পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৯তম বিসিএস ⎯ ইসলামী শিক্ষা [২০১]

পরীক্ষা৪৯তম বিসিএস ⎯ ইসলামী শিক্ষা [২০১]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১৮৯
সিলেবাস
Full Model Test - 5
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৯তম বিসিএস ⎯ ইসলামী শিক্ষা [২০১]

৪৯তম বিসিএস ⎯ ইসলামী শিক্ষা [২০১] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৮৯ প্রশ্ন

.
উচ্চারণ স্থান অনুসারে 'র' কোন ধরনের ধ্বনি?
  1. কণ্ঠ্য
  2. তালব্য
  3. দন্তমূলীয়
  4. মূর্ধন্য
ব্যাখ্যা

• দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন:
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা উপরের পাটির দাঁতের গোড়ার সঙ্গে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন বলে। নানা, রাত, লাল, সালাম প্রভৃতি শব্দের ন, র, ল, স দন্তমূলীয় ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

অন্যদিকে,
• মূর্ধন্য ব্যঞ্জন:
দন্তমূল এবং তালুর মাঝখানে যে উঁচু অংশ থাকে তার নাম মূর্ধা। যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা মূর্ধার সঙ্গে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে মূর্ধন্য ব্যঞ্জন বলে। টাকা, ঠেলাগাড়ি, ডাকাত, ঢোল, গাড়ি, মূঢ় প্রভৃতি শব্দের ট, ঠ, ড, ঢ, ড়, ঢ় মূর্ধন্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

• কণ্ঠ্য ব্যঞ্জন:
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের পিছনের অংশ উঁচু হয়ে আলজিভের কাছাকাছি নরম তালুর কাছে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে কণ্ঠ্য ব্যঞ্জন বলে। কাকা, খালু, গাধা, ঘাস, কাঙাল প্রভৃতি শব্দের ক, খ, গ, ঘ, ঙ কণ্ঠ্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

• তালব্য ব্যঞ্জন:
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা খানিকটা প্রসারিত হয়ে শক্ত তালুর কাছে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে তালব্য ব্যঞ্জন বলে। চাচা, ছাগল, জাল, ঝড়, শসা প্রভৃতি শব্দের চ, ছ, জ, ঝ, শ তালব্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

.
নিচের কোন শব্দটিতে ‘ণ’ - এর ভুল প্রয়োগ ঘটেছে?
  1. আপণ
  2. বিপণি
  3. পিণ্ডারি
  4. নিপুণ
ব্যাখ্যা

• তৎসম শব্দের বানানে ণ-এর সঠিক ব্যবহারের নিয়মকে ণ-ত্ব বিধান বলে।

• ‘ণ’ - এর ভুল প্রয়োগ ঘটেছে- পিণ্ডারি শব্দে।
• 'পিণ্ডারি' শব্দটির সঠিক বানান - পিন্ডারি।
• 'পিন্ডারি' অর্থ- মহারাষ্ট্রীয় অশ্বারোহী দস্যুদল, বর্গি।
'পিন্ডারি' মারাঠি শব্দ। বিদেশি শব্দে ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম খাটে না।

অন্যদিকে,
----------------
• আপণ-

→ আপণ একটি পুরনো তদ্ভব শব্দ, যার অর্থ: নিজের মালিকানাধীন বা দোকান।
→ যদিও অনেকেই আপন ভাবেন, আসলে আপণ বানানটিও অভিধানসম্মতভাবে স্বীকৃত।
→ উদাহরণ: “আপণ প্রতিষ্ঠানে সে কর্মরত।”

• বিপণি-
→ শুদ্ধ বানান: বিপণি (অর্থ: দোকান)
→ ‘ণ’ ব্যবহারে ভুল নেই।

• নিপুণ-
→ শুদ্ধ বানান: নিপুণ (অর্থ: দক্ষ/কুশলী)
→ সঠিক প্রয়োগ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, (সংস্করণ-২০১৯); বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

.
'অর্থবছর' এর ব্যাসবাক্য-
  1. অর্থ ও বছর
  2. অর্থের বছর
  3. অর্থ রূপ বছর
  4. অর্থ হিসাবের বছর
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো - ঘ) অর্থ হিসাবের বছর।

ব্যাখ্যা:
'অর্থবছর' একটি কর্মধারয় সমাস যার ব্যাসবাক্য হলো "অর্থ হিসাবের বছর"।

'অর্থবছর' এর প্রকৃত অর্থ: সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক আর্থিক হিসাব-নিকাশের জন্য নির্ধারিত ১২ মাসের সময়কাল, যা সাধারণত ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত হয়ে থাকে।

মধ্যপদলোপী কর্মধারয়:
- যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যপদের লোপ হয়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে।

যেমন:
- স্মৃতি রক্ষার্থে সৌধ = স্মৃতিসৌধ,
- সাহিত্য বিষয়ক সভা = সাহিত্যসভা,
- হাসি মাখা মুখ = হাসিমুখ,
- গণ নিয়ন্ত্রিত তন্ত্র = গণতন্ত্র ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২১ সংস্করণ)।

.
'যথার্থ' শব্দটি সন্ধি-বিচ্ছেদর কোন নিয়মে হয়েছে?
  1. স্বরসন্ধির
  2. ব্যঞ্জনসন্ধির
  3. বিসর্গসন্ধির
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

• 'যথার্থ' এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ = যথা + অর্থ।
- এটি স্বরসন্ধির উদাহরণ।

• সন্ধির নিয়ম:
- আ + অ = আ; সূত্র যোগে গঠিত শব্দ।

এরূপ আরও কিছু শব্দ,
- আশা + অতীত = আশাতীত,
- কথা + অমৃত = কথামৃত,
- মহা + অর্ঘ = মহার্ঘ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), ভাষা শিক্ষা- ড.হায়াৎ মামুদ, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
কালকেতু উপাখ্যানের কবি কে?
  1. ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
  2. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
  3. কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ
  4. বিজয় গুপ্ত
ব্যাখ্যা

• কালকেতু উপাখ্যান মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর "চণ্ডীমঙ্গল" কাব্যের একটি অংশ।

• চণ্ডীমঙ্গল’ কাব্য:

- 'চণ্ডীমঙ্গল’ চণ্ডী নামক লৌকিক-পৌরাণিক দেবীর পূজা প্রচারের কাহিনি অবলম্বনে লিখিত কাব্য।
- চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের আদি কবি মানিক দত্ত।
- চণ্ডীমঙ্গল ধারার প্রধান বা শ্রেষ্ঠ কবির নাম মুকুন্দরাম চক্রবর্তী৷

• এই কাব্যের দুটি উপাখ্যান রয়েছে-
১. একটি ব্যাধ দম্পতি কালকেতু ও ফুল্লরার কাহিনি, চণ্ডী বরে কালকেতুর ধনপ্রাপ্তি নতুন রাজ্যপত্তন, ধূর্ত ভাড়ুদত্তের ষড়যন্ত্রে প্রতিবেশী রাজার সঙ্গে যুদ্ধ।
২. দ্বিতীয় উপাখ্যানের নায়ক ধনপতি সওদাগর, অন্যান্য প্রধান চরিত্র তার দুই স্ত্রী লহনা ও খুল্লনা।

- চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কবি দ্বিজ মাধবকে 'স্বভাব কবি' বলা হয়।
- চণ্ডীমঙ্গল কাব্যে অন্যান্য কবি গুলো হলো: দ্বিজ রামদেব, মুক্তারাম সেন, হরিরাম, লালা জয়নারায়ণ সেন, ভবানীশঙ্কর দাস, অকিঞ্চন চক্রবর্তী।

• ‘কালকেতু উপাখ্যানে’ ফুল্লরার উদ্দেশ্যে কালকেতু বলেছে:
শাশুড়ি ননদি নাহি নাহি তোর সতা।
কার সঙ্গে দ্বন্দ্ব করি চক্ষু কৈলি রাতা।।

• চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্রগুলাে হলো:
- কালকেতু,
- ফুল্লরা,
- ধনপতি,
- ভাঁড়ুদত্ত,
- মুরারি শীল প্রমুখ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া; (‘কালকেতু উপাখ্যান’: মুকুন্দরাম চক্রবর্তী)।

.
'Profiteer' এর বাংলা পরিভাষা -
  1. শিক্ষানবিস
  2. মুনাফাখোর
  3. প্রতারণা
  4. কার্যক্রম-সমন্বয়ক
ব্যাখ্যা

• 'Profiteer' এর বাংলা পরিভাষা - মুনাফাখোর।

অন্যদিকে,
• 'Apprentice' এর বাংলা পরিভাষা- 'শিক্ষানবিস'।
• 'Deceit' এর বাংলা পরিভাষা- 'প্রতারণা'।
• ‘Programme co-ordinator’ শব্দের বাংলা পরিভাষা - 'কার্যক্রম সমন্বয়ক'।

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা।

.
"ঘরের খেয়ে পরের মোষ তাড়ানো।" বাক্যটি কোন কারণে অশুদ্ধ?
  1. বানান ভুল আছে
  2. প্রত্যয়সাধিত শব্দের ভুল প্রয়োগ
  3. প্রবাদের বিকৃতি
  4. বিশেষ্য-বিশেষণের অপপ্রয়োগ ঘটেছে
ব্যাখ্যা

• "ঘরের খেয়ে পরের মোষ তাড়ানো" বাক্যটি অশুদ্ধ কারণ এটি একটি প্রচলিত প্রবাদের বিকৃত রূপ।

সঠিক প্রবাদ: "ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো"।

প্রবাদের অর্থ: "ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো" মানে নিজের ঘরে খাওয়া-দাওয়া করে অন্যের (বনের) কাজ করা - অর্থাৎ কৃতজ্ঞতা না দেখিয়ে অন্যের পক্ষে কাজ করা।

অশুদ্ধতার ধরন:
প্রাচীন প্রবাদের প্রচলিত রূপে পরিবর্তন ঘটিয়ে ভুল শব্দ ব্যবহার করলে বাক্যে অশুদ্ধি ঘটে।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।

.
'বন্দর' কোন ভাষার শব্দ?
  1. তৎসম
  2. আরবি
  3. মারাঠি
  4. ফারসি
ব্যাখ্যা

• 'বন্দর':
- শব্দটি ফারসি ভাষা হতে আগত।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
এর অর্থ:
- সমুদ্র বা নদীর তীরবর্তী স্থান যেখানে নৌযানে পণ্য বোঝাই বা খালাস করা হয়।

• ফারসি ভাষা থেকে আগত আরো কিছু শব্দ হলো:
গ্রেপ্তারি, গ্রেফতার, দারোগা, লুঙ্গি, সাদা, আসমান, কাজি, খোয়াব, চেহারা, কাগজ, চশমা, চারপায়া, ছয়লাপ ইত্যাদি।

সূত্র: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

.
‘ইচ্ছা’ এর সমার্থক শব্দ নয় কোনটি?
  1. স্পৃহা
  2. বাঞ্ছা
  3. বাসনা
  4. আহ্লাদ
ব্যাখ্যা

• ‘ইচ্ছা’ এর সমার্থক শব্দ:
- আকাঙ্ক্ষা, আশা, ইচ্ছা, প্রার্থনা, চাওয়া, স্পৃহা, অভিপ্রায়, সাধ, অভিরুচি, প্রবৃত্তি, মনোরথ, ঈপ্সা, অভীপ্সা, বাসনা, কামনা, বাঞ্ছা

অন্যদিকে,
‘আনন্দ’ শব্দের সমার্থক শব্দ:
- খুশি, আমোদ, মজা, হর্ষ, আহ্লাদ, স্ফূর্তি, সন্তোষ, পরিতোষ, প্রমোদ, উল্লাস, উচ্ছ্বাস।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

১০.
মুসলমান নারী কর্তৃক লিখিত বাংলা সাহিত্যকর্ম ‘রূপজালাল’–এর লেখক–
  1. বেগম রোকেয়া
  2. নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরী
  3. রহিমুন্নিসা
  4. শামসুর নাহার
ব্যাখ্যা

• 'রূপজালাল' এর পরিচিতি:
- গদ্যে-পদ্যে নবাব ফয়জুন্নেসা রচিত রূপজালাল (১৮৭৬) গ্রন্থটি রূপকের আশ্রয়ে একটি আত্মজীবনীমূলক রচনা।
- এতে তাঁর বিড়ম্বিত দাম্পত্য জীবনের করুণ কাহিনি স্থান পেয়েছে।
- এটি ১৮৭৬ সালে ঢাকা থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- এটি সম্ভবত বাংলার একজন মুসলিম মহিলা কর্তৃক প্রথম রচিত একটি পূর্ণাঙ্গ সাহিত্যকর্ম।
- ফয়জুন্নেসার নিজের একটি লাইব্রেরি ছিল। সেখানে তিনি বিভিন্ন সাহিত্য ও ধর্মবিষয়ক গ্রন্থাদি পাঠ করতেন। তাঁর স্বোপার্জিত জ্ঞানের প্রতিফলন লক্ষ করা যায় উক্ত প্রতীকাশ্রয়ী গ্রন্থটিতে।
- পুথি ও জারিগানের মিশ্র ধারায় লিখিত এ গ্রন্থটি শুরু হয়েছে আল্লাহর প্রশংসা এবং নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে।
- সমকালীন বাংলায় মুসলমানদের সাহিত্যচর্চার প্রচলিত রীতি অনুযায়ী ফয়জুন্নেসা তাঁর লেখায় অনেক আরবি, ফার্সি ও উর্দু শব্দ ব্যবহার করেছেন।

------------------
নবাব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী:
- নবাব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী ছিলেন জমিদার, নারীশিক্ষার প্রবর্তক, সমাজসেবক ও কবি।
- কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলাধীন পশ্চিমগাঁও গ্রামে এক জমিদার বংশে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা আহমদ আলী চৌধুরী ছিলেন হোমনাবাদ-পশ্চিমগাঁও-এর জমিদার।
- পারিবারিক পরিবেশে গৃহশিক্ষকের তত্ত্বাবধানে বাড়িতেই তিনি শিক্ষালাভ করেন। মুসলমানদের কঠিন পর্দাপ্রথার মধ্যে থেকেও ফয়জুন্নেসা আরবি, ফারসি ও উর্দুর পাশাপাশি বাংলা ও সংস্কৃত ভাষায়ও ব্যুৎপত্তি অর্জন করেন।

- নবাব ফয়জুন্নেসা আলোচিত আত্মজীবনীমূলক রচনা রূপজালাল।
- এছাড়া সঙ্গীতসার ও সঙ্গীতলহরী নামে তাঁর দুখানি কাব্যের কথাও জানা যায়। উল্লেখ্য যে, নবাব ফয়জুন্নেসা এমন এক সময়ে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের চর্চা করেন যখন অভিজাত মুসলমানদের মধ্যে এই ভাষা সাধারণত ব্যবহৃত হতো না।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১১.
'গন্তব্য' এর সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় কোনটি?
  1. √ গম্‌ + অব্য
  2. √ গন্‌ + তব্য
  3. √ গম্ + তব্য
  4. √ গন্ত + অ
ব্যাখ্যা

• 'গন্তব্য'- এর সঠিক প্রকৃতি প্রত্যয় - √ গম্ + তব্য।

এখানে,
- '√ গম্‌' সংস্কৃত ক্রিয়াপ্রকৃতি এবং 'তব্য' সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়।
- শব্দের অর্থ: গমনের লক্ষ্য।

- ধাতুর সঙ্গে যখন কোনো ধ্বনি বা ধ্বনি-সমষ্টি যুক্ত হয়ে বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ তৈরি হয়, তখন ক্রিয়ামূল বা ধাতুকে বলা হয় ক্রিয়া প্রকৃতি বা প্রকৃতি।

- ক্রিয়া প্রকৃতির সঙ্গে যে ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টি যুক্ত হয়, তাকে বলে কৃৎ-প্রত্যয়।
- যেমন- চল্ (ক্রিয়া প্রকৃতি)+ অন (কৃৎ-প্রত্যয়)= চলন (বিশেষ্য পদ)।

উৎস:বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।

১২.
'সজ্জন' এর বিপরীত শব্দ -
  1. বর্জন
  2. অসজ্জন
  3. দুর্জন
  4. খ এবং গ উভয়ই
ব্যাখ্যা

• 'সজ্জন' এর অর্থ: সৎলোক; সাধু ব্যক্তি।
- অসজ্জন অর্থ: অসাধু বা দুষ্ট লোক।
- 'দুর্জন' অর্থ - দুষ্ট বা খারাপ লোক।

সুতরাং,
• 'সজ্জন' এর বিপরীত শব্দ - "অসজ্জন এবং দুর্জন" উভয়ই।

• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিপরীত শব্দ:
• 'বর্জন' এর বিপরীত শব্দ - গ্রহণ।
• 'উৎকর্ষ' এর বিপরীত শব্দ - অপকর্ষ।
• 'গৃহী' এর বিপরীত শব্দ - সন্ন্যাসী।
• 'দাতা' এর বিপরীত শব্দ - গ্রহীতা।
• 'ক্ষয়িষ্ণু' এর বিপরীত শব্দ - বর্ধিষ্ণু।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৩.
নিম্নবিবৃত স্বরধ্বনি —




ব্যাখ্যা

• নিম্নবিবৃত স্বরধ্বনি — আ।

• স্বরধ্বনির উচ্চারণ:
উচ্চারণের সময়ে জিভের উচ্চতা অনুযায়ী, জিভের সম্মুখ-পশ্চাৎ অবস্থান অনুযায়ী এবং ঠোঁটের উন্মুক্তি অনুযায়ী স্বরধ্বনিকে ভাগ করা হয়।

উচ্চারণের সময়ে জিভ কতটা নিচে নামে সেই অনুযায়ী স্বরধ্বনি চার ভাগে বিভক্ত।
যথা -
১. উচ্চ স্বরধ্বনি - ই, উ।
২. উচ্চ -মধ্য স্বরধ্বনি - এ, ও।
৩. নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনি - অ্যা, অ।
৪. নিম্ন স্বরধ্বনি - আ।

• স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট কতটুকু খোলা বা বন্ধ থাকে অর্থাৎ কী পরিমাণ উন্মুক্ত হয়, তার ভিত্তিতে স্বরধ্বনি চার ভাগে বিভক্ত।
- সংবৃত: [ই], [উ]।
- অর্ধ-সংবৃত: [ এ ], [ও]।
- বিবৃত: [আ]।
- অর্ধ-বিবৃত: [অ্যা], [অ]।

• সংবৃত স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট কম খোলে; বিবৃত স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট বেশি খোলে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

১৪.
"মুহূর্ত তুলিয়া শির একত্র দাঁড়াও দেখি সবে,
যার ভয়ে তুমি ভীত সে অন্যায় ভীরু তোমা চেয়ে,
যখনি জাগিবে তুমি তখনি সে পলাইবে ধেয়ে।"- কে লিখেছেন?
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. হাসান আজিজুল হক
  3. সুকান্ত ভট্টাচার্য
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা

• "মুহূর্ত তুলিয়া শির একত্র দাঁড়াও দেখি সবে,
যার ভয়ে তুমি ভীত সে অন্যায় ভীরু তোমা চেয়ে,
যখনি জাগিবে তুমি তখনি সে পলাইবে ধেয়ে।" - কবিতাংশুটুকুর রচয়িতা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। এটি তাঁর 'চিত্রা' কাব্যগ্রন্থের এবার ফিরাও মোরে- কবিতার অংশবিশেষ।

'চিত্রা' কাব্যগ্রন্থ:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কাব্যগ্রন্থ 'চিত্রা'।
- ১৩০২ বঙ্গাব্দ মোতাবেক ১৮৯৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই কাব্যগ্রন্থে মোট ৩৫টি কবিতা রয়েছে।

এবার ফিরাও মোরে- কবিতার অংশবিশেষ-

মুহূর্ত তুলিয়া শির একত্র দাঁড়াও দেখি সবে,
যার ভয়ে তুমি ভীত সে অন্যায় ভীরু তোমা চেয়ে,
যখনি জাগিবে তুমি তখনি সে পলাইবে ধেয়ে;
যখনি দাঁড়াবে তুমি সম্মুখে তাহার, তখনি সে
পথকুক্কুরের মতো সংকোচে সত্রাসে যাবে মিশে;
দেবতা বিমুখ তারে, কেহ নাহি সহায় তাহার,
মুখে করে আস্ফালন, জানে সে হীনতা আপনার
মনে মনে। (সংক্ষেপিত)

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২ শ্রাবণ ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর নিজ বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, চিত্রা কাব্যগ্রন্থ- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও বাংলাপিডিয়া।

১৫.
সাকিব বলল, "আমি এখানে থাকব"। - বাক্যটির পরোক্ষ উক্তিতে রূপান্তর কোনটি?
  1. সাকিব বলল যে, সে সেখানে থাকবে।
  2. সাকিব বলল, "আমি সেখানে থাকব।"
  3. সাকিব বলল, "সে এখানে থাকবে।
  4. সাকিব জানাল যে আমি এখানে থাকব।
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর — ক) সাকিব বলল যে, সে সেখানে থাকবে।

ব্যাখ্যা:
প্রত্যক্ষ উক্তি: বলল সাকিব, "আমি এখানে থাকব"।
সঠিক পরোক্ষ উক্তি: সাকিব বলল যে, সে সেখানে থাকবে।

উক্তি রূপান্তরের নিয়মসমূহ:
১. পুরুষের পরিবর্তন:
"আমি" → "সে" (প্রথম পুরুষ থেকে তৃতীয় পুরুষে)।

২. স্থানের পরিবর্তন:
"এখানে" → "সেখানে" (নিকট স্থান থেকে দূর স্থানে)।

৩. বাক্য গঠন:
উদ্ধৃতি চিহ্ন সরিয়ে "যে" সংযোজক অব্যয়।

৪. ক্রিয়ার রূপ:
"থাকব" → "থাকবে" (পুরুষ অনুযায়ী পরিবর্তন)।

অন্যান্য অপশনগুলো কেন ভুল:
ক) এখনও প্রত্যক্ষ উক্তি (উদ্ধৃতি চিহ্ন আছে) এবং পুরুষ পরিবর্তন হয়নি।
গ) পুরুষ ও স্থান পরিবর্তন হয়নি ("আমি এখানে" রয়ে গেছে)।
ঘ) এখনও প্রত্যক্ষ উক্তি (উদ্ধৃতি চিহ্ন আছে)।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।

১৬.
"বীণার ঝঙ্কারসম যে প্রীতি ধ্বনিত হয় নিতি।" - এখানে 'প্রীতি' কোন পদ?
  1. বিশেষ্য
  2. বিশেষণ
  3. অব্যয়
  4. ক্রিয়া বিশেষণ
ব্যাখ্যা

• "বীণার ঝঙ্কারসম যে প্রীতি ধ্বনিত হয় নিতি" - এই বাক্যে 'প্রীতি' একটি বিশেষ্য পদ।

তবে,
"প্রীতিময় মুখ" - এখানে 'প্রীতিময়' বিশেষণ।
------------
এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ শব্দ:
- গাম্ভীর্য হলো বিশেষ্য পদ।
- গাম্ভীর্য শব্দের বিশেষণ রূপ - গম্ভীর।
- 'ইচ্ছা' শব্দটি বিশেষ্য পদ।
- জাত ও উদ্ধত - বিশেষণ পদ।
- গৈরিক - বিশেষ্য ও বিশেষণ পদ।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৭.
বাংলা একাডেমি কর্তৃক প্রকাশিত প্রথম বই-
  1. লাইলি মজনু
  2. বাংলাদেশের লোকজ সংস্কৃতি গ্রন্থমালা
  3. ব্যবহরিক বাংলা অভিধান
  4. আধুনিক বাংলা অভিধান
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমি কর্তৃক প্রকাশিত প্রথম বই ছিল—
দৌলত উজির বাহ্‌রাম খাঁর- লাইলি মজনু।

বাংলা একাডেমি সম্পর্কিত কিছু তথ্য:
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন এবং এ দেশের মুসলিম মধ্যবিত্তের জাগরণ ও আত্মপরিচয় বিকাশের প্রেরণায় এ প্রতিষ্ঠানের জন্ম হয়।

- বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর।
- প্রথম প্রকাশিত বইটি ছিল লাইলি মজনু, যা মধ্যযুগীয় বাংলা প্রেমকাব্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ।
- পরে একাডেমি আঞ্চলিক ভাষার অভিধান, লোকসংস্কৃতি বিষয়ক গ্রন্থ এবং ব্যবহরিক বাংলা অভিধান, আধুনিক বাংলা অভিধান ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশনা করে।

উৎস: বাংলা একাডেমি; প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট- লিংক।

১৮.
'লালসালু'- উপন্যাসের কোন চরিত্রটি নারী বিদ্রোহ ও প্রতিবাদের প্রতীক?
  1. রহিমা
  2. আমেনা
  3. জমিলা
  4. হাসুনির মা
ব্যাখ্যা

‘লালসালু’ উপন্যাস সম্পর্কিত আলোচনা:
• ‘লালসালু’ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ রচিত উপন্যাস। ১৯৪৮ সালে কলকাতা থেকে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত।
• এই উপন্যাসে একদিকে যেমন বাংলার গ্রামজীবনের বাস্তব প্রকৃতি ধরা পড়েছে তার সৌন্দর্য, মাধুর্য ও কঠোরতা নিয়ে; তেমনই রূপায়িত হয়েছে অসংখ্য গ্রামীণ মানুষের জীবন।
• নোয়াখালি অঞ্চল থেকে মজিদ নামের একটি কূটচরিত্র গারোপাহাড়ি অঞ্চলে গিয়ে সেই এলাকার মানুষকে ধর্মের নামে কীভাবে শোষণ করে, সেই বাস্তব চিত্র আছে উপন্যাসটিতে।

