পরীক্ষা আর্কাইভ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১১
সিলেবাস
বাংলাদেশ বিষয়াবলি পরীক্ষা – ১০ বিবিধ গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্টান ও স্থাপনাসমূহ এবং জাতীয় পুরস্কার, বাংলাদেশের খেলাধূলা, চলচ্চিত্র, গণমাধ‌্যম-সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি [Live Class – 19 & 20]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · ১১ প্রশ্ন

.
মহাস্থানগড় কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. ক) কপোতাক্ষ
  2. খ) করতোয়া
  3. গ) মধুমতি
  4. ঘ) আত্রাই
সঠিক উত্তর:
খ) করতোয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) করতোয়া
ব্যাখ্যা
মহাস্থানগড় -
- পূর্বে মহাস্থানগড়ের নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর।
- মহাস্থানগড় করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
- বগুড়া শহর হতে ১৫ কিঃমিঃ দূরে পুন্ড্রবর্ধনের প্রশাসনিক কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই মহাস্থানগড়।
- মহাস্থানগড় সমগ্র বাংলার সর্বপ্রধান ও সর্বপ্রাচীন এ দূর্গনগরী ।
- সমগ্র বাংলার সর্বপ্রধান ও সর্বপ্রাচীন এ দূর্গ নগরী ইটের বেষ্টনী প্রাচীর দ্বারা সুরক্ষিত যা উত্তর দক্ষিনে ১৫২৫ মিঃদীর্ঘ এবং পূর্ব পশ্চিমে ১৩৭০মিঃ প্রশস্থ ও চতুপার্শ্বস্থ সমতল ভূমি হতে ৫মিঃ উচু।
- কয়েক শতাব্দী পর্যন্ত এ স্থান পরাক্রমশালী মৌর্য , গুপ্ত এবং পাল শাসকবর্গের প্রাদেশিক রাজধানী ও পরবর্তীকালে হিন্দু সমান্ত রাজাগণের রাজধানী ছিল।
- বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজক হুয়েন সাঙ ভারতবর্ষ ভ্রমণকালে (৬৩৯-৬৪৫) পুন্ড্রনগর পরিদর্শন করেন।

তথ্যসূত্র - বগুড়া জেলা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
.
ষাট গম্বুজ মসজিদকে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৮২ সালে
  2. খ) ১৯৮৩ সালে
  3. গ) ১৯৮৪ সালে
  4. ঘ) ১৯৮৫ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮৩ সালে
ব্যাখ্যা

- ষাট গম্বুজ মসজিদকে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয় ১৯৮৩ সালে।

ষাট  গম্বুজ মসজিদ -
- ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।
- ষাট গম্বুজ মসজিদ খান-ই-জাহান নির্মাণ করেছিলেন।
- খান-ই-জাহান ১৫শ শতাব্দীতে ষাট গম্বুজ মসজিদ নির্মাণ করেন।
- মসজিদটির নাম ষাট গম্বুজ (৬০ গম্বুজ) মসজিদ হলেও এখানে  গম্বুজ ১১টি সারিতে মোট ৭৭টি।
- মসজিদটি উত্তর-দক্ষিণে বাইরের দিকে প্রায় ১৬০ ফুট ও ভিতরের দিকে প্রায় ১৪৩ ফুট লম্বা এবং পূর্ব-পশ্চিমে বাইরের দিকে প্রায় ১০৪ ফুট ও ভিতরের দিকে প্রায় ৮৮ ফুট চওড়া। দেয়ালগুলো প্রায় ৮·৫ ফুট পুরু।
- মসজিদের ভেতরে পশ্চিম দেয়ালে ১০টি মিহরাব আছে। মাঝের মিহরাবটি আকারে বড় এবং কারুকার্যমন্ডিত।
- খান-ই-জাহান এই মসজিদটিকে নামাযের কাজ ছাড়াও দরবার ঘর হিসেবে ব্যবহার করতেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

