পরীক্ষা আর্কাইভ

Science Expert

পরীক্ষাScience Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়08 minutes
মোট প্রশ্ন১০
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৩: টপিকঃ পদার্থের অবস্খা, তাদের পরিবর্তন, কার্বনের বহুমুখী ব্যবহার এবং অধাতু ও অধাতুর বৈশিষ্ট্য, জৈব রসায়ন (Live Interactive Class – 5, 6)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

Science Expert

Science Expert · তারিখ অনির্ধারিত · ১০ প্রশ্ন

.
কোনটি অধাতুর বৈশিষ্ট নয়? 
  1. ক) তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী নয়
  2. খ) বিজারক 
  3. গ) আঘাত করলে শব্দ হয় না
  4. ঘ) ঘষলে চকচক করে না 
ব্যাখ্যা
অধাতুর বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপ:  

- তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী নয়।
- আঘাত করলে শব্দ হয় না।
- অধাতু ঘাত সহনশীল ও নমনীয় নয়।
- ঘষলে চকচক করে না।
- অধাতু সমূহের দ্যুতি নেই।
- ওজনে হালকা হয়।
- সহজে জোড়া লাগানো যায় না।
- পিটিয়ে পাত করা যায় না।
- কার্বন ব্যতীত অন্যান্য অধাতুগুলো জারক পদার্থ।
- অপেক্ষাকৃত নিম্ন গলনাংক ও স্ফুটনাংক বিশিষ্ট।
- অধাতুসমূহ এসিডের হাইড্রোজেনকে প্রতিস্থাপন করে লবণ উৎপন্ন করে না।
- চুম্বক দ্বারা বিকর্ষিত হয় অর্থাৎ ডায়াম্যাগনেটিক প্রকৃতির।
.
এক পরমাণু পুরুত্ববিশিষ্ট গ্রাফাইটের স্তরকে বলে -
  1. ক) গ্রাফিন
  2. খ) হীরক 
  3. গ) চারকোল 
  4. ঘ) ফুলারিন
ব্যাখ্যা
এক পরমাণু পুরুত্ববিশিষ্ট গ্রাফাইটের স্তরকে গ্রাফিন বলে।
এর বিদ্যুৎ পরিবাহিতা অত্যন্ত বেশি। বিভিন্ন গ্রেডের উড পেন্সিলের “সীস” হিসেবে গ্রাফাইট ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও সোডিয়াম ধাতুর নিষ্কাশনে গ্রাফাইট এনোড হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
.
শিল্প কারখানায় অত্যন্ত শক্ত পদার্থ কাটার জন্য নিচের কোনটি ব্যবহৃ হয়? 
  1. ক) শক্তিশালী ছুরি 
  2. খ) সিলভার
  3. গ) সোডিয়াম  
  4. ঘ) ডায়মন্ড 
ব্যাখ্যা
কার্বন একটি অধাতু এবং বিজারক। 
- কার্বনের বহুরূপতা ধর্ম দেখা যায়।
- এটির একটি রুপভেদ হলো হীরক বা ডায়মন্ড। 
- প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে কঠিন পদার্থ হীরক।
- হীরক কাচ কাটতে ব্যবহৃত হয়।
- শিল্প কারখানায় অত্যন্ত শক্ত পদার্থ কাটার জন্য ডায়মন্ড ব্যবহৃত হয়।
.
সবুজ উদ্ভিদের প্রস্তুতকৃত খাবার কোনটি? 
  1. ক) C6H12O6
  2. খ) Na3AlF6
  3. গ) P2O5
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
সবুজ উদ্ভিদ সালোক সংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে।
এই খাবার তৈরিতে কার্বন ডাই অক্সাইড অপরিহার্য। 
সংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার বিক্রিয়া নিন্ম্রুপ; 

