পরীক্ষা আর্কাইভ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

পরীক্ষা৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins১৯৩ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১৯৪
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 16” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- ৫০তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট⎯১৪
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ১৯৪ প্রশ্ন

.
“মরু-দুলাল" গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. গোলাম মোস্তফা
  3. কাজী কাদের নেওয়াজ
  4. শাহাদত হোসেন
সঠিক উত্তর:
গোলাম মোস্তফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোলাম মোস্তফা
ব্যাখ্যা

• 'মরু-দুলাল':
- 'মরুদুলাল' বইটি লিখেছেন বিখ্যাত বাঙালি কবি ও লেখক গোলাম মোস্তফা। এটি নবী মুহাম্মদ (সাঃ)-এর জীবনীর উপর লেখা একটি জনপ্রিয় জীবনী গ্রন্থ। 

- “মরু-দুলাল” বইখানির প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালে। পর্যায়ক্রমে দ্বিতীয়, তৃতীয় ও সর্বশেষ চতুর্থ সংস্করণ প্রকাশিত হয় ১৯৫২ সালে। দীর্ঘ ৬৫ বৎসর পর বইখানির বর্তমান পঞ্চম সংস্করণ ২০১৬ সনে প্রকাশিত হয়েছে। 

- বইখানির প্রথম সংস্করণের ভূমিকায় লেখক লিখেছিলেন “মরু- দুলাল" তাঁহার ঐতিহাসিক গ্রন্থ “বিশ্বনবীর” একটি সংক্ষিপ্ত সংস্করণ।

• গোলাম মোস্তফা রচিত কাব্যগ্রন্থগুলো হলো:
- রক্তরাগ,
- কাব্য-কাহিনী,
- খোশরোজ, 
- সাহারা,
- হাসনাহেনা,
- বুলবুলিস্তান,
- তারানা-ই-পাকিস্তান,
- বনি আদম,
- গীতিসঞ্চালন ইত্যাদি।

• তাঁর গদ্যরচনার মধ্যে:
- বিশ্বনবী,
- ইসলাম ও কমিউনিজম,
- ইসলাম ও জেহাদ,
- আমার চিন্তাধারা,
- পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা ইত্যাদি প্রধান।

----------------
অন্যদিকে, 
'মরুভাস্কর' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা- কাজী নজরুল ইসলাম। 
'মরুচন্দ্রিকা' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা- কাজী কাদের নেওয়াজ।
'মরুকুসুম' উপন্যাসের রচয়িতা- শাহাদত হোসেন।

উৎস: 'মরু-দুলাল' গ্রন্থ এবং বাংলাপিডিয়া। 

.
আহসান হাবীব রচিত উপন্যাস কোনটি? 
  1. বিধ্বস্ত নীলিমা
  2. যে অরণ্যে আলো নেই 
  3. অরণ্য নীলিমা
  4. অরণ্য গোধূলী
সঠিক উত্তর:
অরণ্য নীলিমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অরণ্য নীলিমা
ব্যাখ্যা

• 'অরণ্য নীলিমা' উপন্যাস:
- আহসান হাবীব রচিত 'অরণ্য নীলিমা' উপন্যাসটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৬২ সালে।
- উদীয়মান মুসলমান মধ্যবিত্ত বাঙালি সমাজের প্রতিনিধি এক তরুণ চিত্রশিল্পী ও তাঁর স্ত্রীর মনোজাগতিক সংকটক এ উপন্যাসের উপজীব্য বিষয়।

উল্লেখ্য, 
- 'রাণীখালের সাঁকো' তাঁর রচিত আরেকটি উপন্যাস।

 আহসান হাবীব রচিত সাহিত্যকর্মগুলো হলো- 
 কাব্যগ্রন্থ:
• ছায়াহরিণ,
• সারা দুপুর,
• আশায় বসতি,
• মেঘ বলে চৈত্রে যাবো,
• দুহাতে দু আদিম পাথর,
• প্রেমের কবিতা,
• বিদীর্ণ দর্পণে মুখ ইতাদি।

উল্লেখযোগ্য শিশুতোষ গ্রন্থ:
• জ্যোৎস্না রাতের গল্প,
• বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর,
• ছুটির দিন দুপুরে ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
-------------------
• 'বিধ্বস্ত নীলিমা' শামসুর রাহমান রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ। 
• 'অরণ্য গোধূলী' বন্দে আলী মিয়া রচিত একটি উপন্যাস।
• 'যে অরণ্যে আলো নেই' নীলিমা ইব্রাহিম রচিত একটি নাটক।  

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
'রক্তকরবী' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি-
  1. অভিব্যক্তিবাদী নাটক 
  2. অ্যাবসার্ড নাটক 
  3. সমস্যামূলক নাটক
  4. সাংকেতিক নাটক
সঠিক উত্তর:
সাংকেতিক নাটক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাংকেতিক নাটক
ব্যাখ্যা

সাংকেতিক নাটক:
সাংকেতিক নাটক হলো এমন এক ধরনের নাটক যেখানে বাস্তবতার আড়ালে গভীর দার্শনিক, সামাজিক বা মানবিক বিষয়কে প্রতীকী উপাদানের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়, যা দর্শকদের সরাসরি না বলে ইঙ্গিত বা সংকেতের মাধ্যমে অনুভব করতে বাধ্য করে।  রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'রাজা', 'ডাকঘর', 'রক্তকরবী' এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ। 

---------------------
• 'রক্তকরবী' নাটক:
- রক্তকরবী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাংকেতিক নাটক। নাটকটি বাংলা ১৩৩০ সনের শিলং-এর শৈলবাসে রচিত। তখন এর নামকরণ হয়েছিল যক্ষপুরী। ১৩৩০ সনের আশ্বিন মাসে যখন প্রবাসীতে প্রকাশিত হয় তখন এর নাম হয় রক্তকরবী।
- মানুষের অসীম লোভ কীভাবে জীবনের সব সৌন্দর্য ও স্বাভাবিকতাকে অস্বীকার করে মানুষকে নিছক যন্ত্র ও উৎপাদনের প্রয়োজনীয় উপকরণে পরিণত করেছে এবং এর ফলে তার বিরুদ্ধে মানুষের প্রতিবাদ কীরূপ ধারণ করেছে এরই প্রতিফলন ঘটেছে এ নাটকটিতে।
- রক্তকরবীতে ধনের উপর ধান্যের, শক্তির উপর প্রেমের ও মৃত্যুর উপর জীবনের জয়গান গাওয়া হয়েছে।
- নাটকে 'নন্দিনী' চরিত্রটি নিপীড়িত মানুষের মাঝখানে দেখা দিয়েছে আনন্দের দূত রূপে। 'রঞ্জন' বিদ্রোহের বাণী বহন করে এনেছে। শেষপর্যন্ত জয়ী হয়েছে মানুষের প্রাণশক্তি।

উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো হলো:
- নন্দিনী,
- রঞ্জন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং মাধ্যমিক বাংলা সাহিত্য পাঠ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

.
'ভাত দে হারামজাদা' কবিতাটি কোন প্রেক্ষাপটে রচিত?
  1. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের
  2. ভাষা আন্দোলনের
  3. ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের
  4. বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের 
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের
ব্যাখ্যা

• 'ভাত দে হারামজাদা' কবিতাটি কবি রফিক আজাদ-এর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'সীমাবদ্ধ জলে, সীমিত সবুজে'-এর অন্তর্ভুক্ত, যা ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের প্রেক্ষাপটে রচিত। 

-------------------
• 'রফিক আজাদ' এর সংক্ষিপ্ত পরিচয় ও সাহিত্যকীর্তি:
- রফিক আজাদ আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন গুরুত্বপূর্ণ কবি। তিনি টাঙ্গাইল জেলার জাহিদগঞ্জের গুণীগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর ডাক নাম ছিল ‘জীবন’, যা তাঁর ব্যক্তিজীবনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত ছিল।

- তিনি দীর্ঘদিন বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত মাসিক সাহিত্য পত্রিকা ‘উত্তরাধিকার’-এর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সম্পাদক হিসেবে তিনি নতুন ও শক্তিশালী সাহিত্যধারাকে উৎসাহিত করেছেন।

- রফিক আজাদের কবিতায় প্রতিবাদী চেতনা, সামাজিক অসংগতি ও মানবিক বোধ প্রবলভাবে প্রকাশ পেয়েছে। তাঁর সর্বাধিক আলোচিত ও বিতর্কিত কবিতা ‘ভাত দে হারামজাদা’, যা শোষণ ও ক্ষুধার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদের প্রতীক। এই কবিতাটি তাঁর ‘সীমাবদ্ধ জলে, সীমিত সবুজে’ কাব্যগ্রন্থে সংকলিত।

রফিক আজাদ বাংলা কবিতায় নিজস্ব ভাষা ও ভাবনার জন্য পরিচিত। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলো হলো:
- চুনিয়া আমার আর্কেডিয়া,
- প্রিয় শাড়িগুলো,
- সীমাবদ্ধ জলে, সীমিত সবুজে,
- হৃদয়ের কী বা দোষ,
- কোনো খেদ নেই,
- অসম্ভবের পায়ে,
- অপর অরণ্যে,
-  পরিকীর্ণ পানশালা আমার স্বদেশ,
- করো অশ্রুপাত,
- পাগলা গারদ থেকে প্রেমিকার চিঠি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
মহাকবি কায়কোবাদের ‘মহাশ্মশান’ কাব্যটি কোন ছন্দে রচিত?
  1. অমিত্রাক্ষর ছন্দে
  2. স্বরবৃত্ত ছন্দে
  3. মাত্রাবৃত্ত ছন্দে
  4. অক্ষরবৃত্ত ছন্দে
সঠিক উত্তর:
অমিত্রাক্ষর ছন্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অমিত্রাক্ষর ছন্দে
ব্যাখ্যা

• ‘মহাশ্মশান’ কাব্যপরিচয় ও বিষয়বস্তু:
‘মহাশ্মশান’ বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবি ও মহাকবি কায়কোবাদ রচিত জাতীয় আখ্যানধর্মী কাব্যগুলোর মধ্যে সর্বাধিক সুপরিচিত একটি মহাকাব্য। কাব্যটি প্রথম প্রকাশিত হয় বাংলা ১৩১১ বঙ্গাব্দে (ইংরেজি ১৯০৪ খ্রিষ্টাব্দ)। যদিও গ্রন্থাকারে প্রকাশ পেতে আরও কয়েক বছর সময় লেগেছিল। এই কাব্য রচনার মাধ্যমেই কবি কায়কোবাদ ‘মহাকবি’ হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন।

কাব্যটির বিষয়বস্তু ১৭৬১ সালে সংঘটিত পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ। এই যুদ্ধ ছিল ভারতের উদীয়মান হিন্দুশক্তি মারাঠা এবং মুসলিম শক্তি—আহমদ শাহ আবদালীর নেতৃত্বে রোহিলা-অধিপতি নজীবউদ্দৌলার বাহিনীর মধ্যে এক ভয়াবহ শক্তিপরীক্ষা। যুদ্ধে মুসলমানদের জয় হলেও কবির দৃষ্টিতে এই যুদ্ধ ছিল উভয় পক্ষেরই ভয়াবহ ক্ষয় ও ধ্বংসের প্রতীক। এই সর্বনাশা ধ্বংসযজ্ঞের কারণেই কবি কাব্যের নাম রেখেছেন ‘মহাশ্মশান’।

ছন্দ ও আয়তন:
- ‘মহাশ্মশান’ কাব্যটি সম্পূর্ণভাবে অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত। কাব্যটির আয়তন অত্যন্ত বৃহৎ—এর পৃষ্ঠাসংখ্যা প্রায় নয়শত, যা একে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম দীর্ঘ মহাকাব্যে পরিণত করেছে। যুদ্ধবর্ণনার পাশাপাশি এতে কবির গভীর আবেগ, মানবিক বোধ ও জাতীয় চেতনার প্রকাশ ঘটেছে। যুদ্ধকাহিনীর মধ্যেই কাব্যটিতে একাধিক প্রণয়বৃত্তান্ত সংযোজিত হয়েছে, যা কাব্যকে বৈচিত্র্যময় করেছে।

‘মহাশ্মশান’ মহাকাব্যটি মোট তিন খণ্ডে বিভক্ত। প্রথম খণ্ডে ২৯টি সর্গ, দ্বিতীয় খণ্ডে ২৪টি সর্গ, তৃতীয় খণ্ডে ৭টি সর্গ। অর্থাৎ, সমগ্র কাব্যটি মোট ৬০টি সর্গে বিভক্ত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম; 'মহাশ্মশান’ কাব্যগ্রন্থ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
‘হাস’ শব্দে ‘হ’ কোন ব্যঞ্জনের উদাহরণ?
  1. ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন
  2. কণ্ঠ্য ব্যঞ্জন
  3. দন্ত্য ব্যঞ্জন
  4. কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জন
সঠিক উত্তর:
কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জন
ব্যাখ্যা

• কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জন:
কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জন উচ্চারণের সময়ে ধ্বনিদ্বার থেকে বায়ু কণ্ঠনালি হয়ে সরাসরি বের হয়ে আসে।
- হাস শব্দের 'হ' কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

অন্যদিকে, 
• কণ্ঠ্য ব্যঞ্জন: ক, খ, গ, ঘ, ঙ কণ্ঠ্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।
• ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন: প, ফ, ব, ভ, ম ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।
• দন্ত্য ব্যঞ্জন:  ত, থ, দ, ধ দন্ত্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।

.
'ভুজঙ্গ' শব্দের অর্থ কী?
  1. নেশাগ্রস্ত
  2. সাপ
  3. ভ্রমর 
  4. ভোগ করা 
সঠিক উত্তর:
সাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাপ
ব্যাখ্যা

• ভুজঙ্গ (বিশেষ্য পদ),
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- সাপ,
- সর্প।

• এর স্ত্রীবাচক শব্দ- ভুজঙ্গী। 


উল্লেখ্য, 
• 'টুপ ভুজঙ্গ' বাগ্‌ধারার অর্থ- নেশাগ্রস্ত।
- বাক্য: বেটা টুপ ভুজঙ্গ, এ পাড়ায় মাতলামি করতে এসো না।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান। 

.
নিচের কোনটিতে সংস্কৃত ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম প্রযোজ্য নয়?
  1. দিগন্ত
  2. অজন্ত
  3. অত্যন্ত
  4. ণিজন্ত
সঠিক উত্তর:
অত্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অত্যন্ত
ব্যাখ্যা

• সংস্কৃত স্বরসন্ধির নিয়ম:
প্রথম পদের শেষের ই-ধ্বনি বা ঈ-ধ্বনি এবং দ্বিতীয় পদের প্রথমে অন্য কোনো স্বরধ্বনি থাকলে, ই/ঈ-র জায়গায় য-ফলা হয় এবং পরের স্বরধ্বনির চিহ্ন পূর্ববর্ণে যুক্ত হয়।
যেমন:
- অতি + অন্ত = অত্যন্ত,
- বি + অবস্থা = ব্যবস্থা,
- অধি + অক্ষ = অধ্যক্ষ
- আদি + অন্ত = আদ্যন্ত ইত্যাদি।

-----------------------
• সংস্কৃত বাঞ্জনসন্ধির নিয়ম:
পূর্বপদের শেষে বর্গের |প্রথম ব্যঞ্জন (-ক/চ/ট/ত্[ৎ]/প ) থাকলে, এবং পরপদের স্বরধ্বনি হলে প্রথমটি ব্যঞ্জনধ্বনিটি ওই বর্গের তৃতীয়
ধ্বনিতে অর্থাৎ ক স্থানে গ্‌, চ্ স্থানে জ্, ট্‌ স্থানে ড্ [ড়্‌] , ত্ স্থানে দ্‌, প্‌ স্থানে ব্‌ হয়। রপদের স্বরধ্বনি বর্গের তৃতীয় ধ্বনির সঙ্গে যুক্ত হয়।
যেমন:
- বাক্ + আড়ম্বর =  বাগাড়ম্বর, 
- দিক্‌ + অন্ত = দিগন্ত,
- প্রাক্ + উক্ত = প্রাগুক্ত,
- ণিচ্‌ + অন্ত = ণিজন্ত,
- অচ্ + অন্ত = অজন্ত। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড হায়াৎ মামুদ। 

.
নিচের কোনটি পরাগত স্বরসঙ্গতির উদাহরণ?
  1. দিশ্ > দিশা
  2. পোখত্ > পোক্ত
  3. বেঞ্চ > বেঞ্চি
  4. দেশি > দিশি
সঠিক উত্তর:
দেশি > দিশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেশি > দিশি
ব্যাখ্যা

• পরাগত স্বরসঙ্গতি(Regressive): 
অন্ত্যস্বরের কারণে আদ্যস্বর পরিবর্তিত হলে পরাগত স্বরসঙ্গতি হয়।
যেমন:
- আখো > আখুয়া > এখো,
- দেশি > দিশি।

অন্যদিকে, 
--------------------
• অন্ত্যস্বরাগম (Apothesis): 
কোনো কোনো সময় শব্দের শেষে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি আসে। এরূপ স্বরাগমকে বলা হয় অন্ত্যস্বরাগম।
যেমন:
- দিশ্ > দিশা,
- পোখত্ > পোক্ত,
- বেঞ্চ > বেঞ্চি,
- সত্য > সত্যি ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)। 

১০.
'আফিম' শব্দটি কোন ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে?
  1. আরবি
  2. ফারসি 
  3. পর্তুগিজ 
  4. উর্দু 
সঠিক উত্তর:
আরবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরবি
ব্যাখ্যা

• আফিম [আরবি ভাষার শব্দ]।  
- শব্দটি বিশেষ্য পদ। 
অর্থ:
- পোস্তফলের নির্যাস থেকে উৎপাদিত তিক্তস-বাদ মাদকবিশেষ।




এরূপ আরবি ভাষার কিছু শব্দ হলো- এজলাস, আদালত, কলম, আয়েশ, আরশ, আর্জি, আলামত, আলিশান।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১১.
ইলিয়ট ও ইকবালের নির্বাচিত কবিতার অনুবাদ করেন কে?
  1. সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী 
  2. সৈয়দ আলী আহসান
  3. কায়কোবাদ 
  4. কাজী নজরুল ইসলাম 
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আলী আহসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আলী আহসান
ব্যাখ্যা

• সৈয়দ আলী আহসান ইলিয়ট ও ইকবালের নির্বাচিত কবিতার অনুবাদ করেন। অল ইন্ডিয়া রেডিওতে কর্মরত থাকার সময় থেকে তিনি দেশ-বিদেশের খ্যাতনামা সাহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবীদের সান্নিধ্যে আসেন এবং আধুনিক পাশ্চাত্য সাহিত্যচিন্তার সঙ্গে গভীরভাবে পরিচিত হন। এর ফলস্বরূপ তিনি টি. এস. ইলিয়টের আধুনিক কাব্যভাবনা এবং আল্লামা ইকবালের ইসলামি দর্শন ও চেতনাকে বাংলা ভাষায় অনুবাদের মাধ্যমে উপস্থাপন করেন।

• এই অনুবাদকর্মের মাধ্যমে সৈয়দ আলী আহসান একদিকে পাশ্চাত্য আধুনিকতাবাদ, অন্যদিকে মুসলিম ঐতিহ্য ও ভাবধারাকে বাংলা সাহিত্যে সমন্বিতভাবে তুলে ধরেন, যা তাঁর সাহিত্যিক বহুমাত্রিকতার গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে বিবেচিত।

-----------------------
• সৈয়দ আলী আহসান:
- তিনি মূলত শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক ছিলেন। তিনি ১৯২২ সালের ২৬শে মার্চ মাগুরা জেলার আলোকদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 
- ১৯৩৭ সালে আর্মানীটোলা স্কুলে অধ্যয়নকালে স্কুল ম্যাগাজিনে সৈয়দ আলী আহসানের ‘The Rose’ নামে একটি ইংরেজি কবিতা প্রকাশিত হয়।
- রাজশাহী ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
-  ১৯৬৭ সালে তিনি কবিতার জন্য বাংলা একাডেমি পুরস্কার, ১৯৮৩ সালে একুশে পদক এবং ১৯৮৭ সালে স্বাধীনতা পদক লাভ করেন।
- ২০০২ সালের ২৫ জুলাই তাঁর বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের অবসান ঘটে।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- অনেক আকাশ,
- একক সন্ধ্যায় বসন্ত,
- সহসা সচকিত,
- উচ্চারণ,
- আমার প্রতিদিনের শব্দ,
- সমুদ্রেই যাবো।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধ-গবেষণাগ্রন্থ:
- কবিতার কথা,
- নজরুল ইসলাম,
- রবীন্দ্র কাব্যবিচারের ভূমিকা,
- কবিতার কথা ও অন্যান্য বিবেচনা,
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস,
- পদ্মাবতী।

• তাঁর রচিত আত্মজীবনী:
- আমার সাক্ষ্য।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১২.
“যুগের মনকে যা প্রতিফলিত করে, তা শুধু কাব্য নয়, মহাকাব্য।”- উক্তিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন কবির কাব্য সম্পর্কে বলেছেন?
  1. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  2. বিহারীলাল চক্রবর্তী
  3. কাজী নজরুল ইসলাম 
  4. নির্মলেন্দু গুণ
সঠিক উত্তর:
কাজী নজরুল ইসলাম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাজী নজরুল ইসলাম 
ব্যাখ্যা

• “যুগের মনকে যা প্রতিফলিত করে, তা শুধু কাব্য নয়, মহাকাব্য।”- উক্তিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছেন কাজী নজরুল ইসলামের কাব্য সম্পর্কে।

এমন মন্তব্যের কারণ:
কবি কাজী নজরুল ইসলাম যখন আলীপুর সেন্ট্রাল জেলে বন্দি তখন রবীন্দ্রনাথ তাঁর বসন্ত গীতিনাট্য তাঁকে উৎসর্গ করেন (২২ জানুয়ারি ১৯২৩)। এ ঘটনায় উল্লসিত নজরুল জেলখানায় বসে তাঁর অনুপম কবিতা ‘আজ সৃষ্টি সুখের উল্লাসে’ রচনা করেন।
সমকালীন অনেক রবীন্দ্রভক্ত ও অনুরাগী কবি-সাহিত্যিক বিষয়টি ভালো চোখে দেখেন নি। এ ব্যাপারে কেউ কেউ অভিযোগ করলে রবীন্দ্রনাথ তাঁদের নজরুল-কাব্যপাঠের পরামর্শ দেন এবং বলেন- 'যুগের মনকে যা প্রতিফলিত করে, তা শুধু কাব্য নয়, মহাকাব্য।’

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

১৩.
চৈতন্যদেবের প্রথম জীবনী কোন ভাষায় রচিত হয়?
  1. সংস্কৃত 
  2. ব্রজবুলি
  3. হিন্দি 
  4. বাংলা 
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃত 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃত 
ব্যাখ্যা

চৈতন্যদেবের প্রথম জীবনী:
চৈতন্যদেবের প্রথম জীবনী সংস্কৃত ভাষায় রচিত হয়। নরহরি সরকার, রঘুনাথ দাস প্রমুখেরা চৈতন্যবিষয়ক পদ রচনা করেছিলেন। তবে চৈতন্যের প্রথম জীবনী লেখক হিসেবে মুরারি গুপ্ত কৃতিত্বের অধিকারী। 'মুরারি গুপ্তের কড়চা' নামে পরিচিত তাঁর কাব্যের প্রকৃত নাম ‘শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্যচরিতামৃতম।'

- মুরারি গুপ্ত মূলত সিলেটের অধিবাসী ছিলেন এবং পরে নবদ্বীপে শ্রীচৈতন্যের সহাধ্যায়ী ছিলেন। মুরারি গুপ্তের গৃহে চৈতন্যের প্রথম ভাবাবেশ ঘটেছিল বলে জনশ্রুতি বিদ্যমান। তিনি চৈতন্যের সমসাময়িক ছিলেন বলে অধিকাংশ ঘটনা নিজেই প্রত্যক্ষ করেছেন। কবি মুরারি গুপ্ত চৈতন্য জীবনের প্রথম দিকের সন্ন্যাস জীবন পর্যন্ত বর্ণনা করেছিলেন। তাঁর কাব্যের মধ্য ও শেষ লীলা অন্যের রচনা। 

- মুরারি গুপ্ত কেবল প্রথম চৈতন্য-জীবনী লেখকই নন, তিনি চৈতন্য-জীবনী রচনার অবিতর্কিত আদর্শের প্রবর্তনকারী। ড. বিমানবিহারী মজুমদারের মতে, মুরারি গুপ্তের গ্রন্থের রচনাকাল ১৫৩৩ থেকে ১৫৪২ সালের মধ্যে। কবি কর্ণপুর, বৃন্দাবনদাস, লোচনদাস, কৃষ্ণদাস কবিরাজ প্রমুখ কবিগণ মুরারি গুপ্তের কাছে বহুলাংশে ঋণী।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মাহাবুবুল আলম। 

১৪.
মহাভারতের অনুবাদক কবি নন কে?
  1. কবীন্দ্র পরমেশ্বর
  2. চন্দ্রাবতী
  3.  শ্রীকর নন্দী
  4. দ্বিজ অভিরাম
সঠিক উত্তর:
চন্দ্রাবতী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চন্দ্রাবতী
ব্যাখ্যা

• মহাভারতের অনুবাদক কবি নন- চন্দ্রাবতী। 

• মহাভারত:

মহাভারত সংস্কৃত ভাষায় রচিত ক্লাসিক মহাকাব্য ।মূল রচয়িতা– কৃষ্ণ দ্বৈপায়ন ব্যাসদেব।

- প্রথম বাংলায় অনুবাদ করেন- কবীন্দ্র পরমেশ্বর। তিনি পরাগল খাঁর উৎসাহে প্রথম অনুবাদ করেছিলেন বলে এর নাম - পরাগলী মহাভারত ।
অনুবাদক কবীন্দ্র পরমেশ্বর অনুবাদকৃত গ্রন্থটির নাম দিয়েছিলেন  বিজয়পান্ডবকথা অথবা ভারত পাঁচালী।
- মহাভারতের শ্রেষ্ঠ অনুবাদক - কাশীরাম দাস । মহাভারতের আদি, সভা, বন, ও বিরাট পর্ব রচনার পর কাশীরাম দাস ইহলোক ত্যাগ করেন।
- কবীন্দ্র পরমেশ্বরের পর শ্রীকর নন্দী মহাভারত অনুবাদ করেন যা ছুটিখাঁনী মহাভারত নামেও পরিচিত।

মহাভারতের বাংলা অনুবাদক কবিরা হলেন-  কবীন্দ্র পরমেশ্বর, শ্রীকর নন্দী, সঞ্জয়, রামচন্দ্র খান, দ্বিজ রঘুনাথ, কাশীরাম দাস, দ্বিজ অভিরাম, নিত্যানন্দ ঘোষ ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
-------------------
• চন্দ্রাবতী:
- চন্দ্রাবতী হলেন মধ্যযুগের তিনজন প্রধান মহিলাকবির একজন। তার পিতা মনসামঙ্গলের কবি দ্বিজ বংশীদাস।
-  বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একমাত্র মহিলা কবি হিসেবে রামায়ণ রচনা করেন 'চন্দ্রাবতী'। চন্দ্রাবতীকে মহিলা রামায়ণকার বলা হয়।
- মৈমনসিংহ-গীতিকার ‘জয়-চন্দ্রাবতী' উপাখ্যানের নায়িকারূপে তিনি অমর হয়ে আছেন।

চন্দ্রাবতী রচিত কাব্য :
- রামায়ণ,
- মলুয়া,
- দস্যু কেনারামের পালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মাহাবুবুল আলম।

১৫.
'সৌরভের কাছে পরাজিত' কবি আল মাহমুদের কোন ধরনের রচনা?
  1. প্রবন্ধ সংকলন 
  2. কাব্যগ্রন্থ 
  3. উপন্যাস 
  4. গল্পগ্রন্থ 
সঠিক উত্তর:
গল্পগ্রন্থ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গল্পগ্রন্থ 
ব্যাখ্যা

• 'সৌরভের কাছে পরাজিত' কবি আল মাহমুদের একটি গল্পগ্রন্থ। 'সৌরভের কাছে পরাজিত' বইতে জীবনযুদ্ধ এবং আত্মপরিচয়ের গল্প রয়েছে।

-------------------
• আল মাহমুদ:
- কবি আল মাহমুদের প্রকৃত নাম মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ।
- তিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, ছোটগল্প লেখক, শিশুসাহিত্যিক এবং সাংবাদিক ছিলেন।
- কবি আল মাহমুদ তার অনবদ্য গল্প ও উপন্যাসের জন্য খ্যাতি অর্জন করেছিলেন।

• কবি আল মাহমুদ রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- লোক লোকান্তর,
- সোনালী কাবিন,
- কালের কলস,
- মায়াবী পর্দা দুলে ওঠো,
- আরব্য রজনীর রাজহাঁস,
- বখতিয়ারের ঘোড়া,
- প্রেমের কবিতা ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- কাবিলের বোন,
- উপমহাদেশ,
- ডাহুকী,
- কবি ও কোলাহল ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- পানকৌড়ির রক্ত,
- ময়ূরীর মুখ,
- সৌরভের কাছে পরাজিত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং 'সৌরভের কাছে পরাজিত' গল্পগ্রন্থ।

১৬.
'আমাকে কী বাবদ টাকাটা দিলেন?' - এখানে 'বাবদ' কী পদ?
  1. বিশেষ্য 
  2. বিশেষণ 
  3. অনুসর্গ 
  4. ক্রিয়া বিশেষণ 
সঠিক উত্তর:
অনুসর্গ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুসর্গ 
ব্যাখ্যা

• 'আমাকে কী বাবদ টাকাটা দিলেন?' - এখানে 'বাবদ' একটি অনুসর্গ। 

• অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয় শব্দ:

যে অব্যয় শব্দগুলো কখনো স্বাধীন পদ রূপে, আবার কখনো শব্দ বিভক্তির ন্যায় বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বাক্যের অর্থ প্রকাশে সাহায্যে করে, সেগুলোকে অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয় বলে। সম্মুখে, সাথে, সামনে, হতে ইত্যাদি। যেসব শব্দের পরে অনুসর্গ বসে, সেসব শব্দের সঙ্গে ‘কে' ‘র’, -- ইত্যাদি বিভক্তিও যুক্ত হতে পারে।।

ফারসি অনুসর্গ: বাংলা ভাষায় ফারসি অনুসর্গের মধ্যে রয়েছে দরুন, বদলে, বনাম, বাদে, বাবদ, বরাবর ইত্যাদি।
যেমন:
- বৃষ্টির দরুন খেলা পণ্ড হয়ে গেল।
- আমাকে এটার বদলে ওটা দিন।
- খেলা চলছে আবাহনী বনাম মোহামেডান।
- আমাকে কী বাবদ টাকাটা দিলেন?

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড হায়াৎ মামুদ।

১৭.
'শুধুমাত্র' শব্দে কী ধরনের অপপ্রয়োগ ঘটেছে?
  1. সমার্থ শব্দের বাহুল্যজনিত অশুদ্ধি
  2. সমাস ঘটিত অশুদ্ধি
  3. সন্ধি বিষয়ক অশুদ্ধি
  4. প্রত্যয়ের অপপ্রয়োগজনিত অশুদ্ধি
সঠিক উত্তর:
সমার্থ শব্দের বাহুল্যজনিত অশুদ্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমার্থ শব্দের বাহুল্যজনিত অশুদ্ধি
ব্যাখ্যা

সমার্থ শব্দের বাহুল্যজনিত অশুদ্ধি:
অশুদ্ধ - শুদ্ধ:
অদ্যাপিও - অদ্যাপি/অদ্যও।  
কদাপিও - কদাপি। 
সময়কাল - সময়/কাল। 
বিবিধপ্রকার - বিবিধ। 
সুবুদ্ধিমান - সুবুদ্ধি/বুদ্ধিমান। 
আয়ত্তাধীন - আয়ত/অধীন। 
শুধুমাত্র - শুধু/মাত্র। 
কেবলমাত্র - কেবল/মাত্র। 
সমূলসহ - সমূল/মূলসহ।
সুস্বাগত - স্বাগত। 
প্রয়োজনীয়তা - প্রয়োজন। 
সঠিক - ঠিক। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৮.
সম্ভাবনা ও কল্পনা প্রকাশের ক্ষেত্রে কোন ধরনের অতীতকাল ব্যবহৃত হয়?
  1. সাধারণ অতীতকাল
  2. নিত্যবৃত্ত অতীতকাল
  3. ঘটমান অতীতকাল
  4. পুরাঘটিত অতীতকাল
সঠিক উত্তর:
নিত্যবৃত্ত অতীতকাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিত্যবৃত্ত অতীতকাল
ব্যাখ্যা

১. সাধারণ অতীতকাল:
বর্তমান কালের পূর্বে যে ক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে, তার সংঘটন কালই সাধারণ অতীত কাল।
যেমন:
- তিনি বাড়ি গেলেন,
- রফি এসেছিল ইত্যাদি।

২. নিত্যবৃত্ত অতীতকাল:
অতীতকালে কোনো ক্রিয়া সব সময় বা নিয়মিতভাবে ঘটতো এমন বোঝালে কিংবা অভ্যাসগত কোনো কাজ বোঝালে তাকে 'নিত্যবৃত্ত অতীতকাল' বলে।
যেমন:
- আমি খুব খেতাম, এখন পারি না।

নিত্যবৃত্ত অতীত কালের প্রয়োগ:
ইচ্ছা প্রকাশে: আজ যদি ছুটি হতো, কেমন মজা হতো।
কল্পনায়: "সাতাশ হতো যদি এক সাতাশ'।
সম্ভাবনা প্রকাশে: তুমি যদি যেতে, তবে ভালই হতো।
ক্রিয়া সংঘটনের অপূর্ণতাজনিত কারণ বোঝাতে: গাড়িটা কিনতাম, কিন্তু দাম বেশি বলে কেনা হল না ।
ইচ্ছার অপূর্ণতাজনিত খেদ প্রকাশে: যদি তোমার মতো গান গাইতে পারতাম।
নিশ্চয়তার ভাব প্রকাশে ভবিষ্যৎকালের দ্যোতনায়: এ ঘটনা আজ হোক কাল হোক ঘটতই।

৩. ঘটমান অতীতকাল:
অতীত কালে যে কাজ চলছিল এবং যে সময়ের কথা বলা হয়েছে তখনো কাজটি সমাপ্ত হয়নি- ক্রিয়া সংঘটনের এরূপ ভাব বোঝালে ক্রিয়ার ঘটমান অতীত কাল হয়।
যেমন:
- মা তখন শিশুকে ঘুম পাড়াচ্ছিলেন।
- কাল সন্ধ্যায় বৃষ্টি পড়ছিল।
- মা আমাদের পড়াশুনা দেখছিলেন।

৪. পুরাঘটিত অতীতকাল:
যে ক্রিয়া অতীতে বহু পূর্বেই সংঘটিত হয়ে গিয়েছে এবং যার পরে আরও কিছু ঘটনা ঘটে গেছে, তার কালকে পুরাধটিত অতীত কাল বলে। যেমন:
- সেবার তোমাকে সুস্থই দেখেছিলাম।

পুরাঘটিত অতীত কালের প্রয়োগ:
অতীতে সংঘটিত ঘটনার নিশ্চিত বর্ণনায়: পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধে এক লক্ষ মারাঠা সৈন্য মারা গিয়েছিল।
অতীতে সংঘটিত ঘটনার পরম্পরা বোঝাতে শেষ ক্রিয়াপদে পুরাঘটিত অতীত কালের প্রয়োগ হয়: বৃষ্টি শেষ হবার পূর্বেই আমরা বাড়ি পৌঁছেছিলাম।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড হায়াৎ মামুদ।

১৯.
কোনটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস? 
  1. করপল্লব 
  2. বদ্বীপ 
  3. ক্ষুধানল 
  4. বিরানব্বই
সঠিক উত্তর:
বিরানব্বই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিরানব্বই
ব্যাখ্যা

• মধ্যপদলোপী কর্মধারয়:
যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যপদের লোপ হয়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন:
- বরানুগত যাত্রী = বরযাত্রী;
- বি (দ্বি) অধিক নব্বই =  বিরানব্বই;
- মমতা মিশ্রিত রস = মমতারস;
- মৌ (মধু) আশ্রিত মাছি =  মৌমাছি;
- রক্ত বর্ণের কমল = রক্তকমল। 

অন্যদিকে, 
• কর পল্লবের ন্যায় = করপল্লব; উপমিত কর্মধারয় সমাস।  
• ব-এর মতো  দ্বীপ = বদ্বীপ; উপমিত কর্মধারয় সমাস। 
• ক্ষুধা রূপ অনল = ক্ষুধানল; রূপক কর্মধারয় সমাস। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২০.
নিপাতনে সিদ্ধ কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত শব্দ কোনটি?
  1. মতি
  2. বৃষ্টি
  3. সিদ্ধি
  4. ঘাটতি
সঠিক উত্তর:
সিদ্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিদ্ধি
ব্যাখ্যা

 নিপাতনে সিদ্ধ কৃৎ-প্রত্যয়:
- √গৈ + ক্তি = গীতি,
- √সিধ + ক্তি = সিদ্ধি,
- √বুধ + ক্তি = বুদ্ধি,
- √শক্ + ক্তি = শক্তি।

অন্যদিকে, 
-----------------------
বিশেষ নিয়ম:
• ক্তি-প্রত্যয় যোগ করলে কোনো কোনো ধাতুর অন্ত ব্যঞ্জনের লোপ হয়। যথা- মন্+ক্তি = মতি, √রম্+ক্তি = রতি।
• নিয়ম: বিশেষ্য ও বিশেষণ গঠনে বিশেষ নিয়ম সাধিত কৃৎ- তি প্রত্যয় হয়। যেমন: √বৃষ্‌ + তি = বৃষ্টি; √স্মৃ + তি = স্মৃতি; √ঘাট্ + তি = ঘাটতি;
√বাড় + তি = বাড়তি।

উৎস:  বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২১.
'পূর্ববঙ্গ-গীতিকা' লোকসাহিত্য সংকলনের অন্তর্ভুক্ত পালা কোনটি?
  1. দেওয়ান ভাবনা
  2. কমলারাণী
  3. রূপবতী
  4. কঙ্ক ও লীলা
সঠিক উত্তর:
কমলারাণী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমলারাণী
ব্যাখ্যা

• 'কমলারাণীর পালা' পূর্ববঙ্গের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় লোককাহিনী ভিত্তিক নাট্যমূলক পালা বা পালা গান। এটি মূলত জমিদার জানকীনাথ মল্লিকের স্ত্রী কমলা রানীর বাস্তব কাহিনি অবলম্বনে রচিত একটি করুণ আখ্যান, যেখানে একটি দীঘি খননের কাহিনি ফুটে উঠেছে। কুদ্দুস বয়াতি ও অন্যান্য শিল্পীদের কণ্ঠে এই কাহিনীটি পালা গান হিসেবে প্রচলিত। 

• 'পূর্ববঙ্গ-গীতিকা':

পূর্ববঙ্গ-গীতিকা পূর্ববাংলার লোকসাহিত্যের একটি সংকলন। পূর্ববাংলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পালাগুলো সংগ্রহ করা হয়। এগুলির প্রধান প্রধান সংগ্রাহক হলেন চন্দ্রকুমার দে, দীনেশচন্দ্র সেন, আশুতোষ চৌধুরী, জসীম উদ্‌দীন, নগেন্দ্রচন্দ্র দে, রজনীকান্ত ভদ্র, বিহারীলাল রায়, বিজয়নারায়ণ আচার্য প্রমুখ।

পূর্ববঙ্গ-গীতিকাগুলো হলো:
- ভেলুয়া,
- মইষাল বন্ধু,
- কমলারাণী,
- দেওয়ান ঈসা খাঁ,
- ফিরোজ খাঁ দেওয়ান,
- আয়না বিবি,
- শ্যামরায়,
- শিলাদেবী ইত্যাদি।

-------------------------
মৈমনসিংহ গীতিকা:
• ময়মনসিংহ অঞ্চলের প্রচলিত গানগুলোকে একত্রে মৈমনসিংহ গীতিকা বলা হয়।
• কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. দীনেশচন্দ্র সেনের আগ্রহে মৈমনসিংহ গীতিকা সংগ্রহ করেন চন্দ্রকুমার দে। চন্দ্রকুমার দে ছিলেন ময়মনসিংহ নিবাসী।
• দীনেশচন্দ্র সেনের সম্পাদনায় ১৯২৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মৈমনসিংহ গীতিকা প্রকাশিত হয়।
• মৈমনসিংহ গীতিকা বিশ্বের ২৩টি ভাষায় মুদ্রিত হয়।

• মৈমনসিংহ গীতিকায় ১০টি গীতিকা ও রূপকথা স্থান পেয়েছে। যথা :
- মহুয়া,
- মলুয়া,
- চন্দ্রাবতী,
- কমলা,
- দেওয়ান ভাবনা,
- দস্যু কেনারামের পালা,
- রূপবতী,
- কঙ্ক ও লীলা,
- কাজলরেখা (রূপকথা) ও
- দেওয়ান মদিনা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া। 

২২.
'হলুদ পোড়া' মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোন ধরনের সাহিত্য রচনা?
  1. উপন্যাস 
  2. নাটক 
  3. প্রবন্ধ 
  4. ছোটগল্প
সঠিক উত্তর:
ছোটগল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছোটগল্প
ব্যাখ্যা

• 'হলুদ পোড়া' ছোটগল্প:
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা 'হলুদ পোড়া' একটি বিখ্যাত ছোটগল্প, যা গ্রাম বাংলার কুসংস্কার, বিশেষত ভূত-প্রেত এবং অলৌকিক শক্তির ধারণা নিয়ে রচিত। 
- ছোটগল্পে দামিনী নামের এক নারী চরিত্রের ভয় ও উন্মাদনা দেখানো হয়েছে কাঁচা হলুদ পোড়ানোর মাধ্যমে, যা মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাস্তবধর্মী ও মনস্তাত্ত্বিক লেখার উদাহরণ।
- গল্পটি মূলত কুসংস্কারাচ্ছন্ন গ্রামীণ জীবনের অন্ধকার দিক এবং মানবমনের গভীর ও জটিল অনুভূতিকে তুলে ধরেছে, যা বাংলা সাহিত্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে।

