পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৯তম বিসিএস ⎯ ইতিহাস [১৮১]

পরীক্ষা৪৯তম বিসিএস ⎯ ইতিহাস [১৮১]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১৮৮
সিলেবাস
Full model test - 5
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৯তম বিসিএস ⎯ ইতিহাস [১৮১]

৪৯তম বিসিএস ⎯ ইতিহাস [১৮১] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৮৮ প্রশ্ন

.
Where is Babar buried?/ বাবরকে কোথায় সমাধিস্থ করা হয়েছে?
  1. Delhi / দিল্লি
  2. Kabul / কাবুল
  3. Agra / আগ্রা
  4. Lahore / লাহোর
ব্যাখ্যা

মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা বাবর ১৫৩০ সালের ২৬ ডিসেম্বর আগ্রায় মৃত্যুবরণ করেন। প্রথমে তাঁকে আগ্রাতেই সমাধিস্থ করা হয়। তবে পরবর্তীতে তাঁর ইচ্ছা অনুযায়ী মরদেহ কাবুলে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে “বাগ-ই-বাবর” নামক বাগানে তাঁকে সমাধিস্থ করা হয়। বাবর জীবদ্দশায় কাবুলকে খুব ভালোবাসতেন এবং মৃত্যুর পর সেখানে সমাধিস্থ হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। আগ্রায় সাময়িকভাবে দাফন করার পর তাঁর দেহাবশেষ কাবুলে স্থানান্তর করা হয়। কাবুলের বাগ-ই-বাবর আজও আফগানিস্তানের একটি ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক নিদর্শন।

উৎস-

দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)

.
Which battle was fought in 1527 between Babar and Rana Sanga?/ ১৫২৭ সালে বাবর ও রানা সংগ্রাম সিংহ মধ্যে কোন যুদ্ধ সংঘটিত হয়?
  1. Battle of Panipat / পানিপথের যুদ্ধ
  2. Battle of Ghaghra / ঘাঘরার যুদ্ধ
  3. Battle of Khanwa / খানওয়ার যুদ্ধ
  4. Battle of Chanderi / চান্দেরির যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

১৫২৭ সালের ১৭ মার্চ বাবর ও মেবারের রাজপুত শাসক রানা সংগ্রাম সিংহ -র মধ্যে সংঘটিত হয় খানওয়ার যুদ্ধ । এই যুদ্ধটি ভারতের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি বাবরের মুঘল সাম্রাজ্যের ভিত্তিকে আরও মজবুত করে। পানিপথের প্রথম যুদ্ধে (১৫২৬) জয়লাভের পর বাবর দিল্লি ও আগ্রার সিংহাসনে বসেন। কিন্তু রাজপুত শক্তিশালী নেতা রানা সংগ্রাম সিংহ মুঘলদের ভারত থেকে উৎখাত করার জন্য বৃহৎ সেনাবাহিনী নিয়ে বাবরের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ জানান। রানা সংগ্রাম সিংহ ১২০ জন রাজপুত সেনাধ্যক্ষ ৮০ হাজার অশ্বারোহী ও ৫০০ হস্তিবাহিনী নিয়ে অগ্রসর হন এবং সংখ্যায় বাবরের চেয়ে অনেক বেশি। বাবর এই যুদ্ধে কামানের ব্যবহার, অশ্বারোহী কৌশল ও যুদ্ধ শৃঙ্খলা কাজে লাগিয়ে রাজপুতদের পরাজিত করেন। এই যুদ্ধে জয়লাভের ফলে বাবরের কর্তৃত্ব কেবল দিল্লি নয়, উত্তর ভারতের উপর প্রতিষ্ঠিত হয়।

আব্দুল করিম, ভারতের উপমহাদেশে মুসলিম শাসন

.
In which year did Sher Shah defeat Humayun in the Battle of Chausa?/ কোন সালে শের শাহ চৌসার যুদ্ধে হুমায়ূনকে পরাজিত করেন?
  1. 1539/১৫৩৯
  2. 1540/১৫৪০
  3. 1545/১৫৪৫
  4. 1556/১৫৫৬
ব্যাখ্যা

ইতিহাসবিদদের মতে, হুমায়ূন এবং শের শাহ সূরীর মধ্যে সংঘটিত প্রধান যুদ্ধে চৌসা ।চৌসার যুদ্ধ ১৫৩৯ খ্রি: । শেরখানের সৈন্যবাহিনী মুগলদেরকে অতর্কিতে আক্রমণ করলে মুগল বাহিনী শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়। চৌসার যুদ্ধে শেরখান বিজয় লাভ করে নিজেকে একজন স্বাধীন ও র্সাবভৌম ক্ষমতার অধিকারী শাসক হিসেবে ঘোষণা দেন। এসময় তিনি শেরশাহ উপাধি ধারণ করেন। চৌসার যুদ্ধের পরপরই শেরশাহ জাহাঙ্গীর কুলী খানকে পরাজিত করেন এবং বাংলা দখল করে নেন।শের শাহ সূরী হঠাৎ আক্রমণ চালিয়ে হুমায়ূনকে পরাজিত করেন। চৌসার যুদ্ধে হুমায়ূনের সেনারা অপ্রস্তুত ছিল, এবং শের শাহ সূরীর ছক কৌশলের কারণে হুমায়ূন পরাজিত হন। এই পরাজয় তাকে অস্থায়ীভাবে লুটিয়ান ও আফগান অঞ্চলে আশ্রয় নিতে বাধ্য করে। চৌসার যুদ্ধ হুমায়ূনের ইতিহাসে অন্যতম বড় বিপর্যয় হিসেবে বিবেচিত।

দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)

.
What was the original stretch of the Grand Trunk Road under Sher Shah?/ শের শাহর আমলে গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড কোথা থেকে কোথায় পর্যন্ত ছিল?
  1. Delhi to Multan / দিল্লি থেকে মুলতান
  2. Agra to Lahore / আগ্রা থেকে লাহোর
  3. Peshawar to Delhi / পেশোয়ার থেকে দিল্লি
  4. Sonargaon to Peshawar / সোনারগাঁও থেকে পাঞ্জাব
ব্যাখ্যা

গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড ষোল শতকে সুলতান শেরশাহ কর্তৃক নির্মিত বাংলার সোনারগাঁও থেকে পাঞ্জাব পর্যন্ত বিস্তৃত সুদীর্ঘ সড়ক। এ দীর্ঘ সড়ক পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য ছিল প্রশাসনিক কাজে গতি সৃষ্টি করা। এ ছাড়া, প্রতিরক্ষার কৌশলগত দিক সামনে রেখে সমগ্র সাম্রাজ্যের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নিতবিধানও এর লক্ষ্য ছিল। এর মাধ্যমে রাজধানী আগ্রার সঙ্গে সাম্রাজ্যের প্রত্যন্ত অঞ্চলকে যুক্ত করা হয়েছিল। মূল পরিকল্পনায় রাজধানী আগ্রাকে পূর্বে সোনারগাও, পশ্চিমে দিল্লি ও লাহোর হয়ে মূলতান, দক্ষিণে বোরহানপুর এবং দক্ষিণপশ্চিমে যোধপুরের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছিল। সামরিক সুবিধার পাশাপাশি বাণিজ্যিক উন্নতি, ডাক-যোগাযোগে দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সে সঙ্গে কঠোর গুপ্তচর প্রথার মাধ্যমে সাম্রাজ্যের তথ্যাদি সংগ্রহ করাও সুলতানের উদ্দেশ্য ছিল।

‘সড়ক-ই-আজম’ নামে পরিচিত এ সড়ককে ঘিরে আরও কিছু কর্মতৎপরতার প্রমাণ মেলে। সরকারি কর্মকর্তাদের যাতায়াত সুবিধা প্রদানের সঙ্গে সঙ্গে তাদের ও জনসাধারণের বিশ্রামের জন্য রাস্তার উভয়পার্শ্বে দু’ক্রোশ অন্তর অন্তর বিশ্রামাগার ও সরাইখানা নির্মিত হয়। সরাইখানাগুলিতে খাবার ও উন্নত আবাসিক সুবিধার ব্যবস্থা ছিল। রাস্তার পার্শ্বে ছায়াদানকারী বৃক্ষও রোপণ করা হয়।

উৎস-

বাংলাপিডিয়া

.
Babar introduced which new military technique in India?/ ভারতে বাবর কোন নতুন সামরিক কৌশল প্রবর্তন করেন?
  1. Cavalry archery / অশ্বারোহী ধনুর্বিদ্যা
  2. Naval warfare / নৌযুদ্ধ
  3. Gunpowder and artillery / গানপাউডার ও কামান
  4. Guerrilla warfare / গেরিলা যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

তিনি ইতিহাসে প্রথম গোলন্দাজ বাহিনী ও কামানের ব্যবহার করেন, যা ভারতীয় যুদ্ধক্ষেত্রে নতুন কৌশল ছিল। পানিপথের যুদ্ধ , খানুয়ার যুদ্ধ ও গোগরার যুদ্ধে তিনি গানপাউডার ও কামান ব্যবহারের কারণে জয়লাভ করেন।

আব্দুল করিম, ভারতের উপমহাদেশে মুসলিম শাসন

.
Which Rajput ruler first gave his daughter in marriage to Akbar?/ কোন রাজপুত রাজা প্রথমে তার কন্যাকে আকবরকে বিবাহ দেন?
  1. Raja Man Singh / রাজা মানসিংহ
  2. Raja Bharmal of Amber / আম্বরের রাজা ভীর্মল
  3. Rana Pratap / রানা প্রতাপ
  4. Raja Todar Mal / রাজা টোডরমল
ব্যাখ্যা

মুঘল সম্রাট আকবর রাজপুতদের সাথে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন করতে রাজপুতানার রাজাদের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এই প্রথার শুরু হয় আম্বর (বর্তমান জয়পুর) এর রাজা ভীর্মল (বা ভরমল) এর কন্যা হরকাবাই (পরবর্তীতে "মরিয়ম-উজ-জামানি" নামে পরিচিত) কে ১৫৬২ খ্রিস্টাব্দে আকবরের সঙ্গে বিবাহের মাধ্যমে। এর মাধ্যমে আকবর রাজপুতদের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হন এবং পরবর্তীতে অনেক রাজপুত রাজা মুঘল সাম্রাজ্যের সাথে জোটবদ্ধ হন। ভীর্মল ছিলেন প্রথম রাজপুত শাসক যিনি তার কন্যাকে আকবরকে দেন, তাই এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ঘটনা।

দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)

.
Which Rajput general became one of Akbar’s Navaratnas?/ কোন রাজপুত সেনাপতি আকবরের নবরত্নদের একজন হয়েছিলেন?
  1. Man Singh / মানসিংহ
  2. Todar Mal / টোডরমল
  3. Birbal / বীরবল
  4. Tansen / তানসেন
ব্যাখ্যা

রাজা মানসিংহ ছিলেন আম্বরের রাজপরিবারের একজন রাজপুত সেনাপতি এবং আকবরের অন্যতম বিশ্বস্ত সামরিক নেতা। তিনি ছিলেন রাজা ভীর্মলের নাতি এবং আকবরের জামাতা হরকাবাই (মরিয়ম-উজ-জামানি)-এর ভ্রাতুষ্পুত্র। মানসিংহ আকবরের দরবারে নবরত্নদের (Nine Jewels) একজন হিসেবে পরিচিত হন। তিনি মুঘল সাম্রাজ্যের সেনাবাহিনীতে উচ্চ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন এবং বহু গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধে মুঘল বাহিনীকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। বিশেষত, তিনি ১৫৯০-এর দশকে বাংলায় মুঘল শাসন প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং রাণা প্রতাপের বিরুদ্ধে হালদিঘাটি যুদ্ধ (১৫৭৬ খ্রিস্টাব্দ)-এ মুঘল সেনাপতিত্ব করেন।

দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)

.
Which Rajput king continued to resist Akbar till his death?/ কোন রাজপুত রাজা মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আকবরের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ চালান?
  1. Rana Sanga / রানা সাঙ্গা
  2. Raja Udai Singh / রাজা উদয় সিংহ
  3. Rana Pratap / রানা প্রতাপ
  4. Raja Bharmal / রাজা ভরমল
ব্যাখ্যা

মেওয়ারের রাজা মহারানা প্রতাপ (Rana Pratap) ছিলেন সেই একমাত্র রাজপুত শাসক যিনি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আকবরের বিরুদ্ধে আত্মসমর্পণ না করে প্রতিরোধ চালিয়ে যান। ১৫৭৬ খ্রিস্টাব্দে হালদিঘাটি যুদ্ধ-এ মহারানা প্রতাপ মুঘল সেনাবাহিনীর (সেনাপতি মানসিংহ) বিরুদ্ধে বীরত্বের সঙ্গে লড়াই করেন। যদিও তিনি পরাজিত হন, তবুও আত্মসমর্পণ করেননি। পরাজয়ের পরও তিনি গেরিলা কৌশলে যুদ্ধ চালিয়ে যান এবং মেওয়ারের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় প্রতিরোধ চালিয়ে যান। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত আকবরের আধিপত্য স্বীকার না করে স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম করেন।

দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)

.
Akbar established which house for religious debates?/ ধর্মীয় বিতর্কের জন্য আকবর কোন সভা প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. Fatehpur Sikri Sabha / ফতেহপুর সিক্রি সভা
  2. Darbar-e-Akbari / দরবার-ই-আকবরী
  3. Din-e-Ilahi Khana / দীন-ই-ইলাহী খানা
  4. Ibadat Khana / ইবাদতখানা
ব্যাখ্যা

সম্রাট আকবর ১৫৭৫ খ্রিস্টাব্দে ফতেহপুর সিক্রি-তে ধর্মীয় আলোচনা ও বিতর্কের জন্য ইবাদতখানা প্রতিষ্ঠা করেন। প্রথমে এখানে শুধুমাত্র মুসলিম আলেম-উলামারা যোগ দিতেন, কিন্তু পরবর্তীতে আকবর হিন্দু, জৈন, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ, জরথুস্ত্রীসহ বিভিন্ন ধর্মের পণ্ডিতদের আমন্ত্রণ জানান। এই বিতর্ক সভার উদ্দেশ্য ছিল ধর্মীয় সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা করা এবং সত্যের সন্ধান করা। ইবাদতখানার বিতর্ক থেকেই আকবরের নতুন ধর্মতাত্ত্বিক মতবাদ "দীন-ই-ইলাহী" গঠনের প্রেরণা আসে।

দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)

১০.
Akbar’s new religion founded in 1582 was called —/ ১৫৮২ সালে আকবর প্রবর্তিত নতুন ধর্মের নাম কী ছিল?
  1. Sulh-i-Kul / সুলহ-ই-কুল
  2. Din-i-Ilahi / দীন-ই-ইলাহী
  3. Tauhid-i-Ilahi / তাওহিদ-ই-ইলাহী
  4. Akbari Dharma / আকবরী ধর্ম
ব্যাখ্যা

সম্রাট আকবর ১৫৮২ খ্রিস্টাব্দে একটি নতুন ধর্মীয় মতবাদ চালু করেন, যার নাম দেন "দীন-ই-ইলাহী" বা "ঈশ্বরের ধর্ম"। ইবাদতখানায় (ধর্মীয় বিতর্কসভা) বিভিন্ন ধর্মের পণ্ডিতদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে আকবর উপলব্ধি করেন যে সব ধর্মের মধ্যে একটি সাধারণ সত্য বিদ্যমান। এই ধারণা থেকেই দীন-ই-ইলাহী প্রবর্তিত হয়।মূলনীতি: সব ধর্মের মিলন বা ঐক্য সাধন, সম্রাটের প্রতি আনুগত্যকে ধর্মীয় কর্তব্য হিসেবে মানা, সহিষ্ণুতা ও মানবপ্রেম, প্রাণী হত্যা বর্জন, মদ্যপান নিষেধ, নৈতিক জীবনযাপন। দীন-ই-ইলাহীতে খুব অল্পসংখ্যক মানুষ যোগ দিয়েছিলেন (যেমন বিখ্যাত দরবারি বীরবল)। এটি কখনোই গণমানুষের মধ্যে জনপ্রিয়তা পায়নি।

দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)

১১.
The Peacock Throne was taken away by —/ ময়ূর সিংহাসন কে নিয়ে যান?
  1. Ahmad Shah Abdali / আহমদ শাহ আবদালি
  2. British East India Company / ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি
  3. Nadir Shah / নাদির শাহ
  4. Marathas / মারাঠা
ব্যাখ্যা

মুঘল সম্রাট শাহজাহান নির্মিত ময়ূর সিংহাসন (Peacock Throne) ছিল মুঘল সাম্রাজ্যের অমূল্য রত্নখচিত সিংহাসন। এটি সোনা, হীরা, পান্না, মুক্তা, রুবি ও অন্যান্য মূল্যবান রত্ন দিয়ে অলংকৃত ছিল। ১৭৩৯ খ্রিস্টাব্দে ইরানের শাসক নাদির শাহ ভারতে আক্রমণ করেন এবং কার্নাল যুদ্ধ-এ (১৭৩৯) মুঘল সম্রাট মুহাম্মদ শাহকে পরাজিত করেন। দিল্লি দখলের পর তিনি ব্যাপক লুণ্ঠন চালান। সেই লুণ্ঠনের অংশ হিসেবে তিনি ময়ূর সিংহাসন ইরানে নিয়ে যান।এর পাশাপাশি বিখ্যাত কোহিনূর হীরা ও দরিয়া-ই-নূর সহ বহু রত্নও তিনি লুট করেন।

দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)

১২.
Who defeated the Marathas in the Third Battle of Panipat (1761)?/ ১৭৬১ সালের পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধে মারাঠাদের কে পরাজিত করে?
  1. Ahmad Shah Abdali / আহমদ শাহ আবদালি
  2. British / ব্রিটিশ
  3. Nadir Shah / নাদির শাহ
  4. Sikhs / শিখ
ব্যাখ্যা

১৭৬১ খ্রিস্টাব্দে সংঘটিত পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ ছিল ভারতীয় ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধ। একপক্ষে ছিলেন মরাঠারা, যারা মুঘল সাম্রাজ্যের পতনের পর উত্তর ভারতে তাদের প্রভাব বিস্তার করছিল। অপরপক্ষে ছিলেন আফগান শাসক আহমদ শাহ আবদালি (দুররানি), যিনি ভারতের সম্পদ দখলের জন্য একাধিকবার আক্রমণ চালান। ১৪ জানুয়ারি, ১৭৬১ খ্রিস্টাব্দে পানিপথের সমভূমিতে উভয় পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ যুদ্ধ হয়। মরাঠাদের নেতৃত্ব দেন সদাশিবরাও ভাউ এবং ভাজিরাও’র পুত্র বিশ্বজিৎ। আবদালির পক্ষে ছিলেন রোহিলা ও আওধের নবাব শুজাউদ্দৌলা প্রমুখ। এই যুদ্ধে মরাঠারা ভীষণভাবে পরাজিত হয় এবং লক্ষাধিক সৈন্য নিহত হয়। যুদ্ধের পর উত্তর ভারতে মরাঠাদের আধিপত্য ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ব্রিটিশ শক্তি ক্রমশ শক্তিশালী হয়ে ওঠার পথ প্রশস্ত হয়।

দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)

১৩.
Which Mughal emperor was regarded as a puppet of nobles after Aurangzeb?/ আওরঙ্গজেবের পর কোন মুঘল সম্রাট অভিজাতদের হাতের পুতুলে পরিণত হন?
  1. Muhammad Shah / মুহাম্মদ শাহ
  2. Jahandar Shah / জাহান্দার শাহ
  3. Farrukhsiyar / ফারুখসিয়ার
  4. Bahadur Shah I / বাহাদুর শাহ প্রথম
ব্যাখ্যা

আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর (১৭০৭ খ্রিস্টাব্দ) পর মুঘল সাম্রাজ্যে উত্তরাধিকার যুদ্ধ ও দুর্বল সম্রাটদের আবির্ভাব ঘটে। এসময়ে প্রকৃত ক্ষমতা ধীরে ধীরে মুঘল অভিজাত ও সামরিক আমির-উমরাদের হাতে চলে যায়। ফররুখসিয়ার (শাসনকাল: ১৭১৩–১৭১৯ খ্রিস্টাব্দ) ছিলেন মুঘল সম্রাট যিনি অভিজাতদের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে ছিলেন। বিশেষত সৈয়দ ভ্রাতৃদ্বয় ,হুসেন আলি খান ও আবদুল্লাহ খান তাঁকে সিংহাসনে বসান এবং প্রকৃত ক্ষমতা নিজেরা হাতে রাখেন। এজন্য ফররুখসিয়ারকে প্রায়ই বলা হয় "সৈয়দ ভ্রাতৃদ্বয়ের হাতের পুতুল"। শেষ পর্যন্ত সৈয়দ ভ্রাতৃদ্বয়ের সাথেই তাঁর সম্পর্ক খারাপ হয় এবং ১৭১৯ খ্রিস্টাব্দে তাঁরা তাঁকে সিংহাসনচ্যুত ও হত্যা করেন।

দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)

১৪.
For how many years did the British East India Company receive a charter from Queen Elizabeth I to trade in India?/ ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি রানি এলিজাবেথের কাছ থেকে কত বছরের জন্য বাণিজ্যের সনদ পেয়েছিল?
  1. 10 years / ১০ বছর
  2. 15 years / ১৫ বছর
  3. 20 years / ২০ বছর
  4. 21 years / ২১ বছর
ব্যাখ্যা

ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গঠিত হয় ৩১ ডিসেম্বর, ১৬০০ খ্রিস্টাব্দে। এই সময়ে ইংল্যান্ডের রানি এলিজাবেথ প্রথম কোম্পানিকে একটি রাজকীয় সনদ প্রদান করেন। এই সনদ অনুযায়ী, কোম্পানি ১৫ বছরের জন্য পূর্ব ভারতীয় দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যে একচেটিয়া অধিকার লাভ করে। পরে চার্টারের মেয়াদ নবায়ন করা হয় এবং ধীরে ধীরে কোম্পানি শুধু বাণিজ্য নয়, বরং ভারতে রাজনৈতিক ক্ষমতাও অর্জন করে।

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)

১৫.
To which place did Mir Qasim shift his capital?/ মীর কাসিম তার রাজধানী কোথায় স্থানান্তর করেছিলেন?
  1. Murshidabad / মুর্শিদাবাদ
  2. Patna / পাটনা
  3. Munger / মুঙ্গের
  4. Mayapur / মায়াপুর
ব্যাখ্যা

মীর কাসিম, যিনি বাংলার নবাব (১৭৬০–১৭৬৩), ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রভাব এড়াতে তার রাজধানী মুর্শিদাবাদ থেকে মুঙ্গেরে স্থানান্তর করেছিলেন। মুঙ্গের ছিল রক্ষাযোগ্য এবং রাজনৈতিকভাবে নিরাপদ স্থান, যা কোম্পানির সরাসরি হস্তক্ষেপ থেকে কিছুটা দূরে ছিল। এই স্থানান্তরের উদ্দেশ্য ছিল রাজনৈতিক স্বাধীনতা রক্ষা এবং কোম্পানির অতিরিক্ত প্রভাব কমানো। পরে কোম্পানির সঙ্গে এই দ্বন্দ্ব মীর কাসিম–ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি যুদ্ধ (১৭৬৩)-এ পরিণত হয়।

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)

১৬.
In which year was the city of Kolkata (Calcutta) founded?/ কলকাতা নগরীর প্রতিষ্ঠা হয় কত সালে?
  1. 1651 / ১৬৫১
  2. 1686 / ১৬৮৬
  3. 1690 / ১৬৯০
  4. 1700 / ১৭০০
ব্যাখ্যা

কলকাতার প্রতিষ্ঠা ১৬৯০ সালে হয়, যখন জব চার্নক হুগলি নদীর তীরে একটি স্থায়ী বাণিজ্য কেন্দ্র স্থাপন করেন। এটি ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বাণিজ্যিক কার্যক্রমের জন্য মূল কেন্দ্র হয়ে ওঠে। ধীরে ধীরে এই কেন্দ্র থেকে কলকাতা শহর গড়ে ওঠে, যা পরবর্তীতে ব্রিটিশ ভারতের প্রধান প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র হয়ে যায়।

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)

১৭.
In which year was the Regulating Act passed?/ রেগুলেটিং এ্যাক্ট কত সালে পাস হয়?
  1. 1757 / ১৭৫৭
  2. 1784 / ১৭৮৪
  3. 1765 / ১৭৬৫
  4. 1773 / ১৭৭৩
ব্যাখ্যা

ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ১৭৫৭ সালের প্লাসি যুদ্ধ ও ১৭৬৪ সালের বক্সারের যুদ্ধে জয়লাভের পর বাংলার শাসনক্ষমতা অর্জন করে। দ্রুত কোম্পানির রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব বৃদ্ধি পায়। কিন্তু কোম্পানির দুর্নীতি, অব্যবস্থা ও অর্থনৈতিক শোষণের কারণে ইংল্যান্ডে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। এ অবস্থায় ব্রিটিশ পার্লামেন্ট প্রথমবারের মতো ভারতে কোম্পানির কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ করার জন্য Regulating Act 1773 পাস করে।উদ্দেশ্য ছিল- কোম্পানির বাণিজ্যিক কার্যক্রম ও প্রশাসনকে নিয়ন্ত্রণে আনা। কলকাতার গভর্নরকে পদোন্নতি দিয়ে Governor-General of Bengal করা হয় (প্রথম গভর্নর-জেনারেল: ওয়ারেন হেস্টিংস)। গভর্নর-জেনারেলের সঙ্গে চার সদস্যবিশিষ্ট একটি পরিষদ গঠন করা হয়। কলকাতায় একটি সুপ্রিম কোর্ট প্রতিষ্ঠা করা হয় (১৭৭৪ সালে)। কোম্পানিকে প্রতি বছর ব্রিটিশ সরকারের কাছে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)

১৮.
In which year was the Sati system abolished?/ সতীদাহ প্রথা কত সালে বিলোপ হয়?
  1. 1829 / ১৮২৯
  2. 1833 / ১৮৩৩
  3. 1835 / ১৮৩৫
  4. 1848 / ১৮৪৮
ব্যাখ্যা

সতীদাহ হল এমন একটি প্রথা যেখানে স্বামীর মৃত্যু হলে স্ত্রীকে স্বামীর অগ্নিকুণ্ডে জ্বালিয়ে মারা হত। ব্রিটিশ শাসনের সময়, সমাজে সতীদাহ প্রথার প্রতি বিরোধী মনোভাব বাড়তে থাকে। বিশেষত Raja Ram Mohan Roy সতীদাহ বিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। তিনি ব্রিটিশ প্রশাসনকে সতীদাহ নিষিদ্ধ করার জন্য অনুরোধ জানান। এর প্রভাবেই গভর্নর-জেনারেল লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক ৪ ডিসেম্বর ১৮২৯ সালে সতীদাহ প্রথা বিলোপের জারি করেন। সতীদাহ প্রথা অবৈধ ঘোষণা করা হয়। যে কেউ এখন থেকে স্ত্রীর মৃত্যুর পরে তাকে জ্বালিয়ে দিলে শাস্তির আওতায় আসবে। এটি ভারতীয় সমাজে নারীর অধিকার রক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল।

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)

১৯.
Lord William Bentinck is often called —/ লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ককে প্রায়ই কী বলা হয়?
  1. Father of Indian Education / ভারতীয় শিক্ষার জনক
  2. Maker of Modern India / আধুনিক ভারতের নির্মাতা
  3. Iron Man of India / ভারতের লৌহমানব
  4. Liberator of India / ভারতের মুক্তিদাতা
ব্যাখ্যা

লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক (১৭৭৪–১৮৩৯) ছিলেন ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর-জেনারেল (১৮২৮–১৮৩৫)। তিনি শিক্ষা এবং সামাজিক সংস্কারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। ১৮৩৫ সালে ইংরেজি মাধ্যমিক শিক্ষা চালু করার নীতি ঘোষণা করেন। বাংলা, সংস্কৃত ও ফারসি ভাষার পাশাপাশি ইংরেজি শিক্ষাকে সরকারী শিক্ষা ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত করেন।কলকাতা মেডিকেল কলেজ এবং অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নে সাহায্য করেন। তাঁর পদক্ষেপ আধুনিক শিক্ষার ভিত্তি স্থাপন করে, তাই তাঁকে “Father of Indian Education” বলা হয়।

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)

২০.
In the Gupta period, the largest administrative unit was—/ গুপ্ত যুগে সর্ববৃহৎ প্রশাসনিক ইউনিট ছিল—
  1. Pradesh (প্রদেশ)
  2. Vishaya (বিষয়)
  3. Grama (গ্রাম)
  4. Bhukti (ভুক্তি)
ব্যাখ্যা

গুপ্ত শাসনামলে বাংলায় কতগুলি প্রশাসনিক স্তর ছিল যেমন ‘ভুক্তি’, ‘বিষয়’, ‘মন্ডল’, ‘বীথি’ ও ‘গ্রাম’। এ সকল প্রশাসনিক স্তরের প্রত্যেকটির প্রধান কেন্দ্রে একটি করে ‘অধিকরণ’ (অধিষ্ঠান) ছিল। ‘ভুক্তি’ ছিল সর্ববৃহৎ প্রশাসনিক ইউনিট।

বাংলাপিডিয়া

২১.
In the Gupta period, the head of a Vishaya (district) was called—/ গুপ্ত যুগে ‘বিষয়’ (জেলা)-এর প্রশাসকের উপাধি ছিল—
  1. Uparika (উপরিক)
  2. Vishayapati (বিষয়পতি)
  3. Gramika (গ্রামিক)
  4. Bhogika (ভোগিক)
ব্যাখ্যা

গুপ্ত প্রশাসনিক ব্যবস্থায়: সর্বোচ্চ স্তর ছিল ভুক্তি ,এর প্রধান ছিলেন উপরিক । ভুক্তির অধীনে ছিল বিষয় (জেলা), এর প্রধান ছিলেন বিষয়পতি । বিষয়ের নিচে ছিল গ্রাম ,এর প্রধান ছিলেন গ্রামিক ।

বাংলাপিডিয়া

২২.
Who was the founder of the independent Gauda kingdom?/ স্বাধীন গৌড় রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?
  1. Harshavardhana (হর্ষবর্ধন)
  2. Gopala (গোপাল)
  3. Dharmapala (ধর্মপাল)
  4. Shashanka (শশাঙ্ক)
ব্যাখ্যা

শশাঙ্ক প্রায় ৬০৬–৬৩৭ খ্রিস্টাব্দে বাংলার গৌড় রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতনের পর বাংলার বিভক্ত ছোট ছোট অঞ্চলগুলোকে একত্রিত করে স্বাধীন রাজ্য গঠন করেন। রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ (বর্তমান মুর্শিদাবাদ)। শশাঙ্ককে ইতিহাসে বাংলার প্রথম স্বাধীন সম্রাট এবং জাতীয় রাজা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

বাংলাপিডিয়া

২৩.
Which religion did Shashanka follow?/ শশাঙ্ক কোন ধর্মের অনুসারী ছিলেন?
  1. Buddhism (বৌদ্ধ)
  2. Jainism (জৈন)
  3. Shaivism (শৈব)
  4. Vaishnavism (বৈষ্ণব)
ব্যাখ্যা

শশাঙ্ক শৈব ধর্মের অনুগামী ছিলেন। তার মুদ্রায় শিবের প্রতীক (বৃষ বা ষাঁড়) দেখা যায়, যা তাঁর শৈব ধর্মানুগতিত্ব প্রকাশ করে। যদিও তিনি বৌদ্ধধর্মকে দমন করেছিলেন (হিউয়েন সাঙের বর্ণনা অনুযায়ী), শিবপূজা তার ব্যক্তিগত ধর্মীয় অনুশীলন ছিল। শশাঙ্কের রাজ্য ও প্রশাসনে শৈব ধর্মের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।