.
কার্জন হল কী হিসেবে নির্মিত হয়েছিল?
  1. ক) যাদুঘর
  2. খ) শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
  3. গ) ধর্মীয় স্থাপনা
  4. ঘ) টাউন হল
সঠিক উত্তর:
ঘ) টাউন হল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) টাউন হল
ব্যাখ্যা
কার্জন হল-
- ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জনের নামানুসারে এ ভবনটি টাউন হল হিসেবে নির্মিত হয়েছিল।
- ১৯০৪ সালে  লর্ড কার্জন এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
- ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ হলে এটি  ঢাকা কলেজ ভবন হিসেবে ব্যবহৃত হতে থাকে। পরে ১৯২১ সালে  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে এ ভবন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হতে শুরু করে এবং এখনও এভাবেই চলছে।
- ১৯৪৮ সালে এখানেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রগণ তদানীন্তন পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হবে উর্দু এতদসংক্রান্ত জিন্নাহর ঘোষণার প্রতি প্রথম প্রতিবাদ জানিয়েছিল। 
- কার্জন হল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের অংশ হিসাবে ব্যবহার করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
.
বর্তমান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার কে উদ্বোধন করেন?
  1. ক) হাসিনা আক্তার
  2. খ) হাসিনা খাতুন
  3. গ) হাসিনা বেগম
  4. ঘ) হাসিনা চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
গ) হাসিনা বেগম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হাসিনা বেগম
ব্যাখ্যা
শহীদ মিনার:
- ১৯৫২ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্রদের উদ্যোগে বর্তমান শহিদ মিনারের দক্ষিণ-পূর্ব পাশে প্রথম শহিদ মিনার নির্মিত হয়।
- এটি ২৪ ফেব্রুয়ারি শহিদ শফিউরের পিতা মাহবুবুর রহমান অনানুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করেন।
- ২৬ ফেব্রুয়ারি দৈনিক আজাদ পত্রিকার সম্পাদক আবুল কালাম শামসুদ্দিন আনুষ্ঠানিক ভাবে এই শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন। ঐ দিন বিকেলবেলা পুলিশ এটি ভেঙে ফেলে।
- এরপর ১৯৬৩ সালে হামিদুর রহমানের নকশায় নির্মিত শহিদ মিনার উদ্বোধন করেন শহীদ আবুল বরকতের মা হাসিনা বেগম।

অতিরিক্ত তথ্য:
- ১৯৫৬ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি বর্তমান শহীদ মিনারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন পূর্ববঙ্গ সরকারের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী আবু হোসেন সরকার, মওলানা  আবদুল হামিদ খান ভাসানী এবং ভাষাশহীদ আবুল বরকতের মা হাসিনা বেগম।
- বর্তমান শহীদ মিনারের কাজ শুরু হয় ১৯৫৭ সালের নভেম্বর মাসে।
- ১৯৯৭ সালে প্রথম যুক্তরাজ্যের এডিনবার্গের ওল্ডহ্যামে এবং ১৯৯৯ সালে লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটে শহীদ মিনার নির্মিত হয়। তাছাড়া গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ২০০৫ সালে জাপানের টোকিওতে শহীদ মিনার নির্মিত হয়। 

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
.
নিচের কোনটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নয়?
  1. ক) বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন
  2. খ) কম্পট্রোলার ও অডিটর জেনারেল
  3. গ) বাংলাদেশ কর কমিশন
  4. ঘ) এটর্নি জেনারেল
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশ কর কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশ কর কমিশন
ব্যাখ্যা
• সংবিধানিক প্রতিষ্ঠান:
- সংবিধান হলো গ্ণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন। 
 - সাংবিধানিক উপায়ে যে সকল প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করা হয় তাকে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলে।
- সংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠা, পদের মেয়াদ, পদমর্যাদা, পদত্যাগ ও অপসারণ পদ্ধতি এবং দায়িত্ব সংবিধানে সুনির্দিষ্ট ও সুষ্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ রয়েছে।
- সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান- ৪টি।
১. নির্বাচন কমিশন,
২. সরকারি কর্ম কমিশন,
৩. অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়,
৪. মহা হিসাব নীরিক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়।
---------------------------

- সাংবিধানিক পদ মোট ১১টি। কিন্তু শপথযুক্ত সাংবিধানিক পদ ৯টি। 
১. রাষ্ট্রপতি,
২. প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপ-মন্ত্রী,  
৩. স্পীকার,
৪. ডেপুটি স্পিকার, 
৫. নির্বাচন কমিশনার,  
৬. প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতি, 
৭. মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, 
৮. সংসদ সদস্যগণ,
৯. সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্যগণ,  
১০. অ্যাটর্নি জেনারেল, 
১১. ন্যায়পাল। 
- তবে নিয়োগ ও শপথ নেই ন্যায়পালের। তাই সাংবিধানিক পদে নিযুক্ত ১০টি। শপথবিহীন সাংবিধানিক পদ দুটি- ন্যায়পাল ও অ্যাটর্নি জেনারেল।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশের সংবিধান, জাতীয় তথ্য বাতায়ন। [লিংক]
.
লুই আই কান কোন দেশে জন্মগ্রহন করেন?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) যুক্তরাজ্য
  3. গ) পোল্যান্ড
  4. ঘ) এস্তোনিয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) এস্তোনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) এস্তোনিয়া
ব্যাখ্যা
 লুই আই কান-
- ১৯০১ সালে এস্তোনিয়ায় জন্মগ্রহণকারী লুই আই কান তাঁর মা–বাবার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসিত হন। 
- লুই আই কান বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি।
- লুই আই কান পেনসিলভানিয়া ইউনিভার্সিটি থেকে স্থাপত্যে স্নাতক হয়ে ফিলাডেলফিয়ায় তিনি তাঁর কর্ম জীবন শুরু করেন। 
- ফিলাডেলফিয়ার রিচার্ড মেডিকেল ল্যাবরেটরি নকশার মাধ্যমে তিনি প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন।
- তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে আছে ইয়েল আর্ট গ্যালারি, কিমবেল আর্ট মিউজিয়াম, ভারতে আহমেদাবাদ ম্যানেজমেন্ট সেন্টার, নেপালে ফ্যামিলি প্লানিং সেন্টার।
- তাঁর সেরা কাজ মনে করা হয় বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবনকে।১৯৫৯ সালে প্রথম ঢাকায় জাতীয় সংসদ ভবন কমপ্লেক্সটির পরিকল্পনা গৃহীত হয়। তখনকার খ্যাতনামা স্থপতি লুই কান ভবন কমপ্লেক্সটির নকশা প্রণয়নের দায়িত্ব পান। ১৯৬২ সালে মূল নকশা প্রস্তুত হয়। কমপ্লেক্সটির নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৮২ সালে। 

