পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন১৭
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৫: বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলী সিলেবাস: ১. বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা; ২. বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা; ৩. বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনাসমূহ, জাতীয় পুরস্কার, বাংলাদেশের খেলাধুলাসহ চলচ্চিত্র, গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৭ প্রশ্ন

.
'গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস'-এ বাংলাদেশের কোন খেলোয়াড়ের নাম উঠেছে?
  1. নিয়াজ মোর্শেদ
  2. ব্রজেন দাস
  3. জোবেরা রহমান লিনু
  4. রানী হামিদ
ব্যাখ্যা
জোবেরা রহমান লিনু:
- জোবেরা রহমান লিনু বাংলাদেশের বিখ্যাত টেবিল টেনিস খেলোয়াড়।
- বাংলাদেশের টেবিল টেনিসের রেকর্ড ১৬ বারের চ্যাম্পিয়ন তিনি।
- ১৯৭৭ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত ১৬ বার জাতীয় চ্যাম্পিয়ন তিনি।
- ২০০২ সালের মে মাসে নাম লেখান ‘গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে’।

উল্লেখ্য,
- মাত্র আট বছর বয়সে ১৯৭৩ সালে জোবেরা রহমান লিনু প্রথম টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতায় অংশ নেন।
- ১৯৭৪ সালে প্রথম জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নেন।
- ২০০৫ সালে বাংলাদেশে ইউনিসেফের ক্রীড়াদূতও হয়েছিলেন লিনু। 

উৎস: ১৪ আগস্ট, ২০২০, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
.
দোয়েল চত্বর-এর স্থপতি কে?
  1. নিতুন কুন্ডু
  2. মোস্তফা মনোয়ার
  3. মৃণাল হক
  4. আজিজুল জলিল পাশা
ব্যাখ্যা
দোয়েল চত্বর:
- দোয়েল চত্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার ভিতরে কার্জন হলের সামনে অবস্থিত।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে দোয়েল চত্বর।
- এটি বাংলাদেশের জাতীয় বৈশিষ্ট্যের ধারক ও বাহক যা দেশের ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করে।
- দোয়েল চত্বরের স্থপতি হলেন আজিজুল জলিল পাশা।


উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নিহত কমনওয়েলথ সৈনিকদের সমাধিক্ষেত্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. রাজশাহী
  3. খুলনা
  4. কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
ওয়ার সিমেট্রি:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বর্তমান মিয়ানমারে সংঘটিত যুদ্ধে প্রায় ৪৫ হাজার কমনওয়েলথ সৈনিক নিহত হন।
- তাদের জন্য বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও ভারতে ৯টি সমাধিক্ষেত্র স্থাপন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে দুটি সমাধিক্ষেত্র রয়েছে: কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম।
- কুমিল্লার ময়নামতির কমনওয়েলথ ওয়ার সিমেট্রিটি ১৯৪৬ সালে নির্মাণ করা হয়।
- এখানে অবিভক্ত ভারত, জাপান, আফগানিস্তান, নাইজেরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ডসহ বেশ কয়েকটি দেশের শহীদ সৈনিকের সমাধি আছে।
- মোট সমাধির সংখ্যা ৭৩৬টি।
- চট্টগ্রাম ওয়ার সেমেট্রিতে সমাহিত হন চট্টগ্রামের ১৩ জন শহীদ।
- কুমিল্লার ময়নামতি ওয়ার সেমেট্রিতে সমাহিত হন ৭ জন।

উৎস: i) ৯ নভেম্বর, ২০১৯, প্রথম আলো।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
'তিতাস পারের মানুষটি' প্রামাণ্যচিত্রটি কে নির্মাণ করেন?
  1. তানভীর মোকাম্মেল
  2. জহির রায়হান
  3. আলমগীর কবির
  4. তারেক মাসুদ
ব্যাখ্যা
তিতাস পারের মানুষটি: শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত:
- চলচ্চিত্রকার তানভীর মোকাম্মেল ভাষাসৈনিক শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের জীবন ও কর্মের ওপর ‘তিতাস পারের মানুষটি : শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত’ শিরোনামে ৭০ মিনিট দৈর্ঘ্যরে একটি প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ করেছেন।
- প্রামাণ্যচিত্রটি প্রযোজনা করেছেন শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের পরিবারের বর্তমান প্রজন্মের সদস্য-সদস্যরা।
- পাকিস্তান গণপরিষদে সর্বপ্রথম বাংলা ভাষার দাবি উত্থাপন করা সংসদ সদস্য শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের ওপর নির্মিত এ প্রামাণ্যচিত্র।

