পরীক্ষা আর্কাইভ

খাদ্য অধিদপ্তর নিয়োগ প্রস্তুতি

পরীক্ষাখাদ্য অধিদপ্তর নিয়োগ প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন২২
সিলেবাস
পরীক্ষা – ০৫ বিষয়: সাধারণ জ্ঞান টপিক: আন্তর্জাতিক অংশ বিশ্ব ভৌগোলিক পরিচিতি, মহাদেশ ও গুরুত্বপূর্ণ দেশ সম্পর্কিত তথ্য, নদ-নদী, সাগর-মহাসাগর, দ্বীপ, প্রণালী ইত্যাদি। বাংলাদেশ অংশ বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ও ভূপ্রকৃতি (পাহাড়, নদী, সাগর ইত্যাদি), জলবায়ু ও পরিবেশ, বাংলাদেশের অর্থনীতি, সম্পদ (বন, কৃষি, শিল্প, পানি), পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা, বাংলাদেশের সমাজজীবন, সমস্যা, জনমিতিক পরিচয়।।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

খাদ্য অধিদপ্তর নিয়োগ প্রস্তুতি

খাদ্য অধিদপ্তর নিয়োগ প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২২ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশের কোন দ্বীপে টারশিয়ারি যুগের পাহাড় রয়েছে?
  1. মহেশখালী
  2. মনপুরা
  3. নিঝুম দ্বীপ
  4. দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ
সঠিক উত্তর:
মহেশখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহেশখালী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের একমাত্র পার্বত্য দ্বীপ মহেশখালীতে টারশিয়ারি যুগের পাহাড় রয়েছে।

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:

- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশের মোট ভূমির ১২ শতাংশ এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- এ যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।

⇒ টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা:
• ক. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের এ পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার।

• খ. উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর- পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলো এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। এখানকার পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ২৪৪ মিটারের বেশি নয়। উত্তরের পাহাড়গুলো স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত। এগুলোর উচ্চতা ৩০ থেকে ৯০ মিটার।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
.
কাস্পিয়ান সাগরের উপকূলবর্তী দেশগুলির মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. আজারবাইজান
  2. তুরস্ক
  3. ইরান
  4. রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
ব্যাখ্যা
তুরস্ক কাস্পিয়ান সাগরের উপকূলবর্তী দেশগুলির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়।

কাস্পিয়ান সাগর:

- কাস্পিয়ান সাগর (Caspian Sea) হলো পৃথিবীর সবচেয়ে বড় আন্তঃমহাদেশীয় হ্রদ।
- এটি সাগরের মতো দেখতে হলেও এটি প্রকৃতপক্ষে একটি হ্রদ।
- এটি এশিয়া এবং ইউরোপের মাঝে অবস্থিত।
- আয়তনে পৃথিবীর বৃহত্তম লবণাক্ত পানির হ্রদ।
- কাস্পিয়ান সাগরের আয়তন ৩,৮৬,৪০০ বর্গ কিলোমিটার।
- প্রধান নদী: ভলগা, ইউরাল, কুরা ও তেরেক নদী এতে পানি সরবরাহ করে।

⇒ এটি পাঁচটি দেশের সীমান্তে অবস্থিত: রাশিয়া, কাজাখস্তান, আজারবাইজান, ইরান এবং তুর্কমেনিস্তান।
- এটি এশিয়া-ইউরোপের মাঝে, ককেসাস পর্বতমালার পূর্বে এবং স্তেপ ও মধ্য এশিয়ার পশ্চিমে অবস্থিত।

উৎস: World Atlas. [link]
.
প্রাথমিক মজুদের পরিমাণের হিসাবে কোনটি বাংলাদেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র? [অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪]
  1. বিবিয়ানা
  2. বাখরাবাদ
  3. হরিপুর
  4. তিতাস
সঠিক উত্তর:
বিবিয়ানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবিয়ানা
ব্যাখ্যা
গ্যাসক্ষেত্র:
- উত্তোলনযোগ্য, প্রমাণিত ও সম্ভাব্য (2P) গ্যাসের মজুদের পরিমাণের হিসাবে দেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র তিতাস। এর উত্তোলনের পরিমাণ ৬৩৬৭ বিলিয়ন ঘনফুট। এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় অবস্থিত।
- দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র বিবিয়ানা। এর উত্তোলনের পরিমাণ ৫৮১৮.৩ বিলিয়ন ঘনফুট। এটি হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।

⇒ প্রাথমিক মজুদের পরিমাণের হিসাবে বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র বিবিয়ানা। প্রাথমিক মোট মজুদ পরিমাণ – ৮৩৫০.০ বিলিয়ন ঘনফুট। এটি হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
- দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র তিতাস। এর পরিমাণ ৮১৪৮.৯ বিলিয়ন ঘনফুট।

