পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন৩৩
সিলেবাস
পদার্থের জীববিজ্ঞান-বিষয়ক ধর্ম, টিস্যু, জেনেটিকস, জীববৈচিত্র্য, এনিম্যাল ডাইভারসিটি, প্লান্ট ডাইভারসিটি, এনিম্যাল টিস্যু, অর্গান এবং অর্গান সিস্টেম, সালোক সংশ্লেষণ, জুলোজিক্যাল নমেনক্লেচার, বোটানিক্যাল নমেনক্লেচার, প্রাণিজগৎ, উদ্ভিদ, ফুল, ফল, প্লান্ট নিউট্রেশন, পরাগায়ন ইত্যাদি। সোর্স: যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৩ প্রশ্ন

.
জীববিজ্ঞানের কোন শাখায় জীবের সার্বিক অঙ্গসংস্থানিক বিষয়ে আলোচনা করা হয়?
  1. ক) Taxonomy
  2. খ) Morphology
  3. গ) Histology
  4. ঘ) Embryology
ব্যাখ্যা

জীববিজ্ঞানের Morphology শাখায় জীবের সার্বিক অঙ্গসংস্থানিক বিষয়ে আলোচনা, পর্যালোচনা ও গবেষণা করা হয়।
দেহের বাহ্যিক অংশগুলোর বর্ণনাকে External Morphology এবং দেহের অভ্যন্তরীণ বর্ণনার বিষয়কে Internal Morphology বলে।
Taxonomy শাখায় জীবের শ্রেণিবিন্যাস এবং তার রীতিনীতিগুলো এ শাখায় আলোচনা করা হয়।
জীবদেহের টিস্যুর গঠন, বিন্যাস, এবং কার্যাবলী Histology শাখায় আলোচনা করা হয়।
জনন কোষের উৎপত্তি, নিষিক্ত জাইগোট থেকে ভ্রুনের সৃষ্টি এবং  বিকাশ নিয়ে আলোচনা করা হয়।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

.
সমগ্র জীবজগতকে পাঁচটি রাজ্যে এ ভাগ করবার প্রস্তাব করেন কোন বিজ্ঞানী?
  1. ক) Margulis
  2. খ) R.H. Whittaker
  3. গ) Carl Linnaeus
  4. ঘ) Louis Pasteur
ব্যাখ্যা

১৯৬৯ সালে R.H. Whittaker সমগ্র জীবজগতকে ফাইভ কিংডম্যা ভাগ করবার প্রস্তাব করেন।
পরবর্তীকালে, Margulis ১৯৭৪ সালে R.H. Whittaker এর প্রদত্ত শ্রেণীবিন্যাসের পরিবর্তিত ও বিস্তারিত রূপ দেন।

R.H. Whittaker এ প্রস্তাবকৃত ফাইভ এনিমেল কিংডম রাজ্যগুলো হল- Monera, Fungi, Plantae, Animalia, Protista.

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

.
কম্পিউটার প্রযুক্তিনির্ভর জীববিজ্ঞান বিষয় কোন শাখায় আলোচনা করা হয়?
  1. ক) Biotechnology
  2. খ) Bioinformatics
  3. গ) Pharmacy
  4. ঘ) Genetic Engineering
ব্যাখ্যা

Bioinformatics বলতে বোঝায় কম্পিউটার প্রযুক্তিনির্ভর জীববিজ্ঞানভিত্তিক তথ্য, যেমন- ক্যান্সার বিশ্লেষণ বিষয়ক বিজ্ঞান।
Biotechnology শাখায় মানব ও পরিবেশের কল্যাণে জীব ব্যবহারের প্রযুক্তি সম্পর্কিত বিজ্ঞানকে বোঝায়।
Pharmacy শাখায় ঔষধশিল্প ও প্রযুক্তিবিষয়ক বিজ্ঞান আলোচনা ও গবেষণা করা হয়।
Genetic Engineering হল জিনপ্রযুক্তি ও এর ব্যবহার সম্পর্কিত বিজ্ঞান।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

.
নীলাভ সবুজ শৈবাল কোন রাজ্য এর অন্তর্ভুক্ত প্রাণী?
  1. ক) Monera
  2. খ) Protista
  3. গ) Animalia
  4. ঘ) Fungi
ব্যাখ্যা

নীলাভ সবুজ শৈবাল, ব্যাকটেরিয়া হল Monera কিংডম এর অন্তর্ভুক্ত প্রাণী।

মনেরার কয়েকটি বৈশিষ্ট্য হলো –
এরা এককোষী, কলোনিয়াল।
এদের কোষে ক্রোমাটিন বস্তু থাকে কিন্তু নিউক্লিয়াস ও নিউক্লিয়ার পর্দা নেই।
এদের কোষে প্লাস্টিড, মাইট্রোকন্ড্রিয়া, এন্ডোপ্লাজমিক জালিকা ইত্যাদি নেই।
কোষে রাইবোজোম আছে।
এদের কোষ বিভাজন দ্ব বিভাজন প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হয় ।
এরা শোষণ পদ্ধতিতে খাদ্য গ্রহণ করে। তবে অনেকে ফটোসিনথেসিস বা সালোকসংশ্লেষণ পদ্ধতিতে খাদ্য তৈরি করে।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

.
পেনিসেলিয়াম কোন প্রাণীরাজ্য এর অন্তর্ভুক্ত প্রাণী?
  1. ক) Protista
  2. খ) Animalia
  3. গ) Fungi
  4. ঘ) Plantae
ব্যাখ্যা

ইস্ট, পেনিসিলিয়াম, এবং মাশরুম ফানজাই রাজ্য এর অন্তর্ভুক্ত প্রাণী।
ফানজাই রাজ্যকে ইউক্যারিওটা (সুপার কিংডম ২) কিংডমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এরা প্রকৃতকোষবিশিষ্ট এককোষী বা বহুকোষী জীব। এককভাবে অথবা কলোনি আকারে দলবদ্ধভাবে বসবাস করে। যেমন—ইস্ট, Penicillium, মাশরুম।

এর কিছু বৈশিষ্ট্যসমূহ-
অধিকাংশই স্থলজ, মৃতজীবী বা পরজীবী।
দেহ এককোষী অথবা মাইসেলিয়াম (সরু সুতার মতো অংশ) দিয়ে গঠিত।
এগুলোর নিউক্লিয়াস সুগঠিত।
কোষপ্রাচীর কাইটিন বস্তু দিয়ে গঠিত।
খাদ্যগ্রহণ শোষণ পদ্ধতিতে ঘটে।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