বাংলাপিডিয়া

২৪.
Which dynasty was long-lasting in Bengal?/ বাংলায় দীর্ঘস্থায়ী রাজবংশ কোনটি?
  1. Sena (সেনা)
  2. Pala (পাল)
  3. Gupta (গুপ্ত)
  4. Maurya (মৌর্য)
ব্যাখ্যা

পাল বংশ প্রায় ৭৫০–১২০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বাংলায় শাসন করেছে, যা বাংলা ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী রাজবংশ। তারা বৌদ্ধ ধর্মকে সমর্থন করতেন এবং নালন্দা ও বিক্রমশীলা বিশ্ববিদ্যালয়কে সমৃদ্ধ করেছিলেন। পাল শাসকরা বাংলার প্রশাসনিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় জীবনকে দীর্ঘ সময় ধরে স্থিতিশীল রাখেন। তুলনামূলকভাবে গুপ্ত ও সেন বংশের শাসনকাল কম ছিল।

ফোর ডক্টরস- বাংলাদেশের ইতিহাস

২৫.
During which dynasty was the Charyapada, the earliest specimen of Bengali language, composed?/ বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন চর্যাপদ কোন বংশের সময় রচিত হয়?
  1. Gupta (গুপ্ত)
  2. Maurya (মৌর্য)
  3. Pala (পাল)
  4. Sena (সেনা)
ব্যাখ্যা

চর্যাপদ (৮ম–১২শ শতাব্দী) হলো বাংলা সাহিত্যের প্রথম লিপিবদ্ধ নিদর্শন। এটি মূলত বৌদ্ধ সাধক ও যোগীদের দ্বারা রচিত। পাল শাসনকালে বাংলায় বৌদ্ধ সংস্কৃতি ও শিক্ষা উন্নত হয়েছিল। চর্যাপদে ব্যবহার করা ভাষা প্রাচীন বাংলা এবং এটি বাংলার সাহিত্যিক ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের সূচনা করে।

ফোর ডক্টরস- বাংলাদেশের ইতিহাস

২৬.
Who was the greatest king of the Pala dynasty?/ পাল বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা কে ছিলেন?
  1. Gopala (গোপাল)
  2. Madanapala (মদনপাল)
  3. Devapala (দেবপাল)
  4. Dharmapala (ধর্মপাল)
ব্যাখ্যা

ধর্মপাল (৭৫০–৮১০ খ্রি.) পাল বংশের দ্বিতীয় রাজা ছিলেন। তিনি পাল সাম্রাজ্যের সীমানা সম্প্রসারণ ও শক্তিশালী কেন্দ্রীয় শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। ধর্মপালের সময় নালন্দা ও বিক্রমশীলা বিশ্ববিদ্যালয় সমৃদ্ধ হয়। তিনি বৌদ্ধ ধর্মের প্রচার ও সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তাঁর নেতৃত্বে পাল সাম্রাজ্য ভারতীয় উপমহাদেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক শক্তিগুলোর মধ্যে একটি হয়ে ওঠে।

ফোর ডক্টরস- বাংলাদেশের ইতিহাস

২৭.
Whose reign saw both the bright and the decline of Sena power in Bengal?/ বাংলায় সেন শক্তির উজ্জ্বলতা ও পতন – উভয়ই কার শাসনামলে দেখা গিয়েছিল?
  1. Vijay Sen / বিজয়সেন
  2. Vallal Sen / বল্লালসেন
  3. Lakshman Sen / লক্ষ্মণসেন
  4. Hemanta Sen / হেমন্তসেন
ব্যাখ্যা

রাজত্বের প্রথম দিকে তিনি বাংলার জন্য বয়ে আনেন অনেক সাফল্য, এ সময় সমগ্র বাংলা সেনদের অধিকারে আসে। লক্ষণসেনের নদীয়া ত্যাগের মাধ্যমেই বাংলায় সেন শাসনের পতন হয়েছিল বলে ধরা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাসের রূপরেখা-ড. আশফাক হোসেন

২৮.
On the bank of which river is the battlefield of Plassey located? পলাশীর প্রান্তর ভারতের কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. Yamuna / যমুনা
  2. Bhagirathi / ভাগীরথী
  3. Hooghly / হুগলি
  4. Brahmaputra / ব্রহ্মপুত্র
ব্যাখ্যা

১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর যুদ্ধ (Battle of Plassey) সংঘটিত হয় নবাব সিরাজউদ্দৌলা এবং ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মধ্যে। এই যুদ্ধক্ষেত্রটি মুর্শিদাবাদ জেলার পলাশী নামক স্থানে অবস্থিত। পলাশীর প্রান্তরটি ভাগীরথী নদীর তীরে অবস্থিত ছিল। এই যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলায় ব্রিটিশ আধিপত্য শুরু হয়, যা পরবর্তীতে সমগ্র ভারতবর্ষে তাদের শাসন প্রতিষ্ঠার ভিত্তি গড়ে তোলে।

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)

২৯.
Which fruit became well-known in India due to the Portuguese?/ পর্তুগীজদের দ্বারা প্রচলিত এদেশে কোন ফল বেশ পরিচিতি পেয়েছে?
  1. Guava / পেয়ারা
  2. Mango / আম
  3. Banana / কলা
  4. Apple / আপেল
ব্যাখ্যা

পর্তুগীজরা ১৬শ শতকে ভারতে এসে শুধু ব্যবসা-বাণিজ্যই করেনি, বরং কিছু বিদেশি ফলও এদেশে পরিচিত ও জনপ্রিয় করে। এর মধ্যে অন্যতম হলো এছাড়াও আনারস পেঁপেএবং কাজুবাদাম । ফলে, পেয়ারা ভারতবর্ষে পর্তুগীজদের কারণে সুপরিচিত ফল হিসেবে গড়ে ওঠে।

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)

৩০.
Who is associated with the “Blue Water Policy”?/ নীল পানির নীতি কে প্রবর্তন করেছিলেন?
  1. Vasco da Gama / ভাস্কো দা গামা
  2. Afonso de Albuquerque / আফোঁসো দে আলবুকার্ক
  3. Francisco de Almeida / ফ্রান্সিসকো দে আলমেইদা
  4. Robert Clive / রবার্ট ক্লাইভ
ব্যাখ্যা

Blue Water Policy (নীল পানির নীতি) প্রবর্তন করেছিলেন ফ্রান্সিসকো দে আলমেইদা, যিনি ভারতের প্রথম পর্তুগীজ ভাইসরয় (1505–1509 খ্রিস্টাব্দ)। এই নীতির মূল লক্ষ্য ছিল শক্তিশালী নৌবাহিনী গড়ে তুলে ভারত মহাসাগরে পর্তুগীজ আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করা। আলমেইদার মতে, যে সমুদ্রকে নিয়ন্ত্রণ করবে, সেই ভারতবর্ষে বাণিজ্যে প্রাধান্য পাবে। এজন্য তিনি স্থলভাগের পরিবর্তে সমুদ্রশক্তিকে (Blue Water / নীল পানি) বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন। ফলে, Blue Water Policy পর্তুগীজদের ভারত মহাসাগরে দীর্ঘ সময় সামুদ্রিক বাণিজ্যিক শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখতে সহায়তা করেছিল।

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)

৩১.
In which year was the city of Kolkata founded?/ কত খ্রিষ্টাব্দে কলকাতা নগরীর পত্তন হয়?
  1. 1650/১৬৫০
  2. 1670/১৬৭০
  3. 1690/১৬৯০
  4. 1702/১৭০২
ব্যাখ্যা

১৬৯০ খ্রিষ্টাব্দে ইংরেজ ব্যবসায়ী জব চার্নক কলকাতার পত্তন করেন। তিনি সুতানুটি, গোবিন্দপুর ও কলকাতা নামের তিনটি গ্রাম একত্রিত করে বাণিজ্য কেন্দ্র স্থাপন করেন। এই এলাকায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি তাদের কারখানা ও দুর্গ নির্মাণ করে। ধীরে ধীরে এই বসতিগুলো মিলে বর্তমান কলকাতা শহরের জন্ম হয়। তাই কলকাতার প্রতিষ্ঠা সাল ধরা হয় ১৬৯০ খ্রিষ্টাব্দ।

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)

৩২.
What was the name of Siraj-ud-Daulah’s mother?/ সিরাজউদ্দৌলার মায়ের নাম কি?
  1. Zinat-un-Nissa / জিনাত-উন-নিসা
  2. Amena Begum / আমেনা বেগম
  3. Mumtaz Mahal / মুমতাজ মহল
  4. Lutf-un-Nisa / লুৎফ-উন-নিসা
ব্যাখ্যা

বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলা (১৭৩৩–১৭৫৭)-এর মায়ের নাম ছিল আমেনা বেগম। তিনি ছিলেন নবাব আলিবর্দি খানের কন্যা। সিরাজ ছোটবেলা থেকেই তার নানার (আলিবর্দি খান) কাছে লালিত-পালিত হন এবং উত্তরাধিকারী হিসেবে গড়ে ওঠেন। ফলে, আমেনা বেগম ছিলেন নবাব সিরাজউদ্দৌলার রাজনৈতিক জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পটভূমি।

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)

৩৩.
Who propagated the false story of “Andhokup Hatya” against Siraj-ud-Daulah?/ অন্ধকূপ হত্যা নামক মিথ্যা কাহিনির প্রচারক কে?
  1. Mir Jafar / মীর জাফর
  2. Robert Clive / রবার্ট ক্লাইভ
  3. Warren Hastings / ওয়ারেন হেস্টিংস
  4. Holwell / হলওয়েল
ব্যাখ্যা

১৭৫৬ সালে সিরাজউদ্দৌলা যখন কলকাতা দখল করেন, তখন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্মকর্তা ও সেনারা তার হাতে বন্দি হয়। এর পরে John Zephaniah Holwell, একজন ব্রিটিশ কর্মকর্তা, অন্ধকূপ হত্যা নামের মিথ্যা কাহিনী প্রচার করেন। Holwell দাবি করেছিলেন যে, অনেক ইংরেজ অফিসার ও সৈন্যকে ছোট একটি ঘরে আটকে রাখা হয়েছিল এবং তারা মৃত্যু বরণ করেছে। তবে ইতিহাসবিদরা প্রমাণ করেছেন যে এই ঘটনা অনেকটা অতিমাত্রায় উদ্ভাসিত বা ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। Holwell এর উদ্দেশ্য ছিল সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে ব্রিটিশদের নৈতিক এবং রাজনৈতিক সমর্থন তৈরি করা।

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)

৩৪.
Who was the author of the Regulating Act of 1773?/ রেগুলেটিং এ্যাক্ট ১৭৭৩ এর প্রণেতা কে ছিলেন?
  1. Warren Hastings / ওয়ারেন হেস্টিংস
  2. Lord North / লর্ড নর্থ
  3. Robert Clive / রবার্ট ক্লাইভ
  4. Lord Cornwallis / লর্ড কর্নওয়ালিস
ব্যাখ্যা

রেগুলেটিং অ্যাক্ট, ১৭৭৩ বাংলায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন ও দায়িত্বব সংজ্ঞায়িত করে বৃটিশ পার্লামেন্টের প্রণীত প্রথম আইন। বাংলা জয়ের আগে এখানে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি অত্যন্ত লাভজনক ব্যবসায়ে নিয়োজিত ছিল। কোম্পানির শেয়ারের মালিকরা নিয়মিতভাবে আকর্ষণীয় মুনাফা লাভ করতেন। কিন্তু বাংলা জয়ের পর থেকে কোম্পানির বাণিজ্য ক্রমাগত লোকসানে চলছিল। কোম্পানির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা রাতারাতি ধনী হওয়ার উদ্দেশ্যে বাংলার সম্পদ লুটপাটে নিজেদেরকে নিয়োজিত রাখে। এই লুটপাটের কারণে ১৭৬৯/৭০ সালে যে বিরাট দুর্ভিক্ষ দেখা দেয় তার ফলে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী লর্ড নর্থের সরকার উপলব্ধি করেন যে, কোম্পানি ও নববিজিত রাজ্যটিকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে হলে কোম্পানির ব্যবসাবাণিজ্য ব্যাপারে অবশ্যই হস্তক্ষেপ করতে হবে। এর সুযোগ আসে যখন ১৭৭৩ সালে কোম্পানির সনদ নবায়নের সময় আসে। কোম্পানি এ সময় সরকারের কাছে এক ‘ত্রাণ ঋণ’ প্রাপ্তির জন্য আবেদন জানায়। ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ঋণের জন্য এই আবেদন মঞ্জুর করে। তবে সেই সঙ্গে স্বদেশে ও বিদেশে কোম্পানির বিষয়াদি নিয়ন্ত্রণমূলক এক আইনও চাপিয়ে দেয়। যা রেগুলেটিং এ্যাক্ট,১৭৭৩ নামে পরিচিত।

উৎস-

বাংলাপিডিয়া

৩৫.
Who reformed the judicial system by introducing the Adalat system?/ আদালত ব্যবস্থা চালু করে বিচার সংস্কার কে করেছিলেন?
  1. Lord Cornwallis / লর্ড কর্নওয়ালিস
  2. Lord Dalhousie / লর্ড ডালহৌসি
  3. Lord Wellesley / লর্ড ওয়েলেসলি
  4. Warren Hastings / ওয়ারেন হেস্টিংস
ব্যাখ্যা

ওয়ারেন হেস্টিংস (বাংলার গভর্নর-জেনারেল, ১৭৭২–১৭৮৫) ভারতে প্রথম আদালত ব্যবস্থা চালু করে বিচার সংস্কার করেছিলেন। তিনি জেলা পর্যায়ে দেওয়ানি আদালত গঠন করেন, যেখানে ইউরোপীয় বিচারক থাকতেন। ফৌজদারি আদালত এ ভারতীয় কাজী ও মৌলবীদের দায়িত্ব দেওয়া হয়, তবে এগুলো ইউরোপীয়দের তত্ত্বাবধানে থাকত। এর মাধ্যমে ভারতবর্ষে প্রথমবারের মতো একটি সুনিয়ন্ত্রিত বিচারব্যবস্থা চালু হয়। তবে পরে লর্ড কর্নওয়ালিস (১৭৯৩) এই ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কার করেন এবং এজন্য তাঁকে “ভারতের আধুনিক বিচারব্যবস্থার জনক” বলা হয়।

উৎস-

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)

৩৬.
Lakshmana Sena’s court poet Jayadeva is best known for composing:/ লক্ষ্মণসেনের দরবারের কবি জয়দেব কোন কাব্যের জন্য সবচেয়ে খ্যাত?
  1. Gita Govinda / গীত গোবিন্দ
  2. Prithviraj Raso / পৃথ্বীরাজ রাসো
  3. Manasollasa / মানসোল্লাস
  4. Ramacharita / রামচরিত
ব্যাখ্যা

গীতগোবিন্দ গৌড়ের রাজা লক্ষ্মণ সেনের সভাকবি জয়দেব কর্তৃক সংস্কৃত ভাষায় রচিত একটি কাব্য; এর রচনাকাল ১২ শতক। এই কাব্যে বৃন্দাবনে শ্রীকৃষ্ণের গোপিনীদের সঙ্গে রাসলীলা — রাধার বিষাদ বর্ণনা, কৃষ্ণের জন্য ব্যাকুলতা, উপালম্ভ বচন, কৃষ্ণের রাধার জন্য উৎকণ্ঠা, রাধার সখীদের দ্বারা রাধার বিরহ-সন্তাপের বর্ণনা গ্রন্থিত হয়েছে।

বাংলাপিডিয়া

৩৭.
In which province of the Indian subcontinent was there a Muslim majority?/ ভারত উপমহাদেশে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছিল কোন প্রদেশে?
  1. Punjab / পাঞ্জাব
  2. Bombay / বোম্বে
  3. Madras / মাদ্রাজ
  4. Central Provinces / সেন্ট্রাল প্রভিন্সেস
ব্যাখ্যা

ব্রিটিশ ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশে মুসলিম সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ছিল, যা ১৯৪৭ সালের ভাগাভাগির সময়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। অন্যান্য প্রদেশ যেমন বোম্বে, মাদ্রাজ ও সেন্ট্রাল প্রভিন্সেসে হিন্দু ও অন্যান্য ধর্মের সংখ্যাই প্রাধান্য ছিল। পাঞ্জাব প্রদেশের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে পাকিস্তানের অংশ হিসেবে পূর্ব ও পশ্চিম পাঞ্জাবকে আলাদা করা হয়।

ফোর ডক্টরস- বাংলাদেশের ইতিহাস

৩৮.
Who opposed the policy of imperialism?/ সাম্রাজ্যবাদী নীতির বিরোধী ছিলেন কে?
  1. Lord Curzon / লর্ড কার্জন
  2. Lord Dalhousie / লর্ড ডালহৌজি
  3. Robert Clive / রবার্ট ক্লাইভ
  4. Lord Ripon / লর্ড রিপন
ব্যাখ্যা

লর্ড রিপন (1880–1884) ছিলেন ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর জেনারেল। তিনি সাম্রাজ্যবাদী নীতির বিরোধী ছিলেন এবং ভারতীয় জনসাধারণের অধিকারের প্রতি মনোযোগ দিয়েছিলেন। রিপন প্রশাসনিক সংস্কার, শ্রমিক অধিকার, শিক্ষা উন্নয়ন এবং স্থানীয় সম্প্রসারণের পক্ষপাতী ছিলেন। তার এই নীতির কারণে তাকে ভাল গভর্নর জেনারেল হিসেবে মনে করা হয়।

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)

৩৯.
Who planned the Non-Cooperation Movement?/ কে অসহযোগ আন্দোলনের পরিকল্পনা করেন?
  1. Bal Gangadhar Tilak / বাল গঙ্গাধর তিলক
  2. Mahatma Gandhi / মহাত্মা গান্ধী
  3. Jawaharlal Nehru / জওহরলাল নেহেরু
  4. Subhas Chandra Bose / সুভাষ চন্দ্র বোস
ব্যাখ্যা

অসহযোগ আন্দোলন ১৯২০-২২ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের নেতৃত্বে পরিচালিত হয়। এর মূল লক্ষ্য ছিল ব্রিটিশ সরকারের সাথে সরাসরি সহযোগিতা না করা ও স্বাধীনতা সংগ্রামকে শক্তিশালী করা। মহাত্মা গান্ধী এই আন্দোলনের প্রধান পরিকল্পক ও নেতা ছিলেন। আন্দোলনের অন্তর্ভুক্ত ছিল:সরকারি স্কুল ও কলেজ ত্যাগ করা, সরকারি আদালতে না যাওয়া, বিদেশি পণ্য বর্জন, স্বদেশী পণ্য প্রচার। এটি ছিল ভারতের স্বাধীনতার ইতিহাসে প্রথম বৃহৎ গণঅসহযোগ আন্দোলন।

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)

৪০.
At which cantonment did the Sepoy Mutiny of 1857 first start?/ ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহ কোন সেনানিবাসে প্রথম শুরু হয়?
  1. Delhi / দিল্লি
  2. Kanpur / কানপুর
  3. Barrackpur / ব্যারাকপুর
  4. Lucknow / লখনউ
ব্যাখ্যা

১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহ বা First War of Independence) মূলত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সেনা বিদ্রোহ ছিল। প্রথম বিদ্রোহ ব্যারাকপুর সেনানিবাসে ঘটে, যখন কোম্পানির ইংরেজ অফিসারদের বিরুদ্ধে স্থানীয় সিপাহীরা বিদ্রোহ ঘোষণা করে। এই বিদ্রোহ দ্রুত মুন্সিপুর, ময়ূরবন্দ, দিল্লি ও কানপুর ইত্যাদি অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। ব্যারাকপুরের ঘটনা ছিল বৃহৎ ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সূচনা।

দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)

৪১.
Who imposed the ban on children under 7 working in factories?/ ৭ বছরের নিচের শিশুদের কারখানা শ্রমিকের কাজ করার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেন কে?
  1. Lord Curzon / লর্ড কার্জন
  2. Lord Ripon / লর্ড রিপন
  3. Lord Dalhousie / লর্ড দালহৌজি
  4. Lord Wellesley / লর্ড ওয়েলসলি
ব্যাখ্যা

লর্ড রিপন ভারতীয় কারখানা শ্রম আইনকে শক্তিশালী করেছিলেন এবং শিশু শ্রম নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। তিনি ৭ বছরের কম বয়সী শিশুদের কারখানায় কাজ করার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিলেন, যা তখনকার সময়ের জন্য একটি প্রগতিশীল ও মানবিক উদ্যোগ ছিল।

দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)

৪২.
Who was the first Indian to become a member of the Privy Council?/ ভারতীয়দের মধ্যে সর্বপ্রথম প্রিভি কাউন্সিলের সদস্যপদ লাভ করেন কে?
  1. Dadabhai Naoroji – দাদাভাই নরোজি
  2. Sir Syed Ahmed Khan – স্যার সৈয়দ আহমদ খান
  3. Sir Syed Amir Ali – স্যার সৈয়দ আমীর আলী
  4. Gopal Krishna Gokhale – গোপাল কৃষ্ণ গোখলে
ব্যাখ্যা

প্রিভি কাউন্সিল হলো ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের একটি উচ্চতর উপদেষ্টা সংস্থা, যা সম্রাট/সম্রাজ্ঞীর নীতি, আইন ও বিচার সংক্রান্ত বিষয়গুলোতে পরামর্শ প্রদান করে। এর মধ্যে Judicial Committee of the Privy Council (JCPC) ছিল ভারতের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ আপিল আদালত। তাই কাউন্সিলের সদস্য হওয়া মানে ছিল ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত ও বিচারিক সিদ্ধান্তে অংশগ্রহণ করার সুযোগ পাওয়া। স্যর সৈয়দ আমীর আলীর অবদান: তিনি একজন বিশিষ্ট আইনজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবক। ব্রিটিশ শাসনের অধীনে ভারতীয়দের শিক্ষার মান ও রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করেছেন। তার শিক্ষাগত ও আইন সংক্রান্ত প্রজ্ঞা তাকে প্রিভি কাউন্সিলে সদস্যপদ লাভের যোগ্য করে তোলে। এই পদায়ন ভারতীয়দের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি ছিল, কারণ সে সময় ব্রিটিশ প্রশাসনে ভারতীয়দের অংশগ্রহণ সীমিত ছিল।

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)

৪৩.
Who introduced the Ilbert Bill?/ কে ইলবার্ট বিল প্রণয়ন করেন?
  1. Lord Curzon / লর্ড কার্জন
  2. Viceroy Lord Ripon / ভাইসরয় লর্ড রিপন
  3. Lord Dalhousie /লর্ড দালহৌসি
  4. Lord Wellesley / লর্ড ওয়েলসলি
ব্যাখ্যা

ইলবার্ট বিল ১৮৮৩ সালে প্রণয়ন করা হয়েছিল। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল ভারতীয় বিচারকদের ব্রিটিশ নাগরিকদের ওপর বিচার করার ক্ষমতা দেওয়া। আগে শুধুমাত্র ব্রিটিশ বিচারকরা ব্রিটিশ নাগরিকদের বিরুদ্ধে মামলা পরিচালনা করতে পারতেন। লর্ড রিপন এই বিল প্রবর্তনের মাধ্যমে ভারতীয় বিচারকদের ক্ষমতা বাড়াতে চেয়েছিলেন এবং ইংরেজদের সঙ্গে ভারতীয়দের সমানভাবে বিচার করার সুযোগ নিশ্চিত করতে চেয়েছিলেন। তবে, ইংরেজ সম্প্রদায়ের মধ্যে এই বিলের বিরোধিতা খুবই তীব্র ছিল, ফলে বিলটি সম্পূর্ণ কার্যকর হতে পারেনি, কিন্তু এটি ভারতীয় বিচার ও প্রশাসনে সমতার দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হয়।

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)

৪৪.
Who imprisoned Muhammad bin Qasim later in his life?/ পরবর্তী জীবনে মুহাম্মদ বিন কাসেমকে কে কারাগারে পাঠায়?
  1. Caliph Umar II / খলিফা উমর II
  2. Raja Dahir’s sons / রাজা দাহিরের পুত্ররা
  3. Hajjaj bin Yusuf / হাজ্জাজ বিন ইউসুফ
  4. Caliph Suleman / খলিফা সুলাইমান
ব্যাখ্যা

মুহাম্মদ বিন কাসিমের মৃত্যু সম্পর্কে বিতর্কিত তথ্যাদি পাওয়া যায়। একটি উৎসানুসারে দাহিরের মৃত্যুর পর তাঁর দুই কন্যাকে খলিফার কাছে পাঠানো হয়। তাঁরা খলিফার কাছে মুহাম্মদ বিন কাসিমের বিরুদ্ধে তাঁদের শ্লীলতাহানির অভিযোগ করলে খলিফা মুহাম্মদ বিন কাসিমকে কাঁচা চামড়ার থলিতে ঢুকিয়ে তাঁর কাছে পাঠাবার নির্দেশ দেন। মুহাম্মদ বিন কাসিম নিজেই কাঁচা চামড়ার থলিতে ঢুকেন এবং দুএকদিনের মধ্যেই মারা যান। চামড়ার থলি খলিফার কাছে পৌঁছালে দাহিরের কন্যারা তাঁদের মিথ্যা অভিযোগের কথা স্বীকার করে। ক্রুদ্ধ খলিফা দাহিরের দুই মেয়েকে ঘোড়ার লেজের সঙ্গে বেঁধে মারা না যাওয়া পর্যন্ত তাদের রাস্তায় রাস্তায় টানার আদেশ দেন। অনেকের মতে এটা একটা বানানো বাহিনী, তবে মুহাম্মদ বিন কাসিমের শেষ জীবন যে অত্যন্ত বেদনাদায়ক ছিল তাতে কোনো সন্দেহ নেই। অন্য একটি উৎসানুসারে বন্দি করে মুহাম্মদ বিন কাসিমকে খলিফার কাছে পাঠানোর পরে খলিফার আদেশে অত্যাচার করে তাঁকে মারা হয়। কোনো কোনো ঐতিহাসিক মুহাম্মদ বিন কাসিমের বেদনাদায়ক শেষ পরিণতির জন্য দামেস্কে উমাইয়া খলিফার পরিবর্তন এবং হাজ্জাজ বিন ইউসুফের বংশের প্রতি নতুন খলিফার নিষ্ঠুর নীতিকে দায়ী করেন। খলিফা ওয়ালিদের আমলে সিন্ধু বিজিত হয় এবং তখন হাজ্জাজের ছিল প্রবল প্রতিপত্তি। কিন্তু পরবর্তী খলিফা সোলায়মান ছিলেন হাজ্জাজের শত্রু। ইতোমধ্যে হাজ্জাজের মৃত্যু হলে খলিফার রোষ পড়ে তাঁর বংশধর মুহাম্মদ বিন কাসিমের ওপর এবং এ কারণেই মুহাম্মদ বিন কাসিমের এ করুণ পরিণতি ঘটে।

আব্দুল করিম, ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিম রাজত্বের ইতিহাস

৪৫.
The Khalji Revolution took place in which year?/খলজি বিপ্লব কত সালে সংঘটিত হয়েছিল?
  1. 1290 AD / ১২৯০ খ্রিঃ
  2. 1206 AD / ১২০৬ খ্রিঃ
  3. 1320 AD / ১৩২০ খ্রিঃ
  4. 1250 AD / ১২৫০ খ্রিঃ
ব্যাখ্যা

১২৯০ খ্রিঃ সেনাপতি জলালউদ্দিন ফিরোজ খলজি) কায়কোবাদকে হত্যা করে দিল্লির সুলতান হন। এর ফলে ইলবারি তুর্কি বংশের অবসান হয় এবং খলজি বংশের সূচনা হয়। এই ঘটনাকেই ইতিহাসে “খলজি বিপ্লব” বলা হয়। স্যার উলিয়াম মুইর ও স্ট্যানলি লেন-পুল তাঁদের রচনায় লিখেছেন যে, 1290 খ্রিঃ “The Khalji Revolution” দিল্লি সুলতানাতের এক নতুন যুগের সূচনা করে।

উৎস -আব্দুল করিম, ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিম রাজত্বের ইতিহাস

৪৬.
Who is called the “Parrot of India” /(ভারতবর্ষের তোতা পাখি কাকে বলা হয়)?
  1. Tansen / তানসেন
  2. Amir Khusrau / আমির খুসরু
  3. Rabindranath Tagore / রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. Kalidasa / কালিদাস
ব্যাখ্যা

আবুল হাসান ইয়ামিন উদ-দিন খসরু (১২৫৩ - ১৩২৫) একজন সুফি কবি। তিনি ফার্সি ও উর্দু দুই ভাষায় লিখেছিলেন। তিনি ছিলেন নিজামুদ্দিন আউলিয়ার আধ্যাত্মিক শিষ্য। তিনি কেবল কবি ছিলেন না, ছিলেন এক অনন্য গায়ক, তিনি প্রাচীনতম জ্ঞাত মুদ্রিত অভিধান ( খালীক-ই-বারি ) লিখেছিলেন। তাকে "কাওয়ালির জনক" বলে গণ্য করা হয়। তিনি প্রথম ভারত ও পাকিস্তানে গজল গানের প্রথা চালু করেন। তা আজও চলে আসছে। তিনি ফার্সি, আরবি এবং তুর্কি উপাদান অন্তর্ভুক্ত করে ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতকে সমৃদ্ধ করে তোলেন। খসরুকে কখনও কখনও "ভারতের কণ্ঠস্বর" বা "ভারতের তোতাপাখি" (তুতই-ই হিন্দ) এবং "উর্দু সাহিত্যের জনক" বলা হয়।

উৎস -আব্দুল করিম, ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিম রাজত্বের ইতিহাস

৪৭.
In which year did the Delhi Sultanate fall?/ দিল্লী সালতানাতের পতন হয় কত সালে?
  1. 1398 AD / ১৩৯৮ খ্রিস্টাব্দ
  2. 1498 AD / ১৪৯৮ খ্রিস্টাব্দ
  3. 1526 AD / ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দ
  4. 1857 AD / ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দ
ব্যাখ্যা

১৫২৬ সালে পানিপথের প্রথম যুদ্ধে বাবর ইব্রাহিম লোধিকে পরাজিত করেন। এই বিজয়ের ফলে দিল্লী সালতানাতের শাসন শেষ হয় এবং মোগল সাম্রাজ্যের সূচনা হয়। তাই দিল্লী সালতানাতের পতনের সাল হিসেবে ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দকে ধরা হয়।

দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)

৪৮.
Which administrative group was created by Iltutmish to control nobles?/ ইলতুতমিশ অভিজাতদের নিয়ন্ত্রণে কোন প্রশাসনিক সংস্থা তৈরি করেছিলেন?
  1. Iqta system / ইকতা পদ্ধতি
  2. Diwan-i-Arz / দিওয়ান-ই-আর্জ
  3. Chahalgani (Group of Forty) / চেহেলগানি (চল্লিশ জনের দল)
  4. Mansabdari system / মনসবদারি পদ্ধতি
ব্যাখ্যা

চেহেলগানি হলো ইলতুতমিশের তৈরি একটি প্রশাসনিক ও সামরিক সংস্থা। এটি ৪০ জন বাছাই করা ক্রীতদাসকে শাসনকার্যের বিশেষ দায়িত্ব দেন। উদ্দেশ্য ছিল দিল্লি দাসবংশের অভিজাতদের শক্তি ও প্রভাব নিয়ন্ত্রণ করা।এই সংস্থা রাজ্য প্রশাসন ও সামরিক নেতৃত্বকে শক্তিশালী ও নিয়ন্ত্রিত রাখে, যাতে কোনো অভিজাত বা সেনাপতি স্বতন্ত্রভাবে শাসনের বিরুদ্ধে যেতে না পারে। চেহেলগানি ইলতুতমিশের শাসনব্যবস্থা সংহত করার মূল কৌশল ছিল।