• ধর্ম ব্যবসায়ী মজিদ অর্থ ও প্রভাব বৃদ্ধির সঙ্গে অল্পবয়সী দ্বিতীয় স্ত্রী গ্রহণ করে। সে গ্রামের মোড়লদেরও প্রভাবিত করে। পাশের গ্রামে অন্য পিরের আগমন হলে, নিজের দাপট খর্ব হবে বিবেচনায়, তাকে মারধর দিয়ে উচ্ছেদ করে।
• তবে স্বল্পবয়সী স্ত্রী জমিলা কর্তৃক মজিদ লাঞ্ছিত হয়। উপন্যাসে জমিলা বিদ্রোহিণী, প্রতিবাদের প্রতীক।
• 'লালসালু'র একটি বহুমাত্রিক ও কালোত্তীর্ণ উপন্যাস।
• ঔপন্যাসিক ধর্মব্যবসায়ীদের উপলক্ষ করে লিখেছেন: 'খোদার এলেমে বুক ভরে না তলায় পেট শূন্য বলে।'
• উপন্যাসটি 'Tree Without Roots' নামে ইংরেজিতে অনূদিত হয়ে (১৯৬৭) খ্যাতি অর্জন করে।
• ওয়ালীউল্লাহর পত্নী অ্যান মেরির ‘লালসালু'র ফরাসি অনুবাদের নাম- ল্য অরবরে সামস মায়েমে (১৯৬১)।

• উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- মজিদ,
- খালেক ব্যাপারি,
- জমিলা,
- রহিমা,
- আমেনা,
- আক্কাস,
- তাহেরের বাপ,
- হাসুনির মা।

-----------------------
• সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌ ছিলেন একজন কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার।
- তিন ১৯২২ সালের ১৫ আগস্ট চট্টগ্রামের ষোলশহরে সৈয়দ বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ফেনি স্কুলের ছাত্রাবস্থায় ‘ভোরের আলো’ নামে হাতে লেখ পত্রিকার সম্পাদনা করেন।
- তাঁর প্রকাশিত প্রথম গল্প ‘হঠাৎ আলোর ঝলকানি’। এটি ঢাকা কলেজ ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়।
- ১৯৪৫ থেকে ১৯৪৭ পর্যন্ত কলকাতার ‘দৈনিক স্টেটসম্যান’ পত্রিকার সহকারী সম্পাদক হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন।
- তারঁ রচিত প্রথম উপন্যাস ‘লালসালু’ (১৯৪৮)।

• তাঁর রচিত অন্যান্য উপন্যাস:
- চাঁদের অমাবস্যা,
- কাঁদো নদী কাঁদো।
- দি আগলি এশিয়ান।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- নয়নচারা,
- দুই তীর ও অন্যান্য গল্প।

• তাঁর রচিত নাটক:
- বহিপীর,
- তরঙ্গভঙ্গ,
- উজান মৃত্যু।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৯.
'চৌচির' শব্দের অর্থ কোনটি?
  1. খণ্ডে খণ্ডে বিভক্ত
  2. খণ্ডবিখণ্ড
  3. চার খণ্ডে বা অংশে বিভক্ত
  4. উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা

• বাংলা একাডেমি আধুনিক বানান অভিধান অনুসারে,
'চৌচির' শব্দের অর্থ- খণ্ডে খণ্ডে বিভক্ত; খণ্ডবিখণ্ড; চার খণ্ডে বা অংশে বিভক্ত।
অর্থ্যাৎ, সঠিক উত্তর - অপশন (ঘ)।



আরো কিছু শব্দার্থ:
- আভরণ শব্দের অর্থ - অলঙ্কার,
- আভাষ শব্দের অর্থ - ভূমিকা বা আলাপ,
- ‘সওগাত’ শব্দের অর্থ - উপঢৌকন; উপহার,
- আশীষ শব্দের অর্থ- শীর্ষ পর্যন্ত,
- আশি শব্দের অর্থ- ৮০ সংখ্যা,
- আশী শব্দের অর্থ- বিষদাঁত।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

২০.
নিচের কোনটি যৌগিক ক্রিয়ার উদাহরণ?
  1. গরম করা
  2. উদয় হওয়া
  3. এগিয়ে চলা
  4. ঠনঠন করা
ব্যাখ্যা

• যৌগিক ক্রিয়ার উদাহরণ - এগিয়ে চলা।
-------------------------------
• যৌগিক ক্রিয়া:
অসমাপিকা ক্রিয়ার সঙ্গে সমাপিকা ক্রিয়া যুক্ত হয়ে যখন একটি ক্রিয়া গঠন করে, তখন তাকে যৌগিক ক্রিয়া বলে।
যেমন
- মরে যাওয়া,
- কমে আসা,
- এগিয়ে চলা,
- হেসে ওঠা,
- উঠে পড়া,
- পেয়ে বসা, ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
সংযোগ ক্রিয়া:
বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাত্মক শব্দের পরে করা, কাটা, হওয়া, দেওয়া, ধরা, পাওয়া, খাওয়া, মারা প্রভৃতি ক্রিয়া যুক্ত হয়ে সংযোগ ক্রিয়া গঠিত হয়।
যেমন-
গরম করা, গান করা, উদয় হওয়া, ঠনঠন করা, বৃদ্ধি পাওয়া ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ২০২২ সালের সংস্করণ।

২১.
"Have an axe to grind" means to _____.
  1. have a selfish reason
  2. have work for charity
  3. have preparation for the fight
  4. have a great goal
ব্যাখ্যা

• "Have an axe to grind" means to have a selfish reason.

• To have an axe/ax to grind (idiom):
- English Meaning: to have a selfish reason or strong opinion that influences your actions; an ulterior often selfish underlying purpose.
- Bangla Meaning: (লাক্ষণিক) ব্যক্তিস্বার্থ থাকা।

Example Sentences:
- Environmentalists have no political axe to grind - they just want to save the planet.
- The study should be conducted by a firm that has no axe to grind.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.

২২.
Who penned the poem "To Autumn"?
  1. John Keats
  2. P. B. Shelley
  3. William Wordsworth
  4. Samuel Taylor Coleridge
ব্যাখ্যা

• John Keats penned the poem "To Autumn".

• To Autumn:

- John Keats রচিত এই কবিতাটি ১৮২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই কবিতাটিকে কবির one of the last major poems হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- এটি একটি three 11-line stanzas বিশিষ্ট কবিতা।
- শরৎকালের আগমনে কবির মনের অভিব্যক্তি প্রকাশ পেয়েছে এই কবিতায়।
- পাশাপাশি গ্রীষ্মের বিদায় এবং জীবনের সংক্ষিপ্ততা নিয়েও কবি আলোচনা করেছেন।
- কবিতায় Autumn কে দেখানো হয়েছে উর্বরতা এবং পরিপক্কতার প্রতীক হিসেবে।

• John Keats (1795-1821):
- John Keats একজন English Romantic lyric poet ছিলেন।
- তিনি প্রকৃতি, সৌন্দর্য, কল্পনা ও মানব জীবনের নশ্বরতা নিয়ে গভীরভাবে লিখেছেন।
- তিনি মাত্র ২৬ বছর বয়সে মারা গেলেও, তার লেখা কবিতা তাকে চিরস্মরণীয় কবি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
- তার সাহিত্যকর্মের মধ্যে আছে, sonnets, odes, and epics ইত্যাদি।
- তার কাব্য সৌন্দর্য, কল্পনা ও মানব অভিজ্ঞতার গভীর উপলব্ধির জন্য আজও বিশ্ব সাহিত্যে অনন্য স্থান অধিকার করে আছে।

• John Keats এর Title গুলো হলো:
- Poet of Beauty,
- Poet of sensuousness,
- A Death Hunted Poet,
- The Youngest Poet of English Literature.

• John Keats's famous poems:
- Endymion (first long poem),
- Hyperion (poetic epic),
- Ode on a Grecian Urn,
- Ode on Melancholy,
- Ode to a Nightingale,
- Ode to Psyche,
- Fancy,
- To Autumn,
- Lamia,
- Isabella,
- The Eve of St. Agnes,
- La Belle Dame Sans Merci,
- Sleep and Poetry,
- On First Looking into Chapman's Homer (sonnet), etc.

Source:
1. Britannica.
2. Poetry Foundation.

২৩.
Neither of the two men wants ____ son educated.
  1. them
  2. his
  3. their
  4. its
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: Neither of the two men wants his son educated.
- Bangla meaning: দুজনের কেউই চান না যে তার ছেলে শিক্ষিত হোক।

• One of, Each of, Either of, Neither of ইত্যাদি singular subjects হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাই এর পরে singular possessive pronoun (his, her, or its) বসে।
- Either দ্বারা দুইয়ের প্রত্যেকটি বুঝানো হয়।
- Neither দ্বারা দুইয়ের কোনটিই নয় বুঝানো হয়।

- প্রদত্ত বাক্যে "men" is masculine gender, তাই সঠিক possessive pronoun টি হবে- his.

অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
ক) them → "them" হলো object pronoun, not possessive.

গ) their → "their" হলো plural কিন্তু এখানে subject হলো singular.

ঘ) its → "its" ব্যবহৃত হয় non-human subjects (animals, objects) -এর জন্য।

২৪.
She slept very little that night.
Here, the underlined word 'little' is a/an-
  1. Noun
  2. Pronoun
  3. Adjective
  4. Adverb
ব্যাখ্যা

• She slept very little that night.
- Here, the underlined word 'little' is an Adverb.

- Here, 'little' modifies the verb "slept" by describing how much she slept.
- অর্থাৎ, 'little' এখানে "slept" verb টিকে modify করায় adverb হিসেবে কাজ করছে।
- "slept" verb টিকে How much দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় Very little.

• Little (adverb)
- English Meaning: not much; in only a small quantity or degree: slightly; not at all.
- Bangla Meaning: অতিসামান্য।

• Adverb:
- যেসব word noun বা pronoun ছাড়া অন্য যেকোন parts of speech, বিশেষ করে verb কে modify করে সেগুলোকে adverb বলে।
- Adverb সাধারণত Verb, Adjective কিংবা অন্য কোনো Adverb কে modify করে।
- বাক্যে Verb কে কোথায়, কখন, কীভাবে, কেন, কতটুকু, কতবার, ইত্যাদি দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাই হলো adverb.

অন্যদিকে,
- 'Little' শব্দটি "ছোট; যথেষ্ট নয়; সামান্য পরিমাণে মাত্র" অর্থে- noun, pronoun, adjective হিসেবেও ব্যবহৃত হতে পারে। যেমন:
• Little (noun)
- Example: She felt better after she'd eaten a little.

• Little (pronoun)
- Example: Little has changed.

• Little (adjective)
- Example: He gave a little smile.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.

২৫.
Pick out the correctly spelt word:
  1. Remittance
  2. Remmitance
  3. Remmittance
  4. Rammitance
ব্যাখ্যা

• The correct spelling is - ক) Remittance.

• Remittance (Noun)
- English Meaning: Money that is sent by a foreign worker back to their own country.
- Bangla Meaning: অর্থপ্রেরণ; প্রেরিত অর্থ; প্রবাসী শ্রমিকের পাঠানো অর্থ।

• Ex. Sentence: Bangladesh receive most of its remittances from the middle east.
- Bangla Meaning: বাংলাদেশ তার বেশিরভাগ রেমিট্যান্স মধ্যপ্রাচ্য থেকে পায়।

- অন্যদিকে, বাকি অপশনের word গুলোর spelling ভুল।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

২৬.
Who is the heroine character of 'Hamlet'?
  1. Desdemona
  2. Portia
  3. Ophelia
  4. Cordelia
ব্যাখ্যা

• Ophelia is the heroine character of 'Hamlet'.

• Hamlet:
- Shakespeare রচিত tragedy গুলোর মধ্যে Hamlet is one of the most celebrated tragedies in English literature.
- তাঁর অন্যান্য tragedy গুলোর মত এটিও 5acts বিশিষ্ট।
- ১৫৯৯-১৬০১ সালের মধ্যে লেখা এই tragedy টি প্রকাশিত হয় ১৬০৩ সালে।
- এর কেন্দ্রীয় চরিত্র Hamlet ছিলেন prince of Denmark যিনি জার্মানি থেকে নিজ দেশে ফিরে আসে তাঁর বাবার শেষকৃত্যে অংশগ্রহণ করতে এবং জানতে পারে যে তার চাচা Claudius তার মাকে বিয়ে করেছে এবং এই চাচাই তার বাবার খুনী।
- সত্য উদঘাটনের পর বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহের মধ্যে দিয়ে tragedy এর কাহিনী সামনে এগিয়ে যায় এবং শেষাংশে Hamlet এর মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে এর সমাপ্তি ঘটে।

• Main characters:
- King Hamlet,
- Hamlet (Prince of Denmark),
- Ophelia (Heroine),
- Claudius (Hamlet's uncle),
- Gertrude (Queen),
- Horatio (Loyal and Best friend of Hamlet),
- Polonius (Ophelia's Father),
- Laertes (Ophelia's brother), etc.

• Famous quotations from Hamlet:
- "To be or not to be that is the question."
- "Frailty, thy name is woman."
- "Brevity is the soul of wit."
- "Listen to many, speak to a few."
- "Though this be madness, yet there is method in't."
- "Conscience does make cowards of us all."
- "One may smile, and smile, and be a villain."
- "There's a divinity that shapes our ends,
Rough-hew them how we will."
- "There is nothing either good or bad, but thinking makes it so."
- "There are more things in heaven and earth, Horatio,
Than are dreamt of in your philosophy."

• William Shakespeare (1564-1616):
- William Shakespeare একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে 'English National Poet' বলা হয়।
- Stratford-upon-Avon -এ জন্মগ্রহণ করেছেন বলে তাকে Bard of Avon বা Swan of Avon বলা হয়।
- তাকে অনেকেই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে বিবেচনা করেন।
- Shakespeare occupies a unique position in world literature.
- William Shakespeare মূলত তাঁর Drama and Sonnet -এর জন্য পরিচিত।
- তিনি মোট ১৫৪ টি sonnet এবং ৩৭ টি play লিখেছেন।
- এছাড়া তিনি Long narrative poem ও লিখেছেন।

অন্যদিকে,
ক) Desdemona (Heroine) is from Othello.

খ) Portia (Heroine) is from The Merchant of Venice.

ঘ) Cordelia (One of three daughters) is from King Lear.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

২৭.
Complete the sentence:
This could have worked if I _____ more patient.
  1. had
  2. had been
  3. would
  4. have been
ব্যাখ্যা

Complete sentence: This could have worked if I had been more patient.

• Third conditional -এর নিয়মানুযায়ী:
- The third conditional structure is used to express a hypothetical situation in the past.
- If clause (শর্তযুক্ত অংশে)-এ যদি (had + V3) হয়, তবে পরবর্তী clause -এ would/could/might + have + V3 + extension হয়।

• Structure: If + Past Perfect (had +V3) + Subject + would/could/might + have + verb-এর past participle.

- প্রদত্ত বাক্যে প্রথম অংশে "This could have worked" আছে, তাই If clause -এ (had + V3) হবে।
- এই বাক্যে বক্তা এমন একটি পরিস্থিতির দিকে ইঙ্গিক করেন যেটা দ্বারা বোঝায়, কোন কাজে প্রত্যাশিত ফলাফল আসতো যদি তিনি আরও ধৈর্যশীল হতেন।
- সুতরাং, শূন্যস্থানে সঠিক উত্তরটি হবে- had been.

• Conditional sentence:
- একটি Conditional sentence-এ দু'টি clause থাকে:
- subordinate clause -টি শর্ত বোঝায় এবং principal clause-টি ফলাফল বোঝায়।

• There are four types of Conditionals: এ ধরনের বাক্যগুলোর সাধারণ structure হলো-
1. Zero Conditional → If + Present/past + Present/past (shows scientific and general truth).
2. 1st Conditional → If + Present + Future indefinite.
3. 2nd Conditional → If + Past Simple + Future in Past (S + would/might/could + Base Form of the Verb).
4. 3rd Conditional → If + Past Perfect (had +V3) + Perfect Modal (S + would have/could have/might have + V3).

২৮.
Identify the synonym for 'Succumb'.
  1. Conquer
  2. Obdurate
  3. Submit
  4. Endure
ব্যাখ্যা

• The synonym for 'Succumb' is Submit.

• Succumb (Verb)
- English meaning: Fail to resist pressure, temptation, or some other negative force; die from the effect of a disease or injury.
- Bangla Meaning: (প্রলোভন, তোষামোদ ইত্যাদির) বশীভূত হওয়া; দমিয়া যাওয়া; মারা যাওয়া; আত্মসমর্পণ করা।

• Given options:
ক) Conquer - জয় করা; শক্তিবলে দখল করা; কারো ভালোবাসা, প্রশংসা ইত্যাদি অর্জন করা।

খ) Obdurate - একগুঁয়ে; অনমনীয়; অনুশোচনাহীন।

গ) Submit - আনুগত্য/অধীনতা/বশ্যতা স্বীকার করা; অনুবর্তী হওয়া; আত্মসমর্পণ করা; পেশ/দাখিল করা।

ঘ) Endure - দুঃখকষ্ট ভোগ করা; টিকে থাকা; স্থায়ী হওয়া।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

২৯.
George Bernard Shaw is the author of-
  1. The Family Reunion
  2. A Farewell to Arms
  3. No Man's Land
  4. Arms and the Man
ব্যাখ্যা

• George Bernard Shaw is the author of 'Arms and the Man'.

• Arms and the Man:
- এটি George Bernard Shaw রচিত একটি জনপ্রিয় নাটক।
- এটি একটি Romantic comedy, যা যুদ্ধ, প্রেম এবং মানব স্বভাবের উপর satire করে।
- এই নাটকটি ১৮৯৪ সালে মঞ্চস্থ হয় এবং ১৮৯৮ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই নাটকটির settings হলো- Bulgaria -এর Petkoff household.
- নাটকটি যুদ্ধ এবং প্রেমের বিষয় নিয়ে গড়ে উঠেছে। এতে মূলত যুদ্ধের গৌরব এবং বাস্তবতার মধ্যে একটি বৈপরীত্য তুলে ধরা হয়েছে।
- নাটকের কেন্দ্রবিন্দুতে একজন সৈনিক এবং একজন উচ্চশ্রেণীর মহিলা রয়েছেন, এবং তাদের মধ্যে সম্পর্কের জটিলতা নাটকটিকে কৌতুকপূর্ণ এবং মজাদার করে তোলে।
- এটি George Bernard Shaw -এর রচনা ও নাট্যকর্মের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।

• Main Characters:
- Captain Bluntschli,
- Raina Petkoff,
- Major Sergius Saranoff,
- Major Petkoff,
- Catherine Petkoff, etc.

• ​G. B. Shaw (1856-1950):
- তার পুরো নাম George Bernard Shaw.
- George Bernard Shaw 'Modern period' এর একজন Irish নাট্যকার এবং সাহিত্য সমালোচক।
- তিনি ১৯২৫ সালে নোবেল পুরস্কার পান।
- G.B. Shaw ছিলেন Fabian Society এর একজন সদস্য।
- তাঁর উপাধি হলো - The greatest modern English dramatist এবং তাঁকে The father of modern English literature বলা হয়।

​• Famous Plays of G.B. Shaw:
- Pygmalion (Romantic play),
- Man and Superman (Comedy play),
- Major Barbara (Social satire),
- Mrs. Warren's Profession (play),
- Arms and the Man (Romantic comedy),
- Heartbreak House (comedy play),
- Caesar and Cleopatra (play/tragedy),
- The Doctor's Dilemma (satire drama/play, Epilogue),
​- St. Joan of Arc,
- Candida,
- Geneva,
- You Never Can Tell,
- Androcles and the Lion,
- The Devil’s Disciple,
- Too True to Be Good,
- Widowers’ Houses,
- The Apple Cart,
- Buoyant Billions, etc.

অন্যদিকে,

ক) The Family Reunion is a play by T. S. Eliot.

খ) A Farewell to Arms is a novel by Ernest Hemingway.

গ) No Man's Land is a play by Harold Pinter.

Source:
1. Britannica.
2. Goodreads.

৩০.
He left us waiting for his reply.
Here, 'waiting' is-
  1. Gerund
  2. Participle
  3. Infinitive
  4. Finite verb
ব্যাখ্যা

• He left us waiting for his reply.
- Here, 'waiting' is a Participle.

- Here, "waiting" functions as a present participle (adjective) that modifies the pronoun "us".
- অর্থাৎ, 'waiting' এখানে object "us" কে modify করায় adjective হিসেবে কাজ করছে, তাই এটি present participle.
- "Waiting" functions as an object complement that describes the state of the object "us" after the action of the verb "left".
- অর্থাৎ, verb+ing যখন noun/pronoun কে modify করে তখন তা adjective হিসেবে কাজ করে।
- এখানে বলা হয়েছে, সে আমাদের তার উত্তরের অপেক্ষায় (waiting → ongoing action) রেখে চলে গেল।

• Participle:
- A participle is a verb that ends in -ing (present participle) or -ed, -d, -t, -en, -n (past participle).
- Participles may function as adjectives, describing or modifying nouns/pronouns.
- Participle একই সাথে Verb ও Adjective এর কাজ করে।

• Participle মূলত তিন প্রকার। যথা:
1. Present participle:
- Verb -এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি adjective -এর কাজ করে অর্থাৎ, একই সাথে Verb ও adjective -এর কাজ করে, তাহলে তাকে present participle বলে।
- সহজ ভাষায় → present participle হলো Verb + ing = adjective = Verb + adjective কাজ করে।
- Present participle দ্বারা চলমান sense বোঝায়।
- যেমন: I saw a flying kite.

2. Past participle:
- সাধারণত verb এর সাথে -ed যোগ করে তৈরি হয় (যেমন: played, walked), তবে অপ্রচলিত verb এর আলাদা রূপ থাকে (যেমন: eaten, driven, seen)।
- এটি perfect tense এবং passive voice তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, এবং adjective হিসেবেও ব্যবহৃত হতে পারে।
- যেমন: The broken house needs fixing.

3. Perfect participle:
- এটি having + past participle দ্বারা তৈরি হয় (যেমন: having eaten, having seen)। এটি এমন বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যে, একটি কাজ অন্য কাজের আগে সম্পন্ন হয়েছিল।
- যেমন: Having finished the task, he left.

Source: High School English Grammar and Composition by Wren And Martin.

৩১.
The opposite of 'Spendthrift'-
  1. Wasteful
  2. Disdainful
  3. Tightfisted
  4. Imprudent
ব্যাখ্যা

The opposite of 'Spendthrift'- Tightfisted.

• Spendthrift (Noun, adjective)
- English Meaning: Spending money or resources freely and recklessly; wastefully extravagant.
- Bangla Meaning: অতিব্যয়ী; অপব্যয়ী; অপচেতা; অকৃপণ; মুক্তহন্ত; অপব্যয়ী ব্যক্তি।

• Synonyms:
- Wasteful (অপচয়ী), Extravagant (অপচয়কর), Waster (অমিতব্যয়ী), Prodigal (অপব্যয়ী; অপচয়ী; অমিতব্যয়ী)।
• Antonyms:
- Thrifty (মিতব্যয়ী), Parsimonious (ব্যয়কুণ্ঠ; কৃপণ), Mean (সংকীর্ণমনা), Miserly (কৃপন), Tight-fisted (ব্যয়কুন্ঠ)

অন্যদিকে,
- Disdainful - ঘৃণাপূর্ণ; তাচ্ছিল্যপূর্ণ।
- Imprudent - অবিমৃষ্যকারী; অবিবেচক; অবিচক্ষণ; হঠকারী।

- সুতরাং, অপশনের অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায়, The opposite of 'Spendthrift'- Tightfisted.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৩২.
Pick the correct verb form:
Do not let these children ____ in the sun.
  1. have playing
  2. play
  3. to play
  4. playing
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: Do not let these children play in the sun.
- Bangla: এই বাচ্চাদের রোদে খেলতে দিও না।

• Causative Verb:

- যে Verb গুলোর সাহায্যে বাক্যের Subject নিজে কাজ না করে অন্যকে দিয়ে কাজ করায় সেই Verb গুলোকে বলা হয় causative verb.
- Have, Get, Help, Let, Make ইত্যাদি হলো বহুল প্রচলিত causative verb.
- এগুলোর সাহায্যে অনেক verb- কে causative verb -এ পরিণত করা যায়।

• Causative Verb হিসাবে 'let' -এর ব্যবহার:
- Let এরপরে কোনো ব্যক্তিবাচক object (Action doer) থাকলে এরপরে verb -এর base form বসে।
- Let এরপরে কোনো বস্তুবাচক object (Action receiver) থাকলে এরপরে be + verb -এর past participle form বসে।

• Structure:
1. Subject + let (any tense) + action doer + verb -এর base form + ext.
2. Subject + let (any tense) + action receiver + be + verb -এর past participle + ext.

- তাই প্রদত্ত শূন্যস্থানে সঠিক verb টি হবে- play.

৩৩.
A semi-autobiographical novel, 'Of Human Bondage' was written by-
  1. William Somerset Maugham
  2. William Faulkner
  3. Victor Hugo
  4. Joseph Conrad
ব্যাখ্যা

• A semi-autobiographical novel, 'Of Human Bondage' was written by William Somerset Maugham.