-------------------------
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত সাহিত্যকর্মগুলো হলো:
• উপন্যাস:
- জননী,
- দিবারাত্রির কাব্য,
- পদ্মানদীর মাঝি, 
- পুতুলনাচের ইতিকথা, 
- শহরতলী, 
- চিহ্ন, 
- চতুষ্কোণ, 
- সার্বজনীন, 
- আরোগ্য ইত্যাদি। 

• ছোটগল্প:
- অতসী মামী ও অন্যান্য গল্প,
- প্রাগৈতিহাসিক, 
- সরীসৃপ, 
- সমুদ্রের স্বাদ, 
- হলুদ পোড়া,  
- আজ কাল পরশুর গল্প,  
- ফেরিওয়ালা ইত্যাদি। 

• নাটক: ভিটেমাটি। 

উৎস: হলুদ পোড়া' ছোটগল্প এবং বাংলাপিডিয়া।

২৩.
চলচ্চিত্র বিষয়ক সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা কোনটি?
  1. লাঙল
  2. নবযুগ
  3. বিজলী
  4. বিচিত্রা
সঠিক উত্তর:
বিজলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিজলী
ব্যাখ্যা

• 'বিজলী' পত্রিকা:
- বিজলী ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশিত চলচ্চিত্র বিষয়ক একটি সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা, যার উদ্যোক্তা নলিনীকান্ত সরকার, বারীন্দ্রকুমার ঘোষ, শচ্চিদানন্দ সেনগুপ্ত, অরুণ সিংহ এবং দীনেশ রঞ্জন দাস।
- এর সম্পাদকদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন নলিনীকান্ত সরকার ও প্রবোধকুমার সান্যাল প্রমুখ।
- এই পত্রিকায় ১৯২২ সালের ৬ জানুয়ারি, ২২ পৌষ ১৩২৮ বঙ্গাব্দ শুক্রবারে প্রথম কাজী নজরুল ইসলামের "বিদ্রোহী" কবিতা প্রকাশিত হয়। সে সময় পত্রিকাটির সম্পাদক ছিলো নলিনীকান্ত সরকার।
- ঐদিন বিজলী পত্রিকা দুই বার ছাপতে হয়েছিল, যার সংখ্যা ছিলো ২৯ হাজার মুজাফফর আহমদের কাছ থেকে জানা যায়, সেদিন কমপক্ষে দুই লাখ মানুষ বিদ্রোহী পড়েছিল।

অন্যদিকে, 
• 'লাঙল' পত্রিকা:
লাঙল (১৯২৫) বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে কলকাতা থেকে প্রকাশিত কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত একটি বিখ্যাত বামপন্থী-সাহিত্যিক ও রাজনৈতিক সাপ্তাহিক পত্রিকা। এটি ‘শ্রমিক-প্রজা-স্বরাজ-সম্প্রদায়’ পার্টির মুখপত্র হিসেবে ১৬ ডিসেম্বর ১৯২৫-এ আত্মপ্রকাশ করে।  

• 'নবযুগ' পত্রিকা:
নবযুগ ছিল কলকাতা থেকে ১৯২০ সালে প্রকাশিত একটি সান্ধ্য দৈনিক রাজনৈতিক পত্রিকা, যা শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক প্রতিষ্ঠা করেন এবং বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম ও কমরেড মুজাফ্ফর আহমদ যুগ্ম সম্পাদনা করেন, যা ব্রিটিশ বিরোধী লেখা ও গণজাগরণের জন্য বিখ্যাত ছিল, পরে ব্রিটিশ সরকার এটি বন্ধ করে দেয়। 

• 'বিচিত্রা' পত্রিকা:
সাপ্তাহিক বিচিত্রা বাংলাদেশের একটি অধুনালুপ্ত সাপ্তাহিক পত্রিকা। ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দে দৈনিক বাংলা পত্রিকার সহযোগী প্রকাশনা হিসাবে এটি আত্মপ্রকাশ করে। তখন থেকে শুরু করে নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত এটি বাংলাদেশের প্রধান জনপ্রিয় পত্রিকা হিসাবে চালু ছিল। আলমগীর রহমান, শাহরিয়ার কবির, শাহাদাত চৌধুরী ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক আতিকুর রহমান প্রমুখ সাংবাদিক এই পত্রিকার সাথে জড়িত ছিলেন।

বিচিত্রা ও সচিত্র সন্ধানী বাংলাদেশে সর্বপ্রথম প্রতি বছর ঈদ সংখ্যায় উপন্যাস প্রকাশ আরম্ভ করে। ঈদ সংখ্যায় ছয়-সাতটি উপন্যাস প্রকাশিত হতো। স্বল্পমূল্যে প্রকাশিত উপন্যাস পড়ার এই সুযোগ জনপ্রিয়তা পায়। তরুণ হুমায়ূন আহমেদের ‘নন্দিত নরেক’ উপন্যাস সাপ্তাহিক বিচিত্রার ঈদ সংখ্যায় প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; 'বিজলী' পত্রিকা এবং বাংলাপিডিয়া। 

২৪.
দুলি দুহি পীঢ়া ধরণ ন জাই !
রুখের তেন্তলি কুম্ভীরে খাই'॥- এখানে 'দুলি' শব্দের অর্থ কী?
  1. মাদি কচ্ছপ
  2. দোহনকার্য সম্পাদনকারী স্ত্রীলোক
  3. দুধ দোয়ার পাত্র
  4. বনজ মাদি হরিণ
সঠিক উত্তর:
মাদি কচ্ছপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাদি কচ্ছপ
ব্যাখ্যা

দুলি দুহি পীঢ়া ধরণ ন জাই ! 
রুখের তেন্তলি কুম্ভীরে খাই'॥- কুক্কুরীপা রচিত চর্যার ২নং পদ এটি। পদে ব্যবহৃত 'দুলি' শব্দের অর্থ- কচ্ছপী/মাদি কাছিম।

আধুনিক গদ্যে রূপান্তর:
দুলি [= মাদি কচ্ছপ] দোহন করে পিটাতে [= দুগ্ধ-পাত্রে] [দুধ] ধরানো গেল না। গাছের তেঁতুল কুমিরে খায়।

অন্যান্য শব্দের অর্থগুলো নিম্নরূপ-
দুহি- দোয়া হলো।  দোহন করে। দুহিতঃ > দুহিঅ > দুহি।
পীঢ়া- দুধ দোয়ার পাত্র ।
ধরণ- ধরা। ধর + ন = ধরণ।
জাই- যায়। যাই > জাই।
রুখের- বৃক্ষের। গাছের। বৃক্ষ > রুথ > রুখ + এর = রুখের।
তেন্তলি- তেঁতুল।
কুম্ভীরে- কুম্ভীর + এ।

---------------------------
• কুক্কুরীপা:
- কুক্কুরীপা চর্যাগীতির তিনটি (২, ২০, ৪৮) গানের রচয়িতা। এদের মধ্যে একটি গান [৪৮] সংখ্যক পুথির লুপ্ত অংশ ছিল।

- তিনি উচ্চবংশীয় ছিলেন বলে ধারণা করা হয়। তাঁর চর্যার ভাষা সে ইঙ্গিত বহন করে। তাঁর রচিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে 'যোগভাবনাপ্রদেশ', 'স্রবপরিচ্ছদ'।

- কুক্কুরীপা তান্ত্রিক নাম কিংবা ছদ্মনাম। কুলীন বা উচ্চবংশীয় হলেও কাব্যমূর্তির কারণে বা তান্ত্রিকতার আকর্ষণে তিনি এ নাম ব্যবহার করে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হয়। নামের সঙ্গে 'পা' যুক্ত থাকায় কেউ কেউ একে গুরুর প্রতি শ্রদ্ধাসূচক ছদ্মনাম বলে মনে করেন। তারানাথের মতে, সঙ্গে সবসময় একটি কুকুরী থাকত বলে তাঁর নামকরণ হয়েছে কুক্কুরীপা।

- কুক্কুরীপা বাংলার উত্তরখণ্ডের অধিবাসী ছিলেন বলে ধারণা করা হয়। অবশ্য হিন্দিভাষীরা তাঁকে কপিলাবস্তু বা বুদ্ধের জন্মস্থান নেপালের লোক বলেছেন।

- সংস্কৃত রচনা 'মহামায়াসাধন'-এর রচয়িতা হিসেবে কুকুরীপার নাম পাওয়া গেছে। এ থেকে অনুমিত হয়, তিনি মহামায়ার উপাসক ছিলেন। ড. শহীদুল্লাহ্ মতে, কুকুরীপা ৭৪০ থেকে ৮২০ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে জীবিত ছিলেন। ধারণা করা হয়, ৮০৯ খ্রিষ্টাব্দে রাজা ধর্মপালের শাসনামলে কুক্কুরীপা তাঁর পৃষ্ঠপোষকতা পেয়েছিলেন।

উৎস: চর্যাগীতি পাঠ, ড. মাহবুবুল হক।

২৫.
মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক মুসলমান সমাজের বেদনাঘন চিত্র অঙ্কন করেছেন কোন উপন্যাসে?
  1. দরাফ খাঁ গাজী
  2. জোহরা
  3. আনোয়ারা
  4. গরীবের মেয়ে
সঠিক উত্তর:
জোহরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জোহরা
ব্যাখ্যা

• 'জোহরা' উপন্যাস:
- 'জোহরা' উপন্যাসের রচয়িতা মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক। তিনি তাঁর জোহরা উপন্যাসের মধ্য দিয়ে মুসলমান সমাজের বেদনাঘন চিত্র অঙ্কন করেছেন।
- জোহরা উপন্যাসে সে আমলের মুসলমান সমাজের অন্যায় অনাচার রূপ দিয়েছেন।
-কন্যার মতামত অগ্রাহ্য করে আত্মীয় স্বজনেরা বিয়ে দিতে গিয়ে মেয়েদের জীবনে যে দুর্ভোগের সৃষ্টি করে তা-ই এ উপন্যাসের উপজীব্য।

----------------------
কবি মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক:
মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক ছিলেন একজন খ্যাতিমান কবি ও সাংবাদিক। তাঁর জন্ম পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার শান্তিপুরের বাউইগাছি গ্রামে। সাহিত্যচর্চায় বৈচিত্র্য ও বহুমুখিতার জন্য তিনি বিশেষভাবে পরিচিত। কবিতা, উপন্যাস ও জীবনী রচনায় তাঁর স্বতন্ত্র কৃতিত্ব লক্ষণীয়।

‘শান্তিপুরের কবি’ নামে পরিচিত মোজাম্মেল হক মুসলিম সমাজের জীবনাদর্শ, ইসলামের নবজাগরণ ও ধর্মীয় চেতনা অবলম্বনে কাব্য রচনা করলেও উপন্যাস রচনায়ও তিনি বিশেষ সাফল্য অর্জন করেন। তাঁর রচিত ‘জোহরা’ উপন্যাসে মুসলমান সমাজের বেদনাঘন বাস্তবচিত্র গভীরভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। অপরদিকে ‘দরাফ খাঁ গাজী’ একটি ধর্মপ্রেরণামূলক ঐতিহাসিক উপন্যাস হিসেবে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

সাহিত্যক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ কর্তৃক ‘কাব্যকণ্ঠ’ উপাধিতে ভূষিত হন। তিনি মোজাম্মেল হক লহরী (১৮৯৯), মোসলেম ভারত (১৯২০) এবং শান্তিপুর মাসিক সাহিত্য পত্রিকা-এর সম্পাদক ও প্রকাশক ছিলেন।

• তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থগুলো হলো: কুসুমাঞ্জলি, অপূর্বদর্শন। হযরত মুহাম্মদ, জাতীয় ফোয়ারা।
• তাঁর রচিত উপন্যাসগুলো হলো: জোহরা, দরাফ খান গাজী।

অন্যদিকে, 
• মোহাম্মদ নজিবর রহমান রচিত উপন্যাস- 'আনোয়ারা', 'প্রেমের সমাধি', 'গরীবের মেয়ে’, ‘পরিণাম', ‘চাঁদতারা বা হাসান গঙ্গা বাহমনি', 'দুনিয়া আর চাই না'। 

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মাহাবুবুল আলম। 

২৬.
'ছেলেটার পাকা বুদ্ধি'- এখানে 'পাকা' শব্দটি কী নির্দেশ করছে?
  1. চূড়ান্ত 
  2. যথার্থ 
  3. অকালপক্ব 
  4. পরিণত 
সঠিক উত্তর:
পরিণত 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিণত 
ব্যাখ্যা

• পাকা শব্দটি দিয়ে বিভিন্ন অর্থ প্রকাশ করা যায়।

বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'পাকা বুদ্ধি ছেলেটার'- এখানে 'পাকা' শব্দটি'- পরিণত বুদ্ধি নির্দেশ করছে।  



উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

২৭.
মধ্যস্থ বা অধীন অর্থে ব্যবহৃত ফারসি উপসর্গ কোনটি?
  1. দর্‌ 
  2. নিম্‌
  3. কম্‌
  4. কার 
সঠিক উত্তর:
দর্‌ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দর্‌ 
ব্যাখ্যা

• ফারসি উপসর্গের প্রয়োগ:
১) কার (কাজ) অর্থে: কারখানা, কারসাজি, কারচুপি, কারবার, কারদানি।
২) দর্‌ (মধ্যস্থ, অধীন) অর্থে: দরপত্তনী, দরপাট্টা, দরদালান।
৩) না (না) অর্থে: নাচার, নারাজ, নামঞ্জুর, নাখোশ, নালায়েক।
৪) নিম্‌ (আধা )অর্থে: নিমরাজি, নিমখুন।
৫) ফি (প্রতি) অর্থে: ফি-রোজ, ফি-হপ্তা, ফি-বছর, ফি-সন, ফি-মাস।
৬) বদ্‌ (মন্দ) অর্থে: বদমেজাজ, বদরাগী, বদমাশ, বদহজম, বদনাম।
৭) বে (না) অর্থে: বেআদব, বেআক্কেল, বেকসুর, বেকায়দা, বেগতিক, বেতার, বেকার।
৮) বর্‌ (বাইরে, মধ্যে) অর্থে: বরখাস্ত, বরদাস্ত, বরখেলাপ, বরবাদ।
৯) ব্‌ (সহিত) অর্থে: বমাল, বনাম, বকলম।
১০) কম্‌ (স্বল্প) অর্থে: কমজোর, কমবখত।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।

২৮.
নিচের কোন পুরুষবাচক শব্দের দুটি স্ত্রীবাচক শব্দ রয়েছে?
  1. ঢাকী
  2. কবিরাজ
  3. শিক্ষক
  4. মরদ
সঠিক উত্তর:
শিক্ষক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিক্ষক
ব্যাখ্যা

• কিছু পুরুষবাচক শব্দের দুটি করে স্ত্রীবাচক শব্দ রয়েছে।
যেমন-
- দেবর - ননদ (দেবরের বোন) এবং জা (দেবরের স্ত্রী)।
- ভাই - বোন এবং ভাবী (ভাইয়ের স্ত্রী)।
- শিক্ষক - শিক্ষয়িত্রী (শিক্ষিকা) এবং শিক্ষকপত্নী (শিক্ষকের স্ত্রী)। 
- বন্ধু - বান্ধবী (মেয়ে বন্ধু) এবং বনব্ধুপত্নী (বন্ধুর স্ত্রী)। 
- দাদা - দিদি (বড় বোন) এবং বৌদি (দাদার স্ত্রী) ইত্যাদি। 

এছাড়া,
•'কবিরাজ' ও ঢাকী শব্দের কোন স্ত্রীবাচক শব্দ নেই। এরা নিত্য পুরুষবাচক শব্দ। 
• 'মরদ' শব্দের স্ত্রীবাচক - জেনানা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।

২৯.
'Budget allotment' শব্দের বাংলা পারিভাষিক শব্দ কোনটি?  
  1. বাজেটখাত 
  2. বাজেট প্রাক্কলন  
  3. বাজেটবরাদ্দ 
  4. বাজেট অধিবেশন 
সঠিক উত্তর:
বাজেটবরাদ্দ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাজেটবরাদ্দ 
ব্যাখ্যা

• 'Budget allotment' শব্দের বাংলা পারিভাষিক শব্দ - বাজেটবরাদ্দ। 
 
অন্যদিকে,
• 'Budget estimate' অর্থ - বাজেট প্রাক্কলন। 
• 'Budget head' অর্থ - বাজেটখাত।  
• 'Budget session' অর্থ - বাজেট অধিবেশন। 

উৎস: প্রশাসনিক পরিভাষা, বাংলা একাডেমি। 

৩০.
'নির্বাচন' শব্দের শুদ্ধ উচ্চারণ কোনটি?
  1. নির্‌বাচণ্‌
  2. নির্‌বচোন্‌
  3. নির্‌বচন্‌
  4. নির্‌বাচন্‌
সঠিক উত্তর:
নির্‌বাচন্‌
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্‌বাচন্‌
ব্যাখ্যা

• নির্বাচন (বিশেষ্য পদ),
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ। 
- শুদ্ধ উচ্চারণ- নির্‌বাচন্‌। 
অর্থ:
- প্রতিনিধি বাছাইয়ের উদ্দেশ্যে জনমত গ্রহণের প্রক্রিয়াবিশেষ। 

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

৩১.
Fill in the blank: 
She is accustomed to _____ (speak) in public. 
  1. speak
  2. speaking
  3. be spoken
  4. spoken
সঠিক উত্তর:
speaking
উত্তর
সঠিক উত্তর:
speaking
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) speaking.

Complete sentence: She is accustomed to speaking in public. 

- accustomed to → এর পর verb + ing (gerund) আসে।
- তাই speak হবে speaking.

• Accustomed to something
English Meaning: familiar with something.
Bangla Meaning: অভ্যস্ত হওয়া।
Example: She is accustomed to working late.

- অভ্যস্ত থাকা অর্থে Accustomed to এর পরে gerund/noun phrase ব্যবহৃত হয়।
- It is always followed by a noun or gerund (verb + -ing).

• সাধারণত to এর পর Verb এর base form হলেও কিছু কিছু শব্দগুচ্ছ সমূহের পর verb+ing হয়।
• যেমন:
- With a view to,
- With an eye to,
- Look forward to,
- Accustomed to,
- Adhere to,
- Adverse to,
- Addicted to,
- Committed to,
- Confess to,
- Devoted to,
- Conducive to,
- Addicted to,
- Be used to,
- Get used to, etc.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৩২.
Regarding your question, I will reply soon. Here 'regarding' is a/an ______.
  1. preposition
  2. participle
  3. verb
  4. noun
সঠিক উত্তর:
preposition
উত্তর
সঠিক উত্তর:
preposition
ব্যাখ্যা

Regarding your question, I will reply soon. Here 'regarding' is - preposition.
এখানে ‘regarding’ এর পরে “your question” এসেছে।
এটি মূলত একটি preposition এর কাজ করছে, অর্থাৎ কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত/সম্পর্কে বোঝাচ্ছে।
অর্থ: “আপনার প্রশ্নের বিষয়ে, আমি শীঘ্রই উত্তর দেব।”

• Regarding: [preposition]
English meaning: relating to somebody/something; about somebody/something.
Bangla meaning: সম্পর্কে; বিষয়ে।

Example: 
- She has said nothing regarding your request.
- Call me if you have any problems regarding your work.
- I have a question regarding your last statement.

Source: Oxford Dictionary.

৩৩.
Fill in the blank with the appropriate option:
She avoided _____ (answer) my question directly.
  1. answer
  2. to answer
  3. answering
  4. answered
সঠিক উত্তর:
answering
উত্তর
সঠিক উত্তর:
answering
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) answering.
Complete sentence: She avoided answering my question directly.

• "Avoid" verb এর পরে সবসময় gerund (verb + ing) ব্যবহার হয়।
- তাই answer- answering হবে।

Example:
- She avoided answering my question.
- He avoids eating junk food.
- They avoided talking about the issue.
- I avoid going to crowded places.

• কিছু কিছু Verb আছে যেগুলোর পরে verb+ing (gerund) বসে।
- যেমন: admit, appreciate, avoid, consider, delay, deny, enjoy, finish, mind, miss, postpone, practice, risk, resume, resist, etc.

Source:
- A passage to the English language by S. M. Zakir Hussain.
- Advanced Learner's Grammar and Composition by Chowdhury and Hossain.
- English Wizard by Saleh Ahmed.

৩৪.
She speaks English fluently. Here 'fluently' is a/an ______. 
  1. adjective
  2. adverb
  3. noun
  4. verb
সঠিক উত্তর:
adverb
উত্তর
সঠিক উত্তর:
adverb
ব্যাখ্যা

She speaks English fluently. Here 'fluently' is -adverb.
এখানে ‘fluently’ শব্দটি কীভাবে ইংরেজি বলা হচ্ছে তা বর্ণনা করছে।
কোনো verb এর উপরে কিভাবে কাজ হচ্ছে তা দেখানো শব্দকে আমরা adverb বলি।

Fluently: [adverb]
English meaning: if you speak a language or read fluently, you speak or read easily and well.
Bangla meaning: স্বচ্ছন্দে; অনর্গল; সাবলীলভাবে।

Example:
She speaks German fluently.
a child just beginning to read fluently.

Source: Oxford Dictionary.

৩৫.
Make it passive: Do you know them?
  1. Are they known by you?
  2. Would they be known by you? 
  3. Are they known with you?
  4. Are they known to you?
সঠিক উত্তর:
Are they known to you?
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Are they known to you?
ব্যাখ্যা

[৩৯তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি]

• Auxiliary verb যুক্ত Interrogative sentence  কে passive করতে গেলে দুই ধাপে করতে হয়।
-  প্রথমেই  বাক্যটিকে Assertive এ রূপান্তরিত করে নিতে হয়।
- এরপর passive voice এর Assertive sentence টি কে Interrogative sentence এ পরিণত করতে হয়। 
- যেমন- Do you know them? এর Assertive হচ্ছে You know them. 
 
• Assertive sentence এর active voice কে passive করার নিয়ম - 
- Active voice এর object Passive voice এর  Subject হবে  + Tense অনুযায়ী Auxiliary Verb  বসবে + মূল  verb এর  past participle form + Active voice এর  subject টি passive এ object হিসাবে বসে এবং তার পূর্বে  preposition by বসে 
• কিন্তু know এর সাথে by বসে না। Know +to  হয়। 
 
• সুতরাং নিয়মানুযায়ী -
Active: Do you know them?

Passive: Are they known to you?

অন্য অপশনগুলো ভুল:

ক) Are they known by you? → "know" verb-এর সাথে preposition "to" সঠিক।

খ) Would they be known by you? → Conditional (would) ব্যবহার করা হয়েছে, যা মূল sentence-এর present simple-এর সাথে মেলে না।

গ) Are they known with you? → "With" preposition ভুল; "know" এর সাথে "with" ব্যবহার হয় না।

৩৬.
Fill in the gap with an appropriate preposition:
She has an aptitude ___ music and painting.
  1. for
  2. in
  3. at
  4. to
সঠিক উত্তর:
for
উত্তর
সঠিক উত্তর:
for
ব্যাখ্যা

Complete sentence: She has an aptitude for music and painting.
- ‘Aptitude’ শব্দের সাথে সাধারণত ব্যবহার করা হয় ‘for’। অর্থাৎ, যখন কাউকে কোনো কাজ বা বিষয়ের প্রতি প্রাকৃতিক সক্ষমতা বা ঝোঁক বোঝাতে হয়, তখন ‘aptitude for’ ব্যবহার করা হয়।

aptitude (for):
Meaning: স্বাভাবিক বা অর্জিত ক্ষমতা; প্রবণতা। 

Example: She shows great aptitude for music.

Source: Accessible Dictionary.

৩৭.
Identify the correct sentence.
  1. The decision was taken in the interest of the students.
  2. The decision was taken for the interest of the students.
  3. The decision was taken with the interest of the students.
  4. The decision was taken on the interest of the students.
সঠিক উত্তর:
The decision was taken in the interest of the students.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The decision was taken in the interest of the students.
ব্যাখ্যা

Correct sentence: The decision was taken in the interest of the students.

In the interest of something/doing something
English meaning: in order to achieve a result or to benefit a situation.
Bangla meaning: স্বার্থে। 

Example: 
- In the interests of safety, please do not smoke.
- In the interest of fairness, we should consider her remarks in context.
- Quality is being sacrificed in the interest of reaching the targets.

Source: Cambridge Dictionary.

৩৮.
Choose the correctly spelled word.
  1. Concilliate
  2. Conciliate
  3. Concilate
  4. Consilliate
সঠিক উত্তর:
Conciliate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Conciliate
ব্যাখ্যা

The correct answer is— খ) Conciliate.

Conciliate:
English meaning: to end a disagreement or someone's anger by acting in a friendly way or slightly changing your opinions, or to satisfy someone who disagrees with you by acting in this way.
Bangla meaning: মীমাংসা করা / শান্ত করা / উদারতা দেখিয়ে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন করা।

Example:
- An independent adviser has been brought in to conciliate between the two sides involved in the conflict.
- These changes have been made in an attempt to conciliate critics of the plan.

Source: Cambridge Dictionary.

৩৯.
The gold ring is expensive. Here 'gold' is a/an ______.
  1. noun
  2. adjective
  3. adverb
  4. preposition
সঠিক উত্তর:
adjective
উত্তর
সঠিক উত্তর:
adjective
ব্যাখ্যা

The gold ring is expensive. Here 'gold' is - adjective.
- এখানে ‘gold’ শব্দটি ring নামের noun কে describe করছে, অর্থাৎ কোন ধরনের ring তা বোঝাচ্ছে।
যে শব্দ noun বা pronoun কে describe করে, সেটি adjective.

gold: [adjective]
English meaning: made of gold.
Bangla meaning: সোনার তৈরি, সোনার মতো।

Example: 
He wore a gold ring.
She has a lot of gold jewellery.

Source: Cambridge Dictionary.

৪০.
The word "ameliorate" means to -
  1. Make a bad situation worse
  2. Improve or make something better
  3. Ignore a problem completely
  4. Criticize harshly 
সঠিক উত্তর:
Improve or make something better
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Improve or make something better
ব্যাখ্যা

The correct answer is—খ) Improve or make something better.

• Ameliorate:

English meaning: to make a bad or unpleasant situation better.
Bangla meaning: (আনুষ্ঠানিক) অপেক্ষাকৃত উন্নত বা ভালো হওয়া; অপেক্ষাকৃত উন্নত বা ভালো করা। 

Example:
- Foreign aid is badly needed to ameliorate the effects of the drought.
- The transition benefits significantly ameliorated the adverse effects of the plan changes.

Source: Accessible Dictionary.

৪১.
Education is enlightening. Here 'enlightening' is:
  1. A gerund
  2. A participle
  3. An infinitive
  4. A finite verb
সঠিক উত্তর:
A participle
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A participle
ব্যাখ্যা

[৩৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি]

• Education is ‘enlightening, here ‘enlightening is - A participle.

• প্রদত্ত বাক্যে ‘enlightening’ শব্দটি noun ‘Education’ কে modify করছে, অর্থাৎ adjective এর কাজ করছে।
- Verb + ing যখন adjective এর কাজ করে তখন তাকে participle বলে।

• A participle is a verb that ends in -ing (present participle) or -ed, -d, -t, -en, -n (past participle). Participles may function as adjectives, describing or modifying nouns.
- Participle একই সাথে Verb ও Adjective এর কাজ করে।

• Participle মূলত: তিন প্রকার: 
1. Present Participle. Ex: Do not disturb a sleeping dog. 
2. Past Participle. Ex: This is a book written by Charles Dickens. 
3. Perfect Participle. Ex: Having eaten rice, he went to bed.

৪২.
Which word is opposite in meaning to “Sacred”?
  1. Inviolable
  2. Exempt
  3. Blasphemous
  4. Pure
সঠিক উত্তর:
Blasphemous
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Blasphemous
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) Blasphemous.

• Sacred (Adjective)
- English Meaning: Considered to be holy and deserving respect, especially because of a connection with a god.
- Bangla Meaning: ভাবগম্ভীর; পবিত্র, অলঙ্ঘনীয়, শ্রদ্ধেয়।

• Given options:
ক) Inviolable - (আনুষ্ঠানিক) অলঙ্ঘ্য; অলঙ্ঘনীয়; অনতিক্রমণীয়।

খ) Exempt - (বাধ্যবাধকতা ইত্যাদি থেকে) রেহাই বা অব্যাহতি দেওয়া।

গ) Blasphemous - নিন্দিত; অবমাননা/অপবিত্র; ঈশ্বর বা ধর্মমতের প্রতি তীব্র কটাক্ষপূর্ণ।

ঘ) Pure - ভেজালহীন; বিশুদ্ধ; খাঁটি।

‘Sacred’ শব্দের অর্থ হলো পবিত্র, ধর্মীয়ভাবে সম্মানিত। এর বিপরীতার্থক (antonym) শব্দ হলো ‘Blasphemous’, যার অর্থ অপবিত্র বা ধর্মের প্রতি অবমাননাকর।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৪৩.
I go for a walk when the sun sets. The underlined part is an example of -
  1. noun clause
  2. adverb clause
  3. adjective clause
  4. none
সঠিক উত্তর:
adverb clause
উত্তর
সঠিক উত্তর:
adverb clause
ব্যাখ্যা

I go for a walk when the sun sets. The underlined part is an example of - Adverb clause.
- এই বাক্যে underlined part টি adverb clause.
- এটি when (subordinating conjunction) দিয়ে শুরু হয়েছে, যা সময় বোঝায়।
- এই clause টি মূল clause-এর verb "go" কে modify করছে এবং প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছে: কখন আমি হাঁটতে যাই? - যখন সূর্য অস্ত যায়।
- তাই এটি adverb clause of time (সময়সূচক adverb clause), যা adverb-এর মতো কাজ করে।

• Adverbial clause:
- যে subordinate clause একটি বাক্যে একটি adverb হিসেবে কাজ করে এবং একটি verb,বা একটি adjective-clause বা অন্য একটি adverbial clause-কে modify করে তাকে Adverbial Clause বলে।
- Adverb এর মত এরা - time, place, cause, effect, purpose ইত্যাদি বুঝায়।
- অর্থাৎ, Adverbial clause সবসময় সময়, স্থান, কাল, কারন, উদ্দেশ্য, ধরন, ফলাফল ইত্যাদি প্রকাশ করে।

৪৪.
Which of the following is a synonym of 'Vigilant'?
  1. Heedless
  2. Oscillate
  3. Villainous
  4. Observant
সঠিক উত্তর:
Observant
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Observant
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) observant.

• Vigilant:
English meaning: always being careful to notice things, especially possible danger.
Bangla meaning: সতর্ক; হুঁশিয়ার; অতন্দ্র; অতন্দ্রিত; সতর্কদৃষ্টি; যেকোনো বিপদ সম্বন্ধে সদাসতর্ক।

Options,
ক) heedless:
- অসতর্ক; অবহেলনাকারী; অনবহিত; অমনোযোগী।

খ) oscillate:
- দুলতে থাকা বা দোলানো।

গ) villainous:
- দুর্বৃত্ত; নীচ; জঘন্য; অতি দুর্বৃত্ত; অতি অসৎ।

ঘ) observant:
- লক্ষ্য কওে এমন, মনোযোগী।

So, The synonym of 'vigilant' is - observant.

‘Vigilant’ শব্দের অর্থ হলো সতর্ক, সজাগ, নজরদার। এর সমার্থক (synonym) শব্দ হলো ‘observant’, যার অর্থও মনোযোগী ও সতর্কভাবে লক্ষ্য করা।

৪৫.
The term 'A baker's dozen' means -
  1. thirteen
  2. twelve
  3. eleven
  4. fourteen
সঠিক উত্তর:
thirteen
উত্তর
সঠিক উত্তর:
thirteen
ব্যাখ্যা

'A baker's dozen' একটি ইংরেজি প্রবাদমূলক শব্দগুচ্ছ, যার অর্থ হলো ১৩টি।

 A baker's dozen 
- from the former bakers' custom of adding an extra loaf to a dozen sold
- এ phrase টি মূলত রুটি বা বিস্কুট তৈরীকারীদের অতীত রীতি থেকে এসেছে।
- তারা কোন অর্ডার এর ক্ষেত্রে ১২ টির জায়গায় একটি অতিরিক্ত দিয়ে ১৩ টি দিত।
- তাই ‘A baker’s dozen’ অর্থ ১৩ টি।

• A round dozen – পূর্ণ ডজন/১২টি অর্থাৎ A full dozen.
• A long dozen or baker's dozen means - Thirteen; অর্থাৎ ১৩টি।

Source: Britannica

৪৬.
The epic The Faerie Queene was written by whom?
  1. Nicholas Udall
  2. Edmund Spenser
  3. Sir Philip Sidney
  4. Christopher Marlowe
সঠিক উত্তর:
Edmund Spenser
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Edmund Spenser
ব্যাখ্যা

The Faerie Queene একটি বিখ্যাত ইংরেজি মহাকাব্য (epic poem), যা রচনা করেছেন Edmund Spenser.

• The Faerie Queene:
- Edmund Spenser রচিত 'The Faerie Queene' কে মহাকাব্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- 1590 সালে এর প্রথম installment টি প্রকাশিত হয়।
- এটি একটি religious-moral-political allegory.
- এই মহাকাব্যের নায়ক Red Cross Knight.
- এর নায়িকা Una.
- এর মূল বিষয়বস্তু হলো Patriotism.

• Major characters:
- Red Cross knight,
- Una,
- Archimago,
- Belphoebe,
- Orgoglio,
- King Arthur,
- Gloriana, etc.

• Edmund Spenser:
- Elizabethan Period এর বিখ্যাত সাহিত্যিক Edmund Spenser, Poet of Poets নামে পরিচিত।
- He is called the Poets of Poet because many later English poets followed his art of Poetry
- He is also known as 'the child of Renaissance and rebirth'.
- The Faerie Queene তার বিখ্যাত মহাকাব্য এবং The Shepherd’s Calendar তার একটি বিখ্যাত কবিতা।
- His famous sonnet collection is 'Amoretti'.

• Spenser's other famous poems:
- Mother Hubberd's Tale,
- Complaints,
- Epithalamion,
- Mutabilitie Cantos,
- The Shepheardes Calender (Poetry Book),
- The The Faerie Queene (Epic),
- Amoretti (Sonnet Collection).

Source: Britannica.

৪৭.
Who is the author of the quote, “A false friend is more dangerous than an open enemy”?
  1. John Milton
  2. Charles Dickens
  3. William Shakespeare
  4. Francis Bacon
সঠিক উত্তর:
Francis Bacon
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Francis Bacon
ব্যাখ্যা

• “A false friend is more dangerous than an open enemy” উক্তিটি মূলত Francis Bacon এর লেখা। তিনি ইংরেজি দার্শনিক, প্রাবন্ধিক এবং রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন। এই উক্তিতে তিনি বন্ধুত্ব এবং বিশ্বাসঘাতকতার ভয়াবহতা নিয়ে সতর্ক করেছেন। 

• Francis Bacon.
- He is widely known as a famous essayist in English Literature.
- তাঁর পুরো নাম Francis Bacon, Viscount Saint Alban.
- Francis Bacon কে father of English Essay এবং natural philosopher বলা হয়ে থাকে।
- তিনি একজন lawyer, statesman, philosopher এবং master of the English tongue.
- He is remembered in literary terms for the sharp worldly wisdom of a few dozen essays.

• তার বিখ্যাত কিছু quotes -
- “Wives are young men’s mistresses; companions for middle age, and old men’s nurses.”
- “Reading maketh a full man; conference a ready man, and writing an exact man.”
- “It is impossible to love and to be wise.”
- “Some books are to be tasted, others to be swallowed, and some few to be chewed and digested.”
- "Wonder is the seed of knowledge."
- "A false friend is more dangerous than an open enemy."
- "Beauty itself is but the sensible image of the Infinite."
- "Silence is the sleep that nourishes wisdom."

• Some notable work:
- Advancement of Learning
- Commentarius Solutus
- De Sapientia Veterum
- Instauratio Magna
- Novum Organum
- The New Atlantis

Source: Britannica.com

৪৮.
The 'Poet Laureate' is-
  1. the best poet of the country
  2. a winner of the Nobel Prize in poetry
  3. the Court Poet of England
  4. a classical poet
সঠিক উত্তর:
the Court Poet of England
উত্তর
সঠিক উত্তর:
the Court Poet of England
ব্যাখ্যা

[15th BCS Preli]

সঠিক উত্তর: গ) the Court Poet of England.

• Poet Laureate:
- This title was first granted in England in the 17th century for poetic excellence.
- যিনি এই উপাধি লাভ করেন, তিনি ব্রিটিশ রাজপরিবারের একজন বেতনভুক্ত সদস্য হন, যদিও বর্তমানে তাঁর নির্দিষ্ট কোনো কবিতা-সংক্রান্ত দায়িত্ব নেই।
- "Poet Laureate" হচ্ছেন একটি দেশের সরকার-নিযুক্ত সরকারি কবি। ব্রিটেনে, যিনি এই উপাধি পান, তিনি বাকি জীবনের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সম্মানসূচক বেতন পান।
- ব্রিটেনে Poet Laureate পদটি ধারাবাহিকতার দিক থেকে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এর সূচনা হয় ১৬১৬ সালে, যখন King James I, Ben Jonson কে একটি পেনশন প্রদান করেন।

• যুক্তরাষ্ট্রে ১৯৩৬ সালে এ ধরনের একটি পদ সৃষ্টি করা হয়, এবং বিশ্বের অনেক দেশেই একজন "Poet Laureate" বা জাতীয় কবির সমপর্যায়ের পদে কাউকে নিযুক্ত করা হয়।

Source: Britannica.

৪৯.
O. Henry is the pen name of whom?
  1. Mary Ann Evans
  2. Eric Arthur Blair
  3. Samuel Clemens
  4. William Sydney Porter
সঠিক উত্তর:
William Sydney Porter
উত্তর
সঠিক উত্তর:
William Sydney Porter
ব্যাখ্যা

O. Henry হলো William Sydney Porter এর ছদ্মনাম। তিনি একজন প্রখ্যাত আমেরিকান short story writer.

• O. Henry (1862-1910):
- তিনি একজন বিখ্যাত American ছোট গল্প লেখক এবং Modern Period এর অন্যতম সাহিত্যিক।
- O. Henry -এর প্রকৃত নাম ছিল William Sydney Porter.
- O. Henry হলো তার pen name.
- তিনি O. Henry হিসেবেই সাহিত্য জগতে অধিক পরিচিতি লাভ করেছেন।
- O. Henry is best known for his short stories.
- বলা হয়ে থাকে O. Henry is the short-story writer whose tales romanticized the commonplace - বিশেষ করে New York City এর সাধারণ মানুষের জীবন।
- তাঁর সাহিত্যে আমেরিকার নিউইর্ক এর সাধারণ মানুষের জীবন ধারনের চিত্র নতুন মাত্রায় স্থান পেয়েছে।

• Famous Short Stories:
- Heart of the West,
- The Gift of the Magi,
- The Last Leaf,
- Roads of Destiny,
- The Furnished Room,
- The Ransom of Red Chief,
- The Trimmed Lamp,
- The Four Million,
- Whirligigs,
- The Voice of the City.

Other options,

- Mary Ann Evans – ছদ্মনাম George Eliot, ইংরেজি ঔপন্যাসিক।

- Eric Arthur Blair – ছদ্মনাম George Orwell, বিখ্যাত রাজনৈতিক ও সামাজিক লেখক।

- Samuel Clemens – ছদ্মনাম Mark Twain, প্রখ্যাত আমেরিকান ঔপন্যাসিক।

Source: Britannica.

৫০.
"Into the valley of Death
Rode the six hundred" - Who quoted this famous quote?
  1. Robert Browning 
  2. W.B. Yeats
  3. T.S. Eliot
  4. Alfred Tennyson
সঠিক উত্তর:
Alfred Tennyson
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Alfred Tennyson
ব্যাখ্যা

“Into the valley of Death rode the six hundred”,  উক্তিটি হলো Alfred Tennyson এর “The Charge of the Light Brigade” কবিতা থেকে।

• The Charge of the Light Brigade: 
- Tennyson রচিত একটি কবিতা যা ১৮৫৫ সালে এটি প্রকাশিত হয়।
- ১৮৫৪ সালে ক্রিমিয়ান যুদ্ধ চলাকালে বালাক্লাভা নামক এক রণক্ষেত্রে রাশিয়ার সেনাবাহিনীর সাথে ব্রিটেন, ফ্রান্স এবং তুরস্কের এক যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- এই 'Battle of Balaklava' এর প্রেক্ষিতেই কবি কবিতাটি রচনা করেন।
- এই যুদ্ধে, একটি ব্রিটিশ অশ্বারোহী  বাহিনী  - the “Light Brigade” -কে একটি রাশিয়ান artillery unit এর বিরুদ্ধে চার্জ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
- কবিতাটি ৬০০ জন সৈনিকের একটি ব্রিগেডের (Brigade) গল্প বলে, যারা ঘোড়ায় চড়ে "মৃত্যুর উপত্যকা"য় (death valley) প্রবেশ করে প্রায় দেড় মাইল পথ অতিক্রম করা পর। তারা শত্রু বাহিনীর দিকে অগ্রসর হওয়ার আদেশ পালন করছিল। পরবর্তীতে তারা শ্ত্রুবাহিনীর হাতে নিরস্ত্র অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছিলো।
- আদেশ পালনকালে সকল সৈনিক বুঝতে পেরেছিল যে তাদের কমান্ডার একটি ভয়ানক ভুল করেছেন, তবুও একটিও সৈনিক অগ্রসর হওয়ার আদেশে নিরুৎসাহিত বা হতাশ হয়নি।
- তাদের মধ্যে কেউ একজন বলেছিলো - সৈনিকের কাজ হলো আদেশ মেনে চলা এবং "উত্তর দেওয়া নয়... কারণ খোঁজা নয়," তাই তারা আদেশ অনুসরণ করে "মৃত্যুর উপত্যকা"য় প্রবেশ করেছিল।
- বিভিন্ন দিক থেকে তাদেরকে অতকির্তে হামলা করার পরে পরবর্তীতে তারা শ্ত্রুবাহিনীর হাতে নিরস্ত্র অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছিলো। তবুও তারা সাহসের সঙ্গে তাদের মৃত্যু মুখে এগিয়ে গিয়েছিল।
- পুরা বিশ্ব সেই সৈনিকদের সাহস দেখে বিস্মিত হয়েছিল; কবিতাটি বলে যে এই মহৎ ৬০০ জন আজও সম্মান ও শ্রদ্ধার যোগ্য: তাদের গৌরব অমর।

• Alfred Tennyson:
- Alfred, Lord Tennyson একজন English poet 
- He is often regarded as the chief representative of the Victorian age in poetry. 

