পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়27 minutes৭৮ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৭৯
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৩৬: বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি (সম্পূর্ণ সিলেবাস) উৎস: বিভিন্ন শ্রেণির বোর্ড বই, বিভিন্ন অথেনটিক ওয়েবসাইট, সংস্থার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও যেকোনো গাইড বই। --------------------- [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ১০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ৭৯ প্রশ্ন

.
Operation Absolute Resolve কত তারিখে পরিচালিত হয়?
  1. ২ জানুয়ারি, ২০২৬
  2. ৩ জানুয়ারি, ২০২৬
  3. ৪ জানুয়ারি, ২০২৬
  4. ৫ জানুয়ারি, ২০২৬
সঠিক উত্তর:
৩ জানুয়ারি, ২০২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ জানুয়ারি, ২০২৬
ব্যাখ্যা

অপারেশন অ্যাবসলিউট রিজলভ (Operation Absolute Resolve): 
- ৩ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে Operation Absolute Resolve পরিচালিত হয়।
- এই অপারেশনের মাধ্যমে ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
- ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে চালানো এক বিশেষ অভিযানে মার্কিন ডেল্টা ফোর্স মাদুরোর বাসভবনে ঢুকে তাকে সস্ত্রীক আটক করে। 
- এই অপারেশনের নাম দেওয়া হয়েছে 'অপারেশন অ্যাবসলিউট রিজলভ'।

⇒ 'অপারেশন অ্যাবসলিউট রিজলভ' নামের এই মিশনের নীল নকশা তৈরি হয়েছিল অন্তত চার মাস আগে।
 - গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ আগস্ট, ২০২৫ থেকেই ভেনিজুয়েলার ভেতরে একটি গোপন দল মোতায়েন করেছিল। তাদের একমাত্র কাজ ছিল মাদুরোর প্রতিটি পদক্ষেপের ওপর নজর রাখা। 
- ভেনিজুয়েলা সরকারের উচ্চপদস্থ এক কর্মকর্তাকে সিআইএ তাদের সোর্স হিসেবে ব্যবহার করেছিল, যার পাঠানো তথ্যে এই অভিযান নিখুঁতভাবে পরিচালিত হয়।

উৎস: The New York Times.

.
আন্তর্জাতিক নারী দিবস মূলত জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG)-এর কত নং লক্ষ্যমাত্রার সাথে সরাসরি যুক্ত?
  1. SDG-2
  2. SDG-5
  3. SDG-8
  4. SDG-12
সঠিক উত্তর:
SDG-5
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SDG-5
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক নারী দিবস মূলত জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG)-এর লক্ষ্যমাত্রা ৫ (SDG 5)-এর সাথে সরাসরি যুক্ত, যার মূল বিষয় হলো "লিঙ্গ সমতা অর্জন এবং সকল নারী ও মেয়েদের ক্ষমতায়ন"।

⇔ অভীষ্ট ৫ এর লক্ষ্যমাত্রা:
- ৫.১ সর্বত্র সকল নারী ও মেয়ের বিরুদ্ধে সকল ধরনের বৈষম্যের অবসান ঘটানো,
- ৫.২ পাচার, যৌন হয়রানি ও অন্যসব ধরনের শোষণ-বঞ্চনা সহ ঘরে বাইরে সকল নারী ও মেয়ের বিরুদ্ধে সকল ধরনের সহিংসতার অবসান,
- ৫.৩ শিশুবিবাহ, বাল্যবিবাহ ও জোরপূর্বক বিবাহ এবং নারী যৌনাঙ্গচ্ছেদের মতো সকল ধরনের ক্ষতিকর প্রার অবসান,
- ৫.৪ সরকারি সেবা, অবকাঠামো ও সামাজিক সুরক্ষা নীতিমালার মাধ্যমে অবৈতনিক পরিচর্যাকার্য ও গৃহস্থালি কাজের মর্যাদা ও স্বীকৃতিদান এবং বাসা ও পরিবারের অভ্যন্তরে জাতীয়ভাবে যুক্তিযুক্ত অংশীদারিত্বমূলক দায়িত্বপালনকে উৎসাহিত করা,
- ৫.৫ রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সকল পর্যায়ে নেতৃত্ব দানের জন্য নারীদের পূর্ণাঙ্গ ও কার্যকর অংশগ্রহণ ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করা,
- ৫.৬ জনসংখ্যা ও উন্নয়ন বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের প্রোগ্রাম অব অ্যাকশন ও বেইজিং প্ল্যাটফর্ম ফর অ্যাকশন এবং এদের পর্যালোচনামূলক সম্মেলনসমূহের ফলাফল-দলিলের আলোকে স্বীকৃত যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য এবং প্রজনন অধিকারের ক্ষেত্রে নারীদের সার্বজনীন প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা,
- ৫.ক বিদ্যমান জাতীয় আইনকানুনের আলোকে, অর্থনৈতিক সম্পদ এবং ভূমিসহ সকল প্রকার সম্পত্তির মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ, আর্থিক সেবা, উত্তরাধিকার এবং প্রাকৃতিক সম্পদে নারীর সমঅধিকার নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজ সম্পাদন,
- ৫.খ নারীদের ক্ষমতায়নে সহায়ক প্রযুক্তি, বিশেষ করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো,
- ৫.গ সকল পর্যায়ে নারী ও মেয়েদের ক্ষমতায়ন এবং নারী পুরুষ সমতা আনয়নে যথাযথ নীতিমালা ও প্রয়োগযোগ্য আইনি বিধান প্রণয়ন ও শক্তিশালী করা।

উৎস: UNDP ওয়েবসাইট।

.
হর্ন অব আফ্রিকার অন্তর্ভুক্ত নয় কোন দেশ?
  1. ইথিওপিয়া
  2. জিবুতি
  3. কেনিয়া
  4. ইরিত্রিয়া 
সঠিক উত্তর:
কেনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেনিয়া
ব্যাখ্যা

হর্ন অব আফ্রিকার অন্তর্ভুক্ত নয়- কেনিয়া।

হর্ন অব আফ্রিকা (Horns of Africa):
- 'Horns of Africa' আফ্রিকার শিং হলো আফ্রিকার পূর্বতম অঞ্চল।
- আরব সাগরের দিকে প্রসারিত শিং-এর মতো আকৃতির কারণে এই অঞ্চলকে "আফ্রিকার শিং" বলা হয়। 
- হর্ন অব আফ্রিকা অঞ্চলের দেশগুলো হলো: ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, জিবুতি এবং সোমালিয়া।

উৎস: i) World Atlas.
ii) Britannica.

.
বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস প্রতিবছর পালিত হয় -
  1. ২৮ জানুয়ারি 
  2. ১৩ মার্চ 
  3. ৩ মে
  4. ২২ জুলাই
সঠিক উত্তর:
৩ মে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মে
ব্যাখ্যা

বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস (World Press Freedom Day):
- 'বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস' পালিত হয় প্রতি বছর ৩ মে তারিখে।

⇒ ১৯৯১ সালে ইউনেস্কোর ২৬তম সাধারণ অধিবেশনের সুপারিশ মোতাবেক ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘের সাধারণ সভায় ৩ মে তারিখটিকে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসের স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- এরপর থেকেই বিশ্বব্যাপী গণমাধ্যম কর্মীরা এ দিবসটি পালন করে আসছে। 
- এই দিবসটিতে সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও মুক্ত গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠার মৌলিক নীতিমালা অনুসরণ, বিশ্বব্যাপী গণমাধ্যমের স্বাধীনতার মূল্যায়ন, স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ প্রতিহত করার শপথ নেওয়ার পাশাপাশি ত্যাগী সাংবাদিকদের স্মরণ ও তাদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানানো হয়।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।

.
‘চমন-স্পিন বোল্ডাক’ সীমান্তবর্তী স্থান কোন দুটি দেশের মধ্যে অবস্থিত?
  1. আফগানিস্তান ও পাকিস্তান
  2. চীন ও পাকিস্তান
  3. ভারত ও পাকিস্তান
  4. ভারত ও চীন
সঠিক উত্তর:
আফগানিস্তান ও পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আফগানিস্তান ও পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

‘চমন-স্পিন বোল্ডাক’ সীমান্তবর্তী স্থান:
- ‘চমন-স্পিন বোল্ডাক’ (Chaman-Spin Boldak) সীমান্তবর্তী স্থানটি আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যে অবস্থিত।
- এটি ডুরান্ড লাইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্রসিং পয়েন্ট।

উল্লেখ্য,
- এখানে আফগানিস্তানের কান্দাহার প্রদেশের স্পিন বোল্ডাক এবং পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশের চমন শহর একে অপরের সাথে যুক্ত হয়েছে।

উৎস: Britannica.

.
Asian Clearing Union (ACU) কোন সংস্থার উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে?
  1. UNDP
  2. ESCAP
  3. IMF
  4. World Bank
সঠিক উত্তর:
ESCAP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ESCAP
ব্যাখ্যা

Asian Clearing Union (ACU) জাতিসংঘের এশিয়া অঞ্চলের অর্থনীতি ও সামাজিক কমিশন (ESCAP)-এর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

Asian Clearing Union (ACU)
:
- Asian Clearing Union (ACU) হলো একটি আন্ত-আঞ্চলিক লেনদেন নিষ্পত্তিকারী সংস্থা।
- এশিয়ার সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য লেনদেনের পেমেন্ট মাল্টিল্যাটারাল ভিত্তিতে সেটেল করে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৯ ডিসেম্বর, ১৯৭৪ (জাতিসংঘের এশিয়া অঞ্চলের অর্থনীতি ও সামাজিক কমিশন (ESCAP)-এর উদ্যোগে)।
- কার্যকর হয়: নভেম্বর, ১৯৭৫।
- সদর দপ্তর: তেহরান, ইরান।
- সদস্য: ৯টি (বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, ইরান, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও মিয়ানমার)।

উৎস: i) ESCAP ওয়েবসাইট।
ii) The Business Standard.

.
European Green Deal অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে কার্বন নির্গমন কত শতাংশ কমানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ৩৫%
  2. ৫০%
  3. ৫৫%
  4. ৬০% 
সঠিক উত্তর:
৫৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫%
ব্যাখ্যা

European Green Deal অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে কার্বন নির্গমন ৫৫ শতাংশ কমানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

The European Green Deal:
- European Green Deal হলো ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) কর্তৃক গৃহীত একটি সমন্বিত জলবায়ু ও পরিবেশগত কর্মপরিকল্পনা।
- এর মূল লক্ষ্য ২০৫০ সালের মধ্যে ইউরোপকে বিশ্বের প্রথম জলবায়ু-নিরপেক্ষ (Climate Neutral) মহাদেশে পরিণত করা।
- এটি ২০১৯ সালে ইউরোপীয় কমিশনের রাষ্ট্রপতি ভন ডের লেইন-এর উদ্যোগে চালু হয়।

⇒ মূল লক্ষ্য:
- ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন নির্গমন শূন্যে নামানো (Net Zero Emission),
- ২০৩০ সালের মধ্যে ১৯৯০ সালের তুলনায় ৫৫% কার্বন নির্গমন হ্রাস,
- ২০৩০ সালের মধ্যে ৩ বিলিয়ন নতুন গাছ রোপণ,
- টেকসই, পরিবেশবান্ধব ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়ে তোলা,
- জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলার পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি।

উৎস: European Commission ওয়েবসাইট।

.
২০২৬ সালে NATO'র শীর্ষ সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
  1. ব্রাসেলস
  2. প্যারিস
  3. আঙ্কারা
  4. নিউইয়র্ক
সঠিক উত্তর:
আঙ্কারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আঙ্কারা
ব্যাখ্যা

২০২৬ সালে ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলন:
- ২০২৬ সালের জুলাইতে তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
- তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দিয়েছেন।
- তিনি বলেন, তুরস্ক, ন্যাটো জোটের কাঠামোর মধ্যে প্রতিরক্ষা শিল্প পণ্যের বাণিজ্য বিধিনিষেধ অপসারণের আহ্বান জানিয়েছে।
- এই সম্মেলনে জোটের নেতারা প্রতিরক্ষা শিল্প সহযোগিতা, নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ এবং কৌশলগত দিকনির্দেশনা নিয়ে আলোচনা করবেন।

এছাড়াও,
- ২০২৫ সালের ২৪-২৫ জুন নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- সম্মেলনে ন্যাটো সদস্য রাষ্ট্রগুলো ২০৩৫ সালের মধ্যে প্রতিরক্ষা ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা দ্বিগুণেরও বেশি বাড়িয়ে তাদের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশ নির্ধারণের ব্যাপারে একমত হয়েছে।
- ন্যাটোর গাইডলাইন অনুযায়ী, প্রতিটি দেশকে জিডিপির ৫ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করা উচিত।
- এই ৫ শতাংশের মধ্যে অন্তত ৩.৫ শতাংশ ব্যয় করা হবে সরাসরি প্রতিরক্ষার জন্য, বাকি অর্থ ব্যয় করা হবে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত "গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো," নাগরিক প্রস্তুতি, উদ্ভাবন এবং প্রতিরক্ষা শিল্প খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

.
'প্যারাডাইস পেপারস' আন্তর্জাতিক কোন সংস্থার অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল?
  1. অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
  2. হিউম্যান রাইটস ওয়াচ
  3. ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম
  4. ইন্টারন্যাশনাল কনসোর্টিয়াম অফ ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিস্টস
সঠিক উত্তর:
ইন্টারন্যাশনাল কনসোর্টিয়াম অফ ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিস্টস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্টারন্যাশনাল কনসোর্টিয়াম অফ ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিস্টস
ব্যাখ্যা

ICIJ:
- ICIJ-এর পূর্ণরূপ: International Consortium of Investigative Journalists.
- পানামা পেপারস (২০১৬) এবং প্যারাডাইস পেপারস (২০১৭) উভয় কেলেঙ্কারির তথ্য ফাঁস হওয়া নথিগুলো বিশ্লেষণ করে বিশ্বব্যাপী প্রকাশ করার নেতৃত্ব দিয়েছে এই ICIJ নামক অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- তারা জার্মান পত্রিকা Süddeutsche Zeitung-এর কাছ থেকে পাওয়া ডকুমেন্টগুলো নিয়ে ১০০+ দেশের শতাধিক মিডিয়া সংস্থার (যেমন: The Guardian, BBC, Le Monde ইত্যাদি) সাথে সমন্বয় করে তদন্ত করে প্রকাশ করে।

উল্লেখ্য,
- প্যারাডাইস পেপারস বিশ্বের ২৫ হাজারেরও বেশি প্রতিষ্ঠানের অর্থনৈতিক লেনদেন ও মালিকানা-সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্যের এক বিশাল ডাটাবেজ।
- এ প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিক পৃথিবীর ১২০টি দেশের ধনী, সুপরিচিত ও প্রভাবশালী ব্যক্তি।
- মূলত একটি ফার্মের এই নথিগুলো একসঙ্গে ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘প্যারাডাইস পেপারস’।
- নথিগুলো ওই ফার্মের ক্লায়েন্টদের গোপন বিনিয়োগ, অর্থ পাচারসহ কর ফাঁকির বিষয় প্রমাণ করে।
- এসব নথি প্রথমে জার্মান দৈনিক সুইডয়চে সাইটংয়ের হাতে আসে।
- পরে সেসব নথি ইন্টারন্যাশনাল কনসোর্টিয়াম অব ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিস্টসের (আইসিআইজে) হাতে তুলে দেয় তারা।
- বারমুডায় অবস্থিত অ্যাপলবাই নামের এক আইনি সহযোগী সংঘটনের গোপন নথি এসব।
- ডাটাবেসের ১৩.৪ মিলিয়ন গোপন নথির প্রায় ৬.৮ মিলিয়ন এসেছে অফশোর আইনি সেবা সংস্থা অ্যাপলবাই এবং কর্পোরেট সেবা সংস্থা এস্টেরা থেকে।

উৎস: Britannica.

১০.
নিরাপত্তা পরিষদের প্রকৃত সিদ্ধান্ত গ্রহণে কমপক্ষে কতটি সদস্য দেশের সম্মতিমূলক ভোট প্রয়োজন?
  1. ৫টি
  2. ৮টি
  3. ৯টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯টি
ব্যাখ্যা

নিরাপত্তা পরিষদের প্রকৃত সিদ্ধান্ত গ্রহণে কমপক্ষে ৯টি সদস্য দেশের সম্মতিভিত্তিক ভোট প্রয়োজন।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ২৭ নং অনুচ্ছেদ: ভোটদান রীতি

১. নিরাপত্তা পরিষদে প্রত্যেক সদস্যের একটি ভোটদানের অধিকার থাকবে।
২. পদ্ধতিগত বিষয়গুলো ক্ষেত্রে নিরাপত্তা পরিষদে নয়টি সদস্যের ইতিবাচক ভোটে সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে।
৩. অন্যান্য বিষয়ে স্থায়ী সদস্যদের সমর্থনসূচক ভোটসহ মোট নয়টি সদস্যের ইতিবাচক ভোটে নিরাপত্তা পরিষদ সিদ্ধান্ত নেবে; অবশ্য ষষ্ঠ অধ্যায় অথবা ৫২-এর ৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ব্যাপারে বিবদমান সদস্য ভোটদানে বিরত থাকবে।

⇒ নিরাপত্তা পরিষদ (UN Security Council):
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ (United Nations Security Council বা UNSC) হলো জাতিসংঘের প্রধান সংস্থা, যা আন্তর্জাতিক শান্তি এবং নিরাপত্তা রক্ষা করার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত।
- এর প্রধান দায়িত্ব হলো বিশ্বজুড়ে শান্তি বজায় রাখা এবং সংঘাত প্রতিরোধ করা।
- নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সংখ্যা ১৫ (পাঁচটি স্থায়ী সদস্য এবং দশটি অস্থায়ী সদস্য)।
- স্থায়ী ৫টি সদস্য: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র।
- অস্থায়ী ১০টি সদস্য দেশ হলো: ডেনমার্ক (২০২৫-২৬), গ্রিস (২০২৫-২৬), সোমালিয়া (২০২৫-২৬), পাকিস্তান (২০২৫-২৬), পানামা (২০২৫-২৬), বাহরাইন (২০২৬-২৭), কলম্বিয়া (২০২৬-২৭), কঙ্গো (২০২৬-২৭), লাটভিয়া (২০২৬-২৭) ও লাইবেরিয়া (২০২৬-২৭)।
উল্লেখ্য,

উৎস: UN Security Council ওয়েবসাইট।

১১.
'পার্ল হারবার’ যুক্তরাষ্ট্রের কোন অঙ্গরাজ্যে অবস্থিত?
  1. ক্যালিফোর্নিয়া
  2. ইলিনয়
  3. হাওয়াই
  4. শিকাগো
সঠিক উত্তর:
হাওয়াই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাওয়াই
ব্যাখ্যা

পার্ল হারবার:
- পার্ল হারবার যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই অঙ্গরাজ্যে অবস্থিত।
- এটি প্রশান্ত মহাসাগরের একটি দ্বীপপুঞ্জ এবং ও'আহু (O'ahu) নামক দ্বীপের পশ্চিম দিকে অবস্থিত একটি নৌ ও বিমান ঘাঁটি। 

উল্লেখ্য,
-  পার্ল হারবার ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় নৌঘাঁটি।
- ১৯৪০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান নৌঘাঁটি ক্যালিফোর্নিয়া থেকে হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের পার্ল হারবারে স্থানান্তর করা হয়।টি।
- ১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর পার্ল হারবারে অবস্থিত মার্কিন নৌঘাঁটিতে আক্রমণ করে বসে জাপানের সামরিক বাহিনী।
- জাপানের এই আক্রমণের সঙ্গে সঙ্গে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সব হিসাব নিকাশ পাল্টে যায়।
- জাপানের এই অতর্কিত ও ধ্বংসাত্মক হামলার পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্বযুদ্ধে উদাসীন থাকা যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধে অংশ নেয় সক্রিয়ভাবে।

উৎস: Britannica.

