পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন৩২
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৪: বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সিলেবাস: i) বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি, ii) বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ, iii) বাংলাদেশের অর্থনীতি, iv) বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য উৎস: ষষ্ঠ থেকে উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির সংশ্লিষ্ট বোর্ড বই, বিভিন্ন জাতীয় সমীক্ষা, বাংলাপিডিয়া, সংশ্লিষ্ট সরকারি ওয়েবসাইট ও যেকোনো গাইড বই। --------------------- [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ১০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩২ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন কয়টি শাখায় বিভক্ত?
  1. ৫টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন: 
- ট্যারিফ কমিশন পাকিস্তান ট্যারিফ কমিশনের পূর্ব পাকিস্তান শাখার উত্তরবর্তী।
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর এর নতুন নাম হয় ট্যারিফ কমিশন।
- বর্তমানে এটি দেশীয় শিল্পসমূহকে অসম প্রতিযোগিতা থেকে রক্ষা ও যথাযথ সংরক্ষণের লক্ষ্যে একটি স্বায়ত্তশাসিত বিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে কাজ করছে।
- বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট।
- এর প্রধান হচ্ছেন সরকারের সচিব পর্যায়ের মর্যাদাসম্পন্ন একজন চেয়ারম্যান।
- ট্যারিফ কমিশন তিনটি শাখায় বিভক্ত:
১. বাণিজ্য নীতিমালা,
২. বাণিজ্য প্রতিকার এবং
৩. আন্তর্জাতিক সহযোগিতা শাখা।

উল্লেখ্য
- ট্যারিফ  কমিশেনের প্রতিটি শাখা একজন সদস্য দ্বারা পরিচালিত।
- এছাড়াও একটি প্রশাসনিক শাখা আছে। এই শাখা কমিশনের সচিব দ্বারা পরিচালিত। 

উৎস: বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন ওয়েবসােইট।

.
EPB এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Export Policy Board
  2. Export Promotion Board
  3. Export Promotion Bureau
  4. External Product Bureau
ব্যাখ্যা

ইপিবি : 
- ​রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)।
​- EPB এর পূর্ণরূপ  Export Promotion Bureau.
​- মাননীয় বাণিজ্যমন্ত্রী পদাধিকার বলে পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান। 
​- ইপিবির ভাইস-চেয়ারম্যান (প্রধান নির্বাহী) পরিচালনা পর্ষদেরও ভাইস-চেয়ারম্যান যিনি পর্ষদের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করেন।
​- ১৯৬২ সালে ইপিবি সরকারি সংস্থা হিসেবে যাত্রা শুরু করে। 

​উৎস: EPB ওয়েবসাইট।

.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত কত?
  1. ৮:৬
  2. ১০:৬
  3. ৬:৩
  4. ১২:৬
ব্যাখ্যা

জাতীয় পতাকা:
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।
- পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে জাতীয় পতাকার রং গাঢ় সবুজ এবং ১০:৬ অনুপাতে আয়তাকার, তাতে থাকবে সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ। 
- প্রথম অবস্থায় পতাকার কেন্দ্রস্থলে বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত ছিল।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস।
- ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ছাত্রদের পক্ষে পতাকাটি উত্তোলন করেছিলেন তৎকালীন ডাকসুর ভিপি আ স ম আব্দুর রব।।
- শিবনারায়ণ দাস বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকার অন্যতম এবং মূল নকশাকার।

 উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চলের সংক্ষিপ্ত রূপ কোনটি?
  1. BADC
  2. BIDA
  3. ΒΕΡΖΑ
  4. BEZA
ব্যাখ্যা

BEZA:
- BEZA-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Economic Zones Authority.
- বেজা বা বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ আইন-২০১০ অধ্যাদেশ দ্বারা গঠিত।
- এটি একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল আইন, ২০১০ এর বিধানানুসারে ৯ নভেম্বর ২০১০ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়ন তথা শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান, উৎপাদন এবং রপ্তানী বৃদ্ধি ও বহুমুখীকরণে উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে পশ্চাৎপদ ও  অনগ্রসর এলাকাসহ সম্ভাবনাময় সকল এলাকায় অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করাই হলো বেজার মূল লক্ষ্য।
- দৈনন্দিন কার্যক্রম তত্ত্বাবধানের জন্য একজন নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং তিন জন নির্বাহী সদস্য সমন্বয়ে বেজার নির্বাহী বোর্ড গঠিত।

