পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৯তম বিসিএস ⎯ রাষ্ট্রবিজ্ঞান [৩৪১]

পরীক্ষা৪৯তম বিসিএস ⎯ রাষ্ট্রবিজ্ঞান [৩৪১]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১৮৪
সিলেবাস
Full model test - 4
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৯তম বিসিএস ⎯ রাষ্ট্রবিজ্ঞান [৩৪১]

৪৯তম বিসিএস ⎯ রাষ্ট্রবিজ্ঞান [৩৪১] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৮৪ প্রশ্ন

.
কোনটি '-আ' প্রত্যয়যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ?
  1. মালিকা
  2. মাননীয়া
  3. অধ্যাপিকা
  4. সেবিকা
সঠিক উত্তর:
মাননীয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাননীয়া
ব্যাখ্যা

শব্দের শেষে '-আ' প্রত্যয়যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ:

যেমন:
• কোকিল - কোকিলা,
মাননীয় - মাননীয়া,
• চতুর - চতুরা,
• চঞ্চল - চঞ্চলা,
• নবীন - নবীনা ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• 'ইকা' প্রত্যয়যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ: মালা - মালিকা, অধ্যাপক - অধ্যাপিকা, সেবক - সেবিকা।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।

.
'Buddhist Mystic Songs' গ্রন্থে চর্যাপদের কত জন কবির নাম উল্লেখ আছে?
  1. ২১ জন
  2. ২২ জন
  3. ২৩ জন
  4. ২৪ জন
সঠিক উত্তর:
২৩ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ জন
ব্যাখ্যা

চর্যাপদের কবিগণ:
- সুকুমার সেনের 'বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস' (প্রথম খণ্ড) গ্রন্থে চর্যাপদের ২৪ জন পদকর্তার নাম পাওয়া যায়। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ সম্পাদিত 'Buddhist Mystic Songs' গ্রন্থে চর্যাপদের ২৩ জন কবির নাম উল্লেখ আছে

এরা হলেন:
- কাহ্নপা; কুক্কুরীপা; ধর্মপা; ঢেগুণপা; বিরুপা; বীণাপা; ভাদেপা; ভুসুকুপা, মহীধরপা, লুইপা; শবরপা; শান্তিপা; সরহপা; ডোম্বীপা; কম্বলাম্বরপা; গুণ্ডুরীপা; চাটিল্লপা; আর্যদেবপা; দারিকপা; তাড়কপা; কঙ্কণপা; জয়নন্দীপা; তন্ত্রীপা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

.
কার আদেশে 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যটি রচনা করা হয়?
  1. কোরেশী মাগন ঠাকুর
  2. রাজা লক্ষ্মণ সেন
  3. রাজা কৃষ্ণচন্দ্র
  4. রাজা নারায়ণ দেব
সঠিক উত্তর:
রাজা কৃষ্ণচন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজা কৃষ্ণচন্দ্র
ব্যাখ্যা

'অন্নদামঙ্গল' কাব্য:
- নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্ররে আদেশে ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যটি রচনা করেন।
- 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যের বৈশিষ্ট্য হলো ছন্দ ও অলঙ্কারের সুদক্ষ প্রয়োগ।
- সমালোচক অধ্যাপক অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে: 'অন্নদামঙ্গলকাব্য অষ্টদশ শতাব্দীর সর্বশ্রেষ্ঠ কাব্য, সমগ্র বাংলা সাহিত্যের উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের অন্যতম।

অন্নদামঙ্গল কাব্য ৩ খণ্ডে বিভক্ত।
যথা :
- শিবনারায়ণ,
- কালিকামঙ্গল,
- মানসিংহ-ভবানন্দ খণ্ড।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
'বর্হী' শব্দের সমার্থক শব্দ -
  1. কাক
  2. কবুতর
  3. কোকিল
  4. ময়ূর
সঠিক উত্তর:
ময়ূর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়ূর
ব্যাখ্যা

'ময়ূর' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- ময়ূর, কেকা, কেকী, শিখি, শিখণ্ডী, বর্হী।

অন্যদিকে,
‘কোকিল’ শব্দের সমার্থক শব্দ:
- কাকপুষ্ট, পরপুষ্ট, কলকণ্ঠ, পিক, বসন্তদূত, অন্যপুষ্ট, মধুস্বর, মধুসখা।

‘কবুতর’ শব্দের সমার্থক শব্দ:
- কপোত, পায়রা, পারাবত, নোটন।

‘কাক’ শব্দের সমার্থক শব্দ:
- বায়স, পরভৃৎ, পরপোষক।

উৎস:
১। বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
২। বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
কোনটি সংস্কৃত কৃৎ-প্রত্যয়?
  1. √কাঁদ্ + অ = কাঁদ
  2. √পড়্‌ + অ = পড়
  3. √ধর্ + অ = ধর
  4. √কৃ + তব্য = কর্তব্য
সঠিক উত্তর:
√কৃ + তব্য = কর্তব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
√কৃ + তব্য = কর্তব্য
ব্যাখ্যা

সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়যোগে শব্দ গঠন:

অ(অচ্):
√পট্ + অ = পাঠ,
√জি + অ = জয়,
√কৃ + তব্য = কর্তব্য ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
বাংলা কৃৎ প্রত্যয়যোগে শব্দ গঠন:
অ:
- √কাঁদ্ + অ = কাঁদ,
- √ধর্ + অ = ধর,
- √চল্ + অ = চল,
- √পড়্‌ + অ = পড়

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি।

.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. আনুষাঙ্গিক
  2. দূর্দশাগ্রস্ত
  3. নৌর্ঋত
  4. স্নেহাশিস
সঠিক উত্তর:
স্নেহাশিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্নেহাশিস
ব্যাখ্যা

• শুদ্ধ বানান - স্নেহাশিস
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।

শব্দের অর্থ:
- স্নেহার্শীবাদ।

অন্যদিকে,
অশুদ্ধ বানানের শুদ্ধরূপ নিম্নে দেওয়া হলো:
- নৈর্ঋত,
- দুর্দশাগ্রস্ত,
- আনুষঙ্গিক।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

.
কোন গুচ্ছটি অল্পপ্রাণ ব্যঞ্জন?
  1. চ, জ, শ
  2. ধ, ঠ, স
  3. ছ, ঝ, খ
  4. ফ, ভ, থ
সঠিক উত্তর:
চ, জ, শ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চ, জ, শ
ব্যাখ্যা

অল্পপ্রাণ ব্যঞ্জন:
- সেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ফুসফুস থেকে নির্গত বায়ুপ্রবাহের মাত্রা অপেক্ষাকৃত কম, সেগুলোকে বলা হয় অল্পপ্রাণ ধ্বনি।

যেমন:
- প, ব, ত, দ, স, ট, ড, ড়, চ, জ, শ, ক, গ ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
মহাপ্রাণ ব্যঞ্জন:
- সেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ফুসফুস থেকে নির্গত বায়ুপ্রবাহ অপেক্ষাকৃত বেশি, সেগুলোকে বলা হয় মহাপ্রাণ ধ্বনি।

যেমন:
- ফ, ভ, থ, ধ, ঠ, ঢ, ঢ়, ছ, ঝ, খ, ঘ, হ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২-সংস্করণ)।

.
নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
  1. হীন চরিত্রবান লোক পশ্বাধম।
  2. তার অন্তর অজ্ঞান সমুদ্রে আচ্ছন্ন।
  3. সবিনয় পূর্বক নিবেদন করি।
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

উপরিউক্ত সবগুলো বাক্য অশুদ্ধ।

অশুদ্ধ: হীন চরিত্রবান লোক পশ্বাধম।
শুদ্ধ: চরিত্রহীন লোক পশ্বধম।

অশুদ্ধ: তার অন্তর অজ্ঞান সমুদ্রে আচ্ছন্ন।
শুদ্ধ: তার অন্তর তিমিরাচ্ছন্ন।

অশুদ্ধ: সবিনয় পূর্বক নিবেদন করি।
শুদ্ধ: বিনয়পূর্বক নিবেদন করি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
কোনটি ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ?
  1. হৃতসর্বস্ব
  2. খোশমেজাজ
  3. হতশ্রী
  4. কথাসর্বস্ব
সঠিক উত্তর:
কথাসর্বস্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কথাসর্বস্ব
ব্যাখ্যা

ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস:
- পূর্বপদ ও পরপদ উভয়ই বিশেষ্য হলে বা কখনো কখনো ক্রিয়াবিশেষ্য হলে ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস হয়।

যেমন:
- কথা সর্বস্ব যার = কথাসর্বস্ব,
- আশীতে বিষ যার = আশীবিষ,
- বোঁটা খসেছে যার = বোঁটাখসা ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
সমানাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস:
- পূর্বপদ বিশেষণ ও পরপদ বিশেষ্য হলে সমানাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস হয়।

যেমন:
- হত হয়েছে শ্রী যার = হতশ্রী,
- খোশ মেজাজ যার = খোশমেজাজ
- এরকম: হৃতসর্বস্ব, উচ্চশির, পীতাম্বর, নীলকণ্ঠ, জবরদস্তি, সুশীল, সুশ্রী, বদবত, কমবত ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণী (২০১৯ ও ২০২২ সংস্করণ)।

১০.
'Octroi' এর বাংলা পরিভাষা কী?
  1. অপরাধ
  2. নগর শুল্ক
  3. চুক্তি
  4. বৃত্তি
সঠিক উত্তর:
নগর শুল্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নগর শুল্ক
ব্যাখ্যা

• 'Octroi' এর বাংলা পরিভাষা - নগর শুল্ক

অন্যদিকে,
Occupation - বৃত্তি/ দখল উপজীবিকা।
Pact - চুক্তি।
Offence - অপরাধ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১১.
'দম্ভোলি' শব্দের অর্থ কী?
  1. ভয়ানক
  2. বজ্র
  3. যুদ্ধ
  4. ক্রোধ
সঠিক উত্তর:
বজ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বজ্র
ব্যাখ্যা

• 'দম্ভোলি' শব্দের অর্থ - বাজ, বজ্র, অশনি, কুলিশ।

অন্যদিকে,
'যুদ্ধ' শব্দের অর্থ - রণ, সমর, সংগ্রাম, বিগ্রহ।
'ভয়ানক' শব্দের অর্থ - ভীষণ, ভীম, খুব, ভয়ঙ্কর, ভয়াবহ।
'ক্রোধ' শব্দের অর্থ - রাগ, রোষ, গোসা, কোপ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১২.
কোনটি অশুদ্ধ সন্ধিবিচ্ছেদ?
  1. নদী + অম্বু = নদ্যম্বু
  2. ণিচ্ + অন্ত = ণিজন্ত
  3. যথা + ঈষ্ট = যথেষ্ট
  4. শিরঃ + পীড়া = শিরঃপীড়া
সঠিক উত্তর:
যথা + ঈষ্ট = যথেষ্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যথা + ঈষ্ট = যথেষ্ট
ব্যাখ্যা

• অশুদ্ধ সন্ধিবিচ্ছেদ - যথা + ঈষ্ট = যথেষ্ট
- এর শুদ্ধ সন্ধিবিচ্ছেদ - যথা + ইষ্ট = যথেষ্ট।

সন্ধির নিয়ম:
- অ-কার কিংবা আ-কারের পর ই-কার কিংবা ঈ-কার থাকলে উভয় মিলে এ-কার হয়; এ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়।

যেমন:
- শুভ + ইচ্ছা = শুভেচ্ছা,
- যথা + ইষ্ট = যথেষ্ট,
- মহা + ঈশ = মহেশ ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- শিরঃ + পীড়া = শিরঃপীড়া, ণিচ্ + অন্ত = ণিজন্ত, নদী + অম্বু = নদ্যম্বু - সন্ধিবিচ্ছেদ শুদ্ধ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ ও ২০১৯ সংস্করণ)।

১৩.
বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি কয়টি?
  1. পাঁচটি
  2. ছয়টি
  3. সাতটি
  4. আটটি
সঠিক উত্তর:
সাতটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাতটি
ব্যাখ্যা

স্বরধ্বনি:
- যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় মুখের ভেতরে কোথাও বাধা পায় না এবং যা অন্য ধ্বনির সাহায্য ছাড়া নিজেই সম্পূর্ণভাবে উচ্চারিত হয় তাকে স্বরধ্বনি বলে।
- বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি
যথা: অ, আ, ই, উ, এ, ও, অ্যা।

উল্লেখ্য,
ব্যঞ্জনধ্বনি:
- যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় মুখের ভেতরে কোথাও না কোথাও বাধা পায় এবং যা স্বরধ্বনির সাহায্য ছাড়া স্পষ্টরূপে উচ্চারিত হতে পারে না তাকে ব্যঞ্জনধ্বনি বলে।
যেমন:
ক্,খ্, গ্‌,ঘ, প্, স্ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি অষ্টম শ্রেণি (২০২৫ সালের সংস্করণ)।

১৪.
'বাংলা কাব্যের ইতিহাস: মুসলিম সাধনার ধারা' - গ্রন্থটি রচনা করেন কে?
  1. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
  2. আহমদ শরীফ
  3. আবদুল কাদির
  4. বদরুদ্দীন উমর
সঠিক উত্তর:
আবদুল কাদির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুল কাদির
ব্যাখ্যা

আবদুল কাদির:
- আবদুল কাদির কবি, প্রাবন্ধিক, ছন্দ বিশারদ, সম্পাদক।
- ১৯০৬ সালের ১ জুন ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলার আড়াইসিধা গ্রামে তাঁর জন্ম।
- মুসলিম সাহিত্য সমাজের (১৯২৬) মাধ্যমে ঢাকায় যে বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন সংঘটিত হয়, আবদুল কাদির ছিলেন তার অন্যতম উদ্যোক্তা।
- সংগঠনের মুখপত্র বার্ষিক শিখা (১৯২৭) পত্রিকার তিনি প্রকাশক ও লেখক ছিলেন।

আবদুল কাদির রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- বাংলা কাব্যের ইতিহাস: মুসলিম সাধনার ধারা,
- কবি নজরুল,
- কাজী আব্দুল ওদুদ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৫.
'ডেরা' - শব্দটি কোন ভাষা হতে আগত?
  1. ফারসি
  2. পর্তুগিজ
  3. হিন্দি
  4. খাঁটি বাংলা
সঠিক উত্তর:
হিন্দি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিন্দি
ব্যাখ্যা

• 'ডেরা' শব্দটি 'হিন্দি' ভাষা হতে আগত।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।

শব্দের অর্থ:
- মোটা কাপড়ের তৈরি আবাস, কানাত, তাঁবু,
- কুটির, আশ্রয়। ৩ আস্তানা; অস্থায়ী আবাস।

আরো কিছু হিন্দি শব্দ:
- কাচারি,
- দাবা,
- দাঙ্গা,
- রোকড়,
- লড়াকু,
- লেনদেন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৬.
"সেখানে পথের পাশে মুখ গুঁজে পড়ে আছে জমিনের পর;
সন্ধ্যার জনতা জানি কোনদিন রাখে না সে মৃতের খবর।" - কবিতাংশটুকুর রচয়িতা কে?
  1. হেলাল হাফিজ
  2. সুকান্ত ভট্টাচার্য
  3. আল মাহমুদ
  4. ফররুখ আহমদ
সঠিক উত্তর:
ফররুখ আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফররুখ আহমদ
ব্যাখ্যা

"লাশ" কবিতা ও পটভূমি:
• ফররুখ আহমদের "লাশ" কবিতাটি ১৯৪৪ সালে কলকাতার দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে রচিত। এই কবিতায় কবি দুর্ভিক্ষের কারণে সৃষ্ট দুর্দশা ও অসহায় মানুষের করুণ পরিণতি ফুটিয়ে তুলেছেন। 'লাশ' কবিতাটি লিখে তিনি প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন।

• কবিতাটি ফররুখ আহমদের 'সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থে সংকলিত হয়েছে।

লাশ
ফররুখ আহমদ

যেখানে প্রশস্ত পথ ঘুরে গেল মোেড়,

কালো পিচ-ঢালা রঙে লাগে নাই ধূলির আঁচড়,
সেখানে পথের পাশে মুখ গুঁজে প'ড়ে আছে জমিনের পর;
সন্ধ্যার জনতা জানি কোনদিন রাখে না সে মৃতের খবর

ফররুখ আহমদ:
- ফররুখ আহমদ ১৯১৮ সালের ১০ জুন মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার মাঝাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন মুসলিম পুনর্জাগরণবাদী কবি।
- ‘সাত সাগরের মাঝি’ ফররুখ আহমদ রচিত শ্রেষ্ঠ এবং প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
- ১৯৪৪ সালে কলকাতার দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে ‘লাশ’ কবিতা লিখে তিনি প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন।
- ফররুখ আহমদ তাঁর বিখ্যাত কাহিনী কাব্য 'হাতেমতায়ী' এর জন্য ১৯৬৬ সালে আদমজি পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬৬ সালেই 'পাখির বাসা' শিশুতোষের জন্য ইউনেস্কো পুরস্কার লাভ করেন।
- ‘মুহূর্তের কবিতা’ ফররুখ আহমদ রচিত একটি সনেট সংকলন।

ফররুখ আহমদ রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সিরাজাম মুনীরা,
- নৌফেল ও হাতেম,
- মুহূর্তের কবিতা,
- হাতেমতায়ী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৭.
'অর্থী' এর বিপরীতার্থক শব্দ কী?
  1. প্রার্থনাকারী
  2. বাদী
  3. প্রত্যর্থী
  4. অভিলাষী
সঠিক উত্তর:
প্রত্যর্থী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যর্থী
ব্যাখ্যা

• 'অর্থী' এর বিপরীতার্থক শব্দ - প্রত্যর্থী

উল্লেখ্য,
'অর্থী' শব্দের অর্থ - প্রার্থনাকারী, যাচক (শুভার্থী); অভিলাষী, ধনবান, বিত্তশালী, বাদী, অভিযোগকারী।
'প্রত্যর্থী' শব্দের অর্থ - প্রতিবাদী, আসামি, শত্রু, প্রতিপক্ষ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৮.
'পথের শেষ' কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
  1. সেঁজুতি
  2. সোনার তরী
  3. খেয়া
  4. মানসী
সঠিক উত্তর:
খেয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খেয়া
ব্যাখ্যা

'খেয়া' কাব্যগ্রন্থ:
- 'খেয়া' কাব্যগ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথের শেষ পর্বের রচনাগুলোর একটি। খেয়া কাব্যগ্রন্থটি ৫৫টি কবিতার সংকলন।
- এ সংকলনের কবিতাগুলির মধ্যে ক্লান্তি ও বিষাদের সুর প্রাধান্য পেয়েছে।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 'খেয়া' কাব্যগ্রন্থটি বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসুকে উৎসর্গ করেছেন।
- কবিতাগুলোতে জীবনের ব্যথাবেদনার ও বিচিত্র অনুভবের মধ্যে চরম শ্রেয়োলাভের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশিত।
- এই কাব্যগ্রন্থের উল্লেখযোগ্য কবিতা হলো: পথের শেষ, শেষ খেয়া, ঘাটেরপথ, বিদায়, দীঘি, আগমন, বৈশাখে, জাগরণ ইত্যাদি

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২ শ্রাবণ ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর নিজ বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- মানসী,
- সোনারতরী,
- চিত্রা,
- কল্পনা,
- বলাকা,
- পুনশ্চ,
- খেয়া,
- সেঁজুতি,
- শেষলেখা,
- পূরবী,
- চৈতালি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

১৯.
কোনটি বিশেষ্য পদ?
  1. অবজ্ঞেয়
  2. অবজ্ঞা
  3. অবজ্ঞাত
  4. অজ্ঞাত
সঠিক উত্তর:
অবজ্ঞা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবজ্ঞা
ব্যাখ্যা

• বিশেষ্য পদ - অবজ্ঞা
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।

শব্দের অর্থ:
- উপেক্ষা, তাচ্ছিল্য, ঘৃণা, অপমান।

অন্যদিকে,
• বিশেষণ পদ - অজ্ঞাত, অবজ্ঞাত, অবজ্ঞেয়।

বিশেষ্য পদ:
- কোনো কিছুর নামকে বিশেষ্য পদ বলে। বাক্যমধ্যে ব্যবহৃত যে সমস্ত পদ দ্বারা কোনো ব্যক্তি, জাতি, সমষ্টি, বস্তু, স্থান, কাল, ভাব, কর্ম বা গুণের নাম বোঝানো হয় তাদের বিশেষ্য পদ বলে।

বিশেষ্য সাধারণত ছয় প্রকার:
১. নাম-বিশেষ্য,
২. জাতি-বিশেষ্য,
৩. বস্তু-বিশেষ্য ,
৪. সমষ্টি-বিশেষ্য,
৫. গুণ-বিশেষ্য,
৬. ক্রিয়া-বিশেষ্য।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।

২০.
Choose the correctly spelled word —
  1. Pronunciation
  2. Pronounciation
  3. Pronuntiation
  4. Pronunciacion
সঠিক উত্তর:
Pronunciation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Pronunciation
ব্যাখ্যা

Answer: ক) Pronunciation.

• Pronunciation:
English meaning: how words are pronounced.
Bangla meaning: উচ্চারণ।

Example:
- English pronunciation is notoriously difficult.
- There are two different pronunciations of this word.

Source: Cambridge Dictionary.

২১.
The teacher suggested postponing the meeting. [Passive]
  1. The teacher suggested that the meeting have to be postponed.
  2. The teacher suggested that the meeting postponed.
  3. The teacher suggested the meeting should be postpond.
  4. The teacher suggested that the meeting should be postponed.
সঠিক উত্তর:
The teacher suggested that the meeting should be postponed.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The teacher suggested that the meeting should be postponed.
ব্যাখ্যা

• advice/ insist/ propose/ recommend/ suggest + gerund + object যুক্ত active voice কে passive করার নিয়ম:
- প্রদত্ত active voice এর subject ও verb বসবে।
- that বসে,
- gerund এর পরের object টি বসে,
- should be বসে,
- প্রদত্ত gerund টি verb এ রূপান্তরিত হয়ে তার past participle হয়।

Active: Roman suggested giving up smoking.
Passive: Roman suggested that smoking should be given up.

Active: The teacher suggested postponing the meeting.
Passive: The teacher suggested that the meeting should be postponed.

Options,

অপশন বিশ্লেষণ:
ক) The teacher suggested that the meeting have to be postponed.
- “have to be postponed” বাধ্যবাধকতা (obligation) বোঝায়, suggestion নয়, তাই এটি ভুল।

খ) The teacher suggested that the meeting postponed.
- should be নেই তাই এটি grammatically ভুল।

গ) The teacher suggested the meeting should be postpond.
- এখানে that নেই তাছাড়া “postpond” spelling ভুল (সঠিক বানান postponed).

Source: Advanced Learner's by Chowdhury & Hossain.

২২.
Scientists are studying pollution in _____ Lake Ontario.
  1. a
  2. an
  3. the
  4. Zero article
সঠিক উত্তর:
Zero article
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Zero article
ব্যাখ্যা

Correct sentence: Scientists are studying pollution in Lake Ontario.

• Article:
- A, An & The কে article বলে। এরা noun কে qualify করে।
- Article দুই প্রকার। যেমন: 1. Indefinite: A, An 2. Definite: The

• Article এর নিয়মানুযায়ী,
- হ্রদের নামের পূর্বে the বসে না।
- যেমন – Lake Superior, Lake Baikal, Lake Caspian.

Source: Advanced Learner's by Chowdhury & Hossain.

২৩.
Choose the synonym of Eminent.
  1. Obscure
  2. Distinguished
  3. Hostile
  4. Predictable
সঠিক উত্তর:
Distinguished
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Distinguished
ব্যাখ্যা

• Eminent:
English meaning: famous, respected, or important.
Bangla meaning: (১) (ব্যক্তি) প্রখ্যাত; বিশিষ্ট: He is an eminent personality. (২) (গুণাবলির ক্ষেত্রে) মহৎ।

Options,
ক) Obscure:
- ১) অন্ধকারময়; গুপ্ত; অস্পষ্ট: an obscure source. (২) সুপরিচিত নয় এমন অখ্যাত: an obscure poet.

খ) Distinguished:
- বিশিষ্ট; স্বতন্ত্র; সম্মানিত।

গ) Hostile:
- (১) শত্রুপক্ষীয়; বৈরী: a hostile army, শত্রুবাহিনী। (২) প্রতিকূল; বৈরী; বিদ্বেষী; শত্রুভাবাপন্ন।

ঘ) Predictable:
- ভবিষ্যৎবাচ্য; অগ্রকথনযোগ্য।

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, the synonym of Eminent - Distinguished.

Source: Accessible Dictionary.

২৪.
They suggested visiting the new art museum.
- Here 'visiting' is -
  1. Gerund
  2. Participle
  3. Main verb
  4. Linking verb
সঠিক উত্তর:
Gerund
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Gerund
ব্যাখ্যা

They suggested visiting the new art museum.
- Here 'visiting' is a- Gerund.
- সাধারণত verb এর object হিসেবে gerund বসে।
- এখানে, suggested verb এর object হিসেবে visiting হচ্ছে gerund.

• Gerund:
- Verb এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি noun এর কাজ করে অর্থাৎ Verb ও noun এর কাজ করে, তাহলে তাকে Gerund বলে।
- A Gerund is a double part of speech - a Noun and Verb combined.

• Gerund ব্যবহৃত হয়:
- Subject অথবা object হিসেবে;
- Preposition এর object হিসেবে;
- Verb এর complement হিসেবে;
- Compound noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

২৫.
He felt envious _____ the singer’s talent and popularity.
  1. at
  2. of
  3. on
  4. with
সঠিক উত্তর:
of
উত্তর
সঠিক উত্তর:
of
ব্যাখ্যা

Complete sentence: He felt envious of the singer’s talent and popularity.

• Envious of
English Meaning:  feeling or showing envy.
Bangla Meaning: হিংসুক; পরশ্রীকাতর।
- কোন বিষয়ে কারোর প্রতি হিংসা অনুভব করা বুঝাতে envious এরপর appropriate preposition হিসাবে of ব্যবহৃত হয়।

Example:
- I'm very envious of your new coat - it's beautiful.
- We should not be envious of other's successes.

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.

২৬.
He hasn't written to me recently - ______ he's lost my address.
  1. whenever
  2. although
  3. perhaps
  4. till
সঠিক উত্তর:
perhaps
উত্তর
সঠিক উত্তর:
perhaps
ব্যাখ্যা

Options,
• Whenever:
- যেকোনো সময়েরই হোক না কেন; যখনই।

• Although:
- যদিও; যদ্যপি।

• Perhaps:
- হয়তো; সম্ভবত।

• Till:
- যে পর্যন্ত না; যতক্ষণে না; না… পর্যন্ত।

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, শুন্যস্থানে Perhaps বসালে বাক্যটি পরিপূর্ণ হয়।

Complete sentence: He hasn't written to me recently - perhaps he's lost my address.

Source: Accessible Dictionary.

২৭.
Oil is an example of which of the following?
  1. Collective Noun
  2. Material Noun
  3. Proper Noun
  4. Common Noun
সঠিক উত্তর:
Material Noun
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Material Noun
ব্যাখ্যা

Correct answer: খ) Material Noun.

• Materiel noun
- যে Noun দ্বারা কোন বস্তু বা পদার্থকে নির্দেশ করে তাকে Material noun বলে।
- Material noun সাধারণত uncountable noun হয়।
- একে গণনা করা যায় না কিন্তু পরিমাপ বা ওজন করা যায়।
- Oil (তেল) হলো Material noun, কারণ এটি পদার্থ বা বস্তু বাচক এবং একে গণনা করা যায় না কিন্তু পরিমাপ বা ওজন করা যায়।
- আরো উদাহরণ: Silver, Iron, Cotton, Diamond, Milk, Paint, Rubber, Paper, Steel, Sand, Wood, Mutton, Oil etc.

২৮.
I read a book while waiting for the bus. The underlined part is an example of -
  1. Noun clause
  2. Adverb clause
  3. Adjective clause
  4. Principal clause
সঠিক উত্তর:
Adverb clause
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Adverb clause
ব্যাখ্যা

I read a book while waiting for the bus. The underlined part is an example of - Adverb clause.
- এই বাক্যে underlined part টি adverb clause.
- verb সংগঠিত হওয়ার সময় বুঝাচ্ছে তাই এটি adverb clause of time.
- while waiting for the bus → এখানে “while” conjunction.
- “while …” → time / circumstance বোঝাচ্ছে → adverbial clause.
- অর্থ: আমি বাসের জন্য অপেক্ষা করার সময় বই পড়ি → কখন / কত সময়ে বোঝাচ্ছে → adverb clause.

• Adverbial clause:
- যে subordinate clause একটি বাক্যে একটি adverb হিসেবে কাজ করে এবং একটি verb,বা একটি adjective-clause বা অন্য একটি adverbial clause-কে modify করে তাকে Adverbial Clause বলে।
- Adverb এর মত এরা - time, place, cause, effect, purpose ইত্যাদি বুঝায়।
- অর্থাৎ, Adverbial clause সবসময় সময়, স্থান, কাল, কারন, উদ্দেশ্য, ধরন, ফলাফল ইত্যাদি প্রকাশ করে।

২৯.
Because of the heavy rain, the match was canceled. [Complex]
  1. Since it heavy rained, the match was canceled.
  2. Since it rained heavily, the match canceled.
  3. Since it rained heavily, the match was canceled.
  4. Since heavily rained, the match was canceled.
সঠিক উত্তর:
Since it rained heavily, the match was canceled.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Since it rained heavily, the match was canceled.
ব্যাখ্যা

• Because of যুক্ত Simple Sentence কে Complex Sentence এ পরিণত করার নিয়ম:

• প্রথমে since বসে,
- subject বসে,
- verb বসে,
- Adjective/noun বসে,
- Comma বসে,
- অপর বাক্যটি বসে।

Simple: Because of their playing well, they won the game.
Complex: Since they played well, they won the game.

