পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

পরীক্ষাবার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৯৩
সিলেবাস
Exam - 7 • Full Model Test - 01 Topic: Full Syllabus
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬ · তারিখ অনির্ধারিত · ৯৩ প্রশ্ন

.
কোনো আরজিতে উল্লিখিত বক্তব্য যদি লিখিতভাবে অস্বীকার না করা হয়, তবে তা –
  1. বিবাদীর স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য হবে
  2. বিবাদীর অস্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হবে
  3. বাদীর সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বিবাদীর স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদীর স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য হবে
ব্যাখ্যা
• আদেশ-৮, বিধি-৩: সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার-
ক্ষতিপূরণ ব্যতীত আরজিতে উল্লেখিত প্রতিটি অভিযোগ বিবাদী সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করবে, তা নাহলে বিবাদী তা স্বীকার করেছে বলে গণ্য হবে। অর্থাৎ বিবাদী তার লিখিত জবাবে বাদীর দাবি চাতুরীপূর্ণভাবে অস্বীকার করবে না। যদি বিবাদী আরজির কোন বিষয় চাতুরীপূর্ণভাবে অস্বীকার করেন, তবে তা স্বীকার করেছেন বলেই ধরে নেয়া হবে।

Denial to be specific-
It shall not be sufficient for a defendant in his written statement to deny generally the grounds alleged by the plantiff, but the defendant must deal specifically with each allegation of fact of which he does not admit the truth, except damages.
.
Mis-joinder এবং Non-joinder এর বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. আদেশ- ১
  2. আদেশ- ২
  3. আদেশ- ৩
  4. আদেশ- ৪
সঠিক উত্তর:
আদেশ- ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ- ১
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ- ১ এ অপসংযোগ ও অসংযোগ (Mis-joinder, Non-joinder) বিষয়ে বিধান আছে।

• পক্ষসমূহের অসংযোগ বা অপসংযোগ (Non-Joinder and Mis-Joinder of Parties)- 
মোকদ্দমার প্রয়োজনীয় পক্ষদের পক্ষভুক্ত না করাকে পক্ষাভাব বা Non-Joinder of parties বলে। অন্যদিকে কোন ব্যক্তিকে মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত করলে তাকে অপসংযোগ বা Mis-Joinder of Parties বলে।  ভুল ব্যক্তির নামে মোকদ্দমা হলে বা ভুল ব্যক্তিকে পক্ষভুক্ত করা হলে, আদালত তাকে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে কর্তন (strike out) বা বাদ অথবা স্থলাভিষিক্ত বা সংযোজিত (Add/Substitute) করতে পারে দিতে পারে।

⇒ কোন মামলায় পক্ষ সমূহের অপসংযোগ ও অসংযোগ এর কারনে আদালাত মামলা খারিজ করবেন না।
.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ১৫ অনুযায়ী, সরাসরি বিবাদী বা তার প্রতিনিধির উপর সমন জারি করা সম্ভব না হলে কাকে সমন প্রদান করা যাবে?
  1. যেকোনো পরিচিত ব্যক্তিকে
  2. শুধু পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ সদস্যকে
  3. পরিবারের কোনো প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যকে
  4. বিবাদীর ভৃত্যকে
সঠিক উত্তর:
পরিবারের কোনো প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবারের কোনো প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যকে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ১৫: বিবাদীর পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যের উপর সমন জারি:
আদেশ ৫, বিধি ১৫ অনুসারে, যদি বিবাদী বা তার প্রতিনিধির উপর সরাসরি সমন জারি করা সম্ভব না হয়, তাহলে তার পরিবারের কোনো প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যের (নারী বা পুরুষ) কাছে সমন জারি করা যেতে পারে। পরিবারের কোনো ভৃত্য (Servant) সদস্য হিসেবে গণ্য হবে না এবং তার কাছে সমন দেওয়া যাবে না।

২০১২ সালের সংশোধনী:
পূর্বে শুধুমাত্র পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ সদস্যের (Adult Male Member) কাছে সমন দেওয়ার বিধান ছিল। তবে ২০১২ সালের সংশোধনের মাধ্যমে এখন পরিবারের যেকোনো প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যের নিকট সমন প্রদান করা যেতে পারে।
.
আপোষমূলক ডিক্রির বিরুদ্ধে কী প্রতিকার পাওয়া যায়?
  1. আপিল
  2. রিভিশন
  3. আপিল ও রিভিশন উভয়
  4. কোনো প্রতিকার নেই
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা

• Order 23, Rule 3 -তে আপোষমূলক ডিক্রি (Compromise of Suit) বা সোলে ডিক্রি (Compromise of Decree)-এর বিধান আছে।

দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬(৩) ধারা অনুযায়ী-
আপোষমূলক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যায় না।

দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারায় বলা আছে-
যেসব ডিক্রি বা অর্ডারের বিরুদ্ধে আপিল চলে না (no appeal lies), সেসব ডিক্রি বা অর্ডারের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিভিশন করা যায়।
অর্থাৎ, আপোষমূলক ডিক্রি যেহেতু আপিল-অযোগ্য, তাই এর বিরুদ্ধে রিভিশন করা যাবে।

.
'Mesne profits' এর সংজ্ঞা দেওয়ানি কার্যবিধিতে কোন ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. ধারা ২ এর ২ উপধারায়
  2. ধারা ২ এর ৬ উপধারায়
  3. ধারা ২ এর ১২ উপধারায়
  4. ধারা ২ এর ১৪ উপধারায়
সঠিক উত্তর:
ধারা ২ এর ১২ উপধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২ এর ১২ উপধারায়
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ২(১২)- “অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা” (mesne profits):
বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে যে লাভ তৈরি হয় বা বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে লাভ করতে পারতো, সুদসহ উক্ত মুনাফাকে মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে।

"mesne profits" of property means those profits which the person in wrongful possession of such property actually received or might with ordinary diligence have received there from,together with interest on such profits.

ব্যতিক্রম-
বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির কোন উন্নয়ন করলে এবং সেই উন্নয়নের ফলে কোন মুনাফা হলে, উক্ত মুনাফা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে গণ্য হবে না।
.
যদি মুলতবির আবেদনের সাথে খরচ প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং বাদী তা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়, তবে মামলার পরিণতি কী হবে?
  1. আরজি নাকচ
  2. মোকদ্দমা স্থগিত
  3. মোকদ্দমা খারিজ
  4. একতরফা ডিক্রি
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজ
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি আদেশ ১৭ বিধি ১(৪):
দেওয়ানি কার্যবিধির অন্যান্য বিধানের যে কোনো কিছু থাকা সত্ত্বেও, কোনো মামলার চূড়ান্ত শুনানির পর্যায়ে এবং তার পরবর্তীকালে, মামলার কোনো পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে আদালত মুলতবি (স্থগিত) প্রদান করতে পারবে না।

তবে শর্ত থাকে যে,
যদি ন্যায়বিচারের স্বার্থে এই উপ-বিধির অধীনে কোনো পক্ষকে মুলতবি (স্থগিতাদেশ) দেওয়া হয়, তাহলে আদালত উক্ত পক্ষকে অন্য পক্ষের জন্য সর্বনিম্ন ২০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা পর্যন্ত খরচ পরিশোধের নির্দেশ দিবে, যা আদালত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে।
- যদি বাদী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে খরচ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়, তবে মামলাটি খারিজ (Dismiss) হয়ে যাবে।
- যদি বিবাদী পরিশোধে ব্যর্থ হয়, তবে মামলাটি একতরফাভাবে (Ex-parte) নিষ্পত্তি করা হবে।
.
What is the primary purpose of Order 7 Rule 5 of The Code of Civil Procedure, 1908?
  1. To determine the jurisdiction of the court
  2. To establish the plaintiff's legal standing
  3. To show that the defendant has an interest and liability in the case
  4. To allow the defendant to refuse to answer the plaintiff’s demand
সঠিক উত্তর:
To show that the defendant has an interest and liability in the case
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To show that the defendant has an interest and liability in the case
ব্যাখ্যা
Order 7 Rule 5: Defendant's interest and liability to be shown:
The plaint shall show that the defendant is or claims to be interested in the subject-matter,and that he is liable to be called upon to answer the plaintiff's demand.


আদেশ ৭ বিধি ৫: বিবাদীর স্বার্থ ও দায়িত্ব দেখাতে হবে:
আরজিতে দেখাতে হবে যে, মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে বিবাদীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট বা বিবাদী অনুরূপ স্বার্থ দাবী করে এবং আরও দেখাতে হবে যে, বিবাদীর দাবীর উত্তর দিতে বাদী বাধ্য।
.
দেওয়ানি আদালত মোকদ্দমার খরচার ওপর সুদ প্রদান করতে পারে অনধিক-
  1. মাসিক ৬%
  2. বার্ষিক ৬%
  3. মাসিক ১২%
  4. বার্ষিক ১২%
সঠিক উত্তর:
বার্ষিক ৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার্ষিক ৬%
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৫ ধারা- মোকদ্দমার খরচ:
১) নির্ধারিত হতে পারে এরূপ শর্তাবলী ও সীমাবদ্ধতা এবং বর্তমানে বলবৎ কোন আইনের বিধান সাপেক্ষে মোকদ্দমার খরচ এবং আনুষঙ্গিক ব্যয় আদালতের ইচ্ছার উপর নির্ভর করবে এবং কার দ্বারা বা কোন সম্পত্তি হতে ও কি পরিমাণ খরচ দিতে হবে তা নির্ধারণ করার এবং উক্ত সম্পর্কে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদানের ব্যাপারে আদালতের পূর্ণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ক্ষমতা প্রয়োগে মোকদ্দমা বিচারে আদালতের এখতিয়ার নেই বলে কোন বাধা সৃষ্টি হবে না।

২) যখন কোন আদালত নির্দেশ দেন যে, মোকদ্দমার ফলে কোন খরচ দেওয়া হবে না, তখন আদালত উহার কারণ লিখিতভাবে বর্ণনা করবে।

৩) আদালত মোকদ্দমার খরচের উপর অনধিক শতকরা বার্ষিক ৬% হারে সুদ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে এবং এই সুদ খরচের সাথে যোগ হবে ও যথারীতি আদায়যোগ্য হবে।
.
এক নাবালকের পক্ষে তার নেক্সট ফ্রেন্ড আদালতের অনুমতি ছাড়াই বিবাদীর সঙ্গে চুক্তি করে। পরে বিবাদী চুক্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে। এই ক্ষেত্রে আদালত কী সিদ্ধান্ত নিতে পারে?
  1. চুক্তিটি কার্যকর থাকবে
  2. চুক্তিটি কেবল নাবালকের বিরুদ্ধে বাতিলযোগ্য
  3. আদালত উভয় পক্ষকে জরিমানা করবে
  4. চুক্তিটি নাবালক ব্যতীত অন্য পক্ষের বিরুদ্ধে বাতিলযোগ্য
সঠিক উত্তর:
চুক্তিটি নাবালক ব্যতীত অন্য পক্ষের বিরুদ্ধে বাতিলযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তিটি নাবালক ব্যতীত অন্য পক্ষের বিরুদ্ধে বাতিলযোগ্য
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩২ বিধি-৭: মোকদ্দমার নেক্সট ফ্রেন্ড বা অভিভাবক কর্তৃক চুক্তি বা আপস:
১) মোকদ্দমার কোন নেক্সট ফ্রেন্ড বা অভিভাবক আদালতের কার্যধারায় স্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ অনুমতি ব্যতিরেকে যে মোকদ্দমায় যে নেক্সট ফ্রেন্ড কিংবা অভিভাবক হিসাবে কার্য করে সে মোকদ্দমা প্রসঙ্গে নাবালকের পক্ষে কোন চুক্তি বা আপসে উপনীত হতে পারবে না।

২) আদালতের অনুরূপ লিপিবদ্ধ অনুমতি ব্যতিরেকে অনুরূপ কোন চুক্তি বা আপসে উপনীত হলে উক্ত নাবালক ব্যতীত অপর সকল পক্ষের বিরুদ্ধে তা বাতিলযোগ্য হবে।

Rule.-7: Agreement or compromise by next friend or guar-dian for the suit-
1) No next friend or guardian for the suit shall, without the leave of the Court, expressly recorded in the proceedings, enter into any agreement or compromise on behalf of a minor with reference to the suit in which he acts as next friend or guardian.

2) Any such agreement or compromise entered into without the leave of the Court so recorded shall be võidable against all parties other than the minor.
১০.
কোন ক্ষেত্রে রেস সাবজুডিস নীতির ব্যতিক্রম আছে?
  1. মোকদ্দমাটি অর্থ আদায় সংক্রান্ত হলে
  2. বিচারাধীন আদালত বিচার করতে দেরি করলে
  3. বিদেশের কোনো আদালতে একটি মামলা বিচারাধীন থাকলে
  4. আদালত একই বিষয়ের উপর আরেকটি মোকদ্দমা দায়েরের আদেশ দিলে
সঠিক উত্তর:
বিদেশের কোনো আদালতে একটি মামলা বিচারাধীন থাকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদেশের কোনো আদালতে একটি মামলা বিচারাধীন থাকলে
ব্যাখ্যা
• ল্যাটিন শব্দ রেস (Res) এবং সাবজুডিস (Subjudice) থেকে রেস সাবজুডিস শব্দটির উৎপত্তি। ল্যাটিন রেস (Res) অর্থ বিষয় এবং সাবজুডিস (Subjudice) অর্থ আদালতে বিচারাধীন অর্থাৎ Res subjudice অর্থ আদালতের বিচারাধীন বিষয়।

দেওয়ানী কার্যবিধির ১০ ধারায় রেস সাবজুডিস নীতিটির প্রতিফলন ঘটেছে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১০ ধারায় যদিও Res-subjudice শব্দটি একবারও ব্যবহার হয়নি তবে ১০ ধারায় Res-subjudice শব্দটির পরিবর্তে Stay of suit শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।

সাবজুডিস নীতি অনুযায়ী একই বিচার্য বিষয়ে পক্ষগণের মধ্যে দুইটি পৃথক মামলার বিচার একই সময়ে চলতে পারে না। সে ক্ষেত্রে পূর্বে দায়েরকৃত মামলাটির বিচার সাপেক্ষে পরবর্তী মামলার বিচার কার্য স্থগিত রাখতে হবে। কোন দেওয়ানী মামলায় রেস সাবজুডিস নীতি প্রয়োগ করতে হলে নিম্নলিখিত শর্তসমূহ পূরণ করতে হয়-
i) পূর্বে দায়েরকৃত মামলা আদালতে বিচারাধীন থাকতে হবে;
ii) পূর্বে দায়েরকৃত মামলা অবশ্যই সেই আদালতে বিচারাধীন থাকতে হবে, যেখানে পরবর্তী মামলা দায়ের করা হয়েছে;
iii) পূর্ববর্তী ও পরবর্তী মামলার পক্ষসমূহ একই হবে এবং একই স্বত্বের অধীন (Under same title) হতে হবে;
iv) পূর্ববর্তী ও পরবর্তী মামলার বিচার্য বিষয় সমূহ প্রত্যক্ষভাবে না হয় মূলত (directly or substantially) একই হতে হবে অর্থাৎ উভয় মামলার বিষয়বস্তু অভিন্ন হতে হবে।

ব্যতিক্রম ⇒ পূর্ববর্তী মোকদ্দমা যদি কোন বৈদেশিক আদালতে দায়ের করা হয়ে থাকে, তাহলে মোকদ্দমার কারণ একই হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশের কোন আদালতে পরবর্তী মোকদ্দমার বিচারে বাধা সৃষ্টি হবে না।
১১.
কোন ধরনের সম্পত্তির জন্য আদেশ-২১, বিধি-৫৪ প্রযোজ্য?
  1. স্থাবর সম্পত্তি
  2. অস্থাবর সম্পত্তি
  3. ক ও খ উভয়ই
  4. শুধুমাত্র সরকারি সম্পত্তি
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৫৪: স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক:
(১) যখন সম্পত্তি অস্থাবর হয়, তখন ক্রোক করার আদেশটি এমন একটি আদেশ দ্বারা করা হবে যা ডিক্রি-দেনাদারকে সম্পত্তি স্থানান্তর বা চার্জ করার যে কোন উপায় থেকে নিষিদ্ধ করবে এবং সকল ব্যক্তিকে সেই স্থানান্তর বা চার্জ থেকে কোন সুবিধা গ্রহণ করতে নিষেধ করবে।

(২) আদেশটি ঐ সম্পত্তিতে বা সম্পত্তির সংলগ্ন কোন স্থানে ঢোল পেটানো বা অন্য প্রচলিত পদ্ধতিতে ঘোষণা করতে হবে, এবং আদেশটির একটি অনুলিপি সম্পত্তির সুস্পষ্ট অংশে এবং আদালত ভবনের সুস্পষ্ট অংশে টানিয়ে দিতে হবে, এবং যদি সম্পত্তিটি সরকারের রাজস্ব প্রদানকারী জমি হয়, তবে সেই জমি যে জেলার কালেক্টরের কার্যালয়ে অবস্থিত সেখানে ও আদেশটির একটি অনুলিপি টানিয়ে দিতে হবে।
১২.
'Interpleader suit' দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারার বিষয়বস্তু?
  1. ৮৭ ধারা
  2. ৮৮ ধারা
  3. ৯০ ধারা
  4. ৯১ ধারা
সঠিক উত্তর:
৮৮ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৮ ধারা
ব্যাখ্যা
ধারা ৮৮: ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা কখন রুজু করা যেতে পারে:
যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি, অন্য কোন ব্যক্তির নিকট একই পাওনা টাকা বা কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি দাবি করে এবং যার নিকট দাবি করা হয়, উক্ত সম্পত্তির উপর তার খরচের দাবি ব্যতীত অন্য কোন দাবি- দাওয়া না থাকে এবং যদি তিনি প্রকৃত মালিকের নিকট উক্ত সম্পত্তি বা অর্থ অর্পণ করতে প্রস্তুত থাকেন, তবে ঐ সম্পত্তি বা অর্থ কার নিকট অর্পণ করতে হবে, সে বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত গ্রহণের এবং নিজের ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য ঐরূপ দাবিদারগণের সকলের বিরুদ্ধে ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, সকল পক্ষের অধিকার যা দ্বারা নির্ধারিত হতে পারে, এমন কোন মোকদ্দমা যদি বিচারাধীন থাকে তাহলে, ঐরূপ ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা রুজু করা যাবে না।

