পরীক্ষা আর্কাইভ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষা৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়15 minutes
মোট প্রশ্ন৩৭
সিলেবাস
রিভিশন পরীক্ষা টপিক: এই বাটনে অনুষ্ঠিত বিগত ৪ টি পরীক্ষার টপিকের উপর রিভিশন পরীক্ষা [ফুল মডেল টেস্ট ব্যতিত]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৭ প্রশ্ন

.
She made me wash the car. (Passive)
  1. I had been made to wash the car by her. 
  2. I was made to wash the car by her. 
  3. I was made wash the car by her.
  4. I was being made to wash the car by her. 
সঠিক উত্তর:
I was made to wash the car by her. 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
I was made to wash the car by her. 
ব্যাখ্যা

• Need, bid, dare, make, hear, feel, let, know, behold, watch ইত্যাদি verb গুলোর পর Active voice এর 'to' উহ্য থাকে।
- তবে passive করার সময় তাদের পর 'to' বসে। 

• নিয়মানুযায়ী,
- Object -কে Subject করতে হবে।
-  Tense ও subject অনুযায়ী Auxiliary verb (was) বসে।
- তারপর মূল Verb -এর Past Participle বসবে।
- তারপর Active voice -এ  উহ্য থাকা to বসবে।
- তারপর বাকি অংশ বসবে।
- শেষে by + Active voice -এর Subject টি Object হবে।

Active: She made me wash the car.
- এখানে Active voice এ 'made' থাকায় passive করার সময় 'to' বসবে। 
Passive: I was made to wash the car by her. 

Active: She made me clean the room.
Passive: I was made to clean the room by her.

- এখানে Active voice এ 'made' থাকায় passive করার সময় 'to' বসবে। 

Source: Advanced Learner's English Grammar & Composition

.
Select the correct spelling-
  1. Ubquitous
  2. Ubiquitous
  3. Ubequitous
  4. Ubiquetous
সঠিক উত্তর:
Ubiquitous
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ubiquitous
ব্যাখ্যা

• The correct spelling is 'Ubiquitous'.

Ubiquitous (adjective)
English Meaning: Something that is present, found, or existing everywhere or in many places at the same time.
Bangla Meaning: সর্বব্যাপী; সর্বত্র বিদ্যমান।

Example Sentence:
- I think we'll remember this war as the war of the ubiquitous video phone.
- In five years how close will we be to ubiquitous or pervasive computing?

Source: Cambridge Dictionary. Accessible Dictionary by Bangla Academy.

.
Because of the cold outside, we stayed at home. (Transform it Complex)
  1. Since we stayed at home as it is cold outside.
  2. Although it was cold outside, we stayed at home.
  3. Since it was cold outside, we stayed at home.
  4. It was cold outside and we stayed at home.
সঠিক উত্তর:
Since it was cold outside, we stayed at home.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Since it was cold outside, we stayed at home.
ব্যাখ্যা

Simple: Because of the cold outside, we stayed at home.
Complex: Since it was cold outside, we stayed at home.

• Because of যুক্ত Simple Sentence কে Complex Sentence এ পরিণত করার নিয়ম:
• প্রথমে since বসে,
- subject বসে,
- verb বসে,
- Adjective/noun বসে,
- Comma বসে,
- অপর বাক্যটি বসে।

Simple: Because of their playing well, they won the game.
Complex: Since they played well, they won the game.

Simple: Because of his hard work, he passed the exam.
Complex: Since he worked hard, he passed the exam.

Source: Advanced Learners Communicative English by Chowdhury and Hossain.

.
The meaning of the word “Unanimous” is- 
  1. Divided in opinion
  2. Fully agreed
  3. Confused
  4. Angry
সঠিক উত্তর:
Fully agreed
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Fully agreed
ব্যাখ্যা

• Correct Answer: Fully agreed.

• Unanimous 
- English Meaning: formed with or indicating unanimity.
- Bangla Meaning: একমত; সর্বসম্মত। 

Given Options:
ক) Divided in opinion - বিভক্ত। 

খ) Fully agreed - সর্বসম্মত। 

গ) Confused - বিভ্রান্ত। 

ঘ) Angry - রাগান্বিত। 

- Among the given options, 'Fully agreed' is the correct answer.

Source: Merriam-Webster Dictionary, Accessible Dictionary, Cambridge Dictionary.

.
He ran fast so that he might catch the flight. (Transform into Simple Sentence.)
  1. He ran fast to catch the flight.
  2. He ran fast to caught the flight. 
  3. He ran fast, catch the flight. 
  4. He ran fast than catch the flight. 
সঠিক উত্তর:
He ran fast to catch the flight.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
He ran fast to catch the flight.
ব্যাখ্যা

- Complex: He ran fast so that he might catch the flight.
- Simple: He ran fast to catch the flight.

• So that যুক্ত complex কে simple করার নিয়ম:

- প্রদত্ত sentence এর প্রথম থেকে so এর পূর্ব পর্যন্ত বসে,
- so that থেকে many/might/can/could/ পর্যন্ত উঠে যায়,
- to বসে,
- প্রদত্ত sentence এর বাকি অংশ বসে।

Complex: He worked hard so that he could prosper.
Simple: He worked hard to prosper.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

.
A synonym of “Vivid” is— 
  1. Dull
  2. Pale
  3. Clear
  4. Weak
সঠিক উত্তর:
Clear
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Clear
ব্যাখ্যা

• Correct Answer: Clear.

• Vivid
- English Meaning: producing a strong or clear impression on the senses : sharp, intense.
- Bangla Meaning:  স্পষ্ট ও পরিচ্ছন্ন; জীবন্ত।

• Given Options:
ক) Dull - নিষ্প্রভ। 

খ) Pale - মলিন; বিবর্ণ; ফ্যাকাসে।

গ) Clear - স্বচ্ছ।

ঘ) Weak - দুর্বল।

- Among the given options, 'clear' is the correct answer.
 
Source: Merriam-Webster Dictionary, Accessible Dictionary, Cambridge Dictionary.

.
You must work hard in order to succeed.  (compound)
  1. Work hard and being successful. 
  2. Work hard or you will succeed. 
  3. Work hard and you will succeed. 
  4. If you work hard, you will become successful. 
সঠিক উত্তর:
Work hard and you will succeed. 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Work hard and you will succeed. 
ব্যাখ্যা

- The correct answer is - গ) Work hard and you will succeed.

Simple Sentence-এ যদি to + verb (যেমন: to succeed, to pass, to win ইত্যাদি) কোনো উদ্দেশ্য (purpose) প্রকাশ করে, অথবা যদি in order to ব্যবহৃত হয়, তাহলে এই বাক্যটিকে Compound Sentence-এ রূপান্তর করার সময় নিচের নিয়ম অনুসরণ করতে হয়:
- to + verb থাকলে, "to" বাদ দিতে হবে এবং বাক্যটির পূর্বের অংশটিকে Imperative Sentence (আদেশমূলক বাক্য) হিসেবে রূপান্তর করতে হবে।
- এরপর "and (you will)" বসিয়ে বাক্যের দ্বিতীয় অংশটি যুক্ত করতে হবে।
- in order to + verb থাকলে, “in order to”-র জায়গায় “and (you will)” বসাতে হবে।

• Examples:
Simple: Do it in order to get money.
Compound: Do it and (you will) get money.

Simple: You must work hard in order to succeed. 
Compound: Work hard and you will succeed.

Simple: Study hard in order to pass the exam. 
Compound: Study hard and (you will) pass the exam.

Other options:
ক) Work hard and being successful.
- and দিয়ে যুক্ত হওয়া দুই অংশই একই ধরণের হতে হয়।
- এখানে Work hard একটি Imperative clause, কিন্তু being successful একটি gerund/participle phrase।
- দুইটি independent clause নয়, তাই এটি compound sentence হতে পারে না।

খ) Work hard or you will succeed.
- or সাধারণত বিকল্প বা শর্ত বোঝায়।
- এই বাক্যের অর্থ দাঁড়ায়: কঠোর পরিশ্রম করো, নতুবা তুমি সফল হবে — যা যুক্তিগতভাবে ভুল।
- ব্যাকরণগতভাবে sentence ঠিক হলেও মূল অর্থের সাথে মিল নেই।

ঘ) If you work hard, you will become successful.
- এখানে if ব্যবহার করা হয়েছে, যা একটি subordinating conjunction।
- তাই এটি এখনো একটি Complex sentence, compound নয়।
- প্রশ্নে compound sentence চাওয়া হয়েছে।

Source: A Passage to the English Language by S M Zakir Hussain.