• Some poems of Tennyson:
- Oenone,
- Ulysses,
- Lotus Eaters,
- Locksley Hall,
- Tears Idle Tears,
- Tithonus,
- The Two Voices,
- The Lady of Shalott,
- Vision of Sin,
- Morte D'Arthur,
- The Charge of the Light Brigade,
- Crossing the Bar,
- Enoch Arden,
- Idylls of the King,
- The Falcon,
- In Memoriam (Elegy),
- Queen Mary (Comedy),
- Harold, etc.

Source:
1. Britannica.
2. British Library.
3. English Essence by Live MCQ

৫১.
"No more; where ignorance is bliss,
'Tis folly to be wise." - Who quoted this famous quote?
  1. Alexander Pope
  2. Thomas Gray
  3. W.B. Yeats
  4. John Keats
সঠিক উত্তর:
Thomas Gray
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Thomas Gray
ব্যাখ্যা

• "No more; where ignorance is bliss,
'Tis folly to be wise." এই বিখ্যাত উক্তিটি Thomas Gray-এর কবিতা “Ode on a Distant Prospect of Eton College” থেকে নেওয়া।

• Ode on a Distant Prospect of Eton College:
- এটি Thomas Gray রচিত।
- এই কবিতাটি 1747 সালে প্রকাশিত হয়।
- কবিতাটির একটি বিখ্যাত উক্তি -
"Where ignorance is bliss,
'Tis folly to be wise."

• Thomas Gray is known as a Graveyard poet.
- তিনি the Age of Sensibility এর একজন গুরুত্বপূর্ন সাহিত্যিক।

• Notable works:
- An Elegy Written in a Country Church Yard,
- Ode on a Distant Prospect of Eton College,
- The Bard,
- The Progress of Poesy.

Source: Britannica.

৫২.
An epistolary novel, 'Pamela', was written by -
  1. Daniel Defoe
  2. Henry Fielding
  3. Tobias Smollett
  4. Samuel Richardson
সঠিক উত্তর:
Samuel Richardson
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Samuel Richardson
ব্যাখ্যা

Pamela; or, Virtue Rewarded একটি বিখ্যাত epistolary novel (চিঠির আকারে লেখা উপন্যাস), যা রচনা করেছেন Samuel Richardson. উপন্যাসটি সম্পূর্ণভাবে চিঠি ও ডায়েরির মাধ্যমে কাহিনি তুলে ধরে—এ কারণেই একে epistolary novel বলা হয়।

• Pamela: 
- এটি Samuel Richardson রচিত একটি Novel.
- It is an example of an epistolary novel.
- Pamela', in full Pamela; or, Virtue Rewarded.
- Novel টিকে ইংরেজি সাহিত্যের প্রথম English Novel হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- Novel টি হচ্ছে একটি Epistolary novel অর্থাৎ অনেকটা চিঠির মতো করে লেখা এই উপন্যাস।
- এটি ১৭৪০ সালে প্রকাশিত হয়।
- The novel is based on a story about a servant and the man who, failing to seduce her, marries her.

• Pamela Andrews হচ্ছে ১৫ বয়সী একজন পরিচীকা।
- তাঁর মালিকের মৃত্যুর পর, মালিকের ছেলে “Mr. B, বিভিন্ন চলে কৌশলে Pamela কে নিজের প্রেমে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করেন,
- Pamela resists, and soon afterward Mr. B offers marriage, an outcome that Richardson presents as a reward for her virtue. The second half of the novel shows Pamela winning over those who had disapproved of the misalliance.

• Samuel Richardson (1689 - 1761), an English novelist. 
- His major novels were:
- Pamela (1740) and
- Clarissa (1747–48).

• মনে রাখা জরুরি,
- First English Tragedy - Gorboduc by Thomas Norton and Sackville.
- First English Revenge Tragedy - The Spanish Tragedy written by Thomas Kyd.
- First Romance in prose - Morte d' Arthur.

Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman and Britannica.

৫৩.
The beginning of the Romantic period in English literature is marked by the publication of —
  1. The Daffodils
  2. The Solitary Reaper
  3. Biographia Literaria 
  4. Lyrical Ballads
সঠিক উত্তর:
Lyrical Ballads
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Lyrical Ballads
ব্যাখ্যা

ইংরেজি সাহিত্যে Romantic period–এর সূচনা হিসেবে সাধারণত গণ্য করা হয় William Wordsworth এবং Samuel Taylor Coleridge–এর লেখা Lyrical Ballads (1798)–এর প্রকাশ।

• Lyrical Ballads:
- William Wordsworth and S. T Coleridge jointly contributed to the publication of 'Lyrical Ballads'.
- ১৭৯৮ সালে William Wordsworth এবং Samuel Taylor Coleridge এর Lyrical ballads রচনার মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু হয় রোমান্টিক যুগ এবং এই যুগের সাহিত্যকর্মের।
- Lyrical Ballads is a collection of Romantic poems.
- এতে মোট 23 টি কবিতা রয়েছে, তার মধ্যে ১৯ টি William Wordsworth ও ৪ টি S.T. Coleridge এর।
- Lyrical Ballads এর প্রকাশনা English Literature এর উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এনেছিল, বিশেষত Subject and Style এর ক্ষেত্রে। 
- এই কাব্যগ্রন্থটিতে প্রকাশিত কবিতাগুলো বিষয়বস্তুর দিকে যেমন সরল তেমনি শব্দের ব্যবহারের দিক দিয়েও উচ্চাঙ্গের কিছু না।
- অন্যভাবে বললে, এই কবিতাগুলো অলংকার বিবর্জিত এবং কৃত্রিমতা বিহীন।
- সাধারণ মানুষের মুখে যে ভাষা প্রচলিত ছিল সেসব শব্দই তিনি এই কবিতাতে ব্যবহার করেন।

Source: An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman.

৫৪.
Major Barbara is a ____ act play written by George Bernard Shaw.
  1. one
  2. two
  3. three
  4. five
সঠিক উত্তর:
three
উত্তর
সঠিক উত্তর:
three
ব্যাখ্যা

Major Barbara হলো three-act নাটক, যা রচনা করেছেন George Bernard Shaw.

• Major Barbara:
- George Bernard Shaw wrote the satire 'Major Barbara'.
- এটি তাঁর রচিত একটি Social Satire.
- এটি একটি 3 act বিশিষ্ট play.
- নাটকটি ১৯০৫ সালে লেখা এবং ১৯০৭ সালে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
- The story concerns an idealistic young woman, Barbara Undershaft, who is engaged in helping the poor as a Major in the Salvation Army in London.

• George Bernard Shaw:
- একজন বিখ্যাত আইরিশ Playwright and a Critic।
- তিনি ১৯২৫ সালে ইংরেজি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- তাঁর উপাধি হলো - The greatest modern English dramatist এবং তাঁকে The father of modern English literature বলা হয়।

 • Famous Plays of G.B. Shaw:
- Pygmalion (Romantic play),
- Major Barbara (Social satire),
- Mrs. Warren's Profession;(play),
- Arms and the Man (Romantic comedy),
- Heartbreak House,
- Caesar and Cleopatra; (play/tragedy),
- Man and Superman; (Comedy play),
- The Doctor's Dilemma; (satire drama/play, Epilogue),
- St. Joan of Arc etc.

Source: Britannica

৫৫.
London town is found a living being in the works of -
  1. Thomas Hardy
  2. W. Congreve
  3. D. H. Lawrence
  4. Charles Dickens
সঠিক উত্তর:
Charles Dickens
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Charles Dickens
ব্যাখ্যা

[36th BCS Preli]

Answer - Charles Dickens.

Charles Dickens তার উপন্যাস ও লেখা গুলোতে প্রায়ই লন্ডন শহরকে যেন একটি জীবন্ত চরিত্র হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। তার কাহিনীগুলোতে লন্ডনের রাস্তা, গলি, জনজীবন ও বর্ণনা জীবন্ত প্রাণবন্তভাবে ফুটে ওঠে।

“It was one of those March days when the sun shines hot and the wind blows cold: when it is summer in the light, and winter in the shade.”
— From "Great Expectations" by Charles Dickens.

- এখানে Dickens লন্ডন শহরের আবহাওয়া ও পরিবেশকে এমনভাবে বর্ণনা করেছেন যেন শহরটা জীবন্ত, শ্বাস নেয় এমন একটি প্রাণী।

• এছাড়া, তার অন্যান্য উপন্যাস যেমন "Bleak House," "Oliver Twist," এবং "David Copperfield"-এও লন্ডনকে একধরনের “জীবন্ত” পরিবেশ হিসেবে দেখানো হয়েছে, যেখানে রাস্তা, মানুষ, এবং শহরের আভাস একত্রে শহরটিকে প্রাণবন্ত করে তোলে।

----------------
• Charles Dickens:
- He was born on February 7, 1812, at Portsmouth in Hampshire in England.
- Victorian যুগের শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক হিসেবে তাকে গণ্য করা হয়। 
- তিনি এখনও বিশ্বের নানা প্রান্তে তুমুল জনপ্রিয়। 
- তার রচিত উপন্যাসগুলো প্রায় সব দেশের মানুষের কাছে সমাদৃত এবং বহু ভাষায় অনুদিত। এই উপন্যাসগুলো আবার কয়েক শ্রেণীতে ভাগ করা যায় । যেমন: ভ্রমন মূলক, ঐতিহাসিক উপাখ্যান , সমাজ সংস্কার মূলক কিংবা আত্মজীবনী মূলক। এছাড়া তিনি অধিকাংশ সময়ই দরিদ্র মানুষ এবং তাদের নানামুখী সংগ্রাম নিয়ে উপন্যাস লিখেছেন।  
- অনেকের মতে তিনি সর্ব যুগের সেরা ইংরেজ ঔপন্যাসিক। 
- He died on 9th June 1870 in England.

Charles Dickens এর শ্রেষ্ঠ উপন্যাস সমূহ: 
- A Tale of Two Cities,
- A Christmas Carol,
- Great Expectations,
- David Copperfield,
- Oliver Twist,
- The Pickwick Papers,
- Bleak House,
- Hard Time, etc.

Source: Britannica.com

৫৬.
Which type of literary work is The Caretaker?
  1. Novel
  2. Poem
  3. Play
  4. Short story
সঠিক উত্তর:
Play
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Play
ব্যাখ্যা

The Caretaker is a play written by Harold Pinter, a renowned British playwright.

• The Caretaker
- Harold Pinter wrote this play.
- এটি একটি three-act play.
- ১৯৬০ সালে প্রথম প্রকাশিত এবং মঞ্চস্থ হয়। 
- The work is Pinter’s second full-length play and it concerns the delicate balance between trust and betrayal in familial relationships.
- The action of the play occurs in the flat of Aston and Mick, two brothers. Aston, who is slow-witted, befriends a wheedling, garrulous tramp named Davies. 

• Harold Pinter একজন ব্রিটিশ লেখক।
- ২০০৫ সালে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন।

• Best Works:
- The Birthday Party,
-  The Room,
- No Man’s Land,
- The Dumb Waiter,
- The Caretaker,
- The Homecoming, etc.

Source: An ABC of English Literature by Professor M Mofizar Rahman and Britannica.

৫৭.
Who created the character Edward Rochester?
  1. Charles Dickens
  2. Thomas Hardy
  3. Jane Austen
  4. Charlotte Bronte
সঠিক উত্তর:
Charlotte Bronte
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Charlotte Bronte
ব্যাখ্যা

Edward Rochester is a character in Jane Eyre, a novel written by Charlotte Bronte.

• Jane Eyre:
- Charlotte Bronte তাঁর এই Novel টি তাঁর ছদ্মনাম "Currer Bell" এর অধীনে ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত করেন।
- Jane Eyre কে তাঁর Autobiography ও বলা হয়ে থাকে।
- ইংরেজি সাহিত্যের ইতিহাসে এটি একটি ক্লাসিক হিসাবে বিবেচিত।

• Short Summary: 
- Story of Rochester and Jane Eyre. 
- একজন নারীর সংগ্রামের গল্প। দশ বছরের একজন অনাথিনী বালিকা যে পিতা মাতার অনুপস্থিতিতে অন্য একটি পরিবারে লালিত পালিত এবং একই সাথে নিগৃহীত হয়। এরপর তার ঠিকানা হয় অনাথ আশ্রমে। 
- পরবর্তীতে Rochester নামক একজন বিত্তশালী পুরুষের প্রেমে পড়ে, কিন্তু তাদের মিলনে অনেক বাধা বিপত্তি দেখা দেয়। 
- নানা প্রতিকূলতা আর ঘাত প্রতিঘাত এড়িয়ে জীবন সংগ্রামে জয়ী হয় Jane Eyre। শেষে Rochester এর সাথে তার মিলনের মাধ্যমে উপন্যাসের শুভ সমাপ্তি ঘটে। 

• Main Characters of the novel - 
- Jane Eyre,
- Edward Rochester,
- St. John Rivers,
- Helen Burns,
- Mrs. Reed.

• Charlotte Bronte: 
- তিনি একজন British author.
- English novelist noted for Jane Eyre a strong narrative of a woman in conflict with her natural desires and social condition. 

Source: Britannica & Live MCQ Lecture.

৫৮.
______ wrote the play Every Man in His Humour.
  1. Christopher Marlowe
  2. Ben Jonson
  3. John Webster
  4. Harold Pinter
সঠিক উত্তর:
Ben Jonson
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ben Jonson
ব্যাখ্যা

“Every Man in His Humour” হলো Ben Jonson-এর লেখা একটি নাটক, যা 1598 সালে প্রথম প্রদর্শিত হয়।
এটি ইংরেজি নাট্য সাহিত্যের কমেডি ধারার একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
নাটকটি মানুষের স্বভাব ও চরিত্রের “humours” (মনের বৈশিষ্ট্য বা প্রবণতা) দেখানোর জন্য বিখ্যাত।

• Every Man in His Humour
- Jacobean Period এর বিশিষ্ট সাহিত্যিক Ben Jonson রচিত 5 acts বিশিষ্ট একটি Comic Drama.
- নাটকটি সর্বপ্রথম ১৫৯৮ সালে Lord Chamberlain’s Men, theatrical company দ্বারা মঞ্চায়িত হয়।
- ১৬১৬ সালে কিঞ্চিত সংশোধিত হয়ে প্রকাশিত হয়।
- এই নাটকটির মাধ্যমেই মূলত সাহিত্য সমাজে Ben Jonson এর খ্যাতি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- The characters in Every Man in His Humour are based on the four humours of medieval physiology, bodily fluids that were held to influence personality or temperament.
- They are driven by their unchangeable personalities and tend to avoid interaction. 

• Ben Jonson:
- তিনি একজন English writer.
- তিনি একাধারে English Stuart dramatist, lyric poet এবং literary critic.
- তাকে Father of Comedy of Humours বলা হয়।
- William Shakespeare এরপর তাঁকেই শ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে।

• Best plays:
- Every Man in His Humour (1598),
- Volpone (1605),
- Epicoene; or, The Silent Woman (1609),
- The Alchemist (1610), and
- Bartholomew Fair (1614).

Source: Encyclopedia Britannica

৫৯.
"If you prick us, do we not bleed? If you tickle us, do we not laugh? If you poison us, do we not die? And if you wrong us, shall we not revenge?" - This quotation is taken from 
  1. The Merchant of Venice
  2. Hamlet
  3. Julius Caesar
  4. The Tempest
সঠিক উত্তর:
The Merchant of Venice
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Merchant of Venice
ব্যাখ্যা

"If you prick us, do we not bleed? If you tickle us, do we not laugh? If you poison us, do we not die? And if you wrong us, shall we not revenge?" -
এই বিখ্যাত উক্তিটি শেক্সপিয়ারের The Merchant of Venice নাটক থেকে নেওয়া।
উক্তিটি শায়লক (Shylock) চরিত্রের মুখে এসেছে।
এখানে তিনি মানবতার সাধারণ অনুভূতি প্রকাশ করছেন—যদি মানুষকে আঘাত করা হয়, অন্যায় করা হয়, আমরা কি তাতেও মানুষিক প্রতিক্রিয়া দেখাই না?
অর্থাৎ, সব মানুষ সমানভাবে অনুভব করে—যেমন বেদনা, আনন্দ, মৃত্যু, প্রতিশোধ।

• The Merchant of Venice:
- এটি Shakespeare লিখিত একটি comedy.
- একজন ইহুদি (Jew) সুদখোর 'Shylock' আর একজন merchant - Antonio এর কাহিনি নিয়ে এটি রচিত। 
- Shylock ছিলেন একজন moneylender. 
- এটি একটি five acts বিশিষ্ট comedy.
- ১৫৯৬-৯৭ সালের দিকে এই comedy টি লেখা হয়েছিল।

• এই comedy এর উল্লেখযোগ্য অন্যান্য চরিত্র:
- Antonio (a merchant in Venice),
- Shylock (Jew moneylender),
- Portia,
- Bassanio,
- Jessica etc.

• Shakespeare:
- জন্মস্থান Stratford-upon-Avon.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে English national poet বলা হয়।
- তাকে 'Bard of Avon' বলা হয়।
- He is considered by many to be the greatest dramatist of all time. 

• Notable works: 
• Tragedy:
- Hamlet,
- Othello,
- King Lear,
- Macbeth,
- Julius Caesar.

• Comedy:
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- The Merchant of Venice,
- A Midsummer Night's Dream etc.

• Famous poem:
- Shall I Compare Thee to a Summer Day/Sonnet 18,
- The Rape of Lucrece,
- Venus and Adonis.

Source: britannica.com

৬০.
The famous novella 'Seize the Day' was written by-
  1. Irish author
  2. French author
  3. American author
  4. English author
সঠিক উত্তর:
American author
উত্তর
সঠিক উত্তর:
American author
ব্যাখ্যা

Seize the Day এর লেখক Saul Bellow.
Saul Bellow ছিলেন একজন American novelist.

• Seize the Day:
- Saul Bellow রচিত।
- এটি একটি novella.
- First published in 1956.

• এই ছোট উপন্যাসটি Tommy Wilhelm-এর জীবনের একদিনের কাহিনী তুলে ধরে, যে ব্যক্তি marginal middle-management থেকে পতিত হয়ে বেকারত্ব, বিবাহবিচ্ছেদ এবং হতাশার মধ্যে পড়েছে। Bellow-র অন্যান্য অনেক উপন্যাসের মতোই Seize the Day পার্থিব সাফল্যের প্রতি এক দ্ব্যর্থক মনোভাব প্রকাশ করে এবং এটি তার সংবেদনশীল, সহজ-সরল নায়কের বিশৃঙ্খল ও শত্রুভাবাপন্ন পৃথিবীতে জীবনের অর্থ খোঁজার যাত্রাকে অনুসরণ করে।

• Saul Bellow is a famous American novelist.
• His famous novels:
- Seize the Day,
- The Adventure of Augie March,
- Herzog,
- Dangling Man,
- Henderson the Rain King,
- The Victim, etc.

Source: Britannica.

৬১.
i121 এর মান কত?
  1. i
  2. - 1
  3. - i
  4. 1
সঠিক উত্তর:
i
উত্তর
সঠিক উত্তর:
i
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: i121 এর মান কত? 

সমাধান:
আমরা জানি, 
i1 = i, i2 = - 1, i3 = - i, i4 = 1

প্রদত্ত রাশি, 
i121 
= i(4 × 30) + 1
= i(4 × 30) × i1
= (i4)30 × i1
= 1 × i1 ; [i4 = 1 , 130 = 1]
= i

৬২.
a + b + c = 15 এবং ab + bc + ca = 74 হলে a2 + b2 + c2 = ? 
  1. 65
  2. 77
  3. 97
  4. 71
সঠিক উত্তর:
77
উত্তর
সঠিক উত্তর:
77
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: a + b + c = 15 এবং ab + bc + ca = 74 হলে a2 + b2 + c2 = ? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
a + b + c = 15
ab + bc + ca = 74

আমরা জানি,
a2 + b2 + c2 = (a + b + c)2 - 2(ab + bc + ca) 
= (15)2 - 2 × 74 
= 225 - 148
= 77

∴ a2 + b2 + c2 = 77

৬৩.
যদি 2a - 1 + 2a + 1 = 320 হয়, তবে a এর মান কত?
  1. 9
  2. 6
  3. 5
  4. 7
সঠিক উত্তর:
7
উত্তর
সঠিক উত্তর:
7
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি 2a - 1 + 2a + 1 = 320 হয়, তবে a এর মান কত? 

সমাধান:
দেওয়া আছে,
2a - 1 + 2a + 1 = 320
⇒ 2a - 1 [1 + 2{a + 1 - (a - 1)}] = 320
⇒ 2a - 1 (1 + 22) = 320
⇒ 2a - 1 × 5 = 320
⇒ 2a - 1 = 320/5
⇒ 2a - 1 = 64
⇒ 2a - 1 = 26
⇒ a - 1 = 6
⇒ a = 6 + 1
∴ a = 7

৬৪.
A = {x : x ধনাত্মক পূর্ণ সংখ্যা} এবং B = {x : x ঋণাত্মক পূর্ণ সংখ্যা} হলে, A ∩ B = ?
  1. {x ∶ x ∈ Z}
  2. {1, - 1}
  3. {0}
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: A = {x: x ধনাত্মক পূর্ণ সংখ্যা} এবং B = {x: x ঋণাত্মক পূর্ণ সংখ্যা} হলে, A ∩ B = ?

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
A = {x : x ধনাত্মক পূর্ণ সংখ্যা}
∴ A = {1, 2, 3, 4, 5, …}
এবং 
B = {x : x ঋণাত্মক পূর্ণ সংখ্যা}
∴ B = {…, - 5, - 4, - 3, - 2, - 1}
অর্থাৎ A এবং B-এর মধ্যে কোনো সাধারণ উপাদান নেই।
সুতরাং, A ∩ B = ∅

৬৫.
কোনো ত্রিভুজের একটি কোণ অপর একটি কোণ অপেক্ষা বৃহত্তর হলে, বৃহত্তর কোণের বিপরীত বাহুটি ক্ষুদ্রতম কোণের বিপরীত বাহু অপেক্ষা______ হবে?
  1. ক্ষুদ্রতম
  2. সমান সমান
  3. বৃহত্তর
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বৃহত্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃহত্তর
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কোনো ত্রিভুজের একটি কোণ অপর একটি কোণ অপেক্ষা বৃহত্তর হলে, বৃহত্তর কোণের বিপরীত বাহুটি ক্ষুদ্রতম কোণের বিপরীত বাহু অপেক্ষা______ হবে?

সমাধান:
 
ত্রিভুজের মৌলিক উপপাদ্য অনুসারে-
কোনো ত্রিভুজে বৃহত্তর কোণের বিপরীত বাহু সর্বদা ক্ষুদ্রতর কোণের বিপরীত বাহু অপেক্ষা বৃহত্তর হয়।
অর্থাৎ,
যে কোণ যত বড় ⇒ তার বিপরীত বাহু তত বড়
যে কোণ যত ছোট ⇒ তার বিপরীত বাহু তত ছোট
যেমন, যদি ∠A > ∠B হয়, তাহলে BC > AC হবে।
যেখানে BC হলো ∠A-এর বিপরীত বাহু এবং AC হলো ∠B-এর বিপরীত বাহু)

সুতরাং, বৃহত্তর কোণের বিপরীত বাহুটি ক্ষুদ্রতম কোণের বিপরীত বাহু অপেক্ষা বৃহত্তর হবে।

৬৬.
এক ব্যক্তি টাকায় ১৫টি হিসাবে কতগুলো লেবু ক্রয় করে এবং টাকায় ১২টি হিসাবে বিক্রয় করায় তার ৪ টাকা লাভ হলো। সে কতগুলো লেবু ক্রয় করেছিল?
  1. ১৮০টি
  2. ২৪০টি
  3. ২৭০টি
  4. ৩২০টি
সঠিক উত্তর:
২৪০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪০টি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: এক ব্যক্তি টাকায় ১৫টি হিসাবে কতগুলো লেবু ক্রয় করে এবং টাকায় ১২টি হিসাবে বিক্রয় করায় তার ৪ টাকা লাভ হলো। সে কতগুলো লেবু ক্রয় করেছিল? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
১৫টি লেবুর ক্রয়মূল্য ১ টাকা।
∴ ১টি লেবুর ক্রয়মূল্য  = ১/১৫ টাকা।

আবার,
১২টি লেবুর বিক্রয়মূল্য ১ টাকা।
∴ ১টি লেবুর বিক্রয়মূল্য  = ১/১২ টাকা

আমরা জানি,
লাভ = বিক্রয়মূল্য - ক্রয়মূল্য
= (১/১২) - (১/১৫) 
= (৫ - ৪)/৬০ 
= ১/৬০ 

এখন, 
১/৬০ টাকা লাভ হয় = ১টি লেবুতে  
∴ ১ টাকা লাভ হয় = ১/(১/৬০) = ৬০টি লেবুতে
∴ ৪ টাকা লাভ হয় = (৬০ × ৪) = ২৪০টি লেবুতে

সুতরাং, সে মোট ২৪০টি লেবু ক্রয় করেছিল।

৬৭.
একটি সমান্তর ধারার সাধারণ অন্তর ৭ এবং ৫ম পদ ৪১ হলে ১২তম পদ কত?
  1. ৮২ 
  2. ৭৫ 
  3. ১২০ 
  4. ৯০
সঠিক উত্তর:
৯০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি সমান্তর ধারার সাধারণ অন্তর ৭ এবং ৫ম পদ ৪১ হলে ১২তম পদ কত?

সমাধান:
সমান্তর ধারার,
প্রথম পদ = a
সাধারণ অন্তর, d = ৭
এবং ৫ম পদ = ৪১

আমরা জানি, 
সমান্তর ধারার n-তম পদ, an = a + (n - 1)d
a = a + (৫ - ১)d
⇒ ৪১ = a + ৪ × ৭
⇒ a + ২৮ = ৪১
⇒ a = ৪১ - ২৮ 
∴ a = ১৩

এখন ১২তম পদ, a১২  = a + (১২ - ১)d
= ১৩ + (১১ × ৭)
= ১৩ + ৭৭
= ৯০

সুতরাং, ১২তম পদ ৯০। 

৬৮.
যদি p এবং q সরলরেখা দুটির সমীকরণ যথাক্রমে x + y = 5 এবং x - y = 3 হয়, তবে তাদের সাধারণ ছেদবিন্দুর স্থানাঙ্ক নির্ণয় করুন-
  1. (3, 2)
  2. (4, 1)
  3. (3, 1/2)
  4. (2, 3)
সঠিক উত্তর:
(4, 1)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(4, 1)
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি p এবং q সরলরেখা দুটির সমীকরণ যথাক্রমে x + y = 5 এবং x - y = 3 হয়, তবে তাদের সাধারণ ছেদবিন্দুর স্থানাঙ্ক নির্ণয় করুন-

সমাধান: 

দেওয়া আছে,
x + y = 5 .....(1)
x - y = 3 ......(2)

এখন, (1) + (2) করে পাই, 
⇒ x + y + x - y = 5 + 3
⇒ 2x = 8
⇒ x = 8/2
∴ x = 4

x এর মান (1) এ বসিয়ে পাই,
⇒ 4 + y = 5
⇒ y = 5 - 4
∴ y = 1

সুতরাং ছেদবিন্দুর স্থানাঙ্ক হলো (4, 1)

৬৯.
P(A) = 0.5, P(B) = 0.8 এবং A ও B স্বাধীন হলে, P(B/A) = কত?
  1. 2/3
  2. 5/3
  3. 1/2
  4. 4/5
সঠিক উত্তর:
4/5
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4/5
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: P(A) = 0.5, P(B) = 0.8 এবং A ও B স্বাধীন হলে, P(B/A) = কত?

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
P(A) = 0.5 = 1/2
এবং P(B) = 0.8 = 8/10 = 4/5

আমরা জানি,
P(A ∩ B) = P(A) × P(B)
= (1/2) × (4/5)
= 2/5

∴ P(B/A) = P(A ∩ B)/P(A)
= (2/5)/(1/2)
= (2/5) × (2/1)
= 4/5

৭০.
একটি আয়তাকার কক্ষের আয়তন ১২০ ঘনমিটার। দৈর্ঘ্য ৮ মি. এবং প্রস্থ ৫ মি. হলে উচ্চতা কত সে.মি.?
  1. ৩ সে.মি.
  2. ৩০ সে.মি.
  3. ১৫০ সে.মি.
  4. ৩০০ সে.মি.
সঠিক উত্তর:
৩০০ সে.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০ সে.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি আয়তাকার কক্ষের আয়তন ১২০ ঘনমিটার। দৈর্ঘ্য ৮ মি. এবং প্রস্থ ৫ মি. হলে উচ্চতা কত সে.মি.?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
আয়তন = ১২০ ঘনমিটার
দৈর্ঘ্য = ৮ মি.
প্রস্থ = ৫ মি.

আমরা জানি, 
আয়তাকার কক্ষের আয়তন = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ × উচ্চতা
∴ উচ্চতা = আয়তন/(দৈর্ঘ্য × প্রস্থ)
= ১২০/(৮ × ৫)
= ১২০/৪০
= ৩ মিটার
= (৩ × ১০০) সে.মি.  ; [১ মিটার = ১০০ সে.মি.] 
∴ উচ্চতা = ৩০০ সে.মি.

সুতরাং, আয়তাকার কক্ষের উচ্চতা ৩০০ সে.মি.। 

৭১.
কোনো আসল ৪ বছরে মুনাফা-আসলে ৭২০০ টাকা হয় এবং মুনাফা, আসলের ১/৫ অংশ হলে, আসল কত? 
  1. ৫৬০০ টাকা
  2. ৪৮০০ টাকা
  3. ৬২০০ টাকা
  4. ৬০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৬০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কোনো আসল ৪ বছরে মুনাফা-আসলে ৭২০০ টাকা হয় এবং মুনাফা, আসলের ১/৫ অংশ হলে, আসল কত?  

সমাধান:
দেওয়া আছে,
৪ বছর পর মুনাফা + আসল = ৭২০০ টাকা
মুনাফা = আসলের ১/৫ অংশ

ধরি, আসল = ৫ক টাকা
তাহলে মুনাফা = (১/৫) × ৫ক = ক টাকা

এখন,
মুনাফা + আসল = ৭২০০
⇒ ক + ৫ক = ৭২০০
⇒ ৬ক = ৭২০০
⇒ ক  = ৭২০০/৬
∴ ক = ১২০০

সুতরাং, আসল = ৫ × ১২০০ = ৬০০০ টাকা

৭২.
- 8 < 3 - x < - 2 কে পরম মান চিহ্নের সাহায্যে প্রকাশ করুন:
  1. |8 - x| > - 3
  2. |x - 8| < 3
  3. |3 - x| > - 8
  4. |3 - x| < - 2
সঠিক উত্তর:
|x - 8| < 3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
|x - 8| < 3
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: - 8 < 3 - x < - 2 কে পরম মান চিহ্নের সাহায্যে প্রকাশ করুন:

সমাধান: 
দেওয়া অসমতা, 
- 8 < 3 - x < - 2
⇒ - 8 < 3 - x < - 2
⇒ - 8 - 3 < - x < - 2 - 3
⇒ - 11 < - x < - 5
⇒ 11 > x > 5  ; [সবদিকে - 1 দিয়ে গুণ করলে অসমতার চিহ্ন উল্টে যাবে] 
⇒ 5 < x < 11
⇒ 5 - 8 < x - 8 < 11 - 8 ; [এই ব্যবধানের মধ্যবিন্দু হলো = (5 + 11)/2 = 8] 
⇒ - 3 < x - 8 < 3
∴ |x - 8| < 3

৭৩.
  1. 0
  2. 1
  3. b4
  4. 2
সঠিক উত্তর:
0
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 

সমাধান: 

৭৪.
'LEADING' শব্দটির ব্যঞ্জনবর্ণগুলোকে একত্রে রেখে মোট কতভাবে সাজানো যাবে?
  1. 720
  2. 320
  3. 576
  4. 144
সঠিক উত্তর:
576
উত্তর
সঠিক উত্তর:
576
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 'LEADING' শব্দটির ব্যঞ্জনবর্ণগুলোকে একত্রে রেখে মোট কতভাবে সাজানো যাবে?

সমাধান:
'LEADING' শব্দটিতে মোট বর্ণ আছে 7টি 
স্বরবর্ণ আছে = 3টি 
এবং ব্যঞ্জনবর্ণ আছে = 4টি 
ব্যঞ্জনবর্ণ চারটিকে একটি ধরে মোট বর্ণ = 4টি 
∴ 4টি বর্ণকে সাজানো যায় = 4! = 4 × 3 × 2 × 1 = 24

এবং, ব্যঞ্জনবর্ণ চারটিকে সাজানো যায় = 4! = 4 × 3 × 2 × 1 = 24

∴ ব্যঞ্জনবর্ণগুলোকে একত্রে রেখে মোট সাজানো যাবে = 24 × 24 = 576 

৭৫.
125 বর্গ সে.মি. ক্ষেত্রফল বিশিষ্ট একটি বৃত্তের কেন্দ্রে 72° কোণ দ্বারা উৎপন্ন বৃত্তকলার ক্ষেত্রফল কত?
  1. 120 বর্গ সে.মি.
  2. 75 বর্গ সে.মি.
  3. 50 বর্গ সে.মি.
  4. 25 বর্গ সে.মি.
সঠিক উত্তর:
25 বর্গ সে.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
25 বর্গ সে.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 125 বর্গ সে.মি. ক্ষেত্রফল বিশিষ্ট একটি বৃত্তের কেন্দ্রে 72° কোণ দ্বারা উৎপন্ন বৃত্তকলার ক্ষেত্রফল কত? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
বৃত্তের মোট ক্ষেত্রফল = 125 বর্গ সে.মি.
কেন্দ্রস্থ কোণ = 72°

আমরা জানি, 
বৃত্তকলার ক্ষেত্রফল = (কোণ/360°) × বৃত্তের মোট ক্ষেত্রফল
∴ বৃত্তকলার ক্ষেত্রফল = (72/360) × 125
= (1/5) × 125
= 25 বর্গ সে.মি.

সুতরাং, বৃত্তকলার ক্ষেত্রফল 25 বর্গ সে.মি.

৭৬.
তিনজন খেলোয়াড়ের রানের সমষ্টি ২০৫। প্রথম ও দ্বিতীয় জনের অনুপাত ৪ : ৩ এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় জনের অনুপাত ৫ : ২ হলে, প্রথম জন কত রান করেছে?
  1. ১০০ রান
  2. ৭৫ রান
  3. ৯০ রান
  4. ৬৫ রান
সঠিক উত্তর:
১০০ রান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০ রান
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: তিনজন খেলোয়াড়ের রানের সমষ্টি ২০৫। প্রথম ও দ্বিতীয় জনের অনুপাত ৪ : ৩ এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় জনের অনুপাত ৫ : ২ হলে, প্রথম জন কত রান করেছে?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
তিনজনের মোট রান = ২০৫
প্রথম : দ্বিতীয় = ৪ : ৩
দ্বিতীয় : তৃতীয় = ৫ : ২

প্রথম : দ্বিতীয় : তৃতীয় = (৪ × ৫) : (৩ × ৫) : (২ × ৩)
= ২০ : ১৫ : ৬

সুতরাং, তিনজনের অনুপাত = ২০ : ১৫ : ৬
∴ অনুপাতের সমষ্টি = ২০ + ১৫ + ৬ = ৪১ অংশ

∴ প্রথম খেলোয়াড়ের = (২০/৪১) × ২০৫ = ২০ × ৫ = ১০০ রান 

সুতরাং, প্রথম জন ১০০ রান করেছে।

৭৭.
2x4 + 16x কে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করুন:
  1. 2x(x + 2)(x2 + 2x + 4)
  2. 2x(x - 2)(x2 - 2x + 4)
  3. 2x(x + 2)(x2 - 2x + 4)
  4. x(x + 2)(x2 - 2x + 4)
সঠিক উত্তর:
2x(x + 2)(x2 - 2x + 4)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2x(x + 2)(x2 - 2x + 4)
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 2x4 + 16x কে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করুন: 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
2x4 + 16x
= 2x(x3 + 8)
= 2x(x3 + 23)
= 2x(x + 2)(x2 - x⋅2 + 22) ; [ a3 + b3 = (a + b)(a2 - ab + b2)] 
= 2x(x + 2)(x2 - 2x + 4)

৭৮.
একটি ধারার n-তম পদ m(2n - 1) + 5 এবং ২য় পদ 32 হলে, m-এর মান কত?
  1. 3
  2. 5
  3. 7
  4. 2
সঠিক উত্তর:
3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি ধারার n-তম পদ m(2n - 1) + 5 এবং ২য় পদ 32 হলে, m-এর মান কত?

সমাধান: 
দেওয়া আছে,
ধারার n-তম পদ = m(2n - 1) + 5
এবং
২য় পদ = 32  ; অর্থাৎ, n = 2
⇒ m(2 × 2 - 1) + 5 = 32
⇒ m(4 - 1) + 5 = 32
⇒ m3 = 32 - 5
⇒ m3 = 27
⇒ m3 = 33
∴ m = 3

৭৯.
(1/x) + (1/y) = (1/z) এবং xy = z হলে, x এবং y এর গড় কত?
  1. 0
  2. 1/2
  3. 3
  4. 1
সঠিক উত্তর:
1/2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1/2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: (1/x) + (1/y) = (1/z) এবং xy = z হলে, x এবং y এর গড় কত? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
(1/x) + (1/y) = (1/z) এবং xy = z

এখন, 
(1/x) + (1/y) = (1/z)
⇒ (y + x)/xy = 1/z
⇒ (x + y)/xy = 1/z
⇒ (x + y)/z = 1/z  ; [ab = c] 
⇒ (x + y) = z/z = 1
∴ (x + y)/2 = 1/2

সুতরাং, x এবং y-এর গড় হবে 1/2। 

৮০.
নিচের প্রথম দুটি উক্তি সত্য হলে, তৃতীয় উক্তিটি কী হবে?
I. পেন্সিলের দাম কলমের চেয়ে কম।
II. খাতার দাম পেন্সিলের চেয়ে বেশি।
III. কলমের দাম খাতার চেয়ে কম।
  1. সত্য
  2. অনিশ্চিত
  3. মিথ্যা
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অনিশ্চিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনিশ্চিত
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের প্রথম দুটি উক্তি সত্য হলে, তৃতীয় উক্তিটি কী হবে?
i. পেন্সিলের দাম কলমের চেয়ে কম।
ii. খাতার দাম পেন্সিলের চেয়ে বেশি।
iii. কলমের দাম খাতার চেয়ে কম।

সমাধান: 
প্রদত্ত বাক্যগুলো থেকে আমরা নিচের সম্পর্কগুলো পাই, 
i. পেন্সিল < কলম ; [পেন্সিলের দাম কলমের চেয়ে কম]
ii. খাতা > পেন্সিল ; [খাতার দাম পেন্সিলের চেয়ে বেশি]
তথ্য (i) এবং (ii) থেকে পাই, কলম এবং খাতা - উভয়ই পেন্সিলের চেয়ে দামি।

এখন প্রশ্ন হলো, কলম এবং খাতার মধ্যে কার দাম বেশি?
কিন্তু, কলম এবং খাতার নিজেদের মধ্যে দামের তুলনা করার মতো কোনো তথ্য এখানে দেওয়া নেই।
তাই 'কলমের দাম খাতার চেয়ে কম' - এই বাক্যটি সত্যও হতে পারে, আবার মিথ্যাও হতে পারে।

যেহেতু বিষয়টি নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়, তাই উত্তর হবে অনিশ্চিত

৮১.
প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে? 
9, 17, 33, 65, ?
  1. 117
  2. 129
  3. 99
  4. 119
সঠিক উত্তর:
129
উত্তর
সঠিক উত্তর:
129
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে? 
9, 17, 33, 65, ?

সমাধান: 
এখান, প্রতিটি পদ = (পূর্ববর্তী পদ × 2) - 1 

১ম পদ =  9
২য় পদ =  (9 × 2) - 1 = 18 - 1 = 17
৩য় পদ =  (17 × 2) - 1 = 34 - 1 = 33
৪র্থ পদ =  (33 × 2) - 1 = 66 - 1 = 65
৫ম পদ = (65 × 2) - 1 = 130 - 1 = 129

সুতরাং, প্রশ্নবোধক স্থানে 129 সংখ্যাটি বসবে। 

৮২.
একজন ব্যক্তি সকাল ৭ : ০০ টায় তার বাড়ির দিকে হাঁটছিলেন এবং লক্ষ্য করলেন তার ছায়া তার ডান দিকে পড়ছে। তিনি কোন দিকে হাঁটছিলেন? 
  1. পূর্ব দিকে 
  2. উত্তর দিকে
  3. পশ্চিম দিকে
  4. দক্ষিণ দিকে
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ দিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ দিকে
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একজন ব্যক্তি সকাল ৭ : ০০ টায় তার বাড়ির দিকে হাঁটছিলেন এবং লক্ষ্য করলেন তার ছায়া তার ডান দিকে পড়ছে। তিনি কোন দিকে হাঁটছিলেন? 

