পরীক্ষা আর্কাইভ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

পরীক্ষা৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়34 minutes
মোট প্রশ্ন৪৬
সিলেবাস
৪১তম বিসিএস সাবজেক্ট ফাইনাল - বাংলা সাহিত্য সম্পূর্ণ [১০০ নাম্বার]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৬ প্রশ্ন

.
‘দোহা - কোশ’ গ্রন্থটি লিখেছেন কে?
  1. ক) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
  2. খ) বিজয়চন্দ্র মজুমদার
  3. গ) প্রবোধচন্দ্র বাগচী
  4. ঘ) রাহুল সাংকৃত্যায়ন
ব্যাখ্যা

রাহুল সাংকৃত্যায়ন নেপাল - তিব্বতে প্রাপ্ত তালপাতার পুথিতে আরো কয়েকজন নতুন কবির চর্যাগীতি পেয়ে 'দোহা - কোশ'(১৯৫৭) গ্রন্থে সংযোজন করেছেন।

১৯০৭ সালে পণ্ডিত মহামহোপাধ্যায় হরপ্রাসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে আবিষ্কার করে নিয়ে আসেন কয়েকটি অপরিচিত বই।
বইগুলোর একটি - চর্যাপদ। এর সাথে আরো দুটি বই হচ্ছে - ডাকার্ণব ও দোহাকোষ।
এই তিনটি গ্রন্থকে মিলিয়ে একসাথে হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর সম্পাদনায় ১৯১৬ সালে ‘হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা’ নামে প্রকাশিত হয়।

উল্লেখ্য, চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন। এর অন্য নাম - চর্য্যাচর্য্যবিনিশ্চিয় বা চর্য্যাশ্চর্য্যবিনিশ্চয়
বিজয়চন্দ্র ১৯২০ সালে চর্যাপদের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেছেন।
১৯৩৮ সালে প্রবোধচন্দ্র বাগচী চর্যার তিব্বতি অনুবাদ আবিষ্কার করেন।

উৎসঃ লাল নীল দীপাবলি, ড. হুমায়ুন আজাদ ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা,ড. সৌমিত্র শেখর।

.
ড. সুকুমার সেন এর মতে চর্যাপদের একমাত্র মহিলা কবি কে ছিলেন?
  1. ক) শান্তিপা
  2. খ) বীনাপা
  3. গ) লুইপা
  4. ঘ) কুক্কুরীপা
ব্যাখ্যা

কোন সুনিশ্চিত প্রমাণ নেই। তবে ড. সুকুমার সেন মনে করেন, কুক্কুরীপার ভাষার সঙ্গে নারীদের ভাষার মিল আছে।
তাই কুক্কুরীপাকে চর্যাপদের মহিলা কবি হিসেবে অনুমান/ধারণা করা হয়।
কুক্কুরীপা ৩টি পদ (খুঁজে না পাওয়া ৪৮নং পদসহ) রচনা করেন।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

.
চর্যাপদের কোন কবির রচিত পদে গঙ্গা ও যমুনা নদীতে নৌকা বেয়ে নেয়ার চিত্র ফুটে উঠেছে?
  1. ক) শান্তিপা
  2. খ) সরহপা
  3. গ) ডোম্বীপা
  4. ঘ) কম্বলারপা
ব্যাখ্যা

ডোম্বীপা ত্রিপুরা রাজ্যের রাজা ছিলেন বলে মনে করা হয়।
পরে তিনি বিভিন্ন দেশ পরিভ্রমণ করেন।
তার গুরু ছিলেন বিরুপা।
তিনি ১৪ নং পদ রচনা করেন।
তার রচিত পদে গঙ্গা ও যমুনা নদীতে নৌকা বেয়ে নেয়ার চিত্র ফুটে উঠে।
কড়ি ছাড়াই এখানে নদী পার হওয়া যেত।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

.
চর্যাপদের কোন কবি পাপ ও পূণ্যকে দুটি শিকলের সাথে তুলনা করে তা ছিন্ন করে মহারস পান করার কথা বলেছেন?
  1. ক) সরহপা
  2. খ) শবরপা
  3. গ) কাহ্নপা
  4. ঘ) মহীধরপা
ব্যাখ্যা

চর্যাপদের ১৬ নং পদ রচয়িতা হলেন মহীধরপা।
তিনি ছিলেন মগধ অঞ্চলের।
১৬ নং পদে পাপ ও পূণ্যকে দুটি শিকলের সাথে তুলনা করে তা ছিন্ন করে মহারস পান করার কথা বলা হয়েছে।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

.
নিচের কোনটি আবুল ফজলের দিনলিপি মূলক গ্রন্থ?
  1. ক) প্রগতি
  2. খ) আত্মলিপি
  3. গ) রেখাচিত্র
  4. ঘ) আত্মকাহিনী
ব্যাখ্যা

আবুল ফজলের দিনলিপিঃ রেখাচিত্র।
নাটকঃ প্রগতি, আত্মকাহিনী, স্বয়ম্বরা, কায়েদে আজম।
গল্পগ্রন্থঃ মাটির পৃথিবী, মৃতের আত্মহত্যা ইত্যাদি।
তিনি শিখা পত্রিকার পঞ্চম সংখ্যার (১৯৩১) সম্পাদক ছিলেন।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।

.
নিচের কে কবিওয়ালা?
  1. ক) হরিস ঠাকুর
  2. খ) সুকুর মামুদ
  3. গ) এন্টনি ফিরিঙ্গি
  4. ঘ) রাধারমণ গোপ
ব্যাখ্যা

রাধারমণ গোপ মর্সিয়া সাহিত্য ও সুকুর মামুদ নাথ সাহিত্যের কবি।
আর এন্টনি ফিরিঙ্গি কবি গানের কবি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর।

.
কোন গবেষক সর্বপ্রথম চর্যাপদের ধর্মতত্ত্ব বিশ্লেষণ করেন?
  1. ক) বিজয়চন্দ্র মজুমদার
  2. খ) ড.সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
  3. গ) সুকুমার সেন
  4. ঘ) ড.মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌
ব্যাখ্যা

ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌র Buddhist Mystic Songs (১৯৬০) গ্রন্থটি চর্যাপদের অনুবাদ ও সম্পাদনা কর্ম।
তিনিই প্রথম প্রমাণ করেন যে চর্যাপদ সম্পূর্ণ বাংলা ভাষায় রচিত; এর ধর্মতত্ত্ব নিয়েও তিনি আলোচনা করেন।
Source: Banglapedia

.
নিচের কোনটি আলাওল রচিত গ্রন্থ নয়?
  1. ক) পদ্মাবতী
  2. খ) তত্ত্বোপদেশ
  3. গ) লালমোতি সয়ফুলমূলক
  4. ঘ) হপ্ত পয়কর
ব্যাখ্যা

লালমোতি সয়ফুলমূলক- আবদুল হাকিম রচিত কাব্য আর বাকি সবগুলো আলাওলের রচনা।
উল্লেখ্য, তত্ত্বোপদেশ গ্রন্থের অন্য নাম- তোহফা।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর।

.
‘সকাল শোয় সকাল উঠে তার কড়ি না বৈদ্য লুটে’ - এটি কিসের উদাহরণ?
  1. ক) ডাকের বচন
  2. খ) খনার বচন
  3. গ) উক্তি
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

খনার বচন মূলত - কৃষিভিত্তিক ছড়া।
বৌদ্ধ সমাজে যেমন ডাকের বচনের উৎপত্তি হয়েছিলো, তেমনি হিন্দু সমাজে প্রবর্তিত হয়েছিলো - খনার বচন।
অনেকের মতে, খনা নামের এক জ্যোতির্বিদ্যায় পারদর্শী এক বিদুষী বাঙালি নারীর রচিত ছড়া এগুলি।

১০.
'মানিকলাল' নিচের কোন গ্রন্থের চরিত্র?
  1. ক) চরিত্রহীন
  2. খ) চন্দ্রশেখর
  3. গ) রাজসিংহ
  4. ঘ) গোরা
ব্যাখ্যা

বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাসের রচয়িতা - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। তাকে বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয়।
রাজসিংহ বঙ্কিমের অন্যতম সেরা উপন্যাস। এটি প্রকাশিত হয় - ১৮৮২ সালে।
উপন্যাসটির উল্লেখযোগ্য চরিত্রঃ
রাজসিংহ, আওরঙ্গজেব, মানিকলাল, দরিয়াবিবি, চঞ্চলকুমারী, বিক্রম সোলাঙ্কী প্রমুখ।
উৎসঃ রাজসিংহ উপন্যাস ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

১১.
মধ্যযুগের কোন কবির মৃত্যুর পর থেকে বাংলা সাহিত্যে যুগসন্ধিক্ষন শুরু হয়?
  1. ক) ঘনরাম চক্রবর্তী
  2. খ) ভারতচন্দ্র রায়গুনাকর
  3. গ) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
  4. ঘ) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা

ভারতচন্দ্র রায়গুনাকরের মৃত্যু (১৭৬০ খ্রি.) থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সময়কে বলা হয় যুগসন্ধিক্ষণ
মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের সন্ধিক্ষণের কবি বলা হয় ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে।
ঘনরাম ও মুকুন্দরাম হল মধ্যযুগের কবি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

১২.
রাখালদাস বন্দোপাধ্যায় এর মতে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন রচনার সময়কাল -
  1. ক) ত্রয়োদশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে
  2. খ) ত্রয়োদশ শতাব্দীর শেষার্ধে
  3. গ) চতুর্দশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে
  4. ঘ) চতুর্দশ শতাব্দীর শেষার্ধে
ব্যাখ্যা

শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচনাকাল নিয়ে মতপার্থক্য বিস্তর।
সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়, মুহম্মদ শহীদুল্লাহ প্রমুখের মতে এই কাব্যের ভাষা চতুর্দশ - পঞ্চদশ শতাব্দীর।
রাখালদাস বন্দোপাধ্যায় এর মতে, এই পুথি ১৩৫৮ খ্রিস্টাব্দের পূর্বে সম্ভবত চতুর্দশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে লিখিত।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ডঃ. সৌমিত্র শেখর।

১৩.
“স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো’- কবিতাটি কার রচনা?
  1. ক) সমর সেন
  2. খ) নির্মলেন্দু গুণ
  3. গ) শামসুর রাহমান
  4. ঘ) শহীদ কাদরী
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশি সাহিত্যে কবিদের কবি হিসাবে গণ্য করা হয় - নির্মলেন্দু গুণকে।
তার রচিত অন্যতম কবিতা 'স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো'
১৯৭১ সালের ৭ মার্চে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ নিয়ে যে কবিতাগুলো রচিত হয়েছে তার মধ্যে এটি অন্যতম সেরা কবিতা।

"কটি কবিতা লেখা হবে তার জন্য অপেক্ষার উত্তেজনা নিয়ে
লক্ষ লক্ষ উন্মত্ত অধীর ব্যাকুল বিদ্রোহী শ্রোতা বসে আছে
ভোর থেকে জনসমুদ্রের উদ্যান সৈকতে-
‘কখন আসবে কবি?’ ‘কখন আসবে কবি?’"

