পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস জব সল্যুশন

পরীক্ষাBJS & BARতারিখ২৫ মার্চ, ২০২৪সময়55 minutes৯৯ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১০০
সিলেবাস
১০ম বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস প্রিলিমিনারি (MCQ) পরীক্ষা-২০১৫
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস জব সল্যুশন

BJS & BAR · ২৫ মার্চ, ২০২৪ · ১০০ প্রশ্ন

.
সংবিধানের ১৪১ক অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জরুরি অবস্থা জারি করা হলে তার সর্বোচ্চ মেয়াদ কত হতে পারে?
  1. ১৮০ দিন
  2. ৩৬৫ দিন
  3. ১২০ দিন
  4. এর কোন নির্দিষ্ট মেয়াদ নেই
সঠিক উত্তর:
১২০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০ দিন
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সংবিধানের ১৪১ক(১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, যুদ্ধ বা অভ্যন্তরীণ যেকোন গোলযোগের কারণে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবন বিপদের সম্মুখীন হওয়ার আশঙ্কা থাকলে, মহামান্য রাষ্ট্রপতি অনধিক ১২০ দিনের জন্যে দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন।

• অনুচ্ছেদ ১৪১ক: জরুরী-অবস্থা ঘোষণা


(১) রাষ্ট্রপতির নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, এমন জরুরী-অবস্থা বিদ্যমান রহিয়াছে, যাহাতে যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের দ্বারা বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবন বিপদের সম্মুখীন, তাহা হইলে তিনি অনধিক একশত কুড়ি দিনের জন্য জরুরী-অবস্থা ঘোষণা করিতে পারিবে: তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ ঘোষণার বৈধতার জন্য ঘোষণার পূর্বেই প্রধানমন্ত্রীর প্রতি-স্বাক্ষর প্রয়োজন হইবে।
 
(২) জরুরী-অবস্থার ঘোষণা- 
(ক) পরবর্তী কোন ঘোষণার দ্বারা প্রত্যাহার করা যাইবে; 
(খ) সংসদে উপস্থাপিত হইবে; 
(গ) একশত কুড়ি দিন সময়ের অবসানে কার্যকর থাকিবে না: 
 
তবে শর্ত থাকে যে, যদি সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় অনুরূপ কোন ঘোষণা জারী করা হয় কিংবা এই দফার (গ) উপ-দফায় বর্ণিত এক শত কুড়ি দিনের মধ্যে সংসদ ভাঙ্গিয়া যায়, তাহা হইলে তাহা পুনর্গঠিত হইবার পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে ত্রিশ দিন অতিবাহিত হইবার পূর্বে ঘোষণাটি অনুমোদন করিয়া সংসদে প্রস্তাব গৃহীত না হওয়া পর্যন্ত উক্ত ত্রিশ দিনের অবসানে অথবা একশত কুড়ি দিন সময়ের অবসানে, যাহা আগে ঘটে, অনুরূপ ঘোষণা কার্যকর থাকিবে না। 
 
(৩) যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের বিপদ আসন্ন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে, প্রকৃত যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগ সংঘটিত হইবার পূর্বে তিনি অনুরূপ যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের জন্য বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশের নিরাপত্তা বিপন্ন বলিয়া জরুরী-অবস্থা ঘোষণা করিতে পারিবেন।

Article 141A: Proclamation of emergency
(1) If the President is satisfied that a grave emergency exists in which the security or economic life of Bangladesh, or any part thereof, is threatened by war or external aggression or internal disturbance, he may issue a Proclamation of Emergency for one hundred twenty days: Provided that such Proclamation shall require for its validity the prior counter signature of the Prime Minister.
 
(2) A Proclamation of Emergency – 
(a) may be revoked by a subsequent Proclamation; 
(b) shall be laid before Parliament; 
(c) shall cease to operate at the expiration of one hundred and twenty days, unless before the expiration of that period it has been approved by a resolution of Parliament: 

Provided that if any such Proclamation is issued at a time when Parliament stands dissolved or the dissolution of Parliament takes place during the period of one hundred and twenty days referred to in sub clause (c), the Proclamation shall cease to operate at the expiration of thirty days from the date on which Parliament first meets after its re constitution, unless before that expiration of the said period of thirty days a resolution approving the Proclamation has been passed by Parliament or at the expiration of one hundred and twenty days, whichever occurs first.
 
(3) A Proclamation of Emergency declaring that the security of Bangladesh, or any part thereof, is threatened by war or external aggression or by internal disturbance may be made before the actual occurrence of war or any such aggression or disturbance if the President is satisfied that there is imminent danger thereof.
.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order-XXI rule 92 অনুসারে প্রদত্ত "Setting aside or refusing to set aside a sale" আদেশটি-
  1. রিভিশনযোগ্য
  2. আপিলযোগ্য
  3. ১৫১ ধারার বিধান মতে রদ ও রহিতযোগ্য
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আপিলযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলযোগ্য
ব্যাখ্যা
আপিলযোগ্য আদেশ:
 সাধারনত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলে না, তবে আদেশটি যদি আপিলযোগ্য আদেশ হয় তাহলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়। যে সকল আদেশ আপিলযোগ্য, সে সকল আদেশ সম্পর্কে Order 43 এ বিধান রয়েছে। আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) রয়েছে।

Order 43, Rule 1(J) অনুসারে:
২১ অর্ডারের ৭২ অথবা ৯২ রুল-এর অধীন ডিক্রি জারিতে বিক্রয় বাতিল করার আদেশ বা বিক্রয় বাতিলের আবেদন প্রত্যাখ্যান করার আদেশ (setting aside or refusing to set aside)- একটি আপিলযোগ্য আদেশ।
.
"Persons for whose examination commission may issue"- বিধানটি The Code of Civil Procedure,1908 এর কোথায় বর্ণিত আছে?
  1. Order-XXI, rule 1
  2. Order-XXVI, rule 4
  3. Order-XXXIX, rule 7
  4. Order-IX, rule 13
সঠিক উত্তর:
Order-XXVI, rule 4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order-XXVI, rule 4
ব্যাখ্যা
The Code of Civil Procedure,1908: Order 26, Rule 4-

 দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬ এ সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিশনের নিয়মাবলি লিপিবদ্ধ রয়েছে। Order XXVI, Rule 4 অনুসারে, নিম্নোক্ত ব্যক্তির জবানবন্দি গ্রহণের জন্য আদালত কমিশন প্রেরণ করতে পারেন [Persons for whose examination commission my issue]:

i) এমন ব্যক্তি যে আদালতের অধিক্ষেত্রের সীমানার বাইরে বসবাস করে;
ii) সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য নির্ধারিত তারিখের পূর্বে সে ব্যক্তি অধিক্ষেত্রের সীমানার বাইরে চলে যাবে;
iii) প্রজাতন্ত্রের চাকুরিতে নিয়োজিত ব্যক্তি; যার পক্ষে আদালতে উপস্থিত হলে জনস্বার্থের ক্ষতি হতে পারে।
.
অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এ দাখিলকৃত জারীর বিরুদ্ধে ৩য় পক্ষের আপত্তি দাখিলের ক্ষেত্রে ডিক্রিকৃত অর্থের কত ভাগের সমপরিমাণ জামানত দাখিল করতে হয়?
  1. ৫%
  2. ১০%
  3. ২৫%
  4. ৫০%
সঠিক উত্তর:
১০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০%
ব্যাখ্যা
ধারা ৩২- জারীর বিরুদ্ধে আপত্তি:

(১) অর্থ ঋণ আদালতের ডিক্রী বা আদেশ হইতে উদ্ভুত জারী মামলায় কোন তৃতীয় পক্ষ দেওয়ানী কার্যবিধি আইনের বিধানমতে দাবী পেশ করিলে, আদালত প্রাথমিক বিবেচনায় উক্ত দাবী সরাসরি খারিজ না করিলে, ডিক্রীদার অনূর্ধ্ব ৩০ (ত্রিশ) দিবসের মধ্যে উহার বিরুদ্ধে লিখিত আপত্তি দায়ের করিয়া শুনানী দাবী করিতে পারিবেন। 
 
(২) উপরোক্ত মতে দাবী পেশ করিবার ক্ষেত্রে, দরখাস্তকারী, ডিক্রীকৃত অর্থের, অথবা ডিক্রীকৃত অর্থের আংশিক ইতিমধ্যে আদায় হইয়া থাকিলে অনাদায়ী অংশের, ১০% এর সমপরিমাণ জামানত বা বন্ড দাখিল করিবে, এবং অনুরূপ জামানত বা বন্ড দাখিল না করিলে উক্ত দাবী অগ্রাহ্য হইবে।
 
(৩) অর্থ ঋণ আদালত, উপ-ধারা (১) এর অধীনে কোন দাবী বিবেচনার্থ গ্রহণ করিলে, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে লিখিত আপত্তি দাখিল হওয়ার ৩০ (ত্রিশ) দিবসের মধ্যে উহা নিষ্পন্ন করিবে এবং কোন কারণে ৩০ (ত্রিশ) দিবসের মধ্যে উহা নিষ্পন্ন করিতে ব্যর্থ হইলে, কারণ লিপিবদ্ধ করতঃ, উক্ত সময়সীমা অনূর্ধ্ব আরো ৩০ (ত্রিশ) দিবস বর্ধিত করিতে পারিবে। 
 
(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন দাখিলকৃত লিখিত আপত্তি নিষ্পন্ন করিয়া আদালত যদি অবধারণ করিতে পারে যে, উপ-ধারা (১) এর অধীন দাবী সম্বলিত দরখাস্তটি ডিক্রীদারের পাওনা বিলম্বিত বা প্রতিহত করিবার অসাধু উদ্দেশ্যে দায়ের করা হইয়াছিল, তাহা হইলে আদালত উক্ত দরখাস্ত খারিজ করিবার সময় একই আদেশ দ্বারা উপ-ধারা (২) এর অধীন দাখিলকৃত জামানত বা বন্ড বাজেয়াপ্ত করিবে এবং ডিক্রীকৃত টাকা যে পদ্ধতিতে আদায় করা হয়, বাজেয়াপ্ত জামানত বা বন্ডের অধীন টাকা একই পদ্ধতিতে আদালত আদায় করিবে এবং আদায়কৃত অর্থ ডিক্রীদারকে প্রদান করিবে।
.
'Per incuriam' শব্দের অর্থ-
  1. বিচারক কর্তৃক কৃত অনিচ্ছাকৃত ভুলের বিষয় তার গোচরে আসামাত্র ন্যায়বিচারের স্বার্থে শুদ্ধ করা
  2. আইনের কোন শব্দ বা বাক্যের অর্থ বুঝাতে না পারা
  3. আইনে ব্যবহৃত কোন শব্দ বা বাক্যের ব্যাখ্যা করা
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বিচারক কর্তৃক কৃত অনিচ্ছাকৃত ভুলের বিষয় তার গোচরে আসামাত্র ন্যায়বিচারের স্বার্থে শুদ্ধ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারক কর্তৃক কৃত অনিচ্ছাকৃত ভুলের বিষয় তার গোচরে আসামাত্র ন্যায়বিচারের স্বার্থে শুদ্ধ করা
ব্যাখ্যা
• "Per incuriam"

The expressin "Per incuriam" is a latin word, which means "through in advertence".
According to Oxford Dictionary: "through lack of care". A decision of a court is made per incuriam. if it fails to apply a relevant statutory provision or ignores a binding precedent.

অর্থাৎ, উচ্চ আদালত কর্তৃক কোনো আইনগত বিধান লংঘনকরে কোনো রায় দিলে তা সংবিধানের ১১১ অনুচ্ছেদের অধীনে Law Declared by HCD হবে না এবং তা নিম্ন-আদালতের উপর বাধ্যকর হবে না। অর্থাৎ, তা 'Judgment per incuriam' বলে গণ্য হবে। সংক্ষেপে Per incuriam এর বাংলা অর্থ- ভুলবশত রায় দেয়া (Decided Wrongly).

এখানে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে অপশন 'ক' এর সাথেই এর অর্থ মিলে। তাই সঠিক উত্তর হবে 'ক'।
.
'An appellate court shall have power to take additional evidence or require such evidence to be taken'- বিধানটি The Code of Civil Procedure,1908 এর কোথায় বর্ণিত আছে?
  1. Order XLI rule 27
  2. Order XLI rule 17
  3. Section 107
  4. Section 96
সঠিক উত্তর:
Section 107
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 107
ব্যাখ্যা
Section 107- Powers of Appellate Court:

(1) Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, an Appellate Court shall have power- 
(a) to determine a case finally; 
(b) to remand a case; 
(c) to frame issues and refer them for trial; 
(d) to take additional evidence or to require such evidence to be taken. 
 
(2) Subject as aforesaid, the appellate Court shall have the same powers and shall perform as nearly as may be the same duties as are conferred and imposed by this Code on Courts of original jurisdiction in respect of suits instituted therein.
.
রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত অধ্যাদেশ কত দিনের মধ্যে সংসদের মাধ্যমে আইনে পরিণত করা না হলে বিলুপ্ত হয়ে যাবে? অধ্যাদেশ জারীর-
  1. তারিখ থেকে নব্বই দিন
  2. তারিখ থেকে ছয় মাস
  3. পর প্রথম সংসদের অধিবেশনের প্রথম দিন হতে ত্রিশ দিন
  4. পর প্রথম সংসদ অধিবেশনে উত্থাপনের তারিখ হতে ত্রিশ দিন
সঠিক উত্তর:
পর প্রথম সংসদের অধিবেশনের প্রথম দিন হতে ত্রিশ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর প্রথম সংসদের অধিবেশনের প্রথম দিন হতে ত্রিশ দিন
ব্যাখ্যা
• সাধারণত যখন সংসদ অকার্যকর থাকে অথবা যখন সংসদের অধিবেশন বন্ধ থাকে তখন রাষ্ট্রের জরুরী প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি নিজের একক ক্ষমতাবলে যে আইন জারী করে তাকে অধ্যাদেশ বলে।

• সংবিধানের ৯৩(১) উপ - অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতি দু' অবস্থায় অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন।
প্রথমত, সংসদের কোন অধিবেশন না থাকলে কোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য তিনি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন।
দ্বিতীয়ত, সংসদ ভেঙে যাওয়া অবস্থায় রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন

কোনো অধ্যাদেশ জারির পূর্বে যদি তা ইতঃপূর্বে বাতিল না হয় তাহলে সংসদের পরবর্তী প্রথম অধিবেশনে সেটি উপস্থাপিত হতে হবে এবং উপস্থাপনের ৩০ দিনের মধ্যে সংসদ অনুমোদন না দিলে অধ্যাদেশটি বাতিল হয়ে যাবে।

অনুচ্ছেদ ৯৩: অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা:

 (১) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় অথবা উহার অধিবেশনকাল ব্যতীত] কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট আশু ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি উক্ত পরিস্থিতিতে যেরূপ প্রয়োজনীয় বলিয়া মনে করিবেন, সেইরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিতে পারিবেন এবং জারী হইবার সময় হইতে অনুরূপভাবে প্রণীত অধ্যাদেশ সংসদের আইনের ন্যায় ক্ষমতাসম্পন্ন হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার অধীন কোন অধ্যাদেশে এমন কোন বিধান করা হইবে না,

(ক) যাহা এই সংবিধানের অধীন সংসদের আইন-দ্বারা আইনসঙ্গতভাবে করা যায় না;
(খ) যাহাতে এই সংবিধানের কোন বিধান পরিবর্তিত বা রহিত হইয়া যায়; অথবা
(গ) যাহার দ্বারা পূর্বে প্রণীত কোন অধ্যাদেশের যে কোন বিধানকে অব্যাহতভাবে বলবৎ করা যায়।

(২) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার অধীন প্রণীত কোন অধ্যাদেশ জারী হইবার পর অনুষ্ঠিত সংসদের প্রথম বৈঠকে তাহা উপস্থাপিত হইবে এবং ইতঃপূর্বে বাতিল না হইয়া থাকিলে অধ্যাদেশটি অনুরূপভাবে উপস্থাপনের পর ত্রিশ দিন অতিবাহিত হইলে কিংবা অনুরূপ মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পূর্বে তাহা অননুমোদন করিয়া সংসদে প্রস্তাব গৃহীত হইলে অধ্যাদেশটির কার্যকরতা লোপ পাইবে।

(৩) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থার কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট ব্যবস্থা-গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি এমন অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিতে পারিবেন, যাহাতে সংবিধান-দ্বারা সংযুক্ত তহবিলের উপর কোন ব্যয় দায়যুক্ত হউক বা না হউক, উক্ত তহবিল হইতে সেইরূপ ব্যয়নির্বাহের কর্তৃত্ব প্রদান করা যাইবে এবং অনুরূপভাবে প্রণীত কোন অধ্যাদেশ জারী হইবার সময় হইতে তাহা সংসদের আইনের ন্যায় ক্ষমতাসম্পন্ন হইবে।

(৪) এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার অধীন জারীকৃত প্রত্যেক অধ্যাদেশ যথাশীঘ্র সংসদে উপস্থাপিত হইবে এবং সংসদ পুনর্গঠিত হইবার তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে এই সংবিধানের ৮৭, ৮৯ ও ৯০ অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলী প্রয়োজনীয় উপযোগীকরণসহ পালিত হইবে।
.
"প্রজাতন্ত্র হইবে একটি গণতন্ত্র _________।- শব্দগুলো সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
  1. ১১
  2. ১০
সঠিক উত্তর:
১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১১: গণতন্ত্র ও মানবাধিকার

প্রজাতন্ত্র হবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকবে, মানবসত্তার মর্যাদা ও মুল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হবে এবং প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে।

Article 11: Democracy and human rights
The Republic shall be a democracy in which fundamental human rights and freedoms and respect for the dignity and worth of the human person shall be guaranteed, and in which effective participation by the people through their elected representatives in administration at all levels shall be ensured.

