পরীক্ষা আর্কাইভ

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ [Archived]

পরীক্ষাউপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ [Archived]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন৪৫
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৬ বিষয়: কৃষি (টেকনিক্যাল) - ২ টপিক: ১. কৃষি যান্ত্রিকীকরণ ও সেচ, ২. গৃহপালিত পশুপাখি পালন ও মাছ চাষ, ৩. কৃষি বনায়ন, ৪. মাঠ ফসলের চাষাবাদ, ৫. ফুল ও ফল ও মসলা জাতীয় ফসল চাষাবাদ ৬. সবজি চাষাবাদ ৭. উদ্যান নার্সারি ব্যবস্থাপনা, ৮. খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, ৯. ফসলের জাতের নাম, ১০. কৃষি সম্প্রসারণ, ১১. কৃষি অর্থনীতি, ১২. কৃষি প্রতিষ্ঠান।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ [Archived]

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ [Archived] · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৫ প্রশ্ন

.
সমস্ত অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশনের পরে মাটিতে থাকা পানির পরিমাণ হচ্ছে -
  1. স্যাচুরেশন
  2. স্থায়ী উইল্টিং পয়েন্ট
  3. ফিল্ড ক্যাপাসিটি
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
স্যাচুরেশন:
- সমস্ত মাটির ছিদ্রগুলি (Pores) পানি (soil moisture or soil water) দিয়ে ভরা থাকে এবং পানি সহজেই মাধ্যাকর্ষণ শক্তি দ্বারা মূল অঞ্চল (root zone) থেকে ঝরে যায় বা বেরিয়ে যায়।

ফিল্ড ক্যাপাসিটি:
- সমস্ত অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশনের পরে মাটিতে থাকা পানির পরিমাণ।

স্থায়ী উইল্টিং পয়েন্ট (PWP):
- যখন মাটি এমনভাবে শুকিয়ে যায় যে গাছগুলিকে মরে যাওয়া থেকে রক্ষা করার জন্য এটি কোনও পানি সরবরাহ করতে পারে না।

Available water holding capacity (AWC):
- এটি হল সর্বাধিক পরিমাণ পানি যা মাটি গাছপালা দ্বারা গ্রহণের জন্য সঞ্চয় করতে পারে। এটি ফিল্ড ক্যাপাসিটি এবং স্থায়ী ওয়েল্টিং পয়েন্টের মধ্যে ধারণ করা পানি।

উৎস: University of Minnesota Extension.
.
পুকুরের পানি বেশি সবুজ হলে কি দেওয়া বন্ধ করতে হবে?
  1. চুন
  2. সার
  3. ভুষি
  4. ফিস মিল
ব্যাখ্যা
মাছ চাষের ব্যবস্থাপনা:
- পুকুরের তলদেশে কাদা থাকলে ক্ষতিকর গ্যাস জমে থাকতে পারে।
- দড়ির সাথে লোহা বা মাটির কাঠি কিংবা ইট বেঁধে হররা তৈরি করে পুকুরের তল ঘেষে আস্তে আস্তে টেনে তলার গ্যাস বের করে দিতে হবে।
- প্রতি মাসে একবার কিছু মাছ ধরে মাছের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে হবে।
- নিয়মিত খাদ্য সরবরাহ করতে হবে।
- পুকুরের পানি কমে গেলে পানি সরবরাহ করতে হবে।
- পানি বেশি সবুজ হয়ে গেলে সার প্রয়োগ বন্ধ রাখতে হবে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কৃষি বনায়নে গাছের সাথে চারণভূমির সমন্বিত পদ্ধতিকে কী বলা হয়?
  1. সিলভিপ্যাসচার
  2. সিলভিএগ্রোপ্যাসচারাল
  3. এগ্রিসিলভিকালচারাল
  4. এগ্রিসিলভিপ্যাসচারাল
ব্যাখ্যা
সিলভিপ্যাসচার:
- একই জমিতে গবাদি পশু এবং চারণভূমির সাথে গাছকে একত্রিত করে।
- গাছগুলি কাঠ, ফল, পশুখাদ্য এবং সেইসাথে গবাদি পশুর জন্য ছায়া এবং আশ্রয় দিতে পারে।
- গ্রীষ্মের গরম রোদ, শীতের ঠান্ডা বাতাস বা বৃষ্টিপাত থেকে প্রাণীদের কিছুটা রক্ষা করতে পারে।

উৎস: USDA Website
.
Magnaporthe oryzae Triticum (MoT) নামক ছত্রাকের আক্রমণে কোন রোগ হয়ে থাকে?
  1. ধানের খোল পচা রোগ
  2. পাটের ব্ল্যাক ব্যান্ড রোগ
  3. গমের ব্লাস্ট রোগ
  4. ধানের কান্ড পচা রোগ
ব্যাখ্যা
গমের ব্লাস্ট রোগ (Wheat Blast):
- Magnaporthe oryzae Triticum (MoT) নামক এক ধরনের ছত্রাক এর আক্রমণে গমের ব্লাস্ট রোগ হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশের ক্ষেত্রে, গম চাষের ব্লাস্ট-সংবেদনশীল এলাকা প্রায় ৬৫%।
- ২০১৬ সালে, বাংলাদেশের কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, যশোর, বরিশাল, ভোলা এবং দক্ষিণের অন্যান্য জেলায় হঠাৎ করে গমের ব্লাস্ট রোগ দেখা দেয়।
- ব্রাজিল থেকে এ রোগ বাংলাদেশে আসে।

ব্লাস্ট রোগের লক্ষণ:
ক) ব্লিচড স্পাইকস এবং স্পাইকের গোড়ায় কালচে ধূসর বর্ণের দাগ (গমের ব্লাস্টের সাধারণ লক্ষণ)
খ) গমের ব্লাস্টের প্যাচ
গ) পাতায় চোখের আকৃতির গাঢ় ধূসর দাগ
ঘ) গাঢ় ধূসর চোখের আকৃতির ক্ষত
ঙ) ব্লাস্ট রোগে আক্রান্ত গমের বীজ
চ) জীবাণু

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS)
.
নিষিক্ত ও পরিপক্ব ডিম্বককে কী বলে?
  1. বীজ
  2. পরাগরেণু
  3. গর্ভাশয়
  4. পরাগধানী
ব্যাখ্যা
- নিষিক্ত ও পরিপক্ব ডিম্বককে বীজ বলে। 

উদ্ভিদতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যাবলী এবং কৃষি কাজের বৈচিত্র্যময় ব্যবহার অনুসারে বীজের সংজ্ঞা দু'রকম হতে পারে।
- প্রথমত, উদ্ভিদতত্ত্বানুসারে ফুলের পরাগরেণু দ্বারা ডিম্বক নিষিক্ত হবার পর পরিপক্ক ডিম্বককে বীজ বলে। যেমন: ধান, গম, পেঁপে বীজ।
- দ্বিতীয়ত, কৃষিতত্ত্বানুসারে গাছের যে অংশ (শারীরিক বা জাননিক) বংশ বিস্তারের জন্য ব্যবহৃত হয় তাকেই বীজ বলে। যেমন: আলুর টিউবার, মিষ্টি আলুর লতা, কলার সাকার, কুলের কুঁড়ি, পাথরকুচির পাতা, বিভিন্ন ফুল গাছের শাখা-প্রশাখা, ধান, গম ইত্যাদি।
- প্রকৃত বীজ বা যৌন বীজ হচ্ছে বীজত্বকদ্বারা আবৃত এক সুপ্ত ভ্রাণধারী পরিণত ও নিষিক্ত ডিম্বক।
- আর গাছের যে কোন অংশ বিশেষ, যা উপযুক্ত পরিবেশে একই রকম গাছের বংশ বিস্তারের জন্য ব্যবহার হয়ে থাকে, তাকে কৃষি বীজ বলে।