উৎসঃ বাংলা কবিতা এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

১৪.
মধ্যযুগে ''কড়চা'' কি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ক) গল্পগ্রন্থ
  2. খ) কাব্য
  3. গ) চৈতন্যজীবনী গ্রন্থ
  4. ঘ) উপন্যাস
ব্যাখ্যা

কড়চা কথাটির আধুনিক অর্থ দাড়িয়েছে দিনলিপি বা ডায়েরি।
তবে মুরারী গুপ্ত ও স্বরূপ দামোদারের কল্যাণে চৈতন্যজীবনী গ্রন্থ কড়চা বলে অভিহিত হয়েছে।
বাংলা সাহিত্যে চৈতন্যদেবের জীবনী লেখার সাথে এই কড়চা শব্দটি জড়িত।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর

১৫.
রবীন্দ্রনাথ কার কাব্যকে ‘রাজকন্ঠের মণিমালা’র সাথে তুলনা করেছেন?
  1. ক) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
  2. খ) ভারতচন্দ্র রায়গুনাকর
  3. গ) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
  4. ঘ) চন্ডীদাস
ব্যাখ্যা

অন্নদামঙ্গল কাব্যের রচয়িতা ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।
তিনি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ কবি।
তিনি নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি ছিলেন।
রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের আদেশে তিনি অন্নদামঙ্গল কাব্য রচনা করেন।
তার মৃত্যুর মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্যের সমাপ্তি ঘটে।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার অন্নদামঙ্গল কাব্যকে তুলনা করেছেন 'রাজকন্ঠের মণিমালা'র সাথে।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

১৬.
নিচের কোনটি অন্নদাশঙ্কর রায়ের ভ্রমনকাহিনী?
  1. ক) বিলেতে সাড়ে সাতশ দিন
  2. খ) পথে প্রবাসে
  3. গ) য়ুরোপের চিঠি
  4. ঘ) যে দেশে মানুষ বড়
ব্যাখ্যা

অন্নদাশঙ্কর রায় রচিত ভ্রমণকাহিনীঃ পথে প্রবাসে (১৯৩১) ও ইউরোপের চিঠি।
তার প্রধান কবিতাগুলো হলোঃ রাখী, কালের শাসন, কামনা পঞ্চবিংশতি, নূতনা রাধা, লিপি, জার্নাল ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
- বিলেতে সাড়ে সাতশ দিন - মুহম্মদ আবদুল হাই রচিত ভ্রমণকাহিনী।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।

১৭.
কার পৃষ্টপোষকতায় কবীন্দ্র পরমেশ্বর মহাভারত বাংলায় অনূদিত করেন?
  1. ক) পরাগল খান
  2. খ) ছুটি খান
  3. গ) রুকনুদ্দীন বারবক শাহ
  4. ঘ) জালালুদ্দিন মুহম্মদ শাহ
ব্যাখ্যা

ষোল শতকের কবি কবীন্দ্র পরমেশ্বর মহাভারতের প্রথম বাংলা অনুবাদক।
তার পৃষ্ঠপোষকতা করেন সুলতান হোসেন শাহের সেনাপতি চট্টগ্রামের পরাগল খান
পৃষ্ঠপোষকতার নামানুসারে কবীন্দ্র পরমেশ্বরের মহাভারতের নাম 'পরাগলী মহাভারত'

পরাগল খান এর ছেলে ছুটি খানের পৃষ্ঠপোষকতায় শ্রীকর নন্দী মহাভারতের অশ্বমেধপর্ব অনুবাদ করেন।
যার নাম 'ছুটিখানী মহাভারত।

কবি কীর্তিবাস তাঁর আত্মপরিচিতিতে যে-রাজার ইঙ্গিত করেছেন, তাঁর নাম রুকনুদ্দিন বারবক শাহ। - লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ূন আজাদ, পৃষ্ঠা - ৪৪।

অন্যদিকে, ড.মুহম্মদ শহীদুল্লা জালালুদ্দিন মুহম্মদ শাহ এর পক্ষে মত দিয়েছেন।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর এবং লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ূন আজাদ।

১৮.
নিচের কোনটি অমিয় চক্রবর্তীর গদ্য?
  1. ক) অভিজ্ঞান বসন্ত
  2. খ) পথ অন্তহীন
  3. গ) অনিঃশেষ
  4. ঘ) খসড়া
ব্যাখ্যা

অমিয় চক্রবর্তী একজন শীর্ষস্থানীয় আধুনিক কবি ছিলেন।
- তার 'এক মুঠো' কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৩৯ সালে।
তার উল্লেখযোগ্য অন্যন্য কাব্যগ্রন্থ -
- খসড়া,
- মাটির দেয়াল,
- অনিঃশেষ,
- অভিজ্ঞান বসন্ত ইত্যাদি।
তার উল্লেখযোগ্য গদ্য রচনাঃ
- চলো যাই,
- সাম্প্রতিক,
- পুরবাসী,
- পথ অন্তহীন ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

১৯.
খোয়াবনামা - উপন্যাসের বিষয়বস্তু কোনটি?
  1. ক) ফকির-সন্যাসী বিদ্রোহ
  2. খ) তেভাগা আন্দোলন
  3. গ) আসামের ভূমিকম্প
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত মহাকাব্যোচিত উপন্যাস খোয়াবনামা (১৯৯৬)।
গ্রাম বাংলার নিম্নবিত্ত শ্রমজীবী মানুষের জীবানালেখ্যসহ উপন্যাসটির বিষষয়বস্তুগুলো হলোঃ
- ফকির-সন্যাসী বিদ্রোহ,
- আসামের ভূমিকম্প,
- তেভাগা আন্দোলন,
- ১৯৪৩ সালের মন্বন্তর,
- পাকিস্তান আন্দোলন ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ইত্যাদি।
এই ঐতিহাসিক উপাদান এই উপন্যাসে নিখুঁতভাবে উপস্থিত করা হয়েছে।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর

২০.
কবি আলাওলের পদ্মাবতী রচনায় পৃষ্ঠপোষকতা করেন কে?
  1. ক) দৌলত কাজী
  2. খ) কোরেশী মাগন ঠাকুর
  3. গ) আশরাফ খান
  4. ঘ) সৈয়দ মুহম্মদ
ব্যাখ্যা

মধ্যযুগের সেরা মুসলিম কবি - আলাওল। তিনি রোসাঙ্গ রাজসভার কবি ছিলেন।
- কোরেশী মাগন ঠাকুরও রোশাঙ্গ রাজসভার বাঙ্গালি কবি ছিলেন। তার পিতা বড়াই ঠাকুর রাজসভার মন্ত্রী ছিলেন।
- কোরেশী মাগন ঠাকুরের পৃষ্ঠপোষকতায় আলাওল যে কাব্যগুলো রচনা করেন সেগুলো হচ্ছে - 'পদ্মাবতী''সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামাল'
- মাগন ঠাকুর 'চন্দ্রাবতী' কাব্যের রচয়িতা।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

