পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes১৭ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১৮
সিলেবাস
প্রাচীন সভ্যতা ও সাম্রাজ্যসমূহ: [শুধুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো পড়ুন। এই টপিক সারাজীবন পড়েও শেষ হবে না। ৪/৫ নাম্বারের জন্য বেশি সময় নষ্ট করা যাবে না] সোর্স: যেকোনো গাইড বই এবং বোর্ড বইগুলোই যথেষ্ট (প্রয়োজন অনুসারে রিলায়েবল ওয়েবসাইট থেকে তথ্য ক্রসচেক করে নিবেন)।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৮ প্রশ্ন

.
মেসোপটেমিয়া সভ্যতায় যে লিপির উদ্ভব হয় তার নাম কী?
  1. ক) হায়ারোগ্লিফিক
  2. খ) ইউনিফর্ম
  3. গ) কিউনিফর্ম
  4. ঘ) আরামীয়
সঠিক উত্তর:
গ) কিউনিফর্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কিউনিফর্ম
ব্যাখ্যা
মেসােপটেমীয় সভ্যতা:
- ইরাকের টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর তীরের উর্বর ভূমিতে মেসােপটেমীয় সভ্যতার জন্ম হয়েছিল।
- 'মেসােপটেমিয়া' শব্দের অর্থ হচ্ছে দুই নদীর মধ্যবর্তী ভূমি।
- এই অঞ্চলে বিভিন্ন সময়ে বেশ কয়েকটি সভ্যতার বিকাশ ঘটেছিল।
- মেসসাপটেমিয়াতে একটি বিশেষ ধরনের লিপির উদ্ভব হয়। এর নাম কিউনিফর্ম।
- মিশরের মতাে পিরামিড তৈরি না হলেও চমৎকার ধর্মমন্দির তৈরি হয়েছিল। একে বলা হয় জিরাত।
- মেসােপটেমিয়ার সবকটি সভ্যতাই নানা ক্ষেত্রে অবদান রেখেছিল। এর মধ্যে পুরাতন ব্যাবিলনের রাজা হাম্মুরাবি প্রণীত আইন সংকলন ছিল গুরুত্বপূর্ণ।
- এশেরীয়রা যুদ্ধবিদ্যায় ছিল খুবই পারদর্শী ছিল।
- নতুন ব্যাবিলন নগরটি ছিল ৫৬ মাইল দীর্ঘ দেয়াল দিয়ে ঘেরা। সম্পূর্ণ দেয়ালের উপর বাগান করা হয়েছিল।
- ইতিহাসে তা ব্যাবিলনের শূন্যউদ্যান নামে পরিচিত।
- এছাড়াও দালানকোঠা নির্মাণ, মূর্তি তৈরি, বিজ্ঞান চর্চা ইত্যাদি নানা ক্ষেত্রে মেসােপটেমীয় সভ্যতার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ষষ্ঠ শ্রেণি।
.
পুণ্ড্রনগরের ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যায় কোথায় ?
  1. ক) মহাস্থানগড়ে
  2. খ) ওয়ারী - বটেশ্বরে
  3. গ) শালবন বিহারে
  4. ঘ) সোনারগাঁ তে
সঠিক উত্তর:
ক) মহাস্থানগড়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মহাস্থানগড়ে
ব্যাখ্যা
মহাস্থানগড় (পুণ্ড্রনগর)
প্রায় ২৪০০ বছর আগে বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১৮ কিলোমিটার উত্তরে করতোয়া নদীর তীরে গড়ে ওঠে মহাস্থানগড়।
- নগরটি ছিল ধন-সম্পদে পরিপূর্ণ। তাই দুর্গপ্রাচীর ও পরিখা দ্বারা সেটি ছিল সুরক্ষিত।
- কালের পরিক্রমায় পুণ্ড্রনগর ধ্বংস হয়ে মাটির নিচে চাপা পড়ে ঢিবি ও জঙ্গলে পরিণত হয়।
- প্রত্নতাত্ত্বিক আলেক্সান্ডার কানিংহাম ১৮৭৯ সালে মহাস্থানগড়ে জরিপ করে অনুমান করেন, এখানকার মাটির নিচে লুকিয়ে আছে বিখ্যাত পুণ্ড্রনগরের ধ্বংসাবশেষ।
- শুরু হয় খননকাজ। আবিষ্কৃত হতে থাকে নগরের রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি, অলংকার, মুদ্রা, পোড়ামাটির শিল্পকর্ম, লিপি ইত্যাদি।
- এটি ছিল একটি সমৃদ্ধ নগর এবং পুণ্ড্রবর্ধনের রাজধানী।
- পুণ্ড্রনগরের সঙ্গে বাণিজ্যের কারণে ভারত উপমহাদেশের অনেক নগর-বন্দরের যোগাযোগও ছিল। ফলে বহু বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক লেনদেনও ঘটেছিল।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ষষ্ঠ শ্রেণি।
.
