পরীক্ষা আর্কাইভ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

পরীক্ষাশিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়13 minutes১৭ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১৮
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৩২: বাংলা ভুল সংশোধন বা শুদ্ধকরণ/প্রয়োগ-অপপ্রয়োগ, লিঙ্গ পরিবর্তন।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৮ প্রশ্ন

.
প্রত্যয়যোগে অশুদ্ধ বানান কোনটি?
  1. ক) দরিদ্র
  2. খ) দারিদ্র্য
  3. গ) দারিদ্রতা
  4. ঘ) দরিদ্রতা
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি অভিধান অনুসারে দারিদ্রতা বানানটি অশুদ্ধ।
সঠিক বানান সম্বলিত এরূপ শব্দ হলো দরিদ্র, দারিদ্র্য, দরিদ্রতা।

'দারিদ্র্য' শব্দটার সাথে তা প্রত্যয় যোগ করা সঠিক নয়।
কারণ পূর্বেই দারিদ্র্য (দারিদ্র্য = দরিদ্র + য) শব্দটির সাথে একটি প্রত্যয় যোগ করা হয়েছে।
এ সংক্রান্ত অন্যান্য শব্দ:
দরিদ্র = বিশেষণ
দরিদ্রতা/দারিদ্র্য = বিশেষ্য

তাই, 
শুদ্ধ বানান = দারিদ্র্য আমাদের প্রধান সমস্যা। 

উৎস: প্রমিত বাংলা বানান-ড. মোহাম্মদ আমীন।
.
বাহুল্যদোষে কোন বাক্যটি অপ্রয়োগ ঘটেছে?
  1. ক) সকল মাছগুলোর দাম কত?
  2. খ) তিথিরা এসে পরেছেন।
  3. গ) সকল আলেম আজ উপস্থিত।
  4. ঘ) শিশুগণ দেয় মন নিজ নিজ পাঠে।
ব্যাখ্যা
"সকল মাছগুলোর দাম কত? "- বাক্যটিতে বাহুল্য দোষ রয়েছে। 

• বাহুল্য দোষ:
প্রয়ােজনের অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহার করলে বাক্যে বাহুল্য দোষ ঘটে এবং শব্দ তার যােগ্যতা গুণ হারিয়ে ফেলে।
• যেমন- সকল মাছগুলোর দাম কত?।
বাংলা ভাষায় একই বাক্যে দুইবার বহুবচন ব্যবহৃত হয় না।
দুইবার বহুবচন বাচক চিহ্ন বা শব্দ ব্যবহার করলে শব্দ বাহুল্য দোষে দুষ্ট হয়।
বাক্যটি হবে দেশের "সকল মাছের দাম কত? " অথবা "মাছগুলোর দাম কত?"।

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
শুদ্ধ বাক্য কোনটি?
  1. ক) তুমি, করিম ও আমি আজ পড়তে যাব।
  2. খ) তাহারা বাড়ি যাচ্ছে।
  3. গ) পরবর্তিতে আপনি আসবেন।
  4. ঘ) বৃক্ষটি সমূলে উৎপাটিত হইয়েছে।
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
অপশনে কোন সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।

বাক্যগুলোর শুদ্ধ রূপ - 
- করিম, তুমি ও আমি আজ পড়তে যাব।
- তারা বাড়ি যাচ্ছে। 
- আপনি পরে আসবেন।
- বৃক্ষটি সমূলে উৎপাটিত হয়েছে

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোন শব্দটিতে অপপ্রয়োগ জনিত ভুল রয়েছে?
  1. ক) একত্র
  2. খ) আয়ত্তাধীন
  3. গ) সস্ত্রীক
  4. ঘ) সকল বন্যার্তকে
ব্যাখ্যা
- আয়ত্তাধীন শব্দে অপপ্রয়োগ জনিত ভুল রয়েছে।
- আয়ত্ত শব্দের অর্থই অধীন।
- তাই আয়ত্তের পর অধীন ব্যবহার বাহুল্য‌।

অন্যদিকে,
- সস্ত্রীক, একত্র, সকল বন্যার্তকে - এগুলো সঠিক।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
'আয়া' এর পুংলিঙ্গ কোনটি?
  1. ক) ঝি
  2. খ) চাকর
  3. গ) দিনমজুর
  4. ঘ) খানসামা
ব্যাখ্যা
'খানসামা' শব্দের স্ত্রীবাচক শব্দ - 'আয়া'।

