• ক, চ, ট, ত, প থাকলে এবং তাদের পরে স্বরধ্বনি থাকলে সেগুলো যথাক্রমে গ, জ, ড (ড়), দ, ব হয়। ক্+অ = গ+অ, দিক্+অন্ত = দিগন্ত, ক্+আ = গ+আ, বাক্+আড়ম্বর = বাগাড়ম্বর, ক্+ঈ = গ+ঈ, বাক্+ঈশ = বাগীশ,
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২.
'ঠাকুরমার ঝুলি' কী জাতীয় রচনার সংকলন?
ক
ক) রূপকথা
খ
খ) ছোটগল্প
গ
গ) গ্রাম্য কবিতা
ঘ
ঘ) উপন্যাস
সঠিক উত্তর: ক
ক) রূপকথা
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
ক) রূপকথা
ক
ব্যাখ্যা
• বাংলা সাহিত্যে রূপকথার অন্যতম সংকলন ‘ঠাকুরমার ঝুলি’। - গ্রন্থটি সংকলন করেন- দক্ষিণারঞ্জন মিত্রমজুমদার। - এটি প্রকাশিত হয়েছিলো- ১৯০৭ সালে। - এর পরবর্তী খন্ড- ‘ঠাকুরদাদার ঝুলি’ যা ১৯০৯ সালে প্রকাশিত হয়েছিলো। - দক্ষিণারঞ্জন মিত্রমজুমদার - দৃষ্টিহীন ছদ্মনামে লিখতেন।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৩.
'অপ' কোন ধরনের উপসর্গ?
ক
ক) সংস্কৃত
খ
খ) বাংলা
গ
গ) বিদেশি
ঘ
ঘ) মিশ্র
সঠিক উত্তর: ক
ক) সংস্কৃত
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
ক) সংস্কৃত
ক
ব্যাখ্যা
• বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- - খাটি বাংলা উপসর্গ, - সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ এবং - বিদেশি উপসর্গ।
• সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ: বাংলা ভাষায় যেসকল সংস্কৃত উপসর্গ ব্যবহার করা হয় তাদের সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ বলে। সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ ২০ টি। যথা: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।
• খাঁটি বাংলা উপসর্গ: বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত নিজেস্ব উপসর্গকে খাঁটি বাংলা উপসর্গ বলা হয়। খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১ টি। যথা: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।
[বাংলা উপসর্গের মধ্যে আ, সু, বি, নি এই চারটি উপসর্গ তৎসম শব্দেও পাওয়া যায়।]
• বিদেশি উপসর্গ: আরবি, ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি এসব ভাষার বহু শব্দ দীর্ঘকাল ধরে বাংলা ভাষায় প্রচলিত আছে। এছাড়া কিছু বিদেশি উপসর্গও বাংলায় চালু আছে।
• বিদেশি উপসর্গ অনির্দিষ্ট বা অনির্ণেয়। যেমন: - আরবি উপসর্গ: আম, খাস, লা, গর, বাজে এবং খয়ের। - ফারসি উপসর্গ: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম। - উর্দু উপসর্গ: হর। - ইংরেজি উপসর্গ: হেড, সাব, ফুল, হাফ।
উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
৪.
প্রাচীনতম বাঙালি মুসলমান কবি কে?
ক
ক) আলাওল
খ
খ) সৈয়দ সুলতান
গ
গ) মুহাম্মদ খান
ঘ
ঘ) শাহ মুহম্মদ সগীর
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) শাহ মুহম্মদ সগীর
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) শাহ মুহম্মদ সগীর
ঘ
ব্যাখ্যা
• শাহ মুহম্মদ সগীর মধ্যযুগে মুসলমান কবিদের মধ্যে সর্বাপেক্ষা প্রাচীন। - পনের শতকের উল্লেখযোগ্য কবি শাহ মুহম্মদ সগীর ছিলেন - রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যানের আদিকবি। - তার রচিত বিখ্যাত কাব্য 'ইউসুফ জোলেখা'। - এটি তিনি পারস্যের ফারসি ভাষার কবি জামী রচিত ''ইউসুফ ওয়া জুলায়খা'' থেকে অনুবাদ করেন।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর।
৫.
বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
ক
ক) ১৯৫৫ খ্রি:
খ
খ) ১০৫৫ খ্রি.
গ
গ) ১৯৫২ খ্রি.
ঘ
ঘ) ১০৫২ খ্রি.
সঠিক উত্তর: ক
ক) ১৯৫৫ খ্রি:
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
ক) ১৯৫৫ খ্রি:
ক
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমী বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান। - ১৩৬২ বঙ্গাব্দের ১৭ অগ্রহায়ণ (৩ ডিসেম্বর ১৯৫৫) ঢাকার বর্ধমান হাউসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। - ১৯৫৬ সালের ১ ডিসেম্বর মুহম্মদ এনামুল হক (১৯০২-১৯৮২) একাডেমীর প্রথম পরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। - বাংলা একাডেমির প্রথম মহাপরিচালক প্রফেসর মাযহারুল ইসলাম (১৯৭২ সাল)। - বাংলা একাডেমির প্রথম সভাপতি মাওলানা আঁকরাম খাঁ (১৯৬১ সাল)।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৬.
'জনৈক' শব্দটির সন্ধিবিচ্ছেদ-
ক
ক) জন + ইক
খ
খ) জন + এক
গ
গ) জনৈ + এক
ঘ
ঘ) জন + ঈক
সঠিক উত্তর: খ
খ) জন + এক
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
খ) জন + এক
খ
ব্যাখ্যা
'জনৈক' শব্দের সন্ধি- বিচ্ছেদ: জন + এক।
সন্ধির নিয়ম: অ কার কিংবা আ কারের পর এ কার কিংবা ঐ কার হয়। ঐ কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত হয়। যেমন: জন + এক = জনৈক সদা + এব = সদৈব
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
৭.
সমাস ভাষাকে কী করে?
ক
ক) সংক্ষেপ করে
খ
খ) বিস্তৃত করে
গ
গ) অর্থপূর্ণ করে
ঘ
ঘ) শ্রুতিমধুর করে
সঠিক উত্তর: ক
ক) সংক্ষেপ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
ক) সংক্ষেপ করে
ক
ব্যাখ্যা
সমাস: - অর্থসম্বন্ধ আছে এমন একাধিক শব্দ একসঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন অর্থবোধক শব্দ গঠনের প্রক্রিয়াকে সমাস বলে। - সমাস অর্থ হল সংক্ষেপ, মিলন, একাধিক পদের একপদীকরণ। - সমাসের কাজ হলো ভাষাকে সংক্ষেপ করা, নতুন অর্থবোধক শব্দ সৃষ্টি করা, শব্দ গঠন প্রভৃতি। - সমাস শব্দ বা রূপতত্ত্বে আলেচিত হয়।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
৮.
বাংলা সনেটের প্রবর্তক কে?
ক
ক) দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
খ
খ) রজনীকান্ত সেন
গ
গ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
ঘ
ঘ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সঠিক উত্তর: গ
গ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
গ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
গ
ব্যাখ্যা
• বাংলা সনেটের প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
- সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রথম উদ্ভব হয় ত্রয়োদশ শতাব্দীতে ইতালিতে। - ইংল্যান্ডে সনেটের প্রবর্তন হয় স্যার থমাস ওয়াইয়াট এবং হেনরি হাওয়ার্ডের মাধ্যমে। - মাইকেল মধুসূদন (১৮২৪-১৮৭৩) মহাকবি, নাট্যকার, বাংলাভাষার সনেট প্রবর্তক, অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক। - তার রচিত “চতুর্দশপদী কবিতাবলী” বাংলা সাহিত্যের প্রথম সনেট সংকলন।
উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর।
৯.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অতিপ্রাকৃত গল্প কোনটি?
