পরীক্ষা আর্কাইভ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

পরীক্ষাশিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৭
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৪৭ বিষয়: বাংলা সাহিত্য টপিক: বাংলা আধুনিক যুগের গুরুত্বপূর্ণ লেখক (মাইকেল মধুসূদন দত্ত, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রমথ চৌধুরী, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, কাজী নজরুল ইসলাম, জসীমউদ্দীন)। উৎস: যেকোনো একজন ভালো একাডেমিক লেখকের বই; বাংলাপিডিয়া; বাজারে প্রচলিত যেকোনো ভালো গাইড বই। গাইড বইয়ের ক্ষেত্রে তথ্য ক্রসচেক করে পড়া জরুরি।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৭ প্রশ্ন

.
মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত রাধাকৃষ্ণ বিষয়ক গীতিকাব্য কোনটি?
  1. ব্রজাঙ্গনা
  2. মেঘনাদবধ
  3. তিলোত্তমাসম্ভব
  4. বীরাঙ্গনা
ব্যাখ্যা

• ‘ব্রজাঙ্গনা’ গীতিকাব্য:
- মাইকেল মুধুসূধন দত্ত রচিত রাধাকৃষ্ণ বিষয়ক গীতিকাব্যের নাম 'ব্রজাঙ্গনা'।
- এটি ১৮৬১ সালে প্রকাশিত হয়। 
- 'ব্রজাঙ্গনা' কাব্যের কবিতাগুলো ওড জাতীয় গীতি কবিতা। 
- কাব্যটির নায়িকা হলেন 'রাধা'।
- 'রাধা' সম্পর্কে মধুসূধন বলেছেন ‘Poor Old Mrs. Radha of Braja’( ব্রজের হতভাগিনী নায়িকা রাধা )।

অন্যদিকে,
- সংস্কৃত মহাকাব্য 'রামায়ণের' কাহিনি অবলম্বন করে মধুসূদন দত্ত ১৮৬১ খ্রিষ্টাব্দে 'মেঘনাদবধ কাব্য' রচনা করেন।
- তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য মহাভারতের সুন্দ ও উপসুন্দের কাহিনির অবলম্বনে রচিত। সৌন্দর্য‍্যের প্রতিমা তিলোত্তমাকে নিয়ে
সুন্দ-উপসুন্দের দ্বন্দ্ব এই কাব্যের উপজীব্য।
- রোমান কাব্য 'হেরোইদাইদস' কাব্যের অনুসরণে রচিত 'বীরাঙ্গনা কাব্য' বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য। এ কাব্যে পত্রের সংখ্যা মোট ১১ টি।

মাইকেল মুধুসূধন দত্ত রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য,
- ব্রজাঙ্গনা কাব্য,
- মেঘনাদবধ কাব্য,
- বীরাঙ্গনা কাব্য,
- চতুর্দশপদী কবিতাবলী।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলাপিডিয়া।

.
মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত প্রহসন কোনটি?
  1. সধবার একাদশী
  2. বুড় সালিকের ঘাড়ে রোঁ
  3. বিয়ে পাগলা বুড়ো
  4. তিলোত্তমাসম্ভব
ব্যাখ্যা

"বুড় সালিকের ঘাড়ে রোঁ' প্রহসন:
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত প্রহসন। এটি ১৮৬০ সালে প্রকাশিত হয়।
- প্রথমে এ প্রহসনের নাম ছিল 'ভগ্ন শিবমন্দির'।
- এক লম্পট জমিদারের আচার-ব্যবহার ও দরিদ্র প্রজাদের দ্বারা উচিত শিক্ষা এই উপভোগ্য প্রহসনের মূলকাহিনি।
- উল্লেখযোগ্য চরিত্র: ভক্তপ্রসাদ, গদাধর, পুঁটি, ফতেমা, ভগী প্রমুখ।

অন্যদিকে,
"বিয়ে পাগলা বুড়ো':
- দীনবন্ধু মিত্র রচিত 'বিয়ে পাগলা বুড়ো' মূলত এক ধরনের হাস্যরসাত্মক নাটক (প্রহসন)।
- বঙ্কিমচন্দ্র লিখেছিলেন যে এই নাটক কোনো "জীবিত ব্যক্তিকে লক্ষ্য করিয়া লিখিত হইয়াছিল"।
- ১৮৭২ সালে নাটকটি প্রথম অভিনীত হয়।