অন্যদিকে, 
চাকর - ঝি
বাদী - বিবাদী 
এঁড়ে - বকনা 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাক্যের গুণ নয় কোনটি?
  1. ক) আগ্রহ
  2. খ) আকাঙ্খা
  3. গ) যোগ্যতা
  4. ঘ) আসত্তি
ব্যাখ্যা
বাক্যের গুণ ৩ টি।
যথা -
- আকাঙ্খা
- যোগ্যতা
- আসত্তি।

১. বাক্যের অর্থ স্পষ্টকরণের জন্য এক পদের পর অন্য পদের যে সংস্থাপন , বাক্য পূর্ন না হওয়া পর্যন্ত শ্রোতার যে না-মেটা কৌতূহল, তাকে বাক্যের আকাঙ্খা বলে।
২. বাক্যের পদগুলি অর্থের সঙ্গতিক্রমে পূর্বাপর সন্নিবিষ্ট করার নাম আসত্তি।
৩. বাক্যের অন্তর্গত পদসমূহের বিশ্বাসযোগ্য ভাব সম্মিলনের নাম যোগ্যতা ।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ (২০১৯ সংস্করণ)।
.
নিচের যে শব্দটিকে শাব্দিক অপপ্রয়ােগ বলে বিবেচনা করা যায়-
  1. ক) সূর্য
  2. খ) সামগ্র্য
  3. গ) ধার্য্য
  4. ঘ) সমর্থ
ব্যাখ্যা
শাব্দিক অপপ্রয়ােগ ঘটেছে = 'ধার্য্য' শব্দে

শুদ্ধ রূপ 
ধার্য (বিশেষণ) 
- সংস্কৃত শব্দ 
- প্রকৃতি প্রত্যয় = √ধারি+য
অর্থ:
- ধারণযোগ্য
- গ্রাহ্য
- পালনীয়
- নিরূপিত 

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
.
তিনি, ইনি, উনি কোন বাচক শব্দ?
  1. ক) স্ত্রীলিঙ্গ
  2. খ) পুংলিঙ্গ
  3. গ) উভয়লিঙ্গ
  4. ঘ) ক্লীবলিঙ্গ
ব্যাখ্যা
• এখানে পুংলিঙ্গ হচ্ছে - প্রবীণ
 লিঙ্গ প্রধানত ৪ প্রকার যথা-
-স্ত্রীলিঙ্গ
-পুংলিঙ্গ
-উভয়লিঙ্গ ও
-ক্লীবলিঙ্গ

উভয়লিঙ্গ: সন্তান, মন্ত্রী, ঋষি, সৈন্য, পুলিশ, শিশু, হাতি, মানুষ, গরু, আমি, তুমি, তুই, আপনি সে, তিনি, ইনি, উনি, জল পাখি ইত্যাদি উভয়লিঙ্গ। 

উৎস: মাধ্যমিক দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ  উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।
.
ণত্ব বিধান অনুসারে ভুল বানান কোনটি?
  1. ক) খণ্ড
  2. খ) পাষাণ
  3. গ) ক্রন্দণ
  4. ঘ) প্রণাম
ব্যাখ্যা
• ণ-ত্ব বিধানের পাঁচটি নিয়মাবলী- 
১. ঋ, র, ষ—এই তিনটি বর্ণের পর তৎসম শব্দের দন্ত্য ‘ন’ মূধন্য ‘ণ’ হয়। যেমন: ঋণ, ঘৃণা, রণ, বর্ণ, ভূষণ ইত্যাদি।
২. ঋ, র, ষ-এর পর স্বরবর্ণ, ক-বর্গ, প-বর্গ, ষ, হ থাকলে তার পরবর্তী দন্ত্য ‘ন’ মূর্ধন্য ‘ণ’ হয়। যেমন: লক্ষণ, ভক্ষণ, রেণু, পাষাণ, নির্বাণ, দর্পণ, গ্রহণ ইত্যাদি।
৩. ট বর্গের পূর্বে দন্ত্য ‘ন’ মূর্ধন্য ‘ণ’ হয়। যেমন: বণ্টন, লুণ্ঠন, খণ্ড ইত্যাদি।
৪. প্র, পরা, পরি, নির—এই চারটি উপসর্গের পরবর্তী দন্ত্য ‘ন’ মূর্ধন্য ‘ণ’ হবে। যেমন: প্রণাম, প্রমাণ, পরায়ণ, পরিণতি, নির্ণয় ইত্যাদি।
৫. ত, থ, দ, ধ-এর পূর্বে সংযুক্ত বর্ণে দন্ত্য ‘ন’ হয়, ‘ণ’ হয় না। যেমন: দৃষ্টান্ত, বৃন্ত, গ্রন্থ, ক্রন্দন, বন্ধন ইত্যাদি। 