উৎস: ৫ নভেম্বর, ২০২৩, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।
.
ময়নামতি বৌদ্ধ বিহার কে নির্মাণ করেন?
  1. ভবদেব
  2. আনন্দদেব
  3. দেবপাল
  4. ধর্মপাল
ব্যাখ্যা
ময়নামতি:
- কুমিল্লা শহর থেকে মাত্র ৭ কিলোমিটার পশ্চিমে ময়নামতি অবস্থিত।
- ময়নামতিতে রয়েছে ৮ম শতকের পুরার্কীতির নিদর্শন।
- ময়নামতির উত্তর - দক্ষিণে রয়েছে প্রায় ১৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ও ২ কিলোমিটার প্রস্থ নিয়ে বিস্তৃত প্রাচীনকালের রোহিতগিরি যা লালমাটির পাহাড় নামে পরচিতি।
- এর উত্তরাংশ দশম শতকে দেব বংশের রাজা মানিক্য চন্দ্রর রাজধানীকে কন্দ্রে করে তার স্ত্রী মরণামতরি নামে নামকরণ করা হয় ময়নামতি।

ময়নামতি বৌদ্ধ বিহার:
- লালমাই ময়নামতি গিরি শ্রেণীর মধ্যবর্তী স্থানে এই বিহারটি অবস্থিত।
- এই বিহারটির প্রত্যেক বাহুর দৈর্ঘ্য ৫৫০ ফুট।
- চারটি বাহুতে মোট ১১৫টি ভিক্ষু কক্ষ আছে যাতে বৌদ্ধ ভিক্ষুরা বসবাস করতেন।
- এর মধ্যবর্তী স্থানে রয়েছে বিশাল প্রবেশ দ্বার।
- উম্মুক্ত চত্বরে ক্রশাকৃতির প্রধান মন্দির।
- মূল বিহারটি দেব বংশের চতুর্থ রাজা ভবদেব কর্তৃক আনুমানিক ৮ম শতাব্দীতে নির্মিত হয়েছে।
- শালবন বিহার খনন করে অসংখ্য মূল্যবান প্রত্নতত্ত্ব আবিস্কার করা হয়েছে।
- এগুলোর মধ্যে আছে ৮টি তাম্রলিপি, ১৮টি স্বর্ণ ও ৩৫০টি রৌপ্য মুদ্রা, স্বর্ণালংকার, নানা ধরণের মূর্তি, পোড়ামাটির বিএফলক, সীল ও নিত্য ব্যবহার্য দ্রব্য।

