পরীক্ষা আর্কাইভ

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৫
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৬ টপিকঃ নিরাপত্তা সংক্রান্ত সামরিক জোট ও সংস্থা। নিরাপত্তা সংক্রান্ত ও নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি। একাত্তরের অসহযোগ আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ। বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার বৈশ্বিক স্বীকৃতি।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫ প্রশ্ন

.
North Atlantic Treaty Organization এর বর্তমান মহাসচিব -
  1. ক) জেনস হেনসবার্গ
  2. খ) প্যাট্রিসিয়া স্কটল্যান্ড
  3. গ) আর্নল্ড স্মিথ
  4. ঘ) জেনস স্টলেনবার্গ
ব্যাখ্যা
ন্যাটো (NATO)
- NATO এর পূর্ণরূপ North Atlantic Treaty Organization বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা।
- NATO প্রধানত একটি সামরিক জোট যা ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল গঠিত হয়।
- ন্যটোর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ১২টি (Belgium, Canada, Denmark, France, Iceland, Italy, Luxembourg, the Netherlands, Norway, Portugal, the United Kingdom and the United States)
- ন্যাটোর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৩০টি।
- উত্তর মেসিডোনিয়া ন্যটোর সর্বশেষ সদস্য।
- তুরস্ক ও আলবেনিয়া ন্যাটোভুক্ত মুসলিম দেশ।
- ন্যাটোর সদরদপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- বর্তমান মহাসচিব জেনস স্টলেনবার্গ।

তথ্যসূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
.
ওয়ারশ প্যাক্ট প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৪৯
  2. খ) ১৯৫২
  3. গ) ১৯৫৪
  4. ঘ) ১৯৫৫
ব্যাখ্যা
ওয়ারশ প্যাক্ট (Warsaw Pact)
- ওয়ারশ প্যাক্ট (Warsaw Pact-Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance) হলো স্নায়ুযুদ্ধের সময়ে ১৯৫৫ সালের ১৪ মে সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোর মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি সামরিক চুক্তি।
- ন্যাটো জোটের পাল্টা জোট হিসেবে এটি গঠিত হয়।
এই চুক্তির অংশীদার দেশগুলো ছিলো:
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- আলবেনিয়া
- বুলগেরিয়া
- পূর্ব জার্মানি
- হাঙ্গেরি
- পোল্যান্ড
- রোমানিয়া এবং
- চেকোশ্লোভাকিয়া।
- ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের ফলে ওয়ারশ প্যাক্টেরও বিলুপ্তি ঘটে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
.
'স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয় -
  1. ক) ১ মার্চ, ১৯৭১
  2. খ) ৩ মার্চ, ১৯৭১
  3. গ) ২ মার্চ, ১৯৭১
  4. ঘ) ৭ মার্চ, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে ১ মার্চ “স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ” গঠিত হয় । “স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ” - এর সদস্যগণ হলেন -
১. নুরে আলম সিদ্দিকী (সভাপতি, ছাত্রলীগ)
২. শাজাহান সিরাজ (সাধারণ সম্পাদক, ছাত্রলীগ)
৩. আ. স. ম. আব্দুর রব (সহ-সভাপতি, ডাকসু)
৪. আব্দুল কুদ্দুস মাখন (সাধারণ সম্পাদক, ডাকসু)
• এই ৪ ছাত্র নেতাকে মুক্তিযুদ্ধের ৪ খলিফা বলা হত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম - দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
সিয়াটো জোটের সদস্য ছিল -
  1. ক) ১২টি
  2. খ) ১০টি
  3. গ) ৮টি
  4. ঘ) ৭টি
ব্যাখ্যা
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধত্তোর সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পুঁজিবাদী ও সমাজতান্ত্রিক ব্লকের মধ্যকার দ্বন্দ্ব স্নায়ুযুদ্ধ নামে পরিচিত।
- স্নায়ুযুদ্ধকালীন সময়ে ১৯৫৪ সালের সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সিয়াটো (SEATO-Southeast Asian Treaty Organization) নামে সামরিক জোট গড়ে উঠে।

এই জোটের সদস্য ছিল ৮টি দেশ
এগুলো হলো:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
- গ্রেট ব্রিটেন
- ফ্রান্স
- অস্ট্রেলিয়া
- নিউজিল্যান্ড
- থাইল্যান্ড
- ফিলিপাইন এবং
- পাকিস্তান।

