পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি জব সল্যুশন

পরীক্ষাDPEতারিখ২৯ অক্টোবর, ২০২২সময়50 minutes৭৮ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৮০
সিলেবাস
প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩ (পদ্মা ) (গ্রেড-১৩) পরীক্ষার তারিখ: ১৪.০৪.২০১৩
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি জব সল্যুশন

DPE · ২৯ অক্টোবর, ২০২২ · ৮০ প্রশ্ন

.
'লীগ অব নেশনস' কোন সালে বিলুপ্ত হয়?
  1. ক) ১৯৩৯ সালে
  2. খ) ১৯৪১ সালে
  3. গ) ১৯৪৪ সালে
  4. ঘ) ১৯৪৬ সালে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৪৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৪৬ সালে
ব্যাখ্যা
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও বিশ্ব শান্তি নিশ্চিতের জন্যে ১৯২০ সালের ১০ জানুয়ারি লীগ অব নেশন্স বা জাতিপুঞ্জ আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।
- সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন তার বিখ্যাত চৌদ্দ দফার সর্বশেষ পয়েন্টে জাতিপুঞ্জ প্রতিষ্ঠার কথা ব্যক্ত করেন।
- জাতিপুঞ্জের সদরদপ্তর ছিলো জেনেভায়।
- প্রথম মহাসচিব ছিলেন স্যার এরিক ড্রামন্ড। সর্বশেষ মহাসচিব ছিলেন জ্যা লেস্টার।
- জাতিপুঞ্জের মোট সদস্য ছিলো ৪৮টি দেশ। তবে যুক্তরাষ্ট্র জাতিপুঞ্জের সদস্য ছিলো না।
- জাতিপুঞ্জ ১৯৪৬ সালের ১৮ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত হয়।

(তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ এবং হিস্টোরি ওয়েবসাইট)
.
এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় কোথায়?
  1. ক) টোকিও
  2. খ) ব্যাংকক
  3. গ) সিঙ্গাপুর
  4. ঘ) ম্যানিলা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ম্যানিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ম্যানিলা
ব্যাখ্যা
- ADB- এর পূর্ণরূপ: Asian Development Bank. এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২২ আগস্ট, ১৯৬৬ সালে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করে ১৯ ডিসেম্বর, ১৯৬৬ সালে।
- এর সদর দপ্তর অবস্থিত ম্যানিলা, ফিলিপাইন।
- বর্তমান সদস্য ৬৮টি (প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ৩১টি) সদস্য দেশগুলোর মধ্যে - এশিয়া ও প্যাসিফিক অঞ্চলের দেশ ৪৯টি এবং এশিয়ার বাইরের দেশ ১৯টি।
- সাধারণত এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন জাপান থেকে।

উৎসঃ এডিবি ওয়েবসাইট।
.
আমেরিকার স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয় কোন সালে?
  1. ক) ১৭৭৪
  2. খ) ১৭৭৫
  3. গ) ১৭৭৬
  4. ঘ) ১৭৭৭
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭৭৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭৭৬
ব্যাখ্যা
- ১৭৭৬ সালের ৪ জুলাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ব্রিটেনের নিকট থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
- ঐদিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৩টি অঙ্গরাজ্য ঐক্যবদ্ধভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
- তাই ৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রে স্বাধীনতা দিবস হিসেবে পালিত হয়।

(তথ্যসূত্র: হিস্টোরি ডটকম)
.
'হামাস' কোন দেশের সংগঠন?
  1. ক) লেবানন
  2. খ) ফিলিস্তিন
  3. গ) মিশর
  4. ঘ) ইরাক
সঠিক উত্তর:
খ) ফিলিস্তিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফিলিস্তিন
ব্যাখ্যা
- হামাস ফিলিস্তিনের একটি সশ্বস্ত্র রাজনৈতিক সংগঠন। এটির প্রকৃত নাম ইসলামিক প্রতিরোধ আন্দোলন।
- এটি ১৯৮৭ সালে শেখ আহমেদ ইয়াছিন প্রতিষ্ঠা করেন। হামাসের পলিটব্যুরোর বর্তমান প্রধান ইসমাইল হানিয়া।
- হামাসের সামরিক শাখার নাম ইজ্জ আদ-দীন আল কাশেম বিগ্রেড।
- হামাস ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণ করছে।
- হামাস ইরান ও সিরিয়ার সমর্থনপুষ্ট হওয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল হামাসকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করে।

(তথ্যসূত্রঃ বিবিসি এবং আল জাজিরা)
.
ইসলামী সম্মেলন সংস্থার সচিবালয় অবস্থিত -
  1. ক) জেদ্দা
  2. খ) রিয়াদ
  3. গ) মক্কা
  4. ঘ) দামাস্ক
সঠিক উত্তর:
ক) জেদ্দা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জেদ্দা
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোর রাজধানী রাবাতে ইসলামি সম্মেলন সংস্থা (ওআইসি) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদরদপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায়
- ওআইসি সদস্য দেশ ৫৭ টি।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে লাহোর সম্মেলনে ওআইসি সদস্যপদ লাভ করে।
- ওআইসির অফিসিয়াল ভাষা ৩টি। যথা: আরবি, ইংরেজি এবং ফরাসি।

উৎসঃ ওআইসি ওয়েবসাইট।
.
“আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা'-এর সদর দপ্তর -
  1. ক) জেনেভা
  2. খ) বন
  3. গ) ভিয়েনা
  4. ঘ) রোম
সঠিক উত্তর:
গ) ভিয়েনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভিয়েনা
ব্যাখ্যা
- আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (IAEA- International Atomic Energy Agency) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫৭ সালে।
- সংস্থাটির সদরদপ্তর অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় অবস্থিত।
- সংস্থাটি ২০০৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে।

উৎসঃ আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার ওয়েবসাইট।
.
স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলিত হয়েছিল ১৯৭১ সালের -
  1. ক) ২৫ মার্চ
  2. খ) ২৩ মার্চ
  3. গ) ১০ মার্চ
  4. ঘ) ২ মার্চ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২ মার্চ
ব্যাখ্যা
- মানচিত্র খচিত বাংলাদেশের লাল সবুজের পতাকা ১৯৭১ সালের ২রা মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় তৎকালীন ডাকসু ভিপি আ স ম রব প্রথম উত্তোলন করেন।
- ১৯৭১ সালের ২৩শে মার্চ ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাসভবনসহ দেশের সর্বত্র পাকিস্তানের পতাকা’র পরিবর্তে লাল-সবুজের পতাকা উড়ানো হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি মানচিত্র ব্যতীত বাংলাদেশের বর্তমান জাতীয় পতাকা গৃহিত হয়।
- এটির ডিজাইনার ছিলেন পটুয়া কামরুল হাসান।
- পূর্বে ব্যবহৃত মানচিত্র খচিত পতাকাটি ১৯৭০ সালের ৬ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান জহুরুল হক হলের ১১৬ নং কক্ষে নিউক্লিয়াসের সদস্যরা তৈরি করে।

(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং প্রথম আলো)
.
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় কোন সালে?
  1. ক) ১৯৫২
  2. খ) ১৯৫৩
  3. গ) ১৯৫৪
  4. ঘ) ১৯৫৫
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৫৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৫৩
ব্যাখ্যা
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়  রাজশাহী শহর থেকে পাঁচ কিলোমিটার পূর্বদিকে অবস্থিত বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয়।
- বাংলাদেশের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে এই বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৫৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- উত্তর বাংলায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে ১৯১৭ সালে গঠিত Calcutta University Commission (যা স্যাডলার কমিশন নামেও পরিচিত) রাজশাহী শহরে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সুপারিশ করে।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
.
'বীরশ্রেষ্ঠ' পদকপ্রাপ্তদের সংখ্যা কত?
  1. ক) সাত
  2. খ) আট
  3. গ) পাঁচ
  4. ঘ) ছয়
সঠিক উত্তর:
ক) সাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সাত
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য ৭ জনকে সর্বোচ্চ সামরিক পদবী 'বীরশ্রেষ্ঠ' প্রদান করা হয়।

৭ জন বীরশ্রেষ্ঠ হলেন -
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেঃ মতিউর রহমান
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী হামিদুর রহমান
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ

উৎসঃ বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১০.
জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?
  1. ক) হামিদুর রহমান
  2. খ) মযহারুল ইসলাম
  3. গ) তানভির কবির
  4. ঘ) মাইনুল হোসেন
সঠিক উত্তর:
ঘ) মাইনুল হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মাইনুল হোসেন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় স্মৃতিসৌধ সাভারে অবস্থিত যা সম্মিলিত প্রয়াস নামেও পরিচিত। এটির স্থপতি সৈয়দ মইনুল হোসেন।

১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় স্মৃতসৌধের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং ১৯৮২ সালের ১৬ ডিসেম্বর হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ এটি উদ্বোধন করেন।

জাতীয় স্মৃতিসৌধে মোট সাতটি স্তম্ভ রয়েছে যা আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের সাতটি গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপটকে তুলে ধরে।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১১.
শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ কত?
  1. ক) ২৮০ মি./সেকেন্ড
  2. খ) শুন্য
  3. গ) ৩৩২ মি./সেকেন্ড
  4. ঘ) ১১২০ ফুট/সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
খ) শুন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শুন্য
ব্যাখ্যা
শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শুন্য হয়ে থাকে। 

শব্দ তরঙ্গাকারে সঞ্চারিত হয়। তরঙ্গ একক সময়ে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে তরঙ্গ বেগ বা দ্রুতি বলে। একই ভাবে বলা যায় শব্দ তরঙ্গ একক সময়ে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে শব্দের বেগ বা দ্রুতি বলে। লক্ষ্য করেছেন ঝড়-বৃষ্টির সময় কখনও কখনও বজ্রপাত হয়। হঠাৎ আকাশে বিদ্যুৎ চমক বা প্রচন্ড আলোর ঝলকানি দেখা যায়, তার বেশ কিছুক্ষণ পরে প্রবল বজ্রনাদ বা বাজ পড়ার শব্দ শোনা যায়। আসলে আকাশে দুটি বিপরীত দিকে ধাবমান মেঘের পরস্পরের সাথে ঘর্ষণের ফলে একই সময়ে অগ্নি স্ফুলিঙ্গ এবং শব্দ সৃষ্টি হয়। আমরা আলো আগে দেখি, শব্দ পরে শুনি। কারণ আলো দ্রুত আমাদের চোখে পৌঁছায় শব্দ পৌছাতে বেশি সময় লাগে। এ থেকে আমরা সহজেই বলতে পারি শব্দের দ্রুতি আলোর দ্রুতির থেকে অনেক কম ।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১২.
বর্ণালির প্রান্তীয় বৰ্ণ কি কি?
  1. ক) বেগুনি ও হলুদ
  2. খ) লাল ও নীল
  3. গ) বেগুনি ও লাল
  4. ঘ) নীল ও সবুজ
সঠিক উত্তর:
গ) বেগুনি ও লাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বেগুনি ও লাল
ব্যাখ্যা
বর্ণালির প্রান্তীয় বৰ্ণগুলো হচ্ছে- বেগুনী এবং লাল। 
 