⇒ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের হিসাব মতে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রাকৃতিক গ্যাস সর্বোচ্চ ব্যবহারের কয়েকটি খাত হচ্ছে –
- বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার – ৩৮৯.৪ বিলিয়ন ঘনফুট (৪২.০০%)। [ব্যবহারের দিক থেকে এই খাতে সবচেয়ে বেশি গ্যাস ব্যবহৃত হয়।]
- শিল্পখাতে ব্যবহার – ১৭৮.৮ বিলিয়ন ঘনফুট (১৯.০০%) [দ্বিতীয়]
- ক্যাপটিভ – ১৬৪.৩ বিলিয়ন ঘনফুট (১৮%) [তৃতীয়]
- গৃহস্থালির কাজে ব্যবহার – ১০০.৬ বিলিয়ন ঘনফুট। (১১.০০%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
.
নীলনদ কোন সাগরে পতিত হয়েছে?
  1. আরব সাগর
  2. ভূমধ্যসাগর
  3. লোহিত সাগর
  4. কৃষ্ণ সাগর
সঠিক উত্তর:
ভূমধ্যসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমধ্যসাগর
ব্যাখ্যা
নীল নদ:
- নীল নদ পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী।
- এটি আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- নীল নামটি গ্রীক নিলোস থেকে এসেছে, যার অর্থ একটি উপত্যকা বা নদী উপত্যকা।
- নীল নদের উৎস লেক ভিক্টোরিয়া (আফ্রিকা)।

উল্লেখ্য,
- নীল নদের দৈর্ঘ্য ৬৮০০ কি.মি (৪,১৩৫ মাইল)।
- বিভিন্ন দেশ হয়ে ভূমধ্যসাগরে নীল নদ পতিত হয়।
- নীলনদ ১১টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। নীল নদের অববাহিকা মিশর, সুদান, দক্ষিণ সুদান, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, কেনিয়া, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, বুরুন্ডি, রুয়ান্ডা, উগান্ডা এবং তানজানিয়া জুড়ে বিস্তৃত।
- এর সবচেয়ে দূরবর্তী উৎস বুরুন্ডির কাগেরা নদী।
- নীল নদ তিনটি প্রধান স্রোত দ্বারা গঠিত।
- নীল নীল এবং আতবারা যা ইথিওপিয়ার উচ্চভূমি থেকে প্রবাহিত হয় এবং সাদা নীল যার প্রধান স্রোত ভিক্টোরিয়া এবং আলবার্ট হ্রদে প্রবাহিত হয়।

উৎস: Worldatlas.
.
সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা কোথায় অবস্থিত?
  1. মাটিরাঙ্গা, খাগড়াছড়ি
  2. রুমা, বান্দরবান
  3. জাফলং, সিলেট
  4. মিরসরাই, চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
জাফলং, সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাফলং, সিলেট
ব্যাখ্যা
সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা:
- সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা সিলেটের জাফলং-এ অবস্থিত।
- এটি জাফলং জিরো পয়েন্ট থেকে ১ কিমি পশ্চিমে, খাসিয়া-জৈন্তা পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত। 
- এর স্থানীয় নাম মায়াবী ঝর্ণা।
- এই অবিরাম ধারার মোট তিনটি ধাপ রয়েছে, যার মধ্যে তৃতীয় ধাপে এমন একটি সুড়ঙ্গ রয়েছে যার অন্য প্রান্ত এখন পর্যন্ত জানা সম্ভব হয়নি।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) প্রথম আলো।
.
কিলিমাঞ্জারো আগ্নেয় পর্বত কোন দেশে অবস্থিত?
  1. রাশিয়া
  2. জার্মানি
  3. দক্ষিণ আফ্রিকা
  4. তানজানিয়া
সঠিক উত্তর:
তানজানিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তানজানিয়া
ব্যাখ্যা
কিলিমাঞ্জারো পর্বত:
- কিলিমাঞ্জারো আগ্নেয় পর্বত তানজানিয়াতে অবস্থিত।
- এটি উত্তর-পূর্ব তানজানিয়াতে কেনিয়ার সাথে সীমান্তে অবস্থিত।
- এটি একটি মৃত আগ্নেয়গিরি।
- এটি আফ্রিকার সবচেয়ে উঁচু পর্বত।
- মাউন্ট কিলিমাঞ্জারোর উচ্চতা প্রায় ৫,৮৯৫ মিটার (১৯,৩৪০ ফুট)।

উল্লেখ্য,
- কিলিমাঞ্জারো তিনটি শৃঙ্গ দ্বারা গঠিত: কিবো, মাওয়েঞ্জি এবং শিরা।
- উচ্চতর শৃঙ্গটির নাম কিবো। কিবোর জ্বালামুখ সর্বদাই বরফে আবৃত থাকে।