Sec.-88: Where interpleader suit may be instituted:
Where two or more persons claim adversely to one another the same debt, sum of money or other property, movable or immovable, from another person, who claims no interest therein other than for charges or costs and who is ready to pay or deliver it to the rightful claimant, such other person may institute a suit of interpleader against all the claimants for the purpose of obtaining a decision as to the person to whom the payment or delivery shall be made and of obtaining indemnity for himself:

Provided that where any suit is pending in which the rights of all parties can properly be decided, no such suit of interpleader shall be instituted.
১৩.
মামলার এখতিয়ার সম্পর্কিত আপত্তি যথাসময়ে না তোলার ফলে, আপীল বা রিভিশন আদালত তখনই তা গ্রহণ করবে যদি-
  1. ন্যায় বিচার ব্যাহত হয়
  2. বাদী ও বিবাদী উভয়ে সম্মত হয়
  3. নিম্ন আদালত ভুল স্বীকার করে
  4. আদালত নিজে থেকে বিষয়টি খতিয়ে দেখে
সঠিক উত্তর:
ন্যায় বিচার ব্যাহত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায় বিচার ব্যাহত হয়
ব্যাখ্যা
ধারা ২১- এখতিয়ারে আপত্তি:
যে আদালতে প্রথমে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, সেই আদালতে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগ এবং বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত কোন আপত্তি থাকলে তা উত্থাপন করতে হবে। যদি তা না করা হয় এবং ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্য ব্যাহত না হলে কোন আপীল বা রিভিশন আদালত মামলা দায়ের স্থান সম্পর্কে কোন আপত্তি গ্রহণ করবে না।
কিন্তু ন্যায় বিচার ব্যাহত হলে এবং ন্যায় বিচারের স্বার্থে, আপীল বা রিভিশনের সময় আদালত এখতিয়ার সংক্রান্ত আপত্তি গ্রহণ করতে পারে।

Sec.-21: Objections to jurisdiction-
No objection as to the place of suing shall be allowed by any appellate or revisional Court unless such objection was taken in the Court of first instance at the earliest possible opportunity and in all cases where issues are settled at or before such settlement, and unless there has been a consequent failure of justice.
১৪.
কোনো মামলায় একাধিক বাদী থাকলে আদালত কখন কোনো একজন বাদীকে মামলার দাবি প্রত্যাহারের অনুমতি দিতে পারে?
  1. বিবাদীর সম্মতিতে
  2. আইনজীবীর সম্মতি
  3. সরকারী কৌসুলির অনুমতিতে
  4. অন্য বাদীদের সম্মতিতে
সঠিক উত্তর:
অন্য বাদীদের সম্মতিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্য বাদীদের সম্মতিতে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৩ বিধি-১ এর বিধান: মোকদ্দমা প্রত্যাহার কিংবা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ:
১) মোকদ্দমা রুজু হওয়ার পর যে কোন সময় বাদি সকল বা যে কোন বিবাদির বিরুদ্ধে তার মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে কিংবা তার দাবীর আংশিক পরিত্যাগ করতে পারবে।

২) যেক্ষেত্রে আদালতের নিকট এটি সন্তোষজনক হয় যে,-
ক) কিছু রীতিসিদ্ধ ত্রুটির কারণে অবশ্যই ব্যর্থ হবে; অথবা

খ) মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর জন্য বা কোন দাবীর অংশের জন্য নুতনভাবে মোকদ্দমা রুজুর জন্য বাদিকে অনুমতি প্রদান করার অন্যান্য যথেষ্ট অজুহাত থাকে,

সেক্ষেত্রে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্তে বাদিকে উক্ত মোকদ্দমার বিষয়বস্তু বা কোন বাদির উক্ত অংশ সম্পর্কে নূতনভাবে মোকদ্দমা রুজু করার স্বাধীনতাসহ উক্ত মোকদ্দমা থেকে প্রত্যাহার করার বা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ করার অনুমতি মঞ্জুর করতে পারে।

৩) যেক্ষেত্রে উপবিধি (২) এ দায়েরে অনুমতি ব্যতীত বাদি মোকদ্দমা প্রত্যাহার করে বা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ করে সেক্ষেত্রে সে আদালতের সিদ্ধান্ত অনুসারে মোকদ্দমার খরচাদির জন্য দায়ী হবে এবং উক্ত বিষয়বস্তু বা আংশিক দাবী সম্পর্কে নূতনভাবে কোন মোকদ্দমা রুজু করতে বারিত হবে।

৪) এই বিধির কোন কিছুই আদালতকে কতিপয় বাদির মধ্যে থেকে একজন কর্তৃক অন্যদের সম্মতি ব্যতীত মোকদ্দমা প্রত্যাহার করার অনুমতি দিতে ক্ষমতা প্রদান করবে বলে বিবেচিত হবে না।
১৫.
কোনো রিসিভার আদালতের নির্দেশিত অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে, আদালত কী করতে পারে?
  1. তাকে কারাদণ্ড দেবে
  2. তাকে জরিমানা করবে
  3. তার সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিতে পারে
  4. তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করবে
সঠিক উত্তর:
তার সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিতে পারে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪০ বিধি-৪: রিসিভারের দায়িত্ব বলবৎকরণ:
যেক্ষেত্রে রিসিভার-
ক) আদালতের নির্দেশিত সময়ে এবং ফরমে তার হিসাবাদি দাখিল করতে ব্যর্থ হয়, অথবা
খ) তার নিকট থেকে প্রাপ্য টাকা আদালতের নির্দেশ মতে পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়, বা
গ) তার ইচ্ছামত বরখেলাপ বা গুরুতর অবহেলার জন্য সম্পত্তির ক্ষতিসাধিত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তার সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ সম্পত্তি বিক্রয় করতে পারে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ দ্বারা তার নিকট থেকে প্রাপ্য টাকা পরিশোধ করতে বা তার দ্বারা সাধিত অনিষ্টের খেসারত প্রদানে ব্যবহার করতে পারে এবং অবশিষ্ট টাকা (যদি কোন) রিসিভারের নিকট প্রদান করবে।

Enforcement of receiver's duties:
Where a receiver-
a) fails to submit his accounts at such periods and in such form as the Courtdirects, or
b) fails to pay the amount due from him as the Court directs, or
c) occasions loss to the property by his wilful default or gross negligence, the Court may direct his property to be attached and may sell such property, and may apply the proceeds to make good any amount found to be due from him or any loss occasi-oned by him, and shall pay the balance (if any) to the receiver.
১৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৮, বিধি ৪ অনুযায়ী- বিবাদী আদালতের আদেশ মানতে ব্যর্থ হলে, আদালত সর্বোচ্চ ৬ মাস দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখতে পারেন। কিন্তু কোন বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ৬ সপ্তাহের অধিক হবে না?
  1. বিবাদী যদি মহিলা হয়
  2. বিবাদী ব্যক্তি যদি অক্ষম বা পীড়িত হয়
  3. মোকদ্দমার বিষয়বস্তু ৫০ টাকার কম হলে
  4. আদালত কর্তৃক জামানত প্রদানের আদেশ ৫০ টাকার কম হলে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার বিষয়বস্তু ৫০ টাকার কম হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার বিষয়বস্তু ৫০ টাকার কম হলে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৮, বিধি ৪:
যদি বিবাদী বিধি ২ বা বিধি ৩ অনুযায়ী আদালতের আদেশ মানতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত তাকে মামলার নিষ্পত্তি পর্যন্ত বা যদি তার বিরুদ্ধে ডিক্রি জারি হয়, তবে ডিক্রির পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন পর্যন্ত দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখতে পারে।

তবে নিম্নলিখিত শর্ত প্রযোজ্য:
- কারাগারে আটক রাখার সর্বোচ্চ মেয়াদ ছয় মাসের বেশি হতে পারবে না।
- মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য ৫০ টাকার কম হলে, সর্বোচ্চ ছয় সপ্তাহ পর্যন্ত আটক রাখা যাবে।
- যদি বিবাদী আদালতের আদেশ মেনে চলে, তবে তাকে আর আটক রাখা যাবে না।

Order-38 Rule-4.Procedure where defendant fails to furnish security or find fresh security:
Where the defendant fails to comply with any order under rule 2 or rule 3, the Court may commit him to the civil prison until the decision of the suit or, where a decree is passed against the defendant, until the decree has been satisfied:

Provided that no person shall be detained in prison under this rule in any case for a longer period than six months, nor for a longer period than six weeks when the amount or value of the subject-matter of the suit does not exceed fifty Taka: 

Provided also that no person shall be detained in prison under this rule after he has complied with such order.
১৭.
কোনো দেওয়ানি আপিল একতরফাভাবে খারিজ বা নিষ্পত্তি হয়ে গেলে শুনানির জন্য পুনরুজ্জীবিত করতে গেলে আদালত সর্বোচ্চ কত টাকা খরচা প্রদানের আদেশ দিতে পারেন?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১০০০ টাকা
  3. ২০০০ টাকা
  4. ৩০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-১২ক- আপিল মুলতুবি (Adjournment in appeal): 
আপিলের ক্ষেত্রে কোন পক্ষের অনুরোধে আপিল আদালত ৩ বারের অধিক সময় মঞ্জুর করবেন না । ৩ বারের বেশি মুলতবি করলে আদালত নূন্যতম ২০০ টাকা ও অনধিক ১০০০ টাকা খরচ অপর পক্ষকে প্রদানের নির্দেশ দিবেন।
• আপিলকারী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- আপিল খারিজ হবে।
• প্রতিবাদী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- একতরফা নিষ্পত্তি হবে।

- একতরফাভাবে কোন আপিল খারিজ বা নিষ্পত্তি করা হলে তা শুনানির জন্য পুনরুজ্জীবিত করতে হলে ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে এবং নূন্যতম ২০০ এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ দিতে হবে।
- তবে খরচ সহ কয়টি মুলতুবি মঞ্জুর করা হবে তা উল্লেখ করা হয়নি।
- কোন পক্ষ আপিল পুনরুজ্জীবিত করার সুযোগ একবারই পাবেন।
১৮.
কোন ধরণের ডিক্রির ক্ষেত্রে ৪৮ ধারা প্রযোজ্য হয় না?
  1. নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি
  2. অর্থ পরিশোধ সংক্রান্ত ডিক্রি
  3. সম্পত্তি হস্তান্তর সংক্রান্ত ডিক্রি
  4. সকল ডিক্রির ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য
সঠিক উত্তর:
নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারা- কতিপয় ক্ষেত্রে ডিক্রি জারী বারিত:
১) নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি ব্যতীত অন্য কোনো ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে, যদি একই ডিক্রি জারির জন্য নিম্নলিখিত সময়সীমা অতিক্রান্ত হওয়ার পর আবেদন করা হয়, তবে সে অনুযায়ী আদেশ দেওয়া যাবে না:
ক) যে ডিক্রি জারির জন্য আবেদন করা হয়েছে, তার তারিখ হতে বার (১২) বছর পর, অথবা
খ) যদি কোনো ডিক্রি বা পরবর্তী আদেশে নির্দিষ্ট তারিখ বা কিস্তিতে অর্থ পরিশোধ বা সম্পত্তি হস্তান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়, তবে সেই নির্দেশ লঙ্ঘনের তারিখ হতে বার (১২) বছর পর।

২) তবে, এই ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে না যদি—
ক) আবেদন দাখিলের অব্যবহিত পূর্ববর্তী বার (১২) বছরের মধ্যে ডিক্রি কার্যকর করার ক্ষেত্রে, দেনাদার প্রবঞ্চনা বা শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে বাধা সৃষ্টি করে থাকে;
খ) ১৯০৮ সালের তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৮৩ অনুচ্ছেদের কার্যকারিতাকে সীমাবদ্ধ বা অন্যভাবে প্রভাবিত করে।
১৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধানমতে মোকদ্দমা খারিজ আদেশ সরাসরি রদ করার আবেদন করা যায়?
  1. আদেশ ৯ এর ৯ বিধিমতে
  2. আদেশ ৯ এর ৯ক বিধিমতে
  3. আদেশ ৯ এর ১৩ বিধিমতে
  4. আদেশ ৯ এর ১৩ক বিধিমতে
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৯ এর ৯ক বিধিমতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৯ এর ৯ক বিধিমতে
ব্যাখ্যা
আদেশ-৯, বিধি-৯ক: সরাসরি খারিজ আদেশ রদ বা বাতিল (Directly setting-aside dismissal )-
বিলম্ব এড়ানো ও বিচার তরান্বিত করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ নং আদেশের ৯ক বিধিমতে বাদী উক্ত খারিজ আদেশের বিরূদ্ধে সরাসরি রদ বা বাতিলের আবেদন করতে পারবে, তবে শর্ত-
- খারিজ আদেশের ৩০ দিনের মধ্যে সরাসরি খারিজ আদেশ রদ বা বাতিলের আবেদন করতে হবে; এবং
- অনধিক ১০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হবে।
- সরাসরি খারিজ রদের আদেশ একবারের বেশি হবে না।
২০.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯গ ধারার বিষয়বস্তু হিসেবে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. মধ্যস্থতা
  2. সালিশ
  3. আপিলে মধ্যস্থতা
  4. মধ্যস্থতার বিশেষ বিধান
সঠিক উত্তর:
আপিলে মধ্যস্থতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলে মধ্যস্থতা
ব্যাখ্যা
ধারা ৮৯গ- আপিলে মধ্যস্থতা:
(১) যদি আদেশ ৪১ এর অধীনে মূল ডিক্রি হতে কোন আপিল দায়ের হয় এবং যদি একই পক্ষগণের বা মূল পক্ষগণের স্থলাভিষিক্ত পক্ষগণের মধ্যে উক্ত আপিল দায়ের হয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত উক্ত আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করবে অথবা আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করবে।

(২) উপ-ধারা (১) এর আওতাধীন মধ্যস্থতাকরণের ক্ষেত্রে, ৮৯ক ধারার বিধান গুলােকে প্রয়ােজনীয় পরিবর্তন সাপেক্ষে অনুসরণ করবে।

Section 89C- Mediation in Appeal:
(1) An Appellate Court shall mediate in an appeal or refer the appeal for mediation in order to settle the dispute or disputes in that appeal, if the appeal is an appeal from original decree under Order XLI, and is between the same parties who contested in the original suit or the parties who have been substituted for the original contesting parties.

(2) In mediation under sub-section (1), the provisions of section 89A shall be followed with necessary changes (mutatis mutandis) as may be expedient.
২১.
রহিম একটি জমি কেনার জন্য করিমের সাথে চুক্তি করেন। পরবর্তীতে করিম জমিটি অন্য কাউকে বিক্রি করে দেন। রহিম চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের জন্য আদালতে মামলা করেন, কিন্তু আদালত মামলাটি খারিজ করে দেয়। এই পরিস্থিতিতে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২৯ অনুযায়ী রহিম পরবর্তীতে-
  1. চুক্তি লঙ্ঘনের জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারবেন
  2. চুক্তি লঙ্ঘনের জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারবেন না
  3. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের জন্য আবার মামলা করতে পারবেন
  4. চুক্তি লঙ্ঘনের জন্য ফৌজদারি মামলা করতে পারবেন
সঠিক উত্তর:
চুক্তি লঙ্ঘনের জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারবেন না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি লঙ্ঘনের জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারবেন না
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২৯ অনুসারে,
একটি চুক্তি অথবা তার অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে গেলে, তা তেমন চুক্তি বা তার অংশবিশেষ ভঙ্গ করার দায়ে ক্ষতিপূরণের জন্য বাদী কর্তৃক মামলা দায়ের করার অধিকারে প্রতিবন্ধকতা স্থাপন করবে

Section 29- Bar of suit for breach after dismissal:
The dismissal of a suit for specific performance of a contract or part thereof shall bar the plaintiff's right to sue for compensation for the breach of such contract or part, as the case may be.
২২.
Under which clause of Section 5 of The Specific Relief Act, 1877 is preventive relief granted?
  1. Clause (a)
  2. Clause (b)
  3. Clause (c)
  4. Clause (d)
সঠিক উত্তর:
Clause (c)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Clause (c)
ব্যাখ্যা
Section 6- Preventive relief:
Specific relief granted under clause (c) of section 5 is called preventive relief.