ক
ক) একরাত্রি
খ
খ) নষ্টনীড়
গ
গ) ক্ষুধিত পাষাণ
ঘ
ঘ) মধ্যবর্তিনী
সঠিক উত্তর: গ
গ) ক্ষুধিত পাষাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
গ) ক্ষুধিত পাষাণ
গ
ব্যাখ্যা
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে বাংলা ছোট গল্পের জনক বলা হয়। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটোগল্পগুলি ‘গল্পগুচ্ছ’ গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত সমাজসমস্যামূলক ছোটগল্প দেনাপাওনা।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত সমাজসমস্যামূলক উল্লেখযোগ্য চারটি ছোটগল্প হলো: - দেনাপাওনা, - রামকানাইয়ের নির্বুদ্ধিতা, - যজ্ঞেশ্বর যজ্ঞ, -অনধিকার প্রবেশ।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অতিপ্রাকৃত গল্প: - ক্ষুধিত পাষাণ, - কঙ্কাল, - নিশীথে ও - মণিহারা।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১০.
কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত সাহিত্য পত্রিকা কোনটি?
ক
ক) মাহে নও
খ
খ) সওগাত
গ
গ) ধূমকেতু
ঘ
ঘ) কালি ও কলম
সঠিক উত্তর: গ
গ) ধূমকেতু
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
গ) ধূমকেতু
গ
ব্যাখ্যা
• কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় অর্ধসপ্তাহিক পত্রিকা ধূমকেতু (১৯২২)। - ধূমকেতু পত্রিকায় রবীন্দ্রনাথের বাণী ছাপা হয়েছিল - "আয় চলে আয় রে ধূমকেতু/ আঁধারে বাঁধ অগ্নিসেতু-"। - ধূমকেতুর পূজা সংখ্যায় (২৬শে সেপ্টেম্বর ১৯২২) 'আনন্দময়ীর আগমনে' প্রকাশিত হলে পত্রিকাটি ব্রিটিশ সরকার দ্বারা বাজেয়াপ্ত হয় এবং তিনি গ্রেফতার হন।
• কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত অন্যান্য পত্রিকা - - ‘লাঙ্গল’ (১৯২৫) পত্রিকার প্রধান পরিচালক ছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম, এটি ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয়। - 'দৈনিক নবযুগ' পত্রিকাটি কাজী নজরুল ইসলাম কমরেড মুজাফ্ফর আহমদ এর সাথে যৌথভাবে সম্পাদনা করেন।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১১.
‘উপরোধ' শব্দের অর্থ কী?
ক
ক) প্রতিরোধ
খ
খ) উপস্থাপন
গ
গ) অনুরোধ
ঘ
ঘ) উপযোগী
সঠিক উত্তর: গ
গ) অনুরোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
গ) অনুরোধ
গ
ব্যাখ্যা
• ‘উপরোধ’ শব্দের অর্থ 'অনুরোধ'। উপরোধ • উচ্চারণ- উপোরোধ্। • পদ- বিশেষ্য। • অর্থ- অনুরোধ। • উদাহরণ- মোর উপরোধে তোরে মহেশ ঠাকুর-ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর। • বিশেষণ- উপরোধক। • সম্পর্কিত বাগধারা- উপরোধে ঢেঁকি গেলা-এর অর্থ অনুরোধ এড়াতে না পেরে অনিচ্ছা সত্ত্বেও কোনো কাজ করা।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১২.
কোন শব্দটি ইংরেজি ভাষা হতে আগত?
ক
ক) আইন
খ
খ) দাখিল
গ
গ) এজেন্ট
ঘ
ঘ) মুচলেকা
সঠিক উত্তর: গ
গ) এজেন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
গ) এজেন্ট
গ
ব্যাখ্যা
• ’এজেন্ট’ শব্দটি ইংরেজী ভাষা থেকে আগত। যার অর্থ-প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী সংস্থার প্রতিনিধি।
অন্যদিকে, - ‘আইন’ শব্দটি ফারসি শব্দ। - ‘দাখিল’ আরবি শব্দ। - ‘মুচলেকা’ তুর্কি শব্দ।
• অপশনমূহ বিবেচনায় সঠিক উত্তর - ক) Waste (noun). - Wastage - noun হলেও, waste এর noun form নয়।
Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
১৪.
বাংলাদেশের বৃহত্তম হাওড়-
ক
ক) হাইল
খ
খ) হাকালুকি
গ
গ) চলনবিল
ঘ
ঘ) পাথর চাউলি
সঠিক উত্তর: খ
খ) হাকালুকি
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
খ) হাকালুকি
খ
ব্যাখ্যা
• হাওর: - হাকালুকি হাওর বাংলাদেশের বৃহত্তর হাওর। - এটি মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলায় অবস্থিত। - হাকালুকি হাওরে প্রায় ২৩৮টি বিল রয়েছে। - শনির হাওর ও টাঙ্গুয়ার হাওর সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত। - টাঙ্গুয়ার হাওর বিভিন্ন জাতের মৎস্য প্রজাতি ও অতিথি পাখির জন্য বিখ্যাত।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৫.
‘আত্মঘাতী বাঙালি' কার রচিত গ্রন্থ?
ক
ক) অশোক মিত্র
খ
খ) অতুল সুর
গ
গ) নীরদচন্দ্র চৌধুরী
ঘ
ঘ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর: গ
গ) নীরদচন্দ্র চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
গ) নীরদচন্দ্র চৌধুরী
গ
ব্যাখ্যা
• নীরদচন্দ্র চৌধুরী রচিত গ্রন্থ- ‘আত্মঘাতী বাঙালী’। - আহমদ শরীফ রচিত কয়েকটি উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধ গবেষণা গ্রন্থ - বিচিত চিন্তা (১৯৮৬), স্বদেশ অন্বেষা (১৯৭০), বাঙালী ও বাঙলা সাহিত্য, স্বদেশ চিন্তা ইত্যাদি। - 'ভবিষ্যতের বাঙালি' গ্রন্থটির রচয়িতা- এস ওয়াজেদ আলি। - কাজী নজরুল ইসলাম রচিত প্রবন্ধ- 'বাঙালির বাংলা'।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
১৬.
ব্রিটেনের প্রশাসনিক সদর দপ্তরকে বলা হয়?
ক
ক) ওয়েস্ট মিনিস্টার অ্যাবেখ
খ
খ) হোয়াইট হল
গ
গ) মার্বেল চার্চ
ঘ
ঘ) বুশ হাউজ
সঠিক উত্তর: খ
খ) হোয়াইট হল
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
খ) হোয়াইট হল
খ
ব্যাখ্যা
- ব্রিটেনের প্রশাসনিক সদর দপ্তরকে বলা হয় 'হোয়াইট হল'। - যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন 'হোয়াইট হাউজ'। - ব্রিটিশ রাজপরিবারের বাসভবন 'বাকিংহাম প্যালেস'। - যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ও কার্যালয়ের নাম ১০ নং ডাউনিং স্ট্রিট’।
উৎসঃ ব্রিটানিকা।
১৭.
ইসলামী সম্মেলন সংস্থার সচিবালয় কোথায় অবস্থিত?
ক
ক) রিয়াদ
খ
খ) জেদ্দা
গ
গ) দামেস্ক
ঘ
ঘ) মক্কা
সঠিক উত্তর: খ
খ) জেদ্দা
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
খ) জেদ্দা
খ
ব্যাখ্যা
• OIC: - ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা OIC - OIC এর পূর্ণরুপ হচ্ছে - The Organisation of Islamic Cooperation - এটি হলো মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট - প্রতিষ্ঠা লাভ করে - ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯ (মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয়)। - OIC এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৭টি। - দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের দুটি দেশ গায়ানা ও সুরিনাম OIC সদস্য। - ইউরোপ মহাদেশের আলবেনিয়া OIC সদস্য।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ২২-২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত OIC-এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে সর্বপ্রথম অংশগ্রহণ করে এবং এই সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের পক্ষে অংশগ্রহণ করে। - OIC এর সর্বশেষ শীর্ষ সম্মেলন মক্কাতে ২০১৯ সালের ৩১ মে অনুষ্ঠিত হয়। - OIC এর সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।
- মহাসচিবের মেয়াদ-৫ বছর। - শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়-তিন বছর পর পর। - প্রথম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়- রাবাত, মরক্কো (১৯৬৯ সালে)। - অফিসিয়াল ভাষা- তিনটি (আরবি, ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ।
তথ্যসূত্র: OIC ওয়েবসাইট।
১৮.
বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রথা চালু হয় কোন সালে?