• সংবিধানের ১১ অনুচ্ছেদের শুরুতে সুস্পষ্ট করা হয়েছে যে, প্রজাতন্ত্র হিসাবে বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হবে। সংবিধানের অন্যতম মূলনীতি গণতন্ত্র। ১১ অনুচ্ছেদে 'প্রজাতন্ত্র হবে একটি গণতন্ত্র' বিধান করার মাধ্যমে গণতন্ত্র যে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি সেটারই প্রতিফলন ঘটানো হয়েছে। সেই সাথে, ১১ অনুচ্ছেদে কতিপয় বিষয়ের নিশ্চয়তা দেয়া হয়েছে-

⇒ মৌলিক মানবাধিকার;
⇒ স্বাধীনতা; এবং
⇒ মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ।

অন্যদিকে, ১১ অনুচ্ছেদে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে প্রশাসনে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিধান যুক্ত করা হয়েছে।
.
১৯৭২ -এর মূল সংবিধানের অধস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলার ক্ষমতা কোন কর্তৃপক্ষের উপর অর্পণ করা হয়েছিল?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. জাতীয় সংসদ
  4. সুপ্রীম কোর্ট
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম কোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম কোর্ট
ব্যাখ্যা
১৯৭২ এর মূল সংবিধানে অধঃস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলার ক্ষমতা সুপ্রীমকোর্টের উপর ন্যস্ত ছিল।
- সংবিধানের ৪র্থ সংশোধনীয় মাধ্যমে এই ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির উপর অর্পণ করা হয়।
- এরপর Second Proclamation Order No. IV of 1978-এর মাধ্যমে সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ পুনরায় সংশোধন করা হয়।
- বিধান করা হয় যে, রাষ্ট্রপতি সুপ্রীম কোর্টের সাথে পরামর্শক্রমে অধঃস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলার ক্ষমতা প্রয়োগ করবে।

অনুচ্ছেদ ১১৬- অধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা:
বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং বিচারবিভাগীয় দায়িত্বপালনে রত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল- নির্ধারণ, পদোন্নতিদান ও ছুটি মঞ্জুরীসহ) ও শৃংখলাবিধান রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং সুপ্রীম কোর্টের সহিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তাহা প্রযুক্ত হইবে।
১০.
The Limitation Act, 1908 এর তফসিলে কোনো মামলার তামাদির সময়সীমা আলাদাভাবে উল্লেখ করা না থাকলে তার তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ৩ বছর
  2. ৬ বছর
  3. ১২ বছর
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
ব্যাখ্যা
• The Limitation Act, 1908 এর প্রথম তফসিলের ১২০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে-

যেসকল মামলার জন্য তামাদির মেয়াদ উল্লেখ নাই সেগুলো সাধারণত ৬ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হয়। অর্থাৎ মামলার প্রকৃত কারণ উদ্ভব হওয়ার সময় হতে ৬ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে।
১১.
দায়রা মামলা বিচারের কোন পর্যায় পর্যন্ত চার্জ পরিবর্তন করা যায়?
  1. রায় প্রচারের পূর্ব তারিখ পর্যন্ত
  2. আসামীকে ৩৪২ ধারায় পরীক্ষার পূর্ব পর্যন্ত
  3. যুক্তিতর্ক শ্রবণের পূর্ব পর্যন্ত
  4. রায় প্রস্তুতের সময় পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
রায় প্রচারের পূর্ব তারিখ পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় প্রচারের পূর্ব তারিখ পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন করতে পারবেন।

• ফৌজদারি মামলায় একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কি ধরণের অপরাধ করেছে এবং কার বিরুদ্ধে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে তা চার্জ হতেই জানা যায়।অভিযুক্ত ব্যক্তি যে অপরাধ সংগঠিত করেছেন,সেই অভিযোগ চার্জে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং আইনে সেই অপরাধে কোন নির্দিষ্ট নাম থাকলে তাও উল্লেখ করতে হবে।
সুতরাং বলা যায়,চার্জ হল কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ যার প্রকৃতি সম্পর্কে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাথমিক স্তরে জানার অধিকারী।ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২৭ আদালতকে অভিযোগ পরিবর্তনের ক্ষমতা দিয়েছে।অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কোন কিছু বাদ পড়লে রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন।

Section 227: Court may alter charge-
(1) Any Court may alter or add to any charge at any time before judgment is pronounced. 
(2) Every such alteration or addition shall be read and explained to the accused.
১২.
The Negotiable Instruments Act, 1881 এর ১৩৮ ধারার মামলার কারণ কখন উদ্ভব হয়? যে দিন-
  1. চেক ইস্যু করা হয়
  2. চেকটি অপর্যাপ্ত তহবিলের কারণে প্রত্যাখ্যাত হয়
  3. চেক দাতা নোটিশ গ্রহণ করেন
  4. চেক দাতার নোটিস প্রাপ্তির পর ত্রিশ দিন অতিবাহিত হয়
সঠিক উত্তর:
চেক দাতার নোটিস প্রাপ্তির পর ত্রিশ দিন অতিবাহিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চেক দাতার নোটিস প্রাপ্তির পর ত্রিশ দিন অতিবাহিত হয়
ব্যাখ্যা
• অপর্যাপ্ত তহবিল, ত্রুটিপূর্ণ স্বাক্ষর ও অন্য যে কোন যথাযথ কারনে বাহক কর্তৃক সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে জমা দেয়া চেক যদি প্রত্যাখ্যাত হয় বা চেকে উল্লেখিত টাকা বাহককে প্রদান করা সম্ভব না হয় সেটিকেই বলা হয় চেক ডিজঅনার। কোন কারনে চেক ডিজঅনার হলে চেক প্রদানকারীর বিরুদ্ধে হস্তারযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ (Negotiable Instrument Act, 1881) অনুযায়ী আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহনের সুযোগ রয়েছে।

 উক্ত আইনের ১৩৮ ধারার বিধান মোতাবেক চেক গ্রহীতা বা ধারক চেক ডিজঅনারের বিষয়টি জানার পর ৩০ দিন সময় দিয়ে টাকা পরিশোধের জন্য চেক দাতাকে নোটিশ দিতে হবে। ৩০ দিনের মধ্যে চেকদাতা চেকগ্রহীতাকে চেকে উল্লেখিত টাকা পরিশোধ করতে না পারলে, তার পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে চেকগ্রহীতা এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে মামলা দায়ের করতে পারবেন।
১৩.
নিম্নের কোন আইনের মাধ্যমে বেনামী হস্তান্তর নিষিদ্ধ করা হয়েছে?
  1. The State Acquisition And Tenancy Act 1950
  2. The Land Reforms Ordinance, 1984
  3. The Transfer of Property Act, 1882
  4. The Registration Act, 1908
সঠিক উত্তর:
The Land Reforms Ordinance, 1984
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Land Reforms Ordinance, 1984
ব্যাখ্যা
পূর্বে  Land Reforms Ordinance, 1984 আইনে বেনামী হস্তান্তর নিষিদ্ধ ছিল। এই আইন রহিত করে 'ভূমি সংস্কার আইন, ২০২৩' প্রণীত হয়। বর্তমানে এই আইনের ৫ ধারার অধীন বেনামী হস্তান্তর নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

ধারা ৫- স্থাবর সম্পত্তির বেনামি লেনদেন:

(১) কোনো ব্যক্তি নিজের উপকারার্থে কোনো স্থাবর সম্পত্তির বেনামি লেনদেন করিতে পারিবেন না।

ব্যাখ্যা- এই ধারায় ‘বেনামি লেনদেন' বলিতে কোনো ব্যক্তি কর্তৃক নিজের উপকারার্থে অন্য কোনো ব্যক্তির নামে কোনো স্থাবর সম্পত্তি ক্রয়কে বুঝাইবে।

(২) কোনো স্থাবর সম্পত্তির মালিক রেজিস্ট্রিকৃত দলিলের মাধ্যমে উক্ত সম্পত্তি হস্তান্তর বা দান করিলে, ইহা অনুমান করিতে হইবে যে, মালিক হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে উক্ত সম্পত্তিতে নিহিত তাহার উপকারদায়ক স্বার্থ হস্তান্তর বা দান করিয়াছেন এবং হস্তান্তর গ্রহীতা তাহার নিজের উপকারার্থে উক্ত সম্পত্তি ধারণ করিয়াছেন এবং মালিক উক্ত সম্পত্তিতে তাহার উপকারদায়ক স্বার্থ হস্তান্তর করিবার অভিপ্রায় করেন নাই অথবা হস্তান্তর-গ্রহীতা মালিকের উপকারার্থে উক্ত সম্পত্তি ধারণ করিয়াছেন, ইহা প্রমাণ করিবার জন্য মৌখিক বা দালিলিক কোনো সাক্ষ্য কোনো আদালত বা কর্তৃপক্ষের সম্মুখে কোনো কার্যধারায় গ্রহণযোগ্য হইবে না।

(৩) কোনো স্থাবর সম্পত্তির রেজিস্ট্রিকৃত দলিলের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তির নিকট হস্তান্তর করা হইলে, ইহা অনুমান করিতে হইবে যে, উক্ত ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তি তাহার নিজ উপকারার্থে অর্জন করিয়াছেন এবং উক্তরূপ হস্তান্তরের পণ অন্য কোনো ব্যক্তি পরিশোধ বা প্রদান করিলে ইহা অনুমান করিতে হইবে যে, উক্ত অন্য ব্যক্তি হস্তান্তর-গ্রহীতার উপকারার্থে উক্ত পণ পরিশোধ বা প্রদান করিবার অভিপ্রায় করিয়াছেন এবং হস্তান্তর-গ্রহীতা অন্য কোনো ব্যক্তির উপকারার্থে বা পণ পরিশোধকারী বা প্রদানকারীর উপকারার্থে উক্ত সম্পত্তি ধারণ করিয়াছেন, ইহা প্রমাণ করিবার জন্য মৌখিক বা দালিলিক কোনো সাক্ষ্য কোনো আদালত বা কর্তৃপক্ষের সম্মুখে কোনো কার্যধারায় গ্রহণযোগ্য হইবে না।
১৪.
ভাটার ইট পোড়ানোর কাজে জ্বালানি হিসেবে কাঠ ব্যবহার করলে শাস্তি -
  1. অনধিক ৩ বছর কারাদণ্ড বা ৩ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড
  2. অনধিক ২ বছর কারাদণ্ড বা ২ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড
  3. অনধিক ৩ বছর কারাদণ্ড বা ৩ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৩ বছর কারাদণ্ড বা ৩ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৩ বছর কারাদণ্ড বা ৩ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
ব্যাখ্যা
• ইটভাটা স্থাপন ও ইট প্রস্তুত আইন, ২০১৩ এর ধারা ৬ এ বলা হয়েছে-

কোনো ব্যক্তি ইটভাটায় ইট পোড়ানোর কাজে জ্বালানি হিসাবে কোনো জ্বালানি কাঠ ব্যবহার করতে পারবেন না। যদি কোনো ব্যক্তি ধারা ৬ লঙ্ঘন কর ইটভাটায় ইট পোড়ানোর কাজে জ্বালানি কাঠ ব্যবহার করেন, তাহলে ওই ব্যক্তিকে তিন বছর কারাদণ্ড অথবা তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।
১৫.
Special Committee on the East Bengal State Acquisition and Tenancy Bill, 1948 এর Chairman কে ছিলেন?
  1. এ, কে, ফজলুল হক
  2. তাফাজ্জল আলী
  3. আব্দুর রাশিদ তর্কবাগীশ
  4. নাজির হোসেন খন্দকার
সঠিক উত্তর:
এ, কে, ফজলুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ, কে, ফজলুল হক
ব্যাখ্যা
Special Committee on the East Bengal State Acquisition and Tenancy Bill, 1948 এর Chairman ছিলেন এ, কে, ফজলুল হক।

আবুল কাশেম ফজলুল হক (২৬ অক্টোবর ১৮৭৩ - ২৭ এপ্রিল ১৯৬২) বাঙালি রাজনীতিবিদ। বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে বাঙালি কূটনীতিক হিসেবে পরিচিত লাভ করেন। রাজনৈতিক মহল এবং সাধারণ মানুষের নিকট শেরেবাংলা এবং 'হক সাহেব' নামে পরিচিত ছিলেন।

তিনি রাজনৈতিক অনেক পদে অধিষ্ঠান করেছেন, তার মধ্যে কলকাতার মেয়র (১৯৩৫), অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী (১৯৩৭ - ১৯৪৩), পূর্ব পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী(১৯৫৪), পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (১৯৫৫), পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর (১৯৫৬ - ১৯৫৮) অন্যতম। যুক্তফ্রন্ট গঠনে প্রধান নেতাদের মধ্যে তিনি অন্যতম।
১৬.
দলিল রদের মোকদ্দমায় কোর্ট ফি কত?
  1. এ্যাড-ভ্যালোরেম
  2. নির্ধারিত ৩০০ টাকা
  3. ২০০ টাকা
  4. আদালতের নির্দেশ মতে
সঠিক উত্তর:
এ্যাড-ভ্যালোরেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ্যাড-ভ্যালোরেম
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৩৯ ধারা অনুযায়ী, ২টি ক্ষেত্রে আদালত দলিল বাতিলের মোকদ্দমায় দলিল বাতিলের আদেশ মঞ্জুর করতে পারেন-
কোন লিখিত দলিল বাতিল/ বাতিলযোগ্য, যদি বাদীর চুক্তি সম্পর্কে আশংকা থাকে যে, এরূপ দলিল যদি অনিস্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা ক্ষতির কারন হতে পারে। এটি আদালতের বিবেচনা মূলক ক্ষমতা।

দলিল বাতিল করার ক্ষেত্রে কিছু তথ্য হলোঃ-

• জাল দলিল রেজিষ্ট্রেশন হয়ে থাকলে তা বাতিলের মামলা করা যাবে দেওয়ানি আদালতে।
• সম্পত্তিতে যার স্বার্থ আছে তিনিই দলিল বাতিলের মামলা করতে পারবেন।
• জাল দলিল সম্পর্কে জানার ৩ বছরের মধ্যে ঐ দলিল বাতিলের মামলা করতে হবে।
• দলিল আংশিক বাতিলের মামলা করা যায়।
• যিনি কোন দলিলকে জাল বা জোর পূর্বক সম্পাদিত বলে দবি করবেন তাকে তার দাবির সত্যতা প্রমাণ করতে হবে।
• নাবলকের সম্পত্তি জাল দলিলের মাধ্যমে হাতিয়ে নিলে ঐ নাবালকের অভিবাবক বা ঐ নাবালক সাবালকত্ব অর্জনের পর সে নিজে মামলা করতে পারবেন।
দলিল রদ বা বাতিলের জন্য ‘এড-ভ্যালোরেম কোর্ট ফি’ প্রদান করে মামলা দায়ের করতে হবে।
• দলিল বাতিলের মামলার সাথে অন্য প্রতিকার যেমন-দখল পাবার প্রার্থনাও কারা যাবে তবে এর জন্য অতিরিক্ত কোর্ট ফি দিতে হবে।
১৭.
হিন্দু দায়ভাগা আইন অনুযায়ী নিম্নের কোন ব্যক্তি সপিণ্ড?
  1. বোন-এর পুত্র
  2. ভাই-এর পুত্র
  3. পুত্র
  4. সকলেই
সঠিক উত্তর:
সকলেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকলেই
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি বণ্টন হয়ে থাকে দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে। এই মতবাদ অনুসারে উত্তরাধিকার নির্ণয় করতে যে নীতি অনুসরণ করা হয়, তা হলো মৃত ব্যক্তির আত্মার কল্যাণে আধ্যাত্মিক নীতি (ডকট্রিন অব স্পিরিচুয়াল বিলিফ)। হিন্দু ধর্মাবলম্বী কোনো মানুষ মারা গেলে মৃত ব্যক্তির আত্মার সদ্‌গতির জন্য শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে হয়। শেষকৃত্যের তিনটি ধাপ আছে-
১. পিণ্ডদান;
২. পিণ্ডলেপ ও
৩. জলদান।

• মৃত ব্যক্তির শ্রাদ্ধে যে ব্যক্তি পিণ্ডদানের অধিকারী, তাকে বলা হয় ‘সপিণ্ড’। পুরুষ সপিণ্ডর সংখ্যা ৪৮ জন এবং মহিলা সপিণ্ডর সংখ্যা ৫ জন মিলে সর্বমোট ৫৩ জন সপিণ্ড হবে।

নিম্নে প্রথম ২০ জন সপিন্ডগণের তালিকা ক্রমানুসারে দেওয়া হলঃ

১) পুত্র;
২) পুত্রের পুত্র;
৩) পুত্রের পুত্রের পুত্র;
৪) স্ত্রী, পুত্রের স্ত্রী, পুত্রের পুত্রের স্ত্রী, পুত্রের পুত্রের পুত্রের স্ত্রী।(বিধবা);
৫) কন্যা;
৬) কন্যার পুত্র;
৭) পিতা;
8) মাতা;
৯) ভাই, সহোদর ভাই না থাকলে বৈমাত্রেয় ভাই;
১০) ভাই এর পুত্র, সহোদর ভাই না থাকলে বৈমাত্রেয় ভাই এর পুত্র;
১১) ভাই এর পুত্রের পুত্র, সহোদর ভাই না থাকলে বৈমাত্রেয় ভাই এর পুত্রের পুত্র;
১২) বোনের পুত্র;
১৩) পিতার পিতা;
১৪) পিতার মাতা;
১৫) পিতার ভাই;
১৬) পিতার ভাইয়ের পুত্র;
১৭) পিতার ভাইয়ের পুত্রের পুত্র;
১৮) পিতার বোনের পুত্র;
১৯) পিতার পিতার পিতা;
২০) পিতার পিতার মাতা।
১৮.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. প্রধান বিচারপতি
  2. স্পীকার
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. আপীল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
ব্যাখ্যা
• তৃতীয় তফসিল- বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে ৯টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথগ্রহণ বা ঘোষনাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে। যথা-

স্পীকার কর্তৃক  ⇒ রাষ্ট্রপতি, সংসদ-সদস্য;
রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ⇒ প্রধানমন্ত্রী, অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, স্পীকার, ডেপুটি স্পীকার, প্রধান বিচারপতি;
প্রধান বিচারপতি কর্তৃক ⇒ সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারক, সরকারী কর্মকমিশনের সদস্য, মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার।
১৯.
"Res integra" বলতে কী বোঝায়?
  1. A matter already judicially decided
  2. All things done in the Course of a transaction
  3. A matter not yet decided
  4. A thing that has no owner
সঠিক উত্তর:
A matter not yet decided
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A matter not yet decided
ব্যাখ্যা
"Res Integra"

Res Integra: A matter not yet decided বা, প্রক্রিয়াধীন বিচার।

'Res Integra' means-
An entire thing; an entirely new or untouched matter This term is applied to those points of law which have not been decided, which are 'untouched by dictum or decision'.
২০.
'Juficis Est jus Dicere Non Dare' বলতে কী বোঝায়?
  1. It is for the judge to administer, not to make laws
  2. To a judge exceeding his office, there is no obedience.
  3. It is the duty of the judge to finish the work of each day within that day
  4. A right cannot arise out of wrong doing.
সঠিক উত্তর:
It is for the judge to administer, not to make laws
উত্তর
সঠিক উত্তর:
It is for the judge to administer, not to make laws
ব্যাখ্যা
"Judicis Est Jus Dicere Non Dare"

"Judicis Est Jus Dicere Non Dare" ম্যাক্সিমের অর্থ হলো-
It is the function of a judge is "Jus decere" and not "Jus dare". That means to interpret the law and not to make.

