পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন১৭
সিলেবাস
বিষয় - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিক - বাংলাদেশের অর্থনীতি ১. উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রেক্ষিত ও পঞ্চবার্ষিকী, জাতীয় আয়-ব্যয়, রাজস্ব নীতি ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, দারিদ্র্য বিমোচন ইত্যাদি। ২. অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ, আমদানি-রপ্তানি রিপোর্ট। উৎস: যেকোনো গাইড বই, NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড বই, সর্বশেষ প্রকাশিত অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থগ্রন্থ, EPB -এর আমদানি-রপ্তানি রিপোর্ট। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ১৭ প্রশ্ন

.
জিডিপিতে সর্বাধিক নিয়োজিত জনশক্তি রয়েছে কোন খাতে?
  1. ক) কৃষিখাতে
  2. খ) শিল্পখাতে
  3. গ) সেবাখাতে
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• কৃষিখাত: 
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান - ১১.২০%,
- যা নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৫.৩৩%। 

• শিল্পখাত: 
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান - ৩৭.৫৬%,
- যা নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ১৭.০২%। 

• সেবাখাত: 
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান - ৫১.২৪%,
- যা নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৭.৬৫%।

সূত্র:- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
.
ঋতুর ভিত্তিতে বাংলাদেশের ফসলগুলোকে কত ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ক) ২ ভাগে
  2. খ) ৩ ভাগে
  3. গ) ৪ ভাগে
  4. ঘ) ৫ ভাগে
ব্যাখ্যা
• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থের আলোকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- বাংলাদেশের ভূমিকে ২০টি ফিজিওগ্রাফিক ইউনিট ও ৩০টি এগ্রো-ইকোলজিক্যাল জোনে ভাগ করা হয়েছে।
- সার্বিকভাবে কৃষি বিজ্ঞানীরা বাংলাদেশের ভূমিকে প্রকৃতি অনুসারে ১৯টি মাটি এককে (Soil type units) ভাগ করেছেন।
- বন্যায় প্লাবিত হওয়ার ভিত্তিতে বাংলাদেশের ভূমিকে ৮টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
- ঋতুর ভিত্তিতে বাংলাদেশের ফসলগুলোকে ২ ভাগে ভাগ করা হয়েছে
যথা –
-- খরিফ ফসল – বসন্তের শেষে ও গ্রীষ্মের সময়ে রোপন করা হয় এবং শীতের পূর্বেই ফসল তোলা হয়।
-- রবি ফসল – শীতের সময়ে রোপন করা হয় এবং বসন্ত বা গ্রীষ্মের শুরুতে ফসল তোলা হয়।

- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থের ফসলের সার্বিক চিত্রটি মূলত পরবর্তী বছরের ফসল উৎপাদনের অনুমান/সম্ভাব্য (Estimation) উৎপাদন। তাই প্রকৃত উৎপাদনের তথ্যের সাথে এই পরিসংখ্যানের তথ্যের মিল থাকে না।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২২।
.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুসারে, বাংলাদেশের মোট আয়তনের কত শতাংশ বনভূমি?
  1. ক) প্রায় ১৭.৪৫ শতাংশ
  2. খ) প্রায় ১৬.১৫ শতাংশ
  3. গ) প্রায় ১৮.১৫ শতাংশ
  4. ঘ) প্রায় ১৯.০৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
• বন সংরক্ষণ:
- বন অধিদপ্তরে ২০১৮-১৯ এর তথ্যানুসারে সরকার নিয়ন্ত্রিত বনভূমির পরিমাণ প্রায় ২৫,৭৫,১৯৬ হেক্টর (গেজেট বিজ্ঞপ্তি অনুসারে),
- যা দেশের মোট আয়তনের প্রায় ১৭.৪৫ শতাংশ।
- বন অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রিত বনভূমির পরিমাণ প্রায় ১৮,৮০,৪৯৪ হেক্টর,
- যা দেশের আয়তনের প্রায় ১২.৭৪ শতাংশ।
- দেশে বনসহ বৃক্ষাচ্ছাদিত এলাকার পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা দেশের মোট আয়তনের প্রায় ২২.৩৭ শতাংশ। 