"সধবার একাদশী':
- 'সধবার একাদশী' (১৮৬৬) দীনবন্ধু মিত্র রচিত প্রহসন।
- 'সধবার একাদশী' প্রহসনে তৎকালীন ইয়ংবেঙ্গল দলের উচ্ছৃঙ্খলতা ও অনাচারের চিত্র অঙ্কন করা হয়েছে।
- এই সামাজিক বিপর্যয় এর কাহিনি নিয়ে নাটকটির রচিত।

তিলোত্তমাসম্ভব' কাব্য:
- তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য হলো মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত একটি বিখ্যাত কাব্য।
- মহাভারতের সুন্দ ও উপসুন্দ কাহিনিকে অবলম্বন করে রচিত কাব্য 'তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য'।
- ১৮৬০ সালের এই কাব্যটি প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
-'তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য' মাইকেল মধুসূদন দত্তের এবং বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলাপিডিয়া।

.
বিখ্যাত 'নবকুমার' চরিত্রটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কোন উপন্যাসের অন্তর্ভুক্ত?
  1. দুর্গেশনন্দিনী
  2. বিষবৃক্ষ
  3. কপালকুণ্ডলা 
  4. চন্দ্রশেখর
ব্যাখ্যা

 'কপালকুণ্ডলা' উপন্যাস:
- কপালকুণ্ডলা (১৮৬৬) বঙ্কিমচন্দ্রের দ্বিতীয় উপন্যাস।
- এক কাপালিক-পালিতা নারী কপালকুণ্ডলাকে কেন্দ্র করে এই উপন্যাসের কাহিনি গড়ে উঠেছে। সামাজিক সংস্কারের সঙ্গে অপরিচিতা এই নারীর নবকুমারের সঙ্গে বিয়ে এবং কপালকুণ্ডলার সমাজবন্ধনের সঙ্গে দ্বন্দ্ব এই কাহিনির মূল ঘটনা।
- এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় একটি চরিত্র: নবকুমার।

অন্যদিকে,
- দুর্গেশনন্দিনী' উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র: জগতসিংহ, ওসমান,আয়েশা তিলত্তমা।
- 'বিষবৃক্ষ' উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র: কুন্দনন্দিনী, নগেন্দ্রনাথ, হীরা, সূর্যমুখী ইত্যাদি।
- 'চন্দ্রশেখর' উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র: চন্দ্রশেখর, প্রতাপ, শৈবলিনীর ইত্যাদি।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলাপিডিয়া।

.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
  1. বাল্মীকি প্রতিভা
  2. কবি-কাহিনী
  3. হিন্দুমেলার উপহার
  4. ভিখারিনী
ব্যাখ্যা

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের নাম 'কবি-কাহিনী'।

'কবি-কাহিনী' 
কাব্যগ্রন্থ:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ তথা কাব্যগ্রন্থ 'কবি-কাহিনী'।
- 'ভারতী' পত্রিকায় পৌষ-চৈত্র ১২৮৪ বঙ্গাব্দ সংখ্যায় এর কবিতাগুলো ছাপা হয়।
- ১৮৭৮ খ্রিষ্টাব্দেই কবিতাগুলো নিয়ে 'কবি-কাহিনী' গ্রন্থ প্রকাশিত হয়।
- চার সর্গে বিভক্ত এই নাতিদীর্ঘ কাব্যের নায়ক এক কবি এবং নায়িকা নলিনী। নলিনীর মৃত্যুর পর নায়ক কবির বিশ্বপ্রেমের উপলব্ধিতে কাব্যের পরিসমাপ্তি।
- মনে করা হয়, এ কাব্যের নায়ক রবীন্দ্রনাথ নিজেই।

অন্যদিকে,
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত প্রথম নাটক বাল্মীকি প্রতিভা।
প্রথম প্রকাশিত কবিতা - হিন্দুমেলার উপহার।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত ছোটগল্পের নাম- ভিখারিনী।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলাপিডিয়া।

.
'অপু' রবীন্দ্রনাথের কোন ছোটগল্পের চরিত্র?
  1. শাস্তি
  2. হৈমন্তী 
  3. সমাপ্তি
  4. জীবিত ও মৃত 
ব্যাখ্যা