অর্থাৎ, বিচারকদের দায়িত্ব হলো আইনের ব্যাখ্যা দান করা, আইন প্রণয়ন করা নয়। 

উল্লেখ্য, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১১১ অনুচ্ছেদে এই নীতি প্রতিফলিত হয়েছে।
২১.
"Veritas, a Quocunque Dictur, Deo Est" -এর দ্বারা কী বোঝায়?
  1. By to much altercarion truth is lost.
  2. Truth, by whom so ever pronounced, is from God
  3. The trodden path is the safest
  4. Violence is inimical to the laws
সঠিক উত্তর:
Truth, by whom so ever pronounced, is from God
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Truth, by whom so ever pronounced, is from God
ব্যাখ্যা
"Veritas a Quocunque Dictur Deo Est"- এটি একটি Latin term.

Latin word "Veritas" অর্থ হলো Truth এবং "Deo Est" দ্বারা God-কে বোঝায়।
'Veritas a Quocurue Dictur Deo Est' অর্থ Truth, by whom so ever pronounced, is from God.

অর্থাৎ, সত্য কথা যেই বলুক, সেটা ঈশ্বর থেকেই আসে বা ঈশ্বরের প্রতিরূপ সত্য- তা বোঝায়।
২২.
"Ipse Dixit"- শব্দমালা দ্বারা কী বোঝায়?
  1. By the very fact itself
  2. A bare assertion resting on one's own authority
  3. By the law, itself
  4. Among other things
সঠিক উত্তর:
A bare assertion resting on one's own authority
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A bare assertion resting on one's own authority
ব্যাখ্যা
• Latin Phrase "Ipse Dixit" means- A person's own assertion without relying on any authority of proof.

Or, A bare assertion resting on one's own authority.

For example:
An expert's simple "Ipse Dixit" is insuffiuent to establish a matter, rather the expert must explain the basis of his statement to link his conclusions to the facts.

বাংলায় Latin Phrase টির অর্থ হচ্ছে- এমন বক্তব্য যার আইনগত বা যৌক্তিক প্রমাণ নাও থাকতে পারে এবং যে বক্তব্যের দায়দায়িত্ব পুরোপুরি বক্তার নিজের।
২৩.
"Jurisprudence was the first of the social science to be born" - উক্তিটি কার?
  1. Wurzel
  2. Holland
  3. Dias
  4. Gray
সঠিক উত্তর:
Wurzel
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Wurzel
ব্যাখ্যা
এটি Wurzel এর বিখ্যাত উক্তি।

তার পুরো নাম Benjamin Disraeli. He was a British politician, writer, and Prime Minister.

তার কয়েকটি বিখ্যাত উক্তি হচ্ছে-
- When men are pure, laws are useless; when men are corrupt, laws are broken.
- The fool wonders, the wise man asks.
- never explain and never complain.
- Man is not the creature of circumstances, circumstances are the creatures of men.
২৪.
"Culpae Paena Par Esto" শব্দমালা দ্বারা কী বোঝায়?
  1. The practice of the court is the law of the court.
  2. Let punishment be in proportion to the crime.
  3. The law pays no regard to trifling thing.
  4. One may waive a legal right existing in his favour.
সঠিক উত্তর:
Let punishment be in proportion to the crime.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Let punishment be in proportion to the crime.
ব্যাখ্যা
"Culpae Poena Par Esto"

- আইনের মূল ভিত্তিসমূহের মধ্যে "Culpae Poena Par Esto" অন্যতম।
- "Culpae Poena Par Esto" একটি Roman maxim; যার অর্থ হলো: Let the punishment fit the crime.

অর্থাৎ, অপরাধের শাস্তি অপরাধের অনুপাতেই হওয়া উচিত/অপরাধ অনুযায়ীই শাস্তি হবে।
২৫.
"Ante Litem Motam" - এর অর্থ কী?
  1. Before litigation commenced
  2. On a suit or action
  3. From the bond of matrimony
  4. From ancient times
সঠিক উত্তর:
Before litigation commenced
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Before litigation commenced
ব্যাখ্যা
• "Ante Litem Motam"

Ante Litem Motam-কে সংক্ষেপে Ante litem-ও লিখা হয়। Ante অর্থ before.

সুতরাং "Ante Litem Motam" অর্থ হলো:
> Before litigation commenced. (মামলা দায়ের করার পূর্বের সময়)।
> The Time or condition before litigation commenced. (বিচার শুরু হওয়ার পূর্বের অবস্থা)।
২৬.
"Stare Decisis" - এর অর্থ কী?
  1. Indifinitely
  2. An indispensable requisite
  3. To stand by thing decided
  4. Without issue
সঠিক উত্তর:
To stand by thing decided
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To stand by thing decided
ব্যাখ্যা
• "Stare Decisis" অর্থ হচ্ছে-

> কোনো একটি নিষ্পত্তিকৃত বিষয়ে অটুট থাকা।
> নির্ণীত বিষয়াদির প্রতি অনুগত থাকা।

'To stand by the decision'
> পূর্ব-নির্ধারিত বিষয়ের উপর অটল থাকা/সে অনুযায়ী চলা।

Doctrine of Stare Decisis-ই হলো Precedent বা নজিরের মূল ভিত্তি। এই নীতি থেকে Doctrine of Precedent বা নজিরের উদ্ভব হয়।
২৭.
"The specific performance of a contract may be obtained by any party thereto" বিধানটি The Specific Relief Act, 1877 - এর কোন ধারায় বর্ণিত হয়েছে?
  1. 25 (a)
  2. 27 (a)
  3. 23 (a)
  4. 12 (a)
সঠিক উত্তর:
23 (a)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
23 (a)
ব্যাখ্যা
Section 23: Who may obtain specific performance

Except as otherwise provided by this Chapter, the specific performance of a contract may be obtained by- 
 
(a) any party thereto; 
 
(b) the representative in interest, or the principal, of any party thereto: provided that, where the learning, skill, solvency or any personal quality of such party is a material ingredient in the contract, or where the contract provides that his interest shall not be assigned, his representative in interest or his principal shall not be entitled to specific performance of the contract, unless where his part thereof has already been performed; 
 
(c) where the contract is a settlement on marriage, or a compromise of doubtful rights between members of the same family, any person beneficially entitled thereunder; 
 
(d) where the contract has been entered into by a tenant for life in due exercise of a power, the remainderman; 
 
(e) a reversioner in possession, where the agreement is a covenant entered into with his predecessor in title and the reversioner is entitled to the benefit of such covenant; 
 
(f) a reversioner in remainder, where the agreement is such a covenant, and the reversioner is entitled to the benefit thereof and will sustain material injury by reason of its breach; 
 
(g) when a public company has entered into a contract and subsequently becomes amalgamated with another public company, the new company which arises out of the amalgamation; 
 
(h) when the promoters of a public company have, before its incorporation, entered into a contract for the purposes of the company, and such contract is warranted by the terms of the incorporation, the company.
২৮.
"Corruption wins not more than honesty" - উক্তিটি কার?
  1. Lord Denning
  2. William Shakespeare
  3. Thomas Fuller
  4. Seneca
সঠিক উত্তর:
William Shakespeare
উত্তর
সঠিক উত্তর:
William Shakespeare
ব্যাখ্যা

"Corruption wins not more than honesty." - এটি William Shakespeare রচিত নাটক Henry VIII থেকে নেওয়া হয়েছে।

• Henry VIII:
- উইলিয়াম শেক্সপিয়রের একটি Chronicle play.
- পাঁচ অঙ্কে রচিত, যা ১৬১৩ সালে মঞ্চস্থ হয় এবং ১৬২৩ সালে First Folio তে প্রকাশিত হয় লেখকের নিজস্ব পাণ্ডুলিপির প্রতিলিপি থেকে।
- নাটকটির প্রধান উৎস ছিল Raphael Holinshed Chronicles.
 
Source: Britannica.

২৯.
"Judges like Caesar's wife should be above suspicion"- উক্তিটি কার?
  1. Bowen L J
  2. Sir William Blackstone
  3. Francis Bacon
  4. Lord Denning
সঠিক উত্তর:
Bowen L J
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bowen L J
ব্যাখ্যা
• আলোচ্য উক্তিটি একটি Proverb হিসেবে ব্যবহৃত হয়। Registration (1889) L.R 43 C.D 385 মামলার রায়ে প্রিভি কাউন্সিলের সাবেক সদস্য বিখ্যাত আইনবিদ Bowen L J বলেন- "Judges like Caesar's wife should be above suspicion" যার অর্থ- বিচারকদেরও Caesar'র স্ত্রীর মতো সকল প্রকার সন্দেহের উর্ধ্বে থাকা উচিত।

এ উক্তিটির প্রেক্ষাপট হচ্ছে- Julius Caesar -এর স্ত্রী Pomeia'র সাথে Puilus Cloudius -এর অবৈধ প্রেমের সম্পর্ক আছে- এমন অভিযোগে আদালত কর্তৃক Puilus Cloudius-কে Death Sentence তথা মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয় এবং Julius Caesar তার স্ত্রী Pomeia-কে Divorce দেন। যদিও অভিযোগটির বিষয়ে Julius Caesar-এর কাছে যথেষ্ট Evidence ছিল না। আদালত অভিযোগের বিষয়ে Julius Caesar-কে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, "Caesar's wife should be above suspicion." যার অর্থ- Caesar'র স্ত্রীকে সকল প্রকার সন্দেহের উর্ধ্বে থাকতে হবে।
৩০.
"A Judge should be sans per et sanse reproche" উক্তিটি কার?
  1. Lord Denning
  2. Charles Dickens
  3. Lord Diplock
  4. Lord Edmund Davies
সঠিক উত্তর:
Lord Denning
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Lord Denning
ব্যাখ্যা
Sans peur et sans reproche
- একটি French Phrase.
- যার বাংলা অর্থ হচ্ছে- Without fear and without reproach বা সকল ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করা।

বিশিষ্ট আইনজ্ঞ Lord Denning এর মতে-
A judge should be sans peur et sans reproche. অর্থাৎ- একজন বিচারককে সকল তিরস্কার/নিন্দা/ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে থাকা উচিত।
৩১.
"The upright judge condemns crimes but he does not hate the criminals" - উক্তিটি কার?
  1. William Shakespeare
  2. Seneca
  3. Niccolo Machiavelli
  4. Plato
সঠিক উত্তর:
Seneca
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Seneca
ব্যাখ্যা
• "The upright judge condemns crimes but he does not hate the criminals."
-  Samuel Pepys-এর 1667 সালের একটি diary entry-তে উল্লেখ আছে যে এটি Seneca-র "De Ira" (On Anger) গ্রন্থ থেকে এসেছে, যেখানে ল্যাটিন ভাষায় লেখা আছে "bonus iudex damnat improbanda, non odit." (the upright judge condemns the crime but does not hate the criminal).

• Bonus iudex damnat improbandam, non odit. [Latin]
→ The upright judge condemns the crime but does not hate the criminal.
→ একজন সৎ বিচারক অপরাধকে নিন্দা করেন, কিন্তু অপরাধীকে ঘৃণা করেন না।
৩২.
"It is the judges who are the guardians of justice in this land" -উক্তিটি কার?
  1. Charles Dickens
  2. Lord Diplock
  3. Lord Denning (M.R)
  4. Lord Byron
সঠিক উত্তর:
Lord Denning (M.R)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Lord Denning (M.R)
ব্যাখ্যা
'It is the judges who are the guardians justice in this land' - উক্তিটি  Lord Denning (M.R) - এর।

- Lord Denning was a British barrister and judge.
৩৩.
মৃতের ওয়ারিশ কায়েম সংক্রান্ত তামাদির বিধান The Limitation Act এর কোন Article- এ বর্ণিত আছে?
  1. 175
  2. 176
  3. 177
  4. 178
সঠিক উত্তর:
176
উত্তর
সঠিক উত্তর:
176
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১৭৬

মৃত বাদী বা আপীলকারীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন দরখাস্ত;
তামাদি- ৯০ দিন;
সময় গণনা শুরু- মৃত বাদী বা আপীলকারীর মৃত্যুর তারিখ হতে।
৩৪.
Lease agreement এ অন্য কিছু না থাকলে 'Lease of a premises given for the purpose of preparing ornaments'- এর ক্ষেত্রে ভাড়াটে উচ্ছেদ করতে গেলে কত দিনের নোটিশ দিতে হবে?
  1. ১ মাস
  2. ১৫ দিন
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা
• কৃষি/কারখানাজাত ইজারার ক্ষেত্রে:
কৃষি কাজ অথবা কারখানাজাত উৎপাদনের জন্য স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে তা বার্ষিক ইজারা বলে গণ্য হবে এবং তার মেয়াদ হবে বার্ষিক ইজারা। ইজারার পরিসমাপ্তি ঘটাতে চাইলে ইজারা বছর শেষ হওয়ার ৬ মাস পূর্বে নোটিশ দিতে হবে।

অন্যান্য ইজারার ক্ষেত্রে:
কৃষিকাজ/কারখানাজাত উৎপাদনের জন্য স্থাবর সম্পত্তির ইজারা বাদে অন্যান্য স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে তা মাসিক ইজারা বলে গণ্য হবে এবং তার মেয়াদ হবে মাসিক ইজারা। ইজারার পরিসমাপ্তি ঘটাতে চাইলে ইজারা মাসের শেষ দিন হতে ১৫ দিন পূর্বে নোটিশ দিতে হবে।

আলোচ্য প্রশ্নে Lease-টি কৃষি বা কারখানাজাত উৎপাদন ছাড়া অন্য উদ্দেশ্যে অর্থাৎ গহনা তৈরির উদ্দেশ্যে (Preparing Ornaments ভাড়া দেওয়া হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর ১৫ দিন হবে।
৩৫.
The Family Courts Ordinance, 1985 এর কত ধারায় Pre trial proceeding সংক্রান্ত বিধান বর্ণিত আছে?
  1. ১০
  2. ১৬
  3. ১৭
সঠিক উত্তর:
১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০
ব্যাখ্যা
The Family Courts Ordinance, 1985 এর ১০ ধারায় বিচার-পূর্ব কার্যধারায় বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান ছিল।

বর্তমানে Family Courts Ordinance, 1985 রহিতপূর্বক সময়োপযোগী করিয়া, উহা পুনঃপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে প্রণীত আইন পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১১ ধারায় বিচার-পূর্ব বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান করা হয়েছে।

পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১১ ধারার বিধান- বিচার-পূর্ব কার্যক্রম:
(১) লিখিত জবাব দাখিল করা হইলে পারিবারিক আদালত মোকদ্দমার বিচার-পূর্ব শুনানির জন্য অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের একটি তারিখ ধার্য করিবে।
(২) বিচার-পূর্ব শুনানির জন্য ধার্যকৃত তারিখে আদালত আরজি, লিখিত জবাব এবং পক্ষগণ কর্তৃক দাখিলকৃত দলিলসমূহ পরীক্ষা করিবে এবং যথাযথ মনে করিলে, পক্ষগণের বক্তব্যও শ্রবণ করিবে।
(৩) আদালত বিচার-পূর্ব শুনানিকালে পক্ষগণের মধ্যে বিরোধীয় বিষয়সমূহ ধার্য করিবে এবং সম্ভব হইলে পক্ষগণের মধ্যে একটি আপোষ বা মীমাংসার চেষ্টা করিবে।
(৪) উপধারা (৩) এর অধীন আপোষ বা মীমাংসা প্রতিষ্ঠা সম্ভব না হইলে আদালত মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় গঠন করিবে এবং সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের একটি তারিখ ধার্য করিবে।
৩৬.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ৯৬ ধারার কত উপ-ধারায় বলা হয়েছে, "Nothing in this section shall be deemed to apply to homestead land"
  1. 96(13)
  2. 96(15)
  3. 96(16)
  4. 96(17)
সঠিক উত্তর:
96(16)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
96(16)
ব্যাখ্যা
• SAT Act, 1950 এর ৯৬ ধারায় অগ্রক্রয় [Pre-emption] -এর আলোচনা আছে। 

অগ্রক্রয়ের অধিকার:
০১. যদি প্রজার জোতের খণ্ড বা অংশ এমন ব্যক্তির নিকট বিক্রি করা হলো; যিনি ঐ জোতের সহ-শরিক নয়, তাহলে ঐ জোতের সহ-শরিক বা শরিকরা আদালতে অগ্রক্রয়ের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
০২. অগ্রক্রয় হচ্ছে বিক্রিত জমি বিক্রয়মূল্য ফেরত দিয়ে পুনঃকেনার অধিকার।

৯৬ ধারায় যে বা যারা অগ্রক্রয়ের আবেদন করতে পারে: (ধারা ৯৬ (১) (ক), (খ))

SAT Act, 1950-এর ৯৬ ধারার ২০০৬ সালের সংশোধনীতে বলা হয়েছে যে, শুধু উত্তরাধিকারসূত্রে 'হোল্ডিং' এর সহ-শরিক প্রজা এই আইনের অধীন অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে। মুসলিম আইনে অগ্রক্রয় শুফা নামে পরিচিত।

মুসলিম আইন অনুসারে ৩ শ্রেণির ব্যক্তি অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে। এরা ক্রমিক অনুযায়ী অগ্রগণ্য হবেন। তারা হলেন-
০১. শাফি-ই-শরিক অর্থাৎ সহ-অংশীদারঃ যাদের স্বার্থ সম্পত্তিতে উত্তরাধিকার বা ক্রয়সূত্রে অর্জিত হয়।
০২. শাফি.ই. খালিত অর্থাৎ দায়মুক্তি ও আনুষঙ্গিক বস্তুতে অংশগ্রহণকারী [Participator] ব্যক্তি; যেমন: রাস্তা ব্যবহার/পানি নিষ্কাশনের অধিকার রয়েছে এমন ব্যক্তি।
০৩. শাফি-ই-জার অর্থাৎ সংলগ্ন বা পার্শ্ববর্তী স্থাবর সম্পত্তির মালিক।

অগ্রক্রয়ের মামলা দায়েরের সময়সীমা/তামাদি মেয়াদ: [ধারা ৯৬(১)]