উৎস: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ওয়েবসাইট।
.
কোন প্রতিষ্ঠান হতে ‘বাংলাপিডিয়া’ প্রকাশিত হয়?
  1. এশিয়াটিক সোসাইটি
  2. শিল্প সাহিত্য কেন্দ্র
  3. বাংলা একাডেমি
  4. শিল্পকলা একাডেমি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি:
- বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি একটি অরাজনৈতিক, বেসরকারি ও অলাভজনক সংস্থা।
- ১৯৫২ সালের ৩ জানুয়ারি ‘এশিয়াটিক সোসাইটি অব পাকিস্তান’ নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দেশ স্বাধীনের পর এটি বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি নামধারণ করে।
- এশিয়ার মানুষ ও প্রকৃতি বিষয়ে গবেষণার লক্ষ্যে বাংলাদেশে এশিয়াটিক সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই সংস্থাটির প্রেরণা ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো উভয়ই কলকাতা এশিয়াটিক সোসাইটির (স্থাপিত ১৭৮৪) উত্তরসূরী।
- ১৭৮৪ সালে কলকাতায় সর্বপ্রথম ইংরেজ বিচারপতি উইলিয়াম জোন্সের উদ্যোগে কলকাতা এশিয়াটিক সোসাইটি স্থাপিত হয়।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এ সোসাইটির প্রধান পৃষ্ঠপোষক।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় জ্ঞানকোষ ‘বাংলাপিডিয়া’ এশিয়াটিক সোসাইটির উদ্যোগে ২০০৩ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির ২০২৪-২৫ বর্ষের নতুন কমিটি গঠিত হয়েছে।
- নতুন সভাপতি হয়েছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু চেয়ার অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদ।
- সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ন্যূনতম বয়স কত?
  1. ২৫ বছর
  2. ২৮ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. ৩৫ বছর
ব্যাখ্যা
প্রধানমন্ত্রী:
- বাংলাদেশের শাসন বিভাগের প্রধান প্রধানমন্ত্রী।
- সংসদীয় পদ্ধতির শাসনব্যবস্থা প্রবর্তিত থাকায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শাসন ক্ষমতার মধ্যমণি।
- তাঁকে কেন্দ্র করেই প্রজাতন্ত্রের সকল শাসন ও প্রশাসন পরিচালিত হয়।
- প্রধানমন্ত্রীকে কেন্দ্র করেই মন্ত্রীসভা গঠিত ও পরিচালিত হয়, ক্ষমতায় টিকে থাকে ও ক্ষমতা থেকে বিতাড়িত হয়।
- সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- তিনি শাসন সংক্রান্ত সকল সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও শাসনকার্য পরিচালনায় নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন।
- প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী অর্থমন্ত্রী বাজেট প্রণয়ন ও তা সংসদে পেশ করেন।
- তাঁর পরামর্শের আলোকে দেশের রাষ্ট্রপতি প্রশাসনিক ব্যয় নির্বাহে অর্থ মঞ্জুরী প্রদান করেন।

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান:
- পঞ্চম ভাগের ৬৬ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী -
(১) কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক হলে এবং তাঁর বয়স পঁচিশ বৎসর পূর্ণ হলে বিধান-সাপেক্ষে তিনি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হবার এবং সংসদ-সদস্য থাকার যোগ্য হবেন।

• যেহেতু সংসদের সংখ্যা গরিষ্ঠ দলের সদস্য হিসেবে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন, তাই প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) কার্যক্রম শুরু করে কত সালে?
  1. ১৯৬১ সালে
  2. ১৯৬২ সালে
  3. ১৯৬৩ সালে
  4. ১৯৬৪ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ টেলিভিশন:
- বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) কার্যক্রম শুরু করে ২৫ ডিসেম্বর ১৯৬৪ তারিখে। 
- শিক্ষা এবং বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান নির্মাণের পাশাপাশি নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন নিশ্চিত করা এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রেখে দেশ ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় অবদান রাখা এ জাতীয় গণমাধ্যমের দায়িত্ব।
- প্রতিদিন বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় ৯ টি সংবাদ বুলেটিনসহ বিটিভি সম্প্রচার করছে নাটক, প্রামাণ্যচিত্র, সংগীত, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও তথ্য বিষয়ক নানা অনুষ্ঠান।

উল্লেখ্য,
- সরকারি প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর হয় ১৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭২ তারিখে।
- রঙ্গীন সম্প্রচার শুরু করে ১৯৮০ সালে।
- বিটিভি ওয়ার্ল্ডের সম্প্রচার শুরু হয় ১১ এপ্রিল ২০০৪ তারিখে। 
- মোবাইল টিভি সম্প্রচার শুরু (টেলিটক মোবাইলে) করে ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ তারিখে।

⇒ পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র -২টি
(ক) ঢাকা টেলিভিশন কেন্দ্র,
(খ) চট্টগ্রাম টেলিভিশন কেন্দ্র।

⇒ উপকেন্দ্র/রিলে কেন্দ্র-১৪টি
- নাটোর, খুলনা, ময়মনসিংহ, সিলেট, রংপুর, নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ঠাকুরগাঁও, রাজশাহী, ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী, উখিয়া এবং রাঙ্গামাটি।