• Of Human Bondage:
- William Somerset Maugham রচিত ‘Of Human Bondage’ হলো একটি semi-autobiographical novel.
- এটি ১৯১৫ সালে প্রকাশিত হয় এবং লেখকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রচনা হিসেবে বিবেচিত।
- এতে মানুষের দুর্বলতা, ভালবাসা ও আত্মনিয়ন্ত্রণ নিয়ে গভীর আলোচনা করা হয়েছে।

• Short Summary:
- এই উপন্যাসে মূল চরিত্র ফিলিপ কেরি (Philip Carey)-এর জীবনকাহিনি বর্ণিত হয়েছে। ছোটবেলায় বাবা-মাকে হারিয়ে সে অনাথ হয়ে যায় এবং তার খোঁড়া পা (clubfoot) থাকার কারণে সবসময় হীনমন্যতায় ভোগে। ফিলিপ জীবনে নানা পথ খুঁজে বেড়ায়—ধর্ম, শিল্প, চিকিৎসা—কিন্তু কোথাও পূর্ণতা খুঁজে পায় না।

- লন্ডনে মেডিকেল ছাত্র থাকাকালীন সবচেয়ে বড় মোড় আসে যখন সে Mildred নামের এক নিষ্ঠুর ও স্বার্থপর waitress -এর প্রেমে পড়ে।মিলড্রেডের সঙ্গে সম্পর্ক তাকে বারবার ভেঙে ফেলে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত জীবনের অর্থ ও স্বাধীনতা খুঁজে পেতে সে শিখে নেয়— মানুষ আসলে আবেগ ও আসক্তির দাস।

• Main characters:
- Philip Carey,
- Mildred Rogers,
- Sally Athelny,
- Thorpe Athelny, etc.

• William Somerset Maugham (1874-1965):
- William Somerset Maugham ছিলেন একজন প্রখ্যাত ইংরেজী লেখক, নাট্যকার এবং উপন্যাসিক।
- তিনি চিকিৎসাবিদ্যায় প্রশিক্ষণ নিলেও লেখালেখিকেই পেশা হিসেবে বেছে নেন।
- তাঁর চিকিৎসা অভিজ্ঞতা তার লেখায় গভীর প্রভাব ফেলেছে।
- তবে ১৯১৫ সালে প্রকাশিত তাঁর আত্মজীবনীভিত্তিক উপন্যাস Of Human Bondage তাঁকে প্রকৃত খ্যাতি এনে দেয়।
- তাঁর ছোটগল্পগুলো বিশেষভাবে জনপ্রিয়, যেখানে প্রায়ই উপনিবেশিক পটভূমিতে মানুষের মনস্তত্ত্ব, দুর্বলতা ও সম্পর্ক তুলে ধরা হয়েছে।
- Maugham তাঁর পরিষ্কার ভাষা, বাস্তবধর্মী বর্ণনা ও চরিত্র বিশ্লেষণের জন্য বিখ্যাত ছিলেন।
- তার লেখায় মানব প্রকৃতি, সামাজিক সম্পর্ক, এবং জীবনের জটিলতা সম্পর্কে গভীর অন্তর্দৃষ্টি পাওয়া যায়।

• Notable works (Novels):
- Liza of Lambeth,
- Of Human Bondage,
- The Sacred Flames,
- The Razor's Edge,
- Cakes and Ale,
- The Musician,
- The Moon and Sixpence,
- Lady Frederick, etc.

• Short Stories:
- The Ant and the Grasshopper,
- The Luncheon.

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.

৩৪.
The news that you heard yesterday is known to all.
Here, the underlined part is a/an-
  1. Noun clause
  2. Relative clause
  3. Co-ordinate clause
  4. Principal clause
ব্যাখ্যা

• The news that you heard yesterday is known to all.
- Here, the underlined part is a Relative clause/adjective clause.

- এখানে, "that you heard yesterday" clause টি "news" noun টিকে modify করছে (by specifying which news is being referred to).
- It answers the question: Which news? → The news that you heard yesterday.

• Structure:
- Main clause: The news is known to all.
- Relative clause: that you heard yesterday (dependent clause describing "news").

• Adjective clause/Relative clause:
- যেসব sub-ordinate clause বাক্যে ব্যবহার হয়ে adjective এর কাজ করে তাদেরকে Adjective clause বলে।
- অর্থাৎ, যে clause টি বাক্যে noun/pronoun -এর পরে বসে ঐ noun/pronoun -কে modify করে তাকে adjective clause বলে।
- Adjective clause -কে Relative clause ও বলা হয়।
- Relative clause গুলো সাধারণত Relative pronoun (that, which, who, whose, whom, why, when) ইত্যাদি দ্বারা শুরু হয়।
- তবে মনে রাখতে হবে, who এবং which দ্বারা গঠিত clause টি যদি cause or purpose বোঝায় তবে সেটি Adverbial Clause হিসেবে বিবেচিত হবে।

- Adjective clause দুইটি স্থানে বসতে পারে:
1. Subject এর post-modifier হিসেবে- (Subject + adjective clause + verb + object).
- যেমন: The house where I grew up is now for sale.
2. Noun এর post-modifier হিসেবে- (Subject + verb + noun + adjective clause).
- যেমন: She wore the dress which was on sale.

• Note:
- Noun -এর পরে That যুক্ত clause টি Noun clause এবং Adjective clause উভয়ই হতে পারে।
• কখন Noun clause?
- Noun বা pronoun -এর apposition হিসেবে সাধারণত News, Hope, Belief, Fact, Rumour, ইত্যাদির পরে Noun Clause বসে।
- Apposition বলতে এমন কিছু বোঝায়, যা কোনো Noun বা pronoun সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য প্রদান করে।
- এই অতিরিক্ত তথ্য noun/pronoun কে modify করে না। তাই তা adjective clause হবে না।
- যেমন: The news that Rajib got married took everyone by surprise.
- এই বাক্যে That যুক্ত clause টি 'News' সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য প্রদান করছে, 'News' কে modify করছে না।
- Noun clause এর ক্ষেত্রে অর্থের দিক থেকে লক্ষ্য করলে "এটাই সেটা" এরকম তথ্য পাওয়া যায়।
- যেমন: 'that Rajib got married' টাই এখানে news.
- Noun clause এর ক্ষেত্রে আগের noun phrase টিকে বাদ দিলেও অর্থ ঠিক থাকে, কিন্তু that কে উঠিয়ে দেওয়া যায় না।
- যেমন: That Rajib got married took everyone by surprise.

• কখন Adjective clause?
- যখন noun/pronoun কে modify করে (দোষ, গুণ, সংখ্যা, পরিমাণ, ইত্যাদি বুঝায়) তখন adjective clause হয়।
- যেমন: The news that you heard yesterday is known to all.
- এই বাক্যে That যুক্ত clause টি 'News' কে modify করছে, অর্থাৎ, news কে describe করছে (that you heard yesterday).
- Adjective clause এর ক্ষেত্রে that -এর পরের clause টির অর্থ পরিপূর্ণ হয় না, এবং এক্ষেত্রে that কে উঠিয়ে দেওয়া যায়।
- যেমন: The news you heard yesterday is known to all.

অন্যদিকে,
• Co-ordinate clause:

- Joins two independent clauses by Co-ordinating conjunctions (yet, but, or, otherwise, and).
- যেমন: The news is true, and everyone knows it.

• Principal clause:

- An independent clause that can stand alone.
- যে সকল clause তাদের অর্থ প্রকাশের জন্য অন্য কোনো clause এর উপর নির্ভরশীল নয় তাদের principal clause বলে।
- আধুনিক English Grammar এ Simple sentence কেও clause বলা হয় কারণ Simple sentence গুলাে সর্বদাই principal clause হয়ে থাকে।
- Principal clause কে আবার Main clause বা Independent clause ও বলা হয়।
- যেমন: Because it was raining, we stayed indoors.

৩৫.
______ the day went on, the weather worsened.
  1. Just
  2. As
  3. Unless
  4. So
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: As the day went on, the weather worsened.
- Bangla meaning: দিন যতই গড়িয়েছে, আবহাওয়া ততই খারাপ হয়েছে।

- বাক্যটিতে দুটি clause কে যুক্ত করতে এমন একটি conjunction প্রয়োজন যা progression of time দেখায়।
- অর্থাৎ, সময়ের অগ্রগতির সাথে সাথে অন্য clause -এর কাজটিও ঘটে।

- As is used to mean "while" or "during the time that", indicating that two actions are happening simultaneously and one is affecting the other.
- অর্থাৎ, Conjunction হিসেবে As (while; when; during the time that) - যখন; চলাকালীন; যতই অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- তাই, এখানে সঠিক উত্তর হবে- As.

• As (conjunction)
- English Meaning: while; when; during the time that.
- Bangla Meaning: যখন; চলাকালীন; যতই।

অন্যদিকে,
ক) Just
- ঠিক; মাত্র; ন্যায্য; যুক্তিযুক্ত ইত্যাদি অর্থে (adjective, adverb) হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: This is just what I expected.

গ) Unless
- except if 'যদি না' অর্থে এটি শর্ত বোঝাতে conjunction হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি নিজেই negative অর্থ প্রদান করে।
- এজন্যে unless দ্বারা যে clause শুরু হয় তাতে no বা not বসে না।
- যেমন: Do not punish him unless he behaves roughly.

ঘ) So
- সুতরাং; অতএব; সে-কারণে; সেই জন্য ইত্যাদি অর্থে conjunction হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- It Indicates result of previous clause.
- যেমন: Nobody answered my knock, so I went away.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৩৬.
The term "Pedagogy" refers to-
  1. The method of political rule.
  2. The art or profession of teaching.
  3. The art or science of teaching adults.
  4. The branch of medicine dealing with children.
ব্যাখ্যা

• The term "Pedagogy" refers to- The art or profession of teaching.

• Pedagogy (noun):
- English Meaning: The art, science, or profession of teaching; the study of the methods and activities of teaching.
- Bangla Meaning: শিক্ষণবিজ্ঞান।(আনুষ্ঠানিক) স্কুলশিক্ষক; শিক্ষকতার পেশা।

অন্যদিকে,
• Demagogy:
- English Meaning: the methods or practices of a demagogue; the method of political rule as demagogy.
- Bangla Meaning: বক্তৃতাসর্বস্ব/গলাবাজির রাজনীতি।

• Andragogy:
- English Meaning: The art or science of teaching adults.
- Bangla Meaning: বয়স্কশিক্ষা।

• Pediatric:
- English Meaning: The branch of medicine dealing with children.
- Bangla Meaning: শিশুচিকিৎসা।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৩৭.
A note added at the end of a letter after it is signed is called _____ .
  1. Corrigendum
  2. Nota bene
  3. Postscript
  4. Footnote
ব্যাখ্যা

• A note added at the end of a letter after it is signed is called a Postscript.

• Postscript:
- A note or series of notes appended to a completed letter, article, or book.
- চিঠিতে স্বাক্ষরের পর যুক্ত অত্তিরিক্ত বার্তা বা বাক্যাবলীকে বলা হয় - Postscript.
- একে সংক্ষিপ্ত ভাবে - PS বলে।
- It comes from the Latin - postscriptum, which literally means “written after.”
- যার বাংলা অর্থ- পুনশ্চ, পত্রের পুনশ্চ লিখন।

• অন্যদিকে,
• Corrigendum:
- English Meaning: A thing to be corrected, typically an error in a printed book.
- Bangla Meaning: সংশোধনীয় বিষয়।

• Nota bene:
- English Meaning: —used to call attention to something important.
- Bangla Meaning: (সংক্ষেপ NB) সতর্কতার সঙ্গে লক্ষ করুন; লক্ষণীয়।

• Footnote:
- English Meaning: A note of reference, explanation, or comment usually placed below the text on a printed page.
- Bangla Meaning: পাদটীকা।

৩৮.
Identify the correct sentence:
  1. She insisted with seeing her lawyer.
  2. She insisted in seeing her lawyer.
  3. She insisted on seeing her lawyer.
  4. She insisted to seeing her lawyer.
ব্যাখ্যা

• Correct sentence: She insisted on seeing her lawyer.

• Insist on doing something
- English Meaning: to demand something or say forcefully that you want something.
- Bangla Meaning: কোনো কিছুতে জোর দেয়া বা পীড়াপীড়ি করা।

- Insist on/upon এর পরে noun/gerund (-ing form of a verb) বসে।

More Examples:
- He insisted on my going there.
- She insists on doing everything her own way.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৩৯.
'পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন' সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
  1. ১৮ক নং অনুচ্ছেদ
  2. ১৮ নং অনুচ্ছেদ
  3. ২২ নং অনুচ্ছেদ
  4. ২৪ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

'পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন' সংবিধানের ১৮ক নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে।

সংবিধানের ১৮(ক) নং অনুচ্ছেদ:
- রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করিবেন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ, জীব- বৈচিত্র্য, জলাভূমি, বন ও বন্যপ্রাণির সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিধান করবেন।

অন্যদিকে -
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮ নং অনুচ্ছেদে জনস্বাস্থ্য এবং নৈতিকতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগসমূহ থেকে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে।
- ২৪ নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় স্মৃতি নিদর্শন প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৪০.
বাংলার শেষ নবাব সিরাজউদ্দৌলা কোন যুদ্ধে পরাজিত হয়েছিলেন?
  1. বক্সারের যুদ্ধ
  2. কর্ণাটকের যুদ্ধ
  3. এলাহাবাদের যুদ্ধ
  4. পলাশী যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

বাংলার শেষ নবাব সিরাজউদ্দৌলা পলাশী যুদ্ধে পরাজিত হয়েছিলেন।

পলাশী যুদ্ধ:
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মধ্যে ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল তাই পলাশীর যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- এ যুদ্ধ আট ঘণ্টার মতো স্থায়ী ছিল।
- প্রধান সেনাপতি মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে নবাব সিরাজউদ্দৌলা কোম্পানি কর্তৃক পরাজিত হন।
- এ যুদ্ধের রাজনৈতিক ফলাফল ছিল সুদূরপ্রসারী ও ধ্বংসাত্মক।
- এর ফলে বাংলায় ব্রিটিশ শাসনের ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয়।

⇒ ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে ২৩ জুন ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশীর আমবাগানে নবাব সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে ইংরেজ সেনাপতি রবার্ট ক্লাইভের যুদ্ধ হয়।
- এই যুদ্ধে নবাবের পক্ষে ছিলেন দেশপ্রেমিক মীরমদন, মোহন লাল এবং ফরাসি সেনাপতি সিনফ্রে। নবাবের পক্ষে সৈন্যসংখ্যা ছিল প্রায় ৬৫ হাজার।
- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির পক্ষে ছিল মাত্র ৩ হাজার।
- জেতার সব ধরণের সুযোগ সুবিধার পরও নবাব পরাজিত হন তার সেনাপতি মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে।
- যুদ্ধের ফলে মীরজাফরকে বাংলার সিংহাসনে বসালেও প্রকৃত ক্ষমতা ছিল রবার্ট ক্লাইভের হাতে।
- ইংরেজরা বাংলায় একচেটিয়া ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ পায়।
- অপরদিকে ফরাসিরা এদেশ ছাড়তে বাধ্য হয়।
- এ ভাবেই এ যুদ্ধে বাংলা তথা ভারতের স্বাধীনতা ভূলুণ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব ছিলেন সিরাজউদ্দৌলা।
- তিনি ১৭৫৭ সালের ২৩ শে জুন ইংরেজদের নিকট পলাশী যুদ্ধে পরাজিত হন। এর ফলে বাংলার স্বাধীনতার সমাপ্তি ঘটে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪১.
জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ অনুসারে, বৃহৎ শিল্পে কতজনের অধিক শ্রমিক কাজ করে?
  1. ২০০
  2. ২৩০
  3. ২৫০
  4. ৩০০
ব্যাখ্যা

জাতীয় শিল্পনীতি:
- সর্বশেষ জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ অনুসারে এসএমই ও অন্যান্য শিল্প প্রতিষ্ঠান/উদ্যোগ এর শ্রেণিবিন্যাস -

⇒ বৃহৎ শিল্প (Large scale industries):
- উৎপাদনের ক্ষেত্রে ‘বৃহৎ শিল্প’ (Large Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ (Replacement Cost) ৫০ কোটি টাকার অধিক কিংবা তৈরী পোশাক/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠান ব্যতীত যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ৩০০ জনের অধিক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে। যে সকল তৈরী পোশাক/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকের সংখ্যা ১০০০ এর অধিক কেবল সে সকল তৈরি পোশাক শিল্প বৃহৎ শিল্পের অন্তর্ভুক্ত হবে।
- সেবা শিল্পের ক্ষেত্রে ‘বৃহৎ শিল্প’ বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ৩০ কোটি টাকার অধিক কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ১২০ জনের অধিক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।

উৎস: ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট।

৪২.
বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. পঞ্চগড়
  2. নীলফামারী
  3. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  4. দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর:
- বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরটি বাংলাদেশের পঞ্চগড় জেলার তেতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা সীমান্তে অবস্থিত।
- এর বিপরীতে পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার ফুলবাড়ী সীমান্ত অবস্থিত।
- স্থলপথে আমদানি রপ্তানি সহজ করার জন্য ১২ জানুয়ারি, ২০০২ সালে বাংলাবান্ধা শুল্ক স্টেশনটিকে স্থলবন্দর ঘোষনা করা হয়।

⇒ বিভিন্ন স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান:
- বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- সোনা মসজিদ স্থল বন্দর: চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
- হিলি স্থলবন্দর: দিনাজপুর।
- ভোমরা স্থলবন্দর: সাতক্ষীরা।
- বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।

৪৩.
জুলাই ঘোষণাপত্রে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহীদদের কী নামে আখ্যায়িত করা হয়েছে?
  1. জাতীয় সৈনিক
  2. জুলাই বীর
  3. জাতীয় বীর
  4. জুলাই সৈনিক
ব্যাখ্যা

জুলাই ঘোষণাপত্র:
- ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ হলো ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের একটি দলিল যার মাধ্যমে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
- অন্যদিকে জুলাই জাতীয় সনদ হলো রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নে ঐকমত্যের একটি রাজনৈতিক দলিল।
- অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ৫ আগস্ট, ২০২৫ তারিখে র ‘৩৬ জুলাই উদ্‌যাপন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করেছেন।

⇒ জুলাই ঘোষণাপত্রে ২৮টি ধারা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
- জুলাই ঘোষণাপত্রের ২৪ নং ধারায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহীদদের 'জাতীয় বীর' হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।
- ২৪ নং ধারা: সেহেতু বাংলাদেশের জনগণ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সকল শহীদদের জাতীয় বীর হিসেবে ঘোষণা করে শহীদদের পরিবার, আহত যোদ্ধা এবং আন্দোলনকারী ছাত্রজনতাকে প্রয়োজনীয় সকল আইনি সুরক্ষা দেওয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে।

উৎস: প্রথম আলো।

৪৪.
বর্তমানে বাংলাদেশের চামড়াজাত পণ্যের সবচেয়ে বড় বাজার কোন দেশ? (অক্টোবর ২০২৫)
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. জার্মানি
  4. স্পেন
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত:
- তৈরি পোশাকের পর দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য।
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে ৩৪ কোটি মার্কিন ডলার।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের তৈরি চামড়া ও চামড়াবিহীন জুতা এবং চামড়া পণ্যের সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র।
- বিদায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৩৪ কোটি ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ৯ কোটি ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে। তার বাইরে ভারতে ৭ কোটি ১৯ লাখ, জাপানে ৫ কোটি ৬৩ লাখ ও বেলজিয়ামে ২ কোটি ৮২ লাখ ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়।
- চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের বাজার বিস্তারের জন্য ২০১৭ সালে ট্যানারি শিল্পের স্থানান্তর করা হয় সাভারের হেমায়েতপুরে।

উৎস: প্রথম আলো। [link]

৪৫.
কত সালে বাংলাদেশ গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে স্বাক্ষর করেছে?
  1. ২০১২ সালে
  2. ২০১৪ সালে
  3. ২০১৮ সালে
  4. ২০২৪ সালে
ব্যাখ্যা

গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদ (ICPPED):
- ICPPED-এর পূর্ণরূপ: International Convention for the Protection of All Persons from Enforced Disappearance.
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০ ডিসেম্বর, ২০০৬।
- কার্যকর হয়: ২৩ ডিসেম্বর, ২০১০।
- ICPPED জাতিসংঘের আওতাধীন একমাত্র আন্তর্জাতিক কনভেনশন যা এনফোর্স ডিসএপিয়ান্সকে কেন্দ্র করে গৃহীত হয়েছে, যার লক্ষ্য হলো গুম বন্ধের পাশাপাশি এই অপরাধের জন্য দায়মুক্তি বন্ধ করা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের সহায়তা দেওয়া।
- সনদে মোট ৪৫টি অনুচ্ছেদ আছে।
- ৩০ আগস্ট আন্তর্জাতিক গুমবিরোধী দিবস।

⇒ আগস্ট ২৯, ২০২৪ তারিখে বাংলাদেশ গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে স্বাক্ষর করেছে।

উৎস: i) OHCHR ওয়েবসাইট।
ii) UNTC ওয়েবসাইট।

৪৬.
দেশের ইতিহাসে প্রথম নারী শিক্ষা সচিব কে?
  1. রেহানা পারভীন
  2. জোবায়দা আক্তার
  3. সেলিনা বেগম
  4. নাজনিন খাতুন
ব্যাখ্যা

প্রথম নারী শিক্ষা সচিব:
- বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম নারী শিক্ষা সচিব রেহানা পারভীন।

⇒ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের নতুন সচিব হয়েছেন রেহানা পারভীন।
- তিনি এর আগে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনএসডিএ) নির্বাহী চেয়ারম্যান (সচিব) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
- ১৮ আগস্ট, ২০২৫ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে রেহানা পারভীন আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের প্রথম নারী শিক্ষা সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেলেন।

উল্লেখ্য,
- শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ২০১৬ সালের নভেম্বরে দুটি বিভাগে ভাগ করা হয়।
- একটি হলো মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং অন্যটি কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ।
- ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার পর থেকে অবিভক্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মোট ৩৩ জন সিনিয়র সচিব ও সচিব দায়িত্ব পালন করেছেন।
- বিভাগ বিভক্ত হওয়ার পর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে এখন পর্যন্ত সাতজন সিনিয়র সচিব ও সচিব দায়িত্ব পালন করলেও তাদের কেউ নারী ছিলেন না।

উৎস: প্রথম আলো।

৪৭.
ব্যাংক কোম্পানি আইন কত সালে কার্যকর করা হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৯১ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা

ব্যাংক-কোম্পানী আইন:
- ব্যাংক-কোম্পানী আইন ১৯৯১ সালে কার্যকর হয়।

⇒ ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ বাংলাদেশে ব্যাংকিং খাতের নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা এবং কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রণীত একটি আইন।
- এটি ব্যাংক-কোম্পানীগুলোর কার্যক্রম, শেয়ার, পরিচালনা পর্ষদ, লাইসেন্স, নিরীক্ষা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্ষমতার বিষয়ে বিধান প্রদান করে।
- উদ্দেশ্য: ব্যাংক-কোম্পানীগুলোর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা এবং জনস্বার্থ রক্ষা এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালে এই আইনের অধিকতর সংশোধন করা হয়েছে, যাতে ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও স্বচ্ছ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

৪৮.
বাংলাদেশ সরকার কত সালে 'ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন' প্রণয়ন করে?
  1. ২০০৫ সালে
  2. ২০০৭ সালে
  3. ২০০৮ সালে
  4. ২০১১ সালে
ব্যাখ্যা

ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন:
- বাংলাদেশ সরকার ২০০৫ সালে 'ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন' প্রণয়ন করে।

⇒ বাংলাদেশ সরকার ২০০৩ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উদ্যোগে গৃহীত আন্তর্জাতিক চুক্তি এফসিটিসিতে (ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন টোব্যাকো কন্ট্রোল) স্বাক্ষর করে।
- চুক্তির বিধানসমূহ প্রতিপালনে সরকার পরবর্তী সময়ে ২০০৫ সালে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়ন করে।
- এই আইনের ৪ ধারার ১ উপধারায় স্পষ্টভাবে বলা আছে, কোনো ব্যক্তি কোনো পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে ধূমপান করতে পারবেন না, অর্থাৎ উন্মুক্ত স্থানে ধূমপান নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

উৎস: i) ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০৫।
ii) প্রথম আলো।

৪৯.
বাংলাদেশের অভিবাসী নারী শ্রমিকদের সর্বাধিক গন্তব্যস্থল কোন দেশ? (অক্টোবর ২০২৫)
  1. সৌদি আরব
  2. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  3. জর্ডান
  4. লেবানন
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের অভিবাসী নারী শ্রমিকদের সর্বাধিক গন্তব্যস্থল:
- বাংলাদেশ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য মতে, বাংলাদেশের অভিবাসী নারী শ্রমিকদের সবচেয়ে বড় গন্তব্যস্থল মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো।
- এর মধ্যে অভিবাসী নারী শ্রমিকরা সবচেয়ে বড় গন্তব্যস্থল সৌদি আরব।
- মোট নারী অভিবাসীর ৭২ শতাংশের গন্তব্য হলো সৌদি আরব।

এছাড়াও,
- অভিবাসী নারী শ্রমিকদের ২য় বড় গন্তব্যস্থল জর্ডান (১৮%)।
- অভিবাসী নারী শ্রমিকদের ৩য় বড় গন্তব্যস্থল কাতার (১৮%)।
- কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে গন্তব্যের পরিমাণ ১%।

উৎস: BMET ওয়েবসাইট।

৫০.
বাংলাদেশের সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষা সর্বপ্রথম শুরু হয় -
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস:
- BCS-এর পূর্ণরূপ: বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (Bangladesh Civil Service)।
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে কর্মকর্তা বা ক্যাডার নিয়োগের পরীক্ষাকে বলা হয় বিসিএস পরীক্ষা (BCS Examination)।
বাংলাদেশ কর্ম কমিশন (Bangladesh Public Service Commission – BPSC) দ্বারা এই পরীক্ষা গৃহীত হয়ে থাকে।

⇒ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস যা ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসন আমলের ইম্পেরিয়াল সিভিল সার্ভিস থেকে উদ্ভুত হয়েছে।
- জনগণের ভোটে নির্বাচিত নীতিনির্ধারকদের প্রণীত নীতি মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ কর্ম কমিশন বা বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (বিপিএসসি) কতৃক নিয়োগকৃত যে বেসামরিক কর্মকর্তা বা কর্মচারিরা কাজ করেন, তাদেরকেই বিসিএস ক্যাডার (BCS Cadre) বলা হয়।
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে নিয়োগ পরীক্ষা গ্রহণের জন্য প্রণীত বিসিএস (বয়স, যোগ্যতা ও সরাসরি নিয়োগের জন্য পরীক্ষা) বিধিমালা-২০১৪ অনুযায়ী বিসিএস-এর নিম্নোক্ত ২৬টি ক্যাডারে উপযুক্ত প্রার্থী নিয়োগের উদ্দেশ্যে কমিশন কর্তৃক ৩ স্তরবিশিষ্ট পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। বাছাই পরীক্ষা হয় তিন ধাপে। ধাপগুলো হলো- প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা।