'হৈমন্তী' ছোটগল্প:
- 'হৈমন্তী' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি ছোটগল্প।
- 'হৈমন্তী' গল্পে 'হৈমন্তী'র ডাকনাম ছিলো শিশির।
- 'হৈমন্তী' এর স্বামীর নাম ছিলো - অপু।
- 'হৈমন্তী' ছোটগল্পটি মাসিক সবুজপত্র পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়।
 - এটি রবীন্দ্রনাথের সমাজ সমস্যামূলক ছোট গল্পগুলোর মধ্যে অন্যতম।
 - উল্লেখযোগ্য চরিত্র হলো: হৈমন্তী (শিশির),গৌরীশংকর,অপু,বনমালী প্রমুখ।

অন্যদিকে,
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'শাস্তি' ছোটগল্পের উল্লেখযোগ্য চরিত্র চন্দরা,রাধা ।
- 'সমাপ্তি' ছোটগল্পের চরিত্র উল্লেখযোগ্য চরিত্র মৃন্ময়ী ও অপূর্ব।
- 'জীবিত ও মৃত' গল্পটির প্রধান চরিত্র কাদম্বিনী,শ্রীপতি ও যোগমায়া।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলাপিডিয়া।

.
কে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে "কবিগুরু" উপাধি দেন?
  1. বুদ্ধদেব বসু
  2. ক্ষিতিমোহন সেন
  3. মহাত্মা গান্ধী
  4. ব্রহ্মবান্ধব উপাধ্যায়
ব্যাখ্যা

'কবিগুরু':
- ক্ষিতিমোহন সেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে "কবিগুরু" উপাধি দেন।

- তাঁর কাব্য প্রতিভা এবং তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা থেকেই এ উপাধি দেওয়া হয়েছিল।

উল্লেখ্য,:
- মহাত্মা গান্ধী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে "গুরুদেব" বলে সম্বোধন করেছিলেন, যা ছিল তাঁর নৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক নেতৃত্বের প্রতি সম্মানের বহিঃপ্রকাশ।

- পণ্ডিত ব্রহ্মবান্ধব উপাধ্যায় প্রথম রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে "বিশ্বকবি" উপাধিতে ভূষিত করেন। তিনি ছিলেন একজন বিশিষ্ট রোমান ক্যাথলিক পণ্ডিত, সমাজ সংস্কারক এবং জাতীয়তাবাদী চিন্তাবিদ।

- বুদ্ধদেব বসু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে কোনো বিশেষ উপাধিতে ভূষিত করেননি, বরং তিনি তাঁর সাহিত্যিক অবদানের জন্য রবীন্দ্রনাথকে 'আদিগন্ত ব্যাপ্ত' এবং 'স্বরাট' হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

উৎস:
১.বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২.বাংলাপিডিয়া।
৩.আমার ছেলেবেলা ।

.
'সোনার তরী' কবিতা কোন ছন্দে রচিত?
  1. অক্ষরবৃত্ত
  2. মাত্রাবৃত্ত
  3. স্বরবৃত্ত
  4. অমিত্রাক্ষর
ব্যাখ্যা

'সোনার তরী' কবিতা:
-'সোনার তরী' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সোনার তরী' কাব্যগ্রন্থের নাম-কবিতা।
-এ কাব্যের অধিকাংশ কবিতা পদ্মাবিধৌত পূর্ববঙ্গের পটভূমিতে লেখা ।
- এ কবিতায় নিবিড়ভাবে মিশে আছে কবির জীবন দর্শন।
- সোনার তরী 'মাত্রাবৃত্ত' ছন্দে রচিত
-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সোনার তরী' কাব্যগ্রন্থটি ১৮৯৪ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই গ্রন্থের উল্লেখযোগ্য কবিতা কুষ্টিয়ার শিলাইদহে বসে লেখা হয়েছে।

এই গ্রন্থের উল্লেখযোগ্য কবিতাগুলো হলো:
- সোনার তরী,
- বিম্ববতী,
- বর্ষাযাপন,
- সুপ্তোত্থিতা,
- হিং টিং ছট,
- বসুন্ধরা,
- নিরুদ্দেশ যাত্রা।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলাপিডিয়া।

.
সাধু ভাষায় লিখিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সর্বশেষ উপন্যাস কোনটি?
  1. চতুরঙ্গ
  2. গোরা
  3. ঘরে-বাইরে
  4. শেষের কবিতা
ব্যাখ্যা