উৎস: SEED AND SEED TECHNOLOGY, Bachelor of Agriculture Education (B.Ag.Ed), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
টঙ্গিয়া পদ্ধতি প্রথম কোন দেশে শুরু হয়?
  1. বাংলাদেশ
  2. মায়ানমার
  3. শ্রীলংকা
  4. থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যা
টঙ্গিয়া পদ্ধতি:
- এ পদ্ধতি ১৮৫৬ সালে সর্বপ্রথম বার্মায় (মায়ানমার) শুরু হয় এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে সম্প্রসারিত হয়।
- এ পদ্ধতিতে কৃষিজ ফসল ও বনজ প্রজাতি একই জমিতে এক সময়ে শুরু হয়।
- কয়েক বৎসর পর যখন বনজ প্রজাতির শাখাপ্রশাখা এমনভাবে বিস্তার লাভ করে যে, নিচে রোদ পড়ে না এবং আর কৃষি ফসল চাষ করা সম্ভব না, তখন শুধু বন প্রজাতিই থাকে।
- অর্থাৎ এ পদ্ধতিতে রোপিত বন প্রজাতি বড় হয়ে উপরের দিকে ঘন হয়ে যাওয়া পর্যন্ত কৃষি ফসল চাষ করা যায়।
- বন প্রজাতি পূর্ণ বিকশিত হওয়ার পর কেটে একই পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করা হয়।
- পাহাড়ি বনাঞ্চলে এ পদ্ধতির বেশি প্রচলন দেখা যায়।

উৎস: বনায়ন, Bachelor of Agriculture Education (B.Ag.Ed), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
দুরন্ত (Duranta) নার্সারিতে কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. হেজ হিসেবে
  2. উইন্ডব্রেক হিসেবে
  3. শেল্টারবেল্ট হিসেবে
  4. অ্যালি ক্রপিং
ব্যাখ্যা
উঁচু হেজ তৈরির উপযোগী গাছ:
১। দুরন্ত (Duranta):
- এটি কষ্টসহিষ্ণু ও সচরাচর কাঁটাযুক্ত এবং রোদযুক্ত অথবা ছায়াময় উভয় পরিবেশে জন্মানোর উপযোগী।
- এটি কাটিং কিংবা বীজ দিয়ে বংশ বৃদ্ধিকারী গাছ।

২। কাঁটা মেহেদী (Thorn Mehedi):
- এটি মেহেদীরই কাঁটাযুক্ত প্রজাতি।
- এর কাটিং ও বীজ দিয়ে বংশ বিস্তার হয়।

৩। শ্যাওড়া (Sheora):
- এই সর্বাধিক ঝোপালো বৃক্ষকে ছাটাই দ্বারা বহু বছর ধরে হেজ এর উচ্চতায় সীমাবদ্ধ রাখা যায়।
- এর বীজ দিয়ে বংশ বিস্তার ঘটে।

8। করঞ্জা, করমচা (Caranda):
- এই কাঁটাময় ও দুগ্ধবৎ রসযুক্ত কান্ডবিশিষ্ট ফলের গাছটিকে ছাটাই দ্বারা ঝোপালো ও নির্দিষ্ট উচ্চতায় সীমাবদ্ধ করা যায়।
- এর কাটিং ও বীজ দ্বারা বংশ বৃদ্ধি ঘটে।

৫। কামিনী (China Box):
- ছোট, চকচকে পাতাযুক্ত এই গাছটিকে হেজ হিসেবে ছেটে রাখা যায়।
- প্রধানত বীজ হতে এর চারা জন্মে।
- তবে কাটিং থেকেও চারা জন্মানো যায়।

উৎস: CULTIVATION OF ORNAMENTAL PLANTS, Bachelor of Agriculture Education (B.Ag.Ed), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ফল ও শাকসবজিকে আকার আকৃতি অনুযায়ী ভাগ করাকে কী বলে?
  1. গ্রেডিং
  2. প্রসেসিং
  3. প্যাকেজিং
  4. ক্যানিং
ব্যাখ্যা
গ্রেডিং করা (Grading):
- ফল ও শাকসবজিকে আকার, আকৃতি, বর্ণ ইত্যাদি বাহ্যিক গুণের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়।
- গ্রেডিং করা ফল ও শাকসবজির সংরক্ষণ কাল বেড়ে যায় এবং গ্রেডিং করা শাকসবজি ও ফলের বাজারমূল্য ভাল পাওয়া যায়।

প্যাকেজিং:
- প্যাকেজিং নির্ভর করে পণ্য কতদূরে এবং কিভাবে যাবে তার উপর।
- প্যাকেট এমনভাবে তৈরি করতে হবে যাতে পরিবহনের সময় পণ্য আঘাত প্রাপ্ত না হয়।
- উন্নত বিশ্বে বাতাস চলাচলে সুবিধাযুক্ত প্লাস্টিক কাঠ বা হাডবোর্ডের বাক্সে শাকসবজি ও ফল পরিবহন করা হয়।

প্রক্রিয়াজাত করণের মাধ্যমে ফল সংরক্ষণ:
- বিভিন্ন পদ্ধতিতে প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে ফল দিয়ে বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী তৈরি করে ১-৩ বছর পর্যন্ত ফল সংরক্ষণ করা যায়।
- প্রক্রিয়াজাতকরণের ফলে কখনও কখনও ফলের স্বাদ ও গন্ধের তেমন পরিবর্তন হয় না আবার কোনও কোনও ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ভিন্ন স্বাদের খাদ্য তৈরি করা হয়।

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিম্নের কোন প্রতিষ্ঠান কৃষি সম্প্রসারণ সেবা প্রদান করে থাকে?
  1. DAE
  2. DLS
  3. DoF
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
- কৃষকদের কাছে প্রযুক্তি পৌঁছানোর জন্য গবেষণা ও সম্প্রসারণ ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রযুক্তি উৎপাদন ও প্রসার প্রয়োজন।
- বাংলাদেশে গবেষণা এবং সম্প্রসারণ উভয়ই সরকারি খাতে রয়ে গেছে।
- ন্যাশনাল এগ্রিকালচারাল রিসার্চ সিস্টেম (NARS) কৃষি সংক্রান্ত প্রযুক্তি তৈরির জন্য দায়ী এবং কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ (DAE), ডিপার্টমেন্ট অফ ফিশারিজ (DoF), এবং ডিপার্টমেন্ট অফ লাইভস্টক সার্ভিসেস (DLS) পাবলিক সেক্টরে উৎপাদিত প্রযুক্তি সম্প্রসারণের জন্য দায়ী।

DAE:
- পূর্ণরূপ Department of Agricultural Extension বা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
- এটি কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন।
- ১৯৮২ সালে ফসল প্রযুক্তি সম্প্রসারণে নিয়োজিত ছয়টি সংস্থা একিভূত করে বর্তমান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সৃষ্টি করা হয়।
- কাজ: চাহিদাভিত্তিক এবং সমন্বিত কৃষি সম্প্রসারণ সেবা প্রদান।

মৎস্য অধিদপ্তর (DoF):
- তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমান বাংলাদেশ) থেকে মৎস্য অধিদপ্তর (DoF) মৎস্য উন্নয়নে একটি অগ্রগামী সরকারি সংস্থা হিসেবে কাজ করছে।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ১৯৭৫ সালের এপ্রিলে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় মৎস্য বিভাগকে বাংলাদেশের মৎস্য অধিদপ্তরের সঙ্গে একীভূত করা হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৮৪ সালে কেন্দ্রীয় সামুদ্রিক মৎস্য বিভাগকে মৎস্য অধিদপ্তরের সামুদ্রিক মৎস্য শাখার সঙ্গে একীভূত করা হয়।
- মৎস্য অধিদপ্তর মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন।
- এর প্রধান হলেন মহাপরিচালক।
- অধিদপ্তরের বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রশাসনিক কাঠামো রয়েছে।
- অধিদপ্তরের অধীনে তিনটি মাছ পরিদর্শন ও গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ স্টেশন রয়েছে।
- এর পাশাপাশি মৎস্য অধিদপ্তরে সামুদ্রিক মৎস্য স্টেশন, মৎস্য প্রশিক্ষণ একাডেমি, মৎস্য প্রশিক্ষণ ও সম্প্রসারণ কেন্দ্র এবং মাছের হ্যাচারি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১০.
জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান কত? [জুন, ২০২৫]
  1. ১০.০২%
  2. ১১.০২%
  3. ১০.২০%
  4. ১১.২০%
ব্যাখ্যা
- সার্বিকভাবে অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান – ক্রমহ্রাসমান।
- অন্যদিকে, শিল্পখাতের অবদান ক্রমবর্ধমান।
- জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত শিল্পখাত।
- অন্যদিকে, কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম।
- বর্তমানে জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১১.০২%