Simple: Because of the heavy rain, the match was canceled.
Complex: Since it rained heavily, the match was canceled.

অপশন বিশ্লেষণ:
ক) Since it heavy rained, the match was canceled.
→ “heavy rained” grammatically ভুল; adverb ব্যবহার করতে হবে → heavily.

খ) Since it rained heavily, the match canceled.
→ main verb passive-এ “was canceled” হবে, “canceled” নয়।

ঘ) Since heavily rained, the match was canceled.
→ এখানে subject (it) অনুপস্থিত, তাই বাক্যটি অসম্পূর্ণ।

Source: Advanced Learners Communicative English by Chowdhury and Hossain.

৩০.
Who authored the play The Duchess of Malfi?
  1. John Webster
  2. Christopher Marlowe
  3. Ben Jonson
  4. William Shakespeare
সঠিক উত্তর:
John Webster
উত্তর
সঠিক উত্তর:
John Webster
ব্যাখ্যা

• The Duchess of Malfi
- It was written by John Webster.

- এটি একটি 5 acts বিশিষ্ট tragedy play যা Revenge Tragedy/ Tragedy of Suffering হিসেবে পরিচিত।
- এটি ১৬১৩-১৪ সালে লেখা এবং ১৬২৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- The Duchess of Malfi tells the story of the spirited duchess and her love for her trustworthy steward, Antonio.
- তার দুই ভাই Ferdinand (ক্যালাব্রিয়ার ডিউক) এবং Cardinal বিরোধিতা সত্ত্বেও তারা গোপনে বিয়ে করে।
- পরবর্তীতে তাদের তিনটি সন্তান জন্ম নেয় কিন্তু জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তিনি কখনো তাঁর ভাইদের কাছে তাঁর বাচ্চাদের নাম বলেন নি।
- Duchess এর ভাইয়েরা সকল খবর বের করার জন্য তার বিরুদ্ধে Bosola নামক একজন গোয়েন্দা ( Bosola) নিযুক্ত করে।
- Bosola বিভিন্ন কৌশলে Dutchess এর কাছ থেকে তাড় স্বামি সন্তানদের খবর জেনে তার ভাইদেরকে বলে দেয় এবং তাদের আদেশে এদেরকে গ্রেফতার করতে যায়।
- নাটকের শেষে দেখা যায় সবাই মারা গিয়েছে কেবল মাত্র Dutchess এর বড় সন্তানটি ছাড়া যে কিনা পরবর্তীতে Malfi এর শাসক হয়।
- Webster’s The Duchess of Malfi কে সচরাচর last great tragedy of the Elizabethan and Jacobean eras হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

• John Webster:
- তিনি একজন English Dramatist.
- তাঁর জন্ম ১৫৮০ সালে এবং ১৬৩২ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
- তিনি Jacobean যুগের একজন সাহিত্যিক।

• Famous Tragedies of John Webster:
- The White Devils,
- The Devil's Law Case,
- The Duchess of Malfi.

Source: ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman and Britannica.

৩১.
What object becomes a symbol of Desdemona’s supposed infidelity in the famous play Othello?
  1. A ring
  2. A handkerchief
  3. A necklace
  4. A letter
সঠিক উত্তর:
A handkerchief
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A handkerchief
ব্যাখ্যা

Answer - A handkerchief.

Shakespeare-এর Othello নাটকে Desdemona-র কথিত অবিশ্বস্ততার প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে একটি handkerchief.

• Othello:

- এটি Shakespeare রচিত একটি Tragedy.
- It tells the story of Othello, A moor of Venice.
- নাটকটির মূল চরিত্র Othello. সে ছিল ভেনিসের একজন সেনাপতি।
- এই tragedy এর কেন্দ্রীয় চরিত্র Othello এবং Othello এর Desdemona হচ্ছে নায়িকা।
- Villan চরিত্রে ছিল Iago.
- নাটকে Othello তাঁর নিজ স্ত্রী Desdemona কে সন্দেহ করে এবং তাকে হত্যা করে।
- In this tragedy, Othello, the hero, was affected by Othello Syndrome (a mental disorder of excessive jealousy) যার বর্শবর্তী হয়ে villain Iago এর প্ররোচনায় Othello Desdemona কে হত্যা করে।

• William Shakespeare:
- William Shakespeare was born on 23 April 1564 AD and died on 23 April 1616 AD.
- তার জন্মস্থান Stratford Avon.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে English national poet বলা হয়।
- তাকে 'Bard of Avon' বা Swan of Avon বলা হয়।
- Shakespeare wrote a total of 37 plays and 154 sonnets.

• Notable works:
• Tragedy:
- Hamlet,
- Othello,
- King Lear,
- Macbeth,
- Julius Caesar.

• Comedy:
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- A Midsummer Night's Dream etc.

• Famous poem:
- Shall I Compare Thee to a Summer Day/Sonnet 18,
- The Rape of Lucrece,
- Venus and Adonis.

Source: britannica.com

৩২.
Love for Love is written by -
  1. William Congreve
  2. Samuel Richardson
  3. George Bernard Shaw
  4. Christopher Marlowe
সঠিক উত্তর:
William Congreve
উত্তর
সঠিক উত্তর:
William Congreve
ব্যাখ্যা

• Love for Love:
- It is a play written by William Congreve.
- এটি মুলত একটি comedy play.
- William Congreve ছিলেন Restoration Period এর একজন বিখ্যাত সাহিত্যিক।
- He wrote some of the most popular plays in English literature.

• William Congreve:
- তিনি একজন English dramatist.
- তিনি comedy of manners এর জন্য বিখ্যাত।
- তিনি Restoration period এর একজন বিখ্যাত সাহিত্যিক।
- He wrote some of the most popular plays in English literature.

• Notable works:
- Love for Love,
- The Double-Dealer,
- The Mourning Bride,
- The Way of the World.

Source: Britannica, Live MCQ Lecture.

৩৩.
কৌলীন্য প্রথার উদ্ভব কোন শাসনামলে হয়েছিল বলে মনে করা হয়?
  1. সেন
  2. পাল
  3. গুপ্ত
  4. মুঘল
সঠিক উত্তর:
পাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাল
ব্যাখ্যা

- কৌলীন্য প্রথার উদ্ভব পাল শাসনামলে হয়েছিল বলে মনে করা হয়।

কৌলীন্য প্রথা:

- রাঢ় ও বরেন্দ্র এর ব্রাহ্মণদের মধ্যে কৌলীন্য প্রথা অধিক মাত্রায় প্রভাব বিস্তার করেছিল।
- তারা সম্ভবত কান্যকুব্জের পাঁচ ব্রাহ্মণ-রক্ষিতীশ, মেধতিথী, বিতরগ, সুধনিধি এবং সম্ভরি-এর উত্তরসূরি।
- গৌড়ের রাজা শশাঙ্ক এবং বর্মণ রাজা হরিবর্মণ উভয়েই যথাক্রমে শকদ্বীপী ও বৈদিক ব্রাহ্মণ নিয়ে এসেছিলেন বলে জানা যায়।
- বলা হয়ে থাকে, এ ব্রাহ্মণদের সাথে সম্পর্ক সৃষ্টির ফলস্বরূপ বাংলায় সামাজিক প্রথা হিসেবে কৌলিন্য প্রথার সূত্রপাত হয়েছে।
- সেন রাজা বল্লালসেনকেও কৌলিন্য প্রথার স্রষ্টা হিসেবে কৃতিত্ব দেওয়া হয়, যদিও এ দাবির সমর্থনে সেন যুগের কোনো সাহিত্যিক ও উৎকীর্ণলিপি প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
- তৃতীয় বিগ্রহপালের বনগাঁ তাম্রশাসনে ইঙ্গিত করা হয়েছে, তাঁর কর্মকর্তা ঘন্তিস-এর প্রো-পিতামহের মাধ্যমে তাঁর পূর্বপুরুষের সাথে কোলঞ্চ (কান্যকুব্জ) ব্রাহ্মণ কচ্ছ-এর যোগসূত্র ছিল।
- ফলে কৌলীন্য প্রথার উদ্ভব পাল শাসনামলে হয়েছিল বলে মনে করা হয়।

উল্লেখ্য,
- কুলীন অর্থ হলো উত্তম পরিবার বা সম্ভ্রান্ত বংশজাত।
- বাচস্পতি মিশ্র-এর মতে, এটি চিহ্নিত হয় আচার (শুদ্ধতা), বিদ্যা (জ্ঞান), বিনয় (শৃঙ্খলাবোধ), প্রতিষ্ঠা (শুদ্ধতার খ্যাতি), তীর্থ-দর্শন (তীর্থযাত্রা), নিষ্ঠা (কর্তব্যনিষ্ঠা), তপস্যা (কঠোর ধ্যান), আবৃত্তি (সমবর্ণে বিবাহ) এবং দান (উদারহস্ত) দিয়ে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।[লিঙ্ক]

৩৪.
সংবিধানের কত ভাগে সরকারি কর্ম কমিশনের কথা উল্লেখ রয়েছে?
  1. অষ্টম ভাগ
  2. সপ্তম ভাগ
  3. নবম ভাগ
  4. দশম ভাগ
সঠিক উত্তর:
নবম ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নবম ভাগ
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের নবম ভাগে সরকারি কর্ম কমিশন উল্লেখ রয়েছে।
- অনুচ্ছেদ: ১৩৭ নং, সরকারি কর্ম কমিশন-প্রতিষ্ঠা,
- অনুচ্ছেদ: ১৩৮ নং, সরকারি কর্মকমিশন সদস্য-নিয়োগ,
- অনুচ্ছেদ: ১৩৯ নং, সরকারি কর্ম কমিশন পদের মেয়াদ,
- অনুচ্ছেদ: ১৪০ নং, সরকারি কর্ম কমিশনের দায়িত্ব,
- অনুচ্ছেদ: ১৪১ নং, সরকারি কর্ম কমিশনের বার্ষিক রিপোর্ট,

অপরদিকে,
- ষষ্ঠ ভাগে: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে: মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে: কর্ম কমিশন,
- দশম ভাগে: সংবিধান সংশোধন ও
- একাদশ ভাগে: বিবিধ বিষয়াবলি আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৩৫.
বাংলাদেশের গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয়েছিল কোন পার্লামেন্টারী ব্যবস্থার অনুসরণে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ব্রিটেন
  3. কানাডা
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
ব্রিটেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রিটেন
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ
- গণতন্ত্রায়ন প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যবর্তী স্থানে।
- ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের শেষে বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়েছেল ব্রিটেনের উদারনৈতিক পার্লামেন্টারী ব্যবস্থার অনুসরণে।
- ১৯৯০ সালে স্বৈরাচার সরকারের পতনের পর বাংলাদেশে গণতন্ত্রের নতুন যাত্রা শুরু হয়েছে।
- কিন্তু বাংলাদেশে প্রধান দু'টি রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মধ্যে সমঝোতার অভাবে বাংলাদেশের গণতন্ত্র সত্যিকারের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ এখনও গ্রহণ করতে পারেনি।
- তবে বাংলাদেশের মানুষের গণতন্ত্রের স্পৃহা প্রবল, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকার রয়েছে।

উৎস: এসএসএইচএল , সমাজ বিজ্ঞান, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৬.
বঙ্গ জনপদের কোন দুটি অঞ্চল প্রাচীন শিলালিপিতে উল্লেখ রয়েছে?
  1. গৌড় এবং রাঢ়
  2. বিক্রমপুর এবং নাব্য
  3. পুণ্ড্র এবং সমতট
  4. কলিঙ্গ এবং অঙ্গ
সঠিক উত্তর:
বিক্রমপুর এবং নাব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিক্রমপুর এবং নাব্য
ব্যাখ্যা

বঙ্গ জনপদ :
- বঙ্গ একটি অতি প্রাচীন জনপদ।
- বর্তমান বাংলাদেশের পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বঙ্গ জনপদ নামে একটি অঞ্চল গড়ে উঠেছিল।
- অনুমান করা হয়, এখানে বঙ্গ বলে একটি জাতি বাস করতো। তাই জনপদটি পরিচিত 'বঙ্গ' নামে।
- প্রাচীন শিলালিপিতে বঙ্গের দুটি অঞ্চলের নাম পাওয়া যায়-একটি বিক্রমপুর ও আরেকটি নাব্য।
- ধারণা করা হয়, ফরিদপুর, বাখেরগঞ্জ ও পটুয়াখালির নিচু জলাভূমি এ নব্য অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- বঙ্গ রাজ্যে পাঁচজন রাজার নাম পাওয়া যায়। তারা হলেন ধর্মাদীপ্ত, দ্বাদশাদীপ্ত, সুধন্যাদীপ্ত, গোপচন্দ্র এবং সমাচার দেব।

• সমতট:
- পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় বঙ্গের পাশাপাশি সমতটের অবস্থান।
- সমতটের রাজধানী বড় কামতা এবং দেবপর্বত কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ে অবস্থিত।
- গঙ্গা-ভাগীরথীর পূর্ব তীর থেকে শুরু করে মেঘনার মোহনা পর্যন্ত সমুদ্রকূলবর্তী এলাকা এবং বর্তমান ভারতের ত্রিপুরার প্রাচীন অংশই সমতট।

• পুণ্ড্র:
- বর্তমান বগুড়া, রংপুর, রাজশাহী ও দিনাজপুর এলাকা নিয়ে এ পুণ্ড্র জনপদটির সৃষ্টি হয়েছিল।
- রাজধানীর নাম ছিল পুণ্ড্রনগর। পরবর্তীকালে এর নাম হয় মহাস্থানগড়। মহাস্থানগড় প্রাচীন পুঞ্জ নগরীর ধ্বংসাবশেষ বলে পণ্ডিতেরা মনে করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৩৭.
ক্র্যাক প্লাটুনের গেরিলা সদস্যরা মুক্তিযুদ্ধে কত নং সেক্টরে অধীন অংশ নেয়?
  1. ১০নং
  2. ৪নং
  3. ২নং
  4. ১নং
সঠিক উত্তর:
২নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২নং
ব্যাখ্যা

'ক্র্যাক প্লাটুন':
- মুক্তিযুদ্ধে স্বতন্ত্র গেরিলা দল যারা মূলত গণবাহিনীর অংশ।
- এই বাহিনী স্বাধীনতা যুদ্ধে ২ নং সেক্টরের অধীন অংশ নেয়।
- ক্র্যাক প্লাটুন গঠনে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিলেন খালেদ মোশাররফ এবং এটিএম হায়দার।
- ঢাকা শহরে এটি ৮২ টি অপারেশন পরিচালনা করে।
- এরা "হিট এন্ড রান" পদ্ধতিতে তাঁদের অপারেশন পরিচালনা করতো।
- এই প্লাটুনের অন্যতম সদস্য ছিলেন:
- শহীদ জননী জাহানার ইমাম, শহীদ রুমি ইমাম, আলতাফ মাহমুদ, পপ সম্রাট আজম খান প্রমুখ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, মুক্তিযুদ্ধ ই-আর্কাইভস, দ্যা দেইলি স্টার বাংলা।

৩৮.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের প্রথম স্তর-
  1. সচিবালয়
  2. মাঠ প্রশাসন
  3. মন্ত্রণালয়
  4. সংসদ ভবন
সঠিক উত্তর:
সচিবালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সচিবালয়
ব্যাখ্যা

প্রশাসনিক কাঠামো:
- বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো এর দুটি প্রধান স্তর আছে।
- প্রথম স্তরটি হলো কেন্দ্রীয় প্রশাসন (সচিবালয়)।
- দেশের সব ধরনের প্রশাসনিক নীতি ও সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় পর্যায়ে গ্রহণ করা হয়।
- আর কেন্দ্রীয় পর্যায়ে গৃহীত নীতি ও সিদ্ধান্ত মাঠ প্রশাসনের মাধ্যমে সারা দেশে বাস্তবায়িত হয়।

• বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের দ্বিতীয় স্তরটি হলো মাঠ প্রশাসন।
- মাঠ প্রশাসনের প্রথম ধাপ হলো বিভাগীয় প্রশাসন।
- দ্বিতীয় ধাপে রয়েছে জেলা প্রশাসন।
- জেলার পর আছে উপজেলা প্রশাসন। উপজেলা প্রশাসন একেবারে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত।
- মাঠ প্রশাসন মূলত কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়।

উল্লেখ্য,
- কয়েকটি মন্ত্রণালয় নিয়ে কেন্দ্রীয় প্রশাসন বা সচিবালয় গঠিত।
- প্রতি মন্ত্রণালয়ের সাথে সংযুক্ত আছে বিভিন্ন বিভাগ বা অধিদপ্তর।
- অধিদপ্তরের/দপ্তরের প্রধান হলেন মহাপরিচালক/পরিচালক।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি, ৬২ পৃষ্ঠা।

৩৯.
নতুন অধ্যাদেশ অনুযায়ী অর্থ মন্ত্রণালয়ের কয়টি বিভাগ করা হবে? [সেপ্টেম্বর,২০২৫]
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা

অর্থ মন্ত্রণাল:
• বর্তমানে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আওতায় রয়েছে চারটি বিভাগ-
- অর্থ বিভাগ, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি), অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ (এফআইডি)। - আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে 'রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ' বাস্তবায়ন করতে চায় সরকার।
- নতুন অধ্যাদেশ অনুযায়ী বিভাগ করা হবে ৫টি।
- নতুন পাঁচ বিভাগের মধ্যে অর্থ বিভাগ, ইআরডি ও এফআইডি থাকবে।বাদ পড়বে আইআরডি।
- তবে নতুন যুক্ত হবে রাজস্ব নীতি বিভাগ ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ।]

উৎস: প্রথম আলো।[লিঙ্ক]

৪০.
বর্তমানে বিএফআইডিসির মালিকানাধীন দেশে রাবার বাগান রয়েছে কতটি? [অক্টোবর,২০২৫]
  1. ২০টি
  2. ১৮টি
  3. ১৫টি
  4. ১৬টি
সঠিক উত্তর:
১৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮টি
ব্যাখ্যা

- বিএফআইডিসির মালিকানাধীন রাবার বাগান রয়েছে ১৮টি।

রাবার বাগান:

- বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে বৃটিশদের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রথম রাবার চাষ শুরু হয়।
- ১৯৫৯ সালে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) বাংলাদেশে রাবার চাষের সম্ভাব্যতা যাচাই করে।
- ১৯৬১ সালে সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় বাণিজ্যিকভাবে চট্টগ্রাম ও সিলেটের পার্বত্য এলাকায় রাবার চাষ শুরু করা হয়।
- বনবিভাগ ১৯৬০ সালে ২৮৭ হেক্টর জমিতে রাবার চাষের একটি পাইলট প্রকল্প গ্রহণ করে।
- উক্ত প্রকল্পের আওতায় কক্সবাজারের রামুতে ৩০ একর এবং চট্টগ্রামের রাউজানে ১০ একর মোট ৪০ একর বাগান সৃষ্টির মাধ্যমে এদেশে রাবার চাষের যাত্রা শুরু হয়।
- বিএফআইডিসির মালিকানাধীন রাবার বাগান রয়েছে ১৮টি।


উৎস: বাংলাদেশ রাবার বোর্ড ওয়েবসাইট।[লিঙ্ক]

৪১.
কোন শাসকের পরাজিত করার পর সমগ্র বাংলা অঞ্চলে মুঘল সুবাদারি প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. পাল বংশ
  2. বারোভূঁইয়া
  3. সেন বংশ
  4. কাররানি বংশ
সঠিক উত্তর:
বারোভূঁইয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বারোভূঁইয়া
ব্যাখ্যা

• বাংলায় মুঘল শাসন (১৫৭৬-১৭৫৭ সাল):
- সুবাদারি ও নবাবি-এ দুই পর্বে বাংলায় মুঘল শাসন অতিবাহিত হয়।
- বারোভূঁইয়াদের পরাজিত করার পর সমগ্র বাংলা অঞ্চলে মুঘল সুবাদারি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মুঘল প্রদেশগুলো 'সুবা' নামে পরিচিত ছিল।
- বাংলা ছিল মুঘলদের অন্যতম সুবা। সতেরো শতকের প্রথম দিক থেকে আঠারো শতকের শুরু পর্যন্ত ছিল সুবাদারি শাসনের স্বর্ণযুগ।
- সম্রাট আওরঙ্গজেবের পর দিল্লির দুর্বল উত্তরাধিকারীদের সময়ে মুঘল শাসন শক্তিহীন হয়ে পড়ে।
- এ সুযোগে বাংলার সুবাদারগণ প্রায় স্বাধীনভাবে বাংলা শাসন করতে থাকেন।
- মুঘল আমলের এই যুগ 'নবাবি আমল' নামে পরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৪২.
২০২৫ সালে নজরুল পুরস্কার পেয়েছেন-
  1. ইরশাদ আহমেদ শাহীন ও রুমী আজনবী
  2. নাসিম আহমেদ ও আবদুল হাই শিকদার
  3. আনোয়ারুল হক ও শবনম মুশতারী
  4. আনোয়ারুল হক ও মোহাম্মদ আজম
সঠিক উত্তর:
আনোয়ারুল হক ও শবনম মুশতারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আনোয়ারুল হক ও শবনম মুশতারী
ব্যাখ্যা

নজরুল পুরস্কার-২০২৫:
- ২০২৫সালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৬তম জন্মবার্ষিকী ছিল।
- এ বছর পুরস্কার পেয়েছেন নজরুল গবেষক অধ্যাপক আনোয়ারুল হক এবং নজরুল সংগীতশিল্পী শবনম মুশতারী।
- বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক।
- মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম।
- ২০২২ সালে বাংলা একাডেমি নজরুল পুরস্কার চালু করে।
- পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয় ২ লাখ টাকার চেক, সম্মাননাপত্র, সম্মাননা-স্মারক এবং পুষ্পস্তবক।

উৎস: বাংলা একাডেমী ওয়েবসাইট।

৪৩.
বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণ হবে কবে?
  1. ১ নভেম্বর, ২০২৬
  2. ২৪ নভেম্বর, ২০২৬
  3. ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  4. ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সঠিক উত্তর:
২৪ নভেম্বর, ২০২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ নভেম্বর, ২০২৬
ব্যাখ্যা

স্বল্পোন্নত দেশ:
- ২০১৮ সালে বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণপ্রক্রিয়ায় প্রবেশ করে।
- সাধারণত ৬ বছরে এ প্রক্রিয়া শেষ হয়।
- কিন্তু কোভিডের কারণে বাংলাদেশসহ অন্য দেশকে আরও দুই বছর সময় দেওয়া হয়।
- ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর এলডিসি থেকে বের হবে বাংলাদেশ।
- সম্প্রতি, স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের নির্ধারিত সময়সীমা পিছিয়ে দেওয়ার দাবি তুলেছেন ব্যবসায়ীরা।

উৎস: প্রথম আলো।[লিঙ্ক]

৪৪.
বাংলাদেশের প্রথম সিমেন্ট কারখানা-
  1. শাহ সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড
  2. লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট কারখানা
  3. ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি
  4. মেঘনা সিমেন্ট মিলস লিমিটেড
সঠিক উত্তর:
ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি
ব্যাখ্যা

• ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী:
- দেশের প্রথম সিমেন্ট কারখানা ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড।
- ছাতক সিমেন্ট কোং লিঃ, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে অবস্থিত দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা।
- এটি ১৯৩৭ সনে আসাম বেঙ্গল সিমেন্ট কোম্পানী নামে ব্যক্তি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত।
- ১৯৬৫ সনে পাক-ভারত যুদ্ধের পর ব্যক্তি মালিক কর্তৃক কারখনাটি পরিত্যক্ত হয়।
- পরে ১৯৬৬ সন হতে উহা ইপিআইডিসি'র নিয়ন্ত্রনে আসে।
- বাংলাদেশের স্বাধীন হওয়ার পর প্রথমে বিএমওজিসি, বিএমইডিসি ।
- এবং সর্বশেষ ১৯৮২ সালের ১লা জুলাই থেকে বিসিআইসি'র নিয়ন্ত্রণে আসে।

অপরদিকে,
- লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট কারখানা:
- ছাতক লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট ফ্যাক্টরি বাংলাদেশে তথা এশিয়া মহাদেশের অন্যতম মাল্টি-ন্যাশনাল কোম্পানি।
- ২০০০ সালের পর উক্ত কোম্পানি টি প্রতিষ্ঠিত হয়

উৎস: বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন।

৪৫.
গৌড়ের ’ছোট সোনামসজিদ' কার শাসনামালে নির্মিত হয়েছিল?
  1. ফকরুদ্দিন মোবারক শাহ
  2. নুসরাত শাহ
  3. আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
  4. ইলিয়াস শাহ
সঠিক উত্তর:
আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
ব্যাখ্যা

ছোট সোনামসজিদ:
- গৌড় শহরের দক্ষিণ প্রান্তে বর্তমান ফিরোজাবাদ গ্রামে 'ছোট সোনামসজিদ' নির্মিত হয়েছিল।
- এ মসজিদটি ছিল আকারে ছোট। তবে এ মসজিদেও সোনালি রঙের গিলটির কারুকার্য ছিল।
- সম্ভবত এ কারণেই এটি ছোট সোনা মসজিদ নামে পরিচিত।
- আলাউদ্দিন হুসেন শাহের আমলে জনৈক ওয়ালি মুহাম্মদ এটির নির্মাতা ছিলেন।

উল্লেখ্য,
- বড় সোনা মসজিদের আর এক নাম 'বারোদুয়ারী মসজিদ'।
- এতে বৃহৎ বারোটি দরজা ছিল। এ মসজিদে সোনালি রঙের গিলটি করা কারুকার্য ছিল।
- সম্ভবত এজন্যই এটি সোনা মসজিদ নামে অভিহিত হতো। এ মসজিদটি গৌড়ের বৃহত্তম মসজিদ।
- আসাম বিজয়কে স্মরণীয় করে রাখার জন্য হুসেন শাহ এ মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন।
- ১৫২৭ সালে নসরত শাহ এর নির্মাণ কাজ শেষ করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৪৬.
’’আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’’ গানটির বর্তমান সুরকার কে?
  1. আব্দুল লতিফ
  2. প্রিন্স মাহমুদ
  3. আব্দুর জব্বার
  4. আলতাফ মাহমুদ
সঠিক উত্তর:
আলতাফ মাহমুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলতাফ মাহমুদ
ব্যাখ্যা

একুশে ফেব্রুয়ারি গান:
- ’’আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি”
- গানটির বর্তমান সুরকার- আলতাফ মাহমুদ।
- গানটির রচয়িতা আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী।
- এই গানটি প্রথম হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত 'একুশে ফেব্রুয়ারি' (১৯৫৩) গ্রন্থে সংকলিত হয়।
- গানটির প্রথম সুরকার ছিলেন আবদুল লতিফ।
- ঢাকা কলেজের নতুন নতুন ছাত্র ইউনিয়নের অভিষেক অনুষ্ঠানে গানটি প্রথম গাওয়া হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও ডেইলী স্টার,।

৪৭.
ত্রিপুরারা বর্ষবরণ উৎসবকে কী নামে অভিহিত করে?
  1. বৈসু
  2. সাজিবু চেইরাওবা
  3. ওয়ানগালা
  4. লাইহারাওবা
সঠিক উত্তর:
বৈসু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈসু
ব্যাখ্যা

- ত্রিপুরারা বর্ষবরণ উৎসবকে বৈসু নামে অভিহিত করে।

বৈসাবি:
- বৈসাবি বাংলাদেশে তিন আদিবাসী জাতিগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব।
- বৈসু, সাংগ্রাই, বিজু এই তিন নামের আদ্যাক্ষর নিয়ে বৈসাবি নামের উৎপত্তি।
- তারা বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পালন করে বাংলা নববর্ষ।
- আদিবাসীরা বর্ষবরণ উৎসব পালন করে বিভিন্ন নামে।
- কেউ বৈসু, কেউ সাংগ্রাই আবার কেউ বিজু।
- বর্ষবরণ উৎসবকে ত্রিপুরারা বৈসু, মারমারা সাংগ্রাই ও চাকমারা বিজু বলে অভিহিত করে।
- এবং এগুলি বৈসাবি নামে পরিচিত।
- সাধারণত বছরের শেষ দুইদিন এবং নতুন বছরের প্রথম দিন বর্ষবরণ উৎসব বৈসাবি পালিত হয় বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায়।

অন্যদিকে,
- মণিপূরীরা পূর্বের ধর্মীয় অনুষ্ঠান লাইহারাওবা (Laiharaoba), সাজিবু চেইরাওবা (Sajibu Chairaoba) ইত্যাদিও পালন করে।
- গারোদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান ওয়ানগালা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৪৮.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা-
  1. ঠাকুরগাঁও
  2. মৌলভীবাজার
  3. দিনাজপুর
  4. ঝিনাইদহ
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪:
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- চা উৎপাদনে দ্বিতীয় শীর্ষ জেলা হবিগঞ্জ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ সিলেট।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪।

৪৯.
স্বদেশী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে কোন তথ্যটি সঠিক?
  1. বিদেশি শিল্পকারখানা প্রতিষ্ঠিত হয়
  2. বিলেতি শিক্ষা গ্রহন করা হয়
  3. বিলেতি পণ্য বর্জন
  4. হিন্দু-মুসলমানের হাজার বছরের সম্পর্কের উন্নতি ঘটে
সঠিক উত্তর:
বিলেতি পণ্য বর্জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিলেতি পণ্য বর্জন
ব্যাখ্যা

স্বদেশী আন্দোলন:
- ব্রিটিশ সরকারের বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন ব্যর্থ হবার পর বিপ্লবী তৎপরতার মাধ্যমে যে আন্দোলন গড়ে ওঠে, তাকেই স্বদেশি আন্দোলন বলা হয়।
- এ আন্দোলনের মূল কর্মসূচি ছিল দুইটি-বয়কট ও স্বদেশী।
- 'বয়কট' আন্দোলনের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল বিলেতি পণ্য বর্জন।
- বয়কট শুধু বিলেতি পণ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না, বিলেতি শিক্ষা বর্জনও কর্মসূচিতে যুক্ত হয়।
- এই আন্দোলনের আরেকটি ইতিবাচক দিক হচ্ছে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি।
- এর ফলে দেশি শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও কলকারখানা স্থাপনের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পায়।
- বাংলার ধনী ব্যক্তিরা কলকারখানা স্থাপন করতে থাকেন।

• স্বদেশি আন্দোলনের অন্যতম দিক হচ্ছে, এই আন্দোলনের কারণে হিন্দু-মুসলমানের হাজার বছরের সম্পর্কের অবনতি ঘটে।
- বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে যে ভাঙন শুরু হয় স্বদেশি আন্দোলনের মাধ্যমে তা আরো তিক্ত হয়।
- ফলে সম্পর্কের এই ভাঙন এতদঞ্চলের রাজনীতি, সমাজ ও জাতীয় কর্মকাণ্ডের সকল ক্ষেত্রে সর্বাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে থাকে,
- যা শেষ হয় ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের মধ্য দিয়ে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৫০.
Ballon d'Or 2025-এ বর্ষসেরা পুরুষ খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন কে?
  1. উসমান দেম্বেলে
  2. কিলিয়ান এমবাপ্পে
  3. ভিনিসিয়ুস জুনিয়র
  4. লামিনে ইয়ামাল
সঠিক উত্তর:
উসমান দেম্বেলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উসমান দেম্বেলে
ব্যাখ্যা

ব্যালন ডি'অর:
- ফুটবলারদের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কার হলো ব্যালন ডি'অর।
- ফুটবল বিষয়ক সাময়িকী 'ফ্রান্স ফুটবল' এই সম্মাননা দিয়ে থাকে।
- ১৯৫৬ সালে এর যাত্রা শুরু হয়েছিল।
- ফিফা ব্যালন ডি'অর পুরস্কারটি ২০১০ সাল থেকে প্রবর্তিত হয়েছে।
- ২০২৫ সালে ৬৯তম ব্যালন ডি'অর অনুষ্ঠিত হয়।

⇒ Ballon d'Or 2025:
- বর্ষসেরা পুরুষ খেলোয়াড়: উসমান দেম্বেলে (পিএসজি, ফ্রান্স)।
- বর্ষসেরা নারী খেলোয়াড়: আইতানা বোনমাতি (বার্সেলোনা, স্পেন)।
- বর্ষসেরা পুরুষ কোচ: লুইস এনরিকে (পিএসজি)।
- বর্ষসেরা নারী কোচ: সারিনা ভিগমান (ইংল্যান্ড)।
- বর্ষসেরা পুরুষ গোলকিপার (ইয়াসিন ট্রফি): জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মা (ম্যানচেস্টার সিটি, ইতালি)।
- বর্ষসেরা নারী গোলকিপার (ইয়াসিন ট্রফি): হান্না হাম্পটন (চেলসি, ইংল্যান্ড)।
- কোপা ট্রফি (পুরুষ): লামিনে ইয়ামাল (বার্সেলোনা)
- কোপা ট্রফি (নারী): ভিকি লোপেজ (বার্সেলোনা, স্পেন)
- সক্রেটিস অ্যাওয়ার্ড: জানা ফাউন্ডেশন।
- বর্ষসেরা পুরুষ ক্লাব: পিএসজি।
- বর্ষসেরা নারী ক্লাব: আর্সেনাল।

উৎস: i) Goal.com.
ii) FIFA.

