পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়26 minutes
মোট প্রশ্ন৩০
সিলেবাস
“Award Mania: Season - 8” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- রিভিশন পরীক্ষা [নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি বাটনের বিগত ৬টি পরীক্ষার টপিকের উপর রিভিশন পরীক্ষা] ----------------------- [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ৩০ প্রশ্ন

.
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আইনটি জাতীয় সংসদে কবে পাস করা হয়?
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯৪ সালে
  3. ১৯৯৬ সালে
  4. ২০১১ সালে
ব্যাখ্যা
ত্রয়োদশ সংশোধনী:
- ত্রয়োদশ সংশোধনীর শিরোনাম সংবিধান [ত্রয়োদশ সংশোধন] আইন, ১৯৯৬।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আইনটি জাতীয় সংসদে পাস হয় ২৭ মার্চ, ১৯৯৬ সালে।
- ত্রয়োদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু ছিল অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন।
- ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে আপিল বিভাগ তত্ত্বাবাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সর্ম্পকিত সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করেছে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বিবিসি নিউজ, ১০ মে ২০১১।
.
সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত কোন রাজনৈতিক দলের সদস্য ছিলেন?
  1. কমিউনিস্ট পার্টি
  2. ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি
  3. কৃষক প্রজা পার্টি
  4. জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল
ব্যাখ্যা
সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য:
- ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।
- এই কমিটির মোট সদস্য ছিল ৩৪ জন।
- আওয়ামী লীগ ছাড়া একমাত্র সদস্য ছিলেন ন্যাপের (ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি) সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
- এই কমিটির প্রধান বা সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
- সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
.
জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার রক্ষিত রয়েছে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে?
  1. ২৭ নং অনুচ্ছেদ
  2. ৩৪ নং অনুচ্ছেদ
  3. ২৮ নং অনুছেদে
  4. ৩২ নং অনুছেদে
ব্যাখ্যা
• জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার রক্ষিত রয়েছে সংবিধানের ৩২ নং অনুচ্ছেদে।

এই অনুচ্ছেদে বলা হয়:
'আইনানুযায়ী ব্যতীত জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতা হইতে কোন ব্যক্তিকে বঞ্চিত করা যাইবে না।'

অন্যদিকে,
- ২৭ নং অনুচ্ছেদ: সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।
- ৩৪ নং অনুচ্ছেদ:
(১) সকল প্রকার জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধ; এবং এই বিধান কোনভাবে লঙ্ঘিত হইলে তাহা আইনতঃ দণ্ডনীয় অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে।
(২) এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই সেই সকল বাধ্যতামূলক শ্রমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না, যেখানে
(ক) ফৌজদারী অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তি আইনতঃ দণ্ডভোগ করিতেছেন; অথবা
(খ) জনগণের উদ্দেশ্যসাধনকল্পে আইনের দ্বারা তাহা আবশ্যক হইতেছে।

- ২৮ নং অনুছেদ:
(১) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারীপুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করিবেন না।
(২) রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারীপুরুষের সমান অধিকার লাভ করিবেন।
(৩) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে জনসাধারণের কোন বিনোদন বা বিশ্রামের স্থানে প্রবেশের কিংবা কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে ভর্তির বিষয়ে কোন নাগরিককে কোনরূপ অক্ষমতা, বাধ্যবাধকতা, বাধা বা শর্তের অধীন করা যাইবে না।
(৪) নারী বা শিশুদের অনুকূলে কিংবা নাগরিকদের যে কোন অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান-প্রণয়ন হইতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করিবে না।

উৎস: সংবিধান।
.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'কৃষক ও শ্রমিকের' মুক্তির কথা বলা আছে?
  1. ১৪ নং অনুচ্ছেদ
  2. ১৬ নং অনুচ্ছেদ
  3. ২৪ নং অনুচ্ছেদ
  4. ১৫ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগ:
• রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি:
- কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি
- ১৪ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হইবে মেহনতী মানুষকে-কৃষক ও শ্রমিককে এবং জনগণের অনগ্রসর অংশসমূহকে সকল প্রকার শোষণ হইতে মুক্তি দান করা।

অন্যদিকে,
- ১৬ নং অনুচ্ছেদ: গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব।
- ১৫ নং অনুচ্ছেদ: মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা।
- ২৪ নং অনুচ্ছেদ: জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন, প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
.
বাংলাদেশের সংবিধানের ষষ্ঠ সংশোধনী কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত ছিল?
  1. সামরিক শাসনের বৈধতা প্রদান
  2. স্থানীয় সরকারের গঠন
  3. প্রধান বিচারপতির নিয়োগ
  4. উপ-রাষ্ট্রপতি পদের নির্বাচন
ব্যাখ্যা
ষষ্ঠ সংশোধনী:
- ১৯৮১ সালের ১০ জুলাই। 
- উপ-রাষ্ট্রপতিকে নির্বাচনযোগ্য পদের যোগ্যতাদান।
- উপরাষ্ট্রপতি নিয়োগযোগ্য হলেও তাকে প্রজাতন্ত্রের কর্মে লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত ব্যাক্তিরূপে নির্বাচনযোগ্য পদের যোগ্যতা হারাতে হবে না বলে বিধান করা হয়।

বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধন:
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।
- ১৯৭২ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত মোট ১৭ বার বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধিত হয়েছে।
- ১৯৭৩ সালে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্যে প্রথম সংশোধনী গৃহীত হয়।
- সর্বশেষ ২০১৮ সালে সংবিধানের ১৭তম সংশোধনী গৃহিত হয়।
- সপ্তদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু ছিল সংবিধানে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্যদের মেয়াদ বৃদ্ধি।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান ও এসএসএইচএল প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ডাটাবেজের ডাটাগুলো প্রয়োজন অনুযায়ী বর্ণানুক্রমিক বা সংখ্যানুক্রমিক সাজানোকে কী বলা হয়?
  1. ইনডেক্সিং
  2. কুয়েরি
  3. ক্রিপ্টোগ্রাফি
  4. সর্টিং
ব্যাখ্যা
- একটি টেবিলে ডাটা এন্ট্রি করার পর যে কোনো ফিল্ড বা কলামের ভিত্তিতে ডাটাবেজকে বর্ণানুক্রমিক এবং সংখ্যানুক্রমিক সাজানো বা বিন্যস্ত (Sort) করা যায়।
- ডাটাবেজের ডাটাগুলো প্রয়োজন অনুযায়ী বর্ণানুক্রমিক বা সংখ্যানুক্রমিক সাজানোকেই বলা হয় সর্টিং।

অন্যদিকে, 
- কোনো ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমান ডাটা থেকে শর্ত সাপেক্ষে খুব দ্রুত ও সহজ উপায়ে যে কোন ডাটা খুঁজে বের করার পদ্ধতিকে কুয়েরি বলে।
- ডেটাবেজ টেবিলের রেকর্ডসমূহকে বিশেষ লজিক্যাল অর্ডারে সাজিয়ে রাখাকে ইনডেক্সিং বলে।
- কম্পিউটার বিজ্ঞানের যে শাখায় ডেটা এনক্রিপশন নিয়ে কাজ ও গবেষণা করা হয় থাকে ক্রিপ্টোগ্রাফি বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ই-মেইল ঠিকানায় @ এর পরের অংশটিকে কী বলে?
  1. ইউজার নেম
  2. প্রটোকল নেম
  3. হোস্ট নেম
  4. ডোমেইন নেম
ব্যাখ্যা
• ই-মেইল ঠিকানায় @ এর পরের অংশটিকে ডোমেইন নেম বলা হয়।

• ই-মেইল:
- ই-মেইলের পূর্ণ অর্থ হলো ইলেকট্রনিক মেইল।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইস এর মধ্যে নির্ভরযোগ্যভাবে ডিজিটাল তথ্য আদান-প্রদান ব্যবস্থাকে ই-মেইল বলে।
- ই-মেইল তথ্য আদান-প্রদানে আইপি বা ইন্টারনেট প্রোটোকল ব্যবহার করে থাকে এবং এতে টেক্সট বার্তার সাথে অ্যাটাচমেন্ট আকারে নানা ফাইলও (ডকুমেন্ট, ছবি, অডিও, ভিডিও সহ যে কোনো ডিজিটাল ফাইল) পাঠানো যায়।
- ই-মেইলের জন্য একটি নির্দিষ্ট ই-মেইল অ্যাড্রেস ব্যবহৃত হয়, যা প্রত্যেক ব্যবহারকারীর জন্য ইউনিক হয়ে থাকে।
- নিরাপত্তার জন্য গোপন পাসওয়ার্ড দ্বারা প্রত্যেকের ই-মেইল অ্যাকাউন্টকে সুরক্ষিত রাখা হয়।
- একটি ই-মেইল অ্যাড্রেসের দুটি অংশ থাকে; যার প্রথম অংশটি ব্যবহারকারীর পরিচিত এবং শেষ অংশটি ডোমেইন নেম হিসেবে পরিচিত। যেমন: mrahman@gmail.com একটি ই-মেইল অ্যাড্রেস; যার mrahman অংশটি ব্যবহারকারীর পরিচিতি এবং @ এর পরে gmail.com অংশটি ডোমেইন নেম হিসেবে চিহ্নিত হবে।
- ই-মেইল অ্যাড্রেসের এ দুই অংশকে @ চিহ্ন দ্বারা পৃথক করা হয়ে থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
.
WWW এর জনক কে?
  1. টিম বার্নাস লি
  2. চার্লস ব্যাবেজ
  3. মার্টিন কুপার
  4. ভিন্টন কার্প
ব্যাখ্যা
• WWW এর জনক টিম বার্নাস লি।