• যেসকল ক্ষেত্রে ণ-ত্ব বিধান প্রযােজ্য নয়:
ক. সমাসবদ্ধ শব্দে সাধারণত ণ-ত্ব বিধান খাটে না। এরূপ ক্ষেত্রে ‘ন হয়। যেমন-ত্রিনয়ন, সর্বনাম, দুর্নীতি, দুর্নাম, দুর্নিবার, পরনিন্দা, অগ্রনায়ক।
খ. ত-বর্গীয় বর্ণের সঙ্গে যুক্ত ন কখনাে (ণ) হয় না, ন হয়। যেমন- অন্ত, গ্রন্থ, ক্রন্দন।।
গ. বাংলা (দেশি), তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের বানানে মূর্ধন্য বর্ণ (ণ) লেখার প্রয়ােজন হয় না।

সূত্র: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াত মামুদ।
১০.
নিম্নের কোন শব্দে 'ষ'ত্ব বিধান এর সঠিক প্রয়োগ ঘটেছে?
  1. ক) জিনিষ
  2. খ) চিকীর্ষা
  3. গ) ষুসুপ্ত
  4. ঘ) পোষাক
ব্যাখ্যা
ষ-ত্ব বিধান : তৎসম শব্দের বানানে মূর্ধন্য ‘ষ’-এর ব্যবহারের নিয়মকে ষত্ব বিধান বলে। নিয়ম ও উদাহরণ :
১। অ, আ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি এবং ক ও র-এর পরে প্রত্যয়ের স ষ হয়। যেমন—ভবিষ্যৎ, মুমূর্ষু, চক্ষুষ্মান, চিকীর্ষা ইত্যাদি।
২। ই-কারান্ত এবং উ-কারান্ত উপসর্গের পর কতগুলো ধাতুতে ‘ষ’ হয়। যেমন—অভিষেক, সুষুপ্ত, অনুষঙ্গ, প্রতিষেধক, প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি।
৩। ‘ঋ’ ও ঋ-কারের পর ‘ষ’ হয়। যেমন—ঋষি, কৃষক।
৪। তৎসম শব্দে ‘র’ এর পর ‘ষ’ হয়। যেমন—বর্ষা, ঘর্ষণ।
৫। ট-বর্গীয় ধ্বনির সঙ্গে ‘ষ’ যুক্ত হয়। যেমন—কষ্ট, কাষ্ঠ।
৬। কতগুলো শব্দে স্বভাবতই ‘ষ’ হয়। যেমন—ষড়ঋতু, আষাঢ়, ভাষা, মানুষ, দ্বেষ।
৭। বিদেশি শব্দে ‘ষ’ হয় না। যেমন—জিনিস, পোশাক, মাস্টার, পোস্ট ইত্যাদি।

সূত্র: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াত মামুদ।
১১.
সঠিক বানানটি চিহ্নিত করুন-
  1. ক) গণনীয়
  2. খ) গণণীয়
  3. গ) গণণিয়
  4. ঘ) গননীয়
ব্যাখ্যা
গণনীয়  (বিশেষ্য) 
- সংস্কৃত শব্দ 
- প্রকৃতি প্রত্যয় = √গণ্‌+অনীয় 
অর্থ:
- গণনা করার উপযুক্ত। 
- গণনা করতে হবে এমন। 

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
১২.
কোনটি শব্দটি অপপ্রয়োগ জনিত ভুল নয়?
  1. ক) অশ্রুসজল
  2. খ) অধীনস্থ
  3. গ) একত্র
  4. ঘ) স্বস্ত্রীক
ব্যাখ্যা
- একত্রিত শব্দের সঠিক রূপ হবে একত্র।

অন্যদিকে,
- স্বস্ত্রীক সঠিক রূপ হবে সস্ত্রীক
- অশ্রুসজল শব্দের সঠিক রূপ হবে অশ্রু অথবা জল অথবা চোখের জল।
- অধীনস্থ শব্দের সঠিক রূপ হবে অধীন।