অন্যদিকে,
- বিডা হলো, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (BIDA)। 
- BADC-এর পূর্ণরূপ হলো বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন।
- ΒΕΡΖΑ  হলো বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ।

উৎস: বেজা ওয়েবসাইট।

.
বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকের চূড়ায় পাট গাছের কয়টি পরস্পর যুক্ত পাতা রয়েছে?  
  1. ৫টি
  2. ৪টি
  3. ৩টি
  4. ২টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক:
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পরপরই বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক গ্রহণ করা হয়।
- বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকের কেন্দ্রে রয়েছে পানিতে ভাসমান একটি  শাপলা ফুল।
- এ প্রতীক হলো পানিতে ভাসমান জাতীয় ফুল শাপলা এবং এর উভয় পার্শ্বে একটি করে ধানের শীষ, চূড়ায় পাটগাছের পরস্পর যুক্ত তিনটি পাতা এবং পাতার উভয় পার্শ্বে দুটি করে মোট চারটি তারকা।
পানি, ধান ও পাট প্রতীকে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত হয়েছে বাংলাদেশের নিসর্গ ও অর্থনীতি। এ তিনটি উপাদানের ওপর স্থাপিত জলজ প্রস্ফুটিত শাপলা হল অঙ্গীকার, সৌন্দর্য ও সুরুচির প্রতীক।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

.
বাংলাদেশ সরকারের অর্থবছরের সময়কাল কোনটি? 
  1. জুলাই-জুন
  2. জুন-জুলাই
  3. মে- এপ্রিল
  4. ফেব্রুয়ারি- জানুয়ারি
ব্যাখ্যা

বাজেট:
- বাংলাদেশের আর্থিক বছর জুলাই- জুন।
- অর্থবছর শুরু হয় ১ জুলাই থেকে।
- বাংলাদেশের বাজেট ঘাটতি বাজেট।
- সংসদে বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী।
- বাংলাদেশের বাজেট কার্যকর হয় ১ জুলাই থেকে।
- ১৯৭২ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে প্রথম বাজেট উপস্থাপন করা হয়।
- এই বাজেটটি ছিল ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরের জন্য এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে পেশ করা প্রথম বাজেট ছিল।

অন্যদিকে,
-  ভারত, যুক্তরাজ্য, হংকং, কানাডা এবং দক্ষিণ আফ্রিকায় অর্থ বছর: এপ্রিল - মার্চ।

​উৎস: অর্থ মন্ত্রণালয় ও প্রথম আলো।

.
দেশে 'লিচু' উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি? [কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪]
  1. দিনাজপুর
  2. পাবনা 
  3. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা

- দেশে 'লিচু' উৎপাদনে শীর্ষ জেলা পাবনা। (৮,৮৯০ মে. টন)।
- দেশে 'লিচু' উৎপাদনে দ্বিতীয় শীর্ষ জেলা দিনাজপুর। (৮,৫২০.৪৯ মে. টন)।

অন্যদিকে,
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:রংপুর জেলা।
- মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪।

.
জাতীয় শিল্প উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি কে?
  1. শিল্পমন্ত্রী
  2. বাণিজ্যমন্ত্রী
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. পরিকল্পনা মন্ত্রী
ব্যাখ্যা

জাতীয় শিল্প উন্নয়ন পরিষদ:
- জাতীয় শিল্প উন্নয়ন পরিষদ (NCID) হল শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি পরিষদ।
- দেশব্যাপী ব্যাপক ভিত্তিতে ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচি জাতীয় শিল্প উন্নয়ন পরিষদ (NCID) গ্রহণ করে থাকে।
- এর সভাপতি: প্রধানমন্ত্রী।
- সহ-সভাপতি: মন্ত্রী, শিল্প মন্ত্রণালয়।
- প্রতি ছয় মাসে পরিষদ একবার সভায় মিলিত হবে। শিল্প মন্ত্রণালয় এ পরিষদকে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবে।
- পরিষদের সদস্য হিসেবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রীর উল্লেখ থাকলেও মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মাননীয় প্রতিমন্ত্রীও এর অন্তর্ভুক্ত হবেন।
- পরিষদ আবেদনকারী কোন উদীয়মান যোগ্য শিল্প প্রতিষ্ঠানকে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত শিল্পখাতে অন্তর্ভুক্তির ঘোষণা দিতে পারবে। 

