পরীক্ষা আর্কাইভ

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived

পরীক্ষা৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়24 minutes
মোট প্রশ্ন৬০
সিলেবাস
পরীক্ষা - ২১ পার্ট-১) বাংলা ব্যাকরণ: টপিকসমূহ শব্দপ্রকরণ (লিঙ্গ/পুরুষবাচক-স্ত্রীবাচক শব্দ; সংখ্যাবাচক শব্দ; দ্বিরুক্ত বাচক শব্দ/শব্দ দ্বিত্ব; বচন; পদাশ্রিত নির্দেশক, শব্দের শ্রেণিবিভাগ; শব্দের উৎসমূল; ধাতু, প্রকৃতি - প্রত্যয়; ক্রিয়ার কাল ও এর প্রয়োগ) পার্ট-২) ১) কম্পিউটার পেরিফেরালস: কি-বোর্ড, মাউস, ওসিআর ইত্যাদি। ২) কম্পিউটারের অঙ্গসংগঠন: সিপিইউ, হার্ড ডিস্ক, এএলইউ ইত্যাদি। ৩) কম্পিউটারের পারঙ্গমতা। ৪) দৈনন্দিন জীবনে কম্পিউটার: কৃষি, যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খেলাধুলা ইত্যাদি। ৫) কম্পিউটারের নম্বর ব্যবস্থা। ------------------ পার্ট–১ সোর্স: উৎস: অষ্টম শ্রেণি ও মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), বাংলা একাডেমির অভিধান অথবা যেকোনো স্কলার (যেমন: ড. হায়াৎ মামুদ)-এর বই। (ব্যাকরণ - এর ক্ষেত্রে গাইড থেকে পড়াশুনা করলে, বিতর্কিত বিষয়গুলো বোর্ড বই ও বাংলা একাডেমি অভিধান থেকে ক্রসচেক করে নিলে উত্তম হবে।) পার্ট–২ সোর্স: যেকোনো গাইড বই, SSC & HSC বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৬০ প্রশ্ন

.
'এজলাস' কোন ভাষার শব্দ?
  1. ফারসি
  2. পর্তুগিজ
  3. আরবি
  4. মারাঠি
সঠিক উত্তর:
আরবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরবি
ব্যাখ্যা

• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
- 'এজলাস' — আরবি ভাষার শব্দ থেকে আগত।

• আরো কিছু আরবি ভাষার শব্দ:
- আদালত, উকিল, ওজর, এজলাস, এলেম, মুন্সেফ, মোক্তার, খারিজ, রায় ইত্যাদি আরবি ভাষা থেকে আগত বাংলা শব্দ।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

.
তারিখবাচক সংখ্যাশব্দ কোনটি?
  1. দ্বিতীয়
  2. একাদশ
  3. আড়াই
  4. ছয়ই
সঠিক উত্তর:
ছয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছয়ই
ব্যাখ্যা

 তারিখবাচক শব্দ:
- বাংলা মাসের তারিখ বোঝাতে যে সংখ্যাবাচক শব্দ ব্যবহৃত হয়, তাকে তারিখবাচক শব্দ বলে।
- যেমন-পয়লা বৈশাখ, বাইশে শ্রাবণ ইত্যাদি।
- তারিখবাচক শব্দের প্রথম চারটি অর্থাৎ ১ থেকে ৪ পর্যন্ত হিন্দি নিয়মে সাধিত হয়।
- বাকি শব্দ বাংলার নিজস্ব ভঙ্গিতে গঠিত।
- বাংলা ভাষায় তারিখ নির্দেশ করার জন্য সংখ্যাশব্দের পূরণবাচকে নির্দিষ্ট কিছু প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: পয়লা/পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা, পাঁচই, ছয়ই, সাতই, আটই.......ত্রিশে, একত্রিশে ইত্যাদি।

--------------
উল্লেখ্য, 
- পূরণবাচক শব্দ ৩ প্রকার।
যথা -
- সাধারণ পূরণবাচক - প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ... নবম, একাদশ ইত্যাদি।
- তারিখ পূরণবাচক - পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা ইত্যাদি।
- ভগ্নাংশ পূরণবাচক - আধ, সাড়ে, পোয়া, দেড়, আড়াই ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

.
কোনটি অনুকার দ্বিত্ব শব্দের উদাহরণ?
  1. খুটুর খুটুর
  2. গুনগুন
  3. বুঝে-সুঝে
  4. কথায় কথায়
সঠিক উত্তর:
বুঝে-সুঝে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুঝে-সুঝে
ব্যাখ্যা

• অনুকার দ্বিত্ব:
- পরপর প্রয়োগ হওয়া কাছাকাছি চেহারার শব্দকে অনুকার দ্বিত্ব বলে। এতে প্রথম শব্দটি অর্থপূর্ণ হলেও প্রায় ক্ষেত্রে দ্বিতীয় শব্দটি অর্থহীন হয় এবং প্রথম শব্দের অনুকরণে তৈরি হয়। এই অনুকরণ প্রক্রিয়ায় দ্বিতীয় শব্দের শুরুতে ট, ফ, ব, ম, শ প্রভৃতি ধ্বনি যুক্ত থাকতে দেখা যায়।

যেমন:
- বুঝে-সুঝে,
- অল্পস্বল্প,
- বুদ্ধিশুদ্ধি,
- গুটিশুটি,
- অঙ্ক-টঙ্ক,
- আম-টাম।

অন্যদিকে:

ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব:
কোনো প্রাকৃতিক ধ্বনির অনুকরণে যেসব শব্দ তৈরি হয়, সেগুলোকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে।
আর ধ্বন্যাত্মক শব্দের পনেরাবৃত্তিকে ধ্বান্যাত্মক দ্বিত বলে।
যেমন- কুটুস- কুটুস, কুট কুট, খক খক, খুটুর খুটুর, টুং টুং, জ্বলজ্বল, ঝমঝম, টসটস। 

পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব:
পুনরায় আবৃত্ত হলে তাকে পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব বলে।
যেমন: জ্বর জ্বর, পর পর, কবি কবি, কথায় কথায়, ঘুম ঘুম ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১সংস্করণ)।

.
বাংলা ব্যাকরণে 'বচন' হলো-
  1. গণনার ধারণা
  2. পরিমাপের ধারণা
  3. পদের ধারণা
  4. সংখ্যার ধারণা
সঠিক উত্তর:
সংখ্যার ধারণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংখ্যার ধারণা
ব্যাখ্যা

• 'বচন': 
- বচন ব্যাকরণের একটি পারিভাষিক শব্দ।
- এর অর্থ সংখ্যার ধারণা।

ব্যাকরণে বিশেষ্য বা সর্বনামের সংখ্যাগত ধারণা প্রকাশের উপায়কে বলে বচন।
- কেবল বিশেষ্য ও সর্বনাম শব্দের বচনভেদ হয়।

বাংলা ভাষায় বচন দুই প্রকার:
• একবচন। যেমন - একটি বই, একজন খেলোয়াড়।
• বহুবচন। যেমন-  মেয়েরা স্কুলে যাচ্ছ, আমাকে দুটি কলম দিন, তিনজন লোক একসঙ্গে গান গাইছে ইত্যাদি।

------------------
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে, 
'বচন'- তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ। 

• 'বচন' (বিশেষ্য): 
প্রকৃত- প্রত্যয়: বচ্‌ + অন'।
অর্থ: বাক্য, কথা।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

.
'পাঠ্য' শব্দটি কোন শ্রেণির ধাতু হতে গঠিত হয়েছে?
  1. সংস্কৃত
  2. খাঁটি বাংলা
  3. ফারসি
  4. আরবি
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃত
ব্যাখ্যা

• ‘পঠ্‌’ সংস্কৃত ধাতু।
এটি দ্বারা গঠিত শব্দ- পঠন, পাঠ্য, পঠিত, পাঠক ইত্যাদি।
-------------------------
ধাতু বা ক্রিয়ামূল:
- বাংলা ভাষায় বহু ক্রিয়াপদ রয়েছে।
- এসকল ক্রিয়াপদেরমূল অংশকে বলা হয় ধাতু বা ক্রিয়ামূল।

• ধাতু ৩ প্রকার। যথা-
- মৌলিক ধাতু
- সাধিত ধাতু ও
- যৌগিক সংযোগমূলক ধাতু।

মৌলিক ধাতু:
- যেসকল ধাতু আর বিশ্লেষণ করা যায় না, সেগুলোই মৌলিক ধাতু।
- এগুলোকে সিদ্ধ বা স্বয়ংসিদ্ধ ধাতুও বলা হয়।
যেমন- চল্‌, পড়্‌, কর্‌ ইত্যাদি।

• মৌলিক ধাতু আবার ৩ প্রকার।
যথা-
- বাংলা ধাতু
- সংস্কৃত ধাতু ও
- বিদেশি ধাতু।

বাংলা ধাতু:
- যেসব ধাতু বা ক্রিয়ামূল সংস্কৃত থেকে সোজাসুজি আসে নি, সেগুলোকে বাংলা ধাতু বা ক্রিয়ামূল বলে।
যেমন - কাদ্, কাট্, নাচ্, আক্ কহ্, কর্ ইত্যাদি।
অন্যদিকে,

সংস্কৃত মূল ধাতু: 
- যে সব ক্রিয়াপদের মূল সংস্কৃত ভাষা থেকে এসে বাংলাভাষায় সরাসরি ব্যবহৃত হচ্ছে সেসব ধাতুকে বলা হয় সংস্কৃত মূল ধাতু।
- এসব ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ক্রিয়া বিশেষ্য বাক্রিয়া বিশেষণ গঠিত হয়।
যেমন: অঙ্ক, কথ্, কৃৎ, খাদ্, হস্, পঠ্‌, দৃশ্ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ); ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।

.
কোনটি মিশ্র ভাষার শব্দ?
  1. বনমালা
  2. বাদশাহ
  3. কাঁচামাল
  4. বনভোজন
সঠিক উত্তর:
কাঁচামাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাঁচামাল
ব্যাখ্যা

• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
- ‘কাঁচামাল’ — মিশ্র ভাষার শব্দ।

- এখানে কাঁচা (বাংলা শব্দ) এবং মাল (আরবি শব্দ।
অর্থ: যে সকল উপদান থেকে শিল্পদ্রব্য তৈরি হয়।

অন্যদিকে,
• বাদশাহ (বিশেষণ),
- এটি ফারসি ভাষার শব্দ।

• বনমালা (বিশেষ্য),
- সংস্কৃত ভাষার শব্দ।

• বনভোজন (বিশেষ্য),
- এটি সংস্কৃত ভাষার শব্দ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

.
অর্থানুসারে, 'হরিণ' - কোন শ্রেণির শব্দ?
  1. মৌলিক
  2. যৌগিক
  3. রূঢ়ি
  4. যোগরূঢ়
সঠিক উত্তর:
রূঢ়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূঢ়ি
ব্যাখ্যা

• রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ:
যেসব শব্দ ব্যুৎপত্তিগত অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোন অর্থ প্রকাশ করে তাকে রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ বলে।
যেমন:
- হাতি: এখানে ব্যুৎপত্তি অর্থ হচ্ছে: হাত আছে যার। কিন্তু ব্যবহারিক দিক থেকে একটি বিশেষ জন্তু বোঝায়।
- 'গো': এর ব্যুৎপত্তিগত অর্থ হলো- যে গমন করে, কিন্তু এর ব্যবহারিক অর্থ হলো 'গরু'।

তেমনি-
• কুশল (অর্থ-নিপুণ, ব্যুৎপত্তিগত অর্থ-যে কুশ আহরণ করে)। 
• শুশ্রূষা (অর্থ-রোগীর সেবা, ব্যুৎপত্তিগত অর্থ-শোনার ইচ্ছা)। 
• সন্দেশ (অর্থ-মিষ্টান্ন, ব্যুৎপত্তিগত অর্থ-সমস্ত দেশ থেকে যা আসে অর্থাৎ খবর)। 
• হরিণ (অর্থ-পশু বিশেষ, ব্যুৎপত্তিগত অর্থ-যে হরণ করে)।  

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যকারণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

.
পূর্ণ সংখ্যার ন্যূনতা নির্দেশক শব্দ কোনটি?
  1. সিকি
  2. তেহাই
  3. পৌনে
  4. উপরের সবগুলোই 
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলোই 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলোই 
ব্যাখ্যা

• ‘ন্যূন’ বলতে কোনো ভাগের অংশ বোঝায়।

পূর্ণ সংখ্যার ন্যূনতা উদাহরণ : 
১/৪ = চার ভাগের এক ভাগ = চৌথা, সিকি বা পোয়া।
১/৩ = তিন ভাগের এক ভাগ = তেহাই
৩/৪ = চার ভাগের তিন ভাগ = পৌনে
১/২ = দুই ভাগের এক ভাগ = অর্ধ বা আধা।
১/৮ = আট ভাগের এক ভাগ = অষ্টমাংশ।

উৎস : প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, বাংলা একাডেমি; মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ); ভাষা-শিক্ষা, বাংলা একাডেমির ব্যাকরণ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাকরণ।

.
"ছেলেটি দ্রুত দৌঁড়ায়।"- এ বাক্যে 'ছেলেটি' শব্দের 'টি' এর ব্যাকরণিক পরিচয় কী?
  1. বলক
  2. যোজক 
  3. প্রকৃতি
  4. পদাশ্রিত নির্দেশক 
সঠিক উত্তর:
পদাশ্রিত নির্দেশক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদাশ্রিত নির্দেশক 
ব্যাখ্যা

• "ছেলেটি দ্রুত দৌঁড়ায়।" এ বাক্যে 'ছেলেটি' শব্দের 'টি' হলো- পদাশ্রিত নির্দেশক। 

• যেসব লগ্নক শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা বােঝায়, সেগুলােকে নির্দেশক (পদাশ্রিত নির্দেশক) বলে।
যেমন - -টা, -টি, -খানা, -খানি, -জন, -টুকু। 

-টা, -টি:
বিশেষ্য, সর্বনাম ও বিশেষণের সঙ্গে টা, -টি নির্দেশক বসে।
এর দুটি রূপান্তর: -টো ও টে।
যেমন:
বাড়িটা, ছেলেটা, এটা, সেটা, আমারটা, কিছুটা, একটা, সারাটা, করাটা; দিনটি, মেয়েটি, একটি, কয়েকটি, আরেকটি; দুটো; তিনটে ইত্যাদি।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ২০২১ সংস্করণ।

১০.
"আমন মৌসুমে মাঠ থেকে ধামা ধামা ধান উঠছে।"- বাক্যে ‘ধামা ধামা’ কী অর্থে দ্বিরুক্তি হয়েছে?
  1. অনুরূপ
  2. ধারাবাহিকতা 
  3. আধিক্য
  4. তীব্রতা
সঠিক উত্তর:
আধিক্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আধিক্য
ব্যাখ্যা

• "আমন মৌসুমে মাঠ থেকে ধামা ধামা ধান উঠছে।"- বাক্যে ‘ধামা ধামা’ - আধিক্য অর্থে দ্বিরুক্তি হয়েছে।
--------------
• দ্বিরুক্ত শব্দ:
- দ্বিরুক্ত অর্থ দুবার উক্ত হয়েছে এমন।
- বাংলা ভাষার কোনো কোনো শব্দ, পদ বা অনুকার শব্দ, একবার ব্যবহার করলে যে অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলো দুইবার ব্যবহার করলে অন্য কোনো সম্প্রসারিত অর্থ প্রকাশ করে।
- এ ধরনের শব্দের পরপর দুইবার প্রয়োগই দ্বিরুক্ত শব্দ গঠিত হয়।

• বিশেষ্য শব্দযুগলের বিশেষণরূপে ব্যবহার:
- আধিক্য বোঝাতে: রাশি রাশি ধান, ধামা ধামা ধান।
- সামান্য বোঝাতে: আমি জ্বর জ্বর বোধ করছি।
- ধারাবাহিকতা বোঝাতে: তুমি বাড়ি বাড়ি হেঁটে চাঁদা তুলেছ।
- ভাবের গভীরতা বোঝাতে: তার দুঃখ দেখে সবাই হায় হায় করতে লাগল।
- অনুভূতি বোঝাতে: ভয়ে গা ছম ছম করছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, (সংস্করণ-২০১৯)।

১১.
"বাবা ঘুমাচ্ছেন।" - এখানে, 'ঘুমাচ্ছেন' শব্দটিতে কোন শ্রেণির ধাতু রয়েছে?
  1. প্রযোজক ধাতু
  2. নাম ধাতু
  3. প্রযোজ্য ধাতু
  4. অজ্ঞাতমূল ধাতু
সঠিক উত্তর:
নাম ধাতু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাম ধাতু
ব্যাখ্যা

নাম ধাতু:
- বিশেষ্য, বিশেষণ ও অনুকার অব্যয়ের পরে আ-প্রত্যয়যোগে গঠিত ধাতুকে নাম ধাতু বলে।
যেমন:
→ ঘুম্ + আ = ঘুমা: বাবা ঘুমাচ্ছেন। (এখানে, ঘুম্ - নাম ধাতু)
→ ধমক্ + আ = ধমকা: আমাকে যতই ধমকাও, আমি এ কাজ করব না।
→ হাত্ + আ = হাতা: অন্যের পকেট হাতানো আমার স্বভাব নয়।

প্রযোজক ধাতু:
- মৌলিক ধাতুর পরে (অপরকে নিয়োজিত করা অর্থে) আ-প্রত্যয়যোগে যে ধাতু গঠিত হয়, তাকে প্রযোজক ধাতু বা ণিজন্ত ধাতু বলে। যেমন:
→ পড়ু + আ = পড়া: শিক্ষক ছাত্রদের পড়াচ্ছেন।
→ কর্ + আ = করা: সে নিজে করে না, অন্যকে দিয়ে করায়।
→ খেল্ + আ = খেলা: 'হা ডু ডু' আমাদের জাতীয় খেলা।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি; বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

১২.
কোনটি বহুবচনের ভুল প্রয়োগ?
  1. কবিকুল
  2. গ্রন্থাবলি
  3. তারকাবলি
  4. পাখিসব
সঠিক উত্তর:
তারকাবলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তারকাবলি
ব্যাখ্যা

• বহুবচনের যথার্থ প্রয়োগ ঘটেনি - তারকাবলি।
• এর শুদ্ধ রূপ হচ্ছে - তারকারাজি।
 
অপশন পর্যালোচনা:
ক) কবিকুল → সঠিক বহুবচন রূপ।
খ) গ্রন্থাবলি → সঠিক বহুবচন রূপ।
ঘ) পাখিসব → সঠিক বহুবচন রূপ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

১৩.
'ঠাকুর' এর স্ত্রীবাচক শব্দ কোনটি?
  1. ঠাকুরানি
  2. ঠাকরুন
  3. ঠাকুরনি
  4. ক এবং খ উভয়ই 
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়ই 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়ই 
ব্যাখ্যা

 • 'ঠাকুর' এর স্ত্রীবাচক শব্দ:
- ঠাকুরানি; ঠাকরুন।

• আনী-প্রত্যয় যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দগুলো হলো:
ঠাকুর - ঠাকুরানি, নাপিত - নাপিতানী, মেথর - মেথরানী, চাকর - চাকরানী ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
'ঠাকুর' এর স্ত্রীবাচক শব্দ:
• উন-প্রত্যয় যোগে: ঠাকুর - ঠাকরুন। 
• আইন-প্রত্যয় যোগে: ঠাকুর - ঠাকুরাইন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)। 

১৪.
'আড়াই', 'দেড়', 'সাড়ে' - কোন ধরনের শব্দ হিসাবে ব্যবহৃত হয়?
  1. পূর্ণগুণিতক সংখ্যাশব্দ
  2. ন্যূনতা নির্দেশক সংখ্যাশব্দ
  3. আধিক্য নির্দেশক সংখ্যাশব্দ 
  4. ন্যূনতা ভগ্নাংশ সংখ্যাশব্দ
সঠিক উত্তর:
আধিক্য নির্দেশক সংখ্যাশব্দ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আধিক্য নির্দেশক সংখ্যাশব্দ 
ব্যাখ্যা

সংখ্যাবাচক বিশেষণের শ্রেণিবিভাগ - 
- পূর্ণসংখ্যাবাচক বিশেষণ;
- ক্রমবাচক বিশেষণ;
- তারিখ সংখ্যাশব্দ;
- গুণিতক সংখ্যাশব্দ।

গুণিতক সংখ্যাশব্দ তিন ধরনের - 
- পূর্ণগুণিত শব্দ : এক এক্কে এক, দুই দুগুণে চার ইত্যাদি।
- ভগ্নাংশ সংখ্যাশব্দ : চৌথাই, সিকি , পোয়া, তেহাই, অর্ধ ইত্যাদি।
- ন্যূনতা নির্দেশক শব্দ : পৌনে চার, পৌনে সাত ইত্যাদি। 
- আধিক্য নির্দেশক শব্দ : 'আড়াই' 'দেড়', 'সওয়া', 'সাড়ে' ইত্যাদি। 

উৎস: প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, বাংলা একাডেমি।

১৫.
“শিক্ষার্থীকে নিয়ম মেনে চলতে হবে।” - এখানে ‘শিক্ষার্থী’ শব্দটি—
  1. একজন শিক্ষার্থী
  2. সকল শিক্ষার্থী
  3. উভয় অর্থে
  4. কেবল পুরুষ শিক্ষার্থী
সঠিক উত্তর:
সকল শিক্ষার্থী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকল শিক্ষার্থী
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) সকল শিক্ষার্থী।

ব্যাখ্যা:
বাক্যটি: “শিক্ষার্থীকে নিয়ম মেনে চলতে হবে।”
- এখানে ‘শিক্ষার্থী’ শব্দটি সাধারণীকরণ (generalization) বোঝাচ্ছে।
- বাংলা ভাষায় এ ধরনের বাক্যে বিশেষ্য যখন একবচন রূপে ব্যবহৃত হয় এবং কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা সংখ্যা নির্দেশ করা হয় না, তখন তা সকল/সাধারণভাবে সবাই বোঝায়।
- এটি একটি নৈতিক/নিয়ম-বিধানমূলক বাক্য, যা সকল শিক্ষার্থীর জন্য প্রযোজ্য।