২১.
‘হানিফার লড়াই’ এর এর রচয়িতা কে?
  1. ক) আব্দুল হাকিম
  2. খ) মুহম্মদ মুকীম
  3. গ) ফকীর গরীবুল্লাহ
  4. ঘ) সৈয়দ হামজা
ব্যাখ্যা

সপ্তদশ শতাব্দীর মুসলিম কবি আব্দুল হাকিম।
তার ৫টি কাব্য পাওয়া যায়।
যথাঃ ইউসুফ-জোলেখা, নূরনামা, দুররে মজলিশ, লালমোতি সয়ফুলমুলুক, হানিফার লড়াই।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর

২২.
ভবানী দাস এর ‘ময়নামতির গান’- কোন ধরনের সাহিত্য?
  1. ক) লোকসাহিত্য
  2. খ) নাথ সাহিত্য
  3. গ) মর্সিয়া সাহিত্য
  4. ঘ) জীবনী সাহিত্য
ব্যাখ্যা

মীননাথের প্রতিষ্ঠিত নাথ ধর্মের সাধনতত্ত্ব ও প্রাসঙ্গিক গল্প কাহিনী অবলম্বনে রচিত সাহিত্যই নাথ সাহিত্য।
নাথ সাহিত্যের আদি ও শ্রেষ্ঠ কবি - শেখ ফয়জুল্লাহ।
কয়েকটি উল্লেখযোগ্য নাথ সাহিত্যঃ
১. গোরাক্ষ বিজয় --- শেখ ফয়জুল্লাহ
২. গোপীচন্দ্রের সন্যাস --- শুকুর মুহম্মদ
৩. মীনচেতন --- শ্যামাদাস সেন
৪. ময়নামতির গান --- ভবানী দাস
৫. গোর্খবিজয় --- ভীমসেন রায়।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।

২৩.
উত্তর বসন্ত - কি ধরনের গ্রন্থ?
  1. ক) গল্পগ্রন্থ
  2. খ) উপন্যাস
  3. গ) প্রবন্ধগ্রন্থ
  4. ঘ) কাব্যগ্রন্থ
ব্যাখ্যা

আবদুল কাদির রচিত কাব্যগ্রন্থঃ দিলরুবা, উত্তর বসন্ত।
তার রচিত প্রবন্ধগ্রন্থঃ বাংলা কাব্যের ইতিহাসঃ মুসলিম সাধনার ধারা, কবি নজরুল, কাজী আবদুল ওদুদ, লোকায়ত সাহিত্য ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।

২৪.
রাজা রামমোহন রায় সম্পাদিত পত্রিকা 'সম্বাদ কৌমুদী' কত সালে প্রকাশিত হয়?
  1. ক) ১৮২১
  2. খ) ১৮২২
  3. গ) ১৮২৩
  4. ঘ) ১৮২৫
ব্যাখ্যা

'সম্বাদ কৌমুদী' পত্রিকাটি সম্পাদনা করেন রাজা রামমোহন রায়।
এটি একটি সাময়িক পত্রিকা৷ যা ১৮২১ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
এটি সমাচার দর্পণ পত্রিকার জবাব স্বরূপ প্রকাশিত হয়৷
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।

২৫.
কল্লোল যুগের ব্যাপ্তিকাল -
  1. ক) ১৯২০-১৯৩২
  2. খ) ১৯২৩ - ১৯৩৫
  3. গ) ১৯২৭ - ১৯৩৯
  4. ঘ) ১৯৩০ - ১৯৩৯
ব্যাখ্যা

- কল্লোল যুগকে বলতে বাংলা সাহিত্যের একটি ক্রান্তিলগ্নকে বোঝায় যখন বাংলা কবিতা ও কথাসাহিত্যে আধুনিকতার বীজ অঙ্গুরিত হয়েছিল।
- কল্লোল পত্রিকাকে (১৯২৩-১৯৩৫) ঘিরে একটি গোষ্ঠীর সৃষ্টি হয়েছিল।
- এ গোষ্ঠীর মূল লক্ষ্য ছিল রবীন্দ্র বৃত্তের বাইরে সাহিত্যের একটি জগত সৃষ্টি করা।
- তারা বাংলা সাহিত্যে প্রথম আধুনিক নবজাগরণের সূচনা করেন।
- কল্লোল নব্য লেখকদের প্রধান মুখপাত্র। যাদের মধ্যে ছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম, প্রেমেন্দ্র মিত্র, বুদ্ধদেব বসু, জীবনানন্দ দাশ প্রমুখ।

২৬.
ইংরেজি সাহিত্যের এডমন্ড স্পেন্সার কে কবিদের কবি বলা হয়, তাহলে আধুনিক যুগে বাংলা সাহিত্যের কবিদের কবি কে?
  1. ক) শামসুর রহমান
  2. খ) নির্মলেন্দু গুণ
  3. গ) সুকান্ত ভট্টাচার্য
  4. ঘ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা

নির্মলেন্দু গুণ গত শতাব্দীর ষাটের দশকে কবিতা রচনা আরম্ভ করেন৷
পরের দশকেই তাঁর কবিতা এতোটা প্রভাববিস্তারী হয়ে উঠে যে, তরুণেরা তাঁর কবিতা দিয়ে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হন৷
অনেকে তার কবিতা পড়েই কবি হবার আকাঙ্ক্ষা বোধ করেন৷
গত শতাব্দীর সত্তর দশকের অনেক প্রতিষ্ঠিত কবি নির্মলেন্দু গুণের প্রভাবেই কবি হয়েছেন৷
তাই তাকে বাংলাদেশের কবিদের কবি বলা হয়।
আর বাংলা সাহিত্যে বাংলা কবিতা সত্যিকার অর্থে আধুনিকতার চূড়ান্ত মুখী হয় শহীদ কাদরী রচিত 'উত্তরাধিকার' কাব্যগ্রন্থের মাধ্যমে।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

