পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি জব সল্যুশন

পরীক্ষাDPEতারিখ২০ আগস্ট, ২০২৩সময়55 minutes৭৭ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৮০
সিলেবাস
রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক নিয়োগ পরীক্ষা-২০১১ (জবা) পরীক্ষার তারিখ: ০৯.১২.২০১১
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি জব সল্যুশন

DPE · ২০ আগস্ট, ২০২৩ · ৮০ প্রশ্ন

.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. ক) Incyclopedia
  2. খ) Encyclopedia
  3. গ) Encyclopadia
  4. ঘ) Encyclopidia
সঠিক উত্তর:
খ) Encyclopedia
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Encyclopedia
ব্যাখ্যা
Encyclopedia (noun): 
English Meaning - A large collection of information about one or many subjects, often arranged alphabetically in articles in a book or set of books, or available through a computer. 
Bangla Meaning - বিশ্বকোষ; জ্ঞানকোষ; বিদ্যাকোষ; তথ্যকোষ।
Other firms - 
Encyclopedic, Encyclopaedic [ইনসাইক্লাপীডিক্] (adjective) - বিশ্বকোষসম্পর্কিত; মহাজ্ঞানী।
Example Sentence - The library was full of dictionaries, encyclopedias, poetry, and plays.

Source: 1. Cambridge Dictionary. 
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy. 
.
'Postulate' শব্দটির synonym হচ্ছে-
  1. ক) Assume
  2. খ) Prove
  3. গ) Supplement
  4. ঘ) Complain
সঠিক উত্তর:
ক) Assume
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Assume
ব্যাখ্যা
Postulate (verb): 
English Meaning - To assume or claim as true, existent, or necessary. 
Bangla Meaning - সত্য বা সিদ্ধ বলে গ্রহণ করা; স্বীকৃতপক্ষরূপে গ্রহণ করা; অনুমানমূলকরূপে প্রস্তাব করা; স্বীকৃত সত্যরূপে গ্রহণ/উপস্থাপন করা।

Synonyms - Say (বলা), Assume (অনুমান করা), Presume (ধরে নেওয়া), Believe (বিশ্বাস করা), Hypothesize (উপপ্রমেয় গঠন বা রচনা করা)।
Antonyms - Doubt (অনিশ্চয়তা), Dispute (বিতর্ক), Deny (অসত্য বলে ঘোষণা করা)। 

Other options, 
Prove - প্রমাণ করা; 
Supplement - সম্পূরক অংশ; 
Complain - অভিযোগ করা।

Source: Merriam-Webster Dictionary. 
.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. ক) Elemantary
  2. খ) Elimentary
  3. গ) Elementory
  4. ঘ) Elementary
সঠিক উত্তর:
ঘ) Elementary
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Elementary
ব্যাখ্যা
Elementary (adjective): 
English Meaning - simple or easy; basic. 
Bangla Meaning - প্রাথমিক। 
Other forms - 
Elementarily (adverb) - প্রাথমিকভাবে।
Example Sentence - I’m taking a course in elementary Russian.

Source: 
1. Cambridge Dictionary. 
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy. 
.
After it was repaired, it ____ again. বাক্যের শূন্যস্থানে কোনটি সঠিক হবে?
  1. ক) ran perfect
  2. খ) ran perfectly
  3. গ) runs perfect
  4. ঘ) run perfect
সঠিক উত্তর:
খ) ran perfectly
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ran perfectly
ব্যাখ্যা
Perfect (adjective) - নিখুঁত;
Perfectly (adverb) - যথেষ্ট।

• Verb এর পরে সাধারণত adverb বসে।
- এখানে ran verb এর পরে 'perfectly' adverb বসবে।
- কারণ, adverb সুবসময় verb কে modify করে। 

• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - ran perfectly.
- Complete sentence: After it was repaired, it ran perfectly again.
.
Time and tide ____ for none. বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ কোনটি?
  1. ক) waits
  2. খ) waiting
  3. গ) wait
  4. ঘ) renders
সঠিক উত্তর:
গ) wait
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) wait
ব্যাখ্যা
• এটা নিয়ে বিতর্ক আছে।

- চিরন্তন সত্য সবসময় Present Indefinite Tense-এ হয়। Time and Tide, Slow and Steady ইত্যাদি শব্দগুলো and দ্বারা যুক্ত হলেও এরা একটি মাত্র ভাব প্রকাশ করে তাই এগুলোকে Singular শব্দ হিসেবে গণ্য করা হয়।
- সেকারণেই মূল Verb wait-এর সাথে s যুক্ত হচ্ছে।

• In a sentence like 'Time and Tide [waits/wait] for none/no one.'
- We should remember that Time and Tide form a singular pair.
- So, we should substitute the singular 'It', and not the plural 'They' and choose the singular 'waits' as the answer.
So the answer is - Time and Tide waits for none.

Source: British Council.

অন্যদিকে, ব্যকরণগত দিক বাদ দিয়ে, শুধু Proverb হিসেবে,
Time and Tide wait for none.
This proverb is said to emphasize that people cannot stop the passing of time, and therefore should not delay doing things.

Source: Oxford.

• যেহেতু Proverb হিসেবে বাক্যটি অধিক পরিচিত তাই এখানে উত্তর হিসেবে wait গ্রহণ করা হয়েছে।
.
সঠিক Preposition সহ কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
  1. ক) Industry is key to success.
  2. খ) Industry is key for success.
  3. গ) Industry is key of success.
  4. ঘ) Industry is key into success.
সঠিক উত্তর:
ক) Industry is key to success.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Industry is key to success.
ব্যাখ্যা
The key to something (idiom):
English Meaning - The best or only way to achieve something.
Bangla Meaning - যা কোনো সমস্যা বা রহস্যের জট খুলতে সাহায্য কর।

• এছাড়াও, 'key' শব্দটির পর appropriate preposition হিসেবে 'to' ব্যবহৃত হয়। 

তাই, সঠিক উত্তরটি হবে - Industry is key to success.

Source: Cambridge Dictionary. 
.
কোনটি শুদ্ধ বাক্য?
  1. ক) There is no place for doubt in it.
  2. খ) There is no suspension in it.
  3. গ) There is no room for doubt in it.
  4. ঘ) There is no misunderstanding in it.
সঠিক উত্তর:
গ) There is no room for doubt in it.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) There is no room for doubt in it.
ব্যাখ্যা
• Room for doubt (idiom):
- A possibility of something being true.
 
• এছাড়াও ফাকা স্থান, সম্ভাবনা, সুযোগ, অবকাশ ইত্যাদি বোঝাতে Room শব্দটি ব্যবহার হয়।

Room: (noun)
- জায়গা; স্থান।

There’s no room for doubt.
Meaning: সন্দেহের কোনো অবকাশ নেই।

• এখানে অন্য বাক্যগুলোও grammatically correct.
কিন্তু There is no room for doubt in it- এখানে idiom এর সঠিক প্রয়োগ হয়েছে বিধায় এটি সঠিক। 

• তাই সঠিক বাক্যটি হলো - There is no room for doubt in it.
.
'Pros and cons' phrase টির অর্থ-
  1. ক) Good and bad
  2. খ) Advantage and disadvantage
  3. গ) Light and dark
  4. ঘ) In and out
সঠিক উত্তর:
খ) Advantage and disadvantage
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Advantage and disadvantage
ব্যাখ্যা
Pros and cons (phrase): 
English Meaning - The advantages and disadvantages of something, especially something that you are considering doing. 
Bangla Meaning - পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তিসমূহ।
Example Sentence - We looked at the financial pros and cons of the deal.

Source: Cambridge Dictionary. 
.
'Vice versa' শব্দের অর্থ-
  1. ক) For example
  2. খ) Face to face
  3. গ) Namely
  4. ঘ) The terms being exchanged
সঠিক উত্তর:
ঘ) The terms being exchanged
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) The terms being exchanged
ব্যাখ্যা
Vice versa (adverb): 
English Meaning - With the order changed: with the relations reversed. 
Bangla Meaning - শর্তাবলি উল্টে দিয়ে। 

Example Sentence - With this software, descriptions can replace names and vice versa.

Other options, 
For example - উদাহরণস্বরূপ। 
Face to face - মুখোমুখি।
Namely - অর্থাৎ; নামত; যথা।

Source: 
1. Merriam-Webster Dictionary. 
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy. 
১০.
'Come what may I shall adhere _____ my principles' বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক preposition -
  1. ক) to
  2. খ) with
  3. গ) on
  4. ঘ) upon
সঠিক উত্তর:
ক) to
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) to
ব্যাখ্যা
Adhere to: 
English Meaning - To continue to obey a rule or have a belief. 
Bangla Meaning - বিশ্বস্ত/ অনুগত/ অবিচল থাকা; বিচ্যুত না-হওয়া; দৃঢ়ভাবে সমর্থন করা। 

তাই Complete Sentence টি হবে - Come what may I shall adhere to my principles. 

Source: Cambridge Dictionary. 
১১.
'Socrates was accused ____ misleading the young section in Athens.' বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক preposition ___
  1. ক) to
  2. খ) of
  3. গ) for
  4. ঘ) on
সঠিক উত্তর:
খ) of
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) of
ব্যাখ্যা
Accuse (of something): 
English Meaning - To say that someone has done something morally wrong, illegal, or unkind.
Bangla Meaning - অভিযুক্ত/দোষী করা।

তাই Complete Sentence টি হবে - Socrates was accused of misleading the young section in Athens.

Source: Cambridge Dictionary. 
১২.
He said that he had come to see me -এর direct speech ___
  1. He said, 'he has come to see you'.
  2. He said, 'I came to see you'.
  3. He said, 'I have come to see you'.
  4. He said, 'I had come to see you.'
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) He said, 'I came to see you' ও গ) He said, 'I have come to see you'.
অপশনের দ্বৈত উত্তর থাকায় প্রশ্নের উত্তর তুলে দেয়া হয়েছে।
-------------------------

Direct Speech/ Reporting speech Vs Indirect speech / Reported  speech

Present indefinite ↔ Past indefinite 
Present continuous ↔ Past continuous 
Present Perfect ↔ Past perfect 
Past indefinite ↔ Past Perfect 
Past continuous ↔ Past perfect continuous
Past perfect ↔ Past Perfect 
Future Indefinite ↔ Use of modal 

Indirect speech এ that clause টি past perfect tense এ হওয়ায় direct speech এ তা reported speech এ পরিণত হবে এবং তা past indefinite /present perfect/past perfect tense এ হবে।

সে অনুসারে, সঠিক উত্তর হবে খ) ও গ), ঘ)

Source: Cambridge Dictionary Grammar Reference & Advanced Learner's English Grammar & Composition by Chowdhury & Hossain.
১৩.
You said to me, 'You do not do your duty.' এর indirect speech ___
  1. ক) You told me that I donot do my duty.
  2. খ) You said to me that I did no do my duty.
  3. গ) You said to me that I donot do my duty.
  4. ঘ) You told me that I did not do my duty.
সঠিক উত্তর:
ঘ) You told me that I did not do my duty.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) You told me that I did not do my duty.
ব্যাখ্যা
Narration এর ক্ষেত্রে, 
- Direct Speech এ Simple Present Tense থাকলে Indirect Speech এ Simple Past tense হয়। 
- Direct Speech এর said to, indirect speech এ told হয়।

Direct: You said to me, 'You do not do your duty.' 
Indirect: You told me that I did not do my duty.

