পরীক্ষা আর্কাইভ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

পরীক্ষা৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১৩৪
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 14” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- ৪৭তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট⎯৫
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩৪ প্রশ্ন

.
বুলিয়ান অ্যালজেবরার "SUM" বা যোগ নির্ণয়ে কোন গেইট ব্যবহার করা হয়?
  1. NOT gate
  2. NOR gate
  3. AND gate
  4. OR gate
ব্যাখ্যা

• বুলিয়ান অ্যালজেবরায় "SUM" বা যোগ নির্ণয়ের জন্য OR gate ব্যবহার করা হয়। কারণ OR gate এমনভাবে কাজ করে যে, ইনপুটের যেকোনো একটিতে যদি "১" থাকে তবে আউটপুট হবে "১"। এটি মূলত যোগ বা সমীকরণের ধারণার সঙ্গে মিলে যায়। যেমন, A+BA + BA+B বোঝাতে OR gate ব্যবহৃত হয়, যেখানে A অথবা B কিংবা উভয়ই সত্য হলে আউটপুট সত্য হয়। অন্যদিকে AND, NOT বা NOR গেইট যোগ নির্ণয়ের জন্য নয়, বরং ভিন্ন ভিন্ন যৌক্তিক কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই বুলিয়ান অ্যালজেবরায় "SUM" অপারেশনের জন্য সঠিক গেইট হলো OR gate।
 
লজিক গেইট:
- লজিক গেইট হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে কোন যুক্তির ভিত্তিতে একটি মাত্র আউটপুট প্রদান করে।
- লজিক গেইটে ব্যবহৃত দুটি ইনপুট হলো 1 এবং 0।
- মৌলিক লজিক গেইট তিনটি। যথা- অর গেইট, অ্যান্ড গেইট এবং নট গেইট।

- OR gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগের কাজ সম্পাদনের জন্য অর লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- AND gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার গুণনের কাজ সম্পাদনের জন্য এন্ড লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- NOT gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য নট লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
কোন কোম্পানি GPU এর অন্যতম শীর্ষ প্রস্তুতকারক?
  1.  AMD 
  2.  Intel 
  3. Cisco
  4. Oracle
ব্যাখ্যা

• GPU প্রস্তুতকারকদের মধ্যে AMD অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান। AMD (Advanced Micro Devices) দীর্ঘদিন ধরে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট উৎপাদন করছে, যা মূলত গেমিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ডেটা সেন্টারের মতো জটিল কাজে ব্যবহৃত হয়। এ কোম্পানি তাদের Radeon সিরিজের GPU-এর জন্য বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়। অন্যদিকে Intel মূলত CPU উৎপাদনে পরিচিত হলেও সম্প্রতি GPU বাজারে প্রবেশ করেছে, Cisco নেটওয়ার্কিং যন্ত্রপাতির জন্য বিখ্যাত এবং Oracle সফটওয়্যার ও ডাটাবেস সমাধানের জন্য পরিচিত। তাই প্রদত্ত বিকল্পগুলির মধ্যে সঠিক উত্তর হলো AMD, যারা GPU বাজারে একটি বড় ও প্রভাবশালী প্রতিষ্ঠান।

• GPU:
- GPU এর পূর্ণরূপ Graphics Processing Unit.
- GPU গ্রাফিক্স সম্পর্কিত কাজ যেমন: গ্রাফিক্স, ইফেক্ট এবং ভিডিও পরিচালনা করতে সাহায্য করে।
- বর্তমানে ভিডিও গেইমস খেলার জন্য GPU ব্যাপকহারে ব্যবহৃত হচ্ছে।

AMD (Advanced Micro Devices):
- AMD একটি আমেরিকান বহুজাতিক সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানি।  
- এটি ১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।  
- AMD এর সদরদপ্তর ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা ক্লারা, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।  
- বর্তমান নির্বাহী পরিচালক (CEO) হলেন লিসা সু। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)  
- AMD মূলত CPU, GPU, চিপসেট এবং সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তি তৈরি করে।  
- Radeon গ্রাফিক্স কার্ড সিরিজ এর অন্যতম বিখ্যাত পণ্য।  
- AMD হল GPU এর অন্যতম শীর্ষ প্রস্তুতকারক।  

সূত্র: AMD [link]

.
কম্পিউটারের একটি রেজিস্টার প্রধানত ব্যবহৃত হয়:
  1. স্থায়ীভাবে প্রোগ্রাম রাখতে
  2. অস্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করতে
  3. পর্দায় আউটপুট প্রদর্শন করতে
  4. হার্ডওয়্যার ডিভাইস যুক্ত করতে
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারের একটি রেজিস্টার মূলত অস্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়। রেজিস্টার হলো সিপিইউ’র ভেতরে অবস্থিত অতিদ্রুত গতির মেমোরি লোকেশন, যা প্রসেসরকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও ডেটা মুহূর্তের মধ্যে প্রক্রিয়া করার সুযোগ দেয়। যখন কোনো প্রোগ্রাম চালানো হয়, তখন মূল মেমোরি (RAM) থেকে প্রয়োজনীয় ডেটা রেজিস্টারে আনা হয় এবং এখান থেকেই সিপিইউ তা প্রক্রিয়াকরণ করে। রেজিস্টার সাধারণত খুব ছোট আকারের হলেও এর কাজের গতি অত্যন্ত দ্রুত। স্থায়ীভাবে প্রোগ্রাম সংরক্ষণ, আউটপুট প্রদর্শন বা হার্ডওয়্যার যুক্ত করার জন্য এটি নয়। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো অস্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করা।

রেজিস্টার:
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর ভেদে রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা ভিন ভিন্ন হতে পারে। যেমন ৪-বিট রেজিস্টার 16-বিট রেজিস্টার, 32 বিট রেজিস্টার, 64-বিট রেজিস্টার ইত্যাদি।
- ইলেকট্রনিক সার্কিট দিয়ে তৈরি বলে রেজিস্টারগুলোর কাজ করার ক্ষমতা খুব দ্রুত হয়।
- গাণিতিক ও যুক্তিমূলক ইউনিটের প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল তাৎক্ষণিক অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য অ্যাকিউমুলেটর (রেজিস্টার) ব্যবহৃত হয়।
- অ্যাকিউমুলেটর একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্টার।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
কোনটি DBMS সফটওয়্যার হিসেবে পরিচিত?
  1. HTML
  2. Python
  3. Oracle
  4. Java
ব্যাখ্যা

• DBMS বা ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা ডেটা সংরক্ষণ, পরিচালনা ও পুনরুদ্ধারের কাজ সহজ করে। প্রশ্নে উল্লেখিত অপশনগুলো মধ্যে Oracle হলো পরিচিত DBMS সফটওয়্যার। Oracle ব্যবহার করে বড় এবং জটিল ডেটাবেস সহজভাবে তৈরি, সংরক্ষণ এবং ম্যানেজ করা যায়। অন্যদিকে, HTML হলো একটি মার্কআপ ভাষা যা ওয়েবপেজ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, Python হলো একটি প্রোগ্রামিং ভাষা, এবং Java হলো আরও একটি প্রোগ্রামিং ভাষা। এই তিনটি সফটওয়্যার DBMS নয়, বরং প্রোগ্রামিং বা ওয়েব ডেভেলপমেন্টের কাজে আসে। তাই DBMS হিসেবে শুধুমাত্র Oracle সঠিক উত্তর।
 
DBMS:
- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা  করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।

DBMS এর প্রধান ৩ টি কাজ হচ্ছে:
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন,
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

কয়েকটি DBMS:
- MICROSOFT Access,
- ORACLE,
- MySQL,
- Microsoft SQL Server,
- SQLite,
- Postgre SQL.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।

.
MAN (Metropolitan Area Network)-এর সাধারণ কভারেজ এলাকা কী?
  1. একটি শহর বা নগর
  2. একটি একক ভবন
  3. একটি সম্পূর্ণ দেশ
  4. একটি মহাদেশ
ব্যাখ্যা

• MAN (Metropolitan Area Network) হল এমন একটি নেটওয়ার্ক যা বড় এলাকা কভার করতে সক্ষম, কিন্তু এটি WAN-এর চেয়ে ছোট এবং LAN-এর চেয়ে বড়। সাধারণত MAN একটি শহর বা নগর এলাকার মধ্যে বিভিন্ন ল্যানকে সংযুক্ত করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি অফিস, বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল বা সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান নিশ্চিত করে। MAN কেবলমাত্র একটি একক ভবন নয়, কারণ এটি বহু ভবন ও স্থানের মধ্যে সংযোগ তৈরি করে। এটি সম্পূর্ণ দেশ বা মহাদেশ কভার করতে পারে না; সেই ক্ষেত্রে WAN ব্যবহার করা হয়। তাই MAN-এর সাধারণ কভারেজ এলাকা একটি শহর বা নগর। সঠিক উত্তর: ক) একটি শহর বা নগর।

• মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক (MAN):
- MAN এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Metropolitan Area Network.
- একটি শহরে বিভিন্ন স্থানের কম্পিউটারের মধ্যে যে সংযোগ তাকে MAN বলে।
- এই ধরনের নেটওয়ার্কের জন্য মিডিয়া হিসাবে টেলিফোন লাইন, মডেম ও আনুসঙ্গিক যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হয়।
- সাধারণত কোন ব্যাংক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা শিল্প প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শাখা অফিসের মধ্যে যোগাযোগ এর জন্য এই ধরনের নেটওয়ার্ক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়া কোনো শহরের ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্ক MAN এর উদাহরণ।
- ১০ কিলোমিটারের মধ্যে এই নেটওয়ার্ক ভাল কাজ করে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
ফায়ারওয়াল ব্যবহারের প্রধান উদ্দেশ্য হলো:
  1. নেটওয়ার্ককে অননুমোদিত প্রবেশ থেকে রক্ষা করা
  2. ডাউনলোডের সময় কমানো
  3. হার্ডড্রাইভে ডেটা সুরক্ষিত রাখা
  4. ব্যাটারি খরচ পর্যবেক্ষণ করা
ব্যাখ্যা

• ফায়ারওয়াল ব্যবহারের প্রধান উদ্দেশ্য হলো নেটওয়ার্ককে অননুমোদিত প্রবেশ থেকে রক্ষা করা। এটি একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কম্পিউটার বা নেটওয়ার্কে আসা ও যাওয়া ডেটা নিয়ন্ত্রণ করে এবং সম্ভাব্য ক্ষতিকারক ট্রাফিক বা হ্যাকারদের অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ করে। ফায়ারওয়াল বিভিন্ন নিয়ম বা পলিসি ব্যবহার করে নির্ধারণ করে কোন তথ্য অনুমোদিত এবং কোনটি ব্লক করা হবে। এটি ব্যক্তিগত কম্পিউটার, সার্ভার বা বৃহৎ নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফায়ারওয়াল ব্যবহারের ফলে ডেটা চুরি, ম্যালওয়্যার আক্রমণ এবং অন্যান্য সাইবার হুমকি থেকে সুরক্ষা পাওয়া যায়, ফলে নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহার সম্ভব হয়।

ফায়ারওয়াল:
- ফায়ারওয়াল হলো এক বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা যাতে এক নেটওয়ার্ক থেকে আরেক নেটওয়ার্কে ডাটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- ফায়ারওয়াল বাইরের আক্রমণ থেকে এক বা একাধিক কম্পিউটারকে রক্ষা করার জন্য হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মিলিত প্রয়াস।
- কম্পিউটার ফায়ারওয়ালের কাজ- ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
- ফায়ারওয়ালকে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একটি সিস্টেম হিসেবে গণ্য করা হয় যার সাহায্যে ব্যবহারকারীকে সংরক্ষিত কোন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করা কিংবা বাধা প্রদান করা হয়। অর্থাৎ ফায়ারওয়াল আগত এবং বহির্গত নেটওয়ার্ক ট্রাফিক নিরীক্ষা এবং নিয়ন্ত্রণ করে।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
VR গেমিং-এ “ইমারশন” শব্দের অর্থ কোনটি?
  1. ক্লান্তি অনুভব করা
  2. ঠাণ্ডা অনুভব করা
  3. মনে হওয়া যেন  আমরা গেমের মধ্যে
  4. ক্ষুধার অনুভূতি
ব্যাখ্যা

• VR গেমিং-এ “ইমারশন” শব্দটি বোঝায় এমন একটি অভিজ্ঞতা যেখানে খেলোয়াড় মনে করে যে সে আসলেই গেমের মধ্যে রয়েছে। অর্থাৎ, ভার্চুয়াল বাস্তবতা পরিবেশ এতটাই বাস্তবসম্মত ও সংহতভাবে উপস্থাপিত হয় যে খেলোয়াড়ের মন ও ইন্দ্রিয় পুরোপুরি সেই পরিবেশে নিমগ্ন হয়। এই অবস্থায় খেলোয়াড় বাস্তব পৃথিবীর কিছুটা অংশকে অল্প সময়ের জন্য ভুলে যেতে পারে এবং গেমের দৃশ্য, চরিত্র বা গল্পের সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে যুক্ত থাকে। ইমারশন গেমিং-এর মূল লক্ষ্য হলো ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতাকে যতটা সম্ভব বাস্তবসম্মত ও প্রায় “প্রাণবন্ত” করে তোলা। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: গ) মনে হওয়া যেন আমরা গেমের মধ্যে।

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে কৃত্রিম বাস্তবতা।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয়, কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্রেককারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা কৃত্রিম বাস্তবতা কিংবা কল্পবাস্তবতা বলে।
- একে সংক্ষেপে VR বলা হয়ে থাকে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- এতে ব্যবহৃত সফটওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- Vizard, VRToolkit, 3d Studio Max, Maya ইত্যাদি।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

.
BCD কোড 1000 0100 কোন দশমিক সংখ্যা নির্দেশ করে?
  1. 72
  2. 64
  3. 82
  4. 84
ব্যাখ্যা

• BCD (Binary-Coded Decimal) কোড হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে প্রতিটি দশমিক সংখ্যা ৪-বিট বাইনারি আকারে প্রকাশ করা হয়। এখানে প্রতিটি চারটি বিট একটি একক দশমিক সংখ্যা নির্দেশ করে। দেওয়া BCD কোডটি হলো 1000 0100। প্রথম চার বিট 1000 হলো বাইনারি সংখ্যা 8, যা দশমিক সংখ্যা 8 নির্দেশ করে। দ্বিতীয় চার বিট 0100 হলো বাইনারি সংখ্যা 4, যা দশমিক সংখ্যা 4 নির্দেশ করে। সুতরাং, পুরো BCD কোডটি একত্র করলে এটি দশমিক সংখ্যা 84 প্রকাশ করছে। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) 84। BCD কোড সাধারণত ডিজিট ভিত্তিক কম্পিউটার ও ইলেকট্রনিক ডিভাইসে সংখ্যা প্রদর্শনের জন্য ব্যবহার করা হয়।

​বিসিডি কোড:
- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড ডেসিমেল (Binary Coded Decimal)।
- দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
- 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ, 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
- এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত।

8 এর বিসিডি 1000
4 এর বিসিডি 0100
∴ 84 এর বিসিডি 1000 0100

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
কোনটি EMTS-এর মৌলিক বৈশিষ্ট্য?
  1. কাগজের নোট তৈরি করা
  2. ডিজিটাল মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর
  3. বীমা সেবা দেওয়া
  4. ঋণ প্রদান
ব্যাখ্যা

• EMTS-এর অর্থ হলো Electronic Money Transfer System বা ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সিস্টেম। এর মূল বৈশিষ্ট্য হলো অর্থ স্থানান্তর প্রক্রিয়াকে ডিজিটাল মাধ্যমে সরল ও দ্রুত করা। অর্থাৎ, এটি সরাসরি কাগজের নোট ব্যবহার না করে ব্যাংক বা অন্যান্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অর্থ পাঠানো ও গ্রহণ করতে সাহায্য করে। EMTS-এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা অনলাইনে নিরাপদভাবে টাকা পাঠাতে, গ্রহণ করতে এবং লেনদেনের হিসাব রাখতে পারেন। এটি বীমা সেবা দেওয়া বা ঋণ প্রদান করার জন্য নয়, বরং শুধু ডিজিটাল আর্থিক লেনদেনের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে EMTS-এর মৌলিক বৈশিষ্ট্য হলো “ডিজিটাল মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর”।

ইএমটিএস: 
- EMTS এর পূর্ণরূপ Electronic Money Transfer Service.
- ইএমটিএস বাংলাদেশ ডাক বিভাগের অন্তর্ভুক্ত একটি সেবা।
- ২৬ মার্চ ২০১০ তারিখে দেশব্যাপী ইলেকট্রনিক মানি ট্রন্সফার সার্ভিস (ইএমটিএস) এর উদ্বোধন করা হয়। 
- বর্তমানে এ সার্ভিসের মাধ্যমে খুবই স্বল্প কমিশনের (০.৫০%) বিনিময়ে লেনদেন করা যায়।
- ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সার্ভিস (ইএমটিএস) National Digital Innovation Award ২০১১ তে অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ ডাক বিভাগের ইএমটিএস e-Finance ক্যাটাগরীতে Champion হয়।
- দেশের অভ্যন্তরে কম খরচে ও দ্রুত সময়ে টাকা পাঠানোর একটি মাধ্যম হলো ইএমটিএস।

উৎস:
১. ডাক অধিদপ্তর।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০.
ফিশিং বলতে কী বোঝায়?
  1. একটি কম্পিউটার ভাইরাস
  2. কম্পিউটারকে দ্রুত করার উপায়
  3. ইমেইল অ্যাটাচমেন্টের ধরন
  4. ব্যক্তিগত তথ্য অনলাইনে চুরি করার পদ্ধতি
ব্যাখ্যা

• ফিশিং হল একটি অনলাইন প্রতারণার পদ্ধতি, যা মূলত ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়। হ্যাকাররা ইমেইল, মেসেজ বা নকল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছে বিশ্বাসযোগ্য বার্তা পাঠায়। এই বার্তাগুলিতে প্রায়ই ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, ক্রেডিট কার্ড, পাসওয়ার্ড বা অন্যান্য সংবেদনশীল তথ্য চাইতে পারে। ব্যবহারকারী যদি এসব বার্তায় থাকা লিঙ্কে ক্লিক করে তথ্য প্রদান করে, তবে হ্যাকাররা তা চুরি করতে সক্ষম হয়। ফিশিং সাধারণত ব্যাংকিং, অনলাইন শপিং বা সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘটে এবং এটি কম্পিউটার ভাইরাস বা সফটওয়্যারের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। সুতরাং, ফিশিং হলো ব্যক্তিগত তথ্য অনলাইনে চুরি করার পদ্ধতি। 

বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
ফিশিং (Phishing): ইলেকট্রনিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় বা ইন্টারনেট কোন নির্ভরযোগ্য বা বিশ্বাসযোগ্য সত্ত্বার ছদ্মবেশ ধারণ করে বিদ্বেষপরায়ণ হয়ে ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডের বিস্তারিত তথ্য, ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড এর মত সংবেদনশীল তথ্য চুরির প্রচেষ্টাকে ফিশিং (phishing) বলে।

স্প্যামিং (Spamming): অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware): র‍্যানসমওয়্যার এক ধরনের ম্যালওয়্যার। র‍্যানসমওয়্যারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কম্পিউটার আক্রমনের করে তথ্য কুক্ষিগত করে মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

স্নিফিং (Sniffing): ট্রান্সমিশন লাইন দিয়ে তথ্য যাওয়ার সময় হাতিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় স্নিফিং।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১১.
অ্যান্টিবডি (Antibody) কোন শ্রেণীর জৈব অণুর অন্তর্ভুক্ত?
  1. Carbohydrate
  2. Lipid
  3. Protein
  4. Nucleic acid
ব্যাখ্যা

অ্যান্টিবডি হলো বিশেষ ধরনের গ্লাইকোপ্রোটিন, যাকে ইমিউনোগ্লোবুলিন (Immunoglobulin, Ig) বলা হয়।

অ্যান্টিবডি (Antibody): 
- অ্যান্টিবডি অ্যান্টিজেনের বিপরীত বস্তু বা নিজস্ব বস্তু বা কণিকা বা কোষ অথবা কোষগুচ্ছ। 
- অ্যান্টিবডি প্রধানত অ্যান্টিজেনের সাড়ায় দেহের B-লিম্ফোসাইট থেকে উৎপাদিত প্রোটিন জাতীয় পদার্থ। 
- এরা রক্তের প্লাজমা ও কলারসে বর্তমান থাকে। 
- এরা অ্যান্টিজেনের সাথে যুক্ত হতে পারে এবং ক্লোনাল নির্বাচন দ্বারা উৎপাদিত হয় এবং দেহের প্রধান সৈনিক বা রক্ষণাবেক্ষণের হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে। 
- অ্যান্টিবডিগুলো অনুপ্রবেশকারী বা বহিরাগত অ্যান্টিজেনকে ভক্ষণ করে, কখনো বিনষ্ট করে, কখনো মেরে ফেলে, কখনো বাইরে নিক্ষেপ করে। 
- অ্যান্টিজেন হচ্ছে non-self আর অ্যান্টিবডি হচ্ছে self বস্তু। 
- দেহের সব অ্যান্টিবডি গামা-গ্লোবিউলিন (γ-globulin) নামে পরিচিত। আর যেহেতু অ্যান্টিবডিসমূহ দেহের সুরক্ষার কাজ করে তাই এদেরকে ইমিউনোগ্লোবিউলিন (Immunoglobulin, সংক্ষেপে-Ig) বলা হয়। 
- এদের আণবিক ওজন ১,৫০,০০০-৯,০০,০০০/- ডাল্টনের মধ্যে সীমিত। 
- প্লাজমা প্রোটিনের প্রায় ২০% ইমিউনোগ্লোবিউলিন। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২.
অটোইমিউন রোগে মূলত কী ধরনের ঘটনা ঘটে?
  1. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পূর্ণভাবে দুর্বল হয়ে যায়
  2. শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিজের কোষকে আক্রমণ করে
  3. ভাইরাস প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেয়
  4. ব্যাকটেরিয়া প্রতিরক্ষা কোষের ভেতরে বৃদ্ধি পায়
ব্যাখ্যা

◉ সাধারণ অবস্থায় শরীরের ইমিউন সিস্টেম (Immune system) বাইরের জীবাণু (ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, টক্সিন ইত্যাদি) শনাক্ত করে এবং সেগুলোকে ধ্বংস করে। কিন্তু, অটোইমিউন রোগে ইমিউন সিস্টেম ভুলবশত নিজের শরীরের কোষ ও টিস্যুকে "শত্রু" মনে করে আক্রমণ শুরু করে।

লোহিত কণিকা উৎপাদন হ্রাস হওয়ার কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে:
১. গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টির অভাব, যেমন, আয়রন, ভিটামিন B12 বা ফোলেট, যা লাল রক্তকণিকা উৎপাদনে সাহায্য করে।
২. কিডনির রোগ।
৩. কয়েক ধরনের ক্যান্সার, যেমন লিউকেমিয়া, লিম্ফোমা এবং মাল্টিপল মায়োলোমা।
৪. অটোইমিউন রোগ যেমন লুপাস বা রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস যাতে রোগ প্রতিরোধকারী কোষগুলো আপন দেহকেই আক্রমণ করে।
৫. নির্দিষ্ট ধরনের সংক্রমণ, যেমন এইচআইভি এবং যক্ষ্মা।
৬. থাইরয়েডের সমস্যা যেমন হাইপোথাইরয়েডিজম।
৭. অন্ত্রে প্রদাহের রোগ যেমন আলসারেটিভ কোলাইটিস এবং ক্রোনস ডিজিজ।
৮. অস্থিমজ্জা থেকে রক্ত কণিকা তৈরি বন্ধ হয়ে যাওয়া বা অ্যাপ্লাস্টিক অ্যানিমিয়া।
৯. নির্দিষ্ট ধরনের ওষুধ সেবন বা চিকিৎসা নেওয়া, বিশেষ করে ক্যান্সারের জন্য কেমোথেরাপি এবং রেডিয়েশন থেরাপি।
১০. বিষাক্ত পদার্থ যেমন সীসার সংস্পর্শে আসা।
১১. কিছু জেনেটিক রোগ।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 

১৩.
Black Hole-এর ভেতরের ভৌত অবস্থা কেমন ধারণা করা হয়?
  1. আয়তন অনেক বড়, ঘনত্ব খুবই কম
  2. আয়তন প্রায় অসীমের কাছাকাছি, ঘনত্ব প্রায় শূন্য
  3. আয়তন ও ঘনত্ব উভয়ই অসীম 
  4. আয়তন প্রায় শূন্য, ঘনত্ব প্রায় অসীম
ব্যাখ্যা

◉ কৃষ্ণবিবর তখনই তৈরি হয় যখন কোনো বৃহদাকারের নক্ষত্র নিজের মহাকর্ষীয় আকর্ষণে ধসে পড়ে। ধসের ফলে ভেতরের পদার্থ একেবারে কেন্দ্রে সিঙ্গুলারিটি (Singularity) নামক বিন্দুতে সংকুচিত হয়।

আয়তন (Volume): এই সিঙ্গুলারিটির আয়তন প্রায় শূন্য বলে ধরা হয়।
ঘনত্ব (Density): যেহেতু বিশাল ভর একেবারে ক্ষুদ্র বিন্দুতে কেন্দ্রীভূত হয়, তাই ঘনত্ব প্রায় অসীম হয়ে যায়।
• মহাকর্ষীয় প্রভাব: এই অসীম ঘনত্বের কারণে মহাকর্ষ শক্তি এত প্রবল হয় যে আলো পর্যন্ত বের হতে পারে না।