৬ ধারা: নিরোধক প্রতিকার:
৫ ধারার (গ) উপধারার অধীন মঞ্জুরীকৃত সুনির্দিষ্ট প্রতিকারকে নিরোধক প্রতিকার বলা হয়।
২৩.
যদি একজন ব্যক্তি তার সম্পত্তি বিক্রির চুক্তি করেন এবং চুক্তির পরদিন সেটি প্রাকৃতিক দুর্যোগে ধ্বংস হয়ে যায়, তাহলে:
  1. চুক্তি বাতিল হয়ে যাবে
  2. ক্রেতা সম্পত্তির মূল্য পরিশোধ করতে বাধ্য হবে
  3. বিক্রেতা চুক্তি পালনের বাধ্যবাধকতা থেকে মুক্ত হবে
  4. সম্পত্তি পুনঃনির্মাণ না করা পর্যন্ত চুক্তি কার্যকর হবে না
সঠিক উত্তর:
ক্রেতা সম্পত্তির মূল্য পরিশোধ করতে বাধ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রেতা সম্পত্তির মূল্য পরিশোধ করতে বাধ্য হবে
ব্যাখ্যা
Section 13- Contract of which the subject has partially ceased to exist:
Notwithstanding anything contained in section 56 of the Contract Act, a contract is not wholly impossible of performance because a portion of its subject-matter, existing at its date, has ceased to exist at the time of the performance.
[চুক্তি আইনের ৫৬ ধারার কোন বিধান সত্ত্বেও চুক্তি সম্পাদনের সময় অস্তিত্ব ছিল, কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী কাজ সম্পাদনের সময় আংশিকভাবে বিলুপ্ত হবার কারণে চুক্তি অনুযায়ী কাজ সম্পাদন পুরোপুরি অসম্ভব নয়।]

Illustrations:
(a) A contracts to sell a house to B for a lakh of taka. The day after the contract is made the house is destroyed by a cyclone. B may be compelled to perform his part of the contract by paying the purchase-money.
(ক) 'ক', 'খ'-এর নিকট একটি বাড়ি এক লক্ষ টাকায় বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন ঘূর্ণিঝড়ে বাড়িটি বিধ্বস্ত হয়ে গেল। এখন ক্রয়মূল্য প্রদানের মাধ্যমে 'খ'-কে চুক্তিতে তার অংশের কাজ সম্পাদনে বাধ্য করা যেতে পারে।

(b) In consideration of a sum of money payable by B, A contracts to grant an annuity to B for B's life. The day after the contract has been made, B is thrown from his horse and killed. B's representative may be compelled to pay the purchase-money.
(খ) 'ক', 'খ'-এর নিকট একটি বাড়ি এক লক্ষ টাকায় বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন 'খ' ঘোড়ার পিঠ হতে পড়ে মারা গেল। এখন 'খ'-এর প্রতিনিধিকে উক্ত অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা যেতে পারে।
২৪.
What is a mandatory requirement for a contract of sale of immovable property to be specifically enforced?
  1. It must be oral but witnessed by two people
  2. It must be approved by the land revenue officer
  3. It must be in writing and registered under the Registration Act, 1908
  4. The transferee must have taken possession of the property
সঠিক উত্তর:
It must be in writing and registered under the Registration Act, 1908
উত্তর
সঠিক উত্তর:
It must be in writing and registered under the Registration Act, 1908
ব্যাখ্যা
Section 21A- Unregistered contract for sale not specifically enforceable:
Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, nocontract for sale of any immovable propertycan be specifically enforced unless–
(a) the contract is in writing and registered under the Registration Act, 1908, whether or not the transferee has taken possession of the property or any part thereof; and
(b) the balance amount of consideration of the contract is deposited in the court at the time of filing the suit for specific performance of the contract.

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারা- অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকরযোগ্য:

এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রিয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হবে না, যদি না-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের নিবন্ধন আইনের অধীন নিবন্ধিত হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা তার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।
২৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারার অধীনে দায়েরকৃত মামলার বিরুদ্ধে কোনটি করা যাবে?
  1. আপিল
  2. পুনর্বিবেচনা
  3. ক ও খ উভয়
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার বিধান- স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা:

যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তবে সে অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে যদিও তেমন মামলায় অপর কোন স্বত্ব খাড়া করা হতে পারে, তথাপিও।
এই ধারার কোন কিছুই তেমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠা এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার জন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়েরের পথে প্রতিবন্ধকতা হবে না।
এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না।
এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপিল করা যাবে না অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রি পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।
২৬.
‘ক’ এবং ‘খ’ একটি চুক্তি সম্পাদন করে। পরবর্তীতে ‘ক’ চুক্তি লঙ্ঘন করে। ‘খ’ আদালতে সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করে। আদালত কোন ভিত্তিতে ‘খ’-এর পক্ষে রায় দিতে পারেন?
  1. চুক্তি একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হলে
  2. আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট প্রতিকার না হলে
  3. চুক্তি লঙ্ঘনের ফলে ক্ষতির নির্দিষ্ট মানদণ্ড নির্ণয় করা সম্ভব না হলে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা- যেসব ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায়যোগ্য:
যদি এ অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, তবে যে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আদায় করা যেতে পারে:
(ক) যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়;
(খ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি সাধিত হবে, তার নির্ণয় করার কোন মানদণ্ডের অস্তিত্ব থাকে না;
(গ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ এমন হয় যে, তা সম্পাদন না করে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না; অথবা
(ঘ) যখন এই সম্ভাবনা থাকে যে, সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।

ব্যাখ্যা: যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না বিপরীত কিছু প্রমাণিত হয়, আদালত এটা অবশ্যই ধরে নিবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে সম্ভব নয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার তেমনভাবে করা যায়।
২৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারামতে, ট্রেডমার্ক সংক্রান্ত নিচের কোন বিধান সঠিক?
  1. ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে
  2. ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে না
  3. ট্রেডমার্ক স্থাবর সম্পত্তির সংজ্ঞার আওতাভুক্ত হবে
  4. বর্ণিত কোনোটিই সঠিক নয়
সঠিক উত্তর:
ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারার বিধানে বলা আছে যে,
বিবাদী যখন বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা ভোগ দখলে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা করার হুমকি দেয়, তখন আদালত ৫টি ক্ষেত্রে বিবাদীর বিরুদ্ধে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করেতে পারে।

(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।

ব্যাখ্যাঃ এই ধারার লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে।
২৮.
‘ক’ নতুন দালান নির্মাণের মাধ্যমে ‘খ’-এর আলোর গমনাগমন ও ব্যবহারের অধিকারে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে, যা ‘খ’-এর অধিকার লঙ্ঘন করছে। আদালত ‘ক’-কে বাধা সৃষ্টি করা থেকে বিরত রাখার এবং দালান ভাঙার আদেশ দেন। আদালত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় এই নিষেধাজ্ঞা প্রদান করে?
  1. ৫৩ ধারা
  2. ৫৪ ধারা
  3. ৫৫ ধারা
  4. ৫৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫ ধারা
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারা: বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা:
যেক্ষেত্রে একটি বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ করান রোধের লক্ষ্যে এমন নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে বাধ্য করা আবশ্যক হয় এবং আদালতে তা কার্যকরীযোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুযায়ী যে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ করা হয়েছে তা রোধ করা এবং সেই সঙ্গে প্রয়োজনীয় কার্য সম্পাদনে বাধ্য করার জন্য ইনজাংশন মঞ্জুর করতে পারেন।

৫৫ ধারার মূল বক্তব্য:
যদি কোনো বাধ্যবাধকতা লঙ্ঘন হয়ে থাকে এবং তা রোধ করার জন্য কোনো নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে বাধ্য করা প্রয়োজন হয়, তবে আদালত বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) প্রদান করতে পারেন।

এই ক্ষেত্রে, ‘ক’ নতুন দালান নির্মাণের মাধ্যমে ‘খ’-এর আলোর গমনাগমনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে, যা ‘খ’-এর অধিকার লঙ্ঘন করছে। আদালত ‘ক’-কে শুধু বাধা দেওয়া নয়, বরং দালান ভেঙে ফেলারও নির্দেশ দিয়েছেন, যা ৫৫ ধারার আওতাভুক্ত বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার বিষয়।
২৯.
ভূমি সংক্রান্ত বিরোধের কারণে শান্তি ভঙ্গের আশংকায় কোন ক্রোককৃত সম্পত্তিতে রিসিভার নিয়োগ করেন কে?
  1. দায়রা জজ
  2. ম্যাজিস্ট্রেট
  3. পুলিশ কমিশনার
  4. সম্পত্তির মালিক
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারার বিধান: বিরোধীয় বিষয় ক্রোক করার ক্ষমতা:
(১) ম্যাজিষ্ট্রেট যদি সিদ্ধান্ত নেন যে, পক্ষবৃন্দের কেউই সে সময়ে বিরোধী বিষয়বস্তুতে দখলকার ছিল না, অথবা তাদের মধ্য থেকে কোন পক্ষ সেই সময়ে উহাতে দখলকার ছিল, সেই সম্পর্কে তিনি নিজে সন্তুষ্ট হতে অপারগ হলে আদালতে পক্ষবৃন্দের অধিকার বা দখল পাইবার অধিকারী ব্যক্তি সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি তা ক্রোক করতে পারবেনঃ
শর্ত থাকে যে, অনুরূপ উপরে বর্ণিত ম্যাজিস্ট্রেট যদি পরিতুষ্ট হন, বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে আর শান্তিভঙ্গের কোনরূপ সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে তিনি যে কোন সময় ক্রোক বাতিল করতে পারেন।

(২) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বিরোধীয় বস্তু ক্রোক করেন, সেক্ষেত্রে তিনি যদি সঠিক হিসাবে মনে করেন এবং কোন দেওয়ানী আদালত যদি ইতিপূর্বে বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ না করে থাকেন, সেক্ষেত্রে তিনি উহার জন্য একটি তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করতে পারবেন এবং ম্যাজিস্ট্রেটের নিয়ন্ত্রণ দ্বারা উক্ত তত্ত্বাবধায়কের দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়কের যাবতীয় ক্ষমতা থাকবেঃ
শর্ত থাকে যে, কোন দেওয়ানী আদালত যদি পরবর্তী ধাপে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করেন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়ক তাঁর বরাবর দখল অর্পণ করবেন এবং অতঃপর তাকে উক্ত দায়িত্ব থেকে রেহাই দেয়া হবে।
৩০.
বিচার চলাকালে ১ বছর হাজতে থাকা একজন আসামীর ৫ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ হয়, দণ্ডিত আসামীকে কত দিন কারাগারে সাজা ভোগ করতে হবে?
  1. ৬ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৪ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
৪ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় বিচার চলাকালে আসামীর জেল হাজতে থাকা সময় কীভাবে দণ্ড থেকে বাদ যাবে তা বলা হয়েছে যা নিম্নরূপ:
(১) ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ মামলা শুরু হওয়ার পর দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আসামি যে কয়দিন জেলহাজতে ছিল, তা কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বাদ যাবে। তবে এই বিধানটি আসামি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হলে প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ ৩৫ক ধারাটি মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

(২) যদি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয় তাহলে আসামি পুরো কারাদণ্ড ভোগ করেছে বলে গণ্য হবে এবং জেল থেকে মুক্তি পাবে; পাশাপাশি কোন অর্থদণ্ড থাকলে সেই অর্থদণ্ড মওকুফ হয়ে যাবে।

অর্থ্যাৎ, দণ্ডিত আসামীকে ৪ বছর কারাগারে সাজা ভোগ করতে হবে।
৩১.
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়-
  1. সরকারী কর্মকমিশন হতে
  2. জুডিসিয়াল সার্ভিসে নিয়োগকৃত ব্যক্তিদের মধ্যে হতে
  3. আপীল বিভাগের আইনজীবী হতে
  4. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) হতে
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) হতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) হতে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির  ১০ ধারার বিধান- নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট:
(১) প্রতিটি জেলায় এবং প্রতিটি মেট্রোপলিটন এলাকায় সরকার যত সংখ্যক প্রয়োজন মনে করবেন সেই সংখ্যক ব্যক্তিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিযুক্ত করবেন এবং তাঁদের মধ্য হতে একজনকে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিযুক্ত করবেন।

(২) সরকার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে যে কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে নিযুক্তি করতেও পারবেন এবং অনুরূপ অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সরকারের নির্দেশ অনুসারে এই কোড বা সাময়িকভাবে কার্যকর অপর কোন আইন অনুসারে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতাপ্রাপ্ত হবেন।

(৩) কোন সময় কোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের পদ শূন্য হবার দরুণ কোন কর্মকর্তা সরকারের আদেশ সাপেক্ষে অস্থায়ীভাবে জেলা প্রশাসনের মুখ্য নিবাহীর ঐ পদটির উত্তরাধিকার হলে তিনি সরকার কর্তৃক জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রদত্ত সকল ক্ষমতা ও তাঁর উপর অর্পিত যাবতীয় দায়িত্ব যথাক্রমে প্রয়োগ ও পালন করবেন।

(৪) সরকার অথবা সরকারের নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সময়ে সময়ে আদেশ প্রদানপূর্বক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটবৃন্দ তাঁদেরকে উক্ত কোড বলে প্রদত্ত যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতা যে স্থানীয় এলাকার মধ্যে প্রয়োগ করতে পারবেন তা নির্ধারণ করে দিতে পারবেন এবং অনুরূপ এলাকা নির্ধারণে ভিন্নরূপ ব্যবস্থিত ক্ষেত্র ব্যতিত অনুরূপ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ার ও ক্ষমতা সমগ্র জেলায় পরিব্যপ্ত হবে।

(৫) সরকার সমীচীন  প্রয়োজন মনে করলে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন)-এ নিযুক্ত কোন ব্যক্তিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রূপে নিয়োগ দিতে পারবেন এবং অনুরূপ সদস্যকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাদি অর্পণ করতে পারবেন।

(৬) উপ-ধারা-৪ এ বর্ণিত স্থানীয় এলাকা নির্ধারণ সাপেক্ষে, কোন জেলা বা উপজেলায় সহকারী কমিশনার, অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার বা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে নিযুক্ত সকল ব্যক্তি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হবেন এবং তাঁদের স্ব স্ব স্থানীয় এলাকার অভ্যন্তরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।

(৭) এই ধারার কোন কিছুই সরকারকে সাময়িকভাবে বলবৎ কোন আইনবলে পুলিশ কমিশনারকে কোন মেট্রোপলিটন এলাকা সম্পর্কে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতা অর্পণ করতে পারবেন না।
৩২.
ফৌজদারী কার্যবিধির ২৯গ ধারাবলে ক্ষমতা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ কী শাস্তি দিতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩ক ধারা-
২৯গ ধারায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৭ বছরের বেশি কারাদণ্ড দিতে পারবে না। অতএব, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারবেন।

Section 33A: Higher powers of certain Magistrates-
The Court of a Magistrate, specially empowered under section 29C, may pass any sentence authorized by law, except a sentence of death or of transportation or imprisonment for a term exceeding seven years.
৩৩.
যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি করা হয় হয়েছে, সেই ব্যক্তি ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তি সম্পত্তি ক্রোকের আদেশের তারিখ হতে কত দিনের মধ্যে ক্রোকি সম্পত্তি বিষয়ে আদালতে আপত্তি দাখিল করতে পারবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ২ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
ধারা ৮৮ (৬ক):
যদি এই ধারার অধীনে সংযুক্ত কোনও সম্পত্তির বিরুদ্ধে সংযুক্তির ছয় মাসের মধ্যে ঘোষিত ব্যক্তির ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তি কোনো দাবি উত্থাপন করে বা আপত্তি জানায়, এই মর্মে যে, দাবিকারী বা আপত্তিকারীর উক্ত সম্পত্তিতে স্বত্ব বা স্বার্থ রয়েছে এবং সেই স্বার্থ এই ধারার অধীনে সংযুক্তির জন্য দায়ী নয়, তবে উক্ত দাবি বা আপত্তির তদন্ত করা হবে এবং সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে তা গ্রহণ বা বাতিল করা যেতে পারে।

তবে শর্ত থাকে যে, এই উপ-ধারায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উত্থাপিত কোনো দাবি বা আপত্তি, যদি দাবিকারী বা আপত্তিকারীর মৃত্যু ঘটে, তবে তার আইনগত প্রতিনিধি উক্ত দাবি বা আপত্তি চালিয়ে যেতে পারবে।
৩৪.
কোনটি প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের সাধারণ ক্ষমতা নয়?
  1. দোষস্বীকারোক্তি লিপিবদ্ধ করা
  2. কমিশন মারফত সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতা
  3. অপহৃতা নারী প্রত্যর্পণে বাধ্য করার ক্ষমতা
  4. দণ্ডবিধিভুক্ত যে কোনো অপরাধ আমলে গ্রহণ
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধিভুক্ত যে কোনো অপরাধ আমলে গ্রহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধিভুক্ত যে কোনো অপরাধ আমলে গ্রহণ
ব্যাখ্যা
• প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দিষ্ট কিছু ক্ষমতা রয়েছে, তবে তারা সব ধরনের অপরাধ আমলে নিতে পারেন না। শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কিছু অপরাধ আমলে নেওয়ার এখতিয়ার তাদের রয়েছে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর: "ঘ) দণ্ডবিধিভুক্ত যে কোনো অপরাধ আমলে গ্রহণ"।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩য় তফসিলে বর্ণিত প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের সাধারণ ক্ষমতাসমূহ- দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের সকল সাধারণ ক্ষমতা এবং,
ধারা ৯৮- তদন্ত প্রসঙ্গে ব্যতীত অন্য ক্ষেত্রে তল্লাশি পরোয়ানা জারির ক্ষমতা,
ধারা ৭৮- জমির মালিক, কৃষক প্রমুখের নিকট পরোয়ানা প্রেরণ করার নির্দেশ দানের ক্ষমতা,
ধারা ১০০- অন্যায়ভাবে আটক ব্যক্তিকে খুঁজে বাহির করার জন্য তল্লাশি পরোয়ানা জারির ক্ষমতা,  
ধারা ১২৬কজামিনদারকে রেহাই দেয়ার ক্ষমতা,