- সিয়াটো জোটের সদরদপ্তর ছিলো ব্যাংককে। পাকিস্তান ১৯৭৩ সালে সিয়োটো জোট ত্যাগ করে। ১৯৭৭ সালে সিয়োটো জোট আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 
.
১৯৭১ সালের ৩ মার্চ পল্টন ময়দানে স্বাধীনতার ইশতেহার ঘোষণাকারী সংগঠন -
  1. ক) বাংলাদেশ ছাত্রলীগ
  2. খ) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
  3. গ) সর্বদলীয় সংগ্রাম কমিটি
  4. ঘ) স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইশতেহার
• ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ ঢাকার পল্টন ময়দানে আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উপস্থিতিতে বিকালে ছাত্রলীগ সভাপতি নুরে আলম সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় এক বিশাল ছাত্র জনসভা।
• এ সভায় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাজাহান সিরাজ বঙ্গবন্ধুর সামনে পাঠ করেন বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইশতেহার এবং সভার ঘোষণাপত্র ও প্রস্তাব পাঠ করেন এম এ রশিদ।  
• ঘোষণাকারী সংগঠন - স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ
• আর এ ইশতেহারে বলা হয়- ৫৪ হাজার ৫০৬ বর্গ মাইল বিস্তৃত ভৌগোলিক এলাকার সাত কোটি মানুষের জন্য আবাসভূমি হিসেবে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের নাম বাংলাদেশ।
• একই দিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘জাতির জনক’ উপাধি দেওয়া হয়।
• পল্টনের এই সমাবেশ থেকে ঘোষণা করা হয় যে, ৪ মার্চ থেকে ৬ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন অর্ধবেলা হরতাল পালন করা হবে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি ও আওয়ামীলীগের ওয়েবসাইট।
.
সমাজতন্ত্রের আগ্রাসন থেকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে রক্ষার জন্য কোন নিরাপত্তা চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. ক) CSTO
  2. খ) SALT
  3. গ) SEATO
  4. ঘ) CENTO
ব্যাখ্যা
Central Treaty Organization (CENTO)
- CENTO - মধ্যপ্রাচ্যের একটি নিরাপত্তা চুক্তি। সমাজতন্ত্রের আগ্রাসন থেকে এই অঞ্চলের দেশগুলোকে রক্ষা করতে এই নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত এই সংস্থাটির জন্ম।
- ১৯৫৯ সালের আগে পর্যন্ত এই সংস্থাটি Middle East Treaty Organization নামে পরিচিত ছিল। বর্তমানে এটি একটি বিলুপ্ত সংস্থা।
- ১৯৫৯ সালের আগে পর্যন্ত এই সংস্থার সদস্য ছিল - ৫টি এবং তখন এর নাম ছিল - Middle East Treaty Organization। সদরদপ্তর ছিল - ইরাকের বাগদাদে। ইরাক ১৯৫৯ সাল সদস্যপদ প্রত্যাহার করে নেয়।
- ইরাক সদস্যপদ প্রত্যাহার করে নিলে সংস্থাটির নতুন নামকরণ করা হয় Central Treaty Organization (CENTO)। সদরদপ্তর বাগদাদ থেকে তুরস্কের আঙ্কারায় স্থানান্তর করা হয়।
- ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামী বিপ্লব সংঘটিত হয় এবং শাহ - এর পতনের পর দেশটি এই সংস্থা থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয়। এর ফলে সংস্থাটি বিলুপ্ত হয়ে যায়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টরি.কম
.
বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত জাতীয় পতাকা প্রথম উত্তোলন করা হয় কখন?
  1. ক) ৭ মার্চ, ১৯৭১
  2. খ) ২ মার্চ, ১৯৭১
  3. গ) ১ মার্চ, ১৯৭১
  4. ঘ) ৩ মার্চ, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
২ মার্চ সকাল ১১ টায় হরতল চলাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনে স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের ছাত্র সমাবেশে ডাকসু ও ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ স্বাধীন বাংলার মানচিত্র খচিত বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়।
• পতাকাটি উত্তোলন করেন আ স ম আবদুর রব। তখন তার সঙ্গে ছিলেন ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতা তোফারেল আহমদ, আবদুল কুদ্দুস মাখন এবং নূরে আলম সিদ্দিকী। 
• দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও সচিবালয়ে পাকিস্তানি পতাকা নামিয়ে বাংলাদেশের মানচিত্র আঁকা পতাকা উড়ানো হয়। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
.
'স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ' এর সদস্য নন -
  1. ক) তোফায়েল আহমেদ
  2. খ) শাজাহান সিরাজ
  3. গ) আ. স. ম. আব্দুর রব
  4. ঘ) আব্দুল কুদ্দুস মাখন
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে ১ মার্চ “স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ” গঠিত হয় । “স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ” - এর সদস্যগণ হলেন -
১. নুরে আলম সিদ্দিকী (সভাপতি, ছাত্রলীগ)
২. শাজাহান সিরাজ (সাধারণ সম্পাদক, ছাত্রলীগ)
৩. আ. স. ম. আব্দুর রব (সহ-সভাপতি, ডাকসু)
৪. আব্দুল কুদ্দুস মাখন (সাধারণ সম্পাদক, ডাকসু)
• এই ৪ ছাত্র নেতাকে মুক্তিযুদ্ধের ৪ খলিফা বলা হত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম - দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কোন দাবিটি উত্থাপন করেননি?
  1. ক) নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর
  2. খ) গণহত্যার তদন্ত ও বিচার
  3. গ) বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা
  4. ঘ) সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নিতে হবে
ব্যাখ্যা
• ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু রেসকোর্স ময়দানে সমাবেশে উপস্থিত হয়ে তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণ দেন।
• এই ভাষণে তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানান এবং দেশকে মুক্ত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
• বঙ্গবন্ধু তার ৭ই মার্চের ১৮ মিনিটের ঐতিহাসিক ভাষণে ৪টি দাবি উত্থাপন করেন।  উত্থাপিত দফাগুলো হলো:-
১। সামরিক আইন প্রত্যাহার করতে হবে।
২। সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নিতে হবে।
৩। গণহত্যার তদন্ত ও বিচার করতে হবে।
৪। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১০.
International Criminal Police Organization এর বর্তমান প্রেসিডেন্ট -
  1. ক) আহমেদ নাসের আল-রাইসি
  2. খ) ইব্রাহিম সালিহী
  3. গ) আহমেদ ওমর
  4. ঘ) আহমেদ আবদি গোদান
ব্যাখ্যা
ইন্টারপোল/INTERPOL
▪ INTERPOL - এর পূর্নরূপ International Criminal Police Organization.
▪ এটি পুলিশের একটি আন্তর্তজাতিক সংগঠন। এর প্রধান লক্ষ্য হল সদস্য দেশসমূহের পুলিশ বাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং দ্রুত যোগাযোগ স্থাপন করে অপরাধীদের গ্রেফতার করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
▪ ইন্টারপোল সদস্য দেশ সমূহের পুলিশবাহিনীকে অনুসন্ধানে সহায়তা, দক্ষতা  বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন Logistic support প্রদান করে থাকে।   