উৎস: বাংলাদেশ টেলিভিশন ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশ বিমানের প্রতীক 'বলাকা'-এর নকশা কে করেছিলেন?
  1. এস.এম সুলতান
  2. রামেন্দু মজুমদার
  3. শিবনারায়ণ দাস
  4. কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা
কামরুল হাসান:
- কামরুল হাসান একজন চিত্রশিল্পী।
- প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- কামরুল হাসান বাংলাদেশের স্বাধিকার ও অসহযোগ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন (১৯৬৯-৭০) এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
- তিনি ‘পটুয়া কামরুল হাসান’ নামে পরিচিতি লাভ করেন।
- ১৯৬০ সালে তিনি ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের নকশাকেন্দ্রের প্রধান নকশাবিদ নিযুক্ত হন।
- কামরুল হাসানের চিত্রকলার প্রধান উপাদান নর-নারী, পশুপাখি (প্রধানত গরু ও শৃগাল), সাপ ও প্রকৃতি।
- চিত্রকলায় অসাধারণ অবদানের জন্য কামরুল হাসান বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মানে ভূষিত হন।
- সেসবের মধ্যে প্রেসিডেন্ট পুরস্কার (১৯৬৫), কুমিল্লা ফাউন্ডেশন স্বর্ণপদক (১৯৭৭), স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার (১৯৭৯), চারুশিল্পী সংসদ সম্মান (১৯৮৪), বাংলা একাডেমির ফেলো (১৯৮৫) উল্লেখযোগ্য।

⇒ শিল্পকর্ম:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রতীকের ডিজাইনার কামরুল হাসান।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।
- কামরুল হাসানের 'তিন কন্যা' ও 'নাইওর' চিত্রকর্ম অবলম্বনে যুগোস্লাভ সরকার (১৯৮৫) ও বাংলাদেশ সরকার (১৯৮৬) ডাকটিকেট প্রকাশ করেছে।
- বাংলাদেশ বিমানের প্রতীক "বলাকা" ডিজাইন করেছিলেন শিল্পী কামরুল হাসান।

কামরুল হাসানের অন্যান্য চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে -
- রায়বেশে নৃত্য,
- ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে,
- ‘দেশ আজ বিশ্ববেহায়ার খপ্পরে’ প্রভৃতি।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ডিসেম্বর ২১, ২০২২, বণিক বার্তা।
১০.
বাংলাদেশে প্রথম বেতার সম্প্রচার শুরু হয় -
  1. ১৯৩৯ সালে
  2. ১৯৪৭ সালে
  3. ১৯৫২ সালে
  4. ১৯৭১ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বেতার:
- বাংলাদেশে প্রথম বেতার সম্প্রচার শুরু হয় ১৯৩৯ সালে ১৬ই ডিসেম্বর।
- বাংলাদেশ বেতারের সদর দপ্তর ঢাকার আগারগাঁও এ অবস্থিত।
- ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডে একটি ভাড়া করা বাড়িতে দুটি স্টুডিও নিয়ে এর যাত্রা শুরু হয়।
- প্রথম নামকরণ করা হয় “ঢাকা ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র”।
- ঢাকা বেতারের সম্প্রচার যন্ত্র অর্থাৎ ট্রান্সমিটারটি বসানো হয়েছিল বর্তমান কল্যাণপুর।
- কালের পরিক্রমায় বেতার ভবন স্থানান্তরিত হয় শাহবাগে ১৯৬০ সালের ৮ই ফেব্রুয়ারি।
- ১৯৮৩ সালের ৩০ জুলাই ঢাকাস্থ শের-ই-বাংলা নগরে বর্তমান অত্যাধুনিক পূর্ণাঙ্গ জাতীয় বেতার ভবনে ঢাকা প্রচার কেন্দ্র স্থানান্তরিত হলে শাহবাগের সাবেক প্রচার ভবনটি বাংলাদেশ বেতারের সদর দপ্তরে রূপান্তরিত হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ বেতারের ১৪টি আঞ্চলিক কেন্দ্র ও ৬টি ইউনিট হতে ১৬টি মধ্যম তরঙ্গ ট্রান্সমিটার, ২টি ক্ষুদ্র তরঙ্গ ট্রান্সমিটার ও ৩৪টি এফএম ট্রান্সমিটারের মাধ্যমে দৈনিক ৪৯৭ ঘণ্টা অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হচ্ছে।
- এছাড়া বাংলাদেশ বেতারের ওয়েবসাইট ও বাংলাদেশ বেতার অ্যাপস্ এর মাধ্যমে ১৪টি কেন্দ্রের ৩০টি চ্যানেলের অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হচ্ছে।