.
যৌন জনন অ্যানাইসোগ্যামাস- কোন পর্বের প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য?
  1. ক) Fungi
  2. খ) Monera
  3. গ) Plantae
  4. ঘ) Protista
ব্যাখ্যা

Plantae অন্তর্ভুক্ত প্রজাতিদের যৌন জনন অ্যানাইসোগ্যামাস প্রকৃতির হয়ে থাকে।
আকার-আকৃতি অথবা শারীরবৃত্তীয় পার্থক্য বিশিষ্ট ভিন্নধর্মী দুটি গ্যামেটের মিলনের মাধ্যমে যৌন জনন সম্পন্ন হয়, তাকে অ্যানাইসোগ্যামাস (Anisogamous) বলে।
প্লানটি রাজ্যকে ইউক্যারিওটা (সুপার কিংডম ২) কিংডমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্লানটি রাজ্যের মধ্যে রয়েছে—মসবর্গীয় উদ্ভিদ, ফার্নবর্গীয় উদ্ভিদ, নগ্নবীজী উদ্ভিদ, আবৃতবীজী উদ্ভিদ।

এ রাজ্য এর কিছু বৈশিষ্ট্যসমূহ-
এরা প্রকৃত নিউক্লিয়াসযুক্ত সালোকসংশ্লেষণকারী উদ্ভিদ।
এদের দেহে উন্নত টিস্যুতন্ত্র বিদ্যমান।
এদের ভ্রূণ সৃষ্টি হয় এবং তা থেকে ডিপ্লয়েড পর্যায় শুরু হয়।
এদের যৌন জনন অ্যানাইসোগ্যামাস অর্থাৎ আকার, আকৃতি অথবা শারীরবৃত্তীয় পার্থক্যবিশিষ্ট ভিন্নধর্মী দুটি গ্যামেটের মিলনের মাধ্যমে যৌন জনন হয়।
এরা আর্কিগোনিয়াম বা স্ত্রীজনন অঙ্গবিশিষ্ট উদ্ভিদ।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

.
মনেরাকে ব্যাকটেরিয়া রাজ্য হিসেবে পুনঃনামকরণ করেন কোন বিজ্ঞানী?
  1. ক) Carl Linnaeus
  2. খ) Margulis
  3. গ) Robert Whittaker
  4. ঘ) Thomas Cavalier Smith
ব্যাখ্যা

২০০৪ সালে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির Thomas Cavalier Smith, জীবজগতের Protista রাজ্যকে Protozoa এবং Chromista নামে দুইটি ভাগে ভাগ করেন।
তিনি মনেরাকে ব্যাকটেরিয়া রাজ্য হিসেবে পুনঃনামকরণ করেন। এভাবে তিনি পুরো জীবজগতকে মোট ছয়টি রাজ্যে ভাগ করেছেন।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

.
গোল আলুর বৈজ্ঞানিক নাম কোনটি?
  1. ক) Ipomoea batatas
  2. খ) Solanum tuberosum
  3. গ) Colocasia esculenta
  4. ঘ) Zingiber officinale
ব্যাখ্যা

গোল আলুর বৈজ্ঞানিক নাম- Solanum tuberosum
মিষ্টি আলুর বৈজ্ঞানিক নাম- Ipomoea batatas
কচুর বৈজ্ঞানিক নাম- Colocasia esculenta
আদার বৈজ্ঞানিক নাম- Zingiber officinale

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

.
কাজের ভিত্তিতে প্রকৃত কোষ কয় ধরনের হয়ে থাকে?
  1. ক) দুই
  2. খ) তিন
  3. গ) চার
  4. ঘ) পাঁচ
ব্যাখ্যা

কাজের ভিত্তিতে প্রকৃত কোষ দুই ধরনের হয়ে থাকে। যথা- দেহকোষ এবং জননকোষ।
যে সব কোষে সুনির্দিষ্ট বা সুসংগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে সেগুলোকে প্রকৃত কোষ বলে। প্রকৃত কোষে শুধু নিউক্লিয়াসই নয় অন্যান্য অঙ্গাণু যেমন, প্লাস্টিড (উদ্ভিদ কোষে), মাইটোকন্ড্রিয়া, এন্ডপ্লাজমিক রেটিকুলাম, রাইবােজোম, লাইসোজোম, গলজি বস্তু, সেন্ট্রিওল ইত্যাদিও সুসংগঠিত।

প্রকৃত কোষ দুই প্রকার। যেমন– ১. দেহ কোষ ও ২. জনন কোষ।
দেহ কোষ : এরা বহুকোষী জীবের দেহ গঠন করে।
জনন কোষ : এ কোষের মাধ্যমে যৌন জনন সম্পন্ন হয়ে থাকে।
প্রকৃত কোষ এর বৈশিষ্ট্যসমূহ-
১। এসব কোষ এর কোষ প্রাচীর কাইটিন দিয়ে গঠিত।
২। এতে সুনির্দিষ্ট ও সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে অর্থাৎ নিউক্লিয়াসটি নিউক্লিয়ার রেটিকুলাম দিয়ে গঠিত।
৩। ক্রোমোজমে এ (DNA, RNA) এবং প্রোটিন থাকে।
৪। সালোকসংশ্লেষণের এর জন্য সুগঠিত প্লাস্টিড থাকে।
৫। সাইটোপ্লাজমে সব ধরনের অঙ্গাণু যেমন- মাইটোকন্ড্রিয়া, এন্ডপ্লাজমিক রেটিকুলাম, রাইবােজোম,লাইসোজম, গলজি বস্তু ইত্যাদি থাকে।
৬। মাইটোসিস পদ্ধতিতে দেহ কোষ বিভাজিত হয়।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

১০.
নিচের কোনটি জীবের বংশগতিতে অবদান রাখে?
  1. ক) নিউক্লিয়াস
  2. খ) ক্রোমাটিন জালিকা
  3. গ) নিউক্লিউপ্লাজম
  4. ঘ) নিউক্লিয়ার ঝিল্লী
ব্যাখ্যা

ক্রোমাটিন জালিকা জীবের বংশগতিতে অবদান রাখে।

ক্রোমাটিন জালিকা (Chromatin reticulum):
কোষের বিশ্রামকালে কেন্দ্রিকায় কুণ্ডলী পাকানো সূক্ষ্ম সুতার ন্যায় অংশই ক্রোমাটিন জালিকা। কোষ বিভাজনের সময় এরা মোটা ও খাট হয় তাই তখন তাদের আলাদা আলাদা ক্রোমোজোম হিসেবে দেখা যায়।