ধারা ১৮৬- দেশের বাহিরে সংঘটিত অপরাধের জন্য সমন বা পরোয়ানা জারির ক্ষমতা, 
ধারা ১৬৪- পুলিশ কর্তৃক অনুসন্ধানের সময়কালে বিবৃতি বা দোষস্বীকারোক্তি লিপিবদ্ধকরণের ক্ষমতা,  
ধারা ২০৫গ- স্থানীয় অধিক্ষেত্রের দায়রা আদালতে মামলা প্রেরণ করার ক্ষমতা,
ধারা ২৪৯- ফরিয়াদি হাজির না থাকলে কার্যক্রম বন্ধ করার ক্ষমতা, 
ধারা ৩৩৭- নিজে মামলার তদন্ত করার সময় অপরাধের সাথে জড়িত ব্যক্তিকে ক্ষমা প্রদর্শনের ক্ষমতা, 

ধারা ৫০৩- কমিশন মারফত সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতা, 

ধারা ৫১৪,৫১৪ক- বাজেয়াপ্ত মুচলেকার অর্থ আদায়ের ক্ষমতা এবং নতুন জামানত দাবি করার ক্ষমতা, 
ধারা ৫৫২- অপহৃতা নারী প্রত্যর্পণে বাধ্য করার ক্ষমতা,
ধারা ৫৬১- স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে ধর্ষণের অপরাধ আমলে নেয়া এবং উক্ত অপরাধীকে বিচারের জন্য সোপর্দ করার ক্ষমতা,
ধারা ৫৬৫- পূর্বে দণ্ডিত অপরাধীদের ঠিকানা জানার আদেশ প্রদানের ক্ষমতা।
৩৫.
ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসার বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার আদেশ দিতে পারে?
  1. ১২৫ ধারা
  2. ১২৬ ধারা
  3. ১২৭ ধারা
  4. ১৩১ ধারা
সঠিক উত্তর:
১২৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২৭ ধারা
ব্যাখ্যা
ধারা ১২৭: ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসারের আদেশে জনসমাবেশ ভঙ্গকরণ:
কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার কোন বেআইনি সমাবেশ সার্বক্ষণিক শান্তি সম্ভবতঃ বিঘ্ন করবে এমন পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির এমন কোন সমাবেশকে ছত্রভঙ্গ হওয়ার হুকুম দিতে পারেন; এবং তখন জনসমাবেশ সদস্যদের কাজ হবে সেই অনুসারে ছত্রভঙ্গ হওয়া।

[Any Executive Magistrate or officer in charge of a police-station may command any unlawful assembly, or any assembly of five or more persons likely to cause a disturbance of the public peace, to disperse; and it shall thereupon be the duty of the members of such assembly to disperse accordingly.]
৩৬.
'Local inquiry' করতে পারে-
  1. পুলিশ
  2. বেসরকারী ব্যক্তি
  3. নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট
  4. জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৮ ধারায় স্থানীয় অনুসন্ধান বা Local inquiry এর বিধান রয়েছে-
(১) এই অধ্যায়ের স্থানীয় অনুসন্ধান প্রয়োজন হলে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট বা মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট তার অধস্তন কোন ম্যাজিষ্ট্রেটকে প্রেরণ করতে পারবেন এবং তার উপদেশের মধ্যে লিখিত নির্দেশ দিতে পারবেন এবং এরূপ অনুসন্ধানের প্রয়োজনীয় ব্যয় সম্পূৰ্ণ বা আংশিক কে বহন করবে তা ঘোষণা করতে পারবেন।

(২) এরূপে প্রেরিত ব্যক্তির রিপোর্ট কেসের সাক্ষ্য হিসাবে বুঝতে হবে।

(৩) এই অধ্যায়ের অধীন পরিচালিত প্রসিডিং-এর কোন পক্ষ যদি কোন খরচ বহন করে থাকেন, তাহলে ১৪৫ ধারা, ১৪৬ ধারা বা ১৪৭ ধারার অধীন সিদ্ধান্ত প্রদানকারী ম্যাজিষ্ট্রেট নির্দেশ দিবেন যে, কে উক্ত খরচ প্রদান করবে, উক্ত পক্ষ কিংবা প্রসিডিং-এর অন্য কোনপক্ষ, এবং সম্পূর্ণ বা আংশিক বা আনুপাতিক হারে প্রদান করবেন। আদালত যেরূপ যুক্তিসংগত বিবেচনা করেন সেরূপ সাক্ষীদের এবং কৌসুলীদের ফি এই খরচার অন্তর্ভুক্ত হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭ ধারামতে,
সকল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এর অধস্তন। তাই বলা যায়, ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট স্থানীয় অনুসন্ধান (Local inquiry) করতে পারে।
৩৭.
একজন ব্যক্তি অভিযোগ করেন যে তার ১৫ বছর বয়সী কন্যাকে বেআইনিভাবে আটক রাখা হয়েছে। ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৫২ ধারার অধীনে কোন আদালত প্রত্যর্পণের আদেশ দিতে পারবেন?
  1. শুধুমাত্র দায়রা জজ
  2. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৫২- অপহৃতা নারী প্রত্যর্পণে বাধ্য করার ক্ষমতা-
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট কোন স্ত্রীলোক অথবা ১৬ বছরের নিম্ন বয়স্ক কোন বালিকাকে অপহরণ বা বে-আইনীভাবে আটক রাখার নালিশ করা হলে, উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সেই স্ত্রীলোককে বা গ্রাহককে অবিলম্বে তার স্বামী, মাতা-পিতা, অথবা তার আইন সংগত অভিভাবকের নিকট প্রত্যর্পণের আদেশ দিতে পারবেন।

Section 552- Power to compel restoration of abducted females-
Upon complaint made to a Metropolitan Magistrate or a Magistrate of the first class or District Magistrate on oath of the abduction or unlawful detention of woman, or of a female child under the age of sixteen years, for any unlawful purpose, he may make an order for the immediate restoration of such woman to her liberty, or of such female child to her husband, parent, guardian or other person having the lawful charge of such child, and may compel compliance with such order, using such force as may be necessary.
৩৮.
'জামিনঅযোগ্য অপরাধ' সম্পর্কে ফৌজদারী কার্যবিধির কোথায় বলা হয়েছে?
  1. ৩য় তফসিলে
  2. ২য় তফসিলে
  3. ৪র্থ তফসিলে
  4. ৫ম তফসিলে
সঠিক উত্তর:
২য় তফসিলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য় তফসিলে
ব্যাখ্যা
- ফৌজদারী কার্যবিধির ২য় তফসিলে জামিনযোগ্য এবং জামিনঅযোগ্য অপরাধের তালিকা দেওয়া হয়েছে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের ৮টি কলাম নিম্নরূপ দেওয়া হলো:

১ম কলাম - পেনাল কোডের অধীন ধারাসমূহ,
২য় কলাম - অপরাধ,
৩য় কলাম - আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ (পুলিশ পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করতে পারে কি না),
৪র্থ কলাম - প্রথমেই সমন বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হবে কিনা,
৫ম কলাম - অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য,
৬ষ্ঠ কলাম - অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা,
৭ম কলাম - দণ্ডবিধির অধীনে উল্লিখিত শাস্তি,
৮ম কলাম - যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য।
-----------
- ফৌজদারী কার্যবিধির তফসিল ও কলাম:
প্রথম তফসিল: বাতিল
দ্বিতীয় তফসিল: এতে মোট ৮টি কলাম রয়েছে, যা নিচে বর্ণিত:
১ম কলাম: দণ্ডবিধির ধারা
২য় কলাম: অপরাধের নাম
৩য় কলাম: আমলযোগ্য অপরাধ বা আমল অযোগ্য অপরাধ
৪র্থ কলাম: ওয়ারেন্ট বা সমন প্রদান করা হবে
৫ম কলাম: জামিনযোগ্য বা জামিনঅযোগ্য
৬ষ্ঠ কলাম: আপোষযোগ্য বা আপোষঅযোগ্য
৭ম কলাম: শাস্তি
৮ম কলাম: আদালতের এখতিয়ার
তৃতীয় তফসিল: ম্যাজিস্ট্রেটের সাধারণ ক্ষমতা
চতুর্থ তফসিল: ম্যাজিস্ট্রেটের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা 
পঞ্চম তফসিল: ফরমসমূহ (৫৩টি)
৩৯.
কোন পরিস্থিতিতে দায়রা জজ ৪৩৬ ধারায় অনুসন্ধানের আদেশ দিতে পারে?
  1. অভিযুক্ত ব্যক্তি খালাস পেলে
  2. ২০২ ধারায় খারিজ হওয়া অভিযোগের ক্ষেত্রে
  3. ২০৪(৩) ধারায় খারিজ হওয়া অভিযোগের ক্ষেত্রে
  4. উল্লিখিত কোন ক্ষেত্রেই নয়
সঠিক উত্তর:
২০৪(৩) ধারায় খারিজ হওয়া অভিযোগের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০৪(৩) ধারায় খারিজ হওয়া অভিযোগের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৩৬- অনুসন্ধানের আদেশ দেয়ার ক্ষমতা:
হাইকোর্ট তার অধীনস্থ কোন আদালতকে বা দায়রা জজ তার অধীনস্থ কোন-
১. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে নিজেদের দ্বারা বা
২. তাদের অধীনস্থ কোন ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা অধিকতর অনুসন্ধান করার আদেশ দিতে পারে এবং
৩. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিজে অনুসন্ধান করতে পারে বা তার অধীনস্থ কোনো ম্যাজিস্ট্রেটকে অনুসন্ধান করার নির্দেশ দিতে পারে।

উল্লিখিত বিষয়ে অনুসন্ধানের আদেশ দিতে পারেন-
i. ২০৩ ধারায় খারিজ হয়েছে এমন যেকোন নালিশ বিষয়ে, বা
ii. ২০৪ (৩) ধারায় খারিজ করা হয়েছে এমন কোন নালিশ বিষয়ে;
iii. যে মামলায় কোনো অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে সেই মামলায়; অধিকতর অনুসন্ধানের নির্দেশ দিতে পারবে।

শর্ত থাকে যে,
কোন আদালত কোন অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি সম্পর্কে এই ধারার অধীন তদন্তের নির্দেশ দিবেন না, যদি না উক্ত ব্যক্তিকে কেন উক্তরূপ নির্দেশ দেয়া হবে না তার কারণ দর্শাবার সুযোগ দেয়া হয়।
৪০.
একজন আসামির বিরুদ্ধে একটি অপরাধের তদন্ত চলছে, যা পাঁচ বছরের কারাদণ্ডযোগ্য। তদন্তকারী পুলিশ ১২০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে ব্যর্থ হয়। এমন পরিস্থিতিতে The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৬৭ ধারায়-
  1. আসামিকে অব্যাহতি দিতে হবে
  2. তদন্ত যতদিন চলবে, আসামিকে হাজতে রাখতে হবে
  3. ম্যাজিস্ট্রেট সন্তুষ্ট হলে আসামিকে জামিন দিতে পারেন
  4. দায়রা জজ বাধ্যতামূলকভাবে জামিন দেবেন
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট সন্তুষ্ট হলে আসামিকে জামিন দিতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট সন্তুষ্ট হলে আসামিকে জামিন দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ ধারার বিধান:
(৫) অপরাধ সংঘটন সম্পর্কিত সংবাদ প্রাপ্তির তারিখ অথবা এরূপ তদন্তের জন্য ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ প্রাপ্তির তারিখ হতে একশত বিশ দিনের মধ্যে যদি তদন্ত সমাপ্ত না হয় তাহলে,
ক) অপরাধটি আমলে নিতে ক্ষমতাসম্পন্ন বা তদন্তের আদেশদানকারী ম্যাজিস্ট্রেট, তদন্ত সম্পর্কিত অপরাধটি যদি মৃত্যুদণ্ডে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা দশ বৎসরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ না হয় তবে তার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারবেন; এবং

খ) তদন্ত সম্পর্কিত অপরাধটি যদি মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা দশ বৎসরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ হয়, তবে দায়রা আদালত ইহার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারবেন,

তবে শর্ত এই যে, আসামিকে যদি এই উপধারার অধীন জামিনে মুক্তি দেয়া না হয় তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষেত্র বিশেষে দায়রা আদালত ইহার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।
আরও শর্ত এই যে, যেক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বিচারে সোপর্দ করার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনের বিধান অনুযায়ী উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন গ্রহণ করা প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে অনুমোদন গ্রহণ করতে যে সময় লাগিবে এই উপধারায় নির্ধারিত সময় হতে তা বাদ দিতে হবে।
৪১.
Under Section 125 of The Code of Criminal Procedure, 1898, who has the power to cancel a bond for keeping the peace or good behaviour?
  1. High Court
  2. Sessions Judge
  3. District Magistrate
  4. Superintendent of Police
সঠিক উত্তর:
District Magistrate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
District Magistrate
ব্যাখ্যা
Section 125- Power of District Magistrate to cancel any bond for keeping the peach or good behaviour:
The District Magistrate may at any time, for sufficient reasons to be recorded in writing, cancel any bond for keeping the peace or for good behaviour executed under this Chapter by order of any Court in his district not superior to his Court.

ধারা ১২৫: জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের শান্তি বজায় রাখা বা সদাচরণের মুচলেকা বাতিলের ক্ষমতা:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, যথাযথ কারণ প্রদর্শন সাপেক্ষে, যেটি লিখিত আকারে লিপিবদ্ধ করতে হবে, যে কোনো সময় তার অধিক্ষেত্রের অধীন কোনো আদালত কর্তৃক এই অধ্যায়ের অধীনে শান্তি বজায় রাখা বা সদাচরণের জন্য সম্পাদিত কোনো মুচলেকা বাতিল করতে পারেন, যদি সংশ্লিষ্ট আদালত তার আদালতের চেয়ে উচ্চতর না হয়।
৪২.
ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ১১৭(৩) ধারার অধীনে যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি মুচলেকা সম্পাদন না করেন, তাহলে তাকে কতদিন পর্যন্ত হেফাজতে রাখা যেতে পারে?
  1. সর্বোচ্চ ১৫ দিন
  2. সর্বোচ্চ ৩০ দিন
  3. অনুসন্ধান সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত
  4. আদালতের রায় না হওয়া পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
অনুসন্ধান সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুসন্ধান সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ১১৭(৩) ধারা অনুসারে,
ম্যাজিষ্ট্রেট যদি মনে করেন যে, শান্তিভঙ্গ বা সর্বসাধারণের প্রশান্তি বিনষ্ট বা কোন অপরাধ নিবারণ বা জননিরাপত্তার জন্য আশু ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন তাহলে (১) উপধারা অনুসারে পরিচালিত অনুসন্ধানের সমাপ্তি সাপেক্ষে লিখিতভাবে কারণ উল্লেখ করে তিনি যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে ১১২ ধারা অনুসারে আদেশ দেয়া হয়েছে সেই ব্যক্তির অনুসন্ধান সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত শান্তি রক্ষার জন্য অথবা সদাচরণের জন্য জামিনদারসহ বা ব্যতীত একটি মুচলেকা সম্পাদনের নির্দেশ দিতে পারবেন এবং এরূপ মুচলেকা সম্পাদন না হওয়া পর্যন্ত অথবা সম্পাদন না করলে অনুসন্ধান সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত তাকে হেফাজতে আটক রাখতে পারবেন।

(3) Pending the completion of the inquiry under sub-section (1) the Magistrate, if he considers that immediate measures are necessary for the prevention of a breach of the peace or disturbance of the public tranquillity or the commission of any offence or for the public safety, may, for reasons to be recorded in writing, direct the person in respect of whom the order under section 112 has been made to execute a bond, with or without sureties, for keeping the peace or maintaining good behaviour until the conclusion of the inquiry, and may detain him in custody until such bond is executed or, in default of execution, until the inquiry is concluded:
৪৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৪ ধারায় লিপিবদ্ধকৃত জবানবন্দি-
  1. শুধুমাত্র ম্যাজিস্ট্রেট স্বাক্ষর করবেন
  2. শুধুমাত্র অভিযুক্ত স্বাক্ষর করবেন
  3. অভিযুক্ত ও ম্যাজিস্ট্রেট উভয়েই স্বাক্ষর করবেন
  4. তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত ও ম্যাজিস্ট্রেট উভয়েই স্বাক্ষর করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত ও ম্যাজিস্ট্রেট উভয়েই স্বাক্ষর করবেন
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৬৪- অভিযুক্তের জবানবন্দি যেভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে:
(১) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতীত অন্য কোন আদালত, কোন অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণ করেন, সেক্ষেত্রে তাকে জিজ্ঞাসিত প্রত্যেকটি প্রশ্ন ও তাঁর প্রদত্ত প্রত্যেকটি জবাবসহ সমগ্র , যে ভাষায় তার জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে সে ভাষায় বা তা সম্ভব না হলে আদালতের ভাষায় কিংবা ইংরেজি ভাষায় পূর্ণাংগরূপে লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং উক্ত নথি তাকে দেখাতে হবে বা পড়ে শুনাতে হবে অথবা যে ভাষায় তা লেখা হয়েছে ঐ সে বুঝতে না পারলে, যে ভাষা সে বুঝে ঐ ভাষায় তা তাকে বুঝিয়ে দিতে হবে এবং সে তার জবাব ব্যাখা করতে বা তাতে জবাবে নতুন কিছু যোগ করতে পারবে।

(২) সে যখন সমগ্র জবানবন্দি সত্য হিসাবে স্বীকার করে, তখন অভিযুক্ত এবং উক্ত আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট বা জাজ তাতে স্বাক্ষর করবেন এবং উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ স্বহস্তে সার্টিফাই করবেন যে, জবানবন্দি তাঁর উপস্থিতিতে ও শ্রবণের মধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে এবং নথিতে অভিযুক্তের বিবৃতির একটি পূর্ণাঙ্গ ও সত্য বিবরণ রয়েছে।

