ব্যাখ্যা
• 'অন্ধকারে থাকা' বাগ্ধারার অর্থ - কিছু না জানা।
অন্যদিকে,
• 'আকাশ থেকে পড়া' অর্থ- না জানার ভান করা।
• অন্ধকারে ঢিল ছোঁড়া/মারা অর্থ- আন্দাজে কাজ করা।
• 'আক্কেল গুড়ুম' অর্থ- হতবুদ্ধি হওয়া।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স · তারিখ অনির্ধারিত · ২০ প্রশ্ন
• 'অন্ধকারে থাকা' বাগ্ধারার অর্থ - কিছু না জানা।
অন্যদিকে,
• 'আকাশ থেকে পড়া' অর্থ- না জানার ভান করা।
• অন্ধকারে ঢিল ছোঁড়া/মারা অর্থ- আন্দাজে কাজ করা।
• 'আক্কেল গুড়ুম' অর্থ- হতবুদ্ধি হওয়া।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
'ক্রোড়' অর্থ - কোল।
'ক্রোর' অর্থ - কোটি।
এরূপ কিছু গুরুত্বপূর্ণ শব্দজোড় হলো-
খড় - তৃণ।
খর - তীব্র।
খদ্দর - কাপড়।
খদ্দের - গ্রাহক।
খরা - রৌদ্র।
ক্ষরা - ক্ষরণ।
খুর - পশুর পায়ের অংশ।
ক্ষুর - কামানোর অস্ত্র।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
• 'মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন' প্রবাদের অর্থ - লক্ষ্য অর্জনে প্রাণপণ চেষ্টা।
অন্যদিকে,
--------------
• 'মাছি মেরে হাত কালো করা' অর্থ- সামান্য লাভের জন্যে অসম্মানের ভাগি হওয়া।
• 'যতক্ষণ শ্বাস ততক্ষণ আশ' অর্থ- শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত হাল ছেড়ে না দেয়া।
• 'মোল্লার দৌড় মসজিদ পর্যন্ত' অর্থ- প্রত্যেকের যোগ্যতা সীমাবদ্ধ।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'উড়নচণ্ডী' বাগ্ধারার অর্থ- অমিতব্যয়ী।
অন্যদিকে,
• 'উনপাঁজুরে' অর্থ- দুর্বল ও ব্যক্তিত্বহীন।
• 'কূপমণ্ডুক' অর্থ- সীমাবদ্ধ জ্ঞান।
• 'গোঁফ খেজুরে' অর্থ- অত্যন্ত অলস।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'হলাহল' এর বিপরীতার্থক শব্দ - সুধা / অমৃত।
• 'হলাহল' অর্থ: কাল-কূট, দেবাসুর কর্তৃক সমুদ্রমন্থনে উত্থিত তীব্র বিষ।
• 'সুধা' অর্থ: অমৃত, জ্যোৎস্না, গঙ্গা, জল।
অন্যদিকে,
---------------
হর্ষ/হরিষ - বিষাদ।
হরণ - পূরণ।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'কয়লা ধুলে ময়লা যায় না' অর্থ - স্বভাবের পরিবর্তন সম্ভব নয়।
অন্যদিকে,
'এঁটোপাত না যায় স্বর্গে' অর্থ - পরমুখাপেক্ষীর সমৃদ্ধি সম্ভর হয় না।
'এক মাঘে শীত যায় না' অর্থ - বিপদ বা প্রতিকূল অবস্থা সব সময় থাকে না।
'ঢেকি স্বর্গে গেলেও ধান ভানে' অর্থ - দুর্ভাগ্য সর্বত্রগামী।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'রাত্রি' শব্দের সমার্থক শব্দ:
রাত, রজনী, নিশি, নিশা, নিশীথ, নিশীথিনী, যামিনী, শর্বরী, বিভাবরী।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ) এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'শরণ' অর্থ - আশ্রয়।
• 'সরণ' অর্থ - গমন।
উল্লেখ্য,
স্মরণ - মনে করা।
এরূপ কিছু গুরুত্বপূর্ণ শব্দজোড় হলো-
• শবল - চিত্রিত, নানা বর্ণযুক্ত।
• সবল- শক্তিমান।
• শোনা - শ্রবণ করা।
• সোনা - স্বর্ণ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
• 'মলিন' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ - উজ্জ্বল।
অন্যদিকে,
--------------
শ্যামল - গৌরাঙ্গ।
সুশ্রী - কুশ্রী/বিশ্রী।
সরস - নীরস।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'সূর' অর্থ - সূর্য।
• 'শূর' অর্থ - বীর।
• 'সুর' অর্থ - দেবতা, গানের সুর।
এরূপ কিছু গুরুত্বপূর্ণ শব্দজোড় হলো-
সূরি - কবি।
সূরী - জ্ঞানী, সূর্যপড়ী।
