পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
সাধারণ বিজ্ঞান: টপিকসমূহ: জীববিজ্ঞান: পদার্থের জীববিজ্ঞান-বিষয়ক ধর্ম, উদ্ভিদ টিস্যু, এনিম্যাল ডাইভারসিটি, প্লান্ট ডাইভারসিটি, অর্গান এবং অর্গান সিস্টেম, সালোক সংশ্লেষণ, জুলোজিক্যাল নমেনক্লেচার, বোটানিক্যাল নমেনক্লেচার, উদ্ভিদ, ফুল, ফল, প্লান্ট নিউট্রেশন, উদ্ভিদের বংশ বৃদ্ধি ও পরাগায়ন ইত্যাদি। উৎস: ষষ্ঠ থেকে মাধ্যমিক শ্রেণির বিজ্ঞান বোর্ড বই, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির জীববিজ্ঞান বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
মাইটোকন্ড্রিয়াকে কি বলা হয়?
  1. ক) কোষের শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র
  2. খ) প্রোটিন ফ্যাক্টরি
  3. গ) কোষের প্রাণশক্তি
  4. ঘ) কোষের মস্তিষ্ক
ব্যাখ্যা
- মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র বা পাওয়ার হাউজ বলা হয়।
- রাইবোজোমকে প্রোটিন ফ্যাক্টরি বলা হয়।
- নিউক্লিয়াসকে কোষের প্রাণশক্তি ও কোষের মস্তিষ্কও বলা হয়।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান বই।
.
আদিকোষে কোনটি উপস্থিত?
  1. ক) রাইবোসোম
  2. খ) মাইটোকন্ড্রিয়া
  3. গ) প্লাস্টিড
  4. ঘ) এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম
ব্যাখ্যা
আদিকোষ:
- এ ধরনের কোষে কোনো সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে না। 
- এসব কোষের নিউক্লিয়াস কোনো পর্দা দিয়ে আবৃত থাকে না তাই নিউক্লিও বস্তু সাইটোপ্লাজমে ছড়ানো থাকে।
- এসব কোষে মাইটোকন্ড্রিয়া, প্লাস্টিড, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম ইত্যাদি অঙ্গাণু থাকে না তবে রাইবোসোম থাকে।
- নীলাভ সবুজ শৈবাল বা ব্যাকটেরিয়ায় এধরনের কোষ পাওয়া যায়।

সূত্র: বিজ্ঞান, ৮ম শ্রেণি
.
Penicillium কিসের সাহায্যে বংশ বৃদ্ধি করে?
  1. ক) কনিডিয়া
  2. খ) অঙ্গজ জনন
  3. গ) দেহের খন্ডায়ন
  4. ঘ) বংশ বৃদ্ধি করে না
ব্যাখ্যা
Penicillium কনিডিয়া সৃষ্টির মাধ্যমে বংশ বৃদ্ধি করে।
- কোনো ধরনের অযৌন রেণু বা জনন কোষ সৃষ্টি না করে দেহের অংশ খন্ডিত হয়ে বা কোনো অঙ্গ রূপান্তরিত হয়ে যে জনন ঘটে তাকে অঙ্গজ জনন বলে।
- দেহের খন্ডায়ন অঙ্গজ জননেরই একটি অংশ। সাধারণত নিম্নশ্রেণির উদ্ভিদে এধরনের জনন দেখ যায়।

উদাহারন:  Spirogyra, Mucor ইত্যাদি।

 সূত্র: বিজ্ঞান, ৮ম শ্রেণি
.
কোনটি আদর্শ ফুলের অংশ নয়?
  1. ক) পুষ্পাক্ষ
  2. খ) পাপড়ি
  3. গ) পুংকেশর
  4. ঘ) উপবৃতি
ব্যাখ্যা
একটি আদর্শ ফুলের ৫ টি অংশ।
১. পুষ্পপক্ষ, 
২. বৃতি, 
৩. দল বা পাপড়ি, 
৪. পুংকেশর ও 
৫. গর্ভকেশর। 