.
The antonym of “vacant” is:
  1. Burble
  2. Occupied
  3. Hollow
  4. Brust
সঠিক উত্তর:
Occupied
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Occupied
ব্যাখ্যা

• Correct Answer: Occupied.

Vacant
- English Meaning: not occupied by an incumbent, possessor, or officer.
- Bangla Meaning: শূন্য; রিক্ত; খালি; ফাঁকা।

Given Options:
ক) Burble - গদগদ/কলকল শব্দ করা।

খ) Occupied - অধিকৃত; কবলিত। 

গ) Hollow -  ফাঁপা; শূন্যগর্ভ।

ঘ) Brust - ফেটে যাওয়া।

- Among the given options, 'Occupied' is the correct answer.

Source: Merriam-Webster Dictionary, Accessible Dictionary, Cambridge Dictionary.

.
As soon as he entered the room, the police started asking questions. (Transform it into negative.)
  1. No sooner had he enterd the room than the police started asking questions. 
  2. No sooner had he entered the room than the police started asking questions. 
  3. No sooner had he entered the room then the police started asking questions.
  4. No sooner had he entered the room when the police started asking questions. 
সঠিক উত্তর:
No sooner had he entered the room than the police started asking questions. 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
No sooner had he entered the room than the police started asking questions. 
ব্যাখ্যা

Affirmative: As soon as he entered the room, the police started asking questions.
Negative: No sooner had he entered the room than the police started asking questions. 

• As soon as যুক্ত sentence কে Negative করতে হলে:

• Structure:
- As soon as এর জায়গায় no sooner had বসবে,
- প্রদত্ত Sentence এর কর্তা বসে ,
- সে Sentence এর মূল verb এর past participle form বসে,
-  sentence এর বাকী অংশ বসে + than + দ্বিতীয় বাক্য অপরিবর্তিত ভাবে বসে।

• Example:
• Affirmative: As soon as he saw the tiger, he ran away.
• Negative: No sooner had he seen the Tiger than he ran away.

Other Options:
ক) No sooner had he enterd the room than the police started asking questions.
- entered শব্দটি ভুল বানানে লেখা হয়েছে (enterd), তাই ব্যাকরণগতভাবে ভুল।

গ) No sooner had he entered the room then the police started asking questions.
- then (সময় বোঝায়) ব্যবহার করা হয়েছে
- এখানে প্রয়োজন than (তুলনামূলক conjunction).

ঘ) No sooner had he entered the room when the police started asking questions.
- when এখানে গ্রহণযোগ্য নয়
- No sooner সবসময় than এর সাথে ব্যবহৃত হয়।

১০.
Choose the correct meaning of “Well-off”- 
  1. Poor
  2. Wealthy
  3. Sick
  4. Careless
সঠিক উত্তর:
Wealthy
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Wealthy
ব্যাখ্যা

• Correct Answer: খ) Wealthy.
 
• Well-off (Phrase)
- English Meaning: rich / the state or condition of being well off; (now) especially wealth, prosperity.
- Bangla Meaning: স্বচ্ছল

Ex. Sentence: He comes from a well-off family.
Bangla Meaning: সে একটি সচ্ছল পরিবারের সন্তান।

Given Options:
ক) Poor - দরিদ্র।

খ) Wealthy - ধনী।

গ) Sick - অসুস্থ।

ঘ) Careless - অসতর্ক।

- Among the given options, 'Wealthy' is the correct answer.

Source: Merriam-Webster Dictionary, Accessible Dictionary, Cambridge Dictionary.

১১.
'বীরবল' ছদ্মনামটি কার?  
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় 
  3. মধুসূধন মজুমদার
  4. প্রমথ চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
প্রমথ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যা

প্রমথ চৌধুরী:
- প্রমথ চৌধুরী ছিলেন একজন বাঙালি প্রাবন্ধিক, কবি এবং লেখক।
- তাকে বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক বলা হয়।
- তিনি ১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট যশোরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা দুর্গাদাস চৌধুরী ছিলেন জমিদার।
- তাঁর ছদ্মনাম হচ্ছে- বীরবল।
- তিনি নিজেকে “বাংলা সাহিত্যের বীরবল” হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন।
- তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাইয়ের মেয়ে ইন্দ্রাদেবীকে বিয়ে করেন।
- তিনি সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
- পত্রিকাটি ১৯১৪ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- তিনি মাসিক সবুজপত্র প্রকাশের মাধ্যমে বাংলা চলিত গদ্যরীতির সূচনা করেন, যা তাঁর জীবনের সর্বোচ্চ কীর্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনা-
• কাব্যগ্রন্থ: সনেট পঞ্চাশৎ।
• গল্পগ্রন্থ: নীললোহিত ও চার ইয়ারি কথা।
• প্রবন্ধগ্রন্থ: তেল নুন লকড়ি ও বীরবলের হালখাতা।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর;
বাংলাপিডিয়া।

১২.
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম উপন্যাস কোনটি? 
  1. বড়দিদি
  2. দেবদাস 
  3. শ্রীকান্ত 
  4. শেষের পরিচয় 
সঠিক উত্তর:
বড়দিদি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বড়দিদি
ব্যাখ্যা

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ছিলেন বাংলা সাহিত্যের একজন কিংবদন্তি ঔপন্যাসিক, গল্পকার ও কথাশিল্পী।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মস্থান পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার দেবানন্দপুর গ্রাম।
- তিনি ১৮৭৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর এই গ্রামেই জন্মগ্রহণ করেন।
- বাংলা সাহিত্যে তিনি এক অনন্য কথাশিল্পী হিসেবে পরিচিত।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বিভিন্ন ছদ্মনামে লেখালেখি করতেন।
- তাঁর ছদ্মনামগুলোর মধ্যে অনিলা দেবী সবচেয়ে পরিচিত।
- বাংলা সাহিত্যে অসাধারণ জনপ্রিয়তা ও সার্থক কথাশিল্পের জন্য তাঁকে ‘অপরাজেয় কথাশিল্পী’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- তাঁর সাহিত্যকৃতির স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ১৯৩৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডিলিট উপাধি লাভ করেন।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস ‘বড়দিদি’ ১৯০৭ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- এই উপন্যাস প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই তিনি সাহিত্যজগতে পরিচিত ও জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন।
• তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাসগুলোর মধ্যে আছে- 
- ‘দেবদাস’, 
- 'পরিনিতা',
- 'চরিত্রহীন',
- 'পল্লীসমাজ',
- ‘পথের দাবী’,
- ‘শেষের পরিচয়’,
- ‘দেনা-পাওনা’,
- 'গৃহদাহ', 
- ‘শ্রীকান্ত’। 

• তাঁর প্রকাশিত প্রথম ছোটগল্প হলো- ‘মন্দির’। 
- এই গল্পের জন্য তিনি কুন্তলীন পুরস্কার লাভ করেন।

• শরৎচন্দ্রের আরও কয়েকটি বিখ্যাত ছোটগল্প হলো-
- ‘মহেশ’,
- ‘অভাগীর স্বর্গ’,
- ‘বিলাশী’।

• এছাড়া তিনি নাটকও রচনা করেছেন, যার মধ্যে- ‘রমা’ ও ‘ষোড়শী’ উল্লেখযোগ্য।

উৎস: 
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
গদ্য, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বাংলাপিডিয়া। 

১৩.
‘তোমাকে পাওয়ার জন্যে হে স্বাধীনতা’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত? 
  1. বিধ্বস্ত নীলিমা 
  2. ফিরিয়ে নাও ঘাতক কাঁটা
  3. বন্দী শিবির থেকে
  4. রৌদ্রকরোটিতে 
সঠিক উত্তর:
বন্দী শিবির থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বন্দী শিবির থেকে
ব্যাখ্যা