আলোর বিক্ষেপণ নির্ভর করে এর রং ও তরঙ্গদৈর্ঘ্যের উপর।
দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ক্রমঃ বেগুনি < নীল < আসমানী < সবুজ < হলুদ < কমলা < লাল।
আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হলে তার বিক্ষেপণ বেশি হয়।
আবার আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি হলে তার বিক্ষেপণ তত কম হয়।
লাল রঙের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি তাই এর বিক্ষেপণ কম।
বর্ণালীতে বিভিন্ন ধরণের আলোর বিচ্যুতি/বিক্ষেপণের ক্রমঃ বেগুণী > নীল > আসমানী > সবুজ > হলুদ > কমলা > লাল।

উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
সহসা দরজা খুলতে চাইলে দরজার কোথায় বল প্রয়োগ করা উচিত?
  1. ক) কব্জার বিপরীত প্রান্তে
  2. খ) মাঝখানে
  3. গ) কব্জার কাছে
  4. ঘ) উপরের প্রান্তে
সঠিক উত্তর:
ক) কব্জার বিপরীত প্রান্তে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কব্জার বিপরীত প্রান্তে
ব্যাখ্যা
কব্জার কাছে বল প্রয়োগ করার চেয়ে কব্জার বিপরীত প্রান্তে বল প্রয়োগ করলে সহজে দরজা খুলে যায়। 
কারণ বিপরীত প্রান্তে অল্প বল প্রয়োগ করলে দরজা খুলে যাবে।
১৪.
একজন মানুষ কি অবস্থায় পৃথিবীকে সবচেয়ে কম চাপ দেয়?
  1. ক) দাঁড়ানো
  2. খ) দৌড়ানো
  3. গ) বসা
  4. ঘ) শোয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) শোয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শোয়া
ব্যাখ্যা
- চাপ বলতে একক ক্ষেত্রফলের কোনো বস্তুর উপর লম্বভাবে প্রযুক্ত বলকেই বোঝায়। 
- মানুষ দাঁড়িয়ে অথবা, বসা অবস্থায় ক্ষেত্রফলের পরিমাণ এর থেকে শোয়া অবস্থায় ক্ষেত্রফলের পরিমাণ অনেক বেশি হয়। 
- শোয়া অবস্থায় মানুষের দৈহিক ওজন ক্ষেত্রফলের পুরোটা ছড়িয়ে পড়ে বলে চাপের পরিমাণ কমে যায়। 
- এই কারণে, একজন মানুষ শোয়া অবস্থায় পৃথিবীকে কম চাপ দেয়।
১৫.
কোন বর্ণের আলোর প্রতিসরণ সবচাইতে বেশি?
  1. ক) বেগুনি
  2. খ) সবুজ
  3. গ) লাল
  4. ঘ) হলুদ
সঠিক উত্তর:
ক) বেগুনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বেগুনি
ব্যাখ্যা
বেগুনি বর্ণের আলোর প্রতিসরণ সবচাইতে বেশি হয়ে থাকে।

কোনো সমসত্ব ও স্বচ্ছ মাধ্যমে আলো সরলরেখায় চলে। এর গতির কোন পরিবর্তন হয় না । কিন্তু আলো যখন এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে প্রবেশ করে তখন এর গমন পথ বেঁকে যায় (আলো লম্বভাবে মাধ্যম পরিবর্তন করলে দিক পরিবর্তন হয় না তবে বেগের পরিবর্তন হয়)। এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে যাওয়ার সময় দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে তীর্যকভাবে আপতিত আলোক রশ্মির দিক পরিবর্তনের ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৬.
বিদ্যুৎ প্রবাহের একক -
  1. ক) ভোল্ট
  2. খ) অ্যাম্পিয়ার
  3. গ) ওয়াট
  4. ঘ) জুল
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যাম্পিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যাম্পিয়ার
ব্যাখ্যা
অ্যাম্পিয়ার  হচ্ছে বিদ্যুৎ প্রবাহের একক।

কোনো পরিবাহীর মধ্য দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে এক কুলম্ব চার্জ অতিক্রম করলে যে তড়িৎ প্রবাহমাত্রার সৃষ্টি হয় তাকে অ্যাম্পিয়ার বলে।

১. কার্যপ্রণালীর ভিত্তিতে ট্রান্সফর্মার দুই প্রকার। যথা:
ক. উচ্চ ধাপী বা আরোহী ট্রান্সফর্মার
খ. নিম্ন ধাপী বা অবরোহী ট্রান্সফর্মার

২. আকৃতি ও গঠন অনুসারে ট্রান্সফর্মার দুই প্রকার। যথা:
ক. কোর আকৃতি
খ. শেল আকৃতি

সূত্র: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি
১৭.
ক্রনোমিটার হচ্ছে -
  1. ক) সময় নির্ণায়ক যন্ত্র
  2. খ) সমুদ্রের গভীরতা নির্ণায়ক যন্ত্র
  3. গ) ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র
  4. ঘ) উত্তাপ পরিমাপক যন্ত্র
সঠিক উত্তর:
ক) সময় নির্ণায়ক যন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সময় নির্ণায়ক যন্ত্র
ব্যাখ্যা
- সময় নির্ণায়ক যন্ত্রটির নাম হচ্ছে ক্রনোমিটার
- বিশেষ করে সমুদ্রে দ্রাঘিমাংশ নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত হয়।

- ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র সিসমোগ্রাফ।
- ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপার যন্ত্র রিখটার স্কেল।
- সমুদ্রের গভীরতা নির্ণায়ক যন্ত্র ফ্যাদোমিটার।
 


সূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
১৮.
যখন সূর্য ও পৃথিবীর মধ্যে চাঁদ অবস্থান করে তখন হয় —
  1. ক) চন্দ্রগ্রহণ
  2. খ) সূর্যগ্রহণ
  3. গ) অমাবস্যা
  4. ঘ) কোনোটিই নয়।
সঠিক উত্তর:
খ) সূর্যগ্রহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সূর্যগ্রহণ
ব্যাখ্যা
সূর্যগ্রহণ
- যখন সূর্য ও পৃথিবীর মধ্যে চাঁদ অবস্থান করে তখন হয় সূর্যগ্রহণ। 
- চাঁদ যখন পৃথিবীর কক্ষপথে ঘোরে, তখন তার প্রদক্ষিণ পথে কখনও কখনও চাঁদ এসে পড়ে সূর্য এবং পৃথিবীর মাঝখানে। তখন তারা থেকে আলোর বিচ্ছুরণ বাধাগ্রস্ত হয় এবং সূর্যের গ্রহণ ঘটে।
- অন্যভাবে বললে বলা যায়, চাঁদ এই সময় পৃথিবীকে তার ছায়ায় ঢেকে ফেলে।
 
==============
 
চন্দ্রগ্রহণ
- চন্দ্রগ্রহণ হয় যখন চাঁদ আর সূর্যের মাঝখানে থাকে পৃথিবীর অবস্থান।
- পৃথিবী তখন আলোর উৎস বন্ধ করে দেয়।
- চন্দ্রগ্রহণের সময় আমরা দেখি চাঁদের পিঠে পৃথিবীর ছায়া।
 


উৎস: বিবিসি ওয়েবসাইট 
১৯.
মোটর গাড়ীতে ব্যবহৃত দর্পণ—
  1. ক) অবতল দর্পণ
  2. খ) সমতল দর্পণ
  3. গ) উত্তল দর্পণ
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
গ) উত্তল দর্পণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উত্তল দর্পণ
ব্যাখ্যা
মোটর গাড়ীতে উত্তল দর্পণ ব্যবহৃত হয়।

- উত্তল দর্পণের প্রতিফলক তল উঁচু থাকে। এটি আপতিত আলোক রশ্মিকে চারিদিকে ছড়িয়ে দেয়।
- এই দর্পণে সবসময় অসদ, সোজা এবং লক্ষ্যবস্তু থেকে ছোট প্রতিবিম্ব গঠিত হয়, তাই যে সব ক্ষেত্রে বড় আকারের বা বেশি এলাকার দৃশ্য সহজে এক সাথে ছোট করে দেখার প্রয়োজন সে সব ক্ষেত্রে উত্তল দর্পণ ব্যবহার করা হয়। 

উত্তল দর্পণের ব্যবহারসমূহ- 
১. বড় বড় ভবন হাসপাতাল, অফিস বা শপিং মলে মাঝে মাঝে উত্তল দর্পণ বসান হয় এতে পুরো তলার মধ্যে কোথায় কী আছে এক জায়গায় দাঁড়িয়ে খুটিনাটি দেখা যায় এবং লোকজন চলাচলে পরস্পরের সাথে ধাক্কা ধাক্কির ঝুঁকিও এড়ানো যায় ।
২. এক ধরণের বিশালাকার উত্তল দর্পণ মন্দির, মসজিদ, সপিং কমপ্লেক্স- বিভিন্ন জনসমাগম স্থানে উপর থেকে ঝুলিয়ে দেয়া হয়। এত নিচের সমস্ত এলাকা এক সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা যায়। এদের বলা হয় সীলিং ডোম মিরর। এটি ভবনের ছাদের সাথে কোণায়, পাশে বা কেন্দ্র বরাবরও স্থাপন করা হয়।
২. সানগ্লাসে উত্তল দর্পণ ব্যবহার করা হয়। এতে সানগ্লাস পরিহিত ব্যাক্তির চোখে পতিত সৌর রশ্মি প্রতিফলিত হয়ে চোখকে উত্তাপ ও তীক্ষ্ণ আলো থেকে রক্ষা করে।
৩. মোটর গাড়ী, মোটর সাইকেল ইত্যাদি দ্রুতগামী গাড়ির চালকের সামনে একটি উত্তল দর্পণ থাকে। একে বলা হয় রিয়ার ভিউ মিরর। চালক গাড়ি চালানোর সময় পেছনের দৃশ্য দেখার জন্য এটি প্রয়োজন হয়।
এতে পেছন থেকে আসা গাড়ি এবং পেছনের দিকের বিস্তীর্ণ এলাকার চিত্র এক সাথে চালকের চোখে পড়ে। রিয়ার ভিউ মিরর চালককে অনেক রকম দূর্ঘটনা থেকে রক্ষা করতে পারে।
৪. ইদানিং শহরের রাস্তায় অনেক এটিএম বুথ চোখে পরে। এই বুথে গ্রাহকের সামনে দেয়ালে উত্তল দর্পণ লাগানো থাকে। এতে বুথ ব্যবহারকারী তার পেছনে কেউ আছে কিনা নিরীক্ষণ করতে পারেন । এটি একটি নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা। এতে ডাকাত ছিনতাইকারীর থেকে সতর্ক থাকা যায় ।
৫. যে সব এলাকায় বা যায়গায় সহজে যাওয়া যায়না বা ঢোকা সম্ভব হয় না সেসব স্থান দেখা বা নিরীক্ষণের জন্য একটি সঠিক মাপের লাঠির সাথে একটি উত্তল দর্পণ এবং আলোর উৎস লাগিয়ে নেয়া হয়। গাড়ীর তলা পরীক্ষা করা জন্য পুলিশ চেক পোষ্ট বা গুরুত্বপূর্ণ ভবনে এর ব্যাপক ব্যবহার দেখা যায়। গাড়ি মেরামতের কাজসহ বিভিন্ন কারিগরি কাজে এর ব্যবহার চোখে পড়ে ।
৬. রাস্তার আলো প্রতিফলক হিসাবে কোন কোন দেশে রাস্তায় বিশাল বিশাল সাইজের ধাতব উত্তল দর্পণ বসান হয়। এই দর্পণ বিস্তীর্ণ এলাকায় আলো ছড়িয়ে দিতে পারে।
৭. অনেক যায়গায় রাস্তার বাঁকে বিশাল সাইজের ধাতব উত্তল দর্পণ বসান হয়। এতে বাকের কারণে দূর থেকে থেকে আগত যেসব গাড়ি, যা বরাবর তাকিয়ে দৃষ্টি গোচর হওয়া সম্ভব নয় তা দেখা যায়। ফলে মারাত্মক সংঘর্ষ এড়ানো যায় ।

