পরীক্ষা আর্কাইভ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

পরীক্ষা৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins১৮২ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১৮৪
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 16” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- ৫০তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট⎯৫
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ১৮৪ প্রশ্ন

.
তীব্র এসিডের সাধারণ বৈশিষ্ট্য কোনটি? 
  1. জলীয় দ্রবণে অম্লধর্ম প্রকাশ করে না
  2. এটি ধাতুর সঙ্গে বিক্রিয়া করে না
  3. এটি আংশিকভাবে আয়নিত হয়
  4. এটি সম্পূর্ণ আয়নিত হয়
ব্যাখ্যা

- তীব্র এসিডের সাধারণ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এটি জলীয় দ্রবণে সম্পূর্ণভাবে আয়নিত হয়। 
অন্যদিকে, সব এসিডই জলীয় দ্রবণে অম্লধর্ম প্রকাশ করে; তীব্র এসিড সাধারণত সক্রিয় ধাতুর সাথে বিক্রিয়া করে হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন করে এবং আংশিকভাবে আয়নিত হওয়া দুর্বল এসিডের (weak acids) বৈশিষ্ট্য। 

এসিড: 
- এসিড টক স্বাদ যুক্ত। 
- এসিড নীল লিটমাসকে লাল বর্ণে পরিণত করে। 
- এসিড ক্ষার ও ক্ষারকের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে। 
- এটি ধাতুর সাথে বিক্রিয়া করে হাইড্রোজেন (H2) গ্যাস উৎপন্ন করে। 

জৈব এসিড: 
- জৈব এসিড মূলত কার্বক্সিলিক মূলক (-COOH) অথবা সালফোনিক এসিড মূলক (-SO3H) বর্তমান থাকে এবং অম্লধর্ম প্রকাশ পায়, ওদেরকে জৈব এসিড বলে। 

অজৈব এসিড: 
- অজৈব যৌগ কিন্তু টক স্বাদ যুক্ত, নীল লিটমাসকে লাল করে, ক্ষার বা ক্ষারকের সাথে বিক্রিয়া করে লবণও পানি উৎপন্ন করে এবং ধাতুর সাথে বিক্রিয়া করে হাইড্রোজেন (H2) গ্যাস উৎপন্ন করে তাকে অজৈব এসিড বলে। 

তীব্র এসিড: 
- তীব্র এসিড জলীয় দ্রবণে সম্পূর্ণভাবে আয়নিত হয়। 
যেমন- HCl, HNO3, H2SO4 ইত্যাদি। 

দুর্বল এসিড: 
- দুর্বল এসিড জলীয় দ্রবণ আংশিকভাবে আয়নিত হয়। 
যেমন- H2CO3, H-COOH, CH3-COOH ইত্যাদি। 

উৎস:
রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
কোন ধরনের ভাইরাস ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ নিয়ন্ত্রণে ব্যবহার করা হয়?
  1. ফায ভাইরাস
  2. রোটা ভাইরাস
  3. ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস
  4. হেপাটাইটিস ভাইরাস
ব্যাখ্যা

- ফায ভাইরাস, ব্যাকটেরিওফায (bacteriophage) নামে পরিচিত, এটি এক ধরনের ভাইরাস যা বিশেষভাবে ব্যাকটেরিয়াকে আক্রমণ করে এবং মেরে ফেলে। কিছু ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ যেমন- কলেরা, টাইফয়েড, আমাশয় ইত্যাদির ওষুধ তৈরিতে এই ফায ভাইরাস বা ব্যাকটেরিওফায ব্যবহৃত হয়। এই প্রক্রিয়াটিকে ফায থেরাপি (phage therapy) বলা হয় এবং এটি ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের একটি সম্ভাব্য পদ্ধতি। 

ভাইরাসের উপকারিতা: 
- বিজ্ঞানীরা অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে ভাইরাসকে বিভিন্নভাবে মানুষের কিছু উপকারে আনতে সক্ষম হয়েছেন। 
যেমন- 
• বসন্ত, পোলিও, এবং জলাতঙ্ক রোগের প্রতিষেধক টিকা ভাইরাস দিয়েই তৈরি করা হয়। 
• ভাইরাস হতে জন্ডিস রোগের টিকা তৈরি করা হয়। 
• ভাইরাসকে বর্তমানে বহুল আলোচিত জিনতত্ত্ব ও আণবিক জীববিদ্যা বা জিন প্রকৌশলে বাহক হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। 
• ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া নিয়ন্ত্রণে ভাইরাস ব্যবহার করা হচ্ছে। যেমন- ফায ভাইরাস ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করে ব্যাকটেরিয়াজনিত আমাশয় রোগ থেকে মানুষকে রক্ষা করে। 
• কতিপয় ভাইরাস ব্যবহার করে ক্ষতিকর পোকামাকড় ও কীটপতঙ্গ দমন করা সম্ভব হচ্ছে। 
• জীব সৃষ্টি প্রক্রিয়া, অভিব্যক্তি ও ক্রমবিবর্তনের ধারা সম্পর্কে জ্ঞানলাভ করার চাবিকাঠি হলো ভাইরাস, কেননা ভাইরাসে জীব ও জড় উভয় বৈশিষ্ট্যই বিদ্যমান। 
• লাল টিউলিপ ফুলে ভাইরাস আক্রমণের ফলে লম্বা লম্বা সাদা দাগ পড়ে, এর ফলে ফুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় এবং ফুলের মূল্যও বাড়ে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
ডিজিটাল সংকেতের স্তরকে কোন রূপে প্রকাশ করা হয়?
  1. লাল ও নীল
  2. ধ্রুব ও পরিবর্তনশীল
  3. সত্য ও মিথ্যা
  4. সবগুলোই 
ব্যাখ্যা

- ডিজিটাল সংকেত বাইনারি (Binary) পদ্ধতিতে কাজ করে, যেখানে শুধুমাত্র দুটি অবস্থা থাকে- একটি উচ্চ (High) এবং একটি নিম্ন (Low)। এই দুটি অবস্থাকে লজিক্যালি সত্য ও মিথ্যা (True/False) অথবা বাইনারি অঙ্ক ১ ও ০ দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 

ইলেকট্রনিকস পদ্ধতি: 

- বিশেষ কোনো প্রয়োগের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত অনেকগুলি ইলেকট্রনিকস বর্তনীকে সমষ্টিগতভাবে ইলেকট্রনিকস পদ্ধতি বলা হয়। 
যেমন- কম্পিউটার, টেলিভিশন, রেডিও, ইলেকট্রনিকস ঘড়ি, ক্যালকুলেটর ইত্যাদি বহুল পরিচিত ইলেকট্রনিকস পদ্ধতির উদাহরণ। 
- বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে ইলেকট্রনিকস পদ্ধতিসমূহকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. এনালগ পদ্ধতি (analogue system), 
২. ডিজিটাল পদ্ধতি (digital system) এবং 
৩. মিশ্র পদ্ধতি (hybrid system) । 

ডিজিটাল পদ্ধতি: 
- ডিজিটাল সংকেত হলো বিচ্ছিন্ন তড়িৎ সংকেত। এই সংকেতের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ মান আছে। এই দুই মানের মাঝে অন্য কোনো স্তর নাই। সময়ের সাথে এর মান হয় সর্বোচ্চ না হয় সর্বনিম্ন মানে পরিবর্তিত হয়। এই সংকেত হচ্ছে চৌকো তরঙ্গের (square waves)। 
- ডিজিটাল পদ্ধতিতে ক্রম-পরিবর্তনশীল এনালগ সংকেতের পরিবর্তে স্তর পরিবর্তনশীল সংকেত ব্যবহার করা হয়।
- ইলেকট্রনিকসের ডিজিটাল পদ্ধতির এই সংকেতকে ডিজিটাল বা বাইনারী (binary) সংকেত বলা হয়। দুটি পৃথক অবস্থায় কাজ করে এমন যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে এই সংকেত পাওয়া যায়। 
যেমন- ট্রানজিস্টারের সচল বা অন (on) এবং অচল বা অফ (off) অবস্থা দ্বারা দুটি পৃথক অবস্থা বোঝানো সম্ভব। প্রজ্জ্বলিত বাতি এবং নির্বাপিত বাতি অথবা টেপের চৌম্বকায়িত অবস্থা বা অচৌম্বকায়িত অবস্থা দিয়ে ডিজিটাল সংকেতের স্তর দুটিকে সহজে চিহ্নিত করা সম্ভব। 
- ডিজিটাল সংকেতের স্তর দুটিকে ০ এবং ১ (0 and 1), সত্য এবং মিথ্যা (true and false), কিংবা উচ্চ এবং নিম্ন (high and low) দিয়ে প্রকাশ করা হয়। 
- ডিজিটাল ঘড়ি, ক্যালকুলেটর ইত্যাদি ডিজিটাল ইলেকট্রনিকস পদ্ধতির জনপ্রিয় উদাহরণ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
সাইক্লোনের উৎপত্তির জন্য সমুদ্রের তাপমাত্রা ন্যূনতম কত ডিগ্রী সেলসিয়াসের বেশি হতে হবে?
  1. ২১° সেলসিয়াস
  2. ২৭° সেলসিয়াস
  3. ২৩° সেলসিয়াস
  4. ৩০° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা

- সাইক্লোন (ঘূর্ণিঝড়) সৃষ্টির জন্য সমুদ্রের জলের তাপমাত্রা ন্যূনতম ২৭° সেলসিয়াসের বেশি হতে হয়, যা উষ্ণ ও আর্দ্র বাতাস সরবরাহ করে এবং ঘূর্ণিঝড়কে শক্তি জোগায়। 

সাইক্লোন: 
- ঘূর্ণিঝড়ের ইংরেজি প্রতিশব্দ Cyclone.
- এটি গ্রিক শব্দ Kyklos থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে যার অর্থ কুণ্ডলি পাকানো সাপ। ঘূর্ণিঝড়ের বাতাস কুণ্ডলি পাকানো সাপের আকার ধারণ করে বলে এরূপ নামকরণ করা হয়েছে। 
- সাধারণত এপ্রিল-মে এবং অক্টোবর-ডিসেম্বর মাসে ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়ে থাকে। 
- বাংলাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত বঙ্গোপসাগর গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির একটি আদর্শ ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচিত। 

সাইক্লোন সৃষ্টির কারণ: 
- সাইক্লোন নামক দুর্যোগটি সৃষ্টির প্রধান কারণ উচ্চ তাপমাত্রা ও নিম্নচাপ। 
- গভীর সমুদ্রে এবং আঘাত হানে উপকূলীয় এলাকায় সাইক্লোন সৃষ্টি হয়। 
- সাধারণত সাইক্লোন সৃষ্টির জন্য তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রী সেলসিয়াসের বেশি হওয়া প্রয়োজন এবং ঝড়ের সময় বাযুপ্রবাহের গতিবেগ ৬৫ কিলোমিটার বা তার বেশি হয়। 
- বঙ্গোপসাগরে প্রায় সারা বছরই এইরূপ তাপমাত্রা বিদ্যমান। 
- ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রস্থলে নিম্নচাপ এবং চারপাশে উচ্চচাপ বিরাজ করে। এসময় উচ্চচাপযুক্ত বায়ু প্রবলবেগে ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রভাগে যেখানে নিম্নচাপ থাকে সেদিকে ধাবিত হয়, এ প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত দ্রুতগতিতে সম্পন্ন হয়। 
- এটি উষ্ণ সমুদ্রপৃষ্ঠে উৎপত্তি লাভ করে মহাদেশীয় মূলভাগের দিকে অগ্রসর হয়। 
- ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রস্থলকে চোখ বলে। 
- এছাড়াও ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ সাইক্লোনের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
সাধারণ হাইড্রোজেন পরমাণুর অভ্যন্তরে কোন কণিকাগুলো বিদ্যমান?
  1. ১ টি প্রোটন ও ১ টি নিউট্রন
  2. ১ টি ইলেকট্রন, ১ টি প্রোটন ও ১ টি নিউট্রন
  3. ১ টি ইলেকট্রন ও ১ টি নিউট্রন
  4. ১ টি ইলেকট্রন ও ১ টি প্রোটন 
ব্যাখ্যা

- সাধারণ হাইড্রোজেন পরমাণুতে কোনো নিউট্রন থাকে না। হাইড্রোজেনের পারমাণবিক সংখ্যা ১, যার অর্থ এতে একটি প্রোটন রয়েছে। একটি নিরপেক্ষ পরমাণুতে প্রোটন এবং ইলেকট্রনের সংখ্যা সমান থাকে, তাই এতে একটি ইলেকট্রনও থাকে। 

পরমাণুর মূল কণিকা: 

- ঊনিশ শতকের শেষ দশকে পরমাণু অবিভাজ্য এ ধারণাটির বিলুপ্তি ঘটে এবং পরমাণু কতগুলো অতিসূক্ষ্ম কণিকার সমষ্টি বলে প্রমাণিত হয়, এসব অতিসূক্ষ্ম কণিকাকে আর বিভাজন করা যায় না এবং এরা মূল উপাদান হিসেবে সব পরমাণুতেই থাকে। এদেরকে পরমাণুর মূল কণিকা বলা হয়। 
- পরমাণুর মূল কণিকা কয়েক ধরনের হয়। 
যেমন- 
• স্থায়ী মূল কণিকা: 
- ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন এই তিনটি মূল কণিকা সব মৌলের পরমাণুতে থাকে, তাই এগুলোকে স্থায়ী মূল কণিকা বলা হয়। 
- শুধুমাত্র হাইড্রোজেন পরমাণুতে শুধু ১ টি ইলেকট্রন ও ১ টি প্রোটন আছে, এতে কোনো নিউট্রন নেই। 

• অস্থায়ী মূল কণিকা: 
- কিছু কিছু মূল কণিকা কোন কোন মৌলের পরমাণুতে অস্থায়ীভাবে খুব স্বল্প সময়ের জন্য বিরাজ করে। এগুলোকে অস্থায়ী মূল কণিকা বলা হয়। 
- অস্থায়ী মূলকনিকার সংখ্যা প্রায় ১০০। 
- নিউট্রিনো, অ্যান্টি নিউট্রিনো, পজিট্রন, মেসন প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য অস্থায়ী মূলকণিকা। 

• কম্পোজিট কণিকা: 
- স্থায়ী ও অস্থায়ী মূলকণিকা ছাড়াও আরও এক প্রকার কণিকা পরমাণুতে থাকে, যাদেরকে কম্পোজিট কণিকা বলা হয়। 
- আলফা কণিকা ও ডিউটেরন কণিকা ইত্যাদি কম্পোজিট কণিকার উদাহরণ। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
উচ্চ তাপমাত্রা সহনশীল হওয়ার কারণে প্রধানত গ্রাফাইট ব্যবহৃত হয়- 
  1. বৈদ্যুতিক তারে
  2. প্লাস্টিক শিল্পে
  3. ক্রুসিবল তৈরিতে
  4. কাঁচ তৈরিতে
ব্যাখ্যা

উচ্চ তাপমাত্রা সহনশীলতার কারণে গ্রাফাইট প্রধানত ক্রুসিবল তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, কারণ এটি গলিত ধাতু বা কাঁচের মতো পদার্থকে উচ্চ তাপে গলানো ও প্রক্রিয়াজাত করার জন্য উপযুক্ত, যা হঠাৎ তাপমাত্রার পরিবর্তন সহ্য করতে পারে এবং দূষণ প্রতিরোধ করে। 

কার্বন: 
- কার্বনের দানাদার রূপভেদ হল গ্রাফাইট ও ডায়মন্ড বা হীরক। 
- কার্বনের অদানাদার রূপভেদ হল কোক কার্বন, চারকোল, কয়লা ও কার্বন ব্ল্যাক। 
- কার্বনের ক্যাটেনেশন বা পরমাণু যুক্ত হয়ে চেইন, বলয় গঠনের ক্ষমতা সর্বাধিক। 

গ্রাফাইটের ব্যবহার: 
- কাঠ পেন্সিলের শীষ হিসেবে গ্রাফাইট প্রচুর পরিমাণে ব্যবহৃত হয়। 
- বিদ্যুৎ পরিবাহী বলে গ্রাফাইটের বিভিন্ন ধরনের ব্যবহার বিদ্যমান। 
- তন্মধ্যে শুষ্ক ব্যাটারির পজিটিভ দণ্ড হিসেবে এবং গ্রাফাইটের গুঁড়া ম্যাঙ্গানিজ ডাই-অক্সাইডের সাথে মিশ্রণ হিসেবে ব্যবহার উল্লেখযোগ্য। 
- এছাড়া বৈদ্যুতিক চুল্লিতে ইলেকট্রোডরূপে ও ইলেকট্রোটাইপ তৈরিতে গ্রাফাইট ব্যবহৃত হয়। 
- গ্রাফাইট অতি উচ্চ তাপমাত্রায় জ্বলে ও গলে বলে এটি ক্রুসিবল তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। 
- পারমাণবিক চুল্লিতে নিউটনের গতি হ্রাসের জন্য মন্থরক হিসেবে গ্রাফাইট ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)।

.
তাপীয় ইঞ্জিনের মূল কাজ কোনটি? 
  1. তাপ শক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তর
  2. বৈদ্যুতিক শক্তিকে তাপ শক্তিকে রূপান্তর
  3. তাপ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর
  4. যান্ত্রিক শক্তিকে তাপ শক্তিতে রূপান্তর
ব্যাখ্যা

- তাপীয় ইঞ্জিন (heat engine) হলো এমন একটি যন্ত্র যা তাপগতিবিদ্যার নীতি অনুসারে তাপ শক্তিকে (thermal energy) যান্ত্রিক কাজে (mechanical work) রূপান্তর করে। 

তাপীয় ইঞ্জিন: 
- যে যন্ত্র দ্বারা তাপ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করা যায় তাকে তাপীয় ইঞ্জিন বলে। 
যেমন- বাষ্পীয় ইঞ্জিন, পেট্রোল ইঞ্জিন, ডিজেল ইঞ্জিন ইত্যাদি। 
- তাপ ইঞ্জিনে তাপ উৎস এবং তাপগ্রাহক থাকে। 
- ইঞ্জিন কোনো উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করে তার খানিকটা কাজে রূপান্তরিত করে। তাপের যে অংশ কাজে রূপান্তরিত হয় না তা পরিবেশে বিলিয়ে দেবে এবং পুনরায় তাপ উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করবে। 
- উৎসের তাপমাত্রা যে পরিবেশ বা সিস্টেমে তাপ গ্রহণ করবে তার তাপমাত্রার চেয়ে বেশি হবে। 
অর্থাৎ, ইঞ্জিন উচ্চতর তাপমাত্রার তাপ উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করে তার খানিকটা কাজে রূপান্তরিত করে এবং বাকি অংশ নিম্নতর তাপমাত্রার তাপগ্রাহক বা শীতল বস্তুতে ছেড়ে দিয়ে ইঞ্জিনটি আদি অবস্থায় ফিরে আসে। ইঞ্জিনটি এভাবে একটি চক্র সম্পন্ন করে। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
বাংলাদেশের চেয়ে পূর্ব দিকে অবস্থিত দেশে দিন কখন শুরু হয়?
  1. পরে 
  2. আগে 
  3. একসাথে 
  4. ঋতুর উপর নির্ভর করে 
ব্যাখ্যা

- পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে ঘোরে, তাই সূর্য সবসময় পূর্ব দিকে আগে উদিত হয়। বাংলাদেশের চেয়ে পূর্ব দিকে অবস্থিত দেশগুলো (যেমন: থাইল্যান্ড, জাপান) ভূ-পৃষ্ঠের ঘূর্ণন অনুযায়ী সূর্যের সামনে আগে আসে। তাই পূর্ব দিকের দেশগুলোর সময় বাংলাদেশের সময়ের চেয়ে এগিয়ে থাকে। উদাহরণস্বরূপ, জাপানের অবস্থান বাংলাদেশের পূর্বে হওয়ায় সেখানে বাংলাদেশের অন্তত ৩ ঘণ্টা আগে দিন শুরু হয়। 

স্থানভেদে সময়ের পার্থক্য: 
- প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট। 
- পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে ঘুরছে, এজন্যই পূর্ব দিকের স্থানগুলোতে আগে দিন হচ্ছে এবং পশ্চিম দিকের স্থানগুলোতে পরে দিন হচ্ছে। এতে বুঝা যায়, বাংলাদেশ থেকে যেসব দেশ পূর্ব দিকে অবস্থিত, সেসব দেশে আগে সকাল হবে এবং পশ্চিম দিকের দেশগুলোতে পরে সকাল হবে। 
- প্রতি ডিগ্রি দূরত্বের জন্য সময়ের ব্যবধান হচ্ছে ৪ মিনিট। এই প্রতিটি ডিগ্রিকে ৬০ মিনিটে ভাগ করা হয় এবং প্রতি ১ মিনিট দূরত্বের জন্য ৪ সেকেন্ড সময়ের পার্থক্য হয়। 
- এখানে একটি বিষয় লক্ষ্য করতে হবে দূরত্বের ব্যবধানের মিনিটকে অনেকে সময়ের মিনিট হিসেবে ধরে ভুল করে। আসলে দূরত্বের মিনিটের ক্ষেত্রে ১ ডিগ্রিকে ৬০ মিনিটে ভাগ করা হয়। এই দূরত্বের ৬০ মিনিটের প্রতি মিনিটের জন্য সময়ের ৪ সেকেন্ড লাগে। এভাবে দূরত্বের ব্যবধানের ৬০ মিনিটের জন্য লাগে ৬০ × ৪ = ২৪০ সেকেন্ড অর্থাৎ ৪ মিনিট সময়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।

.
স্টেরিলাইজেশনের মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. খাদ্যের পুষ্টি বৃদ্ধি করা
  2. খাদ্যের স্বাদ উন্নত করা
  3. খাদ্যকে সম্পূর্ণ জীবাণুমুক্ত করা
  4. খাদ্য সংরক্ষণে ঠান্ডা রাখা
ব্যাখ্যা

- স্টেরিলাইজেশন একটি তীব্র তাপ প্রয়োগ পদ্ধতি যা ১০০°C -এর বেশি তাপমাত্রায় করা হয় এবং এর লক্ষ্য হল খাদ্যের মধ্যে উপস্থিত সমস্ত অণুজীব, এমনকি ব্যাকটেরিয়ার স্পোরগুলোও সম্পূর্ণরূপে নিষ্ক্রিয় বা ধ্বংস করে দেওয়া।

স্টেরিলাইজিং বা রিটর্টিং বা নির্জীবকরণ: 

- সিলিং -এর পর স্টেরিলাইজিং করা হয়। 
- যেসব খাদ্য এসিডিক সেক্ষেত্রে 90-100°C তাপমাত্রায় প্রায় 30 মিনিট তাপ প্রয়োগ করা হয়। 
- যেসব খাদ্যে এসিড নেই অথবা খুব কম আছে সেক্ষেত্রে 121°C তাপমাত্রায় 1.5-2 ঘণ্টা ধরে তাপ প্রয়োগ করা হয়। কারণ 121°C তাপমাত্রায় জীবাণুর স্পোর বা কেলাস কাঠামো ভেঙে যায়। 
- এতে খাদ্য সম্পূর্ণ জীবাণুমুক্ত হয় এবং কিছুটা রান্নার কাজও হয়। 
- যে ভৌত পদ্ধতিতে খাদ্য সম্পূর্ণরূপে জীবাণুমুক্ত হয় তাকে স্টেরিলাইজেশন বলে। 

অন্যদিকে, 
- স্টেরিলাইজেশন খাদ্যের পুষ্টির পরিমাণ বাড়ায় না; বরং কিছু ক্ষেত্রে পুষ্টি উপাদানের সামান্য হ্রাস ঘটতে পারে। 
- স্টেরিলাইজেশন প্রক্রিয়ায় উচ্চ তাপমাত্রার কারণে খাদ্যের স্বাদ বা পুষ্টিগুণের কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে, কিন্তু স্বাদ উন্নত করা এর প্রাথমিক উদ্দেশ্য নয়। 
- ঠান্ডা রাখা (শীতলীকরণ বা ফ্রিজিং) খাদ্য সংরক্ষণের একটি আলাদা পদ্ধতি যা অণুজীবের বৃদ্ধি কমিয়ে দেয়, কিন্তু এটি স্টেরিলাইজেশন নয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০.
MRI যন্ত্রে প্রধানত কোন দুটি প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়? 
  1. গামা রশ্মি ও এক্স-রে
  2. রেডিও তরঙ্গ ও আলোক তরঙ্গ
  3. এক্স-রে ও আল্ট্রাসাউন্ড
  4. শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্র ও রেডিও তরঙ্গ
ব্যাখ্যা

- এমআরআই (Magnetic Resonance Imaging) স্ক্যানার মানবদেহের অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলির বিস্তারিত চিত্র তৈরি করতে দুটি প্রধান শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্র ও রেডিও তরঙ্গ প্রযুক্তি ব্যবহার করে। শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্র শরীরের হাইড্রোজেন পরমাণুর প্রোটনগুলোকে একটি নির্দিষ্ট বিন্যাসে সারিবদ্ধ করতে বাধ্য করে। আবার রেডিও তরঙ্গ যখন সারিবদ্ধ প্রোটনগুলোতে প্রয়োগ করা হয়, তখন তারা শক্তি শোষণ করে এবং পরবর্তীতে সেই শক্তি সংকেত হিসাবে নির্গত করে, এই সংকেতগুলো একটি কম্পিউটার দ্বারা প্রক্রিয়া করে বিস্তারিত ছবি তৈরি করা হয়। 

এমআরআই(MRI): 

- এমআরআই এর অর্থ হচ্ছে ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স ইম্যাজিং (Magnetic Resonance Imaging)।
- এমআরআই যন্ত্রে শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্র এবং রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে শরীরের কোনো স্থানের বা অঙ্গের বিস্তৃত প্রতিবিম্ব গঠন করা হয়। 
- নিউক্লিয় চৌম্বক অনুনাদের ভৌত এবং রাসায়নিক নীতির উপর ভিত্তি করে এমআরআই যন্ত্র কাজ করে। 
- এমআরআই একটি নিরাপদ রোগ নির্ণয় পদ্ধতি। 
- এই যন্ত্রে এক্সরে বা অন্য কোনো ধরনের বিকিরণ ব্যবহার করা হয় না। 
- প্রত্যেকটি প্রতিবিম্ব শরীরের কোনো স্থানের এক একটি ফালির মতো কাজ করে। এভাবে অনেকগুলো প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয়, যেগুলো শরীরের ঐ অংশের সকল বৈশিষ্ট্যকে ফুটিয়ে তুলে। 
- পায়ের গোড়ালির মচকানো এবং পিঠের ব্যাথায় এমআরআই ব্যবহার করে জখমের বা আঘাতের তীব্রতা নিরূপণ করা হয়। 
- ব্রেণ এবং মেরু রুজ্জুর বিস্তৃত প্রতিবিম্ব তৈরির জন্য এমআরআই হলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।

১১.
উদ্ভিদের কোন টিস্যু ক্রমাগত বিভাজনের মাধ্যমে নতুন কোষ ও টিস্যু উৎপন্ন করে?
  1. সরল টিস্যু
  2. ভাজক টিস্যু
  3. স্থায়ী টিস্যু 
  4. ক্ষরণকারী টিস্যু
ব্যাখ্যা

- ভাজক টিস্যু (Meristematic tissue) এমন কোষ দ্বারা গঠিত যা ক্রমাগত বিভাজনে সক্ষম। এই টিস্যু বিভাজনের মাধ্যমে উদ্ভিদের জন্য নতুন কোষ ও টিস্যু সৃষ্টি করে এবং উদ্ভিদের দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থ বৃদ্ধিতে প্রধান ভূমিকা পালন করে। 

উদ্ভিদ টিস্যু: 
- উদ্ভিদ দেহ বিভিন্ন প্রকার টিস্যু দ্বারা গঠিত। 
- একেক ধরনের টিস্যু একেক ধরনের কাজ সম্পন্ন করে। 
- বিভাজন ক্ষমতা অনুসারে টিস্যু প্রধানত দুই প্রকার। 
যথা- 
ক) ভাজক টিস্যু: 
- উদ্ভিদের দেহে যেসব টিস্যুর কোষের বিভাজন ক্ষমতা রয়েছে সেগুলোকে ভাজক টিস্যু বলে। 
- ভাজক টিস্যু উদ্ভিদের বর্ধনশীল অঙ্গে অবস্থান করে, বিশেষত কাণ্ড ও মূলের অগ্রভাগে অবস্থান করে। 
- ভাজক টিস্যুর কাজ হলো- ক্রমাগত বিভাজনের ফলে ভাজক টিস্যু নতুন নতুন কোষ ও টিস্যু সৃষ্টি করে; এটি উদ্ভিদের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের বৃদ্ধি ঘটায় এবং ভাজক টিস্যু টিস্যুর উৎপত্তি ঘটায়। 

খ) স্থায়ী টিস্যু: 
- ভাজক টিস্যু থেকে উৎপন্ন বিভাজন ক্ষমতাহীন নির্দিষ্ট আকৃতিযুক্ত পরিণত টিস্যুকে স্থায়ী টিস্যু বলে। 
- উদ্ভিদের প্রায় সর্বত্র স্থায়ী টিস্যু দেখা যায়। 
- স্থায়ী টিস্যু তিন প্রকার। 
যথা- সরল টিস্যু (যেমন: প্যারাকাইমা, কোলেনকাইমা, স্ক্লেরেনকাইমা), জটিল টিস্যু (জাইলেম ও ফ্লোয়েম) এবং ক্ষরণকারী টিস্যু। 
- স্থায়ী টিস্যুর কাজ হচ্ছে- খাদ্য প্রস্তুত ও পরিবহন করা এবং দেহ গঠন ও উদ্ভিদকে দৃঢ়তা প্রদান করা। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।

১২.
নিচের কোনটিতে প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়?
  1. Internet
  2. Cable TV Broadcasting
  3. ISDN
  4. Telephone Network
ব্যাখ্যা

• বর্তমান বিশ্বের ইন্টারনেট ব্যবস্থা পুরোপুরি প্যাকেট সুইচিং (Packet Switching) প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়।
- এই পদ্ধতিতে ডেটাকে ছোট ছোট প্যাকেটে ভাগ করে ইন্টারনেটের বিভিন্ন রাউটার ও নোডের মাধ্যমে গন্তব্যে পাঠানো হয়।

• প্যাকেট সুইচিংয়ের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- এটি ব্যান্ডউইথ শেয়ারিং সাপোর্ট করে, ফলে একই চ্যানেল ব্যবহার করে একাধিক ব্যবহারকারী ডেটা আদান-প্রদান করতে পারেন।
- 'ফল্ট টলারেন্ট' বা ত্রুটি সহনশীল তাই নেটওয়ার্কের কোনো একটি পথ অকেজো হলেও ডেটা বিকল্প পথে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে।
- এই পদ্ধতিতে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য IP (Internet Protocol) ব্যবহার করা হয়।
- প্রতিটি প্যাকেটের সাথে উৎস এবং গন্তব্যের আইপি ঠিকানাসহ অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ তথ্য যুক্ত থাকে।
- ডেটা প্যাকেটগুলো ভিন্ন ভিন্ন সময় বা পথে গন্তব্যে পৌঁছানোর কারণে এতে সামান্য 'ডিলে' বা বিলম্ব হতে পারে।

অন্যান্য অপশন:
- Cable TV Broadcasting: এটি মূলত ব্রডকাস্টিং বা সম্প্রচার প্রযুক্তি যা এনালগ বা ডিজিটাল সিগন্যাল আকারে তথ্য একমুখীভাবে প্রেরণ করে।
- ISDN: ইন্টিগ্রেটেড সার্ভিসেস ডিজিটাল নেটওয়ার্ক মূলত সার্কিট সুইচিং ব্যবহার করে ডিজিটাল ডেটা ও ভয়েস আদান-প্রদান করে।
- Telephone Network: প্রথাগত টেলিফোন নেটওয়ার্ক (PSTN) সার্কিট সুইচিং ব্যবহার করে যেখানে কলের সময় একটি নির্দিষ্ট ফিজিক্যাল কানেকশন বজায় রাখা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা [link]

১৩.
নিচের কোনটি RDBMS (Relational Database Management System)-এর উদাহরণ নয়?
  1. MySQL
  2. Oracle
  3. Microsoft Access
  4. Cassandra
ব্যাখ্যা

• Cassandra হলো একটি ওপেন-সোর্স, ডিস্ট্রিবিউটেড NoSQL ডাটাবেস।
- এটি মূলত বিশাল পরিমাণ ডেটা (Big Data) অনেকগুলো সার্ভারে ছড়িয়ে ম্যানেজ করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে এবং এটি প্রথাগত রিলেশনাল মডেল অনুসরণ করে না।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।

জনপ্রিয় RDBMS সফটওয়্যারসমূহ:
- Microsoft Access,
- Oracle,
- MySQL,
- SQL Server,
- Informix.

• NoSQL ডাটাবেজ:
- NoSQL ডাটাবেজগুলি নন-রিলেশনাল ডাটাবেজ, যা রিলেশনাল ডাটাবেজ (যেমন: MySQL, Oracle, SQL Server) থেকে ভিন্ন।
- এগুলি স্কিমা-লেস ডিজাইন এবং স্কেলেবিলিটির জন্য উপযোগী।
- NoSQL ডাটাবেজের উদাহরণগুলির মধ্যে রয়েছে MongoDB, Cassandra, Redis, এবং Couchbase.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান ও ব্রিটানিকা।

১৪.
নিচের কোনটি SaaS (Software as a Service) মডেলের উদাহরণ নয়?
  1. Microsoft Azure
  2. Google Docs
  3. Salesforce
  4. Dropbox
ব্যাখ্যা

• Microsoft Azure হলো একটি ক্লাউড কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম যা মূলত IaaS (Infrastructure as a Service) এবং PaaS (Platform as a Service) হিসেবে পরিচিত।
- এটি ডেভেলপারদের জন্য ভার্চুয়াল সার্ভার, স্টোরেজ এবং অ্যাপ্লিকেশন তৈরির প্ল্যাটফর্ম প্রদান করে।
- অন্যদিকে Google Docs, Salesforce এবং Dropbox হলো সরাসরি ব্যবহারযোগ্য সফটওয়্যার বা সার্ভিস, যা SaaS মডেলের অন্তর্ভুক্ত।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়:
১. IaaS (Infrastructure as a Service):
এটি ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের অবকাঠামোগত সেবা।
এখানে ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান নেটওয়ার্ক, CPU, স্টোরেজ ইত্যাদি ভাড়া দেয়।
ব্যবহারকারী নিজে অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার ইনস্টল করে চালাতে পারেন।
উদাহরণ:
- Amazon EC2,
- Google Cloud Storage,
- Rackspace.

২. PaaS (Platform as a Service):
- এটি একটি প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা।
- এখানে ডেভেলপাররা নিজের অ্যাপ তৈরি ও চালাতে পারেন, কিন্তু সার্ভার/ওএস মেইনটেইন করতে হয় না।
- ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, OS, ডেটাবেজ, ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি সরবরাহ করে।
উদাহরণ:
- Google App Engine,
- Microsoft Azure App Services,
- Heroku.