ক্রোমোজোমে অবস্থিত জিনগুলো বংশগতির গুণাবলি বহন করে এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মে নিয়ে যায়। কোনো একটি জীবের ক্রোমোজোম সংখ্যা ওই জীবের জন্য নির্দিষ্ট। এসব ক্রোমোজোমে বংশধারা বহনকারী জিন অবস্থান করে। পুরুষানুক্রমে বংশের বৈশিষ্ট্য বহন করা ক্রোমোজোমের কাজ।

কোষ জীবদেহের (উদ্ভিদ ও প্রাণী) গঠনের একক। এককোষী ও বহুকোষী প্রাণীদের কোষে কাজ ভিন্ন ভিন্নভাবে পরিচালিত হয়। পৃথিবীর আদি সব ধরনের ক্রিয়াকলাপ যেমন খাদ্যগ্রহণ, দেহের বৃদ্ধি ও প্রজনন ওই এক কোষের মাধ্যমে সম্পন্ন করে থাকে। বহুকোষী প্রাণীদের দেহকোষের মাঝে ভিন্নতা আছে, আছে বৈচিত্র্যতা।

মানবদেহে নানা ধরনের কোষ আছে যারা ভিন্ন ভিন্ন কাজে নিয়োজিত। মানবদেহের স্নায়ুকোষ জালের মতো ছড়িয়ে থাকে। দেহের যে কোনো অংশের উদ্দীপনা গ্রহণ করে মস্তিষ্কে প্রেরণ করা, আবার মস্তিষ্কের কোনো বার্তা শরীরের নির্দিষ্ট অংশে পৌঁছে দেওয়াই এদের কাজ।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

১১.
শ্বেতসারের প্রধান উৎস কোনটি?
  1. ক) ধান
  2. খ) গাজর
  3. গ) খেজুর
  4. ঘ) আম
ব্যাখ্যা

ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য শস্য দানা শ্বেতসারের প্রধান উৎস।
এছাড়া আলু, রাঙ্গা আলু বা, কচুতে শ্বেতসার বা, স্টার্চ পাওয়া যায়।
আঙ্গুর, আপেল, গাজর, খেজুর ইত্যাদিতে গ্লুকোজ পাওয়া যায়।
আম, পেঁপে, কলা, ইত্যাদিতে ফ্রুক্টোজ বিদ্যমান।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

১২.
দেহের বিভিন্ন অঙ্গের আবরণী হিসেবে কাজ করে কোন টিস্যু?
  1. ক) স্নায়ু
  2. খ) এপিথেলিয়াল
  3. গ) যোজক
  4. ঘ) পেশী
ব্যাখ্যা

আবরণী টিস্যু দেহের বিভিন্ন অঙ্গের আবরণী হিসেবে কাজ করে।

আবরণী টিস্যু (Epithelial Tissue):
এই টিস্যু বিভিন্ন অঙ্গের আবরণ হিসেবে কাজ করে। তবে অঙ্গকে আবৃত রাখাই আবরণী। টিস্যুর একমাত্র কাজ নয়।
এই টিস্যুর আরও চারটি কাজ: অঙ্গকে আবৃত রাখা, সেটিকে বাইরের আঘাত থেকে রক্ষা করা (protection), প্রোটিনসহ বিভিন্ন পদার্থ ক্ষরণ বা নিঃসরণ করা (secretion), বিভিন্ন পদার্থ শোষণ করা (absorption) এবং কোষীয় স্তর পেরিয়ে সুনির্দিষ্ট পদার্থের পরিবহন (transcellular transport)। আবরণী টিস্যুর কোষগুলো ঘন সন্নিবেশিত এবং একটি ভিত্তিপর্দার উপর বিন্যস্ত থাকে।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

১৩.
নিচের কোন তন্ত্রটি খাদ্য পরিপাকে সহায়তা করে থাকে?
  1. ক) স্নায়ুতন্ত্র
  2. খ) শ্বসনতন্ত্র
  3. গ) রেচনতন্ত্র
  4. ঘ) পরিপাকতন্ত্র
ব্যাখ্যা

পরিপাকতন্ত্র খাদ্য পরিপাকে সহায়তা করে থাকে।
যে শারীরিক প্রক্রিয়ায় জটিল খাদ্যবস্তু শোষণের উপযোগী কিংবা হজম হয়ে বা ভেঙে ক্ষুদ্র সাধারণ কণা হয়, তাকে পরিপাক ক্রিয়া বলে। পরিপাক সংশ্লিষ্ট যত ধাপ বা অংশ আছে, সব মিলেই পরিপাকতন্ত্র (Digestive System)।

নিম্নে কিছু অঙ্গের নাম ও তাদের কার্যকর্ম দেওয়া হলো:
অন্ননালি - পেশী সংকোচনের মাধ্যমে খাদ্যদ্রব্য এ নালীপথে পাকস্থলিতে প্রবেশ করে।
পাকস্থলি - বিভিন্ন এনজাইম এবং এসিডের মাধ্যমে জটিল খাদ্য ভাঙ্গে।
যকৃত - পাচক রস উৎপন্ন করে যা ফ্যাটকে ভাঙ্গে।
পিত্তথলি - পাচক রস সংরক্ষন করে এবং প্রয়োজনে নিঃসরণ করে।
অগ্ন্যাশয় - একধরনের রাসায়নিক পদার্থ নিঃসরন করে যা খাদ্যকে ভাঙ্গে।
ক্ষুদ্রান্ত্র - খাদ্য শোষণ করে শরীরের জন্য।
বৃহাদান্ত্র - পানি ও লবন শোষণ করে।
মলাশয় - উচ্ছিষ্ট সরবরাহ করে।
অ্যাপেনডিক্স - চিহ্নিত অঙ্গ (এর কোনে কাজ মানব শরীরে নেই, এটি একটি অতিরিক্ত অঙ্গ)।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

১৪.
নিউক্লিয়াসের সম্পূর্ণ বিলুপ্তি ঘটে মাইটোসিস কোষ বিভাজনের কোন ধাপে?
  1. ক) Prophase
  2. খ) Metaphase
  3. গ) Anaphase
  4. ঘ) Telophase
ব্যাখ্যা