সমুদ্রতীরে গড়ে উঠেছে কোন সভ্যতা?
  1. ক) চীন সভ্যতা
  2. খ) মিশরীয় সভ্যতা
  3. গ) মেসােপটেমীয় সভ্যতা
  4. ঘ) গ্রীক সভ্যতা
সঠিক উত্তর:
ঘ) গ্রীক সভ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গ্রীক সভ্যতা
ব্যাখ্যা
গ্রিক সভ্যতা:
- পুরাে গ্রিসে একক কোনাে রাজ্য বা সাম্রাজ্য গড়ে উঠেনি।
- উঁচু উঁচু পাহাড়ের মধ্যে এক একটি নগর তৈরি হয়েছিল।
- এজন্য প্রতিটি নগর পরিণত হয় পৃথক রাষ্ট্রে।
- এ কারণে গ্রিসের রাষ্ট্রগুলােকে বলা হয় নগররাষ্ট্র।
- নদী না থাকায় কৃষি জমি ছিল না তেমন।
- তাই সমুদ্রের তীরে বিকাশ ঘটা নগররাষ্ট্রগুলাের প্রধান আয় ছিল বাণিজ্য। বাণিজ্য করতে গিয়ে তারা অনেক দেশ দখল করে নেয়।
- গ্রিসে সভ্যতা গড়ে উঠেছিল খ্রিষ্টপূর্ব ৮০০ অব্দে।
- গ্রিসের দুইটি গুরুত্বপূর্ণ নগররাষ্ট্রের একটি এথেন্স আর অন্যটি স্পার্টা। দুইটি নগররাষ্ট্রের কাঠামাে ছিল আলাদা।
- এথেন্সে গড়ে উঠেছিল গণতন্ত্র। আর স্পার্টায় সামরিকতন্ত্র। ধর্ম, স্থাপত্য, ভাস্কর্য নির্মাণ, দর্শন ও বিজ্ঞান সকল ক্ষেত্রেই গ্রিস বিশেষ করে এথেন্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ষষ্ঠ শ্রেণি।
.
আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট ছিলেন -
  1. ক) বাইজেন্টীয় শাসক
  2. খ) ফিনিসীয় শাসক
  3. গ) মাইসেনীয় শাসক
  4. ঘ) মেসিডোনিয়ান শাসক
সঠিক উত্তর:
ঘ) মেসিডোনিয়ান শাসক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মেসিডোনিয়ান শাসক
ব্যাখ্যা
আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট ছিলেন একজন প্রাচীন মেসিডোনিয়ান শাসক এবং ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ সামরিক মনের একজন।
- তিনি ম্যাসিডোনিয়া এবং পারস্যের রাজা হিসেবে প্রাচীন বিশ্বের দেখা সবচেয়ে বড় সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
- ক্যারিশম্যাটিক এবং নির্মম, উজ্জ্বল এবং ক্ষমতার ক্ষুধার্ত, কূটনৈতিক এবং রক্তপিপাসু হয়ে, আলেকজান্ডার তার পুরুষদের মধ্যে এই ধরনের আনুগত্যকে অনুপ্রাণিত করেছিলেন যে তারা তাকে যে কোনও জায়গায় অনুসরণ করবে এবং প্রয়োজনে এই প্রক্রিয়ায় মারা যাবে।
- যদিও আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট তার একটি নতুন রাজ্যের একত্রিত হওয়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নের আগেই মারা গিয়েছিলেন, গ্রিক এবং এশিয়ান সংস্কৃতির উপর তার প্রভাব এত গভীর ছিল যে এটি একটি নতুন ঐতিহাসিক যুগ -হেলেনিস্টিক পিরিয়ডকে অনুপ্রাণিত করেছিল। 

উৎস: History.com।
.
সর্বপ্রথম সূর্য গ্রহণের প্রাকৃতিক কারণ ব্যাখ্যা করেন কে?