৩. SaaS (Software as a Service):
- এটি একটি সম্পূর্ণ সফটওয়্যার সেবা।
- ব্যবহারকারী সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে সফটওয়্যার ব্যবহার করেন।
- আলাদা করে ইনস্টল করার দরকার পড়ে না।
উদাহরণ:
- Google Docs,
- Microsoft 365,
- Lotus,
- Yahoo! mail,
- Dropbox,
- Salesforce Platform.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। ব্রিটানিকা।

১৫.
কম্পিউটার বুটিং প্রক্রিয়ায় হার্ডওয়্যারের কার্যকারিতা পরীক্ষা করার পদ্ধতিকে কী বলা হয়?
  1. POST
  2. Bootloading
  3. CMOS
  4. System Configuration Test
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথে মাদারবোর্ডের রম (ROM)-এ থাকা বায়োস (BIOS) সক্রিয় হয় এবং POST (Power-On Self Test) নামক একটি বিশেষ ডায়াগনস্টিক পরীক্ষা চালায়।
- এর মাধ্যমে র‍্যাম, প্রসেসর, কিবোর্ড, ডিস্ক ড্রাইভসহ অন্যান্য হার্ডওয়্যার ডিভাইসগুলো ব্যবহারের উপযোগী বা সচল আছে কি না তা নিশ্চিত করা হয়। যদি কোনো হার্ডওয়্যারে সমস্যা থাকে, তবে সিস্টেম বিপ (Beep) কোডের মাধ্যমে সতর্কবার্তা দেয়।

• POST এবং বুটিং প্রক্রিয়ার বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- POST (Power-On Self Test): এটি একটি প্রি-বুট প্রক্রিয়া যা হার্ডওয়্যারের প্রাথমিক সুস্থতা যাচাই করে।
- বিপ কোড (Beep Code): হার্ডওয়্যারে ত্রুটি থাকলে বায়োস বিভিন্ন প্যাটার্নের শব্দের মাধ্যমে তা নির্দেশ করে।
- অর্ডার: পাওয়ার অন → পোস্ট (POST) → বুট লোডার লোডিং → অপারেটিং সিস্টেম রান।
- স্বয়ংক্রিয়তা: এটি একটি অটোমেটিক প্রক্রিয়া যা ব্যবহারকারীর কোনো ইনপুট ছাড়াই কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় ঘটে থাকে।

অন্যান্য অপশন:
- Bootloading: এটি মূলত সেকেন্ডারি স্টোরেজ থেকে অপারেটিং সিস্টেমকে র‍্যামে লোড করার পদ্ধতিকে বোঝায়।
- CMOS: একটি ব্যাটারি চালিত মেমরি চিপ যা সিস্টেমের সময়, তারিখ এবং বায়োস সেটিংস সংরক্ষণ করে।
- System Configuration Test: এটি কোনো স্বীকৃত স্ট্যান্ডার্ড বুটিং টার্ম নয়, সাধারণত অপারেটিং সিস্টেম চালুর পর সেটিংস চেক করাকে বোঝায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। ব্রিটানিকা।

১৬.
(5012)10 সংখ্যাটির হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর কোনটি? 
  1. (139C)16
  2. (1384)16
  3. (A394)16
  4. (1394)16
ব্যাখ্যা

• (5012)10 সংখ্যাটির হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর হলো (1394)16 

- দশমিক (Decimal) সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেলে রূপান্তর করতে হলে সংখ্যাটিকে ১৬ দিয়ে পর্যায়ক্রমিক ভাগ করতে হয় এবং ভাগশেষগুলোকে নিচ থেকে ওপরের দিকে (MSB to LSB) সাজাতে হয়।

১৭.
ইনপুট ডেটা যদি প্রায় সাজানো (Nearly Sorted) থাকে, তবে নিচের কোন সর্টিং অ্যালগরিদমটি সবচেয়ে দ্রুত কাজ করবে?
  1. Selection Sort
  2. Merge Sort
  3. Quick Sort
  4. Insertion Sort
ব্যাখ্যা

Insertion Sort একটি 'অ্যাডাপ্টিভ' অ্যালগরিদম হিসেবে পরিচিত। যখন ডেটাগুলো ইতোমধ্যে প্রায় সাজানো থাকে, তখন এই অ্যালগরিদমটিকে খুব কম সংখ্যক এলিমেন্ট সরাতে বা তুলনা করতে হয়। এই অবস্থায় এর টাইম কমপ্লেক্সিটি দাঁড়ায় O(n), যা অন্য যেকোনো সাধারণ সর্টিং অ্যালগরিদমের চেয়ে দ্রুততর।

• ইনসার্শন সর্টের (Insertion Sort) বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- ডেটা সাজানো থাকলে এটি সেরা পারফরম্যান্স, Best Case: O(n) প্রদান করে।
- এটি একটি ইন-প্লেস (In-place) সর্টিং অ্যালগরিদম, অর্থাৎ এটি বাড়তি মেমরি ব্যবহার করে না।
- ছোট ডেটাসেট বা প্রায় সাজানো ডেটার জন্য এটি মার্জ সর্ট বা কুইক সর্টের চেয়েও কার্যকর।
- এটি একটি স্টেবল (Stable) সর্টিং পদ্ধতি, যা সমান মানের ডেটার আসল অবস্থান বজায় রাখে।

• Big-O notation:
- অ্যালগরিদমের দক্ষতা বা জটিলতা প্রকাশের জন্য Big-O notation ব্যবহার করা হয়।
- O(1): কনস্ট্যান্ট টাইম (ইনপুট যাই হোক, সময় একই লাগবে)।
- O(n): লিনিয়ার টাইম (ইনপুট বাড়লে সময়ও সমানুপাতিক হারে বাড়বে)।
- O(n2): কোয়াড্রাটিক টাইম (ইনপুট দ্বিগুণ হলে সময় চারগুণ বাড়বে)।
- এটি মূলত একটি ফাংশনের গ্রোথ রেট (Growth Rate) প্রকাশ করে।

অন্যান্য অপশন: 
- Selection Sort: এটি ডেটা সাজানো থাকলেও প্রতিবার পুরো লিস্ট স্ক্যান করে ক্ষুদ্রতম মান খোঁজে, তাই এটি সবসময় O(n2) সময় নেয়।
- Merge Sort: এটি সব পরিস্থিতিতেই ডেটাকে সমানভাবে ভাগ করে প্রসেস করে, ফলে প্রায় সাজানো ডেটার জন্য বাড়তি সুবিধা দেয় না এবং O(n log n) সময় নেয়।
- Quick Sort: প্রায় সাজানো ডেটার ক্ষেত্রে কুইক সর্ট যদি সঠিক পিভট নির্বাচন করতে না পারে, তবে এর গতি ধীর হয়ে O(n2) পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

উৎস: ব্রিটানিকা। [link]

১৮.
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে F7 কী সাধারণত কোন কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. ফন্ট সাইজ বড় করা
  2. নতুন ডকুমেন্ট খোলা
  3. স্পেলিং ও গ্রামার চেক করা
  4. প্রিন্ট প্রিভিউ দেখা
ব্যাখ্যা

•মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে কাজ করার সময় বানান বা ব্যাকরণগত ভুল সংশোধন করার জন্য F7 ফাংশন কি (Function Key) ব্যবহার করা হয়।

• ফাংশন কী:
ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়। সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।
- কি-বোর্ডে ১২টি ফাংশন কী রয়েছে।
- কি-বোর্ডে মোট ১০৫ টি কী রয়েছে।

• F1-F12: ফাংশন কী-এর কাজ দেওয়া হলো:
- F1 এর সাহায্যে সাধারণত Help মেনু খুলে।
- F2 এর সাহায্যে নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়।
- F3 এর সাহায্যে দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4 এর সাহায্যে Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5 ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F6 ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7 মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8 উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10 মেনু বার চালু করে।
- F11 ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12 ইংরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও
২। ব্রিটানিকা।

১৯.
সেলুলার নেটওয়ার্ক টপোলজিতে প্রতিটি সেলে কোন ডিভাইসটি মোবাইল ডিভাইসগুলোর সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে?
  1. হাব
  2. সুইচ
  3. গেটওয়ে
  4. বেস স্টেশন
ব্যাখ্যা

• সেলুলার নেটওয়ার্ক ব্যবস্থায় একটি বিস্তৃত এলাকাকে ছোট ছোট অনেকগুলো 'সেলে' ভাগ করা হয় এবং প্রতিটি সেলের বেতার তরঙ্গ আদান-প্রদান নিয়ন্ত্রণ করার জন্য একটি নির্দিষ্ট শক্তিশালী এন্টেনা বা বেস স্টেশন (Base Station) স্থাপন করা হয়।

• সেলুলার টপোলজি:
- সেলুলার টপোলজি হলো একটি যোগাযোগ ব্যবস্থা, যেখানে একটি বৃহৎ ভৌগোলিক এলাকাকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করা হয়, যেগুলোকে "সেল" বা কোষ বলা হয়।
- প্রতিটি সেলে একটি বেস স্টেশন থাকে যা সেই এলাকার মোবাইল ডিভাইসগুলোর সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে।
- এই সিস্টেমে, একটি নির্দিষ্ট ফ্রিকোয়েন্সি একাধিক সেলে পুনরায় ব্যবহার করা যায়, যা নেটওয়ার্কের ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
- যখন কোনো মোবাইল ডিভাইস একটি সেল থেকে অন্য সেলে যায়, তখন কলটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন সেলের বেস স্টেশনে স্থানান্তরিত হয়; এই প্রক্রিয়াকে হ্যান্ডঅফ বলা হয়।

• সেলুলার সিস্টেমের মূল বৈশিষ্ট্য:
- ভৌগোলিক এলাকাকে ছোট ছোট সেলে ভাগ করা হয়।
- একটি সেলের মধ্যে থাকা মোবাইল বা পোর্টেবল ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ করে বেস স্টেশন।
- ফ্রিকোয়েন্সি পুনর্ব্যবহার করার মাধ্যমে স্পেকট্রাল দক্ষতা বৃদ্ধি করা হয়।
- কল চলাকালীন একটি সেল থেকে অন্য সেলে গেলে কল স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন সেলে স্থানান্তরিত হয়; এই প্রক্রিয়াকে হ্যান্ডঅফ বলে।
- চাহিদা বাড়লে সেলগুলোকে ছোট করে বিভক্ত করা হয়।
- এই বৈশিষ্ট্যগুলো সেলুলার সিস্টেমকে অন্যান্য ওয়্যারলেস টেলিফোন সিস্টেম থেকে আলাদা করে এবং এটি বৃহৎ মেট্রোপলিটন এলাকায় অসংখ্য গ্রাহককে পরিষেবা দিতে সক্ষম।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২০.
নিচের কোনটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নয়?
  1. WhatsApp
  2. Instagram
  3. Sina Weibo
  4. Trello
ব্যাখ্যা

• Trello হলো একটি প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ও টাস্ক অর্গানাইজেশন টুল, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নয়।

• সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম: 
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আমাদের সামাজিক যোগাযোগকে দ্রুত, আকর্ষণীয়, এবং কার্যকরী করে তুলেছে। 
- শুধু তা নয়, এর বাইরেও নানানভাবে আমাদের সামাজিক ব্যাপারগুলো ইন্টারনেটে উঠে এসেছে। 
- এখন ইন্টারনেটে গড়ে উঠেছে বেশকিছু সামাজিক যোগাযোগের সম্পূর্ণ সাইট। 
- নিজের ভালো-লাগা মন্দলাগা, অনুষ্ঠানাদি, চাকরিতে প্রমোশন, সন্তানাদির বিয়ে ইত্যাদি নানা বিষয়ের তথ্য, ছবি কিংবা ভিডিও বিনিময় করা যায় এগুলোর যে কোনো একটি থেকে। 
- বর্তমানে প্রায় শতাধিক এরকম সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম রয়েছে। 
- যেমন- Facebook, LinkedIn, Twitter, WhatsApp, Instagram, Snapchat, TikTok, Sina Weibo (চীনের জনপ্রিয় মাইক্রোব্লগিং প্ল্যাটফর্ম), ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি। ব্রিটানিকা।

২১.
'MOV A, B' বা 'ADD AX, BX' এর মতো নেমোনিক কোডগুলোকে মেশিন ভাষায় রূপান্তরে নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ইন্টারপ্রেটার
  2. অ্যাসেম্বলার
  3. কম্পাইলার
  4. প্রি-প্রসেসর
ব্যাখ্যা

• অ্যাসেম্বলি ভাষা (Assembly Language) হলো একটি নিম্নস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা যেখানে নেমোনিক কোড (যেমন: MOV, ADD, SUB) ব্যবহার করা হয়। এই কোডগুলোকে কম্পিউটার সরাসরি বুঝতে পারে না, তাই এগুলোকে যান্ত্রিক ভাষায় (Machine Language/Binary) রূপান্তর করার জন্য অ্যাসেম্বলার নামক অনুবাদক প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয়।

• অনুবাদক প্রোগ্রাম: 
- উৎস (Source) প্রোগ্রামকে বস্তু (Object) প্রোগ্রামে পরিণত করতে যে সফট্ওয়্যারের প্রয়োজন তাকে বলে অনুবাদক।
- কম্পিউটার একমাত্র মেশিনভাষা বুঝতে পারে বলে অন্য ভাষায় লেখা উৎস প্রোগ্রামকে মেশিনভাষায় অনুবাদ না করে নিলে কম্পিউটার তা কার্যকরী করতে পারে না।
- অনুবাদক সফট্ওয়্যার তিন ধরনের। যথা
১। কম্পাইলার,
২। ইন্টারপ্রেটার ও
৩। অ্যাসেম্বলার।

• অ্যাসেম্বলার (Assembler):
- অ্যাসেম্বলার হচ্ছে অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত উৎস প্রোগ্রাম অর্থাৎ নেমোনিক কোডকে মেশিন ভাষায় লিখিত অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করা এক ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম।
- এ ভাষার অন্যতম কাজ হচ্ছে প্রধান মেমোরিতে রক্ষিত অ্যাসেম্বলি ভাষার সব নির্দেশ ঠিক আছে কিনা তা ব্যবহারকারীকে জানানো।
- এ ভাষার প্রত্যেকটি নির্দেশকে অ্যাসেম্বলার মেশিন ভাষার একটি নির্দেশে পরিণত করে।
- ভুল সংশোধনের পর এ ভাষা পুনরায় প্রথম নির্দেশ থেকে অনুবাদের কাজ শুরু করে।
- অবজেক্ট ফাইলে অবজেক্ট কোড থাকে, যা একটি অ্যাসেম্বলারের আউটপুট।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. University of California.

২২.
3G সিস্টেমে মূলত কোন চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতিটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. TDMA
  2. CDMA 
  3. FDMA
  4. OFDMA
ব্যাখ্যা

• তৃতীয় প্রজন্মের (3G) মোবাইল যোগাযোগ ব্যবস্থায় মূলত CDMA (Code Division Multiple Access) এবং এর উন্নত সংস্করণ WCDMA (Wideband CDMA) ব্যবহৃত হয়।
- এটি একই ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে অনেক গ্রাহককে পৃথক কোডের মাধ্যমে সেবা দিতে সক্ষম।

• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন:
- ২০০১ সালে জাপানের টোকিওতে সর্বপ্রথম পরীক্ষামূলকভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু হয়।
- 3G বা Third Generation হচ্ছে এমন একটি মোবাইল প্রযুক্তি যাতে GSM, EDGE, UTMS, এবং CDMA 2000 প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত।
- দ্বিতীয় প্রজন্ম থেকে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রধান প্রযুক্তিগত পার্থক্য হচ্ছে সার্কিট সুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের ব্যবহার।
- 3G প্রযুক্তি ব্যবহার করে DECT, WiMAX, Voice Call, Video Call সার্ভিস প্রদান করা সম্ভব।

অন্যান্য অপশন:
- TDMA: দ্বিতীয় প্রজন্মের বা ২জি নেটওয়ার্কের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- FDMA: প্রথম প্রজন্মের বা ১জি মোবাইল সিস্টেমে অ্যানালগ সিগন্যাল আদান-প্রদানে ব্যবহৃত হতো।
- OFDMA: চতুর্থ প্রজন্মের বা ৪জি নেটওয়ার্কের মূল প্রযুক্তি যা অত্যন্ত উচ্চ গতির ডেটা নিশ্চিত করে।

উৎস: উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান। ব্রিটানিকা।

২৩.
নিচের কোনটি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যারের উদাহরণ নয়?
  1. Pegasus
  2. Avast
  3. Kaspersky
  4. Panda
ব্যাখ্যা

• পেগাসাস (Pegasus) কোনো অ্যান্টিভাইরাস নয়, বরং এটি একটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং বিপজ্জনক স্পাইওয়্যার (Spyware)।
- এটি ইসরায়েলি কোম্পানি NSO Group তৈরি করেছে, যা মূলত স্মার্টফোনের তথ্য চুরি এবং নজরদারি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- অন্যদিকে, Avast, Kaspersky এবং Panda হলো জনপ্রিয় অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূবেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো-
- এভিজি,
- অ্যাভাস্ট,
- নরটন,
- এভিরা,
- Kaspersky,
- পান্ডা, ইত্যাদি।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো-
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- Pegasus,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৪.
LLM-এর কনটেক্সট উইন্ডো (Context Window) কী নির্দেশ করে?
  1. গ্রাফিক্স কার্ডের মেমরি সাইজ
  2. মডেলের মোট প্যারামিটার সংখ্যা
  3. মডেলের প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহৃত GPU-এর সংখ্যা
  4. মডেলটি একসঙ্গে কতগুলো টোকেন মনে রাখতে পারে
ব্যাখ্যা

• LLM বা Large Language Model-এর কনটেক্সট উইন্ডো বলতে বোঝায় মডেলটি একটি নির্দিষ্ট সময়ে ইনপুট হিসেবে সর্বোচ্চ কতটুকু ডেটা বা টোকেন একসঙ্গে গ্রহণ এবং মনে রাখতে পারে।
- এটি মূলত মডেলের কার্যকর মেমরি সীমা বা টোকেন ধারণক্ষমতা। যখন কোনো ইনপুট এই সীমা অতিক্রম করে, তখন মডেলটি আলোচনার শুরুর অংশগুলো ভুলে যেতে থাকে।

• LLM-এর সাধারণ বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- বিশাল জ্ঞানভাণ্ডার: এটি কোটি কোটি বই, আর্টিকেল এবং ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে মানুষের মতো জ্ঞান আহরণ করে।
- বহুমুখী ব্যবহার: এটি শুধুমাত্র চ্যাট করার জন্য নয়, বরং অনুবাদ করা, সারাংশ তৈরি করা (Summarization), এবং প্রোগ্রামিং কোড লেখার কাজেও ব্যবহৃত হয়।
- টেক্সট জেনারেশন: এটি একটি শব্দের পর পরবর্তী শব্দটি কী হতে পারে তার গাণিতিক সম্ভাবনা (Probability) হিসাব করে নতুন বাক্য তৈরি করতে পারে।
- নির্ভরযোগ্যতা ও সীমাবদ্ধতা: এটি অত্যন্ত বুদ্ধিমান হলেও মাঝে মাঝে ভুল বা বানোয়াট তথ্য দিতে পারে, যাকে এআই-এর ভাষায় 'হ্যালুসিনেশন' বলা হয়।

• কনটেক্সট উইন্ডো-র বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- এটি মডেলের শর্ট-টার্ম মেমরির মতো কাজ করে যা দীর্ঘ কথোপকথন মনে রাখতে সাহায্য করে।
- এর পরিমাপ সাধারণত টোকেন (Tokens) সংখ্যায় করা হয় (যেমন: ৮কে, ৩২কে বা ১২৮কে টোকেন)।
- কনটেক্সট উইন্ডো যত বড় হয়, মডেলটি তত বড় বই বা কোড ফাইল একবারে বিশ্লেষণ করতে পারে।
- এটি ট্রান্সফর্মার আর্কিটেকচারের সেলফ-অ্যাটেনশন মেকানিজমের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত।

উৎস: IBM website [link].

২৫.
একটি সংখ্যা থেকে ৩৫ বিয়োগ করলে তা কমে সংখ্যাটির ৮০% এর সমান হয়। সংখ্যাটির তিন-পঞ্চমাংশের মান কত?  
  1. ১১৫
  2. ১২৫
  3. ১১০
  4. ১০৫
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি সংখ্যা থেকে ৩৫ বিয়োগ করলে তা কমে সংখ্যাটির ৮০% এর সমান হয়। সংখ্যাটির তিন-পঞ্চমাংশের মান কত? 

সমাধান: 
ধরি, 
সংখ্যাটি = x 

প্রশ্নমতে, 
x − ৩৫ = x এর ৮০% 
বা, x − ৩৫ = x × ৮০/১০০ 
বা, ১০০x − ৩৫০০ = ৮০x
বা, ১০০x − ৮০x = ৩৫০০ 
বা, ২০x = ৩৫০০ 
বা, x = ৩৫০০/২০ 
∴ x = ১৭৫ 

∴ সংখ্যাটির তিন-পঞ্চমাংশ = ১৭৫ × (৩/৫) 
= ১০৫

২৬.
1/729 এর 3√3 ভিত্তিক লগারিদম কত?
  1. - 8
  2. - 6
  3. - 4
  4. - 18
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 1/729 এর 3√3 ভিত্তিক লগারিদম কত?

সমাধান:
ধরি,
log3√3(1/729) = x
⇒ (3√3)x = 1/729
⇒ (31.31/2)x = 1/36
⇒ (33/2)x = 3- 6
⇒ 3x/2 = - 6
⇒ 3x = - 12
∴ x = - 4

২৭.
s + t = √11 এবং s = √7 + t হলে st এর মান কত?  
  1. 1
  2. 2
  3. 4
  4. 5
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: s + t = √11 এবং s = √7 + t হলে st এর মান কত?  

সমাধান: 
s + t = √11 
s = √7 + t
s - t = √7

st = {(s + t)/2}2 -  {(s - t)/2}2 
= {(√11)/2}2 -  {(√7)/2}2 
= (11/4) - (7/4)
= (11 - 7)/4
= 4/4
= 1

২৮.
যদি (625)2x + 3 = 53x + 6 হয়, তবে x = কত?
  1. - 5/6
  2. 2/7
  3. - 6/5
  4. 5/4
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি (625)2x + 3 = 53x + 6 হয়, তবে x = কত?

সমাধান:
(625)2x + 3 = 53x + 6
⇒ 54(2x + 3) = 53x + 6
⇒ 4(2x + 3) = 3x + 6
⇒ 8x + 12 = 3x + 6
⇒ 8x - 3x = 6 - 12
⇒ 5x = -6
∴ x = -6/5

২৯.
[{(x + y)/x} + {(x - y)/y} - {(x2 - y2)/xy}]2 = কত?
  1. 4y2/x2
  2. 4y/x2
  3. 4y2/x
  4. 2y/x
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: [{(x + y)/x} + {(x - y)/y} - {(x2 - y2)/xy}]2 = কত?

সমাধান:
{(x + y)/x} + {(x - y)/y} - {(x2 - y2)/xy}
= y(x + y) + x(x - y) - (x2 - y2)/xy
= (xy + y2 + x2 - xy - x2 + y2)/xy
= 2y2/xy
= 2y/x

∴ [{(x + y)/x} + {(x - y)/y} - {(x2 - y2)/xy}]2
= (2y/x)2
= 4y2/x2

৩০.
তিনটি মোমবাতি যথাক্রমে ১২, ১৬ এবং ২৪ সেকেন্ড পরপর জ্বালানো হয়। প্রথমবার একসঙ্গে জ্বলার পর, কত মিনিট পর আবার একসঙ্গে জ্বালানো হবে?
  1. ০.৯ মিনিট
  2. ০.৬ মিনিট
  3. ১ মিনিট
  4. ০.৮ মিনিট
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: তিনটি মোমবাতি যথাক্রমে ১২, ১৬ এবং ২৪ সেকেন্ড পরপর জ্বালানো হয়। প্রথমবার একসঙ্গে জ্বলার পর, কত মিনিট পর আবার একসঙ্গে জ্বালানো হবে?

সমাধান: 
১২, ১৬ ও ২৪ এর ল.সা.গু হবে ন্যূনতম পরবর্তী একসঙ্গে জ্বলার সময়। 
১২ = ২ × ২ × ৩
১৬ = ২ × ২ × ২ × ২
২৪ = ২ × ২ × ২ × ৩

১২, ১৬ ও ২৪ এর ল.সা.গু = ২ × ২ × ২ × ২ × ৩
= ৪৮

∴ প্রথমবার একসঙ্গে জ্বালানোর পর, ৪৮ সেকেন্ড পর আবার একসঙ্গে জ্বালানো হবে।

প্রথমবার একসঙ্গে জ্বালানোর পর, ৪৮/৬০ = ০.৮ মিনিট  পর আবার একসঙ্গে জ্বালানো হবে।

৩১.
n(A ∪ B) = 19, n(A) = 11 এবং n(A ∩ B) = 5 হলে, n(B) = ?  
  1. 17
  2. 13
  3. 7
  4. 9
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: n(A ∪ B) = 19, n(A) = 11 এবং n(A ∩ B) = 5 হলে, n(B) = ?  

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
n(A ∪ B) = 19
n(A) = 11
এবং n(A ∩ B) = 5

আমরা জানি,
n(A ∪ B) = n(A) + n(B) - n(A ∩ B)
⇒ 19 = 11 + n(B) - 5
⇒ 19 = 6 + n(B)
⇒ n(B) = 19 - 6
∴ n(B) = 13

৩২.
একটি রম্বসের কর্ণ যথাক্রমে ৪৬ সেন্টিমিটার ও ৩৬ সেন্টিমিটার হলে রম্বসের ক্ষেত্রফল কত বর্গ সেন্টিমিটার হবে? 
  1. ১৬৫৬ বর্গ সেন্টিমিটার
  2. ৮২৮ বর্গ সেন্টিমিটার
  3. ১৬২৬ বর্গ সেন্টিমিটার
  4. ৮১৮ বর্গ সেন্টিমিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি রম্বসের কর্ণ যথাক্রমে ৪৬ সেন্টিমিটার ও ৩৬ সেন্টিমিটার হলে রম্বসের ক্ষেত্রফল কত বর্গ সেন্টিমিটার হবে? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
রম্বসের একটি কর্ণ = ৪৬ সেন্টিমিটার 
এবং অপর কর্ণটি = ৩৬ সেন্টিমিটার 

∴ রম্বসের ক্ষেত্রফল = (১/২) × কর্ণদ্বয়ের গুণফল 
= (১/২) × ৪৬ × ৩৬
= ৮২৮ বর্গ সেন্টিমিটার

৩৩.
এক ব্যক্তি তার আয়ের ৫% আয়কর দেন। তিনি ১২০০ টাকা আয়কর দিলে তার মোট আয় কত?
  1. ২২,০০০ টাকা
  2. ১৮,০০০ টাকা
  3. ১২,০০০ টাকা
  4. ২৪,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: এক ব্যক্তি তার আয়ের ৫% আয়কর দেন। তিনি ১২০০ টাকা আয়কর দিলে তার মোট আয় কত?

সমাধান: 
আয়কর ৫ টাকা হলে মোট আয় ১০০ টাকা 
আয়কর ১ টাকা হলে মোট আয় ১০০/৫ টাকা
আয়কর ১২০০ টাকা হলে মোট আয় (১০০ × ১২০০)/৫ টাকা  
= ২৪,০০০ টাকা

৩৪.
একটি নিরপেক্ষ ছক্কা নিক্ষেপ করা হলে 4 অথবা 4 এর বেশি সংখ্যা আসার সম্ভাবনা শতকরা কত? 
  1. 75%
  2. 50%
  3. 25%
  4. 100%
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি নিরপেক্ষ ছক্কা নিক্ষেপ করা হলে 4 অথবা 4 এর বেশি সংখ্যা আসার সম্ভাবনা শতকরা কত? 

সমাধান: 
একটি নিরপেক্ষ ছক্কা নিক্ষেপ করলে সম্ভাব্য ফলাফল 6টি। যথা, 1, 2, 3, 4, 5, 6

আবার, 
4 অথবা 4-এর বেশি সংখ্যা আসার সম্ভাবনা
অর্থাৎ, 4, 5 অথবা 6 আসার সম্ভাবনা
অনুকূল ফলাফল = 3টি 

আমরা জানি, 
সম্ভাবনা = অনুকূল ফলাফল/মোট ফলাফল
= 3/6
= 1/2

∴ শতকরা হিসাবে = (1/2) × 100% = 50%

৩৫.
একটি সমান্তর ধারার চতুর্থ ও দ্বাদশ পদের যোগফল ২০। তাহলে প্রথম ১৫ টি পদের যোগফল হচ্ছে:
  1. 110
  2. 130
  3. 150
  4. 180
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি সমান্তর ধারার চতুর্থ ও দ্বাদশ পদের যোগফল ২০। তাহলে প্রথম ১৫ টি পদের যোগফল হচ্ছে:

সমাধান:
ধরি,
প্রথম পদ a এবং
সাধারন অন্তর d

চতুর্থ পদ = a + (4 - 1)d
= a + 3d 

দ্বাদশ পদ = a + (12 - 1)d
= a + 11d

a + 3d + a + 11d = 20
2a + 14d = 20

তাহলে প্রথম ১৫ টি পদের যোগফল, S15=15/2{2a + (15 - 1)d}
= 15/2{2a + 14d}
= 15 × 20/2
= 150

৩৬.
৫ জন পুরুষ এবং ৪ জন মহিলার মধ্য থেকে ৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করতে হবে, যাতে ঠিক ২ জন পুরুষ এবং ২ জন মহিলা থাকবে। এটি কতগুলো উপায়ে গঠন করা সম্ভব?
  1. ৬০ উপায়ে
  2. ১২০ উপায়ে
  3. ৩০ উপায়ে
  4. ২০ উপায়ে
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৫ জন পুরুষ এবং ৪ জন মহিলার মধ্য থেকে ৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করতে হবে, যাতে ঠিক ২ জন পুরুষ এবং ২ জন মহিলা থাকবে। এটি কতগুলো উপায়ে গঠন করা সম্ভব?

সমাধান:
নির্বাচন করতে হবে,
৫ জন পুরুষের মধ্য থেকে ২ জন
৪ জন মহিলার মধ্য থেকে ২ জন

এখন,
পুরুষ নির্বাচন,
C = (৫ × ৪)/(২ × ১) = ২০/২ =  ১০টি উপায়

মহিলা নির্বাচন,
 C = (৪ × ৩)/(২ × ১) = ১২/২ = ৬টি উপায়

∴ মোট উপায় = ১০ × ৬ = ৬০

সুতরাং, কমিটিটি ৬০ উপায়ে গঠন করা সম্ভব।

৩৭.
(1/√5) + 1 + √5 + ......................... ধারাটির কোন পদ 625 হবে? 
  1. 9 তম পদ
  2. 10 তম পদ
  3. 11 তম পদ
  4. 12 তম পদ
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: (1/√5) + 1 + √5 + ......................... ধারাটির কোন পদ 625 হবে?

সমাধান:
ধারাটি একটি গুণোত্তর ধারা।
এখানে, সাধারণ অনুপাত, r = দ্বিতীয় পদ/প্রথম পদ
= 1/(1/√5)
= √5
প্রথম পদ, a = 1/√5

আমরা জানি,
n তম পদ = a × rn - 1

প্রশ্নমতে,
a × rn - 1 = 625
⇒ (1/√5) × (√5)n - 1 = 625
⇒ (√5)- 1 × (√5)n - 1 = 625
⇒ (√5)n - 2 = 625
⇒ (√5)n - 2 = (√5)8
⇒ n - 2 = 8
⇒ n = 10

∴ ধারাটির 10 তম পদ 625

৩৮.
কালাম সাহেব একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জমা রেখেছিলেন। মেয়াদ শেষে তিনি মোট ৪২,০০০ টাকা পান, যেখানে সুদ ও মূলধনের অনুপাত ছিল ২ : ৫। যদি সরল সুদের হার ৪% হয়, তবে কত সময়ের জন্য টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছিল তা নির্ণয় করুন।
  1. ৮ বছর
  2. ১৪ বছর
  3. ১২ বছর
  4. ১০ বছর
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কালাম সাহেব একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জমা রেখেছিলেন। মেয়াদ শেষে তিনি মোট ৪২,০০০ টাকা পান, যেখানে সুদ ও মূলধনের অনুপাত ছিল ২ : ৫। যদি সরল সুদের হার ৪% হয়, তবে কত সময়ের জন্য টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছিল তা নির্ণয় করুন।

সমাধান:

ধরি,
সময় = n বছর।

এই অনুপাতগুলোর যোগফল = ২ + ৫ = ৭

আমাদের দেওয়া আছে, সুদ ও বিনিয়োগের অনুপাত = ২ : ৫

অতএব, সুদের পরিমাণ
= ৪২০০০ × (২/৭) = ১২,০০০ টাকা।

বিনিয়োগের পরিমাণ
= ৪২০০০ × (৫/৭) = ৩০,০০০ টাকা।

আমরা জানি,
মূলধন × সুদের হার × সময় = মোট সুদ

⇒ ৩০,০০০ × ৪% × n = ১২,০০০
⇒ n = (১২,০০০ × ১০০) / (৩০,০০০ × ৪) = ১০

সুতরাং, টাকাটি ১০ বছর বিনিয়োগ করা হয়েছিল।

৩৯.
৪৮, ৫২, ৫৬, ৬০, ৬৪, ৬৮, ৭২ উপাত্তগুলোর গড় কত?
  1. ৫১.২
  2. ৬০
  3. ৬২.৬
  4. ৫৮
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৪৮, ৫২, ৫৬, ৬০, ৬৪, ৬৮, ৭২ উপাত্তগুলোর গড় কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
উপাত্তগুলো ৪৮, ৫২, ৫৬, ৬০, ৬৪, ৬৮, ৭২
উপাত্তগুলোর সমষ্টি = ৪৮ + ৫২ + ৫৬ + ৬০ + ৬৪ + ৬৮ + ৭২ = ৪২০

আমরা জানি, 
গড় = মোট যোগফল/উপাত্তের সংখ্যা
= ৪২০/৭
= ৬০

৪০.
7 - 4a > 3a + 21 অসমতার সমাধান কোনটি?
  1. a > - 2
  2. a < - 2
  3. a > 2
  4. a < 2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 7 - 4a > 3a + 21 অসমতার সমাধান কোনটি?

সমাধান:
⇒ 7 - 4a > 3a + 21
⇒ - 4a - 3a > 21 - 7
⇒ - 7a > 14
⇒ a < 14/(- 7) [কোনো ঋণাত্মক সংখ্যা দ্বারা গুণ বা ভাগ করলে অসমতার চিহ্নটি উল্টে যায়]
⇒ a < - 2

∴ সমাধান হলো a < - 2

৪১.
একটি শহরের জনসংখ্যা প্রতি বছর ২.৫% হারে বৃদ্ধি পায়, কিন্তু অভিবাসনের কারণে প্রতি বছর ০.৫% হারে কমে যায়। ২ বছরে শতকরা কত বৃদ্ধি হবে?
  1. ২.০৪%
  2. ৬.৫০%
  3. ৪.৫০%
  4. ৪.০৪%
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি শহরের জনসংখ্যা প্রতি বছর ২.৫% হারে বৃদ্ধি পায়, কিন্তু অভিবাসনের কারণে প্রতি বছর ০.৫% হারে কমে যায়। ২ বছরে শতকরা কত বৃদ্ধি হবে?

সমাধান:
জনসংখ্যার নিট  বৃদ্ধি (শতাংশে)
= (২.৫ - ০.৫) = প্রতি বছর ২%

ধরি, প্রাথমিক জনসংখ্যা = ১০০

১ম বছরের শেষে শহরের জনসংখ্যা
= ১০০ + ১০০ এর ২%
= ১০০ + ২ = ১০২

২য় বছরের শেষে শহরের জনসংখ্যা
= ১০২ + ১০২ এর ২%
= ১০২ + ২.০৪ = ১০৪.০৪

মোট বৃদ্ধি
= ১০৪.০৪ - ১০০ = ৪.০৪

অতএব, শতাংশ বৃদ্ধি
= (৪.০৪/১০০) × ১০০%
= ৪.০৪%

৪২.
প্রতি ২০ মিনিটে কোনো ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা ৩ গুণ হয়। ৫ ঘণ্টা পর x সংখ্যক ব্যাকটেরিয়া হলে আরও কত ঘণ্টা পরে ২৭x সংখ্যক ব্যাকটেরিয়া হবে? 
  1. ৪/৩ ঘণ্টা
  2. ১ ঘণ্টা
  3. ২ ঘণ্টা
  4. ৫/৩ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রতি ২০ মিনিটে কোনো ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা ৩ গুণ হয়। ৫ ঘণ্টা পর x সংখ্যক ব্যাকটেরিয়া হলে আরও কত ঘণ্টা পরে ২৭x সংখ্যক ব্যাকটেরিয়া হবে? 

সমাধান: 
৫ ঘণ্টা পর x সংখ্যক ব্যাকটেরিয়া ৩ গুণ করে বৃদ্ধি পেলে-
প্রথম ২০ মিনিটে ব্যাকটেরিয়া হবে = ৩x
দ্বিতীয় ২০ মিনিটে ব্যাকটেরিয়া হবে = ৩x × ৩ = ৯x
তৃতীয় ২০ মিনিটে ব্যাকটেরিয়া হবে = ৯x × ৩ = ২৭x
অর্থাৎ, ২৭x পেতে মোট ৩ বার × ৩ হতে হবে।

প্রতি বার × ৩ হতে সময় লাগে = ২০ মিনিট
সুতরাং ৩ বারের জন্য সময় লাগবে = ৩ × ২০ = ৬০ মিনিট বা ১ ঘণ্টা

অতএব, আরও ১ ঘণ্টা পরে ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা ২৭x হবে।

৪৩.
নিচের কোন বানানটি সঠিক?
  1. Guarilla
  2. Gurrilla
  3. Guerila
  4. Guerrilla
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:  নিচের কোন বানানটি সঠিক?

সমাধান:
সঠিক বানান হলো ঘ) Guerrilla
'Guerrilla' অর্থ ছোট যুদ্ধ বা little war
অর্থাৎ, ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে অতর্কিত আক্রমণ, নাশকতা, এবং গুপ্ত অভিযানের মাধ্যমে যুদ্ধ করে। 

৪৪.
একটি গিয়ার ট্রেনে গিয়ারগুলোর সংখ্যা যদি জোড় হয়, তবে প্রথম গিয়ারের তুলনায় শেষ গিয়ারটির ঘূর্ণনের দিক কী হবে?
  1. একই দিকে ঘুরবে
  2. বিপরীত দিকে ঘুরবে 
  3. স্থির থাকবে
  4. ক ও গ 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি গিয়ার ট্রেনে গিয়ারগুলোর সংখ্যা যদি জোড় হয়, তবে প্রথম গিয়ারের তুলনায় শেষ গিয়ারটির ঘূর্ণনের দিক কী হবে?

সমাধান:
গিয়ারের মোট সংখ্যা জোড় হলে প্রথম গিয়ার ও শেষ গিয়ারের ঘূর্ণনের দিক বিপরীত হয়।
অর্থাৎ,
প্রথম গিয়ার যদি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরে তাহলে শেষ গিয়ার ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে ঘুরবে।

আবার,
প্রথম গিয়ার যদি ঘড়ির কাঁটার বিপরীতে ঘুরে তাহলে শেষ গিয়ার ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরবে।

গিয়ার ট্রেনে জোড় সংখ্যক গিয়ার” হলে প্রথম ও শেষ গিয়ার পরস্পরের বিপরীত দিকে ঘোরে। 

৪৫.
প্রদত্ত চিত্রে কয়টি বর্গ আছে? 
  1. ৩৫ টি
  2. ৪৫ টি
  3. ৫৫ টি
  4. কোনটিই নয় 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রদত্ত চিত্রে কয়টি বর্গ আছে? 

সমাধান: 

যদি এ রকম প্যাটার্নে চিত্র দেয়া থাকে এবং বর্গ সংখ্যা বের করতে বলা হয় তাহলে এই সূত্র অনুসরণ করে বর্গের সংখ্যা বের করা যায়।
মোট বর্গক্ষেত্রের সংখ্যা = ৫+ ৪ + ৩ + ২ + ১
= ২৫ + ১৬ + ৯ + ৪ + ১ টি
=  ৫৫ টি

৪৬.
R হলো A এর বাবার বোনের ছেলে। S হলো D এর ছেলে, যিনি G এর মা এবং A এর দাদি। H হলো T এর বাবা এবং R এর দাদা। D হলো H এর স্ত্রী। R, D এর কে হন?
  1. ছেলে 
  2. বাবা
  3. ভাগিনা
  4. নাতি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: R হলো A এর বাবার বোনের ছেলে। S হলো D এর ছেলে, যিনি G এর মা এবং A এর দাদি। H হলো T এর বাবা এবং R এর দাদা। D হলো H এর স্ত্রী। R, D এর কে হন?

সমাধান:
প্রশ্নে বলা হয়েছে D হলো H এর স্ত্রী।
H হলো R এর দাদা।
যেহেতু H এবং D স্বামী-স্ত্রী, এবং H হলো R-এর দাদা, তাই D অবশ্যই R-এর দাদি হবেন।
অর্থাৎ, R হলো D এর নাতি।

অতএব, R হলেন D-এর নাতি। 

৪৭.
নিচের সংখ্যাগুলোর মধ্যে কোনটি ব্যতিক্রম? 
121, 385, 462, 561, 678, 792
  1. 121
  2. 678
  3. 462
  4. 792
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের সংখ্যাগুলোর মধ্যে কোনটি ব্যতিক্রম?
121, 385, 462, 561, 678, 792

সমাধান: 
এখানে, মাঝের অঙ্কটি অন্য দুটি অঙ্কের যোগফলের সমান।
যেমন, 
1 + 1 = 2 ⇒ 121
3 + 5 = 8 ⇒ 385
4 + 2 = 6 ⇒ 462
5 + 1 = 6 ⇒ 561
6 + 8 = 14 ⇒ 6148 ; [মাঝের অঙ্ক 7 হওয়া উচিত ছিল,কিন্তু হয় 14 যা ভুল]
7 + 2 = 9 ⇒ 792

সুতরাং, 678 হলো ব্যতিক্রম 

অন্যভাবে:
প্রতিটি সংখ্যাকে 11 দিয়ে ভাগ করা যায়। শুধু 678 কে 11 দিয়ে ভাগ করা যায় না 

৪৮.
(X) চিত্রটিকে আয়নায় কেমন দেখাবে? 
  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: (X) চিত্রটিকে আয়নায় কেমন দেখাবে? 


সমাধান: 

সঠিক উত্তর ঘ) 4 নং 

৪৯.
দুটি নল P এবং Q একত্রে ১৮ মিনিটে একটি ট্যাঙ্ক পূর্ণ করতে পারে এবং যখন ট্যাঙ্কে একটি ছিদ্র থাকে তখন এটি ১২ মিনিট বেশি সময় নেয়। ঐ ছিদ্র দ্বারা ট্যাঙ্কটি একা খালি করতে কত সময় লাগবে?
  1. ৩০ মিনিট
  2. ৪৫ মিনিট
  3. ৭৫ মিনিট
  4. ৬০ মিনিট
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: দুটি নল P এবং Q একত্রে ১৮ মিনিটে একটি ট্যাঙ্ক পূর্ণ করতে পারে এবং যখন ট্যাঙ্কে একটি ছিদ্র থাকে তখন এটি ১২ মিনিট বেশি সময় নেয়। ঐ ছিদ্র দ্বারা ট্যাঙ্কটি একা খালি করতে কত সময় লাগবে? 

সমাধান: 
P এবং Q  নল একত্রে ১ মিনিটে পূর্ণ করতে পারে ট্যাংকটি = ১/১৮ অংশ 

ধরি, ছিদ্র দ্বারা ট্যাঙ্কটি একা খালি করতে সময় নেয় = 'ক' মিনিট

প্রশ্নমতে, 
(১/১৮) - (১/ক) = ১/(১৮ + ১২)
⇒ ১/ক = (১/১৮) - (১/৩০)
⇒ ১/ক = (৫ - ৩)/৯০
⇒ ১/ক = ২/৯০
⇒ ১/ক = ১/৪৫
∴ ক = ৪৫ মিনিট

সুতরাং, ছিদ্র দ্বারা ট্যাঙ্কটি একা খালি করতে ৪৫ মিনিট লাগবে।

৫০.
নিচের কোন জোড়াটি ব্যতিক্রম? 
  1. Sentence, Word
  2. Forest, Tree
  3. Time, Watch
  4. Class, Students
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের কোন জোড়াটি ব্যতিক্রম? 