⇒ আগ্নেয় পর্বত (Volcanic Mountain):
- ভূ-অভ্যন্তরস্থ ক্রিয়াকলাপের জন্য ম্যাগমা লাভা হিসাবে উদগিরিত হয়ে চারদিকে সঞ্চিত হয়।
- পরবর্তীতে জমে ঠান্ডা হয়ে যে শিলাস্তূপের সৃষ্টি করে তাকে আগ্নেয় পর্বত বলে।
- লাভার প্রকৃতির ওপর আগ্নেয় পর্বতের বিস্তৃতি ও আকৃতি নির্ভর করে।
- আগ্নেয় পর্বতের উৎপত্তি কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভূ-আলোড়নের জন্য ভূ-ত্বকের দুর্বল অংশের ফাটলের মধ্য দিয়ে ভূ-গর্ভস্থ উত্তপ্ত লাভা, নানা প্রকার গ্যাস ও বাষ্প, ছাই, ধাতু ইত্যাদি প্রবল বেগে বেরিয়ে আসে।
- এই উত্তপ্ত লাভা ফাটলের চতুর্দিকে সঞ্চিত হতে হতে উঁচু পর্বতের সৃষ্টি করে।
- যেমন- জাপানের ফুজিয়ামা, হাওয়াই দ্বীপের মওনালোয়া, ইতালির ভিসুভিয়াস, আফ্রিকার কিলিমানজারো ইত্যাদি।

উৎস: i) Britannica.
ii) ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সাধারণত কোন মাসে আউশ ধান রোপণ করা হয়?
  1. জুলাই-আগস্ট
  2. মে-জুন
  3. মার্চ-এপ্রিল
  4. সেপ্টেম্বর-অক্টোবর
সঠিক উত্তর:
মার্চ-এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মার্চ-এপ্রিল
ব্যাখ্যা
আউশ ধান:
- বাংলাদেশে ধান উৎপাদনের তিনটি মৌসুমের মধ্যে আউশ অন্যতম।
- আউশ ধান খরিফ-১ মৌসুমের ফসল।
- আউশ ধান বর্ষা মৌসুমে আবাদ করা হয়।
- ফলে আউশ ধান চাষের পানি সেচের প্রয়োজন হয় না।
- বৈশাখ-জ্যেষ্ঠ মাসে আউশ ধানের চারা রোপণ করা হয়।
- শ্রাবণ-ভাদ্র মাসে আউশ ধান কাটা হয়।

উল্লেখ্য,
- আউশ ধান রোপনের সময়: মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল,
- আউশ ধান উত্তোলনের সময়: মধ্য জুলাই – মধ্য আগস্ট।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
.
‘বেন নেভিস’ হলো যুক্তরাজ্যের -
  1. পর্বত
  2. মালভূমি
  3. সমভূমি
  4. জলপ্রপাত
সঠিক উত্তর:
পর্বত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্বত
ব্যাখ্যা
‘বেন নেভিস’ পর্বতের নাম বোঝায়।

বেন নেভিস:

- যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ হল বেন নেভিস।
- এর উচ্চতা প্রায় ১,৩৪৫ মিটার (৪,৪১৩ ফুট)।
- বেন নেভিস স্কটিশ হাইল্যান্ডসের লোচাবার এলাকায় অবস্থিত, ফোর্ট উইলিয়াম শহরের কাছে।
- যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গটি গ্র্যাম্পিয়ান পর্বতমালার অংশ।

উল্লেখ্য,
- বেন নেভিসসহ যুক্তরাজ্যে ২০০ টিরও বেশি পর্বত রয়েছে যার বেশিরভাগই স্কটল্যান্ডে।
- প্রকৃতপক্ষে, যুক্তরাজ্যের ২০০টি সর্বোচ্চ পর্বতের মধ্যে ১৯২টি স্কটল্যান্ডে পাওয়া যায়।

উৎস: i) Britannica.
ii) Global Adventure Challenges.
.
স্ক্যান্ডিনেভিয় দেশ নয় কোনটি?
  1. ডেনমার্ক
  2. লিথুয়ানিয়া
  3. সুইডেন
  4. নরওয়ে
সঠিক উত্তর:
লিথুয়ানিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিথুয়ানিয়া
ব্যাখ্যা
স্ক্যান্ডিনেভিয়া:
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া ঐতিহাসিকভাবে স্ক্যান্ডিয়া, উত্তর ইউরোপের অংশ।
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া হলো ইউরোপের উত্তরে অবস্থিত একটি ভৌগোলিক অঞ্চল।
- স্ক্যান্ডেনেভিয়ান রাষ্ট্র মূলত ৩টি।
- যথা: নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্ক।
- দেশ তিনটি ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত দিক থেকে পরস্পরের সাথে সম্পর্কিত।