সূত্র: ২১৩ পৃষ্ঠা, পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০.
একটি বায়ুশূন্য স্থানে একটি পালক ও একটি লোহার বল একত্রে ছেড়ে দিলে -
  1. ক) উভয়টিই একসাথে পড়বে
  2. খ) লোহার বলটি আগে পড়বে
  3. গ) পালকটি আগে পড়বে
  4. ঘ) আদৌও পড়বে না
সঠিক উত্তর:
ক) উভয়টিই একসাথে পড়বে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) উভয়টিই একসাথে পড়বে
ব্যাখ্যা
একটি বায়ুশূন্য স্থানে একটি পালক ও একটি লোহার বল একত্রে ছেড়ে দিলে উভয়টিই একসাথে পড়বে।

পড়ন্ত বস্তু সম্পর্কে গ্যালিলিও তিনটি সূত্র প্রদান করেন। সূত্রগুলো একমাত্র স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

প্রথম সূত্র : স্থির অবস্থান এবং একই উচ্চতা থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত সব বস্তু সমান সময়ে সমান পথ অতিক্রম করে।

প্রথম সূত্র : এ সূত্রানুসারে স্থির অবস্থান থেকে কোনো বস্তু ছেড়ে দিলে তা যদি বিনা বাধায় মাটিতে পড়ে, তাহলে মাটিতে পড়তে যে সময় লাগে তা বস্তুর ভর, আকৃতি বা আয়তনের ওপর নির্ভর করে না। বিভিন্ন ভরের, আকারের ও আয়তনের বস্তুকে যদি একই উচ্চতা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয় এবং এগুলো যদি বিনা বাধায় মুক্তভাবে পড়তে থাকে, তাহলে সবগুলোই একই সময়ে মাটিতে পৌঁছবে।

দ্বিতীয় সূত্র : স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তুর নির্দিষ্ট সময়ে (t) প্রাপ্ত বেগ (v) ওই সময়ের সমানুপাতিক।

দ্বিতীয় সূত্র : দ্বিতীয় সূত্র থেকে পাওয়া যায় t সেকেন্ড শেষে বস্তুর বেগ v সমানুপাতিক t, অর্থাৎ কোনো বস্তুকে যদি স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাধায় পড়তে দেওয়া হয়, তবে প্রথম সেকেন্ড পরে যদি এটি v বেগ অর্জন করে, তবে দ্বিতীয় সেকেন্ড পরে এটি 2v বেগ অর্জন করবে। সুতরাং t1, t2, t3... সেকেন্ড পরে যদি বস্তুর বেগ যথাক্রমে v1, v2, v3... ইত্যাদি হয়, তবে এ সূত্রানুসারে, v1/t1=v2/t2=v3/t3...=ধ্রুবক

তৃতীয় সূত্র : স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তু নির্দিষ্ট সময়ে যে দূরত্ব (h) অতিক্রম করে, তা ওই সময়ের (t) বর্গের সমানুপাতিক।

তৃতীয় সূত্র : তৃতীয় সূত্র থেকে পাওয়া যায় : সেকেন্ডে বস্তুর অতিক্রান্ত দূরত্ব h সমানুপাতিক t2। অর্থাৎ কোনো বস্তুকে যদি স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাধায় পড়তে দেওয়া হয়, তবে এক সেকেন্ডে এটি h দূরত্ব অতিক্রম করে, দুই সেকেন্ডে এটি h×22 বা 4h দূরত্ব, তিন সেকেন্ডে এটি h×32 বা 9h দূরত্ব অতিক্রম করবে।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
২১.
সমুদ্রবায়ু প্রবলবেগে প্রবাহিত হয়—
  1. ক) সকালে
  2. খ) রাত্রিতে
  3. গ) অপরাহ্ণে
  4. ঘ) মধ্যাহ্নে
সঠিক উত্তর:
গ) অপরাহ্ণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অপরাহ্ণে
ব্যাখ্যা
- দিনের বেলায় স্থলভাগ বেশি উত্তপ্ত হয় বলে সেখানে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়, কিন্তু জলভাগ বেশি উত্তপ্ত হয় না বলে সেখানকার বায়ু উচ্চচাপ যুক্ত হয়। ফলে এ সময় জলভাগ থেকে স্থলভাগের দিকে বায়ু প্রবাহিত হয়। একে সমুদ্রবায়ু বলে।
- এ বায়ু সকাল ১০টা থেকে প্রবাহিত হতে থাকে।
- বিকালে (অপরাহ্ণে) এ বায়ুর বেগ সবচেয়ে বেশি হয়।
- রাত ৩টায় স্থলবায়ুর বেগ সবচেয়ে বেশি হয়।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২২.
আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ দিয়ে নির্গত গলিত পদার্থকে বলা হয় -
  1. ক) ম্যাগমা
  2. খ) লাভা
  3. গ) শিলা
  4. ঘ) ভস্ম
সঠিক উত্তর:
খ) লাভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লাভা
ব্যাখ্যা
আগ্নেয়গিরির সংজ্ঞা (Definition of Volcano) : 
- ভূ-গর্ভস্থ তাপ ও চাপের পরিবর্তনের ফলে ভূ-অভ্যন্তরস্থ উত্তপ্ত, ও গলিত বিভিন্ন পদার্থ, যেমন: উষ্ণ বাষ্প, গলিত শিলা, কাঁদা, ধাতু, ভষ্ম ইত্যাদি প্রবলবেগে ভূ-ত্বকের নিচের অংশে চাপ প্রয়োগ করে । 
- এমতাবস্থায়, ভূ-ত্বকের দুর্বল স্থান বা ফাটলসমূহের ভিতর দিয়ে উক্ত পদার্থগুলো উৎক্ষিপ্ত হয়ে বহু দুর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। 
- ভূ-পৃষ্ঠের ঐ ছিদ্র পথ বা ফাটলের চারপাশে উক্ত পদার্থগুলো জমাট বেঁধে ক্রমশ উঁচু পর্বতের ন্যায় ভূমিরূপ গঠন করে। এইরূপ পর্বতকে আগ্নেয়গিরি বলা হয়। 
- আগ্নেয়গিরি থেকে যে পদার্থগুলো বাইরে উৎক্ষিপ্ত হয়ে বেরিয়ে আসে,তাকে লাভা (Lava) বলে।
- বাইরে উৎক্ষিপ্ত হয়ে বেরিয়ে আসার পূর্ব পর্যন্ত এই পদার্থগুলো ম্যাগমা (Magma) নামে পরিচিত।
- আগ্নেয়গিরির অভ্যন্তরে বিশাল এলাকা জুড়ে ম্যাগমা অর্থাৎ উত্তপ্ত ও গলিত শিলা, কাঁদা, ভষ্ম ও বাষ্প জমাকৃত হয়ে থাকে, যাকে ম্যাগমা চেম্বার বলা হয়। 
 
উৎস :  ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২৩.
পৃথিবীর পরিধি—
  1. ক) ৩৬০ ডিগ্রি
  2. খ) ২৬০ ডিগ্রি
  3. গ) ১৮০ ডিগ্রি
  4. ঘ) ৯০ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর:
ক) ৩৬০ ডিগ্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩৬০ ডিগ্রি
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর পরিধি ৩৬০ ডিগ্রি। 

- পৃথিবীকে বলা হয় আদর্শ গ্রহ। কারণ একমাত্র পৃথিবী গ্রহেই উদ্ভিদ ও প্রাণীর বসবাসের উপযোগী পরিবেশ রয়েছে।
- সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার।
- এর ব্যাস প্রায় ১৩ হাজার কিলোমিটার ।
- পৃথিবী সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে সময় লাগে ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড।
- পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ চাঁদ।

সূত্র: ৪৫ পৃষ্ঠা, বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪.
পৃথিবী হতে সূর্যের গড় দূরত্ব -
  1. ক) ১৭ কোটি কিমি
  2. খ) ১৫ কোটি কিমি
  3. গ) ১০ কোটি কিমি
  4. ঘ) ১৩ কোটি কিমি
সঠিক উত্তর:
খ) ১৫ কোটি কিমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৫ কোটি কিমি
ব্যাখ্যা
পৃথিবী হতে সূর্যের গড় দূরত্ব ১৫ কোটি কিমি প্রায়

- সৌরজগতের কেন্দ্রে অবস্থিত মাঝারি আয়তনের নক্ষত্র সূর্য।
- পৃথিবীর ব্যাস প্রায় ১৩,০০০ কিলোমিটার এবং সূর্যের ব্যাস প্রায় ১৪,০০০০০ কিলোমিটার।
- সূর্যের আয়তন পৃথিবী অপেক্ষা প্রায় ১৩ লক্ষ গুণ বড়।
- পৃথিরী থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫০ মিলিয়ন কিলোমিটার।
- সূর্য তার নিজস্ব গ্যালাক্সির চতুর্দিকে বৃত্তাকার পথে ২০ কোটি বছরে একবার প্রদক্ষিণ করে এবং নিজ কক্ষপথে প্রায় ২৫ দিনে একবার আবর্তন করে।
- সূর্যের কেন্দ্রভাগে তাপমাত্রা ৮ মিলিয়ন থেকে ৪০ মিলিয়ন ডিগ্রী সেলসিয়াস এবং পৃষ্ঠদেশের তাপমাত্রা প্রায় ৫,৭০০ ডিগ্রী সেলসিয়াস।
- সূর্যের বিকিরণকৃত তাপের মাত্র ২০০ কোটি ভাগের ১ ভাগ পৃথিবীতে আসে। যার দরুণ ভূ-পৃষ্ঠে উদ্ভিদ ও প্রাণী বেঁচে থাকে ।

সূত্র: ৪৪ পৃষ্ঠা, বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫.
সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ -
  1. ক) শনি
  2. খ) বৃহস্পতি
  3. গ) পৃথিবী
  4. ঘ) শুক্র
সঠিক উত্তর:
খ) বৃহস্পতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বৃহস্পতি
ব্যাখ্যা
সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ হচ্ছে বৃহস্পতি

- সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ বৃহস্পতিকে গ্রহরাজ বলা হয়।
- পৃথিবীর তুলনায় বৃহস্পতি প্রায় ১৩০০ গুণ বড়।
- সূর্য থেকে গড় দূরত্ব ৭৭ কোটি কিলোমিটার।
- বৃহস্পতির সূর্যের চারিদিকে একবার আবর্তন করতে সময় লাগে প্রায় ১২ বছর।
- বৃহস্পতির উপগ্রহের সংখ্যা ১৬টি
- বৃহস্পতির বায়ুমন্ডলে হাইড্রোজেন, অ্যামোনিয়া, মিথেন এবং হিলিয়াম রয়েছে।