উৎসঃ বাংলা একাডেমির প্রমিত বাংলা বানান রীতি।
১৩.
অশুদ্ধ বাক্যটি চিহ্নিত করুন-
  1. ক) আগামী শনিবারে তারা যাবে।
  2. খ) অন্যায়ের প্রতিফল অনিবার্য।
  3. গ) তাকে স্বপরিবারে দাওয়াত করা হয়েছে।
  4. ঘ) তিনি মোকদ্দমায় সাক্ষ্য দেবেন।
ব্যাখ্যা
অশুদ্ধ বাক্য = তাকে স্বপরিবারে দাওয়াত করা হয়েছে। 
শুদ্ধ বাক্য = তাকে সপরিবারে দাওয়াত করা হয়েছে। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৪.
শব্দের সঠিক প্রয়োগ ঘটেছে কোথায়?
  1. ক) কেবলমাত্র
  2. খ) প্রসারতা
  3. গ) ঘূর্ণীয়মান
  4. ঘ) সুজনতা
ব্যাখ্যা
শব্দের সঠিক প্রয়োগ ঘটেছে = 'সুজনতা' শব্দে

অন্যান্য শব্দের সঠিক প্রয়োগ - 
কেবল/মাত্র 
প্রসার
ঘূর্ণায়মান

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৫.
সঠিক প্রয়োগ ঘটেছে কোনটিতে?
  1. ক) লক্ষ টাকা
  2. খ) গোপন কথা
  3. গ) সঙ্কটাপন্ন অবস্থা
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
• লক্ষ অর্থা ১০০ হাজার 
লক্ষ্য  অর্থ উদ্দেশ্য বা দেখা 
তাই লক্ষ টাকা সঠিক 

• গোপন কথা সঠিক 
কিন্তু গোপনীয় কথা ভুল।

• সঙ্কটাপন্ন/ সঙ্কটজনক অবস্থা  সঠিক
কিন্তু সঙ্কট অবস্থা ভুল।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৬.
'আমি তোমার অপরাধ সম্পর্কে নিঃসন্দিহান' - বাক্যটিতে কিসের অপপ্রয়োগ ঘটেছে?
  1. ক) বিশেষনের বাহুল্য
  2. খ) বাচ্যজনিত
  3. গ) বহুবচনের
  4. ঘ) বাহুল্যজনিত
ব্যাখ্যা
'আমি তোমার অপরাধ সম্পর্কে নিঃসন্দিহান' - বাক্যটিতে বিশেষনের বাহুল্য জনিত অপপ্রয়োগ ঘটেছে। 
এর সঠিক প্রয়োগ হবে- 'আমি তোমার অপরাধ সম্পর্কে নিঃসন্দেহ' 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৭.
সঠিক বানানযুক্ত শব্দ কোনটি?
  1. ক) স্বাক্ষরতা
  2. খ) সূচিপত্র
  3. গ) মনপূত
  4. ঘ) সান্তনা
ব্যাখ্যা
• সঠিক বানানযুক্ত শব্দ = সূচিপত্র 

অন্যান্য শব্দের শুদ্ধ বানান- 

• সান্ত্বনা (বিশেষ্য)
- সংস্কৃত শব্দ 
- প্রকৃতি প্রত্যয় = সান্ত্বন+আ
অর্থ: আশ্বাস বা আশা দিয়ে শান্তকরণ, প্রবোধদান। 

• সাক্ষরতা (বিশেষ্য) 
অর্থ - অক্ষর পরিচয়, অক্ষরজ্ঞান। 

• মনঃপূত (বিশেষণ) 
অর্থ - মনের মতো, পছন্দসই

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
১৮.
'ঈ-প্রত্যয়' যোগে গঠিত বাংলা স্ত্রীবাচক শব্দ
  1. ক) মায়াবী - মায়াবিনী
  2. খ) বেঙ্গমা-বেঙ্গমী
  3. গ) কুহক - কুহকিনী
  4. ঘ) ইন্দ্র - ইন্দ্রানী
ব্যাখ্যা
'ঈ-প্রত্যয়' যোগে গঠিত বাংলা স্ত্রীবাচক শব্দ হলো
- ভাগনে-ভাগনী,
- বেঙ্গমা-বেঙ্গমী ইত্যাদি।

আনী-প্রত্যয় যোগে গঠিত সংস্কৃত স্ত্রীবাচক শব্দ হলো:
- ইন্দ্র - ইন্দ্রানী,
- মাতুল - মাতুলানী,
- শূদ্র - শূদ্রানী ইত্যাদি।

ঈনী এবং নী প্রত্যয় যোগে গঠিত সংস্কৃত স্ত্রীবাচক শব্দ:
- মায়াবী - মায়াবিনী,
- কুহক - কুহকিনী,
- যোগী - যোগিনী

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।