পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন৩০
সিলেবাস
বিষয় - বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ টপিকসমূহ: ১. বাংলা ভাষা [ভাষা ও বাংলা ভাষা রীতি; বাংলা ব্যাকরণ ও এর আলোচ্য বিষয়] ২. ধ্বনিতত্ত্ব [ধ্বনি ও বর্ণ-প্রকরণ; যুক্তবর্ণ; ধ্বনির গঠন ও উচ্চারণ বিধি; ধ্বনি পরিবর্তন] উৎস: অষ্টম শ্রেণি ও মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), বাংলা একাডেমির অভিধান অথবা যেকোনো স্কলার (যেমন: ড. হায়াৎ মামুদ)-এর বই। (ব্যাকরণ - এর ক্ষেত্রে গাইড থেকে পড়াশুনা করলে, বিতর্কিত বিষয়গুলো বোর্ড বই ও বাংলা একাডেমি অভিধান থেকে ক্রসচেক করে নিলে উত্তম হবে।) ------------- নির্দেশিকা: ১. এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে। ২. এই পরীক্ষাটি "Award Mania: Season - 10” এর জন্য প্রযোজ্য।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ৩০ প্রশ্ন

.
‘শব্দ’ ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচনা করা হয়?
  1. বাক্যতত্ত্ব
  2. অর্থতত্ত্ব
  3. ধ্বনিতত্ত্ব
  4. রূপতত্ত্ব
সঠিক উত্তর:
রূপতত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপতত্ত্ব
ব্যাখ্যা
রূপতত্ত্ব:
- রূপতত্ত্বে শব্দ ও তার উপাদান নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- এই আলোচনায় পদ প্রকরণ যেমন: বিশেষ্য, সর্বনাম, বিশেষণ, ক্রিয়া, ক্রিয়াবিশেষণ ইত্যাদি স্থান পায়।
- বিশেষ গুরুত্ব পায় শব্দগঠন প্রক্রিয়া। ক্রিয়ারকাল ও পুরুষ এ অংশে আলোচিত হয়।

অন্যদিকে,
- ধ্বনিতত্ত্বের মূল আলোচ্য সন্ধি বাগ্যন্ত্র, বাগ্যন্ত্রের উচ্চারণ-প্রক্রিয়া, ধ্বনির বিন্যাস, স্বর ও ব্যঞ্জনধ্বনির বৈশিষ্ট্য, ধ্বনিদল প্রভৃতি।
- অর্থতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় - বিপরীত শব্দ, প্রতিশব্দ, শব্দজোড়, বাগ্ধারা প্রভৃতি বিষয় অর্থতত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত।
- বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় - কারক বিশ্লেষণ, বাক্যের যোগ্যতা, বাক্যের উপাদান লোপ, যতিচিহ্ন প্রভৃতিও বাক্যতত্ত্বে আলোচিত হয়ে থাকে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (সর্বশেষ সংস্করণ), প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি- ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
.
'অভিধান' শব্দের সঠিক উচ্চারণ কোনটি?
  1. ওভিধান্‌
  2. অভিধানঁ
  3. ওবিধান্‌
  4. ওভিধানঁ
সঠিক উত্তর:
ওভিধান্‌
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওভিধান্‌
ব্যাখ্যা
অ-এর উচ্চারণ দু রকম:

স্বাভাবিক (অ-এর মতো):
- অজ (অজো), অকাল (অকাল্), কথা (কথা), শপথ (শপথ্) ক্ষণ (খন্‌), জঞ্জাল (জন্‌জাল্), গয়না (গয়্না‌, ঘর (ঘর্)।

সংবৃত বা পরিবর্তিত (ও-এর মতো):
- অতি (ওতি), নদী (নোদি), অভিধান (ওভিধান্‌), অতনু (অতোনু), সুমতি (সুমোতি), মৌন (মৌনো), মৃগ (মৃগো)।
 
উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
.
কোনটি সাধু ভাষারীতির বৈশিষ্ট্য?
  1. তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দের প্রাধান্য রয়েছে
  2. পরিবর্তনশীল
  3. সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়
  4. সর্বজনস্বীকৃত ভাষারূপ
সঠিক উত্তর:
সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়
ব্যাখ্যা
সাধু ভাষারীতির বৈশিষ্ট্য:
- সাধু ভাষার রূপ অপরিবর্তনীয়। অঞ্চলভেদে বা কালক্রমে এর কোনো পরিবর্তন হয় না।
- সাধু ভাষারীতিতে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের ব্যবহার বেশি বলে এ ভাষায় এক প্রকার আভিজাত্য ও গাম্ভীর্য আছে।
- এ ভাষারীতি ব্যাকরণের সুনির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে চলে। এর পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট।
- সাধু ভাষারীতি শুধু লেখায় ব্যবহার হয়। তাই কথাবার্তা, বক্তৃতা, ভাষণ ইত্যাদির উপযোগী নয়।
- সাধু ভাষারীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়

অপরদিকে,
- বাংলা ভাষার সর্বজনস্বীকৃত ভাষারূপ হচ্ছে -চলিতরীতি/ চলনরীতি।
- চলিত রীতি পরিবর্তনশীল অর্থাৎ সময়ের প্রবাহের কারণে চলিত রীতি পরিবর্তিত রুপ লাভ করে।
- চলিত ভাষায় তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দের প্রাধান্য রয়েছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং বাংলাপিডিয়া, অষ্টম শ্রেণীর ব্যকরণ বই।
.
অর্থতত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত কোনটি?
  1. বাগ্‌ধারা
  2. বিপরীত শব্দ
  3. শব্দজোড়
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
অর্থতত্ত্ব:
- ব্যাকরণের যে অংশে শব্দ, বর্গ ও বাক্যের অর্থ নিয়ে আলোচনা করা হয়, সেই অংশের নাম অর্থতত্ত্ব। একে বাগর্থতত্ত্বও বলা হয়।
অর্থতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়:
- বিপরীত শব্দ,
- প্রতিশব্দ,
- শব্দজোড়,
- বাগ্‌ধারা
 প্রভৃতি বিষয় অর্থতত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত।
- এছাড়া শব্দ, বর্গ ও বাক্যের ব্যঞ্জনা নিয়েও ব্যাকরণের এই অংশে আলোচনা থাকে।

উৎস: বাংলা ভষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ ও ২০১৯ সংস্করণ) এবং  ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
যে সকল স্বরধ্বনি পুরোপুরি উচ্চারিত হয় না, তাকে কী বলে?
  1. দ্বিস্বরধ্বনি
  2. অর্ধস্বরধ্বনি
  3. মিশ্রধ্বনি
  4. অর্ধ-দ্বিস্বরধ্বনি
সঠিক উত্তর:
অর্ধস্বরধ্বনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্ধস্বরধ্বনি
ব্যাখ্যা
অর্ধস্বরধ্বনি:
যেসব স্বরধ্বনি পুরোপুরি উচ্চারিত হয় না সেগুলোকে অর্ধস্বরধ্বনি বলে। 
- বাংলা ভাষায় অর্ধস্বরধ্বনি চারটি: [ই্], [উ্], [এ্] এবং [ও্]। 
- স্বরধ্বনি উচ্চারণ করার সময়ে টেনে দীর্ঘ করা যায়, কিন্তু অর্ধস্বরধ্বনিকে কোনোভাবেই দীর্ঘ করা যায় না।

যেমন-
- 'চাই' শব্দে দুটি স্বরধ্বনি আছে: [আ] এবং [ই্]। এখানে [আ] হলো পূর্ণ স্বরধ্বনি, [ই্] হলো অর্ধস্বরধ্বনি।
- একইভাবে 'লাউ' শব্দে দুটি স্বরধ্বনি আছে: [আ] এবং [উ্]। এখানে [আ] হলো পূর্ণ স্বরধ্বনি, [উ্] হলো অর্ধস্বরধ্বনি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
কোনটি সাধু রীতির শব্দ?
  1. পড়িল
  2. পেরিয়ে
  3. পড়ল
  4. পড়লো
সঠিক উত্তর:
পড়িল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পড়িল
ব্যাখ্যা
• 'পড়িল' সাধু রীতির শব্দ। 
- এর চলিত রূপ হচ্ছে = পড়ল/পড়লো।