উৎস: জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ ওয়েবসাইট।[লিঙ্ক]

.
কোনো রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীতের কত চরণ বাজানো হয়?
  1. ৮ চরণ
  2. ৫ চরণ
  3. ১০ চরণ
  4. ৪ চরণ
ব্যাখ্যা

জাতীয় সঙ্গীত:
- রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে প্রথম ৪ চরণ বাজানো হয়।
- বঙ্গভঙ্গের প্রেক্ষাপটে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'আমার সোনার বাংলা 'কবিতার প্রথম ১০ চরণকে বাংলাদেশের  জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং তা গৃহীত হয় ১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারি।
- ১৯০৬ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত 'আমার সোনার বাংলা' শীর্ষক সঙ্গীতটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গৃহীত হয়।
- জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের বিধান অনুযায়ী কণ্ঠে গাইতে গেলে দশ চরণ আর যন্ত্র সঙ্গীতে বাজাতে গেলে চার চরণ পর্যন্ত বাজাতে হবে।
- বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত "আমার সোনার বাংলা" এর রচয়িতা ও সুরকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, সংবিধান।

১০.
বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের ইংরেজী অনুবাদক কে? 
  1. আহসান হাবীব
  2. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  3. সৈয়দ আলী আহসান
  4. সৈয়দ মুজতবা আলী
ব্যাখ্যা

- সৈয়দ আলী আহসান বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের ইংরেজি অনুবাদক।

সৈয়দ আলী আহসান:
- ১৯২০ সালে মাগুরা জেলার আলোকদিয়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা সৈয়দ আলী হামেদ ছিলেন একজন স্কুল ইন্সপেক্টর।
- তিনি কর্মজীবনে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেছেন।
- তিনি বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের ইংরেজি অনুবাদক।
- রাজশাহী ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

অন্যদিকে,
 -মুহম্মদ শহীদুল্লাহ একজন বাঙালি বহুভাষাবিদ ও দার্শনিক ছিলেন।
- সৈয়দ মুজতবা আলী আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম রম্যরচয়িতা।
- আহসান হাবীব দেশের একজন খ্যাতিমান কবি ও সাহিত্যিক। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১১.
উচ্চ লবণ সহিষ্ণু গমের নতুন জাত ‘জিএইউ গম ১’ উদ্ভাবন করেছে কোন বিশ্ববিদ্যালয়?
  1. বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
  2. সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
  3. শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
  4. গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা

গমের নতুন জাত: 
- গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষিতত্ত্ব বিভাগ উচ্চ লবণসহিষ্ণু গমের নতুন জাত ‘জিএইউ গম ১’ উদ্ভাবন করেছে।

- উচ্চ লবণাক্ততা  সহনশীলতার দিক থেকে দেশে এটিই গমের প্রথম জাত।
- ২ জুলাই ২০২৫ তারিখে এ তথ্যটি প্রকাশ করা হয়।
- গবেষণার নেতৃত্বে: কৃষিতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ময়নুল হক ও মসিউল ইসলাম।
 - এটি উন্নতমানের গমের জাত যা লবণাক্ততা সহনশীল, উচ্চফলনশীল ও অধিক প্রোটিনসমৃদ্ধ।
- এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট উদ্ভাবিত জাতের সংখ্যা ৯১টি।

উৎস: গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট।

১২.
নিচের কোন নোটটিতে অর্থ সচিবের স্বাক্ষর থাকে না?
  1. ১ টাকা
  2. ৫ টাকা
  3. ২ টাকা
  4. ২০ টাকা
ব্যাখ্যা

- ২০ টাকার নোটে অর্থ সচিবের স্বাক্ষর থাকে না ।

• টাকার নোট: 
- বাংলাদেশে দুই ধরনের কাগুজে নোট:
- বাংলাদেশের নোট দুই ধরনের।
- সরকারি নোট ও ব্যাংক নোট।
- সরকারি নোট: ১, ২ ও ৫ টাকার নোট। এবং ১, ৫, ১০, ২৫ ও ৫০ পয়সার মুদ্রা।
- সরকারি নোটে স্বাক্ষর থাকে অর্থ সচিবের।
- ব্যাংক নোট: ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকা মূল্যমানের ৭টি নোট।
- ব্যাংক নোটের প্রবর্তক বাংলাদেশ ব্যাংক।
- এবং এ নোটে স্বাক্ষর থাকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনরের।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক এবং অর্থ মন্ত্রনালয় ওয়েবসাইট।