• শামসুর রাহমান:
- শামসুর রাহমান ছিলেন একজন বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক।
- তিনি ১৯২৯ সালের ২৩ অক্টোবর পুরান ঢাকার ৪৬ নম্বর মাহুতটুলীতে জন্মগ্রহণ করেন।
- তার পৈত্রিক বাড়ি ঢাকা জেলার রায়পুর থানার পাড়াতলী গ্রামে। 
- শামসুর রাহমান বাংলা সাহিত্যের দ্বিতীয়ার্ধের অন্যতম প্রধান কবি হিসেবে পরিচিত।
- মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি “মজলুম আদিব” ছদ্মনামে লিখতেন।
- তিনি দৈনিক বাংলা পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
- শামসুর রাহমানের অসংখ্য কাব্যগ্রন্থ রয়েছে।

“তোমাকে পাওয়ার জন্য হে স্বাধীনতা” কবিতা:

- শামসুর রাহমানের একটি জনপ্রিয় কবিতা হচ্ছে- “তোমাকে পাওয়ার জন্য হে স্বাধীনতা”।
- কবিতাটি তাঁর ‘বন্দী শিবির থেকে’ (১৯৭২) কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।
- এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময়কার লেখা একটি কবিতা।
- এখানে স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা ও যুদ্ধকালীন আবেগ গভীরভাবে প্রকাশ পেয়েছে।
- পরে এই কবিতাটি কবির ‘শ্রেষ্ঠ কবিতা’ সংকলনেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়। 

• কবিতা: তোমাকে পাওয়ার জন্যে হে স্বাধীনতা।
• কবি: শামসুর রহমান।

"তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা,
তোমাকে পাওয়ার জন্যে
আর কতবার ভাসতে হবে রক্তগঙ্গায়?
আর কতবার দেখতে হবে খাণ্ডবদাহন?"
-----------------------------------------

• তাঁর উল্লেখযোগ্য কিছু কাব্যগ্রন্থ হলো:
- প্রথম গান, দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে (প্রথম কাব্যগ্রন্থ);
- রৌদ্র করোটিতে;
- বিধ্বস্ত নীলিমা;
- বন্দী শিবির থেকে;
- নিজ বাসভূমে;
- বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়;
- উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া।

১৪.
কোনটি হুমায়ূন আহমেদের রচনা নয়?
  1. নামহীন গোত্রহীন 
  2. লীলাবালি
  3. বাদশা নামদার 
  4. শঙ্খনীল কারাগার 
সঠিক উত্তর:
নামহীন গোত্রহীন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নামহীন গোত্রহীন 
ব্যাখ্যা

 ‘নামহীন গোত্রহীন’ হুমায়ূন আহমেদের রচনা নয়। 
---------------
হুমায়ূন আহমেদ:
- হুমায়ূন আহমেদ ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশি ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, গীতিকার, চলচ্চিত্র পরিচালক এবং শিক্ষাবিদ।
- তিনি বিংশ শতাব্দীর অন্যতম জনপ্রিয় বাঙালি সাহিত্যিক।
- তিনি স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের সাহিত্যে অসামান্য প্রভাব ফেলেছেন।
- তাঁর জনপ্রিয় চরিত্রের মধ্যে রয়েছে হিমু, মিসির আলি এবং শুভ্র।

- তাঁর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস:
• অনীল বাগচীর একদিন,
• সৌরভ,
•  শ্যামল ছায়া,
• আগুনের পরশমণি,
• ১৯৭১।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাস-
- নন্দিত নরকে;  
- শঙ্খনীল কারাগার;
- লীলাবালি;
- বাদশা নামদার;
- দেয়াল।

অন্যদিকে, 
- ‘নামহীন গোত্রহীন’ হলো হাসান আজিজুল হকের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি ছোটগল্প সংকলন।
- এতে মুক্তিযুদ্ধকালীন ও যুদ্ধ পরবর্তী সময়ের সাতটি গল্প অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
- এই গল্প সংকলন ১৯৭১ সালের ঘটনাপ্রবাহ ও প্রেক্ষাপটকে ফুটিয়ে তোলে।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া।

১৫.
হুমায়ুন কবীর সম্পাদিত পত্রিকা- 
  1. সংগ্রাম
  2. ধূমকেতু
  3. চতুরঙ্গ
  4. বঙ্গদূত 
সঠিক উত্তর:
চতুরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুরঙ্গ
ব্যাখ্যা

হুমায়ুন কবির:
- হুমায়ুন কবির ১৯০৬ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ফরিদপুর জেলার কোমরপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর সম্পূর্ণ নাম হুমায়ুন জহিরউদ্দিন আমির-ই-কবির।
- হুমায়ুন কবিরের একমাত্র বাংলা উপন্যাস “নদী ও নারী”।
- এটি মূলত পদ্মা নদীর বিশালতা, চরভূমি এবং চরবাসীর জীবন, সম্পর্ক ও টিকে থাকার সংগ্রামকে কেন্দ্র করে লেখা।
- ১৯৬৯ সালের ১৮ আগস্ট হৃদরোগে তিনি মারা যান।

• ‘চতুরঙ্গ’ পত্রিকা সম্পর্কিত তথ্য:
- তিনি ‘চতুরঙ্গ’ নামের একটি সাহিত্য পত্রিকা সম্পাদনা করতেন।
- পত্রিকাটি ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত হয়।
- এতে তিনি সমাজ ও রাজনীতি নিয়ে লেখা প্রকাশ করতেন।
- চতুরঙ্গ পত্রিকার প্রথম সংখ্যায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নারী’ কবিতা প্রকাশিত হয়।

• তার উল্লেখযোগ্য রচনাবলী:
- নদী ও নারী (উপন্যাস);
- ইমানুয়েল কান্ট;
- শরৎ সাহিত্যের মূলতত্ত্ব;
- বাংলার কাব্য (সমালোচনা গ্রন্থ)।

• তার কয়েকটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো-
- ‘স্বপ্নসাধ’,
- ‘সাথী’,
- ‘অষ্টাদশ’।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; 
বাংলাপিডিয়া।

১৬.
সুফিয়া কামালের ‘সাঁঝের মায়া’ কাব্যগ্রন্থের মূল পটভূমি কী? 
  1. প্রকৃতির বিষণ্ণ চিত্র ও মানুষের বেদনা 
  2. রোমান্টিক প্রেমের গল্প 
  3. প্রকৃতির কল্পিত রূপ ও কল্পনা
  4. কবির বৃদ্ধকালের অনুভূতি 
সঠিক উত্তর:
প্রকৃতির বিষণ্ণ চিত্র ও মানুষের বেদনা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রকৃতির বিষণ্ণ চিত্র ও মানুষের বেদনা 
ব্যাখ্যা

• ‘সাঁঝের মায়া’:
- সুফিয়া কামালের ‘সাঁঝের মায়া’ কাব্যগ্রন্থের মূল পটভূমি হলো প্রকৃতির বিষণ্ণ চিত্র ও মানুষের বেদনা।
- কবিতায় বিরহ, নিঃসঙ্গতা এবং নারী জীবনের দুঃখ গভীরভাবে ফুটে উঠেছে।
- বিশেষ করে পর্দার আড়ালে বেড়ে ওঠা নারীর দৃষ্টিতে সমাজ ও জীবনের সীমাবদ্ধতা এই কাব্যতে প্রকাশ পেয়েছে।
- ‘সাঁঝের মায়া’ হলো সুফিয়া কামালের কৈশোর ও প্রারম্ভিক যৌবনের অনুভূতি, প্রকৃতির নিবিড় পর্যবেক্ষণ।
- এই কাব্যটি সমাজ-সংস্কৃতির প্রতিফলন, যা কবিকে একজন স্বতন্ত্র ও বিশিষ্ট কবি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
- এছাড়া, নারীর অধিকার ও সামাজিক সচেতনতার বীজ এই কাব্যগ্রন্থে নিহিত রয়েছে।
------------------------------------------
সুফিয়া কামাল:
- সুফিয়া কামাল ছিলেন বাংলাদেশের একজন কিংবদন্তি কবি, লেখক, নারী অধিকার কর্মী এবং বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের পথিকৃৎ।
- তিনি ‘জননী সাহসিকা’ নামে পরিচিত।
- কারণ তিনি কেবল সাহিত্যেই নয়, ভাষা আন্দোলন, নারীবাদী সংগ্রাম এবং সামাজিক উন্নয়নের কাজে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।
- নারী আন্দোলনের নেত্রী হিসেবে তিনি নারীমুক্তি ও সমান অধিকারের জন্য আজীবন সংগ্রাম করেছেন।