সমাধান:
সঠিক উত্তর হলো গ) Time, Watch 
এটিই অন্য তিনটির থেকে সবচেয়ে আলাদা। 
তার কারণ, প্রত্যেক জোড়ায় সম্পর্ক দেখি,
ক) Sentence, Word ⇒ Sentence গঠিত হয় Words দিয়ে। 

খ) Forest, Tree ⇒ Forest গঠিত হয় Trees দিয়ে। 

ঘ) Class, Students ⇒ Class গঠিত হয় Students দিয়ে। 

কিন্তু
গ) Time, Watch ⇒ Time এ Watch থাকে না। 

এখানে স্পষ্ট যে, Time, Watch জোড়াটিই ভিন্ন, বাকি তিনটি জোড়া থেকে। 

৫১.
ভারসাম্য রক্ষা করতে নিচের চিত্রের ডানদিকে দূরত্ব কত হবে? 
  1. 15 cm
  2. 2.25 cm
  3. 1.5 cm
  4. 0.15 cm
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ভারসাম্য রক্ষা করতে নিচের চিত্রের ডানদিকে দূরত্ব কত হবে? 

সমাধান:
ধরি,
বামদিকের অবলম্বন বিন্দুর দূরত্ব d1 = 2.7 cm
বামদিকের বস্তুর ওজন w1 = 10 kg
ডানদিকের অবলম্বন বিন্দুর দূরত্ব d2 = ?
ডানদিকের বস্তুর ওজন w2 = 18 kg

এখন,
d1 × w1 = d2 × w2
⇒ 2.7 × 10 = d2 × 18
⇒ 27 = d2 × 18
⇒ d2 = 27/18
∴ d2 = 1.5

∴ দূরত্ব হবে = 1.5 cm

৫২.
যদি × অর্থ ভাগ,  - অর্থ গুণ, ÷ অর্থ যোগ এবং + অর্থ বিয়োগ হয় তাহলে  
(12 - 4 ÷ 2) × 5 + 3 = ?
  1. 11
  2. 7
  3. 9
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি × অর্থ ভাগ,  - অর্থ গুণ, ÷ অর্থ যোগ এবং + অর্থ বিয়োগ হয় তাহলে  
(12 - 4 ÷ 2) × 5 + 3 = ?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
× = ÷, - = ×
÷ = + , + = - 

∴ (12 - 4 ÷ 2) × 5 + 3
= (12 × 4 + 2) ÷ 5 - 3
= (48 + 2) ÷ 5 - 3
= 50 ÷ 5 - 3
= 10 - 3
= 7

৫৩.
একজন ব্যাংক কর্মচারী তার বাড়ি থেকে দক্ষিণ দিকে 10 কি.মি. গেলেন। তারপর বাম দিকে ঘুরে 20 কি.মি. গেলেন। আবার বাম দিকে ঘুরে 40 কি.মি. গেলেন। তারপর ডানদিকে ঘুরে 5 কি.মি. গেলেন। আবার ডানদিকে ঘুরে 30 কি.মি. গিয়ে ব্যাংকে পৌঁছালেন। এখন বাড়ি থেকে ব্যাংকের সরাসরি দূরত্ব কত?
  1. 25 কি.মি.
  2. 30 কি.মি.
  3. 20 কি.মি.
  4. 35 কি.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একজন ব্যাংক কর্মচারী তার বাড়ি থেকে দক্ষিণ দিকে 10 কি.মি. গেলেন। তারপর বাম দিকে ঘুরে 20 কি.মি. গেলেন। আবার বাম দিকে ঘুরে 40 কি.মি. গেলেন। তারপর ডানদিকে ঘুরে 5 কি.মি. গেলেন। আবার ডানদিকে ঘুরে 30 কি.মি. গিয়ে ব্যাংকে পৌঁছালেন। এখন বাড়ি থেকে ব্যাংকের সরাসরি দূরত্ব কত?

সমাধান: 

∴ পূর্ব-পশ্চিম দিকে মোট দূরত্ব = 20 + 5 = 25 কি.মি.

অতএব, বাড়ি থেকে ব্যাংকের সরাসরি দূরত্ব 25 কি.মি.। 

৫৪.
প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে? 
  1. 23
  2. 35
  3. 28
  4. 32
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে? 

সমাধান: 
ঘড়ির কাটার দিক থেকে,
১ম সংখ্যা = 6
২য় সংখ্যা = 6 × 1 + 2 = 8
৩য় সংখ্যা = 6 × 2 + 2 = 14
৪র্থ সংখ্যা = 6 × 3 + 2 = 20
৫ম সংখ্যা = 6 × 4 + 2 = 26
৬ষ্ঠ সংখ্যা = 6 × 5 + 2 = 32
৭ম সংখ্যা = 6 × 6 + 2 = 38
৮ম সংখ্যা = 6 × 7 + 2 = 44

সুতরাং, প্রশ্নবোধক স্থানে 32 সংখ্যাটি বসবে। 

৫৫.
প্যাটার্ন সমাপ্ত করতে নিচের কোন চিত্রটি প্রয়োজন তা চিহ্নিত করুন-

  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্যাটার্ন সমাপ্ত করতে নিচের কোন চিত্রটি প্রয়োজন তা চিহ্নিত করুন-

সমাধান:
4 নং চিত্রটি X চিত্রে স্থাপন করলে X চিত্রটি সম্পূর্ণ হবে এবং চিত্রটি দেখতে নিম্নরূপ হবে -

৫৬.
যদি 'PICTURE' = 9267315 হয়, তবে 'CURE' = কত? 
  1. 7316
  2. 6137
  3. 6315
  4. 2615
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি 'PICTURE' = 9267315 হয়, তবে 'CURE' = কত? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
PICTURE = 9267315
যেখানে,
P = 9,
I = 2,
C = 6,
T = 7,
U = 3,
R = 1,
E = 5

এখন 'CURE' এর জন্য,
C = 6,
U = 3,
R = 1,
E = 5

সুতরাং 'CURE' = 6315

৫৭.
২০২৫ সালে প্রকাশিত আইনের শাসন সূচকে শীর্ষস্থান অর্জনকারী দেশ কোনটি?
  1. সুইজারল্যান্ড
  2. সুইডেন
  3. ডেনমার্ক
  4. ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা

আইনের শাসন:
• ওয়ার্ল্ড জাস্টিস প্রজেক্ট প্রকাশিত আইনের শাসন সূচক-২০২৫ অনুসারে:
- শীর্ষদেশ : ডেনমার্ক
- দ্বিতীয় : নরওয়ে
- তৃতীয় : ফিনল্যান্ড
- সর্বনিম্ন (১৪৩তম) দেশ : ভেনেজুয়েলা
- বাংলাদেশের অবস্থান : ১২৫তম।

উৎস: আইনের শাসন সূচক-২০২৫, ওয়ার্ল্ড জাস্টিস প্রজেক্ট ওয়েবসাইট।

৫৮.
নিচের কোনটি সুশাসনের উপাদান নয়?
  1. জবাবদিহিতা
  2. অংশগ্রহণ
  3. দুর্নীতি
  4. আইনের শাসন 
ব্যাখ্যা

- সুশাসনের উপাদান নয় দুর্নীতি।

সুশাসন:

- সুশাসন হলো উত্তমরূপে শাসন বা কার্যকরি শাসন।
- সুশাসনের ক্ষেত্রে শাসন প্রক্রিয়ায় জনগণের অংশগ্রহণ, সরকারের জবাবদিহিতা ও কর্মকাণ্ডের স্বচ্ছতা আবশ্যকীয় উপাদান।
-  স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি প্রভৃতি সুশাসনকে ব্যাহত করে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী : প্রথমপত্র : মো. মোজাম্মেল হক।

৫৯.
রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ ’গণমাধ্যম’ কে চিহ্নিত করেন কে?
  1. এডমন্ড বার্ক
  2. ম্যাককরনি
  3. বার্ট্রান্ড রাসেল
  4. জ্যা জ্যাক রুশো
ব্যাখ্যা

গণমাধ্যম: 
- গণমাধ্যমকে প্রায়শই রাষ্ট্রের "চতুর্থ স্তম্ভ" হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- গণমাধ্যম কোনো রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক কাঠামোর এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।
- বিচার বিভাগ, নির্বাহী বিভাগ এবং আইনসভা—এই তিনটি স্তম্ভের পাশাপাশি গণমাধ্যম সমাজে জবাবদিহিতা এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- এডমুন্ড বার্ক (Edmund Burke)-কে গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে চিহ্নিত করার কৃতিত্ব দেওয়া হয়।
- ১৭৭১ সালে ব্রিটিশ সংসদে একটি বিতর্কের সময় বার্ক বলেছিলেন যে, সংসদের তিনটি ঐতিহ্যগত স্তম্ভ (লর্ডস, কমন্স এবং ক্লার্জি) ছাড়াও রিপোর্টারদের গ্যালারিতে বসে থাকা সাংবাদিকরাই "চতুর্থ স্তম্ভ" (Fourth Estate), যা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
- এই উক্তিটি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং নজরদারির ভূমিকাকে তুলে ধরে।

উৎস: ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল। [লিঙ্ক]

৬০.
’দার্শনিক রাজা হলেন আদর্শ শাসক’ উক্তিটি কার?
  1. প্লেটো
  2. এরিস্টটল
  3. নিকোলা ম্যাকিয়াভেলী
  4. সক্রেটিস
ব্যাখ্যা

প্লেটো:
- গ্রিক দার্শনিক প্লেটো প্রাচীন গ্রিসে সুশাসন বা উত্তম শাসনের জন্যে আদর্শ শাসকের উপর জোর দিয়েছেন।
- তার মতে আদর্শ রাজা হবেন একজন দার্শনিক রাজা যার ব্যক্তিগত সম্পত্তি ও পরিবার থাকবে না।
- প্লেটোর মতে ব্যক্তিগত সম্পত্তি ও পরিবার থাকলে একজন শাসক জনগণের সাথে তার ওয়াদা অনুযায়ী কাজ করতে পারবেন না।

অন্যদিকে, 
• এরিস্টটলের উক্তি: 
- ’’শিক্ষার শেকড়ের স্বাদ তেঁতো হলেও এর ফল মিষ্টি ।”
-  যে ব্যক্তি সমাজের অন্তর্ভুক্ত নয় সে হয় ফেরেস্থা, নয় পশু।”

• সক্রেটিস এর বিখ্যাত উক্তি:
-  নিজেকে জানো" (Know thyself)
- জ্ঞানই পূণ্য" (Virtue is knowledge), 
- বিস্ময় হলো জ্ঞানের শুরু।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন , একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী , প্রথমপত্র : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬১.
বাংলাদেশ সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে মানুষের মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ- ১৪
  2. অনুচ্ছেদ- ১৫
  3. অনুচ্ছেদ- ১৬
  4. অনুচ্ছেদ- ১৭
ব্যাখ্যা

- সংবিধানের ১৫ নং অনুচ্ছেদে মৌলিক প্রয়োজনের কথা বলা হয়েছে।

এতে বলা হয়,
- “রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হইবে পরিকল্পিত অর্থনৈতিক বিকাশের মাধ্যমে উৎপাদনশক্তির ক্রমবৃদ্ধিসাধন এবং জনগণের জীবনযাত্রার বস্তুগত ও সংস্কৃতিগত মানের দৃঢ় উন্নতিসাধন, যাহাতে নাগরিকদের জন্য নিম্নলিখিত বিষয়সমূহ অর্জন নিশ্চিত করা যায়:
- (ক) অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসহ জীবনধারণের মৌলিক উপকরণের ব্যবস্থা;
- (খ) কর্মের অধিকার, অর্থাৎ কর্মের গুণ ও পরিমাণ বিবেচনা করিয়া যুক্তিসঙ্গত মজুরীর বিনিময়ে কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তার অধিকার;
- (গ) যুক্তিসঙ্গত বিশ্রাম, বিনোদন ও অবকাশের অধিকার; এবং
- (ঘ) সামাজিক নিরাপত্তার অধিকার, অর্থাৎ বেকারত্ব, ব্যাধি বা পঙ্গুত্বজনিত কিংবা বৈধব্য, মাতাপিতৃহীনতা বা বার্ধক্যজনিত কিংবা অনুরূপ অন্যান্য পরিস্থিতিজনিত আয়ত্তাতীত কারণে অভাবগ্রস্ততার ক্ষেত্রে সরকারী সাহায্যলাভের অধিকার৷”

অন্যদিকে,
- ১৪ নং অনুচ্ছেদ : কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি
- ১৬ নং অনুচ্ছেদ : গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব
- ১৯ নং অনুচ্ছেদ : সুযোগের সমতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৬২.
Considerations on Representative Government' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. জন লক 
  2. জ্যা জ্যাক রুশো
  3. জন স্টুয়ার্ট মিল
  4. প্লেটো 
ব্যাখ্যা

জন স্টুয়ার্ট মিল:
- জন স্টুয়ার্ট মিল একজন ইংরেজ দার্শনিক, অর্থনীতিবিদ এবং উপযোগবাদের প্রবক্তা।
- জন স্টুয়ার্ট মিলের বিখ্যাত গ্রন্থ ’On Liberty’.
- জন স্টুয়ার্ট মিল (John Stuart Mill) তার বিখ্যাত 'On Liberty' গ্রন্থে বলেন, 'মানুষের মৌলিক শক্তির বলিষ্ঠ, অব্যাহত ও বিভিন্নমুখী প্রকাশই স্বাধীনতা।'

• তার রচিত গ্রন্থসমূহ:
- Considerations on Representative Government,
- Examination of Sir William Hamilton's Philosophy,
- On Liberty,
- Principles of Political Economy,
- The Subjection of Women,
- Utilitarianism.

অন্যদিকে, 
- প্লেটোর বিখ্যাত বই: The Republic.
• জন লক বিখ্যাত বই: An Essay Concerning Human Understanding.
- কার্ল মার্কস এর বিখ্যাত রচনা Das Capital.

উৎস: ব্রিটানিকা।

৬৩.
সভ্যতার অন্যতম প্রতিচ্ছবি হলো -
  1. পরিবার
  2. বিদ্যালয়
  3. রাষ্ট্র
  4. সমাজ  
ব্যাখ্যা

• সভ্যতা:
- ম্যাকাইভার এবং পেজের মতে -আমরা যা তা হলো সংস্কৃতি এবং আমরা যা ব্যবহার করি তা হলো সভ্যতা।
- স্কটের মতে -“সভ্যতা হচ্ছে একটি উচ্চতর জটিল বিষয় যা সংস্কৃতির সাথে আপেক্ষিকতার আলোকে তুলনা করা হয়।”
- বটোমোরের মতে -“সভ্যতা হলো কতকগুলো নির্দিষ্ট মানবগোষ্ঠীর অভিন্ন সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্যসমূহের সমন্বয়”।
- উপরিউক্ত সংজ্ঞা থেকে বলা যায় - সভ্যতা হলো উন্নত জীবনধারা তথা সংস্কৃতির উন্নত ধরন।
- অর্থাৎ, সমাজ সভ্যতার প্রতিচ্ছবি।
- সমাজের প্রতিচ্ছবি বিশ্লেষণ করেই সভ্যতার সম্পর্কে ধারনা পাওয়া যায়।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৪.
UNDP- এর দৃষ্টিতে গভর্ন্যান্স মূলত - 
  1. দুর্নীতি রোধ করা
  2. কর্তৃত্বের চর্চা
  3. দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা
  4. ক্ষমতার ব্যবহার
ব্যাখ্যা

- ইউএনডিপি এর মতে একটি দেশের সার্বিক স্তরের কার্যবলি পরিচালনার জন্য অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক কর্তৃত্বের চর্চার বা প্রয়োগের পদ্ধতি হলো সুশাসন।

এছাড়াও,
- ই-গভর্ন্যান্স হলো ইলেক্ট্রনিক গভর্ন্যান্স। এর মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো সুশাসন প্রতিষ্ঠা।
- ই-গভর্ন্যান্স স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, দ্রুততা, প্রতিযোগিতা, সহজীকরণ প্রভৃতির মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা পালন করে থাকে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন,  একাদশ-দ্বাদশ শ্রেনি,  প্রথমপত্র : মো. মোজাম্মেল হক।

৬৫.
‘মূল্যবোধ হলো ব্যক্তি বা সামাজিক দলের অভিপ্রেত ব্যবহারের সুবিন্যস্ত প্রকাশ’ –মূল্যবোধ সম্পর্কে এটি কার অভিমত?
  1. ক্লাউড কুখোন
  2. এফ. ডব্লিউ. পামফ্রে
  3. কার্ল মার্কস
  4. স্টুয়াট সি. ডড
ব্যাখ্যা

• মূল্যবোধকে সংজ্ঞায়িত করতে গিয়ে এফ. ডব্লিউ. পামফ্রে বলেন,
- ‘মূল্যবোধ হলো ব্যক্তি বা সামাজিক দলের অভিপ্রেত ব্যবহারের সুবিন্যস্ত প্রকাশ’।

- সামাজিক মূল্যবোধ সম্পর্কে স্টুয়াট সি. ডড এর ভাষ্য হলো,
- ‘সামাজিক মূল্যবোধ হলো সেসব রীতিনীতির সমষ্টি যা ব্যক্তি সমাজের নিকট থেকে এবং সমাজ ব্যক্তির নিকট হতে লাভ করে।’

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী : প্রথমপত্র : মো. মোজাম্মেল হক।

৬৬.
ই-গভর্নেন্সকে ’স্মার্ট সরকার’ ব্যবস্থা বলে আখ্যায়িত করেছেন কে? 
  1. ই. এম. হোয়াইট
  2. ম্যাকাইভার
  3. বার্ট্রান্ড রাসেল
  4. চন্দ্রবাবু নাইডু
ব্যাখ্যা

- ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু E-Governance কে 'SMART Government' বলে অভিহিত করেছেন।

• E-Governance:
 
- তাঁর মতে "SMART" শব্দটির পূর্ণরূপ হলো- Simple Moral Accountable Responsive Transparent.
- অর্থাৎ যদি কোনো সরকার ব্যবস্থা সহজ সরল (Simple), নৈতিক আদর্শপূর্ণ (Moral), জবাবদিহিমূলক (Accountable), সংবেদনশীল বা দ্রুত সাড়া প্রদানকারী (Responsive) এবং কাজকর্মে স্বচ্ছ হয় তাকেই চন্দ্রবাবু নাইডু 'SMART Governance' বলতে চেয়েছেন।

•E-Governance-এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
- ই-গভর্নেন্সের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা।
- ই-গভর্নেন্সের ফলে সরকারের জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পায়। -
- ই-গভর্নেন্সের ফলে সরকারের স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পায়।
- ই-গভর্নেন্সের ফলে সরকারের দক্ষতা বৃদ্ধি পায়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

৬৭.
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্যরা কীসের ভিত্তিতে পরস্পরের সাথে আবদ্ধ থাকে?
  1. কর্তব্যবোধ
  2. রাজনৈতিক কর্মসূচি
  3. সমজাতীয় স্বার্থ
  4. জাতীয় স্বার্থ
ব্যাখ্যা

- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হলো নির্দলীয়, অরাজনৈতিক ও বেসরকারি ব্যক্তিবর্গের সমষ্টি।
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্যগণ সমজাতীয় মনোভাব এবং স্বার্থের দ্বারা পরস্পরের সাথে আবদ্ধ থাকে।
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর মূখ্য উদ্দেশ্য হলো সরকারি নীতি ও সিদ্ধান্তকে নিজেদের অনুকূলে প্রভাবিত করার মাধ্যমে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করা। এদের কোন বৃহৎ বা জাতীয় লক্ষ্য থাকে না।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন : প্রথমপত্র : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি : মো. মোজাম্মেল হক।

৬৮.
নিচের কোন জেলার সাথে ভারতের সীমান্ত নেই?
  1. নওগাঁ
  2. নড়াইল
  3. শেরপুর
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা

⇒ নড়াইল জেলার সাথে ভারতের সীমান্ত নেই।

বাংলাদেশের সীমান্ত:
- বাংলাদেশের সাথে দুটি দেশের সীমান্ত সংযোগ রয়েছে। যথা:
• ভারত ও
• মিয়ানমার।
- বাংলাদেশের মোট সীমান্তবর্তী জেলা: ৩২টি।
- ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা: ৩০টি।
- বাংলাদেশের সাথে ভারতের ৫টি রাজ্যের সীমান্ত আছে।
- মায়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা: ৩টি।
- বাংলাদেশ-ভারত ও মায়ানমার এই তিনটি দেশের যৌথ সীমান্ত রয়েছে রাঙ্গামাটি জেলার।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৬৯.
ট্রপোমন্ডলকে অন্য কোন নামে ডাকা হয়?
  1. আয়নমন্ডল
  2. বৃহৎমন্ডল
  3. ওজোনমন্ডল
  4. ক্ষুদ্রমন্ডল
ব্যাখ্যা

ট্রপোমন্ডল:
- ট্রপোমন্ডল বায়ুমন্ডলের সর্বনিম্ন অর্থাৎ ভূ-পৃষ্ঠ সংলগ্ন স্তর।
- মেরু এলাকায় এ স্তরের গভীরতা প্রায় ৮ কিলোমিটার এবং নিরক্ষীয় এলাকায় ১৬ থেকে ১৯ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- ট্রপোমন্ডলে বায়ুর গড় গভীরতা প্রায় ১৫ কিলোমিটার।
- এ স্তরের জলীয়বাষ্প এবং ধূলিকণা অশান্ত বায়ুর সাথে মিশ্রিত হয়ে মেঘ, ঝড়, বৃষ্টি, বজ্রবিদ্যুৎ প্রভৃতি সৃষ্টি করে।
- ট্রপোমন্ডলকে ক্ষুদ্রমন্ডলও বলা হয়ে থাকে।
- এ স্তরে উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে উপরের দিকে তাপমাত্রা ক্রমাগত হ্রাস পেতে থাকে।
- উষ্ণতা হ্রাসের এ হার প্রতি কিলোমিটারে ৬.৫° সেলসিয়াস যা স্বাভাবিক তাপ হ্রাস হার নামে পরিচিত।
- ট্রপোমন্ডলে বায়ুর ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি।
- এ স্তরের শেষ সীমাকে ট্রপোবিরতি (Tropopause) বলে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭০.
কোন জেলার মধ্য দিয়ে ব্রহ্মপুত্র নদ বাংলাদেশে প্রবেশ করে?
  1. লালমনিরহাট
  2. গাইবান্ধা
  3. শেরপুর
  4. কুড়িগ্রাম
ব্যাখ্যা

⇒ বিভিন্ন নদীর প্রবেশ পথ:
- পদ্মা নদীর মূল প্রবাহ রাজশাহী জেলার দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে প্রায় ১৪৫ কিলোমিটার পর্যন্ত ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের সীমানা বরাবর এসে কুষ্টিয়ার উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এরপর রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দের নিকট যমুনার সাথে মিলিত হয়েছে।
- ব্রহ্মপুত্র নদ তিব্বত ও আসামের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। 
- মেঘনা ভারতের আসাম রাজ্যের নাগা-মনিপুর পার্বত্য অঞ্চলে উৎপন্ন বরাক নদী সিলেট সীমান্তে সুরমা ও কুশিয়ারা নামে দুইটি শাখায় বিভক্ত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। 
- যমুনা ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে ব্রহ্মপুত্রের একাট শাখা যমুনা নদী নামে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়েছে। 
- করতোয়া নদী পঞ্চগড় জেলার ভিটগড়ের নিকট বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। 
- মহানন্দা নদী পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার সীমান্ত এলাকা দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পুনরায় ভারতে প্রবেশ করে।
- কর্ণফুলী নদী রাঙামাটি ও চট্টগ্রাম জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। 
- সাঙ্গু নদী বান্দরবান ও চট্টগ্রামের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- ফেনী নদী ফেনী জেলার পূর্ব সীমানা দিয়ে প্রবেশ করে সন্দ্বীপ প্রণালির উত্তরে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- নাফ নদী বাংলাদেশের টেকনাফ ও মিয়ানমারের সীমানা নির্দেশ করে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭১.
শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিতে বায়ু প্রথমে কী হয়?
  1. পর্বতের ঢাল বেয়ে নিচে নামে
  2. সমান্তরালে প্রবাহিত হয়
  3. পর্বতের ঢাল বেয়ে উপরে উঠে
  4. শীতল হয়ে থেমে যায়
ব্যাখ্যা

শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত:
- জলীয়বাষ্পপূর্ণ উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু ভূ-পৃষ্ঠের উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় সময় পর্বতে বাধাপ্রাপ্ত হলে তা পর্বতের ঢাল বেয়ে উপরের দিকে উঠে যায়।
- পর্বতের প্রতিবাত ঢালে যে বৃষ্টিপাত ঘটায় তাকে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি বলে।
- সিলেট এলাকায় প্রচুর শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি হয়।
- পর্বত অতিক্রমকারী বায়ু যদি পর্বতের অপর পাশে অর্থাৎ অনুবাত ঢালে পৌঁছায় তখন ঐ বায়ুতে জলীয়বাষ্প কমে থাকে।
- ঐ বায়ু নিচে নামার ফলে আরও উষ্ণ এবং শুষ্ক হয়ে উঠে বলেই ঐ স্থানে বৃষ্টিপাত হয় না।
- এই বৃষ্টিহীন স্থানকে বলা হয় বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭২.
দুর্যোগের দীর্ঘস্থায়িত্ব কমানো এবং পূর্বপ্রস্তুতিকে কী বলা হয়?
  1. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা
  2. দুর্যোগ পূর্বাভাস
  3. দুর্যোগ উদ্ধার
  4. দুর্যোগ প্রশমন
ব্যাখ্যা

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা:
- দুর্যোগের দীর্ঘস্থায়ীত্ব হ্রাস এবং দুর্যোগের পূর্ব প্রস্তুতিকেই দুর্যোগ প্রশমন বলে।
- প্রাকৃতিক দুর্যোগকে পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব না হলেও যথাযথ ব্যবস্থাপনার দ্বারা এর ক্ষতির পরিমাণ অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।
- এ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে কাঠামোগত ও অকাঠামোগত প্রশমন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
- কাঠামোগত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, যেমন: বেরিবাঁধ নির্মাণ, আশ্রয়কেন্দ্র তৈরি, নদী খনন ইত্যাদি।
- কাঠামোগত দুর্যোগ প্রশমন খুবই ব্যয়বহুল, যা অনেক দরিদ্র দেশের পক্ষে বহন করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে।

⇒ উল্লেখ্য:
- পুনরুদ্ধার, সাড়াদান, পূর্বপ্রস্তুতি প্রভৃতি অল্প ব্যয়ে করা সম্ভব।
- প্রশমন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মূখ্য উপাদান।

⇒ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মূখ্য উপাদানসমূহ:
• দুর্যোগ প্রতিরোধ,
• দুর্যোগ প্রশমন এবং
• দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি।

⇒ দুর্যোগ সংগঠনের পরপরই এর ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদানের মধ্যে রয়েছে:
• সাড়াদান,
• পুনরুদ্ধার ও
• উন্নয়ন।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর।

৭৩.
হরমুজ প্রণালী কোন দেশকে আরব উপদ্বীপ থেকে পৃথক করেছে?
  1. ইরান
  2. ওমান
  3. জর্ডান
  4. সিরিয়া
ব্যাখ্যা

হরমুজ প্রণালী:
- পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে সংযুক্ত করেছে হরমুজ প্রণালী।
- হরমুজ প্রণালী আরব উপদ্বীপ থেকে ইরানকে পৃথক করেছে।
- এই প্রণালীর ৩৪ কিলোমিটার দীর্ঘ।
- এই প্রণালীতে জাহাজ চলাচলের জন্য দুটো লেন রয়েছে এবং প্রতিটি লেন দুই মাইল প্রশস্ত।
- হরমুজ প্রণালী সংকীর্ণ হতে পারে।
- কিন্তু জ্বালানী তেল বহনের জন্য পৃথিবীর সবচেয়ে বড় জাহাজ চলাচল করার জন্য বিখ্যাত হরমুজ প্রণালী।
- পৃথিবীতে যে পরিমাণ জ্বালানী তেল রপ্তানি হয়, তার পাঁচ ভাগের এক ভাগ হরমুজ প্রণালী দিয়ে যায়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৭৪.
'চর আলেকজান্ডার' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. লক্ষ্মীপুর
  2. ভোলা
  3. নোয়াখালী
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা

চর আলেকজান্ডার:
- চর আলেকজান্ডার লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার ৪নং ইউনিয়নে অবস্থিত।
- ব্রিটিশ শাসনামলে রামগতি এসিল্যান্ড অফিসে আলেকজান্ডার নামে এক ইংরেজ ভদ্রলোক রেভিনিউ কালেক্টর পদে কর্মরত ছিলেন।
- তার নাম অনুসারে এই ইউনিয়নের নামকরণ করা হয় আলেকজান্ডার।
- চর আলেকজান্ডার বর্তমানে লক্ষ্মীপুরের অন্যতম একটি পর্যটন এলাকা।

⇒ বাংলাদেশের চরসমূহ:
- লক্ষ্মীপুর জেলা: চর গজারিয়া ও চর আলেকজান্ডার।
- ভোলা জেলা: চরফ্যাশন, চর মানিক, চর কুকড়ি মুকড়ি, চর নিউটন, চর নিজাম প্রভৃতি।
- নোয়াখালী জেলা: ভাসান চর, সুবর্ণ চর, চর শ্রীজনী, চর শাহাবানী প্রভৃতি।
- ফেনী জেলা: মুহুরীর চর।
- রাজশাহী জেলা: নির্মল চর।
- সুন্দরবন: দুবলার চর, পাটনি চর।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৭৫.
রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ কোনটি?
  1. নিস
  2. মার্বেল
  3. গ্রাফাইট
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

রূপান্তরিত শিলা:
- আগ্নেয় ও পাললিক শিলা অত্যধিক চাপ, তাপ ও রাসায়নিক ক্রিয়ায় পরিবর্তিত হয়ে যে নতুন রূপ ধারণ করে তাকে ‘রূপান্তরিত শিলা’ বলে।

⇒ রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ:
• কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইট
• চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে মার্বেল
• বেলপাথর রূপান্তরিত হয়ে কোয়ার্টজাইট।
• গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিস

⇒ উল্লেখ্য:
- ল্যাকোলিথ ও গ্রানাইট : অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা
- কয়লা : পাললিক শিলা।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।

৭৬.
গভীর নিম্নচাপ থেকে কী সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে?
  1. বন্যা
  2. ঘূর্ণিঝড়
  3. কালবৈশাখী
  4. শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি
ব্যাখ্যা

ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস:
- বাংলাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত বঙ্গোপসাগরে প্রখর সূর্যতাপে পানি বাষ্পীভূত হয়ে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়।
- এরূপ একটি নিম্নচাপ বেশ কয়েকদিন ধরে শক্তি সঞ্চয় করে ও গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়।
- গভীর নিম্নচাপটি থেকে যে কোনো সময়ে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
- আবহাওয়া বিভাগ সমুদ্র ও নদী বন্দরের জন্য পৃথক সংকেত প্রচার করে।
- বিপদের গুরুত্ব অনুযায়ী সমুদ্র বন্দরের জন্য এক থেকে দশ (১-১০) ধরনের ও নদী বন্দরের জন্য এক থেকে চার (১-৪) ধরনের ঝড় সতর্কীকরণ সংকেত প্রদান করে।
- সাইক্লোন প্রিপেয়ার্ডনেস প্রোগ্রাম (CPP) এর আঞ্চলিক দপ্তরসমূহ থেকে স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে মোবাইল ও জনসংযোগের মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকায় জনসাধারণকে ঝড়ের পূর্বাভাস দেবার পাশাপাশি তাদেরকে ঝুঁকিপূর্ণ স্থান থেকে সরিয়ে নিতে কাজ করে।
- সিপিপি ও অন্যান্য বেসরকারি সংস্থাসমূহ সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় উপদ্রুত এলাকার জনগণকে সর্তক করে।
- ঘূর্ণিঝড়কালিন সময়ে বাতাসের গতিবেগ, জোয়ার-ভাঁটার সময়কাল, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় উপদ্রুত এলাকার প্রাকৃতিক গঠন ইত্যাদি বিষয়গুলো বিবেচনা করে আবহাওয়া বিভাগ জলোচ্ছ্বাস সম্পর্কে পূর্বাভাস দেয়।
- স্পারসো ও আবহাওয়া বিভাগ রাডারের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য ও উপগ্রহ চিত্র বিশ্লেষণ করে ঘূর্ণিঝড়ের মাত্রা, গতিবেগ ও গতিপথ সম্পর্কে পূর্বাভাস দেবার পাশাপাশি জলোচ্ছ্বাস সম্পর্কেও পূর্বাভাস দিয়ে থাকে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৭.
'তীর্থের কাক' বাগ্‌ধারায় 'তীর্থ' শব্দের অর্থ কী?
  1. দর্শন করা
  2. প্রতীক্ষমাণ ব্যক্তি
  3. শিক্ষক
  4. সুযোগ
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

‘তীর্থ’ শব্দের অর্থ:
১. পুণ্যভূমিরূপে খ্যাত স্থান। পবিত্র স্থান (তীর্থস্থান, যেমন গঙ্গা, কাশী, পুরী ইত্যাদি)।
২. যে নদী প্রভৃতির জল খষিগণ পান করেন (পঞ্চতীর্থ )।
৩. গুরু, শিক্ষক (সতীর্থ)।
বাগধারার পুরো অর্থ: তীর্থে (পবিত্র স্থানে) কাকের মতো অপেক্ষা করা, অর্থাৎ অনেক আশা করে দীর্ঘ অপেক্ষা করা; সুযোগ সন্ধানী।
এই বাগধারায় 'তীর্থ' শব্দের অর্থ- পবিত্র স্থান।

প্রশ্ন অনুসারে, অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

৭৮.
নিচের কোনটি দ্বিস্বরধ্বনি যুক্ত শব্দ?
  1. সারথি
  2. ঘটক 
  3. তীক্ষ্ণ 
  4. বউ
ব্যাখ্যা

• বউ: ব + ঔ; এখানে ঔ = ও + উ; সুতরাং বউ শব্দে দ্বিস্বরধ্বনি আছে। 

• 'বউ' শব্দের [ও] পূর্ণ স্বরধ্বরি এবং [উ্‌] অর্ধস্বরধ্বনি মিলে দ্বিস্বরধ্বনি [বউ] তৈরি হয়েছে।

এখন অপশনগুলো দেখি:
ক) সারথি- (সা-র-থি) কোনো দ্বিস্বর নেই। 
খ) ঘটক- (ঘ-ট-ক) কোনো দ্বিস্বর নেই
গ) তীক্ষ্ণ- (তী-ক্ষ্ণ) দীর্ঘ ঈ আছে, কিন্তু দ্বিস্বর নেই। 

---------------
• দ্বিস্বরধ্বনি:
পাশাপাশি দুটি স্বরধ্বনি থাকলে দ্রুত উচ্চরণের সময় তা একটি সংযুক্ত স্বরধ্বনি রূপে উচ্চারিত হয় যা দ্বিস্বর নামে পরিচিত। অর্থাৎ একসঙ্গে উচ্চারিত দুটো মিলিত স্বরধ্বনিকে যৌগিক স্বর বা দ্বি-স্বর বলা হয়। দ্বিস্বরে দুটি স্বর থাকে একটি পূর্ণ, আর একটি অপূর্ণ।

- বাংলায় পরের স্বরটিই সাধারণত অর্ধ হয়। বাংলা ভাষায় ২৫টি যৌগিক স্বরধ্বনি রয়েছে।
- বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরজ্ঞাপক দুটো বর্ণ রয়েছে: ঐ এবং ঔ।

- পূর্ণ স্বরধ্বনি ও অর্ধস্বরধ্বনি একত্রে উচ্চারিত হলে দ্বিস্বরধ্বনি হয়। যেমন-  'লাউ' শব্দের [আ] পূর্ণ স্বরধ্বরি এবং [উ] অর্ধস্বরধ্বনি মিলে দ্বিস্বরধ্বনি [লাউ] তৈরি হয়েছে।

দ্বিস্বরধ্বনির কিছু উদাহরণ:
[আই্‌]: তাই, নাই।
[এই্‌]: সেই, নেই।
[আও্‌]: যাও, দাও।
[আএ্‌]: খায়, যায়।
[উই্‌]: দুই, রুই।
[অএ্‌]: নয়, হয়।
[ওউ্‌]: মৌ, বউ।
[ওই্‌]: কৈ, দই।
[এউ্‌]: কেউ, ঘেউ।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি (২১২১-সংস্করণ)। 

৭৯.
'Theology' এর বাংলা পারিভাষিক শব্দ কোনটি?
  1. ভূততত্ত্ব
  2. ধর্মতত্ত্ব
  3. ভূতত্ত্ব
  4. জ্ঞানতত্ত্ব
ব্যাখ্যা

• 'Theology' এর বাংলা পরিভাষা- ধর্মতত্ত্ব। 

অন্যদিকে, 
• 'Demonology' এর বাংলা পরিভাষা- ভূততত্ত্ব।
• 'Epistemology' শব্দের বাংলা পরিভাষা- জ্ঞানতত্ত্ব।
• 'Geology' এর বাংলা পরিভাষা- ভূতত্ত্ব।

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা; Cambridge dictionary।

৮০.
'আমি তোমাকে মাথায় করে রাখব।' বাক্যে 'মাথা' শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. অঙ্গ বিশেষ
  2. প্রধান
  3. সসম্মানে
  4. উঁচুতে 
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন অর্থে বাক্যে 'মাথা' শব্দের প্রয়োগ-
• অঙ্গ বিশেষ-  তার মাথায় চুল নেই।
• প্রধান- তুমি কি সমাজের মাথা হতে চাও?
• প্রাণান্ত পরিশ্রম- মাথার ঘাম পায়ে ফেলে সংসার চালাতে হচ্ছে।
• সংযোগস্থল- রাস্তার চৌমাথায় তার বাড়ি।
• রোগ- আমার মাথা ব্যথা করছে।
• চুড়া- গম্বুজের মাথায় উঠো না।
সসম্মানে- আমি তোমায় মাথায় করে রাখব।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।  

৮১.
অভিধানে কোন শব্দটি আগে বসবে?
  1. উদিষ্ট
  2. উদ্‌যাপন
  3. উদ্দাম 
  4. উদ্দীপক
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

লাইভ এক্সাম চলাকালে, অপশন - ক) 'উদিষ্ট' বানানটি ভুল ছিলো। শুদ্ধ বানান হবে- 'উদ্দিষ্ট'। অপশনে অসঙ্গতি থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।

• অভিধানে উদ্‌যাপন শব্দটি আগে বসবে। 


• বাংলা অভিধানের বর্ণগুলোকে নিম্নোক্ত ক্রমে সাজাতে পারি:
অভিধান অনুসারে,

অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ,
ং, ঃ, ঁ,
ক, খ, গ, ঘ, ঙ,
চ, ছ, জ, ঝ, ঞ,
ট, ঠ, ড, ড়, ঢ, ঢ়, ণ,
ত, ৎ, থ, দ, ধ, ন,
প, ফ, ব, ভ, ম,
য, য়, র, ল,
শ, ষ, স, হ।

অভিধানে শব্দের সাজানোর নিয়ম অনুসারে বর্ণক্রম অনুসরণ করা হয়। শব্দগুলোকে শব্দক্রম অনুসারে সাজানো হলো: সব শব্দেই প্রথম অংশ “উদ” এক। তাই পার্থক্য নির্ধারিত হবে পরের অংশ দেখে।

উদ্‌যাপন → ‘দ্‌য’ (হসন্তযুক্ত ‘দ’)
উদ্দাম → ‘দ্দা’
উদিষ্ট → ‘দি’
উদ্দীপক → ‘দ্দী’

বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,

বাংলা অভিধান অনুযায়ী
হসন্তযুক্ত ব্যঞ্জন → স্বল্প স্বর → দীর্ঘ স্বর এই ক্রম মানা হয়।

তাই সঠিক বর্ণক্রম হলো-
১. উদ্‌যাপন,
২. উদ্দাম,
৩. উদিষ্ট,
৪. উদ্দীপক। 

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

৮২.
'সমূলসহ' শব্দে কী ধরনের অশুদ্ধি ঘটেছে?
  1. প্রত্যয়ের অপপ্রয়োগজনিত অশুদ্ধি 
  2. সমাস ঘটিত অশুদ্ধি 
  3. সমার্থ শব্দের বাহুল্যজনিত অশুদ্ধি 
  4. সন্ধি বিষয়ক অশুদ্ধি 
ব্যাখ্যা

সমার্থ শব্দের বাহুল্যজনিত অশুদ্ধি:
অশুদ্ধ - শুদ্ধ:
অদ্যাপিও - অদ্যাপি/অদ্যও।  
কদাপিও - কদাপি। 
সময়কাল - সময়/কাল। 
বিবিধপ্রকার - বিবিধ। 
সুবুদ্ধিমান - সুবুদ্ধি/বুদ্ধিমান। 
আয়ত্তাধীন - আয়ত/অধীন। 
শুধুমাত্র - শুধু/মাত্র। 
কেবলমাত্র - কেবল/মাত্র। 
সমূলসহ - সমূল/মূলসহ। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

৮৩.
ঙ, ঞ, ম, ণ, ন এই পাঁচটি ধ্বনিকে বলে-
  1. নাসিক্য ধ্বনি 
  2. অস্তঃস্থ ধ্বনি
  3. উষ্মধ্বনি
  4. অনুনাসিক ধ্বনি
ব্যাখ্যা

• নাসিক্য ধ্বনি: 
ঙ, ঞ, ণ, ন, ম– এ পাঁচটি বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনির উচ্চারণে নাক ও মুখ দিয়ে কিংবা কেবল নাক দিয়ে ফুসফুস-তাড়িত বাতাস বের হয় বলে এদের বলা হয় নাসিক্য ধ্বনি এবং প্রতীকী বর্ণগুলোকে বলা হয় নাসিক্য বর্ণ৷

অন্যদিকে,
• অনুনাসিক ধ্বনি:
' ঁ' চন্দ্রবিন্দু চিহ্ন বা প্রতীকটি পরবর্তী স্বরধ্বনির অনুনাসিকতার দ্যোতনা করে। এজন্য এটিকে অনুনাসিক ধ্বনি এবং প্রতীকটিকে অনুনাসিক প্রতীক বা বর্ণ বলে। যেমন- আঁকা, চাঁদ, বাঁধ, বাঁকা, শাঁস ইত্যাদি।

• অন্তঃস্থ ধ্বনি:
স্পর্শ বা উষ্ম ধ্বনির অন্তরে অর্থাৎ মাঝে আছে বলে য র ল ব-এ ধ্বনিগুলোকে অন্তঃস্থ ধ্বনি বলা হয় আর বর্ণগুলোকে বলা হয় অন্তঃস্থ বর্ণ।

• উষ্মধ্বনি:
যে ব্যঞ্জনের উচ্চারণে বাতাস মুখবিবরে কোথাও বাধা না পেয়ে কেবল ঘর্ষণপ্রাপ্ত হয় এবং শিশধ্বনির সৃষ্টি করে, সেটি উষ্মধ্বনি। যেমন- আশীষ, শিশি, শিশু ইত্যাদি। শিশ দেয়ার সঙ্গে এর সাদৃশ্য রয়েছে বলে একে শিশধ্বনিও বলা হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)। 

৮৪.
অভিশ্রুতি ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ কোনটি?
  1. চারি > চাইর
  2. আজি > আজ 
  3. সাধু > সাউধ
  4. রাখিয়া > রাইখ্যা
ব্যাখ্যা

• অভিশ্রুতি:
অপিনিহিতির প্রভাবজাত ই কিংবা উ-ধ্বনি পূর্ববর্তী স্বরধ্বনির সঙ্গে মিলে শব্দের পরিবর্তন ঘটালে তাকে অভিশ্রুতি বলে।
বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষায় যেমন অপিনিহিতির প্রাচুর্য, পশ্চিমবঙ্গের আঞ্চলিক কথ্যভাষা ও মান্যচলিত ভাষায় তেমনি অনেক অভিশ্রুতি শব্দ লক্ষ করা যায়।
যেমন:
করিয়া থেকে অপিনিহিতির ফলে 'কইরিয়া' কিংবা বিপর্যয়ের ফলে 'কইরা' থেকে অভিশ্রুতিজাত 'করে'।

এরূপ-
- করিয়া > কইর‍্যা > করে;
- বাছিয়া > বাইছ্যা > বেছে;
- হাটুয়া > হাউটা > হেটো;
- মাছুয়া > মাউছ্যা > মেছো;
- আজি > আইজ > আজ ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
--------------------
• অপিনিহিতি:
পরের ই-কার আগে উচ্চারিত হলে কিংবা যুক্ত ব্যঞ্জধব্বনির আগে ই-কার বা উ-কার উচ্চারিত হলে তাকে অপিনিহিতি বলে।
যেমন:
- চারি > চাইর,
- আজি > আইজ,
- সত্য > সইত্য,
- সাধু > সাউধ,
- রাখিয়া > রাইখ্যা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

৮৫.
'সংস্করণ' শব্দের শুদ্ধ উচ্চারণ কোনটি?
  1. শংশ্‌করোণ
  2. শংকরোন্
  3. শংশ্‌করোন্
  4. শংকরোন
ব্যাখ্যা

• সংস্করণ (বিশেষ্য পদ),
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
- শুদ্ধ উচ্চারণ- [শংশ্‌করোন্]।
অর্থ:
- সংশোধন, পরিমার্জন।
- গ্রন্থের একদফায় মুদ্রিত ও প্রকাশিত প্রস্থ। 
- বিশেষ উদ্দেশ্যে মুদ্রণ ও প্রকাশন (সুলভ সংস্করণ)।

ইংরেজি পারিভাষিক- Edition.

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান। 

৮৬.
নিচের কোনটি কর্মধারয় সমাস?
  1. ধীরবুদ্ধি
  2. আয়তলোচনা
  3. বিপত্নীক
  4. সুন্দরলতা
ব্যাখ্যা

• কর্মধারয় সমাস:
যেখানে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধান রূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন:
- নীল যে পদ্ম = নীলপদ্ম।
- শান্ত অথচ শিষ্ট = শান্তশিষ্ট।
- কাঁচা অথচ মিঠা = কাঁচামিঠা।

পূর্বপদে স্ত্রীবাচক বিশেষণ থাকলে কর্মধারয় সমাসে সেটি পুরুষ বাচক হয়।
যেমন-
- সুন্দরী যে লতা = সুন্দরলতা,
- মহতী যে কীর্তি = মহাকীর্তি।

-----------------------
• বহুব্রীহি সমাস:
যে সমাসে সমস্যমান পদগুলোর কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে, অন্য কোনো পদকে বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। যথা- বহুব্রীহি (ধান) আছে যার = বহুব্রীহি। এখানে ‘বহু’ কিংবা ‘ব্রীহি’ কোনোটিরই অর্থের প্রাধান্য নেই, যার বহু ধান আছে এমন লোককে বোঝাচ্ছে।

বহুব্রীহি সমাসে সাধারণত যার, যাতে ইত্যাদি শব্দ ব্যাসবাক্যরূপে ব্যবহৃত হয়। যথা: আয়ত লোচন যার = আয়তলোচনা (স্ত্রী), মহান আত্মা যার= মহাত্মা, নীল বসন যার = নীলবসনা, স্থির প্রতিজ্ঞা যার = স্থিরপ্রতিজ্ঞ, ধীর বুদ্ধি যার = ধীরবুদ্ধি।

‘সহ’ কিংবা ‘সহিত' শব্দের সঙ্গে অন্য পদের বহুব্রীহি সমাস হলে ‘সহ' ও 'সহিত' এর স্থলে 'স' হয়। যেমন: বান্ধবসহ বর্তমান = সবান্ধব, সহ উদর যার = সহোদর > সোদর। এরূপ- সজল, সফল, সদৰ্প, সলজ্জ, সকল্যাণ ইত্যাদি।

হুব্রীহি সমাসে পরপদে মাতৃ, পত্নী, পুত্র, স্ত্রী ইত্যাদি শব্দ থাকলে এ শব্দগুলোর সঙ্গে ‘ক’ যুক্ত হয়। যেমন: নদী মাতা (মাতৃ) যার = নদীমাতৃক, বি (বিগত) হয়েছে পত্নী যার = বিপত্নীক। এরূপ- সত্রীক, অপুত্রক ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

৮৭.
ষ-ত্ব বিধানের নিয়ম সাধিত উপায়ে গঠিত শব্দ কোনটি?
  1. ষড়ঋতু
  2. সুষমা
  3. পাষাণ
  4. ভূষণ
ব্যাখ্যা

• ষ-ত্ব বিধান:
বাংলা ভাষায় সাধারণত মূর্ধন্য-ষ ধ্বনির ব্যবহার নেই। তাই দেশি, তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের বানানে মূর্ধন্য-ষ লেখার প্রয়োজন হয় না। কেবল কিছু তৎসম শব্দে ষ-এর প্রয়োগ রয়েছে। তৎসম শব্দের বানানে মূর্ধন্য-ষ এর ব্যবহারের নিয়মকে ষ-ত্ব বিধান বলে।

"ষ" ব্যবহারের নিয়ম:
১. 'ঋ' এবং 'ঋ-কার' এর পর 'ষ' হয়। যেমন- ঋষি, কৃষক, উৎকৃষ্ট ইত্যাদি। 
২. ট-বগীয় ধ্বনির সাথে 'ষ' যুক্ত হয়। যেমন- কষ্ট, স্পষ্ট, নষ্ট, কাষ্ট, ওষ্ঠ ইত্যাদি। 
৩. অ, আ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি এবং ক ও র-এর পরে প্রত্যয়ের “স' “ষ' হয়। যেমন- ভবিষ্যৎ, মুমূর্ষু, চক্ষুন্মান, চিকীর্ষা ইত্যাদি।
৪. ই-কারাস্ত এবং উ-কারাস্ত উপসর্গের পর কতগুলো ধাতুতে 'ষ” হয়। যেমন- অভিসেক > অভিষেক, সুসুপ্ত > সুষুপ্ত, অনুসঙ্গ > অনুষঙ্গ, সুসমা > সুষমা ইত্যাদি।
৫. তৎসম শব্দে 'র'-এর পর “ষ' হয়। যেমন: বর্ষা, ঘর্ষণ, বর্ষণ।
৬. কতগুলো শব্দে স্বভাবতই 'ষ' ব্যবহৃত হয়। যেমন- ষড়ঋতু, আষাঢ়, ভাষণ, ভাষা, ঊষা, পৌষ, কলুষ, পাষাণ, মানুষ, ঔষধ, ষড়যন্ত্র, ভূষণ, দ্বেষ ইত্যাদি।

যে সব ক্ষেত্রে ষ-ত্ব বিধান প্রযোজ্য নয়:
- আরবি, ফারসি, ইংরেজি ইত্যাদি বিদেশি ভাষা থেকে আগত শব্দে ষ হয় না। যেমন- জিনিস, পোশাক, মাস্টার, পোস্ট ইত্যাদি।
- সংস্কৃত 'সাৎ' প্রত্যয়যুক্ত পদেও “ষ' হয় না। যেমন- অগশ্নিসাৎ, ধূলিসাৎ, ভূমিসাৎ ইত্যাদি

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

৮৮.
বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দ কোনটি?
  1. মেঘলা
  2. ঘরোয়া
  3. মাছওয়ালা
  4. একলা
ব্যাখ্যা

• বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়:
ওয়ালা > আলা (হিন্দি) : বাড়ি-বাড়িওয়ালা (মালিক অর্থে), দিল্লি-দিল্লিওয়ালা (অধিবাসী অর্থে), মাছ + ওয়ালা = মাছওয়ালা (বৃত্তি অর্থে), দুধ দুধওয়ালা (বৃত্তি অর্থে)।

এরূপ কিছু বিদেশি প্রত্যয় হলো- ওয়ান, আনা, সা, গর, দার, বাজ, বন্দি, সই, পনা। 

অন্যদিকে, 
• উয়া/ওয়া>ও-প্রত্যয়: সম্পর্কিত অর্থে: ঘর + ওয়া =  ঘরোয়া, জল + উয়া = জলুয়াজলো (দুধ)।
• লা-প্রত্যয়: (ক) বিশেষণ গঠনে: মেঘ + লা = মেঘলা, এক + লা = একলা।  

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

৮৯.
নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি কোনটি?
  1. পুনরায়
  2. পদস্খলন
  3. পরস্পর
  4. পুনরুক্ত
ব্যাখ্যা

• কতগুলো সন্ধি নিপাতনে সিদ্ধ হয়। যথা:
- আ + চর্য = আশ্চর্য,
- গো + পদ = গোষ্পদ,
- বৃহৎ + পতি = বৃহস্পতি,
- তৎ + কর = তস্কর,
- বন্ + পতি = বনস্পতি,
- পর্ + পর = পরস্পর,
- মনস্ + ঈষা = মনীষা,
- ষট্ + দশ = ষোড়শ,
- এক্ + দশ = একাদশ,
- পতৎ + অঞ্জলি = পতঞ্জলি ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
বিসর্গ সন্ধি সাধিত শব্দ নিয়মে গঠিত- 
• পুনঃ+ আয় = পুনরায়, পুনঃ + উক্ত = পুনরুক্ত, পদঃ + খলন = পদস্খলন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

৯০.
কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. একত্রিত
  2. অভ্যন্তরস্ত 
  3. বিপর্যস্থ
  4. কেবলমাত্র
ব্যাখ্যা

• শুদ্ধ বানান- একত্রিত। 
- এটি একটি বাংলা শব্দ।
- শব্দটি বিশেষণ পদ।
অর্থ:
- একত্র করা হয়েছে এমন।

অন্যদিকে, 
• অশুদ্ধ বানানগুলোর শুদ্ধরূপ হলো- অভ্যন্তরস্থ, বিপর্যস্ত, কেবল/মাত্র। 

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

৯১.
পর্তুগিজ ভাষার শব্দ নয় কোনটি?
  1. গুদাম
  2. পাদরি
  3. বোতাম
  4. বাবুর্চি
ব্যাখ্যা

• পর্তুগিজ ভাষার শব্দ নয়- বাবুর্চি। 



• পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত কিছু শব্দ হলো:
আনারস, গির্জা, পেয়ারা, পেঁপে, সালোয়ার, চাবি, বালতি, গুদাম, পাউরুটি, পাদরি, কামরা, বোতল, জানালা, বোতাম, তোয়ালে।

অন্যদিকে, 
• তুর্কি ভাষা থেকে আগত কিছু শব্দ হলো: কাঁচি, খোকা, বাবুর্চি, উজবুক, কোর্মা, তুরুক, বেগম, বাবা, বিবি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

৯২.
'অশান্ত পৃথিবী' কবিতাটি ফররুখ আহমদের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?
  1. সাত সাগরের মাঝি
  2. নতুন লেখা
  3. সিরাজাম মুনীরা
  4. মুহূর্তের কবিতা
ব্যাখ্যা

• 'অশান্ত পৃথিবী' একটি সনেট কবিতা। আঠারো অক্ষরের চরণ মাত্রায় রচিত। “মূহূর্তের কবিতা” কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত কবিতা 'অশান্ত পৃথিবী'। কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৬৩ সালে। 'অশান্ত পৃথিবী' কবিতায় মানবতার ক্লান্ত শ্রান্ত অবহেলিত জীবনের কথা স্থান পেয়েছে। কবির হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসা দিয়ে লিখেছেন পৃথিবীর জন-মানবের কথা।

• 'মুহূর্তের কবিতা' কাব্যগ্রন্থ:
- গ্রন্থটি ১৯৬৩ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- এতে মোট ৯৩টি সনেট কবিতা রয়েছে যা শেক্সপীরিয়-পেত্রার্কীয় রীতিতে ১৮ অক্ষর চরণ মাত্রায় রচিত।
- উল্লেখযোগ্য কবিতা: মুহূর্তের কবিতা, অশান্ত পৃথিবী, পরিচিতি, ধানের কবিতা ইত্যাদি।

---------------------
• ফররুখ আহমদ:
- ফররুখ আহমদ ছিলেন কবি ও শিশুসাহিত্যিক। ১৯১৮ সালের ১০ জুন মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার মাঝাইল গ্রামে তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন মুসলিম পুনর্জাগরণবাদী কবি। তাঁর কাব্যের মৌলিক প্রবণতা মুসলিম সংস্কৃতির গৌরবকীর্তন ও জাতীয় চেতনার পুনর্জাগরণ। পাকিস্তানবাদ, ইসলামিক আদর্শ ও আরব-ইরানের ঐতিহ্য তাঁর কবিতায় উজ্জ্বলভাবে ফুটে উঠেছে।
- ১৯৪৪ সালে কলকাতার দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে 'লাশ' কবিতা লিখে তিনি প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন।
- ফররুখ আহমদ তাঁর বিখ্যাত কাহিনী কাব্য 'হাতেমতায়ী' এর জন্য ১৯৬৬ সালে আদমজী পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬৬ সালেই 'পাখির বাসা' শিশুতোষের জন্য ইউনেস্কো পুরস্কার লাভকরেন।

ফররুখ আহমদ রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সাত সাগরের মাঝি'
- সিরাজাম মুনীরা,
-নৌফেল ও হাতেম,
- মুহূর্তের কবিতা,
- সিন্দাবাদ,
- হাতেমতায়ী,
- নতুন লেখা,
- হাবেদা মরুরকাহিনী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৯৩.
'চন্দ্রাবতী' মনসামঙ্গল কাব্যের কোন কবির কন্যা?
  1. বিপ্রদাস পিপলাই
  2. দ্বিজ বংশীদাস
  3. দ্বিজ ঈশান 
  4. দ্বিজ মাধব 
ব্যাখ্যা

• চন্দ্রাবতী:
- মহিলা কবি চন্দ্রাবতী রামায়ণ রচনা করে পুরাতন বাংলা সাহিত্যর ইতিহাসে একমাত্র মহিলা কবি হিসেবে গৌরব অর্জন করেন।
- মধ্যযুগের তিনজন প্রধান নারী কবির একজন চন্দ্রাবতী। অপর দুইজন চণ্ডীদাস অনুরাগী রামী ও চৈতন্যের কৃপাপাত্রী মাধবী।
- চন্দ্রাবতী ছিলেন মনসামঙ্গলের অন্যতম কবি দ্বিজ বংশীদাসের কন্যা। তাঁদের নিবাস ছিল বৃহত্তর ময়মনসিংহের  কিশোরগঞ্জ জেলার অন্তর্গত পাঠবাড়ী বা পাতুয়ারী গ্রামে।
- দীনেশচন্দ্র সেনের মতে কবি চন্দ্রাবতী ১৫৫০ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন। মৈমনসিংহ-গীতিকার ‘জয়-চন্দ্রাবতী’ উপাখ্যানের নায়িকারূপে তিনি অমর হয়ে আছেন।
- তিনি পিতার আদেশে 'রামায়ণ' অনুবাদে হাত দেন। কিন্তু তা সমাপ্ত করার পূর্বে মারা যান।
- তাঁর রচনার বৈশিষ্ট্য ষোড়শ শতাব্দীর সামাজিক অর্থনৈতিক অবস্থা প্রতিফলিত করা।

চন্দ্রাবতী রচিত কাব্যগুলো হলো:
- মালুয়া
- দস্যু কেনারামের পালা
- রামায়ণ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৯৪.
"আমার প্রতিদিনের শব্দ" সৈয়দ আলী আহসান রচিত কোন ধরনের গ্রন্থ?
  1. প্রবন্ধ সংকলন  
  2. সম্পাদিত অভিধান 
  3. কাব্যগ্রন্থ 
  4. উপন্যাস
ব্যাখ্যা

• "আমার প্রতিদিনের শব্দ":
- "আমার প্রতিদিনের শব্দ" সৈয়দ আলী আহসান রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ। 
- "আমার প্রতিদিনের শব্দ" কাব্যগ্রন্থের কয়েকটি কবিতা ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন লেখা হয়েছিলো আর কয়েকটি কবিতা স্বাধীনতার পরিপ্রেক্ষিতে দেশে ফেরার পর। এগুলোর নাম-"আমার প্রতি-দিনের শব্দ", "তা হলেইতো আমি জয়ী", "প্রতিজ্ঞা", "ঘরে ফেবার পর" এবং "অবশেষে ফিরে এলাম"।

- "আমার প্রতিদিনের শব্দ" কবিতাটির ইংরেজীতে অনুবাদ করেছেন লীলা রায় যা Quest পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিলো। আর একটি ইংরেজী অনুবাদ করেছেন মেরিয়ান ম্যাডার্ন। মেরিয়ানের অনুবাদটি প্রকাশিত হয়েছিলো অস্ট্রেলিয়ার Quadrant পত্রিকায়।

- কবিতাটির একটি ফরাসী অনুকন্দ বিখ্যাত ফরাসী দৈনিক La Monde পত্রিকায় ১৯৭১ সালের ১০ই ডিসেম্বর সংখ্যায় প্রকাশিত হয়।অনুবাদটি করেছিলেন পৃথীন্দ্র মুখোপাধ্যায়।
- "আমার প্রতিদিনের শব্দ", "তা হলেইতো আমি জয়ী" এবং "ঘরে ফেরার পর" এই তিনটি কবিতার ইংরেজী অনুবাদ শিব-নারায়ণ রায় এবং মেরিয়ান ম্যাডার্ন কর্তৃক সম্পাদিত I Have Seen Ben-gal's Face নামক সংকলন গ্রন্থে স্থান পেয়েছে।

----------------------
• সৈয়দ আলী আহসান:
- সৈয়দ আলী আহসান ছিলেন শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক। ১৯২০ সালের ২৬ মার্চ মাগুরা জেলার আলোকদিয়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৩৭ সালে আর্মানীটোলা স্কুলে অধ্যয়নকালে স্কুল ম্যাগাজিনে সৈয়দ আলী আহসানের ‘The Rose’ নামে একটি ইংরেজি কবিতা প্রকাশিত হয়। পরে   আজাদ, মাসিক  মোহাম্মদী,  সওগাত পত্রিকায় বাংলা ভাষায় তাঁর গল্প, প্রবন্ধ ও কবিতা প্রকাশিত হতে থাকে।
- তিনি কর্মজীবনে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেছেন।
-রাজশাহী ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- অনেক আকাশ।
-একক সন্ধ্যায় বসন্ত।
- সহসা সচকিত।
- উচ্চারণ।
- আমার প্রতিদিনের শব্দ।
- সমুদ্রেই যাবো।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; "আমার প্রতিদিনের শব্দ" কাব্যগ্রন্থ এবং বাংলাপিডিয়া।

৯৫.
"জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব।" কোন পত্রিকার মূলমন্ত্র ছিল? 
  1. প্রগতি 
  2. শিখা
  3. ক্রান্তি 
  4. কল্লোল 
ব্যাখ্যা

• 'শিখা' পত্রিকার মূলমন্ত্র ছিল "জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব।"

• 'শিখা' পত্রিকা:
- ১৯২৬ সালে প্রতিষ্ঠিত মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র হিসেবে 'শিখা' পত্রিকা ১৯২৭ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- পত্রিকাটি প্রকাশের মূল উদ্দেশ্য ছিল মুসলমান সমাজে কুসংস্কার, জড়তা দূর করে জ্ঞান ও যুক্তিবাদী চেতনার বিকাশ ঘটানো।
- এটি ছিল তৎকালীন মুসলিম সমাজের বুদ্ধিবৃত্তিক জাগরণের এক মূল্যবান দলিল, যা অসাম্প্রদায়িক ও ধর্মনিরপেক্ষ চিন্তাধারার প্রসার ঘটিয়েছিল। 
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি ও বাণিজ্য বিভাগের অধ্যাপক আবুল হুসেন ছিলেন শিখা পত্রিকার প্রথম সংখ্যার সম্পাদক। পত্রিকাটি মুসলিম সাহিত্য-সমাজের পক্ষে আবদুল কাদির কর্তৃক মুসলিম হল থেকে প্রকাশিত এবং মুন্সি আহমদ আলী কর্তৃক সাত রওজার (ঢাকা) ইসলামিয়া প্রেস থেকে মুদ্রিত হতো।
- ১৯২৭ থেকে ১৯৩১ সাল পর্যন্ত মোট পাঁচটি সংখ্যা প্রকাশিত হয়েছিল এবং এটি ছিল একটি বার্ষিক পত্রিকা।
- প্রথম সংখ্যায় আবুল হুসেন সম্পাদক ছিলেন, পরবর্তীতে কাজী মোতাহার হোসেন, মুহাম্মদ আব্দুর রশিদ, আবুল ফজল প্রমুখ দায়িত্ব পালন করেন।
- শিখার প্রতিটি সংখ্যার শিরোদেশে 'জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব' কথাটি মুদ্রিত থাকত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৯৬.
'আবু শরিয়া' ছদ্মনামে সাহিত্য রচনা করেছেন কোন লেখক?
  1. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
  2. কাজী নজরুল ইসলাম 
  3. সৈয়দ মুজতবা আলী
  4. মীর মশাররফ হোসেন 
ব্যাখ্যা

'আবু শরিয়া' (Abu Sharia) ছদ্মনামে সাহিত্য রচনা করেছেন বিখ্যাত ঔপন্যাসিক, গল্পকার ও কূটনীতিবিদ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ। তিনি এই ছদ্মনামে ইংরেজিতে কিছু উপন্যাস ও উপন্যাসিকাও লিখেছেন, যেমন—'The Ugly Asian' (কদর্য এশীয়) এবং 'How Does One Cook Beans' (শিম কীভাবে রান্না করতে হয়)। 

---------------------
• ‘শিম কিভাবে রান্না করতে হয়’:

- ‘শিম কিভাবে রান্না করতে হয়’ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ’র ইংরেজী ভাষায় লিখিত স্যাটায়ার ‘How does one cook beans' এর বাংলা অনুবাদ। - রচনাটির একটি subtitle বা উপশিরোনাম আছে, 'এক এশীয়র ফ্রান্স অভিযান'।
- আমাদের এশীয়দের চোখে ইয়োরোপীয়দের অনেক আচরণই অদ্ভুত, বেমানান এমনকি পাগলাটে মনে হয়। যে সুবিশাল ভৌগোলিক দূরত্ব এই দু অঞ্চলের মাঝে হাত পা মেলে শুয়ে আছে, তাতে করে সমাজ সংস্কৃতির এ পার্থ্যকটা থাকবে এটাই স্বাভাবিক। ইয়োরোপীয়দের দৈনন্দিন নানা আচার ব্যবহার এক ফ্রান্স বেড়াতে যাওয়া এশীয় যুবকের চোখে কেমন ঠেকে তা-ই মূলত ‘শিম কিভাবে রান্না করতে হয়’ ব্যঙ্গাত্নক রচনাটির উপজীব্য।
- ওয়ালীউল্লাহ্ এই লেখাটি আবু শরিয়া ছদ্মনামে লেখেন। শিবব্রত বর্মনের অনুবাদে লেখাটি প্রকাশ করেছে প্রথমা প্রকাশন।

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত অন্যান্য সাহিত্যকর্মগুলো হলো- 
• নাটক:
- বহিপীর।
- তরঙ্গভঙ্গ।
- সুড়ঙ্গ।

 • উপন্যাস:
- লালসালু।
- চাঁদের অমাবস্যা। 
- কাঁদো নদী কাঁদো।

• গল্পগ্রন্থ:
- নয়নচারা।
- দুই তীর ও অন্যান্য গল্প।

অন্যদিকে, 
• কাজী নজরুল ইসলামের প্রধান ছদ্মনামগুলো হলো ধূমকেতু (তাঁর সম্পাদিত পত্রিকার নাম) এবং তাঁর ডাকনাম ছিল দুখু মিয়া, এছাড়াও তিনি নুরু, তারাখ্যাপা, খুদে, ওস্তাদ, ব্যাঙাচি ইত্যাদি নামেও পরিচিত ছিলেন, তবে ধূমকেতু ছদ্মনামটি তার সাহিত্যকর্মে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

• সৈয়দ মুজতবা আলীর বিখ্যাত ছদ্মনামগুলো হলো সত্যপীর, ওমর খৈয়াম, প্রিয়দর্শী, টেকচাঁদ এবং মুসাফির, যা তিনি 'দেশ', 'আনন্দবাজার', 'বসুমতী'সহ বিভিন্ন পত্রিকায় লেখালেখির সময় ব্যবহার করতেন।  

• মীর মশাররফ হোসেন যেসকল ছদ্মনামে সাহিত্য রচনা করেছেন- গৌড়তটবাসী মশা, গাজী মিয়াঁ এবং উদাসীন পথিক।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; ‘শিম কিভাবে রান্না করতে হয়’ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ এবং বাংলাপিডিয়া।

৯৭.
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যার আদি পদকর্তা হিসেবে কোন কবির নাম উল্লেখ করেছেন?
  1. ভুসুকুপা
  2. কাহ্নপা 
  3. লুইপা
  4. শবরপা
ব্যাখ্যা

• চর্যার আদি পদকর্তা বিষয়ক আলোচনা:
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী আদি পদকর্তা হিসেবে লুইপার নাম উল্লেখ করেছেন। চর্যাপদের প্রথম চর্যাটি লুইপার। এতে মনে হতে পারে চর্যাগীতিকাগুলির সংগ্রাহক লুইয়ের প্রাচীনত্ব সম্পর্কে সচেতন ছিলেন।

সুকুমার সেন মনে করেন- লুই অভিসময়ের বই লিখেছিলেন। আর কোন চর্যাকর্তা বা বৌদ্ধ তান্ত্রিক সিদ্ধাচার্য বিশুদ্ধ বৌদ্ধ দর্শনের বই লিখেননি। এখানেও লুইয়ের প্রাচীনত্বের প্রমাণ। লুইপার প্রাচীনত্ব সম্পর্কে কেউই সন্দেহ প্রকাশ করেন না।

তবে,  অন্যবিধ প্রমাণের সাহায্যে- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্, দেখিয়েছেন শবরপা ছিলেন লুইপার গুরু, এবং কিঞ্চিৎ পূর্ববর্তী। তাই শবরপাকেই প্রথম রচয়িতা মনে করা যেতে পারে। তারপরই অবশ্য লুইপা।

-----------------------
• চর্যাপদ:
- চর্যাপদ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের আদি নিদর্শন। ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এর পুথি আবিষ্কার করেন। তাঁরই সম্পাদনায় ৪৭টি পদবিশিষ্ট পুথিখানি হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা (১৯১৬) নামে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ কর্তৃক প্রকাশিত হয়।

- তিনি পুথির সূচনায় একটি সংস্কৃত শ্লোক থেকে নামের যে ইঙ্গিত পান তাতে এটি 'চর্যাশ্চর্যবিনিশ্চয়' নামেও পরিচিত হয়। তবে সংক্ষেপে এটি 'বৌদ্ধগান ও দোহা' বা 'চর্যাপদ' নামেই অভিহিত হয়ে থাকে।

- এতে তেইশজন পদকর্তার ৪৭টি পদ আছে। চর্যার কবিদের কাল খ্রিস্টীয় নবম থেকে দ্বাদশ শতকের মধ্যে ধরা হয়। অবশ্য মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্র মতে চর্যার কোনো কোনো পদকর্তার আবির্ভাবকাল সপ্তম অথবা অষ্টম শতক।

- সুকুমার সেনের 'বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস' (প্রথম খণ্ড) গ্রন্থে চর্যাপদের ২৪ জন পদকর্তার নাম পাওয়া যায়। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ সম্পাদিত 'Buddhist Mystic Songs' গ্রন্থে চর্যাপদের ২৩ জন কবির নাম উল্লেখ আছে।

- সুকুমার সেন মনে করেন যে, চর্যাপদের পদসংখ্যা ৫১টি; তবে তিনি তার 'চর্যাগীতি পদাবলী' গ্রন্থে ৫০টি পদের উল্লেখ করেছেন। আলোচনা অংশে তার বক্তব্য মুনিদত্ত ৫০টি ব্যাখ্যা করেছিলেন। আবার ড. শহীদুল্লাহ চর্যাপদের পদ সংখ্যা ৫০টি বলে মনে করেন।

- সংস্কৃত ভাষায় মুনিদত্ত চর্যাপদের ব্যাখ্যা করেন। তিনি ১১নং পদের ব্যাখ্যা করেননি। চর্যাপদ তিব্বতি ভাষায় অনুবাদ করেন কীর্তিচন্দ্র। ১৯৩৮ সালে প্রবোধচন্দ্র বাগচী চর্যাপদের তিব্বতি ভাষার অনুবাদ আবিষ্কার করেন।

উৎস: ‘চর্যািগীতিকা’ মুহম্মদ আবদুল হাই; বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৯৮.
কোন সালে কবি জীবনানন্দ দাশের ১২৪তম জন্মবার্ষিকী উদ্‌যাপিত হয়েছে?
  1. ২০২২ সালে 
  2. ২০২৩ সালে 
  3. ২০২৪ সালে 
  4. ২০২৫ সালে 
ব্যাখ্যা

• জীবনানন্দ দাশ ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তাঁর ১২৪তম জন্মবার্ষিকী (১২৪-তম জন্মজয়ন্তী) ২০২৩ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি-তে উদ্‌যাপিত হয়েছিল।
 
----------------------
• জীবনানন্দ দাশ:
কবি জীবনানন্দ দাশ ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর মা ছিলেন কবি কুসুমকুমারী দাশ এবং বাবা সত্যানন্দ দাশ। জীবনানন্দের প্রাথমিক শিক্ষা বরিশালে সম্পন্ন হয় এবং অনার্সসহ বি.এ. ও এম.এ. তিনি কলকাতায় পড়াশোনা করেন। ১৯২২ সালে কলকাতা সিটি কলেজে অধ্যাপনা দিয়ে তাঁর শিক্ষকতা জীবন শুরু হয়। পরবর্তীতে তিনি বাগেরহাট প্রফুল্লচন্দ্র কলেজ ও দিল্লির রামযশ কলেজে শিক্ষকতা করেন। ১৯৩০ সালে দেশে ফিরে ১৯৩৫ সালে বরিশালের বিএম কলেজে যোগদান করেন। দেশবিভাগের আগে ১৯৪৭ সালে তিনি সপরিবারে কলকাতায় চলে যান।

- শিক্ষাজীবন শুরু করার সময় থেকেই জীবনানন্দ বাংলা ও ইংরেজিতে লেখালেখি শুরু করেন।
- তাঁর কবিতায় প্রকৃতির সূক্ষ্ম ও মুগ্ধকর বর্ণনা ফুটে উঠেছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জীবনানন্দের কবিতাকে ‘চিত্ররূপময়’ আখ্যা দিয়েছিলেন। তিনি চারপাশের সাধারণ দৃশ্যকেও অসাধারণভাবে চিত্রায়িত করতে সক্ষম হয়েছেন।

- জীবনানন্দ দাশকে অনেকেই রূপসী বাংলার কবি হিসেবে চেনেন, কেউ তাঁকে তিমির হননের কবি বলেন, আবার কেউ বলেন নির্জনতার কবি। তাঁর কবিতা এবং উপমায় প্রকাশিত চিত্রায়ণ বাংলা সাহিত্যে এক অদ্বিতীয় স্থান দখল করেছে। 

• তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘ঝরাপালক’ ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়। এর পর তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে- 
‘ধূসর পাণ্ডুলিপি’ (১৯৩৬), ‘মহাপৃথিবী’ (১৯৪৪), ‘সাতটি তারার তিমির’ (১৯৪৮), ‘রূপসী বাংলা’ (রচনাকাল ১৯৩৪, প্রকাশকাল ১৯৫৭) এবং ‘বেলা অবেলা কালবেলা’ (১৯৬১)।

• জীবনানন্দ দাশের সাহিত্য শুধুমাত্র কবিতাতেই সীমাবদ্ধ নয়; তিনি উপন্যাস, গল্প এবং প্রবন্ধেও সমানভাবে সমৃদ্ধ। তাঁর উপন্যাসের মধ্যে উল্লেখযোগ্য- 
 ‘মাল্যবান’ (১৯৭৩), ‘সুতীর্থ’ (১৯৭৭), ‘জলপাইহাটি’ (১৯৮৫), ‘জীবনপ্রণালী’ ও ‘বাসমতীর উপাখ্যান’।

- এছাড়াও ‘কবিতার কথা’ (১৯৫৫) নামক প্রবন্ধগ্রন্থে মননশীল ও নন্দনভাবনামূলক চিন্তাভাবনা প্রকাশ পেয়েছে।
- কবি ১৯৫৪ সালের ২২ অক্টোবর কলকাতার হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া এবং 'একুশে টিভি' রিপোর্ট। 

৯৯.
পদ্মা নদীর সৌন্দর্য বর্ণনা করা হয়েছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কোন গ্রন্থে?
  1. বলাকা
  2. সভ্যতার সংকট
  3. নৌকাডুবি
  4. ছিন্নপত্র
ব্যাখ্যা

• 'ছিন্নপত্র' চিঠির সংকলন:
- ছিন্নপত্র (১৯১২) রবীন্দ্রনাথের একটি পত্রসাহিত্য, যা তিনি পূর্ববঙ্গের জমিদারি পরিচালনার সময় শিলাইদহ, পতিসর, এবং কালিগ্রামে থাকাকালীন বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে লিখিত চিঠির সংকলন।
- এই চিঠিগুলোতে পূর্ববঙ্গের গ্রামীণ জীবন, নদী, প্রকৃতি, মানুষের জীবনযাত্রা, এবং সামাজিক অবস্থার প্রত্যক্ষ বর্ণনা রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, তিনি শিলাইদহ ও পদ্মা নদীর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, কৃষকদের জীবন, এবং স্থানীয় সংস্কৃতির বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন।
তাই এটি বাংলাদেশ প্রসঙ্গের প্রত্যক্ষ উদাহরণ।

ছিন্নপত্র-এর একটি চিঠিতে রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন পদ্মা নদীর সৌন্দর্য ও গ্রামীণ জীবনের বিষয়ে, যা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।

শিলাইদহ থেকে ভ্রাতুষ্পুত্রী ইন্দিরা দেবীকে তিনি লিখেছিলেন- 
'পৃথিবী যে কী আশ্চর্য সুন্দরী এবং কী প্রশস্ত প্রাণ এবং গভীরভাবে পরিপূর্ণ তা এইখানে না এলে মনে পড়ে না।' শিলাইদহ থেকে যখন-তখন পদ্মা নদীতে বোট ভাসিয়ে দেন কবি। বোটের নাম দিয়েছেন পদ্মা। আপন মনে বুঝি গেয়ে ওঠেন, "এবার তোর মরা গাঙে বান এসেছে, 'জয় মা' বলে ভাসা তরী।" পদ্মা নদী থেকে বোটে করে চলে যান ইছামতীতে, ইছামতী থেকে বড়লে, হুড়োসাগরে, চল বিলে, কখনওবা আত্রাইয়ে, নাগর নদীতে, যমুনা পার হয়ে খাল বেয়ে চলে যান শাহজাদপুরে। এই চলাচলের পথ জুড়ে থাকা প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য ও দারিদ্র্যক্লিষ্ট জনজীবন তাঁকে আলোড়িত করে। পদ্মা নদীর বিপুল বিস্তার, প্রকৃতির নিবিড় সৌন্দর্য ও জনমানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয় কবির হৃদয়। তাঁর 'হৃদয়ের একুল ওকুল দুকুল ভেসে যায়'।

