।
- কার্যকর হয়: ১ জুলাই, ২০২৫।
- বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৫%।
- অনুমিত মুদ্রাস্ফীতির হার: ৬.৫%।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা (জিডিপির ৩.৭%)।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬।

.
বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ কোনটি?
  1. চীন
  2. রাশিয়া
  3. ভারত
  4. কানাডা
ব্যাখ্যা

ভারত:
- বিশ্বের সর্ববৃহৎ গণতান্ত্রিক দেশ ভারত।
- এর প্রধান কারণ হলো জনসংখ্যা ও ভোটারসংখ্যা, যা অন্য যেকোনো দেশে নেই।
- প্রায় ১৪০ কোটি জনসংখ্যার দেশ ভারত বিশ্বের সবথেকে জনবহুল দেশ।
- নির্বাচনে ভোটারের সংখ্যা ৯৬ কোটি ৯০ লক্ষ।

উল্লেখ্য,
- ভারতের পার্লামেন্ট দুই কক্ষ বিশিষ্ট।
- 'রাজ্যসভা' নামক উচ্চ কক্ষ ও 'লোকসভা' নামক নিম্ন কক্ষ নিয়ে ভারতীয় সংসদ গঠিত।
- ভারতীয় লোকসভার সদস্য ৫৪৩টি এবং রাজ্যসভার সদস্য ২৪৫টি।
- লোকসভার মোট ৫৪৩ আসনের মধ্যে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন হয় ২৭২ আসন।
- এছাড়া, ভারতীয় সংবিধান বিশ্বের বৃহত্তম ও সর্বাধিক বিস্তারিত ব্যাখ্যাসমৃদ্ধ সংবিধান।

তথ্যসূত্র: বিবিসি।

.
বর্তমানে বাংলাদেশের দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত কোনটি? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. পোশাক শিল্প
  2. কৃষিজাত পণ্য
  3. ঔষধ শিল্প
  4. চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত:
- পোশাক খাতের পর চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য দেশের দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত।
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ৪৭৭ কোটি মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে।
- এর মধ্যে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য থেকে ১২ কোটি ৭৪ লাখ ডলার রপ্তানি আয় এসেছে।
- গত বছরের একই মাসে যা ছিল ৯ কোটি ৮২ লাখ ডলারের।
- এই রপ্তানি গত বছরের জুলাইয়ের তুলনায় ২৯ দশমিক ৬৫ শতাংশ বেশি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের চামড়াজাত পণ্যের বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র।
- বিদায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৩৪ কোটি ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে।
- এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ৯ কোটি ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে।
- তার বাইরে ভারতে ৭ কোটি ১৯ লাখ, জাপানে ৫ কোটি ৬৩ লাখ ও বেলজিয়ামে ২ কোটি ৮২ লাখ ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়।

তথ্যসূত্র - পত্রিকা প্রতিবেদন।

.
শিক্ষা ও গবেষণা ক্ষেত্রে স্বাধীনতা পুরস্কার, ২০২৫ পেয়েছেন কে?
  1. অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম
  2. স্যার ফজলে হাসান আবেদ
  3. বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর
  4. মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান
ব্যাখ্যা

স্বাধীনতা পুরস্কার, ২০২৫:
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫' পেয়েছেন ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি।
• বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর)।
• সাহিত্য:  মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর)।
• সংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর)।
• সমাজসেবা: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর)।
• মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর)।
• শিক্ষা ও গবেষণা: বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর।
• প্রতিবাদী তারুন্য: আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রি পরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।

.
বর্তমানে জুলাই শহীদের সংখ্যা কত? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. ৮৪৪ জন
  2. ৮৪০ জন
  3. ৮৩৬ জন
  4. ৮৩৪ জন
ব্যাখ্যা

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ২০২৪:
- বর্তমানে জুলাই শহীদের সংখ্যা ৮৩৬ জন।
- ১৫ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান শহীদদের ৮৩৪ জনের তালিকা প্রথম গেজেট আকারে প্রকাশ করে সরকার।
- পরবর্তীতে আরো ১০ জন যুক্ত করে শহীদদের তালিকা হয় ৮৪৪ জন।
- ৩ আগস্ট, ২০২৫ ৮ জনের নাম বাদ দিয়ে আরেকটি গেজেট করেছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
- এদের মধ্যে চারজনের নাম গেজেটে দুবার এসেছে। বাকি চারজন সরাসরি জুলাই আন্দোলনে সম্পৃক্ত ছিলেন না।
- আটজন বাদ দেওয়ার পর সংশোধিত তালিকায় বর্তমানে শহীদের সংখ্যা ৮৩৬ জন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