উৎস: বাংলাদেশ বেতার ওয়েবসাইট।
১১.
বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে কতবার নির্বাচন হয়?
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার:
- সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা গৃহিত হয়।
- ১৯৯৬ সালে বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান বাংলাদেশের সর্ব প্রথম সংবিধানসম্মত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।
- প্রধান উপদেষ্টা বিচারপতি হাবিবুর রহমান নির্দলীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সমন্বয়ে একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করেন।
- তিনি ১৯৯৬ সালের ১২ জুন জাতীয় সংসদের নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেন।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন, সার্ক ফোরাম, কমনওয়েলথসহ কয়েকটি দেশের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানায়।
- অবশেষে বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনা মধ্য দিয়ে ১৯৯৬ সালের ১২ জুন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীন প্রথম সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হয় ৩ বার।
- যথা: ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮।
- পঞ্চদশ সংশোধনীর দ্বারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।

উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কত তারিখে প্রধানমন্ত্রীর পদ ত্যাগ করেন?
  1. ৪ আগস্ট, ২০২৪
  2. ৫ আগস্ট, ২০২৪
  3. ৬ আগস্ট, ২০২৪
  4. ৭ আগস্ট, ২০২৪
ব্যাখ্যা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা:
- বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৫ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন।

⇒ ছাত্রদের কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেওয়া বিক্ষোভে শেখ হাসিনা পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।
- সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলের ২০১৮ সালের প্রজ্ঞাপন ৫ জুন, ২০২৪ হাইকোর্ট অবৈধ ঘোষণা করলে তা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে অসন্তোষের শুরু হয়।
- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে ১ জুলাই, ২০২৪ থেকে তাদের আন্দোলন শুরু হয়।
- ৪ অগাস্ট, ২০২৪ স্বাধীন বাংলাদেশে শতাধিক মানুষের প্রাণ ঝরলে ৫ আগস্ট, ২০২৪ ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচির অংশ হিসাবে লাখো ছাত্র-জনতা ঢাকায় আসেন।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ৭ জানুয়ারি, ২০২৪ তারিখে।
- ২৮টি রাজনৈতিক দল দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়।
- দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ টানা চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করেছে।
- টানা চতুর্থবারসহ পঞ্চমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন ১০ জানুয়ারি, ২০২৪।

উৎস: ৬ অগাস্ট ২০২৪, BBC.
১৩.
ড. মুহাম্মদ ইউনূস নিচের কোন পুরস্কার লাভ করেন?
  1. নোবেল শান্তি পুরস্কার
  2. র‍্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার
  3. স্বাধীনতা পুরস্কার
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
- অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এই পুরস্কার লাভ করেন।
- ড. ইউনূস বিশ্ব খাদ্য পুরস্কারসহ আরও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।

উল্লেখ্য,
- মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৯৬ সালে সাবেক প্রধান বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।
- ড. ইউনুসকে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান করা হয়। 

⇒ ১৯৭৮ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ড. ইউনূস জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সহ প্রায় ১৪৫টি পুরস্কার অর্জন করেছেন।
- এর মধ্যে:
- র‍্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার (১৯৮৪ সাল),
- স্বাধীনতা পুরস্কার (১৯৮৭ সাল),
- নোবেল শান্তি পুরস্কার (২০০৬ সাল)।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৪.
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন -
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. ড. আসিফ নজরুল
  3. ড. আ. ফ. ম. খালিদ হোসেন
  4. সালেহ উদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার:
- নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে দেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে।
- সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। 
- এই সরকারে মোট উপদেষ্টা ১৬ জন। 