৫১.
নিম্নের কোন দেশটি বলকান অঞ্চলে অবস্থিত?
  1. ডেনমার্ক
  2. গ্রিস
  3. সুইডেন
  4. স্পেন
সঠিক উত্তর:
গ্রিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রিস
ব্যাখ্যা

• বলকান (Balkan) দেশসমূহ: আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, ক্রোয়েশিয়া, গ্রিস, কসোভো, মন্টিনিগ্রো, উত্তর মেসিডোনিয়া, রোমানিয়া, সার্বিয়া, স্লোভেনিয়া।
• নর্ডিক অঞ্চলভূক্ত দেশ ৫টি। যথা: আইসল্যান্ড, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড।
• স্ক্যান্ডেনেভিয়ান রাষ্ট্র মূলত ৩টি। যথা: নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্ক।
• আইবেরীয় (Iberian) দেশসমূহ: স্পেন, পর্তুগাল, এন্ডোরা, জিব্রাল্টার।

উৎস: i) Britannica.
ii) Worldatlas.

৫২.
কোরিয়া সংকটকে কেন্দ্র করে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে কোন রেজ্যুলেশন গৃহীত হয়?
  1. 181
  2. 222
  3. 307
  4. 377
সঠিক উত্তর:
377
উত্তর
সঠিক উত্তর:
377
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ:
- ১৯৫০ সালের ৩ নভেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ কোরিয়া সংকটকে কেন্দ্র করে শান্তির জন্যে ঐক্য প্রস্তাব গ্রহণ করে।
- এটি সাধারণ পরিষদের 377 A(V) রেজ্যুলেশন নামে পরিচিত।

⇒ কোরীয় যুদ্ধ:
- যুদ্ধ সংঘটনকাল: ২৫ জুন, ১৯৫০- ২৭ জুলাই, ১৯৫৩ সাল।
- বিবাদমান পক্ষসমূহ: সোভিয়েত ইউনিয়ন ও চীনের সমর্থিত - উত্তর কোরিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদের সমর্থিত - দক্ষিণ কোরিয়া।
- যুদ্ধের ফলাফল: কোরিয়া সংকটকালীন সময়ে ১৯৫০ সালের ৩ নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ শান্তির জন্য ঐক্য” (Uniting for Peace) প্রস্তাব পাশ করে এবং উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা চালায়।
- এ যুদ্ধের প্রেক্ষিতে জাতিসংঘ ৩ নভেম্বর, ১৯৫০ সালে 'Uniting for peace resolution' পাশ করে।
- অবশেষে ২৭ জুলাই, ১৯৫৩ সালে কোরীয় যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।

উৎস: UN ওয়েবসাইট। [link]

৫৩.
প্রাচীন বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য বর্তমান কোন দেশে অবস্থিত?
  1. তুরস্ক
  2. মেক্সিকো
  3. মিশর
  4. পেরু
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
ব্যাখ্যা

বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য:
- বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য আনুমানিক ৩৯৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৪৫৩ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বিদ্যমান ছিল।
- ১৫ শতকে অটোমান তুর্কি আক্রমণে পতনের আগে এটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান সভ্যতায় পরিণত হয়েছিল।
- বাইজেনটাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল কনস্টান্টিনোপল।
- বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য ভূমধ্যসাগরের আশেপাশের বেশিরভাগ ভূমি জুড়ে ছিল, যার মধ্যে বর্তমানে ইতালি, গ্রীস এবং তুরস্ক এবং উত্তর আফ্রিকা জুড়ে বিস্তৃত।

⇒ প্রাচীন বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য বর্তমান তুরস্কে অবস্থিত।
- কনস্টান্টিনোপল আধুনিক তুরস্কের একটি প্রাচীন শহর যা এখন ইস্তাম্বুল নামে পরিচিত।
- খ্রিস্টপূর্ব ৭৫৩ সালে ইতালির টাইবার নদীর তীরে রোম নগরী স্থাপিত হয়।
- এই নগরীর গোড়াপত্তন করেন রোমাস ও রমুলাস নামে দুই ভাই।
- প্রথম দিকে ছিল এটা একটি বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।
- ক্রমে গ্রিক সভ্যতার পতন ৪৭৬ (খ্রি.) ঘটলে এই রোম সমগ্র ইতালি ও ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল দখল করে এক বিশাল রোমান সাম্রাজ্য গড়ে তোলে।

উল্লেখ্য,
- এই বিশাল সাম্রাজ্য শাসনের জন্য রোমান সম্রাট কনস্টানটাইন কৃষ্ণসাগর তীরবর্তী বাইজান্টিয়াম নামক স্থানে দ্বিতীয় রাজধানী কনস্টান্টিনোপল প্রতিষ্ঠা করেন।
- এই নামকরণ করা হয়েছিল সম্রাট কনস্টানটাইনের নামানুসারে।

উৎস: i) History.com
ii) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৪.
ARTICLE 19 কোন দেশভিত্তিক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. ফ্রান্স
  4. নেদারল্যান্ডস
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

ARTICLE 19:
- ARTICLE 19 যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা।
- প্রতিষ্টিত হয়: ১৯৮৭ সালে।
- সদরদপ্তর: লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
- এটি বিশ্বব্যাপী মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং তথ্যের স্বাধীনতা রক্ষা ও প্রচারের জন্য কাজ করে।

⇒ সংস্থাটির নাম 'ARTICLE 19' এসেছে মূলত মহাদেশীয় মানবাধিকার সংক্রান্ত জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক সনদের ১৯ নং ধারার (Article 19 of the Universal Declaration of Human Rights) উপর ভিত্তি করে যা প্রতিটি মানুষকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও তথ্যের অধিকার নিশ্চিত করে।

উৎস: i) ARTICLE 19 ওয়েবসাইট।
ii) Citizen's Platform for SDGs, Bangladesh ওয়েবসাইট।

৫৫.
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রতিটি রাষ্ট্র সর্বোচ্চ কত জন প্রতিনিধি পাঠাতে পারে?
  1. ৩ জন
  2. ৫ জন
  3. ৮ জন
  4. ১১ জন
সঠিক উত্তর:
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ:
- সাধারণ পরিষদ জাতিসংঘের প্রধান অঙ্গ সংস্থা।
- জাতিসংঘের সব সদস্য এ পরিষদের সদস্য।
- বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি।
- বাৎসরিকভাবে এ পরিষদের অধিবেশন বসে যা সাধারণ অধিবেশন নামে পরিচিত।
- সাধারণত সেপ্টেম্বর মাসের ৩য় মঙ্গলবার নিউইয়র্কে সাধারণ পরিষদের অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- জাতিসংঘ সনদের চতুর্থ অধ্যায় (৯ - ২২ নং অনুচ্ছেদ) এ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে।

⇒ জাতিসংঘ সনদের ৯ নং ধারা অনুসারে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রতিটি রাষ্ট্র সর্বোচ্চ ৫ জন প্রতিনিধি পাঠাতে পারে
- এই প্রতিনিধির মধ্যে সাধারণত একটি প্রধান প্রতিনিধি (অধিকাংশ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপ্রধান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী বা রাষ্ট্রদূত) এবং সহকারী প্রতিনিধি থাকতে পারে।
- তবে, প্রয়োজন অনুযায়ী, দেশটি আরও প্রতিনিধির উপস্থিতির অনুমতি পেতে পারে, তবে ৫ জনের বেশি প্রতিনিধির অনুমতি নেই।

উৎস: UN General Assembly ওয়েবসাইট।

৫৬.
নেপালে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজতন্ত্র বিলুপ্ত হয় কত সালে?
  1. ২০০৬ সালে
  2. ২০০৭ সালে
  3. ২০০৮ সালে
  4. ২০০৯ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৮ সালে
ব্যাখ্যা

নেপাল:
- নেপাল দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ।
- রাজধানী: কাঠমান্ডু।
- মুদ্রা: নেপালি রুপি।
- ভাষা: নেপালি।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: কে পি শর্মা ওলি।
- বর্তমান রাষ্ট্রপতি: রাম চন্দ্র পাওদেল।
- নেপালের আইনসভার নাম পার্লামেন্ট।
- নেপালের আইনসভা দ্বিকক্ষবিশিষ্ট।

⇒ ১৭৬৮ সালে পৃথ্বী নারায়ণ শাহ কাঠমান্ডু জয় করেন ও ঐক্যবদ্ধ একটি রাজ্যের ভিত্তি স্থাপন করেন।
- ১৭৬৯ সালে নেপালে রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। নেপালের ১ম রাজা ছিলেন পৃথ্বী নারায়ণ শাহ।
- নেপালের সর্বশেষ রাজা ছিলেন রাজা জ্ঞানেন্দ্র বীর বিক্রম শাহ দেব। তিনি রাজা বীরেন্দ্রের হত্যার পর সিংহাসনে আরোহণ করেন। তিনি সর্বশেষ হিন্দু রাজাও ছিলেন।

⇒ ২৮ মে, ২০০৮-এ, নবনির্বাচিত গণপরিষদ নেপালকে একটি ফেডারেল ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক ঘোষণা করে।
- এভাবে ২৪০ বছরের পুরোনো রাজতন্ত্র বিলুপ্ত করে।

উৎস: Britannica.

৫৭.
আলাস্কাকে রাশিয়া থেকে পৃথক করেছে কোনটি?
  1. ম্যাগেলান প্রণালী
  2. বেরিং প্রণালী
  3. মালাক্কা প্রণালী
  4. ডোভার প্রণালী
সঠিক উত্তর:
বেরিং প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেরিং প্রণালী
ব্যাখ্যা

বেরিং প্রণালি:
- 'বেরিং প্রণালি' এশিয়া ও উত্তর আমেরিকাকে পৃথক করেছে।
- প্রণালিটি আর্কটিক মহাসাগরকে বেরিং সাগরের সাথে সংযুক্ত করেছে।
- উত্তর আমেরিকার কিছুটা দূরে উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত আলাস্কাকে বেরিং প্রণালী রাশিয়ার থেকে পৃথক করেছে, যেটির সবচেয়ে সরু অংশ ৫০ মাইলের কিছুটা বেশি চওড়া।

উল্লেখ্য,
- মি. বেরিং এর নেতৃত্বে ১৭৪১ সালে পরিচালিত আরেকটি অভিযান সফল হওয়ায় আলাস্কা উপকূলে মানুষ পাঠানো হয়।
- তবে ঊনবিংশ শতকের দিকে ব্রিটিশ এবং আমেরিকান পশম ব্যবসায়ীরা রাশিয়ানদের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ওঠে। ১৮২৪ সালে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতার নিরসন হয় যখন রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের সাথে পৃথক চুক্তি স্বাক্ষর করে।
- সামুদ্রিক ভোঁদড়ের প্রায় বিলুপ্তি এবং ক্রিমিয়ান যুদ্ধের (১৮৫৩ - ৫৬) রাজনৈতিক প্রভাবে রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আলাস্কা বিক্রি করতে রাজি হয়।
- ১৯৫৯ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে আলাস্কা যুক্তরাষ্ট্রের ৪৯তম অঙ্গরাজ্যে পরিণত হয়।
- আলাস্কার রাজধানী জুনো যুক্তরাষ্ট্রের একমাত্র রাজধানী যেখানে শুধু নৌকা বা বিমানে পৌঁছানো যায়।

অন্যদিকে -
- মালাক্কা প্রণালী দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াতে মালয় উপদ্বীপ এবং ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের মধ্যে অবস্থিত।
- ডোভার প্রণালী গ্রেট ব্রিটেন দ্বীপকে ফ্রান্স থেকে পৃথক করেছে। এটি ইংলিশ চ্যানেল তথা আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে উত্তর সাগরকে যুক্ত করেছে।
- ম্যাগেলান প্রণালী দক্ষিণ আমেরিকার দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত এবং এটি আটলান্টিক মহাসাগরকে প্রশান্ত মহাসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করে।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.

৫৮.
সর্বশেষ জি-৭ সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছে? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. ইতালি
  2. জাপান
  3. কানাডা
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কানাডা
ব্যাখ্যা

G-7:
- G-7 এর পূর্ণরূপ: Group of Seven.
- এটি বিশ্বের শিল্পোন্নত ৭টি দেশের আন্তঃরাষ্ট্রীয় জোট।
- এটি বিশ্বের ধনী দেশগুলোর সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৫ নভেম্বর, ১৯৭৫ সালে।
- জি-৭ গঠনের প্রস্তাবক দেশ ছিল ফ্রান্স।
- G-7 এর বর্তমান সদস্য রাষ্ট্র ৭টি।
- জি-৭ এর বর্তমান সদস্য দেশ গুলো হলো: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান ও কানাডা।
- এই সংস্থার একমাত্র এশীয় দেশ জাপান।

উল্লেখ্য,
- পূর্বে এর সদস্য সংখ্যা ছিল ৮টি।
- তবে ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া ইস্যুতে রাশিয়ার সদস্যপদ স্থগিত থাকায় বর্তমানে এটি G-7 নামে পরিচিত।

⇒ ৫১তম G-7 শীর্ষ সম্মেলন:
- ১৫-১৭ জুন, ২০২৫ ৫১তম G-7 শীর্ষ সম্মেলন কানাডার আলবার্টার কানানাস্কিস রিসোর্টে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- ১ জানুয়ারি, ২০২৫ থেকে, কানাডা G-7-এর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ২০২৫ সালের G-7 সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেছে।

উৎস: G-7 ওয়েবসাইট।

৫৯.
১৯৬৯ সালে রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে কোন জোটটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. আরব লীগ
  2. ওআইসি
  3. সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন
  4. ওপেক
সঠিক উত্তর:
ওআইসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওআইসি
ব্যাখ্যা

OIC:
- OIC-এর পূর্ণরূপ: The Organisation of Islamic Cooperation.
- এটি একটি ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা।
- এটি মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট।
- গঠিত হয়: ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯ সালে রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে কোন জোটটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?, মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে।
- প্রথম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়: রাবাত, মরক্কো (১৯৬৯ সালে)।
- ১৯৭২ সালে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে ওআইসি।

⇒ প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ২৪টি।
- বর্তমান সদস্য: ৫৭টি।
- সদরদপ্তর: জেদ্দা, সৌদি আরব।
- বর্তমান মহাসচিব: ইব্রাহিম তাহা।
- এর অফিসিয়াল ভাষা: আরবি, ইংরেজি এবং ফরাসি।
- এতে পর্যবেক্ষক হিসেবে ওআইসির সঙ্গে যুক্ত আছে পাঁচটি দেশ (রাশিযা, বসনিযা, থাইল্যান্ড, সিএআর ও তুর্কি সাইপ্রাস) এবং সাতটি সংগঠন ও সংস্থা।

⇒ ১৯৬৯ সালের ২১ আগস্ট জেরুজালেমের পবিত্র মসজিদুল আকসায় অগ্নিসংযোগ করে ইসরায়েল।
- সমগ্র মুসলিম বিশ্বে প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে এ সময় ১৪টি আরব দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা মিসরের রাজধানী কায়রোতে এক বৈঠকে মিলিত হন।
- ওই বছরের ২২-২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোর রাবাতে ২৫টি মুসলিম বিশ্বের রাষ্ট্রপ্রধানদের নিয়ে এক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- সম্মেলনে সব রাষ্ট্রের প্রতিনিধির সিদ্ধান্তে ২৫ সেপ্টেম্বর ওআইসি গঠন করা হয়।
- মূলত আল-আকসা মসজিদে ইসরায়েলের অগ্নিকান্ডের প্রেক্ষিতে ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর ওআইসি গঠন করা হয়।
- ২০১১ সালের ২৮ জুন ইসলামী সম্মেলন সংস্থার নাম পরিবর্তন করে ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা (Organization of Islamic Co-operation) রাখা হয়।

উৎস: i) OIC ওয়েবসাইট।
ii) Anadolu Ajansı.

৬০.
মিশরীয়রা কয়টি ব্যঞ্জনবর্ণের বর্ণমালা আবিষ্কার করে?
  1. ১৮টি
  2. ২২টি
  3. ২৪টি
  4. ২৬টি
সঠিক উত্তর:
২৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪টি
ব্যাখ্যা

মিশরীয় সভ্যতা:
- মিশরীয় সভ্যতার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল লিপি বা অক্ষর আবিষ্কার।
- নগর সভ্যতা বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে মিশরীয় লিখনপদ্ধতির উদ্ভব ঘটে।
- পাঁচ হাজার বছর পূর্বে তারা সর্বপ্রথম ২৪টি ব্যঞ্জনবর্ণের বর্ণমালা আবিষ্কার করে।
- প্রথম দিকে ছবি এঁকে তারা মনের ভাব প্রকাশ করত।
- এই লিখন পদ্ধতির নাম ছিল চিত্রলিপি।
- এই চিত্রলিপিকে বলা হয় ‘হায়ারােগ্লিফিক' বা পবিত্র অক্ষর।

উল্লেখ্য,
- লেখার কাজে কালি প্রথম ব্যবহার শুরু করে মিশরীয়রা।
- খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০০ শতকে মিশরীয়রা লেখার জন্য কালির ব্যবহার শুরু করলে এটি লেখালেখির আদর্শ অনুষঙ্গে পরিণত হয়।
- লেখার জন্য মিশরীয়রা প্যাপিরাস নামের একধরনের কাগজ ব্যবহার করত।
- এরপর ওই প্যাপিরাসের উপযোগী করে কালিও তৈরি করত তারা।
- এই কালি তৈরি হতো হাড়ের গুঁড়ো থেকে।
- পুরোপুরি কালো রঙের অমোচনীয় কালির উদ্ভাবন ঘটে চীনের হার্ন রাজবংশের শাসনামলে।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) প্রথম আলো।

৬১.
সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা (SCO)-এর সদস্য দেশের সংখ্যা কত? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. ৮টি
  2. ৬টি
  3. ১১টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
১০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০টি
ব্যাখ্যা

সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা:
- সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা (SCO) হলো একটি ইউরেশীয় রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সংস্থা।
- এর মূল লক্ষ্য আঞ্চলিক নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।
- গঠিত হয়: ১৫ জুন, ২০০১ সাল।
- সদরদপ্তর: বেইজিং, চীন।
- প্রতিষ্ঠিত সদস্য দেশ: ৬টি (চীন, রাশিয়া, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, তাজিকিস্তান এবং উজবেকিস্তান)।
- বর্তমান সদস্য দেশ: ১০টি (রাশিয়া, চীন, ভারত, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, পাকিস্তান, তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান, ইরান, বেলারুশ)।
- সর্বশেষ সদস্য: বেলারুশ।
- বর্তমান মহাসচিব: Nurlan Yermekbayev।
- ২টি পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র: আফগানিস্তান, মঙ্গোলিয়া।

উলেখ্য,
- ২০২৫ সালের Shanghai Cooperation Organisation (SCO)-এর ২৫তম শীর্ষ সম্মেলন চীনের তিয়ানজিন শহরে ৩১ আগস্ট -১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- এটি SCO-এর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সম্মেলন ছিল।
- সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং।

উৎস: Shanghai Cooperation Organisation ওয়েবসাইট।

৬২.
হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন বৈশ্বিক বাণিজ্যের কত শতাংশ তেল পরিবাহিত হয়?
  1. ২০ শতাংশ
  2. ৩১ শতাংশ
  3. ৪২ শতাংশ
  4. ৪৮ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
২০ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ শতাংশ
ব্যাখ্যা

হরমুজ প্রণালী:
- পারস্য উপসাগর থেকে ওমান উপসাগর ও ভারত মহাসাগরে জাহাজ প্রবেশের একমাত্র সমুদ্রপথ হলো হরমুজ প্রণালী।
- এর এক পাশে অবস্থিত আরব দেশগুলো, যাদের মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র রাষ্ট্রসমূহ, এবং অন্য পাশে রয়েছে ইরান।
- মধ্যপ্রাচ্য থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় তেল রপ্তানি করা হয় হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে।
- এর মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল যায় এশিয়া, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা এবং অন্যান্য জায়গায়।
- মার্কিন জ্বালানি তথ্য প্রশাসনের মতে, বিশ্বে প্রতিদিন ব্যবহৃত মোট তেলের প্রায় ২০ শতাংশ এই প্রণালী দিয়ে পরিবহন করা হয়।
- সংস্থাটি একে বিশ্বের 'সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেলবাহী চোকপয়েন্ট' হিসেবেও উল্লেখ করেছে।

উল্লেখ্য,
- পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে সংযুক্ত করেছে হরমুজ প্রণালি।
- এটি আরব উপদ্বীপ থেকে ইরানকে পৃথক করেছে।
- এই চ্যানেলটি ৩৪ কিলোমিটার দীর্ঘ।
- হরমুজ প্রণালির সবচেয়ে সরু অংশের প্রস্থ ৩৩ কিলোমিটার। সবচেয়ে প্রশস্ত অংশ ৯৫ কিলোমিটার।
- এই প্রণালীতে জাহাজ চলাচলের জন্য দুটো লেন রয়েছে এবং প্রতিটি লেন দুই মাইল প্রশস্ত।

⇒ বৈশ্বিক তেল–বাণিজ্যের অপরিহরণীয় পথ হচ্ছে হরমুজ প্রণালি।
- ইরানের উপকূলঘেঁষা এই চ্যানেলের মাধ্যমে জ্বালানি তেলসমৃদ্ধ পারস্য উপসাগর ও আরব সাগর সংযুক্ত হয়েছে। শুধু ইরানই নয়, পারস্য উপসাগরের তীরবর্তী সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন ও ইরানের জ্বালানি তেল রপ্তানির প্রায় পুরোটাই নির্ভর করে এ পথের ওপর।
- যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (ইআইএ) এক প্রতিবেদন অনুসারে, এ পথ দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ২ কোটি ১০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেল পরিবাহিত হয়, বৈশ্বিক বাণিজ্যের যা প্রায় ২০ শতাংশ।

উৎস: i) Britannica.
ii) Al Jazeera.

৬৩.
ন্যাটোতে বর্তমানে প্রতিরক্ষা খাতে সদস্যদের ব্যয়ের লক্ষ্য কত নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. জিডিপির ২%
  2. জিডিপির ৩.৫%
  3. জিডিপির ৪%
  4. জিডিপির ৫%
সঠিক উত্তর:
জিডিপির ৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিডিপির ৫%
ব্যাখ্যা

২০২৫ ন্যাটো ৭৬তম শীর্ষ সম্মেলন:
- ২০২৫ সালের ২৪-২৫ জুন নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অনুষ্ঠিত ৭৬তম ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- সম্মেলনে ন্যাটো সদস্য রাষ্ট্রগুলো ২০৩৫ সালের মধ্যে প্রতিরক্ষা ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা দ্বিগুণেরও বেশি বাড়িয়ে তাদের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশ নির্ধারণের ব্যাপারে একমত হয়েছে।
- ন্যাটোর গাইডলাইন অনুযায়ী, প্রতিটি দেশকে জিডিপির ৫ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করা উচিত।
- এই ৫ শতাংশের মধ্যে অন্তত ৩.৫ শতাংশ ব্যয় করা হবে সরাসরি প্রতিরক্ষার জন্য, বাকি অর্থ ব্যয় করা হবে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত "গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো," নাগরিক প্রস্তুতি, উদ্ভাবন এবং প্রতিরক্ষা শিল্প খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য।

উল্লেখ্য,
- এর পূর্বে প্রতিটি দেশকে জিডিপির ২ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করার বাধ্যবাধকতা ছিল।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

৬৪.
প্রথম জলবায়ু সম্মেলন (কপ-১) কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. জার্মানির বার্লিনে
  2. ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে
  3. দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে
  4. সুইডেনের স্টকহোমে
সঠিক উত্তর:
জার্মানির বার্লিনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মানির বার্লিনে
ব্যাখ্যা

কপ সম্মেলন (Cop Conference):
- COP-এর পূর্ণরূপ: Conference of the Parties.
- জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় ১৫৪টি দেশ ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়।
- এখানে আলোচনা করা হয় কিভাবে ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে আনার উপায় অর্জন করা উচিত এবং কী অগ্রগতি হয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করা।

⇒ প্রথম জলবায়ু সম্মেলন (কপ-১):
- প্রথম কপ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৯৫ সালে জার্মানির বার্লিন শহরে।
- ১৯৯৫ সালের ২ মার্চ - ৭ এপ্রিল জার্মানির বার্লিনে প্রথম কপ-১ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- ওই সম্মেলনে বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় যৌথ উদ্যোগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল।

এছাড়াও,
- ২০২৪ সালের নভেম্বরে আজারবাইজানের বাকুতে ২৯তম জলবায়ু সম্মেলন (COP-29) অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- কপ- ৩০ (COP-30) সম্মেলন ২০২৫ সালের নভেম্বরে ব্রাজিলের বেলেম ডো প্যারাকে অনুষ্ঠিত হবে।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

৬৫.
২০২৫ সালের জাতিসংঘের মানব উন্নয়ন সূচকে শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. ডেনমার্ক
  2. নরওয়ে
  3. ফিনল্যান্ড
  4. আইসল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
আইসল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসল্যান্ড
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের মানব উন্নয়ন সূচক (HDI):
- সর্বশেষ মে, ২০২৫-এ জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP) 'Human Development Report 2025' প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
- প্রতিবেদন অনুযায়ী বিশ্বে মানব উন্নয়ন সূচকে শীর্ষ দেশ: আইসল্যান্ড, সর্বনিম্নে র‍য়েছে সিয়েরা লিওন।
- বাংলাদেশের অবস্থান: ১৩০তম।

⇒ মানব উন্নয়ন সূচকে শীর্ষ দেশগুলো:
১. আইসল্যান্ড,
২. নরওয়ে,
৩. সুইজারল্যান্ড,
৪. ডেনমার্ক,
৫. জার্মানি।

উৎস: Human Development Report 2025.