.
NATO-এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদর দপ্তর কোথায় ছিল?
  1. প্যারিস, ফ্রান্স
  2. লন্ডন, যুক্তরাজ্য
  3. ব্রাসেলস, বেলজিয়াম
  4. ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

• ন্যাটো (NATO):
- NATO-এর পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organization.
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সাল।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদর দপ্তর: লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
- বর্তমান সদরদপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২ টি। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- সর্বশেষ সদস্যদেশ: সুইডেন।
- ন্যাটোভুক্ত মুসলিম দেশ: তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)

তথ্যসূত্র: NATO ওয়েবসাইট।

.
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক সংগঠন 'তমদ্দুন মজলিশ' প্রকাশিত পুস্তিকার নাম কী ছিল?
  1. রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই
  2. বাংলার রাষ্ট্রভাষা: বাংলা না উর্দু
  3. পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা: বাংলা না উর্দু
  4. পূর্ব পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা: বাংলা না উর্দু
ব্যাখ্যা

তমদ্দুন মজলিশ:
→ তমদ্দুন মজলিশ ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।
→ তমদ্দুন মজলিশ ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
→ ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
→ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
→ এই সংগঠন ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানিয়ে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।
→ বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানিয়ে তমদ্দুন মজলিশের প্রকাশিত পুস্তিকাটির নাম ছিল 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু'।
→ তমদ্দুন মজলিশ ছাত্র-শিক্ষক মহলে বাংলা ভাষা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করে।
→ ১৯৪৭ সালের মধ্যেই বহু প্রখ্যাত এবং অখ্যাত লেখক বাংলা রাষ্ট্রভাষার প্রতি তাদের দ্ব্যর্থহীন সমর্থন জানিয়েছিলেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

১০.
শেনজেন চুক্তির বিষয়বস্তু কী?
  1. সামরিক জোট গঠন
  2. পরিবেশ সংরক্ষণ
  3. ভিসামুক্ত চলাচল
  4. বাণিজ্যিক জোট গঠন
ব্যাখ্যা

শেনজেন চুক্তি (Schengen Agreement):
- শেনজেন চুক্তি হলো ইউরোপীয় অঞ্চলে ভিসামুক্ত চলাচলের একটি ঐতিহাসিক চুক্তি।
​- এটি স্বাক্ষরিত হয় ১৪ জুন ১৯৮৫ সালে লুক্সেমবার্গের শেনজেন শহরে।
​- প্রথমে বেলজিয়াম, ফ্রান্স, পশ্চিম জার্মানি, লুক্সেমবার্গ ও নেদারল্যান্ডস এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- শেনজেন চুক্তি কার্যকর হয় ১৯৯৫ সালে, তখন ইতালি, স্পেন, পর্তুগাল ও গ্রিস এতে যুক্ত হয়। 
​- পরবর্তী সময়ে অস্ট্রিয়া, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, নরওয়ে ও সুইডেন যুক্ত হয়। 
​- প্রথমে এটি EU-এর বাইরে শুরু হলেও, ১৯৯৯ সালের আমস্টারডাম চুক্তি শেনজেন চুক্তিকে EU আইনের অংশ করে নেয়।
​- পরবর্তীতে আরও দেশ যুক্ত হয়—সুইজারল্যান্ড (২০০৮), লিচেনস্টাইন (২০১১) এবং সর্বশেষ ক্রোয়েশিয়া (২০২৩)।
​- বর্তমানে শেনজেনভুক্ত দেশ সংখ্যা ২৯টি।

​উৎস: ব্রিটানিকা।

১১.
বাংলাদেশের ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ২০১৯ সালে
  2. ২০২০ সালে
  3. ২০২১ সালে
  4. ২০২২ সালে
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় : ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে -  CAPI.
- CAPI এর পূর্ণরূপ - Computer Assisted Personal Interviewing.
- গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে-  মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে - ঢাকা বিভাগে (৪৫৬৪৪৫৮৬ জন)।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে - বরিশাল বিভাগে (৯৩২৫৮২০ জন)।
- সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- ঢাকা (১০০৬৭ জন)।
- সবচেয়ে কম ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- রাঙ্গামাটি (১০৬ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে। (২১৫৬ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে। (৬৮৮ জন)।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