১২.
বর্তমানে Climate Vulnerable Forum (CVF)-এর সভাপতির দায়িত্বে রয়েছে -
  1. বাংলাদেশ
  2. মালদ্বীপ
  3. ঘানা
  4. বার্বাডোস
সঠিক উত্তর:
বার্বাডোস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার্বাডোস
ব্যাখ্যা

বর্তমানে Climate Vulnerable Forum (CVF)-এর সভাপতির দায়িত্বে রয়েছে বার্বাডোস যার নেতৃত্বে রয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী মিয়া অ্যামোর।

Climate Vulnerable Forum (CVF):
- Climate Vulnerable Forum হলো জলবায়ু জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর একটি আন্তর্জাতিক  সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০০৯ সালে।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: মালে, মালদ্বীপ।
- বর্তমান সদস্য: ৭৪টি।
- বর্তমান সভাপতি: বার্বাডোস।

⇒ ২০০৯ সালের কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত COP-15 সম্মেলনের আগে বিশ্বের সবচেয়ে জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ ১১টি দেশ মালদ্বীপের রাজধানী মালেতে একত্রিত হয়ে CVF প্রতিষ্ঠা করে।
- উদ্যোক্তা: মালদ্বীপের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ নাশিদ।

উৎস: Climate Vulnerable Forum ওয়েবসাইট।

১৩.
তৃতীয় জেনেভা কনভেনশন মূলত কাদের সুরক্ষা সংক্রান্ত?
  1. যুদ্ধক্ষেত্রে আহত ও অসুস্থ সামরিক সৈন্যদের
  2. যুদ্ধবন্দিদের
  3. সমুদ্রে আহত ও অসুস্থ সামরিক সৈন্যদের
  4. যুদ্ধকালীন বেসামরিক নাগরিকদের
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধবন্দিদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধবন্দিদের
ব্যাখ্যা

তৃতীয় জেনেভা কনভেনশন মূলত যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা সংক্রান্ত।

জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়। 

⇒ মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

উল্লেখ্য, কনভেনশনের সংশোধন ও আধুনিকায়ন:
- ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিক করা হয় এবং ১৯৭৭ ও ২০০৫ সালে আরও প্রোটোকল যুক্ত করা হয়।
- এর মাধ্যমে যুদ্ধের সময় মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়েছে।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS ওয়েবসাইট।

১৪.
‘Brief Answer to the Big Questions’ গ্রন্থের রচয়িতা কে? 
  1. নেলসন মেন্ডেলা
  2. স্টিফেন হকিং
  3. ভ্লাদিমির পুতিন
  4. ডোনাল্ড ট্রাম্প
সঠিক উত্তর:
স্টিফেন হকিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টিফেন হকিং
ব্যাখ্যা

'Brief Answers to the Big Questions' গ্রন্থের রচয়িতা হলেন বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং (Stephen Hawking)। 

স্টিফেন হকিং
- স্টিফেন উইলিয়াম হকিং ১৯৪২ সালের ৮ জানুয়ারি তিনি ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ডে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি অক্সফোর্ডে পদার্থবিদ্যার ওপর প্রথম শ্রেণীর ডিগ্রী অর্জন করে ক্যামব্রিজে কসমোলজির উপর স্নাতকোত্তর গবেষণা করেন।
- ১৯৬২ সালে ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ফলিত গণিত এবং তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানে পিএইচডি গবেষণার কাজ শুরু করেন।
- তাঁর গবেষণার বিষয়বস্তু ছিলো কসমোলজি এবং জেনারেল থিওরি অব রিলেটিভিটি।
- কেমব্রিজে গবেষণা করার সময় তাঁর মোটর নিউরন রোগ ধরা পরে যেটা তাকে প্রায় সম্পূর্ণভাবে অচল করে দেয়।
- আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে স্টিফেন হকিং গুরুতর নিউমোনিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে স্বাভাবিকভাবে কথা বলার ক্ষমতাও হারিয়ে ফেলেন। 
- কম্পিউটারের মাধ্যমে বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে কথা বলা রপ্ত করেন। 
- ১৯৮৮ সালে তিনি তার বই 'A Brief History of Time: From the Big Bang to Black Holes' প্রকাশ করেন।
- মহাবিশ্বের উৎপত্তি, বিকাশ এবং সম্ভাব্য পরিণতি নিয়ে খুব সহজবোধ্য ভাষায় সময়ের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস তিনি লিখেছিলেন।
- ২০১৮ সালের ১৪ মার্চ ছিয়াত্তর বছর বয়সে এই বিজ্ঞানীর জীবনাবসান হয়।

উৎস: Britannica.

১৫.
আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সস্ত্রাসবিরোধী অভিযানের নাম কী?
  1. অপারেশন এনডুরিং ফ্রিডম
  2. অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম
  3. অপারেশন ওডিসি ডন
  4. অপারেশন ইনফিনিট জাস্টিস
সঠিক উত্তর:
অপারেশন এনডুরিং ফ্রিডম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপারেশন এনডুরিং ফ্রিডম
ব্যাখ্যা

অপারেশন এন্ডুরিং ফ্রিডম (Operation Enduring Freedom):
- আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সস্ত্রাসবিরোধী অভিযানের নাম অপারেশন এনডুরিং ফ্রিডম।

উল্লেখ্য,
- অপারেশন এন্ডুরিং ফ্রিডম ছিল যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন একটি সামরিক অভিযান যা ২০০১ সালের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হয়।
- ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলার প্রতিক্রিয়া হিসেবে অপারেশনটি মূলত আল-কায়েদা ও তালেবানদের বিরুদ্ধে আফগানিস্তানে পরিচালিত হয়।
- মূল লক্ষ্য: আল-কায়েদা ধ্বংস করা ও তালেবানদের ক্ষমতা থেকে সরানো।
- ফলাফল: ২০০১ সালের ডিসেম্বরে তালেবান সরকার পতন ঘটে ও আল-কায়েদা নেতারা আত্মগোপনে যায় (ওসামা বিন লাদেন ২০১১ সালে হত্যা করা হয়)।

উৎস: Britannica.

১৬.
প্রতি বছর বিশ্ব জলবায়ু ঝুঁকি সূচক (Climate Risk Index) প্রকাশ করে কোন সংস্থা?
  1. IPCC
  2. Germanwatch
  3. Green Peace International
  4. Worldwatch
সঠিক উত্তর:
Germanwatch
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Germanwatch
ব্যাখ্যা

বিশ্ব জলবায়ু ঝুঁকি সূচক:
- বিশ্ব জলবায়ু ঝুঁকি সূচক (Global Climate Risk Index বা Climate Risk Index) প্রদান করে Germanwatch নামক জার্মান পরিবেশবাদী সংস্থা।
- এটি ২০০৬ সাল থেকে প্রতি বছর প্রকাশিত হয় এবং জলবায়ু-সংক্রান্ত চরম আবহাওয়া ঘটনার (যেমন: ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, তাপপ্রবাহ, খরা) কারণে দেশগুলোর মানবিক (মৃত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ) ও অর্থনৈতিক ক্ষতির ভিত্তিতে র‍্যাঙ্কিং করে।
- বাংলাদেশ প্রায়শই এই সূচকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর তালিকায় থাকে (যেমন: দীর্ঘমেয়াদি র‍্যাঙ্কিংয়ে প্রায়ই শীর্ষ ১০-এ)।

• Germanwatch:
- এটি একটি অলাভজনক বেসরকারি পরিবেশ এবং বাণিজ্য সংস্থা।
- এটি শিল্পোন্নত দেশের সাথে অনুন্নত দেশের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে। 
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৯১ সালে। 
- সদর দপ্তর: বন, জার্মানি।

উৎস: Germanwatch ওয়েবসাইট।

১৭.
‘গুড নেইবার পলিসি’ মূলত কোন অঞ্চলের সাথে সম্পর্কিত?
  1. এশিয়া
  2. ইউরোপ
  3. ল্যাটিন আমেরিকা
  4. আফ্রিকা
সঠিক উত্তর:
ল্যাটিন আমেরিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ল্যাটিন আমেরিকা
ব্যাখ্যা

গুড নেইবার পলিসি:
- ‘গুড নেইবার পলিসি’ মূলত ল্যাটিন আমেরিকার সাথে সম্পর্কিত।

উল্লেখ্য,
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট (Franklin D. Roosevelt) 'গুড নেইবার পলিসি' (Good Neighbor Policy) গ্রহণ করেছিলেন।
- ১৯৩০-এর দশকে তিনি এই নীতি চালু করেন, যার লক্ষ্য ছিল ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলোর সাথে পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতার ভিত্তিতে সম্পর্ক জোরদার করা, এবং আগের হস্তক্ষেপমূলক নীতি থেকে সরে আসা। 

⇒ গুড নেইবার পলিসি হলো একটি মার্কিন পররাষ্ট্র নীতি।
- ১৯৩৩ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্টের অধীনে লাতিন আমেরিকার দেশগুলোর সাথে সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য এই পলিসি গ্রহণ করা হয়েছিল।
- এর লক্ষ্য ছিল, লাতিন আমেরিকার কোনো দেশ দখল বা দমন না করা এবং তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা। 
- এটি মূলত পূর্ববর্তী হস্তক্ষেপমূলক নীতির বিপরীতে ছিল।
- এই নীতির উদ্দেশ্য ছিল লাতিন আমেরিকার সাথে বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদার করা, উভয় অঞ্চলের মধ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং নাৎসি প্রভাব রোধ করা। 

উৎস: Britannica.

১৮.
জাতিসংঘের প্রথম জলবায়ু সম্মেলন (COP-1) কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. প্যারিস, ফ্রান্স
  2. বার্লিন, জার্মানি
  3. কিয়োটো, জাপান
  4. কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক
সঠিক উত্তর:
বার্লিন, জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার্লিন, জার্মানি
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের প্রথম জলবায়ু সম্মেলন (COP-1):
- প্রথম কপ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৯৫ সালে জার্মানির বার্লিন শহরে।
- ১৯৯৫ সালের ২ মার্চ - ৭ এপ্রিল জার্মানির বার্লিনে প্রথম কপ-১ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- ওই সম্মেলনে বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় যৌথ উদ্যোগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল।

⇒ কপ সম্মেলন (Cop Conference):
- COP-এর পূর্ণরূপ: Conference of the Parties.
- জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় ১৫৪টি দেশ ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়।
- এখানে আলোচনা করা হয় কিভাবে ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে আনার উপায় অর্জন করা উচিত এবং কী অগ্রগতি হয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করা। 

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

১৯.
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO)-এর বর্তমান সদস্য দেশ কয়টি? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. ১৬৬টি
  2. ১৬৮টি
  3. ১৭৩টি
  4. ১৭৫টি
সঠিক উত্তর:
১৬৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬৬টি
ব্যাখ্যা

WTO:
- WTO-এর পূর্ণরূপ: World Trade Organization.
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ জানুয়ারি, ১৯৯৫।
- বর্তমান সদস্য দেশ: ১৬৬টি।
- সদরদপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- মহাপরিচালক: এনগোজি ওকোনজো ইওয়েলা।

উল্লেখ্য,
- WTO-এর সর্বশেষ ১৬৫তম দেশ কমোরোস এবং ১৬৬তম দেশ পূর্ব তিমুর।

 ⇒ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার প্রধান কাজ:
- বহুপাক্ষিক বাণিজ্য আলোচনার জন্য ফোরাম হিসেবে কাজ করা,
-  উরুগুয়ে রাউন্ডের চুক্তিসমূহের প্রয়োগ ও বাস্তবায়ন করা,
- বাণিজ্য সংক্রান্ত বিরোধের নিষ্পত্তি করা,
- বিভিন্ন সদস্য দেশের জাতীয় বাণিজ্য নীতিমালা পরীক্ষা করে দেখা এবং,
- কারিগরি সহযোগিতা এবং প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশসমূহের বাণিজ্য নীতিমালার বিষয়ে সহায়তা করা।

উৎস: World Trade Organization ওয়েবসাইট।

২০.
ডেভিড সালাই কোন উপন্যাসের জন্য বুকার পুরস্কার-২০২৫ লাভ করেন?
  1. All That Man Is
  2. Flesh
  3. Heart Lamp
  4. Love Forms
সঠিক উত্তর:
Flesh
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Flesh
ব্যাখ্যা

২০২৫ সালের বুকার পুরস্কার:
- ২০২৫ সালের 'বুকার পুরস্কার' লাভ করেন হাঙ্গেরীয়-ব্রিটিশ লেখক ডেভিড সালাই।
- ইংরেজি ভাষায় রচিত 'ফ্ল্যাশ (Flesh)' উপন্যাসের জন্য খেতাবটি জয় করেন ডেভিড সালাই।
- যেখানে নির্যাতিত হাঙ্গেরিয়ান এক অভিবাসীর গল্প তুলে ধরেন তিনি।
- বিদেশে ভাগ্য গড়েও শেষ পর্যন্ত সবকিছু হারানোর হৃদয়বিদারক কাহিনীর কারণে ব্যাপক পাঠকপ্রিয়তা লাভ করে বইটি।
- Flesh ডেভিড সালাইয়ের ষষ্ঠ উপন্যাস। 

অন্যদিকে,
- ২০২৫ সালের আন্তর্জাতিক বুকার পুরস্কার জিতেছেন ভারতীয় লেখক, আইনজীবী ও অধিকারকর্মী বানু মুশতাক।
- ছোটগল্পের সংকলন ‘হার্ট ল্যাম্প/ Heart Lamp’–এর জন্য তাঁকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। 

উল্লেখ্য,
- বুকার পুরস্কার (Booker Prize) একটি সাহিত্য পুরস্কার।
- এটি যুক্তরাজ্য থেকে প্রদান করা হয়।
- পুরস্কারটির পূর্বনাম ছিল: Booker–McConnell Prize ও Man Booker Prize।
- শুরুতে পুরস্কারটি শুধু ব্রিটিশ লেখকদের প্রদান করা হত।
- পরবর্তীতে তা কমনওয়েলথ দেশ সমূহের ইংরেজি ভাষার লেখক এবং ২০১৪ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী ইংরেজি ভাষার লেখকদের প্রদান করা হয়ে আসছে।
- ১৯৬৯ সাল থেকে প্রতিবছর এই পুরস্কার দেওয়া হয়।
- বুকারজয়ের শর্ত হলো, উপন্যাসটি ইংরেজিতে লেখা হতে হবে এবং যুক্তরাজ্যে বা আয়ারল্যান্ডে প্রকাশিত হতে হবে।

উৎস: The Booker Prizes ওয়েবসাইট।

২১.
২০২৬ সালে ইতালির মিলানে  শীতকালীন অলিম্পিকের কততম আসর অনুষ্ঠিত হবে?
  1. ২৪তম
  2. ২৫তম
  3. ২৬তম
  4. ২৭তম 
সঠিক উত্তর:
২৫তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫তম
ব্যাখ্যা

শীতকালীন অলিম্পিক ২০২৬:
- ২৫তম শীতকালীন অলিম্পিক গেমস ৬-২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ইতালির মিলান এবং কর্টিনা ডি'আম্পেজো শহরে অনুষ্ঠিত হবে।

⇒ অলিম্পিক গেমস হলো একটি আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা যেখানে গ্রীষ্মকালীন এবং শীতকালীন অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীরা বিভিন্ন ধরনের খেলায় অংশগ্রহণ করেন।
- দুই শতাধিক দেশের অংশগ্রহণে মুখরিত এই অলিম্পিক গেমস বিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং সর্বোচ্চ সম্মানজনক প্রতিযোগিতা হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে।
- গ্রীষ্ম এবং শীতকালীন দুটো প্রকরণ, প্রতিটি দুই বছর পরপর হয়ে থাকে।
- আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি (আইওসি) অলিম্পিক গেমস সংক্রান্ত সব কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালে ৩৩তম গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয় ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে।
- ২০২৮ সালে ৩৪তম গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমস যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে অনুষ্ঠিত হবে।

উৎস: i) Olympics ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.