  1. ক) প্লেটো
  2. খ) থালেস
  3. গ) এরিস্টটল
  4. ঘ) পিথাগোরাস
সঠিক উত্তর:
খ) থালেস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) থালেস
ব্যাখ্যা
দর্শন শাস্ত্রে প্রাচীন গ্রিস:
- দার্শনিক চিন্তার ক্ষেত্রে গ্রিসের অভূতপূর্ব উন্নতি হয়েছিল।
- পৃথিবী কীভাবে সৃষ্টি হয়েছে, প্রতিদিন কীভাবে এর পরিবর্তন ঘটছে এসব ভাবতে গিয়ে গ্রিসে দর্শন চর্চার সূত্রপাত।
- থালেস ছিলেন প্রথম দিককার দার্শনিক। তিনিই প্রথম সূর্য গ্রহণের প্রাকৃতিক কারণ ব্যাখ্যা করেন।
- এরপর গ্রিসের যুক্তিবাদী দার্শনিকের আবির্ভাব ঘটে। এদের বলা হতাে সফিস্ট। এরা বিশ্বাস করতেন যে চূড়ান্ত সত্য বলে কিছু নেই।
- গণতান্ত্রিক নগর রাষ্ট্র এথেন্সের রাজা পেরিক্লিস এদের অনুসারী ছিলেন।
- সক্রেটিস ছিলেন এ চিন্তার দার্শনিকদের মধ্যে সবচেয়ে খ্যাতিমান। তার শিক্ষার মূল দিক ছিল- আদর্শ রাষ্ট্র ও সৎ নাগরিক গড়ে তােলা। অন্যায় শাসনের প্রতিবাদ করার শিক্ষাও তিনি দেন।
- সক্রেটিসের শিষ্য প্লেটো গ্রিক দর্শনকে চরম উন্নতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সক্ষম হন।
- প্লেটোর শিষ্য এরিস্টটলও একজন বড় দার্শনিক ছিলেন। 


উৎস: মাধ্যমিক বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসীদের দক্ষতা ছিল -
  1. ক) জ্যোতির্বিজ্ঞানে
  2. খ) ভাস্কর্য শিল্পে
  3. গ) স্থাপত্য শিল্পে
  4. ঘ) আইন শাস্ত্রে
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
ভাস্কর্য শিল্পে সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসীদের দক্ষতা ছিল।
- পাথরে খােদিত ভাস্কর্যের সংখ্যা কম হলেও সেগুলাের শৈল্পিক কারিগরি দক্ষতা ছিল উল্লেখ করার মতাে।
- এ যুগে মােট ১৩টি ভাস্কর্য মূর্তি পাওয়া গেছে।
- চুনাপাথরের তৈরি একটি মূর্তির মাথা পাওয়া গেছে। মহেঞ্জোদারােতে পাওয়া গেছে নৃত্যরত একটি নারী মূর্তি।
- এছাড়া মাটির তৈরি ছােট ছােট মানুষ আর পশু মূর্তিও পাওয়া গেছে।
- হরপ্পা মহেঞ্জোদারােতে প্রাপ্ত উল্লেখযােগ্য শিল্পকর্ম হলাে বিভিন্ন ধরনের প্রায় ২৫০০ সিল। ধর্মীয় ও ব্যবসায় বাণিজ্যের প্রয়ােজনে এগুলাে ব্যবহৃত হতাে। তবে সিলগুলাের লেখা এখনও পড়ে তথ্য সংগ্রহ সম্ভব হয়নি।
- এ থেকে ধারণা করা যায় যে, সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসীরা লেখা পড়া জানতাে।

এছাড়াও,
- সিন্ধুসভ্যতা যুগের অধিবাসীরা গুরুত্বপূর্ণ এবং চমৎকার স্থাপত্যশৈলীর নিদর্শন রেখে গেছে।
- সেখানে দুই কক্ষ থেকে পঁচিশ কক্ষের বাড়ির সন্ধান পাওয়া গেছে। আবার কোথাও দুই-তিন তলা ঘরের অস্তিত্ব আবিষ্কার হয়েছে।
- বৃহৎ মিলনায়তন, বৃহৎ শস্যাগার, বৃহৎ স্নানাগার - ইত্যাদি সিন্ধু সভ্যতার স্থাপত্যশৈলীর নিদর্শন।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

অপশনের খ) ভাস্কর্য শিল্পে ও গ) স্থাপত্য শিল্পে - দুটোই সঠিক উত্তর হয়।
দ্বৈত উত্তর থাকায় বাতিল করা হয়েছে।
.
কোন জাতির আক্রমনের ফলে সিন্ধু সভ্যতার অবসান ঘটে?