১২.
বর্তমানে D-8-এর সদস্য দেশের সংখ্যা কত? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ৭টি
  2. ৮টি
  3. ৯টি
  4. ১০টি
ব্যাখ্যা

D-8:
- D-8-এর পূর্ণরূপ: Developing Eight.
- এটি মুসলিম বিশ্বের ৮টি উন্নয়নশীল দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতার উদ্দেশ্যে গঠিত একটি জোট।
- Istanbul Declaration -এর মাধ্যমে D-8 প্রতিষ্ঠিত হয়।
- গঠিত হয়: ১৫ জুন, ১৯৯৭ সালে।
- সদরদপ্তর: ইস্তাম্বুল, তুরস্ক।
- সদস্য: ৯টি দেশ। [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
- D-8 এর সদস্য দেশগুলো হলো: তুরস্ক, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ইরান, মিশর, নাইজেরিয়া, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, আজারবাইজান।
- সংস্থাটির বর্তমান ও পঞ্চম মহাসচিব: ইসিয়াকা আব্দুল কাদির ইমাম। [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]

উল্লেখ্য,
- ডিসেম্বর, ২০২৪-এ আজারবাইজান সংস্থাটির ৯ম সদস্য হিসেবে যোগদান করে।
- D-8 শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় দুই বছর পর পর।

উৎস: Developing Eight ওয়েবসাইট।

১৩.
Global Liveability Index, 2025 এ ঢাকার অবস্থান কত? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ১৫১ তম
  2. ১৬১ তম
  3. ১৭১ তম
  4. ১৮১ তম
ব্যাখ্যা

বিশ্ব বাসযোগ্যতার সূচক - ২০২৫:
প্রতিবেদনের শিরোনাম: Global Liveability Index 2025.
প্রকাশকাল: জুন, ২০২৫। 
প্রকাশক: যুক্তরাজ্যভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান দ্য ইকোনমিক ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (EIU)।

সূচক অনুযায়ী,
শীর্ষ ৩ শহর-
১. কোপেনহেগেন (ডেনমার্ক), 
২. ভিয়েনা (অস্ট্রিয়া) ও 
৩. জুরিখ (সুইজারল্যান্ড)।

সর্বনিম্ন ৩ শহর-
১৭৩. দামেস্ক (সিরিয়া), 
১৭২. ত্রিপোলি (লিবিয়া) ও 
১৭১. ঢাকা (বাংলাদেশ)।

তথ্যসূত্র: Global Liveability Index 2025, পত্রিকা রিপোর্ট।

১৪.
নিম্নের কোন দেশ এককেন্দ্রিক সরকার ব্যবস্থা অনুসরণ করে?
  1. ভারত
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. কানাডা
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

ক্ষমতা বণ্টনের নীতির ভিত্তিতে সরকারের শ্রেণিবিভাগ:
- কেন্দ্র ও প্রদেশের মধ্যে ক্ষমতা বণ্টনের নীতির ভিত্তিতে সরকার দুই ধরনের হতে পারে। যথা- এককেন্দ্রিক সরকার ও যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার।

এককেন্দ্রিক সরকার:
- যে শাসনব্যবস্থায় সরকারের সকল ক্ষমতা কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে ন্যস্ত থাকে এবং কেন্দ্র থেকে দেশের শাসন পরিচালিত হয়, তাকে এককেন্দ্রিক সরকার বলে।
- এতে কেন্দ্র ও প্রদেশের মধ্যে ক্ষমতার বণ্টন করা হয় না।
- রাষ্ট্রে বিভিন্ন প্রদেশ বা প্রশাসনিক অঞ্চল থাকতে পারে।
- তবে তারা কেন্দ্রের প্রতিনিধি বা সহায়ক হিসেবে কাজ করে।
- বাংলাদেশ, জাপান, যুক্তরাজ্য প্রভৃতি দেশে এককেন্দ্রিক সরকার প্রচলিত আছে।