২২.
AOSIS মূলত কোন দেশগুলোর একটি জোট?
  1. তেল উৎপাদনকারী দেশ
  2. ক্ষুদ্র শিল্পোন্নত দেশ
  3. তেল আমদানিকারক দেশ
  4. ক্ষুদ্র দ্বীপ ও নিচু উপকূলীয় দেশ
সঠিক উত্তর:
ক্ষুদ্র দ্বীপ ও নিচু উপকূলীয় দেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষুদ্র দ্বীপ ও নিচু উপকূলীয় দেশ
ব্যাখ্যা

AOSIS:
- AOSIS-এর পূর্ণরূপ: Alliance of Small Island States.
- এটি মূলত ক্ষুদ্র দ্বীপ ও নিচু উপকূলীয় উন্নয়নশীল রাষ্ট্রগুলির একটি জোট।
- এটি ক্যারিবিয়ান, প্রশান্ত মহাসাগর, ভারত মহাসাগর, আফ্রিকান, ভূমধ্যসাগর এবং দক্ষিণ চীন সাগরের মতো বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা দেশগুলোকে একত্রিত করে।
- গঠিত হয়: ১৯৯০ সালে।
- সদস্য রাষ্ট্র: ৩৯টি।
- পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র: ৫টি।
- বর্তমান চেয়ারম্যান: এইচ. ইলানা ভি. সেইদ (HE Ilana V. Seid)।
- মূল লক্ষ্য: জলবায়ু পরিবর্তন এবং টেকসই উন্নয়নের মতো বিষয়গুলিতে জাতিসংঘ ব্যবস্থার মধ্যে তাদের সাধারণ স্বার্থ রক্ষা করা এবং একটি সম্মিলিত কণ্ঠস্বর হিসেবে কাজ করা। 

উল্লেখ্য,
- ক্যারিবিয়ান: অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা, বাহামা, বার্বাডোস, ডোমিনিকা, জ্যামাইকা, হাইতি।
- প্রশান্ত মহাসাগর: ফিজি, কিরিবাতি, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, নাউরু, সামোয়া, টোঙ্গা, টুভালু, ভানুয়াতু।
- ভারত মহাসাগর: মালদ্বীপ, মরিশাস, সেশেলস।
- আফ্রিকা: কেপ ভার্দে, কোমোরোস, গিনি-বিসাউ, সাও টোমে ও প্রিন্সিপে। 

⇒ AOSIS-এর মূল কাজ:
- জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলির পক্ষে বৈশ্বিক আলোচনায় নেতৃত্ব দেওয়া।
- টেকসই উন্নয়ন এবং মহাসাগর সংক্রান্ত বিষয়গুলিতে তাদের দাবি তুলে ধরা।
- ক্ষুদ্র দ্বীপ রাষ্ট্রগুলির দুর্বলতাগুলিকে বিশ্ব মঞ্চে উপস্থাপন করা।

উৎস: AOSIS ওয়েবসাইট।

২৩.
আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস কবে পালিত হয়?
  1. ৯ আগস্ট
  2. ৯ অক্টোবর
  3. ৯ নভেম্বর
  4. ৯ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
৯ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস:
- প্রতি বছর ৯ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস পালন করা হয়।
- জাতিসংঘ ২০০৩ সালে ৯ ডিসেম্বরকে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।

উল্লেখ্য,
- United Nations Convention Against Corruption হলো আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ দ্বারা গৃহীত হয়: ৩১ অক্টোবর, ২০০৩।
- কার্যকর হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ২০০৫।

উৎস: i) UN ওয়েবসাইট।
ii) UNTC ওয়েবসাইট।

২৪.
‘ডেল্টা ফোর্স’ আনুষ্ঠানিকভাবে কী নামে পরিচিত?
  1. Navy SEAL Team Six
  2. US Army Rangers
  3. 1st SFOD-D
  4. Marine Force Recon
সঠিক উত্তর:
1st SFOD-D
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1st SFOD-D
ব্যাখ্যা

‘ডেল্টা ফোর্স-এর আনুষ্ঠানিক নাম হলো 1st Special Forces Operational Detachment–Delta (1st SFOD-D) যা পেন্টাগন ও ইউএস আর্মির নথিতে ব্যবহৃত হয়।

ডেল্টা ফোর্স:
- ডেল্টা ফোর্স হলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর শীর্ষ সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ইউনিট।
- এটি মার্কিন সেনাবাহিনীর একটি অভিজাত বাহিনী।
- এটিকে কমব্যাট অ্যাপ্লিকেশন গ্রুপ (CAG), আর্মি কম্পার্টমেন্টেড এলিমেন্টস (ACE), টাস্ক ফোর্স গ্রিন এবং সহজভাবে 'ইউনিট' নামেও উল্লেখ করা হয়েছে। 
- প্রতিস্থিত হয়: ১৯৭৭ সালে। 
- ঘাঁটি: ফোর্ট ব্র্যাগ, নর্থ ক্যারোলাইনা। 
- এ ইউনিট সরাসরি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীর নির্দেশে অপারেশনে অংশ নেয়।
- এটি যুক্তরাষ্ট্রের Joint Special Operations Command (JSOC)-এর সরাসরি অধীনে কাজ করে।
- ডেল্টা ফোর্স আনুষ্ঠানিকভাবে First Special Forces Operational Detachment-Delta (1st SFOD-D) নামে পরিচিত।

 ⇒ এ ইউনিট মূলত সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান, জিম্মি উদ্ধার, চড়া মূল্যের লক্ষ্যবস্তু আটক, সরাসরি সামরিক হামলা ও বিশেষ গোয়েন্দা নজরদারি-সংক্রান্ত কাজের জন্য প্রশিক্ষিত।
- ডেল্টা ফোর্সে রয়েছে মোট ৮টি অপারেশনাল স্কোয়াড্রন। প্রতিটি স্কোয়াড্রন নিজেই স্বয়ংসম্পূর্ণ ও অল্প সময়ের নোটিশে আক্রমণ বা উদ্ধার অভিযানে যেতে সক্ষম। 
- ডেল্টা ফোর্স–সম্পর্কিত প্রায় সব তথ্যই সর্বোচ্চ মাত্রায় গোপন রাখা হয়।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি ৩ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে তুলে নেওয়ার অভিযানে  বিশেষায়িত বাহিনী ‘ডেল্টা ফোর্স’ ব্যবহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

উৎস: i) Britannica.
ii) Al Jazeera.

২৫.
‘বলিভারিয়ান বিপ্লব’ কোন দেশে সংঘটিত হয়?
  1. বলিভিয়া
  2. জর্জিয়া
  3. ইউক্রেন
  4. ভেনেজুয়েলা
সঠিক উত্তর:
ভেনেজুয়েলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভেনেজুয়েলা
ব্যাখ্যা

বলিভারিয়ান বিপ্লব:
- বলিভারিয়ান বিপ্লব ১৯৯৮ সালে ভেনিজুয়েলায় সংঘটিত হয়।
- ভেনেজুয়েলার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি হুগো শ্যাভেজ-এর নেতৃত্বে এই বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এর লক্ষ্য ছিল সমাজতান্ত্রিক নীতি অনুসরণ করে অর্থনৈতিক বৈষম্য হ্রাস ও জনকল্যাণমূলক সংস্কার।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯৮ সালে হুগো শ্যাভেজ প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠনের পর দেশের এই ক্ষমতা ভারসাম্যের আমূল পরিবর্তনের চেষ্টা নেন, সাইমন বলিভারের বিপ্লবী ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত করেন দেশে জনক্ষমতা প্রতিষ্ঠার চেষ্টাকে, নাম দেন বলিভারিয়ান বিপ্লব।

উৎস: History.com

২৬.
জাতিসংঘের গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে কয়টি অনুচ্ছেদ রয়েছে?
  1. ২২টি
  2. ৩৯টি
  3. ৪৫টি
  4. ৫৪টি
সঠিক উত্তর:
৪৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫টি
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে ৪৫টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।

জাতিসংঘের গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদ (ICPPED):
- জাতিসংঘের গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদ ICPPED-এর পূর্ণরূপ: International Convention for the Protection of All Persons from Enforced Disappearance.
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০ ডিসেম্বর, ২০০৬। 
- কার্যকর হয়: ২৩ ডিসেম্বর, ২০১০। 
- জাতিসংঘের গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদের লক্ষ্য হলো গুম বন্ধের পাশাপাশি এই অপরাধের জন্য দায়মুক্তি বন্ধ করা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের সহায়তা দেওয়া।
- ৩০ আগস্ট আন্তর্জাতিক গুমবিরোধী দিবস। 

⇒ সনদে মোট ৪৫টি অনুচ্ছেদ আছে। 
- এতে জাতিসংঘের কোনো সদস্যরাষ্ট্র পক্ষভুক্ত হলে সনদের ‘এক বা একাধিক অনুচ্ছেদ মেনে চলবে না’ বলেও তাদের সিদ্ধান্ত জাতিসংঘকে জানাতে পারে।
- সনদের ৩৩ অনুচ্ছেদে বলা আছে, সনদের পক্ষভুক্ত কোনো দেশে যদি গুমের ঘটনা ঘটে, তবে ওই দেশের পরিস্থিতি দেখার জন্য কমিটি সদস্যরা সফরও করতে পারে।

উল্লেখ্য, 
- ২০২৪ সালের ২৯ আগস্ট বাংলাদেশ গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে স্বাক্ষর করেছে।

উৎস: i) OHCHR ওয়েবসাইট।
ii) UNTC ওয়েবসাইট।

২৭.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে কোন দেশ নিরপেক্ষতা নীতি অনুসরণ করেছিল?
  1. জার্মানি
  2. অস্ট্রিয়া 
  3. সার্বিয়া 
  4. সুইডেন
সঠিক উত্তর:
সুইডেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুইডেন
ব্যাখ্যা

প্রথম বিশ্বযুদ্ধে নিরপেক্ষ দেশ:
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধে নিরপেক্ষ দেশ ছিল সুইডেন।
- সুইডেন তার নিরপেক্ষতার জন্য সারা বিশ্বে পরিচিত ছিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সুইডেন নিরপেক্ষতা ঘোষণা করে।

উল্লেখ্য,
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূচনা হয়েছিল ১৯১৪ সালে এবং এর পরিমাপ্তি হয় ১৯১৮ সালে।
- ১৯১৪ সালের ২৮ জুন অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয় সাম্রাজ্যের উত্তরাধিকারী আর্চডিউক ফ্রাঞ্জ ফার্দিনান্দের হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূত্রপাত হয়।
- এই যুদ্ধের কারণ হিসেবে ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয় সাম্রাজ্য বসনিয়া-হার্জেগোভিনা দখল করা এবং আর্চডিউক ফ্রাঞ্জ ফার্দিনান্দের হত্যাকাণ্ডকে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়।
- এই যুদ্ধে অক্ষশক্তি: জার্মানি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, অটোমান সাম্রাজ্য ও বুলগেরিয়া।
- মিত্রশক্তি: সার্বিয়া, রাশিয়া, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, জাপান প্রভৃতি দেশ।
- যুদ্ধের ফলাফল: মিত্র শক্তির বিজয়।

উৎস: i) History.com
ii) Britannica.

২৮.
২১তম জি–২০ শীর্ষ সম্মেলন-২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে কোন শহরে?
  1. মিয়ামি
  2. জোহানেসবার্গ
  3. সিউল
  4. আমস্টারডাম
সঠিক উত্তর:
মিয়ামি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিয়ামি
ব্যাখ্যা

২১তম জি-২০ সম্মেলন:
- ২১তম জি-২০ সম্মেলনটি ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের ডোরাল, মিয়ামিতে  অনুষ্ঠিত হবে।

এছাড়াও,
- ২০তম জি–২০ শীর্ষ সম্মেলন-২০২৫ সালে অনুষ্ঠিত হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে।
- ২২তম জি-২০ সম্মেলন ২০২৭ সালে অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাজ্যে।
- ২৩তম জি-২০ সম্মেলন ২০২৮ সালে অনুষ্ঠিত হবে দক্ষিণ কোরিয়ায়।

উল্লেখ্য,
- G-20 শিল্পোন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশগুলির মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, নীতি সমন্বয় এবং বিশ্ব অর্থনীতির বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম।
- বিশ্ব অর্থনৈতিক সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৯৯ সালে গঠিত হয়েছিল।
-  জি-২০’র সদস্য: ২১টি।
- দেশ ১৯টি এবং জোট ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও আফ্রিকান ইউনিয়ন।
- সদস্য দেশ: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, চীন, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স, জার্মানি, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইতালি, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, মেক্সিকো, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা, তুরস্ক।
- বিশ্বের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৮৫ শতাংশই এই জোটের দখলে।
- আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ৭৫ শতাংশের সঙ্গে জড়িত জি-২০ দেশগুলো।

উৎস: i) Department of Foreign Affairs and Trade ওয়েবসাইট।
ii) G-20 ওয়েবসাইট।

২৯.
‘জি-জিরো’ ফোরাম কোন সম্মেলনে গঠিত হয়েছে?
  1. COP-27
  2. COP-28
  3. COP-29
  4. COP-30
সঠিক উত্তর:
COP-29
উত্তর
সঠিক উত্তর:
COP-29
ব্যাখ্যা

‘জি-জিরো’ ফোরাম:
- ‘জি-জিরো’ ফোরাম গঠিত হয়েছে ২৯তম জলবায়ু সম্মেলনে (COP-29)।
- ‘জি-জিরো’ ফোরাম গঠনের উদ্যোক্তা হলো ভুটান।

⇒ এটি একটি নতুন জোট যা কার্বন-নেতিবাচক (carbon-negative) ও কার্বন-নিরপেক্ষ (carbon-neutral) দেশগুলোর নেতৃত্বে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও নেট-জিরো লক্ষ্য অর্জনের জন্য কাজ করে।
- চারটি দেশ হলো: ভুটান, মাদাগাস্কার, পানামা এবং সুরিনাম।

উল্লেখ্য,
- ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, সুরিনামের প্রেসিডেন্ট চান সানতোখি, মাদাগাস্কারের প্রধানমন্ত্রী ও পানামার বিশেষ দূত এই যৌথ ঘোষণায় সই করেন।
- এই চার দেশে যতটুকু কার্বন নিঃসরণ হয়, তা হয় দূষণমাত্রার চেয়ে কম নতুবা সেই দূষণ শুষে নেওয়ার মতো পরিবেশব্যবস্থা তারা তৈরি করতে পেরেছে। কাজেই এসব দেশ থেকে নিঃসরিত কার্বন উষ্ণায়নের কারণ হয় না।

উৎস: Carbon Pulse.

৩০.
হোয়াইট হেলমেট নামে পরিচিত কারা?
  1. সিরিয়ার সিভিল ডিফেন্স
  2. কিউবার গেরিলা বাহিনী 
  3. ইয়েমেনের জঙ্গি গোষ্ঠী
  4. লেবাননের সশস্ত্র বাহিনী
সঠিক উত্তর:
সিরিয়ার সিভিল ডিফেন্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিরিয়ার সিভিল ডিফেন্স
ব্যাখ্যা

হোয়াইট হেলমেট (White Helmets):
- হোয়াইট হেলমেট নামে পরিচিত হলো সিরিয়ার সিভিল ডিফেন্স। 
- এরা সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে বোমা হামলা ও ধ্বংসলীলার শিকার সাধারণ মানুষজনকে উদ্ধার, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং জরুরি পরিষেবা প্রদান করে, আর তাদের সাদা হেলমেট থেকেই এই নামকরণ হয়েছে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০১৩ সালে।

উল্লেখ্য,
- এই গোষ্ঠীর লক্ষ্য "সকল পক্ষের বোমা হামলা ও যুদ্ধ বন্ধ করা এবং সিরিয়ায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা করা"।
- যখন সিরিয়ার কোথাও বোমা হামলা হচ্ছে সবার আগে সেখানে ছুটে যাচ্ছে 'হোয়াইট হেলমেট'।
- তারা সিরিয়ার ধ্বংসস্তুপ থেকে জীবনবাজি রেখে মানুষকে উদ্ধার করছে বিশেষ করে শিশুদের।
- হোয়াইট হেলমেটস গ্রুপ প্রতিষ্ঠার পর থেকে ৫৪,০০০ জীবন বাঁচিয়েছে।
- হোয়াইট হেলমেটদের লক্ষ্য হলো "সর্বনিম্ন সময়ের মধ্যে সর্বাধিক সংখ্যক জীবন বাঁচানো এবং মানুষের আরও আঘাত এবং সম্পত্তির ক্ষতি কমানো।"

উৎস: i) White Helmets ওয়েবসাইট।
ii) History.com

৩১.
জাতিসংঘ সনদের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, অন্য রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বল প্রয়োগ বা হুমকি নিষিদ্ধ?
  1. অনুচ্ছেদ ১(১)
  2. অনুচ্ছেদ ২(২)
  3. অনুচ্ছেদ ২(৪)
  4. অনুচ্ছেদ ৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২(৪)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২(৪)
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ সনদের ২(৪) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, অন্য রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বল প্রয়োগ বা হুমকি নিষিদ্ধ।

জাতিসংঘ সনদের অনুচ্ছেদ ২ নং:
- ধারা ১-এ বর্ণিত উদ্দেশ্য সিদ্ধির জন্য এই সংগঠন এবং এর সদস্যরা নিম্নলিখিত মূলনীতিসমূহ অনুযায়ী কাজ করবে:
১. সব সদস্যের সার্বভৌমত্ব ও সমতার মূলনীতির ওপর এই সংগঠন প্রতিষ্ঠিত।
২. সদস্যপদের অধিকারগুলো ও সুবিধাদি সবার জন্য নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে সদস্যরা বর্তমান সনদ অনুযায়ী তাদের দায়দায়িত্ব সরল বিশ্বাসে মেনে চলবে।
৩. সব সদস্য তাদের আন্তর্জাতিক বিরোধ শান্তিপূর্ণ উপায়ে এমনভাবে নিষ্পত্তি করবে, যাতে আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার বিঘ্নিত না হয়।
৪. আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে সব সদস্য আঞ্চলিক অখণ্ডতার বিরুদ্ধে কিংবা অন্য কোনো রাষ্ট্রের রাজনৈতিক স্বাধীনতার বিরুদ্ধে বল প্রয়োগের ভীতি প্রদর্শন থেকে এবং জাতিসংঘের উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন কোনো উপায় গ্রহণ করা থেকে নিবৃত্ত থাকবে।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ১(১) নং: আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা সংরক্ষণ এবং এ উদ্দেশে শান্তিভঙ্গের হুমকি নিবারণ ও দূরীকরণের জন্য এবং আক্রমণ অথবা অন্যান্য শান্তিভঙ্গকর কার্যকলাপ দমনের জন্য কার্যকর যৌথ কর্মপন্থা গ্রহণ এবং শান্তিপূর্ণ উপায়ে ন্যায়বিচার ও আন্তর্জাতিক আইনের নীতির সঙ্গে সংগতি রেখে আন্তর্জাতিক বিরোধ বা শান্তিভঙ্গের আশঙ্কাপূর্ণ পরিস্থিতির নিষ্পত্তি বা সমাধান;
- অনুচ্ছেদ ৫ নং: জাতিসংঘের কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক প্রতিষেধকমূলক অথবা বল প্রয়োগমূলক কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হলে নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশক্রমে সাধারণ পরিষদ তার সদস্যপদের অধিকার ও সুযোগ-সুবিধাগুলো সাময়িকভাবে প্রত্যাহার করতে পারে। নিরাপত্তা পরিষদ ওইসব অধিকার এবং সুযোগ-সুবিধা ব্যবহারের ক্ষমতা প্রত্যর্পণ করতে পারবে।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।

৩২.
সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিল (STC) কোন দেশের একটি রাজনৈতিক ও সামরিক গোষ্ঠী?
  1. ওমান
  2. ইসরায়েল 
  3. ইয়েমেন
  4. ইরান
সঠিক উত্তর:
ইয়েমেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইয়েমেন
ব্যাখ্যা

সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিল (Southern Transitional Council বা STC):
- সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিল (STC) হলো ইয়েমেনের একটি রাজনৈতিক ও সামরিক সংগঠন।
- গঠিত হয়: ২০১৭ সালের ১১ মে।
- এর প্রধান নেতা ছিলেন আইদারুস আল-জুবাইদি (Aidarus al-Zubaydi)।
- এরা দক্ষিণ ইয়েমেনের স্বাধীনতা বা বিচ্ছিন্নতার দাবিতে কাজ করে।
- এরা সংযুক্ত আরব আমিরাত (UAE)-এর সমর্থনপুষ্ট ছিল।

উল্লেখ্য,
- STC ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বিশেষ করে দক্ষিণাঞ্চলে। 
- সাম্প্রতিক সময়ে এটি একটি বড় অভিযান চালিয়ে দক্ষিণ ইয়েমেনের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণে নেয়, কিন্তু সৌদি-সমর্থিত সরকারের প্রত্যুত্তরে পরাজিত হয়।

উৎস: Britannica.