সত্ত্ব - গুণ।
স্বত্ব - আপন অধিকার।
সত্য - যথার্থ।
সাড়া - সংকেত, উত্তর।
সারা - সমগ্র, সমান্ত।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ); আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি; ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা' প্রবাদের অর্থ- কষ্টের ওপর অধিক কষ্ট।
অন্যদিকে,
• 'কারো পৌষ মাস কারো সর্বনাশ' অর্থ- যার যেমন ভাগ্য।
• 'ঘুঘু দেখেছ, ঘুঘুর ফাঁদ দেখনি' অর্থ- আনন্দের আড়ালে দুঃখের ইঙ্গিত।
• 'জলে কুমির ডাঙায় বাঘ' অর্থ- সর্বত্র বিপদ।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'মন্থর' এর বিপরীতার্থক শব্দ - দ্রুত/ত্বরিত।
অন্যদিকে,
---------------
• মরমি - নিষ্ঠুর।
• মৃদু - উগ্র/ তীব্র/প্রবলাচ।
• মুখর - মৌনী।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• সমার্থক অর্থ প্রকাশ করে কোন 'স্রবণ - স্রুতি' শব্দজোড়টি।
'স্রবণ' অর্থ - ক্ষরণ।
'স্রুতি' অর্থ - ক্ষরণ।
এরূপ কিছু শব্দজোড় হলো-
শোনা - শ্রবণ করা।
সোনা - স্বর্ণ।
শ্রবণ - কর্ণ, শোনা।
স্রবণ - ক্ষরণ।
স্রুতি - ক্ষরণ।
শ্রুতি - শ্রবণ।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'ঝড়ো কাক' বাগ্ধারার অর্থ- বিপর্যস্ত অবস্থা।
অন্যদিকে,
• 'ছা-পোষা' অর্থ- পোষ্য-ভারাক্রান্ত।
• 'ঝাঁকের কই' অর্থ- সমমনা।
• 'জবরজং' অর্থ- জমকালো কিন্তু বেমানান।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'ঘাড়ের ভূত নামানো' প্রবাদের অর্থ- দুর্বুদ্ধি ত্যাগ করা।
অন্যদিকে,
• 'কানে দিয়েছি তুলো পিঠে বেঁধেছি কুলো' অর্থ - নিজেকে সংশ্লিষ্ট না করা।
• 'ধান ভানতে শিবের-গীত্র/ধেনো হাটে ওল নামানো' অর্থ - অপ্রাসঙ্গিক কাজ করা।
• 'ধারে না হলে ভারে কাটে' অর্থ - কোনো না কোনোভাবে কার্যসিদ্ধি।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'বিদ্যুৎ' শব্দের সমার্থক শব্দ:
তড়িৎ, বিজলি, বিজুরি, অশনি, ক্ষণপ্রভা, সৌদামিনী, দামিনী, চপলা।
অন্যদিকে,
--------------
• 'পদ্ম' শব্দের সমার্থক শব্দ:
কমল, উৎপল, পঙ্কজ, কুমুদ, কুবলয়, শতদল, অরবিন্দ, রাজীব, নলিনী, সরোজ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ) এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'বিরক্ত' এর বিপরীতার্থক শব্দ - অনুরক্ত।
অন্যদিকে,
বিরত - নিয়ত।
এরূপ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিপরীতার্থক শব্দ হলো-
পূজক/পূজারি - পূজিত।
ফরিয়াদি - আসামী।
প্রাচ্য - প্রতীচ্য।
প্রাচীন - অর্বাচীন।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
• 'দার' অর্থ - স্ত্রী।
• 'দাঁড়' অর্থ - নৌকার বৈঠা।
অন্যদিকে,
--------------
দর - মূল্য।
দড় - কঠিন, মজবুত।
দাঁড়ি - যতি চিহ্ন।
দ্বারী - প্রহরী।
দাড়ি - শ্মশ্রু।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'ভিজে বেড়াল' বাগ্ধারার অর্থ- সাধু বেশে অসৎ লোক।
অন্যদিকে,
• 'বিষবৃক্ষ' অর্থ- অনিষ্টকারী।
• 'বুদ্ধির ঢেঁকি' অর্থ- নির্বোধ।
• 'ভেক ধরা' অর্থ- ভান করা।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে' অর্থ- একজনের দোষ অন্যজনের ওপর চাপিয়ে দেয়া।
অন্যদিকে,
• 'এক ক্ষুরে মাথা কামানো' অর্থ- একই স্বভাবের দোষে দোষী।
• 'খাল কেটে কুমির আনা' অর্থ- বাইরের বিপদ ঘরে টেনে আনা।
• 'গোদের ওপরে বিষফোঁড়া' অর্থ- কষ্টের ওপর আরো কষ্ট।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।