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪
১১.
বাংলাদেশে গম ও ভুট্টা নিয়ে গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. BWMRI
  2. BARI
  3. BSRI
  4. BJRI
ব্যাখ্যা
BWMRI:
- পূর্ণরূপ Bangladesh Wheat and Maize Research Institute বা বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট।
- ২০১৭ সালে বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট (BWMRI) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি বাংলাদেশে গম ও ভুট্টা নিয়ে গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান ।
- এর প্রধান কার্যালয় দিনাজপুরের নশিপুরে অবস্থিত।

- উল্লেখ্য, এটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) থেকে আলাদা হয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর পূর্বে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) গম ও ভুট্টা নিয়ে গবেষণা করত।

উৎস: বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
১২.
ফার্টিগেশন এক ধরনের -
  1. আগাছা দমন প্রযুক্তি
  2. সেচ প্রযুক্তি
  3. পোকা দমন পদ্ধতি
  4. কৃত্রিম প্রজনন পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
ফার্টিগেশন:
- ফার্টিগেশন বাংলাদেশের জন্য একটি নতুন সেচ প্রযুক্তি।
- এতে সেচের পানির সাথে রাসায়নিক সার মিশিয়ে ফসলে প্রয়োগ করা হয়।
- কেবলমাত্র পানিতে দ্রবণীয় সার যেমন- ইউরিয়া, পটাশ ইত্যাদি ফার্টিগেশন পদ্ধতিতে ব্যবহার করা যায়।
- ফলে ফসলের জমিতে সেচ এবং সার একই সঙ্গে প্রয়োগ করা যায়।
- প্রতি ১৪০ লিটার পানিতে ১ কেজি সার মিশাতে হয়।
- সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিজ্ঞানীগণ উদ্যানতত্ত্ব ফসলের উপর এ পদ্ধতির পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ভাল ফল পেয়েছেন।

উৎস: কৃষি প্রযুক্তি হাতবই
১৩.
ধান ক্ষেতে মাছ চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী মাছ কোনটি?
  1. সরপুটি
  2. রুই
  3. গ্রাস কার্প
  4. মাগুর
ব্যাখ্যা
ধান ক্ষেতে মাছ চাষের জন্য উপযোগী মাছ:
- ধান ক্ষেতে মাছ চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী হলো সর পুঁটি, কমনকার্প মাছ।
- ধান ক্ষেতে এসব জাতের মাছের একক বা মিশ্র চাষ করা যায়।
- একক চাষের ক্ষেত্রে প্রতি শতকের জমিতে উল্লিখিত জাতের মাছগুলোর মজুদ ঘনত্ব হলো সরপুটি ২০-২৫ টি এবং কমন কার্প ১০-১৫ টি।
- মিশ্র চাষের ক্ষেত্রে প্রতি শতকের জমিতে উল্লিখিত জাতের মাছগুলোর মজুদ হলো সরপুটি ১২টি+কমন কার্প ৮টি = মোট ২০টি।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
কৃষি বনায়ন এর মাধ্যমে নিচের কোনটি সম্ভব নয়?
  1. কৃষিজ পণ্য উৎপাদন
  2. বনজ দ্রব্য উৎপাদন
  3. পশুপালন
  4. সবগুলোই সম্ভব
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে কৃষি বনায়ন:
- ক্রমবর্ধমান জনগোষ্ঠির খাদ্য চাহিদা পূরণের জন্য কৃষিজ জমির উপর চাপ অব্যাহতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
- কৃষি বনায়ন এর মাধ্যমে একই সাথে কৃষিজ পণ্য, বনজ দ্রব্য ও পশুপালন সম্ভব।
- ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাহিদা পূরণার্থে দেশের বনসম্পদ দ্রুত সংকুচিত হচ্ছে।
- ফলে নতুন নতুন সমস্যা দেখা দিচ্ছে, যেমনÑ জ্বালানি সংকট, বৃষ্টিপাতের পরিমাণ হ্রাস, উষ্ণতা বৃদ্ধি, মরুকরণ প্রক্রিয়া, ভূমিধ্বংস, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়া, মাটির উৎপাদন ক্ষমতা হ্রাস, বন্যপ্রাণীর সংখ্যা হ্রাস, নানাবিধ প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রভৃতি।
- উপর্যুক্ত অনাকাংক্ষিত সমস্যা সমূহ মোকাবেলার জন্য কৃষি বনায়ন উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করতে পারে।

উৎস: AFORESTRATION, Bachelor of Agriculture Education (B.Ag.Ed), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
নিচের কোনটি পাটের দেশী জাত?
  1. সিভিএল-১
  2. সিসি-৪৫
  3. ডি-১৫৪-২
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
পাটের দেশী জাত:
i) জাত: ডি-১৫৪-২
- চলতি নাম: সাদা পাট
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এ জাতের গাছের কান্ডের গোড়া অপেক্ষাকৃত মোটা হলেও সহজে ঢলে পরে না এবং পাট কাটার পর রোপা আমন লাগানো সম্ভব।

ii) জাত: সিভিএল-১
- চলতি নাম: সবুজ পাট
- উচ্চ ফলনশীল, সর্বাধিক জনপ্রিয় সাদা পাটের জাত।
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: ক্লোরোসিস রোগ তুলনামূলক ভাবে এ জাতে কম হয়, কাটিংস অন্য জাতের তুলনায় কম এবং আর্শের মান ভাল।

iii) জাত: সিসি-৪৫
- চলতি নাম: জো পাট
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: দেশী জাত সমূহের মধ্যে এই জাতের ফসল সবচেয়ে আগে বপন করা যায়। অকাল ফুলমুক্ত ও দীর্ঘ বপনকালীন সিসি-৪৫ জাতটি ফাল্গুনের ১ম সপ্তাহ থেকে বপন করা যায়।