৬৬.
বাংলাদেশ কত সালে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি প্রদান করে?
  1. ১৯৮৮ সালে
  2. ১৯৮৯ সালে
  3. ১৯৯০ সালে
  4. ১৯৯২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৮ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ১৯৮৮ সালে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি প্রদান করে।

ফিলিস্তিন:

- ফিলিস্তিন মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ।
- ভৌগোলিকভাবে এশিয়া মহাদেশের অন্তর্গত।
- এটি দুটি প্রধান অঞ্চলে বিভক্ত: পশ্চিম তীরে (West Bank) এবং গাজা উপত্যকা (Gaza Strip)।
- এটি বর্তমানে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে বিরোধের কারণে বেশ পরিচিত।

⇒ রাজধানী: ইস্ট জেরুজালেম, রামাল্লাহ।
- ফিলিস্তিনের আনুষ্ঠানিক রাজধানী ইস্ট জেরুজালেম (East Jerusalem) হিসেবে বিবেচিত। তবে, ইসরায়েল ১৯৬৭ সালে জেরুজালেমের পূর্ব অংশ দখল করে এবং তা নিজেদের রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করেছে। ফলে, জেরুজালেম শহর এখন ইসরায়েলের দখলে রয়েছে.
- ফিলিস্তিনের প্রশাসনিক কেন্দ্র বর্তমানে রামাল্লাহ (Ramallah) শহরে অবস্থিত, যা পশ্চিম তীরে (West Bank) অবস্থিত। রামাল্লাহ ফিলিস্তিনের বর্তমান সরকারের কার্যক্রম পরিচালনা করার স্থান এবং এটি অধিকাংশ ফিলিস্তিনী সংস্থার সদর দপ্তর।
- মুদ্রা: মিশরীয় পাউন্ড, ইসরাইলি শেকেল, জর্ডানীয় দিনার।
- সংবাদ সংস্থা: প্যালেস্টাইন নিউজ অ্যাজেন্সি (Wafa)।

উল্লেখ্য,
- স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র ঘোষণা করা হয় ১৫ নভেম্বর ১৯৮৮ সালে।
- ১৯৮৮ সালের ১৫ নভেম্বর আলজেরিয়ার রাজধানী আলজেয়ার্সে প্যালেস্টাইন ন্যাশনাল কাউন্সিলের সভায় এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল।
- ফিলিস্তিনের প্রয়াত নেতা ইয়াসির আরাফাত পবিত্র জেরুজালেমকে রাজধানী করে ১৯৬৭ সালের সীমারেখায় এই ঘোষণা দিয়েছিলেন।
- এর মাধ্যমে প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও) ইসরায়েল-ফিলিস্তিন বিরোধের দ্বিরাষ্ট্রীয় সমাধানের পক্ষে কাজ শুরু করে।
- স্বাধীন ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ আলজেরিয়া।
- বাংলাদেশ ১৯৮৮ সালে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- বিশ্বের ধনী দেশগুলোর জোট জি-৭-এর সদস্যদের মধ্যে প্রথম ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিল যুক্তরাজ্য, কানাডা ও ফ্রান্স।

উৎস: i) UN ওয়েবসাইট।
ii) Al Jazeera.

৬৭.
P = {2, q} হলে, P(P) কোনটি হবে?
  1. {{2, q}, {2}, {q}, ∅}
  2. { }
  3. {{2}, {q}}
  4. {{2}, {q}, {2, q}}
সঠিক উত্তর:
{{2, q}, {2}, {q}, ∅}
উত্তর
সঠিক উত্তর:
{{2, q}, {2}, {q}, ∅}
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: P = {2, q} হলে, P(P) কোনটি হবে?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
P = {2, q}

∴ P(P) = {{2, q}, {2}, {q}, ∅}

উল্লেখ্য যে,
n উপাদানবিশিষ্ট একটি প্রদত্ত সেটের উপসেটের সংখ্যা = 2n

৬৮.
৪ জন ব্যক্তিকে ৭টি সিটের সারিতে বসানোর কত উপায় রয়েছে?(একটি সিটে একজনই বসবে)
  1. ৮২০ উপায়
  2. ৮৪০ উপায়
  3. ৮৮০ উপায়
  4. ৭৬০ উপায়
সঠিক উত্তর:
৮৪০ উপায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৪০ উপায়
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৪ জন ব্যক্তিকে ৭টি সিটের সারিতে বসানোর কত উপায় রয়েছে?(একটি সিটে একজনই বসবে)

সমাধান:
প্রথম ব্যক্তি ৭টি উপায়ে বসতে পারে, দ্বিতীয় ব্যক্তি ৬টি উপায়ে বসতে পারে, তৃতীয় ব্যক্তি ৫টি উপায়ে বসতে পারে এবং চতুর্থ ব্যক্তি ৪টি উপায়ে বসতে পারে

এখন, মৌলিক নিয়ম অনুযায়ী, ৪ জন ব্যক্তিকে ৭টি সিটে এক সারিতে বসানোর মোট উপায় হবে (৭ × ৬ × ৫ × ৪) উপায়
= ৮৪০ উপায়।

৬৯.

  1. - 3
  2. - 1
  3. 3
  4. 1
সঠিক উত্তর:
1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:


সমাধান:

৭০.
একটি সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর প্রত্যেকটির দৈর্ঘ্য 2 মিটার বাড়ালে এর ক্ষেত্রফল 3√3 বর্গমিটার বেড়ে যায়। সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য কত?
  1. 9 মিটার
  2. 6 মিটার
  3. 2 মিটার
  4. 10 মিটার
সঠিক উত্তর:
2 মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2 মিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর প্রত্যেকটির দৈর্ঘ্য 2 মিটার বাড়ালে এর ক্ষেত্রফল 3√3 বর্গমিটার বেড়ে যায়। সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য কত?

সমাধান:
ধরি,
সমবাহু ত্রিভুজটির প্রত্যেক বাহুর দৈর্ঘ্য = a

তাহলে, সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (√3/4) a2 বর্গ একক

দৈর্ঘ্য 2 মিটার বাড়ালে, ক্ষেত্রফল = (√3/4) (a +2)2
= (√3/4) (a2 + 4a + 4) বর্গ একক

প্রশ্নমতে,
(√3/4) (a2 + 4a + 4) = (√3/4) a2 + 3√3
⇒ √3(a2 + 4a + 4) = √3a2 + 12√3
⇒ √3(a2 + 4a + 4) = √3(a2 + 12)
⇒ a2 + 4a + 4 = a2 + 12
⇒ 4a = a2 + 12 - a2 - 4
⇒ 4a = 8
∴ a = 2

অতএব, সমবাহু ত্রিভুজটির প্রত্যেক বাহুর দৈর্ঘ্য 2 মিটার।

৭১.
একটি বৃত্তের ক্ষেত্রফল 64π বর্গমিটার, পরিধি 16π মিটার হলে, ঐ বৃত্তটির ব্যাস কত?
  1. 12 মিটার
  2. 16 মিটার
  3. 18 মিটার
  4. 20 মিটার
সঠিক উত্তর:
16 মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
16 মিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি বৃত্তের ক্ষেত্রফল 64π বর্গমিটার, পরিধি 16π মিটার হলে, ঐ বৃত্তটির ব্যাস কত?

সমাধান:
আমরা জানি,
বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r
বৃত্তের ব্যাস = 2r
বৃত্তের পরিধি = 2πr
বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr2

শর্তমতে,
2πr = 16π মিটার
এবং, πr2 = 64π বর্গমিটার‌

এখন,
πr2/2πr = 64π/16π
বা, r/2 = 4
বা, r = 4 × 2
∴ r = 8

∴ বৃত্তের ব্যাস = 2r
= (2 × 8) মিটার
= 16 মিটার।

৭২.
4(s + 2) > 3s + 8 হলে, অসমতাটির সমাধান নির্ণয় করুন।
  1. s > 0
  2. s > 6
  3. s > 4
  4. s > 2
সঠিক উত্তর:
s > 0
উত্তর
সঠিক উত্তর:
s > 0
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 4(s + 2) > 3s + 8 হলে, অসমতাটির সমাধান নির্ণয় করুন।

সমাধান:
4(s + 2) > 3s + 8
⇒ 4s + 8 > 3s + 8
⇒ 4s - 3s > 8 - 8
∴ s > 0

৭৩.
6z2 + 17z - 28 এর একটি উৎপাদক (z + 4) হলে, অপর উৎপাদকটি কত?
  1. (6z + 7)
  2. (5z + 3)
  3. (5z - 3)
  4. (6z - 7)
সঠিক উত্তর:
(6z - 7)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(6z - 7)
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 6z2 + 17z - 28 এর একটি উৎপাদক (z + 4) হলে, অপর উৎপাদকটি কত?

সমাধান:
6z2 + 17z - 28
= 6z2 + 24z - 7z - 28
= 6z(z + 4) - 7(z + 4)
= (z + 4)(6z - 7)

∴ একটি উৎপাদক (z + 4) হলে, অপর উৎপাদকটি হবে (6z - 7).

৭৪.
২৪টি কলার ক্রয়মূল্য যদি ৩২টি কলার বিক্রয়মূল্যের সমান হয়, তাহলে শতকরা লাভ বা ক্ষতির পরিমাণ কত?
  1. ৩৫% ক্ষতি
  2. ২৫% ক্ষতি
  3. ৪০% লাভ
  4. ২৫% লাভ
সঠিক উত্তর:
২৫% ক্ষতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫% ক্ষতি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ২৪টি কলার ক্রয়মূল্য যদি ৩২টি কলার বিক্রয়মূল্যের সমান হয়, তাহলে শতকরা লাভ বা ক্ষতির পরিমাণ কত?

সমাধান:
মনে করি,
২৪টি কলার ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা

∴ ৩২টি কলার বিক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা
∴ ২৪টি কলার বিক্রয়মূল্য = (১০০ × ২৪)/৩২ টাকা
= ৭৫ টাকা

শতকরা ক্ষতি = ১০০ - ৭৫ টাকা
= ২৫ টাকা

৭৫.
y একটি ধনাত্মক পূর্ণসংখ্যা। y কে 4 দ্বারা ভাগ করা হলে r অবশিষ্ট থাকে এবং y কে 9 দ্বারা ভাগ করা হলে R অবশিষ্ট থাকে। r2 + R এর সর্বোচ্চ সম্ভাব্য মান কত হতে পারে?
  1. 13
  2. 23
  3. 15
  4. 17
সঠিক উত্তর:
17
উত্তর
সঠিক উত্তর:
17
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: y একটি ধনাত্মক পূর্ণসংখ্যা। y কে 4 দ্বারা ভাগ করা হলে r অবশিষ্ট থাকে এবং y কে 9 দ্বারা ভাগ করা হলে R অবশিষ্ট থাকে। r2 + R এর সর্বোচ্চ সম্ভাব্য মান কত হতে পারে?

সমাধান:
y একটি ধনাত্মক পূর্ণসংখ্যা
আমরা জানি,
ভাগশেষ সবসময় ভাজকের চেয়ে ছোট হয়।

y কে 4 দ্বারা ভাগ করা হলে r অবশিষ্ট থাকে
∴ r এর মান 1, 2, 3 হতে পারবে।

y কে 9 দ্বারা ভাগ করা হলে R অবশিষ্ট থাকে
∴ R এর মান 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8 হতে পারবে

r2 + R এর সর্বোচ্চ হবে যদি r ও R সর্বোচ্চ হয়
∴ r2 + R = 32 + 8 = 9 + 8 = 17

৭৬.
পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়সের অনুপাত ৫ : ৩। ২০ বছর পূর্বে তাদের বয়সের অনুপাত ছিল ২ : ১। ১০ বছর পর তাদের বয়সের অনুপাত কত হবে?
  1. ১১ : ৭
  2. ১৭ : ১১
  3. ৯ : ৭
  4. ১৩ : ১২
সঠিক উত্তর:
১১ : ৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ : ৭
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়সের অনুপাত ৫ : ৩। ২০ বছর পূর্বে তাদের বয়সের অনুপাত ছিল ২ : ১। ১০ বছর পর তাদের বয়সের অনুপাত কত হবে?

সমাধান:
ধরি,
পিতার বয়স ৫ক বছর
পুত্রের বয়স ৩ক বছর

শর্তমতে,
(৫ক - ২০) : (৩ক - ২০) = ২ : ১
বা, (৫ক - ২০)/(৩ক - ২০) = ২/১
বা, ৫ক - ২০ = ৬ক - ৪০
বা, - ক = - ৪০ + ২০
বা, ক = ২০

∴ পিতার বয়স ৫ × ২০ বছর = ১০০ বছর
∴ পুত্রের বয়স ৩ × ২০ বছর = ৬০ বছর

১০ বছর পর তাদের বয়সের অনুপাত = ১০০ + ১০ : ৬০ + ১০ = ১১০ : ৭০
= ১১ : ৭

৭৭.
একটি ছেলের ছবি দেখিয়ে জেরিন বললো, "সে হয় আমার চাচার বাবার মেয়ের ছেলে” ছেলেটি জেরিনের সম্পর্কে কী হয়?
  1. চাচা
  2. ভাই
  3. মামা
  4. ভাতিজা
সঠিক উত্তর:
ভাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাই
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি ছেলের ছবি দেখিয়ে জেরিন বললো, "সে হয় আমার চাচার বাবার মেয়ের ছেলে” ছেলেটি জেরিনের সম্পর্কে কী হয়?

সমাধান:
ছবিটি একটি ছেলের। বক্তা হচ্ছে জেরিন (মেয়ে)। যেহেতু জেরিন বলছে আমার চাচার বাবার মেয়ের ছেলে অর্থাৎ তার দাদার মেয়ের ছেলে। অর্থাৎ ফুফাতো ভাই যেহেতু অপশনে ভাই আছে তাই এটাই হবে।
চাচার বাবা = দাদা → দাদার মেয়ে = ফুপু → ফুপুর ছেলে = ফুপাতো ভাই

৭৮.
প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?

  1. 112
  2. 104
  3. 84
  4. 92
সঠিক উত্তর:
92
উত্তর
সঠিক উত্তর:
92
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?

সমাধান:
(২য় কলাম × ৩য় কলাম) - ১ম কলাম = ৪র্থ কলাম

(6 × 10) - 2 = 60 - 2 = 58
(7 × 11) - 3 = 77 - 3 = 74
(8 × 12) - 4 = 96 - 4 = 92

সুতরাং, প্রশ্নবোধক স্থানে 92 সংখ্যাটি বসবে।

৭৯.
A বিন্দুটি B বিন্দুর 10 কি.মি. পশ্চিমে, B বিন্দুটি C বিন্দুর 30 কি.মি. উত্তরে, C বিন্দুটি D বিন্দুর 20 কি.মি. পূর্বে হলে, A এবং D এর মধ্যবর্তী দূরত্ব কত?
  1. 10√2 কি.মি.
  2. 10√10 কি.মি.
  3. 5√5 কি.মি.
  4. 20√10 কি.মি.
সঠিক উত্তর:
10√10 কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
10√10 কি.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: A বিন্দুটি B বিন্দুর 10 কি.মি. পশ্চিমে, B বিন্দুটি C বিন্দুর 30 কি.মি. উত্তরে, C বিন্দুটি D বিন্দুর 20 কি.মি. পূর্বে হলে, A এবং D এর মধ্যবর্তী দূরত্ব কত?

সমাধান:


AD = √(302 + 102)
= √1000
= 10√10

৮০.
The Antonym of the word "Inane" is -
  1. Asinine
  2. Fatuous
  3. Vacuous
  4. Profound
সঠিক উত্তর:
Profound
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Profound
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: The Antonym of the word "Inane" is -

সমাধান:
Inane (Adjective & Noun)
- English Meaning: Extremely silly or having no real meaning or importance.
- Bangla Meaning: অসার; নিঃসার; তুচ্ছ; ফাঁকা।

Antonyms:
- Profound - গভীর; অগাধ; সুগভীর; প্রগাঢ়; অবগাঢ়।
- Astute - বিচক্ষণ; চতুর।
- Judicious - সুবিবেচনাপূর্ণ; বিচক্ষণ।

• Synonyms:
- Vacuous - চিন্তা বা বুদ্ধিমত্তার অভাবসূচক; শূন্য; ফাঁকা; উদাস; শূন্যগর্ভ।
- Fatuous - বোকা; জড়বুদ্ধি; বোকার ন্যায় আত্মতুষ্টি প্রদর্শনকারী।
- Asinine - নির্বোধ; গর্দভসুলভ।

Source: Live MCQ Lecture.

৮১.
১৫০ মিটার দীর্ঘ একটি ট্রেন ঘণ্টায় ৭২ কি.মি. বেগে ২১ সেকেন্ড একটি সেতু অতিক্রম করে। সেতুটির দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৩২০ মিটার
  2. ১৮০ মিটার
  3. ২৫০ মিটার
  4. ২৭০ মিটার
সঠিক উত্তর:
২৭০ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭০ মিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ১৫০ মিটার দীর্ঘ একটি ট্রেন ঘণ্টায় ৭২ কি.মি. বেগে ২১ সেকেন্ড একটি সেতু অতিক্রম করে। সেতুটির দৈর্ঘ্য কত?

সমাধান:
ট্রেনের বেগ = ৭২ কি.মি./ঘণ্টা
= (৭২ × ১০০০)/৩৬০০ মি./সেকেন্ড
= ২০ মি./সেকেন্ড

∴ ১ সেকেন্ডে যায় = ২০ মিটার
∴ ২১ সেকেন্ডে যায় (২০ × ২১) = ৪২০ মিটার

∴ সেতুর দৈর্ঘ্য = ৪২০ - ১৫০ = ২৭০ মিটার

৮২.
নিচের চিত্রে কয়টি বর্গ আছে?

  1. ৩০ টি
  2. ৫৫ টি
  3. ৪৫ টি
  4. ৫০ টি
সঠিক উত্তর:
৫৫ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫ টি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের চিত্রে কয়টি বর্গ আছে?

সমাধান:
যদি এ রকম প্যাটার্নে চিত্র দেয়া থাকে এবং বর্গ সংখ্যা বের করতে বলা হয় তাহলে এই সূত্র অনুসরণ করে বর্গের সংখ্যা বের করা যায়।
মোট বর্গক্ষেত্রের সংখ্যা = ৫ + ৪ + ৩ + ২ + ১
= ২৫ + ১৬ + ৯ + ৪ + ১ = ৫৫ টি

৮৩.
PSE - QSF - RSG - ?
  1. STH
  2. SSI
  3. RSH
  4. SSH
সঠিক উত্তর:
SSH
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SSH
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: PSE - QSF - RSG - ?

সমাধান:
PSE - QSF - RSG - SSH

এখন,
ক্রমটিতে প্রথম অক্ষরগুলোর ক্রম হলো-
P - Q - R (অক্ষরগুলো ক্রমিক)
এই ক্রমটির পরবর্তী অক্ষর হবে = S

ক্রমটিতে S অক্ষরটি অপরিবর্তিত।

ক্রমটিতে তৃতীয় অক্ষরগুলোর ক্রম হলো-
E - F - G (অক্ষরগুলো ক্রমিক)
এই ক্রমটির পরবর্তী অক্ষর হবে = H

∴ প্রদত্ত ক্রমটির পরবর্তী অংশ = SSH

৮৪.
Sherpa : Tibet : : Masai :
  1. India
  2. Nepal
  3. Kenya
  4. China
সঠিক উত্তর:
Kenya
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Kenya
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: Sherpa : Tibet : : Masai :

সমাধান:
Sherpa হলো তিব্বত ও নেপালের একটি নৃগোষ্ঠী, যারা বিশেষভাবে এভারেস্ট অঞ্চলে পরিচিত।

একইভাবে,
Masai বা Maasai হলো পূর্ব আফ্রিকার একটি নৃগোষ্ঠী, প্রধানত কেনিয়া ও তানজানিয়ায় বসবাসকারী।

সুতরাং, Sherpa যেরকম Tibet-এর সাথে সম্পর্কিত, Masai সেইরকম Kenya বা Tanzania এর সাথে সম্পর্কিত।

সঠিক উত্তর: Kenya

৮৫.
'BRIDGE' শব্দটির পানিতে প্রতিবিম্ব কেমন হবে?
    সঠিক উত্তর:
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: 'BRIDGE' শব্দটির পানিতে প্রতিবিম্ব কেমন হবে?

    সমাধান:

    সঠিক উত্তর গ)

    ৮৬.
    জাপানের বর্তমান সংবিধান কোন বছর প্রণয়ন ও কার্যকর হয়?
    1. ১৯৪৭
    2. ১৯৬৫
    3. ১৯৯৫
    4. ২০০১
    সঠিক উত্তর:
    ১৯৪৭
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১৯৪৭
    ব্যাখ্যা

    ⇒ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর মিত্রশক্তির দখলে থাকা অবস্থায় জাপানের রাজনৈতিক কাঠামো পুনর্গঠনের প্রয়োজন হয়।
    ⇒ ১৮৮৯ সালের Meiji সংবিধানে সম্রাটের হাতে সর্বোচ্চ ক্ষমতা ছিল, কিন্তু যুদ্ধের অভিজ্ঞতা ও গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার চাহিদার কারণে নতুন সংবিধান তৈরি করা হয়।
    ⇒ নতুন সংবিধান জনগণের সার্বভৌমত্ব, শান্তিপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি (Article 9-এ যুদ্ধ বর্জন) এবং মৌলিক মানবাধিকার রক্ষাকে কেন্দ্র করে গঠিত।
    ⇒ এটি ৩ নভেম্বর ১৯৪৬ সালে প্রণীত (promulgated) হয় এবং ৩ মে ১৯৪৭ থেকে কার্যকর হয়।
    ⇒ এ সংবিধান কার্যকর হওয়ার পর সম্রাট কেবল "রাষ্ট্র ও জনগণের ঐক্যের প্রতীক" হয়ে যান, নির্বাহী ক্ষমতা সম্পূর্ণভাবে নির্বাচিত সরকারের হাতে যায়।

    Source: Government of Japan – Official Site.

    ৮৭.
    'Political science begins and ends with the state'- কে বলেছেন?
    1. অধ্যাপক আর জি গেটেল
    2. অধ্যাপক গিলক্রিস্ট
    3. জন বার্জেস
    4. অধ্যাপক জে ডব্লিউ গার্নার
    সঠিক উত্তর:
    অধ্যাপক জে ডব্লিউ গার্নার
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    অধ্যাপক জে ডব্লিউ গার্নার
    ব্যাখ্যা

    অধ্যাপক জে ডব্লিউ গার্নার বলেন, 'Political science begins and ends with the state' (রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শুরু ও শেষ রাষ্ট্রকে নিয়ে।) অর্থাৎ,রাষ্ট্রবিজ্ঞান হলো সেই বিষয় যা কেবল রাষ্ট্রকে নিয়ে আলোচনা করে)।
    তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এস এস এইচ এল, বিএসএস প্রোগ্রাম, রাষ্ট্রবিজ্ঞান

    ৮৮.
    ১৯৪৮ সালের ইউনেস্কো সম্মেলনে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের আওতাভুক্ত নয়-
    1. রাষ্ট্রতত্ত্ব এবং এর ইতিহাস
    2. সংবিধান, সরকার, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি
    3. আন্তর্জাতিক আইন
    4. সবগুলোই অন্তর্ভুক্ত আছে
    সঠিক উত্তর:
    সবগুলোই অন্তর্ভুক্ত আছে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সবগুলোই অন্তর্ভুক্ত আছে
    ব্যাখ্যা

    ইউনেস্কোর (UNESCO) অভিমত
    রাষ্ট্রবিজ্ঞানের বিষয়বস্তু বা পরিধি সংক্রান্ত বিতর্ক দূর করার লক্ষ্যে ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা (UNESCO) একটি সম্মেলনে আলোচনা করে এ অভিমত ব্যক্ত করে যে নিম্নলিখিত চারটি বিষয় রাষ্ট্রবিজ্ঞানের আলোচনার অন্তর্ভুক্ত হওয়া উচিৎ। যথা:-

    -রাষ্ট্রতত্ত্ব এবং এর ইতিহাস;

    -রাষ্ট্রের সংবিধান, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, জাতীয় সরকার, প্রাদেশিক ও স্থানীয় শাসন প্রণালী এবং বিভিন্ন রাষ্ট্রের তুলনামূলক আলোচনা;

    -রাজনৈতিক দল, উপদল, শাসনকার্যে নাগরিকের অংশগ্রহণ ও জনমত;

    -আন্তর্জাতিক আইন ও আর্ন্তজাতিক সংস্থা

    তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিএসএস প্রোগ্রাম, রাষ্ট্রবিজ্ঞান

    ৮৯.
    রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক বলা হয়-
    1. প্লেটোকে
    2. এরিস্টটলকে
    3. সক্রেটিসকে
    4. হেরোডেটাসকে
    সঠিক উত্তর:
    এরিস্টটলকে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    এরিস্টটলকে
    ব্যাখ্যা

    এরিস্টটলকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক বলা হয়। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে বিভিন্ন রাষ্ট্রের শাসন ব্যবস্থা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে শাস্ত্রটিকে বিজ্ঞানের পর্যায়ে উন্নীত করতে সাহায্য করেছেন এজন্য তাকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক বলা হয়।

    ৯০.
    সোফিস্ট কারা?
    1. যুক্তিবাদী বক্তা ও পণ্ডিত
    2. রাষ্ট্রবিজ্ঞানী
    3. সাম্যবাদী দার্শনিক
    4. কোনোটিই নয়
    সঠিক উত্তর:
    যুক্তিবাদী বক্তা ও পণ্ডিত
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    যুক্তিবাদী বক্তা ও পণ্ডিত
    ব্যাখ্যা

    সফিস্টরা ছিলেন একশ্রেণির যুক্তিবাদী বক্তা ও পণ্ডিত। গ্রিক শব্দ Sophia (দিব্যজ্ঞান) থেকে Sophist শব্দের উৎপত্তি হয়েছে। সফিস্ট- এর প্রচলিত অর্থ হল, কু-তর্ককারী। এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকার মতে, Man of wisdom. খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতকে আবির্ভাব ঘটে সফিস্ট পণ্ডিতদের। গ্রিক রাষ্ট্রচিন্তাকে বিশেষভাবে আলোকিত করার ক্ষেত্রে সফিস্ট (Sophist) দার্শনিকদের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

    ৯১.
    আমলাতন্ত্রের জনক-
    1. মন্টেস্কু
    2. এরিস্টটল
    3. ম্যাক্স ওয়েবার
    4. ক্লিসথেনিস
    সঠিক উত্তর:
    ম্যাক্স ওয়েবার
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ম্যাক্স ওয়েবার
    ব্যাখ্যা

    আমলাতন্ত্র বলতে বুঝায় আমলা বা প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের শাসন। বাস্তবে আমলারা পরস্পর সুশৃঙ্খলভাবে সংযুক্ত এবং রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ থেকে দায়িত্ব পালন করেন। জার্মান সমাজবিজ্ঞানী ম্যাক্স ওয়েবার সর্বপ্রথম 'Legal and rational Model' এর মাধ্যমে আমলাতন্ত্রকে উপস্থাপন করেন। ম্যাক্স ওয়েবারকে বলা হয় আদর্শ আমলাতন্ত্রের উদ্ভাবক।
    তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, রাষ্ট্রবিজ্ঞান

    ৯২.
    Two Treaties of Civil Government- গ্রন্থের লেখক-
    1. থমাস হবস
    2. জন লক
    3. জ্যা জ্যাঁক রুশো
    4. কেউই নন
    সঠিক উত্তর:
    জন লক
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    জন লক
    ব্যাখ্যা

    ১৬৮৯ সালে প্রকাশিত হয় জন লকের গ্রন্থ- Two Treaties of Civil Government.
    জন লক উদারনীতিবাদের প্রবক্তা।

    ৯৩.
    রাষ্ট্রচিন্তাকে কী কী ভাগে ভাগ করা যায়?
    1. আদর্শমূলক, অভিজ্ঞতামূলক
    2. নরমেটিভ, ইম্পিরিক্যাল
    3. ন্যুমেনালিস্ট, ন্যাচারালিস্ট
    4. সবগুলোই
    সঠিক উত্তর:
    সবগুলোই
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সবগুলোই
    ব্যাখ্যা

    রাষ্ট্রচিন্তা দ্বিবিধ প্রকারের, যথা- আদর্শমূলক (Normative) এবং অভিজ্ঞতামূলক (Empirical)। অধ্যাপক ডাব্লিউ, টি, ব্লুম (W. T. Bluhm) এই শ্রেণীবিন্যাসকে ভিন্ন নামে অভিহিত করেছেন, যথা "ন্যুমেনালিস্ট" (Noumenalist) এবং "ন্যাচারালিস্ট" (Naturalist)।

    ৯৪.
    রাষ্ট্রের মুখ্য উপাদান নয়-
    1. নির্দিষ্ট ভূখণ্ড
    2. স্থায়িত্ব
    3. সরকার
    4. জনসমষ্টি
    সঠিক উত্তর:
    স্থায়িত্ব
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    স্থায়িত্ব
    ব্যাখ্যা

    রাষ্ট্রের উপাদানসমূহকে দু’ভাগে ভাগ করা যেতে পারে-ক. মুখ্য উপাদান (Vital Elements), খ. গৌণ উপাদান (Auxiliary Elements)