২৭.
‘চারুপাঠ’ কার সাহিত্যকর্ম?
  1. ক) অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
  2. খ) অক্ষয়কুমার দত্ত
  3. গ) অতুলপ্রসাদ সেন
  4. ঘ) অক্ষয়কুমার বড়াল
ব্যাখ্যা

‘চারুপাঠ’ (শিশুপাঠ্য হিসেবে জনপ্রিয়) গ্রন্থটির রচয়িতা হল অক্ষয়কুমার দত্ত।
বাঙ্গালীদের মধ্যে তিনি ছিলেন প্রথম বিজ্ঞানমনস্ক লেখক।
তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ
- ভূগোল (১৮৪১)
- ধর্মনীতি (১৮৫৫)
- পদার্থবিদ্যা (১৮৫৬)।

২৮.
‘পউষের পাতা-ঝরা তপোবনে আজি কী কারণে, টলিয়া পড়িল আসি বসন্তের মাতাল বাতাস’ - চরণগুলো রবীন্দ্রনাথের কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে নেয়া হয়েছে?
  1. ক) চিত্রা
  2. খ) মানসী
  3. গ) বলাকা
  4. ঘ) ক্ষণিকা
ব্যাখ্যা

বলাকা কাব্যের পূর্ব পর্যন্ত রবীন্দ্রনাথের রোম্যান্টিক কবিমানস কখনও সুখ-দুঃখ-বিরহ-মিলনপূর্ণ মানব সংসারে বিচরণ করেছে, আবার কখনও নিরুদ্দেশ সৌন্দর্যলোকে যাত্রা করেছে।
এই জীবন ও অরূপের সমন্বয় সাধনজনিত অস্থিরতা থেকে কবি মুক্তি পান বলাকা কাব্যে এসে। বিশ্বের সঙ্গে যুক্ত হতে না পারার দুঃখবোধ ও মানসিক দ্বন্দ্ব তাঁর সন্ধ্যাসংগীত কাব্যের মূল সুর।

বস্ত্তত জীবনজিজ্ঞাসা ও প্রকাশরীতির বিভিন্ন পর্যায়ে প্রাচ্য চিন্তা এবং পাশ্চাত্য ধারণার সমন্বয় সাধনই রবীন্দ্র-কবিমানসের বৈশিষ্ট্য।
বার্গসঁর গতিতত্ত্বের প্রভাব রবীন্দ্রমানসে প্রথম থেকেই ক্রিয়াশীল ছিল।
বলাকা নবজীবনবাদের কাব্য। এতে বিষয়বস্ত্ত ও ভাবগত পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে কবি কলাকৌশলেও অভিনবত্ব এনেছেন।
বস্ত্তজগতে পরমাণুর নিরন্তর গতি, অবিরাম প্রবাহ আর ছন্দের স্পন্দন যেন তাঁর চেতনার জগতেও সৃষ্টি করেছে এক প্রবল ছন্দোময়তা।
তাই মুক্ত ছন্দ ব্যবহারের মধ্য দিয়ে তিনি ভাষা ও ছন্দের নিরীক্ষা করেছেন বিভিন্ন কবিতায়। যেমন:

পউষের পাতা-ঝরা তপোবনে
আজি কী কারণে
টলিয়া পড়িল আসি বসন্তের মাতাল বাতাস;
নাই লজ্জা, নাই ত্রাস,
আকাশে ছড়ায় উচ্চহাস
চঞ্চলিয়া শীতের প্রহর
শিশির-মন্থর।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া

২৯.
নিচের কোনটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মৌলিক রচনা নয়?
  1. ক) অতি অল্প হইল
  2. খ) বাঙলার ইতিহাস
  3. গ) আবার অতি অল্প হইল
  4. ঘ) ব্রজবিলাস
ব্যাখ্যা

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মৌলিক রচনাঃ
- প্রভাবতী সম্ভাষণ,
- স্বরচিত জীবনচরিত,
- ব্রজবিলাস,
- অতি অল্প হইল,
- আবার অতি অল্প হইল ইত্যাদি।
আরঅনুবাদ গ্রন্থঃ
- জীবনচরিত (ইংরেজি বই অবলম্বনে)
- বেতালপঞ্চবিংশতি (হিন্দী থেকে)
- বাঙ্গলার ইতিহাস (মার্শম্যানের বই অনুসারে)
- শকুন্তলা (কালিদাসের অভিজ্ঞান শকুন্তলাম অনুসারে),
- সীতার বনবাস (রামায়ণ অনুসারে)
- ভ্রান্তিবিলাস (শেক্সপিয়রের কমেডি অব এররস অনুসারে) ইত্যাদি।
উৎসঃলাল নীল দীপাবলী, হুমায়ুন আজাদ।

৩০.
কাজী নজরুল ইসলামের শেষ কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
  1. ক) নতুন চাঁদ
  2. খ) ঝিঙ্গে-ফুল
  3. গ) ফনিমনসা
  4. ঘ) প্রলয়-শিখা
ব্যাখ্যা

বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯-১৯৭৬) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৭২ সালে তাঁকে বাংলাদেশের জাতীয় কবির মর্যাদা দেওয়া হয়।
তাঁর বিখ্যাত কয়েকটি কাব্যগ্রন্থ-
- অগ্নিবীণা,
- মরুভাস্কর,
- সঞ্চিতা,
- চিত্তনামা,
- দোলনচাঁপা,
- সন্ধ্যা,
- চক্রবাক,
- চন্দ্রবিন্দু,
- ছায়ানট,
- বিষের বাঁশি,
- সর্বহারা,
- পুবের হাওয়া,
- সাম্যবাদী,
- ঝিঙ্গে-ফুল,
- ফনিমনসা,
- প্রলয়-শিখা,
- নতুন চাঁদ (শেষ কাব্য) ইত্যাদি।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।

৩১.
কাজী নজরুল ইসলামের শেষ সওগাত কাব্যের ভূমিকা লিখে দেন কে?
  1. ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. খ) বারীন্দ্রকুমার ঘোষ
  3. গ) প্রেমেন্দ্র মিত্র
  4. ঘ) মুজাফ্‌ফর আহমেদ
ব্যাখ্যা