⇒ বাংলাদেশের সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষা সর্বপ্রথম শুরু হয় ১৯৭৩ সালে। স্বাধীনতার পর সেই বছর বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (BPSC) প্রথমবারের মতো বিসিএস-এর মাধ্যমে নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করে। তবে তখনকার পরীক্ষা ছিল শুধুমাত্র মৌখিক (viva-voce) ভিত্তিক। এরপর পর্যায়ক্রমে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার সমন্বয়ে পূর্ণাঙ্গ বিসিএস পরীক্ষা চালু হয়।
- বাংলাদেশের প্রথম বিসিএস ক্যাডার মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার আবুল কালাম।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭২ সালের ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়। সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশকে এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র ঘোষণা করা হয়। তার ফলে কেন্দ্রীয় পর্যায়ের চাকরির প্রয়োজনীয়তা শেষ হয়ে যায়। সংবিধানে সিভিল সার্ভিস শব্দটা ব্যবহার করা হয় নি, তবে সকল শ্রেণীর সিভিল সার্ভেন্টকে প্রজাতন্ত্রের চাকরিতে নিয়োজিত ব্যক্তি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। চাকরি সংক্রান্ত প্রাসঙ্গিক অধ্যায় (১৩৬ নং অনুচ্ছেদে) অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে। প্রথম, এই অনুচ্ছেদে সিভিল সার্ভিসের সদস্যদের চাকরির শর্তাবলি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়নের ক্ষমতা সংসদকে দেয়া হয়েছে। দ্বিতীয়, এতে সরকারকে সিভিল সার্ভিস পুনর্গঠন করার এবং সিভিল সার্ভিস সদস্যদের অসুবিধা ঘটতে পারে চাকরির এমন শর্তাবলি পরিবর্তন করারও ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

⇒ পাকিস্তান আমল থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত এই সিভিল সার্ভিসকে পুনর্গঠিত করার কাজেও সরকার হাত দেয়। এই লক্ষ্যে সরকার প্রশাসনিক ও চাকরি পুনর্গঠন কমিটি (এএসআরসি, ১৯৭৩) নামে একটি কমিটি গঠন করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এম.এ চৌধুরী ছিলেন এই কমিটির প্রধান। চাকরি পুনর্গঠনে সরকারের ক্ষমতাকে কার্যকারিতা দেয়ার জন্য ১৯৭৫ সালে চাকরি (পুনর্গঠন ও শর্তাবলী) অধ্যাদেশ এবং এতদসংক্রান্ত একটা আইন জারি করা হয়। এই ক্যাডারের রিক্রুটমেন্ট করা হয়েছিল ১৯৭৩ সালে, তবে বিধিবিধান প্রণীত হয়েছিল ১৯৭৬ সালে।

উৎস: i) বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন।
ii) বাংলাপিডিয়া।
iii) প্রথম আলো।

৫১.
রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫ অনুসারে, নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা লঙ্ঘনে সর্বোচ্চ জরিমাণা কত?
  1. ৫০ হাজার টাকা
  2. ৮০ হাজার টাকা
  3. ১ লক্ষ টাকা
  4. ১.৫ লক্ষ টাকা
ব্যাখ্যা

রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫:
- ‘গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এর সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদ, যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সংশোধন সাপেক্ষে, নির্বাচন কমিশন ‘রিপ্রেজেন্টেশন অব দ্য পিপল অর্ডার, ১৯৭২ (পি.ও নং ১৫৫ অফ ১৯৭২)’ এর আর্টিকেল ৯১বি এর আলোকে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫ এর একটি খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে।
- ২৯ জুন, ২০২৫ তারিখে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫ এর খসড়া চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ‘রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০০৮’-এর আলোকে এ খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। যেখানে সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের আচরণ কেমন হবে, তা নিয়ে বেশ কিছু নতুন বিষয় সংযোজন করেছে কমিশন।

• মাইকে গণসংযোগের সময় শব্দের মাত্রা ৬০ ডেসিবেলে রাখতে হবে। প্রচারণার সময় তিন সপ্তাহ থাকছে। টিভিতে সংলাপের সুযোগ রাখা হয়েছে।
• যেসব প্রার্থী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতি বা সদস্য হিসেবে পরিচালনা পর্ষদে থাকবেন বা মনোনীত হয়েছেন বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে, প্রার্থিতা চূড়ান্ত হওয়ার পর সেখান থেকে তাদের পদত্যাগ করতে হবে।
• নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা লঙ্ঘনে যে নরমাল শাস্তি ছিল, ছয় মাস কারাদণ্ড ও সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, এবার জরিমানা বাড়িয়ে সর্বোচ্চ দেড় লাখ টাকার প্রস্তাব রয়েছে।
• নির্বাচনি প্রচারণায় অপচনশীল দ্রব্য যেমন- রেক্সিন, পলিথিন, প্লাস্টিকসহ পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কোন উপাদানে তৈরি কোন নির্বাচনি প্রচারপত্র, লিফলেট, হ্যান্ডবিল, ফেস্টুন ও ব্যানার ব্যবহার করা যাবে না।
• নির্বাচনে প্রার্থীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে নির্বাচনি প্রচার প্রচারণা চালাতে পারবে না। তবে প্রার্থী বা তার এজেন্টের অ্যাকাউন্ট আইডি, ই-মেইল আইডি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের নাম রিটার্নিং অফিসারের নিকট দাখিল করতে হবে।
• প্রার্থীরা নির্বাচনি প্রচারণায় দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মাইক ব্যবহার করতে পারবেন। তবে ৩টির অধিক মাইক্রোফোন বা লাউড স্পিকার ব্যবহার করতে পারবে না।
• মসজিদ, মন্দির, গির্জা বা অন্য কোন ধর্মীয় উপাসনালয়ে কোন প্রকার নির্বাচনী প্রচারণা চালানো যাবে না।

উৎস: i) বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।

৫২.
কোন মুঘল সম্রাটের শাসনামলে ঢাকা গেইট নির্মিত হয়েছে?
  1. সম্রাট আওরঙ্গজেব
  2. সম্রাট জাহাঙ্গীর
  3. সম্রাট আকবর
  4. সম্রাট বাবর
ব্যাখ্যা

ঢাকা গেইট:
- ঢাকা গেইট ঐতিহাসিক মোগল স্থাপত্য নিদর্শন।
- এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দোয়েল চত্বর এলাকার ঐতিহাসিক স্থাপনা।
- এটি মীর জুমলা গেইট, ময়মনসিংহ গেইট বা রমনা গেইট নামেও পরিচিত ছিল।
- 'ঢাকা গেইট' এর নির্মাতা হলেন 'মীর জুমলা'।
- সম্রাট আওরঙ্গজেবের শাসনামলে ঢাকা গেইট নির্মিত হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের সময়ে বাংলার গভর্নর হয়ে আসেন মীর জুমলা।
- মীর জুমলা ১৬৬০ থেকে ১৬৬৩ সালের মধ্যে ঢাকা গেইট নির্মাণ করেছিলেন।
- সীমানা চিহ্নিত করতে এবং স্থলপথে শত্রুদের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে এটি নির্মাণ করা হয়।
- সম্প্রতি ঢাকা গেট সংস্কার শেষে নতুন করে উদ্বোধন হয় ঐতিহাসিক ঢাকা গেইট।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বিবিসি বাংলা।

৫৩.
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পাকিস্তানের আত্মসমর্পণ দলিলটির শিরোনাম কী?
  1. ডিক্লারেশন অব ইন্ডিপেনডেন্স
  2. ইন্সট্রুমেন্ট অব সারেন্ডার
  3. এগ্রিমেন্ট অব বাংলাদেশ
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

পাকিস্তানের আত্মসমর্পণের দলিল: INSTRUMENT OF SURRENDER 1971
- ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের আত্মসমর্পণ দলিলটির শিরোনাম INSTRUMENT OF SURRENDER.
- এটি তিন প্রস্থে প্রস্তুত করা হয়। একটি প্রস্থ ভারত সরকার এবং দ্বিতীয় প্রস্থ পাকিস্তান সরকারের কাছে সংরক্ষিত আছে। তৃতীয় প্রস্থটি রয়েছে ঢাকার শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরে।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকেল পাঁচটা এক মিনিটে রমনা রেসকোর্সে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) মুক্তিবাহিনী-মিত্রবাহিনী যৌথ কম্যান্ডের পক্ষে লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা এবং পাকিস্তান বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের পক্ষে লেফটেন্যান্ট জেনারেল নিয়াজী পাকিস্তানের আত্মসমপর্ণের দলিলে স্বাক্ষর করেন।

উল্লেখ্য,
- ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সকালে মানেকশ ভারতের পূর্বাঞ্চল বাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ মেজর জেনারেল জে এফ আর জেকবকে আত্মসমর্পণের দলিল ও আনুষ্ঠানিকতা চূড়ান্ত করার জন্য ঢাকায় পাঠান। ১৬ ডিসেম্বর বিকালে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর ৯৩ হাজার সৈন্য বিনা শর্তে সম্মিলিত বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে।
- এই আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন পূর্বাঞ্চলের সম্মিলিত বাহিনী প্রধান লেঃ জেনারেল জগজিত সিং অরোরা ও পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় অধিনায়ক লেঃ জেঃ এ কে নিয়াজী।
- এই আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন মুক্তিবাহিনীর উপ-সেনা প্রধান ও বিমান বাহিনী প্রধান গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।

এছাড়াও,
- এই অনুষ্ঠানে মুক্তিবাহিনীর নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন এস ফোর্স অধিনায়ক লেঃ কর্নেল কে এম সফিউল্লাহ, ২নং সেক্টরের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর এ টি এম হায়দার এবং টাঙ্গাইল মুক্তি বাহিনীর অধিনায়ক জনাব কাদের সিদ্দিকী।

উৎস: i) মুক্তিযুদ্ধ -ই - আর্কাইভ।
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণি।
iii) দৈনিক ইত্তেফাক।

৫৪.
ইলিশ মাছ জিআই (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় -
  1. ২০১৫ সালে
  2. ২০১৬ সালে
  3. ২০১৭ সালে
  4. ২০১৮ সালে
ব্যাখ্যা

জিআই (GI):
- জিআই (GI) এর পূর্ণরুপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- জাতিসংঘের সংস্থা WIPO (World Intellectual Property Organization) হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- কোনো একটি দেশের নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের মাটি, পানি, আবহাওয়ার প্রেক্ষাপটে সেখানকার জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি যদি কোনো একটি পণ্য উৎপাদনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তাহলে সেটিকে সেই দেশের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- দেশে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) আইন পাস হয় ২০১৩ সালে।
- দেশের প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধন পায় জামদানি।

⇒ ইলিশ মাছ জিআই (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় ২০১৭ সালে।
- বাংলাদেশের জিডিপিতে ইলিশ মাছের অবদান ১ শতাংশের বেশি। দেশের মৎস্য উৎপাদনে যার অংশ প্রায় ১১ শতাংশ। বিশ্বের মোট উৎপাদিত ইলিশের ৮০ শতাংশের বেশি আহরিত হয় বাংলাদেশের নদ-নদী, মোহনা ও সাগর থেকে।

উৎস: i) পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

৫৫.
সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে কতটি ক্ষেত্রে সংযোজন, পরিমার্জন ও প্রতিস্থাপন আনা হয়েছিল?
  1. ২২টি
  2. ৩৪টি
  3. ৪২টি
  4. ৫৪টি
ব্যাখ্যা

পঞ্চদশ সংশোধনী:
- ২০১১ সালের ৩০শে জুন জাতীয় সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনী আইন পাস হয় এবং রাষ্ট্রপতির অনুমোদন হয় ২০১১ সালের ৩ জুলাই।
- সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা পুনর্বহাল করা হয় এবং রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হিসেবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- এই সংশোধনীর দ্বারা 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল' করা হয়।
- জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বিদ্যমান ৪৫-এর স্থলে ৫০ করা হয়।
- সংবিধানে ৭ অনুচ্ছেদের পরে ৭ (ক) ও ৭ (খ) অনুচ্ছেদ সংযোজন করে সংবিধান বহির্ভূত পন্থায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের পথ রুদ্ধ করা হয়।

উল্লেখ্য,
- পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ৫৪টি ক্ষেত্রে সংযোজন, পরিমার্জন ও প্রতিস্থাপন আনা হয়েছিল।
- পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকার ১৪২ অনুচ্ছেদ থেকে ‘গণভোটের’ বিধান বাদ দিয়েছিল।
- এ ছাড়া পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে অসাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলকে রাষ্ট্রদ্রোহ অপরাধ বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে রাষ্ট্রদ্রোহের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধানও যুক্ত করা হয়। আগে মেয়াদ শেষ হওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনে নির্বাচন করার বিধান থাকলেও পঞ্চদশ সংশোধনীতে পূর্ববর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার বিধান সংযোজন করা হয়।

উৎস: i) BBC.
ii) প্রথম আলো।

৫৬.
জাতিসংঘ 'সনদ' কার্যকর হয় -
  1. ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর
  2. ১৯৪৪ সালের ২৬ জুন
  3. ১৯৪৫ সালের ২৫ এপ্রিল
  4. ১৯৪৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠা:
- ১৯৪৫ সালের ২৫ এপ্রিল-২৬ জুন ৫০টি দেশের প্রতিনিধিরা সানফ্রান্সিসকো শহরে মিলিত হন।
- ২৬ জুন ১১১টি ধারা সম্বলিত জাতিসংঘ সনদ অনুমোদিত হয়।
- জাতিসংঘ সনদ কার্যকর হয় ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর।
- মোট ৫১টি দেশ মূল সনদে স্বাক্ষর করেছিল।
- এ কারণে এই ৫১টি দেশকে জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ধরা হয়।

উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান-৩, বিএ এবং বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৭.
বর্তমানে আসিয়ান কতটি সদস্য রাষ্ট্রের সমন্বয়ে গঠিত? (অক্টোবর ২০২৫)
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ১৩টি
ব্যাখ্যা

আসিয়ান (ASEAN):
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা।
- আসিয়ান (ASEAN) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দশটি দেশের একটি আঞ্চলিক সংস্থা, যা ৮ আগস্ট ১৯৬৭ সালে ব্যাংকক, থাইল্যান্ডে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ড।
- পরবর্তীতে যোগদানকারী দেশ: ব্রুনাই দারুস সালাম, ভিয়েতনাম, লাওস, মিয়ানমার ও কম্বোডিয়া।
- বর্তমানে আসিয়ান ১০টি সদস্য রাষ্ট্রের সমন্বয়ে গঠিত।
- আসিয়ান অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

উৎস: ASEAN ওয়েবসাইট।

৫৮.
নিম্নের কোন সংস্থাটি 'Soft Loan Window' নামে পরিচিত?
  1. IMF
  2. IDA
  3. IDB
  4. IFC
ব্যাখ্যা

• IDA:
- IDA (International Development Association) প্রতিষ্ঠিত হয় ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৬০ সালে।
- এটি সহজ শর্তে ঋণ প্রদান করে, তাই এটি 'International Soft Loan Window' নামে পরিচিত।
- IDA-এর মূল উদ্দেশ্য দারিদ্র্য নিয়ন্ত্রণ এবং বিকাশে সাহায্য করা।
- এটি উন্নত দেশগুলির জন্য অনুকূল শর্তে ঋণ প্রদান করে, যাতে তারা অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নতি অর্জন করতে সক্ষম হতে পারে।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ১৭৫টি।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- IDA জরুরি সহায়তা প্রদানের জন্য ২০০৭ সালে Crisis Response Window চালু করে।

উৎস: আইডিএ ওয়েবসাইট ও বিশ্বব্যাংক।

৫৯.
'গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার ইনডেক্স ২০২৫ অনুযায়ী', বাংলাদেশের অবস্থান কততম? (অক্টোবর ২০২৫)
  1. ৩৭তম
  2. ৩৫তম
  3. ৩৯তম
  4. ৩৩তম
ব্যাখ্যা

গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার ইনডেক্স (GFP)- ২০২৫:
• সূচক নির্ধারণের প্রধান মানদণ্ড:
- সামরিক ইউনিটের সংখ্যা;
- আর্থিক সক্ষমতা;
- লজিস্টিক দক্ষতা;
- ভৌগোলিক পরিস্থিতি।

• শীর্ষ তিন সামরিক শক্তিধর দেশ:
১. যুক্তরাষ্ট্র – ১ম স্থান (স্কোর: ০.০৭৪৪);
২. রাশিয়া – ২য় স্থান (স্কোর: ০.০৭৮৮);
৩. চীন – ৩য় স্থান (স্কোর: ০.০৭৮৮)।

• বাংলাদেশের অবস্থান:
মোট দেশ: ১৪৫,
- বাংলাদেশের র‌্যাংক: ৩৫তম,
- পাওয়ার ইনডেক্স স্কোর: ০.৬০৬২।

সূত্র: গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার ইনডেক্স (GFP) ওয়েবসাইট।

৬০.
২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ কোন দেশে অনুষ্ঠিত হবে?
  1. কানাডা
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. মেক্সিকো
  4. উপরোক্ত সবগুলো
ব্যাখ্যা

ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬:
- আয়োজক দেশ: ৩টি (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকো)।
- এটি বিশ্বকাপ ফুটবলের ২৩তম আসর।
- সময়কাল: ১১ জুন, ২০২৬ - ১৯ জুলাই, ২০২৬।
- অংশগ্রহণকারী দেশ: ৪৮টি।
- অনুষ্ঠিত হবে ১০৪টি ম্যাচ।
- তিন দেশের ১৬টি ভেন্যুতে এই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

⇒ FIFA World Cup:
- ফিফা বিশ্বকাপ (ফুটবল বিশ্বকাপ) একটি আন্তর্জাতিক ফুটবল প্রতিযোগিতা।
- এখানে ফিফাভুক্ত দেশগুলোর পুরুষ জাতীয় ফুটবল দল অংশ নেয়।
- ফিফা বিশ্ব ফুটবল নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা।
- ১৯৩০ সালে উরুগুয়েতে প্রথম বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণে ১৯৪২ এবং ১৯৪৬ এই ২টি বিশ্বকাপের আসর বসেনি।
- সর্বশেষ বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে কাতারে, ২০২২ সালে।
- এখন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয় ফুটবল বিশ্বকাপের ২২টি আসর।
- ২০২২ এর শিরোপা জয়ী আর্জেন্টিনা।

উৎস: FIFA ওয়েবসাইট।

৬১.
'আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত' নিম্নের কোথায় অবস্থিত?
  1. যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক
  2. সুইজারল্যান্ডের জেনেভা
  3. সুইজারল্যান্ডের জুরিখ
  4. নেদারল্যান্ডের হেগ
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক আদালত (International Court of Justice - ICJ):
- International Court of Justice (ICJ) বা আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত ও বলা হয়।
- এটি জাতিসংঘের বিচারিক অঙ্গ এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তি করে।
- ICJ শুধুমাত্র সেই বিরোধগুলি শুনানি করে, যা রাষ্ট্রগুলি স্বেচ্ছায় আদালতে নিয়ে আসে।
- ICJ আন্তর্জাতিক আইন সম্পর্কিত বিরোধ যেমন সীমান্তের সমস্যা, সমুদ্রসীমা, এবং চুক্তির ব্যাখ্যা সমাধান করে।
- এটি নেদারল্যান্ডের হেগ শহরে অবস্থিত।
- বিচারক সংখ্যা ১৫ জন।
- বিচারকরা নয় বছরের জন্য নির্বাচিত হন।
- প্রতি বছর এক তৃতীয়াংশ বিচারক অবসর গ্রহণ করেন।

উৎস: ICJ ওয়েবসাইট।

৬২.
'ট্রয় নগরী' বর্তমানে কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ইরাক
  2. গ্রীস
  3. তুরস্ক
  4. ইরান
ব্যাখ্যা

ট্রয় নগরী:
- ইতিহাস বিখ্যাত ট্রয় নগরী বর্তমান তুরস্কের হেসারলিক বা আনাতোলিয়া নামক স্থানে অবস্থিত।
- ঐতিহাসিক ট্রয় নগরীর অস্তিত্ব এবং এর ধ্বংসের ইতিহাস প্রাচীন গ্রীক হোমারের মহাকাব্য ইলিয়াড-এ পাওয়া যায়।
- ট্রয় নগরী ১৯৯৮ সালে ইউনেস্কোর ‘বিশ্ব ঐতিহ্য’ তালিকায় যুক্ত হয়।
- ট্রয়ের যুদ্ধ শুরু খ্রিষ্টপূর্ব ১২৫০ শতকে এবং শেষ খ্রিষ্টপূর্ব ১২৪০ শতকে।
- দীর্ঘ ১০ বছর ধরে চলেছিল যুদ্ধ।
- এই যুদ্ধ ট্রোজান যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- যুদ্ধের কারণ ছিল হেলেন নামের এক সুন্দরী মহিলাকে কেন্দ্র করে, যিনি ট্রয়ের রাজা প্রিয়াম এর পুত্র পারিস দ্বারা অপহৃত হন।
- গ্রীক রাজা মেনেলাউস তার স্ত্রীর ফিরিয়ে আনার জন্য ট্রয়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন।

• ট্রয়ের ঘোড়া (Trojan Horse):
- ট্রয়ের ঘোড়া ছিল গ্রীক বাহিনীর একটি কৌশল। তারা একটি বিশাল কাঠামো, যা একটি ঘোড়ার মতো দেখতে, ট্রয়ের শহরে রেখে যায়। এতে গ্রীক সৈন্যরা লুকিয়ে ছিল। ট্রয়ের বাসিন্দারা এটি উপহার মনে করে শহরে নিয়ে আসে। রাতের বেলায় সৈন্যরা বের হয়ে শহরের দরজা খুলে দেয়, এবং গ্রীক বাহিনী ট্রয় ধ্বংস করে। এটি প্রতারণা ও কৌশলের প্রতীক হয়ে আছে।

উৎস: Britannica ওয়েবসাইট।

৬৩.
'World Trade Organization (WTO)' এর প্রতিষ্ঠাকালীন নাম কী ছিল?
  1. General Agreement on Tariffs and Trade
  2. General Assessment on Tariffs and Trade
  3. General Agreement on Tarifics and Trading
  4. General Agreement on Tariffs
ব্যাখ্যা

• WTO:
- WTO এর প্রতিষ্ঠাকালীন নাম General Agreement on Tariffs and Trade (GATT).
- WTO (World Trade Organization) ১ জানুয়ারি ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- WTO এর বর্তমান সদস্য ১৬৬টি ।
- বাংলাদেশ WTO এর সদস্য হয় ১জানুয়ারি, ১৯৯৫ সালে।
- WTO এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ড।

উৎস: WTO ওয়েবসাইট ও Britannica.

