পরীক্ষা আর্কাইভ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes১৩ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১৪
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৫ টপিক: বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য শিল্প উৎপাদন, পণ্য আমদানী ও রপ্তানী, গার্মেন্টেস শিল্প, বৈদেশিক লেনদেন, অর্থ প্রেরণ, ব্যাংক ও বীমা ব্যবস্থাপনা এবং বাংলাদেশের সরকার আইন, শাসন ও বিচার বিভাগসমূহ, আইন প্রণয়ন ও নীতি নির্ধারণ [Live Class – 7 & 8]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয়েছিল -
  1. সিলেটের মালনীছড়া
  2. চট্টগ্রামের পাইওনিয়ার
  3. মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে
  4. চট্টগ্রামের নাসিরাবাদে
ব্যাখ্যা

চট্রগ্রামের পাইওনিয়ার বাগানে বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয়েছিল ১৮৪০ সালে । 

বাংলাদেশের চা শিল্প:
- বাংলাদেশের প্রথম বানিজ্যিক চা বাগান সিলেটের মালনীছড়া চা বাগান ।
- সিলেটের বিমানবন্দর সড়কের পাশে অবস্থিত এই চা বাগান ১৮৫৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় । 
- ১৮৫৭ সালে প্রথম বানিজ্যিকভাবে চায়ের চাষ শুরু হয় । 
- বাংলাদেশে বর্তমানে মোট  ১৬৮ টি চা বাগান আছে । 
- সর্বাধিক ৯২ টিচা বাগান রয়েছে মৌলভীবাজারে ।
- এছাড়াও, মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনিস্টিটিউট গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বানিজ্য মন্ত্রনালয়ের অধীনস্থ বাংলাদেশ চা বোর্ডের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান । 
- বাংলাদেশে চা চাষ এবং বিক্রয় সংক্রান্ত আইন প্রনয়ণ, চা চাষ নিয়ন্ত্রণ এবং উৎসাহিত করার লক্ষ্যে চট্রগ্রামের নাসিরাবাদে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ চা বোর্ড ।
- ১৯৫৭ সালে স্বায়ত্তশাসিত এই প্রতিষ্ঠানের প্রথম বাঙালি চেয়ারম্যান হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান । 

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট , জাতীয় তথ্য বাতায়ন ।

.
বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠিত হয় -
  1. ১৯৫৩ সালে
  2. ১৯৫৫ সালে
  3. ১৯৫৭ সালে
  4. ১৯৫৯ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক):
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫৭ সালে তৎকালীন যুক্তফ্রন্ট সরকারের শ্রম, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী থাকাকালীন বিলের মাধ্যমে ‘ইপসিক’ তথা বর্তমান ‘বিসিক’ প্রতিষ্ঠা করেন।
- তৎকালীন EPSIC-এর উত্তরসূরী বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন যা রাষ্ট্রপতির Order No. 156 (2nd Amendment) মাধ্যমে পাশ হয় ১৯৭২ সালে।
- বিসিক সরকারি সিদ্ধান্তের আলোকে উন্নয়নমুখী ও জনকল্যাণমুখী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে থাকে।
- ফলে বেসরকারি উদ্যোগে সারা দেশে নতুন নতুন শিল্প গড়ে উঠেছে এবং জাতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এছাড়াও,
বিসিকের প্রধান কার্যাবলী:
- মাঝারি, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প স্থাপনে বিনিয়োগপূর্ব ও বিনিয়োগোত্তর সেবা প্রদান;
- ঋণ ব্যবস্থাকরণ ও বিতরণে সহায়তাকরণ;
- স্থায়ী অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব শিল্পপার্ক ও শিল্পনগরী স্থাপন;
- যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন;
- মেলা, সেমিনার, কর্মশালা ও ক্রেতা-বিক্রেতার সম্মেলন আয়োজন;
- বৃহৎ শিল্পের খুচরা যন্ত্রপাতি উৎপাদনকারী সাব-কন্ট্রাকটিং ইউনিট তালিকাভুক্তিকরণ এবং বৃহৎ শিল্পের সাথে তালিকাভুক্ত ইউনিটের সাব-কন্ট্রাকটিং সংযোগ স্থাপন;
- উন্নত পদ্ধতি ও প্রযুক্তি নির্ভর লবণ উৎপাদনে লবণ চাষিদের উদ্বুদ্ধকরণ;