উৎস: বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট।
১৬.
মরিচ কোন ধরনের ফসল?
  1. দানা জাতীয়
  2. মসলা জাতীয়
  3. ডাল জাতীয়
  4. পানীয় জাতীয়
ব্যাখ্যা
মরিচ:
- বাংলাদেশে মরিচ একটি মসলা ফসল।
- ঝালের জন্য কাঁচা ও পাকা মরিচ ব্যবহার করা হয়।
- কাঁচা মরিচে ভিটামিন 'সি' বেশি থাকে।
- বর্তমানে ঝালহীন এক ধরনের মরিচও পাওয়া যায়। একে কেপসিকাম মরিচ বলে। এই মরিচ সালাদ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় মরিচের অনেক জাত ছড়িয়ে রয়েছে।
- যেমন: বিন্দু, চল্লিশা, ধানী, উবদা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, বগুড়া ইত্যাদি।
- এ ছাড়া বাংলা লঙ্কা (বারি মরিচ-১) নামের অনুমোদিত জাতটি সারা বছর চাষের উপযোগী।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৭.
নিচের কোনটি টমেটোর জাত?
  1. রতন
  2. লালিমা
  3. ঝুমকা
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
টমেটোর জাত:
- টমেটো মূলত শীতকালীন সবজি। তবে বর্তমানে গ্রীষ্মেও চাষ করা যায়।
- বাংলাদেশে টমেটোর অনেক অনুমোদিত জাত রয়েছে।
- শীতকালীন জাতের মধ্যে রয়েছে বারি টমেটো-২ (রতন), বারি টমেটো-৯ (লালিমা), বারি টমেটো-১০ (অনুপমা), বিনা টমেটো-৩ এবং বিদেশ থেকে আমদানি করা জাত মারগ্লোব, রুমা ভিএফ, অক্সহার্ট ইত্যাদি।
- গ্রীষ্মকালীন জাতের মধ্যে রয়েছে-বারি টমেটো-৪, বারি টমেটো-৫, বারি টমেটো-৯ (লালিমা), বারি টমেটো-১০ (অনুপমা), বারি টমেটো-১১ (ঝুমকা), বারি হাইব্রিড টমেটো-৩, বারি হাইব্রিড টমেটো-৪ ইত্যাদি।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৮.
নার্সারি উঁচু দালানের কোন পাশে স্থাপন করা সর্বোত্তম?
  1. উত্তর
  2. দক্ষিণ
  3. পূর্ব
  4. পশ্চিম
ব্যাখ্যা
নার্সারির স্থান নির্বাচন:
- নার্সারির স্থান নির্বাচনে সেখানে কতটা আলো ও বাতাস পাওয়া যাবে তা লক্ষ্য করা দরকার।
- কারণ, গাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য এই দু'টি জিনিষের প্রাচুর্য থাকা আবশ্যক।
- কোন ভবনের বা বড় দালানের কাছাকাছি স্থাপন করতে হলে নার্সারিটির সর্বোত্তম স্থান হবে দালানের দক্ষিণ পাশে।
- বাংলাদেশের যে কোন স্থানে গাছপালা জন্মানোর জন্য দক্ষিণ দিকই সবচেয়ে উপযোগী।
- দ্বিতীয় ও তৃতীয় উত্তম স্থান যথাক্রমে দালানের পূর্ব ও পশ্চিম দিক।
- নার্সারির জন্য উত্তর দিক সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট।
- কেননা, দালানের ছায়া সবচেয়ে বেশী পড়ে সেটার উত্তর পাশে।

উৎস: CULTIVATION OF ORNAMENTAL PLANTS, Bachelor of Agriculture Education (B.Ag.Ed), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯.
নিচের কোনটি ফল প্রক্রিয়াজাতকরণের পদ্ধতি?
  1. জেলী তৈরি
  2. লবণের দ্রবণে সংরক্ষণ
  3. ক্যানিং
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে ফল সংরক্ষণ:
- বিভিন্ন পদ্ধতিতে প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে ফল দিয়ে বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী তৈরি করে ১-৩ বছর পর্যন্ত ফল সংরক্ষণ করা যায়।
- প্রক্রিয়াজাতকরণের ফলে কখনও কখনও ফলের স্বাদ ও গন্ধের তেমন পরিবর্তন হয় না আবার কোনও কোনও ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ভিন্ন স্বাদের খাদ্য তৈরি করা হয়।

ফল প্রক্রিয়াজাতকরণের পদ্ধতি:
ক) ক্যানিং বা টিনজাত করে সংরক্ষণ (Canning):
- আম, আনারস, লিচু, কমলা ইত্যাদি ফলকে টিনজাত করে সংরক্ষণ করা যায়।

খ) তাপ ও রাসায়নিক দ্রব্যের সাহায্যে সংরক্ষণ:
- উচ্চতাপমাত্রায় (১২০-১৫০° সে.) ফলের ভেতরের রোগ জীবাণু মারা যায় ও ফলের আভ্যন্তরীণ বিপাক ক্রিয়া বন্ধ হয়।
- এ প্রক্রিয়ায় খাদ্য মানের তেমন পরিবর্তন হয় না, তবে ভিটামিন বি ও সি নষ্ট হয়ে যায়।
- এভাবে উচ্চতাপ প্রয়োগ করে ফলকে অনেকদিন সংরক্ষণ করা যায়।

গ) চিনির দ্রবণে ফল সংরক্ষণ:
- চিনির ঘন রসে বিভিন্ন ফল যেমন আনারস, লিচু, পীচ, আম, আঙ্গুর, মাল্টা, কমলা, চেরি, পেঁপে, নাসপাতি ইত্যাদি ফল সংরক্ষণ করা যায়।
- ফল সংরক্ষণের জন্য চিনির দ্রবণের ঘনত্ব কমপক্ষে ৬০% হতে হবে।
- ছোট ছোট ফল যেমন, লিচু, চেরী, কমলার কোয়া ইত্যাদি আস্ত সংরক্ষণ করা হয়।
- অন্যান্য ফল সংরক্ষণের আগে সুবিধামত ছোট টুকরা করে পাতলা রসের সাথে জ্বাল দিয়ে সিরাপের ঘনত্ব ৬০-৭০ করা হয়।

ঘ) লবণের দ্রবণে সংরক্ষণ:
- টকস্বাদ যুক্ত ফলকে সাধারণত এই পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করা হয়।
- জলপাই, আমলকী, লেবু, কাঁচা আম ইত্যাদি ফল আস্ত অথবা ছোট টুকরা করে লবণ পানিতে সেদ্ধ করা হয় যতক্ষণ পর্যন্ত লবণ দ্রবণের ঘনত্ব ২০-২৫% না হয়।
- পরে ফলগুলো লবণ পানি থেকে উঠিয়ে বায়ুরোধী টিনে বা কাঁচের পাত্রে সংরক্ষণ করা হয়।

ঙ) জৈব অম্ল ব্যবহার করে:
- সিরকায় ৪-৬% এসিটিক এসিড থাকে যাতে জীবাণু বাঁচতে পারে না তাই ফল সংরক্ষনের জন্য সিরকা বা এসিটিক এসিড ব্যবহার করা যায়।

চ) রস হিসেবে ফল সংরক্ষণ:
- যে কোন রসালো ফল থেকে রস বের করে তা সংরক্ষণ করা যায়।
- ফলে রস দ্রুত স্টেরিলাইজেশন করে বায়ুরোধী পাত্রে সংরক্ষণ করা হয়।
- এর সাথে প্রিজারভেটিভ যোগ করলে অনেকদিন ভাল থাকবে।
- আম, আনারস, লিচু, কমলা, আপেল ইত্যাদি ফল রস করে সংরক্ষণ করা যায়।

ছ) জেলী তৈরি করে সংরক্ষণ:
- ফলের রস থেকে জেলী তৈরি করা হয়।
- চিনি ও পেকটিন ব্যবহার করা হয়।
- পেকটিন পালপ জমাট বাধতে সাহায্য করে।
- পেয়ারাতে পেকটিনের পরিমাণ বেশি বলে এতে বাড়তি পেকটিন যোগ করতে হয় না।
- পেয়ারা, কমলা, আনারস, আম, পেঁপে, স্ট্রবেরি ইত্যাদি ফল দিয়ে জেলি তৈরি করা হয়।

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০.
'তারাপুরি' কোন ফসলের জাত?
  1. মরিচ
  2. বেগুন
  3. তরমুজ
  4. তামাক
ব্যাখ্যা
বেগুনের জাত:
- বারি বেগুন-১(উত্তরা)
- বারি বেগুন-২(তারাপুরি)
- বারি বেগুন-৪(কাজল)
- বারি বেগুন-৫(নয়নতারা)

তরমুজ এর জাত:
- পদ্ম
- বারি তরমুজ-১
- বারি তরমুজ-২

মরিচের জাত:
- ঝাল ও মিষ্টি এ ধরনের মরিচ দেখা যায়।
- ঝাল মরিচের মধ্যে বগুড়া, চাঁদপুরী, ফরিদপুরী উল্লেখযোগ্য।
- এছাড়া কামরাংগা, আকালী ও কালো মরিচ খুব ঝাল।

তামাক:
- সুগন্ধী (BAT-2)

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট।
২১.
কোন রোগে আক্রান্ত হলে কুলের পাতায় ধুসর সাদা পাউডারের মত দেখা যায়?
  1. ফলের পচন
  2. এনথ্রাকনোজ
  3. পাউডারী মিলডিউ
  4. ডাইব্যাক
ব্যাখ্যা
কুলের পাউডারী মিলডিউ রোগ:
- এ রোগে গাছের পাতা, ফুল ও কচি ফল আক্রান্ত হয়।
- আক্রান্ত ফুল ও ফল ঝরে পড়ে।
- পাতা, ফুল ও ফলের উপরে সাদা ধুসর পাউডার দেখা যায় এবং পাতা নষ্ট হয়।
- বোর্দো মিশ্রণ প্রয়োগ করলে এ রোগ দমন করা যায়।