সূত্র: ৪৫ পৃষ্ঠা, বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬.
পৃথিবীর মূল মধ্যরেখা হতে পূর্ব বা পশ্চিমে কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্বকে বলা হয়—
  1. ক) অক্ষাংশ
  2. খ) সুমেরু
  3. গ) কুমেরু
  4. ঘ) দ্রাঘিমাংশ
সঠিক উত্তর:
ঘ) দ্রাঘিমাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দ্রাঘিমাংশ
ব্যাখ্যা
- ভূ-পৃষ্ঠের কোনো স্থানে মূল মধ্যরেখার সাথে পৃথিবীর কেন্দ্রবিন্দুতে সৃষ্ট কৌণিক দূরত্বকে দ্রাঘিমাংশ বলে। 
- যে কাল্পনিক রেখার মাধ্যমে দ্রাঘিমাংশ প্রকাশ করা হয়, তাকে দ্রাঘিমা রেখা বলে । 
- অর্থাৎ পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরু সংযোগকারী কাল্পনিক রেখাসমূহ দ্রাঘিমা রেখা (Latitude)। - প্রতিটি দ্রাঘিমারেখা একেকটি অর্ধবৃত্ত। 
- দ্রাঘিমা রেখাসমূহ পরস্পরের সাথে সমদূরত্বে অবস্থিত নয়, অর্থাৎ মেরুদ্বয়ে এই রেখাগুলো পরস্পরের সর্বাপেক্ষা নিকটে অবস্থান করে এবং নিরক্ষরেখা বরাবর সর্বাপেক্ষা দূরে অবস্থান করে।
 
উৎস : ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২৭.
ভূত্বকের গভীরতা (প্রায়) -
  1. ক) ১৬ কিমি
  2. খ) ১২ কিমি
  3. গ) ১০ কিমি
  4. ঘ) ২০ কিমি
সঠিক উত্তর:
ক) ১৬ কিমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৬ কিমি
ব্যাখ্যা
ভূত্বকের গভীরতা ১৬ কিমি (প্রায়)।

- পৃথিবীর বিভিন্ন স্তরকে বলে মণ্ডল।
- ভূগর্ভের রয়েছে তিনটি স্তর—অশ্মমণ্ডল, গুরুমণ্ডল ও কেন্দ্রমণ্ডল।
- এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ওপরের স্তরটি হলো অশ্মমণ্ডল। আর অশ্মমণ্ডলের ওপরের অংশই ভূত্বক।
- ভূপৃষ্ঠে শিলার যে কঠিন বহিরাবরণ দেখা যায় তাই ভূত্বক। ভূতত্ত্ববিদগণের মতে, দুই বা ততোধিক খনিজ দ্রব্যের সংমিশ্রণে শিলার সৃষ্টি হয়।
- সাধারণত পাথর, নুড়ি, কাঁকর, গ্রানাইট, কাদা, বালু ইত্যাদি দিয়ে ভূত্বক গঠিত।
- মহাদেশীয় ভূত্বকের স্তরকে সিয়াল স্তর বলে, যা সিলিকন ও অ্যালুমিনিয়াম দিয়ে গঠিত।

সূত্র: ভূমিরূপ বিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮.
বাংলাদেশের কোন বনভূমি শালবৃক্ষের জন্য বিখ্যাত ?
  1. ক) সিলেটের বনভূমি
  2. খ) ভাওয়াল ও মধুপুরের বনভূমি
  3. গ) পার্বত্য চট্টগ্রামের বনভূমি
  4. ঘ) খুলনা, বরিশাল ও পটুয়াখালীর বনভূমি
সঠিক উত্তর:
খ) ভাওয়াল ও মধুপুরের বনভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভাওয়াল ও মধুপুরের বনভূমি
ব্যাখ্যা
- টাঙ্গাইলের মধুপুর, গাজীপুরের ভাওয়াল গড়, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও বরেন্দ্রভূমি এলাকায় বিস্তৃত বনভূমি শালবন নামে পরিচিত।
- এই বনভূমির প্রধান বৃক্ষ হলো শাল বা গজারি। শাল গাছের আধিক্যের কারণে এই বনভূমি শালবন নামে পরিচিত।
- শালবন একটি পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি। যার কারণে শীতকালে এই বনের গাছের পাতা ঝড়ে যায়।
- শালবনের মোট আয়তন প্রায় ১.২ লক্ষ হেক্টর।

(তথ্যসূত্রঃ বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
২৯.
বাংলাদেশে উন্নতমানের কয়লার সন্ধান পাওয়া গেছে—
  1. ক) রাণীগঞ্জে
  2. খ) বিজয়পুরে
  3. গ) জামালগঞ্জে
  4. ঘ) জকিগঞ্জে
সঠিক উত্তর:
গ) জামালগঞ্জে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জামালগঞ্জে
ব্যাখ্যা
- দেশের সবচেয়ে বড় ও সবচেয়ে বেশি গভীরতার কয়লাখনি জয়পুরহাট জেলার জামালগঞ্জে অবস্থিত। 
- এক কিলোমিটার গভীরতায় এই খনির অবস্থান।
- এখানে কয়লার মজুত প্রায় ১০০ কোটি মেট্রিক টন।
 
উৎস : প্রথম আলো
৩০.
কর্ণফুলী নদীর উৎস ভারতের কোন রাজ্যে?
  1. ক) ত্রিপুরা
  2. খ) মনিপুর
  3. গ) মেঘালয়
  4. ঘ) মিজোরাম
সঠিক উত্তর:
ঘ) মিজোরাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মিজোরাম
ব্যাখ্যা
- কর্ণফুলী নদীর উৎপত্তি ভারতের মিজোরাম রাজ্যের লুসাই পাহাড় থেকে।
- বাংলাদেশের প্রবেশের পর রাঙামাটি ও চট্টগ্রামের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কর্ণফুলী নদী বঙ্গোপসাগরের পতিত হয়েছে।
- নদীটির মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৩২০ কিলোমিটার। কর্ণফুলী নদীর মোহনায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর অবস্থিত।
- হালদা, কাসালং প্রভৃতি কর্ণফুলীর উপনদী।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন)
৩১.
সিএফসি কি ক্ষতি করে?
  1. ক) এসিড বৃষ্টিপাত ঘটায়
  2. খ) রক্তের অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতা হ্রাস করে
  3. গ) বায়ুর তাপ বৃদ্ধি করে
  4. ঘ) ওজোন স্তর ধ্বংস করে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ওজোন স্তর ধ্বংস করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ওজোন স্তর ধ্বংস করে
ব্যাখ্যা
সিএফসি ওজোন স্তর ধ্বংস করে। 

- CFC-এর পূর্ণরূপ হলো ক্লোরো-ফ্লুরো-কার্বন।
- মূলত মিথেন বা ইথেনের ক্লোরিন ও ফ্লোরিনের জাতকসমূহকে সিএফসি বলা হয়।
- গন্ধহীন, অদাহ্য, অবিষাক্ত এবং নিম্ন গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক বিশিষ্ট এসব যৌগের বাণিজ্যিক নাম ফ্রেয়ন।

সিএফসি'র ক্ষতিকর দিকসমূহ-
১. প্রাণীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। 
২. ত্বকের ক্যান্সার, চোখের ছানি এবং বিভিন্ন মারাত্মক রোগ সৃষ্টি। 
৩. খাদ্যশস্যের ক্ষতি করে এবং উৎপাদন কমিয়ে দেয়। 
৪. কৃষিক্ষেত্রে পোকামাকড়ের আক্রমণ বৃদ্ধি করে। 
৫. খাদ্য উৎপাদনকারী শৈবাল ও প্লাঙ্ককটন ধ্বংস করে।

CFC এর ব্যবহারের দিকসমূহ- 
১। কীটনাশক ও পােকামাকড় দমনের জন্য বিষাক্ত দ্রবণ তৈরিতে দ্রাবক হিসাবে CFC ব্যবহার করা হয়।
২। শ্বাস-প্রশ্বাসের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ইনহেলার, মেডিক্যাল স্প্রে-প্রভূতি ক্ষেত্রে CFC ব্যবহার করা হয়।
৪। সার্জিক্যাল যন্ত্রপাতি পরিষ্কার করার কাজে CFC ব্যবহার করা হয়।

সূত্র: American Chemical Society [লিঙ্ক]
৩২.
ক্লোরোফিল ছাড়া সম্পন্ন হয় না -
  1. ক) শ্বসন
  2. খ) সালোকসংশ্লেষণ
  3. গ) রেচন
  4. ঘ) অভিস্রবণ
সঠিক উত্তর:
খ) সালোকসংশ্লেষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সালোকসংশ্লেষণ
ব্যাখ্যা
ক্লোরোফিল ছাড়া সালোকসংশ্লেষণ সম্পন্ন হয় না ।

- ক্লোরোফিল হচ্ছে এক ধরনের সবুজ রঞ্জক পদার্থ, যা উদ্ভিদের ক্লোরোপ্লাস্টিডে পাওয়া যায়।
- এর উপস্থিতির জন্য গাছের পাতা সবুজ দেখায়।
- ম্যাগনেসিয়াম ও লৌহ ক্লোরোফিল তৈরির অতি প্রয়োজনীয় উপাদান।
- ক্লোরোফিল সূর্যের আলো থেকে আলোকশক্তি শোষণ করে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তর করে, যার সাহায্যে উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে খাদ্য তৈরি করে। - যে সকল উদ্ভিদে ক্লোরোফিল থাকে না সে সকল উদ্ভিদ নিজে নিজের খাদ্য তৈরি করতে পারে না।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৩৩.
শৈবালের বৈশিষ্ট্য কি?
  1. ক) এরা স্ব-ভোজী
  2. খ) এরা পরজীবী
  3. গ) এরা এককোষী
  4. ঘ) এদের দেহে ক্লোরোফিল থাকে না
সঠিক উত্তর:
ক) এরা স্ব-ভোজী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এরা স্ব-ভোজী
ব্যাখ্যা
শৈবাল স্ব-ভোজী হয়ে থাকে। অর্থাৎ, এরা নিজের খাদ্য নিজেরাই তৈরি করে থাকে। 

শৈবালের বৈশিষ্ট্যাবলী-  
১। এরা সবাই অপুষ্পক।
২। এরা স্বভোজী অর্থাৎ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় নিজেরা নিজেদের খাদ্য প্রস্তুত করতে পারে।
৩। এরা প্রকৃতকোষী, এককোষী অথবা বহুকোষী হয়। এরা সমাঙ্গদেহী উদ্ভিদ অর্থাৎ এদেরকে মূল, কান্ড এবং পাতায় বিভক্ত করা যায় না ।
৪ । এদের দেহে ভাস্কুলার টিস্যু (পরিবহন টিস্যু) থাকে না।
৫। অধিকাংশ শৈবালের জননাঙ্গ এককোষী। কোন কোন শৈবালের জননাঙ্গ বহুকোষী হয়। জননাঙ্গ বহুকোষী হলে তা বন্ধ্যা কোষের স্তর দিয়ে পরিবেষ্টিত থাকে না ।
৬। এদের রেণুথলী (স্পোরাঞ্জিয়া) সব সময় এককোষী।
৭। এদের জাইগোট স্ত্রীজননাঙ্গে থাকা অবস্থায় কখনও বহুকোষী ভ্রূণে পরিণত হয় না ।
৮। এদের কোষ প্রাচীর সাধারণত সেলুলোজ ও পেকটিন দিয়ে গঠিত।
৯। গ্যামিটের মিলনের পরেও এদের বহুকোষী ভ্রূণ গঠিত হয় না।
১০। সামান্য ব্যতিক্রম ছাড়া এদের সঞ্চিত খাদ্য শর্করা।