'চতুরঙ্গ' উপন্যাস:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত অন্যতম উপন্যাস চতুরঙ্গ। এটি প্রকাশিত হয় ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দে।
- এটি সাধু ভাষায় লিখিত রবীন্দ্রনাথের সর্বশেষ উপন্যাস।
- ১৩২১ বঙ্গাব্দের অগ্রহায়ণ থেকে ফাল্গুন সংখ্যা পর্যন্ত মাসিক 'সবুজপত্রে' এই উপন্যাসটি ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল।
- 'সবুজপত্র'র তৎকালীন পাঠকরা ধরে নিয়েছিলেন যে তাঁরা রবীন্দ্রনাথের কাছ থেকে আলাদা আলাদা গল্প উপহার পাচ্ছেন। বস্তুত পত্রিকায় প্রকাশিত হবার সময় উপন্যাসের অধ্যায়গুলোকে আলাদা আলাদা গল্পের শিরোনাম দিয়ে ছাপা হচ্ছিল।
- গল্পগুলোর নাম ছিল যথাক্রমে- জ্যাঠামশায়, শচীশ, দামিনী শ্রীবিলাস।

অন্যদিকে,
'গোরা' উপন্যাস:
- গোরা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি উপন্যাস। এটি ১৮৮০-এর দশকে ব্রিটিশ রাজত্বকালের সময়কার কলকাতার পটভূমিতে লেখা।
- এটি লেখার ক্রমে পঞ্চম এবং রবীন্দ্রনাথের তেরোটি উপন্যাসের মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘতম। এটি রাজনীতি এবং ধর্ম নিয়ে দার্শনিক বিতর্কে সমৃদ্ধ উপন্যাস।

'শেষের কবিতা':
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি রোমান্টিক উপন্যাস।
- এটি প্রকাশিত হয় ১৯২৯ সালে।
- এটিকে কাব্যোপন্যাসও বলা হয়।
- শেষের কবিতা উপন্যাস বিংশ শতকের বাংলার নবশিক্ষিত অভিজাত সমাজের জীবনকথা।

'ঘরে-বাইরে' উপন্যাস:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চলিত ভাষায় লেখা প্রথম উপন্যাস।
- ১৯১৬ সালে উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসটি স্বদেশি আন্দোলনের পটভূমিকায় রচিত।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলাপিডিয়া।

.
কোনটি প্রমথ চৌধুরী রচিত গল্পগ্রন্থ?
  1. পদচারণ
  2. দুর্দিনের যাত্রী
  3. চার ইয়ারী কথা
  4. যুগবাণী
ব্যাখ্যা

'চার ইয়ারী কথা' 
- এটি প্রমথ চৌধুরীর গল্পগ্রন্থ। এটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- এখানে বর্ণিত হয়েছে চার বন্ধুর প্রেমের কাহিনী। গল্পগ্রন্থের নায়িকা চারজনই ইউরোপীয়।
- গল্পগ্রন্থে প্রথম নায়িকা উন্মাদ, দ্বিতীয় নায়িকা চোর, তৃতীয় নায়িকা প্রতারক ও চতুর্থ নায়িকা মৃত্যুর পর ভালোবাসা ব্যক্ত করেছে।
- এটিতে ভাষার চাতুর্য, পরিহাসপ্রিয়তা এবং সূক্ষ্ম ব্যঙ্গ উদ্ভাসিত হয়েছে ভাবালু প্রেমকাহিনী প্রতিবাদী রূপে।

অন্যদিকে,
- 'পদচারণ' প্রমথ চৌধুরীর রচিত কাব্যগ্রন্থ।
- কাজী নজরুল ইসলাম রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ: 'যুগবাণী', দুর্দিনের যাত্রী'। 

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলাপিডিয়া।

১০.
প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত বিখ্যাত পত্রিকা কোনটি?
  1. সংবাদ প্রভাকর
  2. সবুজপত্র
  3. তত্ত্ববোধিনী
  4. বঙ্গদর্শন
ব্যাখ্যা

প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত বিখ্যাত পত্রিকা 'সবুজপত্র'।