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
.
বাংলাদেশে অনুমোদনপ্রাপ্ত ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ৩৪টি
  2. খ) ৩৫টি
  3. গ) ৩৩টি
  4. ঘ) ৩৬টি
ব্যাখ্যা
• মোট ব্যাংকের সংখ্যা - ৬১ টি।   
- রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক -৬টি,
- বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি,
- বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক – ৪৩টি,
- বৈদেশিক ব্যাংক – ৯টি।
- আর্থিক প্রতিষ্ঠান (ব্যাংক বহির্ভূত) - ৩৬টি। 

সূত্র:- প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
.
বাংলাদেশ একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করে কোনটি?
  1. ক) পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
  2. খ) মূলধনী যন্ত্রসামগ্রী
  3. গ) সার
  4. ঘ) তেল
ব্যাখ্যা
একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - সার,
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ – পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী এবং
- তৃতীয় সর্বোচ্চ – মূলধন যন্ত্রসামগ্রী। 

- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - সার।
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - তুলা, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ - গম।

উৎস: অথনৈতিক সমীক্ষা-২০২৩।
.
বর্তমানে বাংলাদেশে স্থলবন্দরের মোট সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ২৬টি
  2. খ) ২৪টি
  3. গ) ২৩টি
  4. ঘ) ২৭টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ:
- স্থলপথে পণ্য আমদানি-রপ্তানি সহজতর এবং উন্নতর করাই বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য।
- বর্তমানে স্থলবন্দরের মোট সংখ্যা ২৪টি এবং চালুকৃত বন্দরের সংখ্যা ১৫ টি।
- চালুকৃত ১৫টি স্থলবন্দরের মধ্যে বেনাপােল, ভােমরা, আখাউড়া, বুড়িমারী, নাকুগাঁও, তামাবিল ও সোনাহাট স্থলবন্দর বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের (বাস্থবক) নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে এবং সোনা মসজিদ, হিলি, টেকনাফ, বাংলাবান্ধা ও বিবিরবাজার স্থলবন্দর Build Operate Transfer (BOT) ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে। 

উৎস: অথনৈতিক সমীক্ষা-২০২৩।
.
বর্তমানে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক সম্মানি ভাতা কত?
  1. ক) ১০,০০০ টাকা
  2. খ) ১৮,০০০ টাকা
  3. গ) ২০,০০০ টাকা
  4. ঘ) ২৫,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযোদ্ধা সম্মানী ভাতা:
- জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের জীবনযাত্রা মানোন্নয়নে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে।
- বর্তমানে বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ মাসিক ২০,০০০ টাকা করে সম্মানি পাচ্ছেন।
- এছাড়া, ১০,০০০ টাকা হারে বছরে ২টি উৎসব ভাতাও দেয়া হচ্ছে।
- খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানি ভাতাসহ ১০,০০০ টাকা হারে বছরে ২টি উৎসব ভাতা প্রদান করা হচ্ছে।
- বর্তমানে বীরশ্রেষ্ঠদের ৩৫,০০০ টাকা, বীর উত্তমদের ২৫,০০০ টাকা এবং
- বীর বিক্রম ও বীর প্রতীকদের ২০,০০০ টাকা হারে মাসিক সম্মানি প্রদান করা হয়।

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
.
দেশের কোন নদীকে 'বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ' ঘোষণা” করা হয়েছে?
  1. ক) যমুনা
  2. খ) হালদা
  3. গ) সাঙ্গু
  4. ঘ) মধুমতি
ব্যাখ্যা
• উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছ চাষ, বিপন্নপ্রায় মৎস্য প্রজাতির সংরক্ষণ, মাছের প্রজনন ও বংশবৃদ্ধির জন্য অভয়াশ্রম সৃষ্টি, জাটকা সংরক্ষণ, পরিবেশ-বান্ধব চিংড়ি চাষ ইত্যাদি অব্যাহত রয়েছে।
- প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীকে 'বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ' ঘোষণা করা হয়েছে।
- পাশাপাশি, মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য রপ্তানির বাজার সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণের জন্য মান নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম গতিশীল করা হয়েছে।