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট, ১১ এপ্রিল ২০১৫।
.
জাতীয় স্মৃতিসৌধের উচ্চতা কত?
  1. ক) ৪৫.৬৮ মিটার
  2. খ) ৪৫.৭১ মিটার
  3. গ) ৪৫.৭৯ মিটার
  4. ঘ) ৪৫.৭২ মিটার
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪৫.৭২ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪৫.৭২ মিটার
ব্যাখ্যা
- জাতীয় স্মৃতিসৌধের সর্বোচ্চ বিন্দুর উচ্চতা ৪৫.৭২ মিটার।

জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ ঢাকা থেকে ৩৫ কিমি উত্তর-পশ্চিমে সাভারে অবস্থিত।
- ১৯৭৮ সালে সৌধ নির্মাণের উদ্দেশ্যে নকশার জন্য একটি জাতীয় প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। সাতান্ন জন প্রতিযোগীর মধ্য থেকে স্থপতি মঈনুল হোসেনের নকশাটি নির্বাচিত হয়।
- মঈনুল হোসেন জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি।
- অসমান উচ্চতা ও স্বতন্ত্র ভিত্তির ওপর সাতটি ত্রিভুজাকৃতির প্রাচীর নিয়ে মূল সৌধটি গঠিত।
-  সমগ্র কমপ্লেক্সটি ৩৪ হেক্টর (৮৪ একর) জমি জুড়ে বিস্তৃত। একে ঘিরে আছে আরও ১০ হেক্টর (২৪.৭ একর) সবুজ ভূমি। 
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ নির্মাণ তত্ত্বাবধান করেছে বাংলাদেশ সরকারের গণপূর্ত বিভাগ। 

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
.
বাংলাদেশ বেতারকে প্রথম কী নামকরণ করা হয়?
  1. ক) পাকিস্তান ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র
  2. খ) পূর্ব পাকিস্তান ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র
  3. গ) ঢাকা ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র
  4. ঘ) পাকিস্তান রেডিও
সঠিক উত্তর:
গ) ঢাকা ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ঢাকা ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ বেতারকে প্রথম নামকরণ করা হয় “ঢাকা ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র”।

বাংলাদেশে বেতার:
- বাংলাদেশে প্রথম বেতার সম্প্রচার শুরু হয় ১৯৩৯ সালে ১৬ই ডিসেম্বর।
- ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডে দুটি স্টুডিও নিয়ে এর যাত্রা শুরু হয়।
- ঢাকা বেতারের সম্প্রচার যন্ত্র অর্থাৎ ট্রান্সমিটারটি বসানো হয়েছিল বর্তমান কল্যাণপুর।
- বেতার ভবন  শাহবাগে স্থানান্তরিত হয় ১৯৬০ সালের ৮ই ফেব্রুয়ারি।
- ১৯৮৩ সালের ৩০ জুলাই ঢাকাস্থ শের-ই-বাংলা নগরে বর্তমান অত্যাধুনিক পূর্ণাঙ্গ জাতীয় বেতার ভবনে ঢাকা প্রচার কেন্দ্র স্থানান্তরিত হলে শাহবাগের সাবেক প্রচার ভবনটি বাংলাদেশ বেতারের সদর দপ্তরে রূপান্তরিত হয়।
- বাংলাদেশ বেতারের ১৪টি আঞ্চলিক কেন্দ্র ও ৬টি ইউনিট হতে ১৬টি মধ্যম তরঙ্গ ট্রান্সমিটার, ২টি ক্ষুদ্র তরঙ্গ ট্রান্সমিটার ও ৩৪টি এফএম ট্রান্সমিটারের মাধ্যমে দৈনিক ৪৯৭ ঘণ্টা অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ বেতার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
.
চট্টগ্রামে বাংলাদেশ টেলিভিশনের একটি নতুন পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র স্থাপিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৯৪ সালে
  2. খ) ১৯৯৫ সালে
  3. গ) ১৯৯৬ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৭ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৯৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৯৬ সালে
ব্যাখ্যা
- চট্টগ্রামে বাংলাদেশ টেলিভিশনের একটি নতুন পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র স্থাপিত হয় ১৯৯৬ সালে।