    রাষ্ট্রের মুখ্য উপাদান চারটি। মুখ্য উপাদানের যে কোন একটির অভাবে রাষ্ট্র গঠিত হতে পারে না। উপাদানগুলো হলো-
    -নির্দিষ্ট ভূখণ্ড,
    -জনসমষ্টি,
    -সরকার
    -সার্বভৌমত্ব।

    ৯৫.
    বলপ্রয়োগের মাধ্যমে রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়েছে এ ধারণায় বিশ্বাস স্থাপন করেন-
    1. লাস্কি
    2. গার্নার
    3. ম্যাকাইভারি
    4. কোকার
    সঠিক উত্তর:
    কোকার
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    কোকার
    ব্যাখ্যা

    বলপ্রয়োগের মাধ্যমে রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়েছে এ ধারণায় আস্থা স্থাপন করেন বেশ কয়েকজন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ওপেনহ্যাইমার (Openheimer), জেংকস্ (Jenks), জেলেনিক, কোকার (Coker), লীকক্, প্রমুখ।
    কোকার-এর মতে, বল প্রয়োগ, ভয়-ভীতি প্রদর্শন ও যুদ্ধবাদিতার মাধ্যমে রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। লীকক এ প্রসঙ্গে বলেন, "ঐতিহাসিক দিক দিয়ে বিচার করলে রাষ্ট্রের উৎপত্তির সন্ধান করতে হবে মানুষ দ্বারা মানুষের উপর আক্রমণ এবং মানব সম্প্রদায়কে দাসত্বের শৃঙ্খলে আবদ্ধ করার মধ্যে, দুর্বল উপজাতিগুলোর উপর আক্রমণ ও তাদের অধীনতায় আনার মধ্যে এবং সর্বোপরি বলবানের স্বার্থ ও প্রভুত্ব- লিন্সার মধ্যে"

    তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বি এস এস প্রোগ্রাম, রাষ্ট্রবিজ্ঞান

    ৯৬.
    হবসের মতে সামাজিক চুক্তি হয়েছিল-
    1. সমগ্র জনগণের মধ্যে
    2. রাজা ও জনগণের মধ্যে
    3. মুষ্টিমেয় ব্যক্তিবর্গের মধ্যে
    4. মুষ্টিমেয় ব্যক্তিবর্গ ও রাজার মধ্যে
    সঠিক উত্তর:
    রাজা ও জনগণের মধ্যে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    রাজা ও জনগণের মধ্যে
    ব্যাখ্যা

    হবস্ রাষ্ট্রের উৎপত্তি সংক্রান্ত ধারণা বিশ্লেষণ করতে গিয়ে সামাজিক চুক্তির আশ্রয় নিয়েছেন। আর সামাজিক চুক্তি বিশ্লেষণে তিনি 'প্রকৃতির রাজ্য' ("State of Nature") এবং 'মানব প্রকৃতি' ('Human Nature') সর্ম্পকে তাঁর অভিমত ব্যক্ত করেছেন।

    হরসের এ চুক্তির প্রকৃতি ছিল এরকম " আমি নিজেকে শাসন করার অধিকার ত্যাগ করে ঐ ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের হাতে ক্ষমতা সমর্পণ করলাম এ শর্তে যে, তুমিও তোমার অধিকার ঐ একইভাবে তাকে বা তাদের সকলের হাতে অর্পণ করে সকল ক্ষমতা ত্যাগ করবে"।এভাবে চুক্তির ফলে 'প্রকৃতির রাজ্য' একটি রাষ্ট্রে রূপান্তরিত হয়। রাষ্ট্রের শাসনভার অর্পিত হয় একজন সার্বভৌম শাসকের হাতে। এই সাবভৌম শাসকই হলেন সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী।
    এভাবে হবস তাঁর সামাজিক চুক্তির মাধ্যমে ইংল্যান্ডের স্টুয়ার্ট রাজাদের স্বেচ্ছাচারী শাসন ও নিরঙ্কুশ রাজতন্ত্রের প্রতি সমর্থন দান করেন। স্বভাবতই তাঁর এ মতবাদ নিরঙ্কুশ, অনিয়ন্ত্রিত ও সর্বাত্নকবাদী রাষ্ট্র ও সরকার ব্যবস্থার প্রতিবিম্ব।

    ৯৭.
    জৈব মতবাদের মূল বক্তব্য কি?
    1. রাষ্ট্র এক ধরনের নিষ্প্রাণ যন্ত্র
    2. রাষ্ট্র এক প্রকার জীবন্ত সত্ত্বা
    3. রাষ্ট্র এক প্রকার অচেতন পদার্থ
    4. রাষ্ট্র কোন প্রাণ সম্পন্ন দেহ নয়
    সঠিক উত্তর:
    রাষ্ট্র এক প্রকার জীবন্ত সত্ত্বা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    রাষ্ট্র এক প্রকার জীবন্ত সত্ত্বা
    ব্যাখ্যা

    রাষ্ট্রের উৎপত্তি সম্পকে জৈব মতবাদ রাষ্ট্রের উৎপত্তি ব্যাখ্যা করার চেয়ে রাষ্ট্রের প্রকৃতি সম্পর্কে বেশী ব্যাখ্যা করে। রাষ্ট্র ও জীব দেহের মধ্যে সাদৃশ্য নির্দেশ করে জৈব মতবাদ প্রমাণ করতে সচেষ্ট হয় যে, রাষ্ট্র এক জীবন্ত সত্ত্বা। এ মতবাদ অনুসারে রাষ্ট্র এক প্রকার চেতনা সম্পন্ন পদার্থ এবং প্রাণসঞ্জাত দেহ। এটি কোন নিষ্প্রাণ যন্ত্র নয়।

    জৈব মতবাদের প্রথম বিকাশ ঘটে প্রাচীন গ্রীসে। গ্রীক দার্শনিক প্লেটো রাষ্ট্রকে জীবদেহের সাথে তুলনা করেছেন। তিনি মানব আত্মার (Human soul) তিনটি উপাদান প্রত্যক্ষ করে তাঁর কল্পিত আদর্শ রাষ্ট্রে তিনটি শ্রেণীর অস্তিত্বের কথা বলেন। এই তিনটি শ্রেণী ভিন্নধর্মী কাজে নিয়োজিত থাকবে বলেও তিনি যুক্তি দেখান। প্লেটোর মত তাঁর শিষ্য এরিস্টলও (Aritstotle) মত প্রকাশ করে বলেন যে জীবদেহের সাথে অঙ্গ প্রত্যঙ্গের যেমন সম্পর্ক রয়েছে রাষ্ট্রের সাথেও ব্যক্তির তেমনি সম্পর্ক বিদ্যমান।

    ৯৮.
    সমাজের সবচেয়ে ক্ষুদ্রত্তম একক-
    1. সমাজ
    2. রাষ্ট্র
    3. পরিবার
    4. দল বা গোষ্ঠী
    সঠিক উত্তর:
    পরিবার
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    পরিবার
    ব্যাখ্যা

    ব্যক্তি হচ্ছে সমাজের মূল। ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে সমাজ গড়ে উঠে। আর পরিবার হলো সমাজের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম একক। পরিবার থেকেই সমাজ গড়ে উঠেছে এবং এখানে শৈশবেই শিশুরা শেখে নৈতিকতা, শিষ্টাচার ও সামাজিক সহাবস্থান।

    ৯৯.
    জন লক 'সামাজিক চুক্তিও মতবাদ' নিয়ে কয়টি চুক্তির কথা বলেছেন?
    1. ১টি
    2. ২টি
    3. ৩টি
    4. ৪টি
    সঠিক উত্তর:
    ২টি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ২টি
    ব্যাখ্যা

    ব্রিটিশ রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও আধুনিক গণতন্ত্রের জনক জন লক 'টু ট্রিটিজেস অন সিভিল গভর্নমেন্ট' গ্রন্থে সামাজিক চুক্তি মতবাদ বিশ্লেষণ করেছেন। মানুষ প্রাকৃতিক আইন মেনে চলত, তার মতে প্রকৃতির রাজ্য ছিল শান্তিময় ও সম্পদে পরিপূর্ণ। কিন্তু কালক্রমে প্রকৃতির রাজ্যে কিছুটা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। মানুষেরা নিজের ইচ্ছামত প্রকৃতির আইন ব্যাখ্যা করতে থাকে। কেননা আইনের ব্যাখ্যা কিংবা প্রয়োগের জন্য কোন সাধারণ কর্তৃপক্ষ ছিল না। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য প্রকৃতির রাজ্যের অধিবাসীরা দুটি চুক্তি করে। প্রথম চুক্তি সম্পাদিত হয় আদিবাসীদের মধ্যে। তারা একটি সাধারণ কর্তৃপক্ষের কাছে ক্ষমতা ও অধিকার পরিত্যাগে সম্মত হয়। দ্বিতীয় চুক্তি করা হয় সমাজ পরিচালনার নিমিত্তে। সমাজ বা সম্প্রদায় শর্তসাপেক্ষে সরকারকে কিছু ক্ষমতা দান করে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী সরকার জনগণের জীবন, সম্পদ ও স্বাধীনতা রক্ষা করবে। এসব শর্ত পূরণে সরকার ব্যর্থ হলে জনগণের অধিকার আছে সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার। এভাবে লক সামাজিক চুক্তির মাধ্যমে জনগণের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করেন

    ১০০.
    Law is the command of the sovereign' কে বলেছেন?
    1. জন লক
    2. এরিস্টটল
    3. জন অস্টিন
    4. কেউই নয়
    সঠিক উত্তর:
    জন অস্টিন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    জন অস্টিন
    ব্যাখ্যা

    জন অস্টিন (John Austin) আইন সম্পর্কে একটি বিখ্যাত সংজ্ঞা দিয়েছেন: "law is the command of the sovereign backed by the sanction".
    অর্থাৎ "আইন হল সার্বভৌমের আদেশ, যা শাস্তির দ্বারা সমর্থিত।"এই ধারণার ভিত্তিতে তিনি তার সার্বভৌমত্ব (sovereignty) বিষয়ক তত্ত্ব গঠন করেন। জন অস্টিনের মতে,আইন কোনো নৈতিক নীতিমালার ফল নয়; বরং এটি সার্বভৌম কর্তৃক প্রদত্ত একটি আদেশ, যা অমান্য করলে শাস্তি দেওয়া হয়। তিনি বলেন, জনগণ সেই সার্বভৌমের প্রতি অভ্যস্ত আনুগত্য (habitual obedience) প্রদর্শন করে, কিন্তু সার্বভৌম কারো প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করে না।অস্টিনের এই তত্ত্বকে "কাঠামোগত বা বিশ্লেষণধর্মী আইনতত্ত্ব" (Analytical Jurisprudence) বলা হয় এবং এটি "আইনগত ইতিবাচকতাবাদ" (Legal Positivism)-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।

    ১০১.
    হল্যান্ডের মতে আইন মত প্রকার?
    1. ২ প্রকার
    2. ৩ প্রকার
    3. ৬ প্রকার
    4. প্রকারভেদ নেই
    সঠিক উত্তর:
    ২ প্রকার
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ২ প্রকার
    ব্যাখ্যা

    অধ্যাপক হল্যান্ডের মতে আইন ২ প্রকার।
    ক. জাতীয় আইন খ. আন্তর্জাতিক আইন

    অধ্যাপক হল্যান্ডের মতে, আইনের উৎস মোট ৬টি। এগুলো হলো:
    -আইন বিধি (Legislation)
    -বিচার বিভাগের রায় (Judicial Decisions)
    -আইনি রীতিনীতির সূত্র (Customary Law)
    -প্রশাসনিক নির্দেশনা (Administrative Regulations)
    -চুক্তি (Contracts)
    -আন্তর্জাতিক আইন (International Law)

    ১০২.
    বিশ্বের প্রাচীনতম লিখিত সংবিধান-
    1. যুক্তরাজ্যের
    2. যুক্তরাষ্ট্রের
    3. ফ্রান্সের
    4. বৃটেনের
    সঠিক উত্তর:
    যুক্তরাষ্ট্রের
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    যুক্তরাষ্ট্রের
    ব্যাখ্যা

    মার্কিন সংবিধান লিখিত প্রকৃতির। এটি বিশ্বের প্রাচীনতম লিখিত সংবিধান। এ সংবিধানের অধিকাংশ বিধি বিধান লিখিত। এ সংবিধান সার্বভৌম ক্ষমতা সম্পন্ন। সংবিধানের ৬নং অনুচ্ছেদে বলা আছে, This constitution and the laws of the United States shall be the supreme law of the land."

    ১০৩.
    প্লেটো আত্মাকে কয়টি অংশে ভাগ করেছেন?
    1. ২টি
    2. ৩টি
    3. ৪টি
    4. ৬টি
    সঠিক উত্তর:
    ৩টি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৩টি
    ব্যাখ্যা

    প্লেটো মানুষের আত্মাকে তিনটি অংশে ভাগ করেছেন। যথা-

    ১) যুক্তি বা প্রজ্ঞা (Reason/ Wisdom): এটি জ্ঞানের প্রতীক

    ২) সাহস (Spirit/Courage): এটি আবেগ ও ইচ্ছাশক্তির প্রতীক এবং

    ৩) ক্ষুধা বা কামন (Appetite): এটি শারীরিক চাহিদা ও লোভের প্রতীক।

    ১০৪.
    এরিস্টটল কয়টি দেশের সংবিধান পর্যালোচনা করে সরকারের শ্রেণি বিভাগ করেছেন?
    1. ১৪৮
    2. ১৫০
    3. ১৫৪
    4. ১৫৮
    সঠিক উত্তর:
    ১৫৮
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১৫৮
    ব্যাখ্যা

    এরিস্টটল তাঁর প্রখ্যাত 'পলিটিক্স' নামক গ্রন্থে বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতিতে সরকারের শ্রেণিবিভাগ করেছেন। কথিত আছে যে, তিনি সমকালীন ১৫৮টি নগর রাষ্ট্রের সংবিধান পর্যালোচনা করে এ শ্রেণিবিভাগ করেছেন।এরিস্টটল দু'টি মূল সূত্র বা নীতির পরিপ্রেক্ষিতে সরকারের শ্রেণিবিভাগ করেছেন। সরকার ও শাসনব্যবস্থাকে কেন্দ্র করে তিনি এ দুটি মূল সূত্র উপস্থাপন করেন-

    (ক) উদ্দেশ্য নীতি (Principle of Purpose)

    (খ) সংখ্যা নীতি (Principle of Number)

    ১০৫.
    এরিস্টটল মোট কয় ধরনের সরকারের কথা বলেছেন?




    সঠিক উত্তর:

    উত্তর
    সঠিক উত্তর:

    ব্যাখ্যা

    এ্যারিস্টটল উদ্দেশ্য ও শাসকের সংখ্যার ভিত্তিতে ছয় ধরনের সরকারের শ্রেণিবিভাগ উল্লেখ করেছেন- (১) রাজতন্ত্র (২) অভিজাততন্ত্র ও (৩) পলিটি। এদের তিনটি বিকৃত রূপ হল: (১) স্বৈরতন্ত্র, (২) ধনিকতন্ত্র ও (৩) গণতন্ত্র -এই মোট ছয়টি।

    ১০৬.
    গণতন্ত্রে সকল ক্ষমতার অধিকারী-
    1. সরকার
    2. সংবিধান
    3. জনগণ
    4. প্রধানমন্ত্রী
    সঠিক উত্তর:
    জনগণ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    জনগণ
    ব্যাখ্যা

    গণতন্ত্রের ইংরেজি প্রতিশব্দ হল 'ডেমোক্র্যাসী' (democracy)। এই শব্দটি Demos ও Kratos শব্দদ্বয় থেকে উদ্ভূত হয়েছে। Demos শব্দের অর্থ জনগণ এবং Kratos শব্দের অর্থ ক্ষমতা। সুতরাং গণতন্ত্র বলতে জনগণের হাতে ক্ষমতা রয়েছে এমন সরকারকে বুঝায়। জনগণের হাতে ক্ষমতার অর্থ জনগণ ভোট দিয়ে তাদের পছন্দমত সরকার গঠন করে। গণতন্ত্রের সংজ্ঞা দিয়ে আব্রাহাম লিংকন বলেন, "গণতন্ত্র হল জনগণের, জনগণের দ্বারা এবং জনগণের জন্য সরকার"।

    ১০৭.
    Virtue is knowledge- কার উক্তি?
    1. সক্রেটিস
    2. এরিস্টটল
    3. প্লেটো
    4. আলেকজান্ডার
    সঠিক উত্তর:
    সক্রেটিস
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সক্রেটিস
    ব্যাখ্যা

    সক্রেটিসের অমর বাণী 'সদগুণই জ্ঞান' (Virtue is knowledge)।
    সক্রেটিসকে বলা হয় প্রাশ্চাত্য রাজনৈতিক দর্শনের পিতামহ এবং নীতি শাস্ত্রের পুরোধা। তাঁর অন্যতম বাণী ছিল 'সদগুণই জ্ঞান'। তাঁর মতে, জ্ঞান দু'প্রকার একটি হলো আপাত: জ্ঞান এবং অপরটি প্রকৃত জ্ঞান। তিনি বলেন, সব মানুষের কর্তব্য হলো সত্য জ্ঞানের সন্ধান করা এবং তা তারা তখনই আয়ত্ব করতে পারবে যখন তারা নিজেদেরকে জানতে পারবে। জ্ঞানের মতো সদ্‌গুণও দু'প্রকার। এক ধরনের সদ্‌গুণ মতামত নির্ভর; অন্যটি সত্য নির্ভর। প্রথমটি ক্ষণস্থায়ী এবং দ্বিতীয়টি চিরস্থায়ী।
    তাঁর মতে, দর্শনের শুরু হয় আত্মজিজ্ঞাসা দিয়ে (Know thyself)
    তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এস এস এইচ এল, রাষ্ট্রবিজ্ঞান

    ১০৮.
    সক্রেটিস নিচের কোনটির পক্ষপাতী ছিলেন?
    1. আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার পক্ষপাতি ছিলেন
    2. যুক্তির শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন
    3. জোর যার মুল্লুক তার' নীতি প্রতিষ্ঠায় আগ্রহী ছিলেন
    4. ব্যক্তির শাসন প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগী হন।
    সঠিক উত্তর:
    যুক্তির শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    যুক্তির শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন
    ব্যাখ্যা

    সক্রেটিস তাঁর অনুসারীদের ভ্রান্ত মতামতকে পরাভূত করে সঠিক মতবাদকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য তার্কিক (Dialectical) পদ্ধতি গ্রহণ করেন। তিনি প্রতিপক্ষকে প্রশ্নের পর প্রশ্ন করে এমন জায়গায় নিয়ে আসতেন যে তাদের আর তাঁর মতবাদ গ্রহণ করা ছাড়া অপর কোন উপায় থাকত না। সক্রেটিস তথ্য প্রমাণ ভিত্তিক যুক্তিশীল চিন্তায় বিশ্বাসী ছিলেন। তিনি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে প্রথমত একটি বিষয়ের পরীক্ষামূলক অনুমান নিধারণ করতেন। অত:পর বাস্তব জীবন থেকে উদাহরণ সংগ্রহের মাধ্যমে এর যথার্থতা নির্ণয়ের চেষ্টা করতেন। তার প্রদত্ত শিক্ষাই ছিল মানুষ প্রকৃত জ্ঞান স্বার্থের উপযোগী হবে না; বরং তা হবে শাশ্বত ও চিরন্তন। সক্রেটিসের মতে আত্মসম্মানবোধ, নিজের সম্পর্কে জানা এবং আত্মনিয়ন্ত্রণ হল মানুষের সবচে' বড় ধর্ম।

    ১০৯.
    ফরাসি সংসদের কক্ষগুলো হলো-
    1. সিনেট ও কংগ্রেস
    2. জাতীয় পরিষদ ও সিনেট
    3. এসেম্বলি ও কংগ্রেস
    4. কোর্ট ও সিনেট
    সঠিক উত্তর:
    জাতীয় পরিষদ ও সিনেট
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    জাতীয় পরিষদ ও সিনেট
    ব্যাখ্যা

    দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট ফ্রান্সের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষের নাম সিনেট (Senate) এবং নিম্নকক্ষের নাম জাতীয় সভা (National Assembly)। পঞ্চম সাধারণতন্ত্রের সংবিধানে পার্লামেন্টের কক্ষ দু'টির মেয়াদ, সদস্য সংখ্যা, সদস্যদের যোগ্যতা-অযোগ্যতা, তাদের বেতন প্রভৃতি বিষয়ে কিছু বলা হয় নি। সাংগঠনিক আইন (Organic Law)-এর মাধ্যমে এ সমস্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের কথা বলা হয়েছে।
    পঞ্চম সাধারণতন্ত্রের সংবিধান অনুসারে ফরাসী আইনসভাকে 'পার্লামেন্ট' বলা হয়। ফ্রান্সের পার্লামেন্ট ব্যবস্থায় কোন সুনির্দিষ্ট ঐতিহ্য গড়ে উঠে নি। এর কারণ হিসেবে বলা যায়, ঐতিহাসিক ফরাসী বিপ্লবের পর আজ অবধি ফ্রান্সে বহু সরকার গঠিত হলেও সব সময় একই রীতিতে আইনসভ্য গড়ে ওঠে নি। তবে তৃতীয়, চতুর্থ এবং পঞ্চম সাধারণতন্ত্রের সংবিধান অনুসারে পার্লামেন্ট দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট।
    তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিএসএস রাষ্ট্রবিজ্ঞান

    ১১০.
    দ্য গল সংবিধান বলা হয় কোন দেশের সংবিধানকে?
    1. বৃটেনের
    2. জাপানের
    3. চীনের
    4. ফ্রান্সের
    সঠিক উত্তর:
    ফ্রান্সের
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ফ্রান্সের
    ব্যাখ্যা

    ফ্রান্সের বর্তমান সংবিধানটিকে বলা হয় পঞ্চম প্রজাতন্ত্রের সংবিধান। একে দ্য গল সংবিধানও (De Gaulle Constitution) বলা হয়। অন্যান্য সাধারণ সংবিধান অপেক্ষা এটি একটু জটিল। কারণ পঞ্চম সাধারণতন্ত্রের সংবিধান প্রণয়নের ক্ষেত্রে পরস্পরবিরোধী রীতি-নীতিগুলোকে গ্রহণ করা হয়েছে। তার ফলে এ সংবিধানটির প্রকৃত বৈশিষ্ট্যগুলোর ব্যাখ্যা দূরহ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এতে ভাষ্য অনেক ক্ষেত্রেই অস্পষ্ট এবং সুনির্দিষ্টতা ও সামগ্রিকতার অভাবও পরিলক্ষিত হয়।

    ১৯৫৯ সালের জানুয়ারী মাসে জরজেস মাররান্নি (Georges Marranne) এবং আলবার্ট চ্যাটেলেট (Albert Chatelet) কে পরাজিত করে দ্য গল রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। মাইকেল দেব্রে (Michael Debre) প্রধানমন্ত্রী হিসাবে পঞ্চম প্রজাতন্ত্রের প্রথম সরকার গঠন করেন।

    ১১১.
    ফরাসি মডেলের সরকারকে আর কী বলা হয়?
    1. মিক্সড সিস্টেম
    2. সেমি প্রেসিডেন্সিয়াল
    3. ফেডারেল সিস্টেম
    4. পার্লামেন্টারি
    সঠিক উত্তর:
    সেমি প্রেসিডেন্সিয়াল
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সেমি প্রেসিডেন্সিয়াল
    ব্যাখ্যা

    পঞ্চম প্রজাতন্ত্রের সংবিধানে সংসদীয় শাসনব্যবস্থা ও রাষ্ট্রপতি শাসিত শাসন ব্যবস্থার মধ্যে এক বিরল সংমিশ্রণ সম্পাদিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপতি উভয়েই শাসন ক্ষমতা ভোগ করেন এবং স্ব স্ব ক্ষেত্রে স্বাধীনভাবে ক্ষমতা প্রয়োগ করেন।
    পঞ্চম প্রজাতন্ত্রের সংবিধানে গণভোটের ব্যবস্থা হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ।

    তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিএসএস প্রোগ্রাম, রাষ্ট্রবিজ্ঞান

    ১১২.
    আধুনিক সভ্যতার জন্য গ্রীক রাষ্ট্রদর্শনের সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য অবদান কি?
    1. যুক্তিবোধের অগ্রাধিকার
    2. রাষ্ট্রচিন্তায় নৈতিকতার প্রভাব
    3. রাষ্ট্রের অবাধ কর্তৃত্ব
    4. সমাজের পৃথক অস্তিত্বকে মেনে না নেওয়া
    সঠিক উত্তর:
    যুক্তিবোধের অগ্রাধিকার
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    যুক্তিবোধের অগ্রাধিকার
    ব্যাখ্যা

    রাষ্ট্রচিন্তার ইতিহাসে গ্রীক রাষ্ট্রদর্শন এক বিশিষ্ট ও অনন্য স্থান দখল করে আছে। গ্রীক রাষ্ট্র দর্শনের উল্লেখ্যযোগ্য বৈশিষ্ট্যগুলো যেমন, যুক্তিবোধের অগ্রাধিকার, ধর্মনিরপেক্ষতা, আইনের শাসন, নিয়মতান্ত্রিকতা প্রভৃতি পাশ্চাত্য সভ্যতা বিকাশের মূলে এবং বর্তমান রাষ্ট্রীয় জীবন যাত্রার চালিকা শক্তি হিসাবে কাজ করে যাচ্ছে।

    ১১৩.
    ইবনে খালদুনের 'আসাবিয়া' তত্ত্ব হলো-
    1. সমাজের সংঘাত
    2. সামাজিক সংহতি
    3. গোষ্ঠীগত ঐক্য
    4. সামাজিক সংহতি ও গোষ্ঠীগত ঐক্য
    সঠিক উত্তর:
    সামাজিক সংহতি ও গোষ্ঠীগত ঐক্য
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সামাজিক সংহতি ও গোষ্ঠীগত ঐক্য
    ব্যাখ্যা

    বিশিষ্ট সমাজবিজ্ঞানী ও ঐতিহাসিক ইবনে খালদুন তার বিখ্যাত গ্রন্থ আল-মুকাদ্দিমার দ্বিতীয় অধ্যায়ে যাযাবর বা বেদুইন সমাজের আলোচনা প্রসঙ্গে আল আসাবিয়া প্রত্যয়টি ব্যবহার করেন। এর ইংরেজি প্রতিশব্দ 'Social Solidarity' যাকে বাংলায় বলা হয় 'সামাজিক সংহতি' বা 'গোত্র সংহতি'। ইবনে খালদুনের মতে-রক্ত, জাতীয়তা প্রভৃতির মাধ্যমে সামাজিক সংহতি গড়ে ওঠে। গোত্রপ্রীতি ছিল আরব বেদুইনদের মূল প্রেরণা। এর মূলকথা হলো গোত্রের অন্য সদস্যদের প্রতি সীমাহীন ও নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, আনুগত্য ও শ্রদ্ধাবোধ।

    ১১৪.
    মার্কসের মতে কিভাবে রাষ্ট্রের উৎপত্তি হয়েছে?
    1. নৈতিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে রাষ্ট্রের উৎপত্তি হয়েছে
    2. পুঁজিপতি শ্রেণী কর্তৃক বিত্তহীন শ্রেণীর উপর শোষণের যন্ত্র হিসেবে রাষ্ট্রের উৎপত্তি হয়েছে
    3. উৎপাদনের শক্তিসমূহের উপর রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ আরোপের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রের উৎপত্তি হয়েছে
    4. শোষণের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রাষ্ট্রের উৎপত্তি হয়েছে
    সঠিক উত্তর:
    পুঁজিপতি শ্রেণী কর্তৃক বিত্তহীন শ্রেণীর উপর শোষণের যন্ত্র হিসেবে রাষ্ট্রের উৎপত্তি হয়েছে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    পুঁজিপতি শ্রেণী কর্তৃক বিত্তহীন শ্রেণীর উপর শোষণের যন্ত্র হিসেবে রাষ্ট্রের উৎপত্তি হয়েছে
    ব্যাখ্যা

    মার্কসের মতে সমাজ ও রাষ্ট্র এক নয়; আর উভয়ের উৎপত্তিও সম্পূর্ণ ভিন্ন। মার্কস মনে করেন যে, সমাজ একটি স্বাভাবিক প্রতিষ্ঠান কিন্তু রাষ্ট্র তা নয়। মানুষের প্রকৃত সত্ত্বা রাজনেতিক নয় বরং সামাজিক। মানুষ রাজনৈতিক জীব নয় বরং যে সব সামাজিক শক্তি মানুষকে দ্বন্দ্ব সংঘাতে লিপ্ত করতো তা রাজনৈতিক ক্ষমতার ও রাষ্ট্রের অধীনস্থ হয়। রাষ্ট্র কোন নৈতিক উদ্দেশ্যে সৃষ্টি হয় নি বরং তা পুঁজিপতি শ্রেণী কর্তৃক সমাজের অপরাপর শ্রেণী বিশেষ করে বিত্তহীন শ্রেণীর উপর শ্রেণী শোষণের হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে
    অর্থাৎ রাষ্ট্র কোন নৈতিক প্রতিষ্ঠান নয়; রাষ্ট্র কেবলমাত্র এক ধরনের শোষণের হাতিয়ার। রাষ্ট্র মূলত পুঁজিপতি শ্রেণী কর্তৃক বিত্তহীন শ্রেণীর উপর শোষণের যন্ত্র হিসেবে কাজ করে। শোষণহীন সমাজ প্রতিষ্ঠিত হলে রাষ্ট্রের অস্তিত্ব থাকবে না।