৩৩.
২০২৫ সালে কোন ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত বিজ্ঞানী নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
  1. ওমর এম ইয়াগি
  2. ইওয়েল মোকিয়র
  3. মিশেল দেভরেট
  4. পিটার হাউইট
সঠিক উত্তর:
ওমর এম ইয়াগি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওমর এম ইয়াগি
ব্যাখ্যা

ওমর এম. ইয়াগি:
- ২০২৫ সালে ওমর এম. ইয়াগি (Omar M. Yaghi) নামের ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত বিজ্ঞানী রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৬তম মুসলিম হিসেবে নোবেল পুরস্কার জিতলেন ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত ওমর এম. ইয়াগি।
- ১৯৬৫ সালে জর্ডানের আম্মানে এক ফিলিস্তিনি শরণার্থী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন ওমর মওয়ানেস ইয়াগি।
- ওমর এম ইয়াগি বাবার পরামর্শে মাত্র ১৫ বছর বয়সে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। 
- ২০২১ সালে সৌদি আরবের রাজার রিয়াল ডিক্রি অনুযায়ী সৌদি নাগরিকত্ব পান ওমর এম ইয়াগি।
- ২০১২ সালে তিনি ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, বার্কলেতে যোগ দেন এবং বর্তমানে জেমস ও নেলজে ট্রেটার প্রফেসর অব কেমিস্ট্রি পদে রয়েছেন। তিনি মলিকুলার ফাউন্ড্রি, কাভলি এনার্জি ন্যানোসায়েন্স ইনস্টিটিউট, ক্যালিফোর্নিয়া রিসার্চ অ্যালায়েন্স এবং বাকার ইনস্টিটিউট অব ডিজিটাল ম্যাটেরিয়ালস ফর দ্য প্ল্যানেটের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
- তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সেস এবং জার্মান ন্যাশনাল একাডেমি লিওপোল্ডিনার নির্বাচিত সদস্য। ২০২৫ সালে তিনি কার্নেগি কর্পোরেশন অব নিউ ইয়র্কের গ্রেট ইমিগ্র্যান্ট অ্যাওয়ার্ড পান।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন সুসুমু কিতাগাওয়া, রিচার্ড রবসন ও ওমর এম. ইয়াগি।
- ধাতু-জৈব কাঠামো উদ্ভাবনের জন্য যৌথভাবে এ পুরস্কার পেয়েছেন তারা।

⇒ ২০২৫ সালের নোবেল বিজয়ী:
- সাহিত্য: হাঙ্গেরিয়ান লেখক লাজলো ক্রাজনাহরকাই।
- শান্তি: ভেনেজুয়েলার রাজনীতিবিদ ও মানবাধিকারকর্মী মারিয়া কোরিনা মাচাদো।  
- চিকিৎসাবিজ্ঞান: ম্যারি ই. ব্রুনকো, ফ্রেড রামসডেল ও শিমন সাকাগুচি।
- পদার্থবিজ্ঞান: জন ক্লার্ক, মিশেল দেভরেট ও জন এম মার্টিনিস।
- রসায়ন: সুসুমু কিতাগাওয়া, রিচার্ড রবসন ও ওমর এম. ইয়াগি।
- অর্থনীতি: ইওয়েল মোকিয়র, ফিলিপ আগিয়োঁ ও পিটার হাউইট।

উৎস: Nobel Prize ওয়েবসাইট।

৩৪.
২০২৬ সালের ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপে কয়টি গ্রুপ রয়েছে?
  1. ৬টি
  2. ৮টি
  3. ১০টি
  4. ১২টি
সঠিক উত্তর:
১২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২টি
ব্যাখ্যা

ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬:
- এটি বিশ্বকাপ ফুটবলের ২৩তম আসর।

- আয়োজক দেশ: ৩টি।
- দেশগুলো হলো: যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকো।
- সময়কাল: ১১ জুন - ১৯ জুলাই, ২০২৬।
- অংশগ্রহণকারী দেশ: ৪৮টি।
- গ্রুপ: ১২টি।
- অনুষ্ঠিত হবে ১০৪টি ম্যাচ।
- তিন দেশের ১৬টি ভেন্যুতে এই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
- ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬-এর অফিশিয়াল বলের নাম ট্রায়োন্ডা।
- ২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের তিনটি মাসকট উন্মোচন করেছে ফিফা। 

⇒ বিশ্বকাপের ১২টি গ্রুপ:
- গ্রুপ ‘এ’: মেক্সিকো, দক্ষিণ আফ্রিকা, দক্ষিণ কোরিয়া, ইউরো প্লে‑অফ ডি বিজয়ী। 
- গ্রুপ ‘বি’: কানাডা, ইউরো প্লে‑অফ এ বিজয়ী, কাতার, সুইজারল্যান্ড। 
- গ্রুপ সি: ব্রাজিল, মরক্কো, হাইতি, স্কটল্যান্ড।
- গ্রুপ ‘ডি’: যুক্তরাষ্ট্র, প্যারাগুয়ে, অস্ট্রেলিয়া, ইউরো প্লে‑অফ সি বিজয়ী। 
- গ্রুপ ই: জার্মানি, কিউরাসাও, আইভরি কোস্ট, ইকুয়েডর। 
- গ্রুপ ‘এফ’: নেদারল্যান্ডস, জাপান, তিউনিশিয়া এবং ইউরোপিয়ান প্লে-অফ ‘বি’ জয়ী দল।
- গ্রুপ ‘জি’: বেলজিয়াম, মিশর, ইরান ও নিউজিল্যান্ড।
- গ্রুপ ‘এইচ’: স্পেন, কেপ ভার্দে, সৌদি আরব ও উরুগুয়ে।
- গ্রুপ ‘আই’: ফ্রান্স, সেনেগাল, নরওয়ে এবং ফিফা প্লে-অফ ২ জয়ী দল।
- গ্রুপ ‘জে’: আর্জেন্টিনা, আলজেরিয়া, অস্ট্রিয়া ও জর্ডান।
- গ্রুপ ‘কে’: পর্তুগাল, উজবেকিস্তান, কলম্বিয়া এবং ফিফা প্লে-অফ ১ জয়ী দল।
- গ্রুপ ‘এল’: ইংল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া, ঘানা ও পানামা।

উৎস: i) FIFA ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

৩৫.
'ইনুইট' সম্প্রদায় কোন অঞ্চলে বসবাস করে?
  1. আমাজন রেইনফরেস্ট
  2. সাহারা মরুভূমি
  3. প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ
  4. আর্কটিক
সঠিক উত্তর:
আর্কটিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্কটিক
ব্যাখ্যা

'ইনুইট' সম্প্রদায়:
- ইনুইট (Inuit) সম্প্রদায় হলো আর্কটিক অঞ্চলের আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- ইনুইট সম্প্রদায় মূলত কানাডা, আলাস্কা (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র), গ্রিনল্যান্ড এবং রাশিয়ার সাইবেরিয়ার সুমেরু (আর্কটিক) অঞ্চলে বসবাস করে।
- তাদের ঐতিহ্যবাহী ভূমিকে "ইনুইট নুনানগাট" বলা হয় যা কানাডার বিশাল উত্তর অংশ জুড়ে বিস্তৃত। 
- সাধারণ মানুষের কাছে 'এস্কিমো' নামেই এরা পরিচিত।

উৎস: Britannica.

৩৬.
Tropical Forest Forever Facility (TFFF) কোন জলবায়ু সম্মেলনে চালু হয়েছে?
  1. COP-25
  2. COP-27
  3. COP-28
  4. COP-30
সঠিক উত্তর:
COP-30
উত্তর
সঠিক উত্তর:
COP-30
ব্যাখ্যা

Tropical Forest Forever Facility (TFFF):
- Tropical Forest Forever Facility (TFFF) ২০২৫ সালের নভেম্বরে ব্রাজিলের বেলেমে অনুষ্ঠিত COP-30 সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে। 
- এর প্রধান প্রস্তাবক দেশ হলো ব্রাজিল।
- এর লক্ষ্য হলো গ্রীষ্মমন্ডলীয় বনভূমি সংরক্ষণ এবং এর মূল্য বৃদ্ধি করা। 
- সহযোগী দেশ: ব্রাজিল ছাড়াও ইন্দোনেশিয়া, নরওয়ে, ফ্রান্স, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাজ্য, কঙ্গো (DRC), ঘানা, মালয়েশিয়া, কলম্বিয়া এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো দেশগুলো এর সাথে যুক্ত রয়েছে।
- উদ্দেশ্য: এই সুবিধাটি গ্রীষ্মমন্ডলীয় বনভূমিকে সংরক্ষিত রাখতে দেশগুলোকে দীর্ঘমেয়াদী অর্থায়ন প্রদান করবে, যা বন কেটে ফেলার চেয়ে সংরক্ষণকে বেশি লাভজনক করে তুলবে। 

⇒ এটি বন রক্ষায় এক দীর্ঘস্থায়ী ‘প্যাঁয় ফর পেরফরমান্স’ ফান্ড হিসেবে কাজ করবে, যেখানে দেশগুলো বন সংরক্ষণ করলে সরাসরি অর্থ সহায়তা পাবে।
- এই ফ্যাসিলিটিটি ১২৫ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।

উৎস: i) UNFCCC ওয়েবসাইট।
ii) Tropical Forest Forever Facility (TFFF) ওয়েবসাইট।

৩৭.
‘কোয়ালিশন অব দ্য উইলিং’ প্রধানত কোন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে গঠিত হয়েছে?
  1. ইরাক যুদ্ধ
  2. সিরিয়া গৃহযুদ্ধ
  3. ভিয়েতনাম যুদ্ধ
  4. রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ 
সঠিক উত্তর:
রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ 
ব্যাখ্যা

কোয়ালিশন অব দ্য উইলিং (Coalition of the willing):
- ‘কোয়ালিশন অব দ্য উইলিং’ হলো রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ও ফ্রান্সের নেতৃত্বে গঠিত একটি জোট।
- এটি ইউক্রেনকে শক্তিশালী সমর্থন, শান্তি চুক্তি রক্ষা এবং নিরাপত্তা গ্যারান্টি প্রদানের জন্য কাজ করে।
-  ২ মার্চ, ২০২৫ তারিখে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ও ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ‘Coalition of the Willing’ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন।
- এর লক্ষ্য যুদ্ধবিরতি বা শান্তিচুক্তির পর ইউক্রেনে শান্তি বজায় রাখা এবং রাশিয়ার ভবিষ্যৎ আক্রমণ প্রতিরোধ করা।
- সদস্য: ৩৫টি দেশ (ইউরোপীয় দেশগুলো ছাড়াও কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, জাপান, তুরস্ক ইত্যাদি)।

⇒ ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে কোয়ালিশন অব দ্য উইলিং-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত হয়েছে।  
- NATO মহাসচিব মার্ক রুটে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) শীর্ষ কর্মকর্তারা, এবং জোটভুক্ত ৩৫টি দেশের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
- উদ্দেশ্য: ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে সম্ভাব্য শান্তিচুক্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চয়তা নিয়ে আলোচনা।

উৎস: i) The Guardian.
ii) NATO ওয়েবসাইট।

৩৮.
‘পানমুনজাম’ গ্রাম কোন দুটি দেশের সীমানায় অবস্থিত?
  1. ভারত ও চীন
  2. উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া
  3. ভারত ও পাকিস্তান
  4. আফগানিস্তান ও পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা

‘পানমুনজাম’ গ্রাম:
- পানমুনজাম একটি ঐতিহাসিক গ্রাম যা উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার সীমানায় অবস্থিত।
- এই গ্রামে মূলত ১৯৫৩ সালে কোরিয়ান যুদ্ধের অস্ত্রবিরতি চুক্তির সাক্ষী হয়েছিল। 
- এটি একটি সম্মিলিত নিরাপত্তা অঞ্চল (Joint Security Area - JSA)-এর অংশ। 

উৎস: Britannica.

৩৯.
বিশ্বে প্রথম এক ডোজের ডেঙ্গু টিকার অনুমোদনকারী দেশ কোনটি?
  1. ব্রাজিল
  2. মেক্সিকো
  3. ফিলিপাইন
  4. ইন্দোনেশিয়া
সঠিক উত্তর:
ব্রাজিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রাজিল
ব্যাখ্যা

বিশ্বের প্রথম এক ডোজের ডেঙ্গু টিকা:
- বিশ্বে প্রথম এক ডোজের ডেঙ্গু টিকার অনুমোদনকারী দেশ ব্রাজিল।
- এই টিকার নাম 'বুটানটান-ডিভি' (Butantan-Dengue Vaccine)।
- এটি তৈরি করেছে সাও পাওলোর বুটানটান ইনস্টিটিউট।
- এটি ১২-৫৯ বছর বয়সীদের জন্য অনুমোদিত।
- এটি ব্রাজিলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা এনভিসা কর্তৃক অনুমোদন পেয়েছে এবং Dengvaxia (দুই ডোজের) টিকার তুলনায় এটি একটি বড় অগ্রগতি, যা ডেঙ্গু প্রতিরোধে একক ডোজের কার্যকারিতা প্রমাণ করে। 

⇒ ২৭ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে ব্রাজিলিয়ান কর্তৃপক্ষ এই টিকার অনুমোদন দিয়ে একে ‘ঐতিহাসিক অর্জন’ অভিহিত করেছেন।
- উষ্ণতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বজুড়ে মশাবাহিত এই প্রাণঘাতী রোগ বাড়তে থাকার মধ্যে টিকার ব্যবহার শুরু করছে ব্রাজিল।

⇒ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বে শুধু টিএকে–০০৩ নামে ডেঙ্গুর একটি টিকা আছে। এই টিকার দুই ডোজ নিতে হয় তিন মাসের ব্যবধানে।
- ব্রাজিলজুড়ে আট মাস ধরে পরীক্ষা চালানোর পর এক ডোজের এই টিকার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর ফলে এখন দ্রুততার সঙ্গে সহজে দেশজুড়ে ডেঙ্গুর টিকা দেওয়া যাবে।

উৎস: প্রথম আলো। 

৪০.
কত সালে ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডকে একটি প্রদেশ (কাউন্টি) হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে?
  1. ১৯৫১ সালে
  2. ১৯৫৩ সালে
  3. ১৯৭১ সালে
  4. ১৯৭৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৩ সালে
ব্যাখ্যা

গ্রিনল্যান্ড:
- ৯৮২ খ্রিস্টাব্দে নরওয়েজিয়ান অভিযাত্রী এরিক দ্য রেড (Erik the Red) গ্রিনল্যান্ড আবিষ্কার করেন।
- ১৭২১ খ্রিস্টাব্দে ড্যানিশ-নরওয়েজিয়ান মিশনারি হ্যান্স এগেডে (Hans Egede)-এর নেতৃত্বে গ্রিনল্যান্ডে ড্যানিশ উপনিবেশ শুরু হয়।
- ১৮১৪ সালে নেপোলিয়নের যুদ্ধের পর ‘কিল চুক্তি’র মাধ্যমে ডেনমার্ক-নরওয়ে রাজ্য বিভক্ত হয়। নরওয়ে সুইডেনের অংশ হলেও গ্রিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড এবং ফারো দ্বীপপুঞ্জ ডেনমার্কের অধীনে থেকে যায়।
- ১৯৫৩ সালে ডেনমার্ক সংবিধান পরিবর্তন করে গ্রিনল্যান্ডকে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রদেশ হিসেবে ঘোষণা করে। ফলে এটি উপনিবেশের মর্যাদা হারায় এবং অবিচ্ছেদ্য অংশ (কাউন্টি) হয়।
- ১৯৭৯ সালে গণভোটের মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডকে স্বায়ত্তশাসিত মর্যাদা দেওয়া হয়।
- ২০০৯ সালে দ্বীপটি আরও বিস্তৃত স্বায়ত্তশাসনের অনুমোদন পায়। এর ফলে তারা নিজেদের আইন ও প্রশাসনের ওপর অধিক নিয়ন্ত্রণ লাভ করে।

উল্লেখ্য,
- ডেনমার্কের স্বশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ড বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ।
- এটি উত্তর আমেরিকা মহাদেশের অংশ।
- এর অবস্থান উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে উত্তর আমেরিকা এবং ইউরোপ মহাদেশের মধ্যে অবস্থিত।
- রাজধানী: নুউক।
- মুদ্রা: ডেনিশ ক্রোনা।
- গ্রিনল্যান্ডের অধিবাসীরা এস্কিমো হিসেবে পরিচিত।
- গ্রীনল্যান্ডের ৮০ শতাংশ এলাকা বরফে ঢাকা।
- জনসংখ্যার ৯০ শতাংশ হচ্ছে আদিবাসী ইনুইট সম্প্রদায়ের।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.