উৎস -প্রভাতাংশু মাইতি- ভারত ইতিহাস পরিক্রমা

৪৯.
What is Kharaj?/ খারাজ কী?
  1. A tax on Muslims only / শুধুমাত্র মুসলমানদের উপর কর
  2. A tax on Hindus only /শুধুমাত্র হিন্দুদের উপর কর
  3. A trade tax on merchants / ব্যবসায়ীদের উপর ব্যবসায়িক কর
  4. A land revenue tax taken from non-Muslim subjects / অমুসলিমদের থেকে নেওয়া ভূমি রাজস্ব কর
ব্যাখ্যা

খারাজ হলো ইসলামী শাসনকালে অমুসলিমদের উপর আরোপিত একটি ভূমি রাজস্ব কর। এটি মূলত কৃষিজমি থেকে আদায় করা হতো। মুসলিমরা এই কর থেকে অব্যাহতি পেত। খারাজের মাধ্যমে রাজ্য অর্থনৈতিকভাবে সঞ্চিত হত এবং একই সঙ্গে অমুসলিমদের প্রতি নির্দিষ্ট সামাজিক নীতি প্রয়োগ করা হতো। এটি জিজিয়ার সঙ্গে কিছুটা সম্পর্কিত, কারণ জিজিয়া ছিল ব্যক্তিগত/প্রতি ব্যক্তি কর, আর খারাজ ছিল ভূমি রাজস্ব।

উৎস -প্রভাতাংশু মাইতি- ভারত ইতিহাস পরিক্রমা

৫০.
Who was the last Sultan of the Lodi dynasty?/ লোদী বংশের শেষ সুলতান কে?
  1. Ibrahim Lodi / ইব্রাহিম লোদি
  2. Bahlul Lodi / বাহলুল লোদি
  3. Sikandar Lodi / সিকান্দার লোদি
  4. Daulat Khan Lodi / দৌলত খান লোদি
ব্যাখ্যা

ইব্রাহিম লোদি ছিলেন লোধি বংশের শেষ শাসক, যিনি ১৫২৬ সালে পানিপথের প্রথম যুদ্ধে বাবরের কাছে পরাজিত হন। তার পরাজয়ের ফলে লোধি বংশের শাসন সমাপ্ত হয়। এই বিজয়ের মাধ্যমে মোগল সাম্রাজ্যের সূচনা হয়, যা পরবর্তী কয়েক শতকের জন্য ভারতের রাজনৈতিক মানচিত্র পরিবর্তন করে। ইব্রাহিম লোদির শাসনকাল ছিল রাজনৈতিক অস্থিরতার এবং অভ্যন্তরীণ দুশমনীর কারণে দুর্বল।

উৎস -প্রভাতাংশু মাইতি- ভারত ইতিহাস পরিক্রমা

৫১.
Who was the father of Sultan Mahmud?/ সুলতান মাহমুদের পিতা কে ছিলেন?
  1. Alptigin / আলপ্তেগন
  2. Sebuktigin / সবুক্তিগন
  3. Ghiyasuddin / গিয়াসউদ্দিন
  4. Tughril Beg / তুঘরিল বেগ
ব্যাখ্যা

৯৭৭ সালে আলপ্তিগীনের মৃত্যুর পর তাঁর ক্রীতদাস ও জামাতা সবুক্তিগীন গজনীর সিংহাসনে আরোহণ করেন। সবুক্তিগীনের মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র মাহমুদ ৯৯৭ সালে গজনীর অধিপতি হন। গজনীর তুর্কি সুলতান মাহমুদই ভারতে মুসলমান অভিযানের দ্বিতীয় পর্যায়ে নায়ক।

আব্দুল করিম, ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিম রাজত্বের ইতিহাস

৫২.
The first poem on Ekushey was written by—/ একুশে নিয়ে প্রথম কবিতা রচনা করেন—
  1. Shamsur Rahman / শামসুর রহমান
  2. Al Mahmud / আল মাহমুদ
  3. Mahbub-ul-Alam Chowdhury / মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী
  4. Abdul Gaffar Chowdhury / আবদুল গফফার চৌধুরী
ব্যাখ্যা

মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী বাংলা ভাষা আন্দোলন (১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি) বিষয়ক প্রথম কবিতা রচনা করেন। তার কবিতার মাধ্যমে ভাষা আন্দোলনের গুরুত্ব এবং মাতৃভাষার প্রতি মানুষের ভালোবাসা ফুটে উঠেছিল। এটি পরবর্তীতে আন্দোলনকে শক্তি যুগিয়েছিল এবং অন্যান্য সাহিত্যিক ও কবিদের জন্য উদ্দীপনা তৈরি করেছিল। তাই তাকে একুশে নিয়ে প্রথম কবিতা রচনার জন্য স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চত্তরে (২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২) আন্দোলনকারী ভাষা সৈনিকদের ওপর পুলিশের গুলি এবং ছাত্র নিহত হওয়ার তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ স্বরূপ কবি মাহবুব উল আলম চৌধুরী ’একুশে’ শিরোনামে রচনা করেন তাঁর বিখ্যাত কবিতা ’কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবী নিয়ে এসেছি’ যা ভাষা আন্দোলনের প্রথম কবিতা হিসেবে স্বীকৃত।

বাংলাপিডিয়া

৫৩.
When was the first election held in the Indian subcontinent?/ ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় কবে?
  1. 1906/১৯০৬
  2. 1909/১৯০৯
  3. 1919/১৯১৯
  4. 1937/১৯৩৭
ব্যাখ্যা

ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম গণতান্ত্রিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৩৭ সালে, ভারত শাসন আইন ১৯৩৫ এর অধীনে। এই নির্বাচনে প্রাদেশিক আইনসভাগুলো গঠিত হয় এবং কংগ্রেস ও মুসলিম লীগসহ বিভিন্ন দল অংশগ্রহণ করে। ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনে সর্ব প্রথম সীমিত আকারে ভারতীয় প্রদেশগুলোতে স্বায়ত্তশাসন প্রবর্তন, ভোটাধিকার সম্প্রসারণের কারণে বাংলার মুসলমান নেতাদের মধ্যে নতুন উদ্দিপনা লক্ষ্য করা যায়। ১৯৩৭ সালের নির্বাচনই ছিল উপমহাদেশের প্রথম গণতান্ত্রিক নির্বাচন।

উৎস- ড. আবু মোঃ দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশের ইতিহাস (১৯০৫-১৯৭১)

৫৪.
Who was the first Governor-General of independent India?/ স্বাধীন ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল কে ছিলেন?
  1. Lord Curzon/লর্ড কার্জন
  2. Lord Mountbatten/লন্ড মাউন্টবেটেন
  3. Lord Wavell/লর্ড ওয়েভেল
  4. Lord Linlithgow/লর্ড লিংলিথগো
ব্যাখ্যা

১৫ আগস্ট ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রে পরিণত হয়। পরবর্তীতে লর্ড মাউন্টব্যাটেন স্বাধীন ভারতের প্রথম গভর্নর-জেনারেল হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন (জুন ১৯৪৮ পর্যন্ত)। ব্রিটিশ ভারতের শেষ ভাইসরয় ছিলেন লর্ড লুইস মাউন্টব্যাটেন। তিনি মার্চ ১৯৪৭ থেকে আগস্ট ১৯৪৭ পর্যন্ত ভাইসরয়ের দায়িত্ব পালন করেন এবং ভারতের স্বাধীনতা ও বিভাজনের প্রক্রিয়া তত্ত্বাবধান করেন।

উৎস- ব্রিটানিকা

৫৫.
Who wrote The Social Contract?/দ্য সোশ্যাল কনট্রাক্ট কে লিখেছিলেন?
  1. Voltaire/ভলতেয়ার
  2. Montesquieu/মন্টেস্কু
  3. Diderot/দিদেরো
  4. Rousseau/ রুশো
ব্যাখ্যা

Jean-Jacques Rousseau ১৭৬২ সালে The Social Contract গ্রন্থটি লিখেছিলেন। বইটির মূল ভাবনা হলো “সমাজের মধ্যে মানুষ তার ব্যক্তিগত স্বাধীনতা রাজ্যের সাধারণ ইচ্ছার সঙ্গে মেলাতে পারে”। এটি ফরাসি বিপ্লবের সময় গণতন্ত্র এবং জনসাধারণের রাজনৈতিক অধিকাররে ধারণাকে উৎসাহিত করে। রুশোর চিন্তা ছিল, সরকার জনগণের দ্বারা পরিচালিত হওয়া উচিত এবং মানুষদের সমষ্টিগত স্বার্থ ব্যক্তিগত স্বার্থের উপরে অগ্রাধিকার পাবে।

উৎস-

C.J.H. Hayes- Modern Europe to 1870

৫৬.
Napoleon became First Consul of France in—/ ন্যাপোলিয়ন ফ্রান্সের প্রথম কনসাল হন—
  1. 1797/১৭৯৭
  2. 1799/১৭৯৯
  3. 1802/১৮০২
  4. 1804/১৮০৪
ব্যাখ্যা

ফরাসি বিপ্লবের পর, ফ্রান্সে 1795 সালে Directory নামে একটি সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু এটি অস্থিতিশীল এবং দুর্বল ছিল। 1799 সালের 18 Brumaire (নভেম্বর 9, 1799) ন্যাপোলিয়ন বোনাপার্ট একটি সফল অভ্যুত্থান (coup d’état) চালায়। এই অভ্যুত্থানের পরে Directory পতিত হয় এবং ন্যাপোলিয়ন First Consul (প্রথম কনসাল) হিসেবে ক্ষমতায় আসেন। তিনি প্রথমে তিনজন কনসালের মধ্যে একজন ছিলেন, কিন্তু মূল নিয়ন্ত্রণ তার হাতে ছিল। পরে 1802 সালে তিনি Consul for Life (জীবনকালীন কনসাল) হন এবং 1804 সালে Emperor of France (ফ্রান্সের সম্রাট) হয়ে ওঠেন।

উৎস-

প্রভাতাংশু মাইতি- ইরোপের ইতিহাসের রূপরেখা

৫৭.
Who established the agricultural department named ‘Diwan-i-Kohi’ for the improvement of agriculture in India?/ কোন সুলতান ভারতের কৃষির উন্নতির জন্য ‘দিউয়ান-ই-কোহি’ নামে কৃষি বিভাগ সৃষ্টি করেন?
  1. Alauddin Khalji / আলাউদ্দিন খলজি
  2. Balban / বলবন
  3. Muhammad bin Tughlaq / মুহাম্মদ বিন তুঘলক
  4. Sher Shah Suri / শের শাহ সূর
ব্যাখ্যা

মুহাম্মদ বিন তুঘলক (1325–1351 খ্রি.) ছিলেন দিল্লি সুলতানাতের এক বিতর্কিত শাসক। তিনি বহু নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন। কৃষির উন্নয়নের জন্য তিনি ‘দিউয়ান-ই-কোহি’ (Diwan-i-Kohi) নামে একটি নতুন কৃষি বিভাগ সৃষ্টি করেন। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল— কৃষকদের ঋণ প্রদান, পতিত জমি আবাদে আনা,সেচ ব্যবস্থার উন্নতি করা। তবে তার পরিকল্পনাগুলো অনেক ক্ষেত্রে বাস্তবসম্মত না হওয়ায় টেকসই হয়নি। এজন্য ইতিহাসে তাকে অনেক সময় “Wisest Fool” (জ্ঞানের মূর্খ) বলা হয়।

উৎস -এ কে এম শাহনেওয়াজ,ভারত উপমহাদেশের ইতিহাস; মধ্যযুগ: সুলতানি পর্ব

৫৮.
Who was the first Prime Minister of Pakistan?/ পাকিস্তানের প্রথম প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. Liaquat Ali Khan/লিয়াকত আলী খান
  2. Khwaja Nazimuddin/খাজা নাজিমুদ্দিন
  3. Muhammad Ali Jinnah/মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  4. Allama Iqbal/আল্লামা ইকবাল
ব্যাখ্যা

পাকিস্তানের প্রথম গভর্নর জেনারেল ছিলেন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, যিনি পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা ও কায়েদে-আযম নামে পরিচিত। ১৪ আগস্ট ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর তিনি রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে গভর্নর জেনারেলের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন লিয়াকত আলী খান । জিন্নাহ ১১ সেপ্টেম্বর ১৯৪৮ পর্যন্ত এই পদে ছিলেন।

উৎস- ড. আবু মোঃ দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশের ইতিহাস (১৯০৫-১৯৭১)

৫৯.
Which tactic did the Russians use against Napoleon in 1812?/ ১৮১২ সালে রাশিয়ানরা নেপোলিয়নের বিরুদ্ধে কোন কৌশল ব্যবহার করে?
  1. Direct battle/ সরাসরি যুদ্ধ
  2. Guerrilla warfare/ গেরিলা যুদ্ধ
  3. Scorched earth policy/ পোড়ামাটি নীতি
  4. Naval blockade/ নৌ অবরোধ
ব্যাখ্যা

১৮১২ সালে নেপোলিয়ন প্রায় ৬ লক্ষ সৈন্য নিয়ে রাশিয়া আক্রমণ করেন। রাশিয়ানরা সরাসরি বড় যুদ্ধ এড়িয়ে যায় এবং “Scorched Earth Policy” (পোড়ামাটি নীতি) ব্যবহার করে। এই নীতিতে তারা নিজেদের জমি, গ্রাম, খাদ্যশস্য, গুদাম ইত্যাদি পুড়িয়ে বা ধ্বংস করে দেয় যাতে ফরাসি সেনারা খাবার, আশ্রয় বা রসদ কিছুই না পায়। ফলে নেপোলিয়নের সেনারা ক্ষুধা, ঠান্ডা শীত ও রোগে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়। এই অভিযানের শেষে নেপোলিয়নের বিশাল বাহিনীর মাত্র প্রায় ১ লক্ষ সৈন্য জীবিত অবস্থায় ফিরে আসে। এটি নেপোলিয়নের জন্য এক বড় পরাজয় ও মোড় ঘোরানো ঘটনা ছিল।

উৎস-প্রভাতাংশু মাইতি- ইরোপের ইতিহাসের রূপরেখা

৬০.
Who was known as the guardian of the French Revolution?/ফরাসি বিপ্লবের রক্ষাকর্তা কে ছিলেন?
  1. Napoleon Bonaparte / নেপোলিয়ন বোনাপার্ট
  2. Maximilien Robespierre / রোবসপিয়ের
  3. Louis XVI / লুই ষোড়শ
  4. Danton / দাতে
ব্যাখ্যা

ফরাসি বিপ্লব (১৭৮৯) রাজতন্ত্রের পতন ঘটিয়ে স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্বের আদর্শ প্রচার করেছিল। তবে বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে ফ্রান্সে রাজনৈতিক অস্থিরতা, গৃহযুদ্ধ এবং ইউরোপীয় রাজতান্ত্রিক শক্তির আক্রমণ দেখা দেয়। এই সংকটকালে নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ফরাসি সেনাবাহিনীর নেতৃত্ব দেন এবং দেশকে বাহ্যিক আক্রমণ থেকে রক্ষা করেন। ১৭৯৯ সালে তিনি ক্ষমতায় এসে ফ্রান্সে স্থিতিশীলতা আনেন। বিপ্লবের অনেক আদর্শ যেমন – আইনের শাসন (Napoleonic Code), যোগ্যতার ভিত্তিতে পদোন্নতি, সামন্ততন্ত্রের অবসান – সংরক্ষণ করেন। তাই ইতিহাসবিদরা তাকে প্রায়ই “Guardian of the French Revolution” / ফরাসি বিপ্লবের রক্ষাকর্তা বলে অভিহিত করেছেন, কারণ তিনি বিপ্লবের মূল নীতি ধরে রেখে ফ্রান্সকে সুসংহত করেছিলেন।

উৎস-প্রভাতাংশু মাইতি- ইরোপের ইতিহাসের রূপরেখা

৬১.
From which country was the “Black Hand” operated?/ ‘ব্ল্যাক হ্যান্ড’ কোন দেশ হতে পরিচালিত হতো?
  1. Russia / রাশিয়া
  2. Austria / অস্ট্রিয়া
  3. Germany / জার্মানি
  4. Serbia / সার্বিয়া
ব্যাখ্যা

“Black Hand” (Unity or Death / ইউনিটি অর ডেথ) ছিল একটি গোপন সামরিক জাতীয়তাবাদী সংগঠন, যা ১৯১১ সালে সার্বিয়ায় প্রতিষ্ঠিত হয়। এর প্রধান লক্ষ্য ছিল— দক্ষিণ স্লাভ জাতিগুলোকে একত্রিত করে একটি বৃহৎ সার্বিয়ান বা “ইউগোস্লাভ” রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয় সাম্রাজ্যের শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন ও ষড়যন্ত্র করা। এই সংগঠনই ১৯১৪ সালে সারায়েভোতে অস্ট্রিয়ার যুবরাজ ফ্রাঞ্জ ফার্দিনান্দকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করে, যা সরাসরি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূচনার (WWI) কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

উৎস-প্রভাতাংশু মাইতি- ইরোপের ইতিহাসের রূপরেখা

৬২.
On what date did Austria issue an ultimatum to Serbia?/ কত তারিখে অস্ট্রিয়া সার্বিয়াকে চরমপত্র প্রদান করে?
  1. ২৮ জুন ১৯১৪
  2. ২৩ জুলাই ১৯১৪
  3. ১ আগস্ট ১৯১৪
  4. ৪ আগস্ট ১৯১৪
ব্যাখ্যা

২৮ জুন ১৯১৪: সার্বিয়ান জাতীয়তাবাদী সংগঠন “Black Hand”–এর সদস্য গ্যাভরিলো প্রিন্সিপ সারায়েভোতে অস্ট্রিয়ার যুবরাজ আর্চডিউক ফ্রাঞ্জ ফার্দিনান্দ ও তার স্ত্রী সোফিকে হত্যা করে। এই হত্যাকাণ্ডের জন্য অস্ট্রিয়া সরাসরি সার্বিয়াকে দায়ী করে এবং ইউরোপে বড় রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টি হয়। ২৩ জুলাই ১৯১৪: অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি সার্বিয়াকে একটি কঠোর চরমপত্র প্রদান করে। এতে ১০টি শর্ত ছিল, যার মধ্যে কিছু ছিল সার্বিয়ার সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ণকারী। সার্বিয়া অধিকাংশ শর্ত মেনে নিলেও কয়েকটি অগ্রহণযোগ্য বলে প্রত্যাখ্যান করে। এর ফলে ২৮ জুলাই ১৯১৪ অস্ট্রিয়া সার্বিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে, যা থেকেই প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।

উৎস-প্রভাতাংশু মাইতি- ইরোপের ইতিহাসের রূপরেখা

৬৩.
What is the Reichstag?/ রাইখস্ট্যাগ কী?
  1. German currency / জার্মান মুদ্রা
  2. German army headquarters / জার্মান সেনা সদর দপ্তর
  3. German parliament / জার্মান সংসদ
  4. German judicial system / জার্মান বিচার ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা

“Reichstag” শব্দটি জার্মান ভাষায় সাম্রাজ্যের সংসদ বোঝায়। এটি ছিল জার্মান সাম্রাজ্য (1871–1918), ওয়েইমার প্রজাতন্ত্র (1919–1933) এবং নাৎসি জার্মানির (1933–1945) সময়কার আইন প্রণয়নকারী সংস্থা বা সংসদ। ১৯৩৩ সালে হিটলারের ক্ষমতায় আসার পর (রাইখস্ট্যাগ অগ্নিকাণ্ড) ঘটেছিল, যা নাৎসিরা রাজনৈতিক বিরোধীদের দমন করার অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করেছিল। বর্তমানে বার্লিনে অবস্থিত ঐতিহাসিক আধুনিক জার্মান সংসদ Bundestag বসে।

উৎস-প্রভাতাংশু মাইতি- ইরোপের ইতিহাসের রূপরেখা

৬৪.
Who organized the Red Army during the Bolshevik Revolution?/ বলশেভিক বিপ্লবের সময় কে লাল ফৌজ সংগঠিত করেছিলেন?
  1. Trotsky/ ট্রটস্কি
  2. Lenin/লেলিন
  3. Stalin/স্টালিন
  4. Bukharin/বুখারিন
ব্যাখ্যা

বলশেভিক বিপ্লবের পর লাল ফৌজ (Red Army) গঠন করা হয়েছিল ব্লশেভিক সরকারকে রক্ষণাবেক্ষণ ও সিভিল ওয়ার (Russian Civil War, 1917–1922) মোকাবিলা করার জন্য। লাল ফৌজ গঠন করেন লেভ ট্রটস্কি, যিনি ছিলেন বলশেভিক সরকারের প্রধান সামরিক নেতা। তিনি যুদ্ধের জন্য কঠোর শৃঙ্খলা, আধুনিক যুদ্ধ কৌশল ও স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ নিশ্চিত করেন। লাল ফৌজ মূলত ব্রাউনগার্ডস ও হোয়াইট আর্মি-এর বিরুদ্ধে লড়াই করে। ট্রটস্কির নেতৃত্বে লাল ফৌজ সফলভাবে রাশিয়ান সিভিল ওয়ার জয়ী হয় এবং বলশেভিকদের ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করে।

মোঃ শাহ আলমগীর, ইউরোপের ইতিহাস

৬৫.
In which year was Russia declared a Soviet Republic in its constitution?/ রাশিয়ার সংবিধানে কত সালে রাশিয়াকে সোভিয়েত প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করা হয়?
  1. 1920/১৯২০
  2. 1924/১৯২৪
  3. 1918/১৯১৮
  4. 1922/১৯২২
ব্যাখ্যা

১৯১৭ সালের অক্টোবর বিপ্লবে বলশেভিকরা ক্ষমতা দখল করে এবং রাশিয়ায় সমাজতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা করে। ১৯১৮ সালে প্রথম সোভিয়েত সংবিধান গৃহীত হয়, যেখানে রাশিয়াকে “Russian Soviet Federative Socialist Republic (RSFSR)” হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল। ১৯২২ সালে রাশিয়া, ইউক্রেন, বেলারুশ ও ট্রান্সককেশিয়া মিলিত হয়ে USSR (Union of Soviet Socialist Republics) গঠন করে। অবশেষে ১৯২৪ সালের সংবিধানে আনুষ্ঠানিকভাবে পুরো সোভিয়েত ইউনিয়নের কাঠামো নির্ধারণ করা হয় এবং রাশিয়াকে সংবিধানের মাধ্যমে একটি সোভিয়েত প্রজাতন্ত্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

মোঃ শাহ আলমগীর, ইউরোপের ইতিহাস

৬৬.
Where was Lenin exiled?/ লেনিনকে কোথায় নির্বাসিত করা হয়?
  1. Siberia and Switzerland / সাইবেরিয়া ও সুইজারল্যান্ড
  2. France / ফ্রান্স
  3. Germany / জার্মানি
  4. England / ইংল্যান্ড
ব্যাখ্যা

ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিন (Vladimir Ilyich Lenin) জার শাসনের সময় বিপ্লবী কার্যকলাপে জড়িয়ে পড়েছিলেন। এজন্য তাকে একাধিকবার নির্বাসনে যেতে হয়েছিল। সাইবেরিয়া - ১৮৯৫ সালে “Union for the Liberation of the Working Class” নামক সংগঠন গড়ে তোলার জন্য গ্রেফতার হন । তাকে তিন বছরের জন্য সাইবেরিয়ার শুশেনস্কোয়ে গ্রামে নির্বাসনে পাঠানো হয়। সেখানে থেকেই তিনি রাজনৈতিক লেখা ও বিপ্লবী কাজ চালিয়ে যান।সুইজারল্যান্ড- জার সরকারের দমননীতি থেকে বাঁচতে এবং ইউরোপীয় সমাজতান্ত্রিকদের সাথে যোগাযোগ রাখতে লেনিন বহু বছর সুইজারল্যান্ডে আশ্রয় নেন। বিশেষ করে ১৯১১–১৯১৭ সালের প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি সুইজারল্যান্ডে ছিলেন। এখান থেকেই তিনি বলশেভিক আন্দোলন পরিচালনা করেন এবং পরবর্তীতে ১৯১৭ সালের এপ্রিল মাসে “সিল করা ট্রেন” (sealed train) দিয়ে রাশিয়ায় ফিরে আসেন।

মোঃ শাহ আলমগীর, ইউরোপের ইতিহাস

৬৭.
Who is called the “Soul of Italian Unification”?/ইতালির একত্রীকরণের “আত্মা” কাকে বলা হয়?
  1. Garibaldi/ গারিবালদি
  2. Cavour/ ক্যাভুর
  3. Mazzini/ ম্যাজিনি
  4. Victor Emmanuel II/ দ্বিতীয় ভিক্টর ইমানুয়েল
ব্যাখ্যা

ইতালির একত্রীকরণ (Italian Unification বা Risorgimento) ছিল একটি দীর্ঘ রাজনৈতিক ও সামরিক প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে ছোট ছোট রাজ্যগুলো একত্রিত হয়ে ১৮৭১ সালে আধুনিক ইতালি গঠিত হয়।এখানে প্রধান তিনজন নেতা ভিন্ন ভিন্ন ভূমিকা পালন করেছিলেন: জুসেপে ম্যাজিনি → তাঁকে বলা হয় “সোল অফ ইটালিয়ান ইউনিফিকেশ ‘ কারণ তিনি তরুণদের অনুপ্রাণিত করে জাতীয়তাবাদী চেতনা জাগিয়েছিলেন। ক্যাভুর → তাঁকে বলা হয় “ব্রেন অফ ইটালিয়ান ইউনিফিকেশন”, কারণ তিনি কূটনীতি, রাজনৈতিক পরিকল্পনা ও আন্তর্জাতিক জোটের মাধ্যমে ইতালিকে একত্রিত করার বুদ্ধিদীপ্ত কৌশল গ্রহণ করেছিলেন। বিশেষ করে ফ্রান্সের নেপোলিয়ন III-এর সাথে জোট করে অস্ট্রিয়াকে দুর্বল করেছিলেন। গারিবালদি → তাঁকে বলা হয় “সোর্ড অফ ইটালিয়ান ইউনিফিকেশন”, কারণ তিনি সামরিক অভিযান ও জনগণকে নেতৃত্ব দিয়ে দক্ষিণ ইতালিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন।

দিলীপ কুমার সাহা- ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫)

৬৮.
Which treaty ended the Crimean War?/ ক্রিমিয়ান যুদ্ধ কোন চুক্তির মাধ্যমে শেষ হয়েছিল?
  1. Treaty of Paris, 1856/ প্যারিস চুক্তি, 1856
  2. Treaty of Vienna, 1815/ ভিয়েনা চুক্তি, 1815
  3. Treaty of Berlin, 1878/ বার্লিন চুক্তি, 1878
  4. Treaty of Frankfurt, 1871/ ফ্রাঙ্কফুর্ট চুক্তি, 1871
ব্যাখ্যা

ক্রিমিয়ান যুদ্ধ (1853–1856) শেষ হয় ,প্যারিস চুক্তি 1856 দ্বারা। রাশিয়ার প্রভাব সীমিত করা: কৃষ্ণসাগরে রাশিয়ার সামরিক উপস্থিতি সীমিত করা হয়। অটোমান সাম্রাজ্যের স্বীকৃতি: ইউরোপীয় শক্তিগুলো অটোমান সাম্রাজ্যকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। নিরপেক্ষতা ও নিরাপত্তা: কৃষ্ণসাগরের অঞ্চলকে সকল দেশীয় বাহিনী ও যুদ্ধপোড়া জন্য নিষিদ্ধ করা হয়। European Balance of Power বজায় রাখা: যুদ্ধের ফলাফল নিশ্চিত করে যে রাশিয়া, ব্রিটেন, ফ্রান্স এবং অন্যান্য ইউরোপীয় শক্তির মধ্যে ভারসাম্য বজায় থাকে।

দিলীপ কুমার সাহা- ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫)

৬৯.
What color uniform did the members of the Nazi forces wear?/ নাৎসী বাহিনীর সদস্যরা কি রঙের পোশাক পরিধান করত?
  1. White / সাদা
  2. Green / সবুজ
  3. Blue / নীল
  4. Brown and Black / বাদামী ও কালো
ব্যাখ্যা

নাৎসি শাসনামলে বিভিন্ন বাহিনীর জন্য আলাদা রঙের ইউনিফর্ম নির্ধারিত ছিল: SA (Sturmabteilung / Brownshirts) → এরা ছিল নাৎসি পার্টির প্রাথমিক আধাসামরিক বাহিনী। তাদের পোশাক ছিল বাদামী রঙের শার্ট, এজন্য তাদেরকে “Brownshirts” বলা হতো। SS (Schutzstaffel / Blackshirts) → হাইনরিশ হিমলার-এর নেতৃত্বে SS বাহিনী ছিল এলিট নাৎসি বাহিনী। তাদের পোশাক ছিল কালো রঙের ইউনিফর্ম, এজন্য তাদেরকে “Blackshirts” বলা হয়।

উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ২য় পত্র

৭০.
The Bolshevik Revolution is also called the—/ বলশেভিক বিপ্লবকে আর কী বলা হয়?
  1. February Revolution/ফেব্রুয়ারি বিপ্লব
  2. March Revolution/মার্চ বিপ্লব
  3. October Revolution / অক্টোবর বিপ্লব
  4. Red Revolution/ লাল বিপ্লব
ব্যাখ্যা

Bolshevik Revolution হলো ১৯১৭ সালের রাশিয়ান বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়, যা ভ্লাদিমির লেনিন এবং বলশেভিক দলের নেতৃত্বে সংঘটিত হয়। সাল: অক্টোবর ১৯১৭ (জুলিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারে নভেম্বর) ঘটনার স্থান: পেট্রোগ্রাদ (বর্তমান সেন্ট পিটার্সবার্গ) লক্ষ্য: Provisional Government পতন করে বলশেভিকদের ক্ষমতা দখল করা। ফলাফল: রাশিয়ায় প্রথম কমিউনিস্ট সরকার প্রতিষ্ঠা পায়।

মোঃ শাহ আলমগীর, ইউরোপের ইতিহাস

৭১.
Through which profession did Mussolini begin his career?/কোন পেশার মাধ্যমে মুসোলিনী তার কর্মজীবন শুরু করেন?
  1. Lawyer / আইনজীবী
  2. Teacher / শিক্ষক
  3. Soldier / সৈনিক
  4. Journalist / সাংবাদিক
ব্যাখ্যা

বেনিতো মুসোলিনি (Benito Mussolini), পরবর্তীতে ইতালির ফ্যাসিবাদী নেতা, কর্মজীবন শুরু করেছিলেন একজন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে। তিনি একটি শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজ থেকে পাশ করেন এবং স্বল্প সময়ের জন্য বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। তবে তিনি শিক্ষকতার পেশায় স্থায়ী হননি। রাজনৈতিক আগ্রহ এবং লেখালেখির প্রতি ঝোঁকের কারণে পরে সাংবাদিকতা ও রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে ওঠেন। ধীরে ধীরে তিনি সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন, পরে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ফ্যাসিবাদী মতবাদ গ্রহণ করেন এবং ইতালির একনায়ক হয়ে ওঠেন।

মোঃ শাহ আলমগীর, ইউরোপের ইতিহাস

৭২.
What was the name of the bomb dropped on Nagasaki?/ নাগাসাকিতে নিক্ষেপিত বোমার নাম কি?
  1. Fat Man / ফ্যাট ম্যান
  2. Little Boy / লিটল বয়
  3. Enola Gay / এনোলা গে
  4. Trinity / ট্রিনিটি
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র জাপানের উপর দুটি পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করে: ৯ আগস্ট ১৯৪৫ – নাগাসাকি-বোমার নাম: Fat Man (ফ্যাট ম্যান),প্লুটোনিয়াম-২৩৯ ভিত্তিক বোমা। বোমারু বিমান: Bockscar (বক্সকার)। Trinity (ট্রিনিটি) ছিল প্রথম পারমাণবিক পরীক্ষা (১৬ জুলাই ১৯৪৫, নিউ মেক্সিকো মরুভূমি, যুক্তরাষ্ট্রে)।