উৎস: কৃষি শিক্ষা প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২.
কোনো দেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য শতকরা কত ভাগ বনাঞ্চল থাকা দরকার?
  1. ১৭ ভাগ
  2. ২০ ভাগ
  3. ২৫ ভাগ
  4. ৩০ ভাগ
ব্যাখ্যা
বন ও বনায়ন:
- গাছপালা দ্বারা আচ্ছাদিত এলাকাকেই আমরা বন বলি।
- যে পদ্ধতিতে বন তৈরি হয় তা-ই হলো বনায়ন।
- আমরা জানি, প্রাণী ও উদ্ভিদের মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক আছে।
- গাছপালা অক্সিজেন ত্যাগ করে এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্রহণ করে।
- আবার প্রাণী কার্বন ডাইঅক্সাইড ত্যাগ করে এবং অক্সিজেন গ্রহণ করে।
- কাজেই প্রাণীকে বাঁচতে হলে গাছপালাকে বাঁচাতে হবে।
- কোনো দেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য সে দেশের মোট আয়তনের শতকরা ২৫ ভাগ বনাঞ্চল থাকা দরকার।
- বনে বিভিন্ন ধরনের পাখি, পশু, কীটপতঙ্গ থাকে।
- বনের মাধ্যমে একদিকে কাঠ ও জ্বালানির চাহিদা পূরণ হয় এবং অন্যদিকে পরিবেশ ভালো থাকে।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড বই।
২৩.
SRI পদ্ধতিতে ধান চাষের ক্ষেত্রে কতদিন বয়সের চারা রোপন করতে হয়?
  1. ৮-১২ দিন
  2. ১৫-২০ দিন
  3. ২৫-৩০ দিন
  4. ৩৫-৪০ দিন
ব্যাখ্যা
SRI:
- SRI (System of Rice Intensification) হলো পানি সেচের মাধ্যমে ধান চাষের এমন একটি কৃষি পরিবেশিক পদ্ধতি যেখানে ফসল, মাটি, পানি এবং উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদানের ভিন্নতর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ধানের ফসল স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি হয়।
- SRI পদ্ধতিতে চাষ করার কৌশল সর্বপ্রথম ১৯৮০ সালের দিকে মাদাগাস্কারে উদ্ভাবিত হয়।
- এই পদ্ধতিতে চারা উৎপাদন, রোপন, সেচ, সার, কীটনাশক কম লাগে।
- কিন্তু নিবিড় পরিচর্যা করতে হয় এবং ফলন বেশি হয়।

SRI পদ্ধতিতে ধান চাষের মূলনীতি/বৈশিষ্ট্য:
১. এ পদ্ধতিতে ধান চাষের ক্ষেত্রে ৮-১২ দিন বয়সের চারা একটি করে রোপন করতে হয়।
২. বীজতলা থেকে চারা তোলার সময় সতর্ক থাকতে হবে যাতে চারা ভেঙ্গে না যায়; চারা তোলার পর পরই রোপন করতে হবে।
৩. চারা বর্গাকারে ২৫-৪০ সে.মি দূরত্বে লাগাতে হবে; অর্থাৎ সারি থেকে সারি এবং চারা থেকে চারার দূরত্ব সমান। বর্গাকারে লাগানো গাছ পর্যাপ্ত আলো-বাতাস পাবে এবং আগাছা দমন সহজ হবে।
৪. জমিতে পর্যাপ্ত পরিমানে জৈব সার প্রয়োগ করতে হবে এবং যদি প্রয়োজন হয় তবে রাসায়নিক সারও প্রয়োগ করতে হবে।
৫. মাটি পর্যায়ক্রমে ভিজানো ও শুকানো (AWD) পদ্ধতিতে সেচ দিতে হবে। এতে মূলের বৃদ্ধি ভালো হবে ও মাটির অনুজীবের কার্যাবলী বৃদ্ধি পাবে। এছাড়াও মিথেন গ্যাস উৎপাদন কম হবে।
৬. ধানের থোড় অবস্থা থেকে ফসল পাকার ১৫ দিন আগ পর্যন্ত ধানের জমিতে ১-২ সে.মি. এর একটি পানির স্তর রাখতে হবে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪.
কোন পুকুরে রেণু পোনা ছাড়া হয়?
  1. লালন পুকুর
  2. মজুদ পুকুর
  3. আঁতুড় পুকুর
  4. মৌসুমী পুকুর
ব্যাখ্যা
পুকুরের প্রকারভেদ:
মাছ চাষের পুকুরকে পুকুরের আয়তন, পানি ধারণ ক্ষমতা পানির স্থায়িত্ব এবং বিভিন্ন আকারের মাছ প্রতিপালনের উপর ভিত্তি করে বিভিন্নভাবে ভাগ করা যায়।

১। পানির স্থায়িত্বের উপর ভিত্তি করে পুকুরের শ্রেণি বিন্যাস:
ক. স্থায়ী পুকুর এবং
খ. অস্থায়ী পুকুর

ক. স্থায়ী পুকুর:
- এ ধরনের পুকুর অধিকতর গভীর হয় এবং এতে সারা বছর পানি থাকে।
- এদের মাটি সবসময় পানি ধরে রাখতে পারে।

খ. অস্থায়ী বা মৌসুমী পুকুর
- এ ধরনের পুকুর অগভীর এবং বছরের একটি নির্দিষ্ট সময় (৩-৮ মাস) পানি থাকে।
- বেলে মাটির পুকুর সাধারণত অস্থায়ী হয় ফলে পানি বেশি দিন ধরে রাখতে পারে না।

২। আকারের উপর ভিত্তি করে শ্রেণি বিন্যাস:
বিভিন্ন আকারের মাছ প্রতি পালনের জন্য ৩ ধরনের পুকুরের প্রয়োজন হয়।

ক. আঁতুড় পুকুর:
- যে পুকুরে রেণু পোনা ছেড়ে ধানী পোনা পর্যন্ত বড় করা হয় তাদেরকে আঁতুড় পুকুর বলে।
- সাধারণভাবে এ ধরনের পুকুরের আয়তন ১০-১৭ শতাংশ পর্যন্ত হয়।

খ. লালন পুকুর:
- যে পুকুরে ধানী পোনা ছেড়ে চারা পোনা বা আঙ্গুলে পোনা তৈরি করা হয় তাকে লালন পুকুর বলে।
- লালন পুকুরের আয়তন ২০-১০০ শতাংশ এবং গভীরতা ১.৫-২.০ মিটার হয়ে থাকে।

গ. মজুদ পুকুর:
- যে পুকুরে ধানী বা আঙ্গুলে পোনা ছেড়ে বড় মাছে পরিণত করা হয় তাকে মজুদ পুকুর বলে।
- এ ধরনের পুকুরের আয়তন ৩০ শতাংশের উপরে এবং গভীরতা ২-৩ মিটার হয়।
- মাছ চাষের জন্য এ ধরনের পুকুরই প্রধান পুকুর হিসেবে পরিচিত।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫.
Floriculture বলতে নিচের কোনটিকে বোঝায়?
  1. ফল চাষ
  2. ফুল চাষ
  3. সবজি চাষ
  4. গাছ উৎপাদন
ব্যাখ্যা
- উদ্যানতত্ত্ব ফসলের মধ্যে যে সব ফসল শুধু ফুলের জন্য চাষ করা হয় তাকে ফুলজাতীয় ফসল বলে।
- ফুল ও সুদৃশ্য গাছপালা উৎপাদনের কলাকৌশল পুষ্পোদ্যান বিদ্যা বা Floriculture নামে অভিহিত।

উল্লেখ্য,
- Pomology হচ্ছে ফল চাষ সম্পর্কিত।
- Olericulture হচ্ছে সবজি চাষ সম্পর্কিত।
- Arboriculture হচ্ছে গাছ (Tree) উৎপাদন সম্পর্কিত।