৪১.
UNCC (United Nations Convention against Cybercrime) কত তারিখে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়েছে?
  1. ২৪ অক্টোবর, ২০২৪
  2. ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৪
  3. ২৪ অক্টোবর, ২০২৫
  4. ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
২৪ ডিসেম্বর, ২০২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ ডিসেম্বর, ২০২৪
ব্যাখ্যা

UNCC:
- UNCC-এর পূর্ণরূপ: United Nations Convention against Cybercrime.
- এটি জাতিসংঘের সাইবার অপরাধ প্রতিরোধের প্রথম ব্যাপক আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯/২৪৩ নম্বর রেজোলিউশনের মাধ্যমে গৃহীত হয়: ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৪।
- স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত হয়: ২৫ অক্টোবর, ২০২৫।
- স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত থাকবে: ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত।
- স্বাক্ষরের স্থান: হ্যানয়, ভিয়েতনাম।

⇒ এই কনভেনশনের মূল উদ্দেশ্য:
- সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ ও দমন করা। 
- দেশগুলোর মধ্যে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানো, বিশেষ করে ইলেকট্রনিক প্রমাণ শেয়ার করা।
- গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে ডিজিটাল প্রমাণ সংগ্রহ ও বিনিময়।
- উন্নয়নশীল দেশগুলোকে প্রযুক্তিগত সহায়তা ও ক্ষমতা বৃদ্ধি প্রদান।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।

৪২.
হাম্মুরাবি আইন সংহিতা কোন সভ্যতার অবদান?
  1. মিশরীয়
  2. ফিনিশীয়
  3. ব্যাবিলনীয়
  4. আসিরীয়
সঠিক উত্তর:
ব্যাবিলনীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাবিলনীয়
ব্যাখ্যা

হাম্মুরাবি আইন:
- হাম্মুরাবি আইন সংহিতা ব্যাবিলনীয় সভ্যতার।
- নগররাষ্ট্র ব্যাবিলন ছিল মেসোপটেমিয়ার কেন্দ্রবিন্দু। ১৭৬০ খ্রিষ্টপূর্ব বেশ কয়টি ধারাবাহিক যুদ্ধের পর ব্যাবিলনের শক্তিমান রাজা হাম্মুরাবি অন্য সব বিপক্ষ নগররাষ্ট্রগুলো গুঁড়িয়ে দেন।
- রাজা হাম্মুরাবি ১৭৯২ থেকে ১৭৫০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত ব্যাবিলন শাসন করেন।
- ২৮২টি আইনের সমন্বয়ে তৈরি, পাথরে খোদাই করা এই কোডটি ব্যাবিলনের রাজা হাম্মুরাবি প্রাচীন মেসোপটেমিয়া শাসনের জন্য তৈরি করেছিলেন।
- তাঁর আইনগুলো ‘কোড অব হাম্মুরাবি’ নামে পরিচিত। এটি সবচেয়ে পুরোনো লিখিত আইন।
- আইনগুলো শতাব্দীর পর শতাব্দী কাদামাটিতে লিখে আগুনে পুড়িয়ে সংরক্ষণ করা হতো।

⇒ মেসোপটেমিয়া সভ্যতার অবদান:
- মেসোপটেমিয়ায় গড়ে ওঠা সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা সুমেরীয় সভ্যতা। জলঘড়ি ও চন্দ্র পঞ্জিকা আবিষ্কারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে সুমেরীয়রা। তবে সুমেরীয় সভ্যতার সবচেয়ে বড় অবদান চাকা আবিষ্কার।
- বৃত্তকে ৩৬০° কোণে ভাগ করে অ্যাশেরীয়রা। সভ্যতায় অ্যাশেরীয়দের অবদান সমরবাদী, যুদ্ধবিদ্যা, অস্ত্র ও হাতিয়ার তৈরি।
- পৃথিবীর প্রথম লিখিত আইনের প্রচলন হয় ব্যাবিলনে। সর্বপ্রথম পঞ্জিকার প্রচলন করে ব্যাবিলনীয় সভ্যতায়। সভ্যতায় ব্যাবিলনিয়দের অবদান ছিল আইন প্রণয়নে। ব্যাবিলনীয়দের আইন হাম্মুরাবির আইন নামে পরিচিত ছিল।
- ৭ দিনে সপ্তাহ গণনা শুরু করে ক্যালেডীয়রা। প্রতিদিনকে ১২ জোড়া ঘন্টায় ভাগ করার পদ্ধতি বের করে ক্যালেডীয়রা। ক্যালেডীয় সভ্যতা গড়ে তুলেছিলেন রাজা নেবুচাঁদনেজার।

উৎস: i) History.com
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
iii) প্রথম আলো।

৪৩.
জাতিসংঘের 'ওয়ার্ল্ড আরবানাইজেশন প্রসপেক্টস ২০২৫' প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল শহর
  1. ঢাকা
  2. টোকিও
  3. নয়াদিল্লি
  4. জাকার্তা
সঠিক উত্তর:
জাকার্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাকার্তা
ব্যাখ্যা

বিশ্বের শীর্ষ জনবহুল শহর:
- জাতিসংঘের 'ওয়ার্ল্ড আরবানাইজেশন প্রসপেক্টস ২০২৫' প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল শহর হলো ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা। তালিকায় বলা হয়েছে, সবচেয়ে জনবহুল নগর জাকার্তায় (২০২৫ সালের ১ জুলাই পর্যন্ত) মোট ৪ কোটি ১৯ লাখ মানুষ বসবাস করছিল। ২০০০ সালে নগরটিতে মানুষ ছিল ২ কোটি ৫৬ লাখ।
- ১৮ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিষয়ক বিভাগের (ইউএন ডিইএসএ) 'ওয়ার্ল্ড আরবানাইজেশন প্রসপেক্টাস ২০২৫' শীর্ষক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
- ইউনাইটেড নেশনস ডিপার্টমেন্ট অব ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল অ্যাফেয়ার্স এ প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।

⇒ বিশ্বের শীর্ষ জনবহুল শহর:
১. জাকার্তা, 
২. ঢাকা, 
৩. টোকিও, 
৪. নয়াদিল্লি,
৫. সাংহাই।

উৎস: World Urbanisation Prospects 2025 ওয়েবসাইট।

৪৪.
ফ্রিডম টাওয়ার যুক্তরাষ্ট্রের কোন শহরে অবস্থিত?
  1. ওয়াশিংটন ডিসি
  2. লস অ্যাঞ্জেলেস
  3. নিউইয়র্ক সিটি
  4. শিকাগো
সঠিক উত্তর:
নিউইয়র্ক সিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউইয়র্ক সিটি
ব্যাখ্যা

ওয়ান ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার (ফ্রিডম টাওয়ার):
- ফ্রিডম টাওয়ার যা ওয়ান ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার (One World Trade Center) নামেও পরিচিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির লোয়ার ম্যানহাটনে অবস্থিত। 
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভেঙে ফেলা টুইন টাওয়ারের স্থানে নির্মিত ভবনের নাম ওয়ান ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার (ফ্রিডম টাওয়ার)।

⇒ টুইন টাওয়ার নিউইয়র্কের ব্যস্ততম ডাউনটাউন এলাকার ১১০-তলাবিশিষ্ট দুটি ভবন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৬৬ সাল থেকে ৪ বছর ধরে পৃথিবীর অন্যতম উঁচু ভবন দুটি তৈরি হয়।
- এই ভবন দুটি ব্যবহৃত হয় বিশ্ববাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবে।
- বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের সমন্বয়ে বহুজাতিক বিভিন্ন সংস্থার দপ্তর স্থাপিত হয় ভবন দুটোয়।
- ১১ সেপ্টেম্বর ২০০১ তারিখে টুইন টাওয়ারের হঠাৎ ৭৬৭ বাণিজ্যক বিমান হাইজ্যাক করে সন্ত্রাসীরা আঘাত হানে।
- জঙ্গি হানায় মূহূর্তের মধ্যে গ্রাউন্ড জিরোতে পরিণত হয়েছিল বিশ্বখ্যাত টুইন টাওয়ার।

উৎস: i) 911 Ground Zero.
ii) Britannica.

৪৫.
২০২৬ সালের 'ওয়ার্ল্ড বুক ক্যাপিটাল' হিসেবে ঘোষিত হয়েছে কোন শহর?
  1. রাবাত
  2. রিও ডি জেনিরো
  3. ফ্রাঙ্কফুর্ট
  4. লন্ডন
সঠিক উত্তর:
রাবাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাবাত
ব্যাখ্যা

ওয়ার্ল্ড বুক ক্যাপিটাল (World Book Capital):
- ওয়ার্ল্ড বুক ক্যাপিটাল ইউনেস্কো আয়োজিত একটি বার্ষিক অনুষ্ঠান।
- এর মাধ্যমে সকল সংস্কৃতি ও সকল ভাষায় বই পড়ার গুরুত্ব প্রচার করা হয়।
- ২০০১ সাল থেকে এই খেতাব দেওয়া হচ্ছে।
- ২০২৬ সালের 'ওয়ার্ল্ড বুক ক্যাপিটাল' হলো মরক্কোর রাজধানী রাবাত।

⇒ ইউনেস্কোর ডিরেক্টর-জেনারেল অড্রে আজুলে ২০২৪ সালের অক্টোবরে এই ঘোষণা করেন।
- এর আগে ২০২৫ সালের জন্য রিও ডি জেনেইরো (ব্রাজিল) নির্বাচিত হয়েছে।
- ২০২৬ সালের ২৩শে এপ্রিল বিশ্ব বই ও কপিরাইট দিবস থেকে তাদের কার্যক্রম শুরু করবে। 
- ইউনেস্কো এই শহরকে নির্বাচিত করেছে কারণ রাবাতের বই ও প্রকাশনা শিল্পের প্রতি অঙ্গীকার, লাইব্রেরির একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক এবং আফ্রিকান বই মেলা আয়োজনের অভিজ্ঞতা।

উল্লেখ্য,
- এর আগে এই স্বীকৃতি পেয়েছিল, মাদ্রিদ (২০০১), আলেকজান্দ্রিয়া (২০০২), নয়াদিল্লি (২০০৩), অ্যান্টওয়ার্প (২০০৪), মন্ট্রিল (২০০৫), তুরিন (২০০৬), বোগোতা (২০০৭), আমস্টারডাম (২০০৮), বৈরুত (২০০৯), লুব্লিয়ানা (২০১০), বুয়েনস আইরেস (২০১১), এরেভান (২০১২), ব্যাংকক (২০১৩), পোর্ট হারকোর্ট (২০১৪), ইনচিওন (২০১৫), রোকলা (২০১৬), কোনাক্রি (২০১৭), অ্যাথেন্স (২০১৮), শারজাহ, (২০১৯), কুয়ালালামপুর (২০২০), তিবিলিসি (২০২১), গুয়াদালাজারা (২০২২), আক্রা (২০২৩), স্ট্রাসবার্গ (২০২৪), রিও ডি জেনিরো (২০২৫)।  

উৎস: UNESCO ওয়েবসাইট।

৪৬.
মায়া সভ্যতা বিকশিত হয়েছিল কোথায়?
  1. দক্ষিণ আমেরিকা
  2. মধ্য আমেরিকা
  3. ক্যারিবীয় অঞ্চল
  4. পূর্ব ইউরোপ
সঠিক উত্তর:
মধ্য আমেরিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধ্য আমেরিকা
ব্যাখ্যা

মায়া সভ্যতা:
- মায়া সভ্যতা ছিল প্রাচীন বিশ্বের অন্যতম উন্নত ও রহস্যময় সভ্যতা।
- মায়া সভ্যতার সূচনা অনেক আগে মেসোআমেরিকা নামক এক স্থানে হয়েছিল।
- এই বিশাল অঞ্চলটি মেক্সিকো এবং মধ্য আমেরিকার কিছু অংশ নিয়ে গঠিত।
- মধ্য আমেরিকায় দুই সহস্রাধিক বছর ধরে বিকশিত এই সভ্যতা শিল্প, স্থাপত্য, জ্যোতির্বিদ্যা ও গণিতের ক্ষেত্রে অসাধারণ অগ্রগতি সাধন করেছিল। 
- মেক্সিকো, বেলিজ, গুয়াতেমালা, এল সালভাদর ও হন্ডুরাসের রেইনফরেস্টের মধ্যে এটি অবস্থিত।
- মায়ারা প্রথম তাদের সভ্যতা গড়ে তোলে প্রায় ২০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে (প্রাক-ধ্রুপদী যুগ)।

⇒ প্রাথমিক পর্যায়ে মায়ারা কৃষিকাজের ওপর নির্ভরশীল ছিল এবং প্রধানত ভুট্টা, শিম, কুমড়া ও মরিচ চাষ করত।
- সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তারা শক্তিশালী নগর-রাষ্ট্র গড়ে তোলে, যেখানে প্রতিটি রাজ্য ছিল স্বাধীন এবং রাজা ও অভিজাত শ্রেণি দ্বারা শাসিত।
- টিকাল, পালেনকে, কোপান ও চিচেন ইৎজা ছিল এই শহরগুলোর মধ্যে বিখ্যাত, যেগুলো বাণিজ্য, সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক শক্তির কেন্দ্র হিসেবে বিকশিত হয়।

⇒ মায়া সভ্যতার অন্যতম বিস্ময়কর দিক ছিল তাদের জ্যোতির্বিদ্যা ও গণিতের জ্ঞান।
- তারা অত্যন্ত উন্নত ক্যালেন্ডার ব্যবস্থা তৈরি করেছিল।
- তারা কৃষিকাজের জন্য এই ক্যালেন্ডার ব্যবহার করত।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.

৪৭.
২০২৫ সালে কোন দেশের মধ্যস্থতায় আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে?
  1. চীন 
  2. রাশিয়া 
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. তুরস্ক
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

আর্মেনিয়া-আজারবাইজান শান্তিচুক্তি:
- ২০২৫ সালের ৮ আগস্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তত্ত্বাবধানে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
- অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ এবং আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশনিয়ান।
- উদ্দেশ্য: ৩৫ বছরের সংঘাতের অবসান ঘটানো, ভ্রমণ, বাণিজ্য ও কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করা এবং এশিয়া থেকে ইউরোপে রাশিয়া ও ইরানকে এড়িয়ে যাওয়ার জন্য নতুন ট্রানজিট রুট তৈরি করা। 
- এই চুক্তিটি দক্ষিণ ককেশাস অঞ্চলে রাশিয়ার প্রভাব হ্রাস করে মার্কিন প্রভাব বাড়িয়েছে।

উল্লেখ্য,
- দক্ষিণ ককেশাস অঞ্চলের এই দুই প্রতিদ্বন্দ্বী দেশের মধ্যে দ্বন্দ্বের মূল ছিল নাগোরনো-কারাবাখ।
- এটি আজারবাইজানের একটি পার্বত্য এলাকা, যেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ বাসিন্দা ছিলেন জাতিগত আর্মেনিয়ান।
- ১৯৮০-এর দশকে এই এলাকা আর্মেনিয়ার সমর্থনে আজারবাইজান থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
- ২০২৩ সালে আজারবাইজানের সেনাবাহিনী নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চলে অভিযান চালিয়ে পুরো অঞ্চল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়, যা ছিল আজারবাইজানের অন্তর্গত হলেও জাতিগত আর্মেনিয়ানদের দ্বারা অধিকৃত।
- চুক্তির অধীনে যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ ককেশাসে দুই দেশের মধ্যে একটি কৌশলগত ট্রানজিট করিডোর স্থাপনের বিশেষ অধিকার পেয়েছে, যা ‘ট্রাম্প রুট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিস অ্যান্ড প্রসপারিটি’ নামে পরিচিত হবে।

উৎস: Reuters.

৪৮.
নিম্নোক্ত কোন সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান সর্বোচ্চ নোবেল পুরস্কার লাভ করে?
  1. হিউম্যান রাইটস ওয়াচ
  2. অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
  3. আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি
ব্যাখ্যা

Red Cross:
- সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান ICRM-এর পূর্ণরূপ: The International Red Cross and Red Crescent Movement সংক্ষেপে রেডক্রস নামে পরিচিত।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৯ ফেব্রুয়ারি, ১৮৬৩।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- প্রতিষ্ঠাতা: হেনরি ডুনান্ট।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বিশ্বব্যাপী দুস্থ মানুষের সেবা তথা যুদ্ধে আহত ও যুদ্ধবন্দি, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য ও দুঃখ লাঘবই রেড ক্রস/রেড ক্রিসেন্ট’র মূল লক্ষ্য।

উল্লেখ্য,
- আন্তর্জাতিক রেডক্রস কমিটি সর্বোচ্চ মোট তিনবার (১৯১৭, ১৯৪৪ ও ১৯৬৩ সালে) শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে।

অন্যদিকে,
- অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ১ বার ১৯৭৭ সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করে।
- হিউম্যান রাইটস ওয়াচ কোনো নোবেল পায়নি।

উৎস: Red Cross ওয়েবসাইট।

৪৯.
কোন জলপথ নিয়ে ইরান-ইরাক যুদ্ধের অন্যতম প্রধান বিরোধ ছিল?
  1. সুয়েজ খাল
  2. বসফরাস প্রণালী
  3. শাত-ইল-আরব
  4. পানামা খাল 
সঠিক উত্তর:
শাত-ইল-আরব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাত-ইল-আরব
ব্যাখ্যা

ইরান-ইরাক যুদ্ধের অন্যতম প্রধান বিরোধ ছিল শাত-ইল-আরব জলপথ নিয়ে।

ইরান-ইরাক যুদ্ধ:
- ইরাক-ইরান যুদ্ধ শুরু হয় ১৯৮০ সালে।
- যুদ্ধ সংঘটনকাল: ২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৮০ ২০ আগস্ট, ১৯৮৮ সাল।
- ইরাকের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন "শাত-ইল-আরব” জলপথের নিয়ন্ত্রণ ও ইরানের তেল সমৃদ্ধ সীমান্তবর্তী অঞ্চল “কোহেস্তান" (Khuzestan) দখলের জন্য ২২ সেপ্টেম্বর ১৯৮০ সালে ইরান আক্রমণ করেন।
- দীর্ঘ ৮ বছর যুদ্ধ চলার পর ১৯৮৮ সালের ২০ জুলাই জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষর করে দুই দেশ।
- ১৯৮৮ সালের ২০ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধ সমাপ্ত হয়।

⇒ শাত-ইল-আরব:
- এটি পারস্য উপসাগরে অবস্থিত।
- শাত-ইল-আরব জলপথের অধিকারকে কেন্দ্র করেই মূলত ইরাক-ইরান বিরোধ শুরু হয়।
- বর্তমানে এটি ইরানের দখলে রয়েছে।
- শাত-ইল আরব জলপথকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধ অবসানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৫ সালের ১৩ জুন আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- তবে চুক্তি স্বাক্ষরের পাঁচ বছরের মাথায় দেশ দুটি শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।

⇒ আলজিয়ার্স চুক্তি:
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী: ইরাক এবং ইরান।
- চুক্তির বিষয়: শাত-ইল-আরব সহ বিরোধপূর্ণ সীমানা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মীমাংসা।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ই জুন, ১৯৭৫।
- চুক্তি অনুমোদন হয়: ১৯৭৬ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: আলজির্য়াস, আলজেরিয়া।
- স্বাক্ষরকারী: ইরানের পক্ষে রেজা শাহ পাহলভী এবং ইরাকের তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন।

উৎস: Britannica.