    ১১৫.
    এরিস্টটলের 'পলিটিক্স' গ্রন্থটির মূল বিষয় হলো-
    1. রাষ্ট্র সংগঠন
    2. ব্যক্তিগত নৈতিকতা
    3. যুদ্ধবিগ্রহ
    4. ধর্ম
    সঠিক উত্তর:
    রাষ্ট্র সংগঠন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    রাষ্ট্র সংগঠন
    ব্যাখ্যা

    অ্যারিস্টটলের পলিটিকস লেখা হয়েছে আজ থেকে দুই হাজার ৩০০ বছর (খ্রিষ্টপূর্ব ৩৩৫-৩২২) আগে। এর মূল বক্তব্য রাষ্ট্রসংগঠন।প্লেটোর রিপাবলিক-এর পর এটিই প্রথম পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থ, যা রাজনৈতিক দর্শন বা রাষ্ট্রচিন্তাকে দর্শন হিসেবে মানবসভ্যতার মননে একটি প্রণালিবদ্ধ জ্ঞানক্ষেত্র বা সিস্টেম্যাটিক ডিসিপ্লিন হিসেবে দাঁড় করিয়েছে।
    পলিটিকস লাইসিয়ামের শিক্ষার্থীদের জন্য অ্যারিস্টটলের তৈরি করা লেকচার নোটের গ্রন্থিত রূপ। এই গ্রন্থের শুরুতে অ্যারিস্টটল বলছেন রাষ্ট্র কী, কী তার লক্ষ্য: রাষ্ট্র হলো মানুষের সর্বোচ্চ রাজনৈতিক সমাজ (কমিউনিটি), তার লক্ষ্য সর্বোচ্চ মঙ্গলসাধন, কেননা মানবজাতি সর্বদা কাজ করে মঙ্গল সাধনের উদ্দেশ্যে।

    ১১৬.
    'হুজ্জাতুল ইসলাম' নামে কে পরিচিত?
    1. ইবনে খালদুন
    2. আল গাজ্জালী
    3. ইবনে সিনা
    4. উপরের সবাই
    সঠিক উত্তর:
    আল গাজ্জালী
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    আল গাজ্জালী
    ব্যাখ্যা

    ইমাম গাজ্জালি (রহ:) ইসলামকে মধ্যযুগীয় অনৈসলামিক দার্শনিক চিন্তাধারার পঙ্গুকারী প্রভাব থেকে মুক্ত করে পবিত্র কোরআন-হাদিসের শিক্ষায় মুসলমানদের ফিরিয়ে আনেন। তাই তার এই অবিস্মরণীয় অবদানের জন্য তাকে ‘হুজ্জাতুল ইসলাম’ বা ‘ইসলামের রক্ষক’ বলা হয়ে থাকে।

    ইমাম গাজ্জালি (রহ:) চারশ’র ও অধিক গ্রন্থ রচনা করেন। তার বইগুলোতে ধর্মতত্ব, দর্শন ও সুফিবাদ আলোচনা করেছেন। তার কয়েকটি প্রসিদ্ধ গ্রন্থের নাম উল্লেখ করা হল:-
    -এহইয়া উলুমুদ্দীন,
    -তাহাফাতুল ফালাসিফা,
    -কিমিয়ায়ে সা’আদাত ইত্যাদি

    ১১৭.
    আল গাজ্জালীর বিখ্যাত গ্রন্থ -
    1. তাহফাত-উল-ফালাসিফাহ্
    2. কিমিয়াই-সা'আদাত
    3. এহইয়া-উল-উলুমুদ্দিন
    4. হাকিকাতুল রুহ
    সঠিক উত্তর:
    এহইয়া-উল-উলুমুদ্দিন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    এহইয়া-উল-উলুমুদ্দিন
    ব্যাখ্যা

    আল গাজ্জালীর 'এহইয়া-উল-উলুমুদ্দিন' (ধর্মীয় জীবনের পুনর্জীবন) সমধিক গুরুত্বপূর্ণ। গাযালী ছিলেন মূলত একজন ধর্ম সংস্কারক, ইসলামকে ব্যাখ্যা করতে তিনি এই গ্রন্থটি রচনা করেন। এই গ্রন্থে তিনি ইসলামের একটি পূর্ণাঙ্গ ভাষ্য প্রদান করেন। এছাড়া তিনি প্রচলিত দার্শনিক মতবাদগুলি অস্বীকার করেন এবং বলেন, একমাত্র ঐশীজ্ঞানই সত্যের সন্ধান দিতে পারে, অন্য কিছু নয়।

    'তাহফাত-উল-ফালাসিফাহ্ (দর্শনের ধ্বংস) ইমাম গাযালীর আর একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ। তিনি এই গ্রন্থে পাশ্চাত্যের কিছু দার্শনিকের কিছু মতবাদকে ভ্রান্ত বলে প্রমাণ করেন। বিশ্বের অস্তিত্ব, আত্মার অমরত্ব ইত্যাদি বিষয়ক মতবাদের আলোচনা এখানে করা হয়।

    'কিমিয়াই-সা'আদাত' (সৌভাগ্যের পরশমণি)-ও তাঁর একখানি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ। এই গ্রন্থে তিনি আত্মদর্শন, তত্ত্ব দর্শন, সংসার দর্শন, নামায, যাকাত, রোযা, হজ্জ্ব ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা করেন

    ১১৮.
    The City of God - কার গ্রন্থ?
    1. সেন্ট অগাস্টিন
    2. টমাস একুইনাস
    3. মার্সিলিও পাদুয়া
    4. কেউই নন
    সঠিক উত্তর:
    সেন্ট অগাস্টিন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সেন্ট অগাস্টিন
    ব্যাখ্যা

    সেন্ট অগাষ্টিনের রচনাবলীর মধ্যে (The City of God) অর্থাৎ 'ঈশ্বরের নগরী' হচ্ছে সর্বাধিক উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ। অগাষ্টিনের সামগ্রিক চিন্তা-ভাবনার পরিচয় পাওয়া যায় এই গ্রন্থটিতে। তাঁর এই রচনা সমগ্র মধ্যযুগের চিন্তাধারাকে বিপুলভাবে প্রভাবিত করেছিল।
    অগাস্টিন রাষ্ট্র ও খ্রিষ্টধর্মকে পাশাপাশি রাখেন। তাঁর মতে রাষ্ট্রকে মান্য করার প্রধান কারণ হল এই যে, রাষ্ট্রের সামাজিক ও রাজনৈতিক শৃঙ্খলার পেছনে ঐশ্বরিক এক পরিকল্পনা থাকে যা তার কার্যকলাপকে ধর্মীয় লক্ষে পৌছাতে সহায়তা করে। এ ছাড়া রাষ্ট্রকে মান্য করার আর একটি কারণ হল রাষ্ট্র শান্তি, শৃঙ্খলা ও সম্পত্তি রক্ষা করে।

    ১১৯.
    সেন্ট অগাস্টিনের মতে রাষ্ট্র কত প্রকার?
    1. ২ প্রকার
    2. ৩ প্রকার
    3. ৪ প্রকার
    4. ৬ প্রকার
    সঠিক উত্তর:
    ২ প্রকার
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ২ প্রকার
    ব্যাখ্যা

    অগাস্টিনের মতে, রাষ্ট্র মূলত দু'প্রকার। এগুলো হলো পার্থিব রাষ্ট্র এবং বিধাতার রাষ্ট্র।.
    ক। পার্থিব রাষ্ট্র: পার্থিব রাষ্ট্র মানবজাতির দৈহিক ও সাংসারিক প্রয়োজন মেটানোর জন্য তৈরি। এটি পাপ, অহংকার, এবং স্বার্থপরতার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে। পার্থিব রাষ্ট্রের অস্তিত্ব মানুষের লোভ ও মোহের কারণে টিকে থাকে।

    খ. বিধাতার রাষ্ট্র: বিধাতার রাষ্ট্র, অগাস্টিনের মতে, চিরস্থায়ী এবং নৈতিক ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত। এটি প্রেম, দয়া, এবং ধর্মীয় নীতির প্রতিফলন, যা মানবজাতির প্রকৃত কল্যাণের জন্য বিদ্যমান। এই রাষ্ট্রে স্রষ্টার প্রতি প্রেমই হলো এর মানুষের প্রধান বৈশিষ্ট্য।

    ১২০.
    'নৈতিকতার দ্বৈতনীতির' প্রবক্তা-
    1. সেন্ট অগাস্টিন
    2. নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি
    3. জ্যাঁ বোডিন
    4. কেউই নন
    সঠিক উত্তর:
    নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি
    ব্যাখ্যা

    ধর্ম ও রাজনীতি সম্পর্কে ম্যাকিয়াভেলীর ধারণা তাঁর রাজনৈতিক চিন্তার এক উল্লেখযোগ্য স্থান দখল করে আছে। বস্তুত: ধর্ম ও রাজনীতি সম্পর্কীয় ধারণা তাঁকে মধ্যযুগ থেকে পৃথক করে আধুনিক যুগের পথ প্রদর্শকের মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করেছে। রাজনৈতিক লক্ষ্য-তথা রাষ্ট্রের ঐক্য, সংহতি ও রাষ্ট্রকে শক্তিশালী করার জন্য ম্যাকিয়াভেলী ধর্ম ও নৈতিকতাকে রাজনীতি থেকে সম্পূর্ণরূপে পৃথক করার পরামর্শ দিয়েছেন। ম্যাকিয়াভেলী মনে করতেন, ধর্ম, নৈতিকতা, আদর্শ বা মূল্যবোধ ইত্যাদি শাসকের কাজকর্মের সামনে বাঁধা স্বরূপ, ফলে এ সকল বাধার কারণে শাসকের অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জন বিঘ্নিত হতে পারে। তাই তিনি এগুলোকে রাজনীতি থেকে আলাদা করতে চেয়েছিলেন। তাঁর মতে রাজনীতির জন্য প্রয়োজন ধর্ম বা নীতিশাস্ত্র নয়, বরং এর জন্য প্রয়োজন শক্তি (Power)। জনগণের নিরাপত্তা ও সম্পত্তি রক্ষা করা এবং রাষ্ট্রের ঐক্য ও সংহতির জন্য শক্তির কোন বিকল্প নাই। তবে তিনি জনগণের জন্য ধর্ম ও নৈতিকতাকে অস্বীকার করেন নি। তা'ছাড়া শাসক প্রয়োজনে ধর্মকে ব্যবহার করতে পারবেন, এমন কথাও তিনি বলেছেন।

    ১২১.
    নির্বাচকমণ্ডলী বলতে কি বুঝায়?
    1. সকল ভোটদাতার সমষ্টিকে বুঝায়
    2. নির্বাচকমণ্ডলী হল পরোক্ষ গণতন্ত্রের একটি অঙ্গ
    3. যারা একযোগে কোন সরকারকে সমর্থন দান করে তারাই নির্বাচকমণ্ডলী
    4. সরকার যেখান থেকে সমর্থন সংগস্টহ করে তাই নির্বাচকমণ্ডলী
    সঠিক উত্তর:
    সকল ভোটদাতার সমষ্টিকে বুঝায়
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সকল ভোটদাতার সমষ্টিকে বুঝায়
    ব্যাখ্যা

    নির্বাচকমন্ডলী হচ্ছে সকল ভোটার বা নির্বাচকদের সমষ্টি। প্রত্যেক আধুনিক রাষ্ট্রে এ ধরনের ব্যক্তি রয়েছে যাঁরা তাঁদের প্রতিনিধি নির্বাচন করে। এসব ব্যক্তি আইন অনুযায়ী প্রতিনিধি নির্বাচনের অধিকার লাভ করে। এ সকল ব্যক্তির সমাহারকে নির্বাচকমন্ডলী (Electorate) বলে। পরোক্ষ গণতন্ত্রে সরকার গঠন ও আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী যেসব নাগরিক তাঁদের পছন্দমত প্রতিনিধি নির্বাচিত করার অধিকার পায় তারাই সমষ্টিগতভাবে নির্বাচকমন্ডলী নামে পরিচিত।

    তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিএসএস প্রোগ্রাম, রাষ্ট্রবিজ্ঞান

    ১২২.
    জনমত কী?
    1. যুক্তি, গ্রহণযোগ্যতা ও সংখ্যাগরিষ্ঠের জন্য কল্যাণকর মত
    2. দেশের সর্বসাধারণের মতামতের সমষ্টি
    3. প্রভাবশালী শ্রেণীর ক্ষারা প্রভাবিত মতামত
    4. দেশের সরকার যেসব মতের দ্বারা পরিচালিত হয়
    সঠিক উত্তর:
    যুক্তি, গ্রহণযোগ্যতা ও সংখ্যাগরিষ্ঠের জন্য কল্যাণকর মত
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    যুক্তি, গ্রহণযোগ্যতা ও সংখ্যাগরিষ্ঠের জন্য কল্যাণকর মত
    ব্যাখ্যা

    সাধারণভাবে জনগণের কল্যাণ সাধনের উপায় হিসাবে জনগণের মতামতকেই জনমত বলা যায়। রাষ্ট্রের স্বার্থ সম্বন্ধে বা সরকারের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও কার্যাবলী জনগণের মধ্যে শ্রেণীগত, গোষ্ঠীগত বা চিন্তাধারাগত মতামত থাকতে পারে। কিন্তু এসবের সবগুলোই জনমত হবে না। জনমত হবে সেটাই যা সংখ্যাগরিষ্ঠ লোকদের উপর প্রভাব বিস্তার করবে। জনমত হবে সেটাই যার মধ্যে যুক্তি থাকবে এবং যার ভিত্তিতে কাজ করলে অধিকতর কল্যাণ সাধিত হবে। এখানে সংখ্যাগরিষ্ঠের মত হতেই হবে এমন দাবী করা যাবে না। যেকোন একজনের মতও জনমত হবে যদি তার মধ্যে যুক্তি, গ্রহণযোগ্যতা ও কল্যাণকামিতা বেশি থাকে। এ প্রসঙ্গে লর্ড ব্রাইস বলেন, "সম্প্রদায়ের স্বার্থজড়িত বিষয়ে জনগণের অভিমতের সমষ্টিই জনমত।" সদা সর্বদা সরকার ও বিরোধী দলকে সর্তক রাখে জনমত। জনমতের মুক্ত ও অবাধ প্রবাহ গণতন্ত্রের সফলতার অন্যতম পূর্বশর্ত।

    ১২৩.
    রাজনৈতিক দল কি?
    1. ক্ষমতালিপ্সু গোষ্ঠী
    2. রাজনৈতিক মতাবলম্বী চক্র
    3. সংগঠিত নাগরিক সম্প্রদায়
    4. জনসক্ষার্থ রক্ষাকারী ব্যক্তিবর্গ
    সঠিক উত্তর:
    সংগঠিত নাগরিক সম্প্রদায়
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সংগঠিত নাগরিক সম্প্রদায়
    ব্যাখ্যা

    সুনির্দিষ্ট নীতির ভিত্তিতে সম আদর্শে উদ্বুদ্ধ নাগরিকদের একটি সুসংগঠিত অংশ যখন জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ, উন্নতি ও অগ্রগতির জন্য রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে সরকার গঠন, নিয়ন্ত্রণ ও দলীয় নীতি বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করে তখন তাকে রাজনৈতিক দল বলা হয়। এটি সেই রাজনৈতিক সংগঠন যার উদ্দেশ্য হল ক্ষমতা লাভ ও সরকার পরিচালনা করা। রাজনৈতিক দল সরকারি ক্ষমতা দখলের উদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট আদর্শ ও কর্মসূচির ভিত্তিতে উচ্চ পর্যায় হতে নিম্নস্তর পর্যন্ত বিস্তৃত নেতৃত্ব দ্বারা পরিচালিত একটি নিয়মতান্ত্রিক সংগঠন যা ক্ষমতার আসনে বসে নিজস্ব সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনকল্যাণ সাধন করতে আগ্রহী।
    বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিএসএস প্রোগ্রাম, রাষ্ট্রবিজ্ঞান

    ১২৪.
    লালফিতা প্রত্যয়টি প্রথম কোন দেশে প্রচলন হয়?
    1. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
    2. ফ্রান্স
    3. ব্রিটেন
    4. ইতালি
    সঠিক উত্তর:
    ব্রিটেন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ব্রিটেন
    ব্যাখ্যা

    লালফিতা' বলতে আমলাতন্ত্রের দীর্ঘসূত্রিতা ও সাবেকী আমলের নিয়ম-কানুনকে অন্ধভাবে অনুকরণ ও অনুসরণ করাকে বোঝায়। 'লালফিতা' প্রত্যয়টি সপ্তদশ শতাব্দীতে ব্রিটেনে প্রচলিত হয়। সে সময় দেশটিতে সরকারি অফিস-আদালতের সকল ফাইলপত্র লাল রঙের ফিতা দ্বারা বেঁধে রাখা হত। পরবর্তীকালে আমলাতন্ত্রের দীর্ঘসূত্রিতা বোঝানোর জন্য লাল ফিতা রূপকটির ব্যবহার শুরু হয়।

    এক পর্যায়ে এসে আমলাতন্ত্রের আনুষ্ঠানিকতা, দীর্ঘসূত্রিতা নিয়ম-কানুনের বাড়াবাড়ি, বিলম্ব, হয়রানি ও বাড়াবাড়ি বুঝাতেও 'লালফিতার দৌরাত্ম্য' কথাটির প্রচলন শুরু হয়।

    ১২৫.
    কাঠামোগত কার্যকরী তত্ত্বের বিশ্লেষণে কয়টি কার্য নির্ধারণ করা হয়েছে?
    1. ৩টি
    2. ৭টি
    3. ৯টি
    4. কোনোটিই নয়
    সঠিক উত্তর:
    ৭টি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৭টি
    ব্যাখ্যা

    G.A. Almond কাঠামো কার্যকরী বিশ্লেষণে প্রত্যেক রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে দু'ভাগে ভাগ করেন এবং মোট ৭টি কার্যের কথা বলেন। যথা:

    ক. ইনপুট কার্যাবলি: Input এ চার ধরনের কার্য সম্পন্ন হয়। যথা:

    1. রাজনৈতিক দীক্ষা দান ও লোকসংগ্রহ

    2. রাজনৈতিক যোগাযোগ

    3. স্বার্থ একত্রীকরণ এবং

    4. ৪. স্বার্থ জ্ঞাপন

    খ. Output এর কার্যাবলি: Output এ তিন ধরনের কার্যসম্পন্ন হয়ে থাকে। যথা:

    1. বিধি প্রণয়ন

    2. বিধি অনুযায়ী বিচারকার্য সম্পন্ন এবং

    3. বিধি প্রয়োগ

    ১২৬.
    এলিট তত্ত্বে কারা শাসিত?
    1. সংখ্যালঘু
    2. সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ
    3. এলিট শ্রেণী
    4. রাজনীতিবিদ
    সঠিক উত্তর:
    সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ
    ব্যাখ্যা

    এলিট তত্ত্বের মূলকথা: সমাজে দু'টি প্রধান শ্রেণি বিরাজ করে। যথা:

    -প্রথম শ্রেণি মুষ্টিমেয় ব্যক্তিবর্গ যারা দক্ষ এবং যাদের মধ্যে নেতৃত্বের গুণাবলি বিদ্যমান। এরা শাসনকার্য পরিচালনা করে। এদের রাজনৈতিক এলিট বলে। এরাই সবচেয়ে বেশি গতিশীল এবং সর্বাধিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

    -দ্বিতীয় শ্রেণি হচ্ছে সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ যারা শাসিত হয়ে থাকে। এটাই এলিট তত্ত্বের মূল কথা।

    ১২৭.
    Nash Equilibrium কী বোঝায়?
    1. সহযোগিতা
    2. অনিশ্চয়তা
    3. বৈরিতা
    4. স্থিতিশীল অবস্থা
    সঠিক উত্তর:
    স্থিতিশীল অবস্থা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    স্থিতিশীল অবস্থা
    ব্যাখ্যা

    ন্যাশ সমতা (Nash Equilibrium) গেম থিওরির (Game Theory) একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা। জিন ন্যাশ এর প্রবক্তা। এটি সেই অবস্থাকে বোঝায় যেখানে প্রতিটি খেলোয়াড় এমন একটি কৌশল গ্রহণ করে যাতে তার পক্ষে সেই কৌশল থেকে সরে আসা যুক্তিযুক্ত নয়—যেহেতু অন্য খেলোয়াড়দের কৌশল জানা থাকায়, নিজের কৌশল পরিবর্তন করে কোনো অতিরিক্ত সুবিধা পাওয়া যাবে না।

    ধরুন, টম এবং স্যাম নামে দুইজন খেলোয়াড়ের একটি সহজ গেম রয়েছে।

    এই গেমে, তাদের দুজনেরই দুটি কৌশল বেছে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে:

    কৌশল A: এটি বেছে নিলে একজন খেলোয়াড় $1 লাভ করে।

    কৌশল B: এটি বেছে নিলে একজন খেলোয়াড় $1 ক্ষতি করে।


    স্বাভাবিকভাবেই, দুজনই কৌশল A বেছে নেবে, কারণ এতে তারা প্রত্যেকে $1 করে লাভ করে।

    এখন যদি টম জানতে পারে স্যাম কৌশল A বেছে নিচ্ছে, এবং স্যাম জানে টমও কৌশল A নিচ্ছে—তবুও কেউই তাদের কৌশল পরিবর্তন করবে না, কারণ অন্য কৌশল (B) বেছে নিয়ে তাদের ক্ষতিই হবে।

    অতএব, এই পরিস্থিতি—যেখানে দুজনই কৌশল A বেছে নিয়ে $1 লাভ করে এবং কেউই কৌশল বদলে কোনো অতিরিক্ত সুবিধা পায় না—তাকে ন্যাশ সমতা (Nash Equilibrium) বলে।

    ১২৮.
    প্লেটোর শ্রেষ্ঠ গ্রন্থ কোনটি?
    1. পলিটিক্স
    2. রিপাবলিক
    3. লেভিয়াথান
    4. নিকোমেকিয়ান এথিক্স
    সঠিক উত্তর:
    রিপাবলিক
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    রিপাবলিক
    ব্যাখ্যা

    প্লেটোর চিন্তাধারা ছিল বৈপ্লবিক। তাঁর গ্রন্থসমূহ চিন্তাক্ষেত্রে আলোড়ন সৃষ্টি করে। তাঁর 'দি রিপাবলিক' (The Republic), দি লজ' (The Laws), 'দি স্টেটসম্যান' (The Statesman) বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। 'দি রিপাবলিক' গ্রন্থটি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম দশটি গ্রন্থের অন্যতম। আজ পর্যন্ত যত প্রকার বৈপ্লবিক চিন্তাধারার সূত্রপাত হয়েছে 'দি রিপাবলিক' গ্রন্থে তা সূচিত হয়েছে। এই গ্রন্থটি বিশেষ কোন নীতি বা তত্ত্বের উপর জ্ঞানগর্ভ আলোচনা নয়, বরং তা শিক্ষা, শিল্প, দর্শন, রাষ্ট্রতত্ত্ব, সমাজনীতি প্রভৃতি সকল দিকের জ্ঞানভাণ্ডারের পরিপূর্ণ প্রামাণ্য বিশ্লেষণ। রিপাবলিকে চারটি মূলসূত্র রয়েছে ৪ (১) আদর্শ রাষ্ট্রতত্ত্ব (Theory of Ideal State), (২) ন্যায়নীতি (Justice), (৩) সাম্যবাদ (Communism) এবং (৪) শিক্ষা ব্যবস্থা (Scheme of Education)।

    ১২৯.
    প্লেটোর রাষ্ট্রচিন্তা কোন ধারার?
    1. বাস্তববাদী
    2. আদর্শবাদী
    3. বস্তুবাদী
    4. ঐতিহাসিক
    সঠিক উত্তর:
    আদর্শবাদী
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    আদর্শবাদী
    ব্যাখ্যা

    প্লেটোর দর্শন- আদর্শবাদী/ভাববাদী/Idealist

    এরিস্টটলের দর্শন- বাস্তববাদী/Realist

    ভাববাদ অনুযায়ী পৃথিবীতে প্রতিটি বস্তু হল একটি নির্দিষ্ট ভাবের বহিঃপ্রকাশ। একইভাবে রাষ্ট্র নামক প্রতিষ্ঠানটিও মানুষের ভাবের বহিঃপ্রকাশ মাত্র। রাষ্ট্র হল মানবসমাজের নৈতিক আদর্শ বা মহৎ ভাবের জীবন্ত প্রতীক। রাষ্ট্রের সমস্ত আদেশ ন্যায় ও সত্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত। রাষ্ট্র মানুষের স্বাভাবিক, অপরিহার্য ও চূড়ান্ত একটি প্রতিষ্ঠান মাত্র। রাষ্ট্র ছাড়া ব্যক্তির পক্ষে পরিপূর্ণ বিকাশ ও নিজেকে উপলব্ধি করা সম্ভব নয়। একমাত্র রাষ্ট্রের মধ্য দিয়েই ব্যক্তির চরম বিকাশ ঘটতে পারে। মূলত ভাববাদী তত্ত্ব বাস্তবে সম্ভব নয়, কেবল কল্পনা রাজ্যেই সম্ভব।

    ১৩০.
    এরিস্টটলের অনুসৃত পদ্ধতি-
    1. আরোহী
    2. অবরোহী
    3. উভয়ই
    4. কোনোটিই নয়
    সঠিক উত্তর:
    আরোহী
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    আরোহী
    ব্যাখ্যা

    এরিস্টটল আরোহ/Inductive পদ্ধতি অনুসরণ করেন।
    যে পদ্ধতিতে উদাহরণ পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে সূত্র বা সংজ্ঞা গঠন করা হয় তা হলো আরোহী পদ্ধতি। 'আরোহী পদ্ধতি' ইংরেজি হলো Inductive 'Method'।জানা থেকে অজানা, মূর্ত থেকে বিমূত, সহজ থেকে কঠিন, বিশেষ থেকে সাধারণ সত্যে উপনীত হওয়া, উদাহরণ থেকে সূত্র গঠন করাকে আরোহী পদ্ধতি বলে। বাংলা ব্যাকরণ পাঠদানে এই পদ্ধতি অধিক ফলপ্রসূ। এই কারণে, এই পদ্ধতি সম্পর্কে বাংলা শিক্ষককে বিশেষ ভাবে অবগত হওয়ার পরামর্শ দেয়া যায়।কতগুলো উদাহরণ ভালো ভাবে পরীক্ষা করে সেগুলো থেকে যদি যুক্তির সাহয্যে কোনো সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যায় বা সূত্র গঠন করা যায় তবেই আরোহী পদ্ধতি কার্যকর হয়। আরোহী পদ্ধতির মূল কথা হলো 'উদাহরণ থেকে সূত্র'।

    ১৩১.
    কৌটিল্যের বিখ্যাত গ্রন্থ-
    1. নীতিশাস্ত্র
    2. অর্থশাস্ত্র
    3. মনুশাস্ত্র
    4. সবগুলোই
    সঠিক উত্তর:
    অর্থশাস্ত্র
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    অর্থশাস্ত্র
    ব্যাখ্যা

    কৌটিল্যের বিখ্যাত গ্রন্থ অর্থশাস্ত্র। এটি ছিল আধুনিক জ্ঞানসম্পন্ন ও অত্যাধুনিক। কূটনীতি ও অর্থনীতি কৌটিল্যের অর্থ স্থান পেয়েছে। কৌটিল্য রচিত অর্থশাস্ত্র গ্রন্থটি ১৬টি খণ্ডে বিভক্ত। ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় এটি ছিল একাধারে রাজনৈতিক তত্ত্ব এবং প্রশাসনের একটি ব্যতিক্রমী গ্রন্থ। রাষ্ট্রের প্রশাসন থেকে শুরু করে সকল কাজকর্ম কিভাবে চলবে তা এ অর্থশাস্ত্রে লিপিবদ্ধ ছিল। মূলত এটি ছিল তখনকার সময়ে ধর্ম, সমাজ ও রাষ্ট্র দর্শনের গ্রন্থ।

    ১৩২.
    তাওবাদের প্রধান গ্রন্থ কোনটি?
    1. উপনিষদ
    2. তাও তে চিং
    3. অ্যানালেরস
    4. কোনোটিই নয়
    সঠিক উত্তর:
    তাও তে চিং
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    তাও তে চিং
    ব্যাখ্যা

    তাওবাদ (Taoism) হলো একটি চীনা ধর্ম এবং দার্শনিক ব্যবস্থা, যা 'তাও' বা 'পথ' এর উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। এটি প্রকৃতির সাথে সঙ্গতি রেখে জীবনযাপন এবং অকর্মণ্যতার (wu wei) মাধ্যমে জীবনের সারমর্ম উপলব্ধি করার শিক্ষা দেয়। তাওবাদের মূল গ্রন্থ/ধর্মগ্রন্থ হলো তাও তে চিং (Tao Te Ching)। রচয়িতা লাওসু (Lao Tzu)। তাওবাদের মূল লক্ষ্য প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ জীবন যাপন ও আধ্যাত্মিক শান্তি লাভ করা

    ১৩৩.
    রুশোর মতে রাষ্ট্র কিসের উপর প্রতিষ্ঠিত?
    1. সাধারণ ইচ্ছা
    2. ঐশী অধিকার
    3. সেনা
    4. ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান
    সঠিক উত্তর:
    সাধারণ ইচ্ছা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সাধারণ ইচ্ছা
    ব্যাখ্যা