উৎস: কৃষি শিক্ষা প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬.
বস্ত্র উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল কোন ফসল হতে পাওয়া যায়?
  1. আঁশ জাতীয় ফসল
  2. নারকোটিক ফসল
  3. ডাল জাতীয় ফসল
  4. দানা জাতীয় ফসল
ব্যাখ্যা
বস্ত্র:
- বস্ত্র উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল আঁশ ফসল হতে পাওয়া যায়।
- তুলা ও পাট আমাদের প্রধান আঁশ ফসল।
- পশুর চামড়া ও পশম দিয়েও বসত্র তৈরি হয়।
- আঁশ ফসল উৎপাদনে কৃষি ও কৃষকের বড় ভূমিকা রয়েছে।
- পরিবেশবান্ধব ও স্বাস্থ্য রক্ষায় উপযোগী বলে বিশ্বব্যাপী আঁশ ফসলের উপর মানুষ নির্ভরশীল হচ্ছে।
- আমাদের দেশেও তুলা উৎপাদন এলাকা প্রতিবছর বেড়ে চলেছে।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, সপ্তম শ্রেণি, বোর্ড বই।
২৭.
কোন গাছ জমে থাকা পানি সহ্য করতে পারে না?
  1. পেঁপে
  2. ধান
  3. গেওয়া
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
পানি নিষ্কাশনের ধারণা ও উদ্দেশ্য:
- পরিমিত পানি সেচ যেমন ফসলের জন্য ভালো তেমনি অতিরিক্ত পানি ফসলের জন্য খুবই ক্ষতিকর।
- ফসলের জমি থেকে অতিরিক্ত পানি অপসারণ করাকেই পানি নিষ্কাশন বা পানি নিকাশ বলে।
- ফসলের জমিতে জমে থাকা পানি অধিকাংশ ফসলের জন্য ক্ষতিকর।
- ধানের জমিতে পানি জমে থাকা উপকারী হলেও পেঁপে গাছ জমে থাকা পানি সহ্য করতে পারে না।
- ফসলের জমিতে একটি নির্দিষ্ট সময়ের বেশি সময় ধরে গাছের গোড়ায় পানি জমে থাকলে গাছ মারা যায়।
- আবার পানি জমে থাকা ফসলের জমি থেকে পানি নিকাশ না করা পর্যন্ত সেখানে বীজ বপন করা যায় না, চারা রোপণ করা যায় না এবং গাছও লাগানো যায় না।
- সুতরাং পানির অভাব হলে গাছে পানি দিতে হবে।
- জমিতে বৃষ্টির পানি জমে থাকলে কিংবা সেচের পানি বেশি হলে অতিরিক্ত পানি তাড়াতাড়ি সরিয়ে ফেলতে হবে।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, সপ্তম শ্রেণি, বোর্ড বই।
২৮.
শীতকালীন সবজি নয় কোনটি?
  1. ফুলকপি
  2. চিচিঙ্গা
  3. মুলা
  4. বাঁধাকপি
ব্যাখ্যা
সবজি ও শাক:
- এ দেশে সকল ঋতুতে রকমারি সবজি উৎপাদিত হয়।
- বিশেষ করে শীতকাল বা রবি মৌসুমে সবজির বৈচিত্র্য অনেক বেশি।
- শাকের বৈচিত্র্যও এ দেশে কম নয়।
- শীতকালীন সবজির মধ্যে ফুলকপি, বাঁধাকপি, টমেটো, গোলআলু, ব্রোকলি, লাউ, ওলকপি, মুলা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
- গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালীন সবজির মধ্যে চালকুমড়া, পটোল, করলা, ঝিঙ্গা, চিচিঙ্গা, ধুন্দল, মুখিকচু অন্যতম।
- শাকের মধ্যে রয়েছে লাল শাক, পুঁইশাক, পালংশাক, পাটশাক, কলমিশাক ইত্যাদি।
- আবার পেঁপে, কাঁচাকলা, বেগুন, লালশাক ইত্যাদি শাকসবজি সারা বছর ধরে চাষ করা হয়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, সপ্তম শ্রেণি, বোর্ড বই।
২৯.
একটি আদর্শ বীজতলার মাপ কত?
  1. ৩ মিটার x ১ মিটার
  2. ৩ মিটার x ২ মিটার
  3. ৫ মিটার x ১ মিটার
  4. ৫ মিটার x ২ মিটার
ব্যাখ্যা
আদর্শ বীজতলা:
- একটি আদর্শ বীজতলার পরিমান ৩ মি. দৈর্ঘ্য এবং ১ মি. প্রস্থ ।
- চারাগাছের পরিচর্যার সুবিধার জন্য বীজতলা প্রস্থে ১ মিটার রাখা হয়।

উৎস: কৃষি প্রযুক্তি হাতবই, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
৩০.
শাকসবজি ও ফল সংরক্ষণের সময় বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা না থাকলে কীসের ভারসাম্য নষ্ট হয়?
  1. অক্সিজেন ও কার্বন ডাই অক্সাইড
  2. নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন
  3. অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন
  4. সালফার ও অ্যামোনিয়া
ব্যাখ্যা
সংরক্ষণের সময় প্রতিকূল পরিবেশ:
(ক) তাপমাত্রা:
- উচ্চতাপমাত্রা শাক সবজি ও ফল পচনের জন্য দায়ী।
- ফল ও শাকসবজির কোষ স্বাভাবিক থাকার জন্য একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রা প্রয়োজন।
- প্রতি ১০০ সে. তাপমাত্রা বেড়ে গেলে শ্বসনের মাত্রা প্রায় তিনগুণ বেড়ে যায়।
- ফলে অভ্যন্তরীণভাবে উৎপাদিত ইথিলিনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় যা শাকসবজি ও ফলে দ্রুত পচন ঘটায়।
- এমতাবস্থায় রোগজীবাণুর বংশবৃদ্ধি ও সংক্রমণ বেড়ে যায় যা ফল ও শাকসবজিতে পচন ঘটায়।

(খ) আর্দ্রতা:
- আর্দ্রতা কমে গেলে (৮৩-৮৫% এর কম) ফল ও শাক সবজি অল্প সময়ে নষ্ট হয়ে খাওয়ার অযোগ্য হয়ে পড়ে।

(গ) বায়ুচলাচল:
- শাকসবজি ও ফল যেখানে সংরক্ষণ করা হয় সেখানে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা না থাকলে অক্সিজেন ও কার্বন ডাই অক্সাইডের ভারসাম্য নষ্ট হয়।
- এতে ফল ও শাকসবজি দ্রুত পচে যায়।

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১.
কমলা চাষের জন্য কী ধরণের মাটি উপযোগী?
  1. ক্ষারীয়
  2. লবণাক্ত
  3. অম্লীয়
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
কমলার চাষের উপযোগী জলবায়ু ও মাটি:
- কমলা যেসব অঞ্চলে বৃষ্টিপাত ভালো হয় সেখানেই ভালো জন্মে।
- কমলা গাছ ৫৫° ফারেনহাইট থেকে ১০০° ফারেনহাইট তাপমাত্রায় জন্মে।
- সুনিষ্কাশিত দোআঁশ, বেলে দোআঁশ, পাহাড়ী মাটি কমলা চাষ করা হয়।
- বিশেষ করে উর্বর পার্বত্য এলাকায় এর চাষ ভালো হয়।
- কমলা জলাবদ্ধতা সহ্য করতে পারে না।
- বৃষ্টিপাত হলে পোকার আক্রমণ বেড়ে যায় এবং ফলের ক্ষতি হয়।
- অম্লীয় মাটিতে কমলা ভালো হয়।