০১. ৮৯ ধারা অনুযায়ী নোটিশ জারি/বিক্রয়ের ক্ষেত্রে বিক্রয় নোটিশের ২ মাসের মধ্যে।
০২. যদি বিক্রয়ের নোটিশ না দেওয়া হয়, সেই ক্ষেত্রে বিক্রয় হয়েছে অবগত হওয়ার পর ২ মাসের মধ্যে।
০৩. বিক্রয় দলিল নিবন্ধনের তারিখ হতে ৩ বছরের মধ্যে।
০৪. ধারা ৯৬(১) অনুযায়ী- ৩ বছরের পর আর আবেদন করা যাবে না।

অগ্রক্রয়ের আবেদনের সাথে যা জমা দিতে হবে: (ধারা ৯৬(৩))

i. বিক্রিত জমির বিক্রয় মূল্য [Consideration Money],
ii. বিক্রয় অর্থের উপর ২৫% হারে ক্ষতিপূরণ,
iii. বিক্রয় অর্থের উপর ৮% হারে বার্ষিক সুদ (বিক্রয় দলিল সম্পাদনের তারিখ হতে অগ্রক্রয়ের আবেদনের তারিখ পর্যন্ত)।

বিচার্য আদালত ধারা ৯৬(১৪)]: এই ধারার অধীন অগ্রক্রয়ের মামলা দায়ের করতে হবে সংশ্লিষ্ট ভূমির দখল সংক্রান্ত মামলা যে আদালতে করা যেত সেই আদালতে।
আপিল [ধারা ৯৬ (১৫)]: এই ধারায় প্রদত্ত আদালত কর্তৃক যেকোনো আদেশের বিরুদ্ধে দেওয়ানি আপিল আদালতে আপিল দায়ের করা যাবে।

Homestead land এর ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ [ধারা ৯৬(১৬)]: এই ধারার কোনো কিছুই অর্থাৎ, অগ্রক্রয় বসতবাড়ির ভূমির (Homestead Land)-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
৩৭.
Extinguishment of interest of Raiyats in certain cases- বিধানটি The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর কত ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. 89
  2. 90
  3. 92
  4. 95A
সঠিক উত্তর:
92
উত্তর
সঠিক উত্তর:
92
ব্যাখ্যা
Section 92: Extinguishment of interest of raiyats in certain cases:

The State Acquistion and Tenancy Act, 1950-এর ধারা ৯২ অনুসারে কোনো জোত বা হোল্ডিং-এ একজন রায়তের স্বার্থ বিলোপ হতে পারে, নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে-

(ক) উত্তরাধিকারী না রেখে বা সম্পত্তির জন্য কোনো প্রকার উইল সম্পাদন না করে কোনো জোতের বা হোল্ডিং এর মালিক বা রায়ত মারা গেলে।

(খ) রাজস্ব কর্মকর্তার নিকট জোত সমর্পণ করলে।

(গ) বকেয়া খাজনা পরিশোধ না করে স্বেচ্ছায় বাসস্থান ত্যাগ করে বা যে ক্ষেত্রে কোনো রায়ত নিজে বা তার পরিবারের সদস্যগণ দ্বারা বা কর্মচারীগণ দ্বারা অথবা শ্রমিক দ্বারা অথবা বর্গাদারের সাহায্যে একনাগাড়ে ৩ বছর পর্যন্ত তার জোত চাষাবাদ হতে বিরত থাকে।

(ঘ) যে ক্ষেত্রে কোনো রায়ত উত্তরাধিকারসূত্রে কোনো ভূমির স্বত্ব পেয়ে থাকে, যে নিজে খাঁটি চাষী নয় ও যে নিজে অথবা তার পরিবারের লোকজন, কর্মচারী বা বর্গাদারগণের সহায়তায় এক নাগাড়ে ৫ বছর চাষাবাদ করতে ব্যর্থ হয়।
৩৮.
'The Court may presume that judicial and official acts have been regularly performed' -বিধানটি The Evidence Act, 1872 এর কোন Section এ বর্ণিত আছে?
  1. 79
  2. 80
  3. 114 (e)
  4. 114 (g)
সঠিক উত্তর:
114 (e)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
114 (e)
ব্যাখ্যা
Section 114: Court may presume existence of certain facts

The court may presume the existence of any fact which it thinks likely to have happened, regard being had to the common course of natural events, human conduct and public and private business, in their relation to the facts of the particular case. 
Illustrations 
The Court may presume – 
(a) that a man who is in possession of stolen goods soon after the theft, is either the thief or has received the goods knowing them to be stolen, unless he can account for his possession; 

(b) that an accomplice is unworthy of credit, unless he is corroborated in material particulars; 

(c) that a bill of exchange, accepted or endorsed, was accepted or endorsed for good consideration; 

(d) that a thing or state of things which has been shown to be in existence within a period shorter than that within which such things or states of things usually cease to exist, is still in existence; 

(e) that judicial and official acts have been regularly performed; 

(f) that the common course of business has been followed in particular cases; 

(g) that evidence which could be and is not produced would, if produced, be unfavourable to the person who withholds it; 

(h) that, if a man refuses to answer a question which he is not compelled to answer by law, the answer, if given, would be unfavourable to him; 

(i) that when a document creating an obligation is in the hands of the obligor, the obligation has been discharged. 
But the Court shall also have regard to such facts as the following, in considering whether such maxims do or do not apply to the particular case before it.
৩৯.
The Special Powers Act, 1974 এর 25A ধারার অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান করা হয়েছে-
  1. ২০ বছর কারাদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. মৃত্যুদণ্ড
  4. ১৪ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
• The Special Powers Act, 1974 এর 25A ধারার বিধানুযায়ী-

কারেন্সী নোট ও সরকারি স্ট্যাম্প জাল করলে অথবা জাল করার যন্ত্রপাতি ব্যবহার /প্রস্তুত করলে শাস্তি হবে-
'মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১৪ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।'
৪০.
The Arms Act,1878 এর 19A ধারার অপরাধের সর্বনিম্ন শাস্তি-
  1. ৭ বছর
  2. ১০ বছর
  3. ১২ বছর
  4. ১৪ বছর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
ব্যাখ্যা
ধারা- ১৯ক: বিশেষ কতকগুলি অস্ত্রের ব্যাপারে ৬,১৩, ১৪ ও ১৫ ধারা ভঙ্গের জন্য

১৯ ধারায় কোনো কিছু থাকা সত্ত্বেও যে কেউ ১৯ ধারায় ক, গ, ঙ অথবা চ দফায় কোনো অপরাধ সংঘটন করিলে, অপরাধ যদি পিস্তল, রিভলবার, রাইফেল, শর্টগান বা অন্য আগ্নেয়াস্ত্র সম্পর্কিত হয়, সে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অন্য কোনো কঠোর কারাদণ্ডে, যাহার মেয়াদ দশ বছরের কম হইবে না, দণ্ডিত হইবে ।
৪১.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ১১(ক) ধারায় বর্ণিত যৌতুকের জন্য নারীর মৃত্যু ঘটানোর সর্বনিম্ন শাস্তি-
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ৩০ বছর কারাদণ্ড
  3. ২০ বছর কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ১১- যৌতুকের জন্য মৃত্যু ঘটানো, ইত্যাদির শাস্তি

যদি কোন নারীর স্বামী অথবা স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা স্বামীর পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি যৌতুকের জন্য উক্ত নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন কিংবা উক্ত নারীকে মারাত্মক জখম (grievous hurt) করেন বা সাধারণ জখম (simple hurt) করেন] তাহা হইলে উক্ত স্বামী, স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা ব্যক্তি-

(ক) মৃত্যু ঘটানোর জন্য মৃত্যুদণ্ডে বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উভয় ক্ষেত্রে উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(খ) মারাত্মক জখম (grievous hurt) করার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অনধিক বার বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(গ) সাধারণ জখম (simple hurt) করার জন্য অনধিক তিন বৎসর কিন্তু অন্যূন এক বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
৪২.
দায়রা জজ কর্তৃক প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল সংক্রান্ত তামাদির বিধান The Limitation Act,1908 এর কত Article এ বর্ণিত আছে?
  1. 150
  2. 170
  3. 173
  4. 181
সঠিক উত্তর:
150
উত্তর
সঠিক উত্তর:
150
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের তফসিলের ১৫০ অনুচ্ছেদে মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ আছে।

অনুচ্ছেদ ১৫০-
দায়রা আদালত কর্তৃক অথবা মূল ফৌজদারি এখতিয়ার প্রয়োগকালে হাইকোর্ট কর্তৃক প্রদত্ত মৃত্যু দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে আপিল দন্ডাদেশের তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে দায়ের করতে হবে।
৪৩.
একতরফা শুনানিকৃত আপিল পুনঃশুনানির তামাদি সম্পর্কিত বিধান The Limitation Act, 1908- এর কত Article-এ বর্ণিত আছে?
  1. 169
  2. 170
  3. 173
  4. 181
সঠিক উত্তর:
169
উত্তর
সঠিক উত্তর:
169
ব্যাখ্যা
•  তামাদি আইনের ১৬৯ অনুচ্ছেদে একতরফা শুনানিকৃত আপিল পুনঃশুনানির তামাদি সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।

- একতরফাসূত্রে আপিল শুনানী হলে পুনঃশুনানীর জন্য আবেদনের সময়সীমা হল ৩০ দিন।
৪৪.
"One Thing a judge must never do. He must never lose his temper. However sorely tried" উক্তিটি কার?
  1. Lord Diplock
  2. Lord Denning
  3. Lord Kenyon
  4. Thomas Fuller
সঠিক উত্তর:
Lord Denning
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Lord Denning
ব্যাখ্যা
• Baron Alfred Tom Denning, OM, PC, DL (23 January 1899 – 5 March 1999) was a British barrister and judge.

- Lord Denning always emphasised that a Judge must be cool, quiet and sober.

- He stated: "One thing a Judge must never do. He must never lose his temper."
৪৫.
"In Re" কথাটির দ্বারা কী বুঝায়?
  1. In reference to
  2. In the matter of
  3. In the whole
  4. It is begun
সঠিক উত্তর:
In the matter of
উত্তর
সঠিক উত্তর:
In the matter of
ব্যাখ্যা
Latin Term "In Re" - এর ইংরেজি অর্থ হলো- in the matter of.

'with regard to' সাধারণত কোনো case law refer করার সময় এটি ব্যবহার হয়। যেমন:

In Re: Berubari Case (1974);
In Re: Marbury vs James Madision Case (1803).
৪৬.
'In the preamble contain the basic structure of the constitution and that cannot be amended' ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট কোন মামলায় এই সিদ্ধান্ত প্রদান করেছেন?
  1. Keasavananda Bharati vs State of Kerala
  2. Goloknath vs State of Panjab
  3. Indira Neheru Gandhi vs Raj Narayan
  4. Minerva Mills Case
সঠিক উত্তর:
Keasavananda Bharati vs State of Kerala
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Keasavananda Bharati vs State of Kerala
ব্যাখ্যা
Kesavananda Bharati vs State of Kerala Case

পূর্ণনাম: Kesavananda Bharati vs State of Kerala AIR 1973 SC 1461
Author Judge: Sarav Mittra Sikri CJ.
বিচারক ছিলেন: ১৩ জন: ৭: ৬ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় রায় দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণা: ২৪ এপ্রিল ১৯৭৩.

রায়ে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি পয়েন্ট হলো:
> Preamble is operative part of the constitution.
> Preamble হচ্ছে Basic Structure of The Constitution.
> পার্লামেন্ট মৌলিক অধিকার (Fundamental Rights) সংশোধন করতে পারবে কিন্তু সংবিধানের Basic Structure সংশোধন করতে পারবে না।
৪৭.
Masdar Hossain মামলার Author Judge কে?
  1. Justice Mahbub Murshed
  2. Justice Abu Sayeed Chowdhury
  3. Justice Mostafa Kamal
  4. Justice Shahabuddin Ahmed
সঠিক উত্তর:
Justice Mostafa Kamal
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Justice Mostafa Kamal
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ মামলা:

সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদে উল্লেখিত 'নির্বাহী বিভাগ হতে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণ' সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ মূলনীতিটি বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ আদালত নির্দেশনা দিয়েছে Secretary, Ministry of Finance vs Md Masdar Hossain and others মামলায় যা বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ মামলা বা মাসদার হোসেন মামলা নামে পরিচিত। এই রিট দায়ের করে ২২৩ জন যারা ছিল জেলা জজ, অতিরিক্ত জেলা জজ বা অধস্তন বিচারক বা নিম্ন আদালতের অন্যান্য বিচারক। ১৯৯৫ সালে হাইকোর্টে রীটটি দায়ের করা হয় এবং ১৯৯৭ সালের ৭ মে হাইকোর্ট বিভাগ বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ সংক্রান্ত মামলার রায় ঘোষণা করে। সরকার এই রায়ের বিরুদ্ধে আপীল করলে, আপীল বিভাগ ১৯৯৯ সালের ২রা ডিসেম্বর রায় ঘোষণা করে।

এই রায়ের প্রধান অংশ তৎকালীন প্রধান বিচারপতি মোস্তফা কামাল/ কর্তৃক লিখিত এবং পঠিত হয়েছিল। এবং এই কারণে তাকে এই মামলার Author Judge বলা হয়। ২০০৭ সালের ১লা নভেম্বর ফৌজদারী কার্যবিধি সংশোধন করে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পদ সৃষ্টি করে এবং এর মাধ্যমে অধস্তন বিচার বিভাগ নির্বাহী বিভাগ হতে পৃথক হয়।
৪৮.
আদালত যে সকল বিষয় 'Judicial Notice' এ নিতে পারেন তা The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ৫৭
  2. ৫৬
  3. ৫৮
  4. ৫৯
সঠিক উত্তর:
৫৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৭
ব্যাখ্যা
• জুডিশিয়াল নোটিশ (Judicial Notice)- যেসব বিষয় আদালত জানেন বা জানেন বলে ধরা হয়, সেগুলোকে জুডিশিয়াল নোটিশ বা বিচারিক দৃষ্টিগোচর বলে। সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ও ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের বিধান রয়েছে।

সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারার বিধান অনুযায়ী জুডিশিয়াল নোটিশ প্রমানের প্রয়োজন নেই (Fact judicially noticeable need not be proved)। তবে জুডিশিয়াল নোটিশ চূড়ান্ত প্রমান নয়, এর বিরূদ্ধে সাক্ষ্য প্রদান করা যায়।

সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে- আদালত কোন কোন বিষয় অবশ্যই বিচারিক দৃষ্টিগোচরে (জুডিশিয়াল নোটিশ) নিবেন।[Facts of which Court must take judicial notice]

৫৭ ধারা অনুযায়ী আদালত নিম্নলিখিত বিষয়ে অবশ্যই জুডিশিয়াল নোটিশ নিবেন-
i) বাংলাদেশের সকল আইন;
ii) সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রনীত যুদ্ধবিধি বা অস্ত্র ও রসদ (articles of war);
iii) সংসদের কার্যসমূহ;
iv) বাংলাদেশের আদালত, নৌ ও সামুদ্রিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত এবং নোটারি পাবলিকের সীলমোহর;
v) সরকারি পদে নিয়োগের গেজেটে উল্লেখিত নাম, পদ, স্বাক্ষর, যোগদানের সময়;
vi) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃত রাষ্ট্র, রাষ্ট্রপ্রধান, জাতীয় পতাকা;
vii) সময় ও ভৌগলিক বিভাগসমুহ, রোজা, ছুটির দিন সমুহ;
viii) বাংলাদেশের ভৌগলিক সীমানা;
ix) আদালতের সদস্যবৃন্দ ও এ্যাডভোকেটগন;
x) বাংলাদেশের সাথে অপর কোন রাষ্ট্র বা সংগঠনের বিরোধ:
xi) স্থল, জল ও সমুদ্রপথের নিয়মাবলী।

[বিশেষ নোট- সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের অন্তর্গত ১১টি বিষয়ের তালিকা রয়েছে; কিন্তু এই তালিকা স্বয়ং সম্পূর্ন নয়।]
৪৯.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে জ্ঞাত আয়ের উৎস বহির্ভূত সম্পত্তির দখল রাখার কী শাস্তির বিধান করা আছে?
  1. অনধিক ১০ বছর এবং সর্বনিম্ন ৩ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড এবং উক্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
  2. অনধিক ৭ বছর এবং সর্বনিম্ন ২ বছর কারাদণ্ড এবং উক্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
  3. সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড এবং উক্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
  4. কোনটি সঠিক নয়
সঠিক উত্তর:
অনধিক ১০ বছর এবং সর্বনিম্ন ৩ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড এবং উক্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ১০ বছর এবং সর্বনিম্ন ৩ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড এবং উক্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
ব্যাখ্যা
ধারা ২৭- জ্ঞাত আয়ের উৎস বহির্ভূত সম্পত্তির দখল

(১) কোন ব্যক্তি তাহার নিজ নামে, বা তাহার পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তির নামে, এমন কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির দখলে রহিয়াছেন বা মালিকানা অর্জন করিয়াছেন, যাহা অসাধু উপায়ে অর্জিত হইয়াছে এবং তাহার জ্ঞাত আয়ের উৎসর সহিত অসংগতিপূর্ণ বলিয়া মনে করিবার যথেষ্ট কারণ রহিয়াছে এবং তিনি উক্তরূপ সম্পত্তি দখল সম্পর্কে আদালতের নিকট বিচারে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা প্রদান করিতে ব্যর্থ হইলে উক্ত ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ১০ (দশ) বৎসর এবং অন্যুন ০৩ (তিন) বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদে কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন; এবং উক্তরূপ সম্পত্তিসমূহ বাজেয়াপ্ত যোগ্য হইবে।
 
(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন অপরাধের বিচার চলাকালীন যদি প্রমাণিত হয় যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজ নামে, বা তাহার পক্ষে অপর কোন ব্যক্তির নামে, তাহার জ্ঞাত আয়ের উত্সের সহিত অসঙ্গতিপূর্ণ স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির মালিকানা অর্জন করিয়াছেন বা অনুরূপ সম্পত্তির দখলে রহিয়াছেন, তাহা হইলে আদালত অনুমান করিবে (shall presume) যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি উক্ত অপরাধে দোষী, যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে উক্ত অনুমান খণ্ডন (rebut) করিতে না পারেন; এবং কেবল উক্তরূপ অনুমানের উপর ভিত্তি করিয়া প্রদত্ত কোন দণ্ড অবৈধ হইবে না।
৫০.
কী কারণে চুক্তি বাতিল হতে পারে?
  1. Coercion
  2. Undue Influence
  3. Fraud
  4. পূর্বের কোনো একটি কারণে
সঠিক উত্তর:
পূর্বের কোনো একটি কারণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্বের কোনো একটি কারণে
ব্যাখ্যা
Section 19: The Contract Act, 1872

Voidable Contract:
Free Consent (ধারা ১৪) ছাড়া কোন চুক্তি করা হলে, যে পক্ষের সম্মতি আদায় করা হয়েছিল তার ইচ্ছানুযায়ী চুক্তিটি বাতিলযোগ্য (Voidable) হবে।

এককথায় বলতে গেলে- 'Agreement without free consent- Voidable'.