কৃষ্ণবিবর (Black hole): 
- ১৯৬৯ সালে জন হুইলার নামক জনৈক মার্কিন বিজ্ঞানী কৃষ্ণবিবর আবিষ্কার করেন। 
- তিন সৌর ভরের সমান বা বেশি ভরের নক্ষত্রের সুপার নোভা বিস্ফোরণের পর এর অন্তর্বস্তু অনির্দিষ্টভাবে সংকুচিত হতে থাকে। এই সংকোচনের কারণে আয়তন প্রায় শূন্য এবং ঘনত্ব প্রায় অসীম হওয়ায় মহাকর্ষ ক্ষেত্র এমন প্রবল হয় যে, এ জাতীয় বস্তু থেকে এর মহাকর্ষকে কাটিয়ে কোনো প্রকার আলো বা সংকেতও বেরিয়ে আসতে পারে না। তাই বস্তুটিকে আর দেখা যায় না, নক্ষত্রের এই অবস্থাকে বলা হয় কৃষ্ণবিবর (Black hole)। 
- বাস্তবে g-এর মান এত বেশি হয় যে, ফোটন কণাও এর পৃষ্ঠ থেকে মুক্ত হতে বা বেরিয়ে আসতে পারে না। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪.
বেতার তরঙ্গ পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের কোন স্তর থেকে প্রতিফলিত হয়ে দূর-দূরান্তে পৌঁছায়?
  1. ট্রপোস্ফিয়ার
  2. স্ট্রাটোস্ফিয়ার
  3. মেসোস্ফিয়ার
  4. আয়নোস্ফিয়ার
ব্যাখ্যা

◉ থার্মোস্ফিয়ারের একটি বিশেষ অংশ হলো আয়নমণ্ডল (Ionosphere), যেখানে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি এবং মহাজাগতিক রশ্মির প্রভাবে বাতাসের গ্যাসগুলো আয়নিত হয়। এই আয়নিত স্তর বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত করে, ফলে বেতার যোগাযোগ (যেমন AM রেডিও, শর্টওয়েভ যোগাযোগ) সম্ভব হয়।

পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলকে সাধারণত কয়েকটি স্তরে ভাগ করা হয়: ট্রপোস্ফিয়ার, স্ট্রাটোস্ফিয়ার, মেসোস্ফিয়ার, থার্মোস্ফিয়ার এবং এক্সোস্ফিয়ার।

তাপমণ্ডল (Thermosphere): 
- মেসোবিরতির উপরে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত বায়ুস্তরকে তাপমণ্ডল বা থার্মোস্ফিয়ার বলে।
- তাপমন্ডলের বৈশিষ্ট্য নিম্নে তুলে ধরা হলো- 
ক) তাপ বায়ুমণ্ডলের খুব হালকা এবং এখানে তাপের পরিবহনও নগণ্য। 
খ) তীব্র সৌর বিকিরনে রঞ্জন রশ্মি ও অতিবেগুনী রশ্মির সংঘাতে এই অংশে বায়ু আয়নযুক্ত হয়। এই জন্য একে আয়নমণ্ডল বা আয়নোস্ফিয়ার বলা হয়। 
গ) পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে যে বেতার তরঙ্গ পাঠানো হয় তা এই স্তরের মধ্য দিয়ে প্রতিফলিত হয়ে আবার পৃথিবীতে ফিরে আসে। 
ঘ) এই স্তরে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা অত্যন্ত দ্রুত হারে বৃদ্ধি পেয়ে ১৪৮০০ সেলসিয়াসে এসে পোঁছায়। 

অন্যান্য অপশনসমূহ,
ট্রপোস্ফিয়ার: আবহাওয়া ও জলবায়ুর ঘটনাবলী ঘটে।
স্ট্রাটোস্ফিয়ার: এখানে ওজোন স্তর থাকে, যা সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি শোষণ করে।
মেসোস্ফিয়ার: উল্কাপিণ্ড পুড়ে যায় এই স্তরে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১৫.
সোলার প্যানেল মূলত কীভাবে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে?
  1. সূর্যের তাপ শক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করে
  2. সূর্যের আলোক শক্তিকে সরাসরি বিদ্যুতে রূপান্তর করে
  3. সূর্যের চৌম্বক ক্ষেত্র ব্যবহার করে বিদ্যুৎ তৈরি করে
  4. উপরের কোনোটিই নয় 
ব্যাখ্যা

◉ সোলার প্যানেল আসলে ফোটোভোল্টায়িক (Photovoltaic, PV) সেল দ্বারা তৈরি। সূর্যের আলোতে থাকা ফোটন (Photon) যখন প্যানেলের সিলিকন স্তরে আঘাত করে, তখন তা সিলিকনের ইলেকট্রনগুলোকে উত্তেজিত করে। এই ইলেকট্রনগুলোর গতি থেকেই ডাইরেক্ট কারেন্ট (DC) বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়। পরবর্তীতে ইনভার্টার ব্যবহার করে এই DC কে Alternating Current (AC) এ রূপান্তরিত করা হয়, যা আমরা বাসা-বাড়ি বা শিল্পে ব্যবহার করি।

সৌর কোষ: 
- সৌর কোষ বা সৌর সেল হলো এক ধরনের ডিভাইস যা সূর্যের আলো (ফোটন) শোষণ করে এবং এটিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে।
- সৌর সেল বা ফটোভোলটাইক কোষে সিলিকন (Si) ব্যবহৃত হয়, যা একটি অর্ধপরিবাহী (Semiconductor) পদার্থ।
- এটি সূর্যের আলোকে সরাসরি বিদ্যুতে রূপান্তর করে।

• সৌর সেলের কাজের পদ্ধতি:
- সূর্যের ফোটন সিলিকন পরমাণুতে আঘাত করে।
- ইলেকট্রন-হোল জোড় সৃষ্টি হয়।
- p-n জাংশনের বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র ইলেকট্রন প্রবাহ তৈরি করে।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

১৬.
অক্সিহিমোগ্লোবিন ভেঙে মুক্ত অক্সিজেন শরীরের কোষে কীভাবে প্রবেশ করে?
  1. সক্রিয় পরিবহন
  2. নিঃসরণ
  3. ব্যাপন
  4. অভিস্রবণ
ব্যাখ্যা

◉ রক্তের হিমোগ্লোবিন যখন ফুসফুসে অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয় তখন তা অক্সিহিমোগ্লোবিন তৈরি করে। রক্ত সঞ্চালনের মাধ্যমে এটি শরীরের কোষে পৌঁছে যায়।

- কোষের ভেতরে অক্সিজেনের ঘনত্ব কম থাকে, আর রক্তে অক্সিহিমোগ্লোবিন থেকে মুক্ত হওয়া অক্সিজেনের ঘনত্ব বেশি থাকে।এই ঘনত্বের পার্থক্যের কারণে অক্সিজেন স্বাভাবিকভাবে (without energy) উচ্চ ঘনত্ব থেকে নিম্ন ঘনত্বের দিকে প্রবেশ করে। এই প্রক্রিয়াকেই ব্যাপন (Diffusion) বলা হয়।

অক্সিজেন পরিবহন (Transportation of Oxygen): 
- রক্তের মাধ্যমে দু'ভাবে কোষে অক্সিজেন পরিবাহিত হয়। 
- ৯৭-৯৮% অক্সিজেন পরিবাহিত হয় লোহিত কণিকার হিমোগ্লোবিনের সাথে রাসায়নিক বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন হিসেবে এবং ২-৩% পরিবাহিত হয় প্লাজমায় দ্রবীভূত হয়ে। 
- প্রতিটি হিমোগ্লোবিন অণু ৪টি লৌহ যুক্ত হিম ও ৪টি গ্লোবিনের সমন্বয়ে গঠিত। 
- একটি করে লৌহ অণু প্রতিটি হিম গ্রুপের কেন্দ্রে অবস্থান করে এবং প্রতিটি লৌহ অণুর সাথে একটি করে অক্সিজেন অণুযুক্ত হতে পারে। ফলে একটি হিমোগ্লোবিন অণু একই সাথে ৪টি অক্সিজেন অণুর সাথে যুক্ত হতে পারে। 
- অক্সিজেনের সাথে হিমোগ্লোবিনের রাসায়নিক বিক্রিয়া উভমুখী। 

• Hb4 + 4O2 ⇔ 4HbO
হিমোগ্লোবিন + অক্সিজেন ⇔ অক্সিহিমোগ্লোবিন 

- হিমোগ্লোবিনের সাথে অক্সিজেন এর পরিমাণ বেশি থাকলে অক্সিজেন ও হিমোগ্লোবিন মিলে HbO2 তৈরি করবে। আবার অক্সিজেনের পরিমাণ যেখানে কম সেখানে HbO2 ভেঙ্গে অক্সিজেন এবং হিমোগ্লোবিন পৃথক হবে। 
- ফুসফুসে অ্যালভিওলাসের প্রাচীর গাত্রের কৈশিক জালকে অক্সিজেন এর পরিমাণ বেশি। ফলে অক্সিজেন এবং Hb4 যুক্ত হয়ে HbO2 উৎপন্ন করে এবং সংবহনতন্ত্রের মাধ্যমে পরিবাহিত হয়ে দেহকোষের কাছে আসে। 
- দেহকোষে যেহেতু অক্সিজেনের পরিমাণ কম তাই HbO2 ভেঙ্গে অক্সিজেন মুক্ত হয়ে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় কোষে প্রবেশ করে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭.
ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রস্থলে বায়ুচাপ কেমন বিদ্যমান থাকে?
  1. নিম্নচাপ
  2. উচ্চচাপ
  3. চারপাশের সমান 
  4. বায়ুচাপ অনুপস্থিত থাকে 
ব্যাখ্যা

◉ ঘূর্ণিঝড় মূলত অতিমাত্রায় নিম্নচাপের কেন্দ্রকে ঘিরে সৃষ্টি হয়। কেন্দ্রে চাপ কমে গেলে আশেপাশের এলাকা থেকে বাতাস প্রবল বেগে ভেতরের দিকে ধাবিত হয়।

ঘূর্ণিঝড় (Cyclone): 
- বাংলাদেশে সংঘটিত প্রচণ্ড শক্তিশালী এবং মারাত্মক ধ্বংসকারী প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে ঘূর্ণিঝড় উল্লেখযোগ্য। স্থান অনুসারে ঘূর্ণিঝড়ের বিভিন্ন নামকরণ হয়। 
- ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রমুখী ও ঊর্ধ্বমুখী বায়ুরূপে পরিচিত। 
- ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রস্থলে নিম্নচাপ এবং চারপাশে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 
- বাংলাদেশে আশ্বিন-কার্তিক এবং চৈত্র-বৈশাখ মাসে এ ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়। 
- বর্ষাকালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর কারণে ঘূর্ণিঝড় হয় এবং একই ধরনের প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। 
- বাংলাদেশের দক্ষিণে ফানেল আকৃতির কারণে এ দেশে অধিক সংখ্যক ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়। 
- ঘূর্ণিঝড় একটি সাময়িক প্রাকৃতিক দুর্যোগ। 
- গত তিন দশকে বাংলাদেশের পূর্বাংশে বেশি ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়েছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, টেকনাফ, সন্দ্বীপ, হাতিয়া, কুতুবদিয়া, উরিরচর, চর জব্বার, চর আলেকজান্ডার প্রভৃতি স্থানে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১৮.
Endoscope যন্ত্রে আলোক পরিবহনের জন্য ভৌত বিজ্ঞানের কোন নীতি প্রয়োগ করা হয়?
  1. Echo
  2. Refraction
  3. Reflection
  4. Total internal reflection
ব্যাখ্যা

◉ এন্ডোস্কোপ হলো একটি চিকিৎসা-যন্ত্র, যা শরীরের ভেতরের অংশ যেমন পাকস্থলী, অন্ত্র বা অন্যান্য অঙ্গ পর্যবেক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। এতে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন (Total internal reflection) ব্যবহৃত হয়। 

এন্ডোসকোপি: 
- এন্ডোসকোপি বলতে সাধারণভাবে কোনো কিছুর ভিতরে দেখাকে বুঝানো হয়। 
- আবার এন্ডোসকোপি বলতে চিকিৎসাজনিত কারণে বা প্রয়োজনে দেহের অভ্যন্তরস্থ কোনো অঙ্গ বা গহ্বরকে বাহির থেকে পর্যবেক্ষণ। 
- এন্ডোসকোপ যন্ত্রের মাধ্যমে শরীরের ফাঁকা অঙ্গসমূহের অভ্যন্তরভাগ পরীক্ষা করা হয়। 
- এন্ডোসকোপি যন্ত্রে দুটি নল থাকে। 
- এদের একটির মধ্য দিয়ে বাইরে থেকে রোগীর শরীরের নির্দিষ্ট অঙ্গে আলো প্রেরণ করা হয়। আলোক তন্তুর ভিতরের দেয়ালে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে উজ্জ্বল আলো রোগীর দেহ গহ্বরে প্রবেশ করে, এই আলো রোগাক্রান্ত বা ক্ষতিগ্রস্থ অঙ্গকে আলোকিত করে। 
- দ্বিতীয় আলোক তন্তু নলের ভিতর দিয়ে আলোর প্রতিফলিত অংশ একইভাবে ফিরে আসে। প্রতিফলিত আলো অভিনেত্র লেন্সের মাধ্যমে চিকিৎসকের চোখে প্রবেশ করে। ফলে চিকিৎসক পরীক্ষনীয় অঙ্গের অভ্যন্তরে কী ঘটছে বা হচ্ছে তা দেখতে পারেন। 

- এন্ডোসকোপির মাধ্যমে চিকিৎসকগণ শরীরের অভ্যন্তরে যে কোনো ধরণের অস্বস্তিবোধ, ক্ষত, প্রদাহ এবং অস্বাভাবিক কোষবৃদ্ধি পরীক্ষা করে থাকেন। 
- বিভিন্ন অঙ্গ পরীক্ষা করার জন্য এন্ডোসকোপি ব্যবহৃত হয়। 
যেমন- 
ক. ফুসফুস, বুকের কেন্দ্রীয় বিভাজন অংশ; 
খ. পাকস্থলী, ক্ষুদ্রান্ত্র, বৃহদান্ত্র বা কোলন; 
গ. স্ত্রী প্রজনন অঙ্গ; 
ঘ. উদর এবং পেলভিস; 
ঙ. মূত্রথলির অভ্যন্তরভাগ; 
চ. নাসাগহ্বর এবং নাকের চারপাশের সাইনাসসমূহ; 
ছ. কান ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯.
কোনো সমান্তর ধারার প্রথম পদ 5 এবং তৃতীয় পদ 9 হলে ধারাটির প্রথম 12টি পদের সমষ্টি কত?
  1. 132
  2. 197
  3. 192
  4. 182
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কোনো সমান্তর ধারার প্রথম পদ 5 এবং তৃতীয় পদ 9 হলে ধারাটির প্রথম 12টি পদের সমষ্টি কত?

​সমাধান:
দেয়া আছে,
প্রথম পদ a = 5
৩য় পদ = 9

২য় পদ = (5 + 9)/2 = 14/2 = 7

সাধারণ অন্তর d = 7 - 5 = 2

আমরা জানি,
n সংখ্যক পদের সমষ্টি = (n/2){2a + ( n - 1)d}
12 টি পদের সমষ্টি = (12/2){2a + (12 - 1)d}
= 6{2 × 5 + 11 × 2}
= 6 (10 + 22)
= 6 × 32
= 192

২০.
যদি দুইটি সংখ্যার অনুপাত ৫ : ৬, সংখ্যাদ্বয়ের গ.সা.গু এবং ল.সা.গু এর গুণফল ১০৮০ হয়, তবে সংখ্যা দুইটির সমষ্টি কত?
  1. ৪৬
  2. ৫৬
  3. ৬৬
  4. ৬৮
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি দুইটি সংখ্যার অনুপাত ৫ : ৬, সংখ্যাদ্বয়ের গ.সা.গু এবং ল.সা.গু এর গুণফল ১০৮০ হয়, তবে সংখ্যা দুইটির সমষ্টি কত?

সমাধান:
ধরি,
সংখ্যা দুইটি = ৫ক ও ৬ক
সংখ্যা দুইটির গুণফল = ৩০ক

আমরা জানি,
সংখ্যা দুইটির গুণফল = ল.সা.গু × গ.সা.গু
⇒ ৩০ক = ১০৮০
⇒ ক = ৩৬
⇒ ক = √৩৬
⇒ ক = ৬

∴ সংখ্যা দুইটির সমষ্টি = ৬ক + ৫ক
= (৬ × ৬) + (৫ × ৬)
= ৩৬ + ৩০
= ৬৬

২১.
একটি লোহার তারের দৈ‍‍র্ঘ্য 628 সে.মি.। ঐ তারটিকে একটি গোলাকার চাকায় রূপান্তরিত করা হলে চাকার ব্যাস কত হবে?
  1. 200 সে.মি. (প্রায়)
  2. 250 সে.মি. (প্রায়)
  3. 180 সে.মি. (প্রায়)
  4. 100 সে.মি. (প্রায়)
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি লোহার তারের দৈ‍‍র্ঘ্য 628 সে.মি.। ঐ তারটিকে একটি গোলাকার চাকায় রূপান্তরিত করা হলে চাকার ব্যাস কত হবে?

সমাধান:
ধরি,
চাকার ব্যাস = 2r

এখানে, চাকার পরিধি = লোহার তারের দৈর্ঘ্য
⇒ 2πr = 628
⇒ 2r = 628/π
⇒ 2r = 628/3.14
⇒ 2r = (628 × 100)/314
∴ 2r = 200 সে.মি. (প্রায়)

২২.
নিচের কোন ভগ্নাংশটি ৩/৫ থেকে বড় এবং ৬/৭ থেকে ছোট?
  1. ​৭/৮
  2. ২/৩
  3. ১/৩
  4. ১/২
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের কোন ভগ্নাংশটি ৩/৫ থেকে বড় এবং ৬/৭ থেকে ছোট?
 
সমাধান:
এখানে,
৩/৫ = ০.৬
এবং ৬/৭ = ০.৮৫৭

​৭/৮ = ০.৮৭৫
২/৩ = ০.৬৬৭
১/৩ = ০.৩৩৩
১/২ = ০.৫

উপরের মান গুলো হতে দেখা যায় যে, ৩/৫ থেকে বড় এবং ৬/৭ থেকে ছোট ভগ্নাংশটি ২/৩।

২৩.
যদি p = মুলধন, r = সুদের হার, c = সবৃদ্ধিমূল এবং n = সময় হয়, তবে চক্রবৃদ্ধি মুনাফার ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. c = p(1 + r)
  2. c = p(1 + n)r
  3. c = p/(1 + r)
  4. c = p(1 + r)n
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি p = মুলধন, r = সুদের হার, c = সবৃদ্ধিমূল এবং n = সময় হয়, তবে চক্রবৃদ্ধি মুনাফার ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
p = মুলধন
r = সুদের হার
​c = সবৃদ্ধিমূল
এবং n = সময়

∴ চক্রবৃদ্ধি মুনাফার ক্ষেত্রে, c = p(1 + r)n
২৪.
একটি স্কুলের মাসিক সভা শেষে উপস্থিত ম্যানেজিং কমিটির সদস্যবৃন্দ প্রত্যেকে প্রত্যেকের সাথে করমর্দন করলো। সদস্যের সংখ্যা 16 হলে, করমর্দনের সংখ্যা কত?
  1. 100
  2. 120
  3. 150
  4. 240
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি স্কুলের মাসিক সভা শেষে উপস্থিত ম্যানেজিং কমিটির সদস্যবৃন্দ প্রত্যেকে প্রত্যেকের সাথে করমর্দন করলো। সদস্যের সংখ্যা 16 হলে, করমর্দনের সংখ্যা কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
লোকজনের সংখ্যা, n = 16

∴ করমর্দনের = nC2 = 16C2
= 16!/{2!(16 - 2)!}
= 16!/(2! × 14!)
= 120
২৫.
  1. 35
  2. 32
  3. 30
  4. 37
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:

​সমাধান:
দেওয়া আছে,
(a/b) + (b/a) = 6

এখন,
(a2/b2) + (b2/a2) + 1
= (a/b)2 + (b/a)2  + 1
= {(a/b) + (b/a)}2 - 2 .(a/b). (b/a) + 1
= {(a/b) + (b/a)}2 - 2 + 1
= 62 - 2 + 1
= 36 - 2 + 1
= 35

২৬.
যদি logx2 = m এবং logx6 = n হয়, তাহলে logx72= কত?
  1. m - n
  2. m + n
  3. m + 3n
  4. m + 2n
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি logx2 = m এবং logx6 = n হয়, তাহলে logx72= কত?

সমাধান:
logx72
= logx(2 × 36)
= logx(2 × 62)
= logx2 + logx6
= logx2 + 2logx6
= m + 2n [মান বসিয়ে]
২৭.
যদি A = π/2 এবং B = π/6 হয়, তবে sin(A + B) = কত?
  1. 1/√3
  2. 1/2
  3. 1/√2
  4. √3/2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি A = π/2 এবং B = π/6 হয়, তবে sin(A + B) = কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
A = π/2 এবং B = π/6
∴ sin(A + B)
= sin{(π/2) + (π/6)}
= sin{(3π + π)/6}
= sin(4π/6)
= sin(2π/3)
= sin120° [π = 180°]
= sin(90° + 30°)
= cos30°
= √3/2

২৮.
প্রদত্ত ভেনচিত্রে U = A ∪ B ∪ C এবং n(U) = 50 হলে, x এর মান কত?
  1. 8
  2. 12
  3. 10
  4. 6
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রদত্ত ভেনচিত্রে U = A ∪ B ∪ C এবং n(U) = 50 হলে, x এর মান কত?

​সমাধান:
U = A ∪ B ∪ C এবং n(U) = 50

এখন
2x + 2 + 3 + x + 1 + x - 1 + 0 + x + 5 = 50
⇒ 5x + 10 = 50
⇒ 5x = 50 - 10
⇒ 5x = 40
∴ x = 8 

২৯.
x3 - 6x2 + 11x - 6 রাশিটির উৎপাদকে বিশ্লেষণ নিচের কোনটি?
  1. (x -1)(x2 - 5x - 6)
  2. (x -1)(x2 - 5x + 6)
  3. (x -1)(x2 + 5x - 6)
  4. (x +1)(x2 - 5x + 6)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x3 - 6x2 + 11x - 6 রাশিটির উৎপাদকে বিশ্লেষণ নিচের কোনটি?

সমাধান:
ধরি,
f(x) = x3 - 6x2 + 11x - 6
∴ f(1) =  (1)3 - 6 . (1)2 + 11 . (1) - 6
= 1 - 6 + 11 - 6
= 12 - 12
= 0
∴ (x - 1), f(x) এর একটি উৎপাদক।

এখন,
x3 - 6x2 + 11x - 6
= x3 - x2 - 5x2 + 5x + 6x - 6
= x2(x - 1) - 5x(x - 1) + 6(x - 1)
= (x -1)(x2 - 5x + 6)
৩০.
৪৫টি চকলেট ৪০ টাকায় বিক্রয় করলে ২০% ক্ষতি হয়। ২০% লাভ করতে হলে ২৪ টাকায় কয়টি চকলেট বিক্রয় করতে হবে?
  1. ১৮টি
  2. ২০টি
  3. ২২টি
  4. ১৬টি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৪৫টি চকলেট ৪০ টাকায় বিক্রয় করলে ২০% ক্ষতি হয়। ২০% লাভ করতে হলে ২৪ টাকায় কয়টি চকলেট বিক্রয় করতে হবে?

সমাধান:
২০% ক্ষতিতে,
বিক্রয়মূল্য ৮০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা
∴ বিক্রয়মূল্য ৪০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য (১০০ × ৪০)/৮০ টাকা
= ৫০ টাকা

২০% লাভে,
ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য ১২০ টাকা
∴ ক্রয়মূল্য ৫০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য (১২০ × ৫০)/১০০ টাকা
= ৬০ টাকা

৬০ টাকায় বিক্রয় হয় ৪৫টি
∴ ১ টাকায় বিক্রয় হয় ৪৫/৬০ টি
∴ ২৪ টাকায় বিক্রয় হয় (৪৫ × ২৪)/৬০ টি
= ১৮টি 

৩১.
একজন মহিলা একটি মেয়েকে নিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন। মহিলার সঙ্গে মেয়েটির সম্পর্ক কি জানতে চাইলে মহিলা উত্তর দিলেন, 'মেয়েটি আমার মায়ের একমাত্র ছেলের বউয়ের মেয়ে।' বলুনতো মেয়েটির সাথে মহিলার সম্পর্ক কি? 
  1. নাতনি
  2. ভাতিজি
  3. বোন
  4.  ভাগ্নি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একজন মহিলা একটি মেয়েকে নিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন। মহিলার সঙ্গে মেয়েটির সম্পর্ক কি জানতে চাইলে মহিলা উত্তর দিলেন, "মেয়েটি আমার মায়ের একমাত্র ছেলের বউয়ের মেয়ে।" বলুনতো মেয়েটির সাথে মহিলার সম্পর্ক কি? 

সমাধান:
'আমার মায়ের একমাত্র ছেলে' - মানে মহিলার একমাত্র ভাই।
'একমাত্র ছেলের বউ' - এটি মহিলার ভাইয়ের স্ত্রী, অর্থাৎ মহিলার ভাবী।
'বউয়ের মেয়ে' - ভাবীর মেয়ে মানে মহিলার ভাই ও ভাবীর মেয়ে অর্থাৎ ভাতিজি।

৩২.
কবুতর ও ছাগল একত্রে ৮০টি। কিন্তু তাদের পায়ের সংখ্যা ২০০টি। তাহলে কতটি ছাগল আছে?
  1. ২৮টি 
  2. ১৮টি 
  3. ২৪টি 
  4. ২০টি 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কবুতর ও ছাগল একত্রে ৮০টি। কিন্তু তাদের পায়ের সংখ্যা ২০০টি। তাহলে কতটি ছাগল আছে?

সমাধান:
ধরি,
কবুতর আছে = ক টি 
ছাগল আছে = (৮০ - ক)টি 

প্রশ্নমতে,
২ক + ৪(৮০ - ক) = ২০০
⇒ ২ক + ৩২০ - ৪ক = ২০০
⇒  ৩২০ - ২ক = ২০০ 
⇒  - ২ক = ২০০ - ৩২০ 
⇒  - ২ক = - ১২০ 
∴ ক = ৬০

∴ কবুতর আছে ৬০ টি।
∴ ছাগল আছে = (৮০ - ৬০) = ২০টি।

৩৩.
'হিরণ্যরেতা' শব্দটির অর্থ কোনটি?
  1. তরুণী
  2. সূর্য
  3. তুষারপুঞ্জ
  4. গণ্যমান্য
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 'হিরণ্যরেতা' শব্দটির অর্থ কোনটি?