উৎস: কৃষি শিক্ষা প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২.
কিসের মাধ্যমে অনেক ফুল পাওয়া যায়?
  1. স্টপিং
  2. টাইমিং
  3. থিনিং
  4. ডিসবাডিং
ব্যাখ্যা
স্টপিং, থিনিং এন্ড টাইমিং: 
- চারার ডগা কেটে পাশ থেকে শাখা বের হয় তাকে স্টপিং বলে।
- স্টপিং এর মাধ্যমে একাধিক শাখা তৈরি করে অনেকগুলি ফুল পাওয়া যায়।
- প্রয়োজনীয় সংখ্যক শাখা রেখে বাকিগুলোকে কেটে ফেলাকে থিনিং বলে।
- টাইমিং হলো প্রয়োজনে বা প্রদর্শনীর উদ্দেশ্যে ফুল ফোটানোর সময় নিয়ন্ত্রণকে টাইমিং বলে।

ডিসবাডিং: 
- প্রদর্শনীর উদ্দেশ্যে গাছের ফুল সীমিত বা বড় আকারের জন্য কেন্দ্রীয় বা কয়েকটি কুঁড়ি রেখে বাকি সব কুঁড়ি বাদ দেয়াকে ডিসবাডিং বলে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৩.
নিচের কোন যন্ত্রটি জমি কর্ষণে ব্যবহৃত হয়?
  1. ন্যাপস্যাক স্প্রেয়ার
  2. ডিস্ক হ্যারো
  3. প্যাডেল থ্রেসার
  4. ডাস্টার
ব্যাখ্যা
ডিস্ক হ্যারো:
- ডিস্ক হ্যারো জমি কর্ষণে ব্যবহৃত হয়। 

- ডিস্ক হ্যারো সাধারণত মাটি ভাঙ্গা, গুড়া করা, আগাছা নিয়ন্ত্রণ করা ও কর্ষিত জমির উপরিভাগ মোটামুটি সমতল করে বীজ বপনের উপযুক্ত করার কাজে ব্যবহৃত হয়।
- এটি একটি দ্বিতীয় পর্যায়ের কর্ষনযন্ত্র তবে কোন কোন নরম মাটিতে প্রাথমিক কর্ষনযন্ত্র হিসেবেও ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- এটিতে একটি শ্যাফটে অনেকগুলো ডিস্ক লাগানো থাকে।
- ডিস্কগুলোসহ একেকটি শ্যাফ্টকে গ্যাং বলে।
- একটি ডিস্ক হ্যারোতে এক বা একাধিক গ্যাং থাকতে পারে।

ডিস্ক হ্যারো বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। যেমন-
ক) সিঙ্গেল এক্টিং
খ) টেনডেম
গ) অফসেট

উৎস: ফার্ম মেশিনারিজ, কৃষি শিক্ষা ব্যাচেলর (B.Ag.Ed) প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪.
রাফেজ জাতীয় খাদ্যে কোনটি প্রচুর পরিমাণে থাকে?
  1. দানাশস্য
  2. তৈল
  3. খনিজ লবণ
  4. আঁশ
ব্যাখ্যা
গবাদিপশুর খাদ্যদ্রব্যের প্রকারভেদ:
গবাদিপশু, বিশেষ করে গাভীর খাদ্যদ্রব্যগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন:-
১. আঁশজাতীয় খাদ্য (Roughage)
২. দানাদার খাদ্য (Concentrates)
৩. ফিড অ্যাডিটিভস (Feed Additives)

আঁশজাতীয় খাদ্য বা রাফেজ:
- আঁশজাতীয় খাদ্যে প্রচুর পরিমাণে আঁশ (Fiber) ও কম পরিমাণে শক্তি (Energy) থাকে।
- যেমন- বিভিন্ন ধরনের খড়, সবুজ ঘাস, শুকনো ঘাস বা হে, সাইলেজ ইত্যাদি।
- আঁশসমৃদ্ধ ঘাস গবাদিপশু চারণভূমি থেকে খেতে পারে অথবা খামারি/কৃষক মাঠ বা চাষকৃত জমি থেকে ঘাস কেটে গবাদিপশুকে সরবরাহ করতে পারে।
- লিগিউম বা ডালজাতীয় উদ্ভিদে যেমন:- কলাই, খেসারি, কাউপি, ইপিল-ইপিল, আলফা-আলফা ইত্যাদিতে সাধারণ ঘাসের তুলনায় অধিক পরিমাণে, আমিষ (Protein), শক্তি, খাদ্যপ্রাণ বা ভিটামিন (Vitamin) ও খণিজপদার্থ (Minerals) থাকে।
- সাধারণ ঘাসের মধ্যে ভুট্টা, নেপিয়ার, জার্মান, প্যারা প্রভৃতি ঘাস উল্লেখযোগ্য।
- অন্যান্য ঘাসের তুলানায় এসব ঘাসের ফলন প্রতি উৎপাদন অনেক বেশি।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৫.
কোন সময় অনাকাঙ্ক্ষিত গাছ রগিং করা ভালো?
  1. ফুল আসার আগে
  2. ফুল আসার পরে
  3. ফসল তোলার পর
  4. চারা লাগানোর পর
ব্যাখ্যা
রগিং:
- বীজের জাতের বিশুদ্ধতা রক্ষার জন্য রগিং একটি জরুরি কাজ।
- রগিং অর্থ হচ্ছে আকাঙ্ক্ষিত বীজের গাছ ছাড়া আগাছাসহ অন্য যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত গাছ জমি থেকে শিকড়সহ তুলে ফেলা।
- ফুল আসার আগেই অনাকাঙ্ক্ষিত গাছ রগিং করা ভালো।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, সপ্তম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩৬.
বাংলাদেশে গম বপনের উপযুক্ত সময় হচ্ছে -
  1. অক্টোবর মাসের শুরু থেকে নভেম্বর মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত
  2. নভেম্বর মাসের শুরু থেকে ডিসেম্বর মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত
  3. ডিসেম্বর মাসের শুরু থেকে জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত
  4. জানুয়ারি মাসের শুরু থেকে ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
গম:
- গম শীতকালীন ফসল।
- বাংলাদেশে শীতকাল স্বল্পস্থায়ী।
- এ কারণে গমের ভালো ফলন পেতে হলে সঠিক সময়ে গম বীজ বপন করা উচিত।
- আমাদের দেশে নভেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে ডিসেম্বর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত গম বপনের উপযুক্ত সময়।
- উঁচু ও মাঝারি দোঁআশ মাটিতে গম ভালো জন্মে।
- তবে লোনা মাটিতে গমের ফলন কম হয়।
- যেসব এলাকায় ধান কাটতে ও জমি তৈরি করতে দেরি হয় সেসব এলাকায় কাঞ্চন, আকবর, প্রতিভা, গৌরব চাষ করলে ভালো ফলন পাওয়া যায়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩৭.
নিচের কোনগুলো বারোমাসী ফুল?
  1. ডালিয়া, গাঁদা, কসমস
  2. সূর্যমুখী, জিনিয়া, কলাবতী
  3. দোপাটি, বোতাম ফুল, মোরগফুল
  4. বেলী, মল্লিকা, যুই
ব্যাখ্যা
ফুলের পরিচিতি ও শ্রেণীবিন্যাস: 
- উদ্যানতত্ত্ব ফসলের মধ্যে যে সব ফসল শুধু ফুলের জন্য চাষ করা হয় তাকে ফুলজাতীয় ফসল বলে।
- ফুল ও সুদৃশ্য গাছপালা উৎপাদনের কলাকৌশল পুষ্পোদ্যান বিদ্যা বা Floriculture নামে অভিহিত।

১. শীতকালীন ফুল: বাংলাদেশে মধ্য-অক্টোবর থেকে মধ্য এপ্রিল পর্যন্ত ফুল ফুটে যেমন ডালিয়া, গাঁদা, কসমস, পপি পিটুনিয়া, লুপিন, ডায়ান্থাস।
২. গ্রীস্মকালীন ফুল: এসব ফুল মধ্য এপ্রিল থেকে মধ্য অক্টোবর পর্যন্ত ফুল ফুটে যেমন: দোপাটি, বোতাম ফুল, মোরগফুল, সূর্যমুখী ইত্যাদি।
৩. বারোমাসী ফুল: যেসব ফুল শীত অথবা গ্রীষ্ম যে কোন সময়ে জন্মে তাকে উভয় মৌসুমের ফুল বলে। যেমন: বেলী, মল্লিকা, যুই ইত্যাদি।