ক
ক) ১৭০০ সালে
খ
খ) ১৭৭২ সালে
গ
গ) ১৭৬৫ সালে
ঘ
ঘ) ১৭৯৩ সালে
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) ১৭৯৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) ১৭৯৩ সালে
ঘ
ব্যাখ্যা
- ১৭৯৩ সালের ২২শে মার্চ লর্ড কর্নওয়ালিস চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন। - ঐদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ রাজস্ব পরিশোধের বিনিময়ে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার জমিদারদের নিজ নিজ জমির উপর চিরস্থায়ী মালিকানা প্রদান করে যে বন্দোবস্ত করা হয় তা-ই ‘চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত’ নামে পরিচিত। - চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের ফলে বাংলার কৃষকরা জমির উপর তাদের মালিকানা হারায়। - ১৯৫০ সালের ‘পূর্ববঙ্গ জমিদার অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনে’র ফলে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রথার বিলুপ্তি হয়।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া।
১৯.
যে তিনটি মূখ্য বর্ণের সমন্বয়ে নানা বর্ণ সৃষ্টি করা যায়, সেগুলো হলো-
ক
ক) লাল, হলুদ, নীল
খ
খ) লাল, কমলা, বেগুনি
গ
গ) হলুদ, সবুজ, নীল
ঘ
ঘ) লাল, নীল, সবুজ
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) লাল, নীল, সবুজ
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) লাল, নীল, সবুজ
ঘ
ব্যাখ্যা
• কেবল তিনটি রঙের মাধ্যমেই সাদাসহ যেকোনো রঙের সৃষ্টি সম্ভব। এই তিনটি রঙকে বলা হয় মৌলিক রং (Primary color)। রং তিনটি হলো: লাল, সবুজ আর নীল। যেমন: লাল ও সবুজ রঙের সমন্বয়ে হলুদ রং সৃষ্টি হয়।
• রঙিন মনিটরে তিনটি মৌলিক রঙ। যথা- লাল, সবুজ এবং আসমানী বা নীল রং ব্যবহার করে সকল ধরনের ছবি ফুটিয়ে তোলা হয়।
• সিআরটি মনিটর (CRT Monitor): - ক্যাথোড রে টিউবযুক্ত মনিটরকে সিআরটি মনিটর বলা হয়। - এ ধরনের মনিটরের পিছন দিকের ইলেকট্রন গান থাকে নির্গত ইলেকট্রন ফসফরাসের উপর আঘাত আনতে থাকে। - রঙিন মনিটরে তিনটি মৌলিক রঙ প্রদর্শনের জন্য তিন ধরনের ইলেকট্রন গান থাকে। - রঙ তিনটি হলো- লাল, নীল ও সবুজ।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
২০.
যে বায়ু সর্বদাই উচ্চ চাপ অঞ্চল থেকে নিম্ন চাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয় তাকে বলা হয়-
ক
ক) অয়ন বায়ু
খ
খ) প্রত্যয়ন বায়ু
গ
গ) মৌসুমী বায়ু
ঘ
ঘ) নিয়ত বায়ু
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) নিয়ত বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) নিয়ত বায়ু
ঘ
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রকার বায়ুপ্রবাহ: - বায়ু সর্বদা একস্থান হতে অন্যস্থানে প্রবাহিত হয়। - বায়ু কিছু নিয়ম মেনে প্রবাহিত হয়। যেমন- সাধারণত উচ্চচাপ বলয় থেকে শীতল ও ভারী বায়ু নিম্নচাপ বলয়ে প্রবাহিত হয়। - বায়ু প্রবাহের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে বেঁকে যায়।
- বায়ুপ্রবাহ প্রধানত চার প্রকার। • নিয়ত বায়ু • সাময়িক বায়ু • স্থানীয় বায়ু • অনিয়মিত বায়ু
নিয়ত বায়ু: - যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল হতে নিম্নচাপ অঞ্চলে দিকে প্রবাহিত হয়, তাকে নিয়ত বায়ু বলে। - নিয়ত বায়ুপ্রবাহ সারা বছর একই দিকে প্রবাহিত হয়। - এই বায়ুপ্রবাহ পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। - নিয়ত বায়ুকে আবার তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- • অয়ন বায়ু, • পশ্চিমা বায়ু ও • মেরু বায়ু।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১.
প্রাচীন চন্দ্রদ্বীপের বর্তমান নাম কী?
ক
ক) মালদ্বীপ
খ
খ) সন্দ্বীপ
গ
গ) বরিশাল
ঘ
ঘ) হাতিয়া
সঠিক উত্তর: গ
গ) বরিশাল
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
গ) বরিশাল
গ
ব্যাখ্যা
• প্রাচীন চন্দ্র দ্বীপের বর্তমান নাম - বরিশাল। • বরিশাল বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের একটি শহর। • প্রাচ্যের ভেনিস নামে পরিচিত এ শহরটি বরিশাল জেলায় অবস্থিত ও এটি বরিশাল বিভাগের সদর দপ্তর। • এটি বাংলাদেশ - এর একটি অন্যতম সুন্দর শহর। কীর্তনখোলা নদীর তীরে অবস্থিত এই শহর। • ‘ধান - নদী - খাল এই তিনে বরিশাল' খ্যাত বরিশাল বিভাগের ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম। • দক্ষিণ - পূর্ব বাংলায় মুসলিম আধিপত্য বিস্তার কালে রাজা দনুজমর্দন কর্তৃক ‘চন্দ্রদ্বীপ' নামে এ স্বাধীন রাজ্যটি প্রতিষ্ঠিত হয়। • চতুর্দশ শতাব্দী পর্যন্ত এ অঞ্চল চন্দ্রদ্বীপ নামে প্রসিদ্ধি লাভ করে।
উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২২.
কাজ করার সামর্থ্যকে বলে-
ক
ক) ক্ষমতা
খ
খ) কাজ
গ
গ) শক্তি
ঘ
ঘ) বল
সঠিক উত্তর: গ
গ) শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
গ) শক্তি
গ
ব্যাখ্যা
• কোন বস্তুর কাজ করার সামর্থ্যকে শক্তি বলে।
- অপরদিকে: • যা স্থির বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তাকে গতিশীল করে বা করতে চায় বা গতিশীল বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তার গতির পরিবর্তন করে বা করতে চায় তাকে বল বলে। • কোন বস্তুর উপর বল প্রয়োগে যদি বস্তুটির সরণ ঘটে, তাহলে বল এবং বলের দিকে বলের প্রয়োগ বিন্দুর সরণের উপাংশের গুণফলকে কাজ বলে। • একক সময়ে ব্যক্তি বা উৎসটি দ্বারা সম্পাদিত কাজের পরিমাণই হচ্ছে ক্ষমতা।
সূত্র: ৯ম-১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান বই।
২৩.
সমুদ্র স্রোতের অন্যতম কারণ হলো-
ক
ক) বায়ু প্রবাহের প্রভাব
খ
খ) সমুদ্রের পানিতে তাপের পরিচলন
গ
গ) সমুদ্রের পানিতে ঘনত্বের তারতম্য
ঘ
ঘ) সমুদ্রের ঘূর্ণিঝড়
সঠিক উত্তর: ক
ক) বায়ু প্রবাহের প্রভাব
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
ক) বায়ু প্রবাহের প্রভাব
ক
ব্যাখ্যা
সমুদ্র স্রোত: সমুদ্র স্রোতের প্রধান কারন - বায়ু প্রবাহ। বায়ু প্রবাহ সমুদ্রের উপরিভাগের পানির সঙ্গে ঘর্ষণ তৈরি করে এবং ঘর্ষণের জন্য পানিতে ঘূর্ণন (Gyre/spiral pattern) তৈরি করে। সমুদ্রের পানি একটি নির্দিষ্ট গতিপথ অনুসরন করে চলাচল করে, একে সমুদ্রস্রোত বলে।
সমুদ্রস্রোতকে উষ্ণতার তারতম্য অনুসারে, দুইভাগে ভাগ করা যায়। যথা - ১. উষ্ণ স্রোতঃ - নিরক্ষীয় অঞ্চলে তাপমাত্রা বেশি হওয়ায় জলরাশি হালকা হয় ও হালকা জলরাশি সমুদ্রের উপরিভাগ দিয়ে পৃষ্ঠপ্রবাহরূপে শীতল মেরু অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়; এরূপ স্রোতকে উষ্ণ স্রোত বলে। ২. শীতল স্রোতঃ - মেরু অঞ্চলের শীতল ও ভারী জলরাশি জলের নিচে অংশ দিয়ে অন্তঃপ্রবাহরূপে নিরক্ষীয় উষ্ণমন্ডলের দিকে প্রবাহিত হয়। এরূপ স্রোতকে শীতল স্রোত বলে।
সমুদ্রস্রোতের কারণঃ - নিয়ত বায়ুপ্রবাহ (প্রধান কারন) - পৃথিবীর আহ্নিক গতি। - সমুদ্রজলের তাপমাত্রার পার্থক্য - সমুদ্রজলের লবণাক্ততার পার্থক্য - ভূখন্ডের অবস্থান - অসম বাষ্পীভবন - সমুদ্রের গভীরতা
উৎসঃ মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক ভূগোল ও পরিবেশ বই।
২৪.
সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর চাপ প্রতি বর্গ সেন্টিমিটারে-
ক
ক) ১০ কিমি
খ
খ) ১০ নিউটন
গ
গ) ২৭ কিমি
ঘ
ঘ) ৫ কিমি
সঠিক উত্তর: খ
খ) ১০ নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
খ) ১০ নিউটন
খ
ব্যাখ্যা
সমুদ্রপৃষ্টে বায়ু চাপ ১০ নিউটন বা 10m/atm. (m = meter, atm = atmosphere) • যেহেতু পানির ঘনত্ব সমান তাই তলদেশের দিকে যেতে থাকলে চাপ একই হারে বাড়তে থাকে।
উৎস: নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বাের্ড বই।
২৫.
‘সংশয়’ এর বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
ক
ক) নিশ্চয়
খ
খ) বিস্ময়
গ
গ) প্রত্যয়
ঘ
ঘ) দ্বিধা
সঠিক উত্তর: গ
গ) প্রত্যয়
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
গ) প্রত্যয়
গ
ব্যাখ্যা
‘সংশয়'-এর বিপরীতার্থক শব্দ: 'প্রত্যয়'।
তাছাড়া, - 'বিস্ময়' শব্দটির বিপরীত শব্দ স্বাভাবিক। - 'দ্বিধা' এর বিপরীত শব্দ নির্দ্বিধা।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২৬.
‘ক্ষমার যোগ্য' এর বাক্য সংকোচন-
ক
ক) ক্ষমার্হ
খ
খ) ক্ষমাপ্রার্থী
গ
গ) ক্ষমা
ঘ
ঘ) ক্ষমাপ্রদ
সঠিক উত্তর: ক
ক) ক্ষমার্হ
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
ক) ক্ষমার্হ
ক
ব্যাখ্যা
'ক্ষমার যোগ্য'-এর বাক্য সংকোচন - ক্ষমার্হ।
আরও কিছু এক কথায় প্রকাশ: - ক্ষমা করার ইচ্ছা এক কথায় প্রকাশ = তিতিক্ষা। - ক্ষমা করতে ইচ্ছুক এক কথায় প্রকাশ = তিতিক্ষু। - গোপন করার ইচ্ছা এক কথায় প্রকাশ = জুগুপ্সা। - মনোগত ইচ্ছা এক কথায় প্রকাশ = ঈপ্সিত। - লাভ করা ইচ্ছা এক কথায় প্রকাশ = লিপ্সা। - কটিদেশ থেকে পদতল পর্যন্ত অংশ এক কথায় প্রকাশ = অধঃকায়।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২৭.
'চাচা কাহিনী'র লেখক কে?
ক
ক) সৈয়দ হক
খ
খ) শওকত ওসমান
গ
গ) সৈয়দ মুজতবা আলী
ঘ
ঘ) ফররুখ আহমেদ
সঠিক উত্তর: গ
গ) সৈয়দ মুজতবা আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
গ) সৈয়দ মুজতবা আলী
গ
ব্যাখ্যা
সৈয়দ মুজতবা আলী - ১৯০৪ সালে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। - তিনি কাজী নজরুল ইসলামের 'রুবাইয়াৎ- ই- ওমর খৈয়াম' গ্রন্থের ভূমিকা লিখেন। - ১৯৭৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। - 'দেশে বিদেশে' তাঁর রচিত বিখ্যাত ভ্রমণ কাহিনী। - 'দেশে বিদেশে' সৈয়দ মুজতবা আলীর প্রথম গ্রন্থ। - 'দেশে বিদেশে' ভ্রমণ কাহিনীটি আফগানিস্তানের কাবুল শহর নিয়ে লেখা।
তাঁর রচিত উপন্যাস: - অবিশ্বাস্য। - শবনম।
• তাঁর রচিত ছোটগল্প: - চাচা-কাহিনী। - টুনি মেম।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৮.
‘ট্রাফালগার স্কয়ার' কোন শহরে অবস্থিত?
ক
ক) প্যারিস
খ
খ) মস্কো
গ
গ) লন্ডন
ঘ
ঘ) ওয়াশিংটন
সঠিক উত্তর: গ
গ) লন্ডন
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
গ) লন্ডন
গ
ব্যাখ্যা
- ট্রাফালগার স্কয়ার ইংল্যান্ডের লন্ডনে অবস্থিত একটি সাধারণ জনগণের মিলনস্থল। - ১৮০৫ সালে ইংল্যান্ড ফ্রান্স ও স্পেনের সম্মিলিত বাহিনীর সাথে যুদ্ধ করে জয়লাভ করে। - ট্রাফালগারের যুদ্ধ জয়কে স্মরণীয় করে রাখতে লন্ডনের কেন্দ্রস্থল একটি চত্ত্বরের নামকরণ করা হয় ট্রাফালগার স্কয়ার।
উৎস: ব্রিটানিকা।
২৯.
বাস্তিল দুর্গের পতন ঘটেছিল কোন সালে?
ক
ক) ১৭৮৯ সালে
খ
খ) ১৭৮৮ সালে
গ
গ) ১৭৭৭ সালে
ঘ
ঘ) ১৭৭৬ সালে
সঠিক উত্তর: ক
ক) ১৭৮৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
ক) ১৭৮৯ সালে
ক
ব্যাখ্যা
• বাস্তিল দুর্গ: - বাস্তিল দুর্গের পতন ঘটেছিল ১৪ জুলাই, ১৭৮৯। - বাস্তিল দুর্গের পতনের মাধ্যমে ফরাসী বিপ্লবের সূচনা হয়। - বাস্তিল দুর্গের পতনে অধিকাংশই কৃষক সম্প্রদায়ের মানুষ ছিল। - ইংরেজদের আক্রমণ থেকে রক্ষার জন্য ১৩৭০ থেকে ১৩৮০-এর মধ্যে বাস্তিল দুর্গ নির্মিত হয়েছিল। - এটি বাস্তিল সেন্ট-অ্যান্টোইন নামেও পরিচিত ছিল।
- ১৪১৭ সালে এই দুর্গটিকে রাষ্ট্রীয় কারাগার হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল। - চতুর্দশ লুই বাস্তিলকে ফরাসি সমাজের উচ্চশ্রেণীর সদস্যদের যাঁরা তাঁর বিরোধিতা করেছিল তাঁদের জন্য কারাগার হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন। - ১৬৫৯ সাল থেকে বাস্তিল প্রাথমিকভাবে একটি রাষ্ট্রীয় শাস্তিকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হতে থাকে। - ১৪ জুলাই ফ্রান্সে বাস্তিল দিবস হিসেবে পালন করা হয়ে থাকে। - ফ্রান্সে এইদিন সরকারী ছুটি থাকে।
তথ্যসূত্র:- কালের কণ্ঠ এবং ব্রিটানিকা।
৩০.
পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের আঞ্চলিক জোটের নাম কী?
ক
ক) আরব লীগ
খ
খ) জিসিসি
গ
গ) ও.এ.এস
ঘ
ঘ) ও.এ.ইউ
সঠিক উত্তর: খ
খ) জিসিসি
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
খ) জিসিসি
খ
ব্যাখ্যা
• GCC: - পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের আঞ্চলিক জোট - GCC - GCC এর পূর্ণরুপ - Gulf Cooperation Council - এটি ১৯৮১ সালে গঠিত হয়। - সদর দপ্তর সৌদি আরবের রিয়াদে অবস্থিত। - এর সদস্য সংখ্যা ৬টি। এগুলো হলো: - সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন এবং ওমান।
উৎস: GCC ওয়েবসাইট।
৩১.
৪ টাকায় ৫টি করে কিনে ৫ টাকায় ৪টি করে বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ হবে?
ক
ক) ৫৫%
খ
খ) ৪৮.৫০%
গ
গ) ৫২.৭৫%
ঘ
ঘ) ৫৬.২৫%
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) ৫৬.২৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) ৫৬.২৫%
ঘ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৪ টাকায় ৫টি করে কিনে ৫ টাকায় ৪টি করে বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ হবে?
সমাধান: ৫ টি কলার ক্রয়মূল্য ৪ টাকা ∴ ১ টি কলার ক্রয়মূল্য ৪/৫ টাকা
আবার, ৪ টি কলার বিক্রয়মূল্য ৫ টাকা ∴ ১ টি কলার বিক্রয়মূল্য ৫/৪ টাকা
৪/৫ টাকায় লাভ হয় ৯/২০ টাকা ∴ ১ টাকায় লাভ হয় (৯ × ৫)/(২০ × ৪) টাকা ∴ ১০০ টাকায় লাভ হয় (৯ × ৫ × ১০০)/(২০ × ৪) টাকা = ২২৫/৪ টাকা = ৫৬.২৫ টাকা
৩২.
৬০ থেকে ৮০ এর মধ্যবর্তী বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যার অন্তর হবে-
ক
ক) ৮
খ
খ) ১২
গ
গ) ১৮
ঘ
ঘ) ১৪০
সঠিক উত্তর: গ
গ) ১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
গ) ১৮
গ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৬০ থেকে ৮০ এর মধ্যবর্তী বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যার অন্তর হবে-
সমাধান: ৬০ থেকে ৮০ মধ্যবর্তী বৃহত্তম মৌলিক সংখ্যা = ৭৯ ৬০ থেকে ৮০ মধ্যবর্তী ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যা = ৬১
৬০ থেকে ৮০ মধ্যবর্তী বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যার অন্তর হবে, ৭৯ - ৬১ = ১৮
৩৩.
যে সর্বোচ্চ শ্রুতিসীমার উপরে মানুষ বধির হতে পারে তা-
ক
ক) ৭৫ ডিবি
খ
খ) ৯০ ডিবি
গ
গ) ১০৫ ডিবি
ঘ
ঘ) ১২০ ডিবি
সঠিক উত্তর: গ
গ) ১০৫ ডিবি
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
গ) ১০৫ ডিবি
গ
ব্যাখ্যা
শব্দের তীব্রতা পরিমাপের একক ডেসিবেল (ডিবি)। শব্দের মাত্রা ৪৫ ডিবি হলেই সাধারণত মানুষ ঘুমাতে পারে না। ৮৫ ডিবিতে শ্রবণ শক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে এবং মাত্রা ১২০ ডিবি হলে কানে ব্যথা শুরু হয়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) মতানুসারে, সাধারণত ৬০ ডিবি শব্দ একজন মানুষকে সাময়িকভাবে বধির করে ফেলতে পারে এবং ১০০ ডিবি শব্দ সম্পূর্ণ বধিরতা সৃষ্টি করতে পারে। বাংলাদেশের পরিবেশ অধিদপ্তরের জরিপ অনুসারে, যেকোন ব্যক্তি যেকোন স্থানে আধঘণ্টা বা তার অধিক সময় ধরে ঘটা ১০০ ডিবি বা তার অধিক শব্দ দূষণের ফলে বধির হয়ে যেতে পারে।
যেহেতু ১০০ ডিবি অপশনে নেই সেহেতু উত্তর হবে ১০৫ ডিবি।
বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড ১৯৭৭ রহিত করে কবে বিদ্যুতায়ন বোর্ড আইন জারি করা হয়েছিল?
ক
ক) ২০১৭ সালে
খ
খ) ২০১০ সালে
গ
গ) ২০১৩ সালে
ঘ
ঘ) ২০২১ সালে
সঠিক উত্তর: গ
গ) ২০১৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
গ) ২০১৩ সালে
গ
ব্যাখ্যা
- ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড অধ্যাদেশ, ১৯৭৭ (১৯৭৭ এর অধ্যাদেশ নং ৫১) জারি করেন ও অধ্যাদেশ অনুসারে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৭৮ সালে এটি কার্যক্রম শুরু করে। - ২০১৩ সালে অধ্যাদেশটি রহিত করা হয় ও পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড আইন, ২০১৩ জারি করা হয়।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড ওয়েবসাইট।
৩৬.
সুবর্ণগ্রাম কার পূর্ব নাম?
ক
ক) সাভার
খ
খ) সোনারগাঁও
গ
গ) নরসিংদী
ঘ
ঘ) ময়নামতি
সঠিক উত্তর: খ
খ) সোনারগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
খ) সোনারগাঁও
খ
ব্যাখ্যা
- প্রাচীনকালে ‘সুবর্ণগ্রাম’ নামে পরিচিত ছিল- সোনারগাঁও।
৪। অতি উচ্চচাপ (ইএইচটি): ১৩২ কেভি এবং ২৩০ কেভি - বিদ্যুৎ সরবরাহ: অতি উচ্চচাপ এসি ১৩২ কেভি এবং ২৩০ কেভি। - ফ্রিকোয়েন্সি: ৫০ সাইকেল/সেকেন্ড।
উৎস: Source: desco.org.bd, জাতীয় তথ্য বাতায়ন। [link].
৩৮.
দেশের উত্তরাঞ্চলে বিদ্যুৎ বিতরণের দায়িত্বে নিয়োজিত সংস্থা -
ক
ক) নেসকো ও ওজোপাডিকো
খ
খ) নেসকো ও বিপিডিবি
গ
গ) নেসকো ও বিআরইবি
ঘ
ঘ) বিআরইবি ও বিপিডিবি
সঠিক উত্তর: গ
গ) নেসকো ও বিআরইবি
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
গ) নেসকো ও বিআরইবি
গ
ব্যাখ্যা
দেশের উত্তরাঞ্চলে বিদ্যুৎ বিতরণের দায়িত্বে নিয়োজিত সংস্থা - নেসকো ও বিআরইবি।
• নেসকো: - নর্দান ইলেক্ট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানী (নেসকো) লিমিটেড বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এর একটি প্রতিষ্ঠান। - নেসকো পিএলসি উত্তরাঞ্চলের রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ১৬ টি জেলার আওতাধীন ৩৯ টি উপজেলা শহর ও শহরাঞ্চলের গ্রাহকগণকে ৫৫ টি বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ/ বিদ্যুৎ সরবরাহ ইউনিট এর মাধ্যমে নির্ভরযোগ্য ও সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ, অধিকতর ভাল গ্রাহক সেবা প্রদান এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের রূপকল্প-২০২১ বাস্তবায়নের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
• বিআরইবি: - বাপবিবো এর মাধ্যমে বিআরইবি দেশের উত্তরাঞ্চলে বিদ্যুৎ বিতরণের দায়িত্বে নিয়োজিত।
• বাপবিবোর: - পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৭৮ সালে সংস্থাটি কার্যক্রম শুরু করে। - বর্তমানে ২০১৩ সালের ৫৭ নং আইন “পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড আইন, ২০১৩” অনুসারে বিদ্যুৎ, জ্বালানি এবং খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হিসাবে এটি পরিচালিত হচ্ছে। - সংস্থাটি ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাধ্যমে সমগ্র পল্লী অঞ্চলে ঘরে ঘরে নিরবচ্ছিন্ন, সাশ্রয়ী ও নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। - বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ইতোমধ্যেই পল্লী বিদ্যুতায়ন কার্যক্রমে যথাযথ ব্যবস্থাপনা, গুণগত সেবা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে দেশে-বিদেশে সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। বাংলাদেশের প্রায় ৮০% গ্রামাঞ্চলে এ প্রতিষ্ঠান সফলভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহের কাজে নিয়োজিত আছে।
- পল্লী বিদ্যুতের ২০০৮ সালের গ্রাহক সংখ্যা ৭৪ লক্ষ থেকে বর্তমানে ৩ কোটি ৩৬ লক্ষ (জুলাই,২২ অনুযায়ী) এবং বিদ্যুতায়নের হার ২৮% থেকে ১০০% এ উন্নীত হয়েছে। দেশ এখন শতভাগ বিদ্যুতায়িত। ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ভৌগোলিক এলাকায় টেকসই, গুণগতমান সম্পন্ন, সাশ্রয়ী ও নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাপবিবো নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। - বাংলাদেশের প্রায় ৮০% গ্রামাঞ্চলে এ প্রতিষ্ঠান সফলভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহের কাজে নিয়োজিত আছে।
তথ্যসূত্র: নেসকো ও বাপবিবোর ওয়েবসাইট।
৩৯.
‘অগ্নি' শব্দের সমার্থক নয় কোনটি?
ক
ক) হুতাশন
খ
খ) কৃশানু
গ
গ) বায়ুসখা
ঘ
ঘ) দ্যুতি
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) দ্যুতি
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) দ্যুতি
ঘ
ব্যাখ্যা
• অগ্নি শব্দের অন্যান্য সমার্থক শব্দ: অনল, বহ্নি, পাবক, হুতাশন, বৈশ্বানর, জ্বলন, শিখাবৎ, শিখিন, বায়ুসখা, হুতভুক, শুচি, পিঙল, বিশ্বপা, হিমারাতি, বায়ুসখা অনিলসখ, জগন্নু, কৃশানু সর্বভুক ইত্যাদি।
• 'প্রভা' শব্দের সমার্থক শব্দ = আলোক, আভা, জ্যোতি, ময়ূখ, দ্যুতি, কিরণ, বিভা, অংশু ইত্যাদি।
উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরন ও নির্মিতি- ড. হায়াৎ মামুদ।
৪০.
গ্রিনিচ মানমন্দির কোথায় অবস্থিত?
ক
ক) চীন
খ
খ) জাপান
গ
গ) রাশিয়া
ঘ
ঘ) যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) যুক্তরাজ্য
ঘ
ব্যাখ্যা
গ্রীনিচ মানমন্দির: - গ্রীনিচ মানমন্দির যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরে অবস্থিত। - এর উপর দিয়ে মূল মধ্যরেখা বা শূন্য ডিগ্রী দ্রাঘিমারেখা গেছে। - ১৮৮৪ সালের ১ নভেম্বর জিএমটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রমাণ সময় হিসেবে গৃহিত হয়। - তবে ১৯৭২ সালে GMT এর পরিবর্তে আন্তর্জাতিক প্রমাণ সময হিসেবে UTC (Coordinated Universal Time) গৃহিত হয়। - গ্রীনিচ মানমন্দির অফিসিয়াল টাইম জোন হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- যুক্তরাজ্যের গ্রিনিচ মানমন্দিরের সময় অপেক্ষা বাংলাদেশের সময় ৬ ঘন্টা বেশি। - পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে। - সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০×৪=৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং গ্রীনিচ মানমন্দির ওয়েবসাইট।
৪১.
No article is used before -
ক
ক) a pronoun
খ
খ) an adjective
গ
গ) a noun
ঘ
ঘ) a verb
সঠিক উত্তর: ক
ক) a pronoun
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
ক) a pronoun
ক
ব্যাখ্যা
• Adjective, noun এবং adverb - এর পূর্বে Article বসে কিন্তু pronoun এর পূর্বে article বসে না। যেমন: - Article + Noun → A boy. - Article + Adjective + Noun → A good boy. - Article + Adverb + Adjective + Noun → A very good boy.
• কিন্তু pronoun এর পূর্বে কোনো article বসে না। যেমন: A he. An he, The he ইত্যাদি হয় না।
৪২.
মানুষের শরীরে কত ধরনের রক্ত কণিকা আছে?
ক
ক) ৩
খ
খ) ৪
গ
গ) ৫
ঘ
ঘ) ৬
সঠিক উত্তর: ক
ক) ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
ক) ৩
ক
ব্যাখ্যা
মানুষের রক্তে ৩ ধরনের রক্তকণিকা রয়েছে৷ যথা- ১. লোহিত রক্তকণিকা, ২. শ্বেত রক্তকণিকা, ৩. অনুচক্রিকা।
• লোহিত রক্ত কণিকায় হিমোগ্লোবিন নামে একটি লৌহজাত যৌগ থাকে যার জন্য রক্ত লাল হয়। • শ্বেত রক্তকণিকা হিমোগ্লোবিনবিহীন এবং নিউক্লিয়াসযুক্ত বড় আকারের কোষ৷ • অণুচক্রিকা হলো গোলাকার, ডিম্বাকার বা রড আকারের। এতে নউক্লিয়াস থাকে না।
• ডেঙ্গু জ্বরের বাহক এডিস মশা। - Aedes Aegypti (এডিস এজিপটাই) প্রজাতির মশার কামড়ে ডেঙ্গু ছড়ায়। - এছাড়াও এডিস এলবোপিকটাস মশার কামড়েও ডেঙ্গু রোগ ছড়াতে পারে। - এডিস মশার কামড়ের মাধ্যমে ভাইরাস সংক্রমণের তিন থেকে পনেরো দিনের মধ্যে সচরাচর ডেঙ্গু জ্বরের উপসর্গগুলো দেখা দেয়।
• ডেঙ্গু জ্বরের উপসর্গ: - জ্বর, মাথাব্যথা, বমি, পেশিতে ও গাঁটে ব্যাথা এবং চর্মে ফুসকুড়ি। - দুই থেকে সাত দিনের মাঝে সাধারণত ডেঙ্গু রোগী আরোগ্য লাভ করে। - কিছু কিছু ক্ষেত্রে রোগটি মারাত্মক রক্তক্ষরী রূপ নিতে পারে যাকে ডেঙ্গু রক্তক্ষরী জ্বর বলা হয়। - এর ফলে রক্তপাত হয়, রক্ত অনুচক্রিকার মাত্রা কমে যায় এবং রক্ত প্লাজমার নিঃসরণ ঘটে। - কিছু কিছু ক্ষেত্রে ডেঙ্গু শক সিনড্রোম দেখা দেয়। ডেঙ্গু শক সিনড্রোমে রক্তচাপ বিপজ্জনকভাবে কমে যায়।
উৎস: জীববিজ্ঞান- ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং WHO ওয়েবসাইট।
৪৪.
মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা কত ডিগ্রি ফারেনহাইট?
ক
ক) ৯৭.২
খ
খ) ৯৪.৮
গ
গ) ৯৬.৪
ঘ
ঘ) ৯৮.৪
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) ৯৮.৪
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) ৯৮.৪
ঘ
ব্যাখ্যা
- যে থার্মোমিটারের সাহায্যে শরীরের তাপমাত্রা মাপা হয় তাকে ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটার বলে। - এই থার্মোমিটারে ফারেনহাইট স্কেল ব্যবহার করা হয়। - ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটারে ৯৫-১১০° ফারেনহাইট পর্যন্ত দাগ কাটা থাকে। - মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৯৮.৪° ফারেনহাইট বা ৩৬.৯° সেলসিয়াস।
উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪৫.
‘সম্বোধন' শব্দের অর্থ-
ক
ক) আহ্বান
খ
খ) নাম
গ
গ) পরিচয়
ঘ
ঘ) অভিবাদন
সঠিক উত্তর: ক
ক) আহ্বান
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
ক) আহ্বান
ক
ব্যাখ্যা
সম্বোধন (বিশেষণ) - সংস্কৃত শব্দ। - সঠিক প্রকৃতি প্রত্যয় = সম্+√বোধি+অন অর্থ: - আহ্বান। - সম্ভাষণ। - ডাক। - বাক্যে যে পদের সাহায্যে কোনো ব্যক্তিকে আহ্বান করা হয়।
উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
৪৬.
টেস্টে পাঁচ হাজার রান করা প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার কে?
ক
ক) মুশফিকুর রহিম
খ
খ) তামিম ইকবাল
গ
গ) সাকিব আল হাসান
ঘ
ঘ) মুমিনুল হক
সঠিক উত্তর: ক
ক) মুশফিকুর রহিম
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
ক) মুশফিকুর রহিম
ক
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে টেস্টে পাঁচ হাজার রানের মাইলফলকে পৌঁছান মুশফিকুর রহিম। - ২০০৫ সালের মে মাসে লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেক মুশফিকের। - ১৭ বছরের ক্যারিয়ারে টেস্ট খেলেছেন ৮১টি। ১৪৯ ইনিংস লেগেছে তাঁর পাঁচ হাজার রানের মাইলফলক ছুঁতে। - টেস্ট ক্রিকেটে ৭টি শতক মুশফিকের। অর্ধশতক ২৬টি। সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস ২১৯। ২০১৩ সালে গলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে।
তথ্যসূত্র:- প্রথম আলো।
৪৭.
নিচের কোনটি নিষিদ্ধ নগরী হিসেবে পরিচিত?
ক
ক) কাঠমাণ্ডু
খ
খ) মস্কো
গ
গ) পুনাস্থা
ঘ
ঘ) লাসা
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) লাসা
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) লাসা
ঘ
ব্যাখ্যা
- আজও সমগ্র বিশ্বের ভূগোলবিদদের কাছে তিব্বত রহস্যঘেরা এক মায়াপুরী। - তিব্বতকে বলা হয় নিষিদ্ধ দেশ এবং এর রাজধানী লাসাকে বলা হয় নিষিদ্ধ শহর। - সুপ্রাচীনকাল থেকেই বহির্বিশ্বের কাছে তিব্বত এক নিষিদ্ধ বিস্ময়! কারণ দীর্ঘদিন বিদেশিদের প্রবেশ তিব্বতে একেবারেই নিষিদ্ধ ছিল, যা আজও নানা নিয়মকানুনের বেড়াজালে ঘেরা।
Source: বাংলাদেশ প্রতিদিন।
৪৮.
পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মেট্রোপলিটন শহর কোনটি?
ক
ক) টোকিও
খ
খ) বেইজিং
গ
গ) লন্ডন
ঘ
ঘ) নিউইয়র্ক
সঠিক উত্তর: ক
ক) টোকিও
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
ক) টোকিও
ক
ব্যাখ্যা
• বড় মেট্রোপলিটন শহর: - পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মেট্রোপলিটন শহর - টোকিও, জাপান। - বৃহত্তর টোকিও মেট্রো এলাকাটিতে জাপানের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩০% বাস করে।
বিশ্ব ১০টি বৃহত্তম মেট্রো শহর: - টোকিও, জাপান - ৩৬.৫ মিলিয়ন। - দিল্লি, ভারত - ৩০.১ মিলিয়ন। - জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া - ২৯.৮ মিলিয়ন। - সাংহাই, চীন - ২৬.৯ মিলিয়ন। - ম্যানিলা, ফিলিপাইন - ২৫.৫ মিলিয়ন। - সিউল, দক্ষিণ কোরিয়া - ২৪.৩ মিলিয়ন। - কায়রো - ২৩.৫ মিলিয়ন। - কলকাতা, ভারত - ২৩.১ মিলিয়ন। - মুম্বাই, ভারত -২২.২৩ মিলিয়ন। - সাও পাওলো - ২ মিলিয়ন।
তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ।
৪৯.
Power System Master Plan অনুযায়ী ২০৪১ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা কত?
ক
ক) ৪০ হাজার মেগাওয়াট
খ
খ) ৩৫ হাজার মেগাওয়াট
গ
গ) ৬০ হাজার মেগাওয়াট
ঘ
ঘ) ৮০ হাজার মেগাওয়াট
সঠিক উত্তর: গ
গ) ৬০ হাজার মেগাওয়াট
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
গ) ৬০ হাজার মেগাওয়াট
গ
ব্যাখ্যা
বিদ্যুৎখাতের উন্নয়নে সুদূর প্রসারী ও সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২০২১, ২০৩০ ও ২০৪১ সাল নাগাদ বিদ্যুৎ উৎপাদনের নিম্নবর্ণিত লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে: ২০২১ সালে ২৪,০০০ মেগাওয়াট। ২০৩১ সালে ৪০,০০০ মেগাওয়াট। ২০৪১ সালে ৬০,০০০ মেগাওয়াট।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫০.
১৮ মে, ২০২২ কোন দুটি দেশ ন্যাটোতে যোগ দিতে আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করেন?
ক
ক) সুইজারল্যান্ড ও কানাডা
খ
খ) ফিনল্যান্ড ও সুইডেন
গ
গ) বেলারুশ ও ইউক্রেন
ঘ
ঘ) জর্জিয়া ও সার্বিয়া
সঠিক উত্তর: খ
খ) ফিনল্যান্ড ও সুইডেন
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
খ) ফিনল্যান্ড ও সুইডেন
খ
ব্যাখ্যা
১৮ মে, ২০২২ ফিনল্যান্ড ও সুইডেন ন্যাটোতে যোগ দিতে আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করেন।
NATO: - পূর্ণরুপ-The North Atlantic Treaty Organization - NATO প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে। - উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়। - NATO গঠনের মূল উদ্দেশ্য ছিল - সমাজতন্ত্রের বিস্তার ঠেকানো এবং সম্মিলিতভাবে সোভিয়েত ইউনিয়নকে মোকাবেলা করা। - NATO র প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ১২ টি।
- NATO র বর্তমান সদস্য ৩১ টি। - সর্বশেষ সদস্য - ফিনল্যান্ড (যোগদান করে -৪ এপ্রিল, ২০২৩)। - NATO ভুক্ত মুসলিম দেশ ২টি (তুরস্ক ও আলবেনিয়া)। - NATO র বর্তমান সদর দপ্তর ব্রাসেলস (নোট: প্রতিষ্ঠাকালীন সদর দপ্তর ছিল লন্ডন)। - মহাপরিচালক- Jens Stoltenberg.
তথ্যসূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
৫১.
ফেসবুক এর প্রতিষ্ঠাতার নাম কী?
ক
ক) জ্যাক ডর্সি
খ
খ) মার্ক জুকারবার্গ
গ
গ) ইলন মাস্ক
ঘ
ঘ) স্টিভ জবস
সঠিক উত্তর: খ
খ) মার্ক জুকারবার্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
খ) মার্ক জুকারবার্গ
খ
ব্যাখ্যা
সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম 'ফেসবুক'-এর প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছেন মার্ক জুকারবার্গ।
- মার্ক জুকারবার্গ এর সম্পূর্ণ নাম হলো “Mark Elliot Zuckerberg” যার জন্ম হয়েছিল ১৪ই মে, ১৯৮৪ সালে। - Facebook বিশ্বের সবচেয়ে বড় ইন্টারনেট ভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। - ২০০৩ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয়বর্ষে থাকাকালীন জাকারবার্গ “ফেসম্যাশ” নামে একটি প্রোগ্রাম লিখেছিলেন। - ৪ই ফেব্রুয়ারি ২০০৪ এ ফেসবুক যাত্রা শুরু করে। - ফেসবুকের সদরদপ্তর- মেনলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
সূত্র: Facebook Website
৫২.
x + y = 7 এবং xy = 10 হলে (x - y)2 এর মান কত?
ক
ক) 3
খ
খ) 6
গ
গ) 9
ঘ
ঘ) 10
সঠিক উত্তর: গ
গ) 9
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
গ) 9
গ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x + y = 7 এবং xy = 10 হলে (x - y)2 এর মান কত?
একটি কলম ২৫ টাকায় বিক্রয় করলে যে ক্ষতি হয় ৩৫ টাকায় বিক্রয় করলে তত টাকা লাভ হয়। কলমটির ক্রয়মূল্য কত?
ক
ক) ৩০
খ
খ) ৩৫
গ
গ) ৪০
ঘ
ঘ) ৪৫
সঠিক উত্তর: ক
ক) ৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
ক) ৩০
ক
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি কলম ২৫ টাকায় বিক্রয় করলে যে ক্ষতি হয় ৩৫ টাকায় বিক্রয় করলে তত টাকা লাভ হয়। কলমটির ক্রয়মূল্য কত?
সমাধান: মনেকরি, ২৫ টাকায় বিক্রয় করলে ক্ষতি হয় = ক টাকা ক্রয়মূল্য = ২৫ + ক
৩৫ টাকায় বিক্রয় করলে লাভ হয় = ক টাকা ক্রয়মূল্য = ৩৫ - ক
প্রশ্নমতে, ২৫ + ক = ৩৫ - ক বা ক + ক = ৩৫ - ২৫ বা ২ক = ১০ বা ক = ৫
∴ ক্রয়মূল্য = ২৫ + ৫ = ৩০ টাকা।
৫৪.