১৩.
দেশের প্রথম অর্গানিক চা উৎপাদন শুরু হয় কোন জেলায়?
  1. কুড়িগ্রাম
  2. পঞ্চগড়
  3. মৌলভীবাজার
  4. হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা

অর্গানিক চা:
- অর্গানিক বা ভেষজ চা হচ্ছে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে কোনোরকম ক্ষতিকর রাসায়নিক ও কৃত্রিম উপাদান ছাড়া উৎপাদন প্রক্রিয়া।
- অর্গানিক চা চাষে রাসায়নিক সার বা কীটনাশক ব্যবহৃত হয় না।
- বাংলাদেশে পঞ্চগড় জেলার তেতুঁলিয়ায় সর্বপ্রথম অর্গানিক চায়ের চাষ শুরু হয়।
- ২০০০ সালে কাজী অ্যান্ড কাজী টি এস্টেটে চায়ের আবাদ শুরু হয়।
- উৎপাদন শুরু হয় ২০০৪ সালে।
- বর্তমানে পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুর জেলায় ক্ষুদ্র ও বৃহৎ পরিসরে অর্গানিক চায়ের চাষ হচ্ছে।


উল্লেখ্য,
- দেশে বর্তমানে নিবন্ধিত চা বাগান ১৭১ টি। [নভেম্বর,২০২৫]
- মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত ৯০টি চা বাগান,
- সিলেট জেলায় অবস্থিত ১৯টি চা বাগান,
- পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত ১১ টি চা বাগান,
- রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত ০২টি চা বাগান,
- খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় অবস্থিত ০১টি চা বাগান।

উৎস: প্রথম আলো ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৪.
বিবিএস প্রকাশিত সর্বশেষ রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপির পরিমাণ কত? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. ২,৪২০ মার্কিন ডলার
  2. ২,৬৭১ মার্কিন ডলার
  3. ২,৮২০ মার্কিন ডলার
  4. ২,৬৬০ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)সর্বশেষ রিপোর্ট:
- মাথাপিছু আয়- ২,৮২০ মার্কিন  ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি- ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- মোট জনসংখ্যা: ১৭১.৮৫ মিলিয়ন।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো

১৫.
ঘোড়াশাল সার কারখানার উৎপাদিত সারের নাম-
  1. টিএসপি
  2. ইউরিয়া
  3. এমওপি
  4. জিপসাম 
ব্যাখ্যা

•ঘোড়াশাল সার কারখানা: 
- ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী (জিপিএফপিএলসি) নরসিংদী জেলায় অবস্থিত।
- পূর্বেকার ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড (ইউএফএফএল) এবং পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড (পিইউএফএফএল) একীভূত হয়।
- একিভূত হয়: ০১-০৭-২০২১ খ্রি.।
-  ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী (জিপিএফপিএলসি) গঠিত হয়।
- উৎপাদিত সার: ইউরিয়া।

উল্লেখ্য,
- ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিঃ প্রতিষ্ঠিত হয়:  ১৯৭০ সালে নরসিংদী জেলায়।
- পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৮৫ সালে নরসিংদী জেলায়। 

উৎস: বিসিসিআই এবং প্রথম আলো।

১৬.
বাংলাদেশের জাতীয় বৃক্ষের নাম কী? 
  1. কাঁঠাল
  2. আম 
  3. গোলাপ
  4. জলাপাই
ব্যাখ্যা

- আম গাছ বাংলাদেশের জাতীয় বৃক্ষ।

• বাংলাদেশের জাতীয় বিষয় সমূহ:
- জাতীয় ভাষা: বাংলা।
- জাতীয় সঙ্গীত: আমার সোনার বাংলা (প্রথম ১০ চরণ)।
- জাতীয় পাখি: দোয়েল।
- জাতীয় ফুল: শাপলা।
- জাতীয় পশু: রয়েল বেঙ্গল টাইগার।
- জাতীয় বন: সুন্দরবন।
- জাতীয় ফল: কাঁঠাল।
- জাতীয় মাছ: ইলিশ। -
- জাতীয় মসজিদ: বায়তুল মোকাররম।
- জাতীয় জাদুঘর: জাতীয় জাদুঘর শাহবাগ, ঢাকা।
- জাতীয় পতাকা: সবুজের মাঝে লাল বৃত্ত।
- জাতীয় কবি: কাজী নজরুল ইসলাম।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৭.
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. কোনাবাড়ি, গাজীপুর
  2. জয়দেবপুর, গাজীপুর
  3. রাজেন্দ্রপুর, গাজীপুর
  4. খামারবাড়ি, ঢাকা 
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI)-এর সদর দপ্তর গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে অবস্থিত।

• বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট: 

- বাংলাদেশের কৃষি গবেষণার একটি প্রধান অঙ্গ হচ্ছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট,
- যা দেশের প্রধান খাদ্য ধান উৎপাদন ও জাত উন্নয়নে কাজ করছে।
- এটি গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে অবস্থিত।
-  ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট হিসেবে এর যাত্রা শুরু।
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর এ প্রতিষ্ঠানের নতুন নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট,
- এ প্রতিষ্ঠানের ১৯টি গবেষণা বিভাগ, ১৭টি আঞ্চলিক কার্যালয়, ০৬টি স্যাটেলাইট স্টেশন,

উৎস: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

১৮.
বাংলাদেশে অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক রয়েছে কয়টি? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. ৪টি
  2. ৩টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে বর্তমানে ৫টি অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক রয়েছে:
- আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
- কর্মসংস্থান ব্যাংক,
- গ্রামীণ ব্যাংক,
- জুবিলি ব্যাংক,
- পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

• রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক (SOCBs): মোট: ৬টি
- বিশেষায়িত ব্যাংক (SDBs): মোট ৩টি।
- বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক (FCBs): মোট: ৯টি।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট। 

১৯.
কৃষিতে ’স্বর্ণা সার’ আবিষ্কার করেন কে?
  1. ড. মাকসুদুল আলম
  2. ড. আব্দুল খালেক
  3. ড. আব্দুল জমির উদ্দিন
  4. ড. মোবারক আহমেদ খান
ব্যাখ্যা

স্বর্ণা সার:
- স্বর্ণা এক প্রকার জৈব সার।
- এর বৈজ্ঞানিক নাম ফাইটা হারমোন ইনডিউসার।
- ১৯৮৭ সালে ড. সৈয়দ আব্দুল খালেক এই সার আবিষ্কার করেন।

উল্লেখ্য,
-'স্বর্ণা' নামের বহুল পরিচিত এই 'জৈবসার'-টি পেটেন্ট করা হয় ১৯৯৩ সালে।
- ড. মোবারক আহমেদ খান ২০০৮ সালে পাট থেকে ঢেউটিন তৈরির পদ্ধতি আবিষ্কার করেন।
- পাটের জিনোম আবিষ্কার করেন ড. মাকসুদুল আলম।

উৎস: মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

২০.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামের বৃত্তের উপরের দিকে লেখা রয়েছে- 
  1. সরকার
  2. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ
  3. শাপলা 
  4. পাট পাতা
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রীয় মনোগ্রাম:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামে রয়েছে লাল বৃত্তের মাঝে হলুদ রঙের বাংলাদেশের মানচিত্র।
- বৃত্তের উপরের দিকে লেখা আছে 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ', নিচে লেখা 'সরকার' এবং বৃত্তের পাশে দুটি করে মোট চারটি তারকা।
- এ মনোগ্রামের ডিজাইনার এ এন এ সাহা।

উৎস: বাংলাদেশ সরকারের ওয়েবসাইট।

২১.
বর্তমানে দেশে আবাদযোগ্য জমির পরিমান কত? [ কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪]
  1. ৪,৫২,৯৬,০০০ একর
  2. ৩,৯২,৯৬,০০০ একর
  3. ৫,৯০,৯৬,০০০ একর
  4. ২,৪২,৯৬,০০০ একর
ব্যাখ্যা