• WWW:
- WWW এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Web.
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) হলো সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- টিম বার্নাস লি ১৯৮৯ সালে সুইজারাল্যান্ডের জেনেভায় WWW তৈরি করেন।
- টিম বার্নাস লিকে WWW এর জনক বলা হয়।
- ECRN (The European Center for Nuclear Research) -এ ১৯৮৯ সালে WWW এর সূচনা হয়।
- WWW এর বহুল প্রচলন শুরু হয় ১৯৯৩ সালে।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ডেটাবেজ স্ট্রাকচারকে পরিবর্তন করতে কোন কমান্ড ব্যবহৃত হয়?
  1. Alter
  2. Select
  3. Rename
  4. Update
ব্যাখ্যা
- DDL-এর পূর্ণরূপ Data Definition Language ।
- প্রয়োজনীয় তথ্যের সাহায্যে ডেটাবেজ তৈরি, সংশোধন, বাতিল ইত্যাদি ডেটাবেজ ব্যবস্থামূলক কাজে ব্যবহৃত ভাষাকে DDL বা ডেটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
- DDL এর কয়েকটি কমান্ড-

• CREATE- নতুন ডেটাবেজ তৈরি করা।
• ALTER- ডেটাবেজ স্ট্রাকচারকে পরিবর্তন করা।
• DROP- ডেটাবেজ ডিলিট করা।
• TRUNCATE- টেবিল থেকে সব রেকর্ডসমূহ মুছে দেয়া।
• RENAME- ডেটাবেজ নাম পরিবর্তন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১০.
কোন নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে সীমিত স্থানের মধ্যে ই-মেইল পাঠানো যায়?
  1. লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক
  2. মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক
  3. পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক
  4. ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা
ই-মেইল: 
- ই-মেইল হলো কম্পিউটর নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদান ব্যবস্থা। 
- 'লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক' ব্যবহার করে সীমিত স্থানের মধ্যে এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে সারা বিশ্বের যে কোন স্থানে ই-মেইল পাঠানো যায়। 
- বিভিন্ন ই-মেইল প্রোগ্রাম ব্যবহার করে মেইল পাঠানো যায়। 
- ই-মেইল প্রোগ্রামে ঢুকে বার্তা টাইপ করে প্রাপকের ঠিকানা নির্দিষ্ট করে পাঠানো (Send) নির্দেশ দিলে ই-মেইল তথ্য সরাসরি প্রাপকের কম্পিউটারে না গিয়ে তার টার্মিনাল বা ওয়ার্কস্টেশন বা সার্ভারে গিয়ে জমা হয়। 
- প্রাপক তার নামে কোন মেইল এসেছে কিনা তা অনুসন্ধানের নির্দেশ দিলে টার্মিনাল থেকে প্রাপকের কম্পিউটারে মেইলটি চলে আসে। 
- একটি মেইল একই সঙ্গে অনেকের নিকট পাঠানো যায়। 
- অন্য প্রোগ্রামে করা (যেমন- এমএস-ওয়ার্ড) ফাইলকে ই-মেইলের সাথে যুক্ত করে পাঠানো যায়। একে ফাইল এটাচমেন্ট (Attachment) বলা হয়। 
- এটাচমেন্ট করে ভিডিও এবং অডিও ফাইলও পাঠানো যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
'জ্যোতি' শব্দের সমার্থক শব্দ নয় কোনটি?
  1. কর
  2. আলোকচ্ছটা
  3. অংশু
  4. কৌমুদী
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 'জ্যোতি' শব্দের সমার্থক শব্দ নয় কোনটি?

সমাধান:
জ্যোতি শব্দের সমার্থক শব্দ - কিরণ, রশ্মি, শিখা, আলোকচ্ছটা, কর, প্রভা, দীপ্তি, অংশু।

কৌমুদি হলো জ্যোৎস্না এর সমার্থক শব্দ।
১২.
উৎকোচ শব্দের অর্থ কী?
  1. উত্তর দিকের
  2. ঘুষ
  3. উকুন
  4. উপরে
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: উৎকোচ শব্দের অর্থ কী?

সমাধান: 
উৎকোচ শব্দের অর্থ - ঘুষ
উৎকুন শব্দের অর্থ - উকুন
উদবারি শব্দের অর্থ - উপরে
উদীচী - উত্তর দিকের
১৩.
নিচের কোন বানানটি সঠিক?
  1. Annihilation
  2. Deminish
  3. Delibarately
  4. Inadvartently
ব্যাখ্যা
annihilation বানানটু সঠিক যার অর্থ হত্যা করা বা মেরে ফেলা।

Deminish এর সঠিক বানান হলো Diminish
Delibarately এর সঠিক বানান হলো Deloberately
Inadvartently এর সঠিক বানান হলো Inadvertently
১৪.
'অন্ধিসন্ধি' বাগধারার অর্থ কী?
  1. ফাঁকফোকর
  2. একমাত্র অবলম্বন
  3. আয়ু বা সময় শেষ হয়ে যাওয়া
  4. গোপন ব্যথা, গোপনীয় ইশারা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 'অন্ধিসন্ধি' বাগধারার অর্থ কী?