এক নজরে ইন্টারপোল/INTERPOL
▪ প্রতিষ্ঠা - সেপ্টেম্বর, ১৯২৩ সাল।
▪ প্রতিষ্ঠার স্থান - ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
▪ সদস্য সংখ্যা - ১৯৫টি দেশ।
▪ ২৩ নভেম্বর ২০২১ তারিখে ইন্টারপোলের ১৯৫তম সদস্যপদ লাভ করে মাইক্রোনেশিয়া। 
▪ Motto - “Connecting police for a safer world”
▪ প্রতিষ্ঠাকালীন নাম - International Criminal Police Commission (ICPC)।    
▪ সদর দপ্তর - লিঁও (Lyon), ফ্রান্স।
▪ ইন্টারপোলের বর্তমান প্রেসিডেন্ট আহমেদ নাসের আল-রাইসি (সংযুক্ত আরব আমিরাত)।
▪ তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন ২৫ নভেম্বর ২০২১ সালে এবং দায়িত্বে থাকবেন ২০২৫ সাল পর্যন্ত।

তথ্যসূত্র: ইন্টারপোল ওয়েবসাইট।
১১.
অপারেশন সার্চলাইটের সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন কে?
  1. ক) জেনারেল টিক্কা খান
  2. খ) জেনারেল আবদুল হামিদ খান
  3. গ) জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা
  4. ঘ) জেনারেল রাও ফরমান আলী
ব্যাখ্যা
অপারেশন সার্চলাইটের পরিকল্পনা 
• পাকিস্তানি সেনারা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পূর্ব পাকিস্তানে যে গণহত্যামূলক অভিযান চালিয়েছিল তার নাম দিয়েছিল ‘অপারেশন সার্চ লাইট’।
• পাকিস্তান বাহিনীর ১৪ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা এবং ৫৭ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী খান ১৯৭১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি অপারেশন সার্চলাইট নামে একটি সামরিক অভিযানের বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছেন।
• ১৭ মার্চ চীফ অব স্টাফ জেনারেল আবদুল হামিদ খানের নির্দেশে জেনারেল রাজা পরদিন ঢাকা সেনানিবাসে জিওসি অফিসে অপারেশন সার্চলাইট পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেন।
• এই অপারেশন সার্চ লাইট অনুযায়ী ঢাকা শহরের গণহত্যার মূল দায়িত্ব দেওয়া হয় জেনারেল রাও ফরমান আলীকে।এবং
• ঢাকার বাহিরে এ অপারেশনের দায়িত্ব পান জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা।
• এ পরিকল্পনার সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন জেনারেল টিক্কা খান