৫০.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ফলে কোন সাম্রাজ্যের পতন ঘটে?
  1. রুশ সাম্রাজ্য
  2. জার্মান সাম্রাজ্য
  3. অটোমান সাম্রাজ্য
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ: 
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ছিল ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘাতের একটি।
- যুদ্ধ শুরু হয়: ২৮ জুলাই, ১৯১৪।
- শেষ হয়: ১১ নভেম্বর, ১৯১৮।
- কেন্দ্রীয়শক্তি: জার্মানি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, অটোমান সাম্রাজ্য ও বুলগেরিয়া।
- মিত্রশক্তি: সার্বিয়া, রাশিয়া, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, জাপান প্রভৃতি দেশ।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯১৯ সালে ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ফলাফল: কেন্দ্রীয় শক্তির পতন ও মিত্র শক্তির বিজয়।

উল্লেখ্য,
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ফলে ৪টি সাম্রাজ্যের পতন ঘটেছিল। এগুলো হলো: রুশ, জার্মান, অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয় ও অটোমান।
- ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লবের ফলে জারতন্ত্রের পতন ঘটে।
- যুদ্ধের শেষে জার্মানি পরাজিত হলে এই সাম্রাজ্যেরও অবসান ঘটে।
- অস্ট্রো-হাঙ্গেরিয়ান সাম্রাজ্য ভেঙে একাধিক ছোট ছোট রাষ্ট্রে পরিণত হয়।
- ১৯২২ সাল নাগাদ অটোমান সাম্রাজ্য সম্পূর্ণরূপে বিলুপ্ত হয়ে যায় যা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন রাজনৈতিক বিন্যাসের জন্ম দেয়।

উৎস: i) History.com
ii) Britannica.

৫১.
এমারেল্ড ট্রায়াঙ্গল কোন কোন দেশের সীমান্তবর্তী অঞ্চল?
  1. মায়ানমার, থাইল্যান্ড, লাওস
  2. কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম
  3. কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড, লাওস
  4. মায়ানমার, কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড, লাওস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড, লাওস
ব্যাখ্যা

এমারেল্ড ট্রায়াঙ্গল (Emerald Triangle):
- এমারেল্ড ট্রায়াঙ্গল হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড ও লাওস—এই তিনটি দেশের সীমান্ত সংলগ্ন একটি গুরুত্বপূর্ণ পাহাড়ি ও বনভূমি অঞ্চল। 

⇒ এমারেল্ড ট্রায়াঙ্গলে মিলিত হয়েছে থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া ও লাওসের সীমানা। 
- কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ডের মধ্যে সীমান্ত দ্বন্দ্ব শত বছরের বেশি পুরোনো। সীমান্তে বিরোধপূর্ণ অঞ্চলটি ‘এমারেল্ড ট্রায়াঙ্গল’ নামে পরিচিত।
- এই অঞ্চলে ১১ শতকের মোয়ান থম নামের একটি মন্দির নিয়ে ২০০৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে কম্বোডিয়া-থাইল্যান্ড শত্রুতা বাড়ে।
- এরপর বছরের পর বছর ধরে সীমান্ত সংঘাতে দুই দেশে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

উৎস: The Economic Times.

৫২.
নিচের কোনটি বিশ্বের প্রাচীনতম শহর হিসেবে পরিচিত?
  1. উরুক
  2. জেরিকো
  3. দামেস্ক
  4. আলেকজান্দ্রিয়া
সঠিক উত্তর:
জেরিকো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেরিকো
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর প্রাচীনতম শহর:
- পৃথিবীর প্রাচীনতম শহর হলো জেরিকো (Jericho)।
- এটি প্রাচীনতম পরিচিত প্রতিরক্ষা প্রাচীরের শহরও বটে।

⇒ জেরিকো বর্তমান ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে অবস্থিত যা পৃথিবীর প্রাচীনতম শহর হিসেবে বিবেচিত।
- প্রত্নতাত্ত্বিক প্রমাণ অনুযায়ী, এর উৎপত্তি প্রায় ৯০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে।
- দামেস্ক এবং আলেপ্পোর মতো শহরগুলোও প্রাচীন, তবে জেরিকোর ইতিহাস তাদের তুলনায় পুরোনো।

অন্যদিকে,
- দামেস্ক বিশ্বের প্রাচীনতম অবিচ্ছিন্নভাবে জনবসতিপূর্ণ শহরগুলির মধ্যে অন্যতম। প্রায় ৩,০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে প্রতিষ্ঠিত এবং এটি বিশ্বের প্রাচীনতম অবিচ্ছিন্নভাবে বসবাস করা শহর হিসেবে পরিচিত।

উৎস: i) Britannica.
ii) Times of India.

৫৩.
প্যারিস চুক্তির অধীনে ২০৩০ সালের মধ্যে গ্রিনহাউজ গ্যাস কত শতাংশ কমানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ৩০%
  2. ৩৩%
  3. ৩৮%
  4. ৪৩%
সঠিক উত্তর:
৪৩%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৩%
ব্যাখ্যা

প্যারিস জলবায়ু চুক্তির মূল লক্ষ্য:
- বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে সীমাবদ্ধ রাখা এবং ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখার চেষ্টা করা।
- ২০৩০ সালের মধ্যে বায়ুমণ্ডলে গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমন প্রায় ৪৩ শতাংশ কমানোর ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল।
- গাছ, মাটি ও সমুদ্র প্রাকৃতিকভাবে যতটা শোষণ করতে পারে, ২০৫০ সাল থেকে ২১০০ সালের মধ্যে কৃত্রিমভাবে গ্রিনহাউজ গ্যাসের নিঃসরণ সেই পর্যায়ে নামিয়ে আনা।
- প্রতি ৫ বছর অন্তর ক্ষতিকর গ্যাস নিঃসরণ রোধে প্রত্যেকটি দেশের ভূমিকা পর্যালোচনা করা।
- জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নিতে এবং নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার নিশ্চিত করতে গরিব দেশগুলোকে ধনী দেশগুলোর ‘জলবায়ু তহবিল’ দিয়ে সাহায্য করা।

⇒ বিশ্বব্যাপী গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর লক্ষ্যে প্যারিস চুক্তি (Paris Agreement) কাজ করে। 
- ২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর - ১২ ডিসেম্বর প্যারিসে কপ-২১ সম্মেলনে এই চুক্তি গৃহীত হয়।
- স্বাক্ষর করেছে: ১৯৫টি দেশ।
- এই চুক্তি অনুযায়ী, বিভিন্ন দেশ তাদের নিজস্ব জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান (NDCs) দিয়ে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর জন্য অঙ্গীকার করে।
- প্যারিস জলবায়ু চুক্তি অনুযায়ী, প্রতি পাঁচ বছর পর পর তাদের কার্বন নিঃসরণ কমানোর পরিকল্পনা জমা দিতে হয়। প্যারিস চুক্তির অধীনে, দেশগুলো প্রতি পাঁচ বছর অন্তর নতুন করে জলবায়ু লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে জমা দেয়।

উল্লেখ্য,
- প্যারিস জলবায়ু চুক্তির আওতায়, উন্নত দেশগুলো ২০২০ সাল থেকে প্রতি বছর ১০০ বিলিয়ন ডলার জলবায়ু তহবিলে জমা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। এই অর্থ উন্নয়নশীল ও ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর অভিযোজন ও প্রশমন কার্যক্রমে ব্যয় করার কথা ছিল। ​
- তবে, কপ-২৯ সম্মেলনে (নভেম্বর, ২০২৪) এই প্রতিশ্রুতি বাড়িয়ে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর ৩০০ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই অর্থ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর সহায়তায় ব্যয় করা হবে।

উৎস: i) UNFCCC ওয়েবসাইট।
ii) UNTC ওয়েবসাইট।

৫৪.
'অপারেশন জাস্ট কজ' কোন দেশে পরিচালিত হয়েছিল?
  1. পানামা
  2. কিউবা
  3. কলম্বিয়া
  4. ইরাক
সঠিক উত্তর:
পানামা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানামা
ব্যাখ্যা

অপারেশন জাস্ট কজ:
- 'অপারেশন জাস্ট কজ' পানামায় পরিচালিত হয়েছিল।

⇒ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৮৯ সালের ডিসেম্বরে জেনারেল ম্যানুয়েল নোরিয়েগাকে ক্ষমতাচ্যুত করতে এই সামরিক অভিযান চালায়।
- এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য ছিল নোরিয়েগাকে ক্ষমতা থেকে অপসারণ, ড্রাগ পাচার বন্ধ করা এবং পানামায় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করা। 

⇒ যুক্তরাষ্ট্রের ২০০টির বেশি উড়োজাহাজ পানামা অভিযানে অংশ নিয়েছিল।
- সেগুলোর মধ্যে ৮০টি সি-১৪১, ২২ থেকে ২৫টি সি-১৩০, ১১টি সি-৫১ স্ট্র্যাটেজিক এয়ার কমান্ড ছিল। এ ছাড়া ১৬টি এফ-১৫ ও ৪টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের কি ইস্ট থেকে ক্যারিবীয় উপকূলে ইউকাটান উপদ্বীপ ও কিউবার মধ্যে যুদ্ধকালীন টহল দিয়েছিল।
- যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য ছিল মার্কিনদের জীবন রক্ষা করা, পানামায় গণতন্ত্র রক্ষা করা, মাদক পাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করা এবং পানামা খাল চুক্তির অখণ্ডতা রক্ষা করা।
- দুই সপ্তাহে সফলভাবে পানামায় জাস্ট কজ অভিযান শেষ করে যুক্তরাষ্ট্র। গ্রেপ্তারের পর যুক্তরাষ্ট্রের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ সংস্থার কর্মকর্তারা নরিয়েগাকে মায়ামিতে উড়িয়ে নিয়ে যায়। সেখানে তাঁকে বিচারের মুখোমুখি করা হয়।
- ১৯৯২ সালে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে ৪০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

উৎস: Britannica.

৫৫.
UNFCCC-এর সদর দপ্তর বর্তমানে কোথায় অবস্থিত?
  1. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  2. কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক
  3. প্যারিস, ফ্রান্স
  4. বন, জার্মানি
সঠিক উত্তর:
বন, জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বন, জার্মানি
ব্যাখ্যা

UNFCCC-এর সদর দপ্তর জার্মানির বন শহরে অবস্থিত। ১৯৯২ সালে UNFCCC-এর দপ্তর প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৯৫ সাল থেকে সদরদপ্তর জার্মানির বনে অবস্থিত। তার আগে দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় (১৯৯২ - ৯৫) ছিলো।

UNFCCC:
- UNFCCC-এর পূর্ণরূপ: United Nations Framework Convention on Climate Change.
- এটি জাতিসংঘের পরিবেশ সংক্রান্ত একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
- সাক্ষরিত হয়: ১৯৯২ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৯৯৪ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: রিও ডি জেনেরিও, ব্রাজিল।
- সদর দপ্তর: বন, জার্মানি।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯৮টি।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯২ খ্রিস্টাব্দের ৩ জুন থেকে ১৪ জুন তারিখে তে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের পরিবেশ ও উন্নয়ন (UNCED) শীর্ষক সম্মেলনে সাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউজ গ্যাস নির্গমনের হার এমন অবস্থায় স্থিতিশীল রাখা, যাতে জলবায়ুগত মানবিক পরিবেশের জন্য তা বিপত্তিকর না হয়।

⤇ Conference of the Parties (COP) হচ্ছে UNFCCC-এর সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কর্তৃপক্ষ।
- প্রতিবছর COP সম্মেলনের মাধ্যমে UNFCCC-এর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, পর্যালোচনা ও জলবায়ু সম্পর্কিত নতুন পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়।
⤇ কার্যক্রম শুরুর পর থেকে জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত ইস্যুতে এই চুক্তির দপ্তর মূখ্য ভূমিকা পালন করে থাকে।
- এই চুক্তির সেক্রেটারিয়েটের প্রত্যক্ষ সহযোগীতায় ১৯৯৭ সালে কিয়েটো প্রটোকল ও ২০১৫ সালে প্যারিস চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

৫৬.
মন্ট্রিল প্রটোকল কীসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা
  2. পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ
  3. জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ
  4. ওজোন স্তর সুরক্ষা
সঠিক উত্তর:
ওজোন স্তর সুরক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওজোন স্তর সুরক্ষা
ব্যাখ্যা

মন্ট্রিল প্রটোকল ওজোন স্তর সুরক্ষার সাথে সম্পর্কিত।

মন্ট্রিল প্রটোকল:
- Montreal Protocol-এর পূর্ণরূপ: The Montreal Protocol on Substances that Deplete the Ozone Layer.
- মন্ট্রিল প্রোটোকল ওজোন স্তরকে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ (যেমন ক্লোরোফ্লুরোকার্বন বা CFCs) থেকে রক্ষা করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- চুক্তি গৃহীত হয়: ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ জানুয়ারী, ১৯৮৯ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মন্ট্রিল, কানাডা।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ: ২০০টি।
- চুক্তি অনুমোদনকারী দেশ: ১৯৮টি।

উল্লেখ্য,
- ধরিত্রীকে রক্ষার লক্ষ্যে ওজোনস্তর রক্ষায় জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির উদ্যোগে ১৯৮৫ সালে 'ভিয়েনা কনভেনশন' গৃহীত হয়।
- এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর কানাডার মন্ট্রিলে "মন্ট্রিল প্রটোকল" নামে এক যুগান্তকারী চুক্তি গৃহীত হয়।

উৎস: i) UNEP ওয়েবসাইট।
ii) Ozone Secretariat।

৫৭.
২০২৫ সালের গ্লোবাল জেন্ডার গ্যাপ রিপোর্ট অনুযায়ী, লিঙ্গ সমতার ক্ষেত্রে শীর্ষ দেশ -
  1. আইসল্যান্ড
  2. নিউজিল্যান্ড
  3. নরওয়ে
  4. ফিনল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
আইসল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসল্যান্ড
ব্যাখ্যা

গ্লোবাল জেন্ডার গ্যাপ রিপোর্ট-২০২৫:
- ২০২৫ সালের গ্লোবাল জেন্ডার গ্যাপ রিপোর্ট অনুযায়ী, লিঙ্গ সমতার ক্ষেত্রে শীর্ষ দেশ আইসল্যান্ড।
- সর্বনিম্ন অবস্থানে আছে পাকিস্তান (১৪৮তম)।

উল্লেখ্য,
- প্রকাশক: World Economic Forum.
- প্রকাশের সময়কাল: জুন, ২০২৫।
- ইনডেক্স অনুযায়ী, শীর্ষ অবস্থানে আছে আইসল্যান্ড।
- প্রতিবেদন অনুসারে, বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ২৪তম।
- মূলত চারটি মাপকাঠির ভিত্তিতে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়। এগুলো হলো: অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ ও সুযোগ, শিক্ষাগত অর্জন, স্বাস্থ্য ও আয়ু, রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন।

⇒ Global Gender Gap Report-2025 অনুযায়ী শীর্ষ দেশ:
১. আইসল্যান্ড,
২. ফিনল্যান্ড,
৩. নরওয়ে,
৪. যুক্তরাজ্য,
৫. নিউজিল্যান্ড।

উৎস: Global Gender Gap Report 2025.

৫৮.
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি কত সালে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা (Supreme Leader) নির্বাচিত হন? 
  1. ১৯৭৯ সালে
  2. ১৯৮১ সালে
  3. ১৯৮৯ সালে
  4. ১৯৯৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৯ সালে
ব্যাখ্যা

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি:
- আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা।
- আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর ১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা (Supreme Leader) নির্বাচিত হন  এবং তিনি তখন থেকে এই পদে রয়েছেন। 

উল্লেখ্য,
- সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এখন দেশটির সামরিক বাহিনীর কমান্ডার-ইন-চীফ।
- দেশের সব বড় বা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে তার সম্মতি দরকার হয়।

⇒ ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার শাসনের এই ব্যবস্থা চালু হয় ১৯৭৯ সালে ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে। ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে ইরানে রেজা শাহ পাহলভীর রাজতন্ত্রকে উৎখাত করা হয়। তাকে উৎখাতের পর ইরানে ধর্মীয় প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এরপর দেশটি দুজন সুপ্রিম লিডার বা সর্বোচ্চ নেতা পেয়েছে। তাদের পদবী হিসেবে আয়াতুল্লাহ ব্যবহার করা হয়, শিয়া ধর্মাবলম্বীদের কাছে যার অর্থ সিনিয়র ধর্মীয় নেতা।
- ১৯৬২ সালে আলী খামেনি শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভির বিরুদ্ধাচরণকারী আয়াতুল্লাহ খোমেনির ধর্মীয় আন্দোলনে যোগ দেন।
- ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের পর আলী খামেনি বিপ্লবী পরিষদে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী হন এবং ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কোরকে সংগঠিত করতে সহায়তাও করেন। এই বিপ্লবী গার্ড ইরানের অন্যতম শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়।
- ১৯৮১ সালে দেশটির বামপন্থী বিদ্রোহী গোষ্ঠীর ইরানের রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ-আলী রাজাইকে হত্যা করে।
- রাজাইয়ের মৃত্যুর পর তার উত্তরসূরি হিসেবে আলী খামেনি ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। আট বছর ধরে আনুষ্ঠানিক এই পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন তিনি।
- ১৯৮৯ সালের জুনে খোমেনির মৃত্যুর পর বিশেষজ্ঞ পরিষদ (ধর্মীয় আলেমদের একটি পরিষদ) আলী খামেনিকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে।

উৎস: i) BBC.
ii) Britannica.

৫৯.
পরিবেশবাদী সংগঠন Worldwatch Institute-এর সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. নিউইয়র্ক
  2. জেনেভা
  3. বার্লিন
  4. ওয়াশিংটন ডি.সি.
সঠিক উত্তর:
ওয়াশিংটন ডি.সি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াশিংটন ডি.সি.
ব্যাখ্যা

Worldwatch Institute:
- Worldwatch Institute যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক পরিবেশবাদী সংগঠন।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডি.সি, যুক্তরাষ্ট্র।

- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৪ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা: লেস্টার রাসেল ব্রাউন।

⇒ এটি বিশ্বের পরিবেশগত পরিস্থিতি, টেকসই উন্নয়ন, এবং মানবজাতির ভবিষ্যত সম্পর্কিত গবেষণা এবং বিশ্লেষণ চালিয়ে থাকে। 
- এর উদ্দেশ্য হলো পরিবেশ ও প্রকৃতির প্রতি মানুষের প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা, এবং পৃথিবীকে টেকসই ও পরিবেশবান্ধবভাবে পরিচালনা করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গৃহীত হওয়ার জন্য প্রভাবিত করা।
- Worldwatch Institute বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণা করে, যেমন: জলবায়ু পরিবর্তন, নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস, বায়োডাইভার্সিটি (জীববৈচিত্র্য), খাদ্য নিরাপত্তা, টেকসই অর্থনীতি।

উৎস: Worldwatch Institute ওয়েবসাইট।

৬০.
মোসাদের পূর্ণ নাম কী?
  1. Military Intelligence and Security Agency
  2. Central Bureau of Investigation
  3. Foreign Intelligence Service
  4. Institute for Intelligence and Special Operations
সঠিক উত্তর:
Institute for Intelligence and Special Operations
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Institute for Intelligence and Special Operations
ব্যাখ্যা

মোসাদ:
- ইসরায়েলের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ-এর পূর্ণনাম: Institute for Intelligence and Special Operations.