সূত্র: ১২২ পৃষ্ঠা, উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। [লিঙ্ক]
৩৪.
কত তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) ০° সেন্টিগ্রেড
  2. খ) ৪° সেন্টিগ্রেড
  3. গ) ১০° সেন্টিগ্রেড
  4. ঘ) ১০০° সেন্টিগ্রেড
সঠিক উত্তর:
খ) ৪° সেন্টিগ্রেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪° সেন্টিগ্রেড
ব্যাখ্যা
৪° সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি।

- ঘনত্ব পদার্থের একটি সাধারণ ধর্ম।
- কোনো বস্তুর একক আয়তনের ভরকে তার উপাদানের ঘনত্ব বলে।
- ঘনত্ব বস্তুর উপাদান ও তাপমাত্রার উপর নির্ভরশীল।
- ঘনত্বকে ρ দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- m ভরের কোনো বস্তুর আয়তন V হলে, ঘনত্ব ρ হবে। অর্থাৎ, p = m/v

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি 
৩৫.
পৃথিবীর ঘূর্ণনের ফলে আমরা ছিটকে পড়ি না কেন?
  1. ক) পৃথিবীর সাথে আমাদের ঘূর্ণনের জন্য
  2. খ) আমরা স্থির থাকার জন্য
  3. গ) বাতাসের উপস্থিতির জন্য
  4. ঘ) মাধ্যাকর্ষণ বলের জন্য
সঠিক উত্তর:
ঘ) মাধ্যাকর্ষণ বলের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মাধ্যাকর্ষণ বলের জন্য
ব্যাখ্যা
মাধ্যাকর্ষণ বলের জন্য পৃথিবীর ঘূর্ণনের ফলে আমরা ছিটকে পড়ি না।

- কোনো বস্তুকে পৃথিবী যে বল দ্বারা নিজের দিকে টানে তাকে মাধ্যাকর্ষণ বল বলে।
- যে বস্তুর ভর যত বেশি, তার মাধ্যাকর্ষণ শক্তিও ততই বেশি।
- চাঁদ পৃথিবীর চেয়ে ছোট ও তার ভর কম হওয়ায় পৃথিবীর চেয়ে চাঁদের মাধ্যাকর্ষণ শক্তি কম।
- ভূ-পৃষ্ঠের উপরে বা নিচের দিকে যত যেতে থাকব, পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তিও ততটাই কমতে থাকবে। 

সূত্র: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৩৬.
রক্তে হিমোগ্লোবিনের কাজ কি?
  1. ক) রোগ প্রতিরোধ করা
  2. খ) রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করা
  3. গ) অক্সিজেন পরিবহন করা
  4. ঘ) উল্লেখিত সবকটিই
সঠিক উত্তর:
গ) অক্সিজেন পরিবহন করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অক্সিজেন পরিবহন করা
ব্যাখ্যা
অক্সিজেন পরিবহন করা  রক্তে হিমোগ্লোবিনের কাজ।

- রক্তের মাধ্যমে পুরো দেহে অক্সিজেন ও বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান পরিবাহিত হয়ে থাকে।
- রক্তের তিনটি কণিকার মধ্যে লোহিত কণিকায় থাকে বিশেষ ধরনের আয়রন, যাকে বলা হয় হিমোগ্লোবিন।
- এই হিমোগ্লোবিনের প্রধান কাজ হলো ধমনী থেকে দেহের সব স্থানে অক্সিজেন সরবরাহ করা।
- হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে অক্সিজেন পরিবহন করে।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৩৭.
নাড়ির স্পন্দন প্রবাহিত হয়—
  1. ক) ধমনীর ভিতর দিয়ে
  2. খ) স্নায়ুর ভিতর দিয়ে
  3. গ) শিরার ভিতর দিয়ে
  4. ঘ) ল্যাকটিয়ালের ভিতর দিয়ে
সঠিক উত্তর:
ক) ধমনীর ভিতর দিয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ধমনীর ভিতর দিয়ে
ব্যাখ্যা
নাড়ির স্পন্দন ধমনীর ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়। 

- ধমনি মূলত রক্তনালি। 
- যেসব রক্তনালির মাধ্যমে অক্সিজেনসমৃদ্ধ রক্ত হৃৎপিণ্ড থেকে সারা দেহে বাহিত হয়, তাই ধমনি।
- ধমনীর  প্রাচীরের মধ্যস্তর পেশিবহুল ও পুরু।
- এর রক্তের গতির দিক সাধারণত হৃৎপিণ্ড থেকে দেহের বিভিন্ন দিকে।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৩৮.
০.২৫ কে সামান্য ভগ্নাংশে পরিণত করলে হবে -
  1. ক) ২/৩
  2. খ) ১/৫
  3. গ) ১/৪
  4. ঘ) ৩/৪
সঠিক উত্তর:
গ) ১/৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১/৪
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ০.২৫ কে সামান্য ভগ্নাংশে পরিণত করলে হবে -

সমাধান: 
০.২৫ = ২৫/১০০
          = ১/৪
৩৯.
এক ডজন আম ৬০ টাকায় ক্রয় করে হালি কত টাকায় বিক্রয় করলে ১০% লাভ হবে?
  1. ক) ২৫ টাকা
  2. খ) ১২ টাকা
  3. গ) ১৫ টাকা
  4. ঘ) ২২ টাকা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২২ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২২ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: এক ডজন আম ৬০ টাকায় ক্রয় করে হালি কত টাকায় বিক্রয় করলে ১০% লাভ হবে? 

সমাধান: 
১ ডজন = ৩ হালি 

৩ হালি আমের দাম = ৬০ টাকা 
১ হালি আমের দাম = ৬০/৩ = ২০ টাকা 

১০% লাভে 
ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য (১০০ + ১০) টাকা বা ১১০ টাকা 
ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য= ১১০/১০০ টাকা
ক্রয়মূল্য ২০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য= (১১০ × ২০)/১০০ টাকা
                                                     = ২২ টাকা
৪০.
১, ২, ৩, ৫, ৮, ১৩, ২১, ৩৪, ...................... ধারাটির পরবর্তী সংখ্যা কত?
  1. ক) ৪০
  2. খ) ৫৫
  3. গ) ৬৮
  4. ঘ) ৯০
সঠিক উত্তর:
খ) ৫৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৫৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১, ২, ৩, ৫, ৮, ১৩, ২১, ৩৪, ...................... ধারাটির পরবর্তী সংখ্যা কত?

সমাধান: 
ধারাটি
১, ২, ৩, ৫, ৮, ১৩, ২১,.........
পরপর দুটি সংখ্যার যোগফল পরবর্তী সংখ্যার সমান 

এখানে,
১ + ২ = ৩
২ + ৩ = ৫
৩ + ৫ = ৮
৫ + ৮ = ১৩
৮ + ১৩ = ২১
২১ + ১৩ = ৩৪ 
৩৪ + ২১ = ৫৫
৪১.
একটি তেলপূর্ণ পাত্রের ওজন ৩২ কেজি এবং অর্ধেক তেলসহ পাত্রের ওজন ২০ কেজি। পাত্রটির ওজন কত?
  1. ক) ৮ কেজি
  2. খ) ১০ কেজি
  3. গ) ১২ কেজি
  4. ঘ) ৬ কেজি
সঠিক উত্তর:
ক) ৮ কেজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৮ কেজি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি তেলপূর্ণ পাত্রের ওজন ৩২ কেজি এবং অর্ধেক তেলসহ পাত্রের ওজন ২০ কেজি। পাত্রটির ওজন কত?

সমাধান:
পাত্রের ওজন + ১ অংশ বা (সম্পূর্ণ) তেলের ওজন = ৩২ কেজি 
পাত্রের ওজন + ১/২ অংশ তেলের ওজন = ২০ কেজি 

১/২ অংশ তেলের ওজন = (৩২ - ২০)কেজি 
                                      = ১২ কেজি 

পাত্রের ওজন = (২০ - ১২) কেজি 
                    = ৮ কেজি
৪২.
একটি রাস্তায় ১২৫ মিটার অন্তর বৈদ্যুতিক খুঁটি পোঁতা হচ্ছে। ৮ কি.মি. দীর্ঘ রাস্তায় কতগুলো খুঁটির প্রয়োজন হবে?
  1. ক) ৫০টি
  2. খ) ৪৩টি
  3. গ) ৬৫টি
  4. ঘ) ৫১টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৬৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬৫টি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি রাস্তায় ১২৫ মিটার অন্তর বৈদ্যুতিক খুঁটি পোঁতা হচ্ছে। ৮ কি.মি. দীর্ঘ রাস্তায় কতগুলো খুঁটির প্রয়োজন হবে?

সমাধান: 
১ কি.মি. = ১০০০ মিটার 
৮ কি.মি. = (১০০০ × ৮) মিটার 
              = ৮০০০ মিটার 
১২৫ মিটার অন্তর বৈদ্যুতিক খুঁটির প্রয়োজন হবে = ৮০০০/১২৫ টি 
                                                                           = ৬৪ টি 

শুরুতে ১টি খুঁটির প্রয়োজন 
মোট খুঁটির প্রয়োজন = (৬৪ + ১)টি = ৬৫টি
৪৩.
চিনির মূল্য ২৫% বৃদ্ধি পাওয়ায় একটি পরিবার চিনি খাওয়ার পরিমাণ এমনভাবে কমালো যে চিনি বাবদ ব্যয় বৃদ্ধি পেল না। ঐ পরিবার চিনি খাওয়া বাবদ শতকরা কত কমালো?
  1. ক) ৩০%
  2. খ) ২৫%
  3. গ) ২২%
  4. ঘ) ২০%
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: চিনির মূল্য ২৫% বৃদ্ধি পাওয়ায় একটি পরিবার চিনি খাওয়ার পরিমাণ এমনভাবে কমালো যে চিনি বাবদ ব্যয় বৃদ্ধি পেল না। ঐ পরিবার চিনি খাওয়া বাবদ শতকরা কত কমালো? 

সমাধান: 
২৫% বৃদ্ধিতে বর্তমান মূল্য = (১০০ + ২৫) টাকা = ১২৫ টাকা

বর্তমান মূল্য ১২৫ টাকা হলে পূর্বমূল্য ১০০ টাকা
বর্তমান মূল্য ১ টাকা হলে পূর্বমূল্য ১০০/১২৫ টাকা
বর্তমান মূল্য ১০০ টাকা হলে পূর্বমুল্য = (১০০×১০০)/১২৫
                                                       = ৮০ টাকা

∴ঐ পরিবার চিনি খাওয়া কমালো (১০০ - ৮০) = ২০%
৪৪.
ক, খ ও গ এর মাসিক গড় বেতন ৫০০ টাকা। খ, গ ও ঘ এর মাসিক গড় বেতন ৪৫০ টাকা। ক এর বেতন ৫৪০ টাকা হলে ঘ এর বেতন কত?
  1. ক) ৩৭৫ টাকা
  2. খ) ৩৮০ টাকা
  3. গ) ৩৯০ টাকা
  4. ঘ) ৪০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
গ) ৩৯০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩৯০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ক, খ ও গ এর মাসিক গড় বেতন ৫০০ টাকা। খ, গ ও ঘ এর মাসিক গড় বেতন ৪৫০ টাকা। ক এর বেতন ৫৪০ টাকা হলে ঘ এর বেতন কত?