মেটাফেজ ধাপে নিউক্লিয়ার মেমব্রেন এবং নিউক্লিয়াসের সম্পূর্ণ বিলুপ্তি ঘটে।
মাইটোসিস কোষ বিভাজনের যে পর্যায়ে ক্রোমোজোমগুলো স্পিন্ডল যন্ত্রের বিষুবীয় অঞ্চলে অবস্থান করে তাকে মেটাফেজ (Metaphase) বলে।
মেটাফেজ ধাপে সব ক্রোমোজোম স্পিন্ডল যন্ত্রের বিষুবীয় অঞ্চলে অবস্থান করে। প্রতিটি ক্রোমোজমের সেন্ট্রোমিয়ার বিষুবীয় অঞ্চলে এবং বাহু দুটি মেরুমুখী হয়ে অবস্থান করে। এ ধাপে ক্রোমোজমগুলো সবচেয়ে মোটা ও খাটো হয়। প্রতিটি ক্রোমোজমের ক্রোমাটিড দুটির আকর্ষণ কমে যায় এবং বিকর্ষণ শুরু হয়। এ ধাপে নিউক্লিয়ার মেমব্রেন ও নিউক্লিওলাসের সম্পূর্ণ বিলুপ্তি ঘটে।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

১৫.
কত তরঙ্গবিশিষ্ট আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে ভাল হয়? 
  1. ক) 200 nm
  2. খ) 300 nm
  3. গ) 680 nm
  4. ঘ) 500 nm
ব্যাখ্যা

সাধারণত 400 nm থেকে 480 nm এবং 680 nm তরঙ্গদৈর্ঘ্য বিশিষ্ট আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে ভাল হয়।
সালোকসংশ্লেষণ একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে সবুজ উদ্ভিদ/গাছপালা সূর্যালোকের উপস্থিততে কার্বনডাইঅক্সাইড ও পানি সহযোগে শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে, এই প্রক্রিয়াকেই সালোকসংশ্লেষণ বলে।
গাছপালার বেঁচে থাকার জন্য সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে প্রয়োজনীয়। সালোকসংশ্লেষণ ছাড়া উদ্ভিদের শ্বসনের জন্য কার্বোহাইড্রেট থাকত না। এছাড়াও, সালোকসংশ্লেষে উত্পাদিত কার্বোহাইড্রেটগুলি সেলুলোজ কোষ প্রাচীরের মতো উদ্ভিদ কোষ কাঠামো তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

১৬.
বায়ুতে অক্সিজেন গ্যাসের পরিমাণ কত?
  1. ক) 19.75
  2. খ) 19.09
  3. গ) 20.95
  4. ঘ) 21.95
ব্যাখ্যা

বায়ুতে অক্সিজেন গ্যাসের পরিমাণ ২০.৯৫ শতাংশ। 

কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ ০.০৩৩ শতাংশ। 
পৃথিবীতে উদ্ভিদ ও প্রাণীর স্বাভাবিক বৃদ্ধি এবং জীবনযাপনের জন্য বায়ুতে এ দুইটি গ্যাসের পরিমাণ স্বাভাবিক পর্যায়ে থাকে।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান 

১৭.
ইস্টে কোন ধরনের শ্বসন সংঘটিত হয়?
  1. ক) সবাত
  2. খ) অবাত
  3. গ) উভয়টি ঘটে
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

ইস্টে অবাত শ্বসনের ফলে অ্যালকোহল এবং কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস তৈরি হয়।
এই কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাসের চাপে রুটি ফুলে গিয়ে ভেতরে ফাঁপা হয়।
যে শ্বসন প্রক্রিয়া অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে সংগঠিত হয় তাকে অবাত শ্বসন বলে।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

১৮.
কোন রক্তের গ্রুপে কোন এন্টিজেন নেই?
  1. ক) Group A
  2. খ) Group B
  3. গ) Group AB
  4. ঘ) Group O
ব্যাখ্যা

রক্তের O গ্রুপে কোন এন্টিজেন নেই।
রক্তের AB গ্রুপে কোন এন্টিবডি নেই।
রক্ত কণিকার প্লাজমামেমব্রেনে অবস্থিত বিভিন্ন অ্যান্টিজেনের উপস্থিতির ভিত্তিতে রক্তের শ্রেণিবিন্যাসকে রক্ত গ্রুপ (Blood Group) বলে।
আমেরিকার জীববিজ্ঞানী কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার (Karl Landsteiner) ১৯০১ সালে মানুষের রক্তের শ্রেণিবিন্যাস করেন। রক্ত কণিকায় অ্যান্টিজেনের উপস্থিত ও অনুপস্থিতির উপর নির্ভর করে রক্তের যে শ্রেণিবিন্যাস করেন, তা ABO ব্লাড গ্রুপ নামে পরিচিত। অনেক সময় একে ল্যান্ডস্টেইনার এর ব্লাড গ্রুপ বলে।
চার ধরনের রক্তের গ্রুপ আছে—A, B, AB এবং O। অ্যান্টিজেন এবং অ্যান্টিবডির ওপর ভিত্তি করে মূলত রক্তের গ্রুপ নির্ধারণ করা হয়।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

১৯.
রক্তচাপ মাপার যন্ত্রটির নাম কি?
  1. ক) থার্মোমিটার 
  2. খ) স্ফিগমোম্যানোমিটার
  3. গ) ব্যারোমিটার
  4. ঘ) হাইগ্রোমিটার
ব্যাখ্যা

স্ফিগমোম্যানোমিটার হলো রক্তচাপ পরিমাপক যন্ত্র।
গ্রিক শব্দ ‘Sphygmos’ (স্পন্দন) এবং বৈজ্ঞানিক পরিভাষা ‘Manometer’-এর (চাপমানযন্ত্র) সমন্বয়ে ‘স্ফিগমোম্যানোমিটার’ শব্দটির উৎপত্তি। নাম থেকে যন্ত্রটির কাজ বোঝা যায় সহজেই।
স্ফিগমোম্যানোমিটার প্রথম আবিষ্কৃত হয় ১৮৮১ সালে। আবিষ্কার করেন অস্ট্রিয়ান চিকিৎসক স্যামুয়েল সিগফ্রিড কার্ল রিটার ভন বাস্ক। এরপর একাধিকজনের হাত ধরে বর্তমান রূপে এসে পৌঁছেছে যন্ত্রটি। ১৮৯৬ সালে ইতালিয়ান শিশুচিকিৎসক স্কিপিয়ন রিভা-রকি এটিকে আরও সহজে ব্যবহারের উপযোগী করে তোলেন। ১৯০১ সালে, নিউরোসার্জন হার্ভে কুশিং এর আধুনিকতর রূপ উপহার দেন এবং তখন থেকেই চিকিৎসাজগতে রীতিমতো জনপ্রিয় হয়ে ওঠে যন্ত্রটি।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান এবং প্রথম আলো পত্রিকা ওয়েবসাইট ১৬ই অগাস্ট, ২০২২ (ব্যাখ্যা)