সমাধান: 

সূর্যের অবস্থান: সকাল ৭ : ০০ টায় সূর্য পূর্ব দিকে থাকে।
ছায়ার অবস্থান: সূর্য পূর্ব দিকে থাকলে যেকোনো বস্তুর ছায়া সবসময় তার বিপরীতে অর্থাৎ পশ্চিম দিকে পড়বে।
দিক নির্ণয়: যেহেতু ব্যক্তিটির ছায়া তার ডান দিকে পড়ছিল, তার মানে তার ডান দিকটি ছিল পশ্চিম দিকে।

আমরা জানি,
যদি পশ্চিম দিক কারো ডান দিকে থাকে, তবে সেই ব্যক্তি দক্ষিণ দিকে মুখ করে হাঁটছেন। (কারণ দক্ষিণ দিকে মুখ করলে বাম হাত থাকে পূর্ব দিকে এবং ডান হাত থাকে পশ্চিম দিকে)।

সুতরাং, ব্যক্তিটি দক্ষিণ দিকে হাঁটছিলেন।

৮৩.
Which one is correctly spelt? 
  1. guillotion
  2. guillotine
  3. guilotion
  4. gillotione
সঠিক উত্তর:
guillotine
উত্তর
সঠিক উত্তর:
guillotine
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: Which one is correctly spelt? 

সমাধান:
সঠিক বানান হলো: খ) guillotine
Guillotine(গিলোটিন) - এটিই সঠিক ইংরেজি বানান।
অর্থ:  ফাঁসির যন্ত্র বা শিরশ্ছেদের যন্ত্র, ফরাসি বিপ্লবের সময় বিখ্যাত।

অন্যগুলো ভুল বানান। 

৮৪.
লিভার এর ভারসাম্য ঠিক রাখতে প্রশ্নবোধক স্থানে কত পাউন্ড ওজন স্থাপন করতে হবে?
  1. 28 Ib
  2. 35Ib
  3. 40 Ib
  4. 26.5 Ib
সঠিক উত্তর:
28 Ib
উত্তর
সঠিক উত্তর:
28 Ib
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: লিভার এর ভারসাম্য ঠিক রাখতে প্রশ্নবোধক স্থানে কত পাউন্ড ওজন স্থাপন করতে হবে?

সমাধান: 
লিভারের ভারসাম্যতার সূত্র অনুযায়ী, কোনো দণ্ডের উভয় পাশের মোমেন্ট (moment) সমান হতে হয়।
মোমেন্টের সূত্রটি হলো, মোমেন্ট = ওজন × ফালক্রাম (ভরকেন্দ্র) থেকে দূরত্ব।
অর্থাৎ, (বাম পাশের ওজন × দূরত্ব) = (ডান পাশের ওজন × দূরত্ব)।

এখন, 
(5 × 20) + (2 × 20) = (5 × ?)
⇒ 100 + 40 = (5 × ?)
⇒ ? = 140/5
∴ ? = 28

সুতরাং, ডান পাশের ওজন হবে 28 Ib।

৮৫.
যদি কোনো বছরের জানুয়ারি মাসের ৩ তারিখ রবিবার হয়, তবে ঐ মাসে মোট কতটি সোমবার হবে?
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ৪টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি কোনো বছরের জানুয়ারি মাসের ৩ তারিখ রবিবার হয়, তবে ঐ মাসে মোট কতটি সোমবার হবে?
 
সমাধান: 
৩ তারিখ রবিবার হলে, পরের দিন অর্থাৎ ৪ তারিখ হবে প্রথম সোমবার।
প্রতি ৭ দিন অন্তর একই বার ফিরে আসে। সেই অনুযায়ী সোমবারগুলো হলো, 
১ম সোমবার =  ৪ তারিখ
২য় সোমবার = ৪ + ৭ = ১১ তারিখ
৩য় সোমবার = ১১ + ৭ = ১৮ তারিখ
৪র্থ সোমবার = ১৮ + ৭ = ২৫ তারিখ
৫ম সোমবার = ২৫ + ৭ = ৩২ তারিখ 

যেহেতু জানুয়ারি মাস ৩১ দিনের হয়, তাই ৩২ তারিখ এই মাসের অন্তর্ভুক্ত নয়।

সুতরাং, জানুয়ারি মাসের ৩ তারিখ রবিবার হলে, ঐ মাসে মোট ৪টি সোমবার হবে।

৮৬.
'WHITE' শব্দটিকে আয়নায় কেমন দেখাবে? 
  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
সঠিক উত্তর:
3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 'WHITE' শব্দটিকে আয়নায় কেমন দেখাবে? 

সমাধান: 

সঠিক উত্তর গ) 3 নং

৮৭.
Cryolite : Aluminum : : Calamine : ?
  1. Copper
  2. Zinc
  3. Nickel
  4. Potassium
সঠিক উত্তর:
Zinc
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Zinc
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: Cryolite : Aluminum : : Calamine : ?

সমাধান: 
Cryolite হলো Aluminum-এর একটি খনিজ/আকরিক। 

একইভাবে, Calamine হলো Zinc-এর একটি খনিজ/আকরিক। 

অন্য অপশনগুলো:
Copper-এর আকরিক → Malachite, Azurite, Chalcopyrite ইত্যাদি
Nickel-এর আকরিক → Pentlandite, Garnierite
Potassium-এর আকরিক → Sylvite, Carnallite (না Calamine)

সুতরাং, Cryolite : Aluminum : : Calamine : Zinc

৮৮.
প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে? 
  1. 128
  2. 117
  3. 127
  4. 131
সঠিক উত্তর:
131
উত্তর
সঠিক উত্তর:
131
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে? 

সমাধান:
এখানে, মাঝের সংখ্যাটি ত্রিভুজের বাইরে থাকা সংখ্যাগুলোকে সমষ্টি + 1
১ম ত্রিভুজে ⇒ (22 + 15 + 31) + 1 = 68 + 1 = 69

২য় ত্রিভুজে ⇒ (34 + 25 + 81) + 1 = 140 + 1 = 141

একইভাবে, 
৩য় ত্রিভুজে ⇒ (13 + 42 + 75) + 1 = 130 + 1 = 131

সুতরাং, প্রশ্নবোধক স্থানে 131 সংখ্যাটি বসবে। 

৮৯.
প্রদত্ত চিত্রে কয়টি ত্রিভুজ আছে? 
  1. 12টি
  2. 10টি
  3. 11টি
  4. কোনটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
12টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
12টি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রদত্ত চিত্রে কয়টি ত্রিভুজ আছে? 

সমাধান: 

একটি করে ফাঁকা ঘর নিয়ে ত্রিভুজ আছে- 1, 2, 3, 4, 5 = 5টি 
দুইটি করে ফাঁকা ঘর নিয়ে ত্রিভুজ আছে- 12, 24, 45, 15 = 4টি 
তিনটি করে ফাঁকা ঘর নিয়ে ত্রিভুজ আছে- 234, 345 = 2টি 
সবগুলো ফাঁকা ঘর নিয়ে ত্রিভুজ আছে- 12345 = 1টি 

∴ মোট ত্রিভুজ আছে = 5 + 4 + 2 + 1 = 12টি 

৯০.
'Accused' শব্দটির পারিভাষিক শব্দ কোনটি?
  1. অধিগ্রহণ
  2. ফরিয়াদি
  3. সঠিকতা
  4. আসামি
সঠিক উত্তর:
আসামি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসামি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 'Accused' শব্দটির পারিভাষিক শব্দ কোনটি?

সমাধান: 
'Accused' শব্দটির পারিভাষিক শব্দ - আসামি।

অন্যদিকে, 
'Acquire' শব্দটির পারিভাষিক শব্দ হলো- অধিগ্রহণ
'Accuracy' শব্দটির পারিভাষিক শব্দ হলো- সঠিকতা
'Accuser' শব্দটির পারিভাষিক শব্দ হলো- ফরিয়াদি।

সুতরাং, সঠিক উত্তর ঘ) আসামি

উৎস: প্রশাসনিক পরিভাষা 

৯১.
১ম চাকাটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরলে, ৪র্থ চাকাটি কোন দিকে ঘুরবে?
  1. ঘড়ির কাঁটার দিকে
  2. উভয় দিকেই ঘুরবে 
  3. ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে
  4. চাকাটি ঘুরবে না
সঠিক উত্তর:
ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ১ম চাকাটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরলে, ৪র্থ চাকাটি কোন দিকে ঘুরবে?

সমাধান:
১ম ও ২য় চাকা একই বেল্ট দ্বারা যুক্ত। তাই ১ম চাকা যে দিকে ঘুরবে, ২য় চাকা ও সেই দিকে ঘুরবে। অর্থাৎ, ২য় চাকাটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরবে। 
২য় ও ৩য় চাকা ক্রস বেল্ট দ্বারা যুক্ত। তাই ২য় চাকা যে দিকে ঘুরবে, ৩য় চাকা উল্টা দিকে ঘুরবে। অর্থাৎ, ৩য় চাকাটি ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে ঘুরবে।
এবং, 
৩য় ও ৪র্থ চাকা একই বেল্ট দ্বারা যুক্ত। তাই ৩য় চাকা যে দিকে ঘুরবে, ৪র্থ চাকা ও সেই দিকে ঘুরবে। অর্থাৎ, ৪র্থ চাকাটি ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে ঘুরবে। 

সুতরাং, ৪র্থ চাকাটি ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে ঘুরবে। 

৯২.
৬০ গজ লম্বা একটি সোজা রাস্তার উভয় পাশে ১০ ফুট অন্তর অন্তর কতটি বৈদ্যুতিক খুটি বসানো যাবে?
  1. ৩৮টি
  2. ৪০টি
  3. ১৯টি
  4. ৪২টি
সঠিক উত্তর:
৩৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৮টি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৬০ গজ লম্বা একটি সোজা রাস্তার উভয় পাশে ১০ ফুট অন্তর অন্তর কতটি বৈদ্যুতিক খুটি বসানো যাবে?

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
রাস্তার দৈর্ঘ্য = ৬০ গজ
∴ ৬০ গজ = (৬০ × ৩) ফুট  ; [১ গজ = ৩ ফুট] 
= ১৮০ ফুট

∴ রাস্তার দৈর্ঘ্য = ১৮০ ফুট এবং খুঁটি বসানো হবে ১০ ফুট অন্তর অন্তর
খুঁটির সংখ্যা (এক পাশে) = (দৈর্ঘ্য/অন্তর) + ১
= (১৮০/১০) + ১
= ১৮ + ১
= ১৯টি

উভয় পাশে আলাদাভাবে খুঁটি বসানো হয়।
∴মোট খুঁটি = ২ × ১৯ = ৩৮টি

সুতরাং, উভয় পাশে মোট ৩৮টি বৈদ্যুতিক খুঁটি বসানো যাবে। 

৯৩.
নিচের চিত্রগুলোর মধ্যে 'A' চিত্রটি কোনটিতে লুকিয়ে আছে? 
  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
সঠিক উত্তর:
2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের চিত্রগুলোর মধ্যে 'A' চিত্রটি কোনটিতে লুকিয়ে আছে?

 
সমাধান:

A চিত্রটি 2 নং চিত্রে লুকিয়ে আছে।

৯৪.
'PAWN' = 27 হয়, তবে 'QUEEN' = কত?
  1. 28
  2. 31
  3. 54
  4. 62
সঠিক উত্তর:
31
উত্তর
সঠিক উত্তর:
31
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 'PAWN' = 27 হয়, তবে 'QUEEN' = কত?

সমাধান:
 
এই কোডের নিয়ম হলো, প্রতিটি অক্ষরের অবস্থান (A = 1, B = 2, ..., Z = 26) যোগ করে পাওয়া যায়।
P = 16, A = 1, W = 23, N = 14
⇒ PAWN = 16 + 1 + 23 + 14 = 54
⇒ PAWN = 54/2 = 27
∴ PAWN = 27

একইভাবে, এখন 'QUEEN' এর জন্য,
Q = 17, U = 21, E = 5, E = 5, N = 14
⇒ QUEEN = 17 + 21 + 5 + 5 + 14 = 62
⇒ QUEEN = 62/2 = 31
∴ QUEEN = 31

সুতরাং 'QUEEN' = 31

৯৫.
মেঘাচ্ছন্ন রাতে ভূ-পৃষ্ঠের তাপমাত্রা কেন বেশি থাকে?
  1. মেঘ বিকিরণ বন্ধ করে রাখে
  2. বাতাসে জলীয় বাষ্প থাকে না
  3.  ভূ-পৃষ্ঠ তাপ সৃষ্টি করে না
  4. রাতে সূর্য বিকিরণ বেশি থাকে
সঠিক উত্তর:
মেঘ বিকিরণ বন্ধ করে রাখে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেঘ বিকিরণ বন্ধ করে রাখে
ব্যাখ্যা

- মেঘাচ্ছন্ন রাতে ভূ-পৃষ্ঠের তাপমাত্রা বেশি থাকে কারণ মেঘ বিকিরণ বন্ধ করে রাখে (বা আটকে রাখে); মেঘ একটি কম্বলের মতো কাজ করে, যা পৃথিবী থেকে নির্গত তাপকে মহাকাশে চলে যেতে বাধা দেয় এবং সেই তাপকে পুনরায় ভূপৃষ্ঠের দিকে প্রতিফলিত করে, ফলে রাত পরিষ্কার আকাশের চেয়ে উষ্ণ থাকে। 

মেঘাচ্ছন্ন রাত্রি অপেক্ষা মেঘশূন্য রাত্রে শিশির বেশি জমার কারণ: 
- সব সময়ই বিভিন্ন জলাশয়ের পানির বাষ্পায়ন ঘটছে। এই বাষ্পায়নের ফলে জলীয় বাষ্প সৃষ্টি হয় এবং তা বায়ুমণ্ডলে মিশে যায়। 
- বায়ুমণ্ডল সৃষ্ট জলীয় বাষ্প ধারণ করে। 
- দিনের বেলায় সূর্য তাপে বাতাস গরম থাকায় ঐ জলীয় বাষ্প দ্বারা বায়ুমণ্ডল সম্পৃক্ত হয় না। 
- রাতে ভূ-পৃষ্ঠ তাপ বিকিরণ করে শীতল হয় অর্থাৎ বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা কমে যায়। তখন বাতাস ধারণকৃত জলীয়বাষ্প দ্বারা সম্পৃক্ত হয় এবং তাপমাত্রা শিশিরাঙ্কের নিচে নেমে যায়, ফলে শিশির জমে। 
- রাতের আকাশে মেঘ থাকলে, মেঘমুক্ত রাতের থেকে তাপ বিকিরণ কম হয়। 
- তাপ বিকিরণ কম হওয়ায ভূ-পৃষ্ঠের বাতাসও তুলনামূলকভাবে কম ঠান্ডা হয়। 
- বাতাসে তাপমাত্রা শিশিরাঙ্কের খুব নিচে যেতে পারে না, তাই কম শিশির জমে। 
অর্থাৎ, মেঘাচ্ছন্ন রাত্রি অপেক্ষা মেঘশূন্য রাত্রে শিশির বেশি জমে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৬.
বৈদ্যুতিক বাল্বে টাংস্টেন তারের সঙ্গে আর্গন গ্যাস ব্যবহারের প্রধান উদ্দেশ্য কী? 
  1. আলো তীব্র করা 
  2. তাপমাত্রা কমানো 
  3. বিদ্যুৎ পরিবাহিতা বৃদ্ধি করা 
  4. টাংস্টেন তারের জারণ রোধ করা
সঠিক উত্তর:
টাংস্টেন তারের জারণ রোধ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাংস্টেন তারের জারণ রোধ করা
ব্যাখ্যা

- বৈদ্যুতিক বাল্বে টাংস্টেন তারের সাথে আর্গন গ্যাস ব্যবহারের প্রধান উদ্দেশ্য হলো টাংস্টেন ফিলামেন্টের আয়ু বাড়ানো অর্থাৎ টাংস্টেন তারের জারণ রোধ করা। আর্গন একটি নিষ্ক্রিয় বা নোবেল গ্যাস, যার অর্থ এটি উচ্চ তাপমাত্রায়ও টাংস্টেনের সাথে রাসায়নিকভাবে বিক্রিয়া করে না। এটি ফিলামেন্টকে পুড়ে যাওয়া থেকে বাষ্পীভবনের হার কমিয়ে দেয় এবং এর ফলে বাল্বটি দীর্ঘস্থায়ী হয়। 

আর্গনের ব্যবহার: 
- নিষ্ক্রিয় গ্যাসসমূহের মধ্যে বায়ুতে আর্গনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। 
- বৈদ্যুতিক বাল্বে উচ্চ তাপে টাংস্টেন তারটি ব্যবহার করা হয় যেন জারিত হয়ে কেটে না যায় তার জন্য নিষ্ক্রিয় আর্গন ব্যবহৃত হয়। 
- নাইট্রোজেন থেকে আর্গন অনেক বেশি নিষ্ক্রিয় এবং এর বিদ্যুৎ পরিবহন ক্ষমতাও কম, এ কারণে বৈদ্যুতিক বাল্ববে নাইট্রোজেনের পরিবর্তে আর্গন ব্যবহার করা হয়।
- রাসায়নিক বিক্রিয়ায় নিষ্ক্রিয় পরিবেশ তৈরির জন্য আর্গন বহুল পরিমাণে ব্যবহৃত হয়। 
- বাংলাদেশে আর্গন সহজলভ্য না হওয়ায় গবেষণাগারসমূহে নিষ্ক্রিয় পরিবেশ তৈরিতে সাধারণত নাইট্রোজেন ব্যবহৃত হয়; কিন্তু উন্নত দেশসমূহে এক্ষেত্রে আর্গন ব্যবহৃত হয়। 
- বিভিন্ন তেজস্ক্রিয়তা পরিমাপক যন্ত্র, বিশেষত গাইগার মূলার কাউন্টারে আর্গন গ্যাস ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন প্রথম পত্র, (হাজারী নাগ)।

৯৭.
ব্যাকটেরিয়া সাধারণত কোন প্রক্রিয়ায় বংশবিস্তার করে?
  1. মিয়োসিস
  2. মাইটোসিস
  3. বাইনারি ফিশন
  4. কনজুগেশন
সঠিক উত্তর:
বাইনারি ফিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাইনারি ফিশন
ব্যাখ্যা

- বাইনারি ফিশন (দ্বিবিভাজন) হলো একটি অযৌন প্রজনন প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়া বংশবিস্তার করে। এই প্রক্রিয়ায় একটি একক ব্যাকটেরিয়াল কোষ দুটি অভিন্ন (জেনেটিক্যালি আইডেন্টিকাল) অপত্য কোষে বিভক্ত হয়। এটি ব্যাকটেরিয়ার বংশবৃদ্ধির প্রধান পদ্ধতি। 

ব্যাকটেরিয়ার বৈশিষ্ট্য: 
- ব্যাকটেরিয়া জড় কোষ প্রাচীরবিশিষ্ট এককোষী আদিকেন্দ্রিক অণুজীব। 
- ব্যাকটেরিয়ার সাধারণ বৈশিষ্ট্যগুলো হচ্ছে - 
⇒ ব্যাকটেরিয়ার আকার সাধারণত ০.২-৫০ মাইক্রোমিটার। 
⇒ এরা আণুবীক্ষণিক জীব। 
⇒ এরা এককোষী, তবে একসাথে অনেকগুলো কোষ কলোনি করে বা দলবদ্ধভাবে থাকতে পারে। 
⇒ এদের কোষ প্রাককেন্দ্রিক। তাই এদের কোষে রাইবোসোম ছাড়া অন্য কোন ঝিল্লীবদ্ধ অঙ্গাণু (যেমন নিউক্লিয়াস, মাইটোকন্ড্রিয়া, ক্লোরোপ্লাস্ট, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম, গলগি বডি, লাইসোসোম এবং সাইটোস্কেলেটন ইত্যাদি) থাকে না। 
⇒ এরা পরজীবী ও রোগ উৎপাদনকারী, অধিকাংশই মৃতজীবি এবং কিছু স্বনির্ভর। এরা সাধারণত দ্বিভাজন বা বাইনারি ফিশন প্রক্রিয়ায় সংখ্যাবৃদ্ধি করে। 
⇒ এদের কোষ প্রাচীর প্রধানত পেপটিডোগ্লাইকান, এর সাথে মিউরামিক অ্যাসিড এবং টিকোয়িক অ্যাসিড থাকে। 
⇒ ফায ভাইরাসের প্রতি এরা সংবেদনশীল। 
⇒ এরা অজৈব লবণ জারিত করে শক্তি সংগ্রহ করে। 
⇒ এরা সাধারণত মৌলিক রং ধারণ করতে পারে। যেমন- গ্রাম পজিটিভ বা গ্রাম নেগেটিভ। 
⇒ এদের কোষে ক্রোমোসোম হিসেবে একটি দ্বিসূত্রক বৃত্তাকার DNA অণু থাকে, এতে ক্রোমোসোমাল হিস্টোন প্রোটিন থাকে না। 
⇒ কিছুকিছু ব্যাকটেরিয়াতে নিউক্লিয়ার বহির্ভূত DNA থাকে যা সাধারণত প্লাজমিড নামে পরিচিত। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৮.
বায়ু শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করার জন্য প্রধান উপাদান কোনটি?
  1. হাইড্রো টারবাইন
  2. বায়ুকল
  3. ইলেকট্রিক মোটর
  4. সোলার সেল 
সঠিক উত্তর:
বায়ুকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ুকল
ব্যাখ্যা

- বায়ুকল (Windmill বা আধুনিক বায়ু টারবাইন) হলো এমন একটি যন্ত্র যা বায়ুর গতিশক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে এবং পরবর্তীতে জেনারেটরের (বিদ্যুৎ জেনারেটর) মাধ্যমে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে। এটিই বায়ুশক্তি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রধান উপাদান। 

বায়ু শক্তি: 
- পৃথিবী পৃষ্ঠের তাপমাত্রার পার্থক্যের কারণে বায়ু প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু প্রবাহজনিত গতিশক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করা যায়। 
- যে যন্ত্রের সাহায্যে বায়ু প্রবাহজনিত গতি শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করা হয় তাকে বায়ুকল বলে। 
- বায়ু প্রবাহকে কাজে লাগিয়ে প্রাচীনকালের মানুষেরা কুয়া থেকে পানি তোলা, জাহাজ চালানো ইত্যাদি কাজ সম্পাদন করতো। 
- নৌকায় পাল তুলে আজও বায়ু শক্তিকে কাজে লাগানো হয়। 
- বর্তমানে প্রযুক্তি ব্যবহার করে বায়ু কল কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। 

অন্যদিকে, 
- হাইড্রো টারবাইন জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ব্যবহৃত হয়, যেখানে পানির প্রবাহ বা উচ্চতা থেকে প্রাপ্ত শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করা হয়। 
- সোলার সেল সৌরশক্তি বা সূর্যালোককে সরাসরি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে (ফোটোভোলটাইক প্রভাব ব্যবহার করে)। 
- ইলেকট্রিক মোটর সাধারণত বিদ্যুৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে (যেমন পাখা ঘোরানো)। বায়ু শক্তি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে জেনারেটর ব্যবহার করা হয়, মোটর নয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৯.
ডেটলের প্রধান কার্যকরী উপাদান কোনটি?
  1. ক্লোরোহেক্সিডিন গ্লুকোনেট
  2. আইসোপ্রোপানল
  3. ক্লোরোজাইলিনল
  4. পাইন অয়েল
সঠিক উত্তর:
ক্লোরোজাইলিনল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লোরোজাইলিনল
ব্যাখ্যা

- ডেটলের প্রধান সক্রিয় উপাদান হলো ক্লোরোজাইলিনল (Chloroxylenol)। এই রাসায়নিক যৌগটির অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা জীবাণু মেরে ফেলতে এবং সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। 

ডেটল (Dettol): 
- ডেটল একটি জনপ্রিয় এন্টিসেপটিক এবং জীবাণুনাশক হলুদ বর্ণের তরল মিশ্রণ। 
- ডেটল কতগুলো রাসায়নিক পদার্থে তৈরি একটি প্রতিরোধক যা সজীব কোষ-কলার উপর জীবাণুর জন্ম ও বৃদ্ধি রোধ করে। 
- ডেটলের প্রধান কার্যকরী উপাদান ক্লোরোজাইলিনল (C8H9CIO) যা ডেটলে সর্বোচ্চ ৪.৮% থাকে। 
- ডেটলের অন্যান্য উপাদানগুলো হলো- আইসো প্রোপানল, পাইন অয়েল, ক্যাস্টার অয়েল, সাবান এবং পানি। 

ডেটলের ব্যবহার: 
- স্যাভলনের ন্যায় ডেটল পানির সাথে মিশিয়ে কাটা, ছেঁড়া, পোকায় আক্রান্ত স্থানে তুলার সাহায্যে লাগালে জীবাণু সংক্রমণ রোধ হয়। 
- ডেটল এবং স্যাভলন উভয়কেই অ্যান্টিসেপটিক রূপে ব্যবহার করা হলেও এদেরগঠন উপাদান ভিন্ন। 
- স্যাভলন হলো ক্লোরোহেক্সিডিন গ্লুকোনেট ও সেট্রিমাইড দ্রবণের মিশ্রণ। 
- এছাড়া পরিচ্ছন্নতার কাজে যেমন- গোসলের সময়, ধোয়া-মোছার কাজে, প্রসূতি, শিশু ও রোগীর ব্যবহৃত পোশাক ও অন্যান্য কাপড়, বিছানাপত্র, ঘরের মেঝে, বাথরুম ইত্যাদি পরিচ্ছন্ন ও জীবাণুমুক্ত রাখতে ডেটল ব্যবহার করা হয়।
- ডেটল পানির সাথে না মিশিয়ে ব্যবহার করা উচিৎ নয় এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখা উচিৎ। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০০.
নিচের কোনটি হাইড্রোফিলিক পদার্থ?
  1. সেলুলোজ
  2. মোম
  3. রেজিন 
  4. তেল
সঠিক উত্তর:
সেলুলোজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেলুলোজ
ব্যাখ্যা

ইমবাইবিশন (Imbibition): 
- এক খণ্ড শুকনা কাঠের এক প্রান্ত পানিতে ডুবালে ঐ কাঠের খণ্ডটি কিছু পানি টেনে নেবে। কলয়েড জাতীয় শুকনা বা আধা শুকনা পদার্থ তরল পদার্থ শুষে নেয়, এজন্যই কাঠের খণ্ডটি পানি টেনে নিয়েছে, এ প্রক্রিয়াকে ইমবাইবিশন বলে। 
- সেলুলোজ, স্টার্চ, জিলাটিন- এগুলো হাইড্রোফিলিক (পানিপ্রিয়) পদার্থ। 
- এরা তরল পদার্থের সংস্পর্শে এলে তা শুষে নেয়, আবার তরল পদার্থের অভাবে সংকুচিত হয়ে যায়। 
- কোষপ্রাচীর ও প্রোটোপ্লাজম কলয়েডধর্মী হওয়ায় ইমবাইবিশন প্রক্রিয়ায় পানি শোষণ করে স্ফীত হয়ে ওঠে। 
- ইমবাইবিশন পানি শোষণের একটি অন্যতম প্রক্রিয়া। 

অন্যদিকে, 
- রেজিন সাধারণত হাইড্রোফোবিক (জলবিরোধী) বা পানিতে অদ্রবণীয় হয়।
- মোম একটি লিপিড এবং এটি হাইড্রোফোবিক, অর্থাৎ এটি পানির সাথে মেশে না।
- তেলও একটি হাইড্রোফোবিক পদার্থ। তেল এবং পানি একসাথে মেশে না, তেল পানির উপর ভাসে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১০১.
পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের জন্য কোন শর্তটি প্রয়োজন?
  1. আলোকরশ্মি শুধুমাত্র তীর্যকভাবে প্রবেশ করবে
  2. আলোকরশ্মি যে কোনো মাধ্যমে যেতে পারে
  3. আলোকরশ্মি অবশ্যই হালকা মাধ্যমে থেকে ঘন মাধ্যমে যেতে হবে
  4. আলোকরশ্মি অবশ্যই ঘন মাধ্যমে থেকে হালকা মাধ্যমে যেতে হবে
সঠিক উত্তর:
আলোকরশ্মি অবশ্যই ঘন মাধ্যমে থেকে হালকা মাধ্যমে যেতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলোকরশ্মি অবশ্যই ঘন মাধ্যমে থেকে হালকা মাধ্যমে যেতে হবে
ব্যাখ্যা

- পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের জন্য যে শর্তটি প্রয়োজন তা হলো- আলোকরশ্মি অবশ্যই ঘন মাধ্যমে থেকে হালকা মাধ্যমে যেতে হবে। 

পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন: 
- এক জোড়া নির্দিষ্ট স্বচ্ছ সমসত্ব মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট বর্ণের আলোক রশ্মি ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে যাবার সময় যদি দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে সংকট কোণের চেয়ে বড় কোণে আপতিত হয় তবে আলোক রশ্মি হালকা মাধ্যমে বিন্দুমাত্র প্রতিসৃত না হয়ে সম্পূর্ণরূপে বিভেদ তল দ্বারা ঘন মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়, একে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন বলে। 
- পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের শর্ত দুইটি। 
যথা- 
১। আলোক রশ্মি অবশ্যই ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমের দিকে যেতে হবে। 
২। এক জোড়া নির্দিষ্ট সচ্ছ সমসত্ব মাধ্যম ও একটি নির্দিষ্ট বর্ণের আলোক রশ্মিকে সংকট কোণের চেয়ে বড় কোণে আপতিত হতে হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০২.
জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েলের তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গতত্ত্ব কোন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা দ্বারা প্রমাণিত হয়?
  1. রন্টজেন এক্স-রের মাধ্যমে 
  2. হেনরিখ হার্জের পরীক্ষার মাধ্যমে 
  3. জে. জে. থমসনের ইলেকট্রন আবিষ্কারের মাধ্যমে 
  4. মার্কনীর বেতার পরীক্ষার মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
হেনরিখ হার্জের পরীক্ষার মাধ্যমে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেনরিখ হার্জের পরীক্ষার মাধ্যমে 
ব্যাখ্যা

- জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েলের তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গতত্ত্ব হেনরিখ হার্জের পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণিত হয়। ১৮৮০-এর দশকের শেষের দিকে হার্জ পরীক্ষামূলকভাবে তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ উৎপাদন ও শনাক্তকরণ করেন, যা আলোর গতি ও প্রকৃতির সাথে ম্যাক্সওয়েলের ভবিষ্যদ্বাণীকে সঠিক বলে প্রমাণ করে। 

আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান: 
- ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের অভূতপূর্ব উন্নতি ঘটে।
- ১৮৬৪ সালে বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল আলোর তড়িৎ চুম্বকীয় তত্ত্বের ধারণা দেন। তিনি তড়িৎ ক্ষেত্র এবং চুম্বক ক্ষেত্র একত্র করে তড়িৎ চুম্বকীয় তত্ত্বের বিকাশ ঘটান যা পরবর্তীতে জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী হেরিখ হার্জের পরীক্ষা দ্বারা প্রমাণিত হয়।
- ১৮৯৬ সালে বিজ্ঞানী মার্কনী তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ ব্যবহার করে অধিক দূরত্বে সংকেত পাঠানোর পন্থা আবিষ্কার করেন। 
- বাঙ্গালী বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসুও একই প্রকার পরীক্ষা নীরিক্ষা চালান, পরবর্তীতে বেতার যন্ত্র আবিষ্কার হয়। 
- ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞানের উদ্ভব ঘটে। 
- ১৮৯৫ সালে রন্টজেন এক্স-রে এবং বেকেরেল আবিষ্কার করেন যে, কিছু কিছু পদার্থ থেকে স্বত:স্ফূর্ত ভাবে রশ্মি নির্গমনের মাধ্যমে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। 
- মেরী কুরী (১৮৬৭-১৯৩৪) এবং পিয়েরে কুরী (১৮৫৯-১৯০৬) এ ঘটনার নাম দেন তেজস্ক্রিয়তা। 
- ১৮৯৭ সালে জে.জে. থমসন ইলেক্ট্রন আবিষ্কার করেন যা থেকে পরমাণুর গঠন সম্পর্কে বিস্তারিত জানা সম্ভব। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০৩.
রক্ত তঞ্চন প্রক্রিয়ায় কোন অজৈব আয়নটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে? 
  1. K+
  2. Mg2+
  3. Ca2+
  4. Na2+
সঠিক উত্তর:
Ca2+
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ca2+
ব্যাখ্যা

- ক্যালসিয়াম আয়ন (Ca2+) রক্ত তঞ্চন (রক্ত জমাট বাঁধা) প্রক্রিয়ায় একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অজৈব আয়ন। এটি বিভিন্ন ক্লটিং ফ্যাক্টরকে সক্রিয় করতে সাহায্য করে, যার মধ্যে প্রোথ্রম্বিনকে থ্রম্বিনে রূপান্তর করা এবং ফাইব্রিনোজেন থেকে ফাইব্রিন নামক অদ্রবণীয় প্রোটিন সূত্র তৈরি করা প্রধান। এই ফাইব্রিন সূত্রগুলোই মূলত রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে জালকের মতো কাঠামো তৈরি করে। 

অণুচক্রিকা বা থ্রম্বোসাইট: 
- ইংরেজিতে অণুচক্রিকাকে প্লেইটলেট (Platelet) বলে। 
- অণুচক্রিকা দেখতে গোলাকার, ডিম্বাকার অথবা রড আকারের হতে পারে। এদের সাইটোপ্লাজম দানাদার এবং সাইটোপ্লাজমে কোষ অঙ্গাণু- মাইটোকন্ড্রিয়া, গলজি বস্তু থাকে; কিন্তু নিউক্লিয়াস থাকে না। 
- অনেকের মতে, অণুচক্রিকাগুলো সম্পূর্ণ কোষ নয়; এগুলো অস্থি মজ্জার বৃহদাকার কোষের ছিন্ন অংশ।  
- অণুচক্রিকাগুলোর গড় আয়ু ৫-১০ দিন। 
- পরিণত মানবদেহে প্রতি ঘনমিলিমিটার রক্তে অণুচক্রিকার সংখ্যা প্রায় আড়াই লাখ; অসুস্থ দেহে এদের সংখ্যা আরও বেশি হয়। 

- অণুচক্রিকার প্রধান কাজ হলো রক্ত তঞ্চন করা বা জমাট বাঁধানোতে (blood clotting) সাহায্য করা। 
- যখন কোনো রক্তবাহিকা বা কোনো টিস্যু আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে কেটে যায়, তখন সেখানকার অণুচক্রিকাগুলো সক্রিয় হয়ে অনিয়মিত আকার ধারণ করে এবং থ্রোম্বোপ্লাসটিন (Thromboplastin) নামক পদার্থ তৈরি করে।  এ পদার্থগুলো রক্তের প্রোটিন প্রোথ্রোম্বিনকে থ্রোম্বিনে পরিণত করে। 
- থ্রোম্বিন পরবর্তী সময়ে রক্তরসের প্রোটিন- ফাইব্রিনোজেনকে ফাইব্রিন জালকে পরিণত করে রক্তকে জমাট বাধায় কিংবা রক্তের তঞ্চন ঘটায়। 
- ফাইব্রিন একধরনের অদ্রবণীয় প্রোটিন, যা দ্রুত সুতার মতো জালিকা প্রস্তুত করে। এটি ক্ষত স্থানে জমাট বাঁধে এবং রক্তক্ষরণ বন্ধ করে। 
- তবে রক্ত তঞ্চন প্রক্রিয়াটি আরও জটিল, এ প্রক্রিয়ায় অন্য আরও বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থ এবং ভিটামিন কে ও ক্যালসিয়াম আয়ন (Ca2+) জড়িত থাকে। 
- রক্তে উপযুক্ত পরিমাণ অণুচক্রিকা না থাকলে রক্তপাত সহজে বন্ধ হয় না, ফলে অনেক সময় রোগীর মৃত্যুর আশঙ্কা থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১০৪.
জীবাশ্ম নিয়ে গবেষণার শাস্ত্রকে কী বলা হয়?
  1. Paleontology
  2. Archaeology
  3. Fossilogy 
  4. Anthropology
সঠিক উত্তর:
Paleontology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Paleontology
ব্যাখ্যা

- প্যালিওন্টোলজি (Paleontology) হলো বিজ্ঞানসম্মতভাবে জীবাশ্ম বা ফসিল (fossil) নিয়ে গবেষণা ও অধ্যয়নের শাস্ত্র

জীবাশ্ম: 

- জীবাশ্ম বা ফসিল (Fossil), ল্যাটিন Fossilis শব্দ থেকে ইংরেজি Fossil শব্দের উৎপত্তি। Fossilis শব্দের অর্থ হলো dug out বা খুড়ে তোলা। 
- পূর্বে মাটি খুড়ে যা কিছু তোলা হতো তাকেই জীবাশ্ম বা ফসিল বলা হতো। 
- বর্তমানে, পৃথিবীর ভূত্বকে (crust) প্রাকৃতিক উপায়ে সংরক্ষিত প্রাগৈতিহাসিক জীবের দেহ, দেহাবশেষ বা দেহের কোন অংশের চিহ্ন বা সাক্ষ্যকে জীবাশ্ম বা ফসিল বলা হয়। 
- গমন পথ, ট্রেইল এবং জীবজনিত গর্তকে ট্রেস ফসিল (trace fossil) বা ইকনোফসিল (ichnofossil ) বা জার্মান ভাষায় লেবেনস্পুরেন (lebenspuren) নামে আখ্যায়িত করা হয়। 
- জীবাশ্মগত বিদ্যাকে জীবাশ্মবিদ্যা বা প্যালেন্টোলজি (palaeontology) বলা হয়। 
- Paleobotany হলো জীববিজ্ঞানের সেই শাখা যেখানে প্রাচীন উদ্ভিদের জীবাশ্ম নিয়ে আলোচনা করা হয়, এটি জীবাশ্মবিদ্যার (Paleontology) একটি উপশাখা। 

অন্যদিকে, 
- Fossilogy শব্দটি বিজ্ঞানে প্রচলিত বা স্বীকৃত কোনো শাখা নয়। 
- Archaeology হলো প্রাচীন মানুষের বস্তু, স্থাপনা, সংস্কৃতি ও সভ্যতা নিয়ে গবেষণা। 
- Anthropology হলো মানুষের উৎপত্তি, বিকাশ এবং সংস্কৃতি নিয়ে গবেষণার শাস্ত্র।। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। এবং ব্রিটানিকা।

১০৫.
বর্ষাকালে বাংলাদেশের ঘূর্ণিঝড়ের প্রধান কারণ কী?
  1. পাহাড়ি ঢলের স্রোত
  2. সমুদ্রের উচ্চ জোয়ার
  3. উত্তর-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু
  4. দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু
ব্যাখ্যা

- দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বর্ষাকালে বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প নিয়ে আসে, যা বাংলাদেশে বৃষ্টিপাত ঘটায়। এই মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে নিম্নচাপ সৃষ্টি হয় এবং তা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। 

ঘূর্ণিঝড় (Cyclone): 
- বাংলাদেশে সংঘটিত প্রচণ্ড শক্তিশালী এবং মারাত্মক ধ্বংসকারী প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে ঘূর্ণিঝড় উল্লেখযোগ্য। স্থান অনুসারে ঘূর্ণিঝড়ের বিভিন্ন নামকরণ হয়। 
- ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রমুখী ও ঊর্ধ্বমুখী বায়ুরূপে পরিচিত। 
- ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রস্থলে নিম্নচাপ এবং চারপাশে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 
- বাংলাদেশে আশ্বিন-কার্তিক এবং চৈত্র-বৈশাখ মাসে এ ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়। 
- বর্ষাকালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর কারণে ঘূর্ণিঝড় হয় এবং একই ধরনের প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। 
- বাংলাদেশের দক্ষিণে ফানেল আকৃতির কারণে এ দেশে অধিক সংখ্যক ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়। 
- ঘূর্ণিঝড় একটি সাময়িক প্রাকৃতিক দুর্যোগ। 
- গত তিন দশকে বাংলাদেশের পূর্বাংশে বেশি ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়েছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, টেকনাফ, সন্দ্বীপ, হাতিয়া, কুতুবদিয়া, উরিরচর, চর জব্বার, চর আলেকজান্ডার প্রভৃতি স্থানে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১০৬.
পৃথিবী থেকে নক্ষত্রের দূরত্ব মাপার একক কী?
  1. কিলোমিটার 
  2. মাইল 
  3. আলোক বর্ষ
  4. নটিক্যাল মাইল 
সঠিক উত্তর:
আলোক বর্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলোক বর্ষ
ব্যাখ্যা

- মহাকাশের বিশাল দূরত্ব পরিমাপের জন্য আলোক বর্ষ ব্যবহৃত হয়। এটি সময়ের একক নয়, বরং দূরত্বের একক। এক আলোক বর্ষ হলো এক বছরে শূন্য মাধ্যমে আলো যে দূরত্ব অতিক্রম করে। নক্ষত্রগুলো পৃথিবী থেকে এতটাই দূরে যে কিলোমিটার বা মাইলে সেই দূরত্ব প্রকাশ করা হলে সংখ্যাটি অনেক বড় হয়ে যায়, তাই আলোক বর্ষ ব্যবহার করা সুবিধাজনক। 

নক্ষত্র (Star): 
- যেসব জ্যোতিষ্কের নিজের আলো আছে তাদের নক্ষত্র বলে। 
- মহাকাশে অসংখ্য নক্ষত্র রয়েছে। খালি চোখে মাত্র কয়েক হাজার নক্ষত্র দেখা যায়। এদের কয়েকটি পৃথিবী থেকে শক্তিশালী দূরবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে দেখা যায়। 
- নক্ষত্রগুলো হলো জ্বলন্ত গ্যাসপিন্ড, এরা হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি। এই গ্যাস অতি উচ্চ (প্রায় ৬০০০° সেলসিয়াস) তাপমাত্রায় জ্বলছে। 
- সূর্যের প্রখর আলোর জন্য দিনের বেলায় অন্যান্য নক্ষত্র দেখা যায় না। 

- পৃথিবী থেকে দেখলে মনে হয় নক্ষত্রগুলো যেন একই সমতলে অবস্থান করছে। কিন্তু পৃথিবী থেকে এরা বিভিন্ন দূরত্বে অবস্থান করছে। পৃথিবী ও নক্ষত্রদের মধ্যে এবং নক্ষত্রদের পরস্পরের মধ্যে দূরত্ব এত বেশি যে কিলোমিটার দ্বারা এই দূরত্ব প্রকাশ করা যায় না। এই দূরত্ব আলোক বর্ষ এককে মাপা হয়। 
- আলো প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে। এই বেগে এক বছরে আলো যে পরিমাণ দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে এক আলোক বর্ষ বলে। 
- সূর্য পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্র। সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড। সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টারাই (Proxima Centauri)। 