উৎস: বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
.
মাঠ পর্যায়ে প্রশাসনিক কাঠামোর সর্বনিম্ন স্তর-
  1. জেলা প্রশাসন
  2. বিভাগীয় প্রশাসন
  3. সচিবালয়
  4. উপজেলা প্রশাসন
ব্যাখ্যা
প্রশাসনিক কাঠামো:
- বাংলাদেশে মাঠ পর্যায়ে প্রশাসনিক কাঠামোর স্তর তিনটি। যথা- 
- বিভাগীয় প্রশাসন,
- জেলা প্রশাসন ও
- উপজেলা প্রশাসন।
• মাঠ পর্যায়ে প্রশাসনিক কাঠামোর সর্বোচ্চ স্তর - বিভাগীয় প্রশাসন‌।
• মাঠ পর্যায়ে প্রশাসনিক কাঠামোর সর্বনিম্ন স্তর উপজেলা প্রশাসন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।।
.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, একক পণ্য হিসেবে সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়?
  1. সুতা
  2. ভোজ্যতৈল
  3. তৈলবীজ
  4. তুলা
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে: 
- একক পণ্য হিসেবে সর্বোচ্চ আমদানি করা হয় তুলা।

• শিল্পজাত পণ্য হিসাবে সর্বোচ্চ আমদানি করা হয় পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী (৩২৭১মিলিয়ন মার্কিন ডলার),
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সার (২০৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার),
- তৃতীয় সর্বোচ্চ সুতা (২০৬৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)।

• প্রাথমিক পণ্য হিসাবে সর্বোচ্চ আমদানি করা হয় তুলা  (২,২৩৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার),
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গম (১১৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার),
- তৃতীয় সর্বোচ্চ তৈলবীজ (৭২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার),

• সর্বমোট আমদানি করা হয় - ৪৪,১০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

সূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
.
ঢাকা পৌরসভা কত সালে গঠিত হয়?
  1. ১৬০৮ সালে
  2. ১৮৪০ সালে
  3. ১৮৬৪ সালে
  4. ১৮৬৮ সালে
ব্যাখ্যা

১৮৬৪ সালে ঢাকা পৌরসভা গঠিত হয়।

ঢাকা পৌরসভা:
- বুড়িগঙ্গা নদীতীরে অবস্থিত প্রায় সাতশত বছরের প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী বন্দর নগরী ঢাকা।
- মোঘল সমাট্র জাহাঙ্গীরের আমলে ১৬০৮ সালে ঢাকায় রাজধানী স্থাপিত হলে বিশ্বব্যাপী এ নগরীর মর্যাদা ও গুরুত্ব বেড়ে যায়।
- ১৮৪০ সালে ‘ঢাকা কমিটি’ নামে একটি কমিটি গঠন করেন।
- ১৮৬৪ সালের ১লা আগষ্ট ঢাকা পৌরসভা স্থাপিত হয়।
- ‘ঢাকা মিউনিসিপ্যাল ইমপ্রুভমেন্ট অ্যাক্ট’ বলে আগস্ট মাসে গঠন করা হয় ‘ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কমিটি’।
- ১৮৬৪ সালের পূর্ব পর্যন্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পদাধিকার বলে মিউনিসিপ্যালিটির সভাপতি ছিলেন।
- ১৯৭৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ঢাকা নগরীকে ৫০টি ওয়ার্ডে বিভক্ত করে নির্বাচনের মাধ্যমে ঢাকা পৌরসভা গঠন করা হয়।
- ১৯৭৭ সালের ৩১ অক্টোবর কমিশনারদের মাধমে ঢাকা পৌরসভার প্রথম নির্বাচিত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত।
- ১৯৯০ সালে ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের নাম পরিবর্তন করে ঢাকা সিটি করপোরেশন নামকরণ করা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

.
মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে কার সুপারিশ আবশ্যক হয়?
  1. আইনমন্ত্রী
  2. স্পিকার
  3. এটর্নি জেনারেল
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে উপরের কারো সুপারিশ আবশ্যক নয়।