সাধু ও চলিত রীতির কিছু উদাহরণ:
- পার হইয়া = পেরিয়ে,
- করিয়া = করে,
- করিয়াছিলেন = করেছিলেন,
- করিলেন = করলেন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
"কুটুম্ব ˃ কুটুম" কোন ধরনের ধ্বনি পরিবর্তন?
  1. সম্প্রকর্ষ
  2. মধ্য স্বরাগম
  3. অভিশ্রতি
  4. অন্ত্য স্বরাগম
সঠিক উত্তর:
সম্প্রকর্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্প্রকর্ষ
ব্যাখ্যা
সম্প্রকর্ষ বা স্বরলোপ:
- দ্রুত উচ্চারণের জন্য শব্দের আদি, অন্ত্য বা মধ্যবর্তী কোনো স্বরধ্বনির লোপকে বলা হয় সম্প্রকর্ষ বা স্বরলোপ।

যেমন:
- আটমেসে ˃ আটাসে,
- কুটুম্ব ˃ কুটুম,
- জানালা ˃ জান্লা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
অভিশ্রুতি ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ কোনটি?
  1. ফাল্গুন > ফাগুন
  2. ফলাহার > ফলার
  3. ধাইমা > দাইমা
  4. রাখিয়া > রাইখা
সঠিক উত্তর:
রাখিয়া > রাইখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাখিয়া > রাইখা
ব্যাখ্যা
অভিশ্রুতি:
- বিপর্যস্ত স্বরধ্বনি পূর্ববর্তী স্বরধ্বনির সাথে মিলে গেলে এবং তদানুসারে পরবর্তী স্বরধ্বনির পরিবর্তন ঘটলে তাকে অভিশ্রুতি বলে।

যেমন
- শুনিয়া > শুনে,
- বলিয়া > বলে,
- হাটুয়া > হাউটা,
- মাছুুয়া > মেছো, 
- রাখিয়া > রাইখা ইত্যাদি।

অন্যদিকে:
- 'ফাল্গুন > ফাগুন' এবং 'ফলাহার > ফলার' অন্তর্হতি ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ।
- 'ধাইমা > দাইমা' ব্যঞ্জন বিকৃতি ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
"ছোটদাদা > ছোটদা" কোন ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ?
  1. অন্তর্হতি
  2. ব্যঞ্জনচ্যুতি
  3. ধ্বনি বিপর্যয়
  4. ব্যঞ্জন বিকৃতি
সঠিক উত্তর:
ব্যঞ্জনচ্যুতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যঞ্জনচ্যুতি
ব্যাখ্যা
ব্যঞ্জনচ্যুতি:
- পাশাপাশি সমউচ্চারণের দুটি ব্যঞ্জনধ্বনি থাকলে তার একটি লোপ পায়, এরূপ লোপকে বলা হয় ধ্বনিচ্যুতি বা ব্যঞ্জনচ্যুতি ।

যেমন:
- বউদিদি > বউদি,
- বড়দাদা > বড়দা,
- ছোটদাদা > ছোটদা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১০.
কোনটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত ব্যাকরণ বিষয়ক গ্রন্থ?
  1. ব্যাকরণ মঞ্জুরী
  2. ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ
  3. বাংলা ভাষার ব্যাকরণ
  4. ব্যাকরণ কৌমুদী
সঠিক উত্তর:
ব্যাকরণ কৌমুদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাকরণ কৌমুদী
ব্যাখ্যা
'ব্যাকরণ কৌমুদী':
- 'ব্যাকরণ কৌমুদী' ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত ব্যাকরণ গ্রন্থ। তিনি মোট চারটি খণ্ডে গ্রন্থটি রচনা করেন।
- প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড প্রকাশিত হয় ১৮৫৩ সালে, তৃতীয় খণ্ড প্রকাশিত হয় ১৮৫৪ সালে এবং চতুর্থ খণ্ড প্রকাশিত হয় ১৮৬২ সালে।
- ‘ব্যাকরণ কৌমুদী’ গ্রন্থটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বিখ্যাত বৈয়াকরণিক পাণিনির অষ্টাধ্যায়ী নামক সংস্কৃত ব্যাকরণ থেকে অনুবাদ করেন।