সমাধান:
"হিরণ্যরেতা" শব্দটির অর্থ হলো- অগ্নি, সূর্য, শিব।

অন্যদিকে, 
"গণ্যমান্য" শব্দটির অর্থ হলো- সম্ভ্রান্ত, বিশেষভাবে মান্য, সম্মাননীয়।
"হিমানী" শব্দটির অর্থ হলো- বরফ, তুষারপুঞ্জ। 
"তরুণী" শব্দটির অর্থ হলো- যুবতি।

উৎস:
- বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান। 

৩৪.
যদি PLANET = 315827 এবং NEPTUN = 823798 হয়, তাহলে TUNNEL = ?
  1. 798821
  2. 879821
  3. 798128
  4. 789821
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি PLANET = 315827 এবং NEPTUN = 823798 হয়, তাহলে TUNNEL = ?

সমাধান:
PLANET = 315827
P = 3
L = 1
A = 5
N = 8
E = 2
T = 7

এবং NEPTUN = 823798
N = 8
E = 2
P = 3
T = 7
U = 9
N = 8

একইভাবে,
TUNNEL = 798821

৩৫.
নিচের সিরিজের দশম সংখ্যাটি কত?
০, ৩, ৮, ১৫, ২৪, ৩৫, ৪৮, ____, ____, ____?
  1. ১০১
  2. ১২১
  3. ৯৯
  4. ৮০
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের সিরিজের দশম সংখ্যাটি কত?
০, ৩, ৮, ১৫, ২৪, ৩৫, ৪৮, ____, ____, ____?

সমাধান:
প্রথম পদ = ০
দ্বিতীয় পদ = ০ + ৩ = ৩
তৃতীয় পদ = ৩ + ৫ = ৮
চতুর্থ পদ = ৮ + ৭= ১৫
পঞ্চম পদ = ১৫ + ৯ = ২৪
 ষষ্ঠ পদ = ২৪ + ১১ = ৩৫
সপ্তম পদ = ৩৫ + ১৩ = ৪৮
অষ্টম পদ = ৪৮ + ১৫ = ৬৩
নবম পদ = ৬৩ + ১৭ = ৮০
দশম পদ = ৮০ + ১৯ = ৯৯

অর্থাৎ ৩, ৫, ৭, ৯ ..... এভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

৩৬.
যদি ap = b, bq = c এবং cr = a হয়, তবে pqr = কত?
  1. 0
  2. 1
  3. - 3
  4. - 2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি ap = b, bq = c এবং cr = a হয়, তবে pqr = কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
ap = b
⇒ log ap = log b
⇒ p log a = log b
∴ p = log b/log a

অনুরুপভাবে,
q = log c/log b এবং r = log a/log c

প্রদত্ত রাশি,
pqr = (log b/log a) × (log c/log b) × (log a/log c)
∴ pqr = 1

৩৭.
What is the meaning of the word DEFLATION?
  1. Increase in production
  2. Inflation
  3. Fall in prices
  4. Increase in demand
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:  What is the meaning of the word DEFLATION?

সমাধান:
Deflation অর্থ মুদ্রাস্ফীতির বিপরীত। এটি সাধারণত বাজারে মূল্যের হ্রাস বা পতন বোঝায়।

সঠিক উত্তর - Fall in prices

অন্যান্য অপশনগুলোর অর্থ:
Increase in production → উৎপাদনের বৃদ্ধি
Inflation → মূল্যস্ফীতি
Increase in demand → চাহিদার বৃদ্ধি

৩৮.
A এর অবস্থান যদি B এর থেকে উত্তরে হয় এবং B এর অবস্থান যদি C এর থেকে পূর্বে হয়, তাহলে A থেকে C এর অবস্থান কোন দিকে?
  1. দক্ষিণ-পশ্চিম
  2. উত্তর-পূর্ব
  3. দক্ষিণ-পূর্ব
  4. উত্তর-পশ্চিম
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: A এর অবস্থান যদি B এর থেকে উত্তরে হয় এবং B এর অবস্থান যদি C এর থেকে পূর্বে হয়, তাহলে A থেকে C এর অবস্থান কোন দিকে?

সমাধান:
তথ্যগুলোকে চিত্রের মাধ্যমে সাজিয়ে পাই,

C এর অবস্থান A এর দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে অবস্থিত।

৩৯.
প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?
  1. ১৫৬
  2. ৮৮
  3. ১৪৪
  4. ১৭২
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?

সমাধান:
১ম কলামে,
৬ × ৬ = ৩৬
৬ × ৪ = ২৪

২য় কলামে,
৯ × ৯ = ৮১
৯ × ৭ = ৬৩

৩য় কলামে,
১২ × ১২ = ১৪৪
১২ × ১০ = ১২০

৪০.
Honey : Hive : : Ore : ?
  1. Powder
  2. Stone
  3. Clay
  4. Mineral
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: Honey : Hive : : Ore : ?

সমাধান:
Honey - মধু। 
Hive - বাক্স; মধুকোষ।

সম্পর্ক: Hive বা মধুকোষ এ Honey থাকে। 

Ore - আকরিক। 
Mineral - বিশেষ যেসব পদার্থের রাসায়নিক গঠন অপরিবর্তিত থাকে; খনিজ; আকরিক।

সম্পর্ক: Mineral বা খনিজ পদার্থে এ Ore বা আকরিক পাওয়া যায়।  

অন্য অপশন গুলো হলো, 
Stone - পাথর; 
Powder - চূর্ণ;
Clay - কাদামাটি; এঁটেলমাটি।

৪১.
PDE, QFG, ____, SJK, TLM শূন্যস্থানে কোনটি বসবে?
  1. SKK
  2. RHI
  3. SJH
  4. RJH
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: PDE, QFG, ____, SJK, TLM শূন্যস্থানে কোনটি বসবে?

সমাধান:

এখানে দুটি বর্ণানুক্রমিক সিরিজ আছে.
প্রথম সিরিজ শুধুমাত্র প্রথম অক্ষর: P, Q, R, S, T.
দ্বিতীয় সিরিজ বাকি অক্ষর গুলো নিয়ে: DE, FG, HI, JK, LM.

∴ শূন্যস্থানে RHI বসবে।

৪২.
মুক্তিযুদ্ধের সময় ফরিদপুর এবং নোয়াখালি কোন সেক্টরের অধীনে ছিল?
  1. ২ নং সেক্টর
  2. ৩ নং সেক্টর
  3. ৪ নং সেক্টর
  4. ৬ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর:
- ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালি জেলার অংশ নিয়ে ২ নং সেক্টর গঠিত।
- এ সেক্টরের বাহিনী গঠিত হয় ৪- ইস্টবেঙ্গল এবং কুমিল্লা ও নোয়াখালির ইপিআর বাহিনী নিয়ে।
- আগরতলার ২০ মাইল দক্ষিণে মেলাঘরে ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দার।
- এই সেক্টরের অধীনে প্রায় ৩৫ হাজারের মতো গেরিলা যুদ্ধ করেছে।
- নিয়মিত বাহিনীর সংখ্যা ছিল প্রায় ৬ হাজার।
- এই সেক্টরে ছয়টি সাব-সেক্টর ছিল।
- এই সেক্টরের বাহিনীর অভিযানের ফলে কুমিল্লা ও ফেনীর মধ্যবর্তী ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে পাক-বাহিনী সম্পূর্ণ বিতাড়িত হয় এবং মুক্তিযুদ্ধের সামগ্রিককালে এই এলাকা মুক্তিযোদ্ধাদের অধিকারে থাকে।

অন্যদিকে,
- চট্টগ্রাম-১নং সেক্টর।
- ঢাকা-২ নং সেক্টর।
- রাজশাহী-৭ নং সেক্টর।
- মুজিব নগর-৮ নং সেক্টর।
- সুন্দরবন-৯ নং সেক্টর।

সূত্র: ঢাকা বিভাগের ওয়েবসাইট।
৪৩.
নির্বাচন কমিশনাররা সাধারণত কত বছরের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত হন?
  1. ৩ বছর
  2. ৪ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৬ বছর
ব্যাখ্যা

নির্বাচন কমিশন: 
- সংবিধানের সপ্তম ভাগে নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা, নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব কর্তব্য এবং ক্ষমতা সম্পর্কে বিস্তারিত অনুচ্ছেদ রয়েছে।
- অনুচ্ছেদ ১১৮ অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চার জন নির্বাচন কমিশনার লইয়া বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন গঠিত হবে।
- নির্বাচন কমিশনের গঠন কেমন হবে তার নির্দিষ্ট কোন আইন নেই।
- এ বিষয়টি রাষ্ট্রপতির এখতিয়ারাধীন।
- রাষ্ট্রপতি সাধারণত রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলাপ আলোচনা করে সার্চ কমিটি গঠন করেন।
- এ সার্চ কমিটি নির্বাচন কমিশনের জন্য যোগ্য সদস্য নির্বাচিত করে।
- রাষ্ট্রপতি তাদের মধ্য থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ করেন।
- তাঁরা সাধারণত ৫ বছরের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত হন। (১১৮ এর ৩ নং অনুচ্ছেদ)
- নির্বাচন কমিশনারগণ রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ্য করে লিখিত স্বীয় স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে পদত্যাগ করতে পারেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা দ্বিতীয় বর্ষ, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৪.
সম্প্রতি, কোন দেশ বাংলাদেশ থেকে পাটপণ্য আমদানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. যুক্তরাজ্য 
  2. মিয়ানমার
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ভারত
ব্যাখ্যা

আমদানিতে বিধিনিষেধ:
- ১১ আগস্ট বাংলাদেশ থেকে চার ধরনের পাটপণ্য আমদানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ভারত। 
​- সেগুলো হলো পাট ও পাটজাতীয় পণ্যের কাপড়, পাটের দড়ি বা রশি, পাটজাতীয় পণ্য দিয়ে তৈরি দড়ি বা রশি এবং পাটের বস্তা বা ব্যাগ। 
​- নতুন এই বিধিনিষেধের ফলে এসব পণ্য ভারতে রপ্তানি করতে হলে সমুদ্রপথে মুম্বাইয়ের নভসেবা বন্দর দিয়ে এসব পণ্য পাঠাতে হবে।
​- বাংলাদেশ থেকে উল্লেখিত এসব পণ্য যে পরিমাণ ভারতে রপ্তানি হয়, তার ১ শতাংশের কাছাকাছি যায় সমুদ্রপথে। বাকিটা স্থলপথে রপ্তানি হয়।
​- ভারতীয় ভোগ্যপণ্যের বড় বাজার বাংলাদেশ।
​- বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হিসাবে, ভারতে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ মোট ১৫৭ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। 
​- বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ আসে ভারত থেকে। 
​- অন্যদিকে ভারত থেকে বাংলাদেশ ৯০০ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করে। এর বড় অংশ শিল্পের কাঁচামাল ও মধ্যবর্তী পণ্য।

সূত্র-  প্রথম আলো পত্রিকা। 

৪৫.
মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে অস্ত্র সংবরণ করে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানান কে? 
  1. শাফকাত হোসেন 
  2. জগজিৎ সিং অরোরা
  3. আবদুল্লাহ খান নিয়াজী
  4. স্যাম মানেকশ
ব্যাখ্যা

যৌথবাহিনীর পক্ষে স্বাক্ষর করেন লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা, জিওসি এবং পূর্বাঞ্চলীয় ভারতীয় বাহিনী ও বাংলাদেশ বাহিনীর সর্বাধিনায়ক। 

পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণ:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকেলে ঢাকা রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) মিত্রবাহিনীর কাছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী নিঃশর্তভাবে আত্মসমর্পণ করে।
- তাদের এ আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে ২৬ মার্চ শুরু হওয়া মুক্তিযুদ্ধের সফল পরিসমাপ্তি ঘটে।
- ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান পূর্বাঞ্চলের কমান্ডার জেনারেল এ কে নিয়াজিকে অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধ ও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের জীবন রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
- ১৫ ডিসেম্বর ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল স্যাম মানেকশ পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে অস্ত্র সংবরণ করে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানান। 
- ১৬ ডিসেম্বর সকাল সোয়া নয়টার সময় মানেকশ ভারতের পূর্বাঞ্চল বাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ মেজর জেনারেল জে এফ আর জেকবকে আত্মসমর্পণের দলিল ও আনুষ্ঠানিকতা চূড়ান্ত করার জন্য ঢাকায় পাঠান।
- অবশেষে মুক্তিযুদ্ধের জয়ী ও পরাজিত দুই পক্ষের মধ্যে ১৬ ডিসেম্বর বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের ঐতিহাসিক দলিল স্বাক্ষরিত হয়। 
- শেষপর্যন্ত জেনারেল আবদুল্লাহ নিয়াজী ১৬ ডিসেম্বর রেসকোর্সের যে স্থানে বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন সেখানে ৯৩ হাজার সৈন্য ও অফিসারসহ আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষর করেন।

উৎস:  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণী এবং প্রথম আলো পত্রিকা।

৪৬.
জাতীয় সংবাদ সংস্থা 'বাসস' যাত্রা শুরু করে - 
  1. ১৯৭২ সালের ১ জানুয়ারি
  2. ১৯৭২ সালের ১ ডিসেম্বর
  3. ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর
  4. ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস):
- বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) দেশের জাতীয় সংবাদ সংস্থা।
- বাসস ১৯৭২ সালের ১ জানুয়ারি যাত্রা শুরু করে।
- পাকিস্তানের অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপিপি) ঢাকা ব্যুরোকে নতুন দেশের জাতীয় সংবাদ সংস্থায় রূপান্তরিত করা হয়।
- ঢাকার প্রধান কার্যালয় এবং চট্টগ্রামে একটি ব্যুরো নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও বর্তমানে বিএসএসের রাজশাহী, রংপুর, বগুড়া, খুলনা, বরিশাল, রাঙ্গামাটি এবং সিলেটেও ব্যুরো রয়েছে।
- জাতীয় সংবাদ সংস্থাটির প্রতিনিধিরা দেশের ৬৪টি প্রশাসনিক জেলায় নিয়োজিত রয়েছেন।
- সংস্থাটি প্রায় সার্বক্ষণিকভাবে জাতীয়, আন্তর্জাতিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, উন্নয়নমূলক এবং অন্যান্য খবর প্রায় ৫০টি গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেয়।
- বাসস আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা এএফপি থেকে সংবাদ সংগ্রহ করে এবং ভারতের প্রেস ট্রাস্ট (পিটিআই), পাকিস্তানের অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপিপি), চীনের সরকারি সংবাদ সংস্থা শিনহুয়া, মালয়েশিয়ার বারনামা এবং অস্ট্রেলিয়ার ট্রান্সডাটা সংস্থার সঙ্গে সংবাদ বিনিময় করে।
- ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশের বাংলা পত্রিকার সংখ্যা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে বাসস বাংলা সংবাদ পরিষেবা চালু করে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)।

৪৭.
মুক্তিযুদ্ধের সময় কোন সেক্টরটি ব্যতিক্রমধর্মী ছিল?
  1. ১০ নং
  2. ৮ নং
  3. ৬ নং
  4. ২ নং
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় ১০ নং সেক্টরটি ছিল ব্যতিক্রমধর্মী।
- নৌ-বাহিনীর অধীনে ছিল: ১০ নং সেক্টর (সকল নদী ও -বঙ্গোপসাগর)।
- ১০ নং সেক্টরে কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিল না।

অন্যদিকে -
- চট্টগ্রাম: ১নং সেক্টর,
- ঢাকা: ২ নং সেক্টর,
- রংপুর: ৬ নং সেক্টর,
- রাজশাহী: ৭ নং সেক্টর,
- মুজিবনগর: ৮ নং সেক্টর,
- সুন্দরবন: ৯ নং সেক্টর।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪৮.
কোন দেশের সহায়তায় 'তিস্তা মহাপ্রকল্প' বাস্তবায়িত হবে? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. চীন
  2. পাকিস্তান
  3. ভারত
  4. নেপাল
ব্যাখ্যা

তিস্তা প্রকল্প:
- ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে শুরু হচ্ছে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ।
- বাংলাদেশ ও চীন সরকারের যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়ন হবে এ প্রকল্প। 
- ১০ বছর মেয়াদে এ প্রকল্পে ব্যয় হবে ১২ হাজার কোটি টাকা। 
- প্রথম ৫ বছরে সেচ, ভাঙন রোধ, স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ গুরুত্ব পাবে।
- ইতোমধ্যে চীন দূতাবাসের একটি প্রতিনিধি দল তিস্তার মাঠ পর্যায়ের জরিপ করেছে।
- রিভারাইন পিপলের এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিবছর তিস্তার ভাঙন ও প্লাবনে ১ লাখ কোটি টাকার বেশি ক্ষতির মুখে পড়েন উত্তরের ৫ জেলার বাসিন্দা।

সূত্র- কালের কণ্ঠ ও প্রথম আলো পত্রিকা। 

৪৯.
জেলা প্রশাসক কার পদমর্যাদা সম্পন্ন পদ হিসেবে বিবেচিত?
  1. যুগ্ম সচিব
  2. উপসচিব
  3. অতিরিক্ত সচিব
  4. সচিব
ব্যাখ্যা

জেলা প্রশাসন: 
- জেলা প্রশাসন বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর তৃতীয় স্তর।
- প্রত্যেক বিভাগ কয়েকটি জেলায় বিভক্ত।
- বর্তমানে বাংলাদেশে ৬৪টি জেলা রয়েছে।
- জেলা প্রশাসক বা ডেপুটি কমিশনার হলেন জেলা প্রশাসনের মধ্যমণি।
- তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের একজন অভিজ্ঞ সদস্য।
- তিনি প্রশাসনের উপসচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা।
- জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কেন্দ্রের যোগসূত্র বিদ্যমান।
- বাংলাদেশ সচিবালয়ে জেলাসংক্রান্ত গৃহীত যাবতীয় সিদ্ধান্ত সরাসরি জেলা প্রশাসকের নিকট প্রেরিত হয়।
- জেলা প্রশাসক কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক জেলা প্রশাসন পরিচালনা করেন।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

৫০.
ঋণ সালিশী বোর্ড গঠন করেন কে?
  1. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. খাজা নাজিমুদ্দিন
  3. শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক
  4. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
ব্যাখ্যা

শেরে বাংলা ফজলুল হক: 
- এ.কে ফজলুল রাজনীতিবিদ ও জননেতা।
- তিনি কলকাতার মেয়র ১৯৩৫ সালে
- অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী (১৯৩৭-১৯৪৩)।
- পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ১৯৫৪ সালে।
- পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী (১৯৫৫) এবং পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নরের পদ (১৯৫৬-১৯৫৮) সহ বহু উঁচু রাজনৈতিক পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- তিনি ‘Bengal Agricultural Debtors' Act’ ১৯৩৮ কার্যকর করেন। 
- তিনি বাংলার সব এলাকায়  ঋণ সালিশি বোর্ডও স্থাপন করেছিলেন।

এছাড়াও, 
-হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর গণতন্ত্রের মানসপুত্র' বলা হয়।
- তিনি ছিলেন অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। 
- স্বাধীন পাকিস্তানের প্রথম গভর্নর জেনারেল ছিলেন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৫১.
'মধুবালা' কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. তরমুজ
  2. মরিচ
  3. তামাক
  4. টমেটো
ব্যাখ্যা

- মধুবালা' তরমুজের একটি উচ্চ ফলনশীল জাত:
- তরমুজের জাত:
- অশোক,
- সুলতানা,
- মোহিনী,
- বিশাল ইত্যাদি।

অপরদিকে,
- গমের উন্নত জাত- আনন্দ, আকবর, দোয়েল, বরকত, বলাকা, সোনালিকা, জোপাটিকা, ইনিয়া-৬৬।
- আলুর উন্নত জাত - ডায়মন্ড, সিন্দুরী, কুফরী, চমক, কার্ডিনাল।
- ভুট্টার উন্নত জাত- বর্ণালি, শুভ্র, খইভুট্টা, মোহর উত্তরণ।
- তামাকের উন্নত জাত সুমাত্রা, ম্যানিলা।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।

৫২.
বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস কী? 
  1. রেমিটেন্স
  2. বৈদেশিক ঋণ
  3. বাণিজ্য
  4. কর রাজস্ব
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসসমূহ:
- বাংলাদেশ সরকার বার্ষিক রাজস্ব ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহের জন্য যে সমস্ত উৎস থেকে সম্পদ সংগ্রহ করে তাকে সরকারের আয়ের উৎস বলে।
- যে সমস্ত বিভিন্ন উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারে মোট প্রাপ্তি সংগৃহীত হয় তা দু'ভাগে বিভক্ত, যথা-
- কর রাজস্ব এবং
- কর বহির্ভূত রাজস্ব।
- কর রাজস্ব বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস।
• বাংলাদেশ সরকারের কর রাজস্বের উৎসগুলো নিম্নরূপ:
- আয় ও মুনাফা কর,
- আমদানি শুল্ক,
- মূল্য সংযোজন কর,
- আবগারি শুল্ক,
- সম্পূরক শুল্ক:,
- যানবাহন কর,
- ভূমি রাজস্ব,

উৎস: অর্থনীতি, নবম দশম শ্রেণি।

৫৩.
একুশে পদক কোন মন্ত্রণালয় ঘোষণা করে?
  1. সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়
  2. শিক্ষা মন্ত্রণালয়
  3. তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়
  4. মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

• একুশে পদক-২০২৫:
- একুশে পদক ২০২৫এ ১৭ জন ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠান পায়।
- একুশে পদক ঘোষণা করে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় মন্ত্রণালয়।
- ক্রীড়ায় একুশে পদক পাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল।
- গবেষণায়: মঈদুল হাসান (মূলধারা ৭১ এর রচয়িতা)।
- ভাষা ও সাহিত্যে: শহীদুল জহির (মরণোত্তর) ও হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর)।
- সংস্কৃতি ও শিক্ষায়: ড. শহীদুল আলম।
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে: মেহেদী হাসান খান, রিফাত নবী, মো. তানবিন ইসলাম সিয়াম ও শাবাব মুস্তাফা।
- সাংবাদিকতায় :মাহফুজ উল্লা (মরণোত্তর) এবং
- সাংবাদিকতা ও মানবাধিকার: মাহমুদুর রহমান।
- শিল্পকলার চলচ্চিত্রে: আজিজুর রহমান।
- সংগীতে :উস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া ও ফেরদৌস আরা, 
- আলোকচিত্রে: নাসির আলী মামুন।
-  চিত্রকলায়: রোকেয়া সুলতানা।
- শিক্ষায়: ড. নিয়াজ জামান।
- সমাজসেবায় :মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরি।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

৫৪.
নিম্নের কোন দেশ 'অপারেশন বুনিয়ান-উন-মারসুস' অভিযান পরিচলনা করেছে?
  1. ইরান 
  2. ইসরায়েল 
  3. ইয়েমেন 
  4. পাকিস্তান 
ব্যাখ্যা

অপারেশন বুনিয়ান-উন-মারসুস:
- পাকিস্তান ভারতের উপর 'অপারেশন বুনিয়ান-উন-মারসুস' অভিযান পরিচলনা করেছে। 

⇒ ৭ মে, ২০২৫ ভারত ‘অপারেশন সিঁদুর’ নামে পাকিস্তানে একটি সামরিক হামলা চালায়।
- ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর জবাবে, ১০ মে পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধে ‘বুনইয়ান-উন-মারসুস’ নামে একটি পাল্টা সামরিক অভিযান শুরু করে।
- এই অভিযানের নামটি পবিত্র কোরআনের একটি আয়াত থেকে নেওয়া হয়েছে, যার অর্থ-‘গলিত সিসা দিয়ে গড়া এক প্রাচীর’। এটি মুসলিমদের ঐক্য, শক্তি ও অটুট প্রতিজ্ঞার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।
- এ অভিযানে উত্তর ভারতের একটি ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণাগারসহ একাধিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
- এই স্থাপনাগুলোর মধ্যে পাঠানকোট বিমান ঘাঁটি, উধামপুর বিমান ঘাঁটি, গুজরাট বিমান ঘাঁটি, রাজস্থান বিমান ঘাঁটি এবং ভারতের সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্রাহ্মো‌সের একটি মজুতস্থান উল্লেখযোগ্য।
- পাল্টা এ হামলায় ফাতাহ-১ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী।
- এছাড়া ভারতের পাঞ্জাবের আদমপুর বিমান ঘাঁটিতে মোতায়েন করা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এস-৪০০ সিস্টেমও ক্ষেপণাস্ত্র চালিয়ে ধ্বংস করেছে পাকিস্তানের বিমান বাহিনী।
- এই হামলায় ব্যবহার করা হয়েছে পাকিস্তানের বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমান জেএফ-১৭।

⇒ পাকিস্তান- ভারত যুদ্ধ-২০২৫:
- ২২ এপ্রিল ভারত–নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পেহেলগামে বন্দুকধারীদের হামলায় ২৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার পর ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক বেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পাকিস্তান–সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’ (টিআরএফ) ওই হামলার দায় স্বীকার করেছিল।
- এই হামলার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করে ৭ মে, ২০২৫ “অপারেশন সিঁদুর” নামে একটি সামরিক অভিযান শুরু করে ভারত।
- ভারতের অভিযানে পাকিস্তান ও পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরের অন্তত ৯টি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়।
- এতে পাকিস্তানভিত্তিক সন্ত্রাসী সংগঠন জইশ-ই-মোহাম্মদ ও লস্কর-ই-তৈয়বার প্রায় ১০০ সদস্য নিহত হয়েছে বলে ভারতের দাবি।
 
উৎস: i) BBC. 
ii) The Guardian.