সূত্র:- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
.
বিদেশে অবস্থানরত দেশীয় নাগরিকদের অর্জিত আয় কোন হিসেবে অন্তর্ভূক্ত হয়?
  1. ক) GDP
  2. খ) GNP
  3. গ) Both
  4. ঘ) None
ব্যাখ্যা
মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP):
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে একটি দেশের জনগণ যে পরিমাণ বস্তুগত ও অবস্তুগত চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদন করে তার সমষ্টিকে মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP) বলে।
- একটি দেশের জনগণ দেশের ভেতরে ও দেশের বাহিরে অবস্থান করে উৎপাদন কাজ করতে পারে।
- তাই বিদেশে অবস্থানরত দেশীয় নাগরিকদের অর্জিত আয় GNP তে অন্তর্ভূক্ত হয়।
- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত পণ্য ও সেবা বিদেশে বিক্রয় তা হলো রপ্তানী আর বিদেশে উৎপাদিত পণ্য ও সেবা দেশের অভ্যন্তরে বিক্রয় তা হল আমদানি।
- এ রপ্তানি ও আমদানির ব্যবধানকে নীট রপ্তানি আয় বলে।
- অতএব একটি দেশের সব নাগরিকদের মোট ভোগ ব্যয়, মোট বিনিয়োগ ব্যয়, মোট সরকারি ব্যয় এবং নীট রপ্তানি আয়ের সমষ্টিকে মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP) বলা হয়।


উৎস: অর্থনীতি, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
'কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২২' অনুযায়ী, লিচু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) টাঙ্গাইল
  3. গ) দিনাজপুর
  4. ঘ) গাজীপুর
ব্যাখ্যা
'কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২২:
- মোট আবাদযোগ্য জমি: ৩,৯৪,৯৩,০০০ একর।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ: ৮৩,১২,০০০ একর।
- বনাঞ্চল: ৬৩,৬৩,০০০ একর (প্রায়)।
- মোট জমির পরিমাণ (আবাদী, অনাবাদী, বনাঞ্চল ও অন্যান্য): ৩,৬৪,৬৫,০০০ একর।

- উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
• আম: রাজশাহী জেলা।
• লিচু: দিনাজপুর জেলা।
• আনারস: টাঙ্গাইল জেলা।
• কাঠাল: গাজীপুর জেলা।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২২।
১১.
'কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২২' অনুসারে বাংলাদেশের কোন জেলায় সর্বাধিক বনাঞ্চল রয়েছে?
  1. ক) বান্দরবান
  2. খ) খাগড়াছড়ি
  3. গ) রাঙ্গামাটি
  4. ঘ) খুলনা
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২২:
- মোট আবাদযোগ্য জমি: ৩,৯৪,৯৩,০০০ একর।
- মোট আবাদী জমি: ১,৯৯,৭২,০০০ একর।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ: ৮৩,১২,০০০ একর।
- বনাঞ্চল: ৬৩,৬৩,০০০ একর।
- সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা: ৫টি।
• রাঙ্গামাটি: ১৩,৭৮,৫৫৫ একর,
• বান্দরবান: ৭,৯৭,৫১৬ একর,
• বাগেরহাট: ৫,৬৬,৫১২ একর,
• খাগড়াছড়ি: ৫,৫৪,১১৬ একর,
• খুলনা: ৫,৪৬,০৮১ একর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২২।
১২.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদ শেষে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা কত হবে?
  1. ক) ২৮,০০০ মেগাওয়াট
  2. খ) ২৬,০০০ মেগাওয়াট
  3. গ) ৩০,০০০ মেগাওয়াট
  4. ঘ) ৩৪,০০০ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা
• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা: 
- মেয়াদ : জুলাই ২০২০ - জুন ২০২৫।
⇒ মেয়াদান্তে কিছু সূচক:
- জিডিপি প্রবৃদ্ধি - ৮.৫১%। 
- জিডিপির আকার - ১৭,০৮৭ বিলিয়ন টাকা। 
- মাথাপিছু আয় - ৩,০৫৯ মার্কিন ডলার। 
- মুদ্রাস্ফীতি - ৪.৬%। 
- দারিদ্রের নিম্নহার - ৭.৪%। 
- দারিদ্রের উচ্চহার – ১৫.৬%। 
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু - ৭৪ বছর। 
- মেয়াদান্তে জনসংখ্যার হার: ১.১৮%। 
- মেয়াদান্তে বিদুৎ উৎপাদন ক্ষমতা – ৩০,০০০ মেগাওয়াট। 