    রুশোর সামাজিক চুক্তিতত্ত্বের প্রধান প্রতিপাদ্য বিষয় হল 'সাধারণ ইচ্ছা। রুশোর মতে, সামাজিক চুক্তির মাধ্যমে যে মিলিত শক্তি গড়ে উঠেছিল, তাই হল সাধারণ ইচ্ছা। ওই চুক্তির মাধ্যমে প্রত্যেকে সকলের কাছে নিজেকে সমর্পণ করেও কেউই বিশেষ কোনো একজনের অধীনস্থ হল না। কারণ, প্রকৃতির রাজ্যের মানুষ চুক্তি সম্পাদন ক'রে সার্বভৌম 'সাধারণ ইচ্ছা'র হাতে তাদের সমস্ত প্রাকৃতিক অধিকার এবং ক্ষমতা স্বেচ্ছায় অর্পণ করেছিল। এরূপ ইচ্ছা হল তাদের সকলের শুভইচ্ছার সমষ্টি।

    ১৩৪.
    মাও কোন আন্দোলনের নেতা ছিলেন?
    1. সাংস্কৃতিক বিপ্লব
    2. ফরাসি বিপ্লব
    3. রাশিয়ান বিপ্লব
    4. ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলন
    সঠিক উত্তর:
    সাংস্কৃতিক বিপ্লব
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সাংস্কৃতিক বিপ্লব
    ব্যাখ্যা

    ১৯৬৬ সালে চীনে মাও সে দং শুরু করেছিলেন সাংস্কৃতিক বিপ্লব। এতে তার সহযোগী ছিলেন লক্ষ লক্ষ তরুণ - যাদের নিয়ে গড়ে উঠেছিল রেড গার্ড নামের এক বাহিনী।
    ‘সাংস্কৃতিক বিপ্লব’এর চীনএর আনুষ্ঠানিক নাম দেয়া হয়েছিল ‘মহান সর্বহারা সাংস্কৃতিক বিপ্লব’। এ বিপ্লবের মধ্য দিয়ে মাও সে তুং পার্টিতে নিজের মতাদর্শিক অবস্থান সংহত করেন। পার্টির কেন্দ্রীয় অনেক নেতা, এমনকি শীর্ষে অবস্থানরত লিউশাউচীসহ পার্টির বিভিন্ন পর্যায়ের অনেক নেতা, বুদ্ধিজীবী, সরকারি কমকর্তার অবস্থান বিপ্লবের জন্য ক্ষতিকর, বিপজ্জনক বলে অভিহিত হয় এবং তারা তীব্র সমালোচনা ও আক্রমণের শিকার হন। ১৯৬৯ সালে মাও আনুষ্ঠানিকভাবে এর সমাপ্তি ঘোষণা করলেও এর রেশ ১৯৭৬ সালে তার মৃত্যু পর্যন্ত অব্যাহত ছিল।

    ১৩৫.
    পৃথিবীর সর্বোচ্চ শক্তিশালী দ্বিতীয় কক্ষের নাম কী?
    1. মার্কিন সিনেট
    2. ব্রিটেনের লর্ডসভা
    3. জাপানের ডায়েট
    4. সবগুলোই
    সঠিক উত্তর:
    মার্কিন সিনেট
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মার্কিন সিনেট
    ব্যাখ্যা

    মার্কিন সিনেটকে পৃথিবীর সর্বাধিক শক্তিশালী দ্বিতীয় কক্ষ বলা হয় কারণ এটি নিম্নকক্ষের মতো প্রায় সমান আইন প্রণয়নের ক্ষমতা রাখে এবং বিশেষ সাংবিধানিক ক্ষমতা যেমন রাষ্ট্রপতির নিয়োগ অনুমোদন, আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুমোদন ও ইমপিচমেন্ট বিচার পরিচালনা করে। সিনেটরের দীর্ঘ মেয়াদ, প্রতিটি রাজ্যের সমান প্রতিনিধিত্ব এবং ফিলিবাস্টারের মতো নিয়ম এটিকে আরও প্রভাবশালী করেছে। এসব কারণে সিনেট যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ভারসাম্য রক্ষার মূল স্তম্ভ এবং অন্য যে কোনো দ্বিতীয় কক্ষের তুলনায় অধিক ক্ষমতাশালী। -

    International Journal

    ১৩৬.
    গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের বর্তমান সংবিধান কবে চালু হয়?
    1. ১৯৪৯
    2. ১৯৫৪
    3. ১৯৭২
    4. ১৯৮২
    সঠিক উত্তর:
    ১৯৮২
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১৯৮২
    ব্যাখ্যা

    গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের বর্তমান সংবিধান ৪ ডিসেম্বর, ১৯৮২ তারিখে পঞ্চম ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের পঞ্চম অধিবেশনে গৃহীত হয়। এই সংবিধান পূর্ববর্তী ১৯৫৪, ১৯৭৫ এবং ১৯৭৮ সালের সংস্করণগুলির পরিবর্তে প্রণীত হয়। এটি গৃহীত হওয়ার পর থেকে পাঁচবার সংশোধিত হয়েছে, সর্বশেষ সংশোধন ২০১৮ সালে হয়েছে।-

    gov.cn

    ১৩৭.
    চীনের সংবিধান অনুসারে প্রধান নির্বাহী-
    1. রাষ্ট্রপতি
    2. প্রধানমন্ত্রী
    3. সেনাবাহিনীর প্রধান
    4. কেউই নয়
    সঠিক উত্তর:
    রাষ্ট্রপতি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    রাষ্ট্রপতি
    ব্যাখ্যা

    চীনের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি (স্টেট চেয়ারম্যান) হলো রাষ্ট্রপ্রধান এবং সর্বোচ্চ নির্বাহী কর্তৃপক্ষ। রাষ্ট্রপতি বিদেশি সম্পর্কের প্রতিনিধিত্ব করে, আইন প্রণয়ন ঘোষণা করে, প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেন (ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেস বা এর স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী) এবং রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক প্রধান হিসাবে কাজ করেন।প্রধানমন্ত্রী (প্রীমিয়ার) সরকার প্রশাসনের প্রধান, তবে আনুষ্ঠানিক ধারা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির অধীনে।

    অন্যদিকে-
    প্রধানমন্ত্রী: স্টেট কাউন্সিলের নেতৃত্ব দেন, তবে রাষ্ট্রপ্রধান নয়।

    সেনাবাহিনীর প্রধান: সামরিক কমান্ড কেন্দ্রীয় সামরিক

    কমিশন পরিচালনা করে; রাষ্ট্রপতির নাগরিক নির্বাহী দায়িত্ব আলাদা।

    কেউই নয়: ভুল, রাষ্ট্রপতি সংবিধান অনুযায়ী স্বীকৃত।

    - npc.gov.cn

    ১৩৮.
    জাপানের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন-
    1. জনগণের সরাসরি ভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠ হিসেবে
    2. সুপ্রিম কোর্টের ভোটে
    3. সম্রাট দ্বারা মনোনীত
    4. ডায়েটের সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা হিসেবে
    সঠিক উত্তর:
    ডায়েটের সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা হিসেবে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ডায়েটের সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা হিসেবে
    ব্যাখ্যা

    জাপানে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন হাউস অব

    রিপ্রেজেনটেটিভের সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বা জোটের নেতা হিসেবে। ন্যাশনাল ডায়েট আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করে, এরপর সম্রাট ceremonially তাকে নিয়োগ দেন। প্রধানমন্ত্রী সরাসরি জনগণ দ্বারা নির্বাচিত হন না বা সুপ্রিম কোর্ট দ্বারা নির্বাচিত হন না। এটি নিশ্চিত করে যে নির্বাহী সংসদের প্রতি দায়বদ্ধ।

    অন্যদিকে-

    জনগণের সরাসরি ভোটে: ভুল, জাপান সংসদীয় পদ্ধতি ব্যবহার করে।

    সুপ্রিম কোর্টের ভোটে: বিচারালয়ের কোনো ভূমিকা নেই।

    সম্রাট দ্বারা মনোনীত একমাত্র: সম্রাট শুধু আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়োগ দেন, নির্বাচন নয়।

    Encyclopedia Britannica

    ১৩৯.
    জাপানে প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ করেন-
    1. সম্রাট
    2. প্রধানমন্ত্রী
    3. মন্ত্রীসভা
    4. বিচারকরা মিলে
    সঠিক উত্তর:
    সম্রাট
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সম্রাট
    ব্যাখ্যা

    জাপানের সম্রাটের বিচার সম্পর্কিত ক্ষমতা

    -ক্যাবিনেট মনোনীত সুপ্রীম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে সম্রাটই নিয়োগ করেন।

    -তিনি সাধারণ ও বিশেষ বন্দীমুক্তির আদেশ প্রত্যায়িত করেন এবং ক্ষমা প্রদর্শন করা বা শান্তি মওকুফ বা অধিকার পুনঃ প্রতিষ্ঠার আদেশ প্রত্যায়িত করেন।

    ১৪০.
    জাপানী সম্রাট ও বৃটিশ রাজা (বা রানী)-র মধ্যে পার্থক্য নেই যেক্ষেত্রে, তা হলো-
    1. কর্তৃত্ব
    2. প্রশাসনিক ক্ষমতা
    3. নিয়মতান্ত্রিক প্রধান
    4. স্ববিবেচনাধীন ক্ষমতা
    সঠিক উত্তর:
    নিয়মতান্ত্রিক প্রধান
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    নিয়মতান্ত্রিক প্রধান
    ব্যাখ্যা

    জাপান এবং ব্রিটেন উভয় দেশেই নিয়মতান্ত্রিক রাজতন্ত্র বিদ্যমান। জাপান সম্রাট ব্রিটেনের রাজার মত "রাজত্ব করেন কিন্তু শাসন করেন না।" তাদের কেউই কোন প্রশাসনিক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন না। মন্ত্রীদের পরামর্শ অনুযায়ী তাদের দায়িত্ব পালন করতে হয় এবং তাদের নামে ক্যাবিনেটই শাসন পরিচালনা করে। এরা দুইজনেই হলেন তাদের জাতির ইতিহাস, সংস্কৃতি, উত্তরাধিকার, সাফল্য, অতীত ও বর্তমানের গৌরব, ঐক্য, স্থায়িত্ব ও চলমানতার জীবন্ত প্রতীক। এ প্রতীক হিসাবেই জাপান ও ব্রিটেনের জনগণ তাদের রাজা/রানীকে সম্মান ও শ্রদ্ধা করেন এবং ভালবাসেন। দুই দেশের জনগণের কাছেই রাজতন্ত্র হলো এক আবেগের বিষয়।

    ১৪১.
    চীনের বিচার ব্যবস্থার সবার শীর্ষে-
    1. আঞ্চলিক সর্বোচ্চ গণ-আদালত
    2. গণ-প্রকিউরেটরেট
    3. বিশেষ আদালত;
    4. সর্বোচ্চ গণ-আদালত
    সঠিক উত্তর:
    সর্বোচ্চ গণ-আদালত
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সর্বোচ্চ গণ-আদালত
    ব্যাখ্যা

    বিচার ব্যবস্থা প্রতিটি দেশের জন্য অপরিহার্য। গণ-প্রজাতন্ত্রী চীনের বিচার ব্যবস্থা সংগঠন স্তরভিত্তিক।শীর্ষে রয়েছে সর্বোচ্চ গণ-আদালত। এ গণ-আদালতের ভূমিকা ও কার্যাবলী গুরুত্বপূর্ণ। এর গঠন ও কার্যাবলী রাষ্ট্রীয় আইন দ্বারা নির্ধারিত। কিন্তু সংবিধান দ্বারা নয়। এ আদালত নিম্নস্তরের আদালতগুলোর অবিভাবক। নিম্নস্তরের আদালতের কাজকর্ম তাদরকীর দায়িত্ব এ আদালতের উপর ন্যস্ত। গণ-প্রজাতন্ত্রী চীনের বিচার ব্যবস্থার উপর গণ-কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ লক্ষ্য করা যায়।

    ১৪২.
    চীনের কংগ্রেসের কার্যকাল-
    1. ৪ বছর
    2. ৫ বছর
    3. ৬ বছর
    4. ৮ বছর
    সঠিক উত্তর:
    ৫ বছর
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৫ বছর
    ব্যাখ্যা

    গণ-কংগ্রেস গণ-প্রজাতন্ত্রী চীনের সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নকারী সংস্থা। সাংবিধানিকভাবে এ সংস্থাটির সৃষ্টি। ১৯৫৪ সনের প্রথম সংবিধান থেকে শুরু করে প্রতিটি সংবিধানে গণ-কংগ্রেসের বিধান রাখা হয়েছে। পরবর্তীতে ১৯৮২ সনের সংবিধানে জাতীয় গণ-কংগ্রেসকে এক-কক্ষ বিশিষ্ট আইন সভা হিসেবে আখ্যা দেয়া হয়। এর সদস্যগণ প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচিত নন। এ কংগ্রেসের কার্যকাল পাঁচ বছর। কংগ্রেসের সদস্যগণ ডেপুটি নামে অভিহিত। এ কংগ্রেসের অধিবেশন সাধারণত বছরে একবার বসে। স্থায়ী কমিটি এ অধিবেশনের আহবান করে থাকে। স্থায়ী কমিটি হল কংগ্রেসের সর্বোচ্চ সংস্থা। এ সংস্থাটির মাধ্যমে জাতীয় কংগ্রেস তার দায়িত্ব পালন করে।

    ১৪৩.
    সংসদীয় ব্যবস্থার পথিকৃৎ-
    1. যুক্তরাষ্ট্র
    2. যুক্তরাজ্য
    3. ফ্রান্স
    4. চীন
    সঠিক উত্তর:
    যুক্তরাজ্য
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    যুক্তরাজ্য
    ব্যাখ্যা

    যুক্তরাজ্য সংসদীয় ব্যবস্থার পথিকৃৎ। ম্যাগনা কার্টা (১২১৫) এবং ১৩শ শতকে ইংরেজ পার্লামেন্টের বিকাশের মাধ্যমে ধীরে ধীরে রাজতন্ত্র থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা স্থানান্তরিত হয়। বিশেষ করে গ্লোরিয়াস রেভলিউশন (১৬৮৮) এবং বিল অব রাইটস (১৬৮৯)-এর পর থেকে সংসদীয় সর্বাধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়, যেখানে রাজাকে সংসদের অধীনে থাকতে হয়। এই সংসদীয় শাসনব্যবস্থা-যেখানে নির্বাহী সংসদ থেকে গঠিত ও সংসদের কাছে দায়বদ্ধ-পরবর্তীতে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। - International Journal

    ১৪৪.
    যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম দশটি সংশোধনী কী নামে পরিচিত?
    1. বিল অব রাইটস
    2. ফেডারেল কোড
    3. ডিক্লারেশন অব ইন্ডিপেন্ডেন্ট
    4. কনস্টিটিউশনাল এক্ট
    সঠিক উত্তর:
    বিল অব রাইটস
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বিল অব রাইটস
    ব্যাখ্যা

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিল অব রাইটস হল সংবিধানের প্রথম ১০টি সংশোধনী, যা ১৭৯১ সালে গৃহীত হয়। এগুলোর মূল উদ্দেশ্য ছিল জনগণের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা এবং স্বাধীন বিচার ব্যবস্থার নিশ্চয়তা প্রদান করা।

    ১৪৫.
    কোন রাষ্ট্রপতি দুইবার অভিশংসিত হন?
    1. এন্ড্রু জনসন
    2. বিন ক্লিনটন
    3. রিচার্ড নিক্সন
    4. ডোনাল্ড ট্রাম্প
    সঠিক উত্তর:
    ডোনাল্ড ট্রাম্প
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ডোনাল্ড ট্রাম্প
    ব্যাখ্যা

    ডোনাল্ড ট্রাম্প একমাত্র মার্কিন প্রেসিডেন্ট যাকে দুইবার ইমপিচমেন্ট করা হয়েছে-প্রথমবার ডিসেম্বর ২০১৯-এ ক্ষমতার অপব্যবহার এবং কংগ্রেসের বাধা দেওয়ার অভিযোগে, এবং দ্বিতীয়বার জানুয়ারি ২০২১-এ ক্যাপিটল দাঙ্গার পর। ইমপিচমেন্ট হলো হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস দ্বারা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ, তবে দোষী সাব্যস্ত করতে সেনেট-এর প্রয়োজন। ট্রাম্পকে উভয়বারই বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

    অন্যদিকে-

    অ্যান্ড্রু জনসন: একবার ইমপিচমেন্ট হয়েছে (১৮৬৮), সেনেটে খালাস।

    বিল ক্লিনটন: একবার ইমপিচমেন্ট হয়েছে (১৯৯৮) সাক্ষ্য

    ও বিচার বাধা দেওয়ার অভিযোগে; এটি খালাস হয়ে যায়। রিচার্ড নিকসন: পদত্যাগ করেছেন ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগে; কখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ইমপিচড হননি।

    ১৪৬.
    মার্কিন প্রেসিডেন্ট-
    1. রাষ্ট্র প্রধান
    2. সরকার প্রধান
    3. রাষ্ট্র প্রধান ও সরকার প্রধান
    4. কোনটি নয়
    সঠিক উত্তর:
    রাষ্ট্র প্রধান ও সরকার প্রধান
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    রাষ্ট্র প্রধান ও সরকার প্রধান
    ব্যাখ্যা

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্র প্রধান ও শাসন বিভাগের প্রকৃত কর্ণধার। তিনি ব্রিটেনের রাজার মত রাজত্ব করেন প্রধানমন্ত্রীর মত শাসন করেন। এ প্রসঙ্গে Brogan বলেন, "He is the formal head of the nation. He is also the effective head of the executive", মার্কিন সংবিধান প্রণেতাগণ তাঁকে একজন শক্তিশালী ও মর্যাদাবান ব্যক্তি হিসেবে অধিষ্ঠিত করেছেন।

    ১৪৭.
    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান সংশোধনের জন্য সমর্থন প্রয়োজন-
    1. কেন্দ্রীয় আইনসভার
    2. অঙ্গরাজ্যের
    3. উভয়েরই
    4. কারোরই নয়
    সঠিক উত্তর:
    উভয়েরই
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    উভয়েরই
    ব্যাখ্যা

    মার্কিন সংবিধানের সংশোধন পদ্ধতি অতিমাত্রায় জটিল। সংবিধানের ৫ ধারা অনুসারে, সংবিধান সংশোধনের জন্য কেন্দ্রীয় আইনসভা কংগ্রেসের উভয় কক্ষের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থন ছাড়াও অঙ্গরাজ্যগুলির অন্তত তিন-চতুর্থাংশের সমর্থন দরকার হয়। সংশোধন পদ্ধতির এই জটিলতার কারণে প্রায় দু'শ বছরের ইতিহাসে মার্কিন সংবিধান মাত্র ২৭ বার পরিবর্তিত হয়েছে।

    ১৪৮.
    মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবার জন্য ইলেক্টোরাল কলেজের ভোট পেতে হয়-
    1. ১০০ টি
    2. ২৭০ টি
    3. ৫৩৮ টি
    4. কোনোটিই নয়
    সঠিক উত্তর:
    ২৭০ টি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ২৭০ টি
    ব্যাখ্যা

    মোট ইলেক্টরের সংখ্যা ৫৩৮, যা কখনও বদলায় না। এই সংখ্যাটি যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের মোট সদস্য সংখ্যার সমান— ৪৩৫ জন প্রতিনিধি, ১০০ জন সিনেটর ও কলাম্বিয়া ডিসট্রিক্টের তিন ইলেক্টর। প্রেসিডেন্ট হিসেবে জয়ী হতে হলে একজন প্রার্থীকে সংখ্যাগরিষ্ঠ ইলেক্টোরাল ভোট জিততে হয়, যা হলো অন্তত ২৭০

    যদি কোনো প্রার্থী ন্যূনতম ২৭০টি ইলেক্টোরাল ভোট না জেতেন, তাহলে হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভ প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করে থাকে।

    ১৪৯.
    'ব্রিটিশ সংবিধান তৈরি হয়নি, ধীরে ধীরে গড়ে উঠেছে।' উক্তিটি কার?
    1. ডাইসি
    2. আইভরি জেনিংস
    3. ডব্লিউ বি মুনরো
    4. অধ্যাপক ফাইনার
    সঠিক উত্তর:
    আইভরি জেনিংস
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    আইভরি জেনিংস
    ব্যাখ্যা

    ব্রিটিশ সংবিধানের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল এর প্রবাহমানতা বা গতিশীলতা। ব্রিটিশ সংবিধান যেহেতু কোন সংস্থা কর্তৃক তৈরি হয় নি, সেহেতু এটা জনগণের প্রয়োজন মেটাতে চলমান পরিস্থিতির সাথে ক্রমশঃ খাপ খাইয়ে নিয়ে যুগ যুগ ধরে স্বাভাবিক নিয়মে বিভিন্ন পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে বর্তমান রূপ লাভ করেছে। হাজার বৎসরের প্রবাহমানতায় কোন ছেদ পড়েনি। অধ্যাপক জেনিংস (Jennings) এর মতে, "ব্রিটিশ সংবিধান তৈরি করা হয় নাই, ধীরে ধীরে এটা জন্ম লাভ করেছে।"

    ১৫০.
    এককেন্দ্রিক শাসন ব্যবস্থা বিদ্যমান রয়েছে-
    1. যুক্তরাষ্ট্রে
    2. ভারতে
    3. রাশিয়ায়
    4. ব্রিটেনে
    সঠিক উত্তর:
    ব্রিটেনে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ব্রিটেনে
    ব্যাখ্যা

    সংবিধান অনুযায়ী, গ্রেট ব্রিটেন এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র। এখানে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতেই সব ক্ষমতা ন্যস্ত। গ্রেট ব্রিটেনের সংবিধানে ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতি স্বীকৃতি পায়নি। স্বতন্ত্রীকরণের পরিবর্তে এখানে সহযোগিতার মন্ত্রই উচ্চারিত রয়েছে।

    ১৫১.
    কোন দেশের সংবিধানে ক্ষমতার স্বতন্ত্রীকরণ নীতি অনুপস্থিত?
    1. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের
    2. ভারতের
    3. ব্রিটেনের
    4. বাংলাদেশের
    সঠিক উত্তর:
    ব্রিটেনের
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ব্রিটেনের
    ব্যাখ্যা

    ব্রিটেনের শাসনতন্ত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মত ক্ষমতার স্বতন্ত্রীকরণ নীতি অনুসৃত হয় নি। এ প্রসঙ্গে রবসন বলেন, " ইংল্যান্ডের শাসনতান্ত্রিক ইতিহাসে ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণের বিশেষ কোন সন্ধান পাওয়া যায় না। তবে পার্লামেন্ট শাসন বিভাগ ও বিচার বিভাগের দৈনন্দিন কার্যকলাপে হস্তক্ষেপ করে না।"

    ১৫২.
    মাদার অব পার্লামেন্ট' বলা হয় কোন দেশের পার্লামেন্টকে?
    1. বাংলাদেশ
    2. ব্রিটেন
    3. কানাডা
    4. যুক্তরাষ্ট্র
    সঠিক উত্তর:
    ব্রিটেন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ব্রিটেন
    ব্যাখ্যা

    গ্রেট ব্রিটেন একটি এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র। এখানে নিয়মতান্ত্রিক রাজতন্ত্র চালু রয়েছে। পার্লামেন্ট দ্বারা শাসিত। ব্রিটিশ পার্লামেন্টকে বলা হয় "পার্লামেন্ট সমূহের জননী"। বিশ্বের প্রায় সকল গণতান্ত্রিক দেশের শাসন ব্যবস্থাই কমবেশী গ্রেট ব্রিটেনের আদর্শ দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে। ব্রিটেনের শাসনতন্ত্রকে আধুনিক শাসন ব্যবস্থার ভিত্তি হিসেবে গণ্য করা হয়। ব্রিটিশ সংবিধান কোন নির্দিষ্ট গণপরিষদ কর্তৃক বা কোন বিপ্লবী পরিষদ কর্তৃক বা কোন রাজাদেশ বলে সৃষ্টি হয়নি, বরং তা দীর্ঘ ঐতিহ্যের শাসনতান্ত্রিক রীতিনীতি বা প্রথার উপর প্রতিষ্ঠিত।

    ১৫৩.
    ১৯৪৯ সালের পার্লামেন্ট এ্যাক্ট ক্ষমতা সীমিত করে-
    1. কংগ্রেসের
    2. সিনেটের
    3. লর্ড সভার
    4. কমন্স সভার
    সঠিক উত্তর:
    লর্ড সভার
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    লর্ড সভার
    ব্যাখ্যা

    ১৯১১ এবং ১৯৪৯ সালের পার্লামেন্ট অ্যাক্ট লর্ড সভার ক্ষমতা সীমিত করে সংবিধানের ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।

    ১৫৪.
    বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূলনীতি হলো-
    1. প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে জোট গঠন
    2. সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে শত্রুতা নয়
    3. যুদ্ধকালীন ব্লক রাজনীতিকে সমর্থন
    4. কেবলমাত্র প্রধান শক্তিধর রাষ্ট্রের সাথে বন্ধুত্ব
    সঠিক উত্তর:
    সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে শত্রুতা নয়
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে শত্রুতা নয়
    ব্যাখ্যা

    বাংলাদেশের সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদ আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতি উন্নয়নের উপর জোর দেয়, যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে যে রাষ্ট্র শক্তি প্রয়োগ পরিহার করে, আন্তর্জাতিক বিরোধ শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান করে এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে জাতীয় সমৃদ্ধি ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করে।

    স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষণা করেছিলেন যে, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি হবে "সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে শত্রুতা নয়।” এই নীতি পরবর্তীতে বাংলাদেশের সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদে অন্তর্ভুক্ত হয়।


    বাংলাদেশ সব দেশের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখে; কোনো শক্তিধর দেশের পক্ষপাতিত্ব করে না, সব দেশের সঙ্গে সমানভাবে সম্পর্ক রাখে; কারো সঙ্গে শত্রুতা পোষণ না করে সকল দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন করে।

    ১৫৫.
    মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানকে সমর্থন জানাতে কোন দেশ সপ্তম নৌবহর বঙ্গোপসাগরে পাঠিয়েছিল?
    1. সোভিয়েত ইউনিয়ন
    2. যুক্তরাষ্ট্র
    3. চীন
    4. যুক্তরাজ্য
    সঠিক উত্তর:
    যুক্তরাষ্ট্র
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    যুক্তরাষ্ট্র
    ব্যাখ্যা

    ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে ভারতীয় সেনাবাহিনী ও মুক্তিবাহিনী পাকিস্তান সেনাদের উপর চূড়ান্ত চাপ সৃষ্টি করে।

    এ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে বাঁচানোর জন্য কূটনৈতিক ও সামরিকভাবে চাপ প্রয়োগের চেষ্টা করে।

    - ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে যুক্তরাষ্ট্র তার Seventh Fleet (সপ্তম নৌবহর) বঙ্গোপসাগরে পাঠায়।

    উদ্দেশ্য ছিল ভারতকে ভয় দেখানো এবং পাকিস্তানের পক্ষে শক্তি প্রদর্শন করা। তবে সোভিয়েত নৌবাহিনীর উপস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক ভারসাম্যের কারণে সপ্তম নৌবহর কোন কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেনি।

    ফলে যুদ্ধের ফলাফলে এর কোনো প্রভাব পড়েনি এবং বাংলাদেশ বিজয় অর্জন করে।

    সপ্তম নৌবহর ছিল মুক্তিযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের পাকিস্তানপন্থী অবস্থানের একটি প্রতীকী উদাহরণ।

    সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক – ড. মুহাম্মদ নূরুল ইসলাম

    ১৫৬.
    পররাষ্ট্রনীতি কী?
    1. এক দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক পরিকল্পনা
    2. একটি দেশের অন্যান্য দেশের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষার কৌশল
    3. স্থানীয় সরকারের নিয়মাবলী
    4. শুধুমাত্র সামরিক সম্প্রসারণ সংক্রান্ত নীতি
    সঠিক উত্তর:
    একটি দেশের অন্যান্য দেশের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষার কৌশল
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    একটি দেশের অন্যান্য দেশের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষার কৌশল
    ব্যাখ্যা

    পররাষ্ট্রনীতি হলো একটি দেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক পরিচালনার কৌশল এবং নীতি, যার মূল উদ্দেশ্য হলো জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করা, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক লক্ষ্য অর্জন করা।

    - অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি সম্পর্কিত নীতি পররাষ্ট্রনীতির অংশ নয়।স্থানীয় সরকারের নিয়মাবলী দেশের অভ্যন্তরীণ প্রশাসনের বিষয়।

    ১৫৭.
    বাংলাদেশের সংবিধান মূলত কোন অনুচ্ছেদের মাধ্যমে পররাষ্ট্রনীতিকে দিকনির্দেশনা প্রদান করে?
    1. অনুচ্ছেদ ২১
    2. অনুচ্ছেদ ২৫
    3. অনুচ্ছেদ ২৭
    4. কোনোটিই নয়
    সঠিক উত্তর:
    অনুচ্ছেদ ২৫
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    অনুচ্ছেদ ২৫
    ব্যাখ্যা

    বাংলাদেশের সংবিধানের ২৫ নম্বর অনুচ্ছেদে (Article 25) বৈদেশিক নীতির মূল দিকনির্দেশনা নির্ধারণ করা হয়েছে। অনুচ্ছেদ ২৫ বাংলাদেশের সংবিধানের একটি অনুচ্ছেদ, যা আন্তর্জাতিক শান্তি ও সংহতি প্রতিষ্ঠার নীতিগুলো তুলে ধরে। এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশ জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রাখবে, অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবে না এবং আন্তর্জাতিক আইনের নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করবে।

    ১৫৮.
    বাংলাদেশ চীনের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক কখন স্থাপন করে?
    1. ১৯৭১
    2. ১৯৭৫
    3. ১৯৭৭
    4. ১৯৮০
    সঠিক উত্তর:
    ১৯৭৫
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১৯৭৫
    ব্যাখ্যা