Source: Advanced Learner's English Grammar & Composition by Chowdhury & Hossain. 
১৪.
'I have to do it' -এর passive form ___
  1. ক) It has to be done by me.
  2. খ) It is to be done by me.
  3. গ) Let it be done by me.
  4. ঘ) It has to be done to me.
সঠিক উত্তর:
ক) It has to be done by me.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) It has to be done by me.
ব্যাখ্যা
• Have to / has to ব্যবহৃত active voice কে passive voice এ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে, 
- Active voice এর object টি subject হবে + 
- have to/ has to + 
- be +
- Verb এর Past Participle form + 
- by +
- Subject এর object form বসবে।

Active: I have to do it. 
Passive: It has to be done by me. 
১৫.
'I know him' -এর passive form ___
  1. ক) He is known by me.
  2. খ) He was known to me.
  3. গ) He is known to me.
  4. ঘ) He is being known to me.
সঠিক উত্তর:
গ) He is known to me.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) He is known to me.
ব্যাখ্যা
• Present indefinite tense এর Active voice থেকে Passive voice করার নিয়ম:
- Object টির subjective form +
- am/is/are +
- মূল verb এর past participle +
- by/to/with/in etc +
- Subject এর objective form.
- known এর পর সবসময় to বসে; by/in/with হয় না। 

• Active voice: I know him.
• Passive Voice: He is known to me.
১৬.
আমাদের দেহকোষ রক্ত হতে গ্রহণ করে-
  1. ক) অক্সিজেন ও রক্তের আমিষ
  2. খ) ইউরিয়া ও গ্লুকোজ
  3. গ) অক্সিজেন ও গ্লুকোজ
  4. ঘ) এমাইনো এসিড ও কার্বন ডাইঅক্সাইউ
সঠিক উত্তর:
গ) অক্সিজেন ও গ্লুকোজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অক্সিজেন ও গ্লুকোজ
ব্যাখ্যা
• আমাদের দেহে সকল কাজের জন্য অক্সিজেন দরকার। অক্সিজেন না হলে জীবকোষ বাঁচতে পারে না। 
- রক্তের লোহিত রক্তকণিকায় অবস্থিত হিমোগ্লোবিন ফুসফুস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে।
- অক্সিহিমোগ্লোবিন রূপে প্রতিটি কোষে বহন করে।
- দেহকোষ রক্ত হতে অক্সিজেন ও খাদ্যসার (গ্লুকোজ, অ্যামাইনো এসিড, ফ্যাটিএসিড) গ্রহণ করে।

উৎস: বিজ্ঞান, ৭ম শ্রেণি। 
১৭.
ব্রিটিশ আমলে বাংলাদেশে যেসব আন্দোলন হয়েছিল তার মধ্যে কোনটি প্রধান?
  1. ক) কোরাইশী আন্দোলন
  2. খ) হাসেমী আন্দোলন
  3. গ) সৈয়দ আন্দোলন
  4. ঘ) ফরায়েজী আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফরায়েজী আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফরায়েজী আন্দোলন
ব্যাখ্যা
ব্রিটিশ আমলে বাংলাদেশে যেসব আন্দোলন হয়েছিল তার মধ্যে প্রধান হচ্ছে - ফরায়েজী আন্দোলন।

ফরায়েজী আন্দোলন:
- ফরায়েজী আন্দোলনকে রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপদান করেন দুদু মিয়া।
- ফরায়েজি আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা হাজী শরিয়াত উল্লাহ বৃহত্তর ফরিদপুরের মাদারীপুর জেলায় ১৭৮২ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।
- হাজী শরিয়ত উল্লাহর এই সংস্কার আন্দোলনের নামই ফরায়েজি আন্দোলন।

- ফরায়েজি শব্দটি আরবি ‘ফরজ’ (অবশ্য কর্তব্য) শব্দ থেকে এসেছে। যাঁরা ফরজ পালন করে তারাই ফরায়েজি।
-  শরিয়ত উল্লাহ যে ফরজের উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন, তা ছিল পবিত্র কুরআনে বর্ণিত পাঁচটি অবশ্যপালনীয় (ফরজ) মৌলনীতি।
- তিনি ভারতবর্ষকে ‘দারুল হারব' অর্থাৎ বিধর্মীর রাজ্য বলে ঘোষণা করেন।

- জমিদার শ্রেণি নানা অজুহাতে ফরায়েজি প্রজাদের উপর অত্যাচার শুরু করলে শরিয়ত উল্লাহ প্রজাদের রক্ষার জন্য লাঠিয়াল বাহিনী গঠনের সিদ্ধান্ত নেন। 
- ১৮৩৯ খ্রিস্টাব্দে তার উপর পুলিশি নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
- ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
- হাজী শরিয়ত উল্লাহর মৃত্যুর পরে ফরায়েজি আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন তাঁর যোগ্যপুত্র মুহম্মদ মুহসিন উদ্দীন আহমদ ওরফে দুদু মিয়া।

- তিনি ১৮১৯ খ্রিস্টাব্দে জন্ম গ্রহণ করেন।
- ১৮৬২ খ্রিস্টাব্দে দুদু মিয়া মৃত্যুবরণ করেন।
- তাঁর মৃত্যুর পর যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে ফরায়েজি আন্দোলন দুর্বল হয়ে পড়ে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,এসএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
জাতিসংঘের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) জেনেভা
  2. খ) নিউইয়র্ক
  3. গ) হেগ
  4. ঘ) প্যারিস
সঠিক উত্তর:
খ) নিউইয়র্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নিউইয়র্ক
ব্যাখ্যা
• জাতিসংঘ:
- জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয় - ২৬ জুন, ১৯৪৫ সালে (সানফ্রানসিস্কো শহরে)।
- জাতিসংঘ সনদ কার্যকর হয় - ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫ সালে।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল - ৫১ টি
- জাতিসংঘ সনদে স্বাক্ষর না করেও প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য হিসেবে অর্ন্তভুক্ত হয় - পোল্যান্ড (৫১ তম দেশ)।

- বর্তমানে জাতিসংঘের সদস্য দেশ ১৯৩ টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য দেশ ১৫ টি (স্থায়ী ৫ টি এবং অস্থায়ী ১০ টি)।
– অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয় ২ বছরের জন্য। 
- স্থায়ী সদস্য দেশ - যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ফ্রান্স ও চীন (এই ৫টি দেশের ভেটো প্রদান করার ক্ষমতা রয়েছে)।
- অস্থায়ী সদস্য দেশ - ১০ টি
- সর্বশেষ সদস্য - দক্ষিণ সুদান।
- সদর দপ্তর - নিউইর্য়ক, যুক্তরাষ্ট্র।

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।
১৯.
নিম্নের কোন দেশটি আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত নয়?
  1. ক) সিরিয়া
  2. খ) মিশর
  3. গ) মরক্কো
  4. ঘ) মৌরিতানিয়া
সঠিক উত্তর:
ক) সিরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সিরিয়া
ব্যাখ্যা
আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত নয় - সিরিয়া। এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ।
এছাড়াও -
- মিশর, মরক্কো, মৌরিতানিয়া আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত।

• মধ্যপ্রাচ্য:

- মধ্যপ্রাচ্যে ১৮টি দেশ রয়েছে।
- এগুলো হলো: বাহরাইন, সাইপ্রাস, মিশর, ইরান, ইরাক, ইসরাইল, জর্ডান, কুয়েত, লেবানন, ওমান, ফিলিস্তিন, কাতার, সৌদি আরব, সিরিয়া, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ইয়েমেন।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
২০.
সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক উপাধি কি?
  1. ক) বীর প্রতীক
  2. খ) বীর বিক্রম
  3. গ) বীর উত্তম
  4. ঘ) বীরশ্রেষ্ঠ
সঠিক উত্তর:
ঘ) বীরশ্রেষ্ঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বীরশ্রেষ্ঠ
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে।
এগুলো হলো:
→ বীরশ্রেষ্ঠ,
→ বীরউত্তম,
→ বীরবিক্রম এবং
→ বীরপ্রতীক।

এর মধ্যে সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব হলো বীরশ্রেষ্ঠ।
→ সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ উপাধি পান ৭ জন,
→ দ্বিতীয় বীরত্বসূচক উপাধি ‘বীরউত্তম’ পান ৬৮ জন,
→ তৃতীয় বীরত্বসূচক উপাধি ‘বীরবিক্রম’ পান ১৭৫ জন এবং
→  চতুর্থ বীরত্বসূচক উপাধি ‘বীরপ্রতীক’ পান ৪২৬ জন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
২১.
হিজরী সন গণনা শুরু হয় কোন সালে?
  1. ক) ৬০২ সালে
  2. খ) ৬১৪ সালে
  3. গ) ৬২২ সালে
  4. ঘ) ৬২৪ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ৬২২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬২২ সালে
ব্যাখ্যা
হিজরি সন:
- হিজরি সন গণণা শুরু হয় ৬২২ খ্রিস্টাব্দ থেকে।
- মহানবী (সা.) আল্লাহ তায়ালার ঘোষণা পাওয়ার পর ৬২২ খ্রিস্টাব্দের ১২ সেপ্টেম্বর মোতাবেক ২৭ সফর মক্কা মুকাররামা থেকে মদিনার উদ্দেশে হিজরত করেন।
- ২৩ সেপ্টেম্বর, ৬২২ খ্রিস্টাব্দ মোতাবেক ৮ রবিউল আওয়াল কোবায় পৌঁছেন।
- ২৭ সেপ্টেম্বর, ৬২২ খ্রিস্টাব্দ মোতাবেক ১২ রবিউল আওয়াল মদিনা মুনাওয়ারায় পৌঁছেন মহানবী (সা.)।
- এ হিজরতেরই স্মৃতিবহন করে আসছে আমাদের হিজরি সন।

 উৎস: ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, Jagonews24।
২২.
এশিয়ার দক্ষিণ ভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে-
  1. ক) মূল মধ্যরেখা
  2. খ) কর্কটক্রান্তি
  3. গ) বিষুবরেখা
  4. ঘ) মকরক্রান্তি
সঠিক উত্তর:
খ) কর্কটক্রান্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কর্কটক্রান্তি
ব্যাখ্যা
• এশিয়া (Asia):
- আয়তনে পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ এশিয়া।
- পৃথিবীর স্থলভাগের প্রায় এক তৃতীয়াংশের কাছাকাছি এশিয়া মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত।
- এ মহাদেশ ১০° দক্ষিণ অক্ষরেখা থেকে ৮০° উত্তর অক্ষরেখা এবং ২৫° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা থেকে ১৭০° পশ্চিম দ্রাঘিমারেখা (১৮০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করে আরো ১০° দ্রাঘিমারেখা) পর্যন্ত বিস্তৃত।

-  এশিয়া মহাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে।
- এশিয়ার দক্ষিণ ভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে - কর্কটক্রান্তি রেখা।
- এ মহাদেশের সর্বোচ্চ স্থান মাউন্ট এভারেষ্ট (৮,৮৫০ মিটার)।
- মহাদেশটির উত্তরে উত্তর মহাসাগর, দক্ষিণে ভারত মহাসাগর, পূর্বে প্রশান্ত মহাসাগর, দক্ষিণ-পশ্চিমে লোহিত সাগর ও আফ্রিকা মহাদেশ এবং পশ্চিমে ভূ-মধ্যসাগর ও ইউরোপ মহাদেশ অবস্থিত।
- এশিয়া এবং ইউরোপ মহাদেশের মাঝ বরাবর ইউরাল পর্বতমালা অবস্থিত।

- দ্বীপপুঞ্জ দ্বারা গঠিত জাপান, ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া এ মহাদেশে অবস্থিত। এগুলোকে খণ্ডিত রাষ্ট্রও বলা হয়।
- এ মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত জাপানকে সূর্যোদয়ের দেশ বলা হয়।
- এশিয়া মহাদেশে বিভিন্ন আয়তনের ৪৮টি দেশ ও ৩টি টেরিটরি রয়েছে।
- এর মধ্যে আয়তনে চীন বৃহত্তম এবং মালদ্বীপ ক্ষুদ্রতম।
- এশিয়ার দীর্ঘতম নদী ইয়াংসিকিয়াং। 