৫৫.
ইন্দোনেশিয়ার বর্তমান প্রেসিডেন্ট কে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. প্রাবোও সুবিয়ান্তো
  2. জোকো উইদাদো
  3. জেনারেল বিরান্তো
  4. জেনারেল হাবিবি
ব্যাখ্যা

ইন্দোনেশিয়া:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- দেশটি অস্ট্রেলিয়ার উত্তরে এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মূল ভূখ- থেকে প্রশান্ত মহাসাগর ও ভারত মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত।
- বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যার দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- স্থল সীমান্ত রয়েছে মালয়েশিয়া, বোর্নিও, পাপুয়া নিউগিনি ও পূর্ব তিমুর এবং সরু প্রণালী দ্বারা আলাদা হয়েছে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও ফিলিপাইনের সঙ্গে।
- রাজধানী: জাকার্তা।
- মুদ্রা: ইন্দোনেশীয় রুপিয়া।
- ইন্দোনেশিয়ার প্রধান দ্বীপ হলো: সুমাত্রা, জাভা, বোর্নিও, সুলাওয়েসি, পাপুয়া নিউ গিনি।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: প্রাবোও সুবিয়ান্তো।

উল্লেখ্য,
- ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপ্রধান একইসঙ্গে নির্বাহী প্রধান।
- প্রাবোও সুবিয়ান্তো  ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয় লাভ করে প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। 

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.

৫৬.
নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপ- ২০২৫ কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
  1. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  2. পাকিস্তান 
  3. অস্ট্রেলিয়া 
  4. শ্রীলঙ্কা
ব্যাখ্যা

নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপ-২০২৫: 
- সময়: ৩০ সেপ্টেম্বর — ২ নভেম্বর, ২০২৫।
- আয়োজনকারী দেশ: ভারত ও শ্রীলঙ্কা।
- অংশগ্রহণকারী দল: ৮টি (ভারত, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, পাকিস্তান)।

উৎস: ICC ওয়েবসাইট। 

৫৭.
কোন চুক্তির মধ্য দিয়ে  তুরস্কে অটোমান সাম্রাজ্য বিলুপ্ত হয়?
  1.  লুজান চুক্তি
  2. ভার্সাই চুক্তি
  3. ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি
  4. রোম চুক্তি
ব্যাখ্যা

লুজান চুক্তি (Treaty of Lausanne):
- ১৯২৩ সালে ঐতিহাসিক লুজান চুক্তির মধ্য দিয়ে তুরস্কে অটোমান সাম্রাজ্য বিলুপ্ত হয়।

⇒ লুজান চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৯২৩ সালের ২৪ জুলাই সুইজারল্যান্ডের লুজান শহরে।
- লুজান চুক্তি স্বাক্ষরকারী: এক পক্ষে তুরস্ক এবং অন্য পক্ষে ছিল ব্রিটেন, ফ্রান্স, ইতালি, গ্রীস ও তাদের মিত্ররা।
- এই চুক্তির মাধ্যমে ওসমানীয় সাম্রাজ্যের আনুষ্ঠানিক বিলুপ্তি ঘটে এবং আধুনিক তুরস্ক রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- মূলত, প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯২০ সালে তুরস্কের উপর অন্যায্যভাবে আরোপিত সেভ্রেস চুক্তির পরিবর্তেই লুজান চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

উল্লেখ্য,
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অটোমান সাম্রাজ্যের পরাজয়ের পর মিত্রশক্তি (ব্রিটেন, ফ্রান্স, ইতালি, গ্রিস, জাপান, রোমানিয়া, যুগোস্লাভিয়া) ১৯২০ সালে সেভ্রেস চুক্তির মাধ্যমে অটোমান ভূখণ্ডের ব্যাপক বিভাজনের পরিকল্পনা করে।
- এই চুক্তি অটোমান সাম্রাজ্যকে সঙ্কুচিত করে এবং কুর্দিস্তানের স্বায়ত্তশাসন, আর্মেনিয়ার জন্য ভূখণ্ড এবং গ্রিস, ফ্রান্স, ব্রিটেনের দখলে বিভিন্ন অঞ্চল হস্তান্তরের শর্ত আরোপ করে।
- তবে, মুস্তফা কামাল আতাতুর্কের নেতৃত্বে তুর্কি জাতীয় আন্দোলন এই চুক্তি প্রত্যাখ্যান করে এবং ১৯১৯-১৯২২ সালে তুর্কি স্বাধীনতা যুদ্ধের মাধ্যমে মিত্রশক্তির বিরুদ্ধে বিজয় অর্জন করে।
- এর ফলে সেভ্রেস চুক্তি বাতিল হয় এবং লুজানে নতুন আলোচনার পথ তৈরি হয়।
- ১৯২২ সালের ২০ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া লুজান সম্মেলনে সাত মাস ধরে আলোচনার পর ১৯২৩ সালের ২৪ জুলাই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।

উৎস: Britannica.

৫৮.
প্রথম জলবায়ু সম্মেলন (COP-1) কোথায় গৃহীত হয়েছিল?
  1. বেলেম ডো প্যারা, ব্রাজিল
  2. বার্লিন, জার্মানি
  3. স্টকহোম, সুইডেন
  4. কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা

কপ সম্মেলন (Cop Conference):
- COP-এর পূর্ণরূপ: Conference of the Parties.
- জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় ১৫৪টি দেশ ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়।
- এখানে আলোচনা করা হয় কিভাবে ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে আনার উপায় অর্জন করা উচিত এবং কী অগ্রগতি হয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করা।

⇒ প্রথম জলবায়ু সম্মেলন (কপ-১):
- প্রথম কপ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৯৫ সালে জার্মানির বার্লিন শহরে।
- ১৯৯৫ সালের ২ মার্চ - ৭ এপ্রিল জার্মানির বার্লিনে প্রথম কপ-১ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- ওই সম্মেলনে বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় যৌথ উদ্যোগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালের নভেম্বরে আজারবাইজানের বাকুতে ২৯তম জলবায়ু সম্মেলন (COP-29) অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- কপ- ৩০ (COP-30) সম্মেলন ২০২৫ সালের নভেম্বরে ব্রাজিলের বেলেম ডো প্যারাকে অনুষ্ঠিত হবে।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

৫৯.
'হো চি মিন' কোন দেশের বিপ্লবী নেতা ছিলেন?
  1. চীন 
  2. যুগোস্লাভিয়া
  3. ভিয়েতনাম
  4. কম্বোডিয়া
ব্যাখ্যা

হো চি মিন:
- হো চি মিন ভিয়েতনামের কমিউনিস্ট বিপ্লবী নেতা ছিলেন।

⇒ তিনি একজন বিপ্লবী নেতা কমিউনিস্ট। 
- তিনি ভিয়েতনামের গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপতির পদে আসীন ছিলেন। 
- ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় তিনি আমৃত্যু ভিয়েত কং–এর নেতৃত্ব দান করেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এ বাহিনী জাপান ও ফরাসী সেনাদলের বিরুদ্ধে লড়াই করে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের পরাজয়ের পর হো চি মিন ভিয়েতমানকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করেন।
- তিনি নিজে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- ১৯৪১ সালের পরবর্তী সময়ে তার নেতৃত্বেই স্বাধীনতা সংগ্রাম বজায় থাকে।
- ১৯৪৫ সালে কমিউনিস্ট শাসিত ভিয়েতনামের গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র সরকার প্রতিষ্ঠা হয়। 

উৎস: Britannica.

৬০.
কত সালে গণহত্যা সনদ (Genocide Convention) স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৪৭ সালে
  2. ১৯৪৮ সালে 
  3. ১৯৪৯ সালে 
  4. ১৯৫০ সালে
ব্যাখ্যা

গণহত্যা সনদ (Genocide Convention) ১৯৪৮ সালের ৯ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত হয় এবং এই সনদটি ১৯৫১ সালের ১২ জানুয়ারী কার্যকর হয়। 

গণহত্যা সনদ (Genocide Convention):
- গণহত্যা সনদ (Genocide Convention) হল একটি আন্তর্জাতিক আইন।
- এই সনদেই প্রথমবারের মতো গণহত্যার (জেনোসাইড) অপরাধকে আইনগতভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়।
- পূর্ণ নাম: Convention on the Prevention and Punishment of the Crime of Genocide.
- স্বাক্ষরিত হয়: ৯ ডিসেম্বর, ১৯৪৮।
- কার্যকর হয়: ১২ জানুয়ারি, ১৯৫১।
- উদ্দেশ্য: গণহত্যার প্রতিরোধ করা ও গণহত্যার অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করা।

⇒ ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সনদটি চূড়ান্ত করা হয়।
- সনদে প্রদত্ত সংজ্ঞা অনুযায়ী, ‘জাতিগত, নৃগোষ্ঠী, বর্ণ বা ধর্মীয় গোষ্ঠীকে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ধ্বংস’ করার উদ্দেশ্যে সংঘটিত অপরাধই গণহত্যা। এই সনদ অনুযায়ী, গণহত্যা যুদ্ধকালীন বা শান্তিকালীন সময়েও সংঘটিত হতে পারে। তবে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড বা তথাকথিত ‘সাংস্কৃতিক গণহত্যা’ এই সনদের অন্তর্ভুক্ত নয়।

উৎস: i) International Committee of the Red Cross (ICRC) ওয়েবসাইট।
ii) UNTC ওয়েবসাইট।

৬১.
বর্তমানে বিশ্বের সর্বোচ্চ কার্বন নিঃসরণকারী দেশ কোনটি?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ভারত 
  3. চীন 
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা

সর্বোচ্চ পরিমাণ কার্বন নিঃসরণকারী দেশ:
- জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য প্রধানত দায়ী কার্বন ডাই–অক্সাইড নিঃসরণ। বিশ্বের শিল্পোন্নত দেশগুলো সবচেয়ে বেশি কার্বন নিঃসরণ করে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান ‘ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ’ ২০২৩ সালের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেশভিত্তিক কার্বন নিঃসরণের একটি তালিকা তৈরি করেছে।
- সর্বশেষ প্রকাশ: জুলাই, ২০২৫। 
- প্রতিবেদন অনুযায়ী কার্বন নিঃসরণে শীর্ষ দেশ চীন।

⇒ তালিকা অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি কার্বন নিঃসরণকারী দেশ:
১. চীন, 
২. যুক্তরাষ্ট্র, 
৩. ভারত, 
৪. রাশিয়া, 
৫. জাপান।

উৎস: i) World Population Review.
ii) IEA - International Energy Agency. 

৬২.
জাতিসংঘ সনদের কত নং অনুচ্ছেদে আক্রমণের ক্ষেত্রে সদস্য রাষ্ট্রের একক ও যৌথ আত্মরক্ষার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে?
  1. ২৫ নং 
  2. ৩৯ নং 
  3. ৪৬ নং
  4. ৫১ নং
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ সনদের ৫১ নং অনুচ্ছেদে আক্রমণের ক্ষেত্রে সদস্য রাষ্ট্রের একক ও যৌথ আত্মরক্ষার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।

জাতিসংঘ সনদ (UN Charter):
- জাতিসংঘ সনদের রচয়িতা: আর্চিবাল্ড ম্যাকলিশ (Archibald Macleish)।
- সনদে মোট ১১১টি অনুচ্ছেদ ও ১৯টি অধ্যায় রয়েছে।

⇒ অনুচ্ছেদ ৫১: জাতিসংঘের কোনো সদস্যের ওপর কোনো আক্রমণ ঘটলে যতক্ষণ পর্যন্ত না আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা অক্ষুণ্ণ রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাদি নিরাপত্তা পরিষদ গ্রহণ করছে ততক্ষণ সেই রাষ্ট্রের একক সহজাত অধিকার বা যৌথ আত্মরক্ষার অধিকার সম্বন্ধে বর্তমান সনদের কোনো অংশই অন্তরায় হবে না।
- আত্মরক্ষার এই অধিকার কার্যকর করার জন্য সদস্যগণ কর্তৃক অবলম্বিত ব্যবস্থাদি সঙ্গে সঙ্গেই নিরাপত্তা পরিষদের কাছে পেশ করতে হবে এবং এর ফলে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা সংরক্ষণ বা পুনরুদ্ধারের জন্য এই সনদ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় বিধিব্যবস্থা গ্রহণে নিরাপত্তা পরিষদের কর্তৃত্ব ও দায়িত্ব কোনো মতেই বাধাগ্রস্ত হবে না।

অন্যদিকে,
- ধারা ২৫: বর্তমান সনদ অনুযায়ী জাতিসংঘের সদস্যরা নিরাপত্তা পরিষদে গৃহীত সিদ্ধান্ত মেনে চলতে এবং তা কার্যকর করতে সম্মত হচ্ছে।
- অনুচ্ছেদ ৩৯: শান্তির প্রতি কোনো হুমকি রয়েছে কি না, শান্তিভঙ্গ হয়েছে কি না, অথবা কোনো আক্রমণাত্মক কার্য ঘটেছে কি না, নিরাপত্তা পরিষদ তা নির্ধারণ করবে এবং আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা অক্ষুণ্ণ রাখা বা পুনরুদ্ধার করার জন্য সুপারিশাদি করবে, অথবা ধারা ৪১ ও ৪২ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কর্মপন্থা সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেবে।
- ধারা ৪৬: সামরিক বাহিনী নিয়োগ-সম্পর্কিত পরিকল্পনাদি সামরিক স্টাফ কমিটির সহায়তায় নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক প্রণীত হবে।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৬৩.
কোন স্থানে রোনাল্ড রিগ্যান ও মিখাইল গর্বাচেভ অস্ত্র সীমিতকরণ ‘নক্ষত্র যুদ্ধ’ বিষয়ে আলোচনায় বসেন?
  1. ওয়াশিংটন 
  2. মস্কো 
  3. রিকজাভিক
  4. জেনেভা 
ব্যাখ্যা

তারকা যুদ্ধ:
- Strategic Defense Initiative এর প্রস্তাবক ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান।
- রোনাল্ড রিগ্যান ১৯৮৩ সালের ২৩ মার্চ ভূমি ও মহাকাশে পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা হাতে নেন যা SDI (Strategic Defense Initiative) নামে পরিচিত।
- একে সমালোচকরা নক্ষত্র যুদ্ধ (Star War) এর পরিকল্পনা হিসেবেও অভিহিত করেন।
- এই পরিকল্পনার লক্ষ্য ছিল, পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে মহাকাশে বা পৃথিবীতে ধ্বংস করার মাধ্যমে পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে রক্ষা করা।
- তাই, একে সমালোচকরা 'নক্ষত্র যুদ্ধ' (Star Wars) হিসেবেও অভিহিত করেন।

তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান ও সোভিয়েত নেতা মিখাইল গর্বাচেভ ১৯৮৬ সালের অক্টোবর মাসে আইসল্যান্ডের রাজধানী রিকজাভিকে (Reykjavík) এক শীর্ষ বৈঠকে বসেছিলেন।
- এটি ইতিহাসে “Reykjavik Summit” নামে পরিচিত।
- এই বৈঠকটি ইতিহাসে “Reykjavik Summit” নামে পরিচিত।
- এই বৈঠকে তারা পরমাণু অস্ত্র সীমিতকরণ এবং যুক্তরাষ্ট্রের “Strategic Defense Initiative (SDI)” বা ‘তারকাযুদ্ধ’ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন।

উলেখ্য, 
- বৈঠকে আনুষ্ঠানিক কোনো চুক্তি সম্পন্ন হয়নি কারণ রোনাল্ড রিগ্যান SDI বা ‘তারকাযুদ্ধ’ প্রকল্প পরিত্যাগ করতে রাজি হননি।
- তবে, এর সরাসরি ফলশ্রুতিতে ১৯৮৭ সালে INF Treaty (Intermediate-Range Nuclear Forces Treaty) স্বাক্ষরিত হয় যা ইউরোপ থেকে মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র সরিয়ে নেওয়ার ঐতিহাসিক পদক্ষেপ।

উৎস: Britannica.

৬৪.
Shanghai Cooperation Organisation (SCO)-এর সদস্য দেশ কয়টি? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ৬টি 
  2. ৮টি 
  3. ১০টি 
  4. ১১টি 
ব্যাখ্যা

Shanghai Cooperation Organisation (SCO):
- সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা (SCO) হলো একটি ইউরেশীয় রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সংস্থা।
- এর মূল লক্ষ্য আঞ্চলিক নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।
- গঠিত হয়: ১৫ জুন, ২০০১ সাল।
- সদরদপ্তর: বেইজিং, চীন।
- প্রতিষ্ঠিত সদস্য দেশ: ৬টি (চীন, রাশিয়া, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, তাজিকিস্তান এবং উজবেকিস্তান)।
- বর্তমান সদস্য দেশ: ১০টি (রাশিয়া, চীন, ভারত, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, পাকিস্তান, তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান, ইরান, বেলারুশ)।
- সর্বশেষ সদস্য: বেলারুশ।
- বর্তমান মহাসচিব: Nurlan Yermekbayev।
- ২টি পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র: আফগানিস্তান, মঙ্গোলিয়া।

উলেখ্য,
- ২০২৫ সালের Shanghai Cooperation Organisation (SCO)-এর ২৫তম শীর্ষ সম্মেলন চীনের তিয়ানজিন শহরে ৩১ আগস্ট -১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- এটি SCO-এর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সম্মেলন ছিল। 
- সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং।

উৎস: Shanghai Cooperation Organisation ওয়েবসাইট।

৬৫.
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  2. বন, জার্মানি
  3. নাইরোবি, কেনিয়া 
  4. নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা:
- বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা বা WMO- এর পূর্ণরূপ: World Meteorological Organization.
- এটি জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা।
- বৈশ্বিক আবহাওয়া ও জলবায়ুর নিয়ন্ত্রণকারী উপাদান নিয়ে কাজ করে।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ২৩ মার্চ, ১৯৫০।
- জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে: ১৭ মার্চ, ১৯৫১।
- এর বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি। 
- এর সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- সভাপতি: আব্দুল্লাহ আহমেদ আল মান্দৌস (Abdulla Al Mandous)।

⇒ WMO - এর কাজ:
- আবহাওয়ার পূর্বাভাস প্রদানের জন্য r।
- জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা সম্পর্কিত কার্যক্রম।
- নিরাপদ পানি সরবরাহ সংক্রান্ত কার্যক্রম।

উৎস: WMO ওয়েবসাইট।

৬৬.
আল আকসা মসজিদে অগ্নিসংযোগকে কেন্দ্র করে কোন সংগঠনটি গঠিত হয়েছে?
  1. Arab League
  2. OIC 
  3. OPEC
  4. PLO
ব্যাখ্যা

আল আকসা মসজিদে অগ্নিসংযোগের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা (OIC) গঠিত হয়েছিল।

OIC:
- OIC-এর পূর্ণরূপ: The Organisation of Islamic Cooperation.
- এটি একটি ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা।
- এটি মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট।
- গঠিত হয়: ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯, মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে।
- প্রথম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়: রাবাত, মরক্কো (১৯৬৯ সালে)।
- ১৯৭২ সালে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে ওআইসি।

⇒ প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ২৪টি।
- বর্তমান সদস্য: ৫৭টি।
- সদরদপ্তর: জেদ্দা, সৌদি আরব।
- বর্তমান মহাসচিব: ইব্রাহিম তাহা।
- এর অফিসিয়াল ভাষা: আরবি, ইংরেজি এবং ফরাসি।
- এতে পর্যবেক্ষক হিসেবে ওআইসির সঙ্গে যুক্ত আছে পাঁচটি দেশ (রাশিযা, বসনিযা, থাইল্যান্ড, সিএআর ও তুর্কি সাইপ্রাস) এবং সাতটি সংগঠন ও সংস্থা।

⇒ ১৯৬৯ সালের ২১ আগস্ট জেরুজালেমের পবিত্র মসজিদুল আকসায় অগ্নিসংযোগ করে ইসরায়েল।
- সমগ্র মুসলিম বিশ্বে প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে এ সময় ১৪টি আরব দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা মিসরের রাজধানী কায়রোতে এক বৈঠকে মিলিত হন। 
- ওই বছরের ২২-২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোর রাবাতে ২৫টি মুসলিম বিশ্বের রাষ্ট্রপ্রধানদের নিয়ে এক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- সম্মেলনে সব রাষ্ট্রের প্রতিনিধির সিদ্ধান্তে ২৫ সেপ্টেম্বর ওআইসি গঠন করা হয়।
- মূলত আল-আকসা মসজিদে ইসরায়েলের অগ্নিকান্ডের প্রেক্ষিতে ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর ওআইসি গঠন করা হয়।
- ২০১১ সালের ২৮ জুন ইসলামী সম্মেলন সংস্থার নাম পরিবর্তন করে ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা (Organization of Islamic Co-operation) রাখা হয়।

অন্যদিকে,
- তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষা, তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান ও আন্তর্জাতিক কোম্পানির একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ ভাঙার প্রয়াসই ছিল OPEC গঠনের মূল প্রেক্ষাপট।
- আরব ঐক্য প্রতিষ্ঠা, উপনিবেশবাদ বিরোধিতা ও ফিলিস্তিন ইস্যু সমাধান—এই ছিল আরব লীগ গঠনের প্রধান প্রেক্ষাপট।
- ইসরায়েলের দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের মুক্তি সংগ্রাম ও স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে PLO গঠিত হয়।

উৎস: i) OIC ওয়েবসাইট।
ii) Anadolu Ajansı.

৬৭.
বক্তা যার সম্পর্কে কিছু বলে, তাকে বুঝাতে যে সর্বনাম ব্যবহার করে, তা হলো—
  1. উত্তম পুরুষ
  2. মধ্যম পুরুষ
  3. নাম পুরুষ
  4. কর্তা পুরুষ
ব্যাখ্যা

• পুরুষ তিন প্রকার। যেমন:
- উত্তম পুরুষ,
- মধ্যম পুরুষ,
- নাম পুরুষ।

• উত্তম পুরুষ:
ক্রিয়ার কর্তা নিজেকে বুঝাতে যে সর্বনাম ব্যবহার করে, তাকে উত্তম পুরুষ বলে।
যেমন: আমি, আমরা ইত্যাদি।

• মধ্যম পুরুষ:
বক্তা যার সাথে কথা বলে তাকে বুঝাতে যে সর্বনাম ব্যবহার করে, তাকে মধ্যম পুরুষ বলে।
যেমন: তুমি, তােমরা, আপনি ইত্যাদি।

• নাম পুরুষ:
বক্তা যার সম্পর্কে কিছু বলে তাকে বুঝাতে যে সর্বনাম ব্যবহার করে, তাকে নাম পুরুষ বলে।
যেমন: সে, তারা, ওরা, করিম, এটা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

৬৮.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শিলাইদহ পর্বের রচনা— 
  1. সোনার তরী
  2. চৈতালি
  3. ক এবং খ উভয়ই 
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শিলাইদহ পর্বের রচনা — 'সোনার তরী'; চৈতালি।
------------------
• বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রবীন্দ্রনাথের ভ্রমণ ও সাহিত্য:

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জমিদারি তদারকি উপলক্ষে বাংলাদেশের নানা অঞ্চলে ভ্রমণ করেছেন। বিশেষত শাহজাদপুর, পতিসর, কালিগ্রাম ও শিলাইদহে তিনি দীর্ঘ সময় কাটান। এই ভ্রমণকালেই তিনি প্রকৃতি ও গ্রামীণ জীবনের সঙ্গে নিবিড়ভাবে মিশে যান। শিলাইদহে তাঁর অবস্থানকালে পদ্মানদী, বালুচর, কাশবন, সূর্যোদয়-সূর্যাস্ত, দরিদ্র মানুষের জীবনযাত্রা ইত্যাদি গভীরভাবে তাঁকে আলোড়িত করে। এগুলোই তাঁর গল্প, কবিতা ও চিঠিপত্রে প্রাণবন্ত রূপে ফুটে ওঠে। ভ্রাতুষ্পুত্রী ইন্দিরা দেবীকে লেখা চিঠিগুলি পরবর্তীতে ছিন্নপত্র ও ছিন্নপত্রাবলী নামে সংকলিত হয়, যা রবীন্দ্র-সাহিত্যে বিশেষ সমাদৃত।

 শিলাইদহ পর্বে রচিত কাব্যগ্রন্থ:
• সোনার তরী;
• চিত্রা;
• চৈতালি;
• কল্পনা;
• ক্ষণিকা;
• কথা ও কাহিনী।
 
এ পর্বের কবিতার বৈশিষ্ট্য:
• প্রকৃতির সৌন্দর্য, গ্রামীণ জীবনের বাস্তবচিত্র ও সৌন্দর্যবোধ।
• বর্তমান জীবন ও প্রাচীন ভারতীয় ঐতিহ্যের মিলন।
• সমকালীন সমাজ ও ইতিহাসের মহৎ আত্মত্যাগের চিত্রায়ণ।
-----------------
• 'সোনার তরী' কাব্যগ্রন্থ:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সোনার তরী' কাব্যগ্রন্থটি ১৮৯৪ সালে প্রকাশিত হয়।
- সোনার তরী' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সোনার তরী' কাব্যগ্রন্থের নাম-কবিতা।
- ' এ কবিতায় নিবিড়ভাবে মিশে আছে কবির জীবন দর্শন।
- সোনার তরী 'মাত্রাবৃত্ত' ছন্দে রচিত। এর অধিকাংশ পঙক্তি ৮+৫ মাত্রার পূর্ণপর্বে বিন্যস্ত।

• 'চৈতালি' কাব্যগ্রন্থ:
 - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কাব্যগ্রন্থ - চৈতালি।
- এটি ১৮৯৭ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই গ্রন্থের কবিতাগুলো ছোট এবং সরল, এবং শিলাইদহের প্রকৃতি ও গ্রামীণ জীবনের প্রতিচ্ছবি এতে ফুটে উঠেছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৬৯.
সেলিম আল দীন রচিত কোন নাটকটি ডাকসু মঞ্চে প্রথম মঞ্চস্থ হয় এবং সেইসাথে নাট্য প্রতিযোগিতায় প্রথম পুরস্কার অর্জন করে?
  1. কিত্তনখোলা
  2. এক্সপ্লোসিভ ও মূল সমস্যা
  3. জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন
  4. হরগজ
ব্যাখ্যা