মোঃ শাহ আলমগীর, ইউরোপের ইতিহাস

৭৩.
How many official languages does the United Nations have?/ জাতিসংঘের ভাষা কয়টি?
  1. 5 / ৫
  2. 4 / ৪
  3. 6 / ৬
  4. 7 / ৭
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের (UN) ৬টি সরকারিভাষা (Official Languages) রয়েছে। এগুলো হলো— English / ইংরেজি,French / ফরাসি, Spanish / স্প্যানিশ, Russian / রুশ, Chinese / চীনা (Mandarin), Arabic / আরবি। এই ভাষাগুলোতে জাতিসংঘের সভা-সম্মেলন পরিচালিত হয় এবং সরকারি দলিল-দস্তাবেজ অনুবাদ করা হয়। এর মধ্যে ইংরেজি ও ফরাসি সচিবালয়ের কার্যকরী ভাষা হিসেবে বেশি ব্যবহৃত হয়।

উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ২য় পত্র

৭৪.
Who built the Adina Mosque?/ আদিনা মসজিদ কে নির্মান করেন?
  1. Akbar / আকবর
  2. Babur / বাবর
  3. Aurangzeb / আওরঙ্গজেব
  4. Sikandar Sah / সিকান্দার শাহ
ব্যাখ্যা

আদিনা মসজিদ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মালদহে জেলায় অবস্থিত একটি মসজিদ। এটি সিরিয়ার উমাইয়া মসজিদের আদলে তৈরি। আদিনা মসজিদ তৎকালীন দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম মসজিদ ছিল।এটি মধ্যযুগীয় বাংলার বৃহত্তম মসজিদগুলোর একটি এবং ১৪শ শতকের মধ্যভাগে নির্মিত হয়। মসজিদটি সুলতান সিকান্দার শাহ কর্তৃক ১৩৮২–১৪১৪ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে নির্মিত হয়। এটি ছিল শুধু নামাজের স্থান নয়, বরং রাজপ্রাসাদ, মাদ্রাসা, এবং জনসাধারণের জন্য শিক্ষা কেন্দ্র হিসেবেও ব্যবহৃত হত। আদিনা মসজিদের আর্কিটেকচারে মধ্যপ্রাচ্য ও ভারতীয় ইসলামী স্থাপত্যের অনন্য মিশ্রণ লক্ষ্য করা যায়।

উৎস -প্রভাতাংশু মাইতি- ভারত ইতিহাস পরিক্রমা

৭৫.
When was the French National Constituent Assembly formed? ফরাসি সংবিধান সভা কখন গঠিত হয়?
  1. 1787 / ১৭৮৭
  2. 1789 / ১৭৮৯
  3. 1791 / ১৭৯১
  4. 1793 / ১৭৯৩
ব্যাখ্যা

French National Constituent Assembly (Assemblée nationale constituante) হলো ফরাসি বিপ্লবের সময় গঠিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সংবিধান সভা। ১৭৮৯ সালে ফ্রান্সে রাজপরিবার ও সাধারণ জনগণের মধ্যে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতা ছিল। Estates-General সাধারণ সভা ডাকা হয়েছিল। তৃতীয় Estates নিজেরা স্বাধীনভাবে National Assembly ঘোষণা করে। ১৭৮৯ সালের ১৭ জুন তৃতীয় Estates নিজেকে National Assembly ঘোষণা করে। পরে ৯ জুলাই ১৭৮৯-এ এটিকে Constituent Assembly হিসেবে ঘোষণা করা হয়, অর্থাৎ এটি নতুন সংবিধান প্রণয়নের জন্য ক্ষমতাবলে ছিল।

উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ২য় পত্র

৭৬.
Where is Waterloo located?/ ওয়াটার লু কোথায়?
  1. Netherlands / নেদারল্যান্ডস
  2. Germany / জার্মানি
  3. Belgium / বেলজিয়াম
  4. France / ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

Waterloo হলো একটি ছোট শহর যা বেলজিয়ামের ব্রাসেলস শহরের দক্ষিণে অবস্থিত। ১৮১৫ সালের ১৮ জুন এখানে Battle of Waterloo সংঘটিত হয়। এই যুদ্ধে নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে পরাজিত করে ব্রিটিশ-প্রশিয়ান জোট সেনারা। নেপোলিয়নের পরাজয় ইউরোপীয় রাজনৈতিক মানচিত্রে দীর্ঘস্থায়ী পরিবর্তন আনে। শহরটি আজও একটি প্রখ্যাত ঐতিহাসিক পর্যটন কেন্দ্র।

উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ২য় পত্র

৭৭.
কত সালে ঋণ সালিশী বোর্ড গঠিত হয়? / In which year was the Debt Conciliation Board (Loan Arbitration Board) established?
  1. 1880 / ১৮৮০
  2. 1890 / ১৮৯০
  3. 1938 / ১৯৩৮
  4. 1905 / ১৯০৫
ব্যাখ্যা

ঋণ সালিশী বোর্ড গঠন করা হয়েছিল মূলত কৃষক ও ছোট ঋণগ্রহীতাদের ঋণসংক্রান্ত বিরোধ সমাধানের জন্য। ১৯৩০-এর দশকে ব্রিটিশ ভারতের গ্রামীণ অর্থনীতি অনেক সমস্যায় পড়ে। বিশেষ করে চাষী ও জমিদারদের মধ্যে ঋণ নিয়ে বিরোধের কারণে সামাজিক অস্থিরতা দেখা দিতে থাকে। এই সমস্যার সমাধানে ১৯৩৮ সালে ঋণ সালিশী বোর্ড গঠন করা হয়, যা ঋণগ্রহীতাদের রক্ষা ও ঋণ সমাধান করণে ভূমিকা রাখে। চাষীদের ওপর জমিদারদের অতিরিক্ত আর্থিক চাপ হ্রাস করা। ঋণ সম্পর্কিত মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করা। গ্রামীণ অর্থনীতি স্থিতিশীল করা।

উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ১ম পত্র

৭৮.
Which party established the Reign of Terror in France?/ ফ্রান্সে সন্ত্রাসের রাজত্ব (Reign of Terror) প্রতিষ্ঠা করে কোন দল?
  1. Girondins / গিরোন্ডিনস
  2. Jacobins / জ্যাকোবিনস
  3. Feuillants / ফিউলান্টস
  4. Royalists / রয়্যালিস্টস
ব্যাখ্যা

Reign of Terror (সন্ত্রাসের রাজত্ব) ছিল ফরাসি বিপ্লবের একটি ভয়ঙ্কর পর্যায় (১৭৯৩–১৭৯৪), যখন বিপ্লবের শত্রুদের বিরুদ্ধে প্রচণ্ড দমননীতি চালানো হয়েছিল। জ্যাকোবিনস ছিল একটি রাজনৈতিক দল যা বিপ্লবের প্রগতিশীল ও রেডিকাল অংশকে প্রতিনিধিত্ব করত। নেতৃত্বে ছিলেন Maximilien Robespierre (রোবসপিয়ের)। জ্যাকোবিনসরা চরমপন্থী নিয়ম চালু করেছিল, যাতে বিপ্লবের শত্রুদের দ্রুত বিচ্ছিন্ন ও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যায়। উদ্দেশ্য ছিল-বিপ্লব বিরোধীদের গণবিচ্ছিন্ন করা। গিলোটিনের ব্যবহার বৃদ্ধি ও ভয় ও সামাজিক নিয়ন্ত্রণ স্থাপন।

উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ২য় পত্র

৭৯.
For how long is the President of the United Nations General Assembly elected?/ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয় কত সময়ের জন্য?
  1. 6 months / ৬ মাস
  2. 5 years / ৫ বছর
  3. 2 years / ২ বছর
  4. 1 year / ১ বছর
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (UN General Assembly) সভাপতি নির্বাচিত হন একটি ক্যালেন্ডার বছরের জন্য, অর্থাৎ ১ বছরের মেয়াদে। সভাপতি সাধারণত প্রতি বছর ভিন্ন ভূ-রাজনৈতিক অঞ্চলের দেশ থেকে নির্বাচিত হন। নির্বাচনের মাধ্যমে সভাপতি সাধারণ পরিষদের অধিবেশন পরিচালনা, আলোচনার সূচনা ও তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এই ১ বছরের মেয়াদে সভাপতি সাধারণত একটি সাধারণ অধিবেশন এবং অন্যান্য কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করেন।

উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ২য় পত্র

৮০.
Who was the leader of Free France during WWII?/ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় স্বাধীন ফ্রান্স আন্দোলনের নেতা কে ছিলেন?
  1. Petain/ ফিলিপ পেতাঁ
  2. De Gaulle
  3. Napoleon III/ নেপোলিয়ন III
  4. Laval/ লাভাল
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় স্বাধীন ফ্রান্স আন্দোলনের (Free France Movement) নেতা ছিলেন দ্য গল । ফ্রান্স নাৎসি জার্মানির হাতে পতনের পর (১৯৪০ সালে) তিনি লন্ডনে গিয়ে Free France Movement শুরু করেন এবং ফরাসি জনগণকে নাৎসি দখলের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যেতে আহ্বান জানান। তিনি পরবর্তীতে ফ্রান্সের মুক্তির প্রতীক হয়ে ওঠেন।

প্রভাতাংশু মাইতি- ইউরোপের ইতিহাসের রূপরেখা

৮১.
On which date was ‘Khilafat Day’ observed?/কত তারিখে ‘খিলাফত দিবস’ পালিত হয়?
  1. 17 October 1919 / ১৭ অক্টোবর ১৯১৯
  2. 1 August 1920 / ১ আগস্ট ১৯২০
  3. 19 October 1919 / ১৯ অক্টোবর ১৯১৯
  4. 10 March 1920 / ১০ মার্চ ১৯২০
ব্যাখ্যা

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর তুরস্কে খিলাফতের অবসানের বিরুদ্ধে ভারতীয় মুসলমানরা একটি সর্বভারতীয় আন্দোলন শুরু করে, যা ইতিহাসে খিলাফত আন্দোলন নামে পরিচিত। এই আন্দোলনের অংশ হিসেবে সর্বভারতীয়ভাবে ১৯১৯ সালের ১৭ অক্টোবর তারিখে “খিলাফত দিবস” পালন করা হয়। এই দিনটিকে ঘিরে মুসলমানরা ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে আরও সক্রিয় হয় এবং পরে মহাত্মা গান্ধীর অসহযোগ আন্দোলনের সঙ্গেও একীভূত হয়।

উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ১ম পত্র

৮২.
Who first used the term ‘Sepoy Mutiny’?/কে প্রথম ‘সিপাহি বিদ্রোহ’ কথাটি ব্যবহার করেন?
  1. R.C. Majumdar / আর.সি. মজুমদার
  2. Karl Marx / কার্ল মার্কস
  3. Earl Satnely / আর্ল স্ট্যানলি
  4. John Lawrence / জন লরেন্স
ব্যাখ্যা

“Sepoy Mutiny” (সিপাহি বিদ্রোহ) বলতে বোঝানো হয় ১৮৫৭ সালের ভারতের প্রথম বৃহৎ সামরিক বিদ্রোহকে, যা পরে ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের সূচনা হিসেবে বিবেচিত হয়। এই বিদ্রোহে প্রধানত ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সৈন্যরা অংশ নেয়। বিদ্রোহের সময় এবং পরবর্তীতে ব্রিটিশরা এটি “Sepoy Mutiny” নামে উল্লেখ করেছিল। Earl Stanley, ব্রিটিশ রাজনীতিবিদ ও ইতিহাসবিদ, প্রথমবার এই “Sepoy Mutiny” শব্দটি ব্যবহার করেন। ভারতীয় ইতিহাসবিদরা এই বিদ্রোহকে অনেক সময় “First War of Independence” / প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধ বলে অভিহিত করেন।

উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ১ম পত্র

৮৩.
বাংলা প্রেসিডেন্সির রাজধানী করা হয় কোথায়? / Where was the capital of the Bengal Presidency established?
  1. Patna / পাটনা
  2. Murshidabad / মুর্শিদাবাদ
  3. Calcutta (Kolkata) / কলকাতা
  4. Dhaka / ঢাকা
ব্যাখ্যা

১৭৭২ সালে ওয়ারেন হেস্টিংসের আমলে বাংলা প্রেসিডেন্সির রাজধানী মুর্শিদাবাদ থেকে সরিয়ে কলকাতাতে স্থাপন করা হয়। এর ফলে কলকাতা শুধু বাংলারই নয়, বরং ধীরে ধীরে সমগ্র ব্রিটিশ ভারতের প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক কেন্দ্র হয়ে ওঠে।

উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ১ম পত্র

৮৪.
When did Bismarck resign from office?/ বিসমার্ক পদত্যাগ করেন কবে?
  1. 1885/১৮৮৫
  2. 1888/১৮৮৮
  3. 1895/১৮৯৫
  4. 1890/১৮৯০
ব্যাখ্যা

অটোমান-জার্মান চ্যান্সেলর Otto von Bismarck ছিলেন ১৮৭১ থেকে জার্মান সম্রাজ্যের প্রধান নীতি নির্ধারক। তিনি “Iron Chancellor নামে পরিচিত। ১৮৯০ সালে জার্মান সম্রাট Wilhelm II ক্ষমতায় আসেন। সম্রাটের নতুন নীতি ও ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গির কারণে Bismarckের নীতি-গত সংঘর্ষ দেখা দেয়। এই কারণে ১৮৯০ সালে Bismarck পদত্যাগ করেন। পদত্যাগের পরেও তার নীতি ও রাষ্ট্রীয় কাঠামোর উপর দীর্ঘ সময় প্রভাব থাকে।

প্রভাতাংশু মাইতি- ইউরোপের ইতিহাসের রূপরেখা

৮৫.
“Pakistaner Rastrobhasha Bangla Na Urdu” was published in which year? / ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ প্রকাশিত হয় কত সালে?
  1. 1947 / ১৯৪৭
  2. 1952 / ১৯৫২
  3. 1956 / ১৯৫৬
  4. 1948 / ১৯৪৮
ব্যাখ্যা

(পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা: বাংলা না উর্দু) একটি প্রভাবশালী প্রকাশনা যা ভাষা আন্দোলনের সূচনা ও রাষ্ট্রভাষা সংক্রান্ত বিতর্কে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তমুদ্দিন মজলিশ ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর এটি প্রকাশ করে। মূল বিষয়: পাকিস্তানের নতুন রাষ্ট্রভাষা উর্দু না বাংলা হওয়া নিয়ে বিশ্লেষণ। প্রকাশনাটি বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির স্বীকৃতি ও রক্ষা নিয়ে জনমত গঠনে সহায়ক হয়। এটি পরবর্তীতে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের ভিত্তি গড়ে তোলে।

উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ১ম পত্র

৮৬.
Which was the first war of independence in the Indian subcontinent?/ উপমহাদেশের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম কোনটি?
  1. Paik Rebellion (1817)/ পাইক বিদ্রোহ (১৮১৭)
  2. Fakir- Sannyasi Rebellion/ ফকির -সন্ন্যাসী বিদ্রোহ
  3. Sepoy Mutiny (1857)/ সিপাহি বিদ্রোহ (১৮৫৭)
  4. Indigo Rebellion/নীল বিদ্রোহ
ব্যাখ্যা

Sepoy Mutiny (১৮৫৭) বা First War of Independence ভারতের উপমহাদেশে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে সংঘটিত প্রথম বৃহৎ ও সমন্বিত সামরিক বিদ্রোহ। এটি শুধুমাত্র সৈন্যদের বিদ্রোহ ছিল না, বরং কৃষক, স্থানীয় নেতা, রাজা ও সাধারণ জনগণও এতে অংশ নিয়েছিলেন। বিদ্রোহটি সামরিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক দিক থেকে ব্যাপক এবং ব্রিটিশদের সরাসরি চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা যায়। তাই ইতিহাসবিদরা এটিকে “First War of Indian Independence” / ভারতের প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধ বলে অভিহিত করেন।

উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ১ম পত্র

৮৭.
During the Liberation War of Bangladesh, what was the most popular program of Swadhin Bangla Betar Kendra?/ মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সবচেয়ে জনপ্রিয় অনুষ্ঠান কী ছিল?
  1. Charampatra / চরমপত্র
  2. Chhayanat / ছায়ানাট
  3. Muktir Gaan / মুক্তির গান
  4. Radio News Bulletin / রেডিও নিউজ বুলেটিন
ব্যাখ্যা

চরমপত্র, বিশেষ ব্যঙ্গ রচনা, চরমপত্র লিখতেন এবং পড়তেন এম আর আখতার মুকুল। অনুষ্ঠানটি পরিকল্পনা করেছিলেন আবদুল মান্নান এমএনএ। নামকরণ করেছিলেন আশফাকুর রহমান খান। অনুষ্ঠানটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে। যার শুরু ২৫ মে এবং শেষ ১৬ ডিসেম্বর।

prothomalo.com

৮৮.
In which force did Sergeant Zahurul Haque serve?/ সার্জেন্ট জহুরুল হক কোন বাহিনীতে ছিলেন?
  1. Army / সেনাবাহিনী
  2. Mukti Bahini / মুক্তিবাহিনী
  3. Navy / নৌবাহিনী
  4. Air Force / বিমান বাহিনী
ব্যাখ্যা

জহুরুল হক (১৯৩৫-১৯৬৯) পাকিস্তান বিমান বাহিনীর সার্জেন্ট ছিলেন। তাঁকে বিচারাধীন অবস্থায় জেলে হত্যা করা হয়। ১৯৬৮ সালের ‘রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য মামলা’ নামক আগড়তলা ষড়যন্ত্র মামলার ৩৫ জন আসামির মধ্যে তিনি অন্যতম ছিলেন। ১৯৬৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি সকাল বেলা একজন পাকিস্তানি হাবিলদার জেলের একটি সেলের দরজায় দাঁড়ানো জহুরুল হককে সামনাসামনি গুলি করে আহত করে। তাঁকে সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে রাত ১০টার দিকে তিনি মারা যান।

উৎস-বাংলাপিডিয়া

৮৯.
Where was the Afsar’s Battalion formed during the Bangladesh Liberation War? / আফসার বাহিনী কোন এলাকায় গড়ে ওঠে?
  1. Mymensingh / ময়মনসিংহ
  2. Chittagong / চট্টগ্রাম
  3. Comilla / কুমিল্লা
  4. Rajshahi / রাজশাহী
ব্যাখ্যা

আফসার বাহিনী (আফসার যুদ্ধ নামেও পরিচিত) বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনীর একটি উপ গ্রুপ ছিল। মেজর আফসারউদ্দিন আহমেদ এই ব্যাটালিয়ন গঠনের জন্য ময়মনসিংহে ১১নং সেক্টর স্বাধীনতা সংগ্রামীদের সংগঠিত করেন। এই ব্যাটালিয়ন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কাছ থেকে অস্ত্র সংগ্রহ করে এবং এই অঞ্চলে মুক্ত এলাকা গড়ে তোলে। এই দলের প্রধান ছিলেন মেজর আফসারউদ্দিন আহমেদ।

উৎস-বাংলাপিডিয়া

৯০.
What was the first capital of Bangladesh? / বাংলাদেশের প্রথম রাজধানীর নাম কি?
  1. Dhaka / ঢাকা
  2. Chittagong / চট্টগ্রাম
  3. Mujibnagar / মুজিবনগর
  4. Khulna / খুলনা
ব্যাখ্যা

মুজিবনগর হলো বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের সময় ১৯৭১ সালের প্রাথমিক সরকারী রাজধানী। ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ঘাটাইলের কাছে মুজিবনগরে শপথ গ্রহণ করে। এই সময় ঢাকা পাকিস্তানি সেনাদের দখলে থাকায় সরকার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য মুজিবনগরকে রাজধানী ঘোষণা করা হয়। মুজিবনগরেই স্বাধীনতার সরকারীর মূল নীতি ও নির্দেশনা দেয়া হয় এবং মুক্তিযুদ্ধের প্রশাসনিক কার্যক্রম চালানো হয়।

উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ১ম পত্র

৯১.
In which area was the Zia Force formed during the Bangladesh Liberation War? / জিয়া বাহিনী গঠিত হয় কোন অঞ্চলে?
  1. Sundarban / সুন্দরবন অঞ্চলে
  2. Dhaka & Chittagong / ঢাকা ও চট্টগ্রাম
  3. Comilla & Sylhet / কুমিল্লা ও সিলেট
  4. Rajshahi & Bogura / রাজশাহী ও বগুড়া
ব্যাখ্যা

জিয়াউদ্দিন আহমেদ ১৯৬৯ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন এবং সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট পদে যোগদান করেন। তিনি ১৯৭১ সালে সেনাবাহিনীর মেজর হিসেবে পশ্চিম পাকিস্তানে কর্মরত ছিলেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার প্রারম্ভে মার্চ মাসের ২০ তারিখ তিনি ছুটি নিয়ে দেশে আসেন এবং মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। তিনি ৯ নং সেক্টরের আওতাধীন সুন্দরবন উপ-সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন। তিনি প্রথম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের কমান্ডার ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে সুন্দরবন অঞ্চলে শত্রুদমনে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার জন্য তাকে ‘মুকুটহীন সম্রাট’ উপাধি দেওয়া হয়। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি ব্যারাকে ফিরে যান এবং মেজর হিসেবে পদমর্যাদা পান।

মেজর জিয়াউদ্দিন আহমেদ-অগ্নিঝরা মার্চ সাক্ষাৎকার

৯২.
On which date did the first provisional government of Bangladesh take oath? / বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার শপথ নেয় কত তারিখ?
  1. 10 April 1971 / ১০ এপ্রিল ১৯৭১
  2. 25 March 1971 / ২৫ মার্চ ১৯৭১
  3. 17 April 1971 / ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
  4. 26 March 1971 / ২৬ মার্চ ১৯৭১
ব্যাখ্যা

মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়। ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে। মুজিবনগর সরকারের কর্মকান্ড বাংলাদেশ ভূখন্ডের বাইরে থেকে পরিচালিত হয়েছিল বলে এ সরকার প্রবাসী মুজিবনগর সরকার হিসেবেও খ্যাত।

উৎস-বাংলাপিডিয়া

৯৩.
How long did the United Front government last? / যুক্তফ্রন্ট সরকার কতদিন স্থায়ী ছিল?
  1. 52 days/ ৫২ দিন
  2. 53 days / ৫৩ দিন
  3. 57 days / ৫৭ দিন
  4. 56 days / ৫৬ দিন
ব্যাখ্যা

যুক্তফ্রন্ট সরকার (United Front Government) ছিল 1954 সালের প্রাথমিক পূর্ব পাকিস্তান রাজনীতির একটি জোট। ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট বিজয় লাভ করে ১৯৫৪ সালের ৩ এপ্রিল মন্ত্রিসভা গঠন করে। কিন্তু মুসলিম লীগ সরকার ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের ৯২(ক) ধারা বলে ১৯৫৪ সালের ৩০মে যুক্তফ্রন্ট সরকার বাতিল করে। মোট ৫৬ দিন টিকে ছিল এই সরকার।

উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ১ম পত্র

৯৪.
Which place in Dhaka is associated with the memory of the Sepoy Mutiny of 1857?/ ঢাকায় ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহের স্মৃতি জড়িত স্থান কোনটি?
  1. Lalbagh Fort / লালবাগ কেল্লা
  2. Bahadur Shah Park/ বাহাদুর শাহ পার্ক
  3. Ahsan Manzil / আহসান মঞ্জিল
  4. Husaini Dalan / হুসাইনী দালান
ব্যাখ্যা

Bahadur Shah Park ঢাকার একটি ঐতিহাসিক স্থান যা বিশেষভাবে ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহ (Sepoy Mutiny) বা First War of Indian Independence-এর স্মৃতির সঙ্গে জড়িত। ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের পর ব্রিটিশ শাসকরা ঢাকায় বিভিন্ন বিদ্রোহী সিপাহি ও স্থানীয় নেতাদের গুলি করেছিলেন। এই হত্যাকাণ্ড ও স্মৃতিসংক্রান্ত ঘটনাগুলো বাহাদুর শাহ পার্কে ঘটেছিল। তাই এটি ঢাকা শহরের মধ্যে সিপাহি বিদ্রোহের স্মৃতি সংরক্ষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান।

উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ১ম পত্র

৯৫.
Where did Dudu Miyan pass away?/ দুদু মিয়া কোথায় ইন্তেকাল করেন?
  1. Dhaka/ ঢাকা
  2. Faridpur/ ফরিদপুর
  3. Chittagong/ চট্টগ্রাম
  4. Murshidabad/ মুর্শিদাবাদ
ব্যাখ্যা

দুদু মিয়া (১৮১৯-১৮৬২) হাজী শরীয়তউল্লাহর একমাত্র পুত্র। তিনি ১৮১৯ সালে মাদারীপুর জেলার শ্যামাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর আসল নাম মুহসীনউদ্দীন। ‘দুদু মিয়া’ ছিল তাঁর ডাক নাম। ১৮৪০ সালে পিতার মৃত্যুর পর দুদু মিয়া ফরায়েজী আন্দোলন এর নেতৃত্ব লাভ করেন।দুদু মিয়াকে ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিপ্লব এর পর সরকার বন্দি করে। ১৮৬১ সালে মুক্তির পূর্বপর্যন্ত কলকাতার নিকটবর্তী আলীপুর জেলে তাঁকে আটক রাখা হয়। ১৮৬২ সালে ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

বাংলাপিডিয়া

৯৬.
In which year did the Paik Rebellion of Odisha take place?/ কত খ্রিস্টাব্দে উড়িষ্যার পাইক বিদ্রোহ সংঘটিত হয়?
  1. 1757/১৭৫৭
  2. 1817 /১৮১৭
  3. 1857/১৮৫৭
  4. 1827/১৮২৭
ব্যাখ্যা

পাইকা বিদ্রোহ , যা পাইকা বিদ্রোহ বা পাইক বিদ্রোহ নামেও পরিচিত । এটি ছিল ১৮১৭ সালে ভারতে কোম্পানি শাসনের বিরুদ্ধে একটি প্রাথমিক সশস্ত্র বিদ্রোহ । পাইকারা তাদের নেতা বক্সী জগবন্ধুর নেতৃত্বে বিদ্রোহে লিপ্ত হয় এবং ভগবান জগন্নাথকে ওড়িয়া ঐক্যের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরে, কোম্পানির বাহিনী কর্তৃক দমনের আগে বিদ্রোহটি দ্রুত ওড়িশার বেশিরভাগ অংশে ছড়িয়ে পড়ে ।

ড.আশফাক হোসেন- বাংলাদেশের ইতিহাসের রূপরেখা

৯৭.
Who led the Fakir group?/ ফকির দলের নেতৃত্ব দেন কে?
  1. Majnu Shah / মজনু শাহ
  2. Shariatullah/ শরীয়তুল্লাহ
  3. Dudu Miyan/ দুদু মিয়া
  4. Titu Mir/তিতুমীর
ব্যাখ্যা

ফকির দল ছিল ১৮শ শতকের শেষের দিকে ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে গঠিত একটি বিদ্রোহী দল, যা মূলত ফকির ও ধর্মীয় নেতাদের নেতৃত্বে সংঘটিত হয়েছিল। মজনু শাহ ছিলেন এই দলের প্রধান নেতা। তার নেতৃত্বে দলটি বিহার, পশ্চিমবঙ্গ এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের বিভিন্ন এলাকায় ব্রিটিশ শাসকের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ চালায়। এই দলের মূল লক্ষ্য ছিল স্থানীয় জনগণকে রক্ষা ও ব্রিটিশ দমননীতি প্রতিহত করা।

ড.আশফাক হোসেন- বাংলাদেশের ইতিহাসের রূপরেখা

৯৮.
Which language word is "Wahabi"?/ ওয়াহাবি কোন শব্দ?
  1. Urdu/উর্দু
  2. Turkish/তুর্কি
  3. Persian/পারস্য
  4. Arabic/আরবি
ব্যাখ্যা

ওয়াহাবি” শব্দটি এসেছে আরবি ভাষা থেকে। এটি মুহাম্মদ ইবনে আবদুল ওহাব দ্বারা প্রতিষ্ঠিত ইসলামী আন্দোলন “Wahhabism” নির্দেশ করে। শব্দের মূল অর্থ হলো “ওহাবের অনুসারী” বা “ওহাববাদী”, যা ইসলামী ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলনের সাথে সম্পর্কিত। এই শব্দ আরবি ব্যাকরণ অনুযায়ী গঠিত এবং অন্যান্য ভাষায় (ফার্সি, উর্দু, তুর্কি) প্রয়োগ করা হয়েছে, তবে মূল উৎপত্তি আরবি।

ড.আশফাক হোসেন- বাংলাদেশের ইতিহাসের রূপরেখা

৯৯.
Why is Lord William Bentinck considered a symbol of the Victorian era in India?/ কি কারণে লর্ড বেন্টিঙ্ককে ভিক্টোরিয়ান যুগের মূর্ত প্রতীক বলা হয়?
  1. Because he expanded British territories / ব্রিটিশ সাম্রাজ্য সম্প্রসারণের কারণে
  2. Because he introduced Subsidiary Alliance / অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি চালু করার কারণে
  3. Because he introduced liberal social, educational and judicial reforms / সমাজ, শিক্ষা ও বিচার ক্ষেত্রে উদার সংস্কার চালু করার কারণে
  4. Because he fought wars against Tipu Sultan / টিপু সুলতানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নেওয়ার কারণে
ব্যাখ্যা

লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক (Governor-General of India: 1828–1835) কে ভিক্টোরিয়ান যুগের মূর্ত প্রতীক বলা হয়, কারণ তিনি ভারতে উদারপন্থী, মানবিক ও সংস্কারমূলক নীতি গ্রহণ করেছিলেন, যা ব্রিটিশ ভিক্টোরিয়ান মূল্যবোধের প্রতিফলন ঘটায়।
সামাজিক সংস্কার- সতীদাহ প্রথা বিলোপ (1829): রাজা রামমোহন রায়ের মতো সমাজ সংস্কারকদের সহযোগিতায় সতীদাহ নিষিদ্ধ করেন। ঠগী দমন :ঠগীদের অপরাধমূলক কার্যকলাপ দমন করেন। শিক্ষা সংস্কার- 1835 সালে ম্যাকাউলের শিক্ষা নীতি অনুমোদন করেন, যা ইংরেজি শিক্ষার প্রসার ঘটায়। কলা, বিজ্ঞান ও পশ্চিমা শিক্ষার ভিত্তিতে আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তন। বিচার ও প্রশাসনিক সংস্কার- জুরি ব্যবস্থা চালু করেন। প্রশাসনিক খরচ কমানোর জন্য সেনা ও কর্মচারীদের বেতন হ্রাস করেন। ভূমি রাজস্ব সংগ্রহে সংস্কার আনেন।উদারপন্থী নীতি- ধর্মীয় নিরপেক্ষতা বজায় রাখার চেষ্টা। ভারতীয় সমাজে ব্রিটিশ উদার চিন্তাধারা ও ভিক্টোরিয়ান নৈতিকতা প্রচলন।

উৎস- দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)।

১০০.
উচ্চারণ স্থান অনুসারে 'র' কোন ধরনের ধ্বনি?
  1. কণ্ঠ্য
  2. তালব্য
  3. দন্তমূলীয়
  4. মূর্ধন্য
ব্যাখ্যা

• দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন:
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা উপরের পাটির দাঁতের গোড়ার সঙ্গে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন বলে। নানা, রাত, লাল, সালাম প্রভৃতি শব্দের ন, র, ল, স দন্তমূলীয় ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