সূত্র: ভূগোল ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও World Atlas।
২৩.
জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?
  1. ক) কামরুল হাসান
  2. খ) সৈয়দ মাইনুল হোসেন
  3. গ) শিল্পী জয়নুল আবেদিন
  4. ঘ) আলতাফ মাহমুদ
সঠিক উত্তর:
খ) সৈয়দ মাইনুল হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সৈয়দ মাইনুল হোসেন
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের জাতীয় স্মৃতিসৌধ সাভারে অবস্থিত যা সম্মিলিত প্রয়াস নামেও পরিচিত।
- এটির স্থপতি সৈয়দ মইনুল হোসেন।
-  ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় স্মৃতসৌধের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
- ১৯৮২ সালের ১৬ ডিসেম্বর হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ এটি উদ্বোধন করেন।
- জাতীয় স্মৃতিসৌধে মোট সাতটি স্তম্ভ রয়েছে যা আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের সাতটি গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপটকে তুলে ধরে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
২৪.
বাংলা নববর্ষ (বৈশাখ থেকে শুরু) প্রবর্তনকারী কে?
  1. ক) সুলতান মাহমুদ
  2. খ) লক্ষণ সেন
  3. গ) শেরশাহ
  4. ঘ) আকবর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আকবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আকবর
ব্যাখ্যা
• সম্রাট আকবর:
- পহেলা বৈশাখ বাংলা সনের প্রথম দিন। এ দিনটি বাংলাদেশে নববর্ষ হিসেবে পালিত হয়।
- এটি বাঙালির একটি সর্বজনীন লোকউৎসব।
- এক সময় নববর্ষ পালিত হতো আর্তব উৎসব বা ঋতুধর্মী উৎসব হিসেবে। তখন এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল কৃষির, কারণ কৃষিকাজ ছিল ঋতুনির্ভর।
- এই কৃষিকাজের সুবিধার্থেই মুগল সম্রাট আকবর ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দের ১০/১১ মার্চ বাংলা সন প্রবর্তন করেন এবং তা কার্যকর হয় তাঁর সিংহাসন-আরোহণের সময় থেকে (৫ নভেম্বর ১৫৫৬)।
- হিজরি চান্দ্রসন ও বাংলা সৌরসনকে ভিত্তি করে বাংলা সন প্রবর্তিত হয়।
- নতুন সনটি প্রথমে ‘ফসলি সন’ নামে পরিচিত ছিল, পরে তা বঙ্গাব্দ নামে পরিচিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২৫.
কোন ইউরোপীয় দেশ বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি প্রদান করে?
  1. ক) যুক্তরাজ্য
  2. খ) স্পেন
  3. গ) ফ্রান্স
  4. ঘ) পোল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ঘ) পোল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পোল্যান্ড
ব্যাখ্যা
[বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম ইউরোপীয় দেশ পূর্ব জার্মানি কিন্তু জার্মানি অপশনে না থাকায় পরবর্তী স্বীকৃতি দানকারী দেশ হিসেবে পোল্যান্ডকে সঠিক উত্তর হিসেবে নেওয়া হয়েছে।]

- জার্মানি স্বীকৃতি দেয় -  ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২ 
- পোল্যান্ড স্বীকৃতি দেয় - ১২ জানুয়ারি, ১৯৭২ 

বাংলাদেশকে স্বীকৃতি:

- ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর প্রথম দেশ হিসেবে ভুটান এবং দ্বিতীয় দেশ হিসেবে ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- বিশ্বের তৃতীয় দেশ ও প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে পূর্ব জার্মানি ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- একইদিনে চতুর্থ দেশ হিসেবে বুলগেরিয়া বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- পোল্যান্ড বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি।
- যুক্তরাজ্য বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২ সালে।
- ফ্রান্স বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২ সালে।
- স্পেন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ১২ মে, ১৯৭২ সালে।

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৬.
‘ওয়াল স্ট্রীট’ কোন শহরে অবস্থিত?
  1. ক) ডালাস
  2. খ) লন্ডন
  3. গ) নিউইয়র্ক
  4. ঘ) হংকং
সঠিক উত্তর:
গ) নিউইয়র্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নিউইয়র্ক
ব্যাখ্যা
- হোয়াইট হাউস হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন ও প্রধান প্রশাসনিক দপ্তরের নাম।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট অফিস ওভাল অফিস নামে পরিচিত।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে বহনকারী বিমানের নাম এয়ারফোর্স ওয়ান।
- ওয়াল স্ট্রিট হলো নিউইয়র্ক শহরের একটি প্রখ্যাত সড়ক।
- পৃথিবীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ বাজার নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ এই সড়কে অবস্থিত।

উৎস: যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট।
২৭.
উত্তরা গণভবন অবস্থিত কোন জেলায়?
  1. ক) নাটোরে
  2. খ) রাজশাহীতে
  3. গ) সৈয়দপুরে
  4. ঘ) ঠাকুরগাঁয়ে
সঠিক উত্তর:
ক) নাটোরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নাটোরে
ব্যাখ্যা
- নাটোর শহর থেকে ৩ কিলোমিটার উত্তরে এক মনোরম পরিবেশে ইতিহাস খ্যাত দিঘাপতিয়ারাজবাড়ী তথা উত্তরা গণভবন অবস্থিত।
- নাটোরের রাণী ভবানী তাঁর নায়েব দয়ারামেরউপরে সন্তুষ্ট হয়ে তাঁকে দিঘাপতিয়া পরগনা উপহার দেন। 
- ১৯৬৬ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান সরকারের নিয়ন্ত্রণে আসে এবং সরকারি ভবন হিসেবে সংস্কার হয়।
১৯৭২ সালে এটিকে উত্তরা গণভবন হিসেবে অভিহিত করা হয়।

সূত্র: নাটোর জেলার ওয়েবসাইট। 
২৮.
ক্ষমতার একক হলো-
  1. ক) ক্যালরি
  2. খ) ওয়াট
  3. গ) জুল
  4. ঘ) নিউটন
সঠিক উত্তর:
খ) ওয়াট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ওয়াট
ব্যাখ্যা
• ক্ষমতা: 
- ক্ষমতা, কাজ ও সময়ের মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ করে। 
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে কি পরিমাণ কাজ সম্পন্ন হয় তা দ্বারা ক্ষমতার পরিমাপ করা হয়। 
- ক্ষমতাকে P দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
 - ক্ষমতার এস.আই একক ওয়াট। 
- অশ্বক্ষমতা (HP) নামে ক্ষমতার আর একটি একক ব্যবহার করা হয়। 1H.P = 746 W.
- ক্ষমতার মাত্রা [ML2T-3]।
 
 উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৯.
‘সিএফসি’ কী ক্ষতি করে?
  1. ক) বায়ুর তাপ বৃদ্ধি করে
  2. খ) এসিড বৃষ্টিপাত ঘটায়
  3. গ) ওজোন স্তর ধ্বংস করে
  4. ঘ) রক্তের অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতা হ্রাস করে
সঠিক উত্তর:
গ) ওজোন স্তর ধ্বংস করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ওজোন স্তর ধ্বংস করে
ব্যাখ্যা
• CFC গ্যাস:
-  CFC গ্যাস হলো ক্লোরোফ্লোরো কার্বন।
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ ওজোন স্তরকে ক্ষতি করে কিন্তু এর মধ্যে ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (সিএফসি) গ্যাস প্রত্যক্ষভাবে ওজোন স্তরের ক্ষতি করে।
- সিএফসি এর মধ্যে CFC12 এবং CFC13 সর্বাধিক ক্ষতিকর।
- CFC12 এবং CFC13 এর কার্বন যৌগপ্তলো জায়মান দশায় ক্লোরিন উৎপাদন করে। 
- উৎপন্ন ক্লোরিন ওজোনের সাথে বিক্রিয়া করে ওজোনের অণু ধ্বংস করে।
- এক লক্ষ ওজোনের অণু ধ্বংসের জন্য একটি ক্লোরিনের অণুই যথেষ্ট।

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০.
স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলিত হয় ১৯৭১ সালের কোন তারিখে?
  1. ক) ১৬ ডিসেম্বর
  2. খ) ২৬ মার্চ
  3. গ) ৭ মার্চ
  4. ঘ) ২ মার্চ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২ মার্চ
ব্যাখ্যা
• প্রথম জতীয় পতাকা উত্তোলন:
- ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সামনের পশ্চিম গেটে বাংলাদেশের প্রথম পতাকা উত্তোলিত হয়।
- সেদিন জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছিলেন ছাত্রনেতা আ স ম আবদুর রব। সেই পতাকার মাঝখানে হলুদ বৃত্ত ছিল। আর বৃত্তের মধ্যে ছিল বাংলাদেশের মানচিত্র।
- সেই থেকে প্রতি বছর ২ মার্চ জাতীয় পতাকা উত্তোলন দিবস পালন করা হয়।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ২৩ মার্চে তার বাসভবনে পতাকা উত্তোলন করেছিলেন।

- ১৯৭২ সালে শিবনারায়ণ দাশের ডিজাইন করা পতাকা থেকে মানচিত্রটি বাদ দেওয়া হয়। 
- পতাকার মাপ, রং ও তার ব্যাখ্যাসহ একটি প্রতিবেদন দিতে বলা হয় পটুয়া কামরুল হাসানকে। 
- কামরুল হাসান আমাদের জাতীয় পতাকার যে রূপ দিয়েছিলেন সেটিই বর্তমানে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা সবুজ আয়তক্ষেত্রের মধ্যে লাল বৃত্ত। সবুজ রং বাংলাদেশের সবুজ প্রকৃতি ও তারুণ্যের প্রতীক, বৃত্তের লাল রং উদীয়মান সূর্য, মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের রক্তের প্রতীক।
-  বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার এই রূপটি ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি সরকারিভাবে গৃহীত হয়।
 
উৎস: বিডিনিউজ।
৩১.
পৃথিবীতে প্রাণের সূচনা হয় আনুমানিক-
  1. ক) ১০০ কোটি বছর আগে
  2. খ) ১০ কোটি বছর আগে
  3. গ) ১ কোটি বছর আগে
  4. ঘ) ৫০ লক্ষ বছর আগে
সঠিক উত্তর:
ক) ১০০ কোটি বছর আগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১০০ কোটি বছর আগে
ব্যাখ্যা
• জীবনের সূচনা ও বিকাশ: 
- আজ থেকে প্রায় ৪.৬ বিলিয়ন বছর আগে পৃথিবীর সৃষ্টি হয় এবং প্রায় ৩.৬ বিলিয়ন বছর আগে পৃথিবীতে প্রথম প্রাণের সূচনা হয় বলে ধারণা করা হয়।
- পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে তখন কোনো অক্সিজেন ছিলো না, তাই জীবন সৃষ্টির প্রাথমিক পর্যায়ে জীবগুলো ছিল অণুজীব, আদিকোষী এবং ব্যাকটেরিয়া জাতীয় যারা অক্সিজেন ছাড়াই বাঁচতে পারতো।
- পরবর্তীতে সায়ানোব্যাকটেরিয়ার আবির্ভাব ঘটে যা সালোকসংশ্লেষণ (Photosynthesis) প্রক্রিয়ায় বায়ুমন্ডলে অক্সিজেন যোগ করতে থাকে।
- মাত্র ৫৪ কোটি বছর আগে বায়ুমন্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ বর্তমান সময়ে বায়ুমন্ডলে বিরাজমান অক্সিজেন-এর সমান হয়।