সমাধান:
ক, খ ও গ এর মাসিক গড় বেতন ৫০০ টাকা
ক, খ ও গ এর মাসিক মোট বেতন (৫০০ × ৩) টাকা
                                                    = ১৫০০ টাকা 

খ ও গ এর মাসিক মোট বেতন = (১৫০০ - ৫৪০) টাকা 
                                              = ৯৬০ টাকা 

খ, গ ও ঘ এর মাসিক গড় বেতন ৪৫০ টাকা
খ, গ ও ঘ এর মাসিক মোট বেতন (৪৫০ × ৩) টাকা
                                                  = ১৩৫০ টাকা 
ঘ এর বেতন = (১৩৫০ - ৯৬০) টাকা 
                     = ৩৯০ টাকা
৪৫.
৬ জন পুরুষ, ৮ জন স্ত্রীলোক এবং ১ জন বালকের বয়সের গড় ৩৫ বছর। পুরুষদের বয়সের গড় ৪৮ এবং স্ত্রীলোকদের বয়সের ৩৪ বছর। বালকের বয়স কত?
  1. ক) ১৬ বছর
  2. খ) ১৪ বছর
  3. গ) ১৩ বছর
  4. ঘ) ১৫ বছর
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৬ জন পুরুষ, ৮ জন স্ত্রীলোক এবং ১ জন বালকের বয়সের গড় ৩৫ বছর। পুরুষদের বয়সের গড় ৪৮ এবং স্ত্রীলোকদের বয়সের ৩৪ বছর। বালকের বয়স কত?
সমাধান:
৬ জন পুরুষ, ৮ জন স্ত্রীলোক এবং ১ জন বালকের বয়সের গড় ৩৫ বছর
৬ জন পুরুষ, ৮ জন স্ত্রীলোক এবং ১ জন বালকের মোট বয়স = (৩৫ × ১৫) বছর
                                                                                             = ৫২৫ বছর 

৬ জন পুরুষের গড় বয়স = ৪৮ বছর 
৬ জন পুরুষের মোট বয়স = (৪৮ × ৬) বছর 
                                         = ২৮৮ বছর 

৮ জন স্ত্রীলোকের গড় বয়স = ৩৪ বছর 
৮ জন স্ত্রীলোকের মোট বয়স = (৩৪ × ৮) বছর
                                            =  ২৭২ বছর 
৬ জন পুরুষ ও ৮ জন স্ত্রীলোকের মোট বয়স = (২৮৮ + ২৭২) বছর 
                                                                      = ৫৬০ বছর 

সঠিক উত্তর না থাকায় বাতিল করা হলো 
৪৬.
১০ বছর আগে করিমের বয়স ছিল রহিমের বয়সের অর্ধেক। যদি তাদের বর্তমান বয়সের অনুপাত ৩ : ৪ হয়, তবে বর্তমানে তাদের মোট বয়স কত?
  1. ক) ৩৫ বছর
  2. খ) ২৩ বছর
  3. গ) ২৮ বছর
  4. ঘ) ৪৫ বছর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩৫ বছর
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১০ বছর আগে করিমের বয়স ছিল রহিমের বয়সের অর্ধেক। যদি তাদের বর্তমান বয়সের অনুপাত ৩ : ৪ হয়, তবে বর্তমানে তাদের মোট বয়স কত?

সমাধান: 
করিম ও  রহিমের বর্তমান বয়সের অনুপাত  = ৩ : ৪
করিমের বর্তমান বয়স = ৩ক 
রহিমের বর্তমান বয়স = ৪ ক 

প্রশ্নমতে,
৩ক - ১০ = (১/২)(৪ক - ১০)
৬ক - ২০ = ৪ক - ১০
৬ক - ৪ক = ২০ - ১০
২ক = ১০
ক = ৫

বর্তমানে তাদের মোট বয়স = ৩ক + ৪ক 
                                         =৭ক 
                                         = ৭ × ৫ 
                                         = ৩৫ বছর
৪৭.
একটি নৌকা স্রোতের প্রতিকূলে ৯ কি.মি. ও স্রোতের অনুকূলে ১৮ কি.মি. যায় ৩ ঘণ্টায়। নৌকার গতিবেগ ঘণ্টায় কত কি.মি.?
  1. ক) ১.৫ কিমি
  2. খ) ৩ কিমি
  3. গ) ৬ কিমি
  4. ঘ) ৪.৫ কিমি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪.৫ কিমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪.৫ কিমি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি নৌকা স্রোতের প্রতিকূলে ৯ কি.মি. ও স্রোতের অনুকূলে ১৮ কি.মি. যায় ৩ ঘণ্টায়। নৌকার গতিবেগ ঘণ্টায় কত কি.মি.?

সমাধান:
নৌকাটি স্রোতের প্রতিকূলে ৩ ঘণ্টায় যায় = ৯ কি.মি. 
নৌকাটি স্রোতের প্রতিকূলে ১ ঘণ্টায় যায় = ৯/৩ কি.মি. 
                                                              = ৩কি.মি. 
নৌকাটি স্রোতের অনুকূলে ৩ ঘণ্টায় যায় = ১৮ কি.মি. 
নৌকাটিস্রোতের অনুকূলে  ১ ঘণ্টায় যায় = ১৮/৩ কি.মি. 
                                                              = ৬ কি.মি. 

নৌকার বেগ + স্রোতের  বেগ = ৬ কি.মি/ঘণ্টা
নৌকার বেগ - স্রোতের  বেগ = ৩ কি.মি/ঘণ্টা

২ × নৌকার বেগ = (৬ + ৩) কি.মি/ঘণ্টা বা ৯ কি.মি/ঘণ্টা
নৌকার বেগ =৯ ÷ ২ = ৪.৫ কি.মি/ঘণ্টা
৪৮.
বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত -
  1. ক) ২৫/৩
  2. খ) ৩
  3. গ) ২২/৭
  4. ঘ) প্রায় ৫
সঠিক উত্তর:
গ) ২২/৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২২/৭
ব্যাখ্যা
বৃত্তের পরিধি 2πr এবং ব্যাস 2r
∴ বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত = ব্যাস : পরিধি
= 2πr : 2r 
= 2πr/2r
= π/1
= (22/7)/1
= 22/7
৪৯.
কোন ত্রিভুজের একটি কোণ অপর দুটি কোণের সমষ্টির সমান হলে ত্রিভুজটি -
  1. ক) সমবাহু
  2. খ) সমকোণী
  3. গ) সূক্ষ্মকোণী
  4. ঘ) স্থূলকোণী
সঠিক উত্তর:
খ) সমকোণী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সমকোণী
ব্যাখ্যা
কোনো ত্রিভুজের একটি কোণ অপর দুইটি কোণের সমষ্টির সমান হলে, ত্রিভুজটিকে সমকোণী ত্রিভুজ বলে।
৫০.
x - 1/x = 4 হলে, x2 + 1/x2 = কত? 
  1. ক) 18
  2. খ) 16
  3. গ) 14
  4. ঘ) 22
সঠিক উত্তর:
ক) 18
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 18
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x - 1/x = 4 হলে, x2 + 1/x2 = কত? 

সমাধান:
দেয়া আছে
x - 1/x = 4

x2 + 1/x2 = (x)2 + (1/x)2
                 = (x - 1/x)2 + 2.x.1/x
                  = 42 + 2
                 = 16 + 2
                   = 18
৫১.
m এর মান কত হলে 4x2 - mx + 9 একটি পূর্ণ বর্গ হবে?
  1. ক) 9
  2. খ) 10
  3. গ) 12
  4. ঘ) 16
সঠিক উত্তর:
গ) 12
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 12
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: m এর মান কত হলে 4x2 - mx + 9 একটি পূর্ণ বর্গ হবে?

সমাধান:
4x2 - mx + 9
= (2x)2 - 2.2x.3 + 32 - mx + 2.2x.3
= (2x - 3)2 + 12x - mx

রাশিটি পূর্ণবর্গ হলে,
12x - mx = 0
বা, mx = 12x
∴ m = 12
৫২.
He said to me, "Which book do you want?" বাক্যের Indirect speech -
  1. ক) He said to me which book I wanted.
  2. খ) He asked me which book I wanted.
  3. গ) He asked to me which book I wanted.
  4. ঘ) He said to me which book I have wanted.
সঠিক উত্তর:
খ) He asked me which book I wanted.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) He asked me which book I wanted.
ব্যাখ্যা
Interrogative Sentence কে Direct থেকে Indirect speech- এ পরিবর্তন করার নিয়ম:
Reporting verb টি ask, enquire of, wonder তে পরিবর্তিত হয় ‌।
 Reported speech এর অন্তর্গত Interrogative sentence টি যদি কোন Wh - question word দ্বারা শুরু হয়,তাহলে তা অপরিবর্তিত থাকবে অর্থাৎ সেই Wh - question word টিই Conjuction হিসাবে বসবে।

তবে, Reported speech টি যদি Auxiliary verb দ্বারা শুরু হয় তাহলে inverted comma তুলে, linker হিসেবে if/ whether বসবে।

Direct speech এ present Indefinite tense থাকলে Indirect narration এ তা past indefinite tense হয়।

সুতরাং নিয়মানুযায়ী - He asked me which book I wanted.
৫৩.
Bitter শব্দটির verb হচ্ছে -
  1. ক) Bitterness
  2. খ) Bitter
  3. গ) Bitterify
  4. ঘ) Embitter
সঠিক উত্তর:
ঘ) Embitter
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Embitter
ব্যাখ্যা
Bitter শব্দটির verb হচ্ছে - Embitter.

Bitter - adjective
Bangla meaning: তিক্ত; কটু; তিতা।

other forms: 
Embitter - (Verb)
Bitterness (noun)
Bitterly (adjective)
৫৪.
Destroy শব্দটির Noun হচ্ছে -
  1. ক) Destruction
  2. খ) Damage
  3. গ) Harm
  4. ঘ) Affect
সঠিক উত্তর:
ক) Destruction
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Destruction
ব্যাখ্যা
Destroy শব্দটির Noun হচ্ছে - Destruction.