- মোট আবাদযোগ্য জমি: ৩,৯২,৯৬,০০০ একর।
- পূর্বে ছিল ৩,৯৩,৫৮,০০০ একর।
- মোট আবাদী জমি: ১,৯৮,২৯,০০০ একর।
- এক ফসলি জমি ৫০,৪৯,০০০ একর। 
- বাংলাদেশের বনাঞ্চল: ৬৩,৬৩,৩০৯.৩৩ একর বা ২৫,৭৫,১৯৬.০১ হেক্টর।
- সর্বাধিক বনাঞ্চল: রাঙামাটি: ১৩,৭৮,৫৬৪.১৩ একর। [ সর্বাধিক বনাঞ্চল]
- সার্বিকভাবে বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: রংপুর বিভাগ।
- সার্বিক ভাবে জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: ময়মনসিংহ জেলা।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

২২.
বাংলাদেশের জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (NBR) প্রধান কাজ কী?
  1. বাজেট তৈরি
  2. কর আদায়
  3. মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ
  4. ঋণ নিয়ন্ত্রন
ব্যাখ্যা

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড: 
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (জারাবো) রাজস্ব প্রশাসনের শীর্ষ সংস্থা।
- ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতি আদেশ নং - ৭৬ দ্বারা গঠিত হয়েছে।
-  প্রশাসনিকভাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড অর্থ মন্ত্রনালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অধীন একটি পরিচালিত হয়।
-  অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব জারাবো'র এক্স-অফিসিও চেয়ারম্যান ও প্রশাসনিক প্রধান।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে প্রধান দায়িত্ব হলো কাস্টমস, আয়কর ও মূল্য সংযোজন কর সংক্রান্ত্ বিধি-বিধান তৈরি এবং তার আলোকে যথাযথ কর-রাজস্ব আদায় করা।
- এ ছাড়াও চোরাচালান প্রতিরোধ, শুল্ক-কর সংক্রান্ত আর্ন্তজাতিক চুক্তি সম্পাদন ও সরকারের রাজস্ব নীতি সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে প্রতিনিধিত্ব করা।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কাস্টমস, মূসক ও আয়কর অনুবিভাগের মাধ্যমে কাজ করে।

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।

২৩.
PRSP এর পূর্ণরূপ-
  1. Public Resource Support Program
  2. Primary Rural Support Project
  3. Poverty Reduction Strategy Paper
  4. Policy Reform Support Plan
ব্যাখ্যা

দারিদ্র বিমোচন কৌশল পত্র (PRSP):
- PRSP এর পূর্ণরূপ: Poverty Reduction Strategy Paper.
- দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে বিশ্বে নিম্ন আয়ের দেশগুলির অভ্যন্তরীণভাবে গৃহীত নীতি,
- পরিকল্পনা ও উন্নয়ন সহযোগিতার জন্য প্রণীত দলিল বা রূপরেখা।
- ২০০৩ সালে বাংলাদেশ অন্তবর্তীকালীন পিআরএসপি (আইপিআরএসপি) প্রথম প্রণয়ন করে।
- বাংলাদেশ ২০০৫ সালে প্রথম PRSP প্রণয়ন করে।
- ২০০৮ সালের অক্টোবরে ২০০৫ সালে প্রণীত দলিলটিকে হালনাগাদ করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২৪.
বাংলাদেশের প্রথম রপ্তানীকারক গার্মেন্টস-
  1. রয়েল গার্মেন্টস
  2. ডিজি গার্মেন্টস 
  3. রিয়াজ গার্মেন্টস
  4. ঢাকা অ্যাপারেল লিমিটেড
ব্যাখ্যা

রিয়াজ গার্মেন্টস:
- বর্তমানে মোট রপ্তানির ৮০ শতাংশের বেশি এই খাতটি থেকেই আসে।
- ১৯৭৮ সালের ২৮ জুলাই মোহাম্মদ রিয়াজউদ্দিন ১০ হাজার শার্ট ফরাসি ক্রেতা হলান্ডার ফ্রঁসের কাছে রপ্তানি করেন।
- শার্টের ওই চালানের ফরাসি মুদ্রায় দাম ছিল ১৩ মিলিয়ন ফ্রাঁ, বাংলাদেশি টাকায় যা ছিল ৪ লাখ ২৭ হাজার টাকা।
- সেটিই ছিল বাংলাদেশ থেকে প্রথম পোশাক রপ্তানি।
- রিয়াজ গার্মেন্টস দেশের প্রথম রপ্তানিকারক গার্মেন্টস।
- বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি টিকে না থাকলেও পোশাকশিল্পের ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে মোহাম্মদ রিয়াজউদ্দিন ও তাঁর রিয়াজ গার্মেন্টসের নাম।