• সেলিম আল দীন রচিত ‘জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন’ নাটকটি ডাকসু মঞ্চে প্রথম মঞ্চস্থ হয়।
-----------------------------------
জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন’ নাটক:

‘জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন’ একটি নাটক, যা সেলিম আল দীন রচনা করেছেন। ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দে নাটকটি ডাকসু মঞ্চে প্রথম মঞ্চস্থ হয় এবং সেইসাথে নাট্য প্রতিযোগিতায় প্রথম পুরস্কার অর্জন করে। নাটকটি প্রকাশ করে সেলিম আল দীনের নাট্যরচনার প্রতিভা সমাজের সামনে উন্মোচিত হয়।
 -------------
সেলিম আল দীনের সংক্ষিপ্ত জীবনী:
জন্ম: ১৮ নভেম্বর ১৯৪৮, নোয়াখালির সোনাগাজি উপজেলার সেনেরখিল গ্রামে।
প্রাথমিক পরিচয়: কবি হিসেবে খ্যাত।
নাট্যরচনার প্রসার: ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দে তাঁর নাটক 'নীল শয়তান, তাহিতি' টেলিভিশন ও বেতারে প্রচারিত হলে নাট্যরচনার কথা সমাজে পরিচিত হয়।
নাটক: ‘জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন’ প্রথম মঞ্চস্থ নাটক ও প্রতিযোগিতায় পুরস্কারপ্রাপ্ত।

সেলিম আল দীন রচিত নাট্যগ্রন্থ:
- সর্প বিষয়ক গল্প ও অন্যান্য,
- বাসন,
- কেরামতমঙ্গল,
- কিত্তনখোলা,
- হাতহদাই,
- শকুন্তলা,
- মুনতাসীর ফ্যান্টাসি,
- জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন,
- চাকা,
- যৈবতী কন্যার মন,
- হরগজ,
- নিমজ্জন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলাপিডিয়া।

৭০.
'কোর্মা' — কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ?
  1. ফারসি 
  2. তুর্কি
  3. আরবি
  4. উর্দু
ব্যাখ্যা

• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
- 'কোর্মা' শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে আগত। 



• 'কোর্মা' শব্দের অর্থ:
- তুর্কি পদ্ধতিতে দই-সহযোগে অল্প মসলায় রাঁধা মাছ মাংস প্রভৃতি। 

• তুর্কি ভাষার আরো কয়েকটি শব্দ:
- বাবা,
- কোর্মা,
- খাতুন,
- উজবুক
- চাকু,
- তোপ,
- বাবুর্চি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

৭১.
কোন বর্ণের ধ্বনির আগে 'ন' — 'ণ' হয়?
  1. ক - বর্গীয়
  2. ত - বর্গীয়
  3. চ - বর্গীয়
  4. ট - বর্গীয়
ব্যাখ্যা

• ‘ণ’ ব্যবহারের নিয়ম:
বাংলা ব্যাকরণের ধারা অনুযায়ী তৎসম শব্দে ‘ণ’ ব্যবহারের কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম আছে। নিচে তা বিশ্লেষণসহ দেওয়া হলো:

• ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে:
- তৎসম শব্দে সব সময় ‘ণ’ ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ: ঘণ্টা, কাণ্ড, মণ্ডল ইত্যাদি

• ঋ, র, ষ - এর পরে 'ণ' হয়।
যেমন: ঋণ, তৃণ, বর্ণ, বর্ণনা, কারণ, মরণ, ব্যাকরণ, ভীষণ, ভাষণ, উষ্ণ ইত্যাদি।

• ঋ, র, ষ- এর পরে স্বরধ্বনি (ষ, য়, ব, হ, ং এবং ক-বর্গীয় ও প-বর্গীয়) ধ্বনি থাকলে তার পরবর্তী ‘ন’ মূর্ধন্য ‘ণ’ হয়। যেমন: কৃপণ, হরিণ, অর্পণ, লক্ষণ, রুক্মিণী, ব্রাহ্মণ ইত্যাদি।

• কতকগুলো শব্দে স্বভাবতই ‘ণ’ হয়। যেমন: চাণক্য, মাণিক্য, গণ, বাণিজ্য, লবণ, মণ, বেণু, বীণা, কঙ্কণ, কণিকা, স্থাণু, ফণী, পিণাক, কফণি, বণিক, চিক্কণ, তূণ, ভণিতা, আপণ, বিপণি, লবণ্য ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

৭২.
“অহিনকুল” কোন সমাসের উদাহরণ?
  1. সমার্থক দ্বন্দ্ব সমাস
  2. বিরোধার্থক দ্বন্দ্ব সমাস
  3. অলুক দ্বন্দ্ব সমাস
  4. বিপরীতার্থক দ্বন্দ্ব সমাস
ব্যাখ্যা

• দ্বন্দ্ব সমাস:
যে সমাসে প্রতেকটি সমস্যমান পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে।
 - বিরোধার্থক শব্দযোগে গঠিত দ্বন্দ্ব সমাস হলো:
• অহি - নকুল,
• দা - কুমড়া,
• স্বর্গ - নরক ইত্যাদি।

বিরোধার্থক দ্বন্দ্ব সমাস:
যে দ্বন্দ্ব সমাসে পরপদটি পূর্বপদের বৈরী অর্থ বা ভাব প্রকাশ করে, তাকে বিরোধার্থক দ্বন্দ্ব সমাস বলে।
যেমন-
• অহি ও নকুল = অহি-নকুল;
• দা ও কুমড়া = দা-কুমড়া।

----------------------
অন্যদিকে,
সমার্থক দ্বন্দ্ব:
একই জাতীয় বস্তুর সংযোগে যে দ্বন্দ্ব সমাস হয়, তাকে সমার্থক দ্বন্দ্ব সমাস বলে।
যেমন—
• হাট ও বাজার= হাট-বাজার;
• বই ও পুস্তক = বই-পুস্তক।

মিলনার্থক দ্বন্দ্ব সমাস: 
- যে দ্বন্দ্ব সমাসে একত্র বা মিলন বা সম্পর্ক বোঝায় তাকে মিলনার্থক দ্বন্দ্ব সমাস বলে।
যেমন—
ছেলে ও মেয়ে = ছেলে-মেয়ে;
পিতা ও পুত্র = পিতা-পুত্র;
মাছ ও ভাত = মাছ-ভাত;
ভাই ও বোন = ভাই-বোন।

বিপরীতার্থক দ্বন্দ্ব সমাস:
যে দ্বন্দ্ব সমাসে পরপদটি পূর্বপদের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে, তাকে বিপরীতার্থক দ্বন্দ্ব সমাস বলে।
যেমন—
• জমা – খরচ,
• আয় – ব্যয়,
• ছোট – বড়,
• লাভ – লোকসান ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম - দশম শ্রেণি, ২০১৯ সংস্করণ।

৭৩.
দীনবন্ধু মিত্রের পিতৃদত্ত নাম কী ছিলো?
  1. নীলকান্ত মিত্র
  2. নবীন তপস্বী
  3. গন্ধর্বনারায়ণ
  4. নীললোহিত
ব্যাখ্যা

সাহিত্যিক পরিচিত:
দীনবন্ধু মিত্র ছিলেন একজন প্রখ্যাত — নাট্যকার। তিনি জন্মগ্রহণ করেন — ১৮৩০ সালে — পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার চৌবেড়িয়া গ্রামে। তাঁর পিতৃদত্ত নাম ছিলো — গন্ধর্বনারায়ণ। দারিদ্র্যের মধ্যেও তিনি সাহিত্যচর্চায় মন দেন। কলেজজীবনে তিনি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সংস্পর্শে আসেন এবং তাঁর অনুপ্রেরণায় কবিতা লেখা শুরু করেন। প্রথম দিকে তাঁর কবিতা প্রকাশিত হয় — সংবাদ প্রভাকর, সংবাদ সাধুরঞ্জন পত্রিকায়। তবে তিনি সর্বাধিক খ্যাতি অর্জন করেন নাটক ও প্রহসন রচনার মাধ্যমে।

দীনবন্ধু মিত্র সম্পর্কিত কিছু গুরুতপূর্ণ তথ্য:
তিনি কলেজে পড়ার সময়ই ঈশ্বর গুপ্তের সংস্পর্শে গিয়ে সংবাদ প্রভাকর, সাধুরঞ্জন প্রভৃতি পত্রিকায় কবিতা লিখতে শুরু করেন।
• শ্রেষ্ঠ নাটক: নীল-দর্পণ।
• তাঁর কাব্যগ্রন্থ- দ্বাদশ কবিতা ও সুরধুনী কাব্য।
• বিয়ে পাগলা বুড়ো ও জামাই বারিক দুটি প্রহসন।

উল্লেখযোগ্য নাটকসমূহ:
- নবীন তপস্বিনী;
- লীলাবতী;
- নীলদর্পণ;
- কমলে কামিনী।

দীনবন্ধু মিত্রের কাব্যগ্রন্থ -
- দ্বাদশ কবিতা ও
- সুরধুনী কাব্য।

দীনবন্ধু মিত্র রচিত প্রহসন:
- সধবার একাদশী,
- বিয়ে পাগলা বুড়ো ও
- জামাই বারিক।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া; ব্রিটানিকা।

৭৪.
‘যত চাও তত লও তরণী পরে।’— এখানে ‘যত-তত’ হলো—
  1. নির্দেশক সর্বনাম 
  2. সাপেক্ষ সর্বনাম
  3. পারস্পরিক সর্বনাম
  4. অনির্দিষ্ট সর্বনাম 
ব্যাখ্যা

• 'যত চাও তত লও তরণী পরে' - এই বাক্যে 'যত-তত' হলো — সাপেক্ষ সর্বনাম।
-----------------
• সাপেক্ষ সর্বনাম:
- পরস্পর নির্ভরশীল দুটি সর্বনামকে সাপেক্ষ সর্বনাম বলে।

যেমন:
- যারা-তারা, যে-সে, যেমন-তেমন (যেমন কর্ম তেমন ফল) ইত্যাদি।

অন্যান্য অপশন ক্ষেত্রে:
• (ক) নির্দেশক সর্বনাম:
যে সর্বনাম নৈকট্য বা দূরত্ব নির্দেশ করে, তাকে নির্দেশক সর্বনাম  বলে।
যেমন -
নিকট নির্দেশক: এ, এই, এরা, ইনি।
দূর নির্দেশক: ও, ওই, ওরা, উনি।

(গ) পারস্পরিক সর্বনাম:
দুই পক্ষের সহযােগিতা বা নির্ভরতা বোঝাতে পারস্পরিক সর্বনাম ব্যবহৃত হয়।
যেমন – পরস্পর, নিজেরা নিজেরা (যাবতীয় দ্বন্দ্ব নিজেরা নিজেরা মিটমাট করে) ইত্যাদি।

(ঘ) অনির্দিষ্ট সর্বনাম: 
- অনির্দিষ্ট বা পরিচয়হীন কিছু বােঝাতে যে সর্বনাম ব্যবহৃত হয়, তাকে অনির্দিষ্ট সর্বনাম বলে।
যেমন:
- কেউ, কোথাও, কিছু, একজন (একজন এসে খবরটা দেয়) ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।

৭৫.
‘অদ্ভুত আঁধার এক’ — উপন্যাসটির লেখক কে?
  1. সেলিনা হোসেন
  2. শামসুর রাহমান
  3. জীবনানন্দ দাশ
  4. আলাউদ্দিন আল আজাদ
ব্যাখ্যা

• ‘অদ্ভুত আঁধার এক’ — শামসুর রাহমান রচিত একটি উপন্যাস।
- উপন্যাসটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ‘অদ্ভুত আঁধার এক এসেছে এ পৃথিবীতে আজ’ জীবনানন্দ দাশ রচিত একটি কবিতা।

-------------------
• শামসুর রাহমান:
শামসুর রাহমান ছিলেন বিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি, সাংবাদিক ও সাহিত্যিক। তিনি ১৯২৯ সালের ২৩ অক্টোবর পুরান ঢাকার মাহুতটুলীতে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬০ সালে তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ “প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে” প্রকাশের মাধ্যমে কবিতায় তাঁর আসন দৃঢ় হয়।

• তাঁর অত্যন্ত জনপ্রিয় কবিতা ‘স্বাধীনতা তুমি’ ও ‘তোমাকে পাওয়ার জন্য, হে স্বাধীনতা’।
• যুদ্ধকালীন লেখা কবিতাগুচ্ছ মুক্তিযুদ্ধ শেষে ‘বন্দী শিবির থেকে’ নামে কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়।

• শামসুর রাহমান রচিত উপন্যাস:
- অদ্ভুত আঁধার এক,
- অক্টোপাস,
- নিয়ত মন্তাজ,
- এলো সে অবেলায়।

• শামসুর রাহমান রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে,
- প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে,
- রৌদ্র করোটিতে,
- বিধ্বস্ত নীলিমা,
- নিরালোকে দিব্যরথ,
- নিজ বাসভূমে,
- বন্দী শিবির থেকে,
- ফিরিয়ে নাও ঘাতক কাঁটা,
- আমি অনাহারী,
- প্রতিদিন ঘরহীন ঘরে,
- উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ,
- বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়,
- হরিণের হাড়,
- তুমি নিঃশ্বাস তুমি হৃদস্পন্দন ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।

৭৬.
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের পণ্ডিত ছিলেন না কে?
  1. রামরাম বসু
  2. গোকলনাথ শর্মা
  3. তারিণীচরণ মিত্র
  4. চণ্ডীচরণ মুন্‌শী
ব্যাখ্যা

ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ:
- লর্ড ওয়েলেসলী ১৮০০ সালে কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়ম কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৮০১ সালের মে মাসে উইলিয়াম কেরী ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক নিযুক্ত হন।
- পরবর্তীতে ১৮০৫ সালের মধ্যে কলেজে মোট ১২টি অনুষদ খোলা হয়।
- ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিতদের মধ্যে মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার সবচেয়ে বেশি গ্রন্থ রচনা করেন।

ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিতগণ হলেন:
- উইলিয়াম কেরী,
- রামরাম বসু,
- গোলকনাথ শর্মা,
- মৃত্যুঞ্জয়‌ বিদ্যালঙ্কার,
- তারিণীচরণ মিত্র,
- রাজীবলােচন,
- চণ্ডীচরণ মুনশী,
- হরপ্রসাদ রায় ইত্যাদি।

প্রশ্নের অপশনগুলোর মধ্যে, গোকলনাথ শর্মা - ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিত ছিলেন না। এখানে, 'গোকলনাথ' - নামের বানানটি ভুল। সঠিক নামের বানান হবে - গোলকনাথ শর্মা।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।

৭৭.
রোসাঙ্গের অধিপতি শ্রীসুধর্মার প্রধান আমাত্য আশরফ খানের আদেশে দৌলত কাজী কোন কাব্যটি রচনা করেছিলেন?
  1. লাইলী-মজনু
  2. সতীময়না ও লোরচন্দ্রানী
  3. সয়ফুলমুলুক-বদিউজ্জামাল
  4. মধুমালতী
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর — খ) সতীময়না ও লোরচন্দ্রানী।
--------------

'সতীময়না ও লোরচন্দ্রানী' কাব্য:
• সতের শতকের কবি দৌলত কাজী ‘সতীময়না ও লোরচন্দ্রানী’ কাব্য রচনা করেন।
• রোসাঙ্গের অধিপতি শ্রীসুধর্মার প্রধান আমাত্য আশরফ খানের আদেশে দৌলত কাজী এ কাব্য রচনা আরম্ভ করেন কিন্তু শেষ করার আগেই তিনি মারা যান।
• পরে উজির সোলায়মানের আদেশে ১৬৫৯ খ্রিষ্টাব্দে কবি আলাওল কাব্যের শেষাংশ রচনা করেন।

• 'সতীময়না ও লোরচন্দ্রানী' কাব্যের কাহিনি সংক্ষেপ:
রাজা লোর আর রূপসী রানি ময়নাবতীর সুখের সংসার। বনবিহারে গিয়ে লোর এক যোগীর কাছে অপরূপা চন্দ্রানীর সংবাদ পায়। চন্দ্রানীর সাথে লোরের সাক্ষাত হয়। এবং চন্দ্রানীর স্বমীর সাথে লোরের যুদ্ধে হলে, যুদ্ধে চন্দ্রানীর স্বামী মারা যায়। পরবর্তীতে গোহারী রাজ্যের রাজা চন্দ্রানীর পিতা লোরকে গ্রহণ করে এবং পৌত্রলাভের আশায় তাদের বিয়ে দেন। লোর ময়নার কথা ভুলে চন্দ্রানীকে নিয়ে সংসার করে। লোর-চন্দ্রানীর এক পুত্র হয় এভাবে দিন যায়। ময়নাবতী স্বামীর বিরহেও সতীত্ব অক্ষুণ্ন রাখে এবং ১৪ বছর পর এক সুখপাখি ময়নাবতীর কথা লোরকে বর্ণনা করলে পুত্রের হাতে রাজত্ব দিয়ে লোর-চন্দ্রানীকে নিয়ে ময়নাবতীর কাছে যায় এবং লোর তাঁর দুই স্ত্রী নিয়ে জীবনযাপন করে বৃদ্ধ হয়।

দৌলত কাজী:
- তিনি আনুমানিক ১৬০০ থেকে ১৬৩৮ খ্রিষ্টাব্দে সুলতানপুর গ্রাম, রাউজান, চট্টগ্রাম জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি মূলত মধ্যযুগের বিশিষ্ট কবি ছিলেন। তিনি বাংলা, সংস্কৃত, হিন্দি ও ব্রজবুলি ভাষায় জ্ঞানের অধিকারী ছিলেন।
- তাঁর রচিত কাব্যের নাম 'সতীময়না ও লোরচন্দ্রাণী'। এই গ্রন্থের মূল হিন্দি কবি সাধনের 'মৈনাসৎ' নামক কাব্য ।
---------------

অন্যান্য অপশন':
ক) লাইলী-মজনু কাব্যের রচয়িতা - দৌলত উজির বাহরাম খাঁ।
গ) সয়ফুলমুলুক-বদিউজ্জামাল: আলাওল রচিত কাব্য।
ঘ) মধুমালতী: মুহম্মদ কবীর হিন্দি কবি মনঝনের মধুমালত্ বা সাধনের মৈনাসত্ কাব্যের অনুসরণে তাঁর বাংলা ‘মধুমালতী’ কাব্য রচনা করেন। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৭৮.
"হাতে খড়ি" বলতে কী বোঝায়?
  1. অবিলম্বে
  2. বিদ্যারম্ভ
  3. শেষ সম্বল
  4. উপার্জন শুরু
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর - খ) বিদ্যারম্ভ।
--------------------
'হাত' শব্দের রীতিসিদ্ধ প্রয়োগ-
• হাতের পাঁচ (শেষ সম্বল): এ টাকা কটিই ছিল আমার হাতের পাঁচ।
• হাতে হাতে (অবিলম্বে): হাতে হাতে এ কাজের ফল পাবেন।
• হাতে খড়ি (বিদ্যারম্ভ): এ মাসেই খোকার হাতে খড়ি হবে।
• হাতে কলমে (স্বহস্তে, কার্যকর ভাবে): হাতে-কলমে শিক্ষা কেতাবি শিক্ষার চেয়ে দীর্ঘস্থায়ী।

• বিশেষ্য শব্দের প্রয়োগভেদে অর্থের পার্থক্য হয়। বাক্য ভেদে 'হাত' শব্দটি বিভিন্ন অর্থ প্রয়োগ করে।
যেমন:

• হাত আসা (দক্ষতা অর্থে)- কাজ করতে করতেই কাজে হাত আসবে।
• হাত গুটান (কার্যে বিরতি অর্থে)-হাত গুটিয়ে বসে আছ কেন?
• হাত করা (আয়ত্তে আনা অর্থে)- সাহেবকে হাত করতে পারলেই কাজ হবে।
• হাত ছাড়া (হস্তচ্যুত অর্থে)- টাকাগুলো হাত ছাড়া করো না।
• হাত থাকা (প্রভাব অর্থে)- এ ব্যাপারে আমার কোনো হাত নেই।

দ্রষ্টব্য: বাগ্‌ধারা গঠনে বিভিন্ন পদের ব্যবহারকে রীতিসিদ্ধ প্রয়োগও বলে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।

৭৯.
"আবুবকর উস্‌মান উমর আলি হায়দর
দাঁড়ি যে এ তরণীর, নাই ওরে নাই ডর!"
- উল্লিখিত কবিতাংশটুকু কোন কবির কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে?
  1. কাজেম আল কোরায়শী
  2. ফররুখ আহমদ
  3. কাজী নজরুল ইসলাম
  4. আল মাহমুদ
ব্যাখ্যা

"আবুবকর উস্‌মান উমর আলি হায়দর
দাঁড়ি যে এ তরণীর, নাই ওরে নাই ডর!"
- উল্লিখিত কবিতাংশটুকু — কাজী নজরুল ইসলামের — খেয়া পারের তরণী- কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।

খেয়া পারের তরণী- কবিতা,
- কাজী নজরুল ইসলাম।

যাত্রীরা রাত্তিরে হতে এল খেয়া পার,
বজ্রেরি তূর্যে এ গর্জেছে কে আবার?
প্রলয়েরি আহ্বান ধ্বনিল কে বিষাণে!
ঝন্‌ঝা ও ঘন দেয়া স্বনিল রে ঈশানে!

আবুবকর উস্‌মান উমর আলি হায়দর
দাঁড়ি যে এ তরণীর, নাই ওরে নাই ডর!
কাণ্ডারী এ তরীর পাকা মাঝি মাল্লা,
দাঁড়ি-মুখে সারি-গান –লা-শরিক আল্লাহ!

‘শাফায়ত’-পাল-বাঁধা তরণীর মাস্তুল,
‘জান্নাত্’ হতে ফেলে হুরি রাশ্ রাশ্ ফুল।
--------------
• খেয়া পারের তরণী:
- এটি অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত একটি কবিতা।

• কাজী নজরুল ইসলাম:
- বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।
- ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- নজরুলের ডাক নাম ছিল ‘দুখু মিয়া’।
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’।
- কাজী নজরুল ইসলাম আধুনিক বাংলা গানের জগতে ‘বুলবুল’ নামে খ্যাত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; খেয়া পারের তরণী- কবিতা।

৮০.
'অগ্নি' এর প্রতিশব্দ কোনটি?
  1. শর্বর
  2. অংশু
  3. ভাস্কর
  4. কৃশানু
ব্যাখ্যা

• ‘অগ্নি’ এর প্রতিশব্দ:
- অনল,
- পাবক,
- আগুন,
- বিশ্বপা,
- সর্বভুক,
- পাবক,
- কৃশানু,
- জগন্নু প্রভৃতি।

অন্যদিকে,
• অন্ধকার এর প্রতিশব্দ: আঁধার, আঁধারি, তিমির, তমিস্র, তম, শর্বর, নভাক প্রভৃতি।
• আলো এর সমার্থক শব্দ - প্রভা, জ্যোতি, আভা, ভাতি, অংশু,জেল্লা, জৌলুস।
• ‘সূর্য’ শব্দের প্রতিশব্দ: রবি, তপন, ভানু, ভাস্কর, আদিত্য, সবিতা, প্রভাকর, দিবাকর, বিভাবসু, দিনমণি, মার্তণ্ড, অংশুমালী, অরুণ।

উৎস: ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।

৮১.
কোনটি নির্ভুল?
  1. দুর্দশাগ্রস্থ 
  2. দূর্দশাগ্রস্ত
  3. দুর্দশাগ্রস্ত 
  4. দূর্দশাগ্রস্থ
ব্যাখ্যা

• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'দুর্দশাগ্রস্ত' - বানানটি শুদ্ধ।



উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

৮২.
নিচের কোনটি মহাপ্রাণ ধ্বনির উদাহরণ?
ব্যাখ্যা

• 'হ' - মহাপ্রাণ ধ্বনি।

অন্যদিকে,
• স, ত, ড - অল্পপ্রাণ ধ্বনি।

• মহাপ্রাণ ধ্বনি: 
যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাস জোরে বের হয়ে যায়, বাতাসের চাপ বেশি থাকে তাকে মহাপ্রাণ ধ্বনি বলে।
- বর্গের ২য় ও ৪র্থ ধ্বনি হচ্ছে মহাপ্রাণ ধ্বনি।
যথা:
- (খ, ঘ), (ছ, ঝ), (ঠ, ঢ), (থ, ধ), (ফ, ভ) এবং 'হ' ইত্যাদি। 

• অল্পপ্রাণ ধ্বনি:
সেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ফুসফুস থেকে নির্গত বায়ুপ্রবাহের মাত্রা অপেক্ষাকৃত কম, সেগুলোকে বলা হয় অল্পপ্রাণ ধ্বনি।
যেমন - প, ব, ত, দ, স, ট, ড, ড়, চ, জ, শ, ক, গ ইত্যাদি।

উৎস : বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী (২০১৯ সংস্করণ)।

৮৩.
'সুকৃত' এর বিপরীত শব্দ কোনটি?
  1. বিরক্ত
  2. অনুরক্ত
  3. দুষ্কৃত
  4. বিরত
ব্যাখ্যা

• 'সুকৃত' এর বিপরীত শব্দ — দুষ্কৃত।

উল্লেখ্য,
'সুকৃত' শব্দের অর্থ: ভালো কাজ; পুণ্যকর্ম।
'দুষ্কৃত' শব্দের অর্থ: খারাপ কাজ; পাপকর্ম।

অন্যদিকে,
'অনুরক্ত' এর বিপরীত শব্দ - বিরক্ত।
'নিয়ত' এর বিপরীত শব্দ - বিরত।

আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিপরীত শব্দ: 
- 'গ্রহণ' - বর্জন।
- 'ঢালু' - সমান। 
- 'ঐহিক' - পারত্রিক।
- 'ইচ্ছুক' - অনিচ্ছুক।
- 'প্রত্যয়' - সংশয়। 
- 'ভদ্র' - অভদ্র। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