২০.
জীবদেহের অকেজো কোষকে কোন প্রক্রিয়ায় লাইসোসোম ধ্বংস করে?
  1. ক) ফ্যাগোসাইটোসিস
  2. খ) অটোফ্যাগি
  3. গ) অটোলাইসিস
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

জীবদেহের অকেজো কোষকে অটোলাইসিস বা, স্ববিগলন প্রক্রিয়ায় লাইসোসোম ধ্বংস করে।
ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় আক্রমণকারী জীবাণুকে লাইসোসোম ধ্বংস করে।
জীবে তীব্র খাদ্য অভাব দেখা দিলে কোষের উপাদান ও অঙ্গানুকে বিগলিত করে অটোফ্যাগি প্রক্রিয়ায় ধ্বংস করবার মাধ্যমে জীবকে টিকে থাকতে সহায়তা করে লাইসোসোম।

সূত্র: জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

২১.
ক্রোমোসোমে শতকরা কত ভাগ প্রোটিন থাকে?
  1. ক) ৪৫
  2. খ) ৫০
  3. গ) ৫৫
  4. ঘ) ৬৫
ব্যাখ্যা

প্রোটিন হল ক্রোমোসোমের মূল কাঠামো গঠনকারী রাসয়নিক উপাদান। এ কাঠামোতে নিউক্লিক অ্যাসিডগুলো বিন্যাস্ত থাকে। ক্রোমোজমে প্রোটিনের পরিমাণ শতকরা ৫৫ ভাগ। এছাড়াও ক্রোমোজমে দুই ধরনের প্রোটিন পাওয়া যায়। যথা- হিস্টোন এবং নন-হিস্টোন।
নিউক্লিয়াসের ভেতরে অবস্থিত নিউক্লিওপ্রোটিনে গঠিত যেসব তন্তুর মাধ্যমে জীবের যাবতীয় বৈশিষ্ট্য বংশপরম্পরায় সঞ্চারিত হয় তাকে ক্রোমোজোম বলে। একটি নিউক্লিয়াসে নির্দিষ্ট সংখ্যক ক্রোমোজোম থাকে। এর প্রধান উপাদান DNA।
ক্রোমোজোমের কাজ-
১. DNA তথা জিন অণু ধারণ করে।
২. প্রজাতির বৈশিষ্ট্যকে বংশপরম্পরায় বহন করে।
৩. প্রাণীর লিঙ্গ নির্ধারণে এর ভূমিকা সর্ববিদিত।
৪. কোষের সংশ্লেষ কাজের সঙ্গে এর পরোক্ষ সম্পর্ক আছে।
৫. জীবের সব বিপাকীয় কার্যাবলী নিয়ন্ত্রণে এর ভূমিকা রয়েছে।

সূত্র: জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

২২.
নগ্নবীজী উদ্ভিদের উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) সুপারি
  2. খ) কাঁঠাল
  3. গ) জাম
  4. ঘ) পাইনাস
ব্যাখ্যা

সাইকাস এবং পাইনাস নগ্নবীজী উদ্ভিদ।
এসব উদ্ভিদের ফুলে ডিম্বাশয় না থাকায় ডিম্বকগুলো নগ্ন থাকে। এসব ডিম্বক পরিণত হয়ে বীজ উৎপন্ন করে।
আবৃতবীজী উদ্ভিদ: যেসব উদ্ভিদের বীজ ফলের ভেতর আবৃত অবস্থায় থাকে, তাকে আবৃতবীজী উদ্ভিদ বলে। যেমন: আম, কাঁঠাল, লিচু ইত্যাদি।

সূত্র: ষষ্ঠ শ্রেণির বিজ্ঞান

২৩.
শোষক মূল উদ্ভিদের উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) রাস্না
  2. খ) স্বর্ণলতা
  3. গ) সুন্দরী
  4. ঘ) গরান
ব্যাখ্যা

স্বর্ণলতা উদ্ভিদে শোষক মূল লক্ষ্য করা যায়।
পরজীবী উদ্ভিদে ক্লোরোফিল থাকে না বলে খাদ্য এর জন্য আশ্রয়দাতা উদ্ভিদের দেহে বিশেষ ধরনের মূল প্রবেশ করিয়ে খাদ্যরস শোষণ করে থাকে, এ ধরনের মূলগুলোকে শোষক মূল বলে।
পরাশ্রয়ী বায়বীয় মূল জাতীয় উদ্ভিদে মূল বাতাস থেকে জলীয় বাষ্প গ্রহণ করে। যেমন- রাস্না
সমুদ্র উপকুলে লবনাক্ত ও কর্দমাক্ত মাটিতে উদ্ভিদের প্রধান মূল হতে শাখা মূল মাটির উপরে খাড়াভাবে উঠে আসে। এই সকল মূলে ছোট ছোট ছিদ্র থাকে। এ ধরনের রূপান্তরিত মূলকে শ্বাসমূল বলে। যেমন- সুন্দরী, গরান ইত্যাদি।

সূত্র: সপ্তম শ্রেণির বিজ্ঞান

২৪.
বায়োলজি শব্দটির প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ক) এরিস্টটল
  2. খ) ল্যামার্ক
  3. গ) থিওফ্রাস্টাস
  4. ঘ) কার্ল বেন্ডা
ব্যাখ্যা

ল্যামার্ক বায়োলজি শব্দটির প্রতিষ্ঠাতা এবং তিনি প্রথম বিবর্তন অপর বিশ্লেষণী তত্ত্ব প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন।
এ বিষয়টি তিনি ১৮০৯ খ্রিস্টাব্দে তার লেখা 'Philosophic Zoologique' নামে একটি বইতে লিপিবদ্ধ করেন।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির বিজ্ঞান

২৫.
প্রোটোপ্লাজমে পানির পরিমাণ কতভাগ?
  1. ক) ৯০
  2. খ) ৯৩
  3. গ) ৯৫
  4. ঘ) ৯৮
ব্যাখ্যা

প্রোটোপ্লাজমে পানির পরিমাণ সাধারণত শতকরা ৬৭ থেকে ৯০ ভাগ হয়ে থাকে।
প্রোটোপ্লাস্টের নির্জীব অংশ বাদে অবশিষ্ট অংশটিই প্রোটোপ্লাজম অর্থাৎ, কোষের সমস্ত সজীব অংশকে একত্রে প্রোটোপ্লাজম বলে। অন্যভাবে, কোষের অভ্যন্তরে স্বচ্ছ, আঠালো এবং জেলির ন্যায় অর্ধতরল, কলয়ডালধর্মী সজীব পদার্থকে প্রোটোপ্লাজম বলে। গ্রিক শব্দ protos-প্রথম, plasma-আকার থেকে Protoplosm শব্দটির উৎপত্তি।