কখনো কখনো ফুলে এই ৫টি অংশ ছাড়াও বৃতির নিচে একটি অতিরিক্ত অংশ থাকে একে উপবৃতি বলে। জবা ফুলে এমন উপবৃতি দেখ যায়।

সূত্র: ৮ম শ্রেণির বিজ্ঞান বই
.
গুচ্ছ ফল কোনটি?
  1. ক) আতা
  2. খ) ঢেঁরস
  3. গ) জাম
  4. ঘ) শিম
ব্যাখ্যা
একটি ফুলে যখন অনেকগুলি গর্ভাশয় থাকে এবং প্রতিটি গর্ভাশয় ফলে পরিণত হয়ে একটি বোঁটার উপর গুচ্ছাকারে থাকে তখন তাকে গুচ্ছ ফল বলে।
 যেমন: চম্পা, আকন্দ, আতা, শরীফা ইত্যাদি।

- শিম, ঢেঁরস নিরস ফল।
- জাম রসালো ফল।

সূত্র: ৮ম শ্রেণির বিজ্ঞান বই।
.
সালোক সংশ্লেষণের বাহ্যিক প্রভাবক কোনটি?
  1. ক) পাতার বয়স
  2. খ) ক্লোরোফিলের পরিমাণ
  3. গ) আলো
  4. ঘ) পাতার গঠন
ব্যাখ্যা
সালোক সংশ্লেষণের বাহ্যিক প্রভাবক:
সালোক সংশ্লেষণের বাহ্যিক প্রভাবক গুলি হলো -
- আলো,
- কার্বন ডাই-অক্সাইড,
- পানি ও
- তাপমাত্রা। 

সালোক সংশ্লেষণের অভ্যন্তরীণ প্রভাবক:
সালোক সংশ্লেষণের অভ্যন্তরীণ প্রভাবক গুলি হলো -
- ক্লোরোফিলের পরিমাণ,
- পাতার বয়স,
- শর্করার পরিমাণ,
- পাতার গঠন,
- কয়েকটি ধাতুর উপস্থিতি ইত্যাদি।

সূত্র: এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ইউরিয়াতে নাইট্রোজেনর শতকরা পরিমাণ কত?
  1. ক) ২২
  2. খ) ৪৬
  3. গ) ৫৬
  4. ঘ) ৭০
ব্যাখ্যা
মাটিতে নাইট্রোজেনর উৎস নাইট্রোজেন লবণ। বায়ুমন্ডলের শতকরা ৮০ ভাগ নাইট্রোজেন থাকা সত্ত্বেও উদ্ভিদ সরাসরি বায়ুমন্ডল থেকে নাইট্রোজেন গ্রহণ করতে পারে না।
- উদ্ভিদ মাটি থেকে আয়নিত অবস্থায় নাইট্রোজেন গ্রহণ করে থাকে। 
- বিশ্বে ব্যবহৃত নাইট্রোজেন সারের মধ্যে ইউরিয়া অন্যতম প্রধান এবং বহুল ব্যবহৃত সার। 
- ইউরিয়াতে শতকরা ৪৬ ভাগ এবং অ্যামোনিয়াম সালফেটে শতকরা ২০.৫ ভাগ নাইট্রোজেন থাকে।

সূত্র: এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
লবনাক্ত মাটিতে জৈব সার ব্যবহার করলে কী পরিবর্তন হয়?
  1. ক) লবণাক্ততা কমে যায়
  2. খ) লবণাক্ততা বৃদ্ধি পায়
  3. গ) পরিবর্তন হয় না
  4. ঘ) মাটি অম্লীয় হয়
ব্যাখ্যা
- জৈব সার জমিতে প্রধানত নাইট্রোজেন, ফসফরাস এবং সালফার সরবারহ করে।
- জৈব সার ভূমিক্ষয় রোধ করে।
- জৈব সার প্রয়োগে জমিতে ফসলের ফলন বৃদ্ধির সাথে সাথে গুণগত মান ও বৃদ্ধি পায়।
- লবণাক্ত মাটিতে জৈব সার ব্যবহার করলে মাটির লবণাক্ততা কমে যায়। অনেক দেশে লবণাক্ত মৃত্তিকা সংশোধনের কাজে জৈব সার ব্যবহৃত হচ্ছে।