৮৪.
নিচের কোনটি প্রবন্ধের বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. ব্যক্তিগত উচ্ছ্বাসের সুযোগ রয়েছে। 
  2. তথ্য ও যুক্তির প্রয়োগ আছে।
  3. বক্তব্য সংক্ষিপ্ত ও সুনির্দিষ্ট।
  4. গঠনভঙ্গির ঐক্য রয়েছে।
ব্যাখ্যা

প্রবন্ধ: সংজ্ঞা ও বৈশিষ্ট্য
সংজ্ঞা:
• কল্পনা ও বুদ্ধিবৃত্তির ওপর ভিত্তি করে লেখক কোনো বিষয় সম্বন্ধে সচেতনভাবে যে নাতিদীর্ঘ সাহিত্য সৃষ্টি করেন তাকেই প্রবন্ধ বলে।
• ‘প্রবন্ধ’ শব্দটি এসেছে সংস্কৃত ভাষা থেকে। এর উৎপত্তিগত অর্থ হলো প্রকৃষ্ট বন্ধন।

বৈশিষ্ট্য:
ব্যক্তিগত উচ্ছ্বাসহীনতা: প্রবন্ধে লেখকের ব্যক্তিগত উচ্ছ্বাস ও লাগামহীন চিন্তার সুযোগ নেই।
• উচ্চারণ, ভাব ও ভাষা—এই তিনটি প্রবন্ধের প্রাণ।
• প্রতিটি প্রবন্ধে একটি প্রতিপাদ্য বিষয় থাকে।
তথ্য ও যুক্তি: যথার্থ তথ্য-প্রমাণ, যুক্তি, নিরাবেগ ভাষা ও সংযত চিন্তার প্রয়োগে সেই বিষয়কে উপস্থাপন করা হয়।
ভাবের সমতা: শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রবন্ধে ভাবের সমতা বজায় রাখতে হয়।
 
সংক্ষিপ্ত বক্তব্য: প্রবন্ধের বক্তব্য সংক্ষিপ্ত ও সুনির্দিষ্ট হওয়া উচিত, যাতে অপ্রয়োজনীয় বিস্তার পরিহার করা যায়।
গঠনভঙ্গির ঐক্য: প্রবন্ধের কাঠামো সুসংগঠিত ও সুবিন্যস্ত হওয়া প্রয়োজন, যেখানে ভূমিকা, মূল আলোচনা ও উপসংহারের মধ্যে একটি সুস্পষ্ট সম্পর্ক থাকে।
• চিন্তার স্বচ্ছতা: লেখকের চিন্তাধারা প্রবন্ধে সুস্পষ্ট ও সহজবোধ্যভাবে উপস্থাপিত হওয়া উচিত, যাতে পাঠক সহজেই বিষয়টি অনুধাবন করতে পারে।
• বক্তব্যের যথাযথ বিন্যাস: প্রবন্ধের বিষয়বস্তু ও যুক্তিগুলি একটি সুনির্দিষ্ট ও যৌক্তিক ধারায় বিন্যস্ত হওয়া প্রয়োজন, যাতে রচনার ধারাবাহিকতা ও আকর্ষণ বজায় থাকে।

অর্থ্যাৎ, 
"ব্যক্তিগত উচ্ছ্বাসের সুযোগ রয়েছে।" - প্রবন্ধের বৈশিষ্ট্য নয়।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৫.
‘সোনালী কাবিন’ কাব্যগ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয় কখন?
  1. ১৯৬৫ সালে 
  2. ১৯৭৩ সালে 
  3. ১৯৮০ সালে 
  4. ১৯৫২ সালে 
ব্যাখ্যা

• 'সোনালী কাবিন' কাব্যগ্রন্থ:
‘সোনালী কাবিন’ হলো আল মাহমুদ রচিত একটি ক্ষুদ্র কাব্যগ্রন্থ, যা — ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থে বিভিন্ন শিরোনামের কবিতার সঙ্গে ‘সোনালী কাবিন’ নামে চৌদ্দটি সনেট অন্তর্ভুক্ত, যা একটি দীর্ঘ কবিতার রূপে পাঠকের সামনে আসে। এটি আল মাহমুদের প্রকাশিত শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত।

--------------------
• আল মাহমুদ:
- তিনি ১৯৩৬ সালের ১১ই জুলাই — ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মোড়াইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম — মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ।
- স্বাধীনতা উত্তরকালে তিনি — 'দৈনিক গণকন্ঠ' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
- তাঁর প্রকাশিত শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ — 'সোনালী কাবিন' (১৯৭৩)।

আল মাহমুদ রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- লোক লোকান্তর,
- কালের কলস,
- সোনালী কাবিন,
- পাখির কাছে ফুলের কাছে,
- অদৃষ্টবাদীদের রান্নাবান্না ইত্যাদি ।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- ডাহুকী,
- উপমহাদেশ,
- আগুনের মেয়ে,
- চেহারার চতুরঙ্গ,
- কাবিলের বোন ইত্যাদি।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- পানকৌড়ির রক্ত,
- সৌরভের কাছে পরাজিত,
- গন্ধবণিক,
- ময়ূরীর মুখ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৮৬.
‘যা বলা হয়নি এমন’ এর বাক্য সংকোচন কী?
  1. অনুক্ত
  2. অনাহুত
  3. অনাহত
  4. অধীত
ব্যাখ্যা

• ’যা বলা হয় নি এমন’ বাক্য সংকোচন - অনুক্ত।

অন্যদিকে,
• ‘যা আহুত (ডাকা) হয় নি’ এর এক কথায় প্রকাশ - অনাহুত।
• ‘যা আঘাত পায় নি’ এর এক কথায় প্রকাশ - অনাহত।
• ‘যা অধ্যয়ন করা হয়েছে এমন’ এক কথায় প্রকাশ - অধীত।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু এক কথায় প্রকাশ: 
• ‘যা প্রকাশ করা হয় নি’ - অব্যক্ত। 
• ‘যা পূর্বে ছিল এখন নেই এমন’ - ভূতপূর্ব।
• ‘যার উপস্থিত বুদ্ধি আছে’ - প্রত্যুৎপন্নমতি ৷
• ‘যার কোন কিছু থেকেই ভয় নেই’ - অকুতোভয় ৷
• ‘কথায় প্রকাশ করার অযোগ্য’ - অবক্তব্য।
• ’যা পূর্বে শোনা যায় নি এমন’ - অশ্রুতপূর্ব।
• ‘যা কখনো নষ্ট হয় না এমন’ - অবিনশ্বর।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৮৭.
নিচের কোনটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ছোটগল্প?
  1. সমাপ্তি
  2. বিলাসী
  3. বিড়াল
  4. ফুলের বিবাহ
ব্যাখ্যা

• 'বিলাসী' ছোটগল্প:
- এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত — ছোটগল্প।
- গল্পে অস্পৃশ্যতার বিরুদ্ধাচারণ করা হয়েছে মৃত্যুঞ্জয়-বিলাসীর বিয়ে সংঘটনের মাধ্যমে।
- বিলাসী গল্পে 'ন্যাড়া' চরিত্রের মধ্যে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর নিজের ছায়াপাত ঘটেছে।

• বিলাসী গল্পের মূলভাব (সংক্ষিপ্ত):
‘বিলাসী’ গল্প ভারতীয় বাঙালি সমাজের পিছিয়ে থাকা এবং কুসংস্কারাচ্ছন্নতার চিত্র তুলে ধরে। বিংশ শতাব্দীতেও প্রগতি, সুশিক্ষা বা সামাজিক জাগরণের অভাবকে গল্পটি প্রদর্শন করেছে। সমাজে জাতিভেদ, অন্নপাপের প্রাধান্য এবং অজ্ঞতা থাকলেও অন্য দেশে তখন জাতীয় জাগরণ ও শ্রমিক শ্রেণির উজ্জীবনের সূচনা হয়েছে। মূল চরিত্রের মাধ্যমে গ্রামের মোড়ল বা প্রভাবশালীদের মূর্খতা এবং পরিবর্তনহীনতার ছবি ফুটে ওঠেছে।

-----------------
• শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ছোটগল্প:

- মহেশ,
- বিলাসী,
- সতী,
- মামলার ফল ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত অন্যান্য গল্প:
- রামের সুমতি,
- মেজদিদি,
- বিন্দুর ছেলে,
- ছবি ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
• সমাপ্তি - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ছোটগল্প।
• বিড়াল; ফুলের বিবাহ - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত গল্প।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৮৮.
'পুতুলনাচের ইতিকথা' উপন্যাসে 'পুতুল' কিসের প্রতীক?
  1. রাজনীতি
  2. দারিদ্র্য
  3. চারিত্রিক দুর্বলতা ও নিয়ন্ত্রণহীনতা
  4. ভালোবাসা
ব্যাখ্যা

• 'পুতুল নাচের ইতিকথা' উপন্যাস:
‘পুতুল নাচের ইতিকথা’ হলো মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস। লেখক নিজে বলেছেন, "সাহিত্যিকেরও বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি থাকা প্রয়োজন।" এই উপন্যাসে সেই বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি লক্ষ্য করা যায়।

এখানে, ‘পুতুল’ বলতে বোঝানো হয়েছে সেইসব মানুষকে যারা চারিত্রিক দৃঢ়তা দেখাতে পারে না এবং অন্যের অল্প প্রভাবেই পরিচালিত হয়। উপন্যাসে ডাক্তার শশী কুসুমকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “শরীর! শরীর! তোমার মন নাই, কুসুম?”, যা চরিত্রগুলোর মানসিক ও সামাজিক বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে।

উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- শশী,
- কুসুম,
- গোপাল,
- সেনদিদি,
- যাদব পণ্ডিত ইত্যাদি।

-----------------------------
• মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়:
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ১৯০৮ সালের ২৯ মে জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈতৃক নিবাস ঢাকা জেলার বিক্রমপুরের নিকট মালবদিয়া গ্রামে। প্রকৃত নাম প্রবোধকুমার, ‘মানিক’ ছিল তাঁর ডাকনাম। তিনি ত্রিশোত্তর বাংলা কথাসাহিত্যের একজন শক্তিমান লেখক ছিলেন।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- জননী,
- দিবারাত্রির কাব্য,
- পদ্মানদীর মাঝি,
- পুতুলনাচের ইতিকথা,
- শহরতলী,
- চিহ্ন,
- চতুষ্কোণ,
- সার্বজনীন,
- আরোগ্য ইত্যাদি।

ছোটগল্প:
- অতসী মামী ও অন্যান্য গল্প,
- প্রাগৈতিহাসিক,
- সরীসৃপ,
- সমুদ্রের স্বাদ,
- হলুদ পোড়া,
- আজ কাল পরশুর গল্প,
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ গল্প,
- ফেরিওয়ালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৮৯.
"চারি > চাইর" — কোন ধরনের ধ্বনি পরিবর্তন ঘটেছে?
  1. আদি স্বরাগম
  2. অসমীকরণ
  3. মধ্য স্বরাগম
  4. অপিনিহিতি
ব্যাখ্যা

• অপিনিহিতি: 
পরের ই-কার আগে উচ্চারিত হলে কিংবা যুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির আগে ই-কার বা উ-কার উচ্চারিত হলে তাকে অপিনিহিতি বলে।
যেমন: 
- সত্য  > সইত্য,
- আজি > আইজ,
- চারি > চাইর,
- সাধু > সাউধ,
- বাক্য > বাইক্য ইত্যাদি।

অন্যদিকে,

আদি স্বরাগম:
উচ্চারণের সুবিধার জন্য শব্দের আদিতে স্বরধ্বনি এলে তাকে আদি স্বরাগম বলে।
যেমন:
- স্কুল > ইস্কুল,
- স্টেশন > ইস্টিশন,
- স্পর্ধা > আস্পর্ধা ইত্যাদি।

অসমীকরণ:
একই স্বরধ্বনির পুনরাবৃত্তি দূর করার জন্য মাঝখানে যখন স্বরধ্বনি যুক্ত হয় তখন তাকে বলে অসমীকরণ।
যেমন:
- টপ + টপ >টপাটপ,
- ধপ + ধপ > ধপাধপ,
- ফট + ফট > ফটাফট ইত্যাদি।

• মধ্য স্বরাগম, বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি:
সময় সময় উচ্চারণের সুবিধার জন্য সংযুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির মাঝখানে স্বরধ্বনি আসে। একে বলা হয় মধ্য স্বরাগম বা বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি।
যেমন -
অ – রত্ন > রতন; ধর্ম > ধরম; স্বপ্ন > স্বপন; হর্ষ > হরষ; বস্‌তি > বসতি ইত্যাদি।

উৎস:
১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৯০.
'দুশ্চরিত্র' — শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. দু + চরিত্র
  2. দুশ্চ + রিত্র
  3. দুঃ + চরিত্র
  4. দুশ্‌ + চরিত্র
ব্যাখ্যা

• 'দুশ্চরিত্র' — শব্দটির এর সন্ধি বিচ্ছেদ — 'দুঃ + চরিত্র'। 

• 'দুশ্চরিত্র'-এর সন্ধি বিচ্ছেদ এর নিয়ম:
আগে বিসর্গ ও পরে চ্ বা ছ্ থাকলে বিসর্গ স্থানে শ্ হয়। শ্ পরের বর্ণে যুক্ত হয়।
যেমন:
- দুঃ + চরিত্র = দুশ্চরিত্র,  
- নিঃ + চয় = নিশ্চয়,
- নিঃ + চল = নিশ্চল,
- দুঃ + চিন্তা = দুশ্চিন্তা,
- দুঃ + চেষ্টা = দুশ্চেষ্টা,
- নভঃ + চর = নভশ্চর,
- মনঃ + চক্ষু = মনশ্চক্ষু,
- শিরঃ + ছেদ = শিরশ্ছেদ। 

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ। 

৯১.
‘একুশের গল্প’ — কে লিখেছেন?
  1. শওকত ওসমান
  2. জহির রায়হান
  3. মুনীর চৌধুরী
  4. হাসান হাফিজুর রহমান 
ব্যাখ্যা

‘একুশের গল্প’ (জহির রায়হান):
• জহির রায়হানের অন্যতম বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম — ‘একুশের গল্প’। ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রচিত এই গল্পটি ১৯৫২ সালের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটকে ফুটিয়ে তোলে।

• গল্পের প্রধান চরিত্র — তপু, রেণু ও রাহাত। এক উদ্দাম, প্রাণবন্ত তরুণ ভাষা শহিদ হয়; কিন্তু পুলিশ তাঁর লাশ গুম করে ফেলে। পরবর্তীতে তাঁর কঙ্কাল মেডিক্যাল কলেজে পড়ুয়া এক বন্ধু আবিষ্কার করে। এই গল্পটি জহির রায়হান রচনাবলি (২য় খণ্ড) থেকে নেওয়া হয়েছে।

এ গল্পের উল্লেখযোগ্য কিছু সংলাপ:
• “এ পথের যদি শেষ না হতো কোনোদিন; অনন্তকাল ধরে এমনি চলতে পারতাম আমরা।”
• “ওই যে লোকটা বলছিল সে বার্নাডশ হবে, পরশু রাতে মারা গেছে।”
• “পলকহীন চোখজোড়া দিয়ে অশ্রুর ফোয়ারা নেমেছিলো তার।”

• জহির রায়হান রচিত অন্যান্য গল্পগুলো হলো:
- সোনার হরিণ;
- সময়ের প্রয়োজনে;
- একটি জিজ্ঞাসা;
- হারানো বলয়;
- বাঁধ;
- সূর্যগ্রহণ;
- নয়া পত্তন;
- মহামৃত্যু;
- ভাঙাচোরা;
- অপরাধ;
- স্বীকৃতি;
- অতি পরিচিত;
- ইচ্ছা অনিচ্ছা;
- জনন্মান্তর;

উৎস: বাংলাপিডিয়া; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলা সাহিত্যপাঠ ও ‘গল্প সমগ্র’ জহির রায়হান।

৯২.
প্রতিষ্ঠাকালে 'সংবাদ প্রভাকর' - কোন ধরনের পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হয়েছিলো?
  1. দৈনিক
  2. অর্ধ-সাপ্তাহিক
  3. সাপ্তাহিক
  4. ত্রৈমাসিক
ব্যাখ্যা

• সংবাদ প্রভাকর:
- 'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত। তিনি ১৮৩১ সালে সংবাদ প্রভাকর (সাপ্তাহিক) পত্রিকা প্রতিষ্ঠা করেন। কিছুদিনের মধ্যেই বন্ধ হয়ে যায় কিন্তু ১৮৩৬ সালে পুনর্বার ছাপা হয়।

প্রথম দৈনিক পত্রিকা: 
- ১৮৩৯ সালে সংবাদ প্রভাকর বাংলা ভাষার প্রথম দৈনিক পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হয়।
 
পত্রিকাটি সম্পর্কে বিশেষ তথ্য:
- ১৮৩৯ সালে বাংলা ভাষায় প্রথম দৈনিক পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হয়। সংবাদ প্রকাশের পাশাপাশি এই পত্রিকায় সাহিত্যচর্চাও হতো।
- 'বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়', 'দীনবন্ধু মিত্রের' প্রাথমিক রচনাগুলোও সংবাদ প্রভাকরেই প্রথম প্রকাশিত হতো।
- ঈশ্বরচন্দ্র সংবাদ প্রভাকর ছাড়াও সংবাদ রত্নাবলী, পাষন্ডপীড়ন ও সংবাদ সাধুরঞ্জন পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৯৩.
জসীম উদ্‌দীনের কোন কবিতাটি ‘রাখালী’ গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত?
  1. পল্লী-বর্ষা
  2. নিমন্ত্রণ
  3. কবর
  4. বালুচর
ব্যাখ্যা

• 'রাখালী' কাব্যগ্রন্থ:
- জসীম উদ্‌দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ এটি।
- এই কাব্যে ১৯টি কবিতা আছে।
- বিখ্যাত 'কবর' কবিতাটি এই কাব্যের অন্তর্গত।
- এই কাব্যের প্রথম কবিতা হচ্ছে 'রাখালী'।

অন্যদিকে, 
-----------------
• 'ধানখেত' কাব্যগ্রন্থ:
- রচয়িতা: জসীম উদ্‌দীন।
- কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯২৭ খ্রিষ্টাব্দে।
- পল্লী-বর্ষা; 'নিমন্ত্রণ; বালুচর কবিতাগুলো — 'ধানখেত' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। 

-------------------
জসীম উদ্‌দীন রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ-

- বালুচর,
- রূপবতী,
- রাখালী,
- নকশী কাঁথার মাঠ,
- ধানখেত,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৯৪.
"ধামাধরা লোকজন সব সময় বসের পাশে থাকে" — বাক্যটি কোন ধরনের আচরণকে নির্দেশ করে?
  1. নির্লিপ্ততা
  2. কদরহীন লোক
  3. যথেচ্ছাচারী
  4. তোষামোদকারী
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর — ঘ) তোষামোদকারী।

উল্লখ্য,
'ধামাধরা' বাগধারাটির অর্থ = তোষামোদকারী/ যে ব্যক্তি অন্যের প্রশংসা করে নিজের স্বার্থ হাসিল করে।

বাক্যের বিশ্লেষণ:
 • "ধামাধরা লোকজন সব সময় বসের পাশে থাকে" - এখানে বোঝানো হচ্ছে যে তোষামোদকারী লোকেরা সবসময় ক্ষমতাবান ব্যক্তির (বস) কাছাকাছি থাকে তাদের খুশি রাখার জন্য এবং নিজেদের সুবিধা আদায়ের জন্য।

অন্যান্য অপশনগুলো:
নির্লিপ্ততা অর্থ- উদাসীনতা।
কদরহীন লোক অর্থ- যার মূল্য নেই।
যথেচ্ছাচারী অর্থ- ইচ্ছামতো আচরণকারী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

৯৫.
If you had told me the truth, ________.
  1. I would have trusted you
  2. I would trusted you
  3. I would trust you
  4. I have trusted you
ব্যাখ্যা

• 3rd Conditional এর নিয়মানুযায়ী,
- If clause- এ যদি (had + V3) হয়, তবে পরবর্তী clause a would/could/might + have + V3 + extension ব্যবহৃত হয়।
- Conditional sentence এ Had + Sub + V3 + Extension এভাবে কোন sentence শুরু হলে সেটি Perfect conditional / 3rd conditional হয়।

• তাই নিয়মানুযায়ী, শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে -  I would have trusted you.

Complete Sentence: If you had told me the truth, I would have trusted you.

Other options,
খ) I would trusted you
→ এখানে “would” এর পরে verb-এর base form (trust) আসা উচিত, কিন্তু “trusted” দেওয়া হয়েছে, তাছাড়া এটি 3rd Conditional তাই সঠিক উত্তর - I would have trusted you.
→ তাই এটি grammatical mistake.

গ) I would trust you
→ এটি 2nd conditional (If + Past Simple, would + base verb) এর গঠন।
→ কিন্তু আমাদের বাক্যটি Past Perfect (had told) দিয়ে শুরু হয়েছে, তাই এখানে “would trust” বসবে না। এটি 3rd Conditional তাই সঠিক উত্তর - I would have trusted you.

ঘ) I have trusted you
→ এটি Present Perfect tense।
→ কিন্তু শর্তমূলক অতীত ঘটনার সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।

৯৬.
Identify the correct sentence.
  1. The equipment is in such poor condition that we have no alternative to buy new ones.
  2. The equipment is in such poor condition that we have no alternative but to buy new ones.
  3. The equipment is in such poor condition that we have any alternative except to buy new ones.
  4. The equipment is in such poor condition that we have no other alternative to buy new ones.
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো খ) The equipment is in such poor condition that we have no alternative but to buy new ones.

• No alternative but:
Meaning: If you have no alternative but to do something, you are forced to do something you do not want to do.
Bangla meaning: কোনো বিকল্প নেই শুধুমাত্র এটি ছাড়া। 

Example: 
- I'm afraid I have no alternative but to ask you to leave.

Structure: "No alternative but + to + infinitive"
অর্থ: একমাত্র উপায় হলো।
 
 Bangla: যন্ত্রপাতির অবস্থা এত খারাপ যে নতুন কেনা ছাড়া আমাদের আর কোনো বিকল্প নেই।

অন্য অপশনগুলো ভুল:

ক) The equipment is in such poor condition that we have no alternative to buy new ones.
- "no alternative"
- Incomplete expression.
- "But" missing করে sentence incomplete থেকে যায়।

গ) The equipment is in such poor condition that we have any alternative except to buy new ones.
- "any alternative except"
- Context এ negative meaning দরকার ("no" দরকার "any" নয়)।
- "Except" এর চেয়ে "but" বেশি appropriate এই construction এ। 

ঘ) The equipment is in such poor condition that we have no other alternative to buy new ones.
- "no other alternative"
- Redundant: "alternative" ইতিমধ্যে "other option" বোঝায় "Other" অতিরিক্ত।

৯৭.
It was ____ most interesting story.
  1. a
  2. an
  3. the
  4. Zero article
ব্যাখ্যা

• Article: 
- Articles মূলত Noun, Pronoun এর আগে বসে তাদের সংখ্যা এবং নির্দিষ্টতা, অনির্দিষ্টতা জ্ঞাপন করে।
- Articles কে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করে যায়।
• Indefinite Articles: A, An - এগুলো Indefinite Article. (এগুলো নির্দিষ্টভাবে কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা কোনো বিষয়কে নির্দেশ করে না)।
• Definite Articles: The হলো Definite Article (এটি কোনো বিশেষ ব্যক্তি, বস্তু বা বিষয়কে নির্দিষ্টভাবে বোঝাতে বা চিহ্নিত করতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে)।

• Article এর নিয়মানুযায়ী -
• Cambridge Dictionary অনুসারে,
- অনেক Adjective ও Adverb এর Superlative degree গঠনের ক্ষেত্রে most এর পূর্বে the বসে।
- যেমন: Joanne is the most intelligent person I know.

• কিন্তু, Most দ্বারা very অর্থ প্রকাশ করলে most এর পূর্বে a বসে।

Complete sentence: It was a most interesting story.

এখানে Most দ্বারা very অর্থ প্রকাশ করছে অর্থাৎ, 
"It was a very interesting story." বুঝাচ্ছে। 

তাই উল্লিখিত অন্য অপশন গুলো এখানে ভুল। 

৯৮.
Which of the following contains an adjective clause?
  1. What you did was surprising.
  2. He speaks loudly so that everyone can hear him.
  3. She bought a dress that was very expensive.
  4. She stayed where she felt comfortable.
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) She bought a dress that was very expensive.

- "that was very expensive" হলো adjective clause.
- কারণ এটি "dress" noun-এর বর্ণনা করছে।

• Adjective clause:
- An adjective clause is a subordinate clause that acts as an adjective in a sentence and qualifies a noun or equivalent.
- অর্থাৎ, যেসব sub-ordinate clause বাক্যে ব্যবহার হয়ে adjective এর কাজ করে তাদেরকে Adjective clause বলে।
- এগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে কোন noun বা noun equivalent  (noun -এর সমতুল্য) -কে qualify করে।
- অর্থাৎ বাক্যে noun/pronoun এর পরে বসে ঐ noun/pronoun কে modify করে তাকে adjective clause বলে।

- Adjective clause দুইটি স্থানে বসতে পারে;
1. Subject এর post-modifier হিসেবে- ( Subject + adjective clause + verb + object)
- যেমন: The house where I grew up is now for sale.

2. Noun এর post-modifier হিসেবে- (Subject + verb + noun + adjective clause)
- যেমন: She wore the dress which was on sale. 