উৎস: ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি।

১০৭.
নিম্নের কোনটি ধাতব খনিজ পদার্থ?
  1. কোয়ার্টজ
  2. লোহা
  3. মাইকা
  4. জিপসাম
সঠিক উত্তর:
লোহা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহা
ব্যাখ্যা

- লোহা একটি ধাতব খনিজ পদার্থ। ধাতব খনিজ পদার্থগুলো সাধারণত শক্ত হয়, তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবহন করে এবং একটি বৈশিষ্ট্যপূর্ণ ঔজ্জ্বল্য বা দ্যুতি থাকে। 

খনিজ পদার্থ: 

- পৃথিবীর অধিকাংশই খনিজই মাটি কিংবা শিলা থেকে পাওয়া খনিজ পদার্থ যার বেশিরভাগ খনিজ পদার্থই কঠিন অবস্থায় পাওয়া যায়। 
- এখন পর্যন্ত প্রকৃতিতে প্রায় ২৫০০ রকমের খনিজ পদার্থ পাওয়া গেছে। 
- খনিজ পদার্থ ধাতব কিংবা অধাতব দুই রকম হতে পারে। 
যেমন- 
১। ধাতব খনিজ পদার্থ: 
- যেসব খনিজ ধাতব পদার্থ দ্বারা তৈরি তাদেরকে ধাতব খনিজ বলে। 
• লোহা (Fe), 
• তামা (Cu), 
• সোনা (Au), 
• রূপা (Ag) ইত্যাদি। 

২। অধাতব খনিজ পদার্থ: 
- যেসব খনিজ ধাতব পদার্থ দ্বারা তৈরি নয় তাদের অধাতব খনিজ পদার্থ বলে। 
• কোয়ার্টজ (Quartz), 
• মাইকা (Mica), 
• গ্রাফাইট, 
• জিপসাম, 
• কয়লা, 
• খনিজ লবণ ইত্যাদি। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১০৮.
ত্বকের কোন স্তর অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে?
  1. হাইপোডার্মিস
  2. সাবকিউটেনিয়াস টিস্যু
  3. ডার্মিস
  4. এপিডার্মিস
সঠিক উত্তর:
এপিডার্মিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এপিডার্মিস
ব্যাখ্যা

- ত্বকের বাইরের স্তর এপিডার্মিস শরীরকে অতিবেগুনি (UV) বিকিরণ থেকে রক্ষা করে, এই স্তরে থাকা মেলানিন (Melanin) নামক রঞ্জক UV রশ্মি শোষণ করে এবং ত্বকের গভীর স্তরগুলিকে ক্ষতি থেকে বাঁচায়। 

দেহের প্রতিরক্ষায় ত্বকের ভূমিকা: 
- ত্বক প্রথম স্তরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলে। 
- ত্বক দেহকে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি এবং প্রভাবে সৃষ্ট রোগ (ক্যান্সার) হতে দেহকে রক্ষা করে। ত্বকের এপিডার্মিসের কোষে মেলালিন (melanine) জাতীয় পদার্থ সৃষ্টি হয় যা অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে। 
- ত্বক দেহের বাইরের স্তরে দৃঢ় ও কেরাটিনাইজড (keratinized) আবরণী তৈরি করে, যা দেহের সকল বাহ্যিক অংশকে আচ্ছাদিত করে এবং ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে একটি ফলপ্রসূ প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। 
- দেহত্বক ছিঁড়ে গেলে বা কেটে গেলে ত্বকে অবস্থিত হিস্টিওসাইট (ম্যাক্রোফেজ) জীবাণু ধ্বংস করে দেহকে প্রতিরক্ষা দান করে। 
- ঘাম ও তৈল গ্রন্থির নিঃসরণ ত্বকের উপরিভাগের pH-কে অম্লীয় (pH = 3-5) করে তোলে, ফলে অণুজীবসমূহ বেশি সময় ত্বকে বেঁচে থাকতে পারে না। - কিছু সংখ্যক উপকারী ব্যাকটেরিয়া ত্বকে অবস্থানকালে এসিড ও বিপাকীয় বর্জ্য নিঃসরণ করে, যা অণুজীবের সংখ্যাবৃদ্ধিকে বাঁধা দেয়। 
- ঘাম নিঃসৃত লবণ ও ফ্যাটি এসিডে অবস্থিত লাইসোজাইম (lysozyme) ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরকে ধ্বংস করে। 
- অশ্রুগ্রন্থি নিঃসৃতেও লাইসোজাইম থাকে যারা চোখে জীবাণুর সংক্রমণ প্রতিহত করে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০৯.
BIOS-এর কার্যক্রম কখন শুরু হয়?
  1. কোনো সফটওয়্যার চালু করলে
  2. সিস্টেমে প্রবেশ করার পর
  3. কম্পিউটার চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে
  4. অপারেটিং সিস্টেম লোড হওয়ার পরে
সঠিক উত্তর:
কম্পিউটার চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কম্পিউটার চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে
ব্যাখ্যা

• BIOS-এর কার্যক্রম শুরু হয় কম্পিউটার চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে (গ)। যখন পিসির পাওয়ার বোতাম চাপা হয়, তখন মাদারবোর্ডে থাকা BIOS (Basic Input/Output System) সক্রিয় হয়। এটি প্রথম প্রোগ্রাম যা রান হয় এবং হার্ডওয়্যার পরীক্ষা করে। BIOS হার্ডওয়্যার ঠিকঠাক কাজ করছে কি না তা চেক করতে POST (Power-On Self Test) সম্পাদন করে। এছাড়াও, এটি অপারেটিং সিস্টেম লোড করার জন্য বুট ডিভাইস খুঁজে বের করে এবং সিস্টেমকে প্রস্তুত করে। তাই, BIOS-এর কার্যক্রম শুরু হয় সফটওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেমের আগে, সরাসরি কম্পিউটার চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে।

BIOS:
- BIOS এর পূর্ণরূপ হলো- Basic Input/Output System.
- কম্পিউটার Boot হওয়ার পরপরই যে প্রোগ্রামটি Run হয় সেটি হল BIOS.
- অর্থাৎ, BIOS এর প্রাথমিক কাজ হচ্ছে Boot process নিয়ন্ত্রণ করা। এটি কম্পিউটার চালুর সময় হার্ডওয়্যার initialize করে।
- এটি System BIOS, ROM BIOS, PC BIOS হিসেবে পরিচিত।
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার চিপের মধ্যে থাকা কতগুলো নির্দেশনার সমষ্টি হল BIOS.
- BIOS মাধ্যমে কম্পিউটারের সিস্টেম কনফিগারেশন নির্ধারণ করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১১০.
মাদারবোর্ডের CPU সকেটে সরাসরি ইনস্টল করা হয় কোন কম্পোনেন্টটি?
  1. র‍্যাম
  2. প্রসেসর
  3. হার্ড ড্রাইভ
  4. পাওয়ার সাপ্লাই
সঠিক উত্তর:
প্রসেসর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রসেসর
ব্যাখ্যা

• মাদারবোর্ডের CPU সকেটে সরাসরি ইনস্টল করা হয় প্রসেসর। প্রসেসর বা সিপিইউ (Central Processing Unit) হলো কম্পিউটারের মূল মস্তিষ্ক, যা সব ধরনের গাণিতিক ও লজিক্যাল কাজ সম্পন্ন করে। এটি মাদারবোর্ডের একটি নির্দিষ্ট সকেটে বসানো হয়, যা সঠিকভাবে সিগন্যাল এবং পাওয়ার সরবরাহ নিশ্চিত করে। অন্য উপাদান যেমন র‍্যাম, হার্ড ড্রাইভ বা পাওয়ার সাপ্লাই মাদারবোর্ডের অন্যান্য অংশে সংযুক্ত হয়, কিন্তু সরাসরি CPU সকেটে বসানো হয় না। প্রসেসর সঠিকভাবে বসানো না হলে কম্পিউটার চালু হয় না এবং সিস্টেমের কার্যকারিতা ব্যাহত হয়। তাই CPU ইনস্টলেশন সবচেয়ে সংবেদনশীল ধাপগুলির মধ্যে একটি।

- সঠিক উত্তর: খ) প্রসেসর।

• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ড বা মেইনবোর্ড হলো কম্পিউটারের ভেতরে অবস্থিত সার্কিট বোর্ড যাতে সিস্টেম এর প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ডিভাইস পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং নতুন ডিভাইস সংযুক্ত করার ব্যাবস্থা থাকে।
- মাদারবোর্ড এর জন্য ভালো ব্র্যান্ডগুলো হলো: Gigabyte, Intel, Foxcon, Asus ইত্যাদি।
- মাদারবোর্ডকে প্রায়ই কম্পিউটার এর “মেরুদণ্ড” বা “ব্যাকবোন” বলা হয়, কারণ এটি সবকিছুকে একত্রে ধরে রাখে ও সংযোগ দেয়।

• গঠন ও উপাদান:
- ভিত্তি (Base): শক্ত, non-conductive (বিদ্যুৎ না পরিবাহিত) প্লাস্টিকের শীট।
- ট্রেস (Traces): পাতলা কপার বা অ্যালুমিনিয়ামের রেখা, যা সার্কিট গঠন করে।

- স্লট ও সকেট:
CPU (Central Processing Unit),
RAM (Random Access Memory),
Expansion Cards (যেমন: গ্রাফিক্স কার্ড)।
- পোর্ট ও সংযোগ: হার্ডড্রাইভ, ডিস্কড্রাইভ, ফ্রন্ট প্যানেল, মনিটর, কীবোর্ড, মাউসের সঙ্গে সংযোগ।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, ভোকেশনাল।
২। ব্রিটানিকা।

১১১.
কোন ধরনের RFID ট্যাগের নিজস্ব বিদ্যুৎ উৎস থাকে?
  1. ইন্ডাকটিভ ট্যাগ
  2. সেমি-প্যাসিভ ট্যাগ
  3. প্যাসিভ ট্যাগ
  4. অ্যাক্টিভ ট্যাগ
সঠিক উত্তর:
অ্যাক্টিভ ট্যাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাক্টিভ ট্যাগ
ব্যাখ্যা

• যে ধরনের RFID ট্যাগের নিজস্ব বিদ্যুৎ উৎস থাকে, তাকে অ্যাক্টিভ ট্যাগ বলা হয়। এই ট্যাগে একটি অন্তর্নির্মিত ব্যাটারি থাকে যা ট্যাগকে শক্তি সরবরাহ করে, ফলে এটি নিজেই সংকেত পাঠাতে সক্ষম হয়। অন্যদিকে প্যাসিভ এবং ইন্ডাকটিভ ট্যাগের কোনো ব্যাটারি থাকে না; তারা রিডারের সিগন্যাল থেকে শক্তি গ্রহণ করে কাজ করে। সেমি-প্যাসিভ ট্যাগে ব্যাটারি থাকে কিন্তু শুধুমাত্র ট্যাগের চিপ এবং সেন্সর চালাতে ব্যবহৃত হয়, তা নিজে থেকে সংকেত প্রেরণ করে না। অ্যাক্টিভ ট্যাগের নিজস্ব শক্তি থাকার কারণে এটি দূরত্বে রিডার থেকে অনেক দূরে থাকলেও সিগন্যাল পাঠাতে সক্ষম হয় এবং সাধারণত উচ্চ ব্যান্ডউইথ এবং দীর্ঘ রেডিয়াসের জন্য ব্যবহৃত হয়।

- সঠিক উত্তর: ঘ) অ্যাক্টিভ ট্যাগ।

RFID-এর পরিচিতি ও ব্যবহার:
- RFID-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Radio Frequency Identification।
- এটি হলো ক্রেডিট কার্ডের মতো পাতলা এবং ছোট একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যা কোনো বস্তু, ব্যক্তি বা প্রাণীকে শনাক্তকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এতে খুব ছোট একটি চিপ, একটি কয়েল ও অ্যান্টেনা থাকে।
- প্রাণীদেহের RFID ট্যাগগুলো সাধারণ RFID ট্যাগ থেকে একটু ভিন্ন হয়; এগুলো ক্যাপসুল আকৃতির হয়।
- সাধারণত পোষা প্রাণী যেমন গরু, ছাগল ইত্যাদির পরিচয় নির্দিষ্ট করার জন্য RFID ট্যাগ তাদের দেহে সিরিঞ্জের মাধ্যমে ঢুকিয়ে দেয়া হয়।

RFID-এর ব্যবহার:
- কোনো প্রাণী ট্র্যাক (track) করা বা প্রাণীটির অবস্থান নির্ণয় করা।
- স্ক্রু আকৃতির ট্যাগকে গাছে কিংবা কাঠের জিনিসে লাগানো, যা পরে আইডেন্টিফিকেশনের সুবিধা দেয়।
- ক্রেডিট কার্ড শেপের ট্যাগ ব্যবহার করে অফিস-বাসায় মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা।
- দোকানে পণ্যের মধ্যে RFID ট্যাগ লাগিয়ে চুরি প্রতিরোধ করা (ট্যাগ দোকানের বাইরে গেলে অ্যালার্ম বেজে উঠবে)।
- শিপিং কন্টেইনার, ভারী যন্ত্রপাতি ইত্যাদি পরিবহণের সময় RFID ট্যাগ ব্যবহার করে পরিচয় নির্দিষ্ট করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১১২.
নিম্নলিখিত কোন উপায়ে সাধারণত র‍্যানসমওয়্যার ছড়ায়?
  1. এনক্রিপ্টেড ভিপিএন সংযোগ
  2. ক্ষতিকর সংযুক্তিসহ ফিশিং ই-মেইল
  3. নিরাপদ ক্লাউড স্টোরেজ
  4. অফিসিয়াল সফটওয়্যার আপডেট
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিকর সংযুক্তিসহ ফিশিং ই-মেইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিকর সংযুক্তিসহ ফিশিং ই-মেইল
ব্যাখ্যা

• সাধারণত র‍্যানসমওয়্যার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর সংযুক্তিসহ ফিশিং ই-মেইলের (খ) মাধ্যমে ছড়ায়। এই ধরনের ই-মেইলে প্রায়শই কোনো আকর্ষণীয় বা জরুরি বার্তা থাকে, যেমন ব্যাংক সম্পর্কিত নোটিশ বা বিল পেমেন্টের তথ্য। ব্যবহারকারী যদি ই-মেইলের সংযুক্তি খোলে বা লিঙ্কে ক্লিক করে, তখন র‍্যানসমওয়্যার তার কম্পিউটারে ইনস্টল হয়ে ফাইল এনক্রিপ্ট করতে শুরু করে। অন্যদিকে, এনক্রিপ্টেড ভিপিএন সংযোগ বা নিরাপদ ক্লাউড স্টোরেজ সাধারণত র‍্যানসমওয়্যারের জন্য সরাসরি ঝুঁকি সৃষ্টি করে না, আর অফিসিয়াল সফটওয়্যার আপডেট নিরাপত্তা বাড়ায়। তাই সচেতন ব্যবহার এবং সন্দেহজনক ই-মেইল এড়ানো র‍্যানসমওয়্যার থেকে রক্ষা পাওয়ার মূল উপায়।

ম্যালওয়্যার:
- ম্যালওয়্যার এর পূর্ণ শব্দরূপ হলাে Malicious Software. 
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলাের মধ্যে রয়েছে- 
- অ্যাডওয়্যার (Adware), 
- স্পাইওয়্যার (Spyware), 
- ট্রোজান হর্স (Trojan Horse), 
- ওয়ার্ম (worms) প্রভৃতি।

র‍্যানসমওয়্যার: 
- র‍্যানসমওয়‍্যার হলো এক ধরনের ম্যালওয়‍্যার যেটি একটি কম্পিউটার ডিভাইসকে আক্রান্ত করার পর ব্যবহারকারীকে তার মেশিনে প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখে এবং ব্যবহারকারীর প্রবেশগম্যতা (Accessibility) সীমাবদ্ধ করে দেয়, গুরুত্বপূর্ণ ফোল্ডার নিজের নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং এই সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য ব্যবহারকারীর কাছ থেকে মুক্তিপণ (Ransom) দাবি করে।
- যেহেতু এটি মুক্তিপণ আদায়কারী সফ্টওয়্যার হিসেবে পরিচিত তাই মুক্তিপণের ইংরেজি শব্দ Ransom এবং সফ্টওয়্যারের ইংরেজি শব্দ Software এর সংক্ষিপ্তরূপ থেকেই এই নামকরণ অর্থাৎ Ransom + Software = Ransomware. 
- কিছু র‍্যানসমওয়‍্যার সিস্টেমের হার্ড ড্রাইভে অবস্থিত সকল ফাইল একটি বড় কী (Large Key) দিয়ে এনক্রিপ্ট (Encrypt) করে ফেলে।
- এনক্রিপশন কী এতটাই বড় হয় যে মুক্তিপণ না দিয়ে একে ভেঙে ফেলা প্রযুক্তিগত দিক থেকে প্রায় অসম্ভব।
- এছাড়াও কেউ কেউ সরল একটি প্রোগ্রামের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর সিস্টেম লক করে দেয় এবং ডিসপ্লেতে বার্তার মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে মুক্তিপণ দিতে বাধ্য করে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।

১১৩.
জাভাস্ক্রিপ্ট প্রধানত কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়?
  1. ওয়েব পেজের নকশা করা
  2. ডাটাবেসের কাঠামো তৈরি করা
  3. ওয়েব পেজকে ইন্টারেকটিভ করা
  4. সার্ভার হার্ডওয়্যার ডিজাইন করা
সঠিক উত্তর:
ওয়েব পেজকে ইন্টারেকটিভ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়েব পেজকে ইন্টারেকটিভ করা
ব্যাখ্যা

• জাভাস্ক্রিপ্ট প্রধানত ওয়েব পেজকে ইন্টারেক্টিভ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি একটি ক্লায়েন্ট-সাইড প্রোগ্রামিং ভাষা, যা ব্যবহারকারীর ব্রাউজারে চলে এবং ওয়েব পেজের বিভিন্ন উপাদান যেমন বোতাম, ফর্ম, মেনু, স্লাইডার ইত্যাদির সাথে ব্যবহারকারীর ক্রিয়াকে সাড়া দিতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, কোনো বাটনে ক্লিক করলে তথ্য দেখানো বা লুকানো, রিয়েল-টাইম ভ্যালিডেশন, অ্যানিমেশন, ড্রপডাউন মেনু ইত্যাদি জাভাস্ক্রিপ্ট দিয়ে সহজে করা যায়। এটি HTML এবং CSS-এর সাথে মিলিত হয়ে ওয়েব পেজকে কেবল স্থির নয়, বরং ব্যবহারকারীর সঙ্গে যোগাযোগশীল ও প্রাণবন্ত করে তোলে। তাই জাভাস্ক্রিপ্টের মূল উদ্দেশ্য হলো ওয়েব পেজকে ইন্টারেক্টিভ করা।

- সঠিক উত্তর: গ) ওয়েব পেজকে ইন্টারেক্টিভ করা।

জাভাস্ক্রিপ্ট:
- JavaScript একটি লাইটওয়েট প্রোগ্রামিং ভাষা (স্ক্রিপ্টিং ভাষা) এবং ওয়েব পেজকে ইন্টারেক্টিভ করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি HTML-এ ডাইনামিক টেক্সট সন্নিবেশ করতে পারে।
- জাভাস্ক্রিপ্ট ব্রাউজার ল্যাঙ্গুয়েজ হিসেবেও পরিচিত।
- ১৯৯৫ সালে নেটস্কেপের প্রকৌশলী ব্রেন্ডন আইক জাভাস্ক্রিপ্ট তৈরি করেন।

JavaScript এর ব্যবহার: 
- ক্লায়েন্ট-সাইড স্ক্রিপ্টিং: JavaScript ব্রাউজারে সরাসরি চলে, যা ওয়েব পেজের কন্টেন্টকে ডায়নামিকভাবে পরিবর্তন করতে পারে।
- সার্ভার-সাইড ডেভেলপমেন্ট: Node.js এর মাধ্যমে JavaScript সার্ভার-সাইড ডেভেলপমেন্টেও ব্যবহৃত হয়।
- ফ্রন্টএন্ড ফ্রেমওয়ার্ক: React, Angular, এবং Vue.js এর মতো জনপ্রিয় ফ্রেমওয়ার্কগুলি JavaScript ভিত্তিক।
- ব্যাকএন্ড ডেভেলপমেন্ট: Express.js এর মাধ্যমে JavaScript ব্যাকএন্ড ডেভেলপমেন্টেও ব্যবহৃত হয়।
- ইন্টারেক্টিভ ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন: AJAX এবং API কলের মাধ্যমে ডেটা লোড এবং আপডেট করা যায়।

সূত্র:
১। একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
২। ব্রিটানিকা। 

১১৪.
কম্পিউটার মেমরির ক্ষেত্রে “access time” বলতে কী বোঝায়?
  1. CPU একটি নির্দেশ সম্পন্ন করতে কার্যকর সময়
  2. মেমরি থেকে তথ্য রিড বা রাইটের সময়
  3. হার্ডড্রাইভ চালু হতে সময়
  4. প্রোগ্রাম ইন্সটল করার সময়
সঠিক উত্তর:
মেমরি থেকে তথ্য রিড বা রাইটের সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেমরি থেকে তথ্য রিড বা রাইটের সময়
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার মেমরির ক্ষেত্রে “access time” বলতে সেই সময়কে বোঝায় যা মেমরি থেকে কোনো তথ্য রিড (read) বা রাইট (write) করতে লাগে। যখন CPU কোনো ডেটা বা ইনস্ট্রাকশন প্রসেস করতে চায়, তখন এটি মেমরিতে পৌঁছে সংশ্লিষ্ট তথ্যটি পড়ে বা লিখে। এই পুরো প্রক্রিয়ার সময়কে access time বলা হয়। এটি মেমরির কর্মক্ষমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক, কারণ কম access time মানে তথ্য দ্রুত পাওয়া যাচ্ছে, যা সিস্টেমের সামগ্রিক গতি বৃদ্ধি করে। সাধারণভাবে RAM-এর access time হার্ডড্রাইভের তুলনায় অনেক কম।
- সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: খ) মেমরি থেকে তথ্য রিড বা রাইটের সময়।


• অ্যাকসেস টাইম (Access Time):
- মেমরি হতে ডেটার রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে অ্যাকসেস টাইম বলে।
- প্রধান মেমরির টাইম (সময়) বলতে বোঝায় মেমরির নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অ্যাকসেস করা এবং তা থেকে একটি শব্দ পড়া বা লেখার মোট সময়।
- সিক ও ল্যাটেন্সি সময় যোগ করলে অ্যাকসেস সময় পাওয়া যায়।
- সাধারণত মানুষের চোখের পলক পড়তে সময় লাগে এক সেকেন্ডের দশ ভাগের এক ভাগ, যা ১০ মিলিয়ন ন্যানোসেকেন্ডের সমান।

এছাড়াও,
• সিক টাইম (Seek Time): 
- চৌম্বক ডিস্কের ক্ষেত্রে রিড-রাইট হেডকে সঠিক ট্র্যাকে নিয়ে যেতে যে সময় লাগে তাকে সিক টাইম বলে। 

• ল্যাটেন্সি টাইম (Latency time): 
- রিড-রাইট হেড থেকে ট্র্যাকে নিয়ে যাওয়ার পরে সঠিক শব্দে পৌঁছতে যে সময় লাগে তাকে ল্যাটেন্সি টাইম বলে। 

• লিখন অপারেশন (Write Operation): 
- মেমরির একটি নির্দিষ্ট সেলে নতুন ওয়ার্ড সংরক্ষণ করাকে লিখন বা Write Operation বলা হয়। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১৫.
উইন্ডোজ “টাস্ক ম্যানেজার” ব্যবহার করে কী করা হয়?
  1. প্রোগ্রাম ও প্রসেস নিয়ন্ত্রণ করা
  2. ডকুমেন্ট এডিট করা
  3. গান বা ভিডিও চালানো
  4. উইন্ডোজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট করা
সঠিক উত্তর:
প্রোগ্রাম ও প্রসেস নিয়ন্ত্রণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোগ্রাম ও প্রসেস নিয়ন্ত্রণ করা
ব্যাখ্যা

• উইন্ডোজের “টাস্ক ম্যানেজার” একটি গুরুত্বপূর্ণ টুল যা ব্যবহারকারীদের কম্পিউটারে চলমান প্রোগ্রাম, প্রসেস এবং সিস্টেমের কর্মক্ষমতা মনিটর করতে সাহায্য করে। এটি ব্যবহার করে আপনি কোন প্রোগ্রাম হ্যাং বা ধীরগতির হলে সেটি বন্ধ করতে পারেন, নতুন প্রসেস শুরু করতে পারেন, এবং সিপিইউ, র‌্যাম ও নেটওয়ার্ক ব্যবহারের তথ্য দেখতে পারেন। এছাড়াও, এটি স্টার্টআপে কোন অ্যাপ্লিকেশন চালু হবে তা নিয়ন্ত্রণ করার সুবিধা দেয়। সরলভাবে বলতে গেলে, টাস্ক ম্যানেজার মূলত প্রোগ্রাম ও প্রসেস নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ব্যবহৃত হয়, ডকুমেন্ট এডিট করা, গান বা ভিডিও চালানো বা উইন্ডোজ আপডেট করার কাজ এর মাধ্যমে হয় না।

- সঠিক উত্তর: ক) প্রোগ্রাম ও প্রসেস নিয়ন্ত্রণ করা।

Windows: 
- উইন্ডোজ হচ্ছে আমেরিকার বিখ্যাত মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের তৈরি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম। 
- উইন্ডোজের জনপ্রিয়তার প্রধান কারণ হলো গ্র্যাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস। 
- এটি আইবিএম বা আইবিএম কম্পাটিবল কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়। 
- সাধারণ ব্যবহারকারীন সহজেই এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম অপারেট করতে পারে। 
- ১৯৮৫ সালে সর্বপ্রথম উইন্ডোজ তৈরি হয়। 
- ১৯৯০ সালে ভার্সন ৩.০ এবং ১৯৯২ সালে ৩.১ ও ৩.১১ ভার্সনের প্রচলন হয়। 
- ১৯৯৪ সালে WIN 95/97 Operating System স্বতন্ত্র Operating System হিসেবে চালু হয়। 
- Windows 95 চালনার জন্য ডসের প্রয়োজন হয় না। 
- তবে ১৯৯৫ সালে মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ ৯৫ সবচেয়ে বেশি আলোড়ন সৃষ্টি করে। এরপর চালু হয় উইন্ডোজ ৯৮। 
- বর্তমানে উইন্ডোজ এক্সপি (XP), ভিস্তা, Windows 7, Windows 10, Windows 11 বিপুলভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১৬.
EDSAC - কোন প্রধান উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়েছিল?
  1. শুধু সামরিক গোপনীয়তা
  2. মিলিটারি এনক্রিপশন
  3. বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও গণনার জন্য
  4. বাণিজ্যিক হিসাব-নিকাশ
সঠিক উত্তর:
বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও গণনার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও গণনার জন্য
ব্যাখ্যা

• EDSAC (Electronic Delay Storage Automatic Calculator) ছিল ১৯৪৯ সালে ইউনিভার্সিটিতে তৈরি একটি প্রাথমিক ইলেকট্রনিক কম্পিউটার। এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও গণনা করা। এটি বিভিন্ন জটিল গণিত সমস্যার সমাধান, যেমন পদার্থবিজ্ঞান এবং গাণিতিক মডেল তৈরিতে ব্যবহৃত হতো। EDSAC শিক্ষাবিদ ও গবেষকদের গবেষণার জন্য দ্রুত এবং নির্ভুল গণনা করার সুযোগ প্রদান করেছিল। এটি সামরিক বা বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে নয়, বরং শিক্ষামূলক ও বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য পরিকল্পিত হয়েছিল।
- সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: গ) বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও গণনার জন্য।


• EDSAC:
- EDSAC কম্পিউটারই প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
- EDSAC এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Delay Storage Automatic Calculator.
- EDSAC নির্মিত হয় ১৯৪৯ সালে।
- কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গাণিতিক গবেষণার অধ্যাপক মার্কস উইলকিস এর নেতৃত্বাধীন একদল বিজ্ঞানী এ্যাডস্যাক আবিষ্কার করেন।

- UNIVAC ⇒ বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
- EDSAC ⇒ প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার। [অনেকেই প্রথম স্বয়ংক্রিয় ডিজিটাল কম্পিউটার মনে করেন।]
- Mark-I ⇒ পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার।
- ABC ⇒ প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
- ENIAC ⇒ প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১ ,এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

১১৭.
NAND লজিক অপারেশন কী হিসেবে পরিচিত?
  1. NOT-AND
  2. NOR
  3. Exclusive-OR
  4. Exclusive-NOR
সঠিক উত্তর:
NOT-AND
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NOT-AND
ব্যাখ্যা

• NAND লজিক অপারেশনকে সাধারণত NOT-AND হিসেবে পরিচিত। এটি একটি মৌলিক ডিজিটাল লজিক গেট, যা AND অপারেশনের বিপরীত ফলাফল প্রদান করে। অর্থাৎ, যদি AND গেট দুইটি ইনপুটের জন্য “১” (সত্য) ফলাফল দেয়, তবে NAND গেট সেই একই ইনপুটের জন্য “০” (মিথ্যা) ফলাফল দেয়, এবং যদি AND গেট “০” দেয়, NAND গেট “১” প্রদান করে। সহজভাবে বলতে গেলে, NAND গেট হলো AND গেটের আউটপুটের NOT বা উল্টো। এটি ডিজিটাল সার্কিট ডিজাইনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ কেবল NAND গেট ব্যবহার করেই যেকোনো লজিক ফাংশন তৈরি করা সম্ভব।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ক) NOT-AND.

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা-
১। অর গেইট (OR Gate),
২। অ্যান্ড গেইট (AND Gate) ও
৩। নট গেইট (NOT Gate).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১১৮.
একটি হাসপাতালের ডাটাবেজে প্রতিটি রোগীর জন্য একটি অনন্য চিকিৎসা রেকর্ড নম্বর নির্ধারিত থাকে। এটি নিচের কোনটির উদাহরণ?
  1. Many-to-Many
  2. One-to-Many
  3. Many-to-One
  4. One-to-One
সঠিক উত্তর:
One-to-One
উত্তর
সঠিক উত্তর:
One-to-One
ব্যাখ্যা

• একটি হাসপাতালের ডাটাবেজে প্রতিটি রোগীর জন্য একটি অনন্য চিকিৎসা রেকর্ড নম্বর (Medical Record Number) নির্ধারিত থাকে। অর্থাৎ, প্রতিটি রোগীর সঙ্গে একটিমাত্র রেকর্ড নম্বর যুক্ত থাকে এবং প্রতিটি রেকর্ড নম্বর শুধুমাত্র এক রোগীর জন্য প্রযোজ্য। এটি হলো “One-to-One” সম্পর্কের উদাহরণ, কারণ এক রোগীর জন্য এক রেকর্ড এবং এক রেকর্ড শুধুমাত্র এক রোগীর সাথে সম্পর্কিত। এখানে কোন রোগীর একাধিক রেকর্ড নেই এবং কোন রেকর্ডও একাধিক রোগীর সঙ্গে ভাগাভাগি করা হয় না। তাই ডাটাবেজে রোগী এবং চিকিৎসা রেকর্ড নম্বরের সম্পর্ক এক-থেকে-এক (One-to-One) ধরণের।

- সঠিক উত্তর: ঘ) One-to-One.

• বিভিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য এরূপ সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়।

• রিলেশনের প্রকারভেদ:
- একাধিক ডাটা ফাইলের মধ্যে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনে প্রাইমারি কী ফিল্ডের ভিত্তিতে রিলেশন স্থাপন করা যায়।
- ডাটাবেজের অন্তর্গত ডাটা ফাইলের মধ্যকার রিলেশনকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-

• Many to One রিলেশন:
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়।
- যেমন- Home ডাটাবেজের Child ফাইলের একাধিক রেকর্ড Parent ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। ফলে Child এবং Parent ফাইলের মধ্যে প্রয়োজনে Many to One রিলেশন তৈরি।

• One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।
- যেমন: কলেজ ডাটাবেজের Exam ফাইলের একটি রেকর্ড Personal ফাইলের কেবল একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হতে পারে।

• One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।
- যেমন- Business Center নামক ডাটাবেজের বিক্রেতাদের তথ্যের জন্য Sales ফাইলের একটি রেকর্ড, ক্রেতাদের তথ্যের জন্য ব্যবহৃত Customer ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

• Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- Many to Many রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।
- এই তৃতীয় টেবিলটিকে জাংশন টেবিল বলা যায়।
- জাংশন টেবিলটি One to Many এর মতো কাজ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১৯.
একটি ওয়েবসাইটকে HTTPS ব্যবহার করতে কোন ধরনের সার্টিফিকেট প্রয়োজন?
  1. SSL/TLS Certificate 
  2. DNS Certificate
  3. IP Certificate
  4. HTTP Certificate
সঠিক উত্তর:
SSL/TLS Certificate 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SSL/TLS Certificate 
ব্যাখ্যা

• একটি ওয়েবসাইটকে HTTPS-এর মাধ্যমে নিরাপদ করতে SSL/TLS সার্টিফিকেট ব্যবহার করতে হয়। এটি ওয়েবসাইট এবং ব্যবহারকারীর ব্রাউজারের মধ্যে তথ্য এনক্রিপ্ট করে প্রেরণ নিশ্চিত করে, যাতে তৃতীয় পক্ষ কোনো ডেটা চুরি বা পরিবর্তন করতে না পারে। SSL (Secure Sockets Layer) এবং TLS (Transport Layer Security) এক ধরনের প্রোটোকল যা ইন্টারনেট সংযোগকে নিরাপদ করে। ওয়েবসাইটে এই সার্টিফিকেট ইনস্টল করলে URL-এর আগে https:// দেখায় এবং ব্রাউজারে লক আইকন প্রদর্শিত হয়, যা ব্যবহারকারীকে সুরক্ষিত সংযোগের নিশ্চয়তা দেয়। অন্য সার্টিফিকেট যেমন DNS, IP বা HTTP সার্টিফিকেট HTTPS নিরাপত্তা দেয় না।
- সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ক) SSL/TLS Certificate.


• HTTPS:
- https এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Hypertext Transfer Protocol Secure.
- HTTPS হলো একটি প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজার এবং একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে যোগাযোগ এবং ডেটা স্থানান্তর সুরক্ষিত করে।
- কোন ওয়েবসাইটের ঠিকানায় ব্যবহৃত https এর 'S' দিয়ে Secured (সুরক্ষিত) বোঝায়।
- HTTPS Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে।
- https, http-এর চেয়ে অধিকতর নিরাপদ।
- সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে।
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১২০.
কোন পরিস্থিতিতে গেটওয়ে ব্যবহার করা প্রয়োজন হয়?
  1. একই রুমে দুইটি কম্পিউটারকে ক্যাবল দিয়ে সংযুক্ত করা
  2. ইউএসবি ড্রাইভে ফাইল সংরক্ষণ করা
  3. লোকাল নেটওয়ার্ক থেকে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস করা
  4. অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইনস্টল করা
সঠিক উত্তর:
লোকাল নেটওয়ার্ক থেকে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোকাল নেটওয়ার্ক থেকে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস করা
ব্যাখ্যা

• গেটওয়ে ব্যবহার করার প্রয়োজন তখন হয় যখন একটি লোকাল নেটওয়ার্ক (LAN) বা কম্পিউটার অন্য নেটওয়ার্কের সাথে যোগাযোগ করতে চায়, যেমন ইন্টারনেট। উদাহরণস্বরূপ, একটি বাড়ি বা অফিসের কম্পিউটার যেসব ডিভাইস একই লোকাল নেটওয়ার্কে আছে তারা একে অপরের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারে, তাই গেটওয়ের দরকার হয় না। কিন্তু যদি সেই কম্পিউটারগুলো ইন্টারনেট ব্রাউজ করতে চায়, তবে তাদের লোকাল নেটওয়ার্ককে বাইরের নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। এ জন্য রাউটার বা গেটওয়ে ব্যবহার করা হয়।
- সুতরাং, প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে "লোকাল নেটওয়ার্ক থেকে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস করা" হলো সেই পরিস্থিতি যেখানে গেটওয়ে প্রয়োজন।

গেটওয়ে:
- গেটওয়ে ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- গেটওয়ে এবং রাউটার ব্যবহার করে ছোট ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে কিন্তু গেটওয়ে বিভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

এছাড়াও,
রাউটার:
- রাউটার ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- ছোট ছোট নেটওয়ার্ক রাউটারের মাধ্যমে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে একাধিক পথ সৃষ্টি করে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক যেমন ইথারনেট, টোকেন, রিং কে সংযুক্ত করতে পারে।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

Repeater:
- শুধু সিগন্যাল শক্তিশালী করে, কোনো প্রোটোকল বুঝে না। 

Hub:
- Multiport repeater, সব ডিভাইসে ডাটা পাঠায়। 

Bridge:
- একই প্রোটোকলভিত্তিক নেটওয়ার্ক সেগমেন্ট যুক্ত করে, ভিন্ন প্রোটোকল কনভার্ট করতে পারে না। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২১.
কোন ধরনের আর্কিটেকচার RISC-এর বিপরীতে কাজ করে?
  1. SPARC
  2. ARM
  3. CISC
  4. MIPS
সঠিক উত্তর:
CISC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CISC
ব্যাখ্যা

• RISC (Reduced Instruction Set Computer) আর্কিটেকচারের বিপরীতে কাজ করে CISC (Complex Instruction Set Computer) আর্কিটেকচার। RISC-এ কম এবং সরল নির্দেশনা থাকে, যা দ্রুত এক্সিকিউশনের জন্য ডিজাইন করা হয়। কিন্তু CISC আর্কিটেকচারে অনেক জটিল এবং বহু-ধাপের নির্দেশনা থাকে, যা একক ইনস্ট্রাকশনে জটিল কাজ করতে সক্ষম। উদাহরণস্বরূপ, মেমরি থেকে ডেটা লোড, অ্যারিথমেটিক অপারেশন এবং স্টোর করার কাজ এক ইনস্ট্রাকশনে করা যায়। RISC-ভিত্তিক আর্কিটেকচারের মধ্যে ARM, MIPS এবং SPARC অন্তর্ভুক্ত, যা সহজ এবং দ্রুত নির্দেশনা ব্যবহার করে। ফলে, CISC হলো সেই আর্কিটেকচার যা RISC-এর সরল এবং কম নির্দেশনামূলক নীতির বিপরীতে চলে।

- সঠিক উত্তর: গ) CISC.

• RISC (Reduced Instruction Set Computer):
- RISC হলো এমন এক মাইক্রোপ্রসেসর আর্কিটেকচার যা simplicity এবং গতির ওপর জোর দেয়। এর মূল ধারণা হলো, কম এবং সরল ইনস্ট্রাকশন সেট ব্যবহার করে প্রোগ্রামের কার্যসম্পাদনকে দ্রুততর করা।
- RISC প্রসেসরগুলো দ্রুত এবং দক্ষ, কারণ এগুলো কমপ্লেক্স ইনস্ট্রাকশনকে ছোট ছোট সহজ ইনস্ট্রাকশনে ভেঙে কার্যকর করে।
- আধুনিক মোবাইল প্রসেসরগুলো (যেমন ARM architecture) মূলত RISC ভিত্তিক।
- RISC আর্কিটেকচার কম শক্তি খরচ করে, দ্রুত কাজ সম্পন্ন করতে পারে এবং ব্যাটারি-চালিত ডিভাইসের (যেমন স্মার্টফোন, ট্যাবলেট) জন্য আদর্শ।

উৎস:
- Encyclopedia Britannica.