অন্যদিকে,
- ড. মুহম্মদ এনামুল হক রচিত ব্যাকরণ গ্রন্থ - ব্যাকরণ মঞ্জুরী।
- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় রচিত ব্যাকরণ গ্রন্থ - ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ।
- মুনীর চৌধুরী রচিত ব্যাকরণ গ্রন্থ - বাংলা ভাষার ব্যাকরণ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১১.
কোনটি স্বচ্ছ যুক্তবর্ণ?
  1. ক্ষ
  2. শ্ছ
  3. জ্ঞ
  4. ষ্ণ
সঠিক উত্তর:
শ্ছ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্ছ
ব্যাখ্যা
সহজে চেনা যায়, কখনো সহজে চেনা যায় না, এদিক দিয়ে যুক্তবর্ণ দুই রকম।
যথা:
১. স্বচ্ছ ও
২. অস্বচ্ছ।

স্বচ্ছ যুক্তবর্ণ:

- ক্ট, জ্জ, জ্ব, ঞ, ণ্ট, ণ্ঠ, দ্দ, দ্ব, ণ্ঠ, ড্ড, ন্স, প্ট, প্ত, প্প, ন্স, ল্প, ল্ট, ল্ড, ল্প, শ্চ, শ্ছ, ষ্ট, ষ্ঠ, স্ফ, স্খ, স্ট, স্ক ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ: ক্ষ = (ক্ + ষ), জ্ঞ = (জ্‌  + ঞ), ষ্ণ = (ষ্ + ণ)।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১২.
"মুলুক > মুল্লুক" কোন ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ?
  1. অভিশ্রুতি
  2. সমীভবন
  3. ব্যঞ্জনদ্বিত্ব
  4. ব্যঞ্জন বিকৃতি
সঠিক উত্তর:
ব্যঞ্জনদ্বিত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যঞ্জনদ্বিত্ব
ব্যাখ্যা
দ্বিত্ব ব্যঞ্জন বা ব্যঞ্জনদ্বিত্ব:
- কখনো কখনো জোর দেয়ার জন্য শব্দের অন্তর্গত ব্যঞ্জনের দ্বিত্ব উচ্চারণ হয়, একে দ্বিত্ব ব্যঞ্জন বা ব্যঞ্জনদ্বিত্ব বলে।

যেমন:
- পাকা > পাক্কা,
- সকাল > সক্কাল,
- মুলুক > মুল্লুক,
- বড় > বড্ড,
- কিছু > কিচ্ছু ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৩.
কোনটি বাংলা ভাষার নিজস্ব লিপি?
  1. কুটিল
  2. খরোষ্ঠী
  3. বাংলা
  4. ব্রাহ্মী
সঠিক উত্তর:
বাংলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলা
ব্যাখ্যা
বাংলা লিপি:
- বাংলা ভাষার নিজস্ব লিপি রয়েছে। এই লিপির নাম - বাংলা লিপি
- বাংলা লিপিতে মূল বর্ণের সংখ্যা ৫০টি – স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি।
- প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে উপমহাদেশে ব্রাহ্মী লিপির জন্ম হয়।
- ব্রাহ্মী লিপির পূর্ব-ভারতীয় শাখা দশম শতক নাগাদ কুটিল লিপি নামে পরিচিতি লাভ করে। বাংলা লিপি এই কুটিল লিপির বিবর্তিত রূপ।
- অহমিয়া, বোড়ো, মণিপুরি প্রভৃতি ভাষাও বাংলা লিপিতে লেখা হয়। সংস্কৃত এবং মৈথিলি ভাষা এক সময়ে এই লিপিতে লেখা হতো।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৪.
‘লঞ্চ’ শব্দটির যুক্তবর্ণের সঠিকরূপ কোনটি?
  1. ঞ্ + ছ
  2. ঞ্ + চ
  3. চ্ + ঞ
  4. ছ্ + ঞ
সঠিক উত্তর:
ঞ্ + চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঞ্ + চ
ব্যাখ্যা
• ‘লঞ্চ’ শব্দের যুক্তবর্ণের সঠিকরূপ - ঞ্চ = ঞ্ + চ