৬৪.
মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী ‘ARSA’ এর পূর্ণরূপ -
  1. Army of Rohingya State Alliance
  2. Arakan Rohingya Salvation Army
  3. Arakan Resistance and Security Army
  4. Armed Rohingya Security Alliance
ব্যাখ্যা

• Arakan Rohingya Salvation Army (ARSA):
- ARSA হল একটি সশস্ত্র রোহিঙ্গা গোষ্ঠী যা মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে (পূর্বের আরাকান) রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষার নামে কার্যক্রম চালায়।
- ARSA-আনুমানিক ২০১৩ সালে গঠিত হয়েছিল।
- পূর্বে Harakah al-Yaqin (HaY) নামে পরিচিত ছিল।
- এরা মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের জন্য একটি গণতান্ত্রিক মুসলিম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সশস্ত্র তৎপরতা চালিয়ে আসছে।
- ২০১৬ ও ২০১৭ সালে মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলা চালায়।
- ২০১৭ সালের আগস্টে ARSA-র হামলার প্রতিক্রিয়ায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী ব্যাপক দমন-পীড়ন চালায়, যার ফলে দশ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে।

সূত্র: বিবিসি পত্রিকা রিপোর্ট।

৬৫.
'নোবেল পুরস্কার' বিজয়ী প্রথম নারী কে?
  1. মেরি কুরি
  2. বার্থাভন সুটনার
  3. মেরি কুইন
  4. গ্রাজিয়া দেলেদ্দা
ব্যাখ্যা

মেরি কুরি (Marie Curie):
- নোবেল পুরস্কার বিজয়ী প্রথম নারী মেরি কুরি।
- তিনিই বিশ্বের একমাত্র ব্যক্তি, যিনি বিজ্ঞানের দুই দুইটি শাখায় নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন।
- তেজস্ক্রিয়া গবেষণার পথিকৃৎ মেরি কুরি ১৯০৩ সালে পদার্থবিজ্ঞানে এবং ১৯১১ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি ৭ নভেম্বর, ১৮৬৭ সালে পোল্যান্ডের ওয়ারশ শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৯১ এর শেষের দিকে মেরি পোল্যান্ড থেকে ফ্রান্সের উদ্দেশে পাড়ি জমান।

অন্যদিকে,
- সাহিত্যে নোবেল জয়ী প্রথম নারী সেলমা লাগেরলফ।
- শান্তিতে প্রথম মহিলা নোবেল বিজয়ী বার্থাভন সুটনার।
- গ্রাজিয়া দেলেদ্দা ১৯২৬ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯০১ - ২০২৪ সাল পর্যন্ত মোট ৬৫ জন নারী ৬৬ বার নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- এর মধ্যে একমাত্র মেরি কুরি যিনি দুইবার নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: Nobel Prize ওয়েবসাইট।

৬৬.
'ফোর্টিফাই রাইটস' সংগঠনটি কী বিষয়ে কাজ করে?
  1. মানবাধিকার
  2. পরিবেশ
  3. রাজনৈতিক
  4. অর্থনৈতিক
ব্যাখ্যা

Fortify Rights:
- ফোর্টিফাই রাইটস (Fortify Rights) থাইল্যান্ডভিত্তিক একটি মানবাধিকার সংগঠন।
- এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কাজ করে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০১৩ সালে।
- এটি বিশেষভাবে মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, এবং অন্যান্য অঞ্চলের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।
- সম্প্রতি (মার্চ, ২০২৫] মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে গৃহযুদ্ধের শিকার বেসামরিক নাগরিকদের মানবিক সহায়তা এবং বাণিজ্যিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে বাংলাদেশ ও আরাকান আর্মিকে ‘মানবিক করিডর’ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ফোর্টিফাই রাইটস।

উৎস: সমকাল পত্রিকা এবং Fortify Rights ওয়েবসাইট।

৬৭.
'রোমান সাম্রাজ্যের' প্রথম সম্রাট নিম্নের কে ছিলেন?
  1. জুলিয়াস সিজার
  2. অগাস্টাস সিজার
  3. তুজিয়াস সিজার
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

• অগাস্টাস সিজার:
- রোমান সাম্রাজ্যের প্রথম সম্রাট ছিলেন অগাস্টাস সিজার।
- তিনি মহাবীর জুলিয়াস সিজারের ভাগ্নে।
- অগাস্টাস সিজারের আসল নাম ছিল গাইয়াস অক্টাভিয়াস।
- জুলিয়াস সিজারের মৃত্যুর পর তিনি নিজের নাম পরিবর্তন করে অগাস্টাস সিজার রাখেন।
- ৬৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে রোমের সমরনায়ক ও সিনেট সদস্যরা যখন দুই ভাগে বিভক্ত, এমনই এক সময় জন্মলাভ করেন অগাস্টাস সিজার।

⇒ সম্রাট অক্টাভিয়ান অগাস্টাস (খ্রিস্টপূর্ব ৩১-১৪ খ্রিস্টাব্দ) রোমের ইতিহাসে সর্বাপেক্ষা বিখ্যাত শাসক ছিলেন।
- তাঁর শাসনামলে রোমীয় সভ্যতায় স্বর্ণযুগের সূচনা হয়।
- তিনি একজন বিচক্ষণ রাজনীতিক ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন শাসক ছিলেন।
- তাঁর সময়ে রোমীয় ইতিহাস, সাহিত্য-সংস্কৃতি, শিল্পকলা, বিজ্ঞানচর্চা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে।
- এই জন্য ইতিহাসে তাঁর সময়কালকে 'অগাস্টান যুগ' (Augustan Age) বলা হয়।

উৎস:Britannica ওয়েবসাইট এবং ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৮.
'স্ট্যাচু অব লিবার্টি'-এর মূল নকশাকার নিম্নের কে?
  1. ফ্রেডরিক অগাস্ট বার্থোল্ডি
  2. উইলিয়াম নেপোলিয়ন
  3. ফ্রেডরিক থমাস
  4. প্রিয়ালো বার্থো
ব্যাখ্যা

স্ট্যাচু অব লিবার্টি:
- যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে খ্যাত স্ট্যাচু অব লিবার্টি’।
- এটি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের লিবার্টি দ্বীপে অবস্থিত।
- যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার শতবর্ষ পূর্তিতে এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ফ্রান্সের বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে ভাস্কর্যটি উপহার দিয়েছিল ২৮ অক্টোবর ১৮৮৬ সালে।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট সেদিন আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্রান্সের কাছ থেকে স্ট্যাচুটি উপহার হিসেবে গ্রহণ করেন।
- তাই প্রতিবছর ২৮ অক্টোবর ‘স্ট্যাচু অব লিবার্টি’র জন্মদিন পালন করা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্র সরকার ১৯২৪ সালে একে জাতীয় স্মৃতিস্তম্ভ হিসেবে ঘোষণা করে।
- ‘স্ট্যাচু অব লিবার্টি’ নামে বিশ্ববাসী মূর্তিটিকে চিনলেও এর প্রকৃত নাম ‘লিবার্টি এনলাইটেনিং দ্য ওয়ার্ল্ড’।
- ‘স্ট্যাচু অব লিবার্টি’র মূল নকশাকার ছিলেন ফ্রান্সের ফ্রেডরিক অগাস্ট বার্থোল্ডি।

এছাড়াও,
- মূর্তিটি একজন নারীর রূপে স্বাধীনতার মূর্তি।
- মূল ভাস্কর্যটির উচ্চতা ১৫১ ফুট, বেদিসহ এর উচ্চতা ৩০৫ ফুট (৯৩ মিটার)।
- এটি একহাত দিয়ে যে বইটি ধরে আছে সে বইয়ের ওপরে লেখা আছে একটি তারিখ, আর তা হল “৪ জুলাই, ১৭৭৬”।এই তারিখেই ব্রিটিশ শাসন থেকে যুক্তরাষ্ট্র স্বাধীন হয়েছিল!

উৎস: Britannica ওয়েবসাইট।

৬৯.
নিম্নের কোন দেশ থেকে 'অস্ট্রেলিয়া' স্বাধীনতা লাভ করে?
  1. কানাডা
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. যুক্তরাজ্য
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

• অস্ট্রেলিয়া:
- অস্ট্রেলিয়া ওশেনিয়া মহাদেশের একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র।
- আয়তনের দিক থেকে এটি ওশেনিয়ার সর্ব বৃহ‌ৎ রাষ্ট্র ও পৃথিবীর ৬ষ্ঠ বৃহত্তম রাষ্ট্র।
- রাজধানী: ক্যানবেরা।
- বিখ্যাত জনবহুল শহর: সিডনি।
- মুদ্রা: অস্ট্রেলিয়ান ডলার।
- সরকার প্রধান: প্রধানমন্ত্রী।
- সিডনিতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের নাম: কিরিবিলি হাউস।
- অস্ট্রেলিয়া যুক্তরাজ্য থেকে স্বাধীনতা লাভ করে ১৯০১ সালে।
- ১৯০১ সালে অস্ট্রেলিয়া ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অধীনে থাকা স্বাধীন কমনওয়েলথ দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: Britannica ওয়েবসাইট।

৭০.
'World Government Summit- 2025' নিম্নের কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছে?
  1. সৌদি আরব
  2. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  3. ইতালি
  4. জাপান
ব্যাখ্যা

বিশ্ব সরকার সম্মেলন ২০২৫:
- ২০১৩ সালে দুবাইয়ের শাসক মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুমের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয় বিশ্ব সরকার শীর্ষ সম্মেলন।
- সরকারি অভিজ্ঞতা এবং উদ্ভাবন বিনিময়ের একটি বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে।
- এই শীর্ষ সম্মেলন সরকার ও জনগণের মধ্যে সংযোগ জোরদার করার জন্য- বৈশ্বিক সংলাপ ও সহযোগিতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সরকারগুলোর মধ্যে কার্যকর অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে সহায়তা করে।
- ১১ থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইতে 'বিশ্ব সরকার সম্মেলন ২০২৫' অনুষ্ঠিত হয়।
- সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের নেতৃবৃন্দ, নীতিনির্ধারক ও বিশেষজ্ঞরা বৈশ্বিক সরকারব্যবস্থা, প্রযুক্তি, অর্থনীতি ও পরিবেশসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করেন।
- এই সম্মেলনে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন এবং অংশগ্রহণ করেন।

সূত্র- বাসস পত্রিকা রিপোর্ট।

৭১.

    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন:

    সমাধান:

    ৭২.

    1. 0
    2. 2
    3. - 3
    4. 5
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন:

    সমাধান:

    ৭৩.
    'ALGEBRA' শব্দের বর্ণ গুলোকে কত উপায়ে সাজানো যাবে যাতে A সবসময় প্রথম বর্ণ থাকে?
    1. 920
    2. 720
    3. 5040
    4. 360
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: 'ALGEBRA' শব্দের বর্ণ গুলোকে কত উপায়ে সাজানো যাবে যাতে A সবসময় প্রথম বর্ণ থাকে?

    সমাধান:
    'ALGEBRA' শব্দে মোট 7 টি বর্ণ আছে। যথা A, L, G, E, B, R, A
    এখানে A বর্ণটি 2 বার আছে।

    যেহেতু প্রথম স্থান A দিয়ে বাধ্যতামূলকভাবে পূরণ করা হবে, তাই প্রথম স্থানের জন্য কোনো আলাদা বাছাই নেই।

    সুতরাং বাকি 6 টি বর্ণ L, G, E, B, R, A
    এখানে কোনো বর্ণই একাধিকবার নেই (কারণ A দুটির একটি প্রথমে ব্যবহার করায় বাকি 1 টি A আছে, তাই পুনরাবৃত্তি নেই)।

    ∴ বিন্যাস সংখ্যা = 6 টি ভিন্ন বস্তুর বিন্যাস = 6! = 6 × 5 × 4 × 3 × 2 = 720

    ৭৪.
    x - 2y - 8 = 0 এবং 2x + y - 12 = 0 রেখাদ্বয়ের ঢালদ্বয়ের গুণফল কত?
    1. 1/3
    2. - 2
    3. 1/2
    4. - 1
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: x - 2y - 8 = 0 এবং 2x + y - 12 = 0 রেখাদ্বয়ের ঢালদ্বয়ের গুণফল কত?

    সমাধান:
    দেওয়া আছে,
    x - 2y - 8 = 0 এবং 2x + y - 12 = 0

    আমরা জানি,
    সরল রেখার সাধারণ সমীকরণ, y = mx + c [যেখানে, m = ঢাল]

    এখন,
    প্রথম রেখার ঢাল:
    x - 2y - 8 = 0 সমীকরণটিকে y = mx + c আকারে সাজালে পাই,
    ⇒ 2y = x - 8
    ∴ y = (1/2)x - 4
    সুতরাং, প্রথম রেখার ঢাল, m1 = 1/2

    আবার,
    দ্বিতীয় রেখার ঢাল:
    2x + y - 12= 0 সমীকরণটিকে y = mx + c আকারে সাজালে পাই,
    ⇒ y = - 2x + 12
    সুতরাং, দ্বিতীয় রেখার ঢাল, m2 = - 2

    ∴ ঢালদ্বয়ের গুণফল = m1 × m2 = (1/2) × (- 2) = - 1
    এই দুটি রেখা পরস্পর লম্ব, কারণ তাদের ঢালদ্বয়ের গুণফল - 1

    ৭৫.
    কোন ত্রিভুজের ১ম কোণ যদি ২য় কোণের চারগুণ এবং ৩য় কোণ যদি ১ম কোণের চেয়ে 63° বড় হয়, তাহলে ৩য় কোণটি কত ডিগ্রি?
    1. 115°
    2. 78°
    3. 52°
    4. 105°
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: কোন ত্রিভুজের ১ম কোণ যদি ২য় কোণের চারগুণ এবং ৩য় কোণ যদি ১ম কোণের চেয়ে 63° বড় হয়, তাহলে ৩য় কোণটি কত ডিগ্রি?

    সমাধান:
    ধরি,
    ২য় কোণ = x
    ∴ ১ম কোণ = 4x
    ৩য় কোণ = 4x + 63°

    প্রশ্নমতে,
    x + 4x + 4x + 63° = 180°
    ⇒ 9x = 180° - 63°
    ⇒ 9x = 117°
    ⇒ x = 117°/9
    ∴ x = 13°

    ∴ ৩য় কোণ = 4x + 63 = 52° + 63° = 115°

    ৭৬.
    চিনির মূল্য ৬% বেড়ে যাওয়ায় ১০৬০ টাকার পূর্বে যত কেজি চিনি কেনা যেত এখন তার চেয়ে ৩ কেজি চিনি কম কেনা যায়।পূর্বে চিনির দাম কেজি প্রতি কত ছিল?
    1. ২১.২০ টাকা
    2. ২৫ টাকা
    3. ২০ টাকা
    4. ১৮.২৫ টাকা
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: চিনির মূল্য ৬% বেড়ে যাওয়ায় ১০৬০ টাকার পূর্বে যত কেজি চিনি কেনা যেত এখন তার চেয়ে ৩ কেজি চিনি কম কেনা যায়। পূর্বে চিনির দাম কেজি প্রতি কত ছিল?

    সমাধান:
    মনে করি,
    পূর্বমূল্য = ১০০ টাকা
    আবার,
    ১০৬০ টাকার ৬% = ১০৬০ × (৬/১০০) = ৬৩.৬০ টাকা

    বর্তমানে ৩ কেজি চিনির দাম ৬৩.৬০ টাকা
    বর্তমানে ১ কেজি চিনির দাম ৬৩.৬০/৩ = ২১.২০ টাকা

    আবার,
    ৬% বৃদ্ধিতে বর্তমান মূল্য = ১০০ + ৬ = ১০৬ টাকা

    এখন,
    ১০৬ টাকা বর্তমান দর হলে পূর্ব দর = ১০০ টাকা
    ∴ ১ টাকা বর্তমান দর হলে পূর্ব দর = ১০০/১০৬ টাকা
    ∴ ২১.২০ টাকা বর্তমান দর হলে পূর্ব দর = (১০০ × ২১.২০)/১০৬ টাকা
    = ২০ টাকা

    সুতরাং, পূর্বে চিনির দাম কেজি প্রতি ২০ টাকা।

    ৭৭.
    8 + 4√2 + 4 + 2√2+..................... ধারাটির কততম পদ √2?
    1. 6
    2. 4
    3. 8
    4. 5
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: 8 + 4√2 + 4 + 2√2+..................... ধারাটির কততম পদ √2?

    সমাধান:
    এটি একটি গুণোত্তর ধারা। যার
    ১ম পদ, a = 8
    এবং সাধারণ অনুপাত, r = 4√2/8 = √2/2 = 1/√2

    আমরা জানি,
    গুণোত্তর ধারার n তম পদ = arn - 1

    প্রশ্নমতে,
    arn - 1 = √2
    ⇒ 8 × (1/√2)n - 1 = √2
    ⇒ (1/√2)n - 1 = √2/8
    ⇒ (1/√2)n - 1 = √2/(√2)6 ; [(√2)6 = 8]
    ⇒ (√2)- (n - 1) = (√2)1 - 6
    ⇒ - (n - 1) = - 5
    ⇒ - n + 1 = - 5
    ⇒ n = 1 + 5
    ∴ n = 6

    অর্থাৎ ৬ষ্ঠ পদটি √2

    ৭৮.
    4, 8 এবং 16 এর জ্যামিতিক গড় কত?
    1. 12
    2. 5
    3. 8
    4. 4
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: 4, 8 এবং 16 এর জ্যামিতিক গড় কত?

    সমাধান:
    আমরা জানি,
    n সংখ্যক সংখ্যার গুণোত্তর গড় বা জ্যামিতিক গড় =

    ∴ 4, 8 এবং 16 এর জ্যামিতিক গড় = (4 × 8 × 16)1/3
    = (512)1/3
    = (83)1/3
    = 8

    ৭৯.

    1. 0
    2. 2√2
    3. 4
    4. √2
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন:

    সমাধান:

    ৮০.
    4 মিটার ব্যাস বিশিষ্ট বৃত্তের অভ্যন্তরে একটি বর্গ অঙ্কিত হলো। বৃত্ত ও বর্গের ক্ষেত্রফলের অনুপাত কত?
    1. π : 2√2
    2. π : 4
    3. 4 : π
    4. π : 2
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: 4 মিটার ব্যাস বিশিষ্ট বৃত্তের অভ্যন্তরে একটি বর্গ অঙ্কিত হলো। বৃত্ত ও বর্গের ক্ষেত্রফলের অনুপাত কত?

    সমাধান:
    দেওয়া আছে,
    বৃত্তের ব্যাস =4 মিটার
    বৃত্তের ব্যাসার্ধ, r = 4/2 = 2 মিটার

    আমরা জানি,
    ∴ বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr2
    = π × 22 বর্গমিটার
    = 4π বর্গমিটার

    বর্গের কর্ণের দৈর্ঘ্য = বৃত্তের ব্যাসের দৈর্ঘ্য = 2 × 2 = 4 মিটার
    ∴ বর্গের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = 4/√2 = 2√2 মিটার

    ∴ বর্গের ক্ষেত্রফল = (2√2)2 বর্গমিটার = 8 বর্গমিটার

    ∴ বৃত্ত ও বর্গের ক্ষেত্রফলের অনুপাত = 4π : 8
    = π : 2

    ৮১.
    নিচের কোনটি অসামঞ্জস্যপূর্ণ?
    1. Linux
    2. Python
    3. Java
    4. Ruby
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: নিচের কোনটি অসামঞ্জস্যপূর্ণ?

    সমাধান:

    • Linux:
    - Linux হলো একটি অপারেটিং সিস্টেম (Operating System) যা কম্পিউটার হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার ব্যবস্থাপনা করে।
    - এটি একটি প্ল্যাটফর্ম বা ভিত্তি যেখানে বিভিন্ন সফটওয়্যার রান করতে পারে।
    - Linux নিজেই কোনো প্রোগ্রামিং ভাষা নয়।
    - সাধারণত সার্ভার, ডেস্কটপ, মোবাইল বা এমবেডেড সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়।

    • Python:
    - Python হলো একটি প্রোগ্রামিং ভাষা যা সাধারণত সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ডেটা সায়েন্স, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
    - এটি একটি ইন্টারপ্রেটেড এবং উচ্চ-স্তরের ভাষা।
    - Python Linux-এর মতো অপারেটিং সিস্টেম নয়।

    • Java:
    - Java হলো একটি প্রোগ্রামিং ভাষা এবং প্ল্যাটফর্ম।
    - এটি সাধারণত অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট এবং ওয়েব সার্ভিসে ব্যবহৃত হয়।
    - Java Linux-এর মতো অপারেটিং সিস্টেম নয়।

    • Ruby:
    - Ruby হলো একটি প্রোগ্রামিং ভাষা যা ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, স্ক্রিপ্টিং এবং সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টে ব্যবহৃত হয়।
    - এটি Linux-এর মতো অপারেটিং সিস্টেম নয়।

    সুতরাং, অন্যগুলো প্রোগ্রামিং ভাষা হলেও Linux হলো অপারেটিং সিস্টেম।
    সঠিক উত্তর: ক) Linux.

    ৮২.
    প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যা বসবে?

    1. 2
    2. 6
    3. 8
    4. 10
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যা বসবে?

    সমাধান:
    প্রথম সারিতে,
    9 + 1 + 5 = 15

    দ্বিতীয় সারিতে,
    4 + 8 + 3 = 15

    তৃতীয় সারিতে,
    2 + 6 + 7 = 15

    প্রত্যেক সারির সংখ্যাগুলোকে যোগ করা হয়েছে যাদের প্রত্যেকের যোগফল 15.

    সুতরাং, প্রশ্নবোধক স্থানে 6 বসবে।

    ৮৩.
    বাংলা বর্ণবিন্যাসে ‘ধ' ব্যঞ্জন বর্ণের অবস্থান হচ্ছে: _______।
    1. ট বর্গের চতুর্থ
    2. চ বর্গের চতুর্থ
    3. ত বর্গের চতুর্থ
    4. প বর্গের চতুর্থ
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: বাংলা বর্ণবিন্যাসে ‘ধ' ব্যঞ্জন বর্ণের অবস্থান হচ্ছে: _______।

    সমাধান:
    - বাংলা ব্যঞ্জন বর্ণমালায় বর্গ ৫ টি।
    - এগুলো হলো - ক, চ, ট, ত, প।

    প্রতিটি বর্গে ৫ টি করে বর্ণ আছে। যথা-
    - ক, খ, গ, ঘ, ঙ
    - চ, ছ, জ, ঝ, ঞ
    - ট, ঠ, ড, ঢ, ণ
    - ত, থ, দ, , ন
    - প, ফ, ব, ভ, ম

    - বাংলা বর্ণবিন্যাসে ‘ধ' ব্যঞ্জন বর্ণের অবস্থান ”ত” বর্গের চতুর্থ স্থানে।

    ৮৪.
    যদি 11894 = ARID হয় তাহলে 172194 = ?
    1. ACID
    2. AMID
    3. QUID
    4. QUIT
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: যদি 11894 = ARID হয় তাহলে 172194 = ?

    সমাধান:
    যদি 11894 = ARID হয় তাহলে 172194 = QUID

    ইংরেজি বর্ণমালার অবস্থান (A = 1, B = 2,..., Z = 26) বিবেচনা করে দেখা যায়-
    1 = A,
    18 = R,
    9 = I,
    4 = D
    ∴ 11894 = ARID

    একইভাবে,
    17 = Q,
    21 = U,
    9 = I,
    4 = D

    ∴ 172194 = QUID

    ৮৫.
    প্রদত্ত চিত্রে কতগুলো ত্রিভুজ রয়েছে?

    1. 18
    2. 20
    3. 24
    4. 26
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: প্রদত্ত চিত্রে কতগুলো ত্রিভুজ রয়েছে?

    সমাধান:
    উপরোক্ত বৃহৎ ত্রিভুজে মোট কতটি ত্রিভুজ আছে
    = pn(n - 1)/2
    = 3 × 4(4 - 1)/2
    = (3 × 12)/2
    = 18

    এখানে,
    p = আনুভূমিক রেখার সংখ্যা
    n = লম্বালম্বি বা তির্যক রেখার সংখ্যা

    ৮৬.
    "তু, য়া, ভা" বর্ণগুলোর সাথে নিচের কোনটি যোগ করে বিন্যাস করলে একটি দেশের নাম পাওয়া যাবে?
    1. সু
    2. ভা
    3. নু

    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: "তু, য়া, ভা" বর্ণগুলোর সাথে নিচের কোনটি যোগ করে বিন্যাস করলে একটি দেশের নাম পাওয়া যাবে?

    সমাধান:
    "তু, য়া, ভা" বর্ণগুলোর সাথে "নু" বর্ণটি যোগ করে বিন্যাস করলে "ভানুয়াতু" শব্দটি পাওয়া যায়।

    • ভানুয়াতু:
    - ভানুয়াতু হলো দক্ষিণ-প্যাসিফিক মহাসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপ রাষ্ট্র।
    - এটি প্রায় ৮০টি ছোট-বড় দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
    - রাজধানী হলো পোর্ট ভিলা।
    - দেশটির প্রধান ভাষা হলো বিসলামা, ইংরেজি ও ফরাসি।

    • মেলানেশিয়া:
    - মেলানেশিয়া হলো দক্ষিণ-প্যাসিফিকের একটি দ্বীপসমূহের অঞ্চল।
    - প্রধান দেশগুলো হলো পাপুয়া নিউ গিনি, ফিজি, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ, ভানুয়াতু, ও নিউ ক্যালিডোনিয়া।
    - নামের অর্থ হলো “কালো দ্বীপসমূহ” (মেলা = কালো, নেশিয়া = দ্বীপ)।
    - এখানে মূলত আফ্রো-প্যাসিফিক জাতিগোষ্ঠীর মানুষ বসবাস করে।

    উৎস: World Atlas.

    ৮৭.
    সাবিহা একটি বালিকা লাইনের যেকোন প্রান্ত থেকে ত্রয়োদশ অবস্থানে রয়েছে। ঐ লাইনে কতজন বালিকা আছে?
    1. ২৫ জন
    2. ২১ জন
    3. ২৭ জন
    4. ২৯ জন
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: সাবিহা একটি বালিকা লাইনের যেকোন প্রান্ত থেকে ত্রয়োদশ অবস্থানে রয়েছে। ঐ লাইনে কতজন বালিকা আছে?

    সমাধান:
    সাবিহা সামনের দিক এবং পিছনের দিক উভয় দিক থেকেই ১৩তম অবস্থানে রয়েছে।

    ঐ লাইনে বালিকা আছে = ১২ + ১ + ১২ = ২৫ জন

    ৮৮.
    ঘড়িতে ১০ টা ১০ মিনিট বাজলে আয়নার প্রতিবিম্বে কয়টা বাজতে দেখা যাবে?
    1. ৫ টা ১০ মিনিট
    2. ৩ টা ১৫ মিনিট
    3. ২ টা ১৫ মিনিট
    4. ১ টা ৫০ মিনিট
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: ঘড়িতে ১০ টা ১০ মিনিট বাজলে আয়নার প্রতিবিম্বে কয়টা বাজতে দেখা যাবে?

    সমাধান:
    আমরা জানি,
    আয়নার সময় = ১১ : ৬০ - প্রকৃত সময়
    = ১১ : ৬০ - ১০ : ১০
    = ১ : ৫০

    সুতরাং, ঘড়িতে ১০ টা ১০ মিনিট বাজলে আয়নার প্রতিবিম্বে ১ টা ৫০ মিনিট বাজতে দেখা যাবে।

    ৮৯.
    একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে আনিছ সাহেব ও তাঁর স্ত্রী, তিন পুত্র ও তাদের স্ত্রী এবং প্রত্যেক পুত্রের ৩ জন করে সন্তান ছিলেন। ঐ অনুষ্ঠানে মোট কতজন উপস্থিত ছিলেন?
    1. ২০ জন
    2. ২৪ জন
    3. ১৭ জন
    4. ১৬ জন
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে আনিছ সাহেব ও তাঁর স্ত্রী, তিন পুত্র ও তাদের স্ত্রী এবং প্রত্যেক পুত্রের ৩ জন করে সন্তান ছিলেন। ঐ অনুষ্ঠানে মোট কতজন উপস্থিত ছিলেন?