• তাঁর  উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- সাঁঝের মায়া;
- উদাত্ত পৃথিবী।

• তাঁর গল্প ও স্মৃতিকথার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- ‘কেয়ার কাঁটা’ ও
- ‘একাত্তরের ডায়েরী’।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া। 

১৭.
কোনটি  সেলিনা হোসেন রচিত গ্রন্থ? 
  1. কেয়াবন সঞ্চারিনী
  2. যে অরণ্যে আলো নেই
  3. নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি
  4. বিশ শতকের মেয়ে
সঠিক উত্তর:
নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি
ব্যাখ্যা

সেলিনা হোসেন রচিত গ্রন্থ- নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি।

• 'নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি':
- সেলিনা হোসেনের নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি উপন্যাসের পটভূমি ব্রিটিশ শাসন থেকে পাকিস্তান আমলের অস্থির পরিস্থিতি।
- এতে ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষ এবং ১৯৪৭-এর দেশভাগের প্রভাব দেখা যায়।
- এই গ্রন্থে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা এবং ৫২-এর ভাষা আন্দোলনের আগে বাঙালি মধ্যবিত্তের জাগরণ ও সংগ্রাম ফুটে উঠেছে।
- উপন্যাসটি বাঙালি জাতিসত্তা, সামাজিক ন্যায় ও ভাষার অধিকার আদায়ের সংগ্রামের একটি জীবন্ত দলিল।
---------------------------------------------
সেলিনা হোসেন:
- সেলিনা হোসেন বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট ঔপন্যাসিক, গল্পকার ও গবেষক।
- সেলিনা হোসেন ১৪ জুন, ১৯৪৭ সালে রাজশাহী শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস লক্ষ্মীপুর জেলার হাজিরপাড়া গ্রামে। 
- তার রচনায় ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, নারী ও সমাজের জীবনচিত্র উঠে এসেছে।
- তিনি বাংলা একাডেমি ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পালন করেছেন।

• সেলিনা হোসেনের উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে:
- ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’,
- নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি
- ‘যাপিত জীবন’,
- ‘নীল ময়ূরের যৌবন’,
- ‘জ্যোস্নায় সূর্যজ্বালা’,
- ‘পদশব্দ’,
- ‘গায়ত্রী সন্ধ্যা’ (তিন খণ্ড),
- ‘ক্ষরণ’,
- ‘কাঁটাতারে প্রজাপতি’,
- ‘পোকামাকড়ের ঘরবসতি’।
---------------------------------- 
অন্যদিকে, 
- কেয়াবন সঞ্চারিণী, বিশ শতকের মেয়ে- নীলিমা ইব্রাহীমের রচিত উপন্যাস।
- আর যে অরণ্যে আলো নেই- নীলিমা ইব্রাহীমের রচিত নাটক। 

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া। 

১৮.
কোন সাহিত্যিককে ‘বাংলার মিল্টন’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে?
  1. গোবিন্দ চন্দ্র দাশ 
  2. বিষ্ণু দে 
  3. প্যারীচাঁদ মিত্র 
  4. হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় 
সঠিক উত্তর:
হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় 
ব্যাখ্যা

হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়:
- হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন একজন কবি এবং আইনজীবী।
- তিনি ১৮৩৮ সালের ১৭ এপ্রিল হুগলির গুলিটা গ্রামে মাতামহের বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি একজন দেশপ্রেমিক কবি হিসেবে সমাদৃত ছিলেন।
- হিন্দু জাতীয়তাবাদের আদর্শে তাঁর কবিতায় দেশপ্রেমের ভাব ফুটে ওঠে।
- এছাড়া তাঁর রচনায় নারীমুক্তি ও সমাজের অন্যায়ের বিরুদ্ধে কণ্ঠস্বর প্রকাশ পেয়েছে।
- বিশেষ করে বিধবাদের প্রতি সমাজের নির্দয় আচরণের বিরুদ্ধে তিনি সর্বদা সোচ্চার ছিলেন।
- হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের কবিতায় গভীর ভাব ও উচ্চমানের সাহিত্যিক গুণ দেখা যায়।
- এই কারণে তাকে 'বাংলার মিল্টন’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে।
- এখানে 'বাংলার মিল্টন’ বলতে তাকে ইংরেজি কবি জন মিল্টনের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।
- ১৯০৩ সালের ২৪ মে খিদিরপুরে তিনি নিঃস্ব অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

অন্যদিকে,
- গোবিন্দ চন্দ্র দাশকে বলা হয়- স্বভাবকবি।
- বিষ্ণু দে-কে বলা হয় মার্ক্সবাদীকবি।
- প্যারীচাঁদ মিত্রকে বলা হয়- ডিফেন্স অফ বেঙ্গল। 

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া। 

১৯.
সিস্টার সারা চরিত্রটি বেগম রোকেয়া রচিত কোন রচনার অন্তর্গত? 
  1. পদ্মরাগ
  2. অবরোধবাসিনী
  3. সুলতানার স্বপ্ন
  4. মতিচূর
সঠিক উত্তর:
সুলতানার স্বপ্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুলতানার স্বপ্ন
ব্যাখ্যা

সিস্টার সারা চরিত্রটি বেগম রোকেয়ার কল্পকাহিনী - 'সুলতানার স্বপ্ন' এর অন্তর্ভুক্ত। 

• ‘সুলতানার স্বপ্ন’: 
- গল্পটি নারীবাদী কল্পকাহিনি।
- গল্পের মাধ্যমে লেখক নারীর ক্ষমতায়ন ও সমতার বার্তা দিতে চেয়েছেন।
- বেগম রোকেয়ার ‘সুলতানার স্বপ্ন’ গল্পের মূল চরিত্র হলো সুলতানা।
- সুলতানা হচ্ছে এই গল্পের কথক।
- গল্পে সুলতানার পথপ্রদর্শক হিসেবে সিস্টার সারার চরিত্রটি চিত্রায়ন করা হয়েছিলো।
- গল্পে সুলতানা স্বপ্ন একটি কল্পনাপূর্ণ নারী বিশ্ব বা লেডিল্যান্ডের স্বপ্ন দেখে।
- যেখানে সব নেতৃত্বের কাজ নারীদের অধীনে থাকবে।
- যেখানে পুরুষদের ক্ষমতা সীমাবদ্ধ করে রাখা হবে।
- এই স্বপ্নের জগৎ সম্পূর্ণভাবে নারীর নিয়ন্ত্রণে থাকবে। 
-----------------------------------------------
বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন:
- বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ছিলেন একজন বাঙালি মুসলিম নারী জাগরণের পথিকৃৎ, সাহিত্যিক ও সমাজ সংস্কারক।
- ১৮৮০ সালের ৯ ডিসেম্বর রংপুর জেলার পায়রাবন্দ গ্রামে তাঁর জন্ম। 
- ৯ ডিসেম্বর, ১৯৩২ সালে তিনি মারা যান।
- সাহিত্যক্ষেত্রেও তাঁর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

• বাংলা নারী জাগরণের অগ্রদূত হিসেবে খ্যাত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন এর উল্লেখযোগ্য রচনাগুলি হল:
- ‘পদ্মরাগ’ (উপন্যাস),
- ‘অবরোধবাসিনী’ (গল্প),
- ‘মতিচূর’ (প্রবন্ধ সংকলন) ও
- ‘সুলতানার স্বপ্ন’ (কল্পকাহিনি)।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া।

২০.
‘হুগলীর ইমামবাড়ি’ কোন ধরনের সাহিত্য?
  1. ছোটগল্প
  2. কবিতা
  3. নাটক
  4. উপন্যাস
সঠিক উত্তর:
উপন্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপন্যাস
ব্যাখ্যা