* ধারণা করা হয়, ৩.৬ বিলিয়ন অথবা ৩৬০ কোটি বছর আগে পৃথিবীতে প্রাণের সূচনা হয়। তাই সঠিক উত্তর হিসেবে ১০০ কোটি বছর আগে নেয়া হলো।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২.
কোন খনিজ লবণের অভাবে গাছের বর্ধনশীল অংশে গজানো কচি পাতাগুলো হলদে রঙের হয়-
  1. ক) লৌহ বা আয়োডিন
  2. খ) ম্যাঙ্গানিজ ও ক্যালসিয়াম
  3. গ) ফসফরাস ও ক্লোরিন
  4. ঘ) ম্যাগনেসিয়াম ও নাইট্রোজেন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ম্যাগনেসিয়াম ও নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ম্যাগনেসিয়াম ও নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
• পুষ্টি উপাদানের অভাবজনিত লক্ষণ:
- নাইট্রোজেন (N) এর অভাবে ক্লোরোফিল সৃষ্টিতে ব্যাঘাত ঘটে। তাই পাতা হলুদ হয়। এ প্রক্রিয়াকে ক্লোরোসিস বলে। কোষের বৃদ্ধি ও বিভাজন হ্রাস পায়। ফলে উদ্ভিদের বৃদ্ধি কমে।
- ম্যাগনেসিয়াম (Mg) এর অভাবে ক্লোরোফিল সংশ্লেষিত হয় না বলে সবুজ রং হালকা হয় এবং সালোকসংশ্লেষণের হার কমে। পাতার সরুশিরাসমূহের মধ্যবর্তী স্থানে অধিক হারে ক্লোরোসিস হয়।
- ফসফরাস (P) এর অভাবে পাতা বেগুনি রং ধারণ করে। পাতায় মৃত অঞ্চল সৃষ্টি হয়। পাতা, ফুল ও ফল ঝরে যেতে পারে। উদ্ভিদের বৃদ্ধি বন্ধ হয় এবং উদ্ভিদ খর্বাকার হয়।
- ক্যালসিয়াম (Ca) এর অভাবে কচি পাতায় ক্লোরোসিস হয়, উদ্ভিদের বর্ধনশীল শীর্ষ অঞ্চল মরে যায়। ফুল ফোঁটার সময় উদ্ভিদের কান্ড শুকিয়ে যায় এবং উদ্ভিদ হঠাৎ নেতিয়ে পড়ে।
- আয়রন (Fe) এর অভাবে প্রথমে কচি পাতার রং হালকা হয়, তবে পাতার সরুশিরার মধ্যবর্তী স্থানেই প্রথমে হালকা হয় এবং ক্লোরোসিস হয়। কখনও কখনও সম্পূর্ণ পাতা বিবর্ণ হয়। কান্ড দুর্বল ও ছোট হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৩.
স্বাভাবিক আদর্শ পরিবেশে পানির ঘনত্ব যে তাপমাত্রায় সর্বোচ্চ মান পরিগ্রহ করে তা হলো-
  1. ক) ০ সেন্টিগ্রেড
  2. খ) ৪ সেন্টিগ্রেড
  3. গ) ১০০সেন্টিগ্রেড
  4. ঘ) ২৬৩ কেলভিন
সঠিক উত্তর:
খ) ৪ সেন্টিগ্রেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪ সেন্টিগ্রেড
ব্যাখ্যা
• ভরের মাত্রাকে আয়তনের মাত্রা দিয়ে ভাগ করলে ঘনত্বের মাত্রা পাওয়া যায়।



- তাপমাত্রার পরিবর্তন হলে একই বস্তুর আয়তন পরিবর্তন হয়, তাই ঘনত্বেরও পরিবর্তন হয়।
- পরীক্ষা করে দেখা গেছে পানির ঘনত্ব সব চেয়ে বেশি হয় 4° C তাপমাত্রায়
- 4° C থেকে তাপমাত্রা বাড়লেও পানির ঘনত্ব কমে যায়, 4° C থেকে তাপমাত্রা কমলেও পানির ঘনত্ব কমে যায়।
- কেবল মাত্র 4° C তাপমাত্রায় 1 ঘনমিটার পানির ভর 1000 কিলোগ্রাম হয়।
- তাই পানির ঘনত্ব 1000 kg m-3 অথবা 1gm/cc. 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪.
দৃশ্যমান আলোর বর্ণালীর ক্ষুদ্রতম তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কোন রঙের আলোর?
  1. ক) সবুজ
  2. খ) নীল
  3. গ) বেগুনি
  4. ঘ) লাল
সঠিক উত্তর:
গ) বেগুনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বেগুনি
ব্যাখ্যা
• দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ:
- তাড়িতচৌম্বকীয় বর্ণালির অতিবেগুনি রশ্মির একটি অতি ক্ষুদ্র অংশ আমাদের চোখে দৃশ্যমান হয়, একে বলা হয় দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ।
- এই তরঙ্গের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের পরিসীমা হচ্ছে 4×10-7m থেকে 7×10-7m মাত্র।
- এই পরিসীমার বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের জন্য আলোর বিভিন্ন রঙ দেখা যায়।
- এদের আসমানি, সবুজ, নীল, হলুদ, বেগুনি, কমলা ও লাল এই সাতটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
- দৃশ্যমান আলোর মধ্যে লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি।
- দৃশ্যমান আলোর মধ্যে বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৫.
অধাতু কোনটি-
  1. ক) মার্কারী
  2. খ) কার্বন
  3. গ) পটাশিয়াম
  4. ঘ) কপার
সঠিক উত্তর:
খ) কার্বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কার্বন
ব্যাখ্যা
• ধাতু ও অধাতু: 
- ভূপৃষ্টের উপরিভাগ বিভিন্ন রকম যৌগিক পদার্থ দিয়ে তৈরি যেমন- সিলিকন ডাই অক্সাইড (বালি), ক্যালসিয়াম কার্বনেট (চুনাপাথর) ইত্যাদি। এসকল পদার্থ দুই প্রকার মৌলিক পদার্থ দিয়ে গঠিত। যথা :ধাতু ও অধাতু।
- ক্যালসিয়াম, আয়রন, অ্যালুমিসিয়াম, পটাসিয়াম, সোডিয়াম, সিলভার, গোল্ড, কপার ও জিংক ইত্যাদি হচ্ছে ধাতু।
- যেসব মৌলিক পদার্থ সাধারণত নরম, অ-চকচকে, স্বচ্ছ এবং ভঙ্গুর হয়, আঘাত করলে ঝনঝন শব্দ করে না এবং তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী নয়, তাদেরকে অধাতু বলে।
- কার্বন, সালফার, ক্লোরিন, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, ও অক্সিজেন ইত্যাদি হচ্ছে অধাতু।
- প্রকৃতিতে প্রায় সকল ধাতু ও অধাতু যৌগিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়।
- তবে কয়লা, সালফার ও অল্প পরিমাণ গোল্ড মৌলিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়।
- যে সকল ধাতু ও অধাতু বেশি সক্রিয় তাদের যৌগ বেশি পরিমাণে এবং যে সকল যৌগ কম সক্রিয় তাদের যৌগ কম পরিমাণে প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৬.
শুষ্ক বরফ বলা হয়-
  1. ক) হিমায়িত কার্বন ডাই-অক্সাইউকে
  2. খ) হিমায়িত অক্সিজেনকে
  3. গ) ক্যালসিয়াম অক্সাইডকে
  4. ঘ) হিমায়িত কার্বন মনোক্সাইডকে
সঠিক উত্তর:
ক) হিমায়িত কার্বন ডাই-অক্সাইউকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হিমায়িত কার্বন ডাই-অক্সাইউকে
ব্যাখ্যা
• শুষ্ক বরফ:
- শুষ্ক বরফ হলো কার্বন ডাই-অক্সাইডের কঠিন রূপের সাধারণ নাম।
- শুষ্ক বরফের উর্দ্ধপাতন হয়, যার অর্থ এটি তার কঠিন রূপ থেকে সরাসরি তার গ্যাসীয় অবস্থায় চলে যায়।
- তাই এর নাম 'শুষ্ক বরফ' বা 'ড্রাই আইস'।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৭.
কম্পিউটারে ডাটা সংরক্ষণে কোন সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) ডেসিমেল
  2. খ) অকট্যাল
  3. গ) হেক্সাডেসিমেল
  4. ঘ) বাইনারি
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাইনারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাইনারি
ব্যাখ্যা
• বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System):
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি একটি ২-ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি।
- এ পদ্ধতিতে ০ এবং ১ এই দুটি অংক ব্যবহৃত হয়।
- এ দুটি অংককে বিভিন্নভাবে সাজিয়ে যেকোনো সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে লেখা যায়।
- (110)2, (1101)2 ইত্যাদি হলো বাইনারি সংখ্যার উদাহরণ।
- কম্পিউটার বাইনারি সংখ্যার মাধ্যমে যেকোনো ধরনের উপাত্ত বা ডেটা সংরক্ষণ করে থাকে।
- আবার কম্পিউটারের সকল অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পন্ন হয় বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৮.
‘কবর’ নাটকটির নাট্যকার কে?
  1. ক) জসীমউদ্দীন
  2. খ) মুনীর চৌধুরী
  3. গ) অক্ষয় কুমার
  4. ঘ) কালীপ্রসন্ন সিংহ
সঠিক উত্তর:
খ) মুনীর চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মুনীর চৌধুরী
ব্যাখ্যা
• 'কবর' নাটকের রচয়িতা অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী।
- 'কবর' নাটকের পটভূমি হলো ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন।
- এটি ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম নাটক।
- জেলে বন্দি থাকা অবস্থায় ১৯৫৩ সালে বামপন্থী রণেশ দাশগুপ্ত জেলখানাতে ২১ ফেব্রুয়ারি উদযাপনের লক্ষে মুনীর চৌধুরীকে একটি নাটক লেখার অনুরোধ জানান।
- এই অনুরোধের ভিত্তিতে তিনি এ নাটকটি রচনা করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৩৯.
‘খোয়াবনামা’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?
  1. ক) কাজী নজরুল ইসলাম
  2. খ) শওকত ওসমান
  3. গ) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
  4. ঘ) সৈয়দ সামসুল হক
সঠিক উত্তর:
গ) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
ব্যাখ্যা
• আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত মহাকাব্যোচিত উপন্যাস খোয়াবনামা (১৯৯৬)।
উপন্যাসটির বিসষয়বস্তুতে বাংলার নিম্নবিত্ত শ্রমজীবী মানুষের জীবানালেখ্য সহ - 
- ফকির-সন্যাসী বিদ্রোহ,
- আসামের ভূমিকম্প,
- তেভাগা আন্দোলন,
- ১৯৪৩ সালের মন্বন্তর আলোচিত হয়েছে। 
- পাকিস্তান আন্দোলন ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ইত্যাদি ঐতিহাসিক উপাদান এই উপন্যাসে নিখুঁতভাবে উপস্থিত করা হয়েছে।

- আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত প্রথম উপন্যাস - চিলেকোঠার সেপাই।
- এই উপন্যাসের পটভূমি ১৯৬৯ সালে গণঅভ্যুত্থান। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৪০.
‘মহাশ্মশান’ মহাকাব্যটি কার রচনা?
  1. ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. খ) কাজী নজরুল ইসলাম
  3. গ) কায়কোবাদ
  4. ঘ) মহাকবি আলাওল
সঠিক উত্তর:
গ) কায়কোবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কায়কোবাদ
ব্যাখ্যা
• মুসলমানদের গৌরবময় ইতিহাসের কাহিনী অবলম্বনে 'মহাশ্মশান' মহাকাব্যের রচনা করেন মহাকবি কায়কোবাদ।
- মোহাম্মদ কাজেম আল কোরেশী সাহিত্যক্ষেত্রে কায়কোবাদ নামে পরচিত। 
 - তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধ অবলম্বনে রচিত এ কাব্যে জয়-পরাজয় অপেক্ষা ধ্বংসের ভয়াবহতা প্রকট হওয়ায় এর নাম হয়েছে ‘মহাশ্মশান’।
- এটি তাঁর শ্রেষ্ঠ রচনা এবং এর দ্বারাই তিনি মহাকবিরূপে খ্যাতি অর্জন করেন।
- তাঁর গীতিকবিতায় প্রেম, প্রকৃতি, স্বদেশ ও আধ্যাত্মিকতা প্রকাশ পেয়েছে।
- কায়কোবাদ (১৮৫৭-১৯৫১)  আধুনিক বাংলা মহাকাব্য ধারার শেষ কবি। 
- কায়কোবাদ বাংলার অপর দুই মহাকবি  হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় ও নবীনচন্দ্র সেনের ধারায় মহাকাব্য রচনা করেন।
- মাত্র তেরো বছর বয়সে তাঁর প্রথম কাব্য বিরহবিলাপ (১৮৭০) প্রকাশিত হয়।

• তাঁর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে:
- কুসুম কানন (১৮৭৩),
- অশ্রুমালা (১৮৯৫),  
- মহাশ্মশান (১৯০৪),
- শিব-মন্দির (১৯২২),
- অমিয়ধারা (১৯২৩),
- শ্মশান-ভস্ম (১৯২৪) ও
- মহরম শরীফ (১৯৩২)।  

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
৪১.
‘পদ্ধতি’ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ-
  1. ক) পদ + হতি
  2. খ) পদ + ধতি
  3. গ) পৎ + ধতি
  4. ঘ) পদ্ + ইতি
সঠিক উত্তর:
ক) পদ + হতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পদ + হতি
ব্যাখ্যা
• ত্ ও দ্ এর পর হ থাকলে ত্ ও দৃ এর স্থলে দ এবং হ এর স্থলে ধ হয়।

যেমন-
- উৎ + হার = উদ্ধার।
- পদ্ + হতি = পদ্ধতি।
এরূপ – উদ্ধৃত, উদ্ধত, তদ্ধিত ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
৪২.
কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. ক) সমিচীন
  2. খ) সমীচিন
  3. গ) সমিচিন
  4. ঘ) সমীচীন
সঠিক উত্তর:
ঘ) সমীচীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সমীচীন
ব্যাখ্যা
• সমীচীন (বিশেষণ)

অর্থ: 
- সঙ্গত।
- যোগ্য; উপযুক্ত।
- উত্তম।
- যথার্থ; সত্য।
- উচিত।

সূত্র: অভিগম্য অভিধান, বাংলা একাডেমি। 
৪৩.
কোনটি দ্বিগু সমাস?
  1. ক) পুরুষ সিংহ
  2. খ) চৌরাস্তা
  3. গ) হাটবাজার
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) চৌরাস্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চৌরাস্তা
ব্যাখ্যা
দ্বিগু সমাস
• সমাহার (সমষ্টি) বা মিলন অর্থে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের যে সমাস হয়, দ্বিগু সমাস বলে।

যেমন:
- তিন কালের সমাহার = ত্রিকাল,
- চৌরাস্তার সমাহার = চৌরাস্তা ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
৪৪.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. ক) আলস্যতা
  2. খ) অলস্য
  3. গ) আলস্য
  4. ঘ) আলসতা
সঠিক উত্তর:
গ) আলস্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আলস্য
ব্যাখ্যা
• আলস্য (বিশেষ্য)

অর্থ: 
- কুঁড়েমি; অলসতা।
- জড়তা।
- শ্রমবিমুখতা; কর্মে উপেক্ষা বা অনুৎসাহ।

সূত্র: অভিগম্য অভিধান, বাংলা একাডেমি।
৪৫.
‘নীলাম্বর’ কোন সমাস?
  1. ক) বহুব্রীহি
  2. খ) তৎপুরুষ
  3. গ) কর্মধারয়
  4. ঘ) অব্যয়ীভাব
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
• নীলাম্বর (বিশেষ্য)

অর্থ: 
- নীল আকাশ।
- নীলবর্ণ বস্ত্র পরিহিত বা পরিধানকারী। 

⇒ নীল আকাশ অর্থে: কর্মধারয় সমাস। 
• যেখানে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধান রূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।

যেমন-
- নীল যে অম্বর = নীলাম্বর।
- নীল যে আকাশ = নীলাকাশ।
- নীল যে পদ্ম = নীলপদ্ম।
- রক্ত যে কমল = রক্তকমল।

আবার- 
⇒ নীলবর্ণ বস্ত্র পরিহিত বা পরিধানকারী অর্থে বহুব্রীহি সমাস। 
• যে সমাসে পূর্ব বা পর কোন পদের অর্থ না বুঝিয়ে তৃতীয় কোন অর্থ প্রকাশ করে তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।

যেমন:
- নীল অম্বর যার = নীলাম্বর।
- দশ আনন যার = দশানন।
- পদ্ম নাভিতে যার = পদ্মনাভ।

[অপশনে দ্বৈত উত্তর থাকায় উত্তরটি বাতিল করা হলো]

উৎস: অভিগম্য অভিধান, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৪৬.
‘আলোয় আঁধার কাটে’ -বাক্যে ‘আলোয়’ কোন কারক?
  1. ক) অধিকরণ
  2. খ) অপাদান
  3. গ) সম্প্রদান
  4. ঘ) করণ
সঠিক উত্তর:
ঘ) করণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) করণ
ব্যাখ্যা
⇒ করণ কারক:
- যার দ্বারা বা যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে করণ কারক বলে।
- ‘করণ' শব্দের অর্থ উপায় বা সহায়। বাক্যের ক্রিয়াপদকে ‘কার দ্বারা' বা 'কী উপায়ে' জিজ্ঞাসা করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা-ই করণ কারক।

- করণ কারকে সাধারণত দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক ইত্যাদি তৃতীয়া বিভক্তির (অনুসর্গের) ব্যবহার হয়।
- আবার, এ, য়, তে বা সপ্তমী বিভক্তির প্রয়োগ ঘটে। 

যেমন - “আলোয় আঁধার কাটে।” - এই বাক্যে কিসের দ্বারা বা কী উপায়ে আঁধার কাটে প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় ‘আলোয়’।
অতএব, “আলোয় আঁধার কাটে।”-  এই বাক্যে ‘আলোয়’ করণ কারক।

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৭.
‘মাঠে ধান ফলেছে’ বাক্যে মাঠে কোন কারক?
  1. ক) কালাধিকরণ
  2. খ) স্থানাধিকরণ
  3. গ) বিষয়াধিকরণ
  4. ঘ) ভাবাধিকরণ
সঠিক উত্তর:
খ) স্থানাধিকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্থানাধিকরণ
ব্যাখ্যা
অধিকরণ কারক:
- ক্রিয়ার আধারকে বলা হয় অধিকরণ কারক।
- আধার বলতে ক্রিয়া নিষ্পন্ন হওয়ার স্থান, কাল ও ভাবকে বােঝায়।
- অর্থাৎ ক্রিয়া সম্পাদনের কাল এবং আধারকে বলা হয় অধিকরণ কারক।
- আর এখানে মাঠ দ্বারা যেহেতু স্থান বুঝাচ্ছে তাই এটি স্থানাধিকরণ বা আধারাধিকরণ।

- অধিকরণ কারক তিন প্রকার।
যথা-
১. আধারাধিকরণ,
২. কালাধিকরণ এবং
৩. ভাবাধিকরণ।

আধারাধিকরণ:
আধারাধিকরণ বা স্থানাধিকরণ কোন কোন স্থানকে বুঝায়।
- যেমন:
- তিলে তৈল আছে।
- নদীতে পানি আছে।
- মাঠে ধান ফলেছে।  

এটি তিন ভাগে বিভক্ত।
যথা : -
১. ঐকদেশিক,
২. অভিব্যাপক এবং
৩. বৈষয়িক।

১. ঐকদেশিক:
বিশাল স্থানের যে কোনো এক অংশে ক্রিয়া সংঘটিত হলে তাকে ঐকদেশিক আধারাধিকরণ বলে।

যেমন-
- পুকুরে মাছ আছে। (পুকুরের যে কোনো একস্থানে), 
- বনে বাঘ আছে। (বনের যে কোনো এক অংশে), 
- আকাশে চাঁদ উঠেছে। (আকাশের কোনো এক অংশে), 

২. অভিব্যাপক:
উদ্দিষ্ট বস্তু যদি সমগ্র আধার ব্যাপ্ত করে বিরাজমান থাকে, তবে তাকে অভিব্যাপক আধারাধিকরণ বলে।
যেমন-
- তিলে তৈল আছে। (তিলের সারা অংশব্যাপী)।
- নদীতে পানি আছে। (নদীর সমস্ত অংশ ব্যাপ্ত করে)।
- কলসটি কানায় কানায় পূর্ণ। (কলসের সম্পূর্ণ অংশ জুড়ে আছে)।
- মাঠে ধান ফলেছে। (মাঠের সম্পূর্ণ অংশ জুড়ে)

৩. বৈষয়িক:
বিষয় বিশেষে বা কোনো বিশেষ গুণে কারও কোনো দক্ষতা বা ক্ষমতা থাকলে সেখানে বৈষয়িক অধিকরণ হয়।
যেমন-
- সফিক অঙ্কে কাঁচা।
- আমাদের সেনারা সাহসে দুর্জয়, যুদ্ধে অপরাজেয়। 

কালাধিকরণ:
যে কালে ক্রিয়া সম্পন্ন হয়, তাকে কালাধিকরণ কারক বলে।
উদাহরণ-
- ছেলেবেলায় আমি খুব দুষ্টু ছিলাম। 
- শরতে শাপলা ফোটে।
- সকালে সে চলে যাবে।
- প্রভাতে উঠিল রবি লোহিত বরণ।

ভাবাধিকরণ:
- যদি কোনো ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য অন্য ক্রিয়ার কোনোরূপ ভাবের অভিব্যক্তি প্রকাশ করে, তবে তাকে ভাবাধিকরণ বলে।
- ভাবাধিকরণে সর্বদাই সপ্তমী বিভক্তির প্রয়োগ হয় বলে একে ‘ভাবে সপ্তমী’ বলা হয়।
যেমন-
- রাতটা দু:খে কাটলো।
- সে ফুর্তিতে আছে। 


উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯)।
৪৮.
‘দিনের আলো ও সন্ধ্যার আলোর মিলন’ -এককথায়
  1. ক) সায়াহ্ন
  2. খ) প্রদোষ
  3. গ) অপরাহ্ন
  4. ঘ) গোধূলি
সঠিক উত্তর:
ঘ) গোধূলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গোধূলি
ব্যাখ্যা
• গোধুলি: (বিশেষ্য)
অর্থ: 
- সন্ধ্যাবেলা;
- সায়ংকাল;
- সূর্যাস্ত কাল;
- যখন গরুর পাল ধূলি উড়াইয়া গৃহে ফেরে (গোধূলির লাল রং তখন আকাশে)

⇒ বাংলা একাডেমি অভিধান অনুসারে এবং অর্থ বিবেচনায় গোধুলি উত্তর হবে। 

• সায়াহ্ন (বিশেষ্য)
অর্থ: 
- সন্ধ্যা; সাঁঝ।

• প্রদোষ (বিশেষ্য)
অর্থ: 
- রাত্রি।
- সন্ধ্যা; সায়ংকাল।

• অপরাহ্ন (বিশেষ্য)
অর্থ: 
- বিকাল;
- মধ্যাহ্ন থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত কাল।