সুপ্রীম কোর্টের বিচারক নিয়োগ:
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৫ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী,
(১) প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হবেন এবং প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করে রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করবেন।
(২) কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক না হলে, এবং
(ক) সুপ্রীম কোর্টে অন্যূন দশ বৎসরকাল এ্যাডভোকেট না থাকলে; অথবা
(খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে অন্যূন দশ বৎসর কোনো বিচার বিভাগীয় পদে অধিষ্ঠান না করে থাঢ়লে; অথবা
(গ) সুপ্রীমকোর্টের বিচারক পদে নিয়োগলাভের জন্য আইনের দ্বারা নির্ধারিত যোগ্যতা না থাকলে; তিনি বিচারকপদে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৪ নং ধারা অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদেরকে নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পাদন করে থাকেন।
- বর্তমানে দেশের প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান।

⇒ রাষ্ট্রপতি:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগের ৪৮ (৩) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্ট্রপতি তাঁর অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করবেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
.
কোন দেশ থেকে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়?
  1. চীন
  2. ভারত
  3. জাপান
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান বিভাগের তথ্য মতে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আমদানি করেছে চীন থেকে।
- দেশের আমদানির ৭টি দেশভিত্তিক চিত্র নিম্নরূপ:



উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, জুলাই-ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ পর্যন্ত।

.
স্থানীয় সরকার এমেন্ডমেন্ট বিল অনুসারে কোন সিটি কর্পোরেশন বিলুপ্ত করা হয়?
  1. ঢাকা সিটি কর্পোরেশন
  2. গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন
  3. কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন
  4. রংপুর সিটি কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা
২০১১ সালের ২৯ নভেম্বর স্থানীয় সরকার সংশোধনী বিল ২০১১ অনুসারে সরকার পূর্ববর্তী ঢাকা সিটি কর্পোরেশনকে বিলুপ্ত ঘোষণা করে। এ আইন অনুযায়ী ৪ ডিসেম্বর ২০১১ থেকে ঢাকা সিটি করপোরেশনকে দুইটি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত করার ঘোষণা দেওয়া হয়। ২০১২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন যাত্রা শুরু করে।

ঢাকা সিটির ইতিহাস 
৪০০ বছর আগের ‘বায়ান্ন বাজার তিপ্পান্ন গলির’ আটপৌরে ঢাকা এখন মেগাসিটি। পরিণত হয়েছে বিশ্বের সপ্তম জনবহুল মহানগরীতে। ১৬১০ সালে মোঘল সুবেদার ইসলাম খাঁর হাত ধরে সুবা বাংলার রাজধানী হিসেবে ঢাকার যাত্রা শুরুর পর সুদীর্ঘ পথপরিক্রমায় ঢাকাকে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। সোনারগাঁও, বিক্রমপুরসহ বাংলা অঞ্চলের অনেক নগরীরই পতন হয়েছে, কিন্তু সগৌরবে টিকে আছে ঢাকা। 
- ১৮৬৪ সালের ১ আগস্ট ঢাকা পৌরসভা (মিউনিসিপ্যালিটি) প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- ১৮৮৫ সালে ঢাকা পৌরসভার প্রথম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন রায় বাহাদুর আনন্দ চন্দ্র রায়। 
- ১৯৭৭ সালে ঢাকা পৌরসভার প্রথম নির্বাচিত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত। 
- ১৯৯০ সালে  ঢাকা সিটি করপোরেশনে প্রতিষ্ঠিত হয়। ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত সিটি কর্পোরেশণের প্রথম মেয়র (মনোনীত) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- ১৯৯৪ সালে ভোটারদের প্রত্যক্ষ ভোটে ঢাকা সিটি করপোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র হন  মোহাম্মদ হানিফ । 

তথ্যসূত্র - ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ওয়েবসাইট ।
.
'ইউনিয়ন পরিষদ' সম্পর্কে কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয় ১১ জন সদস্য নিয়ে
  2. ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ ৫ বছর
  3. একটি ইউনিয়ন ৯টি ওয়ার্ডে বিভক্ত
  4. ইউনিয়ন পরিষদের সকল সদস্য সরাসরি ভোটে নির্বাচিত
ব্যাখ্যা
ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয় মোট ১৩ জন সদস্য নিয়ে।

স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা:

- গ্রাম অঞ্চলে তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- এ স্তরগুলো হল-
• জেলা পরিষদ।
• উপজেলা পরিষদ।
• ইউনিয়ন পরিষদ।