১২২.
পাবলিক ক্লাউড ব্যবহার করলে সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা ঝুঁকি কী হতে পারে?
  1. অন্যান্য ব্যবহারকারীর সাথে রিসোর্স ভাগ করা
  2. ইন্টারনেট সংযোগ না থাকা
  3. বেশি প্রাথমিক খরচ
  4. সীমিত স্কেলেবিলিটি
সঠিক উত্তর:
অন্যান্য ব্যবহারকারীর সাথে রিসোর্স ভাগ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্যান্য ব্যবহারকারীর সাথে রিসোর্স ভাগ করা
ব্যাখ্যা

• পাবলিক ক্লাউড ব্যবহারের সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা ঝুঁকি হলো অন্যান্য ব্যবহারকারীর সাথে রিসোর্স ভাগ করা। পাবলিক ক্লাউডে একাধিক গ্রাহক একই সার্ভার, স্টোরেজ বা নেটওয়ার্কের মতো রিসোর্স ব্যবহার করে, যা ‘মাল্টি-টেন্যান্সি’ নামে পরিচিত। এতে এক ব্যবহারকারীর ভুল বা দুর্বল নিরাপত্তা অন্য ব্যবহারকারীর ডেটা বা অ্যাপ্লিকেশনের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। যদিও ক্লাউড প্রদানকারীরা শক্তিশালী নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখে, তবুও হ্যাকিং, ডেটা লিক বা অ্যাক্সেস কন্ট্রোল সমস্যা ঘটার সম্ভাবনা থাকে। অন্য অপশন গুলো- ইন্টারনেট সংযোগ না থাকা, বেশি প্রাথমিক খরচ বা সীমিত স্কেলেবিলিটি- নিরাপত্তা ঝুঁকির সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়, বরং ব্যবহার ও খরচ সংক্রান্ত। তাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকি হলো রিসোর্স ভাগাভাগি।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:
- ক্লাউডের অবস্থান বা বিস্তৃতি অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং পদ্বতিকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. পাবলিক ক্লাউড:
- যে টাকা দিবে, সেই সার্ভিস পাবে, এমন ক্লাউডকে বলা হয় পাবলিক ক্লাউড। যেমন- আমাজনের EC2।
- এটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত।
- Amazon, Microsoft পাবলিক ক্লাউডের অন্তর্ভুক্ত।

২. প্রাইভেট ক্লাউড:
- কোনো বড় সংস্থার নিজের বিভিন্নরকম সার্ভিস চালানোর জন্য নিজের ডেটা সেন্টারকেই ক্লাউড মডেল হিসেবে ব্যবহার করে, তাকে প্রাইভেট ক্লাউড বলে। 

৩. হাইব্রিড ক্লাউড:
- দুই বা ততোধিক অর্থাৎ প্রাইভেট এবং পাবলিক ক্লাউডের সংমিশ্রণকে হাইব্রিড ক্লাউড বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১২৩.
মেটাভার্স (Metaverse) অ্যাক্সেস করতে কোন প্রযুক্তি সবচেয়ে বেশি অপরিহার্য?
  1. থ্রিডি প্রিন্টিং
  2. ব্লকচেইন মাইনিং
  3. ক্লাউড প্রিন্টিং
  4. ভার্চুয়াল রিয়েলিটি
সঠিক উত্তর:
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি
ব্যাখ্যা

• মেটাভার্সে প্রবেশ করতে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) প্রযুক্তি সবচেয়ে অপরিহার্য। মেটাভার্স মূলত একটি ইন্টারঅ্যাক্টিভ, ত্রিমাত্রিক ডিজিটাল পরিবেশ যেখানে ব্যবহারকারীরা নিজেদের অ্যাভাতার ব্যবহার করে অন্যান্য ব্যবহারকারীর সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে পারে। এই পরিবেশে বাস্তবসম্মত অনুভূতি পেতে VR হেডসেট এবং গ্লাভসের মতো যন্ত্রের সাহায্য লাগে, যা আমাদের দৃষ্টি, শ্রবণ ও স্পর্শের মাধ্যমে ভার্চুয়াল জগতে উপস্থিতির অভিজ্ঞতা দেয়। অন্য প্রযুক্তি যেমন থ্রিডি প্রিন্টিং, ব্লকচেইন মাইনিং বা ক্লাউড প্রিন্টিং মেটাভার্সকে সাপোর্ট করতে পারে, তবে সরাসরি প্রবেশ এবং ইন্টারঅ্যাকশন করার জন্য VR সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাই মেটাভার্স অ্যাক্সেসের মূল চাবিকাঠি হলো ভার্চুয়াল রিয়েলিটি।

• Meta/Facebook:
- মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকর্পোরেটেড, এর পূর্বনাম ফেসবুক, ইনকর্পোরেটেড।
- অক্টোবর ২০২১ সালে ফেসবুক তার নাম পরিবর্তন করে।
- এটি একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি সংগঠন।
- CEO: মার্ক জাকারবার্গ।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০৪।
- বাণিজ্যিক নাম: মেটা।
- সদরদপ্তর: ম্যানলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- মেটার অধীনস্ত সেবাসমূহ হলো - Instagram, Threads, and WhatsApp, Messenger ইত্যাদি।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি: 
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হচ্ছে হার্ডওয়্যার ও সফ্টওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তবভিত্তিক বা ত্রিমাত্রিক চিত্রভিত্তিক রূপায়ণ। 
অর্থাৎ, প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয় কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্যোগকারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলে। 
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত। 
- কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিম পরিবেশকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়, যা ব্যবহারকারীর কাছে সত্য ও বাস্তব মনে হয়। 
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রি-মাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভবপর হয়। 
- ভার্চুয়াল জগতে প্রবেশের সময় একজন ব্যবহারকারীকে মাথায় হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে (Head Mounted Display-HMD), হাতে একটা ডাটা গ্লোভ (Data Glove) বা একটি পূর্ণাঙ্গ বডি স্যুইট (Body Suit) পরতে হয় এবং ভার্চুয়াল রিয়েলিটি তাকে কোনো রকম শারীরিক ঝুঁকি বা বিপদ ছাড়াই বাস্তব অভিজ্ঞতা প্রদান করে। 

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২৪.
বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কতবার জরুরি অবস্থা জারি করা হয়?
  1. ৩ বার
  2. ৪ বার
  3. ৫ বার
  4. ৬ বার
সঠিক উত্তর:
৫ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বার
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৫ বার জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।

জরুরি অবস্থা:
- ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনীর মাধ্যমে জরুরি অবস্থা জারির বিধান যুক্ত করা হয়েছিল।
- এই বিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি যুদ্ধ, বহিঃআক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের কারণে দেশের নিরাপত্তা threatened হলে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন। 

• বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো জরুরি অবস্থা জারি হয় ১৯৭৪ সালের ২৮ ডিসেম্বর। শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনামলে খাদ্য সংকট, দুর্ভিক্ষ এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা মোকাবিলায় এই জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। 
- এরপর ১৯৮১ সালের ৩০ মে দ্বিতীয়বার জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয় রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর। নিরাপত্তা সংকট ও সেনা-অস্থিরতা দমনের যুক্তিতে ঘোষিত এই জরুরি অবস্থায় বেশ কিছু মৌলিক অধিকার স্থগিত ছিল। 
- তৃতীয় ও চতুর্থ জরুরি অবস্থা জারি করেন হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। তিনি ১৯৮৭ সালের ২৭ নভেম্বর গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলন দমনে এবং ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর নিজের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন।
- ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি জারি হয় বাংলাদেশের ইতিহাসের পঞ্চম ও সর্বশেষ জরুরি অবস্থা, যা টিকে ছিল প্রায় দুই বছর। রাজনৈতিক সহিংসতা ও অচলাবস্থার মধ্যে সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার এই জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে। 

উৎস: i) BBC.
ii) The Daily Star Bangla.

১২৫.
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধন অধ্যাদেশ, ২০২৫-এ ‘না ভোট’ কোন ক্ষেত্রে পুনরায় চালু করা হয়েছে?
  1. সকল আসনে
  2. শুধুমাত্র স্থানীয় নির্বাচনে
  3. একক প্রার্থীর আসনে 
  4. কোনো ক্ষেত্রেই নয়
সঠিক উত্তর:
একক প্রার্থীর আসনে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একক প্রার্থীর আসনে 
ব্যাখ্যা

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধন অধ্যাদেশ, ২০২৫:
- 'গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধন অধ্যাদেশ, ২০২৫'-এ ‘না ভোট’ বা 'No Vote' অপশনটি একক প্রার্থী বা বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার ক্ষেত্রে পুনরায় চালু করা হয়েছে।
- প্রার্থী একক হলে, তার প্রাপ্ত ভোট যদি 'না ভোট' অপেক্ষা বেশি হয় তবেই তিনি নির্বাচিত হবেন, অন্যথায় পুনরায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

• গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধন অধ্যাদেশ, ২০২৫-এ  নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের জোটগতভাবে নির্বাচনের ক্ষেত্রে নিজ দলের প্রতীকে নির্বাচন করার বিধান যুক্ত করাসহ বেশ কিছু সংশোধনী আনা হয়েছে।
- নভেম্বর ৪, ২০২৫ তারিখে আইন মন্ত্রণালয় এ অধ্যাদেশের গেজেট জারি করেছে।
- ২৩ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে আরপিও সংশোধন অধ্যাদেশের খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়।

⇒ মূল সংশোধনীসমূহ:
- জোটগত নির্বাচনে প্রতীক: নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল জোটবদ্ধ হলেও প্রার্থীকে নিজ দলের প্রতীকে নির্বাচন করতে হবে। জোটের কমন প্রতীক ব্যবহারের সুযোগ সীমিত/বাতিল।
- ‘না ভোট’ পুনরায় চালু: একক প্রার্থীর আসনে ভোটাররা ‘না’ ভোট দিতে পারবেন, যাতে অবাধ/অপ্রতিদ্বন্দ্বী নির্বাচন এড়ানো যায়।
- আদালত কর্তৃক ঘোষিত পলাতক বা ফেরারি আসামি প্রার্থী হতে পারবেন না।
- সশস্ত্র বাহিনী (সেনা, নৌ, বিমান, কোস্ট গার্ড) কে নির্বাচনকালীন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞায় যুক্ত করা হয়েছে।
- সমান ভোটের ক্ষেত্রে: লটারির পরিবর্তে পুনঃভোট অনুষ্ঠিত হবে।
- নির্বাচনী জামানত: ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। 
- আচরণবিধি লঙ্ঘন: সর্বোচ্চ দেড় লাখ টাকা জরিমানা ও ৬ মাসের কারাদণ্ডের বিধান।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) অপব্যবহার (যেমন ফেক নিউজ/ডিপফেক)-কে নির্বাচনী অপরাধ হিসেবে গণ্য; প্রার্থীর আয়-সম্পত্তির বিবরণ প্রকাশ বাধ্যতামূলক; ইভিএম ব্যবহার বাতিল; প্রবাসীদের পোস্টাল ব্যালটের বিধান (পরবর্তী সংশোধনীতে আরও স্পষ্ট)।

উৎস: i) বাংলাদেশ টেলিভিশন ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা। 

১২৬.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সুযোগের সমতার কথা বলা হয়েছে?
  1. ১৭ নং
  2. ১৮ নং
  3. ১৯ নং
  4. ২১ নং
সঠিক উত্তর:
১৯ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯ নং
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের ১৯ নং অনুচ্ছেদে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতার কথা বলা হয়েছে।

বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে ১৯ নং অনুচ্ছেদে '‘সুযোগের সমতা’' সম্পর্কে বলা হয়েছে।

• ১৯ নং অনুচ্ছেদ:
- ১৯ (১) সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হবেন।
- ১৯ (২) মানুষে মানুষে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অসাম্য বিলোপ করার জন্য, নাগরিকদের মধ্যে সম্পদের সুষম বন্টন নিশ্চিত করার জন্য এবং প্রজাতন্ত্রের সর্বত্র অর্থনৈতিক উন্নয়নের সমান স্তর অর্জনের উদ্দেশ্যে সুষম সুযোগ-সুবিধাদান নিশ্চিত করার জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
- ১৯ (৩) জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা রাষ্ট্র নিশ্চিত করবেন।

অন্যদিকে,
- সংবিধানের ১৭ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু : অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা।
- সংবিধানের ১৮ নং অনুচ্ছেদে জনস্বাস্থ্য এবং নৈতিকতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- অনুচ্ছেদ ২১ নং: নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১২৭.
২০২৫ সালে বাংলা একাডেমি পরিচালিত 'সাহিত্যিক মোহম্মদ বরকতুল্লাহ প্রবন্ধ সাহিত্য পুরস্কার' কে পেয়েছেন?
  1. অধ্যাপক মনসুর মুসা
  2. সানাউল হক খান
  3. সুব্রত বড়ুয়া
  4. খসরু চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক মনসুর মুসা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক মনসুর মুসা
ব্যাখ্যা

২০২৫ সালে বাংলা একাডেমি পরিচালিত ৮ পুরস্কার:
- ২০২৫ সালে বাংলা একাডেমি পরিচালিত আটটি পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে।
- মোট ৯ জন এ পুরস্কার পেয়েছেন। 

• ২০২৫ সালে সাহিত্যিক মোহম্মদ বরকতুল্লাহ প্রবন্ধ সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন অধ্যাপক মনসুর মুসা। ভাষাভিত্তিক গবেষণার মূল্যায়নে তাঁকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়। এ পুরস্কারের অর্থমূল্য এক লাখ টাকা।

• ২০২৫ সালে মেহের কবীর বিজ্ঞানসাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন খসরু চৌধুরী। তাঁকে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে প্রকৃতি ও বিজ্ঞানচর্চায় সামগ্রিক মূল্যায়নে। এ পুরস্কারের অর্থমূল্য এক লাখ টাকা।

• ২০২৫ সালে মযহারুল ইসলাম কবিতা পুরস্কার পেয়েছেন সানাউল হক খান। বাংলা কবিতায় সামগ্রিক মূল্যায়নে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। পুরস্কারের অর্থমূল্য এক লাখ টাকা।

• ২০২৫ সালে সা’দত আলী আখন্দ সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন হাফিজ রশিদ খান। বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর জীবন ও সাহিত্য বিষয়ে গবেষণার মূল্যায়নে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে তাঁকে। এ পুরস্কারের অর্থমূল্য এক লাখ টাকা।

• ২০২৫ সালে অধ্যাপক মমতাজউদদীন আহমদ নাট্যজন পুরস্কার পেয়েছেন তারিক আনাম খান। তিনি অভিনয়, নাট্য নির্দেশনায় ও সংগঠক হিসেবে সামগ্রিক অবদানের মূল্যায়নে এ পুরস্কার পেয়েছেন। এর অর্থমূল্য এক লাখ টাকা।

• ২০২৫ সালে আবু রুশ্দ সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন শিবব্রত বর্মন। অনুবাদ-সাহিত্যে অনন্য অবদানের মূল্যায়নে তাঁকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়। পুরস্কারের অর্থমূল্য এক লাখ টাকা।

• ২০২৫ সালে হালীমা-শরফুদ্দীন বিজ্ঞান পুরস্কার পেয়েছেন সফিক ইসলাম ‘গণিতের রাজ্যে আনন্দভ্রমণ’ গ্রন্থের জন্য। গণিতকে সহজবোধ্য ও উপভোগ্যভাবে উপস্থাপনের জন্য তাঁকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। পুরস্কারের অর্থমূল্য ৫০ হাজার টাকা।

• ২০২৫ সালে রাবেয়া খাতুন কথাসাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন দুজন। এর মধ্যে প্রথমজন সুব্রত বড়ুয়া। তাঁকে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে কথাসাহিত্যে সামগ্রিক অবদানের মূল্যায়নে। এ পুরস্কারের অর্থমূল্য দুই লাখ টাকা। আর অনূর্ধ্ব ৪৯ বছর বয়সী লেখকদের মধ্যে ২০২৪ সালে প্রকাশিত ‘সিসিফাস শ্রম’ গল্পগ্রন্থের মূল্যায়নে ‘রাবেয়া খাতুন কথাসাহিত্য পুরস্কার ২০২৫’ পুরস্কার পেয়েছেন আনিসুর রহমান। এ পুরস্কারের অর্থমূল্য এক লাখ টাকা।

উৎস: i) বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট। 
ii) প্রথম আলো।

১২৮.
জাতীয় সংসদের ৩০০ নং আসন কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাঙামাটি 
  2. খাগড়াছড়ি 
  3. বান্দরবান
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
ব্যাখ্যা

জাতীয় সংসদের ৩০০ নং আসন হলো বান্দরবান।

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের আসন:
-  বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি।
- এর মধ্যে ৩০০টি আসন সাধারণ নির্বাচনি এলাকার মাধ্যমে সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের জন্য নির্ধারিত। অবশিষ্ট ৫০টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত, যা নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের মাধ্যমে বণ্টন করা হয়। 

• বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের তিনটি সংসদীয় আসনের মাত্র ১টি করে সংসদীয় আসন রয়েছে। জেলাগুলো হলো: রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান।
- জাতীয় সংসদের ২৯৯ নং আসন হলো রাঙামাটি।
- জাতীয় সংসদের ২৯৮ নং আসন হলো খাগড়াছড়ি।
- জাতীয় সংসদের ২৯৭ নং আসন হলো কক্সবাজার।

এছাড়াও,
- জাতীয় সংসদের - ১ নং আসন হলো পঞ্চগড়-১।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১২৯.
সর্বশেষ ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ২.৮৫%
  2. ৩.৯৭%
  3. ৪.৯%
  4. ৫.৬%
সঠিক উত্তর:
৩.৯৭%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩.৯৭%
ব্যাখ্যা

জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার:
- সর্বশেষ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৯৭%।

• খাত ভিত্তিক জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার (স্থির মূল্যে):
- কৃষি: ১.৭৯%
- শিল্প: ৪.৩৪%
- সেবা: ৪.৫১%

• জিডিপিতে বিভিন্ন খাতে অবদান -
- কৃষি: ১০.৯৪%।
- শিল্প: ৩৭.৪৪%।
- সেবা: ৫১.৬২%।

উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

১৩০.
স্বাধীন দেশ হিসেবে পাকিস্তান কবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে?
  1. ২২শে ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪
  2. ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪
  3. ২২শে এপ্রিল, ১৯৭৪
  4. ২৪শে এপ্রিল, ১৯৭৪
সঠিক উত্তর:
২২শে ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২শে ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশকে পাকিস্তানের স্বীকৃতি:
- ১৯৭৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

• ১৯৭৪ সালে লাহোরে অনুষ্ঠিত OIC-এর দ্বিতীয় সম্মেলনে বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
- লাহোরে অনুষ্ঠিত ওআইসি সম্মেলনে যোগদানের শর্ত হিসেবে বাংলাদেশ পাকিস্তান থেকে এই স্বীকৃতি আদায় করে নিয়েছিল। 

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে সর্বপ্রথম স্বীকৃতি দেয় ভুটান এবং ভারত। উভয় দেশই বাংলাদেশকে ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
- অপরদিকে সর্বশেষ দেশ হিসেবে চীন বাংলাদেশকে ১৯৭৫ সালের ৩১ আগস্ট স্বীকৃতি দেয়।
- নানা বাধা-বিপত্তির পরও দেখা যায় স্বাধীন হবার মাত্র চার বছরেরও কম সময়ে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র হয়েছিল আর শতাধিক দেশের স্বীকৃতি আদায় করতে সক্ষম হয়েছিল।
- ১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে যুক্তরাজ্যসহ সুইডেন, নরওয়ে, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, অস্ট্রিয়া নেদাল্যান্ডস এবং জাপান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- বিজয়ের পর পরই ১৯৭২ জানুয়ারি মাসেই পূর্ব জার্মানি, বুলগেরিয়া, পোল্যান্ড, মিয়ানমার, নেপাল, সোভিয়েত ইউনিয়ন স্বীকৃতি দেয়।

উৎস: i) বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

১৩১.
বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সর্বশেষ কত সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ২০০১ সালে
  2. ২০০৭ সালে
  3. ২০০৮ সালে
  4. ২০০৯ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৮ সালে
ব্যাখ্যা

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচন:
- বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সর্বশেষ ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়।
- ফখরুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বাধীন সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ওই নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল। 
- উল্লেখ্য যে, ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করে দেওয়া হয়। 

উল্লেখ্য,
- ১৯৯৬ সালে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে ৫৮খ-৫৮ঙ পর্যন্ত চারটা অনুচ্ছেদ যোগ করে জাতীয় নির্বাচনের সময়ে সরকার পরিচালনার জন্য ‘নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার’ ব্যবস্থা চালু করা হয়।
- ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে যথাক্রমে প্রধান বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান ও লতিফুর রহমান এবং ২০০৬ সালে সাবেক রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের নেতৃত্বাধীন তিনটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা দেখা যায়।
- ১৯৯০ সালে প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে গঠিত সরকার কার্যকাল, পদ্ধতি ও সাংবিধানিকতার বিচারে ‘নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার’ না হলেও বাস্তবে সেটিই ছিল প্রথম নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার এবং পরবর্তী সাংবিধানিক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ভিত্তিভূমি ও পথনির্দেশক।

উৎস: প্রথম আলো।

১৩২.
নেভিল অ্যান্থনি মাসকারেনহাস কোন পত্রিকায় ১৯৭১ সালের গণহত্যার প্রতিবেদন প্রকাশ করে?
  1. নিউইয়র্ক টাইমস
  2. সানডে টাইমস
  3. টাইম ম্যাগাজিন
  4. দ্য গার্ডিয়ান
সঠিক উত্তর:
সানডে টাইমস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সানডে টাইমস
ব্যাখ্যা

অ্যান্থনি মাসকারেনহাস:
- নেভিল অ্যান্থনি মাসকারেনহাস (Neville Anthony Mascarenhas) ছিলেন একজন বিখ্যাত সাংবাদিক।
- তিনি ছিলেন করাচির মর্নিং নিউজের সাংবাদিক ও ব্রিটেনের সানডে টাইমস পত্রিকার পাকিস্তান সংবাদদাতা।

• তিনি ভারতের গোয়ায় ১৯২৮ সালের ১০ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন এবং পড়াশোনা করেন পাকিস্তানের করাচিতে।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে তিনি পাকিস্তানি বাহিনী কর্তৃক সংঘটিত গণহত্যার বিষয়টি বিশ্ববাসীর কাছে সর্বপ্রথম উন্মোচিত করেন।
- জন্মসূত্রে মাসকারেনহাস ভারতীয়, তবে তিনি বাস করেছেন পাকিস্তানের করাচিতে।
- মাসকারেনহাস ১৯৪৭ সালে করাচিতে সাংবাদিকতা পেশায় যোগ দেন।
- তার প্রথম কর্মস্থল ছিল রয়টার্স।
- ১৯৪৯ থেকে ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত পাকিস্তান সংবাদ সংস্থা, এপিপি, নিউইয়র্ক টাইমস এবং টাইম/লাইফ সাপ্তাহিকের সংবাদদাতা ছিলেন।
- ১৯৬১-৭১ সালের মে মাস পর্যন্ত দ্য মর্নিং নিউজে কর্মরত ছিলেন।
- ১৯৭১ সালের এপ্রিল মাসে তিনি বাংলাদেশে আসেন এবং গণহত্যার তথ্যাদি সংগ্রহ করেন।
- তাঁর "Genocide" শিরোনামের প্রতিবেদন ১৩ জুন ১৯৭১ সালে The Sunday Times (লন্ডন)-এ প্রকাশিত হয়, যা বিশ্ববিবেককে নাড়িয়ে দেয়।
- তার সেই অসাধারণ সাহসী প্রতিবেদনে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর নির্মম গণহত্যার খবর সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ওপর লেখা তার দুটি বিখ্যাত গ্রন্থ ‘দ্য রেপ অব বাংলাদেশ’ এবং ‘বাংলাদেশ: রক্তের ঋণ’।
- ১৯৮৬ সালের ৬ ডিসেম্বর তিনি মারা যান।

উৎস: i) BBC.
ii) কালবেলা।
iii) The Daily Star Bangla.

১৩৩.
‘উন্নত মম শির’ শিল্পকর্মটি কাকে নিয়ে অঙ্কিত?
  1. শহীদ মীর মুগ্ধ
  2. শহীদ আবরার ফাহাদ
  3. শহীদ ওসমান হাদি
  4. শহীদ আবু সাঈদ
সঠিক উত্তর:
শহীদ আবু সাঈদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শহীদ আবু সাঈদ
ব্যাখ্যা

উন্নত মম শির:
- ‘উন্নত মম শির’ শিল্পকর্মটি শহীদ আবু সাঈদকে নিয়ে অঙ্কিত।

• এটি বাংলাদেশের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের সাহস ও অটল মনোভাবকে চিত্রিত করে।
- এর শিল্পী: শহীদ কবির।
- নামটি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত লাইন "বল বীর বল উন্নত মম শির" থেকে অনুপ্রাণিত।

উল্লেখ্য,
- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ১৬ জুলাই, ২০২৪ তারিখে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটের সামনের সড়কে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন আবু সাঈদ।
- ভ্যুত্থানের পরে সারা দেশে শিক্ষার্থীরা যেসব গ্রাফিতি করেন, তাতে আরও অনেক শহীদের প্রতিকৃতির সঙ্গে দুই বাহু প্রসারিত আবু সাঈদ উঠে এসেছিলেন মৃত্যুঞ্জয়ী হয়ে।

উৎস: প্রথম আলো।

১৩৪.
দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চলের নাম কী?
  1. মহেশখালী অর্থনৈতিক অঞ্চল
  2. নারায়ণঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চল 
  3. মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চল
  4. জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
ব্যাখ্যা

জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এনএসইজেড):
- দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চলের নাম জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- এটি চট্টগ্রামের মীরসরাই, সীতাকুণ্ড এবং ফেনীর সোনাগাজী উপজেলায় প্রায় ৩৩,৮০৫ একরের বেশি জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে।

• 'জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল' ৩টি ইকোনমিক জোন নিয়ে গঠিত।
- চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড ও মিরসরাই এবং ফেনীর সোনাগাজী এলাকায় দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল এনএসইজেড নির্মাণের কাজ করছে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)।
- প্রথম পর্যায়ে আগামী পাঁচ বছরে ১৭ হাজার ৩১৩.৫৮ একর জমির ওপর বিস্তৃত এনএসইজেডের মিরসরাই অঞ্চলের কাজ সম্পন্ন করা হবে।
- দ্বিতীয় পর্যায়ে ষষ্ঠ থেকে দশম বছরের মধ্যে সোনাগাজীর ১১ হাজার ২০.৫ একর এলাকার কাজ করা হবে।
- তৃতীয় ও চূড়ান্ত পর্যায়ে এগারোতম থেকে বিশতম বছরে সম্পন্ন হবে সীতাকুণ্ড অঞ্চলের কাজ।

উৎস: i) বেজা ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

১৩৫.
লালদিয়া টার্মিনাল কোন বন্দরের একটি প্রকল্প?
  1. মোংলা বন্দর
  2. পায়রা বন্দর
  3. চট্টগ্রাম বন্দর
  4. মাতারবাড়ি বন্দর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম বন্দর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম বন্দর
ব্যাখ্যা

লালদিয়া টার্মিনাল প্রকল্প:
- লালদিয়া টার্মিনাল হলো বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দরের পতেঙ্গা সংলগ্ন কর্ণফুলী নদীর তীরে নির্মিতব্য একটি বৃহৎ কনটেইনার টার্মিনাল।
- এটি চট্টগ্রামের পতেঙ্গা এলাকায় কর্ণফুলী নদীর তীরে লালদিয়া চর (Laldia Char)-এ অবস্থিত।

• ২০২৫ সালের নভেম্বরে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (CPA) এবং ডেনমার্কভিত্তিক APM Terminals (Maersk Group-এর সহযোগী) এর সঙ্গে ৩০ বছর মেয়াদি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
- বিনিয়োগ: প্রায় ৫৫ কোটি ডলার।
- নির্মাণ শুরু: ২০২৬ সালে।
- পূর্ণাঙ্গ চালু: ২০৩০ সালের মধ্যে।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম PPP (Public-Private Partnership) মডেলে সম্পূর্ণ ডিজাইন, ফান্ডিং, নির্মাণ ও পরিচালনার টার্মিনাল।
- লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালটি বছরে ৮ থেকে ১০ লাখ টিইইউ (কনটেইনার টার্মিনাল পরিচালনার আন্তর্জাতিক একক) পর্যন্ত কনটেইনার পরিচালনা করতে সক্ষম হবে। 

উল্লেখ্য,
- চুক্তির মেয়াদ: ৩+৩০+১৫ বছর।
- তিন বছরের মধ্যে নির্মাণ শেষ করে ২০২৯ সালে টার্মিনালটি চালু করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। এরপর ৩০ বছর টার্মিনালটি পরিচালনা করবে এপিএম টার্মিনালস। পরে উভয় পক্ষ চাইলে আরও ১৫ বছর চুক্তির মেয়াদ বাড়াতে পারে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বণিক বার্তা।

১৩৬.
ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে কত সালে বন্দী প্রত্যর্পণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১১ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০১৩ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা

ভারত-বাংলাদেশ বন্দী প্রত্যর্পণ চুক্তি:
- ২০১৩ সালে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বন্দী প্রত্যর্পণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

• ২৮ জানুয়ারি, ২০১৩ তারিখে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বন্দী প্রত্যর্পণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ।
- তৎকালীন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুশীল কুমার শিন্ডে এবং বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর এই চুক্তি স্বাক্ষর করেন যা পরে ২০১৬ সালে সংশোধিত হয়েছিল।
- উদ্দেশ্য: দুই দেশের মধ্যে অপরাধী, সন্ত্রাসী ও পলাতক আসামিদের হস্তান্তর করা।

উৎস: i) BBC.
ii) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

১৩৭.
বাংলাদেশ বন শিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন (BFIDC)-এর তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে কয়টি রাবার জোন রয়েছে?
  1. ২টি 
  2. ৩টি 
  3. ৪টি 
  4. ৫টি 
সঠিক উত্তর:
৩টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি 
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ বন শিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন (BFIDC)-র তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে মোট ৩টি রাবার জোন বা অঞ্চল রয়েছে।
জোনগুলো হলো:  চট্টগ্রাম জোন, সিলেট জোন ও টাঙ্গাইল-শেরপুর (মধুপুর) জোন।

রাবার:
- রাবার একটি অত্যন্ত মূল্যবান অর্থকরী বনজ সম্পদ যার বিভিন্ন ধরণের ব্যবহার রয়েছে।
- বিএফআইডিসির মালিকানাধীন রাবার বাগান রয়েছে ১৮টি।
- বাংলাদেশে রাবার জোন রয়েছে ৩টি। এগুলো হলো: বৃহত্তর চট্টগ্রাম, সিলেট এবং টাঙ্গাইল - শেরপুর।
- ৩টি জোনে মোট রাবার বাগান ১৮টি; এর মধ্যে চট্টগ্রামে ৯টি, সিলেট জোনে ৪টি এবং টাঙ্গাইল-শেরপুর জোনে ৫টি।

• বিএফআইডিসি ১৯৮০-৮১ সাল হতে উচ্চ ফলনশীল রাবার চারা রোপণ শুরু করে এবং ১৯৯৭ সালের মধ্যে চট্টগ্রাম, সিলেট ও মধুপুরের ১৩,২০৭ হেক্টর জমিতে ১৬টি রাবার বাগান সৃজন করে।
- তার মধ্যে ৮% চারা মালয়েশিয়া হতে আনীত প্রিম ৬০০ এবং পিবি ২৩৫ ক্লোন হতে লাগানো হয়।
- প্রতিটি ক্লোন হতে উৎপন্ন চারা হতে বছরে তিন কেজি করে রাবার উৎপন্ন হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশ রাবার বোর্ড ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

১৩৮.
টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিয়ান কে?
  1. সাকিব আল হাসান
  2. তামিম ইকবাল 
  3. মুশফিকুর রহিম
  4. মাহমুদউল্লাহ
সঠিক উত্তর:
মুশফিকুর রহিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুশফিকুর রহিম
ব্যাখ্যা

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিয়ান:
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিয়ান হলেন মুশফিকুর রহিম।
- তিনি ২০১৩ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গলে এই ঐতিহাসিক কীর্তি গড়েন, ২০০ রান করে।
- তিনি বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি করেন এবং এখন পর্যন্ত তিনবার ডাবল সেঞ্চুরি করা একমাত্র বাংলাদেশী ক্রিকেটার।

• প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি:  ২০১৩ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ২০০ রান।
• দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরি: ২০১৮ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২১৯* রান (অপরাজিত)।
• তৃতীয় ডাবল সেঞ্চুরি:  ২০২০ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২০০* রান (অপরাজিত)।

উৎস: প্রথম আলো।

১৩৯.
এলডিসি উত্তরণের পরে জাপান বাংলাদেশকে কত সাল পর্যন্ত শুল্পমুক্ত সুবিধা প্রদান করবে?
  1. ২০২৭ সাল
  2. ২০২৮ সাল
  3. ২০২৯ সাল
  4. ২০৩০ সাল
সঠিক উত্তর:
২০২৯ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৯ সাল
ব্যাখ্যা

শুল্পমুক্ত সুবিধা:
- এলডিসি (স্বল্পোন্নত দেশ) থেকে ২০২৬ সালে উত্তরণের পরেও জাপান বাংলাদেশকে আরও তিন বছর, অর্থাৎ ২০২৯ সাল পর্যন্ত শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত বাজার সুবিধা (GSP সুবিধা) প্রদান করবে।
- সব স্বল্পোন্নত দেশকেই (এলডিসি) ২০২৯ সাল পর্যন্ত অগ্রাধিকারমূলক শুল্কসুবিধা বা জিএসপি দেবে জাপান।

• বাংলাদেশ ২০২৬ সালের নভেম্বরে এলডিসি (স্বল্পোন্নত দেশ) থেকে উত্তরণ হবে।
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, দূরপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের উল্লেখযোগ্য গন্তব্য হলো জাপান।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ জাপানে ১৪১ কোটি ১৬ লাখ ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি করেছে যা বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের ২ দশমিক ৯২ শতাংশ।
- জাপানে রপ্তানি করা বাংলাদেশের প্রধান পণ্য হলো তৈরি পোশাক।

এছাড়াও,
- ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাজ্য: এলডিসি উত্তরণের পর ২০২৯ সাল পর্যন্ত শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা (EBA-Everything But Arms) বজায় থাকবে।
- কানাডা এবং অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশ বাংলাদেশকে ২০২৯ সাল পর্যন্ত (মূল্য সুবিধা ৩ বছর বৃদ্ধি) শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত বাজার সুবিধা প্রদান করবে।
- বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO) উত্তরণ পরবর্তী ৩ বছর এই সুবিধা বহাল রাখার অনুমোদন দিয়েছে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) ওয়েবসাইট।
iii) THE FINANCIAL EXPRESS.

১৪০.
বাংলাদেশের ‘জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র’ কোথায় অবস্থিত?
  1. গুলিস্তান, ঢাকা
  2. সেগুনবাগিচা, ঢাকা
  3. মিরপুর, ঢাকা
  4. শাহবাগ, ঢাকা
সঠিক উত্তর:
গুলিস্তান, ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুলিস্তান, ঢাকা
ব্যাখ্যা

জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র:
- বাংলাদেশের ‘জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র’ ঢাকার গুলিস্তানে (শহীদ আবরার ফাহাদ এভিনিউ) অবস্থিত।

• প্রতিষ্ঠানটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। 
- সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় সচিব মহোদয়ের সভাপতিত্বে ১৭ (সতের) সদস্যবিশিষ্ট একটি পরিচালনা বোর্ড প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা বিষয়ক নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকেন। 
- প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক নির্বাহী হিসাবে দায়িত্বে থাকেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক মনোনীত একজন পরিচালক। 
- রূপকল্প: গ্রন্থমনস্ক আলোকিত মানুষ।
- অভিলক্ষ্য: মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও দেশজ সংস্কৃতি সম্পর্কে জ্ঞান লাভে সহায়তার উদ্দেশ্যে গ্রন্থাগার সম্প্রসারণ ও গ্রন্থাগারের সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে মুক্তচিন্তা ও মুক্তবুদ্ধির আলোকিত সমাজ গঠন।

উল্লেখ্য,
- যেকোন দেশ, জাতি এবং তার মানবসম্পদ উন্নয়নের অপরিহার্য্য উপাদান হলো গ্রন্থ এবং তার ব্যবহার।
- গ্রন্থের উন্নয়ন ও প্রসারকে সামনে রেখে ১৯৬০ সালে ইউনেস্কোর সার্বিক সহযোগিতায় তৎকালীন পাকিস্তান কেন্দ্রীয় সরকারের শিক্ষা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপন বলে ‘ন্যাশনাল বুক সেন্টার অব পাকিস্তান’ প্রতিষ্ঠিত হয়। যার একটি শাখা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ঢাকায় অবস্থিত ছিল।
- ১৯৭১ সালে গৌরবোজ্জ্বল  স্বাধীনতা লাভের পর প্রতিষ্ঠানটির নতুন নামকরণ করা হয় ‘জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র বাংলাদেশ’।
- ১৯৮৩ সালে এনাম কমিটির প্রতিবেদনে এই সংস্থাটিকে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা প্রদান করা হয়।
- ১৯৯৫ সালের ২৭ নভেম্বর বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ২৭নং আইন বলে ‘জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র’ আইন প্রণয়ন করা হয় এবং প্রতিষ্ঠানটির নতুন নামকরণ করা হয় ‘জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র’।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

১৪১.
কোনটি রবি ফসল নয়?
  1. টমেটো
  2. মুলা
  3. মিষ্টি কুমড়া
  4. ফুলকপি
সঠিক উত্তর:
মিষ্টি কুমড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিষ্টি কুমড়া
ব্যাখ্যা

রবি ফসল নয় - মিষ্টি কুমড়া।

রবি মৌসুম:

- শীতকালীন শস্যকে বলে রবি শস্য। মধ্য অক্টোবর থেকে মধ্য মার্চ পর্যন্ত, মতান্তরে মধ্য নভেম্বর থেকে মধ্য এপ্রিল পর্যন্ত সময়কালকে রবি মৌসুম বলে। মূলত আশ্বিন থেকে ফাল্গুন হচ্ছে রবি মৌসুম।
- গ্রীষ্মকালে অর্থাৎ ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসে ফসল তোলা হয়।
- প্রধান রবি শস্য: বোরো ধান, গম, মসুর ডাল, যব, সরিষা, পেঁয়াজ, মটরশুঁটি ইত্যাদি। এ ছাড়া ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, গাজর, লাউ, শিম, টমেটো, আলু ইত্যাদিও এ মৌসুমে চাষ করা হয়।


খরিপ মৌসুম:
- চৈত্র থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ মৌসুম বলে। খরিপ মৌসুমে বিশেষ করে আষাঢ় থেকে ভাদ্র মাসের মধ্যে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। খরিপ মৌসুমে তাপমাত্রা ও বায়ুর আর্দ্রতা বেশি পরিলক্ষিত হয়। খরিপ মৌসুমকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা: খরিপ-১ বা গ্রীষ্মকাল এবং খরিপ- ২ বা বর্ষাকাল।

• খরিপ-১ মৌসুম:
- চৈত্র মাস থেকে আষাঢ় মাস (মধ্য মার্চ হতে মধ্য জুলাই) পর্যন্ত সময়কে খরিপ-১ বলা হয়। এইসময়কে গ্রীষ্মকালও বলা হয়।
- প্রধান খরিপ-১ শস্য: আউশ ধান, পাট, কাউন, ভুট্টা, তিল, মিষ্টি কুমড়া, কচু ও ঝিঙ্গা ইত্যাদি।

• খরিপ-২ মৌসুম: শ্রাবণ মাস থেকে আশ্বিন মাস (মধ্য জুলাই হতে মধ্য অক্টোবর) পর্যন্ত সময়কে খরিপ-২ বলে। এই সময় বর্ষাকাল। 
- প্রধান খরিপ-২ শস্য: আমন ধান, ভুট্টা, মাষকলাই, বর্ষাকালীন সবজি ইত্যাদি ।

এছাড়াও,
- কিছু ফসল ও শাক-সবজি আছে যেগুলো উভয় মৌসুমেই বা সারা বছর চাষাবাদ করা হয়ে থাকে। এদেরকে বারোমাসী ফসল বলে। যেমন- কলা, পেঁপে ইত্যাদি।

উৎস: i) কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৪২.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন তার বার্ষিক প্রতিবেদন রাষ্ট্রপতিকে জমা দেয়?
  1. ১৩৮ নং 
  2. ১৩৯ নং 
  3. ১৪০ নং 
  4. ১৪১ নং 
সঠিক উত্তর:
১৪১ নং 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪১ নং 
ব্যাখ্যা

সংবিধানে সরকারি কর্ম কমিশন সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ:
- সংবিধানে সরকারি কর্ম কমিশন সংক্রান্ত ৫ টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
- এগুলো হলো: ১৩৭ - ১৪১ নং।

• বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪১ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন তার বার্ষিক প্রতিবেদন রাষ্ট্রপতিকে জমা দেয়।

উল্লেখ্য, সংবিধানের ১৪১ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে -
- প্রত্যেক কমিশনকে প্রতি বছর মার্চ মাসের শুরুর দিনে বা তার আগেই, আগের বছরের (৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত) সব কাজকর্মের একটা রিপোর্ট তৈরি করে রাষ্ট্রপতির কাছে জমা দিতে হবে।
(২) এই রিপোর্টের সঙ্গে একটা ছোট নোট (মেমো) থাকবে, যেখানে লেখা থাকবে—
(ক) কোনো কোনো ক্ষেত্রে কমিশনের পরামর্শ মানা হয়নি—সেইসব ক্ষেত্রগুলো কী ছিল এবং কেন মানা হলো না, তার কারণ;
(খ) কোনো কোনো ক্ষেত্রে কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত ছিল, কিন্তু করা হয়নি—সেইসব ক্ষেত্রগুলো কী ছিল এবং কেন আলোচনা করা হলো না, তার কারণ;
কমিশন যতটা জানে, ততটা সব লিখে রাখবে।
(৩) যে বছর এই রিপোর্ট রাষ্ট্রপতির কাছে জমা দেওয়া হয়েছে, সেই বছর ৩১ মার্চের পর সংসদের যে প্রথম বৈঠক হবে, সেখানে রাষ্ট্রপতি এই রিপোর্ট আর সেই নোটটা সংসদে উপস্থাপন করবেন।

অন্যদিকে,
- ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন-প্রতিষ্ঠা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ১৩৮ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য-নিয়োগ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ১৩৯ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্যপদের মেয়াদ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ১৪০ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের দায়িত্ব সম্পর্কে বলা হয়েছে।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন ওয়েবসাইট।

১৪৩.
কোন সম্রাট ইসলাম খান চিশতীকে বাংলার সুবাদার হিসাবে নিযুক্ত করেন?
  1. সম্রাট আকবর
  2. সম্রাট জাহাঙ্গীর
  3. সম্রাট শাহজাহান
  4. সম্রাট আওরঙ্গজেব
সঠিক উত্তর:
সম্রাট জাহাঙ্গীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট জাহাঙ্গীর
ব্যাখ্যা

ইসলাম খান চিশতি:
- মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীর ১৬০৮ খ্রিস্টাব্দে ইসলাম খান চিশতিকে বাংলার সুবাদার হিসেবে নিযুক্ত করেন।

উল্লেখ্য,
- ইসলাম খান চিশতি (১৬০৮-১৬১৩)  পাঁচ বছরেরও বেশি সময়ের জন্য বাংলার মুগল সুবাহদার ছিলেন।
- প্রকৃত নাম শেখ আলাউদ্দীন চিশতি। সম্রাট  জাহাঙ্গীর তাঁকে ইসলাম খান উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন।
- তাঁর বিখ্যাত পূর্বসূরিগণ যেখানে ব্যর্থ হয়েছিলেন সেখানে চট্টগ্রাম ছাড়া সমগ্র বাংলা জয় করে মুগলদের নিয়ন্ত্রণে আনার সাফল্য লাভ করায় বাংলার সুবাহদার হিসেবে ইসলাম খান খ্যাতি অর্জন করেছিলেন।
- জাহাঙ্গীরের অধিনস্ত প্রথম কয়েকজন সুবাহদার বাংলা জয়ে সাফল্য অর্জণে ব্যর্থ হলে তরুণ ও উদ্যমী ইসলাম খানকে তিনি বাংলা জয়ের জন্য নির্বাচিত করেন ও সুবাহদার হিসেবে ১৬০৮ সালে বাংলায় প্রেরণ করেন।