Free Consent'র সংজ্ঞা:
ধারা ১৪ অনুযায়ী নিম্নোক্ত ৫টি উপদানের একটি চুক্তিতে উপস্থিত/বিদ্যমান থাকলে সেটি Free Consent (স্বাধীন সম্মতি) নয় বলে গণ্য হবে। উপস্থিত/বিদ্যমান না থাকলে সেটি Free Consent (স্বাধীন সম্মতি) বলে গণ্য হবে।

উপাদানগুলো হলো:
০১. Coercion বা বলপ্রয়োগ: [ধারা ১৫]
০২. Undue Influence বা অযাচিত/অনুচিত প্রভাব: [ধারা ১৬]
০৩. Fraud বা প্রতারণা: [ধারা ১৭]
0৪. Misrepresentation বা মিথ্যা বর্ণনা: [ধারা ১৮]
০৫. Mistake বা ভুল: [ধারা (২০-২৩)]

অর্থাৎ উপরের কোনো একটি উপাদানের উপস্থিতিতে চুক্তি বাতিল হতে পারে।
৫১.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর Section 342 এর কার্যক্রমে অভিযুক্তের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়-
  1. চার্জশীটের প্রতি
  2. গঠিত চার্জের প্রতি
  3. নির্ধারিত সাজার প্রতি
  4. প্রাপ্ত সাক্ষ্যের প্রতি
সঠিক উত্তর:
প্রাপ্ত সাক্ষ্যের প্রতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাপ্ত সাক্ষ্যের প্রতি
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি,১৮৯৮ এর ধারা ৩৪২ এর কার্যক্রমে প্রাপ্ত সাক্ষ্যের প্রতি অভিযুক্তের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারার উদ্দেশ্য হলো অভিযুক্তের সাক্ষ্য গ্রহণ। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যে সকল সাক্ষ্য দেওয়া হয়েছে, অভিযুক্ত ঐ সকল সাক্ষ্য সম্পর্কে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করবে। এই ক্ষেত্রে আদালতের গুরুতূপূর্ণ দায়িত্ব হলো সাক্ষ্যে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে সে বিষয় গুলোর প্রতি অভিযুক্তের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যেন অভিযুক্ত সেই সকল বিষয় সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে।
এছাড়া আদালত অভিযুক্তকে মামলা সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন করতে পারবে যেন অভিযুক্ত তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যে উত্থাপিত কোন বিষয় বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হয়।
আদালত মামলার বিচার বা অনুসন্ধানের পূর্বে যেকোনো সময়ে এবং আসামীকে কোন পূর্ব সতর্ক করা ছাড়া, আদালত অভিযুক্তকে এমন প্রশ্ন করতে পারে। কিন্তু এটা অবশ্যই অভিযুক্তকে তার আত্মপক্ষ সমর্থনে আহ্বান করার পূর্বে করতে হবে।

৩৪২ ধারা অনুযায়ী আদালত অভিযুক্তের নিকট যে প্রশ্ন করে, অভিযুক্ত এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করলে বা মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে, সে শাস্তির জন্য দায়ী হবে না। কিন্তু আদালত এই ক্ষেত্রে অনুমান করতে পারে।

Section 342- Power to examine the accused
(1) For the purpose of enabling the accused to explain any circumstances appearing in the evidence against him, the Court may, at any stage of any inquiry or trial without previously warning the accused, put such questions to him as the Court considers necessary, and shall, for the purpose aforesaid, question him generally on the case after the witnesses for the prosecution have been examined and before he is called on for his defence. 
 
(2) The accused shall not render himself liable to punishment by refusing to answer such questions, or by giving false answers to them; but the Court may draw such inference from such refusal or answers as it thinks just. 
 
(3) The answers given by the accused may be taken into consideration in such inquiry or trial, and put in evidence for or against him in any other inquiry into, or trial for, any other offence which such answers may tend to show he has committed. 
 
(4) No oath shall be administered to the accused
৫২.
অর্থদণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল চালাকালে আসামী মারা গেলে আপীলটি-
  1. এবেট হবে
  2. এবেট হবে না
  3. খারিজ হবে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
এবেট হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এবেট হবে না
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৩১ মতে-
৪১৭ ধারা ও ৪১৭ক ধারা অধীন প্রত্যেকটি আপিলে আসামীর মৃত্যু হলে চূড়ান্তভাবে পণ্ড হয়ে যাবে এবং এই অধ্যায়ের অধীন অন্যান্য প্রত্যেকটি আপিল (জরিমানার বিরুদ্ধে আপিল ব্যতিত) আপিলকারীর মৃত্যু হলে চূড়ান্তভাবে পণ্ড বা আপিল Abatement হয়ে যাবে। 

অর্থাৎ জরিমানার বা অর্থদণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল হলে আপিলকারী মারা গেলেও আপিল বাতিল হবে না, তখন আপিলকারীর আইনগত প্রতিনিধিরা স্থলভিষিক্ত হবে এবং আসামীর সম্পদ থেকে জরিমানার বা অর্থদণ্ড আদায় হবে।

Section 431- Abatement of appeals
Every appeal under section 417 or section 417A shall finally abate on the death of the accused, and every other appeal under this Chapter
(except an appeal from a sentence of fine) shall finally abate on the death of the appellant.
৫৩.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর Section 476 এর অধীনে Complaint দায়ের আবেদন প্রত্যাখ্যান করে দেওয়ানী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে-
  1. আপিল করা যায়
  2. রিভিশন করা যায়
  3. রিট করা যায়
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আপিল করা যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল করা যায়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৭৬-খ ধারার বিধান আপিল (Appeals):

যে ব্যক্তির আবেদনক্রমে কোন দেওয়ানী, রাজস্ব বা ফৌজদারী আদালত ৪৭৬ ধারা বা ৪৭৬ক ধারার অধীন নালিশ করতে অস্বীকার করেছেন সেই ব্যক্তি অথবা যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে এরূপ অভিযোগ করা হয়েছে সেই ব্যক্তি ১৯৫ ধারার (৩) উপধারার অর্থানুসারে উক্ত আদালতের উর্ধতন আদালতে আপীল করতে পারেন, এবং অতঃপর উর্ধতন আদালতে সংশ্লিষ্ট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়া নালিশ প্রত্যাহারের নির্দেশ দিতে পারেন, অথবা ক্ষেত্ৰ বিশেষে নিজেই সেই নালিশ করতে পারেন যা অধস্তন আদালত ৪৭৬ ধারার অধীন করতে পারতেন, এবং উর্ধতন আদালতে যদি এই নালিশ করেন তাহলে উক্ত ধারার বিধানসমূহ অনুরূপভাবে প্রযোজ্য হবে।

যে ব্যক্তির আবেদনক্রমে আদালত ৪৭৬ ধারা বা ৪৭৬ক ধারার অধীন নালিশ করতে অস্বীকার করেছেন সেই ব্যক্তি বা যার বিরুদ্ধে এরূপ অভিযোগ করা হয়েছে, সেই ব্যক্তি উক্ত আদালতের উর্ধ্বতন আদালতে আপিল করতে পারেন।
৫৪.
কোনো পক্ষ কর্তৃক Set off দাবি করা যেতে পারে?
  1. নিষেধাজ্ঞার মামলায়
  2. স্বত্বের মামলায়
  3. অর্থের মামলায়
  4. বণ্টনের মামলায়
সঠিক উত্তর:
অর্থের মামলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থের মামলায়
ব্যাখ্যা
পারস্পরিক দায়শোধ বা Set off "অর্থ আদায়ের" মোকদ্দমায় দাবি করা যায়।

• দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ নং আদেশের ৬ নং বিধিতে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফের বিধান রয়েছে। অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদী যদি পূর্বেই বাদীর নিকট কোন পরিমাণ অর্থ পাওনা থাকে তবে বাদীর দাবীকৃত অর্থের সাথে বিবাদীর দাবীকৃত অর্থের সমন্বয় করার জন্য বিবাদী যে আবেদন করে তাকে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফ বলে।

• ৮ নং আদেশের বিধি-৬ঃ লিখিত বর্ণনায় পারস্পরিক দায় শোধের বিবরণ দিতে হবে—
১) যেক্ষেত্রে টাকা প্রদায় করার দাবীতে পেশকৃত মোকদ্দমায় বাদির নিকট হতে তার প্রাপ্য টাকা পরিশোধ করত বাদীর দাবী পরিশোধ করতে চায়, উক্ত প্রাপ্য টাকার পরিমাণ যদি আদালতের এখতিয়ারের বাইরে না হয় এবং বাদির মোকদ্দমার ন্যায় বিবাদির দাবীর ক্ষেত্রেও উভয় পক্ষ একই বৈশিষ্ট্যে পড়ে, তাহলে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির তারিখেই বিজ্ঞ আদালতের অনুমতি ব্যতিরেকে তার পরে নয়, বিবাদি তার পাওনা টাকার বিবরণ সম্বলিত একটি লিখিত বিবৃতি দাখিল করতে পারবে।

২) পারস্পরিক দাবী শোধের তাৎপর্যঃ আদালতকে মূল দাবী ও পারস্পরিক দাবী সমন্বয় সঙ্গে চূড়ান্ত রায় ঘোষণা দিতে ক্ষমতা প্রদান করতে পারে এমন ধরণের পাল্টা মোকদ্দমার আরজির ন্যায় লিখিত বর্ণনার একই প্রকার ক্রিয়া হবেঃ
কিন্তু ডিক্রির টাকার উপর ডিক্রির অধীনে এদের খরচা বাবদ কোন উকিলের দাবী থাকলে তা এতদ্বারা প্রভাবিত হবে না।

৩) পারস্পরিক দাবী সমন্বয়ের দাবীতে বিবাদির লিখিত বর্ণনা সম্পর্কিত নিয়মাবলীসমূহ প্রদত্ত বিবৃতির উত্তর দানের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।

• বিবাদি যদি সেট অফ দাবি করতে চায় তাহলে বিবাদীকে নিম্নলিখিত শর্ত সমূহ পূরণ করতে হবে। যেমন-
i) মোকদ্দমাটি অর্থ আদায়ের মোকদ্দমা হবে
ii) দাবীকৃত অর্থের পরিমান নির্দিষ্ট হবে
iii) দাবীকৃত অর্থ আদালতের এখতিয়ারভুক্ত ও আইনগতভাবে আদায়যোগ্য হবে। অর্থাৎ বিবাদি সেই পরিমান টাকার দাবি সমন্বয় করে চাইতে পারবে যার পরিমান ঐ বিচারিক আর্থিক এখতিয়ারের মধ্যে হবে। বিচারিক আদালতের আর্থিক এখতিয়ারের বেশি হলে সে রকম পরিমাণের টাকার জন্য বিবাদি সেট-অফ দাবি করতে পারবে না
iv) দাবি-দাওয়ার ক্ষেত্রে বাদী বা বিবাদী উভয়কেই একই চরিত্রের অধিকারী হতে হবে। অর্থাৎ মামলায় বাদী-বিবাদী একে অন্যের নিকট পাওনাদার বা দেনাদার না হলে সেই মামলায় সেট-অফের দাবি করা যাবে না
v) সেট-অফের মোকদ্দমায় আদালত বাদীর মূল দাবি এবং বিবাদীর সেট অফের ব্যাপারে এক সঙ্গে চূড়ান্ত রায় প্রদান করতে পারেন।
৫৫.
'A' makes an attempt to pick the pocket of 'Z' by thrusting his hand into 'Z's pocket. 'A' fails in the attempt in consequence of 'Z's having nothing in his pocket. এটি Penal Code এর কত ধারার অপরাধ?
  1. ১০৮
  2. ৫১১
  3. ৩৭৯
  4. কোন অপরাধ হয় নি
সঠিক উত্তর:
৫১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫১১
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৫১১ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগের সাজা:-

কোন ব্যক্তি যদি এই বিধিবলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটন করার অথবা অনুরূপ কোন অপরাধ সংঘটন করানোর উদ্যোগ করে এবং অনুরূপ উদ্যোগের মাধ্যমে অপরাধটি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কাজ করে, তবে যেক্ষেত্রে অনুরূপ উদ্যোগের সাজার জন্য এই বিধিতে কোন প্রকাশ্য বিধান করা হয় নাই, সেক্ষেত্রে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য সে ধরনের অপরাধের জন্য বিহিত দণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধেক পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা সে অপরাধটির জন্য যে অর্থ দণ্ডেও বিধান করা হয়েছে সে অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

উদাহরণ:
(ক) 'ক' একটি বাক্স ভেঙ্গে কিছু গহনাপত্র চুরি করার উদ্যোগ করে। সে বাক্সটি ভেঙ্গে দেখতে পায় যে, উহাতে কোন গহনাপত্র নাই। সে চুরির উদ্দেশ্যে এই কাজটি করেছে; সুতরাং সে এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।

(খ) 'ক', 'চ'- এর পকেটে হাত দিয়ে চ-এর পকেট মারার উদ্যোগ নেয়। 'চ'- এর পকেটে কিছু ছিল না বলে ক-এর চেষ্টা ব্যর্থ হয়। 'ক' এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।

Section 511- Punishment for attempting to commit offences punishable with imprisonment for life or imprisonment:
Whoever attempts to commit an offence punishable by this Code with imprisonment for life or imprisonment, or to cause such an offence to be committed, and in such attempt does any act towards the commission of the offence, shall, where no express provision is made by this Code for the punishment of such attempt, be punished with imprisonment of any description provided for the offence, for a term which may extend to one-half of the longest term of imprisonment provided for that offence, or with such fine as is provided for the offence, or with both. 
 
Illustration
(a) A makes an attempt to steal some jewels by breaking open a box, and finds after so opening the box, that there is no jewel in it. He has done an act towards the commission of theft, and therefore is guilty under this section. 

(b) A makes an attempt to pick the pocket of Z by thrusting his hand into Z's pocket. A fails in the attempt in consequence of Z's having nothing in his pocket. A is guilty under this section.
৫৬.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন ২০১২ এ সংঘবদ্ধ মানব পাচার গোষ্ঠীর প্রত্যেক অপরাধ সংঘটনকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি-
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ৩০ বছর কারাদণ্ড
  4. ২০ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ৭- সংঘবদ্ধ মানব পাচার অপরাধের দণ্ড

কোন সংঘবদ্ধ গোষ্ঠীর একাধিক সদস্য গোষ্ঠীর সকল সদস্যের সাধারণ অভিপ্রায় সাধনের উদ্দেশ্যে কোন আর্থিক বা অন্য কোনো বস্ত্তগত বা অবস্ত্তগত মুনাফা অর্জনের নিমিত্ত এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করিলে উক্ত গোষ্ঠীর প্রত্যেক সদস্য উক্ত অপরাধ সংঘটনের দায়ে অভিযুক্ত হইবে এবং অপরাধ সংঘটনকারী ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অন্যূন ৭(সাত) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫(পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
৫৭.
'আইন' অর্থ কোন আইন, অধ্যাদেশ, আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন, বিজ্ঞপ্তি ও অন্যান্য আইনগত দলিল এবং বাংলাদেশে আইনের ক্ষমতাসম্পন্ন যে কোন প্রথা বা রীতি -- আইনের এ ব্যাখ্যা কোথায় প্রদান করা হয়েছে?
  1. The General Clauses Act, 1897
  2. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে
  3. The Code of Civil Procedure, 1908 এ
  4. The Civil Courts Act, 1887 এ
সঠিক উত্তর:
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১৫২ অনুচ্ছেদে আইনের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে-
"আইন" অর্থ কোন আইন, অধ্যাদেশ, আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন, বিজ্ঞপ্তি ও অন্যান্য আইনগত দলিল এবং বাংলাদেশে আইনের ক্ষমতাসম্পন্ন যে কোন প্রথা বা রীতি;

Article 152:
“law” means any Act, ordinance, order, rule, regulation, bye law, notification or other legal instrument, and any custom or usage, having the force of law in Bangladesh;
৫৮.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর Section 249 এর অধীনে বিচার বন্ধ হলে অভিযুক্ত ব্যক্তি-
  1. খালাস পাবে
  2. মুক্তি পাবে
  3. অব্যহতি পাবে
  4. উপরের কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
মুক্তি পাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্তি পাবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৯ ধারার বিধান যেক্ষেত্রে ফরিয়াদী না থাকে, সেক্ষেত্রে কার্যক্রম বন্ধের ক্ষমতাঃ

নালিশ ব্যতিরেকে অন্যভাবে দায়ের করা যে কোন মকদ্দমায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর অনুমতি পূর্বে নিয়ে অন্য যে কোন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মামলার যে কোন পর্যায়ে বেকসুর খালাস অথবা দণ্ডের কোন রায় ঘোষণা না করে, কার্যবাহ বন্ধ করে দিতে পারেন এবং অতঃপর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মুক্তি দিতে পারবেন।

• ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৯ ধারায় মামলার কার্যক্রম বন্ধ বলতে মামলাটি অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য স্থগিত বোঝায় না বরং মামালাটি বহাল আছে বোঝায়। সাক্ষী পর্যাপ্ত হলে ম্যাজিস্ট্রেট মামলাটি পুনরায় চালু করতে পারে। যে কারণে ম্যাজিস্ট্রেট ২৪৯ ধারায় মামলার কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ প্রদান করলো উক্ত কারণ যখন বিদ্যামান থাকেনা তখন থেকে ম্যাজিস্ট্রেট মামলার বিচার কার্যক্রম পুনরায় শুরু করতে পারে।

• মামলার কার্যক্রম বন্ধের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপক্ষ বা নালিশকারী বিচারিক আদালতে উক্ত মামলার বিচার পুনরুজ্জীবিত বা পুনরায় চালুর জন্য আবেদন করতে পারে এবং উক্ত ক্ষেত্রে মামলার কার্যক্রম যেখান থেকে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল সেখান থেকে শুরু হবে।

• যে ম্যাজিস্ট্রেট মামলার কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল সে উক্ত বন্ধের আদেশ বাতিল করতে পারে এবং মামলার কার্যক্রম শুরু করতে পারে যদি সাক্ষী পাওয়া যায়।

• ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৯ ধারায় মামলার কার্যক্রম বন্ধের আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে রিভিশন দায়ের করা যায়। একই অভিযোগের জন্য একই অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে পুনরায় মামলা দায়ের করা যাবে।
৫৯.
'Obiter Dictum' means-
  1. a thing decided
  2. a thing said by the way
  3. a thing to be corrected
  4. a thing to be beyed
সঠিক উত্তর:
a thing said by the way
উত্তর
সঠিক উত্তর:
a thing said by the way
ব্যাখ্যা
• একটি Judgment -এর চারটি অংশ থাকে; যথা-
০১. A concise statement of fact;
০২. Point of determination or issue;
০৩. Reason behind the judgment;
০8. The decision thereon;

আদালতের Reasoning- কে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়:
i. Ratio decidendi;
ii. Obiter Dictum;

Ratio decidendi-
যেসব Legal Basis বা Legal Principles উপর ভিত্তি করে আদালত রায় প্রদান করে। Precedent হিসেবে Ratio decidendi এর binding force আছে এবং নজির হিসেবে আদালত মানতে বাধ্য।

Obiter Dictum- "A thing said by the way" অর্থাৎ মামলার রায়ের এমন অংশকে বোঝায়, যেটা মান্য করা বাধ্যতামূলক নয়; বরং বিচারক যেটা কথা প্রসঙ্গে বলে থাকেন। অর্থাৎ, রায় প্রদানের সময় বিচারক প্রসঙ্গক্রমে যে সব কথা বলেন, তাই Obiter Dictum এর binding force নেই তবে, persuasive value আছে।
৬০.
রাষ্ট্রের সকল নির্বাহী ও বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টকে সহায়তা করতে বাধ্য---
  1. ১০৯
  2. ১১০
  3. ১১১
  4. ১১২
সঠিক উত্তর:
১১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১২
ব্যাখ্যা
• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান অনুচ্ছেদ ১১২- সুপ্রীম কোর্টের সহায়তা

প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানার অন্তর্ভুক্ত সকল নির্বাহী ও বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ সুপ্রীম কোর্টের সহায়তা করিবেন।
৬১.
একতরফা ডিক্রির বিরুদ্ধে বিবাদীর প্রতিকার কী?
  1. একতরফা ডিক্রি রদের আবেদন
  2. রিভিউ
  3. আপীল
  4. সবগুলো প্রতিকার বিদ্যমান
সঠিক উত্তর:
সবগুলো প্রতিকার বিদ্যমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো প্রতিকার বিদ্যমান
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন একতরফা ডিক্রির বিরুদ্ধে (বিবাদীর) প্রতিকার:

⇒ অর্ডার ৯, রুল ১৩: একই কোর্টে একতরফা ডিক্রি রদের [Setting aside the Exparte decree] জন্য আবেদন করা।

⇒ অর্ডার ৯, রুল ১৩ক: একতরফা ডিক্রি সরাসরি রদের [Directly setting aside the Exparte decree] জন্য আবেদন করা।

ধারা ৯৬(২): একতরফা ডিক্রি যেহেতু একটি ডিক্রি, তাই উক্ত ধারানুযায়ী আপিল করা যাবে।

ধারা ১১৪ + অর্ডার ৪৭, রুল ১: রিভিউ করা যাবে।

⇒ ১৫১ ধারায় একতরফা ডিক্রির সিদ্ধান্ত বাতিল/রদ করার জন্য আবেদন করা যায়।
৬২.
'ক' ঘুসি মেরে 'খ' এর দাঁত ফেলে দেয়। 'ক' এর কৃত অপরাধ হলো-
  1. সাধারণ জখম
  2. মারাত্মক জখম
  3. হত্যার প্রচেষ্টা
  4. অনিচ্ছাকৃত জখম
সঠিক উত্তর:
মারাত্মক জখম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মারাত্মক জখম
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩২০ ধারায় ৮ ধরণের গুরুতর/মারাত্মক জখমের উল্লেখ রয়েছে।

(i) পুরুষত্বহীনকরণ;
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ;
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ;
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন;
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ;
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি;
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা;
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ দিন পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত।

অর্থাৎ 'ক' এর কৃত অপরাধ মারাত্মক জখম হিসেবে গণ্য হবে।
৬৩.
একজন হানাফি মুসলিম স্ত্রী, মা ও পিতাকে রেখে মারা যায়। পিতার অংশ কত?
  1. ১/৬
  2. ১/৪
  3. ১/৮
  4. ১/২
সঠিক উত্তর:
১/২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/২
ব্যাখ্যা
• উমারিয়াতান নীতি প্রয়োগ করে,

স্ত্রী= ১/৪ অংশ,
মাতা= অবশিষ্ট ৩/৪ অংশের ১/৩ অংশ, = ১/৪ অংশ,
পিতা= অবশিষ্টাংশভোগী= ১/২ অংশ পাবে।
৬৪.
The Registration Act, 1908 এর কোন Section মোতাবেক স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত বিক্রয় চুক্তির নিবদ্ধন ২০০৪ সন থেকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে?
  1. 16
  2. 17
  3. 17A
  4. 18
সঠিক উত্তর:
17A
উত্তর
সঠিক উত্তর:
17A
ব্যাখ্যা

Registration (Amendment) Act, 2004 -এর মাধ্যমে 17A ধারা নতুনভাবে সংযোজিত হয়েছে। এই 17A ধারার মাধ্যমে স্থাবর সম্পত্তির বায়নাপত্র বা বিক্রয়চুক্তি'র নিবন্ধন [Registration] বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

ধারা ১৭এ অনুসারে-
বিক্রয়চুক্তি (বায়নাপত্র) অবশ্যই লিখিত, পক্ষগণের দ্বারা সম্পাদিত ও রেজিস্ট্রিকৃত হতে হবে এবং বিক্রয়চুক্তি সম্পাদনের ৬০ দিনের মধ্যে তা রেজিস্ট্রেশনের জন্য উপস্থাপন করতে হবে।

৬৫.
De jure শব্দের অর্থ কী?
  1. In fact
  2. In law
  3. indeed
  4. in action
সঠিক উত্তর:
In law
উত্তর
সঠিক উত্তর:
In law
ব্যাখ্যা
De Jure: শাব্দিক অর্থ হচ্ছে In law বা According to law.

- 'de jure' একটি ল্যাটিন phrase. 
- যার বাংলা অর্থ আইনগত ভাবে বিদ্যমান।
- এটার বিপরীত De facto বা in action.
৬৬.
অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩-এর বিধান অনুসারে একতরফা ডিক্রি রদের প্রার্থনা দাখিলের পরবর্তী কত দিবসের মধ্যে ডিক্রিকৃত অর্থের কত পারসেন্টের সমপরিমাণ টাকা জামানত স্বরূপ জমাদান করার কথা বলা হয়েছে? যথাক্রমে--
  1. ৩০ দিন ও ২৫%
  2. ১৫ দিন ও ২৫%
  3. ১৫ দিন ও ১০%
  4. ৩০ দিন ও ১০%
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন ও ১০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন ও ১০%
ব্যাখ্যা
• অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ১৯ ধারায় একতরফা ডিক্রি সম্পর্কিত বিষয়াবলী বর্ণিত আছে।

> ১৯(২) ধারা মতে, বিবাদী একতরফা ডিক্রির তারিখ বা উক্ত একতরফা ডিক্রি সম্পর্কে অবগত হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে তা রদের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

> ১৯(৩) ধারা মতে, একতরফা ডিক্রি রদের দরখাস্ত দাখিলের তারিখ হতে পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে ডিক্রিকৃত অর্থের ১০% এর সমপরিমাণ অর্থ আদালতে জামানত রূপে জমা দিতে হবে।
৬৭.
পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন, ২০১০ এর অধীনে সংঘটিত অপরাধের বিচার কোন আদালতে অনুষ্ঠিত হবে?
  1. পারিবারিক আদালতে
  2. নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে
  3. জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  4. সহকারী জজ আদালতে
সঠিক উত্তর:
জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
ব্যাখ্যা
• পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন, ২০১০

ধারা ২১- বিচার

(১) ফৌজদারী কার্যবিধি বা আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন দাখিলকৃত আবেদন বা অপরাধের বিচার বা কার্যধারার নিষ্পত্তি জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা ক্ষেত্রমত, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিচার্য হইবে। 
 
(২) ক্ষতিপূরণ আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের কোন নির্দিষ্ট সীমা থাকিবে না।
৬৮.
নিম্নের কোন বিষয়টি পারিবারিক আদালতের এখতিয়ার বহির্ভূত?
  1. মুসলিম ফারায়েজ অনুযায়ী পারিবারিক সম্পত্তির বণ্টন
  2. বিবাহবিচ্ছেদ
  3. এতিম সন্তানদের অভিভাবকত্ব নির্ধারণ
  4. হিন্দু বিবাহিত রমনীর খোরপোষের প্রাপ্যতা নির্ধারণ
সঠিক উত্তর:
মুসলিম ফারায়েজ অনুযায়ী পারিবারিক সম্পত্তির বণ্টন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুসলিম ফারায়েজ অনুযায়ী পারিবারিক সম্পত্তির বণ্টন
ব্যাখ্যা
• ২০২৩ সালে 'পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩' নামক আইনটি পাশ হয় এবং কার্যকর হয়। ২০২৩ খ্রিষ্টব্দের পূর্বে এই আইনটি The Family Courts Ordinance, 1985 নামে কার্যকর ছিলো। উক্ত আইনের ৫ ধারা অনুসারে, নিম্নের ৫টি বিষয়ে অথবা উক্ত বিষয় সম্পর্কিত মামলাগ্রহণ, বিচার এবং নিষ্পত্তির একক এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারবে। ৫টি বিষয় হলো-

ক) দেনমোহর [Dower];
খ) খোরপোষ/ভরণপোষণ [Maintenance];
গ) বিবাহ বিচ্ছেদ [Dissolution of Marriage];
ঘ) দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার [Restitution of Conjugal Rights];
ঙ) শিশুর অভিভাবকত্ব ও হেফাজত [Guardianship & Custody of Children]

অর্থাৎ পারিবারিক সম্পত্তির বণ্টন বিষয়টি পারিবারিক আদালতের এখতিয়ার বহির্ভূত।
৬৯.
রাষ্ট্র নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ নিশ্চিত করবে - এটা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
  1. ১৬
  2. ১৯
  3. ২১
  4. ২২
সঠিক উত্তর:
২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদে নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ রাষ্ট্র নিশ্চিত করবে বলে- সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে ৷

সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে -
রাষ্ট্রের নির্বাহী অঙ্গসমূহ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ রাষ্ট্র নিশ্চিত করিবেন৷
৭০.
Penal Code প্রণয়নের উদ্দেশ্যে গঠিত ১৮৩৭ সালের প্রথম ভারতীয় আইন কমিশনের সভাপতি ও কমিশনার কে বা কারা ছিলেন?
  1. সভাপতি হেস্টিংস, কমিশনার লর্ড ম্যাকুলে এবং ম্যাকলয়েড এন্ডারসন
  2. সভাপতি লর্ড ম্যাকুলে এবং কমিশনার হেস্টিংস এবং ম্যাকলয়েড এন্ডারসন
  3. সভাপতি এন্ডারসন এবং কমিশনার লর্ড ম্যাকুলে
  4. সভাপতি লর্ড ম্যাকুলে এবং কমিশনার ম্যাকলয়েড এন্ডারসন ও মিলেট
সঠিক উত্তর:
সভাপতি লর্ড ম্যাকুলে এবং কমিশনার ম্যাকলয়েড এন্ডারসন ও মিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সভাপতি লর্ড ম্যাকুলে এবং কমিশনার ম্যাকলয়েড এন্ডারসন ও মিলেট
ব্যাখ্যা
• ১৮৩৩ সালে ভারতের শাসনভার ইংরেজ কোম্পানী হাত হতে ব্রিটিশ রাজ গ্রহণ করার পর ভারতবর্ষের জন্য একটি আইন কমিশন গঠন করেন। ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন গঠন করা হয় ১৮৩৪ সালে। প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay).
প্রথম আইন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন যা নিম্নরুপ:-

i) সভাপতি- লর্ড ম্যাকুলে।
ii) সদস্য- মি. ম্যাকলয়েড।
iii) সদস্য- মি. এন্ডারসন।
iv) সদস্য- মি. মিলেট।

এ কমিশন দণ্ডবিধির খসড়া প্রণয়ন করে ১৮৩৭ সালের ১৪ই অক্টোবর ভারতের তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড আ্যাকল্যান্ডের নিকট পেশ করেন। যা কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি স্যার বার্নেস পিকক এবং অন্যান্য বিচারপতিগণ (যারা ফোর্ট উইলিয়ম লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন)। সতর্কতার সাথে পরীক্ষা করে ১৮৫৬ সালে দণ্ডবিধির খসড়া লেজিসলেটিভ কাউন্সিলে উপস্থাপিত হয়। ১৮৬০ সালে লেজিসলেটিভ কাউন্সিল আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চূড়ান্ত খসড়া তৈরী করেন। অতঃপর ভারতে বিদ্যমান বিভিন্ন আইনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে কিছু সংশোধনী করে ১৮৬২ সালের ৬ই অক্টোবর দণ্ডবিধি পাশ হয়। যার নামকরণ করা হয় ১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন, দণ্ডবিধি।
৭১.
The Evidence Act, 1872 এর বিধান অনুযায়ী বিবাহবিচ্ছেদের পর তালাক প্রাপ্ত স্ত্রী কতদিনের মধ্যে সন্তান প্রসব করলে তা পূর্বের স্বামীর ঔরসজাত বৈধ সন্তান হিসাবে গণ্য হবে?
  1. ২৮০ দিন
  2. ৩১০ দিন
  3. ৪০০ দিন
  4. উপরের কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
২৮০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮০ দিন
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারা অনুযায়ী: সন্তানের জন্মই বিবাহ স্থির থাকাকালে এর বৈধতার ছড়ান্ত প্রমাণ

কোন ব্যক্তির মাতার সঙ্গে এক ব্যক্তির আইনসঙ্গত বিবাহ কায়েম থাকাকালে অথবা বিবাহবিচ্ছেদের পর দুইশত আশি দিনের ভিতর তার মাতা অবিবাহিতা থাকাকালে যদি তার জন্ম হয় ও যদি এটা দেখান না হয় যে, ঐ ব্যক্তি যখন মাতৃগর্ভে এসে থাকতে অনুরূপ কোন সময়ে বিবাহিত পক্ষদ্বয়ের মধ্যে মিলনের পথ উন্মুক্ত ছিল, তাহলে সে যে জন্মেছে এ প্রসঙ্গ দ্বারা অবশ্যই চূড়ান্ত ভাবে প্রমাণিত হবে যে, সে সে ব্যক্তির বৈধ সন্তান।

Section 112: Birth during marriage conclusive proof of legitimacy
The fact that any person was born during the continuance of a valid marriage between his mother and any man, or within two hundred and eighty days after its dissolution, the mother remaining unmarried, shall be conclusive proof that he is the legitimate son of that man, unless it can be shown that the parties to the marriage had no access to each other at any time when he could have been begotten.
৭২.
ত্রিশ বছরের পুরাতন দলিল বিষয়ে অনুমান গ্রহণের বিধান The Evidence Act, 1877 এর কোন ধারায়?
  1. ৯০ ধারা
  2. ৮৮ ধারা
  3. ৮০ ধারা
  4. ৮৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
৯০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ ধারা
ব্যাখ্যা
• ধারা ৯০ অনুযায়ী ৩০ বছরের পুরনো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে আদালত সঠিক মনে করবে যদি দলিলটি ৩০ বছরের পুরাতন হয় এবং আদালতের দৃষ্টিতে সঠিক হেফাজত হতে দলিলটি আদালতে দাখিল করা হয়।

সাক্ষ্য আইনের ৯০ ধারায় বলা হয়েছে ৩০ বছরের পুরানো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে আদালত সঠিক বলে মনে করবে যদি দলিলটি সঠিক ব্যক্তির দখল থেকে আসে। ৯০ ধারার অনুমান শুধুমাত্র মূল দলিলের জন্য। কোন প্রত্যয়িত কপি বা জাবেদা নকলের জন্য নয়। এ ধারার বিধানের অনুযায়ী-
১. দলিলটি ৩০ বছরের পুরাতন হতে হবে।
২. দলিলটি সঠিক ব্যক্তির হেফাজত হতে আদালতে দাখিল করতে হবে।

৯০ ধারা: ত্রিশ বৎসরের পুরাতন দলিল সম্পর্কে অনুমান
যখন কোন দলিল ত্রিশ বৎসরের পুরাতন বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয় বা প্রমাণ করা হয় এবং তাহা সংশ্লিষ্ট মকদ্দমায় যে পক্ষের হেফাজতে থাকা সঙ্গত বলিয়া আদালত মনে করেন, সেই পক্ষের হেফাজত হইতে উহা আদালতে দাখিল করা হয়; তখন আদালত ধরিয়া লইতে পারেন যে, সেই দলিলে স্বাক্ষর এবং অন্যান্য সকল অংশ যে ব্যক্তির হস্তাক্ষ বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয়, তাহা সেই ব্যক্তিরই হস্তাক্ষর এবং যেখানে দলিলটি সম্পাদিত বা প্রত্যায়িত, সেখানে আদালত ধরিয়া লইতে পারেন যে, যে ব্যক্তির দ্বারা উহা সম্পাদিত ও সত্যায়িত বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয় সেই ব্যক্তির দ্বারা উহা যথাবিহিতরূপে সম্পাদিত ও সত্যায়িত হইয়াছে।

Section 90: Presumption as to documents thirty years old:
Where any document, purporting or proved to be thirty years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the signature and every other part of such document, which purports to be in the handwriting of any particular person, is in that person's handwriting, and, in the case of a document executed or attested, that it was duly executed and attested by the persons by whom it purports to be executed and attested. 
 