--------------------- 
অন্যদিকে, 
• 'বলাকা' কাব্যগ্রন্থ:
বলাকা ১৯১৬ সালে রচিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গতিচেতনা বিষয়ক কাব্য। কাব্যটি রবীন্দ্র কবি মানসের বিবর্তন ধারাপথে আত্মপ্রকাশ করেছে। প্রাক্বলাকা কাব্যে কবির অনুভূতি আবেগের মধ্যে দিয়ে ব্যক্ত ছিল, কিন্তু বলাকা কাব্যে সেই অনুভূতির প্রকাশ হয়েছে বোধি ও বুদ্ধি, জ্ঞান ও অনুভবে এবং দ্রুতি ও দীপ্তির মাধ্যমে- বিষয়ের সঙ্গে একাত্মতায় ও নতুন চেতনায়। কাব্যটি রচনার পশ্চাতে তিনটি বিষয় কবিকে অনুপ্রাণিত করেছে; ক. কবির ইউরোপ ভ্রমণ, খ. কবির নোবেল পুরস্কার লাভ, গ. সমকালীন বিশ্বপরিস্থিতি ও প্রথম মহাযুদ্ধ। 

• ‘সভ্যতার সংকট’:
'সভ্যতার সংকট' মূলত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ/ভাষণ। ‘সভ্যতার সংকট’ রবীন্দ্রনাথের শেষ ভাষণ যা তার আশি বৎসরের জন্মোৎসবের অনুষ্ঠানে ১৯৪১ সালের ১৪ই এপ্রিল (১৩৪৮ বঙ্গাব্দের ১লা বৈশাখ) বই আকারে শান্তিনিকেতনে বিতরিত হয় । এই ভাষণ বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় মুদ্রিত হবার পর , রবীন্দ্রনাথ এর ঈষৎ সংশোধন করেন । পরে এর সংশোধিত সংস্করণ প্রকাশিত হয় ‘প্রবাসী’ পত্রিকায় । পরে ৮ই মে , ১৯৪১ সালে এটি বই আকারে প্রকাশিত হয় ।

পশ্চিমবঙ্গ সরকার প্রকাশিত ‘রবীন্দ্র রচনাবলী’-র ত্রয়োদশ খণ্ড (প্রকাশ নভেম্বর , ১৯৯০) থেকে এই বইটি মুদ্রিত করা হয়েছে।

• 'নৌকাডুবি' উপন্যাস:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'নৌকাডুবি' উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু হলো অপ্রত্যাশিত দুর্ঘটনা ও ভাগ্যের পরিহাসে সম্পর্কের জটিলতা, প্রেম, ভুল বোঝাবুঝি, ত্যাগ এবং মানবিক আবেগের গভীর বিশ্লেষণ, যেখানে রমেশ ও কমলার নৌকাডুবি তাদের জীবনকে নতুন পথে চালিত করে, যা নিয়তির এক অদ্ভুত খেলায় আবর্তিত হয়, যেখানে ভালোবাসা, কর্তব্যবোধ ও সামাজিক বাধ্যবাধকতা একে অপরের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। 
নদী ও নৌকাডুবির ঘটনা কাহিনির সূচনা হিসেবে আছে, কিন্তু সেখানে পদ্মা নদীর প্রকৃতি বা সৌন্দর্য নিয়ে আলাদা সাহিত্যিক বর্ণনা করা হয়নি।

উৎস: 'ছিন্নপত্র' চিঠির সংকলন; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া। 

১০০.
বাংলাদেশের কোন ঐতিহাসিক আন্দোলনে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন?
  1. কৃষক আন্দোলনে
  2. বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে
  3. ভাষা আন্দোলনে
  4. তেভাগা আন্দোলনে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলনে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। তিনি পাকিস্তানে উর্দুর পরিবর্তে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার যৌক্তিক দাবি প্রথম উত্থাপন করেন।

- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে জাতিসত্তা সম্পর্কে ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌র বিখ্যাত উক্তি- ''আমরা হিন্দু বা মুসলমান যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালি।''

---------------------
• ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্:
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ একাধারে শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও ভাষাতত্ত্ববিদ ছিলেন। ১৮৮৫ সালের ১০ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার পেয়ারা গ্রামে তাঁর জন্ম।
- তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তুলনামূলক ভাষাতত্ত্বে এম.এ (১৯১২) পাস করেন। দুবছর পর তিনি বি.এল (১৯১৪) ডিগ্রিও অর্জন করেন।
- ১৯২৬ সালে শহীদুল্লাহ্ উচ্চশিক্ষা গ্রহণের জন্য ইউরোপ যান। প্যারিস বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি বৈদিক ভাষা, বৌদ্ধ সংস্কৃত, তুলনামূলক ভাষাতত্ত্ব, তিববতি ও প্রাচীন পারসিক ভাষা এবং জার্মানির ফ্রাইবুর্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাচীন খোতনি, প্রাচীন ভারতীয় বৈদিক সংস্কৃত ও প্রাকৃত ভাষা শেখেন। 
- মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ ছিলেন বহুভাষাবিদ এবং ভাষাবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে তিনি স্বচ্ছন্দে বিচরণ করেছেন। তিনি ১৮টি ভাষা জানতেন; ফলে বিভিন্ন ভাষায় সংরক্ষিত জ্ঞানভাণ্ডারে তিনি সহজেই প্রবেশ করতে পেরেছিলেন।
- মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের ইতিহাস রচনাসহ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের বহু জটিল সমস্যার সমাধান করেন। বাংলা লোকসাহিত্যের প্রতিও তিনি বিশেষ অনুরাগী ছিলেন।
- তিনি 'জ্ঞানতাপস' হিসেবে অধিক পরিচিত। তাঁকে 'চলিষ্ণু অভিধান' বলা হয়।

• সম্পাদনা ও প্রকাশনা:
- শিশুপত্রিকা ‘আঙুর’ (১৯২০), 
- ইংরেজি মাসিক ‘দি পীস’ (১৯২৩), 
- বাংলা মাসিক ‘বঙ্গভূমি’ (১৯৩৭), 
- পাক্ষিক ‘তকবীর’ (১৯৪৭)। 

গবেষণা ও গ্রন্থসমূহ
• বাংলা ভাষার উৎপত্তি: প্রমাণ – গৌড়ী/মাগধী প্রাকৃত থেকে বাংলা (১৯২৫)। 

উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- সিন্দবাদ সওদাগরের গল্প (১৯২২), 
- ভাষা ও সাহিত্য (১৯৩১), 
- বাঙ্গালা ব্যাকরণ (১৯৩৬), 
- বাংলা সাহিত্যের কথা (২ খণ্ড),
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস (১৯৫৭),
- Traditional Culture in East Pakistan (১৯৬১),
- Buddhist Mystic Songs (১৯৬০)। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১০১.
'মদিনা' কোন পালার অন্তর্ভুক্ত চরিত্র?
  1. আলাল-দুলালের পালা
  2. দেওয়ান ভাবনা পালা
  3. দস্যু কেনারামের পালা
  4. কাজল রেখা
ব্যাখ্যা

• 'দেওয়ানা মদিনা' পালা:
- 'দেওয়ানা মদিনা' পালাটির লেখক মনসুর বয়াতি। বর্তমান হবিগঞ্জ জেলার অধীনে বাংলাদেশের বৃহত্তম গ্রাম বানিয়াচঙ্গের দেওয়ানদের সম্পর্কে এ পালা।
- বানিয়াচঙ্গের দেওয়ান সোনাফরের পুত্র আলাল ও দুলালের বিচিত্র জীবনকাহিনি এবং দুলাল ও গৃহস্থকন্যা মদিনার প্রেম কাহিনি 'দেওয়ানা মদিনা' এর মূল বিষয়।
- 'দেওয়ানা মদিনা' পালার অপর নাম 'আলাল-দুলালের' পালা।

'দেওয়ানা মদিনা'র প্রধান কয়েকটি চরিত্র হলো:
- আলাল,
- দুলাল,
- মদিনা,
- সোনাফর।

--------------------------
• মৈমনসিংহ গীতিকা:
- মৈমনসিংহ গীতিকা ময়মনসিংহ অঞ্চলের প্রাচীন পালাগানের সংকলন। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক দীনেশচন্দ্র সেন বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলা থেকে স্থানীয় সংগ্রাহকদের সহায়তায় প্রচলিত এ পালাগানগুলো সংগ্রহ ও সম্পাদনা করে মৈমনসিংহ গীতিকা (১৯২৩) নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশ করেন। গ্রন্থটি বিষয়মাহাত্ম্য ও শিল্পগুণে শিক্ষিত মানুষেরও মন জয় করে।

মৈমনসিংহ গীতিকায় ১০টি গীতিকা স্থান পেয়েছে। যথা:
- চন্দ্রাবতী (নয়ানচাঁদ ঘোষ),
- দেওয়ানা মদিনা (মনসুর বয়াতি),
- মহুয়া (দ্বিজ কানাই),
- মলুয়া (চন্দ্রাবতী),
- কমলা (দ্বিজ ঈশান),
- দেওয়ান ভাবনা,
- দস্যু কেনারামের পালা (চন্দ্রাবতী),
- রূপবতী,
- কাজল রেখা,
- কঙ্ক ও লীলা উল্লেখযোগ্য।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১০২.
নিচের কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস?
  1. বখতিয়ারের ঘোড়া
  2. উপমহাদেশ
  3. সাদা কফিন
  4. পরীবানুর কাহিনী
ব্যাখ্যা

• "উপমহাদেশ" উপন্যাস:
- "উপমহাদেশ" কবি আল মাহমুদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
- মুক্তিযুদ্ধের সময়কার জীবনচিত্রকে আশ্রয় করে লেখা উপন্যাসটিকে ঐতিহাসিক উপন্যাস বলা না গেলেও যুদ্ধের ভয়াবহতা, হিংস্রতা, যুদ্ধের মাঝে প্রেম, দেশপ্রেম সব কিছুরই প্রতিচ্ছবি সত্যনিষ্ঠ ভাবে তুলে ধরার প্রয়াস করেছেন লেখক।

অন্যদিকে, 
• 'বখতিয়ারের ঘোড়া' (১৯৮৪) কবি আল মাহমুদ রচিত একটি কাব্যগ্রস্থ।
• বিপ্রদাশ বড়ুয়া রচিত ‘সাদা কফিন ও মুক্তিযোদ্ধা’ ( ২০১৭) গল্পগ্রন্থের অন্যতম নামগল্প ‘সাদা কফিন’। এই গল্পের প্রেক্ষাপট মুক্তিযুদ্ধ।

• ‘পরীবানুর কাহিনী’ হলো সত্যেন সেন রচিত একটি বিখ্যাত ছোটগল্প, যা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে পটভূমি করে লেখা, যেখানে এক সাধারণ মেয়ে পরীবানুর জীবন ও অসাধারণ ত্যাগ ও সাহসিকতার চিত্র ফুটে উঠেছে, যা মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে এক গভীর মানবিক আবেদনের গল্প বলে।

উৎস: "উপমহাদেশ" উপন্যাস; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া। 

১০৩.
কবি নজরুলকে যুগপ্রবর্তক কবি ও বাংলার জাতীয় কবি হিসেবে আখ্যায়িত করেন কে?
  1. কাজী মোতাহার হোসেন
  2. বুদ্ধদেব বসু
  3. মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন
  4. আবুল কালাম শামসুদ্দীন 
ব্যাখ্যা

• নজরুল সওগাতে যোগদান করে একটি রম্য বিভাগ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সওগাতে প্রকাশিত এক প্রবন্ধে আবুল কালাম শামসুদ্দীন নজরুলকে যুগপ্রবর্তক কবি ও বাংলার জাতীয় কবি হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

যুগপ্রবর্তক কবি ও বাংলার জাতীয় কবি হিসেবে আখ্যায়িত করার কারণ:
কাজী নজরুল ইসলামকে যুগপ্রবর্তক কবি বলা হয়, কারণ তিনি বাংলা সাহিত্যে এক নতুন চেতনা ও দৃষ্টিভঙ্গির সূচনা করেন। ১৯২৭–২৮ সালের সময়কালে তাঁর সাহিত্য রক্ষণশীল হিন্দু সমাজ ও মৌলবাদী মুসলমান সমাজ—উভয়েরই বিরূপ সমালোচনার মুখে পড়ে। শনিবারের চিঠি, ইসলাম দর্শন, মোসলেম দর্পণ প্রভৃতি পত্রিকায় তাঁর রচনার বিরুদ্ধে সমালোচনা ও ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশিত হলেও তিনি আদর্শ ও সৃজনশীলতা থেকে বিচ্যুত হননি। বরং কল্লোল, কালিকলম ও সওগাত–এর মতো প্রগতিশীল পত্রিকা তাঁর পক্ষে দাঁড়ায়। এই বিরোধিতা ও সমর্থনের মধ্য দিয়ে নজরুল সমাজের প্রচলিত চিন্তাধারার বিরুদ্ধে বিদ্রোহী ও মানবতাবাদী কণ্ঠস্বর হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। এভাবেই তিনি সাহিত্য ও চিন্তায় এক নতুন যুগের সূচনা করেন।

নজরুলকে বাংলার জাতীয় কবি বলা হয়, কারণ তাঁর সাহিত্য সাম্প্রদায়িকতার ঊর্ধ্বে উঠে জাতিগত ঐক্য, মুক্তবুদ্ধি ও মানবতার বাণী প্রচার করে। মুসলিম সাহিত্য সমাজের সম্মেলনে যোগদান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল অধ্যাপক ও ছাত্রদের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা এবং বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ততা তাঁর প্রগতিশীল মানসিকতার পরিচয় বহন করে। একই সঙ্গে তিনি মুসলিম সমাজের গোঁড়ামি ও হিন্দু সমাজের রক্ষণশীলতার বিরুদ্ধেও সমানভাবে প্রতিবাদ করেন।

এ কারণেই সওগাত পত্রিকায় প্রকাশিত প্রবন্ধে আবুল কালাম শামসুদ্দীন নজরুলকে যুগপ্রবর্তক কবি ও বাংলার জাতীয় কবি হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তাঁর সাহিত্য জাতি, ধর্ম ও সমাজের বিভেদ অতিক্রম করে সমগ্র বাঙালি জাতির চেতনাকে ধারণ করেছে—এটাই তাঁর জাতীয় কবিসত্তার মূল ভিত্তি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১০৪.
'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের রচয়িতা কে?
  1. রােকেয়া সাখাওয়াত হােসেন
  2. রাবেয়া খাতুন 
  3. সুফিয়া কামাল 
  4. সেলিনা হোসেন 
ব্যাখ্যা

• 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধ:
- রােকেয়া সাখাওয়াত হােসেন রচিত ‘মতিচূর' গ্রন্থের একটি উল্লেখযােগ্য প্রবন্ধ 'অর্ধাঙ্গী'। এই রচনায় উনিশ শতকের শেষ ও বিশ শতকের গােড়ায় ভারতবর্ষে পুরুষ শাসিত সমাজজীবনের সবক্ষেত্রে নারী, বিশেষ করে মুসলমান নারীসমাজের পশ্চাদপদতা, দুর্বহ জীবন ও অধিকারহীনতাকে দেখা হয়েছে পুরুষের নিদারুণ স্বার্থপরতা, আধিপত্যকামী মানসিকতার প্রেক্ষাপটে। অত্যন্ত ব্যথিত হৃদয়ে বেগম রােকেয়া আবেগধর্মী যুক্তিপ্রধান এই রচনায় নারীসমাজকে জ্ঞানচর্চা ও কর্মব্রত, অধিকার সচেতনতা ও মুক্তি-আকাঙ্ক্ষায় প্রবুদ্ধ করতে সচেষ্ট হয়েছেন।

- ‘অর্ধাঙ্গী’ প্রবন্ধে রােকেয়া সাখাওয়াত হােসেন দেখাতে চেয়েছেন, সমাজ যে পূর্ণ ও স্বাভাবিক গতিতে অগ্রসর হতে পারছে না তার কারণ পরিবার ও সমাজজীবনের অপরিহার্য অর্ধেক শক্তি নারীসমাজের দুর্বল ও অবনত অবস্থা। এজন্যে পুরুষসমাজের দৃষ্টিভঙ্গির সংকীর্ণতাকে দায়ী করেছেন তিনি। এ রচনায় নারী জাগরণের পক্ষে যে সুচিন্তিত, দৃঢ় ও বলিষ্ঠ মতামত তিনি ব্যক্ত করেছেন তাতে তাঁর মন্তব্যে আছে আবেগের গাঢ়তা আর যুক্তিতে আছে ধারালাে তীক্ষ্ণতা। তিনি দেখাতে চেয়েছেন, সমাজ জীবনের অগ্রগতি ও কল্যাণ সাধনের জন্যে নারী জাগরণ এবং সেই সঙ্গে পুরুষ সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের বিকল্প নেই।

------------------------
• "মতিচূর (প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড)":
- ‘মতিচূর’ রােকেয়া সাখাওয়াত হােসেনের উদ্দেশ্যমূলক প্রবন্ধ গ্রন্থ। ঘৃতপক্ক মিষ্টান্ন বিশেষকে বলা হয় মতিচূর। রােকেয়ার গ্রন্থের রচনাগুলােও অনেকটা সুস্বাদু মিষ্টান্নের মতােই।

- 'মতিচূর' গ্রন্থের দুটি খণ্ডে মােট প্রবন্ধের সংখ্যা ১৭টি। প্রথম খণ্ডের অন্তর্ভুক্ত ৭টি প্রবন্ধের নাম-‘পিপাসা’, ‘স্ত্রীজাতির অবনতি’, ‘নিরীহ বাঙালি’, ‘অর্ধাঙ্গী’, ‘সুগৃহিণী’, ‘বােরকা’ ও ‘গৃহ'। দ্বিতীয় খণ্ডে ১০ প্রবন্ধ সংকলিত হয়েছে।

উৎস: মতিচূর (প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড) এবং উচ্চমাধ্যমিক বাংলা প্রথম পত্র।

১০৫.
গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে কোন কাব্যটি রচিত হয়েছে?
  1. লায়লী-মজনু 
  2. পদ্মাবতী
  3. ইউসুফ-জোলেখা
  4. গুলে বকাওলী
ব্যাখ্যা

• ইউসুফ-জোলেখা:
- ইউসুফ-জোলেখা মধ্যযুগের পুঁথি লেখকদের রচিত বাংলা সাহিত্যের একটি প্রণয়-কাব্য। বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলমান কবি শাহ মুহম্মদ সগীর। তিনি গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে ইউসুফ-জোলেখা কাব্য রচনা করেন। সে-বিচারে কাব্যটি পঞ্চদশ শতাব্দীর প্রথম দিকের রচনা এবং শাহ মুহম্মদ সগীর বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবি হিসেবে গণ্য।

- বাইবেল ও কোরানে ইউসুফ-জোলেখার কাহিনি বর্ণিত আছে। ইরানের কবি ফেরদৌসিও (মৃত্যু ১০২৫ খ্রিষ্টাব্দ) এই নামে কাব্য রচনা করেছেন।
তিনি কোরান ও ফেরদৌসির কাছ থেকেই কাহিনিসূত্র গ্রহণ করে ইউসুফ ও জোলেখার প্রণয়কাহিনি লেখেন।

- তৈমুস বাদশার কন্যা জোলেখার আজিজের সঙ্গে বিয়ে হয়। ক্রীতদাস ইউসুফের (নবি) প্রতি প্রেমাসক্ত হয়ে জোলেখা তাকে আকর্ষণ করে। নানা ঘটনায় ইউসুফ মিশরের অধিপতি হয় এবং তার মনেরও পরিবর্তন ঘটে। ধর্মান্তরের মধ্য দিয়ে ইউসুফ-জোলেখার মিলন হয়। সুফিরা ইউসুফকে পরমাত্মা জোলেখাকে জীবাত্মার প্রতীক বিবেচনা করেন। শাহ মুহম্মদ সগীরও তাই করেছেন। তবে বর্ণনায় প্রেমের আবহটি প্রধান হয়েছে।

- সগীর ছাড়া একই কাহিনি নিয়ে আবদুল হাকিম, গরীবুল্লাহ, ফকির মুহম্মদ প্রমুখ কাব্য লিখেছেন। তবে এ কাব্য শাহ মুহম্মদ সগীরই প্রথম লেখেন।

অন্যদিকে, 
• বাংলায় 'লায়লী-মজনু' কাব্যটি মধ্যযুগের কবি দৌলত উজির বাহরাম খান আনুমানিক ১৫৬০-১৫৭৫ খ্রিস্টাবাদের মধ্যে রচনা করেন, যা পারস্য কবি জামীর রচনার ভাবানুবাদ এবং এর উৎস আরব্য লোকগাথা।

• বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত 'পদ্মাবতী' কাব্যটি আরাকানের রাজা থদো-মিন্তের রাজত্বকালে (১৬৪৮ খ্রিস্টাব্দে) কবি আলাওল রচনা করেন, যদিও এর মূল হিন্দি কাব্য 'পদুমাবৎ' লিখেছিলেন মালিক মুহম্মদ জায়সী (১৫৪০ খ্রি.)। 

• বাংলা রোমান্টিক প্রণয়কাব্যের ধারায় 'গুলে বকাওলী' কাব্যটি যথেষ্ট জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল। গদ্যে ও পদ্যে গুলে বকাওলী প্রেমকাহিনি বাংলায় পরিবেশিত হয়েছে এবং বিশ শতকেও সাহিত্যরূপ লাভ করায় এর ব্যাপক জনপ্রিয়তা প্রমাণিত। বাংলা ভাষা ছাড়া হিন্দি ফারসি উর্দু ইত্যাদি ভাষায়ও এ কাব্য রচিত হয়েছিল। বাংলায় গুলে বকাওলী কাব্যের রচয়িতা হিসেবে নওয়াজিস খান খ্যাতিমান। কবি কাব্যে যে আত্মপরিচয় দান করেছেন তাতে তাঁর বংশলতিকার পরিচয় পাওয়া যায়। তাঁর এক পূর্বপুরুষ ছিলিম খান গৌড় থেকে চট্টগ্রাম এসে ছিলিমপুর গ্রামের প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। কবি চট্টগ্রামের সাতকানিয়া থানার অন্তর্গত সুখছড়ি গ্রামে বসবাস করতেন বলে জানা যায়। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া। 

১০৬.
"ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না, একলা জেগে রই,
মাগো আমার কোলের কাছে কাজলা দিদি কই?"- পঙ্‌ক্তিদ্বয় কোন কবির রচনা?
  1. জসীম উদ্‌দীন 
  2. যতীন্দ্রমোহন বাগচী
  3. মদনমোহন তর্কালঙ্কার 
  4. কাজী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

• পঙ্‌ক্তিদ্বয় কবি যতীন্দ্রমোহন বাগচী রচিত 'কাজলা দিদি' কবিতার অন্তর্ভুক্ত। 

• যতীন্দ্রমোহন বাগচী:
- যতীন্দ্রমোহন বাগচী ছিলেন কবি, সম্পাদক। নদীয়া জেলার জমশেরপুর গ্রামে ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দের ২৭ নভেম্বর তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈতৃক নিবাস হুগলি জেলার বলাগড় গ্রামে।

- ১৯০২ খ্রিস্টাব্দে তিনি কলকাতার ডাফ কলেজ থেকে বিএ পাস করেন। পরে বিভিন্ন সময়ে তিনি বিচারপতি সারদাচরণ মিত্রের সচিব, নাটোরের মহারাজার সচিব, কলকাতা কর্পোরেশনের লাইসেন্স-ইন্সপেক্টর, এফ.এন গুপ্ত কোম্পানির ম্যানেজার প্রভৃতি পদে চাকরি করেন।

- যতীন্দ্রমোহন অল্প বয়স থেকেই কাব্যচর্চা শুরু করেন।  ভারতী, সাহিত্য প্রভৃতি বিখ্যাত পত্রিকায় তাঁর কবিতা প্রকাশিত হলে তিনি কবি হিসেবে প্রসিদ্ধি লাভ করেন।

- পরবর্তীকালে তিনি  মানসী পত্রিকার সম্পাদক (১৯০৯-১৯১৩), যমুনা পত্রিকার যুগ্ম-সম্পাদক (১৯২১-১৯২২) এবং পূর্বাচল পত্রিকার সম্পাদক ও স্বত্বাধিকারী (১৯৪৭-১৯৪৮) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

- যতীন্দ্রমোহন ছিলেন রবীন্দ্রোত্তর যুগের শক্তিমান কবিদের অন্যতম। পল্লিপ্রকৃতির সৌন্দর্য ও পল্লিজীবনের সুখ-দুঃখের কথা তিনি দক্ষতার সঙ্গে প্রকাশ করেন। ভাগ্যবিড়ম্বিত ও নিপীড়িত নারীদের কথা তিনি বিশেষ দরদের সঙ্গে প্রকাশ করেছেন। ‘কাজলাদিদি’ ও ‘অন্ধবন্ধু’ তাঁর এ ধরনের দুটি বিখ্যাত কবিতা।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ হলো:
- লেখা,
- রেখা,
- অপরাজিতা,
- নাগকেশর,
- জাগরণী,
- নীহারিকা,
- মহাভারতী) ইত্যাদি। 

-----------------------

কবিতার কিছু অংশ-

'কাজলা দিদি' কবিতা
- যতীন্দ্র মোহন বাগচী
বাঁশ-বাগানের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ওই,
মাগো আমার শোলক্-বলা কাজলা দিদি কই?
পুকুর ধারে লেবুর তলে,
থোকায় থোকায় জোনাক জ্বলে,
ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না, একলা জেগে রই,
মাগো আমার কোলের কাছে কাজলা দিদি কই?

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং ‘কাজলা দিদি’ কবিতা।

১০৭.
Find out the incorrectly spelt word-
  1. Revision
  2. Rescission
  3. Indescretion
  4. Repetition
ব্যাখ্যা

• The incorrectly spelt word: গ) Indescretion.
-  সঠিক বানান হলো- Indiscretion.

• Indiscretion (noun)
- English Meaning: behaviour or speech that is indiscreet or displays a lack of good judgement.
- Bangla Meaning: অসাবধান/অসতর্ক আচরণ; অসতর্কতা; অসাবধানতা; অবৈচক্ষণ্য; অবিচারণা।

- অন্যদিকে, বাকি অপশনগুলোর spelling সঠিক।
ক) Revision → পুনর্বিবেচনা; পুনরায় পাঠ ও সংশোধন।
খ) Rescission → কর্তন; বাতিলকরণ।
ঘ) Repetition → পুনরাবৃত্তি।

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Oxford Dictionary.

১০৮.
Eliza has _____ enemies, but they can do her _____ harm.
  1. little,  much
  2. a few, little
  3. many, many
  4. many, little
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: Eliza has many enemies, but they can do her little harm.
- Bangla meaning: এলিজার অনেক শত্রু আছে, কিন্তু তারা তার খুব কমই ক্ষতি করতে পারে।

- প্রদত্ত বাক্যে 'enemies' হলো plural countable noun, তাই -এর পূর্বে countable determiner 'many' ব্যবহৃত হয়েছে।
- আবার, 'harm' হলো uncountable noun তাই -এর পূর্বে uncountable determiner 'little' ব্যবহৃত হয়েছে।
- সাধারণত little ব্যবহৃত হয় যখন "খুব কম/নগণ্য" পরিমাণ বুঝায়।

• অন্য অপশনগুলো বিশ্লেষণ:
ক) little, much → প্রথম শূন্যস্থানে "little enemies" ভুল "Little" uncountable noun এর পূর্বে ব্যবহৃত হয়।

খ) a few, little → "a few enemies" এবং "little harm" সঠিক determiner হলেও এখানে কোনো contrast (বিপরীত ধারণা) দেখানো হয়নি।
- অর্থাৎ, "কয়েকজন শত্রু আছে, কিন্তু ক্ষতি খুব কম"—এটি সাধারণভাবে বলা যায়, কিন্তু 'but' এখানে আসলে contrast বুঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
- No strong contrast — a few enemies doing little harm is expected, not surprising.
- সুতরাং, সঠিক contrast হলো- many...little.

গ) many, many → দ্বিতীয় শূন্যস্থানে "many harm" ভুল, কারণ harm uncountable, many ব্যবহৃত হয় countable-এর পূর্বে।

১০৯.
Select the one that has the identical singular and plural form:
  1. Echo
  2. Macho
  3. Genus
  4. Offspring
ব্যাখ্যা

• The correct answer is - ঘ) Offspring.

• Offspring (noun): 
- English Meaning: A person's children; the young of an animal.
- Bangla Meaning: (plural অপরিবর্তিত) সন্তান; সন্তানসন্ততি; জীবজন্তুর বাচ্চাকাচ্চা।

- Offspring -এর plural form হিসেবে সাধারণত Offspring-ই ব্যবহৃত হয়।
- তবে, 'Offspring' -এর plural form 'Offsprings' ও হয়।

অন্যদিকে,
ক) Echo (প্রতিধ্বনি; অনুরণন) -এর plural form: Echoes.

খ) Macho (পৌরুষ প্রদর্শনকারী) -এর plural form: Machos.

গ) Genus (প্রাণী বা উদ্ভিদের গণ) -এর plural form: Genera/Genuses.

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১১০.
The idiom “put something on the map” means-
  1. To study geography
  2. To travel to a new place
  3. To make a thing famous
  4. To draw a place on a map
ব্যাখ্যা

• The idiom “put something on the map” means- গ) To make a thing famous.

• Put something/someone on the map idiom
- English Meaning: to make (a place, a person, etc.) famous or well-known.
- Bangla Meaning: (কোনও স্থান, ব্যক্তি, ইত্যাদি) বিখ্যাত বা সুপরিচিত করা।

• Ex. Sentence: The governor has managed to put this sleepy state on the map.
- Bangla Meaning: গভর্নর এই ঘুমন্ত রাজ্যটিকে মানচিত্রে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছেন।

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১১১.
Choose the best alternative for the underlined part. 
She saw through his excuse at once.
  1. Ignored
  2. Realized
  3. Supports
  4. Believed
ব্যাখ্যা

• She saw through his excuse at once.
- Here, the underlined part means- গ) realized.

- "saw through his excuse" সঠিক idiomatic expression/phrasal verb ("see through someone/something").
- এর অর্থ: কারও মিথ্যা বা ছলনা বুঝে ফেলা, দেখতে পাওয়া যে excuse-টা আসলে মিথ্যা বা অজুহাত।
- অর্থাৎ, সে তাৎক্ষণিকভাবে বুঝে ফেলল যে excuse-টা সত্যি নয়।

- তাই, এর best alternative হলো realized (বুঝতে পারল/উপলব্ধি করল)।

• See through (someone/something)
- English Meaning: to realize that someone is trying to deceive you to get an advantage, or that someone's behaviour is intended to deceive you, and to understand the truth about the situation.
- Bangla Meaning: ফন্দি, চালাকি ইত্যাদি ধরে ফেলা; কী ধরনের মানুষ বুঝতে পারা; ধরে ফেলা; উপলব্ধি করা।

• Given options:
ক) Ignored - উপেক্ষা করা।

খ) realized - উপলব্ধি/হৃদয়ঙ্গম করা।

গ) support - সমর্থন করা।

ঘ) Believed - বিশ্বাস করা।

- সুতরাং, অপশনের অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায় যে, সঠিক উত্তরটি হলো- খ) realized.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.
3. Merriam-Webster Dictionary.

১১২.
We saw the party walking out several times.
Here, 'walking' is a/an-
  1. Noun
  2. Adjective
  3. Adverb
  4. Preposition
ব্যাখ্যা

• We saw the party walking out several times.
- Here, 'walking' is an- Adjective.

- The word “walking” is a present participle used as an adjective (participle) to describe “the party” (the party who were walking out).
- অর্থাৎ, "walking out" এখানে the party-কে modify করছে, তাই এটি adjective.
- এটি এখানে verb -কে modify করছে না, আবার noun -এর object হিসেবেও বসেনি।

• Present participle:
- Verb -এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি adjective -এর কাজ করে অর্থাৎ, একই সাথে Verb ও adjective -এর কাজ করে, তাহলে তাকে present participle বলে।
- সহজ ভাষায় → present participle হলো Verb + ing = adjective = Verb + adjective কাজ করে।
- কিন্তু মূলত adjective.

• Participle: 
- A participle is a verb that ends in -ing (present participle) or -ed, -d, -t, -en, -n (past participle). Participles may function as adjectives, describing or modifying nouns.
- Participle একই সাথে Verb ও Adjective এর কাজ করে।

• Participle মূলত: তিন প্রকার: 
1. Present Participle. Ex: Do not disturb a sleeping dog. 
2. Past Participle. Ex: This is a book written by Charles Dickens. 
3. Perfect Participle. Ex: Having eaten rice, he went to bed.

Source: 
1. High School English Grammar and Composition by Wren And Martin.
2. A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

১১৩.
The prefix “inter-” in international means-
  1. against
  2. between
  3. within
  4. after
ব্যাখ্যা

• The prefix “inter-” in international means- between.
- international (আন্তর্জাতিক) শব্দ দ্বারা বুঝানো হয়, দুই বা ততোধিক জাতি/রাষ্ট্রের মধ্যে।

• inter- [prefix]
- English Meaning: used to form adjectives meaning "between or among the people, things, or places mentioned".
- Bangla Meaning: দুইয়ের মধ্যে; অনেকের মধ্যে।

- যেমন:
- international;
- intercollegiate sports;
- inter-staff communication.

• Prefix:
- prefix শব্দের 'Pre' অর্থ 'Before' (পূর্বে)।
-Prefix (উপসর্গ) হচ্ছে এমন 'letter/letters' যা শব্দের প্রথমে বা শুরুতে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে।
- যেমন: im, in, un, ir, be, de, mis, inter, over, ad, ny, on, pre, pro, etc.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

১১৪.
The news that you heard yesterday is known to all.
What kind of clause is the underlined part?
  1. Co-ordinate clause
  2. Noun clause
  3. Adjective clause
  4. Adverbial clause
ব্যাখ্যা

• The news that you heard yesterday is known to all.
- The underlined part is an Adjective clause.

- এখানে "that you heard yesterday" একটি Adjective clause (Relative clause) কারণ:
- It modifies the noun "news" by telling us which news – the news that you heard yesterday.
-অর্থাৎ, এটি এখানে Noun "news" কে modify করছে: (Which news? / What kind of news?).
- Relative pronoun "that" দিয়ে শুরু হয়ে "news" noun-কে modify করছে বিধায় এটি হলো Adjective clause.
- এটি এখানে Noun "news" সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দিচ্ছে না, তাই Apposition হিসেবে এটি Noun clause হবে না।

• Adjective clause/Relative clause:
- যে Sub-ordinate Clause কোনো Noun বা Pronoun এর পরে বসে ঐ Noun বা Pronoun কে modify করে তাকে Adjective Clause বলে।
- Relative clause গুলো সাধারণত Relative pronoun (যেমন: that, who, whose, whom, which, why, when) ইত্যাদি দ্বারা শুরু হয়।

• Adjective Clause দুইটি স্থানে বসতে পারে:
1. Noun এর post modifier হিসেবে- (subject + verb + noun + adjective clause).
2. Subject এর post modifier হিসেবে- (Subject + adjective clause + verb + object).

• Note:
- Noun -এর পরে That যুক্ত clause টি Noun clause এবং Adjective clause উভয়ই হতে পারে।

• কখন Adjective clause?
- যখন noun/pronoun কে modify করে (দোষ, গুণ, সংখ্যা, পরিমাণ, ইত্যাদি বুঝায়) তখন adjective clause হয়।
- যেমন: The news that you heard yesterday is known to all.
- এই বাক্যে That যুক্ত clause টি 'News' কে modify করছে, অর্থাৎ, news কে describe করছে (that you heard yesterday).
- Adjective clause এর ক্ষেত্রে that -এর পরের clause টির অর্থ পরিপূর্ণ হয় না, এবং এক্ষেত্রে that কে উঠিয়ে দেওয়া যায়।
- যেমন: The news you heard yesterday is known to all.

• কখন Noun clause?
- Noun বা pronoun -এর apposition হিসেবে সাধারণত News, Hope, Belief, Fact, Rumour, ইত্যাদির পরে Noun Clause বসে।
- Apposition বলতে এমন কিছু বোঝায়, যা কোনো Noun বা pronoun সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য প্রদান করে।
- এই অতিরিক্ত তথ্য noun/pronoun কে modify করে না।
- যেমন: The news that Rajib got married took everyone by surprise.

১১৫.
Rajib requested his teammate _______ telephone to attend the team meeting.
  1. on
  2. through
  3. over
  4. by
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: Rajib requested his teammate by telephone to attend the team meeting.

• Preposition -এর নিয়মানুযায়ী:
- ফোনের মাধ্যমে বুঝাতে by phone/over the phone ব্যবহৃত হয়।
- আবার ফোনে কথা বলছে/চলছে বুঝাতে (be) on the phone ব্যবহৃত হয়।

- শুধু Phone/telephone শব্দটির পূর্বে preposition হিসাবে by বসে।
- কিন্তু the phone/telephone এর পূর্বে over/on, preposition হিসাবে বসে।
- যেহেতু প্রশ্নে উল্লিখিত বাক্যটিতে 'telephone' এর পূর্বে 'the' বসে নি, তাই শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে- by. 

• More examples:
• By phone: The company can be reached by phone on this number.
• Over the phone: She engaged in a conversation over the phone.
• On the phone: Please do not interrupt your mother while she is on the phone.

Source: Cambridge Dictionary.

১১৬.
It would be presumptuous of me to comment on the matter.
Here, the underlined word "presumptuous" means-
  1. Shy
  2. Arrogant
  3. Deferential
  4. Unassuming
ব্যাখ্যা

• It would be presumptuous of me to comment on the matter.
- Here, the underlined word "presumptuous" means- Arrogant.

• Presumptuous (adjective)
- English Meaning: Rude because of doing something although you know you do not have a right to do it.
- Bangla Meaning: (আনুষ্ঠানিক) (আচরণ ইত্যাদি) অহংকৃত; প্রধৃষ্ট।

• Given options:
ক) Shy - লাজুক।

খ) Arrogant - উদ্ধত; অহংকারী।

গ) Deferential - শ্রদ্ধাবান; শ্রদ্ধাপূর্ণ।

ঘ) Unassuming - নিজেকে জাহির করে না এমন; নিরাভিমান; অপ্রগলভ; আত্মাভিমানশূন্য; বিনয়ী; অমায়িক।

• সুতরাং, অপশনের অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায় যে, The word "presumptuous" means- Arrogant.

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Oxford Dictionary.

১১৭.
The simple form of the sentence. ''Study well or you will fail."
  1. Despite of not your studying well you will fail.
  2. In case of your studying you will fail.
  3. In spite of you studying well you will fail.
  4. In case of your not studying well you will fail.
ব্যাখ্যা

- Compound: Study well or you will fail.
- Simple: In case of your not studying well you will fail.

- 'Or' যুক্ত শর্তবোধক বা বিপরীতার্থক দুটো compound বাক্যের simple করতে হলে সাধারণত 'in case of/without' ব্যবহৃত হয়।

• 'Or' যুক্ত Compound Sentence কে Simple করার নিয়ম:
- প্রথমে Without/in case of বসে।
- বিপরীত ধারণা বুঝাতে possessive + not বসে।
- প্রথম বাক্যের মূল verb এর সাথে ing যোগ হয়।
- verb এর পরের অংশ বসে (যদি থাকে)।
- দ্বিতীয় বাক্য/বাক্যাংশ বসে।

• Structure: or + clause → In case of + possessive + not + gerund.

• More example:
- Compound: Work hard, or you will not succeed.
- Simple: In case of your not working hard, you will not succeed.

Source: Advanced Learner's English Grammar & Composition by Chowdhury & Hossain.