অপরদিকে,
- যুক্তরাষ্ট্রীয় বলতে সেই ধরনের সরকারকে বোঝায়, যেখানে একাধিক অঞ্চল বা প্রদেশ মিলে একটি সরকার গঠন করে।
- এতে সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব ও ক্ষমতার কিছু অংশ প্রদেশ বা আঞ্চলিক সরকারের এবং জাতীয় বিষয়গুলো কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে থাকে।
- ভারত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা প্রভৃতি দেশে যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার পদ্ধতি রয়েছে।

তথ্যসূত্র: একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেনীর পৌরনীতি ও সুসাশন বই, ব্রিটানিকা।

১৫.
কোন ক্ষেত্রে অ্যাবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়?
  1. সাহিত্য
  2. গণিত
  3. সাংবাদিকতা
  4. চিকিৎসাবিজ্ঞান
ব্যাখ্যা

অ্যাবেল পুরস্কার​​:
​- অ্যাবেল পুরস্কারকে বলা হয় গণিতের নোবেল।
​​- প্রতি বছর গণিত শাস্ত্রে অবদানের জন্য এক বা একাধিক ব্যক্তিকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।
​- ২০০২ সাল থেকে এ পুরস্কারের প্রবর্তন করা হয়।
​- পুরস্কারদাতা দেশ নরওয়ে।
- এই পুরস্কারের অর্থমূল্য নরওয়ের মুদ্রায় ৭৫ লক্ষ ক্রোন।

​উল্লেখ্য,
- ​ ২০২৫ সালের অ্যাবেল পুরস্কার বিজয়ী: জাপানের মাসাকি কাশিওহারা (Masaki Kashiwara)।

​তথ্যসূত্র - The Abel Prize ওয়েবসাইট।

১৬.
UNFCCC-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. United Nations Fund for Climate Control
  2. United Nations Forum on Climate Change
  3. United Nations Framework for Climate Cooperation
  4. United Nations Framework Convention on Climate Change
ব্যাখ্যা

UNFCCC:
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘ ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন UNFCCC.
- UNFCCC এর পূর্ণরূপ হল United Nations Framework Convention on Climate Change.
- ১৯৯২ সালে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে United Nations Framework Convention on Climate Change (UNFCCC) গৃহীত হয়।
- একই বছরের ৪ থেকে ১৪ জুন ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব ধরিত্রী সম্মেলনে এটি স্বাক্ষরের জন্যে উন্মুক্ত করা হয় যা ২১ মার্চ ১৯৯৪ কার্যকর হয়।
- UNFCCC স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৯২ সালে।
- সদর দপ্তর: বন, জার্মানি।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৮টি। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)

তথ্যসূত্র - UNFCCC ওয়েবসাইট।

১৭.
বর্তমানে বাংলাদেশে স্বীকৃত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংখ্যা কয়টি? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ৫০টি
  2. ৫২টি
  3. ৫৪টি
  4. ৫৫টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী:
- বর্তমানে দেশে স্বীকৃত ৫০টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী রয়েছে।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, বাংলাদেশে ‘ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর’ সংখ্যা ৫০টি।
২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ি, দেশে মোট ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা ১৬ লাখ ৫০ হাজার যা মোট জনসংখ্যার ১ শতাংশ।
- এদের মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামে ৫৬ শতাংশ এবং সমতলে ৪৪ শতাংশ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস।
- পার্বত্য তিন জেলায় পার্বত্য বাঙালিসহ ১৩ টি জাতিগোষ্ঠী বসবাস করছে। তারা হল পার্বত্য বাঙালি, চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, ম্রো, বম, পাংখোয়া, খিয়াং, খুমি, চাক, লুসাই, রাখাইন এবং তঞ্চঙ্গ্যা। 
- দেশের সমতল ভূমির মধ্যে রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেটে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জনগোষ্ঠী বসবাস করে।
- সমতলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল সাঁওতাল, ওরাঁও, মুণ্ডা, মাহালি, পাহান, বর্মন, কোরা, মুশোর, গারো এবং হাজং।

উৎস:
i) জনশুমারি ও গৃহগণনা, ২০২২।
ii) প্রথম আলো।

১৮.
১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের ফলাফল কী ছিল?
  1. ৭০ এর নির্বাচন স্থগিত
  2. ছয় দফা বাতিল
  3. আইয়ুব খানের পতন
  4. ৬২ এর শিক্ষানীতি বাতিল
ব্যাখ্যা

৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান:
→ আইয়ুব বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ১৯৬৮ সালের অক্টোবর মাসে শুরু হলেও তা ১৯৬৯-এর জানুয়ারিতে তুঙ্গে ওঠে এবং মধ্য জানুয়ারিতে গণআন্দোলনের রূপ নেয়। 
→ ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ দেশের সকল মৌলিক গণতন্ত্রীকে পদত্যাগের আহ্বান জানালে অনেকেই সে আহ্বানে সাড়া দেন। 
→ ছাত্র-শিক্ষকবৃন্দ ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের আন্দোলনের সংগে একাত্মতা ঘোষণা করেন।
→ আইয়ুব পুলিশ, ইপিআর ও সেনাবাহিনী দিয়ে ঐ আন্দোলন স্তব্ধ করার চেষ্টা করেন। 
→ ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও ছাত্র ইউনিয়ন মেনন গ্রুপের নেতা আসাদুজ্জামান পুলিশের গুলিতে শহীদ হলে আন্দোলন সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
→ আন্দোলন চরম আকার ধারণ করে যখন প্রক্টরের দায়িত্ব পালন করার সময় ১৮ ফেব্রুয়ারিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহা পুলিশের গুলি ও বেয়নেট চার্জের ফলে মৃত্যুবরণ করেন।
→ এ আন্দোলনে আইয়ুব খানের পতন ঘটে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯.
কোন মুঘল সম্রাটের শাসনকালকে স্থাপত্য শিল্পের 'স্বর্ণযুগ' বলা হয়?
  1. সম্রাট জাহাঙ্গীর
  2. সম্রাট আকবর
  3. সম্রাট শাহজাহান
  4. সম্রাট আওরঙ্গজেব
ব্যাখ্যা

সম্রাট শাহজাহান:
- ১৬২৭ খ্রিস্টাব্দের ২৮ অক্টোবর সম্রাট জাহাঙ্গীর মৃত্যুবরণ করেন।
- তাঁর মৃত্যুর পর শাহজাদা খুররম ও শাহরিয়ারের মধ্যে উত্তরাধিকার নিয়ে দ্বন্দ্ব শুরু হয়।
- শাহজাদা খুররম ১৬২৮ খ্রিস্টাব্দের ৪ ফেব্রুয়ারি 'আবুল মুজাফফর শিহাব উদ্দিন মুহাম্মদ শাহজাহান বাদশাহ গাজী' উপাধি ধারণ করে সিংহাসনে অধিষ্ঠিত হন।
- সমরকুশলী হিসেবে সম্রাট শাহজাহান দক্ষতার পরিচয় দেন।
- সুশাসন, ন্যায়বিচার ও বদান্যতার জন্য শাহজাহানের শাসনকাল উল্লেখযোগ্য।

উল্লেখ্য,
- স্থাপত্য শিল্পের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে মোগল সম্রাটদের মধ্যে সম্রাট শাহজাহান ছিলেন অদ্বিতীয়।
- স্থাপত্য শিল্পে উৎকর্ষ সাধনের জন্য তাঁর সময়কালকে স্থাপত্য শিল্পের স্বর্ণযুগ বলা হয়।
- তিনি তাঁর স্ত্রী মমতাজ মহলের সমাধির উপর অবিনশ্বর প্রেমের এক অনিন্দ্য সুন্দর সৌধ তাজমহল নির্মাণ করেন।
- তাঁর আমলে আগ্রার মতি মসজিদ, দিল্লির জামে মসজিদ, দিওয়ান-ই-আম, দিওয়ান-ই-খাস নির্মিত হয়।
- মনি-মুক্তা, হীরা ও মূল্যবান পাথর দিয়ে তৈরি ময়ূর সিংহাসন সম্রাট শাহজাহানের শিল্পানুরাগের অন্যতম কীর্তি।
- তিনি 'শাহজাহানাবাদ' নামে একটি নতুন শহরও নির্মাণ করেন যা বর্তমানে নতুন দিল্লি নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২০.
'গেটিসবার্গ ভাষণ' দিয়েছিলেন কে?
  1. নেলসন ম্যান্ডেলা
  2. জর্জ ওয়াশিংটন
  3. আব্রাহাম লিংকন
  4. ফ্র্যাঙ্কলিন রুজভেল্ট
ব্যাখ্যা