Explanation- Documents are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they would naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or if the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable.
৭৩.
দেওয়ানী মামলায় তামাদির বিষয়টি-
  1. আইন ও ঘটনার মিশ্র প্রশ্ন
  2. আইনের প্রশ্ন
  3. ঘটনার প্রশ্ন
  4. অধিকারের প্রশ্ন
সঠিক উত্তর:
আইন ও ঘটনার মিশ্র প্রশ্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন ও ঘটনার মিশ্র প্রশ্ন
ব্যাখ্যা
• আদালতে বিচারাধীন প্রত্যেকটি মামলা বিচারকালে দু’ধরনের প্রশ্ন জড়িত থাকে। এগুলি হচ্ছে আইনগত প্রশ্ন ও তথ্যঘটিত প্রশ্ন। যে সকল বিষয় এককভাবে আইন দ্বারা নির্ধারণ করা যায় সেগুলিকে আইনগত প্রশ্ন বলে এবং যে সকল বিষয় ঘটনা বা তথ্যের সাথে সংশ্লিষ্ট সেগুলিকে তথ্যগত প্রশ্ন বলা হয়।

কোনো ঘটনা নিরঙ্কুশ আইনের সংজ্ঞাধীন হলে তা আইনের প্রশ্ন বলে বিবেচিত হয়। আপিল, রিভিউ, রিভিশন, দরখাস্ত, নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ শেষ হয়ে পরেও আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারলে/যুক্তিসংগত কারণ দেখাতে পারলে যাওয়ার তা গৃহীত হতে পারে। এই গৃহীত হওয়ার বিষয়টি হলো ঘটনার প্রশ্ন (ধারা ৫)।

তামাদি আইনের ধারা-৩ এ বলা হয়েছে তামাদি মেয়াদ শেষ হওয়ার পর মোকদ্দমা, আপীল বা আবেদন রুজু, দায়ের বা দাখিল করা হয়, তাহলে বিবাদী পক্ষ তামাদির প্রশ্ন উপস্থাপন না করলেও উক্ত মোকদ্দমা, আপীল বা দরখাস্ত খারিজ মর্মে পরিগণিত হবে। এই খারিজ হওয়ার বিষয়টি হলো আইনগত প্রশ্ন।

তাই বলা হয়, দেওয়ানী মামলায় তামাদির বিষয়টি আইন ও ঘটনার মিশ্র প্রশ্ন।
৭৪.
The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারা মতে অশালীন ও কুৎসাজনক প্রশ্ন করা যায় না?
  1. ১৫০ ধারা
  2. ১৫১ ধারা
  3. ১৫২ ধারা
  4. ১৫৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৫১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫১ ধারা
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৫১ ধারা- অশ্লীল ও কুৎসাজনক প্রশ্ন

যদি কোন প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসাবাদ আদালত অশ্লীল অথবা কেলেঙ্কারীজনক মনে করেন তবে আদালতের বিচার্য বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রশ্নটির কিছু গুরুত্ব থাকলেও আদালত এর প্রশ্ন নিষিদ্ধ করতে পারেন, প্রশ্নটি যদি না বিচার্য বিষয় সম্পর্কিত হয় অথবা বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব নির্ধারণের জন্য যা জানা প্রয়োজন এমনি বিষয় সম্পর্কিত হয়।

Section 151- Indecent and scandalous questions:
The Court may forbid any questions or inquiries which it regards as indecent or scandalous, although such questions or inquiries may have some bearing on the questions before the Court, unless they relate to facts in issue, or to matters necessary to be known in order to determine whether or not the facts in issue existed.
৭৫.
শিশুর দ্বারা আগ্নেয়াস্ত্র বা অবৈধ ও নিষিদ্ধ বস্তু বহন করানো বা পরিবহন করানোর অপরাধের জন্য শিশু আইন, ২০১৩ তে শাস্তির বিধান করা হয়েছে-
  1. ৩ বছর কারাদণ্ড এবং ৫০,০০০ টাকা অর্থদণ্ড
  2. ৩ বছর কারাদণ্ড এবং ১,০০,০০০ টাকা অর্থদণ্ড
  3. ৫ বছর কারাদণ্ড এবং ১,০০,০০০ টাকা অর্থদণ্ড
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
৩ বছর কারাদণ্ড এবং ১,০০,০০০ টাকা অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর কারাদণ্ড এবং ১,০০,০০০ টাকা অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ৭৯- শিশুর দ্বারা আগ্নেয়াস্ত্র বা অবৈধ ও নিষিদ্ধ বস্তু বহন এবং সন্ত্রাসী কার্য সংঘটনের দণ্ড

(১) যদি কোন ব্যক্তি কোন শিশুর দ্বারা আগ্নেয়াস্ত্র বা অবৈধ ও নিষিদ্ধ বস্তু বহন করান বা পরিবহন করান, তাহা হইলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এই আইনের অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৩ (তিন) বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 
 
(২) কোন ব্যক্তি শিশুর প্রকৃত দায়িত্বসম্পন্ন বা তত্ত্বাবধানকারী ইউক, বা না হউক, কোন শিশুকে সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ১৬ নং আইন) এর ধারা ৬ এ উল্লিখিত কোন সন্ত্রাসী কার্যে নিয়োজিত করিলে বা ব্যবহার করিলে তিনি স্বয়ং উক্ত সন্ত্রাসী কার্য সংঘটনের অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং তজ্জন্য তিনি উক্ত ধারায় উল্লিখিত দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
৭৬.
High Court Judicature at Calcutta স্থাপিত হয় কত সালে?
  1. ১৮৬২
  2. ১৮৬১
  3. ১৮৭০
  4. ১৮৭২
সঠিক উত্তর:
১৮৬২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৬২
ব্যাখ্যা
High Court Judicature at Calcutta স্থাপিত হয় ১৮৬২ সালে।

- উপমহাদেশে সর্বপ্রথম ১৭২৬ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কলকাতা শহরে 'মেয়র কোর্ট স্থাপন করে।
- পরে মেয়র কোর্টের স্থলাভিষিক্ত হিসেবে, ব্রিটিশ রাজ পরিবার ১৭৭৪ সালে The Regulating Act of 1773' এর মাধ্যমে কলকতার ফোর্ট উইলিয়ামে 'সুপ্রীমকোর্ট' প্রতিষ্ঠা করে।
- ১৮৫৮ সালে কোম্পানি বিলুপ্ত করা হলে কলকাতা সুপ্রিম কোর্ট তার প্রাসঙ্গিকতা হারিয়ে ফেলে এবং ১৮৬১ সালের ভারতীয় হাইকোর্ট অ্যাক্টের মাধ্যমে এর বিলুপ্তি ঘটে।
- পরে ১ জুলাই ১৮৬২ সালে ফোর্ট উইলিয়ামে একটি হাইকোর্ট স্থাপিত হয়।
- সেই সময় এ হাইকোর্টের নাম ছিল- হাইকোর্ট অব জুডিকেচার।
- ১৮৭২ সালে স্যার বার্নেস পিকক প্রথম প্রধান বিচারপতি নিযুক্ত হন।
৭৭.
জেনেভা কনভেনশন হয়েছিল-
  1. ১৮৬৪ সনে
  2. ১৯০৬ সনে
  3. ১৯২০ সনে
  4. ১৮০৬ সনে
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
জেনেভা কনভেনশন - ১৯৪৯ (Geneva Convention):
- ১৯৪৯ সালের ১২ আগস্ট সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় 'জেনেভা কনভেনশন' স্বাক্ষর হয়।
-  এর আওতায় স্বাক্ষরিত চুক্তির সংখ্যা - ৪টি।

স্বাক্ষরিত চারটি চুক্তি হচ্ছে -

১. প্রথম জেনেভা কনভেনশন চুক্তি, ১৮৬৪
- জেনেভা কনভেনশনের প্রথম চুক্তিটি যুদ্ধকালীন সময়ে ভূমি ও স্থল যুদ্ধে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত।

২. দ্বিতীয় জেনেভা কনভেনশন চুক্তি, ১৯০৬
- দ্বিতীয় চুক্তিটি সমুদ্রে বা জলের যুদ্ধে আহত, অসুস্থ ও জাহাজডুবির স্বীকার সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত।
- ১৯০৭ সালের "হেগ চুক্তি" সংশােধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।

৩. তৃতীয় জেনেভা কনভেনশন চুক্তি, ১৯২০
- জেনেভা কনভেনশনের তৃতীয় চুক্তিটি হচ্ছে যুদ্ধ।
- বন্দিদের প্রতি আচরণ সংক্রান্ত।

৪. চতুর্থ জেনেভা কনভেনশন চুক্তি, ১৮০৬
- চতুর্থ চুক্তিটি যুদ্ধক্ষেত্র বা অবরুদ্ধ অঞ্চলের বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা সংক্রান্ত চুক্তি।

আলোচ্য প্রশ্নের অপশনে ১৮৬৪, ১৯০৬,১৯২০ তিনটি সাল উল্লেখ আছে। উপরিউক্ত সাল ৩টির যেকোনো একটি থাকলেও প্রশ্নটি শুদ্ধ হতো। তাই, অপশন বিবেচনায় বলা যায় যে, আলোচ্য প্রশ্নটি অপশন বিবেচনায় ভুল। তাই প্রশ্নটি বাতিল করা হল।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ওয়েবসাইট।
৭৮.
মুহম্মদ ঘোরি পৃথ্বীরাজ চৌহানের মধ্যে দ্বিতীয় তরাইনের যুদ্ধ কত সালে সংঘটিত হয়?
  1. ১১৯০
  2. ১১৯২
  3. ১২০৬
  4. ৭১২
সঠিক উত্তর:
১১৯২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৯২
ব্যাখ্যা
সুলতানী শাসন:

- তরাইনের ২য় যুদ্ধ ১১৯২ সালে বর্তমান হরিয়ানার থানেশ্বরের নিকটে তরাইন নামক শহরের নিকটে সংঘটিত হয়।
- এই স্থান দিল্লি থেকে ১৫০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত।
- মুহম্মদ ঘুরির নেতৃত্বাধীন ঘুরি বাহিনী ও পৃথ্বীরাজ চৌহানের নেতৃত্বে চৌহান রাজপুত বাহিনীর মধ্যে এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- এই যুদ্ধে মহম্মদ ঘোরি পৃথ্বীরাজ চৌহানকে পরাজিত করেছিলেন এবং এই বিজয় দিল্লি সুলতানি প্রতিষ্ঠার সূচনা করে।
- তিনি ভারতে মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠার ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন এবং দেশে তিনি 'মুসলিম শাসনের প্রতিষ্ঠাতা' হিসাবেও পরিচিত।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৯.
আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. লিওনিদ রেজনেভ
  2. আলেস্কি কেসিগিন
  3. আন্দ্রেই গ্রেমিকো
  4. নিকলাই পদানী
সঠিক উত্তর:
আন্দ্রেই গ্রেমিকো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আন্দ্রেই গ্রেমিকো
ব্যাখ্যা
• ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময়:

- সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট : নিকোলাই পোদগর্নি;
- সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রধানমন্ত্রী : অ্যালেক্সি কোসিগিন;
- সোভিয়েত ইউনিয়নের পররাষ্ট্রমন্ত্রী : আন্দ্রেই গ্রেমিকো;
- জাতিসংঘে সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রতিনিধি : ইয়াকভ মালিক।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৮০.
আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ে জাতিসংঘে নিযুক্ত ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি কে ছিলেন?
  1. সরদার শরন সিং
  2. সমর সেন
  3. আর.কে. দিক্ষিত
  4. বিজয় লক্ষ্মী পণ্ডিত
সঠিক উত্তর:
সমর সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমর সেন
ব্যাখ্যা
• আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ে জাতিসংঘে নিযুক্ত ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধ ছিলেন সমর সেন।

• সমর সেন (জন্ম: ১০ অক্টোবর, ১৯১৬ — মৃত্যু: ২৩ আগস্ট, ১৯৮৭)
- তিনি ছিলেন একজন উল্লেখযোগ্য বাংলাভাষী স্বাধীনতা - উত্তর কালের ভারতীয় কবি এবং সাংবাদিক।
- তিনি বিখ্যাত সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ দীনেশচন্দ্র সেনের পৌত্র।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮১.
'নানান দেশের নানান ভাষা, বিনা স্বদেশী ভাষা, পুরে কি আশা?'- উদ্ধৃতিটি কার?
  1. মধুসূদন দত্ত
  2. রামনিধি গুপ্ত
  3. রাজা রামমোহন রায়
  4. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
সঠিক উত্তর:
রামনিধি গুপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রামনিধি গুপ্ত
ব্যাখ্যা
রামনিধি গুপ্তের বিখ্যাত পঙক্তি হলো-
- ''নানান দেশের নানান ভাষা, বিনে স্বদেশী ভাষা, পুরে কি আশা?''

রামনিধি গুপ্ত:
- রামনিধি গুপ্ত সঙ্গীতশিল্পী ও টপ্পা গানের জনক।
- তাঁর প্রকৃত নাম ‘রামনিধি গুপ্ত’ কিন্তু সঙ্গীতজগতে তিনি ‘নিধু গুপ্ত’ নামেই পরিচিত।
- কেউ কেউ তাঁকে ‘নিধুবাবু’ বলেও ডাকতেন।
- পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার চাপ্তায় মাতুলালয়ে তাঁর জন্ম। পিতা হরিনারায়ণ গুপ্ত পেশায় ছিলেন একজন কবিরাজ এবং তিনি কলকাতার কুমারটুলিতে সপরিবারে বাস করতেন।
- তাঁর টপ্পা সঙ্গীত সংকলনের নাম 'গীতরত্ন' (১৮৩২) 

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৮২.
"গ্রীন হাউজ" ইফেক্ট কি?
  1. সবুজ বৃক্ষ ধ্বংস হওয়া
  2. নিম্ন ভূমি নিমজ্জিত হওয়া
  3. সমুদ্রতলের উচ্চতা বেড়ে যাওয়া
  4. তাপ আটকে পড়ে সার্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি
সঠিক উত্তর:
তাপ আটকে পড়ে সার্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপ আটকে পড়ে সার্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা
গ্রীন হাউজ ইফেক্ট: 

- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধির মাধ্যমে পরিবর্তনশীল আবহাওয়ার প্রক্রিয়াকে গ্রীন হাউজ ইফেক্ট বলে। 
- বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত যেসব গ্যাসীয় CO2, CFC, N2O2, CO, O3 ইত্যাদি পদার্থের আবরণ পৃথিবীকে আচ্ছাদন রূপে ঢেকে রেখে পৃথিবী পৃষ্ঠ হতে বিকিরিত তাপকে মহাশূন্যে ফিরে যেতে বাঁধা দেয় এবং বায়ুমণ্ডলকে উত্তপ্ত রাখে তাদেরকে গ্রীন হাউজ গ্যাস বলে। 
- পরিবেশ দূষণ এবং গাছপালা কেটে ফেলার ফলে গ্রীন হাউস গ্যাসের পরিমাণ বাড়ছে, ফলে সূর্য থেকে তাপ বিকিরিত হয়ে পৃথিবীতে ঢোকার পর যতটা আবার পৃথিবীর বাইরে বিকিরিত হওয়া উচিত তা হচ্ছে না, ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। 
- গ্রিন-হাউজ ইফেক্ট এর ফলে তাপ আটকে পড়ে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের সার্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। 

উৎস: ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি।
৮৩.
আফ্রিকা ও ইউরোপকে বিভক্তকারী প্রণালী কোনটি?
  1. জিব্রাল্টার প্রণালী
  2. পক প্রণালী
  3. মালাক্কা প্রণালী
  4. দার্দানেলিস প্রণালী
সঠিক উত্তর:
জিব্রাল্টার প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিব্রাল্টার প্রণালী
ব্যাখ্যা
জিব্রাল্টার প্রণালী:

- জিব্রাল্টার প্রণালী ইউরোপ থেকে আফ্রিকাকে পৃথক করেছে।
- ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযোজনকারী একমাত্র প্রাকৃতিক পথ।
- জিব্রাল্টার প্রণালী পূর্বে ভূমধ্যসাগরকে পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে সংযোগকারী সমুদ্র প্রণালী।
- এটি উত্তর আফ্রিকাকে দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপের আইবেরীয় উপদ্বীপ থেকে পৃথক করেছে।
- প্রণালীটি ৬০ কিলোমিটার দীর্ঘ।

অন্যদিকে,

পক প্রণালী:
- পক প্রণালী ভারতীয় রাজ্য তামিলনাড়ু ও শ্রীলঙ্কার মধ্যবর্তী একটি সামুদ্রিক প্রণালী।
- এটি বঙ্গোপসাগর ও মান্নার উপসাগরকে একসঙ্গে যুক্ত করেছে।

মালাক্কা প্রণালী:
- মালাক্কা প্রণালী ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের মধ্যে অবস্থিত একটি সমুদ্র প্রণালী।
- মালাক্কা প্রণালীর উত্তরে ভারত মহাসাগরের আন্দামান সাগরকে দক্ষিণে প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণ চীন সাগরের সাথে যুক্ত করেছে।
- মালাক্কা প্রণালী বঙ্গোপসাগর ও জাভা সাগরকে সংযুক্ত করেছে।

দার্দানেলিস প্রণালী:
- কৃষ্ণসাগর ও ভূমধ্যসাগরের মাঝে সংযোগ স্থাপন করেছে বসফরাস প্রণালি ও দার্দানেলিস প্রণালী।
- দুটি প্রণালীই তুরষ্কে অবস্থিত এবং এশিয়া থেকে ইউরোপকে পৃথক করেছে।

উৎস: Britannica.
৮৪.
শাত-ইল-আরব হলো-
  1. ইরাবতি ও সালুইন নদীর মিলিত প্রবাহ
  2. টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর মিলিত প্রবাহ
  3. আমুদরিয়া ও শীরদরিয়া নদীর মিলিত প্রবাহ
  4. তারিম নদী ও হেলমন্দ নদীর মিলিত প্রবাহ
সঠিক উত্তর:
টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর মিলিত প্রবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর মিলিত প্রবাহ
ব্যাখ্যা
শাত-ইল-আরব:

- টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর মিলিত প্রবাহ।
- এই জলপথের অবস্থান পারস্য উপসাগরে।
- শাত-ইল-আরব জলপথের অধিকারকে কেন্দ্র করেই মূলত ইরাক-ইরান বিরোধ শুরু হয়।
- বর্তমানে এটি ইরানের দখলে রয়েছে।
- ১৯৮০-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধ হয়েছিল।
- তার আগে, শাত-ইল আরব জলপথকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধ অবসানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৫ সালের ১৩ জুন আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এতে ইরানের পক্ষে রেজা শাহ পাহলভী এবং ইরাকের তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন স্বাক্ষর করেন।
- তবে চুক্তি স্বাক্ষরের পাঁচ বছরের মাথায় দেশ দুটি শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
- চুক্তির বিষয়বস্তু ছিল শাত-ইল-আরব সহ বিরোধপূর্ণ সীমানা নিয়ে ইরাক ও ইরানের মধ্যে মীমাংসা।

উৎস: Britannica.
৮৫.
'Bachelors’ wives and maids children are always well taught.' প্রবাদটির অর্থ কি?
  1. ভিক্ষার চাল কাঁড়া আকাঁড়া
  2. মাথা নেই তার মাথা ব্যথা
  3. বিয়ে করতে কড়ি, ঘর বাঁধতে দড়ি
  4. দূরের জিনিস ভালো মনে হয়
সঠিক উত্তর:
মাথা নেই তার মাথা ব্যথা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাথা নেই তার মাথা ব্যথা
ব্যাখ্যা
• Bachelors’ wives and maids children are always well taught.
অর্থ- মাথা নেই তার মাথা ব্যথা।

Other options-
Beggars must not be choosers- ভিক্ষার চাল, কাঁড়া আর আকাঁড়া।
Be sure before you marry of a house wherein to tarry- বিয়ে করতে কড়ি, ঘর বাঁধতে দড়ি।
Blue are the hills that are far from us- দূরের জিনিস ভালো মনে হয়।
৮৬.
'Pakistan between Mosque and Military' বইটির রচয়িতা কে?
  1. হোসেন হাক্কানী
  2. মুনতাসীর মামুন
  3. যশোবন্ত সিংহ
  4. ড. তালুকদার মুনিরুজ্জামান
সঠিক উত্তর:
হোসেন হাক্কানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হোসেন হাক্কানী
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কিত কিছু গুরত্বপূর্ণ বই-

হোসেন হাক্কানী- Pakistan between Mosque and Military.