উৎস: প্রথম আলো।

২৫.
সুন্দরবনের পর বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শ্বাসমূলীয় বন- 
  1. শালবন 
  2. রেমা-কালেঙ্গা 
  3. টেংরাগিরি বন 
  4. রাতারগুল 
ব্যাখ্যা

- টেংরাগিরি বনাঞ্চল হচ্ছে সুন্দরবনের পর দেশের দ্বিতীয় ম্যানগ্রোভ বন।
- টেংরাগিরিও পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া পায়রা, বিষখালী ও বলেশ্বর—দেশের তিনটি বৃহত্তম নদ-নদী সাগরে মিলিত হয়েছে।
- এলাকাটি ইলিশের প্রজনন ও বেড়ে ওঠার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র।
- একই সঙ্গে সাগর থেকে দেশের নদ-নদীতে ৫০ শতাংশের বেশি ইলিশ এই মোহনা দিয়ে আসা-যাওয়া করে।
- পরিবেশ–প্রকৃতি, জীববৈচিত্র্য ও ইলিশ মাছের প্রজননের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ ওই স্থান।

উল্লেখ্য,
- রেমা-কালেঙ্গা  একটি শুকনো ও চিরহরিৎ বন এবং জীব ও উদ্ভিদবৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ একটি বনাঞ্চল। সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলায় এর অবস্থান। 
- রাতারগুল বাংলাদেশের একমাত্র সোয়াম্প ফরেস্ট (Ratargul Swamp Forest)।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।[লিঙ্ক]

২৬.
দেশে 'E-TIN' চালু করা হয় কত সালে? 
  1. ২০১২ সালে
  2. ২০১৩ সালে
  3. ২০১৪ সালে
  4. ২০০৯ সালে
ব্যাখ্যা

E-TIN:
- E-TIN এর পূর্ণরূপ: Electronic Taxpayer's Identification Number.
-'E-TIN' চালু করা হয় ২০১৩ সালে।
- এটি আয়কর নিবন্ধন আধুনিক সংস্করণ।
- এটি ১২ ডিজিটের ১টি নম্বর।
- একজন করদাতাকে সহজে, ঘরেবসে অনলাইনে নিবন্ধন পেতে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
- www. incometax.gov.bd এই সাইট গেলে ই-টিআইএন নিবন্ধন নেওয়া যাবে।

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।

২৭.
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের প্রধান সমন্বয়কারী সংস্থা কোনটি? 
  1. জাইকা
  2. বিশ্বব্যাংক
  3. এডিবি
  4. ওআইসি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম:
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের প্রতিষ্ঠাকালীন নাম- বাংলাদেশ এইড গ্রুপ।
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম করা হয়- ২০০২ সালে।
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের বৈঠক বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়- ২০০৩ সাল থেকে।
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কারী কোন সংস্থা: বিশ্বব্যাংক।
- বাংলাদেশে বৈদেশিক সাহায্য শীর্ষ- আইডিএ।
- জাইকা (JICA) জাপানের একটি সরকারি সংস্থা,
- যা আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা হিসাবে পরিচিত। 

উৎস: ইআরডি ওয়েবসাইট।

২৮.
বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের সবচেয়ে বড় বাজার কোনটি?
  1. জার্মানি
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. যুক্তরাজ্য
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

রপ্তানী বাজার: 
- বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) হিসাবে, সদ্য বিদায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রে ৮৭৬ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ।
- মোট পণ্য রপ্তানির ১৭ শতাংশের গন্তব্য ছিল যুক্তরাষ্ট্র।
- উল্লেখ্য, এই বাজারে রপ্তানি হওয়া বাংলাদেশি পণ্যের ৮৭শতাংশই তৈরি পোশাক।
- তৈরি পোশাক রপ্তানিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশ তৃতীয় স্থানে রয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।[লিঙ্ক]

২৯.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা সর্বপ্রথম উত্তোলন করেন কে?
  1. আ.ন.ম আব্দুল রশিদ
  2. আমির হোসেন আমু
  3. তোফায়েল আহমেদ
  4. আ.স.ম আব্দুর রব
ব্যাখ্যা

- আ স ম আব্দুর রব বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা সর্বপ্রথম উত্তোলন করেন।

জাতীয় পতাকা:

- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।
- পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে জাতীয় পতাকার রং গাঢ় সবুজ এবং ১০:৬ অনুপাতে  আয়তাকার, তাতে থাকবে সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
- প্রথম অবস্থায় পতাকার কেন্দ্রস্থলে বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত ছিল।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস।
- ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ছাত্রদের পক্ষে পতাকাটি উত্তোলন করেছিলেন তৎকালীন ডাকসুর ভিপি আ স ম আব্দুর রব।
- শিবনারায়ণ দাস বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকার অন্যতম এবং মূল নকশাকার।

উৎস:  দৈনিক প্রথম আলো, ২ মার্চ ২০২২ ও দৈনিক কালের কণ্ঠ, ২ মার্চ ২০২৩।

৩০.
দেশের প্রথম সিমেন্ট কারখানা কোনটি?
  1. শাহ সিমেন্ট কোম্পানি 
  2. ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি
  3. প্রিমিয়ার সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড
  4. ক্রাউন সিমেন্ট পিএলসি 
ব্যাখ্যা

ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী:
- দেশের প্রথম সিমেন্ট কারখানা ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড।
- ছাতক সিমেন্ট কোং লিঃ, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে অবস্থিত দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা।
- এটি ১৯৩৭ সনে আসাম বেঙ্গল সিমেন্ট কোম্পানী নামে ব্যক্তি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত।
- ১৯৬৫ সনে পাক-ভারত যুদ্ধের পর ব্যক্তি মালিক কর্তৃক কারখনাটি পরিত্যক্ত হয়।
- পরে ১৯৬৬ সন হতে উহা ইপিআইডিসি'র নিয়ন্ত্রনে আসে।
- বাংলাদেশের স্বাধীন হওয়ার পর প্রথমে বিএমওজিসি, বিএমইডিসি ।
- এবং সর্বশেষ ১৯৮২ সালের ১লা জুলাই থেকে বিসিআইসি'র নিয়ন্ত্রণে আসে।

অন্যদিকে,
- শাহ সিমেন্ট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড হলো ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় সিমেন্ট কোম্পানি 'লাফার্জহোলসিম'।

উৎস: বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন।

৩১.
রিবন রেটিং কী? 
  1. পাট চাষের পদ্ধতি
  2. সার প্রয়োগ পদ্ধতি
  3. পাট পচানোর পদ্ধতি
  4. মাছ চাষ পদ্ধতি
ব্যাখ্যা

- রিবন রেটিং হলো পাটের আঁশ ছাড়ানোর একটি আধুনিক পদ্ধতি, যা পাট পচানো হয়।
- যেখানে কাঁচা পাট গাছ থেকে ফিতার মতো ছাল আলাদা করে অল্প পানিতে পচানো হয়। 
- রিবন রেটিং পদ্ধিতির সুবিধা হলো : অল্প পানিতে অধিক পাট পচানো যায়;
- পাট পচানের জন্য পরিমিত পানির অভাব হলে এ পদ্ধতি সহজে ব্যবহার করা যায় ও পচানোর জন্য কম পানি লাগে;
- পচানোর জন্য জায়গা ও সময় কম লাগে; পাট পচানের জন্য পরিবহন খরচ কম লাগে;
- এ পচন পদ্ধতি স্বাস্থ্যকর ও পরিবেশেবান্ধব; কাটিংসমুক্ত উন্নতমানের আঁশ পাওয়া যায়;
- ভালো আঁশে বেশি মূল্য পাওয়া যায় ও পাটখড়িগুলো শক্ত থাকে,
- জ্বালানি হিসেবে বিভিন্ন কাজের ব্যবহারে সুবিধাজনক ও টেকসই হয়।   

উৎস:  কৃষি তথ্য সার্ভিস।

৩২.
বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ৩০ শতাংশ
  2. ৪০ শতাংশ
  3. ২০ শতাংশ
  4. ১০ শতাংশ
ব্যাখ্যা

বিদ্যুৎ উৎপাদন: 
- সরকার ২০২৫ সালে নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতিমালা তৈরি করে,
- যা ২০৩০ সালের মধ্যে ২০ শতাংশ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়।
- এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎস থেকে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। 
- এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচি প্রণয়ন করা হয়েছে,
- যা ২৯ জুন উপদেষ্টা পরিষদের সভায় অনুমোদিত হয়েছে। এর আওতায় সারা দেশে ২০০০ থেকে ৩০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

উৎস: বিদ্যুৎ বিভাগ ওয়েবসাইট।