অন্যদিকে,
• মূর্ধন্য ব্যঞ্জন:
দন্তমূল এবং তালুর মাঝখানে যে উঁচু অংশ থাকে তার নাম মূর্ধা। যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা মূর্ধার সঙ্গে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে মূর্ধন্য ব্যঞ্জন বলে। টাকা, ঠেলাগাড়ি, ডাকাত, ঢোল, গাড়ি, মূঢ় প্রভৃতি শব্দের ট, ঠ, ড, ঢ, ড়, ঢ় মূর্ধন্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

• কণ্ঠ্য ব্যঞ্জন:
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের পিছনের অংশ উঁচু হয়ে আলজিভের কাছাকাছি নরম তালুর কাছে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে কণ্ঠ্য ব্যঞ্জন বলে। কাকা, খালু, গাধা, ঘাস, কাঙাল প্রভৃতি শব্দের ক, খ, গ, ঘ, ঙ কণ্ঠ্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

• তালব্য ব্যঞ্জন:
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা খানিকটা প্রসারিত হয়ে শক্ত তালুর কাছে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে তালব্য ব্যঞ্জন বলে। চাচা, ছাগল, জাল, ঝড়, শসা প্রভৃতি শব্দের চ, ছ, জ, ঝ, শ তালব্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

১০১.
নিচের কোন শব্দটিতে ‘ণ’ - এর ভুল প্রয়োগ ঘটেছে?
  1. আপণ
  2. বিপণি
  3. পিণ্ডারি
  4. নিপুণ
ব্যাখ্যা

• তৎসম শব্দের বানানে ণ-এর সঠিক ব্যবহারের নিয়মকে ণ-ত্ব বিধান বলে।

• ‘ণ’ - এর ভুল প্রয়োগ ঘটেছে- পিণ্ডারি শব্দে।
• 'পিণ্ডারি' শব্দটির সঠিক বানান - পিন্ডারি।
• 'পিন্ডারি' অর্থ- মহারাষ্ট্রীয় অশ্বারোহী দস্যুদল, বর্গি।
'পিন্ডারি' মারাঠি শব্দ। বিদেশি শব্দে ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম খাটে না।

অন্যদিকে,
----------------
• আপণ-

→ আপণ একটি পুরনো তদ্ভব শব্দ, যার অর্থ: নিজের মালিকানাধীন বা দোকান।
→ যদিও অনেকেই আপন ভাবেন, আসলে আপণ বানানটিও অভিধানসম্মতভাবে স্বীকৃত।
→ উদাহরণ: “আপণ প্রতিষ্ঠানে সে কর্মরত।”

• বিপণি-
→ শুদ্ধ বানান: বিপণি (অর্থ: দোকান)
→ ‘ণ’ ব্যবহারে ভুল নেই।

• নিপুণ-
→ শুদ্ধ বানান: নিপুণ (অর্থ: দক্ষ/কুশলী)
→ সঠিক প্রয়োগ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, (সংস্করণ-২০১৯); বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১০২.
'অর্থবছর' এর ব্যাসবাক্য-
  1. অর্থ ও বছর
  2. অর্থের বছর
  3. অর্থ রূপ বছর
  4. অর্থ হিসাবের বছর
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো - ঘ) অর্থ হিসাবের বছর।

ব্যাখ্যা:
'অর্থবছর' একটি কর্মধারয় সমাস যার ব্যাসবাক্য হলো "অর্থ হিসাবের বছর"।

'অর্থবছর' এর প্রকৃত অর্থ: সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক আর্থিক হিসাব-নিকাশের জন্য নির্ধারিত ১২ মাসের সময়কাল, যা সাধারণত ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত হয়ে থাকে।

মধ্যপদলোপী কর্মধারয়:
- যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যপদের লোপ হয়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে।

যেমন:
- স্মৃতি রক্ষার্থে সৌধ = স্মৃতিসৌধ,
- সাহিত্য বিষয়ক সভা = সাহিত্যসভা,
- হাসি মাখা মুখ = হাসিমুখ,
- গণ নিয়ন্ত্রিত তন্ত্র = গণতন্ত্র ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২১ সংস্করণ)।

১০৩.
'যথার্থ' শব্দটি সন্ধি-বিচ্ছেদর কোন নিয়মে হয়েছে?
  1. স্বরসন্ধির
  2. ব্যঞ্জনসন্ধির
  3. বিসর্গসন্ধির
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

• 'যথার্থ' এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ = যথা + অর্থ।
- এটি স্বরসন্ধির উদাহরণ।

• সন্ধির নিয়ম:
- আ + অ = আ; সূত্র যোগে গঠিত শব্দ।

এরূপ আরও কিছু শব্দ,
- আশা + অতীত = আশাতীত,
- কথা + অমৃত = কথামৃত,
- মহা + অর্ঘ = মহার্ঘ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), ভাষা শিক্ষা- ড.হায়াৎ মামুদ, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১০৪.
কালকেতু উপাখ্যানের কবি কে?
  1. ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
  2. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
  3. কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ
  4. বিজয় গুপ্ত
ব্যাখ্যা

• কালকেতু উপাখ্যান মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর "চণ্ডীমঙ্গল" কাব্যের একটি অংশ।

• চণ্ডীমঙ্গল’ কাব্য:

- 'চণ্ডীমঙ্গল’ চণ্ডী নামক লৌকিক-পৌরাণিক দেবীর পূজা প্রচারের কাহিনি অবলম্বনে লিখিত কাব্য।
- চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের আদি কবি মানিক দত্ত।
- চণ্ডীমঙ্গল ধারার প্রধান বা শ্রেষ্ঠ কবির নাম মুকুন্দরাম চক্রবর্তী৷

• এই কাব্যের দুটি উপাখ্যান রয়েছে-
১. একটি ব্যাধ দম্পতি কালকেতু ও ফুল্লরার কাহিনি, চণ্ডী বরে কালকেতুর ধনপ্রাপ্তি নতুন রাজ্যপত্তন, ধূর্ত ভাড়ুদত্তের ষড়যন্ত্রে প্রতিবেশী রাজার সঙ্গে যুদ্ধ।
২. দ্বিতীয় উপাখ্যানের নায়ক ধনপতি সওদাগর, অন্যান্য প্রধান চরিত্র তার দুই স্ত্রী লহনা ও খুল্লনা।

- চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কবি দ্বিজ মাধবকে 'স্বভাব কবি' বলা হয়।
- চণ্ডীমঙ্গল কাব্যে অন্যান্য কবি গুলো হলো: দ্বিজ রামদেব, মুক্তারাম সেন, হরিরাম, লালা জয়নারায়ণ সেন, ভবানীশঙ্কর দাস, অকিঞ্চন চক্রবর্তী।

• ‘কালকেতু উপাখ্যানে’ ফুল্লরার উদ্দেশ্যে কালকেতু বলেছে:
শাশুড়ি ননদি নাহি নাহি তোর সতা।
কার সঙ্গে দ্বন্দ্ব করি চক্ষু কৈলি রাতা।।

• চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্রগুলাে হলো:
- কালকেতু,
- ফুল্লরা,
- ধনপতি,
- ভাঁড়ুদত্ত,
- মুরারি শীল প্রমুখ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া; (‘কালকেতু উপাখ্যান’: মুকুন্দরাম চক্রবর্তী)।

১০৫.
'Profiteer' এর বাংলা পরিভাষা -
  1. শিক্ষানবিস
  2. মুনাফাখোর
  3. প্রতারণা
  4. কার্যক্রম-সমন্বয়ক
ব্যাখ্যা

• 'Profiteer' এর বাংলা পরিভাষা - মুনাফাখোর।

অন্যদিকে,
• 'Apprentice' এর বাংলা পরিভাষা- 'শিক্ষানবিস'।
• 'Deceit' এর বাংলা পরিভাষা- 'প্রতারণা'।
• ‘Programme co-ordinator’ শব্দের বাংলা পরিভাষা - 'কার্যক্রম সমন্বয়ক'।

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা।

১০৬.
"ঘরের খেয়ে পরের মোষ তাড়ানো।" বাক্যটি কোন কারণে অশুদ্ধ?
  1. বানান ভুল আছে
  2. প্রত্যয়সাধিত শব্দের ভুল প্রয়োগ
  3. প্রবাদের বিকৃতি
  4. বিশেষ্য-বিশেষণের অপপ্রয়োগ ঘটেছে
ব্যাখ্যা

• "ঘরের খেয়ে পরের মোষ তাড়ানো" বাক্যটি অশুদ্ধ কারণ এটি একটি প্রচলিত প্রবাদের বিকৃত রূপ।

সঠিক প্রবাদ: "ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো"।

প্রবাদের অর্থ: "ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো" মানে নিজের ঘরে খাওয়া-দাওয়া করে অন্যের (বনের) কাজ করা - অর্থাৎ কৃতজ্ঞতা না দেখিয়ে অন্যের পক্ষে কাজ করা।

অশুদ্ধতার ধরন:
প্রাচীন প্রবাদের প্রচলিত রূপে পরিবর্তন ঘটিয়ে ভুল শব্দ ব্যবহার করলে বাক্যে অশুদ্ধি ঘটে।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।

১০৭.
'বন্দর' কোন ভাষার শব্দ?
  1. তৎসম
  2. আরবি
  3. মারাঠি
  4. ফারসি
ব্যাখ্যা

• 'বন্দর':
- শব্দটি ফারসি ভাষা হতে আগত।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
এর অর্থ:
- সমুদ্র বা নদীর তীরবর্তী স্থান যেখানে নৌযানে পণ্য বোঝাই বা খালাস করা হয়।

• ফারসি ভাষা থেকে আগত আরো কিছু শব্দ হলো:
গ্রেপ্তারি, গ্রেফতার, দারোগা, লুঙ্গি, সাদা, আসমান, কাজি, খোয়াব, চেহারা, কাগজ, চশমা, চারপায়া, ছয়লাপ ইত্যাদি।

সূত্র: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

১০৮.
‘ইচ্ছা’ এর সমার্থক শব্দ নয় কোনটি?
  1. স্পৃহা
  2. বাঞ্ছা
  3. বাসনা
  4. আহ্লাদ
ব্যাখ্যা

• ‘ইচ্ছা’ এর সমার্থক শব্দ:
- আকাঙ্ক্ষা, আশা, ইচ্ছা, প্রার্থনা, চাওয়া, স্পৃহা, অভিপ্রায়, সাধ, অভিরুচি, প্রবৃত্তি, মনোরথ, ঈপ্সা, অভীপ্সা, বাসনা, কামনা, বাঞ্ছা

অন্যদিকে,
‘আনন্দ’ শব্দের সমার্থক শব্দ:
- খুশি, আমোদ, মজা, হর্ষ, আহ্লাদ, স্ফূর্তি, সন্তোষ, পরিতোষ, প্রমোদ, উল্লাস, উচ্ছ্বাস।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

১০৯.
মুসলমান নারী কর্তৃক লিখিত বাংলা সাহিত্যকর্ম ‘রূপজালাল’–এর লেখক–
  1. বেগম রোকেয়া
  2. নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরী
  3. রহিমুন্নিসা
  4. শামসুর নাহার
ব্যাখ্যা

• 'রূপজালাল' এর পরিচিতি:
- গদ্যে-পদ্যে নবাব ফয়জুন্নেসা রচিত রূপজালাল (১৮৭৬) গ্রন্থটি রূপকের আশ্রয়ে একটি আত্মজীবনীমূলক রচনা।
- এতে তাঁর বিড়ম্বিত দাম্পত্য জীবনের করুণ কাহিনি স্থান পেয়েছে।
- এটি ১৮৭৬ সালে ঢাকা থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- এটি সম্ভবত বাংলার একজন মুসলিম মহিলা কর্তৃক প্রথম রচিত একটি পূর্ণাঙ্গ সাহিত্যকর্ম।
- ফয়জুন্নেসার নিজের একটি লাইব্রেরি ছিল। সেখানে তিনি বিভিন্ন সাহিত্য ও ধর্মবিষয়ক গ্রন্থাদি পাঠ করতেন। তাঁর স্বোপার্জিত জ্ঞানের প্রতিফলন লক্ষ করা যায় উক্ত প্রতীকাশ্রয়ী গ্রন্থটিতে।
- পুথি ও জারিগানের মিশ্র ধারায় লিখিত এ গ্রন্থটি শুরু হয়েছে আল্লাহর প্রশংসা এবং নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে।
- সমকালীন বাংলায় মুসলমানদের সাহিত্যচর্চার প্রচলিত রীতি অনুযায়ী ফয়জুন্নেসা তাঁর লেখায় অনেক আরবি, ফার্সি ও উর্দু শব্দ ব্যবহার করেছেন।

------------------
নবাব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী:
- নবাব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী ছিলেন জমিদার, নারীশিক্ষার প্রবর্তক, সমাজসেবক ও কবি।
- কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলাধীন পশ্চিমগাঁও গ্রামে এক জমিদার বংশে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা আহমদ আলী চৌধুরী ছিলেন হোমনাবাদ-পশ্চিমগাঁও-এর জমিদার।
- পারিবারিক পরিবেশে গৃহশিক্ষকের তত্ত্বাবধানে বাড়িতেই তিনি শিক্ষালাভ করেন। মুসলমানদের কঠিন পর্দাপ্রথার মধ্যে থেকেও ফয়জুন্নেসা আরবি, ফারসি ও উর্দুর পাশাপাশি বাংলা ও সংস্কৃত ভাষায়ও ব্যুৎপত্তি অর্জন করেন।

- নবাব ফয়জুন্নেসা আলোচিত আত্মজীবনীমূলক রচনা রূপজালাল।
- এছাড়া সঙ্গীতসার ও সঙ্গীতলহরী নামে তাঁর দুখানি কাব্যের কথাও জানা যায়। উল্লেখ্য যে, নবাব ফয়জুন্নেসা এমন এক সময়ে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের চর্চা করেন যখন অভিজাত মুসলমানদের মধ্যে এই ভাষা সাধারণত ব্যবহৃত হতো না।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১১০.
'গন্তব্য' এর সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় কোনটি?
  1. √ গম্‌ + অব্য
  2. √ গন্‌ + তব্য
  3. √ গম্ + তব্য
  4. √ গন্ত + অ
ব্যাখ্যা

• 'গন্তব্য'- এর সঠিক প্রকৃতি প্রত্যয় - √ গম্ + তব্য।

এখানে,
- '√ গম্‌' সংস্কৃত ক্রিয়াপ্রকৃতি এবং 'তব্য' সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়।
- শব্দের অর্থ: গমনের লক্ষ্য।

- ধাতুর সঙ্গে যখন কোনো ধ্বনি বা ধ্বনি-সমষ্টি যুক্ত হয়ে বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ তৈরি হয়, তখন ক্রিয়ামূল বা ধাতুকে বলা হয় ক্রিয়া প্রকৃতি বা প্রকৃতি।

- ক্রিয়া প্রকৃতির সঙ্গে যে ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টি যুক্ত হয়, তাকে বলে কৃৎ-প্রত্যয়।
- যেমন- চল্ (ক্রিয়া প্রকৃতি)+ অন (কৃৎ-প্রত্যয়)= চলন (বিশেষ্য পদ)।

উৎস:বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।

১১১.
'সজ্জন' এর বিপরীত শব্দ -
  1. বর্জন
  2. অসজ্জন
  3. দুর্জন
  4. খ এবং গ উভয়ই
ব্যাখ্যা

• 'সজ্জন' এর অর্থ: সৎলোক; সাধু ব্যক্তি।
- অসজ্জন অর্থ: অসাধু বা দুষ্ট লোক।
- 'দুর্জন' অর্থ - দুষ্ট বা খারাপ লোক।

সুতরাং,
• 'সজ্জন' এর বিপরীত শব্দ - "অসজ্জন এবং দুর্জন" উভয়ই।

• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিপরীত শব্দ:
• 'বর্জন' এর বিপরীত শব্দ - গ্রহণ।
• 'উৎকর্ষ' এর বিপরীত শব্দ - অপকর্ষ।
• 'গৃহী' এর বিপরীত শব্দ - সন্ন্যাসী।
• 'দাতা' এর বিপরীত শব্দ - গ্রহীতা।
• 'ক্ষয়িষ্ণু' এর বিপরীত শব্দ - বর্ধিষ্ণু।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১১২.
নিম্নবিবৃত স্বরধ্বনি —




ব্যাখ্যা

• নিম্নবিবৃত স্বরধ্বনি — আ।

• স্বরধ্বনির উচ্চারণ:
উচ্চারণের সময়ে জিভের উচ্চতা অনুযায়ী, জিভের সম্মুখ-পশ্চাৎ অবস্থান অনুযায়ী এবং ঠোঁটের উন্মুক্তি অনুযায়ী স্বরধ্বনিকে ভাগ করা হয়।

উচ্চারণের সময়ে জিভ কতটা নিচে নামে সেই অনুযায়ী স্বরধ্বনি চার ভাগে বিভক্ত।
যথা -
১. উচ্চ স্বরধ্বনি - ই, উ।
২. উচ্চ -মধ্য স্বরধ্বনি - এ, ও।
৩. নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনি - অ্যা, অ।
৪. নিম্ন স্বরধ্বনি - আ।

• স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট কতটুকু খোলা বা বন্ধ থাকে অর্থাৎ কী পরিমাণ উন্মুক্ত হয়, তার ভিত্তিতে স্বরধ্বনি চার ভাগে বিভক্ত।
- সংবৃত: [ই], [উ]।
- অর্ধ-সংবৃত: [ এ ], [ও]।
- বিবৃত: [আ]।
- অর্ধ-বিবৃত: [অ্যা], [অ]।

• সংবৃত স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট কম খোলে; বিবৃত স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট বেশি খোলে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

১১৩.
"মুহূর্ত তুলিয়া শির একত্র দাঁড়াও দেখি সবে,
যার ভয়ে তুমি ভীত সে অন্যায় ভীরু তোমা চেয়ে,
যখনি জাগিবে তুমি তখনি সে পলাইবে ধেয়ে।"- কে লিখেছেন?
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. হাসান আজিজুল হক
  3. সুকান্ত ভট্টাচার্য
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা

• "মুহূর্ত তুলিয়া শির একত্র দাঁড়াও দেখি সবে,
যার ভয়ে তুমি ভীত সে অন্যায় ভীরু তোমা চেয়ে,
যখনি জাগিবে তুমি তখনি সে পলাইবে ধেয়ে।" - কবিতাংশুটুকুর রচয়িতা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। এটি তাঁর 'চিত্রা' কাব্যগ্রন্থের এবার ফিরাও মোরে- কবিতার অংশবিশেষ।

'চিত্রা' কাব্যগ্রন্থ:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কাব্যগ্রন্থ 'চিত্রা'।
- ১৩০২ বঙ্গাব্দ মোতাবেক ১৮৯৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই কাব্যগ্রন্থে মোট ৩৫টি কবিতা রয়েছে।

এবার ফিরাও মোরে- কবিতার অংশবিশেষ-

মুহূর্ত তুলিয়া শির একত্র দাঁড়াও দেখি সবে,
যার ভয়ে তুমি ভীত সে অন্যায় ভীরু তোমা চেয়ে,
যখনি জাগিবে তুমি তখনি সে পলাইবে ধেয়ে;
যখনি দাঁড়াবে তুমি সম্মুখে তাহার, তখনি সে
পথকুক্কুরের মতো সংকোচে সত্রাসে যাবে মিশে;
দেবতা বিমুখ তারে, কেহ নাহি সহায় তাহার,
মুখে করে আস্ফালন, জানে সে হীনতা আপনার
মনে মনে। (সংক্ষেপিত)

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২ শ্রাবণ ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর নিজ বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, চিত্রা কাব্যগ্রন্থ- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও বাংলাপিডিয়া।

১১৪.
সাকিব বলল, "আমি এখানে থাকব"। - বাক্যটির পরোক্ষ উক্তিতে রূপান্তর কোনটি?
  1. সাকিব বলল যে, সে সেখানে থাকবে।
  2. সাকিব বলল, "আমি সেখানে থাকব।"
  3. সাকিব বলল, "সে এখানে থাকবে।
  4. সাকিব জানাল যে আমি এখানে থাকব।
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর — ক) সাকিব বলল যে, সে সেখানে থাকবে।

ব্যাখ্যা:
প্রত্যক্ষ উক্তি: বলল সাকিব, "আমি এখানে থাকব"।
সঠিক পরোক্ষ উক্তি: সাকিব বলল যে, সে সেখানে থাকবে।

উক্তি রূপান্তরের নিয়মসমূহ:
১. পুরুষের পরিবর্তন:
"আমি" → "সে" (প্রথম পুরুষ থেকে তৃতীয় পুরুষে)।

২. স্থানের পরিবর্তন:
"এখানে" → "সেখানে" (নিকট স্থান থেকে দূর স্থানে)।

৩. বাক্য গঠন:
উদ্ধৃতি চিহ্ন সরিয়ে "যে" সংযোজক অব্যয়।

৪. ক্রিয়ার রূপ:
"থাকব" → "থাকবে" (পুরুষ অনুযায়ী পরিবর্তন)।

অন্যান্য অপশনগুলো কেন ভুল:
ক) এখনও প্রত্যক্ষ উক্তি (উদ্ধৃতি চিহ্ন আছে) এবং পুরুষ পরিবর্তন হয়নি।
গ) পুরুষ ও স্থান পরিবর্তন হয়নি ("আমি এখানে" রয়ে গেছে)।
ঘ) এখনও প্রত্যক্ষ উক্তি (উদ্ধৃতি চিহ্ন আছে)।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।

১১৫.
"বীণার ঝঙ্কারসম যে প্রীতি ধ্বনিত হয় নিতি।" - এখানে 'প্রীতি' কোন পদ?
  1. বিশেষ্য
  2. বিশেষণ
  3. অব্যয়
  4. ক্রিয়া বিশেষণ
ব্যাখ্যা

• "বীণার ঝঙ্কারসম যে প্রীতি ধ্বনিত হয় নিতি" - এই বাক্যে 'প্রীতি' একটি বিশেষ্য পদ।

তবে,
"প্রীতিময় মুখ" - এখানে 'প্রীতিময়' বিশেষণ।
------------
এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ শব্দ:
- গাম্ভীর্য হলো বিশেষ্য পদ।
- গাম্ভীর্য শব্দের বিশেষণ রূপ - গম্ভীর।
- 'ইচ্ছা' শব্দটি বিশেষ্য পদ।
- জাত ও উদ্ধত - বিশেষণ পদ।
- গৈরিক - বিশেষ্য ও বিশেষণ পদ।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

১১৬.
বাংলা একাডেমি কর্তৃক প্রকাশিত প্রথম বই-
  1. লাইলি মজনু
  2. বাংলাদেশের লোকজ সংস্কৃতি গ্রন্থমালা
  3. ব্যবহরিক বাংলা অভিধান
  4. আধুনিক বাংলা অভিধান
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমি কর্তৃক প্রকাশিত প্রথম বই ছিল—
দৌলত উজির বাহ্‌রাম খাঁর- লাইলি মজনু।

বাংলা একাডেমি সম্পর্কিত কিছু তথ্য:
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন এবং এ দেশের মুসলিম মধ্যবিত্তের জাগরণ ও আত্মপরিচয় বিকাশের প্রেরণায় এ প্রতিষ্ঠানের জন্ম হয়।

- বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর।
- প্রথম প্রকাশিত বইটি ছিল লাইলি মজনু, যা মধ্যযুগীয় বাংলা প্রেমকাব্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ।
- পরে একাডেমি আঞ্চলিক ভাষার অভিধান, লোকসংস্কৃতি বিষয়ক গ্রন্থ এবং ব্যবহরিক বাংলা অভিধান, আধুনিক বাংলা অভিধান ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশনা করে।

উৎস: বাংলা একাডেমি; প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট- লিংক।

১১৭.
'লালসালু'- উপন্যাসের কোন চরিত্রটি নারী বিদ্রোহ ও প্রতিবাদের প্রতীক?
  1. রহিমা
  2. আমেনা
  3. জমিলা
  4. হাসুনির মা
ব্যাখ্যা

‘লালসালু’ উপন্যাস সম্পর্কিত আলোচনা:
• ‘লালসালু’ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ রচিত উপন্যাস। ১৯৪৮ সালে কলকাতা থেকে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত।
• এই উপন্যাসে একদিকে যেমন বাংলার গ্রামজীবনের বাস্তব প্রকৃতি ধরা পড়েছে তার সৌন্দর্য, মাধুর্য ও কঠোরতা নিয়ে; তেমনই রূপায়িত হয়েছে অসংখ্য গ্রামীণ মানুষের জীবন।
• নোয়াখালি অঞ্চল থেকে মজিদ নামের একটি কূটচরিত্র গারোপাহাড়ি অঞ্চলে গিয়ে সেই এলাকার মানুষকে ধর্মের নামে কীভাবে শোষণ করে, সেই বাস্তব চিত্র আছে উপন্যাসটিতে।

• ধর্ম ব্যবসায়ী মজিদ অর্থ ও প্রভাব বৃদ্ধির সঙ্গে অল্পবয়সী দ্বিতীয় স্ত্রী গ্রহণ করে। সে গ্রামের মোড়লদেরও প্রভাবিত করে। পাশের গ্রামে অন্য পিরের আগমন হলে, নিজের দাপট খর্ব হবে বিবেচনায়, তাকে মারধর দিয়ে উচ্ছেদ করে।
• তবে স্বল্পবয়সী স্ত্রী জমিলা কর্তৃক মজিদ লাঞ্ছিত হয়। উপন্যাসে জমিলা বিদ্রোহিণী, প্রতিবাদের প্রতীক।
• 'লালসালু'র একটি বহুমাত্রিক ও কালোত্তীর্ণ উপন্যাস।
• ঔপন্যাসিক ধর্মব্যবসায়ীদের উপলক্ষ করে লিখেছেন: 'খোদার এলেমে বুক ভরে না তলায় পেট শূন্য বলে।'
• উপন্যাসটি 'Tree Without Roots' নামে ইংরেজিতে অনূদিত হয়ে (১৯৬৭) খ্যাতি অর্জন করে।
• ওয়ালীউল্লাহর পত্নী অ্যান মেরির ‘লালসালু'র ফরাসি অনুবাদের নাম- ল্য অরবরে সামস মায়েমে (১৯৬১)।

• উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- মজিদ,
- খালেক ব্যাপারি,
- জমিলা,
- রহিমা,
- আমেনা,
- আক্কাস,
- তাহেরের বাপ,
- হাসুনির মা।

-----------------------
• সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌ ছিলেন একজন কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার।
- তিন ১৯২২ সালের ১৫ আগস্ট চট্টগ্রামের ষোলশহরে সৈয়দ বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ফেনি স্কুলের ছাত্রাবস্থায় ‘ভোরের আলো’ নামে হাতে লেখ পত্রিকার সম্পাদনা করেন।
- তাঁর প্রকাশিত প্রথম গল্প ‘হঠাৎ আলোর ঝলকানি’। এটি ঢাকা কলেজ ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়।
- ১৯৪৫ থেকে ১৯৪৭ পর্যন্ত কলকাতার ‘দৈনিক স্টেটসম্যান’ পত্রিকার সহকারী সম্পাদক হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন।
- তারঁ রচিত প্রথম উপন্যাস ‘লালসালু’ (১৯৪৮)।

• তাঁর রচিত অন্যান্য উপন্যাস:
- চাঁদের অমাবস্যা,
- কাঁদো নদী কাঁদো।
- দি আগলি এশিয়ান।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- নয়নচারা,
- দুই তীর ও অন্যান্য গল্প।

• তাঁর রচিত নাটক:
- বহিপীর,
- তরঙ্গভঙ্গ,
- উজান মৃত্যু।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১১৮.
'চৌচির' শব্দের অর্থ কোনটি?
  1. খণ্ডে খণ্ডে বিভক্ত
  2. খণ্ডবিখণ্ড
  3. চার খণ্ডে বা অংশে বিভক্ত
  4. উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা

• বাংলা একাডেমি আধুনিক বানান অভিধান অনুসারে,
'চৌচির' শব্দের অর্থ- খণ্ডে খণ্ডে বিভক্ত; খণ্ডবিখণ্ড; চার খণ্ডে বা অংশে বিভক্ত।
অর্থ্যাৎ, সঠিক উত্তর - অপশন (ঘ)।



আরো কিছু শব্দার্থ:
- আভরণ শব্দের অর্থ - অলঙ্কার,
- আভাষ শব্দের অর্থ - ভূমিকা বা আলাপ,
- ‘সওগাত’ শব্দের অর্থ - উপঢৌকন; উপহার,
- আশীষ শব্দের অর্থ- শীর্ষ পর্যন্ত,
- আশি শব্দের অর্থ- ৮০ সংখ্যা,
- আশী শব্দের অর্থ- বিষদাঁত।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

১১৯.
নিচের কোনটি যৌগিক ক্রিয়ার উদাহরণ?
  1. গরম করা
  2. উদয় হওয়া
  3. এগিয়ে চলা
  4. ঠনঠন করা
ব্যাখ্যা

• যৌগিক ক্রিয়ার উদাহরণ - এগিয়ে চলা।
-------------------------------
• যৌগিক ক্রিয়া:
অসমাপিকা ক্রিয়ার সঙ্গে সমাপিকা ক্রিয়া যুক্ত হয়ে যখন একটি ক্রিয়া গঠন করে, তখন তাকে যৌগিক ক্রিয়া বলে।
যেমন
- মরে যাওয়া,
- কমে আসা,
- এগিয়ে চলা,
- হেসে ওঠা,
- উঠে পড়া,
- পেয়ে বসা, ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
সংযোগ ক্রিয়া:
বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাত্মক শব্দের পরে করা, কাটা, হওয়া, দেওয়া, ধরা, পাওয়া, খাওয়া, মারা প্রভৃতি ক্রিয়া যুক্ত হয়ে সংযোগ ক্রিয়া গঠিত হয়।
যেমন-
গরম করা, গান করা, উদয় হওয়া, ঠনঠন করা, বৃদ্ধি পাওয়া ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ২০২২ সালের সংস্করণ।

১২০.
"Have an axe to grind" means to _____.
  1. have a selfish reason
  2. have work for charity
  3. have preparation for the fight
  4. have a great goal
ব্যাখ্যা

• "Have an axe to grind" means to have a selfish reason.

• To have an axe/ax to grind (idiom):
- English Meaning: to have a selfish reason or strong opinion that influences your actions; an ulterior often selfish underlying purpose.
- Bangla Meaning: (লাক্ষণিক) ব্যক্তিস্বার্থ থাকা।

Example Sentences:
- Environmentalists have no political axe to grind - they just want to save the planet.
- The study should be conducted by a firm that has no axe to grind.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১২১.
Neither of the two men wants ____ son educated.
  1. them
  2. his
  3. their
  4. its
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: Neither of the two men wants his son educated.
- Bangla meaning: দুজনের কেউই চান না যে তার ছেলে শিক্ষিত হোক।

• One of, Each of, Either of, Neither of ইত্যাদি singular subjects হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাই এর পরে singular possessive pronoun (his, her, or its) বসে।
- Either দ্বারা দুইয়ের প্রত্যেকটি বুঝানো হয়।
- Neither দ্বারা দুইয়ের কোনটিই নয় বুঝানো হয়।

- প্রদত্ত বাক্যে "men" is masculine gender, তাই সঠিক possessive pronoun টি হবে- his.

অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
ক) them → "them" হলো object pronoun, not possessive.

গ) their → "their" হলো plural কিন্তু এখানে subject হলো singular.

ঘ) its → "its" ব্যবহৃত হয় non-human subjects (animals, objects) -এর জন্য।

১২২.
She slept very little that night.
Here, the underlined word 'little' is a/an-
  1. Noun
  2. Pronoun
  3. Adjective
  4. Adverb
ব্যাখ্যা

• She slept very little that night.
- Here, the underlined word 'little' is an Adverb.

- Here, 'little' modifies the verb "slept" by describing how much she slept.
- অর্থাৎ, 'little' এখানে "slept" verb টিকে modify করায় adverb হিসেবে কাজ করছে।
- "slept" verb টিকে How much দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় Very little.