• Note: Adjective clause -কে Relative clause ও বলা হয়।
- Relative clause গুলো সাধারণত Relative pronoun (that, who, whose, whom, which, why, when) ইত্যাদি দ্বারা শুরু হয়।
- তবে মনে রাখতে হবে, who এবং which দ্বারা গঠিত clause টি যদি cause or purpose বোঝায় তবে সেটি Adverbial Clause হিসেবে বিবেচিত হবে।

• অন্য অপশনগুলো,
ক) What you did was surprising.
- এই বাক্যে - "What you did" - হচ্ছে - Noun clause, কারণ এটি বাক্যের Subject হিসেবে বসেছে।

খ) He speaks loudly so that everyone can hear him.
- এই বাক্যে - "so that everyone can hear him" - হচ্ছে - Adverbial Clause of Purpose, যা main clause -এর উদ্দেশ্যকে নির্দেশ করছে।

ঘ) She stayed where she felt comfortable.
- এই বাক্যে - "where she felt comfortable" - হচ্ছে - Adverbial clause of place,যা main clause সংঘটিত হওয়ার স্থানকে নির্দেশ করছে।

Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

৯৯.
The word 'Cloth' is -
  1. Common noun
  2. Proper noun
  3. Abstract Noun
  4. Material noun
ব্যাখ্যা

The word 'Cloth' is - ঘ) Material noun.

• Cloth [uncountable noun] (কাপড়; বস্ত্র) হলো Material noun.
- কারণ এটি পদার্থ বা বস্তু বাচক।

• Materiel Noun: 
- যে Noun দ্বারা কোন বস্তু বা পদার্থকে নির্দেশ করে তাকে Material noun বলে।
- Material noun সাধারণত uncountable noun হয়।
- একে গণনা করা যায় না কিন্তু পরিমাপ বা ওজন করা যায়।
- Cloth হলো Material noun, কারণ এটি পদার্থ বা বস্তু বাচক এবং একে গণনা করা যায় না কিন্তু পরিমাপ বা ওজন করা যায়।
- আরো উদাহরণ: Silver, Iron, Cotton, Diamond, Milk, Paint, Rubber, Paper, Steel, Sand, Gold, Mutton, Oil etc.

Other options,
Proper Noun
- Proper Noun দ্বারা কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তি, বস্তু, স্থান প্রভৃতির নাম বুঝায়।
- যেমন: Titanic, Dhaka, Moon ইত্যাদি।

Common Noun:
- A common noun is one which is common to each member of class of persons or things/A noun that names a general class of persons, place or things.
- যে noun কোন এক শ্রেণির ব্যাক্তি বা বস্তুর প্রত্যেকের সাধারণ নাম বুঝায় তাকে common noun বলে।
- যেমন: The words "teacher," "river," and "table" are common nouns.

• Abstract Noun: 
- যে Noun কোনো অবস্তুগত ধারণা বা গুনকে নির্দেশ করে, যার কোনো বাহ্যিক অস্তিত্ব নেই এবং যা ছোঁয়া যায় না, গন্ধ দ্বারা বা শ্রবন দ্বারা বোঝা যায় না কিন্তু কল্পনা দ্বারা বোঝা যায় তাদেরকে Abstract Noun বলে।
Example:  Height, Goodness, Kindness, Whiteness, Hardness, Brightness, honesty, Wisdom, Bravery etc.

১০০.
She stayed late to finish her homework. [Compound]
  1. She wanted to finish her homework, and then she stayed late.
  2. She wanted to finish her homework, and so therefore she stayed late.
  3. She wanted to finish her homework, so that she stayed late.
  4. She wanted to finish her homework, and so she stayed late.
ব্যাখ্যা

Simple: She stayed late to finish her homework.
Compound: She wanted to finish her homework, and so she stayed late.

• Simple sentence এ to অথবা in order to থাকলে Compound Sentence এ পরিণত করতে তিনটি কাজ করতে হয় -
- যথা-
(1) Clause গুলোর অবস্থান উল্টে যাবে।
(2) ‘want to’ অতিরিক্ত যোগ হবে।
(3) ‘and so/ therefore’ Conjunction যোগ হবে।
 
Simple: They left early to avoid traffic.
Compound: They wanted to avoid traffic and so they left early.

অন্য অপশন বিশ্লেষণ:

ক) She wanted to finish her homework, and then she stayed late.
- “and then” ব্যবহার করা হয়েছে, কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী “and so” ব্যবহার করা উচিত।

খ) She wanted to finish her homework, and so therefore she stayed late. 
- “and so therefore” একসাথে ব্যবহার করা grammatical ভুল। নিয়ম অনুযায়ী 'and so' or 'therefore’ ব্যবহার করা উচিত।

গ) She wanted to finish her homework, so that she stayed late.
- “so that” ব্যবহার ভুল, কারণ এটি purpose নির্দেশ করে, এখানে compound sentence চাই।

১০১.
The two rivals were _______ united by the freemasonry of the acting profession.
  1. in case
  2. nevertheless
  3. provided that
  4. although
ব্যাখ্যা

• Options,
- in case: ঘটনাচক্রে।
- nevertheless: তথাপি; তবু; তা সত্ত্বেও।
- provided that: যদি।
- although: যদিও; যদ্যপি। 

অপশন গুলো বিবেচনা করলে দেখা যায়, শূন্যস্থানে nevertheless বসালে বাক্যটি পরিপূর্ণ হয়।

Complete sentence: The two rivals were nevertheless united by the freemasonry of the acting profession.
Bangla meaning: দুই প্রতিদ্বন্দ্বী তা সত্ত্বেও অভিনয় পেশার সহযোগিতার মাধ্যমে ঐক্যবদ্ধ ছিল।

১০২.
Identify the correct passive form:
They can solve the problem easily. 
  1. The problem to be solved easily by them.
  2. The problem can be solved by them.
  3. The problem can be solved easily by them.
  4. The problem could be solved easily by them.
ব্যাখ্যা

• May, might, can, could, must, ought to, going to যুক্ত Active voice কে Passive voice এ পরিবর্তন করার নিয়ম: 
- May, might, can, could, must, ought to, going to এদের পর 'be' বসে এবং তার পরেই মূল verb এর Past Participle বসে। 

Structure: Object টির Subjective form + may/might --------- + be + মূল verb এর Past Participle + by + subject টির objective form. 

Active: I may help you. 
Passive: You may be helped by me. 

Active: They can solve the problem easily.
Passive: The problem can be solved easily by them.

Options বিশ্লেষণ:

ক) The problem to be solved easily by them.
- “to be solved” ব্যবহার ভুল।

খ) The problem can be solved by them.
- “easily” বাদ দেওয়া হয়েছে। তাই এটি ভুল। 

ঘ) The problem could be solved easily by them.
- Modal verb ভুল। মূল বাক্যে can, এখানে could ব্যবহার করা হয়েছে।

Source: Advanced Learner's English Grammar & Composition by Chowdhury & Hossain.

১০৩.
While she _____ to school, she met an old friend.
  1. was walking
  2. walking
  3. walks
  4. walked
ব্যাখ্যা

​While যুক্ত বাক্যের ক্ষেত্রে,
• While এর পরে subject থাকলে while এর অংশটি Past Continuous Tense হয়। 
​- While he (walk) in the garden, a snake bit him. 
- ​While he was walking in the garden, a snake bit him.

Complete sentence: While she was walking to school, she met an old friend.

• ​​While এর ঠিক পরেই ব্র্যাকেটের মধ্যে যে verb থাকে তার সাথে ing যোগ হয়।  
- ​While (walk) in the garden, a snake bit him. 
- While walking in the garden, a snake bit him. 

Other options,

খ) walking:
- ব্যাকরণিকভাবে incomplete। “while” এর পরে auxiliary verb দরকার।

গ) walks:
- Present tense, কিন্তু বাক্য past tense (“met”) এ আছে।

ঘ) walked:
- Simple past, কিন্তু “while” clause-এ চলমান কাজ বোঝাতে past continuous দরকার।

​Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar and Composition by Chowdhury And Hossain.

১০৪.
She had called her friend before she ______ the house.
  1. left
  2. had left
  3. have left
  4. leaves
ব্যাখ্যা

• প্রশ্নটি করা হয়েছে Before যুক্ত বাক্যের গঠন এর উপর ভিত্তি করে। 

• Before যুক্ত বাক্যের গঠন:
- Past perfect + before + Past indefinite.
- 'Before' conjunction যুক্ত sentence এ before এর পূর্বে past perfect tense হয় এবং before এর পরে past indefinite হবে।

• Complete sentence: She had called her friend before she left the house.
Bangla meaning: বাড়ি ছাড়ার আগে সে তার বন্ধুকে ফোন করে ফেলেছিল।

- বাক্যটিতে before এর পূর্বে past perfect tense ও পরে past indefinite হওয়াতে সঠিক হয়েছে।

Other options,

খ) had left:
- দুইটা past perfect একসাথে ব্যবহার করা অসাধারণ, সাধারণ grammar অনুযায়ী ভুল।

গ) have left:
- Present perfect tense, তাই এটি ভুল।

ঘ) leaves:
- Present tense, তাই এটি ভুল।

​Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar and Composition by Chowdhury And Hossain.

১০৫.
Identify the correct passive form:
Do not spill the milk.
  1. Let not the milk spilled.
  2. Let not the milk be spilled.
  3. Let not the milk to be spilled.
  4. The milk not be spelled.
ব্যাখ্যা

• Do not দিয়ে শুরু যুক্ত Imperative Sentence কে Passive Voice করতে হলে – 
i) বাক্যের শুরুতে Let বসে। 
ii) Active Voice এ Do not থাকলে Passive Voice এ শুধু not বসে।
iii) Active Voice এর Object – Subject এর স্থানে বসে।
iv) be বসে।
v) মূল Verb এর Past Participle বসে।

• Active: Do not close the door.
• Passive: Let not the door be closed.

Active: Do not spill the milk.
Passive: Let not the milk be spilled.

Options বিশ্লেষণ:

ক) Let not the milk spilled.
- “be” নেই, তাই ভুল।

গ) Let not the milk to be spilled.
- “to be” এখানে লাগবে না, শুধু be বসে।

ঘ) The milk not be spelled.
- “spelled” ভুলভাবে লেখা হয়েছে, তাছাড়া structure ভুল।

Source: Advanced Learner's English Grammar & Composition by Chowdhury & Hossain.

১০৬.
Choose the correct spelling.
  1. Manuoeuvre
  2. Manueuvre
  3. Manoeuvore
  4. Manoeuvre
ব্যাখ্যা

• Manoeuvre: [noun] [U.K.]
English meaning: a movement or set of movements needing skill and care.
Bangla meaning: পরিকল্পিত বা কৌশলী পরিচালনা।

Example:
- Reversing round a corner is one of the manoeuvres you are required to perform in a driving test.

• Manoeuvre [U.K.]
• Maneuver [US]

Source: Cambridge & Accessible Dictionary.

১০৭.
Is she well enough to travel? Here 'well' is -
  1. Noun
  2. Adjective
  3. Adverb
  4. Verb
ব্যাখ্যা

Is she well enough to travel? Here 'well' is - adjective.
- এখানে "well" শব্দটি "she" (subject) এর অবস্থা বা condition বর্ণনা করছে।
- "Is she well?" - এই প্রশ্নে "well" হলো predicate adjective যা linking verb "is" এর পরে বসে subject "she" এর অবস্থা বর্ণনা করছে।
- "well enough to travel" - এখানে "well" মানে হলো "সুস্থ" বা "ভালো অবস্থায়"।
- এখানে “well” একটি adjective হিসেবে ব্যবহার হয়েছে, কারণ এটি “she” এর অবস্থা বা গুণ প্রকাশ করছে।

well: [adjective]
English meaning: in good health/ healthy; not ill.
Bangla meaning: সুস্থ। 

Example: 
- I'm sorry you're ill - I hope you get well soon.
- I don't feel very well.
- Is she well enough to travel?

Source: Cambridge & Oxford Dictionary.

১০৮.
Choose the incorrect sentence:
  1. He has a lot of work to finish today.
  2. I bought many breads from the bakery.
  3. She gave me some useful tips.
  4. There is enough sugar in the bowl.
ব্যাখ্যা

Answer - খ) I bought many breads from the bakery.

Bread হলো uncountable noun, তাই plural form “breads” ব্যবহার করা ভুল।
সঠিক হবে: I bought some bread from the bakery.
 

বাকি বাক্যগুলো ঠিক আছে:

ক) He has a lot of work to finish today.
- সঠিক। “work” হলো uncountable noun, এবং “a lot of work” ঠিক ব্যবহার হয়েছে।
 
গ) She gave me some useful tips.
- সঠিক। “tips” হলো countable plural, “some useful tips” ঠিক।

ঘ) There is enough sugar in the bowl.
- সঠিক। “sugar” uncountable noun, “enough sugar” ঠিক।

১০৯.
Choose the synonym of Pulchritude:
  1. Truthful
  2. Beauty
  3. Flexible
  4. Noisy
ব্যাখ্যা

• Pulchritude:
English meaning: beauty, especially a woman's beauty.
Bangla meaning: (আনুষ্ঠানিক) দৈহিক সৌন্দর্য।

Other options,
ক) Truthful:
- সত্যনিষ্ঠ; সত্যপরায়ণ; সত্যবাদী; সত্যসন্ধ।

খ) Beauty:
- যেসব গুণের সমন্বয়ে ইন্দ্রিয় (বিশেষত চোখ, কান) বা নৈতিকতা বা বুদ্ধিবৃত্তির কাছে আনন্দময় বলে প্রতিভাত হয়; সৌন্দর্য; শ্রী; রূপ; লাবণ্য।

গ) Flexible:
- নমনশীল; আনম্য; নম্য; নমনীয়।

ঘ) Noisy:
- কোলাহলপূর্ণ; হৈচৈপূর্ণ।

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, the synonym of Pulchritude: Beauty.

Source: Accessible Dictionary.

১১০.
It’s not all that hot in Bangladesh. Here 'that' is -
  1. Preposition
  2. Adjective
  3. Adverb
  4. Conjunction
ব্যাখ্যা

It’s not all that hot in Bangladesh. Here 'that' is - adverb.
এখানে “that” শব্দটি hot (adjective) কে modify করছে → “that hot” মানে “তেমনটা গরম নয়” বা “that extent পর্যন্ত গরম নয়”।
অর্থাৎ এটি degree বা intensity বোঝাচ্ছে।
Degree বোঝাতে modifier হলে, এটি adverb হিসেবে কাজ করছে।

• That: [adverb]
English meaning: to such a degree; so.
Bangla meaning: অতটা; অতখানি এই অর্থে।

Example:
- If they are that close, they will be here in minutes.
- If only it were that simple.
- It costs at least that much, if not more.

Source: Oxford Dictionary.

১১১.
He lives just off the main road. Here 'off' is - 
  1. Noun
  2. Adverb
  3. Conjunction
  4. Preposition
ব্যাখ্যা

He lives just off the main road. Here 'off' is - preposition.

- এখানে “off” the main road এর সাথে সম্পর্কিত, অর্থাৎ অবস্থান বা স্থান নির্দেশ করছে।
- এটি হলো preposition, কারণ “off” + noun (“the main road”) → relation দেখাচ্ছে।

• Off: [preposition]
English meaning: near to.
Bangla meaning: কাছাকাছি।

Example:
- He lives just off the main road.
- It's an island off the east coast of Spain.

Source: Cambridge Dictionary.

১১২.
Choose the correct sentence.
  1. She was laid to rest next to her husband.
  2. She was laid off rest next to her husband.
  3. She was laid in rest next to her husband.
  4. She was laid on rest next to her husband.
ব্যাখ্যা

Correct sentence: She was laid to rest next to her husband.

• lay somebody to rest: [idiom]
English meaning: to bury a dead person.
Bangla meaning: কাউকে সমাধিস্থ করা; দাফন করা।

Example: She was laid to rest next to her husband.
- তাকে তার স্বামীর পাশে শায়িত করা হয়েছিল।

উল্লিখিত অন্য অপশন গুলোতে সঠিক idiom ব্যবহার হয়নি। 

Source: Cambridge Dictionary.

১১৩.
_____ by the loud noise, the baby started crying.
  1. Frightened
  2. Frightening
  3. Having frightened
  4. Be frightened
ব্যাখ্যা

• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - Frightened.
Complete sentence: Frightened by the loud noise, the baby started crying.
Bangla: উচ্চস্বরে শব্দে ভয় পেয়ে, শিশুটি কাঁদতে শুরু করল।

• এখানে baby হলো subject এবং এটি passive voice এ আছে।
- এখানে “by the loud noise” passive sense বোঝাচ্ছে।
- শিশুটি নিজে ভয় পায়নি, বরং loud noise এর কারণে ভয় পেয়েছে।
- তাই past participle ব্যবহার করতে হবে।
- “Frightened by …” → মানে “ভয় পেয়ে”।

বিকল্পগুলোর বিশ্লেষণ:

খ) Frightening:
- "Frightening" - ভয় ধরানো / ভীতিকর (Present participle).
- যদি "frightening" ব্যবহার করা হয়, অর্থ দাঁড়াবে: "লাউড শব্দ দ্বারা ভীতিকর হয়ে, শিশুটি কাঁদতে শুরু করল।"
- এটি অর্থের দিক থেকে ভুল।

গ) Having frightened:
- "Having frightened" মানে: "ভয় দেখানোর পর।"
- অর্থ দাঁড়াবে: "শব্দ ভয় দেখানোর পর, শিশুটি কাঁদতে শুরু করল।"
- কিন্তু এখানে শিশুটি ভয় পেয়ে কাঁদছে, ভয় দেখাচ্ছে না।

ঘ) Be frightened:
- "Be frightened" একটি base form, participle phrase হিসেবে ব্যবহার করা যায় না।
- ব্যাকরণগতভাবে ভুল।

১১৪.
Traveling is exciting. Here, 'exciting' is —
  1. Gerund
  2. Participle
  3. Main verb 
  4. Verbal noun 
ব্যাখ্যা

Traveling is exciting. HERE 'exciting' is — Participle.
- exciting শব্দটি এখানে Participle (বিশেষত Present Participle) হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
- এটি “excite” verb -ing ফর্ম, যা এখানে adjective হিসেবে “Traveling” কে বর্ণনা করছে।
- Participle হলো -ing form যা adjective হিসেবে কাজ করে।
- এখানে exciting traveling-এর বৈশিষ্ট্য দেখাচ্ছে → এটি present participle acting as adjective।
 

• A participle is a verb that ends in -ing (present participle) or -ed, -d, -t, -en, -n (past participle). Participles may function as adjectives, describing or modifying nouns.
- Participle একই সাথে Verb ও Adjective এর কাজ করে।

• Participle মূলত: তিন প্রকার: 
1. Present Participle. Ex: Do not disturb a sleeping dog. 
2. Past Participle. Ex: This is a book written by Charles Dickens. 
3. Perfect Participle. Ex: Having eaten rice, he went to bed.

১১৫.
Applications of those ______ will be considered.
  1. who are graduate
  2. who graduates only
  3. who are only graduates
  4. only who are graduates
ব্যাখ্যা

শূন্যস্থানটি পূরণের জন্য সঠিক বিকল্প: গ) who are only graduates.
Complete sentence: Applications of those who are only graduates will be considered.

• "graduate" singular; কিন্তু এখানে আমরা general অর্থে ব্যবহার করছি → "graduates" plural ব্যবহার করা উচিত।
- এটি বোঝাচ্ছে কেবলমাত্র গ্র্যাজুয়েটরা বিবেচিত হবেন।
 - তাই “who are only graduates” সঠিক, কারণ এটি স্পষ্টভাবে বোঝাচ্ছে যে শুধুমাত্র গ্র্যাজুয়েটদের আবেদন বিবেচনা করা হবে।
 
ভুল বিকল্পগুলো:

ক) who are graduate → “graduate” singular ব্যবহার করা ভুল; এখানে plural অর্থে “graduates” হবে। কারণ “those” নির্দেশ করছে একাধিক ব্যক্তির দিকে।
তাই এই বাক্যটি grammatically ভুল।

খ) who graduates only:
- এখানে “graduates” verb form হিসেবে এসেছে, কিন্তু “who” এর পরে subject-verb agreement অনুযায়ী “are” লাগবে।সুতরাং এটি ভুল।

ঘ) only who are graduates → সঠিক বাক্য গঠন নয়।

১১৬.
Antonym of Neophyte -
  1. Apprentice
  2. Expert
  3. Veracious
  4. Fraudulent
ব্যাখ্যা

• Neophyte (noun)
English Meaning: Someone who has recently become involved in an activity and is still learning about it.
Bangla Meaning: কোনো ধর্মমতে অধুনাদীক্ষিত ব্যক্তি; নবদীক্ষিত, শিক্ষানবিস।

Synonyms: Beginner (যে ব্যক্তি এখনো নবিস এবং অনভিজ্ঞ), Novice (শিক্ষানবিশ), Newcomer (আগন্তুক), Apprentice (আনাড়ী), Ameture (অপেশাদার)। 
Antonyms: Expert (বিশেষজ্ঞ বা দক্ষ ব্যক্তি), Master (দক্ষ), Professional (পেশাগত), Veteran (অভিজ্ঞ), Maestro (উস্তাদ), Ace (সেরা ব্যক্তি)।

Example Sentence: 
1. The actual English teaching that gets done in this situation may be minimal, while the neophyte teacher is busy struggling for survival.
2. Neophytes are assigned an experienced church member to guide them through their first year.

Options,
- Veracious (সত্যনিষ্ঠ),
- Fraudulent (ধোঁকাবাজি)। 

Source: Live MCQ Lecture.

১১৭.
Who wrote the novel Emma?
  1. Emily Bronte
  2. Jane Austen
  3. Virginia Woolf
  4. Charlotte Bronte
ব্যাখ্যা

Answer - Jane Austen.

• Emma:
- Emma হচ্ছে Jane Austen এর একটি novel.
- Highbury শহরের বাসিন্দা Emma Woodhouse এর জীবনে বিয়ে করার ইচ্ছা ছিল না।
- কিন্তু, সে নিজেকে Naturally gifted matchmaking মনে করে।
- পরবর্তীতে সে Harriet Smith কে স্বামী হিসেবে পেতে চেয়েছে।
- একসময় Emma Woodhouse মনে করে, সে Mr. Knightley কে ভালোবাসে।
- উপন্যাসে, Emma-র বিভ্রান্তি ও অহংকার এবং সাথে তার সবার ভালো করতে গিয়ে দুর্দশার কারণ হওয়ার কথা সুন্দরভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

• Jane Austen: 
- তিনি একজন English novelist.
- She first gave the novel its distinctly modern character through her treatment of ordinary people in everyday life.

• Some notable work:
- Emma,
- Lady Susan,
- Mansfield Park,
- Northanger Abbey,
- Persuasion,
- Pride and Prejudice,
- Sense and Sensibility.

Source:
1. Britannica.
2. Live MCQ Lecture.

১১৮.
Which Shakespeare play revolves around twins and the confusion caused by mistaken identities?
  1. Much Ado About Nothing
  2. The Winter's Tale
  3. Measure for Measure
  4. The Comedy of Errors
ব্যাখ্যা

Answer - The Comedy of Errors.

• The Comedy of Errors:

- এটি Shakespeare রচিত।
- প্রকাশিত হয় 1594 সালে।
- তার রচিত এটি একটি comedy play.
- নাটকটি ভুল পরিচয়ের থিমকে ঘিরে আবর্তিত হয়েছে, যেখানে জন্মের সময় আলাদা হওয়া identical যমজ সন্তানের দুটি জোড়া দেখানো হয়েছে।

• Plot Summary:
- শেক্সপিয়রের অন্যতম জনপ্রিয় কমেডি এই নাটক।
- দুইজন যমজ মনিবের দুইজন যমজ চাকরকে নিয়ে সৃষ্ট নানা হাস্যরসের কাহিনী নিয়ে এই নাটক রচিত।
- যমজ হলেও দুই ভাই একে অপরের সাথে পরিচিত নয় যদিও তারা একই শহরে থাকে। মনিব দুই ভাইয়ের নাম Antipholus আর চাকর ভাইদ্বয়ের নাম Dromio.
- তবে শেষমেষ বিভ্রান্তির অবসান হয় এবং সব চরিত্রের মিলন হয়।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এই নাটকের ভাবানুবাদ করেন এবং নাম দেন ভ্রান্তিবিলাস।

• William Shakespeare:
- William Shakespeare was born on 23 April 1564 AD and died on 23 April 1616 AD.
- তার জন্মস্থান Stratford Avon.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে English national poet বলা হয়।
- তাকে 'Bard of Avon' বা Swan of Avon বলা হয়।
- Shakespeare wrote a total of 37 plays and 154 sonnets.

• Notable works:
• Tragedy:
- Hamlet,
- Othello,
- King Lear,
- Macbeth,
- Titus Andronicus,
- Timons of Athens,
- Antony and Cleopatra,
- Coriolanus,
- Romeo and Juliet.

• Comedy:
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- Love's Labour's Lost,
- A Comedy of Error,
- The Taming of the Shrew,
- Much Ado About Nothing,
- All's Well That Ends Well,
- A Midsummer Night's Dream,
- The Merry Wives of Windsor,
- The Two Gentlemen of Verona.

• Tragi-comedy
- The Merchant of Venice,
- The Winter's Tale,
- Cymbeline,
- Troilus and Cressida,
- Measure for Measure,

• Historical play,
- Julius Caesar (Tragedy + Historical),
- Henry IV Part I,
- Henry IV Part II,
- Henry V,
- Henry VI Part I,
- Henry VI Part II,
- Henry VI Part III,
- Henry VIII,
- King John,
- Richard II,
- Richard III.