‘হুগলীর ইমামবাড়ি’- স্বর্ণকুমারী দেবীর লেখা উপন্যাস। 

• 'হুগলীর ইমামবাড়ি’:
- স্বর্ণকুমারী দেবীর প্রসিদ্ধ উপন্যাস হুগলীর ইমামবাড়ি রচিত হয়েছে হাজী মুহম্মদ মহসিনকে নিয়ে।
- হুগলীর ইমামবাড়ি’ উপন্যাসের প্রেক্ষাপট উনিশ শতকের হুগলি অঞ্চলের সামাজিক ও ধর্মীয় জীবন।
- উপন্যাসটি হাজী মুহম্মদ মহসিনের দানকৃত সম্পত্তি থেকে নির্মিত ইমামবাড়িকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে।
- উপন্যাসটিতে ঐতিহাসিক ও কল্পনার মিশেল চমতকারভাবে ফুটে উঠেছে।
----------------------------------
স্বর্ণকুমারী দেবী:
- স্বর্ণকুমারী দেবী (১৮৫৫-১৯৩২) ছিলেন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম প্রজন্মের একজন উল্লেখযোগ্য মহিলা সাহিত্যিক।
- স্বর্ণকুমারী দেবী ছিলেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা উপন্যাসিক।
- তিনি জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির সদস্য এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বড় বোন ছিলেন।
- স্বর্ণকুমারী দেবী কবি, ঔপন্যাসিক, সঙ্গীতজ্ঞ ও সমাজ সংস্কারক হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন।
- তিনি ‘দীপনির্বাণ’ নামে প্রথম বাংলা উপন্যাস রচনা করেন, যা তাকে প্রথম বাংলা মহিলা ঔপন্যাসিক হিসেবে পরিচিতি দেয়।
- এছাড়াও কবিতা, নাটক ও প্রবন্ধ লিখেছেন। ‘

• তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাস:
- দীপনির্বাণ;
- ছিন্নমুকুল;
- মালতী;
- মিবাররাজ।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর;
বাংলাপিডিয়া।

২১.
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল ওয়ানডে স্ট্যাটাস পায় কত সালে? 
  1. ১৯৯৭ সালে
  2. ১৯৯৬ সালে
  3. ২০০১ সালে
  4. ২০০০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ও আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি: 
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আইসিসি ট্রফি দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ করে।
- ওই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ দু'টি ম্যাচ জয়লাভ করে এবং দু'টি ম্যাচ হেরে ক যায়।
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ এশিয়া কাপে।
- বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস পায় ১৯৯৭ সালে।
- ১৯৯৭ সালের আইসিসি ট্রফি জয়, এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।
- এটি ছিল ষষ্ঠ আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি।
- কারণ, এই জয়ের মাধ্যমেই বাংলাদেশ পেয়েছিল প্রথমবারের মতো ক্রিকেটের সর্বোচ্চ আসর বিশ্বকাপ (১৯৯৯ সালে) খেলার সুযোগ।

উল্লেখ্য,
- টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ: ২০০০ সালে।
- বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল ওয়ানডে স্ট্যাটাস পায়-২০১১ সালে।
- বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে- ২০২১ সালে।

উৎস: বিসিবি ওয়েবসাইট।

২২.
ফিফা ২০২৬ বিশ্বকাপের অফিসিয়াল বলের নাম কী? 
  1. টেলস্টার
  2. আল রিহলা
  3. ট্রায়োন্ডা
  4. ব্রাজুকা
সঠিক উত্তর:
ট্রায়োন্ডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রায়োন্ডা
ব্যাখ্যা

• ফিফা-২০২৬ বিশ্বকাপের বলের নাম ট্রায়োন্ডা।
- ট্রায়োন্ডা নামটি এসেছে দুটি শব্দ থেকে-ট্রাই ও ওন্ডা।
- ট্রাই মানে তিন আর ওন্ডা মানে ঢেউ।
- বলে লাল, সবুজ ও নীল-এই তিন রঙের ঢেউ দিয়ে আয়োজক দেশগুলোকে বোঝানো হয়েছে।

• ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬:
- ২০২৬ সালে বিশ্বকাপ ফুটবলের ২৩ তম আসর অনুষ্ঠিত হবে।
- আয়োজক দেশ: ৩টি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র,কানাডা এবং মেক্সিকো।
- সময়কাল: ১১ জুন, ২০২৬ থেকে ১৯ জুলাই, ২০২৬।
- অংশগ্রহণকারী দেশ: ৪৮টি।
- অনুষ্ঠিত হবে ১০৪টি ম্যাচ।
- তিন দেশের ১৬টি ভেন্যুতে এই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

উৎস: ফিফা ওয়েবসাইট।

২৩.
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট  কোন তারিখে অনুষ্ঠিত হবে? 
  1. ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৭
  2. ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  3. ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  4. ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সঠিক উত্তর:
১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
ব্যাখ্যা

- আসন্ন গণভোটের ব্যালট গোলাপি রঙের হবে।
 - ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একই দিন অনুষ্ঠিত হবে।
- অর্থাৎ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে।
- সংসদ নির্বাচনের ব্যালট এবং গণভোটের ব্যালট একই বাক্সে ফেলতে হবে।
- জাতীয় নির্বাচনের ব্যালট সাদা রঙের হলেও গণনার সুবিধার্থে গণভোটের ব্যালট গোলাপি রঙের করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- গণভোটের মূল প্রশ্নে জুলাই জাতীয় সনদে অন্তর্ভুক্ত সংবিধান সংস্কার সংক্রান্ত প্রস্তাবগুলোর প্রতি ভোটারদের সম্মতি চাওয়া হবে।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা নিউজ।

২৪.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- 
  1. কুমিল্লা
  2. চাঁদপুর
  3. বরিশাল
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪: 
- মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষবিভাগ ও জেলা:
- মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষবিভাগ চট্টগ্রাম।
- মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে ২য় শীর্ষবিভাগ খুলনা।
- মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে ২য় শীর্ষ জেলা:কুমিল্লা।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

২৫.
সম্প্রতি, ভেনেজুয়েলায় নতুন অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পায় কে?
  1. হুয়ান গুয়াইদো
  2. ডেলসি রদ্রিগেজ
  3. নিকোলাস মাদুরো
  4. হেনরি ফালকন
সঠিক উত্তর:
ডেলসি রদ্রিগেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেলসি রদ্রিগেজ
ব্যাখ্যা

- যুক্তরাষ্ট্রের হাতে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো বন্দি হয়।
- দেশটির অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ।
- তাকে অন্তর্বর্তী রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিতে নির্দেশ দিয়েছেন ভেনেজুয়েলার সর্বোচ্চ আদালত।
- ভেনেজুয়েলান সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চ এক আদেশে জানান,
- প্রেসিডেন্ট মাদুরোর অনুপস্থিতিতে প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা এবং দেশের সার্বিক প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করতে ডেলসি রদ্রিগেজ অস্থায়ী প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করবেন।

উৎস: আলজাজিরা নিউজ।

২৬.
সম্প্রতি, কোন দেশে বাংলাদেশের ছয় শান্তিরক্ষী নিহত হয়েছেন?
  1. রাশিয়া 
  2. সুদান
  3. সিয়েরালিওন
  4. ইউক্রেন
সঠিক উত্তর:
সুদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুদান
ব্যাখ্যা

- সম্প্রতি, সুদানে বাংলাদেশের ছয় শান্তিরক্ষী নিহত হয়েছেন।
- ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে সুদানের কোরদোফানের কাদুগলি এলাকায় জাতিসংঘের ভবনে সন্ত্রাসীদের ড্রোন হামলায় ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত হয়েছেন।
- আহত হয়েছেন আটজন।
- সুদানের সরকারের এক বিবৃতিতে, এ হামলার জন্য সরকারবিরোধী আধা সামরিক র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসকে দায়ী করা হয়েছে।
- কাদুগলি শহরটি প্রায় দেড় বছর ধরে আরএসএফ অবরুদ্ধ করে রেখেছে।
- ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে আধা সামরিক আরএসএফ দেশটির সেনাবাহিনীর সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।

উৎস: বিবিসি বাংলা।

২৭.
বাংলাদেশের কোন ক্রিকেটার নিজের শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করেন? 
  1. সাকিব আল হাসান
  2. আমিনুল ইসলাম বুলবুল
  3. মুশফিকুর রহিম
  4. তামিম ইকবাল খান
সঠিক উত্তর:
মুশফিকুর রহিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুশফিকুর রহিম
ব্যাখ্যা