(৩) ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ স্বয়ং অভিযুক্তের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ না করলে জবানবন্দি চলার সময় তিনি আদালতের ভাষায় বা ইংরেজীর সঙ্গে পর্যাপ্তভাবে পরিচিত হলে ইংরেজি ভাষায় তার একটি স্মারক তৈরী করতে থাকবেন এবং এরূপ স্মারক ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ কর্তৃক স্বহস্তে লিখিত ও স্বাক্ষরিত হবে এবং নথির সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। ম্যাজিস্ট্রেট বা জাজ যদি উক্ত স্মারক তৈরী করতে না পারেন, সেক্ষেত্রে তিনি তাঁর এরূপ অসামর্থ্যের কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।

(৪) এই ধারার কোন বিধান ধারা-২৬৩ অনুসারে অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে মর্মে পরিগণিত করা যাবে না।
৪৪.
মামলার কোন পর্যায়ে পাবলিক প্রসিকিউটর অভিযোগ প্রত্যাহার করলে আসামিকে "অব্যাহতি" দেওয়া হয়?
  1. রায় ঘোষণার পর
  2. সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলে
  3. অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে
  4. অভিযোগ প্রণয়নের পর
সঠিক উত্তর:
অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪৯৪: মামলা প্রত্যাহারের ফল-
পাবলিক প্রসিকিউটর রায় ঘোষণার পূর্বে আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত মামলা সাধারণভাবে বা যে সকল অপরাধে তার বিচার হচ্ছে, তার যেকোন এক বা একাধিক অপরাধ প্রত্যাহার করতে পারবেন এবং উক্ত প্রত্যাহারের দরুন-
(ক) অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে তা করা হলে উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দান করতে হবে; এবং
(খ) অভিযোগ প্রণয়নের পর তা করা হলে বা এই বিধির অধীন কোন অভিযোগ প্রণয়ন প্রয়োজন না হলে, উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে খালাস দিতে হবে।

Section 494: Effect of withdrawal from prosecution-
Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal-
(a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences;
(b) if it is made after a charge has been framed, or when under Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.
৪৫.
ফরিয়াদী দণ্ডের অপর্যাপ্ততার কারণে আপিল করতে পারবেন-
  1. দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে
  2. বিচার সম্পন্ন হওয়ার ৩ মাসের মধ্যে
  3. দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে
  4. দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬ মাসের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ক ধারা- অপর্যাপ্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল-
(১) কোন আদালতের বিচারে প্রদত্ত দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততার কারণে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল দায়েরের জন্য সরকার পাবলিক প্রসিকিউটরকে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।

(২) আদালতে বিচারে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ক্ষেত্রে একজন ফরিয়াদী দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততা হেতু আপিল আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবেন:
শর্ত থাকে যে, দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিন পার হবার পর এই উপ-ধারার অধীন আপিল আদালত কর্তৃক কোন আপিল গৃহীত হবে না।

(৩) দণ্ডের অপর্যাপ্ততা হেতু কোন আপিল রুজু করা হলে আপিল আদালত দণ্ড বাড়ানোর বিরুদ্ধে কারণ দর্শাবার জন্য আসামীকে যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে দণ্ড বাড়াবেন না এবং কারণ দর্শাবার সময় আসামী তার খালাস প্রাপ্তি বা দণ্ড কমানোর জন্য আবেদন করতে পারবেন।

Section 417A: Appeal against inadequacy of sentence:
(1) The Government may, in any case of conviction on a trial held by any court, direct the Public Prosecutor to present an appeal to the High Court Division against the sentence on the ground of its inadequacy.

(2) A complainant may, in any case of conviction on a trial held by any Court, present an appeal to the Appellate Court against the sentence on the ground of its inadequacy:
Provided that no appeal under this sub-section shall be entertained by the Appellate Court after the expiry of sixty days from the date of conviction.

(3) When an appeal has been filed against the sentence on the ground of its inadequacy, the Appellate Court shall not enhance the sentence except after giving to the accused a reasonable opportunity of showing cause against such enhancement and while showing cause, the accused may plead for his acquittal or for the reduction of the sentence.
৪৬.
কোন পরিস্থিতিতে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করা যাবে?
  1. যখন অভিযোগকারী আবেদন করে
  2. যখন আসামি এর বিরুদ্ধে আপত্তি তোলে
  3. যদি ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক উপস্থিত থাকতে না পারেন
  4. শুধুমাত্র যখন তদন্তকারী কর্মকর্তা অনুমতি দেন
সঠিক উত্তর:
যদি ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক উপস্থিত থাকতে না পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক উপস্থিত থাকতে না পারেন
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫০৯ক: ময়নাতদন্তের রিপোর্ট-
এই কার্যবিধির অধীন যেক্ষেত্রে ইনকোয়ারী, বিচার বা অন্য কার্যক্রমে ময়না তদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহৃত হওয়া দরকার এবং ময়না তদন্তকারী সিভিল সার্জন বা অন্য কোন মেডিকেল অফিসার মারা গেলে বা সাক্ষ্য প্রদান করতে অপারগ হন বা বাংলাদেশের সীমার বাহিরে অবস্থান করেন এবং এরূপ বিলম্ব বা অতিরিক্ত ব্যয় ছাড়া বা অসুবিধা ছাড়া তাকে হাজির করা না যায়, যা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক সেক্ষেত্রে সাক্ষী রূপে তাকে তলব না করেই উক্ত রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহার করা যাবে।
 
Section 509A: Report of post-mortem examination-
Where in any inquiry, trial or other proceeding under this Code the report of a post-mortem examination is required to be used as evidence, and the Civil Surgeon or other medical officer who made the report is dead or is incapable of giving evidence or is beyond the limits of Bangladesh and his attendance cannot be procured without an amount of delay, expense or inconvenience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable, such report may be used as evidence.
৪৭.
Who has the final authority to grant a special order for the discharge of an arrested person under Section 63 of The Code of Criminal Procedure, 1898?
  1. High Court
  2. The Magistrate
  3. Sessions Judge
  4. The arresting police officer
সঠিক উত্তর:
The Magistrate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Magistrate
ব্যাখ্যা
Section 63: Discharge of person apprehended-
No person who has been arrested by a police-officer shall be discharged except on his own bond, or on bail, or under the special order of a Magistrate.

ধারা ৬৩: গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির অব্যাহতি-

যে ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক গ্রেফতার হয়েছে, তাকে তার নিজের মুচলেকা, অথবা জামিন, অথবা কোন ম্যাজিস্ট্রেটের বিশেষ আদেশ ব্যতীত অব্যাহতি দেয়া যাবে না।
৪৮.
১৫ বছরের নিচের কোন শিশু মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ ব্যতিত অন্য কোন অপরাধ করলে, সেই অপরাধের বিচার চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারবে- ফৌজদারী কার্যবিধির কোথায় বলা হয়েছে?
  1. ধারা ১৯
  2. ধারা ২৯খ
  3. ধারা ৩৯৯
  4. ধারা ১৯৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৯খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৯খ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৯খ ধারা- কিশোরদের ক্ষেত্রে এখতিয়ার:
কোনো ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ ব্যতিরেকে অপর যে কোন অপরাধ করলে এবং তাকে আদালতে উপস্থিত হবার বা তাকে হাজির করার তারিখে তার বয়স ১৫ (পনের) বৎসরের নীচে হলে তার বিচার যে কোন চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারবেন অথবা তরুণ অপরাধীদের হেফাজত, বিচার এবং শাস্তি দেবার জন্য বলবৎ আইন কর্তৃক বা অধীনে সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিষ্ট্রেট, এবং এরূপ আইনের দ্বারা আরোপিত সকল বা যেকোন ক্ষমতা প্রয়োগ করবার জন্য উহার দ্বারা বা অধীন ক্ষমতাপ্রাপ্ত যেকোন ম্যাজিষ্ট্রেট করতে পারবেন।

Section-29B:Jurisdiction in the case of juveniles:
Any offence, other than one punishable with death or transportation for life, committed by any person who at the date when he appears or is brought before the Court is under the age of fifteen years, may be tried by Chief Judicial Magistrate or the Chief Metropolitan Magistrate, or by any Magistrate specially empowered by the Government to exercise the powers conferred by or under any law providing for the custody, trial or punishment of youthful offenders, by any Magistrate empowered by or under such law to exercise all or any of the powers conferred thereby.
৪৯.
চুরি করতে গিয়ে আসামী যদি স্বেচ্ছাক্রমে আঘাত দেয়, তবে অপরাধটি হবে-
  1. গুরুতর চুরি
  2. দস্যুতা
  3. ডাকাতি
  4. বলপূর্বক আদায়
সঠিক উত্তর:
দস্যুতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দস্যুতা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারার বিধান- দস্যুতা: প্রত্যেক দস্যুতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়।
যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:
চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে 'দস্যুতা'।

বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:
বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী- যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহ্বল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় 'দস্যুতা' বলে পরিগণিত হবে।

ব্যাখ্যা:- অপরাধী অন্য ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করার পক্ষে যথেষ্ট নিকটে থাকলে সে হাজির বলে পরিগণিত হবে।
৫০.
রফিক একজন ব্যবসায়ী। তিনি একটি গ্রাহকের কাছ থেকে ৫০০ টাকার একটি নোট গ্রহণ করেন। পরে তিনি জানতে পারেন যে, এটি একটি জাল নোট। এরপরও তিনি সেটি প্রতারণামূলকভাবে অন্য এক ব্যবসায়ীর কাছে দেন। রফিকের বিরুদ্ধে কোন ধারায় মামলা হতে পারে?
  1. দণ্ডবিধির ২৩৮ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ২৪০ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ২৪২ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ২৪৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ২৪০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ২৪০ ধারা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২৪০ ধারা- বাংলাদেশের মুদ্রা জাল বলে জানা সত্ত্বেও দখলের পর উহা হস্তান্তর করা:
কোন ব্যক্তি যদি তার কাছে বাংলাদেশের যে জাল মুদ্রা রয়েছে, তা লাভের পর উহা যে বাংলাদেশের মুদ্রার জাল তা জানা সত্ত্বেও, প্রতারণামূলকভাবে বা তদ্বারা প্রতারণা করার উদ্দেশ্যে উহা কোন ব্যক্তিকে হস্তান্তর করে বা কোন ব্যক্তিকে উহা গ্রহণে বাধ্য করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 240- Delivery of Bangladesh coin possessed with knowledge that it is counterfeit:
 Whoever, having and counterfeit coin, which is a counterfeit of Bangladesh coin, and which at the time when he became possessed of it, he knew to be a counterfeit of Bangladesh coin, fraudulently or with intent that fraud may be committed, delivers the same to any person, or attempts to induce any person to receive it, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
৫১.
কোনো নারী যদি ১৩ বছর বয়সী হয় এবং তার সম্মতিতেই কোনো পুরুষ তার সঙ্গে যৌনসঙ্গম করে, তবে এটি কোন অপরাধ হবে?
  1. এটি ধর্ষণ নয়, কারণ সে সম্মতি দিয়েছে
  2. এটি ব্যভিচার হিসেবে গণ্য হবে
  3. এটি ধর্ষণ, কারণ ভিকটিমের বয়স ১৪ বছরের কম
  4. এটি আদালতের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে
সঠিক উত্তর:
এটি ধর্ষণ, কারণ ভিকটিমের বয়স ১৪ বছরের কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি ধর্ষণ, কারণ ভিকটিমের বয়স ১৪ বছরের কম
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৭৫ ধারা-ধর্ষণ:
কোন পুরুষ অতঃপর উল্লেখিত ব্যতিক্রম ভিন্ন অপর সকল ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত ৫টি যেকোন অবস্থায় কোন স্ত্রীলোকের সাথে যৌনসঙ্গম করলে সে ধর্ষণ করেছে বলে পরিগণিত হবে-
প্রথমত: স্ত্রীলোকটির ইচ্ছার বিরুদ্ধে।
দ্বিতীয়ত: স্ত্রীলোকটির সম্মতি ব্যতিরেকে।
তৃতীয়ত: স্ত্রীলোকটির সম্মতিক্রমেই, যেক্ষেত্রে মৃত্যু বা জখমের ভয় প্রদর্শন করে স্ত্রীলোকটির সম্মতি আদায় করা হলে।
চতুর্থত: স্ত্রীলোকটির সম্মতিক্রমেই, যেক্ষেত্রে পুরুষটি জানে যে, সে স্ত্রীলোকটি স্বামী নয়, এবং পুরুষটি ইহার জানে যে, স্ত্রীলোকটি তাকে এমন অপর একজন পুরুষ বলে ভুল করেছে, যে পুরুষটির সাথে সে আইন সম্মতভাবে বিবাহিত হয়েছে বা বিবাহিত বলে বিশ্বাস করে।
পঞ্চমত: স্ত্রীলোকটির সম্মতিক্রমে অথবা সম্মতি ব্যতিরেকে, যতি স্ত্রীলোকটির বয়স চৌদ্দ বৎসরের কম হয়।

ব্যাখ্যা (Explanation): ধর্ষণের অপরাধের জন্য আবশ্যকীয় যৌনসঙ্গমের জন্য যৌনাঙ্গ প্রবিষ্ট করাই যথেষ্ট গণ্য হবে।

ব্যতিক্রম (Exception): কোন পুরুষের কর্তৃক নিজ স্ত্রীর সাথে যৌনসঙ্গম ধর্ষণ বলে পরিগণিত হবে না, যদি স্ত্রী তের বৎসরে নিম্ন বয়স্কা না হয়।
৫২.
'ক' একজন আসামিকে আশ্রয় দিয়েছেন, যিনি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ করেছেন। এই ক্ষেত্রে 'ক' এর সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২১২ ধারা: অপরাধীকে আশ্রয় দানের বিধান:
কোনো অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পর, যদি কোনো ব্যক্তি কাউকে দোষী বলে জ্ঞাত থাকা সত্ত্বেও বা দোষী বলে বিশ্বাস করার যৌক্তিক কারণ থাকা সত্ত্বেও তাকে আইনের সাজা থেকে রক্ষার উদ্দেশ্যে লুকিয়ে রাখে বা আশ্রয় দেন, তবে নিম্নলিখিত বিধান প্রযোজ্য হবে—

- দোষী ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:
যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে আশ্রয়দাতা ব্যক্তি পাঁচ বছর পর্যন্ত যে কোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

- দোষী ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা সাধারণ কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:
যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বছর পর্যন্ত যে কোনো মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে আশ্রয়দাতা ব্যক্তি তিন বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

- দোষী ব্যক্তি যদি এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে:
যদি অপরাধটি সর্বোচ্চ এক বছর পর্যন্ত যে কোনো মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় এবং দশ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় না হয়, তবে আশ্রয়দাতা ব্যক্তি উক্ত অপরাধের জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন অথবা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।

ব্যতিক্রম (Exception): দোষী ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী অনুরূপ আশ্রয়দান করলে বা লুকিয়ে রাখলে তখন এই বিধান প্রয়োগযোগ্য হবে না।
৫৩.
The Penal Code, 1860 এর ________ ধারায় মানহানির ১০টি ব্যতিক্রমের বিষয় উল্লেখ আছে।
  1. ৪৯৮
  2. ৪৯৯
  3. ৫০০
  4. ৫০১
সঠিক উত্তর:
৪৯৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯৯
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানির ১০ টি ব্যতিক্রম (Exception) রয়েছে। অর্থাৎ এই ১০ টি ক্ষেত্রে কোন মানহানিকর উক্তি বা তথ্য প্রকাশ করা হলেও মানহানির অপরাধ হবে না।

⇒ ১০টি ব্যতিক্রম নিচে দেয়া হল-
১) জনস্বার্থে বা জনগণের কল্যাণের জন্য কারো প্রতি সত্য-দোষারোপ করা হলে তা মানহানি হবে না।
২) জনগণের প্রতি সরকারি কর্মচারীর আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৩) কোন জনসমস্যা/গণসমস্যা সম্পর্কে কোন ব্যক্তির আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৪) কোন আদালতের কার্য বিবরণীর রিপোর্ট প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৫) আদালত কর্তৃক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এমন কোন ফৌজদারি বা দেওয়ানি মোকদ্দমার দোষ, গুণ বা সাক্ষী বা সাক্ষ্যের সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।