• Little (adverb)
- English Meaning: not much; in only a small quantity or degree: slightly; not at all.
- Bangla Meaning: অতিসামান্য।

• Adverb:
- যেসব word noun বা pronoun ছাড়া অন্য যেকোন parts of speech, বিশেষ করে verb কে modify করে সেগুলোকে adverb বলে।
- Adverb সাধারণত Verb, Adjective কিংবা অন্য কোনো Adverb কে modify করে।
- বাক্যে Verb কে কোথায়, কখন, কীভাবে, কেন, কতটুকু, কতবার, ইত্যাদি দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাই হলো adverb.

অন্যদিকে,
- 'Little' শব্দটি "ছোট; যথেষ্ট নয়; সামান্য পরিমাণে মাত্র" অর্থে- noun, pronoun, adjective হিসেবেও ব্যবহৃত হতে পারে। যেমন:
• Little (noun)
- Example: She felt better after she'd eaten a little.

• Little (pronoun)
- Example: Little has changed.

• Little (adjective)
- Example: He gave a little smile.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১২৩.
Pick out the correctly spelt word:
  1. Remittance
  2. Remmitance
  3. Remmittance
  4. Rammitance
ব্যাখ্যা

• The correct spelling is - ক) Remittance.

• Remittance (Noun)
- English Meaning: Money that is sent by a foreign worker back to their own country.
- Bangla Meaning: অর্থপ্রেরণ; প্রেরিত অর্থ; প্রবাসী শ্রমিকের পাঠানো অর্থ।

• Ex. Sentence: Bangladesh receive most of its remittances from the middle east.
- Bangla Meaning: বাংলাদেশ তার বেশিরভাগ রেমিট্যান্স মধ্যপ্রাচ্য থেকে পায়।

- অন্যদিকে, বাকি অপশনের word গুলোর spelling ভুল।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১২৪.
Who is the heroine character of 'Hamlet'?
  1. Desdemona
  2. Portia
  3. Ophelia
  4. Cordelia
ব্যাখ্যা

• Ophelia is the heroine character of 'Hamlet'.

• Hamlet:
- Shakespeare রচিত tragedy গুলোর মধ্যে Hamlet is one of the most celebrated tragedies in English literature.
- তাঁর অন্যান্য tragedy গুলোর মত এটিও 5acts বিশিষ্ট।
- ১৫৯৯-১৬০১ সালের মধ্যে লেখা এই tragedy টি প্রকাশিত হয় ১৬০৩ সালে।
- এর কেন্দ্রীয় চরিত্র Hamlet ছিলেন prince of Denmark যিনি জার্মানি থেকে নিজ দেশে ফিরে আসে তাঁর বাবার শেষকৃত্যে অংশগ্রহণ করতে এবং জানতে পারে যে তার চাচা Claudius তার মাকে বিয়ে করেছে এবং এই চাচাই তার বাবার খুনী।
- সত্য উদঘাটনের পর বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহের মধ্যে দিয়ে tragedy এর কাহিনী সামনে এগিয়ে যায় এবং শেষাংশে Hamlet এর মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে এর সমাপ্তি ঘটে।

• Main characters:
- King Hamlet,
- Hamlet (Prince of Denmark),
- Ophelia (Heroine),
- Claudius (Hamlet's uncle),
- Gertrude (Queen),
- Horatio (Loyal and Best friend of Hamlet),
- Polonius (Ophelia's Father),
- Laertes (Ophelia's brother), etc.

• Famous quotations from Hamlet:
- "To be or not to be that is the question."
- "Frailty, thy name is woman."
- "Brevity is the soul of wit."
- "Listen to many, speak to a few."
- "Though this be madness, yet there is method in't."
- "Conscience does make cowards of us all."
- "One may smile, and smile, and be a villain."
- "There's a divinity that shapes our ends,
Rough-hew them how we will."
- "There is nothing either good or bad, but thinking makes it so."
- "There are more things in heaven and earth, Horatio,
Than are dreamt of in your philosophy."

• William Shakespeare (1564-1616):
- William Shakespeare একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে 'English National Poet' বলা হয়।
- Stratford-upon-Avon -এ জন্মগ্রহণ করেছেন বলে তাকে Bard of Avon বা Swan of Avon বলা হয়।
- তাকে অনেকেই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে বিবেচনা করেন।
- Shakespeare occupies a unique position in world literature.
- William Shakespeare মূলত তাঁর Drama and Sonnet -এর জন্য পরিচিত।
- তিনি মোট ১৫৪ টি sonnet এবং ৩৭ টি play লিখেছেন।
- এছাড়া তিনি Long narrative poem ও লিখেছেন।

অন্যদিকে,
ক) Desdemona (Heroine) is from Othello.

খ) Portia (Heroine) is from The Merchant of Venice.

ঘ) Cordelia (One of three daughters) is from King Lear.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

১২৫.
Identify the synonym for 'Succumb'.
  1. Conquer
  2. Obdurate
  3. Submit
  4. Endure
ব্যাখ্যা

• The synonym for 'Succumb' is Submit.

• Succumb (Verb)
- English meaning: Fail to resist pressure, temptation, or some other negative force; die from the effect of a disease or injury.
- Bangla Meaning: (প্রলোভন, তোষামোদ ইত্যাদির) বশীভূত হওয়া; দমিয়া যাওয়া; মারা যাওয়া; আত্মসমর্পণ করা।

• Given options:
ক) Conquer - জয় করা; শক্তিবলে দখল করা; কারো ভালোবাসা, প্রশংসা ইত্যাদি অর্জন করা।

খ) Obdurate - একগুঁয়ে; অনমনীয়; অনুশোচনাহীন।

গ) Submit - আনুগত্য/অধীনতা/বশ্যতা স্বীকার করা; অনুবর্তী হওয়া; আত্মসমর্পণ করা; পেশ/দাখিল করা।

ঘ) Endure - দুঃখকষ্ট ভোগ করা; টিকে থাকা; স্থায়ী হওয়া।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১২৬.
George Bernard Shaw is the author of-
  1. The Family Reunion
  2. A Farewell to Arms
  3. No Man's Land
  4. Arms and the Man
ব্যাখ্যা

• George Bernard Shaw is the author of 'Arms and the Man'.

• Arms and the Man:
- এটি George Bernard Shaw রচিত একটি জনপ্রিয় নাটক।
- এটি একটি Romantic comedy, যা যুদ্ধ, প্রেম এবং মানব স্বভাবের উপর satire করে।
- এই নাটকটি ১৮৯৪ সালে মঞ্চস্থ হয় এবং ১৮৯৮ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই নাটকটির settings হলো- Bulgaria -এর Petkoff household.
- নাটকটি যুদ্ধ এবং প্রেমের বিষয় নিয়ে গড়ে উঠেছে। এতে মূলত যুদ্ধের গৌরব এবং বাস্তবতার মধ্যে একটি বৈপরীত্য তুলে ধরা হয়েছে।
- নাটকের কেন্দ্রবিন্দুতে একজন সৈনিক এবং একজন উচ্চশ্রেণীর মহিলা রয়েছেন, এবং তাদের মধ্যে সম্পর্কের জটিলতা নাটকটিকে কৌতুকপূর্ণ এবং মজাদার করে তোলে।
- এটি George Bernard Shaw -এর রচনা ও নাট্যকর্মের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।

• Main Characters:
- Captain Bluntschli,
- Raina Petkoff,
- Major Sergius Saranoff,
- Major Petkoff,
- Catherine Petkoff, etc.

• ​G. B. Shaw (1856-1950):
- তার পুরো নাম George Bernard Shaw.
- George Bernard Shaw 'Modern period' এর একজন Irish নাট্যকার এবং সাহিত্য সমালোচক।
- তিনি ১৯২৫ সালে নোবেল পুরস্কার পান।
- G.B. Shaw ছিলেন Fabian Society এর একজন সদস্য।
- তাঁর উপাধি হলো - The greatest modern English dramatist এবং তাঁকে The father of modern English literature বলা হয়।

​• Famous Plays of G.B. Shaw:
- Pygmalion (Romantic play),
- Man and Superman (Comedy play),
- Major Barbara (Social satire),
- Mrs. Warren's Profession (play),
- Arms and the Man (Romantic comedy),
- Heartbreak House (comedy play),
- Caesar and Cleopatra (play/tragedy),
- The Doctor's Dilemma (satire drama/play, Epilogue),
​- St. Joan of Arc,
- Candida,
- Geneva,
- You Never Can Tell,
- Androcles and the Lion,
- The Devil’s Disciple,
- Too True to Be Good,
- Widowers’ Houses,
- The Apple Cart,
- Buoyant Billions, etc.

অন্যদিকে,

ক) The Family Reunion is a play by T. S. Eliot.

খ) A Farewell to Arms is a novel by Ernest Hemingway.

গ) No Man's Land is a play by Harold Pinter.

Source:
1. Britannica.
2. Goodreads.

১২৭.
He left us waiting for his reply.
Here, 'waiting' is-
  1. Gerund
  2. Participle
  3. Infinitive
  4. Finite verb
ব্যাখ্যা

• He left us waiting for his reply.
- Here, 'waiting' is a Participle.

- Here, "waiting" functions as a present participle (adjective) that modifies the pronoun "us".
- অর্থাৎ, 'waiting' এখানে object "us" কে modify করায় adjective হিসেবে কাজ করছে, তাই এটি present participle.
- "Waiting" functions as an object complement that describes the state of the object "us" after the action of the verb "left".
- অর্থাৎ, verb+ing যখন noun/pronoun কে modify করে তখন তা adjective হিসেবে কাজ করে।
- এখানে বলা হয়েছে, সে আমাদের তার উত্তরের অপেক্ষায় (waiting → ongoing action) রেখে চলে গেল।

• Participle:
- A participle is a verb that ends in -ing (present participle) or -ed, -d, -t, -en, -n (past participle).
- Participles may function as adjectives, describing or modifying nouns/pronouns.
- Participle একই সাথে Verb ও Adjective এর কাজ করে।

• Participle মূলত তিন প্রকার। যথা:
1. Present participle:
- Verb -এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি adjective -এর কাজ করে অর্থাৎ, একই সাথে Verb ও adjective -এর কাজ করে, তাহলে তাকে present participle বলে।
- সহজ ভাষায় → present participle হলো Verb + ing = adjective = Verb + adjective কাজ করে।
- Present participle দ্বারা চলমান sense বোঝায়।
- যেমন: I saw a flying kite.

2. Past participle:
- সাধারণত verb এর সাথে -ed যোগ করে তৈরি হয় (যেমন: played, walked), তবে অপ্রচলিত verb এর আলাদা রূপ থাকে (যেমন: eaten, driven, seen)।
- এটি perfect tense এবং passive voice তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, এবং adjective হিসেবেও ব্যবহৃত হতে পারে।
- যেমন: The broken house needs fixing.

3. Perfect participle:
- এটি having + past participle দ্বারা তৈরি হয় (যেমন: having eaten, having seen)। এটি এমন বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যে, একটি কাজ অন্য কাজের আগে সম্পন্ন হয়েছিল।
- যেমন: Having finished the task, he left.

Source: High School English Grammar and Composition by Wren And Martin.

১২৮.
The opposite of 'Spendthrift'-
  1. Wasteful
  2. Disdainful
  3. Tightfisted
  4. Imprudent
ব্যাখ্যা

The opposite of 'Spendthrift'- Tightfisted.

• Spendthrift (Noun, adjective)
- English Meaning: Spending money or resources freely and recklessly; wastefully extravagant.
- Bangla Meaning: অতিব্যয়ী; অপব্যয়ী; অপচেতা; অকৃপণ; মুক্তহন্ত; অপব্যয়ী ব্যক্তি।

• Synonyms:
- Wasteful (অপচয়ী), Extravagant (অপচয়কর), Waster (অমিতব্যয়ী), Prodigal (অপব্যয়ী; অপচয়ী; অমিতব্যয়ী)।
• Antonyms:
- Thrifty (মিতব্যয়ী), Parsimonious (ব্যয়কুণ্ঠ; কৃপণ), Mean (সংকীর্ণমনা), Miserly (কৃপন), Tight-fisted (ব্যয়কুন্ঠ)

অন্যদিকে,
- Disdainful - ঘৃণাপূর্ণ; তাচ্ছিল্যপূর্ণ।
- Imprudent - অবিমৃষ্যকারী; অবিবেচক; অবিচক্ষণ; হঠকারী।

- সুতরাং, অপশনের অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায়, The opposite of 'Spendthrift'- Tightfisted.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১২৯.
Pick the correct verb form:
Do not let these children ____ in the sun.
  1. have playing
  2. play
  3. to play
  4. playing
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: Do not let these children play in the sun.
- Bangla: এই বাচ্চাদের রোদে খেলতে দিও না।

• Causative Verb:

- যে Verb গুলোর সাহায্যে বাক্যের Subject নিজে কাজ না করে অন্যকে দিয়ে কাজ করায় সেই Verb গুলোকে বলা হয় causative verb.
- Have, Get, Help, Let, Make ইত্যাদি হলো বহুল প্রচলিত causative verb.
- এগুলোর সাহায্যে অনেক verb- কে causative verb -এ পরিণত করা যায়।

• Causative Verb হিসাবে 'let' -এর ব্যবহার:
- Let এরপরে কোনো ব্যক্তিবাচক object (Action doer) থাকলে এরপরে verb -এর base form বসে।
- Let এরপরে কোনো বস্তুবাচক object (Action receiver) থাকলে এরপরে be + verb -এর past participle form বসে।

• Structure:
1. Subject + let (any tense) + action doer + verb -এর base form + ext.
2. Subject + let (any tense) + action receiver + be + verb -এর past participle + ext.

- তাই প্রদত্ত শূন্যস্থানে সঠিক verb টি হবে- play.

১৩০.
A semi-autobiographical novel, 'Of Human Bondage' was written by-
  1. William Somerset Maugham
  2. William Faulkner
  3. Victor Hugo
  4. Joseph Conrad
ব্যাখ্যা

• A semi-autobiographical novel, 'Of Human Bondage' was written by William Somerset Maugham.

• Of Human Bondage:
- William Somerset Maugham রচিত ‘Of Human Bondage’ হলো একটি semi-autobiographical novel.
- এটি ১৯১৫ সালে প্রকাশিত হয় এবং লেখকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রচনা হিসেবে বিবেচিত।
- এতে মানুষের দুর্বলতা, ভালবাসা ও আত্মনিয়ন্ত্রণ নিয়ে গভীর আলোচনা করা হয়েছে।

• Short Summary:
- এই উপন্যাসে মূল চরিত্র ফিলিপ কেরি (Philip Carey)-এর জীবনকাহিনি বর্ণিত হয়েছে। ছোটবেলায় বাবা-মাকে হারিয়ে সে অনাথ হয়ে যায় এবং তার খোঁড়া পা (clubfoot) থাকার কারণে সবসময় হীনমন্যতায় ভোগে। ফিলিপ জীবনে নানা পথ খুঁজে বেড়ায়—ধর্ম, শিল্প, চিকিৎসা—কিন্তু কোথাও পূর্ণতা খুঁজে পায় না।

- লন্ডনে মেডিকেল ছাত্র থাকাকালীন সবচেয়ে বড় মোড় আসে যখন সে Mildred নামের এক নিষ্ঠুর ও স্বার্থপর waitress -এর প্রেমে পড়ে।মিলড্রেডের সঙ্গে সম্পর্ক তাকে বারবার ভেঙে ফেলে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত জীবনের অর্থ ও স্বাধীনতা খুঁজে পেতে সে শিখে নেয়— মানুষ আসলে আবেগ ও আসক্তির দাস।

• Main characters:
- Philip Carey,
- Mildred Rogers,
- Sally Athelny,
- Thorpe Athelny, etc.

• William Somerset Maugham (1874-1965):
- William Somerset Maugham ছিলেন একজন প্রখ্যাত ইংরেজী লেখক, নাট্যকার এবং উপন্যাসিক।
- তিনি চিকিৎসাবিদ্যায় প্রশিক্ষণ নিলেও লেখালেখিকেই পেশা হিসেবে বেছে নেন।
- তাঁর চিকিৎসা অভিজ্ঞতা তার লেখায় গভীর প্রভাব ফেলেছে।
- তবে ১৯১৫ সালে প্রকাশিত তাঁর আত্মজীবনীভিত্তিক উপন্যাস Of Human Bondage তাঁকে প্রকৃত খ্যাতি এনে দেয়।
- তাঁর ছোটগল্পগুলো বিশেষভাবে জনপ্রিয়, যেখানে প্রায়ই উপনিবেশিক পটভূমিতে মানুষের মনস্তত্ত্ব, দুর্বলতা ও সম্পর্ক তুলে ধরা হয়েছে।
- Maugham তাঁর পরিষ্কার ভাষা, বাস্তবধর্মী বর্ণনা ও চরিত্র বিশ্লেষণের জন্য বিখ্যাত ছিলেন।
- তার লেখায় মানব প্রকৃতি, সামাজিক সম্পর্ক, এবং জীবনের জটিলতা সম্পর্কে গভীর অন্তর্দৃষ্টি পাওয়া যায়।

• Notable works (Novels):
- Liza of Lambeth,
- Of Human Bondage,
- The Sacred Flames,
- The Razor's Edge,
- Cakes and Ale,
- The Musician,
- The Moon and Sixpence,
- Lady Frederick, etc.

• Short Stories:
- The Ant and the Grasshopper,
- The Luncheon.

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.

১৩১.
The news that you heard yesterday is known to all.
Here, the underlined part is a/an-
  1. Noun clause
  2. Relative clause
  3. Co-ordinate clause
  4. Principal clause
ব্যাখ্যা

• The news that you heard yesterday is known to all.
- Here, the underlined part is a Relative clause/adjective clause.

- এখানে, "that you heard yesterday" clause টি "news" noun টিকে modify করছে (by specifying which news is being referred to).
- It answers the question: Which news? → The news that you heard yesterday.

• Structure:
- Main clause: The news is known to all.
- Relative clause: that you heard yesterday (dependent clause describing "news").

• Adjective clause/Relative clause:
- যেসব sub-ordinate clause বাক্যে ব্যবহার হয়ে adjective এর কাজ করে তাদেরকে Adjective clause বলে।
- অর্থাৎ, যে clause টি বাক্যে noun/pronoun -এর পরে বসে ঐ noun/pronoun -কে modify করে তাকে adjective clause বলে।
- Adjective clause -কে Relative clause ও বলা হয়।
- Relative clause গুলো সাধারণত Relative pronoun (that, which, who, whose, whom, why, when) ইত্যাদি দ্বারা শুরু হয়।
- তবে মনে রাখতে হবে, who এবং which দ্বারা গঠিত clause টি যদি cause or purpose বোঝায় তবে সেটি Adverbial Clause হিসেবে বিবেচিত হবে।

- Adjective clause দুইটি স্থানে বসতে পারে:
1. Subject এর post-modifier হিসেবে- (Subject + adjective clause + verb + object).
- যেমন: The house where I grew up is now for sale.
2. Noun এর post-modifier হিসেবে- (Subject + verb + noun + adjective clause).
- যেমন: She wore the dress which was on sale.

• Note:
- Noun -এর পরে That যুক্ত clause টি Noun clause এবং Adjective clause উভয়ই হতে পারে।
• কখন Noun clause?
- Noun বা pronoun -এর apposition হিসেবে সাধারণত News, Hope, Belief, Fact, Rumour, ইত্যাদির পরে Noun Clause বসে।
- Apposition বলতে এমন কিছু বোঝায়, যা কোনো Noun বা pronoun সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য প্রদান করে।
- এই অতিরিক্ত তথ্য noun/pronoun কে modify করে না। তাই তা adjective clause হবে না।
- যেমন: The news that Rajib got married took everyone by surprise.
- এই বাক্যে That যুক্ত clause টি 'News' সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য প্রদান করছে, 'News' কে modify করছে না।
- Noun clause এর ক্ষেত্রে অর্থের দিক থেকে লক্ষ্য করলে "এটাই সেটা" এরকম তথ্য পাওয়া যায়।
- যেমন: 'that Rajib got married' টাই এখানে news.
- Noun clause এর ক্ষেত্রে আগের noun phrase টিকে বাদ দিলেও অর্থ ঠিক থাকে, কিন্তু that কে উঠিয়ে দেওয়া যায় না।
- যেমন: That Rajib got married took everyone by surprise.

• কখন Adjective clause?
- যখন noun/pronoun কে modify করে (দোষ, গুণ, সংখ্যা, পরিমাণ, ইত্যাদি বুঝায়) তখন adjective clause হয়।
- যেমন: The news that you heard yesterday is known to all.
- এই বাক্যে That যুক্ত clause টি 'News' কে modify করছে, অর্থাৎ, news কে describe করছে (that you heard yesterday).
- Adjective clause এর ক্ষেত্রে that -এর পরের clause টির অর্থ পরিপূর্ণ হয় না, এবং এক্ষেত্রে that কে উঠিয়ে দেওয়া যায়।
- যেমন: The news you heard yesterday is known to all.

অন্যদিকে,
• Co-ordinate clause:

- Joins two independent clauses by Co-ordinating conjunctions (yet, but, or, otherwise, and).
- যেমন: The news is true, and everyone knows it.

• Principal clause:

- An independent clause that can stand alone.
- যে সকল clause তাদের অর্থ প্রকাশের জন্য অন্য কোনো clause এর উপর নির্ভরশীল নয় তাদের principal clause বলে।
- আধুনিক English Grammar এ Simple sentence কেও clause বলা হয় কারণ Simple sentence গুলাে সর্বদাই principal clause হয়ে থাকে।
- Principal clause কে আবার Main clause বা Independent clause ও বলা হয়।
- যেমন: Because it was raining, we stayed indoors.

১৩২.
______ the day went on, the weather worsened.
  1. Just
  2. As
  3. Unless
  4. So
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: As the day went on, the weather worsened.
- Bangla meaning: দিন যতই গড়িয়েছে, আবহাওয়া ততই খারাপ হয়েছে।

- বাক্যটিতে দুটি clause কে যুক্ত করতে এমন একটি conjunction প্রয়োজন যা progression of time দেখায়।
- অর্থাৎ, সময়ের অগ্রগতির সাথে সাথে অন্য clause -এর কাজটিও ঘটে।

- As is used to mean "while" or "during the time that", indicating that two actions are happening simultaneously and one is affecting the other.
- অর্থাৎ, Conjunction হিসেবে As (while; when; during the time that) - যখন; চলাকালীন; যতই অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- তাই, এখানে সঠিক উত্তর হবে- As.

• As (conjunction)
- English Meaning: while; when; during the time that.
- Bangla Meaning: যখন; চলাকালীন; যতই।

অন্যদিকে,
ক) Just
- ঠিক; মাত্র; ন্যায্য; যুক্তিযুক্ত ইত্যাদি অর্থে (adjective, adverb) হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: This is just what I expected.

গ) Unless
- except if 'যদি না' অর্থে এটি শর্ত বোঝাতে conjunction হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি নিজেই negative অর্থ প্রদান করে।
- এজন্যে unless দ্বারা যে clause শুরু হয় তাতে no বা not বসে না।
- যেমন: Do not punish him unless he behaves roughly.

ঘ) So
- সুতরাং; অতএব; সে-কারণে; সেই জন্য ইত্যাদি অর্থে conjunction হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- It Indicates result of previous clause.
- যেমন: Nobody answered my knock, so I went away.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১৩৩.
The term "Pedagogy" refers to-
  1. The method of political rule.
  2. The art or profession of teaching.
  3. The art or science of teaching adults.
  4. The branch of medicine dealing with children.
ব্যাখ্যা

• The term "Pedagogy" refers to- The art or profession of teaching.

• Pedagogy (noun):
- English Meaning: The art, science, or profession of teaching; the study of the methods and activities of teaching.
- Bangla Meaning: শিক্ষণবিজ্ঞান।(আনুষ্ঠানিক) স্কুলশিক্ষক; শিক্ষকতার পেশা।

অন্যদিকে,
• Demagogy:
- English Meaning: the methods or practices of a demagogue; the method of political rule as demagogy.
- Bangla Meaning: বক্তৃতাসর্বস্ব/গলাবাজির রাজনীতি।

• Andragogy:
- English Meaning: The art or science of teaching adults.
- Bangla Meaning: বয়স্কশিক্ষা।

• Pediatric:
- English Meaning: The branch of medicine dealing with children.
- Bangla Meaning: শিশুচিকিৎসা।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১৩৪.
A note added at the end of a letter after it is signed is called _____ .
  1. Corrigendum
  2. Nota bene
  3. Postscript
  4. Footnote
ব্যাখ্যা

• A note added at the end of a letter after it is signed is called a Postscript.

• Postscript:
- A note or series of notes appended to a completed letter, article, or book.
- চিঠিতে স্বাক্ষরের পর যুক্ত অত্তিরিক্ত বার্তা বা বাক্যাবলীকে বলা হয় - Postscript.
- একে সংক্ষিপ্ত ভাবে - PS বলে।
- It comes from the Latin - postscriptum, which literally means “written after.”
- যার বাংলা অর্থ- পুনশ্চ, পত্রের পুনশ্চ লিখন।

• অন্যদিকে,
• Corrigendum:
- English Meaning: A thing to be corrected, typically an error in a printed book.
- Bangla Meaning: সংশোধনীয় বিষয়।

• Nota bene:
- English Meaning: —used to call attention to something important.
- Bangla Meaning: (সংক্ষেপ NB) সতর্কতার সঙ্গে লক্ষ করুন; লক্ষণীয়।

• Footnote:
- English Meaning: A note of reference, explanation, or comment usually placed below the text on a printed page.
- Bangla Meaning: পাদটীকা।

১৩৫.
Identify the correct sentence:
  1. She insisted with seeing her lawyer.
  2. She insisted in seeing her lawyer.
  3. She insisted on seeing her lawyer.
  4. She insisted to seeing her lawyer.
ব্যাখ্যা

• Correct sentence: She insisted on seeing her lawyer.

• Insist on doing something
- English Meaning: to demand something or say forcefully that you want something.
- Bangla Meaning: কোনো কিছুতে জোর দেয়া বা পীড়াপীড়ি করা।

- Insist on/upon এর পরে noun/gerund (-ing form of a verb) বসে।

More Examples:
- He insisted on my going there.
- She insists on doing everything her own way.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১৩৬.
'পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন' সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
  1. ১৮ক নং অনুচ্ছেদ
  2. ১৮ নং অনুচ্ছেদ
  3. ২২ নং অনুচ্ছেদ
  4. ২৪ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

'পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন' সংবিধানের ১৮ক নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে।

সংবিধানের ১৮(ক) নং অনুচ্ছেদ:
- রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করিবেন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ, জীব- বৈচিত্র্য, জলাভূমি, বন ও বন্যপ্রাণির সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিধান করবেন।

অন্যদিকে -
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮ নং অনুচ্ছেদে জনস্বাস্থ্য এবং নৈতিকতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগসমূহ থেকে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে।
- ২৪ নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় স্মৃতি নিদর্শন প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৩৭.
বাংলার শেষ নবাব সিরাজউদ্দৌলা কোন যুদ্ধে পরাজিত হয়েছিলেন?
  1. বক্সারের যুদ্ধ
  2. কর্ণাটকের যুদ্ধ
  3. এলাহাবাদের যুদ্ধ
  4. পলাশী যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

বাংলার শেষ নবাব সিরাজউদ্দৌলা পলাশী যুদ্ধে পরাজিত হয়েছিলেন।

পলাশী যুদ্ধ:
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মধ্যে ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল তাই পলাশীর যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- এ যুদ্ধ আট ঘণ্টার মতো স্থায়ী ছিল।
- প্রধান সেনাপতি মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে নবাব সিরাজউদ্দৌলা কোম্পানি কর্তৃক পরাজিত হন।
- এ যুদ্ধের রাজনৈতিক ফলাফল ছিল সুদূরপ্রসারী ও ধ্বংসাত্মক।
- এর ফলে বাংলায় ব্রিটিশ শাসনের ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয়।

⇒ ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে ২৩ জুন ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশীর আমবাগানে নবাব সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে ইংরেজ সেনাপতি রবার্ট ক্লাইভের যুদ্ধ হয়।
- এই যুদ্ধে নবাবের পক্ষে ছিলেন দেশপ্রেমিক মীরমদন, মোহন লাল এবং ফরাসি সেনাপতি সিনফ্রে। নবাবের পক্ষে সৈন্যসংখ্যা ছিল প্রায় ৬৫ হাজার।
- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির পক্ষে ছিল মাত্র ৩ হাজার।
- জেতার সব ধরণের সুযোগ সুবিধার পরও নবাব পরাজিত হন তার সেনাপতি মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে।
- যুদ্ধের ফলে মীরজাফরকে বাংলার সিংহাসনে বসালেও প্রকৃত ক্ষমতা ছিল রবার্ট ক্লাইভের হাতে।
- ইংরেজরা বাংলায় একচেটিয়া ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ পায়।
- অপরদিকে ফরাসিরা এদেশ ছাড়তে বাধ্য হয়।
- এ ভাবেই এ যুদ্ধে বাংলা তথা ভারতের স্বাধীনতা ভূলুণ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব ছিলেন সিরাজউদ্দৌলা।
- তিনি ১৭৫৭ সালের ২৩ শে জুন ইংরেজদের নিকট পলাশী যুদ্ধে পরাজিত হন। এর ফলে বাংলার স্বাধীনতার সমাপ্তি ঘটে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩৮.
জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ অনুসারে, বৃহৎ শিল্পে কতজনের অধিক শ্রমিক কাজ করে?
  1. ২০০
  2. ২৩০
  3. ২৫০
  4. ৩০০
ব্যাখ্যা

জাতীয় শিল্পনীতি:
- সর্বশেষ জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ অনুসারে এসএমই ও অন্যান্য শিল্প প্রতিষ্ঠান/উদ্যোগ এর শ্রেণিবিন্যাস -

⇒ বৃহৎ শিল্প (Large scale industries):
- উৎপাদনের ক্ষেত্রে ‘বৃহৎ শিল্প’ (Large Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ (Replacement Cost) ৫০ কোটি টাকার অধিক কিংবা তৈরী পোশাক/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠান ব্যতীত যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ৩০০ জনের অধিক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে। যে সকল তৈরী পোশাক/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকের সংখ্যা ১০০০ এর অধিক কেবল সে সকল তৈরি পোশাক শিল্প বৃহৎ শিল্পের অন্তর্ভুক্ত হবে।
- সেবা শিল্পের ক্ষেত্রে ‘বৃহৎ শিল্প’ বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ৩০ কোটি টাকার অধিক কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ১২০ জনের অধিক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।

উৎস: ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট।

১৩৯.
বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. পঞ্চগড়
  2. নীলফামারী
  3. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  4. দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর:
- বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরটি বাংলাদেশের পঞ্চগড় জেলার তেতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা সীমান্তে অবস্থিত।
- এর বিপরীতে পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার ফুলবাড়ী সীমান্ত অবস্থিত।
- স্থলপথে আমদানি রপ্তানি সহজ করার জন্য ১২ জানুয়ারি, ২০০২ সালে বাংলাবান্ধা শুল্ক স্টেশনটিকে স্থলবন্দর ঘোষনা করা হয়।

⇒ বিভিন্ন স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান:
- বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- সোনা মসজিদ স্থল বন্দর: চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
- হিলি স্থলবন্দর: দিনাজপুর।
- ভোমরা স্থলবন্দর: সাতক্ষীরা।
- বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।

১৪০.
জুলাই ঘোষণাপত্রে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহীদদের কী নামে আখ্যায়িত করা হয়েছে?
  1. জাতীয় সৈনিক
  2. জুলাই বীর
  3. জাতীয় বীর
  4. জুলাই সৈনিক
ব্যাখ্যা

জুলাই ঘোষণাপত্র:
- ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ হলো ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের একটি দলিল যার মাধ্যমে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
- অন্যদিকে জুলাই জাতীয় সনদ হলো রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নে ঐকমত্যের একটি রাজনৈতিক দলিল।
- অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ৫ আগস্ট, ২০২৫ তারিখে র ‘৩৬ জুলাই উদ্‌যাপন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করেছেন।