সূত্র: বাংলা একাডেমি প্রণীত অভিগম্য অভিধান ও বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান। 
৪৯.
‘যা দীপ্তি পাচ্ছে’ - এককথায়
  1. ক) দীপ্তিমান
  2. খ) আলোকিত
  3. গ) দেদীপ্যমান
  4. ঘ) উজ্জ্বল
সঠিক উত্তর:
গ) দেদীপ্যমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দেদীপ্যমান
ব্যাখ্যা
• যা দীপ্তি পাচ্ছে – দেদীপ্যমান। 

• গুরত্বপূর্ণ কিছু এক কথায় প্রকাশ: 
- যার সর্বস্ব হারিয়ে গেছে – সর্বহারা, হৃতসর্বস্ব।
- যার কোনো কিছু থেকেই ভয় নেই – অকুতোভয়। 
- যার আকার কুৎসিত – কদাকার। 
- যা বিনা যত্নে লাভ করা গিয়েছে – অযত্নলব্ধ। 
- যা বার বার দুলছে – দোদুল্যমান।  
- যা সাধারণের মধ্যে দেখা যায় না এমন – অনন্যসাধারণ।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (২০১৯ সংস্করণ)। 
৫০.
‘কাকনিদ্রা’ এর সঠিক অর্থ কোনটি?
  1. ক) অগভীর নিদ্রা
  2. খ) কাকের ন্যায় অল্প নিদ্রা
  3. গ) কপট চিন্তা
  4. ঘ) নিদ্রার ভান করা
সঠিক উত্তর:
ক) অগভীর নিদ্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অগভীর নিদ্রা
ব্যাখ্যা
• কাকনিদ্রা (বিশেষ্য)

অর্থ: 
- অগভীর সতর্ক ঘুম বা অগভীর নিদ্রা। 

সূত্র: বাংলা একাডেমী অভিধান ও অভিগম্য অভিধান, বাংলা একাডেমি। 
৫১.
'সূর্য' এর প্রতিশব্দ নয় কোনটি?
  1. ক) দিবাকর
  2. খ) বিভাবসু
  3. গ) হিমকর
  4. ঘ) দিনকর
সঠিক উত্তর:
গ) হিমকর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হিমকর
ব্যাখ্যা
• হিমকর (বিশেষ্য)

অর্থ: 
- যার কিরণ শীতল; চন্দ্র।

• 'সূর্য' এর প্রতিশব্দ:
- আদিত্য, রবি, সবিতা, দিবাকর, দিনমনি, দিননাথ, দিবাবসু, অর্ক, ভানু, তপন, ভাস্কর, মার্তণ্ড, বিভাবসু, অংশু, প্রভাকর, কিরণমালী, অরুণ, মিহির,  দিনপতি ইত্যাদি।

⇒ বিঃদ্রঃ বাংলা একাডেমি অভিধান অনুসারে 'বিভাবসু' সূর্য  শব্দের সমার্থক কিন্তু বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর অনুসারে 'বিভাবসু' আগুন  শব্দের সমার্থক। 

সূত্র: বাংলা একাডেমি অভিধান ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।
৫২.
‘অর্বাচীন’ এর বিপরীতার্থক শব্দ-
  1. ক) তরুণ
  2. খ) প্রাচীন
  3. গ) অচেনা
  4. ঘ) নবীন
সঠিক উত্তর:
খ) প্রাচীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রাচীন
ব্যাখ্যা
• 'অর্বাচীন' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ = প্রাচীন। 

• আরো কিছু বিপরীতার্থক শব্দ- 
- 'আকুঞ্চন' শব্দের বিপরীত শব্দ = প্রসারণ।
- 'প্রসারিত' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ = সংকুচিত।
- 'হত' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ = জীবিত।
- 'সংযত' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ = অসংযত।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মাহমুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর।
৫৩.
একটি জিনিস ৬০.০০ টাকা বিক্রয় করায় ২০% লাভ হলো, এর ক্রয়মূল্য কত?
  1. ক) ৪০ টাকা
  2. খ) ৫০ টাকা
  3. গ) ৭২ টাকা
  4. ঘ) ৮০ টকা
সঠিক উত্তর:
খ) ৫০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৫০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি জিনিস ৬০.০০ টাকা বিক্রয় করায় ২০% লাভ হলো, এর ক্রয়মূল্য কত?

সমাধান:
২০% লাভে
ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য ১০০ + ২০ টাকা বা ১২০ টাকা

বিক্রয়মূল্য ১২০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা
বিক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে ক্রয়মূল্য ১০০/১২০ টাকা
বিক্রয়মূল্য ৬০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য (১০০ × ৬০)/১২০ টাকা
= ৫০ টাকা
৫৪.
একটি দ্রব্য ৫০০ টাকায় ক্রয় করে ১০% লাভে বিক্রয় করা হলো। দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য ১০% কম হলে কত টাকা লাভ হতো?
  1. ক) ১০০ টাকা
  2. খ) ১২৫ টাকা
  3. গ) ১৫০ টাকা
  4. ঘ) ১৭৫ টাকা
সঠিক উত্তর:
ক) ১০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১০০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি দ্রব্য ৫০০ টাকায় ক্রয় করে ১০% লাভে বিক্রয় করা হলো। দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য ১০% কম হলে কত টাকা লাভ হতো?

সমাধান:
১০% লাভে,
বিক্রয়মূল্য = ৫০০ + ৫০০ এর ১০%
= ৫০০ + ৫০০ এর ১০/১০০
= ৫০০ + ৫০
= ৫৫০ টাকা

১০% কমে 
ক্রয়মূল্য = ৫০০ - ৫০০ এর ১০%
= ৫০০ - ৫০০ এর ১০/১০০
= ৫০০ - ৫০
= ৪৫০ টাকা

লাভ হতো = (৫৫০ - ৪৫০) টাকা
= ১০০ টাকা 
৫৫.
১১টি সংখ্যার গড় ৩০। প্র্রথম পাঁচটি সংখ্যার গড় ২৫ ও শেষ পাঁচটি সংখ্যার গড় ২৮ । ষষ্ঠ সংখ্যাটি কত?
  1. ক) ৫৫
  2. খ) ৫৮
  3. গ) ৬৫
  4. ঘ) ৬৭
সঠিক উত্তর:
গ) ৬৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১১টি সংখ্যার গড় ৩০। প্র্রথম পাঁচটি সংখ্যার গড় ২৫ ও শেষ পাঁচটি সংখ্যার গড় ২৮ । ষষ্ঠ সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
১১টি সংখ্যার গড় ৩০
১১টি সংখ্যার সমষ্টি = ৩০ × ১১
= ৩৩০ 

প্র্রথম পাঁচটি সংখ্যার গড় ২৫ 
প্র্রথম পাঁচটি সংখ্যার সমষ্টি = ২৫ × ৫  = ১২৫

শেষ পাঁচটি সংখ্যার গড় ২৮
শেষ পাঁচটি সংখ্যার সমষ্টি = ২৮ × ৫  = ১৪০

দশটি সংখ্যার সমষ্টি = ১২৫ + ১৪০ = ২৬৫

ষষ্ঠ সংখ্যাটি = ৩৩০ - ২৬৫
= ৬৫
৫৬.
ক, খ ও গ এর মাসিক গড় বেতন ৫০০ টাকা। খ, গ ও ঘ এর মাসিক গড় বেতন ৪৫০ টাকা। ক এর বেতন ৫৪০ টাকা হলে ঘ এর বেতন কত?
  1. ক) ৩৭৫ টাকা
  2. খ) ৩৮০ টাকা
  3. গ) ৩৫৮ টাকা
  4. ঘ) ৩৯০ টাকা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩৯০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩৯০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ক, খ ও গ এর মাসিক গড় বেতন ৫০০ টাকা। খ, গ ও ঘ এর মাসিক গড় বেতন ৪৫০ টাকা। ক এর বেতন ৫৪০ টাকা হলে ঘ এর বেতন কত?

সমাধান:
ক, খ ও গ এর মাসিক গড় বেতন ৫০০ টাকা
ক, খ ও গ এর মাসিক মোট বেতন ৫০০ × ৩ টাকা
= ১৫০০ টাকা

 খ ও গ এর মাসিক মোট বেতন = (১৫০০ - ৫৪০) টাকা
= ৯৬০ টাকা

খ, গ ও ঘ এর মাসিক গড় বেতন ৪৫০ টাকা
খ, গ ও ঘ এর মাসিক মোট বেতন ৪৫০ × ৩ টাকা
= ১৩৫০ টাকা

ঘ এর বেতন = (১৩৫০ - ৯৬০) টাকা
= ৩৯০ টাকা
৫৭.
∠ A = ৫০ ডিগ্রি। এর পূরক কোণ কত ডিগ্রি?
  1. ক) ৩০
  2. খ) ৪০
  3. গ) ৫০
  4. ঘ) ৬০
সঠিক উত্তর:
খ) ৪০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ∠ A = ৫০ ডিগ্রি। এর পূরক কোণ কত ডিগ্রি?

সমাধান:
দুটি কোণের সমষ্টি 90° হলে একটিকে অপরটির পূরক কোণ বলে।

∴ 50° কোণের পূরক কোণ = (90° - 50°) = 40°
৫৮.
সমকোণী ত্রিভুজের সমকোণ সংলগ্ন বাহুদ্বয় যথাক্রমে ৩ ও ৪ মি. মি. হলে এর অতিভুজের মান কত?
  1. ক) ৫ মি. মি.
  2. খ) ৬ সে. মি.
  3. গ) ৭ সে. মি.
  4. ঘ) ৯ সে. মি.
সঠিক উত্তর:
ক) ৫ মি. মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৫ মি. মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: সমকোণী ত্রিভুজের সমকোণ সংলগ্ন বাহুদ্বয় যথাক্রমে ৩ ও ৪ মি. মি. হলে এর অতিভুজের মান কত?

সমাধান: 
সমকোণী ত্রিভুজের সমকোণ সংলগ্ন বাহুদ্বয় যথাক্রমে ৩ ও ৪ মি. মি. হলে
ধরি
ভূমি = ৪ মি. মি. 
উচ্চতা = ৩ মি. মি. 

আমরা জানি,
(অতিভুজ) = (উচ্চতা ) + (ভূমি)
বা,(অতিভুজ) = (৩)+ (৪)
বা,(অতিভুজ) = ৯ + ১৬ মি.
বা,(অতিভুজ) = ২৫ মি.
(অতিভুজ) = ৫
অতিভুজ = ৫
৫৯.
a + b = 10 এবং a - b = 6 হলে ‍ab = কত?
  1. ক) 20
  2. খ) 18
  3. গ) 16
  4. ঘ) 12
সঠিক উত্তর:
গ) 16
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 16
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a + b = 10 এবং a - b = 6 হলে ‍ab = কত?

সমাধান:
a + b = 10 
a - b = 6

আমরা জানি
4ab = (a + b)2 - (a - b)2
বা, 4ab = 102 - 62
বা, 4ab = 100 - 36
বা, 4ab = 64
ab = 16
৬০.
a + (1/a) = 3 হলে a3 + (1/a3) = কত?
  1. ক) - 30
  2. খ) 36
  3. গ) - 18
  4. ঘ) 18
সঠিক উত্তর:
ঘ) 18
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 18
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a + (1/a) = 3 হলে a3 + (1/a3) = কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে
a + 1/a = 3

আমরা জানি
a3 + 1/a3 = (a + 1/a)3 - 3.a.(1/a)(a + 1/a)
a3 + 1/a3 = 33 - 3 × 3
= 27 - 9
= 18
৬১.
১৫০ মিটার লম্বা ট্রেন ৪৫০ মিটার লম্বা একটি প্ল্যাটফরমকে ২০ সেকেন্ডে অতিক্রম করলে ঐ ট্রেনের গতিবেগ প্রতি সেকেন্ডে কত হবে?
  1. ক) ৪০ মিটার
  2. খ) ৩০ মিটার
  3. গ) ২৫ মিটার
  4. ঘ) ২০ মিটার
সঠিক উত্তর:
খ) ৩০ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩০ মিটার
ব্যাখ্যা
১৫০ মিটার লম্বা ট্রেন ৪৫০ মিটার লম্বা একটি প্ল্যাটফরমকে ২০ সেকেন্ডে অতিক্রম করলে ঐ ট্রেনের গতিবেগ প্রতি সেকেন্ডে কত হবে?