সবুজপত্র পত্রিকা:
- ১৯১৪ সালে পত্রিকাটি প্রকাশিত হয়।
- বৈশাখ ১৩২১ বঙ্গাব্দে প্রথম প্রকাশিত হয় এবং তের বছর চলে।
- এই পত্রিকার সাথে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর গভীর ভাবে জড়িত ছিলেন।
- এই পত্রিকা রবীন্দ্রনাথের চিন্তা এবং ভাষারীতির আধুনিকতা বিকাশে বিশেষ সহায়ক হয়েছিল।
- সবুজপত্র মাসিক পত্রিকা ছিল এবং এই পত্রিকার সম্পাদনার মাধ্যমে প্রমথ চৌধুরী প্রভুত খ্যাতি অর্জন করেন।
- সবুজপত্রের প্রথম সংখ্যায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত এবং সম্পাদকের নিজের লেখা সন্নিবেশিত হয়।

অন্যদিকে,
- সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত।
- তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন: অক্ষয়কুমার দত্ত।
- বঙ্গদর্শন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন:বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলাপিডিয়া।

১১.
প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যের কোন শাখায় চলিতরীতির প্রবর্তন করেন?
  1. কাব্য
  2. নাটক
  3. গদ্য
  4. ছোটগল্প
ব্যাখ্যা

প্রমথ চৌধুরী:
- বাংলা সাহিত্যে চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক হলেন প্রমথ চৌধুরী।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম ছিল বীরবল।
- তাঁর এ ছদ্মনাম থেকে তখন বাংলা সাহিত্যে বীরবলী ধারা প্রবর্তিত হয়।
- প্রমথ চৌধুরী রচিত প্রথম গদ্য রচনা 'বীরবলের হালখাতা'। এটি তাঁর প্রথম চলিত রীতিতে লিখিত গ্রন্থ।
- প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় প্রকাশিত সবুজপত্র পত্রিকা (১৯১৪) চলিত রীতি প্রবর্তনে মূল ভূমিকা পালন করে।
- ১৯১৪ সালে মাসিক সবুজপত্র প্রকাশনা এবং তার মাধ্যমে বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তন তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ কীর্তি।
- একে কেন্দ্র করে তখন একটি শক্তিশালী লেখকগোষ্ঠী গড়ে ওঠে। স্বয়ং রবীন্দ্রনাথও এর অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলাপিডিয়া।

১২.
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কোন উপন্যাসটি ৪ খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছিল ?
  1. শ্রীকান্ত
  2. পল্লীসমাজ
  3. পণ্ডিতমশাই
  4. পথের দাবী
ব্যাখ্যা

'শ্রীকান্ত' উপন্যাস:
- 'শ্রীকান্ত' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের আত্মজৈবনিক উপন্যাস।
- শ্রীকান্ত উপন্যাসটি ৪টি খণ্ডে প্রকাশিত হয়
- প্রথম খণ্ড মাসিক 'ভারতবর্ষে' (১৯১৬-১৭) 'শ্রীকান্তের ভ্রমণ কাহিনি নামে প্রকাশ পায়। লেখকের নাম মুদ্রিত হয় 'শ্রীশ্রীকান্ত শর্মা'।
- ২য় ও ৩য় খণ্ডও মাসিক 'ভারতবর্ষে' প্রকাশিত হয়।
- তবে ৪র্থ খণ্ড প্রকাশিত হয় 'বিচিত্র' পত্রিকায়।
- উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র: শ্রীকান্ত, ইন্দ্রনাথ, রাজলক্ষ্মী।

অন্যদিকে,
-'পল্লীসমাজ' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি সামাজিক সমস্যা নির্ভর উপন্যাস। এতে মোট ১৯টি পরিচ্ছেদ রয়েছে।

- পণ্ডিতমশাই' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা একটি সামাজিক উপন্যাস, যা গ্রাম বাংলার পটভূমিতে রচিত। উপন্যাসটি মূলত বৃন্দাবন ও কুসুম নামের দুটি চরিত্রের মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন ও অনিশ্চয়তাকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে।

- 'পথের দাবী' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের “পথের দাবি” একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক উপন্যাস যা ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রামরত যুবকদের জীবন ও তাদের বিপ্লবী চেতনা তুলে ধরে। এই উপন্যাসটি ১৯২৬ সালের আগস্ট মাসে প্রকাশিত হয়।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলাপিডিয়া।