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল
- প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি: মুশফিকুর রহিম।
- প্রথম ১০০০ রান সংগ্রাহক: হাবিবুল বাশার।
- শততম টেস্ট ম্যাচ: ২০১৭ সালে, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে, কলম্বোতে অনুষ্ঠিত।
- শততম টেস্টে সেঞ্চুরি: সাকিব আল হাসান।
- বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে নিজের শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করেন- মুশফিকুর রহিম।

এছাড়াও,
- মোহাম্মদ আশরাফুল টেস্ট ক্রিকেট ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে সেঞ্চুরি করার রেকর্ড গড়েন।
- তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করেন ২০০১ সালে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার টেস্ট ম্যাচের তৃতীয় দিনে। 
- প্রথম টেস্ট ম্যাচ: ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর, ভারতের বিপক্ষে।
- অধিনায়ক (প্রথম টেস্টে): নাইমুর রহমান দুর্জয়।
- প্রথম টেস্ট জয়: ২০০৫ সালে, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চট্টগ্রামে।
- প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান: আমিনুল ইসলাম বুলবুল।

উৎস: ESPNcricinfo.com.

২৮.
নিচের কোন জোড়াটি সঠিক? 
  1. দ্রুতি — ভেক্টর রাশি
  2. সরণ — স্কেলার রাশি
  3. সময় — ভেক্টর রাশি
  4. বেগ — ভেক্টর রাশি
সঠিক উত্তর:
বেগ — ভেক্টর রাশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগ — ভেক্টর রাশি
ব্যাখ্যা

• বেগ — ভেক্টর রাশি; বেগের মান ও দিক উভয়ই থাকে।

• ভৌত রাশি:

- বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয় সুনির্দিষ্টভাবে জানার জন্য বিভিন্ন রাশি পরিমাপ করতে হয়। যেমন—দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, উচ্চতা, সরণ, বেগ ইত্যাদি।
- এই প্রতিটি পরিমেয় বিষয়কে একটি করে রাশি বলা হয় এবং এগুলোকে ভৌত রাশি বলা হয়।

- পদার্থবিজ্ঞানের অন্তর্গত সকল ভৌত রাশিকে একইভাবে প্রকাশ করা যায় না।

- কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশ করতে শুধুমাত্র মান প্রয়োজন হয়।
- আবার কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশ করতে মান ও দিক উভয়ই প্রয়োজন হয়।

- এই বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে ভৌত রাশিগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
- এগুলো হলো—

ক) স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি (Scalar Quantity),
খ) ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি (Vector Quantity).
 
• স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি (Scalar Quantity):

- যেসব ভৌত রাশির শুধুমাত্র মান আছে কিন্তু দিক নেই, সেগুলোকে স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি বলা হয়।

উদাহরণ:

- দৈর্ঘ্য,
- ভর,
- সময়,
- তাপমাত্রা।
 
• ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি (Vector Quantity):

- যেসব ভৌত রাশির মান ও দিক উভয়ই আছে, সেগুলোকে ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি বলা হয়।

উদাহরণ:

- সরণ,
- বেগ,
- ত্বরণ,
- বল।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৯.
আপেক্ষিকতার নীতি অনুযায়ী কোনটি পরম (Absolute) নয়?
  1. স্থান
  2. ভর
  3. সময়
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

• স্থান, ভর, সময়—সবই আপেক্ষিক।

• আপেক্ষিকতার নীতি (Principle of Relativity):

- আমরা যখন কোনো বস্তুর অবস্থান বা বেগ পরিমাপ করি, তখন তা অবশ্যই কোনো একটি প্রসঙ্গ কাঠামো (Frame of Reference)-এর সাপেক্ষে করা হয়।
- এই প্রসঙ্গ কাঠামোর তুলনায় বস্তুর রৈখিক দূরত্বকে অবস্থান এবং রৈখিক দূরত্বের পরিবর্তনের হারকে বেগ বলা হয়।

- প্রকৃতপক্ষে মহাবিশ্বে কোনো কিছুই সম্পূর্ণ স্থির নয়।
- অতএব, পরম অবস্থান বা পরম বেগ বলে কিছু নেই।
- আমরা যা পরিমাপ করি, তা সবসময়ই আপেক্ষিক—অর্থাৎ অন্য কিছুর সাপেক্ষে নির্ধারিত।

 
• চিরাচরিত বলবিদ্যার সীমাবদ্ধতা:

- চিরাচরিত বলবিদ্যায় ধারণা ছিল যে স্থান, ভর ও সময় ধ্রুব রাশি।
- কিন্তু ১৯০৫ সালে আলবার্ট আইনস্টাইন এই ধারণার আমূল পরিবর্তন ঘটান।

- তার মতে—

- স্থান, ভর ও সময় ধ্রুব নয়,
- এগুলো পর্যবেক্ষকের গতির উপর নির্ভরশীল।
- বিশেষ করে, যখন কোনো বস্তুর গতি আলোর গতির কাছাকাছি হয়, তখন স্থান ও সময়ের পরিমাপে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৩০.
নিচের কোন শক্তি পরমাণুর নিউক্লিয়াসে সঞ্চিত থাকে?
  1. আলোক শক্তি
  2. শব্দ শক্তি
  3. বিদ্যুৎ শক্তি
  4. পারমাণবিক শক্তি 
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক শক্তি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক শক্তি 
ব্যাখ্যা

• নিউক্লিয়াসে আবদ্ধ শক্তিই পারমাণবিক শক্তি।

• পারমাণবিক শক্তি:

- আমরা জানি, সকল পদার্থ পরমাণু দিয়ে গঠিত।
- পরমাণুর কেন্দ্রে অবস্থিত নিউক্লিয়াসে অত্যন্ত শক্তিশালী বলের মাধ্যমে কণিকাগুলো আবদ্ধ থাকে।
- এই শক্তিকেই পারমাণবিক শক্তি বলা হয়।
- পারমাণবিক শক্তি প্রয়োজনে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে কাজে লাগানো যায়।

• আলোক শক্তি:

- সূর্য থেকে তাপ শক্তির সঙ্গে যে শক্তি সরাসরি আসে, তাকে আলোক শক্তি বলা হয়।
- আলোক শক্তি ছাড়া আমরা কিছুই দেখতে পারি না।
- সূর্য হলো আলোক শক্তির প্রধান উৎস।
- এছাড়া আগুন ও বৈদ্যুতিক বাতি জ্বালিয়েও আমরা আলোক শক্তি পাই।

 
• শব্দ শক্তি:

- আমরা যখন কথা বলি, গান করি বা শাঁখ বাজাই, তখন এক ধরনের শক্তির উৎপত্তি হয়, যাকে শব্দ শক্তি বলা হয়।
- শব্দ শক্তির সাহায্যে আমরা একে অপরের কথা শুনতে পারি।
- টেলিফোন, রেডিও ও টেলিভিশনে শব্দ শক্তির ব্যবহার করা হয়।
- পদার্থের কম্পনের ফলে শব্দের উৎপত্তি হয়।

 
• বিদ্যুৎ শক্তি:

- বিদ্যুৎ শক্তি হলো শক্তির একটি অত্যন্ত পরিচিত ও প্রয়োজনীয় রূপ।
- বিদ্যুৎ শক্তির সাহায্যে আমরা বাতি জ্বালাই, পাখা চালাই এবং কল-কারখানায় বিভিন্ন যন্ত্র পরিচালনা করি।
- অনেক দেশে রেলগাড়িও বিদ্যুৎ শক্তির মাধ্যমে চলে।
- বিদ্যুৎ শক্তি তারের সাহায্যে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পরিবহন করা যায়।

উৎস: বিজ্ঞান, ৭ম শ্রেণি।

৩১.
নিচের কোন শক্তির উৎসটি নবায়নযোগ্য শক্তির অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. কয়লা
  2. বায়োগ্যাস
  3. বায়ুশক্তি
  4. পানির জোয়ারভাটা
সঠিক উত্তর:
কয়লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কয়লা
ব্যাখ্যা