"শিক্ষার্থীকে নিয়ম মেনে চলতে হবে" – এখানে 'শিক্ষার্থী' শব্দটি দ্বারা সকল শিক্ষার্থীকে (ছাত্র ও ছাত্রী উভয়) নির্দেশ করা হয়েছে।
এখানে, একটি সাধারণ নির্দেশ বা নিয়ম প্রকাশ করছে। এখানে "শিক্ষার্থী" শব্দটি দ্বারা যে কোনো ও প্রত্যেক শিক্ষার্থী (অর্থাৎ, শিক্ষার্থী শ্রেণি) উদ্দেশ্য করা হয়েছে। এটি একজনের জন্য নয়, বরং একটি সার্বিক বিধান।

নিয়মের বাক্যে এই রীতি প্রচলিত, যেমন:
"নাগরিককে আইন মানতে হবে।" (সকল নাগরিক)
"চালককে সাবধান হতে হবে।" (সকল চালক)

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৬.
'এয়ো'- কোন ধরনের শব্দ?
  1. পুরুষবাচক শব্দ
  2. স্ত্রীবাচক শব্দ
  3. নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ
  4. নিত্য পুরুষবাচক শব্দ 
সঠিক উত্তর:
নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ
ব্যাখ্যা

• নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ: 
কিছু শব্দ আছে যা কেবল স্ত্রীবাচক এদেরকে নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ বলে।
যেমন,
- এয়ো, সতীন, সৎমা, সধবা ইত্যাদি।

• 'এয়ো' শব্দের অর্থ:
- স্বামী জীবিত আছে এমন নারী।

অন্যদিকে,
• নিত্য পুরুষবাচক শব্দ:
কিছু শব্দ আছে তা কেবল পুরুষকে নির্দেশ করে এদেরকে নিত্য পুরুষবাচক শব্দ বলে।
যেমন,
- কবিরাজ, কৃতদার, অকৃতদার, ঢাকী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান, ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।

১৭.
'চিকচিক করে বালি কোথা নাহি কাদা।'- এ বাক্যে 'চিকচিক' দ্বিরুক্ত শব্দটি কোন ধরনের পদরূপে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. বিশেষ্য
  2. বিশেষণ
  3. ক্রিয়া 
  4. ক্রিয়া বিশেষণ
সঠিক উত্তর:
ক্রিয়া বিশেষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রিয়া বিশেষণ
ব্যাখ্যা

• 'চিকচিক করে বালি কোথা নাহি কাদা।'- এ বাক্যে 'চিকচিক' দ্বিরুক্ত শব্দটি - ক্রিয়া বিশেষণ পদরূপে ব্যবহৃত হয়েছে।

• বিভিন্ন পদরূপে ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্ত শব্দের ব্যবহার:

বিশেষ্য: বৃষ্টির ঝমঝমানি আমাদের অস্থির করে তোলে।
বিশেষণ: নামিল নভে বাদল ছলছল বেদনায়।
ক্রিয়া: কলকলিয়ে উঠল সেথায় নারীর প্রতিবাদ।
ক্রিয়া বিশেষণ: চিকচিক কর বালি কোথা নাহি কাদা। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- নবম ও দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

১৮.
"কাগজ, চশমা" - কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ?
  1. ফরাসি
  2. ফারসি
  3. তৎসম
  4. আরবি
সঠিক উত্তর:
ফারসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফারসি
ব্যাখ্যা

• 'কাগজ, চশমা' - ফারসি ভাষার শব্দ।

• ফারসি ভাষা থেকে আগত কিছু শব্দ: 
গ্রেপ্তারি, গ্রেফতার, দারোগা, লুঙ্গি, সাদা, আসমান, কাজি, খোয়াব, চেহারা, কাগজ, চশমা, চারপায়া, ছয়লাপ ইত্যাদি।

আরো কিছু বিদেশি শব্দ:
• ফরাসি শব্দ: কার্নিশ, টারবাইন, রেস্টুরেন্ট, রেস্তোরাঁ ইত্যাদি।
• ‘ইতালিয়ান’ ভাষার শব্দ: ওলকপি, ডিসকাউন্ট, ম্যাজেন্টা, সনেট ইত্যাদি।
• ‘তুর্কি’ ভাষার শব্দ: তোপ, চাকু, বাবা, বাবুর্চি, মুচলেকা ইত্যাদি

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৯.
'তুরঙ্গম'- কোন প্রকারের শব্দ?
  1. যৌগিক
  2. রূঢ়ি
  3. মৌলিক
  4. যোগরূঢ়
সঠিক উত্তর:
যোগরূঢ়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যোগরূঢ়
ব্যাখ্যা

• তুরঙ্গম- যোগরূঢ় শব্দ।

• যোগরূঢ় শব্দ:
সমাস নিষ্পন্ন যে সকল শব্দ সম্পূর্ণভাবে সমস্যমান পদসমূহের অনুগামী না হয়ে কোনো বিশিষ্ট অর্থ গ্রহণ করে তাদের যোগরূঢ় শব্দ বলে।
যেমন -
- তুরঙ্গম: যা তাড়াতাড়ি যায়, কিন্তু প্রচলিত অর্থে ঘোড়াকে বোঝায়।
- পঙ্কজ: পঙ্কে জন্মে যা। শৈবাল, শালুক, পদ্মফুল প্রভৃতি উদ্ভিদ পঙ্কে জন্মে থাকে। কিন্তু 'পঙ্কজ' শব্দটি একমাত্র 'পদ্মফুল' অর্থেই ব্যবহৃত হয়। তাই 'পঙ্কজ' একটি যোগরূঢ় শব্দ।
- রাজপুত: 'রাজার পুত্র' অর্থ পরিত্যাগ করে যোগরূঢ় শব্দ হিসেবে অর্থ হয়েছে 'জাতিবিশেষ'।
- মহাযাত্রা: 'মহাসমারোহে যাত্রা' অর্থ পরিত্যাগ করে যোগরূঢ় শব্দরূপে অর্থ 'মৃত্যু'।
- জলধি: 'জল ধারণ করে এমন' অর্থ পরিত্যাগ করে একমাত্র 'সমুদ্র' অর্থেই ব্যবহৃত হয়।
-----------------------
অন্যদিকে,
- রূঢ়ি শব্দ:
যেসব শব্দ প্রত্যয় ও উপসর্গযোগে মূল শব্দের অনুগামি না হয়ে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে তাদের রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ বলে।
যেমন: বাঁশি, তৈল, সন্দেশ, প্রবীণ, হরিণ, পাঞ্জাবী, হস্তী ইত্যাদি।

- যৌগিক শব্দ:
যেসব শব্দের ব্যুৎপত্তিগত ও ব্যবহারিক অর্থ অভিন্ন তাদের যৌগিক শব্দ বলে।
যেমন: গায়ক, দৌহিত্র, চিকামারা, বাবুয়ানা, মধুর, কর্তব্য ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২০.
'রাখালরাজ' - কোন ভাষার শব্দ?
  1. তৎসম
  2. দেশি
  3. আরবি
  4. ফারসি
সঠিক উত্তর:
দেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেশি
ব্যাখ্যা

• 'রাখালরাজ' দেশি ভাষার শব্দ।
অর্থ: রাখালের রাজা।

• দেশি শব্দ:
- বাংলাদেশের আদিম অধিবাসীদের (যেমন: তামিল, কোল প্রভৃতি) ভাষার কিছু কিছু শব্দ বাংলায় রক্ষিত হয়েছে। এসব শব্দকে 'দেশি শব্দ' বলে।
- অনেক সময় এসব শব্দের মূল নির্ধারণ করা যায় না; কিন্তু কোন ভাষা থেকে এসেছে তার হদিস মেলে।

• দেশি ভাষার কয়েকটি শব্দ হলো:
যথা: কুড়ি, পেট, চুলা, চালতা, কুলা, ডাব, টোপর, ঢেঁকি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান; ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২১.
কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত শব্দ নয় কোনটি?
  1. মিশাল
  2. চড়ক
  3. মতি
  4. চাকতি
সঠিক উত্তর:
চাকতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাকতি
ব্যাখ্যা

• কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত শব্দ নয় - চাকতি।
 "চাকতি = চাক + তি"- এটি তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দ।

• কৃৎ-প্রত্যয়:
- ধাতুর পরে যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয়, সেগুলোকে কৃৎ-প্রত্যয় বলে।
- কৃৎ-প্রত্যয় দিয়ে সাধিত শব্দকে বলে কৃদন্ত শব্দ।
যেমন -
→ চড়্‌ + ক = চড়ক।
→ মিশ্‌ + আল = মিশাল।
→ মন্‌ + তি = মতি।
উপরের উদাহরণগুলোতে, 'ক', 'অক' এবং 'অক' হলো কৃৎ-প্রত্যয় এবং 'চড়ক',  'নিন্দক' এবং 'পাঠক' হলো কৃদন্ত শব্দ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ও ও ২০১৯ সংস্করণ)।

২২.
"রুবেলের সাথে তাঁর গলায় গলায় ভাব।" - এখানে 'গলায় গলায়' কোন ধরনের দ্বিরুক্তি?
  1. শব্দাত্মক
  2. ধ্বন্যাত্মক
  3. পদাত্মক
  4. অব্যয়ের দ্বিরুক্তি
সঠিক উত্তর:
পদাত্মক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদাত্মক
ব্যাখ্যা

• "রুবেলের সাথে তাঁর গলায় গলায় ভাব।"- এখানে 'গলায় গলায়' - পদাত্মক দ্বিরুক্তি।
এখানে একই পদ (গলায়) দুইবার পুনরাবৃত্ত হয়েছে, যার ফলে এটি পদাত্মক দ্বিরুক্তি।

• পদাত্মক দ্বিরুক্তি:
বিভক্তিযুক্ত পদ পর পর দুবার ব্যবহৃত হলে তাকে পদাত্মক দ্বিরুক্তি বলে। পদাত্মক দ্বিরুক্তি দুইভাবে হতে পার। 
যথা- 
১. যথাদ্বিরুক্তি,
২. যুগ্মরীতি বা অনুচর-দ্বিরুক্তি।

• পদাত্মক যথাদ্বিরুক্তি:
যেমন:
- জনে জনে আজকে আমি জানিয়ে যাব সব।
অন্যান্য ( হোতে হাতে, হেসে হেসে, চোর চোর ইত্যাদি।)

• পদাত্মক যুগ্নরীতি বা অনুচর দ্বিরুক্তি:
যেমন:
- হাতে-নাতে পড়লে ধরা দলে-বলে জেলে যাবে।
অন্যান্য (আকাশে-বাতাশে, কাপড়-চোপড়, দলে-বলে ইত্যাদি।)

অন্যদিকে,
- রোজ রোজ, দিন দিন শব্দের দ্বিরুক্তি।
- অব্যয়ের দ্বিরুক্তিতে বহুবচন এর উদাহরণ: যখন যখন।
- ঝমঝম, কুটুস- কুটুস - ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তির উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