• বাংলায় আসার আগে তিনি বিহারের সুবাহদার ছিলেন। নিয়োগ লাভ করে তিনি অনতিবিলম্বে বাংলার তদানীন্তন রাজধানী রাজমহলএ চলে আসেন। 
- ইসলাম খান সর্বপ্রথম ভাটি ও বারো ভূঁইয়াদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার পরিকল্পনা করেন। 
- তিনি ঢাকায় বালার রাজধানী স্থানান্তর করেন। 
- ইসলাম খান ঢাকা দখল করে সেখানে তাঁর রাজধানী স্থাপন করেন এবং সম্রাটের নামানুসারে এ স্থানের নতুন নামকরণ করেন জাহাঙ্গীরনগর।
- ইসলাম খান ঢাকাকে সুরক্ষিত করে তিনি ভূঁইয়াদের সব অবস্থানের বিরুদ্ধে অভিযান প্রেরণ করেন এবং ১৬১১ খ্রিস্টাব্দেই মুসা খানসহ বারো ভূঁইয়াদের সবাই ইসলাম খানের নিকট বশ্যতা স্বীকার করেন। 
- ইসলাম খান সমগ্র বাংলা জয় করতে এবং সীমান্তরাজ্য কামরূপ দখল করতে সক্ষম হয়েছিলেন।
- ১৬১৩ খ্রিস্টাব্দের শেষ দিকে তিনি পরলোক গমন করেন।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, ৯ম -১০ম শ্রেণি।
ii) বাংলাপিডিয়া।

১৪৪.
'আচিক মান্দি' নামে পরিচিত ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী কারা?
  1. গারো
  2. খাসিয়া
  3. রাখাইন
  4. মারমা
সঠিক উত্তর:
গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গারো
ব্যাখ্যা

'আচিক মান্দি' ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী গারোদের নিজেদের দেওয়া নাম বা পরিচয়। গারো ভাষায় 'আচিক' শব্দের অর্থ পাহাড় এবং 'মান্দি' শব্দের অর্থ মানুষ, অর্থাৎ 'আচিক মান্দি' বলতে "পাহাড়ের মানুষ" বোঝায়।

গারো:

- ‘গারো' ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ তথা টাংগাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় বাস করে।
- গারো জনগোষ্ঠীর আদি আবাসস্থল তিব্বতে।
- গারোরা ভাষা অনুযায়ী বোডো মঙ্গোলীয় ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- গারোদের নিজস্ব ভাষার নাম আচিক।
- গারোদের সমাজ ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক।
- সমগ্র গারোসমাজ ১৩টি দলে বিভক্ত। 
- তাদের আদি ধর্মের নাম 'সাংসারেক'।
- তাদের প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের নাম 'ওয়ানগালা'।
- বর্তমানে গারোদের বেশিরভাগই খ্রিস্টধর্মে বিশ্বাসী।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) নৃ-গোষ্ঠীসনদ বাংলাদেশ।

১৪৫.
কৃষিশুমারি-২০১৯ অনুযায়ী, দেশে কত শতাংশ খানার কোনো ধরনের জমি নাই?
  1. ১০.৮৮ শতাংশ
  2. ১১.৩৪ শতাংশ
  3. ১২.৪৪ শতাংশ
  4. ১২.৬২ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
১১.৩৪ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১.৩৪ শতাংশ
ব্যাখ্যা

কৃষিশুমারি-২০১৯:
- বাংলাদেশে সর্বশেষ কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে ২০১৯ সালে।
- এটি ছিল ষষ্ঠ কৃষি শুমারি (শস্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ) এবং এটি জাতিসংঘের FAO কর্তৃক পরিচালিত একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
- সাধারণত প্রতি ১০ বছর অন্তর এই শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- উদ্দেশ্য: শস্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপখাতগুলোর পরিবারভিত্তিক খামার সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করা।

• কৃষিশুমারি-২০১৯ অনুযায়ী,
- বাংলাদেশে মোট ৩ কোটি ৫৫ লাখ ৩০ হাজার খানার ১১.৩৪ শতাংশের কোনো ধরনের জমি নেই। 
- দেশে মোট ৩ কোটি ৫৫ লাখ খানার মধ্যে যাদের কোনো ধরনের জমি নেই এই রকম ভূমিহীন ৪০ লাখ ৩০ হাজার খানা। 
- মোট খানার ৮৩.৩৭ শতাংশ রয়েছে গ্রামে আর বাকি ১৬.৬৩ শতাংশ শহরাঞ্চলে।
- কৃষিশুমারির প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে বর্তমানে মোট খানার সংখ্যা ৩ কোটি ৫৫ লাখ ৩০ হাজার। এরমধ্যে শহরের খানার সংখ্যা ৫৯ লাখ এবং গ্রামাঞ্চলে ২ কোটি ৯৬ লাখ।
- শহরের মোট খানার মধ্যে ১৭ লাখ বা মধ্যে ২৮ দশমিক ৭৯ শতাংশ এবং গ্রামের মোট খানার ৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ সম্পূর্ণ ভূমিহীন।
- অনুষ্ঠানে বলা হয়, সর্বোচ্চ ১৮ দশমিক ৬৫ শতাংশ ভূমিহীন খানা রয়েছে ঢাকা বিভাগে। এরপরেই রয়েছে সিলেট এবং খুলনা বিভাগে যথাক্রমে শতকরা ১৩ দশমিক ৬৪ শতাংশ এবং ৯ দশমিক ৮২ শতাংশ।

উৎস: i) বিবিএস ওয়েবসাইট।
ii) সমকাল।

১৪৬.
মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত 'জয়যাত্রা' চলচ্চিত্রের পরিচালক কে ছিলেন?
  1. সুভাষ দত্ত
  2. তৌকির আহমেদ
  3. তানভীর মোকাম্মেল
  4. মোরশেদুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
তৌকির আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৌকির আহমেদ
ব্যাখ্যা

‘জয়যাত্রা’ চলচ্চিত্র:
- মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত 'জয়যাত্রা' চলচ্চিত্রের পরিচালক তৌকির আহমেদ।
- জয়যাত্রা সিনেমায় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সম্পৃক্ততা ছিল। 
- ২০০৪ সালে চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায়। 

• বাংলাদেশের বিখ্যাত সম্পাদক, কাহিনীকার ও চলচ্চিত্র পরিচালক আমজাদ হোসেন এর কাহিনী নিয়ে সংলাপ, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন তৌকির আহমেদ।
- ‘জয়যাত্রা’ তার পরিচালিত প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ ভিত্তিক এই ছবিটি প্রযোজনা করেছে ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিঃ।
- চলচ্চিত্রটিতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিপাশা হায়াত, আজিজুল হাকিম, মাহফুজ আহমেদ, হুমায়ুন ফরীদি, তারিক আনাম খান, আবুল হায়াত, চাঁদনী।
- চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করে শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি স্বরূপ পরিচালক তৌকির আহমেদ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এ শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র ও শ্রেষ্ঠ পরিচালক ২০০৪ পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: প্রথম আলো।

১৪৭.
চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং কোন জনপদ ভ্রমণ করে তার বিবরণী লিখে যান?
  1. বঙ্গ
  2. রাঢ়
  3. সমতট
  4. হরিকেল
সঠিক উত্তর:
সমতট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমতট
ব্যাখ্যা

চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং কর্ণসুবর্ণের নিকটবর্তী রক্তমৃত্তিকা,পুন্ডনগর এর সংলগ্ন এলাকা,সমতট ও তাম্রলিপি জনপদ ভ্রমণ করে তার বিবরণী লিখে যান

হিউয়েন সাং:

- হিউয়েন সাং ছিলেন একজন বিখ্যাত চীনা বৌদ্ধ ভিক্ষু ও পর্যটক।
- তিনি ৭ম শতকে বাংলায় আসেন।
- তিনি বাংলার বেশ কয়েকটি জনপদ ভ্রমণ করেন এবং তাঁর ভ্রমণকাহিনীতে সেগুলোর বিশদ বিবরণ দেন।
- তাঁর বিবরণী থেকে সাত শতকের দ্বিতীয়ার্ধের বাংলা সম্পর্কে কিছুটা তথ্য জানা যায়।

• সে সময় উত্তর ভারতে হর্ষবর্ধন, বাংলায় শশাঙ্ক এবং আসামে ভাস্করবর্মণ শাসন করছিলেন। ৬২৯ সালে চীন থেকে যাত্রা শুরু করে হিউয়েন সাং উত্তরের বাণিজ্য পথ ধরে মধ্য এশিয়ার কুশ হয়ে উত্তর ভারতে পৌঁছান। হিউয়েন সাং হর্ষবর্ধনের শাসনামলে ভারতবর্ষে আসেন। কনৌজনগরে পৌঁছে তিনি ভারতীয় সম্রাট হর্ষবর্ধনের আতিথ্য লাভ করেন। হিউয়েন-সাং যখন নালন্দা মহাবিহারে অধ্যয়ন করেন তখন বাঙালি বৌদ্ধ ভিক্ষু শীলভদ্র ছিলেন এর অধ্যক্ষ। হিউয়েন-সাং শীলভদ্রের একজন ছাত্র ছিলেন।

উল্লেখ্য,
- হিউয়েন-সাং-এর গ্রন্থ জিউ জি (সি-উ চি) মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহের উপর সর্ববৃহৎ ও পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ সম্বলিত গ্রন্থ।
- বৌদ্ধ গ্রন্থ সংগ্রহ ও বৌদ্ধ ধর্ম নির্দেশনায় ব্যুৎপত্তি অর্জন হিউয়েন-সাং-এর প্রধান উদ্দেশ্য হলেও ভারতে অবস্থানকালে তিনি অন্যান্য কাজও করেছেন।
- বাংলায় ভ্রমণকৃত বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে ছিল প্রধানত কর্ণসুবর্ণের নিকটবর্তী  রক্তমৃত্তিকা,  পুন্ড্রনগর ও এর সংলগ্ন এলাকা,  সমতট ও  তাম্রলিপ্তি।
- তাঁর বিবরণ বাংলার প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারে ব্যাপক সহায়তা করে। কোথাও কোথাও তাঁর বিবরণ পক্ষপাতদোষে দুষ্ট হলেও সাত শতকের বাংলার ইতিহাস, বিশেষ করে শশাঙ্কের শাসনাধীন গৌড় রাজ্য সম্বন্ধে তিনি আলোকপাত করে।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাপিডিয়া।

১৪৮.
চিংড়ি চাষ অভিকর আইন কবে প্রণীত হয়?
  1. ১৯৭৯ সালে
  2. ১৯৮৩ সালে
  3. ১৯৮৯ সালে
  4. ১৯৯২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯২ সালে
ব্যাখ্যা

চিংড়ি চাষ অভিকর আইন:
- চিংড়ি চাষ অভিকর আইন, ১৯৯২ (১৯৯২ সনের ৫৩ নং আইন) ১০ নভেম্বর, ১৯৯২ সালে প্রণীত হয়।
- এই আইনের অধীনে 'চিংড়ি চাষ অভিকর বিধিমালা, ১৯৯৩' প্রণয়ন করা হয়।

• এটি  চিংড়ি চাষ এলাকার উপকৃত জমির উপর অভিকর আরোপকল্পে প্রণীত আইন৷
- ভূ-উপরিস্থ পানি ব্যবস্থাপনায় বিশেষ ক্ষেত্রে অভিকর আরোপ করার প্রয়োজনীয়তা পরিলক্ষিত হয়।
- বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড দেশের বিভিন্ন স্থানে বন্যা নিয়ন্ত্রণ, সামুদ্রিক লোনা পানি থেকে রক্ষা ইত্যাদি প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন সময় বাঁধ নির্মাণ করে থাকে।
- এ সকল বাঁধ নির্মাণের ফলে বাঁধ সংশ্লিষ্ট স্থানের জমিতে বিশেষ সুবিধার সৃষ্টি হয়, তাই সরকার এ জমিতে কর আরোপ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে, যাতে সংগৃহীত কর থেকে সুবিধাবঞ্চিত এলাকার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়।

⇒ এ আইনের ৪ নং ধারানুসারে সরকার কর্তৃক চিংড়ি চাষ এলাকায় নির্মিত বাঁধ বা খননকৃত খাল বা স্থাপিত পানি নিয়ন্ত্রণ অবয়বের ফলে কোনো জমি উপকৃত হলে বা উপকৃত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে সরকার উক্ত এলাকায় প্রজ্ঞাপনের নির্ধারিত হারে অভিকর আরোপ ঘোষণা করতে পারে।
- অর্থাৎ, সরকারি পানি ব্যবস্থাপনায় কারো অসুবিধা হলে যেমন ক্ষতিপূরণ পাওয়ায় অধিকার রয়েছে, তেমনি সরকারি বাঁধ নির্মাণের ফলে কারো বিশেষ সুবিধা অর্জিত হলে সে সুবিধার বিপরীতে সরকার কর আরোপ করার অধিকার রাখে।

উৎস: চিংড়ি চাষ অভিকর আইন ১৯৯২।

১৪৯.
ইনকা সভ্যতার সূর্য দেবতা কী নামে পরিচিত ছিল?
  1. আমাতেরাসু
  2. হেলিওস
  3. ইন্তি
  4. সোল
সঠিক উত্তর:
ইন্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্তি
ব্যাখ্যা

ইনকা সভ্যতা:
- এটি দক্ষিণ আমেরিকার একটি প্রাচীন সভ্যতা।
- ইনকা সভ্যতা পেরুকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল।
- প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূল এবং আন্দিজ পর্বতমালা বরাবর উত্তর ইকুয়েডর থেকে মধ্য চিলি পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- এই সভ্যতার রাজধানী ছিল কুজকো।
- এই সভ্যতার স্থপতি: মানকো কাপেন।
- ভাষা: কেচুয়া।
- ইনকা সভ্যতার সূর্য দেবতা ইন্তি ছিলেন দেবদেবীদের প্রধান।
- ইনকা সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ দেখা যায় পেরুর মাচু পিচুতে।
- তাদের স্থাপত্য, সেচ ব্যবস্থা, প্রাসাদ, মন্দির ও দুর্গের অবশেষ আজও আন্দিজে দেখা যায়।
- ১৫৩২ সালে স্প্যানিশ বিজয়ীদের দ্বারা ইনকা সাম্রাজ্যের পতন ঘটে

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।

১৫০.
নিচের কোন দেশটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. ফ্রান্স
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ইতালি
  4. পোল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ইতালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইতালি
ব্যাখ্যা

♦ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সরাসরি যোগদান করে।
- ৭ মে ১৯৪৫ জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
- ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্রের দুটি ব্যবহার হয়েছিল।

- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল:
• জার্মানি,
• জাপান,
• ইতালি।

- মিত্রশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল:
• ব্রিটেন,
• ফ্রান্স,
• যুক্তরাষ্ট্র,
• সোভিয়েত ইউনিয়ন,
• চীন,
• পোল্যান্ড,
• নেদারল্যান্ডস।

♦ উল্লেখ্য:
- তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন তথা রাশিয়ার নেতা বা প্রেসিডেন্ট ছিলেন জোসেফ স্ট্যালিন।
- যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন উইনস্টন চার্চিল।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ও হ্যারি এস. ট্রুম্যান।

তথ্যসুত্র: Britannica & History.com

১৫১.
জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক কর্মসূচী (UNEP) বর্তমান প্রধান কে? (জানুয়ারি, ২০২৬)
  1. ইনগার অ্যান্ডারসেন
  2. আকিম স্টেইনার
  3. এরিক সোলহেইম
  4. হারলেম ব্রুন্ডটল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ইনগার অ্যান্ডারসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনগার অ্যান্ডারসেন
ব্যাখ্যা

UNEP:
- জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক কর্মসূচী (UNEP).
- UNEP-এর পূর্ণরূপ- United Nations Environment Programme.
- UNEP - সদর দপ্তর- নাইরোবি, কেনিয়া।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে- ৫ জুন, ১৯৭২ সালে।
- বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়-৫ জুন।
- সদস্য রাষ্ট্র- ১৯৩ টি।
- UNEP এর প্রধানের পদবী- নির্বাহী পরিচালক।
- বর্তমান নির্বাহী পরিচালক- ইনগার অ্যান্ডারসেন।
- চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ পুরস্কার প্রদান করে UNEP.

তথ্যসূত্র - UNEP অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৫২.
তৃতীয় বিশ্বের অনুন্নত দেশগুলোকে সহজ শর্তে ও স্বল্পসুদে ঋণ প্রদান করে -
  1. IBRD
  2. ADB
  3. IDA
  4. IMF
সঠিক উত্তর:
IDA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IDA
ব্যাখ্যা

IDA:
- IDA এর পূর্ণরূপ International Development Association.
- তৃতীয় বিশ্বের অনুন্নত দেশগুলোকে সহজ শর্তে ও স্বল্পসুদে ঋণ প্রদান করে থাকে।
- যার কারণে IDA কে 'Soft Loan Window' বলা হয়।
- যেসব দেশ IBRD থেকে ঋণ পায় না, সেসব দেশকে IDA ঋণ প্রদান করে থাকে।
- IDA বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৬০ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৭৫টি।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে IDA এর সদস্যপদ লাভ করে।

তথ্যসূত্র - IDA অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৫৩.
গ্লোবাল লিভেবিলিটি ইনডেক্স- ২০২৫ অনুযায়ী বিশ্বের বসবাসযোগ্য শহরের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে -
  1. কোপেনহেগেন
  2. ভিয়েনা
  3. জুরিখ
  4. মেলবোর্ন
সঠিক উত্তর:
কোপেনহেগেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোপেনহেগেন
ব্যাখ্যা

গ্লোবাল লিভেবিলিটি ইনডেক্স- ২০২৫:
- ইকোনোমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ) প্রতি বছর বিশ্বের বসবাসযোগ্য শহরের তালিকা প্রকাশ করে।
- তালিকায় পাঁচটি প্রধান মানদণ্ডে বিশ্বের ১৭৩টি শহরের মূল্যায়ন করা হয়।
- মানদণ্ডগুলো হলো–স্থিতিশীলতা, স্বাস্থ্যসেবা, সংস্কৃতি ও পরিবেশ, শিক্ষা এবং অবকাঠামো।
- গত ১৬ জুন, ২০২৫ ইআইইউ ২০২৫ সালের তালিকা প্রকাশ করে।

শীর্ষ দেশ:
• কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক।
• ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
• জুরিখ, সুইজারল্যান্ড।
• মেলবোর্ন, অস্ট্রেলিয়া।
• জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।

⇒ বাংলাদেশের অবস্থান ১৭১ তম।

তথ্যসূত্র - বিবিসি পত্রিকা রিপোর্ট।

১৫৪.
নিচের কোন দেশটি হর্ন অফ আফ্রিকা অঞ্চলের অংশ নয়?
  1. জিবুতি
  2. কঙ্গো
  3. ইরিত্রিয়া
  4. সোমালিয়া
সঠিক উত্তর:
কঙ্গো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কঙ্গো
ব্যাখ্যা

• কঙ্গো হর্ন অফ আফ্রিকা অঞ্চলের অংশ নয়।

♦ হর্ন অফ আফ্রিকা:
- আফ্রিকার হর্ন বলতে পূর্ব আফ্রিকার অঞ্চল বোঝানো হয়।
- আফ্রিকার মানচিত্র লক্ষ্য করলে দেখা যায় এর উত্তর-পূর্ব অংশ আরব সাগরে শিং এর মত বর্ধিত হয়েছে।
- এর অংশগুলো হলো জিবুতি, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া এবং সোমালিয়া দেশগুলির আবাসস্থল।
- হর্ন অফ আফ্রিকা অঞ্চলের একটি অংশ সোমালি উপদ্বীপ নামেও পরিচিত।
- হর্নে ইথিওপিয়ান মালভূমির উচ্চভূমি, ওগাডেন মরুভূমি এবং ইরিথ্রিয়ান, এবং সোমালিয়ান উপকূলের মতো বিভিন্ন অঞ্চল রয়েছে এবং এটি আমহারা, টাইগ্রে, ওরোমো এবং সোমালি জনগণের আবাসস্থল।
- এর উপকূল লোহিত সাগর, এডেন উপসাগর এবং ভারত মহাসাগর দ্বারা ঘেরা।
- এটি দীর্ঘদিন ধরে আরব উপদ্বীপ এবং দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার সাথে যোগাযোগ করেছে।

তথ্যসূত্র - ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট।

১৫৫.
ন্যাটোর কোন অনুচ্ছেদে জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতার উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৭
  2. অনুচ্ছেদ ৮
  3. অনুচ্ছেদ ৯
  4. অনুচ্ছেদ ১০
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭
ব্যাখ্যা

♦ ন্যাটো:
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৪৯ সাল।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- ন্যাটোতে যোগদানকারী মুসলিম দেশ: তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- সর্বশেষ সদস্য: সুইডেন।

♦ ন্যাটোর অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১: শান্তিপূর্ণ সমাধান,
- অনুচ্ছেদ ২: বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক,
- অনুচ্ছেদ ৩: প্রতিরক্ষা সক্ষমতা,
- অনুচ্ছেদ ৪: পরামর্শ,
- অনুচ্ছেদ ৫: সম্মিলিত প্রতিরক্ষা,
- অনুচ্ছেদ ৬: আক্রমণের সংজ্ঞা,
- অনুচ্ছেদ ৭: জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা,
- অনুচ্ছেদ ৮: অ-দ্বন্দ্বমূলক সম্পৃক্ততা,
- অনুচ্ছেদ ৯: বাস্তবায়ন পরিষদ,
- অনুচ্ছেদ ১০: অতিরিক্ত পক্ষসমূহ,
- অনুচ্ছেদ ১১: চুক্তি অনুমোদন এবং প্রয়োগ,
- অনুচ্ছেদ ১২: চুক্তি পর্যালোচনা,
- অনুচ্ছেদ ১৩: জোটের সদস্যতা ত্যাগ,
- অনুচ্ছেদ ১৪: চুক্তির অন্যান্য সংস্করণের গ্রহণযোগ্যতা।

তথ্যসূত্র - ন্যাটো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৫৬.
IUCN এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. প্যারিস, ফ্রান্স
  2. গ্লান্ড, সুইজারল্যান্ড
  3. নাইরোবি, কেনিয়া
  4. ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া
সঠিক উত্তর:
গ্লান্ড, সুইজারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্লান্ড, সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা

IUCN:
- বিশ্ব জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণবাদী সংস্থা (IUCN)।
- IUCN এর পূর্ণরূপ - International Union for the Conservation of Nature.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৮ সালে।
- সদর দপ্তর: গ্লান্ড, সুইজারল্যান্ড।
- এটি নিয়ে বিশ্বের ১৭০ টির অধিক দেশ কাজ করছে।
- উদ্দেশ্য: বিশ্বব্যাপী প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা।

তথ্যসূত্র - IUCN অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৫৭.
হিউম্যান রাইটস ওয়াচ কোন দেশ ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা?
  1. কানাডা
  2. অস্ট্রিয়া
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ:
- যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক একটি মানবাধিকার সংস্থা।
- এটি বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে তাদের পর্যবেক্ষণ, থাকে।
- পরামর্শ ইত্যাদি বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ।
- মানবাধিকার রক্ষায় ভিক্টিমের পক্ষে আইনী সহায়তাও প্রধান করে থাকে।
- এটি ১৯৭৮ সালে হেলসিংকি ওয়াচ নামে যাত্রা শুরু করে এবং ১৯৮৮ সালে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ নামধারণ করে।
- এর সদর দপ্তর নিউইয়র্কের এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিংয়ে অবস্থিত।
- ১৯৯৭ সালে সংস্থাটি নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।

তথ্যসূত্র - হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ওয়েবসাইট।

১৫৮.
২০২৫ সালে মোট কতজন ব্যক্তিকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়?
  1. ১৩ জন
  2. ১৪ জন
  3. ১৫ জন
  4. ১৬ জন
সঠিক উত্তর:
১৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ জন
ব্যাখ্যা

২০২৫ সালের নোবেল বিজয়ী:
- ২০২৫ সালে মোট ১৪ জন ব্যক্তিকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়।

⇒ সাহিত্য:
- ২০২৫ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার জিতেছেন হাঙ্গেরিয়ান লেখক লাজলো ক্রাজনাহরকাই।
- অবদান: 'ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতেও শিল্পের শক্তি দেখানো তার প্রভাবশালী ও দূরদর্শী সাহিত্যকর্মের জন্য' তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

⇒ শান্তি:
- ২০২৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ভেনেজুয়েলার রাজনীতিবিদ ও মানবাধিকারকর্মী মারিয়া কোরিনা মাচাদো।
- অবদান: ভেনেজুয়েলার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবিরাম প্রচেষ্টা এবং একনায়কতন্ত্র থেকে ন্যায়ভিত্তিক ও শান্তিপূর্ণ গণতন্ত্রে উত্তরণের সংগ্রামের জন্য নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

⇒ চিকিৎসাবিজ্ঞান:
- ২০২৫ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
• ম্যারি ই. ক্রনকো,
• ফ্রেড রামসডেল ও
• শিমন সাকাগুচি।
- অবদান: মানবদেহের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থার কার্যপ্রণালী বিষয়ে গবেষণার জন্য দুই মার্কিন ও এক জাপানি গবেষক এই পুরস্কার পান।

⇒ পদার্থবিজ্ঞান:
- ২০২৫ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
• জন ক্লার্ক,
• মিশেল দেভরেট ও
• জন এম মার্টিনিস।
- অবদান: ম্যাক্রোস্কোপিক কোয়ান্টাম মেকানিক্যাল টানেলিং এবং ইলেকট্রিক সার্কিটে এনার্জি কোয়ান্টাইজেশন গবেষণার জন্য তারা নোবেল পান।

⇒ রসায়ন:
- ২০২৫ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
• সুসুমু কিতাগাওয়া,
• রিচার্ড রবসন ও
• ওমর এম. ইয়াগি।
- অবদান: মেটাল-অর্গানিক ফ্রেমওয়ার্ক নামে নতুন একধরনের আণবিক কাঠামো আবিষ্কারের জন্য তারা এ পুরস্কার পান।

⇒ অর্থনীতি:
- ২০২৫ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
• ইওয়েল মোকিয়র,
• ফিলিপ আগিয়োঁ ও
• পিটার হাউইট।
- অবদান: উদ্ভাবননির্ভর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ব্যাখ্যা করার জন্য ২০২৫ সালে তাদের নোবেল পুরস্কার দেওয়া হলো।

তথ্যসূত্র - Nobel Prize ওয়েবসাইট।

১৫৯.
UNFCCC-এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. United Nations Framework for Climate Control
  2. United Nations Framework Convention on Climate Change
  3. United Nations Federation on Climate Change
  4. Universal Nations Framework Convention on Climate
সঠিক উত্তর:
United Nations Framework Convention on Climate Change
উত্তর
সঠিক উত্তর:
United Nations Framework Convention on Climate Change
ব্যাখ্যা

UNFCCC:
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘ ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন UNFCCC.
- UNFCCC এর পূর্ণরূপ হল United Nations Framework Convention on Climate Change.
- জাতিসংঘ সদর দপ্তরে United Nations Framework Convention on Climate Change (UNFCCC) গৃহীত হয়।
- একই বছরের ৪ থেকে ১৪ জুন ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব ধরিত্রী সম্মেলনে এটি স্বাক্ষরের জন্যে উন্মুক্ত করা হয় যা ২১ মার্চ ১৯৯৪ কার্যকর হয়।
- UNFCCC স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৯২ সালে।
- সদর দপ্তর: বন, জার্মানি।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৮টি।

তথ্যসূত্র - UNFCCC ওয়েবসাইট।

১৬০.
আরব লীগ বহির্ভূত মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কোনটি?
  1. জর্ডান
  2. ইরান
  3. সিরিয়া
  4. ইরাক
সঠিক উত্তর:
ইরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান
ব্যাখ্যা

আরব লীগ:
- মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর আঞ্চলিক সংগঠন।
- উদ্দেশ্য: সদস্য দেশগুলোর রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক কর্মকান্ডের সমন্বয় ও বন্ধন শক্তিশালী করা।
- ৭ অক্টোবর ১৯৪৪ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- আলেকজান্দ্রিয়া প্রটোকল ছিল আরব লীগের ভিত্তি।
- ১৯৪৫ সালের ২২ মার্চ আরব লীগ গঠিত হয়।
- সদর দপ্তর: কায়রো, মিশর।
- সদস্য: মোট ২২টি রাষ্ট্র।
- আরব লীগ বহির্ভূত মধ্যপ্রাচ্যের দেশ: ইরান।
- অফিসিয়াল ভাষা: আরবি।
- আরব লীগের বর্তমান মহাসচিব আহমেদ আবুল ঘেইত।

তথ্যসূত্র - আরব লীগ ওয়েবসাইট।

১৬১.
নিচের কোন দেশটি বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে সোমালিল্যান্ডকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. রাশিয়া
  3. ইসরায়েল
  4. ইরান
সঠিক উত্তর:
ইসরায়েল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসরায়েল
ব্যাখ্যা

সোমালিল্যান্ড:
- বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে স্বঘোষিত রিপাবলিক অব সোমালিল্যান্ডকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে ইসরায়েল।
- ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, কৃষি, স্বাস্থ্য, প্রযুক্তি ও অর্থনীতির ক্ষেত্রে সোমালিল্যান্ডের সঙ্গে শিগগিরই সহযোগিতা শুরু করতে চায় ইসরাইল।

♦ উল্লেখ্য:
- ১৯৯১ সালে সোমালিয়ার কাছ থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিল সোমালিল্যান্ড।
- তবে এ ভূখণ্ড এত বছরের জাতিসংঘের কোনো সদস্যদেশের কাছ থেকে স্বীকৃতি পায়নি।
- একসময়ের ব্রিটিশশাসিত উত্তর সোমালিয়ার উত্তর-পশ্চিম কোণে এ ভূখণ্ডের অবস্থান।
- সোমালিল্যান্ডের স্বাধীনতার ঘোষণাকে কখনোই মেনে নেয়নি সোমালিয়া ৷

তথ্যসূত্র - রয়েটার্স ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

১৬২.
মায়া সভ্যতা কোন অঞ্চলে বিস্তৃত ছিল?
  1. পশ্চিম ইউরোপ
  2. পূর্ব আফ্রিকা
  3. মধ্য আমেরিকা
  4. পূর্ব ইউরোপ
সঠিক উত্তর:
মধ্য আমেরিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধ্য আমেরিকা
ব্যাখ্যা

• মায়া সভ্যতা মধ্য আমেরিকা অঞ্চলে বিস্তৃত ছিল।

♦ মায়া সভ্যতা:
- তৎকালীন পৃথিবীর সবচেয়ে আধুনিক ও উন্নত সভ্যতা ছিল এ মায়া সভ্যতা।
- মায়া সভ্যতায় বসবাসকারীদের মায়ানও বলা হতো।
- মেক্সিকো ও মধ্য আমেরিকার কয়েকটি দেশ যেমন গুয়েতমালা, বেলিজ, এল সালভাদের, হন্ডরাস প্রভৃতি দেশে মায়া সভ্যতা লোকজনের বসবাস ছিল।
- তারা আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ১৮০০ অব্দ থেকে এসকল অঞ্চলে বসবাস শুরু করে।
- মায়া সভ্যতার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু ছিল মেক্সিকোর অন্যতম প্রদেশ ইয়াকাতানে অবস্থিত চেচেন ইৎজা শহর।

♦ মায়া সভ্যতাকে দুটি পর্যায়ে বিভক্ত করা যায়। যথা-
• প্রাচীন মায়া সভ্যতা (খ্রিস্টপূর্ব ১৮০০-২৫০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত) এবং
• ক্ল্যাসিক মায়া সভ্যতা (২৫০-৯০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত)।

♦ মায়ারা দুটি ক্যালেন্ডার তৈরি করেছিল:
• হাব: ৩৬৫ দিনের সৌর ক্যালেন্ডার।
• টজলকিন: ২৬০ দিনের ধর্মীয় ক্যালেন্ডার।

তথ্যসূত্র - Britannica & history.com

১৬৩.
ABM Treaty কোন দুটি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য
  2. ফ্রান্স ও ইতালি
  3. যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন
  4. জার্মানি ও জাপান
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা

Anti-Ballistic Missile Treaty:
- ABM - এর পূর্ণরূপ Anti Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty)।
- এটি একটি ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- স্বাক্ষরের তারিখ - ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- কার্যকরের তারিখ - ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান - মস্কো, রাশিয়া।
- বিষয় - দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তি বাতিল - ২০০২ সাল।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও হিস্টরি ডট কম।

১৬৪.
মন্ট্রিল প্রটোকলের উদ্দেশ্য নিচের কোনটি?
  1. ওজোনস্তর সংরক্ষণ
  2. জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ
  3. সমুদ্র দূষণ নিয়ন্ত্রণ
  4. বন্যপ্রাণী সুরক্ষা
সঠিক উত্তর:
ওজোনস্তর সংরক্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওজোনস্তর সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা

মন্ট্রিল প্রটোকল:
- মন্ট্রিল প্রটোকল ওজোনস্তর সংরক্ষণ বিষয়ক একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত ওজোনস্তরের ক্ষয় সাধনকারী পদার্থের নির্গমন হ্রাস করে ওজোনস্তরকে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর এই প্রটোকল কানাডার মন্ট্রিল শহরে গৃহীত হয়।
- ১৯৮৯ সালের ১ জানুয়ারি মন্ট্রিল প্রটোকল কার্যকর হয়।
- মন্ট্রিল প্রটোকল গৃহীত হওয়ার দিন ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতিবছর আন্তর্জাতিক ওজোন স্তর সংরক্ষণ দিবস হিসেবে পালিত হয়।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

১৬৫.
কোন সম্মেলনের মাধ্যমে OIC গঠিত হয়?
  1. রাবাত সম্মেলন
  2. জেদ্দা সম্মেলন
  3. লাহোর সম্মেলন
  4. কায়রো সম্মেলন
সঠিক উত্তর:
রাবাত সম্মেলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাবাত সম্মেলন
ব্যাখ্যা

OIC:
- ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা OIC.
- OIC এর পূর্ণরূপ The Organisation of Islamic Cooperation.
- ইসরাইল কর্তৃক আল আকসা মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার প্রেক্ষাপটে OIC গঠিত হয়।
- এটি মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট যা রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: মরক্কো।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯ সালে।
- সদর দপ্তর: জেদ্দা, সৌদি আরব।
- বর্তমান মহাসচিব: হুসাইন ইব্রাহিম তাহা (১২ তম)।
- মহাসচিবের মেয়াদ: ৫ বছর।
- অফিসিয়াল ভাষা: তিনটি (আরবি, ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ)।
- বর্তমান সদস্য: ৫৭টি।

♦ উল্লেখ্য:
⇒ দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের দুটি দেশ OIC এর সদস্য।
• গায়ানা ও
• সুরিনাম।

- ইউরোপ মহাদেশের আলবেনিয়া OIC এর সদস্য।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ২২-২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত OIC এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে সর্বপ্রথম অংশগ্রহণ করে।

তথ্যসূত্র - OIC অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৬৬.
ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬ এ মোট কয়টি দেশ অংশগ্রহণ করবে?
  1. ৩৬টি
  2. ৪০টি
  3. ৪৪টি
  4. ৪৮টি
সঠিক উত্তর:
৪৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৮টি
ব্যাখ্যা

ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬:
- ২০২৬ সালে বিশ্বকাপ ফুটবলের ২৩ তম আসর অনুষ্ঠিত হবে।
- আয়োজক দেশ: ৩টি।
• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র,
• কানাডা এবং
• মেক্সিকো।

- সময়কাল: ১১ জুন, ২০২৬ থেকে ১৯ জুলাই, ২০২৬।
- অংশগ্রহণকারী দেশ: ৪৮টি।
- অনুষ্ঠিত হবে ১০৪টি ম্যাচ।
- তিন দেশের ১৬টি ভেন্যুতে এই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

তথ্যসূত্র - ফিফা ওয়েবসাইট।

১৬৭.
নিচের কোন দেশটি সাদা হাতির দেশ হিসেবে পরিচিত?
  1. থাইল্যান্ড
  2. দক্ষিণ আফ্রিকা
  3. মেক্সিকো
  4. কেনিয়া
সঠিক উত্তর:
থাইল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যা

• থাইল্যান্ড সাদা হাতির দেশ হিসেবে পরিচিত।

♦ থাইল্যান্ড:
- ‘থাই’ শব্দের একটি অর্থ ‘মুক্ত’।
- 'থাইল্যান্ড' শব্দের অর্থ মুক্ত ভূমি।
- এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ।
- আয়তন: ১৯৮,১১৭ বর্গ মাইল।
- রাজধানী: ব্যাংকক।
- জনসংখ্যা প্রধানত থাই, উল্লেখযোগ্য চীনা, খেমার এবং মালয় সংখ্যালঘু।
- ভাষা: থাই (সরকারি)।
- ধর্ম: বৌদ্ধ ধর্ম; এছাড়াও ইসলাম।
- মুদ্রা: বাথ।

♦ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ভৌগলিক উপনাম:
- নিশীথ সূর্যের দেশ: নরওয়ে।
- সূর্যোদয়ের দেশ: জাপান।
- হাজার হ্রদের দেশ: ফিনল্যান্ড।
- নীল নদের দেশ: মিশর।
- ক্যাঙ্গারুর দেশ: অস্ট্রেলিয়া।
- পিরামিডের দেশ: মিশর।
- ভূমিকম্পের দেশ: জাপান।
- ম্যাপল পাতার দেশ: কানাডা।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও দৈনিক প্রথম আলো, ২১ মে ২০২৩।

১৬৮.
স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক চুক্তি (অটোয়া চুক্তি) কার্যকর হয় কবে?
  1. ১৯৯৩ সালে
  2. ১৯৯৫ সালে
  3. ১৯৯৭ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা

♦ অটোয়া চুক্তি:
- এটি স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক চুক্তি।
- চুক্তিটি Anti-Personnel Landmines Convention নামে পরিচিত।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: অটোয়া, কানাডা।
- কার্যকর হয়: ১ মার্চ ১৯৯৯ সালে।
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৬৫টি।
- সব ধরনের স্থলমাইন ব্যবহার, উৎপাদন, মজুদ, নিষিদ্ধকরণ এবং ধ্বংস করা হলো এই চুক্তির উদ্দেশ্য।

♦ উল্লেখ্য:
- বাংলাদেশ ৭ মে, ১৯৯৮ সালে চুক্তিটি স্বাক্ষর করে এবং ৬ সেপ্টেম্বর, ২০০০ সালে তা অনুমোদন করে।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট ও হিউম্যান রাইট ওয়াচ ওয়েবসাইট।

১৬৯.
বিপদজনক বর্জ্য দেশের সীমান্তের বাইরে চলাচল এবং নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কনভেনশন কোনটি?
  1. রোম চুক্তি
  2. প্যারিস চুক্তি
  3. রটারডাম কনভেনশন
  4. বাসেল কনভেনশন
সঠিক উত্তর:
বাসেল কনভেনশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাসেল কনভেনশন
ব্যাখ্যা

বাসেল কনভেনশন:
- 'বাসেল কনভেনশন' হলো বিপদজনক বর্জ্য দেশের সীমান্তের বাইরে চলাচল এবং নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কনভেনশন।
- বাসেল কনভেনশনের পুরো নাম- The Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and their Disposal.
- বাসেল কনভেনশন গৃহীত হয় ২২ মার্চ, ১৯৮৯ সালে।
- এটি গৃহীত হয় সুইজারল্যান্ডের বাসেল শহরে।
- 'বাসেল কনভেনশন'-এর কার্যক্রম শুরু হয় ৫ মে, ১৯৯২ সালে।
- বাংলাদেশকে 'বাসেল কনভেনশন' অনুমোদন করে ১৯৯৩ সালে।

তথ্যসূত্র - বাসেল কনভেনশন ওয়েবসাইট।

১৭০.
জাতিসংঘের পশ্চিম এশীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন কোনটি?
  1. ESCAP
  2. ECLAC
  3. ESCWA
  4. ECA
সঠিক উত্তর:
ESCWA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ESCWA
ব্যাখ্যা

ESCWA:
- পশ্চিম এশীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন ESCWA.
- ECWA এর পূর্ণরূপ United Nations Economic and Social Commission for Western Asia.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৩ সালে।
- সদর দপ্তর: বৈরুত, লেবানন।
- উদ্দেশ্য: সদস্য দেশগুলিতে অর্থনৈতিক ক্রিয়াকলাপকে উত্সাহিত করা, তাদের মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করে উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা।

♦ জাতিসংঘের আঞ্চলিক কমিশন:
- জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (ECOSOC) এর অধীন ৫টি আঞ্চলিক কমিশন রয়েছে।

⇒ এগুলো হলো:
- এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (ESCAP),
- পশ্চিম এশীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (ESCWA),
- ল্যাটিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অর্থনৈতিক কমিশন (ECLAC),
- ইউরোপিয়ান অর্থনৈতিক কমিশন (ECE),
- আফ্রিকান অর্থনৈতিক কমিশন (ECA).