প্লাটফর্মটিকে অতিক্রম করতে হলে ট্রেনটিকে মোট অতিক্রম করতে হবে = (১৫০ + ৪৫০) = ৬০০ মিটার

ট্রেনটি ২০ সেকেন্ডে অতিক্রম করে ৬০০ মিটার 
ট্রেনটি ১ সেকেন্ডে অতিক্রম করে ৬০০/২০ মিটার 
= ৩০ মিটার
৬২.
দুটি নল দ্বারা একটি চৌবাচ্চা যথাক্রমে ১০ ও ১৫ ঘণ্টায় পানি পূর্ণ করে। নল দুটি একত্রে খোলা রাখলে চৌবাচ্চাটি কতক্ষণে পানি পূর্ণ হবে?
  1. ক) ৬ ঘণ্টায়
  2. খ) ৫ ঘণ্টায়
  3. গ) ৪ ঘণ্টায়
  4. ঘ) ২ ঘণ্টায়
সঠিক উত্তর:
ক) ৬ ঘণ্টায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৬ ঘণ্টায়
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুটি নল দ্বারা একটি চৌবাচ্চা যথাক্রমে ১০ ও ১৫ ঘণ্টায় পানি পূর্ণ করে। নল দুটি একত্রে খোলা রাখলে চৌবাচ্চাটি কতক্ষণে পানি পূর্ণ হবে?

সমাধান: 
১০ ঘণ্টায় পূর্ণ হয় ১ টি চৌবাচ্চাটির ১ অংশ 
১ ঘণ্টায় পূর্ণ হয় চৌবাচ্চার ১/১০ অংশ 

১৫ ঘণ্টায় পূর্ণ হয় ১ টি চৌবাচ্চাটির ১ অংশ 
১ ঘণ্টায় পূর্ণ হয় চৌবাচ্চার ১/১৫ অংশ

দুইটি নল দ্বারা একত্রে ১ ঘণ্টায় পূর্ণ হয় (১/১০) + (১/১৫) অংশ
=(৩ + ২)/৩০ অংশ
= ৫/৩০ অংশ
= ১/৬ অংশ

দুইটি নল দ্বারা
১/৬ অংশ পূর্ণ হয় ১ ঘণ্টায় 
১ অংশ বা সম্পূর্ণ  পূর্ণ হয় (১ × ৬)/১  = ৬ ঘণ্টায়
৬৩.
একটি স্কুলে ৫০ জন ছাত্রী ও ৭০ জন ছাত্র আছে। ছাত্রীদের ৪০% এবং ছাত্রদের ৫০% এক বনভোজনে গিয়ে থাকলে মোট ছাত্র - ছাত্রীর কত শতাংশ বনভোজনে গিয়েছিল?
  1. ক) ৪০%
  2. খ) ৪২%
  3. গ) ৪৬%
  4. ঘ) ৪৮%
সঠিক উত্তর:
গ) ৪৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪৬%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি স্কুলে ৫০ জন ছাত্রী ও ৭০ জন ছাত্র আছে। ছাত্রীদের ৪০% এবং ছাত্রদের ৫০% এক বনভোজনে গিয়ে থাকলে মোট ছাত্র - ছাত্রীর কত শতাংশ বনভোজনে গিয়েছিল?

সমাধান:
স্কুলে ছাত্রী আছে ৫০ জন
স্কুলে ছাত্রী আছে ৭০ জন

ছাত্রীদের মধ্যে বনভোজনে গিয়েছিলো = ৫০ এর ৪০% = ৫০ এর ৪০/১০০
= ২০ জন

ছাত্রদের মধ্যে বনভোজনে গিয়েছিলো = ৭০ এর ৫০%
= ৭০ এর ৫০/১০০
= ৩৫ জন

বনভোজনে গিয়েছিলো = ২০ + ৩৫ = ৫৫ জন
মোট ছাত্র-ছাত্রী = ৫০ + ৭০ = ১২০ জন

বনভোজনে শতকরা গিয়েছিলো = {(৫৫/১২০) × ১০০}%
= ৪৫.৮৩৩%  ≈ ৪৬%
৬৪.
কোন অনুপাতের উভয় পদের সঙ্গে ১ যোগ করলে অনুপাতটি ৩ : ৪ এবং উভয় পদ থেকে ১ বিয়োগ করলে অনুপাতটি ২ : ৩ হবে?
  1. ক) ২ : ৫
  2. খ) ৪ : ৯
  3. গ) ৬ : ১১
  4. ঘ) ৫ : ৭
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫ : ৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫ : ৭
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন অনুপাতের উভয় পদের সঙ্গে ১ যোগ করলে অনুপাতটি ৩ : ৪ এবং উভয় পদ থেকে ১ বিয়োগ করলে অনুপাতটি ২ : ৩ হবে?

সমাধান:
মনেকরি
অনুপাতটি = ক : খ

১ম শর্তমতে
ক + ১ : খ + ১ = ৩ : ৪
(ক + ১)/(খ + ১) = ৩/৪
৪(ক + ১) = ৩(খ + ১)
৪ক + ৪ = ৩খ + ৩
৪ক - ৩খ = ৩ - ৪
৪ক - ৩খ = - ১.................(১)

২য় শর্তমতে
ক - ১ : খ - ১ = ২ : ৩
(ক - ১)/ (খ - ১) = ২/৩
৩(ক - ১) = ২(খ - ১)
৩ক - ৩ = ২খ - ২
৩ক - ২খ = - ২ + ৩
৩ক - ২খ = ১............................(২)

(১) × ২ - (২)× ৩ ⇒
৮ক - ৬খ - (৯ক - ৬খ) = - ২ - ৩
⇒ ৮ক - ৬খ - ৯ক + ৬খ = -৫
⇒ - ক = - ৫
∴ ক = ৫

(১) নং সমীকরণে ক এর মান বসিয়ে, 
(৪ × ৫) - ৩খ = - ১
⇒ ২০ - ৩খ = - ১
⇒ -৩খ = -১ - ২০ = - ২১
⇒ খ = (- ২১)/(- ৩) = ৭

∴ অনুপাতটি = ৫ : ৭ 

৬৫.
৬ বছর আগে পিতার বয়স ছিল পুত্রের বয়সের ৫ গুণ; বর্তমানে পিতার বয়স পুত্রের বয়সের ৩ গুণ। তাহলে পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়স কত?
  1. ক) ২৪ বছর, ৮ বছর
  2. খ) ৩৬ বছর, ১২ বছর
  3. গ) ৯ বছর, ৩ বছর
  4. ঘ) ৪৮ বছর, ১৬ বছর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩৬ বছর, ১২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩৬ বছর, ১২ বছর
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৬ বছর আগে পিতার বয়স ছিল পুত্রের বয়সের ৫ গুণ; বর্তমানে পিতার বয়স পুত্রের বয়সের ৩ গুণ। তাহলে পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়স কত?

সমাধান:
মনেকরি 
বর্তমানে পুত্রের বয়স = ক বছর
বর্তমানে পিতার বয়স = ৩ক বছর

প্রশ্নমতে
(৩ক - ৬) = ৫(ক - ৬)
৩ক - ৬ = ৫ক - ৩০
৫ক - ৩ক = - ৩০ + ৬
- ২ক = - ২৪
২ক = ২৪
ক = ১২

বর্তমানে পুত্রের বয়স = ১২ বছর
বর্তমানে পিতার বয়স = ৩ × ১২ = ৩৬ বছর
৬৬.
১৪৪, ৮১, ৩৬ এর পরবর্তী সংখ্যাটি কত?
  1. ক) ১৮
  2. খ) ১২
  3. গ) ৯
  4. ঘ) ৬
সঠিক উত্তর:
গ) ৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৯
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১৪৪, ৮১, ৩৬ এর পরবর্তী সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
১ম পদ = ১২ = ১৪৪ 
২য় পদ = ৯ = ৮১ 
৩য় পদ = ৬ = ৩৬ 
৪র্থ পদ  = ৩ = ৯
৬৭.
নিচের কোন সংখ্যাটি বৃহত্তম?
  1. ক) ৩/৫
  2. খ) ৪/১৫
  3. গ) ৩/২০
  4. ঘ) ৭/২৫
সঠিক উত্তর:
ক) ৩/৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩/৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোন সংখ্যাটি বৃহত্তম?

সমাধান:
৩/৫ = ০.৬
৪/১৫ = ০.২৬
৩/২০ = ০.১৫
৭/২৫ = ০.২৮
৬৮.
পৃথিবীতে সর্বোচ্চ ঘনবসতিপূর্ণ দেশ -
  1. ক) চীন
  2. খ) জাপান
  3. গ) মোনাকো
  4. ঘ) বাংলাদেশ
সঠিক উত্তর:
গ) মোনাকো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মোনাকো
ব্যাখ্যা
বিশ্ব জনসংখ্যা রিপোর্ট ২০২৩ অনুযায়ী:

- পৃথিবীর সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ দেশ মেকাও, দ্বিতীয় মোনাকো।
- দেশটির জনসংখ্যার ঘনত্ব(প্রতি বর্গ কিলোমিটারে বসবাসকারী লোকসংখ্যা ১৮,১৪৯ জন )।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম গ্রীভল্যান্ডে।
- পৃথিবীর সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ ১০ দেশঃ - মেকাও, মোনাকো, সিঙ্গাপুর, হংকং, জিব্রাল্টার, বাহরাইন, মালদ্বীপ, মাল্টা, বাংলাদেশ, সিন্ট মার্টেন।

তথ্যসূত্র - বিশ্ব জনসংখ্যা রিপোর্ট ২০২৩।

বি.দ্র: অপশনে মেকাও না থাকায় উত্তর মোনাকো হবে।
৬৯.
["তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা বর্তমানে প্রযোজ্য নয়। সাম্প্রতিক তথ্যের জন্য ব্যাখ্যা, সাম্প্রতিক সমাচার ও ডাইনামিক প্যানেল দেখুন।"]
২০১০ সালে ফুটবলে বিশ্বকাপ বিজয়ী দেশ -
  1. ক) ইতালি
  2. খ) ব্রাজিল
  3. গ) আর্জেন্টিনা
  4. ঘ) স্পেন
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ - ২০২২:
ফিফা বিশ্বকাপ - ২০২২ ছিলো ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসের ২২তম আয়োজন। এতে সারা বিশ্ব থেকে মোট ৩২টি দেশ অংশগ্রহণ করে।
নিচে এই বিশ্বকাপ সম্পর্কে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেয়া হলো -
- স্বাগতিক দেশ: কাতার,
- চ্যাম্পিয়ন দেশ: আর্জেন্টিনা,
- রানার্স আপ দেশ: ফ্রান্স,
- গোল্ডেন বল বিজয়ী/টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়: লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা),
- গোল্ডেন বুট বিজয়ী/সব চেয়ে বেশি গোল করেন:- গোল্ডেন গ্লাভস বিজয়ী/সেরা গোলকিপার:

ফিফা বিশ্বকাপ নিয়ে আরো কিছু তথ্য:-
- ২০১০ সালে ফুটবল বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয় - স্পেন,
- ২০১৪ ও ২০১৮ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয় যথাক্রমে - জার্মানি ও ফ্রান্স।
- পরবর্তী ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে - ২০২৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রে। এই বিশ্বকাপে মোট ৪৮টি দেশ অংশগ্রহণ করবে।

তথ্যসূত্র: ফিফা ওয়েবসাইট ও জাতীয় দৈনিক পত্রিকা রিপোর্ট।
৭০.
পৃথিবীর সর্ববৃহৎ দেশ কোনটি?
  1. ক) ইউএসএ
  2. খ) রাশিয়া
  3. গ) চীন
  4. ঘ) কানাডা
সঠিক উত্তর:
খ) রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রাশিয়া
ব্যাখ্যা
রাশিয়া:

- পৃথিবীর বৃহত্তম দেশ রাশিয়া।
- রাশিয়ার আয়তন ১৭০৭৫৪০০ বর্গ ক.মি.।
- রাশিয়া পূর্ব ইউরোপ এবং উত্তর এশিয়ার বিশাল অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত।
- রাশিয়া ১৯৯১ সালের ডিসেম্বরে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিলুপ্তির পর একটি স্বাধীন দেশ হয়ে ওঠে।
- রাশিয়ায় রয়েছে ইউরোপের দীর্ঘতম নদী ভোলগা এবং এর বৃহত্তম হ্রদ লাডোগা।
- রাশিয়ার রাজধানী মস্কো।

অন্যদিকে,
- পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ কানাডার আয়তন ৯৯৮৪৬৭০ বর্গ ক.মি.।
- পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম দেশ চীনের আয়তন ৯৫৭২৯০০ বর্গ ক.মি.।
- পৃথিবীর সপ্তম বৃহত্তম দেশ ভারতের আয়তন ৩২৮৭৪৬৯ বর্গ ক.মি.।
- আয়তনের দিক থেকে বাংলাদেশ ৯৪ তম।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৭১.
বাংলাদেশের কোন গ্যাসক্ষেত্রটি আগুন লেগে সর্বাপেক্ষা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে?
  1. ক) তিতাস
  2. খ) বাখরাবাদ
  3. গ) টেংরাটিলা
  4. ঘ) পলাশ
সঠিক উত্তর:
গ) টেংরাটিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) টেংরাটিলা
ব্যাখ্যা
টেংরাটিলা:

- বাংলাদেশের টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রটি আগুন লেগে সর্বাপেক্ষা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
- ২০০৫ সালের কানাডীয় কোম্পানি নাইকো রিসোর্সেস পরিচালিত এই গ্যাসক্ষেত্রের একটি কূপ থেকে গ্যাস উত্তোলনের সময় জানুয়ারি ও জুন মাসে পর পর দু'দফা রিগে আগুন লেগে বিস্ফোরণ ঘটে।
- বিস্ফোরণের কারণে ঐ গ্যাসক্ষেত্র এবং আশেপাশের পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি হয় বলে সরকারের প্রাথমিক রিপোর্টে বলা হয়েছিল।

তথ্যসূত্র - বিবিসি নিউজ, ১৭ অক্টোবর ২০১৫।
৭২.
যমুনা ব্রীজের দৈঘ্য -
  1. ক) ৪.৮ কি. মি.
  2. খ) ৪.৫ কি. মি.
  3. গ) ৪.২ কি. মি
  4. ঘ) ৫.১ কি. মি.
সঠিক উত্তর:
ক) ৪.৮ কি. মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৪.৮ কি. মি.
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু বহুমুখী সেতু:

- যমুনা বহুমুখী সেতু বা বঙ্গবন্ধু বহুমুখী সেতু বাংলাদেশের যমুনা নদীর উপরে অবস্থিত একটি সড়ক ও রেল সেতু।
- ৪.৮ কিলোমিটার দীর্ঘ ও ১৮.৫ মিটার প্রস্থ এই সেতুটির নির্মাণ কাজ ১৯৯৮ সালে শেষ হয়।
- এটি যমুনা নদীর পূর্ব তীরে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর (ভুয়াপুর) এবং পশ্চিম তীরের সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করে।
- বঙ্গবন্ধু সেতুতে লেনের সংখ্যা ৪ টি, পাইলের সংখ্যা ১২১ টি, পিলার সংখ্যা ৫০টি।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৭৩.
পৃথিবীর সর্ববৃহৎ দ্বীপ কোনটি?
  1. ক) জাপান
  2. খ) অস্ট্রেলিয়া
  3. গ) নিউজিল্যান্ড
  4. ঘ) গ্রিনল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ঘ) গ্রিনল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গ্রিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা
গ্রিনল্যান্ড:

- পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দ্বীপের নাম - গ্রীনল্যান্ড।
- দ্বীপটি উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত।
- গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের অধীনে স্বায়ত্বশাসিত দ্বীপরাষ্ট্র হিসাবে শাসন কাজ পরিচালনা করে।
- এর রাজধানী - নুক (Nuuk) এবং ২১ লক্ষ ৬৬ হাজার বর্গ কিলোমিটার প্রায়।

অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ,
- নিউ গিনির আয়তন ৮২১৪০০ বর্গ কি.মি.।
- বোর্নিওর আয়তন ৭৪৮১৬৮ বর্গ কি.মি.।
- মাদাগাস্কারের আয়তন ৫৮৭২৯৫ বর্গ কি.মি.।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৭৪.
‘আইএলও’ এর সদর দফতর কোথায়?
  1. ক) প্যারিস
  2. খ) জেনেভা
  3. গ) নিউইয়র্ক
  4. ঘ) এর কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) জেনেভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জেনেভা
ব্যাখ্যা
ILO:

- ILO (International Labour Organization) ১৯১৯ সালে ভার্সাই চুক্তির ফলশ্রুতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৪৬ সালের ১৪ ডিসেম্বর ILO জাতিসংঘের প্রথম বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে।
- ILO এর সদরদপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৮৭টি।
- বর্তমান মহাপরিচালক ব্রিটেনের গাই রাইডার।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ২২ জুন ILO এর সদস্যপদ লাভ করে।
- ILO ১৯৬৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।

তথ্যসূত্র - ILO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৭৫.
কোন সালে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. ১৯৪২
  2. ১৯৪৩
  3. ১৯৪৫
  4. ১৯৪৬
সঠিক উত্তর:
১৯৪৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৫
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ:

- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- এর আগে ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৫১টি। - বর্তমান সদস্য ১৯৩টি।
- জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২ টি (ভ্যাটিকান ও ফিলিস্তিন)।
- জাতিসংঘ সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।
- জাতিসংঘের সর্বশেষ সদস্য দক্ষিণ সুদান।
- ২০১১ সালের ১৪ জুলাই, ১৯৩তম দেশ হিসেবে জাতিসংঘে যোগদান করে।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৭৬.
‘বাকল্যান্ড বাঁধ’ কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. ক) বুড়িগঙ্গা
  2. খ) শীতলক্ষ্যা
  3. গ) ধলেশ্বরী
  4. ঘ) গোমতী
সঠিক উত্তর:
ক) বুড়িগঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বুড়িগঙ্গা
ব্যাখ্যা
বাকল্যান্ড বাঁধ:

- বাকল্যান্ড বাঁধ ঢাকা শহরের দক্ষিণ দিক দিয়ে প্রবহমান বুড়িগঙ্গা নদীর উত্তর তীরে একটি শহর পরিবেষ্টনী বাঁধ।
- ১৮৬৪ সালে তৎকালীন নগর কমিশনার সি.টি বাকল্যান্ড এই বাঁধ নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণ করেন।
- নদীর ঘাট পর্যন্ত কার্গো ও যাত্রীবাহী স্টিমার চলাচল সুগম করার জন্য পাড়ের নিম্নভাগে পলি প্রতিরোধ করা এবং প্লাবন ও ভাঙন থেকে ঢাকা শহর রক্ষা প্রকল্পের অধীনে এই বাঁধ নির্মিত হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৭৭.
নিচের কোনটি লালবাগ দুর্গের অভ্যন্তরে অবস্থিত?
  1. ক) ছোট কাটরা
  2. খ) বড় কাটরা
  3. গ) পরী বিবির মাজার
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) পরী বিবির মাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পরী বিবির মাজার
ব্যাখ্যা
লালবাগ কেল্লা:

- লালবাগ কেল্লা পুরাতন ঢাকার লালবাগে অবস্থিত।
- সতের শতকে ১৬৭৮ সালে সুবাদার আজম শাহ এটির নির্মাণ কাজ শুরু করেন। মাঝে এর কাজ বন্ধ হয়ে গেলে ১৬৮০ সালে শায়েস্তা খান পুনরায় এর কাজ শুরু করে এটি নির্মাণ করেন।
- লালবাগ কেল্লার অভ্যন্তরে শায়েস্তা খানের কন্যা পরীবিবির মাজার অবস্থিত।
- ১৯৯০ সালে লালবাগ কেল্লা প্রত্নতত্ত্ব নির্দশন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।
- এর আদি নাম কেল্লা আওরঙ্গবাদ।
- লালবাগে অবস্থিত হওয়ায় পরে এর নামকরণ করা হয় লালবাগ কেল্লা।

তথ্যসূত্র - প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৭৮.
ক্রিকেটে বাংলাদেশ কোন সালে টেস্ট মর্যাদা লাভ করে?
  1. ক) ১৯৯৯
  2. খ) ২০০০
  3. গ) ২০০১
  4. ঘ) ২০০২
সঠিক উত্তর:
খ) ২০০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০০০
ব্যাখ্যা
টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ:

- ক্রিকেটে বাংলাদেশ ২০০০ সালে টেস্ট মর্যাদা লাভ করে।
- বাংলাদেশ টেস্ট ম্যাচে প্রথম জয় পায় ২০০৫ সালে।
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে ১০ নভেম্বর ২০০০ সালে।
- প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৪০০ রান করে বাংলাদেশ।
- টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তামিম ইকবাল।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ জয় পায় কোন দলের বিপক্ষে  জিম্বাবুয়ে।
- টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রাহক হাবিবুল বাশার।

তথ্যসূত্র - bangladesh.gov.bd
               দৈনিক প্রথম আলো,০৬ জানুয়ারি ২০১৭।
               দৈনিক প্রথম আলো,১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।
              সময় নিউজ, ১৪ জুন ২০২৩।
৭৯.
বাংলাদেশের একমাত্র কিশোর সংশোধন প্রতিষ্ঠানটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) যশোর
  2. খ) গাজীপুর
  3. গ) ময়মনসিংহ
  4. ঘ) কোনাবাড়ি
সঠিক উত্তর:
খ) গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গাজীপুর
ব্যাখ্যা
কিশোর সংশোধন প্রতিষ্ঠান:

- বাংলাদেশের একমাত্র কিশোর সংশোধন প্রতিষ্ঠানটি গাজীপুরের টঙ্গীতে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের অস্ত্র কারখানাও গাজীপুরে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - গাজীপুর জেলার ওয়েবসাইট।
৮০.
ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দান করে কবে?
  1. ক) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
  2. খ) ২৬ মার্চ ১৯৭১
  3. গ) ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
  4. ঘ) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
গ) ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্বীকৃতি:

- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালেই সবার আগে ৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ তারিখে ভুটান এবং ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র সচিবের ভাষ্যমতে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ ভুটান এবং দ্বিতীয় দেশ ভারত।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন ২৪ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে।
- মালয়েশিয়া ২৫ ফেব্রুয়ারী ১৯৭২ সালে।
- যুক্তরাষ্ট্র ৪ এপ্রিল ১৯৭২ সালে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে। 

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।