আব্রাহাম লিংকন:
- আব্রাহাম লিংকন আমেরিকার ১৬তম প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
- ১৮৬১ সাল- ১৮৬৫ সাল পর্যন্ত তিনি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় গৃহযুদ্ধ (১৮৬১–১৮৬৫) সংঘটিত হয় তাঁর প্রেসিডেন্সির সময়।
- ১৮৬৩ সালে তিনি Emancipation Proclamation ঘোষণা করেন, যার মাধ্যমে দক্ষিণের বিদ্রোহী রাজ্যগুলোর দাসদের মুক্ত ঘোষণা করা হয়।

উল্লেখ্য,
- গেটিসবার্গের ভাষণ (Gettysburg Address) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনের একটি বিখ্যাত ভাষণ।
- ১৮৬৩ সালের  ১৯ নভেম্বর পেনসিলভানিয়ার গেটিসবার্গে শহীদের স্মরণে সংক্ষিপ্ত ভাষণ দেন লিংকন।
- মাত্র তিন মিনিটে ২৭২ শব্দের বক্তৃতা শেষ করেন লিংকন।
- তিনি তাঁর ভাষণে বলেন, Government of the People , by the People, for the People.  অর্থাৎ, ‘গণতন্ত্র হচ্ছে জনগণের সরকার, জনগণের দ্বারা এবং জনগণের জন্য’।
- যা গণতন্ত্রের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সংজ্ঞা হিসেবে আজও বিবেচিত।
- তিনি ১৫ এপ্রিল ১৮৬৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - Britannica.

২১.
CEDAW সনদ মূলত কী প্রতিরোধে গৃহীত হয়?
  1. যুদ্ধাপরাধ
  2. পরিবেশ দূষণ
  3. শিশু নির্যাতন
  4. নারীর প্রতি বৈষম্য
ব্যাখ্যা

CEDAW:
- CEDAW-এর পূর্ণরূপ: Convention on the Elimination of All Forms of Discrimination Against Women বা নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য প্রতিরোধ কনভেনশন।
- গৃহীত হয়: ১৮ ডিসেম্বর, ১৯৭৯ সালে।
- সনদ স্বাক্ষর শুরু হয়: ১ মার্চ, ১৯৮০।
- কার্যকর হয়: ৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৮১।
- বাংলাদেশ CEDAW অনুমোদন করে: ৬ নভেম্বর, ১৯৮৪ সালে।

⇒ CEDAW সনদে মোট ৩০টি অনুচ্ছেদ আছে। অনুচ্ছেদ ৩ ভাগে বিভক্ত। যথা:
- প্রথম ভাগ (১-১৬): নারী পুরুষের সমতা সর্ম্পকিত,
- দ্বিতীয় ভাগ (১৭-২২): এর কর্মপন্থা ও দায়িত্ব বিষয়ক,
- তৃতীয় ভাগ (২৩-৩০): প্রশাসনিক বিষয়।

উৎস:
i) UN ওয়েবসাইট।
ii) CEDAW South Asia ওয়েবসাইট।

২২.
কোন মুদ্রা সবচেয়ে বেশি ‘রিজার্ভ কারেন্সি’ হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. দিনার
  2. ইউরো
  3. ডলার
  4. পাউন্ড
ব্যাখ্যা

রিজার্ভ কারেন্সি:
- রিজার্ভ কারেন্সি হলো এমন একটি বৈদেশিক মুদ্রা যা কোনো দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক, সরকার বা অন্যান্য আর্থিক কর্তৃপক্ষ তাদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের অংশ হিসেবে সংরক্ষণ করে।
- এটি আন্তর্জাতিক লেনদেন, বিনিয়োগ এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 
- বর্তমানে সবচেয়ে বেশি মুদ্রার মজুত রয়েছে মার্কিন ডলারের।
- অর্থাৎ বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর কাছে ডলারের মজুত রয়েছে সবচেয়ে বেশি।
- ১৭ শতকে চালু হওয়া এ মুদ্রা শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই নয়, ইকুয়েডরসহ আরও কয়েকটি ভূখণ্ড ও স্বাধীন রাষ্ট্রে বৈধ মুদ্রা হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- পাশাপাশি তেল, স্বর্ণ ও তামাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের দাম নির্ধারণে ডলারই প্রধান মাধ্যম।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]

