ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ৬ প্রশ্ন
১.
এ পর্যন্ত মোট কয়টি সংশোধনী হাইকোর্ট কর্তৃক বাতিল ঘোষিত হয়েছে?
ক
ক) ৫টি
খ
খ) ৩টি
গ
গ) ৪টি
ঘ
ঘ) ২টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সংবিধানে বর্তমান পর্যন্ত মোট ১৭টি সংশোধনী আনা হয় • এর মধ্যে চারটি সংশোধনী হাইকোর্ট কর্তৃক বাতিল ঘোষিত হয়েছে। এগুলো হলো:- ১। পঞ্চম সংশোধনী (১৯৭৯) : বাতিল (আগস্ট ২০০৫) ২। সপ্তম সংশোধনী (১৯৮৬) : বাতিল (আগস্ট ২০১০) ৩। ত্রয়োদশ সংশোধনী (১৯৯৬) : বাতিল (২০১১) ৪। ষোড়শ সংশোধনী (২০১৪) : বাতিল (২০১৭)।
তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান।
২.
সপ্তদশ সংশোধনী জাতীয় সংসদে গৃহীত হয় কবে?
ক
ক) ২০১৫
খ
খ) ২০১৬
গ
গ) ২০১৬
ঘ
ঘ) ২০১৮
ব্যাখ্যা
• এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের সংবিধান মোট ১৭ বার সংশোধন হয়েছে। সপ্তদশ সংশোধনী • সংসদে উত্থাপন: ৮ এপ্রিল, ২০১৮ • উত্থাপনকারী: আইনমন্ত্রী আনিসুল হক • সংসদে পাশ/গৃহীত - ৮ জুলাই, ২০১৮ • রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ: ২৯ জুলাই, ২০১৮
• সংবিধানের সপ্তদশ সংশোধন আইন অনুসারে, একাদশ সংসদ থেকে সংরক্ষিত নারী আসনের মেয়াদ ১০ বছর থেকে বাড়িয়ে ২৫ বছর করা হয়। • ৬৫(৩) নং অনুচ্ছেদ সংশোধন করে সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের মেয়াদ ২৫ বছর বৃদ্ধি করা হয়।
তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান।
৩.
'স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র' কোন তফসিলে অর্ন্তভূক্ত করা হয়েছে?
ক
ক) চতুর্থ তফসিল
খ
খ) সপ্তম তফসিল
গ
গ) ষষ্ঠ তফসিল
ঘ
ঘ) পঞ্চম তফসিল
ব্যাখ্যা
⇨ বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল রয়েছে। এগুলো হলো - ⇨ প্রথম তফসিল • অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন। ⇨ দ্বিতীয় তফসিল • রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত।
⇨ তৃতীয় তফসিল (শপথ ও ঘোষণা) • ১৪৮ অনুচ্ছেদের দাবি অনুযায়ী এই তৃতীয় তফসিলটি প্রণয়ন করা হয়রছে। রাষ্ট্রে সাংবিধানিক পদে দায়িত্ব পালনকারী বিভিন্ন ব্যক্তি যেসব শপথ ঘোষণার মধ্য দিয়ে তাদের দায়িত্ব পালন শুরু করেন সেগুলোই এই তৃতীয় তফসিলে উল্লেখিত হয়েছ ।
⇨ চতুর্থ তফসিল • ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী। ⇨ পঞ্চম তফসিল • ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ। ⇨ ষষ্ঠ তফসিল • স্বাধীনতার ঘোষণা। ⇨ সপ্তম তফসিল • স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।
তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান।
৪.
রাষ্ট্রপতির 'ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার' সংবিধানের কততম অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে?
ক
ক) অনুচ্ছেদ ৫০
খ
খ) অনুচ্ছেদ ৫২
গ
গ) অনুচ্ছেদ ৪৮
ঘ
ঘ) অনুচ্ছেদ ৪৯
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৪৯ : ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার কোন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত যে−কোন দণ্ডের মার্জনা, বিলম্বন ও বিরাম মঞ্জুর করার এবং যেকোন দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির থাকবে।
"বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট" নামে বাংলাদেশের একটি সর্বোচ্চ আদালত থাকবে - এটি সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে?
ক
ক) অনুচ্ছেদ ৯৪
খ
খ) অনুচ্ছেদ ৯৬
গ
গ) অনুচ্ছেদ ৯৫
ঘ
ঘ) অনুচ্ছেদ ৯৩
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৯৪ : সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা (১) "বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট" নামে বাংলাদেশের একটি সর্বোচ্চ আদালত থাকবে এবং আপীল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ নিয়ে তা গঠিত হবে। (২) প্রধান বিচারপতি যিনি "বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি" নামে অভিহিত হবেন এবং প্রত্যেক বিভাগে রাষ্ট্রপতি যেরূপ সংখ্যক বিচারক নিয়োগের প্রয়োজন বোধ করবেন, সেইরূপ সংখ্যক অন্যান্য বিচারক নিয়ে সুপ্রীম কোর্ট গঠিত হবে। (৩) প্রধান বিচারপতি ও আপীল বিভাগে নিযুক্ত বিচারকগণ কেবল উক্ত বিভাগে এবং অন্যান্য বিচারক হাইকোর্ট বিভাগে আসন গ্রহণ করবেন। (৪) প্রধান বিচারপতি এবং অন্যান্য বিচারক বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকবেন।
পঞ্চদশ সংশোধনী • উত্থাপন: ২৫ জুন ২০১১ • উত্থাপনকারী: আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমদ উত্থাপন করেন • গৃহীত: ৩০ জুন ২০১১ • রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ: ৩ জুলাই ২০১১ সালে।
সংশোধনীর বিষয়বস্তু ⇨ এই সংশোধনী দ্বারা সংবিধানে ৮,৯,১০,১২ অনুচ্ছেদ পুণর্বহাল করায় বাহাত্তরের মূল সংবিধানের চেতনাকে ধারণ করা সম্ভব হয়েছে অর্থাৎ ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা পুনর্বহাল করা হয় এবং রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হিসেবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়। ⇨ এই সংশোধনীর মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের নায়ক শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক হিসেবে স্বীকৃতিও দেওয়া হয়। ⇨ এই সংশোধনীর মাধ্যমে পূর্বের ৪টি তফসিলের সাথে আরো নতুন ৩ টি তফসিল যুক্ত করা হয়েছে। ⇨ প্রস্তাবনায় ‘‘বিস্মিল্লাহির-রহ্মানির রহিম (দয়াময়, পরম দয়ালু, আল্লাহের নামে)’’ এর সাথে ‘পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার নামে’ সংযুক্ত করা হয়। ⇨ ‘‘জাতীয় স্বাধীনতার জন্য ঐতিহাসিক যুদ্ধের’’ শব্দগুলির পরিবর্তে [জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের] প্রতিস্থাপিত। ⇨ ৪ক অনুচ্ছেদ (জাতির পিতার প্রতিকৃতি) প্রতিস্থাপিত হয়। ⇨ এই সংশোধনীর দ্বারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়। ⇨ ৬৫(৩) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বিদ্যমান ৪৫-এর স্থলে ৫০ করা হয়। ⇨ সংবিধানে ৭ অনুচ্ছেদের পরে ৭ (ক) ও ৭ (খ) অনুচ্ছেদ সংযোজন করে সংবিধান বহির্ভূত পন্থায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের পথ রুদ্ধ করা হয়। ⇨ এই সংশোধনীর দ্বারা সংবিধান সংশোধনের জন্য গণভোটের বিধানটি বাতিল করা হয়।