১৩.
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সমাজ-সমালোচনামূলক উপন্যাস কোনটি?
  1. শ্রীকান্ত
  2. পল্লীসমাজ
  3. চরিত্রহীন
  4. পথের দাবী
ব্যাখ্যা

'পল্লীসমাজ' উপন্যাস:
- রমেশ ও রমা শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত পল্লীসমাজ উপন্যাসের চরিত্র।
- পল্লীসমাজ (১৯১৬) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি জনপ্রিয় সমাজ-সমালোচনামূলক উপন্যাস। বাংলার পল্লীসমাজের নীচতা ও ক্ষুদ্র রাজনীতির পটভূমিকায় এক আদর্শবাদী যুবক যুবতীর সম্পর্ক ও বিশেষ করে তাদের অভিশপ্ত প্রেমকাহিনি এই উপন্যাসের মূল বিষয়।- ১৯১৫ সালে 'ভারতবর্ষ' পত্রিকায় উপন্যাসটি প্রথম প্রকাশিত হয়। প্রধান চরিত্র: রমা, রমেশ, বেণী, বলরাম।

অন্যদিকে,
'শ্রীকান্ত' উপন্যাস:
- 'শ্রীকান্ত' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের আত্মজৈবনিক উপন্যাস।
- শ্রীকান্ত উপন্যাসটি ৪টি খণ্ডে প্রকাশিত হয়।

'পথের দাবী' উপন্যাস:
-'পথের দাবী' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের “পথের দাবি” একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক উপন্যাস যা ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রামরত যুবকদের জীবন ও তাদের বিপ্লবী চেতনা তুলে ধরে। এই উপন্যাসটি ১৯২৬ সালের আগস্ট মাসে প্রকাশিত হয়।

'চরিত্রহীন' উপন্যাস:
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত 'চরিত্রহীন' উপন্যাসটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯১৭ সালে।
- প্রথা বহির্ভূত প্রেম ও নারীপুরুষের সম্পর্ক নিয়ে এটি রচিত।
- উপন্যাসের নামকরণ তাই চরিত্রহীন।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলাপিডিয়া।

১৪.
নিচের কোনটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি রাজনৈতিক উপন্যাস?
  1. বাঁধন-হারা
  2. কুহেলিকা 
  3. মৃত্যু-ক্ষুধা
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

কুহেলিকা :
- কুহেলিকা উপন্যাসটি একটি রাজনৈতিক উপন্যাস।
- উপন্যাসটি ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের আষাঢ় মাসে কলকাতা থেকে প্রকাশিত মাসিক নওরোজ পত্রিকায় 'কুহেলিকা' উপন্যাসের প্রথম অংশ প্রকাশিত হয়।
- ১৯৩১ খ্রিষ্টাব্দে এটি প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।

'বাঁধন-হারা' উপন্যাস:
- কাজী নজরুল ইসলাম রচিত প্রথম উপন্যাস 'বাঁধন-হারা'।
- 'বাঁধন-হারা' বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রোপন্যাস।
- এটি মুসলিম ভারত পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসের চরিত্রের মধ্যে রয়েছে- নুরু, রবিউল, রাবেয়া, সোফিয়া, মাহবুবা প্রমুখ।

'মৃত্যু-ক্ষুধা'উপন্যাস:
- 'মৃত্যুক্ষুধা' কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী উপন্যাস। ১৯২৭-১৯৩০ এসময়ের মধ্যে উপন্যাসটি রচিত এবং সওগাত পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে মুদ্রিত হয় ।
- 'মৃত্যু-ক্ষুধা' উপন্যাসটি একটি সামাজিক উপন্যাস, যা প্রধানত দারিদ্র্য, ক্ষুধা, ধর্মান্তরণ, সাম্যবাদী চেতনা এবং নিম্নবিত্ত মানুষের জীবনসংগ্রামের চিত্র তুলে ধরে।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলাপিডিয়া।

১৫.
নিচের কোনটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি প্রবন্ধ?
  1. শিউলিমালা
  2. ব্যথার দান
  3. রিক্তের বেদন
  4. রুদ্র-মঙ্গল
ব্যাখ্যা