  1. ক) আর্য
  2. খ) মোঙ্গলীয়
  3. গ) হান
  4. ঘ) তুর্কি
সঠিক উত্তর:
ক) আর্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আর্য
ব্যাখ্যা
সভ্যতার সময়কাল সম্পর্কে ঐতিহাসিকদের মধ্যে বিভিন্ন মতামত রয়েছে।
- পণ্ডিতদের মতে, খ্রিস্টপূর্ব ৩৫০০ অব্দ থেকে খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ অব্দ পর্যন্ত এ সভ্যতার উত্থান-পতনের কাল।
- ঐতিহাসিকরা মনে করেন, আর্য জাতির আক্রমণের ফলে খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ অথবা ১৪০০ অব্দে সিন্ধু সভ্যতার অবসান ঘটে
- তবে সিন্ধু সভ্যতা ধ্বংস সম্পর্কেও ভিন্ন ভিন্ন মত রয়েছে।
- এই সভ্যতার সময়কাল মর্টিমার হুইলারের মতে খ্রিস্টপূর্ব ২৫০০ থেকে খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ অব্দ পর্যন্ত।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সম্রাট নেবুচাঁদনেজার কোন রাজবংশের ছিলেন?
  1. ক) সুমেরীয়
  2. খ) এ্যাসিরীয়
  3. গ) ক্যালডীয়
  4. ঘ) আক্কাদীয়
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যালডীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যালডীয়
ব্যাখ্যা
নেবুচাদনেজার (আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৬৩০ — ৫৬১):
- ব্যাবিলনিয়ার ক্যালডিয়ান রাজবংশের দ্বিতীয় এবং সর্বশ্রেষ্ঠ রাজা।
- তিনি প্রশাসক হিসেবে তাঁর সামরিক জীবন শুরু করেন (আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৬১০)
- মিশরের (৬০৫ খ্রিস্টপূর্ব) থেকে সিরিয়া জয় করার পরই তাঁর পিতার মৃত্যুতে সিংহাসনে আরোহণ করেন। তিনি ৫৯৭ খ্রীস্টপূর্বাব্দে জেরুজালেম দখল করেন এবং ৫৮৬/৮৭ খ্রীস্টপূর্বাব্দে এটি পুনরুদ্ধার করেন এবং বিশিষ্ট নাগরিকদের ব্যাবিলনে নির্বাসন দেন।
- তিনি ব্যাবিলন পুনরুদ্ধার, রাস্তা পাকা, মন্দির পুনর্নির্মাণ, এবং খাল খননের জন্য সময় এবং শক্তি ব্যয় করেছিলেন। 
- ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান নির্মাণের কৃতিত্ব তার।

উৎস: Britannica.
.
সমরতন্ত্র দ্বারা প্রভাবিত ছিলো গ্রীসের কোন নগরী?
  1. ক) এথেন্স
  2. খ) মাইসিনি
  3. গ) স্পার্টা
  4. ঘ) পেলোপনেসাস
সঠিক উত্তর:
গ) স্পার্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) স্পার্টা
ব্যাখ্যা
সামরিক নগররাষ্ট্র স্পার্টা:
- প্রাচীন গ্রিসে যে অসংখ্য নগররাষ্ট্র গড়ে উঠেছিল তার একটি ছিল স্পার্টা।
- এ নগররাষ্ট্রের অবস্থান ছিল দক্ষিণ গ্রিসের পেলােপনেসাস নামক অঞ্চলে।
- অন্যান্য নগররাষ্ট্র থেকে স্পার্টা ছিল আলাদা।
- স্পার্টানদের প্রকৃতি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সমরতন্ত্র দ্বারা তারা প্রভাবিত ছিল।
- মানুষের মানবিক উন্নতির দিকে নজর না দিয়ে সামরিক শক্তি সঞ্চয়ের দিকে তাদের দৃষ্টি ছিল বেশি।
- ৮০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে দীর্ঘ যুদ্ধের পর ডােরিয় যােদ্ধারা স্পার্টা দখল করতে সক্ষম হয়েছিল। এই পরাজিত স্থানীয় অধিবাসীদের ভূমিদাস বা হেলট বলা হতাে। এরা সুযােগ পেলেই বিদ্রোহ করত। পরাজিত অধিবাসী যারা ভূমিদাস হতে বাধ্য হয়েছিল তাদের সংখ্যা ছিল অনেক বেশি। ফলে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখা আর বিদ্রোহ দমন ছাড়া স্পার্টার রাজাদের মাথায় আর কোনাে চিন্তা ছিল না।
- স্পার্টানদের জীবন স্পার্টা রক্ষার জন্যই নিয়ােজিত ছিল ।
- স্পার্টার সমাজ তৈরি হয়েছিল যুদ্ধের প্রয়ােজনকে ঘিরে।
- সরকারের মূল উদ্দেশ্য ছিল যুদ্ধের জন্য নাগরিকদের প্রস্তুত করা ও যুদ্ধ পরিচালনা করা।
- সামরিক দিকে অত্যধিক মনােযােগ দেওয়ার কারণে সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে তারা ছিল অনগ্রসর।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১০.