২৩.
সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশসমূহ কোনগুলো?
  1. ভারত ও বাংলাদেশ
  2. ভারত ও পাকিস্তান
  3. ভারত ও নেপাল
  4. পাকিস্তান ও বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা

সিমলা চুক্তি (Simla Agreement)
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে পরবর্তী সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে এবং যুদ্ধবন্দীদের হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে ভারত - পাকিস্তানের মধ্যে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২ জুলাই, ১৯৭২।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: সিমলা, হিমাচল প্রদেশ, ভারত।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী: ভারত ও পাকিস্তান।
- ভারতের পক্ষে স্বাক্ষরকারী: প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী।
- পাকিস্তানের পক্ষে স্বাক্ষরকারী: প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো।
- চুক্তির লক্ষ্য: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ বিষয়াবলীর শান্তিপূর্ণ সমাধান, বন্ধুত্বপূর্ণ পারস্পারিক সহাবস্তান, যুদ্ধবন্দী বিনিময়, লাইন অব কন্ট্রোলকে বিরোধপূর্ণ কাশ্মীরের সীমানা হিসাবে পুনঃনির্ধারণ ইত্যাদি।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট।

২৪.
'দাহিয়া ডকট্রিন' মূলত কোন দেশের যুদ্ধকৌশল?
  1. ইরান
  2. রাশিয়া
  3. ইসরায়েল
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

দাহিয়া ডকট্রিন:
- ‘দাহিয়া ডকট্রিন’ ইসরায়েলের একটি যুদ্ধকৌশল, যার মূল লক্ষ্য হচ্ছে ইচ্ছাকৃত ও সম্পূর্ণ ধ্বংস।
- এই নীতিতে বৈধতা ছাড়াই সম্পূর্ণ বেসামরিক অঞ্চল ধ্বংস করা হয়।
- দাহিয়া শব্দটি এসেছে লেবাননের রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণ উপকণ্ঠের দাহিয়া এলাকার নাম থেকে।
- এই যুদ্ধনীতি ইসরায়েলি সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোট ২০০৬ সালে ইসরায়েল এবং হিজবুল্লাহর মধ্যে সংঘটিত যুদ্ধে প্রবর্তন করেন।
- ওই যুদ্ধে হিজবুল্লাহর ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত বৈরুতের দাহিয়া জেলাকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়া হয়।
- পরবর্তীতে গাজায় এ নীতি প্রয়োগ করে ইসরায়েল।
- বর্তমানে ইরানে ‘দাহিয়া ধাঁচের’ সামরিক অভিযান চালাচ্ছে ইসরায়েল।
- ইসরায়েলি সামরিক কর্মকর্তারা এই অভিযানকে মূলত যুদ্ধের একটি কৌশল হিসেবে বর্ণনা করেন।
- এর মাধ্যমে রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জনের জন্য বেসামরিক অবকাঠামো ও জনপদকে ইচ্ছাকৃতভাবে টার্গেট করা হয়।
- বহু মানবাধিকার সংস্থা ও আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ এই কৌশলকে গণবিধ্বংসী কৌশল হিসেবে অভিহিত করেছেন।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট।

২৫.
‘সাবাস বাংলাদেশ’ ভাস্কর্য কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা সেনানিবাস
  2. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  3. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
  4. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা

সাবাস বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ভাস্কর্যগুলোর মধ্যে অন্যতম ভাস্কর্য 'সাবাস বাংলাদেশ'।
- এটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত।
- ভাস্কর্যটির স্থপতি: নিতুন কুণ্ডু।
- নির্মাণকাজ শেষ হলে ১৯৯২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি কংক্রিটে তৈরি ভাস্কর্যটির উদ্বোধন করেন জাহানারা ইমাম।
- মূল ভাস্কর্যটি ৪০ বর্গফুট মাপের একটি বেদির ওপর অবস্থিত।

⇒ ভাস্কর্যটিতে রাইফেল হাতে দুজন মুক্তিযোদ্ধাকে দেখা যায়। দুজনকেই খালি গায়ে উপস্থাপন করা হয়েছে। একজন লুঙ্গি পরা এবং মাথায় গামছা বাঁধা গ্রামীণ যুবা–কৃষকসমাজের প্রতিনিধি। তার এক হাতে রাইফেল ধরা। মুষ্টিবদ্ধ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ অন্য হাতটি ওপরে উত্থিত।