রুদ্র-মঙ্গল:
- 'রুদ্র-মঙ্গল' - কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি প্রবন্ধগ্রন্থ।
- কাজী নজরুল ইসলামের 'রুদ্রমঙ্গল' প্রবন্ধগ্রন্থে মোট আটটি প্রবন্ধ রয়েছে।
- এগুলো হলো:
- রুদ্রমঙ্গল,
- আমার পথ,
- মোহররম,
- বিষবাণী,
- ক্ষুদিরামের মা,
- ধূমকেতুর পথ,
- মন্দির-মসজিদ,
- হিন্দু-মুসলমান।

অন্যদিকে
- ব্যথার দান ,রিক্তের বেদন ও শিউলিমালা এ তিনটিই হলো কাজী নজরুল ইসলামের গল্পগ্রন্থ।
- এগুলোর মধ্যে ব্যথার দান কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলাপিডিয়া।

১৬.
নিচের কোনটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত গ্রন্থ-
  1. পদ্মগোখরা
  2. পদ্মপুরাণ
  3. পদ্মাবতী
  4. পদ্মরাগ
ব্যাখ্যা

'পদ্মগোখরা':
- কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি গল্প।
- 'পদ্মগোখরা' গল্পটি 'শিউলিমালা' গল্পগ্রন্থের অন্তর্গত।
- গ্রন্থটি প্রথম প্রকাশ পায় ১৩৩৮ বঙ্গাব্দের কার্তিকে (১৯৩১)।

'শিউলিমালা' গল্পগ্রন্থের গল্পগুলো হলো:
- পদ্ম-গোখরো,
- জিনের বাদশা,
- অগ্নি-গিরি,
- শিউলিমালা।

অন্যদিকে,
-"পদ্মপুরাণ" মনসামঙ্গলের আদি কবিকানা হরিদত্ত রচিত মঙ্গলকাব্য । মনসামঙ্গল কাব্য পদ্মপুরাণ নামে পরিচিত।
- পদ্মাবতী কবি আলাওলের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ কাব্য। এটি মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের একটি জনপ্রিয় প্রণয়কাব্য।
- 'পদ্মরাগ' রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত উপন্যাস।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলাপিডিয়া।

১৭.
কোনটি 'জসীম উদ্‌দীন রচিত একটি ভ্রমণকাহিনি?
  1. বিলাতে সাড়ে সাত শ' দিন
  2. দেশে বিদেশে
  3. যে দেশে মানুষ বড়
  4. পথে প্রবাসে
ব্যাখ্যা

 'যে দেশে মানুষ বড়'
- 'জসীম উদ্‌দীন রচিত একটি ভ্রমণকাহিনি।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন ভ্রমণ অভিজ্ঞতা নিয়ে পল্লীকবি জসীম উদদীনের ভ্রমণ কাহিনী ‘যে দেশে মানুষ বড়’ প্রকাশিত হয় ১৯৬৮ সালে।
- বইটিতে সোভিয়েত ইউনিয়নের মস্কো শহর, লেনিন স্মৃতি মিউজিয়াম, পায়নিয়ার সেন্টার, কৃষিখামার, এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ও এলাকার বর্ণনা রয়েছে। 
- এছাড়াও, তিনি সেখানে তাজিকিস্তান, সমরকন্দ, দুম্বার মতো স্থানগুলো ভ্রমণ করেন এবং সেখানকার সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক স্থানগুলোর চিত্র তুলে ধরেন।
- বইটি মূলত একটি ভ্রমণকাহিনী যেখানে কবি তাঁর দেখা ও অনুভবের কথা তুলে ধরেছেন।

অন্যদিকে,
- মুহম্মদ আবদুল হাই রচিত ভ্রমণকাহিনি 'বিলাতে সাড়ে সাত শ' দিন'। বইটি ১৯৫৮ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।

-'পথে প্রবাসে' ভ্রমণকাহিনিটির রচয়িতা অন্নদাশঙ্কর রায়। ১৯২৭ থেকে ১৯২৯ সালে 'বিচিত্রা' পত্রিকায় অন্নদাশঙ্কর রায়ের ইউরোপ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখা ভ্রমণকাহিনি 'পথে প্রবাসে' প্রকাশিত হয়।

- 'দেশে বিদেশে' সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত ভ্রমণকাহিনি।দেশে বিদেশে সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত একটি ভ্রমণকাহিনি।এটি ১৯২৭ থেকে ১৯২৯ সালে লেখকের আফগানিস্তানে ভ্রমণ ও অবস্থানের প্রেক্ষিতে রচিত।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলাপিডিয়া।