৬) কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ভার জনগণের উপর ন্যস্ত করা হলে তখন এ বিষয়ে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়। যেমন- কোন ব্যক্তি কোন বই প্রকাশ করলে বা প্রকাশ্য স্থানে বক্তৃতা দিলে তখন তা বিচার করার জন্য জনগণের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে গণ্য করা হবে।
৭) অন্যের উপর আইনসম্মতভাবে ক্ষমতা রয়েছে এমন ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে কোন নিন্দা করলে তা মানহানি হবে না।
৮) ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তির নিকট সৎ বিশ্বাসে অভিমত দেয়া হলে তা মানহানি বলে গণ্য হবে না। যেমন- পুলিশের কাছে কারো ব্যাপারে অভিযোগ করা।
৯) কোন ব্যক্তি নিজের বা অন্যের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে বা জনস্বার্থে সৎ বিশ্বাসে কোন দোষারোপ করলে তা মানহানি নয়।
১০) জনকল্যাণে সৎ বিশ্বাসে কোন ব্যক্তিকে সতর্ক করে কিছু বলা হলে তা মানহানি হবে না।
৫৪.
'ক' একজন যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। কারাগারে থাকাকালীন সে একজন নিরাপত্তারক্ষীকে হত্যা করার চেষ্টা করে এবং তাকে গুরুতর আহত করে। এই অবস্থায় 'ক' এর বিরুদ্ধে কোন অপরাধ প্রযোজ্য হবে??
  1. দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ৩০৩ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারা- খুনের উদ্যোগ:
কোনো ব্যক্তি যদি এমন উদ্দেশ্য নিয়ে বা এমন আশঙ্কা জানা সত্ত্বেও এমন অবস্থায় এমন কোনো কার্য করে, যার ফলে মৃত্যু ঘটলে, সে খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে, তবে উক্ত ব্যক্তি দশ বছর পর্যন্ত যে কোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে। এবং যদি অনুরূপ কাজের দ্বারা কোনো ব্যক্তিকে আঘাত করা হয়, তবে অপরাধী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা পূর্বোক্ত যে দণ্ডের উল্লেখ করা হয়েছে, সেই দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তির উদ্যোগ:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি যদি এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করে এবং তার ফলে কেউ আহত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
৫৫.
অবিবাহিত পুরুষ 'ক', একজন বিবাহিত নারীর সঙ্গে তার স্বামীর অনুমতি ছাড়া শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। এই পরিস্থিতিতে কার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা যেতে পারে?
  1. শুধুমাত্র 'ক' এর বিরুদ্ধে
  2. শুধুমাত্র বিবাহিত নারীর বিরুদ্ধে
  3. উভয়ের বিরুদ্ধে
  4. কোনো অভিযোগ আনা যাবে না
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র 'ক' এর বিরুদ্ধে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র 'ক' এর বিরুদ্ধে
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারার বিধান- ব্যভিচার:
কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তির স্ত্রী অথবা যাকে সে অন্য কোন ব্যক্তির স্ত্রী বলে জানে বা তার অনুরূপ বিশ্বাস করার কারণ আছে এমন কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত অন্য ব্যক্তির সম্মতি ও সমর্থন ছাড়া এইরূপ যৌন সঙ্গম করে যা নারী ধর্ষণের সামিল নয়, তবে সে ব্যক্তি ব্যভিচারের অপরাধের জন্য দোষী হবে এবং তাকে পাঁচ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে। অনুরূপ ক্ষেত্রে স্ত্রী ব্যক্তিটি দুষ্কর্মের সহায়তাকারী হিসেবে দণ্ডিত হবে না।

অর্থাৎ, ব্যাভিচারের জন্য শুধু পুরুষ ব্যক্তিটিকে অভিযুক্ত করা যায়। শুধুমাত্র 'ক' এর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা যাবে।

Section 497- Adultery:
Whoever has sexual intercourse with a person who is and whom he knows or has reason to believe to be the wife of another man, without the consent or connivance of that man, such sexual intercourse not amounting to the offence of rape, is guilty of the offence of adultery, and shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, or with fine, or with both. In such case the wife shall not be punishable as an abettor.

৫৬.
যেক্ষেত্রে অপরাধের শাস্তি শুধুুমাত্র অর্থদণ্ড, সেক্ষেত্রে ৫০ টাকার কম অর্থদণ্ড প্রদানে ব্যর্থ হলে সর্বোচ্চ কত মেয়াদের জন্য কারাদণ্ড দেয়া যাবে?
  1. ২ মাস সশ্রম কারাদণ্ড
  2. ৩ মাস সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ২ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৩ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ৬৭- অর্থদণ্ডের ক্ষেত্রে কারাদণ্ড:
যদি কোনো অপরাধ শুধুমাত্র অর্থদণ্ডের মাধ্যমে শাস্তিযোগ্য হয় এবং অপরাধী অর্থদণ্ড প্রদান করতে না পারে, তাহলে আদালত তার পরিবর্তে কারাদণ্ডের আদেশ দিতে পারে। কারাদণ্ড হবে বিনাশ্রম কারাদণ্ড। আদালত অর্থদণ্ডের পরিমাণ অনুযায়ী কারাদণ্ডের মেয়াদ নির্ধারণ করবেন।
পঞ্চাশ টাকার বেশি না হলে: কারাদণ্ডের মেয়াদ অনধিক দুই মাস।
একশত টাকার বেশি না হলে: কারাদণ্ডের মেয়াদ অনধিক চার মাস।
অন্য যেকোনো ক্ষেত্রে: কারাদণ্ডের মেয়াদ অনধিক ছয় মাস।
৫৭.
দণ্ডবিধিতে ‘অপরাধ’ এর সংজ্ঞা কত ধারার বিষয়বস্তু?
  1. ২৭ ধারা
  2. ২৮ ধারা
  3. ৪০ ধারা
  4. ৪১ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০ ধারা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি ধারা ৪০- "Offence" (অপরাধ):
এই ধারার ২ ও ৩ নম্বর উপধারায় উল্লেখিত অধ্যায় ও ধারাসমূহ ব্যতীত, "অপরাধ" বলতে এই দণ্ডবিধি দ্বারা দণ্ডনীয় কোনো কার্যকে বোঝানো হয়েছে।

অধ্যায় IV, অধ্যায় VA এবং নিম্নলিখিত ধারাসমূহে, যথা ৬৪, ৬৫, ৬৬, ৬৭, ৭১, ১০৯, ১১০, ১১২, ১১৪, ১১৫, ১১৬, ১১৭, ১৮৭, ১৯৪, ১৯৫, ২০৩, ২১১, ২১৩, ২১৪, ২২১, ২২২, ২২৩, ২২৪, ২২৫, ৩২৭, ৩২৮, ৩২৯, ৩৩০, ৩৩১, ৩৪৭, ৩৪৮, ৩৮৮, ৩৮৯ এবং ৪৪৫-এ "অপরাধ" বলতে দণ্ডবিধির অধীনে দণ্ডনীয় কোনো কার্য বা যে কোনো বিশেষ বা স্থানীয় আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় কার্য বোঝানো হয়েছে।

এছাড়া, ধারা ১৪১, ১৭৬, ১৭৭, ২০১, ২০২, ২১২, ২১৬ এবং ৪৪১-এ "অপরাধ" সেই একই অর্থ বহন করে যদি বিশেষ বা স্থানীয় আইনের অধীনে উক্ত কার্য ছয় মাস বা তার অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে (জরিমানাসহ বা ছাড়াও) দণ্ডনীয় হয়।
৫৮.
একজন সামরিক সদস্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার আদেশে একটি স্থানে অভিযান পরিচালনা করে এবং সন্দেহভাজন একজন ব্যক্তিকে গুলি করে, পরে জানা যায় যে ব্যক্তি নিরপরাধ ছিল। The Penal Code, 1860 এর কোন ধারার অধীনে সামরিক সদস্য কর্তৃক কাজ অপরাধ গণ্য হবে না?
  1. ধারা ৭৪
  2. ধারা ৭৬
  3. ধারা ৭৭
  4. ধারা ৭৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭৬
ব্যাখ্যা
ধারা ৭৬ : আইনত বাধ্য বা ভুল ধারণাবশত নিজেকে আইনবলে বাধ্য বলে বিশ্বাসকারী ব্যক্তিবিশেষ কর্তৃক সম্পাদিত কার্য:
যে ব্যক্তি কোনো কিছু সম্পাদন করার জন্য আইনবলে বাধ্য বা তথ্যের ভুল ধারণাবশত, আইনের ভুল ধারণাবশত নয়, সরল বিশ্বাসে নিজেকে কোনো কিছু সম্পাদন করার নিমিত্তে আইনবলে বাধ্য বলে বিশ্বাস করে, সে ব্যক্তি উক্ত কাজ সম্পাদন করলে তা অপরাধ নয়।

উদাহরণহসমূহ [Illustrations]:
ক) সৈনিক ‘ক’ তার উর্ধ্বতন অফিসারের আদেশ অনুযায়ী আইনের নির্দেশ মোতাবেক কোনো জনতার ওপর গুলি চালায়। ‘ক’ কোনো অপরাধ করে নাই।

খ) বিচারালয়ের কোনো এক কর্মকর্তা ‘ক’ উক্ত বিচারালয় কর্তৃক ‘ম’ কে গ্রেফতার করার জন্য আদিষ্ট হয় এবং যথাযথ তদন্তের পর ‘খ’ কে ‘ম’ মনে করে ‘খ’ কে গ্রেফতার করেন। ‘ক’ কোনো অপরাধ সংঘটিত করেনি।
৫৯.
দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার মতে, মারামারি বলতে কী বোঝায়?
  1. কোনো ব্যক্তির ওপর শারীরিক আক্রমণ
  2. আত্মরক্ষার জন্য লড়াই করা
  3. যেকোনো ধরণের শারীরিক সংঘর্ষ
  4. প্রকাশ্য স্থানে জনশান্তি বিঘ্নিত করা
সঠিক উত্তর:
প্রকাশ্য স্থানে জনশান্তি বিঘ্নিত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রকাশ্য স্থানে জনশান্তি বিঘ্নিত করা
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান- মারামারি:
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।

Section-159: Affray:
When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".
৬০.
একজন ব্যক্তি একটি চুরির পরিকল্পনায় সহায়তা করে এবং চুরির সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকে। দণ্ডবিধির ১১৪ ধারার অধীনে তার শাস্তি কী হবে?
  1. কেবল সহযোগী হিসেবে শাস্তি হবে
  2. তার শাস্তি অপরাধের তুলনায় কম হবে
  3. তাকে মূল অপরাধী হিসেবে গণ্য করা হবে
  4. সে কোনো শাস্তি পাবে না
সঠিক উত্তর:
তাকে মূল অপরাধী হিসেবে গণ্য করা হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাকে মূল অপরাধী হিসেবে গণ্য করা হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ১১৪: অপরাধ সংঘটনের সময় উপস্থিত প্ররোচনাকারী:
যখন কোনো ব্যক্তি, যে অনুপস্থিত থাকলে প্ররোচনাকারী হিসেবে শাস্তি পাওয়ার যোগ্য হতো, সেই ব্যক্তি যদি সেই কাজ বা অপরাধ সংঘটনের সময় উপস্থিত থাকে, যার জন্য সে প্ররোচনার কারণে শাস্তিযোগ্য হতো, তখন তাকে সেই কাজ বা অপরাধ সংঘটিত করেছে বলে গণ্য করা হবে

Section 114- Abettor present when offence is committed:
Whenever any person, who if absent would be liable to be punished as an abettor, is present when the act or offence for which he would be punishable in consequence of the abetment is committed,he shall be deemed to have committed such act or offence.
৬১.
কোন পরিস্থিতিতে দণ্ডবিধির ৯৫ ধারা প্রযোজ্য হবে?
  1. যখন কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে আঘাত করে
  2. যখন কাজটি এত ছোট যে সাধারণ মানুষ এতে অভিযোগ করবে না
  3. যখন কাজটি গুরুতর অপরাধের পর্যায়ে পড়ে
  4. যখন কাজটি সাধারণ মানুষকে ভয় বা বিপদে ফেলে
সঠিক উত্তর:
যখন কাজটি এত ছোট যে সাধারণ মানুষ এতে অভিযোগ করবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন কাজটি এত ছোট যে সাধারণ মানুষ এতে অভিযোগ করবে না
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৯৫ ধারা- সামান্য ক্ষতিকারক কার্য:
সামান্য ক্ষতিকারক যে কার্যে সাধারণ বোধ ও মেজাজ সম্পন্ন কোন ব্যক্তি ক্ষতির অভিযোগ করবে না, এমন কোন কাজ অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না- যদিও কার্যটির ফলে অনুরূপ ক্ষতিসাধিত হয় বা কাজটি অনুরূপ ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে প্রণোদিত হয়, অথবা কার্যটির ফলে অনুরূপ ক্ষতি হতে পারে বলে উহার সম্পন্নকারীর জানা থাকে।

Section 95. Act causing slight harm:
Nothing is an offence by reason that it causes, or that it is intended to cause, or that it is known to be likely to cause, any harm, if that harm is so slight that no person of ordinary sense and temper would complain of such harm.
৬২.
চোরাই মাল জানার পরেও 'ক' একটি টিভি অসাধুভাবে গ্রহণ করে, 'ক' সর্বোচ্চ কত দিনের জন্য দণ্ডিত হবে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
চোরাই মাল (Stolen Property):
দণ্ডবিধির ৪১০ ধারা অনুযায়ী- যে সম্পত্তির দখল চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার ফলে হস্তান্তরিত হয়েছে এবং যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ করা হয়েছে বা অপরাধমূলকভাবে বিশ্বাসভঙ্গ করা হয়েছে, সে সম্পত্তিকে “চোরাই সম্পত্তি” বলে গণ্য করতে হবে। অর্থাৎ, যে সম্পত্তি নিম্নোক্ত উপায়ে অর্জিত হয়েছে তাকে "চোরাই সম্পত্তি" বলে গণ্য করা হবে:
১. চুরি করে অর্জিত সম্পত্তি;
২. জোরপূর্বক আত্মসাৎ করে অর্জিত সম্পত্তি;
৩. দস্যুতা করে আনীত সম্পত্তি;
৪. অপরাধমূলক উপায়ে অর্জিত সম্পত্তি;
৫. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করে অর্জিত সম্পত্তি।

শাস্তি:
দণ্ডবিধির ৪১১ ধারা অনুসারে, যে ব্যক্তি চোরাই মাল গ্রহণ করে, সেই ব্যক্তি ৩ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
৬৩.
কোনো ব্যক্তি যদি কাউকে আত্মহত্যার জন্য সরঞ্জাম (যেমন দড়ি, বিষ) দিয়ে সহায়তা করে, তবে তা দণ্ডবিধির কোন ধারায় পড়বে?
  1. ১০৭ ধারা
  2. ৩০৬ ধারা
  3. ৩০২ ধারা
  4. ৫০৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩০৬ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০৬ ধারা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারা- আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:
কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করবে, উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 306- Abetment of suicide:
If any person commits suicide, whoever abets the commission of such suicide, shall be punished with imprisonment either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
৬৪.
সরকারি কর্মচারী বা ব্যাংকার কর্তৃক অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. দশ বছর কারাদণ্ড
  3. তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. শুধুমাত্র অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ৪০৯ - সরকারি কর্মচারী বা ব্যাংকার, বণিক বা প্রতিভূ কর্তৃক অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:
কোনো ব্যক্তি যদি সরকারি কর্মচারী হিসেবে তার পদমর্যাদাবলে অথবা ব্যাংকার, ব্যবসায়ী, ফ্যাক্টর, দালাল, এটর্নি বা প্রতিনিধি হিসেবে ব্যবসায় সূত্রে কোনোভাবে কোনো সম্পত্তির জিম্মাদার হয়ে বা উক্ত সম্পত্তির পরিচালনার ভারপ্রাপ্ত হয়ে সে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।
৬৫.
What is the minimum number of days a person must be wrongfully confined to be punished under Section 344 of the Penal Code?
  1. 3 days
  2. 7 days
  3. 10 days
  4. 15 days
সঠিক উত্তর:
10 days
উত্তর
সঠিক উত্তর:
10 days
ব্যাখ্যা
Section 344- Wrongful confinement for ten or more days:
Whoever wrongfully confines any person for ten days, or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.

দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারা- দশ বা ততোধিক দিনব্যাপি অবৈধভাবে অবরোধ:-
কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দশ বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে; তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
৬৬.
নিম্নলিখিত কোন কাজটি করলে দণ্ডবিধির ২২৮ ধারার অধীনে শাস্তি হতে পারে?
  1. বিচারকের কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করা
  2. আদালতে বিচারককে ইচ্ছাকৃতভাবে অপমান করা
  3. ক ও খ উভয়
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২২৮ ধারা-বিচার কার্যক্রমের আসন গ্রহণকারী কোন সরকারী কর্মচারীকে ইচ্ছাকৃতভাবে অপমান করা বা তাহার কার্যে বাধা দেওয়ার শাস্তি:
কোন সরকারী কর্মচারী কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের যেকোন পর্যায়ে নিয়ত থাকাকালে কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে অপমান করে বা তার কাজে বাধা প্রদান করে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 228- Intentional insult or interruption to public servant sitting in judicial proceeding:
Whoever intentionally offers any insult, or causes any interruption to any public servant, while such public servant is sitting in any stage of a judicial proceeding, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
৬৭.
পাঁচজন ব্যক্তি একটি ব্যাংকে ডাকাতি করার জন্য একত্রিত হয়। ডাকাতির সময় তাদের একজন নিরাপত্তারক্ষীকে হত্যা করে। এই পরিস্থিতিতে দণ্ডবিধির কোন ধারা প্রযোজ্য হবে?
  1. দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ৩৯৫ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারা- খুনসহকারে ডাকাতি:
যদি মিলিতভাবে ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি, যে কোন একজন অনুরূপ ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে খুন করে, তবে তাদের প্রত্যেকে মৃত্যুদণ্ডে অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।

Section 396- Dacoity with murder:
If any one of five or more persons, who are conjointly committing dacoity, commits murder in so committing dacoity, every one of those persons shall be punished with death, or imprisonment for life, or rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
৬৮.
কোনটি ফরেনসিক সাক্ষ্য নয়?
  1. চুল
  2. ডিএনএ
  3. মাইক্রোফিল্ম
  4. তালুর ছাপ
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোফিল্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোফিল্ম
ব্যাখ্যা
The Evidence Act, 1872 ধারা ৩:
যে সকল উপাদান বা বস্তু রক্ত, বীর্য, চুল, শরীরের যেকোনো উপাদান, অঙ্গ বা অঙ্গের অংশ, ডিঅক্সিরাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড (DNA), আঙুলের ছাপ, তালুর ছাপ, চোখের আইরিসের ছাপ এবং পদচিহ্ন বা অন্যান্য অনুরূপ উপাদানের সাথে সম্পর্কিত এবং যা—
(i) কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়েছে তা প্রতিষ্ঠা করতে পারে বা কোনো অপরাধ ও তার ভুক্তভোগী বা অপরাধ ও অপরাধীর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে; এবং
(ii) কোনো তথ্য প্রমাণ বা খণ্ডন করতে পারে—

সে সকল উপাদান বা বস্তু "শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ" (Physical or Forensic Evidence) বলে।

উল্লেখ্য, 'মাইক্রোফিল্ম' ডিজিটাল সাক্ষ্য।
৬৯.
সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ অনুযায়ী সাক্ষী হিসেবে যোগ্যতার মানদণ্ড কী?
  1. মামলা সম্পর্কে জ্ঞান
  2. প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়া
  3. জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝতে এবং উত্তর দিতে পারা
  4. খ ও গ উভয়
সঠিক উত্তর:
জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝতে এবং উত্তর দিতে পারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝতে এবং উত্তর দিতে পারা
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারার বিধান- যে সাক্ষ্য দিতে পারে:
সকল ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানের যোগ্য, যদি আদালত মনে না করেন যে, তাহার অল্প বয়স, অতি বৃদ্ধ বয়স, দৈহিক বা মানসিক ব্যাধি বা অনুরূপ অন্য কোন কারণে তাহাদিগকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা সেই প্রশ্নে যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে তাঁহারা অক্ষম।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারামতে, জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝতে ও যুক্তিসংগত উত্তর দিতে সক্ষম যে কোন ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে পারে।
সাধারণত অল্প বয়স্ক শিশু, অতিবৃদ্ধ ব্যক্তি, দৈহিক বা মানসিক ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যক্তি, মাতাল অথবা পাগল ব্যক্তি সাক্ষী হিসেবে অযোগ্য অর্থাৎ তারা সাক্ষ্য দিতে পারে না; তবে যদি তারা জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝতে ও যুক্তিসংগত উত্তর দিতে সক্ষম হয় তাহলে সাক্ষী হিসেবে যোগ্য বলে গণ্য হবে। এক্ষেত্রে তাদের বয়স, দৈহিক বা মানসিক অবস্থা সাক্ষ্য প্রদানে বাধার সৃষ্টি করবেনা।
৭০.
"দলিলের বিষয়বস্তু ছাড়া অন্য সকল বিষয় মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে" সাক্ষ্য আইনের কোথায় বলা হয়েছে?
  1. ৫৫ ধারায়
  2. ৫৬ ধারায়
  3. ৫৮ ধারায়
  4. ৫৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৯ ধারার বিধান- মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা ঘটনা প্রমাণ:
দলিলের বিষয়বস্তু ব্যতীত সকল ঘটনা মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।


⇒ Section-59. Proof of facts by oral evidence:
All facts, except the contents of documents, may be proved by oral evidence.
৭১.
কোন ধরণের বিবৃতি সর্বদা বিবৃতিদানকারীর বিরুদ্ধে যায়?
  1. Dying Declaration
  2. Confession
  3. Admission
  4. Dying Deposition
সঠিক উত্তর:
Confession
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Confession
ব্যাখ্যা
Confession (স্বীকারোক্তি):
বিবৃতিদানকারীর বিরুদ্ধে সরাসরি প্রভাব ফেলে এমন বিবৃতিকে Confession (স্বীকারোক্তি) বলা হয়। এটি এমন একটি বিবৃতি যেখানে অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজেই স্বীকার করেন যে তিনি অপরাধ সংঘটিত করেছেন।

অন্যদিকে:

Dying Declaration (মরণোত্তর ঘোষণা):
এটি একটি বিবৃতি যা মৃত্যুপথযাত্রী ব্যক্তি দেন, যেখানে তিনি তার মৃত্যুর কারণ বা মৃত্যুর জন্য দায়ী ব্যক্তির সম্পর্কে বলেন। এটি সবসময় বিবৃতিদানকারীর বিরুদ্ধে যায় না, বরং অপরাধীর বিরুদ্ধে যেতে পারে।

Admission (অঙ্গীকার বা স্বীকারোক্তি):
Admission মানে আংশিক বা পরোক্ষ স্বীকারোক্তি, যা সবসময় বিবৃতিদানকারীর বিরুদ্ধে যায় না। এটি কোনো ব্যক্তি কর্তৃক প্রাসঙ্গিক তথ্য বা ঘটনা স্বীকার করাকে বোঝায়, তবে এটি সরাসরি অপরাধ স্বীকার করে না।

Dying Deposition (মৃত্যুর পূর্বের জবানবন্দি):
Dying Deposition এবং Dying Declaration প্রায় একই ধরনের, তবে Dying Deposition বিচারকের সামনে শপথের ভিত্তিতে লিপিবদ্ধ করা হয় এবং এটি অধিকতর গ্রহণযোগ্য। এটি সবসময় বিবৃতিদানকারীর বিরুদ্ধে যায় না।
৭২.
কোন ক্ষেত্রে বিশারদের মতামত সাক্ষ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক নয়?
  1. বিক্রয় দলিল
  2. ডিজিটাল রেকর্ড
  3. ফরেনসিক সাক্ষ্য
  4. হস্তলিপি বা হাতের লেখা
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় দলিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় দলিল
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারার বিধান অনুযায়ি, নিম্নলিখিত ১৩টি ক্ষেত্রে বিশারদের মতামত সাক্ষ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে-
(i) বিদেশী আইন;
(ii) বিজ্ঞান;
(iii) শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক সাক্ষ্য;
(iv) ডিজিটাল রেকর্ড;
(v) চারুকলা;
(vi) হস্তলিপি বা হাতের লেখা;
(vii) আঙ্গুলের ছাপ বা টিপসহি;
(viii) পায়ের ছাপ;
(ix) তালুর ছাপ;
(x) চোখের কনীনিকার ছাপ;
(xi) টাইপ রাইটিং;
(xii) ট্রেড বা টেকনিকাল অভিব্যক্তির ব্যবহার;
(xiii) ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচিতি।

⇒ উল্লেখ্য যে, 'বিক্রয় দলিল' প্রাথমিক সাক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত।
৭৩.
একটি সম্পত্তি দীর্ঘদিন ধরে সোহেল ব্যবহার করছেন। হঠাৎ একদিন রফিক দাবি করলেন যে, এই সম্পত্তি তার বাবার নামে ছিল এবং সোহেল অবৈধভাবে এটি দখল করেছেন। এই পরিস্থিতিতে—
  1. রফিককে মালিকানা প্রমাণ করতে হবে
  2. সোহেলকে মালিকানা প্রমাণ করতে হবে
  3. আদালত তদন্ত করে মালিক নির্ধারণ করবে
  4. উভয় পক্ষকেই সমানভাবে মালিকানা প্রমাণ করতে হবে
সঠিক উত্তর:
রফিককে মালিকানা প্রমাণ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রফিককে মালিকানা প্রমাণ করতে হবে
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১১০ ধারা অনুযায়ী,
কোনো ব্যক্তি যদি কোনো সম্পত্তি দীর্ঘদিন ধরে দখল করে থাকে, তাহলে ধরে নেওয়া হয় যে সে-ই মালিক, যদি না অন্য কেউ প্রমাণ করতে পারে যে দখলকারী প্রকৃত মালিক নয়। সুতরাং, যেহেতু রফিক দাবি করছেন যে সম্পত্তিটি তার বাবার ছিল, তাই মালিকানা প্রমাণের দায়িত্ব রফিকের উপর বর্তাবে।

সাক্ষ্য আইনের ১১০ ধারার বিধান: মালিকানা প্রমানের দায়িত্ব:

যে ব্যক্তির কর্তৃত্বাধীনে কিছু আছে বলে দেখানো হয়, সে ব্যক্তি ঐটার কিনা এই প্রশ্ন উত্থিত হলে যে ব্যক্তি দাবি করে যে, দখলকারী ব্যক্তি সে জিনিসের মালিক নয়, তবে এটা প্রমাণের দায়িত্ব সে ব্যক্তির উপরই ন্যস্ত হয়।

Section-110- Burden of proof as to ownership:
When the question is whether any person is owner of anything of which he is shown to be in possession, the burden of proving that he is not the owner is on the person who affirms that he is not the owner.
৭৪.
"স্বীকারোক্তি হলো মৌখিক বা লিখিত (অথবা ডিজিটাল রেকর্ডে রয়েছে) বক্তব্য যা বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে কোন ধারণার সূত্রপাত করে" সাক্ষ্য আইনের কোথায় বলা হয়েছে?
  1. ১৮ ধারায়
  2. ১৭ ধারায়
  3. ১৬ ধারায়
  4. ১৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২: ১৭ ধারার বিধান- স্বীকারোক্তি সংজ্ঞায়িত:
একটি স্বীকারোক্তি হল একটি বক্তব্য, মৌখিক বা দলিলমূলক বা ডিজিটাল রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত, যা কোনো বিষয় বা প্রাসঙ্গিক তথ্য সম্পর্কে কোনো উপসংহার বা ধারণা প্রদান করে, এবং যা যেকোনো ব্যক্তির দ্বারা এবং নিম্নোক্ত বর্ণিত পরিস্থিতিতে করা হয়।

Section- 17. Admission defined
An admission is a statement, oral or documentary or contained in the digital record, which suggests any inference as to any fact in issue or relevant fact, and which is made by any of the persons, and under the circumstances, hereinafter mentioned.
৭৫.
Section 75 of the Evidence Act, 1872 deals with:
  1. Primary evidence
  2. Secondary evidence
  3. Public document
  4. Private document
সঠিক উত্তর:
Private document
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Private document
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৭৫ ধারায় বেসরকারি দলিল (Private Document) সম্পর্কিত আলোচনা করা হয়েছে।

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৭৫ ধারা অনুযায়ী,
প্রাইভেট ডকুমেন্ট (Private Document) হলো সেই সকল নথি বা দলিল যা পাবলিক ডকুমেন্টের অন্তর্ভুক্ত নয়। অর্থাৎ, সরকারি কর্তৃপক্ষের দ্বারা সংরক্ষিত বা প্রকাশিত নয় এমন নথি প্রাইভেট ডকুমেন্ট হিসেবে গণ্য হয়।

উদাহরণ: ব্যক্তিগত চিঠিপত্র, বিক্রয় চুক্তি, উইল, দানপত্র, কবলা দলিল ইত্যাদি।

৭৬.
সাক্ষ্য আইনের ৪১ ধারায় নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে আদালতের চূড়ান্ত রায় বা আদেশ প্রাসঙ্গিক নয়?
  1. বিবাহ সম্পর্কিত মামলায়
  2. দেউলিয়াত্ব সংক্রান্ত মামলায়
  3. স্বত্ত্ব ঘোষণা সংক্রান্ত মামলায়
  4. প্রবেট সংক্রান্ত মামলায়
সঠিক উত্তর:
স্বত্ত্ব ঘোষণা সংক্রান্ত মামলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বত্ত্ব ঘোষণা সংক্রান্ত মামলায়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৪১ ধারা - প্রবেট, এখতিয়ার ইত্যাদির ক্ষেত্রে কোনো রায়ের প্রাসঙ্গিকতা:
প্রবেট, অ্যাডমিরালটি, বিবাহ ও দেউলিয়াত্ব বিষয়ক এখতিয়ার প্রয়োগকালে কোনো উপযুক্ত আদালত উহার চূড়ান্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি দ্বারা যখন কোনো আইনগত চরিত্র কারও উপর আরোপ করে বা কাউকে উহা হতে বঞ্চিত করে, অথবা কোনো ব্যক্তিকে অনুরূপ চরিত্রের অধিকারী অথবা নির্দিষ্ট কোনো কিছুর অধিকারী বলে ঘোষণা করে এবং সেই অধিকার কোনো ব্যক্তিবিশেষের বিরুদ্ধে নহে, বরং সর্বজনীন বলে ঘোষণা করে, তখন অনুরূপ কোনো আইনগত চরিত্র বা অনুরূপ কোনো কিছুর উপর কোনো ব্যক্তির অধিকারের অস্তিত্ব যদি প্রাসঙ্গিক হয়, তবে উহা চূড়ান্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি প্রাসঙ্গিক।

- উক্ত রায় আদেশ বা ডিক্রি চূড়ান্তরুপে প্রমাণ করে যে,
 উক্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি দ্বারা যে আইনগত চরিত্র আরোপিত হয়, উহা বলবৎ হইবার সময় তাহা উদ্ভুত হইয়াছিল।
- উক্ত রায় আদেশ বা ডিক্রি দ্বারা কোন ব্যাক্তিকে আইন ভিত্তিক সত্তা হইতে বঞ্চিত করা হয়, তাহা হইতে উক্ত ব্যক্তিকে উহা দ্বারা বঞ্চিত করিবার সময় উক্ত ব্যক্তি উক্ত সত্তা হারাইয়াছিল।
- এবং উক্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি দ্বারা কোন ব্যক্তিকে কোন সম্পত্তির অধিকারী ছিল বা থাকা উচিত বলিয়া ঘোষণা করা হয়, সেই সম্পত্তির উক্ত সময় তাহারই সম্পত্তি ছিল।
৭৭.
আদালতে সাক্ষ্য গ্রহণের সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী সাক্ষীকে জেরা করার সময় ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করছেন। এই পরিস্থিতিতে এটি-
  1. অবৈধ, কারণ ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যায় না।
  2. শুধুমাত্র বিচারকের অনুমতি থাকলে বৈধ।
  3. বৈধ, কারণ জেরা করার সময় ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যায়।
  4. সাক্ষী ইঙ্গিতবাহী প্রশ্নের উত্তর না দিলে প্রশ্ন বাতিল হয়ে যাবে।
সঠিক উত্তর:
বৈধ, কারণ জেরা করার সময় ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যায়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈধ, কারণ জেরা করার সময় ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যায়।
ব্যাখ্যা
প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তাহার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাহাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয় ৷ সাক্ষ্য আইনের ১৪২ ধারার বিধান মতে, বিরুদ্ধপক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দি ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা চলিবে না। যে-সকল বিষয় ভুমিকামূলক অথবা অবিসংবাদিত অথবা পূর্বেই যথেষ্টরূপে প্রমাণিত হইয়াছে বলিয়া আদালত মনে করেন, সেই সকল বিষয় সম্পর্কে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করিবার অনুমতি আদালত অবশ্যই দিবেন।

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ১৪৩ ধারা অনুযায়ী,
জেরা করার সময় (cross-examination) ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন (leading questions) করা বৈধ।

সঠিক উত্তর: (খ) বৈধ, কারণ জেরা করার সময় ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যায়।
৭৮.
If a lawyer asks an indecent question that does not relate to the facts in issue, the court:
  1. Must allow the question since it is part of cross-examination
  2. Should let the witness decide whether to answer
  3. May forbid the question under Section 151
  4. Must remove the lawyer from the case
সঠিক উত্তর:
May forbid the question under Section 151
উত্তর
সঠিক উত্তর:
May forbid the question under Section 151
ব্যাখ্যা
Section 151- Indecent and scandalous questions:
The Court may forbid any questions or inquiries which it regards as indecent or scandalous, although such questions or inquiries may have some bearing on the questions before the Court, unless they relate to facts in issue, or to matters necessary to be known in order to determine whether or not the facts in issue existed.

সাক্ষ্য আইনের ১৫১ ধারা- অশ্লীল ও কুৎসাজনক প্রশ্ন:
যদি কোন প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসাবাদ আদালত অশ্লীল অথবা কেলেঙ্কারীজনক মনে করেন তবে আদালতের বিচার্য বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রশ্নটির কিছু গুরুত্ব থাকলেও আদালত এর প্রশ্ন নিষিদ্ধ করতে পারেন, প্রশ্নটি যদি না বিচার্য বিষয় সম্পর্কিত হয় অথবা বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব নির্ধারণের জন্য যা জানা প্রয়োজন এমনি বিষয় সম্পর্কিত হয়।
৭৯.
কোন পরিস্থিতিতে সাক্ষ্য আইন কার্যকর হয় না?
  1. ফৌজদারি মামলার শুনানিতে
  2. দেওয়ানি মামলার শুনানিতে
  3. প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত মামলায়
  4. সালিশকারকের সম্মুখে সংঘটিত কার্যাবলীতে
সঠিক উত্তর:
সালিশকারকের সম্মুখে সংঘটিত কার্যাবলীতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালিশকারকের সম্মুখে সংঘটিত কার্যাবলীতে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়-
ⅰ) The Army Act, 1952 অথবা The Naval Discipline Ordinance, 1961 অথবা The Air Force Act, 1953 এর ক্ষেত্রে;
ii) আদালত বা বিচারকের নিকট দাখিলকৃত কোন হলফনামার (Affidavits) ক্ষেত্রে;
iii) কোন সালিশকারক বা Arbitrator এর সম্মুখে সংঘটিত কার্যাবলীর ক্ষেত্রে অর্থাৎ সালিশের ক্ষেত্রে।

Section 1 ⇒ Extent:
It extends to the whole of Bangladesh and applies to all judicial proceedings in or before any Court, including Courts-martial, other than Courts-martial convened under the Army Act, 1952, the Naval Discipline Ordinance, 1961 or the Air Force Act, 1953 but not to affidavits presented to any Court or officer, nor to proceedings before an arbitrator.
৮০.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ১৬২ ধারা অনুসারে, কোনটি সঠিক?
  1. আদালতের অনুমতি ছাড়া কোনো নথি হাজির করা যাবে না
  2. সাক্ষী আপত্তি জানালে দলিল আদালতে হাজির করার প্রয়োজন নেই
  3. আপত্তি থাকলে আদালত স্বয়ংক্রিয়ভাবে দলিল বাতিল ঘোষণা করবে
  4. সমনপ্রাপ্ত সাক্ষীকে তার দখলস্থ দলিল আদালতে হাজির করতে হবে
সঠিক উত্তর:
সমনপ্রাপ্ত সাক্ষীকে তার দখলস্থ দলিল আদালতে হাজির করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমনপ্রাপ্ত সাক্ষীকে তার দখলস্থ দলিল আদালতে হাজির করতে হবে
ব্যাখ্যা
The Evidence Act, 1872 এর ১৬২ ধারা অনুসারে,
আদালতের আদেশে সমন দেওয়া হলে সাক্ষীকে তার দখলস্থ নথি বা দলিলগুলি আদালতে হাজির করতে হবে। দলিলের গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে কোনো আপত্তি থাকলে তা পরবর্তীতে বিবেচনা করা হবে।

যদি কোনো সাক্ষী আদালতের সমনকে অমান্য করেন এবং দলিল হাজির না করেন, তাহলে তিনি আদালতের অবমাননার দায়ে দণ্ডিত হতে পারেন। সুতরাং, দলিলের গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে যেকোনো আপত্তি থাকলেও, সাক্ষীকে আদালতের সমন অনুসারে দলিল হাজির করতে হবে।

Section-162. Production of documents:
A witness summoned to produce a document shall, if it is in his possession or power, bring it to Court, notwithstanding any objection which there may be to its production or to its admissibility. The validity of any such objection shall be decided on by the Court. 