৫ টাকায় ২টি দরে কমলা ক্রয় করে ৩৫ টাকায় কয়টি করে কমলা বিক্রয় করলে শতকরা ৪০ টাকা লাভ হবে?
ক
ক) ৮টি
খ
খ) ১০টি
গ
গ) ১২টি
ঘ
ঘ) ১৪টি
সঠিক উত্তর: খ
খ) ১০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
খ) ১০টি
খ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৫ টাকায় ২টি দরে কমলা ক্রয় করে ৩৫ টাকায় কয়টি করে কমলা বিক্রয় করলে শতকরা ৪০ টাকা লাভ হবে?
সমাধান: ৪০% লাভে, ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য ১৪০ টাকা। ক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য ১৪০/১০০ টাকা। ক্রয়মূল্য ৫ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য (১৪০ × ৫)/১০০ টাকা। = ৭ টাকা
৭ টাকায় বিক্রয় করতে হবে ২টি কমলা ১ টাকায় বিক্রয় করতে হবে ২/৭ টি কমলা ৩৫ টাকায় বিক্রয় করতে হবে (২ × ৩৫)/৭ টি কমলা = ১০টি কমলা
৫৫.
মিতা একটি কাজ ১০ দিনে করতে পারে। রিতা সে কাজটি ১৫ দিনে করতে পারে। তারা একত্রে কতদিনে কাজটি শেষ করতে পারবে?
ক
ক) ৬ দিনে
খ
খ) ১২ দিনে
গ
গ) ১৮ দিনে
ঘ
ঘ) ৮ দিনে
সঠিক উত্তর: ক
ক) ৬ দিনে
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
ক) ৬ দিনে
ক
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: মিতা একটি কাজ ১০ দিনে করতে পারে। রিতা সে কাজটি ১৫ দিনে করতে পারে। তারা একত্রে কতদিনে কাজটি শেষ করতে পারবে?
সমাধান: মিতা একটি কাজ করতে পারে ১০ দিনে মিতা১ দিনে করতে পারে ১/১০ অংশ।
রিতা ঐ কাজ ১৫ দিনে করতে পারে রিতা ১ দিনে করতে পারে ১/১৫ অংশ।
মিতা ও রিতা একত্রে ১ দিনে করতে পারে (১/১০) + (১/১৫) = (৩ + ২)/৩০ = ৫/৩০ অংশ = ১/৬ অংশ
মিতা ও রিতা একত্রে ১/৬ অংশ কাজ করতে পারে = ১ দিনে সম্পূর্ণ বা ১ অংশ কাজ করতে পারে (৬/১)/১ = ৬ দিনে
৫৬.
একটি ত্রিভুজের দুইটি কোণের পরিমাণ ৩৫ ডিগ্রি ও ৫৫ ডিগ্রি হলে ত্রিভুজটি কোন ধরনের?
ক
ক) সমবাহু
খ
খ) সমকোণী
গ
গ) স্থুল কোণী
ঘ
ঘ) সমদ্বিবাহু
সঠিক উত্তর: খ
খ) সমকোণী
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
খ) সমকোণী
খ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ত্রিভুজের দুইটি কোণের পরিমাণ ৩৫ ডিগ্রি ও ৫৫ ডিগ্রি হলে ত্রিভুজটি কোন ধরনের?
সমাধান: একটি ত্রিভুজের দুই কোণের পরিমান ৩৫ ডিগ্রি ও ৫৫ ডিগ্রি হলে, কোণ দুইটির যোগফল = ৩৫ + ৫৫ = ৯০ ডিগ্রি অতএব, অপর কোণ = ১৮০ - ৯০ = ৯০ ডিগ্রি একটি ত্রিভুজের এক কোণ সমকোণ হলে তা সমকোণী
ধরি, আসল = ৪ টাকা মুনাফা = ৪ এর ১/৪ = ১ টাকা মুনাফা-আসল = ৪ + ১ = ৫ টাকা
এখন, মুনাফা-আসল ৫ টাকা হলে আসল = ৪ টাকা মুনাফা-আসল ১ টাকা হলে আসল = ৪/৫ টাকা মুনাফা-আসল ১২৫০ টাকা হলে আসল = (৪ × ১২৫০)/৫ = ১০০০ টাকা
৫৮.
নিচের কোন শব্দটি অন্য শব্দগুলো থেকে আলাদা?
ক
ক) ঢেঁকি
খ
খ) কাগজ
গ
গ) আনারস
ঘ
ঘ) উকিল
সঠিক উত্তর: ক
ক) ঢেঁকি
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
ক) ঢেঁকি
ক
ব্যাখ্যা
উপরোক্ত শব্দ সমূহের মধ্যে, কাগজ, আনারস, উকিল বিদেশি শব্দ।
বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে, কাগজ (বিশেষ্য) - ফারসি শব্দ। অর্থ: - লেখা আঁকা বা ছাপার কাজে ব্যবহৃত বাঁশ তুলা প্রভৃতির মণ্ড থেকে তৈরি পাতলা পত্রবিশেষ। - দলিলপত্র, - সংবাদপত্র।
আনারস (বিশেষ্য): - পর্তুগিজ ভাষার শব্দ অর্থ: গ্রীষ্ম-মণ্ডলীয় অঞ্চলে চাষ করা হয় এমন পুরু ও কর্কশ খোসায় আবৃত এবং শীর্ষে কাঁটাযুক্ত লম্বাটে গুচ্ছ-বদ্ধ পাতাবিশিষ্ট ভিটামিন এ বি এবং সি সমৃদ্ধ বৃহাদাকার অম্লমধুর রসালো ফল।
উকিল (বিশেষ্য) - আরবি শব্দ, অর্থ: - আইন ব্যবসায়ী, - ব্যবহারজীবী, - প্রতিনিধি - মুসলমান সমাজের বিবাহের অনুষ্ঠানে যে ব্যাক্তি কনের আনুষ্ঠানিক সম্মতি নিয়ে বিজ্ঞাপিত করে।
অন্যদিকে, অভিধান অনুসারে 'ঢেঁকি' - হিন্দি শব্দ। মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী 'ঢেঁকি' - দেশি শব্দ।
এখানে, ঢেঁকি গ্রহনযোগ্য উত্তর।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৫৯.
Drone কী?
ক
ক) যাত্রীবাহী দ্রুতগামী বিমান
খ
খ) যাত্রী বিহীন বিমান
গ
গ) চালকসহ বিমান
ঘ
ঘ) চালকবিহীন বিমান
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) চালকবিহীন বিমান
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) চালকবিহীন বিমান
ঘ
ব্যাখ্যা
‘ড্রোন’ হলো এক প্রকার চালকবিহীন বিমান। এটি Unmanned Aerial Vehicles(UAVs) কিংবা Remotely Piloted Aerial Systems (RPAS) নামেও পরিচিত। এ ধরনের বিমান মনুষ্যচালিত বিমান থেকে আকারে ছোট হয়ে থাকে। যেসব ক্ষেত্রে পাইলট চালিত বিমানের বিচরণ ঝুঁকিপূর্ণ কিংবা পাইলটের সংকট রয়েছে সেসব ক্ষেত্রে সাধারণত ড্রোন ব্যবহৃত হয়। বর্তমান বিশ্বে সামরিক ক্ষেত্রে ড্রোনের ব্যবহার উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সূত্র: বিবিসি ওয়ার্ল্ড।
৬০.
নিশীথ সূর্যের দেশ বলা হয় কোন দেশকে?
ক
ক) নরওয়ে
খ
খ) জাপান
গ
গ) ফিনল্যান্ড
ঘ
ঘ) সুইডেন
সঠিক উত্তর: ক
ক) নরওয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
ক) নরওয়ে
ক
ব্যাখ্যা
নিশীথ সূর্যের দেশ: - নরওয়েকে বলা হয় 'নিশীথ সূর্যের দেশ'। - নরওয়ে একটি উত্তর ইউরোপীয় দেশ। - এর আয়তন ৩৮৫,২০৭ বর্গ কিলোমিটার। - নরওয়ে হল উঁচু মালভূমি, গভীর অরণ্যের উপত্যকা। - এর রাজধানী অসলো। - আধুনিক নরওয়ে ১৯০৫ সালে স্বাধীনতা লাভ করে।