আবিষ্কার ও নামকরণ : বিজ্ঞানী পারকিনজি (Purkinje, ১৮৪০) সর্বপ্রথম প্রোটোপ্লাজম কথাটি ব্যবহার করেন। প্রোটোপ্লাজমই যে প্রাণের ভৌত ভিত্তি সে সম্পর্কে প্রথম ধারণা দেন বিজ্ঞানী ম্যাক্স সূজ (Max Schultze, ১৮৬৩) এবং টমাস হাক্সলে (Thomas Huxley, ১৮৬৮)।

প্রোটোপ্লাজমের ভৌত বৈশিষ্ট্য:
ক. প্রোটোপ্লাজম অর্ধস্বচ্ছ, বর্ণহীন, জেলি সদৃশ অর্ধতরল আঠালো পদার্থ।
খ. এটি দানাদার ও কলয়ডালধর্মী।
গ. ইহা কোষস্থ পরিবেশ অনুযায়ী জেলি থেকে তরলে এবং তরল থেকে জেলিতে পরিবর্তিত হতে পারে।
ঘ. প্রোটোপ্লাজমের আপেক্ষিক গুরুত্ব পানি অপেক্ষা বেশি থাকে।
ঙ. উত্তাপ, অ্যাসিড ও অ্যালকোহলের প্রভাবে প্রোটোপ্লাজম জমাট বাধেঁ।

প্রোটোপ্লাজমের রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য-
রাসায়নিকভাবে প্রোটোপ্লাজমে জৈব এবং অজৈব পদার্থ আছে। এতে অধিক পরিমাণে আছে পানি। জৈব পদার্থের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আছে বিভিন্ন ধরণের প্রোটিন, এরপর আছে কার্বোহাইড্রেট ও লিপিড ও ভিটামিন। এছাড়াও আছে অক্সিজেন, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, কার্বন, কপার, ইত্যাদি।

সূত্র: সপ্তম শ্রেণির বিজ্ঞান

২৬.
ফুলের অত্যাবশ্যকীয় স্তবক কোনটি?
  1. ক) বৃতি
  2. খ) স্ত্রীস্তবক
  3. গ) দলমণ্ডল
  4. ঘ) পুষ্পমঞ্জুরি
ব্যাখ্যা

ফুলের স্ত্রীস্তবককে অত্যাবশ্যকীয় স্তবক বলে।  

বৃতি ও দলমণ্ডলকে সাহায্যকারী স্তবক বলে।

পুংস্তবক ও অত্যাবশ্যকীয় স্তবকের অংশ। 

বৃতি:-
এটি ফুলের প্রথম স্তবক এবং সবুজ বর্ণের হয়। বৃতি প্রতিটি অংশকে বৃত্যংশ বলে। 
কাজ : বৃতি ফুলের বিভিন্ন অংশগুলিকে রক্ষা করে।

দলমন্ডল:-
এটি ফুলের দ্বিতীয় স্তবক। এটি সাধারণত উজ্জ্বল বর্ণের হয়। এর এক একটি অংশকে দল বা পাপড় বলে।
দল উজ্জ্বল বর্ণের সাহায্যে পরাগযোগের এর জন্য কীটপতঙ্গের আকর্ষণ করে।

পুংকেশর চক্র বা পুংস্তবক:
এটি ফুলের পুং জনন অঙ্গ তথা তৃতীয় স্তবক। প্রতিটি অংশকে পুংকেশর বলে। প্রতিটি পুংকেশর পুং দন্ড ও পরাগধানী নিয়ে গঠিত। পরাগধানীর মধ্যে হলুদাভ রঙের পরাগরেণু উৎপন্ন হয়।

গর্ভকেশর চক্র বা স্ত্রী স্তবক:
এটি ফুলের স্ত্রী জনন অঙ্গ তথা চতুর্থ ও শেষ স্তবক। স্ত্রী স্তবকের এক একটি অংশকে গর্ভপত্র বা গর্ভকেশর বলে। প্রতিটি গর্ভপত্র তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত, যথা-গর্ভমুন্ড, গর্ভদন্ড এবং গর্ভাশয় বা ডিম্বাশয়। ডিম্বাশয়ের মধ্যে অসংখ্য ডিম্বক থাকে। প্রত্যেক ডিম্বক এর মধ্যে ডিম্বাণু যাকে।

সূত্র: অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

২৭.
কোন পর্যায়ে DNA এর প্রতিলিপন সম্পন্ন হয়?
  1. ক) প্রোফেজ
  2. খ) মেটাফেজ
  3. গ) টেলোফেজ
  4. ঘ) ইন্টারফেজ
ব্যাখ্যা

কোষ বিভাজন আরম্ভ হওয়ার পূর্বে ইন্টারফেজ পর্যায়েই DNA প্রতিলিপন সম্পন্ন হয়।

ইন্টারফেজ দশা- ইন্টারফেজ হল কোষ বিভাজনের প্রক্রিয়া পর্যায়ের প্রস্তুতির পর্ব। কোষ বিভাগের সময়, ডিএনএ দ্বিগুণ হয়ে যায় এবং তারপরে কন্যা কোষগুলিতে বিতরণ করা হয়। তাই কোষ বিভাগের এই প্রথম পর্যায়ে নিউক্লিয়োটাইড এবং সমস্ত প্রোটিন সংশ্লেষিত হয়।
ইন্টারফেজ এর গুরুত্ব:
-ইন্টারফেজ, কোষ বিভাজনের মধ্যবর্তী সময়কালে, এমন সময় হয় যখন কোষটি বিভিন্ন বিপাকীয় ক্রিয়াকলাপে বৃদ্ধি পায় এবং ব্যস্ত থাকে। কোনও কোষ বিভক্ত হওয়া উচিত কিনা তা Interphase সিদ্ধান্ত নেয়।
-ইন্টারফেজের তিন-পর্যায়ের জি 1, এস, জি 2 রয়েছে। এই পদক্ষেপগুলিতে, ডিএনএ প্রতিরূপের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এনজাইম এবং প্রোটিনগুলি সংশ্লেষিত করা হয়।
-জি ১ পর্যায়ে সাইটোপ্লাজম এবং নিউক্লিয়াসের অনুপাত বজায় থাকে। এস পর্যায়ে ডিএনএ এবং ক্রোমোজোমের নকল ঘটে এবং জি 2 পর্বে কোষটি বৃদ্ধি পায় এবং মাইটোসিসের জন্য প্রস্তুত হয়।