উৎস: কৃষি শিক্ষা প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৮.
স্টেম কাটিং এ শিকড় গজানোর জন্য কোন হরমোন ব্যবহার করা হয়?
  1. জিবেরেলিন
  2. অক্সিন
  3. এবসিসিক এসিড
  4. ইথানল
ব্যাখ্যা
অক্সিন:
- এপিক্যাল ডমিনেন্স
- রুটের বৃদ্ধি ও ডেভেলপমেন্ট ঘটায়
- স্টেম কাটিং এ শিকড় গজানোর জন্য অক্সিন হরমোন ব্যবহার করা হয়।

উৎস: i) Plant Cell Technology
ii) The effects of exogenous hormones on rooting process and the activities of key enzymes of Malus hupehensis stem cuttings, Journal Plos One.
৩৯.
নিচের কোনটি প্রাকৃতিক খাদ্য সংরক্ষকদ্রব্য?
  1. অ্যাসিটিক এসিড
  2. সরবেট
  3. সরিষার তেল
  4. বেনজোয়েট
ব্যাখ্যা
সংরক্ষকদ্রব্য (Preservatives বা প্রিজারভেটিভস):
- খাদ্য পচে যাওয়া বা নষ্ট হয়ে যাওয়ার হাত থেকে বহুদিন যাবৎ অবিকৃত রাখার জন্য যেসব দ্রব্য ব্যবহার করা হয় সেগুলোকে খাদ্য সংরক্ষক (Food Preservatives) দ্রব্য বলে।
খাদ্য সংরক্ষকদ্রব্য (Food Preservatives) দু প্রকার। যথা-
i) প্রাকৃতিক খাদ্য সংরক্ষকদ্রব্য (Natural Food Preservatives)
ii) কৃত্রিম খাদ্য সংরক্ষকদ্রব্য (Artificial Food Preservatives)।

i) প্রাকৃতিক সংরক্ষক দ্রব্য (Natural Food Preservatives):
- প্রকৃতি থেকে সরাসরি প্রাপ্ত কিছু কিছু রাসায়নিক দ্রব্য রয়েছে সেগুলো খাদ্য সংরক্ষণে অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- এগুলোকে প্রাকৃতিক খাদ্য সংরক্ষক (Natural Food Preservatives) দ্রব্য বলে।
- যেমন- সরিষার তেল, চিনির দ্রবণ, খাদ্য লবণের দ্রবণ প্রভৃতি।

ii) কৃত্রিম সংরক্ষক দ্রব্য (Artificial Food Preservatives):
- যেসব কৃত্রিম রাসায়নিক দ্রব্য খাদ্য সংরক্ষণ করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে সেগুলোকে কৃত্রিম খাদ্য সংরক্ষকদ্রব্য (Artificial Food Preservatives) বলে।
- যেমন- জৈব এসিড ও এর লবণ, প্রোপায়োনেট, বেনজোয়েট, সরবেট, অ্যাসিটিক এসিড প্রভৃতি।

উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪০.
কার্ডিনাল কোন ফসলের একটি জাতের নাম?
  1. কলা
  2. আলু
  3. গম
  4. ধান
ব্যাখ্যা
কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, অগ্নিশ্বর, কবরী।

আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উৎস: জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৪১.
কাঁচা মরিচে কোন ভিটামিন বেশি থাকে?
  1. ভিটামিন 'সি'
  2. ভিটামিন 'এ'
  3. ভিটামিন 'ই'
  4. ভিটামিন 'বি'
ব্যাখ্যা
মরিচ:
- বাংলাদেশে মরিচ একটি মসলা ফসল।
- ঝালের জন্য কাঁচা ও পাকা মরিচ ব্যবহার করা হয়।
- কাঁচা মরিচে ভিটামিন 'সি' বেশি থাকে।
- বর্তমানে ঝালহীন এক ধরনের মরিচও পাওয়া যায়।
- একে কেপসিকাম মরিচ বলে।
- এই মরিচ সালাদ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪২.
নিচের কোনটি কাঁচা ঘাস সংরক্ষণ পদ্ধতি?
  1. খড়
  2. হে
  3. প্যালেট
  4. সাইলেজ
ব্যাখ্যা
কাঁচা ঘাস সংরক্ষণ:
- শুকনা মৌসুমে গো-খাদ্যের অভাব ঘটে।
- তাই বর্ষাকালে যখন ঘাস প্রচুর জন্মে, তখনই শুকনা মৌসুমের জন্য গো-খাদ্যের ব্যবস্থা করতে হয়।
- এ জন্য কাঁচা ঘাস সংরক্ষণ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- কাঁচা ঘাস সংরক্ষণ পদ্ধতিকে সাইলেজ বলা হয়।
- এতে ঘাসের পুষ্টিমানের কোনো পরিবর্তন হয় না।
- যে নির্দিষ্ট স্থানে বা গর্তে ঘাস সংরক্ষণ করা হয়, তাকে বলা হয় সাইলোপিট।
- সাইলোপিটে বায়ুরোধক অবস্থা তৈরি করতে হয়।
- বায়ুরোধক অবস্থায় ঘাসে ল্যাকটিক এসিড তৈরি হয়।
- এই ল্যাকটিক এসিড কাঁচা ঘাস সংরক্ষণে কাজ করে।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪৩.
মিউটেশনের জন্য বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিনা) কোন আইসোটোপ ব্যবহার করে?
  1. কোবাল্ট-৬০ আইসোটোপ
  2. নাইট্রোজেন-১৪ আইসোটোপ
  3. কার্বন-১৪ আইসোটোপ
  4. নাইট্রোজেন-১৫ আইসোটোপ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিনা) মিউটেশনের মাধ্যমে উন্নত জাত উদ্ভাবনে 60Co আইসোটোপ ব্যবহার করে।
- এ জন্য গামা রে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: বিনা ওয়েবসাইট।
৪৪.
শীতকালীন সবজির জন্য কখন বীজতলা তৈরি করতে হবে?
  1. ভাদ্র-আশ্বিন মাসে
  2. আশ্বিন-কার্তিক মাসে
  3. ফাল্গুন-চৈত্র মাসে
  4. বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসে
ব্যাখ্যা
বীজ হতে চারা উৎপাদন:
- বীজ থেকে চারা উৎপাদনের জন্য প্রথমত বীজতলা তৈরি করতে হবে।
- শীতকালীন সবজির জন্য আশ্বিন-কার্তিক মাসে আর গ্রীষ্মকালীন সবজির জন্য ফাল্গুন-চৈত্র মাসে বীজতলা তৈরি করতে হবে।
- আগাম ফসলের জন্য আরও একমাস আগে থেকে বীজতলা তৈরি করা যেতে পারে।
- টমেটো, ফুলকপি, বাঁধাকপি, বেগুন, মরিচ, পুঁইশাক, পেঁপে ইত্যাদির বীজ প্রথমে বীজতলায় ফেলে চারা উৎপাদন করতে হয়।
- চারার বয়স চার সপ্তাহ থেকে একমাস হলে মূল জমিতে রোপণ করা হয়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, সপ্তম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪৫.
তেলাপিয়া মাছ কোন দেশ থেকে আনা হয়েছে?
  1. মালয়েশিয়া
  2. থাইল্যান্ড
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. শ্রীলংকা
ব্যাখ্যা
তেলাপিয়া:
- থাইল্যান্ড থেকে তেলাপিয়া মাছ বাংলাদেশে আনা হয়েছে।
- তেলাপিয়া বেশ খাটো এবং তুলনামূলকভাবে চওড়া আকৃতির।
- দেহ চ্যাপটা এবং রং ধূসর-নীলাভ।
- এরা দ্রুত বর্ধনশীল ও খেতে সুস্বাদু।
- এদের সাধারণত পুকুরে এককভাবে চাষ করা হয়।
- এরা ৩৪ মাসেই খাবার উপযোগী হয়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড বই।