উল্লেখ্য,
- মোসাদ বিশ্বের বৃহত্তম গুপ্তচরবৃত্তি সংস্থাগুলির মধ্যে অন্যতম।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৩ ডিসেম্বর, ১৯৪৯ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা: ডেভিড বেনগুরিয়ন।
- বর্তমান পরিচালক (Director): ডেভিড বার্নিয়া (David Barnea)।
- সদরদপ্তর: তেলআবিব, ইসরাইল।
- প্রথম পরিচালক: রুভেন শিলোয়াহ (Reuven Shiloah)।

⇒ মোসাদ সাধারণভাবে বৈদেশিক গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স পরিচালনা, গুপ্তহত্যা, বৈদেশিক নীতি-নির্ধারণে সহায়তা, কাউন্টার টেররিজম, নিজস্ব লোক সংগ্রহ ও নেটওয়ার্ক তৈরি, বিদেশি কূটনীতিকদের ওপর নজরদারি, শত্রু এজেন্টদের সন্ধান, সাইবার ওয়ারফেয়ার পরিচালনা, নতুন প্রযুক্তি সংগ্রহ, ক্ল্যান্ডেস্টাইন অপারেশন পরিচালনা, ড্রোন আক্রমণ, গুপ্ত কারাগার পরিচালনা, বিশ্বের বড় বড় করপোরেশনের নীতিনির্ধারণের চেষ্টা, ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্পিওনাজ ইত্যাদি কাজ করে থাকে।

⇒ ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের বিখ্যাত অপারেশনগুলো হচ্ছে -
- ১৯৭২ সালের মিউনিখ অলিম্পিকে হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ (Operation Wrath of God),
- ১৯৯০ সালের অপারেশন জেরাল্ড বুল কিলিং,
- ১৯৯২ সালের আতেফ বেইসো হত্যাকাণ্ড,
- ১৯৬০ সালে আর্জেন্টিনায় আইখম্যান হান্ট, ১৯৬৫ সালে হেবাররত চুকারস হত্যা,
- ১৯৬৩-৬৬ সালের অপারেশন ডায়মন্ড,
- ২০১০ সালের মোহাম্মদ আল মাবহু হত্যাকাণ্ড।

উৎস: i) Center for Israel Education ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.

৬১.
১৯৭৯ সালে ইরানি বিপ্লবের ফলে কোন শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. রাজতন্ত্র
  2. ধর্মনিরপেক্ষ প্রজাতন্ত্র
  3. ইসলামি প্রজাতন্ত্র
  4. গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র
সঠিক উত্তর:
ইসলামি প্রজাতন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসলামি প্রজাতন্ত্র
ব্যাখ্যা

ইরানে ইসলামি বিপ্লব:
- ১৯৭৯ সালের ইরানি বিপ্লবের ফলে ইরানে একটি ইসলামী প্রজাতন্ত্র (Islamic Republic) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

⇒ ১৯৭৯ সালে ইরানে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনীর নেতৃত্বে ইসলামী বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এই বিপ্লবের মাধ্যমে ইরানের তৎকালীন শাসক মোহাম্মদ রেজা শাহ পাহলভীর পতন ঘটে।
- ১ এপ্রিল ১৯৭৯ খোমেনী ইরানকে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করেন।
- আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির নেতৃত্বে একটি ধর্মভিত্তিক, ধর্মতন্ত্রের শাসনব্যবস্থা চালু হয়।
- এই বিপ্লব ইরানকে পাশ্চাত্যপন্থি রাজতন্ত্র থেকে একটি ইসলামি রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করে, যেখানে শিয়া ধর্মীয় নেতাদের চূড়ান্ত কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: Britannica.

৬২.
বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কয়টি দেশ ইউরো মুদ্রা ব্যবহার করে? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. ২০টি
  2. ২১টি
  3. ২৭টি
  4. ২৯টি
সঠিক উত্তর:
২১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১টি
ব্যাখ্যা

ইউরো মুদ্রা (€ ):
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহের একক মুদ্রার নাম ইউরো।
- ইউরো মুদ্রার জনক হলেন রবার্ট মুন্ডেল।
- ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১ জানুয়ারি, ১৯৯৯ তারিখে 'ইউরো' মুদ্রা চালু করে।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে 'ইউরো' মুদ্রা অভিন্ন মুদ্রা হিসেবে ২০০২ সালে কার্যকর হয়।
- ইউরো মুদ্রা ব্যবহারকারই দেশ: ২১টি।
- দেশগুলো হল: অস্ট্রিয়া, গ্রিস, জার্মানি, ফ্রান্স, স্পেন, পর্তুগাল, নেদারল্যান্ড, বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, আয়ারল্যান্ড, মাল্টা, সাইপ্রাস, লিথুনিয়া, লাটভিয়া, এস্তোনিয়া, স্লোভেনিয়া, স্লোভাকিয়া, ইতালি, ফিনল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া ও বুলগেরিয়া।

উল্লেখ্য,
- ১ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে বুলগেরিয়া ইউরোজোন-এর ২১তম সদস্য হিসেবে যোগদান করেছে। এর মধ্য দিয়ে দেশটির নিজস্ব মুদ্রা ‘লেভ’ বাতিল করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে, ২০০৭ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগদান করেছিল বুলগেরিয়া।
- এর আগে ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে ক্রোয়েশিয়া ইউরোজোনে যোগ দিয়েছিল।
- বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে ২১টির সরকারি মুদ্রা ইউরো।

উৎস: European Union ওয়েবসাইট।

৬৩.
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের কতটি স্থায়ী সদস্য দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা

ফিলিস্তিন:
- ফিলিস্তিন মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ।
- ভৌগোলিকভাবে এশিয়া মহাদেশের অন্তর্গত।
- এটি দুটি প্রধান অঞ্চলে বিভক্ত: পশ্চিম তীরে (West Bank) এবং গাজা উপত্যকা (Gaza Strip)।
- রাজধানী: ইস্ট জেরুজালেম, রামাল্লাহ।
- স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র ঘোষণা করা হয় ১৫ নভেম্বর ১৯৮৮ সালে।
- স্বাধীন ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ আলজেরিয়া।

⇒ জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশ ৫টি। স্থায়ী সদস্য: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে ৪টি দেশ যথা: চীন, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে।
- জি-৭ ভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে ৩টি দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে। এগুলো হলো: যুক্তরাজ্য, কানাডা ও ফ্রান্স।

উল্লেখ্য,
- যুক্তরাজ্য ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তারিখে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
- চীন ও রাশিয়া ১৯৮৮ সালে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
- ফ্রান্স ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তারিখে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া জাতিসংঘে নিরাপত্তা পরিষদের বাকি ৪ স্থায়ী সদস্যদেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিল।
- এ নিয়ে জাতিসংঘের ১৯৩ সদস্যদেশের মধ্যে ১৫৭টি ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিল। সেই হিসাবে বিশ্বের ৮০ শতাংশের বেশি দেশের কাছ থেকে স্বীকৃতি পেয়েছে ফিলিস্তিন।

উৎস: i) UN ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

৬৪.
এখন অব্দি কতজন নারী নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. ৬৬ জন
  2. ৬৭ জন
  3. ৬৮ জন
  4. ৬৯ জন
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

এখন অব্দি ২০ জন নারী নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে। 

নারী নোবেল পুরস্কার বিজয়ী:

- এখন অব্দি মোট ৬৭ জন নারী নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন।

⇒ মোট ১৯০১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত নোবেল পুরস্কার নারীদের ৬৮ বার দেওয়া হয়েছে, কিন্তু ম্যারি কুরি দু'বার পুরস্কার পাওয়ায় (১৯০৩ সালে পদার্থবিজ্ঞান এবং ১৯১১ সালে রসায়নে) নারী বিজয়ীর সংখ্যা ৬৭ জন।

উল্লেখ্য,
- শান্তি: ২০ জন,
- সাহিত্য: ১৮ জন,
- চিকিৎসা: ১৪ জন,
- রসায়ন: ৮ জন,
- পদার্থবিজ্ঞান: ৫ জন,
- অর্থনীতি: ৩ জন।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫ সালে মোট দুইজন নারী নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: Nobel Prize ওয়েবসাইট। [link]

৬৫.
বাসেল কনভেনশন পরিবেশ বিষয়ক কোন সংস্থার অধীনে গৃহীত হয়?
  1. UNEP
  2. WMO
  3. IPCC
  4. UNFCCC
সঠিক উত্তর:
UNEP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UNEP
ব্যাখ্যা

বাসেল কনভেনশন:
- এর পূর্ণরূপ: Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and Their Disposal.
- বাসেল কনভেনশন হলো বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তঃরাষ্ট্রীয় চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ক আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তঃসীমান্ত চলাচল নিয়ন্ত্রণের আন্তর্জাতিক চুক্তিকে বাসেল কনভেনশন বলে।
- এটি গৃহীত হয়: ২২শে মার্চ, ১৯৮৯, বাসেল, সুইজারল্যান্ড।
- কার্যকরী হয়: ৫ মে, ১৯৯২।
- সদস্য: ১৯১টি।
- স্বাক্ষরকারী: ৫৩টি।

উল্লেখ্য,
- বাসেল কনভেনশন জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি (United Nations Environment Programme - UNEP)-এর অধীনে গৃহীত ও পরিচালিত হয়।
- উদ্দেশ্য: বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তঃসীমান্ত চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা এবং নিশ্চিত করা যে সেগুলি পরিবেশের জন্য নিরাপদ উপায়ে নিষ্পত্তি করা হয়।

উৎস: UN Basel Convention  ওয়েবসাইট।

৬৬.
'গাজা বোর্ড অব পিস' গঠনের মূল প্রস্তাবক কে?
  1. ডোনাল্ড ট্রাম্প
  2. ভ্লাদিমির পুতিন
  3. অ্যান্তোনিও গুতেরেস
  4. টনি ব্লেয়ার
সঠিক উত্তর:
ডোনাল্ড ট্রাম্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডোনাল্ড ট্রাম্প
ব্যাখ্যা

গাজা বোর্ড অব পিস (Board of Peace):
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন যুদ্ধ-পরবর্তী গাজায় শাসনব্যবস্থা ও পুনর্গঠন তদারকির লক্ষ্যে গঠিত হয়েছে গাজা বোর্ড অব পিস।
- 'গাজা বোর্ড অব পিস' গঠনের মূল প্রস্তাবক হলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প।
- তিনি ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে এই পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেন এবং ২০২৬ সালের ১৫ জানুয়ারি এর প্রতিষ্ঠা ও কাঠামো প্রকাশ করেন।
- এই বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে থাকবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
- তিনি ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যকার যুদ্ধ অবসানে ২০-দফা পরিকল্পনার ঘোষণা দিয়েছেন।

উল্লেখ্য,
- এটি ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০ দফা দাবির দ্বিতীয় ধাপের (Phase II) অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
- এই বোর্ড অব পিস ‘শাসন সক্ষমতা উন্নয়ন, আঞ্চলিক সম্পর্ক, পুনর্গঠন, বিনিয়োগ আকর্ষণ, বৃহৎ পরিসরের অর্থায়ন এবং পুঁজি সংস্থাপন’–সংক্রান্ত বিষয়গুলোতে নজর দেবে।
- এতে থাকবেন—মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (সভাপতি), মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, ট্রাম্পের বিশেষ আলোচক স্টিভ উইটকফ, ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার, যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার, মার্কিন ধনকুবের অর্থায়নকারী মার্ক রোওয়ান, বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা এবং জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগী রবার্ট গ্যাব্রিয়েল।

⇒ গাজা প্রশাসনের জন্য জাতীয় কমিটি:
- গাজা প্রশাসনের জন্য একটি জাতীত কমিটি থাকবে।
- টেকনোক্র্যাটদের নিয়ে গঠিত এ কমিটি ‘গাজায় মৌলিক জনসেবা পুনরুদ্ধার, বেসামরিক প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন এবং দৈনন্দিন জীবন স্থিতিশীল করা’ তদারকি করবে। এতে কমিটির প্রধান হিসেবে থাকবেন ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সাবেক উপমন্ত্রী আলি শাথ।

⇒ গাজা এক্সিকিউটিভ বোর্ড:
- গাজা এক্সিকিউটিভ বোর্ডের উদ্দেশ্য হলো ‘কার্যকর শাসনকে সহায়তা করা’ এবং গাজার জনগণের জন্য সেবা নিশ্চিত করা।
- এতে থাকবেন স্টিভ উইটকফ, জ্যারেড কুশনার, টনি ব্লেয়ার, মার্ক রোওয়ান, বুলগেরীয় কূটনীতিক নিকোলাই ম্লাদেনভ, গাজার জন্য জাতিসংঘের মানবিক সমন্বয়ক সিগরিড কাগ, তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান, কাতারি কূটনীতিক আলি আল-থাওয়াদি, মিসরের গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান জেনারেল হাসান রাশাদ, সংযুক্ত আরব আমিরাতের মন্ত্রী রিম আল-হাশিমি, ইসরায়েলি ধনকুবের ইয়াকির গাবাই।

উৎস: i) Reuters.
ii) BBC.

৬৭.
জাপানের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কে? 
  1. শিগেরু ইশিবা
  2. সানায়ে তাকাইচি 
  3. শিনজো আবে
  4. কাতায়ামা সাতসুকি
সঠিক উত্তর:
সানায়ে তাকাইচি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সানায়ে তাকাইচি 
ব্যাখ্যা

জাপান:
- জাপান পূর্ব এশিয়ার একটি দ্বীপরাষ্ট্র।
- রাজধানী: টোকিও।
- মুদ্রা: ইয়েন।
- আইনসভার নাম ডায়েট।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: সানায়ে তাকাইচি।
- প্রধান দ্বীপ: হোক্কাইডো, হনসু, শিকোকু, কিউসু ও ওকিনাওয়া।

উল্লেখ্য,
- জাপানের বর্তমান ও প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি।
- জাপানের শাসক দল লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (এলডিপি) তাকে ২০২৫ সালের ৪ অক্টোবর নতুন নেতা হিসেবে মনোনীত করে, যার ফলে তিনি ১৫ অক্টোবর, ২০২৫ থেকে জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিশ্চিত হয়েছেন। এর মধ্য দিয়েই প্রথম নারী হিসেবে প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন তিনি।
- যুক্তরাজ্যের ‘আয়রন লেডি’ খ্যাত প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার সানায়ে তাকাইচির রাজনৈতিক জীবনের আদর্শ।

উৎস: i) Worldatlas.
ii) DW.

৬৮.
সার্ক (SAARC) প্রতিষ্ঠার মূল উদ্যোগ কে নিয়েছিলেন?
  1. ইন্দিরা গান্ধী
  2. জুনিয়াস জয়বর্ধনে
  3. জিয়াউর রহমান
  4. রাজীব গান্ধী
সঠিক উত্তর:
জিয়াউর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিয়াউর রহমান
ব্যাখ্যা

SAARC:
- দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা ফোরাম SAARC-এর পূর্ণরূপ: South Asian Association for Regional Cooperation.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ।
- সদরদপ্তর: কাঠমান্ডু, নেপাল।
- বর্তমান মহাসচিব গোলাম সারওয়ার।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ৭টি।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৮টি (বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলংকা, ভুটান, মালদ্বীপ, আফগানিস্তান)।

উল্লেখ্য,
- সার্ক (SAARC) প্রতিষ্ঠার মূল উদ্যোগটি নিয়েছিলেন বাংলাদেশের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।
- ১৯৮০ সালের ২ মে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই সংস্থা গঠনের প্রস্তাব করেছিলেন। 

এছাড়াও,
- প্রথম সার্ক সম্মেলন ১৯৮৫ সালের ৭-৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: i) Britannica.
ii) SAARC ওয়েবসাইট।

৬৯.
শাটল ডিপ্লোমেসির ফলে কোন চুক্তির পথ প্রশস্ত হয়?
  1. অসলো চুক্তি
  2. ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
  3. ডেটন চুক্তি
  4. গুড ফ্রাইডে চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
ব্যাখ্যা

Shuttle Diplomacy:
- 'শাটল ডিপ্লোমেসি' (Shuttle Diplomacy) হলো একটি কূটনৈতিক কৌশল, যেখানে তৃতীয় পক্ষের একজন মধ্যস্থতাকারী দুই পক্ষের মধ্যে বার্তা পাঠায় এবং তাদের মধ্যে আলোচনা বা সমঝোতার জন্য পরিবেশ তৈরি করে।
- এই ধরনের কূটনীতি সাধারণত সংঘর্ষ বা জটিল পরিস্থিতি সমাধানে ব্যবহৃত হয়।
- 'Shuttle Diplomacy' ধারণাটি মধ্যপ্রাচ্য শান্তি চুক্তির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।

উল্লেখ্য,
- শাটল ডিপ্লোমেসি (Shuttle Diplomacy) শব্দটি প্রথম জনপ্রিয় হয় হেনরি কিসিঞ্জারের মাধ্যমে ১৯৭৩-৭৫ সালে ইয়োম কিপ্পুর যুদ্ধের পর মধ্যপ্রাচ্যে (ইসরায়েল-মিশর-সিরিয়া)।
- তিনি বিমানে বারবার যাতায়াত করে (শাটলের মতো) দুই পক্ষের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা চালিয়ে সেনা প্রত্যাহারের চুক্তি করেন।
- এই কৌশলের ফলে যে বড় চুক্তির পথ প্রশস্ত হয় তা হলো ১৯৭৮ সালের ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি (Camp David Accords)।
- কিসিঞ্জারের শাটল ডিপ্লোমেসি মিশর-ইসরায়েলের মধ্যে ধাপে ধাপে আস্থা তৈরি করে যা পরে প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের মধ্যস্থতায় ক্যাম্প ডেভিডে পূর্ণ শান্তি চুক্তির ভিত্তি হয়।

অন্যদিকে,
- অসলো চুক্তি (Oslo Accords): গোপন আলোচনা চুক্তি সম্পাদিত হয়, শাটল ডিপ্লোমেসি নয়।
- ডেটন চুক্তি (Dayton Agreement): বসনিয়া যুদ্ধের শেষে আমেরিকার ডেটনে সরাসরি আলোচনা।
- গুড ফ্রাইডে চুক্তি (Good Friday Agreement): উত্তর আয়ারল্যান্ডে দীর্ঘ আলোচনা, শাটল ডিপ্লোমেসি নয়।