Destroy শব্দের অর্থ - to damage something so badly that it cannot be used/ধ্বংস/নষ্ট/বিধ্বস্ত/বরবাদ/পয়মাল করা।
এটি একটি Verb. 
এর other forms - 
Destruction - Noun 
Destroyer (noun)
Destroy এর দুইটি Noun কিন্তু যেহেতু প্রশ্নে Destruction উল্লেখিত আছে । তাই এটি সঠিক উত্তর।
৫৫.
I shall adhere ________ my plan. বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে -
  1. ক) to
  2. খ) in
  3. গ) for
  4. ঘ) with
সঠিক উত্তর:
ক) to
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) to
ব্যাখ্যা
মেনে চলা অর্থে appropriate preposition হিসাবে Adhere এর পর to বসে। 
Adhere to - দৃঢ় ভাবে লেগে থাকা,সেঁটে থাকা, অবিচল থাকা, বিচ্যুত না হওয়া।
যেমনঃ One must adhere to one's principal.
৫৬.
'Your conduct admits ____ no excuses' বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে -
  1. ক) for
  2. খ) at
  3. গ) of
  4. ঘ) from
সঠিক উত্তর:
গ) of
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) of
ব্যাখ্যা
'Your conduct admits ____ no excuses' বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - of.
বাক্যের context অনুযায়ী appropriate preposition হিসাবে admit এর পর of preposition টি বসবে।

Admit of– অবকাশ থাকা, স্বিকার করা;
Admit to– ভর্তি হওয়া বা করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
৫৭.
'Beggar description' phrase টির অর্থ হচ্ছে -
  1. ক) Miser
  2. খ) Undescribable
  3. গ) Very poor
  4. ঘ) Inefficient
সঠিক উত্তর:
খ) Undescribable
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Undescribable
ব্যাখ্যা
'Beggar description' phrase টির অর্থ হচ্ছে -
Beggar description / belief
English Meaning: to be impossible to believe or describe/too unusual, extreme, or indefinite to be adequately described; indescribable.
Bangla Meaning: বর্ণনা করা যায় না এমন / অবর্ণনীয়।

Ex. Sentence: His miseries beggar description.
Bangla Meaning: তার দুুঃখের কথা ভাষায় প্রকাশ করার মত না।
৫৮.
Viva-voce শব্দটির অর্থ কী?
  1. ক) Orally
  2. খ) Face to face
  3. গ) Interview
  4. ঘ) Written
সঠিক উত্তর:
ক) Orally
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Orally
ব্যাখ্যা
Viva-voce শব্দটির অর্থ হচ্ছে - Orally.

viva voce -মৌখিক; মৌখিকভাবে/ (especially of an examination) oral rather than written /a spoken examination. 
Orally - মুখে-বলা কথার সাহায্যে; মৌখিকভাবে; মুখ দিয়ে। 

প্রশ্নে উল্লেখিত অন্যান্য অপশন গুলোর মধ্যে - 
Face to face -  মুখোমুখি; সামনাসামনি।
Interview - আনুষ্ঠানিক আলোচনা বা পরীক্ষণের জন্য) সাক্ষাৎকার; পারস্পরিক সাক্ষাৎ (সাংবাদিক, প্রতিবেদক প্রভৃতি) সাক্ষাৎকার; অন্যোন্যদর্শন।
Written  হচ্ছে write এর past participle যা দ্বারা লিখিত/ দ্রষ্টব্য বোঝায়। 

সুতরাং সঠিক উত্তর হচ্ছে -  Orally.
৫৯.
'Natural' শব্দটির Antonym হচ্ছে -
  1. ক) Inherent
  2. খ) Original
  3. গ) Abnormal
  4. ঘ) Kingdom
সঠিক উত্তর:
গ) Abnormal
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Abnormal
ব্যাখ্যা
'Natural' শব্দটির Antonym হচ্ছে - Abnormal.
Natural শব্দটির অর্থ হচ্ছে - প্রাকৃতিক/স্বাভাবিক।

প্রশ্নে উল্লেখিত বাকি অপশনগুলোর মধ্যে - 
Original - প্রথম বা সর্বপ্রথম; আদি।
Inherent - স্বাভাবিক বা স্থায়ী অংশ বা গুণরূপে বিদ্যমান; সহজ; স্বাভাবিক; অন্তঃস্থায়ী; অন্তঃশায়ী; আনুষঙ্গিক।
Abnormal - অস্বাভাবিক; অস্বভাবী। 
Kingdom - ) রাজ্য; রাজত্ব।

সুতরাং বোঝা যাচ্ছে প্রশ্নে উল্লেখিত Abnormal শব্দটির Natural' শব্দটির Antonym বা বিপরীত শব্দ।
৬০.
'Encounter' শব্দটির Synonym -
  1. ক) Concord
  2. খ) Harmony
  3. গ) Battle
  4. ঘ) Part
সঠিক উত্তর:
গ) Battle
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Battle
ব্যাখ্যা
'Encounter' শব্দটির অর্থ - 
বিপদের মুখোমুখি হওয়া; শত্রুর সামনে পড়া; অপ্রত্যাশিতভাবে (বন্ধুর) দেখা পাওয়া।
[Countable noun] encounter (with) অপ্রত্যাশিত সাক্ষাৎ (বিশেষ করে বিরোধীদের সঙ্গে)।

প্রশ্নে উল্লেখিত অপশনগুলোর মধ্যে - 
Concord - মতৈক্য বা মিল; নানা সুরের মধুর মিলন।
Harmony -  সাদৃশ্য; মিল। 
Battle - যুদ্ধ; লড়াই; (অলংকারিক অর্থ) সংগ্রাম।
Part - কিছু অংশ।

সুতরাং অর্থগত দিক বিবেচনায় Battle শব্দটি Encounter' শব্দটির Synonym হিসেবে গ্রহনযোগ্য।
৬১.
নিচের কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. ক) Embarrasment
  2. খ) Embarrassment
  3. গ) Embarassment
  4. ঘ) Embarasment
সঠিক উত্তর:
খ) Embarrassment
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Embarrassment
ব্যাখ্যা
শুদ্ধ বানানটি হচ্ছে - Embarrassment
Embarrassment[noun] [Uncountable noun]
Bangla Meaning: অস্বস্তি।
৬২.
নিচের কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. ক) Addultration
  2. খ) Adultration
  3. গ) Addulteration
  4. ঘ) Adulteration
সঠিক উত্তর:
ঘ) Adulteration
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Adulteration
ব্যাখ্যা
শুদ্ধ বানানটি হচ্ছে - Adulteration.

Adulteration - (noun)
Bangla meaning: ভেজাল; অপমিশ্রণ; মিশাল।
English meaning: 
(1) The act of adulterating; corruption, or debasement (esp. of food or drink) by foreign mixture.
(2) An adulterated state or product.
৬৩.
'Do away with it' - বাক্যটির passive form হচ্ছে -
  1. ক) Let it be done away with.
  2. খ) Let it has done away with it.
  3. গ) Let is to be done away with.
  4. ঘ) Let it has to do away with.
সঠিক উত্তর:
ক) Let it be done away with.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Let it be done away with.
ব্যাখ্যা
'Do away with it' - বাক্যটির passive form হচ্ছে - Let it be done away with.
Do যুক্ত Imperative sentence কে Passive করার নিয়মঃ 
প্রথমে Let বসে+ Object + be + Verb এর past participle + extension.
৬৪.
'All his pupils like him' - বাক্যটির passive form হচ্ছে -
  1. ক) He was liked by all his pupils.
  2. খ) He is like by all his pupils.
  3. গ) He is liked by all his pupils.
  4. ঘ) He is being liked by all his pupils.
সঠিক উত্তর:
গ) He is liked by all his pupils.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) He is liked by all his pupils.
ব্যাখ্যা
'All his pupils like him' - বাক্যটির passive form হচ্ছে - He is liked by all his pupils.
Structure: Object কে Subject + tense অনুযায়ী auxiliary verb + মূল Verb এর Past participle form + by+ subject বসে object হিসাবে।
৬৫.
নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
  1. ক) Hasan has choosed the right path.
  2. খ) Hasan has chosen the right path.
  3. গ) Hasan has chose the right path.
  4. ঘ) Hasan has choseing the right path.
সঠিক উত্তর:
খ) Hasan has chosen the right path.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Hasan has chosen the right path.
ব্যাখ্যা
Hasan has chosen the right path  এই বাক্যটি শুদ্ধ।

Sub + Have/Has + Verb এর Past Participle form + Object.

Has এর পর সব সময় verb এর past participle form হয়। যেহেতু প্রশ্নের প্রতিটি অপশনে subject এর পর has আছে সুতরাং এরপর verb এর past participle form বসবে।
Choose এর  past participle form হচ্ছে Chosen. 
সুতরাং Hasan has chosen the right path এই বাক্যটি শুদ্ধ।
৬৬.
নিচের কোনটি শুদ্ধ বাক্য?
  1. ক) I saw the bird sit down on the roof.
  2. খ) I saw the brid sat on the roof.
  3. গ) I saw the bird sits on the roof.
  4. ঘ) I saw the bird sitting on the roof.
সঠিক উত্তর:
ঘ) I saw the bird sitting on the roof.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) I saw the bird sitting on the roof.
ব্যাখ্যা
I saw the bird sitting on the roof - শুদ্ধ বাক্য।
কোনো simple sentence এ দুইটি verb থাকলে দ্বিতীয় verb টির সাথে ing যুক্ত করতে হয়।
৬৭.
'আকাশ কুসুম' শব্দের অর্থ কোনটি?
  1. ক) অলীক ভাবনা
  2. খ) অদ্ভূত জিনিস
  3. গ) সুন্দর কল্পনা
  4. ঘ) স্বপ্ন
সঠিক উত্তর:
ক) অলীক ভাবনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অলীক ভাবনা
ব্যাখ্যা
'আকাশ কুসুম' শব্দের অর্থ = অলীক ভাবনা বা কাল্পনিক বস্তু।
উদাহরণ: কেটেছে একেলা বিরহেরই বেলা আকাশ কুসুম চয়নে। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৬৮.
'ক্ষমার যোগ্য'-এর বাক্য সংকোচন -
  1. ক) ক্ষমা
  2. খ) ক্ষমাপ্রার্থী
  3. গ) ক্ষমার্হ
  4. ঘ) ক্ষমাপ্রদ
সঠিক উত্তর:
গ) ক্ষমার্হ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্ষমার্হ
ব্যাখ্যা
'ক্ষমার যোগ্য'-এর বাক্য সংকোচন - ক্ষমার্হ

আরও কিছু এক কথায় প্রকাশ- 
- ক্ষমা করার ইচ্ছা = তিতিক্ষা 
- ক্ষমা করতে ইচ্ছুক = তিতিক্ষু 
- গোপন করার ইচ্ছা = জুগুপ্সা 
- মনোগত ইচ্ছা = ঈপ্সিত 
- লাভ করা ইচ্ছা = লিপ্সা 
- কটিদেশ থেকে পদতল পর্যন্ত অংশ = অধঃকায়। 

উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
৬৯.
'গায়ক' এর সন্ধি বিচ্ছেদ—
  1. ক) গৈ + অক
  2. খ) গৈ + অক
  3. গ) গা + অক
  4. ঘ) গঃ + অক
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর ক) গৈ + অক ও খ) গৈ + অক
উত্তরপত্রে একই অপশন দুইবার থাকার কারণে বাতিল করা হয়েছে।
ক) অপশনটি হওয়ার কথা ছিল - গৈ + য়ক