উল্লেখ্য,
⇒ ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- ১. মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ; ২. প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়; ৩. সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ; ৪. শিক্ষা মন্ত্রণালয়; ৫. সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়; ৬. খাদ্য মন্ত্রণালয়; ৭. গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়; ৮. ভূমি মন্ত্রণালয়; ৯. বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়; ১০. কৃষি মন্ত্রণালয়; ১১. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়; ১২. রেলপথ মন্ত্রণালয়; ১৩. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়; ১৪. বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়; ১৫. নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়; ১৬. পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়; ১৭. মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়; ১৮. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়; ১৯. তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়; ২০. প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, ২১. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়; ২২. শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়; ২৩. সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়; ২৪. বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়; ২৫. মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

⇒ জনাব সালেহ উদ্দিন আহমেদ:
- ১. অর্থ মন্ত্রণালয়; ২. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।

⇒ ড. আসিফ নজরুল:
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

⇒ জনাব আদিলুর রহমান খান:
-  শিল্প মন্ত্রণালয়। 

⇒ জনাব হাসান আরিফ:
- স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়।

⇒ জনাব মোঃ তৌহিদ হোসেন:
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

⇒ সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান:
- পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়

⇒ মিজ শারমীন এস মুরশিদ:
- সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়। 

⇒  ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন:
- স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। 

⇒ ড. আ. ফ. ম. খালিদ হোসেন:
- ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। 

⇒ ফরিদা আখতার:
- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। 

⇒ নূর জাহান বেগম:
- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। 

⇒ জনাব মোঃ নাহিদ ইসলাম:
- ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।

⇒ জনাব আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া: 
- যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। 

⇒ সুপ্রদীপ চাকমা: 
- পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

⇒ ডা. বিধান রঞ্জন রায়:
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
১৫.
কমলাপুর রেলস্টেশনের স্থপতি কে?
  1. লুই কান
  2. এস এম রেলডলস
  3. এফ আর খান
  4. ড্যানিয়েল বার্নহ্যাম
ব্যাখ্যা
কমলাপুর রেলস্টেশন:
- কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় রেলস্টেশন।
- এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রেলস্টেশনও।
- এর অবস্থান ঢাকার মতিঝিলে।
- এটি ঢাকার সঙ্গে দেশের অন্য জায়গার মধ্যে যোগাযোগের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ টার্মিনাল।
- এ স্টেশনের স্থাপত্যশৈলী অনন্য।
- কমলাপুর রেলস্টেশনের স্থপতি ছিলেন দুই মার্কিন নাগরিক।
- তারা ছিলেন ড্যানিয়েল বার্নহ্যাম এবং বব বুই।

উৎস: i) ২২ ডিসেম্বর ২০২০, প্রথম আলো।
ii) ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, প্রথম আলো।
১৬.
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান কত সালে র‍্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার লাভ করেন?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১১ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা
র‍্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার:
- ফিলিপাইনের সাবেক প্রেসিডেন্ট র‍্যামন ম্যাগসাইসাইয়ের নামে এ পুরস্কার দেওয়া হয়।
- র‍্যামন ম্যাগসেসে ১৯৫৭ সালের ১৭ মার্চ মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনায় মারা যান।
- ১৯৫৮ সাল থেকে পুরস্কার দেওয়া শুরু হয়।
- এখন পর্যন্ত ১৩ জন ব্যক্তি বাংলাদেশ থেকে র‍্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার লাভ করেন।
- বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ২০১২ সালে র‍্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার লাভ করেন।