The Court, if it sees fit, may inspect the document, unless it refers to matters of State, or take other evidence to enable it to determine on its admissibility.

Translation of documents:
If for such a purpose it is necessary to cause any document to be translated, the Court may, if it thinks fit, direct the translator to keep the contents secret, unless the document is to be given in evidence: and, if the interpreter disobeys such direction, he shall be held to have committed an offence under section 166 of the Penal Code.
৮১.
কখন ডিজিটাল রেকর্ডকে দলিলের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে?
  1. ২০১২ সালে
  2. ২০২০ সালে
  3. ২০২১ সালে
  4. ২০২২ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২২ সালে
ব্যাখ্যা
The Evidence(Amendment) Act, 2022 দ্বারা ডিজিটাল রেকর্ডকে দলিলের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ধারা ৩: ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রিক রেকর্ড বলতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো যুক্ত হবে-
⇒ ম্যাগনেটিক বা ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, কম্পিউটার মেমরি, মাইক্রোফিল্ম;
⇒ অডিও, ভিডিও, ডিজিটাল বহুমুখী ডিস্ক বা ডিজিটাল ভিডিও ডিস্ক (ডিভিডি), কম্পিউটার উৎপাদিত মাইক্রোফিচ ইত্যাদিতে প্রস্তুতকৃত, প্রেরিত, গৃহীত বা ধারণকৃত কোন রেকর্ড, ডাটা বা তথ্য;
⇒ ড্রোন ডেটা বা ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশনের রেকর্ড (সিসিটিভি), সেল ফোন, হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার; বা
⇒ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ তে সংজ্ঞায়িত অন্য কোন ডিজিটাল ডিভাইসের কোন রেকর্ডস।
৮২.
তামাদি আইন কখন থেকে কার্যকর হয়?
  1. ১৮০৯ সালের ১লা জানুয়ারি
  2. ১৯০৮ সালের ১লা জানুয়ারি
  3. ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারি
  4. ১৯১০ সালের ১লা জানুয়ারি
সঠিক উত্তর:
১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
⇒ বর্তমানে প্রচলিত তামাদি আইনটি ৭ আগস্ট ১৯০৮ সালে প্রণয়ন করা হয় (পাস/গৃহীত হয়), যা তামাদি আইন ১৯০৮ নামে পরিচিত।
- তামাদি আইন ১৯০৮ সালের ৯ নং আইন।
- এটি ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।
- বর্তমানে তামাদি আইনের ২৯টি ধারা এবং ১টি তফশিল বলবৎ আছে।
- তফসিলে মোকদ্দমা, আপিল এবং আবেদন দায়েরের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে। তফসিলে মোট ১৮৩টি অনুচ্ছেদ বলবৎ আছে।

- তফসিলের ৩টি বিভাগে ৩ ধরনের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে-
i. মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits]- অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯।
ii. আপিল দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals]- অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭।
iii. বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions]- অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩।
৮৩.
'Exclusion Of Time In legal Proceedings' সম্পর্কিত বিধান The Limitation Act, 1908 এর কত ধারায় রয়েছে?
  1. ১০ ধারায়
  2. ১২ ধারায়
  3. ১৪ ধারায়
  4. ১৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ ধারায়
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ১২ ধারার বিধান- আইনানুগ কার্যধারায় যে পরিমাণ সময় গণনা হতে বাদ দিতে হবে(Exclusion of time in legal proceedings)-
(১) কোনো মামলা, আপিল বা দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে, যেদিন হতে উক্ত মেয়াদ গণনা করতে হবে সেই দিন বাদ দিতে হবে।

(২) কোনো আপিল, আপিলের অনুমতির দরখাস্ত অথবা রায় পুনরীক্ষণের দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে, যে রায় সম্পর্কে অভিযোগ করা হবে, তা যেদিন ঘোষণা করা হয়েছে, সেইদিন এবং যে ডিক্রি, দন্ডাদেশ বা আদেশ সম্পর্কে আপিল করা হবে বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হবে, তার নকল গ্রহণ করতে যেই সময় আবশ্যক, তা বাদ দিতে হবে।

(৩) যেক্ষেত্রে ডিক্রি সম্পর্কে আপিল বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত ডিক্রি যেই রায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত, সেই রায়ের নকল পেতে যে সময় লাগে, তাও বাদ দিতে হবে।

(৪) কোনো রোয়েদাদ নাকচ করার দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে, রোয়েদাদের নকল পেতে যে সময় লাগে, তা বাদ দিতে হবে।
৮৪.
একটি ডিক্রি কার্যকর করতে গিয়ে সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় করা হয়। বিক্রয়টি রদের জন্য সংশ্লিষ্ট পক্ষ কতদিনের মধ্যে দরখাস্ত করতে পারবেন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১৬৬:
ডিক্রি জারিতে বিক্রয় রদ করার জন্য দরখাস্ত [to set aside a sale in exceution of a decree]:
তামাদি- ৩০ দিন।
সময় গণনা শুরু-নিলাম বিক্রয়ের তারিখ হতে।
৮৫.
According to Section 11(1) of the Limitation Act, 1908, suits on contracts entered into in a foreign country and instituted in Bangladesh-
  1. Can be filed at any time
  2. Have no limitation period
  3. Are subject to the limitation rules of Bangladesh
  4. Are subject to the foreign country's limitation rules
সঠিক উত্তর:
Are subject to the limitation rules of Bangladesh
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Are subject to the limitation rules of Bangladesh
ব্যাখ্যা
Section 11: Suits on foreign contracts-
(1) Suits instituted in Bangladesh on contracts entered into in a foreign country are subject to the rules of limitation contained in this Act. 
(2) No foreign rule of limitation shall be a defence to a suit instituted in Bangladesh on a contract entered into in a foreign country, unless the rule has extinguished the contract and the parties were domiciled in such country during the period prescribed by such rule.

• তামাদি আইন,১৯০৮ এর ধারা ১১ বৈদেশিক চুক্তির উপর মামলার (Suits on foreign contracts) ক্ষেত্রে তামাদির বিধান উল্লেখ করেছে। উক্ত ধারা অনুযায়ী,
⇒ বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে যেইসব মামলা দায়ের করা হয়, সেগুলি এ আইনে উল্লেখিত তামাদির বিধিসমূহের অধীন।

⇒ বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে দায়েরকৃত মামলার ক্ষেত্রে বিদেশী কোনো আইনে তামাদি সংক্রান্ত বিধি জবাব স্বরূপ গ্রহণীয় হবে না।
তবে যদি, সেই বিধি অনুসারে চুক্তিটির পরিসমাপ্তি ঘটে থাকে এবং যদি উক্ত বিধি অনুসারে নির্ধারিত সময়কালে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ সেই দেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করে থাকে, সেক্ষেত্রে তার ব্যতিক্রম হবে।
৮৬.
একজন ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে চান, কিন্তু রায়ের তারিখ থেকে ১০ দিন পার হয়ে গেছে। তামাদি আইনের ১৫০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এই অবস্থায় কী হবে?
  1. তিনি স্বাভাবিকভাবে আপিল করতে পারবেন
  2. আপিলের সময়কাল বাড়ানো হবে
  3. তিনি ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে পারবেন
  4. তার আপিল গ্রহণযোগ্য হবে না
সঠিক উত্তর:
তার আপিল গ্রহণযোগ্য হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার আপিল গ্রহণযোগ্য হবে না
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৫০ অনুচ্ছেদে মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ আছে।

অনুচ্ছেদ ১৫০ এর বিধান-
দায়রা আদালত কর্তৃক অথবা মূল ফৌজদারি এখতিয়ার প্রয়োগকালে হাইকোর্ট কর্তৃক প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে আপিল দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে দায়ের করতে হবে।

১৫০ অনুচ্ছেদ অনুসারে,
মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের মেয়াদ দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৭ দিন। তাই আপিলের সময়সীমা অতিক্রম করেছে, তাই আপিল গ্রহণযোগ্য হবে না।
৮৭.
তামাদি আইনের কোন ধারায় Adverse Possession বা জবর দখলের বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ২৬
  2. ধারা ২৭
  3. ধারা ২৮
  4. ধারা ২৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৮
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ২৮ ধারার বিধানে Adverse possession বা জবর দখলের কথা বলা হয়েছে।

ধারা ২৮: সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্তি:
কোনো সম্পত্তির দখল প্রাপ্তির জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে এই আইনে যে মেয়াদ নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সেই সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

Section 28: Extinguishment of right to property:
At the determination of the period hereby limited to any person for instituting a suit for possession of any property, his right to such property shall be extinguished.
৮৮.
সুমনের বাবা মারা যাওয়ার পর তার সম্পত্তির ওপর তার চাচা জোরপূর্বক দখল করে নেয়। তখন সুমনের বয়স ছিল ১০ বছর। সে সম্পত্তির মালিকানা ফিরে পেতে মামলা করতে চায়। তামাদি আইনের অধীনে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর কত বছরের মধ্যে সে মামলা করতে পারবে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ৬ ধারা অনুযায়ী ৩টি বিষয়কে আইনগত অপারগতা (Legal Disability) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
১. নাবালকত্ব [Minority]
২. উন্মাদ [Insanity]
৩. জড়বুদ্ধি বা চরম বুদ্ধিহীনতা [Idiocy]।

• আইনগত অপারগতার ক্ষেত্রে যখন মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে মামলা করার অধিকারী কোন ব্যক্তি যে সময়ে সে মামলা করার অধিকারী হয় উক্ত সময়ে সে নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকলে তার মামলা করার তামাদির মেয়াদ গণনা করা শুরু হবে যখন তার এই আইনগত অপারগতা অর্থাৎ নাবালকত্ব, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধিতার অবসান হবে তখন থেকে।

• ধারা ৮ হচ্ছে ৬ ও ৭ ধারার আইনগত অপারগতার ব্যতিক্রম। ৮ ধারায় উল্লেখিত বিশেষ ব্যতিক্রম সাপেক্ষে ৬ ও ৭ ধারায় উল্লেখিত আইনগত অপারগতা বিশ্লেষণ করতে হবে। নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ৬ এবং ৭ ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে না-

১. অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার বলবৎকরণের মামলায়, এবং

২. আইনগত অপারগতার অবসান হওয়ার পর বা আইনগত অক্ষম ব্যক্তির মৃত্যু হওয়ার তিন (৩) বছরের বেশী সময় তামাদির মেয়াদ থাকবে না এবং সর্বোচ্চ এই ৩ বৎসরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। অর্থাৎ যেক্ষেত্রে ৬ বা ৭ ধারায় আইনগত অপারগতার সুবিধা প্রার্থনা করা হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত আইনগত অক্ষমতার অবসান হওয়ার পর সর্বোচ্চ ৩ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে অন্যথায় মোকদ্দমা খারিজ হবে।
৮৯.
'ক' একটি নিলামে অংশগ্রহণ করে এবং আদালতের ডিক্রি জারির মাধ্যমে একটি সম্পত্তি ক্রয় করে। তবে, বিক্রয়টি বাতিলের জন্য তৃতীয় পক্ষ একটি মামলা দায়ের করে, যা ২ বছর ধরে চলে। 'ক' এই সময়ের পর দখল নিতে চাইলে তামাদি আইনের ১৬ ধারা অনুযায়ী সময় গণনা কীভাবে হবে?
  1. ২ বছর বাদ দিয়ে তামাদির মেয়াদ গণনা হবে
  2. নিলামের তারিখ থেকেই তামাদির সময় গণনা হবে
  3. বিক্রয় বাতিলের মামলা থাকলেও তামাদির মেয়াদ পরিবর্তন হবে না
  4. ক্রেতার দখল পাওয়ার জন্য নতুন করে সময় নির্ধারণ করা হবে না
সঠিক উত্তর:
২ বছর বাদ দিয়ে তামাদির মেয়াদ গণনা হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর বাদ দিয়ে তামাদির মেয়াদ গণনা হবে
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ১৬ ধারা নিলাম বিক্রয় সম্পর্কে বলা আছে-
ডিক্রি জারির বিক্রয়ে ক্রেতা কর্তৃক দখল লাভের জন্য দায়েরকৃত মামলার জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করার সময়, যে সময়কাল ধরে বিক্রয় বাতিলের জন্য কার্যধারা চালানো হয়েছে, সেই সময়কাল বাদ দেওয়া হবে।

Section 16: Exclusion of time during which proceedings to set aside execution-sale are pending-
In computing the period of limitation prescribed for a suit for possession by a purchaser at a sale in execution of a decree, the time during which a proceeding to set aside the sale has been prosecuted shall be excluded.
৯০.
তামাদি আইনের কত ধারায় তামাদি গননায় প্রতারণার ফলাফল সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ১৬ ধারায়
  2. ১৭ ধারায়
  3. ১৮ ধারায়
  4. ১৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ১৮ ধারার বিধান প্রতারণার ফলাফল- 
যেক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি একটা মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করার অধিকারী হয়। কিন্তু প্রতারণার মাধ্যমে তাকে সেই অধিকারের বিষয় অথবা যেই স্বত্বের উপর উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত সেই বিষয় জানতে দেওয়া হয়নি অথবা যেক্ষেত্রে উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য যে দলিল প্রয়োজনীয়, তা প্রতারণা করে তার নিকট হতে গোপন রাখা হয়েছে, সে সকল ক্ষেত্রে-
(ক) প্রতারণার জন্য দোষী ব্যক্তির বা তার সহযোগীর বিরুদ্ধে, অথবা
(খ) যে ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময় ভিন্ন অন্যভাবে উক্ত দোষী ব্যক্তির মাধ্যমে স্বত্ব দাবি করে তার বিরুদ্ধে-

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেদিন প্রতারণার কথা জানতে পারে, সেদিন হতে অথবা দলিল গোপন করা হয়ে থাকলে, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেদিন দলিলটি উপস্থাপন করতে সমর্থ হয় বা অপর পক্ষকে তা উপস্থাপন করার জন্য বাধ্য করতে পারে, সেদিন হতে মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।
৯১.
Which article of The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972 ensures that no woman shall be disqualified from becoming an advocate based on her sex?
  1. Article 25
  2. Article 26
  3. Article 28
  4. Article 30
সঠিক উত্তর:
Article 28
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Article 28
ব্যাখ্যা
Article 28 of The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972:

"No woman shall be disqualified for admission to be an advocate for reason only of her sex."
"কোনো নারী তার লিঙ্গের কারণে অ্যাডভোকেট হিসেবে গৃহীত হওয়ার অযোগ্য হবে না।"
৯২.
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972-এর অনুচ্ছেদ ৩৪(৬) অনুসারে, মিথ্যা অভিযোগ প্রমাণিত হলে কে জরিমানা দিতে বাধ্য থাকবে?
  1. আদালত
  2. অভিযোগকারী
  3. বার কাউন্সিল
  4. অভিযুক্ত অ্যাডভোকেট
সঠিক উত্তর:
অভিযোগকারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযোগকারী
ব্যাখ্যা
• The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর ৩৪ (৬) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী,
যদি বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল মনে করে, অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা, সে ক্ষেত্রে অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা জরিমানা করতে পারে।

Article- 34(6):
The Tribunal may make such order as to the costs of proceedings before it as it may deem fit; and where the Tribunal is of the opinion that a complaint made against advocate is false and vexatious, it may, in addition, and without prejudice to any other remedy available to an advocate, impose deterrent costs not exceeding a sum of five hundred taka upon the complainant, which shall be paid to the advocate as compensation.
৯৩.
যদি কোনো অনিবন্ধিত ব্যক্তি আইনচর্চা করে, তবে তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৩ মাসের কারাদণ্ড
  2. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  3. ১ বছরের কারাদণ্ড
  4. ২ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৬ মাসের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাসের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972: অনুচ্ছেদ ৪১ অনুসারে,
আইনজীবী নয় এমন ব্যক্তির আইনচর্চা করলে অভিযুক্ত ব্যক্তির শাস্তি হবে সর্বোচ্চ ছয় মাস কারাদণ্ডাদেশ।

Article- 41:
Any person who is not an advocate and practises the profession of law and any person who is not entitled under this Order to practise in the High Court practises before that Court shall be punishable with imprisonment for a term which may extend to six months.