শেষ সওগাত (১৯৫৮)।
এ কাব্যের ভূমিকা লেখেন প্রেমেন্দ্র মিত্র।
কাজী নজরুল ইসলাম, আবুল মনসুর আহমেদের ''আয়না'' হাস্যরসাত্মক গল্পগ্রন্থের ভূমিকা লিখেছিলেন। এটি প্রকাশিত হয় ১৯৩৫ সালে।
অপরদিকে কাজী নজরুল ইসলাম বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থটি উৎসর্গ করেন।
বিষের বাঁশী কাব্যগ্রন্থটি উৎসর্গ করেন নারী আধিকার আন্দলনের অগ্রনিয়ায়ক মিসেস এম। রহমানকে (মোসাম্মদ মাসুদা খাতুন) উৎসর্গ করেন।
সঞ্চিতা কাব্যগ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথকে উৎসর্গ করেন।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

৩২.
‘সম্মুখের দিগন্তজোড়া মাঠখানা জ্বলিয়া পুড়িয়া ফুটিফাটা হইয়া আছে, আর সেই লক্ষ ফাটল দিয়া ধরিত্রীর বুকের রক্ত নিরন্তর ধুঁয়া হইয়া উড়িয়া যাইতেছে।’ - আলোচ্য উক্তিটি কোন গল্পের?
  1. ক) বিলাশী
  2. খ) মহেশ
  3. গ) অতিথির স্মৃতি
  4. ঘ) ছবি
ব্যাখ্যা

‘সম্মুখের দিগন্তজোড়া মাঠখানা জ্বলিয়া পুড়িয়া ফুটিফাটা হইয়া আছে, আর সেই লক্ষ ফাটল দিয়া ধরিত্রীর বুকের রক্ত নিরন্তর ধুঁয়া হইয়া উড়িয়া যাইতেছে।’ - আলোচ্য উক্তিটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর মহেশ গল্পের।
মহেশ গল্পটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর হরিলক্ষ্মী গল্পগ্রন্থের।
মহেশ গল্পের কিছু গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হল -
মহেশ, গফুর মিঞা, আমিনা,তর্করত্ন, জমিদার শিববাবু প্রমুখ।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

৩৩.
মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘মেঘনাদবধ’ কোন রস প্রাধান্য পেয়েছে?
  1. ক) বীররস
  2. খ) করুণ রস
  3. গ) আদি রস
  4. ঘ) ভয়ানক রস
ব্যাখ্যা

বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক মহাকাব্য মধুসূদন দত্তের 'মেঘনাদবধ কাব্য'।
এটি প্রকাশিত হয় ১৮৬১ সালে।
মেঘনাদবধ কাব্যে 'র বিরাট পটভূমির মধ্যে নানা ধরনের চরিত্র এবং কাব্যের নানা রসের সমাবেশ ঘটেছে।
কবি কাব্যের প্রথমে বীররসের কথা বললেও শেষ পর্যন্ত করুনরসই প্রাধান্য পেয়েছে।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

৩৪.
নিচের কোনটি মীর মোশাররফ এর উপন্যাস নয়?
  1. ক) বিষাদসিন্ধু
  2. খ) উদাসীন পথিকের মনের কথা
  3. গ) তাহমিনা
  4. ঘ) বসন্তকুমারী
ব্যাখ্যা

'বসন্তকুমারী' নাটকের রচয়িতা মীর মশাররফ হোসেন।
জমিদার দর্পণ, বেহুলা গীতাভিনয়, নিয়তি কি অবনতি তাঁর রচিত নাটক।
রত্নবতী, বিষাদসিন্ধু, উদাসীন পথিকের মনের কথা, তাহমিনা, গাজী মিয়ার বস্তানী ইত্যাদি তাঁর রচিত উপন্যাস।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং লাইভ এমসিকিউ লেকচার।

৩৫.
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত ‘আরোগ্য’ কোন ধরনের রচনা?
  1. ক) ছোটগল্প
  2. খ) প্রবন্ধ
  3. গ) উপন্যাস
  4. ঘ) নাটক
ব্যাখ্যা

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (১৯০৮-১৯৫৬) একজন কথাসাহিত্যিক।
১৯০৮ খ্রিস্টাব্দের ২৯ মে পিতার কর্মস্থল বিহারের সাঁওতাল পরগনার দুমকা শহরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
তাঁর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি গন্থ: উপন্যাস- জননী (১৯৩৫), দিবারাত্রির কাব্য (১৯৩৫), পদ্মানদীর মাঝি (১৯৩৬), পুতুলনাচের ইতিকথা (১৯৩৬), শহরতলী (১৯৪০-৪১), চিহ্ন (১৯৪৭), চতুষ্কোণ (১৯৪৮), সার্বজনীন (১৯৫২), আরোগ্য (১৯৫৩) প্রভৃতি।
আর ছোটগল্প- অতসী মামী ও অন্যান্য গল্প (১৯৩৫), প্রাগৈতিহাসিক (১৯৩৭), সরীসৃপ (১৯৩৯), সমুদ্রের স্বাদ (১৯৪৩), হলুদ পোড়া (১৯৪৫), আজ কাল পরশুর গল্প (১৯৪৬), মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ গল্প (১৯৫০), ফেরিওয়ালা (১৯৫৩) ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া

৩৬.
‘গেরিলা ও বীরাঙ্গনা’ উপন্যাসটি কে লিখেছেন?
  1. ক) আলাউদ্দিন আল আজাদ
  2. খ) সৈয়দ শামসুল হক
  3. গ) সেলিনা হোসেন
  4. ঘ) জাহানারা ইমাম
ব্যাখ্যা

কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের জন্ম রাজশাহী শহরে এবং তাঁর পৈতৃক নিবাস লক্ষ্মীপুর জেলার হাজিরপাড়া গ্রামে।
তাঁর রচিত উপন্যাস-
- গেরিলা ও বীরাঙ্গনা,
- কাঁটাতারের প্রজাপতি,
- হাঙ্গর নদী গ্রেনেড,
- যাপিত জীবন,
- জলোচ্ছ্বাস (প্রথম উপন্যাস),
- নীল ময়ূরের যৌবন,
- পোকা মাকড়ের ঘরবসতি,
- নিরন্তর ঘন্টাধ্বনি,
- আগষ্টের একরাত,
- খুন ও ভালোবাসা,
- গায়ত্রী সন্ধ্যা,
- অপেক্ষা,
- ঘুমকাতুরে ঈশ্বর,
- পূর্ণছবির মগ্নতা,
- ভালোবাসা প্রীতিলতা,
-কালকেতু ও ফুল্লরা ইত্যাদি।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।

৩৭.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য চলচ্চিত্র 'এ স্টেট ইজ বর্ন' এর পরিচালক কে?
  1. ক) তানভীর মোকাম্মেল
  2. খ) মোরশেদুল ইসলাম
  3. গ) জহির রায়হান
  4. ঘ) তারেক মাসুদ ও ক্যাথরিন মাসুদ
ব্যাখ্যা

'স্টপ জেনোসাইড' এবং 'এ স্টেট ইজ বর্ন' জহির রায়হান পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য চিত্র।
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য চলচ্চিত্র 'স্মৃতি ৭১'- এর পরিচালক তানভীর মোকাম্মেল।
'আগামী' ও 'সূচনা' মোরশেদুল ইসলাম পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।
'মুক্তির গান' ও 'মুক্তির কথা' তারেক মাসুদ ও ক্যাথরিন মাসুদ পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র।
উৎসঃ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩৮.
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস তার মহাকাব্যিক উপন্যাস ‘চিলে কোঠার সেপাই’ কোন প্রেক্ষাপটে লেখেছেন?
  1. ক) বায়ান্নর (১৯৫২) ভাষা আন্দোলন
  2. খ) উনসত্তরের (১৯৬৯) গণঅভ্যুত্থান
  3. গ) বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ (১৯৭১)
  4. ঘ) স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন (১৯৯০)
ব্যাখ্যা

উনসত্তরের (১৯৬৯) গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে রচিত আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের প্রথম মহাকাব্যিক উপন্যাস ‘চিলে কোঠার সেপাই’ (১৯৮৭)।
তাঁর রচিত আরেকটি উপন্যাস ‘খোয়াবনামা’ (১৯৯৬)। উপন্যাসটির বিসষয়বস্তুতে বাংলার নিম্নবিত্ত শ্রমজীবী মানুষের জীবানালেখ্য সহ ফকির-সন্যাসী বিদ্রোহ, আসামের ভূমিকম্প, তেভাগা আন্দোলন, ১৯৪৩ সালের মন্বন্তর, পাকিস্তান আন্দোলন ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ইত্যাদি ঐতিহাসিক উপাদান এই উপন্যাসে নিখুঁতভাবে উপস্থিত করা হয়েছে।
তাঁর উল্লেখযোগ্য অন্যান্য রচনা (ছোট গল্প): অন্য ঘরে অন্য স্বর, খোঁয়ারি, দুধভাতে উৎপাত, দোজখের ওম ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

৩৯.
‘ফেরারী সূর্য’ কার লেখা?
  1. ক) রাবেয়া খাতুন
  2. খ) রিজিয়া খান
  3. গ) নীলিমা ইব্রাহিম
  4. ঘ) সুফিয়া কামাল
ব্যাখ্যা

'ফেরারী সূর্য' উপন্যাসের রচয়িতা রাবেয়া খাতুন। তিনি পেশায় শিক্ষক ও সাংবাদিক। তার অন্যান্য উপন্যাস :বায়ান্ন গলির এক গলি, অনন্ত অন্বেষা, মধুমতি, সাহেব বাজার।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ আর্কাইভ।

৪০.
শওকত ওসমান রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস নয় কোনটি?
  1. নেকড়ে অরণ্য
  2. জাহান্নম হইতে বিদায়
  3. জলাঙ্গী
  4. ক্রীতদাসের হাসি
ব্যাখ্যা

শওকত ওসমান রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস হলো নেকড়ে অরণ্য (১৯৭৩), দুই সৈনিক (১৯৭৩), জাহান্নম হইতে বিদায় (১৯৭২) এবং জলাঙ্গী।
তাঁর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রচনা হলো:
উপন্যাস -
জননী (১৯৫৮), ক্রীতদাসের হাসি (১৯৬২), সমাগম (১৯৬৭), চৌরসন্ধি (১৯৬৮), রাজা উপাখ্যান (১৯৭১), পতঙ্গ পিঞ্জর (১৯৮৩), আর্তনাদ (১৯৮৫), রাজপুরুষ (১৯৯২)।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া এবং লাইভ এমসিকিউ লেকচার।

শওকত ওসমান রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস হলো নেকড়ে অরণ্য (১৯৭৩), দুই সৈনিক (১৯৭৩), জাহান্নম হইতে বিদায় (১৯৭২) এবং জলাঙ্গী।
তাঁর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রচনা হলো:
উপন্যাস -
জননী (১৯৫৮), ক্রীতদাসের হাসি (১৯৬২), সমাগম (১৯৬৭), চৌরসন্ধি (১৯৬৮), রাজা উপাখ্যান (১৯৭১), পতঙ্গ পিঞ্জর (১৯৮৩), আর্তনাদ (১৯৮৫), রাজপুরুষ (১৯৯২)।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া এবং লাইভ এমসিকিউ লেকচার।

৪১.
নিচের কোনটি আবু জাফর শামসুদ্দীন এর ত্রয়ী উপন্যাস নয়?
  1. ক) ভাওয়াল গড়ের উপাখ্যান
  2. খ) পদ্মা মেঘনা যমুনা
  3. গ) সংকর সংকীর্তন
  4. ঘ) প্রপঞ্চ
ব্যাখ্যা