⇒ তবে ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড এবং ফারো আইল্যান্ডকেও অনেক ক্ষেত্রে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান রাষ্ট্র হিসেব গণ্য করা হয়।

অন্যদিকে,
⇒ নর্ডিক অঞ্চল বলতে স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশ + ফিনল্যান্ড + আইসল্যান্ডকে বুঝায়।
- স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশগুলো আসলে নর্ডিক অঞ্চলের মধ্যে পরে।

• নর্ডিক অঞ্চলভূক্ত দেশ ৫টি।
- যথা: আইসল্যান্ড, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড।
- আয়তনে বৃহত্তম নর্ডিক রাষ্ট্র হলো সুইডেন।

অন্যদিকে,
- এস্তোনিয়া, লাটভিয়া এবং লিথুয়ানিয়া বাল্টিক রাষ্ট্র।

উৎস: i) Worldatlas.
ii) Britannica.
১০.
জুম চাষ পদ্ধতি বাংলাদেশের কোন জেলায় দেখা যায়?
  1. রাজশাহী
  2. রাঙামাটি
  3. সাতক্ষীরা
  4. বগুড়া
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
ব্যাখ্যা
জুম চাষ:
- জুমচাষ (Shifting cultivation) পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠীদের মধ্যে অতি পরিচিত একটি পাহাড়ী মিশ্র কৃষি চাষ পদ্ধতি।
- এক্ষেত্রে সাধারণত পাহাড়ের গায়ে কিছু স্থানে চাষ করার পর কয়েক বছর সেই স্থানের উর্বরতা বৃদ্ধির জন্য রেখে দিয়ে আবার পাহাড়ের অন্য স্থানে গিয়ে চাষ করা হয়।
- জুম চাষিদের জুমিয়া বলা হয়।
- জুম চাষ পার্বত্য অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের জীবন-জীবিকার প্রধান অবলম্বন।
- বর্তমানে প্রতিবছর প্রায় ২০ হাজার হেক্টর ভূমি এই পদ্ধতিতে চাষাবাদ করা হয়।
- সাধারণভাবে জন্মানো প্রধান ফসলের মধ্যে রয়েছে ধান, ভুট্টা, কাউন, তিল, শসা, মিষ্টিকুমড়া, তরমুজ, বরবটি, তুলা, কলা, আদা, হলুদ প্রভৃতি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের তিন পার্বত্য জেলায় (রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান) জুম চাষ হয়।
- জুম চাষের বিকল্প পদ্ধতি হচ্ছে সল্ট।

উৎস: i) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) কালের কন্ঠ।
১১.
'বোগোতা' কোন দেশের রাজধানী?
  1. ইকুয়েডর
  2. ভেনেজুয়েলা
  3. পেরু
  4. কলম্বিয়া
সঠিক উত্তর:
কলম্বিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলম্বিয়া
ব্যাখ্যা
কলম্বিয়া:
- এটি দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের একটি দেশ।
- এর পূর্বে ভেনেজুয়েলা ও ব্রাজিল, দক্ষিণে ইকুয়েডর ও পেরু এবং উত্তর-পশ্চিমে পানামা অবস্থিত। 
- রাজধানী: বোগোতা।
- ভাষা: স্পেনীয় (প্রাতিষ্ঠানিক)। 
- মুদ্রা: কলম্বিয়ান পেসো।

অন্যদিকে,
- পেরুর রাজধানী লিমা। 
- ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাস।
- ইকুয়েডর-এর রাজধানী কুইটো।

উৎস: Britannica.
১২.
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় কী নামে পরিচিত?
  1. পেন্টাগন
  2. ওভাল অফিস
  3. ক্যাবিনেট রুম
  4. ক্যাপিটেল হিল
সঠিক উত্তর:
ওভাল অফিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওভাল অফিস
ব্যাখ্যা
ওভাল অফিস:
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় ওভাল অফিস নামে পরিচিত।

⇒ যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি শহরের ১৬০০পেনসিলভানিয়া অ্যাভিনিউতে হোয়াইট হাউস অবস্থিত।
- পুরো ভবনটি মূলত তিনটি আলাদা ভাগে বিভক্ত—ওয়েস্ট উইং, ইস্ট উইং ও এক্সিকিউটিভ রেসিডেন্স। ভবনের মোট আয়তন প্রায় ৫৫ হাজার বর্গফুট।

⇒ ওভাল অফিসটি বর্তমানে প্রেসিডেন্টের প্রধান দপ্তর।
- ডিম্বাকৃতির এই কক্ষের জানালাগুলো বুলেটপ্রুফ কাঁচ দিয়ে তৈরি।
- কক্ষটির অন্দরসজ্জা ও আসবাব প্রেসিডেন্টের পছন্দ অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয়।