সমাধান:
অন্ধিসন্ধি - ফাঁকফোকর।
অন্ধের যষ্টি - একমাত্র অবলম্বন।
অন্নজল ওঠা - আয়ু বা সময় শেষ হয়ে যাওয়া।
অন্তর টিপুনি - গোপন ব্যথা, গোপনীয় ইশারা।
১৫.
50kg এর বস্তুটিকে কত দূরত্বে রাখলে সাম্যাবস্থা বিরাজ করবে?
  1. 250m
  2. 100m
  3. 200m
  4. 150m
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 50kg এর বস্তুটিকে কত দূরত্বে রাখলে সাম্যাবস্থা বিরাজ করবে?

সমাধান:
বাম পাশে বল ও দূরত্বের গুণফল = 5000 × 2 = 10000
সাম্যাবস্থায় রাখতে হলে ডান পাশেও একই পরিমান থাকতে হবে।

∴ দূরত্ব = 10000/50 = 200m
১৬.
নিচের কোন বিপরীত শব্দজোড়টি সঠিক নয়?
  1. প্রফুল্ল - ম্লান
  2. মহাত্মা - দূরাত্মা
  3. মনীষা - নির্বোধ
  4. শবল - একবর্ণা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোন বিপরীত শব্দজোড়টি সঠিক নয়?

সমাধান: 
মহাত্মা - নীচাত্মা
শবল - একবর্ণা
মনীষা - নির্বোধ
প্রফুল্ল - ম্লান
১৭.
বর্তনীর প্রবাহ কত?
  1. 1A
  2. 1.25A
  3. 1.5A
  4. 2A
ব্যাখ্যা
বর্তনীর প্রবাহ কত?

সমাধান:
সমান্তরালে অবস্থিত দুইটি রোধের তুল্য রোধ 1/Rp = 1/5 + 1/5
1/Rp = 2/5
Rp = 2.5Ω

∴ মোট তুল্য রোধ = 5 + 2.5 = 7.5Ω

প্রবাহ = বিভব/রোধ
= 15/7.5 A
= 2 A
১৮.
কোন বানান জোড় সঠিক?
  1. দুরদর্শিতা, দুর্গা
  2. দুরবস্থা, দূর্ঘটণা
  3. দুরবিণ, দূর্গম
  4. দূরদর্শিতা, দূতাবাস
ব্যাখ্যা
দূর/দুর এর মধ্যে পার্থক্য: 

দূর: দূরত্ব সম্পর্কিয় কিছু বোঝালে দূর হবে।
যেমন: বহুদূর, কতদূর, অদূর, দূরবীক্ষণ, দূরাগত, দূরবর্তী, দূরালাপন, দূরদৃষ্টি, দূরত্ব, দূরদর্শিতা, দূরভাষা, দূতালি, দূতাবাস।
ব্যতিক্রম: দূরীকরণ, দূর্বা, দূন, দূষক, দূষণ, দূষিত, দূষনীয়, দূষ্য।

দূর: দূরত্ব না বোঝালে দুর বসে।
যেমন: দুর্নাম, দুর্বার, দুর্গা, দুরবস্থা, দুরারোগ্য, দুরাকাঙ্খা, দুরূহ, দুর্ঘটনা, দুর্গ, দুর্দান্ত, দুর্যোগ, দুর্বল, দুর্জয়, দুর্গম, দুর্গত, দুর্বিষহ, দুর্নীতি, দুর্দিন, দুরাচার, দুরাশা, দুর্নিবার, দুর্ভোগ।
ব্যতিক্রম: দুরবিন।

অর্থাৎ, দূরদর্শিতা, দূতাবাস এইজোড়টি সঠিক।
১৯.
‘যে রক্ষক সেই ভক্ষক।’- বাক্যটির যৌগিক রূপ কোনটি?
  1. যিনি রক্ষক, সেই ভক্ষক।
  2. রক্ষকই, এখন ভক্ষক।
  3. যিনি রক্ষক, তিনিই ভক্ষক।
  4. সেই রক্ষক, অথচ সেই ভক্ষক।
ব্যাখ্যা
• জটিল বাক্য থেকে যৌগিক বাক্যে রূপান্তর:
সূত্র ক : আশ্রিত খণ্ড বাক্যগুলোকে নিরপেক্ষ খণ্ড বাক্যে পরিণত করতে হবে।
সূত্র খ: জটিল বা মিশ্র বাক্যের উপযোগী শব্দ প্রয়োগের মাধ্যমে সবকটি খণ্ডবাক্যের সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে।
সূত্র গ: সাপেক্ষবাচক সর্বনাম বর্জন করে যোজক পদ ব্যবহারের মাধ্যমে স্বাধীন বাক্যগুলোকে যুক্ত করতে হবে।

যেমন:
• জটিল বাক্য: যখন বিপদ আসে, তখন দুঃখও আসে।
• যৌগিক বাক্য: বিপদ ও দুঃখ একসঙ্গে আসে ।