সূত্র: জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

২৮.
নিচের কোনটি প্লিউরা নামক পর্দা দ্বারা আবৃত থাকে?
  1. ক) Nasopharynx
  2. খ) Larynx
  3. গ) Trachea
  4. ঘ) Lungs
ব্যাখ্যা

ফুসফুসের দুই স্তর প্লিউরা নামক পর্দা দ্বারা আবৃত থাকে।
ফুসফুস শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। আমাদের বুকের বাঁ দিকে রয়েছে হৃৎপিণ্ড। হৃৎপিণ্ডের দুই পাশজুড়েই ফুসফুসের অবস্থান। ফুসফুসের কাজ শ্বাস-প্রশ্বাসে সাহায্য করা।
ফুসফুস স্পঞ্জের মতো নরম ও কোমল। এটি হালকা লালচে রঙের হয়। স্বাভাবিক পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তির দুটি ফুসফুসের ওজন একত্রে হয় প্রায় ১.৩ কিলোগ্রাম।
দুটি ফুসফুসকে একত্রে বলা হয় ব্রংকাস। শ্বাস নেওয়ার সময় তা বেলুনের মতো ফুলে যায় এবং শ্বাস ছাড়ার পর আগের অবস্থায় ফিরে আসে। তাই ফুসফুসকে দেহের বেলুনও বলা হয়। প্রতিটি পূর্ণবয়স্ক মানুষ প্রতি মিনিটে শ্বাস-প্রশ্বাস নেয় ১২ থেকে ১৮ বার। আর শিশুরা নেয় ২০ থেকে ৩০ বার। তবে পরিবেশ-পরিস্থিতি ও মানসিক অবস্থার কারণে এর পরিবর্তন হতে পারে।

সূত্র: জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় 

২৯.
সাইনুসাইটিস রোগের জন্য দায়ী কোন ব্যাকটেরিয়া?
  1. ক) Haemophilus influenzae
  2. খ) Neisseria meningitidis 
  3. গ) Listeria monocytogenes 
  4. ঘ) Citrobacter koseri 
ব্যাখ্যা

সাইনুসাইটিস রোগের জন্য দায়ী হচ্ছে Haemophilus influenzae. 
এছাড়াও Streptococcus, Moraxella catarrhalis ও দায়ী। তবে,
Haemophilus influenzae এর সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি হয়ে থাকে।
ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা, ছত্রাক দ্বারা সাইনাস আক্রান্ত হলে যে প্রদাহের সৃষ্টি করে তাকে সাইনুসাইটিস বলে।

উপসর্গ:
১। মাথা ব্যথা, সামনের অংশে।
২। মুখে ব্যথা, মুখ ভার ভার অনুভব হওয়া।
৩। নাক ভার হয়ে থাকা কিংবা নাক দিয়ে পানি পড়া অথবা নাক ব্লকেজ মনে হওয়া।
৪। সর্দি, জ্বর, কাশি হওয়া।
৫। গাড়, হলদে রং এর নাসাল ডিসচার্জ।
৬। ঘ্রাণ শক্তি হ্রাস পাওয়া।
৭। নিঃশ্বাসের সময় ব্যতিক্রমী ঘ্রাণ পাওয়া (Bad breath)

চিকিৎসা:
সাইনুসাইটিসের কারণে মাথব্যথা হয়েছে বলে মনে হলে যতদ্রুত সম্ভব একজন নাক, কান, গলারোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে।
সাইনুসাইটিস থেকে বাঁচতে সতর্কতা হিসেবে ধুলাবালি এড়িয়ে চলা, প্রয়োজনে মাস্ক ব্যবহার করা, নাকের ভিতর ময়লা পানি যাতে না ঢুকে সেদিকে খেয়াল রাখা, দাঁতে সমস্যা হলে দ্রুত চিকিৎসা নেয়া, ঠান্ডা যাতে না লাগে সে ব্যাপারে সতর্ক থাকা, ঘর যাতে ভেজা স্যাঁতস্যাঁতে না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখা যেতে পারে।

সূত্র: জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৩০.
নিচের কোন উপাদানটির অভাবে গাছের কাণ্ড দুর্বল এবং ছোট হয়?
  1. ক) বোরন
  2. খ) লৌহ
  3. গ) ম্যাগনেশিয়াম
  4. ঘ) ক্যালসিয়াম
ব্যাখ্যা

লৌহের অভাবে গাছের কাণ্ড দুর্বল এবং ছোট হয়।
লৌহের অভাবে প্রথমে গাছের কচি পাতার রঙ হালকা হয়ে যায়, তবে পাতার সরু শিরার মধ্যবর্তী স্থানেই প্রথম হালকা হয় এবং ক্লোরোসিস হয়। কখনো কখনো সম্পূর্ণ পাতা বিবর্ণ হয়ে যায়।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

৩১.
পৃষ্ঠদেশ একক ও ফাঁপা স্নায়ুরজ্জু- কোন পর্বের প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য?
  1. ক) Mollusca
  2. খ) Annelida
  3. গ) Chordata
  4. ঘ) Arthropoda
ব্যাখ্যা