গ্রীসের শ্রেষ্ঠ নাট্যকার কে ছিলেন?
  1. ক) সফোক্লিস
  2. খ) শেক্‌সপিয়র
  3. গ) ইউরিপিদিস
  4. ঘ) এসকাইলাস
সঠিক উত্তর:
ক) সফোক্লিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সফোক্লিস
ব্যাখ্যা
সাহিত্যের ক্ষেত্রে প্রাচীন গ্রিস:
- হােমারের ‘ইলিয়াড ও ওডিসি' মহাকাব্য এ যুগের অপূর্ব নির্দশন।
- সাহিত্য ক্ষেত্রে চুড়ান্ত বিকাশ ঘটেছিল নাটক রচনায়।
- বিয়ােগান্ত নাটক রচনায় গ্রিকরা বিশেষ পারদর্শী ছিল।
- এসকাইলাসকে এই ধরনের নাটকের জনক বলা হয়। তার রচিত নাটকের নাম প্রমিথিউস বাউন্ড'।
- গ্রিসের শ্রেষ্ঠ নাট্যকার ছিলেন সােফোক্লিস। তিনি একশটিরও বেশি নাটক রচনা করেন। তাঁর বিখ্যাত নাটকের মধ্যে রাজা ইডিপাস, আন্তিগােনে ও ইলেকট্রী অন্যতম।
- আর একজন বিখ্যাত নাট্যকারের নাম ইউরিপিদিস। এরিস্টোফেনেসের মিলনান্তক ও ব্যঙ্গ রচনায় বিশেষ খ্যাতি ছিল।
- ইতিহাস রচনায়ও গ্রিকরা কৃতিত্ব দেখিয়েছিল।
- হেরোডোটাস ইতিহাসের জনক নামে পরিচিত ছিলেন। হেরোডোটাস রচিত ইতিহাস-সংক্রান্ত প্রথম বইটি ছিল গ্রিস ও পারস্যের মধ্যে যুদ্ধ নিয়ে।
- থুকিডাইডেস ছিলেন বিজ্ঞানসম্মত ইতিহাসের জনক। তাঁর বইটির শিরােনাম ছিল 'দ্য পেলােপনেসিয়ান ওয়র' ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১১.
রোমানদের সর্বশ্রেষ্ঠ অবদান কিসে?
  1. ক) দর্শন শাস্ত্রে
  2. খ) চিকিৎসা বিজ্ঞান
  3. গ) আইন প্রনয়নে
  4. ঘ) ধর্ম শাস্ত্রে
সঠিক উত্তর:
গ) আইন প্রনয়নে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আইন প্রনয়নে
ব্যাখ্যা
বিশ্বসভ্যতার ইতিহাসে রােমানদের সর্বশ্রেষ্ঠ এবং গুরুত্বপূর্ণ অবদান হচ্ছে আইন প্রণয়ন।
- খ্রিষ্টপূর্ব পাঁচ শতকের মাঝামাঝি সময়ে রােমানরা ফৌজদারি ও দেওয়ানি আইনগুলাে সুষ্ঠুভাবে একসঙ্গে সাজাতে সক্ষম হন।
- ৫৪০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে ১২টি ব্রোঞ্জ পাতে সর্বপ্রথম আইনগুলাে খােদাই করে লিখিত হয় এবং জনগণকে দেখাবার জন্য প্রকাশ্যে ঝুলিয়ে রাখা হয়।
- রােমান আইনের দৃষ্টিতে সকল মানুষ সমান ।
- রােমান আইনকে তিনটি শাখায় ভাগ করা হয়েছে। যেমন—

১. বেসামরিক আইন : এই আইন পালন করা রােমান নাগরিকদের জন্য বাধ্যতামূলক ছিল। এই আইন লিখিত অলিখিত দুই রকম ছিল।

২. জনগণের আইন : এ আইন সকল নাগরিকের জন্য প্রযােজ্য ছিল। তাছাড়া ব্যক্তিগত অধিকার রক্ষার বিষয়টি এই আইনে ছিল। তবে এর মাধ্যমে দাসপ্রথাও স্বীকৃতি লাভ করে । সিসেরাে এ আইনের প্রণেতা।

৩. প্রাকৃতিক আইন : এ আইনে মূলত নাগরিকদের মৌলিক অধিকার রক্ষার কথা বলা হয়েছে। আধুনিক বিশ্ব সম্পূর্ণভাবে রােমান আইনের ওপর নির্ভরশীল। খ্রিষ্টীয় ষষ্ঠ শতকে সম্রাট জাস্টিনিয়ান প্রথম সমস্ত রােমান আইনের সংগ্রহ ও সংকলন প্রকাশ করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি। 
১২.
কনস্টান্টিনোপল বর্তমানে কোন নামে পরিচিত?
  1. ক) বাগদাদ
  2. খ) ইসলামাবাদ
  3. গ) রোম
  4. ঘ) ইস্তাম্বুল
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইস্তাম্বুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইস্তাম্বুল
ব্যাখ্যা
ইস্তাম্বুল, পূর্বে কনস্টান্টিনোপল বা প্রাচীন বাইজান্টিয়াম শহর এবং তুরস্কের সমুদ্রবন্দর।
- কৃষ্ণ সাগরের প্রবেশদ্বারে একটি উপদ্বীপে অবস্থিত।
- তুরস্কের বৃহত্তম শহর বসপোরাসের উভয় পাশে অবস্থিত এবং এইভাবে ইউরোপ এবং এশিয়া উভয় স্থানেই অবস্থিত।
- বাইজান্টিয়াম খ্রিস্টপূর্ব ৮ম শতাব্দীতে গ্রীক উপনিবেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- ৫১২ খ্রিস্টপূর্বাব্দে পারস্য আচেনীয় রাজবংশের কাছে এবং তারপর আলেকজান্ডার দ্য গ্রেটের কাছে, এটি প্রথম শতাব্দীতে রোমানদের অধীনে একটি মুক্ত শহর হয়ে ওঠে।
- সম্রাট প্রথম কনস্টান্টাইন শহরটিকে ৩৩০ সালে পূর্ব রোমান সাম্রাজ্যের আসন বানিয়েছিলেন, পরে এটির নামকরণ করা হয়েছিল কনস্টান্টিনোপল।

উৎস: Britannica.
১৩.
‘পিকিং মানুষ’ বলা হত কাদের?
  1. ক) প্রচীন গ্রীকদের
  2. খ) প্রাচীন আরব্যদের
  3. গ) আদি চৈনিকদের
  4. ঘ) আদি মিশরিদের
সঠিক উত্তর:
গ) আদি চৈনিকদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আদি চৈনিকদের
ব্যাখ্যা
চীনের আদি মানুষ
- ১৯২৯ খ্রিস্টাব্দে চীনে প্রাগৈতিহাসিক যুগের মানুষের মাথার খুলি পাওয়া গেছে।
- চীনের রাজধানী পিকিং-এর (বর্তমান বেইজিং) কাছে এই খুলি পাওয়া যায়।
- এরাই চীনের আদিম মানুষ; যাদেরকে ‘পিকিং মানুষ’ বলা হয়।
- এ থেকে ধারণা করা হয় যে নবােপলীয় যুগ বা নতুন পাথরের যুগে চীনে মানুষের বসবাস ছিল।
- চীনের আদিবাসিরা হােয়াংহাে ও ইয়াংসি নদীর দুই পাড়েই বাস করত।
- পরে তারা বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ে। এদের এক অংশ চাষাবাদ করতাে, অপর অংশটি যাযাবর জীবনে অভ্যস্ত ছিল। যে অংশটি নদীর তীরে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে তারা ঘরবাড়ি তৈরি করে ধীরে ধীরে সভ্য জাতিতে পরিণত হতে থাকে।
- এরা কৃষিকাজের পাশাপাশি পশু পালনও করতাে। এরাই প্রাচীন চীনা সভ্যতার স্রষ্টা।
- এই সভ্যতার স্রষ্টাদের রেশমের কাপড়, চাকাযুক্ত গাড়ি, মাটির তৈরি জিনিসপত্র, তামা ও ব্রোঞ্জের অস্ত্র-শস্ত্র তৈরি করার বিদ্যা জানা ছিল।
- তারা কৃষি কাজের জন্য লাঙ্গল ব্যবহার করত। কৃষি জমিতে পানি সেচের জন্য তারা খাল কেটে নদী থেকে জমিতে পানি সরবরাহ করত।
- চীনের আদি মানুষরা নগর নির্মাণ করে উঁচু দেয়াল দিয়ে তাকে সুরক্ষিত রাখত, যাতে যাযাবরদের আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
- এরা এক ধরণের দিনপঞ্জি বা ক্যালেন্ডারও তৈরি করেছিল। 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
ফারাও রা নিজেদের কোন দেবতার বংশধর মনে করতো?