⇒ জুলাই ঘোষণাপত্রে ২৮টি ধারা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
- জুলাই ঘোষণাপত্রের ২৪ নং ধারায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহীদদের 'জাতীয় বীর' হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।
- ২৪ নং ধারা: সেহেতু বাংলাদেশের জনগণ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সকল শহীদদের জাতীয় বীর হিসেবে ঘোষণা করে শহীদদের পরিবার, আহত যোদ্ধা এবং আন্দোলনকারী ছাত্রজনতাকে প্রয়োজনীয় সকল আইনি সুরক্ষা দেওয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে।

উৎস: প্রথম আলো।

১৪১.
বর্তমানে বাংলাদেশের চামড়াজাত পণ্যের সবচেয়ে বড় বাজার কোন দেশ? (অক্টোবর ২০২৫)
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. জার্মানি
  4. স্পেন
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত:
- তৈরি পোশাকের পর দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য।
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে ৩৪ কোটি মার্কিন ডলার।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের তৈরি চামড়া ও চামড়াবিহীন জুতা এবং চামড়া পণ্যের সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র।
- বিদায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৩৪ কোটি ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ৯ কোটি ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে। তার বাইরে ভারতে ৭ কোটি ১৯ লাখ, জাপানে ৫ কোটি ৬৩ লাখ ও বেলজিয়ামে ২ কোটি ৮২ লাখ ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়।
- চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের বাজার বিস্তারের জন্য ২০১৭ সালে ট্যানারি শিল্পের স্থানান্তর করা হয় সাভারের হেমায়েতপুরে।

উৎস: প্রথম আলো। [link]

১৪২.
কত সালে বাংলাদেশ গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে স্বাক্ষর করেছে?
  1. ২০১২ সালে
  2. ২০১৪ সালে
  3. ২০১৮ সালে
  4. ২০২৪ সালে
ব্যাখ্যা

গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদ (ICPPED):
- ICPPED-এর পূর্ণরূপ: International Convention for the Protection of All Persons from Enforced Disappearance.
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০ ডিসেম্বর, ২০০৬।
- কার্যকর হয়: ২৩ ডিসেম্বর, ২০১০।
- ICPPED জাতিসংঘের আওতাধীন একমাত্র আন্তর্জাতিক কনভেনশন যা এনফোর্স ডিসএপিয়ান্সকে কেন্দ্র করে গৃহীত হয়েছে, যার লক্ষ্য হলো গুম বন্ধের পাশাপাশি এই অপরাধের জন্য দায়মুক্তি বন্ধ করা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের সহায়তা দেওয়া।
- সনদে মোট ৪৫টি অনুচ্ছেদ আছে।
- ৩০ আগস্ট আন্তর্জাতিক গুমবিরোধী দিবস।

⇒ আগস্ট ২৯, ২০২৪ তারিখে বাংলাদেশ গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে স্বাক্ষর করেছে।

উৎস: i) OHCHR ওয়েবসাইট।
ii) UNTC ওয়েবসাইট।

১৪৩.
দেশের ইতিহাসে প্রথম নারী শিক্ষা সচিব কে?
  1. রেহানা পারভীন
  2. জোবায়দা আক্তার
  3. সেলিনা বেগম
  4. নাজনিন খাতুন
ব্যাখ্যা

প্রথম নারী শিক্ষা সচিব:
- বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম নারী শিক্ষা সচিব রেহানা পারভীন।

⇒ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের নতুন সচিব হয়েছেন রেহানা পারভীন।
- তিনি এর আগে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনএসডিএ) নির্বাহী চেয়ারম্যান (সচিব) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
- ১৮ আগস্ট, ২০২৫ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে রেহানা পারভীন আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের প্রথম নারী শিক্ষা সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেলেন।

উল্লেখ্য,
- শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ২০১৬ সালের নভেম্বরে দুটি বিভাগে ভাগ করা হয়।
- একটি হলো মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং অন্যটি কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ।
- ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার পর থেকে অবিভক্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মোট ৩৩ জন সিনিয়র সচিব ও সচিব দায়িত্ব পালন করেছেন।
- বিভাগ বিভক্ত হওয়ার পর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে এখন পর্যন্ত সাতজন সিনিয়র সচিব ও সচিব দায়িত্ব পালন করলেও তাদের কেউ নারী ছিলেন না।

উৎস: প্রথম আলো।

১৪৪.
ব্যাংক কোম্পানি আইন কত সালে কার্যকর করা হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৯১ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা

ব্যাংক-কোম্পানী আইন:
- ব্যাংক-কোম্পানী আইন ১৯৯১ সালে কার্যকর হয়।

⇒ ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ বাংলাদেশে ব্যাংকিং খাতের নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা এবং কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রণীত একটি আইন।
- এটি ব্যাংক-কোম্পানীগুলোর কার্যক্রম, শেয়ার, পরিচালনা পর্ষদ, লাইসেন্স, নিরীক্ষা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্ষমতার বিষয়ে বিধান প্রদান করে।
- উদ্দেশ্য: ব্যাংক-কোম্পানীগুলোর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা এবং জনস্বার্থ রক্ষা এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালে এই আইনের অধিকতর সংশোধন করা হয়েছে, যাতে ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও স্বচ্ছ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

১৪৫.
বাংলাদেশ সরকার কত সালে 'ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন' প্রণয়ন করে?
  1. ২০০৫ সালে
  2. ২০০৭ সালে
  3. ২০০৮ সালে
  4. ২০১১ সালে
ব্যাখ্যা

ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন:
- বাংলাদেশ সরকার ২০০৫ সালে 'ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন' প্রণয়ন করে।

⇒ বাংলাদেশ সরকার ২০০৩ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উদ্যোগে গৃহীত আন্তর্জাতিক চুক্তি এফসিটিসিতে (ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন টোব্যাকো কন্ট্রোল) স্বাক্ষর করে।
- চুক্তির বিধানসমূহ প্রতিপালনে সরকার পরবর্তী সময়ে ২০০৫ সালে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়ন করে।
- এই আইনের ৪ ধারার ১ উপধারায় স্পষ্টভাবে বলা আছে, কোনো ব্যক্তি কোনো পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে ধূমপান করতে পারবেন না, অর্থাৎ উন্মুক্ত স্থানে ধূমপান নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

উৎস: i) ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০৫।
ii) প্রথম আলো।

১৪৬.
বাংলাদেশের অভিবাসী নারী শ্রমিকদের সর্বাধিক গন্তব্যস্থল কোন দেশ? (অক্টোবর ২০২৫)
  1. সৌদি আরব
  2. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  3. জর্ডান
  4. লেবানন
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের অভিবাসী নারী শ্রমিকদের সর্বাধিক গন্তব্যস্থল:
- বাংলাদেশ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য মতে, বাংলাদেশের অভিবাসী নারী শ্রমিকদের সবচেয়ে বড় গন্তব্যস্থল মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো।
- এর মধ্যে অভিবাসী নারী শ্রমিকরা সবচেয়ে বড় গন্তব্যস্থল সৌদি আরব।
- মোট নারী অভিবাসীর ৭২ শতাংশের গন্তব্য হলো সৌদি আরব।

এছাড়াও,
- অভিবাসী নারী শ্রমিকদের ২য় বড় গন্তব্যস্থল জর্ডান (১৮%)।
- অভিবাসী নারী শ্রমিকদের ৩য় বড় গন্তব্যস্থল কাতার (১৮%)।
- কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে গন্তব্যের পরিমাণ ১%।

উৎস: BMET ওয়েবসাইট।

১৪৭.
বাংলাদেশের সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষা সর্বপ্রথম শুরু হয় -
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস:
- BCS-এর পূর্ণরূপ: বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (Bangladesh Civil Service)।
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে কর্মকর্তা বা ক্যাডার নিয়োগের পরীক্ষাকে বলা হয় বিসিএস পরীক্ষা (BCS Examination)।
বাংলাদেশ কর্ম কমিশন (Bangladesh Public Service Commission – BPSC) দ্বারা এই পরীক্ষা গৃহীত হয়ে থাকে।

⇒ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস যা ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসন আমলের ইম্পেরিয়াল সিভিল সার্ভিস থেকে উদ্ভুত হয়েছে।
- জনগণের ভোটে নির্বাচিত নীতিনির্ধারকদের প্রণীত নীতি মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ কর্ম কমিশন বা বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (বিপিএসসি) কতৃক নিয়োগকৃত যে বেসামরিক কর্মকর্তা বা কর্মচারিরা কাজ করেন, তাদেরকেই বিসিএস ক্যাডার (BCS Cadre) বলা হয়।
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে নিয়োগ পরীক্ষা গ্রহণের জন্য প্রণীত বিসিএস (বয়স, যোগ্যতা ও সরাসরি নিয়োগের জন্য পরীক্ষা) বিধিমালা-২০১৪ অনুযায়ী বিসিএস-এর নিম্নোক্ত ২৬টি ক্যাডারে উপযুক্ত প্রার্থী নিয়োগের উদ্দেশ্যে কমিশন কর্তৃক ৩ স্তরবিশিষ্ট পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। বাছাই পরীক্ষা হয় তিন ধাপে। ধাপগুলো হলো- প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা।

⇒ বাংলাদেশের সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষা সর্বপ্রথম শুরু হয় ১৯৭৩ সালে। স্বাধীনতার পর সেই বছর বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (BPSC) প্রথমবারের মতো বিসিএস-এর মাধ্যমে নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করে। তবে তখনকার পরীক্ষা ছিল শুধুমাত্র মৌখিক (viva-voce) ভিত্তিক। এরপর পর্যায়ক্রমে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার সমন্বয়ে পূর্ণাঙ্গ বিসিএস পরীক্ষা চালু হয়।
- বাংলাদেশের প্রথম বিসিএস ক্যাডার মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার আবুল কালাম।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭২ সালের ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়। সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশকে এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র ঘোষণা করা হয়। তার ফলে কেন্দ্রীয় পর্যায়ের চাকরির প্রয়োজনীয়তা শেষ হয়ে যায়। সংবিধানে সিভিল সার্ভিস শব্দটা ব্যবহার করা হয় নি, তবে সকল শ্রেণীর সিভিল সার্ভেন্টকে প্রজাতন্ত্রের চাকরিতে নিয়োজিত ব্যক্তি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। চাকরি সংক্রান্ত প্রাসঙ্গিক অধ্যায় (১৩৬ নং অনুচ্ছেদে) অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে। প্রথম, এই অনুচ্ছেদে সিভিল সার্ভিসের সদস্যদের চাকরির শর্তাবলি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়নের ক্ষমতা সংসদকে দেয়া হয়েছে। দ্বিতীয়, এতে সরকারকে সিভিল সার্ভিস পুনর্গঠন করার এবং সিভিল সার্ভিস সদস্যদের অসুবিধা ঘটতে পারে চাকরির এমন শর্তাবলি পরিবর্তন করারও ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

⇒ পাকিস্তান আমল থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত এই সিভিল সার্ভিসকে পুনর্গঠিত করার কাজেও সরকার হাত দেয়। এই লক্ষ্যে সরকার প্রশাসনিক ও চাকরি পুনর্গঠন কমিটি (এএসআরসি, ১৯৭৩) নামে একটি কমিটি গঠন করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এম.এ চৌধুরী ছিলেন এই কমিটির প্রধান। চাকরি পুনর্গঠনে সরকারের ক্ষমতাকে কার্যকারিতা দেয়ার জন্য ১৯৭৫ সালে চাকরি (পুনর্গঠন ও শর্তাবলী) অধ্যাদেশ এবং এতদসংক্রান্ত একটা আইন জারি করা হয়। এই ক্যাডারের রিক্রুটমেন্ট করা হয়েছিল ১৯৭৩ সালে, তবে বিধিবিধান প্রণীত হয়েছিল ১৯৭৬ সালে।

উৎস: i) বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন।
ii) বাংলাপিডিয়া।
iii) প্রথম আলো।

১৪৮.
রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫ অনুসারে, নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা লঙ্ঘনে সর্বোচ্চ জরিমাণা কত?
  1. ৫০ হাজার টাকা
  2. ৮০ হাজার টাকা
  3. ১ লক্ষ টাকা
  4. ১.৫ লক্ষ টাকা
ব্যাখ্যা

রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫:
- ‘গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এর সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদ, যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সংশোধন সাপেক্ষে, নির্বাচন কমিশন ‘রিপ্রেজেন্টেশন অব দ্য পিপল অর্ডার, ১৯৭২ (পি.ও নং ১৫৫ অফ ১৯৭২)’ এর আর্টিকেল ৯১বি এর আলোকে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫ এর একটি খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে।
- ২৯ জুন, ২০২৫ তারিখে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫ এর খসড়া চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ‘রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০০৮’-এর আলোকে এ খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। যেখানে সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের আচরণ কেমন হবে, তা নিয়ে বেশ কিছু নতুন বিষয় সংযোজন করেছে কমিশন।

• মাইকে গণসংযোগের সময় শব্দের মাত্রা ৬০ ডেসিবেলে রাখতে হবে। প্রচারণার সময় তিন সপ্তাহ থাকছে। টিভিতে সংলাপের সুযোগ রাখা হয়েছে।
• যেসব প্রার্থী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতি বা সদস্য হিসেবে পরিচালনা পর্ষদে থাকবেন বা মনোনীত হয়েছেন বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে, প্রার্থিতা চূড়ান্ত হওয়ার পর সেখান থেকে তাদের পদত্যাগ করতে হবে।
• নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা লঙ্ঘনে যে নরমাল শাস্তি ছিল, ছয় মাস কারাদণ্ড ও সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, এবার জরিমানা বাড়িয়ে সর্বোচ্চ দেড় লাখ টাকার প্রস্তাব রয়েছে।
• নির্বাচনি প্রচারণায় অপচনশীল দ্রব্য যেমন- রেক্সিন, পলিথিন, প্লাস্টিকসহ পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কোন উপাদানে তৈরি কোন নির্বাচনি প্রচারপত্র, লিফলেট, হ্যান্ডবিল, ফেস্টুন ও ব্যানার ব্যবহার করা যাবে না।
• নির্বাচনে প্রার্থীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে নির্বাচনি প্রচার প্রচারণা চালাতে পারবে না। তবে প্রার্থী বা তার এজেন্টের অ্যাকাউন্ট আইডি, ই-মেইল আইডি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের নাম রিটার্নিং অফিসারের নিকট দাখিল করতে হবে।
• প্রার্থীরা নির্বাচনি প্রচারণায় দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মাইক ব্যবহার করতে পারবেন। তবে ৩টির অধিক মাইক্রোফোন বা লাউড স্পিকার ব্যবহার করতে পারবে না।
• মসজিদ, মন্দির, গির্জা বা অন্য কোন ধর্মীয় উপাসনালয়ে কোন প্রকার নির্বাচনী প্রচারণা চালানো যাবে না।

উৎস: i) বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।

১৪৯.
কোন মুঘল সম্রাটের শাসনামলে ঢাকা গেইট নির্মিত হয়েছে?
  1. সম্রাট আওরঙ্গজেব
  2. সম্রাট জাহাঙ্গীর
  3. সম্রাট আকবর
  4. সম্রাট বাবর
ব্যাখ্যা

ঢাকা গেইট:
- ঢাকা গেইট ঐতিহাসিক মোগল স্থাপত্য নিদর্শন।
- এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দোয়েল চত্বর এলাকার ঐতিহাসিক স্থাপনা।
- এটি মীর জুমলা গেইট, ময়মনসিংহ গেইট বা রমনা গেইট নামেও পরিচিত ছিল।
- 'ঢাকা গেইট' এর নির্মাতা হলেন 'মীর জুমলা'।
- সম্রাট আওরঙ্গজেবের শাসনামলে ঢাকা গেইট নির্মিত হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের সময়ে বাংলার গভর্নর হয়ে আসেন মীর জুমলা।
- মীর জুমলা ১৬৬০ থেকে ১৬৬৩ সালের মধ্যে ঢাকা গেইট নির্মাণ করেছিলেন।
- সীমানা চিহ্নিত করতে এবং স্থলপথে শত্রুদের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে এটি নির্মাণ করা হয়।
- সম্প্রতি ঢাকা গেট সংস্কার শেষে নতুন করে উদ্বোধন হয় ঐতিহাসিক ঢাকা গেইট।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বিবিসি বাংলা।

১৫০.
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পাকিস্তানের আত্মসমর্পণ দলিলটির শিরোনাম কী?
  1. ডিক্লারেশন অব ইন্ডিপেনডেন্স
  2. ইন্সট্রুমেন্ট অব সারেন্ডার
  3. এগ্রিমেন্ট অব বাংলাদেশ
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

পাকিস্তানের আত্মসমর্পণের দলিল: INSTRUMENT OF SURRENDER 1971
- ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের আত্মসমর্পণ দলিলটির শিরোনাম INSTRUMENT OF SURRENDER.
- এটি তিন প্রস্থে প্রস্তুত করা হয়। একটি প্রস্থ ভারত সরকার এবং দ্বিতীয় প্রস্থ পাকিস্তান সরকারের কাছে সংরক্ষিত আছে। তৃতীয় প্রস্থটি রয়েছে ঢাকার শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরে।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকেল পাঁচটা এক মিনিটে রমনা রেসকোর্সে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) মুক্তিবাহিনী-মিত্রবাহিনী যৌথ কম্যান্ডের পক্ষে লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা এবং পাকিস্তান বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের পক্ষে লেফটেন্যান্ট জেনারেল নিয়াজী পাকিস্তানের আত্মসমপর্ণের দলিলে স্বাক্ষর করেন।

উল্লেখ্য,
- ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সকালে মানেকশ ভারতের পূর্বাঞ্চল বাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ মেজর জেনারেল জে এফ আর জেকবকে আত্মসমর্পণের দলিল ও আনুষ্ঠানিকতা চূড়ান্ত করার জন্য ঢাকায় পাঠান। ১৬ ডিসেম্বর বিকালে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর ৯৩ হাজার সৈন্য বিনা শর্তে সম্মিলিত বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে।
- এই আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন পূর্বাঞ্চলের সম্মিলিত বাহিনী প্রধান লেঃ জেনারেল জগজিত সিং অরোরা ও পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় অধিনায়ক লেঃ জেঃ এ কে নিয়াজী।
- এই আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন মুক্তিবাহিনীর উপ-সেনা প্রধান ও বিমান বাহিনী প্রধান গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।

এছাড়াও,
- এই অনুষ্ঠানে মুক্তিবাহিনীর নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন এস ফোর্স অধিনায়ক লেঃ কর্নেল কে এম সফিউল্লাহ, ২নং সেক্টরের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর এ টি এম হায়দার এবং টাঙ্গাইল মুক্তি বাহিনীর অধিনায়ক জনাব কাদের সিদ্দিকী।

উৎস: i) মুক্তিযুদ্ধ -ই - আর্কাইভ।
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণি।
iii) দৈনিক ইত্তেফাক।

১৫১.
ইলিশ মাছ জিআই (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় -
  1. ২০১৫ সালে
  2. ২০১৬ সালে
  3. ২০১৭ সালে
  4. ২০১৮ সালে
ব্যাখ্যা

জিআই (GI):
- জিআই (GI) এর পূর্ণরুপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- জাতিসংঘের সংস্থা WIPO (World Intellectual Property Organization) হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- কোনো একটি দেশের নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের মাটি, পানি, আবহাওয়ার প্রেক্ষাপটে সেখানকার জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি যদি কোনো একটি পণ্য উৎপাদনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তাহলে সেটিকে সেই দেশের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- দেশে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) আইন পাস হয় ২০১৩ সালে।
- দেশের প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধন পায় জামদানি।

⇒ ইলিশ মাছ জিআই (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় ২০১৭ সালে।
- বাংলাদেশের জিডিপিতে ইলিশ মাছের অবদান ১ শতাংশের বেশি। দেশের মৎস্য উৎপাদনে যার অংশ প্রায় ১১ শতাংশ। বিশ্বের মোট উৎপাদিত ইলিশের ৮০ শতাংশের বেশি আহরিত হয় বাংলাদেশের নদ-নদী, মোহনা ও সাগর থেকে।

উৎস: i) পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

১৫২.
সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে কতটি ক্ষেত্রে সংযোজন, পরিমার্জন ও প্রতিস্থাপন আনা হয়েছিল?
  1. ২২টি
  2. ৩৪টি
  3. ৪২টি
  4. ৫৪টি
ব্যাখ্যা

পঞ্চদশ সংশোধনী:
- ২০১১ সালের ৩০শে জুন জাতীয় সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনী আইন পাস হয় এবং রাষ্ট্রপতির অনুমোদন হয় ২০১১ সালের ৩ জুলাই।
- সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা পুনর্বহাল করা হয় এবং রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হিসেবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- এই সংশোধনীর দ্বারা 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল' করা হয়।
- জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বিদ্যমান ৪৫-এর স্থলে ৫০ করা হয়।
- সংবিধানে ৭ অনুচ্ছেদের পরে ৭ (ক) ও ৭ (খ) অনুচ্ছেদ সংযোজন করে সংবিধান বহির্ভূত পন্থায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের পথ রুদ্ধ করা হয়।

উল্লেখ্য,
- পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ৫৪টি ক্ষেত্রে সংযোজন, পরিমার্জন ও প্রতিস্থাপন আনা হয়েছিল।
- পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকার ১৪২ অনুচ্ছেদ থেকে ‘গণভোটের’ বিধান বাদ দিয়েছিল।
- এ ছাড়া পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে অসাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলকে রাষ্ট্রদ্রোহ অপরাধ বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে রাষ্ট্রদ্রোহের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধানও যুক্ত করা হয়। আগে মেয়াদ শেষ হওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনে নির্বাচন করার বিধান থাকলেও পঞ্চদশ সংশোধনীতে পূর্ববর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার বিধান সংযোজন করা হয়।

উৎস: i) BBC.
ii) প্রথম আলো।

১৫৩.
জাতিসংঘ 'সনদ' কার্যকর হয় -
  1. ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর
  2. ১৯৪৪ সালের ২৬ জুন
  3. ১৯৪৫ সালের ২৫ এপ্রিল
  4. ১৯৪৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠা:
- ১৯৪৫ সালের ২৫ এপ্রিল-২৬ জুন ৫০টি দেশের প্রতিনিধিরা সানফ্রান্সিসকো শহরে মিলিত হন।
- ২৬ জুন ১১১টি ধারা সম্বলিত জাতিসংঘ সনদ অনুমোদিত হয়।
- জাতিসংঘ সনদ কার্যকর হয় ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর।
- মোট ৫১টি দেশ মূল সনদে স্বাক্ষর করেছিল।
- এ কারণে এই ৫১টি দেশকে জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ধরা হয়।

উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান-৩, বিএ এবং বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫৪.
বর্তমানে আসিয়ান কতটি সদস্য রাষ্ট্রের সমন্বয়ে গঠিত? (অক্টোবর ২০২৫)
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ১৩টি
ব্যাখ্যা

আসিয়ান (ASEAN):
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা।
- আসিয়ান (ASEAN) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দশটি দেশের একটি আঞ্চলিক সংস্থা, যা ৮ আগস্ট ১৯৬৭ সালে ব্যাংকক, থাইল্যান্ডে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ড।
- পরবর্তীতে যোগদানকারী দেশ: ব্রুনাই দারুস সালাম, ভিয়েতনাম, লাওস, মিয়ানমার ও কম্বোডিয়া।
- বর্তমানে আসিয়ান ১০টি সদস্য রাষ্ট্রের সমন্বয়ে গঠিত।
- আসিয়ান অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

উৎস: ASEAN ওয়েবসাইট।

১৫৫.
নিম্নের কোন সংস্থাটি 'Soft Loan Window' নামে পরিচিত?
  1. IMF
  2. IDA
  3. IDB
  4. IFC
ব্যাখ্যা

• IDA:
- IDA (International Development Association) প্রতিষ্ঠিত হয় ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৬০ সালে।
- এটি সহজ শর্তে ঋণ প্রদান করে, তাই এটি 'International Soft Loan Window' নামে পরিচিত।
- IDA-এর মূল উদ্দেশ্য দারিদ্র্য নিয়ন্ত্রণ এবং বিকাশে সাহায্য করা।
- এটি উন্নত দেশগুলির জন্য অনুকূল শর্তে ঋণ প্রদান করে, যাতে তারা অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নতি অর্জন করতে সক্ষম হতে পারে।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ১৭৫টি।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- IDA জরুরি সহায়তা প্রদানের জন্য ২০০৭ সালে Crisis Response Window চালু করে।

উৎস: আইডিএ ওয়েবসাইট ও বিশ্বব্যাংক।

১৫৬.
'গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার ইনডেক্স ২০২৫ অনুযায়ী', বাংলাদেশের অবস্থান কততম? (অক্টোবর ২০২৫)
  1. ৩৭তম
  2. ৩৫তম
  3. ৩৯তম
  4. ৩৩তম
ব্যাখ্যা

গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার ইনডেক্স (GFP)- ২০২৫:
• সূচক নির্ধারণের প্রধান মানদণ্ড:
- সামরিক ইউনিটের সংখ্যা;
- আর্থিক সক্ষমতা;
- লজিস্টিক দক্ষতা;
- ভৌগোলিক পরিস্থিতি।

• শীর্ষ তিন সামরিক শক্তিধর দেশ:
১. যুক্তরাষ্ট্র – ১ম স্থান (স্কোর: ০.০৭৪৪);
২. রাশিয়া – ২য় স্থান (স্কোর: ০.০৭৮৮);
৩. চীন – ৩য় স্থান (স্কোর: ০.০৭৮৮)।

• বাংলাদেশের অবস্থান:
মোট দেশ: ১৪৫,
- বাংলাদেশের র‌্যাংক: ৩৫তম,
- পাওয়ার ইনডেক্স স্কোর: ০.৬০৬২।

সূত্র: গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার ইনডেক্স (GFP) ওয়েবসাইট।

১৫৭.
২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ কোন দেশে অনুষ্ঠিত হবে?
  1. কানাডা
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. মেক্সিকো
  4. উপরোক্ত সবগুলো
ব্যাখ্যা

ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬:
- আয়োজক দেশ: ৩টি (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকো)।
- এটি বিশ্বকাপ ফুটবলের ২৩তম আসর।
- সময়কাল: ১১ জুন, ২০২৬ - ১৯ জুলাই, ২০২৬।
- অংশগ্রহণকারী দেশ: ৪৮টি।
- অনুষ্ঠিত হবে ১০৪টি ম্যাচ।
- তিন দেশের ১৬টি ভেন্যুতে এই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

⇒ FIFA World Cup:
- ফিফা বিশ্বকাপ (ফুটবল বিশ্বকাপ) একটি আন্তর্জাতিক ফুটবল প্রতিযোগিতা।
- এখানে ফিফাভুক্ত দেশগুলোর পুরুষ জাতীয় ফুটবল দল অংশ নেয়।
- ফিফা বিশ্ব ফুটবল নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা।
- ১৯৩০ সালে উরুগুয়েতে প্রথম বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণে ১৯৪২ এবং ১৯৪৬ এই ২টি বিশ্বকাপের আসর বসেনি।
- সর্বশেষ বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে কাতারে, ২০২২ সালে।
- এখন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয় ফুটবল বিশ্বকাপের ২২টি আসর।
- ২০২২ এর শিরোপা জয়ী আর্জেন্টিনা।

উৎস: FIFA ওয়েবসাইট।

১৫৮.
'আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত' নিম্নের কোথায় অবস্থিত?
  1. যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক
  2. সুইজারল্যান্ডের জেনেভা
  3. সুইজারল্যান্ডের জুরিখ
  4. নেদারল্যান্ডের হেগ
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক আদালত (International Court of Justice - ICJ):
- International Court of Justice (ICJ) বা আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত ও বলা হয়।
- এটি জাতিসংঘের বিচারিক অঙ্গ এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তি করে।
- ICJ শুধুমাত্র সেই বিরোধগুলি শুনানি করে, যা রাষ্ট্রগুলি স্বেচ্ছায় আদালতে নিয়ে আসে।
- ICJ আন্তর্জাতিক আইন সম্পর্কিত বিরোধ যেমন সীমান্তের সমস্যা, সমুদ্রসীমা, এবং চুক্তির ব্যাখ্যা সমাধান করে।
- এটি নেদারল্যান্ডের হেগ শহরে অবস্থিত।
- বিচারক সংখ্যা ১৫ জন।
- বিচারকরা নয় বছরের জন্য নির্বাচিত হন।
- প্রতি বছর এক তৃতীয়াংশ বিচারক অবসর গ্রহণ করেন।

উৎস: ICJ ওয়েবসাইট।

১৫৯.
'ট্রয় নগরী' বর্তমানে কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ইরাক
  2. গ্রীস
  3. তুরস্ক
  4. ইরান
ব্যাখ্যা

ট্রয় নগরী:
- ইতিহাস বিখ্যাত ট্রয় নগরী বর্তমান তুরস্কের হেসারলিক বা আনাতোলিয়া নামক স্থানে অবস্থিত।
- ঐতিহাসিক ট্রয় নগরীর অস্তিত্ব এবং এর ধ্বংসের ইতিহাস প্রাচীন গ্রীক হোমারের মহাকাব্য ইলিয়াড-এ পাওয়া যায়।
- ট্রয় নগরী ১৯৯৮ সালে ইউনেস্কোর ‘বিশ্ব ঐতিহ্য’ তালিকায় যুক্ত হয়।
- ট্রয়ের যুদ্ধ শুরু খ্রিষ্টপূর্ব ১২৫০ শতকে এবং শেষ খ্রিষ্টপূর্ব ১২৪০ শতকে।
- দীর্ঘ ১০ বছর ধরে চলেছিল যুদ্ধ।
- এই যুদ্ধ ট্রোজান যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- যুদ্ধের কারণ ছিল হেলেন নামের এক সুন্দরী মহিলাকে কেন্দ্র করে, যিনি ট্রয়ের রাজা প্রিয়াম এর পুত্র পারিস দ্বারা অপহৃত হন।
- গ্রীক রাজা মেনেলাউস তার স্ত্রীর ফিরিয়ে আনার জন্য ট্রয়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন।

• ট্রয়ের ঘোড়া (Trojan Horse):
- ট্রয়ের ঘোড়া ছিল গ্রীক বাহিনীর একটি কৌশল। তারা একটি বিশাল কাঠামো, যা একটি ঘোড়ার মতো দেখতে, ট্রয়ের শহরে রেখে যায়। এতে গ্রীক সৈন্যরা লুকিয়ে ছিল। ট্রয়ের বাসিন্দারা এটি উপহার মনে করে শহরে নিয়ে আসে। রাতের বেলায় সৈন্যরা বের হয়ে শহরের দরজা খুলে দেয়, এবং গ্রীক বাহিনী ট্রয় ধ্বংস করে। এটি প্রতারণা ও কৌশলের প্রতীক হয়ে আছে।

উৎস: Britannica ওয়েবসাইট।

১৬০.
'World Trade Organization (WTO)' এর প্রতিষ্ঠাকালীন নাম কী ছিল?
  1. General Agreement on Tariffs and Trade
  2. General Assessment on Tariffs and Trade
  3. General Agreement on Tarifics and Trading
  4. General Agreement on Tariffs
ব্যাখ্যা

• WTO:
- WTO এর প্রতিষ্ঠাকালীন নাম General Agreement on Tariffs and Trade (GATT).
- WTO (World Trade Organization) ১ জানুয়ারি ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- WTO এর বর্তমান সদস্য ১৬৬টি ।
- বাংলাদেশ WTO এর সদস্য হয় ১জানুয়ারি, ১৯৯৫ সালে।
- WTO এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ড।

উৎস: WTO ওয়েবসাইট ও Britannica.