⇒ কেবিনেট রুমে প্রেসিডেন্ট তাঁর মন্ত্রীসভার সঙ্গে বৈঠক করেন। হোয়াইট হাউসের রীতি অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট সব সময় টেবিলের মাঝখানে বসেন।

অন্যদিকে,
- পেন্টাগন হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের সদর দপ্তর ভবন। 

উৎস: Britannica.
১৩.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী জনসংখ্যার দিক দিয়ে দেশের বৃহত্তম নৃগোষ্ঠী কোনটি?
  1. চাকমা
  2. মারমা
  3. ত্রিপুরা
  4. গারো
সঠিক উত্তর:
চাকমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাকমা
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী:
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, বাংলাদেশে ‘ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর’ সংখ্যা ৫০টি।

⇒ ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা ১৬,৫০,৪৭৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৪৯.৯৮% ও নারী ৫০.০২%।

⇒ জনসংখ্যার দিক দিয়ে -
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হলো চাকমা।
- দ্বিতীয় অবস্থানে আছে মারমা।
- তৃতীয় অবস্থানে আছে ত্রিপুরা।

উৎস: i) জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
ii) প্রথম আলো।
১৪.
বাংলাদেশে বর্তমানে মোট জনসংখ্যার কত শতাংশ শহর বা নগর এলাকায় বাস করে? [জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২]
  1. প্রায় ৩২ শতাংশ
  2. প্রায় ৩৬ শতাংশ
  3. প্রায় ৩৮ শতাংশ
  4. প্রায় ৪২ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৩২ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৩২ শতাংশ
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: নভেম্বর, ২০২৩।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।

উল্লেখ্য,
- মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ (৩১.৬৬%) নাগরিক এখন শহরে বাস করে; দুই-তৃতীয়াংশ (৬৮.৩৪%) গ্রামে বাস করে।

• সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকা বিভাগে।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।

• ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে জনসংখ্যা সর্বোচ্চ ৫৯,৯০,৭২৩ জন।
- বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে জনসংখ্যা সর্বনিম্ন ৪,১৯,৪৮৪ জন।

• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন সর্বাধিক ঘনবসতিপূর্ণ।
- রংপুর সিটি কর্পোরেশন সর্বনিম্ন ঘনবসতিপূর্ণ।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট।
১৫.
কোন নদীর উপর কালুরঘাট সেতু নির্মাণ হবে?
  1. সাঙ্গু
  2. মাতামুহুরী
  3. হালদা
  4. কর্ণফুলী
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলী
ব্যাখ্যা
কালুরঘাট সেতু:
- চট্টগ্রামের কালুরঘাটে কর্ণফুলী নদীর ওপর কালুরঘাট সেতু নির্মাণ হবে।

⇒ কর্ণফুলী নদীর ওপর বিদ্যমান রেল সেতুর ৭০ মিটার উজানে নতুন সেতু নির্মিত হবে। দুই পাশে দুই লেন করে চার লেনের সেতু তৈরি হবে। এক পাশে চলবে ট্রেন, অপর পাশে বাস-ট্রাকসহ সাধারণ যানবাহন চলবে। দুই প্রান্তে নির্মাণ করা হবে ৬.২ কিলোমিটার রেলপথ (ভায়াডাক্ট)। রেলপথের জন্য নির্মাণ হবে ৪.৫৪ কিলোমিটার বাঁধ। সড়ক পথ নির্মাণ করা হবে ২.৪ কিলোমিটার। মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৭০০ মিটার। পানি থেকে সেতুর উচ্চতা ১২ দশমিক ২ মিটার। ভায়াডাক্টসহ সেতুর দৈর্ঘ্য হবে প্রায় ৬ কিলোমিটার।

⇒ প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস গত ১৪ মে, ২০২৫ তারিখে কালুরঘাট রেল কাম সড়ক সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন।
- কালুরঘাটে কর্ণফুলী নদীর ওপর ‘রেল কাম রোড সেতু’র দৈর্ঘ্য হবে ৭০০ মিটার।
- এই সেতু নির্মাণে ব্যয় হবে ১১ হাজার ৫৬০ কোটি টাকা।
- ২০২৪ সালের ৭ অক্টোবর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় কালুরঘাটে কর্ণফুলী নদীর ওপর রেল কাম রোড সেতু নির্মাণ প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়।
- প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে।
- ২০২৬ সালের শুরুর দিকে নতুন সেতুর কাজ শুরু হয়ে ২০৩০ সালে সেতু দিয়ে যান চলাচল শুরুর কথা আছে।
- প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য গত ফেব্রুয়ারি মাসে প্রকৌশলী আবুল কালাম চৌধুরীকে প্রকল্প পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। 
- সেতু নির্মাণের জন্য দক্ষিণ কোরিয়ার কাছ থেকে সহজ শর্তে ৮১ কোটি ৪৯ লাখ ১০ হাজার ডলার ঋণ পাচ্ছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়ার ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন ফান্ড (ইডিসিএফ) থেকে ৭২ কোটি ৪৭ লাখ ৩০ হাজার ডলার এবং ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট প্রমোশন ফ্যাসিলিটি (ইডিপিএস) তহবিল থেকে নয় কোটি এক লাখ ৮০ হাজার ডলার দেওয়া হবে।

উৎস: i) দ্য ডেইলি স্টার বাংলা। 
ii) বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
১৬.
সিলিকন ভ্যালি কোন দেশে অবস্থিত?
  1. জার্মানি
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. দক্ষিণ আফ্রিকা
  4. ইরান
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
সিলিকন ভ্যালি:
- সিলিকন ভ্যালি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বা প্রযুক্তিপণ্য তৈরিতে ব্যবহৃত একটি জরুরি উপাদান সিলিকন।
- এই সিলিকন থেকেই সারাবিশ্বের প্রযুক্তির রাজধানী সিলিকন ভ্যালির নামকরণ করা হয়েছে।
- আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত সিলিকন ভ্যালিতে আছে প্রায় কয়েক হাজার প্রযুক্তি-প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়।
- ফেসবুক, গুগল ও অ্যাপলের মতো প্রযুক্তি দানবের সদরদপ্তরও এই সিলিকন ভ্যালিতে।
- বর্তমান প্রযুক্তি বিশ্বের সিংহভাগ নিয়ন্ত্রণ করা হয় সরাসরি সিলিকন ভ্যালি থেকে।

⇒ ১৯৩৯ সালে আমেস রিসার্চ সেন্টার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির আবাসভূমি হিসেবে অধিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালে সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে সাংবাদিক ডন হফলার তিন পর্বের একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেন, যার শিরোনাম ছিল ‘সিলিকন ভ্যালি ইউএসএ’।
- পরবর্তী সময়ে এই নামেই পরিচিত হয় বিশ্বব্যাপী তথ্যপ্রযুক্তির স্বর্গ হিসেবে। 

উৎস: Britannica. [link]
১৭.
বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান খাত কোনটি? [জুলাই, ২০২৫]
  1. খনিজ সম্পদ
  2. শিল্প
  3. সেবা
  4. কৃষি
সঠিক উত্তর:
সেবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেবা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান খাত হল সেবা খাত (Service Sector)। যদিও কৃষি অতীতে প্রধান খাত ছিল, বর্তমানে সেবা খাত দেশের জিডিপিতে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখছে। 

খাতভিত্তিক GDP প্রবৃদ্ধি:
- কৃষি খাতের অবদান ১১.৬২ শতাংশ।
- শিল্প খাতের অবদান ৩৪.৮১ শতাংশ।
- সেবা খাতের অবদান ৫৩.৫৬ শতাংশ।

⇒ ইতঃপূর্বে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জিডিপি'র চূড়ান্ত হিসাব প্রাক্কলন ও প্রকাশ করা হয়েছিলো।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব প্রাক্কলন করা হয়েছে।
- সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৩.৯৭% [উল্লেখ্য, চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৪.২২%]।
- মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।

⇒ সর্বশেষ (মে, ২০২৫) ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব অনুসারে -
- কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ১.৭৯%।
- শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ৪.৩৪।
- সেবা খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ৪.৫১%।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট। [link]
১৮.
কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীতে মাতৃতান্ত্রিক পরিবার ব্যবস্থা বিদ্যমান?
  1. সাঁওতাল ও মণিপুরী
  2. ত্রিপুরা ও রাখাইন
  3. গারো ও খাসিয়া
  4. রাখাইন ও খাসিয়া
সঠিক উত্তর:
গারো ও খাসিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গারো ও খাসিয়া
ব্যাখ্যা
মাতৃতান্ত্রিক পরিবার ব্যবস্থা:
- মাতৃতান্ত্রিক সমাজ হচ্ছে সেসব পরিবার বা জনগোষ্ঠী, যাদের পরিবারের দায়িত্ব থাকে একজন নারীর ওপর এবং বংশের ধারাও নির্ধারিত হয় নারীর দিক থেকে।
- মায়ের পরিবার থেকেই উত্তরাধিকার ও বংশ-পদবি নির্ধারিত হয়। 
- বাংলাদেশ ও উত্তর-পূর্ব ভারতের খাসিয়া ও গারো নৃগোষ্ঠী মাতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা অনুসরণ করে।

অন্যদিকে,
- ত্রিপুরাদের পিতৃতান্ত্রিক পরিবার ব্যবস্থায় পিতাই পরিবারের প্রধান।
- সাঁওতালদের মধ্যে পিতৃতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রচলিত। পিতাই পরিবারের প্রধান।
- মণিপুরিদের মধ্যে পিতৃতান্ত্রিক এবং পিতৃসূত্রীয় পরিবার ব্যবস্থা প্রচলিত। 
- রাখাইনদের পরিবারব্যবস্থা পিতৃতান্ত্রিক।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৯.
পরিবার কোন ধরনের প্রতিষ্ঠান?
  1. রাজনৈতিক
  2. সামাজিক
  3. সাংস্কৃতিক
  4. ব্যক্তিগত
সঠিক উত্তর:
সামাজিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামাজিক
ব্যাখ্যা
পরিবার:
- সমাজের মৌলিক ও ক্ষুদ্রতম মৌলিক প্রতিষ্ঠান হলো পরিবার।
- পরিবার সমাজ কাঠামোর মৌল অঙ্গ সংগঠন।
- এই পরিবার মানব সৃষ্টির উষালগ্ন থেকেই সমাজে বিদ্যমান।
- তাই এর সাথে মানুষের নিবিড় সম্পর্ক ও যোগাযোগ রয়েছে।
- পরিবারের সাথেই মানুষের আন্তরিক এবং অনেকটা অকৃত্রিম সামাজিক মিথস্ক্রিয়া অনুষ্ঠিত হয়।
- তাই পরিবার একটি সার্বজনীন সামাজিক প্রতিষ্ঠান।

⇒ সাধারণত পরিবারের অন্যতম বৈশিষ্ট্যগুলো হচ্ছে বিশ্বজনীনতা আবেগপূর্ণতা সদস্যদের দায়িত্বশীলতা, স্থায়ীত্ব।
- পরিবারের কর্তৃত্বানুযায়ী পিতৃতান্ত্রিক পরিবার ও মাতৃতান্ত্রিক পরিবার, বংশানুক্রমিক অনুযায়ী : মাতৃবংশানুক্রমিক পরিবার ও পিতৃবংশানুক্রমিক পরিবার এবং পরিবারের আকার অনুযায়ী ও আধুনিককালে অনুপরিবার, যৌথ পরিবার ও বর্ধিত পরিবার শ্রেণী ভাগ করা হয়ে থাকে।
- মূলতঃ পরিবার যে সব কার্যাবলী সম্পাদন করে থাকে তা হচ্ছে জৈবিক কার্যাবলী, সন্তান জন্মদান ও লালন পালন, অর্থনৈতিক, দৈহিক ও মানসিক পরিতৃপ্তি, নিরাপত্তামূলক, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক কার্যাবলী।

উৎস: সমাজকল্যাণ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০.
আটলান্টিক মহাসাগর কোন মহাদেশগুলোর মধ্যে অবস্থিত?
  1. অস্ট্রেলিয়া এবং আমেরিকা
  2. আফ্রিকা এবং এশিয়া
  3. এশিয়া এবং অস্ট্রেলিয়া
  4. আমেরিকা, ইউরোপ এবং আফ্রিকা
সঠিক উত্তর:
আমেরিকা, ইউরোপ এবং আফ্রিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমেরিকা, ইউরোপ এবং আফ্রিকা
ব্যাখ্যা
আটলান্টিক মহাসাগর (Atlantic Ocean):
- এটি পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগর।
- পৃথিবীর পৃষ্ঠের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ জুড়ে এটি অবস্থিত।
- আয়তনের দিক থেকে আটলান্টিক মহাসাগরের স্থান দ্বিতীয় এবং গভীরতার দিক থেকে আটলান্টিক মহাসাগরের স্থান তৃতীয়।
- এর আয়তন ৮,৫১,৩৩,০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- অবস্থান: আমেরিকা, ইউরোপ ও আফ্রিকা।
- আটলান্টিক মহাসাগরের গভীরতম স্থান পোয়ের্তোরিকা ট্রেঞ্চ।
- এর গড় গভীরতা ১১,৯৬২ ফুট এবং সর্বোচ্চ গভীরতা ২৭,৪৯৩ ফুট।