  1. ক) চন্দ্রের দেবতা
  2. খ) সূর্যের দেবতা
  3. গ) শক্তির দেবতা
  4. ঘ) ক্ষমতার দেবতা
সঠিক উত্তর:
খ) সূর্যের দেবতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সূর্যের দেবতা
ব্যাখ্যা
প্রাক-রাজবংশীয় যুগে মিশর কতকগুলাে ছােট নগর রাষ্ট্রে বিভক্ত ছিল।
- এগুলােকে ‘নােম' বলা হতাে।
- মিশরের প্রথম রাজা বা ফারাও (মেনেস বা নারমার) সমগ্র মিশরকে খ্রিষ্টপূর্ব ৩২০০ অব্দে ঐক্যবদ্ধ করে একটি রাজ্য গড়ে তােলেন, যার রাজধানী ছিল দক্ষিণ মিশরের মেফিসে।
- তখন থেকে মিশরে ঐক্যবদ্ধ রাজ্য ও রাজবংশের উদ্ভব ।
- মিশরীয় ‘পের-ও’ শব্দ থেকে ফারাও শব্দের জন্ম।
- ফারাওরা ছিল অত্যন্ত ক্ষমতাশালী।
- তারা নিজেদের সূর্য দেবতার বংশধর মনে করত।
- ফারাও পদটি ছিল বংশানুক্রমিক।
- অর্থাৎ ফারাওয়ের ছেলে হতাে উত্তরাধিকার সূত্রে ফারাও।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৫.
মায়া সভ্যতা কতটি শহর নিয়ে গড়ে উঠেছিল?
  1. ক) ৩০টির বেশি
  2. খ) ৪০টির বেশি
  3. গ) ৫০টির বেশি
  4. ঘ) ৬০টির বেশি
সঠিক উত্তর:
খ) ৪০টির বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪০টির বেশি
ব্যাখ্যা
১৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মায়া জাতি গ্রামে বসতি স্থাপন করেছিল এবং কৃষিকাজ করছিল।
- মায়া সংস্কৃতির ক্লাসিক কাল প্রায় ২৫০ খ্রিস্টাব্দ থেকে প্রায় ৯০০ অবধি স্থায়ী হয়েছিল।
- মায়া সভ্যতা ৪০ টিরও বেশি শহর নিয়ে গঠিত, যার প্রত্যেকটির জনসংখ্যা ৫০০০ থেকে ৫০০০০ এর মধ্যে ছিল।
- ক্লাসিক-পরবর্তী সময়কালে (৯০০-১৫১৯) ইউকাটান উপদ্বীপের শহরগুলি কয়েক শতাব্দী ধরে ক্রমবর্ধমান অব্যাহত থাকার পর নিম্নভূমি গুয়াতেমালার শহরগুলি জনবহুল হয়ে পড়েছিল।


উৎস: Britannica.
১৬.
চীনের মহাপ্রাচীরের নির্মাতা কে?
  1. ক) গুয়াংউ
  2. খ) লী সিং
  3. গ) লিউ বাং
  4. ঘ) শি হুয়াং তি
সঠিক উত্তর:
ঘ) শি হুয়াং তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শি হুয়াং তি
ব্যাখ্যা
চীনের প্রাচীর:
- চিনের মহা প্রাচীর নির্মিত হয় চৌ-রাজ বংশের আমলে।
- রাজা শি হুয়াং তি এই প্রাচীর তৈরি করেন।
- হুনদের আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য যে প্রাচীর নির্মিত হয়েছিল এখন তা বিশ্বের আশ্চর্য বস্তুর একটি।
- দেড় হাজার মাইল দীর্ঘ এই প্রাচীরের উচ্চতা গড়ে ২৪ ফুট।
- এই প্রাচীরের উপর দিয়ে ৬ জন অশ্বারােহী পাশাপাশি চলতে পারতাে।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং History.com।
১৭.