গুরুত্বপূর্ণ কিছু যুক্তবর্ণ:
- হ্ + ম = হ্ম,
- হ্ + উ = হু,
- হ্ + ঋ = হৃ,
- হ্ + ন = হ্ন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, (সংস্করণ-২০২১)।
১৫.
একটি স্বরধ্বনির প্রভাবে শব্দে অপর স্বরের পরিবর্তন ঘটলে, তাকে কী বলে?
  1. স্বরসঙ্গতি
  2. স্বরভক্তি
  3. সম্প্রকর্ষ
  4. স্বরলোপ
সঠিক উত্তর:
স্বরসঙ্গতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বরসঙ্গতি
ব্যাখ্যা
স্বরসঙ্গতি:
- একটি স্বরধ্বনির প্রভাবে শব্দে অপর স্বরের পরিবর্তন ঘটলে তাকে বরসঙ্গতি বলে।
যেমন: দেশি > দিশি, বিলাতি > বিলিতি, মুলা > মুলাে ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
মধ্য স্বরাগম বা বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি:
- সময় সময় উচ্চারণের সুবিধার জন্য সংযুক্ত ব্যঞ্জন-ধ্বনির মাঝখানে স্বরধ্বনি আসে। একে বলা হয় মধ্য স্বরাগম বা বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি।
যেমন: রত্ন > রতন।

সম্প্রকর্ষ বা স্বরলোপ:
- দ্রুত উচ্চারণের জন্য শব্দের আদি, অন্ত্য বা মধ্যবর্তী কোনো স্বরধ্বনির লোপকে বলা হয় সম্প্রকর্ষ বা স্বরলোপ।
যেমন: আটমেসে ˃ আটাসে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৬.
"চ, ছ, জ" এই তিনটি ধ্বনির উচ্চারণ স্থান কোথায়?
  1. ওষ্ঠ
  2. জিহ্বামূল
  3. অগ্রতালু
  4. অগ্র দন্তমূল
সঠিক উত্তর:
অগ্রতালু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্রতালু
ব্যাখ্যা
• "চ, ছ, জ" এই তিনটি ধ্বনির উচ্চারণ স্থান - অগ্রতালু

অগ্রতালু বা তালব্য বর্ণ বর্ণ:
- চ, ছ, জ, ঝ, ঞ, শ, য, য়।

অন্যদিকে,
অগ্র দন্তমূলীয় বর্ণ গুলো হলো:
- ত, থ, দ, ধ, ন, ল, স।

অন্যদিকে,
জিহ্বামূলীয় বর্ণ:
- ক, খ, গ, ঘ, ঙ।

ওষ্ঠ বর্ণ:
- প, ফ, ব, ভ, ম।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৭.
জিভের অবস্থা অনুযায়ী 'ও' কোন শ্রেণির স্বরধ্বনি?
  1. সম্মুখ
  2. মধ্য
  3. পশ্চাৎ
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পশ্চাৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পশ্চাৎ
ব্যাখ্যা
আবার, জিভের সম্মুখ -পশ্চাৎ অবস্থান অনুযায়ী স্বরধ্বনি তিন ভাগে বিভক্ত।
যথা -
১. সম্মুখ স্বরধ্বনি: ই, এ, অ্যা।
২. মধ্য স্বরধ্বনি: আ।
৩. পশ্চাৎ স্বরধ্বনি: অ, ও, উ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতিউচ্চ, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৮.
'ট' বর্গের বর্ণসমূহের উচ্চারণ স্থান কোনটি?
  1. মূর্ধন্য
  2. দন্ত্য
  3. ওষ্ঠ্য
  4. তালব্য
সঠিক উত্তর:
মূর্ধন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূর্ধন্য
ব্যাখ্যা
• ক-ম পর্যন্ত ২৫ টি স্পর্শধ্বনি।
- উচ্চারণস্থান অনুযায়ী এগুলোকে পাঁচ ভাগে ভাগ করা যায়। 