ইউনিয়ন পরিষদ:
- গ্রাম অঞ্চলে তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার মধ্যে সবচেয়ে নিচের ইউনিট ইউনিয়ন পরিষদ।
- একটি ইউনিয়ন ৯টি ওয়ার্ডে বিভক্ত।
- প্রত্যেক ওয়ার্ড থেকে এক জন করে ৯টি ওয়ার্ড থেকে ৯ জন সাধারণ সদস্য জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন।
- একজন নির্বাচিত চেয়ারম্যান, ৯ জন নির্বাচিত সাধারণ সদস্য ও তিন জন নির্বাচিত নারী সদস্য (সংরক্ষিত আসনে) রয়েছে।
- ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয় মোট ১৩ জন সদস্য নিয়ে।
- কার্যালয় পরিচালনার জন্য এক জন সচিব নিয়োগ করা হয়।
- ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ ৫ বছর, সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশের অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে চেয়ারম্যান ও অন্যান্য সদস্যদের অপসারণ করা যায়।
- ইউনিয়ন পরিষদের সকলেই সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে -
  1. নিট ওয়্যার
  2. হোম টেক্সটাইলস
  3. কৃষিজাত পণ্য
  4. পাট ও পাটজাত পণ্য
ব্যাখ্যা
পণ্যভিত্তিক রপ্তানি:
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে – ‘কৃষিজাত পণ্য’।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে – ‘হিমায়িত খাদ্য’।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত ‘তৈরি পোশাক’ ও ‘নীটওয়্যার’ ইত্যাদি কয়েক ধরনের রপ্তানি পণ্যের সমন্বয়ে গঠিত।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয় – ১৪,২৬৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।
- একক পণ্য হিসাবে নীটওয়্যার সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়, পরিমাণ – ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- রপ্তানিতে ‘প্রাথমিক পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার ২.৬৩% ।
- ‘শিল্পজাত পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার – ৯৭.৩৭%। 

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৪ ।
১১.
বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. স্পিকার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন সরকারপ্রধান বা প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী:
- বাংলাদেশের শাসন বিভাগের প্রধান প্রধানমন্ত্রী।
- সংসদীয় পদ্ধতির শাসনব্যবস্থা প্রবর্তিত থাকায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শাসন ক্ষমতার মধ্যমণি।
- তাঁকে কেন্দ্র করেই প্রজাতন্ত্রের সকল শাসন ও প্রশাসন পরিচালিত হয়।
- সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- তিনি শাসন সংক্রান্ত সকল সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও শাসনকার্য পরিচালনায় নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন।
- প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী অর্থমন্ত্রী বাজেট প্রণয়ন ও তা সংসদে পেশ করেন।
- তাঁর পরামর্শের আলোকে দেশের রাষ্ট্রপতি প্রশাসনিক ব্যয় নির্বাহে অর্থ মঞ্জুরী প্রদান করেন।

⇒ শাসন বিভাগ:
- শাসন বিভাগের প্রকৃত ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে প্রধানমন্ত্রীর হাতে।
- রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে রাষ্ট্রপতি দেশের প্রতিনিধিত্ব করবে; কিন্তু সকল ক্ষেত্রে তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ গ্রহণ করতে হয়।
- প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীপরিষদেরও প্রধান।
- মন্ত্রীপরিষদের সদস্যদের প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করেন।
- মন্ত্রীদের মধ্যে দায়দায়িত্ব বন্টন করেন প্রধানমন্ত্রী।
- সরকার প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী সরকার ব্যবস্থার প্রধান নীতিনির্ধারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তবে আইন বাস্তবায়নগত সকল ক্ষমতা শাসন বিভাগের এখতিয়ারে।
- বাংলাদেশের শাসন বিভাগ এর ব্যাপ্তি সমুন্নত রেখেছে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদ থেকে একেবারে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত।
- এ কারণে সরকারের এই বিভাগটির মাধ্যমেই রাষ্ট্রের সকল স্তরে আইন বাস্তবায়ন সম্ভব হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
বাংলাদেশে কয়টি রাষ্ট্রায়ত্ত জীবন বীমা প্রতিষ্ঠান রয়েছে ?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে  রাষ্ট্রায়ত্ত জীবন বীমা প্রতিষ্ঠান রয়েছে ১ টি । এটি হচ্ছে জীবন বীমা কর্পোরেশন । 

বাংলাদেশে বীমা প্রতিষ্ঠান
বর্তমান বাংলাদেশে দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত  বীমা প্রতিষ্ঠান রয়েছে ।
১. সাধারণ বীমা কর্পোরেশন । 
২. জীবন বীমা কর্পোরেশন । 

এই দুটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ অর্থ মন্ত্রনালয়ের অধীনে ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় । 
এছাড়াও, বাংলাদেশের বাজারে বর্তমানে ৪৬টি সাধারণ বীমা কোম্পানি ও ৩৫ টি জীবন বীমা কোম্পানি রয়েছে।  

বাংলাদেশ সরকার সরকারি বা বেসরকারি সব ধরণের বীমা প্রতিষ্ঠান এর তত্ত্বাবধান এবং নিয়ন্ত্রনের উদ্দেশ্যে বীমা আইন ২০১০ প্রণয়ন করেন। এই আইনের অধীনে ২০১১ সালে  Insurance Development and Regulatory Authority (IDRA) বা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠিত হয় । 

তথ্যসূত্র - বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ, সাধারণ বীমা কর্পোরেশন, জীবন বীমা কর্পোরেশন  ওয়েবসাইট ।
১৩.
বাংলাদেশের কোন বিদ্যুৎ কেন্দ্রে আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে?
  1. মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র
  2. খুরুশকুল বিদ্যুৎ কেন্দ্র
  3. কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র
  4. পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

দ্বৈত উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।


- বাংলাদেশে পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ও মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র আলট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে । পরিবেশ রক্ষায় যে বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কয়লাভিত্তিক প্রকল্প বা প্ল্যান্টের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনা হয়, তাকে বলা হয় আলট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি। ফলে বাতাসের মাধ্যমে খোলা কয়লার গুঁড়ো ছড়িয়ে পড়ার সুযোগ কমে যাবে এবং পরিবেশ দুষণের সম্ভাবনাও থাকবে না। 
পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র 
- দেশের বৃহত্তম কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র ।
- অবস্থান-পায়রা, পটুয়াখালী ।
-চীনের সহায়তায় নির্মিত ।
- উৎপাদন ক্ষমতা দৈনিক ১৩২০ মেগাওয়াট ।
- ২১ মার্চ, ২০২২ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এটি উদ্ভোদন করেন ।
- আলট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি ব্যাবহার করা হয়েছে ।

অন্যদিকে,
- রাঙ্কামাটি জেলার কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র দেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র ।
- কক্সবাজারের খুরুশকুল বিদ্যুৎ কেন্দ্র দেশের বৃহত্তম বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র । 

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া, ২১ মার্চ ২০২২ বিবিসি নিউজ বাংলা ।

১৪.
বাংলাদেশের সবুজ কারখানার সংখ্যা কতটি?
  1. ১৯০টি
  2. ১৯৮টি
  3. ২১৮ টি
  4. ২২১টি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে লিড সনদপ্রাপ্ত মোট সবুজ কারখানার সংখ্যা  ২১৮ টি  (১ জুন, ২০২৪) । 
- যুক্তরাষ্ট্রের ‘ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল’ (USGBC) এই সনদ দেয়।
- শিল্পকারখানার ভবন নির্মাণ থেকে পণ্য উৎপাদন পর্যন্ত সব পর্যায়ে পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়টি ভালোভাবে বিশ্লেষণ করে সর্বোচ্চ মানের কারখানাকে এই সনদ দেয় তারা।
- এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ রেটপ্রাপ্ত ১০০ লিড কারখানার মধ্যে ৫৪টিই রয়েছে বাংলাদেশে। 

- বর্তমানে  তৈরি পোশাক শিল্প বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানিমুখী শিল্পখাত।
- ডব্লিউটিও'র বর্তমান বৈশ্বিক হিসেবে মোট পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের দখলে ৬.৪ শতাংশ।
- দেশে বর্তমানে রপ্তানিমুখী ৪,১১৪টি তৈরি পোশাক কারখানা রয়েছে। 

তথ্যসূত্র - বিজিএমইএ ওয়েবসাইট ও ইত্তেফাক পত্রিকা রিপোর্ট।[লিঙ্ক]