পরীক্ষা আর্কাইভ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষা৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১০
সিলেবাস
"[৯ম - ১৩তম গ্রেড নিয়োগ প্রস্তুতি: পরীক্ষা - ৮] সাধারণ জ্ঞান পরীক্ষা - ২ টপিক: ১. বাংলাদেশ ও উপমহাদেশের ইতিহাস [ব্রিটিশ শাসন, পাকিস্তানি শাসন - ১৯৭০ এর নির্বাচন পর্যন্ত], ২. জাতীয় অর্জন। উৎস: বোর্ড বই (বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা সংশ্লিষ্ট NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বই), বাংলাপিডিয়া অথবা যেকোনো ভালো গাইড বই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]"
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১০ প্রশ্ন

.
কোন বড়লাটের সময়ে 'বঙ্গভঙ্গ' হয়?
  1. লর্ড ডালহৌসি
  2. লর্ড ক্লাইভ
  3. লর্ড কার্জন
  4. লর্ড কর্নওয়ালিস
ব্যাখ্যা
• বঙ্গভঙ্গ:
- ভারতের বড়লাট লর্ড কার্জন ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে ১৬ অক্টোবর বাংলা ভাগ করেন। এই বিভক্তি ইতিহাসে বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।
- বাংলার মুসলমানরা নবাব সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে বঙ্গভঙ্গকে স্বাগত জানায়।
- অপর দিকে তীব্র বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা যায় হিন্দু সমপ্রদায়ের মধ্যে।
- ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের নেতৃত্বে তারা বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে সুদৃঢ় ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলে। রাজা পঞ্চম জর্জ ভারত সফরে এসে দিল্লির দরবারে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।
- বঙ্গভঙ্গ রদে হিন্দু সম্প্রদায় খুশি হয়, অপর দিকে মুসলমান সম্প্রদায় মর্মাহত এবং হতাশ হয়।
- ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ছয় দফা কর্মসূচি কোন সালে ঘোষণা করা হয়?
  1. ১৯৭০
  2. ১৯৬৬
  3. ১৯৬৭
  4. ১৯৬৫
ব্যাখ্যা
• ছয় দফা:
- ৭ জুন ছয় দফা দিবস।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক 'লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত।
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন। 
- ৬ দফা বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' বা 'ম্যাগনেকার্টা' হিসাবে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
.
'মৌলিক গণতন্ত্র' ব্যবস্থায় বেসিক ডেমোক্র্যাট কতজন ছিল?
  1. মোট ৪০ হাজার
  2. মোট ৬০ হাজার
  3. মোট ৮০ হাজার
  4. মোট ৭০ হাজার
ব্যাখ্যা
• মৌলিক গণতন্ত্রের স্তরগুলো হচ্ছে:
- ইউনিয়ন কাউন্সিল,
- থানা কাউন্সিল,
- জেলা কাউন্সিল এবং
- বিভাগীয় কাউন্সিল।

• ছোট ছোট শহরে টাউন কমিটি এবং বড় বড় শহরে পৌরসভা গঠনের বিধান করা হয়।
- এই কাঠামোর সর্ব নিম্নস্তর ইউনিয়ন কাউন্সিল এবং পৌরসভা বা টাউন কমিটি জনগণের প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচনের ব্যবস্থা ছিল।
- এর ওপরের স্তরগুলো পরোক্ষ নির্বাচন পদ্ধতিতে গঠিত ছিল।
- মৌলিক গণতন্ত্রের সর্ব নিম্নস্তরে যে ইউনিয়ন কাউন্সিলের সদস্যরা প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হতেন পূর্ব এবং পশ্চিম পাকিস্তান মিলে।
- এদের সংখ্যা ছিল ৪০ হাজার করে মোট ৮০ হাজার। এদেরকে বেসিক ডেমোক্রাট বা সংক্ষেপে বি.ডি. মেম্বার বলা হতো।
- এই ৮০ হাজার বি.ডি. মেম্বার দেশের রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গকে নির্বাচিত করতেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস কবে?
  1. ২৪ জানুয়ারি
  2. ২০ জানুয়ারি
  3. ৭ জানুয়ারি
  4. ১৫ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা
• ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান: 
- আইয়ুব সরকারের নিপীড়নের প্রতিবাদে ২০ জানুয়ারি, ১৯৬৯ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্রসভা ও প্রতিবাদ মিছিলের কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়।
- এ মিছিলে পুলিশের গুলিতে ছাত্রনেতা আসাদউজ্জামান নিহত হলে গণজাগরণ রূপ নেয় গণঅভ্যুত্থানের।
- ২৪ জানুয়ারি ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস।
- ১৯৬৯ সালের এই দিনে সংগ্রামী জনতা সান্ধ্য আইন উপেক্ষা করে মিছিল বের হরে। সেখানে পুলিশের গুলিতে নবম শ্রেণির ছাত্র মতিউর এবং ছুরিকাঘাতে রুস্তম নিহত হন।
- এছাড়া, ১৫ ফেব্রুয়ারি সার্জেন্ট জহুরুল হক এবং ১৮ ফেব্রুয়ারি রাবির ড. শামসুজ্জোহা শহিদ হন।
- এর ফলে সৃষ্টি হওয়া তীব্র জনরোষে আইয়ুব সরকার ২২ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান সহ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার সকল আসামি মুক্তি বাধ্য হয়।
- ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ সালে তোফায়েল আহামেদ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে ( বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ) শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করেন। 