    সমাধান:
    মোট লোক = আনিছ সাহেব + তাঁর স্ত্রী + তাদের তিন পুত্র + তিন পুত্রের স্ত্রী + পুত্রদের মোট ৯ সন্তান
    = ১৭ জন।

    ∴ বিয়ের অনুষ্ঠানে মোট উপস্থিত ছিলেন ১৭ জন।

    ৯০.
    خُطُوَٰتِ ٱلشَّيۡطَٰنِ‌ۚ শব্দের অর্থ—
    1. শয়তানের কৌশল
    2. শয়তানের পদাঙ্ক
    3. শয়তানের দ্বিচারিতা
    4. শয়তানের উপদেশ
    ব্যাখ্যা

    “হে মুমিনগণ, তোমরা শয়তানের পদাঙ্কসমূহ অনুসরণ করো না। আর যে শয়তানের পদাঙ্কসমূহ অনুসরণ করবে, নিশ্চয় সে অশ্লীলতা ও মন্দ কাজের নির্দেশ দেবে।” সুরা নুর এর ২১ নং আয়াতের خُطُوَٰتِ ٱلشَّيۡطَٰنِ‌ۚ শব্দগুচ্ছের অর্থ- ‘শয়তানের পদাঙ্ক’।

    ৯১.
    যাদের বিবাহের সামর্থ্য নেই, তাদের জন্য নির্দেশনা হলো—
    1. ঋণ করে বিবাহ করা
    2. রাষ্ট্রীয় সহায়তায় বিবাহ করা
    3. সংযম অবলম্বন করা
    4. মান্নত করা
    ব্যাখ্যা

    যাদের বিবাহের সামর্থ্য নেই, তাদের জন্য ইসলামী নির্দেশনা হলো আল্লাহ্ নিজ অনুগ্রহে অভাবমুক্ত না করা পর্যন্ত সংযম অবলম্বন করা, যেমনটি আল্লাহ্ বলেন, “আর যাদের বিবাহের সামর্থ্য নেই, আল্লাহ্‌ তাদেরকে নিজ অনুগ্রহে অভাবমুক্ত না করা পর্যন্ত তারা যেন সংযম অবলম্বন করে” (সুরা আন-নুর, আয়াত ৩৩)।

    ৯২.
    সুরা নুরে কাফিরদের কর্মকে আল্লাহ কীসের সাথে তুলনা করেছেন?
    1. সমুদ্রে ঘনিভূত অন্ধকার
    2. নদীর স্রোতধারা
    3. শুষ্ক মরুভূমি
    4. নির্জন জঙ্গল
    ব্যাখ্যা

    “আর যারা কুফরী করে, তাদের আমলসমূহ মরুভূমির মরিচিকার মতো, পিপাসিত ব্যক্তি যাকে পানি মনে করে। অবশেষে যখন সে তার কাছে আসবে, তখন সে দেখবে সেটা কিছুই নয়।” (সুরা আন-নুর, আয়াত ৩৯) “অথবা (তাদের আমলসমূহ) গভীর সমূদ্রে ঘনিভূত অন্ধকারের মতো, যাকে আচ্ছন্ন করে ঢেউয়ের উপরে ঢেউ, তার উপরে মেঘমালা।” (সুরা আন-নুর, আয়াত ৪০) সুতরাং, সুরা নুরে কাফিরদের কর্মকে আল্লাহ মরুভূমির মরিচিকা ও গভীর সমূদ্রে ঘনিভূত অন্ধকারের সাথে তুলনা করেছেন।

    ৯৩.
    ٱلۡأَعۡرَابُ দ্বারা উদ্দেশ্য—
    1. বনু গিফার ও বনু দুআল
    2. বনু আসাদ ও বনু খুযাইমাহ
    3. বনু তামিম ও বনু খুযাইমাহ
    4. বনু সাদ ও বনু নাযির
    ব্যাখ্যা

    الْأَعْرَابُ অর্থ বেদুঈন, মরুবাসী, যারা গ্রামে বসবাস করে। কোন কোন মুফাসসিরের মতে, এ বেদুঈন লোকগুলো হলো, মদীনার বনু আসাদ ও খুযাইমাহ্ গোত্রের মুনাফিক। তারা দুর্ভিক্ষের সময় কেবল সাদকা লাভের উদ্দেশ্যে অথবা হত্যা ও বন্দী হওয়া থেকে বাঁচার জন্য মৌখিকভাবে ইসলাম গ্রহণ করার কথা ব্যক্ত করেছিল। কিন্তু তাদের ঈমান, ‘আক্বীদাহ্ এবং ইসলামের আন্তরিকতা মুক্ত ছিল। (ফাতহুল কাদীর, সুরা হুজরাতের ১৪ নং আয়াতের তাফসীর)

    ৯৪.
    মিশকাতুল মাসাবিহ গ্রন্থে উমর (রা) সনদে বর্ণিত ‘হাদিসে জিবরিল’ সংকলন করা হয়েছে—
    1. বুখারি ও মুসলিম থেকে
    2. মুসলিম থেকে
    3. বুখারি থেকে
    4. সুনান আবু দাউদ থেকে
    ব্যাখ্যা

    মিশকাতুল মাসাবিহ গ্রন্থে উমর (রা) সনদে বর্ণিত ‘হাদিসে জিবরিল’ সংকলন করা হয়েছে সহিহ মুসলিম থেকে। এছাড়া একই হাদিস আবু হুরায়রা (রা) সনদে সহিহ বুখারিতে সংকলিত হয়েছে।

    ৯৫.
    ইমানের গুরুত্বপূর্ণ শাখা কোনটি?
    1. লজ্জাশীলতা
    2. লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু বলা
    3. রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরানো
    4. সালাম দেওয়া ও অনাহারীকে খাবার খাওয়ানো
    ব্যাখ্যা

    রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ঈমানের সত্তরটিরও বেশি শাখা রয়েছে। তন্মধ্যে সর্বোত্তম (গুরুত্বপূর্ণ) শাখা হলো ‘আল্লাহ ছাড়া প্রকৃতপক্ষে আর কোন ইলাহ (উপাস্য) নেই’ এ ঘোষণা দেওয়া। সাধারণ শাখা হলো, কষ্টদায়ক কোন বস্ত্তকে পথ থেকে অপসারিত করা। আর লজ্জাশীলতা ঈমানের একটি শাখা।

    ৯৬.
    হাদিসে জিবরিলে জিবরাইল (আ) কার আকৃতিতে এসেছিলেন?
    1. হযরত দাহইয়া কালবি (রা) এর আকৃতিতে
    2. হযরত উমর (রা) এর আকৃতিতে
    3. জিবরাইল (আ) এর নিজ আকৃতিতে
    4. অপরিচিত আকৃতিতে
    ব্যাখ্যা

    “উমর ইবনুল খাত্তাব (রা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমরা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। এমন সময় ‘জনৈক’ ব্যক্তি আমাদের নিকট আত্মপ্রকাশ করলেন।” হাদিসে জিবরিলে জিবরাইল (আ) অপরিচিত আকৃতিতে এসেছিলেন।

    ৯৭.
    লজ্জাশীলতার সবচেয়ে উত্তম দৃষ্টান্ত কোন সাহাবি?
    1. হযরত আবু বকর (রা)
    2. হযরত উসমান (রা)
    3. হযরত আলি (রা)
    4. হযরত আব্দুর রহমান বিন আউফ (রা)
    ব্যাখ্যা

    ইসলামের ইতিহাসে এমন একজন মহান সাহাবী ছিলেন, যাঁর চরিত্র ও লজ্জাশীলতা এতটাই উদাহরণযোগ্য ছিল যে, নিষ্পাপ ফেরেশতারাও তাঁকে দেখে লজ্জা পেতেন। তিনি হলেন হজরত উসমান ইবনে আফফান (রা)।

    ৯৮.
    মুহাব্বাত কত প্রকার?




    ব্যাখ্যা

    ইসলামি চিন্তাবিদদের মতে মুহাব্বাত বা ভালোবাসা ৩ প্রকার: (১) মুহাব্বাত-ই তবঈ (স্বভাবগত ভালোবাসা), (২) মুহাব্বাত-ই আকলি (যৌক্তিক ভালোবাসা), (৩) মুহাব্বাত-ই ইমানী (ইমানের দাবিতে ভালোবাসা)।

    ৯৯.
    হযরত আদম (আ) এর উপর কতটি আসমানি গ্রন্থ অবতীর্ণ হয়?
    1. ১টি
    2. ১০টি
    3. ৩০টি
    4. ৫০টি
    ব্যাখ্যা

    হযরত আদমের উপর ১০ টি সহিফা; হযরত শীষের উপর ৫০টি সহিফা; হযরত ইদ্রিসের উপর ৩০টি সহিফা এবং হযরত ইব্রাহিমের উপর ১০টি সহিফা অবতীর্ণ হয়েছিল।

    ১০০.
    আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা) এর বর্ণিত হাদিসের সংখ্যা কত?
    1. ৫৩৭৪
    2. ১৬৬০
    3. ২২১০
    4. ১১৭০
    ব্যাখ্যা

    হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) কর্তৃক বর্ণিত হাদিসের সংখ্যা নিয়ে মতভেদ থাকলেও, আল্লামা আইনির মতে তাঁর বর্ণিত হাদিসের সংখ্যা ১৬৬০ টি।

    ১০১.
    হযরত আবু মুসা আশয়ারি (রা) কোন পর্যায়ের রাবি?
    1. মুকছিরুন
    2. মুতাওয়াসসিতুন
    3. মুকিল্লুন
    4. মুতাওয়াতির
    ব্যাখ্যা

    হযরত আবু মুসা আশয়ারি (রা) একজন বিশিষ্ট সাহাবী ও হাদীস বর্ণনাকারী। তিনি মোট প্রায় ৩৬০টি হাদিস বর্ণনা করেছেন। সে হিসেবে তিনি একজন মুকিল্লুন পর্যায়ের সাহাবি।

    ১০২.
    আব্দুল কায়েস গোত্রের যে প্রতিনিধি রাসুলের দরবারে এসেছিল—
    1. জারুদ ইবনে আমর
    2. মুনকিয বিন হাব্বান
    3. আব্দুল কায়েস
    4. এদের কেউ নয়
    ব্যাখ্যা

    আব্দুল কায়েস গোত্রের একটি প্রতিনিধি দলের নেতা ৫ম হিজরিতে রাসুল (সা) এর দরবারে এসে ইসলামের মৌলিক বিষয় সম্পর্কে শিক্ষা গ্রহণ করেন। তার আসল নাম মুনযির ইবনে আয়িয/ মুনকিয বিন হাব্বান।

    ১০৩.
    নারীর জ্ঞানের অপূর্ণতার উদাহরণ কোনটি?
    1. পুরুষ সাধারণত অধিক হারে উচ্চ শিক্ষিত
    2. নারীদের শিক্ষার সুযোগ সীমিত
    3. নারীর সাক্ষ্য পুরুষের অর্ধেক
    4. নারীরা সংসার নিয়ে ব্যস্ত থাকেন
    ব্যাখ্যা

    “আর তোমরা তোমাদের পুরুষদের মধ্য হতে দুজন সাক্ষী রাখ। অতঃপর যদি তারা উভয়ে পুরুষ না হয়, তাহলে একজন পুরুষ ও দুজন নারী- যাদেরকে তোমরা সাক্ষী হিসেবে পছন্দ কর। যাতে তাদের (নারীদের) একজন ভুল করলে অপরজন স্মরণ করিয়ে দেয়।” (সুরা বাকারাহ, আয়াত ২৮২) সাধারণত আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে নারীর সাক্ষ্য পুরুষের অর্ধেক বিবেচনা করা হয়।

    ১০৪.
    আল্লাহকে গালমন্দ করার অর্থ কী?
    1. আল্লাহ দ্বিতীয়বার সৃষ্টি করতে পারবেন না মর্মে দাবি করা
    2. আল্লাহ সন্তান গ্রহণ করেছেন মর্মে দাবি করা
    3. আল্লাহ বান্দার প্রতি অবিচার করছেন মর্মে দাবি করা
    4. কোনটিই নয়
    ব্যাখ্যা

    হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, মানুষ আল্লাহকে গালমন্দ করে অর্থাৎ আল্লাহ সন্তান গ্রহণ করেছেন মর্মে দাবি করে এবং মানুষ আল্লাহকে গালি দেয় অর্থাৎ আল্লাহ তায়ালা দ্বিতীয় বার সৃষ্টি করতে পারবেন না বলে থাকে।

    ১০৫.
    ধৈর্য কয় প্রকার?




    ব্যাখ্যা

    হাদিস অনুসারে ধৈর্য ৩ প্রকার: (১) আনুগত্যে ধৈর্যধারণ, (২) নিষিদ্ধ কাজ থেকে বিরত থাকায় ধৈর্যধারণ, (৩) বিপদ-আপদে ধৈর্যধারণ।

    ১০৬.
    কোন নবিকে ‘কালিমাহ’ বলে আখ্যায়িত করা হয়?
    1. মুহাম্মদ (সা)
    2. মুসা (আ)
    3. ইসা (আ)
    4. হারুন (আ)
    ব্যাখ্যা

    হাদিসে রাসুল (সা) বলেন, “মারইয়াম (আ)-এর ছেলে ঈসা (আ) আল্লাহর বান্দা ও তাঁরই রাসুল, তাঁর বান্দীর সন্তান ও আল্লাহর কালিমাহ্- যা তিনি মারইয়াম (আ)-এর প্রতি প্রেরণ করেছিলেন এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত রুহ।” হযরত ইসা (আ) কে ‘কালিমাহ’ উপাধিতে আখ্যায়িত করা হয়। এছাড়া তাকে ‘রুহুম মিনহু’ উপাধিতে ভূষিত করেছেন আল্লাহ তায়ালা।

    ১০৭.
    হাদিস অনুসারে সর্বোৎকৃষ্ট কর্ম কোনটি?
    1. দ্বীনের বিষয়ে ১০০০ হাদিস শিক্ষা করা
    2. আল্লাহর জন্য কাউকে ভালোবাসা, আল্লাহর জন্য কারো সাথে শত্রুতা রাখা
    3. নিকটতম প্রতিবেশিদের মেহমানদারি করা
    4. রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরানো
    ব্যাখ্যা

    হাদিস অনুসারে আল্লাহর জন্য কাউকে ভালোবাসা এবং আল্লাহর জন্য কারো সাথে শত্রুতা রাখা সর্বোৎকৃষ্ট কর্মগুলোর মধ্যে অন্যতম। একজন মুমিনের ভালোবাসা ও বিদ্বেষ আল্লাহর সন্তুষ্টির উপর নির্ভর করে। এটি ঈমানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা মানুষকে আল্লাহর প্রতি সুগভীর আনুগত্যে আবদ্ধ করে এবং তাদের সম্পর্কগুলোতে একটি আদর্শিক ভিত্তি স্থাপন করে।

    ১০৮.
    কোন ইবাদাতের মাধ্যমে পূর্বের সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করা হয় না?
    1. হিজরত
    2. হজ
    3. সালাত
    4. ইসলাম গ্রহণ
    ব্যাখ্যা

    মিশকাতুল মাসাবিহ গ্রন্থের কিতাবুল ইমান অধ্যায়ের হাদিসে বর্ণিত হয়েছে যে, হিজরত, হজ এবং ইসলাম গ্রহণ মানুষের পূর্বের সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেয়। সালাত একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদাত হলেও তা পূর্বের গুনাহ ক্ষমা করে মর্মে কোন হাদিস বর্ণিত হয়নি।

    ১০৯.
    ৩য় সর্বোচ্চ হাদিস বর্ণনাকারী সাহাবির নাম কী?
    1. আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস (রা)
    2. আয়েশা (রা)
    3. আব্দুল্লাহ বিন ওমর (রা)
    4. এদের কেউ নন
    ব্যাখ্যা

    ৩য় সর্বোচ্চ হাদিস বর্ণনাকারী সাহাবী হলেন হযরত আনাস ইবনে মালিক (রা)। তিনি প্রায় ২২৮৬টি হাদিস বর্ণনা করেছেন।

    ১১০.
    لَا تَقُلْ نَبِيٌّ إِنَّهُ لَوْ سَمِعَكَ كَانَ لَهُ أَرْبَعَة أَعْيُنٍ হাদিসে أَرْبَعَة أَعْيُنٍ দ্বারা কী উদ্দেশ্য?
    1. চার চোখ নিয়ে জন্মানো
    2. অন্তর্দৃষ্টির অধিকারী হওয়া
    3. আনন্দে আত্মহারা হওয়া
    4. অন্ধ অনুকরণ করা
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্নে উল্লেখিত কিতাবুল ইমান অধ্যায়ের হাদিসে أَرْبَعَة أَعْيُنٍ শব্দগুচ্ছে শাব্দিক অর্থ- ‘চার চোখ হওয়া’। এখানে ‘আনন্দে আত্মহারা হওয়া’ বোঝানো হয়েছে।

    ১১১.
    কোনটি হযরত মুসা (আ) এর অলৌকিক ক্ষমতা?
    1. পঙ্গপালের উপদ্রব
    2. রোগ নিরাময়ের ক্ষমতা
    3. বিড়ালের উপদ্রব
    4. কোনটিই নয়
    ব্যাখ্যা

    মুসা (আ) এর মুজিজা ছিল ৯টি: লাঠি, তুফান, পঙ্গপাল, উকুন, ব্যাঙ, রক্ত, হস্তদ্বয় উজ্জ্বল বা সাদা হওয়া, দুর্ভিক্ষ ও ফসলের ঘাটতি।

    ১১২.
    কে মুজাদ্দিদ নন?
    1. ইমাম জালালুদ্দিন সুয়ুতি (র)
    2. কাসিম নানুতুবি (র)
    3. আবুল আব্বাস আহমাদ ইবনে শুরাইহ
    4. মাহমুদুল হাসান (র)
    ব্যাখ্যা

    মুজাদ্দিদ (আরবি: مجدد‎) শব্দের অর্থ সংস্কারক। প্রতি হিজরী শতাব্দিতে মুসলিম সমাজ সংস্কার, মুসলমানদের মধ্যে অনুপ্রবেশকৃত অনৈসলামিক রীতির মূলোৎপাটন এবং ইসলামের প্রকৃত আদর্শ পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করার জন্য আবির্ভূত হন। উপরোক্ত ৪ জনের ৩জন মুজাদ্দিদ হলেও মাহমুদুল হাসান (রা) কোন মুজাদ্দিদ নন।

    ১১৩.
    জান্নাতে নবি ও কোন্ ব্যক্তির মধ্যে মাত্র একটি স্তর ব্যবধান থাকবে?
    1. যে প্রতিবেশিদের মেহমানদারি করে
    2. যে আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করে
    3. যে ইলম অন্বেষণে ব্যস্ত থাকে
    4. যে যাকাত আদায় করে
    ব্যাখ্যা

    হাদিসে নববী অনুসারে জান্নাতে নবি ও যে ইলম অন্বেষণে ব্যস্ত থাকে, তাদের মধ্যে মাত্র একটি স্তর ব্যবধান থাকবে।

    ১১৪.
    কোনটি ‘ওহি-গইরে মাতলু’?
    1. হাদিসে কুদসি
    2. কুরআন
    3. হাদিসে নববি
    4. ক+গ
    ব্যাখ্যা

    ওহি ২ প্রকার: (১) ওহি মাতলু- পবিত্র কুরআন, (২) ওহি গাইরে মাতলু- হাদিসে কুদসি ও হাদিসে নববি।

    ১১৫.
    ইসলাম-পূর্ব যুগে আরবের একজন প্রধান দেবতা ছিলেন—
    1. সরস্বতী
    2. শিব
    3. কৃষ্ণ
    4. মানাত
    ব্যাখ্যা

    ইসলাম-পূর্ব আরবে হুবাল, আল-লাত, মানাত এবং আল-উজ্জা ছিলেন প্রধান দেবতা ও দেবী। যদিও আল্লাহকে সর্বোচ্চ দেবতা হিসেবে গণ্য করা হতো, তাকেও অন্যান্য ছোট দেবতার সাথে উপাসনা করা হতো।

    ১১৬.
    প্রাক-ইসলামি যুগে বেদুইনরা সর্বোচ্চ কত পর্যন্ত গণনা করতে পারত?
    1. ১,০০,০০০
    2. ১০,০০০
    3. ১,০০০
    4. ১০০
    ব্যাখ্যা

    যেহেতু বেদুইনদের জীবনের প্রধান সম্পদ ছিল উট, তবে তাদের গণনাশক্তি স্বাভাবিকভাবে বড় সংখ্যায় প্রসারিত হয়নি। তারা ১০০০-এর পরের সংখ্যা প্রকাশে দুর্বল ছিল এবং প্রায়ই ‘অগণিত’ বা ‘অসীম’ শব্দ ব্যবহার করত।

    ১১৭.
    তায়েফ সফরে রাসুলে কারিম (সা) এর সফরসঙ্গী ছিলেন—
    1. হযরত খাদিজা (রা)
    2. হযরত যায়েদ বিন সাবিত (রা)
    3. হযরত আবু বকর (রা)
    4. এদের কেউ নন
    ব্যাখ্যা

    তায়েফ সফরে রাসুলে কারিম (সা) এর সাথে মূলত তাঁর আপনজন যায়েদ ইবনে হারিসা (রা.) ছিলেন। তায়েফ সফরে নবীজি (সা.) ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে সেখানে গিয়েছিলেন, কিন্তু স্থানীয় লোকেরা তাঁর দাওয়াত গ্রহণ না করে তাঁকে তাড়িয়ে দেয়।

    ১১৮.
    হিজরতের পরে নির্মিত ‘মসজিদুন্নবি’ বলতে বোঝায়—
    1. মসজিদে কুবা
    2. মসজিদে জুমআ
    3. মসজিদে নববি
    4. মসজিদে কিবলাতাইন
    ব্যাখ্যা

    হিজরতের পরে নির্মিত ‘মসজিদুন্নবি’ বলতে আসলে মসজিদে নববিকেই বোঝানো হয়। এই মসজিদটি হযরত মুহাম্মাদ (সা) হিজরত করে মদিনায় আসার পরপরই নির্মাণ করেছিলেন।

    ১১৯.
    কোন তারিখে উহুদের যুদ্ধ সংঘটিত হয়?
    1. ১৩ মার্চ ৬২৫ খ্রিষ্টাব্দ
    2. ২৩ মার্চ ৬২৫ খ্রিষ্টাব্দ
    3. ২৩ মার্চ ৬২৬ খ্রিষ্টাব্দ
    4. ৩ মার্চ ৬২৩ খ্রিষ্টাব্দ
    ব্যাখ্যা

    উহুদের যুদ্ধ ৩ হিজরির ৭ শাওয়াল তারিখে (২৩ মার্চ ৬২৫ খ্রিস্টাব্দে) সংঘটিত হয়েছিল। এটি মদিনার মুসলিম ও মক্কার কুরাইশদের মধ্যে সংঘটিত একটি যুদ্ধ, যেখানে মুসলিমদের নেতৃত্বে ছিলেন মুহাম্মাদ (সা.) এবং কুরাইশদের নেতৃত্বে ছিলেন আবু সুফিয়ান।

    ১২০.
    রাসুলে কারিম (সা) খায়বার যুদ্ধে ইহুদিদের কোন শর্তে ক্ষমা করেন?
    1. সকল সম্পদ জব্দ করার শর্তে
    2. নিয়মিত কর প্রদানের শর্তে
    3. ইসলাম গ্রহণ করার শর্তে
    4. সবগুলো
    ব্যাখ্যা

    খায়বার যুদ্ধের পর রাসুল (সা) ইহুদিদের নিজেদের উর্বর ভূমিগুলো চাষাবাদ করে ফসল ভাগ করে নেওয়ার অনুমতি দেন, শর্ত ছিল যে তারা মদিনার প্রতি অনুগত থাকবে এবং মুসলিমদের বিরোধিতা করবে না। তারা নিজেরা চাষ করে ফসল পাবে, কিন্তু তার অর্ধেক অংশ মুসলিমদের দিতে হবে, এবং তারা নিজেদের ধর্ম ও জীবনযাত্রা স্বাধীনভাবে পালন করতে পারবে, কিন্তু মুসলিমদের নিরাপত্তা ও শান্তি বিঘ্নিত করবে না।

    ১২১.
    হুনাইনের যুদ্ধে মুসলিম বাহিনির সৈন্যসংখ্যা কত ছিল?
    1. ১০৫০০
    2. ১২০০০
    3. ১৮০০০
    4. ৩০০০০
    ব্যাখ্যা

    হুনাইনের যুদ্ধে মুসলিম বাহিনীর সৈন্যসংখ্যা সম্পর্কে ঐতিহাসিকদের মধ্যে ভিন্নমত রয়েছে; তবে বেশিরভাগ সূত্রে ১২ হাজার থেকে ১৪ হাজার সৈন্যের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ইবনে ইসহাক এর বর্ণনায় সংখ্যাটি ১০ হাজার, আবার কারো কারো মতে ১১,৫০০ ছিল বলে জানা যায়।

    ১২২.
    “মুহাম্মদ (সা) আর বেঁচে নেই” -এমন ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচার কোন যুদ্ধের প্রেক্ষাপট তৈরি করে?
    1. উহুদ
    2. হুনাইন
    3. খায়বার
    4. তাবুক
    ব্যাখ্যা

    “মুহাম্মদ (সা) আর বেঁচে নেই” -এমন ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচার তাবুক যুদ্ধের প্রেক্ষাপট তৈরি করেছিল। সংবাদ ছড়িয়ে পড়ে যে, তিনি আর বেঁচে নেই। এ সংবাদ রোমানদের উদ্বুদ্ধ করে মদিনা আক্রমণ করতে। পরবর্তীতে তাবুক যু্দ্ধ সংঘটিত হয়।

    ১২৩.
    খন্দক যুদ্ধের আগে মদিনায় কোন ইহুদি গোষ্ঠী বসবাস করত?
    1. বনু নাজির ও বনু কোরায়জা
    2. হাওয়াজিন ও সাকিফ
    3. কুরাইশ ও কোরায়জা
    4. বনু হারেস ও বনু জয়নব
    ব্যাখ্যা