পৃষ্ঠদেশ একক ও ফাঁপা স্নায়ুরজ্জু- কর্ডাটা পর্বের প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য।
কর্ডাটা পর্বের প্রাণীর বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১. ভ্রূণ অবস্থায় অথবা সারা জীবন পৃষ্ঠ মধ্যরেখা বরাবর নিরেট (Solid), দণ্ডাকৃতির (Rod-shaped) ও স্থিতিস্থাপক (Elastic) নটোকর্ড (Notochord) বর্তমান যা মেরুদণ্ডীদের (Vertebrates) পূর্ণাঙ্গ প্রাণীতে মেরুদণ্ড (Vertebral column) দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়।
২. নটোকর্ডের (Notochord) পৃষ্ঠদেশ (Dorsal side) বরাবর ফাঁপা ও নলাকার স্নায়ু-রজ্জু (Nerve cord) উপস্থিত। মেরুদণ্ডীদের ক্ষেত্রে এটির অগ্রপ্রান্তে মস্তিষ্ক (Brain) এবং এর পশ্চাতে সুষুম্নাকাণ্ড (Spinal cord) গঠিত হয়।
৩. উন্নত কর্ডেট (Higher Chordates) ছাড়া অধিকাংশ প্রাণীতে সারা জীবন অথবা জীবনের যে কোন দশায় গলবিলে পার্শ্বীয়ভাবে কয়েক জোড়া ফুলকা রন্ধ্র (Gill slits) বর্তমান।
৪. মেরুদণ্ডীদের অন্তঃকঙ্কাল বিশিষ্ট দু’জোড়া পদ (অগ্রপদ ও পশ্চাৎ পদ) বর্তমান।
৫. এন্ডোস্টাইল (Endostyle) উপস্থিত যা পরবর্তীতে থাইরয়েড গ্রন্থিতে (Thyroid glands) রূপান্তরিত হয়।
৬. পায়ু (Anus) পরবর্তী পেশীবহুল ও স্থিতিস্থাপক লেজ (Tail) উপস্থিত।
৭. উন্নত পরিপাকতন্ত্র পরিপাক গ্রন্থিবিশিষ্ট এবং পাকস্থলী (Stomach) ও অন্ত্র (Intestine) সুস্পষ্টভাবে আলাদা।
৮. রক্ত সংবহনতন্ত্র বদ্ধ প্রকৃতির। অঙ্কীয় দিকে অবস্থিত হৃদযন্ত্র, পৃষ্ঠীয় ও অঙ্কীয় রক্তনালী নিয়ে রক্ত সংবহনতন্ত্র গঠিত। হেপাটিক পোর্টাল তন্ত্র (Hepatic portal system) উন্নত প্রকৃতির।
৯. জলজ শ্বসন (Aquatic respiration) ফুলকার (Gill) সাহায্যে এবং বায়বীয় শ্বসন (Arial respiration) ফুসফুসের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়ে থাকে।
১০. অধিকাংশ প্রাণীতে কোমলাস্থি (Cartilage) অথবা অস্থি (Bone) নির্মিত কঙ্কাল দৈহিক অবকাঠামো তৈরি করে।
১১. বিরল ব্যতিক্রম ছাড়া সকলেই একলিঙ্গ (Dioecious) প্রাণী।

সূত্র: অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

৩২.
কোষ বিভাজনের সময় মাকুযন্ত্র গঠন করে কোনটি?
  1. ক) মাইক্রোফিলামেন্ট
  2. খ) ইন্টারমিডিয়েট ফিলামেন্ট
  3. গ) মাইক্রোটিউবিউলস
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

মাইক্রোটিউবিউলস কোষ বিভাজনের সময় মাকুযন্ত্র গঠন করে। 
কোষ বিভাজনের সময় মাকুযন্ত্র গঠন করা এবং সেন্ট্রোমিয়ারের সাথে সংযুক্ত হয়ে ক্রোমসোমকে পৃথক করতে পাশাপাশি বিপরীত মেরুতে পৌছাতে সাহায্য করে।
মাইক্রোটিউবিউলস (Microtubules)-
ভৌত গঠন (Physical Structure) : মাইক্রোটিউবিউলস দেখতে লম্বা, শাখাহীন, ফাঁপা টিউব জাতীয়।
রাসায়নিক গঠন (Chemical Composition) : প্রতিটি মাইক্রোটিউবিউলসে ১৩টি প্রোটোটিউবিউল সর্পিলাকারে সজ্জিত থাকে। মাইক্রোটিউবিউলসের প্রতিটি প্রোটোটিউবিউল ডাইমেরিক প্রোটিন দিয়ে গঠিত।

কাজ :
১. ফ্ল্যাজেলা, সিলিয়া ইত্যাদির বিচলনে সাহায্য করে।
২. কোষ বিভাজনের সময় মাকুযন্ত্র গঠন করে; সেন্ট্রোমিয়ারের সাথে সংযুক্ত হয়ে ক্রোমোসোমকে পৃথক করতে এবং বিপরীত মেরুতে পৌঁছাতে সাহায্য করে।
৩. মাইক্রোফাইব্রিলের বিন্যাস নির্দেশ করে। এরা কোষ প্রাচীর গঠনেও সাহায্য করে।
৪. সেল মেমব্রেন, নিউক্লিয়ার এনভেলপ ও অন্যান্য অঙ্গাণুর সাথে সংযুক্ত থেকে এদের সাথে যোগাযোগ ও পরিবহন কার্যে সাহায্য করে।
৫. এরা সাইটোস্কেলিটন বা কোষীয় কঙ্কাল হিসেবে কাজ করে এবং কোষকে দৃঢ়তা প্রদান করে।
৬. যোগাযোগ ও পরিবহনে সাহায্য করে।

সূত্র: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির জীববিজ্ঞান, প্রথম পত্র, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।

৩৩.
দাঁতের ভেতরের নরম ফাঁপা অংশটির নাম কী?
  1. ক) এনামেল
  2. খ) দন্তমজ্জা
  3. গ) সিমেন্ট
  4. ঘ) মুকুট 
ব্যাখ্যা

দাঁতের ভেতরের ফাঁপা অংশটিকে দন্তমজ্জা বলে।
মানুষের মুখে অবস্থিত একটি শক্ত অঙ্গ দাঁত। এটি খাদ্য চর্বণ ও কর্তনের কাজে ব্যবহূত হয়। বেশির ভাগ মেরুদণ্ডী প্রাণীর দেহে দাঁতই হচ্ছে সবচেয়ে শক্ত অঙ্গ। একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের মুখগহ্বরের ওপরে ও নিচের চোয়ালে সাধারণত ১৬টি করে মোট ৩২টি দাঁত থাকে।
প্রতিটি দাঁত নিন্মলিখিত অংশ নিয়ে গঠিত-
ডেন্টিন- দাঁত প্রধানত ডেন্টিন নামক শক্ত উপাদান নিয়ে গঠিত।
এনামেল- দাঁতের মুকুট অংশে ডেন্টিনের উপরিভাগে এনামেল নামক কঠিন উপাদান থাকে। এনামেল এবং ডেন্টিন ক্যালসিয়াম ফসফেট, ক্যালসিয়াম কার্বোনেট এবং ফ্লোরাইড দিয়ে তৈরি।
দন্তমজ্জা- ডেন্টিনের ভেতরের নরম ফাঁপা অংশটিকে দন্তমজ্জা বলে। এর ভেতরে শিরা, স্নায়ু, ও নরম কোষ থাকে। দন্তমজ্জার মাধ্যমে ডেন্টিন অংশে পুষ্টি ও অক্সিজেন সরবরাহ করে।
সিমেন্ট- সিমেন্ট নামক পাতলা আবরণ দাঁতের মূল অংশ ডেন্টিনকে আবৃত রাখে। এই সিমেন্টের সাহায্যে দাঁত মাড়ির সাথে আটকানো থাকে।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান