পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ

পরীক্ষাপ্রাইমারি ডেইলি কুইজতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়05 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা - ২০: বিষয়: সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ বিষয়াবলি) টপিক: বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ও ভূপ্রকৃতি (পাহাড়, নদী, সাগর ইত্যাদি), জলবায়ু ও পরিবেশ। উৎস: বাংলাপিডিয়া, জাতীয় তথ্য বাতায়ন, বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), যেকোনো ভালো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
নিচের কোনটি জলবায়ুর নিয়ামক?
  1. বায়ুর ঘনত্ব
  2. আহ্নিক গতি
  3. সমুদ্রস্রোত
  4. বার্ষিক গতি
ব্যাখ্যা
• জলবায়ু:
- জলবায়ু হলো কোনো স্থানের ৩০-৪০ বছরের আবহাওয়ার গড় অবস্থা।
- আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদানগুলো হলো বায়ুর তাপ, চাপ,বারিপাত, আর্দ্রতা এবং বায়ুপ্রবাহ।

• সমুদ্রস্রোত:
- এটি জলবায়ুর নিয়ামক।
- শীতল বা উষ্ণ সমুদ্রস্রোতের প্রভাবে উপকূল সংলগ্ন এলাকার বায়ু ঠান্ডা বা উষ্ণ হয়।
- যেমন: উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোতের প্রভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলবর্তী এলাকার উষ্ণতা বেড়ে যায়।

জলবায়ুর প্রধান নিয়ামকগুলো হলো:-
- সমুদ্র থেকে দূরত্ব, বায়ুপ্রবাহ, বনভূমি, সমুদ্রস্রোত, পর্বতের অবস্থান, ভূমির ঢাল ও মৃত্তিকা প্রভৃতি।

অপরদিকে,
- আবহাওয়া হলো কোনো স্থানের দৈনন্দিন বায়ুর গড় তাপ, চাপ, বায়ুপ্রবাহের বৈশিষ্ট্য।
- আবহাওয়ার প্রধান নিয়ামকগুলো হলো:
- বায়ুর আর্দ্রতা, বায়ুর তাপমাত্রা, বায়ুর চাপ ও বায়ুপ্রবাহ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
নিচের কোনটি মেঘনার শাখা নদী?
  1. গোমতী
  2. বাউলাই
  3. মনু
  4. ডাকাতিয়া
ব্যাখ্যা
→ ডাকাতিয়া,  মেঘনার শাখা নদী।

• মেঘনা (Meghna):

- ভারতের আসাম রাজ্যের নাগা-মনিপুর পার্বত্য অঞ্চলে উৎপন্ন বরাক নদী দুইটি শাখায় বিভক্ত হয়ে;
- বাংলাদেশের সিলেট জেলার সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করেছে।
- একটি উত্তর সিলেট থেকে সুরমা নামে;
- এবং অন্যটি দক্ষিণ সিলেট থেকে কুশিয়ারা নামে।
- হবিগঞ্জের কালনী নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- পরে সুরমা, কুশিয়ারা এবং কালনী নদীর মিলিত স্রোত কালনী নামে।
- পরে মেঘনা নাম ধারণ করেছে।
- মেঘনা নদী কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরববাজারের নিকট পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের সাথে মিলিত হয়েছে।
- চাঁদপুরের পদ্মার সাথে মিলিত হয়ে মেঘনা নামে আরো দক্ষিণে অগ্রসর হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- বাংলাদেশে মেঘনা বিধৌত অঞ্চলের আয়তন প্রায় ২৯,৭৮৫ বর্গকিলোমিটার।

→ মেঘনার উপনদীসমূহ:
- মনু, বাউলাই, গোমতী, তিতাস, কাসনি অন্যতম।

→ শাখা নদী:
- জাঙ্গালিয়া ও ডাকাতিয়া।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ কোন যুগের অন্তর্ভূক্ত?
  1. টারশিয়ারি যুগের
  2. প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ
  3. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি
  4. মায়োসিন যুগের
ব্যাখ্যা
→ টারশিয়ারি যুগের।

দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলারপূর্বাংশ।
- এগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় হিসেবে পরিচিত।
- এ অঞ্চলের পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা প্রায় ৬১০ মিটার।
- বান্দরবান জেলায় অবস্থিত তাজিং ডং (বিজয়) পর্বতশৃঙ্গটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ।
- এ পর্বতশৃঙ্গের উচ্চতা ১,২৩১ মিটার।
- এটি আবিষ্কৃত হওয়ার পূর্বে সর্বোচ্চ শৃঙ্গ ছিল বান্দরবান জেলার কিওক্রাডং,
- যার উচ্চতা ১,২৩০ মিটার।
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের এসব পাহাড় কৃষিকাজের উপযোগী নয়।
-  স্থানীয় অধিবাসীগণ পাহাড়ের ঢালে জুম পদ্ধতিতে সীমিত পরিসরে চাষাবাদ করে থাকে। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালিয়।
.
কোনটি জলবায়ুর পরিবর্তন হ্রাস করে?
  1. কয়লা ও তেলের ব্যবহার
  2. সৌর শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি
  3. বনভূমি ধ্বংস
  4. প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার
ব্যাখ্যা
→ সৌর শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি।

• জলবায়ু পরিবর্তন:

- জলবায়ু পরিবর্তনের প্রধান কারণ হচ্ছে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি।
- বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমনের পরিমাণ কমিয়ে আমরা জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি কমানো যায়। 
- এ জন্য কয়লা, তেল, প্রাকৃতিক গ্যাসের মতো জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমাতে হবে।
- নবায়নযোগ্য শক্তি যেমন- সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি ইত্যাদির ব্যবহার বাড়াতে হবে।
- বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে আমরা বায়ুমণ্ডলের কার্বন ডাইঅক্সাইড হ্রাস করতে পারি।
- দৈনন্দিন জীবনে শক্তির ব্যবহার কমিয়েও আমরা কার্বন ডাইঅক্সাইড নির্গমন কমাতে পারে।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করা আন্ত:সীমান্ত নদী কয়টি?
  1. ৪৮ টি
  2. ৫০ টি
  3. ৫৭ টি
  4. ৫৪ টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ যোথ নদী কমিশন:
- বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রায় ৪০৫টি নদী প্রবাহিত হচ্ছে।
- এর মধ্যে ৫৭ টি আন্তঃসীমান্ত নদী।
- আন্তঃসীমান্ত নদীর মধ্যে ৫৪টি নদী ভারত হতে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে 
- মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আসা নদী ৩ টি।
-  যথা:- নাফ, সাঙ্গু, মাতামুহুরী। 
- ৫৪ টির মধ্যে ৫১টি নদী বস্তুতঃপক্ষে তিনটি বৃহৎ নদী গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র এবং মেঘনার অববাহিকাভুক্ত।
- বাংলাদেশে উৎপত্তি হয়ে ভারতে যাওয়া নদী ১ টি (কুলিখ)।
- বাংলাদেশে উৎপত্তি ও সমাপ্তি হওয়া নদী ১টি (হালদা)।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭২ সালের নভেম্বর মাসে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের স্ট্যাটিউট (Statute) স্বাক্ষরিত হয়।

উৎস: যৌথ নদী কমিশন।[Link]
.
বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণ ক্ষমতা নির্ভর করে কোনটির উপর?
  1. বায়ুর চাপ
  2. বায়ুর ঘনত্ব
  3. বায়ুর আর্দ্রতা
  4. বায়ুর প্রকৃতি
ব্যাখ্যা
• বায়ুর আদ্রতা (Humidity):
- বায়ুতে জলায়বাষ্প ধারণ করা না হলে পানিচক্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন হত না।
- বায়ুর জলায়বাষ্প ধারণ করাকে তাই বলা হয় বায়ুর আর্দ্রতা।
- বায়ুমন্ডলে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ শতকরা ১ ভাগেরও কম।
- আর্দ্র বায়ুতে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ প্রায় শতকরা ২ থেকে ৫ ভাগ বেশি থাকে।
- বায়ুর এই আর্দ্রতা হাইগ্রোমিটার দ্বারা পরিমাপ করা যায়।

উল্লেখ্য,
- বায়ুর আর্দ্রতা মূলত দুই প্রকার।
- যথা-পরম আর্দ্রতা ও আপেক্ষিক আর্দ্রতা।
- নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ুতে জলীয়বাষ্পের প্রকৃত পরিমাণকে বলা হয় পরম আর্দ্রতা।
- কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের জলীয়বাষ্পের প্রকৃত পরিমাণ আর একই আয়তনের বায়ুতে একই উষ্ণতায় পরিপূক্ত করতে যে পরিমাণ জলীয়বাষ্প প্রয়োজন এ দুটির অনুপাত আপেক্ষিক আর্দ্রতা। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
নিচের কোনগুলো গ্রীনহাউস গ্যাস?
  1. পানি ও তাপ
  2. কার্বন ডাই-অক্সাইড ও মিথেন
  3. অক্সিজেন ও ধূলিকণা
  4. নাইট্রোজেন ও পানি
ব্যাখ্যা
• জলবায়ু পরিবর্তন:
- সাধারণভাবে আবহাওয়ার উপাদানসমূহের দীর্ঘমেয়াদে গড় অবস্থার পরিবর্তনকে বুঝায় জলবায়ু।
- বায়ুমন্ডল পৃথিবীর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
- বায়ুমন্ডল হলো গ্রীনহাউস বা কাঁচ ঘরের কাঁচের দেয়াল বা ছাদ।
- এবং সূর্যালোক ভূ-পৃষ্ঠ শোষণ করে ও বায়ুমন্ডলকে উত্তপ্ত করে তোলে।
- মিথেন, ওজোন, কার্বন ডাই-অক্সাইড  গ্রীনহাউস গ্যাস।
- বায়ুমন্ডলে তাই গ্রীনহাউস গ্যাসের পুরু চাদর তৈরি হয়েছে।
- কারণ এই সব গ্যাস আর ফিরে যেতে পারে না।
- এই তাপ শোষণের মাত্রা যত বাড়বে পৃথিবীর উষ্ণতা ততই বাড়বে।
- উষ্ণতা বৃদ্ধির এই প্রক্রিয়াই হলো গ্রীনহাউস প্রভাব। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বঙ্গোপসাগরের উত্তরে নিচের কোনটি অবস্থিত?
  1. বাংলাদেশ
  2. ভারত
  3. মিয়ানমার
  4. ক + খ
ব্যাখ্যা
• বঙ্গোপসাগর:
- বঙ্গোপসাগরের উত্তরে বাংলাদেশ, ভারত, দক্ষিণ মহাসাগর।
- পূর্বে মিয়ানমার, মালয় উপদ্বীপ।
- পশ্চিমে শ্রীলংকা ও ভারত রয়েছে।
- এবং দক্ষিণে ভারত মহাসাগর।
- এর আয়তন প্রায় ২২ লক্ষ বর্গকিলোমিটার।
- গড় গভীরতা ২,৫৮৬ মিটার।
- এবং সর্বোচ্চ গভীরতা ৫,২৫৮ মিটার।

উল্লেখ্য,
-  বঙ্গোপসাগরের ইংরেজি প্রতিশব্দ Bay of Bengal.
- প্রাচীন মোঘল সাম্রাজ্য 'বঙ্গদেশ' থেকে বঙ্গোপসাগর শব্দটি এসেছে।
- এর তিনদিকে স্থলভাগ দ্বারা বেষ্টিত।
- শুধু দক্ষিণ দিকে উন্মুক্ত ভারত মহাসাগর।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাষ্পীভবন প্রক্রিয়ায় জলীয়বাষ্প কোথায় মিশে যায়?
  1. সমুদ্রে
  2. নভোমন্ডলে
  3. শিশির কণায়
  4. বায়ুমন্ডলে  
ব্যাখ্যা
• বাষ্পীভবন (Evaporation):
- নদী, হ্রদ, জলাশয় বা সমুদ্রের পানি সূর্যের তাপে বাষ্পে পরিণত হয় এবং তা বায়ুমন্ডলের মিশে যায়।
- এই জলীয়বাষ্প হালকা ফলে বায়ুমন্ডলে অদৃশ্য হয়ে যেতে সক্ষম হয়।
-  বায়ুর উষ্ণতার পরিমাণের উপর নির্ভর করে যে কতটুকু জলীয়বাষ্প ধারণ করা সম্ভব হবে।
- জলীয়বাষ্প প্রধানত সমুদ্র থেকে বাষ্পীভূত হয়।
- এছাড়াও,  নদ-নদী ও উদ্ভিদ জগতও জলীয়বাষ্পের অন্যতম উৎস।

 উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।