উৎস: Office of the Historian (.gov) ওয়েবসাইট।

৭০.
UNCCD-এর মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা
  2. জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ
  3. ওজোন স্তর সুরক্ষা
  4. মরুকরণ প্রতিরোধ
সঠিক উত্তর:
মরুকরণ প্রতিরোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মরুকরণ প্রতিরোধ
ব্যাখ্যা

UNCCD-এর মূল উদ্দেশ্য হলো মরুকরণ, ভূমি অবক্ষয় এবং খরা মোকাবিলা করা। 

UNCCD:
- UNCCD-এর পূর্ণরূপ: United Nations Convention to Combat Desertification.
- UNCCD হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা মরুকরণ, ভূমি অবক্ষয় এবং খরার প্রভাব মোকাবিলার লক্ষ্যে গৃহীত হয়েছে।
- এটি গৃহীত হয়: ১৭ জুন, ১৯৯৪ সালে, প্যারিস।
- কার্যকর হয়: ২৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৬ সালে।
- UNCCD একমাত্র আইনি বাধ্যতামূলক আন্তর্জাতিক চুক্তি যা পরিবেশ ও উন্নয়নকে টেকসই ভূমি ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংযুক্ত করে।

উৎস: UNCCD ওয়েবসাইট।

৭১.
রোম সংবিধির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত আদালত কোন অপরাধের বিচার করে?
  1. যুদ্ধাপরাধ
  2. মানবতাবিরোধী অপরাধ
  3. জেনোসাইড
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

রোম সংবিধি (Rome Statute):
- রোম সংবিধি হলো আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (International Criminal Court - ICC) প্রতিষ্ঠার জন্য গৃহীত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। 
- ১৯৯৮ সালে রোম সংবিধির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয় আইসিসি (ICC)।
- ১৯৯৮ সালের ১৫ জুন ১৭ জুলাই ইতালির রোমে বিশ্বের ১২০টি দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি কূটনীতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ১২০-৭ ভোটের ব্যবধানে আন্তর্জাতিক ফৌজদারী আদালত সংবিধি বা রোম সংবিধি গৃহীত হওয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত প্রতিষ্ঠিত হয়।
- রোম সংবিধিতে মোট ১৩টি অধ্যায় এবং ১২৮টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।

উল্লেখ্য অনুচ্ছেদ ৫ অনুযায়ী, আইসিসিতে চার ধরনের অপরাধের বিচার করে:
- জেনোসাইড,
- মানবতাবিরোধী অপরাধ,
- যুদ্ধাপরাধ,
- আগ্রাসনের অপরাধ।

এছাড়াও,
- International Criminal Court-এর সদরদপ্তর: হেগ নেদারল্যান্ডস।
- এর সদস্য: ১২৫টি।
- ১২৫তম সদস্য: ইউক্রেন।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: তোমোকো আকানেকে (২০২৪-২০২৭ সাল)।
- প্রেসিডেন্সির সদস্যরা অবিলম্বে তিন বছরের মেয়াদে নির্বাচিত হন।

উৎস: International Criminal Court ওয়েবসাইট।

৭২.
প্রথম ফিফা শান্তি পুরস্কারে (FIFA Peace Award) ভূষিত হয়েছেন কে?
  1. লিওনেল মেসি
  2. ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো
  3. পেলে
  4. ডোনাল্ড ট্রাম্প
সঠিক উত্তর:
ডোনাল্ড ট্রাম্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডোনাল্ড ট্রাম্প
ব্যাখ্যা

প্রথম ফিফা শান্তি পুরস্কারে (FIFA Peace Award):
- প্রথম ফিফা শান্তি পুরস্কারে (FIFA Peace Award) ভূষিত হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

উল্লেখ্য,
- ফিফার প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ২০২৫ সাল থেকে এই পুরস্কার চালু করেছেন।
- এই পুরস্কার এমন ব্যক্তিকে দেওয়া হচ্ছে যিনি শান্তির জন্য অসাধারণ ও অনন্য পদক্ষেপ নিয়েছেন এবং সারা বিশ্বের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করেছেন। 
- বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে যুদ্ধ ও সংঘাত থামাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় প্রথম ফিফা শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
- ৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে ওয়াশিংটন ডিসির বিখ্যাত জন এফ কেনেডি সেন্টার ফর পারফর্মিং আর্টস ভেন্যুতে ফিফা বিশ্বকাপ-২০২৬ এর ড্র অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেয়া হয়।
- ট্রাম্পের হাতে পুরস্কার তুলে দেন ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো।
- বিশ্বকাপের দলগুলোকে বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ করার আগে ট্রাম্পকে একটি নতুন সোনালী ট্রফি, একটি সোনালী পদক ও একটি সনদ প্রদান করে ইনফান্তিনো।

উৎস: FIFA ওয়েবসাইট।

৭৩.
বেলেম জেন্ডার অ্যাকশন প্ল্যান কোন সংস্থার অধীনে গৃহীত হয়েছে?
  1. UN Women 
  2. UNFCCC
  3. UNEP
  4. UNDP
সঠিক উত্তর:
UNFCCC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UNFCCC
ব্যাখ্যা

'বেলেম জেন্ডার অ্যাকশন প্ল্যান' (Belem Gender Action Plan):
- ২০২৫ সালে অনুষ্ঠিত কপ-৩০ সম্মেলনে 'বেলেম জেন্ডার অ্যাকশন প্ল্যান' জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন (UNFCCC)-এর অধীনে গৃহীত হয়েছে।

⇒  কপ-৩০ সম্মেলনের শেষের দিকে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো নতুন বেলেম জেন্ডার অ্যাকশন প্ল্যান (জিএপি-গ্যাপ) অনুমোদন করেছে।
- এই পরিকল্পনা ২০২৬ থেকে ২০৩৪ সাল পর্যন্ত ন্যূনতম লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে এবং পুরোনো এনহান্সড লিমা ওয়ার্ক প্রোগ্রাম অন জেন্ডার আপডেট ও শক্তিশালী করেছে।
- নতুন পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য হলো জলবায়ু নীতি, পরিকল্পনা, প্রকল্প ও অর্থায়নের প্রতিটি স্তরে লিঙ্গভিত্তিক সমতা এবং অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।
- এখানে ‘নারী’ বলতে কেবল সাধারণ নারী নয়; আদিবাসী, গ্রামীণ, কৃষিজীবী, প্রতিবন্ধী এবং অন্যান্য প্রান্তিক ও উপেক্ষিত গোষ্ঠীর নারীর অংশগ্রহণ ও প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। এ ছাড়া নারীমুখী ও কমিউনিটিভিত্তিক প্রকল্প এবং জেন্ডার সংবেদনশীল জলবায়ু অর্থায়ন (জেন্ডার রেসপন্সিভ ক্লাইমেট ফিন্যান্স) ব্যবস্থার প্রতিশ্রুতিও এসেছে।

উল্লেখ্য,
- জলবায়ু আলোচনায় লিঙ্গসমতা অন্তর্ভুক্তির যাত্রা শুরু হয় ২০১৪ সালে কপ২০-এ ‘লিমা ওয়ার্ক প্রোগ্রাম অন জেন্ডার’ গ্রহণের মাধ্যমে। ২০১৭ সালে কপ২৩-এ প্রথম জেন্ডার অ্যাকশন প্ল্যান-গ্যাপ গৃহীত হয়, যা জলবায়ু নীতি ও কর্মসূচিতে নারীর অংশগ্রহণকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়। ২০১৯ সালের কপ২৫-এ এটি  ‘এনহান্সড লিমা ওয়ার্ক প্রোগ্রাম অন জেন্ডার’ হিসেবে আরও শক্তিশালী হয়। সবশেষে, বেলেমে অনুমোদিত নতুন গ্যাপ অভিজ্ঞতাকে ভিত্তি করে ভবিষ্যতের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি কাঠামো তৈরি করেছে, যা জলবায়ু নীতি ও অর্থায়নে নারীর সমতা ও অংশগ্রহণকে আরও সুসংহত করবে বলে আশা করা যায়।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

৭৪.
ইন্টারপোলের বর্তমান মহাসচিব কে?
  1. আহমেদ নাসের আল-রাইসি
  2. ভালডেসি উরকুইজা
  3. জুর্গেন স্টক
  4. রোনাল্ড কে. নোবেল
সঠিক উত্তর:
ভালডেসি উরকুইজা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভালডেসি উরকুইজা
ব্যাখ্যা

ইন্টারপোল (Interpol):
- Interpol-এর পূর্ণরূপ: International Criminal Police Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯২৩।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- প্রতিষ্ঠাতা: জোহানেস স্কোবার (Dr Johannes Schober) [অস্ট্রিয়ার পুলিশ প্রধান]।
- সদর দপ্তর: লিঁও, ফ্রান্স।
- ইন্টারপোলের ভাষা: ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ ও আরবি।
- সদস্য সংখ্যা: ১৯৬টি (সর্বশেষ সদস্য: পালাউ)।
- বর্তমান মহাসচিব: ভালডেসি উরকুইজা (Valdecy Urquiza) [ব্রাজিল]।
- ইন্টারপোলের মূল লক্ষ্য হলো বিভিন্ন দেশের পুলিশ বাহিনীকে একত্রে কাজ করার সুযোগ করে দিয়ে বৈশ্বিক নিরাপত্তা হুমকি মোকাবেলা করা।

⇒ পূর্ব নাম: International Criminal Police Commission. বর্তমান নাম International Criminal Police Organization গ্রহণ করে ১৯৫৬ সালে।
- রেড নোটিস: আন্তর্জাতিক গ্রেফতারি অনুরোধ।

উৎস: Interpol ওয়েবসাইট।

৭৫.
নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (NDB) কোন দেশগুলো দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে?
  1. G-20
  2. BRICS
  3. ASEAN 
  4. EU
সঠিক উত্তর:
BRICS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BRICS
ব্যাখ্যা

New Development Bank:
- New Development Bank (NDB) ব্রিকস দেশসমূহ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি বহুমুখী উন্নয়ন ব্যাংক।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৭ জুলাই, ২০১৫।
- সদর দপ্তর: সাংহাই, চীন।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ৫টি (ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকা)।
- বর্তমান সদস্য: ১১টি।
- সদস্য দেশগুলো হলো: ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন, দক্ষিণ আফ্রিকা, বাংলাদেশ, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিশর, আলজেরিয়া, উজবেকিস্তান (জুলাই ২০২৫) এবং কলম্বিয়া (জুলাই ২০২৫)। [উরুগুয়ে এখনও সম্ভাব্য সদস্য হিসেবে রয়েছে।]
- দাপ্তরিক ভাষা: ইংরেজি।
- বর্তমান সভাপতি: দিলমা রুসেফ।

উল্লেখ্য,
- ২০১২ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত ৪র্থ ব্রিকস সম্মেলনে তৎকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমােহন সিং ব্রিকস জোটের একটি ব্যাংক প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করে।
- ২০১৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবানে অনুষ্ঠিত পঞ্চম সম্মেলনে ব্রিকসের নেতারা একটি ব্যাংক প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে একমত হয়।
- ২০১৪ সালের ১৫ জুলাই ব্রাজিলের ফোর্টালেজায় অনুষ্ঠিত ব্রিকসের ষষ্ঠ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যাংক প্রতিষ্ঠার চুক্তি স্বাক্ষর হয়।
- আনুষ্ঠানিক এই চুক্তিটির নাম - Fortaleza Declaration এবং এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে New Development Bank (NDB) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ২০১৫ সালের ৭ জুলাই Fortaleza Declaration কার্যকর হয় এবং আনুষ্ঠানিকভাবে New Development Bank (NDB) প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: New Development Bank ওয়েবসাইট।

৭৬.
হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রতিদিন গড়ে কত মিলিয়ন ব্যারেল তেল পরিবহন হয়?
  1. ১০-১২ মিলিয়ন
  2. ১৫-১৮ মিলিয়ন
  3. ২০-২১ মিলিয়ন
  4. ২৫-৩০ মিলিয়ন
সঠিক উত্তর:
২০-২১ মিলিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০-২১ মিলিয়ন
ব্যাখ্যা

হরমুজ প্রণালী:
- পারস্য উপসাগর থেকে ওমান উপসাগর ও ভারত মহাসাগরে জাহাজ প্রবেশের একমাত্র সমুদ্রপথ হলো হরমুজ প্রণালী।
- এর এক পাশে অবস্থিত আরব দেশগুলো, যাদের মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র রাষ্ট্রসমূহ, এবং অন্য পাশে রয়েছে ইরান।
- মধ্যপ্রাচ্য থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় তেল রপ্তানি করা হয় হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে।
- এর মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল যায় এশিয়া, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা এবং অন্যান্য জায়গায়।
- মার্কিন জ্বালানি তথ্য প্রশাসনের মতে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২০-২১ মিলিয়ন (২ কোটি) ব্যারেল অপরিশোধিত তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্য পরিবহন হয়, যা বিশ্বব্যাপী সামুদ্রিক তেল বাণিজ্যের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ (২০%) এবং বৈশ্বিক তেল সরবরাহের একটি বিশাল অংশ।
- সংস্থাটি একে বিশ্বের 'সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেলবাহী চোকপয়েন্ট' হিসেবেও উল্লেখ করেছে।

উল্লেখ্য,
- পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে সংযুক্ত করেছে হরমুজ প্রণালি।
- এটি আরব উপদ্বীপ থেকে ইরানকে পৃথক করেছে।
- এই চ্যানেলটি ৩৪ কিলোমিটার দীর্ঘ।
- হরমুজ প্রণালির সবচেয়ে সরু অংশের প্রস্থ ৩৩ কিলোমিটার। সবচেয়ে প্রশস্ত অংশ ৯৫ কিলোমিটার।
- এই প্রণালীতে জাহাজ চলাচলের জন্য দুটো লেন রয়েছে এবং প্রতিটি লেন দুই মাইল প্রশস্ত।

উৎস: i) Britannica.
ii) Al Jazeera.

৭৭.
ন্যাটো চুক্তির ধারা ৫ (Article 5) আনুষ্ঠানিকভাবে কতবার প্রয়োগ করা হয়েছে?
  1. ১ বার
  2. ২ বার
  3. ৩ বার
  4. কখনোই না
সঠিক উত্তর:
১ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বার
ব্যাখ্যা

NATO প্রতিষ্ঠার চুক্তি:
- ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিকে ‘ওয়াশিংটন চুক্তি’ নামেও ডাকা হয়।
- ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল ওয়াশিংটনে এক চুক্তির মাধ্যমে ন্যাটো গঠিত হয়েছিল।
- ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি ১৪টি ধারার। 

⇒ অনুচ্ছেদ/আর্টিকেল - ৫: Collective Security বা যৌথ নিরাপত্তা।
- অনুচ্ছেদ - ৫ এ বলা হয়েছে - জোটভুক্ত কোনো দেশ যদি বিদেশি শক্তির দ্বারা আক্রমণের শিকার হয়, তাহলে জোটের সব সদস্যদেশ একযোগে তা প্রতিহত করবে।
- অর্থাৎ সদস্যদেশগুলো সম্মিলিতভাবে একে অপরকে সুরক্ষা দেবে।
- ন্যাটোর মূল ভিত্তি ধরা হয় এ ধারাকে।
- ন্যাটোর ইতিহাসে একবার মাত্র ন্যাটোর আর্টিকেল-৫ কার্যকর করা হয়েছে।
- নাইন ইলেভেনে টুইন টাওয়ার হামলার পর ২০০১ সালে এই আর্টিকেল অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
- এটির ভিত্তিতেই সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে সঙ্গে নিয়ে আফগানিস্তানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।

উল্লেখ্য,
- ১১ সেপ্টেম্বরের হামলা যা নাইন/ইলেভেন নামেও পরিচিত।
- ২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকালে যুক্তরাষ্ট্রের উপর আল কায়েদার একইসাথে চারটি সমন্বিত সন্ত্রাসী হামলা।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

৭৮.
রামসার কনভেনশনের পূর্ণ নাম কী?
  1. Convention on Biological Diversity
  2. Convention on International Trade in Endangered Species
  3. Convention on Climate Change
  4. Convention on Wetlands of International Importance especially as Waterfowl Habitat
সঠিক উত্তর:
Convention on Wetlands of International Importance especially as Waterfowl Habitat
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Convention on Wetlands of International Importance especially as Waterfowl Habitat
ব্যাখ্যা

রামসার কনভেনশন:
- রামসার কনভেনশনের পূর্ণ নাম: Convention on Wetlands of International Importance especially as Waterfowl Habitat.
- রামসার কনভেনশন হলো জলাভূমি (যেমন, বিল, হ্রদ, নদী, ইত্যাদি) সংরক্ষণের জন্য একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- এর উদ্দেশ্য হলো জলাভূমি (wetlands) সংরক্ষণ এবং সারা বিশ্বে এসব এলাকার টেকসই ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করা।
- স্বাক্ষর: ২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭১।
- স্বাক্ষরের স্থান: রামসার, ইরান।
- এটি কার্যকর হয় ২১ ডিসেম্বর, ১৯৭৫ সালে।
- বর্তমানে চুক্তিবদ্ধ দেশ: ১৭২টি।

উৎস: Ramsar Convention ওয়েবসাইট।

৭৯.
'Benelux Economic Union' কোন দেশগুলো নিয়ে গঠিত?
  1. নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্ক, লুক্সেমবার্গ
  2. বেলজিয়াম, ফ্রান্স, লুক্সেমবার্গ
  3. বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস, জার্মানি
  4. বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস, লুক্সেমবার্গ
সঠিক উত্তর:
বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস, লুক্সেমবার্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস, লুক্সেমবার্গ
ব্যাখ্যা

Benelux Economic Union: 
- পশ্চিম ইউরোপের ৩টি দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বিষয়ক সংগঠন Benelux Economic Union।
- সদস্য সংখ্যা: ৩টি দেশ (বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ড ও লুক্সেমবার্গ)।
- ১৯৪৪ সালে ‘BENELUX’ একটি ‘কাস্টমস ইউনিয়ন’ হিসেবে আত্নপ্রকাশ করে যা ১৯৪৮ সালের ১ জানুয়ারি বাস্তবায়ন করা হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষর: ৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৮ সাল।
- চুক্তি কার্যকর: ১৯৬০ সাল।
- সদরদপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
 - BENELUX-এর দেশগুলোর ব্যবহৃত মুদ্রা ইউরো।

উল্লেখ্য,
- ১৭ জুন, ২০০৮ সালে একটি নতুন ‘BENELUX’ চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়।
- এটি ১ জানুয়ারি, ২০১২ সালে কার্যকর করা হয়।

উৎস: BENELUX ওয়েবসাইট।