⇒ আটলান্টিক মহাসাগর তুলনামূলকভাবে প্রশান্ত মহাসাগরের চেয়ে কম প্রশস্ত এবং উত্তর থেকে দক্ষিণ দিকে ইংরেজি S অক্ষরের মতো বিস্তৃত।
- এ মহাসাগরের পূর্বদিকে ইউরোপ ও আফ্রিকা মহাদেশ এবং পশ্চিমে উত্তর আমেরিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ অবস্থিত।
- আর্কটিক সাগরসহ এটি সবচেয়ে লম্বা মহাসাগর যা উত্তর ও দক্ষিণ মেরু অঞ্চলকে যুক্ত করেছে।
- স্থলভাগ সংলগ্ন অনেকগুলো অগভীর সাগর যেমন- আর্কটিক, বাল্টিক, ক্যারাবিয়ান, ভূ-মধ্যসাগর এবং মেক্সিকো উপসাগর রয়েছে।
- এ মহাসাগরে পতিত নদীগুলোর মধ্যে আমাজান এবং কঙ্গো অন্যতম।
- আটলান্টিক মহাসাগরে বেশ কিছু দ্বীপ রয়েছে। এর মধ্যে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ দ্বীপ গ্রীনল্যান্ড অন্যতম।
- এছাড়াও রয়েছে পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জ, দক্ষিণ স্যান্ডউইচ, আইসল্যান্ড, সেন্ট পল বক দ্বীপ প্রভৃতি।

উৎস: i) Britannica.
ii) ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১.
বাংলাদেশের সরকার কর্তৃক এক নম্বর জাতীয় সমস্যা হিসেবে কোনটি চিহ্নিত হয়েছে?
  1. নিরক্ষরতা
  2. দুর্নীতি
  3. বেকারত্ব
  4. জনসংখ্যা বৃদ্ধি
সঠিক উত্তর:
জনসংখ্যা বৃদ্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনসংখ্যা বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা
জনসংখ্যা সমস্যা:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অন্যতম অঙ্গীকার হলো সকল নাগরিকের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন।
- ১৯৭২ সালে প্রণীত বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫, ১৬, ১৭ ও ১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সকল নাগরিকের জন্য স্বাস্থ্য, শিক্ষা, খাদ্য, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
- জনসংখ্যা সমস্যাকে এক নম্বর জাতীয় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে ১৯৭৬ সালে একটি জনসংখ্যা নীতি প্রণয়ন করা হয়।

উল্লেখ্য
- বাংলাদেশের সরকার কর্তৃক এক নম্বর জাতীয় সমস্যা হিসেবে জনসংখ্যা বৃদ্ধিকে চিহ্নিত করা হয়েছে।
- ১৯৭৬ সালে তৎকালীন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি জনসংখ্যা বিস্ফোরণকে জাতীয় সমস্যা হিসেবে ঘোষণা করেন এবং এর সমাধানে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। 

উৎস: i) পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট। [link]
ii) পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২.
হাকালুকি হাওরের জলরাশি কোন নদী দিয়ে প্রবাহিত হয়?
  1. যমুনা
  2. কুশিয়ারা
  3. মেঘনা
  4. তিস্তা
সঠিক উত্তর:
কুশিয়ারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুশিয়ারা
ব্যাখ্যা
হাকালুকি হাওর:
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ হাওর হাকালুকি হাওর।
- এটি বাংলাদেশের এবং এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম মিঠা পানির জলাভূমি।
- এটি মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলায় অবস্থিত।
- হাকালুকি হাওরের আয়তন ১৮১.১৫ বর্গ কিমি।
- হাওরটি ৫টি উপজেলা ও ১১টি ইউনিয়ন নিয়ে বিস্তৃত।
- হাওরের ৪০% বড়লেখা, ৩০% কুলাউড়া, ১৫% ফেঞ্চুগঞ্জ, ১০% গোলাপগঞ্জ এবং ৫% বিয়ানীবাজার উপজেলার অন্তর্গত।

⇒ হাকালুকি হাওরের বিশাল জলরাশির মূল প্রবাহ হলো জুরী এবং পানাই নদী।
- এই জলরাশি হাওরের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত কুশিয়ারা নদী দিয়ে প্রবাহিত হয়।
- বর্ষাকালে হাওর সংলগ্ন এলাকা প্লাবিত হয়ে বিশাল রূপ ধারন করে, এই সময় পানির গভীরতা হয় ২-৬ মিটার।

⇒ হাকালুকি হাওরে প্রায় ২৩৮টি বিল রয়েছে। প্রায় সারাবছরই বিলগুলিতে পানি থাকে।
- হাকালুকি হাওরের বিলগুলিতে বিভিন্ন জাতের বিরল প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে। তবে এক সময়ের অন্যতম আকর্ষণীয় Swamp Forest অর্থাৎ জলময় নিম্নভূমির বনাঞ্চল এখন আর তেমন নেই।
- জীববিজ্ঞানীদের মতে, হাকালুকি হাওরে ১৫০ প্রজাতির মিঠা পানির মাছ, ১২০ প্রজাতির জলজ উদ্ভিদ, ২০ প্রজাতির সরীসৃপ বিলুপ্ত প্রায়। এখানে প্রতি বছর শীতকালে প্রায় ২০০ বিরল প্রজাতির অতিথি পাখির সমাগম ঘটে। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।