বাংলাদেশ টেলিভিশন-
- বাংলাদেশ টেলিভিশনের যাত্রা শুরু হয় ১৯৬৪ সালের ২৫শে ডিসেম্বর।
- তৎকালীন ডি আই টি ভবনের (বর্তমানে রাজউক কার্যালয়) দুটি কক্ষে মাত্র ৩ ঘন্টা চলতো এর সম্প্রচার কার্যক্রম।
- ১৯৬৭ সালে তৎকালীন পাকিস্তান টেলিভিশন কর্পোরেশন ও ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশে (পি.ও নং-১১৫) বাংলাদেশ টেলিভিশন নামে রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেলে পরিণত হয়।
- ৬ই মার্চ ১৯৭৫ সাল হতে রামপুরা টিভি ভবনে নতুন আঙ্গিকে শুরু হয় বিটিভির সম্প্রচার কার্যক্রম।
- ১৯৮০ সালে শুরু হয় বিটিভির রঙিন সম্প্রচার। 
- বিটিভি, বিটিভি ওয়ার্ল্ড, বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্র ও সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশনের অনুষ্ঠান ০১ জুলাই ২০১৯ থেকে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের মাধ্যমে বহির্বিশ্বে সম্প্রচার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ টেলিভিশন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১০.
বাংলাদেশের প্রথম চলচ্চিত্রটির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয় কোন প্রেক্ষাগৃহে?
  1. ক) পালকী
  2. খ) তাজমহল
  3. গ) রূপমহল
  4. ঘ) নূরমহল
সঠিক উত্তর:
গ) রূপমহল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রূপমহল
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রথম চলচ্চিত্রটির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয় “রূপমহল” প্রেক্ষাগৃহে।

বাংলাদেশের প্রথম চলচ্চিত্র:
- বাংলাদেশের প্রথম চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’।
- ১৯৫৬ সালের ৩ আগস্ট বাংলাদেশের প্রথম চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’।
- এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন পূর্ব পাকিস্তানের তৎকালীন গভর্নর শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক।
- চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন আবদুল জব্বার খান।
- অভিনয় করেন পূর্ণিমা সেন, সাইফুদ্দিন, বিনয় বিশ্বাস, আবদুল জব্বার খান, ইনাম আহমেদ, জহরত আরা। সংগীত পরিচালক ছিলেন সমর দাস। গান করেন মাহবুবা হাসনাত ও আবদুল আলীম। নৃত্য পরিচালনা করেন গওহর জামিল। চিত্রগ্রাহক ছিলেন মুরারী মোহন জামান। সম্পাদনায় আবদুল লতিফ।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ৩ আগস্ট ২০২১।
১১.
“ওরা ১১ জন” চলচ্চিত্রটি কে প্রযোজনা করেন?
  1. ক) চাষী নজরুল ইসলাম
  2. খ) মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা
  3. গ) এ টি এম শামসুজ্জামান
  4. ঘ) কাজী হায়াত
সঠিক উত্তর:
খ) মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা
ব্যাখ্যা
- “ওরা ১১ জন” চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেন মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা।

ওরা ১১ জন:
- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ওরা ১১ জন চলচ্চিত্রে মুক্তিযোদ্ধাদের দিয়ে অভিনয় করিয়েছিলেন নির্মাতা-প্রযোজক।
- “ওরা ১১ জন” চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন চাষী নজরুল ইসলাম।
- একাত্তরে ১১টি সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিলেন বাঙালিরা। বিষয়টি মাথায় রেখেই সিনেমার নাম রাখা হয়েছে ওরা ১১ জন।
- পরিচালক হিসেবে চাষী নজরুল ইসলামের প্রথম সিনেমা ছিল এটি।
- ওরা ১১ জন-এর শুটিং হয়েছিল জয়দেবপুরে।
- চিত্রগ্রাহক ছিলেন আবদুস সামাদ।
- ওরা ১১ জন সিনেমা শুরু হয় সাইফুল ইসলামের কণ্ঠে রবীন্দ্রসংগীত ‘ও আমার দেশের মাটি’ দিয়ে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ১৩ আগস্ট ২০২২।