    খন্দক যুদ্ধের আগে মদিনায় বনু কুরাইজা এবং বনু নাজির নামক দুটি প্রধান ইহুদি গোষ্ঠী বসবাস করত। বনু নাজিরকে আগে মদিনা থেকে উৎখাত করা হয়েছিল। তাদের প্ররোচনাতেই কুরাইশ ও অন্যান্য গোত্র মদিনার মুসলমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়েছিল।

    ১২৪.
    রাসুল (সা) এর পেশাগত জীবনের উল্লেখযোগ্য কাজ কী ছিল?
    1. ব্যবসা
    2. চাষাবাদ
    3. শিক্ষকতা
    4. ভ্রমণ
    ব্যাখ্যা

    পঁচিশ বছর বয়সে, তিনি ব্যবসায় কাজ শুরু করেন এবং তার বিশ্বস্ততার জন্য পরিচিত হন। খাদিজা (রা.)-এর সাথে বিবাহের পর তিনি তার ব্যবসার কাজে যুক্ত হন। এছাড়া নবুওয়তের আগে তিনি মেষপালনের কাজ করতেন এবং বিভিন্ন ব্যক্তির বকরি চড়ানোর মাধ্যমে উপার্জন করতেন।

    ১২৫.
    মিরাজে রাসুল (সা) কোন নবির সাথে সর্বোচ্চ আসমানে সাক্ষাৎ করেন?
    1. ইবরাহিম (আ)
    2. মুসা (আ)
    3. ঈসা (আ)
    4. ইউসুফ (আ)
    ব্যাখ্যা

    মিরাজের সফরকালে রাসুল (সা) সর্বোচ্চ আসমানে (সপ্তম আসমান) নবি ইবরাহিম (আ) এর সাথে সাক্ষাৎ করেন। মেরাজের সফরের বিভিন্ন স্তরে তিনি অন্যান্য নবীদের সাথেও সাক্ষাৎ করেছিলেন।

    ১২৬.
    প্রথম বাইআতুল আকাবা কোন বছরে সংঘটিত হয়?
    1. নবুওতের ১১তম বছর
    2. নবুওতের ১২তম বছর
    3. নবুওতের ১৩তম বছর
    4. নবুওতের ৯ম বছর
    ব্যাখ্যা

    প্রথম বাইয়াতে আকাবা ৬২১ খ্রিস্টাব্দে বা নবুওতের ১১তম বছর সংঘটিত হয়েছিল, যখন মদিনা থেকে আসা কিছু লোক মক্কায় রাসুল (সা.) এর হাতে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন এবং ইসলাম প্রচারে সাহায্য করার শপথ নেন।

    ১২৭.
    খায়বার যুদ্ধের সময় মুসলিম বাহিনীর পতাকা কার হাতে ছিল?
    1. আলী (রা)
    2. মুআজ বিন জাবাল (রা)
    3. আবু বকর (রা)
    4. জুবাইর (রা)
    ব্যাখ্যা

    খায়বার যুদ্ধের সময় মুসলিম বাহিনীর প্রধান পতাকা হযরত আলী (রা)-এর হাতে ছিল। নবী মুহাম্মদ (সা) তাঁকে পতাকা বহনের দায়িত্ব দিয়েছিলেন, কারণ তিনি ছিলেন সাহাবীদের মধ্যে সাহসী ও দক্ষ যোদ্ধা। এ যুদ্ধে হযরত আলী (রা) অত্যন্ত বীরত্ব প্রদর্শন করেন এবং ‘আসাদুল্লাহ’ বা ‘আল্লাহর সিংহ’ উপাধি লাভ করেন।

    ১২৮.
    বিদায় হজের জন্য রাসুল (সা) মদিনা থেকে কবে রওয়ানা করেন?
    1. ২০ ফেব্রুয়ারি ৬৩২ খ্রি.
    2. ১০ ফেব্রুয়ারি ৬৩১ খ্রি.
    3. ৩০ জানুয়ারি ৬৩২ খ্রি.
    4. ১৫ এপ্রিল ৬৩২ খ্রি.
    ব্যাখ্যা

    রাসুলুল্লাহ (সা) বিদায় হজের জন্য মদিনা থেকে ২৫ জিলকদ, ১০ হিজরি রওনা হয়েছিলেন। গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী এটি হয় ২০ ফেব্রুয়ারি ৬৩২ খ্রিস্টাব্দ। তিনি কয়েকদিন ভ্রমণের পর মক্কায় পৌঁছান এবং পরে ৯ জিলহজ্জ, ১০ হিজরি (৬ মার্চ ৬৩২ খ্রি.) আরাফাতে দাঁড়িয়ে খুতবা প্রদান করেন।

    ১২৯.
    খালিদ বিন ওয়ালিদ ও আমর বিন আস (রা) কোন হিজরিতে ইসলাম গ্রহণ করেন?
    1. ৫ম
    2. ৭ম
    3. ৯ম
    4. ৪র্থ
    ব্যাখ্যা

    খালিদ ইবন ওয়ালিদ (রা.) ও আমর ইবন আস (রা.) উভয়েই ৭ হিজরিতে ইসলাম গ্রহণ করেন। তাঁরা মক্কায় কুরাইশদের প্রভাবশালী নেতা ও সাহসী সেনাপতি ছিলেন। খালিদ ইবন ওয়ালিদ (রা.)-কে পরবর্তীতে রাসুল (সা.) উপাধি দেন ‘সাইফুল্লাহ’ (আল্লাহর তরবারি)। আমর ইবন আস (রা.) ইসলাম গ্রহণের পর মিসরের বিজয়ে নেতৃত্ব দেন।

    ১৩০.
    মুত্তার যুদ্ধে মুসলিম সেনাপতিদের মধ্যে কে শহিদ হন?
    1. খালিদ ইবনে ওয়ালিদ (রা)
    2. যায়েদ বিন সাবিত (রা)
    3. আলি ইবনে আবি তালিব (রা)
    4. কোনটিই নয়
    ব্যাখ্যা

    ৮ম হিজরিতে সংঘটিত মুতার ‍যুদ্ধে আল্লাহর রাসুলের (সা) ভবিষ্যতবাণী অনুসারে ৩ জন সেনাপতি শহিদ হন। তারা হলেন- জাফর ইবনে আবি তালিব, যায়েদ ইবনে হারিসা, আবদুল্লাহ ইবনু রাওয়াহা (রা)।

    ১৩১.
    মক্কার মুশরিকরা কাকে ‘আবুল হিকাম’ উপনামে ডাকত?
    1. আমর ইবনে হিশাম
    2. উতবা
    3. উমাইয়া
    4. আবু সুফিয়ান
    ব্যাখ্যা

    মক্কার মুশরিকরা আমর ইবনে হিশাম-কে ‘আবুল হিকাম’ উপাধিতে ডাকত, কারণ তার বুদ্ধিমত্তা ও বিচক্ষণতার কারণে তাকে প্রজ্ঞাবান হিসেবে সম্মান করত। তার মূল নাম ছিল আমর ইবনে হিশাম, কিন্তু তার গভীর জ্ঞান ও বিচক্ষণতার জন্য তাকে আবুল হিকাম উপাধি দেওয়া হয়েছিল। রাসুলে কারিম (সা) তাকে আবু জাহাল বা মূর্খের পিতা হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

    ১৩২.
    তাবুক যুদ্ধে মুসলিম সেনাসংখ্যা কত ছিল?
    1. প্রায় ১২,০০০
    2. প্রায় ২০,০০০
    3. প্রায় ৩০,০০০
    4. প্রায় ১০,০০০
    ব্যাখ্যা

    তাবুক যুদ্ধে প্রায় ৩০,০০০ মুসলিম যোদ্ধা অংশগ্রহণ করেছিল। এটি ছিল মুহাম্মদ (সা.)-এর নেতৃত্বে শেষ সামরিক অভিযান, যা ৬৩০ খ্রিস্টাব্দে (৯ম হিজরি) বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের আগ্রাসন ঠেকাতে পরিচালিত হয়েছিল।

    ১৩৩.
    খায়বার যুদ্ধের মূল কারণ কী ছিল?
    1. রোমান আগ্রাসন
    2. ইহুদিদের মদিনা আক্রমণের পরিকল্পনা
    3. মুসলিম দূত হত্যা
    4. গনিমতের সম্পদ অর্জনের পরিকল্পনা
    ব্যাখ্যা

    খায়বার যুদ্ধের একটি অন্যতম মূল কারণ ছিল মদিনা আক্রমণের জন্য ইহুদিদের পরিকল্পনা এবং তাদের কার্যকলাপ। খন্দক যুদ্ধের পর ইহুদিরা মদিনা থেকে বিতাড়িত হয় এবং খায়বারে আশ্রয় নেয়, সেখান থেকে তারা মদিনার উপর আক্রমণের প্রস্তুতি নিচ্ছিল, যার প্রেক্ষিতেই এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

    ১৩৪.
    রাসুল (সা)-এর জীবনের শেষ গাযওয়া ছিল কোনটি?
    1. হুনাইন
    2. মক্কা বিজয়
    3. তাবুক
    4. পারস্য বিজয়
    ব্যাখ্যা

    তাবুক যুদ্ধ ছিল মুহাম্মদ (সা.)-এর নেতৃত্বে শেষ সামরিক অভিযান, যা ৬৩০ খ্রিস্টাব্দে (৯ম হিজরি) বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের আগ্রাসন ঠেকাতে পরিচালিত হয়েছিল। একে ‘গাযওয়াতুল উসরা’ বা ‘কষ্টের যুদ্ধ’ নামে অভিহিত করা হয়।

    ১৩৫.
    স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার পর ইদ্দতকালীন তার বোনকে বিবাহ করার হুকুম কী?
    1. জায়েজ
    2. হারাম
    3. (পূর্ব) স্ত্রীর অনুমতিসাপেক্ষে জায়েজ
    4. বিবাহ বৈধ, সহবাস অবৈধ
    ব্যাখ্যা

    স্ত্রীর আপন বোন হলো অস্থায়ী মুহাররামাত। স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার পর ইদ্দতকালীন তার বোনকে বিবাহ করার হুকুম হারাম। ইদ্দত শেষ হলে তাকে বিবাহ করা যাবে।

    ১৩৬.
    একই অনুষ্ঠানে কার উপস্থিতি ছাড়া বিবাহ শুদ্ধ হবে না?
    1. পাত্র
    2. পাত্রী
    3. দুজন সাক্ষী
    4. পুরুষের অভিভাবক
    ব্যাখ্যা

    ইসলামি শরিয়ত অনুসারে দুজন ন্যায়পরায়ণ সাক্ষীর উপস্থিতি ব্যতীত বিবাহ শুদ্ধ হয় না। এই সাক্ষীদের অবশ্যই সুস্থমস্তিস্কের, মুসলমান এবং শ্রবণশক্তি সম্পন্ন হতে হবে।

    ১৩৭.
    লিয়ানের মাধ্যমে বিচ্ছেদপ্রাপ্ত স্বামী-স্ত্রীর পুনরায় বিবাহের হুকুম কী?
    1. জায়েজ নেই
    2. স্বামী ফিরিয়ে নিলেই বিবাহ কায়েম হবে
    3. নতুন মোহর দিয়ে বিবাহ করতে হবে
    4. হালালাহ শেষে বিবাহ করা যাবে
    ব্যাখ্যা

    লিয়ানের মাধ্যমে বিচ্ছেদপ্রাপ্ত স্বামী-স্ত্রীর পুনরায় বিবাহের হুকুম হলো- অধিকাংশ আলিমের মতে এটি চিরস্থায়ী নিষিদ্ধ।

    ১৩৮.
    একই মজলিসে কিংবা একই শব্দে তিন তালাক দেওয়ার হুকুম কী?
    1. মাকরুহে তানযিহি
    2. মাকরুহে তাহরিমি
    3. হারাম
    4. মুবাহ
    ব্যাখ্যা

    একই মজলিসে বা একই শব্দে তিন তালাক দেওয়া ইসলামী শরীয়তে হারাম এবং কবিরা গুনাহ, তবে এর মাধ্যমে তালাক কার্যকর হয়ে যায় এবং স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক সম্পূর্ণভাবে ছিন্ন হয়ে যায়। যদিও এই পদ্ধতিটি শরীয়তের নিয়ম অনুযায়ী তালাক দেওয়ার প্রক্রিয়া নয়, তবুও তিন তালাক পতিত হওয়ার পর স্ত্রীকে আর ফিরিয়ে আনা যায় না, এবং পুনরায় বিয়ে করতে হলে তাকে অন্য কাউকে বিয়ে করে সেই বিয়ে বিচ্ছেদ হতে হবে।

    ১৩৯.
    স্বামী যদি স্ত্রীকে ‘এক তালাক-ই বায়েন’ প্রদান করে, তাহলে-
    1. তিন তুহুরে চাইলে স্বামী স্ত্রীকে ফিরিয়ে নিতে পারবে
    2. শরিয়তসম্মতভাবে নতুন করে বিবাহ করতে হবে
    3. তাদের মধ্যে কোন অবস্থাতেই পুনরায় বিবাহ শুদ্ধ নয়
    4. হালালাহ শেষে পুনরায় বিবাহ করতে পারবে
    ব্যাখ্যা

    স্বামী যদি স্ত্রীকে ‘তালাক-ই বায়েন’ প্রদান করে, তবে শরিয়তসম্মতভাবে তাদের দাম্পত্য জীবন পুনরায় শুরু করতে হলে অবশ্যই নতুন করে মোহর নির্ধারণ করে দুজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে ইজাব-কবুল (বিবাহের প্রস্তাব ও গ্রহণ) করে নতুনভাবে বিবাহ করতে হবে। বায়েন তালাক মানে হলো বৈবাহিক সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যাওয়া এবং এরপর একসঙ্গে থাকতে চাইলে এই নতুন বিবাহ বন্ধন অপরিহার্য।

    ১৪০.
    ইসলামে শ্রমের মর্যাদা কুরআনের কোন সুরায় গুরুত্ব পেয়েছে?
    1. সুরা তওবা
    2. সুরা জুমুআ
    3. সুরা নিসা
    4. সুরা কাহফ
    ব্যাখ্যা

    “সালাত সমাপ্ত হলে তোমরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়বে এবং আল্লাহর অনুগ্রহ সন্ধান করবে ও আল্লাহকে অধিক স্মরণ করবে যাতে তোমরা সফলকাম হও।” (সুরা জুমআ, আয়াত ১০) সুরা জুমআ ছাড়াও সুরা বালাদ ও সুরা নাজমে শ্রমের মর্যাদা বিষয়ে বর্ণনা রয়েছে।

    ১৪১.
    ইসলামে তালাকের অনুমোদিত পদ্ধতি কোনটি?
    1. তালাক-ই আহসান
    2. তালাকে বিদঈ
    3. তালাক-ই বায়েন
    4. তালাক-ই হাসান
    ব্যাখ্যা

    ইসলামে তালাক হলো সবচেয়ে নিকৃষ্ট হালাল কাজ। তালাকের যতগুলো পদ্ধতি রয়েছে, তার মধ্যে সবচেয়ে উত্তম ও ইসলামে অনুমোদিত তালাক হলো তালাক-ই আহসান। তালাক-ই-আহসান হলো ইসলামী বিবাহবিচ্ছেদের একটি পদ্ধতি, যা সবচেয়ে উত্তম বা পছন্দনীয় বলে বিবেচিত। এই পদ্ধতিতে স্বামী তার স্ত্রীকে একবার তালাক প্রদান করেন যখন তাদের মধ্যে যৌন সম্পর্ক স্থাপন হয়নি এবং স্ত্রী মাসিক চক্রের (তুহুর) মধ্যে পবিত্র অবস্থায় আছেন। এরপর স্বামী-স্ত্রীকে ইদ্দতের সময়কাল (সাধারণত তিনটি মাসিক চক্র) অতিক্রম করতে হয়, এই সময়ের মধ্যে তারা চাইলে সম্পর্ক পুনর্বহাল করতে পারেন। ইদ্দতকাল শেষে যদি তালাক প্রত্যাহার না করা হয়, তবে বিবাহবিচ্ছেদ চূড়ান্ত হয়।

    ১৪২.
    ইসলামি সমাজনীতিতে মুনাফিকদের ভূমিকা কেমন বিবেচিত?
    1. তারা রাষ্ট্রের অপরিহার্য উপাদান
    2. তারা সমাজের জন্য হুমকি
    3. তারা নিরপেক্ষ ব্যক্তি
    4. তাদের ভেতরেও নৈতিকতা থাকতে পারে
    ব্যাখ্যা

    ইসলামী সমাজনীতিতে মুনাফিকদের ভূমিকা সমাজের জন্য সরাসরি হুমকি হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। এর পেছনে যেসব কারণ রয়েছে:

    দ্বিমুখী চরিত্র – মুখে মুসলমান দাবি করে, অন্তরে শত্রুতা পোষণ করে।

    বিশ্বাসঘাতকতা – তারা গোপনে শত্রুদের খবর দেয় এবং মুসলিম সমাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে।

    আত্মিক ও সামাজিক ভাঙন – সত্যিকার মুসলমানদের ঐক্য নষ্ট করে, সন্দেহ ছড়ায়।

    যুদ্ধকালীন ক্ষতি – যুদ্ধের সময় ভীতি ছড়িয়ে সৈন্যদের মনোবল ভেঙে দেয় (যেমন উহুদ ও তাবুক অভিযানে)।

    নৈতিক দূষণ – তারা মিথ্যা, প্রতারণা, গীবত ও চক্রান্তের মাধ্যমে সামাজিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করে।

    ১৪৩.
    ইসলামে নারীর সম্পদের মালিকানা কার?
    1. নিজের
    2. স্বামীর
    3. সন্তানের
    4. রাষ্ট্রের
    ব্যাখ্যা

    ইসলামে নারীর সম্পদের মালিকানা সম্পূর্ণ নিজের। নারী তার নিজের উপার্জিত সম্পদ এবং উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তির উপর স্বাধীনভাবে মালিকানা লাভ করেন এবং তা নিজের ইচ্ছামতো ব্যবহার করতে পারেন। কোনো পুরুষ বা অন্য কেউ তার অনুমতি ছাড়া তার সম্পদের উপর হস্তক্ষেপ করতে পারেন না।

    ১৪৪.
    ইসলামে উত্তরাধিকার বণ্টন কীসের অংশ?
    1. সমাজনীতি
    2. পারিবারিক বিষয়
    3. অর্থনীতি
    4. রাজনীতি
    ব্যাখ্যা

    ইসলামে উত্তরাধিকার বণ্টন অবশ্যই সমাজনীতির একটি অংশ, কারণ এটি কেবল অর্থনৈতিক বিষয় নয়, বরং পরিবার ও সমাজের মধ্যে সুষম বন্টন নিশ্চিত করে, দুর্বলদের সুরক্ষা দেয় এবং পারিবারিক বন্ধন দৃঢ় করে, যা একটি সুস্থ সমাজ গঠনের জন্য অপরিহার্য। ফারায়েজ বা ইসলামিক উত্তরাধিকার আইন এর মাধ্যমে সম্পদ বণ্টনের যে সুনির্দিষ্ট নিয়মাবলী রয়েছে, তা সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে এবং অর্থনৈতিক বৈষম্য কমাতে সহায়তা করে।

    ১৪৫.
    اَحَلَّ اللّٰهُ الۡبَیۡعَ وَ حَرَّمَ الرِّبٰوا পবিত্র কুরআনের কোথায় রয়েছে?
    1. সুরা বাকারাহ, আয়াত ২৮৫
    2. সুরা নিসা, আয়াত ১৭
    3. সুরা বাকারাহ, আয়াত ২৭৫
    4. সুরা মুমতাহিনাহ, আয়াত ৯
    ব্যাখ্যা

    “অথচ আল্লাহ বেচা-কেনাকে হালাল করেছেন এবং সুদ হারাম করেছেন।” এটি পবিত্র কুরআনে সুরা বাকারাহ এর ২৭৫ নং আয়াতে বর্ণিত হয়েছে।

    ১৪৬.
    ইসলামে শাসকের জুলুমের বিরুদ্ধে সাধারণের করণীয় কী?
    1. অভিশাপ দেওয়া
    2. নীরব থাকা
    3. বিদ্রোহ করা
    4. সত্য কথা বলা
    ব্যাখ্যা

    ইসলামে শাসকের জুলুমের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের প্রধান করণীয় হলো সত্য কথা বলা এবং ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য সাহসী হওয়া। আল্লাহ বলেন, “হে ঈমানদারগণ! তোমরা ন্যায়ের উপর দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত থাক আল্লাহর সাক্ষ্যদাতা হয়ে, যদিও তা তোমাদের নিজেদের বা পিতা-মাতা ও আত্মীয়স্বজনের বিরুদ্ধে যায়।” (সুরা নিসা, আয়াত ১৩৫)

    ১৪৭.
    মদিনা সনদ সবাইকে নিয়ে প্রণীত হলেও সেখানে নাগরিক হিসেবে স্বীকৃত ছিল কেবল—
    1. মুসলিমদের
    2. বংশীয় লোকদের
    3. মুসলিম-অমুসলিম সবার
    4. মুসলিম ও কুরাইশদের
    ব্যাখ্যা

    মদিনা সনদ মুসলিম ও অমুসলিম সবার নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করেছিল এবং এটি ছিল মানব ইতিহাসের প্রথম লিখিত সংবিধানগুলির মধ্যে অন্যতম। এই সনদ অনুযায়ী, মদিনায় বসবাসরত মুসলিম, ইহুদি ও অন্যান্য ধর্ম, বর্ণ ও জাতি নির্বিশেষে সবাই শান্তি ও সম্প্রীতির সাথে বসবাস করবে এবং তাদের সবার সমান অধিকার থাকবে।

    ১৪৮.
    ইসলামে শাসক ও প্রজার সম্পর্ক মূলত—
    1. সুবিধা প্রাপ্তির
    2. সমালোচনা ও ভয়ের
    3. সম্মান ও শ্রদ্ধার
    4. আমানত ও আনুগত্যের
    ব্যাখ্যা

    ইসলামে শাসক ও প্রজার সম্পর্কের মূলনীতি হলো আমানত ও আনুগত্য। শাসনক্ষমতা ইসলামে ব্যক্তিগত মালিকানা নয়, বরং আল্লাহর একটি আমানত। শাসকের দায়িত্ব হলো ন্যায়বিচার করা, প্রজার হক আদায় করা এবং সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা। প্রজার দায়িত্ব হলো শাসকের প্রতি আনুগত্য করা, যতক্ষণ না শাসক আল্লাহর অবাধ্যতার নির্দেশ দেয়।

    ১৪৯.
    যার অত্যাচার থেকে তার প্রতিবেশী নিরাপদ থাকে না, সে—
    1. মুনাফিক
    2. ইমানদার নয়
    3. মুসলমান নয়
    4. কাফির
    ব্যাখ্যা

    হাদিস অনুসারে যে ব্যক্তি তার প্রতিবেশীর প্রতি অন্যায় করে বা তার অনিষ্ট থেকে প্রতিবেশীকে নিরাপদ রাখে না, সে পূর্ণাঙ্গ ইমানদার নয়, কারণ ইসলাম প্রতিবেশীর সঙ্গে সদ্ব্যবহার এবং তাদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার কথা বলে।

    ১৫০.
    মানুষের প্রথম পাঠশালা কোনটি?
    1. সমাজ
    2. পরিবার
    3. পরিবেশ
    4. মক্তব
    ব্যাখ্যা

    মানুষের প্রথম পাঠশালা পরিবার। পরিবারেই শিশু প্রথম ভাষা শেখে, নৈতিকতা, ভালো-মন্দের ধারণা, এবং মূল্যবোধ অর্জন করে, যা তার ভবিষ্যতের পথচলাকে প্রভাবিত করে। বাবা-মা হলেন প্রথম শিক্ষক এবং তাদের আচরণ, কথা-বার্তা ও কাজই শিশুর প্রধান পাঠ্য বিষয়।

    ১৫১.
    “তোমাদের মাঝে সেই ব্যক্তি উত্তম, যে তার স্ত্রীর কাছে উত্তম” কে বলেছেন?
    1. মহান আল্লাহ
    2. মুহাম্মদ (সা)
    3. হযরত আবু বকর (রা)
    4. হাসান বসরি (র)
    ব্যাখ্যা

    “তোমাদের মাঝে সেই ব্যক্তি উত্তম, যে তার স্ত্রীর কাছে উত্তম” কথাটি একটি হাদিসে নববি। সুতরাং, এটি রাসুলে কারিম (সা) এর বাণী।

    ১৫২.
    আল্লাহর রাসুল (সা) দাসীর সাথে আযল করাকে—
    1. অনুমতি দেননি
    2. অনুমতি দিয়েছেন
    3. দাসীর অনুমতি সাপেক্ষে অনুমতি দিয়েছেন
    4. উত্তম বলেছেন
    ব্যাখ্যা

    ইসলামে অনুমোদিত গর্ভরোধের একটি অস্থায়ী উপায় হলো আযল করা। রাসুলে কারিম (সা) স্ত্রী ও দাসীর সাথে আযল করার অনুমতি দিয়েছেন।

    ১৫৩.
    ভ্যাসেক্ট্যামির হুকুম কী?
    1. নিষিদ্ধ
    2. জায়েজ
    3. মুবাহ
    4. মাকরুহ
    ব্যাখ্যা

    ভ্যাসেকটমি বা ভাসোলিগেশন হলো পুরুষ নির্বীজকরণ বা স্থায়ী গর্ভনিরোধের জন্য একটি নির্বাচনী অস্ত্রোপচার পদ্ধতি। এতে শুক্রাণু মূত্রনালীতে প্রবেশ করা থেকে বিরত থাকে। এটি একটি স্থায়ী গর্ভ নিরোধ পদ্ধতি, যেটি ইসলামে নিষিদ্ধ।