    1971 সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল, কিন্তু চীন তখনো আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করেনি।

    বাংলাদেশ ও চীনের কূটনৈতিক সম্পর্ক ১৯৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, যা রাজনৈতিক স্বীকৃতি, বাণিজ্য ও অবকাঠামো প্রকল্পে সহযোগিতা এবং সীমিত সামরিক প্রশিক্ষণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

    সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক – ড. মুহাম্মদ নূরুল ইসলাম

    ১৫৯.
    কোন ইসলামিক দেশে সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিক থাকে?
    1. সৌদি আরব
    2. সংযুক্ত আরব আমিরাত
    3. কাতার
    4. ওমান
    সঠিক উত্তর:
    সৌদি আরব
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সৌদি আরব
    ব্যাখ্যা

    সৌদি আরব বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অভিবাসী শ্রমিক গন্তব্য। বিশেষ করে গৃহস্থালি কাজ, নির্মাণ, শিল্প ও সার্ভিস খাতে বাংলাদেশের শ্রমিকরা কাজ করে।

    সৌদি আরব থেকে পাঠানো রেমিট্যান্স বাংলাদেশে অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। এটি বিদেশি মুদ্রা অর্জন ও পরিবারগুলোর জীবিকা নিশ্চিত করে।

    কেন অন্য বিকল্পগুলো তুলনায় কম গুরুত্বপূর্ণ:

    UAE, Qatar, Oman এই দেশগুলোতেও বাংলাদেশি শ্রমিক আছে, কিন্তু সংখ্যা ও অর্থনৈতিক প্রভাব সৌদি আরবের তুলনায় কম।

    বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিকদের সবচেয়ে বেশি সৌদি আরবে বসবাস করে এবং এটি দেশের রেমিট্যান্স আয়ের প্রধান উৎস।

    সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক ড. মুহাম্মদ নূরুল ইসলাম

    ১৬০.
    দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সংঘাতের একটি প্রধান কারণ হলো-
    1. জাতিগত ও ধর্মীয় বৈচিত্র্য
    2. প্রাকৃতিক সম্পদের অভাব
    3. সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অভাব
    4. ভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতা
    সঠিক উত্তর:
    জাতিগত ও ধর্মীয় বৈচিত্র্য
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    জাতিগত ও ধর্মীয় বৈচিত্র্য
    ব্যাখ্যা

    জাতিগত ও ধর্মীয় বিভাজন প্রায়ই আঞ্চলিক রাজনীতিকে অস্থিতিশীল করে তোলে। ক্ষমতা ভাগাভাগি, স্বশাসন দাবি এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনের মূল উৎস এই বৈচিত্র্য।

    দক্ষিণ এশিয়ায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক সম্পদ আছে, যেমন গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র অববাহিকা, খনিজ ও কৃষি উৎপাদন।

    দক্ষিণ এশিয়া সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অঞ্চল।

    - দক্ষিণ এশিয়া ভৌগোলিকভাবে বিচ্ছিন্ন নয়; বরং এটি মধ্যপ্রাচ্য, মধ্য এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সাথে সংযুক্ত।

    সূত্রঃ দক্ষিণ এশিয়ার সরকার ও রাজনীতিঃ ভারত, পাকিস্তান, নেপাল ও শ্রীলংকা মোঃ মিজানুর রহমান

    ১৬১.
    উনিশ শতকের দক্ষিণ এশিয়ায় "বাফার স্টেট” বা প্রান্তিক রাষ্ট্র ধারণা দ্বারা কী বোঝানো হয়েছিল?
    1. দুই প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তিকে আলাদা করার জন্য ব্যবহৃত রাষ্ট্র
    2. বৈশ্বিক বাণিজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন রাষ্ট্র
    3. সরাসরি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যে যুক্ত অঞ্চল
    4. সমুদ্র বাণিজ্য ভিত্তিক ঔপনিবেশিক অঞ্চল
    সঠিক উত্তর:
    দুই প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তিকে আলাদা করার জন্য ব্যবহৃত রাষ্ট্র
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    দুই প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তিকে আলাদা করার জন্য ব্যবহৃত রাষ্ট্র
    ব্যাখ্যা

    Buffer State" হলো এমন একটি রাষ্ট্র যা দুই শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তির মধ্যে অবস্থিত এবং তাদের সরাসরি সংঘাত এড়াতে ভূমিকা রাখে। মূল উদ্দেশ্য হলো নিরাপত্তা এবং সীমান্ত স্থিতিশীলতা বজায় রাখা।

    - দক্ষিণ এশিয়ার উদাহরণ: নেপাল ও ভুটান ব্রিটিশ ভারত এবং চীনের (কুইং সাম্রাজ্য) মধ্যে অবস্থিত ছিল। এই দেশগুলো ব্রিটিশদের জন্য একটি প্রাকৃতিক “প্রান্তিক” রূপে কাজ করত, যা ভারতের সীমানা রক্ষা করত। ব্রিটিশরা সরাসরি নিয়ন্ত্রণ না করে স্থানীয় রাজাদের মাধ্যমে সীমান্ত সংরক্ষণ করাত।

    সূত্রঃ দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সরকার ও রাজনীতি-

    ড. মোঃ আব্দুল ওদুদ ভূঁইয়া

    ১৬২.
    আসিয়ানের উদ্দেশ্য-
    1. শান্তি ও নিরাপত্তা
    2. সামরিক শক্তি
    3. অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি
    4. ক ও গ
    সঠিক উত্তর:
    ক ও গ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ক ও গ
    ব্যাখ্যা

    আসিয়ান হচ্ছে দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়ার জাতি সংস্থা, ইংরেজিতে যাকে অ্যাসোসিয়েশন অব সাউথ ইস্ট এশিয়ান নেশনস (আসিয়ান) বলা হয়। দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সবচেয়ে শক্তিশালী আঞ্চলিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংস্থা হিসেবে এটি বিবেচিত। ১৯৬৭ সালের ৮ আগস্ট থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর পরস্পরের স্বার্থ সংরক্ষণে এই সংস্থা গঠন করা হয়। তখন দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়ায় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে এবং শান্তি ও নিরাপত্তা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সংস্থাটি গঠনের কথা বলা হয়। ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় আসিয়ানের সদর দপ্তর।

    ১৬৩.
    আফগানিস্তান কখন সার্কে (SAARC) যোগ দেয়?
    1. ২০০৫
    2. ২০০৭
    3. ২০১০
    4. ২০১২
    সঠিক উত্তর:
    ২০০৭
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ২০০৭
    ব্যাখ্যা

    সার্ক ১৯৮৫ সালের ৮ই ডিসেম্বর বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। যখন বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ ও শ্রীলঙ্কা নেতারা দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়ন এবং অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশসমূহের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও সহযোগিতা করার লক্ষ্যে এক রাজকীয় সনদপত্রে আবদ্ধ হন। এটি অর্থনৈতিক, প্রযুক্তিগত, সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং উন্নয়নের যৌথ আত্মনির্ভরশীলতা জোর নিবেদিত। সার্কের প্রতিষ্টাতা সদস্য সমূহ হল বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ, ভুটান এবং ২০০৭ সালে আফগানিস্তান সার্কের সদস্য পদ লাভ করে।

    ১৬৪.
    ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (এন. ডি. এফ) গঠন করেন-
    1. আল্লামা ইকবাল
    2. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
    3. শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক
    4. মওলানা আকরম খাঁ
    সঠিক উত্তর:
    হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
    ব্যাখ্যা

    গণতান্ত্রিক শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী সকল রাজনৈতিক দলের নেতাকে ঐক্যবদ্ধ করার প্রয়াত চালান। তাঁরই প্রচেষ্টায় ১৯৬২ সালে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যকে সামনে রেখে 'National Democratic Front' (NDF) গঠিত হয়। এজন্য আইয়ুব খান তাঁকে কারারুদ্ধ করেন। গণতন্ত্রে জনগণের কথাই যে শেষ কথা, তা তিনি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করতেন। তিনি বিশ্বাস করতেন যে, 'ভাল সরকার স্বশাসিত সরকারের বিকল্প নয়' (Good government is no substitue for self-government) |

    তথ্যসূত্রঃ পৌরনীতি ও সুশাসন

    ১৬৫.
    মুক্তিযুদ্ধের সময়ে ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে কোন ব্রিগেড ফোর্স গঠিত হয়?
    1. এস ফোর্স
    2. জেড ফোর্স
    3. কে ফোর্স
    4. কোনোটিই নয়
    সঠিক উত্তর:
    জেড ফোর্স
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    জেড ফোর্স
    ব্যাখ্যা

    ব্রিগেড ফোর্স:

    মুক্তিযুদ্ধের সময় ৩টি ব্রিগেড ফোর্স গঠন করা হয়।

    জেড ফোর্স,

    কে ফোর্স,

    এস ফোর্স।

    জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে জেড ফোর্স।

    'জেড ফোর্স' নামে পরিচিত নিয়মিত বাহিনীর প্রথম ব্রিগেডটি জুলাই মাসে গঠিত হয়।

    - ব্রিগেডটি ১ম, ৩য় ও ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয়।

    ← কে.এম. সফিউল্লাহর নেতৃত্বে এস ফোর্স।

    - 'এস ফোর্স' নামে পরিচিত দ্বিতীয় নিয়মিত ব্রিগেডটি অক্টোবরে গঠিত হয়।

    - ব্রিগেডটি দ্বিতীয় ও একাদশ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের -সৈনিকদের নিয়ে অক্টোবরে গঠিত হয়।

    ⇒ খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে কে ফোর্স।

    - 'কে ফোর্স' গঠিত হয় ৪র্থ, ৯ম ও ১০ম ইস্ট বেঙ্গলের সদস্যদের নিয়ে।

    তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

    ১৬৬.
    ড শামসুজ্জোহা শহীদ হন -
    1. ১৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৮
    2. ১৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
    3. ১৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৮
    4. ১৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
    সঠিক উত্তর:
    ১৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
    ব্যাখ্যা

    ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে ১৯৬৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান সেনাবাহিনী বেয়োনেট চার্জ করে ড. মোহাম্মদ শামসুজ্জোহাকে হত্যা করে।

    তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক এবং প্রক্টর ছিলেন। আন্দোলনরত ছাত্রদের বাচাঁতে গিয়ে তিনি নিজেই শহীদ হন।

    তার মৃত্যুর ফলে আইয়ুর বিরোধী আন্দোলন আরও তীব্র আকার ধারণ করে এবং শেষ পর্যন্ত আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার ও আইয়ুব খান পদত্যাগে বাধ্য হন।

    [সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া

    ১৬৭.
    'সাপ্তাহিক সৈনিক'- পত্রিকার সম্পাদনার দায়িত্বে ছিলেন-
    1. এনামুল হক
    2. শাহেদ আলী
    3. শামসুল হক
    4. ক ও খ
    সঠিক উত্তর:
    ক ও খ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ক ও খ
    ব্যাখ্যা

    তমদ্দুন মজলিশের বাংলা মুখপত্র ছিল সাপ্তাহিক সৈনিক। ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর সৈনিকের প্রকাশনা শুরু হয়। তমদ্দুন মজলিসের উদ্যোগে ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত সাপ্তাহিক সৈনিকের সম্পাদনার দায়িত্বে ছিলেন শাহেদ আলী ও এনামুল হক। পরে সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি ছিলেন শাহেদ আলী।

    তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া, দৈনিক পত্রিকা

    ১৬৮.
    আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' গানটির বর্তমান সুরকার কে?
    1. আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
    2. আবদুল লতিফ
    3. আলতাফ মাহমুদ
    4. কেউই নন
    সঠিক উত্তর:
    আলতাফ মাহমুদ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    আলতাফ মাহমুদ
    ব্যাখ্যা

    "আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী, আমি কি ভুলিতে পারি।”

    এই কবিতাটি রচনা করেছিলেন ঢাকা কলেজের ছাত্র আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী। এটি হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত ও মোহাম্মদ সুলতান কর্তৃক প্রকাশিত "একুশে ফেব্রুয়ারি" সংকলনে 'একুশের গান' হিসেবে ছাপা হয় ১৯৫৩ সালের মার্চ মাসে। এটি প্রথমে সুর করেন - আবদুল লতিফ এবং বর্তমানে যে সুরে গাওয়া হয়, তা করেছেন -আলতাফ মাহমুদ।

    উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।

    ১৬৯.
    জুলুম প্রতিরোধ দিবস' পালিত হয় কোন তারিখে?
    1. ২১শে ফেব্রুয়ারি
    2. ৭ই মার্চ
    3. ৬ই ডিসেম্বর
    4. ২৬শে মার্চ
    সঠিক উত্তর:
    ৬ই ডিসেম্বর
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৬ই ডিসেম্বর
    ব্যাখ্যা

    ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান:

    ১৯৬৮ সালের নভেম্বর মাসে ছাত্র অসন্তোষের মাধ্যমে যে আন্দোলনের সূচনা হয়, তা অল্প সময়ের মধ্যেই শ্রমিক, কৃষক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।

    পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে এই আন্দোলন দ্রুত দুর্বার রূপ নেয় এবং ইতিহাসে উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান নামে পরিচিত হয়।

    পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি বৈষম্য, নিপীড়ন ও বঞ্চনার কারণে মানুষের মাঝে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা ক্ষোভ এই আন্দোলনে নতুন মাত্রা যোগ করে।

    মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে এই আন্দোলন আরও জোরদার হয়।

    - ৬ই ডিসেম্বর 'জুলুম প্রতিরোধ দিবস' পালন উপলক্ষে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, শ্রমিক ফেডারেশন ও কৃষক সমিতি পল্টন ময়দানে বিশাল জনসভার আয়োজন করে।

    উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

    ১৭০.
    হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদের পতন ঘটে-
    1. ২৪ মার্চ ১৯৮২
    2. ২৪ মার্চ ১৯৯০
    3. ৬ ডিসেম্বর ১৯৮৯
    4. ৬ ডিসেম্বর ১৯৯০
    সঠিক উত্তর:
    ৬ ডিসেম্বর ১৯৯০
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৬ ডিসেম্বর ১৯৯০
    ব্যাখ্যা

    ২৪ মার্চ ১৯৮২ সালে এরশাদ সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করেন। রাষ্ট্রপতি আবদুস সাত্তারকে পদচ্যুত করে তিনি Chief Martial Law Administrator (CMLA) হিসেবে শাসন শুরু করেন।
    প্রায় ৯ বছর পরে ৬ ডিসেম্বর ১৯৯০- এরশাদের পতন ঘটে।

    ১৭১.
    তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়-
    1. ১২তম সংশোধনীর দ্বারা
    2. ১৩তম সংশোধনীর দ্বারা
    3. ১৫তম সংশোধনীর দ্বারা
    4. ১৭তম সংশোধনীর দ্বারা
    সঠিক উত্তর:
    ১৫তম সংশোধনীর দ্বারা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১৫তম সংশোধনীর দ্বারা
    ব্যাখ্যা

    ১৯৯৬ সালে সংসদে ১৩তম সংশোধনী পাস হয়। এর মাধ্যমে সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার (Caretaker Government) ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকার পরিচালনা করে নির্বাচন যাতে ন্যায়বিচার ও নিরপেক্ষ হয়, এবং রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব না থাকে।১৫তম সংশোধনীর দ্বারা ২০১১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।


    প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকার সাহাবুদ্দীন আহমদ-এর নেতৃত্বে গঠন করা হয়। ১৯৯৬ সালের সাধারণ নির্বাচন সফলভাবে এই ব্যবস্থার মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়।

    ১৭২.
    সার্বভৌমত্ব কী?
    1. সরকারের চরম ক্ষমতা
    2. রাষ্ট্রপতির চরম ক্ষমতা
    3. প্রধানমন্ত্রীর চরম ক্ষমতা
    4. রাষ্ট্রের চরম ক্ষমতা
    সঠিক উত্তর:
    রাষ্ট্রের চরম ক্ষমতা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    রাষ্ট্রের চরম ক্ষমতা
    ব্যাখ্যা

    সার্বভৌমত্ব বা সার্বভৌমিকতা (Sovereignty) বলতে রাষ্ট্রের এমন এক ক্ষমতাকে বুঝায় যার ঊর্ধ্বে আর কোন ক্ষমতা নাই। অর্থাৎ রাষ্ট্রের চরম ও সর্বোচ্চ ক্ষমতাই সার্বভৌমত্ব। এ ক্ষমতাবলে রাষ্ট্র সমস্ত ব্যক্তি ও ব্যক্তিদের সংঘ ও প্রতিষ্ঠানকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

    সার্বভৌমত্বের সংজ্ঞা দিয়ে জ্যাঁ বোদা বলেন, "এটি নাগরিক ও প্রজাদের উপর আরোপিত এমন সীমাহীন ক্ষমতা যা আইনের দ্বারা বাধাগ্রস্ত নয়।" অর্থাৎ সার্বভৌমত্ব এমন এক ক্ষমতা যা আইনের ঊর্ধ্বে। উইলোবি বলেন, "রাষ্ট্রের চূড়ান্ত ইচ্ছাই সার্বভৌমত্ব।
    তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এইচ এস সি প্রোগ্রাম

    ১৭৩.
    আমেরিকার ডেমোক্র্যাট পার্টির প্রতীক-
    1. হাতি
    2. ঘোড়া
    3. গাধা
    4. কোনোটিই নয়
    সঠিক উত্তর:
    গাধা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    গাধা
    ব্যাখ্যা

    নির্বাচনী প্রচারের সব পর্বেই নিজস্ব চিহ্ন ব্যবহার করে আমেরিকার দুই দল। ডেমোক্র্যাটদের প্রতীক গাধা, আর রিপাবলিকানদের হাতি। ইতিহাস বলছে, ১৯ শতকের শেষের দিকে বিখ্যাত কার্টুনশিল্পী টমাস নাস্ট একটি রাজনৈতিক কার্টুনে আমেরিকার দুই প্রধান দলকে বোঝাতে এঁকেছিলেন ‘গাধা’ এবং ‘হাতি’। সেই থেকেই সমানে চলে আসছে সেই ‘ট্র্যাডিশন’।

    ১৭৪.
    নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি পদত্যাগ করেন-
    1. ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
    2. ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
    3. ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
    4. ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
    সঠিক উত্তর:
    ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
    ব্যাখ্যা

    ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ রাজনৈতিক সংকটের মুখোমুখি দক্ষিণ এশিয়ার দেশ নেপাল। সামাজিক মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা, রাজনীতিবিদদের সন্তানদের বিলাসী জীবনযাপন, ব্যাপক বেকারত্ব আর সরকার-প্রশাসনের দুর্নীতির প্রতিবাদে দেশজুড়ে জেন-জি তথা তরুণদের মাত্র দুই দিনের বিক্ষোভের মুখে মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সরকার পতন হয়েছে। পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি।
    তথ্যসূত্রঃ দৈনিক পত্রিকা

    ১৭৫.
    'নেপো কিডস' প্রকাশ করে-
    1. স্বজনপ্রীতি
    2. সাম্যবাদ
    3. দুর্নীতি
    4. সামাজিক বৈষম্য
    সঠিক উত্তর:
    স্বজনপ্রীতি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    স্বজনপ্রীতি
    ব্যাখ্যা

    নেপালের বিক্ষোভের অন্যতম লক্ষ্যবস্তু ছিল ‘নেপো কিডস’। ধনী রাজনীতিবিদ এবং ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের সন্তানদেরকে এই নামে অভিহিত করা হচ্ছে। নেপোটিজম বা স্বজনপ্রীতি থেকে এই নামকরণ। স্বজনপ্রীতির সুবিধাভোগী এই তরুণেরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের দামী গাড়ি, বিলাসবহুল অবকাশ যাপন এবং জাঁকজমকপূর্ণ জীবনযাত্রার ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করে যার মাধ্যমে সমাজের প্রকট বৈষম্য ফুটে ওঠে। সম্পদ ও ক্ষমতার এই নগ্ন প্রদর্শন করতেন নেপো কিডসরা। তাদের এসব কর্মকাণ্ড নেপালের ধনী ও দরিদ্রের মধ্যকার বিশাল ফারাক চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়। তরুণদের অভিযোগ, এই বিলাসী জীবনযাত্রার অর্থের উৎস হলো প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি, যা নেপালের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছড়িয়ে পড়েছে।

    ১৭৬.
    পাকিস্তানে গণতন্ত্রে প্রধান বাধা কী?
    1. সামরিক হস্তক্ষেপ
    2. অর্থনৈতিক বৈষম্য
    3. ধর্মীয় দ্বন্দ্ব
    4. শিক্ষার অভাব
    সঠিক উত্তর:
    সামরিক হস্তক্ষেপ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সামরিক হস্তক্ষেপ
    ব্যাখ্যা

    শক্তিশালী সামরিক বাহিনীর ব্যাপক প্রভাব এবং হস্তক্ষেপের কারণে পাকিস্তানকে ‘স্বৈরাচারী’ দেশ বলে গণ্য করা হয় এবং সেনাবাহিনী দেশের রাজনৈতিক গতিশীলতাকে আকার দেয় এবং প্রায়শই নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। ফলে গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ সংকটাপন্ন।

    ১৭৭.
    Aragalaya আন্দোলন হয় কোন দেশে?
    1. নেপাল
    2. শ্রীলঙ্কা
    3. ভারত
    4. বাংলাদেশ
    সঠিক উত্তর:
    শ্রীলঙ্কা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    শ্রীলঙ্কা
    ব্যাখ্যা

    শ্রীলঙ্কার ২০২২ সালের শ্রীলঙ্কার “Aragalaya” আন্দোলন দক্ষিণ এশিয়ার সাম্প্রতিক ইতিহাসের অন্যতম তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। “Aragalaya” শব্দটি সিংহলি ভাষায় “সংগ্রাম” অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা আন্দোলনের জনমানসে গভীর প্রভাব ফেলেছে।

    রাজাপাক্সা পরিবারের হাতে ক্ষমতার অতিরিক্ত কেন্দ্রীকরণ ছিল এই আন্দোলনের অন্যতম ইস্যু। গোটাবায়া রাজাপাক্সা রাষ্ট্রপতি এবং তার ভাই মহিন্দা রাজাপাক্সা প্রধানমন্ত্রী হওয়ায় জনগণের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। মার্চ ২০২২-এ শুরু হওয়া আন্দোলন শুরুর দিকে শান্তিপূর্ণ থাকলেও সময়ের সাথে সাথে তা ব্যাপক রূপ নেয়। কলম্বোর গলে ফেস গ্রিনে আন্দোলনকারীরা ছাউনিবাস গড়ে তোলে, যা আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় আলোচিত হয়।

    অবশেষে জুলাই ২০২২-এ রাষ্ট্রপতি গোটাবায়া রাজাপাক্সা দেশত্যাগে বাধ্য হন। সংসদ সদস্যদের ভোটে রণিল বিক্রমাসিংহে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

    ১৭৮.
    ভারতের প্রাচীনতম রাজনৈতিক দল-
    1. ভারতীয় জনতা পার্টি
    2. ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস
    3. কমিউনিস্ট পার্টি ইব ইন্ডিয়া
    4. দ্রাবিড় মুন্নেত্র কাজাঘাম
    সঠিক উত্তর:
    ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস
    ব্যাখ্যা

    ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস ভারতের সবচেয়ে প্রাচীন রাজনৈতিক দল, যা ১৮৮৫ সালের ২৮ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি এশিয়া এবং আফ্রিকার ব্রিটিশ সাম্রাজ্যে প্রথম আধুনিক জাতীয়তাবাদী আন্দোলন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। ১৯২০ সালের পর থেকে, বিশেষ করে মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে, কংগ্রেস ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রধান নেতৃত্ব দেয়।

    ১৭৯.
    গণতান্ত্রিক দেশে ভোটের প্রক্রিয়া প্রধান কারা করে?
    1. রাষ্ট্রপতি
    2. নির্বাচন কমিশন
    3. প্রধানমন্ত্রী
    4. সংসদ
    সঠিক উত্তর:
    নির্বাচন কমিশন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    নির্বাচন কমিশন
    ব্যাখ্যা

    নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন সাংবিধানিক সংস্থা। জাতীয় ও স্থানীয় সরকার পর্যায়ের সকল নির্বাচন অনুষ্ঠানের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা, নির্বাচনী এলাকা নির্ধারণ, ভোটার তালিকা তৈরি, ভোটগ্রহণ তত্ত্বাবধান, নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা এবং নির্বাচনী অভিযোগ-মোকদ্দমা মীমাংসার লক্ষ্যে নির্বাচনী ট্রাইবুনাল গঠন করা নির্বাচন কমিশনের কাজ। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম ভাগে নির্বাচন কমিশনের গঠন-কাঠামো, ক্ষমতা ও দায়িত্ব নির্ধারণ করা আছে।

    ১৮০.
    পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?
    1. জওহরলাল নেহেরু
    2. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
    3. আকবর
    4. কেউই নন
    সঠিক উত্তর:
    মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
    ব্যাখ্যা

    পাকিস্তান রাষ্ট্রের জনক মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ। মূহাম্মদ আলী জিন্নাহ একজন ব্যারিস্টার, রাজনীতিবিদ এবং পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন, তিনি ১৯৪৭ থেকে সেপ্টেম্বর ১৯৪৮ সালে তার মৃত্যু পর্যন্ত দেশের প্রথম গভর্নর-জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

    ১৮১.
    থাইল্যান্ডের বৈশিষ্ট্য কী?
    1. দীর্ঘ সময় ঔপনিবেশ ছিল
    2. কখনো উপনিবেশ ছিল না
    3. ব্রিটিশ উপনিবেশ ছিল
    4. ফরাসি উপনিবেশ ছিল
    সঠিক উত্তর:
    কখনো উপনিবেশ ছিল না
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    কখনো উপনিবেশ ছিল না
    ব্যাখ্যা

    থাইল্যান্ড অতীতে অন্য কোনো দেশের উপনিবেশ ছিল না। তবে ফরাসী ও ব্রিটিশ কলোনিগুলোর মধ্যবর্তী একটি বাফার অঞ্চল ছিল।
    তথ্যসূত্রঃ আন্তর্জাতিক পত্রিকা ও জার্নাল

    ১৮২.
    বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়-
    1. ২৬ মার্চ ১৯৭১
    2. ৪ নভেম্বর ১৯৭২
    3. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
    4. ১২ জানুয়ারি ১৯৭২
    সঠিক উত্তর:
    ৪ নভেম্বর ১৯৭২
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৪ নভেম্বর ১৯৭২
    ব্যাখ্যা

    ৪ নভেম্বর ১৯৭২ তারিখে গণপরিষদে (Constituent Assembly) বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত (adopted)হয়। এটি ছিল বাংলাদেশের স্থায়ী সংবিধান। বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে নিজের সংবিধান গ্রহণ করে, যা জনগণের সার্বভৌমত্ব, মৌলিক অধিকার ও গণতান্ত্রিক শাসনের ভিত্তি স্থাপন করে।

    ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ তারিখে বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়, বিজয় দিবসে।

    ১৮৩.
    সেনা শাসনের সময় কোন বিরোধী দল প্রথম নির্বাচন বর্জন করে?
    1. বিএনপি
    2. আওয়ামী লীগ
    3. জামায়াতে ইসলাম
    4. জাতীয় পার্টি
    সঠিক উত্তর:
    বিএনপি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বিএনপি
    ব্যাখ্যা

    সেনা শাসনের সময়, বিশেষ করে হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের আমলে, বিরোধী দলগুলো নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছিল। সেই সময় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (BNP) প্রথম দফায় নির্বাচনে অংশ না নিয়ে নির্বাচন বর্জন করেছিল।

    - বিরোধী দলের লক্ষ্য নির্বাচনের অস্বচ্ছতা ও সামরিক প্রভাবকে চ্যালেঞ্জ করা।

    - নির্বাচনে অংশ না নিয়ে রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করা।পরে অন্যান্য দলও ভোট বর্জন বা গণআন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছিল।

    - BNP সেনা শাসনের অধীনে প্রথম নির্বাচনী বর্জনকারী বিরোধী দল।

    সূত্রঃ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন ১৯৭১ থেকে বর্তমান পর্যন্ত- সৈয়দ নুরুল হক

    ১৮৪.
    ১৯৯০ সালে সেনাবাহিনী রাজনীতি থেকে সরে আসার কারণ কী?
    1. ব্যাপক গণ আন্দোলন
    2. এরশাদের নির্বাচনী বিজয়
    3. সামরিক আইন ডিক্রি বা আদেশ
    4. আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ
    সঠিক উত্তর:
    ব্যাপক গণ আন্দোলন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ব্যাপক গণ আন্দোলন
    ব্যাখ্যা

    ১৯৯০ সালে ব্যাপক গণআন্দোলন (popular uprising) এবং বিরোধীদলের একত্রিত আন্দোলনের ফলে হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ পদত্যাগ করেন।

    - এই গণআন্দোলন সেনাবাহিনীকে রাজনীতি থেকে সরে আসতে বাধ্য করে।

    এর ফলে সামরিক শাসনের অবসান ঘটে এবং দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বে পুনরায় সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা হয়।

    গণআন্দোলনের চাপ → সামরিক শাসনের অবসান

    সেনাবাহিনী রাজনীতি থেকে সরে আসে

    অস্থায়ী সরকার ও নির্বাচনের পথ পরিষ্কার হয়

    সূত্রঃ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন ১৯৭১ থেকে বর্তমান পর্যন্ত- সৈয়দ নুরুল হক