সূত্র: পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।
১৩.
২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট রপ্তানি আয়ের কত শতাংশ 'তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্য' থেকে অর্জিত?
  1. ক) ৫৩.৫৮%
  2. খ) ৮৪.৫৮%
  3. গ) ৪৬.০১%
  4. ঘ) ৩৮.৫৭%
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত ‘তৈরি পোশাক’ ও ‘নীটওয়্যার’ – ইত্যাদি কয়েক ধরনের রপ্তানি পণ্যের সমন্বয়ে গঠিত।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয় – ৩১,৩৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ৩১.৩৬২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮৪.৫৮% (নীটওয়্যার- ৪৬.০১% ও তৈরি পোশাক - ৩৮.৫৭%)। 

- এই খাতের বাইরে শিল্পজাত পণ্যের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় আসে - পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (৪৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)। 
- রপ্তানিতে ‘প্রাথমিক পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার ২.৮৯% এবং
- ‘শিল্পজাত পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার - ৯৭.১১%। 
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে - ‘কৃষিজাত পণ্য’।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে - ‘হিমায়িত খাদ্য’। 

উৎস: অথনৈতিক সমীক্ষা-২০২৩।
১৪.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুসারে ২০২৫ সালে বাংলাদেশের নিম্ন দারিদ্র হার হবে-
  1. ক) ৭.৪%
  2. খ) ৬.৪%
  3. গ) ৮.৪%
  4. ঘ) ৫.৪%
ব্যাখ্যা
• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা: 
- মেয়াদ : জুলাই ২০২০ - জুন ২০২৫।
⇒ মেয়াদান্তে কিছু সূচক:
- জিডিপি প্রবৃদ্ধি - ৮.৫১%। 
- জিডিপির আকার - ১৭,০৮৭ বিলিয়ন টাকা। 
- মাথাপিছু আয় - ৩,০৫৯ মার্কিন ডলার। 
- মুদ্রাস্ফীতি - ৪.৬%। 
- দারিদ্রের নিম্নহার - ৭.৪%। 
- দারিদ্রের উচ্চহার – ১৫.৬%। 
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু - ৭৪ বছর। 
- মেয়াদান্তে জনসংখ্যার হার: ১.১৮%। 
- মেয়াদান্তে বিদুৎ উৎপাদন ক্ষমতা – ৩০,০০০ মেগাওয়াট। 

সূত্র: পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।
১৫.
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনায় ২০৩১ সাল নাগাদ দেশের চরম দারিদ্র সীমা কত হবে?
  1. ক) ২.৬%
  2. খ) ২.৩%
  3. গ) ১.৩%
  4. ঘ) ২.৯%
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা: 
- রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়নের জন্যে বাংলাদেশ সরকার ২০২১-২০৪১ মেয়াদে ২০ বছর মেয়াদী দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।
- এই পরিকল্পনায় ২০৩১ সালে দেশের গড় প্রবৃদ্ধি হবে ৯ শতাংশ এবং ২০৪১ সালে গড় প্রবৃদ্ধি হবে ৯.৯ শতাংশ।
এই পরিকল্পনায় ২০৩১ সালে দেশের চরম দারিদ্র সীমা হবে ২.৩% এবং ২০৪১ সালে  চরম দারিদ্র সীমা হবে ১%এর কম। 
- দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মূললক্ষ্য ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করা।


সূত্র: পরিকল্পনা কমিশন।
১৬.
২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট পেশ হয় কত তারিখে?
  1. ক) ১ জুলাই, ২০২৩
  2. খ) ১১ জুলাই, ২০২৩
  3. গ) ১ জুন, ২০২৩
  4. ঘ) ৩১ জুন, ২০২৩
ব্যাখ্যা
জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথে প্রথম বাজেট।
- প্রস্তাবিত বাজেট পেশ: ১ জুন,২০২৩।
- প্রস্তাবিত বাজেট পাস: ২৬ জুন,২০২৩।
- বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী আহম মুস্তফা কামাল।
- বাজেট কার্যকর: ১ জুলাই, ২০২৩।
- বাংলাদেশের অর্থবছর: ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন।
- এ বছরের বাজেট: ৫২তম ( অন্তর্বর্তীকালীনসহ ৫৩তম)। 
- বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা। 

উৎস: অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
১৭.
একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি বাণিজ্যের অংশীদার -
  1. ক) যুক্তরাজ্য
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) জাপান
  4. ঘ) চীন
ব্যাখ্যা
• দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র। 
- এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে। 

উৎস: অথনৈতিক সমীক্ষা-২০২৩।