তথ্যসূত্র - UN ওয়েবসাইট।

১৭১.
আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস পালিত হয় কবে?
  1. ৮ জুন
  2. ৪ অক্টোবর
  3. ৫ ডিসেম্বর
  4. ১৮ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
১৮ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা

♦ আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস:
- আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস পালিত হয় ১৮ ডিসেম্বর।
- জাতিসংঘের উদ্যোগে প্রতিবছর এই 'আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস' পালিত হয়।
- ১৯৯০ সালে অভিবাসী শ্রমিক ও দেশে ফেলে আসা তাদের পরিবারের নিরাপত্তা রক্ষায় আন্তর্জাতিক সম্মেলন করে জাতিসংঘ।
- এই প্রেক্ষাপটে ১৮ ডিসেম্বরকে লক্ষ্য করে মাইগ্রেন্ট রাইটস ইন্টারন্যাশনাল, ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন অন মাইগ্রেন্টস রাইটসসহ বিশ্বের অনেক সংগঠন অভিবাসীদের স্বার্থ রক্ষার্থে বৈশ্বিকভাবে প্রচারণা চালায়।
- পরবর্তীতে ২০০০ সালের ৪ ডিসেম্বর বিশ্বব্যাপী ১৮ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয় জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ।

♦ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিবস:
- ১১ জুলাই - বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস।
- ৫ জুন - বিশ্ব পরিবেশ দিবস।
- ২১ মার্চ - বিশ্ব বন দিবস।
- ৮ জুন - বিশ্ব সমুদ্র দিবস।
- ৫ ডিসেম্বর - বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস।
- ৪ অক্টোবর - বিশ্ব প্রাণী দিবস।
- ৮ মার্চ - বিশ্ব নারী দিবস।
- ৭ এপ্রিল - বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

১৭২.
'তামাবিল স্থলবন্দর' বাংলাদেশের কোন স্থানে অবস্থিত?
  1. জকিগঞ্জ
  2. বিয়ানীবাজার
  3. গোয়াইনঘাট
  4. জৈন্তাপুর
সঠিক উত্তর:
গোয়াইনঘাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোয়াইনঘাট
ব্যাখ্যা

 তামাবিল স্থলবন্দর: 
- সিলেট জেলার অন্তর্গত গোয়াইনঘাট উপজেলার তামাবিল নামক স্থানে অবস্থিত।
- তামাবিল স্থলবন্দরের বিপরীতে ডাউকি, শিলং, মেঘালয়, ভারত। 
- নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে তামাবিল স্থলবন্দরের কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আওতায় তামাবিল স্থল শুল্ক ষ্টেশনের কার্যক্রম চালু হয়।
- ভারত হতে আমদানিকৃত পণ্য গ্রহণ, সংরক্ষণ, কাস্টমস্ কর্তৃক রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত সুবিধা ও সেবা প্রদানের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক তামাবিল স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়।
- প্রাথমিকভাবে একটি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় বন্দরের ২৩.৭২ একর জমি অধিগ্রহণপূর্বক প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মিত হয়।
- পরবর্তীতে ২৭-১০-২০১৭ খ্রি: তারিখে তামাবিল স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট। 

১৭৩.
অরোরা বোরিয়ালিস (Aurora Borealis) কোথায় দেখা যায়?
  1. দক্ষিণ গোলার্ধ
  2. উত্তর গোলার্ধ
  3. গ্রীনল্যান্ডে
  4. আর্কটিক মহাসাগরে
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

অরোরা বোরিয়ালিস (Aurora Borealis) দেখা যায় - উত্তর গোলার্ধ, গ্রীনল্যান্ড ও আর্কটিক মহাসাগরে।
প্রশ্নে একাধিক অপশনে সঠিক উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।

আয়নোস্ফিয়ার (Ionosphere):

- আয়নোস্ফিয়ার বায়ুমণ্ডলের অত্যন্ত কার্যকর স্তর।
- কারণ এটি একইসাথে মেসোস্ফিয়ার, থার্মোস্ফিয়ার এবং এক্সোস্ফিয়ারকে প্রভাবিত করে।
- এই স্তরের কার্যক্রম নির্ভর করে সূর্য থেকে গৃহীত সৌরশক্তির উপর।
- এই স্তরের অক্সিজেন সৌরশক্তি ব্যবহার করে অক্সিজেন অণুগুলোকে ভেঙ্গে বিদ্যুতযুক্ত কণায় পরিণত করে যার ইলেকট্রিক্যাল চার্জ আছে।
- এই বিদ্যুতযুক্ত কণাকে আয়ন (Ion) বলে এবং এই স্তরকে আয়োনস্কেয়ার বলে।
- একই সাথে সূর্যের এবং পৃথিবীর ম্যাগনেটিক ফিল্ড দ্বারা আয়োনস্ফেয়ারের চার্জ পার্টিক্যালসমূহ প্রভাবিত হয়।
- যার দরুন চুম্বকীয় আকর্ষণের টানে বিদ্যুতযুক্ত কণা জড়ো হয়ে উভয়গোলার্ধে মেরু আলো (Auroras) তৈরি করে।
- উত্তর গোলার্ধে মেরু আলো অরোরা বোরিয়ালিস (Aurora Borealis) এবং দক্ষিণ গোলার্ধে মেরু আলো আরোরা অস্ট্রালিস (Aurora Australis) নামে পরিচিত। 
- যার দরুন উত্তর গোলার্ধে রাতের আকাশে আলোর বর্ণালি বা আলোক প্রভা দেখা যায়।
- আয়োনস্কেয়ারের চার্জ পার্টিক্যালসমূহ প্রভাবিত হয় প্রধানত পৃথিবী এবং সূর্যের চুম্বকীয় ক্ষেত্রের (magnetic field) মাধ্যমে আর এখানেই অরোরা তৈরি হয়।
- অরোরা হলো উজ্জ্বল সুন্দর আলোর ব্যাণ্ড, যা প্রধানত মেরু অঞ্চলে তৈরি হয়।

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭৪.
ঢাকা থেকে পূর্বদিকে অবস্থিত একটি স্থানের সাথে দ্রাঘিমার পার্থক্য ৬০°। ঢাকার সময় সকাল ১০:০০ টা হলে ঐ স্থানটির স্থানীয় সময় হবে-
  1. সকাল ৬:০০ টা
  2. মধ্যাহ্ন ১২:০০ টা
  3. বিকাল ০৪:০০ টা
  4. বিকাল ০২:০০ টা
সঠিক উত্তর:
বিকাল ০২:০০ টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিকাল ০২:০০ টা
ব্যাখ্যা

- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
→ ৬০° দ্রাঘিমার জন্য সময়ের প্রার্থক্য হবে, ৬০×৪ = ২৪০ মিনিট বা ৪ ঘণ্টা।
→ যেহেতু পূর্বে গেলে সময় বাড়ে সেহেতু ঢাকার সময় সকাল ১০:০০ টা হলে ঐ স্থানটির স্থানীয় সময় হবে বিকেল ২টা।
 
আন্তর্জাতিক টাইম জোন:
- গ্রিনিচ মানমন্দির যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরে অবস্থিত।
- এর উপর দিয়ে মূল মধ্যরেখা বা শূন্য ডিগ্রী দ্রাঘিমারেখা গিয়েছে।
- ১৮৮৪ সালের ১ নভেম্বর জিএমটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রমাণ সময় হিসেবে গৃহিত হয় ৷
- গ্রিনিচ মানমন্দির অফিসিয়াল টাইম জোন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- গ্রিনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রিনিচের থেকে এগিয়ে থাকে।
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
- কোন স্থান থেকে পশ্চিমে গেলে সময় কমবে আর পূর্বে গেলে সময় বাড়বে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১৭৫.
'প্যাসিফিক রিং অফ ফায়ার' কীসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. তেলের খনি
  2. গ্যাসের খনি
  3. আগ্নেয়গিরি ও ভূমিকম্প
  4. প্রবাল প্রাচীর
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয়গিরি ও ভূমিকম্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয়গিরি ও ভূমিকম্প
ব্যাখ্যা

•'প্যাসিফিক রিং অফ ফায়ার' আগ্নেয়গিরি ও ভূমিকম্পের সাথে সম্পর্কিত।

প্যাসিফিক রিং অব ফায়ার:

- রিং অব ফায়ার হলো প্রশান্ত মহাসাগরের ধারে ‘ঘোড়ার নালের’ মতো দেখতে একটি টেকটনিক ফাটল রেখা।
- এই রেখায় প্রশান্ত মহাসাগীয়র প্লেটের সঙ্গে ইউরেশীয়, ইন্দো-অস্ট্রেলিয়ান, উত্তর আমেরিকান ও দক্ষিণ আমেরিকান প্লেটগুলো স্পর্শ করে আছে।
- প্লেটগুলোর যেকোনো একটি নড়ে উঠলেই এই রেখার ভূমিকম্প হতে পারে।
- এছাড়া এই রেখা বরাবর প্রচুর সক্রিয় আগ্নেয়গিরি রয়েছে।
 - প্লেটগুলোর নড়াচড়ার ফলে এসব আগ্নোগিরি লাভা উদগীরণ করতে শুরু করে, ফলে ভূমিকমম্পের মাত্রা ও স্থায়ীত্ব ততো বাড়ে।
- জাপান, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, নিউজিল্যান্ড, চিলি, মেক্সিকো, যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম উপকূল (ক্যালিফোর্নিয়া) ইত্যাদি এই রেখায় অবস্থিত বলে এখানে ভূমিকম্পের প্রবণতা এত বেশি। 

উৎস: লাইভসায়েন্স ও ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক।

১৭৬.
জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩০ এর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০৩৫ সালের মধ্যে জলবায়ু সুরক্ষার জন্য প্রতিবছর কত অর্থ সংগ্রহ (mobilise) করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার
  2. ১.৩ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার
  3. ১.৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার
  4. ১.৭ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার
সঠিক উত্তর:
১.৩ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.৩ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

• COP:
- COP এর পূর্ণরূপ Conference of the Parties.
- জলবায়ুর পরিবর্তন সংক্রান্ত জাতিসংঘের রূপরেখা।
- COP সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন UNFCCC এর দেশগুলো।
- COP-28 অনুষ্ঠিত হয় ৩০ নভেম্বর থেকে ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৩ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই এ ।
-  COP-29 অনুষ্ঠিত হয় আজারবাইজানের বাকু তে ১১ নভেম্বর - ২২ নভেম্বর, ২০২৪ ।
- সর্বশেষ, COP-30 অনুষ্ঠিত হয়েছে বেলেম, ব্রাজিল(১০-২১ নভেম্বর, ২০২৫ সাল)।
- ২০২৬ সালে জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩১ আয়োজন করতে যাচ্ছে তুরস্ক।

• জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩০ এর অর্জন ও লক্ষ্যমাত্রা:
- বৃহৎ অর্থায়ন: জলবায়ু রক্ষায় ২০৩৫ সালের মধ্যে প্রতি বছর ১.৩ ট্রিলিয়ন ডলার জোগাড় করা।
- অভিযোজন খাতে সহায়তা: জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর জন্য অর্থায়ন ২০২৫ সালের মধ্যে দ্বিগুণ এবং ২০৩৫ সালের মধ্যে তিনগুণ করা।
- নতুন উদ্যোগ: জলবায়ু লক্ষ্য বাস্তবায়নে গতি আনতে Global Implementation Accelerator এবং Belém Mission to 1.5°C নামে নতুন উদ্যোগ শুরু করা।
- Belém Gender Action Plan গৃহীত: জলবায়ু সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারী ও মেয়েদের কেন্দ্রীয় ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিশ্চিত করা।
- Tropical Forests Forever Fund: ৫.৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ সংগ্রহ হয়েছে, ৫৩টি দেশ এতে যুক্ত হয়েছে, এবং মোট তহবিলের ২০ শতাংশেরও বেশি সরাসরি আদিবাসী জনগোষ্ঠী ও স্থানীয় কমিউনিটির জন্য বরাদ্দ।

উৎস:
i) UN News. 
ii) UNFCCC website.

১৭৭.
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা বলা হয়-
  1. ১৮০° পশ্চিম দ্রাঘিমারেখাকে
  2. ১৮০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখাকে
  3. ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখাকে
  4. ক + খ
সঠিক উত্তর:
ক + খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক + খ
ব্যাখ্যা

• আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা (International Date Line):
- ১৮০° দ্রাঘিমারেখা বা অন্তঃরাষ্ট্রীয় তারিখরেখা (International Date Line) পৃথিবীর পশ্চিম ও পূর্ব গোলার্ধকে আলাদা করে দেয়।
- এই রেখা ১৮০ ডিগ্রি পশ্চিম ও ১৮০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমারেখার সাথে সমান্তরাল।
- সুতরাং ১৮০ ডিগ্রি পশ্চিম এবং ১৮০ ডিগ্রি পূর্ব অবস্থানের দৃষ্টিকোণ থেকে একই স্থান।
- ফলে এই রেখা পৃথিবীর তারিখ ও সময় বিভাজনের কাজ করে।
- এজন্যই ১৮০° দ্রাঘিমারেখাকে আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা বলে। ১৮০° দ্রাঘিমা রেখা "Date line divider" হিসেবে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- ১৮০° পূর্ব ও পশ্চিম দ্রাঘিমা মূলত একই দ্রাঘিমা রেখা।
- ফলে একই দ্রাঘিমা রেখায় সময়ের ব্যবধান হয়ে যাচ্ছে ২৪ ঘণ্টা এবং তারিখের ক্ষেত্রে দুইটি তারিখ হয়ে যাচ্ছে।
- তারিখ, সময় ও সাপ্তাহিক দিন নির্ধারণের এই সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যে ১৮৮৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন-এ 'দ্রাঘিমা ও সময়' সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ১৮০° দ্রাঘিমা রেখাকে 'আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা' হিসাবে স্থির করা হয়।
- আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে কল্পনা করা হয় এবং রেখাটি সাইবেরিয়ার উত্তর-পূর্বাংশ এবং এ্যালিউশয়ান, ফিজি ও চ্যাথাম দ্বীপপুঞ্জের স্থলভাগকে এড়িয়ে ১১° পূর্ব দিয়ে বেঁকে এবং বেরিং প্রণালিতে ১২° পূর্ব দিকে বেঁকে কল্পনা করা হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭৮.
নিচের কোনটি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব?
  1. গাছপালা বৃদ্ধি পাওয়া
  2. কল-কারখানা বৃদ্ধি পাওয়া
  3. লবণাক্ততা বৃদ্ধি
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
লবণাক্ততা বৃদ্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লবণাক্ততা বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা

 • জলবাযু পরিবর্তন প্রভাব:
- জলবায়ু পরিবর্তনের কারণেই বিশ্বের আবহাওয়ার ধরন দিন দিন পরিবর্তিত হচ্ছে।
- সঠিকভাবে কোনো ঋতুতেই আমরা প্রকৃতির কাছ থেকে স্বাভাবিক আচরণ পাচ্ছি না।
- বৃষ্টির সময় অনাবৃষ্টি, খরার সময়ে বৃষ্টি, শীতের সময়ে গরম আবহাওয়া এবং গরমের ভিন্নধর্মী আবহাওয়া ইত্যাদিই জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব। 
- এছাড়াও এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠ ফুলে উঠা, বন্য জীবজন্তুর সংখ্যা কমে যাওয়া, লোনা পানির প্রবেশ ঝুঁকি বৃদ্ধি, অসময়ে জলোচ্ছ্বাসের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, সুপেয় পানি দূষণ, বনাঞ্চল ধ্বংস, বাস্তুসংস্থানের উপর হুমকি, খরা বৃদ্ধি, বন্যা ও লবনাক্ততা দ্বারা ফসলি জমির ক্ষতি ইত্যাদিও এই জলবায়ু পরিবর্তনেরই প্রভাব।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭৯.
নিচের কোন সালে বাংলাদেশে প্রলয়ঙ্কারি ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানেনি?
  1. ১৯৭০ সালে
  2. ১৯৯১ সালে
  3. ২০০৪ সালে
  4. ২০০৭ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৪ সালে
ব্যাখ্যা

• ২০০৪ সালে বাংলাদেশে কোন প্রলয়ঙ্কারি ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে নি।

• বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস:
- বাংলাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত বঙ্গোপসাগর গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির একটি আদর্শ ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচিত।
- বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়সমূহের মধ্যে কোনো কোনোটি মারাত্মক ধ্বংসাত্মক রূপ ধারণ করে।
- ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির জন্য সমুদ্র পৃষ্ঠে সাধারণত ২৭ সেলসিয়াস বা এর বেশি তাপমাত্রা প্রয়োজন হয়।
- ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রস্থলে নিম্নচাপ এবং চারপাশে উচ্চচাপ বিরাজ করে।
- এসময় উচ্চচাপযুক্ত বায়ু প্রবলবেগে ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রভাগে যেখানে নিম্নচাপ থাকে সেদিকে ধাবিত হয়।
- এ প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত দ্রুতগতিতে সম্পন্ন হয়।
- এটি উষ্ণ সমুদ্রপৃষ্ঠে উৎপত্তি লাভ করে মহাদেশীয় মূলভাগের দিকে অগ্রসর হয়।
- ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রস্থলকে চোখ বলে।
- এটি দেখতে অনেকটা মানুষের চোখের মতো।
- বিগত অর্ধশতাব্দীতে বেশ কয়েকটি বড় ধরনের ঘূর্ণিঝড় বাংলাদেশে আঘাত হানে।
- এর মধ্যে ১৯৭০, ১৯৮৮, ১৯৯১, ২০০৭, ২০০৯ সালের ঘূর্ণিঝড় অন্যতম।
- জীবনহানির দিকে থেকে সবচেয়ে প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় ১৯৭০ এবং ১৯৯১ সালে সংঘটিত হয়।
 - ১৯৭০ সালের ঘূর্ণিঝড়ে প্রায় ৫ লক্ষাধিক, ১৯৯১ সালে ১.৪০ লক্ষ, ২০০৭ সালে ১০ হাজার এবং ২০০৯ সালে ৭ হাজার লোকের প্রাণহানি ঘটে। ঘূর্ণিঝড়ে উপকূলীয় জেলাসমূহ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
 - এসব জেলার মধ্যে রয়েছে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী, বরগুনা, ভোলা প্রভৃতি।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮০.
জামালগঞ্জ কয়লাক্ষেত্র কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. দিনাজপুর
  2. নীলফামারী
  3. লালমনিরহাট
  4. জয়পুরহাট
সঠিক উত্তর:
জয়পুরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়পুরহাট
ব্যাখ্যা

• জামালগঞ্জ কয়লাক্ষেত্র :
১৯৬২ সালে জয়পুরহাট জেলার জামালগঞ্জ কয়লাক্ষেত্রটি আবিষ্কৃত হয়।
- এই কয়লােেক্ষত্রটির বিস্তৃতি ১১.৬৬ বর্গকিলোমিটার এবং কয়লা স্তরের গভীরতা ৬৪০ থেকে ১,১৫৮ মিটার।
 জামালগঞ্জ কয়লাক্ষেত্রে সঞ্চিত কয়লার পরিমাণ ১০৫ কোটি ৩০ লক্ষ টন।

উল্লেখ্য,
- খালাসপীর কয়লাক্ষেত্র - রংপুর।
- বড় পুকুরিয়া কয়লাক্ষেত্র - দিনাজপুর।
- দিঘীপাড়া কয়লাক্ষেত্র -  দিনাজপুর।
- ফুলবাড়ী কয়লাক্ষেত্র - দিনাজপুর।

উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮১.
ভৌগোলিক পরিভাষায় ‘Isthmus’ (যোজক) বলতে কী বোঝায়?
  1. দুটি বিশাল স্থলভাগকে যুক্তকারী সংকীর্ণ স্থলপথ
  2. দুটি বিশাল জলভাগকে যুক্তকারী সংকীর্ণ জলপথ
  3. সমুদ্রের ভেতরে প্রসারিত ভূখণ্ডের অগ্রভাগ
  4. তিন দিকে জল দ্বারা বেষ্টিত প্রশস্ত ভূখণ্ড
সঠিক উত্তর:
দুটি বিশাল স্থলভাগকে যুক্তকারী সংকীর্ণ স্থলপথ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুটি বিশাল স্থলভাগকে যুক্তকারী সংকীর্ণ স্থলপথ
ব্যাখ্যা

• Isthmus’ (যোজক):
- একটি সঙ্কীর্ণ ভূমিক্ষেত্র যা দুটি বৃহৎ ভূমি বা মহাদেশকে সংযুক্ত করে এবং দুটি জলরাশির মধ্যে অবস্থিত থাকে।
- এটি দুটি বিশাল স্থলভাগকে যুক্তকারী সংকীর্ণ স্থলপথ।

- সাধারণত ইস্মাস বা যোজক হল “ল্যান্ড ব্রিজ” জাতীয় ভূমি।
- এর দুটি পাশে সমুদ্র, নদী বা সাগর থাকতে পারে।
এর উদাহরণ:

• ইস্তমাস অফ পানামা – উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা সংযুক্ত করে, এবং আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্যে অবস্থান করে।
• ইস্তমাস অফ সুয়েজ  - মিশরে অবস্থিত একটি ১২৫ কিমি (৭৮ মাইল) চওড়া, নিম্নভূমি এবং বালি-আবৃত ভূমি সেতু, যা আফ্রিকা ও এশিয়াকে সংযুক্ত করে। এটি উত্তরে ভূমধ্যসাগর এবং দক্ষিণে লোহিত সাগরকে পৃথক করেছে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১৮২.
'প্রিন্সিপিয়া এথিকা' (Principia Ethica) শীর্ষক গ্রন্থটি কার?
  1. বার্ট্রান্ড রাসেল
  2. জি. ই. ম্যুর
  3. প্লেটো
  4. এরিস্টটল
সঠিক উত্তর:
জি. ই. ম্যুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জি. ই. ম্যুর
ব্যাখ্যা

- ১৯০৩ সালে 'প্রিন্সিপিয়া এথিকা' (Principia Ethica) শীর্ষক গ্রন্ত্রটি রচনা করেন জি. ই. ম্যুর।
- জি. ই. ম্যুর বলেছেন, 'শুভর প্রতি অনুরাগ ও অশুভর প্রতি বিরাগ হচ্ছে নৈতিকতা।'
- ব্রিটিশ দার্শনিক জি. ই. ম্যুরকে পরানীতিবিদ্যা প্রবর্তক বলা হয়।
- আধুনিক পরানীতিবিদ্যার জনক জি. ই. ম্যুর।

পরানীতিবিদ্যা:
- বিভিন্ন নৈতিক উক্তি, পদ বা অবধারণ, নৈতিক পদের সাথে নৈতিক অবধারণের যৌক্তিকতা নিরূপণ, নৈতিক পদ বা অবধারণের অর্থ বিশ্লেষণ প্রভৃতির ওপর ভিত্তি করে যে নৈতিক মতবাদগুলো গড়ে উঠেছে তার সমষ্টিই হলো পরানীতিবিদ্যা।
- 'Meta Ethics' শব্দটির ব্যুৎপত্তিগত অর্থ হচ্ছে পরানীতিবিদ্যা।
- পরানীতিবিদ্যা হচ্ছে নৈতিক পদ ও অবধারণ তথা নৈতিক ভাষার অর্থ ও যুক্তি সংক্রান্ত আলোচনা।
- মানমূলক নীতিবিদ্যায় কতগুলো মানদন্ড বা আদর্শের আলোকে আমাদের আচরণের ভালমন্দ নির্ণিত হয়।
- ব্যবহারিক নীতিবিদ্যার লক্ষ্য হলো আমাদের বাস্তব জীবনের কিছু চলতি সমস্যাকে নৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করা।
- বর্ণনামূলক নীতিবিদ্যা মূলত অভিজ্ঞতানির্ভর ও বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে রচিত। এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ হচ্ছে বিবর্তনবাদী নীতিবিদ্যা।

উৎস: নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮৩.
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নাগরিকের করনীয়-
  1. মত প্রকাশ করা
  2. নিয়মিত কর প্রদান
  3. জাতীয় সম্পদ রক্ষা না করা 
  4. দায়িত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠা
সঠিক উত্তর:
নিয়মিত কর প্রদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিয়মিত কর প্রদান
ব্যাখ্যা

 • সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নাগরিকের করনীয়: 
- সন্তানদের শিক্ষাদান,
- নিয়মিত কর প্রদান,
- জাতীয় সম্পদ রক্ষা।

• সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকারের করনীয়: 
- জনগনের সম্মতি নেওয়া।
- মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা,
- শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমস্যার সমাধান,
- দায়িত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠা,
- বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ না করা,
- আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা প্রভৃতি।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো: মোজাম্মেল  হক।

১৮৪.
নিম্নের কোনটি সামাজিক স্বাধীনতা?
  1. ভোটদান
  2. জীবন রক্ষা
  3. ধর্মচর্চা করা 
  4. নির্বাচিত হওয়া
সঠিক উত্তর:
জীবন রক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবন রক্ষা
ব্যাখ্যা

• সামাজিক স্বাধীনতা: 
- জীবন রক্ষা, সম্পত্তি ভোগ ও বৈধ পেশা গ্রহণ করা সামাজিক স্বাধীনতার অন্তর্ভুক্ত।
- এ ধরনের স্বাধীনতা ভোগের মাধ্যমে নাগরিক জীবন বিকশিত হয়।
- সমাজে বসবাসকারী মানুষের অধিকার রক্ষার জন্যই সামাজিক স্বাধীনতা প্রয়োজন।
- এই স্বাধীনতা এমনভাবে ভোগ করতে হয় যেন অন্যের অনুরূপ স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ না হয়।

• ব্যক্তি স্বাধীনতা:
- ব্যক্তি স্বাধীনতা বলতে এমন স্বাধীনতাকে বোঝার, যে স্বাধীনতা ভোগ করলে অন্যের কোনো ক্ষতি হয় না।
- যেমন- ধর্মচর্চা করা ও পারিবারিক গোপনীয়তা রক্ষা করা। এ ধরনের স্বাধীনতা ব্যক্তির একান্ত নিজস্ব বিষয়। 

 • রাজনৈতিক স্বাধীনতা: 
- ভোটদান, নির্বাচিত হওয়া, বিদেশে অবস্থানকালীন নিরাপত্তা লাভ ইত্যাদি নাগরিকের রাজনৈতিক স্বাধীনতা।
- এসব স্বাধীনতার মাধ্যমে ব্যক্তি রাষ্ট্রীয় শাসনকাজে অংশগ্রহণের সুযোগ লাভ করে।
- গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় রাজনৈতিক স্বাধীনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

• অর্থনৈতিক স্বাধীনতা: 
- যোগ্যতা অনুযায়ী পেশা গ্রহণ এবং উপযুক্ত পারিশ্রমিক লাভ করাকে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা বলা হয়।
- মূলত আর্থিক সুবিধা প্রাপ্তির জন্য নাগরিকরা অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ভোগ করে।
- এই স্বাধীনতা না থাকলে অন্যান্য স্বাধীনতা ভোগ করা যায় না।
- সমাজের অন্য শ্রেণির শোষণ থেকে মুক্ত থাকার জন্য অর্থনৈতিক স্বাধীনতা প্রয়োজন।

জাতীয় স্বাধীনতা:
- বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র এবং অন্য রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ থেকে মুক্ত।
- বাংলাদেশের এই অবস্থানকে জাতীয় স্বাধীনতা বা রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতা বলে।
- এই স্বাধীনতার ফলে একটি রাষ্ট্র অন্য রাষ্ট্রের কর্তৃত্বমুক্ত থাকে। প্রত্যেক স্বাধীন রাষ্ট্র জাতীয় স্বাধীনতা ভোগ করে।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১৮৫.
কিসের মাধ্যমে মূল্যবোধের বহিঃপ্রকাশ ঘটে?
  1. ব্যক্তির নীতিবোধের মাধ্যমে  
  2. ব্যক্তির আচার-আচরণ
  3. ব্যক্তির সহমর্মিতার মাধ্যমে  
  4. ব্যক্তির সাম্যর মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তির আচার-আচরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তির আচার-আচরণ
ব্যাখ্যা

• মূল্যবোধের উপাদান: 
- মূল্যবোধ একটি অর্জিত বিষয়,
- যা কোন সমাজে দীর্ঘ সময় বসবাসের মধ্য দিয়ে একজন ব্যক্তির মাঝে গড়ে ওঠে।
- এক জন ব্যক্তির মূল্যবোধ কেমন হবে তা সমাজের পারিপার্শ্বিক অবস্থা বা সমাজের বিভিন্ন উপাদানের উপর নির্ভর করে।
- এই অবস্থাগুলোই হল মূল্যবোধের ভিত্তি বা উপাদান।
- ব্যক্তির আচার-আচরণের মধ্য দিয়েই তার মূল্যবোধের বহিঃপ্রকাশ ঘটে।
- সৌজন্যবোধ তার একটি অংশ।
- আচার-ব্যবহার সৌজন্য, শালীনতা মূল্যবোধ থেকে সৃষ্টি হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এসএসসি , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১৮৬.
গণতন্ত্র সফলতার মূল শক্তি কী?
  1. দলীয়করণ করা 
  2. জন সচেতনা
  3. ক্ষমতার ভারসাম্য
  4. কার্যকর সংসদ
সঠিক উত্তর:
জন সচেতনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন সচেতনা
ব্যাখ্যা

• জন সচেতনা: 
- জনগনের সচেতনতাই গণতন্ত্র সফলতার মূল শক্তি।
- জনগনের সজাগ দৃষ্টি নাগরিক অধিকার সর্বশ্রেষ্ট রক্ষাকবচ।
- জনসচেতনা সুশাসনের ও চাবিকাঠি।

উল্লেখ্য, 
- জনঅংশগ্রহন:  প্রশাসনে জনগনের অংশগ্রহণ ব্যাপক অভাবে সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথ সংকীর্ণ হয়ে পড়ে।
- ক্ষমতার ভারসাম্য: সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে সরকারের এক বিভাগ থেকে অন্য বিভাগের ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা করতে হয়।
- কার্যকর সংসদ:  জনগণের আশা আকাঙ্খা জাতীয় সংসদে তুলে ধরে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।

১৮৭.
নিম্নের কোনটি বিশ্বব্যাংকের ঘোষিত সুশাসনের চারটি স্তম্ভ-এর অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ন্যায়পরায়নতা
  2. দায়িত্বশীলতা
  3. স্বচ্ছতা
  4. অংশগ্রহণ
সঠিক উত্তর:
ন্যায়পরায়নতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়পরায়নতা
ব্যাখ্যা

- বিশ্বব্যাংকের ঘোষিত সুশাসনের চারটি স্তম্ভ মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়- ন্যায়পরায়নতা।

বিশ্বব্যাংক ও সুশাসন:

- 'সুশাসন' ধারণাটি বিশ্ব ব্যাংকের উদ্ভাবিত একটি ধারণা।
- ১৯৮৯ সালে বিশ্ব ব্যাংকের এক সমীক্ষায় সর্বপ্রথম 'সুশাসন' (Good Governance) প্রত্যয়টি ব্যবহার করা হয়।
- এতে উন্নয়নশীল দেশের অনুন্নয়ন চিহ্নিত করা হয় এবং বলা হয় যে, সুশাসনের অভাবেই এরূপ অনুন্নয়ন ঘটেছে।
- এছাড়াও একটি রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে সে রাষ্ট্রে টেকসই উন্নয়ন সাধিত হয়।
- ১৯৯৪ সালে বিশ্বব্যাংক প্রদত্ত সংজ্ঞায় বলা হয়েছে যে, 'সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি দেশের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক সম্পদের ব্যবস্থাপনার জন্য ক্ষমতা প্রয়োগের পদ্ধতিই হলো গভর্নেন্স।'

উল্লেখ্য, 
• বিশ্বব্যাংকের ঘোষিত চারটি স্তম্ভ হলো:
. দায়িত্বশীলতা,
২. স্বচ্ছতা,
৩. আইনি কাঠামো ও
৪. অংশগ্রহণ।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।

১৮৮.
মূল্যবোধ বলতে বুঝায়-
  1. মানুষের সাথে মানুষের সম্পর্ক
  2. মানুষের আচরণের মানদণ্ড
  3. কর্মের পরিসেবা
  4. সমাজে নেতৃত্ব দেওয়ার মানসিকতা
সঠিক উত্তর:
মানুষের আচরণের মানদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানুষের আচরণের মানদণ্ড
ব্যাখ্যা

মূল্যবোধ:
- মূল্যবোধ হলো মানুষের আচরণের মানদণ্ড।
- সার্বিকভাবে, মূল্যবোধ হলো কতগুলো মনোভাবের সমন্বয়ে গঠিত অপেক্ষাকৃত স্থায়ী বিশ্বাস। 
- আর যে শিক্ষার মাধ্যমে সমাজে প্রচলিত রীতিনীতি, প্রথা, আদর্শ ইত্যাদির বিকাশ ঘটে তাই হলো মূল্যবোধ শিক্ষা।
- মূল্যবোধ হলো রীতিনীতি ও আদর্শের মাপকাঠি; যা সমাজ ও রাষ্ট্রের ভিত্তি হিসেবে ধরা হয়।
- এটি মানুষের আচরণের সামাজিক মাপকাঠি।
- একটি দেশের সমাজ, রাষ্ট্র, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক উৎকর্ষতার অন্যতম মাপকাঠি হিসেবে এটি ভূমিকা পালন করে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮৯.
মানবাধিকার মানুষের কোন ধরনের অধিকার?
  1. আইনগত অধিকার
  2. নৈতিক অধিকার
  3. মৌলিক অধিকার
  4. জন্মগত অধিকার
সঠিক উত্তর:
জন্মগত অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন্মগত অধিকার
ব্যাখ্যা

মানাবাধিকার: 
- মানবাধিকার হলো মানুষের জন্মগত অধিকার।
- অর্থাৎ মানবাধিকার বলতে সেসব অধিকারকে নির্দেশ করে যেসব অধিকার নিয়ে মানুষ জন্মায় এবং যেসব অধিকার অর্জিত হলে মানুষ পূর্ণভাবে বিকশিত হতে পারে।
- মানবাধিকারের ধারণা আন্তর্জাতিকাবে স্বীকৃত।
- অর্থাৎ স্থান বা আইনের পার্থক্যের কারণে মানবাধিকারের কোন তারতম্য হয় না।
- আধুনিক সময়ে মানবাধিকার আইনগত ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত হলেও এগুলোর অস্তিত্ব রাষ্ট্রব্যবস্থা উদ্ভবের আগে থেকেই ছিলো।

অন্যদিকে,
- মৌলিক অধিকার হলো মানুষের জীবনধারণের জন্যে অত্যাবশ্যকীয় ও অপরিহার্য অধিকারসমূহ।
- এসব অধিকার রাষ্ট্রের সংবিধানে নির্দেশিত থাকে।
- আইনগত অধিকার আইনের দ্বারা নির্ধারিত।
- নৈতিক অধিকার মানুষের বিবেক ও ন্যায়বোধ থেকে উৎসারিত।
- নৈতিক অধিকারের আইনগত ভিত্তি নেই।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯০.
লর্ড ব্রাইস এর মতে, আইন মান্য করার কারণ- 
  1. যৌক্তিকতার উপলব্ধি
  2. শাস্তির ভয়
  3. অপরের প্রতি শ্রদ্ধা
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

আইন মান্য করার কারণ:
- আইনের শাসন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ একটি শর্ত হল আইন মান্য করা।
- প্রত্যেক আইনেই কিছু নির্দেশনা এবং তা অমান্য করলে শাস্তির ব্যবস্থা থাকে।
- আইন মান্য করার অনেকগুলো কারণের মধ্যে একটি হল আইনের উপযোগিতা।
- লর্ড ব্রাইস আইন মান্য করার কারণগুলোকে পাঁচ ভাগে ভাগ করেন:
- যৌক্তিকতার উপলব্ধি;
- অপরের প্রতি শ্রদ্ধা;
- নির্লিপ্ততা;
- সহানুভূতি;
- শাস্তির ভয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, এইচ এস সি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯১.
ই-গভর্নেন্সের মূল উদ্দেশ্য কী? 
  1. স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়ন
  2. সুশাসন প্রতিষ্ঠা
  3. শিক্ষা ব্যবস্থা উন্নয়ন
  4. অর্থনৈতিক উন্নয়ন
সঠিক উত্তর:
সুশাসন প্রতিষ্ঠা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুশাসন প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা

গভর্নেন্স:
- E-Governance-এর পূর্ণরূপ হলো Electronic governance।
- সুশাসন প্রতিষ্ঠার আধুনিকতম একটি উদ্যোগ হল ই-গর্ভনেন্স।
- দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করাই হচ্ছে ই-গভর্নেন্সের উদ্দেশ্য।
- ই-গর্ভনেন্স হল তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে সরকারি সেবা সমাজের সকল মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়া।
- ই-গর্ভনেন্স ব্যবস্থায় একজন নাগরিক স্বল্প ব্যয়ে, ঝামেলাবিহীনভাবে সপ্তাহে সাত দিন; দিনে চব্বিশ ঘন্টা সরকারি সেবা পেতে পারে।
- এর ফলে শাসন ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা আসে, দুর্নীতি হ্রাস পায়।
- এভাবে মূলত সুশাসনই নিশ্চিত হয়।

• লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
- ই-গভর্নেন্সের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা।
- ই-গভর্নেন্সের ফলে সরকারের জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পায়।
- ই-গভর্নেন্সের ফলে সরকারের স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পায়।
- ই-গভর্নেন্সের ফলে সরকারের দক্ষতা বৃদ্ধি পায়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১৯২.
প্লেটোর উল্লেখিত প্রধান চারটি সদগুণ হল-
  1. প্রজ্ঞা, সাহস, মিতাচার, ন্যায়
  2. প্রজ্ঞা, সাহস, সততা, ন্যায়
  3.  সততা, সাহস, প্রজ্ঞা, ধৈর্য
  4. সহনশীলতা, ন্যায়, সততা, প্রজ্ঞা
সঠিক উত্তর:
প্রজ্ঞা, সাহস, মিতাচার, ন্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রজ্ঞা, সাহস, মিতাচার, ন্যায়
ব্যাখ্যা

- প্লেটোর উল্লেখিত প্রধান চারটি সদগুণ হল: প্রজ্ঞা, সাহস, মিতাচার ও ন্যায়।

সদগুন: 
• প্লেটো ৪টি প্রধান সদগুন কথা উল্লেখ করেছেন।
- এগুলো হচ্ছে: প্রজ্ঞা, সাহস, মিতাচার ও ন্যায়।
- এদের মধ্যে ন্যায়কেই তিনি রাষ্ট্র ও ব্যক্তি উভয়ের ক্ষেত্রেই সর্বোচ্চ অত্যাবশ্যকীয় সদ্গুণরূপে অভিহিত করেন।
- অন্য তিনটি সদ্গুণের অস্তিত্ব থাকে তখনই ন্যায়রূপ সদ্গুণের অভ্যুদয় ঘটে।

অপরদিকে,
- অ্যারিস্টটল সদ্গুণ উদ্ভবের কারণ হিসেবে জীবনে মধ্যপথ অবলম্বনের ওপর জোর দেন।
- একজন ব্যক্তিকে একই নীতি অনুসরণ করে একটি ভারসাম্যপূর্ণ জীবন যাপন করতে অনুপ্রাণিত করে।
- আর এভাবেই মনুষ্য-সমাজের বাইরেও নৈতিকতা বিস্তৃত হয়।

উৎস: নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯৩.
’’জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে নারীদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা রাষ্ট্র নিশ্চিত করিবেন’’ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে? 
  1. অনুচ্ছেদ- ১৯(১)
  2. অনুচ্ছেদ- ২০(২)
  3. অনুচ্ছেদ- ২০(১)
  4. অনুচ্ছেদ- ১৯(৩)
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ১৯(৩)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ১৯(৩)
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ- ১৯(৩): জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা রাষ্ট্র নিশ্চিত করিবেন।
• অনুচ্ছেদ- ১৯(১) সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করিতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হইবেন৷
• অনুচ্ছেদ- ১৯(২) মানুষে মানুষে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অসাম্য বিলোপ করিবার জন্য, নাগরিকদের মধ্যে সম্পদের সুষম বন্টন নিশ্চিত করিবার জন্য এবং প্রজাতন্ত্রের সর্বত্র অর্থনৈতিক উন্নয়নের সমান স্তর অর্জনের উদ্দেশ্যে সুষম সুযোগ-সুবিধাদান নিশ্চিত করিবার জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন৷

এছাড়াও, 
- অনুচ্ছেদ-২০(১) কর্ম হইতেছে কর্মক্ষম প্রত্যেক নাগরিকের পক্ষে অধিকার, কর্তব্য ও সম্মানের বিষয়, এবং “প্রত্যেকের নিকট হইতে যোগ্যতানুসারে ও প্রত্যেককে কর্মানুযায়ী”-এই নীতির ভিত্তিতে প্রত্যেকে স্বীয় কর্মের জন্য পারিশ্রমিক লাভ করিবেন৷ 
 - অনুচ্ছেদ-(২) রাষ্ট্র এমন অবস্থাসৃষ্টির চেষ্টা করিবেন, যেখানে সাধারণ নীতি হিসাবে কোন ব্যক্তি অনুপার্জিত আয় ভোগ করিতে সমর্থ হইবেন না এবং যেখানে বুদ্ধিবৃত্তিমূলক ও কায়িক-সকল প্রকার শ্র্রম সৃষ্টিধর্মী প্রয়াসের ও মানবিক ব্যক্তিত্বের পূর্ণতর অভিব্যক্তিতে পরিণত হইবে৷

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১৯৪.
নিম্নের কোনটি আধ্যাত্মিক মূল্যবোধ?
  1. ধর্ম প্রচারে বাধা না দেওয়া
  2. সৎ মানুষকে পছন্দ করা
  3. অপরের ধর্ম মতকে সহ্য করা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সৎ মানুষকে পছন্দ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৎ মানুষকে পছন্দ করা
ব্যাখ্যা

আধ্যাত্মিক মূল্যবোধ: 
- মানুষের কিছু আধ্যাত্মিক বা আত্মিক মূল্যবোধ রয়েছে।
- সৎভাবে বাচঁতে চাওয়া,
- সৎ থাকতে চাওয়া,
- সৎ মানুষকে পছন্দ করা,
- মিথ্যাবাদী ও অসৎ মানুষকে ঘৃৃনা করা।

উল্লেখ্য,
• অর্থনৈতিক মূল্যবোধ: 
- আর্থিক লেনদেন,
- ক্রয় বিক্রয়,
-  ব্যবাসা বানিজ্য।

• ধর্মীয় মূল্যবোধ: 
- ধর্ম প্রচারে বাধা না দেওয়া।
- অপরের ধর্ম মতকে সহ্য করা।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।