২৩.
"ঝড় আমাদের ভীষণ ক্ষতি করেছে।" - কোন কালের উদাহরণ?
  1. সাধারণ বর্তমান কাল
  2. ঘটমান বর্তমান কাল
  3. পুরাঘটিত অতীত কাল
  4. পুরাঘটিত বর্তমান কাল
সঠিক উত্তর:
পুরাঘটিত বর্তমান কাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুরাঘটিত বর্তমান কাল
ব্যাখ্যা

পুরাঘটিত বর্তমান কাল:
যে ক্রিয়ার কার্য কিছুক্ষণ পূর্বে ঘটেছে। কিন্তু এর ফর বা প্রভাব এখনও বর্তমান, এরূপ অর্থে পুরাঘটিত বর্তমান কাল হয়।

যেমন:
- বৃষ্টি আমাদের বড়োই উপকার করেছে।
- ঝড় আমাদের ভীষণ ক্ষতি করেছে।
- এবার আমি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২২ সংস্করণ।

২৪.
"ন্যাকামিটা এখন রাখ।"- এ বাক্যে 'ন্যাকামি' শব্দের সাথে নির্দেশক 'টা' যুক্ত হয়ে কোন অর্থ প্রকাশ পেয়েছে?
  1. সমার্থক
  2. ভিন্নার্থক
  3. নিরর্থক
  4. বিপরীতার্থক
সঠিক উত্তর:
নিরর্থক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরর্থক
ব্যাখ্যা

পদাশ্রিত নির্দেশকের ব্যবহার:
(ক) ‘এক’ শব্দের সঙ্গে টা, টি, যুক্ত হলে অনির্দিষ্টতা বোঝায়। 
যেমন
- একটি দেশ, সে যেমনই হোক দেখতে। কিন্তু অন্য সংখ্যাবাচক শব্দের সাথে টা, টি যুক্ত হলে নির্দিষ্টতা বোঝায়।
যেমন: তিনটি টাকা, দশটি বছর।

(খ) নিরর্থকভাবেও - নির্দেশক টা, টি-র ব্যবহার লক্ষণীয়।
 যেমন:
- সারাটি সকাল তোমার আশায় বসে আছি।
- ন্যাকামিটা এখন রাখ।

(গ) নির্দেশক সর্বনামের পরে টা, টি যুক্ত হলে তা সুনির্দিষ্ট হয়ে যায়।
যেমন:
- ওটি যেন কার তৈরি?
- এটা - নয় ওটা আন। 
- সেইটেই ছিল আমার প্রিয় কলম।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি ( ২০১৯ সংস্করণ)।

২৫.
নিচের কোন বাক্যে ঘটনা পুরাঘটিত বর্তমানের, কিন্তু ক্রিয়ার কাল অতীত?
  1. আমি গত বছর পরীক্ষা দিয়েছিলাম।
  2. শিকারি পাখিটিকে এইমাত্র গুলি করল।
  3. তোমরা হয়ত ছয় দফার কথা শুনে থাকবে।
  4. আগামী মাসে আমরা সিলেট যাচ্ছি।
সঠিক উত্তর:
শিকারি পাখিটিকে এইমাত্র গুলি করল।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিকারি পাখিটিকে এইমাত্র গুলি করল।
ব্যাখ্যা

• ক্রিয়ার কাল:
- ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার সময়কে ক্রিয়ার কাল বলে।
- ক্রিয়ার কাল তিন প্রকার: বর্তমান কাল, অতীত কাল ও ভবিষ্যৎ কাল।

• ক্রিয়ার কালের বিশিষ্ট প্রয়ােগ:
 অনেক সময়ে ক্রিয়াবিভক্তি যে কালের হয়, ঘটনা সেই কালের হয় না। এগুলাে ক্রিয়ার কালের বিশিষ্ট প্রয়োগ। 

• সাধারণ অতীত কালের ক্রিয়ার বিশিষ্ট প্রয়োগ:
- শিকারি পাখিটিকে এইমাত্র গুলি করল। (ঘটনা পুরাঘটিত বর্তমানের; কিন্তু ক্রিয়ার কাল অতীত)।
- যদি বৃষ্টি হতো, সবাই মিলে খিচুড়ি খেতাম। (ঘটনা ভবিষ্যতের; কিন্তু ক্রিয়ার কাল অতীত)।

অন্যদিকে,
- আগামী মাসে আমরা সিলেট যাচ্ছি। (ঘটনা ভবিষ্যতের; কিন্তু ক্রিয়ার কাল বর্তমান)।
- আমি গত বছর পরীক্ষা দিয়েছিলাম। (ঘটনা অতীতের; কিন্তু ক্রিয়ার কাল অতীত)।
- তোমরা হয়ত ছয় দফার কথা শুনে থাকবে। (ঘটনা অতীতের; কিন্তু ক্রিয়ার কাল ভবিষ্যৎ)।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি নবম -দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

২৬.
'ওলন্দাজ' - ভাষার শব্দ কোনটি?
  1. ডিপো
  2. আলপিন
  3. ইস্কাপন
  4. ধোঁকা
সঠিক উত্তর:
ইস্কাপন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্কাপন
ব্যাখ্যা

• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
- 'ইস্কাপন' শব্দটি - ওলন্দাজ ভাষা হতে এসেছে।

• ওলন্দাজ ভাষার শব্দ:
- হরতন, ইস্কাপন, রুইতন, টেক্কা, তুরুপ ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• ফরাসি ভাষার কয়েকটি শব্দ:
- কুপন, ডিপো, রেস্তোরাঁ, আঁতেল, কার্তুজ ইত্যাদি।

• পর্তুগিজ ভাষার কয়েকটি শব্দ:
- আনারস, আলপিন, আলমারি, গির্জা, গুদাম, চাবি, পাউরুটি, পাদ্রি, বালতি ইত্যাদি।

• হিন্দি ভাষার কয়েকটি শব্দ:
- পানি, ধোঁকা, সমঝোতা।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান; বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি ( ২০১৯ সংস্করণ)।

২৭.
'খেলনা' - এর সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় কোনটি?
  1. √ খেল্ + না
  2. √ খেল্ + অনা
  3. √ খেলন্‌ + আ
  4. √ খেল্‌ + আন
সঠিক উত্তর:
√ খেল্ + অনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
√ খেল্ + অনা
ব্যাখ্যা

• 'খেলনা' - শব্দটির সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয়- √ খেল্ + অনা।
----------------------
• বাংলা কৃৎ প্রত্যয়:
বাংলার নিজস্ব অনেক ধাতু রয়েছে যেগুলো সংস্কৃত নয়। এসব ধাতুর সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে সেসব প্রত্যয়কে বাংলা কৃৎ প্রত্যয় বলে।
যেমন:
- √ কাঁদ্ + অন = কাঁদন,
- √ নাচ্ + অন = নাচন,
- √ দুল্ + অনা = দোলনা,
- √ ক্রী + তৃচ্‌ = ক্রেতা,
-√ খেল্ + অনা = খেলনা।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি ( সংস্করণ- ২০১৯)

২৮.
'ডাল-ভাত' কোন ধরনের অর্থবোধক শব্দযোগে দ্বিরুক্ত হয়েছে?
  1. সমার্থক
  2. বিপরীতার্থক
  3. ভিন্নার্থক
  4. মিলনার্থক
সঠিক উত্তর:
ভিন্নার্থক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিন্নার্থক
ব্যাখ্যা

• 'ডাল-ভাত' - ভিন্নার্থক শব্দযোগে দ্বিরুক্ত হয়েছে।

----------------
• দ্বিরুক্ত শব্দ:
দ্বিরুক্ত অর্থ দুবার উক্ত হয়েছে এমন। বাংলা ভাষায় কোনো কোনো শব্দ, পদ বা অনুকার শব্দ, একবার ব্যবহার করলে যে অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলো দুইবার ব্যবহার করলে অন্য কোনো সম্প্রসারিত অর্থ প্রকাশ করে।
- এ ধরনের শব্দের পরপর দুইবার প্রয়োগেই দ্বিরুক্ত শব্দ গঠিত হয়।
- যেমন- 'আমার জ্বর জ্বর লাগছে।' অর্থাৎ ঠিক জ্বর নয়, জ্বরের ভাব অর্থে এই প্রয়োগ।

• ভিন্নার্থক দ্বিরুক্ত শব্দ:
- ডালভাত,
- তালাচাবি,
- পথঘাট,
- অলিগলি।

• সমার্থক শব্দযোগে দ্বিরুক্তি:
- চালচলন, 
- রীতিনীতি, 
- বনজঙ্গল, 
- ধনদৌলত। 

• বিপরীতার্থক দ্বিরুক্ত শব্দ:
- ভাল - মন্দ।
- আমীর - ফকির।
- ধনী - গরীব।
- লেন দেন।
- দেনা - পাওনা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ); ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।

২৯.
'মানী' - শব্দটির সঠিক স্ত্রীবাচক শব্দ কোনটি?
  1. মানীনি
  2. মাননীয়
  3. মানিনী
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
মানিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানিনী
ব্যাখ্যা

• ‘মানী’ - এর স্ত্রীবাচক শব্দ - মানিনী।

উল্লেখ্য,
• 'মানিন' শব্দের অর্থ - শ্রদ্ধেয়া, সম্মাননীয়া।

• অনেক সময় আলাদা আলাদা শব্দে পুরুষবাচক ও স্ত্রীবাচক বোঝায়,
যেমন:
- শুক - শারি;
- বাবা - মা;
- সাহেব - বিবি;
- বাদশা - মেয়ে, ইত্যাদি।

• কতগুলো শব্দ নিত্য স্ত্রীবাচক। এগুলোর পুরুষ বাচক শব্দ নেই।
 যেমন :
- সতীন;
- সৎমা;
- এয়ো;
- দাই এবং
- সধবা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

৩০.
বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দ -
  1. জমিদারি
  2. মানানসই
  3. পুষ্পিত
  4. মোগলাই
সঠিক উত্তর:
মানানসই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানানসই
ব্যাখ্যা

• তদ্ধিত প্রত্যয়:
- শব্দের সঙ্গে বা শেষে যেসব প্রত্যয় যোগ হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয় সেগুলোকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
- যেমন:
চোর+আ = চোরা, কেষ্ট+আ = কেষ্টা, ডিঙি+আ = ডিঙা, বাঘ্+আ = বাঘা, হাত্+আ = হাতা

• বাংলা ভাষায় তদ্ধিত প্রত্যয় তিন প্রকার।
যথা:
- বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়,
- সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়,
- বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়।

• বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়:
শব্দের পরে যেসব বিদেশি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে সেসব প্রত্যয়কে বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
যেমন:
- বিবি + আনা = বিবিয়ানা;
- দুধ + ওয়ালা = দুধওয়ালা;
- মানান + সই = মানানসই;
- খবর + দার = খবরদার;
- কারি + গর = কারিগর;
- গিন্নী + পনা = গিন্নীপনা।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:

• সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়:
সংস্কৃত শব্দের পরে যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয় সেসব প্রত্যয় কে সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
যেমন: অণু + ইক = আণবিক; পুষ্প + ইত = পুষ্পিত

• বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়:
সংস্কৃত ও বিদেশি প্রত্যয় বাদে বাংলা ভাষার সকল তদ্ধিত প্রত্যয় বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়।
যেমন:
- থাল + আ = থালা;
- জমিদার + ই = জমিদারি; 
- মোগল + আই = মোগলাই;

- চোর + আই = চোরাই ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

৩১.
কম্পিউটারের মস্তিষ্ক (Brain) হিসেবে কোন অংশটি পরিচিত?
  1. মেমোরি
  2. CPU
  3. ALU
  4. রেজিস্টার
সঠিক উত্তর:
CPU
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CPU
ব্যাখ্যা

• CPU কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ, যা ডেটা প্রক্রিয়াজাত করে এবং পুরো সিস্টেমের কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। এজন্য CPU-কে কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয়।

• সিপিইউ (কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ) -
CPU (Central Processing Unit):

- কম্পিউটারের ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য ও নির্দেশের ভিত্তিতে ডেটাকে প্রক্রিয়াজাত করে ফলাফল বা আউটপুট প্রদান করে থাকে।
- এ প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করার জন্য কম্পিউটারের ভেতর থাকে প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট।
- প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটকে প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে আরও কিছু যান্ত্রিক অংশ সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে। কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।
- সিপিইউ কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইনস্বরূপ।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

৩২.
11110101 সংখ্যাটির 1’s complement কত?
  1. 10110011
  2. 11001100
  3. 10010011
  4. 00001010
সঠিক উত্তর:
00001010
উত্তর
সঠিক উত্তর:
00001010
ব্যাখ্যা

• সব বিট উল্টালে 11110101 → 00001010 হয়।

• ১-এর পরিপূরক (1’s Complement):

- বাইনারি সংখ্যায় ১-এর পরিপূরক (1’s complement) গঠন করার জন্য—

- যেখানে ০ আছে সেখানে ১ বসাতে হয় এবং
- যেখানে ১ আছে সেখানে ০ বসাতে হয়।
অর্থাৎ, সংখ্যাটির সব বিট উল্টে (Invert) দিতে হয়।

• উদাহরণ:

- প্রদত্ত বাইনারি সংখ্যা: 11110101.
- প্রতিটি বিট উল্টালে পাই: 00001010.
সুতরাং,
11110101 এর 1’s complement = 00001010.
 
• মূল ধারণা:

- 1’s complement পদ্ধতিতে কোনো যোগ বা বিয়োগ প্রয়োজন হয় না।
- কেবলমাত্র বিট ইনভার্সন করলেই ফলাফল পাওয়া যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৩৩.
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে স্থানীয় মান (Place Value) কোন ভিত্তিতে বৃদ্ধি পায়?
  1. ২ এর ঘাত
  2. ৮ এর ঘাত
  3. ১০ এর ঘাত
  4. ১৬ এর ঘাত
সঠিক উত্তর:
২ এর ঘাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ এর ঘাত
ব্যাখ্যা

• বাইনারি সংখ্যায় স্থানীয় মান হয় 20 , 21, 22, 23… অর্থাৎ দুই এর ঘাতের ভিত্তিতে বৃদ্ধি পায় ।

• বাইনারি সংখ্যাঃ

- বাইনারি সংখ্যাতেও প্রত্যেকটি অঙ্কের একটি স্থানীয় মান রয়েছে।
- দশমিক সংখ্যায় স্থানীয় মান 100, 101, 102 … এভাবে বেড়ে যায়।
- বাইনারি সংখ্যায় 20, 21, 22, 23 … এভাবে বেড়ে যায়।
- ভগ্নাংশ প্রকাশ করার জন্য দশমিক বিন্দুর পর অঙ্কগুলো 10-1, 10-2, 10-3 … এভাবে কমে।
- ঠিক সেরকম বাইনারি সংখ্যায় বাইনারি বিন্দুর পর অঙ্কগুলো 2-1, 2-2, 2-3 … এভাবে কমে।

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

৩৪.
নিচের কোন কাজটি ALU দ্বারা সম্পন্ন হয় না?
  1. রেজিস্টার পরিষ্কার (clear) করা
  2. তুলনা করে সত্য-মিথ্যা নির্ধারণ করা
  3. যোগ, বিয়োগ, গুণ ও ভাগের মতো গাণিতিক অপারেশন সম্পাদন করা
  4. প্রসেসিং শেষে ফলাফল প্রধান মেমোরিতে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা
সঠিক উত্তর:
প্রসেসিং শেষে ফলাফল প্রধান মেমোরিতে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রসেসিং শেষে ফলাফল প্রধান মেমোরিতে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা
ব্যাখ্যা

• ফলাফল স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা ALU-এর কাজ না—এটা মেমোরি ইউনিটের কাজ।

• গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit):

- ALU এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Arithmetic Logic Unit.
- নিয়ন্ত্রণ অংশের তত্ত্বাবধানে গাণিতিক যুক্তি অংশ বা ALU বিভিন্ন ধরনের গাণিতিক বা লজিক্যাল অপারেশনের কাজ সম্পাদন করে।
- বেশির ভাগ গাণিতিক অপারেশনগুলো হলো যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল অপারেশনগুলো হলো তুলনা, সত্য-মিথ্যা যাচাই ইত্যাদি।
- কোনো রেজিস্টার পরিষ্কারকরণ এবং রেজিস্টারে সংরক্ষিত তথ্য বা সংখ্যাকে ডানে বা বামে সরানো ইত্যাদি কাজ এ অংশের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক বর্তনীর সহায়তায় গাণিতিক যুক্তি অংশ এই কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে এবং প্রয়োজনে ফলাফল অস্থায়ীভাবে রেজিস্টারে সংরক্ষিত রাখে।
- যেকোনো মাইক্রোপ্রসেসরে কাজের গতি বাড়ানোর প্রয়োজনে একাধিক গাণিতিক যুক্তি অংশ ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

৩৫.
(0.71)10 এর হেক্সাডেসিমেল রূপ কোনটি?
  1. (0.C5B...)16
  2. (0.D5C...)16
  3. (0.C5D...)16
  4. (0.B5C...)16
সঠিক উত্তর:
(0.B5C...)16
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(0.B5C...)16
ব্যাখ্যা

• (0.71)10 এর হেক্সাডেসিমেল রূপ (0.B5C...)16




উৎস: একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

৩৬.
নিচের কোনটি ইনপুট পেরিফেরাল?
  1. প্রিন্টার
  2. মনিটর
  3. কীবোর্ড
  4. স্পিকার 
সঠিক উত্তর:
কীবোর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কীবোর্ড
ব্যাখ্যা

• কিবোর্ড ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা ইনপুট নেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়।

ইনপুট পেরিফেরাল (Input Peripheral):

- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে প্রক্রিয়াকরণের জন্য বিভিন্ন ধরনের ডেটা গ্রহণ করে।
- কম্পিউটারের প্রক্রিয়াকরণের কাজে ডেটা প্রদান নিয়ন্ত্রিত হার্ডওয়্যারসমূহকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে বিভিন্ন ধরনের ইনপুট পেরিফেরাল ব্যবহৃত হয়।
-তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ইনপুট পেরিফেরালসমূহ হলো—

১। কীবোর্ড (Keyboard),
২। মাউস (Mouse),
৩। ট্র্যাকবল (Trackball),
৪। জয়স্টিক (Joystick),
৫। টাচ স্ক্রিন (Touch Screen),
৬। বার কোড রিডার (Bar Code Reader),
৭। পয়েন্ট-অফ-সেল (Point-of-Sale),
৮। ওএমআর (OMR),
৯। ওসিআর (OCR),
১০। স্ক্যানার (Scanner),
১১। ডিজিটাইজার (Digitizer),
১২। লাইটপেন (Lightpen),
১৩। গ্রাফিক্স প্যাড (Graphics Pad),
১৪। ডিজিটাল ক্যামেরা (Digital Camera), ইত্যাদি।

উৎস: মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিএড প্রোগ্রাম)।

৩৭.
নিচের কোনটি Communication Hardware?
  1. ইমেজ সেটার
  2. পাওয়ার সাপ্লাই
  3. নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড
  4. লাইটপেন
সঠিক উত্তর:
নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড
ব্যাখ্যা

• Communication Hardware - নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড।
• Output Hardware - ইমেজ সেটার।
• Processing Hardware - পাওয়ার সাপ্লাই।
• Input Hardware - লাইটপেন।

• কমিউনিকেশন হার্ডওয়্যার (Communication Hardware):

- কম্পিউটার শুধু ডেটা প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ফলাফল প্রদান করার কাজে নিয়োজিত থাকে না; পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন অবস্থানে অবস্থিত কম্পিউটার বা কম্পিউটারসমূহ অথবা অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইস বা ডিভাইসসমূহের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যার ব্যবহার করে ইনফরমেশন আদান-প্রদানও করে থাকে। এ সকল হার্ডওয়্যারকে বলা হয় কমিউনিকেশন হার্ডওয়্যার।

- অর্থাৎ এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটার অথবা এক ডিভাইস হতে অন্য ডিভাইসের যোগাযোগ স্থাপন ও ডেটা আদান-প্রদান, শেয়ার ইত্যাদির জন্য যে সকল ডিভাইস বা হার্ডওয়্যার ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে বলা হয় কমিউনিকেশন হার্ডওয়্যার।

- ডেটা কমিউনিকেশনের কাজে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য কমিউনিকেশন হার্ডওয়্যারগুলো হলো—

১) মডেম (Modem),
২) হাব (Hub),
৩) সুইচ (Switch),
৪) রিপিটার (Repeater),
৫) ব্রিজ (Bridge),
৬) রাউটার (Router),
৭) গেটওয়ে (Gateway),
৮) নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড (Network Interface Card), ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

৩৮.
নিচের কোন ক্ষেত্রে System Restore ব্যবহার করা সবচেয়ে উপযুক্ত? 
  1. চলমান প্রোগ্রাম বন্ধ করার জন্য
  2. হার্ড ডিস্কের গতি বাড়ানোর জন্য
  3. গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট ব্যাকআপ নেওয়ার জন্য
  4. ড্রাইভার বা সিস্টেম সেটিংস সমস্যার কারণে সিস্টেম অস্থিতিশীল হলে
সঠিক উত্তর:
ড্রাইভার বা সিস্টেম সেটিংস সমস্যার কারণে সিস্টেম অস্থিতিশীল হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড্রাইভার বা সিস্টেম সেটিংস সমস্যার কারণে সিস্টেম অস্থিতিশীল হলে
ব্যাখ্যা

• System Restore সফটওয়্যার ত্রুটি, ড্রাইভার সমস্যা বা ম্যালওয়্যারের প্রভাবে সিস্টেম অস্থিতিশীল হলে ব্যবহৃত হয়; এটি ব্যাকআপ বা ডিস্ক অপটিমাইজেশনের কাজ করে না।

• সিস্টেম রিস্টোর:

- System Restore হলো উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইউটিলিটি প্রোগ্রাম।
- এর মাধ্যমে কম্পিউটারের পূর্বের স্থিতিশীল অবস্থায় ফিরে যাওয়া যায়।
- এটি সফটওয়্যার, ড্রাইভার বা সিস্টেম সেটিংসে সমস্যা হলে আগের অবস্থায় রিস্টোর করে।
- এটি সফটওয়্যার ত্রুটি, ড্রাইভার সমস্যা বা ম্যালওয়্যার আক্রমণের কারণে সিস্টেম বাধাগ্রস্ত হলে ব্যবহৃত হয়।
- ব্যক্তিগত ফাইল (যেমন: ছবি, ডকুমেন্ট) এটি প্রভাবিত করে না।
 
উৎস: মাইক্রোসফট অফিসিয়াল সাপোর্ট ওয়েবসাইট।

৩৯.
বাইনারি ভগ্নাংশে বাইনারি বিন্দুর ডান পাশে প্রথম অঙ্কের স্থানীয় মান কোনটি?
  1. 21
  2. 20
  3. 2-1
  4. 2-2
সঠিক উত্তর:
2-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2-1
ব্যাখ্যা

• বাইনারি সংখ্যায় বাইনারি বিন্দুর ডান পাশে স্থানীয় মান কমতে থাকে— 2⁻¹, 2⁻², 2⁻³ …

• বাইনারি সংখ্যাঃ

- বাইনারি সংখ্যাতেও প্রত্যেকটি অঙ্কের একটি স্থানীয় মান রয়েছে।
- দশমিক সংখ্যায় স্থানীয় মান 100, 101, 102 … এভাবে বেড়ে যায়।
- বাইনারি সংখ্যায় 20, 21, 22, 23 … এভাবে বেড়ে যায়।
- ভগ্নাংশ প্রকাশ করার জন্য দশমিক বিন্দুর পর অঙ্কগুলো 10-1, 10-2, 10-3 … এভাবে কমে।
- ঠিক সেরকম বাইনারি সংখ্যায় বাইনারি বিন্দুর পর অঙ্কগুলো 2-1, 2-2, 2-3 … এভাবে কমে।




উৎস: একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

৪০.
নিচের কোন সংখ্যাটি হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা হিসেবে গ্রহণযোগ্য?
  1. 19G
  2. 12H
  3. 7F
  4. 8Z
সঠিক উত্তর:
7F
উত্তর
সঠিক উত্তর:
7F
ব্যাখ্যা

• হেক্সাডেসিমালে কেবল ০–৯ ও A–F গ্রহণযোগ্য।

• হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা:

- হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা হলো এমন সংখ্যা যা ১৬ ভিত্তিতে লেখা হয়।
- এই সংখ্যাগুলোতে ব্যবহার করা হয় ০ থেকে ৯ পর্যন্ত ডিজিট এবং A থেকে F পর্যন্ত অক্ষর।
- যেখানে A, B, C, D, E, F যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫ মানে ব্যবহৃত হয়।
- হেক্সাডেসিমাল সংখ্যায় G, H, Z প্রভৃতি অক্ষর থাকতে পারে না, কারণ এগুলো হেক্সাডেসিমাল ভিত্তিতে বৈধ নয়।

• সংখ্যা পদ্ধতি :

কোন সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়, যথা—
১। দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২। বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩। অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System),
৪। হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System).

- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১০।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ২।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪১.
ক্রায়োসার্জারি সাধারণত কোন সমস্যার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়? 
  1. উচ্চ রক্তচাপ
  2. ডায়াবেটিস
  3. ত্বকের ক্যান্সার
  4. হৃদরোগ
সঠিক উত্তর:
ত্বকের ক্যান্সার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্বকের ক্যান্সার
ব্যাখ্যা

• ক্রায়োসার্জারি ত্বকের ক্যান্সার ও অবাঞ্ছিত টিস্যু অপসারণে ব্যবহৃত হয়।

• ক্রায়োসার্জারি:

- ক্রায়োসার্জারি হলো একটি চিকিৎসা পদ্ধতি যেখানে অত্যন্ত নিম্ন তাপমাত্রা (যেমন, তরল নাইট্রোজেন ব্যবহার করে) প্রয়োগ করে অস্বাভাবিক কোষ বা টিস্যু ধ্বংস করা হয়।
- এটি সাধারণত ত্বকের ক্যান্সার, মাংসপিণ্ড বা অন্যান্য অবাঞ্ছিত টিস্যু অপসারণে ব্যবহৃত হয়।
- চিকিৎসার সময় শরীরের নির্দিষ্ট অংশে তরল নাইট্রোজেন বা আর্গন গ্যাস প্রয়োগ করা হয়, যা কোষের তাপমাত্রা অত্যন্ত নিচে নামিয়ে দেয় এবং কোষগুলো ধ্বংস করে।

• এই পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়, সেগুলো নিম্নে দেওয়া হলো:

- তরল নাইট্রোজেন,
- তরল কার্বন ডাই-অক্সাইড,
- নাইট্রাস অক্সাইড,
- আর্গন,
- ইথাইল ক্লোরাইড,
- ফ্লোরিনেটেড হাইড্রোকার্বন, ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মুজিবুর রহমান।

৪২.
নিচের কোনটি সিস্টেম বাসের অংশ নয়? 
  1. কন্ট্রোল বাস
  2. অ্যাড্রেস বাস
  3. ডেটা বাস
  4. এক্সপ্যানশন বাস
সঠিক উত্তর:
এক্সপ্যানশন বাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক্সপ্যানশন বাস
ব্যাখ্যা

• এক্সপ্যানশন বাস সিস্টেম বাসের অন্তর্ভুক্ত নয়; সিস্টেম বাসের অংশ হলো ডেটা, অ্যাড্রেস ও কন্ট্রোল বাস।

• সিস্টেম বাস (System Bus):

- যে সকল বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট–আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান–প্রদান করে, তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
- সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাস বলা হয়।

• ব্যবহারিক দিক থেকে সিস্টেম বাসকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়, যথা—
- ডেটা বাস (Data Bus),
- অ্যাড্রেস বাস (Address Bus),
- কন্ট্রোল বাস (Control Bus).

• এক্সপ্যানশন বাস (Expansion Bus):

- যে সকল বাস প্রধান বাসের সহায়ক বাস হিসেবে কাজ করে, সেগুলোকে এক্সপ্যানশন বাস বলা হয়।
- এক্সপ্যানশন বাস কম্পিউটারের সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে বিভিন্ন এক্সপ্যানশন ডিভাইস সংযুক্ত করতে সাহায্য করে।
 
• এক্সপ্যানশন বাসের প্রকারভেদ:
- আইএসএ বাস (ISA Bus),
- ইআইএসএ বাস (EISA Bus),
- ইউএসবি (USB),
- ফায়ারওয়ার বাস (FireWire Bus),
- এজিপি বাস (AGP Bus),
- লোকাল বাস (Local Bus):

• লোকাল বাস সাধারণত দুই প্রকার হয়ে থাকে। যথা—
i. ভেসা বাস (VESA Bus),
ii. পিসিআই বাস (PCI Bus)।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৩.
শুধুমাত্র NOR গেইট ব্যবহার করে কোন কোন গেইট বাস্তবায়ন করা সম্ভব? 
  1. কেবল AND ও OR
  2. শুধু বিশেষ গেইট
  3. শুধু মৌলিক গেইট
  4. সব ধরনের লজিক গেইট
সঠিক উত্তর:
সব ধরনের লজিক গেইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সব ধরনের লজিক গেইট
ব্যাখ্যা

• NOR একটি সার্বজনীন গেইট; তাই এটি দিয়ে মৌলিক ও বিশেষ—সব ধরনের লজিক গেইট বাস্তবায়ন করা যায়।

• সার্বজনীন গেইট:

- যে গেইটের সাহায্যে মৌলিক গেইটসমূহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়, তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

অন্যদিকে,

• মৌলিক লজিক গেইট:

- OR Gate,
- AND Gate,
- NOT Gate.

• বিশেষ লজিক গেইট:

- XOR Gate,
- XNOR Gate.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ–দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মুজিবুর রহমান।

৪৪.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটির অন্যতম বড় সুবিধা কোনটি?
  1. বাস্তব পরিবেশে হার্ডওয়্যার পরীক্ষার খরচ কমানো
  2. বাস্তবে কঠিন কাজ ভার্চুয়ালি সম্পন্ন করা
  3. দীর্ঘমেয়াদি তথ্য সংরক্ষণের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা
  4. ইন্টারনেট গতি বৃদ্ধি করা
সঠিক উত্তর:
বাস্তবে কঠিন কাজ ভার্চুয়ালি সম্পন্ন করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাস্তবে কঠিন কাজ ভার্চুয়ালি সম্পন্ন করা
ব্যাখ্যা

• VR ত্রিমাত্রিক কৃত্রিম পরিবেশের মাধ্যমে বাস্তবে ঝুঁকিপূর্ণ বা কঠিন কাজ অনুশীলনের সুযোগ দেয়।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:

- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (Virtual Reality) হলো এমন একটি প্রযুক্তি, যেখানে হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তব বা কৃত্রিম ছবি তৈরি করা হয়।
- এটি আসল বস্তু নয়; কিন্তু বিজ্ঞানের কল্পনা ও পরিকল্পনার মাধ্যমে তৈরি একটি কাল্পনিক বাস্তবতা।
- এটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি এবং সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে।
- কম্পিউটার প্রযুক্তির সাহায্যে এমন একটি কৃত্রিম পরিবেশ তৈরি করা হয়, যেখানে ব্যবহারকারী কাছে গেলে, দেখলে এবং বুঝলে মনে হয় বাস্তব।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটির ত্রিমাত্রিক ছবি তৈরির মাধ্যমে এমন কঠিন কাজও সম্পন্ন করা সম্ভব, যা বাস্তবে করা খুব কঠিন হতো।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির উপাদানসমূহ:

- হেড-মাউন্টেড ডিসপ্লে (HMD),
- ডেটা গ্লাভস,
- বিশেষ বডি স্যুট।
- এই সকল উপাদান ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে শারীরিকভাবে না গিয়েও বাস্তবের মতো অভিজ্ঞতা দেয়।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির প্রয়োগ:

- চিকিৎসাক্ষেত্রে,
- ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায়,
- ফ্লাইট সিমুলেশনে,
- খেলাধুলা ও বিনোদনে, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৫.
SSD-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Super Storage Device
  2. Solid State Drive
  3. System State Drive
  4. Serial Storage Disk
সঠিক উত্তর:
Solid State Drive
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Solid State Drive
ব্যাখ্যা

• SSD:

- SSD-এর পূর্ণরূপ হলো Solid State Drive.
- সলিড-স্টেট ড্রাইভ (SSD) কম্পিউটারে ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইসের একটি নতুন প্রজন্ম।
- SSD ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক মেমোরি ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে, যা Traditional Hard Disk (HDD)-এর তুলনায় অনেক দ্রুত।
- SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারের পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গতি আসে।
- HDD-তে ম্যাগনেটিক ডিস্ক ও স্পিনিং প্ল্যাটার থাকে, যা মেকানিক্যাল মুভমেন্টের মাধ্যমে ডেটা read ও write করে; ফলে এটি তুলনামূলকভাবে ধীরগতিতে কাজ করে।
- SSD-এর ডেটা ট্রান্সফার স্পিড HDD-এর চেয়ে অনেক বেশি; তাই অপারেটিং সিস্টেম চালানোর জন্য এটি অধিক কার্যকর।

উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Amazon Web Services (AWS) ওয়েবসাইট। [link]

৪৬.
লিখিত বা মুদ্রিত অক্ষরকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পড়ে কম্পিউটারে ইনপুট দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত ডিভাইস কোনটি?
  1. Digitizer
  2. OCR
  3. OMR
  4. Lightpen
সঠিক উত্তর:
OCR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
OCR
ব্যাখ্যা

• OCR (Optical Character Recognition) মুদ্রিত বা লেখা অক্ষর শনাক্ত করে কম্পিউটারে ইনপুট দেয়। OMR শুধুমাত্র চিহ্নিত বৃত্ত/ঘর শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।

• ওসিআর (OCR):

- OCR-এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Recognition.
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপা লেখা নয়, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- তবে এ ক্ষেত্রে হাতের লেখা অত্যন্ত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং প্রয়োজনীয় গঠন অনুযায়ী লিখিত হওয়া দরকার।

- OCR-এর কার্যপ্রণালি মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে।
- অতঃপর OCR সফটওয়্যার সেটাকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে।
- ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।

- ইন্স্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ, চিঠির পিনকোড, ক্যাশ রেজিস্টার, ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি পড়ার জন্য OCR ব্যবহার করা হয়।

উৎস: মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিএড প্রোগ্রাম)।

৪৭.
নিচের কোন ডিভাইসটি ইনপুট ও আউটপুট—দুই কাজেই ব্যবহৃত হয়?
  1. স্ক্যানার
  2. হার্ডডিস্ক
  3. স্পিকার
  4. মাউস
সঠিক উত্তর:
হার্ডডিস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হার্ডডিস্ক
ব্যাখ্যা

• হার্ডডিস্কে ডেটা লেখা (input) ও পড়া (output)—উভয়ই করা যায়।

• ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল
(Input and Output Peripheral):

- কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত যে সকল ডিভাইসগুলো ইনপুট ও আউটপুট উভয় যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাদেরকে ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল হলো—

১। হার্ডডিস্ক,
২। সিডি বা ডিভিডি,
৩। পেনড্রাইভ,
৪। টাচ স্ক্রিন, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

৪৮.
নিচের কোনটি প্রসেসিং হার্ডওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত?
  1. কীবোর্ড
  2. মনিটর
  3. মাইক্রোপ্রসেসর
  4. প্রিন্টার
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোপ্রসেসর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোপ্রসেসর
ব্যাখ্যা

• মাইক্রোপ্রসেসরই মূলত ডেটা প্রক্রিয়াকরণের প্রধান অংশ।

• প্রসেসিং হার্ডওয়্যার (
Processing Hardware):

ব্যবহারকারীর কাঙ্ক্ষিত ফলাফল কম্পিউটার তার প্রক্রিয়াকরণের ফলাফলের মাধ্যমে পূরণ করে থাকে। প্রসেসিং বা প্রক্রিয়াকরণের কাজের সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সম্পর্কযুক্ত হার্ডওয়্যারসমূহকে বলা হয় প্রসেসিং হার্ডওয়্যার। সাধারণত সিপিইউ ইউনিটের (কম্পিউটার কেসিং) ভেতরে এগুলো সংযুক্ত থাকে। তবে কম্পিউটারের প্রসেসিং কাজের সাথে বিভিন্ন ধরনের এক্সটার্নাল হার্ডওয়্যারও যুক্ত থাকে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্যগুলো হলো—

১। মাইক্রোপ্রসেসর (Microprocessor),
২। মেমরি (Memory),
৩। রম চিপ (ROM chips),
৪। ভির‍্যাম (VRAM),
৫। বাস (BUS),
৬। মাদারবোর্ড (Motherboard),
৭। পোর্ট (Port),
৮। পাওয়ার সাপ্লাই (Power Supply),
৯। এক্সপ্যানশন স্লট (Expansion slot), ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

৪৯.
(0.46)10 এর বাইনারি রূপ কোনটি?
  1. (0.01110...)2
  2. (0.01011...)2
  3. (0.10101...)2
  4. (0.11001...)2
সঠিক উত্তর:
(0.01110...)2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(0.01110...)2
ব্যাখ্যা

• (0.46)10 এর বাইনারি রূপ (0.01110...)2



উৎস: একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

৫০.
বায়োমেট্রিক্স কী?
  1. তথ্য এনক্রিপশন পদ্ধতি
  2. নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি
  3. পরিচয় শনাক্তকরণ প্রযুক্তি
  4. ডেটা সংরক্ষণ প্রযুক্তি
সঠিক উত্তর:
পরিচয় শনাক্তকরণ প্রযুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিচয় শনাক্তকরণ প্রযুক্তি
ব্যাখ্যা

• বায়োমেট্রিক্সে ব্যক্তির শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্যের মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।

• বায়োমেট্রিক্স:
- বায়োমেট্রিক্স এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে ব্যক্তির শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।

- এটি মানুষের দেহের বিশেষ বৈশিষ্ট্য যেমন আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিস, মুখমণ্ডল অথবা কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে পরিচয় যাচাই করে।

• দেহের গঠন ও আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক্স দুই প্রকার। যথা—

১। শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- আঙুলের ছাপ,
- হাতের রেখা শনাক্তকরণ,
- মুখমণ্ডলের অবয়ব,
- চোখের আইরিস শনাক্তকরণ।

২। আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ,
- স্বাক্ষর শনাক্তকরণ,
- কীবোর্ডে টাইপিং গতি যাচাইকরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান।

৫১.
ন্যানো টেকনোলজি সম্পর্কিত প্রথম ধারণা দেন কে?
  1. আইজ্যাক নিউটন
  2. রিচার্ড ফাইনম্যান
  3. আলবার্ট আইনস্টাইন
  4. নিলস বোর
সঠিক উত্তর:
রিচার্ড ফাইনম্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিচার্ড ফাইনম্যান
ব্যাখ্যা

 • ১৯৫৯ সালে “There’s Plenty of Room at the Bottom” বক্তৃতায় রিচার্ড ফাইনম্যান ন্যানো টেকনোলজির প্রাথমিক ধারণা দেন।
- নিউটন শাস্ত্রীয় বলবিদ্যার জন্য পরিচিত।
- আইনস্টাইন আপেক্ষিকতা ও কোয়ান্টাম তত্ত্বে অবদান রাখেন।
- নিলস বোর পরমাণু গঠন তত্ত্বে অবদান রাখেন।

• ন্যানো টেকনোলজি:

- ন্যানো টেকনোলজি হলো এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে ১ থেকে ১০০ ন্যানোমিটার মাত্রার (অতিক্ষুদ্র) বস্তু নিয়ন্ত্রণ ও তৈরি করা হয়।
- এটি ইলেকট্রনিক্স, মেডিসিন, উপকরণ বিজ্ঞান ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
- ন্যানো টেকনোলজিকে সংক্ষেপে ন্যানোটেক বলা হয়ে থাকে।
- নোবেলজয়ী পদার্থবিদ রিচার্ড ফাইনম্যান (Laureate Richard Feynman) ১৯৫৯ সালের ২৯ ডিসেম্বর তার “There's Plenty of Room at the Bottom” আলোচনায় ন্যানো টেকনোলজি সম্পর্কে সর্বপ্রথম ধারণা দেন।
- সেখানে তিনি পরমাণুর প্রত্যেক ম্যানিপুলেশনের মাধ্যমে সংযোজনের সম্ভাবনা বর্ণনা করেছিলেন।
- তাই রিচার্ড ফাইনম্যান (Richard Feynman)-কে ন্যানো প্রযুক্তির জনক বলা হয়।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

৫২.
নিচের কোনটি টেলিমেডিসিন সেবার উদাহরণ নয়?
  1. MDlive
  2. FBlive
  3. iClinic
  4. Amwell
সঠিক উত্তর:
FBlive
উত্তর
সঠিক উত্তর:
FBlive
ব্যাখ্যা

• FBLive → সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভ ভিডিও সম্প্রচারের সুবিধা; চিকিৎসা সেবা প্রদান করে না।
- MDlive → অনলাইন ডাক্তার পরামর্শ ও চিকিৎসা সেবা প্রদানকারী একটি টেলিমেডিসিন প্ল্যাটফর্ম।
- iClinic → অনলাইনে চিকিৎসা পরামর্শ ও রোগী ব্যবস্থাপনার টেলিমেডিসিন সেবা প্রদান করে।
- Amwell → ভিডিও কনসালটেশনের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী একটি টেলিমেডিসিন প্ল্যাটফর্ম।

• টেলিমেডিসিন (Telemedicine)


- টেলিমেডিসিন হলো দূরবর্তী চিকিৎসা সেবা প্রদান পদ্ধতি, যেখানে তথ্যপ্রযুক্তি (ICT) ব্যবহার করে রোগী ও ডাক্তার অবস্থানগত দূরত্বের বাধা ছাড়াই স্বাস্থ্যসেবা নিতে ও দিতে পারেন।
- এটি মূলত ভিডিও কল, মোবাইল অ্যাপ, টেলিফোন, ই-মেইল বা অন্যান্য ডিজিটাল মাধ্যমের উপর ভিত্তি করে কাজ করে।
- মোবাইল ফোন এবং ইন্টারনেটের উন্নত ব্যবহারের মাধ্যমে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে সহজেই চিকিৎসাসেবা প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে।
- এর মাধ্যমে চিকিৎসকরা দূরবর্তী অবস্থান থেকেও রোগী পরামর্শ, চিকিৎসা নির্দেশনা প্রদান, রোগীর চিকিৎসার তথ্য সংরক্ষণ এবং বিশ্লেষণ করতে পারেন।
- ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে রোগীকে চাক্ষুষ দেখা এবং ই-মেইলের মাধ্যমে রিপোর্ট ও পরামর্শপত্র আদান–প্রদান করা সম্ভব হয়।

• এ ধরনের উল্লেখযোগ্য সেবাগুলোর মধ্যে:

- Teledoc,
- Maven,
- Clinic,
- iClinic,
- MDlive,
- Amwell,
- Doctor on Demand ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ–দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৫৩.
বিট (Bit) কী?
  1. একটি বাইটের সমান
  2. ডেটা স্টোরেজ ডিভাইস
  3. দশমিক সংখ্যা
  4. বাইনারি ডিজিট
সঠিক উত্তর:
বাইনারি ডিজিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাইনারি ডিজিট
ব্যাখ্যা

• বিট (Bit) হলো বাইনারি ডিজিট (০ বা ১)।

• বিট ও বাইট:
- ১ বাইট = ৮ বিট।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অঙ্ককে বিট বলে।
- বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক।
- ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
 
• ডেটার এককসমূহ:
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট,
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট,
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট,
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।
 
- ৮ বিট নিয়ে ১ বাইট গঠিত হয়।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট,
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট,
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট,
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট,
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ–দ্বাদশ শ্রেণি (প্রফেসর মুজিবুর রহমান)।

৫৪.
মনিটর কোন ধরনের হার্ডওয়্যার?
  1. স্টোরেজ হার্ডওয়্যার
  2. আউটপুট হার্ডওয়্যার
  3. প্রসেসিং হার্ডওয়্যার
  4. ইনপুট হার্ডওয়্যার
সঠিক উত্তর:
আউটপুট হার্ডওয়্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আউটপুট হার্ডওয়্যার
ব্যাখ্যা

• মনিটর:

- মনিটর হলো একটি অন্যতম সফটকপি আউটপুট হার্ডওয়্যার, যা দেখতে সাধারণত টেলিভিশনের পর্দার মতো।

- মনিটর সাদা-কালো বা রঙিন হয়ে থাকে। আবার অ্যানালগ কিংবা ডিজিটালও হতে পারে।

• প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে মনিটরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়, যথা—

১। ক্যাথোড রশ্মির টিউব মনিটর (Cathode Ray Tube – CRT).
২। ফ্ল্যাট প্যানেল মনিটর (Flat Panel Monitor).
 