 সূত্র: স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোন পর্বের প্রাণী চলাফেরা করতে পারে না?
  1. ক) পরিফেরা
  2. খ) নিডারিয়া
  3. গ) মোলাস্কা
  4. ঘ) নেমাটোডা
ব্যাখ্যা
পরিফেরা পর্বের প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য :
- এদের দেহ কোষ দুই স্তরে বিন্যস্ত।
- এদের দেহপ্রাচীর অস্টিয়া নামক অসংখ্য ছিদ্রযুক্ত।
- এদের দেহে বিশেষ ধরনের নালীতন্ত্র বিদ্যমান, এর সাহায্যে অভ্যন্তরীণ পরিবহন ঘটে।
- এই পর্বের প্রাণীদের কোন অঙ্গ নেই ফলে এরা চলতে পারে না।
- এদের পরিপাক অন্তঃকোষীয়।
- এদের অন্তঃকঙ্কাল স্পিকিউল বা ফাইব্রাস নামক প্রোটিনে তৈরি।

সূত্র: এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
মশা দ্বারা সংক্রমিত রোগ নয় কোনটি?
  1. ক) ইনফ্লুয়েঞ্জা
  2. খ) ফাইলেরিয়া
  3. গ) পীতজ্বর
  4. ঘ) গোদ
ব্যাখ্যা
- মশা এক প্রকার পতঙ্গ শ্রেণির প্রাণী। অস্বাস্থ্যকর নোংরা পানিতে এরা জন্মায়। এনেফিলিস, কিউলেক্স ও অ্যাডিস এই তিন প্রকার মশা হয়ে থাকে।

- ফাইলেরিয়া রোগের সাধারণ নাম হলো গোদ। বিভিন্ন প্রজাতির কিউলেক্স মশকী এই রোগের বাহক। এ রোগের প্রধান লক্ষণ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ যেমন: হাত, পা ইত্যাদি ফুলে যাওয়া।

- পীতজ্বর ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট একটি ব্যাধী। বিভিন্ন প্রজাতির অ্যাডিস মশকী এ রোগের জন্য দায়ী ভাইরাস প্রাণীর দেহে সংক্রমিত করে। এ রোগে আক্রান্ত হলে প্রচন্ড জ্বর ও তাপের সাথে মাথায় যন্ত্রণা অনুভুত হয়। মুখ ফুলে যায় এবং মুখ লালচে রং ধারণ করে।

- ভাইরাস অতি সূক্ষ, কোষবিহীন রোগ সৃষ্টিকারী জীব। এরা পোষক জীবকোষে দ্রুত বংশ বৃদ্ধি করে থাকে। হাম, ইনফ্লুয়েঞ্জা, বসন্ত, এইডস প্রভৃতি নানাবিধ মারাত্মক রোগ বিভিন্ন ভাইরাস দিয়ে সংগঠিত হয়।

 সূত্র: পরিবেশ শিক্ষা-বিজ্ঞান, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
ত্বকে কাঁটা পাওয়া যায় কোন পর্বের প্রাণীতে?
  1. ক) একাইনোডার্মাটা
  2. খ) মোলাস্কা
  3. গ) নেমাটোডা
  4. ঘ) পেরিফেরা
ব্যাখ্যা
একাইনোডার্মাটা শব্দটি দুটি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত (গ্রিক, echino = spin, কণ্টকাবৃত এবং derma = skin,ত্বক)। এ পর্বভুক্ত প্রায় সমস্ত প্রাণীদের দেহত্বক কর্কশ, কণ্টক দ্বারা আচ্ছাদিত এবং দেহ ত্বকের নিচে অবস্থিত চূর্ণময় পাত থেকে অসংখ্য কন্টকাকার অভিক্ষেপ সৃষ্টি হয়।