---------------------------
এ, ঐ, ও, ঔ-কারের পর এ, ঐ স্থানে অয়, আয় এবং ও, ঔ স্থানে যথাক্রমে অব ও আব হয়।
যেমন-
 - গৈ + অক = গায়ক,
- নে + অন = নয়ন,
- নৈ + অক = নায়ক,
- পো + অন = পবন,
- গো + এষণা = গবেষণা,
- নৌ + ইক = নাবিক,
- পো + ইত্র = পবিত্র,
- গো + আদি = গবাদি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
৭০.
যে সমাসে পূর্ব পদের বিভক্তির লোপ হয় না তাকে বলে—
  1. ক) প্রাদি সমাস
  2. খ) নিত্য সমাস
  3. গ) দ্বন্দ্ব সমাস
  4. ঘ) অলুক সমাস
সঠিক উত্তর:
ঘ) অলুক সমাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অলুক সমাস
ব্যাখ্যা
অলুক সমাস:
যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে বিভক্তি লােপ পায় না, তাকে অলুক সমাস বলা হয়।
যেমন-
অলুক তৎপুরুষ সমাস:
ঘি দিয়ে ভাজা = ঘিয়েভাজা,
কল দ্বারা ছটা = কলেছাটা ইত্যাদি।

অলুক দ্বন্দ্ব সমাস এর উদাহরণ: দুধে-ভাতে, হাতে-কলমে, জলে-স্থলে ইত্যাদি।

অলুক বহুব্রীহি সমাস এর উদাহরণ: মাথায়পাগড়ি, গলায়গামছা, হাতে - ছড়ি, গায়ে - পড়া, মাথায় - ছাতা ইত্যাদি।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭১.
কোনটি অলুক তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ?
  1. ক) কলে ছাঁটা
  2. খ) মাথায় ছাতা
  3. গ) হাতে কলমে
  4. ঘ) গায়ে হলুদ
সঠিক উত্তর:
ক) কলে ছাঁটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কলে ছাঁটা
ব্যাখ্যা
কল দ্বারা ছটা = কলেছাটা; অলুক তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ। 

অলুক তৎপুরুষ সমাস:
যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে বিভক্তি লােপ পায় না, তাকে অলুক তৎপুরুষ সমাস বলা হয়।
যেমন-
ঘানি তেল = ঘানিরতেল,
ঘি দিয়ে ভাজা = ঘিয়েভাজা,
গােড়ায় গলদ = গােড়ায়গলদ,
তেলে ভাজা = তেলেভাজা,
হাতে কাটা = হাতেকাটা ইত্যাদি।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭২.
'ঔদ্ধত্য' এর বিপরীতার্থক শব্দ—
  1. ক) স্তব্ধ
  2. খ) বিনয়
  3. গ) গম্ভীর
  4. ঘ) মাথা নত করা
সঠিক উত্তর:
খ) বিনয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বিনয়
ব্যাখ্যা
'ঔদ্ধত্য' এর বিপরীতার্থক শব্দ - বিনয় 

গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিপরীতার্থক শব্দ হচ্ছে -
নম্রতা - ঔদ্ধত্য।
ব্যষ্টি - সমষ্টি।
নানা - এক। 
নগণ্য - গণ্য।
প্রশস্ত - সংকীর্ণ। 
নশ্বর - শ্বাশত। 
শত্রু - মিত্র। 
যোজক - প্রণালি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৭৩.
'পর্বত' এর সমার্থক শব্দ নয় -
  1. ক) গিরি
  2. খ) শিলা
  3. গ) পাহাড়
  4. ঘ) শৈল
সঠিক উত্তর:
খ) শিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শিলা
ব্যাখ্যা
• শিলা অর্থ পাথর। এটি পর্বত এর সমার্থক শব্দ নয়।

• 'পর্বত' শব্দের অন্যান্য সমার্থক শব্দ:  গিরি, শৈল, পাহাড়, অদ্রি, ভূধর, নগ, অচল, ,মোদিনীধর, অবনীধর, বসুধাধর ইত্যাদি। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৭৪.
নিচের বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
তোমার পায়ে নখের আঁচড়ও লাগবে না।
  1. ক) কর্মে শূন্য
  2. খ) করণে ৫মী
  3. গ) অপাদানে ৬ষ্ঠী
  4. ঘ) করণে ৬ষ্ঠী
সঠিক উত্তর:
ঘ) করণে ৬ষ্ঠী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) করণে ৬ষ্ঠী
ব্যাখ্যা
• করণ কারক
যার দ্বারা বা যে উপায়ে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে করণ কারক বলে। এই কারকে সাধারণত দ্বারা’, “দিয়ে, কর্তৃক ইত্যাদি অনুসর্গ যুক্ত হয়।
যেমন –
- ভেড়া দিয়ে চাষ করা সম্ভব নয়।
- চাষিরা ধারালাে কাস্তে দিয়ে ধান কাটছে।

"তোমার পায়ে নখের (নখ দ্বারা) আঁচড়ও লাগবে না।"- বাক্যে নখ শব্দের সাথে -র (ষষ্ঠী বিভক্তি) যুক্ত হয়েছে। 
- তাই এটি করণে ৬ষ্ঠী। 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
৭৫.
নিচের বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্ত?
কপোল ভিজিয়া গেল নয়নের জলে।
  1. ক) কর্মে শূন্য
  2. খ) করণে ৩য়া
  3. গ) অধিকরণে শূন্য
  4. ঘ) কর্মে ২য়া
সঠিক উত্তর:
ক) কর্মে শূন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কর্মে শূন্য
ব্যাখ্যা
কর্ম কারক:
যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে কর্ম কারক বলে।
বাক্যের মুখ্য কর্ম ও গৌণ কর্ম - উভয় ধরনের কর্মই কর্ম কারক হিসেবে গণ্য হয়।
সাধারণত মুখ্য কর্ম কারকে বিভক্তি হয় না, তবে গৌণ কর্ম কারকে ‘কে’ বিভক্তি হয়।
যেমন -
সে রােজ সকালে এক প্লেট ভাত খায়।
শিক্ষককে জানাও।

"কপোল ভিজিয়া গেল নয়নের জলে।" এখানে কপোল বা গাল-কে আশ্রয় করে ক্রিয়া (ভিজে যাওয়া) সম্পাদিত হয়েছে। 
- এবং এতে কোনো বিভক্তি ব্যবহৃত হয় নি। 
- তাই এটি কর্মে শূন্য। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
৭৬.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. ক) দধিচী
  2. খ) দধীচি
  3. গ) দধিচি
  4. ঘ) দধীচী
সঠিক উত্তর:
খ) দধীচি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দধীচি
ব্যাখ্যা
দধীচি (বিশেষ্য) 
- সংস্কৃত শব্দ 
- প্রকৃতি প্রত্যয় = √দধ্‌+ঈচি
অর্থ: 
পুরাণোক্ত মুনিবিশেষ অসুর বধকল্পে যিনি নিজ অস্থি দ্বারা বজ্র নির্মাণের জন্য স্বেচ্ছায় দেহত্যাগ করেছিলো।
- পরোপকারের জন্য আত্মোৎসর্গকারী পুরুষ

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
৭৭.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. ক) শান্মাসিক
  2. খ) ষাণ্মাশিক
  3. গ) ষাণ্মাসিক
  4. ঘ) সানমাসিক
সঠিক উত্তর:
গ) ষাণ্মাসিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ষাণ্মাসিক
ব্যাখ্যা
ষাণ্মাসিক (বিশেষণ)
- তৎসম বা সংস্কৃত
 - প্রকৃতি প্রত্যয় = ষণ্মাস+ইক
অর্থ: 
১ ছয় মাস পর পর ঘটে বা প্রকাশিত হয় এমন।
২ প্রতি ছয় মাসে করণীয় এমন।
(ষাণ্মাসিক শ্রাদ্ধ বা পত্রিকা।

উৎস: Accessible Dictionary
৭৮.
'ন্যায়দণ্ড' উপন্যাসটি কে রচনা করেন?
  1. ক) স্বর্ণকুমারী দেবী
  2. খ) রশীদ করিম
  3. গ) সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ
  4. ঘ) জরাসন্ধ
সঠিক উত্তর:
ঘ) জরাসন্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জরাসন্ধ
ব্যাখ্যা
'ন্যায়দণ্ড' উপন্যাসটির রচয়িতা জরাসন্ধ।

জরাসন্ধ এর প্রকৃত নাম চারুচন্দ্র চক্রবর্তী। 
- তিনি কারাগারের কাহিনি লিখে এক সময় পাঠক সমাজ মুগ্ধ করে রেখেছিলেন।
- তাঁর জন্ম বর্তমান বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার ব্রাহ্মণপাড়া গ্রামে। 

তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাসগুলো হলো:
- লৌহকপাট,
- তামসী,
- পাড়ি,
- মসিরেখা,
- মল্লিকা,
- আবরণ,
- আশ্রয়, 
- অপর্ণা, 
- তনুমন, 
- নিঃসঙ্গ পথিক,
- মহাশ্বেতা ডায়রি ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল হক।
৭৯.
'মায়াবী প্রহর' নাটকটি কার রচনা?
  1. ক) সেলিম আল দীন
  2. খ) দীনবন্ধু মিত্র
  3. গ) আলাউদ্দিন আল আজাদ
  4. ঘ) আবদুল্লাহ আল মামুন
সঠিক উত্তর:
গ) আলাউদ্দিন আল আজাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আলাউদ্দিন আল আজাদ
ব্যাখ্যা
'মায়াবী প্রহর' নাটকটির রচয়িতা আলাউদ্দিন আল আজাদ। 
- প্রকাশিত হয় ১৯৬৩ খ্রিষ্টাব্দে। 
- এটি তাঁর একটি অত্যন্ত জীবনঘনিষ্ঠ নাটক
 
• এছাড়াও তাঁর রচিত অন্যান্য নাটক:
- নরকে লাল গোলাপ
- মরক্কোর জাদুঘর,
- সংবাদ শেষাংশ,
- ধন্যবাদ ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- ভোরের নদীর মোহনায় জাগরণ,
- মানচিত্র,
- লেলিহান পান্ডুলিপি,
- নিখোঁজ সনেটগুচ্ছ,
- সূর্য জ্বালার স্বপ্ন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৮০.
'বিচ্ছিন্ন প্রতিলিপি' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  1. ক) মযহারুল ইসলাম
  2. খ) রফিকুল আজাদ
  3. গ) হুমায়ুন কবির
  4. ঘ) জাহানারা ইমাম
সঠিক উত্তর:
ক) মযহারুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মযহারুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
'বিচ্ছিন্ন প্রতিলিপি' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা মযহারুল ইসলাম। 

প্রফেসর ড. মযহারুল ইসলাম (১ জুলাই ১৯২৯ - ১৪ নভেম্বর ২০০৩)
- তিনি ছিলেন বাংলাদেশের একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন লোকাচারবেত্তা, লেখক, গবেষক, শিক্ষাবিদ, লোকতাত্ত্বিক, লোকবিজ্ঞানী, কবি-কথাশিল্পী-সংগঠক ও শিল্পপতি।
- তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং বাংলা একাডেমির প্রথম মহাপরিচালক ছিলেন।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ
- মাটির ফসল
- বিচ্ছিন্ন প্রতিলিপি
- আর্তনাদে বিবর্ণ
- যেখানে বাঘের থাবা
- অপরাহ্ণে বিবস্ত্র প্রাতরাশ
- দুঃসময়ের ছড়া
- উজানে ফেরার প্রতিধ্বনি

উৎস: বাংলা কবিতার ব্লগ ও দৈনিক পত্রিকা