⇒ সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান:
- সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিয়েছেন।
- সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান নতুন অন্তবর্তী সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হয়েছেন। 
- তিনি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী।
- পরিবেশ বিষয়ক সংগঠন বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী তিনি।
- তিনি ফ্রেন্ডস অব আর্থ ইন্টারন্যাশনাল এবং আইইউসিএনের নির্বাহী সদস্য।
- সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের জন্ম ১৯৬৮ সালে, ঢাকায়।
- পরিবেশবিষয়ক সচেতনতা সৃষ্টির স্বীকৃতি হিসেবে ২০০৭ সালে জাতীয় পরিবেশ পদক, ২০১২ সালে র‌্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার এবং প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ২০০৯ সালে ‘পরিবেশের নোবেল’খ্যাত গোল্ডম্যান এনভায়রনমেন্টাল প্রাইজে ভূষিত হন তিনি।
- ২০০৯ সালে টাইম সাময়িকী তাঁকে হিরোজ অব এনভায়রনমেন্ট খেতাবে ভূষিত করে।
- আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কার্যকর উদ্যোগের জন্য তাঁর নেতৃত্বাধীন বেলা সম্মানজনক ট্যাঙ্গ পুরস্কার লাভ করে। 

উৎস: i) The Ramon Magsaysay Award Foundation ওয়েবসাইট।
ii) ৯ আগস্ট, ২০২৪, প্রথম আলো।
১৭.
সংসদীয় পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা কোন প্রকৃতির?
  1. জটিল
  2. নমনীয়
  3. স্বেচ্ছাচারী
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
সংসদীয় পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা:
- বাংলাদেশের সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় সরকার এবং মন্ত্রিসভার প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- তার নেতৃত্বেই সরকারের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হয়।
- এজন্যে তাকে 'সরকারের স্তম্ভ' হিসেবে অভিহিত করা।
- তিনি জাতীয় সংসদের নেতা।
- তার নেতৃত্বে জাতীয় সংসদে আইন প্রণীত হয় এবং তার পরামর্শেই রাষ্ট্রপতি সংসদ অধিবেশন আহবান, স্থগিত ও ভঙ্গ করে থাকেন।
- সংসদীয় সরকার আধুনিককালে জনপ্রিয় শাসন ব্যবস্থা।

⇒ এ সরকারের গুণাবলি:
১। দায়িত্বশীলতা:
- মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থায় মন্ত্রিপরিষদ আইনসভার নিকট দায়ী থাকে, ফলে সরকার দায়িত্বশীল হয়ে ওঠে।

২। নমনীয়তা:
- সংসদীয় সরকার নমনীয় প্রকৃতির।
- কেননা প্রয়ােজনবােধে যে কোন সময় সরকার মন্ত্রিসভার পরিবর্তন করতে পারে।

৩। প্রতিনিধিত্ব মূলক শাসন ব্যবস্থা:
- মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার জন প্রতিনিধিত্ব মূলক শাসন ব্যবস্থা।
- নিবার্চিত প্রতিনিধিদের দ্বারা এটি গঠিত হয়।
- জনমতের উপর ভিত্তি করে শাসন পরিচালনা করে।

৪। শাসন বিভাগ ও আইন বিভাগের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক:
- সংসদীয় সরকারের শাসন বিভাগ ও আইন বিভাগের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।
- মন্ত্রিসভা অতি সহজে আইন পরিষদে আইন পাস করে নিতে পারে।
- কেননা মন্ত্রিপরিষদের সদস্যগণ সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের সদস্য।

৫। সুষ্ঠু শাসন ব্যবস্থা:
- শাসন বিভাগ ও আইন বিভাগের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযােগিতা থাকায় এ সরকার ব্যবস্থা সুষ্ঠু শাসন প্রতিষ্ঠায় সক্ষম।

৬। স্বেচ্ছাচার বিরােধী:
- সংসদীয় শাসন ব্যবস্থায় মন্ত্রিসভার ক্ষমতায় টিকে থাকা না থাকা নির্ভর করে আইন সভার আস্থা ও অনাস্থার ওপর।
- মন্ত্রীগণ সংসদের আস্থা অর্জনের জন্য শাসন কার্য পরিচালনায় মনােযােগী হয়।
- ফলে স্বেচ্ছাচারী সরকার প্রতিষ্ঠার আশংঙ্কা দূর হয়।

উৎস: পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।