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক, বাংলাপিডিয়া।
.
ছয় দফা কর্মসূচির কোন দফা রাজস্ব, কর, বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা সম্পর্কে?
  1. ষষ্ঠ দফা
  2. পঞ্চম দফা
  3. চতুর্থ দফা
  4. তৃতীয় দফা
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
• ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধীদলীয় নেতাদের একটি সম্মেলন চলাকালে বঙ্গবন্ধু ছয় দফা কর্মসূচি পেশ করেন।
• ১৯৬৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধুর নামে 'আমাদের বাঁচার দাবি: ছয় দফা-কর্মসূচি' শীর্ষক একটি পুস্তিকা প্রকাশ করা হয়।
• বঙ্গবন্ধু ঘোষিত ছয় দফাতে ছিল পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা বিষয়ক দাবি।
• ছয় দফা কর্মসূচির ৪র্থ দফা অনুসারে- আঞ্চলিক সরকারে হাতে থাকবে সকল প্রকার কর ধার্য করার ও আদায়ের ক্ষমতা। আদায়কৃত রাজস্বের একটি অংশ কেন্দ্রীয় সরকারকে দেওয়া হবে।

• ছয় দফা গুলো হলো: 
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন,
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
আধুনিক ভারতের ইতিহাসে প্রথম শিক্ষা কমিশন কোনটি?
  1. রিপন কমিশন
  2. নাথান কমিশন
  3. হান্টার কমিশন
  4. উড কমিশন
ব্যাখ্যা
• হান্টার কমিশন: 
- হান্টার কমিশন সরকারিভাবে ইন্ডিয়ান এডুকেশন কমিশন (১৮৮২) নামে পরিচিত।
- এটি ছিল আধুনিক ভারতের ইতিহাসে প্রথম শিক্ষা কমিশন।
- এটি ১৮৮২ সালে স্যার উইলিয়াম হান্টার কে প্রধান করে গঠিত হয়।
- কমিশনটি ব্রিটিশ ভাইসরয় লর্ড রিপনের আমলে গঠিত হয়েছিলো।
- ভারত সরকার কর্তৃক গঠিত এ কমিশনের কাজ ছিল ১৮৫৪ সালের  উড-এর শিক্ষা প্রস্তাবের সময় থেকে ভারতীয় শিক্ষা ব্যবস্থার পর্যালোচনা এবং পরবর্তী অগ্রগতি সাধনের জন্য করণীয় সম্পর্কে সুপারিশ করা।
- সরকার আরেকটি উদ্দেশ্যে এ তদন্ত শুরু করতে উদ্বুদ্ধ হয়েছিল এবং
- তা ছিল ১৮৫৪ সালের ডেসপ্যাচের সুপারিশমালা বাস্তবায়নে সরকারের ব্যর্থতার অভিযোগে ইংল্যান্ডে মিশনারিদের বিক্ষোভ পর্যালোচনা করা।
- সরকার কর্তৃক প্রাথমিক শিক্ষার উপর অত্যধিক গুরুত্ব আরোপ করার কারণে কমিশনের মূল অংশ থেকে উচ্চ শিক্ষাকে বাদ দেওয়া হয় এবং তার পরিবর্তে প্রাথমিক শিক্ষার উপরই প্রধানত দৃষ্টি নিবদ্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
.
নীল বিদ্রোহ অবসানের লক্ষ্যে ব্রিটিশ সরকার কোন কমিশন গঠন করেছিল?
  1. র‍্যাডক্লিফ কমিশন
  2. ইন্ডিগো কমিশন
  3. মর্লি-মিন্টো কমিশন
  4. স্যাডলার কমিশন
ব্যাখ্যা
• নীল বিদ্রোহ:
- ১৮৫৯ খ্রিস্টাব্দে ইংরেজ নীলকরদের সীমাহীন অত্যাচার শোষণ বঞ্চনার বিরুদ্ধে নীল চাষিরা যে শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তোলে তাই ইতিহাসে নীল বিদ্রোহ নামে খ্যাত।
- এর নেতৃত্ব দিয়েছিল স্থানীয় পর্যায়ের সাধারণ কৃষকরা।
- বিভিন্ন স্থানে ভিন্ন ভিন্ন নেতা স্থানীয়ভাবে প্রতিরোধ সংগ্রাম পরিচালিত করে।
- এই নেতৃত্ব এতটাই শক্তিশালী এবং সুসংহত ছিল যে শেষ পর্যন্ত ইংরেজরা নতি স্বীকার করতে বাধ্য হয়।
- ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দে সরকার 'ইন্ডিগো কমিশন' বা 'নীল কমিশন' গঠন করে।
- এই কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে নীলচাষ করা, না করা কৃষকদের ইচ্ছার উপর ছেড়ে দেয়া হয় এবং ‘ইন্ডিগো কন্ট্রাক্টস অ্যাক্ট' বাতিল করা হয়।
- ফলে নীল বিদ্রোহের অবসান ঘটে।