• জটিল: যদি পরিশ্রম কর, তাহলে ফল পাবে।
• যৌগিক: পরিশ্রম কর, তবে ফল পাবে।

• জটিল: যে রক্ষক সেই ভক্ষক।
• যৌগিক: সেই রক্ষক, অথচ সেই ভক্ষক।

• জটিল:যদি সাফল্য চাও তাহলে পরিশ্রম কর।
• যৌগিক: পরিশ্রম কর এবং সাফল্য লাভ কর।

• জটিল: যদিও তিনি দরিদ্র তথাপি সৎ।
• যৌগিক: তিনি দরিদ্র, কিন্তু সৎ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২০.
‘গতকাল’ এর পরোক্ষরূপ কোনটি?
  1. আগামীকাল
  2. সেদিন
  3. পরদিন
  4. আগেরদিন
ব্যাখ্যা
• উক্তি:
বক্তার কথা উপস্থাপনের ধরনকে উক্তি বলে। উক্তি দুই প্রকার: প্রত্যক্ষ উক্তি ও পরােক্ষ উক্তি। যেমন:

• প্রত্যক্ষ উক্তি:
যে উক্তিতে বক্তার কথা সরাসরি উদ্ধৃত করা হয়, তাকে বলে প্রত্যক্ষ উক্তি।
যেমন:
- ছেলেটি বলেছিল, “আজ আমি অনেক পড়েছি।”- এটি প্রত্যক্ষ উক্তি।

• পরােক্ষ উক্তি:
যে উক্তিতে বক্তার কথা অন্যের দ্বারা বর্ণিত হয়, তাকে বলে পরােক্ষ উক্তি।
যেমন:
ছেলেটি বলেছিল যে, সেদিন সে অনেক পড়েছে।- এটি পরােক্ষ উক্তি।

প্রত্যক্ষ উক্তির বাক্যের সর্বনাম এবং কালসূচক শব্দের পরােক্ষ উক্তিতে নিম্নলিখিত পরিবর্তন সংঘটিত হয়।
• উক্তির প্রত্যক্ষ ও পরােক্ষরূপ:
- এই - সেই।
- ইহা - তাহা।
- এ - সে
- এখন - তখন।
- আগামীকাল - পরদিন ।
- গতকাল - আগেরদিন।
- আজ - সেদিন।
- ওখানে - ঐখানে।
- গতকল্য - পূর্বদিন।
- এখানে - সেখানে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম দশম শ্রেণি, (২০১৯ ও ২০২২ সংস্করণ)।
২১.
খাঁটি বাংলা উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দ কোনটি?
  1. অবরোধ
  2. অনুশোচনা
  3. আবছায়া
  4. অধিকার
ব্যাখ্যা
• অস্পষ্টতা বোঝাতে ‘আব’ উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দ - আবছায়া।

অন্যদিকে,
সাম্যক অর্থে ‘অব’ উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দ - অবরোধ।
পশ্চাৎ অর্থে ‘অনু’ উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দ - অনুশোচনা।
অধিপত্য অর্থে ‘অধি’ উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দ - অধিকার।

-------------------
• উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যেসব শব্দখণ্ড বা শব্দাংশ ধাতুর পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে বলে উপসর্গ।

• বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. খাটি বাংলা উপসর্গ,
২. সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ এবং
৩. বিদেশি উপসর্গ।

• সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যে সকল সংস্কৃত উপসর্গ ব্যবহার করা হয় তাদের সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ বলে। সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ ২০টি।
যথা: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।

• খাঁটি বাংলা উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত নিজস্ব উপসর্গকে খাঁটি বাংলা উপসর্গ বলা হয়। খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১টি।
যথা: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

[বাংলা উপসর্গের মধ্যে আ, সু, বি, নি এই চারটি উপসর্গ তৎসম শব্দেও পাওয়া যায়।]

• বিদেশি উপসর্গ:
আরবি, ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি এসব ভাষার বহু শব্দ দীর্ঘকাল ধরে বাংলা ভাষায় প্রচলিত আছে।
এছাড়া কিছু বিদেশি উপসর্গও বাংলায় চালু আছে।

• বিদেশি উপসর্গ অনির্দিষ্ট বা অনির্ণেয়।
যেমন:
- আরবি উপসর্গ: আম, খাস, লা, গর, বাজে এবং খয়ের।
- ফারসি উপসর্গ: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম।
- উর্দু উপসর্গ: হর।
- ইংরেজি উপসর্গ: হেড, সাব, ফুল, হাফ।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২২.
‘আর, অথবা, কারণ’ কোন পদের উদাহরণ?
  1. যোজক
  2. অনুসর্গ
  3. আবেগ
  4. সর্বনাম
ব্যাখ্যা
• যোজক:
পদ, বর্গ বা বাক্যকে যেসব শব্দ যুক্ত করে, সেগুলোকে যোজক বলে। যেমন- এবং, ও, আর, অথবা, তবু, সুতরাং, কারণ, তবে ইত্যাদি। বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী যোজককে ৫টি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়:

• সাধারণ যোজক: এ ধরনের যোজক দুটি শব্দ বা বাক্যকে যোগ করে।
যেমন:
- রহিম ও করিম এই কাজটি করেছে।
- জলদি দোকানে যাও এবং পাউরুটি কিনে আনো।

• বিকল্প যোজক: এ ধরনের যোজক একাধিক শব্দ বা বাক্যের মধ্যে বিকল্প নির্দেশ করে।
যেমন:
- লাল বা নীল কলমটা আনো।
- চা না-হয় কফি খান।

• বিরোধ যোজক: এ ধরনের যোজক বাক্যের দুটি অংশের সংযোগ ঘটায় এবং প্রথম বাক্যের বক্তব্যের সঙ্গে বিরোধ তৈরি করে।
যেমন:
- এত পড়লাম, কিন্তু পরীক্ষায় ভালো করতে পারলাম না।
- তাকে আসতে বললাম, তবু এল না।

• কারণ যোজক: এ ধরনের যোজক বাক্যের দুটি অংশের মধ্যে সংযোগ ঘটায় যার একটি অন্যটির কারণ।
যেমন:
- জিনিসের দাম বেড়েছে, কারণ চাহিদা বেশি।
- বসার সময় নেই, তাই যেতে হচ্ছে।

• সাপেক্ষ যোজক: এ ধরনের যোজক একে অন্যের পরিপূরক হয়ে বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
- যদি রোদ ওঠে, তবে রওনা দেব।
- যত পড়ছি, ততই নতুন করে জানছি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৩ সংস্করণ)।
২৩.
কর্তৃবাচ্যের বাক্যকে কর্মবাচ্যে পরিবর্তিত করতে হলে কর্তায় কোন বিভক্তি হয়?
  1. কর্তায় প্রথমা
  2. কর্তায় তৃতীয়া
  3. কর্তায় পঞ্চমী
  4. কর্তায় সপ্তমী
ব্যাখ্যা
• কর্তৃবাচ্য থেকে কর্মবাচ্যে রূপান্তরের নিয়ম:
কর্তৃবাচ্যের বাক্যকে কর্মবাচ্যে পরিবর্তিত করতে হলে- কর্তায় তৃতীয়া, কর্মে প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি এবং ক্রিয়া কর্মের অনুসারী হয়।

- জ্ঞাতব্য: কর্তৃবাচ্যের ক্রিয়া অকর্মক হলে সেই বাক্যের কর্মবাচ্য হয় না।

উদাহরণ:
• কর্তৃবাচ্য: বিদ্বানকে সকলেই আদর করে।
• কর্মবাচ্য: বিদ্বান সকলের দ্বারা আদৃত হন।

• কর্তৃবাচ্য: খোদাতায়ালা বিশ্বজগৎ সৃষ্টি করেছেন।
• কর্মবাচ্য: বিশ্বজগৎ খোদাতায়ালা কর্তৃক সৃষ্ট হয়েছে।

• কর্তৃবাচ্য: মুবারক পুস্তক পাঠ করছে।
• কর্মবাচ্য: মুবারক কর্তৃক পুস্তক পঠিত হচ্ছে।

[লক্ষণীয়: কর্তৃবাচ্যে ব্যবহৃত তৎসম মিশ্রক্রিয়াটি কর্মবাচ্যে যৌগিক ক্রিয়াজাত ক্রিয়াবিশেষণ রূপে ব্যবহৃত হয়।]

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২৪.
‘মিছিলটি সামনে এগিয়ে যায়।’- বাক্যে ‘সামনে’ কোন পদের উদাহরণ?
  1. বিশেষ্য
  2. ক্রিয়া বিশেষণ
  3. ক্রিয়া
  4. বিশেষণ
ব্যাখ্যা
• ক্রিয়া বিশেষণ:
যে শব্দ ক্রিয়াকে বিশেষিত করে, তাকে ক্রিয়া বিশেষণ বলে।

নিচের বাক্যে নিম্নরেখ শব্দগুলাে ক্রিয়া বিশেষণের উদাহরণ:
- ছেলেটি দ্রুত দৌড়ায়।
- লোকটি ধীরে হাঁটে।
এখানে দ্রুত, ধীরে শব্দ গুলো হলো ক্রিয়া বিশেষণ।


ক্রিয়া বিশেষণকে কয়েক ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

• ধরনবাচক ক্রিয়াবিশেষণ: কোনাে ক্রিয়া কীভাবে সম্পন্ন হয়, ধরনবাচক ক্রিয়াবিশেষণ তা নির্দেশ করে।
যেমন:
- টিপ টিপ বৃষ্টি পড়ছে।
- ঠিকভাবে চললে কেউ কিছু বলবে না।

• কালবাচক ক্রিয়াবিশেষণ: এই ধরনের ক্রিয়াবিশেষণ ক্রিয়া সম্পাদনের কাল নির্দেশ করে।
যেমন:
- যথাসময়ে সে হাজির হয়।

• স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ: ক্রিয়ার স্থান নির্দেশ করে স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ।
যেমন:
- মিছিলটি সামনে এগিয়ে যায়।

• নেতিবাচক ক্রিয়াবিশেষণ: না, নি ইত্যাদি দিয়ে ক্রিয়ার নেতিবাচক অবস্থা বোঝায়।
যেমন:
- তিনি আর এখন ক্রিকেট খেলেন না।

• পদাণু ক্রিয়াবিশেষণ: 'কি', 'যে', 'বা', 'না', 'ত' ইত্যাদি পদাণু ক্রিয়াবিশেষণ হিসেবে কাজ করে।
যেমন:
- আমি কি যাব?