১১৮.
In fear of ______ the journalist didn’t publish the report.
  1. punishing
  2. punished
  3. being punished
  4. having punished
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: In fear of being punished the journalist didn’t publish the report.
- Bangla Meaning: শাস্তির ভয়ে সাংবাদিক প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেননি।

- সাধারণত Active construction -এ Preposition এর পর Noun/Verb+ing ব্যবহৃত হয়।
- আবার, Passive construction -এ Preposition এর পর being + past participle ব্যবহৃত হয়।

- প্রদত্ত বাক্যটিতে passive construction প্রয়োজন, কারণ সাংবাদিক কারো দ্বারা ভয় পাচ্ছেন।
- Passive form -এ being + verb এরপর Past Participle হয়।

• Structure:
- Active: In fear of + gerund (active action on self).
- Passive: In fear of + being + past participle (passive action on self).

- সুতরাং, শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে- being punished.

১১৯.
What minerals do we export?
In this sentence, 'What' is a/an-
  1. Noun
  2. Adverb
  3. Pronoun
  4. Adjective
ব্যাখ্যা

• What minerals do we export?
- In this sentence, 'What' is an- adjective.

- What এখানে 'minerals' noun টিকে modify করায় Adjective হয়েছে।
- As an adjective, 'what' can refer to people or things.

• Interrogative Adjective:
- Interrogative pronoun যখন adjective -রূপে কাজ করে তখন তাকে Interrogative adjective বলে।
- অর্থাৎ, Interrogative pronoun (What, Which. whose etc.) গুলো যখন Noun এর পূর্বে বসে প্রশ্ন করে (noun টিকে modify করে) তখন সেগুলো adjective-এর কাজ করে, তাই এরা Interrogative adjective.
- Interrogative adjective হলো এক প্রকার Pronominal Adjective.

• More Examples:
- Remember what fun we had?
- What colour do you like best?

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১২০.
They were warned not ______ the mountain in such bad weather.
  1. climbed
  2. to climb
  3. climbing
  4. climb
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: They were warned not to climb the mountain in such bad weather.

- (কাউকে সম্ভাব্য বিপদ বা অপ্রীতিকর পরিণাম সম্পর্কে) সতর্ক করে দেওয়া অর্থে Warn + infinitive form বসে।
- Structure: warn + object + (not) to + infinitive structure-এ ব্যবহৃত হয়।
- অর্থাৎ: warn someone to do something বা not to do something.

- তাই, প্রদত্ত শূন্যস্থানে 'to climb' বসবে।

• অন্যান্য অপশন:
ক) climbed → past form, কিন্তু এখানে infinitive -এর ব্যবহার হবে।
গ) climbing → gerund/present participle, warn-এর পরে সাধারণত gerund না infinitive form বসে।
ঘ) climb → bare infinitive (to ছাড়া), warn-এর পরে "to + infinitive" বসে, তাই bare infinitive ভুল।

• কিছু কিছু verb আছে যেগুলোর পরে সাধারণত infinitive form বসে। যেমন-
- tell, remind, force, enable, teach, order, warn, invite, persuade, get (persuade, arrange for), etc.

Source: 
1. A Text Book of Higher English Grammar by P. K. De Sarkar.
2. Cambridge Dictionary.

১২১.
Which of the following is correct?
  1. Karim together with his childrens have gone to Sylhet.
  2. Karim together with his children have gone to Sylhet.
  3. Karim together with his children is going to Sylhet.
  4. Karim together with his children are going to Sylhet.
ব্যাখ্যা

• Correct sentence: Karim together with his children is going to Sylhet.

• Subject-Verb agreement অনুযায়ী,
- With, together with, along with, as well as, in addition to, accompanied with/by, and not, including, excluding, but, except, ইত্যাদি দ্বারা কোনো noun বা pronoun যুক্ত হলে, verb সর্বদা প্রথম subject (noun/ pronoun) অনুযায়ী হবে।
- অর্থাৎ, প্রথম noun/ pronoun টি singular হলে verb টি singular হবে।
- আবার প্রথম noun/ pronoun টি plural হলে verb টি plural হবে।

• Structure:
- Singular subject + together with + singular verb + object.
- Plural subject + together with + plural verb + object.

- প্রশ্নে উল্লিখিত বাক্যে together with এর পূর্বে singular subject "Karim" থাকায় শূন্যস্থানে singular verb 'is' বসবে।

Other Options:
ক) Karim together with his childrens have gone to Sylhet.
- 'childrens' ভুল, (plural হলো children), আবার have gone (plural verb), কিন্তু এখানে প্রথম subject singular তাই singular verb হবে।

খ) Karim together with his children have gone to Sylhet.
- have gone (plural verb), কিন্তু এখানে প্রথম subject singular তাই singular verb হবে।

ঘ) Karim together with his children are going to Sylhet.
- are (plural verb), কিন্তু এখানে প্রথম subject singular তাই singular verb হবে।

১২২.
"Vanity Fair" is a well-known novel by-
  1. Emily Jane Bronte
  2. Jane Austen
  3. William Makepeace Thackeray
  4. Henry Fielding
ব্যাখ্যা

• "Vanity Fair" is a well-known novel by William Makepeace Thackeray.

• Vanity Fair:
- William Makepeace Thackeray রচিত একটি famous novel.
- It is a novel of early 19th-century English society.
- এটি ১৮৪৮ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই উপন্যাসের অন্যতম চরিত্র Becky Sharp নামের একজন মেয়ে।
- এই উপন্যাসকে বলা হয় A Novel Without a Hero কারণ, সাধারণ উপন্যাস গুলোতে যেভাবে একজন বিশেষ নায়ক বা নায়িকার কর্মকান্ডকে প্রধান বিবেচনা করে কাহিনি আবর্তিত হয়, তার উপন্যাস গুলো এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। বরং বহু চরিত্রকে ঘিরে তার উপন্যাসের কাহিনি গড়ে ওঠে।

• William Makepeace Thackeray (1811-1863):
- তিনি একজন Indian-born British novelist.
- Victorian Period এর একজন ঔপন্যাসিক।
- তিনি 'The Cornhill Magazine' এর founder.

• Notable works:
- Vanity Fair,
- The Rose and the Ring,
- Barry Lyndon,
- The Newcomers,
- Catherine: A Story,
- The Virginians: A Tale of the Last Century,
- The Virginians, etc.

Source: Britannica.

১২৩.
"I cannot rest from travel; I will drink Life to the lees."
This famous quote is taken from the poem-
  1. Ulysses
  2. Locksley Hall
  3. Oenone
  4. The Lady of Shalott
ব্যাখ্যা

• "I cannot rest from travel; I will drink Life to the lees."
- This famous quote is taken from the poem Ulysses.
- এটি Alfred Tennyson -এর বিখ্যাত কবিতা 'Ulysses' -এর একটি বিখ্যাত লাইন।

• Ulysses (poem):
- The poem is written in blank-verse.
- কবিতাটি ১৮৩৩ সালে লেখা এবং was  published in the two-volume collection Poems (1842).
- হোমারের কাব্য Iliad থেকে অনুপ্রাণিত।
- এটি মূলত: একটি Dramatic Monologue.

• এই কবিতার বিখ্যাত উক্তিগুলো হচ্ছে-
- "I am a part of all that I have met."
- "To strive, to seek, to find, and not to yield."
- "I will never rest from travels, I will drink life to the lees."
- “Made weak by time and fate, but strong in will to strive to seek, to find, and not to yield”.

• Alfred Tennyson (1809-1892):
- Also known as: Alfred Tennyson, 1st Baron Tennyson of Aldworth and Freshwater.
- তিনি ১৮৫০ সালে ইংল্যান্ডের Poet Laureate নিযুক্ত হোন।
- তাঁর melodious language এর জন্য তিনি অনেক প্রসিদ্ধ এবং তাঁকে Lyric Poet বলা হয়ে থাকে।
- Alfred, Lord Tennyson ছিলেন একজন ইংরেজ কবি, যিনি Victorian period এর অন্যতম প্রধান কবি হিসেবে পরিচিত।
- তার কবিতায় প্রকৃতি, প্রেম, মৃত্যু, এবং মানব-মানবী সম্পর্ক বিশালভাবে ফুটে উঠেছে।
- English poet often regarded as the chief representative of the Victorian age in poetry.

• Famous Poems:
- The Charge of the Light Brigade,
- The Lady of Shalott,
- Morte D'Arthur,
- In Memoriam A.H.H.,
- The Lotos-Eaters,
- Oenone,
- Tithonus,
- Ulysses,
- The Princess,
- Mariana,
- Tears, Idle Tears,
- The Eagle,
- Crossing the Bar,
- Locksley Hall,
- Idylls of the King,
- The Two Voices,
- Enoch Arden,
- The Higher Pantheism,
- A Dream of Fair Women,
- Lady Clara Vere de Vere, etc.

• Famous Comedies:
- Queen Mary,
- The Falcon, etc.

• উল্লেখ্য যে,
- Ulyssess নামে ইংরেজি সাহিত্যে আরো একটি সাহিত্যকর্ম রয়েছে এবং সেটি হচ্ছে James Joyce এর লেখা একটি Novel.

Source:
1. Britannica.
2. Poetry Foundation.

১২৪.
'The Second Coming' is a poem in blank verse, written by-
  1. Allen Ginsberg
  2. T. S. Eliot
  3. W. B. Yeats
  4. Elizabeth Barrett Browning
ব্যাখ্যা

• 'The Second Coming' is a poem in blank verse, written by W. B. Yeats.

• The Second Coming:
- The Second Coming হলো William Butler Yeats এর একটি বিখ্যাত কবিতা।
- It is a two-stanza poem in blank verse.
- "The Second Coming" কবিতাটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বের বিশৃঙ্খলা ও নৈতিক অধঃপতন নিয়ে লেখা।
- Yeats এখানে খ্রিস্টান ধারণা অনুযায়ী যীশুর পুনরাগমন (Second Coming) নিয়ে কথা বললেও, কবিতায় তিনি ভয়ানক কিছু আসন্ন বিপর্যয়ের পূর্বাভাস দেন।

• William Butler Yeats (1865-1939):
- Yeats ছিলেন একজন আইরিশ কবি, নাট্যকার এবং সাহিত্যিক, যিনি (Modern Period) আধুনিক ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব।
- W.B Yeats কে Ireland -এর 'National Poet' বলা হয়ে থাকে।
- তিনি ১৯২৩ সালে প্রথম আইরিশ হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- একজন কবি এবং নাট্যকার হিসাবে, তার সাহিত্যকর্ম গুলো আয়ারল্যান্ডের ঐতিহ্য এবং রাজনীতি দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন।
- নিজের জন্মভূমির প্রতি তার ভালোবাসার প্রকাশ তার বিভিন্ন কবিতায় লক্ষ্য করা যায়।

• Notable poems:
- Easter 1916,
- September 1913,
- No Second Troy,
- The Second Coming,
- A Prayer for My Daughter,
- The Tower,
- The Stolen Child,
- Sailing to Byzantium,
- The Lake Isle of Innisfree,
- The Man Who Dreamed of Fairyland,
- An Irish Airman Foresees His Death, etc.

Source:
1. Britannica.
2. Poetry Foundation.

১২৫.
Shakespeare's 'Venus and Adonis' is a-
  1. Narrative Poem
  2. Sonnet
  3. Historical play
  4. Tragedy
ব্যাখ্যা

• Shakespeare's 'Venus and Adonis' is a- Narrative Poem.

• Venus and Adonis:
- 'Venus and Adonis' হলো William Shakespeare এর narrative poem.
- Shakespeare, Ovid’s Metamorphoses এর বই এর গল্প থেকে কবিতাটি লেখার জন্য ধারণা নিয়েছিলেন।
- এই কবিতাটি গ্রীক পুরাণের Venus ও Adonis -এর উপাখ্যানের উপর ভিত্তি করে রচিত যা একজন মানুষ এবং দেবীর মধ্যকার অসম প্রেম কাহিনীর বর্ণনা করে। Adonis হচ্ছে একজন অনিন্দ্য সুন্দর যুবক, শিকার করা যার পেশা আর Venus হলো goddess of love.
- এই কাব্যগ্রন্থে Venus -এর Adonis-এর প্রতি অনুরাগ এবং তার মৃত্যুর পর গভীর শোক বর্ণিত হয়েছে। কবিতাটি প্রেম, কামনা এবং মৃত্যুর একটি উপাখ্যান।

• William Shakespeare (1564-1616):
- William Shakespeare হলেন একজন বিখ্যাত English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে 'English National Poet' বলা হয়।
- Stratford-upon-Avon -এ জন্মগ্রহণ করেছেন বলে তাকে Bard of Avon বা Swan of Avon বলা হয়।
- তাকে অনেকেই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে বিবেচনা করেন।
- Shakespeare occupies a unique position in world literature.
- William Shakespeare মূলত তাঁর Drama and Sonnet -এর জন্য পরিচিত।
- তিনি মোট ১৫৪ টি sonnet এবং ৩৭ টি play লিখেছেন।
- এছাড়া তিনি Long narrative poem ও লিখেছেন।

• Famous poems:
- Shall I Compare Thee to a Summer Day/Sonnet 18,
- The Rape of Lucrece,
- Venus and Adonis,
- A Lover's Complaint, etc.

• Notable plays:
• Tragedy:
- Hamlet,
- Othello,
- Macbeth,
- King Lear,
- Titus Andronicus,
- Timons of Athens,
- Antony and Cleopatra,
- Coriolanus,
- Romeo and Juliet, etc.

• Comedy:
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- Love's Labour's Lost,
- The Comedy of Errors,
- The Taming of the Shrew,
- Much Ado About Nothing,
- All's Well That Ends Well,
- A Midsummer Night's Dream,
- The Merry Wives of Windsor,
- The Two Gentlemen of Verona, etc.

• Tragi-comedy:
- The Merchant of Venice,
- The Winter's Tale,
- Cymbeline,
- Troilus and Cressida,
- Measure for Measure, etc.

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.

১২৬.
Who is the writer of the famous essay 'A Defence of Poetry'?
  1. Alexander Pope
  2. P. B. Shelley
  3. T. S. Eliot
  4. Francis Bacon
ব্যাখ্যা

• P. B. Shelley is the writer of the famous essay 'A Defence of Poetry'.

• A Defence of Poetry (Essay):
- এটি একটি প্রবন্ধ (Critical and philosophical essay), এটি প্রকাশিত হয় ১৮৪০ সালে ।
- Shelley এখানে দ্যর্থহীন কণ্ঠে কবিতা এবং কবিদের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তার মতে কবিরাই মানবিক মূল্য এবং মর্যাদার কদর বোঝে এবং কবিদের কল্পনা সমাজ গঠনেও সহায়তা করে।
- এছাড়া কবিদের তিনি অঘোষিত বিশ্ব আইনপ্রণেতা হিসেবে ঘোষণা করেন।
- এই গ্রন্থে তিনি বলেন: “Poets are the unacknowledged legislators of the World."

• P.B. Shelley (1792-1822):
- তার পুরো নাম Percy Bysshe Shelley.
- P. B. Shelley ছিলেন একজন প্রখ্যাত ইংরেজি কবি এবং রোমান্টিক আন্দোলনের প্রধান ব্যক্তিত্ব। তাকে ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে গণ্য করা হয়।
- তিনি রোমান্টিক আন্দোলনের একজন অগ্রগণ্য ব্যক্তি হিসেবে বিবেচিত হন এবং তাঁর ভাষা এবং বিষয়ের উদ্ভাবনী ব্যবহারের জন্য প্রশংসিত।
- তিনি বিশ্বাস করতেন সমাজের পরিবর্তনের জন্য একটি গুনগত বিপ্লবের প্রয়োজন।
- এজন্য তাকে ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম একজন Revolutionary poet হিসেবে গণ্য করা হয়।

• Notable Books:
- A Defence of Poetry,
- A Philosophical View of Reform,
- The Necessity of Atheism,
- Peter Bell the Third, etc.

• Notable works (Poems):
- Ozymandias,
- Queen Mab,
- Adonais,
- Ode to the West Wind,
- To a Skylark,
- The Cloud,
- The Revolt of Islam,
- Rosalind and Helen,
- Hymn to Intellectual Beauty, etc.

• Drama:
- Prometheus Unbound,
- The Cenci (1819).

Source:
1. Britannica.
2. Poetry Foundation.

১২৭.
What is 'Brave New World'?
  1. A play by J. M. Synge
  2. A dystopian novel by Aldous Huxley
  3. A futuristic novel by William Faulkner
  4. A poem by Ezra Pound
ব্যাখ্যা

• 'Brave New World' is a dystopian novel by Aldous Huxley.

• Brave New World:
- এটি Aldous Leonard Huxley রচিত একটি science fiction novel.
- It is also known as a dystopian novel.
- এটি ১৯৩২ সালে প্রকাশিত হয়।
- এটিকে dystopian novel বলা হয় কারণ এটি ভবিষ্যতের একটি দুঃস্বপ্নময় সমাজের চিত্র উপস্থাপন করে।
- এটি প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মধ্যবর্তী সময়ে প্রযুক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গির সমালোচনা করে।
- The book presents a nightmarish vision of a future society.
- এটি AF 632 (2540 খ্রিস্টাব্দ) সালে একটি ভবিষ্যৎ সমাজে সংঘটিত হয়, যেখানে মানুষ বৈজ্ঞানিক দক্ষতা ও দক্ষতার মূল্য দেয়, কিন্তু আবেগ ও ব্যক্তিত্বকে দমন করা হয়।

• Aldous Huxley (1894-1963):
- In full, Aldous Leonard Huxley.
- তিনি একজন ইংরেজ ঔপন্যাসিক ও সমালোচক, যিনি প্রখর ও বিস্তৃত বুদ্ধিমত্তার অধিকারী ছিলেন।
- যার রচনাগুলো তার তীক্ষ্ণ বুদ্ধি ও নিরাশাবাদী ব্যঙ্গের জন্য পরিচিত।
- তিনি সবচেয়ে বেশি পরিচিত তার উপন্যাস Brave New World (1932)-এর জন্য, যা পরবর্তী বহু dystopian science fiction -এর আদর্শ হয়ে উঠেছে।

• Other notable works:
- Antic Hay,
- Crome Yellow,
- Eyeless in Gaza,
- Point Counter Point,
- The Devils of Loudun,
- After Many a Summer Dies the Swan,
- The Doors of Perception,
- Those Barren Leaves, etc.

Source: Britannica.

১২৮.
"Mowgli" is the main character from Rudyard Kipling's-
  1. Captain Courageous
  2. Kim
  3. The Jungle Book
  4. Plain Tales from the Hills
ব্যাখ্যা

• "Mowgli" is the main character from Rudyard Kipling's 'The Jungle Book'.

• The Jungle Book:
- এটি মূলত: একটি গল্প সংকলন বা a collection of stories. 
- এটি প্রকাশিত হয় ১৮৯৪ সালে।
- এর কেন্দ্রীয় চরিত্রের নাম Mowgli, একজন ইন্ডিয়ান বালক যে নেকড়েদের আশ্রয়ে, জঙ্গলেই লালিত পালিত হয়।
- Rudyard Kipling এর অনবদ্য সৃষ্টি এটি। 
- ১৮৯৫ সালে এটির একটি sequel, The Second Jungle Book প্রকাশিত হয়।

• Rudyard Kipling (1865-1936):
- তার পুরো নাম- Joseph Rudyard Kipling.
- Rudyard Kipling is an Indian born British Journalist.
- তিনি একজন ইংরেজ ছোটগল্পকার, কবি এবং ঔপন্যাসিক।
- তিনি তার শিশু কিশোর বিষয়ক রচনার জন্যও বিখ্যাত।
- তিনি মূলত ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের উদযাপন, ভারতে ব্রিটিশ সৈন্যদের গল্প ও কবিতা এবং শিশুদের জন্য লেখা তাঁর গল্পের জন্য স্মরণীয়।
- তিনি ১৯০৭ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

• Notable works:
- Kim,
- The Jungle Book,
- Captain Courageous,
- Soldiers Three,
- The Light that Failed,
- Puck of Pook's Hill,
- Plain Tales from the Hills,
- Limits & Renewals,
- Just So Stories,
- Seven Seas,
- The White Man's Burden, etc.

Source: Britannica.

১২৯.
The time frame of 'The English Romantic period' is-
  1. 1785 - 1860
  2. 1798 - 1832
  3. 1832 - 1885
  4. 1745 - 1839
ব্যাখ্যা

• The time frame of 'The English Romantic period' is- (1798 - 1832).

• Romantic period (1798-1832):
- The Romantic Period is the shortest period of English Literature.
- ১৭৯৮ সালে William Wordsworth রচিত Lyrical Ballads এর প্রকাশনার মাধ্যমে Romantic যুগের এর সূচনা হয়।
- ১৮৩২ সালে Reformation Act এর মাধ্যমে এই যুগের সমাপ্তি ঘটে।
- এই যুগকে 'Revival of Romanticism' ও বলা হয়ে থাকে because the romantic ideals of the Elizabethan Period revived during this period.
- এই যুগের স্থায়িত্বকাল মাত্র ৩৪ বছর ( 1798-1832).
----------

• English Literature Periods and their sub-ages:
1. The Old English Period (450 -1066).

2. The Middle English Period (1066 -1500):
i) The Anglo-Norman Period
ii) The Age of Chaucer

3. The Renaissance Period (1500 -1660):
i) Elizabethan Period (1558-1603),
ii) Jacobean Period (1603-1625),
iii) Caroline Period (1625-1649), and
iv) Commonwealth Period (1649-1660).

4. The Neoclassical Period (1660 -1785):
i) The Restoration Period (1660-1700),
ii) The Augustan Period (1700-1745), and
iii) The Age of Sensibility (1745-1785/1798).

5. The Romantic Period (1798 -1832).

6. The Victorian Period (1832 -1901):
i) The Pre-Raphaelites: (1848-1860),
ii) Aestheticism & Decadence: (1880-1901).

7. The Modern Period (1901 -1939).

8. Present: The Post Modern Period (1939-).

Source: An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

১৩০.
The tragic play 'The Duchess of Malfi' was penned by-
  1. Christopher Marlowe
  2. Thomas Kyd
  3. John Webster
  4. Alexander Pushkin
ব্যাখ্যা

• The tragic play 'The Duchess of Malfi' was penned by John Webster.

• The Duchess of Malfi:
- এটি একটি 5 acts বিশিষ্ট tragedy play যা Revenge Tragedy/ Tragedy of Suffering হিসেবে পরিচিত।
- এটি ১৬১৩-১৪ সালে লেখা এবং ১৬২৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- 'The Duchess of Malfi' কে সচরাচর last great tragedy of the Elizabethan and Jacobean eras হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- The Duchess of Malfi tells the story of the spirited duchess and her love for her trustworthy steward, Antonio.
- তার দুই ভাই Ferdinand (ক্যালাব্রিয়ার ডিউক) এবং Cardinal বিরোধিতা সত্ত্বেও তারা গোপনে বিয়ে করে।
- পরবর্তীতে তাদের তিনটি সন্তান জন্ম নেয় কিন্তু জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তিনি কখনো তাঁর ভাইদের কাছে তাঁর বাচ্চাদের নাম বলেন নি।
- Duchess এর ভাইয়েরা সকল খবর বের করার জন্য তার বিরুদ্ধে Bosola নামক একজন গোয়েন্দা নিযুক্ত করে।
-  Bosola বিভিন্ন কৌশলে Dutchess এর কাছ থেকে তাঁর স্বামি সন্তানদের খবর জেনে তার ভাইদেরকে বলে দেয় এবং তাদের আদেশ গ্রেফতার করতে যায়।
- নাটকের শেষে দেখা যায় সবাই মারা গিয়েছে কেবল মাত্র Dutchess এর বড় সন্তানটি ছাড়া যে কিনা পরবর্তীতে Malfi এর শাসক হয়।

• Major Characters:
- The Duchess,
- Ferdinand,
- Cardinal,
- Antonio,
- Bosola,
- Delio,
- Cariola,
- Julia, etc.

• John Webster (1580-1632):
- তিনি একজন English Dramatist. 
- He is best known for his dark and intense tragedies.
- তিনি Jacobean যুগের একজন সাহিত্যিক। 
- তিনি Shakespeare -এর সমসাময়িক ছিলেন এবং যদিও তাঁর সময়কালে তিনি তেমন পরিচিত ছিলেন না, তবুও তিনি জ্যাকোবিয়ান নাটক অধ্যয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে পরিণত হয়েছেন।

• Famous Tragedies of Webster:
- The Duchess of Malfi,
- The White Devils,
- The Devil's Law Case.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

১৩১.
Who said “He prayeth best who loveth best, all things both great and small”?
  1. Lord Alfred Tennyson
  2. Alexander Pope
  3. John Keats
  4. S. T. Coleridge
ব্যাখ্যা

• “He prayeth best who loveth best, all things both great and small” is a quotation of S. T. Coleridge.
- এটি তার 'The Rime of the Ancient Mariner' কবিতার লাইন।

- ভাবানুবাদ: “সে-ই সর্বোত্তম প্রার্থনা করে, যে ভালোবাসে সর্বাধিক —
সবকিছুকে, বড় হোক বা ছোট।”

• The Rime of the Ancient Mariner:
- The poem "The Rime of the Ancient Mariner" is written by Samuel Taylor Coleridge.
- এটি সাত ভাগে বিভক্ত একটি কবিতা।
- এটি সর্বপ্রথম "Lyrical Ballads" এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে ১৭৯৮ সালে প্রকাশিত হয়।
- কবিতাটি অপরাধ, শাস্তি এবং প্রকৃতির প্রতি শ্রদ্ধার গুরুত্ব নিয়ে লিখিত।
- কবিতার নায়ক, একটি প্রাচীন নাবিক, একদিন তিনজন তরুণকে তার অভিজ্ঞতা শোনান।
- তার গল্পে উঠে আসে কীভাবে সে একটি Albatross পাখি হত্যা করে, যার ফলে জাহাজে অভিশাপ নেমে আসে।
- তার সাথের সাথী সবাই মারা যায়, এবং একা বেঁচে থাকার পর, নাবিক প্রাকৃতিক শক্তির প্রতি শ্রদ্ধা ও তার ভুল বুঝতে পারে।
- অবশেষে, তাকে সারা পৃথিবী ঘুরে তার এই ভয়াবহ গল্প শোনাতে হবে।

• Famous quotations of this poem:
- "He prayeth best, who loveth best
all things both great and small."

- "Alone, alone, all, all alone,
Alone on a wide sea."

- "Water, water everywhere,
Not any drop to drink."

• Samuel Taylor Coleridge (1772-1834):
- Samuel Taylor Coleridge ছিলেন একজন ইংরেজ কবি, সমালোচক এবং দার্শনিক।
- তার কবিতায় তিনি একটি সুরুচিপূর্ণ লিরিকাল স্টাইলকে পরিপূর্ণ করেছেন, যা পরবর্তী অনেক কবির মধ্যে প্রতিধ্বনিত হয়েছে।
- Lyrical Ballads (১৭৯৮; উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থের সঙ্গে), যার মধ্যে বিখ্যাত "The Rime of the Ancient Mariner" এবং "Frost at Midnight" অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা ইংরেজি রোমান্টিসিজমের সূচনা করেছিল।
- তিনি Biographia Literaria, ২ খণ্ড (১৮১৭) লেখেন, যা রোমান্টিক যুগের সাধারণ সাহিত্য সমালোচনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ।

• Notable works:
- Biographia Literaria,
- The Rime of the Ancient Mariner,
- Christabel,
- Kubla Khan,
- Dejection: An Ode,
- Frost at Midnight,
- On the Constitution of the Church and State, etc.

Source:
1. Britannica.
2. Poetry Foundation.

১৩২.
The famous novel "Crime and Punishment" was written by a/an-
  1. Russian author
  2. Irish author
  3. French author
  4. German author
ব্যাখ্যা

• The famous novel ‘Crime and Punishment’ was written by a Russian author.
- বিখ্যাত ঔপন্যাসিক Fyodor Dostoyevsky -এর লেখা বিখ্যাত উপন্যাস।

• Crime and Punishment:
- This novel is the first masterpiece of Dostoyevsky.
- ১৮৬৬ সালে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
- এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র হচ্ছে - 'Raskolnikov' যাকে ঘিরে উপন্যাসের কাহিনী আবর্তিত হয়েছে।
- গল্পটি রাসকোলনিকভ নামের এক তরুণের মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব ঘিরে আবর্তিত, যিনি নৈতিক ও আর্থিক সংকটে ভুগে এক বৃদ্ধা মহাজনকে হত্যা করেন। পরবর্তীতে অপরাধবোধ এবং নৈতিক যন্ত্রণা তাকে মানসিকভাবে ভেঙে দেয়।
- এই উপন্যাসে নৈতিকতার জটিলতা, দারিদ্র্যের প্রভাব, এবং মানবতার গভীর দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত রাসকোলনিকভ নিজের অপরাধ স্বীকার করে ক্ষমার পথে এগিয়ে যায়।
- The story is one of the finest studies of the psychopathology of guilt written in any language.

• Fyodor Dostoyevsky (1821-1881):
- তার পুরো নাম Fyodor Mikhaylovich Dostoyevsky.
- He was a Russian novelist and short-story writer.
- তাকে সর্বকালের সেরা ঔপন্যাসিকদের একজন হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
- যার মানসিক বিশ্লেষণ মানুষের হৃদয়ের অন্ধকারতম গভীরে পৌঁছে যায় এবং যার অতুলনীয় অন্তর্দৃষ্টির মুহূর্তগুলো বিশ শতকের কথাসাহিত্যে অসাধারণ প্রভাব ফেলেছিল।
- Literary modernism, existentialism, and various schools of psychology, theology, and literary criticism have been profoundly shaped by his ideas.

• Notable Works:
- The Idiot,
- A Little Hero,
- Crime and Punishment,
- The Brothers Karamazov,
- Poor Folk,
- The Eternal,
- A Raw Youth,
- Notes from Underground, etc.

Source: Britannica.

১৩৩.
Blank verse in literature is-
  1. Verse without any blanks
  2. Poetry with rhyme but no fixed meter
  3. Prose without any poetic elements
  4. Unrhymed iambic pentameter verse
ব্যাখ্যা

• Blank verse in literature is- 'Unrhymed iambic pentameter verse'.

​• ​Blank verse (অমিত্রাক্ষার ছন্দ):
- 'Blank Verse' in Literature is kind of verse having no rhyming ends or unrhymed iambic pentameter verse.
- অর্থাৎ, Blank verse বা অমিত্রাক্ষার ছন্দ এমন ছন্দ যেখানে কবিতায় ছন্দের কোনো অন্তমিল নেই।
- ছন্দের অন্তমিল দেখা না গেলেও এতে iambic pentameter এর দেখা মেলে।
- An iambic pentameter line is a verse line of five iambic feet.
- In blank verse, the last word of a line does not rhyme with the last word of any of the successive lines.
- এই ধরণের verse গুলো অনেকটাই Normal speech এর মতন হয়ে থাকে।

​• ​Blank verse -এর উদাহরণ হলো: John Milton's Paradise Lost is an epic poem in blank verse.

Source: An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman.

১৩৪.
"Ode on a Grecian Urn" is an ode by-
  1. William Wordsworth
  2. S. T. Coleridge
  3. John Keats
  4. P. B. Shelley
ব্যাখ্যা

• "Ode on a Grecian Urn" is an ode by John Keats.

• Ode on a Grecian Urn:
- Ode on a Grecian Urn (Poem) is written by John Keats.
- এটি Romantic Period এর উল্লেখযোগ্য কবিতাদের মধ্যে অন্যতম।
- এটি 5 stanza বিশিষ্ট কবিতা যা ১৮২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- একটি Grecian urn এর উপর অঙ্কিত শিল্পকর্মের কথা উঠে এসেছে এই কবিতায়।
- যার মাধ্যমে কবি, শিল্প, সৌন্দর্য আর সত্যের সম্পর্ক খুঁজে পেয়েছেন।

• কবিতার বিখ্যাত উক্তি-
- "Beauty is truth, truth beauty, —that is all Ye know on earth, and all ye need to know."
- "Heard melodies are sweet, but those unheard are sweeter."

• John Keats (1795-1821):
- তিনি একজন British Poet এবং Romantic period এর লেখক।
- তার সাহিত্য কর্মের মধ্যে আছে: Sonnets, Odes, and Epics.
- তিনি খুব অল্প সময় বেঁচে ছিলেন, কিন্তু এই স্বল্প সময়েই তিনি সুন্দর কল্পনা, অনুভূতি ও চিত্রধর্মী ভাষায় কবিতা লিখে সাহিত্যে বিশেষ অবদান রাখেন।
- তিনি প্রাচীন গল্প বা উপাখ্যানের মাধ্যমে জীবনের গভীর অর্থ বোঝাতে চেষ্টা করতেন।

• তার Title গুলো হলো:
- Poet of Beauty,
- Poet of Sensuousness,
- A Death Hunted Poet,
- The Youngest Poet of English Literature.
- এর পাশাপাশি তিনি Physician, Surgeon, এবং Doctor ছিলেন।
- তার সাহিত্য কর্মের মধ্যে আছে: Sonnets, Odes, and Epics.

• Famous poems:
- To Autumn,
- Bright Star,
- Lamia,
- Isabella,
- Hyperion,
- Ode to Psyche,
- Ode on Melancholy,
- Ode to a Nightingale,
- Ode on a Grecian Urn,
- The Eve of St.,
- On First Looking into Chapman's Homer,
- La Belle Dame Sans Merci, etc.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

১৩৫.
"When we are born, we cry that we are come
To this great stage of fools."
This is uttered by-
  1. Hamlet
  2. King Lear
  3. Julius Caesar
  4. Macbeth
ব্যাখ্যা

• "When we are born, we cry that we are come
To this great stage of fools."
This is uttered by King Lear.
- এই উক্তিটি Act 4-এ জীবনের অর্থ, মানবজাতির অহঙ্কার ও বোকামির উপর মনন করতে যেয়ে King Lear করেছেন।

• King Lear:
- King Lear একটি 5 acts বিশিষ্ট tragedy.
- এই tragedy টি ১৬০৫-০৬ সালের মধ্যে লেখা এবং ১৬০৮ সালে প্রকাশিত হয়। 
- এই ট্র্যাজিডিটির প্লট তৈরি হয়েছে ব্রিটেনের এক রাজা King Lear এবং তার তিন কন্যার কাহিনী নিয়ে।
- King Lear -এর তিন কন্যা হলো যথাক্রমে -Goneril, Regan এবং Cordelia.
- King Lear তার ছোট মেয়ে Cordelia কে ভুল বুঝে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে ব্যর্থ হয় যা পরবর্তীতে Lear সহ Cordelia এর জীবনে দুঃখ, গ্লানি ও কষ্ট বয়ে আনে।
- অতঃপর King Lear এবং Cordelia এর করুণ মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে ট্র্যাজিডিটির সমাপ্তি ঘটে।

• Main characters:
- King Lear,
- Goneril,
- Regan and
- Cordelia
- Edgar, etc.
 
• Some Important quotations from King Lear:
- "I am a man
More sinned against than sinning."
- "How sharper than a serpent's tooth it is
To have a thankless child!"
- "Nothing will come of nothing: speak again."
- "When we are born, we cry that we are come
To this great stage of fools."
- "O! let me not be mad, not mad, sweet heaven;
Keep me in temper; I would not be mad!"
- "O! that way madness lies; let me shun that."
- "Speak what we feel, not what we ought to say."

• William Shakespeare (1564-1616):
- William Shakespeare হলেন একজন বিখ্যাত English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে 'English National Poet' বলা হয়।
- Stratford-upon-Avon -এ জন্মগ্রহণ করেছেন বলে তাকে Bard of Avon বা Swan of Avon বলা হয়।
- তাকে অনেকেই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে বিবেচনা করেন।
- Shakespeare occupies a unique position in world literature.
- William Shakespeare মূলত তাঁর Drama and Sonnet -এর জন্য পরিচিত।
- তিনি মোট ১৫৪ টি sonnet এবং ৩৭ টি play লিখেছেন।
- এছাড়া তিনি Long narrative poem ও লিখেছেন।

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

১৩৬.
'গণভোট অধ্যাদেশ ২০২৫'-প্রণয়নের জন্য রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার উৎস হলো সংবিধানের -
  1. অনুচ্ছেদ ১২(২)
  2. অনুচ্ছেদ ৯৩(১)
  3. অনুচ্ছেদ ৫০(১)
  4. অনুচ্ছেদ ১০১(৩)
ব্যাখ্যা

গণভোট অধ্যাদেশ ২০২৫:
- ২৫ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে 'গণভোট অধ্যাদেশ ২০২৫'-এর প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
- জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ অনুসারে সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত কয়েকটি প্রস্তাবের বিষয়ে জনগণের সম্মতি রয়েছে কি না, তা যাচাইয়ে গণভোটের বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত এ অধ্যাদেশ। এটি অধ্যাদেশ নম্বর- ৬৭। 
- গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫, সংবিধানের ৯৩(১) নং অনুচ্ছেদের অধীনে জারি করা হয়েছে।

⇒ জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ অনুসারে গণভোট অনুষ্ঠানের জন্য আইন প্রণয়নের নির্দেশনা রয়েছে। সংসদ ভেঙে যাওয়া অবস্থায় রয়েছে এবং রাষ্ট্রপতির কাছে এটি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে যে, আশু ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রয়েছে, তাই গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩ (১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করেন। এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদ ভেঙে গেলে বা অধিবেশনে না থাকলে জরুরি প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন, যা সংসদের আইনের মতোই কার্যকর। এই অধ্যাদেশ সংসদের পরবর্তী অধিবেশনে পেশ করা হলে, সংসদের অনুমোদন সাপেক্ষে তা আইনে পরিণত হয় এবং অনুমোদিত না হলে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার (সাধারণত ৩০ দিন) পর এর কার্যকারিতা শেষ হয়ে যায়।

এছাড়া,
- ব্যালট বাক্স বিষয়ে বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশন অনুমোদিত, নির্ধারিত এবং সরবরাহকৃত ব্যালট বাক্স ভোটগ্রহণের জন্য ব্যবহার করতে হবে।
- তবে শর্ত থাকে যে, কমিশন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য সরবরাহকৃত একই ব্যালট বাক্স গণভোটের ব্যালট বাক্স হিসেবে ব্যবহার করার অনুমতি দিতে পারবে।
- রিটার্নিং অফিসার বা সহকারী রিটার্নিং অফিসার প্রত্যেক প্রিসাইডিং অফিসারকে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ব্যালট বাক্স সরবরাহ করবেন।

উৎস: গণভোট অধ্যাদেশ ২০২৫। 

১৩৭.
শহীদ জিয়াউর রহমান কত তারিখে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন?
  1. ২৫ মার্চ, ১৯৭১
  2. ২৬ মার্চ, ১৯৭১
  3. ২৭ মার্চ, ১৯৭১
  4. ২৮ মার্চ, ১৯৭১
ব্যাখ্যা

কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র:
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার পর ২৭ মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে শহীদ জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। সেই ঘোষণা জাতিকে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ ও মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার সাহস জুগিয়েছিল। 

• মুক্তিযুদ্ধের ৩ নম্বর সেক্টর কমান্ডার মেজর কে এম সফিউল্লাহ (বীর উত্তম) তাঁর [Bangladesh at War, Academic Publishers, Dhaka, 1989] বইয়ের ৪৪-৪৫ পৃষ্ঠায় লিখেছেন, ‘মেজর জিয়া ২৫ মার্চের রাত্রিতে পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে সদলবলে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। তার কমান্ডিং অফিসার জানজুয়া ও অন্যদের প্রথমে গ্রেফতার এবং পরে হত্যা করে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন । পরে ২৬ মার্চ তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর মোকাবিলার জন্য সবাইকে আহ্বান জানান । এতে তিনি নিজেকে রাষ্ট্রপ্রধান রূপে ঘোষণা করেন । ২৭ মার্চ মেজর জিয়া স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে আরেকটি ঘোষণায় বলেন, বাংলাদেশ মুক্তিবাহিনীর সামরিক সর্বাধিনায়করূপে আমি মেজর জিয়া শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করছি।’

• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ডিক্লাসিফাই করা বাংলাদেশ সংক্রান্ত দলিলপত্রে বলা হয়েছে: On March 27 the clandestine radio announced the formation of a revolutionary army and a provisional government under the leadership of a Major Zia Khan.

• ভারত সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বাংলাদেশ বিষয়ক ইতিহাস প্রকাশিত হয়েছে ‘ভারত রক্ষক› শিরোনামীয় সাইটে। সেখানে ৯৩ পৃষ্ঠায় বলা হয়েছে, ‘৮ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের মেজর জিয়া ২৬ তারিখে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং তিনি ‹বাংলাদেশের অস্থায়ী প্রেসিডেন্টের (Temporary Head of Republic) দায়িত্বও গ্রহণ করেছেন।’

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র:
- পাকিস্তান সরকারের প্রচারণার বিরুদ্ধে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র প্রচারযুদ্ধে নেমে মুক্তিযুদ্ধের ‘দ্বিতীয় ফ্রন্ট’ হিসেবে কাজ করে।
- ২২ জুন ১৯৫৪ সালে কালুরঘাট, চট্টগ্রাম থেকে ১ কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন মধ্যম তরঙ্গ ট্রান্সমিটারের মাধ্যমে সম্প্রচার কার্যক্রম শুরু করে।
- ১৯৬২ সালে কেন্দ্রের ট্রান্সমিটারের ক্ষমতা ১০ কিলোওয়াটে উন্নীত করা হয় এবং একই সাথে কালুরঘাট কেন্দ্রকে প্রেরণ কেন্দ্রে রূপান্তর ও আগ্রাবাদে নতুন প্রচার ভবন তৈরি করা হয়।
- ১৯৮৮ সালে কালুঘাট, চট্টগ্রাম কেন্দ্রটি ১০০ কিলোওয়াটে উন্নীত করা হয়। এ কেন্দ্রের মাধ্যমে বাংলাদেশ বেতার  চট্টগ্রাম কেন্দ্রের অনুষ্ঠান এবং ঢাকা ‘ক’ এর  জাতীয় অনুষ্ঠান  ও সংবাদ ৮৭৩ কিলোহার্জে  প্রচারিত হয়।
- উল্লেখ্য, কালুরঘাট প্রেরণ কেন্দ্র ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠের মধ্যদিয়ে ‘স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী বেতার কেন্দ্র’ নামে খ্যাতি লাভ করে। মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশ বেতার  কালুরঘাট কেন্দ্রের এ গৌরবময় অসামান্য অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার ২০০৬ সালে বাংলাদেশ বেতারকে ‘স্বাধীনতা পদক’ প্রদান করে।

উৎস: i) বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।
ii) চট্টগ্রাম জেলা ওয়েবসাইট।
iii) প্রথম আলো।
iv) দৈনিক ইনকিলাব।

১৩৮.
সর্বশেষ জনশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশে সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) কত?
  1. ৭২.৯৪%
  2. ৭৪.৮০%
  3. ৭৬.৪৪%
  4. ৭৬.৭১%
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- গণনা পদ্ধতি: Modified Defacto।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।  
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব): ৭৪.৮০% (পুরুষ: ৭৬.৭১%, নারী: ৭২.৯৪%)।
- মোট ইন্টারনেট ব্যবহারকারী - ৩০.৬৯%।
- দেশে পুরুষ ও নারীর অনুপাত: ৯৯.০৮ : ১০০.৯০।
- খানার আকার: ৩.৯৮।

উল্লেখ্য,
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে।
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে।
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি পিরোজপুর জেলায়।
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম জামালপুর জেলায়।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।

১৩৯.
বাংলাদেশে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত তামাকের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তা হলো -
  1. আবগারি শুল্ক
  2. বহিঃশুল্ক
  3. বাণিজ্য শুল্ক
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত তামাকের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তা হলো আবগারি শুল্ক।

আবগারি শুল্ক:
- আবগারি শুল্ক  দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত দ্রব্যের ওপর আরোপিত কর। 
- সরকারি কোষাগারে রাজস্ব বৃদ্ধির জন্য আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়, যা দিয়ে সরকারি ব্যয় মেটানো হয়।
- এটা সরকারের আয়ের একটা উৎস।
- আবগারি শুল্ক সরকারি রাজস্ব সংগ্রহের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়, আবার এটি আয়ের পুনর্বণ্টনের উদ্দেশ্যেও ব্যবহৃত হতে পারে।
- করারোপের সুবিধার নীতি প্রয়োগের জন্যও আবগারি শুল্ককে ব্যবহার করা যেতে পারে, যেমন, কোনো বিশেষ দ্রব্যের (যথা, তামাকের) ওপর আবগারি শুল্ক সংগ্রহ করে উক্ত তহবিল ওই দ্রব্যের ভোগের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে সহায়তার জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে। 
- ১৯৯১-৯২ সালে মূসক-এর আওতা বহির্ভুত যেসব দ্রব্য ও সেবার ওপর আবগারি শুল্ক আরোপযোগ্য ছিল, সেগুলি হলো তামাক, প্রাকৃতিক গ্যাস ও পেট্রোলজাত দ্রব্য, সংবাদপত্রের কাগজ, সোনা-রুপা ও সোনা-রূপার জিনিসপত্র, লবণ, ব্যাংক চেক এবং সাধারণ ইট।

অন্যদিকে,
- সম্পূরক শুল্ক: কিছু বিলাস সামগ্রীর আমদানি ও ব্যবহারকে নিরুৎসাহিত করার লক্ষ্যে এসব পণ্যের উপর মুসক ছাড়াও বিভিন্ন হারে অতিরিক্ষ সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা হয়ে থাকে।
- বহিঃশুল্ক: আমদানি-রপ্তানির উপর আরোপিত শুল্ককে বহিঃশুল্ক বলে।
- বাণিজ্য শুল্ক: বাণিজ্য শুল্ক কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ের অন্যতম উৎস। সাধারণতঃ আমদানি-রপ্তানির উপর এই শুল্ক ধার্য করা হয়।
- মূল্য সংযোজন কর: দেশের পণ্য সামগ্রীর উৎপাদন থেকে ভোগ পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে সংযোজিত মূল্যের ভিত্তিতে এ কর ধার্য করা হয়। এটি একটি পরোক্ষ কর। এটি সংক্ষেপে ভ্যাট নামে পরিচিত।

উৎস: i)  অর্থনীতি ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।
ii) বাংলাপিডিয়া।

১৪০.
আরপিও সংশোধন অধ্যাদেশ ২০২৫ অনুসারে, জোটগত নির্বাচনে প্রার্থীকে কোন প্রতীকে নির্বাচন করতে হবে?
  1. জোটের কমন প্রতীক
  2. নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত প্রতীক
  3. নিজ দলের প্রতীক
  4. কোনো বিধান নেই
ব্যাখ্যা

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধন অধ্যাদেশ, ২০২৫:
- গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধন অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর গেজেট জারি করেছে সরকার।
- এতে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের জোটগতভাবে নির্বাচনের ক্ষেত্রে নিজ দলের প্রতীকে নির্বাচন করার বিধান যুক্ত করাসহ বেশ কিছু সংশোধনী আনা হয়েছে।
- নভেম্বর ৪, ২০২৫ তারিখে আইন মন্ত্রণালয় এ অধ্যাদেশের গেজেট জারি করেছে।
- ২৩ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে আরপিও সংশোধন অধ্যাদেশের খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়।

⇒ মূল সংশোধনীসমূহ:
- জোটগত নির্বাচনে প্রতীক: নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল জোটবদ্ধ হলেও প্রার্থীকে নিজ দলের প্রতীকে নির্বাচন করতে হবে। জোটের কমন প্রতীক ব্যবহারের সুযোগ সীমিত/বাতিল।
- ‘না ভোট’ পুনরায় চালু: একক প্রার্থীর আসনে ভোটাররা ‘না’ ভোট দিতে পারবেন, যাতে অবাধ/অপ্রতিদ্বন্দ্বী নির্বাচন এড়ানো যায়।
- আদালত কর্তৃক ঘোষিত পলাতক বা ফেরারি আসামি প্রার্থী হতে পারবেন না।
- সশস্ত্র বাহিনী (সেনা, নৌ, বিমান, কোস্ট গার্ড) কে নির্বাচনকালীন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞায় যুক্ত করা হয়েছে।
- সমান ভোটের ক্ষেত্রে: লটারির পরিবর্তে পুনঃভোট অনুষ্ঠিত হবে।
- নির্বাচনী জামানত: ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। 
- আচরণবিধি লঙ্ঘন: সর্বোচ্চ দেড় লাখ টাকা জরিমানা ও ৬ মাসের কারাদণ্ডের বিধান।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) অপব্যবহার (যেমন ফেক নিউজ/ডিপফেক)-কে নির্বাচনী অপরাধ হিসেবে গণ্য; প্রার্থীর আয়-সম্পত্তির বিবরণ প্রকাশ বাধ্যতামূলক; ইভিএম ব্যবহার বাতিল; প্রবাসীদের পোস্টাল ব্যালটের বিধান (পরবর্তী সংশোধনীতে আরও স্পষ্ট)।

উৎস: i) বাংলাদেশ টেলিভিশন ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা। 

১৪১.
সম্প্রতি একীভূত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন কত?
  1. ৩০ হাজার কোটি টাকা
  2. ৩৫ হাজার কোটি টাকা
  3. ৪০ হাজার কোটি টাকা
  4. ৫০ হাজার কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক:
- ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে পাঁচটি শরিয়াহভিত্তিক ইসলামী ব্যাংককে একীভূত করে নামকরণ করা হয় সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক (Sammilito Islami Bank Limited)। 
- ব্যাংকগুলো হচ্ছে: ফাস্ট সিকিউরিটি ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংক।
- ‘ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ ২০২৫’-এর আওতায় নজিরবিহীন এই একীভূতকরণ কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে।

⇒  ৯ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে পাঁচ ব্যাংক একীভূত করার প্রস্তাব অনুমোদন করে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ।
- কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ৪০ হাজার কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ৩৫ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংক মনোনীত সাত সদস্যের একটি পরিচালনা পর্ষদ ব্যাংকটির কার্যক্রম তদারকি করছে। 
- পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান: জনাব মোহাম্মদ আইয়ুব মিয়া।

উৎস: i) আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। 
ii) প্রথম আলো।

১৪২.
এশিয়া মহাদেশে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ঘাটতি কোন দেশের সঙ্গে?
  1. চীন 
  2. জাপান 
  3. দক্ষিণ কোরিয়া
  4. ভারত
ব্যাখ্যা

দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে বাংলাদেশের বড় ঘাটতি:
- এশিয়া মহাদেশে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে বাংলাদেশের বড় ঘাটতি চীনের সঙ্গে।
- দেশটি থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে পণ্য আমদানি হয়েছে ২ হাজার ৬১ কোটি ডলারের। এর বিপরীতে বাংলাদেশ রপ্তানি করেছে ৭৪ কোটি ডলারের পণ্য। তাতে দেশটির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে বাংলাদেশের ঘাটতি ১ হাজার ৯৮৭ কোটি ডলারের।

⇒ চীন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার হলেও দেশটির সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি সবচেয়ে বেশি।
- চীন বাংলাদেশের আমদানির প্রধান উৎস। দেশের ৩০ শতাংশের বেশি পণ্য আমদানি হয় চীন থেকে।
- জাতিসংঘের সংস্থা UNCTAD-এর তথ্যমতে, ২০২৪ সালে দেশটি বাংলাদেশে প্রায় ২ হাজার ৩০০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে।
- অন্যদিকে, চীনে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি কয়েক বছর ধরেই ৮০ কোটি ডলারের নিচে সীমাবদ্ধ।

উল্লেখ্য,
- চীনের পরেই বড় ঘাটতি ভারতের সঙ্গে। যদিও প্রতিবেশী দেশটিতে রপ্তানি বাড়তে থাকায় ঘাটতি কমছে। এরপরও গত অর্থবছরে দেশটি থেকে আমদানি হয়েছে ৯৬৮ কোটি ডলার পণ্য। রপ্তানি হয়েছে ১৮২ কোটি ডলারের পণ্য। তাতে বছর শেষে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে বাংলাদেশের ঘাটতি ৭৮৬ কোটি ডলারের।

এছাড়াও,
- এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছরে চীন থেকে আমদানি হওয়া পণ্যের ৫৪ শতাংশই ছিল রপ্তানিমুখী শিল্পের কাঁচামাল। বাকি ৪৬ শতাংশ ছিল বাণিজিক পণ্য। একইভাবে ভারত থেকে গত অর্থবছরে আমদানি হওয়া পণ্যের ৩১ শতাংশই ছিল রপ্তানিমুখী শিল্পের কাঁচামাল। বাংলাদেশের বাজারের চাহিদা অনুযায়ী পণ্যের বড় উৎস এই দেশ দুটি। 

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) Independent Tv.

১৪৩.
একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে দুইবার মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেছেন কে?
  1. মুসা ইব্রাহিম 
  2. নিশাত মজুমদার
  3. এম এ মুহিত
  4. ওয়াসফিয়া নাজনীন
ব্যাখ্যা

এম. এ. মুহিত:
- একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে দুইবার মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেছেন এম এ মুহিত।
- ২০১১ সালের ২১ মে এম এ মুহিত প্রথমবার এভারেস্ট জয় করেন।
- ২০১২ সালের ২০ মে তিনি আবারও এভারেস্টের চূড়ায় ওঠেন।
- তিনিই একমাত্র বাংলাদেশি, যিনি দুবার এভারেস্ট জয় করেছেন।
- মুহিত ২০১০ সালে এভারেস্ট অভিযানে গেলেও বিরূপ আবহাওয়ার কারণে সে সময় ব্যর্থ হন।

উল্লেখ্য, এখন পর্যন্ত ছয়জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন। তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন, মো. খালেদ হোসাইন, বাবর আলী, ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ১ম বাংলাদেশি: মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে।
- ২য় বাংলাদেশি: এম এ মুহিত, ২০১১ সালের ২১ মে।
- ৩য় বাংলাদেশি: নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালের ১৯ মে।
- ৪র্থ বাংলাদেশি: ওয়াসফিয়া নাজরিন, ২০১২ সালের ২৬ মে।
- ৫ম বাংলাদেশি: বাবর আলী, ২০২৪ সালের ১৯ মে।
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি: ইকরামুল হাসান শাকিল, ২০২৫ সালের ১৯ মে।

এছাড়াও,
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন। তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি। তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।

উৎস: i) The Business Standard.
ii) প্রথম আলো।
iii) The Daily Star.

১৪৪.
মুসলিম শাসনামলে গৌড় জনপদ কী নামে পরিচিতি লাভ করে?
  1. কর্ণসুবর্ণ 
  2. তাম্রলিপ্ত
  3. লখনৌতি
  4. সমতট
ব্যাখ্যা

গৌড়:
- বাংলার প্রাচীন জনপদগুলো যে যুগে যুগে সীমানা সম্প্রসারণ করেছে তার বড় উদাহরণ হলো গৌড়। এই জনপদের খ্যাতি এতই বৃদ্ধি পেয়েছিল যে, সমগ্র বাংলাকেই সময়ে সময়ে গৌড়দেশ বিবেচনা করা হতো।
 - পূর্ব ভারতীয় দেশসমূহের সামগ্রিক নাম হিসেবে এমনকি উত্তর ভারতের আর্যাবর্তের নাম হিসেবেও কখনো কখনো গৌড়ের ব্যবহার দেখা যায়।
- সেনবংশীয় রাজারা 'গৌড়েশ্বর' উপাধি গ্রহণ করে গৌরববোধ করতেন।
- ব্যাপক অর্থে 'গৌড়' বলতে অনেক সময় বাংলা ভাষাভাষী সমগ্র অঞ্চলকে বুঝাত।
- আদি গৌড়ের রাজনীতিক ক্ষমতার সম্প্রসারণের ফলে এর সীমানা বৃদ্ধি পেতো।

⇒ আদিকালে গৌড় বলতে বর্তমানের মুর্শিদাবাদ জেলা ও মালদা জেলার দক্ষিণাংশকে বুঝাত।
- হিউয়েন সাঙ শশাঙ্ককে কর্ণসুবর্ণ দেশের সম্রাট বলেছেন এবং হর্ষচরিত গ্রন্থে শশাঙ্ককে 'গৌড়াধিপতি' বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
- এ থেকে প্রতীয়মান হয় যে, কর্ণসুবর্ণ দেশ ও গৌড়দেশ অভিন্ন।
- গৌড়ের রাজধানী শহর ছিল কর্ণসুবর্ণ।
- মধ্যযুগের খ্যাতিমান মুসলিম পণ্ডিত আল বেরুনির বিবরণ অনুযায়ী পূর্বভারতের বিভিন্ন দেশের অর্থাৎ বর্তমান বাংলা, উড়িষ্যা, আসামের আদি মধ্যযুগীয় লিপির প্রকৃত রূপ হলো এই "গৌড়ীয় লিপি"।
- মুসলিম যুগে অঞ্চলটি কখনো 'গৌড়' আবার কখনো লক্ষণাবতী নামে পরিচিত ছিল।

উল্লেখ্য,
- সপ্তম শতকের গোড়ার দিকে গৌড়ের রাজা শশাঙ্কের নেতৃত্বে বাংলার পুন্ড্র বা পণ্ড্রবর্ধন, গৌড় এবং বঙ্গকে একত্রিত করে একটি বিশাল গৌড় রাজ্য স্থাপিত হয়।
- শশাঙ্ক আনুমানিক ৬০৬ সালে গৌড়ে এক স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
- স্বাধীন গৌড়রাজ্য বাংলার উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাংশ ও মগধে বিস্তৃত ছিল।
- কর্ণসুবর্ণ ছিল গৌড় রাজ্যের রাজধানী।
- ত্রয়োদশ শতাব্দীতে মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠিত হলে গৌড়ের নাম লখনৌতি (প্রদেশের নামে) পরিচিতি পায়।

উৎস: i) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
iii) বাংলাপিডিয়া।

১৪৫.
জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী আইনসভার উচ্চকক্ষ-এর সদস্য সংখ্যা কত নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ৫০ জন
  2. ৯৮ জন 
  3. ১০০ জন
  4. ১০৮ জন
ব্যাখ্যা

জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫:
- ১৭ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে ‘জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫’ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে।

⇒ ১৬ বছরেরও বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদী শাসনের জাঁতাকলে পিষ্ট বাংলাদেশের ছাত্র-জনতার অংশগ্রহণে ২০২৪ সালের জুলাই মাসে এক অভূতপূর্ব গণ-অভ্যুত্থানের সূচনা হয়। এর ফলে ৫ই আগস্ট ২০২৪ তারিখে তৎকালীন ক্ষমতাসীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার কিছু দোসর দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান এবং দীর্ঘকালীন দমনমূলক ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটে। জনগণের বিজয়ের ফল হিসেবে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়।

⇒ ৫টি সংস্কার কমিশনের একজন সদস্যকে সদস্য করে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়।
- জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখ আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করে।
- সংস্কারের বিষয়ে ঐকমত্য গঠনের লক্ষ্যে পাঁচটি কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ ১৬৬টি সুপারিশ রাজনৈতিক দল ও জোটের কাছে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে কমিশন কয়েক দফায় ৩৩টি রাজনৈতিক দল ও জোটের সঙ্গে ৭২টি বৈঠকে মিলিত হয়।
- বৈঠকসমূহের আলোচনায় অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দল ও জোটের সর্বসম্মত ও বৃহত্তর ঐকমত্য এবং কয়েকটি ভিন্নমতসহ মোট ৮৪টি সুপারিশ সংবলিত 'জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫' প্রণয়ন করা হয়েছে।
- এই সনদের ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবের মধ্যে ৪৭টি বিষয়কে ‘সংবিধান সংশোধন সাপেক্ষে সংস্কার’ এবং বাকি ৩৭টি বিষয়কে ‘আইন বা অধ্যাদেশ, বিধি ও নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে সংস্কার’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে ঐকমত্য কমিশন। 

⇒ এখানে নোট অব ডিসেন্ট বলটে বোঝায় আনুষ্ঠানিক ভিন্নমত।

উল্লেখ্য,
• জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ অনুসারে আইনসভা গঠন:
- সংবিধানে এরূপ যুক্ত করা হবে যে, বাংলাদেশে একটি দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা থাকবে, যা নিম্নকক্ষ (জাতীয় সংসদ) এবং উচ্চকক্ষ (সিনেট) সমন্বয়ে গঠিত হবে।
- উচ্চকক্ষের গঠন: (ক) নিম্নকক্ষের নির্বাচনে প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (Proportional Representation-PR) পদ্ধতিতে উচ্চকক্ষের ১০০ (একশত) জন সদস্য নির্বাচিত হবেন।
- উচ্চকক্ষের মেয়াদ হবে শপথ গ্রহণের তারিখ হতে ৫ (পাঁচ) বছর। তবে কোনো কারণে নিম্নকক্ষ ভেঙ্গে গেলে উচ্চকক্ষ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিলুপ্ত হবে। রাজনৈতিক দলগুলো নিম্নকক্ষের সাধারণ নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশের সময় একই সঙ্গে উচ্চকক্ষের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করবে। তালিকায় কমপক্ষে ১০ (দশ) শতাংশ নারী প্রার্থী থাকতে হবে।

উৎস: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ওয়েবসাইট।

১৪৬.
‘কাঞ্চন ও শতাব্দী’ কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. আলু
  2. গম
  3. মরিচ
  4. ধান
ব্যাখ্যা

‘কাঞ্চন ও শতাব্দী’ গমের উন্নত জাত।
• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।


⇒ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের ফসল:
• উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, বাংলামতি, ব্রিশাইল, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, কিরণ, দুলাভোগ, দিশারী, মোহিনী, সুফলা, আশা, শ্রাবণী, প্রগতি, মুক্তা, ময়না, গাজী, শাহীবালাম, শাহজালাল। 
• উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।
• উন্নত জাতের মরিচ: বাইন, যমুনা, বালিজুরি, সূর্যমুখী, চৌরা, বারিমরিচ, বাগুরা।
• উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা, মোহর ও উত্তরণ।
• উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
• উন্নত জাতের আম: মহানন্দা, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা, ক্ষীরসাপাতি ও মােহনভােগ।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
• উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

১৪৭.
মুক্তিযুদ্ধপূর্ব যুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. জীবন থেকে নেয়া
  2. আগুনের পরশমণি
  3. ওরা এগারো জন 
  4. গেরিলা
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধপূর্ব যুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত চলচ্চিত্র জীবন থেকে নেয়া।

জীবন থেকে নেয়া:
- পরিচালক: জহির রায়হান।
- মুক্তি: ১৯৭০ সালের ১০ এপ্রিল (পাকিস্তান)।
- সময়: ১ ঘণ্টা ৫০ মিনিট (প্রায়)।
- সংগীত পরিচালক: খান আতাউর রহমান।
- জহির রায়হান পরিচালিত এই চলচ্চিত্রটি সরাসরি যুদ্ধভিত্তিক না হলেও এটি তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে, যা যুদ্ধের প্রেক্ষাপট তৈরিতে সহায়ক ছিল।
- ১৯৫২ থেকে ১৯৭০- এ সময়ের প্রেক্ষাপটে সিনেমাটি নির্মাণ করা হয়েছে।

⇒ চলচ্চিত্রটির মধ্যে আগামী দিনের উত্তাল বিদ্রোহের অনুপ্রেরণা ছিল।
- এটি সম্পূর্ণভাবেই রাজনৈতিক চেতনাসম্পন্ন চলচ্চিত্র।
- চলচ্চিত্র নির্মাতা আলমগীর কবির তাই এ চলচ্চিত্রকে 'বাংলাদেশের প্রথম জাতীয়তাবাদী বিপ্লবী চলচ্চিত্র' বলে অভিহিত করেছেন। ১৯৬৯ খ্রিষ্টাব্দের গণ-অভ্যুত্থান যখন তুঙ্গে, তখন জহির রায়হান জীবন থেকে নেয়া চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেন।

অন্যদিকে,
- ওরা এগারো জন (১৯৭২): এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র, যা যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরপরই নির্মিত হয়েছিল।
- আগুনের পরশমণি (১৯৯৫): হুমায়ূন আহমেদ পরিচালিত এই চলচ্চিত্রটি মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ের একটি বাস্তব চিত্র তুলে ধরে।
- গেরিলা (২০১১): নাসির উদ্দীন ইউসুফ পরিচালিত এটিও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি গুরুত্বপূর্ণ চলচ্চিত্র।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) দৈনিক ইত্তেফাক।

১৪৮.
কোন গভর্নর জেনারেলের শাসনকালে ভারতে প্রথম রেল চলাচল শুরু হয়?
  1. লর্ড হার্ডিঞ্জ
  2. লর্ড ডালহৌসি
  3. লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক
  4. লর্ড ক্যানিং
ব্যাখ্যা

লর্ড ডালহৌসি:
- ভারতে প্রথম রেল চলাচল শুরু হয়েছিল লর্ড ডালহৌসির শাসনকালে। 
- তাঁর সময়েই ১৮৫৩ সালে বোম্বে (মুম্বাই) থেকে থানে পর্যন্ত প্রথম যাত্রীবাহী ট্রেন চালু হয়।
- ডালহৌসিকে ভারতের রেলপথের জনক বলা হয়।
- তাঁর সময়েই ভারতে রেলপথ, টেলিগ্রাফ এবং ডাক ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ শুরু হয়েছিল। 

উল্লেখ্য,
- ১৮৪৮ খ্রিস্টাব্দে লর্ড হার্ডিঞ্জের পর মাত্র ৩৬ বৎসর বয়সে লর্ড ডালহৌসী এ উপমহাদেশে আসেন।
- ব্রিটিশ ভারতের শাসকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সাম্রাজ্যবাদী ছিলো লর্ড ডালহৌসি।
- ইংল্যান্ড কর্তৃপক্ষ এ পর্যন্ত যত সাম্রাজ্যবাদী শাসক এ উপমহাদেশে প্রেরণ করেছেন তার মধ্যে লর্ড ডালহৌসী ছিলেন ঘোর সাম্রাজ্যবাদী। লর্ড ডালহৌসীর সাম্রাজ্যবাদ নীতির তিনটি লক্ষ্য ছিল-
ক. পাশ্চাত্য সভ্যতা ও শাসনের প্রসার,
খ. ইংরেজ সাম্রাজ্যের সংহতি স্থাপন ও,
গ. উপমহাদেশে ব্রিটিশ পণ্যের বাজার সৃষ্টি।

এছাড়াও,
- ডালহৌসী কঠোরতার সাথে স্বত্ববিলোপ নীতি প্রয়োগের মাধ্যমে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য প্রসারের পথ আরও প্রশস্ত করে তোলেন।
- তিনি গভর্নর জেনারেলের কাজের চাপ কমানোর লক্ষ্যে বাংলার জন্য একজন লেফটেন্যান্ট গভর্নর (ছোট লাট) নিযুক্ত করেন।
- তিনি বিধবা বিবাহ আইন পাস করে হিন্দু বিধবা বিয়েকে আইনসঙ্গত করেন। এ বিষয়ে পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ডালহৌসীকে সাহায্য করেন। ডালহৌসী এমন একটি আইন পাস করান যাতে এদেশীয়গণ ধর্মান্তরিত হলেও তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি ভোগ করতে পারে।
- তিনি পূর্তবিভাগের প্রতিষ্ঠিত গঙ্গা খাল খনন ও জল সেচ ব্যবস্থার উন্নতি সাধন করেন।
- তিনি রাজপথ ও সড়কগুলোর উন্নয়ন করেন। তাঁরই সময়ে কলকাতা হতে পেশোয়ার পর্যন্ত গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড পুনরায় চালু হয়।
- তিনি বনভূমি সংরক্ষণ নীতি প্রবর্তন করেন এবং চা ও কফি বাগানের প্রসার সাধন করেন।
- তিনি রুরকির ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজও স্থাপন করেন।

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, এইচসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।

১৪৯.
দেশে বর্তমানে কোন দেশ থেকে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় এসেছে?
  1. সৌদি আরব
  2. যুক্তরাজ্য
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা

সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়:
- দেশে বর্তমানে সৌদি আরব থেকে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় এসেছে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট ১ হাজার ৩০৩ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। 

⇒ বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে দেখা গেছে, ২০২৫ সালের জুলাই-নভেম্বর সময়ে সৌদি আরব থেকে সর্বোচ্চ ২০৫ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে।
- যুক্তরাজ্য থেকে ১৬৭ কোটি,
- সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ১৫৮ কোটি,
- মালয়েশিয়া ১৪৩ কোটি এবং
- যুক্তরাষ্ট্র ১০৩ কোটি ডলার এসেছে।

⇒ একই সময়ে ইতালি থেকে ৮৩ কোটি, ওমান থেকে ৭৭ কোটি, কুয়েত থেকে ৬৪ কোটি, কাতার থেকে ৫৯ কোটি ও সিঙ্গাপুর থেকে ৫৫ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো। [link]

১৫০.
ভোজবিহার কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বগুড়া 
  2. কুমিল্লা 
  3. নওগাঁ
  4. দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

ভোজবিহার:
- ভোজবিহার কুমিল্লা পল্লী উন্নয়ন একাডেমী সংলগ্ন কোটবাড়ির কেন্দ্রে অবস্থিত।
- কুমিল্লার কাছে ময়নামতীর শালবন বিহার ও আনন্দ বিহারের পর তৃতীয় বৃহদায়তন ভিক্ষু নিবাস ও স্থাপনা।
- এ যাবৎ খননকাজ যতটুকু এগিয়েছে তাতে মধ্যস্থলের মন্দিরের উপরের অংশ এবং বর্গাকার বিহারের রূপরেখা ও এর উত্তরাংশের মধ্যস্থলে অবস্থিত আকর্ষণীয় এক প্রবেশদ্বার লক্ষ্য করা যায়।
- কেবল সামান্য ছোটখাটো পার্থক্য ছাড়া এ বৌদ্ধমঠটি সবদিক দিয়েই অবিকল শালবন বিহার ও আনন্দ বিহারএর অনুরূপ।
- বিহারের মধ্যস্থলের ক্রুশাকার মন্দিরটি হলো এ প্রত্নস্থলের সর্বাপেক্ষা আকর্ষণীয় সৌধ।
- বিহারের আঙিনায় আরও রয়েছে অনেক আনুষঙ্গিক ভবন, উপাসনা  সূতপ, গৌণ মন্দিরসমূহ ও ভজনালয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া। 
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৫১.
বাংলা ভাষার জন্য প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিভিত্তিক প্ল্যাটফর্মের নাম কী?
  1. জুলাই
  2. অনির্বান ডট এআই
  3. আলাপচারী
  4. কাগজ ডট এআই
ব্যাখ্যা

কাগজ ডট এআই:
- বাংলা ভাষার জন্য প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর (এআই) প্ল্যাটফর্মের নাম কাগজ ডট এআই (kagoj.ai)।

⇒ ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে নতুন বাংলা ফন্ট ‘জুলাই’ ও বাংলা ভাষায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর (এআই) প্ল্যাটফর্ম ‘কাগজ ডট এআই’ চালু করেছে সরকারের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ। 
- জুলাই ফন্ট  ও কাগজ ডট এআই প্ল্যাটফর্মের উদ্বোধন করেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
- কাগজ ডট এআই ব্যবহারের জন্য নাম নিবন্ধন করলেই ১০০০ ক্রেডিট পাওয়া যাবে।
- ক্রেডিট শেষ হলে ই-মেইল পাঠিয়ে বিনা মূল্য নতুন ক্রেডিট পাওয়া যাবে।
- নতুন বাংলা ফন্ট জুলাই ও এআই প্ল্যাটফর্মের পাশাপাশি শিগগিরই দেশের প্রতিটি জাতিগোষ্ঠী ভাষার তথ্য সংগ্রহ করে বাংলা এলএলএম (লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল) তৈরি করবে আইসিটি বিভাগ।

উৎস: প্রথম আলো।

১৫২.
২০২৫ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেছেন কে?
  1. কাজী আব্দুস সাত্তার
  2. ড. নিয়াজ জামান
  3. বদরুদ্দীন উমর
  4. ড. মোবারক আহমদ খান
ব্যাখ্যা

স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ২০২৫ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন।
- পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেককে পাঁচ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৫০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হবে।

⇒ স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫ প্রাপ্ত:
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর),
- সাহিত্য: মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর),
- সংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর),
- সমাজসেবা: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর),
- মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর),
- শিক্ষা ও গবেষণা: বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর,
- প্রতিবাদী তারুণ্য: আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫ সালে বদরুদ্দীন উমর স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫ প্রত্যাখ্যান করেন।
- ১৯৭৩ সাল থেকে তাকে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা থেকে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। 
- এর আগে ১৯৭২ সালে বদরুদ্দীন উমরকে বাংলা একাডেমি পুরস্কার দেওয়া হয়, তবে তিনি তা তাৎক্ষণিক প্রত্যাখ্যান করেন।
- ১৯৭৪ সালে তিনি ইতিহাস পরিষদের পুরস্কার পান এবং তা প্রত্যাখ্যান করেন।

উৎস: i) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
ii) প্রথম আলো।

১৫৩.
বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কত সালে গঠিত হয়?
  1. ২০০৬ সালে
  2. ২০০৭ সালে
  3. ২০০৯ সালে
  4. ২০১০ সালে
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (বাংলাদেশ):
- ২০১০ সালের ২৫শে মার্চ আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইবুনাল) আইন ১৯৭৩-এর ৬ ধারার বলে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয় ।
-  ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। 

⇒ ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার জুলাইয়ের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য পুনর্গঠন করে একই ট্রাইব্যুনাল।
- ২০১০ সালে গঠনের পর নানা আলােচনা এবং ঘটনা প্রবাহের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- 'The International Crimes (Tribunals) Act, 1973' আইনের অধীনে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গণহত্যা, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ, যুদ্ধাপরাধ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের আটক, গ্রেফতার, বিচার এবং সাজা দেওয়া হয়।
- ১৯৭৩ সালের এই আইনটি মূলত বাংলাদেশ কোলাবরেটর (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) অর্ডার ১৯৭২-কে প্রতিস্থাপিত করেছে।
- আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন ১৯৭৩, যুদ্ধাপরাধ সংক্রান্ত একটি রাষ্ট্রীয় আইন।
- পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় প্রথম মামলা (মিসকেস বা বিবিধ মামলা) হয়।
- ২০২৪ সালের ১৭ই অক্টোবর পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালের প্রথম বিচার কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: i) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (বাংলাদেশ)।
ii) BBC.

১৫৪.
বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলের বর্তমান অধিনায়ক কে?
  1. আফঈদা খন্দকার প্রান্তি
  2. কৃষ্ণা রানী সরকার
  3. সাবিনা খাতুন
  4. মাহফুজা আক্তার কিরণ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলের বর্তমান অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার প্রান্তি।

বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল:
- বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (BFF) দ্বারা পরিচালিত হয়।
- বর্তমান অধিনায়ক: আফঈদা খন্দকার প্রান্তি।
- SAFF নারী চ্যাম্পিয়নশিপ: ২০২২ ও ২০২৪ সালে টানা দুইবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল ২০২৫ সালে একুশে পদক লাভ করে।
 
উৎস: বাফুফে ওয়েবসাইট।

১৫৫.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী কোনো আইন বলবৎ থাকবে না?
  1. ২৫ নং অনুচ্ছেদ
  2. ২৬ নং অনুচ্ছেদ
  3. ২৭ নং অনুচ্ছেদ
  4. ২৮ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

মৌলিক অধিকার ও মানবাধিকার
- সংবিধানে সন্নিবেশিত অধিকারসমূহকে সাংবিধানিক অধিকার বলা যায়। বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ২৭ থেকে ৪৪ অনুচ্ছেদে যে ১৮টি অধিকারের নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে, সেগুলোর নাম দেওয়া হয়েছে মৌলিক অধিকার।
- এগুলো প্রকৃতিগতভাবে আইনগত অধিকার এবং সংবিধানের ৪৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এগুলো আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য।
- এই অধিকারগুলো ভঙ্গ করলে রাষ্ট্র প্রতিকার প্রদানে বাধ্য থাকে।

• সংবিধানের ২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এই অধিকারগুলোর সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ যেকোনো আইন বাতিল বলে গণ্য হবে।
⇒ ২৬ নং অনুচ্ছেদ: মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল
- ২৬। (১) এই ভাগের বিধানাবলীর সহিত অসমঞ্জস সকল প্রচলিত আইন যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, এই সংবিধান-প্রবর্তন হইতে সেই সকল আইনের ততখানি বাতিল হইয়া যাইবে।
- (২) রাষ্ট্র এই ভাগের কোন বিধানের সহিত অসমঞ্জস কোন আইন প্রণয়ন করিবেন না এবং অনুরূপ কোন আইন প্রণীত হইলে তাহা এই ভাগের কোন বিধানের সহিত যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হইয়া যাইবে।
- [(৩) সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত সংশোধনের ক্ষেত্রে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই প্রযোজ্য হইবে না।]

উল্লেখ্য,
- মৌলিক অধিকারের প্রকৃতি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় এগুলো নাগরিক ও রাজনৈতিক প্রকৃতির আইনগত অধিকার। এটি স্পষ্ট যে সকল মৌলিক অধিকারই আইনগত অধিকার কিন্তু সকল আইনগত অধিকার মৌলিক অধিকার নয়।
- বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে ‘রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি’ শিরোনামে রাষ্ট্র অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক অধিকারসমূহ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি প্রদান করেছে, যার মধ্যে ১৫(ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নাগরিকদের জন্য অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ জীবনধারণের মৌলিক উপকরণের ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে, যা সাধারণভাবে ‘মৌলিক চাহিদা’ হিসেবে পরিচিত।
- সংবিধানের ৮(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, দ্বিতীয় ভাগে বর্ণিত এই অধিকারসমূহ আদালতের মাধ্যমে প্রতিকারযোগ্য নয়। 

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান। 
ii) প্রথম আলো।

১৫৬.
‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫’ অনুযায়ী গুমের অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ শাস্তি কোনটি?
  1. অনধিক ১০ বছর কারাদণ্ড
  2. ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা

গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫:
- ১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করা হয়।
- গুমের অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড রেখে অধ্যাদেশ জারি করেছেন রাষ্ট্রপতি।

⇒ গুমকে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, কোনো সরকারি কর্মচারী বা শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য নিজ পরিচয়ের বলে অথবা সরকারি কর্তৃপক্ষের অনুমোদন, সমর্থন বা সম্মতির ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার, আটক, অপহরণ বা অন্য যেকোনোভাবে স্বাধীনতা হরণ করলে এবং পরে সেই ঘটনা অস্বীকার করলে বা ব্যক্তির অবস্থান, অবস্থা বা পরিণতি গোপন রাখলে—এটি ‘গুম’ হিসেবে গণ্য হবে।
- এখানে ‘স্বাধীনতা হরণ’ বলতে কোনো ব্যক্তিকে তাঁর সম্মতি ছাড়া নির্দিষ্ট স্থানে আবদ্ধ রাখাকে বোঝাবে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে ভুক্তভোগী আইনগত সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত হলে দায়ী ব্যক্তি যাবজ্জীবন বা সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন বলে অধ্যাদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।
- অধ্যাদেশ অনুযায়ী, গুমের ফলে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে, লাশ পাওয়া গেলে বা গুমের পাঁচ বছর পরও তাঁকে জীবিত বা মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব না হলে—দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অন্য কোনো মেয়াদের কারাদণ্ড দেওয়া যাবে। পাশাপাশি সর্বোচ্চ ১ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড আরোপ করা যাবে।
- গুমের সাক্ষ্যপ্রমাণ নষ্ট করলেও শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে অধ্যাদেশে। গুম-সংক্রান্ত কোনো সাক্ষ্যপ্রমাণ ইচ্ছাকৃতভাবে বিনষ্ট, গোপন, বিকৃত বা পরিবর্তন করলে আইনে সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড ও সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে অধ্যাদেশে। 

উৎস: i) গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫। 
ii) প্রথম আলো।

১৫৭.
শহীদ আবু সাঈদকে কোথায় সমাহিত করা হয়েছে?
  1. পীরগঞ্জ, রংপুর
  2. পীরগাছা, রংপুর
  3. আজিমপুর কবরস্থান, ঢাকা
  4. রংপুর সদর, রংপুর
ব্যাখ্যা

শহীদ আবু সাঈদ:
- রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলা বাবনপুর গ্রামের মোঃ মকবুল হোসেন এর ঘরে জন্ম নেয় আবু সাঈদ।
- ২৫ বছর বয়সী আবু সাঈদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।
- তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন।
- ১৬ জুলাই, ২০২৪ তারিখে তিনি রংপুরে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হয়েছিলেন।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনে ১৬ জুলাই দুপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে গুলিবিদ্ধ হন আবু সাঈদ।
- ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের কর্মসূচি চলাকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের সড়কে পুলিশ আবু সাঈদকে খুব কাছ থেকে গুলি করে।
- আবু সাঈদ এক হাতে লাঠি নিয়ে দুই হাত প্রসারিত করে বুক পেতে দেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি লুটিয়ে পড়েন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে নিরস্ত্র আবু সাঈদের পুলিশ কর্তৃক গুলিবিদ্ধ হওয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে সারা দেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
- এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সোচ্চার হন বহু মানুষ, যাতে আরও গতিশীল হয় কোটা সংস্কার আন্দোলন। ওই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ছাত্র-জনতার বিক্ষোভের মুখে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান হাসিনা।

⇒ ১৬ জুলাই, ২০২৪ তারিখে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন পার্ক মোড়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হওয়ার পরদিন ১৭ জুলাই তাকে গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়। 

উৎস: i) বাংলা সাহিত্য, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) The Daily Star Bangla.