• ক্যাথোড রশ্মির টিউব মনিটর (CRT – Cathode Ray Tube Monitor):

- সিআরটি মনিটরের প্রধান উপাদান হলো পিকচার টিউব।
- টিউবের ভেতরের দিকে লাল, সবুজ ও আসমানি—এই তিনটি মৌলিক বর্ণের ফসফরের আবরণ থাকে।
- ফসফরের আবরণটি অসংখ্য ছোট ছোট বিন্দু বা ডটের সমন্বয়ে গঠিত।
- এদেরকে পিক্সেল বলা হয়।
- কম্পিউটারের তথ্য প্রদর্শনের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে পিক্সেল।
- মনিটরের পর্দায় একটি ইমেজ বা চিত্র তখনই পূর্ণাঙ্গভাবে অবলোকন করা যায়, যখন ইলেকট্রন বিম সম্পূর্ণ স্ক্রিনটিকে স্ক্যান করে এবং প্রতিটি পিক্সেলকে উজ্জ্বল করে দেয়।
- পিক্সেলের সংখ্যার ওপর মনিটরের রেজ্যুলশন নির্ভর করে।
- বর্তমানে প্রচলিত মনিটরগুলো সাধারণত ৬৪,০০০ থেকে ২ মিলিয়ন পিক্সেল বিশিষ্ট হয়ে থাকে।

উল্লেখ্য, CRT মনিটর এখন অপ্রচলিত, কারণ এটি বেশি জায়গা নেয়, বেশি বিদ্যুৎ খরচ করে এবং LCD/LED/OLED ডিসপ্লের তুলনায় কম এনার্জি এফিসিয়েন্ট।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৫.
নিচের কোন ওয়েবসাইটটি আউটসোর্সিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিত?
  1. facebook.com
  2. upwork.com
  3. youtube.com
  4. wikipedia.org
সঠিক উত্তর:
upwork.com
উত্তর
সঠিক উত্তর:
upwork.com
ব্যাখ্যা

• বিশ্বব্যাপী আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে payeoneer.com, freelancer.com, upwork.com, peopleperhour.com ইত্যাদি খুবই জনপ্রিয়।

• আউটসোর্সিং:

- ইন্টারনেটের মাধ্যমে এক দেশে বসেই অন্য দেশের কোনো কাজ করা যায়।
- আউটসোর্সিং হচ্ছে কোনো প্রতিষ্ঠানের কাজ নিজেরা না করে তৃতীয় কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সাহায্যে করিয়ে নেওয়া।
- অর্থাৎ, ইন্টারনেটের মাধ্যমে পৃথিবীর এ প্রান্তের কাজ করে অর্থ অর্জন করার প্রক্রিয়াই হলো আউটসোর্সিং।
- ওয়েবসাইট উন্নয়ন, রক্ষণাবেক্ষণ, মাসিক বেতন-ভাতার বিল প্রস্তুতকরণ, ওয়েবসাইটে তথ্য যোগ করা, সফটওয়্যার তৈরি, বিভিন্ন কাজের জন্য ডিজাইন তৈরি, লোগো ডিজাইন, আর্টিক্যাল লেখা, অনুবাদ, ডাটা এন্ট্রি ইত্যাদি কাজ আউটসোর্সিং-এর মাধ্যমে করা যায়।
আউটসোর্সিং-এর মাধ্যমে এখন অনেকেই ঘরে বসে তার মেধা ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে অর্থ উপার্জন করতে পারছে এবং অন্যদের জন্য কর্মক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে।
- যারা ইন্টারনেটের মাধ্যমে আউটসোর্সিং-এর কাজ করে তাদেরকে ফ্রিল্যান্সার বলা হয়।
- বাংলাদেশ প্রতি বছর আউটসোর্সিং থেকে কয়েক মিলিয়ন ডলার আয় করে।
- বিশ্বব্যাপী আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে payeoneer.com, freelancer.com, upwork.com, peopleperhour.com ইত্যাদি খুবই জনপ্রিয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মুজিবুর রহমান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৬.
মাদারবোর্ড নিচের কোনটি হিসেবে পরিচিত? 
  1. ডিসপ্লে বোর্ড
  2. কন্ট্রোল বোর্ড
  3. সিস্টেম বোর্ড
  4. পাওয়ার বোর্ড
সঠিক উত্তর:
সিস্টেম বোর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিস্টেম বোর্ড
ব্যাখ্যা

• মাদারবোর্ডকে System Board বা Mainboard বলা হয়।

• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ড হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগস্থলকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের প্রসেসর এবং র‍্যাম মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন—কিবোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ, ফ্লপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন, প্রতিটি অংশ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযুক্ত।
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৭.
RAM-কে কেন ভোলাটাইল মেমোরি বলা হয়?
  1. এটি স্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করে
  2. বিদ্যুৎ চলে গেলে ডেটা মুছে যায়
  3. এটি শুধু পড়া যায়
  4. এটি ধীরগতির
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ চলে গেলে ডেটা মুছে যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ চলে গেলে ডেটা মুছে যায়
ব্যাখ্যা

• বিদ্যুৎ না থাকলে RAM-এর সব তথ্য হারিয়ে যায়।

• RAM:

- RAM-এর পূর্ণরূপ হলো Random Access Memory।
- RAM কে কার্যকরী স্মৃতি কেন্দ্র বলা হয়।
- RAM যত বেশি হবে কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা তত বাড়বে; অর্থাৎ, তত বেশি প্রোগ্রাম একসাথে দ্রুত কাজ করতে পারবে।
- RAM কে লেখাপড়া উভয়ই করা যায়।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে RAM থেকে সমস্ত তথ্য মুছে যায়; তাই RAM কে ভোলাটাইল মেমোরি বলা হয়।
- RAM দুই ধরনের— DRAM (Dynamic RAM) ও SRAM (Static RAM)।
- প্রথম দিকে পিসিতে শুধু DRAM ব্যবহৃত হতো, বর্তমানে উভয় ধরনের RAM-ই পিসিতে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- ব্যবহারকারী যখন কোনো সফটওয়্যার চালায় (যেমন: Chrome, Word), সেটি RAM-এ লোড হয়।
- CPU সরাসরি RAM থেকে ডেটা পড়ে এবং প্রসেস করে।
- দ্রুতগতির অ্যাক্সেসের জন্য RAM অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (হার্ড ডিস্কের চেয়ে প্রায় ১০–১০০ গুণ দ্রুত)।

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৮.
মাইক্রোকম্পিউটারের গতি নির্ধারণ করা হয় কোনটির মাধ্যমে?
  1. র‍্যাম
  2. হার্ড ডিস্ক
  3. ক্যাশ মেমোরি
  4. ক্লক স্পিড
সঠিক উত্তর:
ক্লক স্পিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লক স্পিড
ব্যাখ্যা

• CPU-এর ক্লক স্পিডই কম্পিউটারের কাজ করার গতি নির্ধারণ করে।

• সিপিইউ / মাইক্রোকম্পিউটারের গতি:


- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি নির্ধারণ করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse বা Tick) সম্পন্ন হয় তার উপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজ (Hz) এককে।
- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার ক্ষমতাকে ১ মেগাহার্টজ (MHz) হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন— কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ নির্দেশনা আদান–প্রদান করতে পারবে।
এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড (Clock Speed) বলা হয়।
সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ (kHz), মেগাহার্টজ (MHz) বা গিগাহার্টজ (GHz)-এর তা বোঝায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৯.
MIPS-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Multiple Instructions Per Second
  2. Mega Instructions Per Second
  3. Million Instructions Per Second
  4. Multiple Instructions Per System
সঠিক উত্তর:
Million Instructions Per Second
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Million Instructions Per Second
ব্যাখ্যা

• MIPS বোঝায় প্রতি সেকেন্ডে প্রসেসর কত মিলিয়ন নির্দেশনা সম্পাদন করে।

• MIPS:

- MIPS (Million Instructions Per Second) হলো কম্পিউটারের প্রসেসিং গতি পরিমাপের একটি একক, যা দিয়ে একটি কম্পিউটারের প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে কত মিলিয়ন নির্দেশনা কার্যকর করতে পারে তা নির্ধারণ করা হয়।
- এটি বিশেষ করে RISC (Reduced Instruction Set Computer) প্রসেসরগুলোর কার্যক্ষমতা মূল্যায়নের জন্য জনপ্রিয় ছিল, যদিও বর্তমানে প্রসেসরের গতি MHz বা GHz এককে পরিমাপ করা হয়।
- যদিও MIPS সাধারণ কম্পিউটার পারফরম্যান্স নির্দেশ করে, এটি সবসময় নির্ভুল উপায় নয়, কারণ প্রসেসরের কার্যক্ষমতা নির্ভর করে নির্দেশনার ধরন, ক্যাশ মেমোরি ও সফটওয়্যারের অপটিমাইজেশনের ওপর।
- এটি একটি পুরনো কিন্তু কার্যকর পরিমাপ পদ্ধতি, যা কম্পিউটারের প্রসেসরের গতি সরাসরি নির্দেশ করে।
- একটি প্রসেসরের MIPS রেটিং যত বেশি, তার ডেটা প্রসেসিং ক্ষমতা তত বেশি।

উৎস: IEEE & ACM Digital Library.

৬০.
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি কত?
  1. ১০
  2. ১৬
সঠিক উত্তর:
১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬
ব্যাখ্যা

• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা:

- হেক্সাডেসিমেলের ভিত্তি হচ্ছে ১৬
- কাজেই এটাকে প্রকাশ করার জন্য ১৬ টি অঙ্ক প্রয়োজন।
- ডেসিমেল দশমিক সংখ্যা ০ থেকে ৯ পর্যন্ত, এর পরের ৬ টি অঙ্কের জন্য A, B, C, D, E এবং F এই ইংরেজি বর্ণকে ব্যবহার করা হয়।


উৎস: একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।