• Famous poem:
- Shall I Compare Thee to a Summer Day/Sonnet 18,
- The Rape of Lucrece,
- Venus and Adonis,
- A Lover's Complaint,
- The Phonix and Turtle

Source: Britannica and Live MCQ Lecture

১১৯.
David Copperfield is a novel written by -
  1. William Makepeace Thackeray
  2. Charles Dickens
  3. George Eliot
  4. Thomas Hardy 
ব্যাখ্যা

• David Copperfield:
- David Copperfield is a novel by Charles Dickens.
- উপন্যাসটির পুরো নাম: The Personal History of David Copperfield.
- পূর্নাঙ্গ বই আকারে এটি প্রকাশিত হয় ১৮৫০ সালে।
- লেখকের মতে এটা তার শ্রেষ্ঠ উপন্যাস। তিনি এটাকে আখ্যায়িত করতেন তার “favorite child.” হিসেবে।
- The work is semi-autobiographical বা আত্মজীবনী মূলক উপন্যাস। এই উপন্যাস লেখার প্রেরণা লেখক তার নিজের জীবন থেকেই সংগ্রহ করেছিলেন।
কাহিনীর সময়কাল হিসেবে দেখানো হয়েছে রাণী ভিক্টোরিয়ার শাসনামলের প্রথমদিকের সময়।

• Short Summary:
- উপন্যাসে দেখা যায় মাঝ বয়সী David Copperfield তার ফেলে আসা জীবনের স্মৃতিচারণ করছে। David এর বাবা মারা যায় তার জন্মের আগেই। তার মা Mrs. Clara Copperfield আবার বিয়ে করে। আট বছর বয়সে তার ঠিকানা হয় বোর্ডিং স্কুলে। বোর্ডিং হাউজটির নাম ছিল Salem House.
- David Copperfield এর সাথে খুব ভাল সম্পর্ক ছিল তাদের বাড়ীর গৃহ পরিচারিকা Peggotty এর। Peggotty এর বাড়ীতেও যায় সে বোর্ডিং স্কুলে যাবার আগে। তার জীবনের অন্যতম সেরা একটি সময় ছিল সেখানে কাটানো সময়গুলো।
- বোর্ডিং স্কুলে তার দুইজন খুব ভালো বন্ধু হয়। তারা হল, Tommy Traddles এবং Steerforth.

• Charles Dickens:
- তিনি একজন British novelist
- He is generally considered the greatest of the Victorian era.

• Best Works: (Novels)
- A Christmas Carol,
- David Copperfield,
- Bleak House.
- A Tale of Two Cities,
- Great Expectations, and
- Our Mutual Friend.
- Hard Times
- The Pickwick Papers

Source: Live MCQ lecture and Britannica.com

১২০.
James Joyce is -
  1. American author
  2. Irish author
  3. British author
  4. French author
ব্যাখ্যা

James Joyce is an Irish author.

• James Joyce:

- He was born in Dublin, Ireland.
- তিনি ১৮৮২ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তার পুরো নাম James Augustine Aloysius Joyce,
- Joyce একজন আইরিশ ঔপন্যাসিক, কবি এবং ছোটগল্পকার ছিলেন।
- James Joyce বিংশ শতাব্দী অর্থাৎ Modern Period এর বিখ্যাত Novelist দের মধ্যে অন্যতম।
- James Joyce তার Stream-of-consciousness (চেতনার অন্তঃশীল প্রবাহ) এই Narrative Technique টির জন্য
বিখ্যাত।
- তার রচিত Dubliners (1914) মূলত ১৫ টি ছেটো গল্পের সম্বনয়ে রচিত একটি বই।

• Notable works:
- Ulysses (novel),
- Exiles (play).

Short Stories:
- After the Race,
- A Little Cloud,
- A Mother,
- An Encounter,
- A Painful Case, etc.

Poems:
- Chamber Music,
- I Hear an Army,
- Penyeach.

Source: Britannica.

১২১.
Thomas Hardy was a/an -
  1. Romantic author
  2. Victorian author
  3. Modern author
  4. Restoration period author
ব্যাখ্যা

Answer - Victorian author.

Thomas Hardy:
- তিনি Pessimistic Novelist হিসেবে পরিচিত।
- He was also a regional novelist and a poet কারণ একটি মাত্র নির্দিষ্ট অঞ্চলকে কেন্দ্র করেই তার সকল সাহিত্যকর্ম রচিত হওয়ার কারণে তাকে এই উপাধি দেয়া হয়।
- তিনি Victorian age এর শ্রেষ্ঠ্য উপন্যাসিক এবং ছোট গল্পকার।
- Thomas Hardy এর ছোটবেলা কাটে গ্রামে।
- তিনি একজন English novelist and poet.
- তার রচিত উপন্যাসগুলোর সময়কাল ভিক্টোরিয়া যুগ, কিন্তু তিনি অনেক ছোটগল্প লিখেছেন যেগুলো আধুনিক যুগে রচিত। এছাড়া তিনি কবিতাও লিখেছেন।

• Thomas Hardy-এর লেখা কয়েকটি উপন্যাস হলো:
- Tess of the d'Urbervilles,
- Far from the Madding Crowd,
- The Return of the Native,
- The Poor Man and the Lady,
- The Mayor of Casterbridge,
- Jude the Obscure,
- A Pair of Blue Eyes.

Source: Britannica.

১২২.
Das Kapital was written by -
  1. Bertrand Russell 
  2. Karl Marx
  3. Leo Tolstoy
  4. Gustave Flaubert
ব্যাখ্যা

Answer - Karl Marx.

• Das Kapital

- Das Kapital হলো উনবিংশ শতকের প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ ও দার্শনিক Karl Marx (১৮১৮–১৮৮৩)-এর অন্যতম প্রধান গ্রন্থ।
- এতে তিনি পুঁজিবাদী ব্যবস্থার গঠন, এর কার্যপ্রণালি, গতিশীলতা এবং আত্মধ্বংসের প্রবণতা বিশদভাবে ব্যাখ্যা করেছেন।
- মার্কস নিজেই তার উদ্দেশ্য সম্পর্কে বলেছেন যে, তিনি আধুনিক সমাজের "অর্থনৈতিক গতির আইন" উন্মোচন করতে চেয়েছিলেন।
- তিনি Victorian Period এর একজন লেখক, তাই এটি Victorian Period এর একটি রচনা।
- তিনি ১৮৬৭ সালে "Das Kapital" -এর প্রথম খণ্ড প্রকাশ করেন।
- দ্বিতীয় খণ্ড: ১৮৮৫ সালে, মার্কসের সহযোগী ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস (১৮২০–১৮৯৫) এটি সম্পাদনা করে প্রকাশ করেন।
- তৃতীয় খণ্ড: ১৮৯৪ সালে, এটিও এঙ্গেলস সম্পাদিত হয়ে প্রকাশিত হয়।
- এটি রাজনৈতিক অর্থনীতির একটি সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ।
- "Das Kapital" বিশ্ব অর্থনীতি, সমাজতান্ত্রিক চিন্তাধারা এবং বিপ্লবী আন্দোলনের উপর গভীর প্রভাব ফেলেছে এবং আজও এটি পুঁজিবাদী অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমালোচনা হিসেবে বিবেচিত হয়।

• Karl Marx:
- Victorian Period এর অন্যতম এই লেখকের পুরো নাম Karl Heinrich Marx.
- Karl Marx ছিলেন একজন প্রখ্যাত জার্মান দার্শনিক, অর্থনীতিবিদ, সমাজতাত্ত্বিক, সাংবাদিক এবং বিপ্লবী।
- তিনি সমাজতন্ত্র এবং কমিউনিজমের তত্ত্বের ভিত্তি স্থাপন করেছেন এবং আধুনিক সমাজ ও অর্থনীতির উপর তাঁর বিশ্লেষণের জন্য বিখ্যাত।
- Karl Marx কে “The Father of Communism” বলা হয়।

• Famous works:
- Das Kapital (১৮৬৭) – পুঁজিবাদী ব্যবস্থার বিশ্লেষণ।
- The Communist Manifesto (১৮৪৮) – মার্কস ও ফ্রিডরিখ এঙ্গেলসের যৌথ রচনা, যেখানে কমিউনিজমের মূল ধারণাগুলি উপস্থাপন করা হয়েছে।
- The German Ideology (১৮৩৫-৩৬) – সামাজিক ও রাজনৈতিক চিন্তাধারার সমালোচনা।

Source: Britannica.

১২৩.
"April is the cruellest month" - Who quoted it?
  1. William Wordsworth
  2. T.S. Eliot
  3. Robert Frost
  4. W.B. Yeats
ব্যাখ্যা

• "April is the cruellest month" - This is quoted by - 'T.S. Eliot' in his poem 'The Waste Land'.

• The Waste Land:
- It is written by T.S. Eliot.
- It is a long poem. কবিতার লাইন সংখ্যা ৪৩৩,
- এই কবিতাটি উৎসর্গ করা হয়েছিল আরেক জন প্রথিতযশা আধনিক কবি Ezra Pound কে ।
- ২০ শতকের অন্যতম প্রভাবশালী কবিতা এটি।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধোত্তর পরিবর্তিত পরিস্থিতি এই কবিতার আলোচ্য বিষয়।
- এই কবিতাটি তাকে আন্তর্জাতিক খ্যাতি এনে দেয়।

• এই কবিতার একটি বিখ্যাত উক্তি -
- "April is the cruellest month, breeding
Lilacs out of the dead land, mixing".

• T.S. Eliot:
- তার পুরো নাম Thomas Stearns Eliot.
- তিনি একাধারে American-English poet, playwright, literary critic এবং editor.
- He is a leader of the Modernist movement in poetry in such works as The Waste Land and Four Quartets.
- তিনি ১৯৪৮ সালে সাহিত্যে Nobel Prize পান।

Notable works:
Poetry:
- The Waste Land (1922),
- Four Quartets (1943),
- The Love Song of J. Alfred Prufrock.

Play:
- Murder in the Cathedral (1935),
- The Cocktail Party.

Source: Poemanalysis.com and Poetryfoundation.org

১২৪.
Milton's "Lycidas" is a/an -
  1. allegory
  2. elegy
  3. sonnet
  4. epic 
ব্যাখ্যা

Answer - elegy.

• Lycidas (elegy):

- এটি একটি শোকগাঁথা।
- কবি তার বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধু বা সহপাঠীর জাহাজ দূর্ঘটনায় মৃত্যুর প্রেক্ষিতে লিখেছিলেন।
- কবিতাটি প্রকাশিত হয় ১৬৩৮ সালে।
- এটি একটি Pastoral elegy.
- John Milton wrote Lycidas (Pastoral elegy) on the death of Edward king.
- Edward king was a friend of John Milton.

• John Milton:
- তিনি ছিলেন একজন English poet, pamphleteer এবং historian.
- তিনি William Shakespeare এর পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ English author হিসেবে বিবেচিত।
- Milton is best known for Paradise Lost.
- it is widely regarded as the greatest epic poem in English.

• Some notable works of him:
- Paradise Lost (Epic);
- Paradise Regained (Epic);
- Of Education (Prose);
- Lycidas (Elegy);
- On Shakespeare (First published poem).

Source: Britannica and Live MCQ Lecture.

১২৫.
‘পুয়ের্তো রিকো ট্রেঞ্চ’ (Puerto Rico Trench) কোথায় অবস্থিত?
  1. আটলান্টিক মহাসাগরে
  2. ভারত মহাসাগরে
  3. ক্যারিবিয়ান সাগরে
  4. ক ও গ
ব্যাখ্যা

পুয়ের্তো রিকো ট্রেঞ্চ হচ্ছে - আটলান্টিক মহাসাগর এবং ক্যারিবিয়ান সাগরের গভীরতম অংশ।

• আটলান্টিক মহাসাগর:
- পৃথিবীর মোট আয়তনের পাঁচ ভাগের এক ভাগ হচ্ছে আটলান্টিক মহাসাগর।
- এটি পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগর।
- এই মহাসাগরের মোট আয়তন ১০৬.৪৬ মিলিয়ন (১০৬,৪৬০,০০০) বর্গকিলোমিটার।
- এর গড় গভীরতা ১০ হাজার ৯২৫ ফুট।

- এর পশ্চিমে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ এবং পূর্বে ইউরোপ ও আফ্রিকা মহাদেশ।
- উত্তর দিকে ‘উত্তর মহাসাগর’ এবং দক্ষিণে ‘দক্ষিণ মহাসাগর’।
- রহস্যঘেরা বারমুডা ট্রায়াঙ্গল (যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামি সৈকত, পুয়ের্তো রিকো দ্বীপ ও বারমুডা দ্বীপের মাঝামাঝি অংশ) এই মহাসাগরেই।
- পুয়ের্তো রিকো ট্রেঞ্চ আটলান্টিক মহাসাগর এবং ক্যারিবিয়ান সাগরকে পৃথক করেছে।

সূত্র: কালের কণ্ঠ পত্রিকা ও ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক।

১২৬.
বাংলাদেশের কোন জেলায় ‘জাদিপাই ঝর্ণা’ অবস্থিত ?
  1. রাঙামাটি
  2. বান্দরবান
  3. সিলেট
  4. মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা

- জাদিপাই ঝর্ণাটি অবস্থান হচ্ছে - বান্দরবান জেলায়।

• জাদিপাই ঝর্ণা:
- জাদিপাই ঝর্ণাকে বলা হয় ঝর্ণার রানি। বাংলাদেশের আকর্ষণীয় ঝর্ণাগুলোর একটি জাদিপাই ঝর্ণা।
- আকৃতিতে দেশের সবচেয়ে বড় না হলেও গঠন আর অবস্থানের ভিত্তিতে এ ঝর্ণা অনন্য, অপরূপা। উঁচু পাহাড় আর চার দিকে সবুজের সমারোহ। 
- কেওক্রাডং, জংছিয়া ও জাদিপাই তিন পাহাড়ি ঝিরি একসঙ্গে মিলিত হয়ে জাদিপাই ঝর্ণার সৃষ্টি হয়েছে।
- প্রায় ২০০ ফুট উপর থেকে কালো পাথর বেয়ে স্বচ্ছ পানির ধারা নিচে নেমে আসে। ঝর্ণাটি পরে মিলিত হয়েছে সাঙ্গু নদীর সঙ্গে।

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১২৭.
নিম্নের কোন ভৌগলিক অঞ্চলটি ‘রামসার সাইট’ হিসেবে স্বীকৃত?
  1. টাঙ্গুয়ার হাওর
  2. মাধবকুণ্ড
  3. বগা লেক
  4. কাপ্তাই হ্রদ
ব্যাখ্যা

টাঙ্গুয়ার হাওর  রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃত।

• রামসার সাইট:
- ১৯৭১ সালে ইরানের রামসার শহরে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- এ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের দুটি স্থান রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে ।
- সুন্দরবন রিজার্ভ ফরেষ্ট (২১মে, ১৯৯২)।
- টাঙ্গুয়ার হাওর (১০ জুলাই, ২০০০) রামসার সাইটের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

উৎস: রামসার ওয়েবসাইট।

১২৮.
প্রাকৃতিক পরিবেশ দূষণের প্রধান কারণগুলোকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ২ ভাগে
  2. ৩ ভাগে
  3. ৫ ভাগে
  4. ৪ ভাগে
ব্যাখ্যা

প্রাকৃতিক পরিবেশ দূষণের প্রধান কারণসমূহকে দুইটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

• পরিবেশ দূষণ (Environment Pollution):
- পরিবেশে জীবের স্বাভাবিক অবস্থা বা জীবনযাত্রায় বিঘ্ন সৃষ্টিতে সক্ষম ক্ষতিকর অবস্থার নাম দূষণ।
- অন্যদিকে পানি, বাতাস, মৃত্তিকা বা পরিবেশের কোনো উপাদানের ভৌত, রাসায়নিক বা জৈবিক যে কোনো ধরনের অনাকাঙ্খিত পরিবর্তনই প্রাকৃতিক পরিবেশ দূষণ।
- মানুষের বহুমুখী কর্মকান্ডই পরিবেশ দূষণের সবচেয়ে বড় কারণ।

• প্রাকৃতিক পরিবেশ দূষণের কারণ:
- প্রাকৃতিক পরিবেশ দূষণের প্রধান কারণসমূহকে দুইটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
- যথা: ক. প্রাকৃতিক কারণ এবং খ. মানবসৃষ্ট কারণ।

প্রাকৃতিক কারণ: বন্যা ও খরা, ভূমিকম্প, ঘূর্ণিঝড়, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত।

মানবসৃষ্ট কারণ: গাছপালা নিধন, পাহাড় কর্তন, অপরিকল্পিত নগরায়ন, কীটনাশক ব্যবহার, ভূ-গর্ভস্থ পানি আহরণ, শিল্প র্বজ্য, জ্বালানি দহনের নির্গত ধোঁয়া।

সূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২৯.
 নিচের কোন জেলায় টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নেই?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. মৌলভীবাজার
  3. কুমিল্লা 
  4. রাঙামাটি
ব্যাখ্যা

কুমিল্লায় প্লাইস্টোসিনকালের পাহাড় রয়েছে।

বাংলাদেশের ভূ-প্রাকৃতিক শ্রেণিবিভাগ:
- অবস্থান, ভূমির গঠন ও ভূ-তাত্ত্বিক সময়কাল অনুসারে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে প্রধানত তিনটি বৃহৎ শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়।
যথা-
১. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ;
২. প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
৩. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- প্রায় ৭০ মিলিয়ন বছর পূর্বে টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় এ পাহাড়গুলো গঠিত হয়েছে বলে এগুলোকে টারশিয়ারি যুগের পাহাড় বলা হয়।
- এ পাহাড়গুলো বেলেপাথর, শ্লেট জাতীয় প্রস্তর এবং কর্দম দ্বারা গঠিত।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে মনে করা হয়।

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়ের অবস্থান:
- রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান এবং চট্টগ্রাম জেলার অংশবিশেষে, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত ছোট-বড় পাহাড়গুলো নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত। 

সূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩০.
নিচের কোন দেশটি সম্পূর্ণ নদীবিহীন?
  1. মাল্টা
  2. নাউরু
  3. লিবিয়া
  4. উপরোক্ত সবগুলো 
ব্যাখ্যা

লিবিয়া, মাল্টা,  নাউরু নদীবিহীন দেশ।

• নদীবিহীন দেশ:
- পৃথিবীতে এমন কিছু দেশ আছে যেগুলোর কোনো নদী নেই। অবশ্যই এগুলি বেশিরভাগই মরুভূমির দেশ, যেখানে বৃষ্টিপাত এবং জলের উৎস খুব কম, এবং কোনও বাস্তব নদী বা নদীর তল তৈরি করার জন্য পর্যাপ্ত জলপ্রবাহ নেই।

- স্থায়ী প্রাকৃতিক নদী নেই এমন দেশগুলি হলো: কমোরোস, জিবুতি, লিবিয়া, বাহামাস, বাহরাইন, কুয়েত, মালদ্বীপ, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইয়েমেন, মাল্টা, মোনাকো, ভ্যাটিকান সিটি, কিরিবাতি, নাউরু, টোঙ্গা ও টুভালু।

সূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

১৩১.
দক্ষিণ গোলার্ধে ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে কী নামে অভিহিত করা হয়?
  1. আর্কটিক সার্কেল
  2. গ্রীষ্মাংশ রেখা
  3. কর্কটক্রান্তি রেখা
  4. মকরক্রান্তি রেখা
ব্যাখ্যা

• মকরক্রান্তি রেখা:
- দক্ষিণ গোলার্ধে ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে মকরক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়।

• কর্কটক্রান্তি রেখা:
- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়।

• আন্তর্জাতিক তারিখরেখা:
- ১৮০ ডিগ্রি দ্রাঘিমারেখা আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা নামে পরিচিত যা প্রশান্ত মহসাগরের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করেছে।
- ১৮৮৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে 'দ্রাঘিমা ও সময়' সম্পর্কিত এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ১৮০° দ্রাঘিমারেখাকে আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা হিসেবে স্থির করা হয়।

• নিরক্ষরেখা:
- পৃথিবীকে উত্তর-দক্ষিণে সমভাবে দুইভাগে বিভক্তকারী বৃত্তাকার রেখাটি নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা নামে অভিহিত।
- এটি সর্ববৃহৎ অক্ষাংশ রেখা।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩২.
নীতিবিদ্যা কী ধরনের মানব আচরণ নিয়ে আলোচনা করে?
  1. আবেগজনিত আচরণ 
  2. শারীরিক আচরণ 
  3. ঐচ্ছিক আচরণ 
  4. সামাজিক আচরণ
ব্যাখ্যা

• নীতিবিদ্যা:
- নীতিবিদ্যার ইংরেজি প্রতিশব্দ Ethics শব্দটি গ্রিক শব্দ Ethos থেকে উদ্ভূত, যার অর্থ হলো ঐচ্ছিক আচরণ।
- মানুষের আচরণের নৈতিক মূল্য ও আদর্শ নির্ধারণ করা নীতিবিদ্যার কাজ।
- নীতিবিদ্যা হলো মানুষের আচরণের রীতিনীতি সম্পর্কিত বিজ্ঞান।
- নীতিবিদ্যা মানুষের ঐচ্ছিক আচরণ নিয়ে আলোচনা করে।
- ঐচ্ছিক আচরণ হলো মানুষের সেসব আচরণ, যেগুলো মানুষ স্বপ্রণোদিত হয়ে করে থাকে।
- Morality শব্দটির অর্থ হল নৈতিকতা বা চরিত্রবৈশিষ্ট্য। এটি মানুষের আচরণগত মূল্যবোধ এবং সত্য-মিথ্যার বিচার করার ক্ষমতাকে বোঝায়।
- Philosophy শব্দটির অর্থ হল দর্শন বা জ্ঞানতত্ত্ব। এটি জীবন এবং বিশ্ব সম্পর্কে গভীর চিন্তা-ভাবনার মাধ্যমে জ্ঞান অর্জনের প্রক্রিয়াকে বোঝায়।
- Prnciples শব্দটির অর্থ হল নীতি বা মূলনীতি। এটি সেই সব মৌলিক ধারণা বা নিয়মকে বোঝায় যা কোনো বিষয় বা প্রক্রিয়াকে পরিচালনা করে।

উৎস: নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, ব্রিটানিকা।

১৩৩.
'A Treatise of Human Nature' গ্রন্থের রচয়িতা কে ছিলেন?
  1. ডেভিড হিউম
  2. ইমানুয়েল কান্ট 
  3. ডেভিড ভিউম
  4. বার্ট্রান্ড রাসেল 
ব্যাখ্যা

ডেভিড হিউম:
- তিনি জন্ম গ্রহন করেন  ১৭১১ সালে। 
- তিনি স্কটিশ দার্শনিক, ইতিহাসবিদ, অর্থনীতিবিদ ছিলেন।
- তিনি মানব প্রকৃতির প্রবর্তক ছিলেন।
- মৃত্যুবরন করেন ১৭৭৬ সালে।

ডেভিড হিউমের উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:-
- A Treatise of Human Nature;
- An Enquiry Concerning Human Understanding;
- Human Understanding;
- Enquiry Concerning the Principles of Morals;
-  Moral and Political;
- History of England।

অন্যদিকে, 
বার্ট্রান্ড রাসেলের গ্রন্থ:-
- The Elements of Ethics,
- Political Ideals
- Human Society in Ethics and Politics

কার্ল মার্কসের গ্রন্থে:-
- The Communist Manifesto 
- Das Kapital
- The Poverty of Philosophy

ইমানুয়েল কান্টের গ্রন্থে:-
- Groundwork for Metaphysics of Morals.
- Critique of Pure Reason.
- Critique of Practical Reason.
- Critique of Judgement.
- The Metaphysics of Morals

উৎস: নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় &  ব্রিটানিকা।

১৩৪.
'দি প্যারাবুলস অব দি ইস্ট & মাই আমেরিকান এক্সপিরিয়েন্স' গ্রন্থটি কে রচনা করেছেন?
  1. এরিস্টটল
  2. গোবিন্দ চন্দ্র দেব 
  3. প্লেটো
  4. নোয়াম চমস্কি
ব্যাখ্যা

গোবিন্দ চন্দ্র দেব:
- গোবিন্দ চন্দ্র দেব একজন দার্শনিক ও শিক্ষাবিদ।
- চিন্তাচেতনায় দেব ছিলেন সক্রেটিসের ভাবশিষ্য।
- তাঁর চিন্তাধারায় একদিকে যেমন স্থান পেয়েছে গভীর ও সূক্ষ্ম দার্শনিক তত্ত্বালোচনা, অন্যদিকে সমাজ, জীবন, সাহিত্য, শিল্প, সংস্কৃতি, অর্থনীতি, রাজনীতি ও ধর্মবিষয়ক ভাবনা।
- অসাম্প্রদায়িক ও মানবতাবাদী দার্শনিক দেব সব ধর্মকে দেখেছেন উদার ও সর্বজনীন দৃষ্টিকোণ থেকে।
- তাই তাঁর দর্শন সমন্বয়ী ভাববাদ বা সিনথেটিক আইডিয়ালিজম নামে সমধিক পরিচিত।

⇒ তিনি উগ্র ভাববাদ এবং উগ্র জড়বাদ উভয়কেই তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, এ দুটি মতবাদই একদেশদর্শী; এদের দ্বারা মানবজীবনের কল্যাণসাধন ও প্রগতি সম্ভব নয়।
- তিনি তাঁর সমন্বয়ী দর্শনে বস্ত্তবাদকে অধ্যাত্মবাদে এবং অধ্যাত্মবাদকে বস্ত্তবাদে রূপান্তরিত করে এরই ভিত্তিতে একটি সার্থক জীবনদর্শন গড়ে তুলেছেন।
- তাঁর মতে, সার্থক দর্শন মাত্রই জীবনদর্শন।
- তিনি তাঁর প্রায় সব গ্রন্থেই এই দার্শনিক তত্ত্বই প্রকাশ করেছেন।

⇔ দেবের প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা মোট নয়টি। উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- আইডিয়ালিজম অ্যান্ড প্রগ্রেস (১৯৫২),
- আইডিয়ালিজম: এ নিউ ডিফেন্স অ্যান্ড এ নিউ এ্যাপলিকেশন (১৯৫৮),
- আমার জীবনদর্শন (১৩৬৭),
- এ্যাসপিরেশন অব দি কমন ম্যান (১৯৬৩),
- দি ফিলোসফি অব বিবেকানন্দ অ্যান্ড দি ফিউচার অব ম্যান (১৯৬৩),
- তত্ত্ববিদ্যাসার (১৯৬৬),
- বুদ্ধ: দি হিউম্যানিস্ট (১৯৬৯)।
- দি প্যারাবুলস অব দি ইস্ট (১৯৮৪)।
- মাই আমেরিকান এক্সপিরিয়েন্স (১৯৯৩)। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।