১৫৮.
বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক মন্ত্রিপরিষদ সভায় অনুমোদন লাভ করে কবে?
  1. ১৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২
  2. ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২
  3. ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২
  4. ২৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক:
- বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক ২৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২ তারিখে মন্ত্রিপরিষদ সভায় অনুমোদন লাভ করে।


উল্লেখ্য,
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পরপরই বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক গ্রহণ করা হয়।
- এ প্রতীক হলো পানিতে ভাসমান জাতীয় ফুল শাপলা এবং এর উভয় পার্শ্বে একটি করে ধানের শীষ, চূড়ায় পাটগাছের পরস্পরযুক্ত তিনটি পাতা এবং পাতার উভয় পার্শ্বে দুটি করে মোট চারটি তারকা। 
- পানি, ধান ও পাট প্রতীকে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত হয়েছে বাংলাদেশের নিসর্গ ও অর্থনীতি। এ তিনটি উপাদানের ওপর স্থাপিত জলজ প্রস্ফুটিত শাপলা হল অঙ্গীকার, সৌন্দর্য ও সুরুচির প্রতীক।
- তারকাগুলোতে ব্যক্ত হয়েছে জাতির লক্ষ্য ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা।
- জাতীয় প্রতীকের ডিজাইনার পটুয়া কামরুল হাসান।
- সংবিধানের প্রথম ভাগ (প্রজাতন্ত্র) অনুচ্ছেদে : ৪ (৩)-এ জাতীয় প্রতীক সম্পর্কে বর্ণনা করা আছে।

⇒ ভাসমান শাপলাটি এঁকেছেন মোহাম্মদ ইদ্রিস ও এর দুই পাশে ধানের শীষবেষ্টিত পাটপাতা ও চারটি তারকা যুক্ত করেছেন শামসুল আলম।
- জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা বাংলাদেশের সংবিধানের চারটি মূলনীতি।
- জাতীয় প্রতীকের চারটি তারকা চিহ্ন দিয়ে এই চারটি মূলনীতিকেই বোঝানো হয়েছে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন। [link]

১৫৯.
রবি মৌসুমের প্রধান শস্য কোনটি?
  1. আমন ধান
  2. আউশ ধান
  3. বোরো ধান
  4. পাট
ব্যাখ্যা

রবি মৌসুমের প্রধান শস্য বোরো ধান। 
অন্যদিকে আমন ধান, আউশ ধান ও পাট খরিপ মৌসুমের প্রধান শস্য।

কৃষিক্ষেত্রে মৌসুম:

- ফসল উৎপাদনের জন্য সারাবছরকে দুইটি মৌসুমে ভাগ করা যায়। যথা:
i) রবি মৌসুম:
- শীতকালীন শস্যকে বলে রবি শস্য। আশ্বিন থেকে ফাল্গুন হচ্ছে রবি মৌসুম। মধ্য অক্টোবর থেকে মধ্য মার্চ পর্যন্ত, মতান্তরে মধ্য নভেম্বর থেকে মধ্য এপ্রিল পর্যন্ত সময়কালকে রবি মৌসুম বলে। গ্রীষ্মকালে অর্থাৎ ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসে ফসল তোলা হয়।
- বোরো ধান, গম, মসুর ডাল, যব, সরিষা, পেঁয়াজ, মটরশুঁটি ইত্যাদি ফসলকে এ মৌসুমের প্রধান শস্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ ছাড়া ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, গাজর, লাউ, শিম, টমেটো, আলু ইত্যাদিও এ মৌসুমে চাষ করা হয়।

ii) খরিপ মৌসুম:
- চৈত্র থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ মৌসুম বলে। খরিপ মৌসুমে বিশেষ করে আষাঢ় থেকে ভাদ্র মাসের মধ্যে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। খরিপ মৌসুমে তাপমাত্রা ও বায়ুর আর্দ্রতা বেশি পরিলক্ষিত হয়। খরিপ মৌসুমকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা: খরিপ-১ বা গ্রীষ্মকাল এবং খরিপ- ২ বা বর্ষাকাল।

⇒ খরিপ-১ মৌসুম:
- চৈত্র মাস থেকে আষাঢ় মাস (মধ্য মার্চ হতে মধ্য জুলাই) পর্যন্ত সময়কে খরিপ-১ বলা হয়। এইসময়কে গ্রীষ্মকালও বলা হয়। এ মৌসুমে উৎপন্ন ফসলগুলোকে খরিপ-১ শস্য বলে। যেমন- আউশ ধান, পাট, কাউন, ভুট্টা, তিল, মিষ্টি কুমড়া, কচু ও ঝিঙ্গা ইত্যাদি।

⇒ খরিপ-২ মৌসুম:
- শ্রাবণ মাস থেকে আশ্বিন মাস (মধ্য জুলাই হতে মধ্য অক্টোবর) পর্যন্ত সময়কে খরিপ-২ বলে। এই সময় বর্ষাকাল। এ মৌসুমে উৎপন্ন ফসলগুলোকে খরিপ-২ শস্য বলে। যেমন- আমন ধান, ভুট্টা, মাষকলাই, বর্ষাকালীন সবজি ইত্যাদি ।

এছাড়াও,
- কিছু ফসল ও শাক-সবজি আছে যেগুলো উভয় মৌসুমেই বা সারা বছর চাষাবাদ করা হয়ে থাকে। এদেরকে বারোমাসী ফসল বলে। যেমন- কলা, পেঁপে ইত্যাদি।

উৎস: i) কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৬০.
হায়া সোফিয়া গির্জা বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের কোন সম্রাটের সময়ে নির্মিত হয়েছিল?
  1. কনস্টানটাইন দ্য গ্রেট
  2. লিও দ্য ইসরিয়ান
  3. থিওডোসিয়াস
  4. জাস্টিনিয়ান
ব্যাখ্যা

বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য:
- বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য আনুমানিক ৩৯৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে - ১৪৫৩ সাল পর্যন্ত বিদ্যমান ছিল৷
- ১৫ শতকে অটোমান তুর্কি আক্রমণে পতনের আগে এটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান সভ্যতা ছিল।
- এই অঞ্চলটিকে সাধারণত পূর্ব রোমান সাম্রাজ্য বলা হত।
- ৪৭৬ সালে রোমের পতনের ফলে রোমান সাম্রাজ্যের পশ্চিম অর্ধেক শেষ হয় এবং পূর্ব অর্ধেক বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য হিসাবে পরিচালিত হয়।
- বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল কনস্টান্টিনোপল।
- বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য ভূমধ্যসাগরের আশেপাশের বেশিরভাগ ভূমি জুড়ে ছিল, যার মধ্যে বর্তমানে ইতালি, গ্রীস এবং তুরস্ক এবং উত্তর আফ্রিকা।
- বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের সর্বশ্রেষ্ঠ সম্রাট ছিলেন জাস্টিনিয়ান।
- জাস্টিনিয়ানের সময়ে নির্মিত 'হায়া সোফিয়া গির্জা' বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের অন্যতম স্থাপত্য নিদর্শন।
- ৫৩২ থেকে ৫৩৭ সালের মধ্যে বাইজেন্টাইন সম্রাট প্রথম জাস্টিনিয়ানের নির্দেশে এটি একটি পূর্ব অর্থোডক্স গির্জা হিসেবে নির্মিত হয়েছিল ।
- ১৪ শতকে অটোমান তুর্কিরা দখল করতে শুরু করে এবং ১৪৫৩ সালে এটি অটোমান নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।

উল্লেখ্য:
⇒ বাইজেন্টাইন সম্রাজ্ঞী নারীদের অধিকারের স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম শাসকদের একজন ছিলেন থিওডোরা।

তথ্যসূত্র -  Britannica.com

১৬১.
'NPT' চুক্তি থেকে বের হয়ে যাওয়া একমাত্র রাষ্ট্রের নাম কী?
  1. ভারত
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ইসরায়েল
  4. উত্তর কোরিয়া
ব্যাখ্যা

'NPT' চুক্তি:
- NPT-এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।
- প্রাথমিক পৃষ্ঠপোষক দেশ: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সোভিয়েত ইউনিয়ন (বর্তমানে রাশিয়া)।
- নজরদারি সংস্থা: IAEA ( International Atomic Energy Agency).
- NPT চুক্তিতে কখনও স্বাক্ষর করেনি: ভারত, পাকিস্তান, ইসরায়েল।
- ২০০৩ সালে উত্তর কোরিয়া NPT চুক্তি থেকে বেরিয়ে যায়।

উল্লেখ্য:
- বাংলাদেশ পারমানবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে (NPT) স্বাক্ষর করে: ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ সালে।

তথ্যসূত্র - Arms Control Association ওয়েবসাইট & UNODA ওয়েবসাইট।

১৬২.
রামসার কনভেনশনের উদ্দেশ্য কোনটি?
  1. সমুদ্রের জীববৈচিত্র্য রক্ষা করা
  2. বনাঞ্চল সংরক্ষণ করা
  3. জলবায়ু পরিবর্তন রোধ করা
  4. জলাভূমি সংরক্ষণ করা
ব্যাখ্যা

রামসার কনভেনশন:
- এর পূর্ণনাম Ramsar Convention on Wetlands.
- কনভেনশনটি গৃহীত হয়: ১৯৭১ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৯৭৫ সালে।
- স্থান: রামসার, ইরান।
- রামসার কনভেনশনের উদ্দেশ্য আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি সংরক্ষণ করা।
- সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে তাদের গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি তালিকাভুক্ত করতে বলা হয় যা রামসার সাইট নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র - Ramsar Convention Official Website.

১৬৩.
'ESCAP' কোন ধরনের বাণিজ্যকে সহজীকরণ করে?
  1. শুধুমাত্র স্থলপথে বাণিজ্য
  2. কাগজবিহীন ক্রস-বর্ডার বাণিজ্য
  3. সমুদ্রপথে বাণিজ্য
  4. কৃষি পণ্য বাণিজ্য
ব্যাখ্যা

ESCAP:
- ESCAP এর পূর্ণরূপ- Economic and Social Commission for Asia and the Pacific.
- জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে আন্তঃদেশীয় বাণিজ্য ব্যবস্থা ত্বরান্বিত করতে স্বাক্ষরিত হয়।
- কাগজবিহীন বাণিজ্য সহজীকরণ কাঠামো চুক্তি।
- এশিয়া প্যাসিফিক আঞ্চলিক অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ESCAP) সহায়তায় ২০১৬ সালে এই চুক্তি গ্রহণ করা হয়।
- সদর দপ্তর: ব্যাংকক, থাইল্যান্ড।
- ESCAP-ভুক্ত ৫৩টি সদস্য দেশ এ চুক্তিতে অংশ নিতে পারবে।

জাতিসংঘ:
- জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (ECOSOC) এর অধীন ৫টি আঞ্চলিক কমিশন রয়েছে।

⇒ আঞ্চলিক কমিশন:
- এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন: ESCAP.
- পশ্চিম এশীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন: ESCWA.
- ল্যাটিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অর্থনৈতিক কমিশন: ECLAC.
- ইউরোপিয়ান অর্থনৈতিক কমিশন: ECE.
- আফ্রিকান অর্থনৈতিক কমিশন: ECA.

তথ্যসূত্র - UN ওয়েবসাইট।

১৬৪.
Global Terrorism Index 2025 অনুসারে, সন্ত্রাসবাদের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশ কোনটি?
  1. নাইজার
  2. বুরকিনা ফাসো
  3. সোমালিয়া
  4. সিরিয়া
ব্যাখ্যা

বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচক ২০২৫:
- অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক Institute for Economics & Peace (IEP) মার্চ, ২০২৫ তারিখে Global Terrorism Index (GTI) 2025: Measuring the Impact of Terrorism শিরোনামে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে।
- রিপোর্ট অনুসারে, সন্ত্রাসবাদে শীর্ষ কয়েকটি দেশের তালিকা নিচে দেওয়া হল-
• প্রথম: বুরকিনা ফাসো।
• দ্বিতীয়: পাকিস্তান।
• তৃতীয়: সিরিয়া।
• চতুর্থ: মালি।
• পঞ্চম: নাইজার।
• ষষ্ঠ: নাইজেরিয়া।
• সপ্তম: সোমালিয়া।
• অষ্টম: ইসরায়েল।
• নবম: আফগানিস্তান।
• দশম: ক্যামেরুন।

⇒ উল্লেখ্য:
⇒ বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচক ২০২৫ এ বাংলাদেশের অবস্থান ৩৫ তম।

তথ্যসূত্র - Global Terrorism Index ওয়েবসাইট।

১৬৫.
বর্তমানে UNEP-এর সদস্য দেশের সংখ্যা কত? (জানুয়ারি, ২০২৬)
  1. ১৯১টি
  2. ১৯২টি
  3. ১৯৩টি
  4. ১৯৪টি
ব্যাখ্যা

UNEP:
- UNEP এর পূর্ণরূপ: United Nations Environment Programme.
- UNEP জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক কর্মসূচী।
- সদর দপ্তর: নাইরোবি, কেনিয়া।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৫ জুন, ১৯৭২ সালে।
- সদস্য দেশ: ১৯৩টি।
- প্রধানের পদবী: নির্বাহী পরিচালক।
- বর্তমান নির্বাহী পরিচালক- ইনগার অ্যান্ডারসেন।
- চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ পুরস্কার প্রদান করে UNEP.

উল্লেখ্য:
- বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়-৫ জুন।

তথ্যসূত্র - UNEP অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৬৬.
নাগার্নো-কারাবাখ অঞ্চল নিয়ে চলমান সংঘাত নিরসনে প্রধান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছে -
  1. কাতার
  2. রাশিয়া
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. চীন
ব্যাখ্যা

নাগার্নো-কারাবাখ:
- 'নাগার্নো কারাবাখ' আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান-এর বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।
- পূর্ব ইউরোপে অবস্থিত নাগোর্নো-কারাবাখ নিয়ে দীর্ঘ তিন দশক ধরে বিরোধ চলে আসছে সাবেক সোভিয়েত রিপাবলিকের অংশ এই দেশ দুটির মধ্যে।
- ১৯৮৮-৯৪ সাল পর্যন্ত যুদ্ধ চলার পর যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হলেও থেমে থেমে সংঘর্ষ চলেছে।
- এলাকাটি নিয়ে কোন ধরনের নিষ্পত্তি দুই দেশের মধ্যে হয়নি।
- আন্তর্জাতিকভাবে এই এলাকাটি আজারবাইজানের বলে স্বীকৃত। কিন্তু এটি পরিচালনা করে জাতিগত আর্মেনিয়রা।
- বন্দী বিনিময় এবং মরদেহ উদ্ধারের সুযোগ তৈরি করার জন্য এই যুদ্ধবিরতিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

⇒ সম্প্রতি ৮ আগস্ট, ২০২৫ যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হোয়াইট হাউসে ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
- অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ এবং আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশনিয়ান।
- এর মধ্য দিয়ে কয়েক দশকের সংঘাতের অবসান এবং দীর্ঘস্থায়ী মিত্রতা তৈরি হবে বলে প্রত্যাশা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের।
- শান্তিচুক্তির পাশাপাশি উভয় দেশের সাথে করিডোর ও বাণিজ্য ইস্যুতে পৃথক চুক্তি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের।
- চুক্তি অনুযায়ী, দুই দেশ সব ধরনের যুদ্ধ চিরতরে বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং ভ্রমণ, ব্যবসা ও কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্মুক্ত হবে।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫ সালের পূর্বে নাগার্নো-কারাবাখ অঞ্চল অঞ্চল নিয়ে চলমান সংঘাত নিরসনে প্রধান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছে রাশিয়া।

উৎস: i) Britannica.
ii) Reuters.

১৬৭.
রাশিয়ার সরকার ব্যবস্থা সাংবিধানিকভাবে কী ধরনের?
  1. রাজতন্ত্র
  2. বহুদলীয় গণতন্ত্র
  3. একনায়কতন্ত্র
  4. ফেডারেল রাজতন্ত্র
ব্যাখ্যা

রাশিয়া:
- আয়তনে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ রাশিয়া।
- মোট আয়তন: ১,৭০৯৮,২৪২.০০ বর্গকিলোমিটার
- রাজধানী: মস্কো।
- রাজধানী ও বৃহত্তম নগরী: মস্কো।
- রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় ভাষা: রুশ। 
- মুদ্রা: রুবল।
- রাশিয়ার সম্রাটদের বলা হয় জার।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
- রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের বাসভবন: ক্রেমলিন।
- রাশিয়ার সরকারব্যবস্থা বহুদলীয় গণতন্ত্র।
- রাশিয়া একসময় সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর পৃথক রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে দেশটি।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & Worldatlas.com

১৬৮.
ইউরোপীয় ইউনিয়ন কোন চুক্তির মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়?
  1. লিসবন চুক্তি
  2. মাসট্রিচট চুক্তি
  3. ভিয়েনা চুক্তি
  4. জেনেভা চুক্তি
ব্যাখ্যা

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU):
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক জোট ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
- ইউরোপীয় ইউনিয়ন মাসট্রিচট চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ নভেম্বরে, ১৯৯৩ সালে।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশ: ৬টি দেশ।
• বেলজিয়াম,
• ফ্রান্স,
• জার্মানি,
• ইতালি,
• লুক্সেমবার্গ,
• নেদারল্যান্ডস।

- বর্তমান সদস্য: ২৭টি।
- সর্বশেষ সদস্য: ক্রোয়েশিয়া।
- সর্বশেষ ত্যাগকারী: ব্রিটেন (৩১ জানুয়ারি, ২০২০)।

তথ্যসূত্র - EU ওয়েবসাইট।

১৬৯.
আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ এ মোট কয়টি দল অংশগ্রহণ করবে?
  1. ১২টি
  2. ১৬টি
  3. ২০টি
  4. ২৪টি
ব্যাখ্যা

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬:
- টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ এর সময়কাল: ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ।
- আয়োজক দেশ ২টি।
• ভারত ও
• শ্রীলঙ্কা৷
- অংশগ্রহণকারী দল: ২০টি।
- ২০টি দলকে চারটি গ্রুপে ভাগ করা হয়।
- প্রতিটি গ্রুপ থেকে শীর্ষ দুটি করে দল সুপার এইট পর্বে যাবে।
- সেখানে আবারও আটটি দলকে চারটি করে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হবে।
- সুপার এইটে প্রতিটি গ্রুপ থেকে শীর্ষ দুটি করে দল সেমিফাইনালে উঠবে।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।

১৭০.
জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ ফোরাম (CVF) কোন স্থানে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. মালে, মালদ্বীপ
  2. কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক
  3. প্যারিস, ফ্রান্স
  4. লিমা, পেরু
ব্যাখ্যা

CVF:
- CVF এর পূর্ণরূপ: The Climate Vulnerable Forum.
- The Climate Vulnerable Forum (CVF) হল উষ্ণায়নের ঝুঁকিতে থাকা ৭৪টি দেশের একটি আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব ।
- জলবায়ু জরুরি অবস্থা মোকাবেলায় অংশগ্রহণকারী সরকারগুলিকে একসাথে কাজ করার জন্য ফোরামটি দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে।
- সিভিএফ মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ নাশিদের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০০৯ সালে।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: মালে, মালদ্বীপ।
- কোপেনহেগেন শীর্ষ সম্মেলন জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনের (COP15) মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে প্রতিষ্ঠাকালীন ঘোষণাপত্রে CVF এই সমস্যা মোকাবেলায় ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলির নেতৃত্বের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

তথ্যসূত্র - The Climate Vulnerable Forum (CVF).

১৭১.
৪র্থ আরব ইসরাইল যুদ্ধটি ইহুদি সম্প্রদায়ের কোন পবিত্র দিনে শুরু হয়েছিল?
  1. Hanukkah
  2. Yom Kippur
  3. Passover
  4. Purim
ব্যাখ্যা

⇒ আরব-ইসরাইল যুদ্ধ:
- মোট ৪টি আরব-ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

⇒ ৪র্থ আরব ইসরাইল যুদ্ধ:
- সংঘটিত হয় ১৯৭৩ সালে।
- Yom Kippur War নামে পরিচিত ৪র্থ আরব-ইসরাইল যুদ্ধ।
- ইহুদিদের পবিত্র দিন ইয়ম কিপুরের সময় ইসরায়েল-অধিকৃত অঞ্চলে আরব জোটের অতর্কিত হামলার মাধ্যমে এই যুদ্ধ শুরু হয়।
- মিশরীয় ও সিরিয়ান সেনারা যুদ্ধবিরতি রেখা ভেদ করে যথাক্রমে সিনাই উপদ্বীপ ও গোলান মালভূমিতে ঢুকে পড়ে।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন উভয়ে তাদের নিজ নিজ মিত্রদের এসময়ে সহায়তা করে।
- ফলে দুইটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি হয়।

⇒ উল্লেখ্য:
• ১ম আরব-ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৪৮ সালে।
• ২য় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৫৬ সালে।
• ৩য় আরব ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৬৭ সালে।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com

১৭২.
রোমান দেওয়ানী ও ফৌজদারী আইন কোন শতাব্দীতে সংকলিত হয়?
  1. খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতাব্দী
  2. খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতাব্দী
  3. খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দী
  4. খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দী
ব্যাখ্যা

⇒ রোমান দেওয়ানী ও ফৌজদারী আইন (সিভিল ও ক্রিমিনাল'ল) খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতেই সংকলিত হয়।

 রোমান সভ্যতা:
- খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় ও প্রথম শতকে রোমানরা গ্রিক সাম্রাজ্য দখল করে।
- রোমানরা ইতালি ও ইতালির পশ্চিম দিকে অবস্থিত ভূমধ্যসাগর তীরবর্তী দেশগুলো জয় করে।
- লাতিনদের একটি ক্ষুদ্র জাতি থেকে সুবিশাল সাম্রাজ্যের বিকাশ হয়, মধ্য ইটালির ল্যাটিয়ামে রোম ছিল তাদের প্রধান শহর।
- রোমান সাহিত্য-সংস্কৃতিতে গ্রিক সভ্যতার প্রভাব পরিলক্ষিত হয়.
- সে যুগে রোমান সাহিত্য চর্চা ছিল ব্যাপক।
- মলিয়ে পুটাস এবং টেরেন্স ছিলেন বিখ্যাত সাহিত্যিক ও নাট্যকার।
- রোমানরা গণপ্রজাতন্ত্রে বিশ্বাসী ছিলেন। ফলে শাসনকার্যে ধর্মীয় প্রভাব বা পুরোহিততন্ত্র পাকাপোক্ত হয়ে বসতে পারেনি।
- প্রাচীন সভ্যতায় রোমানদের অন্যতম কৃতিত্ব হলো রোমান আইন ব্যবস্থা (Roman Law)।

⇒ রোমানদের উপাস্য দেবতা:
- আকাশের দেবতা: জুপিটার।
- প্রেমের দেবতা: ভেনাস।
- বাতাস এবং সমুদ্রের দেবতা: নেপচুন।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭৩.
স্মাইল ট্রেন কোন সমস্যার জন্য বিশ্বব্যাপী বিনামূল্যে অস্ত্রোপচার করে?
  1. হার্টের সমস্যা
  2. ঠোঁট কাটা
  3. চোখের ছানি
  4. ক্যান্সার চিকিৎসা
ব্যাখ্যা

স্মাইল ট্রেন:
- আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থা।
- বিশ্বব্যাপী শিশুদের ঠোট ও তালুকাটা বিনামূল্যে অস্ত্রোপাচার করে আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থা 'স্মাইল ট্রেন'।
- স্মাইল ট্রেন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৯৯ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা: চার্লস ওয়াং ও ব্রায়ান মুলান ।
- সদর দপ্তর: নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- মূল উদ্দেশ্য: বিনামূল্যে cleft lip এবং cleft palate সার্জারি প্রদান ।
- কর্মক্ষেত্র: ৯৫+ উন্নয়নশীল দেশ।
- অধিভুক্ত হাসপাতাল: ১,০০০+ ।

তথ্যসূত্র - স্মাইল ট্রেন-এর ওয়েবসাইট।

১৭৪.
সর্বশেষ কোন দেশ ইউরোকে নিজের অফিসিয়াল মুদ্রা হিসেবে চালু করেছে?
  1. লুক্সেমবার্গ
  2. অস্ট্রিয়া
  3. ফিনল্যান্ড
  4. বুলগেরিয়া
ব্যাখ্যা

ইউরো মুদ্রা:
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহের একক মুদ্রা: ইউরো ।
- ইউরো মুদ্রার জনক: রবার্ট মুন্ডেল।
- ইউরো মুদ্রা চালু হয়: ১ জানুয়ারি, ১৯৯৯ সালে।
- ইউরো মুদ্রার প্রতীক: €.
- ইউরো মুদ্রার ব্যবহার প্রথম শুরু হয়: ১৯৯৯ সালে।
- প্রথম ব্যবহারকারী দেশ: ১৪টি।
- বর্তমানে ইউরো মুদ্রা গ্রহণকারী দেশ: ২১টি।
- ইউরো মুদ্রা গ্রহণকারী সর্বশেষ দেশ: বুলগেরিয়া।
- প্রায় দেড় শতাব্দী পর নিজস্ব মুদ্রা লেভকে বিদায় জানিয়ে ইউরো মুদ্রা অঞ্চলের ২১তম সদস্য হিসাবে ইউরো চালু করেছে বুলগেরিয়া ।
- ১ জানুয়ারি, ২০১৬ থেকে দেশটিতে লেভের পরিবর্তে ইউরো মুদ্রা চালু করেছে।
- এখন পর্যন্ত ২১টি দেশ একক মুদ্রা হিসেবে ইউরো মুদ্রা গ্রহণ করেছে।

তথ্যসূত্র - ইউরোপীয় ইউনিয়ন ওয়েবসাইট ও ইউরোপীয় কমিশন।

১৭৫.
IPCC-এর প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. নিউ ইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
  2. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  3. বন, জার্মানি
  4. ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া
ব্যাখ্যা

IPCC:
- জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত আন্তঃসরকার প্যানেল IPCC.
- IPCC এর পূর্ণরূপ: Intergovernmental Panel on Climate Change.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৮৮ সালে।
- সদস্য: ১৯৫টি।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- IPCC নিয়মিতভাবে "Assessment Reports" প্রকাশ করে, যা জলবায়ু পরিবর্তনের বৈজ্ঞানিক, প্রযুক্তিগত এবং সামাজিক-অর্থনৈতিক দিকগুলো তুলে ধরে।
- জাতিসংঘের দুটি সংস্থা নিয়ে IPCC গঠিত হয়।
- ১৯৮৮ সালে জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) এবং বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO) দ্বারা তৈরি IPCC (Intergovernmental Panel on
Climate Change.

তথ্যসূত্র - IPCC ওয়েবসাইট।

১৭৬.
গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের অফিসিয়াল নাম কোনটি?
  1. Central Intelligence Agency of Israel
  2. Israeli National Security Service
  3. Institute for Intelligence and Special Operations
  4. Central Institute for Coordination and Security
ব্যাখ্যা

⇒ Mossad:
- মোসাদ হলো ইসরায়েলের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
- Mossad এর অফিসিয়াল নাম: The Institute for Intelligence and Special Operations.
- এর প্রধান কাজ হলো-
• তথ্য সংগ্রহ করা,
• গোপন অভিযান পরিচালনা এবং
• সন্ত্রাসবাদ দমন করা ৷
- এটি সরাসরি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কাছে জবাবদিহি করে।
- আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মোসাদ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার উপর নজরদারি করে।

⇒ উল্লেখ্য:
- ইসরায়েল আরও কয়েকটি গোয়েন্দা সংস্থা Shin Bet (Shabak), Aman.

⇒ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা:
- ভারত: Research and Analysis Wing (RAW), Central Bureau of Investigation (CBI).
- পাকিস্তান: Inter-Services Intelligence (ISI), Federal Investigation Agency (FIA).
- রাশিয়া: Federal Security Service (FSB).
- ব্রিটেন: SIS/MI6 - Secret Intelligence Service (SIS) and Military Intelligence, Section 6 (MI6).
- ইরান: SAVAK.

তথ্যসূত্র - Britannica.com and WorldAtlas.com

১৭৭.
স্ক্যান্ডিনেভিয়া ভৌগোলিকভাবে ইউরোপের কোন অঞ্চলে অবস্থিত?
  1. উত্তর অঞ্চলে
  2. দক্ষিণ অঞ্চলে
  3. পূর্ব অঞ্চলে
  4. পশ্চিম অঞ্চলে
ব্যাখ্যা

স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ:
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া হলো ইউরোপের উত্তরে অবস্থিত একটি ভৌগোলিক অঞ্চল।
- স্ক্যান্ডেনেভিয়ান রাষ্ট্রের সংখ্যা মূলত ৩টি। যথা-
• নরওয়ে,
• সুইডেন ও
• ডেনমার্ক।

⇒ উলেখ্য:
- ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড এবং ফারো আইল্যান্ডকেও অনেক ক্ষেত্রে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান রাষ্ট্র হিসেব গণ্য করা হয়।
 
⇒ নর্ডিক অঞ্চল:
- নর্ডিক অঞ্চল বলতে ফিনল্যান্ড ও আইসল্যান্ডকে বুঝায়।
- স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশগুলো আসলে নর্ডিক অঞ্চলের মধ্যে পরে।

⇒ নর্ডিক অঞ্চলভূক্ত দেশের সংখ্যা ৫টি। যথা-
• আইসল্যান্ড,
• ডেনমার্ক,
• নরওয়ে,
• সুইডেন এবং
• ফিনল্যান্ড।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com ও Britannica.com

১৭৮.
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF)-এর বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে?
  1. ক্রিস্টিন ল্যাগার্ড
  2. ডমিনিক স্ট্রাউস-কান
  3. মিশেল ক্যামডেসাস
  4. ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা
ব্যাখ্যা

IMF:
- IMF এর পূর্ণরূপ The International Monetary Fund.
- এটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৫ সালে।
- IMF এর সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ৪৪টি।
- বর্তমান সদস্য: ১৯১টি।
- সর্বশেষ সদস্য: লিচেনস্টাইন। 
- বর্তমানে IMF এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্বে আছেন ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা।
- ক্রিস্টালিনা জর্জিভা ১ অক্টোবর, ২০১৯ সাল থেকে IMF এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

⇒ উল্লেখ্য:
- বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে: ১৯৭২ সালে।

তথ্যসূত্র - IMF অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৭৯.
কার্টাগেনা প্রটোকলে সর্বশেষ যোগদানকারী রাষ্ট্র কোনটি? (জানুয়ারি, ২০২৬)
  1. সিয়েরা লিওন
  2. ব্রাজিল
  3. দক্ষিণ সুদান
  4. পেরু
ব্যাখ্যা

কার্টাগেনা প্রটোকল:
- কার্টাগেনা প্রোটকলের পূর্ণনাম - The Cartagena Protocol on Biosafety to the Convention on Biological Diversity.
- কার্টাগেনা প্রটোকল জৈব-নিরাপত্তা বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। 
- এই চুক্তিটি কলম্বিয়ার কার্টাগেনাতে আলোচিত হয়।
- চুক্তি অনুমোদন: ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সাল। 
- চুক্তি কার্যকর: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সাল।
- অনুমোদনকারী: ১৭৩টি।
- সর্বশেষ অনুমোদন: সিয়েরা লিওন।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে ২০০০ সালে এবং অনুমোদন করে ২০০৪ সালে।

তথ্যসূত্র - কনভেনশন অন বায়ো-ডাইভার্সিটি (CBD) ওয়েবসাইট।

১৮০.
বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি নিয়ে কাজ করা জাতিসংঘের সংস্থার নাম কী?
  1. ILO
  2. ITU
  3. WIPO
  4. WHO
ব্যাখ্যা

WIPO:
- WIPO এর পূর্ণরূপ World Intellectual Property Organization.
- WIPO হল জাতিসংঘের বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ বিষয়ক বৈশ্বিক সংস্থা।
- এর মূল উদ্দেশ্য বিশ্বব্যাপী সৃজনশীল বা সৃষ্টিশীল কর্মকান্ডকে উৎসাহিত করা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৬৭ সালে।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৪টি।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।

⇒ অন্যদিকে:
- বাংলাদেশ ১৯৮৫ সালে WIPO এর সদস্যপদ লাভ করে।

⇒ উল্লেখ্য:
- ILO শ্রমিক অধিকার, কর্মসংস্থান ও শ্রম মান নির্ধারণের জন্য কাজ করে।
- ITU আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ, রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মান নির্ধারণ করে।
- WHO বিশ্ব স্বাস্থ্য, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ক জাতিসংঘের সংস্থা।

তথ্যসূত্র - WIPO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৮১.
বিশ্বে প্রথম কোন দেশ ‘আয়রন বিম’ লেজার ডিফেন্স সিস্টেম ব্যবহার শুরু করেছে?
  1. রাশিয়া
  2. চীন
  3. ইরান
  4. ইসরায়েল
ব্যাখ্যা

⇒ ইসরায়েল বিশ্বে প্রথম দেশ হিসেবে ‘আয়রন বিম’ লেজার ডিফেন্স সিস্টেম ব্যবহার শুরু করেছে।

আয়রন বিম:

- ইসরায়েল আকাশ পথে আসা যেকোনো ধরনের হামলা প্রতিহত করতে লেজার ভিত্তিক প্রতিরক্ষাব্যবস্থা 'আয়রন বিম' চালু করেছে ইসরায়েল।
- প্রযুক্তিটি ইসরায়েল প্রথম বারের মতো ব্যবহার করছে।
- আধুনিক লেজার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাটির নামকরণ করা হয়েছে আয়রন ডোমের আদলে।
- লেজার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মূলে আছে সুপরিচিত প্রতিষ্ঠান রাফায়েল।
- ২০১৪ সালে রাফাল প্রথম এই সিস্টেম তৈরি করে।
- এই সিস্টেমের অন্যতম সুবিধা হল এই সিস্টেমটি সাশ্রয়ী।
- কম খরচে তারা কার্যকরভাবে আক্রমণের মোকাবিলা করতে পারে।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার ও ডয়চে ভেলে।

১৮২.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র স্বাধীনতা লাভ করে কোন দেশ থেকে?
  1. ফ্রান্স
  2. স্পেন
  3. যুক্তরাজ্য
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র স্বাধীনতা লাভ করে যুক্তরাজ্য থেকে: ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে।
- যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় দিবস: ৪ জুলাই।
- অঙ্গরাজ্য: ৫০ টি।
- সর্বশেষ অঙ্গরাজ্য: হাওয়াই।

⇒ আইনসভা:
কংগ্রেস:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের আইন সভার নাম কংগ্রেস।
- আইন প্রণয়ন করাই এর প্রধান কাজ।
- কংগ্রেস একটি দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইন সভা।
• নিম্নকক্ষ ‘প্রতিনিধি সভা' (The House of Representative)।
• উচ্চকক্ষ 'সিনেট' (The Senate)।

⇒ প্রেসিডেন্ট:
- প্রথম প্রেসিডেন্ট: জর্জ ওয়াশিংটন।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: ডোনাল্ড ট্রাম্প (৪৭ তম)।
- যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপকারী প্রেসিডেন্টের নাম - আব্রাহাম লিংকন।
- আব্রাহাম লিংকন ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের - ১৬ তম প্রেসিডেন্ট।
- যুক্তরাষ্ট্র থেকে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপ হয়: ১৮৬৩ সালে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যে প্রেসিডেন্ট কখনো হোয়াইট হাউজে বসবাস করেননি - জর্জ ওয়াশিংটন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

১৮৩.
রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক চুক্তি (CWC) কবে কার্যকর হয়?
  1. ১৯৯০ সালে
  2. ১৯৯৪ সালে
  3. ১৯৯৭ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা

CWC চুক্তি:
- CWC এর পূর্ণরূপ Chemical Weapons Convention.
- এটি রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক চুক্তি।
- CWC চুক্তি জাতিসংঘের অনুমোদনক্রমে স্বাক্ষরিত একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- চুক্তির বিষয়: রাসায়নিক অস্ত্রের উৎপাদন, মজুদ ও ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।
- জাতিসংঘের দপ্তরে নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক সম্মেলন (Conference on Disarmament) অনুষ্ঠিত হয়।
- সম্মেলনটি ১৯৯২ সালের ৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন বন্ধের চুক্তির খসড়া প্রস্তুত করা হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে।
- কার্যকর হয়: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭ সালে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৯৩টি।

উল্লেখ্য:
- ইসরায়েল স্বাক্ষর করেছে কিন্তু অনুমোদন করেনি।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ও OPCW ওয়েবসাইট।

১৮৪.
আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস পালিত হয় কবে?
  1. ৯ ডিসেম্বর
  2. ১৮ ডিসেম্বর
  3. ২ জানুয়ারি
  4. ৪ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস (International Migrants Day):
- বিশ্বজুড়ে অভিবাসীদের অবদানের উপর আলোকপাত করার জন্য এবং অভিবাসনের ক্রমবর্ধমান জটিল পরিবেশ তুলে ধরার জন্য আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস পালিত হয়।
- প্রতি বছর ১৮ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস পালিত হয়।
- যা অভিবাসনকে নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ন্যায্য করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে।
- ২০২৫ সালের থিম 'My Great Story: Cultures and Development'.

⇒ অন্যান্য আন্তর্জাতিক দিবস সমূহ:
- আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস: ৯ ডিসেম্বর।
- আন্তর্জাতিক নারী দিবস: ৮ মার্চ।
- বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস: ১০ অক্টোবর।
- আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস: ৪ জানুয়ারি।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।