    ১৫৪.
    ভ্রুণ কোন বয়সে মারা গেলে আকিকার বিধান রয়েছে?
    1. ৩ মাস
    2. ৪ মাস
    3. ৫ মাস
    4. ৬ মাস
    ব্যাখ্যা

    কিছু কিছু আলিম বলেন, ভ্রুণ ৪ মাস বয়সে মারা গেলে আকিকার বিধান রয়েছে। যদিও অনেকে এটির বিরোধিতা করেছেন এবং বলেছেন- মৃত সন্তানের কোন আকিকা নেই।

    ১৫৫.
    গর্ভ নিরোধের চিকিৎসাশাস্ত্রীয় তত্ত্ব প্রথম কবে প্রদান করা হয়?
    1. ১৭৫৬ সালে
    2. ১৮০৪ সালে
    3. ১৮৭৬ সালে
    4. ১৮৯৯ সালে
    ব্যাখ্যা

    আমেরিকায় ডা. চার্লস নেলটন সর্বপ্রথম “The fruits of Philosophy” শীর্ষক গ্রন্থে গর্ভ নিরোধের চিকিৎসাশাস্ত্রীয় তত্ত্ব প্রদান করেন। ১৮৭৬ সালে তিনি বইটি ইংল্যান্ডে প্রথম প্রকাশ করেন।

    ১৫৬.
    কোন ক্ষেত্রে স্ত্রীকে অনুমতি নিতে হয়?
    1. নিজ সম্পত্তি দান করার ক্ষেত্রে
    2. মৌলিক ইবাদাত প্রতিপালনের ক্ষেত্রে
    3. নফল রোজা রাখার ক্ষেত্রে
    4. সবগুলো
    ব্যাখ্যা

    ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী একজন মহিলার নফল রোজা রাখার ক্ষেত্রে স্বামীর অনুমতি প্রয়োজন। স্বামীর অনুমতি ছাড়া নফল রোজা রাখা জায়েজ নয়, কারণ এটি স্বামীর অধিকারকে ক্ষুণ্ন করতে পারে এবং দাম্পত্য জীবনে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি করতে পারে। তবে স্বামী দূরে থাকলে বা তার পক্ষ থেকে কোনো ত্রুটির সম্ভাবনা না থাকলে, নফল রোজা রাখা যেতে পারে।

    ১৫৭.
    هُنَّ لِبَاسٌ لَّكُمْ وَأَنتُمْ لِبَاسٌ لَّهُنَّ আয়াতাংশ পবিত্র কুরআনের কোথায় রয়েছে?
    1. সুরা নিসা
    2. সুরা আলে ইমরান
    3. সুরা নুর
    4. কোনটিই নয়
    ব্যাখ্যা

    “তারা তোমাদের জন্য পরিচ্ছদ এবং তোমরা তাদের জন্য পরিচ্ছদ স্বরূপ” এ আয়াতের কারিমর অংশটুকু সুরা বাকারাহ এর ১৮৭ নং আয়াতে রয়েছে।

    ১৫৮.
    সর্বনিম্ন কতটি উট থাকলে একটি উট যাকাত দিতে হবে?
    1. ৫টি
    2. ২০টি
    3. ২৫টি
    4. ৪৬টি
    ব্যাখ্যা

    ‍উটের যাকাত হিসাব করার নিয়ম: ৫ থেকে ৯টি উট: ১টি বকরি (মাদী ছাগল)। ১০ থেকে ১৪টি উট: ২টি বকরি। ১৫ থেকে ১৯টি উট: ৩টি বকরি। ২০ থেকে ২৪টি উট: ৪টি বকরি। ২৫ থেকে ৩৯টি উট: ১টি বিনতু লাবুন (২ বছর বয়সী মাদী উট)। সুতরাং, যাকাত হিসেবে উট পরিশোধ করতে হলে অন্তত ২৫টি উট থাকতে হবে।

    ১৫৯.
    “এবং তারা নিজেদের মধ্যে পরামর্শের ভিত্তিতে কর্ম সম্পাদন করে।” এটি কুরআনের কোথায় রয়েছে?
    1. সুরা বাকারাহ, আয়াত ৩৮
    2. সুরা শুরা, আয়াত ৩৮
    3. সুরা হাশর, আয়াত ৪৮
    4. সুরা নামল, আয়াত ১২
    ব্যাখ্যা

    “এবং তারা নিজেদের মধ্যে পরামর্শের ভিত্তিতে কর্ম সম্পাদন করে।” এটি কুরআনের সুরা শুরা এর ৩৮ নং আয়াতে রয়েছে।

    ১৬০.
    হযরত উসমান (রা) এর খেলাফতের সময়কাল কত?
    1. ৬৩৪-৬৪৪
    2. ৬৪৪-৬৫৬
    3. ৬৫৬-৬৬২
    4. ৬৪৩-৬৫৩
    ব্যাখ্যা

    হযরত উসমান (রা) ৬৪৪ খ্রিস্টাব্দ থেকে ৬৫৬ খ্রিস্টাব্দে তাঁর শাহাদাত পর্যন্ত খিলাফতের দায়িত্ব পালন করেন, যা মোট ১২ বছর। ইসলামের তৃতীয় খলিফা হিসেবে তিনি চারজন খুলাফায়ে রাশিদুনের একজন ছিলেন এবং এই ১২ বছর ধরে খিলাফত পরিচালনা করেন।

    ১৬১.
    ইসলামি রাষ্ট্রে রাষ্ট্রপ্রধানের ক্ষমতা—
    1. সর্বদা একক কর্তৃত্বে প্রযুক্ত হয়
    2. কখনো কখনো ভাগাভাগি করা যায়
    3. সর্বদা মজলিশে আম এর সিদ্ধান্তের মাধ্যমে প্রযুক্ত হয়
    4. সর্বদা মজলিশে খাস এর সিদ্ধান্তের মাধ্যমে প্রযুক্ত হয়
    ব্যাখ্যা

    ইসলামী রাষ্ট্রে রাষ্ট্রপ্রধানের ক্ষমতা কখনো কখনো ভাগাভাগি করা যায়, তবে তা শরীয়াহ আইন ও জনকল্যাণ প্রতিষ্ঠার নীতির উপর ভিত্তি করে হয়। রাষ্ট্রপ্রধান সর্বদা মজলিশে আম বা খাস এর সিদ্ধান্তের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেন না।

    ১৬২.
    ব্যবসায়ী পণ্যের যাকাত কত শতাংশ?
    1. ১%
    2. নিসফে উশর
    3. ২%
    4. নিসফে উশরের অর্ধেক
    ব্যাখ্যা

    নিসফে উশরের অর্ধেক (উশর=১০%, নিসফে উশর=৫%, নিসফে উশরের অর্ধেক=২.৫%)। সুতরাং ব্যবসায়ী পণ্যের যাকাত ২.৫%।

    ১৬৩.
    জনাব আব্দুল্লাহ ১০০টি উটের মালিক হলে তিনি নিচের কোনটি যাকাত হিসেবে প্রদান করবেন?
    1. ৩টি জাঝআহ
    2. ৪টি ছাগল
    3. ২টি বিনতে লাবুন
    4. ২টি হিক্কাহ
    ব্যাখ্যা

    কেউ যদি ১০০টি উটের মালিক হন, তাহলে তাকে ২টি হিক্কাহ (৪র্থ বছরে পদার্পণকারী উট) যাকাত হিসেবে প্রদান করতে হবে।

    ১৬৪.
    ইউরোপে জন্মনিয়ন্ত্রণ আন্দোলন কবে শুরু হয়?
    1. ১৮তম শতাব্দির প্রথম ভাগে
    2. ১৮তম শতাব্দির শেষ ভাগে
    3. ১৯তম শতাব্দির প্রথম ভাগে
    4. ১৯তম শতাব্দির শেষ ভাগে
    ব্যাখ্যা

    ইউরোপে জন্মনিয়ন্ত্রণ আন্দোলন অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষ দিকে শুরু হয়েছিল। মার্গারেট স্যাঙ্গার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জন্মনিয়ন্ত্রণ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন, যিনি ১৯৫০-এর দশকে জন্মনিয়ন্ত্রক পিল আবিষ্কারের পর থেকে আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হন।

    ১৬৫.
    ‘ফাদার অব অ্যারাবিক আলকেমি’ বলা হয় কাকে?
    1. আল-খাওয়ারিজমি
    2. আল-বাত্তানি
    3. জাবির ইবনে হাইয়ান
    4. ইবনে সিনা
    ব্যাখ্যা

    “Father of Arabic Alchemy” বলা হয় — জাবির ইবন হাইয়ানকে। তিনি পাশ্চাত্যে “Geber” নামেও পরিচিত। তিনি রসায়নবিদ্যাকে পরীক্ষাধর্মী বিজ্ঞান হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

    ১৬৬.
    প্রাথমিকভাবে মুসলিমদের বিজ্ঞান ছিল মূলত— বিজ্ঞানের অনুকরণ।
    1. স্প্যানিশ
    2. গ্রিক
    3. বৃটিশ
    4. ভারতীয়
    ব্যাখ্যা

    প্রাথমিকভাবে মুসলিমদের বিজ্ঞান ছিল মূলত গ্রিক বিজ্ঞানের অনুকরণ। মুসলিমরা প্রথমে গ্রিক, পারসিক ও ভারতীয় বিজ্ঞান-দর্শনের লেখা অনুবাদ করে। তবে মুসলিম বিজ্ঞানীরা গ্রিক মতামত অন্ধভাবে মানেননি। যেমন আল রাজি গ্রিক চিকিৎসক গ্যালেনের অনেক মতামত ভুল প্রমাণ করেন।

    ১৬৭.
    ‘ফিরদাউস আল-হিকমাহ ফিত-তিব্ব’ গ্রন্থ কে রচনা করেন?
    1. আত-তাবারি
    2. আল-বিরুনি
    3. আল-খাওয়ারিজমি
    4. আল-রাজি
    ব্যাখ্যা

    ‘ফিরদাউস আল-হিকমাহ ফিত-তিব্ব’ গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন আলী ইবনে সাহল রাব্বান আত-তাবারি। এই গ্রন্থটি একটি চিকিৎসাশাস্ত্রের বিশ্বকোষ এবং এর ইংরেজি নাম হলো ‘Paradise of Wisdom’।

    ১৬৮.
    মধ্যযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ মুসলিম চিকিৎসক কে?
    1. ইবনে রুশদ
    2. আল-বিরুনি
    3. আল-খাওয়ারিজমি
    4. আল-রাজি
    ব্যাখ্যা

    আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে যাকারিয়া আল-রাজি (৮৬৫-৯২৫ খ্রিষ্টাব্দ) ছিলেন মধ্যযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ মুসলিম চিকিৎসক এবং পারস্যের একজন বিখ্যাত আলকেমিস্ট ও দার্শনিক। তাকে চিকিৎসাবিজ্ঞান ও আলকেমি সংক্রান্ত অনেক গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য সম্মান করা হয়, যার মধ্যে রয়েছে সালফিউরিক অ্যাসিড আবিষ্কার, ইথানল উৎপাদন প্রক্রিয়া আবিষ্কার এবং হাম ও গুটিবসন্তের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয়।

    ১৬৯.
    মুসলিম বিজ্ঞানী আল-নেহাওয়ান্দি কোন শাস্ত্রে সর্বাধিক অবদান রেখেছেন?
    1. চিকিৎসা
    2. জ্যোতির্বিদ্যা
    3. গণিত
    4. স্থাপত্য
    ব্যাখ্যা

    মুসলিম বিজ্ঞানী ইয়াহইয়া ইবনে আবি মন্সুর আল-নেহাওয়ান্দি ছিলেন আব্বাসীয় খলিফা আল-মামুনের আমলের বিখ্যাত জ্যোতির্বিদ। বাগদাদের “বায়তুল হিকমাহ” (House of Wisdom)-এ কাজ করতেন এবং আল-মামুনের তত্ত্বাবধানে পর্যবেক্ষণ চালান। আল-নেহাওয়ান্দি ছিলেন প্রাচীন ইসলামী জ্যোতির্বিদ্যার অন্যতম পথিকৃৎ, যিনি তারকাপুঞ্জ, গ্রহ-চন্দ্রের গতি ও জ্যোতির্বিদ্যা সারণি প্রণয়নের মাধ্যমে বড় অবদান রেখেছেন।

    ১৭০.
    জাবির ইবনে হাইয়ান কোন খলিফার আমলে রসায়ন চর্চা শুরু করেন?
    1. আল-মামুন
    2. হারুনুর রশিদ
    3. আব্বাস আল-মানসুর
    4. আবদুল মালিক
    ব্যাখ্যা

    জাবির ইবনে হাইয়ান আব্বাসীয় খলিফা হারুন আল রশিদের আমলে রসায়ন চর্চা শুরু করেন এবং তার গুরু বার্মাকি উজিরের পৃষ্ঠপোষকতায় চিকিৎসা শাস্ত্র চর্চা করেন। আব্বাসীয় খিলাফতের অধীনে তিনি কুফায় ফিরে আসার পর ইমাম জাফর সাদিককে তার শিক্ষক হিসেবে পেয়েছিলেন।

    ১৭১.
    সর্বপ্রথম ছানি অপারেশন করেন কোন মুসলিম চিকিৎসক?
    1. ইবনে সিনা
    2. আল রাজি
    3. আলি আল মাওসুলি
    4. আল জাহরাভি
    ব্যাখ্যা

    সর্বপ্রথম ছানি (Cataract) অপারেশন করেন বিখ্যাত মুসলিম চিকিৎসক আলি আল-মাওসুলি। তিনি “কিতাব আল-মুনতাখাব ফি ইলাজ আল-আইন” নামে চক্ষু-চিকিৎসা বিষয়ক গ্রন্থ রচনা করেন।

    ১৭২.
    ‘আল আসারুল বাকিয়্যাহ আনিল কুরুনে খালিয়্যাহ’ গ্রন্থের আলোচ্য বিষয় নয় কোনটি?
    1. গণিত
    2. ভূগোল
    3. পদার্থবিদ্যা
    4. জ্যোতির্বিজ্ঞান
    ব্যাখ্যা

    আবু রায়হান আল বিরুনি কর্তৃক রচিত এ বইয়ে বিভিন্ন সংস্কৃতি ও সভ্যতার ক্যালেন্ডার, গণিত, জ্যোতির্বিজ্ঞান, ভূগোল, ঐতিহাসিক তথ্য, বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর প্রথা ও ধর্ম নিয়ে তুলনামূলক আলোচনা রয়েছে।

    ১৭৩.
    আল-মাসউদি রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ—
    1. মুরুজুয যাহাব
    2. আল-তাসরিফ
    3. আল-হাবি
    4. আল-কানুন
    ব্যাখ্যা

    আল-মাসুদি রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ হলো ‘মুরুজুয যাহাব’। এটি একটি ভাষ্যমূলক সার্বজনীন ইতিহাস বিষয়ক গ্রন্থ, যেখানে আল-মাসুদি ইতিহাস এবং বৈজ্ঞানিক ভূগোলের সমন্বয় ঘটিয়েছেন।

    ১৭৪.
    আল-বিরুনি পৃথিবীর পরিধি নির্ণয়ে কোন নীতি ব্যবহার করেন?
    1. ত্রিভুজ সূত্র
    2. গোলীয় সূত্র
    3. সেকেন্ট সূত্র
    4. পিথাগোরাস সূত্র
    ব্যাখ্যা

    আল-বিরুনি ১০৩০ সালে পৃথিবীর পরিধি নির্ণয়ের জন্য ত্রিকোণমিতি (ত্রিভুজ সূত্র) ব্যবহার করেছিলেন। তিনি দিগন্ত এবং একটি সরলরেখার মধ্যবর্তী কোণ দুটি ভিন্ন স্থানে পরিমাপ করে এই তথ্য ব্যবহার করে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ হিসাব করেছিলেন।

    ১৭৫.
    অপটিক্সে আলোক প্রতিফলন ও প্রতিসরণের নিয়ম আবিষ্কার করেন—
    1. ইবনে ইউনুস
    2. আল রাজি
    3. ইবনুল হাইসাম
    4. আল কারাজি
    ব্যাখ্যা

    ইবনুল হাইসাম আলোকবিজ্ঞান (অপটিক্স) বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন এবং আলোক প্রতিফলন ও প্রতিসরণের নিয়ম আবিষ্কারে প্রধান ভূমিকা পালন করেন। তিনি তাঁর ‘কিতাবুল মানাজির’ বইয়ে এই ধারণাগুলো বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন, যা আলোকবিজ্ঞানে এক বিপ্লব ঘটিয়েছিল।

    ১৭৬.
    “যে ব্যক্তি প্রাণের বদলে প্রাণ বা দেশে ফাসাদ ছাড়া কাউকে হত্যা করে, সে যেন সমগ্র মানবজাতিকেই হত্যা করল।” — এই উক্তি কোন সুরায় আছে?
    1. সুরা আন-নিসা
    2. সুরা আল-মায়িদা
    3. সুরা আল-কাফিরুন
    4. সুরা তাওবা
    ব্যাখ্যা

    “যে ব্যক্তি কাউকে হত্যা করা কিংবা যমীনে ফাসাদ সৃষ্টি করা ছাড়া যে কাউকে হত্যা করল, সে যেন সব মানুষকে হত্যা করল। আর যে তাকে বাঁচাল, সে যেন সব মানুষকে বাঁচাল।” (সুরা আল-মায়িদা, আয়াত ৩২)

    ১৭৭.
    বন্দিদের খাদ্য দানের নির্দেশ কোন সুরায় আছে?
    1. সুরা নিসা
    2. সুরা দাহর
    3. সুরা মায়িদা
    4. সুরা হাশর
    ব্যাখ্যা

    “তারা খাদ্যের প্রতি আসক্তি থাকা সত্ত্বেও মিসকীন, ইয়াতীম ও বন্দীকে খাদ্য দান করে।” (সুরা দাহর, আয়াত নং ৮)

    ১৭৮.
    ইসলামের অনুশাসন অনুযায়ী দাসত্ব—
    1. স্থায়ী প্রতিষ্ঠান
    2. বিলোপের দিকে অগ্রসর
    3. প্রথাগত ব্যবস্থা
    4. অর্থনৈতিক প্রয়োজন
    ব্যাখ্যা

    ইসলাম ধর্মে দাসপ্রথা সরাসরি বিলুপ্ত না করে বরং এর শর্ত শিথিল করা হয়েছে, যা ধীরে ধীরে দাসত্ব বিলোপের দিকে পরিচালিত করে। কুরআন ও হাদিসে দাসদের সাথে ভালো আচরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং দাসদের মুক্তির জন্য বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়েছে, যা দাসপ্রথাকে সীমিত ও পরোক্ষভাবে বিলুপ্তির পথে নিয়ে যায়।

    ১৭৯.
    ইসলামে পারিবারিক অধিকার কোন অধিকারের অন্তর্ভুক্ত?
    1. সাংস্কৃতিক অধিকার
    2. সামাজিক অধিকার
    3. রাজনৈতিক অধিকার
    4. অর্থনৈতিক অধিকার
    ব্যাখ্যা

    ইসলামে পারিবারিক অধিকারগুলো সামাজিক অধিকারের অন্তর্ভুক্ত, কারণ একটি সুসংহত ও সুন্দর সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য পরিবারকে একটি মৌলিক ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং পরিবারিক বন্ধন ও অধিকারগুলো সামাজিক কাঠামোর অবিচ্ছেদ্য অংশ। ইসলাম পারিবারিক জীবনকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় এবং কুরআন ও সুন্নাহর বিধানগুলোর একটি বড় অংশ পরিবারকে কেন্দ্র করে গঠিত, যা সামাজিক শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় সহায়ক।

    ১৮০.
    ইসলামে ‘মুকাতাব’ বলতে কী বোঝায়?
    1. দাসকে হত্যা করা
    2. দাসের স্বাধীন হওয়ার চুক্তি
    3. যুদ্ধবন্দিদের হত্যা করা
    4. যুদ্ধবন্দি থেকে মুক্ত হওয়ার চুক্তি
    ব্যাখ্যা

    ইসলামে মুকাতাব বলতে দাসকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ পরিশোধের বিনিময়ে স্বাধীন হওয়ার জন্য মনিব ও দাসের মধ্যে একটি চুক্তি বোঝায়। এই চুক্তিতে আবদ্ধ দাসকে মুকাতাব বলা হয় এবং এটি দাসপ্রথা বিলোপে উৎসাহিত করার একটি পদ্ধতি ছিল।

    ১৮১.
    জাতিসংঘের মানবাধিকার সনদটি কোন শহরে গৃহীত হয়েছিল?
    1. নিউইয়র্ক
    2. প্যারিস
    3. জেনেভা
    4. ভিয়েনা
    ব্যাখ্যা

    জাতিসংঘের মানবাধিকার সনদ (মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্র) ফ্রান্সের প্যারিস শহরে গৃহীত হয়েছিল। এটি ১০ ডিসেম্বর, ১৯৪৮ তারিখে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়।

    ১৮২.
    জাতিসংঘের মানবাধিকার সনদের প্রস্তাবনায় প্রধান উদ্দেশ্য কী উল্লেখ করা হয়েছে?
    1. রাষ্ট্রীয় স্বার্থ রক্ষা
    2. বৈশ্বিক শান্তি, মর্যাদা ও স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ
    3. অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি
    4. সামরিক সহযোগিতা
    ব্যাখ্যা

    জাতিসংঘের মানবাধিকার সনদের প্রস্তাবনার প্রধান উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে বিশ্ব শান্তি, মর্যাদা ও স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই ঘোষণাপত্রটি সকল মানুষের সমান অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করে এবং এই লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করে।

    ১৮৩.
    কোন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে– “সব মানুষ স্বাধীনভাবে ও সমান মর্যাদায় জন্মগ্রহণ করে”?
    1. অনুচ্ছেদ ১
    2. অনুচ্ছেদ ২
    3. অনুচ্ছেদ ৪
    4. অনুচ্ছেদ ৬
    ব্যাখ্যা

    “সব মানুষ স্বাধীনভাবে ও সমান মর্যাদায় জন্মগ্রহণ করে”— এই কথাটি জাতিসংঘের মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্র (Universal Declaration of Human Rights, UDHR)-এর ১ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে।

    ১৮৪.
    মানবাধিকার সনদ কোন আইনের অন্তর্ভুক্ত?
    1. বাধ্যতামূলক আন্তর্জাতিক আইন
    2. সুপারিশমূলক আন্তর্জাতিক দলিল
    3. আঞ্চলিক আইন
    4. দণ্ডবিধি
    ব্যাখ্যা

    জাতিসংঘের মানবাধিকার সনদ (UDHR) একটি সুপারিশমূলক আন্তর্জাতিক দলিল যা সকল মানুষের মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করে। এটি বাধ্যতামূলক না হলেও, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে এবং সকল সদস্য রাষ্ট্রের জন্য একটি মানদণ্ড স্থাপন করে।

    ১৮৫.
    ‘আয়াতুত দায়েন’ বলা হয় কোন আয়াতকে?
    1. সুরা নিসা, আয়াত ১
    2. সুরা হুজরাত, আয়াত ১৩
    3. সুরা বাকারাহ, আয়াত ২৮৬
    4. সুরা বাকারাহ, আয়াত ২৮২
    ব্যাখ্যা

    কুরআনের সুরা বাকারাহ এর ২৮২ নম্বর আয়াতকে ‘আয়াতুত দায়েন’ বলা হয়, কারণ এটি ঋণ, লেনদেন ও সাক্ষ্য-প্রমাণ সম্পর্কে বিস্তারিত বিধান দেয় এবং এটি কুরআনের মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘ আয়াত।

    ১৮৬.
    বর্তমানে পবিত্র কুরআনের সবচেয়ে প্রচলিত কিরআত কোনটি?
    1. ইমাম আসিম
    2. আবদুল্লাহ বিন কাসির
    3. আবদুল্লাহ বিন আমের
    4. নাফে ইবনে আবি নুয়াইম
    ব্যাখ্যা

    বর্তমানে মুসলিম বিশ্বে সাতটি প্রসিদ্ধ কেরাত (পঠন পদ্ধতি) প্রচলিত আছে, এবং এগুলোর মধ্যে ইমাম আসিম কেরাতটিই সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ও প্রচলিত। এই কেরাতটি বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মুসলিম দ্বারা পঠিত হয়।

    ১৮৭.
    ইসরাঈল জাতি কতটি গোষ্ঠীতে বিভক্ত ছিল?
    1. ১০
    2. ১১
    3. ১২

    ব্যাখ্যা

    ইসরায়েল জাতি (বনী ইসরাঈল) ১২টি গোষ্ঠীতে বিভক্ত ছিল। এদের প্রতিটি গোষ্ঠীকে Tribe বলা হয়। এগুলি ছিল ইসরায়েলের ১২ জন পুত্রের বংশধর।

    ১৮৮.
    হিন্দু ধর্মে সাধারণত কোন বর্ণের লোক দেশরক্ষার কাজে নিয়োজিত থাকে?
    1. ব্রাহ্মণ
    2. ক্ষত্রিয়
    3. বৈশ্য
    4. শূদ্র
    ব্যাখ্যা

    হিন্দু ধর্মে সাধারণত ক্ষত্রিয় বর্ণের লোক দেশরক্ষার কাজে নিয়োজিত থাকে। হিন্দু ধর্মে ৪টি বর্ণ আছে: ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য ও শূদ্র।

    ১৮৯.
    ইহসান কয় প্রকার?




    ব্যাখ্যা

    ইসলামিক শরিয়তের দৃষ্টিতে ইহসান মৌলিকভাবে দুই প্রকার: ১) ইবাদতে ইহসান এবং ২) সৃষ্টির প্রতি ইহসান। ইবাদতে ইহসান মানে হলো এমনভাবে আল্লাহর ইবাদত করা যেন আপনি তাকে দেখছেন অথবা তিনি আপনাকে দেখছেন। সৃষ্টির প্রতি ইহসান বলতে বোঝায় সকল মানুষের সাথে সুন্দর ও উত্তম আচরণ করা।