• কয়লা অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস।

• শক্তির উৎস:

- আমরা বিভিন্ন শক্তির উৎস থেকে শক্তি পাই। এই শক্তির উৎস প্রধানত দুই ধরনের—

- নবায়নযোগ্য শক্তি,
- অনবায়নযোগ্য শক্তি।
 
• নবায়নযোগ্য শক্তি:

- নবায়নযোগ্য শব্দ থেকেই বোঝা যায় যে, যে শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় বা নতুন করে উৎপাদন করা যায়, তাকে নবায়নযোগ্য শক্তি বলা হয়।
- অর্থাৎ, কোনো উৎস ব্যবহার করে শক্তি উৎপাদনের পর সেই উৎসটি আবার ব্যবহার করে পুনরায় শক্তি উৎপাদন করা সম্ভব হলে, সেই শক্তি উৎসকে নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস বলা হয়।

• নবায়নযোগ্য শক্তির বৈশিষ্ট্য:

- নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস বারবার ব্যবহার করা যায়।
- এই শক্তি সাধারণত পরিবেশবান্ধব।
- দীর্ঘমেয়াদে এই শক্তির উৎস নিঃশেষ হয়ে যায় না।
 
• নবায়নযোগ্য শক্তির উদাহরণ:

- সূর্যশক্তি,
- বায়ুশক্তি,
- পানি,
- বায়োগ্যাস,
- পানির জোয়ারভাটা।

• অনবায়নযোগ্য শক্তি:

- অনবায়নযোগ্য শক্তি বলতে সেই শক্তিকে বোঝায়, যা একবার ব্যবহার করা হলে তার উৎস থেকে পুনরায় শক্তি উৎপাদন করা যায় না।
- এই শক্তির উৎসগুলো মূলত প্রাকৃতিক সম্পদ, যা পুনরায় উৎপন্ন হতে অত্যন্ত দীর্ঘ সময় লাগে অথবা আদৌ পুনরায় উৎপন্ন হয় না।

- ফলে, মানুষ যেসব হারে এই শক্তি ব্যবহার করছে, তার তুলনায় প্রকৃতিতে এগুলো তৈরি হতে অনেক বেশি সময় প্রয়োজন হয়।
- এই কারণেই অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস একসময় নিঃশেষ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

 
• অনবায়নযোগ্য শক্তির বৈশিষ্ট্য:

- একবার ব্যবহার করলে পুনরায় উৎপাদন করা যায় না।
- প্রাকৃতিকভাবে গঠিত হতে দীর্ঘ সময় লাগে।
- অধিক ব্যবহারে শক্তির সংকট সৃষ্টি হতে পারে।
- পরিবেশ দূষণের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি।
 
• অনবায়নযোগ্য শক্তির উদাহরণ:

- কয়লা,
- তেল,
- প্রাকৃতিক গ্যাস,
- ইউরেনিয়াম।

উৎস: বিজ্ঞান, ৭ম শ্রেণি।

৩২.
বর্তমান বৈজ্ঞানিক হিসেবে মহাবিশ্বের আনুমানিক বয়স কত?
  1. ৫.৭৫ বিলিয়ন বছর
  2. ১০.৫০ বিলিয়ন বছর
  3. ১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর
  4. ২০.৫০ বিলিয়ন বছর
সঠিক উত্তর:
১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর
ব্যাখ্যা

• বিগ ব্যাং প্রায় ১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর (১৩৭৫ কোটি বছর) আগে সংঘটিত হয়েছিল।

• মহাবিশ্বের উৎপত্তি:

- মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও বিকাশ সম্পর্কে যেসব তত্ত্ব প্রচলিত আছে, তার মধ্যে সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য হলো বিগ ব্যাং তত্ত্ব—বাংলায় যাকে মহাবিস্ফোরণ তত্ত্ব বলা হয়।

 
• বিগ ব্যাং তত্ত্বের মূল ধারণা:

- এই তত্ত্ব অনুযায়ী, মহাবিশ্ব একসময় ছিল অত্যন্ত ক্ষুদ্র একটি বিন্দুতে কেন্দ্রীভূত এবং অসীম ঘনত্বের (Infinitely Dense) অবস্থায়।
পরবর্তীতে এক ভয়াবহ বিস্ফোরণের মাধ্যমে মহাবিশ্ব অত্যন্ত দ্রুত প্রসারিত হতে শুরু করে।

- এই দ্রুত প্রসারণের ফলেই—

- মহাবিশ্ব ধীরে ধীরে ঠান্ডা হয়,
- এবং বর্তমান প্রসারণশীল অবস্থায় পৌঁছায়।
 
• সময়কাল ও বয়স:

- আধুনিক বৈজ্ঞানিক গবেষণা অনুযায়ী,

- বিগ ব্যাং বা মহাবিস্ফোরণ সংঘটিত হয়েছিল প্রায় ১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর (১৩৭৫ কোটি বছর) আগে।
- এটিকেই বর্তমানে মহাবিশ্বের আনুমানিক বয়স হিসেবে ধরা হয়।
 
• বৈজ্ঞানিক গ্রহণযোগ্যতা:

- বিগ ব্যাং তত্ত্ব একটি বহু পরীক্ষিত ও প্রতিষ্ঠিত বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব।
- জ্যোতির্বিদদের পর্যবেক্ষণে প্রাপ্ত প্রায় সব তথ্য এই তত্ত্বকে সঠিক ও ব্যাপকভাবে ব্যাখ্যা করতে সক্ষম।

- বর্তমান সময়ে অধিকাংশ জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী—

- এই তত্ত্বের পক্ষে ঐকমত্য প্রকাশ করেছেন,
- এবং মহাবিশ্বের উৎপত্তি ব্যাখ্যায় এটিকেই সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য মডেল হিসেবে মান্যতা দিয়েছেন।

উৎস: বিজ্ঞান, ৮ম শ্রেণি।

৩৩.
সূর্য থেকে দূরত্বের ক্রমানুসারে তৃতীয় গ্রহ কোনটি?
  1. বুধ
  2. শুক্র
  3. পৃথিবী
  4. মঙ্গল
সঠিক উত্তর:
পৃথিবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৃথিবী
ব্যাখ্যা

• বুধ–শুক্র–পৃথিবী এই ক্রমে গ্রহগুলো অবস্থিত।

• প্রাকৃতিক গ্রহ ও উপগ্রহ:

- আমরা যে গ্যালাক্সি বা ছায়াপথে বাস করি, তার নাম আকাশগঙ্গা (Milky Way)।
- এই ছায়াপথে আমাদের সূর্য ও তার পরিবার অবস্থিত, যাকে সৌরজগৎ বলা হয়।

• সৌরজগৎ:

- সৌরজগতের কেন্দ্রস্থলে রয়েছে সূর্য।
- সূর্যের চারদিকে আবর্তনশীল মোট ৮টি গ্রহ রয়েছে।
- গ্রহগুলো সূর্যের চারদিকে নির্দিষ্ট কক্ষপথে আবর্তন করে।

- সূর্য থেকে দূরত্বের ক্রমানুসারে গ্রহগুলো হলো—

- বুধ,
- শুক্র,
- পৃথিবী,
- মঙ্গল,
- বৃহস্পতি,
- শনি,
- ইউরেনাস,
- নেপচুন।
 
• গ্রহ (Planet):

- যেসব বৃহৎ বস্তু সূর্যের চারদিকে নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘুরে, সেগুলোকে গ্রহ বলা হয়।
- গ্রহগুলো নিজস্ব আলো উৎপন্ন করতে পারে না; তারা সূর্যের আলো প্রতিফলন করে।

 
• উপগ্রহ (Satellite):

- যে বস্তু কোনো গ্রহকে কেন্দ্র করে ঘুরে, তাকে সেই গ্রহের উপগ্রহ বলা হয়।

উদাহরণ—

- চাঁদ পৃথিবীর উপগ্রহ।
- সুতরাং, পৃথিবী সূর্যের একটি গ্রহ এবং চাঁদ পৃথিবীর উপগ্রহ।
 
• গ্রহ ও উপগ্রহের গতি:

- গ্রহ সূর্যের চারদিকে এবং উপগ্রহ গ্রহের চারদিকে ঘোরে।
- এই গতির ফলেই দিন-রাত, মাস ও বছর নির্ধারিত হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, ৮ম শ্রেণি।