কলোসিয়াম নাট্যশালা নির্মিত হয় কত খ্রিষ্টাব্দে?
  1. ক) ৪০ খ্রিষ্টাব্দে
  2. খ) ৫৫ খ্রিষ্টাব্দে
  3. গ) ৬০ খ্রিষ্টাব্দে
  4. ঘ) ৮০ খ্রিষ্টাব্দে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮০ খ্রিষ্টাব্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮০ খ্রিষ্টাব্দে
ব্যাখ্যা
রােমান সভ্যতার স্থাপত্য, ভাস্কর্য ও বিজ্ঞান: 
- রােমান স্থাপত্যের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল এর বিশালতা।
- স্মাট হার্ডিয়ানের তৈরি ধর্মমন্দির প্যানথিয়ন রােমানদের স্থাপত্যের এক অসাধারণ নিদর্শন।
- ৮০ খ্রিষ্টাব্দে রােমান সম্রাট টিটাস কর্তৃক নির্মিত কলােসিয়াম নাট্যশালা নির্মিত হয়, যেখানে একসঙ্গে ৫৬০০ দর্শক বসতে পারত।
- স্থাপত্যকলার পাশাপাশি রােমান ভাস্কর্যেরও উৎকর্ষ সাধিত হয়েছিল।
- রােমান ভাস্করগণ দেব-দেবী, সম্রাট, দৈত্য, পুরাণের বিভিন্ন চরিত্রের মূর্তি তৈরি করতেন মার্বেল পাথরের।
- বিজ্ঞানীদের মধ্যে কেউ কেউ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হন।
- তাদের মধ্যে প্লিনি বিজ্ঞান সম্পর্কে বিশ্বকোষ প্রণয়ন করেন।
- এতে প্রায় পাঁচশ’ বিজ্ঞানীর গবেষণাকর্ম স্থান পেয়েছে।
- তাছাড়া চিকিৎসা বিজ্ঞানে রােমানদের অবদান ছিল।
- বিজ্ঞানী সেলসাস চিকিসা বিজ্ঞানের ওপর বই লেখেন।
- এছাড়া চিকিৎসাশাস্ত্রে গ্যালেন রুফাসে অসামান্য অবদান রেখেছেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৮.
প্রাচীন মিশরের প্রথম নরপতি কে?
  1. ক) মেনেস
  2. খ) নেকতাবেনো
  3. গ) খুফু
  4. ঘ) আখেমেনিডস
সঠিক উত্তর:
ক) মেনেস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মেনেস
ব্যাখ্যা
প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতার বিস্তৃতিকাল খ্রিস্টপূর্ব ৫০০০-৫২৫ পর্যন্ত।
- আফ্রিকা মহাদেশের উত্তর-পূর্ব অংশ যা আমাদের কাছে পরিচিত ইজিপ্ট বা মিশর নামে।
- খ্রিস্টপূর্ব ৪০০০ অব্দে মিশরে প্রথম সাম্রাজ্যের উদ্ভব ঘটে।
- যার একটি ছিল উত্তর মিশর (নিম্ন মিশর) অপরটি ছিল দক্ষিণ মিশর (উচ্চ মিশর)।
- খ্রিস্টপূর্ব ৫০০০ থেকে ৩২০০ খ্রিস্টপূর্ব পর্যন্ত সময়ে নীলনদের অববাহিকায় একটি রাষ্ট্রের জন্ম হয়।
- সে সময়টা প্রাচীন মিশরের ইতিহাসে প্রাক-রাজবংশীয় যুগ বলে পরিচিত।
- এ সময় থেকে মিশর প্রাচীন সভ্যতায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে শুরু করে।
- প্রথম রাজবংশের শাসন আমল শুরু হয় খ্রিস্টপূর্ব ৩২০০ অব্দ থেকে। তখন থেকে মিশরের ঐতিহাসিক যুগের শুরু।
- একই সময়ে নিম্ন ও উচ্চ মিশরকে একত্রিত করে ‘নারমার’ বা ‘মেনেস’ একাধারে মিশরের প্রথম নরপতি এবং পুরােহিত হন।
- তিনি প্রথম ফারাও এর মর্যাদাও লাভ করেন। এরপর থেকে ফারওদের অধীনে মিশর প্রাচীন বিশ্ব সভ্যতার অগ্রগতিতে একের পর এক উল্লেখযােগ্য অবদান রাখতে শুরু করে।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।