উচ্চারণ স্থান- কণ্ঠ্য; ক বর্গীয় বর্ণ: ক, খ, গ, ঘ, ঙ।
উচ্চারণ স্থান- তালব্য; চ বর্গীয় বর্ণ: চ, ছ, জ, ঝ, ঞ।
উচ্চারণ স্থান- মূর্ধন্য; ট বর্গীয় বর্ণ: ট, ঠ, ড, ঢ, ণ।
উচ্চারণ স্থান- দন্ত্য; ত বর্গীয় বর্ণ: ত, থ, দ, ধ, ন।
উচ্চারণ স্থান- ওষ্ঠ্য; প বর্গীয় বর্ণ: প, ফ, ব, ভ, ম।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৯.
‘ব্রহ্মপুত্র’ শব্দটির যুক্তবর্ণের সঠিকরূপ কোনটি?
  1. ম + হ
  2. ক + ষ
  3. হ + ম
  4. ক + ষ + ম
সঠিক উত্তর:
হ + ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হ + ম
ব্যাখ্যা
• ‘ব্রহ্মপুত্র’ শব্দটির যুক্তবর্ণের সঠিকরূপ - হ + ম = হ্ম

গুরুত্বপূর্ণ কিছু যুক্তবর্ণ:
জ্ঞ = (জ্‌ + ঞ),
ঞ্চ = (ঞ + চ),
ঞ্জ = (ঞ + জ),
ষ্ণ = (ষ্ + ণ)
হু = (হ্ + উ),
হৃ = (হ + ঋ),
হ্ন = (হ্ + ন),
হ্ম = (হ্ + ম) ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
২০.
কোনটি "আ" বর্ণের সংবৃত উচ্চারণ?
  1. জ্ঞান
  2. আশা
  3. আলো
  4. আকাশ
সঠিক উত্তর:
জ্ঞান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জ্ঞান
ব্যাখ্যা
আ: আ-এর উচ্চারণও দু রকম:

স্বাভাবিক (আ-এর মতো):
- আগামী (আগামি), আমরা (আম্‌রা), আশা (আশা), আকাশ (আকাশ্‌), আলো (আলো)

সংবৃত বা পরিবর্তিত (অ্যা-এর মতো):
- জ্ঞান (গ্যাঁন্‌), বিখ্যাত (বিক্খ্যা‌তো)।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
২১.
সর্বনামপদের চলিতরূপ কোনটি?
  1. ইহা
  2. এই
  3. তাহা
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
• সর্বনামপদের চলিতরূপ - এ।
- এর সাধুরূপ - এই, ইহা।

সর্বনামপদের রূপের পার্থক্য:

সাধু-চলিত:
→ ইহাকে-একে,
→ ইহাদের এদের,
→ উহা-ও,
→ উহাদিগের-ওদের,
→ কাহাকে-কাকে,
→ কেহ-কেউ,
→ তাহা-তা,
→ তাহার-তার ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
২২.
কোন দুটি অঘোষ ধ্বনি?
  1. ঝ, গ
  2. ছ, শ
  3. ন, র
  4. ভ, ম
সঠিক উত্তর:
ছ, শ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছ, শ
ব্যাখ্যা
• ছ, শ - দুটি অঘোষ ধ্বনি।

ঘােষ ব্যঞ্জন:

যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ধ্বনিদ্বারের কম্পন অপেক্ষাকৃত বেশি, সেসব ধ্বনিকে বলা হয় ঘােষধ্বনি। যথা:
ব, ভ, ম, দ, ধ, ন, র, ল, ড, ঢ, ড়, ঢ়, জ, ঝ, গ, ঘ, ঙ ।

অঘোষ ব্যঞ্জন:
যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ধ্বনিদ্বারের কম্পন অপেক্ষাকৃত কম, সেসব ধ্বনিকে বলা হয় অঘােষধ্বনি, যথা:
প, ফ, ত, থ, স, ট, ঠ, চ, ছ, শ, ক, খ, হ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, (২০২১ সংস্করণ)।
২৩.
"শিরশ্ছেদ" শব্দের সঠিক উচ্চারণ কোনটি?
  1. শিরোশ্‌ছেদ
  2. শিরশ্‌ছেদ
  3. শিরোঁশ্‌চেদ
  4. শিরোষঁছেদ
সঠিক উত্তর:
শিরোশ্‌ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিরোশ্‌ছেদ
ব্যাখ্যা
'শ' এর কয়েক রকম উচ্চারণ হয়:

স্বতন্ত্র শ-এর মতো:
- শক্তি (শোক্‌তি), মশা (মশা), শাসন (শাশোন্‌), সচিব (শোচিব)। 

যুক্ত শ + চ/ছ: শ-এর মতো:
- নিশ্চয় (নিশ্‌চয়), শিরশ্ছেদ (শিরোশ্‌ছেদ)

যুক্ত শ + ন/র: ইংরেজি S-এর মতো:
- প্রশ্ন (প্রোস্‌নো), শ্রম (স্রোম্)।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
২৪.
সাধুরীতির জন্ম হয় কত শতকে?
  1. চতুর্দশ শতক
  2. ষোড়শ শতক
  3. উনিশ শতক
  4. একুশ শতক
সঠিক উত্তর:
উনিশ শতক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উনিশ শতক
ব্যাখ্যা
- ব্যবহারিক প্রয়োজনে ক্রমে লেখ্য গদ্য রীতির জন্ম হয়।
- উনিশ শতকের সূচনায় এই গদ্য রীতি সাধু রীতির জন্ম দেয়।
- বিশ শতকের সূচনায় সাধু রীতির পাশাপাশি চলিত রীতি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
- একূশ শতকের সূচনায় চলিত রীতির একটি আদর্শ রূপ প্রমিত রীতি হিসেবে গৃহীত হয়েছে।
- এই প্রমিত রীতি লেখ্য বাংলা ভাষার সর্বজনগ্রাহ্য লিখিত রূপ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
২৫.
কোন দুটি অল্পপ্রাণ ব্যঞ্জনধ্বনি?
  1. ঢ, ঢ়
  2. খ, ঘ
  3. ড, ড়
  4. থ, ধ
সঠিক উত্তর:
ড, ড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড, ড়
ব্যাখ্যা
• ড, ড় - দুটি অল্পপ্রাণ ব্যঞ্জনধ্বনি।

অল্পপ্রাণ ব্যঞ্জন:

সেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ফুসফুস থেকে নির্গত বায়ুপ্রবাহের মাত্রা অপেক্ষাকৃত কম, সেগুলােকে বলা হয় অল্পপ্রাণ ধ্বনি।
যেমন - প, ব, ত, দ, স, ট, ড, ড়, চ, জ, শ, ক, গ ইত্যাদি।

মহাপ্রাণ ব্যঞ্জন:
সেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ফুসফুস থেকে নির্গত বায়ুপ্রবাহ অপেক্ষাকৃত বেশি, সেগুলােকে বলা হয় মহাপ্রাণ ধ্বনি।
যেমন – ফ, ভ, থ, ধ, ঠ, ঢ, ঢ়, ছ, ঝ, খ, ঘ, হ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, (২০২১ সংস্করণ)।
২৬.
যুক্তবর্ণের কোন রূপটি সঠিক?
  1. ক্ম = ক্ + ন
  2. গু = গ্ + উ
  3. জ্ঞ = জ্‌ + ঙ
  4. হৃ = হ + ন
সঠিক উত্তর:
গু = গ্ + উ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গু = গ্ + উ
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ যুক্তবর্ণ -  গু = গ্ + উ
 