৩৪.
ভূতাত্ত্বিক গঠনগত কারণে বাংলাদেশ বিশেষভাবে কোন অঞ্চলে ভূমিকম্পপ্রবণ?
  1. উপকূলীয় অঞ্চল
  2. উত্তর ও পূর্বাঞ্চল
  3. পশ্চিম ও মধ্যাঞ্চল
  4. দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিম
সঠিক উত্তর:
উত্তর ও পূর্বাঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর ও পূর্বাঞ্চল
ব্যাখ্যা

• ভূতাত্ত্বিক গঠন অনুযায়ী উত্তর ও পূর্বাঞ্চল বেশি ভূমিকম্পপ্রবণ।

• বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি:

- বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলে রয়েছে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়।
- উত্তর–দক্ষিণে বিস্তৃত এই স্বল্প ভাঁজবিশিষ্ট ভঙ্গিল প্রকৃতির পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই পাহাড় এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমভূমীয় অংশ হিসেবে ধরা হয়।

- এই পাহাড়গুলো প্রধানত—

- বেলে পাথর,
- শেল পাথর এবং
- কর্দম দ্বারা গঠিত।

- গঠনগত কারণে এসব পাহাড় ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত।

 
• প্লাইস্টোসিনকালের গঠন:

- বাংলাদেশে আরও রয়েছে প্রাচীন পলল দ্বারা গঠিত প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ।
- এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—

- বরেন্দ্রভূমি,
- মধুপুর গড়,
- ভাওয়ালের গড় এবং
- লালমাই পাহাড়।
 
• সমতল ভূমি ও ভূতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য:

- বাংলাদেশের বৃহৎ অংশই নবগঠিত পলল সমভূমি দ্বারা আচ্ছাদিত।

- তাই ভূতাত্ত্বিক গঠনগত দিক থেকে বাংলাদেশ বিশেষভাবে— উত্তরাঞ্চল এবং পূর্বাঞ্চলে অধিক ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল হিসেবে বিবেচিত।

উৎস: ভূগোল, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

৩৫.
নিচের কোনটি অ-কাঠামোগত প্রতিরোধের উদাহরণ?
  1. বেড়িবাঁধ নির্মাণ
  2. নদী খনন
  3. পাকা ঘর নির্মাণ
  4. গণসচেতনতা বৃদ্ধি 
সঠিক উত্তর:
গণসচেতনতা বৃদ্ধি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণসচেতনতা বৃদ্ধি 
ব্যাখ্যা

• সচেতনতা ও প্রশিক্ষণ অ-কাঠামোগত প্রতিরোধের অংশ।

• প্রতিরোধ (Prevention):

- প্রাকৃতিক দুর্যোগকে সম্পূর্ণভাবে প্রতিরোধ করা সম্ভব না হলেও, ক্ষয়ক্ষতি কমানোর উদ্দেশ্যে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়।
- এই প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমগুলো সঠিকভাবে পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করলে দুর্যোগজনিত ক্ষতি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা সম্ভব।

 
• দুর্যোগ প্রতিরোধের ধরন:

- দুর্যোগ প্রতিরোধ কার্যক্রম সাধারণত দুই ধরনের হয়ে থাকে—

- কাঠামোগত প্রতিরোধ,
- অ-কাঠামোগত প্রতিরোধ।
 
• কাঠামোগত প্রতিরোধ:

- কাঠামোগত প্রতিরোধের ক্ষেত্রে বিভিন্ন নির্মাণমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়। যেমন—

- বেড়িবাঁধ নির্মাণ,
- আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ,
- পাকা ও মজবুত ঘরবাড়ি তৈরি,
- নদী খনন।

- এই ব্যবস্থাগুলো বাস্তবায়নে তুলনামূলকভাবে বেশি ব্যয় প্রয়োজন হয়।

• অ-কাঠামোগত প্রতিরোধ:

- অ-কাঠামোগত প্রতিরোধে মূলত মানবিক ও সামাজিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। যেমন—

- প্রশিক্ষণ প্রদান,
- গণসচেতনতা বৃদ্ধি,
- পূর্বাভাস ব্যবস্থা উন্নয়ন,
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা প্রণয়ন।

- এই ধরনের প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম স্বল্প ব্যয়ে বাস্তবায়ন করা সম্ভব।

উৎস: ভূগোল, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

৩৬.
Species Plantarum গ্রন্থটি কে রচনা করেন?
  1. অ্যারিস্টটল
  2. মেন্ডেল
  3. ডারউইন
  4. ক্যারোলাস লিনিয়াস
সঠিক উত্তর:
ক্যারোলাস লিনিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যারোলাস লিনিয়াস
ব্যাখ্যা

• লিনিয়াসই Species Plantarum গ্রন্থের রচয়িতা।

• দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতির সূচনা:

- ১৭৫৩ সালে সুইডিশ বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস Species Plantarum নামক গ্রন্থটি রচনা করেন।
- এই গ্রন্থটি উদ্ভিদবিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা করে।

 
• দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতির গুরুত্ব:

- এই গ্রন্থ প্রকাশের মাধ্যমে লিনিয়াস—

- দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতি প্রবর্তন করেন,
- জীবজগৎকে গণ (Genus) ও প্রজাতি (Species)-তে বিভক্ত করার সুস্পষ্ট ধারণা দেন।
 
• জীবের শ্রেণিবিন্যাসে লিনিয়াসের অবদান:

- লিনিয়াসই সর্বপ্রথম জীবকে শ্রেণিবিন্যাস করার ক্ষেত্রে—

- শ্রেণি (Class),
- বর্গ (Order),
- গণ (Genus) এবং
- প্রজাতি (Species)
- এই ধাপগুলো ব্যবহার করেন।
 
• দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতির বৈশিষ্ট্য:

- লিনিয়াসের প্রবর্তিত এই দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতি অনুযায়ী—

- প্রতিটি জীবের নাম দুটি শব্দ নিয়ে গঠিত,
- প্রথম শব্দটি জীবের গণের নাম,
- দ্বিতীয় শব্দটি জীবের প্রজাতির নাম নির্দেশ করে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

৩৭.
কাঠ বা প্রাকৃতিক গ্যাস পোড়ানোর সময় কোন শক্তি তাপশক্তিতে রূপান্তরিত হয়?
  1. যান্ত্রিক শক্তি
  2. রাসায়নিক শক্তি
  3. বৈদ্যুতিক শক্তি
  4. পারমাণবিক শক্তি 
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক শক্তি
ব্যাখ্যা

• জ্বালানিতে সঞ্চিত শক্তি রাসায়নিক শক্তি।

• জ্বালানি ও শক্তির ব্যবহার:

- রান্নার কাজে আমরা জ্বালানি হিসেবে কাঠ বা প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করি।
- কাঠ বা প্রাকৃতিক গ্যাস পোড়ালে এর ভেতরে সঞ্চিত রাসায়নিক শক্তি তাপশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• তাপশক্তির ব্যবহার:

- কাঠ পোড়ালে যে তাপ উৎপন্ন হয়, সেই তাপ ব্যবহার করে—
- রান্না করা হয়,
- ইটের ভাটা ও
- ইস্পাত বা সিরামিক শিল্পে বিভিন্ন পণ্য তৈরি করা হয়।
 
• শিল্পক্ষেত্রে জ্বালানির ব্যবহার:

- লোহা, ইস্পাত ও সিরামিক শিল্পে প্রচুর তাপশক্তির প্রয়োজন হয়।
এক্ষেত্রে—
- কয়লা,
- পেট্রোলিয়াম এবং
- প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি খনিজ জ্বালানি তাপ ইঞ্জিনে ব্যবহার করা হয়।
 
• যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর:

- তাপ ইঞ্জিনে জ্বালানি দহন চেম্বারে পোড়ানোর ফলে যে তাপশক্তি উৎপন্ন হয়, তা যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
এই যান্ত্রিক শক্তি ব্যবহার করে—
- মোটরগাড়ি,
- জাহাজ,
- বিমান এবং
- রেলগাড়ি চালানো হয়।

উৎস: রসায়ন, ৯ম-১০ম শ্রেণি।