যশোবন্ত সিং- 'জিন্নাহ: ইন্ডিয়া-পার্টিশন-স্বাধীনতা'।

মুনতাসির মামুন- 'একাত্তরের বিজয়গাঁথা, সেইসব দিন'।

ড. তালুকদার মুনিরুজ্জামান- 'The Bangladesh Revolution and Its Aftermath'.
৮৭.
''যাত্রীরা রাত্তিরে হতে এল খেয়া পার, বজ্রেরি তূর্যে এ গর্জেছে কে আবার?''- চরণ দুটি কার লেখা?
  1. সুকান্ত ভট্টাচার্য
  2. ফররুখ আহমদ
  3. কাজী নজরুল ইসলাম
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সঠিক উত্তর:
কাজী নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাজী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
কবিতাংশটি কাজী নজরুল ইসলাম এর 'খেয়া পারের তরুনী' কবিতার অন্তর্গত।
- এ কবিতাটি 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। 

'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থ: 
- 'অগ্নিবীণা' কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। 
- এই কাব্যের জনপ্রিয় কবিতা 'বিদ্রোহী'
- 'বিদ্রোহী' কবিতার জন্যই মূলত তিনি 'বিদ্রোহী  কবি' হিসাবে পরিচিত হন।
 - কাজী নজরুল ইসলামের 'অগ্নিবীণা' কাব্যের প্রথম কবিতা- প্রলয়োল্লাস।

অগ্নিবীণা কাব্যে মোট ১২টি কবিতা রয়েছে। কবিতাগুলো হলো:
- প্রলয়োল্লাস,
- বিদ্রোহী,
- রক্তাম্বর-ধারিণী মা,
- আগমণী,
- ধূমকেতু,
- কামাল পাশা,
- আনোয়ার,
- রণভেরী,
- শাত-ইল-আরব,
- খেয়াপারের তরণী,
- কোরবানী,
- মহররম।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যগ্রন্থ। 
৮৮.
'September on Jessore Road' - কবিতাটির রচয়িতা কে?
  1. Craig Sanders
  2. Allen Ginsberg
  3. Mark Godfrey
  4. Syed Shamsul Haque
সঠিক উত্তর:
Allen Ginsberg
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Allen Ginsberg
ব্যাখ্যা
'September on Jessore Road' was written by Allen Ginsberg.

September on Jessore Road
- সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড - বিখ্যাত যুক্তরাষ্ট্রের কবি এলেন গিন্সবার্গ রচিত একটি কবিতা যা থেকে পরে গান করা হয়েছিল।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের সাথে যশোর রোডে সীমান্তের ওপারে শরণার্থী শিবির ঘুরে যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেন তা নিয়ে তিনি লিখেন বিখ্যাত কবিতা ‘সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড’।

- এই কবিতার লাইন সংখ্যা ১৫২ টি। এই দীর্ঘ কবিতার সাথে সুর দিয়ে এটিকে গানে রূপ দিয়েছিলেন তিনি।
- আমেরিকায় ফিরে গিয়ে তার বন্ধু বব ডিলান ও অন্যান্য বিখ্যাত গায়কদের সহায়তায় এই গান গেয়ে কনসার্ট করেছিলেন। এভাবেই বাংলাদেশী শরণার্থীদের জন্য অর্থ সংগ্রহ করেন গিন্সবার্গ।
- এই কবিতার বাংলা ভাষান্তর করেন খান মোহাম্মদ ফারাবি।     

তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো।
৮৯.
১৯৭১ সালে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামে সাহায্য করেছিলেন-
  1. প্রফুল্ল চন্দ্র সেন
  2. অজয় মুখোপাধ্যায়
  3. সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায়
  4. জ্যোতি বসু
সঠিক উত্তর:
অজয় মুখোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অজয় মুখোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে অজয় মুখোপাধ্যায় আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামে সাহায্য করেছিলেন।

মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের নেতৃবৃন্দ:

প্রেসিডেন্ট: বরাহগিরি ভেঙ্কট গিরি।
প্রধানমন্ত্রী: ইন্দ্রিরা গান্ধী।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী: সরদার সরণ সিং।
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী: অজয় মুখোপাধ্যায়।
যৌথবাহিনীর সর্বাধিনায়ক: জেনারেল স্যাম মানকেশ।
যৌথবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় প্রধান: জগজিৎ সিং আরোরা।
জাতিসঙ্গে নিযুক্ত স্থায়ী প্রতিনিধি: সমর সেন।
৯০.
√৮/√৯৮ এর চার দশমিক স্থান পর্যন্ত আসন্ন মান কোনটি?
  1. ০.২৮৫৭
  2. ০.২৮৪৭
  3. ০.২৮৬৭
  4. ০.২৮৩৭
সঠিক উত্তর:
০.২৮৫৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.২৮৫৭
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: √৮/√৯৮ এর চার দশমিক স্থান পর্যন্ত আসন্ন মান কোনটি?

সমাধান:
√৮/√৯৮ = √(৪ × ২)/√(৪৯ × ২)
= ২ × √২/৭ × √২
= ২/৭
= .২৮৫৭
৯১.
ক্রয়মূল্য : বিক্রয়মূল্য = ৫ : ৬ এতে শতকরা লাভ হয়-
  1. ১৫%
  2. ২০%
  3. ২১%
  4. ২৫%
সঠিক উত্তর:
২০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ক্রয়মূল্য : বিক্রয়মূল্য = ৫ : ৬ এতে শতকরা লাভ হয়-

সমাধান: 
ক্রয়মূল্য ও বিক্রয়মূল্যের অনুপাত ৫ : ৬

ধরি, 
ক্রয়মূল্য ৫ক টাকা 
বিক্রয়মূল্য ৬ক টাকা 

লাভ = ৬ক - ৫ক 
= ক টাকা 

শতকরা লাভ = (ক/৫ক) × ১০০% 
= ২০% 
৯২.
একজন চাকরিজীবীর আয় ও ব্যয়ের অনুপাত ২০ : ১৫ হলে তার মাসিক সঞ্চয় আয়ের শতকরা কত অংশ?
  1. ৩০%
  2. ১৫%
  3. ২০%
  4. ২৫%
সঠিক উত্তর:
২৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একজন চাকরিজীবীর আয় ও ব্যয়ের অনুপাত ২০ : ১৫ হলে তার মাসিক সঞ্চয় আয়ের শতকরা কত অংশ?

সমাধান: 
 আয় ও ব্যয়ের অনুপাত ২০ : ১৫

ধরি,
মাসিক আয় = ২০ক টাকা 
মাসিক ব্যয় = ১৫ক  টাকা 
মাসিক সঞ্চয় = ২০ক - ১৫ক = ৫ক টাকা 

মাসিক আয় ২০ক টাকা হলে মাসিক সঞ্চয় ৫ক টাকা 
মাসিক আয় ১ টাকা হলে মাসিক সঞ্চয় ৫ক/২০ক টাকা
মাসিক আয় ১০০ টাকা হলে মাসিক সঞ্চয় (৫ক × ১০০)/২০ক টাকা
= ২৫ টাকা   
৯৩.
পিতা পুত্রের বর্তমান বয়সের যোগফল ১৫ বছর পূর্বের বয়সের যোগফলের দ্বিগুণ। যদি পুত্রের বর্তমান বয়স ১৬ বছর হয়, তবে পিতার বর্তমান বয়স কত?
  1. ৪৪ বছর
  2. ৪০ বছর
  3. ৩৬ বছর
  4. ৩২ বছর
সঠিক উত্তর:
৪৪ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৪ বছর
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: পিতা পুত্রের বর্তমান বয়সের যোগফল ১৫ বছর পূর্বের বয়সের যোগফলের দ্বিগুণ। যদি পুত্রের বর্তমান বয়স ১৬ বছর হয়, তবে পিতার বর্তমান বয়স কত?

সমাধান:
মনে করি,
পিতার বর্তমান বয়স = ক বছর
পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়সের যোগফল = (ক + ১৬) বছর

পুত্রের বর্তমান বয়স  =১৬ বছর
১৫ বছর পূর্বে পুত্রের বয়স ছিল (১৬ - ১৫) বছর = ১ বছর
১৫ বছর পূর্বে পিতার বয়স ছিল (ক - ১৫) বছর
১৫ বছর পূর্বে পিতা ও পুত্রের বয়সের যোগফল = {(ক - ১৫) + ১)} বছর

শর্তমতে,
২(ক -  ১৫ + ১) = ক + ১৬
বা, ২(ক - ১৪) = ক + ১৬
বা, ২ক ২৮ = ক + ১৬
বা, ২ক - ক = ১৬ + ২৮
 ক = ৪৪

পিতার বর্তমান বয়স = ৪৪ বছর 
৯৪.
ΔABC এর BC বাহুকে D পর্যন্ত বর্ধিত করা হলো। ∠A = 40° এবং ∠B = 60° হলে, ∠ACD = কত ডিগ্রি?
  1. ১৮০°
  2. ৯০°
  3. ১০০°
  4. ১২০°
সঠিক উত্তর:
১০০°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ΔABC এর BC বাহুকে D পর্যন্ত বর্ধিত করা হলো। ∠A = 40° এবং ∠B = 60° হলে, ∠ACD = কত ডিগ্রি?

সমাধান:
ত্রিভুজের একটি বাহুকে বর্ধিত করলে যে বহিঃস্থ কোণ উৎপন্ন হয়, তা এর বিপরীত অন্তঃস্থ কোণদ্বয়ের সমষ্টির সমান।
∠ACD = ∠A + ∠B
= 40° + 60°
= 100°
৯৫.
উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র-
  1. ক্রোনোমিটার
  2. ওডোমিটার
  3. ট্যাকোমিটার
  4. ক্রেসকোগ্রাফ
সঠিক উত্তর:
ট্যাকোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্যাকোমিটার
ব্যাখ্যা
উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ট্যাকোমিটার।

অন্যদিকে,
উদ্ভিদের বৃদ্ধি নির্নায়ক যন্ত্র - ক্রেসকোগ্রাফ।
মোটর গাড়ির গতি নির্নায়ক যন্ত্র - ওডোমিটার।
সমুদ্রের দ্রাঘিমা পরিমাপক যন্ত্র - ক্রোনোমিটার।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৯৬.
"মরিতে চাহিনা আমি সুন্দর ভুবনে, মানবের মাঝে আমি বাঁচিবারে চাই," - চরণ দুটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন কবিতার উল্লেখ আছে?
  1. সোনার তরী
  2. নতুন
  3. প্রাণ
  4. পুরাতন
সঠিক উত্তর:
প্রাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাণ
ব্যাখ্যা
• "মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে 
মানবের মাঝে আমি বাঁচিবারে চাই" - পঙক্তিদ্বয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'কড়ি ও কোমল' কাব্যগ্রন্থের 'প্রাণ' কবিতার অন্তর্গত।

• 'কড়ি ও কোমল' কাব্যগ্রন্থ: 
-
'কড়ি ও কোমল' (১৮৮৬) সম্পর্কে বলা হয়, এই গ্রন্থের বিষয় বিচিত্র, ভাব সুস্পষ্ট, ভাষা সুদৃঢ়, ছন্দ মধুর। 
- তারুণ্যের উচ্ছলতা, নারীদেহের প্রতি মুগ্ধতা ও মৃত্যুর রহস্যময়তার প্রতি আকর্ষণ-এই তিনটি লক্ষণে কাব্যটি বিশিষ্ট। 
- রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন "মৃত্যুর নিবিড় উপলব্ধি আমার কাব্যের একটি বিশেষ ধারা, নানা বাণিতে যার প্রকাশ। কড়ি ও কোমলেই তার প্রথম উদ্ভব।" 
- ১৮৮৪ সালে বৌদি কাদম্বরী দেবীর আত্মহত্যাজনিত মৃত্যু রবীন্দ্র মনে যে বিরাগের সৃষ্টি করেছিল, সেই প্রভাব 'কড়ি ও কোমল' কাব্যগ্রন্থে আছে।
উল্লেখযোগ্য কবিতা - চুম্বন, বাহু, চরণ, কেন, মোহ।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা সাহিত্য (২০২০ সংস্করণ) এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৯৭.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য চলচ্চিত্র 'স্মৃতি ৭১' এর পরিচালক কে?
  1. জহির রায়হান
  2. তারেক মাসুদ
  3. মোরশেদুল ইসলাম
  4. তানভীর মোকাম্মেল
সঠিক উত্তর:
তানভীর মোকাম্মেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তানভীর মোকাম্মেল
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য চলচ্চিত্র 'স্মৃতি ৭১' এর পরিচালক তানভীর মোকাম্মেল।

• জহির রায়হান পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য চলচ্চিত্রঃ
- স্টপ জেনোসাইড,
- এ স্টেট ইজ বর্ন।

• মোরশেদুল ইসলাম পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রঃ
- আগামী ও
- সূচনা।

• তারেক মাসুদ ও ক্যাথরিন মাসুদ পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্রঃ
- মুক্তির গান ও
- মুক্তির কথা।

তথ্যসূত্র - সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৯৮.
মুজিবনগর স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?
  1. নিতুন কুন্ডু
  2. হামিদুজ্জামান
  3. জাহানারা পারভীন
  4. তানভীর কবির
সঠিক উত্তর:
তানভীর কবির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তানভীর কবির
ব্যাখ্যা
মেহেরপুর জেলায় অবস্থিত মুজিবনগর স্মৃতিসৌধের স্থপতি - তানভীর কবির।

- ১৯৭১ সালে মুজিবনগরে প্রবাসী সরকারের শপথগ্রহণের স্মৃতি রক্ষার্থে এটি নির্মিত হয়।
- ১৯৭৪ সালে এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয় এবং ১৯৮৭ সালের ১৭ এপ্রিল তা উদ্বোধন করা হয়।
- এই সৌধে ২৩টি ত্রিকোণাকৃতি স্তম্ভ রয়েছে যা পাকিস্তান আমলের ২৩ বছরকে নির্দেশ করে। সামগ্রিকভাবে এতে উদীয়মান সূর্যের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যূদয়কে বুঝানো হয়।

অন্যদিকে,
• ‘অমর একুশে’ ভাস্কর্য-  শিল্পী জাহানারা পারভীন।

• হামিদুজ্জামান খান
- তিনি হলেন একজন বাংলাদেশী ভাস্কর।
- তিনি ১৯৮১ সালে বঙ্গভবনে 'পাখি পরিবার',
- ১৯৮৭ সালে বাংলা একাডেমিতে 'মুক্তিযোদ্ধা',
- ১৯৮৮ সালে আশুগঞ্জ জিয়া সারকারখানায় 'জাগ্রত বাংলা'এবং
- ১৯৮৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউল অলিম্পিক পার্কে 'স্টেপস' (সিঁড়ি) নির্মাণ করেন।

• রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য ‘সাবাশ বাংলাদেশ’ ভাস্কর্যটির ভাস্কর - নিতুন কুন্ডু।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯৯.
মরক্কোর প্রধান সমুদ্র বন্দর হচ্ছে-
  1. আকাবা
  2. এডেন
  3. হাইফা
  4. ক্যাসাব্লাঙ্কা
সঠিক উত্তর:
ক্যাসাব্লাঙ্কা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যাসাব্লাঙ্কা
ব্যাখ্যা
মরক্কোর প্রধান সমুদ্র বন্দর ক্যাসাব্লাঙ্কা।
- এটি মরক্কোর সবচেয়ে দর্শনীয় এক শহর
- এতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মসজিদ অবস্থিত।

অন্যদিকে,
- জর্ডানে 'আকাবা' সমুদ্র বন্দর অবস্থিত ।
- ইয়েমেনে 'এডেন' সমুদ্র বন্দর অবস্থিত।
- ইসরায়েলে 'হাইফা' সমুদ্র বন্দর অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
১০০.
এই সকল নীতি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হবেনা [shall not be judicially enforceable]। শব্দগুলো সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
  1. ১১
  2. ১০
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৮- মূলনীতিসমূহ:

(১) জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা- এই নীতিসমূহ এবং তৎসহ এই নীতিসমূহ হইতে উদ্ভূত এই ভাগে বর্ণিত অন্য সকল নীতি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বলিয়া পরিগণিত হইবে।
 
(২) এই ভাগে বর্ণিত নীতিসমূহ বাংলাদেশ-পরিচালনার মূলসূত্র হইবে, আইন-প্রণয়নকালে রাষ্ট্র তাহা প্রয়োগ করিবেন, এই সংবিধান ও বাংলাদেশের অন্যান্য আইনের ব্যাখ্যাদানের ক্ষেত্রে তাহা নির্দেশক হইবে এবং তাহা রাষ্ট্র ও নাগরিকদের কার্যের ভিত্তি হইবে, তবে এই সকল নীতি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হইবে না।

Article 8: Fundamental principles:

(1) The principles of nationalism, socialism, democracy and secularism, together with the principles derived from those as set out in this Part, shall constitute the fundamental principles of state policy.

(2) The principles set out in this Part shall be fundamental to the governance of Bangladesh, shall be applied by the State in the making of laws, shall be a guide to the interpretation of the Constitution and of the other laws of Bangladesh, and shall form the basis of the work of the State and of its citizens, but shall not be judicially enforceable.