- মোলাস্কা পর্বের অধিকাংশ সদস্য সমুদ্রে বাস করে। এদের দেহ নরম, মাংসল, অখন্ডিত সাধারণত শক্ত খোলস দ্বারা আবৃত। ফুলকা বা ফুসফুস দিয়ে শ্বসনকার্য চালায়।

- নেমাটোডা পর্বের প্রাণীদের দেহ নলাকার, উভয় প্রান্ত ক্রমাগত সরু। এরা গোলকৃমি নামে পরিচিত। দেহ গহ্বর অপ্রকৃত বা স্যুডোসিল। দেহ প্রাচীরে শুধু অনুদৈর্ঘ্য পেশীতন্তু থাকে, গোলাকার পেশী থাকে না। নেমাটোডা দ্বারা মানুষ আক্রান্ত হয়, অনেক সময় এদের দ্বারা গৃহপালিত পশু-পাখি আক্রান্ত হয়।

- পরিফেরা পর্বের অনেক সদস্য পরজীবী হিসেবে অন্য কোনো উদ্ভিদ বা প্রাণীর দেহে বসবাস করে।দেহ পৃষ্ঠে অষ্টিয়া নামক অসংখ্য ছিদ্র বিদ্যমান। স্পিকিউল নামক অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণ্টক বিশেষ অথবা স্পন্জিল নামক এক প্রকার জৈবতন্তু দ্বারা দেহের কাঠামো গঠিত।

 সূত্র: এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
নিচের কোনটি অমেরুদণ্ডী প্রাণী?
  1. ক) ব্যাঙ
  2. খ) সাপ
  3. গ) কচ্ছপ
  4. ঘ) অক্টোপাস
ব্যাখ্যা
মেরুদন্ডের উপস্থিতি ও অনুপস্থিতির উপর ভিত্তি করে প্রাণিকুলকে দুভাগে ভাগ করা হয়- মেরুদন্ডী প্রাণী ও অমেরুদন্ডী প্রাণী।
- যেসব প্রাণিদেহে মেরুদন্ড বা শিরদাঁড়া উপস্থিত তাদের মেরুদন্ডী প্রাণী বলে। যেমন: মাছ, ব্যাঙ, বাদুর, তিমি, সাপ, কচ্ছপ ইত্যাদি।
- যেসব প্রাণিদেহে মেরুদন্ড বা শিরদাঁড়া অনুপস্থিত তাদের অমেরুদন্ডী প্রাণী বলে। যেমন: তেলাপোকা, শামুক, মশা, অ্যামিবা, অক্টোপাস ইত্যাদি।

সূত্র: এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
ব্যাঙের ছাতার আরেক নাম কি?
  1. ক) মিউকর
  2. খ) এগারিকাস
  3. গ) স্পাইরোগাইরা
  4. ঘ) ক্লোরেলা
ব্যাখ্যা
- পঁচা স্যাঁতসেঁতে জায়গায় ভাপসা আবহাওয়ায় ব্যাঙের ছাতা জন্মাতে দেখা যায়। এই ব্যাঙের ছাতার আরেকটি নাম হলো এগারিকাস। 

- বাসি, পঁচা রুটির উপর তুলার আঁশের মত এক প্রকার বস্তু জন্মাতে দেখা যায়। একে রুটির ছত্রাক বা মিউকর বলে। এসব উদ্ভিদ ক্লোরোফিলবিহীন। এ কারণে এদের রঙ সাদা।

- স্পাইরোগাইরা, ক্লোরেলা সবুজ শৈবালের উদাহারণ। এদের দেহে ক্লোরোফিল থাকে বলে এরা সবুজ হয়।

সূত্র: পরিবেশ শিক্ষা-বিজ্ঞান, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।