.
পানিতে থাকা ক্ষতিকর ব্যাক্টেরিয়া ধ্বংস করতে কোনটি ব্যবহৃত হয়? 
  1. ক) কার্বন মনোক্সাইড 
  2. খ) কার্বন ডাই অক্সাইড 
  3. গ) ক্লোরিন
  4. ঘ) কোনটি নয় 
ব্যাখ্যা
ক্লোরিন একটি অধাতু এবং হ্যালোজেন গ্রুপভুক্ত মৌল। 
পান করা পানির সাথে ক্লোরিন মিশানো হয় কারণ ক্লোরিন পানিতে থাকা ক্ষতিকর ব্যাক্টেরিয়া ধ্বংস করে। 
.
নীরব ঘাতক বলা হয় কোনটিকে?
  1. ক) NO
  2. খ) N2O
  3. গ) CO
  4. ঘ) CO2
ব্যাখ্যা
কার্বন মনোক্সাইড মানুষের অজান্তেই খুব সহজেই শ্বাসের সাথে ফুসফুসে চলে যায়। সেখানে গিয়ে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় রক্তে প্রবেশ করে এবং রক্তের হিমোগ্লোবিনের সাথে একটি জটিল যৌগ তৈরি করে।
যৌগঃ- Hb + CO ---> Hb(CO)
যার ফলে অক্সিজেন বহুরূপে কাজ করতে পারে না, শ্বাসকষ্ট হয় এবং হৃদরোগে আক্রান্ত মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। তাই কার্বন মনোক্সাইডকে নীরব ঘাতক বলা হয়।
.
হাসপাতালে ব্যবহৃত অক্সিজেন সিলিন্ডারে অক্সিজেন থাকে -
  1. ক) ৮৩%
  2. খ) ৯৩%
  3. গ) ৮৯%
  4. ঘ) ৯৯%
ব্যাখ্যা
১৭৭৪ খ্রিষ্টাব্দে ব্রিটিশ রসায়নবিদ জোসেফ প্রিস্টলে অক্সিজেন (অম্লজান) আবিষ্কার করেন। অক্সিজেন কথাটির অর্থ অম্ল উৎপাদক। সকল প্রাণীর শ্বসনের জন্য অক্সিজেন অত্যাবশ্যক।
হাসপাতালে ব্যবহৃত অক্সিজেন সিলিন্ডারে ৯৩% অক্সিজেন থাকে।

জলজ প্রাণির জীবন ধারণের জন্য পানিতে দ্রবীভূত অবস্থায় অক্সিজেনের উপস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাপমাত্রা এবং লবণাক্ততা বেড়ে গেলে পানিতে অক্সিজেন কমে যায়। এজন্য সাগরের পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ স্বাদু পানি ( যেমন- নদী লেকের পানি) অপেক্ষা কম হয়। প্রবহমান পানিতে (যেমন- ঝর্ণা, নদীতে) আবদ্ধ জলাশ পুকুর, হ্রস) অপেক্ষা অধিক পরিমাণে দ্রবীভূত অক্সিজেন থাকে।
.
কোন পানিতে অক্সিজেনের পরিমান বেশি? 
  1. ক) পুকুর 
  2. খ) নদী 
  3. গ) সমুদ্র 
  4. ঘ) লেকের 
ব্যাখ্যা
১৭৭৪ খ্রিষ্টাব্দে ব্রিটিশ রসায়নবিদ জোসেফ প্রিস্টলে অক্সিজেন (অম্লজান) আবিষ্কার করেন। অক্সিজেন কথাটির অর্থ অম্ল উৎপাদক।

জলজ প্রাণির জীবন ধারণের জন্য পানিতে দ্রবীভূত অবস্থায় অক্সিজেনের উপস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাপমাত্রা এবং লবণাক্ততা বেড়ে গেলে পানিতে অক্সিজেনের কমে যায় । এজন্য সাগরের পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ স্বাদু পানি ( যেমন- নদী লেকের পানি) অপেক্ষা কম হয়।
প্রবহমান পানিতে (যেমন- ঝর্ণা, নদীতে) আবদ্ধ জলাশ পুকুর, হ্রস) অপেক্ষা অধিক পরিমাণে দ্রবীভূত অক্সিজেন থাকে।
.
রাসায়নিক পদার্থসমূহের রাজা -
  1. ক) CO
  2. খ) NO
  3. গ) H2SO4
  4. ঘ) N2O
ব্যাখ্যা
সালফিউরিক এসিড (H2SO4): ১০০% বিশুদ্ধ সালফিউরিক এসিডকে সালফান এবং ধূমায়মান সালফিউরিক এসিডকে ওলিয়াম (H2S2O7) বলে। সালফিউরিক এসিডকে রাসায়নিক পদার্থসমূহের রাজা বলা হয় কারণ প্রায় প্রত্যেক শিল্পে কোনো না কোনো স্তরে H2SO4 এসিড ব্যবহৃত হয়।
১০.
হ্যালোজেন শব্দের অর্থ -
  1. ক) সামুদ্রিক লবণ উৎপাদক 
  2. খ) উদ্ভিদ 
  3. গ) সামুদ্রিক উদ্ভিদ 
  4. ঘ) কোনটিই নয় 
ব্যাখ্যা
হ্যালোজেন শব্দের অর্থ 'সামুদ্রিক লবণ উৎপাদক'।
হ্যালোজেন বলতে ফ্লোরিন (F2), ক্লোরিন (Cl2), ব্রোমিন (Br) এবং আয়োডিন (I) এ চারটি মৌলকেই বোঝায়।
হ্যালোজেন এসিডসমূহের শক্তির ক্রম:  
HI > HBr > HCl > HF