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
২৫.
‘অহর্নিশ’ কোন সমাসের উদাহরণ?
  1. অলুক বহুব্রীহি সমাস
  2. তৎপুরুষ সমাস
  3. দ্বন্দ্ব সমাস
  4. দ্বিগু সমাস
ব্যাখ্যা
• দ্বন্দ্ব সমাস:
দ্বন্দ্ব শব্দের অর্থ সংঘাত বা বিবাদ হলেও সমাসের ক্ষেত্রে ‘দ্বন্দ্ব’ শব্দটি মিলন, জোড়া ও যুগল অর্থেই ব্যবহৃত হয়। সুতরাং যে সমাসে সমস্যমান প্রত্যেক পদের অর্থের প্রাধান্য থাকে তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে।

- এ সমাসে পূর্বপদ ও পরপদের সম্বন্ধ বোঝানোর জন্য ব্যাসবাক্যে ও, এবং, আর- এ তিনটি অব্যয়পদ সংযোজক হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

দ্বন্দ্ব সমাস নিম্নোক্ত কয়েক প্রকার হতে পারে-
- মিলনার্থক দ্বন্দ্ব,
- বিরোধার্থক দ্বন্দ্ব,
- বিপরীতার্থক দ্বন্দ্ব,
- অঙ্গবাচক দ্বন্দ্ব,
- বহুপদবিশিষ্ট দ্বন্দ্ব,
- সংখ্যাবাচক দ্বন্দ্ব,
- সমার্থক দ্বন্দ্ব,
- একশেষ দ্বন্দ্ব,
- অলুক দ্বন্দ্ব,
- নিপাতনে সিদ্ধ দ্বন্দ্ব।

• নিপাতনে সিদ্ধ দ্বন্দ্ব:
যে দ্বন্দ্ব সমাস কোনো নিয়ম মানে না তাকে নিপাতনে সিদ্ধ দ্বন্দ্ব সমাস বলে। যেমন:
- অহঃ ও নিশা = অহর্নিশ।
- অহঃ ও রাত্র = অহোরাত্র।
- দিবা ও রাত্রি = দিবারাত্র।
- কুশ ও লব = কুশীলব।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২৬.
‘সারারাত বৃষ্টি ছিলো’- বাক্যে ‘সারারাত’ কোন কারক?
  1. অধিকরণ কারক
  2. করণ কারক
  3. সম্বন্ধ কারক
  4. অপাদান কারক
ব্যাখ্যা
• অধিকরণ কারক:
ক্রিয়া সমাপদনের কাল, স্থান ও সময়কে অধিকরণ কারক বলে। অর্থাৎ যে স্থানে বা সময়ে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় সেটিই অধিকরণ কারক।
অর্থাৎ ক্রিয়াপদকে কোথায়, কোন স্থানে, কখন, কোন সময়ে, কবে, কোন বিষয়ে বা ব্যাপারে এসব প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় সেটিই অধিকরণ কারক।

অধিকরণ কারকে বিভক্তির প্রয়োগ:
• প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি:
- আমি ঢাকা যাব।
- বাবা বাড়ি নেই।
- সারারাত বৃষ্টি ছিলো।

• তৃতীয়া বিভক্তি: খিলিপান (এর ভিতরে) দিয়ে ঔষধ খাবে।
• পঞ্চমী বিভক্তি: বাড়ি থেকে নদী দেখা যায়।
• সপ্তমী বা তে বিভক্তি: এ বাড়িতে কেউ নেই।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, জ্যেতিভূষণ চাকী।
২৭.
‘মাথার উপরে নীল আকাশ।’ - বাক্যে ‘উপরে’ কোন পদের উদাহরণ?
  1. উপসর্গ
  2. যোজক
  3. অনুসর্গ
  4. আবেগ
ব্যাখ্যা
• অনুসর্গ:
যেসব শব্দ কোনো শব্দের পরে বসে শব্দটিকে বাক্যের সঙ্গে সম্পর্কিত করে, সেসব শব্দকে অনুসর্গ বলে।

অনুসর্গকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়:
১. সাধারণ অনুসর্গ ও
২. ক্রিয়াজাত অনুসর্গ।

• সাধারণ অনুসর্গ:
সাধারণ অনুসর্গ যেসব অনুসর্গ ক্রিয়া ছাড়া অন্য শব্দ থেকে তৈরি হয়, সেগুলােকে সাধারণ অনুসর্গ বলে।
যেমন:
উপরে: মাথার উপরে নীল আকাশ।
কাছে: কার কাছে গেলে জানা যাবে?
জন্যে: হারানাে ঘড়িটার জন্য অনেক কেঁদেছি।
দ্বারা: এমন কাজ তােমার দ্বারা হবে না।
বনাম: আজ বাংলাদেশ বনাম ভারতের খেলা।

• ক্রিয়াজাত অনুসর্গ:
যেসব অনুসর্গ ক্রিয়াপদ থেকে তৈরি হয়েছে, সেগুলোকে ক্রিয়াজাত অনুসর্গ বলে।
যেমন:
ধরে: বহুদিন ধরে অপেক্ষা করে আছি।
বলে: সে সঙ্গে যাবে বলে তৈরি হয়ে এসেছে।
করে: ভালো করে খেয়ে নাও।
দিয়ে: মন দিয়ে লেখাপড়া করো।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
২৮.
Which of the following literary pieces is written by Shelley?
  1. Of a Skylark
  2. On a Skylark
  3. Shelley's Skylark
  4. To a Skylark
ব্যাখ্যা
• To a Skylark:
- It is written by P.B. Shelley.
- এটি একটি lyric poem.
- Skylark চড়ুই এর মতো দেখতে একটি পাখি।
- কবি একে চাঁদ এর আলোর সাথে তুলনা করেন।
- কবির মনে এটি joyous spirit of the divine এর প্রতীক।
- তিনি skylark হবার ইচ্ছা পোষণ করেন।
- এর গান থেকে তিনি আত্মার প্রেরণা খুঁজে পান। তিনি মনে করে এর গান স্বর্গীয়।

- এই কবিতায় কবির সুনিপুন কাব্য দক্ষতার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।
- কবিতায় দেখা যায়, স্বর্গীয় আনন্দের প্রতীক হিসেবে মৃত্যু থেকে বেপরোয়া হয়ে অনেক উঁচুতে পাখি উড়ছে।
- কবিও Sky-Lark পাখিটার মতো হতে চান যাকে কখনো দুঃখ-বেদনা কিংবা হতাশা স্পর্শ করেনি।

• P.B. Shelley:
- তিনি একজন English Romantic poet.
- Her passionate search for personal love and social justice was gradually channeled from overt actions into poems that rank with the greatest in the English language.
২৯.
কর বহির্ভূত রাজস্বের উৎস -
  1. সম্পূরক শুল্ক
  2. লভ্যাংশ ও মুনাফা
  3. মুল্য সংযোজন কর
  4. আমদানি শুল্ক
ব্যাখ্যা
আয়ের উৎস:
- বাংলাদেশ সরকার বার্ষিক রাজস্ব ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহের জন্য যে সমস্ত উৎস থেকে সম্পদ সংগ্রহ করে তাকে সরকারের আয়ের উৎস বলে।
- যে সমস্ত বিভিন্ন উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারে মোট প্রাপ্তি সংগৃহীত হয় তা দু'ভাগে বিভক্ত, যথা-
• কর রাজস্ব এবং
• কর বহির্ভূত রাজস্ব।

• কর রাজস্ব:
- কর বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস।
- বাংলাদেশ সরকারের কর রাজস্বের উৎসগুলো নিম্নরূপ:
১। আয় ও মুনাফা কর,
২। আমদানি শুল্ক,
৩। মুল্য সংযোজন কর,
৪। আবগারি শুল্ক,
৫। সম্পূরক শুল্ক:,
৬। যানবাহন কর,
৭। ভূমি রাজস্ব,
৮। নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বিক্রয়,
৯। অন্যান্য কর ও শুল্ক।

• কর বহির্ভূত রাজস্বের প্রধান:
১। লভ্যাংশ ও মুনাফা,
২। সুদ,
৩। প্রশাসনিক রাজস্ব,
৪। রেলওয়ে,
৫। ডাক বিভাগ,
৬। সেবা বাবদ প্রাপ্তি,

উৎস: অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০.
'বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি' (ADP) প্রণয়ন করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC)
  2. বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন
  3. অর্থ মন্ত্রণালয়
  4. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন এবং জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ সম্পর্কিত তথ্য:

বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন: 
• পরিকল্পনা কমিশন বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (Annual Development Programme - ADP), পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা এবং প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মতো বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদী এবং স্বল্পমেয়াদী অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করে।
• এটি সরকারের বিভিন্ন মেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনা গঠন এবং বাস্তবায়নের জন্য দায়ী।

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC):
• ECNEC হলো বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ।
• প্রধানমন্ত্রী ECNEC-এর প্রধান।
• ECNEC বিভিন্ন বড় প্রকল্প এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রকল্পগুলির অনুমোদন দিয়ে থাকে।

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (NEC):
• NEC দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা এবং জাতীয় নীতি গঠন করে। এটি দেশের সর্বোচ্চ রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষ হিসেবে উন্নয়ন কর্মসূচি অনুমোদন করে।
• NEC প্রধানত দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য কাজ করে।

উৎস:
- বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন,
- বাংলাপিডিয়া।