উৎস:
i) বাংলাপিডিয়া।
ii) কালের কন্ঠ।

২৬.
ইউনেস্কোর কততম সম্মেলনে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব পাস হয়?
  1. ২৯তম
  2. ৩০তম
  3. ৩১তম
  4. ৩৩তম
ব্যাখ্যা

 ২১ ফেব্রুয়ারির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:
→ প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর ৩০তম অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব পাস হয়।
→ ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে পৃথিবীর ১৮৮টি দেশে এই দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন শুরু হয়।
→ ২০০৭ সালের ১৬ মে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপন হয় যেখানে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের আহবান জানানো হয় এবং একই প্রস্তাবে ২০০৮ সালকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা বর্ষ ঘোষণা করা হয়।
→ পরবর্তীতে ২০১০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাস হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৭.
উত্তরা ইপিজেড কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. পঞ্চগড়
  2. রংপুর
  3. দিনাজপুর
  4. নীলফামারী
ব্যাখ্যা

• উত্তরা ইপিজেড: 
- উত্তরা ইপিজেড নীলফামারী জেলার সদর উপজেলার সংগলশী ইউনিয়নে অবস্থিত।
- এটি একমাত্র কৃষি ভিত্তিক ইপিজেড।
- এটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় জুলাই, ১৯৯৯ এবং উদ্বোধন হয় জুলাই, ২০০১ সালে।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড হলো চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- দেশের প্রথম ও একমাত্র বেসরকারি ইপিজেড হচ্ছে চট্রগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত কোরিয়ান ইপিজেড।
- বর্তমানে সরকারি ৮টি সহ দেশের মোট ইপিজেড সংখ্যা ৯টি।

উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট।

২৮.
কোন জনগোষ্ঠী নাকবা বা মহাবিপর্যয় দিবস পালন করে?
  1. ইসরায়েলি
  2. ফিলিস্তিনি
  3. ফরাসি
  4. ইংরেজ
ব্যাখ্যা

⇒  ফিলিস্তিনিরা ১৫ মে নাকবা দিবস পালন করেন।

নাকবা দিবস:
- ১৯১৭ সাল থেকে ১৯৪৮ সাল পর্যন্ত ফিলিস্তিন ছিল ব্রিটেনের অধীনে।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ বাহিনী তুরস্কের কাছ থেকে জেরুজালেম দখল করে নেয়।
- ১৯১৭ সালে ব্রিটেনের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী লর্ড আর্থার বেলফোর এক চিঠির মাধ্যমে ইহুদী নেতা ব্যারন রথচাইল্ডকে জানান—ব্রিটেন ফিলিস্তিনে একটি ইহুদী রাষ্ট্র গঠনে সহায়তা করবে।
- এই চিঠিই ইতিহাসে ‘বেলফোর ঘোষণা’ নামে পরিচিত।
- ১৯৪৮ সালের ১৪ মে ফিলিস্তিনে ব্রিটিশ ম্যানডেট বা শাসন শেষ হলে বেন গুরিয়ান আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন ইসরায়েল রাষ্ট্র ঘোষণা করেন।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রুম্যান সঙ্গে সঙ্গে একে স্বীকৃতি দেন। আর আল নাকবা বা মহাবিপর্যয় নেমে আসে ফিলিস্তিনিদের ওপর।
- প্রায় সাড়ে সাত লাখ ফিলিস্তিনি জর্ডান, লেবানন ও সিরিয়ায় গিয়ে উদ্বাস্তু হিসেবে আশ্রয় নেন।
- সেই বিপর্যয় স্মরণে প্রতিবছর ১৫ মে পালিত হয় আল-নাকবা বা মহাবিপর্যয় দিবস।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯৮ সালে ফিলিস্তিনিদের কিংবদন্তি নেতা ও ফিলিস্তিনের সাবেক প্রেসিডেন্ট ইয়াসির আরাফাত ইসরায়েলের স্বাধীনতা দিবসের পরের দিনটিকে নাকবা দিবস হিসেবে ঘোষণা দেন।
- সেই থেকে নাকবা পালিত হয়ে আসছে। 
- জাতিসংঘ ২০২৩ সাল থেকে দিনটি আনুষ্ঠানিকভাবে পালন শুরু করে।

তথ্যসূত্র: নিউজ রিপোর্ট। [Link]