উল্লেখ্য,
- দীনবন্ধু মিত্রের লেখা 'নীলদর্পণ' নাটকের কাহিনী চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
মা ও মনি হলো-
  1. একটি ভাস্কর্যের নাম
  2. একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতার নাম
  3. একটি উপন্যাসের নাম
  4. একটি টেলিভিশন প্রোগ্রাম
ব্যাখ্যা
• মা ও মণি গোল্ডকাপ:
- 'মা ও মণি' হলো — একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতার নাম। 
- ঢাকায় ১৯৯২ সালে ক্লাবগুলোকে নিয়ে আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- (১৪ বছরের নিচে) টুর্নামেন্ট ১৯৯২ সালের ২৬ আগস্ট থেকে ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) ২৬ ডিসেম্বর ২০২৩, দৈনিক জনকন্ঠ।
.
উর্দু এবং একমাত্র উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা।” - উক্তিটি কে করেছিলেন?
  1. খাজা নাজিম উদ্দিন
  2. মুহম্মদ আলী জিন্নাহ
  3. নুরুল আমিন
  4. আইয়ুব খান
ব্যাখ্যা
• ভাষা আন্দোলন:
- ১৯৪৮ সালের ১৯শে মার্চ পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল মুহম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকায় আসেন।

- তিনি ২১শে মার্চ রেসকোর্স ময়দান (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এবং ২৪শে মার্চ কার্জন হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে ঘোষণা করেন,
“উর্দু এবং একমাত্র উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা”।

- উভয় জায়গাতেই তার এই ঘোষণায় উপস্থিত জনতা ও ছাত্ররা 'না না' ধ্বনি দিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা। নবম-দশম শ্রেণি।
১০.
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহা কোন আন্দোলনের সময় শহীদ হয়েছিলেন?
  1. শিক্ষা আন্দোলন
  2. ভাষা আন্দোলন
  3. ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
  4. স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন
ব্যাখ্যা
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান:
- ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে প্রায় ১০০ জন পূর্বপাকিস্তানী নিহত হয়েছিলেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আসাদুজ্জামান ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহা তাদের মধ্যে অন্যতম।
- এ আন্দোলনে আইয়ুব খানের পতন ঘটে।
- এ আন্দোলনের ফলে আগরতলা মামলা বাতিল হয়।
- শেখ মুজিব জেল থেকে মুক্তি পেয়ে রেসকোর্সের গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ‘বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত হন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।