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বিবিসি।
১২.
সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোর সামরিক জোট ছিল কোনটি?
  1. ক) NATO
  2. খ) Warsaw Pact
  3. গ) SALT
  4. ঘ) START
ব্যাখ্যা
ওয়ারশ প্যাক্ট (Warsaw Pact)
- ওয়ারশ প্যাক্ট (Warsaw Pact-Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance) হলো স্নায়ুযুদ্ধের সময়ে ১৯৫৫ সালের ১৪ মে সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোর মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি সামরিক চুক্তি।
- ন্যাটো জোটের পাল্টা জোট হিসেবে এটি গঠিত হয়।
এই চুক্তির অংশীদার দেশগুলো ছিলো:
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- আলবেনিয়া
- বুলগেরিয়া
- পূর্ব জার্মানি
- হাঙ্গেরি
- পোল্যান্ড
- রোমানিয়া এবং
- চেকোশ্লোভাকিয়া।
- ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের ফলে ওয়ারশ প্যাক্টেরও বিলুপ্তি ঘটে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
১৩.
পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সর্বপ্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন -
  1. ক) গাজীপুরের বীর জনতা
  2. খ) যশোরের বীর জনতা
  3. গ) চট্রগ্রামের বীর জনতা
  4. ঘ) নারায়ণগঞ্জের বীর জনতা
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ
• ১৯৭১ সালের ১৯ মার্চ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সর্বপ্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন জয়দেবপুর তথা গাজীপুরের বীর জনতা
• যুদ্ধে চারজন শহীদ হন। তারা হলেন হুরমত, নিয়ামত, কানু মিয়া ও মনু খলিফা ।
• বিদ্রোহ দমনে নেতৃত্ব দেন ব্রিগেডিয়ার জাহানজেব। 
• এর স্বরণে জয়দেবপুর চৌরাস্তায় জাগ্রত চৌরঙ্গী নামে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম ভাস্কর্য নির্মিত হয়।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো এবং গাজীপুর জেলা ওয়েবসাইট।
১৪.
ন্যাটোর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য দেশ কোনটি?
  1. ক) ক্রোয়েশিয়া
  2. খ) এস্তোনিয়া
  3. গ) গ্রিস
  4. ঘ) বেলজিয়াম
ব্যাখ্যা
ন্যাটো
- প্রতিষ্ঠা: ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রতিষ্ঠাকালীন চুক্তি: The North Atlantic Treaty বা The Washington Treaty।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ১২টি  (Belgium, Canada, Denmark, France, Iceland, Italy, Luxembourg, the Netherlands, Norway, Portugal, the United Kingdom and the United States)।
- বর্তমান সদস্য: ৩০টি।
- সর্বশেষ সদস্য: উত্তর মেসিডোনিয়া (২৭ মার্চ, ২০২০)।
- মুসলিম সদস্য দেশ: তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- অফিসিয়াল স্লোগান/Motto: "Animus in consulendo liber (A mind unfettered in deliberation)"।
- ন্যাটো সামরিক সহযোগিতার জোট।
- ন্যাটো জোটভুক্ত দেশগুলো পারস্পরিক সামরিক সহযোগিতা প্রদানে অঙ্গীকারবদ্ধ।
ন্যাটোর  

উল্লেখ্য,
- ২০০২ সালে ন্যাটো-রাশিয়া সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- রাশিয়া ন্যাটোর সদস্য না হয়েও সহযোগী হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে। আর তাই, রাশিয়াকে ন্যাটো-২০ বলা হয়।
- ১ এপ্রিল, ২০১৪ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক হস্তক্ষেপের জের ধরে রাশিয়ার ন্যাটোর অংশীদারিত্ব স্থগিত করা হয়।

তথ্যসূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
১৫.
মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটি পাঠ করেন -
  1. ক) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. খ) এম মনসুর আলী
  3. গ) অধ্যাপক ইউসুফ আলী
  4. ঘ) ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
⇨ ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
⇨ ১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র খসড়া প্রণয়ন ও আনুষ্ঠানিকভাবে জারি করা হয় এবং ১৭ এপ্রিল অধ্যাপক ইউসুফ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন।
⇨ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
⇨ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লিপিবদ্ধ করেন ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম।
⇨ মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটি পাঠ করেন ইউসুফ আলী
⇨ ৬ষ্ঠ তফসিলে ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র সংযুক্ত করা হয় ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান এবং পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।