আবু জাফর শামসুদ্দীন একজন সাংবাদিক, সাহিত্যিক ছিলেন।
‘অল্পদর্শী’ ছদ্মনামে দৈনিক সংবাদে ‘বৈহাসিকের পার্শ্বচিন্তা’ শীর্ষক সাপ্তাহিক কলাম লিখে তিনি বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।
তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাস: ভাওয়াল গড়ের উপাখ্যান (১৯৬৩), পদ্মা মেঘনা যমুনা (১৯৭৪), সংকর সংকীর্তন (১৯৮০), প্রপঞ্চ (১৯৮০), দেয়াল (১৯৮৫)।
এর মধ্যে ত্রয়ী উপন্যাস হল - ভাওয়াল গড়ের উপাখ্যান (১৯৬৩), পদ্মা মেঘনা যমুনা (১৯৭৪), সংকর সংকীর্তন (১৯৮০)।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

৪২.
মুক্তিযুদ্ধের বিখ্যাত গান ‘আমাদের সংগ্রাম চলবেই, জনতার সংগ্রাম চলবেই’ -এর রচয়িতা কে?
  1. ক) গোবিন্দ হালদার
  2. খ) সিকান্দার আবু জাফর
  3. গ) আবদুল লতিফ
  4. ঘ) নজরুল ইসলাম বাবু
ব্যাখ্যা

সিকান্দার আবু জাফর রচিত সংগ্রামের বিখ্যাত গান ‘আমাদের সংগ্রাম চলবেই, জনতার সংগ্রাম চলবেই’।
গোবিন্দ হালদার - এক সাগর রক্তের বিনিময়ে/মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে/পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে...
নজরুল ইসলাম বাবু - সব কটা জানালা খুলে দেও না।
আবদুল লতিফ - ওরা আমার মুখের ভাষা কাইরা নিতে চায়।
উৎসঃ দৈনিক প্রথম আলো আর্কাইভ।

৪৩.
সেন রাজাদের রাজত্বকাল এবং তুর্কি আক্রমণের অব্যবহিত পূর্ব সময়ের পটভূমিতে রচিত শওকত আলীর উপন্যাস কোনটি?
  1. ক) যাত্রা
  2. খ) প্রদোষে প্রাকৃতজন
  3. গ) পিঙ্গল আকাশ
  4. ঘ) ওয়ারিশ
ব্যাখ্যা

শওকত আলীর ঐতিহাসিক উপন্যাস 'প্রদোষে প্রাকৃতজন' (১৯৮৪)।
এর পটভূমি দ্বাদশ শতকের প্রথম ভাগের বাংলা। ১২০৪ সালে তুর্কি সেনাপতি বখতিয়ার খিলজি লক্ষ্মণ সেনকে পরাজিত করে বাংলায় মুসলিম শাসনের সূত্রপাতের পটভূমিতে উপন্যাসটি রচিত হয়েছে।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ডঃ. সৌমিত্র শেখর।

৪৪.
নিচের কোনটি হাসান আজিজুল হক রচিত গল্পগ্রন্থ নয়?
  1. ক) আত্মজা ও একটি করবী গাছ
  2. খ) নামহীন গোত্রহীন
  3. গ) জীবন ঘষে আগুন
  4. ঘ) শিউলি
ব্যাখ্যা

হাসান আজিজুল হক মূলত কথাসাহিত্যিক।
তার প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে
উপন্যাসঃ
- আগুনপাখি,
- সাবিত্রী উপাখ্যান,
- শিউলি,
- বৃত্তায়ন।

গল্পগ্রন্থঃ
- আমরা অপেক্ষা করেছি
- আত্মজা ও একটি করবী গাছ,
- নামহীন গোত্রহীন,
- পাতালে হাসপাতালে,
- সমুদ্রের স্বপ্ন,
- শীতের অরণ্য,
- জীবন ঘষে আগুন ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর

৪৫.
আব্দুল্লাহ আল মামুন রচিত প্রথম প্রকাশিত নাটক কোনটি?
  1. ক) এখনো ক্রীতদাস
  2. খ) শপথ
  3. গ) সুবচন নির্বাসনে
  4. ঘ) এখন দুঃসময়
ব্যাখ্যা

আব্দুল্লাহ আল মামুন রচিত বিখ্যাত নাটক- শপথ (প্রথম প্রকাশিত), সুবচন নির্বাসনে, এখন দুঃসময়, এবার ধরা দাও, শাহজাদীর কাল নেকাব, চারদিকে যুদ্ধ, এখনো ক্রীতদাস, কোকিলারা, মেরাজ ফকিরের মা ইত্যাদি। উপন্যাস- মানব তোমার সারাজীবন, তাহাদের যৌবনকাল, হায় পার্বতী, এই চুনীলাল, গুন্ডাপান্ডা বাবা, খলনায়ক ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

৪৬.
মুনীর চৌধুরীর ‘কবর’ নাটক কত অঙ্কবিশিষ্ট?
  1. ক) ১
  2. খ) ২
  3. গ) ৩
  4. ঘ) ৪
ব্যাখ্যা

মুনীর চৌধুরী ছিলেন একজন বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক, ভাষাবিজ্ঞানী ও শহীদ বুদ্ধিজীবী।
তাঁর রচিত কয়েকটি বিখ্যাত নাটক-
- কবর (তাঁর 'কবর' নাটকের পটভূমি বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন।
এটি এক অঙ্ক বিশিষ্ট নাটক।
এটি ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম নাটক।
বন্দি থাকা অবস্থায় ১৯৫৩ সালে বামপন্থী রণেশ দাশগুপ্ত জেলখানাতে ২১ ফেব্রুয়ারি উদযাপনের লক্ষ্যে মুনীর চৌধুরীকে একটি নাটক লেখার অনুরোধ জানান।
এই অনুরোধের ভিত্তিতে তিনি এ নাটকটি রচনা করেন।
- রাজার জন্মদিনে,
- রক্তাক্ত প্রান্তর,
- চিঠি,
- দণ্ডকারণ্য,
- পলাশী ব্যারাক ও অন্যান্য।
অপরদিকে, জহির রায়হান রচিত ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাস- আরেক ফাল্গুন
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।