১৬১.
মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী ‘ARSA’ এর পূর্ণরূপ -
  1. Army of Rohingya State Alliance
  2. Arakan Rohingya Salvation Army
  3. Arakan Resistance and Security Army
  4. Armed Rohingya Security Alliance
ব্যাখ্যা

• Arakan Rohingya Salvation Army (ARSA):
- ARSA হল একটি সশস্ত্র রোহিঙ্গা গোষ্ঠী যা মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে (পূর্বের আরাকান) রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষার নামে কার্যক্রম চালায়।
- ARSA-আনুমানিক ২০১৩ সালে গঠিত হয়েছিল।
- পূর্বে Harakah al-Yaqin (HaY) নামে পরিচিত ছিল।
- এরা মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের জন্য একটি গণতান্ত্রিক মুসলিম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সশস্ত্র তৎপরতা চালিয়ে আসছে।
- ২০১৬ ও ২০১৭ সালে মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলা চালায়।
- ২০১৭ সালের আগস্টে ARSA-র হামলার প্রতিক্রিয়ায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী ব্যাপক দমন-পীড়ন চালায়, যার ফলে দশ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে।

সূত্র: বিবিসি পত্রিকা রিপোর্ট।

১৬২.
'নোবেল পুরস্কার' বিজয়ী প্রথম নারী কে?
  1. মেরি কুরি
  2. বার্থাভন সুটনার
  3. মেরি কুইন
  4. গ্রাজিয়া দেলেদ্দা
ব্যাখ্যা

মেরি কুরি (Marie Curie):
- নোবেল পুরস্কার বিজয়ী প্রথম নারী মেরি কুরি।
- তিনিই বিশ্বের একমাত্র ব্যক্তি, যিনি বিজ্ঞানের দুই দুইটি শাখায় নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন।
- তেজস্ক্রিয়া গবেষণার পথিকৃৎ মেরি কুরি ১৯০৩ সালে পদার্থবিজ্ঞানে এবং ১৯১১ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি ৭ নভেম্বর, ১৮৬৭ সালে পোল্যান্ডের ওয়ারশ শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৯১ এর শেষের দিকে মেরি পোল্যান্ড থেকে ফ্রান্সের উদ্দেশে পাড়ি জমান।

অন্যদিকে,
- সাহিত্যে নোবেল জয়ী প্রথম নারী সেলমা লাগেরলফ।
- শান্তিতে প্রথম মহিলা নোবেল বিজয়ী বার্থাভন সুটনার।
- গ্রাজিয়া দেলেদ্দা ১৯২৬ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯০১ - ২০২৪ সাল পর্যন্ত মোট ৬৫ জন নারী ৬৬ বার নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- এর মধ্যে একমাত্র মেরি কুরি যিনি দুইবার নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: Nobel Prize ওয়েবসাইট।

১৬৩.
'ফোর্টিফাই রাইটস' সংগঠনটি কী বিষয়ে কাজ করে?
  1. মানবাধিকার
  2. পরিবেশ
  3. রাজনৈতিক
  4. অর্থনৈতিক
ব্যাখ্যা

Fortify Rights:
- ফোর্টিফাই রাইটস (Fortify Rights) থাইল্যান্ডভিত্তিক একটি মানবাধিকার সংগঠন।
- এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কাজ করে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০১৩ সালে।
- এটি বিশেষভাবে মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, এবং অন্যান্য অঞ্চলের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।
- সম্প্রতি (মার্চ, ২০২৫] মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে গৃহযুদ্ধের শিকার বেসামরিক নাগরিকদের মানবিক সহায়তা এবং বাণিজ্যিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে বাংলাদেশ ও আরাকান আর্মিকে ‘মানবিক করিডর’ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ফোর্টিফাই রাইটস।

উৎস: সমকাল পত্রিকা এবং Fortify Rights ওয়েবসাইট।

১৬৪.
'বিশ্ব মানবিক ভাতৃত্ববোধ বিষয়ক সম্মেলন-২০২৫' নিচের কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছে?
  1. ভ্যাটিক্যান সিটি
  2. চীন
  3. যুক্তরাজ্য
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

• বিশ্ব মানবিক ভাতৃত্ববোধ বিষয়ক সম্মেলন-২০২৫:
- ২০২৫ সালের ১২-১৩ সেপ্টেম্বর 'বিশ্ব মানবিক ভাতৃত্ববোধ বিষয়ক সম্মেলন-২০২৫' ভ্যাটিক্যান সিটিতে অনুষ্ঠিত হবে।
- বিশ্বমানব ভ্রাতৃত্ব সম্মেলন এক ঐতিহাসিক সমাবেশে পরিণত হতে যাচ্ছে— যা ঐক্য, শান্তি ও সামাজিক ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে ভবিষ্যৎ গঠনে বিশ্বনেতা, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও চিন্তাবিদদের একত্রিত করবে।
- এই অনুষ্ঠানের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে মানবতার সারণীর খসড়া, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের জন্য সর্বজনীন নীতির রূপরেখা। আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সহানুভূতিশীল বিশ্বের জন্য পোপ ফ্রান্সিসের দৃষ্টিভঙ্গি দ্বারা অনুপ্রাণিত একটি নতুন মানবসনদকে সংজ্ঞায়িত করার একটি ভিত্তিমূলক দলিল।
এই উপলক্ষে সেন্ট পিটার্স স্কয়ারে একটি বিশাল সমাবেশ আশা করা হচ্ছে, যা অন্যতম বৃহত্তম ইভেন্ট হিসাবে চিহ্নিত হবে। অনুষ্ঠানটিতে মানবভ্রাতৃত্বের নীতিগুলো পুনরায় নিশ্চিত করে একটি বৈশ্বিক কনসার্ট, আলোচনা এবং প্রতীকী মাল্টিমিডিয়া উপস্থাপনাও থাকবে।

উৎস: Fondazione Fratelli tutti ওয়েবসাইট।

১৬৫.
'রোমান সাম্রাজ্যের' প্রথম সম্রাট নিম্নের কে ছিলেন?
  1. জুলিয়াস সিজার
  2. অগাস্টাস সিজার
  3. তুজিয়াস সিজার
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

• অগাস্টাস সিজার:
- রোমান সাম্রাজ্যের প্রথম সম্রাট ছিলেন অগাস্টাস সিজার।
- তিনি মহাবীর জুলিয়াস সিজারের ভাগ্নে।
- অগাস্টাস সিজারের আসল নাম ছিল গাইয়াস অক্টাভিয়াস।
- জুলিয়াস সিজারের মৃত্যুর পর তিনি নিজের নাম পরিবর্তন করে অগাস্টাস সিজার রাখেন।
- ৬৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে রোমের সমরনায়ক ও সিনেট সদস্যরা যখন দুই ভাগে বিভক্ত, এমনই এক সময় জন্মলাভ করেন অগাস্টাস সিজার।

⇒ সম্রাট অক্টাভিয়ান অগাস্টাস (খ্রিস্টপূর্ব ৩১-১৪ খ্রিস্টাব্দ) রোমের ইতিহাসে সর্বাপেক্ষা বিখ্যাত শাসক ছিলেন।
- তাঁর শাসনামলে রোমীয় সভ্যতায় স্বর্ণযুগের সূচনা হয়।
- তিনি একজন বিচক্ষণ রাজনীতিক ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন শাসক ছিলেন।
- তাঁর সময়ে রোমীয় ইতিহাস, সাহিত্য-সংস্কৃতি, শিল্পকলা, বিজ্ঞানচর্চা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে।
- এই জন্য ইতিহাসে তাঁর সময়কালকে 'অগাস্টান যুগ' (Augustan Age) বলা হয়।

উৎস:Britannica ওয়েবসাইট এবং ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬৬.
'স্ট্যাচু অব লিবার্টি'-এর মূল নকশাকার নিম্নের কে?
  1. ফ্রেডরিক অগাস্ট বার্থোল্ডি
  2. উইলিয়াম নেপোলিয়ন
  3. ফ্রেডরিক থমাস
  4. প্রিয়ালো বার্থো
ব্যাখ্যা

স্ট্যাচু অব লিবার্টি:
- যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে খ্যাত স্ট্যাচু অব লিবার্টি’।
- এটি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের লিবার্টি দ্বীপে অবস্থিত।
- যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার শতবর্ষ পূর্তিতে এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ফ্রান্সের বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে ভাস্কর্যটি উপহার দিয়েছিল ২৮ অক্টোবর ১৮৮৬ সালে।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট সেদিন আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্রান্সের কাছ থেকে স্ট্যাচুটি উপহার হিসেবে গ্রহণ করেন।
- তাই প্রতিবছর ২৮ অক্টোবর ‘স্ট্যাচু অব লিবার্টি’র জন্মদিন পালন করা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্র সরকার ১৯২৪ সালে একে জাতীয় স্মৃতিস্তম্ভ হিসেবে ঘোষণা করে।
- ‘স্ট্যাচু অব লিবার্টি’ নামে বিশ্ববাসী মূর্তিটিকে চিনলেও এর প্রকৃত নাম ‘লিবার্টি এনলাইটেনিং দ্য ওয়ার্ল্ড’।
- ‘স্ট্যাচু অব লিবার্টি’র মূল নকশাকার ছিলেন ফ্রান্সের ফ্রেডরিক অগাস্ট বার্থোল্ডি।

এছাড়াও,
- মূর্তিটি একজন নারীর রূপে স্বাধীনতার মূর্তি।
- মূল ভাস্কর্যটির উচ্চতা ১৫১ ফুট, বেদিসহ এর উচ্চতা ৩০৫ ফুট (৯৩ মিটার)।
- এটি একহাত দিয়ে যে বইটি ধরে আছে সে বইয়ের ওপরে লেখা আছে একটি তারিখ, আর তা হল “৪ জুলাই, ১৭৭৬”।এই তারিখেই ব্রিটিশ শাসন থেকে যুক্তরাষ্ট্র স্বাধীন হয়েছিল!

উৎস: Britannica ওয়েবসাইট।

১৬৭.
নিম্নের কোন দেশ থেকে 'অস্ট্রেলিয়া' স্বাধীনতা লাভ করে?
  1. কানাডা
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. যুক্তরাজ্য
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

• অস্ট্রেলিয়া:
- অস্ট্রেলিয়া ওশেনিয়া মহাদেশের একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র।
- আয়তনের দিক থেকে এটি ওশেনিয়ার সর্ব বৃহ‌ৎ রাষ্ট্র ও পৃথিবীর ৬ষ্ঠ বৃহত্তম রাষ্ট্র।
- রাজধানী: ক্যানবেরা।
- বিখ্যাত জনবহুল শহর: সিডনি।
- মুদ্রা: অস্ট্রেলিয়ান ডলার।
- সরকার প্রধান: প্রধানমন্ত্রী।
- সিডনিতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের নাম: কিরিবিলি হাউস।
- অস্ট্রেলিয়া যুক্তরাজ্য থেকে স্বাধীনতা লাভ করে ১৯০১ সালে।
- ১৯০১ সালে অস্ট্রেলিয়া ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অধীনে থাকা স্বাধীন কমনওয়েলথ দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: Britannica ওয়েবসাইট।

১৬৮.
'World Government Summit- 2025' নিম্নের কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছে?
  1. সৌদি আরব
  2. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  3. ইতালি
  4. জাপান
ব্যাখ্যা

বিশ্ব সরকার সম্মেলন ২০২৫:
- ২০১৩ সালে দুবাইয়ের শাসক মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুমের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয় বিশ্ব সরকার শীর্ষ সম্মেলন।
- সরকারি অভিজ্ঞতা এবং উদ্ভাবন বিনিময়ের একটি বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে।
- এই শীর্ষ সম্মেলন সরকার ও জনগণের মধ্যে সংযোগ জোরদার করার জন্য- বৈশ্বিক সংলাপ ও সহযোগিতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সরকারগুলোর মধ্যে কার্যকর অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে সহায়তা করে।
- ১১ থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইতে 'বিশ্ব সরকার সম্মেলন ২০২৫' অনুষ্ঠিত হয়।
- সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের নেতৃবৃন্দ, নীতিনির্ধারক ও বিশেষজ্ঞরা বৈশ্বিক সরকারব্যবস্থা, প্রযুক্তি, অর্থনীতি ও পরিবেশসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করেন।
- এই সম্মেলনে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন এবং অংশগ্রহণ করেন।

সূত্র- বাসস পত্রিকা রিপোর্ট।

১৬৯.

    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন:

    সমাধান:

    ১৭০.

    1. 0
    2. 2
    3. - 3
    4. 5
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন:

    সমাধান:

    ১৭১.
    'ALGEBRA' শব্দের বর্ণ গুলোকে কত উপায়ে সাজানো যাবে যাতে A সবসময় প্রথম বর্ণ থাকে?
    1. 920
    2. 720
    3. 5040
    4. 360
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: 'ALGEBRA' শব্দের বর্ণ গুলোকে কত উপায়ে সাজানো যাবে যাতে A সবসময় প্রথম বর্ণ থাকে?

    সমাধান:
    'ALGEBRA' শব্দে মোট 7 টি বর্ণ আছে। যথা A, L, G, E, B, R, A
    এখানে A বর্ণটি 2 বার আছে।

    যেহেতু প্রথম স্থান A দিয়ে বাধ্যতামূলকভাবে পূরণ করা হবে, তাই প্রথম স্থানের জন্য কোনো আলাদা বাছাই নেই।

    সুতরাং বাকি 6 টি বর্ণ L, G, E, B, R, A
    এখানে কোনো বর্ণই একাধিকবার নেই (কারণ A দুটির একটি প্রথমে ব্যবহার করায় বাকি 1 টি A আছে, তাই পুনরাবৃত্তি নেই)।

    ∴ বিন্যাস সংখ্যা = 6 টি ভিন্ন বস্তুর বিন্যাস = 6! = 6 × 5 × 4 × 3 × 2 = 720

    ১৭২.
    x - 2y - 8 = 0 এবং 2x + y - 12 = 0 রেখাদ্বয়ের ঢালদ্বয়ের গুণফল কত?
    1. 1/3
    2. - 2
    3. 1/2
    4. - 1
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: x - 2y - 8 = 0 এবং 2x + y - 12 = 0 রেখাদ্বয়ের ঢালদ্বয়ের গুণফল কত?

    সমাধান:
    দেওয়া আছে,
    x - 2y - 8 = 0 এবং 2x + y - 12 = 0

    আমরা জানি,
    সরল রেখার সাধারণ সমীকরণ, y = mx + c [যেখানে, m = ঢাল]

    এখন,
    প্রথম রেখার ঢাল:
    x - 2y - 8 = 0 সমীকরণটিকে y = mx + c আকারে সাজালে পাই,
    ⇒ 2y = x - 8
    ∴ y = (1/2)x - 4
    সুতরাং, প্রথম রেখার ঢাল, m1 = 1/2

    আবার,
    দ্বিতীয় রেখার ঢাল:
    2x + y - 12= 0 সমীকরণটিকে y = mx + c আকারে সাজালে পাই,
    ⇒ y = - 2x + 12
    সুতরাং, দ্বিতীয় রেখার ঢাল, m2 = - 2

    ∴ ঢালদ্বয়ের গুণফল = m1 × m2 = (1/2) × (- 2) = - 1
    এই দুটি রেখা পরস্পর লম্ব, কারণ তাদের ঢালদ্বয়ের গুণফল - 1

    ১৭৩.
    কোন ত্রিভুজের ১ম কোণ যদি ২য় কোণের চারগুণ এবং ৩য় কোণ যদি ১ম কোণের চেয়ে 63° বড় হয়, তাহলে ৩য় কোণটি কত ডিগ্রি?
    1. 115°
    2. 78°
    3. 52°
    4. 105°
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: কোন ত্রিভুজের ১ম কোণ যদি ২য় কোণের চারগুণ এবং ৩য় কোণ যদি ১ম কোণের চেয়ে 63° বড় হয়, তাহলে ৩য় কোণটি কত ডিগ্রি?

    সমাধান:
    ধরি,
    ২য় কোণ = x
    ∴ ১ম কোণ = 4x
    ৩য় কোণ = 4x + 63°

    প্রশ্নমতে,
    x + 4x + 4x + 63° = 180°
    ⇒ 9x = 180° - 63°
    ⇒ 9x = 117°
    ⇒ x = 117°/9
    ∴ x = 13°

    ∴ ৩য় কোণ = 4x + 63 = 52° + 63° = 115°

    ১৭৪.
    চিনির মূল্য ৬% বেড়ে যাওয়ায় ১০৬০ টাকার পূর্বে যত কেজি চিনি কেনা যেত এখন তার চেয়ে ৩ কেজি চিনি কম কেনা যায়।পূর্বে চিনির দাম কেজি প্রতি কত ছিল?
    1. ২১.২০ টাকা
    2. ২৫ টাকা
    3. ২০ টাকা
    4. ১৮.২৫ টাকা
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: চিনির মূল্য ৬% বেড়ে যাওয়ায় ১০৬০ টাকার পূর্বে যত কেজি চিনি কেনা যেত এখন তার চেয়ে ৩ কেজি চিনি কম কেনা যায়। পূর্বে চিনির দাম কেজি প্রতি কত ছিল?

    সমাধান:
    মনে করি,
    পূর্বমূল্য = ১০০ টাকা
    আবার,
    ১০৬০ টাকার ৬% = ১০৬০ × (৬/১০০) = ৬৩.৬০ টাকা

    বর্তমানে ৩ কেজি চিনির দাম ৬৩.৬০ টাকা
    বর্তমানে ১ কেজি চিনির দাম ৬৩.৬০/৩ = ২১.২০ টাকা

    আবার,
    ৬% বৃদ্ধিতে বর্তমান মূল্য = ১০০ + ৬ = ১০৬ টাকা

    এখন,
    ১০৬ টাকা বর্তমান দর হলে পূর্ব দর = ১০০ টাকা
    ∴ ১ টাকা বর্তমান দর হলে পূর্ব দর = ১০০/১০৬ টাকা
    ∴ ২১.২০ টাকা বর্তমান দর হলে পূর্ব দর = (১০০ × ২১.২০)/১০৬ টাকা
    = ২০ টাকা

    সুতরাং, পূর্বে চিনির দাম কেজি প্রতি ২০ টাকা।

    ১৭৫.
    8 + 4√2 + 4 + 2√2+..................... ধারাটির কততম পদ √2?
    1. 6
    2. 4
    3. 8
    4. 5
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: 8 + 4√2 + 4 + 2√2+..................... ধারাটির কততম পদ √2?

    সমাধান:
    এটি একটি গুণোত্তর ধারা। যার
    ১ম পদ, a = 8
    এবং সাধারণ অনুপাত, r = 4√2/8 = √2/2 = 1/√2

    আমরা জানি,
    গুণোত্তর ধারার n তম পদ = arn - 1

    প্রশ্নমতে,
    arn - 1 = √2
    ⇒ 8 × (1/√2)n - 1 = √2
    ⇒ (1/√2)n - 1 = √2/8
    ⇒ (1/√2)n - 1 = √2/(√2)6 ; [(√2)6 = 8]
    ⇒ (√2)- (n - 1) = (√2)1 - 6
    ⇒ - (n - 1) = - 5
    ⇒ - n + 1 = - 5
    ⇒ n = 1 + 5
    ∴ n = 6

    অর্থাৎ ৬ষ্ঠ পদটি √2

    ১৭৬.
    4, 8 এবং 16 এর জ্যামিতিক গড় কত?
    1. 12
    2. 5
    3. 8
    4. 4
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: 4, 8 এবং 16 এর জ্যামিতিক গড় কত?

    সমাধান:
    আমরা জানি,
    n সংখ্যক সংখ্যার গুণোত্তর গড় বা জ্যামিতিক গড় =

    ∴ 4, 8 এবং 16 এর জ্যামিতিক গড় = (4 × 8 × 16)1/3
    = (512)1/3
    = (83)1/3
    = 8

    ১৭৭.

    1. 0
    2. 2√2
    3. 4
    4. √2
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন:

    সমাধান:

    ১৭৮.
    4 মিটার ব্যাস বিশিষ্ট বৃত্তের অভ্যন্তরে একটি বর্গ অঙ্কিত হলো। বৃত্ত ও বর্গের ক্ষেত্রফলের অনুপাত কত?
    1. π : 2√2
    2. π : 4
    3. 4 : π
    4. π : 2
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: 4 মিটার ব্যাস বিশিষ্ট বৃত্তের অভ্যন্তরে একটি বর্গ অঙ্কিত হলো। বৃত্ত ও বর্গের ক্ষেত্রফলের অনুপাত কত?

    সমাধান:
    দেওয়া আছে,
    বৃত্তের ব্যাস =4 মিটার
    বৃত্তের ব্যাসার্ধ, r = 4/2 = 2 মিটার

    আমরা জানি,
    ∴ বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr2
    = π × 22 বর্গমিটার
    = 4π বর্গমিটার

    বর্গের কর্ণের দৈর্ঘ্য = বৃত্তের ব্যাসের দৈর্ঘ্য = 2 × 2 = 4 মিটার
    ∴ বর্গের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = 4/√2 = 2√2 মিটার

    ∴ বর্গের ক্ষেত্রফল = (2√2)2 বর্গমিটার = 8 বর্গমিটার

    ∴ বৃত্ত ও বর্গের ক্ষেত্রফলের অনুপাত = 4π : 8
    = π : 2

    ১৭৯.
    নিচের কোনটি অসামঞ্জস্যপূর্ণ?
    1. Linux
    2. Python
    3. Java
    4. Ruby
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: নিচের কোনটি অসামঞ্জস্যপূর্ণ?

    সমাধান:

    • Linux:
    - Linux হলো একটি অপারেটিং সিস্টেম (Operating System) যা কম্পিউটার হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার ব্যবস্থাপনা করে।
    - এটি একটি প্ল্যাটফর্ম বা ভিত্তি যেখানে বিভিন্ন সফটওয়্যার রান করতে পারে।
    - Linux নিজেই কোনো প্রোগ্রামিং ভাষা নয়।
    - সাধারণত সার্ভার, ডেস্কটপ, মোবাইল বা এমবেডেড সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়।

    • Python:
    - Python হলো একটি প্রোগ্রামিং ভাষা যা সাধারণত সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ডেটা সায়েন্স, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
    - এটি একটি ইন্টারপ্রেটেড এবং উচ্চ-স্তরের ভাষা।
    - Python Linux-এর মতো অপারেটিং সিস্টেম নয়।

    • Java:
    - Java হলো একটি প্রোগ্রামিং ভাষা এবং প্ল্যাটফর্ম।
    - এটি সাধারণত অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট এবং ওয়েব সার্ভিসে ব্যবহৃত হয়।
    - Java Linux-এর মতো অপারেটিং সিস্টেম নয়।

    • Ruby:
    - Ruby হলো একটি প্রোগ্রামিং ভাষা যা ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, স্ক্রিপ্টিং এবং সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টে ব্যবহৃত হয়।
    - এটি Linux-এর মতো অপারেটিং সিস্টেম নয়।

    সুতরাং, অন্যগুলো প্রোগ্রামিং ভাষা হলেও Linux হলো অপারেটিং সিস্টেম।
    সঠিক উত্তর: ক) Linux.

    ১৮০.
    চিত্রে ডানদিকের প্রথম গিয়ার ঘড়ির কাঁটার বিপরীতে ঘুরলে, ডান থেকে পঞ্চম গিয়ার কোনদিকে ঘুরবে?


    1. নির্ণয় করা সম্ভব নয়
    2. স্থির থাকবে
    3. ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিক
    4. ঘড়ির কাঁটার দিকে
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: চিত্রে ডানদিকের প্রথম গিয়ার ঘড়ির কাঁটার বিপরীতে ঘুরলে, ডান থেকে পঞ্চম গিয়ার কোনদিকে ঘুরবে?


    সমাধান:
    - ডান থেকে ১ম গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে ঘুরছে।
    - ১ম গিয়ারটির সাথে দ্বিতীয় গিয়ার সাথে যুক্ত থাকায় ২য় গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরবে।
    - ২য় গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরায়, ৩য় গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে ঘুরবে।
    - ৩য় গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে ঘুরায়, ৪র্থ গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরবে।
    - ৪র্থ গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরায়, ৫ম গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে ঘুরবে।

    ১৮১.
    প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যা বসবে?

    1. 2
    2. 6
    3. 8
    4. 10
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যা বসবে?

    সমাধান:
    প্রথম সারিতে,
    9 + 1 + 5 = 15

    দ্বিতীয় সারিতে,
    4 + 8 + 3 = 15

    তৃতীয় সারিতে,
    2 + 6 + 7 = 15

    প্রত্যেক সারির সংখ্যাগুলোকে যোগ করা হয়েছে যাদের প্রত্যেকের যোগফল 15.

    সুতরাং, প্রশ্নবোধক স্থানে 6 বসবে।

    ১৮২.
    বাংলা বর্ণবিন্যাসে ‘ধ' ব্যঞ্জন বর্ণের অবস্থান হচ্ছে: _______।
    1. ট বর্গের চতুর্থ
    2. চ বর্গের চতুর্থ
    3. ত বর্গের চতুর্থ
    4. প বর্গের চতুর্থ
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: বাংলা বর্ণবিন্যাসে ‘ধ' ব্যঞ্জন বর্ণের অবস্থান হচ্ছে: _______।

    সমাধান:
    - বাংলা ব্যঞ্জন বর্ণমালায় বর্গ ৫ টি।
    - এগুলো হলো - ক, চ, ট, ত, প।

    প্রতিটি বর্গে ৫ টি করে বর্ণ আছে। যথা-
    - ক, খ, গ, ঘ, ঙ
    - চ, ছ, জ, ঝ, ঞ
    - ট, ঠ, ড, ঢ, ণ
    - ত, থ, দ, , ন
    - প, ফ, ব, ভ, ম

    - বাংলা বর্ণবিন্যাসে ‘ধ' ব্যঞ্জন বর্ণের অবস্থান ”ত” বর্গের চতুর্থ স্থানে।

    ১৮৩.
    যদি 11894 = ARID হয় তাহলে 172194 = ?
    1. ACID
    2. AMID
    3. QUID
    4. QUIT
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: যদি 11894 = ARID হয় তাহলে 172194 = ?

    সমাধান:
    যদি 11894 = ARID হয় তাহলে 172194 = QUID

    ইংরেজি বর্ণমালার অবস্থান (A = 1, B = 2,..., Z = 26) বিবেচনা করে দেখা যায়-
    1 = A,
    18 = R,
    9 = I,
    4 = D
    ∴ 11894 = ARID

    একইভাবে,
    17 = Q,
    21 = U,
    9 = I,
    4 = D

    ∴ 172194 = QUID

    ১৮৪.
    প্রদত্ত চিত্রে কতগুলো ত্রিভুজ রয়েছে?

    1. 18
    2. 20
    3. 24
    4. 26
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: প্রদত্ত চিত্রে কতগুলো ত্রিভুজ রয়েছে?

    সমাধান:
    উপরোক্ত বৃহৎ ত্রিভুজে মোট কতটি ত্রিভুজ আছে
    = pn(n - 1)/2
    = 3 × 4(4 - 1)/2
    = (3 × 12)/2
    = 18

    এখানে,
    p = আনুভূমিক রেখার সংখ্যা
    n = লম্বালম্বি বা তির্যক রেখার সংখ্যা

    ১৮৫.
    "তু, য়া, ভা" বর্ণগুলোর সাথে নিচের কোনটি যোগ করে বিন্যাস করলে একটি দেশের নাম পাওয়া যাবে?
    1. সু
    2. ভা
    3. নু

    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: "তু, য়া, ভা" বর্ণগুলোর সাথে নিচের কোনটি যোগ করে বিন্যাস করলে একটি দেশের নাম পাওয়া যাবে?

    সমাধান:
    "তু, য়া, ভা" বর্ণগুলোর সাথে "নু" বর্ণটি যোগ করে বিন্যাস করলে "ভানুয়াতু" শব্দটি পাওয়া যায়।

    • ভানুয়াতু:
    - ভানুয়াতু হলো দক্ষিণ-প্যাসিফিক মহাসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপ রাষ্ট্র।
    - এটি প্রায় ৮০টি ছোট-বড় দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
    - রাজধানী হলো পোর্ট ভিলা।
    - দেশটির প্রধান ভাষা হলো বিসলামা, ইংরেজি ও ফরাসি।

    • মেলানেশিয়া:
    - মেলানেশিয়া হলো দক্ষিণ-প্যাসিফিকের একটি দ্বীপসমূহের অঞ্চল।
    - প্রধান দেশগুলো হলো পাপুয়া নিউ গিনি, ফিজি, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ, ভানুয়াতু, ও নিউ ক্যালিডোনিয়া।
    - নামের অর্থ হলো “কালো দ্বীপসমূহ” (মেলা = কালো, নেশিয়া = দ্বীপ)।
    - এখানে মূলত আফ্রো-প্যাসিফিক জাতিগোষ্ঠীর মানুষ বসবাস করে।

    উৎস: World Atlas.

    ১৮৬.
    সাবিহা একটি বালিকা লাইনের যেকোন প্রান্ত থেকে ত্রয়োদশ অবস্থানে রয়েছে। ঐ লাইনে কতজন বালিকা আছে?
    1. ২৫ জন
    2. ২১ জন
    3. ২৭ জন
    4. ২৯ জন
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: সাবিহা একটি বালিকা লাইনের যেকোন প্রান্ত থেকে ত্রয়োদশ অবস্থানে রয়েছে। ঐ লাইনে কতজন বালিকা আছে?

    সমাধান:
    সাবিহা সামনের দিক এবং পিছনের দিক উভয় দিক থেকেই ১৩তম অবস্থানে রয়েছে।

    ঐ লাইনে বালিকা আছে = ১২ + ১ + ১২ = ২৫ জন

    ১৮৭.
    ঘড়িতে ১০ টা ১০ মিনিট বাজলে আয়নার প্রতিবিম্বে কয়টা বাজতে দেখা যাবে?
    1. ৫ টা ১০ মিনিট
    2. ৩ টা ১৫ মিনিট
    3. ২ টা ১৫ মিনিট
    4. ১ টা ৫০ মিনিট
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: ঘড়িতে ১০ টা ১০ মিনিট বাজলে আয়নার প্রতিবিম্বে কয়টা বাজতে দেখা যাবে?

    সমাধান:
    আমরা জানি,
    আয়নার সময় = ১১ : ৬০ - প্রকৃত সময়
    = ১১ : ৬০ - ১০ : ১০
    = ১ : ৫০

    সুতরাং, ঘড়িতে ১০ টা ১০ মিনিট বাজলে আয়নার প্রতিবিম্বে ১ টা ৫০ মিনিট বাজতে দেখা যাবে।

    ১৮৮.
    একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে আনিছ সাহেব ও তাঁর স্ত্রী, তিন পুত্র ও তাদের স্ত্রী এবং প্রত্যেক পুত্রের ৩ জন করে সন্তান ছিলেন। ঐ অনুষ্ঠানে মোট কতজন উপস্থিত ছিলেন?
    1. ২০ জন
    2. ২৪ জন
    3. ১৭ জন
    4. ১৬ জন
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে আনিছ সাহেব ও তাঁর স্ত্রী, তিন পুত্র ও তাদের স্ত্রী এবং প্রত্যেক পুত্রের ৩ জন করে সন্তান ছিলেন। ঐ অনুষ্ঠানে মোট কতজন উপস্থিত ছিলেন?

    সমাধান:
    মোট লোক = আনিছ সাহেব + তাঁর স্ত্রী + তাদের তিন পুত্র + তিন পুত্রের স্ত্রী + পুত্রদের মোট ৯ সন্তান
    = ১৭ জন।

    ∴ বিয়ের অনুষ্ঠানে মোট উপস্থিত ছিলেন ১৭ জন।