অন্যদিকে,
অশুদ্ধ যুক্তবর্ণের শুদ্ধরূপ:
- ক্ম = ক্ + ম,
- জ্ঞ = জ + ঞ,
- হৃ = হ + ঋ।
 
গুরুত্বপূর্ণ কিছু যুক্তবর্ণ:
ক্ষ্ম = (ক্ + ষ্ + ম),
ক্স = (ক্ + স),,
গ্ধ = (গ্ + ধ),
ঙ্গ = (ঙ্ + গ),
ণ্ড = (ণ্ + ড) ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি( ২০২২ সংস্করণ)।
২৭.
কোনটি বিশেষ্যপদের সাধুরূপ?
  1. হাতি
  2. ব্যাঘ্র
  3. আগুন
  4. চাঁদ
সঠিক উত্তর:
ব্যাঘ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাঘ্র
ব্যাখ্যা
কিছু বিশেষ্যপদের রূপের পার্থক্য:
সাধু-চলিত:
→ অগ্নি - আগুন,
→ কর্ণ - কান,
→ চন্দ্র - চাঁদ,
→ দন্ত - দাঁত,
→ পক্ষী - পাখি,
→ ব্যাঘ্র - বাঘ,
→ মৎস্য - মাছ,
→ হস্তী - হাতি।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
২৮.
ধ্বনি নির্দেশক চিহ্নকে কী বলা হয়?
  1. শব্দ
  2. পদ
  3. বাক্য
  4. বর্ণ
সঠিক উত্তর:
বর্ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণ
ব্যাখ্যা
• ধ্বনি নির্দেশক প্রতীক বা চিহ্নকে - বর্ণ বলে।
- ভাষা লিখে প্রকাশ করার সাংকেতিক চিহ্ন সমূহকে বর্ণ বলে। বর্ণ হলো দৃশ্যগ্রাহ্য রূপ। ধ্বনি হলো শ্রুতিগ্রাহ্য রূপ।

আরো কিছু তথ্য:
- ভাষার ক্ষুদ্রতম একক - ধ্বনি;
- ভাষার মূল ভিত্তি - ধ্বনি;
- ধ্বনি নির্দেশক চিহ্ন - বর্ণ;
- ভাষার মূল উপকরণ - বাক্য;

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২৯.
জিভের উচ্চতা অনুযায়ী উচ্চ স্বরধ্বনি কোনগুলো?
  1. অ্যা, অ
  2. এ, ও
  3. ই, উ
সঠিক উত্তর:
ই, উ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ই, উ
ব্যাখ্যা
উচ্চারণের সময়ে জিভ কতটা নিচে নামে সেই অনুযায়ী স্বরধ্বনি চার ভাগে বিভক্ত।
যথা -
১. উচ্চ স্বরধ্বনি - ই, উ।
২. উচ্চ -মধ্য স্বরধ্বনি - এ, ও।
৩. নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনি - অ্যা, অ।
৪. নিম্ন স্বরধ্বনি - আ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
৩০.
কোনটি মাত্রাহীন ব্যঞ্জনবর্ণ?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
মাত্রাহীন বর্ণ: 
- বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা ১০ টি। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ৪টি এ, ঐ, ও, ঔ এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৬টি (ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ,)। 
 
অর্ধমাত্রার বর্ণ: 
- বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রার বর্ণ ৮টি। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ১টি (ঋ) এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৭টি (খ, গ, ণ, থ, ধ, প, শ)। পূর্ণমাত্রার বর্ণ: 
 
উল্লেখ্য, 
- বাংলা বর্ণমালায় পূর্ণ মাত্রার বর্ণ ৩২টি। 
- এর মধ্যে স্বরবর্ণ ৬টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ২৬টি।
 
উৎস: বাংলা ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।